সৃষ্টি ড্যান্স অ্যাকাডেমি আয়োজিত স্নেহদিয়া সম্মান জানাল ১০ জন তারকার মা কে। এরকম অভিনব অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন সৃষ্টি ড্যান্স অ্যাকাডেমির কর্ণধার ইন্দ্রাণী গাঙ্গুলি। কলকাতার একটি খ্যাতনামা হোটেলে তারকার মায়েদের সম্মানিত করা হয়। বিশেষ দিনে মা দের পছন্দের মুখ হিসাবে বেছে নেওয়া হল জয়তী চক্রবর্তী, সুদীপা চট্টোপাধ্যায়, সৈয়দ আরেফিন, সুদীপা বসু, মেখলা দাশগুপ্ত ও দেবলীনা দত্ত কে। সুদীপা চট্টোপাধ্যায়, দেবলীনা দত্ত, সন্দীপ্তা সেন, এনা সাহা এদের মা দের দেওয়া হল রত্নাগর্ভা পুরস্কার। দেবলীনা দত্ত স্টেজ এ উঠে বলেন তার লাইফে তার দ্বিতীয় মা হল সুদীপা বসু। তাই এই অ্যাওয়ার্ডটি সুদীপা বসুর হাতেও দিতে চান তিনি।
প্রকৃতির অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্যে সর্বাগ্রে দরকার প্রাণী ও উদ্ভিদকুলের সঙ্গে মানুষের বন্ধন। কিন্তু নগরায়ন, অরণ্য বিনাশ, প্ল্যাস্টিকের ব্যবহার ও মানুষের নানা কর্মকাণ্ডের জন্যে অবলুপ্তি ঘটেছে সেই বন্ধনের। তার কারণে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী,পতঙ্গ ও উদ্ভিদ। এই বিষয়টিকে মাথায় রেখে কয়েক বছর ধরে এক অনবদ্য কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞান নিয়ে পড়ুশানা করা বাঙালি ছাত্র তরুণ পাল। তিনি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে সংরক্ষণ করে রাখছেন বিলুপ্ত হতেবসা বভিন্ন প্রাণী ও পতঙ্গের মৃত দেহ। আর এই কাজেরই স্বীকৃতি স্বরুপ তিনি পেয়েছেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরের নানা পুরস্কার ও মানপত্র। যা নিয়ে গর্বিত ছাত্র তরুণের পরিবার পরিজন ও এলাকাবাসী।দার্জিলিং হিল ইউনিভার্সিটি থেকে গণিত বষয়ে এম-এসসি পাঠরত ছাত্র তরুণ পালের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের বোঁয়াইচণ্ডী গ্রামে। তাঁর বাবা নিত্যানন্দ পাল পেশায় ভাগ চাষি। মা ঝর্ণাদেবী সাধারণ গৃহবধূ।বোন মনীষা পাল পড়াশুনা করছে স্নাতক স্তরে। গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশুনা কালেই বিভিন্ন প্রাণী,পতঙ্গ ও উদ্ভিদের বিষয়ে জানার আগ্রহ বাড়তে শুরু করে ছাত্র তরুণের। সেই সময় থেকেই তিনি বিভিন্ন প্রাণী,পতঙ্গ ও উদ্ভিদের বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠ শেষ করে হাই স্কুলে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা কালে তরুণ জানতে পারেন শুধু ডাইনোসর, নয়, আরো অনেক প্রাণী ও পতঙ্গ এই পৃথিবী থেকে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। তিনি শিক্ষকদের কাছথেকে ও বই পড়ে এও জানতে পারেন, এই বিলুপ্তির কারণ মূলত নগরায়ন, অরণ্য বিনাশ, প্ল্যাস্টিকের ব্যবহার ও মানুষের নানা কর্মকাণ্ড। এরপর উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে পাঠরত কাল থেকেই ছাত্র তরুণ পাল বিভিন্ন প্রাণী ও কীটপতঙ্গের মৃতদেহ সংরক্ষণ করে রাখার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে বসেন। এর কারণ প্রসঙ্গে তরুণের বক্তব্য, বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার পরেও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তাঁর সংরক্ষণে থাকা প্রাণী ও পতঙ্গের দেহ গুলি দেখে তাদের বিষয়ে জানতে পারবে।তরুণ পাল জানান, নগরায়নের জাঁতাকলে পড়ে গ্রামে গঞ্জেও বনাঞ্চল কমছে। এছাড়াও দূষণ যেমন বেড়েছে তেমনি বেড়েছে প্লাস্টিক ও কিটনাসকের ব্যবহার। এইসবের কারণে বিভিন্ন প্রাণী ও কীটপতঙ্গ অবলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। তা অনুধাবন করেই তিনি প্রথম সংরক্ষণ করেন একটি মৃত খরগোশের দেহ। এই কাজটি করার জন্যে তিনি স্কুল জীবনে ল্যাবরেটরিতে ছুরি, কাঁচির ব্যবহার বিষয়ে যে শিক্ষা পেয়েছিলেন সেটাকেই কাজে লাগান।তরুণ পাল বলেন, প্রথমে ছুরি ও কাঁচির সাহায্যে মৃত খরগোসের দেহ থেকে নাড়িভুঁড়ি ও অন্যান অংশ কেটে বের করে দেন। তারপর নিজস্ব পদ্ধতিতে তৈরি ফরমালিন মেশানো লবন সিক্ত জলে ওই খরগোশের দেহ ৭-৮ ঘন্টা চুবিয়ে রাখার পর সেটিকে শুকিয়ে নেন। এরপর খরগোশের ওই গোটা দেহাংশ অক্সিজেন বিহীন কাঁচের জারে ভরে শিল করে দেন। ৫-৬ বছর হয়ে গেল ওই কাঁচের জারেই অক্ষত রয়েছে খরগোশের দেহাংশ। কোন পচনও ধরে নি। একই পদ্ধতি অনুসরণ করে ফিতাকৃমি, বেঙাচি, সাপের বাচ্চা, বেজি, গিরগিটি,তেঁতুলে বিছা, মথ, রাত পাখি, ইঁদুরের ভ্রুণ এবং শিবলিঙ্গ ফুল সংরক্ষণ করে বাড়িতে রেখেছেন বলে ছাত্র তরুণ পাল জানিয়েছেন।জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহল থকে পুরস্কৃত ভাগ চাষি ছেলেঅভিনব ভাবনার এই কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ ভাগ চাষীর ছেলে তরুন পাল জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহল থেকেও নানা পুরস্কার এবং মানপত্র পেয়েছেন। হোপ ইন্টারন্যাশানাল, ইন্ডিয়ান,স্টেট ও স্টার বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড এর স্বীকৃতি পত্র ও পুরস্কার তরুণ পালের ঘরে তো সাজানো রয়েইছে। এছাড়াও ওয়ার্ল্ড ওয়াইড রেকর্ড, ডিসকভার ওয়ার্ল্ড রেকর্ড, ওয়ার্ল্ড গ্রেটেস্ট রেকর্ড, ইন্ডিয়াস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড সহ ১৭ টি সংস্থার স্বীকৃতি ও পুরস্কার ইতিমধ্যেই ছাত্র তরুণ লাভ করেছেন।ছেলের এই পুরস্কার প্রাপ্তিতে গর্বিত তাঁর বাবা নিত্যানন্দ পাল ও মা ঝর্ণাদেবী। নিত্যানন্দ বাবু বলেন,ছেলে মরা প্রাণী ও পতঙ্গ নিয়ে আসলে কি করতে ছাইছে তার কিছুই প্রথমে তিনি বুঝতে পারিনি। পরে ধীরে ধীরে বুঝতে পারি আমার ছেলে তরুণের ভাবনার গভীরতা অনেক। এই টুকু বুঝেছি, একটা দিন হয়তো এমন আসবে যখন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা অবলুপ্ত হয়ে যাওয়া অনেক প্রাণী ও পতঙ্গের বিষয়ে জানতে আমার বাড়িতেই আসবে। মা ঝর্ণাদেবী বলেন, আমার ছেলে তরুণ শুধু মাত্র বিলুপ্ত হতে বসা প্রাণী ও পতঙ্গের দেহ সংরক্ষণ করে রাখার কাজের মধ্যেই নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখে নি। বাবা ও মায়েরা তাঁদের শিশুকে কিভাবে মানুষ করলে ও শিক্ষা দিলে ওই শিশুর মধ্যে সু-ভাবনা চিন্তা সম্পন্ন মানসিকতা গড়ে উঠবে এবং বড় হয়ে সে সকলের জন্য ভাববে এই বিষয়টি নিয়ে তরুণ গবেষণা মূলক একটি বইও লিখছে। পাশাপাশি অবহেলিত তৃতীয় লিঙ্গের মানুষজনের ভালোর জন্যে কিছু কাজ করার ব্যাপারেও উদ্যোগ নিচ্ছে ছেলে তরুণ। মানব কল্যাণমূলক কাজে ছেলের সাথী হতে চান বলে ঝর্ণাদেবী জানিয়েছেন। খণ্ডঘোষের জেলাপরিষদ সদস্য অপার্থিব ইসলাম ও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অসিত কুমার বাগদি বলেন, তরুণ পালের ভবনা চিন্তা ও কর্মকাণ্ড এক কথায় অনবদ্য। উনি গোটা খণ্ডঘোষ বাসীকে গর্বিত করেছেন। যে কোন প্রয়োজনে উনার পাশে আমরা থাকবো।
আজ পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন। বিশেষ দিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই শুভেচ্ছাবার্তা পাঠিয়েছেন অভিনেতা-পরিচালককে। তাঁর জন্মদিনের দিন মুক্তি পাচ্ছে শিবপ্রসাদ মুখার্জি ও নন্দিতা রায় পরিচালিত ছবি বেলাশুরু। ফলে একটা বাড়তি উন্মাদনা তো রয়েছেই।শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানালেন ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধু সুজন নীল মুখার্জি। সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে পুরনো স্মৃতিতে ফিরে গেছেন নীল। শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দুটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে নীল লিখেছেন, শুভ জন্মদিন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়...বন্ধুত্বের হয় না পদবী (১৯৯৪-???) নতুন ছবির জন্য অনেক শুভেচ্ছা। দুটি ছবির মধ্যে একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে ১৯৯৬ সালে অঞ্জন দত্ত পরিচালিত স্বপ্ন নিয়ে সিরিয়ালে দুজনের অভিনয়ের একটা দৃশ্য। আরেকটি ছবি শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়ের হামি সিনেমার শুটিংয়ে পরিচালকের সঙ্গে সেলফি।এদিকে উইন্ডোজ প্রোডাকশন হাউসের সোশ্যাল মিডিয়ার পেজ থেকে পরিচালকের জন্মদিনে লাইভ করে কেক কাটার ভিডিও দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। কমেন্ট বক্সে অনেকেই পরিচালককে হার্দিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুরে বাংলা পক্ষ সংগঠনের জেলা শাখার আয়োজনে বৃহস্পতিবার ১৯ শে মে বরাক উপত্যকার একাদশ অমর ভাষাশহীদদের স্মরণ করা হয়। এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয় এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে। এই শোভাযাত্রায় বাংলা পক্ষের সসদ্যদের সাথে পা মেলান বহরমপুর সহ মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষজন। শোভাযাত্রার পথে বর্ণপরিচয় স্রষ্ঠা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেন ও ক্ষুদিরাম বসুর মূর্তিতে মাল্যদান করেন বাংলা পক্ষের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়।ভাষা আন্দোলন বলতে আমরা সাধারণ ভাবে যে দিনটির কথা জানি সেটা হল ২১ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু স্বাধীন ভারতের মাটিতে হওয়া বাংলা ভাষা আন্দোলন দিবস ১৯ শে মে এবং ১ লা নভেম্বরের কথা অনেকেই জানে না। উল্লেখ্য, আসামের বরাক উপত্যকার বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল আসাম সরকারের অসমীয়া ভাষাকে রাজ্যের একমাত্র সরকারি ভাষা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, যেহেতু সেই অঞ্চলে বসবাসকারী জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল বাংলাভাষী। এই গণ ঘটনাটি ১৯৬১ সালের ১৯ মে, ১১ জন প্রতিবাদে সামিল ভাষা আন্দোলনকারি কে শিলচর রেলওয়ে স্টেশনে আসাম রাজ্য পুলিশ নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে।পদযাত্রার শেষে বহরমপুরের কালেক্টরেট ক্লাবের সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা ও সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গর্গ চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও বাংলা পক্ষ শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, নুরুল হাসান ও কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে মঞ্চ আলোকিত করেন অধ্যাপক মধু মিত্র, ও অধ্যাপক জ্যোতির্ময় রায়চৌধুরী।জ্যোতির্ময় বাবু কিভাবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ আন্দামানের বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন সেই কথা তুলে ধরেন, মধু মিত্র মুর্শিদাবাদে বাংলা পক্ষের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে হিন্দী আগ্রাসনের বিরোধিতা শোনা যায় তাঁর কণ্ঠে। সংগঠনের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে বলেন ভারতের প্রত্যেক রাজ্য ভূমিপুত্র সংরক্ষণের মাধ্যমে নিজের জাতির ভবিষ্যত সুরক্ষিত করছে, বাংলা ব্যতিক্রম হতে পারে না। বাংলা পক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির পরীক্ষায় যেমন বাংলা ভাষা দাবি করে তেমন বাংলার রাজ্য সরকারি চাকরিতেও বাংলা ভাষা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি করে। সার্বিক ভাবে বাংলা পক্ষ বাংলা ভাষাকে কাজের ভাষা করে তুলতে চায়। শীর্ষ পরিষদ সদস্য মুর্শিদাবাদ জেলার ভূমিপুত্র তথা বাংলা পক্ষবার্তার প্রধান নুরুল হাসান তাঁর বক্তব্যে বাংলা পক্ষে প্রয়োজনীয়তা, লক্ষ্য ও বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি মুর্শিদাবাদের রেশম, বিড়ি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের কথা তুলে ধরেন। এতো কাজের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও জেলার ছেলে দের কেন ভিনরাজ্যে যেতে হবে সেই প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন বাংলা পক্ষ দাবি করে বেসরকারি চারকিতেও ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। সভায় উপস্থিত জেলা সংগঠনের পর্যবেক্ষক তথা শীষ পরিষদ সদস্য মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন বাংলা পক্ষ ভবিষ্যতের সংগঠন, তরুণ প্রজন্মের সংগঠন। বাংলার যুব সমাজের চাকরি, ব্যবসা, টেণ্ডারে ভূমিপুত্রের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। শুধু সাংস্কৃতিক ভাবে বাংলা ভাষা তথা বাঙালিকে বাঁচানো যাবে না। রাজনৈতিক ভাবেই হিন্দি আগ্রাসনের প্রতিবাদ করতে হবে।শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা বিশিষ্ট চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস চিকিৎসা ক্ষেত্রে বহিরাগতদের সংখ্যা বাড়ায় বাঙালির চিকিৎসা পরিষেবায় সমস্যার কথা বলেন। বলেন বেসরকারি হাসপাতাল গুলিতে বাঙালির বঞ্চনার কথা। আগামীতে এই বিষয়েও বাংলা পক্ষ প্রতিবাদে সরব হবে বলে তিনি জানান। এই সভাটি সঞ্চালনা করেন মুর্শিদাবাদের বাংলা পক্ষের অন্যতম সংগঠক অরিন্দম চন্দ্র।
তলবের পর তলব। পাল্টা একের পর এক আইনজীবীর চিঠি। তবে এবার কী এমন হল যে নিজেই যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে সিবিআই দফতরে হাজির হলেন অনুব্রত? গরুপাচার কাণ্ডে সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার আগেই হাজির হয়ে যান বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। তাহলে কী এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের পরিস্থিতি দেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অনুব্রত মন্ডল। সূত্রের খবর, সিবিআই দফতরে প্রবেশ করতেই তাঁকে রেস্ট রুমে বসানো হয়। প্রশ্নমালা তৈরি করে জিজ্ঞাসাবাদও শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এর আগে বেশ কয়েকজনকে এই মামলায় গ্রেফতার করেছে সিবিআই।এর আগে গরুপাচারকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুব্রত মন্ডলকে একাধিকবার তলব করে সিবিআই। কিন্তু তিনি শারীরিক অসুস্থতার জন্য এসএসকেএমের উডবার্ণ ওয়ার্ডে ভর্তি হয়ে যান। তারপর কলকাতার চিনারপার্কের ফ্লাটে ফিরেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআইকে নানা শর্ত আরোপ করতে থাকেন এই তৃণমূল নেতা। সিবিআই ক্রমাগত ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে থাকে। এই মুহূর্তে সিবিআইয়ের হাতে এই রাজ্যের একাধিক ঘটনার তদন্তভার রয়েছে। এদিকে এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর আগে ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে সিবিআই হাজিরা এড়াতে পেরেছেন। বুধবার ডিভিশন বেঞ্চ সেই সুযোগ দেয়নি। বুধবার রাজ্যের এই প্রবীণ মন্ত্রীকে সাড়ে তিন ঘন্টা সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়। অভিজ্ঞ মহলের ধারনা, পরিস্থিতি বিচার করে আর দেরি করেননি অনুব্রত মন্ডল। তবে ভবিষ্যতে এর কারণ উপলব্ধি করা যেতে পারে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।
মঙ্গলবার ছিল টলিউডের গ্ল্যামারাস অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন। ৩০ বছরে পা দিলেন তিনি। ভক্তদের সঙ্গে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করলেন অভিনেত্রী। সঙ্গে ছিলেন কৌশানির কাছের মানুষ, মনের মানুষ বনি সেনগুপ্ত। জন্মদিনে খুশির খবরও দিলেন অভিনেত্রী।বনি ও কৌশানি প্রযোজনা সংস্থা খুলে ফেললেন। প্রযোজনা সংস্থার নাম বি কে এন্টারটেইনমেন্ট। প্রকাশ্যে এসেছে এই প্রযোজনা সংস্থার লোগো ও। কৌশানি জানিয়েছেন বি কে এন্টারটেইনমেন্ট ছবি নির্মাণ করবে হল রিলিজের জন্য। যে কজন মানুষই হলে গিয়ে তাদের ছবি দেখুক না কেন সেটুকুই তার সবচেয়ে বড় সাফল্যতা। বনি সেনগুপ্ত জানিয়েছেন এই প্রোডাকশন হাউসের শুরুর কাজে বনি ও কৌশানি দুজনেই অভিনয় করবেন। তবে নতুনদের নিয়েও ভালো কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সিনেমা দিয়েই বি কে এন্টারটেইনমেন্ট এর জার্নি শুরু হচ্ছে। তবে আগামী দিনে ওয়েব সিরিজ বানানোর ও পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। বনি ও কৌশানির নতুন জার্নির জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।
মঙ্গলবার ছিল টলিউডের গ্ল্যামারাস অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিন। ৩০ বছরে পা দিলেন তিনি। ভক্তদের সঙ্গে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করলেন অভিনেত্রী। সঙ্গে ছিলেন কৌশানির কাছের মানুষ, মনের মানুষ বনি সেনগুপ্ত। জন্মদিনে খুশির খবরও দিলেন অভিনেত্রী।বনি ও কৌশানি প্রযোজনা সংস্থা খুলে ফেললেন। প্রযোজনা সংস্থার নাম বি কে এন্টারটেইনমেন্ট। প্রকাশ্যে এসেছে এই প্রযোজনা সংস্থার লোগো ও। কৌশানি জানিয়েছেন বি কে এন্টারটেইনমেন্ট ছবি নির্মাণ করবে হল রিলিজের জন্য। যে কজন মানুষই হলে গিয়ে তাদের ছবি দেখুক না কেন সেটুকুই তার সবচেয়ে বড় সাফল্যতা। বনি সেনগুপ্ত জানিয়েছেন এই প্রোডাকশন হাউসের শুরুর কাজে বনি ও কৌশানি দুজনেই অভিনয় করবেন। তবে নতুনদের নিয়েও ভালো কাজ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সিনেমা দিয়েই বি কে এন্টারটেইনমেন্ট এর জার্নি শুরু হচ্ছে। তবে আগামী দিনে ওয়েব সিরিজ বানানোর ও পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। বনি ও কৌশানির নতুন জার্নির জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।
পরিচালক ইন্দিরা ধর মুখার্জির জন্য খুশির খবর। ১৫ মে শুরু হয়ে ১৮ ই মে পর্যন্ত নন্দনে চলবে সপ্তম বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। এই ফেস্টিভ্যালেই ইন্দিরা ধর মুখার্জি পরিচালিত সোচ মনোনীত হয়েছে। ১৫ মে ফেস্টিভ্যালের প্রথম দিনে দেখানোও হল ছবিটি।সোচ একটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি হলেও, ছবির মধ্যে সমাজের একটা দিকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এটি একটি নারীকেন্দ্রিক ছবি। ছবিতে এক নারীর স্বপ্ন পূরণের গল্পকে তুলে ধরেছেন পরিচালক।ইন্দিরা ধর মুখার্জির সোচ ছবিতে অভিনয় করেছেন জয়া শীল ঘোষ, সাহেব চট্টোপাধ্যায় এবং শর্মিলা সেন। গোটা ছবি জুড়ে একা দাপিয়ে গেছেন জয়া শীল ঘোষ। সাহেব চট্টোপাধ্যায় এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন।ইন্দিরা ধর মুখার্জি জানিয়েছেন, সোচ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মনোনীত হয়েছে এটা অনেক বড় পাওয়া। আমার বিশ্বাস সোচ এভাবেই আরও অনেকটা দূর যাবে এবং সকলের মনে জায়গা করে নেবে। সকলের কাছ থেকে খুব ভালো রিঅ্যাকশন পাচ্ছি আমি।
আরে ছাড় ছাড়, করছিস কী? চোখ বন্ধ করে কোথায় নিয়ে যাবি?তুমি চলই না মা আমার সঙ্গে।মধুমিতার মেয়ে অর্না মায়ের চোখ দুহাতে চেপে ধরে রান্না ঘর থেকে মায়ের শোবার ঘরে নিয়ে আসে।চোখ খুলে বিছানার উপরে হারমোনিয়াম দেখে চোখ জলে ভরে আসে মধুমিতার।এটা কে আনলো? অনুসারে তুই এনেছিস? তুই জানিস না কিছু!?নিয়ে যা এখান থেকে ; বলতে বলতে ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য ঘুরতে গিয়ে ধাক্কা খায় মধুমিতা; পিছনে তার শ্বশুর মশায় আর শাশুড়ি মা দাঁড়িয়ে।দেখুন মা আপনার নাতনীর কান্ড। আমি নাকি বুড়ো বয়সে গান গাইব। মধুমিতা ওর শাশুড়ি কে উদ্দেশ্য করে বলে।কেন বৌমা, দিদি ভাই অন্যায় তো কিছু করে নি। বরং ও যেটা করতে পেরেছে আমরা বলতে আমাদের ছেলে কেন করতে পারে নি সেটাই ভাবছি।যে গান শুনে মুগ্ধ হয়ে আমি তোমাকে আমার বৌমা করে এনেছিলাম সেই গানকে আমি রক্ষা করতে পারিনি ঠুনকো আভিজাত্যের মিথ্যা অহংকারের হাত থেকে।বৌমা তুমি আমাকে ক্ষমা করো বলে মধুমিতার দুই হাত ধরে মধুমিতার শ্বশুর মশায়। বলেন তুমি আজ থেকেই শুরু করো।বাবা আপনি বলছেন একথা! অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করে মধুমিতা।বড্ড ভুল করে ফেলেছি তোমাকে তোমার ভালোলাগা, ভালোবাসার জায়গা থেকে দূরে রেখে।এইসময় অর্না বলে ওঠে ঠাম্মা আজ তোমার জন্যও উপহার আছে----- এই দ্যাখো ; বলে একটা মাউথ অর্গান দেয় ঠাম্মার হাতে।ঠাম্মা তরুবালা দেবী অবাক হয়ে বলে তুই কী করে জানলি? এতো তোর বাবাও জানে না।বুড়ি তুমি আমাকে যতই অবজ্ঞা করো না কেন নাতনী বলে; আমি তোমার সব খবর রাখি।নাতনীকে জড়িয়ে ধরে ফুঁপিয়ে কেঁদে ওঠেন----- বলেন না দিদিভাই তুই আমার সাত রাজার ধন।আজ তোর জন্যই আমরাও সংসারে নিজের আনন্দে বাঁচতে পারবে।আজ আমার নারী দিবস সার্থক। যেদিন থেকে তোমাদের এই ভালোলাগা, ভালোবাসার কথা জানতে পেরেছি সেই দিন থেকে শুধু ভেবেছি কবে তোমাদের আবার সেই খুশি ফিরিয়ে দেব।সকল নারীর কাছে সেদিন নারী দিবস সার্থক হবে যেদিন নিজের আনন্দকে বুকে লুকিয়ে না আনন্দকে সঙ্গে নিয়ে বাঁচবে। --- বলতে বলতে অর্না মা আর ঠাম্মাকে জড়িয়ে ধরে।দূরে কোথাও বেজে ওঠে নহি দেবী, নহি সামান্য নারী,পূজা করি মোরে রাখিবে উর্দ্ধেসে নহি নহি,হেলা করি মোরে রাখিবে পিছেসে নহি নহিযদি পার্শ্বে রাখ মোরেসংকটে সম্পদেসম্মতি দাও যদি কঠিন ব্রতেসহায় হতেপাবে তবে তুমি চিনিতে মোরে।
গুলি ভর্তি পাইপগান সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যাওয়া এক দুস্কৃতি এখন গলার কাঁটা হয়ে উঠেছে তৃণমূলের নেতাদের। ধৃত ওই দুস্কৃতির নাম সম্পদ জুই ওরফে বাবু। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সেহারাবাজারের পাওয়ার হাউস পাড়ায়। গত মঙ্গলবার ভোররাতে বর্ধমান-অরামবাগ রোডের ফকিরপুর ঢাল এলাকায় নাকা চেকিং চলার সময়ে সে পাইপগান ও কার্তুজ সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায়।বিজেপি ও সিপিএম নেতৃত্বের দাবি ধৃত সম্পদ জুই খণ্ডঘোষের বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগের অত্যন্ত ঘনিষ্ট একজন তৃণমূল কর্মী।যদিও বিরোধীদের এই দাবি মানতে চাননি খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়ক।রায়না থানার পুলিশ অবশ্য মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো ধৃতের রাজনীতির রং বিচার না করে তাঁকে ওইদিনই বর্ধমান আদালতে পেশ করে।বিচারক ধৃতকে পাঁচ দিন পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দেন। ধৃতকে নিজেদের হেপাজতে নিয়ে পুলিশ খতিয়ে দেখছে সে ওই বেআইনি আগ্নেআস্ত্র কোথা থেকে পেল এবং কি উদ্দেশ্যে সে ওই আগ্নেআস্ত্র নিয়ে স্কুটিচেপে রাতে বাইরে বেরিয়ে ছিল।ধৃতের পুলিশি হেপাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর রবিবার ফের তাঁকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হবে। তবে সম্পদকে এখন শ্রীঘর বাসেই থাকতে হবে বলে পুলিশ কর্তাদের কথায় ইঙ্গিত মিলেছে।বগটুই কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বোমা, গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের জন্য রাজ্য জুড়ে পুলিশি তৎপরতা জারি রয়েছে। সেই মতো রায়না থানার পুলিশও তৎপরতা জারি রাখে। আর তাতেই পাইপগান ও কার্তুজ সহ সম্পদ জুই এর গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনায় এখন তোলপাড় চলছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।জেলা বিজেপির সহ- সভাপতি সৌম্যরাজ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন,সম্পদ জুই তৃণমূল কংগ্রেস পার্টির সঙ্গে যুক্ত।এমনকি সে নিজেকে খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগের ঘনিষ্ট বলেই এলাকায় জাহির করতো ।এই সম্পদ জুই কেই রায়না থানার পুলিশ ২০১৮ সালে প্রচুর গাঁজা সহ গ্রেপ্তার করেছিল।মাদক সংক্রান্ত সেই মামলায় সম্পদ জুই দীর্ঘদিন জেলও খাটে।তার পর অপকর্ম চালানোর জন্য সে তৃণমূলে ভিড়ে গিয়ে তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে যে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়েছিল সেটাও সবাই জানে।। সেই সম্পদ জুই গত মঙ্গলবার রায়না থানার পুলিশের নাকা চেকিংয়ে গুলি ভর্তি পাইপগান ধরা পড়ে ।এই ঘটনা তুলে ধরে বিজেপি নেতা সৌম্যরাজ বাবু দাবি করেন , সম্পদ জুই শুধু যে তৃণমূল কংগ্রেস পার্টি করতো এমনটা নয়। সে খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়ক নবিনচন্দ্র বাগেরও অত্যন্ত ঘনিষ্ট বলেই সবাই জানেন। তৃণমূলের নানা অনুষ্ঠানে তাঁকে বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগের সঙ্গেই দেখা যেত।সেই সব ছবি এখনও সামাজিক মাধ্যমে ঘোরা ঘুরি করছে।পাশাপাশি সৌম্যরাজবাবু এও দাবি করেন,সম্পদ জুই গ্রেপ্তার হওয়ার পর আরও একবার প্রমান হয়েগেল বগটুই কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি আদৌ কোন কাজেই লাগেনি। তাই শাসক দলের লোকজন এখনও বেআইনি আগ্নেআস্ত্র নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর মত স্পর্ধা দেখাচ্ছেন।অন্যদিকে খণ্ডঘোষ নিবাসী জেলা সিপিএম নেতা বিনোদ ঘোষ বলেন,পাইপগান সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যাওয়া সম্পদ জুই যে খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়কের ঘনিষ্ঠ ছিল সেটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘোরাঘুরি করা ছবি থেকেই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে।শুধু বিধায়কই নন,ছবিতে সম্পদ জুই এর গা ঘেঁষে খণ্ডঘোষের আর এক তৃণমূল নেতা সঞ্জীব হাজরা কেও দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে বিনোদ বাবুর দাবি , এটা ব্যতিক্রমী কোন ঘটনা নয়। আসলে এই প্রথম রাজ্যে একটা সরকার চলছে যেটা সমাজ বিরোধী (Anti Social) দ্বারা পরিচালিত । সেই কারণেই শাসক দলের নেতা ও বিধায়কদের কাছাকাছি এখন দুস্কৃতি অথবা সমাজ বিরোধীরাই থাকছে ।এটাই বাংলার সব থেকে বড় লজ্জা বলে বিনোদ ঘোষ মন্তব্য করেন।বিরোধীরা এইসব অভিযোগ করলেও ছবি দেখার খণ্ডঘোষের বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগ বলেন,এটি সেহারাবাজারে হওয়া তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস অনুষ্ঠানের ছবি। তবে আমার পাশে যে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে আছেন তিনি যে সম্পদ জুই তা তিনি জানেন না। সম্পদ জুই কে তিনি চেনেনও না। অনুষ্ঠান চলাকালীন ওই ব্যক্তি কখন আমার পাশে এসে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল সেটাও আমার আজানা। ছবিটা কিভাবে ছড়িয়ে গেল সেটাই বুঝতে পারছেন না বলে বিধায়ক নবীনচন্দ্রবাগ জানিয়েছেন। অপর তৃণমূল নেতা সঞ্জীব হাজরাও একই ভাবে জানিয়েদেন, সম্পদ জুই কে তিনি চেনেনই না। ওই ব্যক্তি তৃণমূলেরও কেউ নন। রাস্তার ধারে রাতে তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবস অনুষ্ঠান চলার সময়ে কখন ওই ব্যক্তি তাঁর ও বিধায়কের পাশে এসে দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন সেটাও অজানা বলে সঞ্জীব বাবু জানিয়েছেন।
ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে মহমেডান স্পোর্টিং। অধরা মাধুরী স্পর্শ করার হাতছানি। ক্লাবের ইতিহাসে প্রথমবার আই লিগ জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে। সামনে শুধু একটা ধাপ। শনিবার গোকুলাম এফসিকে হারালেই আই লিগ ঘরে তুলবে সাদাকালো ব্রিগেড। প্রথম দিকে দুরন্ত ছন্দে এগোলেও মাঝে হঠাৎ ছন্দপতন হয়েছিল মহমেডানের। লিগ জয়ের দৌড় থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছিল। তারপর আবার ছন্দে ফেরে। তবে আগের ম্যাচে শ্রীনিধি ডেকানের কাছে গোকুলাম এফসির পরাজয়ই মহমেডানের সামনে চ্যাম্পিয়নের সুযোগ এনে দিয়েছে। শনিবার গোকুলাম এফসির বিরুদ্ধে মহমেডানের ম্যাচ কার্যত ফাইনাল হয়ে দাঁড়িয়েছে। চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে মহমেডানকে জিততেই হবে। অন্যদিকে, আই লিগ খেতাব ধরে রাখতে গেলে ড্র করলেই চলবে গোকুলাম এফসি। আন্দ্রে চেরনিসভ দায়িত্ব নেওয়ার পর দলের পরিবেশই বদলে দিয়েছেন। তাঁর কোচিংয়ে দীর্ঘ ৪০ বছর পর কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন হয় মহমেডান। অল্পের জন্য ডুরান্ড কাপে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। চেরনিসভের হাত ধরেই এবার আই লিগ জেতার স্বপ্ন দেখতে শুরু করছেন সাদাকালো সমর্থকরা। গোকুলামের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে মাঠে নামার আগে মহমেডান কোচ চেরনিশভ বলেন, চ্যাম্পিয়নের লড়াইয়ে নতুন করে সুযোগ পাওয়াটা একেবারেই আমাদের জন্য সহজ ছিল না। গোকুলামন আমাদের থেকে ৬ পয়েন্টে এগিয়ে ছিল। আমরা ক্রমগত চেষ্টা করে গেছি এই ব্যবধান কমিয়ে নিয়ে আসার। শেষ পর্যন্ত আমাদের কাছে খেতাব জয়ের সুযোগ এসেছে। আমরা এই সুযোগ কাজে লাগাতে তৈরি। শেষ ম্যাচে আই লিগের চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ হচ্ছে, এটা ভারতীয় ফুটবলের জন্যও ভাল বিজ্ঞাপন। প্রথম পর্বে গোকুলামের সঙ্গে ১১ ড্র করেছিল মহমেডান। এবার জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী মহমেডান কোচ। কারণ এবার যুবভারতীতে প্রায় ৪০ হাজার দর্শকের সমর্থন থাকবে মহমেডানের দিকে। সাদাকালো কোচ বলেন, সমর্থকদের সামনে খেলাটা আমাদের কাছে অবশই একটা বড় সুবিধা। গোকুলামের জন্য কখনওই এত সংখ্যক মহমেডান সমর্থকের সামনে খেলাটা সহজ হবে না। এত বড় সংখ্যক সমর্থকের সামনে হোম টিমের বিরুদ্ধে খেলেটা কোনও দলের কাছেই খুব একটা সহজ বিষয় নয়। তবে চ্যাম্পিয়ন হতে গেলে আমাদের ধারাবাহিকতা দেখাতে হবে।
জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো দাদাগিরি। বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সঞ্চালনা অনুষ্ঠানটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। দাদাগিরি-র মঞ্চে তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সকলেই বাংলার মহারাজের সামনে নিজের সেরাটা দেওয়ার সুযোগ পান।সম্প্রতি জি বাংলার ইউটিউব চ্যানেলে দাদাগিরি-র আগামী পর্বের নতুন প্রোমো শেয়ার করা হয়েছে। আগামী ১৫ মে দাদাগিরির মঞ্চে হাজির হবেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। দাদাগিরির এই বিশেষ পর্বে সবুজ শাড়ি পরে শ্রীদেবী কন্যা। দাদার সঙ্গে জাহ্নবীকে তার প্রথম ছবি ধড়ক এর গানে পা মেলাতে দেখা যাবে।প্রমোতে দেখা যাচ্ছে, সৌরভ গাঙ্গুলি মনে করিয়ে দিচ্ছেন এই মঞ্চে একসময় এসেছিলেন জাহ্নবীর বাবা তথা প্রযোজক বনি কাপুর। তার প্রয়াত মা তথা বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীদেবীও একসময় এই মঞ্চে এসেছিলেন। এবার মেয়ে এসে পুরো চক্রটা পরিপূর্ণ করলেন। জাহ্নবী কাপুর কি একটুও বাংলা বলতে পারেন? উত্তরে শ্রীদেবীর কন্যা জানিয়েছেন দাদার, আমি শুধুমাত্র একটা লাইন বলতে পারি, তা হলো তাড়াতাড়ি করো। সঙ্গে সঙ্গে সৌরভ গাঙ্গুলি হাসি হাসি মুখে বলে ওঠেন, এই লাইনটাই সবাই বলতে পারে।
অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অশনির উত্তর অন্ধ্র ও ওড়িশা উপকূলের কাছে আজই এসে পৌঁছাবে বিভিন্ন জায়গায় সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বৃষ্টি। ঘূর্ণিঝড়ের আগেই নামখানা বিডিও অফিসে প্রশাসনিক বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা শাসক-সহ রয়েছেন সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিম হাজরা।আবহাওয়া খারাপ থাকবে তেলেঙ্গানা ও হায়দ্রাবাদে। দমকা হাওয়ার সঙ্গে চলবে টানা বৃষ্টি। বকখালির সমুদ্র সৈকত থেকে পর্যটকদের সরিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। ফ্রেজারগঞ্জ থানার পুলিশ টহল দিচ্ছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করে মাইকিং হয়েছে। সমুদ্র উপকূলে যাতে কেউ না যান তার জন্য বারে বারে রাজ্যের উপকূলে প্রচার চালানো হচ্ছে। নৌকা বেঁধে রাখা হয়েছে অনেক জায়গায়। অশনির জেরে দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।অশনির আশঙ্কায় সতর্ক কলকাতা পুলিশ। কলকাতা পুলিশের তরফে তৈরি করা হয়েছে ইউনিফায়েড কম্যান্ড সেন্টার। কলকাতায় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ১৫টি দল ও এনডিআরএফের ২টি দল থাকছে। এছাড়া কলকাতা পুরসভা, পূর্ত দফতর, সিইএসসির প্রতিনিধিও থাকছে। পাশাপাশি লালবাজারের তরফে চালু করা হয়েছে হেল্প লাইন। মহানগরের নাগরিকরা অসুবিধায় পড়লে এই ফোন নম্বরে যোগাযোগ করলেই সাহায্য়কারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাবে।
সোমবার সারা রাজ্যে মহা সমারোহে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মদিন পালিত হল। কবিগুরু বাংলা ও বাঙালির আবেগ। মানুষের সুখ দুঃখ হতাশা সহ যেকোনও অনুভূতিতেই তাঁর গান আমাদের প্রেরণা। আমাদের চলার পথের পাথেয়। তাঁর কবিতা / গানের ছন্দে ছন্দে বেঁচে থাকার অপার অনুপ্রেরণা। কবির কথায়ঃ- আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে। তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে॥পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে ক্যাথিড্রাল রো তে কবি প্রনামের আয়োজন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নাট্যকার ও মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, কবি জয় গোস্বামী, সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, আবুল বাসার, কবি সুবোধ সরকার, গায়ক ইন্দ্রনীল সেন সহ অন্যান্য বিশিষ্ঠ জনেরা। বাংলার জেলায় জেলায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে রবীন্দ্রজয়ন্তী-র আয়োজন করা হয়। পূর্ব বর্ধমান জেলার এক বেসরকারি স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল এবছর একটু ব্যাতিক্রমী ভাবে রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন পালন করল। প্রতিবছর এই বিদ্যালয় সহ রাজ্যের বিভিন্ন বিদ্যালয়েই প্রাতঃকালীন কবি প্রনামের আয়োজন করা হয়ে থাকে। প্রচন্ড দাবদাহের জন্য সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী অকাল গৃষ্মের ছুটি পরে যাওয়াতে তাঁরা কবি প্রনাম আয়োজন করেন সুর্যাস্তের পর।কবি বরণ অনুষ্ঠানসংস্থার প্রানপুরুষ তথা সভাপতি অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথা কে জানান, দাবদাহের জন্য, রাজ্য সরকারের নির্দেশিকায় হটাৎ করে গরমের ছুটি পড়ে যাওয়াতে আমরা প্রথমে খুব স্বাভাবিক ভাবেই হতাশ হয়ে পড়ি কচি-কাঁচাদের কথা ভেবে। বিগত দু-বছর তাঁরা করোনার চোখরাঙ্গানীতে গৃহবন্দি ছিল। তাই আমরা বিদ্যালয়ের সকলে বসে ঠিক করি, সুর্যাস্তের পর যদি আমরা অনুষ্ঠানটা করি তাহলে বাচ্চাদের আর গরমে কোনও সমস্যা হবে না।তিনি জনতার কথা কে আরও জানান, ছাত্রদের-ই জন্য বিদ্যালয়, তারা সেখানে উপস্থিত না থাকতে পারলে এ আনন্দে-র কোনও মুল্যই থাকে না। বিদ্যালয় তাঁদের পদধ্বনির অপেক্ষায় থাকে। আজকের অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে জ্ঞিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, কোনও একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের কথা বলবো না। ছাত্রদের সকলের অনুষ্ঠান-ই ছিলো মনমুগ্ধকর। কবি প্রনাম আদপে গঙ্গা জলেই গঙ্গা পূজা, কবির কথাতেই বলিঃ-শিশু হবার ভরসা আবারজাগুক আমার প্রাণে,লাগুক হাওয়া নির্ভাবনার পালে,ভবিষ্যতের মুখোশখানাখসাব একটানে,দেখব তারেই বর্তমানের কালে।নৃত্য, সঙ্গীত ও নটকে সাজানো বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান ছিলো জমজমাট। এবারের রবীন্দ্রজয়ন্তী-তে তাদের থিম ছিল তবু মনে রেখো...। বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্যের তত্ত্বাবধানে ছাত্রছাত্রী দের নিয়ে বিশ্বকবির অমর সৃষ্টি ডাকঘর নাটক অবলম্বনে একটি ছোট্ট উপস্থাপনা মন ছুঁয়ে যায়। অমলের ঘর থেকে বাইরে আসার আকুল আর্তি মন ছুঁয়ে যায় উপস্থিত দর্শকদের। বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুমন নাগ জনতার কথা কে জানান, ডাকঘর নাটকে কবিগুরুর সৃষ্ট এক অমর চরিত্র অমল। অসুস্থ অমলের গৃহবন্দী দশা-য় যে মনকষ্টে ভুগেছে, তা বিশ্ববাসী বিগত দুই বছরে মরমে মরমে বুঝতে পেরেছে। তিনি এক যুগোত্তীর্ণ কবি সাহিত্যিক, সর্বকালে তাঁর রচনা প্রাসঙ্গিক, তিনি শতবর্ষ পুর্বে লিখে গেছেনঃ- আজি হতে শতবর্ষ পরেকে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানিকৌতূহলভরে--আজি হতে শতবর্ষ পরে।
১৯০৮ সালের ৮ মে মাতৃ দিবস পালনের সূচনা হয়েছিল। আনা জার্ভিস নামে এক আমেরিকান মহিলা তাঁর প্রয়াত মায়ের সম্মানে গির্জায় উপাসনার আয়োজন করেন। সেই থেকেই নাকি শুরু হয় Mothers Day পালন। সেই থেকে সারা বিশ্ব জুড়ে প্রতি বছর এই দিনটি মাতৃ দিবস হিসাবে পালিত হয়ে আসছে। মাতৃ দিবসে মা তথা ইন্টিরিয়র ডিজাইনার গৌরী খানকে ভালোবাসা উপহার দিলেন মেয়ে সুহানা খান। এদিন মায়ের জন্য বিশেষ উপহার এনেছিলেন শাহরুখ-গৌরী কন্যা। একটা সাদা এবং গোলাপী ফুলের তোড়া মাকে উপহার দিয়েছেন সুহানা। শুধু তাই নয়, ভালোবাসা জানিয়ে একটি নোটে আরিয়ান খানের বোন লিখেছেন, শুভ মাতৃ দিবস মা, ভালোবাসি, তোমার সুহানা। এ দিন ফুলের তোড়ার ছবি শেয়ার করার পাশাপাশি মেয়ে সুহানা খানের একটি না দেখা ছবিও সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করেন গৌরী খান। এই পোস্ট দেখে নেটিজেনরা খুবই খুশি। তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবির কমেন্ট বক্সে মা ও মে দুজনকেই ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। কমেন্ট করেছেন অনেক সেলিব্রিটিরাও।
আজ ২৫ শে বৈশাখ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১ তম জন্মদিন। সারা দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে কবিগুরুর জন্মদিন। রবীন্দ্রনাথ মানে বাঙালির কাছে আবেগ। তাই বাঙালির কাছে ২৫ শের তাৎপর্য অন্যদের তুলনায় বাঙালিদের কাছে একটু বেশিই। সাধারণ মানুষ থেকে তারকা সবাই এই বিশেষ দিনটাকে নিজেদের মতো করে উদযাপন করছে। চলুন দেখে নিই কোন তারকা কিভাবে এই বিশেষ দিনটি সেলিব্রেট করলেন। অভিনেত্রী মৌলী দত্ত নববধূর সাজে কয়েকটি ফটোশুটের সাজে ছবি পোস্ট করে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, তুমি রবে নিরবে, হৃদয়ে মম। অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী রবিঠাকুরের একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, কবিপ্রণাম। সঙ্গীতশিল্পী রূপঙ্কর বাগচী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি অনুষ্ঠান করার কয়েকটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, বর্ষণমন্দ্রিত। এইভাবে বিভিন্ন তারকারা যেমন নিজের মতো করে রবীন্দ্র জয়ন্তী উদযাপন করেছেন তেমনি এদিন কলকাতার রবীন্দ্রসদন প্রাঙ্গনে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া কবিগুরুর ছবি দিয়ে খুব সুন্দরভাবে নন্দন চত্ত্বরটা সাজানো হয়েছে। বাঙালির আবেগের দিনে তাই যেন পুরো পরিবেশটা রবিমুখর হয়ে উঠেছে।
গতকাল ছিল মাতৃদিবস। একটা বিশেষ দিন। আর এই বিশেষ দিনেই খুশির খবর শোনালেন অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা চোপড়া।সারোগেসি পদ্ধতিতে হওয়া প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনাসের সন্তাশ গত ১০০ দিন ছিল নিওনেটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে। তার পর চিকিৎসকরা তাকে পৃথিবীর আলো দেখার অনুমতি দেন। মেয়েকে কোলে নিয়ে ছবি পোস্ট করলেন অভিনেত্রী। মাতৃত্বের স্বাদ পেলেন প্রিয়াঙ্কা।ইনস্টাগ্রামে ভক্তদের সঙ্গে সেই মিষ্টি মুহূর্ত ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী। প্রিয়ঙ্কা সন্তান কে কোলে নিয়ে একটা ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, এই কটা মাস যে কত চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্যে দিয়ে গেলাম, তার ইয়ত্তা নেই। ১০০ দিনের প্রতীক্ষার পর অবশেষে আমরা আমাদের ছোট্ট মেয়েকে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে আনতে পেরেছি। যাঁরা এই দীর্ঘ পথের প্রতিটি ধাপে নিঃস্বার্থ ভাবে ছিলেন তাঁদের সকলকে এবং ক্যালিফোর্নিয়ার সমস্ত ডাক্তার এবং নার্সকে ধন্যবাদ জানাই।শুধু তাই নয়, মাতৃত্বের স্বাদ পেয়ে নিককে ধন্যবাদ জানিয়ে অভিনেত্রী লিখেছেন, মাতৃত্বের স্বাদ তুমিই আমায় দিলে। ধন্যবাদ নিক। প্রিয়াঙ্কার এই পোস্টের কমেন্ট বক্স ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন সকলেই।
মা হতে চলেছেন অভিনেত্রী বাসবদত্তা চট্টোপাধ্যায়। ৬ মে নিজের জন্মদিনেই এক সংবাদমাধ্যমকে অভিনেত্রী একথা জানিয়েছেন। প্রেগন্যান্সির কারণে একটা ছোট ব্রেক নেবেন বলেও জানিয়েছেন বাসবদত্তা। ২০১৮ সালে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন বাসবদত্তা। স্বামী অনির্বাণ বিশ্বাস পেশায় সাংবাদিক। এক বন্ধুর মারফত আলাপ দুজনের। এরপর ভালোলাগা। তারপর প্রেম থেকে বিয়ে। বিয়ের চার বছরের মাথায় মাতৃত্বের স্বাদ পেতে চলেছেন অভিনেত্রী। যদিও এই খুশির খবরে বাসবদত্তার তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে ৬ মে জন্মদিন উপলক্ষ্যে যাঁরা যাঁরা তাঁকে শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন তাঁদের জন্য একটি ভিডিয়ো আপলড করেন অভিনেত্রী। সেই ভিডিও-তে বাসবদত্তা জানান, প্রতিবছরই অনেককেই উত্তর দিয়ে উঠতে পারেন না। তবে এত ভালোবাসা পেয়ে তাঁর খুব ভালো লাগে। তাই সকলের জন্য ধন্যবাদ-ভিডিও।
লেখিকা ড: শর্মিলা মজুমদার দীর্ঘ দিন ধরে সাহিত্য চর্চা করে আসছেন বাংলা সাহিত্য জগতে। কর্মজীবনে স্কুল শিক্ষাকতার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন প্ৰবন্ধ, ছোটো গল্প, কবিতা লেখালেখি করেন। ২০১৯ সালে উত্তরাঞ্চল প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়েছে তার কবিতার বই মনের খেয়া । সেই কাব্যগ্রন্থটি সেই সময় পাঠক মহলে খুব সমাদৃত হয়েছিলো। সম্প্রতি কলেজ স্ট্রিট এর রাখা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হলো গল্পকার ও লেখিকা ড: শর্মিলা মজুমদারের লেখা গল্পের বই গল্প নিকুঞ্জ । রাধা প্রকাশনার ঘরে এই বইটি প্রকাশ করেন সাহিত্যিক ও গল্পকার প্রদীপ চট্টোপাধ্যায়, কবি সুশীল মন্ডল, চিত্রশিল্পী নিলাদ্রী মজুমদার, সাহিত্যপ্রেমী প্রতীক কুমার রায় , লেখিকা শাস্বতী সেনগুপ্ত, রাধা প্রকাশনীর কর্ণধার অভিজিৎ দেব ও লেখিকা ড:শর্মিলা মজুমদার। উপস্থিত সকলেই গল্পকার শর্মিলা মজুমদারের লেখার ভূয়সী প্রসংশা করেন। গল্প নিকুঞ্জ এই বইতে লেখিকা শর্মিলা মজুমদার লিখেছেন ২৩ টি গল্প। গল্প গল্পই হয়। কখনো তা হয় সত্যি, কখনো বা কাল্পনিক। জীবনের আলো আধাঁরে মিশে থাকে তা ছায়ার মতন। লেখিকার এই গল্পগুলি র সূত্র বেশ কিছুটা সত্যের হাত ধরেই। লেখিকা শর্মিলা মজুমদারের গল্প গুলো পড়তে পড়তে মনে হয় জীবনের চরম মুহূর্তগুলো বিভিন্ন রূপে যেমন আলো ছড়িয়েছে আবার কোনো সময় বিষাদে পরিণত হয়েছে। গল্পগুলি পড়লে পাঠক পাঠিকারা তাদের জীবনের সাথে কোনো না কোনো ঘটনায় মিল খুঁজে পাবেন হয়তো। সুন্দর স্বচ্ছ ভাষায় ছোটো ছোটো গল্প গুলি লিখেছেন ড: শর্মিলা মজুমদার। গল্প নিকুঞ্জর এই বইতে ভালো লাগে পড়তে শ্রেয়ার সংসার, মিতার মিতালী, কিনারা, নব-নীতা, ওরা আজও ফেরেনি, গোপন রহস্য, তাজিয়া, আমার ভ্রমণ, প্রত্যাশা, লালমাটির দেশ বোলানি, শঙ্খর ইতিকথা, একটি ভয়ঙ্কর রাত্রি, হতভাগ্য আহমেদ, গিনির কথা, যোগাযোগ, কালো মেয়ের গল্প, সত্যিটা কি এমন, স্বপ্ন পূরণের আশায়, ইতুর গল্প, রূপকথার রাজ্য থেকে ফিরে, দোল উৎসবের স্মৃতি, মিলন, পন্ডিচেরীতে আমরা প্রমুখ গল্পগুলি। ছোটো ছোটো গল্পগুলি যেমন পড়তে ভালো লাগে তেমন নিলাদ্রী মজুমদার বইয়ের প্রচ্ছদটি ভারী চমৎকার এঁকেছেন। প্রতিটা গল্প নির্ভুল ছাপা, সুন্দর ঝকঝকে এই বইটি সকল পাঠক পাঠিকার দৃষ্টি আকর্ষণ করবেই।
কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়াতে, এখন শহরের বিভিন্ন জায়গায় আগের মতো মিউজিক কনসার্ট শুরু হয়ে গেছে। কলকাতাতেও এরকম অনেক মিউজিক কনসার্ট হচ্ছে। নজরুল মঞ্চে তাই বঙ্গবাসী কলেজের পক্ষ থেকে অর্গানাইজ করা হয়েছিল দর্শন রাওয়াল লাইভ কনসার্ট। সম্প্রতি কিছু মিউজিক ভিডিওর রিলিজ হয়েছে দর্শনের। সেই গানগুলো ছাড়াও পপুলার কিছু গান পারফর্ম করে শোনালেন। দর্শন রাওয়ালের লাইভ পারফরম্যান্স দেখার ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। মঞ্চে উঠে গিটার নিয়ে বেশ কিছু গানের ছন্দে নেচেও নিলেন দর্শন। কিছু বিখ্যাত গানের মধ্যে যেমন ছিল মেহেরিমা,ছোগারা, ভুলা দুঙ্গা, ইয়ারা তেরি ইয়ারি তেমন ছিল কিছু ট্রেন্ডিং গান।এই অনুষ্ঠানকে প্রতিবছরের মতো এক সুতোয় বেধেঁছে বঙ্গবাসী কলেজের এম্প্লয়িস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জহরলাল দাস এবং কলেজের একাডেমিক কমিটির সদস্য দিলীপ বিশ্বাস। এই মেগা ইভেন্টের রূপায়নে ছিলেন কৌশিক ইভেন্টস। এরকম একটা ইভেন্ট সত্যিই সকলের মন ভালো করে দিয়েছিল।