• ১১ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ২৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DA

রাজনীতি

অনুব্রত কি সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের থেকেও বড় নেতা? প্রশ্ন খোদ তৃণমূলেরই প্রাক্তন কাউন্সিলারের

অনুব্রত মণ্ডল কি সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের থেকেও বড় তৃণমূল নেতা হয়ে গেল নাকি? এই প্রশ্ন তুলেই রবিবার বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা পৌরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর মল্লিকা চোঙদার। পৌরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে নাম ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পরেও নাম বাদ যাওয়ায় তিনি যে অপমানিত হয়েছেন তাও এদিন স্পষ্ট করে দেন মল্লিকা। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তৃণমূল কংগ্রেসের দুই বলিষ্ঠ নেতা সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সই থাকা তালিকায় প্রার্থী হিসাবে তাঁর নাম ছিল। তা সত্ত্বেও তাঁর নাম বাদ দেওয়া করিয়ে বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল নিজের পছন্দের লোককে প্রার্থী করা করিয়েছেন।মল্লিকা চোঙদারের এমন বক্তব্য বিরোধী মহলের পাশাপাশি তৃণমূল শিবিরেও যথেষ্ট শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে পৌরসভা নির্বাচনে যাঁরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সেই সব প্রার্থীদের নামের তালিকা শুক্রবার প্রকাশ করেন তৃণমূল নেতৃত্ব। তারপর দলের ওয়েবসাইটে একটি প্রার্থী তালিকা আপলোড হয়। সেই প্রার্থী তালিকা নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে ক্ষোভ বিক্ষোভ। তা দেখে দলীয় নেতৃত্ব ফের নতুন করে পার্থী তালিকা প্রকাশ করে জানিয়ে দেন, যে প্রার্থী তালিকায় দলের দুই বলিষ্ঠ নেতা সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সই রয়েছে সেটাই দলের নির্দিষ্ট প্রাথী তালিকা। এই তালিকাও আপলোড করে দেওয়া হয় দলের ওয়েবসাইটে। দলীয় নেতৃত্বতারপর ঘোষণা করেন দলীয় ওয়েবসাইটে প্রথম আপলোড হওয়া প্রাথী তালিকাটি দলের নির্দিষ্ট প্রার্থী তালিকা নয়। সুব্রত বক্সি ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ে সই থাকা প্রার্থী তালিকাটাই দলের সঠিক প্রার্থী তালিকা । এদিন সেই রকমই গুসকরা পৌরসভার একটি প্রার্থী তালিকা সংবাদ মাধ্যমকে দেখান মল্লিকা চোঙদার। সেই প্রার্থী তালিকা দেখিয়ে তিনি দাবী করেন, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের ওয়েবসাইটেও এই প্রার্থী তালিকা আপলোড হয়েছে।তৃণমূলের হয়ে গুসকরা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দীতা করার জন্য তাঁর নাম পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সির সই করা তালিকায় উল্লেখ থাকে। তার পরেও তাঁর নাম আবার বাদ চলে যায়। এই ভাবে তালিকায় নাম ওঠা ও নাম বাদ যাওয়া নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রাক্তন কাউন্সিলার মল্লিকা চোঙদার এদিন সরাসরি অনুব্রত মণ্ডলকেই দায়ী করেন। মল্লিকা জানান, পর পর পাঁচ বার তিনি গুসকরা পৌরসভার কাউন্সিলর ছিলেন। এমনকি একবার ভাইস চেয়ারম্যানও ছিলেন। যেহেতু তাঁর সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের মতের মিল হয় না, তাই অনুব্রত মণ্ডলের পছন্দের তালিকাতেও তিনি নেই।সেই কারণে তাঁর নাম বাদ দেওয়া করিয়েছেন বীরভূমে বসে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা চালানো অনুব্রত মণ্ডল বলে মল্লিকা চোঙদার অভিযোগ করেছেন। এই বিষয়টি নিয়ে নিজের অসন্তোষের কথা দলের উচ্চ নেতৃত্বকে জানিয়েছেন বলে মল্লিকা এদিন দাবী করেন।একই সঙ্গে এদিন তিনি বলেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সির থেকেও অনুব্রত মণ্ডল বড় নেতা হয়ে গেলেন কিনা তাও তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না! মল্লিকা চোঙদারে এমন অভিযোগের বিষয়ে বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল কিছু বলতে অস্বীকার করেন। তবে পূর্ব বর্ধমান জেলা বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন বলেন, তৃণমূলে এখন সার্কাস চলছে। তাই ওদের সার্কাস নিয়ে তাঁর কিছু বলার নেই। তবে জেলার মানুষ তৃণমূলে সার্কাস দেখছেন। পৌরসভা ভোটে জেলার মানুষই এর যোগ্য জবাব দিয়ে দেবেন বলে কল্লোল নন্দন মন্তব্য করেছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

যতদিন সঙ্গীত থাকবে, ততদিন লতাজি থাকবেন আমাদের মধ্যে

আমার শৈশবটাই শুরু হয়েছে লতাজির গান শুনে। আমার মা আমাকে ছোটো বেলায় লতাজির গান শোনাতো। সেই স্মৃতি যে কত সুন্দর বলে বোঝানো যাবে না। কত সুন্দর সুন্দর গান শুনতে শুনতেই বড় হয়ে উঠেছি। আমি ভাবি আজকের দিনে শৈশবটা এরকম হয় কিনা জানি না। আজকের দিনেও বাচ্ছারা লতাজির গান শুনতে শুনতে বড় হচ্ছে কিনা বলতে পারবো না।আজকের প্রজন্মের কথা না জানলেও আমার শৈশবটা খুবই সুন্দর ছিলো। আমার জীবনে প্রথম লতাজির গাওয়া গান যারে, যারে উরে যারে পাখি। এই গানটি মা-বাবার হাত ধরে গুটি গুটি পায়ে পাড়ার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গাইতাম। আজকের দিনের মত সেই সময় এত বেশী রিয়েলিটি শো ছিলো না। পাড়ায় পাড়ায় বিভিন্ন ক্লাবে গানের কম্পিটিশন হত। সেখানে যোগ দিতাম।আমি ছোট বেলায় লতাজির গাওয়া পিয়া বিনা বাসিয়া, দিল হুম হুম করে, এরি পবন আমি গাইতাম। এ ছাড়াও ওনার গাওয়া বিভিন্ন গান আমি মঞ্চে পরিবেসন করতাম। এই কয়েকদিন আগেই আমি ওনার গান ইয়ে শামা শামা হ্যায় প্যার কা...। ওনার গান যেমন শুনতে ভালো লাগে সেরকমই আমরা যাঁরা সঙ্গীত পরিবেশন করি, তাঁদের কাছে ওনার গান গাওয়া-টাও তার থেকে বেশী আনন্দের।আমি ব্যাক্তিভাবে মনে করি ওনার গান শুনেই অনেক কিছু শেখা যায়। আমি নিশ্চিত এই কথাটার সঙ্গে অনেক শিল্পীই সহমত হবেন। তাই আমরা যাঁরা আজও ওনার গান পুনঃনির্মাণ করার চেষ্টা করি সেটা শুধু চেষ্টাই থেকে যাই, তাঁর ধারে কাছে পৌছানো যায় না। একজন শিল্পীকে ওই যায়গায় পৌছাতে গেলে কতটা ডিসিপ্লিনড হতে হয় তাঁর অন্যতম উধাহরণ লতা মঙ্গেশকর। আজকের দিনটা আমার ভীষণ কষ্ট হচ্ছে, ভীষণ ভীষণ খারাপ লাগছে বলতে, যাকে আমি মন প্রাণ দিয়ে ছোট বেলা থেকে ভালোবেসে গিয়েছি তিনি আর আজ আমাদের মধ্যে নেই এটা ভাবতে পারছি না। কিন্তু তিনি তাঁর গানের মাধ্যমে আজও আমাদের মধ্যে থেকে গেছেন এবং থেকে যাবেন। উনি আমাদের কাছে অমর। যতদিন সঙ্গীত থাকবে ততদিন লতাজি থাকবেন আমাদের মধ্যে। আমরা সারাজীবন তাঁকে এই ভাবেই ভালোবেসে যাবো।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

"মেয়ে কি লতা মঙ্গেশকর হবে নাকি", এই কটাক্ষ জেদ বাড়িয়েছে সৌমিতা সাহার

দেবী সরস্বতীর মূর্তি পূজার প্রচলন বাংলা তথা সমগ্র ভারতে আর সকল বাড়ির মতো আমার বাড়িতেও রয়েছে। চতুর্থীর সকাল থেকেই ঘোর অন্ধকার করে বজ্রপাত সহ যে ভীষণ বৃষ্টিপাত হয় তাঁর অর্থ আজ ষষ্টির সকালে বোঝা গেল। মনে হয় দেবীর উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেই মর্ত্যলোক ডুকরে ডুকরে কেঁদে উঠছিল। কালের অমোঘ নিয়মকে উপেক্ষা করার ক্ষমতা কারও নেই, তাই ষষ্টি-র প্রভাতে দেবী সরস্বতীর ঘট বিসর্জনের সাথে সাথে তাঁর মানস কন্যা লতা কে নিয়ে দেবী পাড়ি দিলেন সুরোলোকে। যেন দেবী এইবারে ধরাধামে এসেছিলেনই তার মানসকন্যা কে নিয়ে যেতে। দীর্ঘ দিনের অসুস্থতা ভোগ করে ইহলোকের মায়া কাটিয়ে, সকলকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন আবাল-বৃদ্ধ-বনিতার পরম প্রিয় লতাজি। আজ যেন দেশের প্রতিটি সঙ্গীত প্রেমীর ঘরে নেমে এসেছে প্রিয়জন বিয়োগের শোক। সেই ছেলে বেলা থেকেই আর পাঁচটা মেয়ের মত লতাজির গান শুনে বড় হয়েছি। তিনি যেন আমাদের সকল অভিব্যাক্তিতে রয়েছেন। কখনও বা আছেন আমাদের অহেতুক আক্রমণের ভাষায়। রাত বিরেতে রেওয়াজ করায় পাড়া প্রতিবেশী আড়ালে আবডালে প্রায়ই আমার অভিভাবকদের ঠেস দিয়ে শুনিয়েছেন মেয়ে কি লতা মঙ্গেশকর হবে নাকি! প্রথম সেই পেটে প্রজাপতি সুরসুরি দেওয়া প্রেমের জিন্দেগী অউর কুছ ভি নেহি, তেরি মেরি কাহানি হ্যায় অনুভুতিতে যেমন ছিলেন তিনি। তেমনিই ছিলেন আষাঢ় শ্রাবণ মানে না এমন এর স্মৃতি চারণে। লতাজির মতো মানুষের মৃত্যু হয় না। গীতায় আছে, न जायते म्रियते वा कदाचि- न्नायं भूत्वा भविता वा न भूयः | अजो नित्यः शाश्र्वतोSयं पुराणो न हन्यते हन्यमाने शरीरे অর্থাৎ আত্মা অবিনশ্বর, তাঁর মৃত্যু হয় না। শিল্পীর মৃত্যু হয়, শিল্পের নয়। আমার মতো যে মানুষগুলো যাঁদের এতো বোঝার মতো জ্ঞান নেই তাঁদের জন্য লতাজি ছিলেন, আছেন, থাকবেন। কবেই সহজ ভাবে গেয়ে বুঝিয়ে দিয়েছেন নাম গুম জায়েগা, চেহেরা ইয়ে বদল জায়েগা, মেরি আওয়াজ হি পেহচান হ্যাই...গর ইয়াদ রহে

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

"ইয়ে মেরে বতন কে লোগো..." শুনে চোখে জল এসেছিল নেহেরুর

সঙ্গীতের আকাশ প্রদীপ চলে গেলেন দুূরে তারার দেশে। না যেও না রজনী এখনও বাকি বলে তাঁকে আর আটকানো যাবে না। বসন্ত পঞ্চমী রজনী পার করে সঙ্গীতের বরপুত্রি মা দেবী সরস্বতীর হাত ধরে চললেন সুরের লোকে। করোনার করাল গ্রাসে চলে গেলেন আরও এক কিংবদন্তী। ২০২০ থেকে এই সর্বগ্রাসী অতিমারিতে এক এক করে অনেক মহান শিল্পী, অভিনেতা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সহ সাধারন মানুষের অকাল মৃত্যু হয়েছে। হিন্দী বাংলা সহ মোট ৩৬ টির-ও বেশী আঞ্চলিক ভাষায় তিনি গান করেছেন। ১৯৬২ তে ভারত চীন যুদ্ধের ঠিক পরের বছর ১৯৬২-র প্রজাতন্ত্র দিবসে পণ্ডিত নেহেরু-র আহ্বানে সুর-সম্রাজ্ঞী দিল্লী-র ন্যাশানাল স্টেডিয়ামে রাষ্টপতি সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের উপস্থিতিতে কবি প্রদীপের লেখা ও রামচন্দ্রর সুরারোপিত ইয়ে মেরে বাতন কে লোগো... পরিবেশন করেন। লতা মঙ্গেশকরের অনবদ্য পরিবেশনায় পণ্ডিত নেহেরুর চখে জল এসে যায়। তিনি লাতাজির কন্ঠে দেশাত্মবোধক আবেদনে মুর্ছিত হয়ে ওই রকম জনবহুল পরিবেশে ও নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। এই গানটিকে জাতীয় সংহতির এক আদর্শ গান হিসাবে গণ্য করা হয়ে থাকে এবং জন গণ মন, বন্দে মাতরম এবং সারে জাহান সে... র পাশাপাশি অন্যতম জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান হিসেবে বিবেচিত হয়।লতা মঙ্গেশকর প্রায় এক হাজারেরও বেশি ভারতীয় সিনেমায় ও আধুনিক গানের অ্যালবামে গান গেয়েছেন। তাঁর গাওয়া মোট গানের সংখ্যা দশ হাজারেরও বেশি। এছাড়া ভারতের ৩৬টি আঞ্চলিক ভাষাতে ও বিদেশি ভাষায় গান গাওয়ার একমাত্র রেকর্ডটি তাঁরই দখলে।কিন্নর কন্ঠি লতা মঙ্গেশকর তার সঙ্গীত জীবনে অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা অর্জন করেছেন। সঙ্গীতে তাঁর অবদানের জন্য ২০০১ সালে তাঁকে ভারতের সর্বোচ্চ সম্মাননা ভারতরত্নে ভূষিত করা হয়। এম এস সুব্বুলক্ষ্মীর পর তিনিই দ্বিতীয় সঙ্গীত শিল্পী যিনি এই সন্মানে ভুষিত হন। ১৯৮৯ সালে ভারত সরকার তাঁকে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে ভূষিত করে। ২০০৭ সালে ফ্রান্স সরকার তাকে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মননা লেজিওঁ দা ওনার অফিসার খেতাবে ভূষিত করে।এছাড়াও লতাজি ৩টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, ১৫টি বাংলা চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি পুরস্কার (বিএফজে), ৪টি শ্রেষ্ঠ মহিলা নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, ২টি বিশেষ ফিল্মফেয়ার পুরস্কার, ফিল্মফেয়ার আজীবন সম্মাননা (Life Time Achivement Award) পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার অর্জন করেছেন। ১৯৭৪ সালে তিনি প্রথম ভারতীয় সঙ্গীত শিল্পী হিসেবে লন্ডনে রয়্যাল অ্যালবার্ট হলে সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এক সময় মনে হত তিনি যে উচ্চতায় পৌঁছেছেন তাতে সেই পুরস্কার নিজেই ধন্য হত তাঁর হাতে যেতে পেরে। কারণ পরবর্তী পুরস্কার প্রপকরা বলতে পারবেন এই পুরস্কার লতাজিও পেয়েছেন।লতাজি ১৯৯৯ এ ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা পদ্মবিভূষণ, ১৯৬৯ এ তৃতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণে ভূষিত হয়েছেন। এছাড়াও তিনি ১৯৯৭ এ মহারাষ্ট্র ভূষণ পুরস্কার, ১৯৯৯ এ এনটিআর জাতীয় পুরস্কার, জি সিনে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার, ২০০৯ এ এএন আর জাতীয় পুরস্কার। তিনি ১৯৬৯ রে নতুন প্রতিভাদের উঠে আসতে সাহায্য করার জন্য শ্রেষ্ঠ মহিলা নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী বিভাগে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেন। পরবর্তী কালে তিনি ১৯৯৩-এ ফিল্মফেয়ার আজীবন সম্মাননা পুরস্কার এবং ১৯৯৪ ও ২০০৪ এ দুবার ফিল্মফেয়ার বিশেষ পুরস্কার তাঁকে প্রদান করেন।পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে লতা-ই সর্বজ্যেষ্ঠ। তার বাকি ভাইবোনেরা হলেন - আশা, ঊষা, মীনা ও একমাত্র ভাই হৃদয়নাথ। স্বয়ং মা সরস্বতীর আশির্বাদ-ধন্যা কিন্নর কন্ঠি লতা মঙ্গেশকর ১৯২৯ র ২৮ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ইন্দোর রাজ্যের (অধুনা মধ্যপ্রদেশ) রাজধানী ইন্দোর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকর একজন প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ (মারাঠি ও কোঙ্কিণী) এবং নাট্য অভিনেতা ছিলেন। তাঁর মাতা শেবন্তী (পরবর্তী নাম পরিবর্তন করে সুধামতি হন)। মঞ্চাভিনেতা এবং সঙ্গীতজ্ঞ দীননাথ তাঁর ছোট্ট মেয়ে লতাকে প্রথমে হেমা বলে ডাকতেন। পরে দীননাথের ভাব বন্ধন নাটকের লতিকা নামের এক চরিত্রে অনুপ্রানিত হয়ে সে নাম পরিবর্তন করে লতা রাখা হয়। খুব কম বয়সে লতা তাঁর বাবাকে হারান। বাবা মারা যাওয়ার পর পুরো পরিবারের দ্বায়িত্ব এসে পরে কিশোরী লতার কাঁধে। তিনি আশা, ঊষা, মীনা এবং হৃদয়নাথকে প্রতিপালনের জন্য এই ছোট্টো বয়সে উপার্জনের জন্য তাকে রাস্তায় বেরিয়ে পরতে হয়। বাবার অকাল মৃত্যুর পর পরিবারিক বন্ধু বিনায়ক দামোদর কর্নাটকি পাশে না থাকলে হয়ত খুবই সমস্যায় প্রতেন কিশোরী লতা ও পরিবার। নবযুগ চিত্রপট ছায়াছবি সংস্থার মালিক বিনায়কের উদ্যোগে লতা মরাঠি ছবিতে গান গাওয়া ও অভিনয়ের সুযোগ পায়। পরিবারের পাশে থাকতেই ছবিতে অভিনয় করেছেন ছোট্টো লতা। তখন সবে মাত্র ১৩! তিনি রুপালি পর্দার জগত তাঁর মন জয় করতে ব্যর্থ, সেখানে তিনি বেশি দিন থাকেননি। অভিনয় করার কথা মন থেকে ত্যাগ করেন। বিভিন্ন সময়ে তাঁর নিজের জীবন নিয়ে বলতে গিয়ে এই প্রায়ই নিজের অভিনয় জীবন প্রসঙ্গে বলতেন লতা।বাবা দীনানাথ মঙ্গেশকরের নির্দেশে ছোটবেলা থেকেই বাড়িতে কোনও সময়েই কে এল সায়গল ব্যতীত অন্য কোনও গান গাইবার অনুমতি ছিল না লতার। বাবা চাইতেন লতা শুধুমাত্র ধ্রপদী গান নিয়েই বড় হয়ে উঠুক। তাঁর আঠারো বছর বয়েসে তিনি তাঁর উপার্যনের পয়সায় জীবনে যেদিন প্রথম রেডিও কিনে আনলেন, এবং সেই রেডিওতে প্রথম যে খবরটা শুনলেন সেটা কে এল সায়গল-র মৃত্যু সংবাদ। রেডিওটি বন্ধ করে সঙ্গে সঙ্গেই ফেরত দিয়ে দেন তিনি।পরিবারের তাগিদে উপার্যনের জন্য তিনি বিভিন্ন মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেসন করতেন। প্রথম বার মঞ্চে সঙ্গীত পরিবেশন করে লতা ২৫ টাকা পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন। খেমচাঁদ প্রকাশের সুরে অশোককুমার-মধুবালা অভিনীত মহল-এ আয়েগা আনেওয়ালা গানটি তুমুল জনপ্রিয়তা তাঁর কেরিয়ারের গ্রাফ সেই যে উর্ধমুখী হয়, তাঁর পর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি সুরের সরস্বতী লতাকে।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
দেশ

সোমবার অর্ধ দিবস ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, ১৫ দিন বাজবে লতার গান

লতা মঙ্গেশকরের প্রয়াণে সোমবার অর্ধদিবস ছুটি ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আগামী ১৫ দিন রাজ্যে বাজবে লতার গাওয়া গান, জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার সকাল ৮টা ১২ মিনিটে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন লতা মঙ্গেশকর। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তাঁর প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করেন দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী-সহ অসংখ্য মানুষ।While offering my sincerest condolences to her family and the billions of admirers that she leaves behind all over the world, I express my deepest sadness at the demise of the genius that the Nightingale of India truly was. (2/3) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) February 6, 2022পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের তরফে জারি করা মুখ্যমন্ত্রী শোকবার্তায় লেখা হয়, কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকরের প্রয়াণে আমি গভীরতম শোক প্রকাশ করছি। তিনি আজ মুম্বইয়ে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। তাঁর প্রয়াণে আমরা রিক্ত হলাম। সুরসম্রাজ্ঞী ও অনন্য প্রতিভাময়ী সর্বজনশ্রদ্ধেয় লতা মঙ্গেশকর দীর্ঘ আট দশক ধরে কণ্ঠের জাদুতে শ্রোতাদের মুগ্ধ করে রেখেছিলেন। হিন্দি, মরাঠি, বাংলা-সহ ৩৬টিরও বেশি ভারতীয় ও বিদেশি ভাষায় তাঁর গাওয়া অগণিত ক্লাসিকাল,গজল, ভজন, আধুনিক ও সিনেমার গান আজও সমান জনপ্রিয়। বাংলার সঙ্গীতজগতের সঙ্গে তাঁর গভীর যোগ ছিল। আমাদের নক্ষত্রদের সাধনা ও তাঁর প্রতিভা পরস্পরকে সমৃদ্ধ ও অভিষিক্ত করেছিল।I pay my heart-felt tribute to the departed icon of India, Bharatratna Lata Mangeshkar. (1/3) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) February 6, 2022ভারতরত্ন, পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ, দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার, লিজিয়ন অফ অনার, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড সহ অজস্র পুরস্কার ও সম্মানে তিনি ভূষিত হয়েছেন। তাঁর প্রয়াণে সঙ্গীতজগতের অপূরণীয় ক্ষতি হল। আমি লতা মঙ্গেশকরের আত্মীয়-পরিজন ও অনুরাগীদের আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
রাজনীতি

প্রার্থী বদল নিয়ে তুমুল হট্টগোল তৃণমূলে, এলাকায় এলাকায় বিক্ষোভ

প্রার্থী বদল নিয়ে অসন্তোষের জেরে এলাকায় এলাকায় বিক্ষোভ অব্যাহত। শনিবার তা কার্যত ধর্মঘটের আকার নেয় কিছু জায়গায়। কামারহাটি পুরসভার ১ থেকে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী বদলের দাবিতে রবিবার কারখানা বন্ধেরও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।১০৮টি পুরসভার (দার্জিলিং ছাড়া) নির্বাচনের জন্য তৃণমূলের প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করা হয় শুক্রবার বিকেলে। পরিস্থিতি ঘোরালো হয় তার পরেই। তৃণমূলের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ এবং মিডিয়া গ্রুপে বিশদ প্রার্থিতালিকা প্রকাশিত হয়। তার পরেই রাজ্যের নানা জায়গা থেকে বিক্ষোভ, অবরোধ, প্রতিবাদের খবর আসতে থাকে। একাধিক নেতা, মন্ত্রী, সাংসদ-বিধায়ক তাঁদের অসন্তোষের কথা জানাতে থাকেন দলের উপরতলায়। এর পর রাতেই প্রার্থিতালিকা প্রকাশে বিভ্রান্তি স্বীকার করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব জানায়, চূড়ান্ত তালিকা জেলা সভাপতিদের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও রাজ্যজুড়ে কর্মীদের ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি। শনিবার দিনভর তার রেশ দেখা গেল জেলায় জেলায়।হুগলিরও রিষড়া, চুঁচুড়া ও তারকেশ্বর পুরসভা এলাকায় তুমুল বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা। রিষড়ার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে ঝুম্পা দাস সরকারের নাম না থাকা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারকেশ্বর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ নইমের পরিবর্তে প্রার্থী করা হয়েছে অমরেন্দ্রনাথ সাঁপুইকে। এর প্রতিবাদে পদ্মপুকুর এলাকায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান দলের কর্মীরা। পূর্ব বর্ধমান জেলার বিভিন্ন প্রান্তে প্রার্থী বদলের দাবি উঠছে জোড়াফুল শিবির থেকে। মেমারি পুরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী বদলের দাবিতে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। বর্ধমান পুরসভাতেও কয়েকজন প্রার্থী বদল করার দাবি উঠেছে। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বর্ধমান রাজবাড়ির সামনে পথ অবরোধও করেন বিক্ষোভকারীরা।প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় ক্ষোভের আবহ বাঁকুড়াতেও। বাঁকুড়া-দুর্গাপুর সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান দলীয় কর্মীদের একাংশ। প্রার্থী-ক্ষোভে শনিবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মেদিনীপুর শহরও। শহরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রাঙামাটি এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। পুরভোটে প্রার্থী হওয়ার জন্য ক্ষোভ-বিক্ষোভের পর্ব চলছে তৃণমূলে।দক্ষিণবঙ্গের মতো প্রার্থীতালিকা নিয়ে ক্ষোভের আঁচে ফুটছে উত্তরবঙ্গের তৃণমূল শিবিরও। উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী বদলের দাবিতে তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীরা। ক্ষোভের আবহ ডালখোলা পুরসভার তৃণমূল শিবিরেও। সেখানে কয়েক জন প্রার্থী বদলের দাবি তুলে মিছিল করেন তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। প্রার্থী বদলের দাবিতে কোচবিহার চার নম্বর ওয়ার্ডে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। কামেশ্বরী রোডে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন বিক্ষোভকারীরা। ঘণ্টাখানেক অবরোধের ফলে যানজট তৈরি হয়। ঘটনাস্থলে কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিশ পৌঁছে অবরোধ তুলে দেয়।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভবিক্ষোভে কোনও প্রভাব পড়বে না, মন্তব্য তৃণমূল সাংসদ শতাব্দীর

পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থিদের নামের তালিকা তৃণমূল কংগ্রেস প্রকাশ করতেই রাজ্য জুড়ে শুরু হয়ে যায় ক্ষোভ বিক্ষোভ। যার ব্যতিক্রম পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও ঘটেনি। যদিও এইসব ক্ষোভ বিক্ষোভ প্রদর্শনের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়ার কিছুই দেখছেন না তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেত্রী শতাব্দী রায়। তাঁর মতে এইসব ক্ষোভ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে কিছু লাভ হবে না।শনিবার পূর্ব বর্ধমানের রায়নার ধারান বুড়োপীর প্রগতি সংঘের সরস্বতী পূজার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মঞ্চের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেন শতাব্দী রায়। উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, পৌরসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব শুক্রবার দলের প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করছে। তারপর থেকে যাঁরা ক্ষোভ বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন তাঁদের উদ্দেশ্য করে শতাব্দী রায় বলেন, অনেকে ভেবে রাখে তাঁর প্রাথী হবেন। কিন্তু তাঁদের ভাবনা যখন মেলে না তখন একটা অভিযোগ তৈরি হয়। তাঁরাএখন কিভাবে অভিযোগটা প্রকাশ করবে সেটা তাঁদের উপর নির্ভর করছে। যদি দলের প্রতি ভালোবাসা থাকে তাহলে দলের ঘোষিত প্রার্থীকে মেনে নিয়েই তাঁদের কাজ করাটা উচিত।টিকিট পাওয়ার আশা তো সবারই থাকে। কিন্তু টিকিটতো সবাই পায় না। কিন্তু এখন কেউ টিকিট না পেলেই এই সমস্যাটা দেখা যায়। তিনি আরো বলেন, এই বিক্ষোভ দলের উপরে কোনো প্রভাব ফেলবে না।কারণ তৃণমূল কংগ্রেস দলে এখন বহু মানুষের সমর্থন রয়েছে। বহু ভালো মানুষের সমর্থনও রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি। তাই আমি মনে করি এইসব ক্ষোভবিক্ষোভে আগেও কোনও প্রভাব পড়েনি। আর এখনো কোনো প্রভাব পড়বে না।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূলের প্রার্থী নিয়ে ক্ষোভবিক্ষোভ সামাল দিতে বর্ধমানে নামাতে হল র‍্যফ

পৌরসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতেই পূর্ব বর্ধমানেও শুরু হয় যায় ক্ষোভ বিক্ষোভ। শনিবার সকাল থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের ক্ষোভবিক্ষোভে উত্তাল হয় শহর বর্ধমান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র্যফও নামাতে হয়।একইরকম ভাবে ক্ষোভবিক্ষোভে উত্তপ্ত হয় জেলার মেমারি, কালনা ও গুসকরা পৌরসভা এলাকাও। মূলত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবীতেই তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা এদিন সকাল থেকে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেদেন। মেমারির ৫ নম্বর ওর্য়াডের তৃণমূল কর্মীদের একাংশ এদিন বিক্ষোভে সামিল হন কৃষ্ণপদ বিশ্বাসকে প্রার্থীপদ থেকে সরানোর জন্য। প্রার্থী বদলের দাবিতে ৫ নম্বর ওয়ার্ডের নাগরিকবৃন্দের ব্যানারে পোস্টার দেওয়া হয়।বিক্ষোভে অংশ নেওয়া তৃণমূল কর্মীদের দাবী ৫ নম্বর ওয়ার্ডে বহিরাগত প্রার্থী তাঁরা চান না। অবিলম্বে প্রার্থীপদ পরিবর্তন করে ওয়ার্ডের বাসিন্দাকেই প্রার্থী করতে হবে। একই ভাবে এদিন জেলার গুসকরা পৌরসভা এলাকাতেও প্রার্থী বদলের দাবিতে সকাল থেকেই বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে শুরু হয় বিক্ষোভ। এখানকার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের একাংশ ৩, ৫, ৯ ও ১৬ ওয়ার্ডের প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে স্বোচ্চার হন। দল গুসকরার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল প্রার্থী চণ্ডীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করলেও প্রাক্তন কউন্সিলার জগা তুরিকেই ফের প্রার্থী করার দাবি উঠেছে। অন্যদিকে প্রার্থী বদলের দাবি নিয়ে এদিন শহর বর্ধমানের মেহেদিবাগান এলাকাতেও ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। জিটি রোড অবরোধ করে চলে বিক্ষোভ প্রদর্শন। তারই মধ্যে বর্ধমান পুরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের প্রার্থী চায়না কুমারীর সমর্থনে প্রচারে বের হন তার অনুগামীরা। তখনই তাদের ঘিরে বিরোধী গোষ্ঠী বিক্ষোভ দেখানো শুরু করলে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ ও র্যফ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। একইদিনে বর্ধমান রাজবাড়ির সামনে পথ অবরোধে সামিল হল তৃণমূল কর্মীদের একাংশ। তাঁরা বর্ধমান শহরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে প্রাক্তন কাউন্সিলার শাহাবুদ্দিন খানের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, শাহাবুদ্দিন এলাকায় কোন উন্নয়নমূলক কাজ করেননি। উনি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত। এমনকি এলাকার এক তৃণমূল কর্মীকে খুনের ঘটনাতেও শাহাবুদ্দিন খান পরোক্ষভাবে যুক্ত ছিল বলে বিক্ষুব্ধরা অভিযোগ করেন। দল এবারেও শাহাবুদ্দিন খানকে প্রার্থী করেছে।তাঁকে প্রার্থীপথ থেকে সরানোর দাবি তুলে পথে নামেন তৃণমূল কর্মীদের একংশ। ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের পাশাপাশি ৩ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডও বিক্ষোভে উত্তাল হয়। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে দলের নেত্রী মিঠু সিংহের নাম প্রার্থী তালিকায় ঘোষিত হয়েছে। তাঁকে প্রার্থীপদ থেকে সরিয়ে ওয়ার্ডের দলীয় কর্মীকে প্রার্থী করার দাবী তুলেছেন বিক্ষুব্ধরা। তারা শহরের পার্কাস রোডে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান। প্রার্থী বদলের দাবিতেও শ্লোগানও দেন। প্রার্থী নিয়ে এদিন জেলার কালনা পৌরসভা এলাকাতেও বিক্ষোব ছড়ায়। কালনার ১৩ নম্বর ওয়াডের প্রার্থী মঞ্জু হালদারের বদলের দাবীতে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূলের একাংশ। তৃণমূলের মুখপাত্র দেবাংশু ভট্টাচার্য শনিবার কালনার জুবলি স্টারের পুজো প্যান্ডেলের উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, প্রার্থী তালিকা বেরনোর পর অনেক জায়গায় ক্ষোভ দেখা গেছে, কর্মীদের আমি বলব সংযত থাকতে, যদি প্রার্থী পছন্দ না হয়ে থাকে তাহলে দলের নেতৃত্বকে জানান। পাশাপাশি তিনি আরও সংযোজন করেন অনেকেই ভোটের আগে দুনৌকাতে পা দিয়েছিলেন, সেই সমস্ত মানুষ যদি প্রার্থী হয়ে যান তাহলে এটা হওয়া স্বাভাবিক। তবে জেলার কাটোয়া ও দাঁইহাট পৌরসভায় প্রার্থী নিয়ে অসন্তোষ থাকলেও তা আপাতত প্রকাশ্যে আসেনি।তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানান, এটা অভিমান।একে বিক্ষোভ বলা যাবে না। আর দলই প্রার্থী ঠিক করেছে। সেটা দলের সিদ্ধান্ত। সবাইকে মেনে নিতে হবে। গুসকরা পৌরসভার প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই লাগাতার বিক্ষোভের জেরে দুটি ওর্য়াডে প্রার্থী বদল করল তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার বিকালে বোলপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে বৈঠকে প্রার্থী বদলের সিদ্ধান্ত নেয় গুসকরা পৌরসভার পর্যবেক্ষ অনুব্রত মণ্ডল। ৩ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী দীর্ঘদিনের পাঁচবারের কাউন্সিলর মল্লিকা চোংদারের বদলে পূর্নিমা চৌধুরীকে প্রার্থী করা হয়। ৫ ওয়ার্ডের প্রার্থী মুনমুন মালিকের বদলে রিঙ্কু মালিক প্রার্থী করা হয়

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

বৃষ্টির বাধা কাটিয়ে রৌদ্রজ্জ্বল সবরস্বতীপুজো, এক ধাক্কায় ৪ ডিগ্রি পারদ পতন

বৃষ্টির ভ্রুকুটি কাটিয়ে অবশেষে কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গে সরস্বতী পুজোর অনুকুল আবহাওয়া। একলাফে অনেকটাই কমল তাপমাত্রাও।সরস্বতী পুজোর দিনে স্বস্তি দক্ষিণবঙ্গে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। তবে নদিয়া, মুর্শিদাবাদ বীরভূম জেলায় আজ পুজোর দিনেও হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও আজ বৃষ্টির সম্ভাবনা। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি এই পাঁচ জেলায় অপেক্ষাকৃত বেশি বৃষ্টি। উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদা জেলাতে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। রবিবার থেকেই ছন্দে ফিরবে শীত। অন্তত এমনটাই বলছে হাওয়া অফিস।শনিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮.৩ ডিগ্রি থেকে কমে সোজা ২৪.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। প্রায় এক ধাক্কায় ৪ ডিগ্রি পারদপতন। কমেছে রাতের তাপমাত্রাও। ১৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে রাতের তাপমাত্রা প্রায় ৩ ডিগ্রি কমে হয়েছে ১৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রাতের তাপমাত্রা আরও কমবে কলকাতায়। দিনের তাপমাত্রা অবশ্য সামান্য বাড়বে। সদ্য বঙ্গে আগত পশ্চিমী ঝঞ্ঝা হরিয়ানা থেকে বিহার পর্যন্ত পূর্ব-পশ্চিম অক্ষরেখা কাল বিকেলের পর শক্তি হারিয়েছে। এর ফলে আবহাওয়ার পরিবর্তন।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আপাতত রবিবার থেকে ছন্দে ফিরবে শীত। ফের শুষ্ক হবে পরিবেশ। রবিবার রাত থেকেই ফের পারদ পতন শুরু হবে। রবি ও সোমবার একধাক্কায় ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা নামতে পারে। যার জেরে ফিরবে শীতের আমেজ। তবে শীত কতদিন স্থায়ী হবে, তা এখনও স্পষ্ট করে বলতে পারেননি আবহাওয়াবিদরা।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
কলকাতা

পুরভোটের পরিবারতন্ত্র থেকেও সরে গেল তৃণমূল

কলকাতা পুরনিগমের নির্বাচন মিটেছে কিছুদিন আগেই। নির্বাচনে জয় প্রাপ্তি হলেও প্রার্থী তালিকায় পরিবারতন্ত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে সমালোচনার মুখে পড়তে হয় শাসক দলকে। এমনকী একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে টিকিট দেওয়ার নজিরও দেখা যায়। আর এবার সেই নীতি থেকে সরে এল তৃণমূল।আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি ১০৮টি পুরসভার নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। তার আগে, শুক্রবারই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, নতুনদের সুযোগ দিতে একই পরিবারের একাধিক সদস্যকে টিকিট দেয়নি তৃণমূল। শুধু তাই নয়, এবার কোনও বিধায়ককেও টিকিট দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে কলকাতা পুরনিগমের ভোটে টিকিট পেয়েছিলেন ফিরহাদ সহ একাধিক বিধায়ক।প্রসঙ্গত, বিধানসভা ভোটের পর তৃণমূল এক ব্যক্তি, এক পদ নীতির কথা ঘোষণা করলেও কলকাতা পুরভোটে দেখা যায় একাধিক মন্ত্রী ও বিধায়ক কাউন্সিলর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। যদিও প্রথমে ঠিক হয়েছিল, ফিরহাদ হাকিম-সহ মোট পাঁচ বিধায়ককে পুরভোটে টিকিট দেওয়া হবে না। কিন্তু শেষমুহূর্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যায়নি।পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কয়েকটি আসন বাদ দিয়ে ১০৮ টি পুরসভার সব আসনের প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করে ফেলেছে তৃণমূল। প্রায় তিন হাজার প্রার্থীর নাম বাছাই করা হয়েছে। পার্থ জানান, সুব্রত বক্সি, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম-সহ দলের শীর্ষ নেতৃত্ব খতিয়ে দেখেই প্রার্থী তালিকা তৈরি করেছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও দীর্ঘ সময় ধরে এই তালিকা দেখেছেন। পাশাপাশি, প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের সঙ্গেও তালিকা নিয়ে কথা হয়েছে বলে জানান পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে, সব শেষে তালিকা পাঠানো হয়েছিল তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। তিনিই চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

হাসপাতালের তিন তলায় আছড়ে পড়ে মৃত্যু বালকের

মর্মান্তিক মৃত্যু হল ৮ বছরের বালকের। শুক্রবার সকালে এই ঘটনাটি ঘটেছে মালদা মেডিক্যাল কলেজে। ছয় তলার সিঁড়ির রেলিং বেয়ে নামতে গিয়েই এই দুর্ঘটনা। পুলিশ ওই বালকের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে মৃত বালকের নাম হরষিত সিং (৮)।বাবার নাম বলবীর সিং। বলবীর বিহারের কাটিহারের বাসিন্দা। জানা গিয়েছে, হরষিতের মৃগীরোগ ছিল। শুক্রবার সকালে বাবার সঙ্গে দোকানে এসেছিল হরষিত। এর পর সে সকলের অলক্ষ্যে মেডিক্যাল কলেজের আউটডোরের ছয় তলায় উঠে যায়। সেখান থেকে খেলার ছলে সিঁড়ির রেলিং বেয়ে নামতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে। ছয় তলা থেকে তিন তলায় পড়ে মাথায় আঘাত পায় হরষিত। তার জেরে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু তার।মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আবহাওয়া খারাপ থাকায় মেডিক্যাল কলেজের আউটডোর ফাঁকা ছিল। যার ফলে সকলের অলক্ষ্যে সহজেই হরষিত মেডিক্যাল কলেজের ছয় তলায় উঠে পড়ে। এর ফাঁকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
নিবন্ধ

স্মৃতিকণা (কবিতা)

স্মৃতির ধুলো উড়িয়ে খুঁজে পাওয়াকিছু মুহুর্ত, আজও সোনার চেয়ে দামী।কোথায় হারিয়ে গেল সেই সোনাঝড়াদিন, শুধু জানেন অন্তর্যামী।পৌষ সংক্রান্তির পিঠেপুলির রেশ কাটতেনা কাটতেই, মিশন দেবী সরস্বতী;চাঁদা তোলা, কবিতা মুখস্থ, নাটকের মহড়া,এতেই অর্ধেক প্রসন্ন হতেন দেবী বিদ্যাবতী।কুল না খেয়ে, উপোস থেকে,পুরুতের সঙ্গে, কজ্জল পুরিত, ব্যস;এরপর হোমের ফোঁটা কপালে ঘষে,ষোলোআনা দিয়ে হেটমুণ্ড, টেনশন শেষ।পুরুতের আঙুল ধরে অ লিখছে ছোট্ট বাবাই,মণ্ডপ সেজেছে শিউলির হাতের আলপনায়।আর পাঁচ বছরের ছোট্ট তিতলির বিড়ম্বনাষোলো ফুটের কাপড় সামলানোই মহা দায়।হলুদ গাঁদার ভীড়ে, অতি চুপিসারে,শীতের বিদায়ঘন্টা নিঃশব্দে চলেছে বেজে;একরাশ খোলাচুলে, বাসন্তী শাড়ীতে,স্মিতহাস্যে বসন্ত এসেছে সেজে।সেদিনের স্নিগ্ধ চাহনিতে, ঝাপসা হৃদয়পেয়েছিল অদম্য প্রাণের স্পন্দন;বেজেছিল বীণা, রেঙেছিল মন পলাশের সাথেএক অনন্য অনুভূতি আবিষ্ট করেছিল মন।মন আজও খুঁজে ফেরে ফেলে আসা দিন,ভাবে সেদিনের কথা, করে আঁখি বন্ধ,এক চিলতে মিঠে দখিণা বাতাসবয়ে নিয়ে আসে, ছেড়ে আসা স্কুলের গন্ধ।আজও অশোক-পলাশ মেশে গোধুলিতে,দিগন্তে গোলাপী আভা, তবু রাঙে না মন।চেতনার আকাশ ঢেকেছে উদাসী মেঘ,তাই শুধু মুঠো ফোনে বন্দী জীবন।কবিঃ দীপক কুমার মণ্ডল

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূল- বিজেপিকে টেক্কা, পূর্ব বর্ধমানের ৬টি পৌরসভায় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা বামেদের, তৃণমূল বিধায়কের প্রার্থী তালিকা ফাঁস মেমারিতে

রাজ্য রাজনীতিতে ২০১১ সালে পালাবদলের পর থেকে প্রতিটি নির্বাচনে ভোটক্ষয় হয়ে চলেছিল বামেদের। সদ্য সমাপ্ত কলকাতা পুরনিগমের নির্বাচনে সেইভোটক্ষয়ে কিছুটা লাগাম পরাতে সক্ষম হয় বামেরা। আসন সংখ্যার নিরিখে না হলেও ভোট প্রাপ্তির শতাংশ হারের বিচারে তিলোত্তমা কলকাতায় বিজেপিকে পিছনে ফেলে দিয়েছে বামেরা। আর কলকাতা পুরভোটে অক্সিজেন পেয়েই এবার একদা বাম দুর্গ পূর্ব বর্ধমানের ছয়টি পৌরসভার নির্ফাচনেও জয় ছিনিয়ে নিতে মরিয়া সিএপিএম। রাজ্য নির্বাচন কমিশন বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে পৌরসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণা করে। এর ঠিক পরেই জেলার ৬ টি পৌরসভার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিয়েই শাসক দলকে চ্যালেঞ্জ জানাতে ভোট প্রচারে নেমে পড়েন সিপিএম নেতা কর্মী ও প্রার্থীরা। শাসক নেতৃত্ব বামেদের প্রার্থি ঘোষণার বিষয়টিকে তেমন গুরুত্ব দিতে না চাইলেও বিধায়কের তৈরি করা প্রার্থী তালিকা নিয়ে মেমারির তৃণমূল শিবিরে এখন ক্ষোভ বিক্ষোভ চরমে উঠেছে। বাম আমলে বলিষ্ঠ সিপিএম নেতা বিনয় কোঙারের গড় হিসাবেই পরিচিত ছিল মেমারি। সেই মেমারির দলীয় কার্যালয়ে থেকেই এদিন মেমারি পৌরসভার ১৬টি আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে সিপিএম নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস বা বিজেপি কেউ এদিন প্রর্যন্ত তাঁদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারেনি ।প্রার্থীদের নাম ঘোষণা কেরেই নিবাসী সিপিআইএম জেলা নেতা তাপস চট্টোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, এদিন থেকেই তাঁরা ভোট যুদ্ধে নেমে পড়বেন। যেমন কথা তেমনই কাজ। প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে দিয়েই বাম নেতা কর্মীদের একদল দেওয়াল লিখন আর অন্য দল বাড়ি বাড়ি প্রচার চালানো শুরু করেদেন।তবে বামেদের আগে তৃণমূলের মেমারিতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে না পারাটা শাসক দলের নিচু তলার কর্মীদের যথেষ্টই হতাশ করেছে। গত পৌরসভা নির্বাচনে মেমারি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন সিপিএম প্রার্থী।৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জয়ী হয়েছিলেন সিপিএম প্রার্থী। এছাড়াও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন পিডিএস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী ।বাকি সব আসনে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের প্রার্থীরা।এখনও মেমারি পৌরসভা পরিচালনার দায়িত্বে তৃণমূলের মনোনীতরাই রয়েছেন।এদিকে দল মেমারি পুরসভার প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ না হলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে মেমারির তৃণমূল বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্যের নির্দিষ্ট করা প্রার্থীদের নাম। যা নিয়ে মেমারির পৌর এলাকার তৃণমূল শিবিরে যথেষ্টই ক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়িয়েছে। বিক্ষুদ্ধদের দাবি, মেমারির বিধায়ক মধুসূদনবাবু নিজের অনুগতদের মেমারি পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী হিসাবে চিহ্নিত করেছেন।যাঁদের তিনি চিহ্নিত করেছেন তাঁদের নাম, ফোন নম্বার ও কোন ওয়ার্ডে কে কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তার তালিকা নিজের বিধায়ক প্যাডে ছাপিয়েছেন। তাতে স্বাক্ষর ও শিলমোহর দিয়ে মধুসূদনবাবু ওই নামের তালিকার লোকজনকেই মেমারির প্রার্থী হিসাবে মনোনীত করার জন্য সুপারিশ করে ১৭ জানুয়ারি রাজ্য নেতৃত্বের কাছে পাঠিয়েছেন। ওই সুপারিশ পত্রে মেমারি পৌরসভার দুবারের চেয়ারম্যান ও বর্তমান অ্যাডমিনিস্ট্রেটর স্বপন বিষয়ীকে দুর্নীতিগ্রস্ত ও তোলাবাজ বলে অবিহিত করেছেন। আর তা নিয়েই পৌরসভা ভোটের প্রাক্কালে মেমারি শহর জড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে ব্যাপক ক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়িয়েছে। শুক্রবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার কথা। তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব যদি মেমারির তৃণমূল বিধায়কের সুপারির করা ব্যক্তিদেরই পুরভোটে প্রার্থি করে তবে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হবে বলে মনে করছেন দলেরই অনেকে। তেমনটা হলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৃণমূলের লড়াইয়ে জমজমাট হবে মেমারি পৌরসভার নির্বাচন। ওই তালিকা বিষয়ে মেমারির বিধায়ক মধূসূদন ভট্টাচার্য্যের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন , নিজের অবজারভেশন মোতাবেক প্রার্থী প্রস্তাবপত্র তৈরী করে ছিলেন। তারপর দলের উচ্চ নেতৃত্ব জানিয়ে দেন তারাই মেমারি পর ভোটের প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে সার্ভে করছেন। তাই তিনি আর তার প্রস্তাব পত্র রাজ্যে পাঠাননি। বর্তমান অ্যাডমিনিস্ট্রেটার স্বপন বিষয়ী সন্মন্ধে যেসব যে অভিমত লিখেছেন তার প্রসঙ্গে মধুসূদন বাবু বলেন ,অ্যালিগেশন নিয়ে পাবলিকের মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে ওনার বিরুদ্ধে আমার পার্সোনাল অবজারভেশন আমি লিখেছি। স্বপন বিষয়ী যদিও বিধায়কের করা প্রার্থী নির্বাচন তালিকা নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাননি। তিনি শুধু বলেন, দলের রাজ্য নেতৃত্ব যথা সময়েই মেমারির পৌর ভোটে প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীদের নাম ঘোষনা করবেন। প্রার্থী নির্বাচন নিয়ে তৃণমূলের অভ্যন্তরীন বিরোধ যখন তুঙ্গে সেই সময়েই মেমারির পর বর্ধমান, গুসকরা, কাটোয়া,কালনা ও দাঁইহাট পৌরসভার প্রার্থী তালিকাও প্রকাশ করেদেন সিপিএম নেতারা। এদিন বিকালে সিপিএমের পূর্ব বর্ধমানের জেলা দপ্তরে সাংবাদিক সম্মেলনে করে নেতারা ওইসব পৌরসভার বামফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষনা করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে তাপস সরকার, অপূর্ব চ্যাটার্জি সহ অন্যান্য নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। বর্ধমান পৌরসভার নির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য বামেদের এবারের প্রার্থী তালিকায় বেশ কিছু নতুন মুখ স্থান পেয়েছে। তালিকায় ফরোয়ার্ড ব্লকের ৪ জন এবং আর এস পির ২ জনের নাম রয়েছে। মোট ৩৫ টি ওয়ার্ডের প্রার্থীদের নাম ঘোষিত হয়েছে। দলের দুই ছাত্র নেতা অনির্বাণ রায়চৌধুরী; অতনু হুই; অরিন্দম মৌলিক; মুনমুন হালদারের মত তরুণ মুখের প্রতিনিধিরা রয়েছেন এবারের ভোট যুদ্ধে । ২০১৩ সালে বর্ধমান পুরসভা ভোটের দিন সকালেই সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে সব প্রার্থী তুলে নেয় বামেরা। তারা জানিয়েছেন ; এবারে প্রশাসন তার দায়িত্ব পালন করুক।তা সত্বেও তারা শেষ অবধি ময়দানে থাকবেন।গুসকরা, কাটোয়া,কালনা ও দাঁইহাটের প্রার্থী তালিকায় বাম নেতৃত্ব পুরনোদের পাশাপাশি বহু নতুন মুখকে নিয়ে এসেছেন। একেবারে তরুণ প্রজন্মের অনেকেই জেলার ৬ টি পৌরসভার প্রার্থী তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই মেমারি পুরসভার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ সিপিএমের

সিপিআইএম র প্রাক্তন বিধায়ক তাপস চ্যাটার্জি, জেলা কমিটির সদস্য অভিজিৎ কোঙার, জেলা কমিটির সদস্য সনৎ ব্যানার্জি, প্রশান্ত কুমার কুমার, পিযুষ বিশ্বাসের উপস্থিতিতে মেমারি পুরসভার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হল। শাসকদল না পারলেও পুরসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা সাথে সাথে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি পৌরসভায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নামের তালিকা ঘোষণা করল সিপিআইএম নেতৃত্ব।বৃহস্পতিবার মেমারির দলীয় কার্যালয়ে থেকে তারা পৌরসভার ১৬টি আসনের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। যদিও রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস বা বিজেপি কেউ এখনও পর্যন্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারেননি। সিপিআইএম নেতৃত্ব প্রার্থী ঘোষণা করেই জানিয়ে দেন এ দিন থেকেই তারা ভোট যুদ্ধে নেমে পড়বেন। শুরু করে দেবেন বাড়ি বাড়ি প্রচার।সিপিএমের প্রার্থী তালিকামেমারি পৌরসভা পরিচালনার দায়িত্বে এখন তৃণমূলের মনোনিতারাই রয়েছে। গত পৌরসভা নির্বাচনে মেমারি পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন সিপিএম প্রার্থী। ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেস প্রার্থী এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের জয়ী হয়েছিলেন সিপিএম প্রার্থী। এছাড়াও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন কংগ্রেস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী এবং ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছিলেন পিডিএস সমর্থিত নির্দল প্রার্থী। বাকি সব আসনে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের প্রার্থীরা।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিয়ের ১০ বছর কাটালেন পায়েল-দ্বৈপায়ন

বিয়ের পর ১০টা বছর একসঙ্গে কাটিয়ে দিলেন অভিনেতা দ্বৈপায়ন দাস ও অভিনেত্রী পায়েল দে। সেই আনন্দ সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন পায়েল। দ্বৈপায়নের সঙ্গে বেশ কিছু ছবি পোস্ট করে তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, শুভ ১০ ..শুভ হোক প্রতিদিন ...আসো আমরা একসঙ্গে এইভাবে সময়টা যেন কাটাতে পারি। ...হাসতে থাকো..অনেক ভালোবাসি তোমাকে... খুব শুভ বিবাহ বার্ষিকী . এই পোস্টে অনেকেই ভালোবাসার কমেন্টে ভরিয়ে দিয়েছেন। সঙ্গীতশিল্পী মনস্বিতা ঠাকুর কমেন্ট করে লিখেছেন, দুজনকেই শুভ বিবাহবার্ষিকী। অভিনেতা দেব চ্যাটারজি লিখেছেন, শুভ বিবাহবার্ষিকী , খুব খুব ভালো থেকো তোমরা আজীবন। অনেক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা। এছাড়া বিশেষ দিনে তিনি আরও অনেক ভালোবাসা পেয়েছেন। চৈতালি দাশগুপ্ত কমেন্টে লিখেছেন, অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালবাসা নিস্পায়ল-গোগোল।বর্তমানে কালারস বাংলায় সোনা রোদের গান ধারাবাহিকে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন পায়েল। তাঁর বিপরীতে রয়েছেন সৌম্য ব্যানারজি। প্রতিদিন রাত ৮টায় এই ধারাবাহিকটি টেলিকাস্ট করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ধনিয়াখালী শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের মঞ্চে সন্মাননা পেলেন পরিচালক রাজকুমার দাস

হুগলীর ধনিয়াখালীতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল দুদিনের শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। রাজু মালিক ফিল্ম প্রোডাকশনের উদ্যোগে উক্ত ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল আয়োজিত করা হয়। প্রায় ত্রিশজন পরিচালকের ছবি উক্ত উৎসবে মনোনীত হয়ে প্রদর্শিত হয়। উক্ত উৎসবে পরিচালক রাজকুমার দাস পরিচালিত ও অভিনীত দা ব্লাইন্ড ভীষন-সেফ লাইফ সেভ ড্রাইভ এর উপর ভিত্তি করে সমাজ সচেতনতা মূলক ছবিটি দেখানো হয়।দর্শকদের কাছে সমাদৃত হয়। এদিনের মঞ্চে পরিচালক রাজকুমার দাসের হাতে সন্মাননা স্মারক ও মানপত্র তুলে তাকে সংবর্ধনা জানানো হয়। উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক পঙ্কজ সেন, চিত্রগ্রাহক-অরিন্দম ভট্টাচার্য, পরিচালক অজন্তা দেব বর্মণ, বাদল সরকার,অরূপ মুখার্জী,ধনঞ্জয় মন্ডল প্রমুখ।পরিচালক রাজকুমার দাস বলেন যেকোন সন্মান পাওয়া মানে আরও মানুষের জন্য ভালো ভালো ছবি করে যাওয়ার ইচ্ছা শক্তিকে বাড়িয়ে দেয়,তাই মানুষের ভালোবাসা পেয়ে ভালো লাগছে। ইতিমধ্যেই রাজকুমার পরিচালিত নীল বিষ,অন্তরালে,চোরাবালি, বলিদান,বীর তিতুমীর, পল্লী কবি কুমুদ রঞ্জন ,জার্নি অব লাইফ, মিশন টলিউড, প্রমুখ ফিল্ম শর্ট ফিল্ম ও তথ্যচিত্র বানিয়ে দর্শকদের কাছে বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছেন। আগামীতে কাজ করছেন আরও বেশকিছু নতুন ছবি। ধনিয়াখালী ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে র উদ্বোধন করেন স্থানীয় বিধায়ক অসীমা পাত্র। আয়োজনে ছিল চিত্রপরিচালক রাজু মালিক। উৎসবটি দ্বিতীয় বছরে পড়লো। আগামী দিনে এই উৎসব সুচারু ভাবে এগিয়ে চলুক। শুভেচ্ছা রইলো।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মডেলিং ও অভিনয়ের পর শর্বরী কি এবার গ্রুমার?

মডেল ও অভিনেত্রী শর্বরী দাস এখন খুবই ব্যস্ত। সম্প্রতি বেশ কিছু ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি শেয়ারও করেছেন তিনি। কয়েকদিন আগে মার্সিডিজ বেঞ্জের সঙ্গে কাজ করলেন তিনি। তবে এখন তিনি কলকাতায় নেই। কলকাতা ছেড়ে নভি মুম্বইয়ে পাড়ি দিলেন শর্বরী। সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু ছবিও দেখে ফেলেছেন তার ফ্যানরা। তবে মুম্বইতে কেন হঠাৎ? নতুন কোনো ব্র্যান্ডের সঙ্গে কি কাজ করছেন শর্বরী? জনতার কথা থেকে শর্বরীকে ফোন করা হলে তিনি জানালেন, মুম্বইতে আমি কোনো ব্র্যান্ডের কাজে আসিনি। আমি গ্রুমিং এর কোর্স করতে এসেছি। কাউকেই এখনো জানাইনি। তোমাদেরই প্রথম জানালাম। কলকাতায় কবে ফিরবে? শর্বরী জানাল,কয়েকদিন মুম্বইতে থাকবো। ৩ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় ফেরার কথা আছে আমার। আগামী দিনে কি তাহলে মডেলিং, অভিনয়ের পাশাপাশি গ্রুমিংয়েও দেখা যাবে তোমাকে? শর্বরী জানালেনগ্রুমিংয়ের কোর্স করতে এসেছি। ভালোভাবে শিখতে চাই। ইচ্ছা তো আছে গ্রুমিং শেখানোর। লেটস সি কি হয়।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
দেশ

আর ২৮ দিনের ফোনে রিচার্জ নয়! গ্রাহক স্বার্থে বিশেষ ঘোষণা করতে পারে ট্রাই

বর্তমানে যেকোনও সংস্থার মোবাইলে ১মাসের জন্য রিচার্জ করতে গেলে আপনি কখনই ২৮ দিনের বেশী বৈধতা পাবেন না। সাধারণ মানুষের এই বহুচ্চারিত, বহু-সমলোচিত সিস্টেমের অবসান হতে চলেছে। সম্প্রতি টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (TRAI) যে নোটিফিকেশন জারি করেছে, তাতে এই সমস্যা থেকে মানুষ মুক্তি পেতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।এখন ১ মাসের ঘোষণা করে মোবাইল সংস্থার-গুলির যে রিচার্জ প্ল্যান বাজারে আছে তার কোনটাই ২৮ দিনের বেশী নয়। এতে করে সাধরণ মানুষের ২ দিনের ভ্যালিডিটি লোকসান হচ্ছে। ইংরাজি ক্যলেন্ডার আনুসারে ১২ মাসের মধ্যে একমাত্র ফেব্রুয়ারি মাস-ই ২৮ দিনের হয় (লিপ-ইয়ার ব্যাতীত)। তাহলে কেন ৩০ বা ৩১ দিনের (মাস হিসাবে) জন্য টাকা নিয়ে ২৮ দিনের সার্ভিস দেওয়া হবে? এই নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে দীর্ঘ দিন ধরেই অসন্তোষ প্রকাশ করে যাচ্ছেন এক শ্রেনীর মানুষ। টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া,টেলিকম সার্ভিস প্রভাইডার-দের (TSP) নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছে, তাঁরা সারা দেশ থেকে প্রিপেইড রিচার্জ ব্যবহারকারী বহু মানুষের কাছ থেকে ২৮ দিনের প্ল্যান বৈধতা নিয়ে প্রচুর অভিযোগ পেয়েছেন, সাধারণ মানুষ জানতে চেয়েছেন যখন একজন ব্যাক্তি ১মাসের মাইনে ৩০ অথবা ৩১ দিনে পাই, সেখানে এক মাসের রিচার্জ করে ২৮ দিনের বৈধতা কেন পাবো? বাস্তবে এক মাস বা ৩০ দিনের কোনও প্রিপেড প্ল্যান নেই। টেলিকম দপ্তরের এই নির্দেশিকা-য় সাধারণ মানুষের অনেক সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। জনতার কথা এই বিষয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সাথে কথা বলেছে, ডাটা এনালিসিস্ট সৌম্য দাস জনতার কথাকে বলেন, আমরা আগে রিচার্জ করলে এক মাস মানে ৩০ দিন-ই পেতাম, এতে আমরা পুরনো মেসেজ দেখে হিসাব করতে পারতাম পরের মাসে কোন দিন রিচার্জ করতে হবে, হঠাৎ করে ২৮ দিন করে দেওয়ায় আমাদের ২ দিন ক্ষতি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ভ্যালিডিটি মনে রাখারও একটা সমস্যা হচ্ছে। বহুজাতিক কর্পোরেট সংস্থার আধিকারিক কুনাল মুখোপাধ্যায় আমাদের জানান, এ সমস্যা আগে ছিল না। ২০১৫ সালে পর থেকেই এই সমস্যা শুরু হয়েছে, ৩০ দিন থেকে ভ্যালিডিটি ২৮ দিন করে দেওয়াতে আপনি ১২ মাসের পেমেন্ট করে ১১ মাসের সুবিধা পাচ্ছেন। অর্থাৎ আপনার অজান্তেই ১ মাসের টাকা আপনার ওয়ালেট থেকে চলে গেল। সরকারি ঘোষনা-র ফলে যদি ৩০ দিনের বৈধতার প্ল্যান আসে, তাহলে প্রিপেড রিচার্জ করা ব্যবহারকারীরা অনেক বেশি উপকৃত হবেন এবং তাদের ১২ মাসে মুল্য দিয়ে সম সংখ্যক মাসেরই সুবিধা পাবেন। টেলিকম সার্ভিস প্রভাইডার-দের (TSP) যে রিচার্জ প্ল্যানগুলি এই মুহুর্তে বাজারে আছে তাঁর কোনটাই মাসের সাথে সামাঞ্জস্য রেখে নেই। ৬০ দিনের (২ মাস) পরিবর্তে ৫৪, ৯০ দিনের (৩ মাস) পরিবর্তে ৮৪। অনেক সংস্থার আবার এর থেকে কম দিনের প্ল্যান-ও আছে। টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি অফ ইন্ডিয়া ৬০ দিনের মধ্যে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলেছে সংস্থাগুলিকে। তবে, ভারতে প্রথম সারির টেলিকম সার্ভিস প্রভাইডররা, ভোডাফোন-আইডিয়া (Vi) , জিও (Jio) এবং এয়ারটেল (Airtel) এবং ভোডাফোন-আইডিয়ার (Vi) কবে থেকে ট্রাই নির্দেশিত ৩০ দিনের বৈধতার রিচার্জ প্ল্যান নিয়ে আসবে তা এখনও প্রকাশ করেনি। সাধারণ মানুষের আশা খুব শীঘ্রই ৩০ দিনের বৈধতার রিচার্জ প্ল্যান আসবে এবং তাদের সুরহা হবে।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বাড়ি ফিরতেই অল্লু অর্জুনকে ভালোবাসায় ভরালেন তাঁর মেয়ে

ছেলেরা যেমন মায়ের খুব কাছের হয় তেমনি মেয়েরা বেশি ভালোবাসে বাবাকে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সেলিব্রিটি কারোর জন্যই এটার ব্যতিক্রম হয় না। সেরকমই মেয়ের একটুকরো মুহূর্ত সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করে নিলেন অল্লু অর্জুন।গতবছরের শেষের দিকে ১৭ ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে পুষ্পা দ্য রাইজ। বক্স অফিসে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪০০ কোটির ব্যবসা করেছে পুষ্পা। শুধু দেশে নয়, বিদেশের দর্শকরাও ভালোবাসায় ভরিয়েছেন অল্লু-রশ্মিকার জুটিকে।গত ১৬ দিন সিনেমার কাজে দুবাইতে থাকার পর বাড়ি ফিরলেন অল্লু অর্জুন। বাড়ি ফিরতেই জানাল অল্লুর কন্যা আরহা তাঁকে ভালোবাসায় স্বাগত জানাল। ফুলের পাপড়ি সাজিয়ে ক্ষুদে লিখেছে, ওয়েলকাম নানা। সঙ্গে ক্যাপশনে লিখলেন, ১৬ দিন বাইরে থাকার পর যখন ফিরে এলাম, তখন আমাকে এই বিশেষ ভাবে স্বাগত জানানো হয়েছিল।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
রাজ্য

দুই কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ায় পাশবিক, নিষ্ঠুর নির্যাতনের অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন গৃহবধূ

বিয়ের পর থেকে গৃহবধূ যে দুটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সেই দুটি সন্তানই কন্যা সন্তান। শুধুমাত্র সেই কারণে গৃহবধূর যৌনাঙ্গে রড, লাঠি ঢুকিয়ে নির্মম পাশবিক অত্যাচার চালানোর অভিযোগ উঠলো স্বামীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই শনিবার সকাল থেকে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার বাঘনাপাড়ার বিজার গ্রামে। ঘটনা নিয়ে এলাকার অন্য মহিলারা প্রতিবাদে সোচ্চার হতেই গা ঢাকা দিয়েছে গৃহবধূর স্বামী তৌফিক শেখ। গুরুতর জখম অবস্থায় গৃহবধূকে উদ্ধার করে এদিনই কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করেছেন বাপের বাড়ির লোকজন। কালনা থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। শুরু হয়েছে অভিযুক্ত নিষ্ঠুর স্বামীর খোঁজ। স্বামীর এমন নিষ্ঠুরতার নিন্দা করেছে আপামর কালনাবাসী। গৃহবধূর বাবা ভোলা শেখ জানিয়েছেন, ২০১৬ সালে তাঁর মেয়ে শরিফার সঙ্গে বিয়ে হয় কালনার বিজারা গ্রামের যুবক তৌফিক শেখের। বিয়ের পর থেকে তাঁর মেয়ে যে দুটি সন্তানের জন্ম দেয় সেই দুটি সন্তানই কন্যা সন্তান। শরিফা পুত্র সন্তানের জন্ম দিতে না পারায় তার উপর বেজায় চটে যায় জামাই তৌফিক। সে অমানুষিক নির্যাতন শুরু করে দেয় তাঁর স্ত্রী শরিফার উপর। কখনও শরিফার যৌনাঙ্গে রড কিংবা লাঠি ঢুকিয়ে দিয়ে,আবার কখনও যৌনাঙ্গের পাশে সিরিশ কাগজ ঘষে দিত তৌফিক। ভোলা শেখ তাঁর অভিযোগে আরও বলেন, এত অত্যাচার চালিয়েও তাঁর জামাইয়ের নিষ্ঠুর স্পৃহা মিটতো না। সে নিজের স্ত্রীর বুকে পর্যন্ত বেপরোয়া ভাবে মারতো। বেশ কয়েক মাস ধরেই তৌফিক এই ভাবে নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছিল তাঁর স্ত্রী শরিফার উপর। এমনকি শরিফাকে ডিভোর্স দিয়ে অন্য মেয়েকে বিয়ে করেবে বলেও তৌফিক জানায়। শরিফা তাঁর স্মামীর এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রতিবাদে সরব হয়। তার জন্য শরিফার উপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয় তৌফিক। গলায় দড়ির ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে দিয়ে শরিফাকে প্রাণে মারার চেষ্টাও করে জামাই। এই পরিস্থিতিতে একান্ত নিরুপায় হয়ে গৃহবধূ শরিফা তাঁর স্বামীর নির্যাতনের কথা বাপের বাড়িতে জানায়। গৃহবধূর বাবা সহ বাড়ির অন্যরা শনিবার জামাই তৌফিকের বাড়িতে পৌছান। তাঁরা সেখান থেকে জখম অবস্থায় শরিফাকে উদ্ধার করে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে। তারই মধ্যে গা ঢাকা দেয় তৌফিক। গৃহবধূ এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদিনই গৃহবধূর বাবার বাড়ির লোকজন মৌখিক ভাবে তৌফিকের বিরুদ্ধে পুলিশকে অভিযোগ জানিয়েছেন। ভোলা শেখ বলেন, লিখত ভাবেও তাঁরা জামাই তৌফিকের নির্যাতনের কথা পুলিশের কাছে জানাবেন।গৃহবধূ জানিয়েছে, তিনি পর পর দুটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছ এটাই আমার অপরাধ। সেই কারণে আমার স্বামী নিষ্ঠুর অত্যাচার চালিয়ে গিয়েছে। এমনকি প্রাণে মেরে দেওয়ার চেষ্টাও করেছে। নির্যাতন আর সহ্য করতে না পেরে বাপের বাড়িতে স্বামীর কুকীর্তির কথা জানাতে বাধ্য হন, বলে তিনি জানিয়েছেন।কলনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক(এসডিপিও )সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, পুলিশের একটি টিম হাসপাতালে গিয়ে গৃহবধূর সঙ্গে কথা বলেছে। ঘটনার বিষয়ে আরও খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ এখনও গৃহবধূর পরিবারের কেউ থানায় জমা দেননি। অভিযোগ পেলে আইন মাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 48
  • 49
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • 54
  • ...
  • 90
  • 91
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

সব আশঙ্কাকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে মহারেকর্ড! গ্রুপ পর্ব শেষের আগেই যা ঘটল, তাকিয়ে বিশ্ব

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব এখনও শেষ হয়নি। কিন্তু তার আগেই তৈরি হয়ে গেল নতুন ইতিহাস। দর্শকসংখ্যার নিরিখে এবারই বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি মানুষ মাঠে বসে খেলা দেখেছেন। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, চলতি বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই ছত্রিশ লক্ষেরও বেশি দর্শক স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে ম্যাচ উপভোগ করেছেন। ফলে আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে নতুন নজির গড়েছে এই আসর।এর আগে সর্বাধিক দর্শকের রেকর্ড গড়েছিল উনিশশো চুরানব্বই সালের বিশ্বকাপ। সেই আসরেও আয়োজক ছিল আমেরিকা। তখন বাহান্নটি ম্যাচে প্রায় পঁয়ত্রিশ লক্ষ সাতাশি হাজার দর্শক মাঠে বসে খেলা দেখেছিলেন। দীর্ঘ সময় সেই রেকর্ড অটুট ছিল। এবার সেই রেকর্ডও ভেঙে গেল। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এখনও প্রতিযোগিতার আটচল্লিশটি ম্যাচ বাকি রয়েছে। তার আগেই সর্বাধিক দর্শকের নতুন ইতিহাস তৈরি হয়েছে।বিশ্বকাপ শুরুর আগে অবশ্য একাধিক প্রশ্ন উঠেছিল। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের উপর ভিসা সংক্রান্ত বিধিনিষেধ, প্রবেশের জটিলতা এবং অতিরিক্ত খরচ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন অনেকেই। খেলার টিকিট, যাতায়াত এবং থাকার খরচও ছিল বেশ বেশি। তাই অনেকের আশঙ্কা ছিল, দর্শক উপস্থিতি প্রত্যাশার তুলনায় কম হতে পারে।কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল সম্পূর্ণ উল্টো ছবি। বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ফুটবলপ্রেমীরা মাঠে ভিড় জমিয়েছেন। অধিকাংশ ম্যাচেই প্রায় পুরো স্টেডিয়াম দর্শকে ভরে গিয়েছে। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার দাবি, এখনও পর্যন্ত ছত্রিশ লক্ষ পাঁচ হাজারেরও বেশি মানুষ মাঠে বসে খেলা দেখেছেন। অধিকাংশ স্টেডিয়ামেই আসন প্রায় সম্পূর্ণ পূর্ণ ছিল।এখনও নকআউট পর্ব শুরু হয়নি। তাই আগামী দিনে দর্শকের সংখ্যা আরও দ্রুত বাড়বে বলেই আশা করা হচ্ছে। সংস্থার অনুমান, প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার আগেই চল্লিশ লক্ষেরও বেশি দর্শক মাঠে বসে বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারেন। সেই সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় এবারের বিশ্বকাপ ইতিমধ্যেই ফুটবল ইতিহাসে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
দেশ

দানবাক্স থেকে কোটি কোটি টাকা উধাও! তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য, গ্রেপ্তার আট

মন্দিরের দানবাক্স থেকে বিপুল পরিমাণ অনুদানের অর্থ চুরির অভিযোগে আট জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্সের টাকা সরানো হচ্ছিল, তা নিয়েও সামনে এসেছে নতুন অভিযোগ।তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তরা নজরদারি এড়াতে কৌশলে নজরদারি যন্ত্র ঢেকে রাখত। এরপর দানবাক্স থেকে টাকা বের করে তা প্রথমে শৌচাগারের ভিতরে লুকিয়ে রাখা হত। পরে সুবিধাজনক সময়ে সেই অর্থ গোপনে মন্দির চত্বরের বাইরে নিয়ে যাওয়া হত। তদন্তে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, পরে সেই টাকা বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে একাধিক ব্যক্তির মধ্যে বিলি করা হত।বিশেষ তদন্তকারী দলের দাবি, মন্দির উদ্বোধনের পর থেকেই এই চুরির ঘটনা শুরু হয়ে থাকতে পারে। চলতি বছরের সাতাশে এপ্রিল থেকে পাঁচই জুনের মধ্যে অন্তত সত্তরটি চুরির ঘটনা তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃতদের মধ্যে দুজন কয়েক জন ব্যাঙ্ক আধিকারিকের নামও উল্লেখ করেছেন বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আরও কয়েক জনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঘটনায় আরও কয়েক জন সরকারি কর্মীর যোগ থাকতে পারে। তবে সেই বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে।বিশেষ তদন্তকারী দলের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মন্দিরে নগদ অনুদান হিসেবে কয়েক হাজার কোটি টাকা জমা পড়েছিল। পাশাপাশি প্রচুর সোনা ও রুপোর অলঙ্কারও দান করা হয়েছিল। তদন্তে অভিযোগ, সেই বিপুল সম্পদের একটি অংশের হিসাব এখনও মেলেনি। নগদের পাশাপাশি দান করা কয়েকটি মূল্যবান রুপোর সামগ্রীও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তদন্ত যত এগোবে, উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে তাঁদের অনুমান। যদিও মোট কত টাকা বা সম্পদ খোয়া গিয়েছে, সে বিষয়ে এখনও সরকারি ভাবে চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত! অনুপ্রবেশ থেকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, একের পর এক বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

রবীন্দ্র সদনে অনুষ্ঠিত বন্দে মাতরমের সার্ধশতবর্ষ উদ্যাপন অনুষ্ঠানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুপ্রবেশ, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, ধর্মান্তর এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, শরণার্থীদের কোনও ভয় নেই। তবে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁর দাবি, অনুপ্রবেশমুক্ত পশ্চিমবঙ্গ গড়াই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।অভিন্ন দেওয়ানি বিধির পক্ষেও জোরালো সওয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করা হবে। পাশাপাশি ভূমি দখল, প্রতারণার মাধ্যমে সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং জোর করে ধর্ম পরিবর্তনের মতো অভিযোগের বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনার কথাও ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে আর কোনও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মতো পদক্ষেপও নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থেই সরকার এই পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করবে।বন্দে মাতরম প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই প্রথম রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ঘিরে কলেজ স্ট্রিট এবং নৈহাটিতে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, অতীতে একই ধরনের কর্মসূচি করতে গিয়ে নানা বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল।নিজের বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, বন্দে মাতরম শুধু একটি গান নয়, এর মধ্যে দেশপ্রেম এবং জাতীয় চেতনার গভীর বার্তা রয়েছে। সেই মূল্যবোধ সমাজে আরও ছড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।সম্প্রতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্দে মাতরমকে প্রার্থনা সঙ্গীত হিসেবে চালু করার সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গও তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, অনেকেই এখন নিয়ম মেনে গান গাইছেন। সময়ের সঙ্গে আরও বেশি মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই গান গাইবেন বলেই তাঁর আশা।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

জাহাঙ্গিরকে দড়ি বেঁধে ঘোরানো নিয়ে বড় প্রশ্ন! মানবাধিকার ইস্যুতে কড়া বার্তা হাই কোর্টের

ফলতার জাহাঙ্গির খানকে গ্রেপ্তারের পর কোমরে দড়ি বেঁধে এবং অস্বাভাবিক পোশাকে প্রকাশ্যে ঘোরানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করল কলকাতা হাই কোর্ট। জাহাঙ্গির খানের স্ত্রী সারিকা বিবির দায়ের করা মামলার শুনানিতে আদালত জানিয়ে দিয়েছে, তদন্ত চললেও কোনও অভিযুক্তের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা যাবে না।বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, জাহাঙ্গির খানের সঙ্গে এমন কোনও আচরণ করা যাবে না, যা তাঁর মানবাধিকার ক্ষুণ্ন করে। পাশাপাশি আদালত পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে জানাতে হবে জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে নতুন কোনও মামলা দায়ের হয়েছে কি না। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী পয়লা জুলাই।প্রসঙ্গত, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী ছিলেন জাহাঙ্গির খান। নির্বাচনের আগে তাঁর একাধিক মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল। পরে ভোটের আগে তিনি নির্বাচনী প্রচার থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর তিনি প্রকাশ্যে আর দেখা না গেলেও পরে বাংলা-নেপাল সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী।গ্রেপ্তারের পর ফলতার সহরারহাট এলাকায় জাহাঙ্গির খানকে কোমরে দড়ি বেঁধে এবং সাধারণ পোশাকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বহু মানুষ প্রথমে তাঁকে চিনতে না পারলেও পরে বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। সেই সময় জাহাঙ্গির খানকে হাতজোড় করে হাঁটতে এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতেও দেখা যায়।এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে আদালতের দ্বারস্থ হন তাঁর স্ত্রী। মামলার শুনানিতে হাই কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, আইনের প্রক্রিয়া চলবে ঠিকই, তবে কোনও অবস্থাতেই মানবাধিকার লঙ্ঘন করে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। আদালতের এই পর্যবেক্ষণকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নতুন করে শুরু হয়েছে আইনি ও রাজনৈতিক আলোচনা।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

মেয়ের এক আবদারেই বদলে গেল সব! তারাতলার মৃত্যুফাঁদ থেকে অলৌকিকভাবে ফিরলেন শ্রমিক বাবা

তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন এক শ্রমিক। আর সেই অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরার পিছনে রয়েছে তাঁর ছোট্ট মেয়ের এক আবদার। কাজে যেতে না দেওয়ার জন্য মেয়ের জেদের কাছে হার মেনেছিলেন বাবা। কয়েক ঘণ্টা পরেই ভেঙে পড়ে সেই নির্মীয়মাণ গুদাম। এখন মেয়েকে বুকে জড়িয়ে বারবার ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন তিনি।জগদ্দলের মোমিনপুরের বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র চৌধুরী প্রতিদিনের মতো বুধবার ভোরেও কাজে বেরোনোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদামে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। প্রতিদিন সাতশো টাকা মজুরি পেতেন। সেদিন অতিরিক্ত তিনশো টাকা দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন ঠিকাদার। সংসারের আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যে বাড়তি আয়ের সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি ধর্মেন্দ্র।কিন্তু ঠিক সেই সময় ঘুম থেকে উঠে বাবাকে জড়িয়ে ধরে ছোট্ট মেয়ে। তার একটাই আবদার ছিল, সেদিন যেন বাবা আর কাজে না যান। প্রথমে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত মেয়ের জেদ আর ভালোবাসার কাছে হার মানেন ধর্মেন্দ্র। অতিরিক্ত আয়ের লোভ ছেড়ে বাড়িতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।কয়েক ঘণ্টা পর খবর আসে, দুপুরে আচমকাই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে সেই নির্মীয়মাণ গুদাম। খবর শুনে স্তব্ধ হয়ে যান ধর্মেন্দ্র। বুঝতে পারেন, সেদিন কাজে গেলে হয়তো তিনিও আর বেঁচে ফিরতেন না।শুক্রবার তিনি হাসপাতালে গিয়ে সেই সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করেন, যিনি তাঁর পরিবর্তে সেদিন কাজে গিয়েছিলেন এবং দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আবেগঘন কণ্ঠে ধর্মেন্দ্র বলেন, তাঁর মেয়েই আজ তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। মেয়ের কথা না শুনলে হয়তো তিনিও আজ বেঁচে থাকতেন না।তারাতলার মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মধ্যে ধর্মেন্দ্র ও তাঁর ছোট্ট মেয়ের এই ঘটনা এখন অনেকের মন ছুঁয়ে গিয়েছে। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এই শ্রমিকের কাছে এখন সবচেয়ে বড় সত্য, সন্তানের একটুকরো ভালোবাসাই তাঁর নতুন জীবন ফিরিয়ে দিয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! এবার সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে অধীর, বড় অভিযোগে চাঞ্চল্য

পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার নামে রাজ্যে প্রায় সাতাশ লক্ষ মানুষের নাম খামখেয়ালিভাবে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এই ঘটনায় তিনি একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন।আদালতে দাখিল করা আবেদনে অধীর রঞ্জন চৌধুরীর দাবি, কোনওরকম শুনানির সুযোগ না দিয়েই সামান্য ভুলের অজুহাতে বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, শুধুমাত্র মুর্শিদাবাদ জেলাতেই প্রায় পাঁচ লক্ষ ভোটারের নাম কেটে দেওয়া হয়েছে।অধীরের আরও দাবি, কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম ট্রাইব্যুনাল থেকে সরে যাওয়ার পর আপিলের শুনানির গতি আরও কমে গিয়েছে। বর্তমানে মুর্শিদাবাদে মাত্র দুটি ট্রাইব্যুনালে প্রতিদিন অল্প সংখ্যক মামলার শুনানি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জমে থাকা সব মামলার নিষ্পত্তি হতে আরও চার থেকে পাঁচ বছর সময় লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি।আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার ফলে বহু দরিদ্র মানুষ সরকারি প্রকল্প এবং সামাজিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাই ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলিতে দ্রুত অতিরিক্ত আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুত শুনানির ব্যবস্থা করার আবেদন জানানো হয়েছে।অধীর রঞ্জন চৌধুরী আদালতের কাছে আরও আবেদন করেছেন, মুর্শিদাবাদ ও মালদার মতো জেলায় ব্লকভিত্তিক আপিল ট্রাইব্যুনাল তৈরি করা হোক। পাশাপাশি মামলার চাপ কমাতে পর্যাপ্ত কর্মরত অথবা অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া মামলার তালিকা এবং রায় সহজে দেখার জন্য একটি স্বচ্ছ ডিজিটাল ব্যবস্থা চালুর আবেদনও করা হয়েছে।একইসঙ্গে আদালতের কাছে আর্জি জানানো হয়েছে, আপিল প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও নাগরিকের সরকারি সুযোগ-সুবিধা যাতে বন্ধ না হয়, সেই বিষয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হোক।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ বড় সিদ্ধান্ত! এক মাসের জন্য থামছে বহুতল নির্মাণ, বাতিল হতে পারে অনুমোদন!

গার্ডেনরিচ ও তারাতলার মতো একের পর এক দুর্ঘটনার পর আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার। সেই কারণেই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে নির্মীয়মাণ বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতল নিয়ে। আগামী এক মাস কলকাতা-সহ একাধিক পুর এলাকায় পাঁচ তলার বেশি বাণিজ্যিক বহুতলের নির্মাণকাজ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এই সময়ে বিশেষ অডিট কমিটি প্রতিটি নির্মাণের নকশা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবে। গুরুতর ত্রুটি ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট বহুতলের অনুমোদন পর্যন্ত বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, নগরায়ণ থামানো সরকারের উদ্দেশ্য নয়। তবে কোনওভাবেই মানুষের জীবন নিয়ে ঝুঁকি নেওয়া হবে না।সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী এক মাস কলকাতা, বিধাননগর, রাজারহাট, নিউটাউন, পূজালি, বারুইপুর, মহেশতলা, রাজপুর-সোনারপুর, দক্ষিণ দমদম, কামারহাটি, বরানগর এবং বালিতে নির্মীয়মাণ বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের কাজ বন্ধ থাকবে। ইতিমধ্যেই এগারো সদস্যের একটি অডিট কমিটি গঠন করা হয়েছে।এই কমিটি প্রথমে বহুতলের নকশা নিয়ম মেনে তৈরি হয়েছে কি না তা পরীক্ষা করবে। এরপর অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ সংযোগ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি রয়েছে কি না, তাও বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখা হবে।সরকার জানিয়েছে, যেখানে সামান্য ত্রুটি থাকবে সেখানে নির্মাণ সংস্থাকে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে। কিন্তু বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়লে বহুতলের অনুমোদন সম্পূর্ণ বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।অডিট কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার সময়সীমা রাখা হয়েছে নব্বই দিন। তবে যে সব বহুতল নিরাপত্তা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবে, সেগুলির নির্মাণকাজ আগামী এক আগস্ট থেকে আবার শুরু করার অনুমতি দেওয়া হবে।সরকার আরও জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র বেসরকারি বাণিজ্যিক বহুতলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি নির্মাণ বা সংস্কারের কাজে কোনও বিধিনিষেধ থাকছে না। ফলে আগামী এক মাস নিজের বাড়ির নির্মাণ বা মেরামতির কাজ স্বাভাবিকভাবেই চালিয়ে যেতে পারবেন সাধারণ মানুষ।

জুন ২৬, ২০২৬
রাজ্য

দীর্ঘদিন পলাতক, অবশেষে গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা! আদালতে নিয়ে যেতেই যা করল জনতা, তোলপাড় ক্যানিং

ভোটের পর থেকেই পলাতক ছিলেন ক্যানিংয়ের এক তৃণমূল নেতা। দীর্ঘদিন খোঁজ চালানোর পর অবশেষে তাঁকে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতের কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে গ্রেপ্তারের পর আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় যে ঘটনা ঘটল, তা ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।ধৃত ইটখোলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ইন্দ্রজিৎ সর্দারকে থানার বাইরে আনা মাত্রই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। আদালতে নিয়ে যাওয়ার জন্য পুলিশ তাঁকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করছিল। সেই সময় তাঁকে লক্ষ্য করে একের পর এক ডিম ছোড়া হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কয়েকটি ডিম তাঁর মাথাতেও লাগে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ভয় দেখিয়ে তোলাবাজি, কাটমানি আদায় এবং মারধরের মতো নানা অভিযোগ ছিল ওই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগও ওঠে। এছাড়া একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর হিংসার ঘটনাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়দের একাংশ।স্থানীয়দের দাবি, একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এতদিন তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। সেই ক্ষোভ থেকেই গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই থানার সামনে বহু মানুষ জড়ো হন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের একাংশও। ধৃতকে থানার বাইরে আনার সময় বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে শুরু করেন এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রের উৎস, অস্ত্র মামলার তদন্ত এবং তাঁর বিরুদ্ধে আগে থেকে থাকা বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

জুন ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal