• ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Controversy

কলকাতা

বৃষ্টির মধ্যেই স্ট্রংরুমে মমতা! ইভিএম নিয়ে বড় সন্দেহ, বিস্ফোরক অভিযোগ তৃণমূলের

ভোট মিটতেই ইভিএম নিরাপত্তা নিয়ে জোরদার হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বৃহস্পতিবার বিকেলেই ভিডিও বার্তায় ইভিএম পাহারা দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Strongroom Controversy)। তিনি কারচুপির আশঙ্কার কথাও বলেন এবং স্ট্রংরুমে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেন। সেই ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বৃষ্টির মধ্যে ভবানীপুরের শেখাওয়াত মেমোরিয়ালে স্ট্রংরুমে পৌঁছে যান তিনি।এদিকে একই সময় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন তৃণমূলের প্রার্থী কুণাল ঘোষ, শশী পাঁজা এবং বিজয় উপাধ্যায়। তাঁদের অভিযোগ, স্ট্রংরুমের ভিতরে (Strongroom Controversy) সন্দেহজনক কাজকর্ম চলছে। লাইভ সম্প্রচারে দেখা যাচ্ছে ভিতরে নড়াচড়া হচ্ছে এবং হাতে হাতে ব্যালট ঘোরানো হচ্ছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ভিতরে কোনও কাজ হচ্ছে না। এতে প্রশ্ন উঠেছে, যদি পোস্টাল ব্যালটের কাজই হয়, তাহলে সেই ব্যালট এল কোথা থেকে।কুণাল ঘোষ দাবি করেন, বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত স্ট্রংরুমের সামনে দলীয় কর্মীরা ছিলেন। পরে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর আচমকা ইমেলের মাধ্যমে জানানো হয়, বিকেল চারটেয় স্ট্রংরুম খোলা হবে। তখন কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, তাঁরা আর সেখানে নেই (Strongroom Controversy)। খবর পেয়ে কুণাল ও শশী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন। কিন্তু সেখানে গিয়েও তাঁদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।এই ঘটনার জেরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। ইভিএম নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ফের। ভোটের ফল ঘোষণার আগে এই পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগেই বড় কেলেঙ্কারি? সিলহীন ব্যালট বাক্স ঘিরে বালুরঘাটে তুমুল বিক্ষোভ

ভোট শুরু হওয়ার আগেই পোস্টাল ব্যালট ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বালুরঘাট। ললিত মোহন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে ভোট গ্রহণ চলাকালীন গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন ভোটকর্মীরা। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে শেষ পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছতে হয় নির্বাচনী পর্যবেক্ষককে। আগে থেকেই সেখানে পুলিশ মোতায়েন ছিল।বৃহস্পতিবার ওই স্কুলে সরকারি কর্মীদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু ভোট দিতে আসা কর্মীদের অভিযোগ, সেখানে ভোটের ন্যূনতম নিয়ম মানা হয়নি। তাঁদের দাবি, ব্যালট বাক্সগুলি সিল বা গালা ছাড়াই খোলা অবস্থায় রাখা ছিল। ফলে ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।এছাড়াও অভিযোগ, ভোটারদের গোপনীয়তা রক্ষার কোনও ব্যবস্থা ছিল না। কে কাকে ভোট দিচ্ছেন, তা প্রকাশ্যেই দেখা যাচ্ছিল। কিছু মানুষ ব্যালট বাক্স থেকে ব্যালট পেপার তুলে নিচ্ছিলেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। ভোট কক্ষের ভিতরে মোবাইল ফোন নিয়ে ঢোকা হচ্ছিল এবং বহিরাগতদের ভিড়ও ছিল চোখে পড়ার মতো।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির অভিযোগ, জেলা প্রশাসনকে ব্যবহার করে ভুয়ো ভোটের মহড়া চলছে এবং পোস্টাল ব্যালট লুটের চেষ্টা করা হচ্ছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বিজেপি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইছে এবং পুরো বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।ভোটকর্মীদের বিক্ষোভের জেরে দীর্ঘক্ষণ ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া বন্ধ থাকে। পরে পর্যবেক্ষক এসে পরিস্থিতি সামাল দেন এবং পুলিশ উত্তেজিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।তবে সিলবিহীন ব্যালট বাক্স ও গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২৬
রাজ্য

কাটা ভিডিয়ো না আসল সত্য? বিস্ফোরক দাবি হুমায়ুন কবীরের দলের

বিতর্কিত ভিডিয়ো ঘিরে জোর চর্চার মাঝেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল হুমায়ুন কবীরের দল। রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে দলের মুখপাত্র কামাল হোসেন জানান, যে ভিডিয়োকে ঘিরে এত বিতর্ক, তার সম্পূর্ণ অংশ খুব শীঘ্রই প্রকাশ করা হবে।তিনি দাবি করেন, ভিডিয়োটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে কেটে সম্পাদনা করে প্রকাশ করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে হুমায়ুন কবীর-কে হেনস্থা করার চেষ্টা হয়েছে। তাঁর কথায়, আসল ভিডিয়ো সামনে এলেই সত্যিটা পরিষ্কার হয়ে যাবে।কামাল হোসেন আরও জানান, ভিডিয়োটি কেন্দ্রীয় ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে আদালতের দ্বারস্থও হয়েছে তাঁদের দল। তাঁর দাবি, ভিডিয়োটি গত বছরের উনিশে ডিসেম্বরের, কিন্তু তা প্রকাশ করা হয়েছে অনেক পরে। এতদিন পরে কেন এটি সামনে আনা হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। যে সোশ্যাল মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট থেকে ভিডিয়োটি ছড়ানো হয়েছে, তা নিয়েও অভিযোগ জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।তিনি অভিযোগ করেন, তৃণমূল কংগ্রেস ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজ করছে। তাঁর বক্তব্য, হুমায়ুন কবীর রাজনৈতিকভাবে তাদের চাপে ফেলেছেন বলেই এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রকাশ্যে আসা এই স্টিং ভিডিয়ো ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ভিডিয়োতে নাকি বিজেপি নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিপুল টাকার লেনদেনের ইঙ্গিত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। যদিও হুমায়ুন কবীর নিজে এই ভিডিয়োর সত্যতা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।এই ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা ক্রমশ বাড়ছে এবং ভোটের আগে তা আরও তীব্র হতে পারে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

৭২ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ শিল্পীদের আবার কাজে ফেরানো হবে! দেবের মন্তব্যে পাল্টা কী বললেন স্বরূপ বিশ্বাস

আউটডোরে শুটিং চলাকালীন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর টলিউডে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে। ইন্ডাস্ট্রির শিল্পী ও টেকনিশিয়ানরা একসঙ্গে ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে নিরাপত্তা নিয়ে জোর দাবি উঠেছে।মঙ্গলবারের বৈঠকে সংশ্লিষ্ট প্রযোজনা সংস্থাকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সেই সঙ্গে টলিউডে আগে থেকে চলা নিষিদ্ধ সংস্কৃতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। কয়েক বছর আগে একাধিক পরিচালকের সঙ্গে বিরোধের জেরে কিছু শিল্পীকে অলিখিতভাবে কাজ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। সেই তালিকায় পরিচিত পরিচালক, অভিনেতা এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পীরাও রয়েছেন।এই বৈঠকে তাঁদের আবার কাজে ফেরানো নিয়েও আলোচনা হয়। যদিও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে অভিনেতা দেব জানিয়েছেন, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে।বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দেব বলেন, দীর্ঘদিন ধরে যাঁরা নিষিদ্ধ রয়েছেন, তাঁদের নিয়ে আলাদা করে আলোচনা হবে। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় এই বিষয়ে উদ্যোগ নেবেন এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সমাধানের পথ বের করার চেষ্টা করবেন।তিনি আরও জানান, ইন্ডাস্ট্রিতে কেউ কাজ না পেলে তার কষ্ট বোঝা যায় না সহজে। তাই যাঁরা এতদিন কাজ থেকে দূরে ছিলেন, তাঁদের ফের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, যে প্রযোজনা সংস্থার তত্ত্বাবধানে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তাদের সঙ্গে আপাতত কাজ করা হবে না। যতদিন না তারা নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে পারছে, ততদিন এই অবস্থানই থাকবে।সব মিলিয়ে রাহুলের মৃত্যুর পর টলিউডে একদিকে যেমন নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, অন্যদিকে দীর্ঘদিনের নিষিদ্ধ সংস্কৃতি নিয়েও নতুন করে ভাবনা শুরু হয়েছে। এখন সকলের নজর আগামী কয়েক দিনের সিদ্ধান্তের দিকে।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

এসআইআর ইস্যুতে নোবেলজয়ীর বক্তব্যে অস্বস্তিতে বিজেপি? রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে এবার প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানালেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। এর আগে তাঁকে এসআইআর সংক্রান্ত একটি নোটিস দেওয়া হয়েছিল, যা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছিল তীব্র চাপানউতোর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই নোটিসের প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন। অন্যদিকে বিজেপির বক্তব্য ছিল, আইন সবার জন্যই সমান। এই আবহেই এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুললেন খোদ অমর্ত্য সেন।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অমর্ত্য সেন বলেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ হাতে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হলে তা অবশ্যই ভাল সিদ্ধান্ত। কিন্তু বাংলায় সেই প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, এসআইআর নিয়ে অযথা তাড়াহুড়ো করা হচ্ছে। সামনে বিধানসভা নির্বাচন থাকলেও, তার আগে সাধারণ ভোটারদের নিজেদের ভোটাধিকার প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট সময় দেওয়া হচ্ছে না। এই পরিস্থিতি গণতান্ত্রিক অধিকারকে লঙ্ঘন করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।অমর্ত্য সেনের এই মন্তব্যের পরই কড়া প্রতিক্রিয়া দেন বিজেপি বিধায়ক ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, অমর্ত্য সেনের কথার উত্তর দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। শুভেন্দুর বক্তব্য, তিনি সবসময় এই ধরনের কথা বলে থাকেন এবং তাঁর কথার বিশেষ গুরুত্ব নেই। আরও এক ধাপ এগিয়ে শুভেন্দু বলেন, পশ্চিমবঙ্গে অমর্ত্য সেন কোনও শিক্ষিত যুবকের কর্মসংস্থান করেছেন বা কোনও গরিব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেনএমন উদাহরণ নেই। যাঁদের বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও অবদান নেই, তাঁদের মন্তব্যের জবাব দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্যে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, একজন নোবেলজয়ী ব্যক্তিত্বকে নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য করা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলার জন্য অবদান কী। দেবাংশুর দাবি, নোবেল পুরস্কার বুঝেশুনেই দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, যে বাঙালিরা স্বাধীনতা সংগ্রামে লড়াই করেছিলেন, তাঁদের আজ নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য লাইনে দাঁড় করানো হচ্ছে।এসআইআর ইস্যুতে অমর্ত্য সেনের মন্তব্য এবং তার পাল্টা রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই বিতর্ক আরও তীব্র হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বাংলাদেশ বাদ পড়লে নতুন দল? আইসিসির বৈঠকে বড় ইঙ্গিত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, বিশ্বকাপ থেকে কার্যত ছিটকে যাওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। সূত্রের খবর, বাংলাদেশের বিকল্প দল খেলার বিষয়েও ভাবনাচিন্তা শুরু করে দিয়েছে আইসিসি। এই টানাপড়েনের মাঝেই বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াল পাকিস্তান। শোনা যাচ্ছে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড জানিয়েছে, তারা চাইলে বাংলাদেশের সব ম্যাচ আয়োজন করতে প্রস্তুত।বুধবারের মধ্যে বিশ্বকাপে খেলা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে সময় দিয়েছিল আইসিসি। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি বিসিবি। এর মধ্যেই আইসিসির ভারচুয়াল বৈঠক বসে। সেই বৈঠকে বিভিন্ন দেশের বোর্ডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সূত্রের দাবি, বাংলাদেশ যদি বিশ্বকাপে না খেলে, সে ক্ষেত্রে বিকল্প দল নেওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছেন বেশিরভাগ সদস্য। এই পরিস্থিতিতে কিছুটা নরম হয়েছে আইসিসি। বিসিবিকে আরও ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।এই বৈঠকেই বাংলাদেশের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। সূত্রের খবর, পিসিবি জানিয়েছে, বাংলাদেশের দাবিকে তারা যুক্তিসংগত বলেই মনে করছে। সেই দাবি মানা উচিত। যদি শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব না হয়, তাহলে পাকিস্তান প্রস্তুত রয়েছে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজন করতে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে এখনও কোনও মন্তব্য করেনি পাকিস্তান বোর্ড। আইসিসির বৈঠকে পাকিস্তানের হয়ে উপস্থিত ছিলেন বোর্ড প্রধান মহসিন নকভি।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এতদিন ডেডলাইনের বিষয়টি অস্বীকার করে এসেছে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ভারতীয় বোর্ডের দিকেও আঙুল তুলেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ভারতে খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তেই অনড় বাংলাদেশ। তবে বিসিবি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগেই আইসিসি জানিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশ না খেললে অন্য দেশকে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ দেওয়া হবে।এই অবস্থায় বড় প্রশ্ন উঠছে, বাংলাদেশ কি নিজের অবস্থানে অনড় থাকবে? নাকি ক্রিকেটারদের স্বার্থে ও বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ বাঁচাতে শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত বদল করবে?

জানুয়ারি ২১, ২০২৬
রাজ্য

সময় বাড়ানোর দাবিতে কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

সোমবার ফর্ম ৭ জমা দেওয়াকে ঘিরে রাজ্যের নানা জায়গায় উত্তেজনা ছড়ায়। দিনভর একাধিক এলাকায় সংঘর্ষ, ধস্তাধস্তি এবং ফর্ম ছিঁড়ে ফেলা বা পুড়িয়ে দেওয়ার ছবি সামনে আসে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী সোমবার, ১৯ জানুয়ারিই ছিল ফর্ম ৭ জমা দেওয়ার শেষ দিন। আগে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হলেও পরে সেই সময়সীমা বাড়ানো হয়। এবার সেই সময় আরও বাড়ানোর দাবি তুলল বিজেপি।সোমবার সন্ধ্যায় রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব এই দাবিতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়। বিজেপির অভিযোগ, ফর্ম ৭ জমা দিতে গেলেই তৃণমূলের লোকজন কোনওভাবে খবর পেয়ে যাচ্ছে। এরপর বিজেপির কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে, হেনস্থা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আরও অন্তত সাত দিন সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছে বিজেপি। এই মর্মে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠিও দিয়েছে তারা।খসড়া ভোটার তালিকায় যদি কোনও মৃত ভোটার বা অন্যত্র চলে যাওয়া ব্যক্তির নাম থাকে, তা বাদ দেওয়ার জন্য ফর্ম ৭ জমা দিতে হয়। সেই ফর্ম ৭ নিয়েই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপির কর্মীরা ফর্ম ৭ জমা দিতে গেলে বাধার মুখে পড়ছেন বলে অভিযোগ। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, বিজেপি এই ফর্মের মাধ্যমে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। সেই কারণেই তারা প্রতিবাদ করছে বলে তৃণমূলের বক্তব্য।সোমবার রাজ্যের একাধিক জায়গায় ফর্ম ৭ ছিঁড়ে ফেলা বা আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে। কিছুদিন আগেই এক সভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, কেউ বাড়াবাড়ি করলে রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজেটাও শোনানো হবে। সোমবারের ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, সেই বক্তব্যের প্রভাবেই কি মাঠে নেমেছেন তৃণমূলের কর্মীরা।

জানুয়ারি ২০, ২০২৬
রাজ্য

ছাত্রদের টিসির বদলে টাকা তোলার অভিযোগ, তৃণমূল শিক্ষক নেতাকে ঘিরে তোলপাড়

ছাত্রছাত্রীদের ট্রান্সফার সার্টিফিকেট বা টিসি দেওয়ার বদলে মাথাপিছু ৩০০ টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে হাবরা হিজলপুকুর এলাকার একটি প্রাথমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষক ইন্দ্রনীল মিত্রর বিরুদ্ধে। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা শিক্ষক সেলের সভাপতির দায়িত্বেও রয়েছেন। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।চতুর্থ শ্রেণি পাশ করার পর উচ্চতর শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য পড়ুয়াদের টিসি প্রয়োজন হয়। অভিভাবকদের অভিযোগ, সেই শংসাপত্র দেওয়ার জন্য প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর কাছ থেকে ৩০০ টাকা করে দাবি করা হয়েছে। কোনও সরকারি রশিদ ছাড়াই এই টাকা চাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। যাঁরা টাকা দিতে পারছেন না, তাঁদের টিসি আটকে রাখা হয়েছে বলেও দাবি অভিভাবকদের।এই বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা হাবরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁদের অভিযোগ শুধু অর্থ তোলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। স্কুলের পঠনপাঠন নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। অভিভাবকদের দাবি, শিক্ষক-শিক্ষিকারা নিয়মিত সময়মতো স্কুলে আসেন না এবং স্কুলে শৃঙ্খলার অভাব রয়েছে।এছাড়াও টিসি সংক্রান্ত নথিতেও একাধিক গরমিল ধরা পড়েছে বলে অভিযোগ। অভিভাবকদের দাবি, ২০২৬ সালে দেওয়া টিসিতে সাল লেখা রয়েছে ২০২৫। কোথাও আবার নাম ও অন্যান্য তথ্যেও ভুল রয়েছে। এই ভুলের কারণে অন্য স্কুলে সন্তানদের ভর্তি করাতে গিয়ে চরম সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনার জেরে প্রধান শিক্ষকের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। হাবরা পৌরসভার পৌরপ্রধান নারায়ণচন্দ্র সাহা বলেন, টিসি দেওয়ার জন্য কোনও টাকা নেওয়ার নিয়ম নেই। যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তবে দলীয় স্তরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।অন্যদিকে এই ঘটনা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। বিজেপি নেতা দেবজ্যোতি দাম বলেন, তৃণমূল ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কায় এখন ৩০০ টাকাও তুলছে। তাঁর দাবি, তৃণমূল দুর্নীতিই শেখায়, আর শিক্ষক সেলের নেতা সেটাই করে দেখাচ্ছেন।যদিও অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক ইন্দ্রনীল মিত্র সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই ভিত্তিহীন ও মিথ্যা।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে এফআইআর! আইনের লঙ্ঘন কি না, পাল্টা কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়াকে ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, যে কোনও নাগরিকের অভিযোগ জানানো গণতান্ত্রিক অধিকার। তবে সংসদীয় আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনারদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা যায় না। আইনের ধারা ১৬ অনুযায়ী বিষয়টি স্পষ্ট। সেই আইন অমান্য করে পুলিশ যদি এফআইআর গ্রহণ করে, তা হলে তা বেআইনি বলে গণ্য হবে।নির্বাচন কমিশনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, এর আগে ভুয়ো ভোটার সংক্রান্ত অভিযোগে রাজ্যকে এফআইআর দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নির্দেশ কার্যকর করা হয়নি। তা হলে এখন কেন সিইও এবং কমিশনকে দায়ী করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কমিশন। কমিশনের বক্তব্য, ভোটার সংক্রান্ত শুনানির দায়িত্ব ইআরও এবং বিএলও-র। তাঁরা শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ডেকেছিলেন। কোনও অসুবিধা থাকলে তাঁদের কাছেই জানানো যেত।কমিশনের স্পষ্ট দাবি, যদি আইন ভেঙে এফআইআর দায়ের করা হয়ে থাকে, তা হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিক এবং অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। লোকপাল আইন অনুযায়ী, কোনও সরকারি আধিকারিকের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ থাকলে তবেই এফআইআর দায়ের করা যায়। এই ঘটনায় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট কী বলছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও জানিয়েছে কমিশন।নির্বাচন কমিশনের প্রশ্ন, এই ধরনের অভিযোগকে কেন আইনের অপব্যবহার হিসেবে দেখা হবে না। কমিশনের তরফে এই এফআইআর খারিজের আবেদন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এমনকি সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে কমিশনের তরফ থেকেও পাল্টা এফআইআর দায়ের হতে পারে বলে সূত্রের খবর। কমিশনের বক্তব্য, কাউকে হেয় করার জন্য যে কোনও অভিযোগ তোলা যায় না। নির্বাচন কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির দ্বারা নিযুক্ত হন এবং তাঁদের সাংবিধানিক সুরক্ষা রয়েছে।উল্লেখ্য, গত সোমবার পুরুলিয়ার পারা ব্লকের চৌতালা গ্রামের বাসিন্দা দুর্জন মাঝির দেহ রেললাইনের ধারে উদ্ধার হয়। সেদিনই তাঁর ভোটার সংক্রান্ত শুনানির দিন ছিল। পরিবারের দাবি, শুনানিতে যাওয়ার জন্য টোটো ডাকতে বেরিয়েছিলেন দুর্জন। পরে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, শুনানির ভয় থেকেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার দুর্জনের ছেলে চিফ ইলেকশন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও রাজ্যের চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই অভিযোগ ঘিরেই রাজ্যজুড়ে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২৫
রাজ্য

'এসএসসি-র নয়া নিয়োগ পরীক্ষায় ফের দাগিদের সুযোগ', বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

নয় বছর পর আবারও হতে চলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষার আগেই উঠছে একাধিক প্রশ্নআসন্ন পরীক্ষা কি সত্যিই হবে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ? আর কি দেখা যাবে না অনিয়ম, কারও চোখের জল? প্রায় ৬ লক্ষ প্রার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই পরীক্ষার ওপর। তবু রাজনৈতিক মহলে সংশয় কাটছে না।এই পরিস্থিতিতেই আসানসোলে গিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এখনও ১৫২ জন দাগি প্রার্থীকে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাঁরা পরীক্ষায় অংশ নেবেন। যদিও তাঁদের নাম প্রকাশ্যে আনা হয়নি। শুভেন্দুর কথায়, ১৯৫৮ জন দাগি শিক্ষক-শিক্ষিকার মধ্যে ১৮০৬ জনের নাম প্রকাশ করেছে কমিশন। কিন্তু ১৫২ জনকে বাদ রাখা হয়েছে না, বরং তাঁদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ এক প্রহসনের পরীক্ষা। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, টাকা নিয়ে কেন্দ্র ঠিক হয়েছে, তৃণমূল নেতারা পুলিশের সহযোগিতায় গোটা প্রক্রিয়াকে ভণ্ডুল করছে। এর ফল কিছুই হবে না, হবে কেবল অশ্বডিম্ব।অন্যদিকে, পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। তিনি জানান, এবারের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা মোট ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার। এর মধ্যে ৭ সেপ্টেম্বর নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বসবেন ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ জন প্রার্থী। আর ১৪ সেপ্টেম্বর একাদশ-দ্বাদশের জন্য বসবেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার জন। প্রথম দিনে গোটা রাজ্যে থাকছে ৬৩৬টি পরীক্ষা কেন্দ্র, দ্বিতীয় দিনে ৪৭৮টি কেন্দ্র।অর্থাৎ, দীর্ঘ বিরতির পর শুরু হতে চলা শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে প্রশাসন আশাবাদী হলেও বিরোধীরা মনে করছে এর মধ্যেও লুকিয়ে আছে অনিয়মের ছাপ

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

কেন স্পেন থেকে ইস্পাত কারখানার ঘোষণা? ঘরে ফিরে খোলামেলা জবাব সৌরভের

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাজিরায় স্পেনে গিয়ে শালবনিতে ইস্পাত কারখানায় বিনিয়োগের ঘোষণা করেছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। স্পেন থেকে সেই ঘোষণায় রাজনৈতিক মহলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেট অধিনায়ককে বাংলায় শিল্প গড়ার ঘোষণা কেন মুখ্যমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে স্পেন থেকে করতে হল তা নিয়েই মূলত প্রশ্ন তোলা হয়। সন্দিহান বহু কথা শোনা গিয়েছিল রাজ্যের বিরোধী দলের নেতৃত্বের মুখেও। বৃহস্পতিবার সেইসব সমালোচনারই জবাব দিলেন বাংলার মহারাজ।কলকাতায় একটি অনুষ্ঠান শেষে এ দিন সৌরভ বলেছেন, আমি কোনও বিধায়ক, সাংসদ নই। মন্ত্রী বা কাউন্সিলরও নই। কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নই। আমি এক জন স্বাধীন ব্যক্তি। আমি পাবলিক পার্সন। যেখানে ইচ্ছা হবে সেখানে যাব। অনেকেই অনেক জায়গায় যায়। আমার কাছে কলকাতা, দিল্লি, স্পেন সব এক। আমার কোনও রাজনৈতিক লক্ষ্য নেই। আমি কারও কাছে উত্তর দিতে বাধ্য নই।তবে শুধু এখানেই থামেননি মহারাজ। আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে তিনি বলেন, আমি গোটা পৃথিবী থেকে আমন্ত্রণ পাই। অনুষ্ঠানটি যদি দিল্লিতে হত, তাহলে দিল্লি থেকে ঘোষণা করতাম। কলকাতায় হলে কলকাতা থেকে হতো। কোনও তফাত নেই। অনেকেই যান। এখানেই এত লাফালাফি, কথা হয়। আমরা জঙ্গলে থাকি না। সমাজে থাকি। মানুষের সঙ্গে দেখা, কথা সবই হয়। তার মধ্যে কোনও বিশেষ অর্থ নেই। যাঁরা এর মধ্যে বিতর্ক টানছেন, এসব করবেন না। মানুষের কাছে আমাদের একটা ভাবমূর্তি রয়েছে, সেটা নষ্ট করবেন না। যত ক্ষণ পর্যন্ত না আমার সিদ্ধান্তে কারও ক্ষতি হচ্ছে, যেখানে ইচ্ছে হবে, যাব। যা ভাল মনে হবে, করব।কবে ওই কারখানা হবে? এই প্রশ্নের জবাবে সৌরভ বলেছেন, আগামী ১৬ থেকে ২০ মাসের মধ্যে নতুন ইস্পাত কারখানাটি হবে। সৌরভ পরামর্শ দেন, ওই কারখানা চালু হলে বাংলার অনেকে কাজ পাবে। প্রতি বছর প্রচুর পড়ুয়া পাস করছেন। আমি সকলকে বলব সেখানে কাজ পাওয়ার চেষ্টা করতে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৩
রাজ্য

আবার বিজেপিকে কর্মীকে মারধর ও গাঁজা কেস দেবার হুমকির অভিযোগ শাসকদলের কর্মীদের বিরুদ্ধে

বিজেপির পক্ষ থেকে আজ ছোড়াফাড়ি ও আউশগ্রাম থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে। তাদের দাবি, আউসগ্রাম বিধানসভার বিজেপির ৫২ নং মন্ডলের সম্পাদক জয়দেব ঘোষের বাড়ি রামনগর পঞ্চায়েতের গোপালপুর। গতকাল রাত ৯:৩০ নাগাদ অসুস্থ মায়ের ওষুধ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে তৃণমূলের পক্ষ থেকে রাধামাধব মন্ডল, প্রদীপ ঘোষ (তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী), কালীপদ আঁকুড়ে, পরিধন কর্মকার - এই চার জন মিলে প্রচন্ড মারধর করে এবং প্রাণে মেরে গাছে টাঙিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। তাকে গাঁজা কেসে ফাঁসিয়ে দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হয়।জয়দেব ঘোষের দাবি, বিজেপির পতাকা টাঙিয়ে ছিলেন বলেই এই আক্রমণ। তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়েছে, বিজেপিই বারবার এই এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে গেছে। এটা তৃণমূল কংগ্রেসের সংস্কৃতি নয়।

আগস্ট ২৮, ২০২২
দেশ

হিজাব বিতর্কে তপ্ত হচ্ছে কর্নাটক, ৩-দিন বন্ধ সমস্ত হাইস্কুল ও কলেজ

হিজাব বিতর্কে ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে দক্ষিণ ভারতের রাজ্য কর্নাটক। যদিও কর্নাটকের সীমানা পেরিয়ে হিজাব বিতর্ক পুদুচেরি, মধ্যপ্রদেশে, বাড়ছে উত্তেজনা। সীমানা অতিক্রম করে হিজাব বিতর্ক এ বার ঢুকে পড়ল বিজেপি শাসিত আর এক রাজ্য মধ্যপ্রদেশেও। স্কুল, কলেজে হিজাব নিষিদ্ধ করতে মধ্যপ্রদেশের শিক্ষামন্ত্রী ইন্দর সিং পারমার অভিন্ন পোশাক বিধি এবং শৃঙ্খলার দোহাই দিয়েছেন। হিজাব নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে পুদুচেরিতেও।মেয়েরা বোরখা পরলে গেরুয়া শাল থাকছে ছেলেদের শরীরে, পড়াশোনা তো হচ্ছেই না। নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে কর্নাটক। এমতাবস্থায় মঙ্গলবার কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসভরাজ বোম্মাই নির্দেশ দিয়েছেন, ৩ দিন রাজ্যের সমস্ত হাইস্কুল ও কলেজ বন্ধ থাকবে। ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী।কর্নাটক হাইকোর্টও ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে শান্তি বজায় রাখার আবেদন করেছে। হিজাব বিতর্ক সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার কর্নাটক হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, ছাত্র-ছাত্রীদের জ্ঞান ও গুণাবলীর উপর বিশ্বাস রয়েছে কোর্টের, সকলের কাছে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আন্দোলন, স্লোগান দেওয়া, হামলা করা ভালো নয় বলেও জানিয়েছে হাইকোর্ট। বুধবার ২.৩০ মিনিট থেকে ফের শুনানি শুরু হবে।এদিন টুইট করে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসভরাজ বোম্মাই নির্দেশ দিয়েছেন, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, স্কুল ও কলেজের ম্যানেজমেন্টের কাছে আবেদন জানাচ্ছি। আগামী ৩ দিন রাজ্যের সমস্ত হাইস্কুল ও কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সকলের কাছে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
কলকাতা

Poster Controversy: শিয়ালদহের উড়ালপুলের ছবি 'চুরির' অভিযোগ ত্রিপুরা সরকারের বিরুদ্ধে

উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ডের পর ত্রিপুরার বিপ্লব দেব সরকারের বিজ্ঞাপন ঘিরে বিতর্ক। পথ নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি স্লোগান লেখার প্রতিযোগিতায় শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতুর ছবি ব্যবহার করার অভিযোগ। তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।শুক্রবার তাঁদের সরকারি টুইটার হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে ত্রিপুরা সরকার। পোস্টটিতে লেখা হয়, পথ নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি স্লোগান লেখার প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠিত হবে। যাতে জিতলে ৫০০০ টাকা পুরস্কার পাওয়া যাবে। অভিযোগ, পোস্টটিতে যে ছবিটি ব্যবহার করা হয়েছে, সেটি কলকাতার শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতুর । কলকাতার সেতুর ছবি দিয়ে নিজেদের প্রচার করছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব । এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে বিতর্ক।প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ট্রাম লাইন, হলুদ ট্যাক্সি এবং নীল রঙের বাস। যা ত্রিপুরায় পরিবহণ ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ শনিবার বিজ্ঞাপনী ছবি চুরির অভিযোগ তুলে বলেন, এর আগে উত্তরপ্রদেশ সরকারের বিজ্ঞাপনে মা উড়ালপুলের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। উত্তরাখণ্ড সরকারের বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করা হয়েছে অন্ডাল বিমানবন্দরের ছবি। এ বার ত্রিপুরা সরকার শিয়ালদহ উড়ালপুলের ছবি চুরি কের বিজ্ঞাপন বানাল।বিষয়টিকে গুরুত্বই দিতে চাননি বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, কোন বিজ্ঞাপন সংস্থা, কীসের ছবি ছেপে, কী উন্নয়ন বোঝাতে চেয়েছেন জানা নেই। এটায় রাজনীতি খোঁজার কিছু নেই। সরকার ভুল করলে শুধরে নেবে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: প্রশ্নপত্র বিতর্কের মাঝেই রাজ্যকে আক্রমণ দিলীপের

প্রথমে ইউপিএসসি, এবার ডব্লুউবিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে রাজনীতি। আর তা নিয়েই শুরু রাজনৈতিক চর্চা। আর তাই নিয়ে এবার মুখ খুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, আপনারা জানেন, কীভাবে রাজনৈতিক প্রশ্ন করা হয়েছে। সেই নিয়ে সমাজে আলোচনা হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ এ কী করল শ্রী সিমেন্ট! চরম সঙ্কটে ইস্টবেঙ্গলপ্রসঙ্গত, রবিবারই ছিল ডব্লুবিসিএস পরীক্ষা। সেই প্রশ্নপত্র নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পরীক্ষায় প্রশ্ন ছিল, কোন বিপ্লবী নেতা জেল থেকে মার্সি পিটিশন বা ক্ষমা প্রার্থনা করেন? তার চারটি বিকল্প উত্তর হিসেবে দেওয়া ছিল, ভি ডি সাভারকর, বি জি তিলক, শুকদেব থাপার ও চন্দ্রশেখর আজাদ। বিষয়টির সমালোচনা করতে গিয়ে দিলীপ বলেন, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি এক সময় লাল ছিল, এখন সবুজ হচ্ছে। যারা গেরুয়াকরণের গল্প বলতেন, তাঁরা আজ রাজনৈতিক ক্যাডার তৈরি করার চেষ্টা করছে। স্কুল থেকে ডব্লুবিসিএস- তাঁরা যেন লয়াল হন পার্টির প্রতি। যে পরীক্ষা নেওয়া হবে, তার জন্য সেখানে পার্টির প্রশ্ন করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, শুধু প্রশ্নপত্র বিতর্কই নয়, স্কুল খোলার বিষয়ে রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তেরও প্রতিবাদ করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, স্কুল অনেক জায়গায় খুলে গিয়েছে। ট্রেন চালু হয়েছে। যদি ওঁরা মনে করেন যে বিপদ আছে, তাহলে ভোট চাইছেন কেন? সেই কারণেই মনে হচ্ছে কেমন যেন পরস্পরবিরোধী কথা বলছেন। এটা উচিত নয়। যথেষ্ট চিন্তাভাবনা না করে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একটি টুইটে একটি প্রশ্ন নিয়ে আপত্তি তুলেছেন। প্রশ্নে লেখা ছিল, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সবুজ সাথী প্রকল্পে কোন শ্রেণিতে পাঠরত ছাত্র-ছাত্রীদের সাইকেল বিতরণ করা হয়। এই প্রশ্নেই আপত্তি শুভেন্দুর। তিনি লিখেছেন, ইউপিএসসি পরীক্ষা প্রশ্ন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। আর এখন ডব্লুউবিসিএস পরীক্ষা পশ্চিমবঙ্গ সরকারি স্কিমের বিজ্ঞাপন করছে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
কলকাতা

HS: ধর্ম-বিতর্কে চাপের মুখে সাফাই মহুয়ার

পরীক্ষার্থীর ধর্ম পরিচয় তুলে ধরা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। আবেগের বশে মুখ থেকে বেরিয়ে গিয়েছে। এমটাই দাবি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভানেত্রী মহুয়া দাসের। উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা করতে গিয়ে বৃহস্পতিবার প্রথমা রুমানা সুলতানার মুসলিম পরিচয় তুলে ধরেছিলেন তিনি। তা নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নেটমাধ্যমে তো বটেই, রাজনৈতিক মহলেও বিতর্কের ঝড় বয়ে গিয়েছে। তিনি নিজেও এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। সেই পরিস্থিতিতে শুক্রবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মহুয়া। তাঁর দাবি, আসলে সকলের সঙ্গে রুমানার গৌরব ভাগ করে নিতে চেয়েছিল সংসদ। এদিন মহুয়া দাসের আচরণের নিন্দা করে অবিলম্বে তাঁকে পদ ছাড়ার আবেদন করে বহরমপুর ইমাম অ্যা্সোসিয়েশন। আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনমহুয়ার আচরণ নিয়ে শিক্ষা মহলও রীতিমতো সরগরম। শুক্রবার দুপুরে সল্টলেকে শিক্ষা সংসদের দপ্তরের বাইরে বিক্ষোভ দেখান শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চের সদস্যরা। মহুয়ার পদত্যাগের দাবি তোলেন তাঁরা। বিক্ষোভ হটাতে এলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষও বাধে তাঁদের। বেশ কয়েক জনকে আটক করা হয়। সেই পরিস্থিতিতে শিক্ষা সংসদেই এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খোলেন মহুয়া। তিনি বলেন, সংসদের ইতিহাসে এই প্রথম এত ভাল রেজাল্ট। মেয়েটি শিক্ষার রত্ন। ওকে নিয়ে কথা বলার সময় বেগম রোকেয়ার কথা মনে পড়ছিল আমার, যিনি একই রকমভাবে পড়াশোনায় ভাল ছিলেন। একই রকমভাবে সকলের মধ্যে থেকে উঠে এসেছিলেন। তাই আবেগের বশে বলে ফেলেছিলাম। সাংবাদিকরা মেয়েটির সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। তাই কিছু তথ্য দিয়েছিলাম, যাঁতে মেয়েটিকে তাঁরা বুঝতে পারেন। মেয়েটির গৌরব সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চেয়েছিল সংসদ।তবে মহুয়া আবেগের বশে বলেছেন বলে সাফাই দিলেও, গোটা ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। মহুয়ার আচরণে রাজ্য সরকারের তোষণমূলক আচরণ ফুটে উঠছে বলে আক্রমমে শান দিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। কার নির্দেশে মহুয়া ওই ছাত্রীর ধর্মীয় পরিচয় তুলে ধরলেন, আসলে কাকে তুষ্ট করতে চেয়েছিলেন তিনি, প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্য বিজেপি-র মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। এ নিয়ে শুক্রবার সকালেই টুইট করেন বিজেপি-র আইটি সেলের প্রধান তথা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-র পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য এবং পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও তৃণমূলের তরফেও একইভাবে মহুয়ার আচরণের নিন্দা করা হয়েছে।

জুলাই ২৩, ২০২১
বিদেশ

মুকুট নিয়ে টানাটানি, সুন্দরীদের লঙ্কাকাণ্ড!

আজব পরিস্থিতি তৈরি হল শ্রীলঙ্কার এক বিউটি কনটেস্টে। মিসেস শ্রীলঙ্কা ২০২১ প্রতিযোগিতায় বিজয়িনীর মাথায় মুকুট তুলে দিয়েও তা খুলে নেওয়া হল। সেই টানাহ্যাঁচড়ায় তিনি চোটও পেলেন। ভর্তি হতে হল হাসপাতালেও! তাঁর পরিবর্তে বিজয়ী ঘোষণা করা হল দ্বিতীয় স্থানাধিকারীকে।কেন একজনকে সেরার শিরোপা দিয়েও এভাবে তা সরিয়ে নেওয়া হল? এই কারণকে ঘিরে ঘনিয়েছে বিতর্ক। আসলে এই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার নিয়ম হল, কেবল বিবাহিত মহিলারাই এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন। কিন্তু দেখা যায়, ৩১ বছরের পুষ্পিকা ডি সিলভার বিয়ে হলেও পরে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে যায়। তাই তাঁকে সেরা হিসেবে ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নেওয়া হয়।ক্যারোলিন জুরি, যিনি আগের বার বিজয়ী হয়েছিলেন, তিনি মঞ্চে এসে পুষ্পিকার মাথায় মুকুট পরিয়ে দেন। কিন্তু এরপরই তিনি জানতে পারেন পুষ্পিকা বিবাহবিচ্ছিন্না। আর তাতেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন ক্যারোলিন। সোজা মাইক হাতে তিনি বলে ওঠেন, এই প্রতিযোগিতার নিয়ম হল আপনাকে বিবাহিত হতে হবে। বিবাহ বিচ্ছিন্ন হলে চলবে না। তাই আমি আমার প্রথম পদক্ষেপ করছি। বিজয়িনীর মুকুটটা তুলে দিচ্ছি প্রথম রানার আপের মাথায়। কেবল বলাই নয়, এরপরই দ্রুত তিনি এগিয়ে যান পুষ্পিকার দিকে। আর তাঁর মাথা থেকে টানাটানি করে খুলে ফেলেন মুকুটটি। গোটা ঘটনায় হতভম্ব হয়ে যান পুষ্পিকা। তাঁর মাথায় আঘাতও লাগে টানাটানিতে। এরপর ক্ষুণ্ণ ভঙ্গিতে তিনি মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে যান।পরে অবশ্য ফেসবুককেই প্রতিবাদের মঞ্চ হিসেবে বেছে নেন তিনি। দাবি করেন, তিনি বিবাহ বিচ্ছিন্না নন। এই দাবি যাঁরা করছেন, তাঁদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে তিনি বলেন তাঁরা যেন পুষ্পিকার ডিভোর্সের কাগজপত্র দেখান। তাঁর এমন অপমানের প্রতিবাদ করে তিনি আইনের দ্বারস্থও হবেন বলে জানিয়ে দেন।

এপ্রিল ০৮, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মাঠে চাষ করতেন, এবার রাজ্যের মন্ত্রী! দিবাকর ঘরামীর জীবনের অবিশ্বাস্য উত্থান

নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চায় উঠে এসেছে একটি নাম। তিনি দিবাকর ঘরামী। বাঁকুড়ার এক সাধারণ কৃষক পরিবারের সন্তান দিবাকর এবার জায়গা পেয়েছেন রাজ্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভায়। তাঁর এই সাফল্যে আনন্দে ভাসছে পরিবার থেকে শুরু করে গোটা এলাকা।দেশভাগের পর দিবাকর ঘরামীর পরিবার পূর্ববঙ্গের বরিশাল থেকে এপারে চলে আসে। দীর্ঘ অনিশ্চয়তার পর বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের কুরুমপুর গ্রামে বসবাস শুরু করেন তাঁর পূর্বপুরুষেরা। সেখানেই জন্ম এবং বড় হয়ে ওঠা দিবাকরের।ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যের সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন তিনি। কৃষক পরিবারের সন্তান হওয়ায় চাষাবাদই ছিল জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আজও সেই সম্পর্ক অটুট। বিধায়ক হওয়ার পরও তিনি মাঠে যাওয়া বন্ধ করেননি। ফসলের খোঁজ নেওয়া, জমিতে জল দেওয়া এবং চাষের কাজ দেখা এখনও তাঁর দৈনন্দিন জীবনের অংশ।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সোনামুখী কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে প্রথমবার বিধায়ক হন দিবাকর ঘরামী। সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং মাটির মানুষের ভাবমূর্তি তাঁকে দ্রুত জনপ্রিয় করে তোলে। এবার ফের দলের আস্থা অর্জন করে তিনি জায়গা পেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।দিবাকরের মন্ত্রী হওয়ায় কুরুমপুর গ্রাম এবং সোনামুখী জুড়ে উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয় মানুষের আশা, এলাকার উন্নয়নে এবার আরও বড় ভূমিকা নিতে পারবেন তিনি।মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দিবাকর ঘরামী বলেন, সোনামুখীর মানুষ এবং দলের কর্মীদের সহযোগিতাতেই তিনি এতদূর পৌঁছেছেন। এলাকার উন্নয়নের জন্য নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন এবং আগামী দিনেও সেই কাজ চালিয়ে যাবেন। দল তাঁর উপর যে আস্থা রেখেছে, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে বলেন, সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা একজন মানুষকে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া তাঁদের কাছে অত্যন্ত সম্মানের বিষয়।এক সময় যে মানুষটি প্রতিদিন মাঠে নেমে ফসলের পরিচর্যা করতেন, তিনিই আজ রাজ্যের মন্ত্রী। দিবাকর ঘরামীর এই পথচলা এখন অনেকের কাছেই সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনুপ্রেরণার গল্প।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

লাইভে এসে বিস্ফোরক মমতা! ‘গায়ের জোরে তৃণমূল ভাঙা যাবে না’

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে যখন একের পর এক বিতর্ক এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েন সামনে আসছে, তখন সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন তৃণমূল সুপ্রিমো ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, যতই চেষ্টা করা হোক না কেন, তৃণমূল কংগ্রেসকে ভাঙা সম্ভব নয়।সম্প্রতি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তিনি আর নিয়মিত সাংবাদিক বৈঠক করবেন না। গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় বক্তব্য রাখবেন। সোমবার দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পরই তিনি লাইভে এসে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।মমতার অভিযোগ, তৃণমূলের বিধায়কদের বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের দল ছাড়ার জন্য ভয় দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, কয়েকজন বিধায়ক তাঁকে জানিয়েছেন যে বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থার নাম করে তাঁদের ভয় দেখানো হচ্ছে। এই ধরনের রাজনীতি গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ এবং রাজনৈতিক জল্পনার মাঝেই মমতা দাবি করেন, কয়েকজন বিধায়ক বা সাংসদকে প্রভাবিত করে তৃণমূলকে দুর্বল করা যাবে না। তাঁর বক্তব্য, দল অতীতেও কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে এবং আগামী দিনেও লড়াই চালিয়ে যাবে। বাংলার মানুষের আত্মসম্মান রক্ষার লড়াই অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।ছাত্রসমাজের উদ্দেশেও বার্তা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করা উচিত। ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়েই তাঁর রাজনৈতিক জীবন গড়ে উঠেছে এবং সেই কারণেই তরুণ প্রজন্মকে সমাজের বিভিন্ন ইস্যুতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।লাইভ বক্তব্যে তৃণমূলের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও অভিযোগ তোলেন মমতা। তাঁর দাবি, দলের মিছিল, সভা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন এলাকায় দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগও করেন তিনি। পাশাপাশি নির্বাচনী ফলাফল নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এবং কয়েকটি আসনে ভোট গণনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার প্রসঙ্গও তুলে আনেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর দাবি, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুতর ছিল এবং আরও বড় বিপদ ঘটতে পারত। এই ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এছাড়া শিক্ষক নিয়োগ, ছাত্র আন্দোলন এবং অতীতের বিভিন্ন গণআন্দোলনের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, মানুষের অধিকার এবং গণতান্ত্রিক দাবির প্রশ্নে তিনি সবসময় আন্দোলনের পাশে থেকেছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের অন্দরে অস্থিরতার আবহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বার্তা তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশেই দেওয়া। একইসঙ্গে বিরোধীদের বিরুদ্ধেও রাজনৈতিক লড়াইয়ের সুর আরও চড়ালেন তিনি।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

পরিচারিকার কাজ থেকে সরাসরি মন্ত্রী! কলিতা মাঝির জীবনকাহিনি শুনলে অবাক হবেন

নতুন মন্ত্রিসভায় সবচেয়ে আলোচিত নামগুলির মধ্যে অন্যতম কলিতা মাঝি। আউশগ্রামের সাধারণ এক পরিবার থেকে উঠে আসা এই নেত্রীর মন্ত্রী হওয়া এখন জেলার মানুষের গর্বের বিষয়। রবিবার মন্ত্রিসভায় জায়গা পাওয়ার খবর পেয়ে প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারেননি তিনি।কলিতা মাঝি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, তাঁর কাছে একটি ফোন আসে এবং তাঁকে কলকাতায় যেতে বলা হয়। কেন যেতে হবে, সেই বিষয়ে তখন কিছুই জানানো হয়নি। পরে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, তাঁকে মন্ত্রী করা হচ্ছে। খবরটি শোনার পর কিছু সময়ের জন্য তিনি নির্বাক হয়ে যান। তাঁর প্রতিক্রিয়া ছিল, বিধায়ক হওয়ার সুযোগ পাওয়াটাই তাঁর কাছে অনেক বড় বিষয় ছিল, মন্ত্রী হওয়ার কথা কোনওদিন কল্পনাও করেননি।আউশগ্রামের এক অত্যন্ত সাধারণ এবং দরিদ্র পরিবারে বড় হয়েছেন কলিতা। অল্প বয়সেই তাঁর বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পরও আর্থিক কষ্ট তাঁর পিছু ছাড়েনি। সংসারের দায়িত্ব সামলাতে তাঁকে পরিচারিকার কাজ করতে হয়েছে। প্রতিদিনের জীবন ছিল অভাব আর সংগ্রামের সঙ্গে লড়াইয়ের গল্প।তবে নিজের কষ্টের মধ্যেও এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়ানো কখনও বন্ধ করেননি তিনি। বিশেষ করে দরিদ্র পরিবার এবং মহিলাদের বিভিন্ন সমস্যায় সাহায্য করার চেষ্টা করতেন। সেই কাজ করতে করতেই ধীরে ধীরে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।দলের স্থানীয় কার্যালয়ে নিয়মিত যেতেন তিনি। মানুষের কথা শুনতেন, সংগঠনের কাজ শিখতেন এবং রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা অর্জন করতেন। সেই সময় বাংলায় দলের সংগঠন খুব শক্তিশালী ছিল না। প্রকাশ্যে দলের সমর্থক পরিচয় দেওয়াও অনেকের কাছে কঠিন ছিল। সেই কঠিন সময় থেকেই দলের সঙ্গে ছিলেন কলিতা মাঝি।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হলেও জয় পাননি। তবে রাজনৈতিক লড়াই ছাড়েননি। মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। পরবর্তীতে আবারও নির্বাচনী লড়াইয়ে নামেন এবং মানুষের সমর্থনে বিধায়ক নির্বাচিত হন। এবার সেই পথ পেরিয়ে তিনি পৌঁছে গেলেন রাজ্যের মন্ত্রিসভায়।মন্ত্রী হওয়ার পর কলিতা মাঝি জানিয়েছেন, মানুষের জন্য কাজ করাই তাঁর একমাত্র লক্ষ্য। তিনি বলেন, ক্ষমতা বা পদ বদলালেও মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বদলাবে না। আগের মতোই মানুষের সমস্যা শুনবেন এবং তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।আউশগ্রামের সাধারণ এক গৃহবধূ থেকে রাজ্যের মন্ত্রী কলিতা মাঝির এই যাত্রাপথ এখন বহু মানুষের কাছে সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং সাফল্যের এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ফাঁস! লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের নামে কোটি টাকার জালিয়াতি? সিট গঠনের নির্দেশ শুভেন্দুর

লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা ভুয়ো উপায়ে তোলার অভিযোগে নতুন করে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র যাচাই করতে গিয়ে প্রশাসনের হাতে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, মহিলাদের জন্য চালু হওয়া প্রকল্পের টাকা কয়েকটি ক্ষেত্রে পুরুষদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ছিল।সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, এখনও পর্যন্ত মোট বাইশটি সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পুরুষদের নামে জমা হচ্ছিল। ইতিমধ্যেই কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তদন্তে কয়েকটি নির্দিষ্ট নাম উঠে এসেছে। তাঁদের অ্যাকাউন্টে নিয়মিতভাবে প্রকল্পের টাকা জমা পড়ছিল বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনার পেছনে কোনও বড় চক্র কাজ করছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী আরও অভিযোগ করেন, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে। আবেদনপত্রের পৃষ্ঠাসংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রচার করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, প্রকৃত তথ্য গোপন করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের টাকা কীভাবে এবং কার মাধ্যমে ভুয়ো উপায়ে তোলা হয়েছে, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অন্যদিকে অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদন প্রক্রিয়া নিয়েও আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, সাধারণ মানুষ ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া দিয়েছেন। সোমবার থেকে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও বহু আবেদন জমা পড়বে বলে প্রশাসনের আশা।সরকারি প্রকল্পের টাকা বণ্টন নিয়ে এই নতুন বিতর্ক সামনে আসার পর রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই এখন নজর সকলের।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলায় মমতার ধরনা ঘিরে বড় ধাক্কা! শেষ মুহূর্তে অনুমতি দিল না পুলিশ

ধর্মতলার রানি রাসমণি রোডে মঙ্গলবার ধরনায় বসার ঘোষণা করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলার কথা। দুপুর ২টো থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সেখানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।তবে ধরনার একদিন আগে সামনে এসেছে বড় জটিলতা। সূত্রের খবর, রানি রাসমণি রোডে এই কর্মসূচির জন্য এখনও পুলিশের অনুমতি মেলেনি। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ওই স্থানে ধরনার অনুমতি না দিয়ে বিকল্প হিসেবে ওয়াই চ্যানেলে কর্মসূচি করার প্রস্তাব দিয়েছে। সেখানে মাত্র দুই ঘণ্টার জন্য অনুমতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই প্রস্তাবে এখনও সম্মতি দেওয়া হয়নি বলে সূত্রের দাবি। ফলে নির্ধারিত কর্মসূচি শেষ পর্যন্ত কীভাবে এবং কোথায় হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অতীতে বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছে অনুমতি চেয়েও একাধিকবার সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। সে সময় অনুমতি না মেলায় তাঁকে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। বর্তমান পরিস্থিতিকে ঘিরে সেই বিতর্কও নতুন করে সামনে এসেছে।অন্যদিকে, ধরনা বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটেছে। দলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সম্প্রতি তাঁরা দলের বিরুদ্ধে সই জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরই তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেয় তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে একদিকে ধরনা বিতর্ক, অন্যদিকে দুই বিধায়কের বহিষ্কার সব মিলিয়ে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

জুন ০১, ২০২৬
রাজ্য

‘বাড়িতে হামলা হল, দল ফোনও করল না’! তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন প্রাক্তন মন্ত্রী

রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর এক মাসের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের সুর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সই সংক্রান্ত বিতর্ক, দুই বিধায়কের বহিষ্কার এবং সাংগঠনিক অস্থিরতার আবহে এবার দলের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ প্রকাশ করলেন প্রাক্তন মন্ত্রী ও মধ্য হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়।সোমবার নিজের বাড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অরূপ রায় অভিযোগ করেন, গত শনিবার তাঁর বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটলেও দলের তরফে কেউ তাঁর খোঁজ পর্যন্ত নেননি। এমনকি একটি ফোনও আসেনি বলে দাবি করেছেন তিনি।অরূপ রায়ের কথায়, এই পরিস্থিতিতে দলের প্রথম কাজ হওয়া উচিত ছিল আক্রান্ত কর্মী এবং নেতাদের পাশে দাঁড়ানো। তাঁর দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে দলের সাধারণ কর্মী থেকে শুরু করে জনপ্রতিনিধিরা হামলার শিকার হচ্ছেন, কিন্তু দল তাঁদের পাশে দাঁড়াচ্ছে না। এর ফলে কর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।তিনি আরও বলেন, অতীতেও দল কঠিন সময়ের মুখোমুখি হয়েছে। এমন সময় এসেছে যখন বিধানসভায় খুব কম আসন পেয়েও তৃণমূল লড়াই চালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। তাঁর মতে, সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।প্রসঙ্গত, গত শনিবার মধ্য হাওড়ার কাসুন্দিয়া এলাকার অরূপ রায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ছড়ায়। তাঁর বাড়ির সামনের একটি গুদামঘর থেকে ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, ধুতি-সহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী উদ্ধার হওয়ার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভও দেখানো হয়।ঘটনার পর অরূপ রায় দাবি করেছিলেন, ওই ত্রাণসামগ্রী সরিয়ে নেওয়ার জন্য তিনি আগেই প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলেন। পরে প্রশাসন সেগুলি সরাতে গেলে বিক্ষোভের সৃষ্টি হয়।সাংবাদিক বৈঠকে দলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছে কি না, সেই প্রশ্নও ওঠে। উত্তরে কয়েক মুহূর্ত নীরব থাকার পর অরূপ বলেন, এই সময়ে দলের উচিত ছিল আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো। কিন্তু সেই দায়িত্ব দল সঠিকভাবে পালন করতে পারেনি।সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে তিনি সক্রিয়ভাবে প্রচারে নামবেন কি না, তা নিয়েও অনিশ্চয়তার ইঙ্গিত দিয়েছেন অরূপ রায়। তাঁর বক্তব্য, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। তবে তিনি এখনও নিজের অবস্থান চূড়ান্ত করেননি।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ক্ষমতা হারানোর পর তৃণমূলের অন্দরে যে অস্বস্তি এবং অসন্তোষ বাড়ছে, অরূপ রায়ের এই মন্তব্য তারই আরও একটি বড় ইঙ্গিত। পৌরসভা নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি দলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

বহিষ্কারের পর বিস্ফোরক সন্দীপন! ‘সই জাল হয়েছে, অভিযোগ না করে উপায় ছিল না’

সই সংক্রান্ত বিতর্কে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। দলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলার পর ইতিমধ্যেই বহিষ্কৃত হয়েছেন এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বহিষ্কারের পরও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন সন্দীপন সাহা। তাঁর দাবি, নিয়ম বহির্ভূত কাজ হয়েছে বলেই তিনি অভিযোগ জানাতে বাধ্য হয়েছেন।সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, দুই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতেই সই সংক্রান্ত ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়।সন্দীপন সাহার অভিযোগ, গত ৬ মে তৃণমূলের একটি বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে আলোচনা হলেও সেখানে বিরোধী দলনেতাকে নিয়ে কোনও প্রস্তাব গৃহীত হয়নি। কিন্তু পরে ১৯ মে যে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়, তাতে ৬ মে উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে। তাঁর দাবি, কয়েকজন বিধায়ক ওই বৈঠকে উপস্থিত না থাকলেও তাঁদের নাম রেজোলিউশনে যুক্ত করা হয়েছে, যা নিয়মবিরুদ্ধ এবং অনৈতিক।সন্দীপনের বক্তব্য, যাঁরা বৈঠকে ছিলেন না, তাঁদের উপস্থিত দেখিয়ে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়েছে। এটি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি আরও দাবি করেন, উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর দিয়েই রেজোলিউশন জমা দেওয়া সম্ভব ছিল। তা না করে কেন অন্য পথ নেওয়া হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। এই ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সন্দীপন। তাঁর দাবি, এত বড় ভুলের দায় এড়ানো যায় না।দলকে না জানিয়ে কেন তিনি বিধানসভা কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেছিলেন, সেই প্রশ্নেরও জবাব দিয়েছেন সন্দীপন। তাঁর কথায়, একজন বিধায়ক হিসেবে তিনি সংবিধান ও নিয়ম মেনে চলার শপথ নিয়েছেন। সেই দায়িত্ব থেকেই তিনি অভিযোগ জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, দলের ভিতরে কোনও অভিযোগ বা প্রশ্নের সঠিক উত্তর পাওয়া যায় না বলেই তিনি অন্য পথ বেছে নিয়েছেন।সন্দীপন আরও অভিযোগ করেন, দলের মধ্যে খোলামেলা আলোচনা করার পরিবেশ নেই। কোনও প্রশ্ন তুললে তার উত্তর না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে দলের ভিতরে নিজের মতামত বা আপত্তি জানানো কার্যত অসম্ভব হয়ে উঠেছে বলে দাবি তাঁর।বহিষ্কৃত এই বিধায়কের কথায়, সই সংক্রান্ত বিতর্ক নিয়ে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রশ্ন করছেন। সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়াও কঠিন হয়ে উঠছে। তাই বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা এবং অভিযোগ জানানো ছাড়া তাঁর সামনে আর কোনও পথ খোলা ছিল না বলেই দাবি করেছেন সন্দীপন সাহা।

জুন ০১, ২০২৬
কলকাতা

সিআইডির জেরায় ফাঁস নতুন তথ্য? তিন বিধায়কের স্বীকারোক্তির দাবি শুভেন্দুর

বিধানসভার একটি রেজোলিউশনকে কেন্দ্র করে সই সংক্রান্ত বিতর্কে রাজ্য রাজনীতি সরগরম। এই ঘটনায় তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ইতিমধ্যেই একাধিক তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছেন তদন্তকারীরা। তদন্তের অংশ হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতেও নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার সূত্রপাত কীভাবে, তা নিয়ে সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহার অভিযোগের ভিত্তিতেই পুরো বিষয়টির তদন্ত শুরু হয়।শুভেন্দুর বক্তব্য অনুযায়ী, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন সংক্রান্ত যে রেজোলিউশন বিধানসভায় জমা দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ওই দুই বিধায়ক। তাঁদের অভিযোগ ছিল, রেজোলিউশনে থাকা কয়েকজন বিধায়কের সই নিয়ে অসঙ্গতি রয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি স্পিকারের নির্দেশে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরে তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।তদন্তের অংশ হিসেবে একাধিক তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে কথা বলেন তদন্তকারীরা। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, তদন্ত চলাকালীন তিন জন বিধায়ক জানিয়েছেন যে রেজোলিউশনে থাকা সই তাঁদের নয়। তিনি দাবি করেন, ওই তিন জন হলেন বাহরুল ইসলাম, শুভাশিস দাস এবং অরূপ রায়। তাঁদের মধ্যে একজন নাকি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, তিনি সেদিন কলকাতায়ই ছিলেন না।সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, তদন্তে উঠে আসা তথ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর দাবি, যাঁরা সই নিজেদের নয় বলে জানিয়েছেন, তাঁদের কোনও ব্যক্তিগত লাভ নেই। তাই তাঁদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত এগোচ্ছে।এদিকে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। অভিযোগকারী দুই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে সই সংক্রান্ত বিতর্কের তদন্তে নতুন নতুন তথ্য সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এখন তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal