• ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ২৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Car

রাজ্য

মাঠে পড়ে ছিল স্তূপের পর স্তূপ ভোটার কার্ড! বীরভূমে চাঞ্চল্য, আটক বিএলও

বীরভূমের নানুরে বিপুল পরিমাণ ভোটার কার্ড উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার সকালে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়া এলাকার একটি মাঠ থেকে প্রচুর ভোটার কার্ড উদ্ধার করে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, মাঠে স্তূপ করে পড়ে ছিল সেইসব কার্ড। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক হইচই পড়ে যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সকালে কাজে যাওয়ার সময় কয়েকজন বাসিন্দার নজরে আসে মাঠের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা ভোটার কার্ডগুলি। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় কীর্নাহার থানায়। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সমস্ত কার্ড উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ সূত্রে খবর, যে মাঠ থেকে ভোটার কার্ডগুলি উদ্ধার হয়েছে, তার পাশেই এক বিএলও-র বাড়ি রয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ ওই বিএলও-কে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে উঠে এসেছে, পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম ব্লকের চিনিশপুর গ্রামের এক প্রাক্তন বিএলও বর্তমানে কীর্নাহারের পশ্চিম পাড়ায় থাকেন। তিনি বিএলও হিসেবে কাজ করার সময় পুরনো ভোটার কার্ড সংগ্রহ করে নতুন কার্ড দিয়েছিলেন বাসিন্দাদের। নিয়ম অনুযায়ী পুরনো কার্ড নির্বাচন কমিশনের দফতরে জমা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, সেই কার্ড জমা না করে নিজের কাছেই রেখে দিয়েছিলেন তিনি।পুলিশের অনুমান, পরে সেই পুরনো ভোটার কার্ডই মাঠের ধারে ফেলে দেওয়া হয়। কেন তিনি এই কাজ করলেন এবং কেন কার্ডগুলি জমা দেওয়া হয়নি, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।এসআইআর নিয়ে যখন বীরভূমে নাম বাদ পড়া নিয়ে বিতর্ক চলছে এবং বহু মানুষ ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন, ঠিক সেই সময় বিপুল ভোটার কার্ড উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

মে ১৭, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ খুনে ভয়ংকর মোড়! এক লক্ষ টাকায় ঝাড়খণ্ড থেকে আনা হয়েছিল ‘মৃত্যুর গাড়ি’

শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। ধৃত মায়াঙ্ককে জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, খুনে ব্যবহৃত গাড়িটি ঝাড়খণ্ড থেকে বারাসতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তাকে এক লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছিল।সিবিআই সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ডের এক ব্যক্তির নির্দেশেই নিসান মাইক্রা গাড়িটি বারাসতে নিয়ে আসে মায়াঙ্ক। মধ্যমগ্রামের ঘটনার দিন অভিযুক্তরা ওই গাড়িতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিল বলে তদন্তকারীদের অনুমান। জেরায় মায়াঙ্ক দাবি করেছে, শুধু গাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কাজের জন্যই তার সঙ্গে এক লক্ষ টাকার চুক্তি হয়েছিল।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, হাওড়ার নিবেদিতা টোল প্লাজার কয়েক কিলোমিটার আগে গাড়ির নম্বর প্লেট বদলে ফেলা হয়। সেখানে শিলিগুড়ির আরটিও-তে নথিভুক্ত অন্য একটি গাড়ির নম্বর লাগানো হয়েছিল। টোল প্লাজা পার হওয়ার আগেই গাড়ির আসল নম্বর প্লেট ফেলে দেওয়া হয় বলে জানতে পেরেছে সিবিআই।মায়াঙ্ককে সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার একাধিক জায়গায় ঘুরে ঘটনার তথ্য যাচাই করেন তদন্তকারীরা। জেরায় মায়াঙ্ক জানিয়েছে, তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বারাসতের ১১ নম্বর রেল গেটের কাছে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় গাড়িটি রেখে চলে যেতে। সেই মতো গাড়ি রেখে সেখান থেকে বাসে করে এয়ারপোর্ট এলাকায় যায় সে। পরে একটি খাবারের দোকানে খাওয়াদাওয়া করে ক্যাব ধরে পৌঁছে যায় হাওড়া স্টেশনে। সেখান থেকে ট্রেনে চেপে ফিরে যায় বক্সারে।সিবিআই আরও জানতে পেরেছে, টোল প্লাজায় অনলাইনেই টোলের টাকা মেটানো হয়েছিল। সেই তথ্যও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তে উঠে এসেছে আরও একটি বড় তথ্য। নিসান মাইক্রা ছাড়াও আরও একটি চারচাকা গাড়িতে তিনজন ঝাড়খণ্ড থেকে এসেছিল বলে দাবি করেছে মায়াঙ্ক। ওই তিনজন কারা, তা নিয়ে এখন জোর তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। ধৃত ভিকি ও রাজ সিং কি ওই গাড়িতে ছিল, নাকি আরও কেউ এই ঘটনায় জড়িত, তা জানার চেষ্টা চলছে।এখনও পর্যন্ত ঝাড়খণ্ডের সেই ব্যক্তির খোঁজ পায়নি সিবিআই, যিনি মায়াঙ্ককে এক লক্ষ টাকার বিনিময়ে গাড়ি পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছিলেন। তদন্তকারীদের সন্দেহ, খুনের সুপারি দেওয়ার নেপথ্যেও থাকতে পারেন ওই ব্যক্তি। তাই তাকে খুঁজে বের করাই এখন তদন্তের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।

মে ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনই তাণ্ডব! অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে পাথরবৃষ্টি, ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল আসানসোল

ভোটকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। মুর্শিদাবাদে জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীরের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগের পর এবার আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।অগ্নিমিত্রা পালের অভিযোগ, বার্নপুরের রহমত নগর এলাকায় তাঁর গাড়ির উপর আচমকা হামলা চালানো হয়। তিনি জানান, এলাকায় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে একটি স্কুলে ঢুকেছিলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার পরই তাঁর গাড়িকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া শুরু হয়। চলন্ত গাড়ির পিছনে একের পর এক পাথর আঘাত হানে। তাঁর দাবি, তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলা চালিয়েছে। শুধু তাঁর গাড়িই নয়, সঙ্গে থাকা সাংবাদিকদের গাড়িতেও পাথর ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার পর তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান।এ দিনের সকালেই আসানসোলের রানিগঞ্জ এলাকায় পুলিশ তাঁকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় পুলিশের এক আধিকারিকের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা হয়। নিমচা ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক নাসরিন সুলতানা জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থীর সঙ্গে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি গাড়ি রাখা যাবে না। এই নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়।এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে, একই দিনে মুর্শিদাবাদে হুমায়ুন কবীরের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে জানা গেছে। তাঁর গাড়ির কাচ সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।রাজ্যের একাধিক জেলায় এভাবে প্রার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় ভোটের পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বাসস্টপে ধাক্কা, তারপর ডিভাইডারে সজোরে আঘাত—মত্ত চালকের তাণ্ডব

বেপরোয়া গতির জেরে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা ঘটল নিউটাউনে। শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি সকালে নিউটাউন-এর ইকো পার্ক-এর দুই নম্বর গেটের কাছে প্রথমে একটি গাড়ি বাসস্টপে ধাক্কা মারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এরপর গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আরও কিছুটা এগিয়ে সিগন্যালের কাছে ডিভাইডারে সজোরে ধাক্কা মারে। তারপরই গাড়িটি সম্পূর্ণ উল্টে যায়।রাস্তায় উল্টে পড়ে থাকতে দেখা যায় গাড়িটিকে। সামনের অংশ বেশ খানিকটা দুমড়ে-মুচড়ে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়। গাড়িতে থাকা তিনজনকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, গাড়িতে থাকা তিনজনের মধ্যে যিনি চালাচ্ছিলেন, তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান। দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই এই দুর্ঘটনা ঘটে।গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিউটাউনের ব্যস্ত রাস্তায় এ ধরনের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

সরকারি বোর্ড লাগানো আইপ্যাকের গাড়ি! চালক নাবালক? জি টি রোডে তীব্র চাঞ্চল্য

শনিবার রাতে পুরনো জি টি রোডে একটি সাদা রঙের গাড়ি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। অভিযোগ, ওই গাড়িটি চালাচ্ছিল এক তরুণ, যার বয়স সম্ভবত আঠারোও হয়নি। অথচ সেই গাড়িতেই ছিল অন ডিউটি লেখা সরকারি বোর্ড এবং তাতে লেখা ছিল গভর্নমেন্ট অব ওয়েস্ট বেঙ্গল। এই ঘটনা ঘিরে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস।কংগ্রেসের অভিযোগ, ওই গাড়িটি জেলা কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দারের বাইকে ধাক্কা মারতে উদ্যত হয়। গৌরব সমাদ্দার রাজ্য কংগ্রেস কমিটির সদস্য এবং জেলার আইএনটিইউসি-র সভাপতি। শনিবার রাত সাড়ে সাতটার পর বড়নীলপুর মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।অভিযোগ অনুযায়ী, সাদা রঙের গাড়িটি গৌরবের বাইকের খুব কাছ দিয়ে চলে আসে। পরিস্থিতি বুঝে তিনি গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে সেটির পথ আটকান। তখনই মোবাইলে লাইভ শুরু করেন তিনি। ধীরে ধীরে এলাকায় লোক জড়ো হতে শুরু করে। গৌরব পুলিশে ফোন করে পুরো ঘটনার কথা জানান।গৌরবের দাবি, গাড়িটি চালাচ্ছিল একেবারে কম বয়সি এক তরুণ। গাড়ির আরোহীরা নিজেদের আইপ্যাকের লোক বলে পরিচয় দেন। কিন্তু প্রশ্ন করা হলে, আইপ্যাকের গাড়িতে কেন সরকারি বোর্ড ব্যবহার করা হচ্ছে, তার কোনও স্পষ্ট উত্তর তাঁরা দেননি।পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাড়ির ছবি তোলে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেয়। গৌরব সমাদ্দারের অভিযোগ পুলিশ গ্রহণ করেছে বলে জানা গিয়েছে।এই প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম বলেন, পুলিশে অভিযোগ হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করবে। বিষয়টি দেখা হবে।অন্যদিকে বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, আইপ্যাকের কর্মীরা নিজেদের সরকারি সম্পত্তির মালিক মনে করছে। আইপ্যাকের গাড়িতে কীভাবে সরকারের বোর্ড থাকতে পারে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা? রিপোর্ট চাইল অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক

বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল রাজ্যে। ঘটনার রেশ পৌঁছে গেল দিল্লিতেও। শুভেন্দুর গাড়িতে হামলা-র অভিযোগের প্রেক্ষিতে রিপোর্ট তলব করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, অমিত শাহের মন্ত্রকের তরফে বিরোধী দলনেতার অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট ও ভিডিয়ো ফুটেজ চাওয়া হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর অফিসের পক্ষ থেকে সেই সব ফুটেজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে পাঠানো হচ্ছে।শনিবার পুরুলিয়ায় কর্মসূচি সেরে ফেরার পথে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা রোডে এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর গাড়ি যাওয়ার সময় রাস্তার এক পাশে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা দাঁড়িয়ে ছিলেন। রাস্তার উল্টো দিকে তৃণমূলের পতাকা হাতে কয়েক জন দাঁড়িয়েছিলেন বলে অভিযোগ। শুভেন্দুর দাবি, তাঁর গাড়ি আসতেই আচমকা হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, ১২ থেকে ১৫ জন মিলে তাঁর গাড়িতে হামলা করেছে। পুলিশের মদতেই এই ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর আরও দাবি, হামলাকারীদের হাতে পেট্রল ও ডিজেল ছিল।ঘটনার পরই শুভেন্দু অধিকারী চন্দ্রকোনা পুলিশের বিট হাউসে পৌঁছে যান। সেখানে হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন তিনি। আইসির ঘরে মেঝেতে বসে পড়ে তিনি জানান, দোষীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত তিনি বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য তৃণমূলকে নিশানা করে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানোর পর থেকেই বারবার শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলা হচ্ছে। পাল্টা তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, শুভেন্দুর গাড়িতে কোনও হামলা হয়নি। জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া হচ্ছিল, সেটাই তিনি সামলাতে পারেননি। তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ করে লেখেন, চন্দ্রকোনায় ভুল করে বিজেপি কর্মীদেরই পেটানো হয়েছে কেন, তার জবাব কেন্দ্রীয় বাহিনী দিক।এদিকে, শুভেন্দুর গাড়িতে হামলার অভিযোগের প্রতিবাদে রাজ্যের একাধিক জেলায় বিক্ষোভে নামেন বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা। বাঁকুড়ার লালবাজারে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নিলাদ্রি শেখর দানার নেতৃত্বে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন কর্মীরা। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথি থানার সামনেও বিক্ষোভে সামিল হন বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা।এই পরিস্থিতির মধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক শুভেন্দু অধিকারীর অফিসের কাছ থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। পাঠানো ভিডিয়ো ফুটেজ খতিয়ে দেখে কেন্দ্র কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যরাতে গুলির শব্দ, আকাশে ড্রোন! কেঁপে উঠল ভেনেজুয়েলার রাজধানী

সোমবার গভীর রাতে ফের আতঙ্ক ছড়াল ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বাসভবনের অদূরে হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা যায়। একই সঙ্গে আকাশে উড়তে দেখা যায় একাধিক ড্রোন। এই ঘটনায় শহর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে চরম উৎকণ্ঠা।এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেস অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথগ্রহণ করেন। তার পরই মধ্যরাতে প্রেসিডেন্টের প্রাসাদ মিরাফ্লোরেস প্যালেসের আশপাশে গোলাগুলি শুরু হয় এবং প্রাসাদের উপর দিয়ে ড্রোন উড়তে দেখা যায়। সংবাদসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, এই ঘটনার একাধিক ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও ওই সব ভিডিয়োর সত্যতা এখনও যাচাই করা হয়নি।অন্যদিকে সংবাদসংস্থা সিএনএন জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির জেরেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তবে ভেনেজুয়েলার প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।এই ঘটনায় কারাকাসের বাসিন্দারা প্রবল আতঙ্কে পড়ে যান। অনেকেই রাতভর ঘটে যাওয়া ঘটনার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। কেউ কেউ আশঙ্কা করেন, দেশে সামরিক অভ্যুত্থান শুরু হয়ে গেছে। আবার কারও মনে হয়েছে, আমেরিকা হয়তো ফের হামলা চালিয়েছে। যদিও হোয়াইট হাউস স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, এই ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই।প্রেসিডেন্টের বাসভবনের কাছেই থাকা এক বাসিন্দা সংবাদসংস্থা এএফপি-কে জানান, প্রথমে তিনি ভেবেছিলেন আকাশ দিয়ে প্রচুর বিমান যাচ্ছে। পরে বাইরে বেরিয়ে দেখেন, গোটা পাড়া রাস্তায় নেমে এসেছে। সকলেই ভীষণ উত্তেজিত ও আতঙ্কিত ছিলেন। অনেকেরই মনে হয়েছিল, হয়তো আমেরিকা আবার হামলা চালিয়েছে।কারা এই ঘটনার পিছনে রয়েছে এবং কেন এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে মধ্যরাতের এই ঘটনায় নতুন করে অস্থিরতা বেড়েছে ভেনেজুয়েলার রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
বিদেশ

কারাকাসে রাতভর বিস্ফোরণ, শুরু কি আমেরিকার সরাসরি হামলা?

মাথার উপর দিয়ে একের পর এক বিমান উড়ছে, লাগাতার বিস্ফোরণের শব্দ। শনিবার ৩ জানুয়ারি ভোর থেকেই ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। শহরের বিভিন্ন জায়গায় গোলাবর্ষণ ও বিস্ফোরণের খবর মিলেছে। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি ভেনেজুয়েলার উপর সরাসরি মার্কিন হামলা শুরু হয়ে গেল?সংবাদসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ২টো নাগাদ প্রথম বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এরপর একের পর এক বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা কারাকাস। ভেনেজুয়েলার প্রধান সামরিক ঘাঁটি ফোর্ট টিউনা এবং লা কার্লোটা এলাকায় সামরিক বিমান উড়তে দেখা গিয়েছে। রাজধানীর প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কাছেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।চোখে দেখা প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আকাশে বারবার মার্কিন সেনার অ্যাপাচে ও চিনুক হেলিকপ্টার উড়তে দেখা গিয়েছে। মিরান্ডা এলাকার বিমানবন্দরেও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের অনুমান, সারফেস টু এয়ার মিসাইল ব্যবহার করে এই হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত মার্কিন সরকার বা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার কথা আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বীকার করেননি।অন্যদিকে, ভেনেজুয়েলার সেনা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশের উপর হামলা হয়েছে। রাজধানী কারাকাসে বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ হয়ে গিয়েছে এবং গোটা শহর অন্ধকারে ডুবে রয়েছে। দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবন ও প্রেসিডেন্ট ভবনের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর নির্দেশে সেনা পাল্টা লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছে প্রশাসন। মার্কিন আগ্রাসনের ফলে বিপুল প্রাণহানির আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। মাদুরো সরকার দাবি করেছে, ভেনেজুয়েলার তেল ও খনিজ সম্পদের দখল নিতেই এই হামলা চালানো হচ্ছে।এর আগেও ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেই অভিযোগে অতীতে মাদক বোঝাই জাহাজে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। তবে রাজধানী কারাকাসে এই ধরনের ব্যাপক বিস্ফোরণের ঘটনা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

আবার রেগে আগুন! ভারতীয় দাবাড়ুর কাছে হেরে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন কার্লসেন

ভারতীয় দাবাড়ুর কাছে হার মানলেই কেন এতটা রেগে যান ম্যাগনাস কার্লসেন, সেই প্রশ্ন নতুন করে উঠে এল। আগেও দেখা গিয়েছে, হার সহ্য করতে না পেরে বোর্ডে ঘুষি মারা থেকে শুরু করে নানা আচরণে বিতর্কে জড়িয়েছেন নরওয়ের এই তারকা দাবাড়ু। সোমবার দোহায় ফিডে বিশ্ব ব্লিট্জ চ্যাম্পিয়নশিপে ফের একই ছবি দেখা গেল। প্রতিপক্ষ ছিলেন ভারতের অর্জুন ইরাইগিসি। শেষ দিকে অর্জুনের নিখুঁত চালের সামনে দাঁড়াতে পারেননি কার্লসেন। ম্যাচে হার বুঝতেই মেজাজ হারান তিনি।অর্জুনের কাছে হেরে কার্লসেন আচমকা চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ান। এতটাই রেগে যান যে, পাশে দিয়ে যাওয়া এক ব্যক্তি পর্যন্ত ভয় পেয়ে যান। সেই সময় টেবিলের উপর থাকা দাবার ঘুঁটিগুলি ছিটকে পড়ে মাটিতে। এরপর রাগের মাথায় টেবিলে ঘুষি মারতেও দেখা যায় কার্লসেনকে। এই জয়ের ফলে ১১ রাউন্ড শেষে ৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে উঠে যান অর্জুন ইরাইগিসি।কার্লসেনের এমন আচরণ নতুন নয়। এর আগেও ভারতের ডি গুকেশের কাছে হেরে একই ভাবে টেবিলে ঘুষি মেরে রাগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। শুধু ভারতীয় দাবাড়ু নন, অন্য প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধেও হার মানলে তাঁর মেজাজ যে সহজে ঠান্ডা হয় না, তা আগেও দেখা গিয়েছে। সম্প্রতি র্যাপিড চ্যাম্পিয়নশিপে রাশিয়ার গ্র্যান্ডমাস্টার ভ্লাদিস্লাভ আর্টেমিয়েভের কাছে হেরে ক্যামেরাম্যানকে ঠেলে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন কার্লসেন।এ দিন অবশ্য ডি গুকেশের জন্যও দিনটা খুব ভালো যায়নি। দোহাতেই তিনি অপ্রত্যাশিত ভাবে হেরে যান মাত্র ১২ বছর বয়সি দাবাড়ু সের্গে স্ক্লোকিনের কাছে। সের্গে একজন ফিডে মাস্টার, যার টাইটেল গ্র্যান্ডমাস্টারের থেকে দুধাপ নীচে। অন্য দিকে গুকেশ একজন সুপার গ্র্যান্ডমাস্টার, যার রেটিং ২৭৫০। ফলে ম্যাচটি একতরফা হবে বলেই মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু দীর্ঘ ৭০ চালের লড়াইয়ে সময়ের চাপে পড়ে যান গুকেশ। শেষ পর্যন্ত আরও ১০ চালের মধ্যেই হার মানতে বাধ্য হন তিনি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
রাজ্য

১৯৬৭ সালের অ্যাডমিট কার্ড হাতে শুনানিতে হাজির ৭৫ বছরের বৃদ্ধা, চমকে গেল এসআইআর কেন্দ্র

শুরু হয়ে গিয়েছে এসআইআর-এর দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ। প্রতিটি বিধানসভা ক্ষেত্র পিছু একাধিক জায়গায় চলছে শুনানি। স্কুল ও সরকারি অফিসে তৈরি করা হয়েছে শুনানি কেন্দ্র। প্রথম পর্যায়ে মূলত আনম্যাপড ভোটারদেরই শুনানিতে ডাকা হয়েছে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর।এই শুনানির মাঝেই নজর কাড়লেন শ্রীরাম মন্দির লেনের বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী ভারতী দে। ফর্মে নামের ক্ষেত্রে সামান্য ভুল থাকায় তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়। শুনানিতে এসে নিজের সঙ্গে নিয়ে আসেন ১৯৬৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড এবং রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট। এত পুরনো নথি, তাও আবার এত ভালো অবস্থায় দেখে হতবাক হয়ে যান উপস্থিত অনেকে।নির্বাচন কমিশনের এসআইআর যাচাই প্রক্রিয়ায় দশটিরও বেশি নথি দেখানোর সুযোগ রয়েছে। মাধ্যমিক সংক্রান্ত নথির পাশাপাশি আরও একাধিক পরিচয়পত্র গ্রহণ করা হয়। সেই প্রেক্ষিতেই এত বছরের পুরনো অ্যাডমিট কার্ড এবং শংসাপত্র অক্ষত অবস্থায় দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন অনেকে। তবে ভারতী দেবীর কথায়, পড়াশোনার সব কাগজপত্র তিনি সযত্নে রেখে দিতে ভালোবাসেন। কিন্তু সেগুলি যে একদিন এত কাজে লাগবে, তা তিনি ভাবেননি।কেন তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে, সে প্রসঙ্গে ভারতী দেবী বলেন, নামের ক্ষেত্রে হয়তো কোনও ভুল ছিল। তাই শুনানির নোটিস এসেছিল। তবে সেখানে পৌঁছনোর পর তাঁকে জানানো হয়, বাড়িতেই নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা যাচাই করতে আসবেন। তিনি আরও জানান, বিগত প্রতিটি নির্বাচনেই তিনি ভোট দিয়েছেন এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতেও তাঁর নাম ছিল।বয়সের ভারে শরীর এখন দুর্বল। শারীরিক অসুস্থতা থাকলেও এদিন পায়ে হেঁটেই শুনানি কেন্দ্রে সময়মতো পৌঁছন তিনি। গণভবন থেকে বেরিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেন ওই বৃদ্ধা।অন্যদিকে, চেতলা গার্লস স্কুলে নির্বাচন কমিশনের তরফে একটি শুনানি কেন্দ্র করা হয়েছে। তার কাছেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে একটি সহায়তা ক্যাম্প বসানো হয়। সেখানে সাধারণ মানুষ এসে নিজেদের সমস্যা ও প্রশ্ন জানাচ্ছেন। বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলাকার কাউন্সিলর ও কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম ওই ক্যাম্পে যান এবং দীর্ঘক্ষণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
বিদেশ

গ্রিন কার্ড ইন্টারভিউতেই গ্রেফতার! ৩০ বছর ধরে আমেরিকায় থাকা ভারতীয় মহিলাকে আইসিই-র ধাক্কা

ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া অভিবাসন নীতির আবহে দুঃস্বপ্নের মধ্যে পড়েছে আমেরিকার লং বিচ শহরের পরিচিত কৌর পরিবার। দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে আমেরিকায় বসবাস করা ভারতীয় বংশোদ্ভূত বাব্বলজিৎ বাবলি কৌরকে হঠাৎ গ্রিন কার্ড ইন্টারভিউয়ের শেষ ধাপে গ্রেফতার করল আইসিই। ৬০ বছরের বাবলি কৌরকে ১ ডিসেম্বর বায়োমেট্রিক স্ক্যানের সময় আটক করা হয় বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট।পরিবারের দাবি, গ্রিন কার্ডের আবেদন আগেই অনুমোদিত হয়েছিল। বাবলির মার্কিন নাগরিক মেয়ে ও জামাইয়ের স্পনসরশিপেই সেই আবেদন জমা পড়েছিল। অথচ কোনও আগাম সতর্কতা ছাড়াই অফিসে ঢুকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বাবলির মেয়ে জোতির কথায়, গ্রেফতারের পর তাঁর মাকে হাত-পা শিকল পরিয়ে পুরুষদের ভরা একটি ভ্যানে তোলা হয়। সেই অভিজ্ঞতায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন তিনি। পরিবার আশঙ্কায় ছিল, কারণ এমন অনেক ঘটনার কথা তারা শুনেছে যেখানে মানুষ হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়।১৯৯৪ সালে স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে আমেরিকায় আসেন বাবলি কৌর। প্রথমে ল্যাগুনা বিচে বসবাস শুরু করেন তাঁরা। প্রায় দুই দশক ধরে লং বিচে নটরাজ কুইজিন অফ ইন্ডিয়া অ্যান্ড নেপাল নামে একটি জনপ্রিয় রেস্তরাঁ চালাতেন বাবলি ও তাঁর স্বামী। কোভিডের সময় সেই ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়। পরে তিনি রয়্যাল ইন্ডিয়ান কারি হাউসে কাজ করছিলেন। স্থানীয় সমাজে যথেষ্ট পরিচিত ও সম্মানিত ছিলেন কৌর পরিবার।বাবলির মেয়ে জানান, গ্রিন কার্ডের শেষ ধাপের অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিন থেকেই তাঁর মায়ের মনটা অশান্ত ছিল। অফিসে ঢোকার কিছুক্ষণের মধ্যেই দুটি গাড়ি এসে দাঁড়ায়। কয়েক জন ফেডারেল এজেন্ট ভিতরে ঢুকে একটি ঘরে যান। তারপর বাবলিকেও সেই ঘরে ডাকা হয়। সেখানেই তাঁকে জানানো হয়, তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। পরিবারের দাবি, বাবলির কোনও অপরাধমূলক ইতিহাস নেই।গ্রেফতারের পর প্রথম কয়েক ঘণ্টা পরিবার জানতেই পারেনি বাবলিকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরে জানা যায়, তাঁকে লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হয়েছে। সেখানে ২০ জনের বেশি বন্দির সঙ্গে একটি ঘরে থাকতে হচ্ছে তাঁকে। পরিবার জানাচ্ছে, রাতে আলো নিভে না, চারপাশে সব সময় চিৎকার ও কান্নার শব্দ। ঠিকমতো ঘুমোতে পারছেন না বাবলি কৌর।এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন লং বিচের কংগ্রেসম্যান রবার্ট গার্সিয়া। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর অফিস বাবলিকে মুক্ত করতে সব রকম চেষ্টা করছে। তাঁর কথায়, কঠোর অভিবাসন নীতির নামে পরিশ্রমী ও সৎ মানুষদের এভাবে আতঙ্কিত করা মানবিকতার সম্পূর্ণ বিরোধী।এদিকে বাবলি কৌরের গ্রেফতারের কারণ এখনও স্পষ্ট করেনি মার্কিন স্বরাষ্ট্র দফতর। প্রশ্ন উঠছে, গ্রিন কার্ড প্রায় হাতে পৌঁছে যাওয়ার মুহূর্তে কেন এই পদক্ষেপ, তার উত্তর এখনও অধরা।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
বিদেশ

৯ কোটি দিলেই আমেরিকান? নাগরিকত্ব বিক্রির পথে ট্রাম্প, তীব্র বিতর্ক

আমেরিকায় এবার খোলাখুলি বিক্রি হবে নাগরিকত্বএমনই বিস্ফোরক ঘোষণা করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার তিনি জানান, তাঁর তৈরি করা নতুন গোল্ড কার্ড বাজারে আসতে চলেছে। এই কার্ড কিনতে খরচ হবে ১ মিলিয়ন থেকে ৫ মিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯ কোটি থেকে ১৮ কোটি টাকা।ট্রাম্পের দাবি, এই গোল্ড কার্ড আমেরিকায় বৈধভাবে থাকার সুযোগ দেবে এবং পরবর্তীতে নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ আরও সহজ করবে। ইতিমধ্যেই সরকারি ওয়েবসাইটে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে।এই গোল্ড কার্ড চালু হলে বাতিল হয়ে যাবে আগের ইবি-৫ ভিসা, যা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য তৈরি হয়েছিল ১৯৯০ সালে। ট্রাম্পের কথা অনুযায়ী, এবার শুধুমাত্র যোগ্য ও দক্ষ কর্মীরাই আমেরিকায় প্রবেশের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি কার্ড বিক্রির টাকা যাবে ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টে, যা দেশের উন্নয়নে কাজে লাগানো হবে।প্রথমে এই কার্ডের দাম ছিল ৫ মিলিয়ন ডলার। পরে তা কমিয়ে ১ মিলিয়ন ও ২ মিলিয়ন ডলারে নামানো হয়েছে। ট্রাম্প নিজেই বলেছেন, মূলত এটা গ্রিন কার্ড, তবে আরও শক্তিশালী, আরও সরাসরি নাগরিকত্ব পাওয়ার পথ।মার্কিন সংস্থাগুলি চাইলে এই কার্ড কিনে বিদেশি কর্মীদের নিয়োগ করতে পারবে। তবে আবেদনের শর্ত, সীমা বা কতজন আবেদন করতে পারবেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানাননি ট্রাম্প।এরই মধ্যে ট্রাম্পের এই পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিরোধীরা বলছেন, আর্থিক লাভের জন্যই ট্রাম্প নাগরিকত্ব বিক্রির পথ খুলে দিয়েছেন। তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ার গড়ে উঠেছে অভিবাসন ও সীমান্ত নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করেএবারেও তাঁর ক্যাম্পেইন স্লোগান ছিল মেক আমেরিকা গ্রেট এগেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে তিনি হাজার হাজার বেআইনি অভিবাসীকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছেন।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
রাজ্য

১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বস্তাবন্দি ভোটার কার্ড উদ্ধার—কী গোপন রহস্য লুকিয়ে?

এসআইআর আবহের মধ্যেই ফের চাঞ্চল্য ছড়াল নদিয়ার শান্তিপুরে। জাতীয় সড়ক ১২ নম্বরের ধারে আবর্জনার স্তূপ থেকে হঠাৎই উদ্ধার হল বস্তা ভরা ভোটার কার্ড। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে ফাটা বস্তা দেখে সন্দেহ করেন। পা দিয়ে নাড়াতেই একের পর এক ভোটার কার্ড বেরিয়ে আসে। অনেক কার্ডেই লেখা উত্তর ২৪ পরগনার ঠিকানা। স্থানীয়দের দাবি, বস্তার ভেতর চারশো থেকে পাঁচশো ভোটার কার্ড থাকতে পারে, সঙ্গে আরও বেশ কিছু নথিপত্রও মিলেছে।ঘটনার খবর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে। ভিড় জমে যায় রাস্তায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারাই পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে সব কার্ড উদ্ধার করে নিয়ে যায় এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঠিক কীভাবে এতগুলো ভোটার কার্ড আবর্জনার স্তূপে এল, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।এই ঘটনার মাঝেই বুধবার কৃষ্ণনগরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারি কলেজের মাঠে তাঁর জনসভা হওয়ার কথা। মুখ্যমন্ত্রীর সফরের ঠিক আগেই এমন ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে।তৃণমূলের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকে হেয় করতেই বিজেপি এই কাজ করেছে। শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তপন সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যে রাস্তা দিয়ে আসবেন, তার কাছেই এই কার্ড ফেলে রেখে রাজনৈতিক চক্রান্তের চেষ্টা হয়েছে। অন্য জেলা থেকে এনে ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজ করা হয়েছে।বিজেপি অবশ্য পাল্টা অভিযোগ তুলেছে। রানাঘাট সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সম্পাদক সোমনাথ কর বলেন, তৃণমূলশাসিত এলাকায় এই সব কার্ড দিয়ে ছাপ্পা ভোট হত। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নামেও কার্ড বানিয়ে ভোট করাত তৃণমূল। এই উদ্ধারই তার প্রমাণ।পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে কারা এই কার্ড সেখানে ফেলে গেল এবং কার্ডগুলো কোনও বেআইনি কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল কি না।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
কলকাতা

শীতের কুয়াশায় কলকাতায় তাণ্ডব! বাইক দুর্ঘটনায় মৃত্যু, রেড রোডে বেপরোয়া গাড়ির মারাত্মক ধাক্কা

শীতের রাতে আবারও বিপত্তি কলকাতায়। গভীর রাতে ইএম বাইপাসে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক বাইক আরোহীর। কয়েক ঘণ্টা পরই ভিক্টোরিয়ার কাছে রেড রোডে বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় জখম হলেন দুই যাত্রী এবং এক পথচারী মহিলা। দুটি ঘটনারই তদন্তে নেমেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ইএম বাইপাসের সার্ভে পার্কের কাছে ঢালাই ব্রিজ থেকে রুবির দিকে যাচ্ছিলেন অলোকেশ হালদার নামে এক যুবক। বাইকের গতি ছিল অত্যন্ত বেশি। সিংহীবাড়ি মোড়ের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়িকে তিনি প্রথমে ধাক্কা মারেন। তার পর বাইকটি গিয়ে ধাক্কা মারে রাস্তার ডিভাইডারে। ধাক্কার জেরে প্রচণ্ড জোরে ছিটকে পড়ে যান অলোকেশ। স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে এমআর বাঙুর হাসপাতালে নিয়ে গেলেও চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময়ে তাঁর মাথায় হেলমেট ছিল না। অতিরিক্ত গতি ও মাথায় আঘাতেই মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।বুধবার সকালে আরও একটি বড় দুর্ঘটনা ঘটে রেড রোডে। এক বেপরোয়া গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সোজা ধাক্কা মারে রাস্তার বিদ্যুতের খুঁটিতে ও একটি গাছে। ধাক্কার জেরে গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়। গাড়ির ভিতরে থাকা দুই যাত্রীযারা সম্পর্কে বাবা ও ছেলেগুরুতর জখম হন। তাঁদের দ্রুত এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গাড়ির ধাক্কায় আহত হয়েছেন এক সাফাই কর্মী মহিলা, তাঁর নাম রশিদা বেগম, বাড়ি রায়চকে। গাড়ির গতি এতটাই বেশি ছিল যে খুঁটি ও গাছ দুটিই ভেঙে পড়েছে।শহরে জোড়া দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ দুটি ঘটনাই খতিয়ে দেখছে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

পুকুরে সোজা গাড়ি! তিন শিশুর মৃত্যু—ফাঁস হল পুলকারের ভয়ঙ্কর অবস্থা

সোমবার বিকেলেই ভেঙে পড়ল একাধিক পরিবারের স্বপ্ন। বাড়ি ফেরার পথেই ঘটে গেল মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। পড়ুয়াদের নিয়ে ছুটে চলা পুলকারটি হঠাৎই সোজা গিয়ে পড়ে গভীর পুকুরে। মুহূর্তের মধ্যে জলের তলায় তলিয়ে যায় গাড়িটি। স্থানীয় বাসিন্দারা ঝাঁপিয়ে পড়ে পাঁচজনকে কোনওভাবে উদ্ধার করতে পারলেও তিন পড়ুকে বাঁচানো যায়নি।দুর্ঘটনার পরে উঠে এসেছে আরও ভয়ানক তথ্য। যে পুলকারে প্রতিদিন শিশুদের আনা-নেওয়া হত, সেই গাড়ি ছিল ২৩ বছরের পুরনো। ২০১৮ সালেই ফিটনেস ফেল করেছিল। ২০২২-এ শেষ হয়ে যায় বিমার মেয়াদ। দূষণের ছাড়পত্রও ছিল না। অর্থাৎ কোনও নথিই আর বৈধ ছিল না। তবু বছরের পর বছর ওই গাড়িই চলেছে রাস্তায়, শিশুদের নিরাপত্তা ভরসায় রেখেই।অভিভাবকদের দাবি, পুলকারটিতে নিয়মিতই সমস্যা থাকতপ্রবল শব্দ, লক না খোলা, যান্ত্রিক ত্রুটি। এক পড়ুয়ার মা বলেন, চালকের শরীর খারাপ ছিল। গাড়িতে ভীষণ আওয়াজ হচ্ছিল। আমি সকালেই বলেছিলাম, সাবধানে চালাতে। কিন্তু লকটা যদি ঠিক মতো খোলা যেত, তাহলে বাচ্চাগুলোকে হয়ত বাঁচানো যেত।দুর্ঘটনার সময় এক ছাত্রী কয়েক সেকেন্ড আগে গাড়ি থেকে নেমেছিল। তার সামনেই পুকুরে উলটে যায় পুলকারটি। কীভাবে সামলাবে, বুঝতেই পারেনি শিশুরা। ভয় আর আতঙ্কের সেই মুহূর্তেই আটকে যায় সব দরজা।স্কুল কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, অভিভাবকরাই গাড়ি ঠিক করেন, স্কুলের সঙ্গে কোনও সরাসরি সম্পর্ক নেই। কিন্তু অভিভাবকরা বলছেন উল্টো কথাস্কুলের মাধ্যমেই গাড়ি বাছাই ও দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়, তাঁরা কেবল টাকা দেন। ফলে দায় কারনিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।যে ভাবেই হোক, এই মৃত্যু যেন অকারণ উদাসীনতারই ফল। গাড়ির নথি নেই, নিরাপত্তার মান নেইতবু ছুটছে পুলকার। প্রশাসনিক নজরদারি কোথায়? তিনটি ছোট প্রাণ হারিয়ে একটাই প্রশ্ন বিরাট হয়ে দাঁড়িয়েছেপড়ুয়াদের নিরাপত্তা কি এতটাই উপেক্ষিত?ইনস্যুরেন্স নেই, ফিটনেস নেইএমন এক গাড়ি কীভাবে এতদিন রাস্তায় চললএ প্রশ্নের উত্তর এখনই চাইছে পুরো এলাকা।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
রাজ্য

FIP–এ বায়োমেট্রিক ধরে ফেলল সব! বহু বাংলাদেশির কাছে মিলল ভারতীয় নথিও

পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকা জুড়ে ফের তীব্র হল BSFএর নজরদারি। গত মাত্র সাতআট দিনের মধ্যেই স্বরূপনগরের হাকিমপুর ও তারালি সীমান্ত থেকে অন্তত ১৭২০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে তাঁদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। অবৈধভাবে ভারত প্রবেশের অভিযোগেই তাঁদের প্রত্যাবর্তন। সীমান্ত জুড়ে এই সংখ্যাটি প্রশাসনকে নতুন করে ভাবাচ্ছে।BSF এবং পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক। কেউ কাজের সন্ধানে, কেউ আত্মীয়ের কাছে, আবার কেউ পাচারকারীর মাধ্যমে দালাল চক্রের হাত ধরে অবৈধভাবে এইপারে এসেছিলেন। ধরা পড়ার পর তাঁদের প্রত্যেককে নিয়ে যাওয়া হয় নির্দিষ্ট সুরক্ষা কেন্দ্রে, যেখানে প্রথমেই ফরেনার্স আইডেন্টিফিকেশন পোর্টালে তাঁদের বায়োমেট্রিক, ফেসিয়াল ও ডেমোগ্রাফিক তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এই সমস্ত তথ্য পাঠানো হচ্ছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ প্রশাসনের কাছে, যেখানে খতিয়ে দেখা হচ্ছেভারতে এসে কেউ কোনও অপরাধে যুক্ত ছিলেন কি না।পুলিশি ক্লিয়ারেন্স মেললেই তাঁদের বাংলাদেশে ফেরানো হচ্ছে। আর সেখানেই সামনে আসছে আরও উদ্বেগজনক তথ্য। বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিকের কাছ থেকে একাধিক ভারতীয় পরিচয়পত্র উদ্ধার হয়েছেআধার, ভোটার আইডি, এমনকি প্যান কার্ডও। ফলে সীমান্তের দালাল নেটওয়ার্ক ঠিক কতটা গভীরভাবে কাজ করছে, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। এসব নথির উৎস খতিয়ে দেখার পাশাপাশি আধার কর্তৃপক্ষের কাছেও পাঠানো হচ্ছে তথ্য।BSFএর দাবি, হাকিমপুর ও তারালি এলাকায় গত কয়েক দিনে নজিরবিহীনভাবে বেড়ে গিয়েছে অনুপ্রবেশের ঘটনা। একদিকে অসম, অন্যদিকে নদীপথ ও সবুজ সীমানাসব মিলিয়ে সীমান্তের অনেক অংশে নজরদারি কঠিন হয়ে পড়ছে। তবে BSFএর ধারাবাহিক অভিযানেই মাত্র এক সপ্তাহে ১৭২০ জনকে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়েছে।কেন এত বড় সংখ্যায় বাংলাদেশি নাগরিক ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছেনতার কারণ খুঁজতে এখন মাঠে নেমেছে গোয়েন্দা সংস্থাও। প্রশাসনের আশঙ্কা, সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের পাশাপাশি পাচারকারী ও মানবব্যবসায়ী চক্রও সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
দেশ

অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট, তার, জ্বালানি—গাড়ির ভেতরেই বিস্ফোরণের কারখানা! চাঞ্চল্যকর তথ্য

লালকেল্লার কাছে যে বিস্ফোরণ ঘটেছিল, তার তদন্তে এবার উঠে এল আরও ভয়াবহ তথ্য। গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, ধৃত জঙ্গি-চিকিৎসক উমর নবি নাকি আই-২০ গাড়ির ভেতরেই বিস্ফোরক তৈরি করেছিল। যে ৫০টিরও বেশি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, তার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দুই কিলোগ্রামেরও বেশি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ব্যবহার করা হয়েছিল দিল্লির ওই বিস্ফোরণে। সঙ্গে ছিল পেট্রোলিয়াম জাতীয় এক ধরনের জ্বালানি। গোয়েন্দাদের কথায় এটা ঠিক সেই ধরনের বিস্ফোরক, যা খনি এলাকায় ব্যবহৃত হয়।আই-২০ গাড়ির ধ্বংসাবশেষে মেলে সরু তার, অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের চিহ্ন এবং জ্বালানির দাগ। এখান থেকেই সন্দেহ প্রবল হয়গাড়িতেই কি বিস্ফোরক বানায় উমর? তদন্তকারীরা বলছেন, ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যেই এই ধরনের বিস্ফোরক তৈরি করা যায়। আর সব তথ্য মিলিয়ে তাঁরা এখন প্রায় নিশ্চিতগাড়ির ভেতরেই বিস্ফোরক তৈরি হয়েছিল।তবে প্রশ্ন একটাইবিস্ফোরণ কি লালকেল্লার সামনেই করার পরিকল্পনা ছিল? নাকি আরও জনবহুল জায়গায়? সোমবার লালকেল্লা বন্ধ থাকে, তাই গোয়েন্দাদের মনে আরও সন্দেহ। পরিকল্পনা কি আসলে ছিল অন্য জায়গা টার্গেট করার?জেরায় ধৃতরা আরও স্বীকার করেছে যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দেশ ছাড়ার ছক ছিল মুজাম্মিল-শাহিনদের। তাঁদের লক্ষ্য ছিল কাতার বা তুরস্কে পালিয়ে অন্তত ছয় মাস লুকিয়ে থাকা। সেই উদ্দেশ্যে অনলাইনে নতুন পাসপোর্টের আবেদনও করেছিলেন তাঁরা। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই সেই পুলিশ অফিসারের সঙ্গে কথা বলছেন, যিনি আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে গিয়ে তাঁদের পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন করেছিলেন। সব নথি আদৌ ঠিক ছিল কিনা, সেটাই এখন তদন্তের অন্যতম বড় প্রশ্ন।সূত্র বলছে, ৯-১০ ডিসেম্বরের মধ্যেই শাহিন, মুজাম্মিল ও আদিল দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করেছিল। আর উমর নবি কাশ্মীরে গিয়ে জঙ্গি ডেরায় লুকোতে চেয়েছিল। জেরা করে গোয়েন্দারা আরেকটি ভয়ংকর তথ্যও পেয়েছেন৬ ডিসেম্বর, অর্থাৎ বাবরি মসজিদ ধ্বংসের দিনই তৈরি হয়েছিল এই বড় নাশকতার ছক।মুজাম্মিল ও শাহিনের নথিতে সমস্যা না থাকলেও, আদিলের নথিতে একাধিক গরমিল ধরা পড়েছে। নিজের বাড়ির ঠিকানা না দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানা দাখিল করেছিল আদিল, অথচ কোনও প্রমাণপত্র দিতে পারেনি। তদন্তকারীদের সন্দেহ, অধিকাংশ নথিই জাল। যে পুলিশকর্মীরা পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের কাজ করেছিলেন, তাঁদের ভূমিকাও এখন তদন্তের আওতায়। এমনকি শাহিনের পাসপোর্টের ছবি তুলতে গিয়েও মোবাইলে ছবি তোলে সেই অফিসারএটিও নজরে এসেছে তদন্তকারীদের।ক্রমশ এই বিস্ফোরণকাণ্ড এক ভয়ংকর জঙ্গি-চক্রের দিকে আঙুল তুলছে, আর উঠে আসছে দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা নাশকতার পরত-ওপর-পরত।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
দেশ

দিল্লি বিস্ফোরণ ঘিরে বড় ফাঁস! গাড়ির মালিকদের জবানবন্দিতে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাস্তায় চাপা চাপ রক্ত, কোথাও ছড়িয়ে রয়েছে দেহাংশ। আতঙ্কে জমে গিয়েছে রাজধানীর বাতাস। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে লালকেল্লা সংলগ্ন সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ছোট গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। মুহূর্তে দাউদাউ করে জ্বলতে শুরু করে গাড়িটি। বিস্ফোরণের অভিঘাতে আশপাশের কাঁচের দেওয়াল ভেঙে যায়, উড়ে যায় রাস্তার পাশে দাঁড়ানো বাইক, জখম অন্তত ২০ জন, মৃত্যু এখন পর্যন্ত আট জনের।প্রথমে মনে করা হয়েছিল, কোনও পার্কিং লটে থাকা গাড়িতে শর্ট সার্কিটের জেরে বিস্ফোরণ ঘটেছে। কিন্তু তদন্ত এগোতেই চিত্রটা পাল্টে যায়। দিল্লি পুলিশ জানতে পারে, বিস্ফোরণের কেন্দ্রবিন্দু সেই ছোট গাড়িটিই একটি হুন্ডাই আই২০। গাড়িটির নম্বরপ্লেট হরিয়ানার। রেজিস্ট্রেশনের নাম মহম্মদ সলমন। খবর পেয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।সলমন তদন্তকারীদের জানিয়েছেন, প্রায় দেড় বছর আগে তিনি গাড়িটি বিক্রি করে দেন দক্ষিণ দিল্লির ওখলার এক বাসিন্দা দেবেন্দ্রর কাছে। বিক্রির সমস্ত কাগজপত্রও পুলিশের হাতে জমা দিয়েছেন তিনি। কিন্তু এখানেই ঘটনার মোড় ঘোরে। সূত্র অনুযায়ী, দেবেন্দ্রর কাছ থেকে গাড়িটি যায় হরিয়ানার অম্বলার এক বাসিন্দার হাতে। সেখান থেকে সেটি পৌঁছয় জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামার তারিক নামের এক ব্যক্তির কাছে।এখন প্রশ্ন উঠছে এই তারিক আদৌ কাকে গাড়িটি বিক্রি করেছিলেন? নাকি তিনিই ছিলেন বিস্ফোরণের রাতে স্টিয়ারিংয়ের পেছনে? সেই উত্তর এখনও মেলেনি। তদন্তকারীরা এখন খুঁজছেন তারিকের ফোন রেকর্ড, ব্যাংক ট্রানজ্যাকশন এবং দিল্লিতে তাঁর গতিবিধির খোঁজ। পুলিশের এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, আমাদের অনুমান কেউ প্রচুর পরিমাণ বিস্ফোরক নিয়ে যাচ্ছিল। হয়তো গাড়ির ভিতরে আইইডি ছিল। সামান্য চাপেই সেটা বিস্ফোরিত হয়।তবে এটুকু স্পষ্ট ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে বিস্ফোরণের মুহূর্তে গাড়ির জানালা দিয়ে এক ব্যক্তির হাত বেরোচ্ছে। তাঁর মুখ অস্পষ্ট হলেও, পোশাকের রং ও দেহবিন্যাস দেখে তদন্তকারীরা সন্দেহ করছেন, তিনি হয়তো কাশ্মীরের পুলওয়ামার বাসিন্দা। সেই সূত্র ধরেই এখন ফরিদাবাদে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক মডেলের সঙ্গে মিল খুঁজছে এনআইএ ও দিল্লি পুলিশ।রাজধানীর বুকে এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ঘিরে। আত্মঘাতী হামলার গন্ধ, পাকিস্তান যোগের ইঙ্গিত, আর ক্রমে জট পাকানো গাড়ি বিক্রির গল্প সব মিলিয়ে গোটা রহস্য এখন চরম ধোঁয়াশায়।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

লাল কেল্লা মেট্রোর সামনে ধীরে ধীরে আসছিল গাড়িটি... তারপরেই ঘটল বিস্ফোরণ, কী বলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা

ভর সন্ধ্যায় আচমকাই কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ। ঠিক সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিট নাগাদ লালবাতিতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মারুতি সুজুকি ইকো ভ্যানে প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন গ্রাস করে ফেলে আশপাশের আরও কয়েকটি গাড়িকে। মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ১০, আহত ২০ জনের বেশি।দিল্লি পুলিশের কমিশনার সতীশ গোলচা জানিয়েছেন, একটি ধীরে চলা গাড়ি ট্র্যাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়েছিল। ঠিক সেই সময়ই বিস্ফোরণ হয়। তার পরপরই আশেপাশের গাড়িগুলিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিস্ফোরণের পর ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। স্থানীয়রা আতঙ্কে ছুটে পালাতে শুরু করেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশেপাশের বৈদ্যুতিক খুঁটি ও স্ট্রিটলাইট পর্যন্ত ভেঙে পড়ে। অনেক গাড়ি প্রায় ১৫০ মিটার দূরে ছিটকে যায়। লালকেল্লা সংলগ্ন চাঁদনি চক এলাকার ভিড়ের মধ্যে মুহূর্তেই নেমে আসে তীব্র বিশৃঙ্খলা।এই ঘটনার দিনই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে আন্তঃরাজ্য জঙ্গি চক্র। উদ্ধার হয় প্রায় ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক তৈরির রাসায়নিক, যার মধ্যে ছিল অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটও। তবে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ওই বিস্ফোরণের সঙ্গে এই জঙ্গি মডিউলের সরাসরি কোনও যোগ এখনও পাওয়া যায়নি।তদন্তে নেমেছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল, এনআইএ ও এনএসজি। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ভ্যানে বিস্ফোরক বোঝাই করা ছিল, এবং সেটি হয়তো আরও ভিড়ভাট্টার এলাকায় পৌঁছনোর আগেই বিস্ফোরিত হয়ে যায়।এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, এত জোরে আওয়াজ হয়েছিল যে মনে হচ্ছিল ভূমিকম্প হচ্ছে। চারপাশে আগুন, গরম বাতাসে যেন শ্বাস নেওয়া যাচ্ছিল না। বর্তমানে গোটা দিল্লি জুড়ে জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট। তদন্ত চলছে রাতভর।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

'সতীদাহের নামে নারীদের যেমন চিতায় তুলত, আমরাও তেমনই অগ্নিপরীক্ষায়', কালো পোশাকে প্রতিবাদে পরীক্ষাকেন্দ্রে মেহবুবরা

কালো পোশাকে প্রতিবাদের ভাষা খুঁজে নিলেন চাকরিহারাদের একাংশ। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষক মেহবুব মণ্ডল। কালো পাঞ্জাবি পরে পরীক্ষাকেন্দ্রে হাজির হলেন তিনি। বারুইপুরের বাসিন্দা মেহবুবের পরীক্ষা পড়েছে সোনারপুর বিদ্যাপীঠ স্কুলে। সকালেই রওনা দিয়ে পৌঁছে যান কেন্দ্রে। ক্ষোভ চেপে রাখেননি, সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে সোজাসুজি উগরে দেন মনের কথা। তাঁর অভিযোগ, যেভাবে সতীদাহের নামে নারীদের জোর করে চিতায় ঠেলে দেওয়া হত, কিংবা গ্যালিলিওকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ আর বিচার বিভাগের সহায়তায় আজ আমাদেরও ঠিক তেমনভাবেই আবার নতুন অগ্নিপরীক্ষায় ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এর ফল কী হবে, আমরা জানি না।সেই বহুল আলোচিত প্যানেলই এর কেন্দ্রে। রাতারাতি প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক চাকরি হারিয়েছিলেন। এরপর থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত হয়েছে অসংখ্য শুনানি, দরবার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাকরি ফেরাতে না পেরে নতুন পরীক্ষাতেই বসতে হচ্ছে তাঁদের। এবার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ হবে ৩৫ হাজার ৭৫২ শূন্যপদে।দুই দফায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রথম ধাপ ৭ সেপ্টেম্বরযেখানে নবম-দশম শ্রেণির জন্য পরীক্ষা দেবে ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ প্রার্থী। দ্বিতীয় ধাপ ১৪ সেপ্টেম্বরএকাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য বসবেন আরও ২ লক্ষ ৪৬ হাজার চাকরিপ্রার্থী। ফলে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার। রাজ্যজুড়ে প্রথম দিনে ৬৩৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে, আর দ্বিতীয় দিনে ৪৭৮টি কেন্দ্রে বসবেন পরীক্ষার্থীরা।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ক্ষমতা হারিয়ে রক্তক্ষরণে তৃণমূল, ‘একলা চলার’ কঠিন পরীক্ষায় মমতা

রাজনীতিতে পালাবদল ঘটেই থাকে। কেন্দ্রে বা রাজ্যে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকে কোনো কোনো সময় অপ্রতিরোধ্য দেখায়। মনে হয় শাসন ক্ষমতায় থাকাটাই সেই রাজনৈতিক দলের কুক্ষিগত। কিন্তু, সময় বদলায়। ঐতিহাসিক নিয়মেই অতি ক্ষমতাধর শক্তিকেও ক্ষমতা থেকে সরতে হয়। দেশ, কাল ভেদের এই পরিবর্তনের বহু নিদর্শন ইতিহাসে রয়েছে। যেমন, পশ্চিমবঙ্গ। স্বাধীনতার পর থেকে এই রাজ্যে দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থেকেছিল কংগ্রেস। তারপর কংগ্রেস কে সরিয়ে ক্ষমতায় বসে বামফ্রন্ট। দীর্ঘ ৩৪ বছর শাসন ক্ষমতায় ছিল সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন সরকার। অনেকেই ভাবতেন বাম শাসনের বোধহয় অবসান হবেনা। তা হয়নি। দীর্ঘ বাম শাসনকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে মসনদে বসে তৃণমূল কংগ্রেস। শাসন ক্ষমতায় থাকাকালীন যে দলকে অপ্রতিরোধ্য মনে হয় ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পরে তাদের রক্তক্ষরণ শুরু হয়।এই পরিস্থিতি থেকেই শুরু হয় দল বদলের পালা। দেশ জুড়ে নেতা নেত্রীর ক্ষমতা হারানো দল থেকে ক্ষমতাসীন দলে যাওয়া অতি সাধারণ ঘটনা। মানুষ ও এই প্রবণতাকে স্বাভাবিক বলেই ধরে নিয়েছে। তবে, এখান থেকে বিজয়ী দলের ও সমস্যা শুরু হয়। নেতা নেত্রীদের দল বদলের থেকে অতি দ্রুত এই যাওয়ার পালা শুরু হয় পরাজিত দলের নিচু স্তরের কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে। বাম আমলেও এই ঘটনা শুরু হয়েছিল। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরেই রাজ্য জুড়ে সিপিএম এর ওপর আক্রমণ শুরু হয়েছিল। ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে থাকার লোভ, অর্থের লোভ ও সন্ত্রাস মূলত এই তিনটি কারণে সিপিএম থেকে তৃণমূলে আসার পালা শুরু হয়। এর ফলে যারা দীর্ঘদিন তৃণমূলে ছিলেন তাদের সঙ্গে দল বদলের দ্বন্দ্ব শুরু হয়।সেই সময় তৃণমূলের মধ্যে সেই দ্বন্দ্ব এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছিল। যার প্রতিফলন হয়েছিল Red TMC বনাম Green TMC দ্বন্দ্বে। তৃণমূলের ১৫ বছর পরে ক্ষমতা থেকে সরায় নিচের তলার এই চলন শুরু হয়েছে। রাতারাতি, রাজ্যের আনাচে কানাচে বিজেপির পতাকা হাতে বহু জনকে দেখা যাচ্ছে যাদের এতদিন ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গেই দেখা যেত। রাজ্যে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এই পরিস্থিতিতে বার বার দলীয় কর্মীদের সতর্ক করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস ও জানে দলের কোনো মজবুত সাংগঠনিক কাঠামো ছিল না। ক্ষমতায় থাকার কারণে বিভিন্ন আর্থিক ও সামাজিক সুবিধা ছিল। এই সুযোগে, সুবিধা পাওয়ার বন্দোবস্ত তৃণমূলকে একটা সাংগঠনিক কাঠামো তৈরির সুবিধা দিয়েছিল।এখন ক্ষমতার বৃত্তে না থাকার কারণে দলের চেহারা ক্রমশ শীর্ণকায় হবে। এই কারণেই খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে তৃণমূল কর্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইতে নামার জন্য বাম, কংগ্রেস ও আই এস এফ কে সঙ্গে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও, তিনি ভালোই জানেন যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল এই তিন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে কী ব্যবহার করেছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশ রাজ্যে ছিল না। সবটাই ছিল পেশীশক্তির ভিত্তিতে। কংগ্রেস ও বামেরা পাঁচ বছর বিধানসভার বাইরে ছিল। এই নির্বাচনে তাদের যেটুকু সাফল্য এসেছে তা তৃণমূলের সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই এসেছে। এখন তারা যদি তৃণমূলের পাশে এসে দাঁড়ায় তাহলে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠবে।INDIA ব্লক টিঁকিয়ে রাখার জন্য কংগ্রেস এই রাজ্যে তৃণমূলের সুরে বিজেপি বিরোধীতা করলেও সরাসরি তৃণমূলের সঙ্গে আন্দোলনে নামবে না বলেই মনে হয়। অন্যদিকে, আই এস এফ বা বাম দলগুলি তো প্রকাশ্যেই তৃণমূল নেত্রী কে এই আহ্বানের জন্য রাজনৈতিক ভাবে বিঁধতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে মনে হয় ভালো, মন্দ যাই হোক তৃণমূল কে তা মেনে নিয়ে একলাই চলতে হবে। একলা পথ চলার কথাই নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জনসভায় বলেছেন মমতা। এখন অন্যদের দিকে হাত বাড়ালেও তাঁকে একলাই চলতে হবে।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হিলারির পর এবার মার্কো রুবিও! হঠাৎ কলকাতায় মার্কিন বিদেশসচিব, বাড়ছে জল্পনা

প্রায় ১৪ বছর পর আবার কলকাতায় এলেন মার্কিন বিদেশসচিব। হিলারি ক্লিনটনের পর এবার শহরে পা রাখলেন মার্কো রুবিও। শনিবার সকালে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছন তিনি। তারপর সোজা যান তালতলার মাদার হাউজে। সেখানে প্রায় দুঘণ্টা কাটানোর পর চিলড্রেনস হোমেও যান তাঁরা। এরপর তাঁর ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ঘুরে দেখার কথাও রয়েছে। কলকাতা সফর শেষ করে দুপুরেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন মার্কো রুবিও। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে তাঁর।ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিয়ো গোর সমাজমাধ্যমে রুবিওর কলকাতা সফরের কথা জানান। তিনি লেখেন, মার্কিন বিদেশসচিবের এটি প্রথম ভারত সফর। দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর বৈঠকে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা এবং কোয়াড নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। সূত্রের খবর, শুধু কলকাতা ও দিল্লি নয়, আগ্রা এবং জয়পুরেও যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে সরকার বদলের পর নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিজেপি প্রথমবার বাংলার ক্ষমতায় এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের উন্নয়ন এবং শিল্পায়ন নিয়ে একাধিক বার্তা দিয়েছেন। দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠক সেরে শিল্প বিনিয়োগ টানার কথাও বলেছেন তিনি।অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বারবার বিদেশি বিনিয়োগের উপর জোর দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন বিদেশসচিবের কলকাতা সফরকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অনেকের মতে, শিল্পক্ষেত্রে নতুন বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েই আলোচনা হতে পারে।এছাড়াও সম্প্রতি লালমনিরহাট বিমান ঘাঁটিতে চিনের বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। সেই আবহে মার্কিন বিদেশসচিবের ভারত সফরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনীতির দিকেও নজর রয়েছে। অনেকের মতে, চিনকে কড়া বার্তা দিতেই এই সফর গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।সব মিলিয়ে মার্কো রুবিওর কলকাতা সফর যে শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তার পিছনে বড় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৩, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় বদল! ড্রোন-ক্যামেরায় নজরদারি, ‘স্মার্ট বর্ডার’ নিয়ে বড় ঘোষণা অমিত শাহের

অনুপ্রবেশ রুখতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্মার্ট বর্ডার তৈরির পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে বিএসএফের বার্ষিক রুস্তমজি মেমোরিয়াল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, আগামী এক বছরের মধ্যেই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।অমিত শাহ বলেন, প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্তে শুধুমাত্র জওয়ান মোতায়েন করে নজরদারি চালানো অত্যন্ত কঠিন। তাই এবার সীমান্ত পাহারায় ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। সীমান্ত এলাকায় থাকবে ড্রোন, হাই রেজলিউশন ক্যামেরা এবং একাধিক আধুনিক নজরদারি যন্ত্র। পাশাপাশি বিএসএফ, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান আরও শক্তিশালী করতে গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক বাড়ানোর নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, স্মার্ট বর্ডার তৈরি হলে সীমান্ত আরও দুর্ভেদ্য হয়ে উঠবে। অনুপ্রবেশ এবং জনবিন্যাস বদলের যে চেষ্টা চলছে, তাতেও অনেকটাই লাগাম টানা সম্ভব হবে। তিনি আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং অসম সরকার অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতিকে সমর্থন করেছে। প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও দাবি করেন শাহ।বাংলায় সরকার বদলের পর সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন কাঁটাতার বসানো নিয়ে জমি সমস্যার কারণে কাজ আটকে ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দায়িত্ব নেওয়ার পর বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এরপর সম্প্রতি বাংলায় পুশব্যাক আইন কার্যকর করার ঘোষণাও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, এবার থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ। পরে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে তাঁদের বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।এই ঘোষণার পর মতুয়া সমাজের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। যদিও মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, সিএএ-র আওতায় থাকা কোনও হিন্দু ধর্মাবলম্বী বা বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আসা নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করা হবে না। বরং নিয়ম মেনে তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।এর মধ্যেই দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকও করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকের পরই শাহের স্মার্ট বর্ডার ঘোষণা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে ভাঙা হল যুবভারতীর বিতর্কিত মূর্তি! নিশীথের নির্দেশে সকালেই বড় পদক্ষেপ

অবশেষে যুবভারতী স্টেডিয়ামের সামনে থাকা বিতর্কিত মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হল। শনিবার সকালে ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের নির্দেশ মেনে সেই কাজ শুরু হয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই মূর্তি নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বিতর্ক চলছিল। রাজ্যে সরকার বদলের পর সেই বিতর্কিত মূর্তি সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় নতুন সরকার।২০১৭ সালে সল্টলেকে যুবভারতী স্টেডিয়ামের সংস্কারের সময় এই মূর্তি তৈরি করা হয়েছিল। মূর্তিটিতে কোমর পর্যন্ত একটি শরীরের অংশ ছিল, তার উপরে বসানো হয়েছিল বিশ্ববাংলার প্রতীক। নীচে ফুটবলের উপর লেখা ছিল জয়ী। সেই সময়ের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এই মূর্তির নকশা তৈরি করেছিলেন বলে জানা যায়। তবে শুরু থেকেই এই মূর্তির অর্থ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বহু ফুটবলপ্রেমী। অনেকেই এটিকে অদ্ভুত ও অর্থহীন বলে সমালোচনা করেছিলেন।গত ১৭ মে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের ডার্বি ম্যাচ দেখতে যুবভারতীতে গিয়েছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। ম্যাচের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই মূর্তি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। নিশীথ বলেন, এরকম বিদঘুটে মূর্তি কেন বানানো হয়েছিল বুঝতে পারি না। আমার মনে হয় এই মূর্তি বসানোর পর থেকেই আগের সরকারের খারাপ সময় শুরু হয়েছিল। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, পূর্ত দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত মূর্তিটি সরিয়ে ফেলা হবে।ঘোষণার কয়েকদিনের মধ্যেই সেই কাজ শুরু হয়ে গেল। শনিবার সকালে মূর্তিটি ভেঙে ফেলার পর এখন সেখানে শুধু দুটি বুট এবং একটি ফুটবল দেখা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, ভবিষ্যতে ওই জায়গায় কোনও বিখ্যাত ফুটবলারের মূর্তি বসানো হতে পারে। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা।ডার্বির রাতেই নিশীথ জানিয়েছিলেন, এমন একটি মূর্তি বসানো হবে যা ফুটবলপ্রেমীদের কাছে অর্থপূর্ণ এবং অনুপ্রেরণাদায়ক হবে। সেই কারণেই নতুন পরিকল্পনা নিয়ে ভাবনা শুরু করেছে ক্রীড়া দপ্তর।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

দেবরাজ ঘনিষ্ট তৃণমূল কাউন্সিলরের রহস্যমৃত্যু! ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য, সামনে এল ভয়ংকর অভিযোগ

দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর তথা চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল স্বাস্থ্য সঞ্জয় দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার তাঁর বাড়ি থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। দ্রুত তাঁকে নাগেরবাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলেই মনে করা হচ্ছে।সঞ্জয় দাস রাজ্যের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ বলেও রাজনৈতিক মহলে পরিচিত ছিলেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে পৌঁছে যান অদিতি মুন্সিও। ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।এর মধ্যেই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি কিরণ ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, সঞ্জয় দাসকে কিছু লোক দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিচ্ছিল। এমনকি তাঁর কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ। কিরণের দাবি, যারা এই চাপ দিচ্ছিল তারা আগে তৃণমূল করলেও এখন বিজেপির সঙ্গে যুক্ত।তিনি বলেন, সঞ্জয় দাস নাকি ওই ব্যক্তিদের বলেছিলেন, এখন ১০ হাজার টাকা নিতে, পরে বাকি টাকা দেবেন। সেই ঘটনার পর থেকেই তিনি প্রচণ্ড মানসিক চাপে ছিলেন। কিরণ ভট্টাচার্যের অভিযোগ, সেই চাপই শেষ পর্যন্ত সঞ্জয়কে ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। যদিও বিজেপির বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করতে চাননি তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এ ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই সমর্থন করবে না। তবে যারা হুমকি দিয়েছিল, তাদের দ্রুত খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।রাজ্যে সরকার বদলের পর থেকেই দুর্নীতির অভিযোগে একের পর এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই বিধাননগর পুরনিগমের একাধিক কাউন্সিলর পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন। গ্রেফতার হয়েছেন ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশোভন মণ্ডল এবং ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জন পোদ্দার। একদিন আগেই গ্রেফতার হয়েছেন দক্ষিণ দমদম পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল পার্থ বর্মাও।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সঞ্জয় দাসের মৃত্যু ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

চাকরিতে বড় বদল! পরীক্ষার্থীদের হাতে থাকবে ওএমআর কপি, দুর্নীতিতে কড়া বার্তা শুভেন্দুর

রাজ্যে সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অতীতে শিক্ষা ও পুর নিয়োগে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই সমস্ত মামলার তদন্ত এখনও চলছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষমতায় এসেই স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থার উপর জোর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার শিয়ালদহে রোজগার মেলায় যোগ দিয়ে নিয়োগ পদ্ধতিতে একাধিক বদলের কথা ঘোষণা করেন তিনি।বক্তব্যের শুরুতেই পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান শুভেন্দু। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ নিয়ে বহু বদনাম হয়েছে। শিক্ষা থেকে পুর নিয়োগ একাধিক ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। এমনকি ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরিও বাতিল হয়েছে। এই পরিস্থিতি বদলাতেই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার উপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু জানান, এতদিন ওএমআর শিটে পরীক্ষা হলেও পরীক্ষার্থীদের সেই কার্বন কপি জমা দিয়ে দিতে হত। ফলে পরে নিজেদের উত্তর যাচাই করার সুযোগ থাকত না। এবার থেকে পরীক্ষার্থীরা নিজেদের ওএমআর কপির কার্বন বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন বলে ঘোষণা করেন তিনি। এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।এছাড়াও ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর কমানোর কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, মৌখিক পরীক্ষায় দুর্নীতির সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই সেই অংশে নম্বর কম রাখা হবে। শুধু তাই নয়, পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।শুভেন্দু স্পষ্ট ভাষায় বলেন, হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে আর নিয়োগ হবে না। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। এদিনের রোজগার মেলায় ৫০ হাজারেরও বেশি চাকরিপ্রার্থী অংশ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, এতদিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্তরের বহু পরীক্ষাও ঠিকমতো হতে দেওয়া হত না। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর আদর্শকে সামনে রেখেই এবার কেন্দ্রীয় সরকারের ধাঁচে রাজ্যের নিয়োগ প্রক্রিয়া গড়ে তোলা হবে। নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

মে ২৩, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরবঙ্গে লাল সতর্কতা, দক্ষিণবঙ্গে পচা গরমে হাঁসফাঁস! কবে মিলবে স্বস্তি জানাল হাওয়া অফিস

উত্তরবঙ্গে টানা ভারী বৃষ্টিতে পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় আজ অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দার্জিলিং, কালিম্পং, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানানো হয়েছে। পাহাড় ও ডুয়ার্সে আগামী কয়েকদিন আরও বৃষ্টির আশঙ্কা থাকায় প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, রবিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচ জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি চলবে। সোমবার ও মঙ্গলবারও জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবারের পর থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টির পরিমাণ কমতে পারে বলে পূর্বাভাস।অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। উত্তরবঙ্গে যখন মুষলধারে বৃষ্টি চলছে, তখন কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভ্যাপসা গরমে নাজেহাল মানুষ। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় তাপমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি গরম অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানে অস্বস্তি সবচেয়ে বেশি থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী চার থেকে পাঁচ দিন দক্ষিণবঙ্গে গরম থেকে তেমন স্বস্তি মিলবে না। তবে এরপর দুই থেকে তিন ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা কমতে পারে। আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কারণেই ধীরে ধীরে কমতে পারে গরমের দাপট।কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকাতেও আগামী বৃহস্পতি ও শুক্রবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি থাকবে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম ও পূর্ব বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়া জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।বর্তমানে ওড়িশার উপরে একটি ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। উত্তর প্রদেশ থেকে ওই ঘূর্ণাবর্ত পর্যন্ত একটি অক্ষরেখাও বিস্তৃত রয়েছে। এই আবহাওয়াগত পরিস্থিতির জেরেই উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ায় এমন বড় ফারাক দেখা যাচ্ছে বলে মনে করছেন আবহবিদরা।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের হদিস! জুতোর ব্যবসার আড়ালে চলত ভয়ঙ্কর খেলা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের বড় পর্দাফাঁস করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। আইএসআই-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এন্টালির বাসিন্দা জাফর রিয়াজকে। তদন্তে উঠে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।জানা গিয়েছে, কলকাতায় জুতোর ব্যবসা করত জাফর। তার দুটি কারখানাও ছিল। কিন্তু সেই ব্যবসার আড়ালেই চলত গুপ্তচরবৃত্তির কাজ। নিজের নামে সিম কার্ড তুলে তা পাকিস্তানের গোয়েন্দা অফিসারদের হাতে পৌঁছে দিত সে।তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, জাফরের বিয়ে হয়েছিল পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা রাবিয়া জাফফার নামে এক মহিলার সঙ্গে। বিয়ের পর ২০১২ সাল পর্যন্ত তারা কলকাতাতেই থাকত। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে তারা লাহোরেই পড়াশোনা করছে।২০১২ সালে একটি পথ দুর্ঘটনার পর জাফরের ব্যবসায় বড় ক্ষতি হয়। আর্থিক সমস্যার কারণে স্ত্রীকে লাহোরে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় সে। এরপর থেকেই পাকিস্তানে তার যাতায়াত বাড়তে থাকে। এমনকি পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টাও করছিল বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে দাবি, এই সুযোগকেই কাজে লাগায় পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। টাকার লোভ দেখিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে নামানো হয় জাফরকে।পরবর্তীতে কলকাতার বাড়ি বিক্রি করে প্রথমে দিল্লি এবং পরে পঞ্জাবে ঘাঁটি গাড়ে সে। তবে শেষ পর্যন্ত গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ২০২২ সালে পঞ্জাব পুলিশের বিশেষ অভিযানকারী দল জাফর ও তার সহযোগী মহম্মদ শামশেদকে গ্রেফতার করে। ধৃত শামশেদ বিহারের মধুবনির বাসিন্দা।তদন্তকারীদের দাবি, জাফর ভারতের বিভিন্ন সেনা ছাউনি, সামরিক দফতর এবং জওয়ানদের গতিবিধির ছবি ও ভিডিও তুলে সরাসরি আইএসআই-এর কাছে পাঠাত। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভুয়ো পরিচয়ে ভারতীয় সিম কার্ড সংগ্রহ করে তার ওটিপি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠানো হত।সেই নম্বর ব্যবহার করে পাকিস্তানের গুপ্তচররা সুন্দরী মহিলাদের ছবি দিয়ে ভুয়ো হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইল তৈরি করত। এরপর ভারতীয় সেনার জওয়ানদের প্রেমের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা চলত। তদন্তকারীদের দাবি, এই গোটা হানি ট্র্যাপ চক্রের মূল মাথাদের অন্যতম ছিল জাফর।বর্তমানে ধৃতদের জেরা করে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং গোটা নেটওয়ার্ক কতটা বড়, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা।

মে ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal