• ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CSK

খেলার দুনিয়া

শেষ ম্যাচেও লজ্জাও চেন্নাইয়ের, দ্বিতীয় স্থানে শেষ করল রাজস্থান

গুজরাট টাইটান্স ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের ম্যাচের ফলই প্লে অফ খেলা নিশ্চিত করে দিয়েছিল রাজস্থান রয়্যালসের । তবে লিগ টেবিলে কোন পজিশনে শেষ করে প্লে অফ খেলবে, সেটা নির্ভর করছিল চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচের ওপর। চেন্নাইকে হারালেই ভাল নেট রান রেটের সুবাদে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে সরিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার সুযোগ ছিল। সুযোগ দারুণভাবে কাজে লাগালেন সঞ্জু স্যামসনরা। চেন্নাইকে ৫ উইকেটে হারিয়ে লিগ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল রাজস্থান রয়্যালস। চলতি আইপিএলে নিজেদের শেষ ম্যাচে সম্মান বাঁচাতে পারল না ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস।প্রথমে ব্যাট করে রাজস্থান রয়্যালসের সামনে বড় রানের টার্গেট খাড়া করতে পারেনি চেন্নাই সুপার কিংস। জয়ের জন্য লক্ষ্য রেখেছিল ১৫১। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে জস বাটলারের রানের দিকে তাকিয়ে ছিল রাজস্থান। কিন্তু চলতি আইপিএলে প্রথম পর্বের মতো দ্বিতীয় পর্বে সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি ইংল্যান্ডের এই ওপেনার। দ্বিতীয় ওভারে এদিন মাত্র ২ রান করে সিমরনজিৎ সিংয়ের বলে মইন আলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসনের ব্যাটেও সেই ধারাবাহিকতার অভাব। সিমরনজিত সিং, মিচেল স্যান্টনারদের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠতে পারলেন না। ২০ বলে মাত্র ১৫ রান করে তিনি স্যান্টনারের বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দিয়ে আউট হন। দেবদত্ত পাড়িক্কলও (৩) রান পাননি। তিনি মইন আলির শিকার। রাজস্থানকে টেনে নিয়ে যান যশশ্বী জয়সোয়াল ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন। ৪৪ বলে ৫৯ করে প্রশান্ত সোলাঙ্কির বলে আউট হন জয়সোয়াল। দেশ থেকে ফিরে এসে সদ্য বাবা হওয়া হেটমায়ারও (৬) ব্যর্থ। তিনিও সোলাঙ্কির শিকার। ১৬.২ ওভারে ১১২ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজস্থান রয়্যালস। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অশ্বিন ও রিয়ান পরাগ। শেষ ওভারে জয়ের জন্য রাজস্থানের দরকার ছিল ৭ রান। ২ বল বাকি থাকতে রাজস্থানকে (১৫১/৫) জয় এনে দেন অশ্বিন (২৩ বলে অপরাজিত ৪০) ও রিয়ান পরাগ (১০ বলে অপরাজিত ১০)।এদিন প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি চেন্নাইয়ের। প্রথম ওভারেই ফিরে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (২)। দলকে টেনে নিয়ে যান মইন আলি। এদিন দারুণভাবে জ্বলে উঠেন। মাত্র ১৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ডেভন কনওয়ে (১৪ বলে ১৬), এন জগদীশন (১), অম্বাতি রায়ুডু (৩) রান পাননি। ২৮ বলে ২৬ রান করেন ধোনি। ৫৭ বলে ৯৩ রান করে চেন্নাইকে ১৫০/৬ রানে পৌঁছে দিয়েছিলেন মইন।

মে ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সামনের বছরও চেন্নাইকে নেতৃত্ব দেবেন?‌‌ কী বললেন ধোনি!‌

গত বছর থেকেই জল্পনাটা তুঙ্গে উঠেছিল। এবছরই কি শেষ আইপিএল মহেন্দ্র সিং ধোনির? অনেকেই ভেবেছিলেন, দুবাইতে চেন্নাই সুপার কিংসকে চতুর্থবার আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন করে ক্রিকেটের ময়দান থেকে সরে দাঁড়াবেন মাহি। কিন্তু সে রাস্তায় তিনি হাঁটেননি। পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন, এই মরশুমেও খেলবেন। এবছর দলকে সাফল্য এনে দিতে পারেননি। আবার জল্পনা শুরু হয়েছিল। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে লিগ পর্যায়ের শেষ ম্যাচ খেলেই হয়তো আইপিএলকে বিদায় জানাবেন। কিন্তু এখনই ক্রিকেটের ময়দান থেকে সরে যাচ্ছেন না। ভক্তদের স্বস্তি দিয়ে তিনি জানিয়ে দিলেন, আগামী মরশুমেও চেন্নাইয়ের জার্সি গায়ে মাঠে নামতে চান।আগামী মরশুমেও কেন খেলা চালিয়ে যাওয়ার কথা ভাবছেন ধোনি? আসলে নিজেকে এখনও দারুণ ফিট মনে করেন তিনি। চেন্নাই সুপার কিংস ম্যানেজমেন্টও ধোনি ব্র্যান্ডকে ছাড়তে চাইছে না। তার থেকেও বড় কারণ, চেন্নাইয়ের প্রিয় দর্শকদের সামনেই শেষ ম্যাচ খেলে ব্যাটপ্যাড তুলে রাখবেন। সেই সুযোগ থাকলে হয়তো এই বছরই আইপিএল থেকে সরে দাঁড়াতেন ধোনি। আসলে প্রিয় চেন্নাইয়ের দর্শকদের বিদায় জানানোর সুযোগ দিতে চান চেন্নাই সুপার কিংসসের থালা। শুক্রবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে টসের সময় ধোনির কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, পরের বছরও আইপিএলে তিনি খেলবেন কিনা। উত্তরে ধোনি জানান, অবশ্যই খেলব। চেন্নাইয়ে না খেলে আইপিএলকে বিদায় জানানোটা খুবই খারাপ হবে। মুম্বইয়ে দলকে যেমন সাফল্য এনে দিতে পেরেছি, তেমনই ব্যক্তিগতভাবেও সাফল্য পেয়েছি। কিন্তু চেন্নাইয়ের সমর্থকদের সামনে বিদায় না নিলে ব্যাপারটা ভাল হবে না। আশা করছি পরের বছর সব জায়গাতেই আইপিএলের খেলা হবে। শুধু খেলা নয়, পরের বছর চেন্নাইকে নেতৃত্বও দেবেন ধোনি। এবছর আইপিএল শুরুর আগে রবীন্দ্র জাদেজার হাতে নেতৃত্ব তুলে দেয় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু তিনি চূড়ান্ত ব্যর্থ। মাঝপথে জাদেজাকে সরিয়ে আবার ধোনিকে নেতৃত্ব ফেরানো হয়। তাতেও খুব একটা হাল ফেরেনি চেন্নাইয়ের। ভবিষ্যতের নেতা তুলে নিয়ে আসার জন্যই আরও একবছর ধোনিকে নেতৃত্বে রেখে দিতে চায় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট।

মে ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শেষ ম্যাচে জ্বলে উঠলেন মইন, তবু বড় রান করতে ব্যর্থ চেন্নাই

চলতি আইপিএলে নিজেদের শেষ ম্যাচে মুখোমুখি চেন্নাই সুপার কিংস ও রাজস্থান রয়্যালস। চেন্নাইয়ের কাছে এই ম্যাচের গুরুত্ব না থাকলেও, রাজস্থানের কাছে গুরুত্ব অপরিসীম। লিগ টেবিলে কোন পজিশনে শেষ করে প্লে অফ খেলবে, সেটা নির্ভর করছে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ম্যাচের ওপর। চেন্নাইকে হারালেই ভাল নেট রান রেটের সুবাদে লখনউ সুপার জায়ান্টসকে সরিয়ে উঠে আসবে দ্বিতীয় স্থানে। ধোনি ব্রিগেডের কাছে ম্যাচটা অবশ্য সম্মান বাঁচানোর লড়াই। দলের সম্মানের লড়াইয়ে দারুণভাবে জ্বলে উঠলেন মইন আলি। ইংল্যান্ডের এই অলরাউন্ডারের ব্যাটে ঝড় সত্ত্বেও রাজস্থানের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে ব্যর্থ চেন্নাই সুপার কিংস। ২০ ওভারে তুলল ১৫০/৬।এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। শুরুটা ভাল হয়নি চেন্নাইয়ের। প্রথম ওভারেই ফিরে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। মাত্র ২ রান করে তিনি ট্রেন্ট বোল্টের বলে উইকেটের পেছনে সঞ্জু স্যামসনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এরপর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন মইন আলি। এবারের আইপিএলে এই অলরাউন্ডারের ওপর অনেকটাই ভরসা করেছিল চেন্নাই। কিন্তু নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। এদিন দারুণভাবে জ্বলে উঠেন। মাত্র ১৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ম্যাচে ষষ্ঠ ও ট্রেন্ট বোল্টের তৃতীয় ওভারে একটা ৬ ও পাঁচটা চারের সাহায্যে তোলেন ২৬। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৭৫/১ রানে পৌঁছে যায় চেন্নাই। অষ্টম ওভারে আবার ধাক্কা খায় চেন্নাই। ডেভন কনওয়েকে (১৪ বলে ১৬) তুলে নেন অশ্বিন। পরের ওভারেই এন জগদীশনকে (১) ফেরান ওবেদ ম্যাকয়। প্রথম একাদশে ফিরে অম্বাতি রায়ুডুও (৩) রান পাননি। তাঁকে তুলে নেন চাহাল। চাহাল ও ওবেদ ম্যাকয় আসতেই রান তোলার গতি কমে যায় চেন্নাইয়ের। চলতি আইপিএলের শেষ ম্যাচে নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না ধোনি। ২৮ বলে ২৬ রান করে তিনি চাহালের বলে বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ৭ রান দুরে থেমে যান মইন। ৫৭ বলে ৯৩ রান করে তিনি ওবেদ ম্যাকয়ের বলে রিয়ান পরাগের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ২টি করে উইকেট নেন ম্যাকয় ও চাহাল

মে ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ঋদ্ধিমান, চেন্নাইকে আরও লজ্জার মুখে ঠেলে দিল গুজরাট

প্লে অফের আশা আগেই শেষ। সম্মানের লড়াইয়েও জিততে ব্যর্থ চেন্নাই সুপার কিংস। আগের ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হারের পর এবার গুজরাট টাইটান্সে কাছে। চেন্নাই সুপার কিংসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে লিগ টেবিলে প্রথম দুইয়ে থাকা নিশ্চিত করে ফেলল গুজরাট টাইটান্স। দুরন্ত ব্যাট করে ৬৭ রানে অপরাজিত থাকেন ঋদ্ধিমান সাহা।চলতি আইপিএলে প্রথম দল হিসেবে ১২ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে আগেই প্লে অফের ছাড়পত্র জোগাড় করে ফেলেছিল গুজরাট টাইটান্স। লিগের বাকি দুটি ম্যাচ শীর্ষে ওঠার লড়াই। প্লে অফ নিশ্চিত হয়ে গেলেও বাকি দুটি ম্যাচ যে হালকাভাবে নিতে রাজি নয়, প্রমাণ করে দিল গুজরাট শিবির। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে দারুণভাবে জ্বলে উঠলেন মহম্মদ সামিরা। সামিদের দাপটেই প্রথমে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৩ রানের বেশি তুলতে পারেনি চেন্নাই সুপার কিংস। টস জিতে এদিন প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে রবিন উথাপ্পা ও অম্বাতি রায়ুডুকে প্রথম একাদশের বাইরে রেখে মাঠে নামে চেন্নাই। এই দুই অভিজ্ঞ ব্যাটারের অভাব ফুটে উঠল। আগের ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দুর্ভাগ্যের শিকার হওয়া ডেভন কনওয়ে এদিনও ব্যর্থ। মাত্র ৫ রান করে তিনি মহম্মদ সামির বলে আউট হন। তিন নম্বরে নেমে মইন আলি করেন ১৭ বলে ২১। তিনি সাই কিশোরের শিকার। চেন্নাইকে টেনে নিয়ে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় এবং এন জগদীশন। ৪৯ বলে ৫৩ রান করে রশিদ খানের বলে আউট হন ঋতুরাজ। শিবম দুবে (০), ধোনিরা (৭) ব্যর্থ। ৩৩ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থেকে চেন্নাইকে ১৩৩/৫ রানে পৌঁছে দেন জগদীশন। দুরন্ত বোলিং করে ৪ ওভারে ১৯ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন সামি। প্রায় প্রতি ম্যাচেই গুজরাটের জয়ের ভিত গড়ে গড়ে দিয়েছেন বোলাররা। এদিনও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বিপক্ষকে কম রানে বেঁধে রেখে দলের ব্যাটারদের কাজ সহজ করে দিয়েছিলেন সামিরা। তাই ঋদ্ধিমান সাহা, শুভমান গিলদের খুব বেশি চাপ নিতে হয়নি। ওপেনিং জুটিতে ঋদ্ধি ও শুভমান তুলে ফেলেন ৫৯। মাথেশা পাথিরানার বলে শুভমান (১৭ বলে ১৮) ফিরে গেলেও দলকে এগিয়ে নিয়ে যান ঋদ্ধি। ম্যাথু ওয়েড ১৫ বলে ২০ রান করে আউট হন। হার্দিক পান্ডিয়া (৭) এদিনও ব্যর্থ। পাথিরানার দুরন্ত অফ কাটাক বুঝতে পারেননি। দুরন্ত ব্যাট করে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন ঋদ্ধি। ৫৭ বলে ৬৭ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ১৯.১ ওভারে ১৩৭/৩ তোলে গুজরাট। আইপিএলের অভিষেকে দলকে জেতাতে না পারলেও দারুণ বোলিং করে নজর কাড়লেন লসিথ মালিঙ্গার নকল মাথেশা পাথিরানা। ২৪ রানে নেন ২ উইকেট।

মে ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সম্মান রক্ষার ম্যাচে মুম্বইয়ের কাছে লজ্জার হার ধোনিদের

সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে চূড়ান্ত অসম্মানিত ধোনি ব্রিগেড। আইপিএলের প্রায় গুরুত্বহীন ম্যাচে রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হারতে হল ৫ উইকেটে। অঙ্কের বিচারে প্লে অফের যাওয়ার ক্ষীণ সম্ভাবনা ছিল চেন্নাইয়ের। স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে গেলে জিততেই হত চেন্নাইকে। কিন্তু জ্বলে উঠতে পারলেন না ধোনিরা। চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয় পরাজয়ের দিকে ঠেলে দিল চেন্নাইকে। ড্যানিয়েল স্যামস, যশপ্রীত বুমরা, রিলে মেরেডিথদের বোলিংয়ের সামনে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারেন না ডেভন কনওয়ে, ঋতুরাজ গায়কোয়াররা।টস জিতে এদিন চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। দ্বিতীয় বলেই ধাক্কা চেন্নাই সুপার কিংসের। ড্যানিয়েল স্যামসের বল কনওয়ের প্যাডে লাগে। উইকেটে পড়ে লেগ স্টাম্পের বাইরে যাচ্ছিল। তা সত্ত্বেও আম্পায়ার চিরা রবিকান্তরেড্ডি কনওয়েকে লেগ বিফোর আউট দেন। ওই সময় স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ ছিল না। তাই ডিআরএসের সুবিধা নিতে পারেননি কনওয়ে (০)। ওই ওভারের চতুর্থ বলে মইন আলিকেও (০) তুলে নেন স্যামস। পরের ওভারে আবার দুর্ভাগ্যের শিকার চেন্নাই সুপার কিংস। এবার বুমরার শিকার রবিন উথাপ্পা (১)। তাঁকে এলবিডব্লু আউট দেন ক্রিস গাফানি। সেই বিদ্যাউৎ বিভ্রাটের জন্য উথাপ্পাও ডিআরএস নিতে পারেননি।পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই ফর্মে থাকা ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (৭) তুলে নেন ড্যানিয়েল স্যামস। ১৭ রানে ৪ উইকটে হারিয়ে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে চেন্নাই। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেননি। অম্বাতি রায়ুডু (১০) ও শিবম দুবেকে (১) তুলে নিয়ে চেন্নাইয়ের মিডল অর্ডারে ধস নামান রিলে মেরেডিথ। ডোয়েন ব্র্যাভো (১২) ও সিমরনজিৎ সিংকে (২) তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়া। মহেশ থিকসানাকে (০) ফেরান রমনদীপ সিং। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও লড়াই চালিয়ে যান মহেন্দ্র সিং ধোনি। যদিও দলকে ১০০ রানের গন্ডি পার করে দিতে পারেননি। ১৬ ওভারে ৯৭ রানে গুটিয়ে যায় চেন্নাই। ৩৩ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন ধোনি। ১৬ রানে ৩ উইকেট নেন ড্যানিয়েল স্যামস। জয়ের জন্য ৯৮ রানের লক্ষ্য মোটেই কঠিন ছিল না মুম্বইয়ের কাছে। কম রানের পুঁজি নিয়েও দারুণ লড়াই শুরু করেন চেন্নাই বোলাররা। প্রথম ওভারেই ঈশান কিশনকে (৬) তুলে নেন মুকেশ চৌধুরী। ২ ওভার পরেই রোহিত শর্মাকে (১৮) ফেরান সিমরনজিত সিং। পঞ্চম ওভারে এক বলের ব্যবধানে ড্যানিয়েল স্যামস (১) ও ট্রিস্টান স্টুবাসকে (০) তুলে নিয়ে মুম্বইকে চাপে ফেলে দেন মুকেশ চৌধুরী। ৩৩ রানে ৪ উইকেট হারায় মুম্বই। এরপর মুম্বইকে টানেন ঋত্বিক সোকেন ও তিলক ভার্মা। ঋত্বিক (১৮) আউট হওয়ার পর মুম্বইকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন তিলক (অপরাজিত ৩৪) ও টিম ডেভিড (অপরাজিত ১৬)। ১৪.৫ ওভারে ১০৩/৫ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় মুম্বই।

মে ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বোলারদের উইকেট নয়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার চেন্নাইয়ের দুই ব্যাটার

বৃহস্পতিবার ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার হতে হল ডেভন কনওয়ে ও রবিন উথাপ্পাকে। দুর্ভাগ্যের শিকার চেন্নাই সুপার কিংসও। গুরুত্বহীন ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়। ড্যানিয়েল সামস, যশপ্রীত বুমরা, রিলে মেরেডিথদের দাপটে ৯৭ রানের বেশি তুলতে পারল না চেন্নাই। ড্যানিয়েল সামসের বলে ডেভন কনওয়ে এলবিডব্লু। যশপ্রীত বুমরার বলে রবিন উথাপ্পাও। দুজনের আউট নিয়েই সন্দেহ ছিল। টিভি রিপ্লেতেও দেখা যায় দুজনে আউট ছিলেন না। ডিআরএসের সুযোগ থাকলেও নিতে পারেননি চেন্নাই সুপার কিংসের এই দুই ব্যাটার।দুই দলের সামনেই প্লে অফের সম্ভাবনা আগেই শেষ হয়ে গেছে। বাকি ম্যাচ শুধু সম্মান রক্ষার লড়াই। সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে চূড়ান্ত অসম্মানিতে চেন্নাই সুপার কিংস। টস জিতে এদিন চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। দ্বিতীয় বলেই ধাক্কা চেন্নাই সুপার কিংসের। ড্যানিয়েল স্যামসের বল কনওয়ের প্যাডে লাগে। উইকেটে পড়ে লেগ স্টাম্পের বাইরে যাচ্ছিল। তা সত্ত্বেও আম্পায়ার চিরা রবিকান্তরেড্ডি কনওয়েকে লেগ বিফোর আউট দেন। ওই সময় স্টেডিয়ামে বিদ্যুৎ ছিল না। তাই ডিআরএসের সুবিধা নিতে পারেননি কনওয়ে (০)। ওই ওভারের চতুর্থ বলে মইন আলিকেও (০) তুলে নেন স্যামস।পরের ওভারে আবার দুর্ভাগ্যের শিকার চেন্নাই সুপার কিংস। এবার বুমরার শিকার রবিন উথাপ্পা (১)। তাঁকে এলবিডব্লু আউট দেন ক্রিস গাফানি। সেই বিদ্যাউৎ বিভ্রাটের জন্য উথাপ্পাও ডিআরএস নিতে পারেননি। পঞ্চম ওভারের প্রথম বলেই ফর্মে থাকা ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (৭) তুলে নেন ড্যানিয়েল স্যামস। ১৭ রানে ৪ উইকটে হারিয়ে চূড়ান্ত ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে চেন্নাই। সেখান থেকে আর ম্যাচে ফিরতে পারেননি। অম্বাতি রায়ুডু (১০) ও শিবম দুবেকে (১) তুলে নিয়ে চেন্নাইয়ের মিডল অর্ডারে ধস নামান রিলে মেরেডিথ। ডোয়েন ব্র্যাভো (১২) ও সিমরনজিৎ সিংকে (২) তুলে নেন কুমার কার্তিকেয়া। মহেশ থিকসানাকে (০) ফেরান রমনদীপ সিং। একের পর এক উইকেট পড়তে থাকলেও লড়াই চালিয়ে যান মহেন্দ্র সিং ধোনি। যদিও দলকে ১০০ রানের গন্ডি পার করে দিতে পারেননি। ১৬ ওভারে ৯৭ রানে গুটিয়ে যায় চেন্নাই। ৩৩ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন ধোনি। ১৬ রানে ৩ উইকেট নেন ড্যানিয়েল স্যামস। ২২ রানে ২ উইকেট কুমার কার্তিকেয়ার। ২৭ রানে ২ উইকেট নেন রিলে মেরেডিথ। ১২ রানে ১ উইকেট যশপ্রীত বুমরার।

মে ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সম্মানরক্ষার লড়াইয়ে রোহিতদের থেকে কেন এগিয়ে ধোনিরা?‌

প্লে অফের লড়াই থেকে আগেই ছিটকে গেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। অঙ্কের বিচারে চেন্নাই সুপার কিংসের আশা টিকে থাকলেও প্লে অফের স্বপ্ন দেখেন না অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাই দুই দলেই সম্মান রক্ষার লড়াইয়ে আজ মাঠে নামছে। রবীন্দ্র জাদেজার হাত থেকে আবার নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে নেওয়ার পর দলকে জয়ের রাস্তায় ফিরিয়েছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাঁর নেতৃত্বেই শেষ তিন ম্যাচের মধ্যে দুটিতে জয় পেয়েছে চেন্নাই সুপার কিংস। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধেও জয় তুলে নেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। রোহিত শর্মা দলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে একদিকে যেমন স্বস্তি রয়েছে, তেমনই রয়েছ অস্বস্তিও। স্বস্তির খবর হল আগের ম্যাচে ডেভন কনওয়ের দুরন্ত ব্যাটিং। ফর্মে রয়েছেন আর এক ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ও। আর অস্বস্তির খবর হল চলতি আইপিএল থেকে রবীন্দ্র জাদেজার ছিটকে যাওয়া। চোটের জন্য আগের ম্যাচে মাঠে নামতে পারেননি। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধেও খেলতে পারবেন না। বাকি ম্যাচগুলোও তাঁর পক্ষে মাঠে নামা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন চেন্নাই সুপার কিংসের সিইও কাশী বিশ্বনাথন। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে চেন্নাই সুপার কিংসকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে সাম্প্রতিক ফর্ম। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে ৯১ রানের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছিল চেন্নাই। ওই ম্যাচে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছিলেন ডেভন কনওয়ে ও ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। এই দুই ব্যাটার ধারাবাহিকতা দেখাতে পারলে সমস্যায় পড়বে মুম্বই। দলের ব্যাটারদের মতো চেন্নাইকে ভরসা দিয়েছে বোলাররাও। দুই তরুণ জোরে বোলার মুকেশ চৌধুরি, সিমরনজিৎ সিং দুর্দান্ত বোলিং করছেন। মইন আলি, মহেশ থিকসানাও স্পিন বিভাগকে দারুণ নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সব মিলিয়ে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে চেন্নাই। প্রথম দল হিসেবে এবারের আইপিএলের প্লে অফের লড়াই থেকে ছিটকে গেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তাঁদের কাছে এখন শুধু সম্মানরক্ষার লড়াই। গুরুত্বহীন এই ম্যাচ হলেও রোহিত, ঈশান কিষানদের কাছে এই ম্যাচের গুরুত্ব অনেকটাই। একদিকে যেমন রোহিত শর্মার কাছে ফর্মে ফেরা, অন্যদিকে নিলামে চড়া দামে বিক্রি হওয়া ঈশান কিষানের নিজেকে প্রমাণ করার। চলতি মরশুমে ১১ ম্যাচে ৩২১ রান করেছেন ঈশান। তাঁর ও রোহিত শর্মার ওপর বেশি নির্ভর করেই এবছর দল গড়েছিল মুম্বই টিম ম্যানেজমেন্ট। অথচ এই দুই ব্যাটারই দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। মূলত ব্যাটিং ব্যর্থতার জন্যই এবছর ডুবতে হয়েছে আইপিএলে সবথেকে বেশি সাফল্য পাওয়া দলকে। বুমরাও শুরুর দিকে তেমন ছন্দে ছিলেন না। আগের ম্যাচে দুরন্ত বোলিং করেছেন। চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে নিজেকে প্রমাণ করাটা বুমরার কাছেও চ্যালেঞ্জ।

মে ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

কনওয়ের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে দিল্লির সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ চেন্নাইয়ের

চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট ছিল দিল্লি ক্যাপিটালসের। অন্যদিকে, ১০ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট চেন্নাই সুপার কিংসের। এদিন মাঠে নামার আগে প্লে অফের ক্ষীণ সম্ভাবনা ছিল চেন্নাইয়ের। হারলেই সম্ভাবনা শেষ। এই পরিস্থিতিতে জ্বলে উঠল চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তুলল ২০৮।টস জিতে চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। দারুণ শুরু করেন দুই ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। দিল্লির বোলারদের কোনও রকম সুযোগ না দিয়ে ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলেন ১০.৫ ওভারে ১১০। একাদশ ওভারের শেষ বলে ঋতুরাজকে তুলে নিয়ে চেন্নাইকে প্রথম ধাক্কা দেন আনরিখ নর্টিয়ে। ৩৩ বলে ৪১ রান করে তিনি অক্ষর প্যাটেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন।ঋতুরাজ আউট হলেও ডেভন কনওয়েকে টলাতে পারেননি দিল্লির বোলাররা। দুর্দান্ত ব্যাটিং করে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। শতরানের দিকে এগোচ্ছিলেন চেন্নাইয়ের এই ওপেনার। দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ১৭তম ওভারে খলিল আহমেদের তৃতীয় বলে উইকেটের পেছনে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন কনওয়ে। ৪৯ বলে ৮৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দলের বড় রানের ভিত গড়ে দেন। কনওয়ের ইনিংসে রয়েছে ৭টি চার ও ৫টি ছয়। ক্রিডে নেমে ঝড় তোলেন শিবম দুবে। ১৯ বলে ৩২ রান করে তিনি মিচেল মার্শের বলে আউট হন।অম্বাতি রায়ুডু এদিনও রান পাননি। ৬ বলে ৫ রান করে তিনি খলিল আমেদের বলে আউট হন। এরপর ক্রিজে নেমে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনিই দলকে ২০০ রানের গন্ডি পার করে দেন। ৮ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন ধোনি। ৪ বলে ৯ রান করেন মইন আলি। ৪০ রানে ৩ উইকেট নেন নর্টিয়ে। ২৮ রানে ২ উইকেট নেন খলিল আহমেদ। ১টি উইকেট নেন মিচেল মার্শ।

মে ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অতীতকে স্পর্শ করতে পারলেন না ধোনি, প্লে অফ স্বপ্নের অপমৃত্যু চেন্নাইয়ের

অতীতকে স্পর্শ করতে পারলেন না মহেন্দ্র সিং ধোনি। হয়ে উঠতে পারলেন না ফিনিশার। ১৯ তম ওভারে জস হ্যাজেলউডের প্রথম বল গ্যালারিতে পাঠাতে চেয়েছিলেন। ডিপ মিড উইকেটে রজত পতিদারের হাতে ধরা পড়তেই জয়ের স্বপ্ন শেষ চেন্নাই সুপার কিংসের। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে ১৩ রানে হেরে চলতি আইপিএলে প্লে অফের স্বপ্নের সলিল সমাধি চেন্নাইয়ের। জয়ের জন্য চেন্নাই সুপার কিংসের ১৮ বলে দরকার ছিল ৪৭। বাইশ গজে মহেন্দ্র সিং ধোনি ও মইন আলি। এই রকম পরিস্থিতিতে দলকে বহু ম্যাচে জয় এনে দিয়েছেন ফিনিশার ধোনি। পারলেন না। তাঁর হাত ধরেই আগের ম্যাচে জয়ের সরণিতে ফিরেছিল চেন্নাই। এদিন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে ছিল গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। হারলেই প্লে অফের সম্ভাবনা শেষ। ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠতে পারলেন না ধোনিরা। জয়ের জন্য ১৭৪ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ম্যাচের মতো না হলেও এদিনও চেন্নাইয়ের শুরুটা খারাপ হয়নি। লড়াইয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (২৩ বলে ২৮) ও ডেভন কনওয়ে। ব্যাট করার সময় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স অধিনায়ক ফাফ ডুপ্লেসি বুঝে গিয়েছিলেন বাইশ গজে স্পিনাররা সুবিধা পাচ্ছেন। তাই শাহবাজ আমেদের হাতে নতুন বল তুলে দিতে দ্বিধা করেননি ডুপ্লেসি। ছন্দে থাকা ঋতুরাজকে তুলে নেন শাহবাজ। উথাপ্পা (১) ও রায়ুডুকে (১০) ফিরিয়ে চেন্নাইকে চাপে ফেলে দেন ম্যাক্সওয়েল। দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন ডেভন কনওয়ে (৩৭ বলে ৫৬)। তাঁকে তুলে নেনে হাসারাঙ্গা। অনেকেই আশা করেছিলেন নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়ে চাপমুক্ত হয়ে নিজের খেলা ফিরে পাবেন রবীন্দ্র জাদেজা (৩)। তিনিও ব্যর্থ। বল হাতে সাফল্য পাওয়ার পর ব্যাট হাতে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন মইন আলি। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি। ২৭ বলে ৩৪ রান করে তিনি হর্ষল প্যাটেলের বলে আউট হন। ৩ রান করেন ধোনি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬০/৮ তোলে চেন্নাই। টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান ধোনি। দুই ওপেনার বিরাট কোহলি ও ফাফ ডুপ্লেসি। ওপেনিজ জুটিতে ওঠে ৬২। এরপরই মইন আলির আঘাত। এদিন মিচেল স্যান্টনারের জায়গায় তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেয় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। আস্থার মর্যাদা দিলেন মইন। মইনের হাত ধরেই প্রথম ব্রেক থ্রু আসে। প্রথমে তুলে নেন ছন্দে ফেরা ফাফ ডুপ্লেসিকে। ২২ বলে ৩৮ রান করে তিনি আউট হন। পরের ওভারেই গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৩) রান আউট। ৫ বল পরেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে সবথেকে বড় ধাক্কা দেন মইন। তুলে নেন বিরাট কোহলিকে। মইনের অফ স্টাম্পের ওপরে পড়া বল কোহলির ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক দিয়ে উইকেট ভেঙে দেয়। ৩৩ বলে ৩০ রান করে আউট হন কোহলি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ব্যাটিং অর্ডারে ওপরে উঠে আসা মহীপাল লোমরোর ও রজত পতিদার। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন রজত। ২৭ বলে ৪২ রান করেন মহীপাল লোমরোর। মহীপাল ও হাসারাঙ্গাকে (০) পরপর ২ বলে তুলে নেন মহেশ থিকসানা।একই ওভারের শেষ বলে ফেরান শাহবাজকে (১)। দীনেশ কার্তিক ১৭ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন মহেশ থিকসানা। ২৮ রানে ২ উইকেট মইনের।

মে ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টি২০ সুলভ ব্যাটিং কেন করতে পারলেন না বিরাট কোহলি?‌

চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ভাল শুরু করেও আবার আটকে গেলেন বিরাট কোহলি। টি২০ সুলভ ব্যাটিং পাওয়া গেল না তাঁর কাছ থেকে। তবুও চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে তুলল ১৭৩। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বড় রান তুলল মহীপাল লোমরোর, দীনেশ কার্তিকদের সৌজন্যে।প্লে অফের সম্ভাবনা জিইয়ে রাখতে গেলে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না চেন্নাই সুপার কিংসের সামনে। ৯ ম্যাচে চেন্নাইয়ের পয়েন্ট ৬। আর একটা হার মানেই প্লে অফের স্বপ্ন শেষ। অন্যদিকে, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ১০ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে চেন্নাই সুপার কিংসের মুখোমুখি হয়েছিল। ধোনিদের কাছে হারলেই প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়ত রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জিতে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান চেন্নাই অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। আগের ম্যাচে তাঁর নেতৃত্বেই জয়ের সরণিতে ফিরেছে চেন্নাই। এদিনও ধোনির নেতৃত্বের দিকে তাকিয়ে ছিলেন সমর্থকরা। কিন্তু চেন্নাইয়ের বোলারদের কোনও সুযোগ না দিয়ে ভাল শুরু করেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের দুই ওপেনার বিরাট কোহলি ও ফাফ ডুপ্লেসি। ওপেনিজ জুটিতে ওঠে ৬২। এরপরই মইন আলির আঘাত। এদিন মিচেল স্যান্টনারের জায়গায় তাঁকে প্রথম একাদশে সুযোগ দেয় চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। আস্থার মর্যাদা দিলেন মইন। মইনের হাত ধরেই প্রথম ব্রেক থ্রু আসে। প্রথমে তুলে নেন ছন্দে ফেরা ফাফ ডুপ্লেসিকে। ২২ বলে ৩৮ রান করে তিনি আউট হন। পরের ওভারেই গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৩) রান আউট। ৫ বল পরেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে সবথেকে বড় ধাক্কা দেন মইন। তুলে নেন বিরাট কোহলিকে। মইনের অফ স্টাম্পের ওপরে পড়া বল কোহলির ব্যাট ও প্যাডের ফাঁক দিয়ে উইকেট ভেঙে দেয়। ৩৩ বলে ৩০ রান করে আউট হন কোহলি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ব্যাটিং অর্ডারে ওপরে উঠে আসা মহীপাল লোমরোর ও রজত পতিদার। ১৫ বলে ২১ রান করে আউট হন রজত। ২৭ বলে ৪২ রান করেন মহীপাল লোমরোর। মহীপাল ও হাসারাঙ্গাকে (০) পরপর ২ বলে তুলে নেন মহেশ থিকসানা।একই ওভারের শেষ বলে ফেরান শাহবাজকে (১)। দীনেশ কার্তিক ১৭ বলে ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২৭ রানে ৩ উইকেট নেন মহেশ থিকসানা। ২৮ রানে ২ উইকেট মইনের।

মে ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ধোনির হাতে নেতৃত্বের ব্যাটন যেতেই ভাগ্য বদলে গেল চেন্নাইয়ের

রবীন্দ্র জাদেজার হাত থেকে নেতৃত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। ধোনির হাতে নেতৃত্বের ব্যাটন যেতেই ভাগ্য বদলে গেল চেন্নাই সুপার কিংসের। থালার নেতৃত্বে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় চেন্নাই সুপার কিংসের। দক্ষিণ ভারতীয় ডার্বিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ১৩ রানে হারিয়ে প্লে অফের লাইফলাইন পেল চেন্নাই। ৯ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট পেয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকল। এদিন চেন্নাইয়ের জয়ের নায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। এই দুই ওপেনারের দাপটে সানরাইজার্সের সামনে বড় রানের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় চেন্নাই। পরে বল হাতে সাফল্য মুকেশ চৌধুরির। প্রথমে ব্যাট করে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ের দাপটে ২০ ওভারে ২০২/২ রান তোলে চেন্নাই সুপার কিংস। ওপেনিং জুটিতে এই দুই ব্যাটার তোলেন ১৮২। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কোনও বোলারই এদিন চেন্নাইয়ের এই দুই ওপেনারের বিরুদ্ধে সুবিধা করতে পারেননি। ১৮ তম ওভারের পঞ্চম বলে জুটি ভাঙেন টি নটরাজন। তিনি তুলে নেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে। ৫৭ বলে ৯৯ রান করে আউট হন ঋতুরাজ। আইপিএলের ইতিহাসে তিনিই হলেন পঞ্চম ব্যাটার যিনি ৯৯ রানে আউট হলেন। তাঁর আগে ৯৯ রানে আউট হয়েছেন বিরাট কোহলি, পৃথ্বী শ, ঈশান কিষান ও ক্রিস গেইল। ডেভন কনওয়ে ৫৫ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। তিন নম্বরে নেমে ধোনি ৭ বলে ৮ রান করে আউট হন। তিনিও নটরাজনের শিকার। নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেটে ২০২ রান তোলে চেন্নাই। ৪২ রানে ২ উইকেট নেন নটরাজন। জয়ের জন্য ২০৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। ৫.৪ ওভারে ওপেনিং জুটিতে তুলে ফেলে ৫৮। সানরাইজার্সকে প্রথম ধাক্কা দেন মুকেশ চৌধুরি। তুলে নেন ফর্মে থাকা অভিষেক শর্মাকে (২৪ বলে ৩৯)। পরের বলেই ফেরান রাহুল ত্রিপাঠীকে (০)। পরপর ২ উইকেট হারালেও রানের গতি কমেনি সানরাইজার্সের। উইলমিয়ামসন (৩৭ বলে ৪৭), এইডেন মার্করামরা (১০ বলে ১৭) আউট হলেও দলকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮৯ রান তুলতে সমর্থ হয় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। নিকোলাস পুরান ৩৩ বলে ৬৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। মুকেশ চৌধুরি ৪৬ রানে ৪ উইকেট নেন।

মে ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

৯৯ রানে আউট হয়ে বিরাট কোহলিদের তালিকায় নাম লেখালেন ঋতুরাজ

রবীন্দ্র জাদেজার হাত থেকে নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড মহেন্দ্র সিং ধোনির হাতে যেতেই ছন্দে ফিরল চেন্নাই সুপার কিংস। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের সাক্ষাৎকারে প্রথমে ব্যাট করে বড় রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে চেন্নাই তুলল ২০২/২। দুরন্ত ব্যাটিং করে চেন্নাইকে বড় রানে পৌঁছে দিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি পেলেন না ঋতুরাজ। এদিন ৯৯ রানে আউট হয়ে নাম লেখালেন বিরাট কোহলিদের তালিকায়। ডেভন কনওয়ে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। চলতি আইপিএলের শুরুর দিকে একেবারেই ছন্দে ছিলেন না ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। পরে ছন্দে ফিরেছেন। এদিন মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া। আইপিএলের ইতিহাসে ঋতুরাজ পঞ্চম ব্যাটার যিনি ৯৯ রানে আউট হলেন। তিনি নাম লেখালেন বিরাট কোহলি, পৃথ্বী শ, ঈশান কিশান, ক্রিস গেইলদের সঙ্গে। টস জিতে এদিন চেন্নাইকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান সানরাইজার্স হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। প্রথম পর্বের সাক্ষাৎকারেও টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন সানরাইজার্স অধিনায়ক। সেই ম্যাচে অবশ্য চেন্নাই বড় রান তুলতে পারেনি। এদিন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ের দাপটে ২০০ রানের গন্ডি পার করে ফেলল। এদিন প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে চেন্নাই সুপার কিংস। ফিট না থাকায় প্রথম একাদশ থেকে ছিটকে যান ডোয়েন ব্র্যাভো। খারাপ ফর্মের জন্য বাদে দেওয়া হয় শিবম দুবেকে। এদের পরিবর্তে প্রথম একাদশে ঢোকেন ডেভন কনওয়ে ও সিমরনজিৎ সিং। ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেন চেন্নাইয়ের দুই ওপেনার ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে। মার্কো জানসেন, টি নটরাজন, উমরান মালিকের মতো জোরে বোলাররা এদিন একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি। সবথেকে করুণ অবস্থা উমরান মালিকের। ৪ ওভারে তিনি খরচ করেন ৪৮ রান। বারবারা বোলিং পরিবর্তন করেও এদিন চেন্নাইয়ের ওপেনিং জুটি ভাঙতে পারছিলেন না কেন উইলিয়ামসন। ১৭.৪ ওভারে ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও ডেভন কনওয়ে তোলেন ১৮২। এরপরই নটরাজন ঋতুরাজকে তুলে নেন। দুরন্ত ব্যাটিং করে ৫৭ বলে ৯৯ রান করেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৬টি করে চার ও ছয়। এদিন ব্যাটিং অর্ডারে নিজেকে ৩ নম্বরে তুলে নিয়ে আসেন ধোনি। যদিও সফল হননি। ৭ বলে ৮ রান করে তিনি নটরাজনের বলে উমরান মালিকের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৫৫ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন ডেভন কনওয়ে। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৮টি ৪ ও ৪ টি ৬।

মে ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌চেন্নাইয়ের নেতৃত্ব ছেড়ে দিলেন জাদেজা, ব্যাটন আবার সেই ধোনির হাতে

অনেকের হাতেই নেতৃত্বের ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু সবাই কি দলকে নেতৃত্ব দিতে পারেন? সবাই কি সফল অধিনায়ক হতে পারেন? নিশ্চিতভাবেই নয়। দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আলাদা গুণ থাকা দরকার। সব ক্রিকেটারের মধ্যে সেই গুণ থাকে না। কেউ বোঝেন, কেউ আবার বোঝেন না। দেরিতে হলেও রবীন্দ্র জাদেজা বুঝেছেন, চেন্নাই সুপার কিংসকে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতা তাঁর নেই। তাই নেতৃত্বের ব্যাটন ফিরিয়ে দিলেন থালা মহেন্দ্র সিং ধোনিকেই। এবছর আইপিএল শুরুর আগেই মহেন্দ্র সিং ধোনি চেন্নাই সুপার কিংসের নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন। তাঁর ইচ্ছেতেই অধিনায়ক করা হয়েছিল রবীন্দ্র জাদেজাকে। প্রতিযোগিতার মাঝপথে যেতে না যেতেই আবার সেই ধোনিকেই নেতৃত্ব ফিরিয়ে দিলেন জাদেজা। কেন এই সিদ্ধান্ত নিলেন জাড্ডু? চলতি আইপিএলের শুরু থেকেই একেবারে ছন্দে নেই চেন্নাই সুপার কিংস। ৪ বারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নরা ৮ ম্যাচে জিতেছেন মাত্র ২টিতে। ৬ ম্যাচে হার। ৪ পয়েন্ট নিয়ে গিল টেবিলে রয়েছে ৯ নম্বরে। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে ব্যর্থ জাদেজা। নেতৃত্বের প্রভাব পড়েছে পারফরমেন্সে। নিজেকে মেলে ধরতে পারছেন না। এই অবস্থায় নিজের খেলার প্রতি মনোসংযোগ বাড়াতেই নেতৃত্ব ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। শনিবার চেন্নাই সুপার কিংসের পক্ষ থেকে প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা। তিনি মহেন্দ্র সিং ধোনিকে অনুরোধ করেছেন দলকে আবার নেতৃত্ব দেওয়ার। দলের স্বার্থে ধোনি আবার দলকে নেতৃত্ব দিতে রাজি হয়েছেন। এখন দেখার ধোনির নেতৃত্বে চেন্নাই সুপার কিংস আবার স্বমহিমায় ফেরেন কিনা। গতবছর নেতা বদল করে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স। দীনেশ কার্তিকের নেতৃত্বে প্রথম পর্বে ৭ ম্যাচের মধ্যে জিতেছিল ২ ম্যাচে। পরে তাঁকে সরিয়ে ইওয়িন মর্গ্যানকে অধিনায়ক করা হয়। তাঁর নেতৃত্বে টানা ৫ ম্যাচ জিতে প্লে অফে পৌঁছয়। ফাইনালেও উঠেছিল। কিন্তু মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে ফাইনালে হারতে হয়েছিল।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

টেক্কা দিতে পারলেন না রায়ুডু, শিখরের ব্যাটে জয় পাঞ্জাবের

শেষ মুহূর্তে জ্বলে উঠেছিলেন অম্বাতি রায়ুডু। ৩৯ বলে ৭৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেও শেষরক্ষা করতে পারলেন না। ফিনিশারের ভূমিকা নিতে পারলেন না মহেন্দ্র সিং ধোনিও। দলকে জেতাতে ব্যর্থ। টানটান উত্তেজনার ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসকে ১১ রানে হারাল পাঞ্জাব কিংস। এদিন টস জিতে পাঞ্জাব কিংসকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠায় চেন্নাই সুপার কিংস। পাঞ্জাবের প্রথম উইকেট পড়ে ৩৭ রানের মাথায়। ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে মায়াঙ্ক আগরওয়ালকে (২১ বলে ১৮) তুলে নেন মহেশ থিকসানা। এরপরই দলকে দারুণভাবে টেনে নিয়ে যান শিখর ধাওয়ান ও ভানুকা রাজাপক্ষে। নিজের ২০০ তম আইপিএল ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে ওঠেন শিখর ধাওয়ান। চেন্নাই সুপার কিংসের বোলারদের কোনও রকম সুযোগ তিনি এদিন দেননি। ভানুকা রাজাপক্ষর সঙ্গে জুটিতে শিখর ধাওয়ান তোলেন ১১০ রান। এই জুটিই পাঞ্জাব কিংসের বড় রানের প্ল্যাটফর্ম গড়ে দেয়।১৭.২ ওভারের মাথায় ডোয়েন ব্র্যাভোর বলে শিবম দুবের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন ভানুকা রাজাপক্ষে। ৩২ বলে তিনি করেন ৪২। এক ওভার পরেই লিয়াম লিভিংস্টোনকেও তুলে নেন ডোয়েন ব্র্যাভো। ৭ বলে ১৯ রান করেন লিভিংস্টোন। শিখর ধাওয়ানকে অবশ্য থামাতে পারেননি চেন্নাই সুপার কিংসের বোলাররা। শেষ দিকে ঝড় তুলে ৫৯ বলে ৮৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ধাওয়ান। ৯টি বাউন্ডারি ও ২টি ছক্কার সাহায্যে তিনি এই রান করেন। ইনিংসের শেষ বলে রান আউট হন জনি বেয়ারস্টো। ৩ বলে তিনি করেন ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৮৭ রান তোলে পাঞ্জাব কিংস।জয়ের জন্য ১৮৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা একেবারেই ভাল হয়নি চেন্নাই সুপার কিংসের। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ফর্মে থাকা রবিন উথাপ্পা। মাত্র ১ রান করে তিনি সন্দীপ শর্মার বলে ঋষি ধাওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৫.৩ ওভারের মাথায় ৩০ রানে ফিরে যান মিচেল স্যান্টনার। ১৫ বলে ৯ রান করে তিনি অর্শদীপ সিংয়ের বলে বোল্ড হন। চেন্নাই আরও সমস্যায় পরে সপ্তম ওভারের শেষ বলে। ঋষি ধাওয়ানের বলে বোল্ড হন শিবম দুবে (৮)। ৪০ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও অম্বাতি রায়ুডু। জুটিতে ওঠে ৪৯। ঋতুরাজকে (২৭ বলে ৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন কাগিসো রাবাদা। জয়ের জন্য শেষ ওভারে দরকার ছিল ২৭ রান। ঋষি ধাওয়ানের প্রথম বলে ছক্কা মারেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। দ্বিতীয় বল ওয়াইড। পরের বল ডট। ওভারের তৃতীয় ধোনির আউট। বড় শট খেলতে গিয়ে ৮ বলে ১২ রান করে সাজঘরে ফিরলেন। তাতেই নিশ্চিত হয়ে গেল ম্যাচের ভাগ্য। পঞ্চম বলে জাদেজার ছক্কা। কিন্তু তাতে চলতি আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধে ফিরতি সাক্ষাতেও পরাজয় এড়াতে পারল না চেন্নাই সুপার কিংস। জাদেজা ১৬ বলে ২১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ১৭৬/৬ রানে থেমে যায় চেন্নাই।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বুড়ো হাড়ে ভেল্কি ধোনির, আবার সেই ফিনিশারের ভুমিকায়

গত আইপিএলে ধোনির ব্যাটিং দেখে অনেকেই ভেবেছিলেন, শেষ হয়ে গেছেন ধোনি। কিন্তু বৃহস্পতিবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দেখা গেল সেই পুরনো ধোনিকে। বুড়ো হাড়ে ভেল্কি দেখালেন। শেষ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলকে এনে দিলেন নাটকীয় জয়। মুম্বইকে ৩ উইকেটে হারিয়ে প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকল। শেষ ওভারে জয়ের জন্য চেন্নাইয়ের দরকার ছিল ১৭। উনাদকাতের প্রথম বলেই এলবিডব্লুউ প্রিটোরিয়াস (১৪ বলে ২২)। শেষ ৪ বলে ১৬ দরকার ছিল। তৃতীয় বলে ৬ মারেন ধোনি। পরের বলে বাউন্ডারি। পঞ্চম বলে ২ রান নেন। শেষ বলে জয়ের জন্য দরকার ৪। উনাদকাতের ফুলটস বল স্কোয়ার লেগ বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে দলকে কাঙ্খিত জয় এনে দেন ধোনি।প্লে অফে যাওয়ার রাস্তা খোলা রাখতে গেলে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে আজ জিততেই হত। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথমে ব্যাটে করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৫ রানের বেশি তুলতে পারেনি মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রোহিতের দলের ইনিংসে ধস নামান তরুণ জোরে বোলার মুকেশ চৌধুরি। অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি করে মুম্বইয়ের মান বাঁচান তিলক ভার্মা।Thala 💛!Showering your timelines with the inspiration thoughts of that finish! #THA7A #MIvCSK #WhistlePodu #Yellove 🦁 pic.twitter.com/OMRL5fssvo Chennai Super Kings (@ChennaiIPL) April 22, 2022গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুই দলই প্রথম একাদশে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এদিন প্রথম একাদশে ঢোকেন রিলে মেরেডিথ, ঋত্ত্বিক শোকেন ও ড্যানিয়েল সামস। অন্যদিকে, চেন্নাই সুপার কিংসের প্রথম একাদশে এসেছেন ডোয়েন প্রিটোরিয়াস ও মিচেল স্যান্টনার। টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান চেন্নাই অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা। প্রথম ওভারেই ধাক্কা মুম্বই শিবিরে। মুকেশ চৌধুরির দ্বিতীয় বলে মিড অনে স্যান্টনারের হাতে সহজ ক্যাচ দেন রোহিত শর্মা (০)। ব্যর্থতার দিক দিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরাট কোহলির সঙ্গে সমানতালে পাল্লা দিয়ে চলেছেন রোহিত। ওভারের পঞ্চম বলে আবার ধাক্কা মুম্বইয়ের। ঈশান কিশানের (০) অফ স্টাম্প ছিটকে দেন মুকেশ। প্রথম ওভারেই ৬ রানে ২ উইকেট হারায় মুম্বই।ম্যাচের তৃতীয় ওভারে মুম্বইয়ের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেন মুকেশ। এবারের তাঁর শিকারের তালিকায় ডিওয়ালড ব্রেভিস (৪)। মুকেশের শর্ট বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ধোনির হাতে ক্যাচ দেন বেবি এবি। এক ওভার পরেই স্লিপে মুকেশের বলে তিলক ভার্মার সহজ ক্যাচ ফেলেন ডোয়েন ব্র্যাভো। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে চেন্নাই বোলারদের ওপর চাপ তৈরির চেষ্টা করছিলেন সূর্যকুমার যাদব (২১ বলে ৩২)। স্যান্টনারের বল সুইপ করতে গিয়ে লং লেগে মুকেশ চৌধুরির হাতে ক্যাচ দেন।সূর্য ফিরে যাওয়ার পর মুম্বইকে টেনে নিয়ে যান দুই তরুণ ব্যাটার তিলক ভার্মা ও ঋত্বিক শোকেন। ২৫ বলে ২৫ রান করে ব্র্যাভোর বলে আউট হন শোকেন। কায়রন পোলার্ড (১৪) এদিনও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। দলকে একার কাঁধে টেনে নিয়ে যান তিলক ভার্মা। ৪৩ বলে ৫১ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ৯ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন জয়দেব উনাদকাত। ৩ ওভার বল করে ১৯ রানে ৩ উইকেট নেন মুকেশ চৌধুরি। ৩৬ রানে ২ উইকেট ব্র্যাভোর। মুম্বইয়ের মতো চেন্নাইয়ের শুরুটাও ভাল হয়নি। জয়ের জন্য ১৫৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই ধাক্কা খায় চেন্নাই। ড্যানিয়েল সামস তুলে নেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে (০)। তৃতীয় ওভারে আবার ধাক্কা। এবার আউট মিচেল স্যান্টনার (১১)। তিনিও সামসের শিকার। এরপর চাপ সামলে চেন্নাইকে টেনে নিয়ে যান রবিন উথাপ্পা ও অম্বাতি রায়ুডু। জুটিতে ওঠে ৫০। উথাপ্পাকে (২৫ বলে ৩০) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন জয়দেব উনাদকাত। দ্বিতীয় স্পেলে বল করতে এসে শিবম দুবেকে (১৩) ফেরান সামস। ১২.৫ ওভারে ৮৮ রানে ৪ উইকেট হারায় চেন্নাই।তবে চেন্নাই বড় ধাক্কা খায় ১৫ ও ১৬ নম্বর ওভারে। পরপর ২ ওভারে ফিরে যান অম্বাতি রায়ুডু ও রবীন্দ্র জাদেজা। সামস ফেরান রায়ুডুকে। ৩৫ বলে ৪০ করে আউট হন রায়ুডু। পরের ওভারেই জাদেজাকে (৩) তুলে নেন রিলে মেরেডিথ। এরপরই চাপে পড়ে যায় চেন্নাই। তবে জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছিলেন প্রিটোরিয়াস। তিনি আউট হওয়ার পর দলকে জেতানোর দায়িত্ব কাংধে তুলে নেন ধোনি (১৩ বলে অপরাজিত ২৮)। ৩০ রানে ৪ উইকেট নেন ড্যানিয়েল সামস।

এপ্রিল ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

রোহিতদের ব্যর্থতা ঢেকে মুম্বইয়ের মান বাঁচালেন তিলক ভার্মা

প্লে অফে যাওয়ার রাস্তা খোলা রাখতে গেলে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে আজ জিততেই হত। অথচ এইরকম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথমে ব্যাটে করে ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫৫ রানের বেশি তুলতে পারল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। রোহিতের দলের ইনিংসে ধস নামালেন তরুণ জোরে বোলার মুকেশ চৌধুরি। অপরাজিত হাফ সেঞ্চুরি করে মুম্বইয়ের মান বাঁচালেন তিলক ভার্মা।আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও চেন্নাই সুপার কিংস ম্যাচ এল ক্ল্যাসিকো নামে পরিচিত। কারণ দুই দলই সবথেকে বেশি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কাছে ম্যাচটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তেমনই গুরুত্বপূর্ণ ছিল চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে। কারণ প্লে অফের লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে রবীন্দ্র জাদেজার দলকেও জিততে হত। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুই দলই প্রথম একাদশে পরিবর্তন করে মাঠে নামে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের এদিন প্রথম একাদশে ঢোকেন রিলে মেরেডিথ, ঋত্ত্বিক শোকেন ও ড্যানিয়েল সামস। অন্যদিকে, চেন্নাই সুপার কিংসের প্রথম একাদশে এসেছেন ডোয়েন প্রিটোরিয়াস ও মিচেল স্যান্টনার। টস জিতে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ব্যাট করতে পাঠান চেন্নাই অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা। প্রথম ওভারেই ধাক্কা মুম্বই শিবিরে। মুকেশ চৌধুরির দ্বিতীয় বলে মিড অনে স্যান্টনারের হাতে সহজ ক্যাচ দেন রোহিত শর্মা (০)। ব্যর্থতার দিক দিয়ে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরের বিরাট কোহলির সঙ্গে সমানতালে পাল্লা দিয়ে চলেছেন রোহিত। ওভারের পঞ্চম বলে আবার ধাক্কা মুম্বইয়ের। ঈশান কিশানের (০) অফ স্টাম্প ছিটকে দেন মুকেশ। প্রথম ওভারেই ৬ রানে ২ উইকেট হারায় মুম্বই। ম্যাচের তৃতীয় ওভারে মুম্বইয়ের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেন মুকেশ। এবারের তাঁর শিকারের তালিকায় ডিওয়ালড ব্রেভিস (৪)। মুকেশের শর্ট বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ধোনির হাতে ক্যাচ দেন বেবি এবি। এক ওভার পরেই স্লিপে মুকেশের বলে তিলক ভার্মার সহজ ক্যাচ ফেলেন ডোয়েন ব্র্যাভো। পাল্টা আক্রমণ শানিয়ে চেন্নাই বোলারদের ওপর চাপ তৈরির চেষ্টা করছিলেন সূর্যকুমার যাদব (২১ বলে ৩২)। স্যান্টনারের বল সুইপ করতে গিয়ে লং লেগে মুকেশ চৌধুরির হাতে ক্যাচ দেন। সূর্য ফিরে যাওয়ার পর মুম্বইকে টেনে নিয়ে যান দুই তরুণ ব্যাটার তিলক ভার্মা ও ঋত্বিক শোকেন। ২৫ বলে ২৫ রান করে ব্র্যাভোর বলে আউট হন শোকেন। কায়রন পোলার্ড (১৪) এদিনও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। দলকে একার কাঁধে টেনে নিয়ে যান তিলক ভার্মা। ৪৩ বলে ৫১ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। ৯ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন জয়দেব উনাদকাত। ৩ ওভার বল করে ১৯ রানে ৩ উইকেট নেন মুকেশ চৌধুরি। ৩৬ রানে ২ উইকেট ব্র্যাভোর।

এপ্রিল ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ব্যাটিং, চেন্নাই সুপার কিংসের ‘‌কিলার’‌ হয়ে উঠলেন মিলার

চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে এদিন শীর্ষস্থান ধরে রাখার লড়াই ছিল গুজরাট টাইটান্সের কাছে। কিন্তু ম্যাচের আগেই ধাক্কা। কুঁচকির চোটের জন্য এদিন ম্যাচ থেকে ছিটকে যান গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর জায়গায় গুজরাটকে নেতৃত্ব দিতে নামেন রশিদ খান। হার্দিকের অভাব বুঝতেই দিলেন না রশিদ খান। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে ২১ বলে করেন ৪০। তবে তাঁকে চাপিয়ে নায়ক ডেভিড মিলার। তিনিই হয়ে উঠলেন চেন্নাইয়ের কিলার। নাটকীয় ম্যাচে চেন্নাইকে ৩ উইকেটে হারিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রাখল গুজরাট। ৫১ বলে ৯৪ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন কিলার মিলারটস জিতে এদিন চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান রশিদ। গুজরাটের বোলারদের দাপটে শুরুর দিকে সুবিধা করতে পারেননি রবিন উথাপ্পা। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করে তিনি মহম্মদ সামির বলে আউট হন। মইন আলিও সুবিধা করতে পারেননি। ৩ বলে ১ রান করে তিনি আলজেরি জোশেফের বলে বোল্ড হন। হার্দিক পান্ডিয়ার পরিবর্তে খেলতে নেমে এদিন ভাল বোলিং করেন আলজেরি জোশেফ। ৩২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর চেন্নাই সুপার কিংসকে টেনে নিয়ে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও অম্বাতি রায়ুডু। ঋতুরাজ ও অম্বাতির জুটিতে ৫৬ বলে ওঠে ৯২। এই দুনের ব্যাটে ভর করে চাপ কাটিয়ে ওঠে চেন্নাই সুপার কিংস। রায়ুডুকে (৩১ বলে ৪৬) তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। এরপর ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে ফেরান যশ দয়াল। ৪৮ বলে ৭৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি চার ও ৫টি ছয়। শেষ দিকে চেন্নাইকে লড়াই করার মতো জায়গায় পোঁছে দেন অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা ও শিবম দুবে (১৯)। জাদেজা ১২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯/৫ তোলে চেন্নাই। আলজেরি জোশেফ ৩৪ রানে ২ উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৭০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে গুজরাট। প্রথম ওভারেই মুকেশ চৌধুরির বলে ফিরে যান শুভমান গিল (০)। পরের ওভারেই মহেশ থিকসানা তুলে নেন বিজয় শঙ্করকে (০)। চতুর্থ ওভারে অভিনব মনোহরও (১২) তাংর শিকার। ম্যাথু ওয়েডের জায়গায় মাঠে নেমে ঋদ্ধিমান সাহাও (১৮ বলে ১১) সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। রাহুল তেওয়াটিয়াও (৬) এদিন ব্যর্থ। ১২.৪ ওভারে ৮৭ রানে ৫ উইকেট হারায় গুজরাট। মনে হচ্ছিল চেন্নাইয়ের জয় সময়ের অপেক্ষা। এরপর রুখে দাঁড়ান ডেভিড মিলার ও রশিদ খান। ৩৭ বলে জুটিতে ওঠে ৭০। ১৮তম ওভারে ক্রিস জর্ডনের বলে ২৫ রান তুলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। পরের ওভারে পরপর দুবলে রশিদ (২১ বলে ৪০) ও আলজেরি জোশেফকে (০) তুলে নেন ডোয়েন ব্রাভো। শেষ ওভারে গুজরাটের দরকার ছিল ১৩। ১ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে নেয় গুজরাট। ৫১ বলে ৯৪ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন কিলার মিলার। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৮টি চার ও ৬টি ৬।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মেন্টর ধোনির আস্থার মর্যাদা কীভাবে দিলেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়?‌

আগের পাঁচ ম্যাচে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের স্কোর যথাক্রমে ০, ১, ১, ১৬, ১৭। অন্য কোনও দল হলে নিশ্চিতভাবেই বাদ পড়তেন। কিম্তু চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট ভরসা হারায়নি। আর সেটা মেন্টর মহেন্দ্র সিং ধোনির জন্যই। মেন্টরের আস্থার মর্যাদা দিলেন ঋতুরাজ। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের সৌজন্যেই গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছল চেন্নাই সুপার কিংস। প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে তুলল ১৬৯। ৪৮ বলে ৭৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি করে চার ও ছয়। অম্বাতি রায়ুডু ৪৬ রান করেন। জাদেজা ১২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে এদিন শীর্ষস্থান ধরে রাখার লড়াই ছিল গুজরাট টাইটান্সের কাছে। কিন্তু ম্যাচের আগেই ধাক্কা। কুঁচকির চোটের জন্য এদিন ম্যাচ থেকে ছিটকে যান গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর জায়গায় গুজরাটকে নেতৃত্ব দিতে নামেন রশিদ খান। আফগানিস্তানের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে এবং দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ বিদেশি ক্রিকেটার হিসেবে আইপিএলে কোনও একটি দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার রেকর্ড গড়লেন। তিনিই এবছর গুজরাট টাইটান্সের সহঅধিনায়ক। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁর ওপর দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার ভার পড়েছিল। টস জিতে এদিন চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান রশিদ খান। গুজরাটের বোলারদের দাপটে শুরুর দিকে সুবিধা করতে পারেননি আগের ম্যাচে জ্বলে ওঠা চেন্নাই সুপার কিংসের ওপেনার রবিন উথাপ্পা। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করে তিনি মহম্মদ সামির বলে আউট হন। মইন আলিও সুবিধা করতে পারেননি। ৩ বলে ১ রান করে তিনি আলজেরি জোশেফের বলে বোল্ড হন। হার্দিক পান্ডিয়ার পরিবর্তে খেলতে নেমে এদিন ভাল বোলিং করেন আলজেরি জোশেফ। ৩২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর চেন্নাই সুপার কিংসকে টেনে নিয়ে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও অম্বাতি রায়ুডু। ঋতুরাজ ও অম্বাতির জুটিতে ৫৬ বলে ওঠে ৯২। এই দুনের ব্যাটে ভর করে চাপ কাটিয়ে ওঠে চেন্নাই সুপার কিংস। রায়ুডুকে (৩১ বলে ৪৬) তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। এরপর ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে ফেরান যশ দয়াল। ৪৮ বলে ৭৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি চার ও ৫টি ছয়। শেষ দিকে চেন্নাইকে লড়াই করার মতো জায়গায় পোঁছে দেন অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা ও শিবম দুবে (১৯)। জাদেজা ১২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯/৫ তোলে চেন্নাই। আলজেরি জোশেফ ৩৪ রানে ২ উইকেট নেন।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

উথাপ্পা–শিবমের ব্যাটে দুঃস্বপ্ন কাটল চেন্নাইয়ের, পেল প্রথম জয়ের স্বাদ

চলতি আইপিএলে প্রথম জয় পেল চেন্নাই সুপার কিংস। মঙ্গলবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে হারাল ২৩ রানে। চেন্নাই সুপার কিংসের জয়ের নায়ক শিবম দুবে ও রবিন উথাপ্পা। এই দুই ব্যাটারের দাপটেই ৪ উইকেটে ২১৬ রানের বড় ইনিংস গড়ে চেন্নাই। সেই শিখরে পৌঁছতে পারেনি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। যদিও ফাফ ডুপ্লেসির দলের লড়াইকে কুর্ণিশ জানাতেই হবে। বড় ইনিংসের সামনে ভেঙে পড়েনি। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের বিরুদ্ধে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে। না হলে প্লে অফের লড়াই থেকে ছিটকে যেত। এইরকম ডু অর ডাই ম্যাচে জ্বলে উঠলেন চেন্নাইয়ের ব্যাটিং। যদিও চেন্নাইয়ের শুরুটা ভাল হয়নি। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় চেন্নাই। চতুর্থ ওভারে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। ১৬ বলে ১৭ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে এলবিডব্লুউ হন। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে চেন্নাই মাত্র ৩৬/১ তুলতে সমর্থ হয়। চেন্নাইয়ের চাপ আরও বেড়ে যায় রবিন উথাপ্পার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে মইন আলির (৮ বলে ৩) রান আউটে। শুরুর দিকে চেন্নাইয়ের রান তোলার গতি খুব একটা ভাল ছিল না। ১০ ওভারে ২ উইকেটে ওঠে ৬০।এরপরই ঝড় তোলেন রবিন উথাপ্পা এবং শিবম দুবে। এই দুই ব্যাটারের তান্ডবের সামনে রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েন আকাশদীপ, মহম্মদ সিরাজ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গারা। ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন উথাপ্পা। ৩০ বলে ৫০ পূর্ণ করেন শিবম দুবে। শেষ পর্যন্ত ৫০ বলে ৮৮ রান করে হাসারাঙ্গার বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রবিন উথাপ্পা। পরের বলেই জাদেজাকে (০) তুলে নেন হাসারাঙ্গা। পরপর ২ উইকেট পড়ে গেলেও বিচলিত হননি শিবম দুবে। তাঁর ঝড় অব্যাহত থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেঞ্চুরি পেলেন না। ৪৬ বলে ৯৪ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে ডুপ্লেসির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ৮টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৬ তোলে চেন্নাই।সামনে বড় রানের লক্ষ্য দেখে শুরুতেই চাপে পড়ে গিয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। জয়ের জন্য ২১৭ রান তাড়া করতে গেলে যে ধরণের শুরু করা উচিত ছিল, করতে পারেনি। তৃতীয় ওভারেই ফিরে যান ডুপ্লেসি (৮)। আগের ম্যাচে রান পাওয়া অনুজ রাওয়াত (১২), বিরাট কোহলিরাও (১) ব্যর্থ। সামান্য ঝড় তোলার চেষ্টা করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১১ বলে ২৬)। রবীন্দ্র জাদেজা এসে ম্যাক্সওয়েলের ঝড় থামিয়ে দেন। ৫০ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। শাহবাজ আমোদ (২৭ বলে ৪১), সুয়াস প্রভুদেশাই (১৮ বলে ৩৫), দীনেশ কার্তিকরা (১৪ বলে ৩৪) লড়াই জমিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯৩ রানে থেমে যায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ইনিংস। আইপিএলের অভিষেকে চমক দেখালেন শ্রীলঙ্কার অফ স্পিনার মহেশ থিকসানা। ৩৩ রানে তুলে নেন ৪ উইকেট। ৩৯ রানে ৩ উইকেট পান রবীন্দ্র জাদেজা।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মরণবাঁচন ম্যাচে হঠাৎ করে কী হল উথাপ্পা–শিবমের?‌ কেন এত তান্ডব?‌

বলতে গেলে চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে একপ্রকার মরণবাঁচন ম্যাচ। হারলেই প্লে অফের লড়াই থেকে অনেকটাই পিছিয়ে পড়তে হবে। দলের এইরকম সঙ্কটজনক পরিস্থিতিতে জ্বলে উঠলেন রবিন উথাপ্পা ও শিবম দুবে। উথাপ্পাকে ছাপিয়ে গেলেন শিবম। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া। এই দুই ব্যাটারের দাপটে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে মরণবাঁচন ম্যাচে বড় রান চেন্নাই সুপার কিংসের। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে তুলল ২১৬। রবিন উথাপ্পা করেন ৮৮ , শিবম দুবে ৯৫। টস ভাগ্য মোটেই ভাল যাচ্ছে চেন্নাই সুপার কিংস অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজার। মুম্বইয়ের ডি ওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধেও এদিন টস হারেন। টস জিতে চেন্নাইকে ব্যাট করতে পাঠান ফাফ ডুপ্লেসি। ম্যাচের আগে সুনীল গাভাসকার ভবিষ্যতবানী করেছিলেন, এই উইকেটে ১৮০র বেশি রান উঠবে। বাস্তবে তাইই হল। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের যা ব্যাটিং শক্তি, তাতে জিততে গেলে চেন্নাইয়ের সামনে বড় রান করা ছাড়া কোনও রাস্তা ছিল না। ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভাল হয়নি চেন্নাই সুপার কিংসের। চতুর্থ ওভারে আউট হন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। চলতি আইপিএল দুঃস্বপ্নের মতো কাটছে চেন্নাই সুপার কিংসের এই ওপেনারের। একের পর এক ম্যাচে ব্যর্থতা সত্ত্বেও তাঁর ওপর ভরসা হারায়নি চেন্নাই টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু টিম ম্যানেজমেন্টের সেই আস্থার মর্যাদা এদিনও দিতে পারলেন না। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিরুদ্ধে ১৬ বলে ১৭ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে এলবিডব্লুউ। রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে চেন্নাই মাত্র ৩৬/১ তুলতে সমর্থ হয়। চেন্নাইয়ের চাপ আরও বেড়ে যায় রবিন উথাপ্পার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে মইন আলির (৮ বলে ৩) রান আউটে। শুরুর দিকে চেন্নাইয়ের রান তোলার গতি খুব একটা ভাল ছিল না। ১০ ওভারে ২ উইকেটে ওঠে ৬০।এরপরই ঝড় তোলেন ড্যাডিজ আর্মির অন্যতম সদস্য রবিন উথাপ্পা এবং তরুণ শিবম দুবে। এই দুই ব্যাটারের তান্ডবের সামনে রীতিমতো অসহায় হয়ে পড়েন আকাশদীপ, মহম্মদ সিরাজ, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গারা। ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন উথাপ্পা। ৩০ বলে ৫০ পূর্ণ করেন শিবম দুবে। শেষ পর্যন্ত ৫০ বলে ৮৮ রান করে হাসারাঙ্গার বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রবিন উথাপ্পা। পরের বলেই জাদেজাকে (০) তুলে নেন হাসারাঙ্গা। পরপর ২ উইকেট পড়ে গেলেও বিচলিত হননি শিবম দুবে। তাঁর ঝড় অব্যাহত থাকে। কিন্তু দুর্ভাগ্য সেঞ্চুরি পেলেন না। ৪৬ বলে ৯৪ রান করে জস হ্যাজেলউডের বলে ডুপ্লেসির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ৮টি ৬। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৬ তোলে চেন্নাই।

এপ্রিল ১২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

আমেরিকায় পঞ্চাশ বছরে প্রথম তেল শোধনাগার, গড়ছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা

আমেরিকায় নতুন একটি তেল শোধনাগার তৈরি হতে চলেছে এবং সেই প্রকল্পে বড় ভূমিকা নিতে চলেছে মুকেশ আম্বানির সংস্থা রিলায়েন্স। এমনই ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানান, টেক্সাসের ব্রাউনসভিল এলাকায় এই নতুন শোধনাগার তৈরি হবে। তাঁর দাবি, গত পঞ্চাশ বছরের মধ্যে এটিই হবে আমেরিকার প্রথম নতুন তেল শোধনাগার।ট্রাম্প বলেন, এই প্রকল্প আমেরিকার জ্বালানি শক্তিকে আরও মজবুত করবে। তাঁর কথায়, আমেরিকা আবার শক্তির আধিপত্যের পথে ফিরছে এবং দেশের স্বার্থই সবার আগে থাকবে। তিনি এই প্রকল্পে বিনিয়োগের জন্য ভারতের অংশীদার এবং দেশের অন্যতম বড় বেসরকারি জ্বালানি সংস্থা রিলায়েন্সকে ধন্যবাদ জানান।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, এই শোধনাগারটি বিশ্বের অন্যতম পরিচ্ছন্ন তেল শোধনাগার হবে। এর ফলে আমেরিকার বিপুল আর্থিক লাভ হবে বলেও তিনি জানান। তবে এই প্রকল্প ভারতের সঙ্গে কোনও বড় চুক্তির অংশ কি না, তা তাঁর ঘোষণায় স্পষ্টভাবে বলা হয়নি।জানা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং মুকেশ আম্বানির মধ্যে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক রয়েছে। গত বছর কাতারে একটি অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করেছিলেন রিলায়েন্সের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি। এছাড়া ভেনেজুয়েলার তেল কেনার বিষয়েও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রিলায়েন্স। এবার আমেরিকার মাটিতে তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা সেই সম্পর্ককেই আরও স্পষ্ট করে তুলল।উল্লেখ্য, ইরানকে ঘিরে ইজরায়েল ও আমেরিকার সংঘাতের আবহে এই ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। এই সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহণ হয়। সেই পথ এখন বড়সড় চাপের মুখে পড়েছে।এই পরিস্থিতিতে অনেক তেলের ট্যাঙ্কার এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলাচল করতে পারছে না বলে জানা যাচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম দ্রুত বাড়তে শুরু করেছে। এই জ্বালানি সংকটের প্রভাব বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই পড়ছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আমেরিকায় নতুন তেল শোধনাগার তৈরির ঘোষণা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
রাজ্য

জলাজমি ভরাট করে বাড়ি? এবার পুলিশের তলব হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে

তৃণমূল কংগ্রেসের সাসপেন্ড হওয়া বিধায়ক এবং আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। জলাজমি ভরাট করে বাড়ি তৈরির অভিযোগে এবার তাঁর স্ত্রী মিতা সুলতানাকে তলব করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুর বারোটা নাগাদ তাঁকে শক্তিপুর থানায় হাজির হতে বলা হয়েছে।মুর্শিদাবাদের মানিক্যহার গ্রামে হুমায়ুন কবীরের বাড়ি রয়েছে। ওই বাড়িটি তাঁর স্ত্রী মিতা সুলতানার নামে নথিভুক্ত। সেই বাড়িকে ঘিরেই অভিযোগ উঠেছে যে জমির চরিত্র পরিবর্তন না করেই সেখানে বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, যে জমির উপর বাড়ি তৈরি হয়েছে সেটি আগে নালা বা জলাশয়ের অংশ ছিল।এই বিষয়টি নিয়ে এর আগেই ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর থেকে একটি নোটিস পাঠানো হয়। নোটিসে জানানো হয়, মানিক্যহার মৌজার নির্দিষ্ট একটি প্লটে প্রায় শূন্য দশমিক দুই একর জমির চরিত্র বেআইনিভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে সাত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জবাব দিতে বলা হয় হুমায়ুন কবীরের স্ত্রীকে। একই সঙ্গে জানানো হয়, জবাব না পেলে আইন অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।নালা প্রকৃতির জমি সাধারণত জল বের হওয়ার ছোট খাল বা ডোবার মতো জায়গাকে বোঝায়। এই ধরনের জমি জলাশয় বা কৃষিজমির অংশ হিসেবে ধরা হয়। আইন অনুযায়ী এমন জমি ভরাট করা বা তার ব্যবহার পরিবর্তন করা বেআইনি। ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের অনুমতি ছাড়া এর চরিত্র বদলানো যায় না।তবে এই অভিযোগ মানতে নারাজ হুমায়ুন কবীর। তাঁর দাবি, যে বাড়ি নিয়ে এখন এত বিতর্ক হচ্ছে সেখানে তিনি প্রায় সতেরো থেকে আঠারো বছর ধরে বসবাস করছেন। তিনি জানান, জমির চরিত্র পরিবর্তন করে ভিটে করার জন্য বাম আমলেও একাধিকবার সরকারি দপ্তরে আবেদন করেছিলেন। তাঁর বক্তব্য, বাড়ি তৈরি করার সময় প্রশাসনের তরফে কোনও আপত্তি তোলা হয়নি।এখন তাঁর স্ত্রীর কাছে নোটিস পাঠানোকে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলেই দাবি করেছেন। হুমায়ুন কবীরের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের ছ্যাঁকায় কার্যত লকডাউন পাকিস্তানে! অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ স্কুল, অফিসে আসতে হবে না সরকারি কর্মীদের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব এখন ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনার কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। অভিযোগ উঠছে, ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং পাশাপাশি আশপাশের দেশের তেল উৎপাদন ও শোধনাগারেও হামলা চালানো হচ্ছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘাত যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তবে বিশ্ব অর্থনীতির উপর তার বড় প্রভাব পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। শুধু ভারত নয়, প্রায় দশটি দেশ এই সমস্যার মুখে পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান।জ্বালানি বাঁচাতে পাকিস্তান কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত লকডাউনের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা করেছেন যে স্কুলগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে পড়াশোনা হবে অনলাইনে। সরকারি অফিসগুলির কাজের দিনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।সরকারি দপ্তরগুলিতে আগামী দুই মাস জ্বালানির ব্যবহার অর্ধেক কমিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাঙ্ক ছাড়া অন্য সরকারি অফিস সপ্তাহে মাত্র চার দিন খোলা থাকবে। এছাড়া জরুরি পরিষেবা ছাড়া সরকারি কর্মীদের একটি বড় অংশকে বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রীদের ভাতাও কমানো হয়েছে।শুধু পাকিস্তান নয়, জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের উপরেও। সেখানে জ্বালানি ব্যবহারে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মোটরসাইকেলের জন্য দিনে সর্বোচ্চ দুই লিটার এবং গাড়ির জন্য দশ লিটার জ্বালানি নেওয়ার নিয়ম চালু হয়েছে।ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও জ্বালানির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় জ্বালানির দাম প্রায় আট শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। মায়ানমারে গাড়ি চলাচলের জন্য জোড় ও বিজোড় নম্বরের নিয়ম চালু করা হয়েছে। অনেক জায়গায় জ্বালানি না থাকায় পাম্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে অনেক মানুষ পাশের দেশ থাইল্যান্ডে গিয়ে তেল কিনছেন।আমেরিকার কিছু রাজ্যেও জ্বালানির দাম বেড়েছে। ফ্লোরিডা এবং লুইজিয়ানায় প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম প্রায় এগারো সেন্ট পর্যন্ত বেড়েছে। ভিয়েতনামেও জ্বালানি সংকট মোকাবিলার জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হয়েছে।বর্তমানে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ফ্রান্স, আমেরিকা, জার্মানি, পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলিতে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত যদি দ্রুত থামানো না যায়, তবে আগামী দিনে এই সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে মন্দিরে যাওয়া ঘিরে তুমুল বিতর্ক, কীর্তি আজাদকে কড়া জবাব গম্ভীরের

ভারতের টি-কুড়ি বিশ্বকাপ জয়ের পর বিশ্বকাপ ট্রফি মন্দিরে নিয়ে যাওয়া নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন উনিশশো তিরাশি সালের বিশ্বজয়ী দলের সদস্য কীর্তি আজাদ। তাঁর সেই মন্তব্যের পালটা জবাব দিয়েছেন ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর এবং প্রাক্তন ক্রিকেটার হরভজন সিং। এই বিতর্কে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন উইকেটরক্ষক ঈশান কিষানও।ঘটনার সূত্রপাত বিশ্বকাপ জয়ের রাতেই। ট্রফি হাতে মন্দিরে গিয়েছিলেন দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার চেয়ারম্যান জয় শাহও। এই ঘটনাকে ঘিরেই প্রশ্ন তোলেন কীর্তি আজাদ। তাঁর বক্তব্য, বিশ্বকাপ ট্রফি দেশের সব ধর্মের মানুষের গর্ব। সেই ট্রফি কেন শুধু একটি নির্দিষ্ট ধর্মের উপাসনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হবে। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে দলের হয়ে সঞ্জু স্যামসন ও মহম্মদ সিরাজের মতো ক্রিকেটাররাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।বিশ্বকাপ জয়ের পর ঈশান কিষান পাটনা বিমানবন্দরে পৌঁছলে সাংবাদিকরা কীর্তি আজাদের মন্তব্য নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করেন। সেই প্রশ্নে কিছুটা বিরক্ত হয়ে ঈশান বলেন, তাঁরা এত পরিশ্রম করে বিশ্বকাপ জিতেছেন এবং সেই সাফল্য নিয়েই কথা হওয়া উচিত। পরে যখন তাঁকে বিশ্বকাপ জয়ের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, তখন তিনি জানান যে দেশের জন্য এই জয় অত্যন্ত আনন্দের এবং স্মরণীয়।অন্যদিকে কীর্তি আজাদের মন্তব্য নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দেন গৌতম গম্ভীর। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের প্রশ্নের কোনও গুরুত্ব নেই। ভারতের বিশ্বকাপ জয় বড় ঘটনা এবং সেটাই উদযাপন করা উচিত। তিনি বলেন, এই ধরনের মন্তব্য করলে দলের পনেরো জন ক্রিকেটারের কঠোর পরিশ্রমকে ছোট করা হয়।এই বিতর্কে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন স্পিনার হরভজন সিংও। তিনি বলেন, একটি দল চাইলে ট্রফি মন্দিরে, মসজিদে বা গির্জায় যেখানেই খুশি নিয়ে যেতে পারে। যদি কেউ নিজের বিশ্বাস অনুযায়ী প্রার্থনা করেন, তাতে সমস্যা কোথায়। তাঁর মতে, দেশের বড় জয়কে নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়। তিনি আরও বলেন, ঈশ্বরের রূপ আলাদা হতে পারে, কিন্তু বিশ্বাসের পথ এক। তাই কারও বিশ্বাস নিয়ে প্রশ্ন তোলা ঠিক নয়।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

আজই বাংলায় আসছেন নতুন রাজ্যপাল আর এন রবি, শপথের আগে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা

পশ্চিমবঙ্গে নতুন রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিতে বুধবারই কলকাতায় আসছেন আর এন রবি । জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধ্যা প্রায় ছয়টা পঁচিশ মিনিটে তিনি কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন। সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হবে । এরপর বৃহস্পতিবার তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।এর আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল ছিলেন ডক্টর সিভি আনন্দ বোস । তবে নিজের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তিনি গত পাঁচ মার্চ আচমকা দিল্লিতে গিয়ে ইস্তফা দেন। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করার পরই ঘোষণা করা হয় যে আর এন রবি পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী রাজ্যপাল হচ্ছেন। এই ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় তীব্র আলোচনা এবং বিতর্ক।নতুন রাজ্যপালকে নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিজেপি ছাড়া আর কোনও কাজ করেন না এমন একজন ব্যক্তিকে রাজ্যপাল করা হয়েছে । তিনি আরও বলেন, তামিলনাড়ুতে যা করেছেন করেছেন, কিন্তু বাংলা সম্পূর্ণ আলাদা।আর এন রবি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের আইপিএস অফিসার। কর্মজীবনে তিনি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি মেঘালয় এবং তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবেও কাজ করেছেন। এবার তাঁকেই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।এরই মধ্যে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিদায়ী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করেন। তার আগে তিনি এসআইআর বিরোধী অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন। সেই কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর ধর্মতলা থেকে সরাসরি রাজভবনে যান তিনি।সেখানে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁর সঙ্গে সিভি আনন্দ বোসের সম্পর্ক ভালো ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগে হঠাৎ করে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিনি আনন্দ বোসকে বলেছেন যে এতদিন বাংলায় থাকার ফলে তিনি এই রাজ্যকে ভালোভাবে চেনেন, তাই ভবিষ্যতে আবার বাংলায় আসার জন্যও তাঁকে অনুরোধ করেছেন।এখন নতুন রাজ্যপাল হিসেবে আর এন রবির আগমনের পর রাজভবন এবং নবান্নের সম্পর্ক ভবিষ্যতে কীভাবে গড়ে ওঠে, তা নিয়েই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
দেশ

কোমায় পড়ে থাকা যুবকের জীবনের শেষ অধ্যায়, আদালতের অনুমতিতে সরানো হবে লাইফ সাপোর্ট

বারো বছরেরও বেশি সময় ধরে কোমায় থাকা এক যুবকের জীবনরক্ষাকারী কৃত্রিম চিকিৎসা ব্যবস্থা তুলে নেওয়ার অনুমতি দিল দেশের শীর্ষ আদালত। বুধবার সুপ্রিম কোর্ট এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানায়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ওই যুবকের শরীরে চলা কৃত্রিম জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা ধীরে ধীরে বন্ধ করা হবে।জানা গিয়েছে, হরিশ রানা নামে ওই যুবক দুই হাজার তেরো সালে একটি ভবনের চতুর্থ তলা থেকে পড়ে গুরুতর মাথায় আঘাত পান। সেই দুর্ঘটনার পর থেকেই তিনি কোমায় রয়েছেন। দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি।বিচারপতি জে বি পারদিওয়ালা এবং কে ভি বিশ্বনাথনের বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে যে দিল্লির সর্বভারতীয় চিকিৎসা বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানে তাঁকে উপশমমূলক চিকিৎসা কেন্দ্রে ভর্তি করা হবে। সেখানে পরিকল্পনা মেনে ধাপে ধাপে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা তুলে নেওয়া হবে, যাতে তাঁর মর্যাদা বজায় থাকে।এর আগে আদালত ওই যুবকের বাবা-মায়ের সঙ্গেও দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল। চিকিৎসকদের একটি বিশেষ কমিটি তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেয়। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, তাঁর সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। আদালতও এই রিপোর্টকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে মন্তব্য করে।নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়া বলতে বোঝায় এমন পরিস্থিতি, যখন রোগীর শরীর বাঁচিয়ে রাখতে যে কৃত্রিম চিকিৎসা বা যন্ত্রের প্রয়োজন হয়, তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। যেমন ভেন্টিলেটর বা খাবার দেওয়ার নল। এতে রোগী স্বাভাবিকভাবেই মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যান। সক্রিয় ইউথেনেশিয়ার মতো এখানে কোনও প্রাণঘাতী ওষুধ দেওয়া হয় না, বরং চিকিৎসা বন্ধ করা হয় যখন সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।ভারতে নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়াকে সুপ্রিম কোর্ট দুটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ের মাধ্যমে স্বীকৃতি দিয়েছে। দুই হাজার এগারো সালে অরুণা শানবাগ মামলায় প্রথমবার আদালত বিশেষ পরিস্থিতিতে নিষ্ক্রিয় ইউথেনেশিয়াকে অনুমতি দেয়। অরুণা শানবাগ মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে কর্মরত নার্স ছিলেন। উনিশশো তেহাত্তর সালে এক নৃশংস আক্রমণের পর তিনি দীর্ঘ সময় কোমায় ছিলেন। সেই মামলায় আদালত তাঁর জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা বন্ধের আবেদন খারিজ করলেও বিশেষ পরিস্থিতিতে এই ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি পথ খুলে দেয়।এরপর ২০১৮ সালে একটি ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্ট জানায় যে মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যুর অধিকারও সংবিধানের জীবনের অধিকারের অংশ। সেই রায়ে জীবনের শেষ পর্যায়ে নিজের ইচ্ছা আগেই লিখে রাখার ব্যবস্থাও স্বীকৃতি পায়।পরবর্তীতে ২০২৩ সালে আদালত এই নিয়ম আরও সহজ করে দেয় যাতে পরিবারগুলির জন্য প্রক্রিয়াটি বাস্তবসম্মত হয়। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমে হাসপাতালের চিকিৎসকদের একটি বোর্ডকে জানাতে হয় যে রোগীর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এরপর আরেকটি চিকিৎসক বোর্ডও সেই মত নিশ্চিত করে। রোগী যদি নিজের মত জানাতে না পারেন, তবে পরিবারের সদস্য বা নিকট আত্মীয় এই প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন।হরিশ রানার মামলায় সুপ্রিম কোর্টের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘদিন কোমায় থাকা রোগীদের চিকিৎসা এবং মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যুর অধিকার নিয়ে আবারও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা ইস্তফার পর বাংলাবাসীর উদ্দেশে আবেগঘন চিঠি রাজ্যপাল আনন্দ বোসের

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর রাজ্যের মানুষকে উদ্দেশ করে একটি আবেগঘন খোলা চিঠি লিখলেন সিভি আনন্দ বোস। চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন।চিঠির শুরুতেই তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে নিজের প্রিয় ভাই ও বোন বলে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, এই রাজ্যের মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন এবং সহযোগিতার জন্য তিনি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। রাজ্যপাল হিসেবে তাঁর দায়িত্ব শেষ হলেও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কখনও শেষ হবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর কথায়, পশ্চিমবঙ্গ এখন তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি এবং ভবিষ্যতেও তিনি এই রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।চিঠিতে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের আন্তরিকতা ও উষ্ণতার কথা স্মরণ করেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে দেখা হওয়া, শিশুদের উচ্ছ্বাস, তরুণদের দৃঢ় করমর্দন এবং প্রবীণদের স্নেহময় দৃষ্টিএই সব স্মৃতি তাঁর কাছে অমূল্য হয়ে থাকবে বলে জানান তিনি।আনন্দ বোস মহাত্মা গান্ধীর একটি উক্তির কথাও উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, মহাত্মা গান্ধী বলেছিলেন তিনি বাংলাকে ছেড়ে যেতে পারেন না এবং বাংলা তাঁকে যেতে দেবে না। এই কথার সঙ্গে নিজের অনুভূতির মিল খুঁজে পেয়েছেন বলেও তিনি জানান।চিঠিতে তিনি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত উক্তির কথাও তুলে ধরেন। সেখানে শ্রমজীবী মানুষের মধ্যেই ঈশ্বরের উপস্থিতির কথা বলা হয়েছে। গত কয়েক বছরে তিনি রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন বলে জানান। গ্রামের মানুষের বাড়িতে বসে খাওয়া, ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে পড়াশোনা করা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করার অভিজ্ঞতা তাঁর কাছে খুবই মূল্যবান বলে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি আরও লেখেন, বাংলার মানুষ তাঁদের সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে গর্ব অনুভব করেন এবং এই বিষয়টি বাংলার মানসিকতার পরিচয় দেয়।চিঠির শেষে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে আগামী দিনে বাংলা আরও সাফল্যের শিখরে পৌঁছাবে। সবশেষে তিনি বাংলার মানুষের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ কামনা করে লেখেন, মা দুর্গা যেন এই রাজ্যের মানুষকে রক্ষা করেন।

মার্চ ১১, ২০২৬
কলকাতা

অটোর গ্যাসের দামে হঠাৎ বড় ধাক্কা, লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন চালকরা

রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ার পর থেকেই জ্বালানির বাজারে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। এবার সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে লিটার প্রতি পাঁচ টাকা বেড়ে গেল অটোয় ব্যবহৃত এলপিজির দাম। হঠাৎ এই মূল্যবৃদ্ধিতে সমস্যায় পড়েছেন শহরের অটোচালকরা।চালকদের অভিযোগ, এতদিন লিটার প্রতি গ্যাসের দাম ছিল সাতান্ন টাকা আটষট্টি পয়সা। কিন্তু হঠাৎ করেই পাঁচ টাকা বাড়িয়ে এখন সেই দাম দাঁড়িয়েছে বাষট্টি টাকা আটষট্টি পয়সা।এদিকে বুধবার ভোররাত থেকেই শহরের প্রায় সব গ্যাস পাম্পে রিফিলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বেঙ্গল কেমিক্যাল পাম্প থেকে সিটি সেন্টার পর্যন্ত প্রায় একই ছবি চোখে পড়েছে। গ্যাস ভরার জন্য অনেক চালককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে।পাম্প কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, কয়েক মিনিট আগেও পুরনো দামেই গ্যাস দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ নতুন নির্দেশিকা আসায় দাম বাড়াতে হয়েছে। কেন এই মূল্যবৃদ্ধি হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশায় রয়েছেন অনেকেই।অটোচালকদের অভিযোগ, একদিকে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে গ্যাস ভরাতে হচ্ছে, অন্যদিকে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় তাঁদের সমস্যা আরও বেড়েছে। অনেকেই বলছেন, গ্যাস ভরতে কমপক্ষে তিন থেকে চার ঘণ্টা সময় লাগছে। কেউ কেউ আবার জানিয়েছেন, আগের দিন দুই থেকে তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস পাননি।এর ফলে সময়মতো রুটে পৌঁছাতে না পারায় তাঁদের রোজগারেও প্রভাব পড়ছে। অনেক চালকই বলছেন, এই পরিস্থিতিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।অন্যদিকে গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার কর্মীরাও স্বীকার করছেন যে সরবরাহ কম হয়েছে। তাঁদের মতে, প্রতিদিন যে পরিমাণ গ্যাসের প্রয়োজন হয়, তার প্রায় অর্ধেকই এখন পাম্পে পৌঁছাচ্ছে। ফলে সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

মার্চ ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal