• ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শুক্রবার ২৯ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CCTV

রাজ্য

সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ? স্ট্রংরুম ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগ তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার আউশগ্রাম, ভাতাড়, গলসি, বর্ধমান উত্তর এবং বর্ধমান দক্ষিণএই পাঁচটি বিধানসভার স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে।রবিবার সকালে আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা প্রায় এক ঘণ্টা পনেরো মিনিট বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের দাবি, সকাল নয়টা চব্বিশ মিনিট থেকে দশটা সাঁইত্রিশ মিনিট পর্যন্ত ক্যামেরা কাজ করেনি। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, সকাল থেকেই তারা নজর রাখছিলেন। হঠাৎ করেই দেখা যায় ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি বলে দাবি তাঁর।একই অভিযোগ করেছেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি সেখ আবজল রহমান। তিনি জানান, ওই সময়ের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও এখনও তা দেখানো হয়নি। ফলে এই ঘটনার রহস্য আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

স্ট্রংরুমে হঠাৎ সিসিটিভি বন্ধ, কালনায় চাঞ্চল্য—রাত পাহারায় নামলেন প্রার্থী

দলীয় নেতা-কর্মীদের স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অনুযায়ী বিভিন্ন জেলায় সতর্ক রয়েছেন দলের কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে কালনায় স্ট্রংরুমের সিসিটিভি ক্যামেরা দুই মিনিট বন্ধ থাকার ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন পূর্বস্থলী দক্ষিণ কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী স্বপন দেবনাথ। তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানান। তাঁর দাবি, দুই মিনিট সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এই সময়ের মধ্যেই অনেক কিছু ঘটে যেতে পারে। এরপর তিনি জানান, এখন থেকে তিনি নিজে রাতেও সেখানে পাহারা দেবেন।কালনা কলেজে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে। এই কেন্দ্রগুলি হল কালনা, মন্তেশ্বর, পূর্বস্থলী উত্তর এবং পূর্বস্থলী দক্ষিণ। অভিযোগ, গতকাল সন্ধ্যার কিছু আগে প্রায় দুই মিনিট সিসিটিভি বন্ধ ছিল। দলের স্বেচ্ছাসেবকদের কাছ থেকে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে পুলিশকে কারণ জানতে চান স্বপন দেবনাথ। তিনি বলেন, বড় কোনও ঘটনা ঘটতে খুব বেশি সময় লাগে না, এক মুহূর্তই যথেষ্ট, তাই কেন এই সময় ক্যামেরা বন্ধ ছিল তা স্পষ্ট করা দরকার।অন্যদিকে এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। কালনার বিজেপি প্রার্থী সিদ্ধার্থ মজুমদার বলেন, যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে এত দেরিতে কেন সেখানে পৌঁছলেন তৃণমূল প্রার্থী। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল এখন অজুহাত খুঁজছে। তিনি দাবি করেন, মানুষের মধ্যে এমন ধারণা তৈরি হয়েছে যে এই কেন্দ্রে বিজেপি এগিয়ে রয়েছে।

মে ০১, ২০২৬
কলকাতা

প্রতিটি বুথে নজরদারি, এবার ভোটে থাকবে ৩৬০ ডিগ্রি ক্যামেরা

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু ভোট করাতে বড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। এবার প্রতিটি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হবে। বুথের ভিতরে এবং বাইরে দুজায়গাতেই ক্যামেরা বসানো হবে। প্রতি বুথে অন্তত দুটি ক্যামেরা থাকবে এবং তার সঙ্গে ৩৬০ ডিগ্রি দৃশ্যধারণ করতে সক্ষম বিশেষ ক্যামেরাও বসানো হবে।কমিশন জানিয়েছে, রাজ্যের শতভাগ বুথেই এই নজরদারি চালানো হবে। ত্রিস্তরীয় ব্যবস্থায় এই পর্যবেক্ষণ করা হবে। প্রথম স্তরে রিটার্নিং অফিসার, দ্বিতীয় স্তরে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এবং তৃতীয় স্তরে মুখ্য নির্বাচনী দফতর থেকে সবকিছু দেখা হবে। একাধিক স্ক্রিনে এই সমস্ত ফুটেজ নজরদারি করা হবে এবং প্রতিটি স্ক্রিনের সামনে দুইজন করে পর্যবেক্ষক থাকবেন, একজন নজর রাখবেন এবং অন্যজন তথ্য নথিভুক্ত করবেন।এছাড়াও ভোটযন্ত্র বহনকারী গাড়িগুলির উপরও নজর রাখা হবে। সেই গাড়িগুলিতে জিপিএস থাকবে, যাতে তারা নির্দিষ্ট পথেই যাচ্ছে কি না তা বোঝা যায়। কন্ট্রোল রুমে সিসিটিভির মাধ্যমে সবকিছু রেকর্ড করা হবে। ভোটের এক থেকে দুই দিন আগে থেকেই বুথগুলিতে ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু হবে এবং হাজার হাজার মাইক্রো পর্যবেক্ষক এই কাজে যুক্ত থাকবেন।সংবেদনশীল বুথগুলিতে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে বুথের ভিতরে একাধিক ক্যামেরা বসানো হবে। যদি কোথাও বুথ দখলের ঘটনা ঘটে, তাহলে সেই ভোট বাতিল করে পুনরায় ভোটগ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।কমিশন আরও স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেউ যদি ভোট প্রক্রিয়ায় বাধা দেয়, ভোটারদের ভোট দিতে না দেয় বা জোর করে বুথ দখল করে, তাহলে তা গুরুতর অপরাধ হিসেবে ধরা হবে। এই ধরনের অপরাধে জেল ও জরিমানার শাস্তি হতে পারে। সরকারি কর্মচারী কেউ এই ধরনের কাজে যুক্ত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুনর্নির্বাচনের ক্ষেত্রে শুধু প্রিসাইডিং অফিসারের রিপোর্ট নয়, পর্যবেক্ষক এবং রিটার্নিং অফিসারের রিপোর্টও গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছে কমিশন। নিরাপত্তার দিক থেকেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, যেখানে পর্যাপ্ত পুলিশ দেওয়া সম্ভব নয় সেখানে অতিরিক্ত কর্মী রাখা হবে, যারা বুথের বাইরে নজর রাখবেন।এই ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে চাইছে নির্বাচন কমিশন।

মার্চ ২৮, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে মাস্টারস্ট্রোক! বুথে নজরদারিতে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

নির্বাচনকে ঘিরে এবার কার্যত কড়া ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে সিসিটিভি ওয়েবকাস্টিং-এর ব্যবস্থা থাকলেও এবার বুথের ভিতরে ও বাইরে আলাদা করে ক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতী জেলা শাসক ও কমিশন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেন। কমিশনের ব্যাখ্যা, এবার বুথের ভিতরে বা বাইরে গন্ডগোল হলে তা সরাসরি ক্যামেরায় ধরা পড়বে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ জোরপূর্বক বুথে ঢোকার চেষ্টা করলে সেখানেও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এছাড়া বুথের বাইরে পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবেন মাইক্রোঅবজারভাররা। বৈঠকে কমিশন স্পষ্ট করে জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী যেন কোনও ধরনের আতিথেয়তা গ্রহণ না করে। ঝাড়গ্রাম ও ওড়িশা থেকে একশো জন করে মোট দুশো জন জুডিশিয়াল অফিসার আগামী ৬ মার্চ ভোট পর্যবেক্ষণে থাকবেন। যেখানে বিবেচনাধীন কেস বেশি, সেখানে আরও বেশি অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন।কমিশন সূত্রে খবর, কিছু বুথে এখনও জল বা বিদ্যুৎ সমস্যা রয়েছে। সবকিছু ঠিক আছে কিনা খতিয়ে দেখতে হবে এবং রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই প্রাক-প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে কমিশন কোমর বেঁধে নেমেছে।

মার্চ ০৪, ২০২৬
দেশ

১৩ দিন আল ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে লুকিয়ে ছিল ঘাতক গাড়ি! উমর নবীর ছক ফাঁস

দিল্লির রেড ফোর্ট বিস্ফোরণ কাণ্ডে উঠে আসছে রোমহর্ষক তথ্য। তদন্তে জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে ব্যবহৃত Hyundai i20 গাড়িটি প্রায় ১৩ দিন ধরে লুকিয়ে রাখা ছিল হরিয়ানার আল ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরেই! সূত্রের খবর, ২৯ অক্টোবর থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত সেই গাড়িটি বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্কিং লটেই দাঁড়িয়ে ছিল। আর এই সময়েই তৈরি হচ্ছিল ভয়ঙ্কর পরিকল্পনা।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, গাড়িটি কেনা হয়েছিল ২৯ অক্টোবরই। পরের দিনই দূষণ পরীক্ষার (PUC) জন্য একবার বাইরে নেওয়া হয়, তারপর ফের এনে রেখে দেওয়া হয় ঠিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল বিভাগের পাশে, যেখানে আগে থেকেই দাঁড়িয়ে ছিল ডাক্তার মুজাম্মিলের সহযোগী শাকিলের গাড়ি। CCTV ফুটেজে দেখা গিয়েছে, এই ১১ দিনের মধ্যে বারবার কয়েকজন যুবক গাড়িটির আশেপাশে ঘোরাফেরা করছিলেন।তদন্তকারীদের মতে, এটা যে একেবারে পূর্বপরিকল্পিত সন্ত্রাস ছক, তা নিয়ে আর কোনও সন্দেহ নেই। আল ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই বিস্ফোরকের জোগান হয়েছে সেই বিষয়ে প্রায় নিশ্চিত গোয়েন্দারা। এখন তাঁদের প্রশ্ন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবের কেমিক্যাল থেকেই কি তৈরি হয়েছিল সেই মারাত্মক বিস্ফোরক, নাকি বাইরের জঙ্গি নেটওয়ার্ক থেকে এনে সেখানে মজুত করা হয়েছিল বিপুল পরিমাণ সামগ্রী?প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে আরও বিস্ফোরক তথ্য। মনে করা হচ্ছে, এই পুরো পরিকল্পনার মূল মস্তিষ্ক শুধু ড. উমর নবি নন, তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন অধ্যাপক মুজাম্মিলও। কিন্তু মুজাম্মিল গ্রেফতার হওয়ার পরই আতঙ্কে পড়ে যান উমর। তাঁর ধারণা হয়, আর বেশি দিন আল ফলাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্কিং লটে গাড়ি রেখে নিরাপদ থাকা সম্ভব নয়। আর সেই আতঙ্কেই ১০ নভেম্বর সকালে দ্রুত গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন তিনি গন্তব্য দিল্লি।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, গাড়ির ভিতরে উমরের সঙ্গে ছিলেন আরও তিনজন। তাঁদের অস্তিত্বও মিলেছে তদন্তে। গাড়িটি ছিল বিস্ফোরক বোঝাই। পথজুড়ে গাড়ির গতি ছিল ভয়ঙ্কর দ্রুত।হরিয়ানা থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে রাজ্য সীমান্তের বদরপুর টোল প্লাজায় গাড়িটি ধরা পড়ে। টোল কর্মীদের জেরা করে পুলিশ জানতে পেরেছে, সোমবার সকাল ৮টা ১৩ মিনিটে ২৫ নম্বর টোল গেট দিয়ে দিল্লিতে প্রবেশ করে উমরের গাড়ি। টোলের ২৬ নম্বর গেটটিতে ইমার্জেন্সি লেখা বোর্ড থাকা সত্ত্বেও সেখানে ঢোকার চেষ্টা করেছিল গাড়িটি। কর্মীরা বাধা দিলে পাশের গেট দিয়ে প্রবেশ করে উমর। টোল প্লাজার কর্মীদের কথায়, রাস্তা ছিল ব্যস্ত, কিন্তু গাড়ির গতি এতটাই বেশি ছিল যে, মুহূর্তে চোখের আড়ালে চলে যায়।তদন্তকারীরা বলছেন, এত দিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে গাড়ি লুকিয়ে রাখা, মুজাম্মিলের যোগসূত্র, এবং তারপর আতঙ্কে পালানো সব মিলিয়ে এটা যে একটি ভয়ঙ্কর সন্ত্রাস মডিউলের অংশ, তা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
কলকাতা

সিসিটিভি, নিরাপত্তা কর্মী, অধ্যাপক নিয়োগ—দায়িত্ব নিয়ে বড় ঘোষণা যাদবপুরের উপাচার্য চিরঞ্জীবের

অবশেষে আড়াই বছরের অপেক্ষার অবসান। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে পেল স্থায়ী উপাচার্য। দায়িত্ব নিলেন অধ্যাপক চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। বহু উত্তাল অধ্যায়ের পরে, এই ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে এটি নতুন শুরুর বার্তা। দায়িত্বভার গ্রহণ করেই তিনি জানিয়ে দিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থা, নিরাপত্তা এবং অধ্যাপক নিয়োগই তাঁর অগ্রাধিকার।সোমবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ চিরঞ্জীব বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছতেই তাঁকে স্বাগত জানান অধ্যাপক, আধিকারিকরা। দায়িত্ব নিয়ে তিনি বলেন, পঠনপাঠনের মান উন্নত করতে হলে অধ্যাপক নিয়োগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। রাজ্য সরকারের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করব। চেষ্টা করছি ডিসেম্বরে সমাবর্তন আয়োজন করা যায় কি না। তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্ট্যাটিউট নিয়ে সকল মহলের সঙ্গে কথা বলবেন।যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্প্রতি প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। কিছুদিন আগে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর গাড়ির উপর হামলা এবং ক্যাম্পাসের ভিতরে ঝিলে পড়ে এক ছাত্রী মৃত্যুর ঘটনা কলঙ্ক লেপেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে। সেই অবস্থার মধ্যেই রাজ্য সরকার যাদবপুরের দুই ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত ৭৪টি সিসিটিভি বসানোর জন্য অর্থ মঞ্জুর করে। চিরঞ্জীব জানিয়েছেন, দ্রুত এই কাজ শুরু হবে। তাঁর কথায়, শুধু সিসিটিভি নয়, নিরাপত্তার জন্য আরও কর্মী নিয়োগের বিষয়েও সরকারের সঙ্গে আলোচনা করব।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সম্প্রতি রাজ্যের ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ করেন রাজ্যপাল। ইতিমধ্যে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিয়েছেন অধ্যাপক আশুতোষ ঘোষ। এবার যাদবপুরও পেল নেতৃত্ব। শিক্ষাঙ্গনের আশানতুন উদ্যোগে পুরনো সুনাম ফিরিয়ে এনে আবারও দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সারিতে উজ্জ্বল হয়ে উঠবে যাদবপুর।

নভেম্বর ০৪, ২০২৫
কলকাতা

কিছু দিন আগে ধাক্কা, সেই গাড়ি ধরে ব্যাপক ভাঙচুর, প্রকাশ্যে সিসিটিভি ফুটেজ

রাজারহাট চৌমাথায় প্রাইভেট চারচাকা গাড়ি ভাঙচুর। প্রকাশ্যে সিসিটিভি ফুটেজ। বাস লাঠি ইট দিয়ে ভাঙচুর করা হয় গাড়িটি। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার সাতজন।পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় প্রাইভেট চারচাকা গাড়িটি বেশ কয়েকদিন আগে রায়গাছি এলাকা দিয়ে যাওয়ার সময় এক ব্যক্তিকে ধাক্কা মারে। এলাকার মানুষ গাড়িটিকে আটকানোর চেষ্টা করলেও গাড়িটি দ্রুত গতিতে পালিয়ে যায়। এলাকার মানুষ সেই গাড়িটির ছবি মোবাইল বন্দি করে। গতকাল ওই গাড়িটিকে আবার দেখা যায় রাজারহাট জগারডাঙ্গা এলাকায় সে সময় স্থানীয়রা সেই গাড়িটিকে থামিয়ে ভাঙচুর করার চেষ্টা করে এরপর সেই গাড়িটি কোনভাবে পালিয়ে রাজারহাট চৌমাথায় ট্রাফিক বুথের সামনে গিয়ে দাঁড়ালে ধাওয়া করে সেখানে ৫০ থেকে ৬০ জন গিয়ে গাড়িটা কি ঘিরে ধরে বাস লাঠি পাথর দিয়ে গাড়িটি ভাঙচুর চালায়। আর সেই ভিডিও ধরা পড়ে সিসিটিভি ক্যামেরায়। ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয় রাজারহাটের বিভিন্ন এলাকা থেকে। বাকিদের খোঁজ চালাচ্ছে রাজারহাট থানার পুলিশ।

জুলাই ০৪, ২০২৫
রাজ্য

বাগুইআটি বাজারে কালি মন্দিরে চুরি, ২৫০ সিসিটিভি দেখে কিনারা করল বিধাননগর পুলিশ

গত মাসের শেষ সপ্তাহে বাগুইআটি বাজারের কালি মন্দির থেকে ঠাকুরের গহনা চুরি যায়। সেই ঘটনার তদন্তে নামে বাগুইআটি থানার পুলিশ। এরপর সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করে পুলিশ। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে চুরি করে দুস্কৃতি দমদম স্টেশন থেকে কৃষ্ণনগর লোকালে করে চম্পট দেয়। এরপরে পুলিশ তিনটে দলে ভাগ হয়ে নদীয়ার চাকদা থেকে গহনাগুলি উদ্ধার করে পুলিশ। সেখান থেকে যিনি গহনা গুলি গ্রহন করে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পাশাপাশি সেখান থেকে চোর-কে গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার বিধাননগর পুলিশের ডিসি এয়ারপোর্ট ঐশ্বর্য সাগর জানান, তদন্তে তারা প্রায় ২৫০টি সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুস্কৃতি সনাক্ত করে এই ঘটনার কিনারা করে। তিনি আরও জানান, এই দুস্কৃতীরা বাড়ি বাড়ি কাপড় জামা বিক্রির নামে এলাকা রেকি করেন। এই ঘটনার ক্ষেত্রে ১৫দিন ধরে তারা রেকি করেন।

মার্চ ১৯, ২০২৫
কলকাতা

র‍্যাগিংয়ে মৃত ছাত্রের মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ মমতার, একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

ছেলের অকাল মৃত্যুর শোক এখনও কাটেনি। দোষীদের সাজার দাবিতে সোচ্চার ছাত্রের বাবা মা। এরইমধ্যেই সোমবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ব়্যাগিংয়ে নিহত পড়ুয়ার মা, বাবা নবান্নে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। কথা বলতে বলতে এদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন মৃতের মা। শান্তনা দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। এরই মাঝে মৃতের মাকে তাঁর বাড়ির কাছে চাকরি এবং ভাইয়ের পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর তরফে মৃত ছাত্রের পরিবারকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, নিহতের স্মৃতিতে বগুলা গ্রামীণ হাসপাতালের নামকরণ করা হবে। ওই হাসপাতালেই বসানো হবে তার মূর্তি।গত ৯ আগস্ট রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের বারান্দা থেকে পড়ে দিয়ে স্নাতকস্তরের প্রথম বর্ষের ছাত্রের মৃত্যু হয়। যা ঘিরে শোরগোল পড়ে য়ায়। ব়্যাগিংয়েই মৃত্যু হয়েছে ওই নাবালক পড়ুয়ার। এই ঘটনায় পুলিশ তদন্তে নেমে বর্তমান ও প্রাক্তনী মিলিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েরই ১৩ জনকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তদের জেরায় এখনও পর্যন্ত পুলিশের অনুমান, ব়্যায়গিংয়ের জেরেই ওই পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে।ইউজিসি গাইডলাইন মেনে কেন যাদবপুরে সিসি ক্যামেরা নেই তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আতসকাচে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভমিকাও। স্টুডেন্টস অফ ডিন ও রেজিস্ট্রারকে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করেছে লালবাজার।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

কলরব হোক পরিবেশ নিয়ে, খোঁজা হোক অসুখের বীজ, মুক্ত চিন্তার আকাশ যাদবপুর ফিরে পাক হৃত গৌরব

সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমের পাতায়, টি ভি চ্যানেলে ও সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত ভেসে উঠছে যাদবপুরের নাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে র্যাগিংয়ে ছাত্র মৃত্যুতে তোলপাড় রাজ্য। জনমানসেও ছড়িয়েছে গভীর উদ্বেগ। তুমুল নিন্দা আর সমালোচনার ঝড় বইছে। অথচ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গড়ে ওঠা এবং এগিয়ে চলার মধ্যে রয়েছে এক আকাশ সমান ঐতিহ্য। সেই ঐতিহ্যের ধারক হল রবীন্দ্রনাথের মুক্ত চিন্তার আধারে শিক্ষা দানের পথ নির্দেশ। রয়েছে অধ্যাপক অধ্যাপিকাদের পড়ুয়াদের প্রতি গভীর দায়িত্ববোধ। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রথম বর্ষের ছাত্রের মৃত্যু এক অন্ধকার জগতকে প্রকাশ্যে এনে দিয়েছে।যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাধারণত তিনটি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে থাকে। প্রথম, অধ্যাপক -অধ্যাপিকারা, দ্বিতীয়, পড়ুয়ারা, তৃতীয়, প্রশাসন বিভাগ। এই তিন স্তম্ভের নির্মাণ ইতিহাসে উজ্জ্বল নাম যাদবপুরের প্রথম উপাচার্য ত্রিগুনা সেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ শুরু করার জন্য তিনি ডেকে এনেছিলেন পঁচিশ বছরের এক যুবককে। সেই যুবকের মস্তিষ্কে ছিল রবীন্দ্রনাথের মুক্ত চিন্তার আকাশ। সেই যুবক আজকে নবতিপর বিশ্ববন্দিত অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। দেড় দশক আগে পর্যন্ত এই ঐতিহ্যের পথে চলা অধ্যাপক অধ্যাপিকারা সংখ্যায় ভারী ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে এই সংখ্যাটি কমেছে। এখনও যে দু-এক জন রয়েছেন তাঁরা নিভৃতে কর্মজীবনের শেষ প্রহরের জন্য অপেক্ষা করেছেন।আরও পড়ুনঃ যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় সরাসরি সিপিএমের ছাত্র ইউনিয়নকে নিশানা মমতারপ্রশ্ন উঠেছে যে বিদ্যালয়ের ব্রত তমসো মা জ্যোতির্গময়... সেখানে আজ এই অন্ধকার কেন? অনেকে বলছেন এই অন্ধকারের শুরু নকশাল আন্দোলনের সময় থেকে। সেদিন পরীক্ষা পিছোনোর দাবি না মানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে খুন হয়েছিলেন উপাচার্য গোপালচন্দ্র সেন। কিন্তু সেদিন অন্ধকারের পাশে আলোও ছিল। সেই সময়ই তো কলকাতার রাজপথে যাদবপুরের এক নকশালপন্থি ছাত্রর গুলিবিদ্ধ দেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে অধ্যাপক শঙ্খ ঘোষের কলম লিখেছিল, ময়দান ভারী হয়ে নামে কুয়াশায়, দিগন্তের দিকে মিলিয়ে যায় রুটমার্চ, তার মাঝখানে পথে পড়ে আছে ও কি কৃষ্ণচূড়া? নিচু হয়ে বসে হাতে তুলে নিই তোমার ছিন্ন শির, তিমির। সেই আলো অন্ধকারের দিনেও জাগ্ৰত ছিল বোধ, তাই বোধহীন রাজনীতির শিকার যখন পিতৃসম এক অধ্যাপক তখন আরেক পিতৃসম অধ্যাপক এক ছাত্রের ছিন্নশির কোলে তুলে নেন পরম মমতায়।কয়েক বছর আগে যাদবপুর থেকে পাশ করে বেরোনো বেশ কয়েকজন পড়ুয়ার সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে পড়ুয়া ও অধ্যাপকদের সম্পর্কের এই রসায়ন প্রায় শুন্যে এসে ঠেকেছে। আর এর মধ্যেই রয়েছে যাদবপুরের অসুখের বীজ। প্রাক্তনদের মতে এই অসুখ শুধু হোস্টেলের মধ্যেই ছড়িয়েছে তা নয়, গোটা বিশ্ববিদ্যালয়ই তা ছড়িয়ে পড়েছে।পেশাগত কারণে তিন দশক ধরে রাজ্যের ছাত্র রাজনীতিকে খুব কাছ থেকে দেখছি। বাম আমলে যখন রাজ্যের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে সিপিআইএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের ক্ষমতায়ন সম্পুর্ন তখনও যাদবপুরের ছবিটা ছিল ভিন্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা বিভাগে এসএফআইয়ের দাপট থাকলেও বাকি বিভাগ গুলোতে তারা ছিল সংখ্যালঘু। যাদবপুরের সবচেয়ে বড় বিভাগ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ছাত্র সংসদ FETSU নির্বাচনে প্রায় পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে জিতে আসছে Democratic Student Federation। এই সংগঠন বামপন্থী হলেও কোনো প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের অনুগামী নয়। We the Independent বা WTI এই ছাত্র সংগঠন তিন দশক ধরে বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র সংসদ। SFSU য়ের নির্বাচনে জিতে আসছে। এরাও কোনো রাজনৈতিক দলের শাখা সংগঠন নয়। কলা বিভাগের ছাত্র সংসদ AFSU তে নির্বাচনে এসএফআই অতীতে দীর্ঘকাল জিতেছে। মাঝে মাঝে ছাত্রর সংসদের নির্বাচনে জিতেছিল বামপন্থী সংগঠন AISA । তবে ২০০৫ সালে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে তৈরি হয় Forum for Arts Students বা FAS, এই সংগঠনের মধ্যে রয়েছে Radical Left ছাড়াও বিভিন্ন মতাদর্শে বিশ্বাসী পড়ুয়া। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে কয়েকটি ছোট ছোট নকশাল পন্থি সংগঠন।আরও পড়ুনঃ র্যাগিং কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, মমতা বড় দায়িত্ব দিলেন টিএমসিপি নেত্রী রাজন্যাকেঅনেকেই বলছেন যাদবপুর মানেই রাজনীতির আখড়া। এই প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার পিছনে রয়েছে রাজনৈতিক ও সামাজিক লক্ষ। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে উত্তাল বাংলায় এই প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়। জাতীয়তাবাদী নেতা অরবিন্দ ঘোষ, সতীশ চন্দ্র মুখার্জি এবং রাজা সুবোধ চন্দ্র মল্লিক প্রতিষ্ঠা করেন কাউন্সিল অফ এডুকেশন। ভারতীয় পড়ুয়াদের জাতীয়তাবাদী ভাবধারায় উচ্চ মানের শিক্ষার সুযোগ করে দিতেই এই প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়। ১৯৫৫ সালে এই প্রতিষ্ঠানই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়। তাই জন্মলগ্ন থেকেই যাদবপুরের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধে ধারাবাহিকতা রয়েছে। ছয়ের দশকে বাংলায় উত্তাল ছাত্র আন্দোলন ও সত্তরের নকশালবাড়ি আন্দোলনে প্রথম সারিতে ছিল যাদবপুর সিঙ্গুর-নন্দীগ্ৰাম যাদবপুরের পড়ুয়ারা আন্দোলনে নেমেছিল। ২০১৪ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হেনস্থার প্রতিবাদে হোক কলরব আন্দোলন দেখেছে যাদবপুর।বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরু থেকেই বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে কোন একটি নির্দিষ্ট ছাত্র সংগঠন জেতেনি। বিভিন্ন বিভাগে নির্বাচনে বিভিন্ন দল জেতায় হস্টেল থেকে শুরু করে বিভাগীয় অলিন্দে ক্ষমতাও ভাগাভাগি হয়েছে। ছাত্র রাজনীতি এই আবহের মধ্যে র্যাগিংয়ের মত কদর্য প্রথা যে অঞ্চলে যে ছাত্রর সংগঠনে ক্ষমতা রয়েছে সে সেখানে র্যাগিংয়ের মাধ্যমে ক্ষমতা জাহির করেছে। তাই নানান বিষয়ে ভিন্ন মত থাকলেও র্যাগিং আটকাতে কতৃপক্ষ কড়া হলেই সব সংগঠনই বাধা দিয়ে এসেছে। বহু প্রাক্তনীর মতে গত দেড় দশকে শুধু হস্টেলে নয় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেও অনেকেই র্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন। সম্প্রতি Indian Express য়ে যাদবপুরের এমেরিটা অধ্যাপক সুপ্রিয়া চৌধুরী লিখেছেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে ২০০৯ সালে নতুন পড়ুয়াদের জন্য আলাদা হস্টেলের ব্যাবস্থা করা হয়। সেই সময় এর বিরুদ্ধে সব ছাত্র সংগঠন ই প্রতিবাদে নামে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে Anti Ragging Committee মাঝরাতে হস্টেলে হস্টেলে নজরদারি চালায়। নজরদারি চালিয়ে ২০১৩ সালে দুই ছাত্রকে র্যাগিংয়ের অভিযোগে দুটি সেমেস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু, অভিযুক্তদের বাঁচাতে পড়ুয়ারা উপাচার্য সৌভিক ভট্টাচার্যকে ঘেরাও করেন। কোনো ছাত্র সংগঠনই এর প্রতিবাদ করেনি। এমনকি Dean ও শাস্তির সিদ্ধান্ত বিবেচনা করতে বলেন। এই পরিস্থিতিতে উপাচার্য পদত্যাগ করেন।প্রাক্তন অধ্যাপিকার বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যাদবপুরের র্যাগিংয়ের শিকড় অনেক গভীরে। আর এই অপরাধ চলার পিছনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো পক্ষই দায় এড়াতে পারে না। এই কলুষিত পরিবেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়কে মুক্ত করতে হবে। তবে বিভিন্ন মহল থেকে যে ভাবে একপেশে সমালোচনা চলছে সেটাও বন্ধ হওয়া উচিৎ। শিক্ষাক্ষেত্রে যাদবপুর যে উৎকর্ষতা ছুঁয়েছে তাকেও স্বীকার করতে হবে এবং রক্ষা করতে হবে। ২০২২ সালে National Institutional Ranking Framework (NIRF) য়ের সমীক্ষায় এই রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে প্রথম স্থানে ছিল যাদবপুর। গোটা দেশের মধ্যে ছিল চতুর্থ স্থানে। চলতি বছরেও NIRF য়ের তালিকায় দেশের মধ্যে চতুর্থ স্থান পেয়েছে যাদবপুর। ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও দেশের নটি আইআইটির পরে। সম্প্রতি ইসরোর চন্দ্রায়ন team য়েও যাদবপুরের একাধিক অধ্যাপক ও গবেষক বিজ্ঞানী রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ যাদবপুর কাণ্ড: সমস্ত জায়গায় সিসি টিভির সিদ্ধান্ত ঝুলে, তবে বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ ঘোষণাযে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়েরই গবেষণার মান উচ্চ পর্যায়ের না হলে উৎকর্ষতা ছুঁতে পারে না। উচ্চমানের গবেষণার জন্য অর্থের প্রয়োজন। অথচ ২০১৭ সাল থেকে বিভিন্ন খাতে কেন্দ্রীয় অনুদান প্রায় বন্ধ রয়েছে। রাস্ট্রীয় উচ্চতর শিক্ষা অভিযান প্রকল্পে বরাদ্দ অর্থ পায়নি এই বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির নীতি আয়োগ থেকে অর্থ আসার কথা Special Assistance Program খাতে যে কেন্দ্রীয় অর্থ আসার কথা তাও প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। গত ছবছর ধরে Major Research Project প্রকল্পে UGC অনুদান দেওয়া বন্ধ রেখেছে। ২০১৯ সালে UGC যাদবপুরকে দেশের Institutes of Eminence য়ের তালিকায় রাখে। এরফলে পাঁচ বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০০কোটি টাকা অনুদান পাওয়ার কথা ছিল। এই অনুদানের চল্লিশ শতাংশ দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। কিন্তু রাজ্য সরকার তা না দেওয়ায় UGC যাদবপুরের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের শিক্ষা বাজেটেও যাদবপুরের জন্য বরাদ্দ প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় চালানোর জন্য বছরে ৫৫-৬০কোটি টাকা প্রয়োজন। তবে চলতি বছরে যাদবপুরের জন্য রাজ্যের বরাদ্দ ২৫ কোটি টাকা। যাদবপুরের অস্তিত্ব বিপন্ন হলে আর্থিক ভাবে দুর্বল মেধাবী পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ ও বিপন্ন হবে। যাদবপুরের কলা বিভাগের পড়ুয়াদের মাসিক বেতন ৭৫ টাকা। বিজ্ঞান বিভাগে ১৫০ টাকা। ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ২০০ টাকা। হস্টেলে থাকার মাসিক খরচ ২৫ টাকা। এই কারণে গ্ৰাম, মফস্বল ও শহরে আর্থিক ভাবে দুর্বল মেধাবী পড়ুয়ারা এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বেরিয়ে দেশে বিদেশে নামি দামী প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। অনেকে দেশ বিদেশের নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করছেন অথবা পড়াচ্ছেন। এই আকালের সময় এমন একটি শিক্ষা কেন্দ্রকে টিঁকিয়ে রাখাও সামাজিক কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। তাই কাঠ কাটতে গিয়ে গোটা গাছটা কেটে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৩
কলকাতা

যাদবপুর কাণ্ড: সমস্ত জায়গায় সিসি টিভির সিদ্ধান্ত ঝুলে, তবে বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ ঘোষণা

যাদবপুরের মেন হস্টেলে সিসি ক্যামেরা নেই। এই নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত। ছাত্র মৃত্যুর পর সিসি ক্যামেরা নেই কেন তা নিয়ে বারেবারে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার পর এক সপ্তাহের বেশে অতিক্রান্ত হলেও কোন হেলদোল নেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের। তবে বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তায় কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু হস্টেলে সিসি ক্যামেরা বসানো নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু। আপাতত শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটেই সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের সদস্যরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে রেজিস্ট্রার জানিয়েছেন।যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এদিনের সিদ্ধান্ত, রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রবেশে পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে যেসব দু-চাকা বা চার-চাকা প্রবেশ করবে সেগুলোতে কর্তৃপক্ষের দেওয়া স্টিকার তাকাও বাধ্যতামূলক। চালকদেরও কাছে থাকতে হবে নির্দিষ্ট পরিচয়পত্র। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্যাম্পাসে মাদক নেওয়ার সময় ধরা পড়লে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। তবে, ক্যাম্পাসে প্রবেশে কেন ২৪ ঘন্টা ক্যামেরায় নজরদারি থাকবে না তার কোনও উত্তর দিতে পারেননি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার।কেন হস্টেলে সিসি ক্যামেরা থাকবে না? প্রশ্নের জবাবে রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু বলেন, হস্টেলে রেজিস্টার খাতা বা লগ বুক থাকছে। হস্টেলের গেটে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিকে চিহ্নিত করে বসানো হবে সিসিটিভি। এ ব্যাপারে সিসিটিভি-র সংস্থার সঙ্গে কথাও বলা হচ্ছে। সিসি ক্যামেরা নিয়ে সব সিদ্ধান্ত নেবে এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল।অন্যদিকে যাদবপুরের প্রথমবর্ষের ছাত্র-মৃত্যুর তদন্তে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম গঠন করল রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতর। আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে গোটা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই কমিটিকে।

আগস্ট ১৭, ২০২৩
কলকাতা

খাস কলকাতায় মদের দোকানে পিটিয়ে খুন, রণক্ষেত্র ঢাকুরিয়া

পঞ্চায়েত ভোটের জেরে এখনও রাজ্যজুড়ে খুনের পালা চলছে। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য়। তারই মাঝে রবিবার খাস কলকাতায় মদের দোকানে পিটিয়ে খুন করা হল এক ব্যক্তিকে। দোকানের সিসি টিভি ফুটেজে সেই রোমহর্ষক দৃশ্য ধরা পড়েছে। মৃত ব্য়ক্তির নাম সুশান্ত মন্ডল। পেশায় গাড়িচালক। ঢাকুরিয়ার পঞ্চানন তলার বাসিন্দা। এই ঘটনার পর রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। দোকান ভাঙচুর চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। এদিকে এই খুনের ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জুলাই ৩০, ২০২৩
বিদেশ

গুলিবিদ্ধ পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, সিসিটিভি ফুটেজে কি দেখা গেল?

এবার গুলিবিদ্ধ পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। মিছিল চলাকালীন তাঁকে গুলি করা হয়েছে বলেই খবর। কয়েক বছর আগে পাকিস্তানের আরেক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো নির্বাচনী প্রচারে নিহত হয়েছিলেন। তবে এক্ষেত্রে গুলিবিদ্ধ হলেও ইমরান বিপন্মুক্ত বলেই জানা গিয়েছে। ঘটনার সময় ইমরান তাঁর মিছিল নিয়ে ইসলামাবাদের দিকে যাত্রা করেছিলেন। আক্রমণকারী যুবককেও পাল্টা গুলি করা হয়েছে বলে খবর।তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর প্রবীণ নেতা ফারুক হাবিব প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা স্বীকার করে টুইট করেছেন, কাপুরুষদের মুখোশ খুলে গেল। ইমরান খান আহত। আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুক। গোটা জাতির ইমরান খানের জীবনের জন্য প্রার্থনা করা উচিত। জানা গিয়েছে এই রাজনীতিক তথা প্রাক্তন পাক ক্রিকেট দলের অধিনায়কের পায়ে গুলি লেগেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বেশ কিছুক্ষণ পরে গুলিকাণ্ডের নিন্দা করেছেন। তবে গুলিকাণ্ডের পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র দেখছে ইমরানের অনুগামীরা।জানা গিয়েছে, গুলি চালনার ঘটনায় ইমরানের দলের এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। গুজরানওয়ালার আল্লাহওয়ালা চকে বিশেষ ক্যাম্পে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য তোরজোড় চলছিল তখনই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তবে আক্রমণকারীরা কতজন ছিল তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে, মোটরসাইকেলে একজন বন্দুক হাতে ছিল। ওই ব্যক্তি নাভিদ বলে পরিচিত। গুলির আওয়াজ শুনতেই নাভিদকে ধরে ফেলে উত্তেজিত জনতা। গনপিটুনির পর তাঁকে পাল্টা গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এই নাভিদের পিছনে কে তা এখনও স্পষ্ট হয়নি।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
কলকাতা

বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ডে সিসিটিভি ফুটেজ বড় ভুমিকা নিতে পারে বলে মনে করছে সিআইডি

গতকাল সন্ধায় বাগুইআটি জোড়া খুন কাণ্ডে ভাঙ্গড় থানার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখলেন CID তদন্তকারী অফিসারেরা। বাগুইয়াটি জোড়া কাণ্ডে বাসন্তী হাইওয়ের ঘটকপুকুর সহ ভাঙ্গড় থানা এলাকার একাধিক মোড়ের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে তিনজনার একটি CID টীম। তাঁরা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্তে আসতে চাইছেন সেদিন কোন জায়গায় ঘটনাটি ঘটেছে। এখনও অবধি মুল অভিযুক্ত অধরা।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
কলকাতা

CCTV: পুরভোটে সব বুথে রাখতে হবে সিসিটিভি, কমিশনকে নির্দেশ হাইকোর্টের

আসন্ন কলকাতা পুরভোটে সমস্ত বুথে সিসিটিভি ব্যবহারের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে এই নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। বুথের পাশাপাশি স্ট্রং রুমেও সিসিটিভি ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।কলকাতা পুরসভায় ৪ হাজার ৮৪২ প্রধান বুথ এবং ৩৬৫টি অতিরিক্ত বুথ রয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ মতো এই সব বুথ এবং স্ট্রং রুমে ব্যবহার করতে হবে সিসিটিভি ক্যামেরা। কলকাতা পুরভোটে ২৫ শতাংশ বুথে সিসিটিভি ব্যবহারের কথা জানিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাইকোর্টে। এই মামলকারী আবেদনে জানান, গত নির্বাচনের পর এখানে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটেছে। তা ছাড়া গত বার পুরসভার নির্বাচনে এক জন এসআই গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। এখানে কলেজ নির্বাচনেও পুলিশ আহত হয়। তাই অশান্তি এড়াতে পুলিশ বাহিনী বাড়ানো এবং সিসিটিভি ক্যামেরার ব্যবহার জরুরি।এই মামলার শুনানি ছিল মঙ্গলবার। মামলাটি উঠেছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, নির্বিঘ্নে ভোট করাতে সব রকম পদক্ষেপ করেছে কমিশন। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক, যিনি রিটার্নিং অফিসার, তাঁর রিপোর্টের ভিত্তিতেই স্পর্শকাতর ২৫ শতাংশ বুথে সিসিটিভি লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। যদিও হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তে কোনও আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করছে। তারা সব বুথে সিসিটিভি ব্যবহার করতে চাইলে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীও আদালতে বলেছেন, মামলাকারীর আবেদন মতো সব বুথে সিসিটিভি লাগাতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

Independence Security: স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ঢেকেছে শহর

রবিবার স্বাধীনতা দিবস। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে কলকাতাকে। নবান্ন সূত্রে জানানো হয়েছে, কলকাতার নিরাপত্তায় মোতায়েন থাকবেন প্রায় চার হাজার পুলিশকর্মী। রেড রোডে মূল অনুষ্ঠানে পতাকা উত্তোলন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে রেড রোডে নিরাপত্তা আটোসাঁটো করা হয়েছে। রেড রোডে তিনটি ওয়াচ টাওয়ার তৈরি করেছে কলকাতা পুলিশ। সেখান থেকেই নজর রাখা হবে। রবিবার রাস্তায় থাকবেন ১১ জন ডিসি পদমর্যাদার আধিকারিক। গোটা নিরাপত্তা ব্যবস্থার তদারকির দায়িত্বে থাকছেন অতিরিক্ত নগরপাল দময়ন্তী সেন।লালবাজার সূত্রে খবর, রেড রোড এবং গোটা কলকাতার নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে ২৩টি পয়েন্টে নাকা চেকিং চলছে। প্রত্যেকটি গাড়ি পরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রায় ৫০০টি অতিরিক্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে রেড রোড ও আশেপাশের এলাকায়। এছাড়াও ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালাবে পুলিশ। কলকাতার বিভিন্ন হোটেল ও গেষ্ট হাউসে তল্লাশি চলছে। কলকাতার রাস্তায় রাস্তায় টহল দেবে পর্যাপ্ত পরিমান হেভি রেডিও ফ্লাইং স্কোয়াড। করোনা অতিমারির মধ্যেই এবার স্বাধীনতা দিবস পালন করা হবে। তাই বাড়তি সতর্ক রাজ্য প্রশাসন। কোভিডবিধি মেনে এবার রেড রোডে স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষেধ থাকছে। তবে রাজ্যের মন্ত্রীরা সহ আমন্ত্রিত অতিথিরা থাকবেন অনুষ্ঠানে। দুরত্ববিধি মেনেই তাঁদের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এবার অবশ্য ট্যাবলো ফিরছে কুচকাওয়াজে। মোট ৪০ মিনিটের একটি অনুষ্ঠান করা হবে বলেই নবান্ন সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ স্বাধীনতা দিবসে হামলার ছক, রেহাই পেল না ৪ জইশ জঙ্গি কোভিড বিধি অক্ষরে অক্ষরে পালন করে অনাড়ম্বরভাবেই দেশের ৭৫-তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রস্তুতি নিয়েছে রাজ্য সরকার। অতিমারির আবহে গত বছরেও স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল সাদামাটা। এবারও দর্শকহীন রেড রোডে মাত্র শ খানেক অতিথির উপস্থিতিতে মিনিট ৪০-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠান। যদিও স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তির বিশেষ গুরুত্বের কথা মাথায় রেখে শোভাযাত্রায় ট্যাবলোর সংখ্যা কিছু বাড়ছে। স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কৃষকবন্ধু, জল স্বপ্ন, খেলা দিবস- এর মতো নতুন প্রকল্পগুলি মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে ৯ থেকে ১০টি ট্যাবলো। এছাড়া তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং একতাই সম্প্রীতির ওপর ট্যাবলো বানানো হচ্ছে। কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের তরফে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফের ওপরে থাকছে বিশেষ ট্যাবলো। এবারেও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীরা অংশগ্রহণ করছে না। গান শোনাবে লোকপ্রসার শিল্পের বাউলের দল। পতাকা উত্তোলন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এর পরে পুলিশ মেডেল প্রদান করবেন তিনি।কলকাতা ও রাজ্য পুলিশের সুসজ্জিত টুকরি অংশ নেবে মার্চপাস্টে।

আগস্ট ১৪, ২০২১
কলকাতা

হাওড়ার স্ট্রংরুমগুলিতে সিসিটিভির কড়া নজরদারি

হাওড়া জেলার সবকটি স্ট্রংরুমের নিরাপত্তায় লাগানো হয়েছে সিসিটিভি। এছাড়াও স্ট্রংরুমের বাইরে একটি এলইডি স্ক্রিন লাগানো রয়েছে। যেখানে সিসিটিভিতে ধরা পড়া স্ট্রংরুমের বাইরের ছবি দেখা যাচ্ছে। কেউ স্ট্রংরুমের বাইরে আসছেন কি না তা যেমন হাওড়ায় নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকরা নজর রাখতে পারছেন, তেমনই সাধারণ মানুষ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাও তা দেখতে পাচ্ছেন। স্ট্রংরুমে যাতে কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্যই নজরদারির এই ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও জেলার ১২টি স্ট্রংরুমের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। স্ট্রংরুমের গেটের বাইরে পাহারা দিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। হাওড়া জেলায় যেখানে যেখানে স্ট্রংরুম রয়েছে সেগুলি হল বেলুড় রামকৃষ্ণ মিশন শিক্ষামন্দির, হাওড়া ময়দানের সেন্ট থমাস চার্চ স্কুল, শিবপুরের আইআইইএসটি, সাঁকরাইলের সিকম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, পাঁচলার নয়াচক যদুনাথ হাইস্কুল, উলুবেড়িয়ার সিআইপিটি বানীতবলা, শ্যামপুর সিদ্ধেশ্বরী মহাবিদ্যালয়, বাগনানে ভারত অ্যাকাডেমি, আমতার সিআইটি বানিতবলা, উদয়নারায়ণপুরে মাধবীলতা মহাবিদ্যালয়, জগদবল্লভপুরে শোভারানী মেমোরিয়াল কলেজ ও ডোমজুড়ের আজাদ হিন্দ ফৌজ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়। এইসব স্ট্রংরুমগুলিতে রাখা রয়েছে ইভিএম। গত ৬ ও ১০ এপ্রিল দুদফায় হাওড়া জেলার ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হয়। ৫ হাজার ৫৫৬টি বুথে ভোটগ্রহণ করা হয়। সেইমতোই জেলার এই ১২টি স্ট্রংরুমে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার ইভিএমে বন্দি রয়েছে ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষের মতামত। হাওড়ায় নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানালেন, গত লোকসভা নির্বাচন থেকেই তালা দেওয়া স্ট্রংরুমের নজরদারি বাড়াতে সিসিটিভির ব্যবহার শুরু হয়। এমনকী, স্ট্রংরুমের বাইরে এলইডি স্ক্রিন রাখা হয়। তিনি জানান, সহজেই যাতে স্ট্রংরুমের ছবি স্ক্রিনে ফুটে ওঠে তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ থেকে রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা সবই এলইডি স্ক্রিনে দেখতে পাবেন স্ট্রংরুমের অবস্থা। শুধু স্ট্রংরুমের বাইরে থেকে নয়, জেলায় নির্বাচনের কন্ট্রোল রুম থেকেও স্ট্রংরুম থেকে নজরদারি চালানো যাচ্ছে। প্রায় প্রতিদিন নিয়মিতভাবে নির্বাচন কমিশনের পদস্থ আধিকারিকরা ১২টি স্ট্রংরুমে গিয়ে পরিদর্শন করছেন। সবমিলিয়ে কড়া নজরদারিতে রাখা হয়েছে হাওড়ারl স্ট্রংরুমগুলিকে। আগামী ২ মে ফল ঘোষণার দিন খোলা হবে এই স্ট্রংরুমগুলি।

এপ্রিল ১৬, ২০২১
রাজ্য

হাওড়ায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আনতে বসছে এক হাজার সিসিটিভি

হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় বাড়ছে অপরাধ প্রবণতা। অনেক সময় অপরাধ করে পালিয়ে গেলেও অপরাধীরা ধরা পড়ছে না। তাই এবার হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকার অপরাধ প্রবন এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হবে বলে সিটি পুলিশ সুত্রে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রেলের এলাকায় বসবাসকারীদের উচ্ছেদের নোটিশের প্রতিবাদ , লাঠি হাতে মিছিল বিধায়কের বেলুড়, শিবপুর, কমিশনারেট এলাকার মধ্যে থাকা জাতীয় সড়ক ও দাসনগরের বালিটিকুরির মতো ১০১২টি এলাকাকে মূলত অপরাধপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বেলুড়ের বজরংবলী এলাকায় ২৫টি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। হাওড়ার নগরপাল কুণাল আগারওয়াল জানালেন, কয়েকটি অপরাধপ্রবণ এলাকাকে হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। ইতিপূর্বেই হাওড়া শহরের বিভিন্ন এলাকা এবং গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা সিসিটিভির নজরদারির আওতায় রয়েছে। কিন্তু আরো নজরদারি প্রয়োজন বলেই মনে করছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রের খবর, একটি বেসরকারি সংস্থাকে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কয়েক দফায় খুব দ্রুতই এক হাজারটি সিসিটিভি বসানোর কাজ সম্পূর্ণ হবে।

নভেম্বর ২৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

তৃণমূলের সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা কাকলির, "ভালো তৃণমূল" নিয়ে জোর চর্চা

তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিলেন বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে লেখা চিঠিতে তিনি মহিলা শাখার জাতীয় সভাপতির পদ-সহ সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। একই সঙ্গে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় ভালো তৃণমূল নিয়ে। ইস্তফাপত্রে কাকলি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরেছেন। রেশন দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি এবং দলের ওপর ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাকের অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। চিঠিতে তিনি লেখেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার বিবেক গভীরভাবে পীড়িত।আরজি কর মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্রী হিসেবে সেখানে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা এবং পরে তা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে নাড়া দিয়েছে বলেও জানান কাকলি। তবে সাংগঠনিক পদ ছাড়লেও আপাতত দল ছাড়ছেন না তিনি। সাধারণ কর্মী হিসেবেই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা জানিয়েছেন বারাসাতের সাংসদ।উল্লেখ্য, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভাপতিত্বে আয়োজিত একটি প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলীয় আপত্তি উপেক্ষা করে সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এর মধ্যেই তাঁর ইস্তফা তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে চাপ বাড়িয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ২৮, ২০২৬
রাজনীতি

সোশাল মিডিয়া তোলপাড় ভালো তৃণমূল খারাপ তৃণমূলে, এই তত্বে ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা

ভালো তৃণমূল, খারাপ তৃণমূলে তোলপাড় সোশাল মিডিয়া। তৃণমূল কংগ্রেসে ভালো কিছু আছে বলে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা কোনওভাবেই মানতে নারাজ। তাই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যকে কোনও ভাবে সমর্থন করছে না তাঁরা। তৃণমূলের যাঁরা দুর্নীতি বা অন্যায়ের সঙ্গে যারা যুক্ত নন তাঁরা কবে দড়জায় কড়া নাড়বেন, সেকথাই বলেছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তাতেই ভালো তৃণমূল তত্ব ভেসে ওঠে। বিগত ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর। খুন, ধর্ষণ থেকে বাড়ি-ঘর ভেঙে তছনছ করে পুড়িয়ে দেওয়ার মত আক্রমণের ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল বাংলা। এমনকী গত পাঁচ বছরে ৩২১ জন বিজেপি কর্মী তৃণমূলের হাতে শহিদ হয়েছেন বলে রাজ্য বিজেপির দাবি। বগটুই থেকে আরজিকরের মতো নারকীয় ঘটনা ঘটেছে এই রাজ্যে। একের পর এক দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। গ্রেফতার হয়েছেন মন্ত্রী থেকে নেতারা। শেষমেশ ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তৃণমূলের একাংশের বক্তব্যে গিরগিটিও যেন হার মানবে। টিভি শো থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের যে নেতৃত্ব বিজেপিকে গালমন্দ না করে মুখে অন্ন তোলেনি তারা এখন মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে। ভাবটা এমন যে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের থেকেও তারা অত্যাচারিত ছিল। অথচ দিনের পর দিন তারা ক্ষমতার অলিন্দে থেকে সবরকম ভোগ বিলাস করেছেন। তৃণমূল জমানার কোনও ঘটনা নিয়ে টু শব্দটি করেননি। বরং বিজেপিকে যতটা বেশি কোনঠাসা করা যায় ততটাই করেছেন। এখন তারা ভালো তৃণমূল সাজতে উঠেপড়ে লেগেছেন। তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হচ্ছে। সঙ্গে আরও বহু সামগ্রী। এরা এখন পরিস্থিতির চাপে পড়ে নিজেদের পিঠ বাঁচাতে মন ভোলানো সুর তুলেছেন। কিন্তু তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরলে এদের এই রূপ কিছুতেই দেখতে পেত না বাংলার মানুষ। টিভি চ্যানেলে দিনের পর দিন বিজেপি বক্তাদের অবহেলা, অবজ্ঞা, অপমান করেছেন, ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন। এখন তারা ভালো তৃণমূলের দৌড়ে অংশ নিয়েছেন। বিজেপি কর্মী সর্থকরাই বলছেন এভাবে ভালো তৃণমূল বাছলে তারা আবার খারাপ না হয়ে যান। তাঁদের বক্তব্য়, ২০২৬-এর ভোটে জয় বিজেপির লড়াই ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণেই সম্ভব হয়েছে। ওই ভালো তৃণমূলীরা বিজেপিকে পদদলিত করতে চেয়েছিল। নির্বাচনে হেরে গেলে জীবন বিপন্ন হয়ে যেতে নীচুতলার বিজেপি কর্মীদের। তাই তারা বিজেপি নেতৃত্বের কাছে আবেদন করছেন, এই ভালো তৃণমূল খোঁজার নামে দলকে বিপদগামী করবেন না। বাস্তবে একটা পচা আলু গোটা বস্তার আলুকে পচিয়ে দেয়। তাতে দলের কর্মীরা হতাশ তো হবেনই পাশাপাশি সামনের দিন বাংলায় বিজেপির শাসন দরকার। ভোট বলে বিষয়বস্তু কিন্তু থাকবে। সাংসদ রাহুল সিনহা বলেছেন, বিজেপি আগামী ২৫ বছর থাকবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলতেন আগামী ৫০ বছর তৃণমূল থাকবে। মানুষ কিন্তু সব মনে রাখে। সময়ের অপেক্ষায় থাকে। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, বিজেপি সাধারণের প্রতিক্রিয়া যাচাই করতে অথবা পরবর্তীতে যাতে কোনও ক্ষোভ-বিক্ষোভ না থাকে তার জন্য এই তত্ব ছেড়েছে। এখন দেখার বিষয় বিজেপির কাছে ভালো তৃণমূল কারা, খারাপ তৃণমূল কারা।

মে ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সীমান্তে ফের লম্বা লাইন! আতঙ্কে বাংলাদেশে ফিরতে শুরু করলেন সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীরা

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম হয়ে উঠেছে সীমান্ত এলাকা। ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট নীতি কার্যকর করতে ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পর প্রশাসনিক তৎপরতাও অনেকটাই বেড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।এরই মধ্যে বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় ফের দেখা গেল চাঞ্চল্যকর ছবি। সীমান্তের কাছে বহু মহিলা, পুরুষ ও যুবককে ছোট ছোট ব্যাগ নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এদের অনেকেই সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, যারা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।কয়েক মাস আগেও একই ধরনের ছবি দেখা গিয়েছিল। তখনও সীমান্ত এলাকা দিয়ে বহু মানুষ বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নির্মাণ শ্রমিক, মাছের ভেড়িতে কাজ কিংবা দৈনিক মজুরির বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।সোমবার দুপুরে হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় উপস্থিত কয়েকজন জানান, দালালচক্রের মাধ্যমে এক থেকে দেড় বছর আগে তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে এসেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে প্রশাসনের কড়াকড়ি এবং নজরদারি বাড়ায় তাঁরা ফের বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সীমান্ত এলাকায় পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি অনেকটাই বেড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পরিচয়পত্র যাচাই, ভাড়াবাড়িতে তল্লাশি এবং সন্দেহভাজনদের উপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।যদিও প্রশাসনের তরফে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে প্রশাসনের একাংশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ! বাংলার রাজনীতিতে বড় চমক কাকলির উপস্থিতিতে

বাংলার রাজনীতিতে এক বিরল ছবি দেখা গেল মঙ্গলবার। কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হলেন বিরোধী দলের সাংসদ ও বিধায়করা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চর্চায় বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উপস্থিতি।মঙ্গলবার সকালে বৈঠক শুরুর আগেই সভাস্থলে পৌঁছে যান কাকলি। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমন্ত্রণ পেয়েছি, তাই এসেছি। প্রশাসনটা কারও একার নয়। এটা কোনও দলীয় সভা নয়।শুধু কাকলি নন, এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের আরও তিন বিধায়ক। হাজির ছিলেন দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান, হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন এবং স্বরূপনগরের বিধায়ক বীণা মণ্ডল।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ছবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তৃণমূল জমানায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের সাধারণত দেখা যেত না। সেই জায়গায় শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে বিরোধী শিবিরের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন বলেন, রাজনীতিতে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই এক। তাই এখানে এসেছি।এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়ছিল। লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন তিনি। সেখানে লিখেছিলেন, চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।এরপর তাঁর বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। গত রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে কাকলি জানান, তিনি সাংগঠনিক জেলা সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দিচ্ছেন। আর তার মধ্যেই শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় অভিযান! বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতি এখন আরও কঠোর। ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট নীতিকে সামনে রেখেই দেশজুড়ে সীমান্ত নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার রাজ্যে সফরে বের হচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে অমিত শাহের এই সীমান্ত সফর। প্রথমে তিনি যাবেন রাজস্থানের বিকানেরে। সেখানে সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন তিনি। পাশাপাশি সীমান্ত লাগোয়া জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক, বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন।আগামী ১৫ জুন পশ্চিমবঙ্গে আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের কাজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন তিনি। সীমান্ত এলাকার একটি বিএসএফ পোস্টেও যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও সীমান্তবর্তী জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।রাজ্য ইতিমধ্যেই বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তার মধ্যেই অমিত শাহের এই সফরকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিএসএফকে একযোগে কাজ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।কেন্দ্রের দাবি, সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। জনবিন্যাসের পরিবর্তন রুখতে এবং সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

“আমাকে গ্রেপ্তার করুন!” নিউটাউনের রাস্তায় টলোমলো পায়ে বিডিওর কাণ্ডে তোলপাড়

সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা অপহরণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন এবার নতুন বিতর্কে জড়ালেন। অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় প্রকাশ্য রাস্তায় বেপরোয়া আচরণ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।সোমবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ নিউটাউনের সারচি সিগন্যালের সামনে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সময় এক বাইকচালককে ধাক্কা মারেন প্রশান্ত বর্মন। ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হন ওই বাইক আরোহী। পরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীরা প্রতিবাদ শুরু করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত বিডিও রাস্তাতেই চিৎকার শুরু করেন এবং প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশে নানা হুমকি দেন। ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে কখনও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে কটাক্ষ করতে, আবার কখনও চড় মারার হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে।ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, এক সময় তিনি নিজেই গাড়ি থেকে নেমে টলোমলো পায়ে পুলিশকে বলছেন, আমাকে গ্রেপ্তার করুন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে বিধাননগর কমিশনারেটের ইকো পার্ক থানার পুলিশ অভিযুক্ত বিডিওকে আটক করে নিয়ে যায়।যদিও ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভার নোটিসের মাঝেই অভিষেকের বাড়িতে কলকাতা পুলিশ! হঠাৎ তৎপরতায় বাড়ছে জল্পনা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি এবং বাড়ির বেআইনি অংশ ভাঙা নিয়ে কলকাতা পুরসভার দেওয়া নোটিস ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সোমবার ছিল পুরসভার দেওয়া সময়সীমার শেষ দিন। তার আগেই সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতা পুরসভা আরও ১০ দিনের সময় দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই আবহেই সোমবার বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ চ্যাটার্জি রোডের বাড়ি শান্তিনিকেতন-এ পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশের একটি দল। আর তাতেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার সম্পত্তির মধ্যেই পড়ে অভিষেকের এই বাড়ি। তৃণমূল জমানায় এই সংস্থাকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছিল। ফলে পুরসভার নোটিসের পর আচমকা পুলিশের উপস্থিতি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংক্রান্ত কোনও বিষয়েই নতুন করে নজরদারি শুরু হয়েছে। আবার কারও মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতেই পুলিশের এই সফর।যদিও বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি পুলিশ আধিকারিকরা। ফলে জল্পনা আরও বেড়েছে।উল্লেখ্য, গত সোমবারই কলকাতা পুরসভার তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের দুটি ঠিকানায় নোটিস পাঠানো হয়েছিল। বাড়ির অতিরিক্ত নির্মাণের জন্য পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে শান্তিনিকেতন-এর বেআইনি অংশ ভাঙার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি অভিষেকের ১৭টি সম্পত্তিও নজরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগেই কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। পুরসভার নোটিস নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠতেই প্রথমে কোনও উত্তর দেননি তিনি। পরে গাড়ির কাঁচ নামিয়ে কিছুটা বিরক্তির সুরে বলেন, বাড়ির কোন অংশ অবৈধ, সেটা নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, আমি উত্তর দেব।সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছিল। তবে এবার সময় বাড়ানোর আবেদন এবং পুরসভার সেই আবেদন মঞ্জুর করার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

হাওয়ায় দুলছে মেসির বিশাল মূর্তি! আতঙ্কে লেকটাউন, রাতেই ভাঙার সিদ্ধান্ত?

লেকটাউনে তৈরি হওয়া বিশাল লিওনেল মেসির মূর্তি ঘিরে এবার আতঙ্ক ছড়াল স্থানীয়দের মধ্যে। অভিযোগ, হাওয়ায় প্রবলভাবে দুলছে মূর্তিটি। যে কোনও সময় সেটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সোমবার ঘটনাস্থলে পৌঁছন পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি আধিকারিক এবং লেকটাউন থানার পুলিশ।স্থানীয়দের অভিযোগ, মূর্তিটির নীচের অংশের মাটি বসে গিয়েছে। চারপাশে পাথর ও মাটি বেরিয়ে এসেছে। ফলে গোটা কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। হাওয়ায় মূর্তিটি দুলতে থাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।মূর্তিটির ঠিক নীচেই রয়েছে একটি জায়ান্ট স্ক্রিন। সন্ধ্যার সময় সেখানে ভিড় করেন বহু মানুষ। আইপিএলের ম্যাচ দেখার জন্য প্রতিদিনই জমায়েত হয় স্থানীয়দের বড় অংশ। সেই সময় যদি মূর্তিটি ভেঙে পড়ে, তাহলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। জানা গিয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে সোমবার রাতেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এই বিশাল মূর্তিটি তৈরি করা হয়েছিল। আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসি কলকাতা সফরে এলে ভার্চুয়ালি এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত তাঁর উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানেই তৈরি হয়েছিল মূর্তিটি।

মে ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal