• ২৩ মাঘ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Business

বিদেশ

বর্ষবরণের রাতে বিভীষিকা, আগুনে ঝলসে মৃত্যু হিন্দু ব্যবসায়ীর

মাথায় পেট্রোল ঢেলে তাঁকে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তারপর শুরু হয় জীবন-মৃত্যুর লড়াই। টানা তিন দিন সেই লড়াই চললেও শেষ পর্যন্ত হার মানলেন খোকন চন্দ্র দাস। তিনি বাংলাদেশের শরিয়তপুর জেলার ডামুড্যা এলাকার বাসিন্দা। বর্ষবরণের রাতে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হয়েছিলেন তিনি।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় খোকনের। তাঁর এক আত্মীয় প্রান্ত দাস জানান, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তাঁরা শাহবাগ থানায় যাচ্ছেন। ময়নাতদন্তের কাজ শেষ হলে দেহ গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে।হাসপাতালের বিভাগীয় প্রধান বিধান সরকার জানান, খোকনের শরীরের প্রায় ৩০ শতাংশ অংশ পুড়ে গিয়েছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ঢাকায় আনা হয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাঁচানো যায়নি। এই সময়ের মধ্যেই খোকন তাঁর উপর হামলা চালানো কয়েক জনের নাম পুলিশকে বলে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।পুলিশি সূত্রে খবর, খোকন দুই অভিযুক্তের নাম বলেছেন। তাঁদের মধ্যে একজন কনেশ্বর এলাকার বাবুল খানের ছেলে সোহাগ খান এবং অন্য জন রাব্বি মোল্লা। তাঁদের বয়স যথাক্রমে ২৭ ও ২১ বছর। প্রাথমিক তদন্তে পলাশ সরদার নামে আরও এক জনের নাম উঠে এসেছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা যায়নি।ঘটনাটি ঘটে বুধবার রাতে। খোকন চন্দ্র দাস পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন। কেউরভাঙা বাজারে তাঁর একটি ওষুধের দোকান এবং মোবাইল ব্যাঙ্কিংয়ের ব্যবসা ছিল। ঘটনার দিন রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ দোকান বন্ধ করে প্রতিদিনের মতো অটো রিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। সেই সময় ডামুড্যা-শরিয়তপুর সড়কে কেউরভাঙা বাজারের কাছে তাঁকে অটো থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়।অভিযুক্তদের চিনে ফেলায় খোকনের মাথায় পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। প্রাণ বাঁচাতে তিনি পাশের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেন এবং চিৎকার শুরু করেন। স্থানীয়রা সেই চিৎকার শুনে ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কাছের হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মৃত্যু হল তাঁর।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৬
রাজ্য

নীলবাতি লাগানো গাড়ি, সরকারি পরিচয়—এরপর মরদেহ! স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুন রহস্যে বিডিও-এর নাম

রাজগঞ্জের বিডিও-র নাম জড়িয়ে রীতিমতো শোরগোল! দক্ষিণবঙ্গের নিউ টাউনের যাত্রাগাছিতে প্রকাশ্যে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর খুনের অভিযোগে চাঞ্চল্য। নিহত ব্যবসায়ী স্বপন কামিলামেদিনীপুরের বাসিন্দা, থাকতেন দত্তাবাদে। পরিবার জানিয়েছে, ২৮ অক্টোবর দত্তাবাদের দোকান থেকে স্বপনকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। সঙ্গে ছিলেন আর এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী, গোবিন্দ বাগ। সেই রাতেই গোবিন্দকে ফেলে দিলেও স্বপন আর ফেরেননি।পরের দিনই পরিবারের সামনে আসে ভয়াবহ সত্যি। যাত্রাগাছির বাগজোলা খালপাড়ের ঝোপে মিলল ক্ষতবিক্ষত দেহ। ছবি দেখে চিনে ফেললেন পরিবারের সদস্যরা। অভিযোগ উঠলএই নৃশংস অপরাধের পিছনে রয়েছেন জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ ব্লকের বিডিও প্রশান্ত বর্মন! অভিযোগপত্রে স্পষ্ট বলা হয়েছে, সরকারি গাড়ির মতো দেখতে নীলবাতি লাগানো গাড়িতে করে এসেছিলেন প্রশান্ত। নিজেকে বিডিও দাবি করে দোকান থেকে দুজনকে তুলে নিয়ে যান তিনি ও তাঁর সঙ্গীরা।স্বপনের পরিবার জানায়, কয়েক দিন আগে প্রশান্ত নাকি সোনার চুরি নিয়ে দোকানে এসেছিলেন। দাবি করেছিলেন, তাঁর বাড়ির চুরি হওয়া অলঙ্কার ওই দোকানে এসেছে। সিসিটিভি ফুটেজ ও সোনা নিয়ে যাওয়ার পরই ঘটে অপহরণখুনের ঘটনা। আরও জানা গিয়েছে, এর আগে ওডিশায় স্বপনের শ্বশুরের অসুস্থতার সময়ে তাঁর গ্রামেও গিয়েছিলেন কিছু সন্দেহভাজন লোক।৩১ অক্টোবর থানায় অভিযোগ দায়ের হলেও অভিযুক্ত বিডিওর বিরুদ্ধে কোনও দৃশ্যমান পদক্ষেপ হয়নি বলে ক্ষোভ পরিবারের। রাজগঞ্জ প্রশাসনেই এখন চাপানউতোর। সাংবাদিকদের ফোন ধরতে চাননি অভিযুক্ত বিডিও। পুলিশ জানিয়েছেতদন্ত শুরু হয়েছে।এই ঘটনায় শুধু পরিবার নয়, আতঙ্কে ব্যবসায়ী মহলও। সরকারি দফতরের উপর আঙুল উঠতেই প্রশ্নআইনরক্ষকই যদি অভিযুক্ত হন, তবে ন্যায় কে দেবে?

নভেম্বর ০৫, ২০২৫
ব্যবসা

এই ব্যাংকে আপনার অ্যাকাউন্ট আছে? বদলে গেছে নিয়ম, না জানলে মুশকিলে পড়বেন

স্বাধীনতা দিবস থেকে দেশের এই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে একটি পরিষেবায় বেশ কিছু বদল আনা হয়েছে। গতকাল অর্থাৎ থেকে সেই নিয়ম পাল্টে গেছে।স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ায় অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বদল আনা হয়েছে। আপনি যদি SBI- এর গ্রাহক হন তবে এই খবর জেনে নেওযয়া অত্যন্ত জরুরি।গতকাল অর্থাৎ ১৫ আগস্ট থেকে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া ইমিডিয়েট পেমেন্ট সার্ভিস বা IMPS-এ বদল এনেছে। খুচরো গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই এই নিয়ম পাল্টেছে। তবে আপনি যদি স্টেট ব্যাংকের কর্পোরেট গ্রাহক হন তবে এই নিয়ম আপনার জন্য বলবৎ হবে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর থেকে। অনলাইনে দ্রুত টাকা পাঠানোর জন্য আই এম পি এস পরিষেবা ব্যবহার করে থাকেন গ্রাহকরা। এক্ষেত্রে নতুন নিয়মে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আপনাকে কোন চার্জ দিতে হবে না। তবে ২৫০০০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে ২ টাকা চার্জ দিতে হবে। ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে দিতে হবে ৬ টাকা। ২ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে দিতে হবে ১০ টাকা। এই ফি-র সঙ্গেই যুক্ত হবে জিএসটির খরচ। এস বি আই-এর কোন শাখা থেকে টাকা পাঠাতে চাইলে ১০০০ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে কোন চার্জ লাগবে না। তবে ১ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে দিতে হবে ২ টাকা। তেমনি ১০ থেকে ২৫ হাজার টাকা লেনদেনে দিতে হবে ৪ টাকা। ২৫০০০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে দিতে হবে ৬ টাকা। তেমনি ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে ১২ টাকা, দুই থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত লেনদেনে ২০ টাকা দিতে হবে। এর সঙ্গেই ফের যুক্ত হবে GST- এর খরচ।

আগস্ট ১৬, ২০২৫
রাজ্য

তোলা না দেওয়ায় গাছে বেঁধে কাপড় ব্যবসায়ীকে মারধর

পাঁচ লক্ষ টাকা তোলা না দেওয়ায় গাছে বেঁধে এক কাপড় ব্যবসায়ীকে মারধর এবং সালিশি করে গ্রাম ছাড়া করার অভিযোগ উঠলো স্থানীয় একদল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচক থানার ফতেখানি এলাকায়। এই ঘটনায় আক্রান্ত ব্যবসায়ীর পরিবার কালিয়াচক থানার দ্বারস্থ হলেও চারদিন পরে পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। অবশেষে বুধবার ওই ব্যবসায়ী দম্পতি সমস্ত ঘটনার বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ জানালেন পুলিশ সুপারের কাছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মালদার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব। এদিকে কালিয়াচকের ওই ব্যবসায়ীর ওপর আক্রমণ এবং পাঁচ লক্ষ টাকা তোলাবাজির ঘটনায় রীতিমতো অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন জেলার সর্ববৃহৎ ব্যবসায়ীদের সংগঠন মালদা মার্চেন্ট চেম্বার অফ কমার্সের কর্মকর্তারা। সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সভাপতি জয়ন্ত কুন্ডু জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনার আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বারবার যদি ব্যবসায়ীদের ওপর দুষ্কৃতীদের হামলা নেমে আসে, তাহলে আমরা যাব কোথায়। অবিলম্বে পুলিশ সুপার যাতে অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করে, সেই আবেদন জানাচ্ছি। এদিকে পুলিশকে অভিযোগে কালিয়াচক থানার ফতেখানি এলাকার পোশাক ব্যবসায়ী মহম্মদ রহিম বিশ্বাস জানিয়েছেন, পুরনো একটি মামলার ঘটনায় গত শনিবার এলাকার এক কুখ্যাত দুষ্কৃতী জহরুল খান এবং তার দলবল তাকে বাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে যায়। তাদের একটি ডেরায় তাঁকে গাছে বেঁধে ব্যাপক মারধর করা হয়। এরপর পাঁচ লক্ষ টাকার তোলা চাওয়া হয়। সেই টাকা না দেওয়ায় আশেপাশের আরও কিছু সাগরেদদের জুটিয়ে সালিশি ডাকা হয়। সেই সালিশির মাধ্যমে তাদের পরিবারকে গ্রাম ছাড়া করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। আর এই ঘটনার পর থেকেই গত চারদিন ধরেই ওই ব্যবসায়ী পরিবার নিজের বাড়ি ছেড়ে অন্য এক আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপন হয়ে রয়েছেন। এমনকি ফতেখানি স্ট্যান্ডের কাছে ওই ব্যবসায়ী তার নিজের পোশাকে শোরুম খুলতে পারছেন না।

জুন ১৮, ২০২৫
রাজ্য

দুর্গাপুরে কোটি টাকা ছিনতাইয়ে যুক্ত দুই পুলিশ কর্তা! অভিযোগে গ্রেফতার মোট ৬

দিল্লির এক ব্যবসায়ীর এক এজেন্টের কাছ থেকে জাতীয় সড়কে গাড়ি দাঁড় করিয়ে ছিনতাই করা হয় এক কোটি এক লক্ষ টাকা। আর এই ছিনতাই কাণ্ডে জড়িয়ে গেল দুই পুলিশ কর্তা। ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুর্গাপুর পুলিশের কর্তা ও সিআইডি দুর্গাপুরের এক কর্তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও গ্রেফতার হয় পুলিশের কাজ থেকে বরখাস্ত এক কর্মী। মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানান অভিষেক গুপ্তা। শনিবার তাদেরকে আদালতে তোলা হবে। ডিসি জানান এখন তদন্ত চলছে, পুলিশ বলে ছাড় দেওয়া হবে না। আইন আইনের পথেই চলবে। এই ঘটনা নিয়ে সকাল থেকেই দুর্গাপুর উত্তাল ছিল। ডিসিপি অভিষেক গুপ্তা বলেন, দিল্লীর এক ব্যবসায়ী এক কোটি এক লক্ষ টাকা নিয়ে সড়কপথে কলকাতা যাচ্ছিল। সেই সময় ডিভিসি মোড়ের কাছে টাকা লুঠ করে দুস্কৃতীরা। যার মধ্যে ছিলেন দুই পুলিশ কর্তা। ডিসিপি বলেন, দিল্লীর ব্যবসায়ীর সাথে যোগাযোগ ছিল যাদের তারাও ছিল এর মধ্যে। কোন টাকা উদ্ধার হয়নি। তদন্ত চলছে তবে ব্যবসায়ীর পরিচিত লোকেরা যুক্ত রয়েছে। আইন আইনের পথেই চলবে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৪
রাজ্য

বিদেশের বাজারে মালদার আমসত্ত্বের বিরাট চাহিদা, ভিডিওতে দেখুন কিভাবে তৈরি হয়

বিদেশের বাজারে রপ্তানি করা হচ্ছে মালদায় তৈরি আমসত্ত্ব। প্রায় ২০০০ টাকা কিলো দরে বিক্রি হচ্ছে। তার পাশাপাশি আমসত্ত্বের সঠিকভাবে বাজারজাত করার জন্য রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে মালদা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। রবিবার মালদা শহরের এনএস রোড এলাকায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানালেন মালদা ম্যাংগো মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি উজ্জ্বল সাহা।জানা গেছে মালদার ইংলিশবাজার ব্লকের কোতুয়ালি অঞ্চলের কল্যাণপুর গ্রামে ৬০ থেকে ৭০ টি পরিবারের বসবাস। যারা প্রত্যেকেই আমসত্ত্ব পেশার সঙ্গে যুক্ত। গোপালভোগ, হিমসাগর, ল্যাংড়া মূলত এই তিনটি প্রজাতির আমের আমসত্ত্ব স্বাদে অতুলনীয়। পড়ে যাওয়া পাকা আম অথবা পাকা আম গাছ থেকে পেড়ে বোটা ছাড়িয়ে প্রায় আধঘন্টা জলে ভিজিয়ে রাখতে হয়। তারপর আমের খোসা ছাড়িয়ে আবার আমগুলিকে প্রায় ১৫ মিনিট জলে ভিজিয়ে রাখার পর থেঁতো করা হয়।তারপর সেই আমের পেস্ট একের পর এক প্রলেপ দিয়ে রোদে শুকাতে হয়। এইভাবে সাত দিন রোদে শুকানোর পর কাটিং করে তৈরি হাওয়া আমসত্ত্ব বাজারে বিক্রি করা হয়। এবছর ভিন রাজ্যের পাশাপাশি বিদেশের বাজারেও জেলার জগৎ বিখ্যাত বিভিন্ন প্রজাতির আম দিয়ে তৈরি আমসত্ত্বের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তাই ইতিমধ্যে ভিন রাজ্যের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি শুরু হয়েছে আমসত্ত্ব। এই বিষয়ে মালদা ম্যাঙ্গো মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি উজ্জ্বল সাহা জানান, ইতিমধ্যে আমসত্ত্ব বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। তার পাশাপাশি সরকারিভাবে আমসত্ত্ব তৈরির একটা উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। তারই সঙ্গে আমসত্ত্বের সঠিকভাবে বাজারজাত করার জন্য রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় মালদা জেলা প্রশাসন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর ফলে মালদা জেলার আম চাষি আম ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি যারা এই পেশার সাথে যুক্ত তারাও লাভবান হবেন।

জুন ২৫, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

‌সরে যাচ্ছেন?‌ পদত্যাগের জল্পনার রহস্য ফাঁস করলেন সৌরভ গাঙ্গুলি

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সৌরভ গাঙ্গুলি? তাঁর পোস্ট করা একটা টুইট থেকে ছড়িয়ে পড়ে জল্পনা। মুহূর্তেই মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় তাঁর সেই পোস্ট। আলোড়ন ফেলে গোটা দেশে। ক্রিকেটপ্রেমীরা অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। অবশেষে সন্ধেয় জল্পনার ইতি টানেন সৌরভ নিজেই। পরিস্কার জানিয়ে দেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পথ থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনও পরিকল্পনা এই মুহূর্তে তাঁর নেই। আসলে তিনি একটা শিক্ষামূলক অ্যাপ বাজারে নিয়ে আসছেন, তার জন্যই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন।সোশ্যাল মিডিয়ায় এদিন সৌরভ গাঙ্গুলি লেখেন, ১৯৯২ সালে ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পর ৩০ বছর ক্রিকেটে কাটিয়েছি। ক্রিকেট আমাকে অনেককিছু দিয়েছে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আমাকে সবাই সাপোর্ট করেছে। আমার এই পথ চলার সময় যারা পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য করেছেন, সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এবার আমি এমন একটা পরিকল্পনা করছি, যাদে অনেক মানুষের উপকার হবে। আশা করছি আমার জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে সবাই পাশে দাঁড়াবেন।সৌরভের এই টুইট দেখে সবাই ভাবতে শুরু করেন, তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পদ ছাড়তে চলেছেন। সৌরভকে ফোনে ধরতে না পেরে অনেকেই ভারতীয় বোর্ডের সচিব জয় শাহর শরণাপন্ন হন। বোর্ড সচিব জয় শাহ সংবাদ সংস্থাকে জানান, সৌরভ গাঙ্গুলি বিসিসিআইয়ের পদ ছা়ড়েননি। তেমন কোনও পরিকল্পনার কথাও তাঁর জানা নেই। সৌরভ গাঙ্গুলির নেতৃত্বাধীন বিসিসিআই এখন আইপিএলের মিডিয়া ও সম্প্রচার স্বত্ত্বাধিকারী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। সেখানে সৌরভ সরে যাবেন এমনটা বোর্ডের কেউ বিশ্বাসই করতে পারেননি। তবে বোর্ডের আধিকারিকদের মধ্যেও টেলিফোনে যোগাযোগ শুরু হয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। কেন না, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আইসিসির পরবর্তী চেয়ারম্যান হওয়ার দৌড়ে ফেভারিট বলে মনে করা হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সৌরভদের মেয়াদ শেষের কারণে বোর্ড থেকে সরতে হলে অন্য কথা। নাহলে সৌরভ-জয় শাহরাই এগিয়ে নিয়ে যাবেন ভারতীয় ক্রিকেটকে।pic.twitter.com/JrHOVvH3Vi Sourav Ganguly (@SGanguly99) June 1, 2022সন্ধেয় সব জল্পনার অবসান ঘটান সৌরভ নিজেই। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড থেকে পদত্যাগের প্রশ্নই নেই। এমন একটি সাধারণ পোস্ট কীভাবে ভাইরাল হল তাতে আমি নিজেও অবাক। শীঘ্রই একটি এডুকেশনাল বা শিক্ষামূলক অ্যাপ বিশ্বজুড়ে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। এটা আমার নিজস্ব ভেঞ্চার। খুব শীঘ্রি এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে নিয়ে আসা হবে। এই টুইটের সঙ্গে স্কুল তৈরির কোনও যোগ নেই।

জুন ০১, ২০২২
রাজ্য

'শিল্পপতিদের কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে যেন বিরক্ত না করা হয়', রাজ্য়পালকে কড়জোড়ে মমতা

Bengal Global Business Summit 2022-এ রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় যেমন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন, পাল্টা তাঁকে ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। সম্মেলনে রাজ্যপালের উপস্থিতি ও বক্তব্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন মমতা। তাছাড়া এভাবেই রাজ্যের পাশে থাকার আবেদনও রেখেছেন রাজ্যপালের কাছে। দুজনের বক্তব্য শুনলে মনে হবে তাহলে কী রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রী সংঘাত বলে কিছু ছিল না। কিন্তু এই বানিজ্য সম্মলনেই শিল্পপতিদের সাক্ষী রেখে রাজ্যপালের কাছে কড়জোড়ে আবেদন করে মমতা রীতমতো অস্বস্তিতে ফেলে দিলেন। যা নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।রাজ্যপালের বক্তব্যের প্রশংসা করেই ধনখড়ের দিকে হাতজোড় করেন মমতা। তখন অনেকটাই হতবাক দেখাচ্ছিল রাজ্যপালকে। মমতা বলেন, রাজ্যপাল স্যার, কিছু মনে করবেন না, আপনার মাধ্যমে একটা কথা বলতে চাই। মহামান্য রাজ্যপালকে সমস্ত শিল্পসংস্থার তরফে একটা কথা বলছি। আমরা কেন্দ্রীয় সকারের কাছ থেকে সমস্ত রকম সহযোগিতা চাই। একইসঙ্গে রাজ্যপালদের বৈঠকে একটা কথা অবশ্যই বলবেন প্লিজ। শিল্পপতিদের কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে যেন বিরক্ত না করা হয়। মমতার এই বক্তব্যের পর রাজ্য-রাজনীতিতে হইচই শুরু হয়ে যায়। পুরোটাই নাটক বলে মন্তব্য করেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। এমন সময় মুখ্যমন্ত্রী একথা বলেন তখন আর মঞ্চে জবাব দেওয়ার পরিস্থিতি ছিল না রাজ্যপালের। তবে এদিন মঞ্চে নানা দফায় রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

এপ্রিল ২০, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যপাল ধনখড়ের মুখে ভূয়সী প্রশাংসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বিশ্ব বাংলা বানিজ্য সম্মলনে এক মঞ্চে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বছরভর বাংলার নানান ইস্যুতে রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর সংঘাত লেগেই থাকে। এমনকী রাজ্যপালকে অপসারণ করার জন্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর কাছেও দরবার করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই রাজ্যপাল এদিন প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রীকে। দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন বাংলাকেও।২ বছর পর ফের নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশনে বুধবার বানিজ্য সম্মেলন শুরু হয়েছে। এই বিশ্ব বাংলা বানিজ্য সম্মেলনে হাজির হয়েছেন ১৯টি দেশের ২৫০জন প্রতিনিধি। এদিন নিউটাউনে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সম্মেলন শুরু হওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করেন শিল্পপতি আজিম প্রেমজি ও গৌতম আদানির সঙ্গে। জিন্দাল গোষ্ঠীর সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সম্মেলনে ব্রিটেনের ৪৯ জন প্রতিনিধি এসেছেন। সম্মেলন শুরুতে ভাষণ দেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।এদিন বক্তব্যে রাজ্যপাল বলেন, মহামতি গোখলে বলেছিলেন বাংলা আজ যা ভাবে কাল গোটা দেশ ভাবে। প্রধানমন্ত্রী মোদিও তাই বলেছেন। মোদীজির লুক ইস্ট নীতি মেনে এগিয়ে যাবে বাংলা। বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মানব সম্পদে এগিয়ে বাংলা। দেশের অর্থনৈতিক ছবি বদলে দেওয়ার ক্ষমতা বাংলার আছে। পূর্বভারতের ইকোনমিক হাব হবে বাংলায়। শিল্পপতিদের বাংলায় শিল্প স্থাপনের জন্য উৎসাহ দেন ধনখড়। তিনি বলেন, বাংলায় বিনিয়োগ করলে শিল্পপতিদের লাভ হবে। আশা করা যায় বাংলা আগামিদিনে আরও উন্নত হবে। এই বাণিজ্য সম্মেলন পথ দেখাবে।

এপ্রিল ২০, ২০২২
রাজ্য

দুস্কৃতীদের গুলিতে খুন পূর্ব বর্ধমানের লটারি ব্যবসায়ী

লটারি টিকিট বিক্রি সেরে বাড়ি ফেরার সময়ে দুস্কৃতিদের গুলিতে খুন হলেন এক তৃণমূল সমর্থক। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মাধবডিহি থানার ছোট বৈনানের ছাতা দীঘিরকোন এলাকায়। মৃতর নাম হামিদ আলি খাঁন (৪৬)। তার বাড়ি মাধবডিহির আরুই পঞ্চায়েতের আরিকপুর গ্রামে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই মাধবডিহি থানা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। দুস্কৃতীদের সন্ধানে রাতেই মাধবডিহি সহ আসপাশের সব থানা এলাকার বিভিন্ন সড়কপথে শুরু হয় পুলিশি তৎপরতা। যদিও মধ্যরাত পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী দুস্কৃতীদের কেউ ধরা পড়েনি। দলের একনিষ্ঠ একজন সমর্থকের এমন মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে ক্ষোভে ফুঁসছেন রায়না ২ ব্লক তৃণমূলের নেতা ও কর্মীরা। রায়না ২ ব্লক তৃণমূলের সহ সভাপতি শেখ কলিমুদ্দিন ওরফে বাপ্পা জানিয়েছেন,মাধবডিহির ছোট বৈনান বাজারে রয়েছে হামিদ আলি খাঁনের লটারি টিকিটের দোকান। তিনি তৃণমূল কংগ্রেস দলের একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন। অন্যান্য দিনের মতো এদিনও রাত ১০ টার পর তিনি লটারি টিকিট বিক্রি সেরে দোকান বন্ধকরে বাইকে চেপে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন। ব্যবসার টাকার ব্যাগটিও তার সঙ্গে ছিল। পথে মাধবডিহির ছোট দীঘিরকোন এলাকায় বাইকে চেপে আসা তিন জনের দুস্কৃতি দল হামিদের পথ আটকে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগটি ছিনিয়ে নিতে যায়। হামিদ বাধা দিলে দুস্কৃতীরা তার কোমরে গুলি চালায়। রক্তাক্ত অবস্থায় হামিদ পথে লুটিয়ে পড়েন। তখন দুস্কৃতীরা হামিদের কাছে থাকা ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয়। স্থানীয়দের মাধ্যমে এই খবর পেয়ে মাধবডিহি থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায়। রক্তাক্ত অবস্থায় হামিদকে উদ্ধার করে পুলিশ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক হামিদ আলি খাঁনকে মৃত বলে ঘোষনা করেন বলে সেখ কলিমুদ্দিন জানিয়েছেন। লটারি ব্যবসায়ীর পরিচিত এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, এদিন লটারিতে ২ লক্ষ টাকা পায় হামিদ। সেই টাকা হামিদের কাছে থাকা ব্যাগে আছে তা কোনও ভাবে জেনে গিয়েই সশস্ত্র দুস্কৃতীরা হামিদের উপর চড়াও হয়েছিল। আরিকপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কিছুদিন আগে দুর্ঘটনায় হামিদের একমাত্র পুত্র মারা যায়। আর এদিন হামিদের মর্মান্তিক মৃত্যু হল। পরিবারকর্তার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েছেন তাঁর স্ত্রী ও কন্যারা।মাধবডিহি থানার পুলিশ জানিয়েছে ,ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দুস্কৃতিদের খৌঁজ চলছে। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন বলেন, এই খুনের ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোন যোগ নেই। টাকা ছিনতাই করতে গিয়েই দুস্কৃতিরা হামিদ আলি খানকে গুলি করে। তদন্ত শুরু হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি অপরাধীরা ধরা পড়বে বলে জানান পুলিশ সুপার।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
কলকাতা

মাওবাদীদের অর্থ জোগান, কলকাতায় ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ

মাওবাদীদের অর্থ জোগানের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ। মঙ্গলবার এক ব্যবসায়ীকে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ-এর রাঁচির টিম। ধৃতের নাম মহেশ আগরওয়াল।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার দক্ষিণ কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মহেশ আগরওয়াল নামে ওই ব্যবসায়ীকে। তার খোঁজে দীর্ঘদিন ধরেই তল্লাশি চালাচ্ছিলেন তদন্তকারীরা। ট্রানজিট রিমান্ডের জন্য ধৃতকে বুধবার কলকাতায় বিশেষ এনআইএ আদালতে তোলা হয়।ধৃত মহেশ আগরওয়ালকে রাঁচি নিয়ে যেতে চান তদন্তকারীরা। সেখানেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তাঁরা। তার সঙ্গে আর কে কে জড়িত, কোথায় কোথায় অর্থ জোগান করেছে সে, কত টাকা ফান্ডিং করেছে-এই সব প্রশ্নের উত্তর পেতে চান তদন্তকারীরা। ধৃতকে রাঁচিতে নিয়ে গিয়েই জেরা করতে চায় এনআইএ। সূত্রের খবর মাওবাদীদের অর্থ যোগানের প্রমাণ রয়েছে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
কলকাতা

Bangla Pokkho: বড়বাজারে বাঙালির নিরাপত্তার দাবিতে বাংলা পক্ষর টুইটার ক্যাম্পেন

বাংলার সব থেকে বড় বাজার হলো কলকাতার বড়বাজার। সেখান থেকেই সমগ্র বাংলা জুড়ে মাল সরবরাহ হয়। কিন্তু বাংলার এই বিপুল সরবরাহে বাঙালির অংশীদারত্ব নগন্য। সমগ্র বড়বাজার এখন বহিরাগতদের দখলে। বাঙালি শূন্য করার চেষ্টা চালাচ্ছে বহিরাগতরা। এমতাবস্থায় বাঙালিদের বড়বাজারে বারবার হেনস্থার শিকার হতে হয়। সম্প্রতি বাঙালি ভাই রামেশ্বর হালদারকে বড়বাজারে বেওসায়ী রূপী বহিরাগত গুন্ডারা মেরেছে বাংলায় কথা বলার অপরাধে, বাংলায় কথা বলার জন্য বাঙালি বোন ফতেমা আখতারকে হেনস্থা ও শ্লীলতাহানি করেছে বহিরাগত বেওসায়ী আনুরাগ আগরওয়াল।বড়বাজার তৈরি করেছিল শীল, বসাক-সহ বাঙালি ব্যবসায়ীরা। বহিরাগতরা বড়বাজার দখল করে বাঙালিদের মারে, বাঙালিকে অপহরণ করে, বাঙালির দোকান জ্বালায়, ভয় দেখায়, জাতি তুলে গালি দেয়। এর প্রতিবাদ করেছিল বীর বাঙালি শহিদ সব্যসাচী মণ্ডল। বহিরাগত গুন্ডা, মাফিয়াদের হাতে তাকে খুন হতে হয়।বড়বাজারে বাঙালি ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বড়বাজার বাংলায় অবস্থিত কিন্তু বড়বাজারে বাংলায় কথা বলা যায় না। বাঙালি বিদ্বেষের এই অবস্থার বদল চেয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বাংলা পক্ষ টুইটার ক্যাম্পেইনের ডাক দেয়। #AntiBengaliBarabazar এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তর এবং প্রধানকে মেনশন করা হয় টুইটে। টুইটারে অংশগ্রহণ করে বাংলা পক্ষর বহু সহযোদ্ধা- সমর্থক। টুইটারে অংশগ্রহণকারী সাধারণ বাঙালীর সংখ্যাও ছিলো চোখে পড়ার মতো। বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে সকল বাঙালি এক হচ্ছে। আগামীদিনে বড়বাজারের মাটি হবে বাঙালির ঘাঁটি। যতদিন পর্যন্ত বাঙালির ক্ষোভ ত্রাসে পরিণত হবে বহিরাগত গুন্ডাদের ততদিন পর্যন্ত বাংলা পক্ষর লড়াই চলবে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

IT Raid: কানপুরের ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার নগদ ১৫০ কোটি টাকা, নোট গুনতে হিমশিম অবস্থা আয়কর আধিকারিকদের

পীযূষ জৈন নামে কানপুরের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়ে ১৫০ কোটির নোট উদ্ধার করেছে আয়কর বিভাগ। একই সঙ্গে তল্লাশি চালানো হয়েছে তাঁর একাধিক সংস্থায়। কানপুরের আয়কর বিভাগ যে ছবি দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, আধিকারিকেরা মাটিতে নোটের স্তূপের মধ্যে বসে মেশিনের সাহায্যে টাকা গুনছেন।কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগেই আয়কর বিভাগের আধিকারিকেরা তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। আধিকারিকেরা জানান, ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ভুয়ো ইনভয়েস দিয়ে জিনিস পাঠানো, ই-ওয়ে বিল ছাড়া জিনিস পাঠানোর অভিযোগ উঠেছিল। ভুয়ো সংস্থার নামেও ইনভয়েস তৈরি করার অভিযোগ ছিল। ৫০ হাজার টাকার ২০০টি এমন ভুয়ো ইনভয়েস পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ পীযূষের সংস্থার বিরুদ্ধে। অন্য ছবিতে দেখা যায়, পীযূষের বাড়ির আলমারি ভর্তি টাকা। যে নোট রাখা হয়েছে ছোটছোট বাক্সে। হলুদ টেপ দিয়ে যে বাক্সের মুখ বন্ধ করা। আয়কর দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, শুক্রবার সকালে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৫০ কোটি টাকার নোট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে গণনা সম্পূর্ণ হয়নি। কানপুরের সঙ্গে মুম্বইয়েও পীযূষের অফিসে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।পীযূষের সুগন্ধী দ্রব্যের ব্যবসা। সেই সঙ্গে তাঁর কোল্ড স্টোর, পেট্রল পাম্পেরও ব্যবসা রয়েছে। মুম্বইয়ের একটি শো-রুমের মালিক তিনি। কানপুরে আয়কর দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে মুম্বইয়ের আধিকারিকেরাও যোগ দেন এই তল্লাশিতে।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
রাজ্য

Bengal Global Business Summit: ২ বছর পর ফের রাজ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন

অতিমারির আবহে দু বছর স্থগিত থাকার পর আগামী বছর রাজ্যে ফের বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। আগামী বছর ২০-২১ এপ্রিল এই দুদিন বাণিজ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদন সাপেক্ষে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এই দিনক্ষণ ঘোষণা করেন । তিনি জানান, এখন বাংলায় করোনা সংক্রমণ নিম্নমুখী, তাই রাজ্যে বিনিয়োগ টানার লক্ষ্যে ফের বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজন করা হবে। এরজন্য একটি নির্দিষ্ট কমিটিও তৈরি করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও মুখ্যসচিব ওই কমিটিতে থাকছেন। পুরো পরিকল্পনা পরে নবান্নের তরফে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যসচিব।নবান্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এবার আরও বড় আকারে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজনের চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। দেশ-বিদেশের বহু নামী-দামী সংস্থাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। ফলে আগামী বছর বাংলা নববর্ষের আগেই কলকাতায় চাঁদের হাট বসতে চলেছে এ কথা বলাই বাহুল্য। শেষবার এই সম্মেলনে দেশ-বিদেশের শিল্পপতি এবং শিল্প সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, সোমবারই বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জানান, সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে হবে আমাদের কাছে যা আছে সেটা কাজে লাগাতে হবে। ভিক্ষে করে বাঁচা নয়, বুদ্ধি করে আমাদের সম্পদ কাজে লাগাতে হবে। সেগুলি কাজে লাগান, সবকিছু পেয়ে যাবেন।পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে তুলে ধরতে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। সেই উদ্যোগে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে সামিল হতেও অনুরোধ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, সোমবার ইকো পার্কের বিজয়া সম্মেলনীতে ধনখড়কে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের প্রস্তাবে সম্মতিও জানিয়েছেন ধনখড়। সরকার সূত্রে খবর, রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ তুলে ধরতে বিদেশে পাড়ি দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে করতে পারেন রোড শো-ও। পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ নিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে বিদেশে গিয়ে রোড শো করার প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। রাজ্যপাল সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছেন বলেও খবর।একইসঙ্গে আগামী বছর ৭ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারি চলচ্চিত্র উৎসব এবং ৩১ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কলকাতা বইমেলার আয়োজন করা হবে বলে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Raina: পূর্ব বর্ধমানে ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার সুপারি কিলার সহ ২

হেলমেটে মুখ ঢেকে দামি হাইস্পিড মোটর বাইকে চড়ে আগে আগে যাচ্ছে দুই যুবক। তাঁদেরই পিছন পিছন যাচ্ছে একটি চারচাকা গাড়ি। গত ২২ অক্টোবর বিকালে তাঁরা যাওয়ার সময়ে কেউ ঘুনাক্ষরেও টের পায়নি ওই চারচাকা গাড়িতেই সওয়ার রয়েছে সুপারি কিলাররা। যে সুপারি কিলাররা ওইদিন সন্ধ্যায় নৃশংসভাবে খুন করে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার দেরিয়াপুরের দেশ বাড়িতে বেড়াতে আসা কলকাতার ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে। ঘটনাস্থলের কয়েক কিলোমিটার অদূরে জামালপুরের হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সামনের রাস্তায় থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল সেই ছবি। তারই সূত্র ধরে ব্যবসায়ী খুনের ঘটনার তদন্ত চালিয়ে এক সুপারি কিলার সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ খুনের ঘটনায় জড়িত বাকিদেরও নাগাল পেতে চাইছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে শনিবার রাতে কলকাতার নারকেলডাঙা এলাকা থেকে পুলিশ দুই জনকে ধরে। তাঁদের নাম জনিসর আলম ওরফে রিকি ও মহম্মদ সাদ্দাম। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন জানিয়েছেন, দুজনকে আটক করে প্রথমে রায়না থানায় নিয়ে আসা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার দুপুরে তাঁদের দুজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করছে, নিহত ব্যবসায়ীর বাবার অভিযোগই সত্য। পারিবারিক শত্রুতার জেরেই খুন হতে হয়েছে ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে। সেই কারণেই সব্যসাচীকে খুনের ঘটনায় রিকি ৫০ লক্ষ টাকা সুপারি পেয়েছিল। খুনের ঘটনার পর রিকি নারকেলডাঙার বদলে আনন্দপুরের গুলশন কলোনীতে ডেরা নিয়েছিল।পুলিশ সেখান থেকেই তাঁকে ধরে। এরপরে ধরা হয় মহম্মদ সাদ্দামকে। এই সাদ্দামের চারচাকা গাড়িতে চেপেই অভিযুক্তরা ঘটনার দিন গিয়েছিল রায়নার দেরিয়াপুরে ব্যবসায়ী সব্যসাচীর দেশবাড়িতে। যে গাড়িটি গত দুমাস আগে সাদ্দাম কিনেছিল। সাদ্দাম ওই চারচাকা গাড়িটির ১৯তম মালিক। পুলিশ আরও জেনেছে গত ২২ অক্টোবর সব্যসাচীকে খুনের ঘটনার দিন ওই গাড়িতে সুপারি কিলার ও সাদ্দাম সহ আরো কয়েকজন ছিল।ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে। সেই ফুটেজেই হাইস্পিড মোটর বাইকের পিছন পিছন চারচাকা ওই গাড়িটি যাওয়ার ছবি ধরা পড়ে। একই ছবি পুলিশ জামালপুরের মসাগ্রামের একটি দেকানের ও জানকুলির এক বাসিন্দার বাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজেও দেখতে পায়। পুলিশ পালসিট ও ডানকুনি টোল প্লাজা থেকেও ঘটনার দিনের রাতের সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করে।হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার দিন দুপুর ২ টো ৩৯ মিনিট নাগাদ সব্যসাচী তাঁর গাড়িতে চেপে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স পার হয়ে সোজা রায়নার দিকের রাস্তা ধরে চলে যায়। এরপর ওইদিন বিকাল ৪ টে ৫৯ মিনিটে বাইক আরোহীদের পিছন পিছন একটি চারচাকা গাড়ি হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোলট্যাক্স অফিসের সামনে এসে দাঁড়ায়। সব্যসাচী তাঁর গাড়িতে চড়ে রায়নার দিকে সোজা চলে গেলেও ওই চারচাকা গাড়িটি সেই পথে যায় না। গাড়িটি টোল ট্যাক্স অফিসের ডান দিকে ঘুরে কালড়াঘাট ও জানকুলি গ্রামের রাস্তা ধরে এগিয়ে যায় দেরিয়াপুরের দিকে। এর খানিকটা বাদ সন্ধ্যা ৬ টা ৪০ মিনিট নাগাদ রায়নার দিক থেকে এসে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স পেরিয়ে শুধুমাত্র বাইক আরোহীরা জামালপুরের দিকে সোজা চলে যায়। তারপর ওই সন্দেহজনক চারচাকা গাড়িটি রাত ৮টা ৪২ মিনিট নাগাদ দ্রুত গতিতে কালাড়াঘাট গ্রামের দিক থেকে ফিরে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের পিছনের রাস্তা দিয়ে রায়নার দিকে চলে যায়। তার খানিকটা বাদেই রাত ৮ টা ৫৯ মিনিট নাগাদ সব্যসাচী মণ্ডলের গাড়িটি প্রচণ্ড গতিতে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সামনের রাস্তা দিয়ে জামালপুরের দিকে চলে যায়।সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়া বাইকের পিছন পিছন চলা চারচাকা গাড়িটির বিষয়ে পুলিশের সন্দেহ তৈরি হয়। ওই গাড়িটির বিষয়ে খোঁজ চালাতে চালাতেই পুলিশ গাড়িটির মালিক মহম্মদ সাদ্দাম ও সুপারি কিলার রিকির কাছে পৌছে য়ায়।তদন্তকারীরা জেনেছেন, ঘটনার দিন রিকি সব্যসাচীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। বাকি যারা ওই চারচাকা গাড়িতে চড়ে গিয়েছিল তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে সব্যসাচীকে খুন করে।নিহতের বাবা দেবকুমার মণ্ডল রায়না থানায় অভিযোগে জানিয়ে ছিলেন, তাঁর ছোট ভাই ও ভাইপোরা লোক লাগিয়ে সব্যসাচীকে খুন করিয়েছে। সুপারি কিলার ধরা পড়ার পর নিহতের বাবার সেই দাবি জোরালো হচ্ছে। তবে বহিরাগত সুপারি কিলারদের কারা রাস্তা দেখিয়ে সব্যসাচীর দেশবাড়ি রায়না দেরিয়াপুরে নিয়ে গেল? এই প্রশ্ন পুলিশকেও ভাবিয়ে তুলেছে। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, তদন্ত এখনও চলছে। সব প্রশ্নের উত্তর মিলে যাবে।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
রাজ্য

LPG Price Hike: পুজোর আগেই ফের দাম বাড়ল রান্নার গ্যাসের!

পুজোর আগে ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম। প্রতিমাসেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে গ্যাসের দাম। হেঁসেল জ্বালাতেই যখন হিমশিম খাচ্ছে সবাই, সেই সময়ই ফের একবার বাড়ল গ্যাসের দাম। সেপ্টেম্বর মাসের পর এ বার অক্টোবর মাসের প্রথম দিনেই ফের বাড়ল রান্নার গ্যাসের দাম। তবে গৃহস্থদের এবার রেহাই দিয়ে দাম বেড়েছে বাণিজ্যিক এলপিজি সিলিন্ডারের। ১৯ কেজির যে বাণিজ্যিক সিলিন্ডার রয়েছে, তার দাম বেড়ে হয়েছে ১৮০৫ টাকা ৫০ পয়সা। আজ থেকেই যা কলকাতায় কার্যকর। উৎসবের মরশুমে এই দাম বৃদ্ধির কারণে রেস্তরাঁ, খাবারনের দোকানগুলিতেও দাম বাড়তে পারার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ প্রত্যক্ষ না হলেও পরোক্ষভাবে সেই গৃহস্থের পকেটই ফাঁকা হতে চলেছে।।১৯ কেজির পাশাপাশি ৫ কেজি, ৪৭ কেজির সিলিন্ডারেরও দাম বেড়েছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ৫ কেজির এফটিএল সিলিন্ডারের নতুন সংযোগ নিতে গেলে এবার থেকে খরচ করতে হবে ১৪৪৬.৫০ টাকা। রিফিল সিলিন্ডারের জন্য ৫০২ টাকা ৫০ পয়সা খরচ পড়বে। ফ্রি ট্রেড এলপিজির পিওএস সিলিন্ডারের নতুন সংযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে ১৪৬৪ টাকা লাগবে। রিফিল সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে সেই খরচই পড়বে ৫২০ টাকা। ৪৭.৫ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে এবার থেকে সিলিন্ডার পিছু ৪৫১০ টাকা খরচ পড়বে। একস্ট্রা তেজ গ্যাস সিলিন্ডারের জন্য ৪৫৬৬ টাকা খরচ হবে। ১৯ কেজি ন্যানো কাট বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম এ বার থেকে পড়বে ২০৬৪ টাকা। ১৯ কেজি এক্সট্রা তেজ সিলিন্ডারের ক্ষেত্রেই সেই খরচটা কিছুটা কম পড়বে। সিলিন্ডার পিছু দাম বেড়ে বর্তমানে হয়েছে ১৮২৮ টাকা।

অক্টোবর ০১, ২০২১
রাজ্য

Bhatar Businessman: নিখোঁজ ব্যবসায়ীর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য ভাতারে

রাতে টহলদারি পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার হল নিখোঁজ থাকা এক ব্যবসায়ীর রক্তাক্ত মৃতদেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে। মৃত ব্যক্তির নাম মানোয়ার শেখ (৫২)। তাঁর বাড়ি ভাতারের এরুয়ার অঞ্চলের মাদারডিহি গ্রামে। ভাতার থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে টহলদারি চালানোর সময়ে ওড়গ্রামের কাছে ২-বি জাতীয় সড়কের পাশে থাকা ডিভিসি ক্যানেলের ধারে মানোয়ারা শেখের রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে। ওড়গ্রাম ফাঁড়ির পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি এদিনই পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে। মানোয়ারা শেখকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবারের সদস্যরা। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মাদারডিহি গ্রামের মানোয়ার শেখ পেশায় ছিলেন ব্যবসায়ী। ভাঙাচোরা সামগ্রী কিনে তিনি বেচাকেনা করতেন। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ও এক ছেলে রয়েছে।এক মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। মৃতর দাদা আরহান শেখ জানিয়েছেন, মোটর ভ্যান নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে তাঁর দাদা ভাঙাচোরা সামগ্রী কিনতেন। পরে তা বিক্রীর জন্য নিয়ে যেতেন ওড়গ্রামের একটি আড়তে।ব্যবসার মালপত্র বিক্রির জন্য মানোয়ার শেখ বৃহস্পতিবার দুপুর একটা নাগাদ ভ্যানে মালপত্র চাপিয়ে নিয়ে আড়তের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তার পর থেকে সে আর বাড়ি ফেরেনি। অনেক রাত পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় মানোয়ারের খোঁজ চালিয়েও তাঁর ভাই মানোয়ারের সন্ধান পাননি। আরহান শেখ জানান, এদিন সকালে তাঁরা জানতে পারেন পুলিশ তাঁর ভাইয়ের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে।মৃতদেহের কাছে মোটরভ্যানটি পড়ে থাকলেও বোরহানের সঙ্গে থাকা টাকা পয়সা ও মোবাইলটি পাওয়া যায়নি। আরহান শেখ বলেন, তাঁরা মনে করছেন বোরহানকে খুন করে টাকা পয়সা ও মোবাইল ফোন হাতিয়ে নিয়েছে দুস্কৃতিরা।ব্যবসায়ী মানোয়ার শেখের মৃত্যুর কারণ দুর্ঘটনা নাকি খুন তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: 'অ্যান্টি সোশ্যালরা তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে ঘোরে'

ফের খাস কলকাতায় রাতে চলল গুলি। রাত সাড়ে ১০ টায় রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি করেছে একদল দুষ্কৃতী। শহরে এমন ঘটনা প্রথমবার নয়। গত কয়েক মাসে একাধিকবার এমন গুলি চালনো ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। সেই প্রসঙ্গেই এবার শাসক দলের দিকে আঙুল তুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, তৃণমূলের মদতেই এ ভাবে শহর তথা গোটা রাজ্যজুড়ে দুষ্কৃতী তাণ্ডব বেড়ে চলেছে। তৃণমূলের আশ্রয়েই এত বাড়বাড়ন্ত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সোমবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, রাজ্যজুড়ে যে সব সমাজ বিরোধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তারা সবাই তৃণমূল আশ্রিত।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরপ্রসঙ্গত, রবিবার রাতে মিন্টো পার্কের কাছে গোর্কি সদনের সামনে হাওড়ার ব্যবসায়ী পঙ্কজ সিং-কে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। একেবারে বলিউডি কায়দায় প্রথমে ঘিরে ফেলা হয় ব্যবসায়ীর গাড়ি। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে বচসাও। এরই মধ্যে সুযোগ বুঝে পঙ্কজকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তবে কাঁধে গুলি লাগায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে সিএমআরআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিকল্পনামাফিক গুলি চালানো হয়েছে বলে দাবি আত্মীয় ও বন্ধুদের। এই প্রসঙ্গে আজ দিলীপ ঘোষ বলেন, শুধু কলকাতা নয় গোটা রাজ্যে একই অবস্থা। আর কাউকে গ্রেপ্তার করা হয় না, কারণ তারা দলের লোক। দিলীপের কথায়, যত সমাজ বিরোধী রয়েছে সবাই তৃণমূলের আশ্রয়ে রয়েছে। সবাই তৃণমূলের ঝাণ্ডা নিয়ে ঘোরে। কেউ কেউ তৃণমূলে পদ পেয়ে গিয়েছে, নেতাও হয়ে গিয়েছে। এরাই পুরো সমাজকে ব্যস্ত করে রেখেছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
রাজ্য

No Confidence: পুলিশে আস্থা নেই, সিআইডি তদন্তের দাবি অপহৃত ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালকের পরিবারের

টাকা হাতানোর জন্য বীরভূমের এক ব্যবসায়ী ও তাঁর পিকআপ ভ্যান চালককে অপহরণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে দুস্কৃতীদের বিরুদ্ধে।এই ঘটনার পর থেকে পেরিয়ে গিয়েছে ২৪ টা দিন।অপহৃতদের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে হুগলির ডানকুনি এলাকার তিন দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে। দুই দফায় ৩ দুস্কৃতীকে ১৪ দিন নিজেদের হেপাজতে নিয়ে পুলিশ ডানকুনির খালে তল্লাশী চালিয়েও আজ অবধি অপহৃতদের হদিশ করতে পারেনি। এই অবস্থায় পুলিশি তদন্তের উপর আর ভরসা রাখতে না পেরে অপহৃতদের পরিবার শুক্রবার রাতে জামালপুর থানায় হাজির হয়ে সিআইডি তদন্তের দাবি জানিয়ে গেলেন। তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়ার বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের কর্তারা যদিও বিশেষ কিছু বলতে চাননি।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-রপুলিশ জানিয়েছে, অপহৃতরা হলেন বীরভূমের ইলামবাজারে ব্যবসায়ী শামিম খাঁন(২১) ও তার পিকআপ ভ্যানের চালক বরুণ মুর্মু (২৬)। ব্যবসার ফাস্টফুড সামগ্রী কেনার জন্য গত ৪ আগষ্ট পিকআপ ভ্যানে চড়ে তাঁরা কলকাতা যাচ্ছিলেন।ব্যবসায়ীর সঙ্গে ছিল ৭০ হাজার টাকা। পরদিন জামালপুর থানার নবগ্রাম এলাকায় ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে একটি ধাবার সামনে থেকে উদ্ধার হয় ব্যবসায়ীদের পিকআপ ভ্যানটি। ওই গাড়ির চালকের কোন হদিশ না পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ একটি মামলা রুজু করে পিকআপ ভ্যানটি বাজেয়াপ্ত করে। এরপর ৮ আগষ্ট ব্যবসায়ীশামিমের পরিবার সদস্য শামিত খাঁন জামালপুর থানায় এসে শামিম ও বরুণকে অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্তে নামে জামালপুর থানার পুলিশ। হুগলির ডানকুনি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আকতার আলী মল্লিক, শেখ শামিম ওরফে বাবু ওরফে গোলতাবলে ও করিম শেখ ওরফে কালো নামে তিন দুস্কৃতিকে। জেরায় ধৃতরা শামিম ও বরুনকে অপহরণ করার পর খুন করে দেহ ডানকুনির খালে ফেলে দেওয়ার কথা পুলিশকে জানায়। দেহ উদ্ধারের জন্য পুলিশ তিন ধৃতকে দুই দফায় ১৪ দিন নিজেদের হেপাজতে নিয়ে ডানকুনির খালে তল্লাশি চালায়। কিন্তু ব্যবসায়ী ও তাঁর পিকআপ ভ্যান চালকের কোন হদিশ করতে পারেনি পুলিশ। দেহ উদ্ধার না হওয়ায় মামলায় খুনের ধারাও পুলিশ যুক্ত করতে পারেনি। এদিকে হেপাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ায় পুলিশ তিন ধৃতকেই শুক্রবার পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেপাজতে পাঠিয়ে ১১ সেপ্টেম্বর ফের আদলতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ধমকি দিয়ে তৃণমূলকে আটকানো যাবে না, শাহকে চ্যালেঞ্জ অভিষেকেরশামিমের মা সামেনা বিবির বলেন, তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গিয়েছে। আমার ছেলে শামিম ও তার গাড়ির চালক মৃত না জীবিত তা আজও জানা নেই।পুলিশ তো অনেক তদন্ত করল। এ বার তদন্তভার সিআইডি হাতে তুলে দেওয়া হোক। একই দাবির কথা পুলিশকে জানিয়েছেন বলে জানান শামিমেরদিদি মোমেনা খাতুন সহ পরিবারের অন্য সকল সদস্য। অন্যদিকে এক বছরের ছেলেকে কোলে নিয়ে চোখের জল ফেলতে ফেলতে বরুণ মুর্মুর স্ত্রী তুলসীদেবী বলেন, আমার দুই ছেলেই এখন শিশু। বড় ছেলের বয়স আড়াই বছর, আর ছোট ছেলের বয়স মাত্র এক বছর। স্বামী বরুণ মুর্মুই ছিলেন পরিবারের একমাত্র রোজগেরে ব্যক্তি। স্বামীর হদিশ না মেলায় তিনি চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। তাঁর স্বামীর হদিশ উদ্ধারের দায়িত্ব এবার পুলিশ সিআইডির হাতে তুলে দিক এটাই তিনি চান।জেলার পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন অবশ্য এদিন জানান, তাঁরা গুরুত্ব দিয়ে ঘটনার তদন্ত করছেন। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ধৃতদের দেখানো জায়গায় দেহ খুঁজে বের করার জন্য তল্লাশি চালানো হয়েছে। ঘটনায় আরও কিছু সূত্র মিলেছে। সেই সূত্র ধরেও অপহৃতদের খোঁজ করা হচ্ছে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজ্য

Businessman: বীরভূমের ব্যবসায়ী ও গাড়ি চালককে অপহরণ করে খুন, ডানকুনি থেকে গ্রেপ্তার তিন

টাকা হাতানোর জন্য এক ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালককে অপহরণ করে খুনের অভিযোগ উঠলো দুস্কৃতিদের বিরুদ্ধে। অপহৃতরা হলেন শামিম খাঁন (২১)ও বরুণ মুর্মু (২৬)। বীরভূম জেলার ইলামবাজার থানার ভগবতিবাজারে ব্যবসায়ী শামিমের বাড়ি। আর তাঁর পিকআপ ভ্যানের চালক বরুণ মুর্মুর বাড়ি একই থানা এলাকার নোলার গ্রামে।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাইব্যবসার ফাস্ট ফুড সামগ্রী কেনার জন্য ৪ আগষ্ট ইলামবাজার থেকে কলকাতায় যাওয়ার পথে শামিম ও বরুণ অপহৃত হয়। পরদিন পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার নবগ্রাম এলাকায় ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে থাকা একটি ধাবার সামনে থেকে উদ্ধার হয় পিকআপ ভ্যানটি। গাড়ির চালকের হদিশ না পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ একটি মামলা রুজু করে পিকআপ ভ্যানটি বাজেয়াপ্ত করে। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালিয়েও পরিবারের সদস্যদের খোঁজ না পেয়ে এরপর ৮ আগষ্ট ব্যবসায়ী শামিমের পরিবারের সদস্য শামিত খাঁন জামালপুর থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে তদন্তে নেমে জামালপুর থানার পুলিশ হুগলির ডানকুনি থানার সাহায্য নিয়ে বুধবার রাতে তিন জনকে আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে ধৃতদের নাম আকতার আলী মল্লিক, শেখ শামিম ওরফে বাবু ওরফে গোলতাবলে ও করিম শেখ ওরফে কালো । ধৃত তিনজনই ডানকুনি থানার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা ।আরও পড়ুনঃ কেন বন্ধ লোকাল ট্রেন? তা বিস্তারিত জানালেন মুখ্যমন্ত্রীডানকুনি থানায় বসিয়ে বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত পুলিশ তিনজনকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। জিজ্ঞাসাবাদেই উঠে অসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় ধৃতরা কবুল করে, তারা শামিম ও বরুনকে অপহরণ করার পর তাদের খুন করে ।তারপর তাঁদের দেহ তারা ফেলে দেয় ডানকুনির খালে। পাশাপাশি পুলিশের নজর ঘোরাতে তারা পিকআপ ভ্যানটি জামালপুরের নবগ্রামে জাতীয় সড়কের ধারে থাকা একটি ধাবার সামনে দাঁড় করিয়ে রেখে পালায়।জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য উঠে আসার পরেই পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। ব্যবসায়ী ও পিকআপ ভ্যানের চালকের দেহ উদ্ধারের জন্য ধৃতদের সঙ্গে নিয়ে পুলিশ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ডানকুনির খালে খোঁজ চালানো শুরু করে। জেসিবি দিয়ে ও ডুবুরি নামিয়ে মৃতদেহের খোঁজ চালানো হয়। তবে এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত দেহদুটির কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে। খুনের ঘটনা আড়াল করতে ধৃতরা বিভ্রান্ত করছে কিনা সেই বিষয়টিও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। ব্যবসায়ী শামিমের আত্মীয় জামির খাঁন এদিন বলেন, ব্যবসার মোটা টাকা হাতানোর জন্যই আপহরণকারীরা শাামিম ও বরুণ মুর্মুকে খুন করেছে দেহ গায়েব করে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ৩১ অগস্ট পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেনএসডিপিও আমিনুল ইসলাম (বর্ধমান সদর দক্ষিণ) এদিন জানান, পিকআপ ভ্যানটি ৫ আগষ্ট নবগ্রামে ২ নম্বর জাতীয় সড়কে পাওয়া যায়। ওই গড়িতে থাকা ব্যবসায়ী শামিম শেখ ও গাড়ির চালক বরুণ মুর্মুকে অপহরণের ঘটনা নিয়ে তাঁদের পরিবার ৮ অগাষ্ট জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।পিকআপ ভ্যানটির সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে অপহরণের ঘটনায় ডানকুনির ৩ জনকে ধরা হয়। জেরায় তারা কবুল করে টাকা হাতিয়ে নিয়ে পিকআপ ভ্যানে থাকা দুজনকে খুন করে দেহ ডানকুনির সেচখালে ফেলে দিয়েছে। এদিন ধৃতদের কথা মতো পুলিশ ডানকুনির সেচখালে তল্লাশি চালায়। যদিও সন্ধ্যা পর্যন্ত দেহ উদ্ধার হয়নি। দেহ উদ্ধারের জন্য ধৃতদের আরও জেরা করা হবে।

আগস্ট ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

নিজের সন্তান দিয়ে ‘উন্নত মানবজাতি’ তৈরির ভাবনা, ফাঁস এপস্টেইনের চাঞ্চল্যকর

যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইন নাকি নিজের ঔরস থেকে একটি সুপার রেস বা উন্নত মানবজাতি তৈরি করার পরিকল্পনা করেছিলেন। এমনই দাবি করা হয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য আমেরিকার নিউ মেক্সিকোতে তাঁর প্রাসাদটিকেই পরীক্ষাগার হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিজের এই পরিকল্পনার কথা এপস্টেইন বহু প্রভাবশালী ও শিক্ষিত ব্যক্তিকেও জানিয়েছিলেন। সেই কারণেই অনেকে তাঁর নিউ মেক্সিকোর প্রাসাদটিকে বেবি র্যাঞ্চ বলে ডাকতেন। যদিও এই পরিকল্পনা আদৌ বাস্তবায়িত হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, নিজেকে নাসার বিজ্ঞানী বলে পরিচয় দেওয়া এক মহিলা দাবি করেছেন, এপস্টেইন একসঙ্গে অন্তত ২০ জন গর্ভবতী মহিলাকে ওই প্রাসাদে রাখার কথা ভেবেছিলেন। নোবেলজয়ীদের শুক্রাণু সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তৈরি রিপোজিটরি ফর জার্মিনাল চয়েস নামে একটি পুরনো স্পার্ম ব্যাঙ্কের ধারণা থেকেও তিনি অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।অনেকের মতে, এপস্টেইনের এই পরিকল্পনা ট্রান্সহিউম্যানিজম নামে এক বিতর্কিত মতবাদের সঙ্গে যুক্ত। এই ধারণা অনুযায়ী, প্রযুক্তি, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে মানুষের ক্ষমতা আরও উন্নত করা সম্ভব। তবে সমালোচকেরা বলেন, এই মতবাদের সঙ্গে ইউজেনিক্স-এর মিল রয়েছে। হিটলারের জার্মানিতে ইউজেনিক্স ধারণা ব্যবহার করে তথাকথিত শুদ্ধ জাতি গঠনের চেষ্টা করা হয়েছিল। এই মতবাদে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম থেকে অনভিপ্রেত জিন দূর করার কথা বলা হয়।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
দেশ

আরএসএস প্রধানের টেবিলে আদনান শামি, ‘দেশদ্রোহিতা’ তকমা দিল কংগ্রেস

জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী ও সুরকার আদনান শামির সঙ্গে নৈশভোজ করেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই কংগ্রেসের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়ে আরএসএস। পাকিস্তানি বায়ুসেনার প্রাক্তন আধিকারিকের পুত্র আদনানের সঙ্গে ভাগবতের নৈশভোজকে দেশবিরোধী বলে কটাক্ষ করেছে মহারাষ্ট্র কংগ্রেস। এই ঘটনাকে ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।আরএসএস-এর শতবর্ষ উপলক্ষে মুম্বইয়ে দুদিনের একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে বলিউডের একাধিক শিল্পীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আদনান শামিও। তাঁর সঙ্গে মোহন ভাগবতের নৈশভোজের ছবি সামনে আসতেই কংগ্রেসের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের এক্স হ্যান্ডেল থেকে লেখা হয়, আদনান শামির বাবা আরশাদ শামি খান ছিলেন পাকিস্তানি বায়ুসেনার পাইলট। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধে তিনি পাঠানকোটের বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিলেন। সেই ব্যক্তির ছেলের সঙ্গে এক টেবিলে বসে খাওয়াদাওয়া করা আরএসএস-এর পক্ষ থেকে দেশদ্রোহিতার সামিল বলে দাবি কংগ্রেসের।তবে এই মন্তব্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ আরএসএস এবং পদ্মশ্রী প্রাপক আদনান শামি। সোশাল মিডিয়ায় ভাগবতের সঙ্গে নিজের ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, তাঁর সঙ্গে একটি চমৎকার দিন কাটিয়েছেন। দীর্ঘ আলোচনায় ভাগবত তাঁর অনেক ভুল ধারণা দূর করে দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন শামি। তিনি ভাগবতকে অত্যন্ত ভদ্র ও ব্যক্তিত্ববান মানুষ বলেও প্রশংসা করেন।ওই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করতে গিয়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন ভাগবত। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রায় ১.২৫ কোটি হিন্দু বাস করেন। তাঁরা যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করেন, তবে বিশ্বের সব হিন্দু তাঁদের পাশে দাঁড়াবেন এবং সাহায্য করবেন।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
দেশ

৮৫০৫ অফিসার মঙ্গলবার হাজিরা দেবেন? রাজ্যকে কড়া বার্তা প্রধান বিচারপতির

ভোটার তালিকা সংশোধন বা এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে টানাপোড়েন পৌঁছল সুপ্রিম কোর্টে। কমিশনের অভিযোগ ছিল, রাজ্য পর্যাপ্ত অফিসার দিচ্ছে না। সোমবারের শুনানির আগেই রবিবার রাজ্য সরকার কমিশনকে চিঠি দিয়ে জানায়, অফিসার নিয়োগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সওয়াল করার এক্তিয়ার নিয়েও একাধিক মামলা দায়ের হয়।সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে সেই সব মামলার শুনানি হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অখিল ভারত হিন্দু মহাসভা যে মামলা করেছে, তার বৈধতা নিয়েই প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন ছিল, যে সংগঠন মূলত মন্দিরের দেখভাল করে, তাদের সঙ্গে নির্বাচনের সম্পর্ক কোথায়। একসঙ্গে অনেকে কথা বলায় এদিন বিরক্তিও প্রকাশ করেন তিনি।রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। তিনি জানান, আনম্যাপড ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৩২ লক্ষ। বাকি ভোটারদের লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির কারণে ডাকা হয়েছে। মোট ১.৩৬ কোটি মানুষকে নোটিস দেওয়া হয়েছে। শুধু বানান ভুলের কারণেই প্রায় ৫০ শতাংশ ভোটারকে তলব করা হয়েছে বলে তিনি জানান।নির্বাচন কমিশনের দাবি, অফিসার চেয়ে রাজ্যকে পাঁচ বার চিঠি দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের বক্তব্য, আদালতে আসার পরই তারা এই দাবি জানতে পেরেছে। এই প্রসঙ্গে রাজ্যের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রধান বিচারপতি। তিনি জানতে চান, ৮৫০৫ জন অফিসার মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসারের কাছে রিপোর্ট করতে পারবেন কি না এবং তাঁদের নামের তালিকা কমিশনকে দেওয়া হয়েছে কি না। কমিশনের আইনজীবী জানান, কোনও নামের তালিকা তারা পাননি। তখন প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, শুধু সংখ্যা পাঠালে হবে না, অফিসারের নাম, পদ এবং সমস্ত তথ্য দিতে হবে।প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, চার বা পাঁচ তারিখেই তালিকা দেওয়া যেত। এ নিয়ে অযথা বিতর্ক চাই না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাজ্য জানায়, কোথায় কত অফিসার দরকার, তা জানতে সময় লেগেছে।রাজ্যের তরফে আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি জানান, রাজসাহিত্য সংস্থা থেকে কর্মীদের এনে মাইক্রো অবজার্ভার করা হয়েছে এবং কমিশন কখনও গ্রুপ-বি অফিসার চায়নি। কমিশনের পাল্টা দাবি, এসডিএম বা এসডিও র্যাঙ্কের অফিসার চেয়ে একাধিক চিঠি দেওয়া হয়েছে।ইআরও ও মাইক্রো অবজার্ভারদের ক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও-রাই, মাইক্রো অবজার্ভাররা নন। তিনি কড়া ভাষায় জানান, প্রয়োজনে আদালত নির্দেশ দেবে, কিন্তু কোনও অবস্থাতেই এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাধা বরদাস্ত করা হবে না।আদালতের নির্দেশে ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে স্ক্রুটিনির জন্য, অর্থাৎ রাজ্যে এসআইআর-এর সময়সীমা বাড়ানো হল। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে ৮৫০৫ জন অফিসারকে ইআরও-র কাছে রিপোর্ট করতে হবে। সমস্ত তথ্য যাচাই করে নির্বাচন কমিশন ঠিক করবে, কাকে নিয়োগ করা হবে আর কাকে নয়। শেষ সিদ্ধান্ত ইআরও-র হাতেই থাকবে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
রাজ্য

মাদক মামলায় বড় পদক্ষেপ, হুমায়ুন কবীরের মেয়ের শ্বশুরবাড়ির ১০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত শুরু

মাদক পাচারের অভিযোগে হুমায়ুন কবীরের মেয়ের শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করল মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানার পুলিশ। অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম। সোমবার থেকেই তাঁর প্রায় ১০ কোটি টাকার বেশি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার কাজ শুরু হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে এলাকায়।পুলিশ সূত্রে খবর, গত বছর লালগোলায় শরিফুল ইসলামের বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে তাঁর এক আত্মীয় জিয়াউর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের কাছ থেকে প্রায় ৫০০ গ্রাম মাদক উদ্ধার হয়েছিল, যার আনুমানিক বাজারদর ছিল প্রায় এক কোটি টাকা। তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, বেআইনিভাবে মাদক পাচারের সঙ্গে শরিফুল ইসলামও জড়িত। পুলিশের দাবি, মাদক পাচারের মাধ্যমেই তিনি কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন।এই অভিযোগের ভিত্তিতেই গত ১ জানুয়ারি অবৈধ টাকায় কেনা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করে পুলিশ। অনুমতি মিলতেই সোমবার থেকে লালগোলার নলডহরি-সহ বিভিন্ন এলাকায় শরিফুল ইসলামের নামে থাকা জমি, বাড়ি ও অন্যান্য সম্পত্তি চিহ্নিত করে ফ্রিজ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সূত্রের খবর, মোট ১৭টি সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হতে পারে, যার মধ্যে জমি, বাড়ি, অফিস এবং একটি ব্যাঙ্কে ভাড়া দেওয়া সম্পত্তিও রয়েছে।এদিকে এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন সাসপেন্ডেড বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবীর। তিনি অভিযোগ করেন, নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের পর থেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর পরিবারকে অপদস্থ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, যাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাঁর সঙ্গে মেয়ের শ্বশুরের সরাসরি কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি দূর সম্পর্কের আত্মীয় মাত্র।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, তাঁর মেয়ের শ্বশুরের ইটভাটা, অনুষ্ঠান বাড়ি, জমি কেনাবেচা-সহ একাধিক বৈধ ব্যবসা রয়েছে এবং নিয়মিত আয়করও দেওয়া হয়। সমস্ত নথি থাকা সত্ত্বেও যেভাবে পুলিশ সম্মানহানি করছে, তার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
দেশ

এসআইআর ইস্যুতে রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ সুপ্রিম কোর্টের, চাপে প্রশাসন

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় গন্ডগোলের অভিযোগ সামনে আসতেই কড়া পদক্ষেপ করল সুপ্রিম কোর্ট। এসআইআর-এর কাজে যুক্ত কর্মীদের ভয় দেখানো এবং হিংসার অভিযোগের প্রেক্ষিতে রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি পীযূষ পান্ডেকে শোকজ করেছে শীর্ষ আদালত। তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে হলফনামা জমা দিয়ে ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ।গত বছরের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শুরু থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে আসছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এসআইআর-এ শুনানি পর্ব শুরু হওয়ার পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তির খবর সামনে আসে। কোথাও বিডিও অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে, আবার কোথাও অফিসে ঢুকে আধিকারিককে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও সামনে আসে।এই সব অভিযোগ সুপ্রিম কোর্টে তুলে ধরে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের দাবি, হুমকি, হিংসা এবং ভয় দেখিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার চেষ্টা করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রেই অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এফআইআর দায়ের হয়নি বলেও জানানো হয় আদালতে। এর পরই শীর্ষ আদালত রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ করে ব্যক্তিগত হলফনামা জমা দিতে নির্দেশ দেয়।ডিজি পীযূষ পান্ডে এই শোকজের কী জবাব দেন, সেটাই এখন দেখার। এদিকে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, এসআইআর সংক্রান্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ইআরও-রাই। তাঁদের নথি যাচাইয়ের জন্য ১৪ ফেব্রুয়ারির পর আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা বরদাস্ত করা হবে না।রাজ্য পুলিশের ডিজিকে শোকজ করা নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলার চূড়ান্ত অবনতি হয়েছে। তাঁর দাবি, ডিজিকে শোকজ করার অর্থই হল রাজ্যের পুলিশমন্ত্রীকে শোকজ করা, যেহেতু পুলিশ দফতরের দায়িত্ব মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত–পাক ম্যাচে টানাপোড়েন, আইসিসির সামনে কড়া শর্ত পাকিস্তান বোর্ডের

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলার আগে আইসিসির কাছে তিনটি দাবি তুলেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এই দাবিগুলি মানা হলে তবেই তারা সরকারের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত বদলের কথা ভাববে বলে জানানো হয়েছে।রবিবার লাহোরে আইসিসির এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কর্তারা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও। মূল লক্ষ্য ছিল ভারতপাকিস্তান ম্যাচটি নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত করা।ক্রিকবাজের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইসিসির কাছে তিনটি শর্ত দিয়েছে পাকিস্তান। প্রথমত, আইসিসির আয় থেকে পাকিস্তানের ভাগ বাড়াতে হবে। দ্বিতীয়ত, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট সিরিজ আবার শুরু করতে হবে। তৃতীয়ত, মাঠে দুই দলের মধ্যে হ্যান্ডশেক প্রোটোকল বাধ্যতামূলক করতে হবে।বিতর্কের সূত্রপাত হয়, যখন পাকিস্তান সরকার ঘোষণা করে যে তারা ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলতে দেবে না। ম্যাচটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে হওয়ার কথা থাকলেও সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে বয়কটের স্পষ্ট কারণ সরকার জানায়নি।ক্রিকেট মহলে মনে করা হচ্ছে, বাংলাদেশকে সমর্থন করতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। কারণ, নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগের কথা তুলে নিজেদের ম্যাচ ভারতের বাইরে সরানোর আবেদন করেছিল বাংলাদেশ। সেই আবেদন আইসিসি খারিজ করার পরই বাংলাদেশ টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ায়।এই পরিস্থিতিতে আইসিসি পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসে। বৈঠকে অনলাইনে যোগ দেন আইসিসির সিইও সঞ্জোগ গুপ্ত। লাহোরে উপস্থিত ছিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি, আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খোয়াজা এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশও আইসিসির কাছে ক্ষতিপূরণ চাইতে পারে। সেই বিষয়েও আলোচনায় পাকিস্তান মধ্যস্থতা করতে পারে বলে জানা গিয়েছে।পাকিস্তানের এই তিন দাবির মাধ্যমে আইসিসির উপর চাপ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, ভারতপাকিস্তান ম্যাচ না হলে সম্প্রচার থেকে বড় অঙ্কের আয় কমে যেতে পারে। সেই কারণেই এই ম্যাচকে হাতিয়ার করে নিজেদের দাবি আদায়ের চেষ্টা করছে পাকিস্তান।বর্তমানে আইসিসির আয়ের ভাগের দিক থেকে পাকিস্তান চতুর্থ স্থানে রয়েছে। মোট আয়ের ৫.৭৫ শতাংশ পায় তারা। ২০২৩ সালের হিসাবে আইসিসি থেকে বছরে প্রায় ৩৪.৫১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পায় পাকিস্তান বোর্ড। এই অর্থ দেশের ক্রিকেট চালানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানের থেকে বেশি আয় পায় কেবল অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড ও ভারত।পিসিবির দ্বিতীয় দাবি, ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ ফের শুরু করা। তবে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুই দেশের সরকারের হাতে। আইসিসি সরাসরি এমন সিরিজ আয়োজন করতে পারে না, তারা শুধু মধ্যস্থতা করতে পারে।তৃতীয় দাবি, হ্যান্ডশেক প্রোটোকল চালু করা। ২০২৫ সালের এশিয়া কাপে পাহেলগাম জঙ্গি হামলার পর ভারতীয় দল পাকিস্তানের ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকার করেছিল। সেই ঘটনার পরই এই বিষয়টি সামনে এসেছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহের শুরুতেই আতঙ্ক! একসঙ্গে ৯ স্কুলে বোমা হুমকি, ছুটল পুলিশ-বম্ব স্কোয়াড

সপ্তাহের প্রথম দিনেই দিল্লির একাধিক স্কুলে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। সোমবার সকালে রাজধানীর নয়টি স্কুলে এই হুমকি আসে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পুলিশ, দমকল এবং বম্ব স্কোয়াড।দিল্লির দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, সকাল সাড়ে আটটা নাগাদ প্রথম হুমকির খবর আসে। রাজধানীর বেশ কয়েকটি নামী স্কুলে ইমেইলের মাধ্যমে এই হুমকি পাঠানো হয়। এর মধ্যে ছিল লরেটো কনভেন্ট স্কুল (দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট), কেমব্রিজ স্কুল (দক্ষিণ দিল্লি), ভেঙ্কটেশ্বর স্কুল (উত্তর-পশ্চিম দিল্লি), সিএম স্কুল ও বাল ভারতী স্কুল (রোহিণী), ডিটিএ স্কুল এবং দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইমেইলে উসকানিমূলক ও উদ্বেগজনক বার্তা লেখা ছিল। সেখানে উল্লেখ করা হয়, দিল্লি খালিস্তান হয়ে যাবে, পঞ্জাব খালিস্তান। ইমেইলে আফজল গুরুর নামও লেখা ছিল বলে জানা গিয়েছে।শুধু স্কুল নয়, উড়ো ইমেইলে সংসদেও বিস্ফোরণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১টা ১১ মিনিটে সংসদে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে।হুমকির খবর ছড়াতেই স্কুলগুলিতে আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেক অভিভাবক তড়িঘড়ি স্কুলে পৌঁছে যান। পড়ুয়াদের দ্রুত বাইরে বের করে ভবন খালি করা হয়। পরে পুলিশ ও বম্ব স্কোয়াড স্কুলগুলিতে তল্লাশি চালায়। এখনও পর্যন্ত কোথাও কোনও বিস্ফোরক মেলেনি বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬
বিদেশ

বিদায়ের আগে ঋণের বোঝা বাড়ালেন ইউনূস? নির্বাচন ঘিরে প্রশ্ন বাংলাদেশে

বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনের আর বেশি দেরি নেই। হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশটির শাসনভার যায় অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে। সেই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। এখন অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষের পথে। নির্বাচনের পর ক্ষমতায় আসবে নতুন সরকার। তার আগেই একের পর এক নতুন প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে ইউনূস সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে।এমনিতেই ঋণের চাপে রয়েছে বাংলাদেশ। তার মধ্যেই নতুন প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই অর্থের বড় অংশই ঋণ নিয়ে জোগাড় করতে হবে বলে জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই বিদায়ের মুখে সরকারের আর্থিক সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যুয়ারেজ অথরিটি বা ওয়াসার আগেই প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ রয়েছে। সেই ঋণ এখনও শোধ হয়নি। তার মধ্যেই নতুন একটি প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর গত ২৩ ডিসেম্বর ওয়াসার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি গড়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়। এই প্রকল্পের খরচ ধরা হয়েছে ৭২১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৫৭১ কোটি টাকা দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে ঋণ হিসেবে নেওয়া হবে।বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলো-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারির মধ্যে মোট ৬৪টি প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এসব প্রকল্পে মোট খরচ হবে ১ লক্ষ ৬ হাজার ৯৯৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৪০টি সম্পূর্ণ নতুন প্রকল্প, যেগুলিতে খরচ হবে ৭৯ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা। এই নতুন প্রকল্পগুলির মধ্যে কিছু প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কয়েকটি প্রকল্পকে ঘিরে বিতর্কও তৈরি হয়েছে।হাসিনা সরকারের পতনের পর গত দেড় বছরে ইউনূস সরকার মোট ১৩৫টি নতুন প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে। এসব প্রকল্পে খরচ হয়েছে প্রায় ২ লক্ষ ৩ হাজার কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করা হয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ খাতে। তুলনায় স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ কম ছিল। শেষ দিকে আবার তিনটি নতুন স্বাস্থ্য প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা খাতেও কিছু বিনিয়োগ করা হয়েছে। তবে কর্মসংস্থান, যা বাংলাদেশের অন্যতম বড় সমস্যা, সেই বিষয়ে তেমন জোর দেওয়া হয়নি বলেই অভিযোগ উঠছে।এদিকে প্রকল্প বণ্টন নিয়েও নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। অভিযোগ, চট্টগ্রাম এলাকায় বেশি সংখ্যক প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, অথচ ২১টি জেলায় কোনও প্রকল্পই বরাদ্দ হয়নি। কেন চট্টগ্রামেই বেশি বরাদ্দ, সে বিষয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ প্রথম আলো-কে জানিয়েছেন, ঢাকার জল ও নিকাশি ব্যবস্থা চট্টগ্রামের তুলনায় অনেক উন্নত। রফতানি বাড়াতে চট্টগ্রাম বন্দরের পরিকাঠামো উন্নত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেই কারণেই ওই এলাকায় বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal