• ১২ কার্তিক ১৪৩৩, শনিবার ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Boxing

খেলার দুনিয়া

ইতিহাস গড়ল ভারত! একদিনেই বক্সিংয়ে এল দশ পদক, বদলে গেল পদক তালিকার ছবি

কমনওয়েলথ গেমসে ভারতীয় বক্সিংয়ের ইতিহাসে অন্যতম সেরা দিন দেখা গেল। শেষ দিনের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল, এবার একসঙ্গে দশটি পদক জিততে চলেছেন ভারতের বক্সাররা। এর আগে কমনওয়েলথ গেমসে ভারত কখনও বক্সিংয়ে এত বেশি পদক জিততে পারেনি। তাই শুরু থেকেই এই সাফল্য ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেয়।শেষ পর্যন্ত ভারতের ঝুলিতে আসে মোট দশটি পদক। তার মধ্যে রয়েছে সাতটি সোনা এবং তিনটি রুপো। এই দুরন্ত সাফল্যের ফলে বক্সিংয়ে প্রতিযোগিতার অন্যতম সফল দেশ হিসেবে শেষ করল ভারত। আগামী কমনওয়েলথ গেমসের আগে এই ফল ভারতীয় বক্সিংয়ের আত্মবিশ্বাস আরও অনেকটাই বাড়িয়ে দিল।মহিলা বক্সারদের পারফরম্যান্স ছিল চোখে পড়ার মতো। সাক্ষী চৌধুরী, প্রীতি পাওয়ার, জ্যাসমিন ল্যাম্বোরিয়া, লাভলিনা বরগোহাঁই এবং প্রিয়া মানহাস নিজেদের দুরন্ত লড়াইয়ে পদক জিতে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন। তাঁদের ধারাবাহিক সাফল্য আবারও প্রমাণ করল, আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতীয় মহিলা বক্সিং এখন বিশ্বের সেরাদের সঙ্গে সমান তালে লড়াই করছে।পুরুষ বিভাগেও সাফল্য এসেছে। সচিন সিওয়াচ এবং অঙ্কুশ পাঙ্গাল ফাইনালে জিতে সোনা জিতেছেন। তবে লাভলিনা বরগোহাঁই কঠিন লড়াইয়ের পর অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বচ্যাম্পিয়নের কাছে হেরে রুপো নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে বাধ্য হন। শেষ পর্যন্ত তাঁর লড়াই দর্শকদের মন জয় করে নেয়।শুধু বক্সিং নয়, প্যারা ক্রীড়াতেও ভারতের সাফল্য অব্যাহত রয়েছে। সোমান রানা সোনা জিতেছেন এবং শুভম জুয়াল রুপো এনে দেশের পদক সংখ্যা আরও বাড়িয়েছেন।শনিবার পর্যন্ত ভারতের মোট পদকসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ঊনচল্লিশ। এর মধ্যে রয়েছে তেরোটি সোনা, সতেরোটি রুপো এবং নয়টি ব্রোঞ্জ। পদক তালিকায় ভারত এখন চতুর্থ স্থানে রয়েছে। প্রথম স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, দ্বিতীয় স্থানে ইংল্যান্ড এবং তৃতীয় স্থানে কানাডা। ভারতের ঠিক পিছনেই রয়েছে স্কটল্যান্ড। বক্সিংয়ে এই ঐতিহাসিক সাফল্য ভারতের পদক তালিকায় বড় প্রভাব ফেলেছে এবং শেষ পর্বের আগে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে।

আগস্ট ০২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

Boxing Day: শ্রেয়স না রাহানে, প্রথম টেস্টে কার ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে?

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করেও কি প্রথম একাদশের বাইরে থাকতে হবে শ্রেয়স আয়ারকে? তেমন কিছু ঘটলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজের প্রথম টেস্ট খেলতে নামার ৪৮ ঘন্টা আগে ভারতীয় দলের সহ অধিনায়ক লোকেশ রাহুল যেকথা বলে গেলেন, তেমন সম্ভাবনাই প্রবল। শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলনে লোকেশ রাহুল ভারতীয় দলের ৫ বোলার নিয়ে মাঠে নামার ইঙ্গিত দিয়েছেন। সেক্ষেত্রে ৫ বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান নিয়ে প্রথম টেস্ট খেলবে ভারত। চোটের জন্য রোহিত শর্মা টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেছেন। এই অবস্থায় রোহিত শর্মার অনুপস্থিতিতে দক্ষিণ আফ্রিকার জোরে বোলারদের সামলাতে খুব ঝুঁকি নেওয়ার বিলাসিতা দেখাতে পারছে না ভারত। শেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে ভারত যে একমাত্র টেস্ট জিতেছিল তার মূল কৃতিত্ব ছিল অজিঙ্ক রাহানের। ফলে এই সিরিজের প্রথম টেস্টে তাঁর প্রথম একাদশে থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ভারত যদি ৫ ব্যাটারকে নিয়ে মাঠে নামে সেক্ষেত্রে ওপেন করবেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল ও লোকেশ রাহুল। তিন নম্বরে চেতেশ্বর পূজারা। চার নম্বরে বিরাট কোহলি। পাঁচ নম্বরে লড়াই শ্রেয়স আয়ার, অজিঙ্ক রাহানে ও হনুমা বিহারীর মধ্যে। শ্রেয়স আয়ার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে মুম্বই টেস্টে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি ও হাফ সেঞ্চুরি করেছেন। হনুমা বিহারী দক্ষিণ আফ্রিকা এ দলের বিরুদ্ধে ভাল খেলেছেন। ফলে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের কাজ যে যথেষ্ট কঠিন তা মেনে নিচ্ছেন লোকেশ রাহুল। তিনি বলেন, মেলবোর্ন ও লর্ডস টেস্ট-সহ দেশের হয়ে অনেকবারই গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন রাহানে। দলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার। শ্রেয়সও সুযোগ কাজে লাগিয়েছে। হনুমাও দেশের হয়ে ভাল খেলেছে। সবমিলিয়ে একজনকে বেছে নেওয়া খুব কঠিন। বিষয়টি নিয়ে আমরা ম্যাচের আগের দিন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারব।আগেরবারের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের তুলনায় এবারের সফরে ভারতের প্রস্তুতি অনেক ভাল হয়েছে বলে মনে করছেন লোকেশ রহুল। সেঞ্চুরিয়নে পেস ও বাউন্সের সঙ্গে মানিয়ে নিতে সেখানে যে প্রস্তুতি দল নিয়েছে তা পর্যাপ্ত বলেই মনে করেন কোহলির সহকারী। দক্ষিণ আফ্রিকায় খেলার খুব বেশি অভিজ্ঞতা না থাকলেও রাহুল বলেন, এখানকার উইকেট অস্ট্রেলিয়ার তুলনায় আলাদা। এখানকার পেস ও বাউন্স সামলানো চ্যালেঞ্জিং হবে। তবে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডে ভালো খেলার আত্মবিশ্বাস নিয়েই।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lovelina : ‌সেমিফাইনালে হেরে ব্রোঞ্জেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে লাভলিনাকে

মেরি কম ব্যর্থ হওয়ার পর অলিম্পিকে মহিলাদের বক্সিংয়ে লাভলিনা বরগোঁহাইকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিল দেশবাসী। মহিলাদের ৬৯ কেজি ওয়েল্টারওয়েট বিভাগের সেমিফাইনালে উঠে স্বপ্নও দেখিয়েছিলেন। কিন্তু ফাইনালের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল লাভলিনা বরগোঁহাইয়ের কাছে। সেমিফাইনালে বিশ্বের ১ নম্বর তারকা তুরস্কের বুসেনাজ সুরমেনেলির কাছে হেরে সোনা জয়ের স্বপ্ন শেষ ভারতের এই মহিলা বক্সারের।সেমিফাইনালে হরলেও মেরি কম, বিজেন্দ্র সিংয়ের মতো ব্রোঞ্জ জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে লাভলিনা বড়গোহাঁইকে। কোয়ার্টার ফাইনালে যে দাপট নিয়ে তিনি বাউট জিতেছিলেন, সেমিফাইনালে শীর্ষ বাছাই বক্সারের বিরুদ্ধে তাঁর ধারেকাছেও পৌঁছতে পারলেন না লাভলিনা। ৫০ ব্যবধানে বুসেনাজ সুরমেনেলির কাছে উড়ে গেলেন। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মকভাবে এগোনোর চেষ্টা করেন লাভলিনা। ভারতীয় বক্সারকে পাল্টা জবাব দেন শীর্ষ বাছাই বুসেনাজ সুরমেনেলি। প্রথম রাউন্ডের শুরুতেই পরপর দুটি পাঞ্চ হজম করার পরই ব্যাকফুটে চলে যান লাভলিনা। ভারতীয় বক্সারের বিরুদ্ধে অনায়াসে পয়েন্ট অর্জন করতে থাকেন তুরস্কের বুসেনাজ। পরপর দুটি পাঞ্চ হজম করে চাপে পড়ে যান লাভলিনা। প্রতিপক্ষের কোনও আক্রমণেরই জবাব দিতে পারছিলেন না। এমনকি প্রতিরোধ ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলেন। কেন তিনি বিশ্বের ১ নম্বর, বুঝিয়ে দিলেন বুসেনাজ সুরমেনেলি। নিজের সব অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে লাভলিনার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন। তাতেই হতদ্যোম হয়ে পড়েন বড়গোহাঁই। শেষ দুই রাউন্ডে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েন লাভলিনা। শেষে রাউন্ডে তো কার্যত হালই ছেড়ে দেন ভারতীয় বক্সার। সেমিফাইনালে হারলেও টোকিও অলিম্পিক থেকে ব্রোঞ্জ পদক নিয়ে ফিরছেন লাভলিনা বড়গোহাঁই। মেরি কম, বিজেন্দ্র সিংয়ের পর তৃতীয় ভারতীয় বক্সার হিসেবে এই নজির গড়লেন তিনি। সেমিফাইনালে লাভলিনার পরাজয়ে হতাশ না হয়ে বরং এই কীর্তিকেই বড় করে দেখছে দেশের ক্রীড়াপ্রেমী মানু্ষ। অসমের এই বক্সারের লড়াইকে কুর্নিশ জানাচ্ছে গোটা দেশ। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত টোকিও অলিম্পিক থেকে তিনটি পদক এসেছে ভারতের। ভারোত্তোলনে রূপো জিতেছিলেন মীরাবাঈ চানু। ব্যাডমিন্টনে ব্রোঞ্জ জিতেছেন শাটলার পিভি সিন্ধু। সেই তালিকায় যোগ হল লাভলিনা বড়গোহাঁইয়ের নাম।

আগস্ট ০৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Farhan : সতীশকে নিয়ে উচ্ছ্বসিত ফারহান

এবারের অলিম্পিকের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিলেন ভারতীয় বক্সার সতীশ কুমার। কিন্তু উজবেকিস্তানের বক্সার বাখোদির জালোলভ তাঁকে ৫-০ ব্যবধানে হারিয়ে পদক জয়ের আশা থেকে বঞ্চিত করেন। তবে হেরে গেলেও দেশের মানুষের প্রশংসা পান তাঁর লড়াকু পারফরম্যান্সের জন্য।খেলা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে ডান চোখে আঘাত পান তিনি। কিন্তু তিনি ময়দান থেকে সরে আসেননি। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যান। তাঁর উজবেকিস্তানের প্রতিপক্ষ এই লড়াইকে কুর্ণিশ জানিয়েছেন।Shout out to boxer Satish Kumar who showed the world what true competitors are made of. Proud of you brother .. #Tokyo2020 #Boxing #TeamIndia Farhan Akhtar (@FarOutAkhtar) August 2, 2021তাঁর পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে এবার টুইট করলেন বলিউড অভিনেতা ফারহান আখতার। টুইট করে তিনি জানিয়েছেন,সতীশ তুমি দেখিয়ে দিয়েছো সত্যিকারের যোদ্ধারা কী করে তৈরি হয়। তোমাকে নিয়ে আমি গর্বিত।

আগস্ট ০২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Satish Kumar : স্বপ্ন শেষ, অলিম্পিক থেকে বিদায় বক্সার সতীশ কুমারের

অলিম্পিকে পুরুষদের বক্সিংয়ে স্বপ্ন শেষ ভারতের। পুরুষদের সুপার হেভিওয়েট ক্যাটেগরিতে কোয়ার্টার ফাইনালে বিশ্বের ১ নম্বর তারকা উজবেকিস্তানের বাখোদির জালোলভের কাছে হের পদকের স্বপ্ন শেষ ভারতীয় এই বক্সারের। মহিলাদের বক্সিংয়ে লাভলিনা বগোঁগাইয়ের হাত ধরে একটা পদক নিশ্চিত হয়েছে। সুপার হেভিওয়েট ক্যাটেগরিতে ৯১ কেজি বিভাগে প্রথম রাউন্ডে বাই পেয়েছিলেন সতীশ কুমার। সরাসরি নেমেছিলেন প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে। শেষ ষোলোর লড়াইয়ে জামাইকার রিকার্ডো ব্রাউনকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন সতীশ কুমার। আর এক ধাপ এগোতে পারলে দেশের হয়ে পদক নিশ্চিত ছিল সতীশ কুমারের। কিন্তু শেষরক্ষা হল না উজেবেকিস্তানের বাখোদির জালোলভের কাছে হারায়। এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে দুবারের ব্রোঞ্জজয়ী সতীশ। প্রথম ভারতীয় হিসেবে অলিম্পিকের সুপার হেভিওয়েট ক্যাটাগরির জিতে ইতিহাস গড়েছিলেন সতীশ। তাঁকে ঘিরে স্বপ্ন দেখেছিলেন দেশবাসী। বক্সিংয়ে শনিবার তিনি জিতলেই আরও একটি পদক নিশ্চিত হত ভারতের। কিন্তু বাখোদির জালোলাভের কাছে ৫০ ব্যবধানে উড়ে গেলেন সতীশ। জালোলাভের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেননি এই ভারতীয় বক্সার। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বাখোদির জালোলাভের বিরুদ্ধে প্রথম রাউন্ড থেকেই সুবিধা করতে পারেননি সতীশ। একবার তাঁর চোখে আঘাত লাগে। ম্যাচ ছেড়ে দিতে পারতেন। কিন্তু নাছোড়বান্দা মানসিকতা দেখিয়ে লড়াই চালিয়ে যান। যদিও পেরে ওঠেননি। সতীশ কুমারের থেকে বাখোদির জালোলাভের উচ্চতা অনেক বেশি। সেই উচ্চতাকে কাজে লাগিয়ে বাখোদির বার বার পাঞ্চ করে যান সতীশের ওপর। বিশ্বের ১ নম্বর তারকার পাঞ্চের জবাব দিতে পারেননি সতীশ। তাড়াচে বাখোদির জালোলাভকে দেখে মনে হচ্ছিল আত্মবিশ্বাসের শিখড়ে রয়েছেন। শুরু থেকেই জয়ের বিশ্বাস নিয়েই যেন কোর্টে নেমেছিলেন ৯১ কেজি বিভাগের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বক্সার। তাঁর খেলাতেও তারই ইঙ্গিত ছিল। সারাক্ষণ একটা হাত চালিয়ে সতীশকে ডিফেন্স করতে ব্যস্ত রাখেন। অন্য হাত দিয়ে ভারতীয় বক্সারের মুখে পাঞ্চ করে যান। তাতেই ব্যাকফুটে চলে যান সতীশ কুমার।

আগস্ট ০১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Puja Rani: রিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ীর কাছে হেরে স্বপ্ন শেষ বক্সার পূজা রানির

অনেক আশা ছিল পূজা রানিকে ঘিরে। হতাশ করলেন হরিয়ানার এই বক্সার। লাভলিনা বড়গোহাঁই পারলেও ব্যর্থ হলেন পূজা রানি। টোকিও অলিম্পিকের কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে পদক জয়ের সম্ভাবনা হাতছাড়া করলেন ভারতের এই মহিলা বক্সার। মিডলওয়েট ক্যাটেগরিতে ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী তথা বিশ্বের তিন নম্বর বক্সার চীনের লি কুইয়ানের সামনে দাঁড়াতেই পারলেন না পূজা রানি। ৫-০ ব্যবধানে উড়ে গেলেন এই ভারতীয় বক্সার।টোকিও অলিম্পিকে মহিলা বক্সিংয়ের ৬৯ কেজি বিভাগে সেমিফাইনালে পৌঁছে পদক নিশ্চিত করেছিলেন লাভলিনা। লাভলিনার মতো লড়াই লড়তে পারলেন না পূজা। ম্যাচে প্রথম থেকেই ব্যাকফুটে ছিলেন এই ভারতীয় বক্সার। তিন রাউন্ড থেকে তিনি কোনও পয়েন্টই ঘরে তুলতে পারেননি। উল্টে আক্রমণাত্মক স্ট্রাটেজিতে ম্যাচের ওপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ কায়েম করেন কুইয়ান। চিনা প্রতিপক্ষের আক্রমণাত্মক মুভমেন্টের জবাব দিতে পারেননি ভারতের পূজা।২০১৮ সালে বক্সিং বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের খেতাব জিতেছিলেন চিনের লি কুইয়ান। কেন তিনি বিশ্বের এক নম্বর তারকা, তা ফের প্রমাণ করলেন ৩১ বছরের বক্সার। ২০১৭ ও ২০১৯ সালের এশিয়ান বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ জেতা কুইয়ানের বিরুদ্ধে কোনও প্রতিরোধই গড়ে তুলতে পারেননি পূজা। ২০১৯ ও ২০২১ সালের এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জেতা এই ভারতীয় বক্সার শনিবার ঘুরেই দাঁড়াতে পারলেন না। প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে আবজেরিয়ার ইচরাক চাইবকে ৫-০ পয়েন্টের ব্যবধানে হারিয়েছিলেন পূজা রানি। ওই ম্যাচে তাঁর পারফরম্যান্স দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন দেশের ক্রীড়াপ্রেমীরা। সেই বক্সার যে কোয়ার্টার ফাইনালে এভাবে হারবেন, তা হয়তো কল্পনার মধ্যেই আনেননি অনেকে। যদিও এই হার থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনে পথ চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পূজা।চলতি অলিম্পিকের প্রি-কোয়াটার ফাইনাল থেকেই ছিটকে যেতে হয়েছিল কিংবদন্তি মেরি কমকে। ইতিমধ্যে মহিলাদের বক্সিংয়ে ৬০ কেজি বিভাগের কোয়ার্টার ফাইনালে হেরে বিদায় নেন ভারতের সিমরনজিৎ কৌর। এই দুই হারের ক্ষততে প্রলেপ দেন লাভলিনা বরগোঁহাই। মহিলাদের ৬৯ কেজি বিভাগের সেমিফাইনালে পৌঁছে দেশের জন্য পদক নিশ্চিত করেন অসমের বক্সার। চাইনিজ তাইপের চেন নিয়েন-চিনকে ৪-১ পয়েন্টের ব্যবধানে হারিয়েছেন লাভলিনা। তিন রাউন্ডেই দাপট অব্যাহত রেখে তিনি সেমিফাইনালে পৌঁছেছেন। ভারতের জন্য অন্তত একটা ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেছেন বরগোঁহাই।

জুলাই ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

মহিলা বক্সিংয়ের সেমিফাইনালে পৌঁছে পদক নিশ্চিত করলেন লাভলিনা বরগোঁহাই

অলিম্পিক ভারতকে পদকের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন বক্সাররা। আগেরদিন মেরি কম ব্যর্থ হলেও পুরুষের সুপার হেভিওয়েট ক্যাটেগরির প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়েছেন সতীশ কুমার। শুক্রবার ইতিহাস গড়লেন লাভলিনা বরগোঁহাই। টোকিও অলিম্পিকের মহিলা বক্সিংয়ের সেমিফাইনালে পৌঁছে দেশের হয়ে পদক নিশ্চিত করলেন ভারতের এই বক্সার। ৬৯ কেজি বিভাগের শেষ চারে পৌঁছেছেন লাভলিনা বরগোঁহাই। অলিম্পিকে দিনটা অবশ্য ভারতের কাছে মিশ্রভাবে কাটল। দীপিকা কুমারী তিরন্দাজিতে জিতলেও শুটিং থেকে বিদায় নেন মানু ভাকের ও রাহি সর্নোবত। মহিলাদের ৬০ কেজি বিভাগের বক্সিং থেকে বিদায় নেন সিমরনজিত কাউর। এই পাঞ্জাব তনয়া প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নেন।সিমরনজিত বিদায় নিলেন পদক নিশ্চিত করেন লাভলিনা বরগোঁহাই। মহিলাদের ৬৯ কেজি ওয়েলটারওয়েট বিভাগের কোয়ার্টার ফাইনালে তিনি ৪-১ ব্যবধানে হারান নিয়েন-চিন চেনকে। লাভলিনা বরগোঁহাই-এর সামনে সেভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেননি নিয়েন-চিন চেন। সেমিফাইনালে উঠে ব্রোঞ্জ পদক নিশ্চিত করেছেন লাভলিনা বরগোঁহাই। এখন দেখার এই পদক তিনি সোনা কিংবা রূপো পরিণত করতে পারেন কিনা। সেমিফাইনালে তাঁর সামনে বিশ্বের ১ নম্বর তুরস্কের বুসেঞ্জে সেরমেনলি।অন্যদিকে, মহিলাদের ৬০ কেজি লাইট বিভাগের কোয়ার্টার ফাইনালে সিমরনজিত কাউর হারেন সুদাপর্ন সিসন্দির কাছে।

জুলাই ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Boxing: সুপার হেভিওয়েট ক্যাটেগরির প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে ইতিহাস সতীশ কুমারের

লাভলিনা বরগোঁগাই ও পূজা রানির পর টোকিও অলিম্পিকে পদক জয়ের সম্ভাবনা উজ্জ্বল হল বক্সার সতীশ কুমারের। পৌঁছে গেলেন কোয়ার্টার ফাইনালে। সুপার হেভিওয়েট ক্যাটেগরির প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে জামাইকার রিকার্ডো ব্রাউনকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন এই ভারতীয় বক্সার। আর এক ধাপ এগোতে পারলে দেশের হয়ে পদক নিশ্চিত সতীশ কুমারের। ৯১ কেজি বিভাগে সরাসরি প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে নেমেছিলেন সতীশ কুমার। এই ম্যাচে প্রথম রাউন্ড থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন জামাইকার বক্সার। অন্যদিকে, শুরুর দিকে রক্ষণাত্মক রণনীতি নেন সতীশ। পরের দিকে ধীরে ধীরে নিজের রক্ষণাত্মক খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। প্রতিপক্ষের দুর্বল ফুটওয়ার্কের ফায়দা তোলেন কেরিয়ারের প্রথম অলিম্পিক খেলতে নামা ৩২ বছর বয়সী ভারতীয় বক্সার।প্রথম রাউন্ডেই এগিয়ে যান এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে দুবারের ব্রোঞ্জজয়ী সতীশ। দ্বিতীয় রাউন্ডে রিকার্ডো ব্রাউন কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করেন। কিন্তু ততক্ষণে ম্যাচের রাশ সতীশের হাতে চলে যায়। তৃতীয় রাউন্ডে প্রতিপক্ষকে একেবারে দাঁড়াতেই দেননি। প্রথম ভারতীয় হিসেবে অলিম্পিকের সুপার হেভিওয়েট ক্যাটাগরির জিতে ইতিহাস রচনা সতীশ। আর একটি ম্যাচ জিতলেই সেমিফাইনালে পৌঁছে যাবেন সতীশ। শেষ চারে পৌঁছলেই একটি পদক নিশ্চিত। ১ অগাস্ট কোয়ার্টার ফাইনালে উজবেকিস্তানের বাকোদির জালোলভের মুখোমুখি হবেন অর্জুন পুরস্কার জয়ী এই ভারতীয় বক্সার। উল্লেখ্য, এর আগে মহিলাদের বক্সিংয়ের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছেন লাভলিনা বরগোঁহাই ও পূজা রানি।

জুলাই ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Puja Rani : মহিলা বক্সিংয়ের ৭৫ কেজি বিভাগে কোয়ার্টার ফাইনালে পূজা রানি

অন্য ইভেন্টে যখন একের পর এক ব্যর্থতা, ভারতবাসীকে স্বপ্ন দেখাচ্ছে বক্সিং। আগের দিনই টোকিও অলিম্পিকের শেষ আটে পৌঁছে গিয়েছিলেন লভলিনা বরগোঁহাই। বুধবার আরও এক ভারতীয় মহিলা বক্সার পৌঁছে কোয়ার্টার ফাইনালে। ৭৫ কেজি বিভাগের প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে হরিয়ানার পূজা রানি বোরা দাপটের সঙ্গে উড়িয়ে দিলেন আলজেরিয়ার ইচরাক চাইবকে।পূজা রানি ও আচরিকা চাইবের কাছে এটাই প্রথম অলিম্পিক। আর মিডলওয়েট বক্সিংয়ে এদিন তাঁদের ছিল প্রথম বাউট। ৩০ বছরের পূজার চেয়ে চাইব বছর দশেকের ছোট। দুবারের এশিয়া চ্যাম্পিয়ন পূজা রানি শুরু থেকেই আধিপত্য বজায় রাখেন। তিনটি রাউন্ডেই তিনি পেছনে ফেলে দেন ইচরাক চাইবকে। চাইব জোরালোভাবে পাঞ্চ করতে চাইছিলেন। কিন্তু অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পূজা নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখায় চাইব সুবিধা করতে পারেননি। বরং পূজার কাউন্টার অ্যাটাক সামলাতে বারবারই বেগ পেতে হল চাইবকে। শেষে ৫-০ ব্যবধানে জিতে অলিম্পিকের শেষ আটে পৌঁছে গেলেন পূজা। কোয়ার্টার ফাইনালে শনিবার তাঁর সামনে চিনের লি কিয়ান।পরিবারের অমতেই বক্সিংয়ে আসা পূজা রানির। হরিয়ানার ভিওয়ানি জেলার নিমড়িওয়ালি গ্রাম থেকে উঠে এসেছেন। বাবাকে না জানিয়েই ভর্তি হন হাওয়া সিং বক্সিং আকাদেমিতে। কারণ, তিনি জানতেন পুলিশ অফিসার বাবা কখনোই বক্সার হওয়ার অনুমতি দেবেন না। পূজা আগে জানিয়েছিলেন, তাঁরা বাবা চাননি তিনি বক্সার হোন। বাবা বলতেন, আচ্ছে বাচ্চে বক্সিং নেহি খেলতে। মার লাগ জায়েগি। অর্থাৎ ভাল বাচ্চারা বক্সিংয়ে খেলেনা। এই খেলায় চোট লাগবে! পূজার বাবার ধারণা ছিল, যাঁরা খুব আগ্রাসী মনোভাবসম্পন্ন তাঁদের জন্যই বক্সিং, কিন্তু পূজার মতো মেয়েদের জন্য নয়। কিন্তু পূজা তাঁর বাবামাকে বরাবরই বোঝানোর চেষ্টা করে গিয়েছেন, তিনি বক্সিংয়ে ভালো করবেন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। বক্সিং রিংয়ে চোট পেলেও বাবা যাতে বুঝতে না পারেন, সে কারণে চোট না সারা অবধি বন্ধুর বাড়িতেও কাটিয়েছেন। বাবাকে রাজি করাতে না পারায় পেশাদার বক্সিংয়ে নামার জন্য প্রস্তুত হয়েও পূজাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে মাস ছয়েক! কিন্তু দেশের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন যে আকাশকুসুম কল্পনা ছিল না সেটা পূজা প্রমাণ করে দেখিয়েছেন। পরিবারের আস্থা পূজা অর্জন করেছিলেন ২০০৯ সালে ৬০ কেজি বিভাগে জাতীয় যুব বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে রুপো জয়ের পর। এর দুই মাস পর হরিয়ানার নামি বক্সার প্রীতি বেনিওয়ালকে হারিয়ে দেন পূজা। এই জয়ের পর আর তাঁকে বক্সিং নিয়েই এগিয়ে যেতে পরিবার বাধা দেয়নি। হরিয়ানা সরকারের আয়কর অফিসারের চাকরিও পান পূজা। ২০১২ ও ২০১৫ সালে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে যথাক্রমে রুপো ও ব্রোঞ্জ জেতেন মিডলওয়েটে। ২০১৪ সালের ইনচেয়ন এশিয়ান গেমসে জেতেন ব্রোঞ্জ। ২০১৯ সালে ব্যাঙ্ককে এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে লাইট হেভিওয়েটে সোনা জেতার পর চলতি বছর দুবাইয়ে মিডলওয়েটেই সোনা জেতেন।তবে অলিম্পিকে আসার যাত্রা পথ একেবারেই মসৃণ ছিল না পূজা রানির কাছে। ২০১৭ সালে দেওয়ালির সময় বাজি ফাটাতে গিয়ে হাত পুড়ে যায়, তখনও ছয় মাস বক্সিং অনুশীলন চালাতে পারেননি। এই সময় নষ্টের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ট্রেনিংয়ে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে কাঁধে মারাত্মক চোট পান, যা তাঁর কেরিয়ার শেষ করে দিতে পারত। রানির ইচ্ছা ছিল ৮১ কেজি বিভাগে খেলা চালিয়ে যাওয়ার। কিন্তু পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার লক্ষ্যে। অলিম্পিকে নেমে পদক জয়ের লক্ষ্যে আপাতত পেরোলেন প্রথম বাধা। অভিজ্ঞতা, অদম্য মানসিকতা আর কৌশলের মেলবন্ধন ঘটিয়ে দেশের হয়ে পদক আনুন পূজা রানি, এটাই এখন কামনা।

জুলাই ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mary Kom : অলিম্পিকের দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন মেরি কম

পদক জয়ের স্বপ্ন নিয়েই টোকিও গেছেন। অলিম্পিকে যাওয়ার আগে মেরি কম বলেছিলেন, পদক জিতেই বক্সিংকে বিদায় জানাতে চান। স্বপ্নপূরণের প্রথম ধাপে সফল। টোকিও অলিম্পিকের প্রথম ম্যাচেই নিজের জাত চেনালেন এই ভারতীয় মহিলা বক্সার। মহিলাদের ফ্লাইওয়েট ইভেন্টে ডোমিনিকান রিপাবলিকের মিগুয়েলিনা হার্নান্ডেজকে ৪১ ব্যবধানে উড়িয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন মেরি কম। নিজের অভিজ্ঞতার সম্পূর্ণ প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার প্রথম রাউন্ডে দাপুটে জয় পেলেন ৬ বারের এই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন।লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন মেরি কম। চোটআঘাতের জন্য ২০১৬ রিও অলিম্পিকে যোগ্যতা অর্জন করতে পারেননি। টোকিও অলিম্পিকই মেরি কমের কাছে শেষ অলিম্পিক। ৬ বার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলেও অলিম্পিকে সোনা অধরাই থেকে গেছে। মনের মধ্যে অনেকদিন ধরে অলিম্পিকে সোনা জয়ের স্বপ্ন দেখছেন। টোকিওতে সেই স্বপ্নপূরণ করতে চান মেরি কম।#TeamIndia | #Tokyo2020 | #BoxingWomens Fly Weight 48-51kg Round of 32 Results@MangteC के पंच में है दम। Mary kick starts her #Olympics campaign on a strong note, dominating Garcia Hernandez. What a power packed bout by our champ #RukengeNahi #EkIndiaTeamIndia #Cheer4India pic.twitter.com/4kE6vfspd2 Team India (@WeAreTeamIndia) July 25, 2021যে কোনও প্রতিযোগিতায় প্রথম বাউট সবসময় কঠিন। তার ওপর আবার অলিম্পিকের মতো আসর। সুতরাং বাড়তি চাপ থাকাই স্বাভাবিক। সেই চাপ উপেক্ষা করে প্রথম বাউটেই দারুণ জয় তুলে নিলেন মেরি কম। প্রথম দুই রাউন্ডে লড়াই দারুণ জমে উঠেছিল। দুই রাউন্ড শেষে স্কোর ছিল সমান সমান। দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষের দিতে মেরি কমকে কিছুটা ক্লান্ত মনে হচ্ছিল। তবে তৃতীয় রাউন্ডের শুরু থেকেই জ্বলে ওঠেন মেরি কম। নিজের স্কোর আস্তে আস্তে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত ৪১ ব্যবধানে বাউট জিতে নেন ৬ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন এই ভারতীয় মহিলা বক্সার। দ্বিতীয় রাউন্ডে মেরি কম মুখোমুখি হবেন তৃতীয় বাছাই কলম্বিয়ার ইনগ্রিট ভ্যালেন্সিয়ার বিরুদ্ধে। রিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন ভ্যালেন্সিয়া।

জুলাই ২৫, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

‘আমার খুব আনন্দ হচ্ছে’, ইন্দ্রনীল সেন জেলে যেতেই বিস্ফোরক বুদ্ধদেব-পুত্র সুচেতন!

পুজোর পাস নিয়ে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে জেলবন্দি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন। তাঁকে ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই এ বার মুখ খুললেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সন্তান সুচেতন ভট্টাচার্য। ইন্দ্রনীলের সঙ্গীত সংস্থায় কাজ করার সময় তাঁর কী কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল, তা সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেছেন সুচেতন। তাঁর অভিযোগ, ইন্দ্রনীলের আচরণ ছিল অত্যন্ত ঔদ্ধত্যপূর্ণ। প্রাক্তন মন্ত্রীর জেলবন্দি হওয়ার খবর তাঁকে খুশি করেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।কলেজ পাশ করার পর ২০০৫ সালে ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গীত সংস্থায় চাকরি শুরু করেন সুচেতন। ২০১৩ সাল পর্যন্ত সেখানে কাজ করেছিলেন তিনি। সেই সময় রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এর পর ইন্দ্রনীলের সঙ্গে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে বলে দাবি সুচেতনের। সেই পরিস্থিতিতে সংস্থার চাকরি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।সুচেতনের অভিযোগ, ২০১৩ সালে তিনি ইস্তফাপত্র পাঠালেও ইন্দ্রনীল তা গ্রহণ করেননি। ইস্তফাপত্রের কপি দেওয়ার কথা বলে তাঁকে অফিসে ডেকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়েছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি। সুচেতনের কথায়, তাঁর ঔদ্ধত্য এতটাই ছিল যে আমার ইস্তফাপত্র গ্রহণ পর্যন্ত করেননি। সেটা রিসিভ করে আমাকে কপি দেবেন বলে ডেকে পাঠিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অফিসে অপেক্ষা করিয়েছেন। নিজে কথা বলেননি, বাকি কর্মীদের দিয়ে বলে পাঠাচ্ছিলেন, অপেক্ষা করতে হবে। ভাবুন কী অপমানজনক! একটা ইস্তফাপত্র সই করতে এতখানি ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন।ইন্দ্রনীলের সংস্থায় কাজ করা রেকর্ডিস্ট এবং অন্য সঙ্গীতশিল্পীদের পারিশ্রমিক পাওয়া নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন সুচেতন। তাঁর দাবি, অনেক সময় কাজ করানোর পরেও শিল্পীদের ঠিকমতো টাকা দেওয়া হত না। এক সময়ে নিজের টাকা থেকে কয়েক জন শিল্পীর পারিশ্রমিক মিটিয়ে দিয়েছিলেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।সুচেতনের আরও দাবি, ইন্দ্রনীলের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এতটাই খারাপ হয়েছিল যে বাবার অসুস্থতা বা অন্য কোনও কারণে যেন তিনি তাঁদের বাড়ির আশপাশে না আসেন, সে কথা দলকে জানিয়ে দিয়েছিলেন। এমনকি বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রয়াণের সময়েও তৎকালীন মন্ত্রীকে পাম অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে ঢুকতে দিতে চাননি বলে জানিয়েছেন সুচেতন।ইন্দ্রনীল সেনের জেলবন্দি হওয়ার প্রসঙ্গে সুচেতন বলেন, পাপ ও কৃতকর্মের ফল ভোগ করছেন। আমার খুব আনন্দ হচ্ছে। তাঁর আরও বক্তব্য, আমার মনে হয়, শুধু আমি নই, যাঁরা ওঁর দুর্নীতির পরিচয় পেয়েছেন, তাঁরা সকলে আজ খুশি।ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে আর্থিক দুর্নীতি ও অন্যান্য অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। তবে সুচেতনের বক্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও অভিযোগের ভিত্তিতে করা। অভিযোগগুলির সত্যতা নির্ধারণের জন্য সংশ্লিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ বিবেচনা করা প্রয়োজন।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

‘বড় চোর জেলে যাবেই’, বারুইপুরের সভা থেকে কাকে নিশানা করলেন শুভেন্দু?

বড় চোর জেলে যাবেই, চিন্তা করবেন না। ধৈর্য রাখুন। শুক্রবার বারুইপুরের সভা থেকে এমনই মন্তব্য করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কারও নাম না করেই তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন তিনি।শুভেন্দু বলেন, আপনাদের মনে প্রশ্ন আছে, বড় চোর কবে যাবে? বড় চোর যাবে। আমার রাজনীতিতে সহ্য, ধৈর্য ধরি। সাম্প্রতিক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত একাধিক নেতার গ্রেফতারির প্রসঙ্গেও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। সম্প্রতি সেই তালিকায় ইন্দ্রনীল সেন ও অজিত মাহাতোর নামও উঠে এসেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দুর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।এ দিনের সভা থেকে তৃণমূল ও সিপিএমের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, সিপিএম ও তৃণমূল এখন একসঙ্গে কাজ করছে। দুই পক্ষকে নিশানা করে তিনি বলেন, বেবি আর আন্টি এখন একসঙ্গে চা খাচ্ছেন। তাঁর এই মন্তব্যের লক্ষ্য ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, সাহস থাকলে আপনি লড়ুন। আবার হারাব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। একই সঙ্গে তাঁর কটাক্ষ, ওঁরা কলকাতায় না থেকে দিল্লি যাচ্ছেন। আপনি দিল্লি যান। পশ্চিমবঙ্গে আপনার আর কিছু হবে না।উল্লেখ্য, দিল্লিতে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক এবং পরবর্তী কিছু প্রতিবাদ কর্মসূচিতে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএমের একাংশের অবস্থানে মিল দেখা গিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, রাজ্যের আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের নেতৃত্বকে অন্ধকারে রেখে দিল্লিতে কেরলের সিপিএম নেতাদের সঙ্গে তৃণমূলের সংসদীয় নেতৃত্বের একাংশের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে। এই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেই এম এ বেবির সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চা খাওয়ার প্রসঙ্গ তোলেন শুভেন্দু। তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, হেরেই পঞ্চত্বপ্রাপ্তি একটা দলের।এ দিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নাম না করে নিশানা করেন শুভেন্দু। ডিজে প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, গোটা জেলায় গণতান্ত্রিক কাঠামো ভেঙে দিয়েছ। ২০১৪ সালের পর থেকে একটাও ভোট করতে দাওনি। ৭ লক্ষ ভোটে জিতেছেন উনি। কিন্তু ৬ মাস কোথায়? সাম্প্রতিক সময়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেছেন। রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন তিনি। তারই জবাবে এ দিনের সভা থেকে নাম না করে পাল্টা আক্রমণ শানালেন শুভেন্দু। তবে বড় চোর বলতে কাকে বোঝাতে চেয়েছেন, তা স্পষ্ট করেননি তিনি।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
দেশ

দীপাবলির আগে কলকাতা-দিল্লি বিমানের ভাড়া ৮০ হাজার! টিকিটের দাম দেখে মাথায় হাত যাত্রীদের

উৎসবের মরশুমে বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা করছেন? তা হলে বিমান টিকিট কাটার আগে এক বার ভাড়া দেখে নেওয়া জরুরি। দুর্গাপুজোয় যাঁরা ছুটি পাননি, তাঁদের অনেকেই দীপাবলির ছুটিতে বাড়ি ফেরার পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু উৎসবের আগে বিমান ভাড়া যে ভাবে বাড়ছে, তাতে যাত্রীদের পকেটে বড়সড় টান পড়তে পারে। কলকাতা থেকে দিল্লি যাওয়ার বিমানের টিকিটের দাম বেড়ে প্রায় ৮০ হাজার টাকা হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে যে টিকিটের দাম ১০ থেকে ১১ হাজার টাকার মধ্যে থাকে, তার দাম এতটা বেড়ে যাওয়ায় অবাক যাত্রীরা।জানা গিয়েছে, ৬ নভেম্বর কলকাতা-দিল্লি রুটে বিমানের টিকিটের দাম এক ধাক্কায় ১১ হাজার ৬৬৯ টাকা থেকে বেড়ে ৭৮ হাজার ৬৯৮ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ, এই রুটে টিকিটের দাম প্রায় সাত গুণ বেড়েছে। উৎসবের মরশুমে বাড়ি ফেরার জন্য যাঁরা শেষ মুহূর্তে টিকিট কাটতে চাইছেন, তাঁদের অনেককেই এখন বেশি টাকা খরচ করার কথা ভাবতে হচ্ছে।শুধু কলকাতা-দিল্লি রুটেই নয়, দেশের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রুটেও বিমান ভাড়া বেড়েছে। মুম্বই থেকে দিল্লি যাওয়ার বিমানের টিকিটের দাম ১১ হাজার ৫৩১ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ হাজার ৫৭৭ টাকা হয়েছে। দিল্লি থেকে আহমেদাবাদ যাওয়ার ভাড়া ৬ হাজার ১২১ টাকা থেকে বেড়ে ২৩ হাজার ৪১৩ টাকা হয়েছে। দিল্লি-হায়দরাবাদ রুটে টিকিটের দাম ৮ হাজার ৯৩৫ টাকা থেকে বেড়ে ২৭ হাজার ৮৯৫ টাকা হয়েছে। অন্য দিকে, বেঙ্গালুরু থেকে দিল্লি যাওয়ার বিমানের ভাড়া ১৫ হাজার ৯০১ টাকা থেকে বেড়ে ৪০ হাজার ৫০৬ টাকা হয়েছে।উৎসবের সময়ে যাত্রীদের চাহিদা বাড়লে বিমান টিকিটের দামেও তার প্রভাব পড়তে পারে। তবে বিভিন্ন বিমান সংস্থার দাবি, কোন ওয়েবসাইট থেকে টিকিট কাটা হচ্ছে, কোন ধরনের আসন পাওয়া যাচ্ছে এবং কতগুলি আসন বাকি রয়েছে, তার উপরেও ভাড়ার পার্থক্য নির্ভর করে। তাই একই রুটে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে টিকিটের দাম আলাদা হতে পারে।দুর্গাপুজোয় বাড়ি ফিরতে না পারা অনেকেই দীপাবলির ছুটিতে পরিবারের কাছে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বিমান টিকিটের এত বেশি দাম তাঁদের পরিকল্পনায় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই উৎসবের মরশুমে বিমানযাত্রার পরিকল্পনা থাকলে টিকিটের দাম বিভিন্ন সংস্থার ওয়েবসাইটে মিলিয়ে দেখে নেওয়াই ভাল।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
বিদেশ

হ্রদ ভেঙে ভাসল ভুটান, তবু প্রাণহানি শূন্য! কীভাবে বিপর্যয় সামলাল পড়শি দেশ?

হ্রদ ভেঙে বিপুল পরিমাণ জল নেমে এসে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে রাস্তা, বাড়িঘর, গাছপালা এবং গবাদি পশু। তবু এখনও পর্যন্ত ভুটানে সাধারণ মানুষের প্রাণহানির খবর মেলেনি। এর পিছনে রয়েছে বিপজ্জনক হিমবাহ হ্রদগুলির উপর নিয়মিত নজরদারি এবং আগাম সতর্কবার্তার ব্যবস্থা। নেপালের বিপর্যয়ের পর পাহাড়ি হ্রদগুলির বিপদ সম্পর্কে আরও সতর্ক হয়েছিল ভুটান। সেই প্রস্তুতিই এ বার কাজে এসেছে বলে মনে করছেন ভূ-বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তবে বিপর্যয়ের ক্ষয়ক্ষতি এখনও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তর ভুটানের গাসা জেলার ওয়াকিলা পাহাড়ের নীচে থাকা সিনতাপু হ্রদ থেকে প্রায় ৭৪ লক্ষ ঘন মিটার জল নেমে আসে মো চু নদীতে। প্রবল জলস্রোতের সঙ্গে পাথর, মাটি ও গাছপালা ভেসে যায়। গাসা ও পুনাখা এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবর। বেশ কিছু জায়গায় রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় উত্তর ভুটানের একাধিক এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বহু গবাদি পশুও জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।ভুটান প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বিপজ্জনক হ্রদগুলির উপর নিয়মিত নজরদারি চালানো হয়। হ্রদের জলস্তরে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে যাতে দ্রুত সতর্কবার্তা দেওয়া যায়, তার জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষণ যন্ত্র বসানো হয়েছে। হ্রদের জল বিপজ্জনক হয়ে ওঠার সঙ্কেত পাওয়ার পর সাইরেন বাজিয়ে নদীর ধারের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়। জল নেমে আসার আগেই তাঁদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেই কারণেই এখনও পর্যন্ত সাধারণ মানুষের প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি বলে মনে করা হচ্ছে।ভুটানের এই বিপর্যয়ের খবর পেয়ে পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের প্রশাসনকেও সতর্ক করা হয়। কারণ, ভুটানের মো চু নদী পুনাখায় ফো চু নদীর সঙ্গে মিশে পুনাৎসাংচু নদী তৈরি করেছে। এই নদী ভারতে ঢোকার পর সঙ্কোশ নামে পরিচিত। ফলে ভুটানে জল বাড়লে তার প্রভাব পড়তে পারে পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের নদী সংলগ্ন এলাকায়।বন্যার আশঙ্কায় পশ্চিমবঙ্গের ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়। কুমারগ্রাম, বানারহাট ও ময়নাগুড়ি এলাকায় প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে শুরু করে। আলিপুরদুয়ার জেলার নদী সংলগ্ন এলাকা থেকে অন্তত ১২ হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে খবর। সঙ্কোশ ও জলঢাকা নদীর ধারের বাসিন্দাদেরও সতর্ক করা হয়। শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত ওই দুই নদীর জলস্তর স্বাভাবিক থাকলেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি বলে মনে করছে প্রশাসন।ভুটানে আরও একটি বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সিনতাপু হ্রদ থেকে নেমে আসা কাঠ, পাথর ও মাটি লুনানা এবং গাংচেন তাগ নদীর মিলনস্থলে তাকতসেমাথাং এলাকায় জমে একটি কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করেছে বলে জানা গিয়েছে। সেখানে প্রাকৃতিক বাঁধ তৈরি হয়ে থাকলে তা ভেঙে আচমকা জল নেমে আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে নতুন করে হড়পা বানের আশঙ্কা রয়েছে। তাই নদী উপত্যকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।ভুটানের ১৭টি বিপজ্জনক হিমবাহ হ্রদের মধ্যে সিনতাপু অন্যতম। ২০২৩ সালের মে ও জুন মাসে এই হ্রদ নিয়ে গবেষণা চালিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞেরা। নেপালে হড়পা বানের বিপর্যয়ের পর থেকেই ভুটানের বিপজ্জনক হ্রদগুলির উপর নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি, হ্রদের জলস্তর নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য পরীক্ষামূলক ভাবে বিশেষ পদ্ধতিও ব্যবহার করা হচ্ছে।চোপড়া কলেজের অধ্যক্ষ তথা ভূ-বিশেষজ্ঞ মধুসূদন কর্মকার জানিয়েছেন, বিপর্যয়ের ঝুঁকি কমাতে ভুটান বিভিন্ন পদ্ধতি পরীক্ষা করে দেখছে। লুনানার থোরথোরমি হ্রদে সাইফন পদ্ধতি ব্যবহার করে নিয়ন্ত্রিত ভাবে জলস্তর কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই পদ্ধতিতে হ্রদের জল ধীরে ধীরে বের করে জলস্তর কমানোর চেষ্টা করা হয়। তাঁর মতে, এ ধরনের ব্যবস্থা হিমবাহ হ্রদ ভেঙে বড় বিপর্যয় ঘটার আশঙ্কা কমাতে সাহায্য করতে পারে।তবে আগাম সতর্কবার্তা ও নজরদারি থাকলেও ভুটানের ক্ষয়ক্ষতি কম হয়নি। রাস্তা, ঘরবাড়ি এবং গবাদি পশুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে খবর। কৃত্রিম হ্রদে জমে থাকা জল নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাই আপাতত ভুটান ও ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকার প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। বিপর্যয়ের প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি কতটা, তা খতিয়ে দেখার কাজ চলছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
কলকাতা

স্বাস্থ্যসাথীর ৩০ লক্ষ উপভোক্তার খোঁজ নেই! ২৫ হাজার কোটি টাকা খরচ নিয়ে বড় প্রশ্ন

স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের প্রায় ৩০ লক্ষ উপভোক্তার খোঁজ মিলছে না বলে দাবি উঠেছে। নতুন করে উপভোক্তাদের তথ্য যাচাই করতে গিয়ে এই গরমিল ধরা পড়েছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। রাজ্য সরকারের দাবি, স্বাস্থ্যসাথীর উপভোক্তাদের কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সেই কাজের জন্য তথ্য যাচাই করতে গিয়েই পুরনো তালিকায় থাকা বহু নামের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।নবান্ন সূত্রে খবর, বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপভোক্তাদের তথ্য যাচাই করার সময় দেখা যাচ্ছে, অনেকের নামে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড থাকলেও তাঁদের অস্তিত্বের খোঁজ মিলছে না। এখনও পর্যন্ত প্রায় ৩০ লক্ষ এমন উপভোক্তার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই ঘটনায় রাজ্যের কোষাগার থেকে বিপুল অর্থ খরচ হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকেরা। সেই অঙ্ক ২৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। তবে এই অর্থের পরিমাণ এবং উপভোক্তাদের তালিকায় গরমিলের বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।বিষয়টি সামনে আসার পর সংশ্লিষ্ট দফতরকে কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের উপভোক্তাদের কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ুষ্মান ভারত এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিমা যোজনার আওতায় আনার কথা আগেই ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। সেই অনুযায়ী, উপভোক্তাদের তথ্য যাচাই করে ধাপে ধাপে তাঁদের নাম আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলছে।এই যাচাইয়ের সময়েই স্বাস্থ্যসাথীর পুরনো তালিকায় থাকা বহু নাম নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের দাবি। আধিকারিকদের বক্তব্য, যাঁদের নামে কার্ড রয়েছে, তাঁদের প্রকৃত পরিচয় এবং অস্তিত্ব নিশ্চিত করা জরুরি। সেই সঙ্গে প্রকল্পের সুবিধা দিতে গিয়ে সরকারি অর্থের কোনও অপচয় হয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।শুধু স্বাস্থ্যসাথী নয়, আগের সরকারের আমলে চালু হওয়া অন্যান্য প্রকল্পের উপভোক্তা তালিকাতেও একই ধরনের গরমিল থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা। তবে সেই বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসেনি। স্বাস্থ্যসাথীর উপভোক্তা তালিকা যাচাইয়ের কাজ শেষ হলে প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
বিদেশ

সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েও সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই! ইজরায়েলে ফের ক্ষমতায় ফিরবেন নেতানিয়াহু?

প্রায় দুদিন ধরে ভোটগণনার পর ইজরায়েলে নির্বাচনের ফলের ছবি স্পষ্ট হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দল লিকুদ। কিন্তু সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে অনেকটাই দূরে তাঁর জোট। ফলে ইজরায়েলে পরবর্তী সরকার কারা গড়বে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।ইজরায়েলের সংসদ কেনেসেটের মোট আসন ১২০। সরকার গড়তে প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসন। কিন্তু নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫৩টি আসন। বিরোধী জোটের ঝুলিতে রয়েছে ৪৮টি আসন। অন্য দিকে, রাম এবং জয়েন্ট লিস্ট-সহ আরব দলগুলি পেয়েছে মোট ১৯টি আসন। ফলে কোনও জোটই একক ভাবে সরকার গড়ার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল আগামী ৪ নভেম্বর ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হেরজোগের হাতে তুলে দেওয়ার কথা কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির। তার পরে ১০ নভেম্বর নতুন সরকারের শপথ নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন কে জোগাড় করতে পারবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।এই পরিস্থিতিতে ফের ক্ষমতায় ফেরার চেষ্টা শুরু করেছেন নেতানিয়াহু। ইহুদি ভোটারদের আবেগকে সামনে রেখে তিনি আরব দলগুলির সঙ্গে জোট না করার পক্ষে সওয়াল করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ক্ষমতা দখলের জন্য আরব দলগুলির সঙ্গে হাত মেলালে দেশের জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে। পাশাপাশি, সরকার গঠনের সমর্থন জোগাড় করতে বিভিন্ন ইহুদি দলের সঙ্গেও আলোচনা চালাচ্ছেন তিনি।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিরোধী শিবিরের কিছু দল নেতানিয়াহুর পাশে দাঁড়ালে তাঁর সরকার গড়ার পথ সহজ হতে পারে। বিরোধী জোটের নেতা গাদি আইজেনকোটের শিবির থেকে কয়েকটি দল সরে এলে সংখ্যার অঙ্কে বদল আসতে পারে। তবে সেই সম্ভাবনা কতটা বাস্তব, তা এখনও পরিষ্কার নয়।অন্য দিকে, একসময় মনে করা হচ্ছিল, সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে আরব দলগুলি। এই দলগুলি ইজরায়েলে বসবাসকারী প্যালেস্তিনীয় জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশের প্রতিনিধিত্ব করে। কিন্তু আইজেনকোট আরব দলগুলির সঙ্গে জোটে যেতে রাজি নন বলে জানা গিয়েছে। যদিও জোটের বাইরে থেকে তাদের সমর্থন নিয়ে সরকার গড়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।ফলে ইজরায়েলের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, শেষ পর্যন্ত কারা সরকার গড়বে। নেতানিয়াহুর দল সবচেয়ে বেশি আসন পেলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় তাঁকে অন্য দলের সমর্থন জোগাড় করতে হবে। আগামী কয়েক দিনেই সেই রাজনৈতিক অঙ্ক অনেকটাই স্পষ্ট হতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির নামে ব্যাঙ্ক থেকে ২৯০ কোটি টাকা ঋণ! এ বার ইডির নজরে দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট

২৯০ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগে শুক্রবার সকালে কলকাতা ও উত্তরপাড়ার একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। ঝাড়খণ্ডের একটি বিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া টাকা কলকাতায় পাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় ভুয়ো সংস্থা তৈরি করে বিপুল অঙ্কের টাকা সরানোর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের নজরে রয়েছেন দুই চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট।শুক্রবার সকালে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে উত্তরপাড়ার শিবতলা স্ট্রিটে সুদীপ্ত ঘোষের বাড়িতে পৌঁছন ইডির আধিকারিকেরা। পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট সুদীপ্তর বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি চালানোর পাশাপাশি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হচ্ছে।সুদীপ্ত জানিয়েছেন, ইডি তদন্ত করছে। তবে এই দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই বলে দাবি করেছেন তিনি। তদন্তকারীরা প্রয়োজনীয় অনুমতি নিয়েই এসেছেন বলেও জানিয়েছেন সুদীপ্ত। তদন্তে তিনি সহযোগিতা করছেন বলে তাঁর বক্তব্য।অন্য দিকে, লেকটাউনের অভিজাত অবনী অক্সফোর্ড আবাসনের প্রথম পর্যায়ে চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট অশোক সারথির বাড়িতেও তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডির আধিকারিকেরা। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় সেখানে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ডে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির জন্য ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া প্রায় ২৯০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই তদন্তের সঙ্গে জড়িত বেসরকারি সংস্থাটির নাম কোহিনূর পাওয়ার প্রাইভেট লিমিটেড। অভিযোগ, ঝাড়খণ্ডে ৬৬ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরির কথা বলে ব্যাঙ্কের একাধিক সংস্থার কাছ থেকে ঋণ নেওয়া হয়েছিল।তদন্তকারীদের সন্দেহ, প্রকল্প তৈরির জন্য নেওয়া ওই বিপুল অঙ্কের টাকা নির্ধারিত কাজে ব্যবহার না করে ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে অন্যত্র সরানো হয়ে থাকতে পারে। এই আর্থিক লেনদেনে অশোক সারথির ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তের বিষয়।তল্লাশির সময় বিভিন্ন নথি, ব্যাঙ্কের লেনদেনের তথ্য এবং ডিজিটাল নথি খতিয়ে দেখছেন ইডির আধিকারিকেরা। এই মামলায় আরও কী তথ্য সামনে আসে, এখন সে দিকেই নজর রয়েছে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

বন দফতরে সরকারি চাকরির টোপ, ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা!

বন দফতরে স্থায়ী সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১০ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতা অজিত মাহাতোর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাঁকে গ্রেফতার করেছে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ। শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে।ঘটনার সূত্রপাত বেশ কিছু দিন আগে। ঝাড়গ্রামের বাছুরডোবা এলাকার বাসিন্দা সজল দাস অজিতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব এবং রাজ্য সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কথা বলে বন দফতরে স্থায়ী চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন অজিত।অভিযোগ, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে চার দফায় অজিতকে মোট ১০ লক্ষ টাকা দেন সজল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও চাকরি পাননি তিনি। এর পর টাকা ফেরত চাইলেও তা পাননি বলে অভিযোগ।সজলের আরও দাবি, টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি, আরও ২ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। একই ভাবে সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আরও কয়েক জন বেকার যুবকের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে ঝাড়গ্রাম থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে অজিতের নিজের বাড়ি থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তবে অজিত মাহাতোর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। পুলিশি তদন্তের পরেই এই ঘটনায় আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

অক্টোবর ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal