• ১৪ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Border

দেশ

Farmer Protest Withdrawn: অবশেষে জয়! সিঙ্ঘু সীমান্তে প্রত্যাহার কৃষক আন্দোলন

দিল্লি সীমানায় ১৫ মাস ধরে চলা কৃষক আন্দোলনে আপতত ইতি টানলেন কৃষকরা। শনিবার সিঙ্ঘু সীমানা থেকে তাঁবু সরিয়ে নেওয়া শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন সংযক্ত কৃষক মোর্চা নেতারা। তাঁদের প্রধান দাবি মেনে নরেন্দ্র মোদি সরকার তিন কৃষি আইন প্রত্যাহারের পরেও কৃষক সংগঠনগুলি ছদফা দাবি তুলেছিল। সেই সব দাবি মানতে রাজি হলেও, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনিকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত ও গ্রেপ্তারির দাবি মানছে না সরকার। বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রের কাছে থেকে চিঠি এসে পৌঁছয় কৃষকদের কাছে। এর পরই কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমরকে পাশে নিয়ে আন্দোলন তোলার সিদ্ধান্ত নেন।কেন্দ্র চিঠিতে জানিয়েছে, আন্দোলনের সময় কৃষকদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারে বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ, হিমাচলপ্রদেশ। কেন্দ্রীয় সংস্থাও সমস্ত মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে। অন্য রাজ্যগুলিকে এ নিয়ে অনুরোধ জানানো হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিতে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, বিদ্যুৎ আইন সংশোধনী বিল প্রসঙ্গে কৃষকদের আপত্তির বিষয়গুলি নিয়ে সকলের সঙ্গে আলোচনা হবে। তার আগে ওই বিল সংসদে পেশ হবে না। খড় পোড়ানো বন্ধ করার আইনে কৃষকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের ধারা আগেই প্রত্যাহার করা হয়েছে।চিঠিতে কেন্দ্র নিজে আন্দোলনে মৃত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস না দিলেও জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা আগেই ক্ষতিপূরণে সম্মতি জানিয়েছে।আন্দোলন প্রত্যাহার করার ঘোষণার পাশাপাশি শনিবার সকাল ৯টায় সিঙ্ঘু ও টিকরি সীমানায় একটি বিজয় মিছিল বার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কৃষকরা।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
কলকাতা

Earthquake: কাকভোরে কেঁপে উঠল কলকাতা, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৬.১

শুক্রবার ভোরে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ভারত-মায়ানমার সীমান্ত। দেশের জাতীয় ভূতাত্ত্বিক কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.১।ভূমিকম্পের জেরে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ-সহ কলকাতাও। শুক্রবার ভোর সওয়া ৫টা নাগাদ কলকাতায় অনুভূত হয় কম্পন। কম্পনের স্থায়িত্ব ছিল ৩০ সেকেন্ড। কেন্দ্রীয় মৌসম ভবন জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল মিজোরামের থেনজল থেকে ৭৩ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে ও ১২ কিমি গভীরে। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম থেকে উৎসস্থল ১৭৪ কিমি পূর্বে। অসম, ত্রিপুরা এবং প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশেও অনুভূত হয়েছে কম্পন। বড়সড় ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়নি। ভারতের পাশাপাশি বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেটের মতো জায়গা কেঁপে উঠেছে।ন্যাশনাল সেন্টার ফর সেসমলজির তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার কাকভোরে কেঁপে ওঠে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, ত্রিপুরা। ভোর ৫টা ১৫ মিনিট নাগাদ এই ভূকম্পন হয়। এখনও কোথাও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। যেহেতু রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের তীব্রতা ৬ পার করে গিয়েছে, তাই বিশেষজ্ঞদের পরিভাষায় এই ভূমিকম্প ভেরি স্ট্রং বা অতিরিক্ত তীব্র হিসাবেই ধরা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
কলকাতা

BSF: বিএসএফের ক্ষমতাবৃদ্ধি-বিরোধী প্রস্তাব পাশ বিধানসভায়

বিএসএফ-এর এক্তিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতা করে আজ সরকারি প্রস্তাব আনা হয়েছিল বিধানসভায়। ভোটাভুটিতে পাশ হয়ে গেল সেই প্রস্তাব। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছে ১১২টি ও বিপক্ষে ভোট পড়েছে ৬৩টি। বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়ালে সংবিধানের বিরোধিতা করা হবে বলে দাবি তৃণমূল সরকারের। এই ইস্যুতেই এ দিন সরব হয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়কেরা। এই প্রসঙ্গে বিধানসভার পরিষদীয় নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, ক্রমশ সীমান্তবর্তী নয়, এমন এলাকাতেও ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে বিএসএফ-এর। এ দিন ভোট দেননি আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি।কেন্দ্রীয় সরকার বিএসএফের এলাকাবৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আদতে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপরে আঘাত, এই মর্মেই সরকারি প্রস্তাব আনা হয় মঙ্গলবার। এই ইস্যুতে এ দিন বিধানসভায় সরব হন উদয়ন গুহ, তাপস রায়-সহ তৃণমূল বিধায়কেরা।এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, এই বিধানসভায় যেহেতু তৃণমূলের সংখ্যগরিষ্ঠতা আছে, তাই কোনও দিন আমরা হয়ত দেখব ভারতের সীমান্ত সুরক্ষার বিরুদ্ধে এরা প্রস্তাব পাশ করবে, কোনও দিন ভারতের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এরা প্রস্তাব পাশ করবে। বলবে ভারতের কোনও সুরক্ষার দরকার নেই। এরা ভুলে যায় যে এটা পশ্চিমবঙ্গের সুরক্ষার বিষয় নয়, ভারতের সুরক্ষার বিষয়। তৃণমূল সরকার বিধানসভায় বসে অধিকার বহির্ভূত চর্চা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, এ ভাবে তৃণমূল শত্রুদের ইন্ধন জোগাচ্ছে, সন্ত্রাসবাদীদের ইন্ধন জোগাচ্ছে। সরকারের এই প্রস্তাব নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

নভেম্বর ১৬, ২০২১
দেশ

Border Clash: অসম-মিজোরাম সীমান্ত সংঘর্ষের বলি ৬ পুলিশকর্মী

অসম-মিজোরাম সীমান্তের সংঘর্ষে মৃত্যু অসমের ৬ পুলিশকর্মীর। সোমবার দুপুরে ওই অশান্তির পর টুইট করে এই খবর জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি জানিয়েছেন অসম পুলিশের ৬ জওয়ান নিহত হয়েছেন। তিনি লিখেছেন, সাংবিধান নির্ধারিত সীমান্ত রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে এই ছয় পুলিশকর্মীর। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিক টিটির তৃতীয় রাউন্ডে পৌঁছে গেলেন শরথ কমলঘটনার সূত্রপাত রবিবার রাতে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই রাজ্যের সীমান্তবর্তী এলাকায় আট কৃষকদের ঘর জ্বালিয়ে দেয় কিছু দুষ্কৃতী। তারপরই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় সীমান্তবর্তী ওই এলাকা। মিজোরাম পুলিশের ডিআইজি লালবিয়াকথাঙ্গা খিয়াংলে জানিয়েছেন, ওই আট কৃষকদের ঘর পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যদিও সেখানে কেউ ছিলেন না। সেই ঘটনা ঘটে গতকাল রবিবার রাত সাড়ে ১১ টা নাগাদ। এই ঘরগুলি অসমের সীমান্তবর্তী গ্রাম ভাইরেংলের কৃষকদের। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে, তদন্ত চলছে।আরও পড়ুনঃ চিন্তা বাড়াচ্ছে দেশের ৫ রাজ্যের করোনা সংক্রমণঅভিযোগ, গত ১১ জুলাই মিজোরামের এক কৃষকের খেত, বাগানও নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। এই নিয়েই অশান্তি শুরু হয়। সীমান্তের দিকে লাঠি নিয়ে ছুটে যায় দুই রাজ্যেরই কিছু লোক। এরপরই সীমান্ত পরিদর্শনে যাওয়া অসম সরকারের একটি টিমের গাড়ি লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছোঁড়া হয়। পরপর দুটি বিস্ফোরণ ঘটে সে দিন। আর তারপর থেকে জারি আছে অশান্তি। দিন দুয়েক আগেই উত্তর-পূর্বের সব মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অমিত শাহ। আর তারপরই আজকের এই ঘটনা।আরও পড়ুনঃ সুযোগ পেলেন অভিমন্যু, ভারতীয় টেস্ট দলে একসঙ্গে বাংলার ৩এ দিন অশান্তির পর মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা টু্ইটে লিখেছেন, এ সব এখনই বন্ধ হওয়া উচিৎ। অমিত শাহকে বিষয়টিতে নজর দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। অন্য একটি টুইটে তিনি দেখিয়েছেন, অনেকেই আক্রান্ত হয়েছেন এই ঘটনায়। তাঁর দাবি, নিরপরাধ মানুষকে আক্রমণের শিকার হতে হয়েছে দুষ্কৃতীদের হাতে। অন্যদিকে, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাও টুইটে অমিত শাহকে হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন।

জুলাই ২৬, ২০২১
দেশ

Jammu-Drone: ফের জম্মুর আকাশে পাক ড্রোন

ফের জম্মুর আকাশে পাক ড্রোন। শুক্রবার খুব ভোরে জম্মুর আরনিয়া সেক্টরে ড্রোনটি দেখা গিয়েছে। সেনা সূত্রে খবর, পাকিস্তানের (Pakistan) দিক থেকে ড্রোনটি (Drone) আন্তর্জাতিক সীমানা পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছিল। সতর্ক ছিল বিএসএফ। দেখামাত্রই ড্রোনের উপর গুলি চালায় বিএসএফ কর্তারা। সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের দিকে ফিরে যায় ড্রোনটি।আরও পড়ুনঃ আধপোড়া-নগ্ন মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার বর্ধমানে, তদন্তে পুলিশ প্রসঙ্গত, জম্মু বিমানবন্দরের এয়ারফোর্স স্টেশনে বিস্ফোরক হামলার পরেও একাধিকবার জম্মুর আকাশে দেখা গিয়েছে ড্রোন (Drone)। বুধবার ভোর রাতে দুবার কালুচক ও কুঞ্জয়ীনী এলাকায় ড্রোনের দেখা মিলেছে, সেনা সূত্রে এমনটাই খবর। বিগত চারদিনে প্রায় সাতটি ড্রোনের হদিশ মিলেছে জম্মুতে। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘে (United Nations) এই ড্রোন হামলা নিয়ে মুখ খুলেছে ভারত। একই সঙ্গে পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও সুর চড়িয়েছে নয়াদিল্লি। এই ধরনের নাশকতা যে ভবিষ্যতের জন্য বড় বিপদ, তা উল্লেখ করেই সরব হয় ভারত। অন্যদিকে, সীমান্ত-সহ জম্মুতে জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট। উল্লেখ্য, সহজলভ্য ড্রোনের কারণে সীমান্তে উদ্বেগ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান নারবানে। আর গত কয়েকদিন ক্রমাগত পাক ড্রোনের ঘোরাফেরায় সীমান্তরক্ষীবাহিনীর মধ্যে তৎপতা বেশি দেখা দিয়েছে।

জুলাই ০২, ২০২১
রাজ্য

দেশে ফিরতে না পেরে পেট্রাপোলে বিক্ষোভ বাংলাদেশি নাগরিকদের

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আচমকা বন্ধ ভারত-বাংলাদেশ পেট্রাপোল সীমান্ত। বন্ধ যাত্রী পারাপার। আর এর ফলে দিনভর পেট্রাপোল সীমান্তে আটকে পড়লেন কয়েকশো বাংলাদেশি নাগরিক। শেষপর্যন্ত দেশে ফিরতে না পেরে অবশেষে বিক্ষোভের পথ বেছে নিলেন মেডিক্যাল ভিসায় বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা ওই যাত্রীরা৷ সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে পেট্রাপোল সীমান্ত চলছে বাংলাদেশি নাগরিকদের এই বিক্ষোভ।করোনার সংক্রমণ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় সোমবার থেকে ভারত-বাংলাদেশ যাত্রী পারাপার বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার। ২৬ এপ্রিল থেকে ৯ মে পর্যন্ত বন্ধ থাকবে যাত্রী পারাপার। সোমবার থেকে সেই নির্দেশ লাগু হয়েছে। পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন দুপারের যাত্রীরাই। ভারতে চিকিৎসা করতে এসে আটকে পড়েছেন কয়েকশো রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা৷ দেশে ফেরার জন্য সোমবার সকাল থেকে পেট্রাপোল বন্দরে এসেছিলেন কয়েকশো বাংলাদেশি নাগরিক। কিন্তু বর্ডার বন্ধ। তাঁরা দেশে ফিরতে পারলেন না। দিনভর অনেক অনুনয় বিনয় করেও কোনও ফল হয়নি। অবশেষে সন্ধের পর থেকে বাংলাদেশি যাত্রীরা পেট্রাপোল সীমান্তে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছেন। বিক্ষোভকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের অনেকেরই সোমবার ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে। খরচ চালানোর মতো টাকাও তাঁদের হাতে নেই। তাই তাঁরা দেশে ফেরার জন্য বিক্ষোভ শুরু করেছেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কয়েকজন রোগী ও স্কুলপড়ুয়া রয়েছেন বলে খবর।বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, ভিসার মেয়াদ শেষ। হাতে প্রয়োজনীয় টাকাও নেই। দেশে ফিরতে না পারলে এপারে না খেয়ে মরতে হবে। বাংলাদেশের কুষ্টিয়া থেকে চিকিৎসা করাতে ভারতে এসেছিলেন স্বপন কুমার বিশ্বাস। তিনি বলেন পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই আচমকা বাংলাদেশ সরকার যাত্রী পারাপারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করায় বিপাকে পড়েছি আমরা। এভাবে না খেয়ে মৃত্যুর থেকে জোর করে বাংলাদেশে ঢুকতে গিয়ে গুলি খেয়ে মরব। সংবাদমাধ্যমকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন ক্যান্সার আক্রান্ত মহিলার করিমুন্নেসাI তিনি বলেন, টাকাও শেষ হয়েছে। দেশে ফিরতে পারছি না। এখন কি করব। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁদের দেশে ফেরানোর আবেদন জানালেন নড়াইলের স্কুলছাত্রী রিয়া মণ্ডল। তিনি ভারতে অপারেশন করতে এসেছিলেন। পেট্রাপোল সীমান্তে অভিবাসন দপ্তরের আধিকারিক তরুণ বিশ্বাস জানান, বাংলাদেশ সরকার যাত্রী পারাপারের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। তাই বর্ডারের গেট বন্ধ আছে। যাঁরা বাংলাদেশ হাইকমিশনার থেকে এনওসি আনছেন। কেবল তাঁরাই বাংলাদেশের ফিরতে পারবেন।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
রাজ্য

নজিরবিহীন নিরাপত্তায় আজ হাইভোল্টেজ ভোট নন্দীগ্রামে

আজ নন্দীগ্রামে হাইভোল্টেজ ভোট। ভোটগ্রহণের অনেক আগে থেকেই নন্দীগ্রাম জুড়ে টহল দিচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। রয়েছে মহিলা সিআরপিএফ-এর দল। বুধবারই নন্দীগ্রামে জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। বিকেল থেকেই মাইকে ঘোষণা শুরু করে দেয় পুলিশ। নন্দীগ্রামে ঢোকা ও বেরনোর প্রতিটি সীমানায় শুরু হয়েছে নাকা চেকিং। চলছে হেলিকপ্টারে নজরদারি। সব মিলিয়ে নন্দীগ্রাম কার্যত দুর্গের চেহারা নিয়েছে।এদিকে ভোটগ্রহণের কয়েক ঘণ্টা আগেই সিল করে দেওয়া হয় নন্দীগ্রাম। জলে এবং স্থলে কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ দিয়ে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে বেশ কিছু দিন ধরেই নন্দীগ্রাম এলাকায় বহিরাগত প্রবেশের অভিযোগ তুলে আসছিল তৃণমূল। বুধবার সন্ধ্যায় কার্যত সেই অভিযোগকে কার্যত মান্যতা দিয়েই বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়। যে ভাবে শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তায় মহিলা সিআরপিএফ নিয়োগ করা হয়েছে, একই ভাবে সংযুক্ত মোর্চা প্রার্থী মীনাক্ষীর নিরাপত্তাতেও জোর দেওয়া হয়েছে। বুধবার থেকেই তাঁর জন্য ৪ জন সশস্ত্র নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।বুধবার পুর্ব মেদিনীপুরের জেলাশাসক সুমিতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, কোনও রকম ঝামেলা বরদাস্ত নয়। প্রতিটি ক্ষেত্রে সুরক্ষায় কোনও খামতি থাকছে না বলে তিনি জানান। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী যে কোনও বুথ এলাকাতেই ১৪৪ ধারা জারি থাকে। কিন্তু নন্দীগ্রামের ক্ষেত্রে শুধু এটুকুই নয়, গোটা বিধানসভা এলাকাতেই ১৪৪ ধারা বজায় থাকবে। জেলাশাসক বলেন, এ বার নন্দীগ্রামে ১৪৪ ধারা জারি হয়েছে, যা বুধ ও বৃহস্পতিবার বলবৎ থাকবে। পাশাপাশি অতি সংবেদনশীল বুথগুলিতে ৪ ধরনের নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পাশাপাশি বুথে থাকবে লাইভ ওয়েবকাস্টিং, সিসিটিভি, ভিডিওগ্রাফি এবং অবজার্ভার। এ ছাড়াও নন্দীগ্রামের ৫০ শতাংশ বুথে লাইভ ক্যামেরায় নজরদারি চলবে, যা তদারক করা হবে তমলুকের নিমতৌড়িতে জেলাশাসকের কার্যালয় থেকে।নন্দীগ্রামের মোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৫৭ হাজার ৯৯৯। তার মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ২৫৭। মহিলা ভোটারের সংখ্যা ১ লক্ষ ২৩ হাজার ৮৯৮। পূর্ব মেদিনীপুরের নিরাপত্তা আরও আটোসাঁটো করতে হলদিয়ায় পাঠানো হয়েছে আইপিএস অফিসার প্রবীণ ত্রিপাঠীকে। নন্দীগ্রামে থাকবেন গেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠী। এ ছাড়াও নজিরবিহীন ভাবে সুন্দরবন অঞ্চলে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফায় যে ৩০ কেন্দ্রে ভোট হবে, সেখানে ৫ হাজার ৫৩৫ বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে, যাতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় অনলাইন নজরদারি চালানো যায়। এ মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৭৩২, পূর্ব মেদিনীপুরে ১ হাজার ৬১১, পশ্চিম মেদিনীপুরে ১ হাজার ৮০২ আর বাঁকুড়াতে ১ হাজার ৩৯০টি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়াও ৩ হাজার ৪৯টি বুথে থাকছে সিসিটিভি ক্যামেরা। মাইক্রো অবজার্ভার থাকবে ১ হাজার ৯১৫টি বুথে। ২৮৬টি বুথে ভিডিয়ো ক্যামেরায় নজরবন্দি করা হবে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। ইতিমধ্যেই ৬৩২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে ৩০ কেন্দ্রে। রাজ্যে এই মুহূর্তে ৮০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে। আরও ২০০ কোম্পানি আসছে ৮ এপ্রিলের মধ্যে।শেষবার এমন নিরাপত্তার মধ্যে কবে ভোট দেখেছে নন্দীগ্রাম তা স্থানীয়রা বলতে পারছেন না। তাই এবার ভালোয় ভালোয় ভোট মিটলেই তারা খুশি।

এপ্রিল ০১, ২০২১
দেশ

সীমান্তে শহিদ জওয়ান

ফের সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করল পাকিস্তান । বুধবার জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরিতে আচমকাই গোলাগুলি বর্ষণ শুরু করে পাক সেনা। পালটা জবাব দেয় ভারতও। সেই সময়ই পাকিস্তানের সেনার ছোঁড়া গুলিতে শহিদ হলেন এক ভারতীয় জওয়ান। ভারতীয় সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত জওয়ানের নাম লক্ষ্ণণ। এই নিয়ে নতুন বছরে চার জন জওয়ানের মৃত্যু হল পাক সেনার হামলায়।সেনার এক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবেন্দ্র আনন্দ জানিয়েছেন, এদিন অন্যান্য বারের মতোই কোনও প্ররোচনা ছাড়াই গুলি চালাতে শুরু করে পাক সেনা। তখনই তাদের ছোঁড়া গুলিতে মারাত্মক জখম হন ওই জওয়ান। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় তাঁর। শেষ পর্যন্ত আর বাঁচানো যায়নি তাঁকে। শহিদ জওয়ান সম্পর্কে ওই মুখপাত্র বলেন, লক্ষ্ণণ ছিলেন একজন সাহসী, অনুপ্রাণিত ও কর্তব্যনিষ্ঠ সৈনিক। তাঁর ত্যাগ ও নিষ্ঠার জন্য দেশ তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবে। প্রসঙ্গত, রাজস্থানের যোধপুরের বাসিন্দা ছিলেন লক্ষ্মণ।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২১
দেশ

সরকারের 'জবরদস্তিতে' পুনরুজ্জীবিত কৃষকরা

সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লিতে অশান্তির পর এমনিতেই শক্তি হারাচ্ছিল কৃষক আন্দোলন। সিঙ্ঘু, গাজিপুর ও রাজধানী দিল্লির অন্যান্য সীমান্ত থেকে ধীরে ধীরে ঘরে ফেরার পথে পা বাড়াচ্ছিলেন হতাশ আন্দোলনকারীরা। সরকারিভাবে গোটা দুই কৃষক সংঠন আন্দোলন প্রত্যাহারও করে নিয়েছিল। কৃষকদের যে সংঠনটি সবচেয়ে প্রভাবশালী সেই ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নও আন্দোলন প্রত্যাহার করা নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করেছিল। কিন্তু রাতারাতি সবকিছু বদলে গেল উত্তরপ্রদেশ সরকারের একটা ভুল পদক্ষেপে।গাজিপুর সীমান্তে বিক্ষোভকারীদের একপ্রকার জোর করে তুলে দেওয়ার ছক কষেছিল উত্তরপ্রদেশের প্রশাসন। বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যে গাজিপুরে কৃষকদের বিক্ষোভস্থল খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় যোগী সরকার। সেখানে জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। বিক্ষোভস্থল কার্যত ছেয়ে ফেলা হয় নিরাপত্তারক্ষীতে। এমনকী, ৪ কোম্পানি র্যা ফও মোতায়েন করা হয়। জানা গিয়েছে,গাজিপুর সীমান্তের বিক্ষোভস্থলে বিদ্যুৎ এবং জলের সরবরাহ আগে থেকেই অনিয়মিত করে দেওয়া হয়েছিল। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ঘটনাস্থলে যান ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকাইত।টিকাইত ঘটনাস্থলে যেতেই বদলে যায় পরিস্থিতি। তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি ষড়যন্ত্র করে বিক্ষোভ বন্ধ করে দিতে চাইছে। চোখের জলে ঘোষণা করেন, কৃষি আইন প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত এক পাও নড়ব না। প্রয়োজনে গুলি খাব। প্রয়োজনে অনশন করব। নিজের গ্রাম থেকে এনে জল খাব। রাকেশ টিকাইত আত্মহত্যা করবে, তবু বিক্ষোভ স্থল ছাড়বে না।আরও পড়ুন: গাজিপুর সীমানা খালি করার নির্দেশতাঁর এমন ভাষণে পুনরায় উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন কৃষকরা। রাতারাতি হাজারো কৃষক নতুন করে গাজিপুরের বিক্ষোভস্থলে হাজির হন। উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান এবং হরিয়ানার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার কৃষক ট্র্যাভক্টরে চেপে গাজিপুরের উদ্দেশে রওনা দেন। গতকাল সারারাত কৃষক নেতারা গাজিপুরের বিক্ষোভস্থলে জয় জওয়ান-জয় কিষাণ স্লোগান দেন। সেই সঙ্গে উড়তে দেখা যায় জাতীয় পতাকা। আপাতত কৃষী আইন প্রত্যাহার না-হওয়া পর্যন্ত তাঁরা এখানেই থাকবেন বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, সরকার ষড়যন্ত্র করে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

জানুয়ারি ২৯, ২০২১
দেশ

গাজিপুর সীমানা খালি করার নির্দেশ

নির্দেশ না মানলে গাজিপুর সীমানা থেকে জোর করে কৃষক-অবস্থান তুলে দেওয়ার সরকারি নির্দেশিকা জারি হয়েছে। তার জেরে আন্দোলনকারী কৃষকরা কিছুটা হলেও বেকায়দায় পড়েছেন। কৃষকদের সীমানায় বেঁধে রাখতে জেসিবি মেশিন দিয়ে রাস্তা খোঁড়া হয়েছে। ফলে প্রশাসনের সঙ্গে আরেক দফা সংঘর্ষের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। অন্য দুই সীমানা টিকরি এবং সিঙ্ঘুতেও নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।আরও পড়ুন: http://janatarkatha.com/kolkata/-didike-bolo-completes-500-days-001439প্রসঙ্গত, সাধারণতন্ত্র দিবসে দিল্লির বুকে কৃষকদের প্রবল বিক্ষোভের পরই এই নাটকীয় পট পরিবর্তন। এ বার কড়া হাতে কৃষকদের বিক্ষোভ দমনে নামল উত্তরপ্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকার। বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যে দিল্লি-উত্তরপ্রদেশ সীমানায় বিক্ষোভকারী কৃষকদের জায়গা খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে গাজিয়াবাদ প্রশাসন। তবে নিজেদের অবস্থানে অনড় কৃষকরাও। তাঁরা বিক্ষোভস্থল ছাড়তে নারাজ। প্রশাসনের চাপের মুখে পড়ে পালটা হুঙ্কার দিয়েছেন ভারতীয় কিসান ইউনিয়ন (বিকেইউ)-এর জাতীয় মুখপাত্র রাকেশ টিকায়েত। ঘটনাচক্রে, যাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস ঝুলিয়েছে প্রশাসন। জায়গা ছাড়ার বদলে গুলির মুখোমুখি হতে রাজি আছেন বলেও জানিয়েছেন টিকায়েত। আত্মসমর্পণের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিয়েছেন রাকেশ।প্রসঙ্গত, গত ২৬ নভেম্বর কৃষকদের অবস্থান বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে সিল করা রয়েছে গাজিপুর সীমানা। গত মঙ্গলবার সেখানকার ব্যারিকেড ভেঙে ট্র্যাক্টর নিয়ে ঢুকে পড়েন কৃষকরা।

জানুয়ারি ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

অষ্ট্রেলিয়ায় জোর ধাক্কা ভারতীয় শিবিরে

বর্ডার গাভাসকার টেস্ট সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন লোকেশ রাহুল। আবার চোটের কবলে ভারতীয় দল। মেলবোর্নে নেটে ব্যাট করার সময় বাঁ হাতের কব্জিতে চোট পান কে এল রাহুল। টেস্ট সিরিজের শেষ ২টি টেস্ট ম্যাচ থেকে ছিটকে গেলেন ভারতীয় দলের এই উইকেটকিপার ব্যাটসমান। বিসিসিআই সূত্রে জানা যাই চোটের কারণেই তাঁকে এই সিরিজে আর পাওয়া যাবে না।বিসিসিআই-এর আফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডল ও ওয়েবসাইট-এ মঙ্গলবার জানানো হয়, ২রা জানুয়ারি শনিবার মেলবোর্নে অনুশীলনের সময় বাঁ হাতের কব্জিতে চোট পান রাহুল। চেই চোট পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে নুন্যতম ৩ সপ্তাহ লাগবে তাঁর পুরোপুরি সুস্থ হতে। সে কারনে বর্ডার-গাওস্কর ট্রফির শেষ ২ টেস্ট ম্যাচে তাঁকে পাওয়া যাবে না। কে এল রাহুল কে ভারতে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে, জানান বিসিসিআই সচিব জয় শাহ। তিনি জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে এসে চোটের চিকিৎসা করাবেন।ভারতীয় দলের ওপেনার রোহিত শর্মা তৃতীয় টেস্ট থেকে দলে ফিরছেন। ভারতীয় দলের পরিকল্পনায় ছিল রোহিত-এর সঙ্গে রাহুলকেও প্রথম একাদশে রেখে শক্তিশালী করা হতে পারে মিডল অর্ডারকে। কিন্তু সেটা আর সম্ভব হল না। এতিমধ্যেই চোটের জন্য দুই নির্ভরযোগ্য দ্রুতগতির বোলার মহম্মদ শামি এবং উমেশ যাদবকে সিরিজের মাঝে হারিয়েছে ভারত।UPDATE: KL Rahul ruled out of Border-Gavaskar Trophy.More details 👉 https://t.co/G5KLPDLnrv pic.twitter.com/S5z5G3QC2L BCCI (@BCCI) January 5, 2021

জানুয়ারি ০৫, ২০২১
দেশ

সীমান্তে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন পাক সেনার, শহীদ এক জওয়ান

শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীরের কৃষ্ণঘাটি সেক্টরে পাকিস্তানি সেনা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ফলে ভারতীয় সেনার এক জওয়ান শহীদ হয়েছেন বলে বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে। বিনা প্ররোচনায় পাক সেনারা এলোপাথারি গুলি চালায় সীমান্তে এমনটাই জানিয়েছেন সেনাকর্তারা।পাক সেনার যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের পাল্টা জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা। জম্মুর প্রতিরক্ষা পিআরও, লেঃ কর্নেল দেবেনদার আনন্দ এক বিবৃতিতে বলেছেন, গতকাল রাতে কৃষ্ণঘাটি সেক্টরে পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনায় ল্যান্স নায়েক কর্ণাইল সিং প্রাণ হারিয়েছেন। সেনা সূত্রে আরও জানানো হয়েছে আরও এক জওয়ান রাইফেলম্যান বীরেন্দ্র সিং আহত হয়েছেন। তাঁর চোখে আঘাত লেগেছে এবং গুরুতর অবস্থায় তাঁকে রাজৌরির সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হোয়াইট নাইট কর্পসের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং এবং সমস্ত পর্যায়ের মৃত সৈনিকের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।এর আগে বুধবার সন্ধ্যায় মানকোট সেক্টরের পুঞ্চে পাকিস্তানি সেনারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন শুরু করেছিল। ১৯৯৯ সালে ভারত ও পাকিস্তানের স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের পরেও চলতি বছরের শুরু থেকেই পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে আসছে। চলতি বছরে এলওসি-তে পাকিস্তানের যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের ঘটনায় মোট ২৪ জন মানুষ মারা গিয়েছেন এবং শতাধিক আহত হয়েছেন।মর্টার শেল ছোঁড়ার ফলে কাশ্মীর সীমান্তের মানুষদের জীবন, জীবিকা ও কৃষি কার্যক্রম বিপন্ন। প্রতি মুহূর্তে তাঁরা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। চলতি বছরে এখনও পর্যন্ত বিনা প্ররোচনায় পাক সেনারা সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে ১৫০০ বারের বেশী।

অক্টোবর ০১, ২০২০
দেশ

লাদাখ নিয়ে নরমে-গরমে রাজনাথ

ঘটনার সূত্রপাত গত ফ্রেব্রুয়ারি মাসে। লাদাখে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর টহলদারি দিতে গিয়ে বেগ পেতে হয় ভারতীয় সেনাকে। বাড়তে থাকে উত্তেজনা। প‍্যাংগংয়ে চিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে আগ্রাসনের। ঘটনাকে চরম আকার দেয় আগ্রাসন রুখতে গিয়ে ২০ ভারতীয় জওয়ানের শহিদ হওয়া। সেই শুরু, যার রেশ রয়েছে এখ‍নও। দুই দেশের সেনা ও কূটনৈতিক স্তরে আলোচনা হলেও, অধরা থেকেছে সমস‍্যা সমাধানের। চিন কি সত্যিই ভারতের ভূখণ্ড বেআইনিভাবে দখল করে আছে? সরকারি বিবৃতি দাবি করে সরব হয়েছে বিরোধী পক্ষ। সংসদের বাদল অধিবেশনের প্রথম দিনে লোকসভায় এ নিয়ে বিবৃতিও দিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর রাজ‍্যসভায় একই পুনরাবৃত্তি করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় ভারতীয় সেনার টহলদারি রোখার মতো ক্ষমতা বিশ্বে কারোর নেই বলে হুঁশিয়ারি দিলেন রাজনাথ। লাদাখ পরিস্থিতির জন‍্য ফের চিনকেই দায়ী করেন তিনি। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর নজারদারিতে ভারতীয় সেনাকে বেগ পেতে হচ্ছে, এই অভিযোগও নস‍্যাৎ করেন। যদিও লাদাখ ইস্যুতে আলোচনা পর্বে সেনার টহলদারি থেকে পিছু না হঠা নিশ্চিত করার দাবি জানান ইউপিএ আমলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কে অ‍্যান্টনি। উত্তরে রাজনাথ সিং বলেন, যে এলাকাগুলিতে ভারতীয় সেনার টহলদারির অধিকার আছে, সেখান থেকে তাদের সরানোর ক্ষমতা বিশ্বের কারোর নেই। তবে, এখনও আলাপ আলোচনার মাধ‍্যমে সমস‍‍্যা সমাধানের উপরই জোর দেন রাজনাথ। কোনও অবস্থাতেই দেশের অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের সঙ্গে কোনওরকম আপোষ নয়। এর জন্য প্রবল শীতেও লাদাখে সেনা মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সেই সঙ্গে জানান, চিন বেআইনিভাবে ৩৮ হাজার বর্গকিলোমিটার জায়গা দখল করে রেখেছে। ১৯৬৩-র সিনো-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী পাক অধিকৃত কাশ্মীরের ৫১৮০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা পাকিস্তান চিনকে দিয়েছে বলে জানান রাজনাথ। রাজনাথের বিবৃতির পর পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেজিংও। সীমান্ত সমস‍্যার সমস্ত দায় নয়াদিল্লির উপর চাপিয়ে দিয়েছে। এদিকে লাদাখ পরিস্থিতি নিয়ে বৃহস্পতিবারও এনএসএ বৈঠক হয়েছে। এরপর হবে সেনা পর্যায়ে বৈঠক। তবে, লাদাখ সমস‍্যা এখনই যে মিটছে না, সেই ইঙ্গিত কিন্তু স্পষ্ট হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ষোড়শ অর্থ কমিশনের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিয়ে পূর্ব বর্ধমানে দিনভর কর্মশালা, উপস্থিত জেলার বিভিন্ন স্তরের আধিকারিকরা

গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে অর্থ বরাদ্দের নিয়ম, প্রযুক্তিগত প্রয়োগ ও পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনানিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব বর্ধমান: গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির উন্নয়নমূলক কাজের ধারাকে আরও গতিশীল করতে কেন্দ্রীয় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থের সঠিক ও সময়োপযোগী ব্যবহারের উপর জোর দিল পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন। সোমবার, ২ নভেম্বর পূর্ব বর্ধমান জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় এবং STARPARD-এর উদ্যোগে আয়োজিত হল একদিনের বিশেষ কর্মশালা। জেলার সমস্ত সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক (বিডিও), যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক, ব্লক তথ্যপ্রযুক্তি আধিকারিক-সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।কালনা গেটের এগ্রিকালচার ফার্মে অবস্থিত জেলা পঞ্চায়েত প্রশিক্ষণ ও সম্পদ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পূর্ব বর্ধমানের জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক শ্রী অনির্বাণ রায়।কর্মশালায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ অর্থ কোন কোন ক্ষেত্রে এবং কীভাবে ব্যবহার করা যাবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সরকারি নির্দেশিকা মেনে অর্থ ব্যয়ের নিয়মকানুন, বরাদ্দ অর্থ ব্যবহারের প্রযুক্তিগত ও প্রায়োগিক দিক এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন পদ্ধতি নিয়ে আধিকারিকদের অবহিত করা হয়। পাশাপাশি, অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করে প্রয়োজনীয় শংসাপত্র জমা দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতিগুলির থিমভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বরাদ্দ কীভাবে কার্যকরভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও প্রশিক্ষকরা বিস্তারিত আলোচনা করেন। স্থানীয় স্তরে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখা এবং সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুফল পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য বলে কর্মশালায় উঠে আসে।বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে স্থানীয় উন্নয়নে জোর২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে স্থানীয় স্তরে উন্নয়নমূলক কাজের গতি বাড়ানোর উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ষোড়শ অর্থ কমিশনের অর্থ যাতে আরও কার্যকরভাবে জনস্বার্থে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়ে আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশ দেন প্রশিক্ষকরা।কর্মশালার সভাপতি তথা জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন আধিকারিক শ্রী অনির্বাণ রায় বরাদ্দ অর্থের সঠিক, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী ব্যবহারের জন্য সকল আধিকারিকের কাছে আহ্বান জানান। তিনি বলেন, শুধু আধিকারিক স্তরেই নয়, গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরও ধাপে ধাপে এই বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও সচেতনতার আওতায় আনা হবে।দিনভর চলা এই কর্মশালায় ষোড়শ অর্থ কমিশনের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ ও অর্থ ব্যবহারের নিয়মাবলি, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এবং যথাযথ ব্যবহারের পর প্রয়োজনীয় শংসাপত্র প্রদানের বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পঞ্চায়েত স্তরে উন্নয়নমূলক কাজে অর্থের সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এই কর্মশালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

দীপাবলিতে বাজি না পোড়ানোর বার্তা দিতেই তীব্র আক্রমণ! মারাত্মক বিতর্কের মুখে বলি অভিনেত্রী দিয়া মির্জা

আদালতের নির্দেশে শব্দবাজি না পোড়ানোর বার্তা দেওয়াই যেন কাল হলো বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জার জন্য। দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে আমজনতার কাছে বিশেষ আবেদন জানিয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিল বৃহ্নমুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। কিন্তু সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্কের ঝড়। মুম্বই বিজেপির সভাপতি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কীভাবে দীপাবলি পালন করতে হবে তা নিয়ে কারোর কাছে কোনো জ্ঞান শুনতে চান না তিনি। চমকপ্রদ বিষয় হলো, একই ধরনের সচেতনতামূলক ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল মাধুরী দীক্ষিত, অজিঙ্ক রাহানে এবং নিশিগন্ধা ওয়াডকে দিয়েও। কিন্তু বাকি তিন তারকার বিরুদ্ধে একটি কথাও না উঠলেও, আক্রমণের সমস্ত তির গিয়ে বিধেছে কেবল দিয়া মির্জার গায়েই।আসলে কিছু দিন আগেই পরিবেশ রক্ষা ও শব্দদূষণ রুখতে বম্বে হাই কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, দূষণমুক্ত উৎসব পালনে পরিচিত মুখদের দিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চালাক প্রশাসন। দিয়া মির্জা দীর্ঘ দিন ধরেই পরিবেশ সংক্রান্ত নানা বিষয়ে সরব হন, সেই কারণেই হয়তো বিএমসি তাঁকে এই বার্তার জন্য বেছে নিয়েছিল। পুরনিগমের অফিসিয়াল হ্যান্ডেল থেকে প্রকাশিত সেই ভিডিওতে দিয়া সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে তাঁরা বাজি না ফাটান এবং উৎসবের নামে শব্দদূষণ থেকে বিরত থাকেন।কিন্তু এই ভিডিও সামনে আসার পরেই চরম ক্ষোভ উগরে দেন মুম্বই বিজেপির সভাপতি অমিত সাতনাম। সরাসরি দিয়াকে নিশানা করে তিনি স্পষ্ট জানান, কীভাবে উৎসব উদযাপন করা হবে তা অন্য কারো কাছ থেকে শেখার প্রয়োজন নেই, কারণ দেশের সংস্কৃতির সঙ্গেই এই রীতিনীতিগুলি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে। মজার বিষয় হলো, যে পুরনিগম ভিডিওটি তৈরি করেছে সেই বিএমসির দায়িত্বে বর্তমানে এই দলই রয়েছে। নিজেদের প্রশাসনের উদ্যোগে তৈরি ভিডিও হলেও বিতর্ক তীব্র আকার ধারণ করতেই তড়িঘড়ি দিয়া মির্জার বার্তাটি সোশাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেলা হয়। ঠিক কী কারণে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হলো তা নিয়ে বিএমসি মুখ খোলেনি, তবে মাধুরী বা রাহানের মতো অন্য তারকাদের ভিডিও কিন্তু এখনও পেজে বহাল তবিয়তে রয়েছে। এই পুরো ঘটনাটি কেন্দ্র করে বর্তমানে চরম শোরগোল মুম্বইয়ের রাজনীতিতে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাস কেলেঙ্কারিতে এবার ইন্দ্রনীল-কন্যা! স্ত্রীকে জেরার পর সোমবারই লালবাজারে তলব আভেরিকে, তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি

দুর্গাপুজোর প্রিভিউ শো-এর নাম করে ইউনেস্কোর লোগো বেআইনিভাবে ব্যবহার ও পাস বিক্রির বিরাট দুর্নীতি কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়। শনিবার প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রীকে জেরা করার পর, এবার লালবাজার গোয়েন্দাদের স্ক্যানারে তাঁর মেয়ে আভেরি সেন। সোমবারই তাঁকে লালবাজারে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ জারি করেছেন তদন্তকারীরা। লালবাজার সূত্রের খবর, তদন্তে নেমে প্রাক্তন মন্ত্রীর মেয়ের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও মোটা টাকার অসংগতিপূর্ণ লেনদেনের চরম সূত্র পেয়েছেন সিটের আধিকারিকরা। আর সেই টাকার উৎসের খোঁজ পেতেই আভেরিকে সামনাসামনি বসিয়ে জেরা করতে চায় পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রাক্তন মন্ত্রীকে গরাদে পুরার তিন দিনের মধ্যেই শনিবার তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনকে লালবাজারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জেরা করে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট। পাস বিক্রির দায়িত্বে থাকা মাস আর্ট নামক সংস্থার সভানেত্রী ছিলেন মধুছন্দাদেবী। সংস্থার নানা নথিপত্রে তাঁর সই যেমন রয়েছে, তেমনই ইউনেস্কোর লোগো অবৈধভাবে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার পেছনেও তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। লালবাজারের দাবি, ইন্দ্রনীল সেনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সংস্থা থার্ড লাইন ক্রিয়েশন থেকে প্রায় ৬৬ লাখ টাকা পাঠানো হয়েছিল এই মাস আর্ট সোসাইটিকে। এরপর সেই টাকার একটা বড় অংশ, অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ২২ লাখ টাকা ঘুরপথে চলে যায় আইস্কেপ ও মায়রা নামের দুটি সংস্থায়। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, এই দুটি সংস্থার পুরোটাই পরোক্ষভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেন ইন্দ্রনীলের কন্যা আভেরি।সেই জটিল আর্থিক লেনদেনের জাল গুটিয়ে আনতেই এবার সেন বাড়ির মেয়েকে তলব করল লালবাজার। তদন্তকারীদের সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, প্রাক্তন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একাধিক সংস্থার কর্মীদের উপরও কড়া নজর রাখা হচ্ছে। খুব দ্রুত তাঁদের প্রত্যেককেও একে একে ডেকে জেরা করা হবে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বড় দুর্গোৎসবের উদ্যোক্তারা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন যে, ইউনেস্কোর লোগো দেখেই তাঁরা এই উদ্যোগে বিশ্বাস রেখেছিলেন। মাস আর্টের কর্মীরাই সরাসরি মণ্ডপে গিয়ে প্রিভিউ শো-এর সমস্ত বন্দোবস্ত করতেন। পরিবর্তে পুজো কমিটিগুলিকে সামান্য কিছু টাকা ও প্রবেশদ্বারে আলোর গেট বসানোর সুযোগ দেওয়া হতো। ওই বিজ্ঞাপনী গেট বাবদ দেড় থেকে দুলাখ টাকা হাতে পেলেও, কোটি কোটি টাকার পাস বেচে উদ্যোক্তাদের সামান্য কিছু টাকায় সন্তুষ্ট রাখা হয়েছিল বলে বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছে লালবাজার। সোমবার ইন্দ্রনীল-কন্যার জেরার পর এই দুর্নীতিতে আরও বড় মাথার নাম সামনে আসে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রাজ্য রাজনীতি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
দেশ

১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি কার জন্য? দিল্লির ব্যবসায়ীদের অভিযোগের জবাব দিলেন রাহুল

দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের জনসভাকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। ওই সভার কারণে এক দিনেই ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করল দিল্লির ব্যবসায়ী সংগঠন। তাদের অভিযোগ, উৎসবের মরশুমের ঠিক আগে এই সভার আয়োজন করায় শহরের বহু বাজার বন্ধ রাখতে হয়েছিল। যান চলাচলেও নিয়ন্ত্রণ জারি ছিল। ফলে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসা থেকে শুরু করে পরিবহণ, হোটেল এবং পর্যটন ক্ষেত্রেও বড় ক্ষতি হয়েছে।চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির দাবি, রবিবার ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের বড় সভার কারণে দিল্লির ব্যবসায়ীরা বিপুল লোকসানের মুখে পড়েছেন। সংগঠনের অভিযোগ, দীপাবলির আগে এই সভা না করার জন্য রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী নেতাদের কাছে বারবার আবেদন জানানো হয়েছিল। চিঠি লিখে তাঁদের অনুরোধ করা হয়েছিল, দীপাবলির পরে সভার আয়োজন করতে। কারণ, সভার জন্য যানজট এবং রাস্তা বন্ধ থাকার কারণে ব্যবসায়ীদের ক্ষতি হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু সেই অনুরোধ রাখা হয়নি বলে দাবি ব্যবসায়ী সংগঠনের।সংগঠনটির দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, রামলীলা ময়দানের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা একাধিক বড় বাজারে ব্যবসা বন্ধ ছিল। কাশ্মীরি গেট, মোরি গেট, চাঁদনি চক, চৌরি বাজার, খারি বাওলি, নয়া বাজার, সদর বাজার, আজমেরি গেট, দরিয়াগঞ্জ, পাহাড়গঞ্জ, কমলা মার্কেট, জামা মসজিদ, লাজপত রাই মার্কেট, তিলক বাজার, কনট প্লেস, গফ্ফর মার্কেট এবং করোল বাগের মতো এলাকার বাজারে এর প্রভাব পড়ে বলে দাবি করা হয়েছে।চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির হিসাব বলছে, দিল্লির প্রায় তিন লক্ষ দোকানের মধ্যে আড়াই লক্ষ দোকান বন্ধ ছিল। এর ফলে খুচরো ও পাইকারি ব্যবসায় প্রায় ৮৮০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি সংগঠনের।শুধু দোকানপাট নয়, পরিবহণ এবং পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রেও বড় ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। রামলীলা ময়দানের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত থাকায় পরিবহণ ও পণ্য সরবরাহে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। এ ছাড়া হাসপাতাল, হোটেল, রেস্তরাঁ এবং পর্যটন ক্ষেত্র মিলিয়ে আরও প্রায় ৫০০ কোটি টাকার লোকসান হয়েছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।সব মিলিয়ে এক দিনের জনসভার কারণে ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাদের। এই ক্ষতির দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তুলেছেন ব্যবসায়ীরা।অন্য দিকে, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী এই অভিযোগের পাল্টা কেন্দ্রীয় সরকারকে দায়ী করেছেন। তাঁর দাবি, জোর করে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ফলে দিল্লির ব্যবসায়ীদের ক্ষতির জন্য বিরোধীদের সভাকে দায়ী করা ঠিক নয় বলেই তাঁর বক্তব্য।ব্যবসায়ী সংগঠনের অভিযোগ এবং রাহুল গান্ধীর পাল্টা বক্তব্য ঘিরে দিল্লির রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে ১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতির হিসাব ব্যবসায়ী সংগঠনের দাবি। এই অঙ্কের স্বাধীন যাচাইয়ের তথ্য এখনও সামনে আসেনি।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

দীর্ঘদিনের সঙ্গীকেই আছড়ে দিল হাতি! আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে মাহুত হীরা

দীর্ঘদিন ধরে হাতির সঙ্গে কাজ করছেন তিনি। সেই হাতির হামলাতেই গুরুতর জখম হলেন মাহুত হীরা রাভা। সোমবার সকালে আলিপুরদুয়ারের পানিঝোরা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। আহত অবস্থায় তাঁকে আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। তাঁর মেরুদণ্ডে চোট লেগেছে। শরীরের একাধিক হাড়েও চিড় ধরেছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় বনকর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আহত মাহুতের চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁ।বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ ইস্ট দমনপুর রেঞ্জের চেকো বিটের পানিঝোরা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। চন্দন নামে একটি হাতিকে জঙ্গলে ঘোরানোর পর ডিপোয় ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন মাহুত হীরা। সেই সময় আচমকাই পিছন দিক থেকে হীরাকে ধাক্কা মারে হাতিটি। আচমকা এই আক্রমণে সামলে উঠতে পারেননি তিনি। গুরুতর জখম হন হীরা।ঘটনার পরেই ছুটে আসেন অন্য বনকর্মীরা। তাঁরা কোনও রকমে চন্দনকে ডিপোর ভিতরে আটকে রেখে আহত হীরাকে উদ্ধার করেন। এর পর তাঁকে দ্রুত আলিপুরদুয়ার জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।হাসপাতালের অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞ অনিন্দ্য সাহা জানিয়েছেন, হীরার শারীরিক অবস্থা বেশ গুরুতর। তাঁর মেরুদণ্ডে সমস্যা রয়েছে। এ ছাড়া শরীরের একাধিক হাড়ে চিড় ধরেছে। চিকিৎসকেরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করছেন।দীর্ঘদিন ধরে হাতির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এমন ঘটনার মুখে পড়লেন হীরা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বনকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য কী ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।ঘটনার খবর পেয়ে রাজ্যের বন ও পরিবেশ দপ্তরের মন্ত্রী মনোজকুমার ওরাওঁ আহত মাহুতের চিকিৎসার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, হীরার সঙ্গে দেখা করে তাঁর চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে। আপাতত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাহুতের শারীরিক অবস্থার দিকেই নজর রয়েছে সকলের।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

অন্ধ্রের দিকে ধেয়ে আসছে মুরাসু, বাংলায় সোমবার থেকে মঙ্গলবার কোথায় কোথায় বৃষ্টি?

ক্রমশ শক্তি বাড়িয়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে মুরাসু। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার মাঝরাতের পর অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঘূর্ণিঝড়। দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের ওঙ্গোলের কাছে ঘূর্ণিঝড়টির আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলার আবহাওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কি রাজ্যে দুর্যোগ নামবে?আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে আগামী সোমবার ও মঙ্গলবার রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আকাশ মেঘলা থাকার পাশাপাশি কোথাও কোথাও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। বিক্ষিপ্ত ভাবে এক-দুটি জায়গায় হালকা বৃষ্টিও হতে পারে। সোমবার ও মঙ্গলবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই।দক্ষিণবঙ্গেও সোমবার ও মঙ্গলবার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি।কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। বুধবার থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন হতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম।তবে ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর সরাসরি প্রভাব বাংলায় পড়ার আশঙ্কা না থাকায় রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকায় আপাতত কোনও সতর্কতা জারি করা হয়নি। অন্য দিকে, বঙ্গোপসাগরে সমুদ্র উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বুধবার পর্যন্ত পশ্চিম-মধ্য ও উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।ঘূর্ণিঝড় মুরাসুর মোকাবিলায় ইতিমধ্যেই তৎপর হয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ প্রশাসন। সম্ভাব্য বিপদ এড়াতে একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। আপাতত নজর রয়েছে ঘূর্ণিঝড়টির গতিপথ এবং উপকূলে আছড়ে পড়ার পরিস্থিতির দিকে।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

মাঝরাতে মহাকরণের কাছে ভয়াবহ আগুন! পুড়ে ছাই অফিসের নথি, ঘটনাস্থলে ১০টি ইঞ্জিন

মাঝরাতে কলকাতার বুকে ফের অগ্নিকাণ্ড। মহাকরণের পিছনে বিবাদী বাগের লায়ন্স রেঞ্জ এলাকায় একটি বহুতলের অফিসে আগুন লাগল। রবিবার ভোররাতে এই ঘটনা নজরে আসে স্থানীয় বাসিন্দাদের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। আগুনে অফিসের বহু নথিপত্র ও কম্পিউটার পুড়ে গিয়েছে বলে খবর। কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে দমকল।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মহাকরণের ঠিক পিছনে লায়ন্স রেঞ্জ এলাকায় ওই বহুতলটি রয়েছে। সেখানে চার থেকে পাঁচটি সংস্থার অফিস রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রবিবার ভোররাত সাড়ে ৩টে নাগাদ বহুতলটি থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখেন আশপাশের বাসিন্দারা। এর পর দ্রুত দমকলে খবর দেওয়া হয়। দমকলের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।আগুনের উৎস খুঁজতে এবং ভিতরে জমে থাকা ধোঁয়ার মধ্যে কাজ করতে দমকল কর্মীরা বিশেষ যন্ত্র ও গ্যাস মাস্ক ব্যবহার করেন। সকালের দিকে আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে তার আগেই বহুতলের চারতলায় থাকা অফিসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।দমকল কর্মীদের দাবি, আগুনে অফিসের নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। কম্পিউটারও ভস্মীভূত হয়েছে। সকাল ৮টার পরেও বহুতলের কিছু জায়গায় আগুনের ছোট ছোট অংশ জ্বলছিল। সেগুলি নেভানোর কাজ চালান দমকল কর্মীরা। এর পর শুরু হয় ঠান্ডা করার প্রক্রিয়া, যাতে ফের আগুন ছড়িয়ে পড়তে না পারে। অগ্নিকাণ্ডের খবর সংশ্লিষ্ট অফিস কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে। কী কী নথি নষ্ট হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কীভাবে আগুন লাগল, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। প্রাথমিক ভাবে শর্ট সার্কিটের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, দমকলের তরফে এখনও কোনও কারণ নিশ্চিত করা হয়নি। আগুন পুরোপুরি নিভে যাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরীক্ষা করে অগ্নিকাণ্ডের উৎস খোঁজা হবে। পাশাপাশি, বহুতলটির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ঠিক ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েছে বলে দমকল সূত্রে খবর।

নভেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

দীর্ঘক্ষণ শৌচালয় থেকে বেরোলেন না, দরজা ভেঙে উদ্ধার দেহ! বিধানসভায় কী ঘটেছিল?

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার শৌচালয় থেকে এক ক্যান্টিন কর্মীর দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার সকালে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম উমেশ চন্দ্র। তাঁর বয়স ৪৬ বছর। তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে বিধানসভার ক্যান্টিনে কাজ করছিলেন। কী কারণে তাঁর মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখছে কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখা। তদন্তে পুলিশ কুকুরও নামানো হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার সকাল ৯টা ১০ মিনিট নাগাদ বিধানসভার শৌচালয় থেকে উমেশের দেহ উদ্ধার হয়। প্রতিদিনের মতো এ দিনও তিনি শৌচালয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু অনেকক্ষণ পেরিয়ে যাওয়ার পরেও তিনি বাইরে বেরিয়ে আসেননি। বিষয়টি নজরে পড়ে তাঁর সহকর্মীদের। তাঁরা ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাননি। এর পর সন্দেহ হওয়ায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে শৌচালয়ের দরজা ভেঙে ভিতর থেকে উমেশের দেহ উদ্ধার করে।এর পর তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ সূত্রে খবর, উমেশের দেহে কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তা হলে কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।উমেশের এক সহকর্মীর দাবি, শৌচালয়ে গিয়ে কোনওভাবে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। পড়ে যাওয়ার সময় তাঁর মাথা বেসিনে লেগে থাকতে পারে বলেও জানান ওই কর্মী। তাঁর কথায়, উমেশের এক দাদা ও বৌদি রয়েছেন। তিনি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন। তবে ঠিক কী কারণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।

নভেম্বর ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal