• ৫ ভাদ্র ১৪৩৩, রবিবার ২৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bombing

কলকাতা

রবিবার রাতে ভয়াবহ তাণ্ডব দক্ষিণ কলকাতায়, গোলপার্কে গুলি-বোমা, আহত ২

দক্ষিণ কলকাতার গোলপার্ক এলাকায় রবিবার রাতে ভয়াবহ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পিকনিককে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় বোমাবাজি ও গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। সংঘর্ষে দুজন আহত হয়েছেন। এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবীন্দ্র সরোবর থানার অন্তর্গত কাঁকুলিয়া রোড এলাকায় রাত সাড়ে আটটা নাগাদ এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রবিবার তাঁরা পিকনিক সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় হঠাৎ অন্য এলাকার কয়েকজন যুবক এলাকায় ঢুকে গোলমাল শুরু করে। তাদের আচরণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকার মানুষ। ভয়ে বহু মহিলা ঘরের ভিতরে চলে যান।স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা এই দুষ্কৃতীদের বাধা দিতে গেলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দুপক্ষের মধ্যে ইট ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। ইটের আঘাতে কয়েকজন আহত হন বলে অভিযোগ। রাস্তায় রক্তের দাগও দেখা যায়। অভিযোগ, সংঘর্ষ চলাকালীন দুষ্কৃতীরা বোমা ছোড়ে এবং অন্তত এক রাউন্ড গুলি চালানো হয়। এই ঘটনায় দুই জন আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশ উত্তেজিত জনতাকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ, সেই সময় জনতার একাংশ পুলিশের গাড়িতে হামলার চেষ্টা করে। এই গোলমালের মধ্যে কয়েকটি বাইক ও স্কুটি ভাঙচুর করা হয়।এলাকার বাসিন্দাদের দাবি, দক্ষিণ কলকাতার দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পুর গ্যাং এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এলাকা দখলের উদ্দেশ্যেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ। এমনকি একটি রাজনৈতিক দলের অফিসে হামলার পরিকল্পনাও ছিল বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা।ঘটনাস্থল থেকে গুলির খোল ও বোমার টুকরো উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুষ্কৃতীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২৬
রাজ্য

গভীর রাতে বোমাবাজি ও গুলি হরিহরপাড়ায়, জখম এক, গ্রেফতার ৪

সোমবার গভীর রাতে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া থানার অন্তর্গত নাজিরপুর পূর্বপাড়া এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ, ওই রাতে একদল দুষ্কৃতী এলাকায় বোমাবাজি চালানোর পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দা নাজিমউদ্দিন শেখ ওরফে কালুকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।গুলিতে তাঁর পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। স্থানীয়রা তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে হরিহরপাড়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে মুর্শিদাবাদ মেডিকেল কলেজ ও পরে কলকাতার একটি হাসপাতালে রেফার করা হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জমি দখলকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছিল। সেই বিবাদের জেরেই এই হামলা বলে প্রাথমিক অনুমান। উল্লেখযোগ্য যে, দুই পক্ষই শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত বলে এলাকাবাসীর দাবি।এই ঘটনায় হরিহরপাড়া থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই চারজনকে গ্রেফতার করেছে। এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত চলছে।হরিহরপাড়া থানার নাজিরপুর পূর্বপাড়া এলাকায় বোমাবাজি ও গুলি চালানোর ঘটনায় আগ্নেয়াস্ত্র গুলি উদ্ধারসহ চার জনকে গ্রেফতার করে বহরমপুর জেলা জজ আদালতে পাঠানো হলো। ধৃতদের তিনজনের বাড়ি নাজিরপুর পূর্বপাড়া এলাকায় একজনের বাড়ি চোয়া এলাকায়

মে ২৮, ২০২৫
রাজ্য

জগদ্দলের চার নম্বর প্ল্যাটফর্ম সংলগ্ন রেল লাইনে বোমাবাজি করার অভিযোগে ধৃত মদ্যপ যুবক

মদ্যপ অবস্থায় জগদ্দল স্টেশনের চার নম্বর প্ল্যাটফর্মের চার নম্বর লাইনে বোমা মারার অভিযোগ উঠল এক মদ্যপ যুবকের বিরুদ্ধে । শুক্রবার রাতের ঘটনা এক মদ্দপ যুবক জগদ্দল রেল স্টেশন সংলগ্ন অঞ্চলে বমাবাজি করে বলে পুলিস সুত্র খবর। প্রাথমিক আতঙ্ক কেটে গেলে রেলপাড়ের বস্তি এলাকার মানুষজন চারদিক থেকে ওই যুবককে ঘিরে রাখে । খবর পেয়ে নৈহাটি জিআরপি থানা এবং জগদ্দল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। ওই যুবকের পকেট থেকে পুলিশ আরও তিনটি তাজা বোমা উদ্ধার করেছে। প্রাথমিক জেরায় ধৃত যুবক জানিয়েছে, তার নাম পিন্টু নন্দী। সূত্রের খবর, ধৃতের বাড়ি জগদ্দলের গুপ্তার বাগান এলাকায়। কি কারনে ওই যুবক বোমা মারলো, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আগস্ট ১৩, ২০২২
কলকাতা

তিলজলায় দেদার বোমাবাজি, চলল গুলি

রিজেন্ট পার্কের পর এবার তিলজলায় চলল গুলি। দোলের বিকেলে রিজেন্ট পার্কে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। এবার তিলজলায় একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। জানা গিয়েছে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন একজন। শনিবার সকালের এই ঘটনা ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে তিলজলা থানার বিশাল পুলিশবাহিনী।স্থানীয়দের অভিযোগ, তিলজলার দাড়িখানা মোড় এলাকায় এদিন সকালে গুলি চলে। একইসঙ্গে অনবরত বোমাবাজির শব্দেও কাঁপতে থাকে এলাকা।জানা গিয়েছে, গুলিবিদ্ধ হয়েছেন একজন ট্যাক্সিচালক। সূত্রের দাবি, টাকা নিয়ে বচসার জেরেই এই ঘটনা। তদন্ত করছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় দুষ্কৃতী তাণ্ডব বাড়ছে। কোনও উৎসবের আবহে এরা গোলমাল করে এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ানোর চেষ্টা করে।গুলিবিদ্ধ যুবকের নাম রাজু রায়। ট্যাক্সি চালান তিনি। রাজুর পরিবারের দাবি, শুক্রবার রাতে স্থানীয় তিন যুবক রাজুর কাছে টাকা চেয়েছিলেন। তা দিতে রাজি না হওয়ায় ঝামেলার সূত্রপাত। অভিযোগ, এরপরই শনিবার সকালে রাজু তাঁর ভাইকে নিয়ে বাজার করে ফেরার সময় ওই তিন যুবক-সহ মোট পাঁচজন আচমকা রাজুর উপর হামলা করেন। রাজুকে প্রথমে চপার দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। রাজু পালানোর চেষ্টা করতে চালানো হয় গুলি। সেই সময় এলাকায় বোমাবাজিও শুরু করেন অভিযুক্তরা। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ একটি চপার উদ্ধার করেছে।

মার্চ ১৯, ২০২২
কলকাতা

Bombing: রক্ত ঝড়ল পুরভোটে, বেলেঘাটা, শিয়ালদহে বুথের সামনে বোমাবাজি, আহত এক

বেলেঘাটার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে বোমাবাজির অভিযোগ। সেখানকার খান্না হাই স্কুলের সামনে বোমাবাজি চলেছে বলে অভিযোগ বিরোধীদের। আরও অভিযোগ, বেলেঘাটার পাশাপাশি শিয়ালদহেও হয়েছে বোমাবাজি।সেখানকার টাকি স্কুলের সামনে দুটি বোমা পড়েছে। এর জেরে আহত হয়েছেন এক জন। তাঁর পায়ে আঘাত লেগেছে।৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী রবিকান্ত সিং এই বোমাবাজির জন্য আঙুল তুলেছেন তৃণমূলের দিকে। তিনি বলেছেন, কাল থেকেই বহিরাগতরা ঢুকে বসে রয়েছে। আমি পুলিশকে লিখিত অভিযোগ করেছিলাম। সকাল থেকে বুথের সামনে ঘুরছে তাঁরা। বোমার দাগ এখনও রয়েছে। অভিযোগ করার পরও পুলিশ ব্যবস্থা নেই বলে অভিযোগ তাঁর। যদিও তৃণমূল এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।টাকি স্কুলের সামনে বোমার আঘাতে আহত হয়েছেন এক জন। পায়ে আঘাত লেগেছে বলে অভিযোগ। স্কুলের অদূরেই এ দিন পরপর দুটি বোমা ফেলে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। বোমার আঘাতে আহত হন এক ব্যক্তি। তিনি কেনাকাটা করতে রাস্তা বেরিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর পায়ে বোমার আঘাত লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই বোমা কারা ফেলল, এর পিছনে কোন রাজনৈতিক দলের হাত রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়, তবে তৃণমূলের অভিযোগ দুষ্কৃতীরা আদতে কংগ্রেস প্রার্থীর লোক।জখম ব্যক্তিকে উদ্ধার করে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুই জায়গাতেই প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২১
রাজ্য

Bhatpara: রাতেই ফের উত্তপ্ত ভাটপাড়া! চলল দুষ্কৃতী তাণ্ডব

অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজির পরই মঙ্গলবার রাতেই ফের উত্তপ্ত হয় ভাটপাড়া। চলে বেপরোয়া বোমাবাজি, অস্ত্র উঁচিয়ে উন্মত্ত দাপাদাপি, হামলা। পিস্তলের বাঁট দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এক যুবকের। বোমার স্প্লিন্টারে গুরুতর জখম হয় আরেক যুবক। সবমিলিয়ে টানা বৃষ্টির মধ্যেই রাতভর দুষ্কৃতী তাণ্ডব চলল ভাটপাড়ায়।আরও পড়ুনঃ উৎসবের মরশুমে হামলার ছক! ৩ রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ৬ জঙ্গিস্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাটপাড়ার কলাবাগান তিন নম্বর গেট এলাকা। রাতে অতর্কিতে হামলা চালায় দুষ্কৃতীরা। পিস্তলের বাঁট দিয়ে অজিত কুমার সিং নামে এক যুবকের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিষ্ণুদেব যাদব নামে আরেক ব্যক্তি বোমার ঘায়ে আহত হয়েছেন। দুজনকে ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আহত দুজনই জগদ্দল জেজেআই জুটমিলের কর্মী। রাতে দুজনেই কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। এই ঘটনায় মহম্মদ সোনু নামে এক জনের নাম উঠে এসেছে। অভিযোগ, মহম্মদ সোনুর নেতৃত্বে এক দল আচমকা বোমাবাজি করতে শুরু করে এলাকায়। তারই প্রতিবাদ করায় এই হামলা। ঘটনায় জড়িতদের খোঁজ চালাচ্ছে ভাটপাড়া থানার পুলিশ।উল্লেখ্য, অভিযোগ মঙ্গলবার সকাল নটার সময়ে আচমকাই অর্জুন সিংয়ের বাড়ির পিছনে বোমা ছুড়ে মারে দুষ্কৃতীরা। গত ৮ সেপ্টেম্বরের বোমাবাজির পর এলাকায় নতুন করে আরও ২০টা সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়। বাড়ানো হয় পুলিশ পিকেট। সিআইএসএফ জওয়ানদের প্রহরাও রয়েছে। তার মধ্যেও কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তাতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আর এবার মঙ্গলবার রাতভর ভাটপাড়ায় দুষ্কৃতী তাণ্ডব। সবমিলিয়ে উত্তপ্ত অর্জুন-গড়।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Bhatpara-Bombing: ফের অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজি

ফের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজি। মঙ্গলবার সকাল নটায় অর্জুন সিংয়ের বাড়ির পিছনে আবার বোমা ছুড়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। ৮ ই সেপ্টেম্বরের পর ফের এদিন সকালের বোমাবাজির ঘটনায় প্রশ্ন উঠল প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। সোমবারই সাংসদের বাড়ির বাইরে বোমাবাজির ঘটনায় তদন্তভার এনআইএ-কে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। আর মঙ্গলবার সকালে ফের বোমাবাজির ঘটনা।সূত্রের খবর, সোমবার রাতে বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিংয়ের ছেলে পবন সিংয়ের সঙ্গে ফোনে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন এনআইএ-এর এক কর্তা। গত ৮ ই সেপ্টেম্বর সাংসদের বাড়িতে বোমা মারার ঘটনা নিয়ে কথা বলেন তিনি। সাংসদের পরিবার সূত্রে খবর, মঙ্গলবার এই ঘটনায় তদন্তে আসতে পারে এনআইএ। তারই মধ্যে আজই ফের বোমাবাজি। বাড়ির সামনে নো পার্কিং জোন। সাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ। এই অবস্থায় দুষ্কৃতীরা কিভাবে বারে বারে বোমাবাজি করে? নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন সাংসদের পুত্র পবন সিংও।আরও পড়ুনঃ আচমকাই ভোট-প্রচারে ভবানীপুরে মমতাপ্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবারই সিআইএসএফ প্রহরার দেড় ফুটের মধ্যেই সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজি হয়। সাংসদের নিরাপত্তা নিয়েই উঠছে একাধিক প্রশ্ন। তবে এই প্রথমবার নয়, ভোট পরবর্তী পর্যায়ে জুলাই মাসেও অর্জুনের বাড়িতে বোমাবাজি হয়।এদিকে, ভাটপাড়ায় বারবার গুলি, বোমা এবং খুনের ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকার বাদিন্দারা। দিনকে দিন বাড়ছে দুষ্কৃতীরাজ। অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন এলাকাবাসীরাও। স্থানীয়রাই বলছেন, ভাটপাড়া ছেড়ে চলে যেতে ইচ্ছা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের আত্মীয়রাও আসতে ভয় পাচ্ছেন বলে অভিযোগ।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Arjun-NIA: অর্জুনের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনায় তদন্তভার এনআইএ-র

ভাটপাড়ায় বোমাবাজির ঘটনায় তদন্ত ভার নিল ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি বা এনআইএ । ৮ সেপ্টেম্বর বোমাবাজি হয় ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ির সামনে। সেই ঘটনার তদন্ত ভার এনআইএকে দিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। উল্লেখযোগ্যভাবে, কোনও ঘটনার তদন্তভার সাধারণত তখনই এনআইএ-এর হাতে ন্যস্ত করা হয়, যখন সেখানে সন্ত্রাসবাদের কোনও যোগ থাকে। প্রশ্ন উঠছে, ভাটপাড়ার এই ঘটনায় কি তবে সেদিকেই ইঙ্গিত করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।গত বুধবার সকালে সিআইএসএফের পাহারার মধ্যে থাকা সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজির ঘটনার অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় সাংসদের নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বাইক থেকে পরপর ২-৩ টি বোমা ছোড়া হয় অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বলে অভিযোগ। সিআইএসএফ জওয়ানদের সামনেই বোমা মেরে পালিয়ে যান যুবকরা। এই ঘটনায় অর্জুন সিং বলেছিলেন, তিনি কেন্দ্রীয় তদন্ত দাবি করবেন। এনআইএ ঘটনার তদন্ত করুক তিনি চান।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নাসাংসদ অর্জুন সিং ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা পান। তারই মধ্যেও কী ভাবে এই ধরনের ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এরপরই গত শুক্রবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে যান। তিনি সেখানে দাঁড়িয়েই বলেছিলেন, একজন সাংসদের বাড়িতে যে ভাবে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে তা অত্যন্ত লজ্জার। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের জেরেই এই বোমাবাজির ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রী তো কোনও পদক্ষেপ করছেন না। জাতীয় সংস্থার গোয়েন্দারা দায়িত্ব নিলে সেখানে আর আলাদা করে বলার কিছু থাকবে না। এরই মধ্যে সোমবার জানা গেল, ভাটপাড়ার বোমাবাজিকাণ্ডের তদন্ত ভার এনআইএ-এর হাতেই তুলে দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।যদিও সূত্রের খবর, যে নির্দেশনামা এনআইএ-এর হাতে পৌঁছেছে, সেখানে অর্জুন সিংয়ের নাম উল্লেখ করা হয়নি। বলা হয়েছে, পবন সিংয়ের দপ্তরের সামনে বোমাবাজির ঘটনার তদন্ত করবে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। অর্থাৎ অর্জুন-পুত্র পবন সিংয়ের দপ্তর মানেই তা বিজেপি সাংসদের বাড়ির এলাকাই।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
কলকাতা

Arjun Singh: অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে বোমাবাজি

বুধবার সকালে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ি লক্ষ্যে করে বোমা ছোড়া হয়। বোমা ছুড়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। সাংসদের বাড়ির সামনে সিআরপিএফ প্রহরায় থাকাকালীন বোমা ছুড়ে পালায় দুষ্কৃতীরা। কেন্দ্রীয়বাহিনীর উপস্থিতিতেই এই হামলা হওয়ায় সাংসদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ঘটনার তদন্ত করছে জগদ্দল থানার পুলিশ। ঘটনার সময়ে বাড়িতে ছিলেন না অর্জুন সিং। তিনি দিল্লিতে রয়েছেন। সকাল ৬.৩২ মিনিটে বোমাবাজি হয় তাঁর বাড়ির গেটে। সিআরপিএফের বাংকার অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছে। পর পর ৩টি বোমা ছোড়া হয়। তবে বোমাবাজির কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। এর আগেও বোমা পড়েছে বিজেপি সাংসদের বাড়ির সামনে। কিন্তু তাঁর বাড়িতে হামলা এই প্রথম। Wanton violence in WB shows no sign of abating.Bomb explosions as this morning outside residence of Member Parliament @ArjunsinghWB is worrisome on law and order.Expect prompt action @WBPolice. As regards his security the issue has been earlier been flagged @MamataOfficial. Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) September 8, 2021অর্জুন সিংয়ের বাড়িতে হামলার ঘটনায় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে টুইটারে তোপ দেগেছেন রাজ্যপাল। জগদীপ ধনখড় লেখেন, পশ্চিমবঙ্গে হিংসার শেষ দেখা যাচ্ছে না। সাংসদের বাড়ির সামনে বোমাবাজি আইনশৃঙ্খলার পক্ষে উদ্বেগজনক। ঘটনার নিন্দা করে দিলীপ ঘোষ বলেছেন, গত আড়াই বছর ধরে এটা রোজকার ঘটনা। অর্জুন সিংয়ের মাথা নত করাতে না পেরেই এমনটা করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
বিদেশ

Drone Attack: আফগানিস্তানে মার্কিন ড্রোন হামলা খতম কাবুল হামলার মূলচক্রী?

কাবুল বিমানবন্দরে হামলার সমালোচনা করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বৃহস্পতিবার রাতেই বলেছিলেন, কিছু ভোলা হবে না, কাউকে মাফও করা হবে না। জড়িতদের খুঁজে বের করে উচিত শাস্তি দেওয়া হবে। একদিনের মধ্যেই বদলা নিল আমেরিকা। শুক্রবারই ইসলামিক স্টেট-খোরাসান-র উপর হামলা চালায় মার্কিন ড্রোন।মার্কিন সেন্ট্রাল কম্যান্ডের ক্যাপ্টেন বিল আরবান বলেন, আফগানিস্তানের নানগরহর প্রদেশে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। মানবহীন এই অভিযানের প্রাথমিক ইঙ্গিতে মনে হচ্ছে মূল চক্রীর মৃত্যু হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তালিবানরা আফগানিস্তান দখলের পর এই প্রথম মার্কিন বাহিনী হামলা চালাল।আরও পড়ুনঃ চেতেশ্বর পুজারার ব্যাটে সমালোচকদের জবাবতালিবানরা আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে উদ্ধারকার্য শেষ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। না হলে ফল ভাল হবে না বলেও জানিয়েছে। বৃহস্পতিবারের হামলার পরই উদ্ধারকার্যে ইতি টেনেছে ফ্রান্স, জার্মানির মতো দেশ। ব্রিটেনও জানিয়েছে, খুব অল্প সংখ্যক নাগরিকই আটকে রয়েছেন। একদিনের মধ্যেই উদ্ধারকার্য শেষ করে নেওয়া হবে। এদিকে,আমেরিকার তরফে জানানো হয়েছে বর্তমানে প্রায় এক হাজার মতো মার্কিনবাসী আফগানিস্তানে আটকে রয়েছেন। ৩১ অগস্টের আগেই তাদের উদ্ধার করে আনার সম্পূর্ণ চেষ্টা করা হবে। আগে সময় বাড়ানের কথা বলা হলেও বৃহস্পতিবার বাইডেনও ৩১ অগস্টের মধ্যে যে কোনও প্রকারে উদ্ধারকার্য শেষ করার নির্দেশ দেন। মার্কিন গোয়েন্দদাদের আশঙ্কা, ফের হামলা হতে পারে বিমানবন্দরে। শুক্রবারই পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি জানান, তাদের বিশ্বাস উদ্ধারকার্য়ে বাধা দিতে ফের হামলা হতে পারে।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজ্য

Group Clash: দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ-বোমাবাজিতে উত্তপ্ত জয়নগর

জমি বিবাদের জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) জয়নগর। ব্যাপক বোমাবাজি হয় এলাকায়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর দীর্ঘক্ষণ পেরিয়ে গেলেও এখনও থমথমে এলাকা।জানা গিয়েছে, জয়নগরের (Jaynagar) মম্মেজগড় এলাকায় একটা জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অশান্তি চলছিল স্থানীয় দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে। রবিবার সকালে তা চরমে ওঠে। কথাকাটাকাটি থেকে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে ২ গোষ্ঠীর লোকেরা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। লাঠি-রড-বাঁশ দিয়ে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে দুই গোষ্ঠীর সদস্যরা। কার্যত ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। ব্যাপক বোমাবাজিও হয়। আতঙ্ক ছড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে।এরপরই ঘটনার প্রতিবাদে গোচরণ-দোসাহাট রোড অবরোধ করে স্থানীয়রা। গাছের গুড়ি ফেলে, টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় তাঁরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় জয়নগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। তাঁদের সামনেও দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। দীর্ঘক্ষণ পর আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ২ টি তাজা বোমা উদ্ধার হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত বাকিদের খোঁজে শুরু হয়েছে তদন্ত।

জুন ২০, ২০২১
রাজ্য

তৃণমূলের ছোড়া বোমায় জখম ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক

বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন, এই খবর পেয়ে অকুস্থলে ছুটে গিয়েছিলেন ঘাটালের বিধায়ক শীতল কপাট। অভিযোগ, সেখানে যেতেই তাঁর উপরও এসে পড়ে বোমা। শুক্রবার সন্ধ্যেবেলা গুরুতর আহত অবস্থায় শীতলকে ভর্তি করা হয়েছে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে। বিধায়কের পাশাপাশি বোমার আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীও। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা এলাকায়।জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধে নাগাদ ঘাটালের ৩ নম্বর অঞ্চলে বাগানালা গ্রামে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বিধায়ক শীতল কপাট একটি কাজে যান। সেখানে বিনা প্ররোচনায় তাঁদের উপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। সেই সময় বিজেপি বিধায়ককে লক্ষ্য করেও বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর জখম হন শীতল। আরও বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থকদের আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয় ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর কর্মীদের সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হলেও, বিধায়ক গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।এই বোমাবাজির ঘটনা নিয়ে তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূল ও বিজেপি সংঘাত। বিজেপির অভিযোগ, এদিনের ঘটনার পিছনে রয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তারা পরিকল্পনামাফিক বিধায়কের ওপর হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের অভিযোগ লকডাউন ভেঙে সভা করছিল বিজেপি। পুলিশের কাছে তা জানাতে এখন নজর ঘোরাতে নিজেরাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।

মে ২২, ২০২১
রাজ্য

তৃণমূলের ছোড়া বোমায় জখম ঘাটালের বিজেপি বিধায়ক

বিজেপি কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন, এই খবর পেয়ে অকুস্থলে ছুটে গিয়েছিলেন ঘাটালের বিধায়ক শীতল কপাট। অভিযোগ, সেখানে যেতেই তাঁর উপরও এসে পড়ে বোমা। শুক্রবার সন্ধ্যেবেলা গুরুতর আহত অবস্থায় শীতলকে ভর্তি করা হয়েছে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে। বিধায়কের পাশাপাশি বোমার আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীও। ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা এলাকায়।জানা গিয়েছে, এদিন সন্ধে নাগাদ ঘাটালের ৩ নম্বর অঞ্চলে বাগানালা গ্রামে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বিধায়ক শীতল কপাট একটি কাজে যান। সেখানে বিনা প্ররোচনায় তাঁদের উপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। সেই সময় বিজেপি বিধায়ককে লক্ষ্য করেও বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর জখম হন শীতল। আরও বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী সমর্থকদের আহত অবস্থায় ভর্তি করা হয় ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর কর্মীদের সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হলেও, বিধায়ক গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।এই বোমাবাজির ঘটনা নিয়ে তুঙ্গে উঠেছে তৃণমূল ও বিজেপি সংঘাত। বিজেপির অভিযোগ, এদিনের ঘটনার পিছনে রয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তারা পরিকল্পনামাফিক বিধায়কের ওপর হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের অভিযোগ লকডাউন ভেঙে সভা করছিল বিজেপি। পুলিশের কাছে তা জানাতে এখন নজর ঘোরাতে নিজেরাই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে।

মে ২২, ২০২১
কলকাতা

ভোটগণনার আগে ব্যাপক বোমাবাজি, উত্তপ্ত বেলেঘাটা

আর মাত্র কয়েকঘণ্টার অপেক্ষা। কিছুক্ষণের মধ্যে স্পষ্ট হয়ে যাবে বাংলার দায়িত্ব যাচ্ছে কার হাতে, তৃণমূল না বিজেপি। তার আগে উত্তেজনা ছড়াল বেলেঘাটায়। বিজেপির বুথ এজেন্টের বাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে কোচবিহার থেকে উদ্ধার হয়েছে তাজা বোমা। জানা গিয়েছে, শনিবার রাতে বেলেঘাটা ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে এক বুথ এজেন্টের বাড়িতে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। ব্যাপক বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। এরপর বাইকে ১০ থেকে ১২ জন যুবক বেলেঘাটা মেন রোড এলাকার বেশ কয়েকটি পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেয়। বোমাবাজি করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। সেইসময় অভিযুক্তরা পুলিশের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। মারধরও করা হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমতো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। দীর্ঘক্ষণ পর শান্ত হয় এলাকা। পুলিশের তরফে ইতিমধ্যেই বোমার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। শুরু হয়েছে তদন্ত। অন্যদিকে, ভোটগণনা শুরুর ঠিক আগের মুহূর্তে কোচবিহার মাথাভাঙ্গার পঞ্চানন মোড় এবং বাইশগুড়ি হাই স্কুল সংলগ্ন এলাকা থেকে উদ্ধার হয় তাজা বোমা। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর যায় পুলিশে। ইতিমধ্যেই বোমাটি উদ্ধার করা হয়েছে। বোমাবাজি হয়েছে বীরভূমের দুবরাজপুরে। এছাড়াও অন্যান্য জেলা থেকে প্রকাশ্যে এসেছে অশান্তির খবর। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত পুলিশ।

মে ০২, ২০২১
কলকাতা

ভোটের সকালে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে বোমাবাজি

নির্বাচন অশান্তির আশঙ্কায় শহর কলকাতার নিরাপত্তায় বাড়তি নজর দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। মোতায়েন করা হয়েছিল অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনীও। কিন্তু তা সত্ত্বেও অশান্তি এড়ানো গেল না। সাতসকালে ভোট শুরু হতে না হতেই বোমাবাজির ঘটনা ঘটল সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের মহাজাতি সদনের সামনে। আর তার জেরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল জোড়াসাঁকো কেন্দ্রের অন্তর্গত এই এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। আতঙ্কিত ভোটারদের সাহস জোগান তাঁরা। ওয়াকিবহাল মহলের মত, কলকাতায় ভোটের দিন এমন ঘটনা নজিরবিহীন।জানা গিয়েছে, সকাল ৭.৫০ নাগাদ আচমকাই প্রবল শব্দে কেঁপে ওঠে মহাজাতি সদনের সামনের ফুটপাথ। সেখানে কয়েকজন তখনও ঘুমিয়ে ছিলেন। প্রচণ্ড শব্দে ঘুম ভেঙে যায় তাঁদের। তাঁরা জানিয়েছেন, ২ টি বোমা ফেটেছে। চারিদিকে পড়ে রয়েছে তার খণ্ডাংশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ বাহিনী। পৌঁছে যান জোড়াসাঁকো কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিবেক গুপ্তা। তিনি চারদিক খতিয়ে দেখেন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, চলন্ত গাড়ি থেকে বোমা ছোঁড়া হয়েছে। স্প্লিন্টার জাতীয় কিছু ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ক্ষয়ক্ষতি তেমন হয়নি। তা সত্ত্বেও ভোটের সকালেই সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ের মতো এলাকায় এ ধরনের ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে।জোড়াসাঁকোর বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতের অভিযোগ, এই সময় তাঁর ওই এলাকায় যাওয়ার কথা ছিল। তাঁকে বাধা দিতেই এই বোমাবাজি করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি কাঠগড়ায় তুলেছেন তৃণমূলকেই। পাশাপাশি জানিয়েছেন, এসব বাধা উপেক্ষা করেই তিনি ঘটনাস্থলে যাবেন। এ নিয়ে তৃণমূল-বিজেপি তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। আতঙ্কিত সাধারণ ভোটাররা। তবে তাঁদের সাহস জোগাতে এলাকায় মোতায়েন বাড়তি নিরাপত্তা বাহিনী। এই ঘটনার খবর পেয়েই রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। কে বা কারা এই ঘটনা ঘটাল, তার সন্ধানে নেমেছে পুলিশ।

এপ্রিল ২৯, ২০২১
রাজ্য

নৈহাটিতে রাতভর বোমাবাজিতে জখম অন্তত ১০

ভোট মিটতেই রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটি । বৃহস্পতিবার ভোটপর্ব শেষে শুক্রবার রাতভর সেখানে চলে রাজনৈতিক সংঘর্ষ, বোমাবাজি। আহত দুপক্ষের অন্তত ১০ জন। বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ঢুকে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বোমা, গুলির শব্দে রাত কাটলেও আতঙ্ক কাটল না। সকালেও থমথমে নৈহাটির বিজয়নগর এলাকা।নৈহাটির বিজয়নগরের নামী ক্লাব অভিযাত্রী ক্লাব। শুক্রবার রাতে বোমাবাজির ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল এই ক্লাব সংলগ্ন এলাকা। অভিযোগ, রাত দশটা নাগাদ এই ক্লাব থেকে রাজনৈতিক সংঘর্ষ শুরু হয়। বিজেপি ও তৃণমূল দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, হাতাহাতির জেরে চলে গুলিও। রাত গড়ালেও সংঘর্ষের আঁচ লেশমাত্র কমেনি। পাড়ায় পাড়ায় গভীর রাতেও শোনা যায় বোমা, গুলির শব্দ। দেখা যায়, রাস্তায় পড়ে রয়েছে তৃণমূল, বিজেপির পতাকা। বেছে বেছে এলাকার বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয় বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। আরও অভিযোগ, এক বিজেপি কর্মীর বাড়ি লক্ষ্য করে পরপর ২০টি বোমা ছোঁড়া হয়।বৃহস্পতিবার রাজ্যের ষষ্ঠ দফা ভোটে এই এলাকাতেও নির্বাচন পর্ব সম্পন্ন হয়েছে ভালভাবেই। উত্তর ২৪ পরগনায় অর্জুন সিংয়ের গড় বলে পরিচিত নৈহাটি, ভাটপাড়া থেকে তেমন কোনও অশান্তির খবর মেলেনি। কিন্তু ভোটশেষে একদিন কাটতে না কাটতেই বোঝা গেল, এলাকায় রাজনৈতিক আঁচ শুধুমাত্র ছাইচাপা অবস্থায় ছিল। ভোট মিটতেই ফের প্রকাশ্যে এল তা। বোমা, গুলির শব্দে রাতের ঘুম উড়ল বিজয়নগর এলাকার বাসিন্দাদের। যদিও বিজেপির তোলা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। স্থানীয় নেতৃত্বের দাবি, ভোটে হার নিশ্চিত জেনে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এভাবে এলাকা দাপিয়ে বেড়িয়েছে। তৃণমূল এ ধরনের অশান্তিতে জড়িত নয়। অশান্তি নিয়ে রাজনৈতিক তরজা যতই থাক, শুক্রবার রাতের ঘটনায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী। শনিবার সকালেও থমথমে বিজয়নগর। নিরাপত্তার স্বার্থে মোতায়েন অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। তদন্তে নেমেছে নৈহাটি থানার পুলিশ।

এপ্রিল ২৪, ২০২১
রাজ্য

ভোটের আগে ফের রক্তাক্ত মুর্শিদাবাদ

ভোটের মরশুমে রাজ্যজুড়ে হিংসা অব্যাহত। সোমবার রাতে রাজনৈতিক হিংসায় রক্তাক্ত হল মুর্শিদাবাদ । বোমাবাজি, সংঘর্ষের জেরে প্রাণ গেল এক কংগ্রেস কর্মীর। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাজ্যের শাসকদল। এদিকে এদিন রাতেই বড়ঞ্যা এলাকাতেও বোমাবাজি হয়। বোমার ঘায়ে গুরুতর জখম হন এক তৃণমূল কর্মী। সবমিলিয়ে ভোটের আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদ।অষ্টম দফায় মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় ভোটগ্রহণ। তার আগে রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হল এই এলাকা। স্থানীয় সূত্রে খবর, গতকাল রাতে হরিহরপাড়া বিধানসভার অন্তর্গত বিলধারীপাড়ার ঘোষালপুর এলাকায় তৃণমূল ও কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। চলে দেদার বোমাবাজি। এমনকী গুলি ছোঁড়ার অভিযোগও রয়েছে। সংঘর্ষের জেরে এক কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়। নাম কাশেম আলি। জখম হয়েছেন দুপক্ষের অন্তত ১০ জন।সূত্রের খবর, নমাজ পড়ে বাড়ি ফিরছিলেন কাশেম। ঠিক তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। বোমার আঘাতে জখম কাশেম আলিকে প্রায় সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক পরীক্ষার পর তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। যদিও বোমবাজির অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি, হরিহরপাড়ার এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।অন্যদিকে প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার পথে এক তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বড়ঞ্যা বিধানসভার অন্তর্গত ভবানীপুর গ্রামে। দলীয় সূত্রে খবর, প্রচার সেরে সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তৃণমূল কর্মী দলু শেখ। তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা বোমা ছোঁড়ে। গুরুতর জখম হয়ে কান্দি মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। ঘটনা প্রসঙ্গে বড়ঞ্যা কেন্দ্রে তৃণমূ প্রার্থী জীবনকৃষ্ণ সাহা জানিয়েছেন, দলু শেখ আমাদের কর্মী। তাঁকে লক্ষ্য করে দুষ্কৃতীরা বোমা ছোঁড়ে। অভিযোগের তির স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের দিকে। তবে সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

এপ্রিল ২০, ২০২১
রাজ্য

বাংলায় দিনভর অশান্তির তৃতীয় দফা

কোথাও প্রতিপক্ষের ইট থেকে মাথা বাঁচাতে প্রার্থীকে হেলমেট পরে বুথে যেতে হল। কোথাও সংঘর্ষে আহত দলীয় কর্মীকে দেখতে গিয়ে সপাটে চড় খেলেন প্রার্থী। কোথাও আবার দিনভর দফায় দফায় প্রার্থীকে হামলার শিকার হতে হল। রাজ্যের ৩ জেলার ৩১ আসনে তৃতীয় দফার ভোটে বিভিন্ন জায়গায় ধরা পড়ল অশান্তির ছবি। ভোটপর্বের মাঝে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে মঙ্গলবার। হুগলির গোঘাটে বিজেপি কর্মীদের ধাক্কায় পড়ে গিয়ে তৃণমূলের এক বুথ সভাপতির মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। এর আগে দ্বিতীয় দফার ভোটপর্ব শুরুর আগে পশ্চিম মেদিনীপুরে কেশপুরে এক তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল। ওই দফায় ভোটপর্বের মাঝে নন্দীগ্রামে এক বিজেপি কর্মী আত্মঘাতী হয়েছিলেন।হুগলি এবং হাওড়া জেলায় দিনভর পেশিশক্তির লড়াই হয়েছে তৃণমূল এবং বিজেপি-র। হামলার আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে স্পর্শকাতর এলাকা মুক্তিচকে বুথ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন হাওড়ার উলুবেড়িয়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী নির্মল মাজি। এলাকায় পৌঁছনোর পরেই বিজেপি সমর্থকেরা তাঁকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে বলে অভিযোগ। নির্মলের মাথা বাঁচলেও ইটের আঘাতে আহত হন তাঁর দেহরক্ষী।পাশের কেন্দ্র উলুবেড়িয়া দক্ষিণে আক্রান্ত হন বিজেপি প্রার্থী তথা অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী। সেখানে তৃণমূল সমর্থকদের বিরুদ্ধে তাঁকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে। সংঘর্ষে আহত এক বিজেপি কর্মীকে দেখতে গিয়ে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে তিনি আক্রান্ত হন। ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, পুলিশের সামনের চড় মারা হয়েছে পাপিয়ার গালে। ভিডিও ফুটেজ দেখে রাতে পুলিশ দুই হামলাকারীকে গ্রেপ্তারও করে। উলুবেড়িয়া লাগোয়া শ্যামপুরে বিজেপি-র আর এক অভিনেত্রী প্রার্থী তনুশ্রী চক্রবর্তীকে হেনস্থা করারও অভিযোগ উঠেছে মঙ্গলবার। অভিযোগ, জোকা কুমারচক এলাকায় একটি বুথের কাছে তাঁর উদ্দেশে অশালীন শব্দ ছুড়ে দেন তৃণমূলের কিছু সমর্থক।তবে দিনভর অশান্তির নিরিখে এগিয়ে ছিল পাশের জেলা হুগলি। ভোটপর্বের মাঝে গোঘাটে প্রাণহানির পাশাপাশি জেলার আরামবাগ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁ-র উপর হামলা হয়েছে একাধিক জায়গায়। তাঁর মাথায় বাঁশের বাড়ি পড়তেও দেখা গিয়েছে ভিডিও ফুটেজে। এমনকী, লাঠি হাতে মহিলাদের তাঁর উপর হামলা করতে দেখা গিয়েছে আরামবাগে। খানাকুলের তৃণমূল প্রার্থী মুন্সি নজিবুল করিমকেও বাঁশ দিয়ে পেটানো হয়েছে বলে অভিযোগ। দুটি ক্ষেত্রেই অভিযোগের তির বিজেপি-র দিকে।দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু এলাকায় দেখা গিয়েছে ব্যতিক্রমী ছবি। সেখানে তৃণমূলের সঙ্গে টক্কর দিয়েছে আব্বাস সিদ্দিকির দল ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে আইএসএফ-এর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে রাস্তায় বসে প্রতিবাদ জানাতে দেখা গিয়েছে প্রভাবশালী তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক শওকত মোল্লাকে। তাঁর অভিযোগ, বুরানগড় এলাকায় বোমা-গুলি নিয়ে সন্ত্রাস করছে আইএসএফ। তাঁকেও বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে, শকুন্তলা এলাকায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে আইএসএফ।দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমের আইএসএফ প্রার্থী মইদুল ইসলাম এবং ফলতার বিজেপি প্রার্থী বিধান পাড়ুইয়ের উপরেও তৃণমূল সমর্থকেরা হামলা করেছেন বলে অভিযোগ। রবিবারও হামলায় আহত হয়েছিলেন বিধান। বিষ্ণুপুরের পানাকুয়ায় হয়েছে দফায় দফায় বোমাবাজি। সেখানে সাতসকালেই এক মহিলাকে ভোট না দিতে যাওয়ার জন্য হুমকি দিতে দেখা যায় এক দুষ্কৃতীকে। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সাতগাছিয়া থেকেও অশান্তির অভিযোগ মিলেছে।অশান্তির নিরিখে প্রথম দুদফার সঙ্গে পাল্লা দিলেও ভোটদানের নিরিখে পিছিয়ে পড়েছে তৃতীয় দফা। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৭৮ শতাংশের কাছাকাছি। প্রথম দুদফাতে যা গড়ে ৮৫ শতাংশ ছাপিয়ে গিয়েছিল।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

ভাটপাড়ায় দফায়-দফায় বোমাবাজি

ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই বাড়ছে রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা। কোথাও বোমাবাজি তো কোথাও হাতাহাতির ঘটনা ঘটছে। যেমন বুধবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে উঠল বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের খাসতালুক ভাটপাড়া। দাপুটে সাংসদের বাড়ির সামনে বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশও কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে দাবি অর্জুন সিংয়ের। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনেও যাবেন বলে জানিয়েছেন সাংসদ।স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সন্ধে সাড়ে সাতটা নাগাদ ভাটপাড়ার ১৮ নং ওয়ার্ডে ৮ নং গলিতে এলাকায় বোমাবাজি শুরু হয়। ৮-১০টি বোমা পড়ে বলে অভিযোগ। সেই সময় এক বৃদ্ধ জখম হয়। উল্লেখ্য, এই এলাকাতেই সাংসদ অর্জুন সিংয়ের বাড়ি। বোমাবাজির সময় বাড়ি ছিলেন না সাংসদ। সন্ধেতে এলাকায় জগদ্দল থানার পুলিশ আসে। তাঁদের সামনেই ফের বোমাবাজি হয়। তখন ঘটনাস্থলে আসেন সাংসদও। অভিযোগ, সেই সময় অর্জুন পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। এদিকে দ্বিতীয় দফা বোমবাজিতে এক ১৪ বছরের কিশোর জখম হয় বলে খবর।এদিকে ঘটনাটি যখন ঘটে সেই সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন ছিল। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনেছেন সাংসদ। সূত্রের খবর, আজ, বৃহস্পতিবার পুলিশের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছেন অর্জুন সিং। বোমাবাজির ঘটনায় থমথমে গোটা এলাকা। রাতে ব়্যাফ নামানো হয়েছিল বলে খবর। তবে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। সাংসদের কথায়, তৃণমূলের দালালি করছে পুলিশ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থায় নিচ্ছে না তারা।

মার্চ ১৮, ২০২১
দেশ

দায় স্বীকার করল জইশ-উল-হিন্দ

দিল্লির ইজরায়েলী দূতাবাসের সামনে বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করল জইশ-উল-হিন্দ। ইতিমধ্যেই তাদের টেলিগ্রাম চ্যাট তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। সেখানেই এই হামলার দায় স্বীকার করেছে এই সন্ত্রাসবাদী সংগঠন। তবে সেই চ্যাট এখনও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। তাই এ নিয়ে সরকারিভাবে তদন্তকারীদের তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি।ওই টেলিগ্রাম চ্যাটে জইশ-উল-হিন্দ সংগটের পরবর্তী পরিকল্পনার হদিশ মিলেছে বলেও খবর। সূত্রের দাবি, এই সংগঠনটি দেশের বিভিন্ন শহরে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ছক কষছে। এরপরই মুম্বই-সহ একাধিক শহরে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাস্থল থেকে একটি মুখবন্ধ খামও উদ্ধার হয়েছিল। যেখানে ইজরায়েলী দূতাবাসের সামনের বিস্ফোরণকে ট্রেলার বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিস্ফোরণের হুমকি দে্ওয়া হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।

জানুয়ারি ৩০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক বাইচুংয়ের, ‘স্থানীয় রাজনীতি’ বলে উড়িয়ে দিল ব্রাজিল! যুবভারতীর ম্যাচ ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ভারত বনাম ব্রাজিলের বহু প্রতীক্ষিত ফুটবল ম্যাচ। বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবল দলের বিরুদ্ধে ভারতের মাঠে নামার খবরে ইতিমধ্যেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাচ যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বিতর্কও। একদিকে এই ম্যাচ আয়োজনকে ঘিরে বিপুল খরচ এবং দেশের ফুটবল পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, অন্যদিকে এর জন্য ঘরোয়া ফুটবল সূচি ও জাতীয় দলের পরিকল্পনায় প্রভাব পড়ছে বলে অভিযোগ।এই পরিস্থিতিতেই ভারতীয় ফুটবলের কিংবদন্তি বাইচুং ভুটিয়া সরাসরি ব্রাজিল ম্যাচ বয়কটের ডাক দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, একটি মাত্র প্রদর্শনী ম্যাচের পিছনে বিপুল অর্থ খরচ না করে সেই টাকা দীর্ঘমেয়াদি ভাবে ভারতীয় ফুটবলের উন্নয়নে বিনিয়োগ করা উচিত। বাইচুংয়ের মতে, এমন ম্যাচের পিছনে অর্থ ব্যয় করলে তা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নেওয়ার বদলে উল্টে পিছিয়ে দিতে পারে।বাইচুংয়ের কথায়, ম্যাচ বয়কট করলে একটি স্পষ্ট বার্তা যাবে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ম্যাচ আয়োজনের আগে ফেডারেশনকে আরও সতর্ক হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।বিপুল খরচ, প্রশ্নের মুখে ঘরোয়া ফুটবলকলকাতায় ব্রাজিলকে নিয়ে ম্যাচ আয়োজন করতে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। ম্যাচের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ব্রাজিলের পর্যবেক্ষক দল যুবভারতী পরিদর্শনও করেছে। স্টেডিয়ামের পরিকাঠামো নিয়ে তাদের তরফে কিছু উদ্বেগের কথাও উঠে এসেছে।এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় ফুটবলের ঘরোয়া কাঠামো নিয়ে। ব্রাজিল ম্যাচকে কেন্দ্র করে আইএসএলের সূচি পিছিয়ে যাওয়ার জল্পনা তৈরি হয়েছে। ফলে ক্লাবগুলির প্রস্তুতি এবং গোটা মরসুমের পরিকল্পনা নিয়েও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।অন্যদিকে ফিফা এশিয়ান কাপের বিষয়টিও নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক ম্যাচ এবং অন্যান্য সূচির সংঘাতের কারণে ভারত এশিয়ান কাপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে বলে খবর ছড়িয়েছে। যদিও এই বিষয়ে ব্রাজিল ফুটবল কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও নিশ্চিত তথ্য তাদের কাছে নেই বলেই জানানো হয়েছে।বাইচুংয়ের প্রশ্নএক ম্যাচের জন্য এত টাকা কেন?বাইচুং ভুটিয়ার যুক্তি, ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে ৯০ মিনিটের ম্যাচ নিঃসন্দেহে ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে বড় আকর্ষণ। কিন্তু সেই আবেগের বাইরে গিয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা ভাবতে হবে।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, যদি এত বড় অঙ্কের অর্থ হাতে থাকে, তবে তা আগামী কয়েক বছরের জন্য দেশের ক্রীড়া পরিকাঠামো, প্রতিভা অন্বেষণ, প্রশিক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরিতে বিনিয়োগ করা যায় না কেন? তাঁর মতে, সেই বিনিয়োগ থেকে ভবিষ্যতে কমনওয়েলথ গেমস বা অলিম্পিক্সের মতো মঞ্চে পদক পাওয়ার সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।এবার পাল্টা বার্তা ব্রাজিলেরভারতীয় ফুটবল মহলে যখন ম্যাচ বয়কট নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন ব্রাজিলের ফুটবল কর্তাদের বক্তব্য পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের অভ্যন্তরে এই ম্যাচ নিয়ে কী ধরনের বিতর্ক চলছে, তা নিয়ে ব্রাজিল কর্তৃপক্ষ বিশেষ চিন্তিত নয়। ম্যাচের সূচি পরিবর্তনেরও কোনও সম্ভাবনা নেই।বয়কট নিয়ে ব্রাজিলের তরফে বিশেষ মাথাব্যথা নেই বলেও ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বরং এই ধরনের বক্তব্যকে স্থানীয় রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ বিতর্কের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের দাবি।এশিয়ান কাপ থেকে ভারতের নাম প্রত্যাহারের বিষয়েও ব্রাজিল কর্তৃপক্ষের কাছে কোনও স্পষ্ট তথ্য নেই বলে জানা গিয়েছে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরীণ ফুটবল পরিস্থিতির সঙ্গে ব্রাজিলের কলকাতা সফরকে যুক্ত করার কোনও কারণ দেখছে না পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।ভারত আমাদের সমর্থন করেছে, বলছে ব্রাজিলব্রাজিল দলের পক্ষ থেকে রড্রিগো কেতানোও এই ম্যাচের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর বক্তব্যের মূল সুরভারত বিশ্বকাপের সময়ে ব্রাজিলকে যে সমর্থন দিয়েছে, তার জন্য তারা কৃতজ্ঞ। কলকাতায় ম্যাচ আয়োজনকে তাই শুধু বাণিজ্যিক বা প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে দেখছে না ব্রাজিল।ব্রাজিলের তরফে জানানো হয়েছে, এই ম্যাচে তারা নিজেদের সেরা ফুটবল উপহার দিতে চায়। অর্থাৎ ভারতের মাটিতে এসে শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা সারাই তাদের লক্ষ্য নয়; বরং ভালো পারফরম্যান্স করে ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলতে চায় তারা।স্টিমাচের কটাক্ষেও বাড়ছে বিতর্কব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতের প্রাক্তন কোচ ইগর স্টিমাচও। তাঁর বক্তব্য, দেশের ঘরোয়া লিগ এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনার মধ্যে এখনও প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য তৈরি হয়নি। সেই সমস্যা সমাধান না করে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনার মতো দলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আয়োজন করা হলে তা ভারতীয় ফুটবলের জন্য উল্টে অস্বস্তির কারণ হতে পারে।অর্থাৎ একদিকে বাইচুংয়ের আর্থিক অগ্রাধিকারের প্রশ্ন, অন্যদিকে স্টিমাচের ঘরোয়া ফুটবলের কাঠামো নিয়ে অভিযোগসব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ম্যাচ এখন শুধুমাত্র একটি ফুটবল ম্যাচে সীমাবদ্ধ নেই।ম্যাচ হবে, বিতর্কও চলবে?একদিকে ব্রাজিলের মতো দলের বিরুদ্ধে যুবভারতীতে ভারতকে দেখার স্বপ্নে ফুটবলপ্রেমীরা উত্তেজিত। অন্যদিকে দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ, বিপুল খরচ, আইএসএলের সূচি এবং জাতীয় দলের পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন প্রাক্তন ফুটবলার ও কোচেরা।ব্রাজিলের তরফে অবশ্য এখনও পর্যন্ত বার্তা স্পষ্টতারা ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত এবং সূচি বদলের কোনও পরিকল্পনা নেই। ফলে ৩ অক্টোবর যুবভারতীতে ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা যেমন বাড়ছে, তেমনই তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিতর্কও। এখন দেখার, শেষ পর্যন্ত মাঠের ৯০ মিনিট কি সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যেতে পারে, নাকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পরও ভারতীয় ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এই প্রশ্নগুলি আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

দুই দশকের ডুরান্ডের আক্ষেপ ঘোচানোর লড়াই, ডার্বির আগে হাবাসের মন্ত্র—‘আবেগ নয়, বুদ্ধিই শেষ কথা’

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা। শেষ বার ২০০৪ সালে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ২-১ গোলে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর থেকে সময় গড়িয়েছে, বদলেছে দল, কোচ, ফুটবলারকিন্তু লাল-হলুদ শিবিরের ডুরান্ড-খরা কাটেনি। ২২ বছর পর সেই আক্ষেপ মুছে ফেলার সামনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল। আর সেই লড়াইয়ের মঞ্চে প্রতিপক্ষ আবারও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান।রবিবারের ডুরান্ড ফাইনাল তাই শুধু একটি ট্রফির লড়াই নয়। একদিকে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটানোর তাগিদ, অন্যদিকে ডার্বির অতিরিক্ত উত্তেজনাসব মিলিয়ে ম্যাচের আবহ ইতিমধ্যেই তুঙ্গে। তবে এই আবেগকেই নিয়ন্ত্রণে রাখাকে সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি বলে মনে করছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস।হাবাসের কাছে ডার্বি মানেই শুধু আবেগের লড়াই নয়, বরং মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরীক্ষা। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কলকাতার ফুটবলপ্রেমীদের কাছে ম্যাচটির গুরুত্ব যতই বেশি হোক, তাঁর দলকে মাঠে নেমে এটিকে একটি সাধারণ ম্যাচের মতোই খেলতে হবে।হাবাসের কথায়, ডার্বিতে আবেগ থাকবেই। কিন্তু সেই আবেগ যদি খেলোয়াড়দের নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে কৌশল এবং পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে পারে। তাই তাঁর লক্ষ্য আবেগের মাত্রা ১০০ শতাংশ থেকে নামিয়ে প্রায় ২৫ শতাংশে নিয়ে আসা। ম্যাচের ৯০ মিনিটে কোন মুহূর্তে ঝুঁকি নিতে হবে, কখন ধৈর্য ধরতে হবে এবং কখন কৌশল বদলাতে হবেসেই বুদ্ধিমত্তাই পার্থক্য গড়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।ফাইনালের আগে ইস্টবেঙ্গলের জন্য বড় ধাক্কা পিভি বিষ্ণুর অনুপস্থিতি। সেমিফাইনালের মতো ফাইনালেও মাঠে নামতে পারবেন না দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আক্রমণভাগের ফুটবলার। চলতি ডুরান্ডে দুরন্ত ছন্দে ছিলেন বিষ্ণু। সিআইএসএফের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের ৮-০ জয়ের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছিলেন তিনি। তাঁর গতি এবং আক্রমণাত্মক ফুটবল প্রতিপক্ষের রক্ষণকে একাধিক বার সমস্যায় ফেলেছে।বিষ্ণুকে না পাওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই পরিকল্পনায় কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে হাবাসকে। তাঁর জায়গায় প্রথম একাদশে বিপিন সিংয়ের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বিকল্প হিসেবে ভাবনায় রয়েছেন জেসিন টিকে। ডুরান্ডেই সিআইএসএফের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করে নিজের দাবিও জোরালো করেছেন তিনি।শুধু বিষ্ণু নন, ফাইনালে এফিয়ংকেও পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছেন হাবাস। বিদেশি স্ট্রাইকার এবং ডিফেন্ডার ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ ডার্বিতে নামা যে সহজ নয়, তা স্বীকার করেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ। তবে সমস্যাকে সামনে রেখে অজুহাত তৈরি করতে তিনি একেবারেই রাজি নন।হাবাসের বক্তব্য, রেফারিং, প্রতিপক্ষ কিংবা দলের কোনও নির্দিষ্ট ফুটবলার না থাকার মতো বিষয়কে সামনে রেখে ম্যাচের আগে অজুহাত খোঁজা অর্থহীন। মাঠে যে ফুটবলাররা থাকবেন, তাঁদের নিয়েই সেরাটা দিতে হবে। তাঁর বিশ্বাস, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইস্টবেঙ্গল নিজেদের সেরা ফুটবল খেলতে সক্ষম।অন্যদিকে, মোহনবাগানকে যথেষ্ট সমীহ করছেন লাল-হলুদ কোচ। সবুজ-মেরুন দলের প্রত্যেক ফুটবলারকেই বিপজ্জনক বলে মনে করছেন তিনি। বিশেষ করে গোলরক্ষক বিশাল কাইথের প্রশংসা করেছেন হাবাস। তবে নিজের দলের গোলরক্ষক প্রভসুখন সিং গিলের উপরও তাঁর আস্থা অটুট। ফলে ফাইনালে দুই গোলরক্ষকের পারফরম্যান্সও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ডার্বির উত্তাপের মধ্যেও অবশ্য প্রস্তুতির ধরন বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। ফাইনালের আগে মাঠের অনুশীলন বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দল। হাবাসের মতে, এই মুহূর্তে আরও একটি অনুশীলনের চেয়ে ফুটবলারদের পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া বেশি জরুরি। গত কয়েক দিনে ম্যাচের প্রস্তুতি এবং রিকভারির জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া গিয়েছে। তাই ফুটবলারদের শরীরকে তরতাজা রাখাই এখন তাঁর অগ্রাধিকার।মাঠের বদলে হোটেলেই চলবে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। জিমে অনুশীলন, ফুটবলারদের কাছ থেকে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং ইনডোর সেশনের মাধ্যমে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সারবে দল।সব মিলিয়ে রবিবারের ফাইনাল ইস্টবেঙ্গলের কাছে একাধিক কারণে বিশেষ। ২২ বছরের ডুরান্ড-খরা কাটানোর হাতছানি, সামনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান, আবার ২০০৪ সালের ফাইনালের স্মৃতিও ফিরছে। কিন্তু ইতিহাস কিংবা আবেগ নিয়ে বেশি ভাবতে চান না হাবাস। তাঁর কাছে হিসাবটা একেবারেই সরল৯০ মিনিট মাথা ঠান্ডা রেখে খেলতে হবে, সঠিক মুহূর্তে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং কোনও অজুহাত ছাড়াই ট্রফির জন্য লড়াই করতে হবে।২২ বছর আগের সেই জয়ের স্মৃতি কি আবারও লাল-হলুদ সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাবে? নাকি ডার্বির মঞ্চেই ইস্টবেঙ্গলের দীর্ঘ অপেক্ষা আরও বাড়বেউত্তর মিলবে রবিবারের মহারণে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ডার্বির আগে ক্লান্তি-ক্ষোভ, তবু জয়ের জেদে মোহনবাগান! ফাইনালের মঞ্চে ‘মোমেন্টাম’-কেই অস্ত্র করছেন প্যানোস

তিন বছর পর ফের ডুরান্ড কাপের ফাইনালে কলকাতা ডার্বি। রবিবারের মহারণকে ঘিরে ইতিমধ্যেই উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে। একদিকে ইস্টবেঙ্গল, অন্যদিকে মোহনবাগানদুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ে ট্রফির পাশাপাশি সম্মানের প্রশ্নও জড়িয়ে। কিন্তু ফাইনালের আগে দুই দলের প্রস্তুতির ছবিটা একেবারেই এক নয়। বিশেষ করে শিলং থেকে কলকাতায় ফিরে আসার ধকল এবং ঠাসা সূচি নিয়ে রীতিমতো ক্ষুব্ধ মোহনবাগান কোচ প্যানাজিওটিস দিলম্পেরিস।সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে শিলং লাজংকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে মোহনবাগান। একইভাবে পেনাল্টি শুটআউটে জয় পেয়েছে ইস্টবেঙ্গলও। তবে লাল-হলুদ শিবিরের তুলনায় সবুজ-মেরুনের সমস্যা বেশি। কলকাতায় ম্যাচ খেলে ইস্টবেঙ্গল যেখানে ঘরের পরিবেশেই প্রস্তুতির সুযোগ পেয়েছে, সেখানে শিলং থেকে কলকাতায় ফেরার পথেই মোহনবাগান ফুটবলারদের পেরোতে হয়েছে নানা ঝক্কি।এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ম্যাচের ঘনঘটা। মাত্র ছদিনের মধ্যে তিনটি ম্যাচ খেলতে হয়েছে মোহনবাগানকে। ফলে অনুশীলন এবং বিশ্রামের জন্য প্রয়োজনীয় সময় প্রায় মেলেনি। এমন পরিস্থিতিতে ডার্বির মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলের প্রস্তুতি কতটা ব্যাহত হয়েছে, তা নিয়ে কোনও রাখঢাক করেননি প্যানোস।গ্রিক কোচের বক্তব্যে স্পষ্ট, সূচি নিয়ে তাঁর অসন্তোষ যথেষ্ট গভীর। গ্রুপ পর্বে সবার উপরে থাকার পরেও তাঁর দলকে যে পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে, তা মেনে নিতে পারছেন না তিনি। প্যানোসের কথায়, গ্রুপ পর্বে সেরা দল হওয়ার পরও তাঁদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তাতে তিনি এবং দলের ফুটবলাররা হতাশ।শুধু ম্যাচ খেললেই যে প্রস্তুতি সম্পূর্ণ হয় না, সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন মোহনবাগান কোচ। তাঁর বক্তব্য, এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় গিয়ে ম্যাচ খেলে পরের ম্যাচের জন্য তৈরি হয়ে যাওয়া যায় না। শিলংয়ের ম্যাচের পর দলের অনুশীলনের সুযোগও হয়নি। ফলে ফুটবলারদের শারীরিক ক্লান্তির পাশাপাশি ম্যাচের আগে কৌশলগত প্রস্তুতির ঘাটতিও থাকছে।তবে সমস্যার কথা বললেও ডার্বির আগে আত্মবিশ্বাসে কোনও ঘাটতি নেই প্যানোসের। বরং প্রতিকূল পরিস্থিতিকে সরিয়ে রেখে ফাইনালের মঞ্চে জয়ের জন্যই দলকে প্রস্তুত করছেন তিনি। তাঁর মতে, এই ধরনের ম্যাচে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে মোমেন্টাম। ম্যাচের শুরু থেকে ছন্দ নিজেদের দখলে রাখতে পারলে পরিস্থিতি নিজেদের পক্ষে ঘুরিয়ে দেওয়া সম্ভব।এবারের ডুরান্ডে মোহনবাগানের অভিযানও শুরু হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে। স্বাভাবিকভাবেই সেই জয় ফাইনালের আগে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিতে পারে। কিন্তু প্যানোস অতীতের ফলাফলকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাঁর মতে, গ্রুপ পর্বের ম্যাচ আর ফাইনাল সম্পূর্ণ আলাদা। এবার এমন একটি ম্যাচ, যার পর আর পরের ম্যাচের জন্য অপেক্ষা করার সুযোগ নেইজিততেই হবে।মোহনবাগানের শক্তি বাড়িয়েছে বিদেশি ফুটবলারদের যোগদানও। নতুনদের নিয়ে আশাবাদী কোচ। তবে ফাইনালের মতো ম্যাচে শুধুমাত্র অভিজ্ঞতাই যে জয়ের নিশ্চয়তা দিতে পারে না, সেটাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর কাছে দলগত পারফরম্যান্স এবং ম্যাচের মুহূর্তকে কাজে লাগানোই আসল।আর সেই দলগত লড়াইয়ের অন্যতম বড় ভরসা গোলরক্ষক বিশাল কাইথ। পরপর দুই ম্যাচে টাইব্রেকারে গুরুত্বপূর্ণ পেনাল্টি বাঁচিয়ে মোহনবাগানকে ফাইনালে তুলেছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ কোচ। বিশালের পারফরম্যান্সে মুগ্ধ প্যানোস তাঁকে দেশের সেরা গোলরক্ষকদের একজন বলেই মনে করছেন।অন্যদিকে রবিবারের ডার্বি নিয়ে প্রবল উত্তেজিত মোহনবাগানের নতুন মুখ সমীর জেলকোভিচও। সবুজ-মেরুন জার্সিতে এটি তাঁর তৃতীয় ম্যাচ, আর কেরিয়ারের প্রথম কলকাতা ডার্বি। ভারতীয় ফুটবলের সবচেয়ে বড় ম্যাচের অংশ হতে পারাকে তিনি গর্বের বলে মনে করছেন। তবে শুধু ডার্বি খেলার অভিজ্ঞতা নয়, ট্রফি জিতেই সমর্থকদের সঙ্গে উৎসবে মাততে চান তিনি।দলে দেরিতে যোগ দিয়েও সতীর্থদের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিয়েছেন সমীর। মজার বিষয়, ইস্টবেঙ্গলের দানি র্যামিরেজের সঙ্গেও তাঁর আগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে ডার্বির প্রতিপক্ষের এক ফুটবলারকে তিনি বেশ ভালোভাবেই চেনেন। তবে মাঠে বন্ধুত্বের কোনও জায়গা থাকবে নালক্ষ্য একটাই, মোহনবাগানের জয়।সব মিলিয়ে ডুরান্ড ফাইনালের আগে মোহনবাগানের সামনে রয়েছে এক অদ্ভুত সমীকরণ। একদিকে ক্লান্তি, ভ্রমণের ধকল, অনুশীলনের ঘাটতি এবং সূচি নিয়ে কোচের ক্ষোভ; অন্যদিকে ডার্বির উত্তেজনা, আত্মবিশ্বাস এবং ট্রফি জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষা। শেষ পর্যন্ত সেই প্রতিকূলতাকে পেরিয়ে কোন দল নিজেদের সেরাটা মেলে ধরতে পারে, তার উপরই নির্ভর করবে ডুরান্ডের মুকুট কার মাথায় উঠবে। আর প্যানোসের বার্তা একেবারে পরিষ্কারঅজুহাত নয়, ডার্বিতে চাই ১০০ শতাংশ লড়াই এবং জয়।

আগস্ট ২২, ২০২৬
রাজ্য

পাহাড় নিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে বিমল গুরুংদের দীর্ঘ বৈঠক, তৈরি হল ‘শাহী নকশা’! গোর্খাল্যান্ড নিয়ে কী সিদ্ধান্ত?

পাহাড়ের উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করলেন বিমল গুরুং, রোশন গিরি-সহ পাহাড়ের নেতারা। শনিবার দার্জিলিংয়ে এই ত্রিপাক্ষিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। পাহাড়ের উন্নয়ন, কর্মসংস্কৃতি, পর্যটন এবং দীর্ঘদিনের গোর্খাল্যান্ডের দাবি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।উত্তরবঙ্গ সফরে থাকা অমিত শাহ শনিবার দার্জিলিংয়ে পৌঁছন। সেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা, গোর্খা নেতা বিমল গুরুং এবং রোশন গিরি-সহ সংশ্লিষ্ট পক্ষের প্রতিনিধিরা বৈঠকে যোগ দেন। পাহাড়ের সমস্যা নিয়ে দীর্ঘদিন পর এই ধরনের ত্রিপাক্ষিক আলোচনা হওয়ায় বৈঠকটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।পাহাড়ের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং গোর্খাল্যান্ডের দাবি নিয়ে অতীতে একাধিকবার আন্দোলন হয়েছে। সেই আন্দোলনে উত্তপ্ত হয়েছে দার্জিলিং, এমনকি রক্তপাতের ঘটনাও ঘটেছে। এবার পাহাড়ের উন্নয়ন এবং সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজতেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।বৈঠকে পাহাড়ের উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পর্যটন শিল্পকে আরও শক্তিশালী করা, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থায় গতি আনার মতো বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। পাহাড়ের মানুষের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান কীভাবে করা যায়, তা নিয়েও মত বিনিময় হয়েছে।বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল পাহাড়ের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণ। গোর্খাল্যান্ডের দাবি নিয়ে আগামী দিনে কী আলোচনা হবে, তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে বৈঠক থেকে এখনই গোর্খাল্যান্ড নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়নি। বরং সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই পাহাড়ের সমস্যার সমাধানের কথা বলা হয়েছে।পাহাড়ের সমস্যাগুলি নিয়ে নিয়মিত পর্যালোচনার জন্য একটি স্থায়ী কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। এই কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিক পঙ্কজকুমার সিং। কমিটিতে আর কারা থাকবেন, কত জন সদস্য থাকবেন, সেই বিষয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।অমিত শাহ জানিয়েছেন, সাংবিধানিক পথেই পাহাড়ের সমস্যার সমাধান করা হবে। পাশাপাশি দার্জিলিংয়ের উন্নয়ন নিয়েও নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে। পাহাড়ে উন্নয়নের গতি বাড়ানো এবং প্রশাসনিক সমস্যাগুলি দ্রুত সমাধানের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।বৈঠকে পাহাড়ের উন্নয়নের জন্য গোর্খা টেরিটোরিয়াল প্রশাসনকে আরও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। আগের সরকারের সময়ে পাহাড়ের উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে ঘিরে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। নতুন সরকারের আমলে সেই সমস্যাগুলি কাটিয়ে উন্নয়নের দিকে নজর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।বিমল গুরুং এবং রোশন গিরিরাও সাংবিধানিক পথেই পাহাড়ের সমস্যার সমাধানের বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে এই বৈঠকের পর পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন কোনও সমীকরণ তৈরি হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ২২, ২০২৬
কলকাতা

নোটিস নয়, অনিয়ম দেখলেই হোটেল সিল! মির্জা গালিব স্ট্রিটের আগুনের পর বড় নির্দেশ অগ্নিমিত্রার

কলকাতায় বেআইনি হোটেল নিয়ে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। কয়েক দিন আগে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯ জনের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার পর শহরের বিভিন্ন এলাকায় বেআইনি হোটেল ও অতিথিশালা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। শনিবার মার্কুইজ স্ট্রিটের হোটেলগুলি পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী জানান, শুধু নোটিস দিয়ে আর কাজ চালানো হবে না। অনিয়ম ধরা পড়লে প্রয়োজনে সরাসরি হোটেল সিল করে দেওয়া হবে।অগ্নিকাণ্ডের পর ধর্মতলা এলাকায় ইতিমধ্যেই ১৬টি হোটেল সিল করেছে দমকল। আরও ২৫টি হোটেলকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শনিবার মার্কুইজ স্ট্রিটের বিভিন্ন হোটেল ঘুরে দেখেন অগ্নিমিত্রা। সেখানেই তিনি বেআইনি হোটেলের বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপের কথা জানান।মন্ত্রী বলেন, শুধু নোটিস দিয়ে কোনও লাভ হচ্ছে না। কোনও হোটেলে অনিয়ম ধরা পড়লে সেখানে অতিথিরা থাকলে তাঁদের নিরাপদে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় দেওয়া হবে। তার পরেও প্রয়োজন হলে হোটেল সিল করে দেওয়া হবে। তবে সমস্ত কাগজপত্র নিয়মমাফিক থাকলে পরবর্তী সময়ে সেই হোটেল আবার খোলার সুযোগ থাকবে বলেও জানান তিনি।শহরে এত দিন ধরে কী ভাবে বেআইনি ভাবে হোটেল ও অতিথিশালা চলছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অগ্নিমিত্রা। এই বিষয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, বেআইনি কাজকে আর কোনও ভাবেই নিয়মে পরিণত করা যাবে না।অগ্নিমিত্রার বক্তব্য, মির্জা গালিব স্ট্রিটের অগ্নিকাণ্ডের মতো ঘটনা যাতে ফের না ঘটে, তার জন্য শহরের হোটেলগুলির নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র খতিয়ে দেখা জরুরি। কোনও হোটেলে নিয়মের ব্যত্যয় ধরা পড়লে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশই দিয়েছেন তিনি।অগ্নিমিত্রা বলেন, নোটিসে কোনও কাজ হয় না। অতিথি থাকলে ২৪ ঘণ্টা সময় দিন। তার পর সিল করে দিন। সব কাগজপত্র ঠিক থাকলে তখন আবার খুলে দেওয়া যাবে।

আগস্ট ২২, ২০২৬
দেশ

পাকিস্তান থেকে চলত সিম, বাংলাদেশে পৌঁছত হাওয়ালার টাকা! দিল্লিতে ধৃত শিলিগুড়ির প্রদীপ্তকে ঘিরে বড় রহস্য

দিল্লি থেকে পাক গুপ্তচর সন্দেহে শিলিগুড়ির বাসিন্দা প্রদীপ্তকুমার সরকারকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের দাবি, প্রদীপ্ত হাওয়ালা চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর মাধ্যমে বাংলাদেশে টাকা পৌঁছে দেওয়া হত বলে অভিযোগ। সেই টাকা পরে পাকিস্তানি গুপ্তচর এবং তাদের সহযোগীদের কাছে পৌঁছত কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।তদন্তকারীদের নজরে আসার পর প্রদীপ্তের কাছ থেকে একটি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। সেই সিমটি পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হত বলে প্রাথমিক তদন্তে দাবি তদন্তকারীদের। বিষয়টি নিশ্চিত করতে সিম কার্ডটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এই সিমের মাধ্যমে কার সঙ্গে যোগাযোগ করা হত এবং এর সঙ্গে হাওয়ালা চক্রের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, প্রদীপ্ত বর্তমানে দিল্লিতে থাকলেও তাঁর শিকড় শিলিগুড়িতে। নেপালকে করিডোর করে উত্তরবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশ পর্যন্ত হাওয়ালার একটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বাংলাদেশে থাকা কয়েক জনের সহযোগিতায় এই লেনদেন চলত কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।তদন্তকারীদের আরও দাবি, হাওয়ালার টাকার হিসাব মেলাতে প্রদীপ্তকে মাঝেমধ্যেই বাংলাদেশে যেতে হত। সেই সূত্র ধরেই তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য হাতে আসে তদন্তকারীদের। এরপর তাঁর মোবাইল এবং অন্যান্য নথি খতিয়ে দেখে একাধিক বিষয় নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।প্রদীপ্তের সঙ্গে জাল নোট এবং সিম পাচার চক্রেরও যোগাযোগ থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের ধারণা। তবে এই অভিযোগগুলির কোনওটিই এখনও আদালতে প্রমাণিত নয়। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য সামনে আসবে বলেই জানিয়েছে তদন্তকারী দল।অন্যদিকে, জাল নোট এবং সিম কার্ড পাচারের অভিযোগে ইসলামপুর থেকে গ্রেপ্তার ফজলে রাব্বি সিদ্দিকিকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে তদন্তকারীরা। শুক্রবার তাঁকে দিনহাটা মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক সাত দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। ফজলে রাব্বি ইসলামপুরের তৃণমূলের প্রাক্তন জেলা সভাপতি জাকির হোসেনের ভাই।ইসলামপুরের পাটাগোরা গ্রাম থেকে স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় ফজলে রাব্বিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে সাপের বিষ পাচারের একটি মামলাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রদীপ্তের সঙ্গে ফজলে রাব্বির কোনও যোগাযোগ ছিল কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই দুই ব্যক্তির মধ্যে কোনও যোগসূত্র থাকলে তার মাধ্যমে হাওয়ালা, জাল নোট এবং সিম পাচারের চক্র সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে। প্রদীপ্তের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া সিমের ফরেনসিক রিপোর্ট এবং জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের দিকেই এখন নজর তদন্তকারীদের।

আগস্ট ২২, ২০২৬
রাজ্য

ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় শওকত মোল্লার উপর আরও চাপ! চারজনের বিরুদ্ধে ইউএপিএ চাইল এনআইএ

ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা-সহ চারজনের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন প্রয়োগের আবেদন করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। শুক্রবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতের বিশেষ জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা আদালতে বিচারক অনুপম মাইতির এজলাসে এই আবেদন করা হয়।জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি দেবাশিস মল্লিক চৌধুরি আদালতে আবেদন জানান। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের ১৬ এবং ১৮ ধারা প্রয়োগের আর্জি জানানো হয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। এই আবেদন ঘিরে ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় নতুন করে চাপ তৈরি হল শওকত মোল্লা-সহ চার অভিযুক্তের উপর।চলতি বছরে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভাঙড়ে বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় বোমা তৈরির কাজে যুক্ত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। আরও এক জন গুরুতর আহত হন। ঘটনার তদন্তে নামে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তের সময় শওকত মোল্লার নাম উঠে আসে বলে দাবি তদন্তকারীদের।বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর শওকত মোল্লাকে খুঁজছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। পরে সোনারপুরের কামালগাজি সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও পরিবারের দাবি ছিল, আত্মসমর্পণ করতে যাওয়ার সময় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।গ্রেপ্তারের ৮৭ দিনের মাথায় আদালতে চার্জশিট জমা দেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই চার্জশিটে শওকত মোল্লাকেই বিস্ফোরণ মামলার মূল অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয় বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। মোট চারজনকে এই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।তদন্তকারীদের অভিযোগ, বোমা তৈরির কাজ শওকত মোল্লার নির্দেশেই চলছিল। বিস্ফোরণের পর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্যও তাঁর মোবাইল ফোন থেকে এলাকায় একাধিক নির্দেশ গিয়েছিল বলে দাবি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার। শওকতকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর মোবাইল ফোন খতিয়ে দেখে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলেও তদন্তকারীদের দাবি।জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আরও অভিযোগ, বিস্ফোরণের ঘটনায় ধৃত চারজনের মধ্যে শওকত মোল্লাই ছিলেন মূল চক্রান্তকারী। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ এখনও আদালতে বিচারাধীন এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।এবার সেই মামলাতেই আরও কড়া আইনের ধারা প্রয়োগের আবেদন করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। আদালত এই আবেদনের বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক ও আইনজীবী মহলের।

আগস্ট ২২, ২০২৬
রাজ্য

মুখ থেঁতলানো, শরীরে একাধিক ক্ষত! নিউটাউনে বস্তাবন্দি যুবকের দেহ ঘিরে রহস্য

নিউটাউনের স্বামীজি নগরে বস্তাবন্দি যুবকের দেহ উদ্ধার ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। মৃতের নাম সৌরভ বিশ্বাস। তাঁর বয়স আনুমানিক ৩২ থেকে ৩৫ বছর। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দুতিন দিন আগেই তাঁকে খুন করা হয়ে থাকতে পারে। দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মুখও থেঁতলানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।শনিবার সকালে স্বামীজি নগর এলাকা থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় যুবকের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ইকো পার্ক থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়। প্রথমে মৃতের পরিচয় জানা যায়নি। পরে পুলিশ জানতে পারে, তাঁর নাম সৌরভ বিশ্বাস।তদন্তে নেমে পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখছে। প্রাথমিক ভাবে ফুটেজে দেখা গিয়েছে, এক যুবক কাঁধে করে বস্তাবন্দি একটি দেহ নিয়ে এসে একটি দাঁড়িয়ে থাকা বাইকের পিছনে রেখে যায়। এরপর দেহের উপর ইট চাপা দিয়ে সে সেখান থেকে চলে যায়। রাতের অন্ধকারের কারণে ওই যুবকের মুখ স্পষ্ট ভাবে দেখা যায়নি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, রাত প্রায় চারটে কুড়ি নাগাদ ওই যুবক সেখানে এসেছিল। দেহ ফেলে যাওয়ার পর প্রায় এক মিনিট সেখানে দাঁড়িয়েছিল সে। এরপর বাইকটি রেখে দ্রুত এলাকা ছেড়ে চলে যায়। সকালে বিষয়টি নজরে আসতেই স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের শরীরে একাধিক ট্যাটু রয়েছে। তাঁর শরীরে বেশ কয়েকটি ক্ষতও পাওয়া গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সৌরভ প্রায় তিন দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন। ফলে নিখোঁজ হওয়ার সঙ্গে তাঁর মৃত্যুর কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ, মৃতের পরিচয় এবং গত কয়েক দিনের তাঁর গতিবিধি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কে বা কারা তাঁকে হত্যা করল এবং কেন দেহটি বস্তায় ভরে নিউটাউনে ফেলে যাওয়া হল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal