• ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২, মঙ্গলবার ১০ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : ‌মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে কেন রেনেডির ভরসা স্বদেশি ব্রিগেড?‌

ভাল খেলেও জয় অধরা। এসসি ইস্টবেঙ্গল সম্পর্কে এই কথাটা বলা যেতেই পারে। হায়দরাবাদ এফসি ও বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে আগের দুটি ম্যাচে তুলনামূলকভাবে ভাল ফুটবল উপহার দিয়েছিল। তবুও জয় আসেনি। শুক্রবার সামনে আইএসএলের অন্যতম সেরা দল গতবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই সিটি এফসি। তাদের বিরুদ্ধে মরশুমের প্রথম জয় কি তুলে নিতে পারবে এসসি ইস্টবেঙ্গল? লালহলুদের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিংকে আত্মবিশ্বাসী মনে হলেও কাজটা যথেষ্ট কঠিন।আরও পড়ুনঃ রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ কমিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রাচোটআঘাত, নির্বাসন সমস্যায় এই মুহূর্তে জর্জরিত লালহলুদ শিবির। নির্বাসিত থাকায় মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধেও আন্তোনীয় পেরোসেভিচকে পাবেন না রেনেডি। আগের ম্যাচে দুই বিদেশিকে নিয়ে প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন। চোটের জন্য টমিস্লাভ মার্সেলোকে পরের দিকে বেরিয়ে যেতে হয়। মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে তাঁকেও পাবেন না। হাতে রইল এক বিদেশি ড্যানিয়েল চিমা। অর্থাৎ শক্তিশালী মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে এক বিদেশি নিয়ে মাঠে নামতে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। স্বদেশি ব্রিগেডের ওপরই ভরসা করতে হবে রেনেডি সিংকে।আরও পড়ুনঃ সুরাতে গ্যাস লিক করে মর্মান্তিক মৃত্যু ৬ কারখানা শ্রমিকেরআগের দুটি ম্যাচের পারফরমেন্স আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে লালহলুদ কোচকে। মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে রেনেডি সিং বলেন, আগের ম্যাচে গোটা দল যেভাবে খেলেছে তাতে আমি খুশি। তবে আমাদের আরও আত্মবিশ্বাসী হতে হবে। মুম্বই সিটি এফসিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিলেও লড়াই করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী রেনেডি। তিনি বলেন, মুম্বইয়ের আক্রমণভাগ এই আইএসএলে অন্যতম সেরা। গত কয়েকটা মরশুম ধরে দুর্দান্ত খেলছে। এই ম্যাচে ওদের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে হবে। আমরা যদি দল হিসেবে খেলতে পারি, তাহলে মুম্বই সমস্যায় পড়বে। আশা করছি ভাল ম্যাচ হবে। দুএকজন ছাড়া বিদেশি ফুটবলারকে এই ম্যাচে পাব না। স্বদেশি ফুটবলারদের ওপরই ভরসা করছি। তবে একটা কথা মানতেই হবে, দুএকজন বিদেশি নিয়ে বিপক্ষ দলের চার সেরা বিদেশি খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে লড়াই করা কঠিন।আরও পড়ুনঃ রক্ষণ সামলাতে পুরনো ডিফেন্ডারকে ফেরাল এটিকে মোহনবাগানমুম্বই সিটি এফসিতে রয়েছেন ইগর অ্যাঙ্গুলো, মোর্তাদা ফল, জাহুর মতো বিদেশি। স্বদেশি ফুটবলাররাও যথেষ্ট ভাল। বিপক্ষ ফুটবলারদের নিয়ে বেশি না ভেবে নিজেদের খেলার ওপর বেশি ফোকাস করছে লালহলুদ শিবির। কোচ রেনেডি সিংয়ের বিশ্বাস, তাঁর দলের ফুটবলাররা নিজেদের খেলা খেলতে পারলে মুম্বইয়ের কাজ কঠিন হয়ে যাবে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
সম্পাদকীয়

করোনা: বাঙালি নিজ সংস্কৃতি-সভ্যতা নিজেই ধ্বংস করবে!

মানুষের বুদ্ধি কি লোপ পেয়েছে? করোনা আবহে এই প্রশ্নটি বোধহয় সব থেকে যুক্তিসঙ্গত। নাকি মানুষ চায় নিজ সভ্যতা নিজের হাতে ধ্বংস করে দিতে। জীবন বিপন্ন করে দেওয়ার পন নিয়েছে সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশ। তার সঙ্গে সরকারি উদাসীনতা ও নানান সিদ্ধান্ত গ্রহণ, প্রশ্ন চিহ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে।আরও পড়ুনঃ শীত নিবারণের জন্য জ্বালানো আগুনের মধ্যে পড়ে গিয়ে দগ্ধ শিশুকরোনাপূর্তির দুবছর সম্পূর্ণ আমাদের দেশে। লকডাউন, কোয়ারেন্টাইন, আইসোলেশন নানা শব্দ এখন যেন বাংলা শব্দে রূপান্তর হয়েছে। অতিমারি এখন একেবারে চেপে বসেছে বাংলায়। এখন আর লাফিয়ে বা লিফ্টে করোনা সংক্রমণ ছড়াচ্ছে না, একেবারে রকেট লঞ্চারের মাথায় বসে ছুটছে করোনা। তবুও কিন্তু হুঁশ ফেরেনি মানুষের। যা হওয়ার হবে গোছের মনোভাব। সরকার নানা ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে, আবার যে করোনা বিধি ঘোষণা করেছে তার তোয়াক্কা করছে না সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশ। তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতেও প্রশাসনের অনীহা দেখা যাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ করোনার থাবা এবার সিবিআই-ইডি অফিসেওগঙ্গাসাগর মেলায় কী পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে তা এখনও বলা যাচ্ছে না। বিরোধী দল বিজেপি বলছে, রাজ্য সরকার আমাদের কথা শোনে না। এমন কথা বলে নিজেদের দায় এড়ানো যায় কীনা তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টে আজ, বৃহস্পতিবার শুনানি রয়েছে গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে। যদিও নানা মেলা-উৎসব বন্ধ করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ করোনা উদ্বেগে স্থগিত কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবট্রেন, বাস, অটো, বাজারহাটে মাস্ক ছাড়া বহু মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছে। বেপরোয়া মনোভাব রয়েছে একটা বড় অংশের। এক্ষেত্রে পুলিশ-প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ করা উচিত। যে মাস্ক পড়ছে না সে যদি শুধু নিজের ক্ষতি করতো তাহলে এক বিষয়, কিন্তু পুরো সমাজের ওপর প্রভাব পড়তে বাধ্য। প্রথমত, তাঁর করোনায় বাড়াবাড়ি হলে হাসপাতালে একটা বেড ধরে রাখবে। সরকারি কোষাগার থেকে তাঁর চিকিৎসা খাতে মোটা অর্থ অপচয় হবে। আরও বহু লোকের মধ্যে রোগটাকে ছড়িয়ে দেবে। আবার এখন তো সরকারি ক্ষতিপূরণেও অর্থ ব্যয় হবে। একটা বেপরোয়া মানুষ সমাজের একাধিক ক্ষতির জন্য দায়ী হচ্ছে। তবু কেন তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে না? এই প্রশ্নই ঘুরছে সর্বত্র। বৃহত্তর সমাজ তথা মানব সভ্য়তা টিকিয়ে রাখতে হলে মানুষকে সচেতন হতেই হবে। পাশাপাশি পুলিশ-প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ করতেই হবে।আরও পড়ুনঃ ১২ সেকেন্ডের গোল, ভেঙে গেল ৪৫ বছরের পুরনো রেকর্ড, তবু সবুজমেরুনকে জেতাতে ব্যর্থ উইলিয়ামসনির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে যত কথা কম বলা যায় ততই মঙ্গল। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কীভাবে বাংলার সর্বনাশ করেছে তা রাজ্যবাসী প্রত্যক্ষ করেছে। কলকাতা পুরসভা নির্বাচনের পর তৃতীয় ঢেউয়ে কলকাতার বেসামাল অবস্থাও দেখা যাচ্ছে। ভোট রাজনীতিতে শাসক-বিরোধী কোনও দলই করোনা বিধির তোয়াক্কা করে না, তা আর বলারও প্রয়োজন নেই। এই মুহূর্তে কোভিড আতঙ্কে কাঁপছে রাজ্য। মঙ্গলবার আক্রান্তের সংখ্যা ১৪হাজার ছাড়িয়েছে। ১০ দিন আগে সেই সংখ্যা ছিল ৪৩৯। ভাবুন একবার রকেট বেগে কীভাবে ছড়াচ্ছে কোভিড ১৯। সাধারণ মানুষের একটা অংশের এখনও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। সরকারকেও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তা নাহলে রুটি, রুজি, সমাজ, সংস্কৃতি, সভ্যতা কীভাবে ধ্বংস হবে তা বাঙালি নিজের চোখেই প্রত্যক্ষ করবে। কাউকে দায়ী করে কোনও ফায়দা নেই।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
কলকাতা

Safe Home: কলকাতা কাবু কোভিডে, ফের খুলছে সেফ হোম

কলকাতা ফের কাবু কোভিডে। ক্রমেই জাল ছড়াচ্ছে ওমিক্রন। পরিসংখ্যান বলছে, একধাক্কায় প্রায় ৩ হাজার বৃদ্ধি। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে সংক্রমিত ৯ হাজার ৭৩। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৬ জন করোনা রোগীর। কলকাতার সঙ্গে সংক্রমণে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে বীরভূম, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েও করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্থ্যকর্মীরা।যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তাতে ফের খোলা হচ্ছে সেফ হোমগুলি। তিনটি সেফ হোমের শয্যা সংখ্যা ৩৫০। কলকাতার তিনটি সেফ হোম। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় হল বাইপাস সংলগ্ন সেফ হোম। এখানে রয়েছে ২০০ টি শয্যা। কলকাতা পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের দুই কর্তা ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি পরিদর্শন করেছেন। বেডগুলির পরিকাঠামো, কাজের গুণগত মান, পরিচ্ছন্নতা-সব খতিয়ে দেখেছেন তাঁরা। পরিদর্শনে গিয়েছেন রাজ্য দপ্তরের এক জন হেলথ অফিসারও।আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত শ্রীজাত আরেকটি সেফ হোম হয়েছে কসবার গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে। এই সেফ হোমটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সংক্রমণ আবার বৃদ্ধি পাওয়ায়, তা খোলা হয়েছে। সেগুলিকে চালু করার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা পুর প্রশাসন। গীতাঞ্জলি স্টেডিয়ামে ১০০ টি শয্যা রয়েছে। ইতিমধ্যেই তা পরিস্কার করা হয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্যভবনের তরফে চিকিৎসক ও নার্সরা এই সেফ হোমের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। কলকাতার তৃতীয় সেফ হোমটি রয়েছে উত্তর কলকাতায়। সেখানে ৫০টি শয্যা রয়েছে।তবে চিকিৎসকরা বলছেন, ওমিক্রনের ক্ষেত্রে উপসর্গ অনেক হালকা। চিকিৎসক বলছেন, ভাগ্য ভালো আক্রান্তদের বেশিরভাগই ৫-৭ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠছেন। হয়তো হোম আইসোলেশনের যে লম্বা ১৭ দিনের পিরিয়ড, সেটাকেও কমিয়ে আনা হবে। যদি সেটা কমিয়ে আনা হয়, তাহলে ওয়ার্ক টার্নওভার বা অর্থনীতির ক্ষেত্রে অনেকটা উপকারী হবে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : ‌ছন্দ ফিরল এসসি ইস্টবেঙ্গলে, তবু এগিয়ে গিয়েও জয় অধরা

অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিংয়ের হাত ধরে ছন্দ ফিরল। কিন্তু জয় অধরাই থেকে গেল এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছে। আইএসএলে ৯ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। এখনও জয়ের মুখ দেখল না লালহলুদ শিবির। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ভাল খেলেও আটকে গেল। এগিয়ে গিয়েও জয় অধরা থেকে গেল এসসি ইস্টবেঙ্গলের কাছে। ম্যাচের ফল ১১।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত লক্ষ্মীরতন শুক্লা এখন কেমন আছেন? জানতে পড়ুনদায়িত্ব পেয়েই বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেননি অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রেনেডি সিং। বিদেশিদের ওপর বেশি ভরসা করেননি। মাত্র ২ জনকে প্রথম একাদশে রেখেছিলেন। ভারতীয় ফুটবলাররা হতাশ করেননি রেনেডিকে। রক্ষণে রাজু গায়কোয়াড়ের পরিবর্তে আদিল খান। মাঝমাঠে সৌরভ দাস, আক্রমণভাগে হাওকিপকে শুরু থেকে মাঠে নামান রেনেডি। আইএসএলে লালহলুদ জার্সি গায়ে প্রথমবার মাঠে নেমেই ম্যাচের সেরা আদিল খান। জয় না এলেও এবারের আইএসএলে এত সুসংগঠিত ফুটবল এই প্রথম খেলল এসসি ইস্টবেঙ্গল।আরও পড়ুনঃ টেস্টের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ইতিহাস তৈরি করতে পারবে বাংলাদেশ? সামনে সুবর্ণ সুযোগএদিন ম্যাচের শুরু থেকে দুই দলই মাঝমাঠের দখল নেওয়ার চেষ্টা করছিল। আক্রমণ প্রতিআক্রমণে খেলাটা বেশ জমে উঠেছিল। তারই মধ্যে ১৯ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল। বেঙ্গালুরু এফসির রক্ষণের ভুলে বল পেয়ে গিয়েছিলেন লালরিনলিয়ানা হামতে। বাঁদিক দিয়ে বক্সে ঢুকে যান। মাঝখান থেকে বক্সে পৌঁছে যান হাওকিপ। কে শট নেবেন দোটানা করতেই বেঙ্গালুরু এফসির ডিফেন্ডাররা বল বিপদমুক্ত করে দেন। ২৮ মিনিটে এগিয়ে যায় এসসি ইস্টবেঙ্গল। ডানদিক থেকে লুয়াংয়ের ফ্রিকিক মাটিতে পড়ার মুখে দুরন্ত হেডে জালে পাঠান হাওকিপ।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে রেকর্ড, উদ্বেগ বাড়িয়ে আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৯০০০সমতা ফেরানোর জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে বেঙ্গালুরু এফসি। ৫৬ মিনিটে রোশন নওরেমের ক্রস অঙ্কিত দাসের মাথায় লেগে লালহলুদের জালে জড়িয়ে যায়। ৮০ মিনিটে বক্সের মধ্যে খুব ভাল জায়গায় বল পেয়েছিলেন হাওকিপ। বল রিসিভ করতে পারলেই সামনে ফাঁকা গোল। কিন্তু বল রিসিভ করতে পারেননি। জয় অধরাই থেকে যায় লালহলুদের কাছে।আরও পড়ুনঃ কালনার দুই যুবকের মহতী উদ্যোগ, করোনা সচেতনায় সাইকেল নিয়ে লাদাখ পাড়ি

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

Weather: পারদ নামল কলকাতায়, বুধবার থেকে ফের কমতে পারে তাপমাত্রা

শহরবাসীকে স্বস্তি দিয়ে তাপমাত্রার পারদ সামান্য হলেও নামল কলকাতায়। তবে জানুয়ারির চতুর্থ দিনেও শীতের কামড় এখনও সে ভাবে অনুভব করা যাচ্ছে না। ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে মোড়া কলকাতা তথা রাজ্যের প্রায় সব জেলা। মঙ্গলবার রাজ্যজুড়ে তাপমাত্রা কমেছে। তবে বুধবার থেকেই রাজ্যে শীতের দাপট কমতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। ভিলেন সেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝা।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, মঙ্গলবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। অন্য দিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বছরের এই সময় যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। তাপমাত্রার খানিকটা কমার পাশাপাশি মঙ্গলবার ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার জেরে কমেছে দৃশ্যমানতা। ফলে বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন দেরিতে চলছে।আবহবিদরা জানিয়েছেন, বুধবার থেকেই কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। বাতাসের জলীয় বাষ্পে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ বাড়ার ফলে কনকনে ঠান্ডার আমেজ উধাও হয়ে দিনের বেলা অস্বস্তিকর আবহাওয়া তৈরি হতে পারে বলেও পূর্বাভাস। আবহবিদরা আরও জানিয়েছেন, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে উত্তুরে হাওয়া বাধা পাওয়ায় কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হবে না।সপ্তাহান্তে শীতের দাপট আরও কমতে পারে বলেও মনে করেছে মৌসম ভবন। মৌসম ভবন জানিয়েছে, সোমবার একটি ঝঞ্ঝা কাশ্মীরের উপর এসেছে। এর জেরে পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত এবং সমতলে বৃষ্টি হবে। তার পরে সেটি মধ্য ভারতের দিকে বয়ে আসবে। প্রথম ঝঞ্ঝাটি উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে বিদায় না নিতেই বৃহস্পতিবার নাগাদ দ্বিতীয় ঝঞ্ঝাটি উত্তর-পশ্চিম ভারতে ঢুকবে। চলতি সপ্তাহের শেষে সেটি মধ্য ভারতের দিকে বয়ে আসবে। এর ফলে উত্তর-পশ্চিম ভারতে তুষারপাত ও বৃষ্টি হলেও কনকনে ঠান্ডা মিলবে না। বাধা পাবে উত্তুরে বাতাসও। তার ফলেই চলতি সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে গাঙ্গেয় বঙ্গের পারদ মাথাচাড়া দেবে। সপ্তাহান্তে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে উঠে যেতে পারে বলে আলিপুর হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস। অন্যদিকে, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যেতে পারে।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : বেঙ্গালুরু–র বিরুদ্ধে প্রথম জয় পাবে এসসি ইস্টবেঙ্গল?‌ কী বললেন অন্তর্বতীকালীন কোচ রেনেডি সিং

৮ ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে। আইএসএলে এখনও জয় অধরা এসসি ইস্টবেঙ্গলের। ৪টি জয়, ৪টি ড্র। ৪ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে সবার শেষে অবস্থান লালহলুদ শিবিরের। এর মধ্যে অনেক ঝড় বয়ে গেছে। একম্যাচ আগে রেফারিকে ধাক্কা মেরে নির্বাসনের কবলে দলের সেরা ফুটবলার আন্তোনীও পেরোসেভিচ। কর্তাদের চাপে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন হেড কোচ মানোলো দিয়াজ। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে আপাতত দায়িত্বে রেনেডি সিং। নতুন কোচের তত্ত্বাবধানে নতুন বছরে আলোর দিশা খুঁজতে চাইছে লালহলুদ শিবির। মঙ্গলবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের সামনে বেঙ্গালুরু এফসি।মানোলো দিয়াজের পরিবর্তে নতুন কোচ ইতিমধ্যেই নিয়োগ করেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। নতুন কোচ মারিও রিভেরার কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটিয়ে দলের দায়িত্ব নিতে আরও কয়েকটা ম্যাচ কেটে যাবে। অন্তরবর্তীকালীন কোচ হিসেবে মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে অগ্নিপরীক্ষায় নামছেন রেনেডি সিং। দলকে প্রথম জয় এনে দেওয়ার চ্যালেঞ্জ। লালহলুদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কোচকে আশায় রাখছে আগের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দলের ছন্দে ফেরা। জয় না এলেও আগের ম্যাচে যথেষ্ট ভাল ফুটবল উপহার দিয়েছিল লালহলুদ ব্রিগেড। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে সেই ছন্দটাই ধরে রাখতে চান রেনেডি সিং।আরও পড়ুনঃ কোহলির না থাকার ধাক্কা সামলাতে ব্যর্থ ভারত, দ্বিতীয় টেস্টে কেন ব্যাটিং বিপর্যয়?তবে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে কাজটা যে বেশ কঠিন সেকথা স্বীকার করে নিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ। ম্যাচটা চ্যালেঞ্জ হিসেবেও দেখছেন। বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, সামনে কঠিন কাজ। এসসি ইস্টবেঙ্গল এই মুহূর্তে যে জায়গায় রয়েছে, সেখানে কেউই থাকতে চায় না। আমাদেরও ভাল কিছু করার ক্ষমতা আছে। আমি এটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিচ্ছি। যদি ম্যাচের শেষ পর্যন্ত লড়াই করতে পারি, তাহলে ভাল কিছু করা সম্ভব।খেলোয়াড় জীবনেও অনেকবার খারাপ সময়ের মধ্যে পড়েছেন। ঘুরেও দাঁড়িয়েছেন। সেই কথাই উঠে এসেছে রেনেডি সিংয়ের কথায়। তিনি বলেন, ১৯ বছরের ফুটবল জীবনে অনেক ওঠা পড়া দেখেছি। একজন খেলোয়াড়ের পক্ষে এইরকম হওয়াটা স্বাভাবিক। দলের সাপোর্ট স্টাফ, সদস্যরা খারাপ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার আপ্রাণ চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে গেলে চলবে না। ঘুরে দাঁড়াতেই হবে। দল হিসেবে পরিশ্রম করলে আশা করছি আমরা ভাল ফল করব। গত মরশুমেও আমাদের এ রকম হয়েছিল। এখন কোচদের দায়িত্ব নিতে হবে। আমি তো বললামই এটা কঠিন চ্যালেঞ্জ এবং এই চ্যালেঞ্জটা আমি পছন্দ করি। শেষ পর্যন্ত লড়ব। তবে চ্যালেঞ্জ জিততে গেলে পুরো দলকেই একসঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। আশা করি ছেলেরা তৈরি আছে।আরও পড়ুনঃ রনজি ট্রফি স্থগিত করবে বোর্ড? বাংলা শিবিরে করোনা হানায় আশঙ্কার মেঘনির্বাসনের কারনে আন্তোনীও পেরোসেভিচকে এই ম্যাচেও পাবে না এসসি ইস্টবেঙ্গল। জ্যাকিচাঁদ সিং, ফ্রাঞ্জো পিরেস, ড্যারেন এখনও পুরোপুরি চোটমুক্ত নন। অর্থাৎ তিন বিদেশিকে ছাড়াই মাঠে নামতে হবে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। রাজু গায়কোয়াড়ের জায়গায় প্রথম একাদশে খেলানো হতে পারে আদিল খানকে। এছাড়া আরও কয়েকটা পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Ranji Trophy : ‌রনজি ট্রফি স্থগিত করবে বোর্ড?‌ বাংলা শিবিরে করোনা হানায় আশঙ্কার মেঘ

করোনার বাড়বাড়ন্তে এবছরও স্থগিত হয়ে যাবে না তো রনজি ট্রফি? দেশের এই কুলীন প্রতিযোগিতা ঘিরে তৈরি হয়েছে আশঙ্কার বাতাবরণ। যেভাবে বিভিন্ন রাজ্যে করোনার প্রকোপ বাড়তে তাতে চিন্তার ভাঁজ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের কপালে। চিন্তা আরও বাড়িয়েছে বাংলা রনজি দলের ৭ জন ক্রিকেটারের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবরে।রনজির জন্য বেশ কয়েকদিন আগেই বাংলার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মাঠে অনুশীলন করছিল বাংলা শিবির। এর মাঝেই বাংলা দলের সব সদস্যের করোনা পরীক্ষা করা হয়। রবিবার রাতে রিপোর্ট আসে। রিপোর্টে দেখা যায় ৬ জন ক্রিকেটার ও একজন সাপোর্ট স্টাফ করোনায় আক্রান্ত। এই ৬ ক্রিকেটারের মধ্যে রয়েছেন অনুষ্টুপ মজুমদার, সুদীপ চ্যাটার্জি, কাজি জুনাইদ সইফি, গীত পুরি, প্রদীপ্ত প্রামানিক, সুজিত যাদব। এদের সঙ্গে সহকারী কোচ সৌরাশিস লাহিড়ীর রিপোর্টও পজিটিভ এসেছে। ক্রিকেটারদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পরপরই জরুরি ভিত্তিতে রবিবার রাতেই বৈঠকে বসেন সিএবি কর্তারা। বৈঠকে ঠিক হয়, আপাতত প্রথম ও দ্বিতীয় ডিভিশন ক্লাব ক্রিকেট, জেলা ক্রিকেট স্থগিত রাখা হবে। পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতে মঙ্গলবার অ্যাপেক্স কাউন্সিলের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেই বৈঠকেই স্থানীয় ক্লাব ক্রিকেটের ভবিষ্যত ঠিক করা হবে।অনুষ্টুপ মজুমদার, সৌরাশিস লাহিড়ীদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এলেও কারও কোনও উপসর্গ নেই। শনিবার সব ক্রিকেটারই প্রস্তুতি ম্যাচে অংশ নিয়েছিলেন। কারও সমস্যা দেখা যায়নি। কিন্তু আরটিপিসিআর(RTPCR) পরীক্ষার পর জানা যায় দলের ৭ জন সদস্য করোনায় আক্রান্ত। বাংলা শিবিরে করোনা হানা দেওয়ায় চিন্তায় পড়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এর আগে বিজয় হাজারে ট্রফি শুরুর আগে মুম্বই দলের কয়েকজন সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাঁদের বাদ দিয়েই বিজয় হাজারে ট্রফি খেলতে গিয়েছিল বাংলা।রনজির ট্রফির প্রস্তুতির জন্য বাংলা দলের সঙ্গে প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলাতে আজই কলকাতায় আসার কথা ছিল মুম্বইয়ের। দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা। প্রথমটা ৪৫ জানুয়ারি, দ্বিতীয়টা ৬৭ জানুয়ারি। কিন্তু বাংলা শিবিরে করোনা হানা দেওয়ায় মুম্বই প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচ বাতিল করেছে। দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে কিনা, তা এখনও মুম্বইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি।এবছর রনজি শুরু হতে আর মাত্র ১০ দিন বাকি। দেশে হু হু করে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। এই অবস্থায় আদৌও রনজি ট্রফি আয়োজন করা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। কলকাতাতেও একটা গ্রুপের খেলা হবে। কিন্তু রাজ্য সরকার বেশকিছু বিধিনিষেধ জারি করেছে। এই পরিস্থিতিতে কলকাতায় রনজি ম্যাচ আয়োজন করা সম্ভব কিনা, তা নিয়ে চিন্তিত বোর্ড কর্তারাও।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

Suvendu Adhikari: সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা রাজ্যের, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে রাজ্যের আবেদন খারিজ করল শীর্ষ আদালত

সুপ্রিম কোর্টে স্বস্তি শুভেন্দু অধিকারীর। খারিজ হয়ে গেল রাজ্য সরকারের আবেদন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দেওয়ার যে নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য সরকার, সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই শীর্ষ আদালতে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের আবেদন খারিজ করে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, তারা হাইকোর্টের দেওয়া নির্দেশে হস্তক্ষেপ করতে চায় না।আগেই রাজ্যের করা লিভ পিটিশনে এই আবেদন খারিজ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু রাজ্য ফের এলপিএ করে একই আবেদন জানায়। সেই আবেদনও এবার খারিজ হয়ে গেল।আরও পড়ুনঃ ওমিক্রন সাধারণ সর্দি জ্বর ছাড়া কিছুই নয়! দাবি আমেরিকাবাসী ইজরায়েলি চিকিৎসকেরএকবার লিভ পিটিশনে আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পরও কেন এলপিএ করা হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। লিভ পিটিশনের ক্ষেত্রে সব সওয়াল জবাব শুনেই হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রাখার কথা বলেছিল শীর্ষ আদালত। তাই আর এলপিএ শোনার প্রয়োজন নেই বলেই মনে করেন বিচারপতি। ১৩ ডিসেম্বর রাজ্যে করা লিভ পিটিশনের ভিত্তিতে রায় নির্দেশ বহাল রাখার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে স্পষ্ট বলা হয়েছে, গত ১৩ ডিসেম্বর এই মামলায় নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। গত ৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে শুভেন্দু অধিকারীরে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশই বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট।আরও পড়ুনঃ আজ থেকে শুরু ১৫-১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণগত সেপ্টেম্বরে শুভেন্দু অধিকারীর প্রাক্তন দেহরক্ষী মামলা-সহ তিনটি মামলায় স্থগিতাদেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি রাজশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। সেখানেও সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশই বহাল রাখা হয়। উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছিল রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী তথা বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর। সেই মামলার প্রায় তিন বছর পর গত জুলাই মাসে তদন্তের দাবি তুলে এফআইআর দায়ের করেন শুভেন্দুর প্রাক্তন দেহরক্ষীর স্ত্রী সুপর্ণা কাঞ্জিলাল চক্রবর্তী। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল? সেই প্রশ্ন তুলে, সঠিক তদন্তের দাবিতে এফআইআর করেন নিহত দেহরক্ষীর স্ত্রী।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

Covid 19: রাজ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়ে গেল ৬ হাজার, বাড়ছে উদ্বেগ

রাজ্যে আংশিক কোভিড বিধি ঘোষণার দিন লাফিয়ে বাড়ল করোনা সংক্রমণ। বাংলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সংক্রমিত ৬১৫৩, মৃত্যু হয়েছে ৮জনের। সংক্রমণের হার (১৫.৯৩%)। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এদিনই রাজ্যে একাধিক কোভিড বিধি ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।কলকাতায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। ৩১৯৪ জন করোনায় আক্রান্ত। সাত দিন আগে কলকাতায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল মাত্র ২০৪ জন। ৭ দিনে ১৫ গুণের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে সংক্রমণ। রাজধানী শহরে এমন সংক্রমণ বৃদ্ধিতে উদ্বিগ্ন অভিজ্ঞ মহল। বড় দিনে পার্কস্ট্রিটের ভিড়, কলকাতায় মেয়রের শপথের ভিড় নিয়ে সরকারের কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধীরা। তাছাড়া মেলা, পর্যটন কেন্দ্রগুলিতেও এই মরসুমে মানুষের ঢল নেমেছিল। অভিজ্ঞ মহলের মতে, একদিকে সরকারি উদাসীনতা অন্যদিকে সাধারণ মানুষের একাংশ করোনা বিধিকে কোনও তোয়াক্কা করছিল না। বরং কোভিড টিকা নিয়ে অনেকেই মাস্ক পরা ভুলে গিয়েছিলেন।এদিকে উত্তর ২৪ পরগনায় এক হাজার ছুঁই ছুঁই কোভিড সংক্রমিত, ৯৯৪ জন। কলকাতার পাশের জেলা হাওড়ায় আক্রান্ত ৫৯৫। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ২৮০ এবং হুগলি ২১৫। রাজ্যের বাকি জেলাগুলিতেও দ্রুত বাড়ছে কোভিড সংক্রমণ। ক্রমশ আতঙ্ক বাড়ছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
রাজ্য

Omicro: ৫ দিনের ব্যবধানে বাংলায় করোনা পজিটিভ ১০ গুণের বেশি, লাফ দিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ

এক সপ্তাহের মধ্যে কয়েক গুণ বেড়ে গেল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বাংলায় লাফ দিয়ে বাড়ছে কোভিড পজিটিভ। ২৭ ডিসেম্বর রাজ্যে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৩৯। বছর শুরুর দিন স্বাস্থ্য দফতরের পরিসংখ্যান, রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় করোনা পজিটিভের সংখ্যা ৪ হাজার ৫১২ জন। ওই দিনের তুলনায় বৃদ্ধি ১০ গুনেরও বেশি। ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। তবে আক্রান্তের হিসাবে এখনও এগিয়ে আছে কলকাতা। রাজ্যে ওমিক্রনে সংক্রমিতের সংখ্যা এখন ১৫।রাজ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ লাখ ৪২ হাজার ৯৯৭ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৬ লাখ ৯ হাজার ৯২৪ জন। রাজ্যে গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থতার সংখ্যা ১ হাজার ৯১৩। করোনায় রাজ্যে মোট মৃত্যু হয়েছে ১৯ হাজার ৭৭৩ জন। গত ২৪ ঘন্টায় প্রাণ হারিয়েছেন ৯ জন। মৃত্যু হার ১.২০ শতাংশ।তবে কলকাতায় করোনা পরিস্থিতি ভয়ানক আকার নিচ্ছে। এমনই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। নিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে কোভিড সংক্রমিতের হার। মহানগরে ২৪ ঘন্টায় কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ২ হাজার ৩৯৮। মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। উত্তর ২৪ পরগনা (আক্রান্ত ৬৮৮ জন, মৃত ২ জন), হাওড়া (আক্রান্ত ৩৪৪ জন, মৃত ২ জন), পশ্চিম বর্ধমান (আক্রান্ত ২৪১ জন, মৃত ২ জন), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (আক্রান্ত ১৯৮ জন, মৃত ১ জন), হুগলি (আক্রান্ত ১৬৫ জন)। করোনার বাড়বাড়ন্ত রুখতে ফের রাজ্যে কোভিড বিধি চালু হতে চলেছে। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, যে ভাবে উৎসব, মেলা, ভোটের আয়োজন করা হচ্ছে তার কাছে এই পরিসংখ্যান নগন্য। সাবধানতা অবলম্বন না করলে এবার দ্বিতীয় ঢেউকে ছাপিয়ে যাবে রাজ্য।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal-New Coach : ‌এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচের পদে সেই পুরনো মুখ, কে পেলেন দায়িত্ব?‌

মানোলো দিয়াজের পরিবর্ত কে হবেন তা নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে জল্পনা চলছিল। অনেকগুলো নাম ভেসে উঠলেও দৌড়ে এগিয়েছিলেন মারিও রিবেরা। প্রত্যাশামতোই তাঁকে বাকি মরশুমের জন্য কোচ নিয়োগ করলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। বছরের প্রথম দিনই কোচ হিসেবে তাঁর নাম সরকারিভাবে ঘোষণা করে হয়েছে। অনেক প্রত্যাশা নিয়ে স্পেনের মানোলো দিয়াজকে কোচ হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। কিন্তু প্রত্যাশাপূরণে ব্যর্থ এই স্প্যানিশ কোচ। চলতি আইএসএলে দলকে একটা ম্যাচেও জয় এনে দিতে পারেননি দিয়াজ। লালহলুদ কর্তারা চেয়েছিলেন দিয়াজ নিজে থেকে সরে যান। কিন্তু আর্থিক ক্ষতিপূরণের বিষয়টা চূড়ান্ত না হওয়ায় তিনি পদত্যাগ করতে রাজি হচ্ছিলেন না। অবশেষে বেশ কয়েকদফা বৈঠকের পর আর্থিক ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে দুই পক্ষ একমত হয়। তারপর কর্তাদের চাপে পদত্যাগ করেন দিয়াজ। দিয়াজ পদত্যাগ করার পরপরই সহকারী কোচ রেনেডি সিংকে অন্তর্বর্তী কোচ হিসেবে কাজ চালিয়ে যেতে বলেন কর্তারা। তার মাঝেই নতুন কোচের সন্ধানে নেমে পড়েন। এসসি ইস্টবেঙ্গলের কর্তারা চাইছিলেন এমন একজন কোচকে দায়িত্ব দিতে, যিনি ভারতীয় ফুটবল সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। এলকো শাতোরি, মারিও রিভেরাদের নাম সামনে আসে কর্তাদের। শাতোরি নিজেই লালহলুদ কর্তাদের প্রস্তাব নাকচ করে দেন। মারিও রিভেরা রাজি হন। শেষ পর্যন্ত তাঁকেই দায়িত্ব দেওয়া হল। এর আগে লালহলুদে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে মারিও রিভেরার। ২০১৮১৯ সালে তিনি আলেসান্দ্রো মেন্ডেজের সহকারী হিসেবে কাজ করেছিলেন। ২০২০ সালে কর্তাদের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে আলেসান্দ্রো মেন্ডেজ পদত্যাগ করে দেশে ফিরে যান। তখন লালহলুদ কর্তারা মারিও রিভেরাকে আই লিগের বাকি ৭ ম্যাচের জন্য দায়িত্ব দেন। তাঁর কোচিংয়ে ইস্টবেঙ্গল আই লিগে রানার্স হয়। প্রত্যাবর্তনের আশায় তাই আবার সেই পুরনো কোচেরই শরণাপন্ন হলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সোমবার ভারতে চলে আসবেন মারিও রিভেরা। তবে ৪ জানুয়ারি বেঙ্গালুরু এফসি ম্যাচে তিনি রিজার্ভ বেঞ্চে বসতে পারবেন না। বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন পর্ব কাটিয়ে তিনি দলের দায়িত্ব নেবেন।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

Junior Volleyball : ৪৭ তম ন্যাশানাল জুনিয়র ভলিবল টুর্ণামেন্টে বাংলার মহিলা দলের তাক লাগানো পারফর্মেন্স

বাংলার শ্রেয়সী,কৌশিকীদের দুর্দান্ত লড়াইয়ের কাছে টিকতেই পারলো না তামিলনাড়ু ভলিবল টিম। ৪৭ তম ন্যাশানাল জুনিয়র ভলিবল প্রতিযোগিতার মহিলা বিভাগে চাম্পিয়ন হল বাংলার মেয়েরা।পরপর ৮ ম্যাচে অপ্রতিরোধ্য বাংলার মেয়েরা বৃহস্পতিবার ফাইনালে তামিলনাড়ুকে ৩-০ সেটে হারিয়ে জয়লাভ করে। ২৫ ডিসেম্বর থেকে বর্ধমানের শ্রীঅরবিন্দ স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছিল ন্যাশানাল জুনিয়র ভলিবল চাম্পিয়নশিপ।জয়ী হয়ে উজ্জীবিত বাংলার মহিলা ভলিবল দলের খেলোয়াড়রা। ফাইনাল ম্যাচ দেখতে এদিন শুরু থেকেই মাঠে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ।মন্ত্রী স্বপন দেবনাথবাংলা মহিলা ভলিবল দলের অধিনায়ক শ্রেয়সী ঘোষ বলেন, জিতে ভালো লাগছে। আমরা আমাদের কোচকে এই জয় উৎসর্গ করবো। বাংলা মহিলা ভলিবল দলের চীফ কোচ কৌশিক সূর বলেন, আমরা আমাদের স্ট্র্যাটেজিতেই জয়লাভ করেছি। সরকারি সাহায্য পেলে বাংলার মহিলা ভলিবল দল আরও অনেক দুর এগোতে পারবো। ৮টি ম্যাচে আমরা কারোও কাছে কোনো সেটে হারিনি। ঘরের মাঠে দর্শকদের সাপোর্ট জয়লাভ অনেকটা সাহায্য করেছে। কৌশিক সূর এদিন দাবি করেন, স্পনসর ও সরকারী সহযোগিতা পেলে বাংলার মহিলা দলের খেলোয়াড়রা আরও ভালো ফল করতে পারবে। এমনকি প্রত্যন্ত গ্রাম থেকেও খেলোয়াড়রা উঠে আসবে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
কলকাতা

Bangla Pokkho: সিনেমা হলের প্রাইম টাইমে বাংলা সিনেমা দেখানো বাধ্যতামূলক করার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে স্বাক্ষর বিশিষ্ঠ শিল্পী-পরিচালকদের

বাংলা সিনেমা বাংলা তথা বিশ্বের গর্ব। বাংলায় একের পর এক কালজয়ী সিনেমা তৈরি হয়েছে ও হচ্ছে। বাংলার সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেওয়ার একমাত্র মাধ্যম বাংলা সিনেমা। কিন্তু দুঃখের কথা হল অধিকাংশ বাঙালি পরিচালকরা জানান, বাংলা সিনেমা হল পাচ্ছে না। যে বাংলার চিত্র জগতের প্রবাদপ্রতিম সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, ঋত্বিক ঘটক, উত্তম কুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সুচিত্রা সেন এর মতো তারা-রা সারা ভারত বর্ষের আকাশকে আলোকিত করে ছিলো সেই বাংলা সিনেমাকে বাংলার সিনেমা হলে জায়গা দেওয়া হচ্ছে না! জায়গা পেলেও প্রাইম টাইমে জায়গা দেওয়া হচ্ছে না। হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বলিউডি সিনেমার কাছে বাংলা সিনেমার পেরে ওঠা সম্ভব নয়। তাই বাংলা সিনেমাকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারি নিয়ম ও সাহায্য খুবই প্রয়োজন।দক্ষিণ ভারত ও মহারাষ্ট্রের মত রাজ্যগুলোতে এ-বেপারে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নেয়। নানা রাজ্যে প্রাইম টাইমে সেই রাজ্যের সিনেমা দেখানো বাধ্যতামূলক। বাংলাতেও একই নিয়ম কার্যকর করার দাবি করা হয়েছে। নিজের মাটিতেই কেন বঞ্চিত হবেন অভিনেতা-অভিনেত্রী- পরিচালক ও কলাকুশলীরা?বাংলার সমস্ত সিনেমা হলে প্রতিদিন প্রাইম টাইমে ৫০ শতাংশ স্লটে বাংলা সিনেমা দেখানো বাধ্যতামূলক করা হোক এমনই আবেদন করজোড়ে বাংলা পক্ষ-র তরফে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি পাঠানো হচ্ছে।বাংলার সব সিনেমা হলে প্রাইম টাইমে বাংলা সিনেমা দেখানো বাধ্যতামূলক করতে হবে- এই দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা বাংলা পক্ষ-র চিঠিতে সই করলেন বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক অরিন্দম শীল, অরিন্দম ভট্টাচার্য, শৈবাল মিত্র, জেনি দীপায়ন, অমিতাভ ভট্টাচার্য, সৌম্য সেনগুপ্ত এবং অভিনেতা রজতাভ দত্ত, স্বনামধন্য পরিচালক গৌতম ঘোষও। প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য, অয়ন চক্রবর্তীও সই করেছেন। বাংলা পক্ষের তরফ থেকে জানানো হয় আরও অনেক বিশিষ্ট মানুষ এই চিঠিতে সই করবেন।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Beengal-Perosevic : এসসি ইস্টবেঙ্গলের নতুন কোচ কে হলেন?‌ রেফারিকে মেরে ৫ ম্যাচ নির্বাসিত পেরোসেভিচ

দুই পক্ষের সমঝোতার ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে পদত্যাগ করেছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ মানোলো দিয়াজ। বেশ কয়েকজন কোচের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। এলকো শাতোরি, ফিলিপ ডিরাইডার, মারিও রিবেরো, আলেজান্দ্রো মেন্ডেজদের নাম নিয়ে আলোচনা চলছে। নতুন কোচের সঙ্গে চুক্তি করতে কয়েকদিন সময় লাগবে। তারপর কোয়ারেন্টিন পর্ব মিটিয়ে দলের দায়িত্ব নিয়ে আরও কয়েকটা দিন কেটে যাবে। এই পরিস্থিতিতে দলের সহকারী কোচ রেনেডি সিংকে অন্তর্বতী কোচ হিসেবে দায়িত্ব দিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তাঁকে সাহায্য করবেন ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকা মৃদুল ব্যানার্জি। মানোলো দিয়াজ পদত্যাগ করার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। লালহলুদে যোগ দেওয়ার সময় সহকারী হিসেবে স্পেনেরই অ্যাঞ্জেল পাবলো গার্সিয়াকে নিয়ে এসেছিলেন মানোলো দিয়াজ। তিনিও পদত্যাগ করেছেন। দুজনই এখন দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন। দুই কোচের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের সিইও শিবাজি সমাদ্দার। ক্লাবের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেছেন, চলতি মরশুমে অবদানের জন্য হোসে ও অ্যাঞ্জেলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ওদের জন্য শুভকামনা রইল।মানোলো দিয়াজ পদত্যাগ করে ক্লাব কর্তাদের স্বস্তি দিলেও আরও বড় অস্বস্তিতে পড়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। আন্তোনীয় পেরোসেভিচকে ৫ ম্যাচের জন্য নির্বাসিত করেছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। সঙ্গে ১ লক্ষ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্তে অখুশি হয়ে তাঁকে সরাসরি ধাক্কা মেরেছিলেন পেরোসেভিচ। রেফারি তাঁকে লালকার্ড দেখান। ২৪ জানুয়ারি হায়দরাবাদ এফসি ম্যাচে তিনি খেলতে পারেননি। অর্থাৎ এক ম্যাচ নির্বাসিত ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে। এখনও ৪ ম্যাচ মাঠের বাইরে কাটাতে হবে। তবে এই শাস্তির বিরুদ্ধে আবেদন করতে পারবেন পেরোসেভিচ। ১০ দিনের মধ্যে তাঁকে আবেদন করতে হবে। একেই আইএসএলে এখনও জয় নেই। তার ওপর পেরোসেভিচের নির্বাসন। এসসি ইস্টবেঙ্গলে একমাত্র পেরোসেভিচই ভাল খেলছিলেন। তিনি না থাকলে সমস্যায় পড়তে হবে। সব মিলিয়ে কঠিন সমস্যায় লালহলুদ শিবির।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal-Manolo Diaz : অবশেষে হাবাসের পথ অনুসরণ দিয়াজের, চাপে পড়ে পদত্যাগ করলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ

যাবতীয় জল্পনাকল্পনার অবসান। এসসি ইস্টবেঙ্গলের কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন মানোলো দিয়াজ। সোমবার রাতে তিনি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন। তার মধ্যে অন্যতম ছিল আর্থিক ক্ষতিপূরণের বিষয়টি। দুই পক্ষ সমঝোতায় আসায় ক্ষতিপূরণের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়। মঙ্গলবার সকালে সরকারিভাবে তাঁর সরে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেন এই স্প্যানিশ কোচ। রীতিমতো চাপে পড়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হলেন মানোলো দিয়াজ। আদৌও এই মরশুমে এসসি ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে খেলবে কিনা তা নিয়ে দীর্ঘদিন টালবাহনা চলছিল। একেবারে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করতে নেমেছিলেন ক্লাব কর্তারা। আগের মরশুমে খেলা বিদেশিরা দীর্ঘদিন অপেক্ষা করার পর অন্য ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হন। আগের মরশুমের কোচ রবি ফাউলারের সঙ্গে দুবছরের চুক্তি ছিল এসসি ইস্টবেঙ্গলের। কিন্তু ক্লাবের সঙ্গে বিনিয়োগকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের চুক্তি নিয়ে টালবাহনা চলায় তিনি অন্য ক্লাব বেছে নেন। অগত্যা বাধ্য হয়ে নতুন কোচের সন্ধানে নেমে পড়েন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। শেষ পর্যন্ত স্পেনের মানোলো দিয়াজকে কোচ করে নিয়ে আসেন। দিয়াজের পছন্দমতো বিদেশি ও সাপোর্ট স্টাফও নেন লালহলুদ কর্তারা। তাসত্ত্বেও এবারের আইএসএলে এখনও জয় অধরা এসসি ইস্টবেঙ্গলের।মানোলো দিয়াজের চাকরি যে যাবে, ইঙ্গিতটা আগেই ছিল। টানা ৮ ম্যাচে দলকে জয়ের মুখ দেখাতে পারেননি দিয়াজ। ফুটবলারদের ওপরও নিয়ন্ত্রণ নেই। তাঁর রণনীতি নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। সদস্যসমর্থকদের চাপ বাড়ছিল শ্রী সিমেন্টের কর্তাদের ওপর। কর্তারাও দিয়াজকে রাখতে চাইছিলে না। তাঁকে অপসারণ করা ছিল শুধু সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু আর্থিক কারণে দিয়াজকে ছেঁটে ফেলতে পারছিলেন না কর্তারা। দিয়াজকে মাঝপথে ছেঁটে ফেললে পুরো বছরের বেতন দিতে হত। আবার নতুন কোচকেও বেতন দিতে হবে। সেই কারণে দিয়াজের সঙ্গে রফাসূত্র খুঁজে বার করতে চাইছিলেন কর্তারা। অবশেষে রফাসূত্র বার হওয়ায় দিয়াজ পদত্যাগ করতে রাজি হন। এটিকে মোহনবাগান যেমন চাপে ফেলে আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছিলেন, এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও সেই পথে হাঁটলেন। দিয়াজের পরিবর্তে নতুন কোচ কে হবেন, তা নিয়ে জল্পনা চলছে। লড়াইয়ে রয়েছেন একসময়ে লালহলুদকে কোচিং করানো মারিও রিভেরা। কোয়েসের সময়ে তিনি আলেজান্দ্রো মেন্ডেজের সহকারী ছিলেন। এছাড়া এলকো শাতোরি, ফিলিপ ডিরাইডারের নামও মাথায় রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। দুএকদিনের মধ্যেই নতুন কোচ চূড়ান্ত হয়ে যাবে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Bangla Pokkho: বাংলা পক্ষর আন্দোলনে বড় সাফল্য, পোস্ট অফিসে পাওয়া যাবে বাংলা ভাষায় পরিষেবা

বাংলা পক্ষ-র পশ্চিম বর্ধমান জেলার লড়াইয়ের ফলে বড়ো সাফল্য এল। এখন থেকে পোস্ট অফিসে বাংলা ভাষায় পরিষেবা পাওয়া যাবে। বাংলা পক্ষ কিছুদিন আগেই আসানসোল ও রানিগঞ্জ পোস্ট অফিসে ডেপুটেশন জমা দেয়। আজ পোস্ট বিভাগ বাংলায় পরিষেবা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে রানিগঞ্জ শাখার সম্পাদক দীপায়ন মুখার্জী, আসানসোল উত্তর শাখার সম্পাদক ঋষিক গাঙ্গুলি এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলা সম্পাদক অক্ষয় বন্দ্যোপাধ্যায়।সমস্ত ব্যাংক, পোস্ট অফিস এবং বীমা পরিষেবায় বাংলা চাই, এই দাবিতে বাংলা পক্ষ-র লড়াই চলছে বাংলা জুড়ে। বাংলা পক্ষর পশ্চিম বর্ধমান জেলার এই সাফল্য, পুরো বাংলা পক্ষ সংগঠনকে আরও উজ্জীবিত করবে লড়াইয়ের ময়দানে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : বাতিল ফুটবলারকে আবার দলে নিতে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল!‌ কে সেই ফুটবলার?‌

বাতিল ফুটবলারকে আবার দলে নিতে চলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল! তেমনই সম্ভাবনা তৈরি করেছেন লালহলুদ কর্তারা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে দলবদলের দ্বিতীয় উইন্ডোতে জেজে লালপেকলুয়াকে সই করাতে পারে এসসি ইস্টবেঙ্গল। আক্রমণভাগকে সামাল দিতে মণিপুরের এই স্ট্রাইকারের দিকে হাত বাড়িয়েছেন কর্তারা। প্রায় বানপ্রস্থে যাওয়া এই ফুটবলারকে নিয়ে আদৌও সমস্যা মিটবে কিনা তা নিয়ে সদস্যসমর্থকদের মধ্যে সন্দেহ রয়েছে।গতমরশুমে অনেক আশা নিয়ে তাঁকে সই করিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রাক মরশুম প্রস্তুতিতেও যোগ দিয়েছিলেন একসময় ভারতীয় ফুটবল কাঁপানো মণিপুরের এই স্ট্রাইকার। তাঁকে ধরেই দল সাজিয়েছিলেন গত মরশুমের কোচ রবি ফাউলার। অনেক ম্যাচেই জেজেকে সুযোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু একেবারেই সুবিধা করতে পারেননি। গত মরশুমের পারফরমেন্স দেখে এই মরশুমে জেজের কথা আর ভাবেননি কর্তারা। অন্য কোনও দলেও সুযোগ পাননি জেজে। তাঁকে নিতে গেলে ট্রান্সফারের জন্য বাড়তি টাকাও খরচ করতে হবে না এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। তাই জেজেকে দলে নিতে তৎপর। তাঁর সঙ্গে আলোচনা চলছে।জেজে ছাড়াও আরও কয়েকজন ফুটবলারের খোঁজে রয়েছেন লালহলুদ কর্তারা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন গত মরশুমে লালহলুদে খেলে যাওয়া ব্রাইট এনবাখারে। ব্রাইটের জন্য আইএসএলের আরও দুটি দল ঝাঁপিয়েছে। তবে লালহলুদ কর্তারা আশাবাদী ভারতে খেললে ব্রাইট এসসি ইস্টবেঙ্গলেই খেলবেন। ফ্রানিও পর্চেকে রাখা নিয়েও দ্বিধায় লালহলুদ কর্তারা। চোটের জন্য এখনও তিনি মাঠে নামতে পারেননি। পুরো ফিট হয়ে কবে মাঠে নামতে পারবেন, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। তবে আর এক বিদেশি সিডোয়েল চোট সারিয়ে অনুশীলনে নেমেছেন। দ্বিতীয় পর্বের শুরু থেকেই তাঁকে পাওয়া যাবে। জ্যাকিচাঁদ সিং, অঙ্কিত মুখার্জিদেরও দ্বিতীয় পর্বের শুরু থেকেই পাওয়া যাবে।এদিকে, কোচ মানোলো দিয়াজকে রাখা হবে কিনা তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আর্থিক ক্ষতিপূরণের বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে কর্তাদের এখনও আলোচনা চলছে। বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে গেলেই মানোলোকে ছেড়ে দেওয়া হবে। এসসি ইস্টবেঙ্গল দ্বিতীয় পর্বে ৪ জানুয়ারি খেলতে নামবে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে। তার আগেই বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যাবে।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Tonic : 'টনিক' নিয়ে তারকাদের মতামত

আজ বড়দিন। টলিউড সুপারস্টার দেবের জন্মদিন। তার জন্মদিনের আগের দিন অর্থাৎ ২৪ ডিসেম্বর মুক্তি পেল ইচ্ছেপূরণের গল্প টনিক। টনিক নিয়ে কোন তারকা কি বললেন শুনে নিন।রুক্মিনী মৈত্রঃ আমার টনিক দেখার পর মনে হয়েছে দেবের সঙ্গে যদি শ্রেষ্ঠ কারোও জুটি হয় সেটা পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সৌমিলী বিশ্বাসঃ নতুন বছরের একটা বড় উপহার আমাদের সকলের কাছে। অনেকদিন পর বাংলা সিনেমায় মন খুলে হাসলাম। খুব ভালো লাগলো এবং অসাধারণ অভিনয় দেখলাম পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, দেব, শকুন্তলা বড়ুয়া প্রত্যেকেরই।রাজা চন্দঃ প্রথম কথা আমার একটা এক্সপেক্টেশন ছিল। সেটা ছাপিয়ে গেল টনিক। অভিজিতের জন্য শুভেচ্ছা। দেবের এই পারফরম্যান্স। পরাণদা অসাধারণ। আমার মনে হয় সমস্ত বাঙালির ছুটে এসে টনিক দেখা উচিৎ।ঈশা সাহাঃ ভালো লেগেছে যেরকম এক্সপেক্টেশন নিয়ে এসেছিলাম সেটা পূরণ হল। পরাণ দা-দেবের যে বন্ডিংটা দেখতে পেয়েছি সেটা ভীষণ ভালো। বেশ কিছু মজার মুহূর্ত দেখেছি। সব মিলিয়ে মজার ছবি, খুব পজিটিভ ছবি। আমি সিওর সবার খুব ভালো লাগবে।বাবুল সুপ্রিয়ঃ এক্সিলেন্ট অভিনয় দুজনের। তার মধ্যে স্ট্রং সোসাইটির জন্য মেসেজ আছে। বাবা-মায়ের প্রতি ভালোবাসা এবং এজ ইস জাস্ট আ নাম্বার। যতটা তারা চায় ততটাই আতদের দেওয়া যেতে পারে এই স্ট্রং মেসেজটা খুব সুন্দর করে দেওয়া হইয়েছে।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Tonic : 'টনিক' নিয়ে জনতার কথায় পরিচালক অভিজিৎ সেন

মুক্তি পেল টনিক। ইচ্ছেপূরণের গল্প নিয়ে এই ছবি। বড়পর্দায় পরিচালক অভিজিৎ সেনের এটা প্রথম কাজ। তাই টনিক নিয়ে খুব এক্সাইটেড তিনি। প্রিমিয়ারের দিন তাঁর কথাতেই উঠে এল সেই এক্সাইটমেন্ট।জনতার কথাঃ তোমার এটা ফার্স্ট ফিচার ফিল্ম। কেমন লাগছে? অভিজিৎঃ দারুণ লাগছে। টনিক আজ সিনেমাহলে মুক্তি পেল। এটা স্বাভাবিকভাবেই যেকোনো পরিচালকের বা প্রযোজকের,অভিনেতা-অভিনেত্রী বা কলাকুশলীর যারা টনিক সিনেমার সঙ্গে যুক্ত বা যেকোনো সিনেমার সঙ্গে যুক্ত তাদের ছবি রিলিজ হলে আলাদা একটা উত্তেজনা কাজ করে। মানুষ কেমনভাবে তাদের ছবিটা পছন্দ করছে সেটা ডেফিনেটলি তারা জানতে চায়। সেদিক থেকে আমিও খুব উৎসাহী। মানুষ ছবিটা কতটা ভালোবাসছে বা ছবিটা থেকে কতটা এন্টারটেন হচ্ছে সেটা দেখার জন্য। টনিক একটা ফ্যামিলি ফিল্ম। টনিক পরিবারের সবাই একসাথে বসে হইহই করে দেখার ছবি, মজার ছবি।জনতার কথাঃ পরাণ দা ও দেবের কেমিস্ট্রি নিয়ে কি বলবে?অভিজিৎঃ পরাণ দা ও দেবের অসাধারণ কেমিস্ট্রি এখানে দর্শকরা দেখতে পাবেন। সেটা সিনেমাহলে অলরেডি যে সকল দর্শক দেখেছেন এক কথায় বলছেন অসাধারণ। আমার খুবই ভালো লাগছে প্রথম দিনেই সাধারণ মানুষরা অনেক এনজয় করছেন। জনতার কথাঃ আজকে কি পরিচালক তাহলে লটারি জিতে গেল?অভিজিৎঃ সাধারণ মানুষ যখন আমাদের কাজ ভালোবাসেন, আশীর্বাদ করেন তখন আমাদের পরিশ্রম আর পরিশ্রম থাকে না। সেটাই আমাদের উৎসাহিত করে আরও ভালো কিছু করার জন্য। ল্টারি তো টনিক অলরেডি জিতে গেছে। কিন্তু আমরা চাইব সবাই মিলে সিনেমাহলে আসুন, সিনেমা দেখুন। আর একটা কথা বলবো বাঙালি ভ্রমণ ভালোবাসে। সেই ভ্রমণের একটা ভালো জায়গা আমরা তুলে ধরেছি এই টনিকে।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Pavel : ওজন কমিয়ে অন্য এক পাভেল

কলকাতার পরিচালকদের মধ্যে বর্তমানে একটি পরিচিত নাম পাভেল। বাবার নাম গান্ধীজি, রসোগোল্লা ছবির পরিচালকের হাতে বর্তমানে অনেক প্রোজেক্ট। তাঁর আসন্ন দুটি ছবি মন খারাপ ও কলকাতা চলন্তিকা। এই দুটি ছবিতে শুধু পরিচালনাই নয়, এর পাশাপাশি অভিনয় করতেও দেখা যাবে তাঁকে। আর তার জন্য রোগাও হয়েছেন।কলকাতার চলন্তিকা করতে কোনও অসুবিধা হয়নি জানিয়েছেন পাভেল। তবে মন খারাপ এর জন্য প্রায় ২৭ কেজির মতো ওজন ঝরিয়েছেন পরিচালক। ফলে যারা পাভেল কে এতদিন ধরে চেনেন তারা অন্য পাভেলকে দেখতে পাবেন। পাভেল তাঁর চরিত্র প্রসঙ্গে কলকাতার এক সংবাদমাধ্যম কে জানিয়েছেন, কলকাতা চলন্তিকার ক্যারেক্টারটা মন খারাপ-এর থেকে তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু চরিত্রটা আমার খুব প্রিয় এবং পছন্দের। তার অন্যতম কারণ চরিত্রটি একজন কবির। যেহেতু আমি ছোটবেলা থেকে লিটল ম্যাগাজিনের সঙ্গে যুক্ত এবং কবিতা লিখি, তাই আমি আমার সেই পুরনো বইমেলার দিনগুলোয় ফিরে যেতে পেরেছিলাম। তবে মন খারাপ-এর রোলটা একটু আলাদা। চরিত্রটা নিয়ে আপাতত বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়। তবে চরিত্র আর আমার মধ্যে একটাই মিল রয়েছে। আমরা দুজনেই একটু রাগচটা।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 26
  • 27
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • ...
  • 51
  • 52
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ভারতের বিশ্বজয় মানতে পারছেন না অনেকে! প্রতিবেশী দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া

ভারত আবার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জেতার পর দেশজুড়ে শুরু হয়েছে আনন্দ উৎসব। বিভিন্ন জায়গায় ফাটছে বাজি, চলছে উদযাপন। কিন্তু প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে এই জয় নিয়ে শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে অনেকেই ভারতের এই সাফল্য নিয়ে সমালোচনা করছেন, আবার কেউ কেউ প্রশংসাও করেছেন।বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশ দলের ভারতে আসা নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছিল। নানা আলোচনার পরও তারা শেষ পর্যন্ত অংশ নিতে রাজি হয়নি বলে খবর ছড়ায়। অনেকেই মনে করেন, সে সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবই এর পেছনে কাজ করেছিল।অন্যদিকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকেও ভারত ম্যাচ নিয়ে নানা মন্তব্য করা হয়েছিল। এমনকি এক সময় ভারত ম্যাচ বয়কট করার কথাও শোনা গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি খেলা হয় এবং পাকিস্তান সেই ম্যাচে পরাজিত হয়।পাকিস্তানের কিছু প্রাক্তন ক্রিকেটারও টুর্নামেন্ট চলাকালীন ভারতের সমালোচনা করেছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মহম্মদ আমির। তিনি একাধিকবার বলেছিলেন, ভারত নাকি এই বিশ্বকাপ জিততে পারবে না।কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে ভারত টানা দ্বিতীয় বার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জিতে নেয়। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে একপেশে ভাবে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় দল।এই জয়ের পর পাকিস্তানের প্রাক্তন দ্রুতগতির বোলার শোয়েব আখতার একটি মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, ভারতের আচরণ নাকি এমন, যেন ধনী পরিবারের ছেলে গরিব ছেলেকে খেলতে ডাকে এবং শেষে নিজেই জিতে যায়। তিনি দাবি করেন, এই ভাবে ক্রিকেটের ক্ষতি হচ্ছে।অন্যদিকে মহম্মদ আমিরও ভারতের জয়ের পর প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, ভারত জিতেছে, ট্রফি তাদের দেশেই যাবে। তবে তা তাঁর বাড়িতে তো আসবে না।তবে সব প্রতিক্রিয়া সমালোচনামূলক ছিল না। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ভারতের সাফল্যকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ভারত যোগ্য দল হিসেবেই এই বিশ্বকাপ জিতেছে এবং তিনি তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।তবে তাঁর এই পোস্টের নিচে অনেকেই পুরনো একটি ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন। প্রায় দশ বছর আগে এক বিশ্বকাপে ভারত পরাজিত হলে সামাজিক মাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। সেই পুরনো প্রসঙ্গও আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে।ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের পর তাই শুধু আনন্দই নয়, প্রতিবেশী দেশগুলিতেও এই সাফল্য ঘিরে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

সুপ্রিম কোর্টে যাওয়া কি অপরাধ? কমিশনের বৈঠকের পর প্রশ্ন তৃণমূলের

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠককে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁদের কথা শুনতেই চাননি। উল্টে তাঁদের উপর চিৎকার করেছেন বলেও দাবি করেছেন দলের প্রতিনিধিরা।এর আগেও দিল্লিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, নির্বাচন কমিশন তাঁদের বক্তব্য শুনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। এবার কলকাতাতেও প্রায় একই অভিযোগ তুলল তৃণমূল।পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই শীর্ষ আদালতে একাধিক মামলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও এই বিষয়ে আদালতে গিয়েছিলেন। সোমবার কলকাতায় রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সেই বৈঠকে নাকি বারবার শীর্ষ আদালতের মামলার প্রসঙ্গ তুলেছেন তিনি।সূত্রের খবর, কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার সময়ও জ্ঞানেশ কুমার বলেন, যখন আপনারা শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তখন আবার ষাট লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁকে কেন প্রশ্ন করা হচ্ছে।পরে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের সময়ও একই প্রসঙ্গ তোলেন তিনি বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দাবি, শীর্ষ আদালতে মামলা করার বিষয়টি নিয়ে কমিশনার নাকি রীতিমতো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং উচ্চস্বরে কথা বলেন।সোমবার তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে চন্দ্রিমা বলেন, তাঁদের বক্তব্য শোনার পরিবর্তে কমিশনার উল্টে চিৎকার করেছেন।চন্দ্রিমার অভিযোগ, বৈঠকে বারবার বলা হয়েছে যে তাঁরা শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শীর্ষ আদালতে যাওয়া তাঁদের অধিকার। মানুষের স্বার্থে তাঁরা সেখানে গিয়েছেন এবং তাতে কোনও ভুল নেই।তিনি আরও বলেন, যদি সব বিষয়ই আদালতে রয়েছে, তাহলে তাঁদের বৈঠকে ডাকার প্রয়োজন কী ছিল। ডাকা হলে অন্তত তাঁদের বক্তব্য শোনা উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই বৈঠক এবং তার পরের অভিযোগ রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ধর্মতলায় উত্তেজনা, ধরনা মঞ্চের কাছে লিফলেট বিতরণ নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ মমতার

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়ার অভিযোগে ধর্মতলায় ধরনায় বসেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আন্দোলনের চতুর্থ দিনে ধরনা মঞ্চ থেকেই বিজেপির বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন তিনি। তাঁর দাবি, ধরনা মঞ্চের আশেপাশে বিজেপির পক্ষ থেকে লিফলেট বিলি করা হচ্ছে।সোমবার সকালে ধরনা মঞ্চ থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিজেপি এজেন্সির মাধ্যমে এই কাজ করাচ্ছে। তিনি দলের নেতা কর্মীদের নির্দেশ দেন, যারা এই লিফলেট বিলি করছে তাদের হাতেনাতে ধরতে হবে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ধরনা মঞ্চের আশেপাশে বিজেপির লিফলেট বিলি করা হচ্ছে। যারা এই কাজ করছে তাদের ধরতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজাকে নির্দেশ দেন দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এই জায়গায় এমন কাজ করার কোনও অধিকার তাদের নেই। অন্যায় হলে তার প্রতিবাদ করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আন্দোলনে উপস্থিত নেতা কর্মীদের সতর্ক থাকতে বলেন এবং আশেপাশের এলাকা নজরে রাখতে নির্দেশ দেন। তাঁর কথায়, যারা এই কাজ করেছে তারা হয়তো পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তাই দ্রুত তাদের খুঁজে বের করতে হবে।এরপর ধর্মতলা চত্বরে খোঁজ চালানো হলে একজনকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে বলে জানা যায়। এলাকার একটি দোকান থেকে বিজেপির ব্রিগেডে যাওয়ার আহ্বান জানানো লিফলেট উদ্ধার হয়েছে বলেও সূত্রের খবর।উল্লেখ্য, ভোটার তালিকা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই ধর্মতলায় এই ধরনা চালিয়ে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রাতেও ধরনা মঞ্চেই থাকছেন। এদিন বিকেলে ধরনা মঞ্চে আসার কথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।ভোটের আগে এই আন্দোলন ও নতুন অভিযোগ ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

কমিশনের বৈঠকেই চরম উত্তেজনা, চিৎকার করে কথা বললেন জ্ঞানেশ কুমার? বিস্ফোরক অভিযোগ চন্দ্রিমার

ভোটার তালিকা ও এসআইআর ইস্যু ঘিরে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকেই তৈরি হল তীব্র উত্তেজনা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুললেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সোমবার নিউটাউনে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম এবং রাজীব কুমার। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সামনে এই অভিযোগ করেন চন্দ্রিমা।তিনি দাবি করেন, বৈঠকে তাঁদের কথা শোনার পরিবর্তে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিজেই একটানা কথা বলেছেন। চন্দ্রিমার অভিযোগ, কোনও বক্তব্য শোনার আগ্রহ না দেখিয়ে জ্ঞানেশ কুমার শুধু চিৎকার করেই কথা বলছিলেন।সোমবার দুপুর প্রায় বারোটা দশ মিনিট নাগাদ তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বৈঠকের শুরুতেই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য অনুরোধ করেন, যেন কোনও বৈধ ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চাননি জ্ঞানেশ কুমার।চন্দ্রিমা জানান, কমিশনার একাই কথা বলছিলেন। কিছুক্ষণ পর তিনি নাকি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং বলেন, আপনারা তো শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন, আর কিছু বলার নেই। অন্য জায়গায় সব কিছু ঠিক হয়ে গিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এই প্রসঙ্গে চন্দ্রিমা প্রশ্ন তোলেন, শীর্ষ আদালতে যাওয়া কি কোনও অপরাধ। তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে আদালতে যাওয়ার অধিকার সবারই আছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বৈঠকের সময় তাঁকে চুপ করতে বলা হয় এবং বলা হয় চিৎকার না করতে। চন্দ্রিমার কথায়, একজন মহিলার সঙ্গে এভাবে কথা বলা মানে মহিলাদের প্রতি সম্মানের অভাব দেখানো।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্যেও গরমিল রয়েছে। কিন্তু সেই বিষয়েও তাঁদের বক্তব্য শোনার আগ্রহ দেখাননি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।বৈঠক শেষে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ফিরহাদ হাকিমও। তিনি বলেন, বিজেপি রাজ্যে অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গা নিয়ে একটি ধারণা তৈরি করেছে। কিন্তু বাস্তবে কতজনকে চিহ্নিত করা গেছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।ফিরহাদের অভিযোগ, এই অজুহাতে সাধারণ মানুষকে অযথা হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। হাজার হাজার মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, যদি কোথাও ভুল হয়ে থাকে, তবে নির্বাচন কমিশনের উচিত তা স্বীকার করা এবং নিশ্চিত করা যে কোনও ভারতীয় নাগরিকের ভোটাধিকার যেন খর্ব না হয়।তিনি আরও দাবি করেন, নাগরিকদের অধিকার রক্ষার জন্যই তাঁরা শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন। আদালতে যাওয়ার আগে বহুবার নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছিল বলেও জানান তিনি। কিন্তু তখন বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন।এদিন নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বামফ্রন্ট, বিজেপি এবং কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও বৈঠক করেন। তাঁদের পক্ষ থেকেও ভোট এক বা সর্বাধিক দুই দফায় করার দাবি জানানো হয়েছে। ভোটের আগে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে এই উত্তপ্ত বৈঠক রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ, দিনহাটায় অনশনে বসলেন উদয়ন গুহ

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও জোরদার করল তৃণমূল কংগ্রেস। কলকাতায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কমিশনের বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন, তখন একই ইস্যুতে কোচবিহারের দিনহাটায় গণ অনশনে বসলেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ। সোমবার তাঁর নেতৃত্বে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে।উদয়ন গুহ অভিযোগ করেছেন, বিজেপির ইঙ্গিতে নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিচ্ছে। অনেক ভোটারের নাম আবার অমীমাংসিত তালিকায় রেখে দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির প্রতিবাদেই দিনহাটায় গণ অনশন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।মন্ত্রী বলেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নামে বহু ভোটারের নাম অমীমাংসিত তালিকায় রাখা হয়েছে। সীমান্তবর্তী দিনহাটায় ইতিমধ্যেই বহু মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তার উপর আরও বহু নাম এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।জেলার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে দুই লক্ষ সাতত্রিশ হাজারেরও বেশি নাম। এত বিপুল সংখ্যক ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানিয়েছেন উদয়ন গুহ।অনশন শুরু করার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কলকাতায় দলের নেতা কর্মীরা অবস্থান করছেন। বিজেপির চাপে পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন সাধারণ ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে অথবা তাঁদের নাম বিচারাধীন অবস্থায় রেখে মানসিক চাপ তৈরি করছে। বিচারাধীন তালিকার নিষ্পত্তি কবে হবে, সে বিষয়ে কমিশন স্পষ্ট করে কিছু জানাচ্ছে না। সেই কারণেই দিনহাটায় এই গণ অনশন শুরু করা হয়েছে।বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ করে তিনি বলেন, একটি গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। তাই তাদের সবচেয়ে নিরপেক্ষ হওয়া উচিত। কিন্তু তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এত পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন কমিশন তিনি কখনও দেখেননি বলেও দাবি করেন।উদয়ন গুহর অভিযোগ, বিজেপির সুবিধা হবে কি না সেই দিকেই নজর রেখে কমিশন কাজ করছে। তবে তিনি বলেন, বাংলার মানুষ অনেক বেশি সচেতন। এই ধরনের চক্রান্তকে কীভাবে প্রতিহত করতে হয় তা বাংলার মানুষ জানে।রোহিঙ্গা ও অনুপ্রবেশকারীদের প্রসঙ্গ তুলে বিজেপি যে দাবি করছে, সেই প্রসঙ্গেও প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন উদয়ন গুহ। তিনি বলেন, যাঁরা এই দেশে জন্মেছেন তাঁদের ভোটাধিকার রক্ষা করতে হবে। যদি সত্যিই রোহিঙ্গা বা অনুপ্রবেশকারী পাওয়া যায়, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু সেই অজুহাতে সাধারণ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া চলবে না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, যেখানে বিজেপি দুর্বল সেখানে পরিকল্পনা করে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই তাঁদের আন্দোলন। অনশন কতক্ষণ চলবে, সেই প্রশ্নের উত্তরে উদয়ন গুহ বলেন, শরীরে যতক্ষণ শক্তি থাকবে ততক্ষণ তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন। ভোটের আগে ভোটার তালিকা ঘিরে এই বিতর্ক ও আন্দোলন রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় দাবি বিরোধীদের! বাংলায় এক দফায় ভোট চাইল বাম ও বিজেপি

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দামামা কার্যত বেজে গিয়েছে। এখন অপেক্ষা শুধু ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার। তার আগেই নির্বাচন প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে এসেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার সহ কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধিদল। সোমবার সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শুরু হয়েছে।এই বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলেছে রাজনৈতিক দলগুলি। বামফ্রন্ট এবং বিজেপি দুপক্ষই বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে।দিনের শুরুতেই বিজেপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। বিজেপির প্রতিনিধি দলে ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিশির বাজোরিয়া বলেন, রাজ্য পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। তাই প্রতিটি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার দাবি কমিশনের কাছে জানানো হয়েছে।তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় এলেও তাদের তৎপরতা চোখে পড়ছে না। অনেক জায়গায় রুট মার্চও দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। সেই বিষয়ে কমিশনের নজর দেওয়া প্রয়োজন বলেও জানান।বিজেপির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, প্রতিটি বুথে ওয়েব ক্যামেরা সহ সমস্ত নজরদারি ব্যবস্থা রাখা হোক। পাশাপাশি নির্বাচন যেন খুব বেশি দফায় না করা হয় সেই অনুরোধও জানানো হয়েছে। বিজেপি চায়, বাংলায় সাত বা আট দফার বদলে এক বা সর্বাধিক দুই দফায় নির্বাচন হোক।অন্যদিকে বামফ্রন্টের প্রতিনিধিরাও এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে বাম প্রতিনিধিদল কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে। বৈঠক শেষে সেলিম জানান, তারাও বাংলায় এক দফায় ভোট করার দাবি জানিয়েছেন। তবে প্রয়োজনে সর্বাধিক দুই দফায় ভোট হলেও তাদের আপত্তি নেই।তিনি আরও বলেন, প্রায় ষাট লক্ষ ভোটারের নাম নিয়ে যে বিষয়গুলি এখনও বিচারাধীন রয়েছে, তা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। সেই প্রক্রিয়া শেষ করে সম্পূর্ণ ভোটার তালিকা প্রকাশ করার দাবি জানানো হয়েছে। যাদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাদের নতুন করে সুযোগ দেওয়ার কথাও কমিশনকে বলা হয়েছে।এদিকে এসআইআর ইস্যু ঘিরে উত্তেজনার আবহেই এদিন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং রাজীব কুমার।বৈঠক শেষে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, নিরপেক্ষ সংস্থা হিসেবে নির্বাচন কমিশনের উপর তাদের আস্থা রয়েছে। তবে সেই নিরপেক্ষতা সবসময় দেখা যাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।তিনি আরও জানান, ভোটার তালিকা সংক্রান্ত যে অভিযোগগুলি উঠছে, সেগুলি সমাধানের জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফর্ম ছয় এবং ফর্ম সাত সংক্রান্ত তথ্য বিভ্রাট নিয়েও তারা কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।তৃণমূলের পক্ষ থেকে কমিশনকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি বলেও তারা উল্লেখ করেছে।ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে কমিশনের এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, সরাসরি শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ! নতুন করে বিতর্কে এসআইআর

নিজস্ব সংবাদদাতা: ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়ল। এসআইআর ইস্যুতে আবারও শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হলেন একদল আবেদনকারী। সোমবার কলকাতায় যখন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন, ঠিক সেই সময় দিল্লিতে শীর্ষ আদালতে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।যাঁদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের পক্ষ থেকেই এই মামলা করা হয়েছে। তাঁদের হয়ে আইনজীবী হিসেবে আবেদন করেছেন মেনকা গুরুস্বামী। তিনি দ্রুত শুনানির আবেদনও জানিয়েছেন।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে এই আবেদন করা হয়। শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাধারণত সরাসরি আবেদন করা যায় না। তখন আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী আদালতে জানান, আবেদনকারীদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তাঁদের জমা দেওয়া নথিও গ্রহণ করা হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।আদালত জানিয়েছে, মঙ্গলবার এসআইআর সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই আবেদনটিও শোনা হবে।এদিকে রবিবার রাতেই কলকাতায় পৌঁছেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। সোমবার সকাল থেকেই তিনি একে একে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। বামফ্রন্ট, বিজেপি, কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আলোচনা হয়েছে।বৈঠকে বিভিন্ন দল নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। সূত্রের খবর, আলোচনার সময় বারবার শীর্ষ আদালতের প্রসঙ্গ তুলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের সময় জ্ঞানেশ কুমার নাকি বলেন, আপনারাই যখন শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন, তখন আবার ষাট লক্ষ মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন।তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও কমিশনের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল নেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, ভোটার তালিকায় যে অসঙ্গতি রয়েছে তা এখনও পুরোপুরি সংশোধন করা হয়নি। আনম্যাপড ভোটারদের বিষয়েও স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁদের পক্ষ থেকে কমিশনকে জানানো হয়েছে, কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকা থেকে বাদ না যায়।চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য আরও দাবি করেন, এই বিষয়গুলি শুনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বলেন, আপনারা তো শীর্ষ আদালতে গিয়েছেন।ভোটের আগে এসআইআর ইস্যু ঘিরে এই আইনি ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করেছে।

মার্চ ০৯, ২০২৬
দেশ

যুদ্ধের আগুনে মধ্যপ্রাচ্য, শান্তির বার্তা ভারতের! রাজ্যসভায় বড় বার্তা জয়শংকরের

মধ্যপ্রাচ্যে চলতে থাকা যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করল ভারত। সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর জানান, আলোচনা এবং কূটনীতির মাধ্যমেই এই সংঘাতের সমাধান সম্ভব। তিনি বলেন, উত্তেজনা কমাতে সব পক্ষেরই সংযম দেখানো এবং আলোচনার পথে এগোনো জরুরি।গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের উপর যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হন। এই ঘটনার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে তেহরানও একাধিক হামলা চালাতে শুরু করে। ইজরায়েলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলিকেও নিশানা করা হয়। এর ফলে গোটা অঞ্চলে উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায়।এই পরিস্থিতি নিয়েই সোমবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। তিনি জানান, ভারত সরকার এই সংঘাত নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সরকার একটি বিবৃতিতে সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়েছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।জয়শংকর বলেন, ভারত মনে করে উত্তেজনা কমানোর একমাত্র পথ হল সংলাপ এবং কূটনীতি। সব পক্ষ যদি আলোচনার পথে এগোয়, তবেই পরিস্থিতি শান্ত করা সম্ভব।বিদেশমন্ত্রী আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোটা পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখছেন। বিভিন্ন মন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে। এই সংকটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তাকে।তিনি বলেন, ইরান এবং আশপাশের দেশগুলিতে থাকা ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তেহরানে থাকা ভারতীয় দূতাবাস সম্পূর্ণভাবে সক্রিয় রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেখানে আটকে পড়া ভারতীয় পড়ুয়াদের দিকেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান বিদেশমন্ত্রী। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।ইরান যুদ্ধের কারণে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বে নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকও হয়েছে। মার্চ মাসের শুরুতে হওয়া ওই বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়েছে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, পরিস্থিতির উপর এখনও নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

মার্চ ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal