• ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ০৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bardhaman

রাজ্য

ভর দুপুরে দুঃসাহসিক চুরি বর্ধমানে

দিন-দুপুরে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসির আসকরন গ্রামে। চুরির তদন্ত শুরু করেছে গলসি থানার পুলিশ। শনিবার দুপুরে আসকরন গ্রামের বাসিন্দা সেখ নুর মহম্মদের বাড়িতে কেউ ছিল না। সেই সুযোগে খিরকীর দরজার পাশ দিয়ে পাঁচিল টপকে বাড়ির ভিতরে ঢুকে দুস্কৃতিরা। কয়েক ভরি সোনার গহনা ও নগদ অর্থ নিয়ে দুস্কৃতিরা চম্পট দেয়। প্রতিবেশীদের অনুমান, এদিন বাড়িতে কেউ না থাকায় দুস্কৃতিরা বাড়ির গ্রীলের চাবি ভেঙে ভিতরে ঢোকে। এছাড়া এদিন বাড়িতে কেউ না থাকায় দুস্কৃতিদের বাড়ির গ্রীলের চাবি ভাঙতে সুবিধা হয়ে যায়। আলমারি ও ডিভান খাটের চাবি ভেঙে জিনিস পত্র বাড়ির মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেয় দুষ্কৃতিরা। সেখানে থাকা নগদ অর্থ ও সোনার গহনা নিয়ে চম্পট তারা দেয়। বাইরে থেকে গ্রীল ও বাড়ির দরজা খোলা দেখে প্রতিবেশিরা গলসি থানায় খবর দেয়। খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ঠিক কত টাকা ও কতটা গহনা চুরি হয়েছে তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। এই চুরির ঘটনায় স্থানীয় মানুশজন আতঙ্কে আছেন।

এপ্রিল ০৩, ২০২২
রাজ্য

এ যেন, জেলা জুড়ে বোমা ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের মেলা চলছে

বর্ধমানের লাকুর্ডি এলাকা থেকে ৪টি বন্দুক, ৮ রাউণ্ড গুলি সহ গ্রেফতার হল এক দুস্কৃতি। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে লাকুর্ডি এলাকা থেকে নাজেম শেখকে গ্রেফতার করে। ধৃতের কাছ থেকে ৩৪ রাউণ্ড গুলিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ধৃত নাজেম শেখ নদীয়া জেলার হাটগাছা এলাকার বাসিন্দা। সে নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ থেকে অস্ত্র নিয়ে এসে বর্ধমানে সাপ্লাই করতো বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। শুক্রবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে তোলা হয়।এর পাশাপাশি লাকুর্ডি এলাকা থেকে তিনটি ব্যাগে ৩৪ টি বোমা ও উদ্ধার করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। গতকাল রাতে এই বোমাগুলি লাকুর্ডি এলাকায় একটি খোলা জায়গায় পরে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ জায়গাটি ঘিরে রেখেছে। খবর দেওয়া হয়েছে বোম স্কোয়াড টিমকে। আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত নাজেম শেখের উদ্ধার হওয়া এই বোমার সাথে কোনো সম্পর্ক আছে কিনা সে বিষয়টাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এপ্রিল ০১, ২০২২
রাজ্য

পেট্রোপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বর্ধমানে রাস্তায় নামলো মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস

রান্নার গ্যাস সহ পেট্রোপণ্যের অস্বাভিক মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে পথে নামলো মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস। আজ বর্ধমান শহরে বর্ধমান দক্ষিন-র বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বে পোষ্টার হাতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদের রাজপথে হাটলো মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যারা।বৃহস্পতিবার বর্ধমান শহরের টাউনহল থেকে শুরু হয়ে বিসি রোড হয়ে রাজবাড়ী পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল করলো তারা। এই মিছিল থেকে রান্নার গ্যাস ও পেট্রোল ডিজেলের দাম প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাওয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারকে ধিক্কার জানানো হয়। অবিলম্বে এই বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করার দাবি তোলা হয়। মিছিল শেষে এদিন একটি পথসভা করা হয়।পথসভাতে বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্ব বলেন, যে হারে জ্বালানি গ্যাসের দাম বেড়ে চেলেছে তাতে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষজন চরম অসুবিধার সন্মুখিন হচ্ছেন। তাঁরা বলেন কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া ভাঁওতা উজালা প্রকল্পের ওভেন ও গ্যাস সিলিন্ডার মানুষের খাটের তলায় স্থান পেয়েছে। অবিলম্বে এই পরিস্থিতি সামাল নে দেওয়া গেলে সাধারণ মানুষ চড়ম বিপাকে পরবে।

মার্চ ৩১, ২০২২
রাজ্য

প্রতিবন্ধী শংসাপত্র না পেয়ে গলসির বিডিওর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন প্রতিবন্ধীরা

প্রতিবন্ধী শংসাপত্র পেতে চাওয়া প্রতিবন্ধীদের হয়রানির শিকার হওয়া বন্ধে প্রশাসনকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু বাস্তবে ঘটে চলেছে ঠিক তার উল্টোটাই। প্রতিবন্ধী শংসাপত্র পাবার জন্য বুধবার প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও অনেক প্রতিবন্ধী সকাল থেকে পূর্ব বর্ধমানের গলসির পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে লাইন দেন। কিন্তু সারাটা দিন লাইনে অপেক্ষমান থেকেও অনেক প্রতিবন্ধী শংসাপত্র পাওয়ার ডাকই পান না। আর তার কারণে এদিন তুমুল অশান্তি বেঁধে যায় পুরসা হাসপাতালে। প্রতিবন্ধী শংসাপত্র না পাওয়ায় জন্য গলসি ১ ব্লক প্রশাসনকে দায়ী করে হাসপাতাল চত্ত্বরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন লাইনে দাঁড়ানো প্রতিবন্ধী ও তাঁদের পরিবার সদস্যরা। বিডিও দেবলীনা দাস দূর হাটো ও হায় হায় স্লোগান তাঁরা দিতে থাকেন। উত্তেজনা চরমে উঠলে গলসি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হাসপাতালে প্রতিবন্ধীদের বিক্ষোভের জন্য প্রশাসনের দিকেই অভিযোগের আঙুল তোলেন গলসির পারাজ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সাজাহান শেখ। তিনি জানান, গলসি ১ ব্লক প্রশাসন থেকে জানানো হয় ব্লকের ৯ টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার প্রতিবন্ধীদের ৩০ মার্চ পুরসা হাসপাতালে আসতে হবে। ব্লক প্রশাসন থেকে এই বার্তা আসার পর প্রতিটি বুথ এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যদের দিয়ে মাইকিং করা। সেইমত ৯টি পঞ্চায়েত এলাকার বহু প্রতিবন্ধী এদিন সকাল পুরসা হাসপাতালে পৌছে লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন । তার পর দীর্ঘ সময় বাদে প্রতিবন্ধীদের অনেকে জানতে পারেন , দুয়ারে সরকারে ক্যাম্পে ,আবেদন করা প্রতিবন্ধীদেরই শুধুমাত্র পুরসা স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে প্রতিবন্ধী শংসাপত্র দেওয়া হবে। আর তা জানার পরেই হাসপাতাল চত্ত্বরে চরম বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে ।গলসির অন্য গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও জনপ্রতিনিধিরা জানান, গলসি ১ নম্বর ব্লকের বিডিও দেবলীনা দাস এখনও পর্যন্ত ব্লকের কোথাও প্রতিবন্ধী শংসাপত্র পাবার ক্যাম্প করেননি ।বিডিও অফিসের এমন গাফিলতির জন্যই এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান ও সদস্যদের কটুক্তি হজম করতে হয়।ক্যাম্প না হওয়ায় এলাকার শতশত প্রতিবন্ধীও হয়রানির শিকার হচ্ছেন,। এই বিষয়ে গলসি ১ ব্লকের যুগ্ম বিডিও দীপঙ্কর রায় জানান,কিছু ভুল বোঝাবুঝির জন্য এদিন এমন সমস্যা হয়েছে। তাছাড়াও এদিন পরিসেবা দেওয়ায় পর্যাপ্ত সংখ্যক ডাক্তার আসতে পারেননি। তবে খুব শীঘ্রই প্রতিবন্ধীদের শংসাপত্র প্রদানের জন্য শিবিরের আয়োজন করা হবে।

মার্চ ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বিতর্কের রেশ রেখেই কালনা পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ হল

মঙ্গলবার কালনার মহকুমাশাসকের দফতরে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে কালনা পৌরসভার চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যান পদে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল। ১৬ই মার্চ কালনা পুরসভার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার ঘটনা ঘটে। কালনার সমস্ত কাউন্সিলররা সেদিন শপথগ্রহণ করলেও চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়নি সেদিন।পরবর্তী সময় তৃণমূলেরই দুই বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীকে কলকাতায় তলব করে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। এরপর সেই পুরনো সিদ্ধান্তেই সিলমোহর পড়ে তৃণমূল দলের তরফে। চেয়ারম্যান হিসেবে আনন্দ দত্ত এবং ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে তপন পোড়োলের নাম ঘোষিত হয়।মঙ্গলবার কালনা মহকুমাশাসকের দফতরে চেয়ারম্যান পদে আনন্দ দত্ত এবং ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে তপন পোড়েল শপথগ্রহণ করেন। যদিও চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যান শপথগ্রহণের আগে দলেরই বিক্ষুব্ধ এগারো জন কাউন্সিলর এদিন একটি সাংবাদিক সম্মেলনও করেন। সেখানে তাঁরা জানান মুখ্যমন্ত্রীর কথা চিন্তা করেই তারা এ সিদ্ধান্ত মানছেন। এরপর শপথগ্রহণ শেষে বেশ কিছু কাউন্সিলার এদিন পৌরসভায় হাজির হবেন না বলে চেয়ারম্যানকে সরাসরি জানিয়ে দেন। যদিও উভয় পক্ষই এ বিষয়ে সেইভাবে কোনো বিতর্ক বাড়াইনি।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

রাস্তার দাবীতে পঞ্চায়েত অফিসে তালা দিয়ে বিক্ষোভ বর্ধমানে

রাস্তার দাবীতে পঞ্চায়েতে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখালেন গ্রামবাসীরা। তাদের দাবী পূরণ না হওয়া পর্যন্ত পঞ্চায়েত খুলতে না দেওয়ার হুমকিও দেয়। লাঠী,টাঙ্গী, হাঁসুয়া,কুড়ুল ও তীরধনুক নিয়ে বিক্ষোভে সামিল হল গ্রামবাসীরা। মঙ্গলবার বর্ধমান-১ নম্বর ব্লকের বণ্ডুল ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বণ্ডুল আদিবাসী পাড়ার বাসিন্দারা বিক্ষোভে সামিল হন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, ২০১৪ সাল থেকে গ্রামের রাস্তার দাবী প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে জানিয়েও সুরাহা না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে পঞ্চায়েতে তালা মেরে বিক্ষোভ দেখান।তাদের দাবী না মানা পর্যন্ত তারা এই বিক্ষোভ দেখাবেন।যদিও পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সেখ গোলাম নবী জানিয়েছেন, সমস্যার কথা তাদের জানা। জমি সমস্যার জন্যই রাস্তাটি করা যাচ্ছে না। রাস্তাটি নির্মাণের জন্য যে জমির প্রয়োজন তা ব্যক্তি মালিকানায় থাকায় সমস্যা হচ্ছে। জমির মালিকরা জমি দিতে চাইছেন না। বিডিওকে জানিয়েছি বিষয়টা। ঘন্টা খানেক বিক্ষোভ চলার পর বর্ধমান-১ নম্বর ব্লকের বিডিও মৃণালকান্তি বিশ্বাসের আশ্বাসে বিক্ষোভ উঠে। বিডিও জানান খুব তাড়াতাড়ি সমস্যার সমাধানের জন্য সব পক্ষ নিয়ে আলোচনায় বসা হবে।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

পুর্ব বর্ধমানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যাক্তি গ্রেপ্তার, এলাকায় চাঞ্চল্য

আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ। অভিযুক্তের নাম শ্রীমন্ত ঘাঁটি। এই অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়ি খন্ডঘোষ এর বীচখাঁড়া এলাকায়। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত্রে পূর্ব বর্ধমান ও বাঁকুড়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা বর্ধমান বাঁকুড়া রোডের খণ্ডঘোষ এর মেটেডাঙ্গার কবরস্থান এলাকায় ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলিও পাওয়া যায়। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি শ্রীমন্ত ঘাঁটিকে পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতে চেয়ে আজ বর্ধমান আদালতে পেশ করেন।খন্ডঘোষ থানার পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে সম্পূর্ণ বিষয়টির তদন্ত করতে চান। কিসের উদ্দেশ্যে ওই ব্যক্তি রাতের অন্ধকারে রাস্তার উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন এবং এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

পুলিসি তৎপরতায় বোমা ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার অব্যহত পূর্ব বর্ধমানে

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর থেকে পূর্ব বর্ধমান জেলায় অব্যাহত রয়েছে বোমা,গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা। সোমবারের পর মঙ্গলবারও জার ভর্তি বোমা বোমা উদ্ধার হল জেলার গলসি ও রায়না থানা এলাকায়। একই দিনে আগ্নেআস্ত্র ও কার্তুজ সহ এক দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করেছে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ। অস্ত্রসস্ত্র ও বোমা উদ্ধার অভিযান জারি থাকবে বলে জেলার পুলিশ কর্তারা জানিয়ে দিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে গলসি ১ ব্লকের করকডাল ও শিড়রাই গ্রামের পশ্চিম পাড়া থেকে উদ্ধার হয়েছে জার ভর্তি বেশ কিছু বোমা । তার পর থেকে পুলিশ ওই দুই জায়গা ঘিরে রেখে বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে খবর দেয়। মঙ্গলবার বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড দুই জায়গা থেকে বোমা গুলি উদ্ধার করে নির্জন জায়গায় নিয়েগিয়ে নিস্কৃয় করে। কারা এলাকায় বোমা জড়ো করেছিল তার তদন্ত গলসি থানার পুলিশ শুরু করেছে। রায়না থানার পুলিশও এদিন হিজলনা অঞ্চলের ফুলবাড়ি এলাকার একটি ঝোপ থেকে জারে ভর্তি বোমা উদ্ধার করেছে। পুলিশের দাবি কয়েকদিন ধরে পুলিশ হিজলনা অঞ্চলে রুটমার্চ করে। তাতেই ভীত হয়ে কোন দুস্কৃতি দলের কেউ রাতের অন্ধকারে জার ভর্তি বোমা ঝোপে লুকিয়ে রেখে পালিয়ে থাকতে পারে। এরই পাশাপাশি খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বীচখাঁড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে শ্রীমন্ত ঘাঁটি নামে এক দুস্কৃতিকে ধরে। পুলিশের দাবী তল্লাশীতে ধৃতের কাছথেকে একটি আগ্নেআস্ত্র ও একটি কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। তদন্তের প্রয়োজনে পুলিশ ধৃতকে এদিনই বর্ধমান আদালতে পেশ করে নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

রান্নার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে মাথায় উনান আর কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে তৃণমূলের অভিনব প্রতিবাদ

দরিদ্র পরিবারের মহিলাদের মুখে হাসি ফুটবে বলে জানিয়ে কেন্দ্রের সরকার ঘটাকরে চালু করেছিল উজ্জ্বলা গ্যাস যোজনা। সেই এলপিজি গ্যাসের সিলিণ্ডার প্রতি দাম এখন ১০০০ টাকা ছুঁয়েছে। আর তার কারণেই গ্রাম গঞ্জের দরিদ্র পরিবারের মহিলারা এখন এলপিজি গ্যাস ছেড়ে ফের অপরিস্কার জ্বালানি ব্যবহারেই ফিরে এসেছে। কেন্দ্রের মোদী সরকারের এই ব্যর্থতা জনসমক্ষে তুলে ধরতে হাতে উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে তৃণমূলের মিছিলে হাঁটলেন মহিলারা। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরোধীতায় মঙ্গলবার এমন অভিনব প্রতিবাদ মিছিলের আয়োজন করে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস। বিজেপি নেতৃত্ব যদিও তৃণমূলের এমন মিছিলের আয়োজনকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। তাঁদের বক্তব্য, এমন মিছিল থেকেই পরিস্কার হয়ে যাচ্ছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প বাস্তবে গৃহিণীদের দুর্গতি ঘোচাতে পারে নি।দলীয় ঘোষণা অনুযায়ী এদিন পেট্রোল, ডিজেল, রান্নার গ্যাস ও ওষুধের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজ্য জুড়ে পথে নামে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মীরা। প্রতিবাদ থেকে পিছিয়ে থাকেনি জামালপুর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীরাও। জামালপুর ব্লক তৃণমূল যুব যুব কংগ্রেসের সভাপতি ভূতনাথ মালিকের নেতৃত্বে এদিন জামালপুর পুলমাথা এলাকা থেকে শুরু হয় প্রতিবাদ মিছিল। প্রায় দেড় কিমি পথ পরিক্রমা করে প্রতিবাদ মিছিল শেষ হয় হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর কাছে। মিছিলে জামালপুরের বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সভাপতি অলোক মাঝি, ব্লক তৃণমূল সভাপতি মেহেমুদ খাঁন সহ অন্য নেতারা অংশ নেন।প্রতিবাদ মিছিলের একেবারে প্রথম সারিতে থাকেন তৃণমূল সমর্থক গৃহস্থ পরিবারের মহিলারা। তাঁদের অনেকে মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠের বোঝা নিয়ে মিছিলে হাঁটেন। রাজনৈতিক দলের মিছিলে উনান ও জ্বালানি কাঠের বোঝা নিয়ে হাঁটার কারণ প্রসঙ্গে রুপা দাস ও সন্ধ্যারাণী ল্যাঙ্কা বলেন, আমরা দরিদ্র শ্রমজীবী পরিবারের বধূ। উনানে কাঠ কুটো দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে আগে পরিবারে রান্নাবান্না হত।মোদী সরকারের কথায় বিশ্বাস করে এলপিজি গ্যাসের কানেকশান নিয়েছিলেন। তার পর করোনা অতিমারির প্রভাবের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে লকডাউন জারি থাকে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও আমাদের মত দরিদ্র পরিবার গুলির সদস্যদের আর্থিক রোজগার বাড়ে নি। বরং কমেছে। কিন্তু এসবের কোনকিছুরই খোঁজ খবর না রেখে এলপিজি গ্যাসের সিলিণ্ডার প্রতি দাম এখন প্রায় ১০০০ টাকার মত করে দিয়েছে। এত দামে গ্যাস সিলিণ্ডার কিনে আর বাড়িতে রান্নাবান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই খালি গ্যাস সিলিণ্ডার ও ওভেন বাড়ির চৌকির নিচে রেখে দিয়ে এখন ফের আগের মতই কাঠের উনানে রান্না করছেন। তাই মোদী সরকারের এমন কীর্তি জনসমক্ষে তুলে ধরতেই এদিন মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালানি কাঠ নিয়ে হেঁঠেছেন বলে রুপা দাস ও সন্ধ্যারাণী ল্যাঙ্কা মন্তব্য করেন।বিধায়ক অলোক মাঝি বলেন, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে যাঁরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন তাঁরা এখন হাড়ে হাড়ে বুঝতে পারছেন কি ভুল তাঁরা করেছেন। এদিনের প্রতিবাদ মিছিলে সেই ভুলেরই প্রকাশ ধরা পড়েছে সাধারণ গৃহস্থ পরিবারের মহিলাদের মাথায় উনান ও কাঁধে জ্বালনি কাঠ নিয়ে হাঁটায় মধ্য দিয়ে। ব্লক তৃণমূল যুব সভাপতি ভূতনাথ মালিক জানান, শুধু রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ানোই নয়। পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন শেষ হতেই কেন্দ্রের মোদী সরকার পেট্রোল, ডিজেল এমনকি জীবনদায়ী ওষুদের দামও বহুগুন বাড়িয়ে দিয়েছেন। এর বিজেপি নেতারা সবার বিকাশের বুলি আওড়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধাচরণ করে যাচ্ছে। এর প্রতিবাদে স্বরুপ এখন গ্রামের মহিলারা উনান ও জ্বালানি কাঠ নিয়ে পথে নামছে। আগামী দিনে এই মহিলারাই ভোটের বাক্সে বিজেপিকে যোগ্য জবাব দিয়ে দেবে।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

রবিবার গভীর রাতে পূর্ব বর্ধমানের জঙ্গলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

জঙ্গলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলো পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের আদুরিয়ায়। আগুনে ঝলসে গেল হেক্টরের পর হেক্টর বনভূমি। তবে বন্যপ্রাণ সুরক্ষিত রয়েছে বলেই দাবি বনবিভাগের। রবিবার গভীররাতে আউশগ্রামের অমরপুর অঞ্চলের আদুরিয়া বনবিভাগের অর্ন্তরগত হেদোগড়ে ও ফাঁড়ি জঙ্গলে দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেন বনকর্মীরা। সারারাত ধরে চলে আগুন নেভানোর প্রক্রিয়া। শেষমেষ একপ্রকার সোমবার সকালের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। অন্যদিকে আদুরিয়া জঙ্গলের পাশেই বিষ্ণুপুর মৌজার কাঁকসার বনভূমিতে একইভাবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।মঙ্গলবার সকালে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে গিয়ে সেখানে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে। বনবিভাগ সূত্রে জানা গিয়েছে, কতটা বনভূমি অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গিয়েছে এদিন সকাল থেকে তার পরিমাপ জাচাই করা হয়। তাছাড়া বন্যপ্রাণের কোন ক্ষতি হয়েছে কিনা সেদিকেও তীক্ষ্ণ নজর ছিল। উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমানের অতিরিক্ত বনাধিকারিক সোমনাথ চৌধুরী, পানাগড়ের রেঞ্জার সুভাষ পাল সহ অনান্যরা।তবে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বন দপ্তরের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় একটি সংস্থা। তাদের তরফে প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে এনিয়ে অভিযোগ জানানো হয়েছে বলেই দাবি সংগঠনের। যদিও কোনরকম গাফিলতি করা হয়নি বলেই জানিয়েছেন বর্ধমানের বনাধিকারিক নিশা গোস্বামী। তিনি জানান, বনভূমিকে রক্ষা করতে সবসময় নজর রাখা হয়। মাঝেমধ্যেই চালানো হয় জোরদার প্রচার। কিন্তু তারপরেও এমন অগ্নিকাণ্ড দুর্ভাগ্যজনক।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান পদে আইনুল হক

বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার ভাইস চেয়ারম্যান হিসাবে নিযুক্ত হলেন আইনুল হক। এদিন বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার দফতরে চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত আইনুল হকের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দিয়ে স্বাগত জানান। এর আগে বর্ধমান পুরসভার প্রশাসনিক পদে ছিলেন তিনি। তার আগে ছিলেন বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যানও।বর্ধমান দক্ষিণের প্রাক্তন বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী রবীরঞ্জন চট্টোপাধ্যায় প্রয়াত হওয়ার পর বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থা তথা বিডিএ-র চেয়ারম্যান পদটি ফাকা ছিল। পরে কাকলি গুপ্তাকে চেয়ারম্যান করা হয়। এবার আইনুল হককে ভাইস চেয়ারম্য়ান করা হল। বর্ধমানবাসী মনে করছে, চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের উদ্যোগে বর্ধমানে এবার প্রকৃত উন্নয়ন হবে।

মার্চ ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পূর্ব বর্ধমানে মহা সমারোহে পালিত হল বিশ্ব নাট্যদিবস

২৭শে মার্চ রবিবার বিশ্ব নাট্যদিবস। এই উপলক্ষে পূর্ব-বর্ধমান জেলার ভাতাড়ের প্রচেষ্টা নাট্যসংস্থা ও নটরাজ মিউজিক কলেজের পক্ষ থেকে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা প্রশংসনীয়। নাটক জীবন ও সমাজের দর্পণ। নাটকের মাধ্যমে সমাজকে জাগ্রত করা যায় তা আমরা ব্রিটিশ শাসিত ভারতের সময় থেকেই দেখে এসেছি। এখন এই সময়কালে ছোট থেকে বড়ো সকলে যখন মোবাইলে আকৃষ্ট তখন ভাতাড়ের মত একটা ছোট্ট জায়গায় অনেক অসুবিধা অনেক রকম সমস্যা থাকা সত্ত্বেও প্রচেষ্টা যে নিজের চেষ্টা জারি রেখেছে তা অতুলনীয়। আজ সন্ধ্যায় প্রচেষ্টার পক্ষ থেকে তিনটি নাটকের অংশ অভিনীত হয়েছে -- নিরূপ মিত্রের পাওনা গন্ডা; মনোজ মিত্রের-- টাপুর টুপুর আর চন্দন সেনের অনুবীক্ষণ। শুধুমাত্র নাটক মঞ্চস্থ করা নয় একটা ছোট আলোচনা সভার আয়োজন ও করা হয় নাটকের শেষে। যেখানে আমন্ত্রিত অতিথিরা এবং দর্শক নিজেদের মতামত জানাতে পেরেছেন। এই উদ্যোগ যেমন নাট্য শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। তার সঙ্গে আগামী প্রজন্মকে নাটক বিষয় আগ্রহী করে তুলবে। আর শহরের বড়ো বড়ো মঞ্চ থেকে দূরে থাকা নাট্য পিপাসু দের পিপাসা মেটাবে। এই সংস্থার সভাপতি শ্রী প্রসেনজিৎ ব্যানার্জী মহাশয় ও সম্পাদক শ্রী ধীমান ভট্টাচার্য মহাশয়ের ঐকান্তিক চেষ্টা ও পরিশ্রম এগিয়ে নিয়ে চলেছে এই অঞ্চলের নাট্য চর্চাকে। আগামী দিনে ওনাদের আগামী প্রজন্ম নাট্য শিল্প জানবে ও নাট্যচর্চা শিখবে এই আশা রাখি।

মার্চ ২৭, ২০২২
রাজ্য

দ্বিতীয় 'বগটুই' হতে যাওয়ার আগে রুখে দিল কাটোয়া থানার পুলিশ- অস্ত্রসস্ত্র সহ গ্রেপ্তার ৩ দুস্কৃতি

বিরোধী পক্ষের হাত থেকে খাসজমির দখল ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য বিপুল অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে অপেক্ষা করছিল দুস্কৃতি দল। তাঁদের পরিকল্পনা ছিল শনিবার গভীর রাতে পূর্ব বর্ধমানের শ্রীবাটি গ্রামে গিয়ে বিরোধী পক্ষের উপর হামলা চালানো। আর তেমনটা হলে হয়তো দ্বিতীয় বগটুই এর মত ঘটনা ঘটে যেতে পারতো। কিন্তু তা আর হতে দেয়নি কাটোয়া থানার পুলিশ। রাতেই অভিযান চালিয়ে কাটোয়া থানার পুলিশ অস্ত্রসস্ত্র সহ তিন দুস্কৃতিকে ধরে ফেলে। দুই দুস্কৃতি পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও দুস্কৃতি দলের সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে পেরে আপাত স্বস্তিতে কাটোয়া থানার পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম জামীর আলি মণ্ডল, বজরুল শেখ ওরফে কালো শেখ এবং সইদুল শেখ ওরফে ফুটো। ধৃতদের সকলের বাড়ি শ্রীবাটি গ্রামেই। পুলিশের দাবী ধৃতদের মজুত করা ৪ টি রাইফেল, ২৪ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, একটি পিস্তল ও ২ রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং ১৬ টি সকেট বোমা উদ্ধার হয়েছে। দুস্কৃতিদের এত বিপুল অস্ত্র ভান্ডার দেখে চোখ কার্যত কপালে উঠে যায় পুলিশ কর্তাদের। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ তিন ধৃতকেই রবিবার পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। আরও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার ও পলাতক দুস্কূতিদের নাগাল পেতে তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতদের ১২ দিন নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানান। বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন। হেপাজতে নেওয়া দুস্কৃতিদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে অস্ত্রসস্ত্রের উৎসের সন্ধান চালাচ্ছে।এছাড়াও দুস্কৃতিরা আর কোথাও অস্ত্র মজুত করে রেখেছে কিনা সেই বিষয়েও পুলিশ খোঁজ খবর নিচ্ছে ।উদ্ধার হওয়া শকেট বোমা নিস্কৃয় করার জন্য কাটোয়া থানার পুলিশ বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে খবর দিয়েছে।কাটোয়া থানার এক পুলিশ অফিসার জানান গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের জিজ্ঞাবাদ চালানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, শ্রীবাটি গ্রামের একটি খাস জমি নিয়ে বজরুল শেখ এর সঙ্গে ওই গ্রামেরই অন্য আর একটি গোষ্ঠীর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিবাদ চলছে। বিবাদের কোন নিস্পত্তি হয় নি। তার কারণে বজরুল শেখ তাঁর বিরোধী পক্ষের উপরে প্রাণঘাতী হামলা চালানোর পরিকল্পনা চুড়ান্থ করে ফেলে। পরিকল্পনা মাফিক হামলার আগে বোমা, বন্দুক সহ অন্য আরো অস্ত্রসস্ত্র আগে থেকেই জোগাড় করে রাখা হয়েছিল। শনিবার রাতে বিরোধী পক্ষের উপর হামলার চালানোর চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত বজরুল নিয়ে ফেলেছিল। শনিবার গভীর রাতে তাঁরা গ্রামের এক জায়গায় অস্ত্রসস্ত্র হামলা চালানোর জন্য অপেক্ষা করছিল বজরুল শেখ ও তাঁর দলবল। কাটোয়া থানার পুলিশ গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে গিয়ে অভিযান চালানোয় সব পরিকল্পনা ভেস্তে যায় বলে ধৃত দুস্কৃতিরা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ কে জানিয়েছে।

মার্চ ২৭, ২০২২
রাজ্য

গোয়ালঘরের পাশে বোমা ফেটে আহত এক, আতঙ্ক বর্ধমানে

বাড়ির কাজ করার সময় গোয়াল ঘরের পাশে পরে থাকা বোমা ফেটে আহত হল এক ব্যক্তি। বর্ধমান শহরের বাহির সর্বমঙ্গলা পাড়ার ঘটনা। আহত ব্যক্তির নাম অসীম বিশ্বাস। রবিবার সকালে অসীম বাবু তার বাড়ির বাইরে থাকা গোয়াল ঘর ও গোয়াল ঘর সংলগ্ন এলাকা পরিস্কার করছিলেন। সেই সময় হঠাৎই বোমা ফাটে। বোমার আঘাতে আহত হন অসীম বাবু। তড়িঘড়ি তাঁকে চিকিৎসার জন্য বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্কের পরিবেশ শৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। পুরো জায়গাটিকে ঘিরে রাখা হয়েছে। আশেপাশে আরও বোমা রয়েছে কিনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এসে পৌঁছেছে ডি আই বি বোম স্কায়াডের সদস্যরাও। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, যে জায়গায় বোমা ফেটেছে সেই জায়গায় ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা বিকালে খেলা করতে যেত। এই ঘটনা যদি বিকালে ঘটতো তা হলে প্রাণহানী হতে পারতো বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের। তাদের দাবি, এলাকায় পুলিশি টহলদারি বাড়াতে হবে। উল্লেখ্য, বছর খানেক আগে ঘটনাস্থল থেকে ১০০ মিটারের মধ্যে রসিকপুর এলাকায় বোমা ফেটে এক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল।বর্ধমানের রসিকপুরে বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় এক শিশু। বোম বিস্ফোরণে এক শিশুর মৃত্যু হয়, জখম হয় আর এক শিশু। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়। তারপর একটা বছর কেটে গেছে। অপরাধীরা ধরা পড়েনি।

মার্চ ২৭, ২০২২
রাজ্য

ওয়াকফ সম্পত্তি বিক্রীতে বাধা হয়ে দাঁড়ানোই, বাড়িতে বোমা মজুতের অভিযোগে গ্রেপ্তার চাষি-গ্রেপ্তারি নিয়ে ধোঁয়াসা

ওয়াকফ সম্পত্তিতে থাবা বসাতে চাওয়া প্রোমোটারদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হওয়া চাষির বাড়ির ছাদ থেকে উদ্ধার হল বোমা। রহস্যজনক সেই বোমা উদ্ধারের ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ গ্রেপ্তার করলো ওই বাড়ির মালিক তথা চাষি ফিরোজউদ্দিন মল্লিককে। বর্ধমান থানার কৃষ্ণপুর পশ্চিমপাড়ার এই ঘটনা এলাকাবাসী মহলে তুমুল চাঞ্চল্য ফেলে দিয়েছে। বোম ডিসপোজাল স্কোয়াড উদ্ধার হওয়া বোমা গুলি এদিন বিকালে নিস্কৃয় করে। যদিও এলাকাবাসী ও ফিরোজউদ্দিনের পরিবার সদস্যরা দাবী করছেন, ওয়াকফ সম্পত্তি বিক্রী আটকানোর জন্যই প্রমোটার ও জমি দালালরা চক্রান্ত করেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছেন এলাকাবাসী।বর্ধমানের কেষ্টপুর গ্রামের এক প্রান্তে বাড়ি পেশায় চাষি ফিরোজউদ্দিন মল্লিকের। স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে তিনি ওই বাড়িতেই থাকেন। ফিরোজউদ্দিনের ছেলে ইব্রাহিম মল্লিক এদিন বলেন,শুক্রবার অনেকটা রাতে তাঁদের বাড়িতে পুলিশ আসে। পুলিশ তাঁদের ঘুম থেকে তোলে। ঈব্রাহিম জানায় কি কারণে গভীর রাতে পুলিশ তাঁদের বাড়িতে তা সে জানতে চায়। তখন পুলিশের একজন তাঁকে চড় মেরে বলে, তাঁদের বাড়িতে বোমা রাখা আছে। ফিরোজউদ্দিনের স্ত্রী সাকিলা বানু অভিযোগে বলেন,মধ্য রাতে তাঁদের বাড়িতে পুলিশ ঢুকে হুমকি দেয়। বাড়িতে থাকা অন্য মহিলাদেরও পুলিশ ধমকায়। সাকিলা বিবি দাবী করেন, তাঁদের পরিবার চাষবাস করে জীবিকা নির্বাহ করে। পরিবারের কেউ রাজনীতিও করে না। চক্রান্ত করে কেউ ব্যাগে ৪টি বোমা ভরে নিয়ে এসে তাঁদের বাড়ির বাথরুমের ছাদে রেখে দিয়ে গিয়ে পুলিশকে ফোন করেছে। তাঁরা নির্দোশ বলে জানান সাকিলা বিবি।পুলিশ যদিও ফিরোজউদ্দিণের পরিবাবার সদস্যদের এইসব বক্তব্যকে কোন গুরুত্ব দেয় নি। বর্ধমান থানার সাব-ইন্সপেক্টর সঞ্জয় মণ্ডলের অভিযোগের ভিত্তিতে বাড়িতে বোমা মজুত রাখার অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ ফিরোজউদ্দিন মল্লিককে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ দাবি করেছে, ধৃত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বোমার কারবারে সঙ্গে জড়িত। তাঁর সঙ্গে আরও কয়েকজন এই কারবারে জড়িত রয়েছে। এদিনই ধৃত ফিরোজউদ্দিন কে পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। আরও বোমা উদ্ধার ও ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেপাজতে নেবার জন্য আদালতে আবেদন জানায়। ধৃতের আইনজীবী অবশ্য মিথ্য মামলায় ফাঁসানোর হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশি হেপাজতের বিরোধীতা করেন। দুই পক্ষের সওয়াল শুনে সিজেএম ধৃতকে ৪ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।এই ঘটনা কার্যতই হতবাক করে দিয়েছে এলাকাবাসীকে। তাঁরা দাবী করেছেন, ফিরোজউদ্দিনের পরিবারটি সাতেপাঁচে থাকে না। প্রতিবেশী সোনেহারা বিবি ও সালমা বেগম বলেন, এই ঘটনার নিয়ে আমরা শুধু আতঙ্কিতই নই, বিস্মিতও হয়েছি। কারণ, ফিরোজউদ্দিনের পরিবার চাষবাস নিয়েই থাকে। এরকম কিছুতে ওদের জড়িত থাকাটা কোন ভাবেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। এলাকাসূত্রে এও জানা গিয়েছে ,একটি ওয়াকফ সম্পত্তি প্রমোটারদের বিক্রিতে বাঁধা দিয়েছিলেন ফিরোজউদ্দিন ও তাঁর পরিবার সদস্যরা। এলাকাবাসীর ধারণা, তার কারণেই প্রোমোটার ও জমির দালালরা ফিরোজ উদ্দিনের পরিবারকে ফাঁসাতে এমন ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। প্রকৃত অপরাধীদের খুঁজে বার করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

মার্চ ২৭, ২০২২
রাজ্য

চরম অমানবিক, নাবালিকা মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার বাবা

বাবার যৌন অত্যাচারের জেরে অন্তঃসত্বা হয়ে পড়লো নাবালিকা মেয়ে। এমনটা জেনে হয়তো অনেকেই হতবাক হবেন। কিন্তু বাস্তবেই হতবাক করে দেওয়ার মত এমন ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনায়। দিনের পর দিন ধর্ষণ করে নিজের নাবালিকা মেয়েকে অন্তঃসত্বা করে দেওয়ার অভিযোগে কুলাঙ্গার বাবাকে গ্রেপ্তার করেছে কালনা থানার পুলিশ। সুননির্দিষ্ট ধরায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। নির্যাতিতা নাবালিকাকেও এদিন মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। বিচারক ধৃত অভিযুক্তকে জেল হেফাজত ও তার মেয়েকে হোমে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। নাবালিকার বাবার দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবী করেছেন এলাকাবাসী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কালনায় বাড়ি বছর পনোরো বয়সী নাবালিকার। কালনা থানার পুলিশের কাছে সে অভিযোগে জানিয়েছে, তাঁর বাবা গত দু-বছর ধরে তাঁকে ধর্ষণ করেছে। তাঁর মা বাইরে কাজে চলে গেলেই তাঁর বাবা তাঁকে জোর করে ধর্ষণ করতো। তাঁর বাবা শুধু তাঁকে ধর্ষণ করেই খান্ত থাকেনি। হুমকি দিয়েছিল, তার কু-কীর্তির কথা কাউকে জানালে সে তাঁকে প্রাণে মেরে দেবে। সেই হুমকিতে ভীত হয়ে এতদিন কাউকে কিছু জানাতে পারেনি বলে নাবালিকা পুলিশকে জানায়। নাবালিকা পুলিশকে এও জানায়, দিনের পর দিন নিজের বাবার যৌন আত্যাচারের শিকার হতে হওয়ায় সম্প্রতি তাঁর শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়। ডাক্তারের কাছে গিয়ে নাবালিকা জানতে পারে সে অন্তঃসত্বা হয়ে পড়েছে। এরপরেই নাবালিকা কালনা থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়। সে পুলিশের কাছে নিজের বাবার অভিযোগ দায়ের করে। তার ভিত্তিতে ধর্ষনের মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে পুলিশ নাবালিকার বাবাকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনা স্থানীয় বাসিন্দা মহলেও তোলপাড় ফেলে দিয়েছে।

মার্চ ২৬, ২০২২
রাজ্য

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর রহস্যজনক মৃত্যু, অভিযোগের আঙুল উঠলো বন্ধুর দিকে

বিয়ে বাড়িতে গিয়ে রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হল এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর। যা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমানে। মৃত ছাত্রের নাম শেখ জিৎ (১৬)। বর্ধমানের সড়াইটিকর মন্সিপাড়ার এই ছাত্র এবছর বর্ধমান হাই মাদ্রাসা থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে।শনিবার সকালে এলাকার একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্তায় তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। যদিও হাঁটু ভাঁজ করা অবস্তায় ছাত্রের পা মাটিতে ঠেঁকেছিল। খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। ছাত্র জিৎ আত্নহত্যা করেছে বলে মানতে চাননি তাঁর পরিবার। জিৎকে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবার। ছাত্রেয় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কি তার তদন্ত পুলিশ শুরু করেছে।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ছাত্র শেখ জিৎ শুক্রবার তাঁদের পাড়ারই একটি বিয়ে বাড়িতে যায়।সেখানে সবার সঙ্গে সে নাচ-গান করে। বন্ধু শেখ শরিফের বাড়িতে রাতে ঘুমাতে যচ্ছে বলে বলে জিৎ তাঁর বাড়ির লোকজনকে জানায়। জিতের বাবা শেখ আল্লারাখা এদিন পুলিশকে অভিযোগে জানান, তাঁর ছেলে শুক্রবার পাড়ার একটি বিয়ে বাড়িতে যাবার সময় বলে যায় বাড়িতে আনন্দ করবো। রাতে বাড়িতে ফিরবো না। বন্ধু শেখ শরিফের বাড়িতে ঘুমাবো বলেও সে জানিয়ে যায়। এরপরই এদিন সকালে বাড়ির অদূরেএকটি গাছে ঝুলে থাকা অবস্থায় ছেলের দেহ উদ্ধার হয়৷ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁরা দেখেন ছেলের দেহ গাছে ঝুললেও হাঁটু ভাঁজ করা অবস্তায় তাঁর পা মাটিতে ঠেকে আছে।শেখ আল্লারাখা বলেন, পুলিশ ঘটনা বিষয়ে শরিফকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায় রাত বারোটার সময় সে জিৎকে ঘর থেকে বার করে দিয়েছে। ঘর থেকে বের করে দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে শরিফ জানায়, তাঁর ঘুম পেলেই জিৎ উঠে পালিয়ে যাচ্ছিল। তাই সে জিৎকে ঘর থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। এই ঘটনার কথা জিতের বাড়িতে জানালে যদি বকাবকি করে তাই কাউকে কিছু জানায় নি বলে শরিফ বলে। ছেলের বন্ধুর এমন বক্তব্য রহস্যজনক ঠেকায় শেখ আল্লারাখা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, তাঁর ছেলেকে খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার যথোপযুক্ত তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন তিনি।তদন্তে নেমে পুলিশ ছাত্রের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। জানা গিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতেই পুলিশ পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে।

মার্চ ২৬, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানের কেষ্টপুর থেকে উদ্ধার হওয়া বোমা রাখা নিয়ে প্রশ্ন অভিযুক্তের পরিবারের

পূর্ব বর্ধমানের কেষ্টপুর গ্রাম থেকে বোমা উদ্ধারে চাঞ্চল্য ছড়াল। এই ঘটনায় পুলিশ ফিরোজউদ্দিন মল্লিক নামে এক গ্রামবাসীকে আটক করেছে। তাঁর পুত্রকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, ওই পরিবারটি কারও সাতেপাঁচে থাকে না। পুত্র ইব্রাহিম মল্লিকের দাবি, বৃহস্পতিবার রাতে পুলিশ এসে তাঁকে ঘুম থেকে তোলে। তাঁকে চড় মারা হয়। তারপর বলা হয় বাড়িতে বোম রাখা আছে। তাঁর মা সাকিলা বানুর দাবি, মধ্যরাতে পুলিশ এসে হুমকি দেয়। মেয়েদের ধমকায়। তাঁর দাবি, কেউ বোমা রেখেই পুলিশকে খবর দিয়েছে। তাঁরা এসবে জড়িত নন।এলাকার বাসিন্দা সোনেহারা বিবি, সালমা বেগমরা একদিকে আতঙ্কিত অন্যদিকে বিস্মিত। তাঁরা জানান, এই পরিবারটি চাষবাস নিয়ে থাকে। এরকম কিছুতে তাঁরা জড়িত থাকা কার্যত অসম্ভব। এলাকা সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি ওয়াকফের সম্পত্তি বিক্রিতে বাঁধা দেন এই পরিবারের সদস্যরা। এলাকাবাসীর ধারণা, প্রোমোটাররা সেকারণেই এইরকম কারসাজি করে থাকতে পারে। পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন জানিয়েছেন, এটা নিয়ে একটি কেস করা হবে। এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তদন্ত চলছে।

মার্চ ২৬, ২০২২
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর সক্রিয় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ, উদ্ধার আগ্নেআস্ত্র ও গাঁজা, গ্রেপ্তার ১১ দুস্কৃতী

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার বেআইনি বোমা, গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের জন্য রাজ্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়েই রাজ্য জুড়ে শুরু হয় পুলিশি অভিযান। অভিযান চালানো থেকে পিছিয়ে থাকেনি পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশও। জেলার বর্ধমান থানার পুলিশের অভিযানে আগ্নেআস্ত্র ও কার্তুজ সহ ধরা পড়েছে ভিন রাজ্যের দুই দুস্কৃতী। পুলিশ জানিয়েছে , ধৃতদের নাম সঞ্জয় কুমার ও ভোলা কুমার। ধৃতরা বিহারের ঔরাঙ্গাবাদ এলাকার বাসিন্দা। পুলিলের দাবী, ধৃতদের কাছ থেকে দুটি ইম্প্রোভাইস পাইপগান ও দুই রাউণ্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার দুই ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ১২ দিন পুলিশি হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। জেলা পুলিশের ডিএসপি অতনু ঘোষাল জানিয়েছেন, শুক্রবার ভোর রাতে বর্ধমান শহরের খাগড়াগড় এলাকায় দুই ব্যক্তিকে উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘোরাঘুরি করছিলেন। সন্দেহ হওয়ায় টহলদারি পুলিশ তাদের পথ আটক।তল্লাশীতে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় দুটি ইম্প্রোভাইস পাইপগান ও দুই রাউণ্ড কার্তুজ। অতনু ঘোষাল বলেন ,জেরায় ধৃতরা কবুল করেছে, তারা বিহারের নাচ-গানের অনুষ্ঠানে নর্তকী নিয়ে যাওয়ার কাজ করে। কিন্তু তারা অস্ত্র নিয়ে কেন বর্ধমান এসেছিল সেই বিষয়টি নিয়ে পরিস্কার কিছু জানায় নি। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ধৃতরা মহিলা পাচারের সঙ্গে যুক্ত। ধৃতদের নিজেদের হেপাজতে নিয়ে বর্ধমান থানাপ পুলিশ সেই রহস্যেরই কিনারা করতে চাইছে। বর্ধমানে আগ্নেআস্ত্র সহ দুই দুস্কৃতি ধরা পড়ার পাশাশাপি প্রচুর গাঁজা সহ ৪ গাঁজা কারবারী ধরা পড়েছে জেলার মন্তেশ্বর থানার পুলিশের অভিযানে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম সৈফুদ্দিন শেখ, মিঠু শেখ, তৈয়ব আলি শেখ ও রাজা সিং।ধৃতদের মধ্যে প্রথম তিনজনের বাড়ি বর্ধমানের দেওয়ানদিঘী থানার নাড়াগোহালিয়া এলাকায়। চতুর্থ ধৃতের বাড়ি বিহার রাজ্যে।পুলিশের দাবী ধৃতদের কাছ থেকে ৪১ কেজির বেশী গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। শুক্রবার ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমানের মাদক আদালতে। বিচারক ধৃতদের মধ্যে সৈফুদ্দিন শেখ ও মিঠু শেখকে ৬ দিনের পুলিশি হেফাজত ও বাকিদের জেল হেপাজতে পাটানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ,চলতি বছরের শেষ দিকে এসটিএফ ও জেলার পূর্বস্থলী থানার পুলিশ যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়ে ট্রাকভর্তি গাঁজা সহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে। এই মামলার তদন্ত চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে মণিপুর থেকে গাঁজা ভর্তি ট্রাকটি পূর্বস্থলীতে এসেছিল।এই ঘটনার পর দুমাস কাটতে না কাটতে শুক্রবার ভোর রাতে মন্তেশ্বর থানার পুলিশের অভিযানে ফের গাঁজা সহ চারজন গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা পুলিশ কর্তাদের ভাবিয়ে তুলেছে। ধৃতরা কোথা গাঁজা জোগাড় করে কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। কালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন ,গাঁজা সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই গাঁজা কারবারী চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে ।একই ভাবে কাটোয়া থানার পুলিশও রাতভর অভিয়ান চালিয়ে অস্ত্রসহ ৫ দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম রাহুল শেখ,নওসাদ শেখ, হাসিবুল শেখ,বুলেট হাজরা ও মিঠুন শেখ। ধৃতদের মধ্যে প্রথম দুজনের বাড়ি কাটোয়া মহকুমার কেতুগ্রাম থানার মূলগ্রাম এলাকায়। হাসিবুল কাটোয়ার কেশিয়া মাঠপাড়া এলাকা বাসিন্দা। বাকি দুজনের বাড়ি কাটোয়ার কোশিগ্রাম ও গাঙ্গুলিডাঙ্গা এলাকায়৷ পুলিশের দাবি, পৃথক অভিযানে ধরাপড়া দুস্কৃতিদের কাছ থেকে চারটি দেশি পিস্তল ও কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার ধৃতদের পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। বিচারক বুলেট হাজরাকে ৫ দিনের পুলিশি ও বাকি ধৃতদের জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

মার্চ ২৫, ২০২২
রাজ্য

প্রতিবাদীকে পিটিয়ে খুনে দুই অভিযুক্তের পুলিশ হেপাজত

অসামাজিক কাজের প্রতিবাদ করা ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল দুই অভিযুক্ত। ধৃতরা হলেন প্রশান্ত মহলাদার ও সোমনাথ মাজি। প্রশান্তর বাড়ি কাটোয়ার আখড়া গ্রামে। পাশের গ্রাম জগদানন্দপুরের বাসিন্দা আপর ধৃত সোমনাথের। কাটোয়ার নলহাটি গ্রামের পণ্ডিতপাড়ার মিহির পণ্ডিত (৪৫) কে পিটিয়ে খুনের আভিযোগে পুলিশ প্রশান্ত ও সোমনাথকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করে। খুনের ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ দুই ধৃতকে শুক্রবার কাটোয়া মহকুমা আদালতে পের করে নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। বিচারক ধৃতদের চার দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মিহির পণ্ডিতের স্ত্রী তিনবছর আগে মারা গিয়েছেন। তাঁর ছেলে তন্ময় কর্মসূত্রে বাইরে থাকে। মেয়ে মৌসুমীর বিয়ে হয়ে গিয়েছে। মিহিরবাবুরা তিন ভাই। ছোট ভাই শিবু পণ্ডিত লিখিত অভিযোগে পুলিশকে জানিয়েছেন, রাধাগোবিন্দ জিউয়ের পুজো উপলক্ষে বুধবার রাতে জগদানন্দপুর গ্রামে যাত্রানুষ্ঠান ছিল। তাঁর দাদা মিহির পণ্ডিত গ্রামের কয়েকজনের সঙ্গে যাত্রা দেখতে গিয়েছিলেন। সেখানে আখড়া গ্রামের প্রশান্ত মহলাদার ও জগদানন্দপুর গ্রামের সোমনাথ মাজির সঙ্গে একপ্রস্থ ঝামেলা হয় মিহিরের। যাত্রা দেখে রাত প্রায় আড়াইটের পর মিহিরবাবু বাড়ি ফিরছিলেন । শিবু পণ্ডিত অভিযোগ করেছেন ,তাঁর দাদা মিহির পণ্ডিত যাত্রা দেখে যখন বাড়ি ফিরছিলেন তখন প্রশান্ত ও সোমনাথ নির্মম ভাবে পিটিয়ে তাঁকে হত্যা করে।মিহির পণ্ডিতকে হত্যার কারণ প্রসঙ্গে শিবু পণ্ডিত বলেন, তাঁদের প্রতিবেশী পরিবারের স্বামী পরিত্যক্তা এক মহিলার বাড়িতে রাতের অন্ধকারে যেতেন প্রশান্ত ও সোমনাথ। তাঁরা শিবু পণ্ডিতের বাড়ির উঠান দিয়ে ওই মহিলার বাড়িতে যাতায়াত করতো। শিবু বলেন, রাতের বেলায় বাইরের লোকজনের বাড়ির উঠান দিয়ে যাতায়াত করা মেনে নিতে না পেরে আমি ও আমার দাদা মিহির প্রতিবাদ করেছিলান। তার বদলা নিতেই রাতের অন্ধকারে মিহিরকে একা পেয়ে সোমনাথ ও প্রশান্ত পিটিয়ে হত্যা করেছে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসিটিভির ফুটেজে সংগ্রহ করেছে। তাতেই ধরাও পড়েছে প্রশান্ত ও সোমনাথ রড ও লাঠি দিয়ে নৃশংস ভাবে পিটিয়ে মারছে মিহিরকে। পুলিশের দাবি, জেরায় ধৃত দুজনই মিহির পণ্ডিতকে পিটিয়ে খুনের কথা কবুল করেছে।

মার্চ ২৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • ...
  • 41
  • 42
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুলিশি বাধার অভিযোগ তুলে বারুইপুরে নিহত কিশোরীর পরিবারের পাশে কংগ্রেস, বিজেপিকে তোপ শুভঙ্করের

দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকার ধর্ষণ-খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার নিহতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার-সহ দলের এক প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন কংগ্রেস নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী, ডাঃ মায়া ঘোষ, তপন আগরওয়াল, আশুতোষ চট্টোপাধ্যায়, শামিম আখতার, সুজিত পাটোয়ারী, তপন মণ্ডল, প্রতাপ মণ্ডল, অর্ঘ্য গণ-সহ অন্যান্য নেতারা।পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার আগে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ তোলে কংগ্রেস নেতৃত্ব। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।ঘটনার পর বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে শূন্য সহনশীলতার কথা বলেছিল। কিন্তু আজ ডাবল ইঞ্জিন সরকারের বাস্তব চিত্র সামনে এসেছে। হাথরস, উন্নাওয়ের মতো ঘটনার তালিকায় এখন এই এলাকার নামও জুড়ে গেল। কেন এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির যোগসূত্রের অভিযোগ সামনে আসছে, তার উত্তর দিতে হবে।বারুইপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুভঙ্কর আরও বলেন, কোনও অপরাধ ঘটতেই পারে, কিন্তু প্রশ্ন হল কেন ঘটল। অতীতেও বাংলায় এমন নৃশংস ঘটনা ঘটেছে, আর সেই কারণেই সরকার পরিবর্তনের দাবি উঠেছিল। বিজেপি তখন প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তাদের সরকার এলে মহিলাদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর হবে। কিন্তু আজ সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন কোথায়?কংগ্রেসের দাবি, অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় নয়, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারের নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ এবং বিচারপ্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার দাবিও জানায় দল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানের নতুন কোচের প্রথম হুঁশিয়ারি! ডার্বি নিয়ে এমন বার্তা দিতেই উত্তেজনায় ফুটবল মহল

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মোহনবাগানের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিলেন প্যানাজিওটিস ডিলম্পেরিস। এক বছরের চুক্তিতে সবুজ-মেরুন শিবিরে যোগ দিয়েছেন তিনি। গত দুই মরশুমে তিনি পাঞ্জাবের দায়িত্ব সামলেছেন। স্প্যানিশ কোচ সের্জিও লোবেরাকে বিদায় জানিয়ে নতুন কোচকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানিয়েছে মোহনবাগান। দায়িত্ব নিয়েই নতুন কোচ স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, তাঁর লক্ষ্য শুধু ভালো ফুটবল নয়, জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।ফুটবল মহলে প্যানোস নামেই বেশি পরিচিত এই গ্রিক কোচ। আক্রমণাত্মক এবং গতিময় ফুটবল খেলাতে তিনি বিশ্বাসী। দীর্ঘদিন গ্রিসের বিভিন্ন প্রথম সারির ক্লাবে কাজ করার পর ভারতে এসে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। বিদেশি ও তরুণ ফুটবলারদের সমন্বয়ে শক্তিশালী দল গড়ে তুলতে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দেন।দায়িত্ব নেওয়ার পর প্যানাজিওটিস বলেন, আগামী মরশুমের আগে দলের মধ্যে শক্তিশালী বোঝাপড়া তৈরি করাই তাঁর প্রথম কাজ। শৃঙ্খলা, কঠোর পরিশ্রম এবং লড়াই করার মানসিকতা দিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ দল গড়ে তুলতে চান তিনি। মোহনবাগানের সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং সমর্থকদের আবেগ সম্পর্কে তিনি আগে থেকেই জানতেন। সেই ঐতিহ্যের অংশ হওয়ার সুযোগ পাওয়াকে তিনি নিজের কাছে বড় সম্মান বলেও উল্লেখ করেছেন।নতুন কোচের কথায়, বড় ক্লাবের দায়িত্ব মানেই বড় প্রত্যাশা। মোহনবাগানের সমর্থকদের ভালোবাসা এবং আবেগই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। তাই প্রতিটি ম্যাচ জেতার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে চান তিনি। কঠোর পরিশ্রম, পেশাদার মানসিকতা এবং ভালো পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সমর্থকদের আস্থা অর্জনই হবে তাঁর প্রধান লক্ষ্য। পাশাপাশি ক্লাবের ট্রফি জয়ের ধারাও বজায় রাখতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তাঁর সামনে বড় পরীক্ষা। আগামী পঁচিশ জুলাই ডুরান্ড প্রতিযোগিতায় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে মোহনবাগান। কলকাতা ডার্বি নিয়ে প্যানাজিওটিস বলেন, বিশ্বের অন্যতম ঐতিহাসিক ফুটবল লড়াই এই ম্যাচ। এর গুরুত্ব তিনি ভালোভাবেই জানেন। তবে শুধু আবেগ নয়, সঠিক প্রস্তুতি, শৃঙ্খলা এবং আত্মবিশ্বাস নিয়েই ডার্বিতে নামবে তাঁর দল। প্রতিপক্ষকে সম্মান জানিয়েও সাহসী ফুটবল খেলে জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে মোহনবাগান।নতুন কোচের এই আত্মবিশ্বাসী বার্তা প্রকাশ্যে আসতেই সবুজ-মেরুন সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস আরও বেড়েছে। এখন সকলের নজর আসন্ন ডার্বি এবং নতুন কোচের হাত ধরে মোহনবাগানের নতুন অধ্যায়ের দিকে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় অমিত শাহ, ভার্চুয়ালি মোদী! শ্যামাপ্রসাদকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে তীব্র রাজনৈতিক জল্পনা

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কলকাতার অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মিলন মেলায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। সেখান থেকেই দেশের উদ্দেশে বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী।বক্তব্যের শুরুতেই নরেন্দ্র মোদী বলেন, আজ গোটা দেশ শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে। তাঁর আদর্শ, চিন্তাধারা এবং দেশগঠনের ভাবনা আজও কোটি মানুষের কাছে প্রেরণার উৎস। নতুন সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পথ তিনি দেখিয়ে গিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।কলকাতার এই অনুষ্ঠান থেকে মোদী বলেন, রাষ্ট্রবাদী সরকার থাকলে দেশের মহান নেতাদের যথাযথ সম্মান দেওয়া হয় এবং তাঁদের আদর্শ অনুসরণ করেই সরকার পরিচালিত হয়। তাঁর দাবি, গত দুই বছর ধরে দেশজুড়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি বলেন, বাংলায় সরকার পরিবর্তনের পর এই উদ্যাপন আরও বড় আকারে হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন শুধু একজন নেতার জীবন নয়, এটি একটি জনআন্দোলনের অনুপ্রেরণা। তাঁর চিন্তাধারা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে নতুন দিশা দেখিয়েছিল। যে সময় জনসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন চারদিকে কংগ্রেসের প্রবল প্রভাব ছিল। সেই কঠিন পরিস্থিতিতেও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নিজের আদর্শে অটল থেকে নতুন রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তুলেছিলেন। প্রতিকূল পরিবেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর এই উদ্যোগ আজও বহু মানুষের কাছে অনুকরণীয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ, বাংলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং রাষ্ট্রবাদ প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে জোর চর্চা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

মোমবাতি হাতে পথে মমতা, ব্যারিকেড ভেঙে এগোল মিছিল! বারুইপুর কাণ্ডে তপ্ত কালীঘাট

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার কালীঘাটে মোমবাতি হাতে পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের বাড়ির সামনে থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিবাদ মিছিল ঘিরে কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বাড়ির গলির মুখে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে ব্যারিকেড সরিয়ে মিছিল এগিয়ে যায়।মিছিলে মূল স্লোগান ছিল, বারুইপুরের বিচার চাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে এদিন দেখা যায় দলের একাধিক মহিলা নেত্রীকে। দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, অপরূপা পোদ্দার-সহ তৃণমূলের বহু নেতা-কর্মী মোমবাতি ও প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড হাতে মিছিলে অংশ নেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে কালীঘাট এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়ির সামনেই প্রতিবাদ কর্মসূচি শেষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রবিবার বারুইপুরে এক নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে। ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।ঘটনার পর নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে রবিবার রাতেই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুরে তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল বারুইপুরে গিয়ে মৃত নাবালিকার পরিবারের সঙ্গে দেখা করে। পরে তারা কালীঘাটে ফিরে গোটা ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানায়।এরপরই কালীঘাটে প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নেন তৃণমূল নেত্রী। রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বিভিন্ন ইস্যুতে একাধিকবার পথে নেমেছেন তিনি। এবার বারুইপুরের নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনার বিচার দাবি করে সরাসরি প্রতিবাদে শামিল হওয়ায় বিষয়টি নতুন রাজনৈতিক গুরুত্ব পেয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

নাবালিকার বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার, তদন্তে বিস্ফোরক মোড়! গণধর্ষণের অভিযোগে কাঁপল বারুইপুর

বারুইপুরে নাবালিকার মৃত্যু মামলায় তদন্তে বড় মোড় এল। খুনের মামলার সঙ্গে এবার ধর্ষণ ও গণধর্ষণের অভিযোগও যুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগ, নাবালিকাকে গণধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হলে তাঁদের চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। তদন্তে একাধিক গুরুতর ধারা যোগ হওয়ায় মামলার গুরুত্ব আরও বেড়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরপরই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বর্তমানে তিন অভিযুক্তকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।আদালতে সরকারি আইনজীবী জানান, এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলা। তদন্তের স্বার্থে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা এবং ফরেন্সিক বিশ্লেষণও সম্পূর্ণ হয়নি। প্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও আদালতে তুলে ধরা হয়। সেই কারণেই ধৃতদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, প্রথমে নাবালিকার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছিল। তদন্তে নেমে প্রথম অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার পর তার জেরাতেই নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। এরপর ধারাবাহিকভাবে আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ এই মামলায় ধর্ষণ, গণধর্ষণ, খুন, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করা, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, নাবালিকার বিরুদ্ধে যৌন অপরাধ সংক্রান্ত বিশেষ আইন এবং নাবালিকা অপহরণের একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা রুজু করেছে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টেও যৌন নির্যাতনের ইঙ্গিত মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে।সোমবার আদালতে অভিযুক্তদের পক্ষে কোনও আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। শুনানি শেষে আদালত তিন অভিযুক্তকে চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত এখনও চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

শেষমেশ নির্বাচন কমিশনে বড় চাল! ‘আসল তৃণমূল’ প্রমাণে বিস্ফোরক দাবি, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ

আসল তৃণমূল কে, সেই প্রশ্নের জবাব এবার নির্বাচন কমিশনের সামনে। সোমবার নির্ধারিত সময়ে কালীঘাট শিবিরের পক্ষ থেকে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে বিস্তারিত লিখিত বক্তব্য জমা দেওয়া হয়েছে। সেই নথিতে নিজেদেরই প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস বলে দাবি করেছে দল। পাশাপাশি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের নেতৃত্বাধীন শিবিরের দাবি আইনসম্মত নয় বলেও একাধিক যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের দাবি, দলের সংবিধান অনুযায়ী প্রথমে প্রতি তিন বছর এবং পরে চার বছর অন্তর সাংগঠনিক নির্বাচন হওয়ার নিয়ম থাকলেও, দুই হাজার ছয় সালে সংবিধান সংশোধন করে সেই মেয়াদ পাঁচ বছর করা হয়। সেই নিয়ম মেনেই দুই হাজার বাইশ সালে শেষ সাংগঠনিক নির্বাচন হয়েছে। ফলে বর্তমান কমিটির মেয়াদ দুই হাজার সাতাশ সাল পর্যন্ত বৈধ। এই অবস্থায় তিন বছরের মেয়াদের দাবি সম্পূর্ণ ভুল এবং আইনসম্মত নয় বলেই নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে।নথিতে আরও বলা হয়েছে, যদি ধরা হয় দুই হাজার পঁচিশ সালেই দলের সাংগঠনিক মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল, তাহলে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ যাঁরা পরে জোড়াফুল প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন, তাঁদের প্রার্থীপদও প্রশ্নের মুখে পড়বে। সে ক্ষেত্রে তাঁদের নির্বাচিত হওয়াও আইনগতভাবে বৈধ হবে না। সেই পরিস্থিতিতে তাঁদের পদত্যাগ করা উচিত বলেও দাবি করা হয়েছে।কালীঘাট শিবির আরও জানিয়েছে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা নিজেদের একটি ব্লক হিসেবে স্পিকারের কাছে পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু দলের সংবিধান অনুযায়ী কোনও ব্লকের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার অধিকার নেই। প্রথমে ব্লক, তারপর জেলা, এরপর রাজ্য স্তরের সাংগঠনিক প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর জাতীয় কর্মসমিতি গঠিত হয়। ফলে একটি ব্লকের পক্ষে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা সংবিধানবিরোধী বলেই দাবি করা হয়েছে।দলের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার আগে অন্তত দুটি সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক। সেই বিজ্ঞপ্তি কোথায় প্রকাশ করা হয়েছে, তার কোনও তথ্য ঋতব্রত শিবির দেয়নি বলেও নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তিতে বলা হয়েছে, দলের সমস্ত সাংসদ ও বিধায়কেরা পদাধিকারবলে জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য। সেই হিসেবে বর্তমান সমস্ত সাংসদ ও বিধায়কদের মতামত ছাড়া কোনও জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা সম্ভব নয়। অথচ সেই নিয়ম মানা হয়নি বলেই অভিযোগ করা হয়েছে।কালীঘাট শিবিরের আরও দাবি, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা বারবার দলের সংবিধানের কথা উল্লেখ করছেন। অর্থাৎ তাঁরাও কার্যত অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের সংবিধান এবং দলের অস্তিত্ব স্বীকার করছেন। তাই নিজেদের পৃথক দাবি আইনগতভাবে টিকবে না বলেই নির্বাচন কমিশনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে।এই নথি জমা পড়ার পর আসল তৃণমূল এবং জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ প্রসেনজিতের বাড়িতে অমিত শাহ! বন্ধ দরজার বৈঠক ঘিরে তুঙ্গে জল্পনা, কী কথা হল?

কলকাতা সফরে এসে আচমকাই অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে গেলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সরকারি কর্মসূচির তালিকায় এই সাক্ষাতের কোনও উল্লেখ ছিল না। তাই এই হঠাৎ সাক্ষাৎ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এটিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই জানানো হয়েছে, তবুও এর নেপথ্যে অন্য কোনও বার্তা রয়েছে কি না, তা নিয়েই বাড়ছে কৌতূহল।সোমবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে একাধিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে কলকাতায় আসেন অমিত শাহ। বিমানবন্দরে নামার পর তিনি প্রথমে ইকো পার্কে গিয়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের একশো পঁচিশ ফুট উচ্চতার মূর্তির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়িতে যান। সেখান থেকে তাঁর মিলন মেলায় অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা থাকলেও আচমকাই তিনি বালিগঞ্জে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে যান।জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রায় পনেরো মিনিট অভিনেতার বাড়িতে ছিলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং নিশীথ প্রামাণিক। সূত্রের খবর, সেখানে চা-আড্ডার মধ্যেই সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়। তবে এই সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ নিয়েই শুরু হয়েছে নানা রাজনৈতিক জল্পনা।এর আগেও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির শীর্ষ নেতাদের একাধিকবার দেখা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার অভিনেতার বাড়িতে গিয়ে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মান পাওয়ার জন্য শুভেচ্ছা জানান। সেই সময় তাঁর হাতে রামলালার একটি মূর্তি তুলে দেওয়া হয়েছিল। তখন সুকান্ত মজুমদার স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, সেই সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ সৌজন্যমূলক এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।এর কিছুদিন আগে নিজের নতুন ছবি দেখার আমন্ত্রণ জানিয়ে রাজ্য ভারতীয় জনতা পার্টির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বাড়িতেও গিয়েছিলেন প্রসেনজিৎ। এবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তাঁর বাড়িতে যাওয়ায় সেই জল্পনা আরও বেড়েছে।যদিও এই সাক্ষাৎ নিয়ে কোনও পক্ষই রাজনৈতিক তাৎপর্যের কথা স্বীকার করেনি, তবুও সময় এবং পরিস্থিতির কারণে বিষয়টি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ফলে অমিত শাহ ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের এই সাক্ষাৎ এখন রাজনৈতিক মহল থেকে বিনোদন জগত সর্বত্রই আলোচনার অন্যতম বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে সামনে এল নতুন সিসিটিভি ফুটেজ! মৃত্যুর আগে কার সঙ্গে হাঁটছিল নাবালিকা? বাড়ছে রহস্য

বারুইপুরে নাবালিকার মৃত্যু মামলায় তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। গণধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যেই সামনে এসেছে একটি সিসিটিভি ফুটেজ, যা ঘিরে নতুন করে জোরালো হয়েছে তদন্ত। তদন্তকারীরা ফুটেজটি খতিয়ে দেখছেন এবং ঘটনার সঙ্গে এর যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নাবালিকার পরনে ছিল নীল রঙের সালোয়ার-কামিজ। তাঁর সঙ্গে হাঁটতে দেখা যায় এক যুবককে, যার পরনে ছিল লাল রঙের জামা এবং মাথায় নীল রঙের টুপি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ওই যুবক গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তদের একজন হতে পারেন। তবে ফুটেজে কোথায় যাওয়া হচ্ছিল বা এরপর কী ঘটেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সেই বিষয়টি জানতে তদন্ত চালানো হচ্ছে।নাবালিকার মা ঘটনার কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, তাঁর মেয়ে যে যন্ত্রণা সহ্য করে প্রাণ হারিয়েছে, অভিযুক্তদেরও আইনের মাধ্যমে সেই অপরাধের উপযুক্ত শাস্তি হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, অতীতে বহু এমন ঘটনা ঘটলেও অনেক ক্ষেত্রেই বিচার পাওয়া যায়নি। এবার তিনি দ্রুত এবং নিরপেক্ষ বিচার চান।এলাকার এক প্রতিবেশী জানান, সিসিটিভি ফুটেজে যুবকের মাথায় টুপি থাকায় মুখ স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে না। তাঁর হাতে একটি খাবারের প্যাকেটও ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। তদন্তকারীরা ফুটেজের মান উন্নত করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।সোমবার ধৃত তিন অভিযুক্তকে আদালতে তোলা হয়। আদালত তাঁদের চৌদ্দ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তে ইতিমধ্যেই খুনের পাশাপাশি ধর্ষণ ও গণধর্ষণের অভিযোগ যুক্ত হয়েছে। এছাড়া একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।সরকারি আইনজীবী আদালতে জানান, এই মামলাটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তদন্তের স্বার্থে এখনও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ এবং বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বাকি রয়েছে। পাশাপাশি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। সেই কারণেই অভিযুক্তদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখে প্রকৃত সত্য সামনে আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal