• ৩২ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ১৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Ban

রাজ্য

আজ বর্ধমানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কোথায় কি নিয়ে বৈঠক?

ডিভিসির ছাড়া জলে পুজোর আগে প্লাবিত হয়েছে পূর্ব বর্ধমান সহ বাংলার আটটি জেলা। তাই বেজায় ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বন্যা কবলিত বিভিন্ন জেলায় পৌছে গিয়ে পরিস্থিতি সরজমিনে চাক্ষুষ করে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিকল্পনা করে বন্যা করা হয়েছে বলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন। এমনকী ডিভিসির কমিটি থেকে রাজ্যের দুই আধিকারিক পদত্যাগ করেছেন। এই জল ছাড়া নিয়ে ঝাড়খন্ডের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। গন্ডগোলের জল গড়িয়েছিল বাংলা ঝাড়খণ্ড সীমান্ত পর্যন্ত। জানা গিয়েছে, আজ, সোমবার বর্ধমানে বন্যা পরিস্থিতি সংক্রান্ত ও প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তা নিয়েই জেলা পুলিশ ও প্রশানের তৎপরতা এখন তুঙ্গে উঠেছে।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষ কর্মসূচী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পূর্ব বর্ধমান জেলায় আসছেন। এই খবর রবিবার বেলায় জেলা প্রশাসনের সদর দপ্তরে এসে পৌঁছায়। তারপরই শুরু হয়ে যায় চূড়ান্ত প্রস্তুতি। জরুরী বৈঠকে বসেন জেলাশাসক, পুলিশ সুপার সহ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। বিকেলে জেলাপ্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ। বিদুৎ দপ্তরের আঞ্চলিক অধিকর্তা গৌতম দত্তও বৈঠক করেন। সম্প্রতি, ডিভিসি জল ছাড়ায় পূর্ব বর্ধমানের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
বিদেশ

জমাটি বিতর্কের পর ওপারের পদ্মার ইলিশ এবারও পুজোয়! পরিমাণই বা কত?

শেষমেশ নানা টানাপোড়েনের পর ওপারের পদ্মার রূপালী শস্য এপারে আসতে চলেছে। ইলিশ ভারতে রপ্তানি করবে কিনা তা নিয়ে নয়া স্বাধীন বাংলাদেশ-এ বিতর্ক অভ্যাহত। তারই মধ্যে এই ইলিশ পাঠানোর খবর। ইলিশ মানেই যেন এক আলাদা রসনা ত্প্তি! ইলিশের পাতুরি, ইলিশ ভাপা, ইলিশ জাফরানি, মেথি ইলিশ, রসুন নারকেল ইলিশ, ইলিশ হরিয়ালি, ইলিশ বিরিয়ানি, ইলিশ ভর্তা, ইলিশ কোর্মা, ইলিশের টক কি নেই রসনার তালিকায়! দুর্গাপুজোয় রসনাতৃপ্তিতে বাঙ্গালির পাতে ইলিশ চাইই- চাই। তবে এবার বাংলার মাছের বাজার মাত করেছে দক্ষিণ ২৪ পরগণা ও পূর্ব মেদিনীপুরের স্বাদের ইলিশ। এবার দুর্গাপুজোয় পাতে পরতে চলেছে পদ্মার ইলিশ।গত ৫ বছর টানা দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে এপার বাংলায় ইলিশ মাছ আমদানি হয়েছে। কিন্তু এবার বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি একেবারে ভিন্ন। শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়েছে। নোবেল জয়ী মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে চলছে বাংলাদেশে তদারকি সরকার। দুর্গা পুজোর মুখে বাঙ্গালির পাতে আদৌ পদ্মার ইলিশ পড়বে কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় ছিলই। তবে শেষ মুহূর্তে বাংলাদেশের তরফে ৩ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ রপ্তানির সবুজ সংকেত দওয়া হয়েছে।এই আমদানিতে স্বভাবতই খুশির হাওয়া এপার বাংলায়। দুর্গাপুজোয় বাংলাদেশ সরকারের কাছে ইলিশ রফতানি করার জন্য আবেদন জানিয়েছিল ফিস ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন। সেই আবেদনে সাড়া দিয়েই বাংলাদেশে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে ইলিশ রফতানির একাধিক আবেদন পেয়ে সরকারের তরফে তিন হাজার মেট্রিক টন ইলিশ রফতানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।অ্যাসোসিয়েশনের তরফে বাংলাদেশ সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে বলে হয়েছিল, ১৯৯৬ সাল থেকে বাংলাদেশ ইলিশ রফতানি করছে এপার বাংলায়। পেট্রাপোল সীমান্ত থেকে প্রতি বছর গড়ে ৫০০০ মেট্রিক টন ইলিশ আমদানি করা হত। দুর্ভাগ্যবশত ২০১২ সালের জুলাই মাসে হঠাৎ করেই বাংলাদেশ সরকার ইলিশ রফতানি নিষিদ্ধ করে। তারপর আমরা নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার জন্য তাদের কাছে চিঠি দিয়েছি কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। তবে গত ৫ বছর ধরে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ থেকে শুরু করে সেপ্টেম্বর, ২০২৩ পর্যন্ত ইলিশ আমদানি করা হয়।অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সৈয়দ আনোয়ার মকসুদ বলেন, এর আগে বাংলাদেশ সরকার দুর্গাপুজোর সময় ইলিশ মাছ রফতানির অনুমতি দিয়েছে। বিগত ৫ বছর ধরে ইলিশ আসছে এখানে। পশ্চিমবঙ্গ, আসাম এবং ত্রিপুরার মাছ ব্যবসায়ীদের কাছে বাংলাদেশের ইলিশের প্রচুর চাহিদা। মানুষও এই সময় ইলিশের জন্য অপেক্ষা করে থাকে। দুর্গাপুজোর সময় ইলিশ মাছ রফতানির অনুমতি দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছি।অ্যাসোসিয়শনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২০১৯ সালে ইলিশ এসেছে ৫০০ মেট্রিক টন। তার পরের বছর ২০২০ সালে ইলিশ আমদানি করা হয়েছে ১৮৫০ মেট্রিক টন। ২০২১ সালে ২৬০০ টনের অনুমোদন থাকলেও আমদানি হয়েছে ১২০০ মেট্রিক টন। তার পরের দুবছর ২০২২ ও ২০২৩ সালে আমাদানিকৃত ইলিশের পরিমাণ ছিল ১৩০০ মেট্রিক টন। যদিও এবার সেই সকল পরিসংখ্যানকে টপকে গিয়ে ৩ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ রফতানিতে সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের তরফে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৪
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ড থেকে সতর্ক, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি টালিগঞ্জ সিনে পাড়ার

আরজি কর হাসপাতাল যে ঘটনা ঘটেছে তার পর স্বাভাবিকভাবে আতঙ্কিত শহর তথা রাজ্যের মানুষ। কর্মক্ষেত্রে কেউ কতটা নিরাপদ তা নিয়েও অনেক প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেরই দাবি, যে কোনও কাজের জায়গা হোক, বহু সময়ে বহু কর্মী হেনস্থার শিকার হন। আর টালিগঞ্জও এইসব অভিযোগ থেকে বাদ নেই। তাই এবার কর্মক্ষেত্রে হেনস্থার তদন্তের জন্য যাতে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয় তার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠানো হল টলিপাড়া থেকে।মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে ওয়েমেন ফোরাম ফর স্ক্রিন ওয়ার্কারস। তাঁদের দাবি, কাজ করতে এসে বহু অভিনেতা, ক্রু সদস্য, টেকনিশিয়ান অনেক সময়ই হেনস্থার শিকার হন। কিন্তু তাঁদের অভিযোগকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না বেশিরভাগ সময়। তাই এসব অভিযোগের তদন্ত করতে স্বাধীন একটি কমিটি গঠন করুক সরকার। মূলত আরজি করের ঘটনার পরই এমন একটি পদক্ষেপ নেওয়া আরও জরুরি হয়ে উঠেছে বলেই মনে করছে তাঁরা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৪
রাজ্য

বন্যা পরিস্থিতি দেখে কি বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

আর্ত মানুষের পাশে আজীবন থাকার প্রতিজ্ঞা নিয়েই রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছিলাম। আজ আমার রাজ্যবাসীর একাংশ বন্যা পরিস্থিতির কারণে বিপদের সম্মুখীন। কাল আমি হুগলির পুরশুড়া, গোঘাট-আরামবাগ এলাকা এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালে গিয়েছিলাম। এছাড়াও বীরভূমের বন্যা কবলিত এলাকায় প্রশাসনের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রেখেছি। আজ, পাঁশকুড়া, রাতুলিয়ার বন্যা কবলিত এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখলাম এবং সেখানকার স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের আশ্বস্ত করলাম। আমাদের প্রশাসন দিবারাত্রি তাঁদের পাশে আছে। যাঁদের শস্যের ক্ষতি হয়েছে, তাঁরা শস্য বীমার টাকা পাবেন। এখন আমি উদয়নারায়ণপুরের পথে। এই বছর কোনও আলোচনা ব্যতীত প্রায় পাঁচ লক্ষ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে, যার জন্য দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ বন্যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এটি একটি ম্যান ম্যাড বন্যা ছাড়া আর কিছুই নয়।আমি প্রথমদিন থেকে এই পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। দুর্গতদের পাশে থাকতে আমাদের মা-মাটি-মানুষের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ত্রাণ পরিষেবা চালু আছে। প্রত্যেক পরিবার যেন ত্রাণ পরিষেবা পায়, তা সুনিশ্চিত করেছি। কোনও একজন মানুষেরও ক্ষতি যেন না হয় সেটি নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৪
রাজ্য

ফের নবান্নের সঙ্গে বৈঠকে জুনিয়র চিকিৎসকরা, চলছে লাগাতার কর্মবিরতি

এবার নবান্নে রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক জুনিয়র ডাক্তারদের। আজ মুখ্য সচিবের সঙ্গে আলোচনা আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের। পাঁচ দফা মধ্যে চার ও পাঁচ নম্বর দাবির ওপর জোর দিয়েই আজকের এই বৈঠক হবে বলে জানানো হয়েছে জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে। এদিকে রাজ্যের তরফে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে যোগদানের আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৭টা বেজে ১৫ মিনিটে নবান্নে পৌঁছান জুনিয়র ডাক্তারদের ৩০ জনের প্রতিনিধিদল। থ্রেট কালচার থেকে শুরু করে হাসপাতালে ডাক্তারদের নিরাপত্তাসহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে আজকের এই বৈঠকে। এর আগে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের বৈঠকে ডাক্তারদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যসচিবের তরফে করা ইমেলেও দক্ষিণবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজ যোগ দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। এদিন বৈঠকে যাওয়ার আগে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সেখানে বলা হয়েছে রাজ্য সরকার আন্দোলনের চাপে নতি স্বীকার করেছে। সরানো হয়েছে স্বাস্থ্য, পুলিশ আধিকারিকদের। অভয়ার বিচারের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টেও লড়ে চলেছি আমরা। সিবিআইও আমাদের চাপের কারণেই টালা থানার ওসি ও সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে। সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজগুলিতে স্বাস্থ্যকর্মীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আমরা কাজে ফিরতে ভয় পাচ্ছি। এদিন জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে বলা হয়, উপরোক্ত দাবি পূরণ না হলে কাজে ফিরতে পারব না তাও আমরা সরকারকে জানিয়েছি। আমরা চাইছি প্রতিটি মেডিকেল কলেজে রেস্ট রুম , বাথরুম, প্যানিক বোতাম, নারী পুলিশ কর্মী মোতায়েন করতে হবে। কলেজ ভিত্তিক টাস্ক ফোর্স গঠনের দাবিও জানানো হয়েছে। হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজগুলিতে রোগী পরিষেবাকে উন্নত করতে হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মী নিয়োগ, হাসপাতালের পরিকাঠামো ঢেলে সাজাতে হবে। জনমুখী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি কলেজে থ্রেট কালচারকে বন্ধ করতে হবে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা। কমিটি গঠন করতে হবে। গণতান্ত্রিক পরিসরকে বিস্তৃত করতে হবে হাউসস্টাফ নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে সওয়াল করেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করার পর বুধবার সকালেই মুখ্যসচিবকে ই-মেল করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে ই-মেলে তাঁরা উল্লেখ করেন, তাঁদের দাবির কয়েকটি বিষয় এখনও সমাধান হয়নি। সেই দাবি সমাধানের আশাতেই মেল করেছেন আন্দোলনকারীরা। ই-মেলে তাঁরা রাজ্য সরকারের তরফে ইতিবাচক উত্তরের আশায় রয়েছেন বলে লেখেন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডের জের, নতুন পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা, বদলি স্বাস্থ্য দফতরেও

গতকাল জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকে বিনীত গোয়েলকে সরানেরা কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতো সরানো হল তাঁকে। কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার হচ্ছেন মনোজ ভার্মা। ১৯৯৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার মনোজ ভার্মাকেই বিনীত গোয়েলের জায়গায় কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে অনলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার ছিলেন মনোজ ভার্মা। সেই সঙ্গে নতুন ADG হলেন জ্ঞানবন্ত সিং। স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের ADG পদে যাচ্ছেন বিনীত গোয়েল।গতকালই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, বিনীত গোয়েলকে সরিয়ে কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে নতুন কাউকে আনা হবে। সেই মতো মনোজ ভার্মাকে কলকাতা পুলিশের নতুন পুলিশ কমিশনার করা হয়েছে। ১৯৯৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার মনোজ ভার্মা। তিনি রাজ্য পুলিশের এডিজি (আইন-শৃঙ্খলা) পদে নিযুক্ত ছিলেন। এর আগে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনারের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এবার তিনি পুলিশ কমিশনার।দক্ষ পুলিশকর্তা হিসেবে বরাবরই নিজের পরিচয় দিয়েছেন মনোজ ভার্মা। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে উত্তাল পরিস্থিতির সময় এই মনোজ ভার্মাকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ২০১৯ সাল পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের আইজি ছিলেন মনোজ ভার্মা। ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের ফি দিনের গন্ডগোল সামলানোর দায়িত্বও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মনোজ ভার্মার কাঁধেই সঁপেছিলেন। এবার কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে আনা হল দুঁদে এই আইপিএস অফিসারকে।অফিসারকে। বিনীত গোয়েলকে পাঠানো হয়েছে এডিজি STF পদে পাঠানো হয়েছে। এর আগেও এসটিএফে কাজ করেছেন বিনীত গোয়েল। নতুন এডিজি আইবি হলেন জ্ঞানবন্ত সিং। DC নর্থ অভিষেক গুপ্তকেও বদলি করা হয়েছে। EFR সেকেন্ড ব্যাটেলিয়নের CO পদে আনা হয়েছে তাঁকে। অভিষেক গুপ্তর জায়গায় নতুন DC নর্থ দীপক সরকার। এডিজি (আইশৃঙ্খলা) পদে আনা হল জাভেদ শামিমকে। আরজি কর কাণ্ডের জেরে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের চাপে বদল স্বাস্থ্য দফতরেও। পুলিশের পাশাপাশি জুনিয়ার ডাক্তারদের দাবি মেনে সরিয়ে দেওয়া হল স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তাকে। কৌস্তভ নায়েককে সরিয়ে স্বাস্থ্য অধিকর্তা পদে আবা হয়েছে স্বপন সোরেনকে। সেই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা দেবাশিস হালদারকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা পদে থাকা দেবাশিস হালদারকে বদলি করা হচ্ছে জনস্বাস্থ্য স্পেশাল অফিসার অন ডিউটি পদে। স্বাস্থ্য অধিকর্তা পদে থাকা কৌস্তভ নায়েককে ইনস্টিটিউট অফ হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ারে অধিকর্তা পদে পাঠানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী ও জুনিয়র চিকিৎসক বৈঠক: সরছেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার, বদল হচ্ছে দুই স্বাস্থ্য শীর্ষ কর্তা

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠক হয়েছে দীর্ঘক্ষণ ধরে। বেশ কয়েকটি দাবি মেনে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, ৪টের মধ্যে ৩ টে দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে যোগ দিতে আবেদন জানানো হয়েছে। ১১টা ৪৬ মিনিটে বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। বাইরে বেরিয়ে তাঁরা বলেন, আমাদের ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিছু জিনিস নিয়ে আলোচনা হয়নি। আমরা ধরনা মঞ্চে গিয়ে বলবো। সব বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছায়নি দুপক্ষ। তাঁরা জানিয়েছে, পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগের দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্র সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, ডিজি রাজীব কুমার সহ আরও সরকারি আধিকারিক। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কি বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?আমাদের বৈঠক চলেছে দীর্ঘক্ষণ। ৪২ জন জুনিয়র চিকিৎসক স্বাক্ষর করেছেন। ওদের বক্তব্য রাখতে দিয়েছি। অভয়ার উদ্দেশে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বৈঠক শুরু হয়। বদলের জন্য ৩ টে নাম দিয়েছিল স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের। ডিএমই ও ডিএইচএসকে সরানো হবে। চিকিৎসকদের তাঁদের প্রতি ক্ষোভ আছে। তবে তাঁদের অসম্মান করি না। আগামিকাল ৪ টের পর পুলিশ কমিশনার বদল করানো হবে। আরও কিছু পুলিশের রদবদল করা হবে। বিনীত যেখানে কাজ করতে চেয়েছে সেখানে ওকে দেওয়া হবে। ওদের ৪টে দাবির মধ্যে ৩ টে দাবি মেনে নিয়েছি। হাসপাতালের পরিকাঠামো বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বৈঠক পজিটিভ হয়েছে বলে আমি মনে করি। নিশ্চয় ওরাও তাই মনে করে। তাই মিনিটসে স্বাক্ষর করেছে। আমি ওদের বলেছি মানুষের স্বার্থে কাজে যোগ দাও। এদিকে ডিভিসি জল ছাড়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে রাজ্যর কিছু এলাকায়। আমাদের না জানিয়ে আজ সকালে ৮০-৯০ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৪
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী ও জুনিয়র চিকিৎসকের বৈঠক শেষ, জট কি কাটলো?

আগামিকাল সুপ্রিম কোর্টে শুনানির আগে বৈঠক হল। বৈঠকে কি জট কাটলো? জানা গিয়েছে, জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করার অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নানা টালবাহানার পর অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক হল আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে এই বৈঠক হয়। বৈঠক চলে প্রায় ২ ঘন্টা। এর আগে বৈঠকের লাইভ স্ট্রিমিং দাবি করেছিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে তাই লাইভ স্ট্রিমিং সম্ভব নয় বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন। পরে ভিডিও রেকর্ডিংয়ের দাবি ছিল আন্দোলনকারীদের। কিন্তু তাও ধোপে টেকেনি। শেষমেশ মিটিংয়ের আলোচনার মিনিট দেওয়া হবে এই শর্তে বৈঠকে বসেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৪
রাজ্য

কালীঘাটে এখনও বৈঠক শুরু হয়নি, ভিডিওগ্রাফিতে অনড় জুনিয়র চিকিৎসকরা

জুনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য অপেক্ষা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ সরকারি উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। লাইভ স্ট্রিমিং না হলেও ভিডিওগ্রাফির দাবি করছে জুনিয়র চিকিৎসকরা। প্রশাসন ভিডিওগ্রাফি করবে, সেক্ষেত্রে জুনিয়র চিকিৎসকরা ভিডিওগ্রাফির দাবি জানিয়েছে। এই জটিলতায় বৈঠক আটকে আছে। সেখানে কাক ভেজা হয়ে অপেক্ষা করছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা স্বচ্ছতার জন্য ভিডিওগ্রাফি চাইছেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

জুনিয়র চিকিৎসকদের ধরনা মঞ্চে গিয়ে কি বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিষেধ থাকা সত্ত্বেও আমি ছুটে এসেছি। কাল সারারাত ঝড় বৃষ্টি হয়েছে। আপনারা কষ্ট পেয়েছেন। আমিও রাতে ঘুমোতে পারিনি। আমারও কষ্ট হয়েছে। আমি নিজে ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে এসেছি। আমি যখন এসেছি কাজ করবই। অনেক কষ্ট পেয়েছেন আপনারা। আপনাদের দাবিগুলো নিয়ে আমি কথা বলব। আপনাদের দাবিগুলি আমি ভাবব, আমি চিন্তা করব। দোষী শাস্তি পাবেই। সিবিআইকে অনুরোধ করব যত তাড়াতাড়ি বিচার হোক। তিন মাসের মধ্যে তারা যেন ফাঁসির অর্ডার দেয়। আপনাদের প্ল্যাটফর্ম থেকেই সিবিআইকে অনুরোধ জানাব।আমাকে একটু সময় দিন। আমার উপর যদি ভরসা থাকে আমি কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। আমার পোস্টটা বড় কথা নয়। মানুষের পোস্টটাই বড় কথা। আপনারা এত কষ্ট করে ঝড় জলে রয়েছেন। আপনাদের পরিবারও কষ্টে রয়েছে। আপনারা কাজে যোগ দিন। আপনাদের প্রতি আমি কোনও অবিচার করব না। হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। সব হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতিতে অধ্যক্ষদের চেয়ারম্যান করব। সদস্য হিসেবে, জুনিয়র-সিনিয়র ডাক্তার, নার্স ও একজন পাবলিক রিপ্রেসেন্টেটিভ থাকবেন এবং পুলিশও থাকবে। আরজি কর মেডিকেল কলেজ সহ সব মেডিকেল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতি ভেঙে দিলাম। আপনাদের বাদবাকি যা দাবি আছে যদি সত্যি কেউ দোষী হয় তারা শাস্তি পাবে। দোষীরা আমার বন্ধু নয়। আমি চাই তিলোত্তমা বিচার পাক। এই খুনের সাথে ও দুর্নীতির সাথে কেউ জড়িত থাকলে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব। আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি নিজেদের মধ্যে কথা বলুন। কথা বলে ব্যবস্থা নেব। আমি আপনাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেব না। উত্তর প্রদেশ পুলিশ স্ট্রাইক, মিছিল বন্ধ করে দিয়েছিল। আমি এসব করব না। কোনও ডাক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আমি বিরুদ্ধে। আপনারা চাইলে কাজে যোগ দিন। ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন। আমি যখন আপনাদের ধরনামঞ্চে আসতে পেরেছি ভরসা করলে বাদ বাকিটাও আমি আস্তে আস্তে করে দেব।দুর্নীতির একটা টেন্ডার কেসও আমার কাছে আসেনি। কোনও রোগী করলেন সমিতি কি কাজ করে সেটা আমার কাছে আসে না। আপনাদের অভিযোগ থাকলে তদন্ত করব, সাজাও দেব। ১৭ তারিখ কেসের ডেট আছে সুপ্রিম কোর্টে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বলতে আসিনি। আমি আপনাদের দিদি হিসেবে বলতে এসেছি। আপনাদের আন্দোলনকে কুর্নিশ জানাই। আপনাদের আন্দোলনের আমিও সমব্যথী ও সমসাথী। অনুরোধ করছি আমার কথা শুনুন।যে যা খাবার দিচ্ছে সব খাবারটা খাবেন না। হ্যাঁ জাস্টিস হবে। আমি ২৬ দিন অনশন করেছিলাম। সিপিএমের সরকার একদিনের জন্যও কথা বলতে আসেনি। তা সত্ত্বেও আমি এখন এসেছি। আপনাদের আবারও আবেদন বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিন। আমার এটা লাস্ট চেষ্টা আপনাদের জন্য করে গেলাম। অবিচার হবে না আপনার বিচার পাবেন, এটুকু আমি বলতে পারি। আপনাদের সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

জুনিয়র চিকিৎসকদের ধরনা অবস্থানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সল্টলেকে জুনিয়র চিকিৎসকদের অবস্থান বিক্ষোভে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুদিন আগে নবান্নে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল জুনিয়র চিকিৎসক ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। এদিন সল্টলেকে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী। সহমর্মিতা প্রকাশ করেন মমতা। কাজে ফেরার আবেদন জানান। আপনাদের দাবি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জুনিয়র চিকিৎসকদের জানান। বলেন, তিলোত্তমার বিচার হোক। ৩ মাসে শাস্তি দিক সিবিআই, যেন ফাঁসির আদেশ হয়।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

কর্মবিরতির জন্য বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু ২৯, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির জেরে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে ২৯ জনের, দাবি রাজ্য সরকারের। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে ঘোষণা করেছেন, মৃত ২৯ জনের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। মমতা এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির ফলে স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। যার ফলে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক। মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে রাজ্য সরকার ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করছে। ২৯ জন মৃতের পরিবারকে ওই টাকা দেওয়া হবে।রাজ্যের অভিযোগ, ডাক্তারদের কর্মবিরতির ফলে বহু মানুষ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পাচ্ছেন না। অনেকে বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যের হিসাবে মৃতের সংখ্যা ২৯। তবে রাজ্যের এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারী ডাক্তাররা। তাঁদের দাবি, কোনও হাসপাতালেই চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাহত হয়নি। সিনিয়র চিকিৎসকরা পরিষেবা দিচ্ছেন। বাড়তি পরিশ্রম করছেন। কোথাও বিনা চিকিৎসায় রোগীকে ফিরে যেতে হচ্ছে না।পাল্টা তাঁদের দাবি, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার বেহাল দশাতেই এমনতিই বহু মানুষ প্রতিদিন উপযুক্ত চিকিৎসা পরিষেবার অভাবে মারা যান। সেই ব্যর্থতা ঢাকতেই আন্দোলনকারীদের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে রাজ্য সরকার। কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে কর্মবিরতিকে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৪
রাজ্য

কেন নবান্নের বৈঠকে লাইভ স্ট্রিমিং নয়? কারণ জানালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী

লাইভ স্ট্রিমিং প্রশ্নে জুনিয়র চিকিৎসক ও মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক ভেস্তে যাওয়ায় কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, মুখ্যমন্ত্রী যে ঘরে বসে অপেক্ষা করছিলেন, সেই ছবি সরকার প্রকাশ করলো আদালতকে প্রভাবিত করতে। লাইভস্ট্রিমিংয়ের সাথে সুপ্রিমকোর্টের রায়ের কোনো সম্পর্ক নেই। সুপ্রিমকোর্টের শুনানি তো লাইভস্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে সারা দেশ দেখছে। নবান্নের সভাঘরে যে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল তার সাথে আদালত অবমাননার কোনো সম্পর্ক নেই। নবান্নের সভাঘরে কি বিচার প্রক্রিয়া চলার কথা ছিল !নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, পুরোটাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাটক, লাইভস্ট্রিমিংয়ে আসলে ওনার মুখোশ খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল তাই জুনিয়র ডাক্তারদের ন্যায্য দাবি মানলেন না। জুনিয়র ডাক্তাররা স্বাস্থ্য দফতরের দুর্নীতি নিয়ে আলোচনা করতেন, তাতেই স্বাস্থ্য মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভয় পেয়ে যান। আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই চান না এই অচলাবস্থা কাটুক। পরবর্তী শুনানির আগে রাজ্যের উকিল কপিল সিব্বলের হাতে ভুয়ো যুক্তির অস্ত্র তুলে দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নানা কৌশল অবলম্বন করছেন।নবান্ন থেকে জেলায় জেলায় প্রশাসনিক বৈঠকে লাইভ দেখতে অভ্যস্ত রাজ্যের মানুষ। মুখ্যমন্ত্রীর বকাঝকাও ওই বৈঠকগুলিতে দেখা গিয়েছে। শুভেন্দু লিখেছেন, যে মুখ্যমন্ত্রী প্রসাশনিক বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিং করেন, তাহলে এত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিং করতে তাঁর আপত্তি কোথায়? আইনের যে যুক্তি দিচ্ছেন তা পুরোপুরি ভুয়ো। মুখ্যমন্ত্রী আসলে লাইভ স্ট্রিমিং করতে ভয় পেয়েছিলেন এই ভাবনা থেকে যে প্রাথমিক পুলিশি তদন্তে যে ফাঁকফোকর রয়েছে, তদন্তের নামে প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা ও তাড়াহুড়ো করে দেহ দাহ করা হয়েছে, এই সংক্রান্ত কেনো প্রশ্ন উঠলে উনি জবাব দিতে পারতেন না।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৪
রাজ্য

ভেস্তে গেল নবান্নের বৈঠক, "বিচার নয়, চেয়ার চায়", মন্তব্য মমতার, পাল্টা চিকিৎসকরা

টানা তৃতীয় দিনেও বৈঠকের আয়োজনই ব্যর্থ। বৃহস্পতিবারও রাজ্য সরকারের সঙ্গে জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকই হল না। নবান্নে পৌঁছেও জুনিয়র চিকিৎসকরা সভা ঘরে ঢুকলেন না। বৈঠকের লাইভ স্ট্রিমিংয়ের দাবি জানিয়েছিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। সেই দাবি মানেনি রাজ্য সরকার। শেষমেশ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, ৪টে ৪৫ মিনিট থেকে অপেক্ষা করছি। এখন ৭ টা বাজতে ৫ মিনিট বাকি। আন্দোলনকারীরা সভা ঘরে এলেন না। তিন দিনের প্রচেষ্টায় বৈঠক হল না। লাইভ স্ট্রিমিং সম্ভব নয় বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। মমতার বক্তব্য, ওরা বিচার চায় না, চেয়ার চায়। পাল্টা দিয়েছেন চিকিৎসকরাবৃহস্পতিবারর রাজ্যের সঙ্গে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের আলোচনা শেষমেষ হল না। নবান্নের বৈঠক লাইভ স্ট্রিমিং না হলে কোন ভাবেই আলোচনা নয়। রাজ্য সরকারকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। এদিকে সরকারের তরফে কোন ভাবেই লাইভ সম্প্রচার হবে না বলে জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীও একই কথা জানান। এই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের প্রসঙ্গ টেনে আনেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমন পরিস্থিতিতে টানা ২ ঘন্টার বেশি সময় ধরে চলেছে টানটান স্নায়ুযুদ্ধ। বৈঠক না হওয়ায় টানা তৃতীয় দিনেও মিলল না কোন সমাধান সূত্র। এ বিষয়ে মুখ্যসচিব বলেন, আজকে ইমেল করেছিলাম। তার পরিপ্রেক্ষিপ্তে ওরা এখানে এসেছেন। মুখ্যমন্ত্রী ৫টা থেকে অপেক্ষা করছেন। ওরা ৩২ জন এসেছে। আমরা ওদের আসতে অনুমতি দিয়েছি। ওদের একটা ইস্যু আছে লাইভ স্ট্রিমিংয়ের। আমরা ভিডিও রেকর্ডিংয়ের কথা বলেছিলাম। ওরা লাইভ স্ট্রিমিংয়ে অনড়। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান চাইছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী অপেক্ষা করছেন। এখনও ওরা মিটিং হলে আসেনি। ওদের বোঝানোর চেষ্টা চলছে। ওদের যা দাবি আছে, সুপ্রিম কোর্টের যা নির্দেশ আছে সবকিছুই আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। আমরা অনুরোধ করব ওরা মিটিংয়ে আসুক। যাই হোক জুনিয়র চিকিৎসকরা মিটিংয়ে যাননি।এদিকে দীর্ঘ সময় ধরে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে আন্দলনরত চিকিৎসকরা। বাতিল হয় আজকের বৈঠক। এরপর এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পৌনে ৫টা থেকে প্রায় সাতটা বাজে! আমরা ২ ঘন্টা ১০ মিনিট অপেক্ষা করেছি, আমার ভেবেছিলাম তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে। আমরা প্রথমে চিঠি দিয়েছিলাম, মুখ্যসচিব, ডিজি, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য-সহ হোম সেক্রেটারি আমার সঙ্গে ছিলেন। আমরা বলেছিলাম খোলা মনে আসুন, কোনও একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে নয়। আলোচনার মাধ্যমে পাঁচটা নতুন কথা আসতে পারে। কথা বললে সমাধান হয়। এর আগেও গতকাল ও গত পরশু অপেক্ষা করেছিলাম তাঁরা আসেনি।মমতা আরও বলেন, আমাদের কাজ হচ্ছে তাঁদের আবেগকে মর্যাদা দিয়ে ক্ষমা করে দেওয়া। আজকেও মুখ্যসচিব তাদের চিঠি দিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। আগের বার ঘটনা ছিল ভিন্ন। সুপ্রিম কোর্ট বা সিবিআইয়ের কাছে ছিল না। আমরা আজকের বৈঠকে রেকর্ডিংয়ের সুযোগ রেখেছিলাম। সুপ্রিম কোর্ট যেটা পারে আমরা তা পারি না। এই নিয়ে কোন আলোচনা আইনত সঠিক নয়। যেহেতু তদন্ত বিচারাধীন, আগামী ১৭ তারিখ শুনানি। তাই লাইভ সম্প্রচারে আমাদের কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে। আমরা ভিতরে যখন সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে, সিবিআইয়ের হাতে তদন্তভার তখন রেকর্ডিং করার ব্যবস্থা রেখেছিলাম। আমরা ওনাদের ৪.৪৫ মিনিটে আসতে বলেছিলাম। তারা অনেকটা দেরি করে এসেছেন। তাতেও আমরা কিছু মনে করিনি। বাংলার মানুষের একটা আবেগ আছে। আমরা সবাই চাই নির্যাতিতা বিচার পাক। এটা আমাদের হাতে নেই। সিবিআই তদন্ত করছে বলে আমি কোন মতামত জানাবো না। আজ আমাদের আলোচনা ছিল স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে গঠনমূলক উন্নতি, তাদের সেফটি ও সিকিউরিটি। টেলিকাস্টের বিষয়েও আমরা ওপেন মাইন্ড, কিন্তু এই মামলা বিচারাধীন। আমাদের একটা দায়বদ্ধতা আছে। আমরা চিঠিতে উল্লেখ করেছিলাম। আমরা খোলা মন নিয়ে আলোচনা চেয়েছিলাম। যদি মিটিংটা সফল হত আমরা যৌথভাবে প্রেস মিট করতে পারতাম। আমরা ভেবেছিলাম খোলামেলা আলোচনায় রাগারাগি না করে ডাক্তার ও রোগীদের স্বার্থে মানবিক ভাবে আলোচনা করবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ছোটদের ক্ষমা করা আমাদের সৌজন্য। সেটা আমরা মেনে চলছি। ১৫ জন বলার পরও ওরা ৩৪ জন এসেছেন তাও মেনে নিয়েছি। কেন ঢুকলেন না আমরা জানি না। ওদের সাহায্য করার জন্য আমি চন্দ্রিমা ছাড়া কাউকে ডাকিনি। যাতে তাঁরা খোলামেলা আলোচনা করতে পারে। আমি ৩ বার চেষ্টা করলাম। ডাক্তারদের কর্মবিরতির জেরে ২৭ জন মারা গিয়েছেন, সাত লক্ষ মানুষ পরিষেবা পাননি, দেড় হাজার সিরিয়াস রোগী দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছেন। ১১ বছরে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ঢালাও উন্নতি করেছি। কর্মবিরতির জেরে যাদের মৃত্যু তাদের জন্য আমরা সহানুভুতি জানাবো না? আমার হৃদয় কাঁদছে সবার জন্য। বিনা চিকিৎসায় কত রোগী মারা গেছেন তার পরিসংখ্যান নেওয়ার কাজ করছে রাজ্য সরকার। সুপ্রিম কোর্ট সময় দিয়ে দিয়েছে। তারপরও কোন অ্যাকশন নিইনি। অনেক সিনিয়ার ডাক্তার কষ্ট করেও কাজ করছেন। তাদের অভিনন্দন। ডাক্তারদের কাছে আবেদন কাজে যোগ দিন, রোগীদের সেবা দিন। এরপরও বসতে চাইলেও আলোচনার পথ খোলা রয়েছে। ধৈর্য্য ধরাটাও একটা পরীক্ষা। আমাকে অনেক অপমান অসম্মান করা হয়েছে। অনেকে জানতেন না এর মধ্যে রঙ আছে, ওরা বিচার নয় ওরা চায় চেয়ার, আমি পদত্যাগ করতেও রাজি। আমি চাই তিলোত্তমা বিচার পাক, সাধারণ মানুষ বিচার পাক। চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছে, এখানে চেয়ারের কোনও প্রশ্নই নেই। লাইভ না করে কি লুকোতে চাইছে সরকার, প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসারা।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৪
রাজ্য

জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনে রাজনীতির খেলা দেখছেন মন্ত্রী, কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার?

জুনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনের পিছনে রাজনীতির খেলা দেখছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি তাঁরা শর্ত রেখে বৈঠকে আসতে চাইছে। একথা বলছেন স্বাস্থ্য দফতরের প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কার্যকরী করতে পদক্ষেপ করবে রাজ্য। কি পদক্ষেপ তা পরে জানিয়ে দেবে রাজ্য। তাহলে জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি তুলতে কি কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সর্বত্র। ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় রাজ্য তোলপাড় হয়ে যায়। টানা কর্মবিরতি করে চলেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। আরজি কর সহ বিভিন্ন হাসপাতালে আন্দোলন চলছে। এর আগে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে লালাবাজার অভিযান করে জুনিয়র চিকিৎসকরা। প্রায় ২৪ ঘন্টা লালবাজারের সামনে অবস্থান করে তাঁরা। এদিকে গতকাল মঙ্গলবার থেকে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করে চলেছে জুনিয়র চিকিৎসকরা। এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকারের সঙ্গে তাঁদের কোনও আলোচনা হয়নি। শুধু মেইল চালাচালি চলছে। গতকাল রাজ্যর মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য জানিয়ে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী দেড় ঘন্টা নবান্নে বসে থেকে বাড়ি চলে গিয়েছেন। জুনিয়র চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন যাঁর পদত্যাগ চাইছি সেই স্বাস্থ্য দফতরের প্রধান সচিব মেইল করে মিটিংয়ে ডেকেছেন। তাঁদের বক্তব্য, তাঁরা কি করে জানবেন মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকে থাকবেন। তা চিঠিতে উল্লেখ ছিল না। জুনিয়র চিকিৎসকদের আজ বৃহস্পতিবার দাবি ছিল, তাঁরা বৈঠকে ৩০ জন প্রতিনিধি যাবে। পুরো বৈঠক লাইভ টেলিকাস্ট হতে হবে। জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকের শর্ত রাজ্য মানবে না, জানান চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। শেষমেশ আজ জুনিয়র চিকিৎসক ও রাজ্য সরকারের বৈঠক ভেস্তে গিয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল মঙ্গলবার বিকেল ৫ টার মধ্যে জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি তুলে নিতে হবে। নির্দেশ কার্যকর করতে রাজ্য সরকারকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এদিন রাজ পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার ও মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে দুপাশে বসিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। বৈঠকে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের গলায় কর্মবিরতি নিয়ে কড়া সুর শোনা গিয়েছে। এখনও অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে জুনিয়র চিকিৎসকরা।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৪
রাজ্য

নবান্নে অপেক্ষা করে চলে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী, সরকারের মেইলে অপমানিত জুনিয়র চিকিৎসকরা

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের প্রধান সচিবের পক্ষে আন্দোলনকারী জুনিয়র ডাক্তারদের কাছে একটি মেল পাঠানো হয় সন্ধে ৬টা১০মিনিট নাগাদ। নবান্নে এসে সরকারের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধি দল এসে দেখা করতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে নবান্নে হাজির ছিলেন। কিন্তু স্বাস্থ্য দফতরের এই মেলকে ভালো ভাবে নেননি আন্দোলনকারী জুনিয়র চিকিৎসকরা। তাঁরা এই মেলকে অপমানজনক বলে মনে করছেন। তাই মেইলের জবাব দেবে না বলেও তাঁরা জানিয়ে দিয়েছে। সরকারের তরফে মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করার জন্য অপেক্ষা করে বেরিয়ে গিয়েছেন। আন্দোলনরত চিকিৎসকদের জন্য অপেক্ষা করে শেষ পর্যন্ত সাড়ে ৭টা নাগাদ নবান্ন ছেড়ে বেরিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের ডাক দিয়েছিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। এদিন তাঁরা ওই ভবনের সামনে অবস্থান করছে। মুখ্যমন্ত্রী যে ওই বৈঠকে থাকবেন তা চিঠিতে উল্লেখ ছিল না, বলছেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। মঙ্গলবার ছিল রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের জানিয়ে দেন, আরজি কর হাসপাতালের ঘটনা বা আন্দোলন, চিকিৎসকদের কর্মবিরতি নিয়ে যা বলার তিনিই বলবেন। বৈঠক শেষে তৎপরতা শুরু হয়। জানা গিয়েছে, তারপরেই স্বাস্থ্যসচিবের ইমেল থেকে মেল পাঠানো হয় আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের কাছে।জুনিয়র ডাক্তাররা বলেন, যাঁর পদত্যাগ দাবি করছি তিনি মেইল করছেন। এটা অত্যন্ত অপমানজনক। মেলের জবাব দেওয়ার কোন প্রশ্ন নেই, বলেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী নাকি বৈঠকের জন্য নবান্নে অপেক্ষা করেছিলেন। আমাদের সে কথা বলা হয়নি। মেইলে তার কোনও উল্লেখ ছিল না। ইমেলে লেখা হয়েছে, রেসপেক্টেড স্যার। জুনিয়র চিকিৎসকরা বলেছেন, মনে রাখবেন, এই আন্দোলনে শুধু স্যারেরা নেই, ম্যাডামেরাও রয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৪
রাজ্য

'পুজোয় ফিরুন, উৎসবে ফিরুন', সাধারণ মানুষের কাছে আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর

আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতার বিচারের দাবিতে উত্তাল বাংলা। প্রতিবাদে গর্জে উঠেছে সারা দেশ। নজিরবিহীন প্রতিবাদের সাক্ষী থেকেছে গোটা বিশ্ব। আমেরিকা, গ্রেট ব্রিটেন সহ একাধিক দেশে আরজি কর কাণ্ডে বিক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। এসবের মাঝে মুখ্যমন্ত্রীর বড় বার্তা, পুজোয় ফিরুন, উৎসবে ফিরুন, সাধারণ মানুষের কাছে আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর।আরজি কর আবহে জেলা থেকে কলকাতা, পুজোর অনুদান ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে একাধিক ক্লাব। এনিয়ে নবান্ন থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে মমতা বলেন, যে সব পুজো কমিটি সরকারি অনুদান নেবে না, তাদের বাদ দিয়ে নতুন পুজো কমিটিকে অনুদান দেওয়া হবে। পাশাপাশি আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে রাম-বামের চক্রান্তের তত্ত্বের পক্ষেও এদিন জোরালো সওয়াল করেন তিনি। পুজোর সময় বাজার দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে আধিকারিকদের এদিন নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল দেশ। সেই ঘটনার জেরে রাজ্য সরকারের তরফের দেওয়া পুজোর অনুদান ফিরিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করেছে কিছু পুজো কমিটি। তার মাঝে নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বলেন, যে সব পুজো কমিটি সরকারি অনুদান নেবে না, তাদের বাদ দিয়ে নতুন পুজো কমিটিকে অনুদান দেওয়া হবে। এদিকে আরজি কর কাণ্ডে আন্দোলনরত জুনিয়ার ডাক্তারদের আগামীকাল বিকেল ৫টার মধ্যে কাজে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।এদিন নবান্ন থেকে সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা আরজি কর ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন,আরজি কর কাণ্ডে কুৎসা চলছে। মেয়ের স্মৃতিতে ভাল কাজ করতে হলে বলবেন, এই কথা বলেছিলাম। পরিবারকে কোন টাকা দেওয়া হয়নি। প্রমাণ দিতে হবে কোথায় টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পালটা নির্যাতিতার পরিবারকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি এও বলেন, সিবিআইকে আরজি কর নিয়ে সমস্ত নথি দেওয়া হয়েছে। রাস্তা আটকে প্রতিবাদ করলে সকলেরই অসুবিধা হয়। পুজোয় ফিরুন, উৎসবে ফিরুন সাধারণ মানুষের কাছে আহ্বান মুখ্যমন্ত্রীর।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৪
রাজ্য

সন্দীপ ঘোষের রাজপ্রাসাদের সন্ধান মিলল ক্যানিং-এ

এবার সন্দীপ ঘোষের প্রাসাদোপম বাংলোর হদিশ মিলল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে প্রায় ২ বিঘা জায়গার উপর আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের আলিশান বাংলোর খোঁজ মিলেছে। মাঝেমধ্যেই সপরিবারে সেই বাংলোয় যেতেন সন্দীপ ঘোষ। এমনই জানাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিংয়ে আরজি কর কাণ্ডে ধৃত সন্দীপ ঘোষের বিরাট সাম্রাজ্যের হদিশ মিলল। ক্যানিংয়ের মধ্য নারায়নপুরে সন্দীপ ঘোষের আলিশান বাংলোর হদিশ মিলেছে। সন্দীপ ঘোষের সেই বাড়ির নাম সঙ্গীতা-সন্দীপ ভিলা। অনেক সময় বন্ধু-বান্ধবদের নিয়েও এই বাড়িতে আসতেন সন্দীপ ঘোষ, এমনও জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর তিনেক আগে ক্যানিংয়ে প্রায় ২ বিঘা জায়গার উপর ওই বিশাল বাংলোটি বাড়ি বানিয়েছিলেন সন্দীপ ঘোষ। ওই এলাকায় একটি বিরাট প্রকল্পের কাজ চলছিল। সেই প্রকল্প থেকেই প্রায় দুই বিঘা জায়গা কিনে নেন সন্দীপ। সেই জমির উপরেই তৈরি হয় তাঁর বিশাল বাংলো।আরজিকর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ থাকাকালীন প্রাসাদপম ওই বাংলো ক্যানিংয়ে তৈরি করেছিলেন সন্দীপ ঘোষ। ওই বাংলোর নিরাপত্তারক্ষী বলেন, মাঝেমধ্যে উনি আসতেন এখানে। ওনার বাবা-মা, ছেলে সবাই আসতেন। মাঝেমধ্যে এখানে এসে সন্ধের আগেই চলে যেতেন।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর আর্থিক দুর্নীতির মামলায় দিনভর ইডির তল্লাশি, উদ্ধার নথিও সোনার গয়না

এবার ইডির নজরে সন্দীপ ঘোষের সম্পত্তি। শুক্রবার সকালে আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়িতে ED-র অভিযান। কয়েক ঘন্টা অপেক্ষার পর বাড়ির ভিতরে ঢুকতে সক্ষম হন ইডির আধিকারিকরা। শুধু সন্দীপ ঘোষই নন, তাঁর ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তির বাড়িতে আজ সকালে হানা দেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আজি কর মেডিকেল কলেজের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে ইডির এই অভিযান। সুভাষগ্রামে সন্দীপ ঘনিষ্ঠ প্রসূন চট্টোপাধ্যায়কে আটক করে ED। আরজি কর মেডিক্যালের আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে সাঁড়াশি অভিযানে ইডি। শুক্রবার সকালে সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়িতে ইডির চার আধিকারিক পৌঁছে যান। এদিন সকাল ৬.৪০ মিনিট নাগাদ ইডির অফিসাররা সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তবে বহুক্ষণ ডাকাডাকির পরেও বাড়ির দরজা খোলা হয়নি। শেষমেষ ঘন্টা তিনেক অপেক্ষার পর বাড়ির দরজা খোলা হলে ইডির অফিসাররা ভিতরে ঢোকেন।আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তির বাড়িতে এদিন অভিযান চলে। হাওড়ার সাঁকরাইলে ভেন্ডর বিপ্লব সিংহের বাড়িতে এদিন অভিযানে যায় ইডি। বিপ্লব ঘনিষ্ঠ কৌশিক কোলের বাড়িতেও চলে অভিযান। সন্দীপ ঘোষ ঘনিষ্ঠ প্রসূন চট্টোপাধ্যায়কে আটক করে নিয়ে যাচ্ছে ইডি। সেই সঙ্গে এদিন ইডির অভিযান চলে সুভাষগ্রামে সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ প্রসূন চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতেও। সম্প্রতি আরজি কর মেডিকেল কলেজের সেমিনার হলের যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল প্রসূনকেও। প্রসূন নিজেকে সন্দীপ ঘোষের PA বলে দাবি করতেন। এদিন প্রসূনের বাড়িতে কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালায় ইডি।আরজি করের আর্থিক অনিয়মের মামলায় আজ রাজ্যজুড়ে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তল্লাশি অভিযানে বেশ কিছু সম্পত্তির নথি এবং অন্য গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র উদ্ধার হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। সল্টলেকের বিই ব্লকের একটি বাড়ি থেকে তল্লাশি করে বেশকিছু সোনার গয়না উদ্ধার করেছে ইডি।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৪
রাজ্য

চোর চোর স্লোগান তো ছিলই সঙ্গে জুটলো থাপ্পড়, সন্দীপের সিবিআই হেফাজত ৮ দিনের

চোর চোর, সঙ্গে থাপ্পর। এভাবেই দিন কাটলো আরজি করের প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষের। পাশাপাশি ৮ দিনের সিবিআই হেফাজত হল আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট ৪ জনের। গতকাল রাতেই আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি কাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছিলেন সন্দীপ ঘোষ-সহ ৪। আজ তাদের আলিপুর আদালতে তোলা হয়েছিল। বিচারক সন্দীপ ঘোষ-সহ বাকিদের ৮ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ সিবিআই হেফাজতে। একটানা দুসপ্তাহেরও বেশি দিন ডেকে পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর গতকাল, সোমবার আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতির ঘটনায় সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করে সিবিআই। সেই সঙ্গে আরও ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়। গতরাতেই তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। এরপর আজ সন্দীপ-সহ বাকিদের আলিপুর আদালতে তোলে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। বিচারক ধৃতদের ৮ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। এদিন আলিপুর আদালতে তোলার সময় পিছনের দরজা দিয়ে সন্দীপ ঘোষ-সহ বাকিদের নিয়ে ঢোকে সিবিআই। ততক্ষণে কোর্ট চত্বর ফেটে পড়ছে চোর-চোর স্লোগানে। মাস্ক পরা অবস্থায় কাঠগড়ায় ওঠেন সন্দীপ ঘোষ। সন্দীপকে মাস্ক খুলতে বলেন উপস্থিত আইনজীবীরা। তুমুল হট্টগোল শুরু হয় কোর্ট চত্বরে। তখনই বিচারক চারজনকে সামনে ডেকে নেন। প্রবল অস্বস্তির মুখে কার্যত মাস্ক খুলে ফেলতে বাধ্য হন সন্দীপ।আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাহাড় প্রমাণ আর্থিক দুর্নীতি হয়েছে বলে দাবি করেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআই। দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছতে সন্দীপ-সহ বাকিদের জেরা অত্যন্ত প্রয়োজন বলে আদালতে দাবি করে সিবিআই। এদিন ১০ দিনের জন্য তাদের হেফাজতে চাওয়া হয়েছিল। বিচারক সন্দীপ ঘোষ-সহ চারজনকে ৮ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।এদিকে আজ বৃষ্টি মাথায় নিয়ে জাস্টিস ফর আরজি কর স্লোগানে ইএম বাইপাসে দীর্ঘ ১৪ কিলোমিটার মানববন্ধন করলেন চিকিৎসক, নার্স, অন্য স্বাস্থ্যকর্মী থেকে শুরু করে বহু সাধারণ মানুষ। তিলোত্তমা আজ দেখাল প্রতিবাদের অন্য ভাষা। রাস্তার ধারে সুশৃঙ্খলভাবে বাইপাস জুড়ে নজিরবিহীন মানববন্ধনের সাক্ষী থাকল শহর কলকাতা। রাস্তার ধারে অভিনব এই কর্মসূচি পালন করলেও সচল থাকল যান চলাচল। উল্টোডাঙা থেকে পাটুলি পর্যন্ত দীর্ঘ মানববন্ধন চলল কলকাতার একাংশে। ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মানববন্ধনে বহু সিনিয়র চিকিৎসকরাও এদিন সামিল ছিলেন। সুশৃঙ্খল নীরব আন্দোলন চলল শহরে।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 28
  • 29
  • 30
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • ...
  • 93
  • 94
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের ভোটের মডেল টেনে আমেরিকায় নতুন দাবি ট্রাম্পের, কী বদলাতে চান?

ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার উদাহরণ টেনে আমেরিকায় ভোটার পরিচয়পত্রের নিয়ম আরও কঠোর করার পক্ষে ফের সরব হলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৮ আগস্ট) ট্রুথ সোশ্যাল-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁর প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছিলেন, বৈধ ফোটো আইডি ছাড়া আমেরিকায় কী ভাবে নির্বাচন হয়।ট্রাম্পের দাবি, ভারতের শেষ লোকসভা নির্বাচনে ৬৪ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১ শতাংশেরও কম ডাকযোগে ভোট দেন। তাঁর বক্তব্য, প্রত্যেক ভারতীয় ভোটারের কাছেই বৈধ ফোটো পরিচয়পত্র ছিল। আমেরিকার নির্বাচন ব্যবস্থায়ও এমন বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালুর যুক্তি দেখিয়ে সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাশ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।তবে আমেরিকায় ভোট দেওয়ার জন্য পরিচয়পত্রের নিয়ম সব রাজ্যে এক নয়। বর্তমানে ৩৬টি রাজ্যে ভোটকেন্দ্রে কোনও না কোনও ধরনের পরিচয়পত্র দেখানোর বিধান রয়েছে। পরিচয়পত্র হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রাজ্য সরকারের দেওয়া আইডি বা পাসপোর্ট গ্রহণ করা হতে পারে। অন্যদিকে ১৪টি রাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে ভোটারের স্বাক্ষর কিংবা ভোটার তালিকায় থাকা অন্যান্য তথ্য মিলিয়ে পরিচয় যাচাই করা হয়। কিছু রাজ্যে পরিচয়পত্র না থাকলেও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া মেনে ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।আমেরিকায় ভোটার আইডি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক বিভাজন রয়েছে। রিপাবলিকানদের যুক্তি, ভোটার পরিচয় বাধ্যতামূলক হলে ভুয়ো ভোট বা অন্যের পরিচয়ে ভোট দেওয়ার সম্ভাবনা কমবে এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি আস্থা বাড়বে। ডেমোক্র্যাটদের পাল্টা বক্তব্য, অতিরিক্ত কড়াকড়ি সাধারণ ভোটারদের জন্য সমস্যা তৈরি করতে পারে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগে বাধা হতে পারে।২০০০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর আমেরিকার ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০০২ সালে হেল্প আমেরিকা ভোট অ্যাক্ট বা HAVA পাশ হয়। পরবর্তী সময়ে একাধিক রাজ্য ভোটার পরিচয় যাচাইয়ের নিয়ম আরও কঠোর করে।ট্রাম্পের সমর্থন করা সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট-এ ফেডারেল নির্বাচনে ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত হওয়ার সময় মার্কিন নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে ফোটো আইডির মতো শর্ত জোরদার করার প্রস্তাব রয়েছে। ডাকযোগে ভোটের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আনার কথা বলা হয়েছে। বিলটির লক্ষ্য আমেরিকার নির্বাচনী ব্যবস্থায় ভোটারের যোগ্যতা ও পরিচয় আরও কঠোরভাবে যাচাই করা।এই বিল নিয়ে রাজনৈতিক টানাপড়েনও রয়েছে। ২০২৬ সালের সংশোধিত SAVE America Act হাউসে পাশ হলেও সেনেটে তা নিয়ে বড় বাধা রয়েছে। কারণ, সেনেটে কোনও বিল পাশ করাতে সাধারণত ৬০টি ভোট প্রয়োজন। ফলে ট্রাম্প ভারতের ভোটব্যবস্থার উদাহরণ সামনে এনে চাপ বাড়ালেও প্রস্তাবটি আইনে পরিণত করা এখনও সহজ নয়।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

নয় পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পরই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, তারাপীঠে ১৫টি হোটেল-লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত

তারাপীঠে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নয় জন পুণ্যার্থীর মৃত্যুর পর নড়েচড়ে বসল বীরভূম জেলা প্রশাসন। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তারাপীঠের ১৫টি হোটেল ও লজকে বন্ধের নোটিশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় কয়েক জন পুণ্যার্থী লজ সংলগ্ন পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ পুকুরে ডুবে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার পুকুরে স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। যদিও শেষ পর্যন্ত আর কোনও দেহ উদ্ধার হয়নি।প্রসঙ্গত, সোমবার ভোরে তারাপীঠ থানার পাশের একটি বেসরকারি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় মৃত্যু হয় নয় জন পুণ্যার্থীর। মৃতদের মধ্যে মেঘালয়ের পাঁচ জন একই পরিবারের সদস্য। বাকি চার জন আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা। সোমবার রাতে মেঘালয়ের পাঁচ মৃতের দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার আলিপুরদুয়ারের চার মৃতের দেহও পরিবারের লোকজন নিয়ে যান। দুদিন ধরে মৃতদের পরিবারের পাশে ছিলেন রামপুরহাটের বিধায়ক ধ্রুব সাহা। তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি বাড়ি ফেরার ব্যবস্থাও করেন তিনি।অগ্নিকাণ্ডের পর তারাপীঠের হোটেল ও লজগুলির পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে নয় সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। সোমবার রাত থেকেই কমিটির সদস্যরা কাজ শুরু করেন। তার পরেই মঙ্গলবার ১৫টি হোটেল ও লজ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।রামপুরহাটের মহকুমাশাসক অশ্বিনী বি রাঠোর বলেন, এর আগেও বেশ কয়েকটি হোটেল ও লজকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তারা প্রশাসনকে সহযোগিতা করছেন না। তাই জেলা শাসকের নির্দেশে সেগুলিকে বন্ধের নোটিশ দেওয়া হবে।তবে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হোটেল মালিকেরা। হোটেল মালিক সমিতির পক্ষে জয়ন্ত রায় জানান, মহকুমাশাসকের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেছেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের কাছে সময় চাওয়া হবে। তাঁর কথায়, তারাপীঠে বহু হোটেল রয়েছে, যেগুলির উপর বহু মানুষের সংসার নির্ভরশীল। আচমকা হোটেল বন্ধ হয়ে গেলে তাঁরা অসহায় হয়ে পড়বেন। তাই প্রশাসনের পরামর্শ নিয়ে ধীরে ধীরে নিয়ম মেনে সমস্ত হোটেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।হোটেল মালিক নিতাই মালও জানান, তাঁদের হোটেল বহু পুরনো। ফলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়। প্রশাসনের নির্দেশ পাওয়ার পরই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা উন্নত করার কাজ শুরু হয়েছে। তাঁর দাবি, এই কাজ শেষ করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। আচমকা হোটেল বন্ধ করে দিলে অধিকাংশ মালিকই সমস্যায় পড়বেন।এদিকে, অগ্নিকাণ্ডের পর পুকুরে নিখোঁজ কারও দেহ রয়েছে কি না, তা দেখতে মঙ্গলবার স্পিডবোট নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। তবে তল্লাশিতে নতুন করে কোনও মৃতদেহের সন্ধান মেলেনি।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ঋতব্রত না শোভনদেব? বিরোধী দলনেতা বিতর্কে হাইকোর্টের বড় নির্দেশ

ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় না শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা কে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জোর রাজনৈতিক ও আইনি টানাপোড়েন চলছে। এখনও এই বিতর্কের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি। তবে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পাশাপাশি মামলাটি সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার জন্যও নির্দেশ দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্থায়ী বিরোধী দলনেতা হিসেবেই দেখতে হবে। বিধানসভার অধ্যক্ষ ইতিমধ্যেই তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করেছেন। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।ঘটনার সূত্রপাত বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার পদ নিয়ে তৃণমূলের অন্দরের টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়ার জন্য বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছিল। অন্যদিকে, দলের বিধায়কদের একাংশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেন।পরবর্তীতে বিধানসভার অঙ্কে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল বিধায়কের সমর্থন রয়েছে বলে দাবি ওঠে। প্রায় ৮০ জন তৃণমূল বিধায়কের মধ্যে অধিকাংশই ঋতব্রতর দিকে রয়েছেন বলে তাঁর শিবিরের তরফে দাবি করা হয়। এরপর বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম অধ্যক্ষের কাছে পাঠানো হয়।অধ্যক্ষের তরফে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণা করার পরেই রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়। তৃণমূলের একাংশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের তরফে আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঘোষণার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।মামলাটি প্রথমে সিঙ্গল বেঞ্চে ওঠে। পরবর্তী সময়ে বিষয়টি ডিভিশন বেঞ্চ পর্যন্ত গড়ায়। মঙ্গলবার সেই মামলাতেই গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অস্থায়ী বিরোধী দলনেতার মর্যাদা বজায় থাকছে। তবে এই অবস্থানই যে চূড়ান্ত, তা বলা যাচ্ছে না।ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ফের সিঙ্গল বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি দুই মাসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে আগামী দিনে সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ের দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।একদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে বিধায়কদের সমর্থন, দুইয়ের টানাপোড়েনেই বিরোধী দলনেতার পদ ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। হাইকোর্টের মঙ্গলবারের নির্দেশে আপাতত ঋতব্রতর অবস্থান কিছুটা শক্তিশালী হলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

‘ককরোচ’ মন্তব্যে বিতর্কে দিলীপ, পাল্টা আক্রমণে শতরূপ, ইন্দাসকাণ্ডে বাড়ল উত্তাপ

ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র এক কর্মীর বাবাকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়ার ইন্দাসে। সিজেপির আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকার জেরেই দলীয় কর্মী আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিকের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় শেখ মোহাম্মদ মাফিকের। ওই বাড়িতে মৃতের ছেলের সঙ্গে দেখা করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, এই খুনের শেষ দেখে ছাড়বেন। পাশাপাষি তিনি ঘোষণা করেছেন এই ইস্যুতে বাঁকুড়ার জেলা বিজেপির কার্যলয়ে বিক্ষোভ দেখানো হবে। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টিকে তীব্র কটাক্ষ করে মন্তব্য় করেছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দাসে সিজেপি কর্মী আব্দুল হাফিজের বাড়িতে আচমকাই একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায়। বাড়িতে ঢুকে আব্দুল হাফিজ এবং তাঁর বাবা শেখ মোহাম্মদ মাফিককে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় দুজনেই গুরুতর জখম হন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় মাফিকের। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দিকে।ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসার পর নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেয় সিজেপি। দলের প্রধান অভিজিৎ দীপকে টেলিফোনে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের পূর্ণাঙ্গ আইনি ও রাজনৈতিক সহায়তার আশ্বাস দেন। তাঁর নির্দেশে সিজেপির একটি প্রতিনিধি দল ইন্দাসে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে। অন্যদিকে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা শুরু করে বিরোধী শিবিরও। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা এবং নিহত পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিতে সোমবার ইন্দাসে পৌঁছায় বামেদের একটি প্রতিনিধি দল। এই সফরকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়।বামেদের ইন্দাস সফর এবং সিজেপির আত্মপ্রকাশ নিয়ে সরব হন রাজ্যের বিজেপি নেতা তথা মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বামেদের কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ওরা যেকোনো জায়গাতে যেতে পারেন। তবে ককরোচ রাতারাতি কোথা থেকে বেরিয়ে আসে? এইসব কমিউনিস্টদের মাথাতেই আসে, তারাই আরশোলা-ছারপোকা তৈরি করে। আর পরে তারাই সারা দুনিয়ায় উৎপাত করে।দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দেন সিপিএমের যুব নেতা শতরূপ ঘোষ। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, বাংলায় শুভেন্দু অধিকারী সরকার শক্তিশালী আর দিল্লির রেখা গুপ্ত সরকার দুর্বল? মোদী-অমিত শাহ সরকার এই সিজেপির আন্দোলনেই ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে বাধ্য করেছে। সঙ্গে পুলিশ আছে বলেই এমন ভাষণ দিতে পারছে অনেকে।ইন্দাসের এই ঘটনাকে ঘিরে একদিকে যেমন সিজেপি ও বামেদের রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে, তেমনই বিজেপি ও বাম নেতৃত্বের পাল্টাপাল্টি মন্তব্যে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনাও নতুন মাত্রা পেয়েছে।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজনীতি

বিমান বন্দর চত্বরে সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ, উঠল ‘চোর-চোর’ ও গো ব্যাক স্লোগান

নিজের সংসদীয় এলাকাতেই বিক্ষোভের মুখে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। কলকাতা এয়ারপোর্ট ঢোকার মুখে তার গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ চলে। বিক্ষোভকারীদের তরফে চোর-চোর স্লোগানও দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। গাড়িতে চাপরও দেওয়া হয়। দেখানো হয় কালো পতাকা। বেশ কিছক্ষণ আটকে ছিলেন সৌগত রায়। গো ব্যাক স্লোগানও চলতে থাকে গাড়ি ঘিরে। ভাইরাল ভিডিওতে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট দেখা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, তিনি বিমান বন্দরে একটি বৈঠকে অংশ নিতে গিয়েছিলেন।কিছু দিন আগে নিমতা থানা থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময়ই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, একদল মানুষ তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ওঠে চোর-চোর স্লোগান। এরপর ভিড়ের মধ্য থেকে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। ডিম সাংসদের গায়ে না লাগলেও গাড়িতে গিয়ে লাগে। এবার দমদমের তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে ফের বিক্ষোভ চলল। সৌগত রায়ের গাড়ি ঘিরে এই বিক্ষোভের ঘটনা নতুন করে তাঁর নিজের সংসদীয় এলাকায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিশেষ করে দুবার এই তৃণমূল সাংসদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ এবং কালো পতাকা দেখানো, গো ব্যাক অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের দাবি, প্রতিবার নির্বাচনের আগে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিতেন সৌগত রায়। প্রতিবারই বলতেন জেশপ খুলবেন। উল্টে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা জেসপ থেকে চুরি করে শেষ করে দিয়েছেন।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
দেশ

নীতিন নবীনের ‘নয়া টিম’-এ বাংলার দুই মুখ! জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব এই দুই জনের

ভারতীয় জনতা পার্টির সর্বভারতীয় সংগঠনে বড়সড় রদবদল। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতীয় স্তরের সংগঠনকে ঢেলে সাজালেন নীতিন নবীন। নতুন কমিটিতে যেমন একাধিক নতুন মুখকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তেমনই অভিজ্ঞ বেশ কয়েকজন নেতাকেও ফেরানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে। আর এই রদবদলে বিশেষ নজর কেড়েছে পশ্চিমবঙ্গ।রাজ্য বিজেপির দুই গুরুত্বপূর্ণ মুখকে এবার জাতীয় সংগঠনে জায়গা দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ডাঃ মধুছন্দা করকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি এবং আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হয়েছে। ফলে রাজ্য রাজনীতিতে সক্রিয় দুই নেতার দায়িত্ব এবার ছড়িয়ে পড়ল জাতীয় স্তরে।জাতীয় সংগঠনে বড় দায়িত্ব বাংলার দুই নেতারবিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে ডাঃ মধুছন্দা করের অন্তর্ভুক্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। রাজ্য বিজেপির চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য-সংক্রান্ত সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। এবার তাঁকে সরাসরি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একজন চিকিৎসক নেত্রীকে দলের জাতীয় স্তরের শীর্ষ সাংগঠনিক পদে নিয়ে আসার মধ্য দিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব নতুন ধরনের সাংগঠনিক সমীকরণের বার্তা দিল বলেই মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পরিচিত আদিবাসী মুখ মনোজ টিগ্গার দায়িত্বও বেড়েছে। আলিপুরদুয়ারের সাংসদ হিসেবে ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সম্পাদক করা হল। উত্তরবঙ্গের আদিবাসী সমাজের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ এবং রাজ্য সংগঠনে কাজের অভিজ্ঞতাকে জাতীয় স্তরে কাজে লাগাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে।শুধু নতুন মুখ নয়, অভিজ্ঞদেরও প্রত্যাবর্তননীতিন নবীনের নতুন টিমে শুধুমাত্র সাংগঠনিক পরিবর্তন নয়, অভিজ্ঞ নেতৃত্বকে ফেরানোর দিকটিও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় থাকা কয়েকজন নেতাকে ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির ক্ষেত্রেও বড় পরিবর্তন দেখা গেল। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে অমেঠি থেকে পরাজয়ের পর জাতীয় রাজনীতিতে তাঁর সক্রিয়তা আগের তুলনায় কমেছিল। এবার তাঁকে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। ফলে দলের কেন্দ্রীয় সংগঠনে তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা ফের বাড়তে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেবও পেলেন জাতীয় স্তরে আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। তাঁকেও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। পূর্বোত্তর ভারতের রাজনীতিতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতেও তাঁর সাংগঠনিক ভূমিকা ছিল। ফলে জাতীয় সংগঠনে তাঁর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্ব।ফিরলেন রাম মাধবওবিজেপির সাংগঠনিক রাজনীতির অন্যতম পরিচিত মুখ রাম মাধবের প্রত্যাবর্তনও এই রদবদলের অন্যতম বড় দিক। দলীয় সংগঠন এবং ভোটকৌশল নিয়ে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন রাম মাধবকে ফের কেন্দ্রীয় সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পরিসরে আনা হয়েছে।সব মিলিয়ে নীতিন নবীনের নতুন কেন্দ্রীয় টিমে একদিকে যেমন নতুন প্রজন্ম ও রাজ্যস্তরের নেতৃত্বকে জাতীয় মঞ্চে তুলে আনা হয়েছে, অন্যদিকে তেমনই অভিজ্ঞ এবং পরীক্ষিত নেতাদেরও ফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।বাংলার জন্য কী বার্তা?বিজেপির নতুন কেন্দ্রীয় সংগঠনে পশ্চিমবঙ্গের দুই নেতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদ দেওয়ার বিষয়টি নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। রাজ্যে দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা, উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে নজর দেওয়া এবং বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর মধ্যে দলের সাংগঠনিক বিস্তার বাড়ানোর লক্ষ্যেই এই সিদ্ধান্ত কি না, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।তবে একটি বিষয় স্পষ্টনীতিন নবীনের নতুন টিমে বাংলা এবার যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে। মধুছন্দা কর ও মনোজ টিগ্গার জাতীয় সংগঠনে উত্থান শুধু তাঁদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক গুরুত্বই বাড়াল না, একইসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভবিষ্যৎ সাংগঠনিক কৌশল নিয়েও তৈরি করল নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ডিমের জবাবে পিস্তল! ‘ভয় পাই না’ বলে কীর্তির হুঁশিয়ারি, পাল্টা ‘বিহার পার করে দেওয়ার’ বার্তা বিজেপির

ডিম ছোড়ার রাজনীতি ঘিরে এবার বর্ধমান-দুর্গাপুরের তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা-কর্মীর উপর ডিম হামলার প্রসঙ্গ তুলে কীর্তি আজ়াদ সরাসরি জানালেন, তাঁর উপর এমন কোনও হামলা হলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। আত্মরক্ষার জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথাও প্রকাশ্যে জানিয়েছেন তিনি।সোমবার নিজের সংসদীয় এলাকায় কর্মসূচিতে গিয়ে একাধিক বিষয়ে কথা বলার সময় বিজেপিকে আক্রমণ করেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার তথা বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য কীর্তি। রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়ন নিয়ে তাঁর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।ডিম হামলার প্রসঙ্গ টেনে কীর্তির বক্তব্য, স্কুলে ডিম দেওয়া বন্ধ করে দিল। এখন লোককে ডিম মারছে! আমরাও নিজের সুরক্ষার জন্য পিস্তলের লাইসেন্স নিচ্ছি। তাঁর দাবি, আত্মরক্ষার অধিকার জনপ্রতিনিধিদেরও রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, ভয় দেখিয়ে তাঁকে পিছিয়ে দেওয়া যাবে না।কীর্তির কথায়, আমরা ভয় পাওয়ার মতো লোক নই। আমরা ভারতের জন্য ক্রিকেট খেলেছি। ভারতমাতার মর্যাদার জন্য ক্রিকেট খেলেছি। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে একজন সাংসদ প্রকাশ্যে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার কথা বলায় বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।এদিন রাজনৈতিক আক্রমণের ঝাঁঝও ছিল যথেষ্ট। ঋতব্রতকে নিশানা করে কীর্তি দাবি করেন, তিনি কী করেছেন, ফোনে কী কথা বলেছেন এবং কার চাপের মুখে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছেনসেসব তাঁরা জানেন। বিজেপিকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, এটা রাক্ষসরাজ।বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে সাংসদ জানান, সন্ধ্যায় দলের সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। মঙ্গলবারও তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। দুর্গাপুজোর পর তৃণমূল আরও বড় পরিসরে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামবে বলেও জানান তিনি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হন কীর্তি। বিজেপিশাসিত পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর অভিযোগ, বাংলার খুব খারাপ অবস্থা। এমন অবস্থা আফ্রিকাতেও নেই! এরপরই আরও তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে তিনি বলেন, আফ্রিকায় যেমন সমুদ্রে জলদস্যু ঘোরে, তেমনই বাংলার শহর, ঘর ও গলিতে জলদস্যু, ডাকাতেরা ঘুরে বেড়াচ্ছে।তবে কীর্তি আজ়াদের আগ্নেয়াস্ত্র সংক্রান্ত মন্তব্যের পর পাল্টা আক্রমণ করতে দেরি করেনি বিজেপি। বিজেপি বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, কীর্তি যদি আগ্নেয়াস্ত্র রাখার কথা বলেন, তাহলে তাঁকে হাইড্রা করে তুলে বিহার পার করে দিয়ে আসা হবে।ফলে ডিম হামলা থেকে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন পৌঁছে গিয়েছে আগ্নেয়াস্ত্র, আত্মরক্ষা এবং পাল্টা রাজনৈতিক হুঁশিয়ারির জায়গায়। কীর্তি আজ়াদের মন্তব্যের পর আগামী দিনে এই ইস্যুতে তৃণমূল-বিজেপির রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনাই দেখছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলার আকাশে গভীর নিম্নচাপ, সোমবারই ভয়ঙ্কর বৃষ্টি! ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা, এরপর কোন পথে যাবে?

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বহু জায়গায় জল জমেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে দুর্যোগের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই ধীরে ধীরে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে গভীর নিম্নচাপ।আবহাওয়া দফতরের সোমবার বিকেলের খবর অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে কলকাতা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। বর্ধমান থেকে সেটি প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে। বাঁকুড়া থেকে দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে। ওড়িশার বালেশ্বর থেকে গভীর নিম্নচাপটি রয়েছে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ফলে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব আরও কিছুটা সময় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে চরম বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই তিন জেলায় ২০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে। সেখানে ১১০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।প্রবল বৃষ্টির জেরে ইতিমধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। রাস্তার পাশাপাশি নিচু এলাকাগুলিতেও জল ঢুকেছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন অফিসযাত্রী এবং অন্যান্য নিত্যযাত্রীরা।মঙ্গলবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। এই জেলাগুলির কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, গভীর নিম্নচাপটি বাংলার পশ্চিমাঞ্চল ছেড়ে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে গেলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তার প্রভাব পুরোপুরি কাটছে না। ফলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকা জেলাগুলির বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal