• ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Award

বিনোদুনিয়া

Iman Chakraborty : করোনায় আক্রান্ত জাতীয় পুরস্কারজয়ী গায়িকা, দরজায় খিল দিলেন গায়িকা

করোনায় আক্রান্ত হলেন জাতীয় পুরস্কারজয়ী গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই খবর জানিয়েছেন তিনি। তাঁর গানের কথাকে তুলে ধরে ইমন লিখেছেন, আমার দরজায় খিল। কোভিড পজিটিভ হলাম। বুধবার থেকে হাল্কা জ্বরে ভুগছিলেন ইমন। সঙ্গে সর্দি-কাশি, গলা ব্যথাও ছিল। সাবধানতা অবলম্বনের জন্য করোনা পরীক্ষা করান তিনি। পরে জ্বর কমে গিয়ে প্রায় সুস্থ হয়ে ওঠেন ইমন। তবে তার পরেও তাঁর করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ এসেছে। করোনা আক্রান্ত ইমনের স্বামী নীলাঞ্জন ঘোষও।বিগত কয়েকদিনে অনেক টলি তারকাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সৃজিৎ মুখোপাধ্যায়, জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, শ্রীজাত, রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী, রুদ্রনীল, পরমব্রত, মিমি চক্রবর্তী, সোহম, দেব, রুক্মিণী, বনি একাধিক টলি তারকার কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
দেশ

Modi: ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত প্রধানমন্ত্রী

অতিমারি পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর এই সাহায্যকে সম্মান জানাতেই ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত করা হল নরেন্দ্র মোদিকে। শুক্রবার ভুটানের প্রধানমন্ত্রী নিজেই এই কথা জানান।এ দিন ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়, ভুটানের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান, ন্যাদাগ পেল গি খেরলো সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। করোনা পরিস্থিতিতে ভারত যেভাবে চিকিৎসা সামগ্রী দিয়ে ভুটানকে সাহায্য করেছিল, সেই সাহায্যের ধন্যবাদ জানাতেই এই সম্মানে ভূষিত করা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীকে।Bhutan confers the countrys highest civilian award - Ngadag Pel gi Khorlo upon Prime Minister Narendra Modi. pic.twitter.com/MDFpOAN8i3 ANI (@ANI) December 17, 2021ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে সেরিং নিজেই টুইট করে লেখেন, মোদিজির অসাধারণত্বকে সম্মান জানাতে ভুটানের সর্বোচ্চ সম্মান, ন্যাদাগ পেল গি খোরলো ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় অত্যন্ত খুশি।ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও ফেসবুক পোস্টেও লেখা হয়, বছরের পর বছর ধরে, বিশেষ করে করোনা অতিমারির সময়ে প্রধানমন্ত্রী মোদিজি যেভাবে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন এবং সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, তাকেই তুলে ধরেছেন মহামান্য রাজা। যথাযোগ্য ব্যক্তিকেই সম্মান দেওয়া হচ্ছে! ভুটানের সমস্ত মানুষের পক্ষ থেকে অনেক অভিনন্দন। বিগত সমস্ত আলাপচারিতাতেই একজন অসাধারণ, আধ্যাত্মিক মানুষ হিসাবে আপনাকে মনে হয়েছে। সশরীরে এই সম্মান উদযাপনের অপেক্ষায় রয়েছি আমরা।আজ ভুটানের জাতীয় দিবস। এই বিশেষ দিন উপলক্ষে দেশের সমস্ত মানুষকে অভিবাদন জানান সে দেশের প্রধানমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
কলকাতা

Mamata Bannerjee: 'সুব্রত দা'কে মিস করছেন শোকবিহ্বল মমতা

সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে গভীরভাবে শোকাহত হন মমতা। আজ বিশ্ববাংলা শারদসম্মান পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে বারবার তাই সুব্রত দার কথাই মনে পড়ল মমতার। শুধু নেতা কিংবা মন্ত্রীই নন, শহরের অন্যতম বড় পুজো একডালিয়া এভারগ্রিনের উদ্যোক্তাও ছিলেন তিনি। তাই এ দিনের অনুষ্ঠানে শহরের পুজো উদ্যোক্তাদের মাঝে দাঁড়িয়ে মমতা বললেন, আজ সুব্রত দা-কে সবথেকে বেশি মিস করছি।এ দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এই অনুষ্ঠানে আর কেউ আসুক না আসুক সুব্রত দা সবসময় আসতেন। সুব্রত দার মৃত্যুর খবর শুনে আমার প্রথমেই মনে হয়েছে, এবার এভারগ্রিন কার হাতে। চিরকাল যিনি এভারগ্রিন, তিনি আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেলেন।এদিন স্মৃতি হাতড়ে মমতা বলেন, আমার সঙ্গে পুজোর ১৫ দিন আগে থেকে ঝগড়া হত। বলতেন, কবে সময় দিবি, আর বলতেন স্তোত্রটা একবার বলে দিস। আমি জিজ্ঞেস করতাম সুব্রত দা থিম করেন না কেন? বলতেন, আমি সাবেকি পুজো করি। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা সবাই জানি জন্মালে মৃত্যু হবেই। কিন্তু সুব্রত দার যাওয়ার বয়স হয়নি, সময়ও হয়নি। ভাল থাকতে থাকতে হঠাৎ করেই চলে গেলেন। আমরা তাই মেনে নিতে পারছি না।আজ বিধানসভায় তাঁর স্মৃতিচারণাতেও যোগ দিতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Dronacharya Award : দ্রোণাচার্য পুরস্কার পেলেন বাঙালী সাঁতার কোচ তপন পানিগ্রাহী

বাংলার খেলাধূলার এখন করুণ অবস্থা। অর্জুন পুরস্কার কিংবা মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার পেতে গেলে যে যোগ্যতা থাকা দরকার, কোনও বাঙালী ক্রীড়াবিদের নেই। দ্রোণাচার্য তো দূর অস্ত। তা সত্ত্বেও এবছর দ্রোণাচার্য পুরস্কার প্রাপকের তালিকায় এক বাঙালীর নাম। সাঁতাররের কোচ তপনকুমার পানিগ্রাহী।শেষ কোন বাঙালী কোচ দ্রোণাচার্য পুরস্কার পেয়েছেন, তা খুঁজতে গেলে অনেক কসরৎ করতে হবে। এখনও পর্যন্ত বাংলা থেকে মাত্র দুজন কোচ দ্রোণাচার্য সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। ১৯৯১ সালে ফুটবল কোচ সৈয়দ নঈমুদ্দিন। তাঁর ঠিক ২০ বছর পর অ্যাথলেটিক্স কোচ ডঃ কুন্তল রায়। আর এবছর পেলেন তপনকুমার পানিগ্রাহী। তাঁকে নিয়ে অবশ্য বাংলার মানুষের গর্বিত হওয়ার কিছু নেই। তপন পানিগ্রাহী মেদিনীপুরের মহিষাদলের মানুষ। এটা ঠিককথা। কিন্তু দীর্ঘদিন বাংলার বাইরে। বাংলার সাঁতার বা খেলাধূলার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগ ছিল বলে কেউ জানেন না।পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের গড়কমলপুর গ্রামের ছেলে তপন পানিগ্রাহী। গ্রামের পুকুরে সাঁতার শেখানো দিয়েই শুরু হয়েছিল তাঁর পথচলা। পরে বাংলা ছেড়ে পাড়ি দেন মহারাষ্ট্রে পুণেতে। সেখানে পেশাদার সাঁতার শেখানো শুরু করেন। পরে জাতীয় সাঁতার কোচ হিসেবে কাজ করার সুযোগ পান। দীর্ঘ ৩০ বছর প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করার পর অবসর নেন। তাঁর হাত ধরেই উঠে এসেছেন বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিকস্তরের সাঁতারু। ৩০ জন আন্তর্জাতিক এবং ১৩০ জন জাতীয় চ্যাম্পিয়ন তপন পানিগ্রাহীর হাত ধরে উঠে এসেছে। তাঁর হাতেই তৈরি সজ্জন প্রকাশ। সাঁতারে অসামান্য অবদানের জন্য আগেও একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন তপন পানিগ্রাহী। এবার তাঁকে দ্রোণাচার্য পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছিল জাতীয় সাঁতার ফেডারেশন।দ্রোনাচার্য পুরস্কার পাওয়ার খবরে দারুণ উচ্ছ্বসিত তপন পানিরাহী। তিনি বলেন, দ্রোনাচার্য সম্মানে ভূষিত হয়ে আমি গর্বিত। এই পুরস্কার দেশের সমস্ত সাঁতারের সঙ্গে জড়িত থাকা মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে। মহিষাদলের মানুষের শুভেচ্ছা ছাড়া এই পথচলা সম্ভব ছিল না।এবছর অলিম্পিকে কিছুটা অপ্রত্যাশিত সাফল্যে জাতীয় ক্রীড়াক্ষেত্রে পুরস্কার প্রাপকের তালিকাটা দীর্ঘ হয়েছে। মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পাচ্ছেন ১২ জন ক্রীড়াবিদ। যা সর্বকালীন রেকর্ড। আর অর্জুন পুরস্কার পাচ্ছেন ৩৫ জন। এছাড়াও রয়েছে ধ্যানচাঁদ লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড। কোচদের দ্রোণাচার্য পুরস্কারের আবার দুটো ক্যাটাগরি। লাইফটাইম এবং রেগুলার। সব মিলিয়ে তালিকা দীর্ঘ। একমাত্র বাঙালি হিসেবে লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট বিভাগে দ্রোণাচার্য পুরস্কার পাচ্ছেন জাতীয় সাঁতারু কোচ তপন পানিগ্রাহী। আগামী ১৩ নভেম্বর রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করবেন তিনি। দীপাবলির ঠিক আগের মুহূর্তে তপনবাবুর এই পুরস্কার প্রাপ্তির খবরে খুশির হাওয়া পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলে।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Neeraj Chopra : দেশের সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মান পাচ্ছেন কারা? দেখে নিন তালিকা

টোকিও অলিম্পিকে সাফল্যের স্বীকৃতি পেতে চলেছেন নীরজ চোপড়া, লভলিনা বরগোঁহাইরা। মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কারের জন্য তাঁদের নাম মনোনীত হয়েছে। দ্রোণাচার্য পুরস্কার প্রাপকদের আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও নাম ঘোষণা না হলেও যে কমিটির দায়িত্ব ছিল নামের মনোনয়ন পাঠানোর, সেই কমিটি সম্ভাব্য পুরস্কার প্রাপকদের নাম সুপারিশ করেছে। অলিম্পিক ও প্যারালিম্পিকে একাধিক পদকজয়ীর নাম রয়েছে খেলরত্ন ও অর্জুন পুরস্কার প্রাপকদের তালিকায়।খেলরত্ন পুরস্কারের জন্য ১১ জন ক্রীড়াবিদের নাম সুপারিশ করা হয়েছে। যাদের নাম সুপারিশ করা হয়েছে, তাঁরা হলেন টোকিও অলিম্পিকে জ্যাভলিনে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়া, কুস্তিগীর রবি দাহিয়া, বক্সার লাভলিনা বরগোঁহাই, ভারতীয় হকি দলের গোলকিপার পিআর শ্রীজেশ, প্যারালিম্পিকে সোনা-সহ একাধিক পদকজয়ী প্যারা শুটার অবনী লেখরা, জ্যাভলিন থ্রোয়ার সুমিত আন্টিল, শাটলার প্রমোদ ভগত, কৃষ্ণ নগর, শুটার মণীশ নারওয়াল।এরা ছাড়াও খেলরত্ন সম্মান পাচ্ছেন ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ ও ভারতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী।সুনীল দেশের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ক্রীড়াক্ষেত্রে দেশের সর্বোচ্চ সম্মান পাচ্ছেন। তাঁর আগে কোনও ফুটবলার এই সম্মান পাননি। এই বছর থেকেই রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কারের নাম পরিবর্তন করে মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার রাখা হয়েছে। ২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকের পর চারজনকে দেওয়া হয়েছিল খেলরত্ন পুরস্কার। গত বছর দেওয়া হয়েছিল পাঁচজনকে। এবার সেই সংখ্যা বেড়ে হল ১১।অর্জুন পুরস্কার পাচ্ছেন ৩৫ জন ক্রীড়াবিদ। এই তালিকায় রয়েছেন যোগেশ কাঠুনিয়া, নিশাদ কুমার, প্রবীণ কুমার, সুহাস যথীরাজ, সিংহরাজ আধানা, ভাবিনা প্যাটেল, হরবিন্দর সিং, শরদ কুমার। পিআর শ্রীজেশ ও মনপ্রীত সিং বাদে টোকিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী ভারতীয় পুরুষ হকি দলের বাকি সদস্যদের অর্জুন পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ক্রিকেটার শিখর ধাওয়ানের নামও রয়েছে অর্জুন প্রাপকের তালিকায়। দ্রোণাচার্য পুরস্কার প্রাপকদের তালিকায় নাম রয়েছে রাধাকৃষ্ণ নাইয়ার, টি পি ঔসেফ, সন্দীপ সাঙ্গওয়ানদের।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ankan Mallick : আমি খুবই খুশি যে আমাকে এই ক্যারেক্টারটার জন্য চুজ করেছে

বয়স সবে ১০ পেরিয়েছে। কিন্তু এই বয়সেই দর্শকদের ভালো কাজ উপহার দিচ্ছে অঙ্কন মল্লিক। সম্প্রতি সে বাঁশুরি ছবিতে অনুরাগ কাশ্যপ ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর সঙ্গে অভিনয় করেছে। এই ছবির জন্য স্পেনের ইমাজিন ইন্ডিয়া ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা শিশুশিল্পীর পুরস্কার জিতে নিয়েছে। পুরস্কার জেতার পর স্বাভাবিকভাবেই বেশ উচ্ছ্বসিত অঙ্কন। জনতার কথার সঙ্গে সেই আনন্দ ভাগ করে নিল ফোনের ইন্টারভিউয়ের। জনতার কথাঃ স্পেন থেকে সেরা শিশুশিল্পীর পুরস্কার পেলে। কেমন লাগলো?অঙ্কনঃ হ্যাঁ এটা আমার জন্য খুব বড় ওপারচুনিটি। আমি মুভিটা করার পরে স্পেনে এই অ্যাওয়ার্ডটা পেয়েছি। আমি খুবই খুশি এই অ্যাওয়ার্ডটা পেয়ে। থ্যাঙ্কস টু তুহাই স্যার অ্যান্ড দ্য হোল টিম ফর দিস ওপারচুনিটি। আমি খুবই খুশি যে আমাকে এই ক্যারেক্টারটার জন্য চুস করেছে। ওরা নিজেদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে ডিক্লেয়ার করেছে আমি অ্যাওয়ার্ডটা পাচ্ছি। তবে এখনও হাতে এসে পৌঁছায়নি। জনতার কথাঃ এই খবরটা পাওয়ার পর বাবা-মা কতটা খুশি?অঙ্কনঃ এটা আনএক্সপেক্টেড ছিল। আমি ভাবতেই পারিনি এই অ্যাওয়ার্ড টা পাবো। বাবা-মা ও খুব খুশি হয়েছে।জনতার কথাঃ বন্ধুরা ও স্কুলের টিচাররা এখন কি বলছে?অঙ্কনঃ বন্ধুরা বলছে তুই তো অনেক বড় স্টার হয়ে গেলি। আমাদের সঙ্গে কথা বলবি তো? আমি বললাম হোয়াই নট? তোরা তো আমার ফ্রেন্ডস। অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি সেটা আলাদা ব্যাপার। আর এখন যেহেতু স্কুল বন্ধ তাই হোয়াটসঅ্যাপে যে টিচারদের সাথে কথা হয় তারা উইশ করেছে। জনতার কথাঃ আপকামিং আর কি কি প্রোজেক্ট আসছে?অঙ্কনঃ আপকামিং একটা মুভি আসছে নাম আকরিক। তথাগত আঙ্কেকের ডায়রেকশনে করা। আমি ছাডাও ঋতু আন্টি, ভিক্টর স্যার রয়েছেন। রিসেন্ট আমরা হিমাচলে শুট করে ফিরেছি। নতুন কিছু প্রোজেক্টের রিলিজ আসছে। জনতার কথাঃ সামনে পুজো আসছে। পুজোয় কি প্ল্যান? অঙ্কনঃ পুজোতে কলকাতাতেই থাকবো। আর ফ্যামিলির সঙ্গে পুরো সেলিব্রেট করবো। জনতার কথাঃ পুজোর শপিং হয়ে গেছে?অঙ্কনঃ শপিং হাফ ডান। এখনও কিছুটা বাকি আছে করা।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Manoj-Samantha : মনোজ-সামান্থার সেরা পুরস্কার

রাজ এবং ডিকে পরিচালিত ওয়েব সিরিজ দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২ এর জন্যে মেলবোর্ন ফিল্ম ফেস্টিভালে সেরা অভিনেতার খেলাব পেলেন মনোজ বাজপেয়ী ও সামান্থা আক্কিনেনি। এই ওয়েব সিরিজের হাত ধরে দক্ষিনী অভিনেত্রী সামান্থা নিজের বলিউড যাত্রা শুরু করেছিলেন। প্রথম বলিউডের অভিনয়ে ছয় হাঁকালেন অভিনেত্রী।মনোজ বাজপেয়ী দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে লিখেছেন,কংগ্র্যাচুলেশন স্যাম। সামান্থা উত্তরে লিখেছেন,থ্যাঙ্কু স্যার। বিগ কংগ্র্যাচুলেশন টু ইউ এস ওয়েল। এই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মনোজ বাজপেয়ীর দ্বিতীয় অ্যাওয়ার্ড। প্রথম অ্যাওয়ার্ড তিনি পেয়েছিলেন ২০১৮ সালে গালি গুলেইয়ার জন্য।আরও পড়ুনঃ শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি? আবেগে মুগ্ধ পিটারসেনএই ওয়েবে অন্যান্যদের মধ্যে অভিনয় করেছেন প্রিয়ামানি, শ্রেয়া ধাওয়ানাতারি প্রমুখ। দ্য ফ্যামিলি ম্যান বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এবার তারা জিতে নিল একটি প্রেস্টিজিয়াস অ্যাওয়ার্ড। শেরনির জন্য মহিলাদের বিভাগে সেরা পুরস্কার জেতেন বিদ্যা বালান।এই ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে পঙ্কজ ত্রিপাঠী ডাইভ্যারসিটি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। তাঁর হাতে পুরস্কার তুলে দেন অনুরাগ কাশ্যপ। এখানে জুরি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সুজিত সরকার, রিচা চাড্ডা, ওনির সহ আরও অনেকে।

আগস্ট ২০, ২০২১
দেশ

Big breaking: বড় ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

রাজীব গান্ধি খেলরত্ন পুরস্কার-এর নাম বদলে দিল কেন্দ্রীয় সরকার। নতুন নাম হচ্ছে মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার। শুক্রবার এ কথা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অলিম্পিকসে ৪১ বছর পর ভারতের পুরুষ হকি টিমের সাফল্যে উচ্ছ্বসীত প্রধানমন্ত্রী মোদি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে সূত্রের খবর।মোদি এদিন টুইটারে জানিয়েছেন যে, দীর্ঘদিন ধরেই দেশের বহু মানুষ তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে, ধ্যানচাঁদের নামে খেলরত্নের নামকরণ করা হয়। দেশবসীর আবেগকে সম্মান জানিয়েই এই সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছেন। ১৯৯১-৯২ সাল থেকে কেন্দ্রীয় ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ মন্ত্রক খেলরত্ন পুরস্কার দিয়ে আসছে। প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধির নামেই এই পুরস্কারের নামকরণ করা হয়েছিল।I have been getting many requests from citizens across India to name the Khel Ratna Award after Major Dhyan Chand. I thank them for their views.Respecting their sentiment, the Khel Ratna Award will hereby be called the Major Dhyan Chand Khel Ratna Award!Jai Hind! pic.twitter.com/zbStlMNHdq Narendra Modi (@narendramodi) August 6, 2021বিস্তারিত আসছে...

আগস্ট ০৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohun Bagan Day: করোনা আতিমারির জন্য অনাড়ম্বর ভাবে পালিত হল মোহনবাগান দিবস

মোহনবাগান দিবস মানেই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। অন্যরকম আয়োজন। গতবছর থেকে পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে করোনা। করোনার কারণেই এবছরও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান বন্ধ। অনলাইনের যুগ। ভার্চুয়াল ব্যাপারটা তো রয়েছেই। অগত্যা সেই ভার্চুয়ালেই সারা হল মোহনবাগান দিবস। সমর্থকরাও পিছিয়ে নেই। ক্লাবে অনুষ্ঠান হচ্ছে না তো কী হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়া তো রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মোহনবাগান দিবস নিয়ে মেতে ওঠে জনতা। ১৯১১ সালের ২৯ জুলাইয়ের শিল্ড ফাইনাল জয়ী মোহনবাগানের নানান ঘটনা, পেপার ক্লিপিংস,ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেয়ে গেছে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় শিল্ড জয়ী ফুটবলারদের ছবিতে ফুল-মালা দেওয়া হয়।মোহনবাগান দিবসে কারা কারা পুরস্কার পাবেন, আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই ঘোষণা মতোই ক্লাব তাঁবুতে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে মোহনবাগান রত্ন তুলে দেওয়া হল প্রয়াত গোলরক্ষক শিবাজি ব্যানার্জির স্ত্রী মালা ব্যানার্জির হাতে। রয় কৃষ্ণা হয়েছেন বর্ষসেরা ফুটবলার। আর বর্ষসেরা ক্রিকেটার হয়েছেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। কলকাতায় না থাকায় দুজনের কেউই আসতে পারেননি। তাঁদের হাতে পরে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। তবে বর্ষসেরা অ্যাথলিট বিদিশা কুন্ডুর এদিন পুরস্কার নিতে এসেছিলেন।বাঘাযতীন পার্কে বাগান কর্তা দেবাশিস দত্ত ও সৃঞ্জয় বসু ১৯১১ সালের শিল্ড জয়ী জার্সির রেপ্লিকা প্রকাশ করলেন। আগামী ২০ আগস্ট গোষ্ঠ পালের জন্মদিন থেকে এই রেপ্লিকা মোহনবাগান জনতা কিনতে পারবেন বলে ক্লাব কর্তারা জানিয়েছেন। কোভিড প্রোটোকল মানার জন্যই এদিন ক্লাবে কোনও সদস্য-সমর্থক, সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। তবে অনুষ্ঠানে সৃঞ্জয় বসু, দেবাশিস দত্ত, সত্যজিৎ চ্যাটার্জি, স্বপন ব্যানার্জি সহ বেশ কয়েকজন কর্তা উপস্থিত ছিলেন। শিলিগুড়ির মোহনবাগান মেরিনার্স বাঘাযতীন পার্কে ঘটা করে পালন করল মোহনবাগান দিবস। এই উৎসব মঞ্চ থেকেই শিলিগুড়িতে মোহনবাগান লেন করার দাবি উঠেছে। এদিন শিলিগুড়ি মেরিনার্স অনাথ শিশুদের বস্ত্রদান করে। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যাক্তিদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বোরো প্রশাসক রঞ্জন সরকার, মেরিনার্স সম্পাদক দেবব্রত দত্ত, প্রাক্তন টেবল টেনিস খেলোয়াড় শিশির গাঙ্গুলি সহ এক ঝাঁক মোহনবাগান জনতা।

জুলাই ২৯, ২০২১
দেশ

Photo Journalist: কান্দাহারে নিহত পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিক

কান্দাহারে অশান্ত পরিস্থিতির ছবি তুলতে গিয়ে নিহত হলেন পুলিৎজার জয়ী ভারতীয় চিত্রসাংবাদিক দানিশ সিদ্দিকি। কয়েক আগেই সেখানে গিয়ে আফগান সেনাবাহিনীর সঙ্গে থেকে কাজ করছিলেন তিনি। শুক্রবার সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, কান্দাহারের স্পিন বোলডাক জেলায় সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে নিহত হয়েছেন দানিশ। তিনিই ভারতের প্রথম পুলিৎজার জয়ী চিত্রসাংবাদিক। ২০১৮ সালে সহকর্মী আদনান আবিদির সঙ্গে ফিচার ফোটোগ্রাফিতে পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছিলেন দানিশ। ভারতের রয়টার্সের আলোকচিত্রীদের দলটির প্রধান ছিলেন দানিশ।আরও পড়ুনঃ ফের উত্তপ্ত শ্রীনগর, খতম ২ লস্কর জঙ্গিআন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রধান চিত্র সাংবাদিক ছিলেন দানিশ। টুইটারে এক সাংবাদিকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাতেই গুরুতর জখম হয়েছিলেন দানিশ। তিনি আফগান সেনা শিবিরেই ছিলেন। তাঁকে আহত অবস্থায় শিবিরে রেখেই আফগান সেনারা তালিবান বিরোধী অভিযানে গিয়েছিলেন। কিন্তু শুক্রবার সকালে ফের তালিবানি হামলার মুখে পড়ে আফগান সেনারা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় দানিশের। ওই সাংবাদিক নেট মাধ্যমে জানিয়েছেন, দানিশের দেহাবশেষের ছবিও এসেছে তাঁদের কাছে। কিন্তু তাঁরা তা প্রকাশ করছেন না। মুম্বইয়ে বাড়ি দানিশের। বয়স ৪০। জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার ছাত্র ছিলেন তিনি। টেলিভিশন সাংবাদিক হিসেবে কেরিয়ার শুরু করলেও পরে চিত্র সাংবাদিকতাকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ২০১০ সালে রয়টার্সে শিক্ষানবীশ চিত্র সাংবাদিক হিসেবে যোগ দেন। তার ছ বছরের মধ্যেই ইরাকের মসুলের যুদ্ধের ছবি তুলতে যান দানিশ। ২০১৫ সালে নেপালের ভূমিকম্পের ছবিও তোলেন। ২০১৯-২০তে হংকং প্রোটেস্ট, ২০২০ তে দিল্লির দাঙ্গার ছবিও তোলেন এই চিত্র সাংবাদিক।

জুলাই ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohunbagan Ratna : মরণোত্তর মোহনবাগান রত্ন পাচ্ছেন শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়

তিনকাঠির নিচে দাঁড়িয়ে মোহনবাগানকে এনে দিয়েছেন অনেক সম্মান। অবশেষে তার স্বীকৃতি পেতে চলেছেন প্রয়াত গোলকিপার শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মরণোত্তর মোহনবাগান রত্ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্লাব কর্তারা। বুধবার কর্মসমিতির ভার্চুয়াল বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্ষসেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি পাচ্ছেন রয় কৃষ্ণা, বর্ষসেরা ক্রিকেটার অভিমন্যু ঈশ্বরণ।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণের১৯৭৭ সালে প্রথম সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে চাপিয়েছিলেন শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়। মোহনবাগানে যোগ দেওয়ার পর প্রথম দিকে তেমন খেলার সুযোগ পাননি। পরে আস্তে আস্তে সবুজমেরুণে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে। টাইব্রেকার বাঁচানোর ব্যাপারে দারুণ দক্ষ ছিলেন। বহু ম্যাচে পেনাল্টি ও টাইব্রেকার বাঁচিয়ে দলকে উতরে দিয়েছিলেন। তাঁর স্মরণীয় ম্যাচের মধ্যে ছিল ইডেনে পেলের কসমসের বিরুদ্ধে খেলা। ফুটবল সম্রাট পেলের পা থেকে একাধিকবার বল বাঁচিয়ে নজর কেড়েছিলেন শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়। পেলে নিজেও শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়ের খেলার প্রশংসা করেছিলেন। শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়কে মরণোত্তর মোহনবাগান রত্ন প্রদান করা হবে এই খবরে তাঁর পরিবারেও খুশির হাওয়া। ২৯ জুলাই মোহনবাগান দিবসে জাঁকজমকহীন অনুষ্ঠানে শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটমরশুমের সেরা ফুটবলার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে রয় কৃষ্ণাকে। গত মরশুমে আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানকে ফাইনালে তোলার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন ফিজির এই স্ট্রাইকার। বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে অভিমন্যু ঈশ্বরণকে। এবছর ক্লাব ক্রিকেটে দারুণ ছন্দে ছিলেন অভিমন্যু। সিএবির একদিনের ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন এই তরুণ ওপেনার। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিলেন। বর্ষসেরা অ্যাথলিটের পুরস্কার পাচ্ছেন বিদিশা কুন্ডু।আরও পড়ুনঃ দুধের স্বাদ ঘোলে মিটল দীপক খাবরার, প্রথম ভারতীয় হিসেবে যাচ্ছেন অলিম্পিকেকরোনার জন্য রাজ্য সরকারের অনেক বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই ২৯ জুলাই মোহবাগান দিবস অনাড়ম্বর ভাবে পালন করছেন কর্তারা। কোনও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান হচ্ছে না। অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে শিবাজী ব্ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবার ও বিদিশা কুন্ডুর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। অভিমন্যু ঈশ্বরণ ইংল্যান্ড সফরে থাকায় এবং রয় কৃষ্ণা দেশে থাকায় পুরস্কার নিতে আসতে পারবেন না। পরে তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

জুলাই ১৪, ২০২১
দেশ

Padma Award: সাধারণের হাতে 'পদ্ম'-র দায়িত্ব দিলেন মোদি

দেশের সর্বোচ্চ সম্মান পদ্ম সম্মানের দায়িত্ব এবার দেশবাসীর উপরই দিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অনেকেই থাকেন যাঁরা প্রচারের আলোর পরিবৃত্তেও নেই। তাঁরা অপরিচিত। তবু দেশের জন্য, দশের জন্য ব্যতিক্রমী কাজ নিরন্তর করে চলেছেন। এ বার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) পদ্ম পুরস্কার তুলে দিতে চান তাঁদের হাতে। তাই সেই অপরিচিত মানুষদের খুঁজে বের করার দায়িত্ব দেশের ১৩০ কোটি মানুষের হাতে তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী।India has many talented people, who are doing exceptional work at the grassroots. Often, we dont see or hear much of them. Do you know such inspiring people? You can nominate them for the #PeoplesPadma. Nominations are open till 15th September. https://t.co/BpZG3xRsrZ Narendra Modi (@narendramodi) July 11, 2021টুইট করে নমো লিখেছেন, ভারতে এরকম অনেকে রয়েছেন যাঁরা তৃণমূল স্তরে ব্যতিক্রমী কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা তাঁদের সম্পর্কে বেশি জানি না। আপনি কি তাঁদের চেনেন? পদ্ম পুরস্কারের জন্য তাঁদের আপনি মনোনীত করতে পারেন। ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই সুযোগ থাকছে। আরও পড়ুনঃ করোনার ভয়াবহতা ভুলে শহরে উদ্দাম পার্টি! গ্রেপ্তার ৩৭padmaawards.gov.in- এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পদ্ম পুরস্কারের জন্য আপনি আপনার পছন্দের কোনও ব্যক্তিকে বেছে নিতে পারেন। পদ্ম পুরস্কারের অন্তর্গত পদ্মভূষণ, পদ্মবিভূষণ ও পদ্মশ্রী-র জন্য আপনি পছন্দের ব্যক্তির নাম জমা দিতে পারবেন।প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসে এই সম্মানপ্রাপকদের হাতে পদক ও মানপত্র তুলে দেন রাষ্ট্রপতি। এত দিন এই সব সম্মান কারা পাবেন তার মনোনয়নের ভার আমজনতার হাতে ছিল না। এবার প্রধানমন্ত্রী সেই দায়িত্ব সাধারণের উপরই ছাড়লেন।

জুলাই ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

৬৭তম জাতীয় পুরস্কারে সেরা বাংলা ছবি 'গুমনামী', সেরা হিন্দি 'ছিঁছোরে'

ঘোষিত হল ৬৭তম জাতীয় পুরস্কার । সেরা বাংলা সিনেমা সৃজিত মুখোপাধ্যায় পরিচালিত গুমনামী। অ্যাডাপ্টেড চিত্রনাট্যের জন্য সেরা চিত্রনাট্যকারের পুরস্কার পেলেন সৃজিত নিজে। কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায় পরিচালিত জ্যেষ্ঠপুত্র ছবির জন্য সেরা আবহ সংগীতের পুরস্কার পেলেন প্রবুদ্ধ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেরা অরিজিনাল স্ক্রিন প্লে জ্যেষ্ঠপুত্র ছবির ঝুলিতেই। বাংলা থেকে জাতীয় পুরস্কার পাওয়া দুটি ছবির মুখ্য ভূমিকাতেই রয়েছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ।সেরা হিন্দি ছবির শিরোপা পেল প্রয়াত সুশান্ত সিং রাজপুত অভিনীত ছবি ছিঁছোরে। পঙ্গা এবং মণিকর্ণিকা দ্য ক্যুইন অফ ঝাঁসি ছবির জন্য জীবনের চতুর্থ জাতীয় পুরস্কারটি পেলেন কঙ্গনা রানাউত । এর আগে ফ্যাশন, ক্যুইন এবং তনু ওয়েডস মনু রিটার্নস সিনেমার জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন কঙ্গনা। যৌথভাবে সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেলেন মনোজ বাজপেয়ী ও দক্ষিণী তারকা ধনুশ । ভোঁসলে সিনেমায় অভিনয়ের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন মনোজ। ধনুশ পুরস্কার পেয়েছেন আসুরান সিনেমার জন্য। অক্ষয় কুমার অভিনীত কেশরি সিনেমায় তেরি মিট্টি গানটি গেয়ে সেরা গায়ক হয়েছেন বি প্রাক । অস্কারে ঠাঁই পায়নি মালয়ালম ছবি জাল্লিকাট্টু। সেরা সিনেম্যাটোগ্রাফির পুরস্কার পেয়েছে ছবিটি। সেরা সংলাপের পুরস্কার পেয়েছে দ্য তাশখন্দ ফাইলস ছবি। এই ছবির জন্যই সেরা সহ-অভিনেত্রী হয়েছেন পল্লবী যোশী । সুপার ডিলাক্স সিনেমার জন্য সেরা সহ-অভিনেতা হলেন বিজয় সেতুপতি । সেরা শিশুদের ছবি কস্তুরি। সেরা ফিচার ফিল্ম মোহনলাল, কীর্তি সুরেশ অভিনীত মালয়ালম ছবি মারাক্কর। দেশের সবচেয়ে সিনেমা ফ্রেন্ডলি রাজ্য সিকিম। সেরা অ্যানিমেটেড ছবি রাধা।

মার্চ ২২, ২০২১
রাজ্য

"অবিশ্বাস্য। অভাবনীয়। এভাবেও খুঁজে বের করা যায়?"- 'পদ্মশ্রী' শিক্ষক

অবসরের পর দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে চলছে সদাই ফকিরের পাঠশালা। পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের উত্তর রামনগরের এই পাঠশালার শিক্ষক সুজিত চট্টোপাধ্যায় পাচ্ছেন পদ্মশ্রী পুরস্কার। ৭৮ বছরের শিক্ষকের বড় আক্ষেপ এলাকায় একটা কলেজ নেই। মন্ত্রী, বিধায়কদের বলেও কাজ হয়নি। আশপাশের সব কলেজের দূরত্বই প্রায় ২৫ কিলোমিটারের বেশি। তবে নিজে এখনও পাঠশালায় গুরুদক্ষিণা নেন মাত্র ২ টাকা৷ রামনগর হাইস্কুল থেকে সুজিতবাবু অবসর নিয়েছেন ২০০৪ সালে। ওই স্কুলে শিক্ষকতার কাজে যোগ দিয়েছিলেন ১৯৬৫ -তে। পড়াশুনা করেছেন বর্ধমান রাজ কলেজে। দীর্ঘ ৪০ বছর শিক্ষকতার পর শুরু করেন সদাই ফকিরের পাঠশালা। শুরু করেছিলেন ১ টাকা দক্ষিণা নিয়ে। ১৮ বছরের মাথায় দক্ষিণা বেড়ে হয়েছে ২ টাকা।পদ্মশ্রী পেয়ে কেমন লাগছে? সুজিত চট্টোপাধ্যায় বলেন, অবিশ্বাস্য। অভাবনীয়। ভাবতেই পারছি না গ্রাম বাংলা থেকে এভাবে কাউকে খুঁজে বের করে সম্মান দেওয়া হচ্ছে। তাও আবার প্রত্যন্ত জঙ্গলমহল এলাকা থেকে। দিল্লির ফোন পেয়ে কথা বলেও প্রথমে বিশ্বাস হয়নি। পরে দিল্লির ওই ফোন নম্বরে আমার মেয়ে ফোনে কথা বলে নিশ্চিত হয়। সদাই ফকিরের পাঠশালায় ৩০০ জনের বেশি ছাত্রছাত্রী পড়াশুনা করেন। সুজিত বাবু মাধ্যমিক স্তরে ইংরেজি, বাংলা, ভুগোল, ইতিহাস পড়ান। উচ্চমাধ্যমিকে বাংলা, সংস্কৃত ও স্নাতক স্তরে বাংলা পড়ান। একেবারে শুরুতে গুরিদক্ষিণা নিতেন এক টাকা। এটা টিউশন ফি নয়। এখানকার ছাত্রছাত্রীরা দুস্থ। টিউশন ফি নিলে পড়াশুনাই করতে পারবে না, বলেন সুজিত চট্টোপাধ্যায়।সুজিতবাবু জানান, তাঁর যে টাকা নেই, সেকথা বোঝাতেই সদাই ফকিরের পাঠশালা নাম দেওয়া হয়েছে। পেনশনের টাকাতেই তাঁর সংসার চলে। জঙ্গলমহলের এই শিক্ষকের দাবি, এলকায় একটা কলেজ স্থাপনের। সেকথা এখানকার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন। দিল্লিতে মার্চে পদ্মশ্রী পুরস্কার নেওয়ার সময়ও সেই দাবি জানাবেন বলে জানিয়ে দিলেন তিনি। এলাকায় স্টেট ব্যাংকের দাবিও রয়েছে তাঁর।

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
কলকাতা

পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত বাংলার ৭ জন

এবছর পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ এবং পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে একাধিক কৃতি ব্যক্তিত্বকে। বাংলা থেকে ক্রীড়া, শিল্প, সাহিত্য ও সমাজসেবা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের ৭ কৃতিকে পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে। মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন কিংবদন্তি দক্ষিণী সংগীত শিল্পী এস পি বালাসুব্রহ্মণ্যম। তালিকায় রয়েছেন দেশ-বিদেশের আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।বাংলা থেকে পদ্মশ্রী সম্মানে সম্মানিত টেবল টেনিস তারকা মৌমা দাস। সাহিত্য ও শিক্ষাক্ষেত্র থেকে এই সম্মানে সম্মানিত হয়েছেন ধর্মনারায়ন বর্মা, সুজিত চট্টোপাধ্যায়, জগদীশ চন্দ্র হালদার, শিল্পকলা বিভাগে সম্মানিত হয়েছেন বীরেন কুমার বসাক, নারায়ণ দেবনাথ এবং সমাজ কল্যাণের ক্ষেত্রে সম্মানিত হয়েছেন গুরুমা কালী সোরেণ। এবার এই তিন সম্মানের তালিকায় ৮ জন বিদেশি বিদ্বজনও রয়েছেন। এস পি বালা বালাসুব্রহ্মণ্যম ছাড়াও পদ্মবিভূষণে সম্মানিত হয়েছেন জাপানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের জন্য এই সম্মান পেয়েছেন তিনি। তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছেন কর্ণাটকের ডা. বেল্লে মোনাপ্পা হেগড়ে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জন্য মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক নারিন্দর সিং কাপানি। আধ্যাত্মের জন্য সম্মান পেলেন মৌলানা ওয়াহিদুদ্দিন খান। নৃতত্ববিদ্যার জন্য পেলেন বি. বি. লাল। শিল্পের ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের জন্য পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন ওডিশার বালি শিল্পী সূদর্শন সাহু।

জানুয়ারি ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

বন্ধুর সঙ্গে বাগদান সেরে ফেললেন ইমন

জাতীয় পুরস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তীর বিয়ে নিয়ে অনেকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। এবার সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সোমবার বাগদানপর্ব সেরেই ফেললেন এই স্বনামধন্য সংগীতশিল্পী। পাত্র সংগীত পরিচালক নীলাঞ্জন ঘোষ। হাওড়ার লিলুয়ায় বাড়ি ইমন চক্রবর্তীর। মায়ের কাছেই প্রথম সংগীত শিক্ষা। তাঁর কাছ থেকেই শিখেছিলেন রবীন্দ্রনাথের সুরকে ভালবাসতে। ধীরে ধীরে বাংলার সংগীত জগতে নিজের পরিচিতি গড়ে তোলেন ইমন। আরও পড়ুনঃ আচ্ছন্নভাব থাকলেও শারীরিক উন্নতি সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ২০১৭ সালে পান জাতীয় স্বীকৃতি। অনুপম রায়ের সুরে তুমি যাকে ভালবাসো গানটির সুবাদে জাতীয় পুরস্কার পান ইমন। জানা গিয়েছে, বহুদিনের বন্ধু নীলাঞ্জনের সঙ্গে ডিসেম্বর থেকে প্রেম শুরু সংগীতশিল্পীর। দুজনে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সম্পর্ককে পরিণতি দিতে চান।

অক্টোবর ২০, ২০২০
রাজ্য

‘মাস্কের কারণে কানে ব্যথা’ , কষ্ট কমানোর যন্ত্র আবিষ্কার করে জাতীয় পুরস্কার পেল দিগন্তিকা

বেদান্ত লাহিড়ীঃ করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ সহ আমাদের সকলকেই দীর্ঘ সময় ধরে মাস্ক পরে থাকতে হয়। ফলস্বরূপ কানের উপর ক্রমাগত চাপ পড়ে। অনেকক্ষণ মাস্ক পড়ে থাকলে কানে ব্যথাও হয়। এই সমস্যার সমাধানে এক যুগান্তকারী আবিষ্কার করে ফেলেছে দিগন্তিকা বোস নামে দ্বাদশ শ্রেণীর এক ছাত্রী। মেমারি ভি এম ইন্সটিটিউশন ইউনিট-২- এর ছাত্রী সে। দিগন্তিকা এই সমস্যার সমাধানে একটি ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের সাহায্যে (বা কোনও নমনীয় বোর্ড) দিয়ে এমন একটি নকশা তৈরি করেছে , যা আপনি যখন মাস্ক হিসেবে ব্যবহার করবেন তখন মাথার পিছনে আটকে থাকবে। ফলস্বরূপ, কানের উপর কোনও চাপ থাকবে না। ফলস্বরূপ, মাস্ক দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলেও কানের কোনও ব্যথা বা সমস্যা হবে না। দিগন্তিকা তার এই আবিষ্কারের জন্য চলতি বছরে জাতীয় পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। এনিয়ে দিগন্তিকার আবিষ্কারের সংখ্যা ইতিমধ্যে এগারোয় পৌঁছে গেছে। এই এগারোতম আবিষ্কারের স্বীকৃতি হিসেবে ইতিমধ্যেই তিনি জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন। এর আগে ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন দিগন্তিকা। এছাড়াও একের পর এক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের জন্য দিগন্তিকাকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। সৃষ্টি ও জ্ঞান -এর মতো আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান তাঁর আবিষ্কা্রের জন্য তাকে পুরস্কৃ্ত করেছে। ভারত সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রক এবং বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা কাউন্সিলের তরফ থেকেও তাকে পুরস্কৃ্ত করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৩ হাজার ৭৭১ জন গত ১৫ অক্টোবর ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ড. এ পি জে আবদুল কালামের নামাঙ্কিত জাতীয় পুরস্কার ঘোষণা করা হল ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। পর্যালোচনা কমিটির সদস্যরা হলেন , ভারত সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযু্ক্তি মন্ত্রনালয়ের ন্যাশানাল ইনোভেশন ফাউন্ডেশনের অধিকর্তা ডঃ বিপিন কুমার , প্রফেসর অনিল কুমার গুপ্তা, (সিএসআইআর ভটনাগর ফেলো) , পি ভি এম এম রাও, অধ্যাপক এবং প্রধান, ডিজাইন বিভাগ, আইআইটি-দিল্লি, ডাঃ বিশ্বজনানী সতীগেরী (প্রধান, সিএসআইআরটিটিডিএল), বিজয়া শেরি চাঁদ (অধ্যাপক ও চেয়ারপারসন, রবি জে মঠাই সেন্টারের পর এডুকেশ্যানাল ইনভেশন ), আম্বরিশ ডংগ্রে অধ্যাপক, আরজেএমসিআইআই, আইআইএম, প্রেমিলা ডি ক্রুজ (অধ্যাপক, আইআইএম), নবদীপ মাথুর (অধ্যাপক, আইআইএমএ), ডঃ নীতিন মৌর্য (বিজ্ঞানী, এনআইএফ) এবং ডাঃ অনামিকা দে (সিইও, জিআইএএন এবং ভিজিটিং অনুষদ, আইআইএমএ)। ২২ টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি থেকে মোট নয়টি প্রজেক্ট জাতীয় পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

অক্টোবর ১৭, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

হুমায়ুন গ্রেফতার, অধীরের অবস্থান! রেজিনগর উপনির্বাচনে দিনভর তপ্ত রাজনীতি, "জিতবে বিজেপিই" - শুভেন্দু

রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ভোট লুট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস। অভিযোগের প্রতিবাদে বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। গ্রেফতার করা হয় আজপ নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের দিন সকালেই সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের গ্রেপ্তারি। তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ রেজিনগর উপনির্বাচনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী। সকালে শক্তিপুরে নিজের বাড়ির কাছের বুথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন হুমায়ুন। বুথ থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে কুকুর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, কুকুরকে কীভাবে মুগুর মেরে শায়েস্তা করতে হয়, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। প্রয়োজনে পাল্টা অ্যাটাকের কথাও বলেন তিনি।এরপর রেজিনগর পার্টি অফিসে যাওয়ার পথে সেখানে পৌঁছে যায় রেজিনগর থানার আইসি। হুমায়ুনকে পার্টি অফিস ছেড়ে চলে যেতে বলা হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। পরে আইসির নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেই হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের দিন এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় না, একথা একজন বিধায়কের জানা দরকার বলে জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমাদের ব্যবধান অনেকটা বাড়বে। গতবারের থেকে ৫থেকে ৬ গুন তো বাডডবেই। মার্জিন কম হলেও রেজিনগরে আমরা জিতবো। মুসলিম যুবক ও মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেজিনগরে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট চলছে। তাঁর দাবি, পুলিশ বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে এবং কংগ্রেস এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হুমায়ুনের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে অধীর বলেন, তাঁকে দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে এবং তিনি বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট।মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দিয়ে বুথ দখল করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার দাবি, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। যদিও বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রেজিনগরে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বন্যপ্রাণী সপ্তাহে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে ফিটনেস ও পরিবেশ সচেতনতার পাঠ

ফিট ইন্ডিয়া থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদশরীরচর্চা, কুইজ ও বন্যপ্রাণী পরিচিতির মাধ্যমে দিনভর শিক্ষামূলক কর্মসূচিবর্ধমান: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, আর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতাদুই বার্তাকেই সামনে রেখে বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল একাধিক শিক্ষামূলক কর্মসূচি। ফিট ইন্ডিয়া ভাবনায় শরীরচর্চা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে গিয়ে পরিবেশ, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জীব নন্দীর উদ্যোগে প্রথমে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়ের মাঠে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণ করানো হয় তাদের। কাঠের ডাম্বেল দিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম ও ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছোটদের বোঝানো হয়, কীভাবে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেকে ফিট রাখা যায়।এরপর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়। শেষপর্বে দল তৈরি করে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় কাবাডি খেলায়। শরীরচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে দলগত মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিমেষ বর্মন বলেন, ফিটনেস কোনও সাময়িক বিষয় নয়, এটি ধারাবাহিক কর্তব্য। ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করতে বিদ্যালয় বিশেষভাবে যত্নশীল।মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতার পাঠঅন্যদিকে, চলতি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সেখানে গিয়ে প্রথমেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনারে অংশ নেয় পড়ুয়ারা।বিজ্ঞানীরা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেন, পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কীভাবে জীবজগতের উপর প্রভাব ফেলছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতন নাগরিক হিসেবে ছোটদের কী ভূমিকা থাকা উচিত, সেই বিষয়েও দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।এরপর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সঠিক উত্তর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী পুরস্কারও অর্জন করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অয়নাংশু পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দের কথা জানায়।প্রকৃতিকে কাছ থেকে চেনার সুযোগসেমিনার ও কুইজের পর রমনার বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। সেখানে সায়েন্স সেন্টারের আধিকারিকরা বিভিন্ন পশুপাখির সঙ্গে তাদের পরিচয় করান। প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের ভূমিকা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।শিক্ষক সামিম মণ্ডলের কথায়, ছোটদের কাছে আজকের শিক্ষামূলক ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত আনন্দের। একইসঙ্গে তারা প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত সায়েন্স সেন্টারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে। বন্যপ্রাণী সপ্তাহে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে পড়ুয়াদের সচেতন করে তোলার এই প্রচেষ্টা জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ফিটনেস, পরিবেশ সচেতনতা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে একসঙ্গে সামনে রেখে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার এক অভিনব পাঠ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি লিপিবদ্ধ করেন দীপ্ত সুন্দরবাবু।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরে নাম বাদ? এবার ফের ভোটার তালিকায় ওঠার সুযোগ! কী করতে হবে, জানাল কমিশন

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর সিইও দফতর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা এএসডিডি তালিকায় থাকা কারণে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের মধ্যে যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।অর্থাৎ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়লেও কেউ যদি এখনও ভোটার হওয়ার যোগ্য হন, তা হলে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে অথবা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না দেখে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাবে।পাশাপাশি যাঁদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁরাও নতুন ভোটার হিসেবে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুই পথেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ এসআইআরে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি প্রথম বার ভোটার হতে চলা তরুণ-তরুণীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সিইও দফতরের প্রকাশিত তথ্যেও এএসডিডি তালিকা এবং বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা দেখে যোগ্য ভোটারদের দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর চলাকালীন যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, অথচ তাঁরা যোগ্য ভোটার, তাঁদের জন্য ফের আবেদন করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।এদিকে বাংলায় বেশ কিছু ভোটারের নাম নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি বা মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালগুলির কাজ চলছে।তবে নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করার শেষ তারিখের কথা মঙ্গলবারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাঁদের দ্রুত নিজেদের নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে কি না দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম ফেরানোর এই নতুন প্রক্রিয়ায় এখন নজর থাকছে পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

২৫ বছর একটানা সরকারের শীর্ষে মোদী! তাঁকে নিয়ে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এল যে ১০ বড় দিক

সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছর পূর্ণ করলেন নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবারের সেই প্রস্তাবে শুধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখই নয়, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রিসভার দাবি, দেশ সবার আগে, নাগরিক সবার আগে নীতিকে সামনে রেখেই এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এগিয়েছে।২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথম বার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদী। তার পর গুজরাটে টানা তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে জয় এবং পরবর্তী সময়ে পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গও মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এসেছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, এই দীর্ঘ সময়ে তাঁর নেতৃত্বে গুজরাটে নেওয়া কিছু উদ্যোগ পরে জাতীয় স্তরেও প্রয়োগ করা হয়েছে।এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে গুজরাটের স্বাগত কর্মসূচি। নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল বলে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সেই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চালু হয় প্রগতি। বিভিন্ন সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় করে আটকে থাকা প্রকল্পের সমস্যা মেটানো এবং কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। গুজরাটের কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পৃথক ব্যবস্থা তৈরির জ্যোতিগ্রাম প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকেও জাতীয় স্তরে কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি জনধন হিসাব খোলা হয়েছে, চার কোটির বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। তবে এই পরিসংখ্যানগুলি মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।মহিলা, কৃষক, যুবসমাজ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও রয়েছে প্রস্তাবে। কেন্দ্রের হিসাবে, প্রায় সাড়ে তিন কোটি মহিলা লাখপতি দিদি কর্মসূচির আওতায় আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়েছেন। আইনসভায় মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের সাংবিধানিক ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির মতো প্রকল্পের কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষ ভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী জনমন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।সংস্কারের প্রসঙ্গও বিশেষ ভাবে এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। পণ্য ও পরিষেবা কর চালু, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং পুরনো ঔপনিবেশিক আইন বদলের মতো পদক্ষেপকে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল লেনদেন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের উপর জোর দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ রয়েছে।পরিকাঠামো ও উৎপাদন ক্ষেত্রের অগ্রগতির দাবিও রয়েছে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, সরকারি মূলধনী ব্যয় ২০০১ সালের প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এখন ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ, রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণও প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।প্রযুক্তির ব্যবহারকেও মোদীর ২৫ বছরের নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরেছে মন্ত্রিসভা। জনধন হিসাব, আধার এবং মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেনে নতুন পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবার প্রসঙ্গ রয়েছে প্রস্তাবে। পাশাপাশি দেশের নিজস্ব কোভিড টিকা তৈরি এবং চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণকে ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও কাজ এগোনোর কথা বলা হয়েছে।সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে মোদীর ২৫ বছরের রাজনৈতিক যাত্রাকে গুজরাটের প্রশাসন থেকে জাতীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক পর্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। গরিব মানুষের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প, মহিলা ও কৃষকের ক্ষমতায়ন, পরিকাঠামো, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং প্রশাসনিক সংস্কারএই বিভিন্ন ক্ষেত্রকেই সেই দীর্ঘ নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্যারিকেড টপকে আকাশবাণী ভবন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্না, শেষে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের আটক!

ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর উত্তপ্ত থাকল রাজধানী দিল্লি। সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপর একের পর এক নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত আকাশবাণী ভবনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্নায় বসে থাকার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও অন্যান্য বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ।মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল শুরু করেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। মিছিল আটকে দেওয়া হলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়।এর পরেও থামেননি রাহুল। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কয়েক জন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে একটি গাছের তলায় বসেই ধর্না শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা তা মানেননি। নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে জানান।সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধর্নার পরিসরও বাড়ে। রাতের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন নেতা সেখানে পৌঁছে ধর্নায় যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও লখনউ যাওয়ার পথে ফিরে এসে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে অবস্থান চলার পর রাতে পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢোকে। একে একে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের আটক করে বাসে তোলা হয়। ডেরেক ওব্রায়েনকেও ফের আটক করা হয়। এর আগে দিনের প্রথম পর্বে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিলের সময়ও তাঁকে আটক করা হয়েছিল।তবে এই বিক্ষোভের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে আলাদা দাবি সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দল আগাম কোনও আনুষ্ঠানিক আবেদন করেনি। ফলে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক না হওয়ার প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক তৈরি হয়েছে।দিনভর ব্যারিকেড, আটক, আকাশবাণী ভবনে ধর্না এবং পরে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ এবং কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই মিলিয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ল।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট, কিন্তু উঠল ‘ভোটলুট’-এর অভিযোগ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে কী ঘটল?

নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের ভিড়। ভোটের হারও নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৭৮.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুই কেন্দ্রেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে বেরিয়েছেন। তবে ভোটের হার বেশি হলেও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে দিনভর উত্তপ্ত থেকেছে দুই কেন্দ্র। বিরোধী দলগুলির একাংশ ভোটে অনিয়ম ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বিজেপি অবশ্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রেজিনগরে ভোট শুরু হওয়ার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার পর তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের তরফেও এই ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।হুমায়ুনের গ্রেফতারির পর রেজিনগরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বেশ কিছু বুথে তাঁদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রেজিনগরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। কংগ্রেসের তরফে এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।নন্দীগ্রামেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানের অভিযোগ, কয়েকটি বুথে দলের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। বিরোধীদের তরফে কোথাও কোথাও ভোটে অনিয়ম এবং এজেন্টদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বাম ও আইএসএফের তরফেও অভিযোগের কথা সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগকে বিজেপি নস্যাৎ করেছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, এবারের ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা যেতে পারে। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ তাঁর আগের জয়ের ব্যবধান ছাপিয়ে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এই দাবি ফল প্রকাশের পরেই যাচাই হবে। নন্দীগ্রামে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়ায় উপনির্বাচনের নিরিখে ভোটদানের হার নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয়েছে।রেজিনগরেও ভোটের হার ৭৮ শতাংশের বেশি। বিপুল ভোট পড়ার পাশাপাশি বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপি পাল্টা দাবি করেছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।এই দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ছিল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। নন্দীগ্রাম আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছেড়ে দেওয়ার পর এবং রেজিনগর আসনটি হুমায়ুন কবীর ছেড়ে দেওয়ার কারণে উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন নজর শুক্রবারের ফলাফলের দিকে। তার আগে দুই কেন্দ্রে বিপুল ভোটের হার এবং বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবিদুই-ই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

‘এত তাড়াহুড়ো করে নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল?’ অভিষেকের মামলা শুনে প্রশ্ন বিচারপতির

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল। অভিষেকের আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে হোমগার্ড ছাড়া তাঁর সঙ্গে কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই। এই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছেন, নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের কারণ-সহ বিস্তারিত তথ্য রাজ্যকে জানাতে হবে। আগামী ১৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।আদালতে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী শঙ্করনারায়ণ জানান, ২০১৩ সালে অভিষেককে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর তা বাড়িয়ে ওয়াই প্লাস করা হয়। ২০১৫ সালে জেড এবং ২০১৬ সালে জেড প্লাস শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর ১০ মে আচমকাই অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। এই সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলেও আদালতে দাবি করা হয়েছে।আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পরে নিরাপত্তার মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। তাঁর দাবি, মাত্র দুজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছিল। এর কিছু দিনের মধ্যেই সোনারপুরে অভিষেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে আদালতে জানানো হয়। তার পরেও আরও কয়েকটি হামলার অভিযোগ ওঠে। বিমানবন্দর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর কার্যালয়কে ঘিরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আইনজীবী আদালতে দাবি করেন। অতীতে অভিষেকের চোখে গুরুতর আঘাতের ঘটনাও ঘটেছিল বলে সওয়ালে উল্লেখ করা হয়।শুনানির সময় নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানতে চায়, নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ কোথায় এবং কোন পরিস্থিতিতে এত দ্রুত নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একাধিক হামলার অভিযোগ ওঠার পর ভবিষ্যতে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। পাথর ছোড়ার মতো ঘটনায় কারও গুরুতর আঘাত লাগতে পারে বলেও আদালত সতর্ক করে।এর আগে অভিষেকের পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির সামনে থাকা পুলিশ কিয়স্কও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্যের তরফে মামলার বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই রিপোর্ট তলব করেছে। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানিতে নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত, তার ভিত্তি এবং পরবর্তী সময়ে অভিষেকের নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে রাজ্যের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal