• ২৯ বৈশাখ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arrested,

রাজ্য

আগ্নেয়াস্ত্র সহ এক ভিনরাজ্যের ব্যক্তি সহ আট দুস্কৃতী বর্ধমান জেলা পুলিসের হাতে আটক

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোপনসূত্রে খবর পেয়ে ৮ জন দুস্কৃতিকে গ্রেফতার করেছে বর্ধমান জেলা পুলিশ। পূর্ব বর্ধমানের এনএইচ ২ বি র উপরে সাই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের কাছে পুলিশী অভিযানে ধরা পড়ে ওই দুস্কৃতীরা।পূর্ব বর্ধমানের জেলা পুলিসের ডিএসপি (ট্রাফিক) রাকেশ কুমার চৌধুরী জানিয়েছেন, এদের কাছে একটি ওয়ান শর্টার পাইপগান ও একটি গুলি পাওয়া গেছে। এছাড়াও এদের কাছে একটি পুরনো কয়েন পাওয়া গেছে। এরা কয়েনগুলিকে পুরাতন দুস্প্রাপ্য কয়েন বলে লোককে প্রতারণা করত বলে জানা গেছে। এছাড়াও এদের কোনও ডাকাতির উদ্দেশ্য ছিল বলেই পুলিশের অনুমান।দুস্কৃতীদের একজনের বাড়ি মুম্বাই, একজন বর্ধমানের, তিন জন মঙ্গলকোটের বাসিন্দা। বাকিদের বাড়ি বীরভুম জেলায় বলে সুত্রে জানা গেছে। এদের আজ আদালতে জেলা পুলিশ পাঠিয়েছে। এদের সাথে পুরনো কোনওঁ ঘটনার যোগ রয়েছে কিনা তাও বিশদে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান শহরে অস্ত্রসহ এক দুস্কৃতিকে গ্রেফতার

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার গভীর রাতে বর্ধমানের গুডশেড এলাকা থেকে অস্ত্রসহ এক দুস্কৃতিকে গ্রেফতার করলো বর্ধমান থানার পুলিশ। ধৃতের নাম আলী হোসেন, সে অসমের বাসিন্দা। ধৃতের কাছ থেকে একটি রিভালবার ও এক রাউণ্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ধৃত আলী হোসেন অস্ত্র বিক্রির উদ্দেশ্যে বর্ধমানে এসেছিল। মঙ্গলবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। সাত দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

নভেম্বর ১৫, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ধৃত জামালপুরের দম্পতির পরিচয়ের খোঁজে জেলায় বেঙ্গালুরু পুলিস

অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে পশ্চিম বাংলার দম্পতি জেলে বন্দি। বেঙ্গালুরু পুলিশ নগরিকত্ত্বের তথ্য যাচাই করতে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে চষে বেড়ালো। বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে বেঙ্গালুরুর জেলে বন্দি করে রাখা হয়েছে রাজ্যের এক শ্রমিক দম্পতিকে। রেহাই পায়নি তাঁদের দেড়বছরের শিশু পুত্রও। প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে শিশু পুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়েই বেঙ্গালুরুর জেলে দিন কাটাচ্ছেন অসহায় দম্পতি পলাশ অধিকারী ও শুক্লা অধিকারী।বেঙ্গালুরুর ভারথুর থানার পুলিশ এখন এরাজ্যে এসে বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতরে ঘুরে নথি সংগ্রহ করছেন। তার মাধ্যমে তাঁরা নিশ্চিৎ হতে চাইছেন, তাঁদের করা মামলার জেরে বেঙ্গালুরুর জেলে বন্দি থাকা দম্পতি আদৌ কি বাংলাদেশি! নাকি তারা প্রকৃতই ভারতীয় নাগরিক। এমনটা জেনে অধিকারী পরিবারের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, এবার হয়তো পলাশ এবং তাঁর স্ত্রী ও পুত্র জেল থেকে মুক্তি পাবে।দম্পতি পলাশ অধিকারী ও শুক্লা অধিকারী পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জৌগ্রাম পঞ্চায়েতের তেলে গ্রামের বাসিন্দা। পলাশ ও তাঁর পরিবারের সবাই শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। পলাশ স্ত্রী শুক্লাদেবী ও শিশু পুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়ে চলতি বছরের জুন মাসের শেষের দিকে পলাশ কর্ণাটক রাজ্যের বেঙ্গালুরূ যান। একই উদ্দেশ্যে পলাশের বাবা পঙ্কজ অধিকারী এবং মা সবিতাদেবীও বেঙ্গালুরু যান। সেখানকার মারাথাহাল্লি (Marathahalli) মহকুমার ভারথুর (varthur) থানার সুলিবেলে (sulibela) গ্রামের কায়েন খাঁনের ডেরায় তারা ওঠেন।সেখানে দৈনিক ৩০০-৪০০ টাকা মজুরির শর্তে তারা কায়েন খাঁনের অধীনে কাজ করা শুরু করেন।তাদের কাজ ছিল হোটেল,রেঁস্তোরা, সিনেমা হল সহ বিভিন্ন জয়গা থেকে সংগৃহীত বর্জ্যবস্তু,বোতল,প্লাস্টিক সরঞ্জাম এইসব বাছাই করা।গত ২৭ জুলাই ভারথুর (varthur) থানার পুলিশ কায়েন খাঁনের ডেরায় হানা দেয়। সেখানে যাঁরা যাঁরা বাংলাভাষী ছিল তারা সবাই নাকি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী, এমন সন্দেহে ভারথুর থানার পুলিশ তাদেরও আরো পাঁচ জনকে পাকড়াও করে থানায় নিয়ে যায়। ওই সময়ে পলাশ,তাঁর স্ত্রী,বাবা-মা সবাই ভারথুর থানার পুলিশকে জানান তাঁরা কেউই বাংলাদেশী নন। তাঁরা নিজেদেরকে ভারতীয় বলে জানিয়ে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড দেখান। সেইসব দেখে সেখানকার ভারথুর থানার পুলিশ পলাশের বৃদ্ধ বাবা,মাকে ছেড়ে দেয়। কিন্তু পলাশ এবং তাঁর স্ত্রী ও শিশুপুত্র সহ সাত জনকে ছাড়ে না। তাদের বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে ভারথুর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়ে দেয়। সেই থেকে প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে শিশুপুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়েই বেঙ্গালুরুর জেলে দিন কাটাচ্ছে পলাশ ও তাঁর স্ত্রী শুক্লা। ছেলে,বৌমা ও নাতি কে জেল থেকে মুক্ত করার জন্য পলাশের বাবা ও মা বেঙ্গালুরুতে থেকে নানাভাবে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। কিন্তু সুরাহার কোন ব্যবস্থা না হওয়ায় তাঁরাও যথেষ্ট হতাশ হয়ে পড়েছেন।বিডিও ( জামালপুর) শুভঙ্কর মজুমদার বলেন, আমার ব্লকের তেলে গ্রামের বাসিন্দা এক দম্পতিকে ফরেনার্স এ্যাক্টে গ্রেপ্তার করেছে বেঙ্গালুরু পুলিশ।শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা সেখানকার জেলে প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে বন্দি হয়ে রয়েছে। বিডিও জানান, তিন চারদিন আগে বেঙ্গালুরুর ভারথুর থানার তিন পুলিশ আধিকারিক তদন্তের স্বার্থে তাঁর কাছে আসে। পলাশ অধিকারী ও তাঁদের স্ত্রী প্রকৃতই ভারতীয় নাগরিক কিনা এবং তাদের ভোটার ও আধার কার্ডটি সঠিক কিনা, সেইসব বিষয়ে বেঙ্গালুরু পুলিশ তাঁর কাছে জানতে চায়। এছাড়াও পলাশদের পারিবারিক পরিচিতি, কতদিন ধরে তারা তেলে গ্রামে বসবাস করছে,তাদের কাস্ট স্ট্যটাস সহ নানা বিষয়ে জানতে চায়। সব তথ্য ভারথুর থারার মেইল আইডি তে পাঠিয়ে দিয়েছেন বলে বিডিও জানান। পশাপাশি তিনি এও বলেন, দম্পতি যে জৌগ্রামের তেলে গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা সেই বিষয়ে জামালপুর থানার পুলিশও রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছে। বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার আরও জানানা, ভারথুর থানার তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা শুধু জামালপুর বিডিও অফিস ও থানায় এসে তথ্য যাচাই করে ফিরে গিয়েছেন, এমনটা নয়। বেশ কয়েকদিন ধরে ওই পুলিশ আধিকারিক দল জামালপুরের জমি রেজিস্ট্রি অফিস, ভূমি দফতরের অফিস, জৌগ্রাম পঞ্চায়েত, এমনকি বর্ধমান দক্ষিন মহকুমা শাসকের অফিসেও তথ্য যাচাইয়ের জন্য গিয়েছিল।পলাশের বোন শম্পা হালদার বলেন, বেঙ্গালুরূ পুলিশ আধিকারিক দল আমাদের তেলে গ্রামের বাড়িতে এসেছিল। বাড়ি ঘর ঘর দেখার পাশাপাশি ওই পুলিশ দল আমার দাদা, বৌদি ও ভাইপোর ভারতীয় নাগরিকত্ত্ব সংক্রান্ত সব নথিও যাচাই করে। পাড়া প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেন। কোন খুঁত বেঙ্গালুরু পুলিশ বার করতে পারেননি । তাই আমরা প্রত্যাশা করছি, এবার হয়তো বেঙ্গালুরুর জেল থেকে আমার দাদা, বৌদি ও ভাইপো মুক্তি পাবে।

নভেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

তিন কুখ্যাত দুস্কৃতী গ্রেফতার, উদ্ধার লক্ষাধিক টাকা মুল্যের সরঞ্জাম

তিনি কুখ্যাত দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে লক্ষাধিক টাকা মূলের বোমাইল ফোন ও ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম উদ্ধার করলো পুলিশ। বুধবার বিকাল থেকে বৃহস্পতিবার ভোররাত পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশ হুগলী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় টানা অভিযান চালায়। সেই অভিযানেই ধরা পড়ে দুস্কৃতিরা। পুলিশ জানিয়েছে ,ধৃতদের নাম পিযুশ হালদার, মৃত্যুঞ্জয় শা ওরফে মনি ও মানু সাঁতরা ওরফে বিজয়। এদের মধ্যে পিযুশ জামালপুর থানার কলুপুকুর গ্রামের বাসিন্দা।বাকি দুই ধৃতর মধ্যে মত্যুঞ্জয় হুগলী জেলার শ্রীরামপুর এবং মানু হুগলীর গুড়াপ থানা এলাকার বাসিন্দা । বৃহস্পতিবার তিন দুস্কৃতিকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। আরো চোরাই সামগ্রী উদ্ধার ও চক্রের বাকিদের হদিশ পেতে পুলিশ ধৃতদের ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। বর্ধমান দক্ষিণ মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুপ্রভাত চক্রবর্তী জানিয়েছেন, গত ২৩ নভেম্বর জৌগ্রামের আমড়ার মোড়ে একটি দোকানের পিছনের দিকে তালা ভেঙে চুরি হয়।তারপরই পুলিশ টেকনোলজি ও সোর্স কাজে লাগিয়ে দুস্কৃতির নাগাল পায়।

নভেম্বর ১০, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশি অনুপ্রেবেশকারি সন্দেহে ব্যাঙ্গালোরে গ্রেপ্তার বর্ধমানের দম্পতি ও শিশুর মুক্তি দাবিতে ভাইফোঁটার দিন অভিনব কর্মসূচী বাংলাপক্ষর

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের দম্পতি পলাশ অধিকারী, তার স্ত্রী শুক্লা অধিকারী ও তাদের দেড় বছরের পুত্র আদিকে গত ২৭ শে জুলাই, ২০২২ সালে বাংলাদেশী তকমা লাগিয়ে গ্রেপ্তার করেছে ব্যাঙ্গালোর পুলিস। FOREIGNERS ORDER ACT, 1948 (U/s-7(2)); FOREIGNERS ACT, 1946 (U/s-14 (B)) ধারায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সুত্রে জানা গেছে। পলাশ ও শুক্লা পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভা অন্তর্গত জৌগ্রামের বাসিন্দা। বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতি জানান, বিজেপি শাসনাধীন কর্ণাটক সরকার বাঙালির উপর আক্রমণ করেই চলেছে ক্রমাগত। এর আগে বাঙালির বস্তি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। নানা সময় নানা বাঙালিকে বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ পলাশ, শুক্লা অধিকারী ও তাঁদের শিশু পুত্রের মুক্তির দাবিতে ভাইফোঁটার দিন কলকাতার রানুছায়া মঞ্চে অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচী করল। এইদিন তাঁরা প্রতীকি ভাইফোঁটার আয়োজন করে। ভাইফোঁটার বিশেষ আয়োজনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বসত এক প্লেট মিষ্টি। কিন্তু আজকের এই আয়োজনে প্লেটে কোনও মিষ্টি ছিলো না, কপালে ভাইফোঁটা ছিলো না, কারণ হিসেবে তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ধমানের বাঙালি বোন বাঙালি হওয়ার জন্য ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দী, সেই বোন শুক্লা অধিকারী আজকের দিন জেলে থাকায় তাঁর ভাইয়েদের ফোঁটা দিতে পারেননি। এই অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা।বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা বাঙালি ভাইবোনদের ব্যাঙ্গালোরের জেল থেকে মুক্ত করে আনবোই। বাঙালি হওয়া কি অপরাধ? বাঙালিকে প্রতিনিয়ত আক্রমণ করা হচ্ছে নানা বিজেপি শাসিত রাজ্যে। আজকের এই পুণ্য ভাইফোঁটার দিনে আমাদের বোন শুক্লা ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দি৷ আমরা ওদের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়বো। বাংলার সমস্ত চাকরি-কাজ- ব্যবসা দখল করছে বহিরাগতরা, বঞ্চিত হচ্ছে বাঙালিরা। বাধ্য হয়ে তারা অন্য রাজ্যে কাজে যাচ্ছে। তাই যাতে আর বাঙালিকে বাইরে কাজে যেতে না, বেসরকারি চাকরি- ঠিকা কাজ- টেন্ডারে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ সময়ের দাবি। আমরা সেই জন্যও লড়ছি।তিনি আরও জানান, বাংলা পক্ষ ঐ পরিবারের পাশে আছে, আমরা তাদের বাড়িও গেছিলাম, তাদের পরিবারের সাথে কথা বলেছি। স্থানীয় বিধায়ক অলোক মাঝি ও বাংলার প্রশাসনের সাথেও কথা বলেছে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ ব্যাঙ্গালোরের পুলিস কমিশনারকে ইমেল করেছে, তাদের যাতে জেল থেকে দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়।গর্গ চট্টোপাধ্যায় জানান, পরিবারের থেকে আমরা একটা ভয়ংকর কথা জানতে পারি, ওনাদের আইনজীবী আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড জমা দিলেও জমির দলিলের ইংরেজি ভার্সান জমা দিতে বলা হয়েছে। বাংলা পক্ষ এই তিন বাঙালির মুক্তির জন্য ব্যাঙ্গালোরে নানা বাঙালি সংগঠন ও আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে। বাংলার বাইরে মূলত বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোয় হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে বাঙালিকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী তকমা লাগিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ এই সভা থেকে দাবী তোলে, ভারতে বাঙালি হিসাবে জন্মানো কি অপরাধ? তিনি আরও জানান, এর একটা বড় সমাধান, বাংলায় সমস্ত বেসরকারি চাকরি, ঠিকা কাজে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। তাহলে বাংলার বাঙালিকে কাজের জন্য আর বাইরে যেতে হবে না।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
দেশ

শ্রমিকের কাজে ব্যাঙ্গালোরে গিয়ে ভিনদেশি অভিযোগে শিশু সন্তান সহ আটক বাঙালি দম্পতি, মুখ্যমন্ত্রীর শরণাপন্ন পরিবার

শ্রমিকের কাজ করতে ব্যাঙ্গালোরে গিয়ে ভয়ানক পরিণতির শিকার হয়েছেন পশ্চিম বঙ্গের বাসিন্দা এক দম্পতি। রেহাই পায়নি তাঁদের দেড়বছর বয়সী শিশুপুত্রও। বাংলাভাষী এই দম্পতিকে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে গ্রেপ্তার করে কর্ণাটক রাজ্যের ব্যাঙ্গালোর পুলিশ জেলে পাঠিয়েছে। প্রায় তিন মাস ধরে শিশু পুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাঙ্গালোরের জেলে দিন কাটাচ্ছেন দম্পতি পলাশ অধিকারী ও শুক্লা অধিকারী। তাঁদের বাবা-মা ব্যাঙ্গালোরে গিয়ে সেখানকার পুলিশকে ছেলে ও বৌমার ভারতীয় নাগরিকত্বের সমস্ত প্রমাণ পত্র দেখান। কিন্তু তাতেও লাভ কিছু হয় নি। এই পরিস্থিতিতে ছেলে, বৌমা ও নাতির ব্যাঙ্গালোরের জেল থেকে মুক্তির জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছেন অসহায় বাবা মা।দম্পতি পলাশ অধিকারী ও শুক্লা অধিকারী পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জৌগ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তেলে গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। সেখানে রয়েছে তাঁদের টিনের চালার দুকুঠুরি ভাঙাচোরা বাড়ি। ওই বাড়ি দেখলে যে কেউ বুঝে যাবেন দারিদ্রতাই অধিকারী পরিবারের নিত্যদিনের সঙ্গী। পলাশদের মতোই তাদের প্রতিবেশীরাও অত্যন্ত দরিদ্র। মাথা গোঁজার ঠাঁই টুকুই শুধুমাত্র তাদের সম্বল। তাদের বেশিরভাগ দিন মজুরির কাজ করে অন্নের সংস্থান করেন। বাকিদের কেউ বালাপোশ তৈরি, আবার কেউ বিড়ি বাঁধার কাজ করে উপার্জন করেন।এমনই এক গ্রামের ছেলে পলাশ রোজগারের আশায় স্ত্রী ও শিশু পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাঙ্গালোরে যায়। কিন্তু রোজগার তো দূরের কথা ,উল্টে সেখানে তাঁদের পরিণতি হয়েছে ভয়ংকর। যা জেনে স্তম্ভিত তেলে গ্রামের বাসিন্দারা ও জনপ্রতিনিধিরা।তেলে গ্রামেই বসবাস করেন পলাশ অধিকারীর আত্মীয় পিন্টু হাওলাদার । তিনি জানান,শ্রমিকের কাজ করার জন্য চলতি বছরের জুন মাসে শিশু পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে পলাশ তাঁর স্ত্রী ব্যাঙ্গালোরে যায়। একই উদ্দেশ্যে পলাশের বাবা পঙ্কজ অধিকারী, মা সবিতাদেবী ও প্রতিবেশী সুনীল অধিকারীও ব্যাঙ্গালোরে যান। সেখানকার মারাথাহাল্লি (Marathahalli) মহকুমার ভারথুর (Varthur) থানার সুলিবেলে (Sulibela) গ্রামের কায়েন খাঁনের ডেরায় তারা ওঠে। সেখানে দৈনিক ৩০০-৪০০ টাকা মজুরির শর্তে তারা কায়েন খাঁনের অধীনে কাজ করা শুরু করেন। তাদের কাজ ছিল হোটেল, রেঁস্তোরা, সিনেমা হল সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগৃহীত বর্জ্যবস্তু, বোতল, প্লাস্টিক সরঞ্জাম ইত্যাদি বাছাই করা। পিন্টু হাওলাদার বলেন,সেখানে সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। হঠাৎ করেই গত ২৭ জুলাই ভারথুর (Varthur) থানার পুলিশ কায়েন খাঁনের ডেরায় হানা দেয়। সেখানে যাঁরা যাঁরা বাংলাভাষী ছিল তারা সবাই নাকি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী, এমন সন্দেহে ভারথুর থানার পুলিশ তাদের ও আরো পাঁচ জনকে পাকড়াও করে থানায় নিয়ে যায়। ওইসময়ে পলাশ, তাঁর স্ত্রী,বাবা-মা ও প্রতিবেশী সুনীল অধিকারী সহ সবাই ভারথুর থানার পুলিশ কে জানান তাঁরা কেউই বাংলাদেশী নন। তাঁরা নিজেদেরকে ভারতীয় বলে জানিয়ে নিজের নিজের আধার কার্ড,প্যান কার্ড,ভোটার কার্ড দেখান। সেইসব দেখে সেখানকার পুলিশ পলাশের বৃদ্ধ বাবা,মা ও প্রতিবেশীকে ছেড়ে দিলেও পলাশ এবং তাঁর স্ত্রী ও শিশুপুত্র সহ সাতজনকে আটকে রাখে। ভারথুর থানার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়ে দেয়। সেই থেকে প্রায় তিন মাস হয়ে গেল শিশু পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে পলাশ ও তাঁর স্ত্রী ব্যাঙ্গালোরের জেলেই দিন কাটাচ্ছে বলে পিন্টু হাওলাদার জানিয়েছেন।সুনীল অধিকারী বলেন, আমিও রোজগারের আশায় পলাশদের সঙ্গেই ব্যাঙ্গালোরে যাই। সেখানেভারথুর থানার পুলিশ আমাকেও সন্দেহে ধরে। ওখানকার পুলিশের সঙ্গে আমাদের কথা বলার ক্ষেত্রে ভাষাগত সমস্যা হচ্ছিল। ওরা আমাদের কথা যেমন বুঝতে পারছিল না, তেমনই আমরাও ওদের কথা কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। তবুও আমি, পলাশের বাবা- মা ও পলাশ বাংলা ভাষাতেই ভারথুর থানার পুলিশকে বারেবারে বলে যাই আমরা ভারতীয়,পশ্চিমবাংলার বর্ধমানের বাসিন্দ। তেলে গ্রামে থাকা আমার স্ত্রীর ফোন নম্বর ওরা চাইলে সেটাও আমি দিয়ে দিই। এর পর ওরা কি বুঝলো জানিনা। আমাকে এবং পালাশের বাবা ও মাকে ছেড়ে দেয়। কিন্তু অদ্ভুত ভাবে পলাশ এবং তার স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে ছাড়ে নি। মিথ্যা অভিযোগে তদের জেলে পাঠিয়ে দেয়।সুনীলবাবু আরও জানান, এইসব দেখে তাঁর মনে হয় বাঙালিদের ব্যাঙ্গালোর কাজ করতে যাওয়া খুব একটা নিরাপদের নয়। তাই ওই ঘটনার আট দিন বাদে ট্রেনের টিকিট কেটে তিনি তেলে গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। হুগলীর বৈঁচিগ্রামের বাসিন্দা পলাশের আত্মীয় সুজন হালদার বলেন, পলাশ এবং তাঁর স্ত্রী ও সন্তানের এমন করুণ পরিণতির কথা জেনে তিনি তাদের পাশে দাঁড়াতে ব্যাঙ্গালোরে যান। কিন্তু কোন ভাবেই কিছু সুরাহা করতে পারছেন না। যে আইনজীবীকে নিযুক্ত করেছেন তার কাছ থেকেও আশানুরূপ সহযোগীতা পাচ্ছেন না। সুজন হালদার দাবি করেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর জন্য কেন্দ্র পশ্চিম বাংলায় সিএএ (CAA), এনআরসি (NRC) লাগু করতে পারেনি। তবে তাঁর মনে হচ্ছে বিজেপি শাসিত কর্ণাটক সরকার অলিখিত ভাবে সিএএ, এনআরসি কার্যকর করে যাকে পাচ্ছে তাকে বিদেশী বলে জেলে ভরে দিচ্ছে। একই অভিযোগ করেছেন তেলে গ্রামের বাসিন্দা জৌগ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য কৃষ্ণা সরকার। পলাশের বাবা ও মা বলেন, ছেলে, বৌমা ও নাতিকে ব্যাঙ্গালোরের জেল থেকে ছাড়াতে এখন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী তাঁদের একমাত্র ভরসা। তাঁরা মমতা ব্যানার্জীর হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছেন।বিডিও ( জামালপুর ) শুভঙ্কর মজুমদার টেলিফোনে বলেন, এমন একটা ঘটনার কথা আমি শুনেছি। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসনকে ওয়াকিবহাল করা হয়েছে। এসডিও (বর্ধমান দক্ষিণ) বিষয়টি দেখছেন। জামালপুর বিধানসভার বিধায়ক অলোক মাঝি টেলিফোনে বলেন,পলাশ অধিকারী ও তাঁর পরিবার আমার বিধানসভা এলাকার তেলে গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা ও ভোটার। ভারতীয় নাগরিকত্বের সমস্ত প্রামাণপত্রও তাদের রয়েছে। তা সত্ত্বেও কোন যুক্তিতে ব্যাঙ্গালোরের পুলিশ পলাশ এবং তাঁর স্ত্রী ও শিশু পুত্রকে কি অভিযোগে গ্রেপ্তার করে জেলে ভরে রেখেছে সেটাই আশ্চর্য্যের। আলোক মাঝি জানান,কালি পুজো মিটলেই তিনি এই বিষয়টি নিয়ে জেলা জেলাশাসকের মাধ্যমে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন

অক্টোবর ২৫, ২০২২
রাজ্য

জাল নোট সহ তিন ব্যক্তি গ্রেফতার বর্ধমান স্টেশনে

যৌথ ভাবে অভিযানে জালনোট সহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করলো বর্ধমান থানা ও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়।পুলিশ গোপনসূত্রে খবর শনিবার সন্ধ্যায় বর্ধমান স্টেশন চত্বরে অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে আটক করে। বর্ধমান থানা ও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ আধিকারিকরা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন। তল্লাশিতে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ২৪ টি ২ হাজার টাকার জালনোট। ধৃত মহম্মদ রাজ ওরফে রাজুয়া ওরফে বসিরুদ্দিন, মহম্মদ আমিন হোসেন ওরফে আমান ও মহম্মদ মঈনুদ্দিন ওরফে গোবরা প্রত্যেকের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়।১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন করে ৩ জনকেই রবিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। কি উদ্দেশ্যে এই জালনোট নিয়ে স্টেশন চত্বরে ধৃতরা অপেক্ষা করছিলো তার তদন্ত শুরু করছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

অক্টোবর ১৬, ২০২২
রাজ্য

নয়াবাদ থানার তৎপরতায় গ্রেপ্তার কাঠ পাচারকারী, বাজেয়াপ্ত কাঠ ভর্তি পিকআপ ভ্যান

অবৈধ কাঠ চোরাচালান রুখতে আবারও বড়সড় সাফল্য পেল নয়াবাদ থানার পুলিশ। পিকআপ ভ্যানে প্রচুর পরিমাণে জঙ্গলের কাঠ পাচারের সময় গ্রেফতার এক ব্যক্তি, সঙ্গে বাজেয়াপ্ত কাঠ ভর্তি পিকআপ ভ্যান। জানা গেছে শনিবার নয়াবাদ থানার পুলিশ নয়াগ্ৰাম থানা এলাকার ছোট ধানশোল এলাকায় নাকা চেকিং করার সময় পিকআপ ভ্যানে কাঠ পাচারের সময় গাড়ি সমেত একজন ধরা পড়ে পুলিশের জালে।নাকা পয়েন্ট থেকে পুলিশ বেচান হাঁসদা নামে একজন বছর ২২ এর যুবককে গ্রেফতার করে। সঙ্গে গাড়িতে থাকা সমস্ত কাঠ ও গাড়ি বাজেয়াপ্ত করে। গ্রেফতারের পর পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে রবিবার ঝাড়গ্রাম আদালতে পেশ করে। এদিন আদালতে পেশ করলে মহামান্য বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। তবে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান অভিযুক্ত পার্শ্ববর্তী রাজ্য উড়িরষ্যা থেকে কাঠের লগগুলো চালান করছিল।এমন সময় পুলিশের জালে ধরা পড়ে। মানুষের পাশে থেকে কাজ করার পাশাপাশি নয়াগ্রাম থানার পুলিশ প্রতিনিয়ত যে ভাবে কাজের সাফল্য অর্জন করেছে তাতে খুশি নয়াগ্ৰামবাসী।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে দুই যুবক গ্রেফতার

আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেফতার করল পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম শেখ রিন্টু ও শেখ জুলফিকার ওরফে শান্ত। বাড়ি ভাতারের ঘোলদা গ্রামে। জানা যায়,পাওনার টাকা আদায় করে দেওয়া ও মামলা থেকে মুক্তি দেওয়ার নামে দুই যুবক রিন্টু ও জুলফিকার ভাতারের আয়মাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হাফিজউদ্দিন মিঁয়ার কাছ থেকে দুদফায় ত্রিশ হাজার টাকা নেয় বলে অভিযোগ।এই বিষয়ে হাফিজউদ্দিন ভাতার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন দুই যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত দুই যুবককে। ধৃতদের মঙ্গলবার হেফাজতের আবেদন জানিয়ে বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ । যদিও অভিযুক্ত শেখ রিন্টুর দাবি মিথ্যা মামলায় তাদের ফাঁসানো হয়েছে।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

ঝুপড়িবাসী সেজে অপরাধ কাজকর্ম চালাচ্ছিল দুই দাগী দুস্কৃতি-সেই ঝুপড়ি থেকেই উদ্ধার প্রচুর চোরাই সামগ্রী-গহনা-আগ্নেআস্ত্র

রেললাইনের ধারে আলাদা আলাদা ঝুপড়ি ঘরে থকতো দুই যুবক। কেউ ঘুণাক্ষরেরও টের পায়নি ওই যুবকরা আসলে দাগী অপরাধী।তবে তাঁরা এলাকাবাসীর চোখে ধুলো দিয়ে থাকতে পারলেও পুলিশের চোখ এড়িয়ে বেশিদিন থাকতে পারেনি। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশ হওড়া-বর্ধমান কর্ড শাখার ঝাপানডাঙ্গা রেল স্টেশন লাগোয়া ঝুপড়িতে হানা দিয়ে দুই দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হল ইমান হোসেন মোল্লা ওরফে রাজা এবং তপন দাস। পুলিশ জেনেছে, ইমানের আদি বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর থানার বাহেরা গ্রামে। আর অপর ধৃত তপনের আদি বাড়ি নদীয়া জেলার শান্তিপুর থানার বাগদিয়া গ্রামে। দুজনেই ঝাপানডাঙ্গার রেল স্টেশনের ধারে ঝুপড়িতে থেকে অপরাধ মূলক কাজকর্ম চালাচ্ছিল। পুলিশের দাবী দুই ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর চোরাই সামগ্রী, গহনা, আগ্নেআস্ত্র ও কার্তুজ। নিরীহ সেজে থাকা ঝুপড়িবাসী যুবকদের এই কীর্তির কথা জেনে স্তম্ভিত ঝাপানডাঙ্গার বাসিন্দারা।বর্ধমান দক্ষিণের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) সুপ্রভাত চক্রবর্তী সোমবার জানিয়েছেন, ঝাপানডাঙ্গা রেল স্টেশনের ধারে ঝুপড়িতে থাকতো ইমান হোসেন মোল্লা ও তপন দাস। তাঁরা যে অপরাধ জগতের সঙ্গে যুক্ত তা এলাকার কেউ ঘুণাক্ষরেও টের পায় নি। সম্প্রতি জামালপুর থানার পুলিশ গোপন সূত্রে ওই যুবকদের অপরাধ মূলক কাজে জড়িত থাকার কথা জানতে পারে। ঝুপড়িতে হানা দিয়ে পুলিশ প্রথমে ইমান হোসেন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে। তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ জানতে পারে অপরাধ মূলক কাজে ইমানের সঙ্গী হল ঝাপানডাঙ্গায় রেল লাইনের ধারে অপর ঝুপড়িতে বসবাস করা যুবক তপন দাস। পুলিশ তাঁকেও গ্রেপ্তার করে।এসডিপিও আরো জানিয়েছেন, দুই ধৃতকে পুলিশি হেপাজতে নিয়ে তাঁদের ডেরায় তল্লাশী চালানো হয়। তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে দামী মিউজিক সিস্টেম, কম্পিউটার সামগ্রী, দুটি মোবাইল ফোন, বেশ কিছু গহনা, এক রাউণ্ড কার্তুজ সহ একটি আগ্নেআস্ত্র ও একটি চোরাই মোটর বাইক। ধৃতদের অপরাধ চক্রের জাল কতদূর ছড়িয়ে রয়েছে এবং তাঁদের সঙ্গে আর কারা কারা যুক্ত রয়েছে সেই বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। তদন্তের প্রয়োজনে দুই ধৃতকে ফের পুলিশি হেপাজতে নেওয়া হতে পারে বলে এসডিপিও র কথায় ইঙ্গিত মিলেছে।

মে ২৩, ২০২২
রাজ্য

সল্প পরিশ্রমে বেশী আয়ের নেশায় চোলাই মদ পাচার করতে গিয়ে গ্রেপ্তার তিন মহিলা

খেতমজুরি বা পরিচারিকার কাজ কোনটাই পছন্দ নয়। আবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অর্থেও মন পোষাচ্ছে না।তাই বেশী রোজগারের ধান্দায় তিন মহিলা নিপাট গৃহবধূর ছদ্মবেশে শুরু করেছিলেন চোলাই মদ পাচারের কাজ।তবে অবশ্য বেশীদিন তাঁরা পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে এই কাজ চালিয়ে যেতে পারলেন না। পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সেহারাবাজার ফাঁড়ির পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে প্রচুর চোলাই মদ সহ ওই তিন মহিলা কে ধরে ফেলে। পুলিশের দাবী চম্পা দাস, পুতুল দাস ও চাঁপা দাস নামের তিনি মহিলার কাছ থেকে প্রচুর চোলাই মদ উদ্ধার হয়েছে। তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ এদিনই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। রায়না থানা এলাকার আর কোন গ্রামের মহিলা চোলাই মদ পাচারের কাজে যুক্ত হয়েছে কিনা সেই ব্যাপারেও পুলিশ খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে ছানা গিয়েছে, চোলাই মদ পাচারে অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া তিন মহিলার বাড়ি দক্ষিণ সেহারাবাজার এলাকায়। একেবারে নিপাট সাধারণ পরিবারের গৃহবধূর বেশে প্রতিদিন সাতসকালে ব্যাগে কিছু নিয়ে এই মহিলারা আসতেন সেহারাবাজার ফাঁড়ির অধীন শ্রীধর এলাকায়। তাঁরা যে আসলে চোলাই মদ পাচারকারী তা পুলিশের কেউ কল্পনাও করতে পারেন নি। কিন্তু গোপন সূত্রে সেহারাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্য রাজেশ মাহাতো জানতে পারেন ওই তিন মহিলা চোলাই মদ পাচার করতেই প্রতিদিন সকালে শ্রীধর বাজারে আসেন। এরপরেই এদিন সকালে রাজেশ মাহাতোর নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী শ্রীধর বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে চোলাই মদ সহ বমাল পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় চম্পা দাস, পুতুল দাস এবং চাঁপা দাস নামের তিন মহিলা। রায়না থানার পুলিশ কর্তারা জানিয়েছেন, ধৃত মহিলাদের কাছ থেকে ৭৫ লিটারের মত চোলাই মদ উদ্ধার হয়েছে। ওই মদ বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট ধরায় মামলা রুজু করে ধৃত তিন মহিলাকেই এদিন বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়েছে।দক্ষিণ সেহারাবাজার এলাকার বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, অল্প পরিশ্রম করে বেশী রোজাগারের নেশাতেই এই মহিলারা চোলাই মদ পাচারে কাজে নেমে পড়েছিলেন। তবে মহিলাদের এই কাজে নামানোর পিছনে যাঁরা জড়িত রয়েছে তাঁদেরও খুঁজে বার করা দরকার। এলাকাবাসীর আশঙ্কা চোলাই মদ বিক্রী বন্ধে পূর্ব বর্ধমান জেলা জুড়ে পুলিশী অভিযান বাড়ানো হয়ে। সর্বত্র চলছে চোলাই মদের কারবারীদের ধরপাকাড়। এইসবের কারণে চোলাই মদের পুরুষ কারবারীরা টাকার প্রলোভন দেখিয়ে মহিলাদের চোলাই মদ পাচারের কাজে সামিল করে থাকতে পারে।

এপ্রিল ২১, ২০২২
রাজ্য

গলসি-অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে সিআইডির বিশেষ দল

পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার অন্তর্গত সন্তোষপুরে অগ্নিকান্ডের তদন্তে কলকাতা সিআইডির ফরেন্সিক ফিঙ্গার টিমের বিশেষ দল। এই দলে রয়েছেন সিআইডির ইন্সপেক্টর সৈবাল বাগচিসহ চার জন। এঁদের মধ্যে একজন ফোটগ্রাফার ও দুজন ফিঙ্গারপিন্ট এক্সপার্ট রয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে এই টিম গলসি থানায় আসে। তারপর থানার একজন অফিসারকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা সন্তোষপুট গ্রামের উদ্দেশ্য রওনা দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়ি ও গাড়িগুলি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন।সন্তোষপুর এলাকা থেকে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৩৯জন গ্রামবাসীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পেশ করেছে গলসী থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে পাঁচজনকে পুলিশ হেফাজত নেওয়ার আবেদন জানাচ্ছে পুলিশ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ৩৯ জন ধৃতের মধ্যে অনেকেই নির্দোষ। তাঁদের অবিলম্বে ছেড়ে দিতে হবে এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় যাঁরা মূল অভিযুক্ত তাদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানিয়েছে গ্রামবাসীরা।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

ভয়াবহ খুন ও তার প্রতিবাদে আগুন লাগানোর পরের দিন শুনশান সন্তোষপুর গ্রাম

থমথমে গলসির সন্তোষপুর গ্রাম। কানপাতলেই পুলিসের রুটমার্চের ভারি বুটের আওয়াজ। খুনের বদলা আগুনের পর শুনশান সন্তোষপুর গ্রাম। রাতভর পুলিশের তল্লাশিতে আগুন লাগানোর অভিযোগে পুলিশ ৩১ জনকে আটক করেছে। উল্লেখ্য পূর্ব বর্ধমানের গলসির সন্তোষপুর গ্রামে সোমবার স্ত্রীকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদে স্বামী উৎপল ঘোষকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন তাঁর বন্ধু মনোজ ঘোষ। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সন্তোষপুরে। পুলিশের জেরায় ধৃত মনোজ উৎপল ঘোষকে খুনের কথা স্বীকার করেছে।অন্যদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকেই গলসি থানায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন মহিলারা। তাদের দাবি, পুলিশ নির্দোষ ব্যক্তিদের গ্রাম থেকে তুলে এনেছে। মৃত উৎপল ঘোষের কাকা ভরত ঘোষ দাবী করেন, প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার বহিরাগত লোক নিয়ে এসে বাড়িতে আগুন লাগানো হয়। তিনি বলেন, আগুন লাগানো আমরা সমর্থন করি না। আইনি পথেই আমরা চাইছি দোষী শাস্তি পাক। বাড়িতে আগুন লাগানোর সময় পুলিশ উপস্থিত ছিল বলেই অভিযোগ। পুলিশের চখের সামনেই বাড়িতে আগুন লাগানো হয়। পুলিশের ধরপাকড়ের ভয়ে এই মুহুর্তে পুরুষশূন্য সন্তোষপুর। গ্রামে চলছে র্যাফের টহল।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

বগটুইয়ের ছায়া গলসিতে, প্রতিবাদী স্বামীকে নৃশংস হত্যা, গ্রেফতার 'বন্ধু', আগুন ধরাল ক্ষিপ্ত জনতা

স্ত্রীকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় স্বামীকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল বন্ধু। ধৃতের নাম মনোজ ঘোষ। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সন্তোষপুরে। প্রতিবেশী উৎপল ঘোষ(৩৩)কে নৃশংস ভাবে খুনের অভিযোগে গলসি থানার পুলিশ সোমবার দুপুরে মনোজকে গ্রেপ্তার করে।পুলিশের দাবি, ধৃত মনোজ জেরায় উৎপল ঘোষকে খুনের কথা কবুলও করেছে।এই খুনের ঘটনায় আর কেউ মনোজের সহযোগী ছিল কিনা তাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। মৃতের পরিবার পুলিশের কাছে অভিযুক্ত মনোজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। গলসির সন্তোষপুরের বাসিন্দা উৎপল ঘোষ পেশায় মৎসজীবী। গ্রামের পুকুরে তিনি মাছ চাষ করতেন।তাঁদেরই প্রতিবেশী মনোজ ঘোষ।মৃতের আত্মীয় শম্ভুনাথ পাণ্ডে জানিয়েছেন, রবিবার সন্ধ্যায় বাড়িতেই নিজের ৬ বছর বয়সী ছেলেকে পড়াচ্ছিলেন উৎপল। ওই সময়ে পরিচিত কেউ উৎপলকে ফোন করে ডাকে। সেই ফোন আসার পর উৎপল তাঁর ছোট ছেলেকে বাড়িতে স্ত্রীর কাছে রেখে বাইরে বের হয়।এরপর রাত আনুমানিক ৯ টা নাগাদ এলাকার লোকজন দেখেন গ্রামের একটি পুকুর পাড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে উৎপল। আর একটা কুড়ুলের ধারালো অংশ তাঁর মাথায় গেঁথে রয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে পৌছায়। কুড়ুলটি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি পুলিশ উৎপলকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে এলাকারই যুবক মনোজ ঘোষের সঙ্গে পুরানো শত্রুতা ছিল উৎপলের। কি কারণে শত্রুতা তৈরি হয়েছিল তা জানার জন্য পুলিশ মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে। পুলিশ জানতে পেরেছে, উৎপলের স্ত্রীকে প্রায়সই উত্যক্ত করতো মনোজ। সেটা মেনে নিতে না পেরে উৎপল প্রতিবাদ করে। আর তার কারণেই উৎপলের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে মনোজের। এমনটা জানার পরেই পুলিশ মনোজের খোঁজ চালানো শুরু করে। রাতেইএলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ মনোজকে ধরে থানায় নিয়ে যায়।এদিন সকালে পুলিশ উৎপলের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে পাঠিয়ে মনোজকে মারাথন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জেরায় মনোজ স্বীকার করে নেয়, ফোন করে উৎপলকে পুকুর পাড়ে ডেকে নিয়ে সে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে তাকে খুন করেছে। জেরায় এই কথা কবুল করার পরেই গলসি থানার পুলিশ এদিন বিকালে মনোজ ঘোঘকে গ্রেপ্তার করে। উৎপলকে খুনের ঘটনার মনোজকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে এই খবর সন্তোষপুরে পৌছাতেই গ্রামে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। তারইমধ্যে ময়নাতদন্ত শেষে বিকালে উৎপল ঘোষের মৃতদেহ গ্রামের বাড়িতে ফিরলে এলাকাবাসীর ক্ষোভের আগুনে ঘৃতাহুতি পড়ে। উত্তেজিত এলাকার লোকজন এর পরেই চড়াও হয় মনোজ ও তাঁর জ্যাঠা এবং কাকার বাড়িতে। তারা মনোজের বাড়িতে থাকা একটি বাইক ও মনোজের জ্যাঠার বাড়িতে থাকা একটি চারচাকা গাড়ি ও বাইকে আগুন ধরিয়ে দেয়। এমনকি মনোজের কাকার বাড়ির একটি ট্র্যাক্টর ও খড়ের পালুইতেও উত্তেজিত এলাকাবাসী আগুন ধরিয়ে দেয়।দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌছে বেশ কিছু সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। মৃতের আত্মীয় শম্ভুনাথ পাণ্ডে জানান, উৎপলের স্ত্রীকে নানা ভাবে উত্যক্ত করতো মনোজ। স্ত্রীর কাছ থেকে সেই কথা জানার পর উৎপল তার প্রতিবাদ জানিয়ে মনোজকে শোধরানোর কথা বলে। কিন্তু শোধরানো দূরের কথা, উল্টে মনোজ উত্যক্ত করেই যেত উৎপলের স্ত্রীকে। এই ঘটনা মেনে নিতে না পেরে উৎপল কিছু দিন আগে গলসি থানায় গিয়ে মনোজের বিরুদ্ধে অভিযোগও জানিয়ে ছিল। পুলিশ মনোজকে ধমক দিয়ে শোধরানোর কথা বলে তখনকার মতো ছেড়ে দেয়।তবে থানায় অভিযোগ জানানোর চটে গিয়ে মনোজের বাড়ির লোকজন উৎপলের বাড়িতে চড়াও হয়ে উৎপলকে প্রাণে মেরে দেবার হুমকি দিয়ে যায়। শম্ভুনাথ পাণ্ডে বলেন, সেই থেকে দুই পরিবারের মধ্যে তৈরি হয় বিবাদ। তবে হুমকি মতোই মনোজ যে এত পরিকল্পনা করে নৃশংস ভাবে উৎপলকে প্রাণে মরে দেবে তা আমরা ও পাড়া প্রতিবেশীর কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
রাজ্য

পুর্ব বর্ধমানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যাক্তি গ্রেপ্তার, এলাকায় চাঞ্চল্য

আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ। অভিযুক্তের নাম শ্রীমন্ত ঘাঁটি। এই অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়ি খন্ডঘোষ এর বীচখাঁড়া এলাকায়। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত্রে পূর্ব বর্ধমান ও বাঁকুড়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা বর্ধমান বাঁকুড়া রোডের খণ্ডঘোষ এর মেটেডাঙ্গার কবরস্থান এলাকায় ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলিও পাওয়া যায়। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি শ্রীমন্ত ঘাঁটিকে পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতে চেয়ে আজ বর্ধমান আদালতে পেশ করেন।খন্ডঘোষ থানার পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে সম্পূর্ণ বিষয়টির তদন্ত করতে চান। কিসের উদ্দেশ্যে ওই ব্যক্তি রাতের অন্ধকারে রাস্তার উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন এবং এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে কিশোরী মৃত্যর ঘটনায় মামলা রুজু হল এক কৃষক ও তাঁর কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে

বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে এক কিশোরীর মৃত্যুর ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠলো এক কৃষক ও তাঁর কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে। অভিযোগ,চুরি রুখতে ওই কৃষক তাঁর স্ট্রবেরি খেতের বেড়ার সঙ্গে জড়িয়ে রেখেছিলেন বিদ্যুৎতের তার। সেই বিদ্যুৎতের তারে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়েই কিশোরী পূজা কর্মকার(১৭) এর মৃত্যু হয় বলে তাঁর পরিবার অভিযোগ করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রবিবার সকালে থেকে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের ভেদিয়া এলাকায়। খবর পেয়ে আউশগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে স্ট্রবেরি খেতের পাশ থেকে ওই কিশোরীর দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়।কিশোরীর মৃত্যুর জন্য তাঁর মা স্ট্রবেরি চাষ করা কৃষক শ্যামানন্দন পাঠক ও তাঁর কেয়ারটেকার লক্ষণ যাদব কে দায়ী করে এদিন বিকালে আউশগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ।পুলিশ অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কিশোরী পূজা কর্মকারের বাড়ি আউশগ্রামের দীপচন্দ্রগ্রামের বাগানপাড়ায়। সেখানকার অজয় নদের চরের লাগোয়া কিছুটা জায়গায় স্ট্রবেরি চাষকরা কৃষক শ্যামানন্দন পাঠক ও তাঁর কেয়ারটেকার লক্ষণ যাদবের বাড়ি বিহারে।এদিন সকালে ওই স্ট্রবেরি খেতের পাশে পূজা কর্মকারের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।কিশোরীর দেহে ওই সময়ে খেতের বেড়ায় থাকা বিদ্যুৎবাহী তার জড়িয়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী।ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকার বাসিন্দা মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে । বেলা বাড়ার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে অনেক লোকজনও জড়ো হয়ে যায়। এলাকাবাসীর জিজ্ঞাসাবাদে জমির কেয়ারটেকার লক্ষণ যাদব স্বীকার করে নেন খেতেয় ফসল চুরি রুখতে তারা জমির বেড়ায় বিদ্যুতের তার জড়িয়ে রাখেছিল। বিদ্যুৎবাহী ওই তারে দেহ ঠেকে যাওয়ায় কিশোরীর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে কেয়ারটেকার আশংকা প্রকাশ করেন।পরিবারের সদস্যদের কথায় জানা গিয়েছে, পূজার বাবা পরিযায়ী শ্রমিক। মা পেশায় জনমজুর। পূজারা দুভাই বোন। এবারে তাঁর মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসার কথা ছিল। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর আগেই হঠাৎ সে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। ফলে এবারে তার মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়া হয়নি। শেষে চলতি মাসের ১২ তারিখে নবদ্বীপ থেকে তাকে উদ্ধার করে আনে পরিবারের লোকজন। কিন্তু বাড়ি ফেরার পর থেকেই সে ফের পালানোর মতলব করছিল বলে জানা গেছে। তাই পূজার মা ও ভাইসহ প্রতিবেশীরা তার উপর সর্বদা নজর রাখছিলেন। শেষে রবিবার রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়লে চুপি চুপি বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পরে পূজা। এদিন ওই স্ট্রবেরী খেতের পাশে বিদ্যুৎবাহী তার জড়ানো অবস্থায় পূজার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মাঠে মাঠে পালানোর সময় ওই জমির পাশ দিয়ে যেতেই গিয়ে এই ঘটনা ঘটেছে বলে অনুমান পুলিশের। পুলিশ জানিয়েছে,অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রজু করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মার্চ ২৮, ২০২২
রাজ্য

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী-কে অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার এক যুবক

অপহরণের ঘটনার তদন্তে নেমে দুদিনের মধ্যে অপহরণকারীর ডেরা থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়া ছাত্রীকে উদ্ধার করলো পুলিশ। পাশাপাশ পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার পুলিশ ছাত্রীকে অপহরণের ঘটনায় জড়িত যুবক রণি খান কেও গ্রেপ্তার করেছে। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম থানার পাটুলি শিবতলা এলাকায়। মেয়েকে উদ্ধার করে দেওয়ার জন্য ছাত্রীর পরিবার বুধবার রায়না থানায় গিয়ে পুলিশকে কৃতজ্ঞতা জানান। পুলিশ জানিয়েছে,১৬ বছর বয়সী অপহৃত ছাত্রীর বাড়ি রায়না থানার হিজলনা পঞ্চায়েত এলাকায়। সে এই বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে। ওই ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে বলে দাবী করে তাঁর বাবা গত রবিবার রাতে রায়না থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ছাত্রীর বাবা পুলিশ কে জানান, মাসির বাড়ি যাবার জন্য তাঁর মেয়ে রবিবার সকাল ৮ টা নাগাদ বাড়ি থেকে বের হয়। তার পর থেকে তিনি তাঁর মেয়ের আর কোন খোঁজ পান না। বিভিন্ন আত্মীয় পরিজনের বাড়িতেও খোঁজ চালান। কিন্তু মেয়ের আর কোন হদিশ মেলে না। নাবালিকা মেয়েকে কেউ অপহরণ করেছে এমনটা ধরে নিয়ে এরপর তিনি ওইদিন রাতেই রায়না থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ছাত্রীর বাবার অভিযোগ পেয়েই নড়ে চড়ে বসে রায়না থানার পুলিশ। দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্তে নামেন পুলিশ অফিসার সফিউর রহমান। বিভিন্ন সূত্র মাধ্যমে খোঁজ খবর চালিয়ে তিনি নিশ্চিৎ হয় ছাত্রী উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম থানা এলাকায় রয়েছে। এর পরেই নাবালিকা ছাত্রীকে উদ্ধারের জন্য মঙ্গলবার তিনি উত্তর ২৪ পরগনা মধ্যমগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। মধ্যমগ্রাম থানার সহায়তা নিয়ে সফিউর রহমান সেখানকার পাটুলি শিবতলা এলাকা নিফাসী অপহরণকারী রণি খানের ডেরায় পৌছান। সেখান থেকে নাবালিকা ছাত্রীকে উদ্ধার করার পাশাপাশি পুলিশ রনি খানকেও ধরে ফেলে।জেরায় ছাত্রীকে অপহরণের কথা কবুল করার পরেই পুলিশ রনি খান কে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার রাতেই নাবালিকা ওই ছাত্রী ও ধৃত অপহরণকারীকে নিয়ে রায়না থানায় পৌছান তদন্তকারী অফিসার সফিউর রহমান। ছাত্রীর মেডিক্যাল পরীক্ষা করিয়ে গোপন জবানবন্দি পেশের জন্য এদিনই তাকে হাজির করানো হয় বর্ধমান আদালতে। পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ ধৃত অপহরণকারীকেও এদিন আদালতে পেশ করে। ৭০০ টাকার বন্ডে ধৃতর জামিন মঞ্জুর করে বিচারক ১৪ জুলাই ফের তাঁকে আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিয়েছেন।

মার্চ ২৩, ২০২২
রাজ্য

প্রেমিককে খুনের অভিযোগে প্রেমিকাসহ পরিবার সদস্যদের গ্রেফতার করলো পুলিশ

প্রেমিককে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হল প্রেমিকা।রেহাই পাননি প্রেমিকার বাবা, মা ,ও দাদা। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে মেমারি স্টেশন রোড এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেফতার করে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রেমিক শুভ শীলকে খুনের অভিযোগে ধৃতদের নাম প্রিয়াঙ্কা কির্তনিয়া, সুনীল কীর্তনিয়া, জয়মালা কীর্তনিয়া ও রাজীব কীর্তনিয়া। তাঁদের বাড়ি মেমারি পৌরসভার উদয়পল্লী দক্ষিণপাড়ে। এদিনই ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে প্রেমিকা প্রিয়াঙ্কা ও তাঁর ভাই রাজীবকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায় পুলিশ। সিজেএম ধৃত প্রেমিকা ও তাঁর ভাইকে ৪ দিন পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অপর ধৃত প্রেমিকার বাবা ও মাকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে সোমবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।পুলিশ জানিয়েছে, মেমারির ৩ নম্বর ওয়াের্ডর পারিজাত নগরের শুভ শীলের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার দীর্ঘদিনের ভাব-ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। যদিও প্রিয়াঙ্কার পরিবার এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। তা সত্বেও প্রেমিকার বাড়িতে মাঝেমধ্যেই যেত শুভ। প্রিয়াঙ্কার পরিবারের লোকজন বেশ কয়েকবার শুভকে সম্পর্ক ছাড়ার জন্য হুমকি দেয়। অন্যথায় তাঁকে খুন করা হবে বলে শাসানো হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রিয়াঙ্কার বাড়িতে যান শুভ। তারপর থেকে তাঁর খোঁজ মিলছিল না। রাত দেড়টা নাগাদ প্রিয়াঙ্কার বাড়ি থেকে শুভর মাকে মোবাইলে ফোন করা হয়। শুভ গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানানো হয়। খবর পেয়ে শুভর পরিবারের লোকজন প্রিয়াঙ্কার বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তাঁরা দেখেন, উঠানে তাঁর দেহ শায়িত রয়েছে। কাপড়ের পার দিয়ে তাঁর দুহাত বাঁধা। কোমরের একটু উপরে দড়ি বাঁধা রয়েছে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। খবর পেয়ে পুলিস দেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তে পাঠায়। মৃতের বাবা অশোক শীল ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগ, প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক মেনে নিতে না পেরে তার পরিবারের লোকজন পরিকল্পিতভাবে শুভকে খুন করেছে। অভিযোগ পেয়ে পরিকল্পনামাফিক খুনের ধারায় মামলা রুজু করেছে থানা।

মার্চ ১৭, ২০২২
দেশ

দাউদ যোগে ইডির হাতে গ্রেপ্তার এনসিপি নেতা নবাব মালিক

দাউদ যোগে গ্রেপ্তার করা হল এনসিপি নেতা নবাব মালিককে। ৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর মহারাষ্ট্রের মন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করল ইডি। বুধবার সকালেই নবাব মালিকের বাড়িতে ইডি হানা দেয়। তারপর ইডি আধিকারিকরা তাঁকে জেরার জন্য দপ্তরের দিকে নিয়ে যান। কুখ্যাত ডন দাউদ ইব্রাহিম ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের অর্থপাচার সংক্রান্ত মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নবাবকে নিজেদের দপ্তরে নিয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছিল। সকাল ৭ টা নাগাদ এনসিপি নেতাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং সকাল ৮ টা থেকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অবশেষে টানা ৭ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর মহারাষ্ট্রের দোর্দণ্ডপ্রতাপ এনসিপি নেতা নবাব মালিককে।সূত্রের খবর, এনসিপি নেতা নবাব মালিক দাউদের সংযোগীদের সঙ্গে লেনদেন এবং জমি লেনদেনের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল। ইডি জানিয়েছে তদন্তের ক্ষেত্রে তিনি কোনও সহযোগিতা করেননি এবং এড়িয়ে গিয়েছেন। সম্প্রতি এই মামলায় ইডি দাউদ ইব্রাহিমের ভাই ইকবাল কাসকারের বাড়িতে অভিযান চালান এবং তাঁকে হেপাজত নেওয়া হয়েছিল। তদন্ত চলাকালীন নবাব মালিকের কেনা কিছু সম্পত্তির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের মহা বিকাশ আগাধি সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের চলতে থাকা চাপা লড়াইয়ের মধ্যে ইডির হাতে গ্রেপ্তার হলেন ৬২ বছরের মন্ত্রী নবাব মালিকের।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
রাজ্য

মধুচক্র চালানোর অভিযোগে পাঁচ যুবক গ্রেফতার, চাঞ্চল্য মেমারিতে

মধুচক্র চালানোর অভিযোগে গ্রেফতার হল পাঁচ যুবক। মঙ্গলবার রাতে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ জাতীয় সড়কের ধারে কানাইডাঙা এলাকায় চলা মধুচক্রের ডেরায় হানা দেয়। সেখানেই ধরা পড়ে পাঁচ যুবক। উদ্ধার করা হয়েছে ৮ জন মহিলাকে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত যুবকদের নাম মহম্মদ চাঁদ,আনিসুর রহমান ,দেবু বালা, শম্ভু ক্ষেত্রপাল ও বিশ্বজিৎ মণ্ডল। ধৃতরদের বেশিরভাগই মেমারি থানা এলাকার বাসিন্দা।একজন দক্ষিণ ২৪ পরগনার স্বরুপনগরের বাসিন্দা। উদ্ধার হওয়া মহিলারা ব্যান্ডেল, রাণাঘাট, নদিয়া প্রভৃতি এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারার মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে টানা দুদিন করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি, কমেছে পজিটিভিটি রেটপুলিশ জানিয়েছে, যুবকরা গোপনে কানাইডাঙা এলাকার একটি বাড়িতে মধুচক্র চালাচ্ছিল। গোপন সূত্রে সেই খবর পুলিশের কাছে পৌছায়। মঙ্গলবার রাতে পুলিশ ওই মধুচক্রের ডেরায় হানা দিয়ে পাঁচ যুবককে হাতে নাতে ধরে ফেলে। ৮ জন মহিলাকেও সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়। সবাইকেই এদিন বর্ধমান আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সুপ্রিম কোর্টে আজ আই-প্যাক মামলা: মমতার ভূমিকা নিয়ে কড়া প্রশ্নের সম্মুখীন হওয়ার সম্ভবনা

বহুল চর্চিত আই-প্যাক (I-PAC) মামলার শুনানিতে আজ ফের সরগরম হয়ে সম্ভবনা ওঠার সম্ভাবনা সুপ্রিম কোর্ট। ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বান্দ্যোপাধ্যায়-র ভূমিকা নিয়ে আদালতের কড়া পর্যবেক্ষণ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর অভিযোগ, চলতি বছরের জানুয়ারিতে কলকাতায় আই-প্যাকের দফতর ও কর্ণধারদের বাড়িতে তল্লাশির সময় মুখ্যমন্ত্রী নিজে সেখানে গিয়ে তদন্ত প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শীর্ষ আদালতে মামলা চলছে।এর আগে শুনানিতে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র ও বিচারপতি এন.ভি. আঞ্জারিয়ার বেঞ্চ স্পষ্ট ভাষায় জানায়, কোনও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তদন্ত চলাকালীন সরাসরি সেখানে উপস্থিত হয়ে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না। এতে গণতন্ত্র বিপন্ন হতে পারে। আদালত আরও পর্যবেক্ষণ করে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই; এটি আইনের শাসন ও তদন্তের স্বাধীনতার প্রশ্ন।ইডির তরফে সলিসিটর জেনারেল আদালতে দাবি করেন, আই-প্যাকের তল্লাশির সময় শুধু তদন্তে বাধা দেওয়া হয়নি, গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ইলেকট্রনিক তথ্যও সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। তাঁদের বক্তব্য, এর ফলে তদন্ত প্রক্রিয়া গুরুতরভাবে ব্যাহত হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থা চায়, এই ঘটনায় সিবিআই তদন্ত হোক এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রুজু করা হোক।অন্যদিকে, সরকারের বদল হওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে আইনজীবীরা আদালতে কি দাবি করেন সেটাই দেখার অপেক্ষায় আম জনতা। এর আগে তদানীন্তন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষে আইনজীবীরা জানান, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি ছিল রাজনৈতিকভাবে প্ররোচিত অভিযানের প্রতিবাদ হিসেবে। তদন্তে হস্তক্ষেপের অভিযোগ ভিত্তিহীন। রাজ্যের দাবি ছিল, ইডি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই ইস্যুকে বড় করে দেখাতে চাইছে।শুনানির এক পর্যায়ে আদালত মন্তব্য করে, এ ধরনের পরিস্থিতি সংবিধান প্রণেতারাও কল্পনা করেননি। এই মন্তব্য ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, আগামী শুনানিতে আদালত মামলার গ্রহণযোগ্যতা এবং তদন্তের পরবর্তী দিকনির্দেশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জানাতে পারে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

মে ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সবুজ-মেরুনের অভিভাবকের বিদায়: প্রয়াত টুটু বসু, শোকে স্তব্ধ ময়দান

কলকাতার ফুটবল মহলে নেমে এল গভীর শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন স্বপন সাধন বসু (টুটু বসু)। মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মোহনবাগানের এই প্রাক্তন সভাপতি ও প্রাক্তন সাংসদ। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর।সোমবার সন্ধ্যায় আচমকাই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন টুটু বসু। দ্রুত তাঁকে দক্ষিণ কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছিল। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। মঙ্গলবার গভীর রাতে চিরবিদায় নিলেন সবুজ-মেরুনের এক স্বর্ণযুগের নির্মাতা।ময়দানের ইতিহাসে টুটু বসুর নাম উচ্চারিত হবে শ্রদ্ধার সঙ্গে। মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant)-এর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল আত্মার মতো গভীর। ১৯৯১ সালে ক্লাবের সচিব হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে একাধিক যুগান্তকারী সিদ্ধান্তে বদলে দেন মোহনবাগানের ভবিষ্যৎ। তাঁর হাত ধরেই ক্লাবে প্রথম বিদেশি ফুটবলার হিসেবে এসেছিলেন নাইজিরিয়ান ফুটবলার চিমা ওকেরি কে যা সে সময় ছিল সাহসী এবং ঐতিহাসিক পদক্ষেপ।পরবর্তীতে সভাপতির আসনে বসে আরও বড় পরিবর্তনের পথ খুলে দেন তিনি। শিল্পপতি সাঞ্জীব গোয়েঙ্কা-র হাতে ক্লাবের মালিকানার দায়িত্ব তুলে দিয়ে ভারতীয় ফুটবলের কর্পোরেট যুগে প্রবেশ করান মোহনবাগানকে। যদিও এটিকে-মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan) নামকরণ ঘিরে বিতর্ক হয়েছিল প্রবল, তবু ভবিষ্যতের কথা ভেবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।শুধু ক্রীড়া প্রশাসক নন, টুটু বসুর পরিচয় বিস্তৃত ছিল রাজনীতি ও ব্যবসার জগতেও। তিনি সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস (All India Trinamool Congress)-এর হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন। সংবাদমাধ্যম ও ব্যবসায়ও ছিল তাঁর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি।দীর্ঘদিন ধরেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন তিনি। হুইলচেয়ার ছাড়া চলাফেরা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। ফলে সক্রিয় প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে কিছুটা দূরে থাকলেও, মোহনবাগান সমর্থকদের কাছে তিনিই ছিলেন ক্লাবের অভিভাবক।মাত্র গত বছরই মোহনবাগান দিবসে তাঁকে দেওয়া হয়েছিল ক্লাবের সর্বোচ্চ সম্মান মোহনবাগান রত্ন। উপস্থিত ছিলেন সৌরভ গাঙ্গুলি, বাইচুং ভুটিয়া, আই.এম. বিজয়ন, হোসে রামিরেজ ব্যারেটো-সহ বহু তারকা। সেই মঞ্চেই যেন শেষবারের মতো সবুজ-মেরুন পরিবার তাঁকে জানিয়েছিল শ্রদ্ধা।বর্ষীয়ান সবুজ-মেরুন সমর্থকদের কথায়, টুটু বসুর প্রয়াণে শুধু একজন প্রশাসকের মৃত্যু নয়, শেষ হল মোহনবাগানের এক গৌরবময় অধ্যায়। তাঁর বিদায়ে আজ শোকে স্তব্ধ গোটা ময়দান।

মে ১৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে হারের পর ডিগবাজি? ভাইরাল অডিওতে ‘বিজেপি নেতা’ খোকন দাস, বর্ধমানে তোলপাড়

বর্ধমান দক্ষিণের সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে একটি ভাইরাল অডিওকে কেন্দ্র করে। সেই অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমিও এখন বিজেপি নেতা। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই জেলা রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধী বিজেপি এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে।বিজেপির দাবি, কাঞ্চননগরের একটি দুর্গামন্দির নির্মাণের কাজ করেও এক রাজমিস্ত্রি প্রাপ্য টাকা পাননি। সেই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করেই ফোনে তাঁকে ধমক দেন খোকন দাস। ভাইরাল হওয়া অডিওতে শোনা যায়, মন্দিরের হিসেব, ট্রাস্টের টাকা এবং ভোটে হারের প্রসঙ্গ তুলে কথা বলছেন তিনি। কথোপকথনের এক পর্যায়ে খোকন দাসকে বলতে শোনা যায়, তুই এখন সুযোগ নিয়ে লোককে ভয় দেখাচ্ছিস। আমরাও এখানে আছি। আর শুনে রাখ, আমিও এখন বিজেপি নেতা।যদিও এই অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা। তবে বিজেপি নেতাদের দাবি, ওই কথোপকথনে স্পষ্টভাবে প্রাক্তন বিধায়কের হুমকির সুর ধরা পড়েছে। জেলা বিজেপির মুখপাত্র কল্যাণ মাজি অভিযোগ করেন, ক্ষমতা হারিয়েও খোকন দাস এখনও প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। তাই কখনও এফআইআরের ভয় দেখাচ্ছেন, আবার কখনও নিজেকে বিজেপি নেতা বলছেন।অন্যদিকে খোকন দাস সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অডিও নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কোনও ব্যক্তিকে ভয় দেখানো তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। বরং মন্দির ও ট্রাস্টের নামে অপপ্রচার রোখার জন্যই পুলিশে জানানোর কথা বলেছিলেন। তাঁর আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট রাজমিস্ত্রি হিসেব না দেওয়ায় ট্রাস্টের পক্ষ থেকে টাকা আটকে রাখা হয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, যদি অডিওর প্রথম অংশে নিজের কণ্ঠস্বর স্বীকার করে নেওয়া হয়, তাহলে একই অডিওতে থাকা আমিও বিজেপি নেতা মন্তব্যকে অস্বীকার করা হচ্ছে কেন? এই নিয়েই নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে জেলা রাজনীতিতে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

সীমান্তে কাঁটাতারের সিদ্ধান্তেই চাঞ্চল্য, হাই এলার্টে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পরই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাংলাদেশে। সে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে হাই এলার্টে রাখা হয়েছে।বাংলাদেশ সরকারের আশঙ্কা, সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ শেষ হলে অনুপ্রবেশ রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে ভারত। বিশেষ করে পুশব্যাক বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও জোরদার হতে পারে বলেই মনে করছে ঢাকা। সেই কারণেই সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে।বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের পদক্ষেপের দিকে নজর রাখা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনী প্রচারে পুশব্যাক নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী যে কড়া মন্তব্য করেছিলেন, সরকার পরিচালনায় সেই অবস্থান হয়তো এতটা কঠোর হবে না।অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বিজেপি শুরু থেকেই সরব ছিল। বাংলায় অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা আগেই দেওয়া হয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পর প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি নিয়ে আগের সরকারের আপত্তির কারণে বহু এলাকা দীর্ঘদিন খোলা অবস্থায় ছিল। নতুন সরকার জানিয়েছে, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যেই সেই কাজ শেষ হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মার কিছু মন্তব্য নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারকে তলব করেছিল বাংলাদেশ সরকার। সব মিলিয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়, হঠাৎ সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা

আরজি কর কাণ্ড সংক্রান্ত মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়াল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার শুনানি চলাকালীন নিজেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বিচারপতি। এর ফলে মামলাটি ফের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতি ঠিক করবেন, এই মামলার শুনানি কোন বেঞ্চে হবে।শুনানির সময় বিচারপতি মান্থা জানান, রাজ্য সরকার এই ঘটনার তদন্তে আলাদা বিচারবিভাগীয় কমিশন গঠনের পথে এগোচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে এই মুহূর্তে তাঁর ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি শোনার প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলেই তিনি মনে করছেন।মামলার গুরুত্ব নিয়েও মন্তব্য করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, এই মামলা শুধু আবেদনকারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, গোটা রাজ্য এবং দেশের বহু মানুষের নজর রয়েছে এই মামলার দিকে।এদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকেই আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত কোন পথে এগোবে, তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। রাজ্য সরকারের তরফে তদন্ত কমিশন গঠনের ইঙ্গিত মিলতেই মামলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নিজে থেকেই মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ান। মামলার সমস্ত নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন নজর রয়েছে, এই মামলার জন্য নতুন বেঞ্চ গঠন করা হবে নাকি আরও বড় কোনও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মে ১২, ২০২৬
দেশ

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে বড় সিদ্ধান্ত, বাতিল নিট ইউজি পরীক্ষা

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠতেই বাতিল করে দেওয়া হল নিট ইউজি পরীক্ষা। গত ৩ মে দেশজুড়ে ডাক্তারি পড়ার এই প্রবেশিকা পরীক্ষা হয়েছিল। প্রায় তেইশ লক্ষ পড়ুয়া পরীক্ষায় বসেছিলেন। কিন্তু পরীক্ষার পর থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। সোমবার বিষয়টি আরও বড় আকার নেয়। বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীও প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তোলেন। এর পরেই নড়েচড়ে বসে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, নিট ইউজি পরীক্ষা বাতিল করা হচ্ছে। নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পাশাপাশি গোটা ঘটনার তদন্ত করবে সিবিআই।তদন্তে উঠে এসেছে, রাজস্থানে পরীক্ষার অন্তত এক মাস আগে কিছু পড়ুয়ার হাতে একটি সম্ভাব্য প্রশ্নপত্র পৌঁছে গিয়েছিল। অতিরিক্ত ডিরেক্টর জেনারেল বিশাল বনশন জানিয়েছেন, ওই সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রে মোট চারশো দশটি প্রশ্ন ছিল। পরীক্ষার পরে দেখা যায়, তার মধ্যে একশো কুড়িটি রসায়নের প্রশ্ন আসল প্রশ্নপত্রের সঙ্গে হুবহু মিলে গিয়েছে। শুধু প্রশ্ন নয়, উত্তরের বিকল্পও একই ছিল বলে দাবি তদন্তকারীদের।অন্য একটি সূত্রের দাবি, সম্ভাব্য প্রশ্নপত্রের মোট দুশো একাশি প্রশ্নের মধ্যে একশো পঁয়ত্রিশটি প্রশ্ন আসল পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের সঙ্গে একেবারে মিলে গিয়েছে। এই তথ্য সামনে আসতেই দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়ায়।লক্ষ লক্ষ পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নতুন পরীক্ষার দিন কবে ঘোষণা করা হবে, এখন সেই দিকেই তাকিয়ে ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকেরা।

মে ১২, ২০২৬
রাজ্য

শিবপুরে তৃণমূল নেতার বাড়িতে পুলিশের হানা, ভিতরে যা মিলল তাতে হতবাক সবাই

শিবপুরে তৃণমূল নেতা মহম্মদ শামিম ওরফে বরের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে চমকে উঠল পুলিশ। বাইরে থেকে সাধারণ বাড়ি মনে হলেও ভিতরে ঢুকতেই সামনে আসে একের পর এক গোপন ব্যবস্থা। বাড়ির ভিতরে রয়েছে একাধিক সুড়ঙ্গ। সেই সুড়ঙ্গ দিয়ে সিঁড়ি বেয়ে পৌঁছে যাওয়া যায় নীচের ফ্লোরে। সেখানে তৈরি করা হয়েছে বিলাসবহুল ঘর। দামী কাঠের আসবাব, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা, ফ্রিজ-সহ নানা আধুনিক সুবিধায় সাজানো এই বাড়ি দেখে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এলাকায়।জানা গিয়েছে, হাওড়া পুরসভার ছত্রিশ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সামিমা বানোর স্বামী মহম্মদ শামিম। তিনি তৃণমূলের ওয়ার্ড সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন। বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর গত বৃহস্পতিবার শিবপুরে বিজেপির জেলা সংখ্যালঘু মোর্চার আহ্বায়কের বাড়িতে হামলা, গুলি ও বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার তদন্তে শামিমের নাম সামনে আসে।বোমাবাজির ঘটনায় ইতিমধ্যেই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে পলাতক ছিলেন শামিম। শুক্রবার তাঁর খোঁজে শিবপুরে বাড়িতে যায় পুলিশ। সেখানেই এই বিলাসবহুল বাড়ির ভিতরের ছবি সামনে আসে। স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার এমন জীবনযাপন দেখে বিস্মিত তদন্তকারীরাও।যদিও বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েও শামিমের খোঁজ মেলেনি। তিনি এখনও পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, এর আগেও একাধিক অসামাজিক কাজের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়েছে। শিবপুরে রামনবমীর মিছিল ঘিরে অশান্তির ঘটনাতেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার মামলাতেও তাঁর নাম রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার পর বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগেছে। বিজেপির অভিযোগ, সমাজবিরোধীদের আশ্রয় দিচ্ছে শাসক দল। যদিও এই অভিযোগ নিয়ে এখনও তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

মে ১২, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ রথ হত্যা তদন্তে নতুন মোড়, রাজ্য পুলিশের হাত থেকে তদন্তভার নিল সিবিআই

শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ খুনের ঘটনায় তদন্তে বড়সড় মোড় এল। বহু আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের হাতে তুলে নিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার সুপারিশের পর মঙ্গলবার থেকেই কেন্দ্রীয় সংস্থা এই মামলার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে।সিবিআইয়ের তরফে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হচ্ছে। কলকাতা অঞ্চলের যুগ্ম নির্দেশকের নেতৃত্বে এই সিট কাজ করবে। তদন্তের অগ্রগতি ও প্রয়োজন অনুযায়ী দক্ষ আধিকারিকদের এই দলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই মামলার যাবতীয় নথিপত্র, প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্ট এবং গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের সংক্রান্ত তথ্য সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তঃরাজ্য চক্রের ইঙ্গিত মিলেছে। তদন্তে নেমে রাজ্য পুলিশ উত্তরপ্রদেশ ও বিহার থেকে তিন জন সন্দেহভাজন শার্পশুটারকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি। তাঁদের সঙ্গে এই হত্যার মূলচক্রীদের যোগাযোগ ছিল কি না, কার নির্দেশে তারা কলকাতায় এসেছিল এবং খুনের পেছনে রাজনৈতিক না কি অন্য কোনও ব্যক্তিগত বা আর্থিক কারণ রয়েছে সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার সরাসরি মাঠে নামছে সিবিআই।সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে একাধিক রাজ্যে অভিযান চালানো হতে পারে। ধৃতদের কল রেকর্ড, আর্থিক লেনদেন, যাতায়াতের রুট এবং স্থানীয় যোগাযোগ খতিয়ে দেখা হবে। প্রয়োজনে ফরেনসিক ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের সাহায্যও নেওয়া হবে।চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছিল। বিরোধী শিবির থেকে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি উঠেছিল। সেই আবহেই তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যাওয়ায় মামলার রহস্যভেদে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। এখন নজর সিবিআইয়ের তদন্তে এই খুনের নেপথ্যে থাকা আসল ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ কবে খুলে যায়, সেটাই দেখার।

মে ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal