• ১১ ভাদ্র ১৪৩৩, শনিবার ২৯ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arm

খেলার দুনিয়া

‌বাটলারের তান্ডবে উড়ে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

এবছর আইপিএলে শুরুটা ভাল হল না মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও হার রোহিত শর্মার দলের। শনিবার রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হার ২৩ রানে। বাটলার ঝড়ে উড়ে গেল মুম্বই। এদিন রোহিতদের বিরুদ্ধে দুরন্ত সেঞ্চুরি করেন রাজস্থান রয়্যালসের এই উইকেটকিপার ব্যাটার। টস জিতে রাজস্থান রয়্যালসকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত শর্মা। শুরুটা ভাল হয়নি রাজস্থান রয়্যালসের। তৃতীয় ওভারে আউট হন জশ্বস্বী জয়সোয়াল। তাঁকে ফেরান যশপ্রীত বুমরা। মাত্র ১ রান করে আউট হন জয়সোয়াল। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারের ষষ্ঠ বলে দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (৭) তুলে নেন টাইমল মিলস। এরপর বাটলারের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। জুটি ওঠে ৮২। ২১ বলে ৩০ রান করে কায়রণ পোলার্ডের বলে আউট হন সঞ্জু। সঞ্জু আউট হওয়ার পর ক্রিজে নেমে ঝড় তোলেন শিমরণ হেটমায়ের। ৩টি ৪ ও ৩টি ছক্কার সাহায্যে ১৪ বলে ৩৫ রান করে তিনি যশপ্রীত বুমরার বলে আউট হন। হেটমায়ের আউট হওয়ার ২ বল পরেই আউট হন বাটলার। তার আগে অবশ্য তিনি সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ফেলেছিলেন। বাটলারে সেঞ্চুরি আসে ৬৬ বলে। মারেন ১১টি ৪ ও ৫টি ৬। ওভারের শেষ বলে রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে ফেরান বুমরা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৯৩ রান করে রাজস্থান রয়্যালস। ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে ১৭ রানে ৩ উইকেট নেন বুমরা। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন টাইমল মিলস। চলতি আইপিএলে এখনও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারলেন না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মাত্র ১০ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই আউট হন। তাঁকে ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। আনমোলপ্রীত সিংও (৫) রান পাননি। ৪ ওভারে ৪০ রান তোলার ফাঁকে ২ উইকেট হারায় মুম্বই। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান ঈশান কিশান ও তরুণ তিলক ভার্মা। তাঁর ব্যাটিং দেখে একবারের জন্যও মনে হয়নি জীবনের দ্বিতীয় আইপিএল ম্যাচ খেলছেন। ঈশানের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ১২.৫ ওভারে ১২১ রানও তুলে ফেলেছিল মুম্বই। ট্রেন্ট বোল্ট ঈশান কিশানকে (৪৩ বলে ৫৪) তুলে নিতেই ধস মুম্বই ইনিংসে। পরপর ফিরে যান তিলক ভার্মা (৩৩ বলে ৬১), টিম ডেভিড (১(১), ড্যানিয়েল সামস (০)। ইনিংসের শেষ বলে আউট হন পোলার্ড (২৪ বলে ২২)। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭০ তোলে মুম্বই। রাজস্ঝানের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন নভদীপ সাইনি ও যুজবেন্দ্র চাহাল।

এপ্রিল ০২, ২০২২
রাজ্য

বোমা বন্দুক বেআইনি ভাবে মজুতের ক্ষেত্রে বীরভূমের কেষ্টর গড়ের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই পূর্ব বর্ধমান

মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর ৮ দিনে পূর্ব বর্ধমানে উদ্ধার ৩৬৮টি বোমা ও ৪১টি আগ্নেআস্ত্র , বোমা গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের সংখ্যার বিচারে বীরভূমের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই প্রতিবেশী পূর্ব বর্ধমান জেলাও। বগটুই কাণ্ডের পর মুখ্যমন্ত্রী বোমা গুলি ও অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধারের জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার পর থেকে বীরভূম জেলা পুলিশ যেমন অভিযানে নামে তেমনই অভিযানে নামে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশও।মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর বীরভূম জেলা পুলিশ অভিযানে নেমে চারদিনে উদ্ধার হয় ৪০০-র বেশী বোমা ও ৩০ কেজির বেশী বোমা তৈরীর মশলা। আর পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৮ দিনে অর্থাৎ ৩১ মার্চ পর্যন্ত উদ্ধার করেছে ৩৬৮টি বোমা ও ৩ কেজি বোমা তৈরির মশলা। এছাড়াও উদ্ধার হয়েছে ৪১ টি আগ্নেআস্ত্র ও ৭৭ টি গুলি।বেআইনি ভাবে অস্ত্রসস্ত্র মজুতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে ৪৫ জন্য দুস্কৃতি। এই তথ্য সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক ও বিরোধীদের তর্জা।মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষানার দিন রাতেই আগ্নেআস্ত্র সহ দুই দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে বর্ধমান থানার পুলিশ। এর পর থেকেই জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা থেকে বোমা, গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার হয়েই চলে। অস্ত্রসস্ত্র উদ্ধারে বড়সড় সাফল্য পায় কাটোয়া থানার পুলিশ। তারা এক রাতের অভিযানে তিন দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি ৪ টি বন্দুক,২৪ রাউণ্ড বন্দুকের গুলি ,১ টি পিস্তল ও ২ রাউণ্ড পিস্তলের গুলি ও ১৬ টি সকেট বোমা উদ্ধার করে ।ভাতার,দেওয়ানদিঘী ও গলসি থানার পুলিশও ভরি সংখ্যায় বোমা উদ্ধার করে। এইসব থানা গুলি বোমা ও বন্দুক উদ্ধারে সফল হলেও জেলার জামালপুর, মাধবডিহি ও শক্তিগড় থানার পুলিশ তেমন কোন সফলতা দেখাতে পারে নি।তবে কালনা মহকুমার একাধীক থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে বেশকিছু আগ্নেআস্ত্র, বোমা, গুলি উদ্ধার করেছে। কালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন, ২৯ ও ৩০ মার্চ, এই দুদিন অভিযান চালিয়ে কালনা ,নাদনঘাট ও মন্তেশ্বর থানার পুলিশ ৬ টি আগ্নেআস্ত্র ও বেশ কয়েকটি গুলি উদ্ধার করেছে। বেআইনি ভাবে আগ্নেআস্ত্র মজুতের অভিযোগে ৫ জন গ্রেপ্তার হয়েছে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।জেলা তৃণমূলের নেতৃত্ব এই বিষয়টিকে পুলিশের সাফল্য বলে দাবী করলেও কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিরোধীরা। বিজেপি নেতা কল্লোল নন্দন এদিন বলেন, মুখ্যমন্ত্রী বলার পরেই পুলিশ একেবারে ম্যাজিকের মত বোমা, গুলি,আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার করে ফেললো। তাহলে এতদিন পুলিশ কি কারণে হেলদোল দেখাইনি সেটা ভেবেই তাঁদের আশ্চর্য্য লাগছে। তবুও এটা প্রকাশ্যে এল যে বোমা বন্দুক বেআইনি ভাবে মজুতের ক্ষেত্রে বীরভূমের কেষ্টর গড়ের থেকে খুব একটা পিছিয়ে নেই পূর্ব বর্ধমান।

এপ্রিল ০১, ২০২২
রাজ্য

পুর্ব বর্ধমানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যাক্তি গ্রেপ্তার, এলাকায় চাঞ্চল্য

আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ। অভিযুক্তের নাম শ্রীমন্ত ঘাঁটি। এই অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়ি খন্ডঘোষ এর বীচখাঁড়া এলাকায়। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত্রে পূর্ব বর্ধমান ও বাঁকুড়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা বর্ধমান বাঁকুড়া রোডের খণ্ডঘোষ এর মেটেডাঙ্গার কবরস্থান এলাকায় ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলিও পাওয়া যায়। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি শ্রীমন্ত ঘাঁটিকে পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতে চেয়ে আজ বর্ধমান আদালতে পেশ করেন।খন্ডঘোষ থানার পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে সম্পূর্ণ বিষয়টির তদন্ত করতে চান। কিসের উদ্দেশ্যে ওই ব্যক্তি রাতের অন্ধকারে রাস্তার উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন এবং এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দুরন্ত কুলদীপ, অক্ষর–ললিতের দাপটে দুরন্ত জয় দিল্লি ক্যাপিটালসের

গত দুই মরশুম কলকাতা নাইট রাইডার্সের ডাগ আউটে বসে থাকতে হয়েছিল। ঢাকা পড়েছিলেন সুনীল নারাইন ও বরুণ চক্রবর্তীর ছায়ায়। কুলদীপ যাদবের দিকে ফিরেও তাকায়নি নাইট রাইডার্স টিম ম্যানেজমেন্ট। মাঠে নামার সুযোগ না পেয়ে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামে তাঁর ওপর ভরসা রেখেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস কর্তারা। প্রথম ম্যাচেই আস্থার মর্যাদা দিলেন কুলদীপ যাদব। দিল্লিতে পেলেন নতুন জীবন। এই চাইনাম্যানের দাপটেই জ্বলে উঠতে পারলেন না রোহিত শর্মা, কিয়েরন পোলার্ডের মতো ব্যাটাররা। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে ৪ উইকেটে হারিয়ে এবারের আইপিএল অভিযান শুরু করল দিল্লি ক্যাপিটালস।কুলদীপ যাদব দুরন্ত বোলিং করলেও দিল্লি ক্যাপিটালসের জয়ের নায়ক অবশ্য অক্ষর প্যাটেল ও ললিত যাদব। যেভাবে হারা ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়লেন, তাঁদের লড়াইকে কুর্নিশ করতেই হবে। এদিন মুম্বইয়ের ব্রাবোর্ন স্টেডিয়ামে টস জিতে মুম্বইকে ব্যাট করতে পাঠান দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। ওপেনিং জুটিতে মুম্বই তোলে ৬৭। এরপরই রোহিত শর্মাকে (৩২ বলে ৪১) তুলে নিয়ে দলকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন কুলদীপ। ১ ওভার পরেই আনমোলপ্রীত সিংকেও (৮) তুলে নেন কুলদীপ। ৮৩ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারায় মুম্বই। তিলক ভার্মাকে (২২) তুলে নেন খলিল আহমেদ। তবে মুম্বইয়ের মিডল অর্ডারে বড় ধাক্কা দেন সেই কুলদীপ। মোক্ষম সময়ে তুলে নেন পোলার্ডকে (৩)। একের পর এক উইকেট পড়লেও দুরন্ত ব্যাটিং করে যান ঈশান কিশান। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৭ রান তোলে মুম্বই। ঈশান কিশান ৪৮ বলে ৮১ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৪ ওভারে ১৮ রানে ৩ উইকেট নেন কুলদীপ যাদব। ২৭ রানে ২ উইরকেট পান খলিল আমেদ।জয়ের জন্য ১৭৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৩০। এরপর একই ওভারে টিম সেইফার্ট (২১) ও মনদীপ সিংকে (০) তুলে নিয়ে দিল্লিকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেন মুরুগান অশ্বিন। অধিনায়ক ঋষভ পন্থ (১) দ্রুত ডাগ আউটে ফেরায় আরও চাপে পড়ে যায় দিল্লি। একসময় ৭২ রানে ৫ উইকেট হারায়। একসময় মনে হচ্ছিল দিল্লির পক্ষে জেতা সম্ভব হবে না। এরপরই জ্বলে ওঠেন দিল্লির লোয়ার অর্ডার ব্যাটাররা। বল হাত ব্যর্থ হলেও ১১ বলে ২২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলকে ম্যাচে ফেরার শার্দূল ঠাকুর। তিনি আউট হওয়ার সময় দিল্লির রান ছিল ১৩.২ ওভারে ১০৪/৪। এরপরই জ্বলে ওঠেন অক্ষর প্যাটেল ও ললিত যাদব। তাঁদের ৩০ বলে ৭৫ রানের জুটি দিল্লিকে জয়ের পথে নিয়ে যায়। ৩৮ বলে ৪৮ রান করে অপরাজিত থাকেন ললিত। ১৭ বলে অপরাজিত ৩৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন অক্ষর প্যাটেল। ৮ বল বাকি থাকতে ১৭৯/৬ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দিল্লি। ৩৫ রানে ৩ উইকেট নেন বাসিল থাম্পি। ১৪ রানে ২ উইকেট মুরুগান অশ্বিনের।

মার্চ ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দীপ্তি শর্মার পায়েই শেষ ভারতের সেমিফাইনালের স্বপ্ন

জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার 2 বলে প্রয়োজন ৩ রান। বল হাতে দীপ্তি শর্মা। ক্রিজে মিগনন ডু প্রিজ। প্রিজ ভেবেছিলেন লং অনের ওপর দিয়ে বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে দলকে জয় এনে দেবেন। তুলে মেরেও ছিলেন। কিন্তু বাউন্ডারিতে যাওয়ার আগে লং অনে হরমনপ্রীত কাউর বল তালুবন্দী করেন।জয়ের গন্ধ পেয়ে মাতোয়ারা হয়ে উঠেছিলেন মিতালি রাজরা। আম্পায়ার চেক করে দেখেন বল করার সময় দীপ্তি শর্মার পা ক্রিজের বাইরে বেরিয়ে গেছে। নো বল। বেঁচে যান ডু প্রিজ। এক রানের সঙ্গে ফ্রি হিট। শেষ ২ বলে ২ রান তুলে নিতে সমস্যা হয়নি ডুপ্রিজ ও শাবনিম ইসমাইলের। মরণবাঁচন ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ৩ উইকেটে হেরে মহিলাদের বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেল ভারত। দীপ্তি শর্মার পা-ই বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দিল ভারতকে।টসে জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ। দারুণ শুরু করেছিলেন ভারতের দুই ওপেনার। ৯১ রানের পার্টনারশিপ গড়েন স্মৃতি মান্ধনা এবং শেফালি ভার্মা। ৭১ রান করে আউট হন স্মৃতি মান্ধনা। শেফালি ভার্মা করেন ৫৩। স্মৃতির সঙ্গে বোঝাবুঝিতে রান আউট হন শেফালি। তিনি আউট হওয়ার পরপরই প্যাভিলিয়নে ফেরেন ইয়াস্তিকা ভাটিয়া। এরপর ভারতীয় ইনিংসকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক মিতালি রাজ ও হরমনপ্রীত কাউর। ৮৪ বলে ৬৮ রান করে আউট হন মিতালি। হরমনপ্রীত ৫৭ বলে করেন ৪৮। পূজা বস্ত্রকার (৩), রিচা ঘোষরা (৮) রান না পেলেও বড় রানে পৌঁছয় ভারত। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে তোলে ২৭৪। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দুটি করে উইকেট পান শাবনিম ইসমাইল এবং মাসাবাটা ক্লাস। একটি করে উইকেট নেন আয়াবোঙ্গা থাকা এবং ক্লয় টাইরন।Deepti Sharma to du Preez, no ball, Its Harman once again and du Preez has holed out, have they changed strike? This was tossed up on off and du Preez saw the chance to hit the winning boundary, was looking to loft it wide of long-on, but she dragged it high and pic.twitter.com/wc5QDLUiHF Cricket Master Updater (@MohsinM55415496) March 27, 2022ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দক্ষিণ আফ্রিকার। প্রথম দিকে রান তোলার গতি ছিল শ্লথ। তার ওপর পঞ্চম ওভারেই আউট হন লিজেলে লি (৬)। শুরুর ধাক্কা দারুণভাবে সামলে দেন লারা গুডাল ও লৌরা উলভারডার্ট।এই দুজনের জুটিতে ওঠে ১২৫। গুডালকে (৪৯) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন রাজেশ্বরী গায়কোয়াড়। উলভারডার্টকে (৮০) বোল্ড করেন হরমনপ্রীত কাউর। অধিনায়ক সানে লুস করেন ২২। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকাকে টেনে নিয়ে যান ক্যাপ (৩২)। টাইরন করেন ১৭। নাটক জমে ওঠে শেষ ওভারে। দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের জন্য দরকার ছিল ৭ রান। দ্বিতীয় বলে এশা ছেত্রীকে (৭) রান আউট করেও শেষরক্ষা করতে পারেননি দীপ্তি শর্মা। তাঁর একটা নো বলেই শেষ ভারতের সেমিফাইনালের স্বপ্ন। শেষ বলে জয়ের রান তুলে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা (২৭৫/৭)। ভারতের হয়ে দুটি করে উইকেট নেন হরমনপ্রীত কাউর ও রাজেশ্বরী গায়কোয়াড়। ৭ ম্যাচে ৬ পয়েন্টে পঞ্চম স্থানে শেষ করল ভারত।

মার্চ ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌রবিবার হাইভোল্টেজ ম্যাচের আগে কেন চিন্তায় রোহিত–ঋষভ?‌

কলকাতা নাইট রাইডার্স ও চেন্নাই সুপার কিংসের ম্যাচ দিয়ে শনিবার হল পঞ্চদশ আইপিএলের বোধন। রবিবার আরও একটা মেগা ম্যাচ। বলতে গেলে উত্তরপশ্চিম ডার্বি। মুখোমুখি হবে রোহিত শর্মার মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ও ঋষভ পন্থের দিল্লি ক্যাপিটালস। প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে অবশ্য দুই দলই স্বস্তিতে নেই। মুম্বই ইন্ডিয়ান্স যেমন পাচ্ছে না সূর্যকুমার যাদবকে। তেমনি দিল্লি ক্যাপিটালস পাবে না ডেভিড ওয়ার্নারকে। তবে শক্তির বিচারে দেখতে গেলে দিল্লি ক্যাপিটালসের থেকে এগিয়ে থেকেই মাঠে নামবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।এবারে মেগা নিলামের আগে রোহিত শর্মা, যশপ্রীত বুমরা, ঈশান কিশান ও কিয়েরণ পোলার্ডকে রেখে দিয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। এছাড়া নিলাম থেকে তুলে নিয়েছিল সূর্যকুমার যাদবকে। এই পাঁচজনই মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মূল ভরসা। এছাড়া নিলাম থেকে তুলে নিয়েছে তিলক ভার্মা, টিম ডেভিড, ডিওয়াল্ড ব্রেভিসের মতো বেশ কয়েকজন তরুণ ক্রিকেটারকে। রয়েছেন জয়দেব উনাদকাত, জোফ্রা আর্চার, ফ্যাবিয়ান অ্যালেন, টাইমল মিলসের মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটাররা। ডিওয়াল্ড ব্রেভিসকে তো ইতিমধ্যেই তুলনা করে হচ্ছে এবি ডিভিলিয়ার্সের সঙ্গে। ব্রেভিস নাকি ডিভিলিয়ার্সের মতো ৩৬০ ডিগ্রি শট খেলতে পারেন। দক্ষিণ আফ্রিকার এই তারকা এবারের আইপিএলে মুম্বইয়ের তুরুপের তাস হতে পারেন। দিল্লির বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মুম্বই পাবে না সূর্যকুমার যাদবকে। এখনও তিনি পুরোপুরি ফিট নন। জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে তাঁর রিহ্যাব চলছে। কবে যোগ দেবেন, এখনও নিশ্চিত নয়। তাঁর পরিবর্তে হয়তো তরুণ তিলক ভার্মাকে খেলাতে পারে মুম্বই টিম ম্যানেজমেন্ট। ক্যারিবিয়ান তারকা ফ্যাবিয়ান অ্যালেনকে খেলাতে পারে। বোলিং আক্রমণ সামলানোর দায়িত্ব যশপ্রীত বুমরা, জয়দেব উনাদকাত, মুরুগান অশ্বিন, মায়াঙ্ক মার্কান্ডেদের ওপর। অন্যদিকে দিল্লি ক্যাপিটালসও বেশ কয়েকটা ম্যাচে পাবে না ডেভিড ওয়ার্নার ও আনরিখ নর্টিয়েকে। লুঙ্গি এনগিডি, মুস্তাফিজুর রহমানও মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচে নেই। শক্তির নিরিখে প্রতিপক্ষের চেয়ে একটু দু্র্বল হওয়া সত্ত্বেও পঞ্চদশ আইপিএল ভালভাবে শুরু করার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী দিল্লি ক্যাপিটালসের হেড কোচ রিকি পন্টিং। দিল্লি ক্যাপিটালসের কাল দুই বড় বিদেশি অস্ত্র রভম্যান পাওয়েল ও টিম সেইফার্ট। বিশেষ করে পাওয়েলকে নিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত দিল্লি অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। তিনি বলেছেন, চার কিংবা পাঁচ নম্বরে ব্যাট করানো হবে পাওয়ারফুল পাওয়েলকে। নীচের দিকে একজন আক্রমণাত্মক ব্যাটার আমরা খুঁজছিলাম। আশা করি, পাওয়েল সেই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করতে পারবেন। পাশাপাশি ডেভিড ওয়ার্নার এলেও দল যে শক্তিশালী হবে তা স্বীকার করেছেন পন্থ। প্রথম ম্যাচে তাঁর সঙ্গে ওপেন করবেন পৃথ্বী শ।

মার্চ ২৬, ২০২২
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর সক্রিয় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ, উদ্ধার আগ্নেআস্ত্র ও গাঁজা, গ্রেপ্তার ১১ দুস্কৃতী

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার বেআইনি বোমা, গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের জন্য রাজ্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়েই রাজ্য জুড়ে শুরু হয় পুলিশি অভিযান। অভিযান চালানো থেকে পিছিয়ে থাকেনি পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশও। জেলার বর্ধমান থানার পুলিশের অভিযানে আগ্নেআস্ত্র ও কার্তুজ সহ ধরা পড়েছে ভিন রাজ্যের দুই দুস্কৃতী। পুলিশ জানিয়েছে , ধৃতদের নাম সঞ্জয় কুমার ও ভোলা কুমার। ধৃতরা বিহারের ঔরাঙ্গাবাদ এলাকার বাসিন্দা। পুলিলের দাবী, ধৃতদের কাছ থেকে দুটি ইম্প্রোভাইস পাইপগান ও দুই রাউণ্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার দুই ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ১২ দিন পুলিশি হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। জেলা পুলিশের ডিএসপি অতনু ঘোষাল জানিয়েছেন, শুক্রবার ভোর রাতে বর্ধমান শহরের খাগড়াগড় এলাকায় দুই ব্যক্তিকে উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘোরাঘুরি করছিলেন। সন্দেহ হওয়ায় টহলদারি পুলিশ তাদের পথ আটক।তল্লাশীতে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় দুটি ইম্প্রোভাইস পাইপগান ও দুই রাউণ্ড কার্তুজ। অতনু ঘোষাল বলেন ,জেরায় ধৃতরা কবুল করেছে, তারা বিহারের নাচ-গানের অনুষ্ঠানে নর্তকী নিয়ে যাওয়ার কাজ করে। কিন্তু তারা অস্ত্র নিয়ে কেন বর্ধমান এসেছিল সেই বিষয়টি নিয়ে পরিস্কার কিছু জানায় নি। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ধৃতরা মহিলা পাচারের সঙ্গে যুক্ত। ধৃতদের নিজেদের হেপাজতে নিয়ে বর্ধমান থানাপ পুলিশ সেই রহস্যেরই কিনারা করতে চাইছে। বর্ধমানে আগ্নেআস্ত্র সহ দুই দুস্কৃতি ধরা পড়ার পাশাশাপি প্রচুর গাঁজা সহ ৪ গাঁজা কারবারী ধরা পড়েছে জেলার মন্তেশ্বর থানার পুলিশের অভিযানে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম সৈফুদ্দিন শেখ, মিঠু শেখ, তৈয়ব আলি শেখ ও রাজা সিং।ধৃতদের মধ্যে প্রথম তিনজনের বাড়ি বর্ধমানের দেওয়ানদিঘী থানার নাড়াগোহালিয়া এলাকায়। চতুর্থ ধৃতের বাড়ি বিহার রাজ্যে।পুলিশের দাবী ধৃতদের কাছ থেকে ৪১ কেজির বেশী গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। শুক্রবার ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমানের মাদক আদালতে। বিচারক ধৃতদের মধ্যে সৈফুদ্দিন শেখ ও মিঠু শেখকে ৬ দিনের পুলিশি হেফাজত ও বাকিদের জেল হেপাজতে পাটানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ,চলতি বছরের শেষ দিকে এসটিএফ ও জেলার পূর্বস্থলী থানার পুলিশ যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়ে ট্রাকভর্তি গাঁজা সহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে। এই মামলার তদন্ত চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে মণিপুর থেকে গাঁজা ভর্তি ট্রাকটি পূর্বস্থলীতে এসেছিল।এই ঘটনার পর দুমাস কাটতে না কাটতে শুক্রবার ভোর রাতে মন্তেশ্বর থানার পুলিশের অভিযানে ফের গাঁজা সহ চারজন গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা পুলিশ কর্তাদের ভাবিয়ে তুলেছে। ধৃতরা কোথা গাঁজা জোগাড় করে কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। কালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন ,গাঁজা সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই গাঁজা কারবারী চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে ।একই ভাবে কাটোয়া থানার পুলিশও রাতভর অভিয়ান চালিয়ে অস্ত্রসহ ৫ দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম রাহুল শেখ,নওসাদ শেখ, হাসিবুল শেখ,বুলেট হাজরা ও মিঠুন শেখ। ধৃতদের মধ্যে প্রথম দুজনের বাড়ি কাটোয়া মহকুমার কেতুগ্রাম থানার মূলগ্রাম এলাকায়। হাসিবুল কাটোয়ার কেশিয়া মাঠপাড়া এলাকা বাসিন্দা। বাকি দুজনের বাড়ি কাটোয়ার কোশিগ্রাম ও গাঙ্গুলিডাঙ্গা এলাকায়৷ পুলিশের দাবি, পৃথক অভিযানে ধরাপড়া দুস্কৃতিদের কাছ থেকে চারটি দেশি পিস্তল ও কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার ধৃতদের পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। বিচারক বুলেট হাজরাকে ৫ দিনের পুলিশি ও বাকি ধৃতদের জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

মার্চ ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের উড়িয়ে দেবে ভারত!‌ কী বললেন হরমনপ্রীত কাউর?‌

এবারের মহিলা বিশ্বকাপে ৩ ম্যাচ খেলা হয়ে গিয়েছে। অথচ একটাও জয় নেই। টানা ৩ ম্যাচ হেরে নিজেদের ভবিষ্যত কার্যত অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে ইংল্যান্ড। বুধবার তাদের প্রতিপক্ষ ভারত। জেতা ছাড়া রাস্তা নেই ইংল্যান্ডের সামনে। ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া। তবু গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিনদের একেবারেই সমীহ করছে না ভারতীয় শিবির। আসলে আগের ম্যাচে শক্তিশালী ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ১৫৫ রানে দুরন্ত জয় আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে মিতালি রাজদের। ভারতীয় শিবিরের আত্মবিশ্বাসের একটা কারণ যদি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় হয়, তাহলে আর একটা কারণ টপ ওর্ডারের ব্যাটারদের ফর্মে ফেরা। ইয়াস্তিকা ভাটিয়া রান না পেলেও অন্য ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা দারুণ ছন্দে রয়েছেন। সহঅধিনায়ক হরমনপ্রীত কাউরও রানে ফিরেছেন। এই দুই ব্যাটারের দাপটেই আগের ম্যাচে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছিলেন ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৭১ রান করার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ১০৯ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেছিলেন হরমনপ্রীত কাউর। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তিনি। বিশ্বকাপের মঞ্চে তিনি বরাবরই জ্বলে ওঠেন। আগের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে করেছিলেন অপরাজিত ১৭১। এবারও বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই একটা সেঞ্চুরি ও একটা হাফসেঞ্চুরি এসে গেছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে বড় রানের ব্যাপারে আশাবাদী তিনি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, বড় প্রতিযোগিতা সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ। এইসময় আরও বেশি দায়িত্ব নিতে হবে, দলের জন্য পারফর্ম করতে হবে। এটাই হয়তো বিশ্বকাপে আমাকে আরও ভাল পারফরমেন্স করতে উদ্বুদ্ধ করে। ২০০৭ বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে চ্যাম্পিয়নের স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গিয়েছিল মিতালিদের। ফাইনালে ৫১ রান করেও দলকে জেতাতে পারেননি হরমনপ্রীত। সেই ব্যর্থতার যন্ত্রণা আজও বিদ্ধ করে হরমনপ্রীত কাউরকে। এবারের বিশ্বকাপে একেবারেই ছন্দে নেই ইংল্যান্ড। তাই গতবারের চ্যাম্পিয়নদের বিন্দুমাত্র সমীহ করছে না ভারতীয় শিবির। ভাবটা এমন, জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা। ২০১৭ বিশ্বকাপে কিন্তু এই ইংল্যান্ডকে হারিয়েই অভিযান শুরু করেছিল ভারত।

মার্চ ১৫, ২০২২
রাজ্য

ইণ্ডিয়ান অয়েলের পাইপলাইন বসানোর কাজ বন্ধ করে দিল পূর্ব বর্ধমানের চাষিরা

ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে ইন্ডিয়ান অয়েলের পাইপ লাইন বসানোর কাজ বন্ধ করে দিল চাষিরা।আন্দোলনকারী ওই চাষিরা সকলেই পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ ব্লকের কৈয়র পঞ্চায়েতের গোপালপুর এলাকার বাসিন্দা। তাঁদের আন্দোলনের জেরে এখন থমকে রয়েছে বাঁকুড়া-মসাগ্রাম রেল পথের কৈয়র স্টেশন লাগোয়া লেবেল ক্রশিং এলাকায় মাটির নিচ দিয়ে তেলের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কর্তারা চাষিদের সঙ্গে বৈঠক করার পরেও উদ্ভুত সমস্যার সমাধানের রাস্তা বের না হওয়ায় বিপাকে পড়ে গিয়েছেন ইন্ডিয়াল অয়েল কর্তৃপক্ষ।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ কয়েক বছর আগে মাটির তলা দিয়ে তেলের পাইপলাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করে। সেই পাইপ মারফত অপরিশোধিত জ্বালানি তেল বারাবনি থেকে পৌছাবে হলদিয়ায়। সেই কাজের জন্য ২০২০ সালে খণ্ডঘোষ ব্লকের কৈয়ড় ও গোপালপুর মৌজায় জমি চিহ্নিত করে ইণ্ডিয়াল অয়েল কর্তৃপক্ষ। তার পর চাষের জমি দিয়ে তেলের পাইপ লাইন বসানোর কাজও শুরু হয়। তখনকার মত সব কিছু ঠিকঠাক চললেও পরবর্তী সময়ে ক্ষতিপূরণ নিয়ে চাষিদের সঙ্গে ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষের বিরোধ বাধে। যে বিরোধ এখন চরমে পৌছেছে। চাষ জমির মালিকদের আন্দোলনের জেরে এখন বাঁকুড়া-মসাগ্রাম রেল পথের কৈয়র স্টেশন লাগোয়া লেবেল ক্রশিং এলাকায় মাটির নিচ দিয়ে তেলের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ থমকে রয়েছে।আন্দোলনকারী গোপলপুর এলাকার চাষি এমদাদুল হক মণ্ডল জানান, তেলের পাইপ লাইন চাষের জমির মাটি খুঁড়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ কৈয়ড় ও গোপালপুর মৌজায় শুরু হয়। কিন্তু ওই কাজের জন্য সঠিক কি ক্ষতিপূরণ চাষিদের প্রাপ্য সে সন্মন্ধে চাষিদের পরিস্কার কিছু জানায়নি ইণ্ডিয়াল অয়েল কর্তৃপক্ষ বা তাঁদের অধীনস্ত লোকজন। কোনও ক্ষতিপূরণ বা নগদ টাকা প্রদান কোন কিছু না করেই কাজ শুরু হয় যায়। গভীর ভাবে মাটি খুঁড়ে গোটা চাষ জমি লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে তেলের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ হলেও জমি চাষের উপযুক্ত করে দেওয়ার কোন ব্যবস্থাও তেল সংস্থার লোকজন করে দেয়নি। এর কারণে ওইসব জমিতে চাষও মার খায়। এলাকার অপর চাষি লাল্টু শেখ জানান, এর পর ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসে ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ দিতীয় পর্যায়ে পাইপ লাইন বসানোর কাজ শুরু করলে শুধুমাত্র একটি ফসলের জন্য যৎসামান্য ক্ষতিপূণের ব্যবস্থা করে। একই ভাবে এই কাজের পরেও ইণ্ডায়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ কোন চাষির চাষ জমি-ই পুনরায় চাষের উপযুক্ত করে দেয়নি। তার জন্য আবারও চাষিরা তাঁদের জমিতে চাষ করতে না পারায় চাষ মার খায়। লাল্টু শেখ বলেন, চাষের উপর নির্ভর করেই কৈয়র, গোপালপুর সহ আশপাশ এলাকার মানুষজনের জীবন-জীবিকা নির্বাহ হয়। ইণ্ডায়ান অয়েল কর্তৃপক্ষের এমন কাজ কারবারের জন্য এলাকার বহু চাষি এখন মহাসংকটে পড়ে গিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে সঠিক ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণের দাবিতে চাষিরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ না দেওয়া পর্যন্ত এলাকায় তেলের পাইপ লাইন বসানোর কাজ করতে দিতেও নারাজ চাষিরা।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে চাষিরা এমন অনড় মনোভাব দেখিয়ে চলায় সম্প্রতি ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ ও চাষিদের নিয়ে একটি বৈঠকের ব্যবস্থা করা হয়। সেই বৈঠকে ইণ্ডিয়ান অয়েলের(আই ও সি এল) ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সুব্রত দুবে ,খণ্ডঘোষ ব্লক প্রশাসনের আধিকারিক ও পুলিশ কর্তারাও উপস্থিত থাকেন। কিন্তু সঠিক ক্ষতিপূরণ মূল্য বিষয়ে সুস্পষ্ট কোন সিদ্ধান্তে পৌছানো না যাওযায় অচলাবস্থা কাটে না। এই বিষয়ে সুব্রত দুবে যদিও সংবাদ মাধ্যমের কাছে কিছু বলতে চাননি। তিনি শুধু বলেন, বিষয়টি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ লেবেল দেখছে। তবে ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক ও খণ্ডঘোষের জেলাপরিষদ সদস্য অপার্থিব ইসলাম উদ্ভুত সমস্যার জন্য ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষকেই দায়ী করেছেন। এনারা বলেন, চাষিরা নেজ্যক্ষতিপূরণের যে দাবি তুলেছেন সেটা যুক্তি সঙ্গত। ক্ষতিপূরণ মূল্য নির্ধারণ নিয়ে ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ ভুলভাল কাজ করেছে । তার জন্যই সঠিক ক্ষতিপূরণ মূল্য আশলে তা নিয়ে গ্রামবাসিদের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। এই দ্বন্দ্ব দ্রুত মেটানো না গেলে জুলাই ২০২২ সালের মধ্যে তেলের পাইপ লাইন আদৌ হলদিয়া পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া যাবে কিনা সেটাই এখন বড় প্রশ্ন বলে অপার্থিব ইসলাম মন্তব্য করেছে।এরপর ইণ্ডিয়ান অয়েল কর্তৃপক্ষ জানুয়ারি মাস নাগাদ খণ্ডঘোষ ব্লকের বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকাতেও শুরু করে। পাইপলাইন বাসানোর জন্য চাষের যে ক্ষতি হবে তার ক্ষতিপূরণ মিলবে বলে চাষিরা ইণ্ডিয়াল অয়েল কর্তৃপক্ষর কাছ থেকে আশ্বাস পায়। সেই কারণে চাষিরা তাঁদের জমির মাটি খুঁড়ে তেলের পাইপ লাইন নিয়ে যাওয়ার কাজ নিয়ে কোন ওজর আপত্তি তোলেনি।

মার্চ ১০, ২০২২
রাজ্য

জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণে নয়ানজুলি বোজানোয় ডিভিসির জলে ডুবলো আলু জমি, অবরোধ ক্ষুব্ধ চাষীদের

জাতীয় সড়কের সম্প্রসারণ কাজের জন্য নয়ানজুলি বুজে থাকায় ভিভিসি (Damodar Valley Corporation) জল ছাড়তেই জলে ডুবলো আলু চাষের জমি। এরই প্রতিবাদে মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ে ২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রেখে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন ক্ষুব্ধ চাষীরা। ঘন্টা খানেকের অবরোধ বিক্ষোভের জেরে এদিন সকালের দিকে জাতীয় সড়কে যানবাহন চলাচল একপ্রকার স্তব্ধ হয়ে যায়। দূর পাল্লার বাস সহ বিভিন্ন যানবাহন জাতীয় সড়কে যানজটে আটকে পড়ে। খবর পেয়ে শক্তিগড় থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া চাষিদের সঙ্গে কথা বলে । পরে প্রশাসন ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন চাষিরা।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে শক্তিগড় এলাকায় জোরকদমে চলছে ২ নম্বর জাতীয় সড়কের সম্প্রসারণের কাজ। সেই কাজ করতে গিয়ে চাষের জমিতে সেচের জল যাবার জন্য জাতীয় সড়কের ধারে থাকা নয়ানজুলি বুজিয়ে দেওয়া হয়। এরই মধ্যে বোরোধান চাষের জন্য ডিভিসির সেচ খালে জল ছাড়া হয়। নয়ানজুলি বুজে থাকার জন্য সেই জল প্রবাহিত হতে না পেরে বদ্ধ নয়ানজুলি থেকে উপচে গিয়ে সোমবার রাতে অসপাশের ফলন্ত আলু জমিতে ঢুকে পড়ে। তার কারণে শক্তিগড়, আমড়া ও বড়শুল এলাকার বিঘের পর বিঘে আলুর জমি জলে ডুবে যায়। মঙ্গলবার সকালে ফলন্ত আলু জমি জলে ঢুবে থাকতে দেখে কার্যত মাথায় হাত পড়ে যায় আলুচাষীদের। ফসলের এই ক্ষতি মেনে নিতে না পেরে ক্ষিপ্ত চাষিরা এর পরেই ২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে দেন।ক্ষতিগ্রস্ত আলুচাষী সেখ নজরুল ইসলামআমড়া এলাকার বাসিন্দা আলুচাষী সেখ নজরুল ইসলাম বলেন, প্রথমে জমিতে আলুচাষ করার পর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে চাষীরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রবল বর্ষণে আলুর জমি ডুবে যায়। পচে যায় আলুগাছ। তারপর ফের তারা জমি তৈরি করে আলু চাষ করেন। আর এখন নয়ানজুলি বুজে থাকার জন্য ডিভিসির সেচখালে ছাড়া জল আলুর জমিতে ঢুকে গিয়ে পাকা আলু জমির অপূরণীর ক্ষতির করে দিল। তিনি দাবী করেন আমড়া, শক্তিগড় ও বড়শুল নিয়ে কম করে একশো বিঘে আলু জমিতে জল ঢুকেছে। সমস্ত আলু জমি এরজন্য ক্ষতিগ্রস্ত হল।এলাকার অপর আলুচাষী বাবুল মণ্ডল বলেন, এখন সবেমাত্র জমি থেকে আলু তোলার মরশুম শুরু হয়েছে। আলু জমি জলে ঢুবে যাওয়ায় এখন চাষীরা চরম সংকটে পড়লেন। এবছর আলুর দামও এমনিতে উর্দ্ধমুখী। বর্তমানে একবস্তা (৫০ কেজি) আলুর দাম ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা। এই অবস্থায় জমিতে জল দাঁড়িয়ে গেলে পাকা আলু পচে যাবে। চাষীরা এবছর এমনিতেই সমস্যায় জেরবার। শীতে বারে বারে অকাল বর্ষণে দুবার করে আলু চাষ করতে হয়েছে। তাতে বাজারে ও মহাজনী ধারদেনা হয়েছে। প্রশাসন ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা না করলে চাষীরা মহা সংকটে পড়বে।জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া বলেন, চাষীদের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ভাবতে হবে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে। আমরা এই বিষয়ে ওদের সঙ্গে আলোচনা করছি। চাষীদের ক্ষতি মেনে নেওয়া যাবে না।

মার্চ ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইডেনে সেই চেনা ছবি, ভারতের কাছে আবার হোয়াইট ওয়াশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ

দীর্ঘদিন পর আবার ইডেনের গ্যালরিতে দর্শক। বিরাট কোহলি না থাকলেও রোহিত শর্মা, শ্রেয়স আয়ারদের টানে মাঠে এসেছিলেন ক্রিকেটপ্রমীরা। দুজনই মন জয় করতে ব্যর্থ। ইডেনের হৃদয় জয় করে নিলেন প্রাক্তন নাইট রাইডার্স তারকা সূর্যকুমার যাদব। তাঁর দুরন্ত ৩১ বলে ৬৫ রানের সৌজন্যে ১৮৪/৫ তোলে ভারত। সূর্যকুমারের তৈরি ভিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শেষ টি২০ ম্যাচে ১৭ রানে জয় ভারতের। একদিনের সিরিজের পর টি২০ সিরিজেও হোয়াইট ওয়াশ ক্যারিবিয়ানরা।সিরিজ আগে জিতে যাওয়ায় ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে এদিন ভারত যে পরীক্ষানিরীক্ষার রাস্তায় হাঁটবে, এটা জানাই ছিল। প্রথম একাদশে চারচারটি পরিবর্তন করে তৃতীয় টি২০ ম্যাচে খেলতে নেমেছিল ভারত। বিরাট কোহলির জায়গায় শ্রেয়স আয়ার, ঋষভ পন্থের জায়গায় ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল ভুবনেশ্বর কুমার ও যুজবেন্দ্র চাহালকে। এই দুজনের পরিবর্তে প্রথম একাদশে আবেশ খান ও শার্দূল ঠাকুর।CHAMPIONS 🎉#TeamIndia pic.twitter.com/9CRlRacaff BCCI (@BCCI) February 20, 2022টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে এদিন নিজের জায়গা ছেড়ে দিয়েছিলেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তৃতীয় ওভারে ফিরে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় (৪)। এরপর ভারতকে টেনে নিয়ে যান ঈশান কিশান ও শ্রেয়স আয়ার। দ্বিতীয় উইকেটের জুটিতে ওয়ে ৫৩। ভাল শুরু করেও বড় রান করতে ব্যর্থ শ্রেয়স। ১৬ বলে ২৫ রান করে হেডেন ওয়ালশের বলে জেসন হোল্ডারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। পরের ওভরেই ফিরে যান ঈশান। ৩১ বলে তিনি করেন ৩৪। চার নম্বরে নেমে অধিনায়ক রোহিত শর্মাও (৭) নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। ৯৩ রানে চতুর্থ উইকেট পড়ে ভারতের।WWW 🇮🇳🏆 pic.twitter.com/opFYridB7m Shreyas Iyer (@ShreyasIyer15) February 20, 2022রোহিত ফিরে যাওয়ার পর ইডেনের বাইশ গজে রাজত্ব করে গেলেন সূর্যকুমার যাদব ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। বিধ্বংসী মেজাজে ছিলেন সূর্যকুমার যাদব। ৩১ বলে তিনি করেন ৬৫। মারেন ৭টি ৬। ইনিংসের একেবারে শেষ বলে আউট হন সূর্যকুমার। ২০ ওভারে ভারত তোলে ১৮৪/৫। ভেঙ্কটেশ আয়ার ১৯ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন।জয়ের জন্য ১৮৫ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। প্রথম ওভারেই দীপক চাহার তুলে নেন কাইল মেয়ার্সকে (৬)। সাই হোপও (৮) সুযোগ পেয়ে এদিন নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। রভম্যান পাওয়েল ও নিকোলাস পুরান দলকে কিছুটা টেনে নিয়ে যান। পাওয়েল (২৫) ফিরতেই ধস ক্যারিবিয়ান ইনিংসে। পরপর ফিরে যান কিয়েরন পোলার্ড (৫), জেসন হোল্ডার (২), রস্টন চেজ (১২)। একা লড়াই করেন নিকোলাস পুরান। তাঁকে সঙ্গ দেন রোমারিও শেফার্ড। ৪৭ বলে ৬১ রান করে আউট হন পুরান। শেফার্ড ২১ বলে করেন ২৯। ২০ ওভারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ তোলে ১৬৭/৯। হর্ষল প্যাটেল ২২ রানে ৩ উইকেট নেন। দীপক চাহার, ভেঙ্কটেশ আয়ার ও শার্দূল ঠাকুর ২টি করে উইকেট নেন।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ে সৌরভের দিকে তোপ দাগলেন ঋদ্ধিমান!‌

বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল, টেস্ট দল থেকে বাদ পড়তে পারেন ঋদ্ধিমান সাহা। তাঁকে আর টেস্ট দলের জন্য ভাবছেন না জাতীয় নির্বাচকরা। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট চায় ভবিষতের দিকে তাকাতে। শনিবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের জন্য যে দল ঘোষিত হয়েছে, তাতে নেই ঋদ্ধিমান সাহা। বাদ পড়ে সৌরভ গাঙ্গুলির ভুমিকায় অবাক ঋদ্ধি। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ে ভারতীয় বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন ঋদ্ধিমান সাহা। সৌরভের নীরবতায় অবাক তিনি। জাতীয় দলের সদ্য প্রাক্তন এই উইকেটকিপার বলেন, কানপুরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পেইন কিলার খেয়ে ব্যাট করে ৬১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেছিলাম। ওই ইনিংসের পর সৌরভ গাঙ্গুলি হোয়াটসআপ করে আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। এমনকী আমাকে বলেছিলেন, যতদিন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডে থাকবেন, আমার চিন্তার কিছু নেই। বোর্ড প্রেসিডেন্টের এই কথা আমার আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছিল। হঠাৎ পরিস্থিতি এরকম বদলে যাবে, ভাবতে পারছি না। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়লেও এখনই ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনও পরিকল্পনা নেই ঋদ্ধিমান সাহার। বরং প্রত্যাবর্তনের মঞ্চ হিসেবে আইপিএলকেই বেছে নিচ্ছেন। আইপিএলে ভাল খেলতে চান। তিনি যে বাদ পড়তে চলেছেন, সেকথা জানতেন ঋদ্ধিমান। জাতীয় নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান চেতন শর্মা আগেই ঋদ্ধিমানকে জানিয়ে দিয়েছিলেন, জাতীয় দলের পরিকল্পনায় তিনি আর নেই। তরুণদের তুলে নিয়ে আসার জন্যই বাদ দেওয়া হচ্ছে। তাঁর রনজি না খেলা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই প্রসঙ্গে ঋদ্ধি বলেন, ব্যক্তিগত কারণে রনজি খেলব না বলে সিএবি প্রেসিডেন্টকে জানিয়েছিলাম। তবে দল নক আউট পর্যায়ে উঠলে খেলার ইচ্ছে রয়েছে, সেকথাও বলেছিলাম। অনেক ক্রিকেটারই তো বিশ্রাম নেয়। সেরকম আমিও নিয়েছিলাম।

ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২২
দেশ

কৃষিক্ষেত্রে নয়া অধ্যায়, ১০০ টি কিষাণ ড্রোনের সূচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী

কৃষকদের সুবিধার্থে, শনিবার দেশের বিভিন্ন শহর ও টাউনে ১০০টি কিষাণ ড্রোনের সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই কিষাণ ড্রোনের সাহায্যে জমিতে কীটনাশক স্প্রে করতে সুবিধা হবে কৃষকদের। এই কিষাণ ড্রোনের সূচনাকে আধুনিক কৃষি সুবিধার ক্ষেত্রে নয়া অধ্যায় বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, একবিংশ শতাব্দীতে আধুনিক কৃষি সুবিধার লক্ষ্যে একটি নতুন অধ্যায়। আমি নিশ্চিত এই সূচনা শুধুমাত্র ড্রোন সেক্টরের উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে প্রমাণিত হবে না, বরং সীমাহীন সম্ভাবনার পরিধিও খুলে দেবে।প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, আমাকে বলা হয়েছে, গরুড়া অ্যারোস্পেস আগামী ২ বছরে ১ লক্ষ মেড ইন ইন্ডিয়া ড্রোন তৈরির লক্ষ্য স্থির করেছে। এর ফলে যুবসমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থান এবং নতুন সুযোগ তৈরি হবে। প্রসঙ্গত, এদিন ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রিমোটের বোতাম টিপে কিষাণ ড্রোন যাত্রার সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। পঞ্জাব, গোয়া, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, অসম, রাজস্থান ও তেলঙ্গানায় ড্রোন যাত্রা ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে।মোদির মতে, ড্রোন শব্দটি শুনলেই অনেকে মনে করেন এটির সঙ্গে সেনাবাহিনীর সঙ্গে কোনও না কোনও যোগ রয়েছে। কিন্তু বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে কেবল ওই ক্ষেত্রেই আবদ্ধ নেই ড্রোনের ব্যবহার। একবিংশ শতাব্দীতে ড্রোনের ব্যবহার কৃষি ক্ষেত্রে নতুন যুগের সূচনা করেছে বলে দাবি প্রধানমন্ত্রীর। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর সরকার ড্রোন সেক্টরে নতুন দিগন্ত খুলতে সময় নষ্ট করেনি। বরং দেশের তরুণ প্রজন্মকে বিশ্বাস করে এক নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে ফেলতে তাঁরা এগিয়ে গিয়েছেন। তাঁর কথায়, আমার সরকার বাজেট ও নীতিগত পদক্ষেপে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।মোদি জানান, আগামী দুবছরের মধ্যে দেশীয় প্রযুক্তিতে এক লক্ষ ড্রোন তৈরি করতে চাইছে ভারত। পাশাপাশি স্বামীত্ব যোজনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। গ্রামের চাষিদের মধ্যে জমির মালিকানা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং ওষুধ, টিকা ও পণ্য পরিবহণের লক্ষ্যে চালকহীন যান ব্যবহারের লক্ষ্য সম্পর্কে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, এবারের বাজেটে কৃষিক্ষেত্রের আধুনিকীকরণের উপরে জোর দিয়েছে কেন্দ্র। এবার ড্রোনের মাধ্যমে সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাওয়ার ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌রোহিতকে আবার দুহাত ভরে দিল ইডেন, টি২০ সিরিজ জয় ভারতের

রোহিত শর্মা ইডেনের বরপুত্র। ক্রিকেটের নন্দনকানন কখনও তাঁকে খালি হাতে ফেরায়নি। অধিনায়ক হিসেবে ইডেনেই প্রথম টি২০ সিরিজ জিতেছিলেন রোহিত। টানা দ্বিতীয় সিরিজ জয়। একদিনের সিরিজে হোয়াইট ওয়াসের পর টি২০ সিরিজেও ঘুরে দাঁড়াতে পারল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ইডেনে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে ক্যারিবিয়ানদের ৮ রানে হারিয়ে টি২০ সিরিজও জিতে নিল ভারত। আগের ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ভুগতে হয়েছিল ক্যারিবিয়ানদের। দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে পরে ব্যাট করেও জয়ের রাস্তায় ফিরতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টস জিতে এদিন ভারতকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড। শুরুটা ভাল হয়নি ভারতের। দ্বিতীয় ওভারেই ফিরে যান ঈশান কিশান (২)। এরপর জুটি বেঁধে ভারতকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন অধিনায়ক ও সহঅধিনায়ক। জুটিতে ওঠে ৪৯ রান। অস্টম ওভারে ছন্দপতন। রস্টন চেজের বলে ব্রেন্ডন কিংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন রোহিত (১৯)। সূর্যকুমার যাদব (৮) দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। নিজস্ব মেজাজে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন বিরাট কোহলি। ৪১ বলে ৫২ রান করে রস্টন চেজের বলে বোল্ড হন তিনি। এরপর ভারতে ১৮৬/৫ রানে পৌঁছে দেন ঋষভ পন্থ ও ভেঙ্কটেশ আয়ার। ১৮ বলে ৩৩ রান করে আউট হন ভেঙ্কটেশ। ২৮ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। রস্টন চেজ ২৫ রানে ৩ উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১৮৭ রানের লক্ষ্য খুব একটা সহজ ছিল না ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে। তবে ভাল শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার। ষষ্ঠ ওভারে আউট হন কাইল মেয়ার্স (৯)। তাঁকে তুলে নেন যুজবেন্দ্র চাহাল। ব্রেন্ডন কিং ৩০ বলে ২২ রান করে রবি বিষ্ণোইয়ের বলে আউট হন। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেনে নিয়ে যান নিকোলাস পুরান ও রভম্যান পাওয়েল। জুটিতে ওঠে ১০০। এই জুটিই ক্যারিবিয়ানদের জয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। ভুবনেশ্বর কুমার এসে জুটি ভাঙেন। তুলে নেন নিকোলাস পুরানকে (৬২)। রভম্যান পাওয়েল লড়াই করেও দলকে জেতাতে পারেননি। ৩৬ বলে ৬৮ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭৮/৩ রানে থেমে যায় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। ভারতের হয়ে ভুবনেশ্বর কুমার, যুজবেন্দ্র চাহাল ও রবি বিষ্ণোই ১টি করে উইকেট নেন।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আত্মবিশ্বাসের অভাব কোহলির?‌ রোহিত কী উত্তর দিল দেখুন

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে চূড়ান্ত ব্যর্থ বিরাট কোহলি। তিম ম্যাচে সংগ্রহ ২৬। প্রথম ম্যাচে করেছিলেন ৮ রান, দ্বিতীয় ম্যাচে ১৮। আর তৃতীয় ম্যাচে কোনও রান করতে পারেননি। নেতৃত্ব হারানোর পর থেকে কি আত্মবিশ্বাসের অভাব দেখা দিয়েছে কোহলির? ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে ব্যর্থতার পর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রশ্নটা সপাটে বাউন্ডারির বাইরে পাঠালেন ভারতীয় দলের নতুন অধিনায়ক রোহিত শর্মা।একদিনের সিরিজে ক্যারিবিয়ানদের হোয়াইট ওয়াশ করার পর ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে রোহিতের কাছে প্রশ্ন উড়ে এসেছিল, কোহলির কি আত্মবিশ্বাস বাড়ানো জরুরি? প্রশ্নটা হেসে উড়িয়ে দেন রোহিত। বলেন, বিরাট কোহলির আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর প্রয়োজন? কী কথা বলছেন? দীর্ঘদিন সেঞ্চুরি পায়নি, এটা ঠিক কথা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজেই তো দুটি হাফসেঞ্চুরি করেছে। আমার মনে হয় না কোথাও ভুল আছে। ওর আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর কোনও প্রয়োজন নেই। কোহলির ফর্ম নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টও চিন্তিত নয়। সুনীল গাভাসকারও মনে করছেন, কোহলির টেকনিকে কিংবা আত্মবিশ্বাসে কোনও অভাব রয়েছে। আসলে ভাগ্যের সহায়তা পাচ্ছেন না প্রাক্তন অধিনায়ক। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে টপ অর্ডার চূড়ান্ত ব্যর্থ। টপ অর্ডারের ব্যর্থতা দারুণভাবে সামলে দিয়েছে মিডল অর্ডার। দলের মিডল অর্ডারের ব্যাটিংয়ে খুশি অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তাঁর দাবি, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সবকিছুই পরিকল্পনামাফিক হয়েছে। রোহিত বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে মিডল অর্ডার সেভাবে রান পায়নি। মাঝের ওভারগুলো কীভাবে সামাল দেওয়া যাবে, এই নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট যথেষ্ট চিন্তায় ছিল। কিন্তু ক্যারিবিয়ানদের বিরুদ্ধে সিরিজে মিডল অর্ডার দারুণ খেলেছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যাট করেছে। এটা দলের কাছে ইতিবাচক দিক। রোহিত আরও বলেন, টপ অর্ডার রান পাওয়ায় মিডল অর্ডার ব্যাট করার সুযোগ পাচ্ছিল না। এই সিরিজে টপ অর্ডার ব্যর্থ। মিডল অর্ডার দারুণ চাপ সামলেছে।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌রোহিতের কৃতিত্বের দিনে লজ্জার রেকর্ড কোহলির

দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে একদিনের সিরিজে হোয়াট ওয়াশের পর দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারত। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে আগেই সিরিজ জিতে নিয়েছিল রোহিত শর্মার দল। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে ৯৬ রানে জিতে ক্যারিবিয়ানদের হোয়াইট ওয়াশ ভারতের। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম একদিনের সিরিজেই দারুণ কৃতিত্ব রোহিতের। আর রোহিতের কৃতিত্বের দিনে লজ্জার রেকর্ড বিরাট কোহলির। দীর্ঘদিন ব্যাটে বড় রান নেই বিরাট কোহলির। ক্রিকেটপ্রেমীরা তাকিয়েছিলেন কোহলির ব্যাটের দিকে। দুর্বল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে যদি সেঞ্চুরি আসে। সেঞ্চুরি তো দুরের কথা, লজ্জার রেকর্ডের সামিল হতে হতে হল প্রাক্তন অধিনায়ককে। প্রথম ম্যাচে ৮ রান করার পর দ্বিতীয় ম্যাচে আউট হয়েছিলেন ১৮ রানে। আর তৃতীয় একদিনের ম্যাচে নামের পাশে শূন্য। এই নিয়ে দেশের মাঠে ৮ বার শূন্য রানে আউট হলেন কোহলি। স্পর্শ করলেন হরভজন সিং ও সুরেশ রায়নার রেকর্ড। এই দুজনও ৮ বার করে শূন্য রানে আউট হয়েছেন। তৃতীয় একদিনের ম্যাচে চারটি পরিবর্তন করে মাঠে নামে ভারত। লোকেশ রাহুল, দীপক হুডা, শার্দূল ঠাকুর, যুজবেন্দ্র চাহালের জায়গায় শিখর ধাওয়ান, শ্রেয়স আয়ার, দীপক চাহাল ও কুলদীপ যাদব। টস জিতে এদিন ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রোহিত শর্মা। তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে ধাক্কা খায় ভারত। ১৫ বলে ১৩ রান করে আউট হন রোহিত। ২ বল পরেই আউট হন কোহলি। দুজনকেই তুলে নেন আলজেরি জোসেফ। শিখর ধাওয়ানও (১০) ব্যর্থ। ৪২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। শ্রেয়স আয়ার ও ঋষভ পন্থের পার্টনারশিপ চাপ থেকে উদ্ধার করে ভারতকে। ৫৪ বলে ৫৬ রান করে আউট হন ঋষভ। সূর্যকুমারও (৬) ব্যর্থ। ১১১ বলে ৮০ রান করে আউট হন শ্রেয়স। ওয়াশিংটন সুন্দর (৩৩) ও দীপক চাহার (৩৮) ভারতকে ২৬৫ রানে পৌঁছে দেয়। ভারতের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ ক্যারিবিয়ান ব্যাটারদের কাছে আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই আতঙ্ক থেকে এদিনও বেরিয়ে আসতে পারেনি। তবে ভারতীয় বোলারদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, দীপক চাহার, মহম্মদ সিরাজদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে সামনে অসহায় হয়ে পড়েছিলেন ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। একসময় ৮২ রানে ৭ উইকেট পড়ে যায়। সেখান থেকে ম্যাচে ফেরা সম্ভব হয়নি। মিডল অর্ডারে কিছুটা লড়াই করেন নিকোলাস পুরান (৩৪)। লোয়ার অর্ডারে আলজেরি জোসেফ (২৯) ও ওডিয়েন স্মিথ (৩৬) রুখে দাঁড়ালেও তা যথেষ্ট ছিল না। শেষ পর্যন্ত ৩৭.১ ওভারে ১৬৯ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। ভারতের হয়ে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ ২৭ রানে, মহম্মদ সিরাজ ২৯ রানে ৩টি করে উইকেট নেন। দীপক চাহার ও কুলদীপ যাদব নেন ২টি করে উইকেট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

নেতা হিসেবে অভিষেক সিরিজ স্মরণীয় করে রাখলেন রোহিত

দেশের ১০০০তম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে নেতৃত্ব দিতে নেমে দলকে জিতিয়েছিলেন। দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচেও জয়। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ পকেটে। একদিনের ক্রিকেটের নেতা হিসেবে অভিষেক সিরিজ সত্যিই স্মরণীয় করে রাখলেন রোহিত শর্মা। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচে ৪৪ রানে হারিয়ে সিরিজ জিতে নিল ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হোয়াইট ওয়াশের গ্লানি অন্তত কিছুটা কাটল।ম্যাচ শুরুর আগেই এদিন ধাক্কা খায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চোটের জন্য ছিটকে যান অধিনায়ক কিয়েরন পোলার্ড। তাঁর জায়গায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে নেতৃত্ব দিতে নামেন নিকোলাস পুরান। শিশির সমস্যার কথা মাথায় রেখে এদিন টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান তিনি। ভারতের ওপেনিংয়ে চমক। লোকেশ রাহুল প্রথম একাদশে থাকা সত্ত্বেও অধিনায়ক রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেন করতে নামেন ঋষভ পন্থ। ৪ নম্বরে ব্যর্থ হওয়ায় এদিন ঋষভকে ওপেনিংয়ে তুলে নিয়ে আসা হয়েছিল পাওয়ার প্লের সুবিধা নেওয়ার জন্য। কিন্তু টপ অর্ডারেও নিজেকে মেলে ধরতে ব্যর্থ। ৩৪ বলে মাত্র ১৮ রান করে তিনি ওডিয়েন স্মিথের বলে জেসন হোল্ডারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। তাঁর আগেই ফিরে যান অধিনায়ক রোহিত শর্মা। তৃতীয় ওভারের শেষ বলে রোহিতকে (৫) তুলে নেন কেমার রোচ।That Winning Feeling! 👏 👏@prasidh43 picks his fourth wicket as #TeamIndia complete a 4⃣4⃣-run win over West Indies in the 2nd ODI. 👍 👍 #INDvWI @PaytmScorecard ▶️ https://t.co/yqSjTw302p pic.twitter.com/R9KCvpMImH BCCI (@BCCI) February 9, 2022বিরাট কোহলি এদিনও বড় রান করতে ব্যর্থ। ৩০ বলে ১৮ রান করে তিনি ওডিয়েন স্মিথের বলে উইকেটের পেছনে সাই হোপের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। দলকে চাপ থেকে উদ্ধার করেন ৪ নম্বরে নামা লোকেশ রাহুল ও সূর্যকুমার যাদব। জুটিতে ওঠে ৯১। ৪৮ বলে ৪৯ রান করে রান আউট হন লোকেশ রাহুল। ৮৩ বলে ৬৪ রান করেন সূর্যকুমার যাদব। তাঁকে ফেরান ফাবিয়ান অ্যালেন। ওয়াশিংটন সুন্দর (২৪), ও দীপক হুডার (২৯) সৌজন্যে ৫০ ওভারে ২৩৭/৯ রানে পৌঁছয় ভারত।জয়ের জন্য ২৩৮ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ভাল শুরু করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৭ ওভারে তুলে ফেলে ৩০। এরপরই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ধাক্কা দেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। তুলে নেন ব্রেন্ডন কিংকে (১৮)। এক ওভার পরেই ফেরান ড্যারেন ব্রাভোকে (১)। পরপর ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেই চাপ থেকে আর বেরিয়ে আসতে পারেনি। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকে ক্যারিবিয়ানদের। একসময় ১১৭ রানে ৬ উইকেট পড়ে যায়। প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর দুরন্ত বোলিংয়ের সামনে বেসামাল হয়ে পড়েন ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। কিছুটা লড়াই করেন সামরাহ ব্রুকস (৪৪), আকিল হোসেন (৩৪) ও ওডিয়েন স্মিথ (২৪)। শেষ পর্যন্ত ৪৬ ওভারে ১৯৩ রানে গুটিয়ে যায় ক্যারিবিয়ানদের ইনিংস। ৯ ওভার বোলিং করে ৩টি মেডেনসহ ১২ রানে ৪ উইকেট নেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ৪১ রানে ২ উইকেট নেন শার্দূল ঠাকুর।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মাইলস্টোনের ম্যাচ জিতে স্মরণীয় করে রাখলেন রোহিত শর্মা

দেশের অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হয়েছে আগেই। তবে সেটা টি২০ ক্রিকেটে। বিরাট কোহলিকে সরিয়ে একদিনের নেতৃত্ব পেয়েছেন গতবছর ডিসেম্বরে। চোটের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যেতে না পারায় একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক হয়নি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দেশের হাজারতম একদিনের ম্যাচে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক। মাইলস্টোনের ম্যাচ জিতে স্মরণীয় করে রাখলেন রোহিত শর্মা। একেবারে সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে জেতালেন। মাইলস্টোনের ম্যাচে এদিন সবকিছুই রোহিতের পক্ষে গেছে। টসে জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাট করতে পাঠান রোহিত। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে প্রথম ধাক্কা দেন মহম্মদ সিরাজ। তুলে নেন সাই হোপকে (৮)। এরপর দ্বাদশ ওভারে ৪ বলের ব্যবধানে ব্রেন্ডন কিং (১৩) ও ডোয়েন ব্রাভোকে (১৮)। তুলে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ব্যাকফুটে পাঠিয়ে দেন ওয়াশিংটন সুন্দর। মিডল অর্ডারে ধস নামান যুজবেন্দ্র চাহাল। ২০ নম্বর ওভারে পরপর ২ বলে ফেরান নিকোলাস পুরান (১৮) ও অধিনায়ক কিয়েরণ পোলার্ডকে (০)। আকিল হোসেনকে (০) ফেরান প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। ৭৯ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। সেখান থেকে রুখে দাঁড়ান জেসন হোল্ডার ও ফ্যাবিয়ান অ্যালেন। দুজনে মিলে জুটিতে তোলেন ৭৮। স্পিনাররা সুবিধা করতে পারছেন না দেখে জুটি ভাঙতে রোহিত দ্বারস্থ হন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণর। তিনি হোল্ডারকে (৫৭) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন। অ্যালেন করেন ২৯। ৪৩.৫ ওভারে ১৭৬ রানে গুটিয়ে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।ভারতের যা ব্যাটিং শক্তি, ১৭৭ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না। দারুণ শুরু করেছিলেন রোহিত শর্মা ও ঈশান কিশান। ভারতের ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৮৪। রোহিত ও ঈশানই দলের জয়ের ভিত তৈরি করে দেন। ৫১ বলে ৬০ রান করে আলজেরি জোশেফের বলে এলবিডব্লিউ হন রোহিত। কোহলিও (৮) বেশিক্ষণ স্থায়ী হননি। ভাল শুরু করেও বড় রান করতে ব্যর্থ ঈশান কিশান। ৩৬ বলে ২৮ রান করে তিনি আউট হন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে রান আউট হন ঋষভ পন্থ (১১)। ১১৬ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় ভারত। শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ে এনে দেন সূর্যকুমার যাদব (অপরাজিত ৩৪) ও অভিষেককারী দীপক হুডা (অপরাজিত ২৬)। ২৮ ওভারে ১৭৮/৪ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কোহলির পথ অনুসরণ করবেন?‌ সন্ধিক্ষণের মুখে রোহিত ও ভারত

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে রবিবার একদিনের সিরিজ খেলতে নামছে ভারত। ভারতের কাছে এটি হাজারতম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। একদিকে ভারত যেমন সন্ধিক্ষণের মুখে দাঁড়িয়ে, তেমনি সন্ধিক্ষণের মুখে দাঁড়িয়ে অধিনায়ক রোহিত শর্মাও। এই প্রথম দেশকে একদিনের ক্রিকেটে নেতৃত্ব দিতে নামবেন। নতুন অধিনায়ক জানিয়ে দিয়েছেন, বিরাট কোহলির পথ অনুসরণ করেই তিনি দেশকে নেতৃত্ব দেবেন।গত বছর ডিসেম্বরেই একদিনের ক্রিকেটে তাঁকে নেতা হিসেবে বেছে নিয়েছেন নির্বাচকরা। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজে একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক হয়ে যেত নেতা রোহিতের। কিন্তু হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যেতে পারেননি। তাঁর জায়গায় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন লোকেশ রাহুল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে অধিনায়কের আর্ম ব্যান্ড হাতে মাঠে নামবেন রোহিত।আমেদাবাদে সিরিজের প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে রোহিত বলেন, কোহলি অধিনায়ক থাকার সময় আমি সহঅধিনায়ক ছিলাম। কোহলির দেখানো পথেই দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। অধিনায়ক হয়েই যে আমি সবকিছু বদলে দেব, এমন ভাবার প্রয়োজন নেই। পরিস্থিতি অনুযায়ী খেলায় পরিবর্তন হতেই পারে। কোন ক্রিকেটারের কাছ থেকে দল কী প্রত্যাশা করছে, সে ব্যাপারে সবাই যাতে সুস্পষ্ট ধারণা পায়, সেটা নিশ্চিত করব। দলের সবাই নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। দলের একটা কাঠামো রয়েছে, সেই অনুযায়ীই আমরা খেলব।ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে ব্যাটিং নিয়ে চিন্তায় ভারতীয় দল। করোনার জন্য শিখর ধাওয়ান, ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, শ্রেয়স আয়ারকে পাবে না ভারত। মায়াঙ্ক আগরওয়ালও রয়েছেন কোয়ারেন্টিনে। বোনের বিয়ের জন্য লোকেশ রাহুলও প্রথম ম্যাচে নেই। ব্যাকআপ হিসেবে ডাকা হয়েছে ঈশান কিশান ও শাহরুখ খানকে। প্রথম ম্যাচে রোহিতের সঙ্গে ওপেন করবেন ঈশান কিশান। মোতেরায় মাঠে নামার আগে খোলসা করে দিয়েছেন রোহিত।ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে বোলিং কম্বিনেশনে পরিবর্তন হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর আবার দেখা যাবে কুলচা জুটি। যুজবেন্দ্র চাহালের সঙ্গে কুলদীপ যাদবকে খেলানোর কথা সাংবাদিক সম্মেলনে বলে গেছেন রোহিত। যশপ্রীত বুমরা ও মহম্মদ সামিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। শার্দূল ঠাকুর, মহম্মদ সিরাজ, দীপক চাহারদের ওপর জোরে বোলিং সামলানোর দায়িত্ব। দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে অলরাউন্ডার হিসেবে ভেঙ্কটেশ আয়ারকে পরীক্ষা করা হয়েছিল। নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি ভেঙ্কটেশ। অলরাউন্ডার হিসেবে দীপক হুডা অথবা ওয়াশিংটন সুন্দরকে খেলানো হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করতে না পেরে ক্ষোভে ফেটে পড়ল বর্ধমানের চাষিরা, পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও

জমিতে উৎপাদিত ধান সরকারি সহায়ক মূল্যে বিক্রি করতে না পেরে পঞ্চায়েত অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালেন চাষিরা। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গলসি-১ ব্লকের লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েতে। কয়েকশো চাষি পঞ্চায়েত অফিসের গেট আটকে অবস্থান বিক্ষোভ করেন। প্রধান ও অফিস কর্মীদের অফিসে ঢুকতে না দিয়ে চাষিরা তাদের পথ আটকে দিয়ে বিক্ষোভও দেখান। চাষিদের এমন আন্দোলন ঘিরে এদিন লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েত অফিসের সামনে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া চাষিরা এদিন অভিযোগ করেন, তাঁরা অনেক কষ্ট করে নিজ নিজ জমিতে ধান উৎপাদন করেছেন। সরকার চাষিদের কাছ থেকে সহায়ক মূল্যে ধান কেনার ব্যবস্থাও করেছে। গলসির প্রায় সব পঞ্চায়েত সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু করে দিয়েছে। কিন্তু গলসির লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েত চাষিদের কাছ থেকে সরকারু সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরুর কোনও ব্যবস্থাই করতে পারেনি। প্রতিবাদী চাষিরা এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দেন, তাঁদের জমিতে উৎপাদিত ধান অবিলম্বে পঞ্চায়েত ও প্রশাসন সরকারি সহায়ক মূল্যে কেনার ব্যবস্থা করুক। তা না হলে তাঁরা আরও বৃহত্তর আন্দোলন শুরু করবেন। চাষি কেষ্ট ঘোষ, চন্দন মুখোপাধ্যায় বলেন,গলসির সব পঞ্চায়েত চাষিদের সরকারি সহায়ক মুল্যে ধান বিক্রি করার জন্য টোকেন দেওয়া শুরু করে দিয়েছে। অথচ তাঁদের এলাকার চাষিরা টোকেন প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত রয়ে আছেন। চাষের জন্য বহু চাষির দেনায় পরে আছে। কেউ মহাজনী ঋন নিয়ে আবার কেউ সোনা-গহনা বন্ধক রেখে চাষ করেছেন। তিন বছর ধরে চাষিরা ফলনে মার খাচ্ছে। এবার আবার ধান বিক্রির টোকেন মিলছে না। এমন চললে তাদের মরন ছাড়া পথ নেই। চন্দন মুখোপাধ্যায় জানান, তিনি ত্রিশ বিঘা জমি চাষ করেছেন। সেই ধান এখনও পযন্ত বিক্রি করতে পারেননি। সব জেনেও পঞ্চায়েত উদাসীনতা দেখিয়ে চলেছে। চাষিদের অভিযোগ প্রসঙ্গে পঞ্চায়েত প্রধান পম্পা রুইদাস বলেন,তিন মাস ধরে বিডিওর সাথে চাষিদের ধান বিক্রি কথা চলেছে। শেষে সমবায় ছাড়া ডিপিসি-র মাধ্যমে ধান নেওয়া হবে না বলে তাঁকে গলসি ১ ব্লকের ব্লকের বিডিও দেবলীনা দাস জানিয়ে দিয়েছেন। সেই কারণেই তাঁদের অঞ্চলের চোদ্দোশো চাষির ধান বিক্রি হয়নি। প্রধান বলেন, এদিন চাষিদের আন্দোলনে নামা দেখে তিনি বিডিওকে ফোন করেছিলেন । কিন্তু কোন সদুত্তর পাননি। যদিও গলসি ১ ব্লকের বিডিও দেবলীনা দাস জানিয়েছেন, লোয়া রামগোপালপুর পঞ্চায়েত এর সব চাষির ধান নেওয়া হবে। তার একটা পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ওই দিন পঞ্চায়েত প্রধান গোটা বৈঠকে না থাকায় তিনি বিষয়টি জানতে পারেননি। তাই তিনি ম্যাসেজটি চাষিদের জানতে পারেননি। বুদবুদ সমবায় সমিতি ও পোতনা এলাকায় চলা ডিপিসি মাধ্যমে ৪ জানুয়ারী থেকে চাষিদের কাছ থেকে সরকারি সহায়ক মুল্যে ধান কেনা শুরু হবে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ডিজিটাল ক্লাস থেকে খুদেদের প্রাতরাশ, জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারে মনোনীত বর্ধমানের পলাশ

শুধু চক-ডাস্টার আর পাঠ্যবইয়ের মধ্যে শিক্ষাকে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রযুক্তিকে হাতিয়ার করে খুদে পড়ুয়াদের কাছে পড়াশোনাকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছেন বর্ধমান শহরের শ্রীরামকৃষ্ণ সারদা বিদ্যাপীঠ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পলাশ চৌধুরী। শ্রেণিকক্ষে প্রযুক্তির অভিনব প্রয়োগের পাশাপাশি পড়ুয়াদের মানসিক বিকাশ, পরিবারের ভূমিকা এবং পুষ্টির দিকেও তাঁর নজর। এই বহুমুখী উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই চলতি বছর জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন তিনি।এ বছর পশ্চিমবঙ্গ থেকে দুজন শিক্ষক জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। প্রায় আট বছর পর সেই তালিকায় বর্ধমানের কোনও স্কুলশিক্ষকের নাম উঠে আসায় খুশি পড়ুয়া থেকে অভিভাবকসকলেই। এর আগে ২০১৮ সালে বর্ধমানের কাঞ্চননগর ডি এন দাস হাইস্কুলের শিক্ষক সুভাষচন্দ্র দত্ত জাতীয় শিক্ষক পুরস্কার পেয়েছিলেন।পলাশ চৌধুরীর শিক্ষাদর্শনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হল প্রযুক্তির ব্যবহার। শ্রীরামকৃষ্ণ সারদা বিদ্যাপীঠের ক্লাসে পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি ডিজিটাল ছবি ও লেখার সাহায্যে বিভিন্ন বিষয় পড়ুয়াদের সামনে তুলে ধরা হয়। কঠিন বিষয়কে সহজ করে বোঝাতে ভার্চুয়াল পদ্ধতিও কাজে লাগানো হয়েছে। মহাকাশ কিংবা মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মতো বিষয়গুলিকে ভার্চুয়াল পরিবেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছে পড়ুয়ারা। প্রধান শিক্ষকের দাবি, এর ফলে শিশুদের মধ্যে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ এবং জানার কৌতূহল দুটোই বেড়েছে।শিক্ষার বাইরেও পড়ুয়াদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের দিকে গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। স্কুলের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শুধু পরীক্ষায় ভালো ফল করা পড়ুয়াদের পুরস্কৃত করা হয় না। সেরা হাতের লেখা, উদীয়মান প্রতিভা কিংবা ঘুরে দাঁড়ানোর সেরা উদাহরণ-এর মতো নানা বিভাগে পড়ুয়াদের উৎসাহিত করা হয়। এর মাধ্যমে শিশুদের ভিন্ন ভিন্ন প্রতিভা ও সাফল্যকে স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।পড়ুয়াদের সাফল্যের পিছনে পরিবারের অবদানকেও সামনে এনেছেন পলাশবাবু। সন্তানদের সারা বছর পড়াশোনায় উৎসাহ দেওয়ার জন্য স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মায়েদের দেওয়া হয় সেরা আপনজন সম্মান। তাঁর মতে, একটি শিশুর সাফল্যের পিছনে পরিবারের সদস্যদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। তাই তাঁদের অবদানকেও সম্মান জানানো প্রয়োজন।প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিয়ে অভিভাবকদের সচেতন করতেও স্কুলের উদ্যোগ রয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই সম্পর্কে ধারণা দিতে সম্প্রতি একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। পলাশ চৌধুরীর বক্তব্য, অনেক অভিভাবক সরাসরি সন্তানদের পড়াশোনায় সাহায্য করতে পারেন না। প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে তাঁরা জানলে সন্তানদের পড়াশোনায় সহযোগিতা করা তাঁদের পক্ষে সহজ হবে।তবে পলাশ চৌধুরীর উদ্যোগ শুধু শ্রেণিকক্ষ কিংবা প্রযুক্তির মধ্যেই থেমে নেই। পড়ুয়াদের শারীরিক পুষ্টির বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে স্কুলে। মিড-ডে মিলের পাশাপাশি প্রধান শিক্ষকের নিজস্ব উদ্যোগ এবং অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সহযোগিতায় চালু হয়েছে প্রাতরাশের ব্যবস্থা। স্কুল কর্তৃপক্ষের দাবি, আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারের অনেক শিশু সকালে খালি পেটে স্কুলে আসে। তাদের কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা, পড়ুয়াদের প্রতিভার স্বীকৃতি, অভিভাবকদের অংশগ্রহণ এবং শিশুদের পুষ্টির প্রতি নজর, সব মিলিয়ে বর্ধমানের এই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিসরকে আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করেছেন পলাশ চৌধুরী। আর সেই কাজেরই স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় শিক্ষক পুরস্কারের মনোনয়ন তাঁর মুকুটে নতুন পালক যোগ করেছে।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
দেশ

আরও বাড়তে পারে গঙ্গার জল, বন্যার আশঙ্কায় নদীপাড়ে বাড়ছে উদ্বেগ

গঙ্গার জলস্তর বিপদসীমা অতিক্রম করায় মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ নদীতীরবর্তী এলাকায় উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। ফরাক্কা থেকে সামশেরগঞ্জ, সুতী, লালগোলা, জিয়াগঞ্জ হয়ে জলঙ্গী পর্যন্ত গঙ্গার পাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। তার উপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার সতর্কবার্তা আসায় ভয় আরও বাড়ছে স্থানীয়দের।সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, গঙ্গার জলস্তর বিপদসীমা ২২.২৫ মিটার ছাড়িয়ে বর্তমানে ২২.৭৭ মিটারে পৌঁছেছে। আগামীকাল রাত ৮টার মধ্যে জলস্তর আরও বেড়ে ২২.৮৫ মিটারে পৌঁছতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। নেপালে সাম্প্রতিক ধ্বংসাত্মক হড়কা বানের জেরে অতিরিক্ত জল গণ্ডক নদী হয়ে পাটনায় গঙ্গায় মিশছে। বিহারের পাটনা ও রাজমহল হয়ে সেই জল ফরাক্কায় পৌঁছনোর কারণেই দ্রুত জলস্তর বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ফরাক্কা ব্যারেজের জেনারেল ম্যানেজার আরডি দেশপান্ডে জানিয়েছেন, আপস্ট্রিম থেকে আসা জলের মধ্যে ফরাক্কার ফিডার ক্যানাল দিয়ে প্রায় ৪০ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। অন্যদিকে, ফরাক্কার ডাউনস্ট্রিমে প্রায় সাড়ে ১১ লক্ষ কিউসেক জল প্রবাহিত হচ্ছে।সেন্ট্রাল ওয়াটার কমিশনের আধিকারিক সঞ্জীব কুমার জানিয়েছেন, বিকেল ৩টের সময় গঙ্গার জলস্তর ২২.৭৭ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। বিপদসীমার তুলনায় যা অনেকটাই বেশি। তাঁর কথায়, জলস্তর এখনও ঊর্ধ্বমুখী এবং পাটনা ফোরকাস্ট স্টেশনের পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামীকাল রাত ৮টার মধ্যে তা ২২.৮৫ মিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে। নেপালের হড়কা বানের প্রভাবেই এই জলবৃদ্ধি বলে মনে করা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত শহরে জল ঢোকার কোনও রেকর্ড নেই এবং পরিস্থিতি সেফ জোনে রয়েছে বলেও জানান তিনি।পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে। প্রতি ঘণ্টার আপডেট মেল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রশাসন ও রাজ্য সরকারকে জানানো হচ্ছে। ফরাক্কার বিডিও সুজয় ব্যাপারী জানিয়েছেন, জলস্তর বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা ও ব্লক প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।তবে প্রশাসনের সতর্কবার্তায় আতঙ্কিত স্থানীয় বাসিন্দারাও। ফরাক্কার গঙ্গাপাড়ের বাসিন্দা শরৎ হালদার বলেন, প্রশাসনের দফতর থেকে বারবার সাবধান থাকার মেসেজ আসছে। তাঁর আশঙ্কা, আরও এক মিটার জল বাড়লেই নালা দিয়ে গ্রামে জল ঢুকে পড়তে পারে। টিনের ঘরবাড়িতে বসবাসকারী গরিব মানুষজন বন্যা হলে কোথায় যাবেন, কীভাবে থাকবেনসেই চিন্তাতেই এখন রাত কাটছে তাঁদের।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
রাজ্য

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই, ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানির শিল্পমহল শিল্পস্থাপনে যথেষ্ট আগ্রহী, দাবি মন্ত্রী তাপস রায়ের

রাজ্যে শিল্পায়ন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহল আগ্রহী বলে দাবি করেছেন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আন্তর্জাতিক শিল্পমহলে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট আগ্রহ তৈরি হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই, ইংল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, সিঙ্গাপুর এবং জাপান, মিতসুবিশি-সহ বিভিন্ন দেশের শিল্পপতি ও কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা রাজ্যে বিনিয়োগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, আগামী দিনে সেমিকন্ডাক্টর হাব, ডেটা সেন্টার, তথ্যপ্রযুক্তি এবং আধুনিক উৎপাদন শিল্পকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গে একটি শক্তিশালী শিল্প পরিকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বৃহৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের হারানো শিল্পগৌরব পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে তিনি জানান। রাজ্যের শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ প্রসঙ্গে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে পশ্চিমবঙ্গে নতুন শিল্পায়নের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। শিল্পনীতি, ল্যান্ড ব্যাংক, ল্যান্ড পলিসি, ইনসেন্টিভ স্কিম এবং Single Window ব্যবস্থাকে কার্যকর করার লক্ষ্যে সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন GoM বৈঠকের মাধ্যমে শিল্পক্ষেত্রে নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে চলেছে বলেও তিনি জানান।রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পরও কিছু ক্ষেত্রে তোলাবাজির অভিযোগ উঠছে। এই প্রসঙ্গে তাপস রায় সরকারের Zero Tolerance নীতির কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন। তিনি জানান, সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থে যে কোনও ধরনের বেআইনি তোলাবাজি এবং সিন্ডিকেট কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণে সরকার কঠোর পদক্ষেপ করবে। অতীতে এই ধরনের কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের উপরও নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান। আইন অমান্য করে কেউ বেআইনি কার্যকলাপে যুক্ত হলে রাজনৈতিক পরিচয় বা পদমর্যাদা নির্বিশেষে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।এদিন ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেসের অফিসে হানা দেয় কলকাতা পুরসভা ও পুলিশ। ওই অফিসে বসেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনও তিনি ও ডেরেক ওব্রায়েন অফিসে ছিলেন। কলকাতা পুরসভা ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। শিল্পমন্ত্রী বলেন, সাংবিধানিক ও প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানগুলি তাদের আইনানুগ দায়িত্ব পালন করবে। সেই কাজে বাধা সৃষ্টি করলে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার-সহ প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার প্রশাসনের রয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সরকার কোনো ধরনের আপস করবে না বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরে পুরসভার হানা, ভেঙে ফেলা হল তৃণমূলের সাইনবোর্ড! ধস্তাধস্তি, আটক ১২

তৃণমূলের দ্বিতীয় ক্ষমতাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ক্যামাক স্ট্রিটের দফতরকে ঘিরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তীব্র উত্তেজনা ছড়াল কলকাতায়। ৯, ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরের ছাদে থাকা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস লেখা সাইনবোর্ডকে বেআইনি বলে অভিযোগ তুলে সেটি খুলে দিল কলকাতা পুরসভা। অভিযান ঘিরে পুরকর্মী ও পুলিশের সঙ্গে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটে। পুলিশ-পুরসভার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ১২ জনকে আটক করা হয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত কলকাতা পুলিশের একটি অভিযোগকে কেন্দ্র করে। পুলিশ পুরসভাকে জানায়, অভিষেকের দফতরের মাথায় লাগানো ওই বড় বিলবোর্ডটি নিয়ম মেনে বসানো হয়নি। অভিযোগ পাওয়ার পর কলকাতা পুরসভার বিজ্ঞাপন বিভাগের আধিকারিকেরা বৃহস্পতিবার বিকেলে ক্যামাক স্ট্রিটে পৌঁছন।খবর পেয়ে দফতরে হাজির হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় এবং রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন-সহ কয়েক জন। পুরসভার আধিকারিকেরা যে নির্দেশের কপি নিয়ে এসেছিলেন, তার বৈধতা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তোলেন। দীর্ঘক্ষণ তর্ক-বিতর্কের পর প্রথম দফায় পুরকর্মীরা ফিরে যান।কিন্তু কিছুক্ষণ পর ফের পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে দফতরে পৌঁছন পুরসভার আধিকারিকেরা। এ বার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ বাহিনী হেলমেট পরে দফতরের ভিতরে ঢোকে। যে অংশে সাইনবোর্ডটি ছিল, সেখানে যাওয়ার পথে বাধার মুখে পড়তে হয় তাঁদের।অভিযোগ, তৃণমূলের কয়েক জন নেতা-কর্মী সিঁড়িতে বসে বা শুয়ে পড়ে পুলিশ ও পুরকর্মীদের আটকানোর চেষ্টা করেন। ধস্তাধস্তির সময় কয়েক জন পুলিশকর্মীকে ধাক্কা দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। শেষ পর্যন্ত তালা ভেঙে ছাদে পৌঁছন পুরকর্মীরা। সেখান থেকেই খুলে ফেলা হয় অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস লেখা সাইনবোর্ডটি। পরে তার ভাঙা অংশ ছাদেই পড়ে থাকতে দেখা যায়।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক সংঘাত আরও তীব্র হয়। ঘটনাস্থল থেকেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি এবং রাজ্যের বিরোধী শিবিরের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, তৃণমূলকে রাজনৈতিক ভাবে কোণঠাসা করার উদ্দেশ্যেই ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পুরসভার মাধ্যমে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে।অভিষেক বলেন, তৃণমূলকে মিটিং-মিছিলের অনুমতি না দেওয়া, দলের নেতাদের আক্রমণ করা এবং পার্টি অফিস ও বিলবোর্ড ভেঙে দেওয়ার মাধ্যমে তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর কথায়, ঘাসফুলকে যত কাটা হবে, ততই তা বাড়বে। একই সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকেও আক্রমণ করেন তিনি।অভিষেকের আরও অভিযোগ, ক্যামাক স্ট্রিটের ওই এলাকায় ফুটপাত ও বিভিন্ন দোকানের উপরে একাধিক বিলবোর্ড রয়েছে। অথচ শুধুমাত্র তাঁর দফতরের বোর্ডকেই কেন নিশানা করা হল, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, বেআইনি নির্মাণ ও অন্যান্য অবৈধ বিজ্ঞাপনের বিরুদ্ধে একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনি লড়াইয়ের পথেও হাঁটছে তৃণমূল। অভিষেকের তরফে জানানো হয়েছে, পুলিশ ও পুরসভার ভূমিকার বিরুদ্ধে হাই কোর্টে মামলা করা হবে। ইতিমধ্যেই বিষয়টি আদালতে তোলার উদ্যোগ হয়েছে। প্রধান বিচারপতি শুক্রবার বিষয়টি মেনশন করার অনুমতি দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।অন্যদিকে, এর আগে ডায়মন্ড হারবারের আমতলায় অভিষেকের সাংসদ কার্যালয়ের একাংশ বেআইনি নির্মাণ-এর অভিযোগে প্রশাসনের তরফে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনাও আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। তার পর এ বার খোদ কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের দলীয় সাইনবোর্ড ভাঙাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হল।ঘটনাস্থলে তৃণমূলের সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি অবশ্য তেমন ছিল না। খবর ছড়ালেও বড় কোনও জমায়েত দেখা যায়নি। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সন্ধ্যার পর থেকেই ক্যামাক স্ট্রিটে বাহিনী বাড়িয়ে দেয়। উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক তরজায় বিরোধী শিবিরও পিছিয়ে থাকেনি। অভিষেকের দফতরে পুলিশের অভিযান প্রসঙ্গে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় কটাক্ষ করে বলেন, অভিষেক উচ্চমার্গের চার্টার্ড মাফিয়া। তাঁর দাবি, এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দেওয়ার মতো সময় তাঁর নেই।সব মিলিয়ে, এক সময় তৃণমূলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ৯, ক্যামাক স্ট্রিট এখন নতুন রাজনৈতিক সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু। একটি সাইনবোর্ড অপসারণকে ঘিরে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, ১২ জনকে আটক এবং আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিসব মিলিয়ে ঘটনাটি রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
রাজ্য

নেপাল বিপর্যয়ে নিখোঁজ বাংলার পর্যটকরা, উদ্বেগে একাধিক পরিবার

নেপালের ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের একাধিক পর্যটকের পরিবারে। কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রার উদ্দেশ্যে নেপালে যাওয়া রাজ্যের বহু পর্যটকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হিসাব অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ৩৬ জনের খোঁজ মিলছে না। নিখোঁজদের মধ্যে কলকাতা ছাড়াও হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম বর্ধমান, দার্জিলিং এবং উত্তর ২৪ পরগনার বাসিন্দারা রয়েছেন।বুধবার নেপাল-চিন সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ হড়পা বান নামে। ভোটেকোশী নদীর জল আচমকা ফুলে ওঠায় বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিপর্যয়ের জেরে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। সেই নিখোঁজদের তালিকাতেই রয়েছেন ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রায় যাওয়া পর্যটকেরা।কলকাতা থেকে নেপাল, তারপর আর কোনও খোঁজ নেইকলকাতার নাকতলা ও কসবার দুই বাসিন্দা রিনা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সুস্মিতা ভট্টাচার্যও নিখোঁজদের তালিকায় রয়েছেন। দুজনেই ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে নেপাল গিয়েছিলেন।২১ অগস্ট একটি ৩০ জনের দলের সঙ্গে নেপালের উদ্দেশে রওনা দেন সুস্মিতা। কাঠমান্ডু পৌঁছে পশুপতিনাথ মন্দির দর্শনের পর দলটি কেরুং হয়ে তিব্বত সীমান্তের দিকে এগোয়। সেখান থেকেই পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। শেষ দিকে হোয়াট্সঅ্যাপের মাধ্যমে পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তাঁর পুত্রবধূ।একই ভাবে ২১ অগস্ট নেপালে যাওয়া রিনার সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারছে না পরিবার। ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেও এখনও নিশ্চিত কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।নিখোঁজ মুকুল রায়ের পুত্রবধূওনিখোঁজ পর্যটকদের তালিকায় রয়েছেন প্রয়াত তৃণমূল নেতা মুকুল রায়ের পুত্রবধূ শর্মিষ্ঠা ভৌমিক রায়। গত ২১ অগস্ট একটি ভ্রমণ সংস্থার সঙ্গে নেপালে গিয়েছিলেন তিনি। বুধবারের বিপর্যয়ের পর থেকেই তাঁর সঙ্গে পরিবারের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।স্বামী শুভ্রাংশু রায়ের দাবি, বিভিন্ন ভাবে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এখনও পর্যন্ত শর্মিষ্ঠার কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।সোনারপুরের লোপামুদ্রারও সন্ধান নেইদক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরের বৈকুণ্ঠপুরের বাসিন্দা সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার লোপামুদ্রা কুন্ডুও নিখোঁজ। পরিবারের সঙ্গে শেষ কথা হওয়ার সময় তিনি জানিয়েছিলেন, চিন সীমান্তের কাছাকাছি রয়েছেন।২১ অগস্ট ৩০ জনের একটি দলের সঙ্গে নেপাল যান লোপামুদ্রা। বুধবার সকালেও পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছিল তাঁর। এরপর থেকেই ফোনে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।দুর্গাপুরের দুই দম্পতিকে ঘিরে উৎকণ্ঠাপশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর থেকেও একাধিক পর্যটকের খোঁজ মিলছে না। অম্বুজা টাউনশিপের বাসিন্দা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী সঙ্ঘমিত্রা বন্দ্যোপাধ্যায় ২১ অগস্ট কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রার উদ্দেশ্যে নেপাল যান। দেবাশিস দুর্গাপুর ইস্পাত হাসপাতালের কর্মী এবং সঙ্ঘমিত্রা শিক্ষক।একই সঙ্গে দুর্গাপুরের তপোবন সিটি এলাকার বাসিন্দা অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায় ও মৌসুমি গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। তাঁদের পরিবার এবং প্রতিবেশীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।পরিবারের তরফে জানানো হয়েছে, বিপর্যয়ের খবর পাওয়ার পর থেকেই ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু কোনও উত্তর পাওয়া যাচ্ছে না।বসিরহাটের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক দম্পতিও নিখোঁজউত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের খান বাহাদুর রোডের বাসিন্দা স্বপন মণ্ডল ও তাঁর স্ত্রী মৌ মণ্ডলও নেপালে গিয়ে নিখোঁজ। দুজনেই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। প্রায় এক সপ্তাহ আগে তাঁরা নেপালে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে তাঁদের কৈলাস যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পর থেকেই তাঁদের মোবাইল ফোন বন্ধ। ফলে পরিবারের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।তারকেশ্বরের পর্যটকদের নিয়েও দুশ্চিন্তাহুগলির তারকেশ্বরের চাউলপট্টির বাসিন্দা স্নেহাশিস দত্ত এবং একই এলাকার ভ্রমণ সংস্থার কর্মী জয়ন্ত সান্যালও ওই দলের সঙ্গে ছিলেন। পরিবারের দাবি, বুধবার তিব্বত সীমান্ত পেরোনোর কথা ছিল তাঁদের।স্নেহাশিসের স্ত্রী সোমা দত্ত জানিয়েছেন, বুধবার সকাল ৭টা ২৫ মিনিটে স্বামীর সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল। তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁরা অভিবাসন দফতরের দিকে যাচ্ছেন। এরপর থেকেই আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।শিলিগুড়ির সমরের খোঁজে কাঠমান্ডু পাড়ি দাদারদার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ির শান্তিনগর-বউবাজার এলাকার বাসিন্দা সমর মণ্ডলও নিখোঁজ। ১৬ অগস্ট একটি ট্র্যাভেল এজেন্সির মাধ্যমে নেপালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার শেষ বার পরিবারের সঙ্গে কথা হয়।কৈলাস যাত্রার পথে তাঁর শারীরিক অসুস্থতাও হয়েছিল বলে পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে। বুধবার কাঠমান্ডু ফিরে আসার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু বিপর্যয়ের পর আর কোনও খবর না মেলায় ভাইয়ের খোঁজে তাঁর দাদা ইতিমধ্যেই কাঠমান্ডুর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।৬৮ বছরের অনিতাকে ঘিরেও উৎকণ্ঠাহাওড়ার আন্দুল হাটগাছা এলাকার ৬৮ বছরের অনিতা দাসও নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে নিখোঁজ বলে পরিবার জানিয়েছে। কৈলাস-মানস সরোবর যাওয়ার দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল তাঁর।মঙ্গলবার সকালে ছেলের সঙ্গে শেষ কথা হয়েছিল অনিতার। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁরা সীমান্তের কাছাকাছি রয়েছেন। এরপর থেকেই তাঁর ফোন বন্ধ।প্রশাসনের তৎপরতার দিকে তাকিয়ে পরিবারনেপালের বিপর্যয়ের পর একের পর এক পর্যটকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে বাংলার বিভিন্ন পরিবারে। কেউ শেষ ফোনকলের অপেক্ষায়, কেউ আবার আত্মীয়ের খোঁজে প্রশাসনের দ্বারস্থ হচ্ছেন।নিখোঁজ পর্যটকদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত উৎকণ্ঠা কাটছে না পরিবারগুলির। উদ্ধারকাজ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার দিকে তাকিয়ে রয়েছেন তাঁরাকখন আসে বহু প্রতীক্ষিত সেই ফোন, সেই আশাতেই দিন গুনছেন স্বজনেরা।

আগস্ট ২৭, ২০২৬
রাজ্য

৩১ অগস্টের পরেও কি থাকবে চাকরি? ২৬ হাজার মামলায় বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন যোগ্য প্রার্থীরা। ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশই আপাতত বহাল থাকছে। ফলে নতুন করে শুনানি এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের চাকরি নিয়ে তাৎক্ষণিক অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে না।২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ আইনি লড়াই শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টে। ২০২৫ সালের ৩ এপ্রিল শীর্ষ আদালত ২০১৬ সালের পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিলের নির্দেশ দেয়। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের নির্ভুল ভাবে আলাদা করা সম্ভব হয়নি।পরবর্তী সময়ে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা এবং স্কুলগুলিতে শিক্ষক-সংকটের কথা মাথায় রেখে যোগ্য শিক্ষকদের সাময়িক ভাবে চাকরিতে বহাল থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। সেই অন্তর্বর্তী নির্দেশ অনুযায়ী ৩১ অগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত তাঁদের চাকরি বহাল থাকার কথা ছিল। একই সঙ্গে নতুন করে স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদে নতুন নিয়োগ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে আদালতের দ্বারস্থ হন সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের বক্তব্য, এত অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ না হলে যোগ্য শিক্ষকরা ফের চাকরি হারানোর আশঙ্কায় পড়বেন।এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানিতে জানানো হয়েছে, নতুন অন্তর্বর্তী আবেদনের ভিত্তিতে চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত আগের নির্দেশই কার্যকর থাকবে। ফলে আপাতত যোগ্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের জন্য স্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হল।তবে এই নির্দেশকে চূড়ান্ত রায় হিসেবে দেখা হচ্ছে না। পরবর্তী শুনানিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, তার উপরই নির্ভর করবে ২৬ হাজার চাকরি মামলায় যোগ্য শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ। ফলে আপাতত স্বস্তি মিললেও পুরোপুরি অনিশ্চয়তা কাটছে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৬
রাজ্য

লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? বিষয়টা হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী। আসল অভিমুখের সমস্যা দেখুন।

মানবিক আচরণ করুন, পার্কস্ট্রিটের ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে কুণালফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই পার্কস্ট্রিটের ওই ফুটপাথবাসী পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। এদিন তিনি ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন। একই সঙ্গে পার্কস্ট্রিট থানার পুলিশের কাছেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মানবিক আচরণের আবেদন জানান তিনি।কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ফুটপাথে বসবাসকারী মানুষও সমাজেরই অংশ। তাঁদের সঙ্গে সহানুভূতিশীল ও মানবিক আচরণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে কোনও পরিবারের শিশু, মহিলা বা অসহায় সদস্যদের বিষয়টি বিবেচনা করে প্রশাসনের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত বলেই মনে করেন তিনি।অগ্নিমিত্রা পালের আচরণ ও মন্তব্য প্রসঙ্গে কুণালের বক্তব্যের মূল সুর ছিলকোনও সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে অসহায় মানুষকে হেয় বা অপমান করা উচিত নয়। ফুটপাথে কেন কোনও পরিবারকে থাকতে হচ্ছে, সেই বৃহত্তর সামাজিক ও মানবিক সমস্যাটিও প্রশাসনকে দেখতে হবে। সামাজ মাধ্যমে এক ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে কুনাল ঘোষ লেখেন, দিল্লী বা লন্ডনের রাস্তায় ভিক্ষুক কেন? রাস্তায় ভিক্ষুক এ বিষয়টার থেকেও গুরুত্বপূর্ন হল মন্ত্রীর বাচনভঙ্গী বলেন কুনাল ঘোষ।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাম ও তৃণমূল শিবির থেকে অগ্নিমিত্রা পালের সমালোচনা শুরু হয়েছে। বাম নেত্রী কনীনিকা ঘোষও পুরমন্ত্রীর আচরণের নিন্দা করেছেন।যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোরের মাঝেই অগ্নিমিত্রা পালের পাশে দাঁড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচি। তাঁর দাবি, ওই পরিবারের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই পুরমন্ত্রী পদক্ষেপ করেছিলেন। বিষয়টিকে নেগেটিভ ভাবে তুলে ধরা হচ্ছে বলেও দাবি তাঁর।ফলে ফুটপাথে শিশুর দুধ গরম করা নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক ক্রমেই রাজনৈতিক তরজায় পরিণত হয়েছে। একদিকে ফুটপাথবাসী পরিবারের প্রতি মানবিক আচরণের দাবি, অন্যদিকে তাঁদের নিরাপত্তার যুক্তিদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি।

আগস্ট ২৪, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

যুবভারতীতে লাল-হলুদ ঝড়, বাগানকে উড়িয়ে ২২ বছর পর ডুরান্ড ইস্টবেঙ্গলের

২২ বছরের অপেক্ষার অবসান। কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডুরান্ড কাপের ফাইনালে মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফের ট্রফি ঘরে তুলল ইস্টবেঙ্গল। ডার্বির মঞ্চে এমন একতরফা জয় যে লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছেও ছিল প্রায় অবিশ্বাস্য। আর সেই জয়ের কেন্দ্রে একটাই নামএডমুন্ড লালরিনডিকা। দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে তিনিই হয়ে উঠলেন রাতের নায়ক।গ্রুপ পর্বে মোহনবাগানের কাছে হারের যন্ত্রণা ছিল ইস্টবেঙ্গলের। ফাইনালের মঞ্চে সেই হারের জবাব দেওয়ার সুযোগও ছিল। কিন্তু জবাবটা যে এতটা নির্মম হবে, তা সম্ভবত কেউই ভাবেননি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝড় তুলে মাত্র ২২ মিনিটের মধ্যেই তিন গোল করে ইস্টবেঙ্গল কার্যত ম্যাচের ভাগ্য লিখে ফেলে।শুরুটা করেন বিপিন সিংহ। মোহনবাগানের রক্ষণ তখনও নিজেদের মধ্যে সামলে ওঠার চেষ্টা করছে। সেই সুযোগেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ পৌঁছে যায় বিপজ্জনক জায়গায়। বিপিনের গোলের পর আরও ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ আক্রমণ। মুহূর্তের মধ্যে জোড়া গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন এডমুন্ড।৩-০ পিছিয়ে গিয়ে মোহনবাগান কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছিল। মনবীর সিংহ ব্যক্তিগত দক্ষতায় একটি গোল শোধও করেন। কিন্তু সেই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ফের গোল করে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন এডমুন্ড। এক ফাইনালের প্রথমার্ধেই চার গোলতার মধ্যে তিনটি একই ফুটবলারের! যুবভারতীর গ্যালারিতে তখন কার্যত লাল-হলুদ উৎসব।দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ছিল ইস্টবেঙ্গলের হাতে। সবুজ-মেরুন আক্রমণে সেই ধার দেখা যায়নি, যা একটি ডার্বি ফাইনালে প্রত্যাশিত। বরং ইস্টবেঙ্গল সুযোগ পেলেই দ্রুত আক্রমণে উঠে এসেছে এবং আরও গোলের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। শেষ পর্যন্ত ৪-১ স্কোরলাইনেই শেষ হয় ম্যাচ।ইস্টবেঙ্গলের সাফল্যের অন্যতম বড় কারণ ছিল দলের সামগ্রিক সংগঠন। মাঝমাঠে মহম্মদ রশিদ ছিলেন অসাধারণ। বল নিয়ন্ত্রণ, পাসিং এবং খেলা পরিচালনায় বারবার তিনি মোহনবাগানের ছন্দ নষ্ট করেছেন। তাঁর সঙ্গে জিকসন সিংহ, আনোয়ার আলি এবং জয় গুপ্তারাও নিজেদের দায়িত্ব নিখুঁত ভাবে পালন করেন।অন্যদিকে মোহনবাগানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ। শুভাশিস বসু, আলবের্তো রদ্রিগেজ়দের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব বারবার প্রকট হয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের দ্রুত আক্রমণের সামনে তাঁরা অনেক সময়ই দিশেহারা হয়ে পড়েন। বিশেষ করে তৃতীয় ও চতুর্থ গোলের ক্ষেত্রে রক্ষণভাগের ভুল চোখে পড়ার মতো।মাঝমাঠেও মোহনবাগান প্রত্যাশিত প্রভাব ফেলতে পারেনি। আপুইয়া এবং অনিরুদ্ধ থাপা কার্যত নিষ্প্রভ ছিলেন। আক্রমণে জেমি ম্যাকলারেনও একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। মনবীর গোল করলেও দলকে ম্যাচে ফেরানোর মতো ধারাবাহিকতা তৈরি করতে পারেননি।ফাইনালের আগে মোহনবাগানের ক্লান্তি নিয়ে আলোচনা ছিল। শিলংয়ে সেমিফাইনাল, প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কর্দমাক্ত মাঠে খেলার ধকলসবই ছিল। কিন্তু ডার্বির মতো বড় ফাইনালে সেই ক্লান্তিকে অজুহাত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। ইস্টবেঙ্গলও একই টুর্নামেন্টের চাপ সামলে মাঠে নেমেছিল, অথচ তাদের ফুটবলারদের মধ্যে ছিল অনেক বেশি তাগিদ, ক্ষুধা এবং জয়ের মানসিকতা।আর সেই মানসিকতারই সবচেয়ে বড় প্রতিফলন এডমুন্ডের হ্যাটট্রিকে। তিন গোল করে শুধু ম্যাচের সেরা ফুটবলারই হলেন না, ডুরান্ডের ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গলের প্রত্যাবর্তনের রাতটিকেও নিজের নামে লিখে দিলেন তিনি।মজার বিষয়, ম্যাচের বিভিন্ন পরিসংখ্যানে মোহনবাগান কিছু ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকলেও তার কোনও প্রভাব পড়েনি স্কোরলাইনে। কারণ ফুটবল শুধু বল দখল বা শটের সংখ্যা দিয়ে জেতা যায় নাবড় ম্যাচে প্রয়োজন সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত এবং সুযোগকে গোলে পরিণত করার ক্ষমতা। সেই পরীক্ষায় রবিবার সম্পূর্ণ সফল ইস্টবেঙ্গল।২২ বছর আগে শেষ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষা, হতাশা এবং একের পর এক অসম্পূর্ণ স্বপ্ন। সেই অপেক্ষার অবসান হল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে ৪-১ গোলে হারিয়েই। ফলে এই জয় শুধু একটি ট্রফি জয় নয়লাল-হলুদ সমর্থকদের কাছে এটি দীর্ঘ অপেক্ষার পর ফিরে পাওয়া গৌরবের রাত।একদিকে এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, অন্যদিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের বিপর্যয়সব মিলিয়ে যুবভারতীতে রবিবারের ডার্বি যেন হয়ে রইল এক লাল-হলুদ ঝড়ের রাত।তবে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের মনে হয়তো শেষ পর্যন্ত একটাই আক্ষেপ থেকে গেলচার নয়, আরও কয়েকটি গোল হতে পারত!

আগস্ট ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal