• ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Actress

বিনোদুনিয়া

হার মানলেন মারণ রোগের কাছে, প্রয়াত জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবণী বণিক

সপ্তাহের প্রথম দিনেই টেলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোক। দীর্ঘদিনের মারণ রোগের কাছে হার মানলেন জনপ্রিয় টেলি অভিনেত্রী শ্রাবণী বণিক। ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছিল। সেই কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ করে সোমবার হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শ্রাবণী।শ্রাবণী বণিক বাংলা টেলিভিশনের এক পরিচিত মুখ ছিলেন। লালকুঠি, রাঙা বউ, গোধূলি আলাপ, সোহাগ চাঁদ-সহ একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। বড়পর্দাতেও কাজ করেছেন শ্রাবণী। আলো ও চাঁদের বাড়ি ছবিতে তাঁর অভিনয় নজর কেড়েছিল।জনপ্রিয়তা থাকলেও আর্থিক দিক থেকে খুব সচ্ছল ছিলেন না অভিনেত্রী, এমনটাই জানা যায়। ক্যানসারের চিকিৎসা ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল। মাসখানেক আগেই শ্রাবণীর ছেলে অচ্যুত সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি আবেগঘন পোস্ট করে মায়ের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, মাকে বাঁচাতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন এবং সকলের সামান্য সাহায্যও তাঁদের কাছে অমূল্য।গত নভেম্বর মাসে সেই আবেদন করা হলেও বছর শেষ হওয়ার আগেই না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন শ্রাবণী বণিক। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ টেলিপাড়া। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন পরিচালক বাবু বণিক। তিনি বলেন, শ্রাবণীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কেবল কাজের ছিল না, তা বন্ধুত্বে পরিণত হয়েছিল। শ্রাবণীর এত দ্রুত চলে যাওয়া তিনি মানতে পারছেন না বলেও জানান। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন তিনি।শ্রাবণী বণিকের প্রয়াণে বাংলা টেলিভিশন জগতে তৈরি হল এক অপূরণীয় শূন্যতা।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

মুনমুনের ভালোবাসায় আপ্লুত শ্রীলেখা! রাজনৈতিক মতাদর্শ ভুলে এ এক অন্য জোট

একঝলকে দেখে মনে হতে পারে শ্রীলেখা মিত্রের মায়ের চরিত্রে মুনমুন সেন! হঠাৎ মেয়ের বাড়িতে এসে ঘর অগোছালো দেখে কোমর বেঁধে পরিপাটি করে ঘর গোছাতে শুরু করলেন। না! এটা কোনও সিনেমার শুটিং নয়। কোনও নাটকের রিহার্সাল-ও নয়। বাস্তবেই এমন ঘটেছে। এবং অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র সেই আবেগঘন দৃশ্য নিজের সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি এই বিরল মুহূর্ত চাক্ষুষ করে অবিভুত।অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র যে ভিডিও শেয়ার করেছেন তাতে দেখা যাচ্ছে, একদা বাংলা সিনেমার হার্টথ্রব সুচিত্রা তনয়া মুনমুন সেন ছাই রঙের ফুলছাপ শাড়ি ও স্লিভলেস ব্লাউজ পরে আঁচল কোমরে গুঁজে পরিপাটি ডাইনিং টেবিলে রাখা মিনারেল ওয়াটারের বোতলগুলি খাট লাগোয়া ছোট টেবিলে গুছিয়ে রাখছেন। মুনমুন বোতলগুলি সরাতে সরাতে বলে ওঠেন, আমি পেটিকোট খুঁজে পাচ্ছি না। মুনমুনের কান্ড দেখে কিংকর্তব্যবিমূঢ় শ্রীলেখা। অভিনেত্রী বলে ওঠেন আমার ঘর গুছিয়ে দিচ্ছেন কে দেখো! এই ভদ্রমহিলা আমার ঘর গুছিয়ে দিচ্ছেন। কোনও মানে হয়! আমি করতেও দিচ্ছি। ভিডিয়ো করছি, তবু গোছাতে নিষেধ করছি না! বলতে বলতে দুজনেই উচ্চস্বরে হেঁসে ওঠেন।কোনও কিছুকে পাত্তা না দিয়ে মুনমুন সেন ঘর গুছিয়েই চলেছেন। শ্রীলেখাও সেই অমূল্য মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করে চলেছেন। সুচিত্রা সেন তনয়া তাঁর ঘর গোছাচ্ছেন, এইসব দেখে শ্রীলেখা তারস্বরে কান্নার ভঙ্গী করে বলে ওঠেন, আমার লজ্জা করছে। ভীষন লজ্জা করছে, কী মিষ্টি মহিলা! কোনও কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না মুনমুনকে। একের পর এক জলের বোতল এনে বিছানার পাশে টেবিলে রাখছেন তিনি। তখন বাধ্য হয়ে শ্রীলেখাই বলেন, এ বার তুমি থামো তো! শুধু জলের বোতলের স্থান পরিবর্তন করেই ক্ষান্ত হননি মুনমুন। এর পর শ্রীলেখার মাতৃসমা মুনমুন হাত দেন শ্রীলেখার কস্টিউম বক্সে। জিজ্ঞেস করে চলেন কোনটা কী। শ্রীলেখাও আন্তরিক ভাবে তার প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর দিতে থাকেন। শ্রীলেখা বলতে থাকেন কোন শাড়ির সঙ্গে কোন গয়না কিনেছেন তিনি। পরিস্থিতি দেখে বোঝা যায়, এটি কোনও হোটেলের ঘরে দৃশ্য।অভিনেত্রীকে যোগাযোগ করা হলেও পাওয়া যায়নি। অনেকেরই ধারনা এই দুই অভিনেত্রী একসঙ্গে কোনও শুটিংয়ে গিয়েছেন! এই ভিডিয়ো শেয়ার করে সমাজমাধ্যমে শ্রীলেখা লিখেছেন, কোনও মানে হয়! এত ভালবাসা নিয়ে কী করি! কেউ দেয়নি।বাম মনোভাবাপন্ন শ্রীলেখার সাথে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মুনমুনের এই আবেগঘন মুহুর্তের পোস্টে অনেকেই আপ্লুত। রাজনৈতিক মতাদর্শ যাইহোক পেশাগত ক্ষেত্রে তার উর্ধে ওঠাটাই কাম্য। চিত্র-বিনোদন জগতে আমরা-ওরা মুলত ওই শিল্পক্ষেত্রের-ই ক্ষতি করছে বলে মনে করেন বিদগ্ধজন। এই আবেগঘন পোস্ট মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়ে সমাজমাধ্যমে। দুই প্রবাদপ্রতিম অভিনেত্রীকে একান্ত ঘরোয়া পরিবেশে এত স্বাভাবিক কথোপকথন দৃশ্য অনুধাবন করে মুগ্ধ আপামোর নেটরসিক। দুজনের একান্ত দৃশ্য যদি কোনও সিনেমার শুটিংয়ের জন্য গিয়ে থাকেন সেই চমকের দিকেই তাকিয়ে দুই অভিনেত্রীর অনুরাগী মহল।

মার্চ ১৫, ২০২৫
রাজ্য

শতাব্দীকে বিজেপি পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ ক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের

আগে বলেছিলেন ফালতু খবর পরিবেশন করা হচ্ছে। এবার গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়ে সাংবাদিকদের অসভ্যতা দেখতে পেলেন বিদায়ী সাংসদ, বীরভূম লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। ক্ষোভের মুখে বার বার মেজাজ হারাচ্ছেন তৃণমূলের তারকা প্রার্থী। অনুব্রতহীন এই নির্বাচনে চড়া রোদে প্রচারে বেরিয়ে ক্ষুব্ধ হচ্ছেন বিদায়ী সাংসদ।এর আগে অধিকাংশ নির্বাচনে ভোট বৈতরণী পার করেছেন দলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। অনুব্রত মণ্ডলের কৌশল এবং হুঙ্কারে চওড়া হাসি হেসেছেন তৃণমূল প্রার্থীরা। কিন্তু এবার অনুব্রতহীন ভোটে একাই পরিশ্রম করতে হচ্ছে প্রার্থীদের। ফলে ক্ষোভের মুখে পড়ে বার বার মেজাজ হারাচ্ছেন শতাব্দী রায়। সোমবার সাঁইথিয়ার বাতাসপুর গ্রামে ক্ষোভের মুখে পড়ে সাংবাদিকদের আঙুল উঁচিয়ে বলেছিলেন ফালতু খবর করছেন। এবার রামপুরহাট বিধানসভার রামপুর পঞ্চায়েতের বাটের বাঁধ গ্রামে। এদিন দুপুরে গ্রামে ঢুকলে বিজেপির পতাকা নিয়ে শতাব্দীকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা পরিস্কার জানিয়ে দেন অনুন্নয়নের কারণেই বিজেপির পতাকা ধরেছেন। গ্রামের বাসিন্দা শেখ মইনুল বলেন, আমরা সবাই তৃণমূল করতাম। কিন্তু ১৫ বছরে আমাদের গ্রামের জন্য শতাব্দী রায় কোন উন্নয়ন করেনি। পানীয় জল, বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাটের কোন উন্নয়ন হয়নি। তাই আমরা উনাকে বিজেপির পতাকা দেখিয়ে গ্রামে সম্বর্ধনা জানালাম। আর এখানকার যিনি বিজেপি নেতা রয়েছেন সেই রাজেশ মণ্ডল শুধু ঝামেলা লাগানোর চেষ্টা করে চলেছেন।শেখ সাবের আলি বলেন, আমরা তৃণমূল করে কোন উন্নয়ন পায়নি। শুধু লাথি খেয়েছি। আর একাধিক মামলায় জর্জরিত হয়েছি। সেই মামলা আজ আমাদের চালাতে হচ্ছে। গুনতে হচ্ছে মোটা টাকা। আমরা মসজিদের সামনে একটা বাতিস্তম্ভ এবং জলের ব্যবস্থা করার আবেদন করেছিলাম। কিন্তু কোন লাভ হয়নি।শতাব্দী রায় বলেন, মজার বিষয় হল যারা বিজেপির পতাকা ধরেছিল তাদের অধিকাংশ বাচ্চা। যারা বিজেপি, তৃণমূল বানানটাও লিখতে পারবে না। আলোর যে অভিযোগ করছে সেটা আমার কাছে জানায়নি। জানালে অবশই আলোর ব্যবস্থা করে দিতাম। আর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির পতাকা ধরাটা অনেকটা প্রেমিকের সঙ্গে রাগ করে অন্য মেয়ের সঙ্গে ঘুরে জেলাসি ফিল করানোর মতো। তবে তাতে খুব একটা কাজ করবে না। স্থানীয় নেতারা কর্মীদের গুরুত্ব দেন না, এপ্রসঙ্গে শতাব্দী বলেন, সবাই সম্মান আশা করে। আমার আসার আগে নেতারা কেন গ্রামবাসীদের সঙ্গে বসেনি সেটা বলতে পারব না। যদি না বসে সেটা নেতাদেরভুল হয়েছে।বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর বলেন, উন্নয়নের কারণেই মানুষ বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। গ্রামবাসীরা ব্যাঙ্গ করে উন্নয়নের কথা বলেছেন। গ্রামে গ্রামে শুধুই অনুন্নয়নের ছবি। এক কথায় রাজনীতিটা সিনেমা নয়। এখানে পার্ট টাইম জব করলে মানুষের উন্নয়ন করা যায় না। তাই আমি চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে এসেছে। আমরাও অনুন্নয়নের তালিকা তৈরি করছি। জিতলে ওই সমস্ত এলাকা ধরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন করব।

এপ্রিল ১৭, ২০২৪
রাজ্য

শতাব্দী রায়ের সভাতে তৃণমূল কর্মী-রাই সরব পরিশ্রুত পানীয় জলের দাবীতে, মিডিয়াকে তোপ বিদায়ী সাংসদের

এবার পরিশ্রুত পানীয় জলের দাবীতে শতাব্দী রায়ের সভাতেই সরব হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন কর্মী। ঘটনাটি বীরভূমের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের খড়বোনা গ্রামে। বৃহস্পতিবার ওই এলাকায় শতাব্দী রায়ের নির্বাচনী কর্মীসভা ছিল। মঞ্চ থেকে শতাব্দী রায় যখন কর্মীদের কাছ থেকে বুথের ভোটের হিসেব নিচ্ছিলেন সেই সময় রদিপুর গ্রামের গোপাল মণ্ডল কর্মী শতাব্দী রায়কে বলেন, কলে যে জল পাওয়া যাচ্ছে, সেই জল খাওয়া যাচ্ছে না। প্রায় এক কিলোমিটার দূর থেকে পানীয় জল নিয়ে আসতে হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীর এই অভিযোগ ঢাকা দেওয়ায় জন্য ওই এলাকার জহরুল সেখ নামে এক তৃণমূল নেতা বলতে শুরু করেন পরিশ্রুত পানীয় জলের জন্য টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ট্রেন্ডার ও হয়েছে কিন্তু ওয়ার্কঅর্ডার না পাওয়ায় কাজ শুরু হচ্ছে না। কর্মীদের এই সরব হওয়ার বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের ওপরেই তোপ দাগলেন শতাব্দী রায়। তিনি বলেন, এটাই মিডিয়া দেখাবে। দশটা কাজের মধ্যে নটা ভালো বললে মিডিয়া সেটা দেখাবে না। একটা খারাপ বললেই সেটাই দেখাবে।

এপ্রিল ১২, ২০২৪
রাজ্য

"টাকা দাও, ভোট নাও", প্রচারে বেরিয়ে শুনতে হল শতাব্দী রায়কে

টাকার বিনিময়ে ভোট। নেতারা টাকা পাচ্ছে তাই তাঁরাও টাকা চাইছে। বলছেন বীরভূমের মহম্মদ বাজারের মহিলা ভোটাররা।টাকা না দিলে ভোট দেব না। প্রচারে বেরিয়ে গ্রামের প্রবীণ মহিলাদের কাছে এমনই কথা শুনতে হল বীরভূম লোকসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শতাব্দী রায়কে। সেই সঙ্গে গ্রামের বাসিন্দারা না পাওয়ার ক্ষোভ উগরে দেন প্রাক্তন সাংসদকে কাছে পেয়ে। শনিবার বীরভূমের মহম্মদবাজার ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচার চালান তৃণমূলের শতাব্দী রায়।এদিন বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে লাউতোর গ্রামে। সেখানে তিনবারের প্রাক্তন সাংসদকে কাছে পেয়ে না পাওয়ার ক্ষোভ উগড়ে দেন গ্রামবাসীরা। এরই মধ্যে কয়েকজন মহিলা শতাব্দীকে বলেন টাকা না পেলে ভোট দেব না। কনেজা বিবি বলেন, ভোট দিতে হলে টাকা দিতে হবে। নেতারা ভোটে জিতে নিজেদের পকেট ভরছে। আমরা কিছু পাচ্ছি না। ঘর পায়নি। কোন সাহায্য পায়নি। গ্রামের তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি। তাই এবার ভোট নিতে গেলে টাকা দিতে হবে।এই প্রসঙ্গে শতাব্দী রায় বলেন, উনি কত বড় ভোটার জানি না। উনি ভারতের কত গণতন্ত্র বোঝেন, জানি না। এপ্রশ্নের উত্তর আমি দেব না। তবে যারা না পাওয়ার অভিযোগ করছেন সেটা পঞ্চায়েতের কাছে জানতে চাইব।

এপ্রিল ০৬, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

ঊড়িষ্যার প্রোজেক্টে পৃথার অভিষেক

বাঙালি অভিনেত্রীর এবার ঊড়িষ্যা পাড়ি! হ্যাঁ, ঠিক শুনেছেন, অভিনেত্রী, মডেল পৃথা দাস এবার উড়িয়া ইন্ডাস্ট্রিতে অভিনয় করছেন। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তার জনপ্রিয় মিউজিক ভিডিও জমুনা জিবাকু মতে হইচি মনা।উড়িয়া ইন্ডাস্ট্রি এর এক নামজাদা প্রোডাকশান থেকে মুক্তি পেয়েছে এই মিউজিক ভিডিওটি। পুরোপুরি ভিন্ন লুকে দেখা গিয়েছে অভিনেত্রী পৃথা দাস কে এই মিউজিক ভিডিও তে। একদম উড়িয়া কমার্শিয়াল মিউজিক ভিডিও হিসাবে মুক্তি পেয়েছে এই গানটি। ভিডিওটির শ্যুটিং হয়েছে উড়িষ্যাতে।অভিনেত্রী পৃথা দাস জানান একটা অন্যরকম অনুভূতি এই প্রোডাকশন হাউসের সাথে কাজ করা। খুব প্রফেশনাল, খুব সাপোর্টিভ পরিচালক, প্রযোজক, পুরো ইউনিট। প্রচন্ড ভালো লাগছে এমন একটা টিমের সাথে কাজ করে। আশা করছি আরো ভালো কাজ আমার দর্শকদের উপহার দিতে পারবো।

মার্চ ২৫, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

মাত্র ২৪-এ চলে গেলেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা, ২০ দিনের যাবতীয় লড়াই শেষ

অবশেষে জীবনযুদ্ধে হার মানতে হল অভিনেত্রীকে। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই চলে গেলেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা। ২০ দিন ধরে তিনি ভর্তি ছিলেন হাওড়ার হাসপাতালে। হাসপাতালে সর্বক্ষণ ছিলেন সব্যসাচী চৌধুরী, রয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁর মা।গতকাল রাতে টানা ১০ বার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে ঐন্দ্রিলার। ২০ দিন আগে অভিনেত্রীর স্ট্রোক করায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর আগে ২০১৫-তে বোন ম্যারো ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন ঐন্দ্রিলা। দিল্লিতে সেই সময় কেমো থেরাপি চলেছিল। ২০১৬-তে সুস্থ হন তিনি। ক্যানসারকে হারিয়ে দিব্যি অভিনয় করছিলেন। এরপর ২০২১-এ ডান ফুসফুসে টিউমার ধরা পড়েছিল। শেষমেশ হার মানলেন ঐন্দ্রিলা। এদিন ১২টা ৫৯ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে টলিউডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নভেম্বর ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সঙ্কটজনক ঐন্দ্রিলা শর্মা, ভেন্টিলেশনে মরণ-বাঁচন লড়াই অভিনেত্রীর

এর আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা। মন শক্ত করে লড়াই করে আটকে দিয়েছেন ক্যান্সারকে। ফিরেছেন অভিনয়ে। মঙ্গলবার রাতে ফের গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ঐন্দ্রিলা শর্মা। হাওড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এই মুহূর্তে। জানা গিয়েছে, হঠাৎই স্ট্রোক করে মাথায় রক্ত জমাট বেধে গিয়েছে অভিনেত্রীর। তাঁকে রাখা হয়েছে ভেন্টিলেটরে। শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক বলে খবর।ভোলে বাবা পার করেগা-তে অনির্বাণ চক্রবর্তীর মেয়ের চরিত্রে দেখা অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল জীবনযুদ্ধে লড়াকু অভিনেত্রীকে। ভাগাড় সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। ক্যান্সারের সময় লড়াইতেও পাশে ছিলেন তাঁর প্রেমিক সব্যসাচী চক্রবর্তী। এখনও তিনি পাশেই আছেন। জানা গিয়েছে, স্ট্রোকের ফলে শরীরের একদিক অসার হয়ে পড়েছে। ৪৮ ঘন্টা না গেলে কিছু বলতে পারছেন না চিকিৎসকরা।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

দশমীতে বাপের বাড়িতে সিঁদুর খেলায় মাতলেন অভিনেত্রী শুভশ্রী

বিজয়া দশমীতে বর্ধমানের বাড়িতে দেবী দুর্গাকে বরণ করলেন চলচিত্র অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী। দশমীর দুপুরে কলকাতা থেকে স্বামী বিশিষ্ট চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী ও ছেলে ইউহানকে সঙ্গে নিয়ে বর্ধমানে বাজেপ্রতাপপুরে বাবার বাড়িতে আসেন অভিনেত্রী। বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীকে দেখা যায় আত্মীয়দের সঙ্গে সেলফি তুলতে। ঢাকের কাঠি হাতে নিয়ে ঢাক বাজানোর চেষ্টাও করেন বিধায়ক। শুভশ্রী গাঙ্গুলীর দেবী দুর্গাকে বরণ করার গোটা দৃশ্য মোবাইল বন্দী করেন স্বামী রাজ চক্রবর্তী। পরিবারের সদস্যদের সাথে এদিন সিঁদুর খেলেন অভিনেত্রী। সিঁদুর খেলতে দেখা যায় স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গেও। অতঃপর দেবীর বিদায় বেলায় পরিবারের সদস্যদের সাথে একসাথে নাচতে দেখা যায় টলিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলীকে।

অক্টোবর ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এবং নন্দনে শ্রীলেখা, এবার সদর্পে নিজের ছবি নিয়ে উপস্থিত হবেন

অবশেষে নন্দনে শ্রীলেখা, তাও আবার নিজের প্রযোজিত ছবি নিয়ে। বারবার তিনি নন্দন-র নন্দনদের দাপাদাপি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। কিছুদিন আগে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবে তাঁকে আমন্ত্রণ না জানানো নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। চলচ্চিত্র উৎসবকে রাজনীতির প্রেক্ষাপট বানানো নিয়ে তিনি প্রতিবাদ জানান। উল্লেখ্য, নন্দনে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবের সময় তাঁর ছবির পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি কোনও এক আজানা কারণে।কলকাতা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত অনেকেই আড়ালে মেনে নিয়েছিলেন, ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা যা কিনা কলকাতার ওপর আধারিত সেই ছবিটি উৎসবে অবশ্যই দেখানো উচিত ছিল। শ্রীলেখা অপমানিত বোধ করেছিলেন। কেউ কেউ মনে করেছেন, যে অভিনেত্রী ভেনিসে, নিউ ইয়র্কে সমাদৃত তাঁর কি বা যায় আসে কলকাতাতে উপেক্ষা করলে। কিন্তু কিছু চলচ্চিত্র সমলোচক মনে করেন, হ্যাঁ আসে। তাঁদের মতে, যখন অযোগ্যরা মঞ্চ দাপিয়ে বেড়ায় তখন অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তিদের কিছু এসে যায়। শ্রীলেখা এ ব্যাপারে অনেকবারই দুঃখপ্রকাশ করেছেন।কিছুদিনের মধ্যে ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা মেলবোর্নের ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যাবে। সেখানে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, বিদ্যা বালন, আলিয়া ভাট ও শেফালি শাহদের সঙ্গে তিনিই একমাত্র বাঙালি অভিনেত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। পুরষ্কারের কোনও ঘোষণা এখনও হয়নি। কে বিজয়ী হবেন সে সমন্ধে এখনও কোনও খবর প্রকাশ হয়নি। কিন্তু আন্তর্জাতিক মঞ্চে বলিউডের নামজাদা নায়িকাদের সঙ্গে মনোনীত হওয়া অবশ্যই কৃতিত্বের, একথা শ্রীলেখার চরমতম সমলোচক-ও স্বীকার করবেন।সেই সাফল্যের রেশ টেনে নন্দনের ফ্লোরে পা দেবেন শ্রীলেখা। যে নন্দন তাঁকে কোনও কারণ ছাড়াই ব্রাত্য রেখেছে, সেই নন্দনে তাঁর নিজের ছবি নিয়ে উপস্থিত হচ্ছেন শ্রীলেখা। আগামিকাল, বৃহস্পতিবার নন্দনে তাঁর প্রযোজিত, পরিচালিত ও অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি এবং ছাদ প্রদর্শিত হবে। ইতিমধ্যে ছবিটি সাউথ এশিয়ান শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মনোনীত হয়েছে। ফেস্টিভ্যালের জুরি মেম্বাররা ছবিটি দেখানোর জন্য নন্দনকেই বেছে নিয়েছেন। যার পরিণাম শ্রীলেখাকে সেখানে উপস্থিত থাকতে হবে। নন্দন প্রেক্ষাগৃহ-৩ এ ছবিটি স্ক্রিনিং হবে।এবং ছাদ শ্রীলেখার প্রযোজিত প্রথম ছবি। প্রযোজনা সংস্থা পসাম প্রোডাকশনস চারটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির অংশ জুড়ে একটি পূর্ণ দৈর্ঘের অ্যান্থোলজি ছবি তৈরি করছেন। শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে এই ছবিগুলির জন্য ফাইন্যান্সার খোঁজার কথা জানিয়েছেন। এখনও সেই ভাবে কাউকে পাননি, তা নিয়েও তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।শ্রীলেখার তাঁর সামাজিক মাধ্যমে আরও জানিয়েছেন যে, আগামিকাল ৪ আগস্ট তিনি নন্দনে যাবেন। সসম্মানে! নিজের ছবি দেখবেন। জুরিরা তাঁর ছবি এবং ছাদ দেখবেন। তাঁর সামাজিক মাধ্যমে সদর্প ঘোষণায় এটুকু আন্দাজ করাই যায় তিনি যথেষ্ট উত্তেজিত কালকের নন্দন অভিযানে। যেখানে তিনি কারুর আনুগ্যতে নয় যোগ্যতায় হাজির থাকবেন বলে মনে করেন শ্রীলেখা। বন্যেরা বনে সুন্দর-শিশুরা মাতৃ ক্রোড়ে আর চলচিত্র শিল্পীরা নন্দনে। আশা করাই যায় কালকের অপেক্ষায় আজকের রজনী বিনিদ্র যাপন করবেন শ্রীলেখা।

আগস্ট ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মডেলিং থেকে অভিনয়ে পা অভিনেত্রী উপাসনা ঘরুই

মডেলিং জগতে বেশ জনপ্রিয় নাম উপাসনা ঘরুই। বিভিন্ন ব্যান্ডের শ্যুটে দেখা গিয়েছে তাকে। বেশ জনপ্রিয়তার শিখরে উপাসনা ঘরুই। কলকাতা শহর ও মুম্বই শহরে দেখা গিয়েছে তাকে নানান শ্যুটিং এ।তবে এবার তার মডেলিং থেকে অভিনয় জীবনে পা। খুব তাড়াতাড়ি তার নতুন ছবির শ্যুটিং শুরু হবে। কলকাতা শহরে হবে নতুন ছবির শ্যুটিং। তবে ছবির গল্প নিয়ে উপাসনা এখনই সেরকম কিছু জানাতে চান না।এর আগে মিউজিক ভিডিওতে দেখা গিয়েছে উপাসনা ঘরুই কে। তবে অভিনেত্রী উপাসনা ঘরুই জানান, এই মুহূর্তে আমি সিনেমা করতে চাই। ভালো চরিত্রে অভিনয় করতে চাই।

জুলাই ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালো অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন পায়েল

পায়েল রায়। দুবছর ধরে অভিনয় করছেন। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে আড্ডাটাইমস এ রিঙ্গো ব্যানার্জি পরিচালিত কার্মা, সায়ন দাসগুপ্তর লিপলক। সম্প্রতি অংশুমান ব্যানার্জির লার্জ পেগ ওয়েব সিরিজের কাজ শেষ করেছেন। এছাড়া তাপসী রায় পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি অন্তর্ধান এ অভিনয় করে দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়েছেন। বর্তমানে পায়েল তার প্রথম মেগা বউমা একঘর এর শুটিং-এ ব্যস্ত। এখানে মেজো বউদির চরিত্রে তাকে দেখতে পাচ্ছেন দর্শকরা। অভিনয় জীবনে প্রথম মেগা তাই পায়েলের মধ্যে রয়েছে আলাদা উন্মাদনা।অভিনয়ের পাশাপাশি পায়েল সানলাইটের অ্যাড শুট ও করেছেন। পায়েল জানিয়েছেন তিনি টলিউডের মেগাস্টার জিৎ এর এলাকায় বড় হয়েছেন। তাই তার মধ্যে জিৎ কে নিয়ে আলাদা ফ্যান্টাসি রয়েছে।মেগার ছাড়াও নতুন কাজেও দেখা যাবে পরিশ্রমী এই অভিনেত্রীকে। আগামী দিনে বড়পর্দাতেও নিজেকে দেখতে চান তিনি।

জুন ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

একই মঞ্চে শ্রীলেখা-তসলিমা

দুজন দুই জগতের বাসিন্দা হলেও তাদের ব্যক্তিত্বে অনেকটাই মিল রয়েছে। দুজনেই স্পষ্টভাষী। সোশ্যাল মিডিয়া দেখলেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের বিতর্ক পিছু ছাড়ে না। এই দুজনের মধ্যে একজন হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী, আর একজন জনপ্রিয় লেখিকা। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র এবং লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সম্প্রতি দিল্লিতে হঠাৎ দেখা দুজনের। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন শ্রীলেখা। লে রিদম নামের সংস্থার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে হাজির ছিলেন শ্রীলেখা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তসলিমা নাসরিনও। সেখানেই দুজনের আলাপ। অনুষ্ঠানে খুব বেশি কথা হয়েছে তেমনটা নয় তবে শ্রীলেখার কথায় খুব কম বয়সেই তসলিমার লজ্জা, আমার মেয়েবেলা পড়েছিলেন, স্বভাবতই তসলিমার লেখনী মুগ্ধ করেছিল তাঁকে। শ্রীলেখার কথায়, এত সাহসী কলম! ওঁর উপস্থিতিও ওঁর লেখার মতোই উজ্জ্বল! লে রিদম নামের এই সংস্থা অসহায়, দুস্থ নারীদের স্বনির্ভর করার জন্য নিয়মিত কাজ করে চলেছে। প্রান্তিক নারীদের পায়ের তলায় শক্ত জমি জোগানোর এই উদ্যোগে এবার শামিল শ্রীলেখা, তসলিমারাও। দুস্থ নারীদের পড়াশোনা, নাচ-গানের পাশাপাশি অভিনয়েরও পাঠও দেবেন শ্রীলেখা, যাতে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে পারে ওরা।

মে ৩১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিনয় দক্ষতায় পরিচিত তৈরি করছেন টলিউডের নতুন শুভশ্রী

টলিউডে শুভশ্রী মানেই প্রথমে আসবে সবার প্রিয় শুভশ্রী গাঙ্গুলী। কিন্তু শুভশ্রী গাঙ্গুলী ছাড়াও আরেক শুভশ্রী ধীরে ধীরে নিজের পরিচিতি তৈরি করছে। এই শুভশ্রী হল শুভশ্রী কর। বর্ধমানে সৌন্দর্যের প্রতিযোগিতায় জিতে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে ২০১৭ সালে কলকাতায় পা রাখে শুভশ্রী। কলকাতায় নিজের পরিচিতি তৈরি করে শুভশ্রী এখন সিনেমায় নিজের নাম তৈরি করেছে। সদ্য মুক্তি পাওয়া তিরন্দাজ শবর এ যমুনা-র চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন ছুঁয়েছেন শুভশ্রী। পরিচালক অরিন্দম শীল কে নিয়ে শুভশ্রী জানিয়েছেন, অডিশন দেওয়ার পর আমি দাদার সঙ্গে দেখা করি। যখন দেখলাম যে অডিশনে আমাকে সিলেক্ট করা হয়েছে তখন কনফিডেন্স একটু বেড়ে যায়। সেরকম ভয় কিছু লাগেনি। আগামী দিনে অরিন্দম শীলের পরিচালনায় মায়াকুমারী তে দেখা যাবে শুভশ্রী কে। এই ছবির চরিত্র নিয়ে এখনই সেরকম কিছু বলতে চান না তিনি। মায়াকুমারী ছাড়াও একটি ওয়েব সিরিজেও দর্শকরা শুভশ্রী কর কে দেখতে পাবেন। শুভশ্রীর মডেলিং থেকে অভিনয় প্রতি মুহূর্তে পাশে পেয়েছেন তার মা কে। তখনই বিপদে পড়েছেন মা বটগাছের মতো আগলে রেখেছেন। শুভশ্রীর জন্য তার আপকামিং জার্নির জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।

মে ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিনয় দক্ষতায় নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন পায়েল দেবনাথ

টলিউডে এখন মডেল ও অভিনেত্রী পায়েল দেবনাথ অভিনয় দক্ষতায় তার পরিচিতি তৈরি করছেন। মডেল হিসাবে অ্যাওয়ার্ড জেতার পর এবার অভিনেত্রী হিসাবে ভালো ভালো কাজ করছেন। স্কুল ও কলেজে নাটক করতে করতেই অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ জন্মায় তার। অভিনেত্রী জানিয়েছেন ২০১৯ থেকে তিনি অভিনয় করছেন। তার আগে মডেলিং করতেন। বর্তমানে চিরদিনি আমি তোমার ও এমএক্স প্লেয়ারে স্বল্পদৈর্ঘ্যের ওয়েব সিরিজ হেডফোন এর শুটিং শেষ হল। এখন লাভ টু লাভ ও ব্যাড লাক-এর শুটিং চলছে। আগামী দিনে নতুন কিছু প্রোজেক্টের কথা চলছে। ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী কে। তবে সেই নিয়ে এখনই কিছু বলতে চান না তিনি। পায়েল দেবনাথ এর জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।

মে ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

দুর্ঘটনার কবলে টলি অভিনেত্রী, আপাতত সুস্থ তিনি ও তাঁর বাবা

দুর্ঘটনার কবলে টলিউড অভিনেত্রী অনন্যা গুহ। বৌবাজার থেকে টালিগঞ্জের স্টুডিওতে শুটিং করতে যাবার সময় অভিনেত্রী ও তাঁর বাবা দুর্ঘটনার সম্মুখীন হন। এসপি মুখার্জি রোডের উপর দিয়ে যাওয়ার সময়ই ঘটে এই দুর্ঘটনা। হুড়মুড়িয়ে একটি বিরাট গাছ ভেঙে পড়ে অনন্যার গাড়ির উপর। দুর্ঘটনার ফলে তাদের গাড়ি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে অনন্যা বা তা বাবা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হননি। তবে এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়ছে। অভিনেত্রী তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, আমি ও আমার বাবা সুস্থ আছি। কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। আমাদের খোঁজ নেওয়ার জন্য সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। ভুয়ো খবর ছড়াবেন না। আমি পুরো সুস্থ আছি। মিঠাই এবং লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টারে অভিনয় করছি।

মে ২৬, ২০২২
নিবন্ধ

আমরা সোস্যাল ট্যবুকে প্রাধান্য দিয়ে কাছের মানুষকে হারাবার ঝুঁকি নিচ্ছি বার বার

সুত্রপাত অনেক আগেই। খুব নিকট অতীতের সাড়াজাগানো উদাহরণ টানতে গেলে সুশান্ত সিং রাজপুত নামটিই প্রথমে মনে আসে। আপাত দৃষ্টিতে তাঁর হয়তো কোন কিছুর-ই অভাব ছিল না। নাম-যশ-অর্থ, আর তার সাথে অফুরন্ত কাজের অফার। কেরিয়ারের উচ্চ শিখরে থাকাকালীন আত্মহননের পথ বেছে নেন তিনি। এখনও পর্যন্ত কোনও তদন্তেই তার কারণ উঠে আসেনি। আরো কিছুটা পিছনে হাঁটলে যাঁর নাম মনে আসে তিনি হলেন সবাক চলচ্চিত্রের অন্যতম পথিকৃৎ গুরু দত্ত। এই সুত্রে বলিউড এ এরপরে আছে আরো বেশ কিছু নাম, যেমন অভিনেত্রী সিল্ক স্মিতা, জিয়া খান, কুলজিত রনধাওয়া, নাফিসা জোসেফ...। হলিউড ও এর ব্যতিক্রম নয়, সেখানেও স্ট্রেস নিতে না পেরে জীবনের সেরা সময়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন অভূতপূর্ব সুন্দরি অভিনেত্রী মেরিলিন মোনরো।সদ্য অতীতে, নিজের মানসিক অবসাদের চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহননের পথ বেছে নিলেন টলিউডের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পল্লবী দে। আমি সিরাজের বেগম টিভি সিরিয়ালে সম্রাট সিরাজদ্দৌলার বেগম লুৎফুন্নিসা চরিত্রে অভিনয় করে লাইম লাইটে আসেন পল্লবী। এহেন সাফল্যতা শিখরে থেকেও, মাত্র পচিশ বছর বয়সে শেষ হয়ে গেল আরো একটি তরতাজা প্রাণ। কার দোষে তিনি মৃত্যুর পথ বেছে নিলেন তা নিয়ে চলছে চাপানউতর, চলবেও আরো কিছুদিন। আর প্রিন্ট, ব্রডকাস্ট এবং সোস্যাল মিডিয়ার শিরোনাম-এ থাকার পর একদিন অতীতে মিলিয়ে যাবে সব জল্পনা-কল্পনা আর আলোচনা। এসবের মাঝে মানসিক অসুস্থতা, তার চিকিৎসা ও নিরাময়ের প্রয়োজনীয়তা এবং তা উপলব্ধের প্রতিশ্রুতিও অনেকই শোনা যাবে ও জানা যাবে টিভির পর্দায়ে ও সংবাদ পত্রে। আর তারপর......? আমাদের স্বল্পমেয়াদী স্মৃতি সবটা ভুলে যাবে, যতদিন না আবার কোনও এক উদীয়মান বা জনপ্রিয় সেলিব্রটি বেছে নিচ্ছেন এই ভয়ানক পরিণতি।সাধারণ মানুষের ভাগ্যে তো বেশীরভাগ সময় মানসিক চিকিৎসার মিথ্যা প্রতিশ্রুতিটুকুও জোটেনা, এ তো আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই বলতে পারি। স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া ছেলেমেয়েরা প্রায়সই অবিভাবকের অজান্তে আসেন আমাদের ক্লিনিকে, হাতখরচ থেকে ফিজ্ দেবেন এমনও জানান। তাঁদের আমরা যথাসম্ভব সাহাজ্য করার চেষ্টা করি, এবং মনে মনে কুর্ণিশ করি এই ছোট্ট মানুষদের সৎ সাহস ও ভালোভাবে বাঁচার ইচ্ছা কে। কত শত মানুষ আজ মানসিক ভাবে ভালো আছেন, জীবনের পথে প্রতিটি বাধা ও বিপত্তির মোকাবিলা করে এগিয়ে চলেছেন, কারন কোনও এক বিপর্যয়ের দিনে তাঁরা আত্মহননের হাতছানিকে পরাস্ত করে এবং সোস্যাল ট্যবু কে উপেক্ষা করে, মানসিক চিকিৎসা (সাইকোথেরাপি ও সাইকোলজিকাল কাউন্সেলিং) বেছে নিয়েছিলেন।আজ যখন মানসিক চিকিৎসা রয়েছে নাগালের মধ্যে, তখন কেন আমরা নিচ্ছি না তার সাহাজ্য? কেন আমরা সোস্যাল ট্যবুকে প্রাধান্য দিয়ে কাছের মানুষকে হারাবার ঝুঁকি নিচ্ছি বার বার। আজকের প্রজন্ম আমাদের থেকে অনেক আলাদা এক পারিপার্শিকতার সম্মুখিন, তাদের পৃথিবী আমাদের ছোটবেলার পৃথিবীর থেকে অনেকটাই আলাদা, তাদের স্ট্রেস লেভল এবং মোকাবিলার সীমা (থ্রেশহোল্ড) ও ভিন্ন। মানসিক সুস্থতাকে তারা যেন শারিরীক সুস্থতার সমান প্রাধান্য দেয় তার ব্যবস্থা আমাদেরই করে দিতে হবে। কোন মনোবিদের সঙ্গে কথা বলার জন্য কেউ যেন এতটুকুও বিব্রত বা লজ্জিত বোধ না করেন। আর কোন পল্লবীকে কোনদিন যেন আমাদের হারাতে না হয়।ডঃ ইন্দ্রানী ব্যানার্জী সারেঙ্গী(ক্লিনিক্যাল সাইকোথেরাপিস্ট)

মে ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতা চলচিত্র উৎসবে 'ব্রাত্য' অভিনেত্রীর আন্তর্জাতিক পুরস্কার বিজয়

বেশ কয়েকদিন আগেই শ্রীলেখা মিত্র সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছিলেন আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ছবি ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ক্যালকাটা তে অভিনয় করে নিউইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রী হিসাবে মনোনীত হয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র। এবার তিনি আরও একটি সুখবর দিলেন।আদিত্যর এই ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে নিউইয়র্ক ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জিতলেন সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার। সকাল সকাল এই খুশির খবরটা তাঁর সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রীলেখা একটি ছবি এবং ভিডিও পোস্ট করেন। ওই পোস্টে সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি। যাঁরা ভালবাসে কিংবা ঘৃণা করে তাঁদের সকলকেই ধন্যবাদ জানান। স্বর্গীয় মা, বাবার কথাও সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে উল্লেখ করেন অভিনেত্রী।কয়েকদিন আগেই কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো। শহর জুড়ে নানান চলচিত্রের ভিড়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে ছোটো বড় মাঝারীদের ভিড়ের কোথাও দেখা মেলেনি এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রীর। শ্রীলেখার অক্ষেপ, হয়ত বা তিনি বাম মনোভাবাপন্ন বলেই তাঁকে আমন্ত্রণ করা হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিনেতা জনতার কথা কে জানান, শিল্পীর পরিচয় তাঁর কাজে, তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শের বিচার রাজনিতীর ময়দানেই হওয়া উচিত।উল্লেখ্য গত বছর ভেনিস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ক্যালকাটা ছবিটি দেখানো হয়েছিল। তখন থেকেই ছবিটি নিয়ে আলোচনা চলছে। শ্রীলেখা সেরা অভিনেত্রী হলেন, সেরা পরিচালকের শিরোপা পেলেন আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত।

মে ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় করিশ্মা কাপুর, কিন্তু হঠাৎ কেন এলেন?

করিনা কাপুর খানের পর এবার বাংলায় পা রাখলেন করিশ্মা কাপুরও। একটি ওয়েব সিরিজের শুটিংয়ে এসেছেন তিনি। এখন বাওয়ালির রাজবাড়িতে চলছে তার শুটিং। অভিনয় দেও-র পরিচালনায় তাঁকে দেখা যাবে ব্রাউন-এ। আর সেটার কাজেই তিনি এখন সিটি অফ জয় তে। এই সিরিজে করিশ্মাকে দেখা যাবে গোয়েন্দার চরিত্রে৷ অন্যান্যদের মধ্যে থাকছেন হেলেন। বাংলা থেকে ব্রাউন-এ কাজ করার কথা রয়েছে খরাজ মুখোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্তের।ব্রাউন-এ তাঁর চরিত্র প্রসঙ্গে করিশ্মা এর আগেই জানিয়েছেন খুব জটিল মানসিকতা রয়েছে ছবিতে। যে কোনও অভিনেতার কাছেই এই কাজ যেমন আকর্ষক, তেমনই চ্যালেঞ্জিং।অভীক বড়ুয়ার লেখা সিটি অব ডেথ-এর অবলম্বনে এই সিরিজের গল্প। এই ওয়েব সিরিজ প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে, আপাতত বাওয়ালির রাজবাড়িতেই চলছে শ্যুট। তবে করিশ্মার কলকাতা শিডিউল বেশ লম্বা। শহরের আরও কিছু আইকনিক জায়গায় শ্যুট করার কথা রয়েছে লোলোর।

মে ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

দাদাগিরির মঞ্চে শ্রীদেবীর কন্যা, পা মেলালেন দাদার সঙ্গে

জি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় রিয়ালিটি শো দাদাগিরি। বিসিসিআইয়ের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলির সঞ্চালনা অনুষ্ঠানটিকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে। দাদাগিরি-র মঞ্চে তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ সকলেই বাংলার মহারাজের সামনে নিজের সেরাটা দেওয়ার সুযোগ পান।সম্প্রতি জি বাংলার ইউটিউব চ্যানেলে দাদাগিরি-র আগামী পর্বের নতুন প্রোমো শেয়ার করা হয়েছে। আগামী ১৫ মে দাদাগিরির মঞ্চে হাজির হবেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। দাদাগিরির এই বিশেষ পর্বে সবুজ শাড়ি পরে শ্রীদেবী কন্যা। দাদার সঙ্গে জাহ্নবীকে তার প্রথম ছবি ধড়ক এর গানে পা মেলাতে দেখা যাবে।প্রমোতে দেখা যাচ্ছে, সৌরভ গাঙ্গুলি মনে করিয়ে দিচ্ছেন এই মঞ্চে একসময় এসেছিলেন জাহ্নবীর বাবা তথা প্রযোজক বনি কাপুর। তার প্রয়াত মা তথা বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রীদেবীও একসময় এই মঞ্চে এসেছিলেন। এবার মেয়ে এসে পুরো চক্রটা পরিপূর্ণ করলেন। জাহ্নবী কাপুর কি একটুও বাংলা বলতে পারেন? উত্তরে শ্রীদেবীর কন্যা জানিয়েছেন দাদার, আমি শুধুমাত্র একটা লাইন বলতে পারি, তা হলো তাড়াতাড়ি করো। সঙ্গে সঙ্গে সৌরভ গাঙ্গুলি হাসি হাসি মুখে বলে ওঠেন, এই লাইনটাই সবাই বলতে পারে।

মে ১১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal