• ৪ ভাদ্র ১৪৩৩, শনিবার ২২ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Actress

রাজনীতি

২১ জুলাইয়ের আগে তৃণমূলে বড় ধাক্কা! কোয়েল মল্লিকের রাজ্যসভা ছাড়া, মণীশ গুপ্তর সরে দাঁড়ানো ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একের পর এক রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হচ্ছে। মদন মিত্রকে নিয়ে বিতর্কের আবহ এখনও পুরোপুরি কাটেনি, তার মধ্যেই রাজ্যসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের সাংসদ কোয়েল মল্লিক। একই সঙ্গে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মণীশ গুপ্ত। ফলে শাসক শিবিরে নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগের পর কোয়েল মল্লিকের বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে আরও কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সাক্ষাতের পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি তিনি রাজনৈতিকভাবে নতুন কোনও সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন? যদিও এখনও পর্যন্ত কোয়েল মল্লিক বা বিজেপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তাই তিনি আদৌ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ঘটনাপ্রবাহকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে।অন্যদিকে, প্রাক্তন আমলা ও তৃণমূলের প্রবীণ নেতা মণীশ গুপ্তও দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও তিনি এখনও তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেননি, তবুও তাঁর এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। বিশেষ করে ২১ জুলাইয়ের মতো বড় কর্মসূচির আগে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দলের জন্য অস্বস্তিকর বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোয়েল মল্লিকের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কোয়েল ভবিষ্যতে রাজ্যকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মতো সক্ষমতা রাখেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর এত দ্রুত রাজ্যসভা থেকে কোয়েলের পদত্যাগ রাজনৈতিক মহলে আরও বেশি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরির ইঙ্গিত মিলছে। শাসক দলের ভেতরে সাংগঠনিক পরিবর্তন, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং বিরোধী শিবিরের তৎপরতাসব মিলিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহ রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে কোয়েল মল্লিকের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান, মণীশ গুপ্তর পরবর্তী পদক্ষেপ কিংবা তৃণমূলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াএসবের দিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৬, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

হার মানলেন মারণ রোগের কাছে, প্রয়াত জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবণী বণিক

সপ্তাহের প্রথম দিনেই টেলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোক। দীর্ঘদিনের মারণ রোগের কাছে হার মানলেন জনপ্রিয় টেলি অভিনেত্রী শ্রাবণী বণিক। ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছিল। সেই কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ করে সোমবার হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শ্রাবণী।শ্রাবণী বণিক বাংলা টেলিভিশনের এক পরিচিত মুখ ছিলেন। লালকুঠি, রাঙা বউ, গোধূলি আলাপ, সোহাগ চাঁদ-সহ একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। বড়পর্দাতেও কাজ করেছেন শ্রাবণী। আলো ও চাঁদের বাড়ি ছবিতে তাঁর অভিনয় নজর কেড়েছিল।জনপ্রিয়তা থাকলেও আর্থিক দিক থেকে খুব সচ্ছল ছিলেন না অভিনেত্রী, এমনটাই জানা যায়। ক্যানসারের চিকিৎসা ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল। মাসখানেক আগেই শ্রাবণীর ছেলে অচ্যুত সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি আবেগঘন পোস্ট করে মায়ের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, মাকে বাঁচাতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন এবং সকলের সামান্য সাহায্যও তাঁদের কাছে অমূল্য।গত নভেম্বর মাসে সেই আবেদন করা হলেও বছর শেষ হওয়ার আগেই না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন শ্রাবণী বণিক। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ টেলিপাড়া। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন পরিচালক বাবু বণিক। তিনি বলেন, শ্রাবণীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কেবল কাজের ছিল না, তা বন্ধুত্বে পরিণত হয়েছিল। শ্রাবণীর এত দ্রুত চলে যাওয়া তিনি মানতে পারছেন না বলেও জানান। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন তিনি।শ্রাবণী বণিকের প্রয়াণে বাংলা টেলিভিশন জগতে তৈরি হল এক অপূরণীয় শূন্যতা।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

মুনমুনের ভালোবাসায় আপ্লুত শ্রীলেখা! রাজনৈতিক মতাদর্শ ভুলে এ এক অন্য জোট

একঝলকে দেখে মনে হতে পারে শ্রীলেখা মিত্রের মায়ের চরিত্রে মুনমুন সেন! হঠাৎ মেয়ের বাড়িতে এসে ঘর অগোছালো দেখে কোমর বেঁধে পরিপাটি করে ঘর গোছাতে শুরু করলেন। না! এটা কোনও সিনেমার শুটিং নয়। কোনও নাটকের রিহার্সাল-ও নয়। বাস্তবেই এমন ঘটেছে। এবং অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র সেই আবেগঘন দৃশ্য নিজের সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি এই বিরল মুহূর্ত চাক্ষুষ করে অবিভুত।অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র যে ভিডিও শেয়ার করেছেন তাতে দেখা যাচ্ছে, একদা বাংলা সিনেমার হার্টথ্রব সুচিত্রা তনয়া মুনমুন সেন ছাই রঙের ফুলছাপ শাড়ি ও স্লিভলেস ব্লাউজ পরে আঁচল কোমরে গুঁজে পরিপাটি ডাইনিং টেবিলে রাখা মিনারেল ওয়াটারের বোতলগুলি খাট লাগোয়া ছোট টেবিলে গুছিয়ে রাখছেন। মুনমুন বোতলগুলি সরাতে সরাতে বলে ওঠেন, আমি পেটিকোট খুঁজে পাচ্ছি না। মুনমুনের কান্ড দেখে কিংকর্তব্যবিমূঢ় শ্রীলেখা। অভিনেত্রী বলে ওঠেন আমার ঘর গুছিয়ে দিচ্ছেন কে দেখো! এই ভদ্রমহিলা আমার ঘর গুছিয়ে দিচ্ছেন। কোনও মানে হয়! আমি করতেও দিচ্ছি। ভিডিয়ো করছি, তবু গোছাতে নিষেধ করছি না! বলতে বলতে দুজনেই উচ্চস্বরে হেঁসে ওঠেন।কোনও কিছুকে পাত্তা না দিয়ে মুনমুন সেন ঘর গুছিয়েই চলেছেন। শ্রীলেখাও সেই অমূল্য মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করে চলেছেন। সুচিত্রা সেন তনয়া তাঁর ঘর গোছাচ্ছেন, এইসব দেখে শ্রীলেখা তারস্বরে কান্নার ভঙ্গী করে বলে ওঠেন, আমার লজ্জা করছে। ভীষন লজ্জা করছে, কী মিষ্টি মহিলা! কোনও কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না মুনমুনকে। একের পর এক জলের বোতল এনে বিছানার পাশে টেবিলে রাখছেন তিনি। তখন বাধ্য হয়ে শ্রীলেখাই বলেন, এ বার তুমি থামো তো! শুধু জলের বোতলের স্থান পরিবর্তন করেই ক্ষান্ত হননি মুনমুন। এর পর শ্রীলেখার মাতৃসমা মুনমুন হাত দেন শ্রীলেখার কস্টিউম বক্সে। জিজ্ঞেস করে চলেন কোনটা কী। শ্রীলেখাও আন্তরিক ভাবে তার প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর দিতে থাকেন। শ্রীলেখা বলতে থাকেন কোন শাড়ির সঙ্গে কোন গয়না কিনেছেন তিনি। পরিস্থিতি দেখে বোঝা যায়, এটি কোনও হোটেলের ঘরে দৃশ্য।অভিনেত্রীকে যোগাযোগ করা হলেও পাওয়া যায়নি। অনেকেরই ধারনা এই দুই অভিনেত্রী একসঙ্গে কোনও শুটিংয়ে গিয়েছেন! এই ভিডিয়ো শেয়ার করে সমাজমাধ্যমে শ্রীলেখা লিখেছেন, কোনও মানে হয়! এত ভালবাসা নিয়ে কী করি! কেউ দেয়নি।বাম মনোভাবাপন্ন শ্রীলেখার সাথে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মুনমুনের এই আবেগঘন মুহুর্তের পোস্টে অনেকেই আপ্লুত। রাজনৈতিক মতাদর্শ যাইহোক পেশাগত ক্ষেত্রে তার উর্ধে ওঠাটাই কাম্য। চিত্র-বিনোদন জগতে আমরা-ওরা মুলত ওই শিল্পক্ষেত্রের-ই ক্ষতি করছে বলে মনে করেন বিদগ্ধজন। এই আবেগঘন পোস্ট মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়ে সমাজমাধ্যমে। দুই প্রবাদপ্রতিম অভিনেত্রীকে একান্ত ঘরোয়া পরিবেশে এত স্বাভাবিক কথোপকথন দৃশ্য অনুধাবন করে মুগ্ধ আপামোর নেটরসিক। দুজনের একান্ত দৃশ্য যদি কোনও সিনেমার শুটিংয়ের জন্য গিয়ে থাকেন সেই চমকের দিকেই তাকিয়ে দুই অভিনেত্রীর অনুরাগী মহল।

মার্চ ১৫, ২০২৫
রাজ্য

শতাব্দীকে বিজেপি পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ ক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের

আগে বলেছিলেন ফালতু খবর পরিবেশন করা হচ্ছে। এবার গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়ে সাংবাদিকদের অসভ্যতা দেখতে পেলেন বিদায়ী সাংসদ, বীরভূম লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। ক্ষোভের মুখে বার বার মেজাজ হারাচ্ছেন তৃণমূলের তারকা প্রার্থী। অনুব্রতহীন এই নির্বাচনে চড়া রোদে প্রচারে বেরিয়ে ক্ষুব্ধ হচ্ছেন বিদায়ী সাংসদ।এর আগে অধিকাংশ নির্বাচনে ভোট বৈতরণী পার করেছেন দলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। অনুব্রত মণ্ডলের কৌশল এবং হুঙ্কারে চওড়া হাসি হেসেছেন তৃণমূল প্রার্থীরা। কিন্তু এবার অনুব্রতহীন ভোটে একাই পরিশ্রম করতে হচ্ছে প্রার্থীদের। ফলে ক্ষোভের মুখে পড়ে বার বার মেজাজ হারাচ্ছেন শতাব্দী রায়। সোমবার সাঁইথিয়ার বাতাসপুর গ্রামে ক্ষোভের মুখে পড়ে সাংবাদিকদের আঙুল উঁচিয়ে বলেছিলেন ফালতু খবর করছেন। এবার রামপুরহাট বিধানসভার রামপুর পঞ্চায়েতের বাটের বাঁধ গ্রামে। এদিন দুপুরে গ্রামে ঢুকলে বিজেপির পতাকা নিয়ে শতাব্দীকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা পরিস্কার জানিয়ে দেন অনুন্নয়নের কারণেই বিজেপির পতাকা ধরেছেন। গ্রামের বাসিন্দা শেখ মইনুল বলেন, আমরা সবাই তৃণমূল করতাম। কিন্তু ১৫ বছরে আমাদের গ্রামের জন্য শতাব্দী রায় কোন উন্নয়ন করেনি। পানীয় জল, বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাটের কোন উন্নয়ন হয়নি। তাই আমরা উনাকে বিজেপির পতাকা দেখিয়ে গ্রামে সম্বর্ধনা জানালাম। আর এখানকার যিনি বিজেপি নেতা রয়েছেন সেই রাজেশ মণ্ডল শুধু ঝামেলা লাগানোর চেষ্টা করে চলেছেন।শেখ সাবের আলি বলেন, আমরা তৃণমূল করে কোন উন্নয়ন পায়নি। শুধু লাথি খেয়েছি। আর একাধিক মামলায় জর্জরিত হয়েছি। সেই মামলা আজ আমাদের চালাতে হচ্ছে। গুনতে হচ্ছে মোটা টাকা। আমরা মসজিদের সামনে একটা বাতিস্তম্ভ এবং জলের ব্যবস্থা করার আবেদন করেছিলাম। কিন্তু কোন লাভ হয়নি।শতাব্দী রায় বলেন, মজার বিষয় হল যারা বিজেপির পতাকা ধরেছিল তাদের অধিকাংশ বাচ্চা। যারা বিজেপি, তৃণমূল বানানটাও লিখতে পারবে না। আলোর যে অভিযোগ করছে সেটা আমার কাছে জানায়নি। জানালে অবশই আলোর ব্যবস্থা করে দিতাম। আর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির পতাকা ধরাটা অনেকটা প্রেমিকের সঙ্গে রাগ করে অন্য মেয়ের সঙ্গে ঘুরে জেলাসি ফিল করানোর মতো। তবে তাতে খুব একটা কাজ করবে না। স্থানীয় নেতারা কর্মীদের গুরুত্ব দেন না, এপ্রসঙ্গে শতাব্দী বলেন, সবাই সম্মান আশা করে। আমার আসার আগে নেতারা কেন গ্রামবাসীদের সঙ্গে বসেনি সেটা বলতে পারব না। যদি না বসে সেটা নেতাদেরভুল হয়েছে।বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর বলেন, উন্নয়নের কারণেই মানুষ বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। গ্রামবাসীরা ব্যাঙ্গ করে উন্নয়নের কথা বলেছেন। গ্রামে গ্রামে শুধুই অনুন্নয়নের ছবি। এক কথায় রাজনীতিটা সিনেমা নয়। এখানে পার্ট টাইম জব করলে মানুষের উন্নয়ন করা যায় না। তাই আমি চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে এসেছে। আমরাও অনুন্নয়নের তালিকা তৈরি করছি। জিতলে ওই সমস্ত এলাকা ধরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন করব।

এপ্রিল ১৭, ২০২৪
রাজ্য

শতাব্দী রায়ের সভাতে তৃণমূল কর্মী-রাই সরব পরিশ্রুত পানীয় জলের দাবীতে, মিডিয়াকে তোপ বিদায়ী সাংসদের

এবার পরিশ্রুত পানীয় জলের দাবীতে শতাব্দী রায়ের সভাতেই সরব হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন কর্মী। ঘটনাটি বীরভূমের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের খড়বোনা গ্রামে। বৃহস্পতিবার ওই এলাকায় শতাব্দী রায়ের নির্বাচনী কর্মীসভা ছিল। মঞ্চ থেকে শতাব্দী রায় যখন কর্মীদের কাছ থেকে বুথের ভোটের হিসেব নিচ্ছিলেন সেই সময় রদিপুর গ্রামের গোপাল মণ্ডল কর্মী শতাব্দী রায়কে বলেন, কলে যে জল পাওয়া যাচ্ছে, সেই জল খাওয়া যাচ্ছে না। প্রায় এক কিলোমিটার দূর থেকে পানীয় জল নিয়ে আসতে হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীর এই অভিযোগ ঢাকা দেওয়ায় জন্য ওই এলাকার জহরুল সেখ নামে এক তৃণমূল নেতা বলতে শুরু করেন পরিশ্রুত পানীয় জলের জন্য টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ট্রেন্ডার ও হয়েছে কিন্তু ওয়ার্কঅর্ডার না পাওয়ায় কাজ শুরু হচ্ছে না। কর্মীদের এই সরব হওয়ার বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের ওপরেই তোপ দাগলেন শতাব্দী রায়। তিনি বলেন, এটাই মিডিয়া দেখাবে। দশটা কাজের মধ্যে নটা ভালো বললে মিডিয়া সেটা দেখাবে না। একটা খারাপ বললেই সেটাই দেখাবে।

এপ্রিল ১২, ২০২৪
রাজ্য

"টাকা দাও, ভোট নাও", প্রচারে বেরিয়ে শুনতে হল শতাব্দী রায়কে

টাকার বিনিময়ে ভোট। নেতারা টাকা পাচ্ছে তাই তাঁরাও টাকা চাইছে। বলছেন বীরভূমের মহম্মদ বাজারের মহিলা ভোটাররা।টাকা না দিলে ভোট দেব না। প্রচারে বেরিয়ে গ্রামের প্রবীণ মহিলাদের কাছে এমনই কথা শুনতে হল বীরভূম লোকসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শতাব্দী রায়কে। সেই সঙ্গে গ্রামের বাসিন্দারা না পাওয়ার ক্ষোভ উগরে দেন প্রাক্তন সাংসদকে কাছে পেয়ে। শনিবার বীরভূমের মহম্মদবাজার ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচার চালান তৃণমূলের শতাব্দী রায়।এদিন বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে লাউতোর গ্রামে। সেখানে তিনবারের প্রাক্তন সাংসদকে কাছে পেয়ে না পাওয়ার ক্ষোভ উগড়ে দেন গ্রামবাসীরা। এরই মধ্যে কয়েকজন মহিলা শতাব্দীকে বলেন টাকা না পেলে ভোট দেব না। কনেজা বিবি বলেন, ভোট দিতে হলে টাকা দিতে হবে। নেতারা ভোটে জিতে নিজেদের পকেট ভরছে। আমরা কিছু পাচ্ছি না। ঘর পায়নি। কোন সাহায্য পায়নি। গ্রামের তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি। তাই এবার ভোট নিতে গেলে টাকা দিতে হবে।এই প্রসঙ্গে শতাব্দী রায় বলেন, উনি কত বড় ভোটার জানি না। উনি ভারতের কত গণতন্ত্র বোঝেন, জানি না। এপ্রশ্নের উত্তর আমি দেব না। তবে যারা না পাওয়ার অভিযোগ করছেন সেটা পঞ্চায়েতের কাছে জানতে চাইব।

এপ্রিল ০৬, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

ঊড়িষ্যার প্রোজেক্টে পৃথার অভিষেক

বাঙালি অভিনেত্রীর এবার ঊড়িষ্যা পাড়ি! হ্যাঁ, ঠিক শুনেছেন, অভিনেত্রী, মডেল পৃথা দাস এবার উড়িয়া ইন্ডাস্ট্রিতে অভিনয় করছেন। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তার জনপ্রিয় মিউজিক ভিডিও জমুনা জিবাকু মতে হইচি মনা।উড়িয়া ইন্ডাস্ট্রি এর এক নামজাদা প্রোডাকশান থেকে মুক্তি পেয়েছে এই মিউজিক ভিডিওটি। পুরোপুরি ভিন্ন লুকে দেখা গিয়েছে অভিনেত্রী পৃথা দাস কে এই মিউজিক ভিডিও তে। একদম উড়িয়া কমার্শিয়াল মিউজিক ভিডিও হিসাবে মুক্তি পেয়েছে এই গানটি। ভিডিওটির শ্যুটিং হয়েছে উড়িষ্যাতে।অভিনেত্রী পৃথা দাস জানান একটা অন্যরকম অনুভূতি এই প্রোডাকশন হাউসের সাথে কাজ করা। খুব প্রফেশনাল, খুব সাপোর্টিভ পরিচালক, প্রযোজক, পুরো ইউনিট। প্রচন্ড ভালো লাগছে এমন একটা টিমের সাথে কাজ করে। আশা করছি আরো ভালো কাজ আমার দর্শকদের উপহার দিতে পারবো।

মার্চ ২৫, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

মাত্র ২৪-এ চলে গেলেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা, ২০ দিনের যাবতীয় লড়াই শেষ

অবশেষে জীবনযুদ্ধে হার মানতে হল অভিনেত্রীকে। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই চলে গেলেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা। ২০ দিন ধরে তিনি ভর্তি ছিলেন হাওড়ার হাসপাতালে। হাসপাতালে সর্বক্ষণ ছিলেন সব্যসাচী চৌধুরী, রয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁর মা।গতকাল রাতে টানা ১০ বার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে ঐন্দ্রিলার। ২০ দিন আগে অভিনেত্রীর স্ট্রোক করায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর আগে ২০১৫-তে বোন ম্যারো ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন ঐন্দ্রিলা। দিল্লিতে সেই সময় কেমো থেরাপি চলেছিল। ২০১৬-তে সুস্থ হন তিনি। ক্যানসারকে হারিয়ে দিব্যি অভিনয় করছিলেন। এরপর ২০২১-এ ডান ফুসফুসে টিউমার ধরা পড়েছিল। শেষমেশ হার মানলেন ঐন্দ্রিলা। এদিন ১২টা ৫৯ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে টলিউডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নভেম্বর ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সঙ্কটজনক ঐন্দ্রিলা শর্মা, ভেন্টিলেশনে মরণ-বাঁচন লড়াই অভিনেত্রীর

এর আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা। মন শক্ত করে লড়াই করে আটকে দিয়েছেন ক্যান্সারকে। ফিরেছেন অভিনয়ে। মঙ্গলবার রাতে ফের গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ঐন্দ্রিলা শর্মা। হাওড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এই মুহূর্তে। জানা গিয়েছে, হঠাৎই স্ট্রোক করে মাথায় রক্ত জমাট বেধে গিয়েছে অভিনেত্রীর। তাঁকে রাখা হয়েছে ভেন্টিলেটরে। শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক বলে খবর।ভোলে বাবা পার করেগা-তে অনির্বাণ চক্রবর্তীর মেয়ের চরিত্রে দেখা অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল জীবনযুদ্ধে লড়াকু অভিনেত্রীকে। ভাগাড় সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। ক্যান্সারের সময় লড়াইতেও পাশে ছিলেন তাঁর প্রেমিক সব্যসাচী চক্রবর্তী। এখনও তিনি পাশেই আছেন। জানা গিয়েছে, স্ট্রোকের ফলে শরীরের একদিক অসার হয়ে পড়েছে। ৪৮ ঘন্টা না গেলে কিছু বলতে পারছেন না চিকিৎসকরা।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

দশমীতে বাপের বাড়িতে সিঁদুর খেলায় মাতলেন অভিনেত্রী শুভশ্রী

বিজয়া দশমীতে বর্ধমানের বাড়িতে দেবী দুর্গাকে বরণ করলেন চলচিত্র অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী। দশমীর দুপুরে কলকাতা থেকে স্বামী বিশিষ্ট চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী ও ছেলে ইউহানকে সঙ্গে নিয়ে বর্ধমানে বাজেপ্রতাপপুরে বাবার বাড়িতে আসেন অভিনেত্রী। বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীকে দেখা যায় আত্মীয়দের সঙ্গে সেলফি তুলতে। ঢাকের কাঠি হাতে নিয়ে ঢাক বাজানোর চেষ্টাও করেন বিধায়ক। শুভশ্রী গাঙ্গুলীর দেবী দুর্গাকে বরণ করার গোটা দৃশ্য মোবাইল বন্দী করেন স্বামী রাজ চক্রবর্তী। পরিবারের সদস্যদের সাথে এদিন সিঁদুর খেলেন অভিনেত্রী। সিঁদুর খেলতে দেখা যায় স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গেও। অতঃপর দেবীর বিদায় বেলায় পরিবারের সদস্যদের সাথে একসাথে নাচতে দেখা যায় টলিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলীকে।

অক্টোবর ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এবং নন্দনে শ্রীলেখা, এবার সদর্পে নিজের ছবি নিয়ে উপস্থিত হবেন

অবশেষে নন্দনে শ্রীলেখা, তাও আবার নিজের প্রযোজিত ছবি নিয়ে। বারবার তিনি নন্দন-র নন্দনদের দাপাদাপি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। কিছুদিন আগে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবে তাঁকে আমন্ত্রণ না জানানো নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। চলচ্চিত্র উৎসবকে রাজনীতির প্রেক্ষাপট বানানো নিয়ে তিনি প্রতিবাদ জানান। উল্লেখ্য, নন্দনে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবের সময় তাঁর ছবির পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি কোনও এক আজানা কারণে।কলকাতা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত অনেকেই আড়ালে মেনে নিয়েছিলেন, ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা যা কিনা কলকাতার ওপর আধারিত সেই ছবিটি উৎসবে অবশ্যই দেখানো উচিত ছিল। শ্রীলেখা অপমানিত বোধ করেছিলেন। কেউ কেউ মনে করেছেন, যে অভিনেত্রী ভেনিসে, নিউ ইয়র্কে সমাদৃত তাঁর কি বা যায় আসে কলকাতাতে উপেক্ষা করলে। কিন্তু কিছু চলচ্চিত্র সমলোচক মনে করেন, হ্যাঁ আসে। তাঁদের মতে, যখন অযোগ্যরা মঞ্চ দাপিয়ে বেড়ায় তখন অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তিদের কিছু এসে যায়। শ্রীলেখা এ ব্যাপারে অনেকবারই দুঃখপ্রকাশ করেছেন।কিছুদিনের মধ্যে ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা মেলবোর্নের ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যাবে। সেখানে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, বিদ্যা বালন, আলিয়া ভাট ও শেফালি শাহদের সঙ্গে তিনিই একমাত্র বাঙালি অভিনেত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। পুরষ্কারের কোনও ঘোষণা এখনও হয়নি। কে বিজয়ী হবেন সে সমন্ধে এখনও কোনও খবর প্রকাশ হয়নি। কিন্তু আন্তর্জাতিক মঞ্চে বলিউডের নামজাদা নায়িকাদের সঙ্গে মনোনীত হওয়া অবশ্যই কৃতিত্বের, একথা শ্রীলেখার চরমতম সমলোচক-ও স্বীকার করবেন।সেই সাফল্যের রেশ টেনে নন্দনের ফ্লোরে পা দেবেন শ্রীলেখা। যে নন্দন তাঁকে কোনও কারণ ছাড়াই ব্রাত্য রেখেছে, সেই নন্দনে তাঁর নিজের ছবি নিয়ে উপস্থিত হচ্ছেন শ্রীলেখা। আগামিকাল, বৃহস্পতিবার নন্দনে তাঁর প্রযোজিত, পরিচালিত ও অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি এবং ছাদ প্রদর্শিত হবে। ইতিমধ্যে ছবিটি সাউথ এশিয়ান শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মনোনীত হয়েছে। ফেস্টিভ্যালের জুরি মেম্বাররা ছবিটি দেখানোর জন্য নন্দনকেই বেছে নিয়েছেন। যার পরিণাম শ্রীলেখাকে সেখানে উপস্থিত থাকতে হবে। নন্দন প্রেক্ষাগৃহ-৩ এ ছবিটি স্ক্রিনিং হবে।এবং ছাদ শ্রীলেখার প্রযোজিত প্রথম ছবি। প্রযোজনা সংস্থা পসাম প্রোডাকশনস চারটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির অংশ জুড়ে একটি পূর্ণ দৈর্ঘের অ্যান্থোলজি ছবি তৈরি করছেন। শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে এই ছবিগুলির জন্য ফাইন্যান্সার খোঁজার কথা জানিয়েছেন। এখনও সেই ভাবে কাউকে পাননি, তা নিয়েও তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।শ্রীলেখার তাঁর সামাজিক মাধ্যমে আরও জানিয়েছেন যে, আগামিকাল ৪ আগস্ট তিনি নন্দনে যাবেন। সসম্মানে! নিজের ছবি দেখবেন। জুরিরা তাঁর ছবি এবং ছাদ দেখবেন। তাঁর সামাজিক মাধ্যমে সদর্প ঘোষণায় এটুকু আন্দাজ করাই যায় তিনি যথেষ্ট উত্তেজিত কালকের নন্দন অভিযানে। যেখানে তিনি কারুর আনুগ্যতে নয় যোগ্যতায় হাজির থাকবেন বলে মনে করেন শ্রীলেখা। বন্যেরা বনে সুন্দর-শিশুরা মাতৃ ক্রোড়ে আর চলচিত্র শিল্পীরা নন্দনে। আশা করাই যায় কালকের অপেক্ষায় আজকের রজনী বিনিদ্র যাপন করবেন শ্রীলেখা।

আগস্ট ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মডেলিং থেকে অভিনয়ে পা অভিনেত্রী উপাসনা ঘরুই

মডেলিং জগতে বেশ জনপ্রিয় নাম উপাসনা ঘরুই। বিভিন্ন ব্যান্ডের শ্যুটে দেখা গিয়েছে তাকে। বেশ জনপ্রিয়তার শিখরে উপাসনা ঘরুই। কলকাতা শহর ও মুম্বই শহরে দেখা গিয়েছে তাকে নানান শ্যুটিং এ।তবে এবার তার মডেলিং থেকে অভিনয় জীবনে পা। খুব তাড়াতাড়ি তার নতুন ছবির শ্যুটিং শুরু হবে। কলকাতা শহরে হবে নতুন ছবির শ্যুটিং। তবে ছবির গল্প নিয়ে উপাসনা এখনই সেরকম কিছু জানাতে চান না।এর আগে মিউজিক ভিডিওতে দেখা গিয়েছে উপাসনা ঘরুই কে। তবে অভিনেত্রী উপাসনা ঘরুই জানান, এই মুহূর্তে আমি সিনেমা করতে চাই। ভালো চরিত্রে অভিনয় করতে চাই।

জুলাই ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালো অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন পায়েল

পায়েল রায়। দুবছর ধরে অভিনয় করছেন। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে আড্ডাটাইমস এ রিঙ্গো ব্যানার্জি পরিচালিত কার্মা, সায়ন দাসগুপ্তর লিপলক। সম্প্রতি অংশুমান ব্যানার্জির লার্জ পেগ ওয়েব সিরিজের কাজ শেষ করেছেন। এছাড়া তাপসী রায় পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি অন্তর্ধান এ অভিনয় করে দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়েছেন। বর্তমানে পায়েল তার প্রথম মেগা বউমা একঘর এর শুটিং-এ ব্যস্ত। এখানে মেজো বউদির চরিত্রে তাকে দেখতে পাচ্ছেন দর্শকরা। অভিনয় জীবনে প্রথম মেগা তাই পায়েলের মধ্যে রয়েছে আলাদা উন্মাদনা।অভিনয়ের পাশাপাশি পায়েল সানলাইটের অ্যাড শুট ও করেছেন। পায়েল জানিয়েছেন তিনি টলিউডের মেগাস্টার জিৎ এর এলাকায় বড় হয়েছেন। তাই তার মধ্যে জিৎ কে নিয়ে আলাদা ফ্যান্টাসি রয়েছে।মেগার ছাড়াও নতুন কাজেও দেখা যাবে পরিশ্রমী এই অভিনেত্রীকে। আগামী দিনে বড়পর্দাতেও নিজেকে দেখতে চান তিনি।

জুন ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

একই মঞ্চে শ্রীলেখা-তসলিমা

দুজন দুই জগতের বাসিন্দা হলেও তাদের ব্যক্তিত্বে অনেকটাই মিল রয়েছে। দুজনেই স্পষ্টভাষী। সোশ্যাল মিডিয়া দেখলেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের বিতর্ক পিছু ছাড়ে না। এই দুজনের মধ্যে একজন হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী, আর একজন জনপ্রিয় লেখিকা। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র এবং লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সম্প্রতি দিল্লিতে হঠাৎ দেখা দুজনের। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন শ্রীলেখা। লে রিদম নামের সংস্থার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে হাজির ছিলেন শ্রীলেখা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তসলিমা নাসরিনও। সেখানেই দুজনের আলাপ। অনুষ্ঠানে খুব বেশি কথা হয়েছে তেমনটা নয় তবে শ্রীলেখার কথায় খুব কম বয়সেই তসলিমার লজ্জা, আমার মেয়েবেলা পড়েছিলেন, স্বভাবতই তসলিমার লেখনী মুগ্ধ করেছিল তাঁকে। শ্রীলেখার কথায়, এত সাহসী কলম! ওঁর উপস্থিতিও ওঁর লেখার মতোই উজ্জ্বল! লে রিদম নামের এই সংস্থা অসহায়, দুস্থ নারীদের স্বনির্ভর করার জন্য নিয়মিত কাজ করে চলেছে। প্রান্তিক নারীদের পায়ের তলায় শক্ত জমি জোগানোর এই উদ্যোগে এবার শামিল শ্রীলেখা, তসলিমারাও। দুস্থ নারীদের পড়াশোনা, নাচ-গানের পাশাপাশি অভিনয়েরও পাঠও দেবেন শ্রীলেখা, যাতে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে পারে ওরা।

মে ৩১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিনয় দক্ষতায় পরিচিত তৈরি করছেন টলিউডের নতুন শুভশ্রী

টলিউডে শুভশ্রী মানেই প্রথমে আসবে সবার প্রিয় শুভশ্রী গাঙ্গুলী। কিন্তু শুভশ্রী গাঙ্গুলী ছাড়াও আরেক শুভশ্রী ধীরে ধীরে নিজের পরিচিতি তৈরি করছে। এই শুভশ্রী হল শুভশ্রী কর। বর্ধমানে সৌন্দর্যের প্রতিযোগিতায় জিতে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে ২০১৭ সালে কলকাতায় পা রাখে শুভশ্রী। কলকাতায় নিজের পরিচিতি তৈরি করে শুভশ্রী এখন সিনেমায় নিজের নাম তৈরি করেছে। সদ্য মুক্তি পাওয়া তিরন্দাজ শবর এ যমুনা-র চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন ছুঁয়েছেন শুভশ্রী। পরিচালক অরিন্দম শীল কে নিয়ে শুভশ্রী জানিয়েছেন, অডিশন দেওয়ার পর আমি দাদার সঙ্গে দেখা করি। যখন দেখলাম যে অডিশনে আমাকে সিলেক্ট করা হয়েছে তখন কনফিডেন্স একটু বেড়ে যায়। সেরকম ভয় কিছু লাগেনি। আগামী দিনে অরিন্দম শীলের পরিচালনায় মায়াকুমারী তে দেখা যাবে শুভশ্রী কে। এই ছবির চরিত্র নিয়ে এখনই সেরকম কিছু বলতে চান না তিনি। মায়াকুমারী ছাড়াও একটি ওয়েব সিরিজেও দর্শকরা শুভশ্রী কর কে দেখতে পাবেন। শুভশ্রীর মডেলিং থেকে অভিনয় প্রতি মুহূর্তে পাশে পেয়েছেন তার মা কে। তখনই বিপদে পড়েছেন মা বটগাছের মতো আগলে রেখেছেন। শুভশ্রীর জন্য তার আপকামিং জার্নির জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।

মে ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিনয় দক্ষতায় নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন পায়েল দেবনাথ

টলিউডে এখন মডেল ও অভিনেত্রী পায়েল দেবনাথ অভিনয় দক্ষতায় তার পরিচিতি তৈরি করছেন। মডেল হিসাবে অ্যাওয়ার্ড জেতার পর এবার অভিনেত্রী হিসাবে ভালো ভালো কাজ করছেন। স্কুল ও কলেজে নাটক করতে করতেই অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ জন্মায় তার। অভিনেত্রী জানিয়েছেন ২০১৯ থেকে তিনি অভিনয় করছেন। তার আগে মডেলিং করতেন। বর্তমানে চিরদিনি আমি তোমার ও এমএক্স প্লেয়ারে স্বল্পদৈর্ঘ্যের ওয়েব সিরিজ হেডফোন এর শুটিং শেষ হল। এখন লাভ টু লাভ ও ব্যাড লাক-এর শুটিং চলছে। আগামী দিনে নতুন কিছু প্রোজেক্টের কথা চলছে। ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী কে। তবে সেই নিয়ে এখনই কিছু বলতে চান না তিনি। পায়েল দেবনাথ এর জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।

মে ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

দুর্ঘটনার কবলে টলি অভিনেত্রী, আপাতত সুস্থ তিনি ও তাঁর বাবা

দুর্ঘটনার কবলে টলিউড অভিনেত্রী অনন্যা গুহ। বৌবাজার থেকে টালিগঞ্জের স্টুডিওতে শুটিং করতে যাবার সময় অভিনেত্রী ও তাঁর বাবা দুর্ঘটনার সম্মুখীন হন। এসপি মুখার্জি রোডের উপর দিয়ে যাওয়ার সময়ই ঘটে এই দুর্ঘটনা। হুড়মুড়িয়ে একটি বিরাট গাছ ভেঙে পড়ে অনন্যার গাড়ির উপর। দুর্ঘটনার ফলে তাদের গাড়ি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে অনন্যা বা তা বাবা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হননি। তবে এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়ছে। অভিনেত্রী তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, আমি ও আমার বাবা সুস্থ আছি। কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। আমাদের খোঁজ নেওয়ার জন্য সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। ভুয়ো খবর ছড়াবেন না। আমি পুরো সুস্থ আছি। মিঠাই এবং লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টারে অভিনয় করছি।

মে ২৬, ২০২২
নিবন্ধ

আমরা সোস্যাল ট্যবুকে প্রাধান্য দিয়ে কাছের মানুষকে হারাবার ঝুঁকি নিচ্ছি বার বার

সুত্রপাত অনেক আগেই। খুব নিকট অতীতের সাড়াজাগানো উদাহরণ টানতে গেলে সুশান্ত সিং রাজপুত নামটিই প্রথমে মনে আসে। আপাত দৃষ্টিতে তাঁর হয়তো কোন কিছুর-ই অভাব ছিল না। নাম-যশ-অর্থ, আর তার সাথে অফুরন্ত কাজের অফার। কেরিয়ারের উচ্চ শিখরে থাকাকালীন আত্মহননের পথ বেছে নেন তিনি। এখনও পর্যন্ত কোনও তদন্তেই তার কারণ উঠে আসেনি। আরো কিছুটা পিছনে হাঁটলে যাঁর নাম মনে আসে তিনি হলেন সবাক চলচ্চিত্রের অন্যতম পথিকৃৎ গুরু দত্ত। এই সুত্রে বলিউড এ এরপরে আছে আরো বেশ কিছু নাম, যেমন অভিনেত্রী সিল্ক স্মিতা, জিয়া খান, কুলজিত রনধাওয়া, নাফিসা জোসেফ...। হলিউড ও এর ব্যতিক্রম নয়, সেখানেও স্ট্রেস নিতে না পেরে জীবনের সেরা সময়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন অভূতপূর্ব সুন্দরি অভিনেত্রী মেরিলিন মোনরো।সদ্য অতীতে, নিজের মানসিক অবসাদের চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহননের পথ বেছে নিলেন টলিউডের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পল্লবী দে। আমি সিরাজের বেগম টিভি সিরিয়ালে সম্রাট সিরাজদ্দৌলার বেগম লুৎফুন্নিসা চরিত্রে অভিনয় করে লাইম লাইটে আসেন পল্লবী। এহেন সাফল্যতা শিখরে থেকেও, মাত্র পচিশ বছর বয়সে শেষ হয়ে গেল আরো একটি তরতাজা প্রাণ। কার দোষে তিনি মৃত্যুর পথ বেছে নিলেন তা নিয়ে চলছে চাপানউতর, চলবেও আরো কিছুদিন। আর প্রিন্ট, ব্রডকাস্ট এবং সোস্যাল মিডিয়ার শিরোনাম-এ থাকার পর একদিন অতীতে মিলিয়ে যাবে সব জল্পনা-কল্পনা আর আলোচনা। এসবের মাঝে মানসিক অসুস্থতা, তার চিকিৎসা ও নিরাময়ের প্রয়োজনীয়তা এবং তা উপলব্ধের প্রতিশ্রুতিও অনেকই শোনা যাবে ও জানা যাবে টিভির পর্দায়ে ও সংবাদ পত্রে। আর তারপর......? আমাদের স্বল্পমেয়াদী স্মৃতি সবটা ভুলে যাবে, যতদিন না আবার কোনও এক উদীয়মান বা জনপ্রিয় সেলিব্রটি বেছে নিচ্ছেন এই ভয়ানক পরিণতি।সাধারণ মানুষের ভাগ্যে তো বেশীরভাগ সময় মানসিক চিকিৎসার মিথ্যা প্রতিশ্রুতিটুকুও জোটেনা, এ তো আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই বলতে পারি। স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া ছেলেমেয়েরা প্রায়সই অবিভাবকের অজান্তে আসেন আমাদের ক্লিনিকে, হাতখরচ থেকে ফিজ্ দেবেন এমনও জানান। তাঁদের আমরা যথাসম্ভব সাহাজ্য করার চেষ্টা করি, এবং মনে মনে কুর্ণিশ করি এই ছোট্ট মানুষদের সৎ সাহস ও ভালোভাবে বাঁচার ইচ্ছা কে। কত শত মানুষ আজ মানসিক ভাবে ভালো আছেন, জীবনের পথে প্রতিটি বাধা ও বিপত্তির মোকাবিলা করে এগিয়ে চলেছেন, কারন কোনও এক বিপর্যয়ের দিনে তাঁরা আত্মহননের হাতছানিকে পরাস্ত করে এবং সোস্যাল ট্যবু কে উপেক্ষা করে, মানসিক চিকিৎসা (সাইকোথেরাপি ও সাইকোলজিকাল কাউন্সেলিং) বেছে নিয়েছিলেন।আজ যখন মানসিক চিকিৎসা রয়েছে নাগালের মধ্যে, তখন কেন আমরা নিচ্ছি না তার সাহাজ্য? কেন আমরা সোস্যাল ট্যবুকে প্রাধান্য দিয়ে কাছের মানুষকে হারাবার ঝুঁকি নিচ্ছি বার বার। আজকের প্রজন্ম আমাদের থেকে অনেক আলাদা এক পারিপার্শিকতার সম্মুখিন, তাদের পৃথিবী আমাদের ছোটবেলার পৃথিবীর থেকে অনেকটাই আলাদা, তাদের স্ট্রেস লেভল এবং মোকাবিলার সীমা (থ্রেশহোল্ড) ও ভিন্ন। মানসিক সুস্থতাকে তারা যেন শারিরীক সুস্থতার সমান প্রাধান্য দেয় তার ব্যবস্থা আমাদেরই করে দিতে হবে। কোন মনোবিদের সঙ্গে কথা বলার জন্য কেউ যেন এতটুকুও বিব্রত বা লজ্জিত বোধ না করেন। আর কোন পল্লবীকে কোনদিন যেন আমাদের হারাতে না হয়।ডঃ ইন্দ্রানী ব্যানার্জী সারেঙ্গী(ক্লিনিক্যাল সাইকোথেরাপিস্ট)

মে ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতা চলচিত্র উৎসবে 'ব্রাত্য' অভিনেত্রীর আন্তর্জাতিক পুরস্কার বিজয়

বেশ কয়েকদিন আগেই শ্রীলেখা মিত্র সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছিলেন আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ছবি ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ক্যালকাটা তে অভিনয় করে নিউইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রী হিসাবে মনোনীত হয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র। এবার তিনি আরও একটি সুখবর দিলেন।আদিত্যর এই ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে নিউইয়র্ক ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জিতলেন সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার। সকাল সকাল এই খুশির খবরটা তাঁর সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রীলেখা একটি ছবি এবং ভিডিও পোস্ট করেন। ওই পোস্টে সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি। যাঁরা ভালবাসে কিংবা ঘৃণা করে তাঁদের সকলকেই ধন্যবাদ জানান। স্বর্গীয় মা, বাবার কথাও সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে উল্লেখ করেন অভিনেত্রী।কয়েকদিন আগেই কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো। শহর জুড়ে নানান চলচিত্রের ভিড়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে ছোটো বড় মাঝারীদের ভিড়ের কোথাও দেখা মেলেনি এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রীর। শ্রীলেখার অক্ষেপ, হয়ত বা তিনি বাম মনোভাবাপন্ন বলেই তাঁকে আমন্ত্রণ করা হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিনেতা জনতার কথা কে জানান, শিল্পীর পরিচয় তাঁর কাজে, তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শের বিচার রাজনিতীর ময়দানেই হওয়া উচিত।উল্লেখ্য গত বছর ভেনিস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ক্যালকাটা ছবিটি দেখানো হয়েছিল। তখন থেকেই ছবিটি নিয়ে আলোচনা চলছে। শ্রীলেখা সেরা অভিনেত্রী হলেন, সেরা পরিচালকের শিরোপা পেলেন আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত।

মে ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় করিশ্মা কাপুর, কিন্তু হঠাৎ কেন এলেন?

করিনা কাপুর খানের পর এবার বাংলায় পা রাখলেন করিশ্মা কাপুরও। একটি ওয়েব সিরিজের শুটিংয়ে এসেছেন তিনি। এখন বাওয়ালির রাজবাড়িতে চলছে তার শুটিং। অভিনয় দেও-র পরিচালনায় তাঁকে দেখা যাবে ব্রাউন-এ। আর সেটার কাজেই তিনি এখন সিটি অফ জয় তে। এই সিরিজে করিশ্মাকে দেখা যাবে গোয়েন্দার চরিত্রে৷ অন্যান্যদের মধ্যে থাকছেন হেলেন। বাংলা থেকে ব্রাউন-এ কাজ করার কথা রয়েছে খরাজ মুখোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্তের।ব্রাউন-এ তাঁর চরিত্র প্রসঙ্গে করিশ্মা এর আগেই জানিয়েছেন খুব জটিল মানসিকতা রয়েছে ছবিতে। যে কোনও অভিনেতার কাছেই এই কাজ যেমন আকর্ষক, তেমনই চ্যালেঞ্জিং।অভীক বড়ুয়ার লেখা সিটি অব ডেথ-এর অবলম্বনে এই সিরিজের গল্প। এই ওয়েব সিরিজ প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে, আপাতত বাওয়ালির রাজবাড়িতেই চলছে শ্যুট। তবে করিশ্মার কলকাতা শিডিউল বেশ লম্বা। শহরের আরও কিছু আইকনিক জায়গায় শ্যুট করার কথা রয়েছে লোলোর।

মে ১২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

সেবাশ্রয় দুর্নীতি মামলায় বড় স্বস্তি অভিষেকের, ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কড়া পদক্ষেপে হাইকোর্টের নিষেধ

সেবাশ্রয় দুর্নীতি-সহ তিনটি মামলায় আপাতত বড় স্বস্তি পেলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই তিন মামলায় অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর মামলাগুলির পরবর্তী শুনানি হবে।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মোট ১৬টি এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়েছে। সেই এফআইআরগুলিকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। এর আগে পাঁচটি মামলায় রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ। এবার আরও তিনটি মামলায় অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ পেলেন তিনি। ফলে এখনও পর্যন্ত মোট আটটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপে আদালতের সুরক্ষা রয়েছে।নতুন করে যে তিনটি মামলায় রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে দুটি বিষ্ণুপুর থানায় এবং একটি রবীন্দ্রনগর থানায় দায়ের হয়েছিল। জমি সংক্রান্ত দুর্নীতি এবং সেবাশ্রয় দুর্নীতির অভিযোগে ওই মামলাগুলি করা হয়েছিল। সেই মামলাতেই আপাতত অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ না করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুক্রবার শুনানির সময় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাজ্যের তরফে অভিষেককে রক্ষাকবচ দেওয়ার বিরোধিতা করা হয়। রাজ্যের আইনজীবীর বক্তব্য ছিল, মামলার নথি খতিয়ে না দেখে এই ধরনের সুরক্ষা দেওয়া উচিত নয়।এর পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি জানান, অভিষেকের বিষয়ে শুধু এই এজলাসেই নয়, হাইকোর্টের অন্য এজলাসেও বিভিন্ন নির্দেশ হয়েছে। এমনকি বিদেশে যাওয়ার অনুমতিও তাঁকে দেওয়া হয়েছে। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, গত মে মাস থেকে অভিষেকের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলি শুনতে গিয়ে অন্য মামলার জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাঁকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ দেওয়া হল।এর আগে সই জাল সংক্রান্ত মামলাতেও অভিষেকের রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সেই সুরক্ষা আগামী নভেম্বর পর্যন্ত রয়েছে। পাশাপাশি আমতলায় অভিষেকের দলীয় কার্যালয় ভাঙার ক্ষেত্রেও স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি নিয়েও অভিষেককে আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট শর্তসাপেক্ষে তাঁকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু তার পরেই তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হওয়ায় নতুন জটিলতা তৈরি হয়। সেই বিষয়েও কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করেন অভিষেক।ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার কারণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিল হাইকোর্ট। অনলাইনে কেওয়াইসি করা সম্ভব হলে অভিষেককে কেন সশরীরে ব্যাঙ্কে যেতে হবে, সেই প্রশ্ন করেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। পরে বাড়িতে গিয়ে কেওয়াইসি আপডেট করার নির্দেশও দেওয়া হয়।সব মিলিয়ে একের পর এক মামলায় আদালতের রক্ষাকবচ পাওয়ায় আপাতত স্বস্তিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া বাকি মামলাগুলির আইনি লড়াই এখনও জারি রয়েছে।

আগস্ট ২১, ২০২৬
দেশ

ছররা গুলির ঘটনায় এফআইআর চেয়ে থানার সামনে রাহুল, কয়েক ঘণ্টার নাটকীয়তার পর বড় মোড়

রাজধানী দিল্লিতে ছররা গুলি চালানোর অভিযোগকে কেন্দ্র করে শুক্রবার নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হল। আহত এক যুবককে সঙ্গে নিয়ে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় হাজির হন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। তাঁর দাবি ছিল, গত ২০ জুলাই ছাত্রদের সংসদ চলো অভিযানের সময় র্যাফের ছররা গুলি চালানোর ঘটনায় এফআইআর দায়ের করতে হবে।শুক্রবার সকালে আহত যুবক সাহিল লোচাবকে সঙ্গে নিয়ে থানায় পৌঁছন রাহুল। আচমকা তাঁকে থানায় দেখে আধিকারিকদের মধ্যেও চাঞ্চল্য ছড়ায়। রাহুলের অভিযোগ, ছাত্র আন্দোলনের সময় ছররা গুলি চালানো হয়েছিল। সেই ঘটনায় কার নির্দেশে গুলি চালানো হয়েছিল, তা তদন্ত করে প্রকাশ্যে আনার দাবি দীর্ঘদিন ধরেই জানিয়ে আসছেন তিনি।থানায় গিয়ে এফআইআর দায়ের করার দাবি জানান রাহুল। অভিযোগ, প্রথমে পুলিশ এফআইআর দায়ের করতে রাজি হয়নি। এর পর থানার বাইরে আহত যুবককে সঙ্গে নিয়ে ধর্নায় বসে পড়েন কংগ্রেস সাংসদ। তাঁর বক্তব্য ছিল, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের না হওয়া পর্যন্ত তিনি ধর্না চালিয়ে যাবেন।এই ঘটনার সূত্রপাত গত ২০ জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে। ওই দিন সংসদ অভিযানের সময় র্যাফের ছররা গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। প্রথমে দিল্লি পুলিশ ছররা গুলি চালানোর ঘটনা অস্বীকার করেছিল বলে অভিযোগ। পরে কেন্দ্রীয় রিজ়ার্ভ পুলিশ বাহিনীর তদন্তে ছররা গুলি ব্যবহারের তথ্য উঠে আসে বলে দাবি করা হয়েছে।এর পর থেকেই রাহুল গান্ধী প্রশ্ন তুলছিলেন, আন্দোলনকারী ছাত্রদের উপর ছররা গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল। তাঁর দাবি, এই ঘটনার প্রকৃত সত্য সামনে আসা প্রয়োজন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।এ দিন পুলিশ রাহুলকে জানায়, বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ইতিমধ্যেই উচ্চপর্যায়ের বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেছে। কিন্তু তাতেও নিজের দাবিতে অনড় থাকেন রাহুল। তিনি জানান, ছাত্রদের পাশে তাঁরা রয়েছেন এবং ন্যায়বিচারের দাবি থেকে পিছিয়ে যাবেন না।দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টা থানার সামনে ধর্না চলার পর অবশেষে সাহিল লোচাবের অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর দায়ের করা হয়। ফলে ছররা গুলি চালানোর অভিযোগ নিয়ে দিল্লিতে তৈরি হওয়া টানাপড়েনে আপাতত নতুন মোড় এল।

আগস্ট ২১, ২০২৬
কলকাতা

ক্লাস নাকি জনগণনা? শিক্ষকদের নিয়ে বড় নির্দেশ কলকাতা হাই কোর্টের, কী বললেন বিচারপতি

শিক্ষকদের জনগণনার কাজে ব্যবহার নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ রায়। স্কুলের পঠনপাঠন এবং জনগণনার কাজদুইয়ের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য রাখা হবে, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী, জনগণনার দায়িত্বে থাকা শিক্ষকদের নির্দিষ্ট সময়, দিন ও জায়গা জানিয়ে দিতে হবে। একই সময়ে স্কুলের পঠনপাঠন যাতে ব্যাহত না হয়, তার ব্যবস্থাও করতে হবে।শিক্ষকদের জনগণনার কাজে দায়িত্ব দেওয়া হলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই কাজই তাঁদের কর্তব্য হিসেবে গণ্য হবে। সেই সময়ে তাঁদের শিক্ষকতার কাজ করতে হবে না। তবে জনগণনার দায়িত্ব পাওয়া শিক্ষকরা সেই কাজ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিতে পারবেন না।এর আগে রাজ্য সরকারের একটি নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, স্কুলের পঠনপাঠন যাতে কোনও ভাবেই ব্যাহত না হয়, সেজন্য স্কুলের সময়ের পরে অথবা সপ্তাহান্তে শিক্ষকদের দিয়ে জনগণনার কাজ করানো যেতে পারে। সেই নির্দেশিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছিল। আদালতের প্রশ্ন ছিল, স্কুল ছুটির পর অন্য জায়গায় গিয়ে জনগণনার কাজ করতে হলে শিক্ষকদের বাড়ি ফিরতে কত রাত হবে?এই পরিস্থিতিতে পুরনো নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্কুল শিক্ষা দফতর। নতুন বিজ্ঞপ্তিতে জনগণনার কাজকেও শিক্ষকদের সরকারি দায়িত্ব বা কর্তব্যের অংশ হিসেবে ধরা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফেও আগে জানানো হয়েছিল, শিক্ষকদের এমন ভাবে কাজে লাগাতে হবে যাতে স্কুলের পঠনপাঠন কোনও ভাবেই ব্যাহত না হয়।শুক্রবারের রায়ে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট করে দেন, জনগণনার কাজে শিক্ষকদের ব্যবহার করতে হলে আগে থেকেই তাঁদের নির্দিষ্ট সময়, দিন এবং কাজের জায়গা জানাতে হবে। সেই অনুযায়ী স্কুল কর্তৃপক্ষকে পঠনপাঠন চালু রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। অর্থাৎ জনগণনার কাজের জন্য শিক্ষককে দায়িত্ব দেওয়া হলেও স্কুলের স্বাভাবিক পড়াশোনা বন্ধ রাখা যাবে না।জনগণনার দায়িত্ব পাওয়া শিক্ষকদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের দায়িত্বকেই তাঁদের কর্তব্য হিসেবে গণ্য করা হবে। সেই সময় তাঁদের জনগণনার কাজই করতে হবে। তবে দায়িত্ব পাওয়ার পর কোনও শিক্ষক তা অস্বীকার করতে পারবেন না। ফলে শিক্ষকদের জনগণনার কাজে ব্যবহার নিয়ে তৈরি হওয়া জটিলতায় হাই কোর্টের এই রায়কে গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

আগস্ট ২১, ২০২৬
কলকাতা

৩৭ ঘণ্টা পর যাদবপুরে এফআইআর! বুধবার রাতের ঘটনায় ঠিক কী অভিযোগ জানাল বিশ্ববিদ্যালয়?

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনায় অবশেষে থানায় অভিযোগ দায়ের করল কর্তৃপক্ষ। বুধবার রাতের ঘটনার প্রায় ৩৭ ঘণ্টা পর শুক্রবার সকালে যাদবপুর থানায় এফআইআর করা হয়। একই সঙ্গে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত ও বৃহস্পতিবারের অশান্তির ঘটনায় তদন্তের সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়েছিলেন উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। সেই মতো শুক্রবার তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির তিন সদস্যই অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যুক্ত। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য, বাবা সাহেব আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং আরও এক আধিকারিক।যাদবপুর থানায় দায়ের করা অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বুধবার রাত ১২টার পর কয়েক জন বহিরাগত বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ঢুকেছিলেন বলে অভিযোগ। তাঁদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নম্বর গেটের সিসিটিভি ভাঙার অভিযোগ উঠেছে। এরপর অরবিন্দ ভবনের কোলাপসেবল গেটের সামনে আগুন ধরানোর চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এফআইআরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী ফলক ভাঙার অভিযোগও রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে কারা যুক্ত ছিলেন, তাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া নাকি বহিরাগত, সেই বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানা গিয়েছে।অন্য দিকে, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতীকী ফলক নিয়ে কর্মবিরতিতে বসেছেন অধ্যাপকদের একাংশ। তাঁদের দাবি, ঘটনার সঠিক তদন্ত করতে হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বাংলা বিভাগের অধ্যাপক রাজেশ্বর সিনহা জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এফআইআর দায়েরের সিদ্ধান্তকে তাঁরা প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।তাঁর দাবি, ঘটনার তদন্তে সিসিটিভি ফুটেজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও পড়ুয়া ঘটনায় জড়িত থাকলে তাঁর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আবার বহিরাগতরা জড়িত থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।ফলক ভাঙার ঘটনাতেও পৃথক তদন্তের দাবি উঠেছে। পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনার দাবিও জানিয়েছেন অধ্যাপকদের একাংশ। ফলে এফআইআর দায়ের এবং তদন্ত কমিটি গঠনের পর যাদবপুরের অশান্তির ঘটনায় এবার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ২১, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে নিয়ে অমিত শাহের মুখে এমন কথা! কী বদলেছে বাংলায়, মঞ্চে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজ্যে বিজেপি সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হয়েছে। এই আবহেই উত্তরবঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে এসে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাজের প্রশংসা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সীমান্ত নিরাপত্তা থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য জমি দেওয়াএকাধিক বিষয় তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সমন্বয়ের কথা জানান শাহ।মঞ্চে দাঁড়িয়ে অমিত শাহ বলেন, শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর সীমান্ত সুরক্ষা নিয়ে রাজ্য সরকারের সহযোগিতা পাওয়া সহজ হয়েছে। তাঁর দাবি, প্রয়োজন হলে ফোন করলেই অনুমতি পাওয়া যায়, চিঠি পরে যায়। এই মন্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।শাহ আরও জানান, সরকার গঠনের ৪৫ দিনের মধ্যেই বিএসএফ এবং এসএসবির জন্য ১১২৯ একর জমি দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, এই জমি ২০১৪ সাল থেকেই চাওয়া হচ্ছিল। আরও ২৯ একর জমি দেওয়ার বিষয়েও মুখ্যমন্ত্রী দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান তিনি।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব রয়েছে। বাংলার উন্নয়ন এবং রাজ্যের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয় বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, অনুপ্রবেশ বন্ধ না হলে বাংলা বা দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। সেই কারণে সীমান্তে কাঁটাতারের প্রয়োজন রয়েছে।এই প্রসঙ্গেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সময়ের কথাও টেনে আনেন শাহ। তাঁর দাবি, বিএসএফের জন্য জমি দেওয়ার বিষয়ে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে বারবার আবেদন করা হয়েছিল। এমনকি তিনি নিজে তাঁর দফতরেও গিয়েছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্মতি জানিয়েছিলেন বলে দাবি করলেও শেষ পর্যন্ত জমি দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন শাহ।শাহের কথায়, এসএসবি বা বিএসএফ কোনও রাজনৈতিক দল নয়। দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই দল-মত নির্বিশেষে জওয়ানদের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সুসম্পর্ক থাকা প্রয়োজন।বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের পর ১০০ দিনের সময়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়টি তুলে ধরে অমিত শাহের এই বক্তব্য রাজনৈতিক ভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্ত নিরাপত্তা, অনুপ্রবেশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য জমি দেওয়ার প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা তৈরি করেছে।

আগস্ট ২১, ২০২৬
রাজ্য

রাতে আচমকা বর্ধমানের দুই হাসপাতালে হানা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, কি বললেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়?

পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে জোর দিয়ে এবার রাতে সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শনে নামলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাক্তার শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার রাতে আচমকাই বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছে যান তিনি। তার আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বর্ধমানের বড়শুল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। দুই হাসপাতালেই চিকিৎসা পরিষেবা, পরিকাঠামো, নিরাপত্তা এবং কর্মীদের কাজের পরিবেশ খতিয়ে দেখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।রাত ৯টা নাগাদ বর্ধমান ২ নম্বর ব্লকের বড়শুল ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। আচমকা মন্ত্রীর আগমনে হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি মেডিসিন বিভাগে গিয়ে রোগীদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। চিকিৎসা পরিষেবা ও তাঁদের সমস্যার বিষয়ে খোঁজ নেন। তবে হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পরিস্থিতিতে সন্তুষ্ট হতে পারেননি তিনি। সাফাইকর্মীকে ডেকে নিয়মিত এবং আরও মন দিয়ে পরিষ্কার করার নির্দেশ দেন।এরপর রাত ১০টা নাগাদ আচমকাই বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌঁছে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। জরুরি বিভাগ-সহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন তিনি। রোগী ও তাঁদের পরিজনদের সঙ্গে কথা বলে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে কোনও অভিযোগ রয়েছে কি না জানতে চান। জুনিয়র ডাক্তার, নার্সিং স্টাফ ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। তাঁদের প্রয়োজন, অসুবিধা এবং কাজের পরিবেশ সম্পর্কে খোঁজ নেন।পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে নেতিবাচক কোনও অভিযোগ তিনি পাননি। অধিকাংশ রোগীই পরিষেবা নিয়ে সন্তুষ্ট বলে দাবি তাঁর। তবে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। বিশেষ করে জরুরি বিভাগে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ঘাটতি এবং মহিলা চিকিৎসকদের রেস্ট রুমের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানান। হাসপাতালের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন।নার্সিং স্টাফের ঘাটতি, বিশেষত জরুরি বিভাগে অতিরিক্ত নার্সের প্রয়োজনীয়তার কথাও জানান তিনি। চিকিৎসক ও নার্সদের বসার জায়গা, লেখালেখির প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং বিশ্রামের উপযুক্ত ব্যবস্থা থাকা জরুরি বলে মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, চিকিৎসক-নার্সরা ভালোভাবে কাজ করতে না পারলে রোগী পরিষেবাও ব্যাহত হবে। তাই তাঁদের অভাবের পাশাপাশি আবদারও শুনতে হবে।বর্ধমান মেডিকেল কলেজের সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও মুখ খোলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। কয়েকজন ছাত্রের নম্বর টেম্পারিংয়ের অভিযোগে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে একজনকে আপাতত সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। তদন্ত এখনও চলছে বলেও জানান। থ্রেট কালচার প্রসঙ্গে তাঁর বার্তা, ভয় আউট, ভরসা ইন।অভীক দে-কে ঘিরে অনাময় হাসপাতালকে গ্রামীণ হাসপাতাল হিসেবে দেখিয়ে স্নাতকোত্তরে সুযোগ পাওয়ার অভিযোগ এবং হাজিরা খাতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের তদন্ত চলছে বলেও জানান তিনি। তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দিয়েছে এবং প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত। যোগ্য পড়ুয়াদের বঞ্চিত করে কোনও অনিয়ম হয়ে থাকলে তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্পষ্ট করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

আগস্ট ২১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের প্রস্তুতি কতটা? কলকাতার পরিকাঠামো খতিয়ে দেখল ব্রাজিল

কলকাতায় ব্রাজিল ফুটবল দলের সম্ভাব্য সফর ঘিরে প্রস্তুতি আরও জোরদার। অক্টোবরের শুরুতে ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য ম্যাচের আগে বৃহস্পতিবার কলকাতায় এসে বিভিন্ন পরিকাঠামো সরেজমিনে খতিয়ে দেখল ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন থেকে অনুশীলনের মাঠ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা থেকে ফুটবলারদের থাকার সম্ভাব্য হোটেলসবকিছুই পরিদর্শন করেন তাঁরা।বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ১০ মিনিট নাগাদ সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে পৌঁছয় ব্রাজিলের প্রতিনিধি দল। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত, প্রাক্তন ভারতীয় গোলকিপার সুব্রত পাল এবং রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। প্রথমে অনুশীলনের মাঠ ঘুরে দেখেন প্রতিনিধিরা। এরপর তাঁরা মূল স্টেডিয়ামে গিয়ে ম্যাচ আয়োজনের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখেন।স্টেডিয়াম পরিদর্শনের সময় একাধিক বিষয়ে বিশেষ নজর দেন ব্রাজিলের প্রতিনিধিরা। প্র্যাকটিস গ্রাউন্ড, ড্রেসিংরুম, বাথরুম, গোলপোস্ট এবং মাঠের ঘাসের মান পরীক্ষা করার পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাও খুঁটিয়ে দেখা হয়। অর্থাৎ শুধু ম্যাচ আয়োজনের মাঠ নয়, গোটা পরিকাঠামোই তাঁদের পরিদর্শনের আওতায় ছিল।এর আগে নিউটাউনে ফেডারেশনের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সেও যান প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। সেখানে সম্ভাব্য অনুশীলন ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নেন তাঁরা। এরপর যুবভারতী সংলগ্ন একটি পাঁচতারা হোটেলও পরিদর্শন করা হয়। সেখানে ব্রাজিল দলের থাকার ব্যবস্থা করা সম্ভব কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হয়।ব্রাজিলের প্রতিনিধি দলে ছিলেন জাতীয় দলের জেনারেল সুপারভাইজার Srgio Dimas de Oliveira, প্রশাসনিক আধিকারিক Vinicius Barrozo Costa, মার্কেটিং ও অপারেশন ম্যানেজার Jos Vitor Senatore de Paula Lima, ফিজিওলজিস্ট Guilherme Passos Ramos এবং নিরাপত্তা বিভাগের প্রতিনিধি Bruno Mazzei Reis। কলকাতার বিভিন্ন ব্যবস্থা পরিদর্শনের পর তাঁরা ব্রাজিলে ফিরে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেবেন।সূত্রের খবর, ভারত-ব্রাজিল ম্যাচের আগে ৩০ সেপ্টেম্বরের আশপাশে ব্যক্তিগত বিমানে কলকাতায় আসতে পারে ব্রাজিল দল। অক্টোবরের শুরুতেই যুবভারতীতে টিম ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না রাজ্য সরকার। ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ জানিয়েছেন, ব্রাজিলের বিরুদ্ধে ম্যাচের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো ও পরিষেবা উন্নয়নে সবরকম ব্যবস্থা করা হবে। দর্শকদের বিশ্বকাপ স্তরের ম্যাচের অভিজ্ঞতা দেওয়াই লক্ষ্য। ফলে ব্রাজিলের সম্ভাব্য সফর ঘিরে কলকাতার ফুটবলমহলে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে প্রবল আগ্রহ।

আগস্ট ২১, ২০২৬
রাজ্য

রেললাইনের পাশে মাঠে পড়ে যুবকের দেহ, রহস্য ঘিরে বিরাট চাঞ্চল্য

রঘুনাথগঞ্জের গদাইপুর এলাকায় রেললাইনের ধারের একটি মাঠ থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ওই এলাকায় যুবকের দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃতের নাম ছোটু রবিদাস (২৯)। তাঁর বাড়ি রঘুনাথগঞ্জের বালিঘাটা এলাকায়।স্থানীয়দের নজরে বিষয়টি আসার পর দ্রুত খবর ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে বহু মানুষ জড়ো হন। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।তবে রেললাইনের ধারের ওই মাঠে ছোটু রবিদাস কীভাবে পৌঁছলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়েও তৈরি হয়েছে একাধিক প্রশ্ন। যুবকের মৃত্যু স্বাভাবিকভাবে হয়েছে, নাকি ঘটনার পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি।ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে। মৃত যুবকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলছেন তদন্তকারীরা। ছোটু রবিদাস কখন বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন এবং কীভাবে ওই এলাকায় পৌঁছেছিলেন, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।পুলিশের তরফে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে, রেললাইনের ধারের মাঠে যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই গদাইপুর এবং আশপাশের এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ২৯ বছরের যুবকের মৃত্যুর নেপথ্যে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা জানতে তদন্তের ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আগস্ট ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal