• ১৯ কার্তিক ১৪৩৩, রবিবার ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Actress

রাজনীতি

২১ জুলাইয়ের আগে তৃণমূলে বড় ধাক্কা! কোয়েল মল্লিকের রাজ্যসভা ছাড়া, মণীশ গুপ্তর সরে দাঁড়ানো ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একের পর এক রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হচ্ছে। মদন মিত্রকে নিয়ে বিতর্কের আবহ এখনও পুরোপুরি কাটেনি, তার মধ্যেই রাজ্যসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের সাংসদ কোয়েল মল্লিক। একই সঙ্গে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মণীশ গুপ্ত। ফলে শাসক শিবিরে নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগের পর কোয়েল মল্লিকের বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে আরও কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সাক্ষাতের পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি তিনি রাজনৈতিকভাবে নতুন কোনও সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন? যদিও এখনও পর্যন্ত কোয়েল মল্লিক বা বিজেপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তাই তিনি আদৌ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ঘটনাপ্রবাহকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে।অন্যদিকে, প্রাক্তন আমলা ও তৃণমূলের প্রবীণ নেতা মণীশ গুপ্তও দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও তিনি এখনও তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেননি, তবুও তাঁর এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। বিশেষ করে ২১ জুলাইয়ের মতো বড় কর্মসূচির আগে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দলের জন্য অস্বস্তিকর বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোয়েল মল্লিকের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কোয়েল ভবিষ্যতে রাজ্যকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মতো সক্ষমতা রাখেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর এত দ্রুত রাজ্যসভা থেকে কোয়েলের পদত্যাগ রাজনৈতিক মহলে আরও বেশি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরির ইঙ্গিত মিলছে। শাসক দলের ভেতরে সাংগঠনিক পরিবর্তন, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং বিরোধী শিবিরের তৎপরতাসব মিলিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহ রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে কোয়েল মল্লিকের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান, মণীশ গুপ্তর পরবর্তী পদক্ষেপ কিংবা তৃণমূলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াএসবের দিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৬, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

হার মানলেন মারণ রোগের কাছে, প্রয়াত জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবণী বণিক

সপ্তাহের প্রথম দিনেই টেলিপাড়ায় নেমে এল গভীর শোক। দীর্ঘদিনের মারণ রোগের কাছে হার মানলেন জনপ্রিয় টেলি অভিনেত্রী শ্রাবণী বণিক। ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি। সূত্রের খবর, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়েছিল। সেই কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে সব চেষ্টা ব্যর্থ করে সোমবার হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন শ্রাবণী।শ্রাবণী বণিক বাংলা টেলিভিশনের এক পরিচিত মুখ ছিলেন। লালকুঠি, রাঙা বউ, গোধূলি আলাপ, সোহাগ চাঁদ-সহ একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। বড়পর্দাতেও কাজ করেছেন শ্রাবণী। আলো ও চাঁদের বাড়ি ছবিতে তাঁর অভিনয় নজর কেড়েছিল।জনপ্রিয়তা থাকলেও আর্থিক দিক থেকে খুব সচ্ছল ছিলেন না অভিনেত্রী, এমনটাই জানা যায়। ক্যানসারের চিকিৎসা ছিল অত্যন্ত ব্যয়বহুল। মাসখানেক আগেই শ্রাবণীর ছেলে অচ্যুত সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি আবেগঘন পোস্ট করে মায়ের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, মাকে বাঁচাতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন এবং সকলের সামান্য সাহায্যও তাঁদের কাছে অমূল্য।গত নভেম্বর মাসে সেই আবেদন করা হলেও বছর শেষ হওয়ার আগেই না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন শ্রাবণী বণিক। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ টেলিপাড়া। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন পরিচালক বাবু বণিক। তিনি বলেন, শ্রাবণীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কেবল কাজের ছিল না, তা বন্ধুত্বে পরিণত হয়েছিল। শ্রাবণীর এত দ্রুত চলে যাওয়া তিনি মানতে পারছেন না বলেও জানান। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন তিনি।শ্রাবণী বণিকের প্রয়াণে বাংলা টেলিভিশন জগতে তৈরি হল এক অপূরণীয় শূন্যতা।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

মুনমুনের ভালোবাসায় আপ্লুত শ্রীলেখা! রাজনৈতিক মতাদর্শ ভুলে এ এক অন্য জোট

একঝলকে দেখে মনে হতে পারে শ্রীলেখা মিত্রের মায়ের চরিত্রে মুনমুন সেন! হঠাৎ মেয়ের বাড়িতে এসে ঘর অগোছালো দেখে কোমর বেঁধে পরিপাটি করে ঘর গোছাতে শুরু করলেন। না! এটা কোনও সিনেমার শুটিং নয়। কোনও নাটকের রিহার্সাল-ও নয়। বাস্তবেই এমন ঘটেছে। এবং অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র সেই আবেগঘন দৃশ্য নিজের সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি এই বিরল মুহূর্ত চাক্ষুষ করে অবিভুত।অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র যে ভিডিও শেয়ার করেছেন তাতে দেখা যাচ্ছে, একদা বাংলা সিনেমার হার্টথ্রব সুচিত্রা তনয়া মুনমুন সেন ছাই রঙের ফুলছাপ শাড়ি ও স্লিভলেস ব্লাউজ পরে আঁচল কোমরে গুঁজে পরিপাটি ডাইনিং টেবিলে রাখা মিনারেল ওয়াটারের বোতলগুলি খাট লাগোয়া ছোট টেবিলে গুছিয়ে রাখছেন। মুনমুন বোতলগুলি সরাতে সরাতে বলে ওঠেন, আমি পেটিকোট খুঁজে পাচ্ছি না। মুনমুনের কান্ড দেখে কিংকর্তব্যবিমূঢ় শ্রীলেখা। অভিনেত্রী বলে ওঠেন আমার ঘর গুছিয়ে দিচ্ছেন কে দেখো! এই ভদ্রমহিলা আমার ঘর গুছিয়ে দিচ্ছেন। কোনও মানে হয়! আমি করতেও দিচ্ছি। ভিডিয়ো করছি, তবু গোছাতে নিষেধ করছি না! বলতে বলতে দুজনেই উচ্চস্বরে হেঁসে ওঠেন।কোনও কিছুকে পাত্তা না দিয়ে মুনমুন সেন ঘর গুছিয়েই চলেছেন। শ্রীলেখাও সেই অমূল্য মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করে চলেছেন। সুচিত্রা সেন তনয়া তাঁর ঘর গোছাচ্ছেন, এইসব দেখে শ্রীলেখা তারস্বরে কান্নার ভঙ্গী করে বলে ওঠেন, আমার লজ্জা করছে। ভীষন লজ্জা করছে, কী মিষ্টি মহিলা! কোনও কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না মুনমুনকে। একের পর এক জলের বোতল এনে বিছানার পাশে টেবিলে রাখছেন তিনি। তখন বাধ্য হয়ে শ্রীলেখাই বলেন, এ বার তুমি থামো তো! শুধু জলের বোতলের স্থান পরিবর্তন করেই ক্ষান্ত হননি মুনমুন। এর পর শ্রীলেখার মাতৃসমা মুনমুন হাত দেন শ্রীলেখার কস্টিউম বক্সে। জিজ্ঞেস করে চলেন কোনটা কী। শ্রীলেখাও আন্তরিক ভাবে তার প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর দিতে থাকেন। শ্রীলেখা বলতে থাকেন কোন শাড়ির সঙ্গে কোন গয়না কিনেছেন তিনি। পরিস্থিতি দেখে বোঝা যায়, এটি কোনও হোটেলের ঘরে দৃশ্য।অভিনেত্রীকে যোগাযোগ করা হলেও পাওয়া যায়নি। অনেকেরই ধারনা এই দুই অভিনেত্রী একসঙ্গে কোনও শুটিংয়ে গিয়েছেন! এই ভিডিয়ো শেয়ার করে সমাজমাধ্যমে শ্রীলেখা লিখেছেন, কোনও মানে হয়! এত ভালবাসা নিয়ে কী করি! কেউ দেয়নি।বাম মনোভাবাপন্ন শ্রীলেখার সাথে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মুনমুনের এই আবেগঘন মুহুর্তের পোস্টে অনেকেই আপ্লুত। রাজনৈতিক মতাদর্শ যাইহোক পেশাগত ক্ষেত্রে তার উর্ধে ওঠাটাই কাম্য। চিত্র-বিনোদন জগতে আমরা-ওরা মুলত ওই শিল্পক্ষেত্রের-ই ক্ষতি করছে বলে মনে করেন বিদগ্ধজন। এই আবেগঘন পোস্ট মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়ে সমাজমাধ্যমে। দুই প্রবাদপ্রতিম অভিনেত্রীকে একান্ত ঘরোয়া পরিবেশে এত স্বাভাবিক কথোপকথন দৃশ্য অনুধাবন করে মুগ্ধ আপামোর নেটরসিক। দুজনের একান্ত দৃশ্য যদি কোনও সিনেমার শুটিংয়ের জন্য গিয়ে থাকেন সেই চমকের দিকেই তাকিয়ে দুই অভিনেত্রীর অনুরাগী মহল।

মার্চ ১৫, ২০২৫
রাজ্য

শতাব্দীকে বিজেপি পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ ক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের

আগে বলেছিলেন ফালতু খবর পরিবেশন করা হচ্ছে। এবার গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়ে সাংবাদিকদের অসভ্যতা দেখতে পেলেন বিদায়ী সাংসদ, বীরভূম লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। ক্ষোভের মুখে বার বার মেজাজ হারাচ্ছেন তৃণমূলের তারকা প্রার্থী। অনুব্রতহীন এই নির্বাচনে চড়া রোদে প্রচারে বেরিয়ে ক্ষুব্ধ হচ্ছেন বিদায়ী সাংসদ।এর আগে অধিকাংশ নির্বাচনে ভোট বৈতরণী পার করেছেন দলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। অনুব্রত মণ্ডলের কৌশল এবং হুঙ্কারে চওড়া হাসি হেসেছেন তৃণমূল প্রার্থীরা। কিন্তু এবার অনুব্রতহীন ভোটে একাই পরিশ্রম করতে হচ্ছে প্রার্থীদের। ফলে ক্ষোভের মুখে পড়ে বার বার মেজাজ হারাচ্ছেন শতাব্দী রায়। সোমবার সাঁইথিয়ার বাতাসপুর গ্রামে ক্ষোভের মুখে পড়ে সাংবাদিকদের আঙুল উঁচিয়ে বলেছিলেন ফালতু খবর করছেন। এবার রামপুরহাট বিধানসভার রামপুর পঞ্চায়েতের বাটের বাঁধ গ্রামে। এদিন দুপুরে গ্রামে ঢুকলে বিজেপির পতাকা নিয়ে শতাব্দীকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা পরিস্কার জানিয়ে দেন অনুন্নয়নের কারণেই বিজেপির পতাকা ধরেছেন। গ্রামের বাসিন্দা শেখ মইনুল বলেন, আমরা সবাই তৃণমূল করতাম। কিন্তু ১৫ বছরে আমাদের গ্রামের জন্য শতাব্দী রায় কোন উন্নয়ন করেনি। পানীয় জল, বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাটের কোন উন্নয়ন হয়নি। তাই আমরা উনাকে বিজেপির পতাকা দেখিয়ে গ্রামে সম্বর্ধনা জানালাম। আর এখানকার যিনি বিজেপি নেতা রয়েছেন সেই রাজেশ মণ্ডল শুধু ঝামেলা লাগানোর চেষ্টা করে চলেছেন।শেখ সাবের আলি বলেন, আমরা তৃণমূল করে কোন উন্নয়ন পায়নি। শুধু লাথি খেয়েছি। আর একাধিক মামলায় জর্জরিত হয়েছি। সেই মামলা আজ আমাদের চালাতে হচ্ছে। গুনতে হচ্ছে মোটা টাকা। আমরা মসজিদের সামনে একটা বাতিস্তম্ভ এবং জলের ব্যবস্থা করার আবেদন করেছিলাম। কিন্তু কোন লাভ হয়নি।শতাব্দী রায় বলেন, মজার বিষয় হল যারা বিজেপির পতাকা ধরেছিল তাদের অধিকাংশ বাচ্চা। যারা বিজেপি, তৃণমূল বানানটাও লিখতে পারবে না। আলোর যে অভিযোগ করছে সেটা আমার কাছে জানায়নি। জানালে অবশই আলোর ব্যবস্থা করে দিতাম। আর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির পতাকা ধরাটা অনেকটা প্রেমিকের সঙ্গে রাগ করে অন্য মেয়ের সঙ্গে ঘুরে জেলাসি ফিল করানোর মতো। তবে তাতে খুব একটা কাজ করবে না। স্থানীয় নেতারা কর্মীদের গুরুত্ব দেন না, এপ্রসঙ্গে শতাব্দী বলেন, সবাই সম্মান আশা করে। আমার আসার আগে নেতারা কেন গ্রামবাসীদের সঙ্গে বসেনি সেটা বলতে পারব না। যদি না বসে সেটা নেতাদেরভুল হয়েছে।বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর বলেন, উন্নয়নের কারণেই মানুষ বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। গ্রামবাসীরা ব্যাঙ্গ করে উন্নয়নের কথা বলেছেন। গ্রামে গ্রামে শুধুই অনুন্নয়নের ছবি। এক কথায় রাজনীতিটা সিনেমা নয়। এখানে পার্ট টাইম জব করলে মানুষের উন্নয়ন করা যায় না। তাই আমি চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে এসেছে। আমরাও অনুন্নয়নের তালিকা তৈরি করছি। জিতলে ওই সমস্ত এলাকা ধরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন করব।

এপ্রিল ১৭, ২০২৪
রাজ্য

শতাব্দী রায়ের সভাতে তৃণমূল কর্মী-রাই সরব পরিশ্রুত পানীয় জলের দাবীতে, মিডিয়াকে তোপ বিদায়ী সাংসদের

এবার পরিশ্রুত পানীয় জলের দাবীতে শতাব্দী রায়ের সভাতেই সরব হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন কর্মী। ঘটনাটি বীরভূমের রামপুরহাট ১ নম্বর ব্লকের খড়বোনা গ্রামে। বৃহস্পতিবার ওই এলাকায় শতাব্দী রায়ের নির্বাচনী কর্মীসভা ছিল। মঞ্চ থেকে শতাব্দী রায় যখন কর্মীদের কাছ থেকে বুথের ভোটের হিসেব নিচ্ছিলেন সেই সময় রদিপুর গ্রামের গোপাল মণ্ডল কর্মী শতাব্দী রায়কে বলেন, কলে যে জল পাওয়া যাচ্ছে, সেই জল খাওয়া যাচ্ছে না। প্রায় এক কিলোমিটার দূর থেকে পানীয় জল নিয়ে আসতে হচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীর এই অভিযোগ ঢাকা দেওয়ায় জন্য ওই এলাকার জহরুল সেখ নামে এক তৃণমূল নেতা বলতে শুরু করেন পরিশ্রুত পানীয় জলের জন্য টাকা বরাদ্দ হয়েছে। ট্রেন্ডার ও হয়েছে কিন্তু ওয়ার্কঅর্ডার না পাওয়ায় কাজ শুরু হচ্ছে না। কর্মীদের এই সরব হওয়ার বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের ওপরেই তোপ দাগলেন শতাব্দী রায়। তিনি বলেন, এটাই মিডিয়া দেখাবে। দশটা কাজের মধ্যে নটা ভালো বললে মিডিয়া সেটা দেখাবে না। একটা খারাপ বললেই সেটাই দেখাবে।

এপ্রিল ১২, ২০২৪
রাজ্য

"টাকা দাও, ভোট নাও", প্রচারে বেরিয়ে শুনতে হল শতাব্দী রায়কে

টাকার বিনিময়ে ভোট। নেতারা টাকা পাচ্ছে তাই তাঁরাও টাকা চাইছে। বলছেন বীরভূমের মহম্মদ বাজারের মহিলা ভোটাররা।টাকা না দিলে ভোট দেব না। প্রচারে বেরিয়ে গ্রামের প্রবীণ মহিলাদের কাছে এমনই কথা শুনতে হল বীরভূম লোকসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শতাব্দী রায়কে। সেই সঙ্গে গ্রামের বাসিন্দারা না পাওয়ার ক্ষোভ উগরে দেন প্রাক্তন সাংসদকে কাছে পেয়ে। শনিবার বীরভূমের মহম্মদবাজার ব্লকের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচার চালান তৃণমূলের শতাব্দী রায়।এদিন বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে লাউতোর গ্রামে। সেখানে তিনবারের প্রাক্তন সাংসদকে কাছে পেয়ে না পাওয়ার ক্ষোভ উগড়ে দেন গ্রামবাসীরা। এরই মধ্যে কয়েকজন মহিলা শতাব্দীকে বলেন টাকা না পেলে ভোট দেব না। কনেজা বিবি বলেন, ভোট দিতে হলে টাকা দিতে হবে। নেতারা ভোটে জিতে নিজেদের পকেট ভরছে। আমরা কিছু পাচ্ছি না। ঘর পায়নি। কোন সাহায্য পায়নি। গ্রামের তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি। তাই এবার ভোট নিতে গেলে টাকা দিতে হবে।এই প্রসঙ্গে শতাব্দী রায় বলেন, উনি কত বড় ভোটার জানি না। উনি ভারতের কত গণতন্ত্র বোঝেন, জানি না। এপ্রশ্নের উত্তর আমি দেব না। তবে যারা না পাওয়ার অভিযোগ করছেন সেটা পঞ্চায়েতের কাছে জানতে চাইব।

এপ্রিল ০৬, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

ঊড়িষ্যার প্রোজেক্টে পৃথার অভিষেক

বাঙালি অভিনেত্রীর এবার ঊড়িষ্যা পাড়ি! হ্যাঁ, ঠিক শুনেছেন, অভিনেত্রী, মডেল পৃথা দাস এবার উড়িয়া ইন্ডাস্ট্রিতে অভিনয় করছেন। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তার জনপ্রিয় মিউজিক ভিডিও জমুনা জিবাকু মতে হইচি মনা।উড়িয়া ইন্ডাস্ট্রি এর এক নামজাদা প্রোডাকশান থেকে মুক্তি পেয়েছে এই মিউজিক ভিডিওটি। পুরোপুরি ভিন্ন লুকে দেখা গিয়েছে অভিনেত্রী পৃথা দাস কে এই মিউজিক ভিডিও তে। একদম উড়িয়া কমার্শিয়াল মিউজিক ভিডিও হিসাবে মুক্তি পেয়েছে এই গানটি। ভিডিওটির শ্যুটিং হয়েছে উড়িষ্যাতে।অভিনেত্রী পৃথা দাস জানান একটা অন্যরকম অনুভূতি এই প্রোডাকশন হাউসের সাথে কাজ করা। খুব প্রফেশনাল, খুব সাপোর্টিভ পরিচালক, প্রযোজক, পুরো ইউনিট। প্রচন্ড ভালো লাগছে এমন একটা টিমের সাথে কাজ করে। আশা করছি আরো ভালো কাজ আমার দর্শকদের উপহার দিতে পারবো।

মার্চ ২৫, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

মাত্র ২৪-এ চলে গেলেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা, ২০ দিনের যাবতীয় লড়াই শেষ

অবশেষে জীবনযুদ্ধে হার মানতে হল অভিনেত্রীকে। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই চলে গেলেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা। ২০ দিন ধরে তিনি ভর্তি ছিলেন হাওড়ার হাসপাতালে। হাসপাতালে সর্বক্ষণ ছিলেন সব্যসাচী চৌধুরী, রয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁর মা।গতকাল রাতে টানা ১০ বার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে ঐন্দ্রিলার। ২০ দিন আগে অভিনেত্রীর স্ট্রোক করায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর আগে ২০১৫-তে বোন ম্যারো ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন ঐন্দ্রিলা। দিল্লিতে সেই সময় কেমো থেরাপি চলেছিল। ২০১৬-তে সুস্থ হন তিনি। ক্যানসারকে হারিয়ে দিব্যি অভিনয় করছিলেন। এরপর ২০২১-এ ডান ফুসফুসে টিউমার ধরা পড়েছিল। শেষমেশ হার মানলেন ঐন্দ্রিলা। এদিন ১২টা ৫৯ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে টলিউডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নভেম্বর ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সঙ্কটজনক ঐন্দ্রিলা শর্মা, ভেন্টিলেশনে মরণ-বাঁচন লড়াই অভিনেত্রীর

এর আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা। মন শক্ত করে লড়াই করে আটকে দিয়েছেন ক্যান্সারকে। ফিরেছেন অভিনয়ে। মঙ্গলবার রাতে ফের গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ঐন্দ্রিলা শর্মা। হাওড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এই মুহূর্তে। জানা গিয়েছে, হঠাৎই স্ট্রোক করে মাথায় রক্ত জমাট বেধে গিয়েছে অভিনেত্রীর। তাঁকে রাখা হয়েছে ভেন্টিলেটরে। শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক বলে খবর।ভোলে বাবা পার করেগা-তে অনির্বাণ চক্রবর্তীর মেয়ের চরিত্রে দেখা অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল জীবনযুদ্ধে লড়াকু অভিনেত্রীকে। ভাগাড় সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। ক্যান্সারের সময় লড়াইতেও পাশে ছিলেন তাঁর প্রেমিক সব্যসাচী চক্রবর্তী। এখনও তিনি পাশেই আছেন। জানা গিয়েছে, স্ট্রোকের ফলে শরীরের একদিক অসার হয়ে পড়েছে। ৪৮ ঘন্টা না গেলে কিছু বলতে পারছেন না চিকিৎসকরা।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

দশমীতে বাপের বাড়িতে সিঁদুর খেলায় মাতলেন অভিনেত্রী শুভশ্রী

বিজয়া দশমীতে বর্ধমানের বাড়িতে দেবী দুর্গাকে বরণ করলেন চলচিত্র অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলী। দশমীর দুপুরে কলকাতা থেকে স্বামী বিশিষ্ট চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী ও ছেলে ইউহানকে সঙ্গে নিয়ে বর্ধমানে বাজেপ্রতাপপুরে বাবার বাড়িতে আসেন অভিনেত্রী। বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীকে দেখা যায় আত্মীয়দের সঙ্গে সেলফি তুলতে। ঢাকের কাঠি হাতে নিয়ে ঢাক বাজানোর চেষ্টাও করেন বিধায়ক। শুভশ্রী গাঙ্গুলীর দেবী দুর্গাকে বরণ করার গোটা দৃশ্য মোবাইল বন্দী করেন স্বামী রাজ চক্রবর্তী। পরিবারের সদস্যদের সাথে এদিন সিঁদুর খেলেন অভিনেত্রী। সিঁদুর খেলতে দেখা যায় স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গেও। অতঃপর দেবীর বিদায় বেলায় পরিবারের সদস্যদের সাথে একসাথে নাচতে দেখা যায় টলিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলীকে।

অক্টোবর ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এবং নন্দনে শ্রীলেখা, এবার সদর্পে নিজের ছবি নিয়ে উপস্থিত হবেন

অবশেষে নন্দনে শ্রীলেখা, তাও আবার নিজের প্রযোজিত ছবি নিয়ে। বারবার তিনি নন্দন-র নন্দনদের দাপাদাপি নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন। কিছুদিন আগে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবে তাঁকে আমন্ত্রণ না জানানো নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। চলচ্চিত্র উৎসবকে রাজনীতির প্রেক্ষাপট বানানো নিয়ে তিনি প্রতিবাদ জানান। উল্লেখ্য, নন্দনে কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবের সময় তাঁর ছবির পরিচালক আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি কোনও এক আজানা কারণে।কলকাতা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত অনেকেই আড়ালে মেনে নিয়েছিলেন, ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা যা কিনা কলকাতার ওপর আধারিত সেই ছবিটি উৎসবে অবশ্যই দেখানো উচিত ছিল। শ্রীলেখা অপমানিত বোধ করেছিলেন। কেউ কেউ মনে করেছেন, যে অভিনেত্রী ভেনিসে, নিউ ইয়র্কে সমাদৃত তাঁর কি বা যায় আসে কলকাতাতে উপেক্ষা করলে। কিন্তু কিছু চলচ্চিত্র সমলোচক মনে করেন, হ্যাঁ আসে। তাঁদের মতে, যখন অযোগ্যরা মঞ্চ দাপিয়ে বেড়ায় তখন অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তিদের কিছু এসে যায়। শ্রীলেখা এ ব্যাপারে অনেকবারই দুঃখপ্রকাশ করেছেন।কিছুদিনের মধ্যে ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা মেলবোর্নের ভারতীয় আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যাবে। সেখানে বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন, বিদ্যা বালন, আলিয়া ভাট ও শেফালি শাহদের সঙ্গে তিনিই একমাত্র বাঙালি অভিনেত্রী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। পুরষ্কারের কোনও ঘোষণা এখনও হয়নি। কে বিজয়ী হবেন সে সমন্ধে এখনও কোনও খবর প্রকাশ হয়নি। কিন্তু আন্তর্জাতিক মঞ্চে বলিউডের নামজাদা নায়িকাদের সঙ্গে মনোনীত হওয়া অবশ্যই কৃতিত্বের, একথা শ্রীলেখার চরমতম সমলোচক-ও স্বীকার করবেন।সেই সাফল্যের রেশ টেনে নন্দনের ফ্লোরে পা দেবেন শ্রীলেখা। যে নন্দন তাঁকে কোনও কারণ ছাড়াই ব্রাত্য রেখেছে, সেই নন্দনে তাঁর নিজের ছবি নিয়ে উপস্থিত হচ্ছেন শ্রীলেখা। আগামিকাল, বৃহস্পতিবার নন্দনে তাঁর প্রযোজিত, পরিচালিত ও অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি এবং ছাদ প্রদর্শিত হবে। ইতিমধ্যে ছবিটি সাউথ এশিয়ান শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে মনোনীত হয়েছে। ফেস্টিভ্যালের জুরি মেম্বাররা ছবিটি দেখানোর জন্য নন্দনকেই বেছে নিয়েছেন। যার পরিণাম শ্রীলেখাকে সেখানে উপস্থিত থাকতে হবে। নন্দন প্রেক্ষাগৃহ-৩ এ ছবিটি স্ক্রিনিং হবে।এবং ছাদ শ্রীলেখার প্রযোজিত প্রথম ছবি। প্রযোজনা সংস্থা পসাম প্রোডাকশনস চারটি স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবির অংশ জুড়ে একটি পূর্ণ দৈর্ঘের অ্যান্থোলজি ছবি তৈরি করছেন। শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে এই ছবিগুলির জন্য ফাইন্যান্সার খোঁজার কথা জানিয়েছেন। এখনও সেই ভাবে কাউকে পাননি, তা নিয়েও তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন।শ্রীলেখার তাঁর সামাজিক মাধ্যমে আরও জানিয়েছেন যে, আগামিকাল ৪ আগস্ট তিনি নন্দনে যাবেন। সসম্মানে! নিজের ছবি দেখবেন। জুরিরা তাঁর ছবি এবং ছাদ দেখবেন। তাঁর সামাজিক মাধ্যমে সদর্প ঘোষণায় এটুকু আন্দাজ করাই যায় তিনি যথেষ্ট উত্তেজিত কালকের নন্দন অভিযানে। যেখানে তিনি কারুর আনুগ্যতে নয় যোগ্যতায় হাজির থাকবেন বলে মনে করেন শ্রীলেখা। বন্যেরা বনে সুন্দর-শিশুরা মাতৃ ক্রোড়ে আর চলচিত্র শিল্পীরা নন্দনে। আশা করাই যায় কালকের অপেক্ষায় আজকের রজনী বিনিদ্র যাপন করবেন শ্রীলেখা।

আগস্ট ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মডেলিং থেকে অভিনয়ে পা অভিনেত্রী উপাসনা ঘরুই

মডেলিং জগতে বেশ জনপ্রিয় নাম উপাসনা ঘরুই। বিভিন্ন ব্যান্ডের শ্যুটে দেখা গিয়েছে তাকে। বেশ জনপ্রিয়তার শিখরে উপাসনা ঘরুই। কলকাতা শহর ও মুম্বই শহরে দেখা গিয়েছে তাকে নানান শ্যুটিং এ।তবে এবার তার মডেলিং থেকে অভিনয় জীবনে পা। খুব তাড়াতাড়ি তার নতুন ছবির শ্যুটিং শুরু হবে। কলকাতা শহরে হবে নতুন ছবির শ্যুটিং। তবে ছবির গল্প নিয়ে উপাসনা এখনই সেরকম কিছু জানাতে চান না।এর আগে মিউজিক ভিডিওতে দেখা গিয়েছে উপাসনা ঘরুই কে। তবে অভিনেত্রী উপাসনা ঘরুই জানান, এই মুহূর্তে আমি সিনেমা করতে চাই। ভালো চরিত্রে অভিনয় করতে চাই।

জুলাই ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালো অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন পায়েল

পায়েল রায়। দুবছর ধরে অভিনয় করছেন। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে আড্ডাটাইমস এ রিঙ্গো ব্যানার্জি পরিচালিত কার্মা, সায়ন দাসগুপ্তর লিপলক। সম্প্রতি অংশুমান ব্যানার্জির লার্জ পেগ ওয়েব সিরিজের কাজ শেষ করেছেন। এছাড়া তাপসী রায় পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবি অন্তর্ধান এ অভিনয় করে দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়েছেন। বর্তমানে পায়েল তার প্রথম মেগা বউমা একঘর এর শুটিং-এ ব্যস্ত। এখানে মেজো বউদির চরিত্রে তাকে দেখতে পাচ্ছেন দর্শকরা। অভিনয় জীবনে প্রথম মেগা তাই পায়েলের মধ্যে রয়েছে আলাদা উন্মাদনা।অভিনয়ের পাশাপাশি পায়েল সানলাইটের অ্যাড শুট ও করেছেন। পায়েল জানিয়েছেন তিনি টলিউডের মেগাস্টার জিৎ এর এলাকায় বড় হয়েছেন। তাই তার মধ্যে জিৎ কে নিয়ে আলাদা ফ্যান্টাসি রয়েছে।মেগার ছাড়াও নতুন কাজেও দেখা যাবে পরিশ্রমী এই অভিনেত্রীকে। আগামী দিনে বড়পর্দাতেও নিজেকে দেখতে চান তিনি।

জুন ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

একই মঞ্চে শ্রীলেখা-তসলিমা

দুজন দুই জগতের বাসিন্দা হলেও তাদের ব্যক্তিত্বে অনেকটাই মিল রয়েছে। দুজনেই স্পষ্টভাষী। সোশ্যাল মিডিয়া দেখলেই তার প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের বিতর্ক পিছু ছাড়ে না। এই দুজনের মধ্যে একজন হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী, আর একজন জনপ্রিয় লেখিকা। অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র এবং লেখিকা তসলিমা নাসরিন। সম্প্রতি দিল্লিতে হঠাৎ দেখা দুজনের। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন শ্রীলেখা। লে রিদম নামের সংস্থার অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নয়াদিল্লিতে হাজির ছিলেন শ্রীলেখা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তসলিমা নাসরিনও। সেখানেই দুজনের আলাপ। অনুষ্ঠানে খুব বেশি কথা হয়েছে তেমনটা নয় তবে শ্রীলেখার কথায় খুব কম বয়সেই তসলিমার লজ্জা, আমার মেয়েবেলা পড়েছিলেন, স্বভাবতই তসলিমার লেখনী মুগ্ধ করেছিল তাঁকে। শ্রীলেখার কথায়, এত সাহসী কলম! ওঁর উপস্থিতিও ওঁর লেখার মতোই উজ্জ্বল! লে রিদম নামের এই সংস্থা অসহায়, দুস্থ নারীদের স্বনির্ভর করার জন্য নিয়মিত কাজ করে চলেছে। প্রান্তিক নারীদের পায়ের তলায় শক্ত জমি জোগানোর এই উদ্যোগে এবার শামিল শ্রীলেখা, তসলিমারাও। দুস্থ নারীদের পড়াশোনা, নাচ-গানের পাশাপাশি অভিনয়েরও পাঠও দেবেন শ্রীলেখা, যাতে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে পারে ওরা।

মে ৩১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিনয় দক্ষতায় পরিচিত তৈরি করছেন টলিউডের নতুন শুভশ্রী

টলিউডে শুভশ্রী মানেই প্রথমে আসবে সবার প্রিয় শুভশ্রী গাঙ্গুলী। কিন্তু শুভশ্রী গাঙ্গুলী ছাড়াও আরেক শুভশ্রী ধীরে ধীরে নিজের পরিচিতি তৈরি করছে। এই শুভশ্রী হল শুভশ্রী কর। বর্ধমানে সৌন্দর্যের প্রতিযোগিতায় জিতে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে ২০১৭ সালে কলকাতায় পা রাখে শুভশ্রী। কলকাতায় নিজের পরিচিতি তৈরি করে শুভশ্রী এখন সিনেমায় নিজের নাম তৈরি করেছে। সদ্য মুক্তি পাওয়া তিরন্দাজ শবর এ যমুনা-র চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন ছুঁয়েছেন শুভশ্রী। পরিচালক অরিন্দম শীল কে নিয়ে শুভশ্রী জানিয়েছেন, অডিশন দেওয়ার পর আমি দাদার সঙ্গে দেখা করি। যখন দেখলাম যে অডিশনে আমাকে সিলেক্ট করা হয়েছে তখন কনফিডেন্স একটু বেড়ে যায়। সেরকম ভয় কিছু লাগেনি। আগামী দিনে অরিন্দম শীলের পরিচালনায় মায়াকুমারী তে দেখা যাবে শুভশ্রী কে। এই ছবির চরিত্র নিয়ে এখনই সেরকম কিছু বলতে চান না তিনি। মায়াকুমারী ছাড়াও একটি ওয়েব সিরিজেও দর্শকরা শুভশ্রী কর কে দেখতে পাবেন। শুভশ্রীর মডেলিং থেকে অভিনয় প্রতি মুহূর্তে পাশে পেয়েছেন তার মা কে। তখনই বিপদে পড়েছেন মা বটগাছের মতো আগলে রেখেছেন। শুভশ্রীর জন্য তার আপকামিং জার্নির জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।

মে ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অভিনয় দক্ষতায় নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন পায়েল দেবনাথ

টলিউডে এখন মডেল ও অভিনেত্রী পায়েল দেবনাথ অভিনয় দক্ষতায় তার পরিচিতি তৈরি করছেন। মডেল হিসাবে অ্যাওয়ার্ড জেতার পর এবার অভিনেত্রী হিসাবে ভালো ভালো কাজ করছেন। স্কুল ও কলেজে নাটক করতে করতেই অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ জন্মায় তার। অভিনেত্রী জানিয়েছেন ২০১৯ থেকে তিনি অভিনয় করছেন। তার আগে মডেলিং করতেন। বর্তমানে চিরদিনি আমি তোমার ও এমএক্স প্লেয়ারে স্বল্পদৈর্ঘ্যের ওয়েব সিরিজ হেডফোন এর শুটিং শেষ হল। এখন লাভ টু লাভ ও ব্যাড লাক-এর শুটিং চলছে। আগামী দিনে নতুন কিছু প্রোজেক্টের কথা চলছে। ভিন্ন চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী কে। তবে সেই নিয়ে এখনই কিছু বলতে চান না তিনি। পায়েল দেবনাথ এর জন্য জনতার কথা-র পক্ষ থেকে রইল অনেক শুভেচ্ছা।

মে ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

দুর্ঘটনার কবলে টলি অভিনেত্রী, আপাতত সুস্থ তিনি ও তাঁর বাবা

দুর্ঘটনার কবলে টলিউড অভিনেত্রী অনন্যা গুহ। বৌবাজার থেকে টালিগঞ্জের স্টুডিওতে শুটিং করতে যাবার সময় অভিনেত্রী ও তাঁর বাবা দুর্ঘটনার সম্মুখীন হন। এসপি মুখার্জি রোডের উপর দিয়ে যাওয়ার সময়ই ঘটে এই দুর্ঘটনা। হুড়মুড়িয়ে একটি বিরাট গাছ ভেঙে পড়ে অনন্যার গাড়ির উপর। দুর্ঘটনার ফলে তাদের গাড়ি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে অনন্যা বা তা বাবা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হননি। তবে এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়ছে। অভিনেত্রী তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, আমি ও আমার বাবা সুস্থ আছি। কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। আমাদের খোঁজ নেওয়ার জন্য সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। ভুয়ো খবর ছড়াবেন না। আমি পুরো সুস্থ আছি। মিঠাই এবং লক্ষ্মী কাকিমা সুপারস্টারে অভিনয় করছি।

মে ২৬, ২০২২
নিবন্ধ

আমরা সোস্যাল ট্যবুকে প্রাধান্য দিয়ে কাছের মানুষকে হারাবার ঝুঁকি নিচ্ছি বার বার

সুত্রপাত অনেক আগেই। খুব নিকট অতীতের সাড়াজাগানো উদাহরণ টানতে গেলে সুশান্ত সিং রাজপুত নামটিই প্রথমে মনে আসে। আপাত দৃষ্টিতে তাঁর হয়তো কোন কিছুর-ই অভাব ছিল না। নাম-যশ-অর্থ, আর তার সাথে অফুরন্ত কাজের অফার। কেরিয়ারের উচ্চ শিখরে থাকাকালীন আত্মহননের পথ বেছে নেন তিনি। এখনও পর্যন্ত কোনও তদন্তেই তার কারণ উঠে আসেনি। আরো কিছুটা পিছনে হাঁটলে যাঁর নাম মনে আসে তিনি হলেন সবাক চলচ্চিত্রের অন্যতম পথিকৃৎ গুরু দত্ত। এই সুত্রে বলিউড এ এরপরে আছে আরো বেশ কিছু নাম, যেমন অভিনেত্রী সিল্ক স্মিতা, জিয়া খান, কুলজিত রনধাওয়া, নাফিসা জোসেফ...। হলিউড ও এর ব্যতিক্রম নয়, সেখানেও স্ট্রেস নিতে না পেরে জীবনের সেরা সময়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন অভূতপূর্ব সুন্দরি অভিনেত্রী মেরিলিন মোনরো।সদ্য অতীতে, নিজের মানসিক অবসাদের চাপ সহ্য করতে না পেরে আত্মহননের পথ বেছে নিলেন টলিউডের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পল্লবী দে। আমি সিরাজের বেগম টিভি সিরিয়ালে সম্রাট সিরাজদ্দৌলার বেগম লুৎফুন্নিসা চরিত্রে অভিনয় করে লাইম লাইটে আসেন পল্লবী। এহেন সাফল্যতা শিখরে থেকেও, মাত্র পচিশ বছর বয়সে শেষ হয়ে গেল আরো একটি তরতাজা প্রাণ। কার দোষে তিনি মৃত্যুর পথ বেছে নিলেন তা নিয়ে চলছে চাপানউতর, চলবেও আরো কিছুদিন। আর প্রিন্ট, ব্রডকাস্ট এবং সোস্যাল মিডিয়ার শিরোনাম-এ থাকার পর একদিন অতীতে মিলিয়ে যাবে সব জল্পনা-কল্পনা আর আলোচনা। এসবের মাঝে মানসিক অসুস্থতা, তার চিকিৎসা ও নিরাময়ের প্রয়োজনীয়তা এবং তা উপলব্ধের প্রতিশ্রুতিও অনেকই শোনা যাবে ও জানা যাবে টিভির পর্দায়ে ও সংবাদ পত্রে। আর তারপর......? আমাদের স্বল্পমেয়াদী স্মৃতি সবটা ভুলে যাবে, যতদিন না আবার কোনও এক উদীয়মান বা জনপ্রিয় সেলিব্রটি বেছে নিচ্ছেন এই ভয়ানক পরিণতি।সাধারণ মানুষের ভাগ্যে তো বেশীরভাগ সময় মানসিক চিকিৎসার মিথ্যা প্রতিশ্রুতিটুকুও জোটেনা, এ তো আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই বলতে পারি। স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া ছেলেমেয়েরা প্রায়সই অবিভাবকের অজান্তে আসেন আমাদের ক্লিনিকে, হাতখরচ থেকে ফিজ্ দেবেন এমনও জানান। তাঁদের আমরা যথাসম্ভব সাহাজ্য করার চেষ্টা করি, এবং মনে মনে কুর্ণিশ করি এই ছোট্ট মানুষদের সৎ সাহস ও ভালোভাবে বাঁচার ইচ্ছা কে। কত শত মানুষ আজ মানসিক ভাবে ভালো আছেন, জীবনের পথে প্রতিটি বাধা ও বিপত্তির মোকাবিলা করে এগিয়ে চলেছেন, কারন কোনও এক বিপর্যয়ের দিনে তাঁরা আত্মহননের হাতছানিকে পরাস্ত করে এবং সোস্যাল ট্যবু কে উপেক্ষা করে, মানসিক চিকিৎসা (সাইকোথেরাপি ও সাইকোলজিকাল কাউন্সেলিং) বেছে নিয়েছিলেন।আজ যখন মানসিক চিকিৎসা রয়েছে নাগালের মধ্যে, তখন কেন আমরা নিচ্ছি না তার সাহাজ্য? কেন আমরা সোস্যাল ট্যবুকে প্রাধান্য দিয়ে কাছের মানুষকে হারাবার ঝুঁকি নিচ্ছি বার বার। আজকের প্রজন্ম আমাদের থেকে অনেক আলাদা এক পারিপার্শিকতার সম্মুখিন, তাদের পৃথিবী আমাদের ছোটবেলার পৃথিবীর থেকে অনেকটাই আলাদা, তাদের স্ট্রেস লেভল এবং মোকাবিলার সীমা (থ্রেশহোল্ড) ও ভিন্ন। মানসিক সুস্থতাকে তারা যেন শারিরীক সুস্থতার সমান প্রাধান্য দেয় তার ব্যবস্থা আমাদেরই করে দিতে হবে। কোন মনোবিদের সঙ্গে কথা বলার জন্য কেউ যেন এতটুকুও বিব্রত বা লজ্জিত বোধ না করেন। আর কোন পল্লবীকে কোনদিন যেন আমাদের হারাতে না হয়।ডঃ ইন্দ্রানী ব্যানার্জী সারেঙ্গী(ক্লিনিক্যাল সাইকোথেরাপিস্ট)

মে ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতা চলচিত্র উৎসবে 'ব্রাত্য' অভিনেত্রীর আন্তর্জাতিক পুরস্কার বিজয়

বেশ কয়েকদিন আগেই শ্রীলেখা মিত্র সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছিলেন আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্তর ছবি ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ক্যালকাটা তে অভিনয় করে নিউইয়র্ক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সেরা অভিনেত্রী হিসাবে মনোনীত হয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র। এবার তিনি আরও একটি সুখবর দিলেন।আদিত্যর এই ছবিতে অভিনয়ের সুবাদে নিউইয়র্ক ইন্ডিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জিতলেন সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার। সকাল সকাল এই খুশির খবরটা তাঁর সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্রীলেখা একটি ছবি এবং ভিডিও পোস্ট করেন। ওই পোস্টে সকলকে ধন্যবাদ জানান তিনি। যাঁরা ভালবাসে কিংবা ঘৃণা করে তাঁদের সকলকেই ধন্যবাদ জানান। স্বর্গীয় মা, বাবার কথাও সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে উল্লেখ করেন অভিনেত্রী।কয়েকদিন আগেই কলকাতা আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো। শহর জুড়ে নানান চলচিত্রের ভিড়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে ছোটো বড় মাঝারীদের ভিড়ের কোথাও দেখা মেলেনি এই আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রীর। শ্রীলেখার অক্ষেপ, হয়ত বা তিনি বাম মনোভাবাপন্ন বলেই তাঁকে আমন্ত্রণ করা হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিনেতা জনতার কথা কে জানান, শিল্পীর পরিচয় তাঁর কাজে, তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শের বিচার রাজনিতীর ময়দানেই হওয়া উচিত।উল্লেখ্য গত বছর ভেনিস ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ক্যালকাটা ছবিটি দেখানো হয়েছিল। তখন থেকেই ছবিটি নিয়ে আলোচনা চলছে। শ্রীলেখা সেরা অভিনেত্রী হলেন, সেরা পরিচালকের শিরোপা পেলেন আদিত্য বিক্রম সেনগুপ্ত।

মে ১৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কলকাতায় করিশ্মা কাপুর, কিন্তু হঠাৎ কেন এলেন?

করিনা কাপুর খানের পর এবার বাংলায় পা রাখলেন করিশ্মা কাপুরও। একটি ওয়েব সিরিজের শুটিংয়ে এসেছেন তিনি। এখন বাওয়ালির রাজবাড়িতে চলছে তার শুটিং। অভিনয় দেও-র পরিচালনায় তাঁকে দেখা যাবে ব্রাউন-এ। আর সেটার কাজেই তিনি এখন সিটি অফ জয় তে। এই সিরিজে করিশ্মাকে দেখা যাবে গোয়েন্দার চরিত্রে৷ অন্যান্যদের মধ্যে থাকছেন হেলেন। বাংলা থেকে ব্রাউন-এ কাজ করার কথা রয়েছে খরাজ মুখোপাধ্যায়, যিশু সেনগুপ্তের।ব্রাউন-এ তাঁর চরিত্র প্রসঙ্গে করিশ্মা এর আগেই জানিয়েছেন খুব জটিল মানসিকতা রয়েছে ছবিতে। যে কোনও অভিনেতার কাছেই এই কাজ যেমন আকর্ষক, তেমনই চ্যালেঞ্জিং।অভীক বড়ুয়ার লেখা সিটি অব ডেথ-এর অবলম্বনে এই সিরিজের গল্প। এই ওয়েব সিরিজ প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে, আপাতত বাওয়ালির রাজবাড়িতেই চলছে শ্যুট। তবে করিশ্মার কলকাতা শিডিউল বেশ লম্বা। শহরের আরও কিছু আইকনিক জায়গায় শ্যুট করার কথা রয়েছে লোলোর।

মে ১২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার একেবারে কাছে ভারতের নতুন বিমানঘাঁটি, এবার কী বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে সেনা?

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। গত বছর চালু হয়েছে লাদাখের নোওমা বিমানঘাঁটি। সীমান্তে যে কোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার কথা মাথায় রেখেই বিশেষ ভাবে তৈরি করা হয়েছে এই বিমানঘাঁটি। সেনা সূত্রে খবর, কৌশলগত দিক থেকে ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিমানঘাঁটি।২০২১ সালে এই প্রকল্পে অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। বিমানঘাঁটি তৈরির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ২১৪ কোটি টাকা। অনুমোদন পাওয়ার পরেই শুরু হয় নির্মাণের কাজ। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর অবশেষে গত বছর চালু হয় এই বিমানঘাঁটি।লাদাখের নোওমা অঞ্চল প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছেই অবস্থিত। সেই কারণে এই বিমানঘাঁটির গুরুত্ব অনেকটাই বেশি। সীমান্তে কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত সেখানে পৌঁছতে পারবেন বায়ুসেনার কর্মীরা। পাশাপাশি উত্তর সীমান্তের দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলিতেও সহজে পৌঁছনো সম্ভব হবে।লাদাখের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্থলপথে যাতায়াত বেশ কঠিন। বিশেষ করে প্রতিকূল আবহাওয়া এবং দুর্গম পাহাড়ি রাস্তার কারণে অনেক সময় সেনার কাছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিতে সমস্যা হয়। নোওমা বিমানঘাঁটি চালু হওয়ায় সেই সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, ভারতের উত্তর সীমান্তের নিরাপত্তা এবং সেনার দ্রুত যাতায়াতের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে এই বিমানঘাঁটি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘খুব তাড়াতাড়ি জেলে যাবেন অভিষেক’, কালীঘাটের অশান্তির পর বিস্ফোরক দাবি বিজেপি নেতার!

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তাঁর দাবি, খুব তাড়াতাড়ি জেলে যেতে হতে পারে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। শনিবার কল্যাণীতে সাংসদ কার্যালয়ের উদ্বোধন করতে এসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। কালীঘাটে অভিষেকের বাড়ির সামনে রাতভর উত্তেজনা এবং পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার প্রসঙ্গ উঠতেই এই দাবি করেন শান্তনু।বনগাঁ লোকসভার অন্তর্গত কল্যাণী বিধানসভা। ২০১৯ এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। এত দিন কল্যাণী-সহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সাংসদের সঙ্গে দেখা করতে বা বিভিন্ন কাজের জন্য বনগাঁয় যেতে হত। সেই সমস্যা দূর করতেই কল্যাণীতে নতুন সাংসদ কার্যালয় চালু করলেন তিনি।শনিবার কল্যাণীর নিমতলা এলাকায় একটি শপিং মলের কাছে এই কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন শান্তনু। অনুষ্ঠানে শতাধিক দুঃস্থ ও অসহায় মহিলার হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিশেষ ভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য হুইলচেয়ারও দেওয়া হয়।অনুষ্ঠান শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, নতুন সাংসদ কার্যালয় থেকে এলাকার সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে। এর পরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শান্তনু বলেন, খুব তাড়াতাড়ি গ্রেফতার হতে পারেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, ৭ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার রাত থেকেই কালীঘাটে তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুগামীরা। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীপ্রতিমা নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে দাবি। তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়।অভিযোগ, অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয়। ছিঁড়ে ফেলা হয় তাঁর ব্যানার ও কাটআউট। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দুপক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা।এর পরেই বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। তাঁকে দেখতে পেয়ে ফের স্লোগান দিতে শুরু করেন দুপক্ষের লোকজন। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এলাকায় পুলিশকর্মীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়।অভিষেক কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বাড়ির নীচে বসে পড়েন। নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশ তাঁকে বাড়ির ভিতরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তিনি রাজি হননি। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। অভিষেকের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে।শুক্রবার রাতের ঘটনার রেশ গড়ায় শনিবারেও। দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাতে মাইক নিয়ে দুবার বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন তিনি। বিজেপি ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।এই পরিস্থিতিতে শান্তনু ঠাকুরের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হয়েছে। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারের বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা বা নিশ্চিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

আমার ওপর দিয়ে বুলডোজার চালাতে হবে! অভিষেকের বাড়ির সঙ্গে হুঙ্কার মমতার

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ও হামলার অভিযোগ ঘিরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দুপুরে কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী জোটে থাকার কারণেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে ইচ্ছাকৃত ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। নাম না করে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী।৭ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে শুক্রবার রাত থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুগামীরা। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীপুজোর প্রতিমা আনতে যাচ্ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।অভিযোগ, অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয়। তাঁর ব্যানার ও কাটআউটও ছিঁড়ে ফেলা হয়। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দুপক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা।এর পরেই বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। তাঁকে সামনে দেখে ফের স্লোগান দিতে শুরু করেন দুপক্ষের লোকজন। পাল্টা স্লোগানেও উত্তেজনা বাড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় আরও পুলিশ মোতায়েন করা হয়।অভিষেকও কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে বাড়ির সামনে বসে পড়েন। নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশ তাঁকে বাড়ির ভিতরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তাতে রাজি হননি তিনি। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। অভিষেকের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত শনিবার ভোর ৬টা নাগাদ তিনি বাড়ির ভিতরে যান।এই ঘটনার পর শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা এলাকায় তখন প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। সেখানে দাঁড়িয়েই কালীপুজোর আগে পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতার অভিযোগ, পুরনো ক্লাবগুলির পুজোর আয়োজন করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ রাতারাতি নতুন নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। এমনকি অভিষেকের বাড়িতে ঢোকার পথ আটকে নতুন করে পুজোর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু তাঁকে অকারণে হেনস্থা করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। এই ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে প্রতিবাদে নামার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এ ভাবে কাউকে হেনস্থা করা উচিত নয়।অন্য দিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মমতা ও অভিষেককে পাল্টা আক্রমণ করেছেন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, বিরোধী জোট বলে বাস্তবে কিছু নেই। তাই সেই জোটে থাকার কারণে অভিষেকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই বলেই মনে করেন তিনি।রাতের বেলা রাস্তায় কেন জন্মদিন পালন করা হচ্ছিল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিজেপি বিধায়ক। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতর আরও বেড়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

‘কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে...’, কালীপুজোর আগে বিস্ফোরক মমতা, পাল্টা তোপ বিজেপির

কালীপুজোর আগের দিন ফের উত্তপ্ত কালীঘাট। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাত থেকে তাঁর বাড়ির সামনে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। শনিবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিলেন তিনি। এমনকি কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্য দিকে, মমতা ও অভিষেকের বিরুদ্ধে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।শুক্রবার রাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করেছিলেন অনুগামীরা। অভিযোগ, রাস্তা আটকে জন্মদিন পালনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। এর পর থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। দুপক্ষের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতির অভিযোগও ওঠে।শনিবার এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন মমতা। হাতে হ্যান্ড মাইক নিয়ে কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে কথা বলেন তিনি। পাশে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাস্তা ফাঁকা রাখার জন্য সকলের কাছে আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, যাঁরা অভিষেককে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে আসছেন, তাঁদের স্বাগত। তবে কাউকে রাস্তা আটকে জমায়েত করা যাবে না। প্রতিমা নিয়ে যাতায়াতের জন্য রাস্তা খোলা রাখতে হবে।মমতা বলেন, সবাইকে অনুরোধ করব, রাস্তা ফাঁকা করে দিন। তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার রাতে পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি তৈরি করা হয়েছে। মহিলাদের শাঁখা ভাঙার অভিযোগও তোলেন তিনি।পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। পাশাপাশি অভিষেকের বাড়ির সামনে লাগানো ব্যারিকেড সরানোর দাবিও জানান। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের পদত্যাগও দাবি করেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এক দিকে হামলা চালানো হচ্ছে, অন্য দিকে মামলা করা হচ্ছে। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, এ ভাবে চলতে থাকলে এক দিন দলটি রাজনৈতিক ভাবে বড় সমস্যায় পড়বে। তাঁর দাবি, এ ভাবে অশান্তি তৈরি করে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করবেন বলেও জানান তিনি।অন্য দিকে, মমতার অভিযোগের পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকারের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার সময় তৃণমূলই কালীপ্রতিমা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিল। এখন ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই অশান্তির পরিবেশ তৈরি করছেন বলে অভিযোগ তাঁর।দেবজিৎ আরও দাবি করেন, অভিষেকের জন্মদিনে কেক কাটা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদের সূত্রপাত। কে কেক কাটবেন, তা নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে গোলমাল শুরু হয় বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর মতে, এই ঘটনার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী।বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষও মমতা ও অভিষেককে আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, বিরোধী জোটে যোগ দেওয়ার কারণে অভিষেকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগ ঠিক নয়। কারণ, তাঁর মতে, বিরোধী জোটের বাস্তবে কোনও অস্তিত্বই নেই। রাতে কেন রাস্তার উপর জন্মদিন পালন করা হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।এ দিকে, শুক্রবার রাতের ঘটনার পর থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বসানো হয়েছে ব্যারিকেডও।কালীঘাটে এই উত্তেজনার জেরে সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। অভিযোগ, রাস্তা বন্ধ থাকায় দোকানদারদের ক্ষতি হচ্ছে। কালীপ্রতিমা বিক্রেতারাও ক্রেতাদের কাছে প্রতিমা পৌঁছে দিতে পারছেন না। ফলে কালীপুজোর মুখে কালীঘাটের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। তৃণমূল ও বিজেপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজনৈতিক উত্তাপও ক্রমশ বাড়ছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির কালীপুজো ঘিরেও অশান্তি! কালীঘাটে রাস্তা আটকে পুজো, ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর বড় হুঁশিয়ারি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে অশান্তির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিতর্ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কালীপুজো ঘিরে। কালীঘাটে নিজের বাড়ির প্রবেশপথ আটকে নতুন নতুন কালীপুজোর আয়োজন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, পুরনো ক্লাবগুলির পুজোর আয়োজনে বাধা দেওয়া হলেও রাতারাতি নতুন পুজো শুরু হচ্ছে। শনিবার দুপুরে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় কালীঘাটে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। প্রয়োজনে আবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার মাঝরাতে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে কালীঘাটে তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করেছিলেন অনুগামীরা। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীমূর্তি নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়। একে অপরকে লক্ষ্য করে স্লোগান দিতে থাকেন দুপক্ষের লোকজন।এর মধ্যেই অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ছিঁড়ে ফেলা হয় তাঁর ব্যানার ও কাটআউট। তা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে দুপক্ষের লোকজনকে সরিয়ে দেওয়া হয়।তবে অভিষেকের অনুগামীদের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁদের হেনস্থা করা হয়েছে। সেই সময় পুলিশ কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।এই ঘটনার পর শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ঘিরে এলাকায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেই সময়ও কালীঘাটে উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কালীপুজোর আগে পরিকল্পিত ভাবে এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে।মমতার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যে ক্লাবগুলি কালীপুজোর আয়োজন করে আসছে, তাদের পুজো করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ রাতারাতি নতুন নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁর বাড়িতে ঢোকার রাস্তাও কার্যত আটকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এই পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এ ভাবে অশান্তি চলতে থাকলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। প্রয়োজনে আবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন। মমতার কথায়, আমি দরকার হলে আবারও সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়ব।অভিষেকের বাড়ির সামনে জন্মদিন পালন ঘিরে রাতভর উত্তেজনা এবং তার পর মমতার বাড়ির কালীপুজো নিয়ে নতুন বিতর্কপরপর এই দুই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালীঘাটে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

ইন্দিরার জরুরি অবস্থা নিয়ে বিস্ফোরক সোনিয়া! সঞ্জয় গান্ধীকে একা দায়ী করতে নারাজ, ফাঁস করলেন কী?

১৯৭৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর আমলে দেশে জারি হয়েছিল জরুরি অবস্থা। ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে সেই সময়কে আজও কালো অধ্যায় হিসাবে দেখা হয়। এ বার সেই জরুরি অবস্থা নিয়েই নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তাঁর দাবি, জরুরি অবস্থার সময় মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা হয়েছিল ঠিকই, তবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সংবিধান মেনেই। পাশাপাশি, জরুরি অবস্থার সময় হওয়া সমস্ত ভুলের জন্য শুধু সঞ্জয় গান্ধীকে দায়ী করতে রাজি নন তিনি। তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতি তৈরির পিছনে অনেক প্রবীণ নেতা ও আমলারও ভূমিকা ছিল।আগামী ১০ নভেম্বর প্রকাশিত হতে চলেছে সোনিয়া গান্ধীর আত্মজীবনী বিলংগিং: আ জার্নি অফ লাভ। বই প্রকাশের আগে একটি সাক্ষাৎকারে জরুরি অবস্থা নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন তিনি।সোনিয়া বলেন, জরুরি অবস্থার পর তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, সেই সময় কত বড় ঘটনা ঘটেছিল। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে সেই কাজ করা হয়েছিল সাংবিধানিক পদ্ধতি মেনেই। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।জরুরি অবস্থার সময়কার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সঞ্জয় গান্ধীর প্রসঙ্গও তোলেন সোনিয়া। তাঁর মতে, সেই সময়ের সমস্ত ঘটনার জন্য শুধু সঞ্জয়কে দায়ী করা ঠিক নয়। জরুরি অবস্থার সঙ্গে সঞ্জয়ের নাম জড়িয়ে থাকলেও, পরিস্থিতি তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল ছিল।সোনিয়ার দাবি, সেই সময় দেশে একের পর এক হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছিল। সরকারি দফতর ও বাসে আগুন লাগানো হচ্ছিল। বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি ছড়াচ্ছিল। এমনকি সরকারি আধিকারিক ও সেনাকর্মীদের নির্দেশ অমান্য করার আহ্বানও জানানো হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ইন্দিরা গান্ধীকে প্রবল চাপের মুখে পড়তে হয়েছিল। একাধিক প্রবীণ নেতা ও আমলার তরফেও তাঁর উপর চাপ তৈরি করা হয়েছিল বলে দাবি সোনিয়ার।সেই সময় রাজীব গান্ধীও মায়ের সঙ্গে সব বিষয়ে একমত ছিলেন না বলে জানিয়েছেন সোনিয়া। তাঁর কথায়, রাজীব সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও অসন্তোষের কথা ইন্দিরা গান্ধীকে জানাতেন। শেষ পর্যন্ত ইন্দিরা পরিস্থিতি বুঝতে পেরে ভুল সংশোধনের উদ্যোগ নেন।সোনিয়া আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ১৯৭৭ সালের মার্চে নিজেই লোকসভা নির্বাচনের ঘোষণা করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। সেই সঙ্গে তুলে নেওয়া হয়েছিল জরুরি অবস্থা। পরে জরুরি অবস্থার সময় হওয়া বাড়াবাড়ির জন্য প্রকাশ্যে অনুতাপও জানিয়েছিলেন ইন্দিরা। ক্ষমা চাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন সোনিয়া। তাঁর মতে, শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই সেই পরিস্থিতির অবসান হয়েছিল।একই সাক্ষাৎকারে গত ১২ বছরে বিজেপি সরকারের আমলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন সোনিয়া। তাঁর এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার কথা কি ভুলে গিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী? তাঁর বক্তব্য, সেই সময় গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল। হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। প্রায় ২১ মাস পর, ১৯৭৭ সালের ২১ মার্চ তা তুলে নেওয়া হয়। সেই সময়ের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও তার প্রভাব নিয়ে দেশের রাজনীতিতে বিতর্ক এখনও অব্যাহত। সোনিয়া গান্ধীর নতুন মন্তব্যে সেই পুরনো বিতর্কই আবার সামনে এল।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পাস দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়! বাবার নাম করেই দায় এড়ালেন ইন্দ্রনীলের মেয়ে?

পুজোর প্রিভিউ পাস দুর্নীতি মামলায় আরও চাপে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর কসবার বাড়ি এবং চন্দননগরের বাংলোয় তল্লাশি চালাল লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল। শুধু তল্লাশিই নয়, ইন্দ্রনীলকে সঙ্গে নিয়েই দুই জায়গায় পৌঁছন গোয়েন্দারা। তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে।লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে পুজোর প্রিভিউ পাস বিক্রির অভিযোগের তদন্তে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বেশ কিছু নথির খোঁজ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। সেই নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেই সূত্র ধরেই শুক্রবার তাঁকে কসবার বহুতলে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। তাঁর উপস্থিতিতেই বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। এরপর ইন্দ্রনীলকে নিয়ে চন্দননগরের বাংলোয় পৌঁছন গোয়েন্দারা। সেখানেও চলে তল্লাশি।লালবাজারের এক কর্তার দাবি, এখনও পর্যন্ত পুজোর প্রিভিউ পাস দুর্নীতি মামলায় ১৫০ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ তিনটি সংস্থার সঙ্গে এই লেনদেনের যোগ থাকতে পারে। ওই সংস্থাগুলির বেশ কিছু নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে রয়েছে বলে জেরায় জানতে পারেন তদন্তকারীরা। সেই কারণেই কসবা ও চন্দননগরে তল্লাশি চালানো হয়। সূত্রের খবর, দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়েছে।এর আগে বৃহস্পতিবার ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেনকে লালবাজারে তলব করা হয়েছিল। তাঁর দুটি সংস্থার সঙ্গে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ একটি সংস্থার প্রায় সাড়ে ২২ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই লেনদেন কী কারণে হয়েছিল, তা জানতে আভেরিকে প্রশ্ন করেন গোয়েন্দারা। পুজোর প্রিভিউ পাস এবং পর্যটন দফতরের টেন্ডার সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর দুটি সংস্থার নথিও খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা।জেরার মুখে আভেরি জানিয়েছেন, তাঁর বাবা ইন্দ্রনীল সেন সব কিছু জানেন। এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তাঁকে যা করতে বলা হয়েছিল, তিনি শুধু সেটুকুই করেছেন বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছেন তিনি।এর আগে ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দাকেও লালবাজারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, তিনিও গোয়েন্দাদের জানিয়েছিলেন, তাঁর স্বামীই সব কিছু জানতেন। তিনি কিছু জানতেন না।অন্যদিকে, ইন্দ্রনীল সেনের দাবি, মাস আর্টের সেক্রেটারি ধ্রুবজ্যোতি বসু ওরফে শুভই সমস্ত লেনদেনের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর মাধ্যমেই যাবতীয় টাকা লেনদেন হত বলে দাবি করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। ইন্দ্রনীলের বক্তব্য, এই দুর্নীতির মূল মাথা শুভ। যদিও তাঁর এই দাবি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন শুভ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে লেনদেনের বিষয়ে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে। এই মামলায় ইন্দ্রনীল-সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতিদমন আইনের ধারাও যুক্ত করার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সাতসকালে পুকুরে স্নান করতে গিয়ে চমকে উঠলেন স্থানীয়রা! জলে ভাসছে মহিলার দেহ, বাগুইআটিতে চাঞ্চল্য

পুকুরের জলে ভাসছে এক মহিলার দেহ! সাতসকালে স্নান করতে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলকাতার কাছে বাগুইআটির বাগুইপাড়া এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পুকুর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। খুন, আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা, সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগুইপাড়া এলাকার ওই পুকুরে নিয়মিত স্নান করতে যান অনেকে। শনিবার সকালে কয়েক জন বাসিন্দা সেখানে স্নান করতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ই তাঁদের নজরে আসে পুকুরের জলে ভাসছে এক মহিলার দেহ। এমন দৃশ্য দেখে তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দ্রুত খবর দেওয়া হয় বাগুইআটি থানায়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুকুর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মৃতার বয়স ৫০ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা নন বলেই মনে করা হচ্ছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, প্রায় ২৪ ঘণ্টা আগে ওই মহিলা জলে তলিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন। পরে তাঁর দেহ জলের উপরে ভেসে ওঠে। তবে কীভাবে তিনি পুকুরে পড়লেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর মৃত্যু কি দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আর জি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।পাশাপাশি মৃতার পরিচয় জানারও চেষ্টা চলছে। আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলছেন পুলিশকর্মীরা। কেউ ওই মহিলাকে চিনতে পারেন কি না, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। কালীপুজোর আগের দিন সকালে পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাগুইপাড়া এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal