• ১৮ চৈত্র ১৪৩২, শনিবার ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Police

রাজ্য

বীরভূমের গ্রামে দুষ্কৃতী তান্ডব, গণপিটুনি, পুলিশের কলার ধরে হুমকি!

কয়েক মূহুর্তের ঘটনায় পরিচিত পেল বীরভূমের সিউড়ির মিনিস্টিল গ্রাম। দুষ্কৃতী তান্ডব, গণপিটুনি, জখম, শেষমেষ পুলিশের কলার ধরা। তারপর গ্রামে পুলিশের অভিযান। গ্রেফতার। এদিন সকালে সিউড়ির মিনিস্টিলে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে গ্রামে প্রবেশ করে দুই যুবক। তাদের হাতেনাতে পাকড়াও করে গ্রামবাসীরা। পুলিশকে ঘিরেও চলে ব্যাপক বিক্ষোভ। পরিস্থিতি আয়ত্বে আনতে লাঠি হাতে তারা করে পুলিশ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ দুজন যুবক বাইরে থেকে এসে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গ্রামের ভেতর প্রবেশ করতে যাচ্ছিল। সেই সময় গ্রামবাসীরা হাতেনাতে ধরে ফেলে ওই যুবকদের। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে, সাথে চলে গণপিটুনি। দড়ি দিয়ে পিছেমোড়া করে বাঁধা হয়। গণপিটুনিতে একজন গুরুতর আহত হয়েছে। তাদেরকে ইতিমধ্যেই আটক করেছে সিউড়ি থানার পুলিশ। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে উত্তেজিত জনতা।উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর, মুর্শিদাবাদের ডোমকলের পর এবার ঘটনাস্থল বীরভূমের সিউড়ি। আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করা দুই যুবককে গ্রামবাসীরা মারধর করেছে খবর পেয়ে এলাকায় গিয়েছিল পুলিশ। ওই দুই যুবককে ধরে থানায় আনতে গিয়েই বাধে বড় বিপত্তি। ভািরাল ভিডিওতে দেখা যায় থানার আইসি-র কলার ধরে টানাটানি করার অভিযোগ উঠেছে। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মীকে মারধর পর্যন্ত করা হয়েছে।এভাবে পুলিশকর্মীদের ওপর গ্রামবাসীদের একটি বড় অংশ চড়াও হওয়ার পর প্রথমে পুলিশ পিছু হটে। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এরপর শুরু হয় লাঠিচার্জ। ব্যাপক লাঠিচার্জ করে এলাকা ফাঁকা করে দেয় পুলিশ। ওই দুই যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওই দুই যুবকের সঙ্গে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষমতা দখলের ফলে এই অশান্তি বলে খবর।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৫
রাজ্য

মালদায় হচ্ছেটা কি! পর পর খুন, গুলি-এবার খেলার মাঠেও শূন্যে গুলি

মালদায় পর পর খুন, গুলি, এবার খেলার মাঠেও চলল গুলি। তবে খোলা আকাশে। দোনালা বন্দুক উঁচিয়ে ফায়ার করে সূত্রপাত করা হয়েছে ভলিবল প্রতিযোগিতা। মালদা জেলার মানিকচক ব্লকের নুরপুর অঞ্চলের নুরপুর টিপটপ ক্লাবের উদ্যোগে ও হুমায়ুন খান মেমোরিয়াল স্মৃতিতে এক বিরাট সারারাত্রি ব্যাপী ভলিবল টুর্নামেন্ট বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হলো। এই খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক সৌম্যদীপ সরকার টিংকু, পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন মানিকচক থানার প্রশাসন, মালদা জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ কবিতা মন্ডল, মালদা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সম্পাদক আব্দুল মতাইন খান চৌধুরী, নুরপুর অঞ্চল সভাপতি ফাইয়াজ আহমেদ খান, বিশিষ্ট সমাজসেবী তথা নুরপুর ম্যানেজ প্রাইমারি স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক নিয়াজ আহমেদ খান, মামুর খান, মাতলুব খান।এই প্রতিযোগিতার সূচনায় একের পর এক গুলি চালানো হয় শূন্যে। এই গুলি চালানোর ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় মালদা জেলা জুড়ে। এই খেলার আয়োজন করা হয় নুরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাঙ্গনে। গোটা বিষয় নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসতে আগ্নেয়াস্ত্রগুলি নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে মানিকচক থানার পুলিশ।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৫
রাজ্য

মালদায় ফের খুন , এবার ন্যায্য ভাড়া চাওয়াই কাল হল টোটো চালকের

দুই তৃণমূল নেতা ও কর্মী খুনের পর ফের মালদায় খুন। এবার সামান্য টোটো ভাড়া নিয়ে গন্ডগোলের জেরে মানুষের প্রাণ গেল। একজন পুলিশ ফাঁড়ির অদূরেই টোটো চালককে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ কয়েকজন মদপ্যদের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মালদার ইংরেজবাজার থানার বেলবাড়ি ঘাট এলাকায়। এই ঘটনার খবর পেয়ে ওই এলাকায় তদন্তে পৌঁছায় ইংরেজবাজার থানার পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত টোটো চালকের নাম কাজল ঘোষ(৫২)। তাঁর বাড়ি রামকেলির বারোদুয়ারি এলাকায়। এদিন রাতে বেলবাড়ি ঘাট শ্মশানে কাজল ঘোষ তার টোটো করে যাত্রী ভাড়া নিয়ে যায়। অভিযোগ যাত্রী নামানোর পর টোটো ভাড়া চাওয়াই হল তার কাল। ভাড়া দিতে অস্বীকার করা নিয়ে গন্ডগোল বাঁধে মদ্যপ অবস্থায় থাকা টোটো যাত্রী শ্যামল মন্ডল ও বিমল মন্ডলের সাথে। অভিযোগ, ঠিক সেই সময় তারা দুজন ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে এলোপাথারি কোপ মারে ওই টোটো চালককে। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে পথেই মৃত্যু হয় কাজল ঘোষের। এই ঘটনায় শ্যামল মন্ডল, বিমল মন্ডল সহ বেশ কয়েকজনের নামে ইংরেজবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। মৃতের এক ভাই উজ্জ্বল ঘোষ জানিয়েছেন, এলাকারই একটি শ্মশানে জোর করে অভিযুক্তরা আমার দাদাকে টোটো চালিয়ে নিয়ে যেতে বলে। মদ্য়প ছিল ওরা সেইজন্য আমার দাদা টোটো নিয়ে যেতে চাইছিল না। কিন্তু অভিযুক্ত দুইজন কলার ধরে জোর করিয়ে দাদাকে নিয়ে যায়। বারোদুয়ারি থেকে বেলবাড়ি শশান ঘাটের দূরত্ব অনেকটাই। দুইজনের ভাড়া ১০০ টাকার কাছাকাছি। কিন্তু সেই টাকা দিতে ওরা অস্বীকার করে। ভাড়া চাওয়ার জন্য দাদাকে ওরা অতর্কিতে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে খুন করে। এই ঘটনায় ইংরেজবাজার থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর থেকে পলাতক অভিযুক্তরা। তাদের খোঁজ চালানো হচ্ছে।উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি ইংরেজবাজার শহরের মহানন্দাপল্লি এলাকায় তৃণমূল কাউন্সিলর বাবলা সরকার খুন হয়েছিলেন। তারপর মালদার কালিয়াচকে আরও এক তৃণমূল কর্মী খুন হয়। এরপর এদিন রাতে ইংরেজবাজারের আবারো এই টোটো চালকের খুনের ঘটনায় জেলার আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৫
রাজ্য

বাংলার প্রভাবশালী মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা, আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ পুলিশের

বর্ষীয়াণ তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রীর বাড়িতেই হামলা। বুধবার এই ঘটনা ঘটেছে আসাসনসোলে। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যজুড়ে। আসানসোলে আপার গার্ডেনে রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের বাসভবনে ভাঙচুর। বাসভবনের অফিসের টেবিলে কাচ ভাঙচুর। এই ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করল পুলিশ। ঘটনাস্থলে আসানসোল দক্ষিণ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। ছুটে আসেন আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি সেন্ট্রাল ধ্রুব দাস, এসিপি সেন্ট্রাল বিশ্বজিত নস্কর। মন্ত্রীর বাসভবনে পুলিশি নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কিভাবে হামলা, প্রশ্ন উঠছে।মলয় ঘটকের স্ত্রী বলেন, আমি ওপরে ছিলাম। হঠাৎ নীচে দুমদুম আওয়াজ। জানি নীচে পুলিশ আছে। তবু নীচে এসে দেখছি যে এখানে ভাঙাচোড়া অবস্থা। এক যুবকের হাতে ইঁটের থানা। জানি না কি উদ্দেশ্যে এসেছিল। পুলিশ ছিল তবু ভয় পেয়ে গিয়েছি। আমি একা থাকি। মন্ত্রী থাকলে সাহস পেত কিনা জানি না। কোনও কিছু বলেনি। অন্যরা যখন ধরলো তখনও কিছু বলেনি চুপ করেছিল। পুলিশ বলেছে, বিকেল ৪.৪৫ নাগাদ হঠাৎ একটা ছেলে মন্ত্রীর ঘরে ঢুকে যায়। আমরা তাকে আটক করেছি। জিজ্ঞাসাবাদ করে দেখছি কেন এমন করল। পুলিশ থাকতেও কি করে ঘটলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২৫
রাজ্য

কালিয়াচকের তৃণমূল কর্মী খুনের মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার, এদিনই মালদায় গিয়েছিলেন ডিজি

মালদায় এসেছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। শুক্রবার তিনি নিহত বাবলা সরকারের স্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। তার আগে পুলিশ সুপারের অফিসে উত্তরবঙ্গের আইজি, ডিআইজি সহ জেলা পুলিশের পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজীব কুমার। অবশেষে এদিন বিকেলেই জানা গিয়েছে, মালদার কালিয়াচকে তৃণমূল কর্মী খুনে গ্রেফতার হয়েছে মূল অভিযুক্ত জাকির শেখ। তৃণমূল কর্মী খুনের তিন দিন পর এদিন সন্ধ্যায় কাশিমনগরের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে কুখ্যাত দুষ্কৃতী জাকির শেখকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতের বিরুদ্ধে নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল কর্মী আতাউল হককে খুন এবং দলের দুই নেতার ওপর গুলি করে মাথা থেঁতলে খুনের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, গত মঙ্গলবার নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোমিনপাড়া নয়াবস্তি এলাকায় সাতসকালে খুন হন তৃণমূল কর্মী আতাউল হক (৫০)। এই ঘটনার সময় নওদা যদুপুর তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির সভাপতি বকুল শেখ এবং সংশ্লিষ্ট গ্রাম পঞ্চায়েতের শাসকদলের নির্বাচিত শাসকদলের সদস্য এসারুদ্দিন শেখের ওপর হামলা চালানো হয়। আহত দুই তৃণমূল নেতা এখনও চিকিৎসাধীন মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এই ঘটনার পর ২৪ ঘন্টার মধ্যেই আমির হামজা নামে এক দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপরই ওই খুন এবং হামলার মূল ষড়যন্ত্রী জাকির শেখকে ধরতে ড্রোন উড়িয়ে এবং পুলিশ কুকুর দিয়েও চলে তল্লাশি অভিযান। গ্রেফতার হয় জাকির শেখ। পুলিশ জানিয়েছে, কাশিমনগরের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে কুখ্যাত দুষ্কৃতী জাকির শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আগামিকাল, শনিবার মালদা আদালতে জাকিরক পেশ করা হবে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৫
রাজ্য

কালিয়াচকে তৃণমূল কর্মী খুনের ঘটনায় গ্রেফতার এক, একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ পুলিশের

মালদার কালিয়াচকে নওদা যদুপুর এলাকায় তৃণমূল কর্মী খুন এবং অঞ্চল সভাপতি ও প্রাক্তন প্রধানের ওপর হামলার ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করলো পুলিশ। ব্রিজের নাম আমির হামজা। বুধবার ধৃতকে মালদা আদালতে পেশ করেছে পুলিশ। এদিকে এদিন নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোমিনপাড়া নয়াবস্তি এলাকা সকাল থেকেই ছিল জনশূন্য। বন্ধ ছিল বিভিন্ন দোকান, বাজার-হাট। সকাল থেকেই গ্রামে দফায় দফায় টহল দিয়েছে সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী। এলাকা দখল নিয়েই মূলত এই ঝামেলা বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। যার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ সেই জাকির শেখের একটি খুনের হুমকি দেওয়া ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জেলা জুড়ে। ইতিমধ্যে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন তৃণমূলের জেলা সংখ্যালঘু সেলের সহ-সভাপতি মহম্মদ আজমল শেখ। তিনি বলেন, বকুল ও জাকিরের পুরনো শত্রুতা রয়েছে। জাকিরকে তৃণমূলে নিতে বারণ করেছিলাম। দলে জেলার শীর্ষ নেতৃত্বকে জানিয়েছিলাম এতে গোষ্ঠী কোন্দল বাড়বে। তাও আমার কথা শোনা হয়নি। মালদার কালিয়াচক ১ নম্বর ব্লকের তৃণমূলের সভাপতি সারিউল শেখের মদতে দলে ঢোকে। এরপর থেকেই সমস্যা সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, ভিডিওতেই দেখা যাচ্ছে জাকির শেখ কিভাবে নওদা যদুপুরে তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির সভাপতি, স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান সহ আরো বেশ কয়েকজনকে প্রকাশ্যে হুমকি দিচ্ছে। তাহলে কেন পুলিশ স্বীকার করছে না যেগুলি চলেছে। সঠিক তদন্তে সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম আমির হামজা(২৪)। তার বাড়ি উত্তর দাড়িরাপুর নয়াবস্তি এলাকায় । এদিকে জাকির ও তার অনুগামীরা এই ঘটনা ঘটানোর পর ভিন রাজ্যে বা বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে পারে এই কারণে বাংলাদেশ সীমান্ত ও বাংলা, বিহার, ঝাড়খন্ড সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ। তবে এই ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ১২ দিন আগেই খুন হয় জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি বাবলা সরকার। তার রেশ কাটতে না কাটতেই আবার এই ঘটনা। এদিকে এই ঘটনার পর ওই এলাকায় স্নিপার ডগ নিয়ে তল্লাশী চালাচ্ছে পুলিশ। বুধবার সকালে স্নিপারডগ নিয়ে নওদা যদুপুর এলাকায় তল্লশী চালায়।রক্তমাখা জামা কাপড় শুকানো হয় কুকুরকে। এই ঘটনার পর ব্যাপক আতংক ছড়িয়েছে ব্যবসায়ী মহলে। মালদা জেলার মার্চেন্ট চেম্বার অফ কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ সভাপতি উজ্জ্বল সাহা বলেন,বর্তমানে জেলার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।মানুষ বাড়ি থেকে কম বেরোচ্ছে। ব্যবসায় প্রচন্ড ক্ষতি হচ্ছে। বেশি রাত পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে ভয় পাচ্ছে অনেক ব্যবসায়ীরা। আমরা চাই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। সন্দেহের তালিকায় রয়েছে আরো ৬ জন। পুলিশের দাবি গুলি চলার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে আহত বকুল শেখ ও তার ভাই মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, কে কি ভিডিও করে হুমকি দিচ্ছে তার দায়ভার তৃণমূল নেবে না। তবে পুলিশের সক্রিয় হওয়া উচিত ছিল। পুলিশ তদন্ত করছে দোষীরা শাস্তি পাবে। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার দুপুরে মালদার কালিয়াচক থানা নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোমিনপাড়া নয়াবস্তি এলাকায় তৃণমূল কর্মীদের দিয়ে থেঁতলে খুন করে দুষ্কৃতীরা।গুরুতর আহত হয়ে নওদা যাদবপুর অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি বকুল শেখ ও তার ভাই তথা দলের পঞ্চায়েত সদস্য এসারুদ্দিন শেখ। এই ঘটনায় খুন হন আতাউল হক নামে তৃণমূল কর্মী। আহত দুই তৃণমূল নেতা চিকিৎসাধীন মালদা মেডিকেল কলেজে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২৫
রাজনীতি

বাবলা সরকার খুনের ১২ দিনে মাথায় ফের খুন মালদায়, তৃণমূলের অন্তর্কলহের জের?

ফের মালদায় গুলি। তৃণমূল নেতাকে আক্রমণ। গুলি, তারপর ইঁট দিয়ে থেঁতলে হামলা। মঙ্গলবার সাতসকালে মালদার কালিয়াচকে তিন তৃণমূল নেতাকে ইঁট দিয়ে মাথা থেঁতলে এবং গুলি চালিয়ে হামলার অভিযোগ উঠলো সশস্ত্র একদল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। দুষ্কৃতীদের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে এক তৃণমূল কর্মীর। জখম হয়েছেন স্থানীয় তৃণমূলের দুই নেতা। জখমদের সংকটজনক অবস্থায় ভর্তি করানো হয়েছে মালদা মেডিকেল কলেজে। মঙ্গলবার সকাল ৯ টা নাগাদ এই হামলার ঘটনাটি ঘটেছে কালিয়াচক থানার নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোমিনপাড়া নয়াবস্তি এলাকায়। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তৃণমূল কর্মীর নাম আতাউর শেখ(৫০)। জখম হয়েছেন দুই তৃণমূল নেতা বকুল শেখ (৪৮) এবং এসারুদ্দিন শেখ (৩৫)। এরা সম্পর্কে দুই ভাই। আহত বকুল শেখ তৃণমূলের নওদা যদুপুর অঞ্চল কমিটির সভাপতি পদে রয়েছেন। অপর আহত এসারুদ্দিন শেখ নওদা যদুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল দলের নির্বাচিত সদস্য। বর্তমানে তিনি সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতের বিরোধী দলনেতার পদে রয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন সকালে মোমিনপাড়া নয়াবস্তি এলাকায় একটি ড্রেনের শিলান্যাস কর্মসূচিতে গিয়েছিলেন স্থানীয় তৃণমূলের অঞ্চল কমিটির সভাপতি বকুল শেখ এবং তার ভাই তথা নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য এসারুদ্দিন শেখ। তাঁর সঙ্গে কয়েকজন দলের কর্মী সমর্থকেরাও ছিলেন। ওই কর্মসূচি থেকে ফেরার সময় আচমকা ১৫ থেকে ২০ জনের সশস্ত্র দুষ্কৃতির দল ওই দুই তৃণমূল নেতার ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। সেই সময় দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলি মাথায় লাগে তৃণমূল কর্মী আতাউর শেখের। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তাঁর। এরপরই ওই দুই তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। সেই গুলি মাথার পাশ দিয়ে ছুঁয়ে বেরিয়ে যায়। এরপরই ওই দুই তৃণমূল নেতাকে ইঁট দিয়ে মাথা থেঁতলে খুনের চেষ্টা চালায় হামলাকারীরা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নওদা যদুপুর এলাকায় জাকির শেখের গোষ্ঠী এবং বকুল শেখের গোষ্ঠীর বিবাদ দীর্ঘদিনের। ক্ষমতা এবং এলাকা দখলের লড়াই নিয়ে মূলত এই দুই গোষ্ঠীর লড়াই। তৃণমূলের ওই দুই নেতার ওপর হামলা এবং দলীয় এক কর্মীকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে জাকির গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। আহত বকুল শেখের এক ভাই তথা জেলা তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সহ-সভাপতি মহম্মদ আজমল বলেন , জাকির শেখ কংগ্রেস করতো। কয়েক মাস আগে তৃণমূলে যোগ দেয়। কালিয়াচক ১ নং ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সারিউল ইসলামের ছত্রছায়ায় রয়েছে জাকির শেখের গোষ্ঠী। এদিন ওরাই পরিকল্পনা করে বকুল এবং এসারুদ্দিনের ওপর গুলি চালায়, হামলা করে। আর দুষ্কৃতীদের সেই গুলিতেই বকুলের এক অনুগামী আতাউরের মৃত্যু হয়। এলাকায় জাকির গোষ্ঠীর লোকেরা কোনরকম উন্নয়নমূলক কাজ করতে দিচ্ছে না। যখন তখন সন্ত্রাস কায়েম করার চেষ্টা চালাচ্ছে। এনিয়েই বকুল ও এসারুদ্দিনেরা প্রতিবাদ জানিয়েছিল। তার ফলস্বরূপ এদিন হামলায় শিকার হতে হলো। পুরো বিষয়টি নিয়ে জাকির শেখ, নাসির শেখ সহ তার দলবলের বিরুদ্ধে কালিয়াচক থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। এদিকে এই হামলার ঘটনার পর জাকির শেখের সঙ্গে কোনরকম ভাবে যোগাযোগ করা যায় নি। কালিয়াচক ১ ব্লক তৃণমূল সভাপতি সারিউল ইসলাম জানিয়েছেন, যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন । এখানে রাজনৈতিক কোনও সম্পর্ক নেই । পুরনো বিবাদকে ঘিরেই এই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করছি। উল্লেখ্য, গত ২ জানুয়ারি ইংরেজবাজার শহরের মহানন্দাপল্লী এলাকায় দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া গুলিতে খুন হন তৃণমূলের জেলার সহ-সভাপতি তথা ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাবলা সরকার। সেই ঘটনার রেষ কাটতে না কাটতে ফের ১২ দিনের মাথায় তৃণমূল নেতার ওপর প্রকাশ্যে হামলা এবং দলীয় কর্মীকে গুলি করে দুষ্কৃতীদের খুনের ঘটনা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।যদিও এব্যাপারে জেলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক গোপাল সরকার জানিয়েছেন, গোষ্ঠীকোন্দলের জেরেই খুন হয়েছে তৃণমূল কর্মী। দুইজন তৃণমূল নেতা জখম হয়েছেন। জাকির শেখ আমাদের দলের কোনও দিনই ছিল না। এটা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ লড়াই। তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, জাকির শেখ কোনদিনই তৃণমূল দল করেনি। ও বরাবরই কংগ্রেসের একজন স্থানীয় নেতা হিসাবে পরিচিত। জাকির শেখের বিরুদ্ধে বিগত দিনেও বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিল। এখন কংগ্রেস নিজেদের দোষ ঢাকতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে। পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব জানিয়েছেন, এই হামলার ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এলাকায় পুলিশি পিকেট বসানো হয়েছে। বাকি হামলাকারীদের খোঁজ চালানো হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতায় হেলে পড়েছে বহুতল, আতঙ্কিত এলাকাবাসী, অভিযোগ বিস্তর

এটা কংক্রিটের বাড়ি না ল্যাতপ্যাতে কলাগাছ।দক্ষিণ কলকাতার বাঘাযতীনে আস্ত চারতলা ফ্ল্যাটবাড়ি একদিকে হেলে পড়েছে। এই চারতলা একদিকে হেলে পড়াকে কেন্দ্র করে চূড়ান্ত শোরগোল পড়ে যায় গিয়েছে এলাকায়। বাড়ি হেলে পড়া দেখেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলে গিয়েছে কলকাতা পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা দল। পুলিশ সূত্রে জানা খবর, ওই বহুতলটিতে বাসিন্দারা না থাকায় বিরাট বিপদ এড়ানো গিয়েছে। তবে চারতলা ওই ফ্ল্যাটবাড়ি হেলে পড়ার ঘটনায় এলাকায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, নিন্মমানের কাঁচামাল দিয়ে বহুতলটি তৈরি হয়েছে।বাঘাযতীনে এই বহুতলটির প্রতিটি ফ্লোরে দুটি করে ফ্ল্যাট রয়েছে। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ওই বহুতলটিতে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ হচ্ছিল। সেই কারণেই আপাতত বহুতলের বাসিন্দারা থাকছিলেন না। বহুতলটিতে আগে থেকেই বেশ কিছু জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছিল। রক্ষণাবেক্ষণের কাজের আগে বহুতলের বাসিন্দাদের অন্যত্র সরানো হয়েছিল। সেই কারণেই বিরাট বিপদ এড়ানো গিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। হরিয়ানার একটি সংস্থা জ্যাক লাগিয়ে বাড়ি রক্ষণাবেক্ষণর কাজ করছিল। কলকাতা পুরসভার ৯৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিদ্যাসাগর কলোনিতে অবস্থিত বাঘাযতীনের ওই ফ্ল্যাটবাড়িটি। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ওই ফ্ল্যাটটি নির্মাণ করেছিল প্রোমোটার। নিম্নমানের কাঁচামাল দিয়ে তৈরি হয়েছিল ফ্ল্যাটবাড়িটি। ফ্ল্যাট তৈরির অনুমোদন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পাশাপাশি বাড়িটি মেরামতের জন্য় পুরসভা থেকে কোনও অনুমতি নেয়নি বলে জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২৫
রাজ্য

নুরুল নাম বদলে নারায়ণ! দত্তপুকুরে গ্রেফতার দুই বাংলাদেশি, শুরু জোরদার তদন্ত

নুরুল এদেশে এসে হয়ে গিয়েছে নারায়ণ। টাইটেল হয়েছে অধিকারী। বাংলাদেশি এই নুরুলের দোসর শেখ রফিকুল ইসলামকেও গ্রেফতার করেছে পলিশ।গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, উত্তর ২৪ পরগনার বামনগাছি থেকে ২ বাংলাদেশি যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল সন্ধ্যায় এই দুই যুবককে দত্তপুকুর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ধৃত ২ যুবকের নাম নুরুল ইসলাম এবং শেখ রফিকুল ইসলাম। দুজনই বাংলাদেশের বাসিন্দা বলেই খবর। সূত্রের খবর, ভুয়ো শংসাপত্র তৈরি করে দীর্ঘদিন যাবত দত্তপুকুর এলাকায় বাস করছিলেন তারা। ২ যুবকের মধ্যে নুরুল ইসলাম সরাসরি নিজের নাম পরিবর্তন করে নিজের নাম নারায়ণ অধিকারী রূপে ভারতীয় সংসাপত্র তৈরি করেন। ইতিমধ্যেই দত্তপুকুর থানার পুলিশ ধৃত ২ যুবকের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলার রুজু করে তাদের বারাসাত জেলা আদালতে পাঠিয়েছে। এই দুই বাংলাদেশি এখানে কেন বসবাস করছিল, খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তারওপর আবার নুরুল ইসলাম যখন নারায়ণ অধিকারী হয়।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৫
রাজ্য

আইপিএস পদে রদবদল, বদলি হচ্ছেন পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ সুপার

রাজ্যে আইপিএস পদে রদবদল। বদলি হলেন বর্ধমান ও বীরভূমের পুলিশ সুপার। সোমবার রাজ্য পুলিশ এক বিজ্ঞপ্তিতে তিন আইপিএস অফিসারের বদলির বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। ট্রেনিং থেকে এবার ফিরে বীরভূমের পুলিশ সুপারের দায়িত্ব নিতে চলেছেন আমনদীপ। এসএস সিআইডি সায়ক দাসই এবার অফিসিয়ালি পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ সুপার হিসাবে যোগ দিচ্ছেন। তিনি অস্থায়ীভাবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। বর্ধমানের পুলিশ সুপার আমনদীপ ট্রেনিংয়ে ছিলেন। এদিকে বীরভূমের পুলিশ সুপার রাজনারায়ন মুখোপাধ্যায় সরছেন। তার জায়গায় বর্ধমানের পুলিশ সুপার আমনদীপ যোগ দিচ্ছেন বীরভূমের পুলিশ সুপার পদে। অন্যদিকে রাজনারায়ণ মুখোপাধ্যায় এসপি ট্রাফিক পদে যোগ দিচ্ছেন।

জানুয়ারি ১০, ২০২৫
রাজনীতি

বাবলা সরকার খুনে নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি ও স্বপন শর্মার ফের পুলিশ হেফাজত, উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ, পোশাক, মোবাইল....

তৃণমূল নেতা বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় ধৃত নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি এবং স্বপন শর্মাকে নতুন করে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিল মালদা আদালত। শুক্রবার ধৃত দুইজনকে মালদা সিজিএম কোর্টে পেশ করা হয়। যদিও এদিন ওই দুই অপরাধীর পক্ষে মালদা বার অ্যাসোসিয়েশনের কোনও আইনজীবীরাই পক্ষে দাড়ায়নি। সরকারি পক্ষের আইনজীবী দেবজ্যোতি পাল দুই অপরাধীকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়ার বিশদ ব্যাখ্যা তুলে ধরেন। এরপরই সিজিএম কোর্টের বিচারক সুজিত কুমার ব্যানার্জি ধৃত নরেন্দ্রনাথ তিওয়ারি এবং স্বপন শর্মাকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন। এদিকে এদিন মৃত বাবলা সরকারের মামলা চলাকালীন আদালতে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে ছিলেন বাবলা সরকারের স্ত্রী আইনজীবী চৈতালী সরকার। তিনি বলেন, আমাদের বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে এদিন কোন আইনজীবী ওই দুই আসামির পক্ষ নিয়ে সাওয়াল জবাব করেননি। তবে আমি নিজে একজন আইনজীবী হিসাবে এই মামলা শুনেছি। কেউ যাতে কোনওরকম ভাবে প্রভাবিত করতে না পারে সেটিও দেখছি। পুলিশ এখনও আসল অপরাধীদের খুঁজে বার করার জন্য তদন্ত করছে। যার ফলে এদিন ওই মূল চক্রীকে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। এদিকে তৃণমূল নেতা বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় দুষ্কৃতীদের ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র, পোশাক উদ্ধার করলো পুলিশ। ২ জানুয়ারি বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় একটি নাইন এমএম পিস্তল, দুটি ওয়ান সাটার এবং ৭ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পাশাপাশি ২ জানুয়ারি বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় দুষ্কৃতীরা যে পোশাক ব্যবহার করেছিল সেটিও উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এই অস্ত্র এবং পোশাক কোথা থেকে উদ্ধার হয়েছে সেই সম্পর্কে কোনও তথ্য পুলিশ জানায়নি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় মোট ৭ জন গ্রেফতার হয়েছে। যাদের মধ্যে তিনজন বিহারের পেশাদার খুনি রয়েছে। এই খুনের ঘটনায় প্রথম পাঁচজনকে ১২ দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। গত বুধবার ইংরেজবাজার পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি এবং অপর এক অভিযুক্ত স্বপন শর্মাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপরই ধৃত ওই দুইজনকে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই দুই মূল চক্রীর কাছ থেকে আরও বিশদ তথ্য জানার জন্য এদিন মালদা আদালতের কাছে নতুন করে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ইংরেজবাজার পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল দলের কাউন্সিলর বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় ধৃত অমিত রজকের বাড়ি থেকে কৃষ্ণ রজক অরফে রোহানের ব্যবহৃত একটি মোবাইল উদ্ধার হয়েছে। সেই মোবাইলের সূত্র থেকে অনেক তথ্য পুলিশের হাতে উঠে আসতে পারে বলেও ধারণা তদন্তকারী পুলিশকর্তাদের। যদিও বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় এখনো পর্যন্ত সাতজন গ্রেফতার হলেও আরও তিনজন বাবলু যাদব, কৃষ্ণ রাজক এবং বিহারের বাসিন্দা আশরাফ খান পলাতক রয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, তৃণমূল নেতা বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় প্রাথমিকভাবে দুই মূলচক্রী নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি এবং স্বপন শর্মাকেই মনে করা হচ্ছে। কিন্তু তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারী পুলিশকর্তারা সন্তুষ্ট নয়। তাই এদিন ধৃত ওই দুইজনকে বাড়তি পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজত নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে এই ঘটনার পিছনে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা সেটিও জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। এদিকে বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় ধৃত দুই অপরাধী নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি এবং স্বপন শর্মাকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে আলাদাভাবে রাখার ব্যবস্থা করে পুলিশ।

জানুয়ারি ১০, ২০২৫
রাজনীতি

বাবলা সরকার খুনে ধৃত নরেন্দ্রনাথ "চিরস্থায়ী" বহিষ্কৃত, মালদায় তৃণমূলের ঘোষণা

মালদার তৃণমূল নেতা বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় গ্রেফতার দলের ইংরেজবাজার টাউন সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারিকে বহিষ্কার করলো দল। বৃহস্পতিবার বিকালে এক সাংবাদিক বৈঠক ডেকে এই বহিষ্কারের কথা ঘোষণা করেছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী। এদিন ইংরেজবাজার শহরের স্টেশন রোড এলাকার দলীয় কার্যালয়ে এই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত হয়েছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী ছাড়া ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী, আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি শুভদীপ সান্যাল সহ অন্যান্য কাউন্সিলাররা। তৃণমূলের জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, গত এক বছর ধরে দলের কোনও কর্মসূচিতে দেখা যায়নি তৃণমূলের টাউন সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারিকে। উনি অসুস্থ ছিলেন বলেই জানতাম। তাকে আপাতত চিরস্থায়ী ভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। ইংরেজবাজার টাউন সভাপতির পদে নতুন কাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে সেটা রাজ্য নেতৃত্ব ঠিক করবে। এদিকে এদিন পুলিশের হেফাজতে থাকা বাবলা সরকার খুনে ধৃত নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি ইংরেজবাজার থানা থেকে হাসপাতালে মেডিকেল করতে যাওয়ার পথে বলেন, দল যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটাই মানতে হবে।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৫
রাজনীতি

বাবলা সরকার খুনে তৃণমূল সভাপতির পুলিশ হেফাজত, আসল মাথা ধরার দাবিতে অনড় স্ত্রী

মালদার জনপ্রিয় তৃণমূল নেতা দুলাল সরকার ওরফে বাবলাকে খুন করার ঘটনায় মাস্টারমাইন্ড নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি এবং স্বপন শর্মাকে ৩ দিনের পুলিশি হেফাজত দিল আদালত। বুধবার বিকালে কলকাতার ভবানী ভবন থেকে এডজি(দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতিম সরকার সাংবাদিক বৈঠকে মালদার তৃণমূল নেতা বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় মাস্টারমাইন্ড ওই দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতারের কথা জানিয়েছেন। এদিকে বুধবার গ্রেফতারের পরই ইংরেজবাজার থানা থেকে আদালতে যাওয়ার পথে ধৃত নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারির বিস্ফোরক দাবি, আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে। এর পেছনে বড় মাথা রয়েছে। এদিকে এই ঘটনার পরই মৃত বাবলা সরকারের স্ত্রী চৈতালি সরকার বলেন, এর পেছনে বড় মাস্টারমাইন্ড রয়েছে। তাহলে কে এই মাস্টারমাইন্ড? সবকিছু নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হতে চলেছেন তিনি। এই খুনের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারিসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করলো ইংরেজবাজার থানার পুলিশ। অধরা এখনও দুই। মঙ্গলবার বেলা একটা থেকে নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি ও তার দুই ভাইকে রাতভর জেরা করেন পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদবের নেতৃত্বে একটি স্পেশাল টিম। বুধবার সকলেই ঘোষণা করা হয় নরেন্দ্রনাথ তেয়াওরি এবং আরেক অভিযুক্ত স্বপন শর্মাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুইজন বাবলু যাদব এবং কৃষ্ণ রজক এখনও গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। তাদের ছবি প্রকাশ করে দুই লক্ষ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করেছে মালদা জেলা পুলিশ। এদিকে নরেন্দ্রনাথ গ্রেপ্তারের ঘটনায় চরম অস্বস্তিতে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। জেলা তৃণমূলের সভাপতি আব্দুর রহিম বকশী বলেন, যে অপরাধ করবে তাকে পুলিশ গ্রেফতার করবে। সে দলের যেই হোন না কেন। তৃণমূলের ইংরেজবাজার টাউন সভাপতি নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি রাজ্যের মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। যদিও মন্ত্রীর স্পষ্ট বক্তব্য, নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি আমার কোনদিনও ঘনিষ্ঠ ছিল না। এদিকে এদিন মৃত তৃণমূল নেতা বাবলা সরকারের স্ত্রী চৈতালি সরকার বলেন, নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি এবং স্বপন শর্মা গ্রেপ্তার হয়েছে শুনেছি। তবে ওদের দুইজনকে ধরে চুপ করে থাকলেই হবে না। এই ঘটনার পিছনে আরও বড় মাথা কাজ করেছে। পুলিশের প্রকৃত তদন্ত এবং সঠিক বিচারের আশায় রয়েছি।তৃণমূল পরিচালিত ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী বলেন, স্বপন শর্মার বাম জমানায় নানা কর্মকাণ্ড আছে। একসময় স্বপন শর্মা আমাকেও খুন করার চেষ্টা করেছিল। আর নরেন্দ্রনাথ গত পুরসভা নির্বাচনে বাবলার সাথে গোলমালের পর বলেছিল দেখে নেবে। ওকে গুলি করে খুন করবে। আর সেটাই ঘটল। তবে এখানে রাজনীতির কোন বিষয় জড়িত নয়। বিজেপি নেতা অম্লান ভাদুরি বলেন, এটা সম্পূর্ণ তৃণমূলের দলীয় গোষ্ঠী কোন্দল। এলাকা দখল ও এলাকার তোলাবাজির জন্যই খুন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত দেড় মাস আগে এই ষড়যন্ত্র করা হয়। মালদা শহরের একটি বেসরকারি হোটেলে বসে সুপারি দেওয়া হয় বিহারের দুই সুপারি কিলারকে। ৬ দিন ধরে দুষ্কৃতীরা বাবলা সরকারের গতিবিধির রেইকি করছিল। ২৫ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি ভীড়ের সুযোগ নিয়ে খুন করার চক্রান্ত ছিল। কিন্তু তা করতে পারেনি দুষ্কৃতীরা। অবশেষে মহানন্দাপল্লী এলাকায় ২ জানুয়ারি গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন করে বাবলা সরকারকে। এদিন এডিজি(দক্ষিণবঙ্গ) সিআইডি সুপ্রতিম সরকার কলকাতায় এক সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়েছেন, এই চক্রান্ত করেছিল নরেন্দ্রনাথ তেওয়ারি ও স্বপন শর্মা। স্বপন শর্মা একজন কুখ্যাত দুষ্কৃতী। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এদিন দুই অভিযুক্তকে আদালতে তুললে তাদের আইনজীবীরা অসুস্থতা ও বয়সের কারণে তাদের জামিনের আবেদন করে। কিন্তু বিচারক জামিন নাকচ করে দিয়েছেন। সরকারি আইনজীবীর দাবি মেনে ধৃতদের তিন দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠান বিচারক।

জানুয়ারি ০৯, ২০২৫
রাজনীতি

ফিল্মি কায়দায় মালদার তৃণমূল নেতাকে খুন, কেন দেহরক্ষী তুলে নেওয়া হয়েছিল? শুরু জোর বিতর্ক

এ যেন হিন্দি সিনেমার শুটিং। মালদার জনপ্রিয় তৃণমূল নেতাকে শুট আউট করলো দুষ্কৃতীরা। বাড়ির সামনে থেকে ধাওয়া করে দোকানের ভিতর ঢুকে পরপর মাথায় তিনটে গুলি করে খুন করা হল মালদা জেলা তৃণমূল নেতা তথা ইংরেজবাজার পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাবলা সরকারকে(৬২)। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় এই রোমহর্ষক ঘটনায় গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।গুলিবিদ্ধ তৃণমূল নেতা বাবলা সরকারকে তাঁর অনুগামীরা মারাত্মক জখম অবস্থায় উদ্ধার করে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালের চিকিৎসকরা মৃত বলে জানিয়ে দেন। এরপরই শহরের একটা অংশে কার্যত বন্ধের চেহারা নেই। দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ দেখান জেলা তৃণমূলের নেতাকর্মীসমর্থকরা। মালদায় তৃণমূল নেতা বাবলা সরকার খুনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এক্স হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাবলা সরকার আমার দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা ছিলেন। ওকে দুষ্কৃতীরা খুন করেছে। কি ভাষায় যে কথা বলব কিছু বুঝে উঠতে পারছি না। বাবলার পরিবারকে আমি সমবেদনা জানাচ্ছি। ওর স্ত্রী চৈতালি সরকার মনকে শক্ত রেখে এগিয়ে চলুক, ঈশ্বরের কাছে এই কামনা করছি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো এদিন সকালে চার চাকা নিয়ে নিজের দোকানে আসছিলেন তিনি। ঠিক সেই সময় ইংলিশ বাজার পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের ঝলঝলিয়ার মহানন্দাপল্লী এলাকায় দোকানের কাছেই একটি মোটর বাইকে চারজন এসে তাঁকে গুলি করে। প্রথমে তাকে এক রাউন্ড গুলি করা হয়। প্রথম রাউন্ডের গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপরই প্রাণ রক্ষার জন্য পাশের একটি দোকানে ঢুকে পড়েন বাবলা সরকার। এরপরই চারজন দুষ্কৃতী দোকানে ঢুকে তাঁকে তিন রাউন্ড গুলি করে। একটি গুলি মাথায় এবং দুটি শরীরে লাগে। সিসিটিভি ফুটেছে স্পষ্ট সেই ছবি দেখতে পেয়েছে পুলিশ। মুখ বাধা দুষ্কৃতীরা দোকানে ঢুকে একের পর এক গুলি করছে। এরপর রক্তাক্ত অবস্থায় বাবলা সরকারকে উদ্ধার করে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে। তাঁর নিরাপত্তা রক্ষী কেন সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, সেই প্রশ্নও তুলেছে বাবলাবাবুর অনুগামীরা। এদিকে এই ঘটনার পর গোটা এলাকা জুড়ে যেমন আতঙ্ক ছড়িয়েছে ঠিক সেইরকম শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এদিকে বাবলা সরকারের মৃত্যুর খবর পেয়ে মালদায় আসেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সেচ দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন এবং শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। তবে কেন গুলি করে খুন করা হলো বাবলা সরকারকে তা নিয়ে এখনও দ্বন্ধে রয়েছে সকলেই। পুলিশকে বাবলা সরকারের গাড়ির চালক সুমন দাস জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মতোই এদিন সকালে দাদাকে বাড়ি থেকে প্লাইউডের দোকান ও কারখানায় ছাড়তে গিয়েছিলাম। মহানন্দাপল্লীতে দাদার দোকানটি রয়েছে। দোকানের সামনে দাদা যখন গাড়ি থেকে নামছিলেন তখনই চারজন দুষ্কৃতী একটি মোটরবাইকে এসে দাদাকে গুলি করে। প্রথম গুলিটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তারপরেই বাবলাদা দৌড়ে দোকানে ঢুকে পড়ে। তখন দুষ্কৃতীরা পিছু ধাওয়া করে দাদাকে দোকানের মধ্যেই মাথায় গুলি করে খুন করে। আমি বাঁচাতে আসলে ওরা আমাকেও বন্দুক দেখিয়ে গুলি করার ভয় দেখায়, তখন প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে যাই। মৃত বাবলা সরকারের স্ত্রী চৈতালি দেবী বলেন, কেন এভাবে আমার স্বামীকে খুন করা হলো কিছু বুঝতে পারছি না। ২০০৭ সালে স্বামীকে একবার দুষ্কৃতীরা গুলি করে মারার চেষ্টা চালিয়েছিল। তারপর দুইজন দেহরক্ষীও নেওয়া হয়েছিল। ২০২১ সালে সেই দেহরক্ষী তুলে নেয় জেলা প্রশাসন। আজকে স্বামীর দেহরক্ষী থাকলে হয়তো ওকে হারাতাম না। এর জবাব পুলিশ কে দিতে হবে। ইংরেজবাজার পুরসভার চেয়ারম্যান তথা রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী বলেন, বাবলা সরকারের রাজনৈতিক কোন শত্রু ছিল না। এর পিছনে অন্য কিছু রহস্য থাকতে পারে। পরিকল্পিতভাবেই খুন করা হয়েছে তাঁকে। ভাবতেই পারছি না যে বাবলা সরকার নেই। তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, বাবলা সরকার আমাদের মধ্যে নেই ভাবতেই পারছি না। সাত সকালে দুষ্কৃতীদের এই তান্ডব দেখে রীতিমতো অবাক হচ্ছি। ২৪ ঘন্টার মধ্যে অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে।বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক অম্লান ভাদুরি বলেন, আসলে শাসকদলের যোগ্য নেতাদের কদর নেই। বাবলাবাবু অত্যন্ত ভালো মানুষ ছিলেন। সাধারণ মানুষের জন্য অনেক উপকার করেছেন। অথচ তারই দেহরক্ষী তুলে নেওয়া হয়েছে। অযোগ্যদের এখন একগাদা দেহরক্ষী দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে আমরাও অসন্তুষ্ট। মানুষ এর বিচার করবে। পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। দুষ্কৃতীদের মুখ ঢাকা ছিল বলে চিহ্নিত করতে সমস্যা হচ্ছে। তবে গোটা এলাকায় নাকা তল্লাশি শুরু হয়েছে। আপাতত ২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য আটক করা হয়েছে। এদিকে তৃণমূল নেতা খুনের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে পরিবারকে সমবেদনা জানাতে হেলিকপ্টারে করে মালদা যান রাজ্যের পুর ও নগরন্নোয়ন দপ্তরের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। বৃহস্পতিবার বিকেলে মন্ত্রী ফিরহাদের সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের সেচ দপ্তরের আরেক রাষ্ট্রমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন সহ জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিন মালদায় মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম প্রথমে মেডিকেল কলেজে বাবলা সরকারের মৃতদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। পরে কনভয় নিয়ে সোজা চলে যান বাবলা সরকারের সুকান্তপল্লী এলাকার বাড়িতে। সেখানে স্ত্রী চৈতালি সরকারের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। তাঁকে সমবেদনা জানান। মন্ত্রী ফিরাদ হাকিম বলেন, বাবলা সরকার খুনের ঘটনার পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমি মালদায় এসেছি। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অপরাধী যেই হোক না কেন দ্রুত তাদের গ্রেপ্তারের পর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। একজন তৃণমূল নেতা শহরের বুকে খুন হয়ে যাবে, এটা মেনে নেওয়া সম্ভব না। এছাড়াও বাবলাবাবুর দেহরক্ষী তুলে নেওয়া হয়েছিল সেটাও আমরা জানতাম না। কে এবং কেন বাবলাবাবুর দেহরক্ষী গত তিন বছর আগে তুলে নিয়েছিল, সেটাও আমরা খোঁজ নিয়ে দেখব। অত্যন্ত মিষ্টিভাষী মানুষের এরকম শত্রু হতে পারে ভাবতেই অবাক লাগছে। ওনার পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছি। ইতিমধ্যে দুইজন দুষ্কৃতী ধরা পড়েছে বলেও পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব জানিয়েছেন। ধৃতদের মধ্যে একজনের বাড়ি বিহারে। অপরজনের বাড়ি ইংরেজবাজারে।

জানুয়ারি ০২, ২০২৫
রাজ্য

অন্ডালে উদ্ধার কাড়ি কাড়ি টাকা, ধৃত দুষ্কৃতীর দল, তদন্তে পুলিশ

উদ্ধার হলো কুড়ি লক্ষ টাকা সহ ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত হওয়া হাতুড়ি লোহা সহ একাধিক সামগ্রী। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য এলাকায়। অন্ডালের কাজী নজরুল ইসলাম বিমানবন্দরের রাস্তায় একটি চার চাকার গাড়ি দাঁড়িয়েছিল রবিবার রাতে। পুলিশের সন্দেহ, দুষ্কৃতীরা গাড়ি নিয়ে ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে দাঁড়িয়ে আছে। তারপরেই গাড়ির ভেতরে তল্লাশি চালানো হয়। উদ্ধার হয় নগদ কুড়ি লক্ষ টাকা। বাজেয়াপ্ত করা হয় চারটি মোবাইল ফোন সহ বেশ কিছু চুরি করার সামগ্রী। তখনই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত দুষ্কৃতীরা হল বীরভূমের নলহাটি থানার সাগর যাদব, অন্ডাল থানার কাজোরা কোলিয়ারি এলাকার রাকেশ কুমার নুনিয়া, প্রিন্স বিশ্বকর্মা ও অবিনাশ কুমার নুনিয়া। সোমবার দুপুর তিনটে নাগাদ পুলিশি হেফাজতে ধৃতদের দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তিন দিনের পুলিশে হেফাজতের নির্দেশ দেয়। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি অন্ডাল পিন্টু সাহা বলেন,ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে বিমানবন্দরের সামনে একটি বিলাসবহুল গাড়ি নিয়ে জড়ো হয়েছিল দুষ্কৃতীরা। অন্ডাল থানার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে। গাড়ি থেকে কুড়ি লক্ষ টাকা উদ্ধার হয়েছে। চুরির কাজে ব্যবহৃত বেশ কিছু সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। এত টাকা কোথা থেকে এল ধৃতদের পুলিশি হেফাজতে নিয়ে তদন্ত চালানো হবে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

আমবাগানে উদ্ধার অগ্নিদগ্ধ মহিলার খুন কী পরকীয়ার জের? কাটোয়া থেকে গ্রেফতার যুবক

মালদার মালতিপুরের আমবাগান থেকে অগ্নিদগ্ধ মহিলার মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চঞ্চল্য় ছড়িয়েছিল গতকাল। ওই মহিলার পরিচয় জানতে পেরেছে পুলিশ। তারপর জোরদার তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে আসে ফরেন্সিক দল। এই ঘটনায় যুক্ত থাকার সন্দেহে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া স্টেশন থেকে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।তদন্তকারীদের অনুমান, মালতিপুরের নৃশংস খুনের ঘটনায় পরকীয়া সম্পর্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত দুটো নাগাদ কলকাতাগামী ডাউন - রাধিকাপুর এক্সপ্রেসের সাধারণ বগি থেকে ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে কাটোয়া থানার পুলিশ। ধৃতকে মালদা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। শনিবার অগ্নিদগ্ধ ওই মহিলার দেহ উদ্ধারের পর চাঁচোল থানার মালতিপুর এলাকার আমবাগানে তদন্তে পৌঁছায় তিনজনের একটি ফরেন্সিক অফিসার। ফরেনসিক দলের তদন্তকারী কর্তা দীপক রায় জানিয়েছেন, ওই মহিলার দেহের সমস্ত অংশ পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। ফলে তদন্তে কিছুটা সমস্যা তো হবেই। তবে পুড়ে যাওয়া কিছু শরীরের অংশ নমুনা হিসেবে সংগ্রহ করা হয়েছে। ওই মহিলাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে কিনা সেটি বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরেই বলা সম্ভব। এদিকে ওই মহিলার নাম পরিচয় সনাক্ত করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, মৃত মহিলার বয়স ৪০ বছর। মৃতার বাবার বাড়ি চাঁচোল থানার দক্ষিণ শহর এলাকায়। ১২ বছর আগে ওই মহিলার বিয়ে হয়েছিল উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ এলাকার এক দিন মজুরের সঙ্গে। তাঁর নাবালক দুই ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে। দেড় বছর আগে ওই মহিলার স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর তিনি বাবার বাড়িতে থাকতেন। মাঝেমধ্যে ভিন রাজ্যে কাজ করতে যেত সে।পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত আবু তাহের ওই মহিলার শ্বশুর বাড়ির পাশাপাশি এলাকায় থাকে। দীর্ঘদিন আগে তাদের মধ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। কিন্তু কয়েক মাস ধরে বাবার বাড়িতে থাকাকালীন ওই মহিলা অভিযুক্ত আবু তাহেরকে পাত্তা দিচ্ছিল না। এছাড়াও একাধিক যুবকের সঙ্গে ওই মহিলার পরকীয়া সম্পর্ক ছিল বলেও প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে পুলিশ। আর সেটা থেকেই হয়তো ধৃত আবু তাহের বদলা নিতেই এই খুনের ঘটনায় ঘটাতে পারে বলে অনুমান পুলিশের। তবে ওই মহিলাকে রাতের অন্ধকারে খুন করা হয়েছে। ধর্ষণ করে খুন কিনা সেটা বোঝা যাচ্ছে না। তবে কুপিয়ে খুন করার পর খড়ের গাদায় দেহ রেখে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৪
রাজ্য

বর্ধমানে ট্রাফিক পুলিশের অভিযান, মদ্যপ চালককে আটক করে কলকাতায় নিরাপদে নার্সিংহোমে পৌঁছাল শিক্ষক দম্পতি

মদ্যপানরত চালকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু বর্ধমান থানায়, শিক্ষক দম্পতিকে নিরাপদে নাইটিংগেল হাসপাতালে পৌঁছে দিল বীরহাটা ট্রাফিক। শুক্রবার কার্জনগেট থেকে একটি পাবলিক গাড়ি ট্রাফিক সিগন্যাল ভেঙ্গে ওভারস্পিডে যাচ্ছিল তখন হঠাৎ সন্দেহের ভিত্তিতে ট্রাফিকে ডিউটিরত অফিসার এবং কনস্টেবলেরা গাড়িটিকে ধাওয়া করে। গাড়িটি বড়-নীলপুরের কাছে আটক করে। সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে দেখা যায়, গাড়ির চালক মাদ্যপানরত অবস্থায় পেশায় শিক্ষক এক দম্পতিকে কলকাতায় নাইটিংগেল হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অ্যালকোহল মাপক যন্ত্র দিয়ে চেক আপ করে চালকের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। বর্ধমান থানার কাছে ওই চালককে তুলে দেয়। এমনকি দম্পতির জন্য আরেকটি গাড়ির ব্যবস্থা করে সুস্থ অবস্থায় নাইটিংগেল হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার নিরাপদ ব্যবস্থাও করে পুলিশ।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৪
রাজ্য

মালদায় বিডিও অফিসের পিছনে আমবাগানে এ কী কান্ড! তদন্ত শুরু করল পুলিশ

আমবাগানের মধ্যে উদ্ধার হল খড় দিয়ে পোড়ানো আধপোড়া মৃতদেহ। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদা জেলা জুড়ে। মনে করা হচ্ছে, ঘটনাস্থলে খুন করে প্রমাণ লোপাটের জন্য দুষ্কৃতীরা আগুন ধরিয়ে দেহ পুড়িয়ে দিয়েছে। শুক্রবার সাত সকালে ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায় মালদার চাঁচল-২নং ব্লকের মালতীপুর এলাকায় বিডিও অফিসের পেছনে আমবাগান এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন খুব সকালের দিকে স্থানীয়রা আমবাগানের মধ্যে আগুন জ্বলতে দেখেন। এরপর স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে গিয়ে লক্ষ্য করেন খড়ের আগুনে মৃতদেহ জ্বলছে। দেহের বেশির ভাগ অংশ পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। পায়ের অংশটুকু বাকি পড়ে আছে।এই ভয়ানক ঘটনার কথা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক তৈরি হয়। বহু মানুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান চাঁচল থানার থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুন্ডু। সঙ্গে ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। প্রথমে পুলিশ আধপোড়া দেহের অংশটুকু উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। পরে ঘটনার তদন্ত শুরু করে। স্থানীয়দের অনুমান মৃতদেহটি কোন মহিলার। তাকে দুষ্কৃতীরা বাইরে কোথাও কিংবা ঘটনাস্থলেই খুন করে দেহে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। তবে এই প্রসঙ্গে চাঁচল থানার আইসি পূর্ণেন্দু কুন্ডু জানিয়েছেন, দেহটি মহিলার না কোন পুরুষের সেই ব্যাপারে তাঁরা এখনও নিশ্চিত নয়। ময়নাতদন্তের পরেই সঠিক তথ্য সামনে আসবে। তবে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা খতিয়ে দেখতে তারা তদন্ত শুরু করেছেন।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৪
রাজ্য

একবছর পর রাজস্থান থেকে উদ্ধার নাবালিকা, অভিযুক্তকেও বর্ধমানে নিয়ে এল পুলিশ

এক বছর এক মাস। অভিযোগের পর অনেকটা সময় পেরিয়ে গিয়েছিল। গলসি থানায় অভিযোগ হয়েছিল। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ ছিল, ১৭ বছরের নাবালিকা মেয়ে বাড়ি থেকে কাউকে কিছু না বলে চলে যায়। এই অভিযোগের ভিত্তিতে গলসি থানাতে একটি মামলা রুজু হয়। ২০২৩ সাল থেকে বিভিন্নভাবে মেয়েটিকে গলসি থানার তদন্তকারী অফিসার খোঁজার চেষ্টা করেন, কিন্তু প্রাথমিকভাবে কোনও হদিশ পাওয়া যায়নি। তা সত্ত্বেও তদন্তকারী অফিসাররা হাল ছাড়েননি।গত ৪ ডিসেম্বর পুলিশ সুপারের অনুমতি নিয়ে রাজস্থান এর উদেশ্যে পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ টিম রওনা দেয়। গত ৭ ডিসেম্বর স্থানীয় পালরি- এম থানার সহায়তায় যোধপুর স্টেশন থেকে ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পোশালিয়া গ্রাম থেকে তদন্তকারী অফিসাররা ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে এবং আসামিকে গ্রেপ্তার করেন। আজ, মঙ্গলবার নাবালিকা এবং আসামিকে পূর্ব বর্ধমানে ফিরিয়ে আনা হয়। আগামীকাল, বুধবার আসামি এবং উক্ত নাবালিকাকে পূর্ব বর্ধমান জেলা আদালতে নিয়ে যাওয়া হবে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডের জের, নতুন পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা, বদলি স্বাস্থ্য দফতরেও

গতকাল জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকে বিনীত গোয়েলকে সরানেরা কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতো সরানো হল তাঁকে। কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার হচ্ছেন মনোজ ভার্মা। ১৯৯৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার মনোজ ভার্মাকেই বিনীত গোয়েলের জায়গায় কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে অনলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার ছিলেন মনোজ ভার্মা। সেই সঙ্গে নতুন ADG হলেন জ্ঞানবন্ত সিং। স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের ADG পদে যাচ্ছেন বিনীত গোয়েল।গতকালই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, বিনীত গোয়েলকে সরিয়ে কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে নতুন কাউকে আনা হবে। সেই মতো মনোজ ভার্মাকে কলকাতা পুলিশের নতুন পুলিশ কমিশনার করা হয়েছে। ১৯৯৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার মনোজ ভার্মা। তিনি রাজ্য পুলিশের এডিজি (আইন-শৃঙ্খলা) পদে নিযুক্ত ছিলেন। এর আগে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনারের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এবার তিনি পুলিশ কমিশনার।দক্ষ পুলিশকর্তা হিসেবে বরাবরই নিজের পরিচয় দিয়েছেন মনোজ ভার্মা। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে উত্তাল পরিস্থিতির সময় এই মনোজ ভার্মাকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ২০১৯ সাল পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের আইজি ছিলেন মনোজ ভার্মা। ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের ফি দিনের গন্ডগোল সামলানোর দায়িত্বও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মনোজ ভার্মার কাঁধেই সঁপেছিলেন। এবার কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে আনা হল দুঁদে এই আইপিএস অফিসারকে।অফিসারকে। বিনীত গোয়েলকে পাঠানো হয়েছে এডিজি STF পদে পাঠানো হয়েছে। এর আগেও এসটিএফে কাজ করেছেন বিনীত গোয়েল। নতুন এডিজি আইবি হলেন জ্ঞানবন্ত সিং। DC নর্থ অভিষেক গুপ্তকেও বদলি করা হয়েছে। EFR সেকেন্ড ব্যাটেলিয়নের CO পদে আনা হয়েছে তাঁকে। অভিষেক গুপ্তর জায়গায় নতুন DC নর্থ দীপক সরকার। এডিজি (আইশৃঙ্খলা) পদে আনা হল জাভেদ শামিমকে। আরজি কর কাণ্ডের জেরে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের চাপে বদল স্বাস্থ্য দফতরেও। পুলিশের পাশাপাশি জুনিয়ার ডাক্তারদের দাবি মেনে সরিয়ে দেওয়া হল স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তাকে। কৌস্তভ নায়েককে সরিয়ে স্বাস্থ্য অধিকর্তা পদে আবা হয়েছে স্বপন সোরেনকে। সেই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা দেবাশিস হালদারকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা পদে থাকা দেবাশিস হালদারকে বদলি করা হচ্ছে জনস্বাস্থ্য স্পেশাল অফিসার অন ডিউটি পদে। স্বাস্থ্য অধিকর্তা পদে থাকা কৌস্তভ নায়েককে ইনস্টিটিউট অফ হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ারে অধিকর্তা পদে পাঠানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 15
  • 16
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

ভারতের বদলে চিনের দিকে মোড় নিল ইরানের তেলবাহী জাহাজ! মাঝসমুদ্রে কী ঘটল?

হরমুজ প্রণালী পেরোনোর পর মাঝসমুদ্রে হঠাৎ দিক পরিবর্তন করল ইরানের একটি তেলবাহী জাহাজ। ভারতের দিকে আসতে আসতেই সেটি ঘুরে চিনের দিকে চলে যায়। এই ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।জাহাজ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পিং শান নামে ওই জাহাজটি একটি বড় তেলবাহী জাহাজ। প্রথমে এটি ভারতের পশ্চিম উপকূলে ভাদিনার বন্দরের দিকে এগোচ্ছিল। কিন্তু পরে আচমকাই দিক বদলে দক্ষিণ দিকে ঘুরে চিনের একটি বন্দরের দিকে যেতে শুরু করে। তবে শেষ পর্যন্ত জাহাজটি কোথায় পৌঁছবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।প্রায় সাত বছর পর ইরান থেকে ভারতের উদ্দেশে তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথে এই পরিবর্তনে সেই সম্ভাবনা এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।জানা গেছে, জাহাজটিতে প্রায় ছয় লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০১৯ সালের পর এটি ভারতের জন্য প্রথম ইরানি তেলের চালান হতে পারত।২০১৯ সালের মে মাসের পর থেকে ভারত ইরান থেকে তেল আমদানি বন্ধ রেখেছে। সেই সময় আমেরিকার নিষেধাজ্ঞার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে সম্প্রতি কিছু ক্ষেত্রে সাময়িক ছাড় দেওয়ায় আবার তেল আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু অর্থ লেনদেন, পরিবহণ এবং বিমা সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সেই প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, এই তেল ভাদিনার একটি রিফাইনারিতে পৌঁছবে। কিন্তু এখন সেই পরিকল্পনা বদলে গেছে।একসময় ভারত ইরানের অন্যতম বড় তেল ক্রেতা ছিল। দেশের মোট তেল আমদানির একটি বড় অংশই ইরান থেকে আসত। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার পরে সেই সম্পর্ক পুরোপুরি থেমে যায়।এই পরিস্থিতিতে মাঝসমুদ্রে জাহাজের দিক পরিবর্তন নতুন করে নানা প্রশ্ন তুলেছে। কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, তার স্পষ্ট উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপি-মিম-কংগ্রেস যোগ! কালিয়াচক ইস্যুতে বড় অভিযোগ মমতার

কালিয়াচকের ঘটনাকে ঘিরে আবারও নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের সভা থেকে তিনি বলেন, এখন প্রশাসন তাঁর হাতে নেই। তবে তার পরেও রাজ্য দ্রুত পদক্ষেপ করেছে।মালদহে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা পৌঁছানোর আগেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে রাজ্যের সিআইডি। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এনআইএ আসার আগেই মূল অভিযুক্তকে ধরা হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাও যথেষ্ট সক্রিয়।মমতা আরও অভিযোগ করেন, মালদহের ঘটনার পিছনে বিজেপি, মিম এবং কংগ্রেসের যোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, এই তিন দল মিলেই অশান্তি তৈরির চেষ্টা করেছে।সভামঞ্চ থেকে তিনি কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বদল করা হয়েছে। নতুন আধিকারিকদের নিয়োগ করা হয়েছে। তিনি আশা করেন, তাঁরা বাংলার মানুষের স্বার্থে কাজ করবেন এবং কোনও চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।মমতা জানান, কিছুদিনের জন্য তাঁর হাত থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তবে পরে আবার সব স্বাভাবিক হবে এবং তখন সব কিছুর বিচার হবে।কালিয়াচক ঘটনার মূল অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করছিল বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, বাগডোগরা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, বাইরে থেকে লোক এনে অশান্তি তৈরির চেষ্টা হয়েছে।এছাড়াও তিনি সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেন, কেউ যেন নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য অপরিচিত কারও হাতে না দেন। তাঁর দাবি, অনেক জায়গায় ভুল পরিচয় দিয়ে মানুষকে প্রতারিত করার চেষ্টা হচ্ছে। সামান্য টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তথ্য নেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে সবাইকে সাবধান থাকার আহ্বান জানান তিনি।পুরো ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। তদন্ত চলছে এবং আগামী দিনে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

বাড়ি থেকে বেরিয়ে হঠাৎ উধাও! কোথায় গেলেন পরিচালক উৎসব?

বৃহস্পতিবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ পরিচালক উৎসব মুখোপাধ্যায়। শুক্রবারও তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে পরিবারের মধ্যে। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিভিন্ন থানায় খোঁজ নেওয়ার পাশাপাশি রেল পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর মোবাইলের শেষ অবস্থান উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছে ধরা পড়েছে। তারপর থেকেই ফোন বন্ধ হয়ে যায়।পরিচালকের স্ত্রী মৌপিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে নিমতার একটি ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন উৎসব। সেখানে একটি পুরনো অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার কথা ছিল। দুপুর দুইটা বেজে বাইশ মিনিট নাগাদ তাঁদের শেষবার কথা হয়। তারপর থেকেই আর কোনও যোগাযোগ করা যায়নি।তিনি আরও জানান, নিজের মোবাইল বাড়িতে রেখে বাবার ফোন নিয়ে বেরিয়েছিলেন উৎসব। ব্যাঙ্কের কাজের জন্য ওটিপি আসার কথা ছিল বলে নিজের ফোন বাড়িতেই রেখেছিলেন।মৌপিয়ার দাবি, কিছুদিন ধরে সাইবার সংক্রান্ত সমস্যায় চিন্তিত ছিলেন উৎসব। সেই কারণে তিনি মানসিকভাবে কিছুটা অস্বস্তিতে ছিলেন এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকেও দূরে ছিলেন। পরিবার থেকে তাঁকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হচ্ছিল।ফোন নম্বরের অবস্থান খতিয়ে দেখে জানা গেছে, শেষবার সেটি উল্টোডাঙা স্টেশনের কাছেই সক্রিয় ছিল। তারপর হঠাৎই সেটি বন্ধ হয়ে যায়।পরিবারের দাবি, কারও সঙ্গে বিশেষ কোনও বিরোধ ছিল না উৎসবের। তিনি সাধারণত নিজের মতোই থাকতেন এবং বিনোদন জগতের আড্ডা বা পার্টি থেকে দূরে থাকতেন। এখনও পর্যন্ত কোনও হুমকির ফোনও আসেনি বলে জানিয়েছেন তাঁর স্ত্রী।ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে। পুলিশ সব দিক খতিয়ে দেখছে এবং পরিচালকের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের আগে বড় বিস্ফোরণ! শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ তৃণমূলের

ভোটের আবহে রাজ্যজুড়ে উত্তেজনা বাড়ছে। বিশেষ নজর রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রে (TMC)। এই পরিস্থিতিতে ওই কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে তৃণমূল। তাঁদের অভিযোগ, শুভেন্দু ভোটারদের উপর হামলার উস্কানি দিচ্ছেন (TMC)।গত মঙ্গলবার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে অন্য পক্ষের সমর্থকরাও জড়ো হন (TMC)। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। একাধিক বাইক ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামাতে হয়।এই ঘটনার পর সাংবাদিকদের সামনে শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা উচিত। তাঁর বক্তব্যে বলা হয়, কঠোর ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক (TMC)।এছাড়া তিনি কলকাতা পুলিশের ভূমিকাও নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, পুলিশ এখনও পরিস্থিতি ঠিকভাবে সামাল দিতে পারছে না। নির্বাচন কমিশনের কাছেও তিনি বিষয়টি জানাবেন বলে জানান।উল্লেখ্য, ভোট ঘোষণার পর কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে পরিবর্তন আনে নির্বাচন কমিশন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের কাজ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছেন না।এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, এই ধরনের বক্তব্য ভোটের পরিবেশকে অশান্ত করতে পারে। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করে ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।তৃণমূলের তরফে কমিশনের কাছে আবেদন করা হয়েছে, শুভেন্দুকে শোকজ করা হোক এবং তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এমনকি তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিও তোলা হয়েছে।উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ভবানীপুর কেন্দ্রে নিজের মনোনয়ন জমা দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ফের ইডির ডাকে হাজির রাসবিহারীর তৃণমূল প্রার্থী! জমি দুর্নীতিতে বাড়ছে চাপ

জমি দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির দফতরে হাজির হলেন দেবাশীষ কুমার। এর আগেও তাঁকে তলব করা হয়েছিল। এবার তাঁকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছিল। নির্ধারিত সময়েই তিনি দফতরে পৌঁছন (TMC Candidate)।রাসবিহারী কেন্দ্রের প্রার্থী এবং বিদায়ী বিধায়ক দেবাশীষ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ (TMC Candidate), জাল নথির সাহায্যে সরকারি ও বেসরকারি জমি বেআইনিভাবে দখল করা হয়েছে এবং সেই জমিতে অবৈধ নির্মাণ করা হয়েছে। এই অভিযোগে তাঁকে দ্বিতীয় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে ইডি। শুক্রবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল এবং তিনি তদন্তকারীদের সামনে হাজির হন (TMC Candidate)।এর আগে গত ত্রিশে মার্চ তিনি কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন। সেদিনও তাঁকে জমি দখল সংক্রান্ত একটি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় (TMC Candidate)।শুক্রবার সকাল সাড়ে এগারোটার সময় তিনি দফতরে পৌঁছন এবং তারপরই জেরা শুরু হয় (TMC Candidate)।সূত্রের খবর, সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থায় আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সেই তদন্তেই দেবাশীষ কুমারের নাম সামনে আসে। এরপরই তাঁকে তলব করা হয়।জানা গেছে, বেঙ্গল এনার্জি নামে একটি সংস্থার দুই কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সেই সময় বেশ কিছু নথিতে দেবাশীষ কুমারের নাম পাওয়া যায়। এরপর থেকেই এই মামলায় তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে ইডি।এই ঘটনার পর ভোটের আগে রাজনৈতিক মহলেও চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! দাগী নেতাদের নিরাপত্তা এক ঝটকায় তুলে নিল কমিশন

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কড়া হল নির্বাচন কমিশন। অপরাধমূলক অভিযোগ রয়েছে এমন নেতাদের আর নিরাপত্তা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার কমিশন জানতে চেয়েছে, সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না।কমিশন সম্প্রতি রাজ্যের সব বিধানসভা কেন্দ্র, পুলিশ জেলা ও কমিশনারেট থেকে নিরাপত্তা পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ও পদবীসহ পূর্ণ তালিকা চেয়েছিল। এরপর জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়, যাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যাঁরা জামিনে মুক্ত বা প্যারোলে আছেন, কিংবা যাঁদের অপরাধমূলক অতীত রয়েছে, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করতে হবে। শুধুমাত্র পদ বা সম্ভাব্য হুমকির অজুহাতে নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।এই নির্দেশ অনুযায়ী দুই এপ্রিল রাতের মধ্যেই নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার কমিশন সেই কাজ হয়েছে কি না, তার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। রাজ্য পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের শুক্রবার দুপুর বারোটার মধ্যে আপডেট রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের ফলে একাধিক প্রভাবশালী নেতার নিরাপত্তা আপাতত তুলে নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে যাঁরা গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত অথচ এখনও গ্রেফতার হননি, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে আগামী দশ দিনের মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কমিশন নির্দেশ দিয়েছিল, প্রতিটি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের মাধ্যমে এমন এলাকা চিহ্নিত করতে হবে যেখানে অশান্তির সম্ভাবনা বেশি। পাশাপাশি, গত নির্বাচনে যারা কোনও অপরাধে জড়িত ছিল, সেই দুষ্কৃতীদেরও চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগেই বড় কড়াকড়ি! রাজ্য জুড়ে জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, অমান্য করলেই গ্রেফতার

ভোট শুরু হতে এখনও প্রায় কুড়ি দিন বাকি। তার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসছে। কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে মঙ্গলবার যে বিক্ষোভ হয়েছে, তা নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাতেও তদন্তের দায়িত্ব জাতীয় সংস্থাকে দিতে হয়েছে। ভোট ঘোষণার পর এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়।এই পরিস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, রাজ্যের কোথাও বেআইনি জমায়েত করা যাবে না। বৃহস্পতিবার থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হচ্ছে।কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কোনও মিছিল, সভা বা জমায়েত করতে হলে আগে থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোনও জমায়েত করা হলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হবে। এমনকী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যেতে হলেও আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।এছাড়াও বিএলও রক্ষা কমিটি মঞ্চকেও কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা আবার কোনওভাবে মঞ্চ তৈরি করে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে সাসপেনশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।গত মঙ্গলবার ফর্ম ছয় সংক্রান্ত বিষয়ে সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে উপস্থিত অন্য দলের সমর্থকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।অন্যদিকে, বুধবার মালদহে সাত জন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার দায় কমিশনের দিকে ঠেলেছেন। অন্যদিকে কমিশন রাজ্যের পুলিশ প্রধানের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে।এই সমস্ত বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এরপরই দ্রুত রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েত বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হয়।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
রাজ্য

পালাতে গিয়ে ধরা! কালিয়াচক হিংসায় মূল অভিযুক্ত নিয়ে বিস্ফোরক দাবি পুলিশের

কালিয়াচকের (Kaliachak Violance) ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এই ঘটনার ইতিমধ্যেই নিন্দা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালত স্তরেও। এর মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে মোফাক্কেরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে, যিনি একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।বুধবার রাতে কালিয়াচকের বিশাল জমায়েতে তাঁকে একটি গাড়ির ছাদে উঠে বক্তব্য রাখতে দেখা গিয়েছিল (Kaliachak Violance)। সেই ভিডিয়ো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগ, ওই জমায়েতে উত্তেজনা ছড়ানোর পিছনে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল।এই বিষয়ে উত্তরবঙ্গের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক কে জয়রামন সাংবাদিক বৈঠকে জানান, কালিয়াচকের ঘটনায় মালদহ জেলায় মোট উনিশটি মামলা দায়ের হয়েছে (Kaliachak Violance)। ইতিমধ্যে তেত্রিশ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মোফাক্কেরুল ইসলামকেও গ্রেফতার করা হয়েছে বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে।তিনি জানান, ধৃত ব্যক্তি ইটাহার থানার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন আইনজীবী। পুলিশের দাবি, তিনিই মূলত উস্কানি দিচ্ছিলেন। ভাইরাল ভিডিয়ো থেকেও সেই প্রমাণ মিলেছে। সিআইডির সহায়তায় এবং শিলিগুড়ি পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁর সঙ্গে আকরামুল বাগানি নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, তাঁরা বেঙ্গালুরু পালানোর চেষ্টা করছিলেন।গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে কালিয়াচকের ঘটনায় তিনটি মামলায় নাম রয়েছে। অন্য কোনও ঘটনার সঙ্গে তাঁর যোগ আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে (Kaliachak Violance)।বিচারকদের দীর্ঘ সময় আটকে থাকার বিষয়ে পুলিশ স্বীকার করেছে যে কিছুটা দেরি হয়েছিল। জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে অনেক মহিলা ও শিশু উপস্থিত থাকায় জোর করে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে এই দেরির কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং একটি রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।পুলিশ আরও জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং কারা কারা এই উত্তেজনা ছড়ানোর সঙ্গে যুক্ত ছিল, তা খুঁজে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের দায়িত্ব নিতে পারে এবং ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিতে পারে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal