• ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ২০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Message

দেশ

রক্ত ও জল একসঙ্গে নয়, স্বাধীনতা দিবসে ফের মোদীর আগুনে হুঙ্কার

আজ দেশের ৭৯তম স্বাধীনতা দিবসে রাজধানী দিল্লির লালকেল্লা থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে ভাষণ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে তেরঙ্গা উত্তোলন ও জাতীয় সঙ্গীতের পর তিনি ভাষণ শুরু করেন। এদিন তিনি স্পষ্ট বার্তা দেনভারত আর কোনওভাবেই পারমাণবিক হুমকি বা ব্ল্যাকমেলিং সহ্য করবে না।অপারেশন সিঁদুরে অংশ নেওয়া সেনাদের স্যালুট জানিয়ে মোদী বলেন, সাহসী জওয়ানরা শত্রুকে কল্পনার বাইরে শাস্তি দিয়েছে। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে দিল্লিজুড়ে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে; ১০ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী ও ৩ হাজার ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন হয়েছে।জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে মোদী বলেন, প্রতিটি ঘরে তেরঙ্গা উড়ছেহোক তা মরুভূমি, হিমালয়, সমুদ্রতট বা শহর। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে কুর্নিশ জানান এবং ১৪০ কোটি মানুষের সম্মিলিত সংকল্পকে দেশের গর্ব বলে উল্লেখ করেন।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শহিদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করেন।

আগস্ট ১৫, ২০২৫
নিবন্ধ

হৃদয়ছোঁয়া প্রীতি বার্তার সুগন্ধী বাতাস

অনেক শহর গ্রাম ছাড়িয়ে অনেক দূর সে গ্রাম, কেউ জানো কি তার নাম? সে গ্রামের আজব খবর কানে আসে;সেখানে মানুষ নাকি মানুষ পেলেই ভালোবাসে এমন আজব এক গ্রামেই ঢুকে পড়েছিলাম বছর দশেক আগে; রবাহুত অনভ্যস্ত পায়ে থমকে, থেমে দ্বিধান্বিত চোখে এদিক ওদিক তাকাতে তাকাতে। সে এক ভুবনভরা গ্রাম বিশ্বজোড়া ফাঁদ পাতা তার কেমনে দিই ফাঁকি!সেই ফেসবুক-গ্রামে এলোমেলো ঘুরতে ঘুরতে খুঁজে পেলাম কত গ্রামছাড়া রাঙামাটির পথ পায়ে পায়ে সন্ধ্যার ক্লান্তি নিয়ে ঘরে ফিরে আসার কত শহুরে সড়ক কত স্থিতপ্রজ্ঞ জীবন রসিকের সুললিত কলম কত বরাননা-র মায়াবী মন-উদ্ভাস এত আলো এত আকাশ যা আগে বোধ হয় কখনও দেখি নি, চোখেও পড়ে নি! আমার ফেসবুকীয় বান্ধবসমাজ কখনো ট্রোলিং শব্দটি জানতে দেন নি আমায়, বরং ভালোবাসা-সমাদর-প্রেরণার জোয়ারে ভাসিয়ে দিয়েছেন বরাবর!সেই প্রীতি ও শুভেচ্ছার বাঁধভাঙা ঢেউ প্রতি বছর সুনামি হয়ে আছড়ে পড়ে আজ, এই আঠাশে আগস্টের ভাদ্রবাসরে। এডিলেড থেকে এডিনবরা, আটলান্টা থেকে আগরতলা ছুঁয়ে অনুরণিত হয় মনহারানো খুশির গুঞ্জন ভালো আছি , ভালো থেকো / আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো!প্রতিবার ভাবি, ব্যক্তিগতভাবে প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাবো এই আশীর্বাদ-শুভকামনার প্রাপ্তি স্বীকার করে। শুরুও করে দিই সকাল থেকেই; কিন্তু ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ-মেসেঞ্জার মিলে হাজারখানেক বার্তার অমিত প্রাচুর্য রণে ভঙ্গ দিতে বাধ্য করে অচিরেই। বুক ভরে নিই হৃদয়ছোঁয়া প্রীতি বার্তার সুগন্ধী বাতাস; মনে ভাবি এই সর্বপ্লাবী ভালবাসাই আগলে রাখবে চিরকাল, সব দুর্দৈব-দুঃখ-দীনতা থেকে।জানি, এ ভুল! ফাগুনের ফুল ঝরে যাবে; একদিন পথের মতো হারিয়ে যাব আমিও, নদীর মতো আর আসবো না ফিরে। এ পায়ের চিহ্ন আর পড়বে না পৃথিবীর পথে। সেদিনও ফুল্লকুসুমিত হবে তরুশাখা দুঃসাহসের ডানা মেলে দূরে দূরে উড়ে যাবে চঞ্চল পাখিরা ভাদ্রের নীলাকাশে ভাসবে সাদা মেঘের ভেলা ধানের ক্ষেতে রৌদ্রছায়ায় লুকোচুরি খেলবে অনাগত দিনসেই আগামীর স্বপ্ন বুকে নিয়ে পেরিয়ে যাই আরো এক আঠাশে আগস্ট বন্ধুদের শুভেচ্ছা-ভালোবাসা শারদ শিশিরের মতো মৃদু মোলায়েম মায়ায় অভিসিঞ্চিত করে রাখে সেই উজ্জ্বল দিন!ভালো থেকো বন্ধুরা কাছে.. দূরে.. যে যেখানে আছো। আমার মনোজগৎ প্রসারিত করো আরো, তোমাদের স্মৃতি-সত্ত্বা-ভবিষ্যতের মায়াজাল বুনে। প্রৌঢ়ত্ব পীড়াদায়ক না হয় যেন, ক্ষুদ্রতা যেন স্পর্শ না করে হৃদয়-চেতন-মননকে!কাছে থাকো। ভয় করছে। মনে হচ্ছেএ মুহূর্ত বুঝি সত্য নয়। ছুঁয়ে থাকো।শ্মশানে যেমন থাকেন দেহ ছুঁয়ে একান্তস্বজন। এই হাত, এই নাও হাত।এই হাত ছুঁয়ে থাকো, যতক্ষণকাছাকাছি আছো, অস্পৃষ্ট রেখো না।ভয় করে, মনে হয়, এ মূহূর্ত বুঝি সত্য নয়।যেমন অসত্য ছিল দীর্ঘ গতকাল।যেমন অসত্য হবে অনন্ত আগামী।পাণিগ্রহণ (নবনীতা দেবসেন )।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৩
কলকাতা

যত জিতব তত নম্র হতে হবে, বললেন মমতা

তিন দিনের উত্তরবঙ্গ সফরে রওনা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সফরে যাওয়ার আগে চার পুরসভায় তৃণমূলের বিপুল জয়কে জনগণকে উৎসর্গ করলেন দলের সভানেত্রী।বিমানে ওঠার আগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই জয়ের জন্য আমরা মানুষের কাছে কৃতজ্ঞ। যত জিতব তত আমাদের নম্র হতে হবে। আগামী দিনে আমার লক্ষ্য শিল্পায়ন এবং কর্মসংস্থান। আমাদের সমস্ত সামাজিক প্রকল্প যাতে সুষ্ঠু ভাবে চলে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ প্রসঙ্গে মমতা বলেন, মঙ্গলবার থেকে রাজ্যে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি শুরু হবে। বিধাননগর, শিলিগুড়ি, চন্দননগর, আসানসোল, কলকাতা পুরসভায় জিতেছি। আগামী দিনে আরও কয়েকটি পুরসভা নির্বাচন আছে।তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের পরিষেবা, বাংলার সবুজায়ন, শিল্প সমৃদ্ধ করা, মায়ের সম্মান, ছাত্র যুবদের সম্মান, শ্রমিক কৃষকের ভালবাসা, সর্বধর্ম সমন্বয়ের মধ্যে দিয়ে সংস্কৃতি সম্প্রীতির মধ্যে দিয়ে আমরা করে চলেছি এবং করে যাব। আরও বেশি করে মানুষের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে। আগামিদিন আমার ডেস্টিনেশন ইন্ডাস্ট্রি। কাজের সুযোগ বাড়ানো।একইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বার্তা দেন, জনগনের পরিষেবা পুরনিগম, পুরসভা দেবে। সরকারের অনেক কাজ। মঙ্গলবার থেকে আবার দুয়ারে সরকার শুরু হচ্ছে। আমাদের সমস্ত সরকারি প্রকল্প যেন ঠিকমতো চলে তা সবাইকে দেখতে হবে। কোভিড কমে গেলেও সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। এই জয় মানুষের উদ্দেশে উৎসর্গ করছি। আজ শিলিগুড়ি যাচ্ছি। কোচবিহারে অনুষ্ঠান আছে। ট্রাইবাল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের মিটিংও আছে। আজ পঞ্চানন বর্মার জন্মদিন। ওখানে পৌঁছে তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করব।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
দেশ

সংসদ শুরুর আগে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

সোমবার সংসদে শুরু হল বাজেট অধিবেশন। এই পরিস্থিতিতে বিরোধী দলগুলির তরফে গোলমালের আশঙ্কা করে আগে থেকেই সাংসদদের সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার সংসদে ঢোকার আগে মোদি বলেন, সংসদের প্রত্যেককে অধিবেশনে স্বাগত। তবে আশা করব, ভোট কোনওভাবেই বাজেট অধিবেশনকে প্রভাবিত করবে না। সব দল খোলা মনে উত্তম চর্চা করে দেশের প্রগতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবেন।মোদি এদিন বলেছেন, ভারতের অর্থনীতি বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই বাজেট অধিবেশনও ভারতের আার্থিক প্রগতিকে আগামী এক বছরের জন্য প্রভাবিত করবে। আশা করব, দেশের উন্নতির কথা মাথায় রেখে সাংসদরা একযোগে কাজ করবেন। কারণ, ভোট নিজের জায়গায়, বাজেট অধিবেশন নিজের জায়গায়।ঘটনাচক্রে, বাজেট অধিবেশন যখন বসছে, তখন পেগাসাস নিয়ে দেশে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আবার উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পঞ্জাব, গোয়া এবং মনিপুরেও আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন। পশ্চিমবঙ্গেও শুরু হচ্ছে পুরসভা ভোট। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের অনুমান, পেগাসাস-কাণ্ড এবং ভোটকে সামনে রেখে বাজেট অধিবেশনে বিরোধীরা অশান্তি করতে পারেন ভেবেই আগে থেকে এই বার্তা দিয়ে রাখলেন মোদি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
দেশ

Narendra Modi: যুব দিবসে মেয়েদের আত্মনির্ভরতার বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বামী বিবেকানন্দের ১৬০ তম জন্মজয়ন্তীতে দেশের যুবদেরকে নিয়ে প্রশংসা শোনা যায় প্রধানমন্ত্রীর গলায়। দেশের যুবসমাজের আগ্রহের কোনও অভাব নেই এবং যেকোনও কাজে তারা এগিয়ে আসে বলেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ভিডিও কনফারেন্সিংয়র মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প মন্ত্রকের তত্ত্বাবধানে পুদুচেরিতে তৈরি হওয়া পেরুন্থলাইভার কামরাজার মনিমণ্ডপম টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।সম্প্রতি মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করার পক্ষে সওয়াল করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এবার সেই সুরই শোনা গেল প্রধানমন্ত্রীর গলায়। বুধবার প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, নারী ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে ২১ করা প্রয়োজন। এই পদক্ষেপের ফলে মেয়েরা আত্মনির্ভর হবেন বলেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, আমরা মনে করি ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে কোন তফাৎ নেই। মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে বাড়িয়ে ২১ করা হলে দেশের মেয়েরা নিজেদের ভবিষ্যত মজবুত করতে পারবেন। এর ফলে মেয়েরা আত্মনির্ভর হবে।এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে দারুণভাবে স্টার্টআপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশে এই মুহূর্তে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশি স্টার্টআপ রয়েছে। করোনা অতিমারির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বিগত ৬-৭ মাসের মধ্যে নতুন ১০ হাজার স্টার্টআপ শুরু হয়েছে। দেশের যুব সমাজের মধ্যে তৎপরতার সঙ্গে কাজ করে দেখানোর ক্ষমতা রয়েছে, সেখান থেকে সকলের শেখা উচিত। যুব সমাজের ওপর ভর করে ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমে অভূতপূর্ব উন্নতি করেছে ভারত। ভারতকে বিশ্ব মানচিত্রে নতুন জায়গা করে দিয়েছে যুবসমাজ। আমরা চাই কোনওরকম বাধা বা সমস্যা ছাড়া দেশের যুবরা নিজেদের স্বপ্ন পূরণ করুক। মুদ্রা যোজনা, স্টার্টআপ ইন্ডিয়া, স্কিল ইন্ডিয়া, অটল ইনোভেশন মিশনের মতো প্রকল্পগুলি যুবদের স্বপ্ন পূরণ করছে। যুবসমাজের প্রতি আমার সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমার বিশ্বাস যুবরা দেশকে এমন উচ্চতায় নিয়ে যাবে যা এর আগে কেউ কল্পনাও করেনি।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Covid Awarness: করোনা সচেতনায় মেমারির বিধায়ক মধূসুদন ভট্টাচার্যর বার্তা

রাজ্যে প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা সংক্রমণ। করোনার বাড়বাড়ন্তের পরও মানুষের হুঁশ ফেরেনি। এখনও যত্রতত্র মাস্ক ছাড়া ঘুরে বেড়াতে দেখা যাচ্ছে বহু মানুষকে। জমায়েত করতেও দেখা যাচ্ছে বাজারগুলোতে। এই পরিস্থিতিতে বর্ধমানের মেমারির ২৬৫ বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক মাননীয় মধূসুদন ভট্টাচার্য করোনা সচেতনতায় এলাকার মানুষের স্বার্থে বার্তা দিলেন। নিজের বিধানসভাকেন্দ্রের মানুষকে কোভিড বিধি মেনে চলার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। মাস্ক পরার পাশাপাশি দূরত্ববিধি মেনে চলার আবেদন জানিয়েছেন বিধায়ক। সঙ্গে স্যানিটাইজার ব্যবহার করতেই জনসাধারণের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ হয়ে গেল কামারপুকুর মঠএলাকার সমস্ত স্কুল-কলেজ-ক্লাবের শাখা নেতৃত্বদের কাছেও তিনি অনুরোধ করেন, এই কোভিডবিধি যাতে মেনে চলা হয় সেদিকে নজর রাখার। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের সাধারণের উদ্দেশ্যে যে করোনাবিধি মেনে চলার বার্তা দিয়েছেন তা যেন অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হয় সেকথাও বলেছেন তিনি। শুধুমাত্র সচেতনতা অবলম্বনের মাধ্যমেই করোনার বিরুদ্ধে জয়লাভ সম্ভব বলেও উল্লেখ করেছেন মাননীয় বিধায়ক।আরও পড়ুনঃ করোনায় আক্রান্ত বাহুবলীপ্রসঙ্গত, রাজ্যে এক লাফে কোভিড সংক্রমণ ২৪ হাজার পেরিয়ে গিয়েছে। নতুন সপ্তাহের প্রথম দিন দেশের কোভিড গ্রাফের ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহতই। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৭২৩ জন, মৃত্যু হয়েছে ১৪৬ জনের। রবিবারের তুলনায় দৈনিক সংক্রমণ বৃদ্ধির হার ১২.৬ শতাংশ। পজিটিভিটি রেট ১৩.২৯ %। অ্যাকটিভ কেস বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লক্ষ ২৩ হাজার ৬১৯।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
দেশ

Opposition meeting: সনিয়ার ডাকা বিরোধী-বৈঠকে মমতার বার্তা

পাখির চোখ ২০২৪। বিজেপি বিরোধী জোটে শান দিতে মোট ২০ টি দল ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হওয়া বৈঠকে অংশ নিয়েছিল। সেখানেই সম্মিলিতভাবে মোট ১১ টি দাবি পেশ করা হয় কেন্দ্রের সামনে। সূত্রের খবর, সমস্ত দল মিলে আগামী মাসের ২০ তারিখ থেকে গোটা দেশে কেন্দ্র-বিরোধী আন্দোলন আরও তীব্র করবে বলে জানিয়েছে। যৌথভাবে গোটা দেশের নানা প্রান্তে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। আজকের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অবশ্য অংশ নেয়নি সপা এবং বসপা। তবে তৃণমূল মনে করছে, এদিনের বৈঠকের মাধ্যমে ২০২৪-এর লক্ষ্যে একটা প্রক্রিয়া অন্তত শুরু হল।আরও পড়ুনঃ মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না ইস্টবেঙ্গলেরযখনই বিরোধী জোটের কথা আসে, তখন পাল্লা দিয়ে আরেকটা প্রশ্নেরও উত্থাপন হয়। সূত্রের খবর, এ দিনের বৈঠকে সেই প্রশ্নটাই ভুলে যেতে বলেছেন মমতা। কে নেতা, তা ভুলে যান। আসুন ব্যক্তিগত স্বার্থকে আমরা একপাশে রাখি। মানুষই আমাদের নেতৃত্ব দেবে, বৈঠকে এমনটাই বলেন মমতা। অন্যদিকে, আজকের বৈঠকের পর একটি সম্মিলিত বিবৃতি প্রকাশ করে মোট ১১টি দাবি কেন্দ্রের নিকট তুলে ধরে অংশগ্রহণকারী ২০ টি রাজনৈতিক দল। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি বিরোধী জোট গঠনের পথে আরেকধাপ এগোনোর প্রতিশ্রুতি নিলেন বিরোধী নেতারা। বৈঠকে ছিলেন শিবসেনা সুপ্রিমো উদ্ধব ঠাকরে, এনসিপি প্রধান শরদ পওয়ার, ডিএমকে-র এমকে স্ট্যালিন, ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার হেমন্ত সোরেন। তবে গরহাজির ছিলেন এসপি ও বিএসপি নেতৃত্ব। আরও তাৎপর্যপূর্ণভাবে সনিয়ার ডাকা বৈঠকে মমতার পাশাপাশি ছিলেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি।

আগস্ট ২০, ২০২১
বিদেশ

Afghanistan: 'টাকা চুরি করে নয়, চটি পড়ে দেশ ছেড়েছি,' মুখ খুললেন আসরাফ

তালিবান কাবুলে প্রবেশ করার পরই প্রাণভয়ে ক্ষমতা ছেড়ে সপরিবারে পালিয়ে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট আসরাফ ঘানি। গত কয়েকদিন ধরে তাঁর অবস্থান ঠিক ভাবে বোঝা যাচ্ছিল না। আফগানিস্তান ছেড়ে কোন দেশে গেলেন আসরাফ ঘানি, সেই প্রশ্নে ঘুরছিল আন্তর্জাতিক মহলে। অবশেষে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির তরফে জানানো হয়েছে যে মানবিকতার খাতিরে সেখানেই আশ্রয় দেওয়া হয়েছে তাঁকে। গতকালের সেই খবর প্রকাশ্যে আসার পর একটি ভিডিও বার্তায় দেশ ছাড়ার পর প্রথম মৌনতা ভাঙলেন আফগানিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট। রক্তপাত এড়াতে যে কাবুল ছেড়েছেন সে কথা আগেই বলেছিলেন ঘানি। এবার তিনি নাম না করে জবাব দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে। সেই সঙ্গে টাকা নিয়ে দেশ ছাড়ার যে গুজব তৈরি হয়েছে তা মিথ্যা বলেও ওড়ালেন তিনি।আরও পড়ুনঃ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে খুঁটিনাটি স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রীআসরাফ ঘানি দেশ ছাড়ার পর রাশিয়ার এক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল যে গাড়ি এবং চপার ভর্তি টাকা নিয়ে আফগানিস্তান ছেড়েছেন ঘানি। সেই অভিযোগ উড়িয়ে আসরাফ ঘানি বলেন, আমি খালি হাতেই দেশ ছেড়েছি। এত কম সময়ের মধ্যে আমাকে দেশ ছাড়তে হয়েছে যে আমার পায়ের চটি খুলে বুট পর্যন্ত পরার সময় পাইনি। টাকা নেওয়ার অভিযোগ যে মিথ্যা তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, খালি হাতেই দেশ ছেড়েছি। প্রয়োজন হলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কাস্টমসে খোঁজ নিন।আরও পড়ুনঃ লোকাল ট্রেন কবে চালু হবে, জানালেন মমতাআফগান প্রেসিডেন্টের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়ার পর এটাই ছিল তাঁর প্রথম ভিডিও বার্তা। গতকাল দুবাই থেকে সেই বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, যদি তিনি কাবুলে থাকতেন তাহলে সেখানে আরও ধ্বংসাত্মক ঘটনা ঘটত।সেই সঙ্গে আফগানিস্তানের থেকে লড়াই করার জন্য আফগান সেনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে ক্ষমতা হস্তান্তরের যে প্রক্রিয়া চলছে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই এবং প্রাক্তন নেতা আব্দুল্লাহ আব্দুল্লাহের নেতৃত্বে, সেই প্রক্রিয়াকে স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। ঘানি বলেন, আমি আমি চাই এই প্রক্রিয়া সফল হোক। তিনি আরও বলেন, আমি যদি আফগানিস্থানে থাকতাম তাহলে একজন প্রেসিডেন্টকে আফগানিস্তানের মানুষের চোখের সামনে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হতো।

আগস্ট ১৯, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Sonia: সনিয়া-রাহুলের সঙ্গে বৈঠকের পর 'হোপ টোয়েন্টি ফোর'-এর বার্তা মমতার

বিজেপি-কে রুখতে হলে বিরোধীদের একজোট হতে হবে বলে বার্তা দিয়েছিলেন একুশের মঞ্চেই। দিল্লিতে সনিয়া গান্ধির সঙ্গে বৈঠক সেরেও একই বার্তা দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে বাকি এখনও বছর তিনেক। তবে এখন থেকেই বিজেপি বিরোধী জোটের প্রস্তুতি শুরু করতে হবে বলে জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বলেন, বিজেপি-কে হারাতে সবাইেক একজোট হয়ে লড়তে হবে। আমি একা কিছু করতে পারব না। আমি লিডার নই, আমিও ক্যাডার। আমি স্ট্রিট ফাইটার। একসঙ্গে লড়াই করতে হবে সকলকে। ২০২৪-এ বিজেপি-র বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আশা জোগাতে হোপ টোয়েন্টি ফোর বার্তাও দেন মমতা।আরও পড়ুনঃ তিরন্দাজিতে পদকের আশা জাগিয়ে রাখলেন দীপিকা কুমারীতাঁর মতে, ২০২৪-এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি-কে হারাতে হলে সব বিরোধী দলগুলিকে একজোট হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। সনিয়ার সঙ্গে জোট নিয়ে সদর্থক আলোচনা হয়েছে বলে জানালেও, বিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করা প্রয়োজন বলে সেখানে মন্তব্য করেন মমতা। বুধবার কংগ্রেস সভানেত্রী এবং রাহুল গান্ধির সঙ্গে সাক্ষাৎ সেরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন মমতা। বিজেপি বিরোধী জোটে তিনিই নেতৃত্ব দেবেন কি না, তাঁর কাছে জানতে চান সাংবাদিকরা। জবাবে মমতা বলেন, বিজেপি-কে হারাতে হলে সকলকে একজোট হয়ে লড়তে হবে। একা আমি কিছু করতে পারব না। আমি লিডার নই, ক্যাডার। আমি স্ট্রিট ফাইটার।বুধবার ১০ নম্বর জনপথে সনিয়ার সঙ্গে রাহুলও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বলে জানান মমতা। তিনি বলেন, আমাকে চায়ের আমন্ত্রণ পাঠিয়েছিলেন সনিয়াজি। রাহুলজিও ছিলেন। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কথা হয়েছে পেগাসাস এবং কোভিড নিয়েও। ভবিষ্যতে ইতিবাচক ফল বেরিয়ে আসবে বলে আশাবাদী আমি।

জুলাই ২৮, ২০২১
কলকাতা

ব্রিগেডে নেই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

খবর ছিল, এবারের ব্রিগেডে উপস্থিত থাকতে পারেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সেই মতো চিকিৎসকদের কাছ থেকে পরামর্শও নেওয়া শুরু করেছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মেলেনি অনুমতি। সুতরাং এবারও ব্রিগেড ময়দানে দেখা যাবে না তা্ঁকে। এই বিষয়ে মর্মাহত হয়ে তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়ে বলেন, ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে বিভিন্নভাবে খবরাখবর নেওয়ার চেষ্টা করছি। শুনে বুঝতে পারছি বহু মানুষ সমাবেশে আসবেন এবং অনেকে এসে গিয়েছেন। বড় সমাবেশ হবে। এরকম একটা বৃহৎ সমাবেশে যেতে না পারার মানসিক যন্ত্রণা বোঝানো যাবে না। মাঠে ময়দানে কমরেডরা লড়াই করছেন আর আমি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে ডাক্তারবাবুদের পরামর্শ মেনে চলেছি। ময়দানে মিটিং চলছে আর আমি গৃহবন্দি, যা কোনদিন কল্পনাও করতে পারিনি। সমাবেশের সাফল্য কামনা করছি।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে অশ্লীল মেসেজ পাঠানোর অভিযোগ , ধৃত যুবক

টলিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে অশ্লীল মেসেজ পাঠানোর অভিযোগ এক বাংলাদেশি যুবককে গ্রেফতার করা হল। ধৃতের নাম মাহাবুর রহমান। সে বাংলাদেশের খুলনার বাসিন্দা। অভিযোগ , বেশ কিছুদিন ধরেই ওই যুবক শ্রাবন্তীকে অশ্লীল এবং ভারতবিরোধী ম্যাসেজ পাঠাচ্ছিল। প্রথমদিকে গুরুত্ব না দিলেও বারবার এই ঘটনা ঘটায় বিরক্ত হয়ে নম্বর ব্লক করে দেন। আরও পড়ুন ঃ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে সম্মান দেওয়ার কথা ভাবেনি রাজ্য সরকারঃ অধীর কিন্তু তাতেও সমস্যার সমাধান হয় না। বরং অন্য নম্বর থেকে মেসেজ ও হোয়াটসঅ্যাপে করে তাঁকে উত্যক্ত করতেই থাকে অভিযুক্ত যুবক। এরপরেই শ্রাবন্তী অভিযোগ করেন বাংলাদেশের হাইকমিশনে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পুলিশ এই অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে তোলা হলে খুলনার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাকে পাঁচদিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।

নভেম্বর ২০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
দেশ

“গত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর” — পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই এবার মাদ্রাসা নিয়োগ মামলায় কড়া মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহের ডিভিশন বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।আদালত জানায়, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলিতে তাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত খারাপ। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মাদ্রাসার নিয়ম মেনে পরিচালন কমিটি গঠন করা হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে ওই কমিটিগুলি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের দায়িত্ব নিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত।তৃণমূল সরকারের আমলে মূলত ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে ওয়াক ইন ইন্টারভিউ-এর মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা গড়ায় আদালতে।মঙ্গলবার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন কার্যকর না থাকলে কেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ করা হল না। আদালত জানতে চায়, এই নিয়োগের জন্য সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না। বিচারপতিরা বলেন, রাজ্যে হাজার হাজার মাদ্রাসা রয়েছে। প্রত্যেক পরিচালন কমিটি যদি নিজেদের মতো নিয়োগ করে, তাহলে সরকার কেন সেই দায়িত্ব নেবে?নিয়োগকারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতিরা জানতে চান, কারা এই নিয়োগ করেছে এবং তাঁদের যোগ্যতা কী ছিল। একইসঙ্গে আদালতের মন্তব্য, আপনারা নিজেদের পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন, সেটাও আমরা জানি।শুনানিতে আরও জানতে চাওয়া হয়, পরিচালন কমিটিতে সরকারের কোনও মনোনীত প্রতিনিধি ছিলেন কি না। মামলার বিস্তারিত শুনানি আগামীকাল আবার হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের সম্পত্তিতে পুরনিগমের নোটিস! এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ, বাড়ল রহস্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের তরফে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির নথি চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন, এই বিষয়ে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ এবং কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।পুরনিগম সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত মোট ২১টি সম্পত্তির নথি চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন অনুযায়ী নির্মাণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিশেষ করে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তিগুলির তথ্য চাওয়া হয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি এবং কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল। জানা গিয়েছে, পুরনিগমের ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের ৪০০(১) ধারায় এই নোটিস জারি করা হয়েছে বলে খবর।কয়েকদিন আগেই ফলতার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, কলকাতায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই পুরনিগমের নোটিস ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নয়, তাঁর সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে নোটিস পাঠানো হল? রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পিছনে রয়েছে সম্পত্তির মালিকানার বিষয়টি। গত লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর ঠিকানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি, অর্থাৎ ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। অন্যদিকে, যে বাড়িগুলিতে তিনি থাকেন বা অফিস করেন, সেগুলি তাঁর সংস্থার অধীনে। সেই কারণেই পুরনিগম সরাসরি ব্যক্তিগত নামে নয়, কোম্পানির নামেই নোটিস পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

“এসব করে মাথা নত করানো যাবে না” — নোটিস ইস্যুতে ফুঁসছেন অভিষেক, বৈঠকে বড় বার্তা মমতার

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের পর রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই ফলাফলেও দমে যেতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে ফের বৈঠকে বসেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিজেপির উত্থানের আবহে দল কী বার্তা দেয়, সেদিকেই নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের।বৈঠকে উঠে আসে কলকাতা পুরনিগমের পাঠানো নোটিসের প্রসঙ্গ। সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে বলেন, তাঁর বাড়িতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এসব করে তাঁকে ভয় দেখানো যাবে না। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই তিনি চালিয়ে যাবেন বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন অভিষেক। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বৈঠকে বলেন, আগামী দিনে কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে না।কয়েকদিন আগেই কলকাতা পুরনিগমের আধিকারিকেরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেই সময় হরিশ মুখার্জি রোডের শান্তিনিকেতন এবং কালীঘাটের বাড়িতে কিছু বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই পুরনিগমের তরফে নোটিস পাঠানো হয়। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই নির্মাণ ভাঙতে হবে। তা না হলে পুরনিগম নিজেই ব্যবস্থা নেবে।যদিও এই বিষয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুর কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করতে পারেন।এদিনের বৈঠকে আরও একটি বড় বিষয় ছিল স্বঘোষিত পুষ্পা জাহাঙ্গিরকে ঘিরে বিতর্ক। ফলতায় লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। বৈঠকে একাধিক বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, দলের সঙ্গে আলোচনা না করেই কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকি জাহাঙ্গিরকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিও ওঠে বৈঠকে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

জাহাঙ্গির ভোটে লড়ছেন না, এবার মুখ খুলল তৃণমূল! সামনে এল বড় সত্য

ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, আগামী ২১ মে-র পুনর্নির্বাচনে তিনি আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর জল্পনা। প্রশ্ন ওঠে, এই সিদ্ধান্ত কি সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত, নাকি দলের তরফে তাঁকে ভোটে না লড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল?অবশেষে এই বিতর্কে মুখ খুলল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো জাহাঙ্গির খানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। সমাজমাধ্যমে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, এই সিদ্ধান্ত দলের নয়।সাংবাদিক বৈঠকে জাহাঙ্গির বলেন, ফলতার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই তিনি ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত কেন নিলেন বা এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো এবং আতর ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জাহাঙ্গির। তবে কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি।এই ঘটনার পর তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, পুষ্পা তো ঝুকেগা নেহি। তাহলে ভয় পেল কেন? যদি ভয় পেয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল। কুণাল আরও বলেন, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ভোটে জয় পেয়েছিলেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জাহাঙ্গিরের এই সিদ্ধান্ত দলের জন্য খুব ভাল বার্তা নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।জাহাঙ্গিরকে ঘিরে এই নতুন বিতর্কে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ভোটের আগে তাঁর এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে ফলতার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

“পুষ্পা ঝুকেগা নেহি” বলেই কি শেষমেশ ঝুকে গেলেন জাহাঙ্গির? ভোটের আগে বড় চমক ফলতায়

একসময় পুষ্পা ঝুকেগা নেহি বলে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। কিন্তু ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগেই আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা তৈরি করলেন তিনি। আগামী ২১ মে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফলতায় পুনর্নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই সাংবাদিক বৈঠক করে জাহাঙ্গির জানিয়ে দিলেন, তিনি আর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।জাহাঙ্গির দাবি করেছেন, ফলতার মানুষের শান্তি এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, ফলতার সাধারণ মানুষের ভালোর জন্য তিনি নিজেকে ভোটের লড়াই থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত তিনি নিজে নিয়েছেন, নাকি দলের নির্দেশে নিয়েছেন, সেই প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর দেননি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো বা আতর ছড়ানোর মতো অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাহাঙ্গির। তবে কে বা কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও মুখ খোলেননি তিনি।হঠাৎ কেন ভোটের ময়দান ছাড়লেন জাহাঙ্গির, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকের মতে, ফলতায় নিজের অবস্থান দুর্বল বুঝেই হয়তো তিনি সরে দাঁড়ালেন। কারণ, এর আগে ভোটের সময় উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসারকে হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেছিলেন, পুষ্পা ঝুকেগা নেহি। সেই জাহাঙ্গিরই পুনর্নির্বাচনের আগে লড়াই ছেড়ে দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি তিনি আগেই বুঝে গিয়েছিলেন তাঁর হার প্রায় নিশ্চিত?আবার রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের উপর অভিমান থেকেও এই সিদ্ধান্ত হতে পারে। গত লোকসভা নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিপুল ভোটে লিড দিয়েছিলেন জাহাঙ্গির। অথচ পুনর্নির্বাচনের প্রচারে অভিষেককে তাঁর পাশে দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিজেপির হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বামফ্রন্টও মাঠে নেমেছিল। কিন্তু তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল বারবার।এখন আরও একটি প্রশ্ন ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল কি ইচ্ছাকৃতভাবেই জাহাঙ্গিরকে সরিয়ে দিল? ভোটের পর সরকার গঠনের পর পুনর্নির্বাচনের ঘটনা এমনিতেই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মধ্যে জাহাঙ্গিরের সরে দাঁড়ানো নতুন করে বিতর্ক বাড়িয়েছে। এর আগে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, কয়েকটি বুথে অভিযোগ উঠলে পুরো বিধানসভা কেন্দ্রে কেন পুনর্নির্বাচন হবে। সেই পরিস্থিতিতে তাঁর এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ ইডি দফতরে হাজির, রাতেই গ্রেফতার সোনা পাপ্পু

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। সোমবার হঠাৎই কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এর আগে একাধিকবার তলব করা হলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন সোনা পাপ্পু। জানা গিয়েছে, অন্তত ছবার ইডির নোটিস উপেক্ষা করেছিলেন তিনি। তবে সোমবার সকালে ইডি দফতরে পৌঁছে তিনি দাবি করেন, কোনও অন্যায় করেননি। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় তোলাবাজির কোনও অভিযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন।গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সেই সময় গুলিও চলেছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় আসে সোনা পাপ্পুর নাম। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই কার্যত উধাও হয়ে যান তিনি। পুলিশ দীর্ঘদিন খোঁজ চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। যদিও মাঝেমধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।তদন্তে উঠে আসে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং প্রতারণার অভিযোগ। এই মামলার তদন্তে নামে ইডি। তদন্ত চলাকালীন সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জল কামদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার হন কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসও। তদন্তকারীদের দাবি, এই দুই অভিযুক্তের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।এদিকে তদন্তের সময় একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ছবি প্রকাশ্যে আসে। প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমারের সঙ্গেও তাঁর ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।সোমবার আচমকাই ইডি দফতরে হাজির হয়ে যান সোনা পাপ্পু। দীর্ঘ জেরার পর রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এখন তাঁকে আদালতে তুলে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুর থেকেই মমতার রাজনীতির শেষের বার্তা? বিস্ফোরক শুভেন্দু

ভোটের পর ভবানীপুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সভা করেন তিনি। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ জানতেন না একজন বিধায়কের কাজ কী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এতদিন ভবানীপুরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এবার মানুষ বুঝতে পারবেন একজন বিধায়ক কীভাবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এখন ভবানীপুরের মানুষের ভাই বিধায়ক হয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ভবানীপুরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে বিধায়ক অফিস খোলা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।একইসঙ্গে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি জানানোর জন্য বিশেষ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল ব্যবস্থা চালু করা হবে। কেউ কোনও সমস্যা বা অভিযোগের মুখে পড়লে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান শুভেন্দু।সভা থেকে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনা হয় না এবং ভবানীপুরেও তা হতে দেওয়া হবে না।এদিন শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে ভোট দেন, সেই চারটি বুথেই তিনি লিড পেয়েছেন। এখানেই থামেননি তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, যিনি নিজের বুথেই জিততে পারেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে পথ দেখিয়ে দিয়েছে। টাটা বাই বাই, আপনার রাজনীতির দিন শেষ, সভা থেকে এমন মন্তব্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, চেতলা গার্লস স্কুলের পাঁচটি বুথেও বিজেপি লিড পেয়েছে।শেষে ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, মানুষের এই সমর্থনের ঋণ তিনি শোধ করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মে ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal