• ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Death

রাজ্য

বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে চলল গুলি, মৃত যুবক

বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে এসে বর পক্ষের সাথে কনে পক্ষের হাতাহাতি, ভাঙচুর বিয়ে বাড়িতে। খুনের অভিযোগ কনে পক্ষের একজনকে।কনে পক্ষের দাবি খুন করা হয়েছে আশিষ বেদ নামে বছর ২০ র এক যুবককে, গুলির শব্দ শোনা গেছে বলে এলাকাবাসীর দাবি। ঘটনাকে ঘিরে দুর্গাপুরের অমরাবতী সংলগ্ন ভ্যামবে কলোনি হরি মন্দির সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। পুলিশ ঘিরে রেখেছে ঘটনাস্থল। গতকাল এই এলাকায় একটি বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠান ছিল, বিয়ে বাড়িতে আসানসোল থেকে বর পক্ষের লোকজন আসার কিছুক্ষন পর বিয়ে বাড়ির ডান্স প্লাটফর্ম এ গান চেঞ্জ করাকে কেন্দ্র করে অশান্তির শুরু, গান চেঞ্জ করতে রাজি হয়নি কনেবাড়ির লোকজন, এরপরই শুরু হয় দু পক্ষের হাতাহাতি, ঠিক এইসময় কনে বাড়ির আত্মীয় আর্টিস্ট বেদকে টেনে হিচড়ে নিয়ে এসে খুনের অভিযোগ কনে বাড়ির লোকজনদের, গুলি করে খুনের অভিযোগও আনছে এলাকার মানুষ। তবে ঠিক কি কারণে এই মৃত্যু তা নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ময়না তদন্তর জন্য আর্টিস্ট বেদের মৃতদেহ দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠায় নিউ টাউনশিপ থানার পুলিশ। গোটা ঘটনার জেরে টানটান উত্তেজনা দুর্গাপুরে ভ্যাঁমবে কলোনি এলাকায়।নিউ টাউনশিপ থানার পুলিশ অক্ষয় বেদ, নামে একজনকে আটক করেছে, আরো কয়েকজনকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে।

মার্চ ১০, ২০২৫
কলকাতা

খাস কলকাতায় ভয়াবহ কাণ্ড, ট্যাংরায় একই পরিবারের তিন মহিলার রহস্যমৃত্যু

সাতসকালেই খাস কলকাতায়, ভয়ঙ্কর ঘটনা, তুমুল চাঞ্চল্য। ট্যাংরায় একই পরিবারের তিনজনের রহস্যমৃত্যু। পথ দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে মিলল এই তিন মহিলার মৃতদেহের খোঁজ। দুর্ঘটনায় তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন বলে খবর। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিন ভোরে একটি গাড়ি রুবি হাসপাতালের মোড় থেকে অভিষিক্তার মোড়ের দিকে যাচ্ছিল। কিন্তু আচমকাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেটি ইএম বাইপাসের উপর কবি সুকান্ত মেট্রো স্টেশনের পিলারে ধাক্কা মারে। ঘটনার তদন্তে নেমে ট্যাংরার একটি বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে তিন মহিলার নিথর দেহ। আদৌ দুর্ঘটনা না আত্মহত্যার চেষ্টা তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। বাড়িতে কোনও ঘটনা ঘটিয়ে তাঁরা গাড়িতে বাইরে বেরিয়ে ছিল কিনা সেই প্রশ্নও উঠছে।পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কীভাবে মৃত্যু? খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মৃতদের হাতের শিরাকাটা অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। তিনটে ঘর থেকে তিনজনকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, তিন জনের মধ্যে একজনের স্বামী দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। পুলিশ সূত্রে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণে তিনজনই আত্মঘাতী হয়েছেন। আত্মহত্যা না খুন, সব দিকটাই তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ জোগার করা হচ্ছে। তদন্ত নিয়ে মুখে না খুললেও পুলিশের দৃঢ়় ধারনা ওই পরিবারের নিজেদের মধ্যে বড় কোনও সমস্যা আছে।

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৫
রাজ্য

মেদিনীপুর মেডিক্যালে নিষিদ্ধ স্যালাইনে রোগী মৃত্যুতে তোলপাড়, তদন্তে ১৩ সদস্যের কমিটি

মেদিনীপুর মেডিক্যালে নিষিদ্ধ স্যালাইন ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। ইতিমধ্যে মৃত্যু হয়েছে এক প্রসূতির। আরও চার প্রসূতির মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে ১৩ সদস্যের মেডিক্যাল টিম গঠন করেছে স্বাস্থ্য দফতর। ওই টিমে রয়েছেন রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল বোর্ডের সদস্যরাও।অভিযোগ খতিয়ে দেখতে শনিবার ১৩ সদস্যের ওই তদন্তকারী টিম যাচ্ছেন মেদিনীপুরে।স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম বলেন, যে স্যালাইন দেওয়া হয়েছে, তার ব্যাচ নিয়ে কিছু অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে।শনিবার ওই টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে সব কিছু খতিয়ে দেখবেন। কারও গাফিলতি প্রমাণিত হলে যথাযত পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানিয়েছেন স্বাস্থ্যসচিব।ঘটনার সূত্রপাত, সন্তান জন্ম দেওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়ছিলেন একের পর এক প্রসূতি। শুক্রবার সকালে তাঁদেরই মধ্যে একজনের মৃত্যু হয়।মৃত প্রসূতির পরিবারের অভিযোগ, সন্তানের জন্ম হওয়ার পর থেকেই প্রসূতিদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। প্রস্রাবের সঙ্গে রক্তপাত হয়। স্যালাইনেই সমস্যাতেই এমন বিপত্তি হয়েছে। ভর্তি থাকা প্রসূতিদেরও স্বজনরাও অভিযোগ করেন, মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেওয়া হয়েছিল। তার জেরেই এমন কাণ্ড।

জানুয়ারি ১২, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমানের জঙ্গলমহলে নেকড়ের হানা, পিটিয়ে মারল গ্রামবাসী

রাজ্যের পশ্চিমের জঙ্গলমহেল বাঘের আতঙ্কে মানুষ সিঁটিয়ে আছে। ঠিক তখন পূর্ব বর্ধমানে হেরোলের আক্রমণে দখম হয়েছে প্রায় ১৫ জন গ্রামবাসী। তবে ইতিমধ্যে ওই হেরোলটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হল। জনরোষ আছড়ে পডল বিরল প্রজাতির বন্য প্রাণীটির ওপর।পূর্ব বর্ধমানের বুদবুদ থানার গোবিন্দপুর গ্রামে হিংস্র হেরোল- বেশ কয়েকজনকে কামড়ে দেয়। এই ঘটনায় উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়ায় আশেপাশে গ্রামেও। শেষমেশ উত্তেজিত জনতা ওই বন্য প্রাণীটিকে পিটিয়ে হত্যা করে। জানা গিয়েছে, খাবারের খোঁজে ক্রমাগত গ্রামে গ্রামে হেরোলের হানা চলছিল। ছোট ছোট গবাদি প্রাণীদের রক্ষার জন্য সচেষ্ট হলেই ওই হেরোল আক্রমণ করত। তাতেই জখম হত সাধারণ গ্রামবাসী।হেরোলের আসল নাম ইন্ডিয়ান গ্রে উলফ। ভারতীয় উপমহাদেশে এর দেখা পাওয়া যায়। বন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকবছর ধরে হেরোলের সংখ্যা বেড়েছে। পূর্ব বর্ধমানের কাঁকসা, আউশগ্রাম ও জেলার বিভিন্ন ছোট ছোট জঙ্গলে এদের বসবাস। সংখ্যায় বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে এদের খাবারেও অভাব দেখা যাচ্ছে। তাই লোকালয়ে হানা দিয়ে ছাগল, মুরগি শিকারের চেষ্টা করছে তারা। যার জন্য বাড়ছে মানুষের সঙ্গে সংঘাত।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৪
রাজ্য

পানাগড়ে আগুনে ঝলসে গেল এক শিশুকন্যা ও তিন নাবালক

পরিত্যক্ত গাড়ির একটি কেবিনের ভেতরে খেলতে গিয়ে আগুনে ঝলসে গেল এক শিশুকন্যা ও তিন নাবালক। বুধবার দুপুর তিনটে নাগাদ কাঁকসার রাইস মিল রোডে একটি পরিত্যক্ত গাড়ির কেবিনের ভেতরে খেলা করার সময় হঠাৎ গাড়ির ভেতর থেকে ধোঁয়া বের হতে শুরু করে। গাড়ির ভেতর আটকা পড়ে ৪ জনেই। ওই নাবালক ও শিশু কন্যার চিৎকার শুনে এলাকার বাসিন্দারা ছুটে এসে তাদের উদ্ধার করে।স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাদের পানাগড় ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের মধ্যে ২ জনকে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ও অপর ২ জনকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কাঁকসা থানার পুলিশ। যে ব্যক্তি তাদের উদ্ধার করে সেও অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে পানাগড় ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।

নভেম্বর ১৩, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

টলিউডের বর্ষিয়ান অভিনেতার প্রয়ান, শোকঞ্জাপন মুখ্যমন্ত্রীর

প্রয়াত অভিনেতা দেবরাজ রায়। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। মঞ্চ, পর্দা হয়ে দূরদর্শনে সংবাদপাঠ--- সমস্ত ক্ষেত্রেই পৃথক মাত্রা যোগ করেছিলেন তিনি। তাঁর স্ত্রী অনুরাধা রায়ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী। জানা গিয়েছে, তিনি কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। এই টলি অভিনেতার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা লিখেছেন, বাংলা ছবির জগতে বিশেষ নাম দেবরাজ রায়। অনেক খ্যাতনামা পরিচালকের ছবিতে অভিনয় করে প্রশংসিত। ওঁকে অনেকদিন ধরে চিনি। অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি। ওঁর পরিবারের প্রত্যেককে আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। আজ সাংস্কৃতিক জগত ম্লান হয়ে গেল।অভিনেতার জন্ম ১৯৫২ সালের ৯ ডিসেম্বর। ১৯৭০-এ সত্যজিৎ রায়ের প্রতিদ্বন্দী ছবি দিয়ে অভিনয় জীবনের শুরু। পরের বছর, ১৯৭১ সালে তিনি মৃণাল সেনের কলকাতা ৭১-এ অভিনয় করেন।তপন সিংহ, তরুণ মজুমদার, বিভূতি লাহা-সহ সেই সময়ের খ্যাতনামী পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তপনবাবুর রাজা ছবিতে তাঁর অভিনয় সকলের মনে রেখাপাত করেছিল।Saddened by the demise of actor Debraj Roy. An actor who made our eminent directors proud, he was also a popular news reader on Doordarshan. I knew him well as a good man from Bhawanipore and feeling very sad by this loss.My condolences to his family members and friends. Our Mamata Banerjee (@MamataOfficial) October 17, 2024পর্দার পাশাপাশি মঞ্চেও তিনি অভিনয় করেছেন। দূরদর্শনের সংবাদপাঠক হিসেবেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয়। ১৯৭৬ সালে তিনি বিয়ে করেন অনুরাধা রায়কে। অনুরাধাও জনপ্রিয় অভিনেত্রী। প্রশংঙ্গত, শারীরিক অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন বিনোদন থেকে দূরে ছিলেন দেবরাজ। আগামীকাল তাঁর বিধাননগরের বাসভবন থেকে মরদেহ শেষকৃত্যের জন্য রওনা হবে।

অক্টোবর ১৮, ২০২৪
নিবন্ধ

এ’ কোন সকাল - রাতের চেয়েও অন্ধকার!

সেই এলোমেলো দিকহারানো সন্ধ্যা-বায়ের লুটোপুটি খাওয়া ঘর-বার-উঠোন-বাজারে, কাজলকালো রাত পেরিয়ে, আধফোটা কুসুমের মতো ফুটে ওঠা আগমনী আলো আজ আবার ছড়িয়ে দিল মাতৃপূজার সুসমাচার। বেজে উঠলো আলোর বেণু; আজ প্রভাতে সে সুর শুনে খুলে দিলাম হৃদয়ের রুদ্ধ দুয়ার। কিন্তু সবার অন্তরের পুঞ্জীভূত আঁধার কাটলো কি? মাতলো কি ভুবন? যে নিবিড় বেদনা আচ্ছন্ন করে রেখেছে বুকের মাটি, মনের আকাশ কালো করে জমে থাকা সেই মেঘ যেন রাতের চেয়েও অন্ধকার করে রেখেছে শরতের আকাশবীণায় গানের মালা বিলানো আজকের এই মহালয়ার সকালকে।অথচ, বর্ষণক্ষান্ত আশ্বিনের নীল আকাশে সাদা মেঘের বহরে অমলধবলপালে আজ লেগেছে মন্দমধুর হাওয়া; দুধসাদা কাশের গুচ্ছ বেঁধে, ঝরা শেফালীর মালা গেঁথে, নবীন ধানের অঞ্জলি দিয়ে ডালা সাজিয়ে শারদলক্ষ্মী এসে গেছেন শুভ্র মেঘের রথে সমাসীন হয়ে। ধৌতশ্যামল আলোঝলমল বনগিরিপর্বতে ছড়িয়ে পড়েছে তাঁর শ্বেতশতদলশোভিত করুণানয়নের আশীর্বাণী। শিউলীতলার পাশে পাশে.. ঝরা ফুলের রাশে রাশে.. শিশিরভেজা ঘাসে ঘাসে অরুণরাঙা চরণ ফেলে.. জলতরঙ্গে ঝিলমিল ঝিলমিল ঢেউ তুলে ছড়িয়ে পড়ছেন তিনি। আলোছায়ার আঁচলখানি লুটিয়ে পড়ছে বনে বনে; ফুলগুলি ঐ মুখে চেয়ে কী কথা গুনগুনোচ্ছে মনে মনে, কে খবর রাখে তার! তবু ঐটুকু ঐ মেঘাবরণ দু হাত দিয়ে সরিয়ে, মুখের ঢাকা হরণ করে, শারদলক্ষ্মীকে বরণ করে নিতে যেন কারো মন নেই আজ। এমন নিরানন্দ দেবীপক্ষের সূচনা খুব বেশী দেখা গেছে কি?একদিকে বানভাসি নদী-মাঠ-ঘর-গেরস্থালির অপার দুর্ভোগ, অন্যদিকে অগ্নিমূল্য হাটবাজার; আর সব ছাপিয়ে এক নির্যাতিতা প্রতিবাদিনীর সর্বপরিব্যপ্ত বেদনার্ত ছায়া এবারের মাতৃপক্ষকে যেন ঢেকে রেখেছে এক তিমিরঅবগুণ্ঠনে। উৎসবে মেতে ওঠার মেজাজটাই পাড়ি দিয়েছে দিকশূণ্যপুরের দিশায়।তবু এরই মধ্যে পথে-পার্কে-পল্লীপ্রান্তে শালবল্লা-বাঁশ-ত্রিপল-প্লাইউডের কাঠামো-রা সেজে উঠছে দ্রুত। দোকান-পসার-মল-মার্কেটে ভীড়ও খানিক খানিক জমে উঠছে। মহালয়ার রাতভোর অসংস্কৃত বাজী-র উদযাপন এবার কিছু কম (আজকাল পাড়ার যে যে বাড়িতে বয়স্ক বা অসুস্থ মানুষ আছেন বলে খবর, তাঁদের জানালার কাছাকাছিই সাধারণতঃ বাজী ফাটানো হয় বেশী)। ইতস্ততঃ কিছু ক্লাবের মাইকে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র-ও সাড়া দিলেন বহু যুগের ওপার থেকে আজ ভোরবেলায়, যদিও কিছু স্তিমিতস্বনে। তবে পিতৃতর্পণাভিলাষীরা ছাড়া নদীর তীরে কাশের বনে মানুষের ঢল নামলো কই!মন ভালো নেই; আমাদের অনেকেরই মন ভালো নেই। আজ অখিলবিমানে দিকে দিকে সর্বস্যার্তিহরা দেবীমায়ের জয়গান। সিংহস্থা শশীশেখরা মরকতপ্রেক্ষা জগজ্জননী দূর করুন এই দুঃসহ আঁধার। ভয়ের আবহ শেষ হোক সবার ঘরের প্রতিটি দুর্গা হেসে উঠুক সুখে-সাহসে-সাফল্যে প্রতিটি অভয়া বিচার পাক!ওগো আমার আগমনী আলো, জ্বালো প্রদীপ জ্বালো, জ্বালো গো- ড. সুজন সরকার, বর্ধমান। ।

অক্টোবর ০২, ২০২৪
রাজনীতি

আরজি করের পটভূমিকায় স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি আগমনী, টিএমসিপির সাসপেন্ড নেত্রীর নিশানায় কুণাল ও দেব

সাসপেন্ড হতেই সরাসরি তৃণমূল নেতা কুনাল ঘোষ থেকে শুরু করে অভিনেতা সাংসদ দেবকে তুলোধোনা করলেন যাদবপুর-ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের বহিষ্কৃত সহ সভাপতি রাজন্যা হালদার। তাঁর দাবি, শিল্পী সত্ত্বা থেকেই ছবি, এর মধ্যে কোন রাজনীতি নেই। পাশাপাশি রাজন্যা এদিন কুনাল ঘোষকে নিশানা করে বলেছেন, কুণাল ঘোষ যে পুজোর গান লিখেছেন তা কী তিনি দলকে জানিয়ে লিখেছিলেন? একই সঙ্গে রাজন্যার নিশানায় ছিলেন অভিনেতা সাংসদ দেবও। নিজের বহিষ্কারের সুপারিশের পালটা তিনি দেবকে নিশানা করে বলেন, দেব দা যখন প্রধান বানিয়েছিলেন তখন তিনি কী দলকে জানিয়ে বানিয়েছিলেন। আমার তো মনে হয় না। রাজন্যা বলেছেন, আমি মনে করি না দলীয় কাজের বাইরে শিল্পভাবনার ক্ষেত্রে দলকে জানানোর কোনও প্রয়োজন আছে। আরজি করের ঘটনার সঙ্গে ছবির কোন সম্পর্ক নেই সেকথা মনে করিয়ে রাজন্যা বলেন, ছবির সঙ্গে আরজি করে ঘটনার কোন সরাসরি যোগ নেই। ছবি দেখে যদি দল যদি সিদ্ধান্ত নিত তাহলে ভালো হত। আশা রাখি দল ছবি দেখে সিদ্ধান্ত পূর্ণবিবেচনা করবে।তিলোত্তমাদের গল্প নিয়ে স্বল্প দৈর্ঘের ছবি আগমনী মুক্তি পেতে চলেছে আগামী ২ অক্টোবর। টিএমসিপির দুই নেতা-নেত্রী প্রান্তিক ও রাজন্যা জুটির এই ছবিকে নিয়েই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। এই প্রেক্ষাপটেই ২ জনকেই সাসপেন্ড করেছে দল। মহালয়ার দিন এই ছবি মুক্তির আগেই শুক্রবার রাতে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ সাসপেন্ড করেছে প্রান্তিক চক্রবর্তী ও রাজন্যা হালদারকে। প্রান্তিক ছিলেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য সহসভাপতি ও রাজন্যা যাদবপুর-ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূলের ছাত্র সংগঠনের সহসভাপতি।প্রান্তিক ও রাজন্যা দুজনেই জানিয়েছেন, শিল্পী সত্ত্বা থেকেই তাঁরা এই স্বল্প দৈর্ঘের ছবি তৈরি করছেন। শুধু আরজি করের নির্যাতিতা নন, সমাজের সকল স্তরের নির্যাতিতার কাহিনী থাকছে এতে। পাশাপাশি প্রতিবাদ ও জন জাগরণের ভাষাও থাকবে এই ডকুমেন্টারিতে। দল শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলেও ২ অক্টোবর আগমনী মুক্তির সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসছে না রাজন্যা ও প্রান্তিক। তাঁদের বক্তব্য, শর্ট ফিল্মটা দেখার পর বিচার করা উচিত ছিল। এখানে কোনও বিচারাধীন বিষয় দেখানো হচ্ছে না।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

তৃণমূলের বিধায়ককে জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের, সেদিন কি হয়েছিল শ্মশানে?

আরজি কর মেডিকেল কলেজে ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় পানিহাটির বিধায়ক নির্মল ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। আর জি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে যখন নির্যাতিতার মৃতদেহ সোদপুরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তখন মৃতদেহ শ্মশানে পোড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল নির্মল ঘোষ। এমনই বেশ কিছু ছবি আগেই সিবিআই এর হাতে এসে পৌঁছেছিল তখন থেকেই সিবিআইয়ের নজরে ছিল নির্মল ঘোষ। যার জন্য বারবার ঘোলা থানার আইসিকে তলব করা হয়েছিল। তিনি গড়হাজির ছিলেন। এরপরই একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেদিনের ভিডিও ফুটেজ দেখে সিবিআই। তারপরেই তলব।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ড, ময়নাতদন্ত নিয়ে ভয়ঙ্কর হুমকি দিয়েছিল কে?

আরজি কর কাণ্ডে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ হাসপাতালের ফরেন্সিক মেডিসিনের প্রফেসর অপূর্ব বিশ্বাসের। তাঁর অভিযোগ, ময়নাতদন্ত করার ক্ষেত্রে ভয়ঙ্কর চাপ দেওয়া হয়েছিল। ঘটনার রাতের মধ্যেই যদি ময়নাতদন্ত না হয় তাহলে রক্ত গঙ্গা বইয়ে দেওয়ারও হুমকি দেন নির্যাতিতার এলাকার কোনও এক প্রাক্তন কাউন্সিলর। তিনি হুমকি দিয়েছিলেন আজ রাতের মধ্যেই ময়না তদন্ত করতে হবে। প্রায় সাড়ে ছঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর সিবিআই দফতর থেকে বেরোনোর সময় জানালেন অপূর্ব বিশ্বাস।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৪
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ড থেকে সতর্ক, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি টালিগঞ্জ সিনে পাড়ার

আরজি কর হাসপাতাল যে ঘটনা ঘটেছে তার পর স্বাভাবিকভাবে আতঙ্কিত শহর তথা রাজ্যের মানুষ। কর্মক্ষেত্রে কেউ কতটা নিরাপদ তা নিয়েও অনেক প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেরই দাবি, যে কোনও কাজের জায়গা হোক, বহু সময়ে বহু কর্মী হেনস্থার শিকার হন। আর টালিগঞ্জও এইসব অভিযোগ থেকে বাদ নেই। তাই এবার কর্মক্ষেত্রে হেনস্থার তদন্তের জন্য যাতে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয় তার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠানো হল টলিপাড়া থেকে।মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে ওয়েমেন ফোরাম ফর স্ক্রিন ওয়ার্কারস। তাঁদের দাবি, কাজ করতে এসে বহু অভিনেতা, ক্রু সদস্য, টেকনিশিয়ান অনেক সময়ই হেনস্থার শিকার হন। কিন্তু তাঁদের অভিযোগকে গুরুত্ব দেওয়া হয় না বেশিরভাগ সময়। তাই এসব অভিযোগের তদন্ত করতে স্বাধীন একটি কমিটি গঠন করুক সরকার। মূলত আরজি করের ঘটনার পরই এমন একটি পদক্ষেপ নেওয়া আরও জরুরি হয়ে উঠেছে বলেই মনে করছে তাঁরা।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৪
রাজ্য

ফের নবান্নের সঙ্গে বৈঠকে জুনিয়র চিকিৎসকরা, চলছে লাগাতার কর্মবিরতি

এবার নবান্নে রাজ্যের সঙ্গে বৈঠক জুনিয়র ডাক্তারদের। আজ মুখ্য সচিবের সঙ্গে আলোচনা আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের। পাঁচ দফা মধ্যে চার ও পাঁচ নম্বর দাবির ওপর জোর দিয়েই আজকের এই বৈঠক হবে বলে জানানো হয়েছে জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে। এদিকে রাজ্যের তরফে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে যোগদানের আহ্বান জানানো হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা ৭টা বেজে ১৫ মিনিটে নবান্নে পৌঁছান জুনিয়র ডাক্তারদের ৩০ জনের প্রতিনিধিদল। থ্রেট কালচার থেকে শুরু করে হাসপাতালে ডাক্তারদের নিরাপত্তাসহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে আজকের এই বৈঠকে। এর আগে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের বৈঠকে ডাক্তারদের কাজে ফেরার আহ্বান জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যসচিবের তরফে করা ইমেলেও দক্ষিণবঙ্গের বন্যা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজ যোগ দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। এদিন বৈঠকে যাওয়ার আগে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। সেখানে বলা হয়েছে রাজ্য সরকার আন্দোলনের চাপে নতি স্বীকার করেছে। সরানো হয়েছে স্বাস্থ্য, পুলিশ আধিকারিকদের। অভয়ার বিচারের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টেও লড়ে চলেছি আমরা। সিবিআইও আমাদের চাপের কারণেই টালা থানার ওসি ও সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে। সরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজগুলিতে স্বাস্থ্যকর্মীর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে আমরা কাজে ফিরতে ভয় পাচ্ছি। এদিন জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে বলা হয়, উপরোক্ত দাবি পূরণ না হলে কাজে ফিরতে পারব না তাও আমরা সরকারকে জানিয়েছি। আমরা চাইছি প্রতিটি মেডিকেল কলেজে রেস্ট রুম , বাথরুম, প্যানিক বোতাম, নারী পুলিশ কর্মী মোতায়েন করতে হবে। কলেজ ভিত্তিক টাস্ক ফোর্স গঠনের দাবিও জানানো হয়েছে। হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজগুলিতে রোগী পরিষেবাকে উন্নত করতে হবে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মী নিয়োগ, হাসপাতালের পরিকাঠামো ঢেলে সাজাতে হবে। জনমুখী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি কলেজে থ্রেট কালচারকে বন্ধ করতে হবে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা। কমিটি গঠন করতে হবে। গণতান্ত্রিক পরিসরকে বিস্তৃত করতে হবে হাউসস্টাফ নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে সওয়াল করেছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করার পর বুধবার সকালেই মুখ্যসচিবকে ই-মেল করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে ই-মেলে তাঁরা উল্লেখ করেন, তাঁদের দাবির কয়েকটি বিষয় এখনও সমাধান হয়নি। সেই দাবি সমাধানের আশাতেই মেল করেছেন আন্দোলনকারীরা। ই-মেলে তাঁরা রাজ্য সরকারের তরফে ইতিবাচক উত্তরের আশায় রয়েছেন বলে লেখেন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডের জের, নতুন পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা, বদলি স্বাস্থ্য দফতরেও

গতকাল জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠকে বিনীত গোয়েলকে সরানেরা কথা বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই মতো সরানো হল তাঁকে। কলকাতা পুলিশের নতুন কমিশনার হচ্ছেন মনোজ ভার্মা। ১৯৯৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার মনোজ ভার্মাকেই বিনীত গোয়েলের জায়গায় কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে অনলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ব্যারাকপুরের পুলিশ কমিশনার ছিলেন মনোজ ভার্মা। সেই সঙ্গে নতুন ADG হলেন জ্ঞানবন্ত সিং। স্পেশাল টাস্ক ফোর্সের ADG পদে যাচ্ছেন বিনীত গোয়েল।গতকালই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, বিনীত গোয়েলকে সরিয়ে কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে নতুন কাউকে আনা হবে। সেই মতো মনোজ ভার্মাকে কলকাতা পুলিশের নতুন পুলিশ কমিশনার করা হয়েছে। ১৯৯৮ ব্যাচের আইপিএস অফিসার মনোজ ভার্মা। তিনি রাজ্য পুলিশের এডিজি (আইন-শৃঙ্খলা) পদে নিযুক্ত ছিলেন। এর আগে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনারের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। এবার তিনি পুলিশ কমিশনার।দক্ষ পুলিশকর্তা হিসেবে বরাবরই নিজের পরিচয় দিয়েছেন মনোজ ভার্মা। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ে উত্তাল পরিস্থিতির সময় এই মনোজ ভার্মাকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ২০১৯ সাল পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের আইজি ছিলেন মনোজ ভার্মা। ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের ফি দিনের গন্ডগোল সামলানোর দায়িত্বও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মনোজ ভার্মার কাঁধেই সঁপেছিলেন। এবার কলকাতা পুলিশের দায়িত্বে আনা হল দুঁদে এই আইপিএস অফিসারকে।অফিসারকে। বিনীত গোয়েলকে পাঠানো হয়েছে এডিজি STF পদে পাঠানো হয়েছে। এর আগেও এসটিএফে কাজ করেছেন বিনীত গোয়েল। নতুন এডিজি আইবি হলেন জ্ঞানবন্ত সিং। DC নর্থ অভিষেক গুপ্তকেও বদলি করা হয়েছে। EFR সেকেন্ড ব্যাটেলিয়নের CO পদে আনা হয়েছে তাঁকে। অভিষেক গুপ্তর জায়গায় নতুন DC নর্থ দীপক সরকার। এডিজি (আইশৃঙ্খলা) পদে আনা হল জাভেদ শামিমকে। আরজি কর কাণ্ডের জেরে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের চাপে বদল স্বাস্থ্য দফতরেও। পুলিশের পাশাপাশি জুনিয়ার ডাক্তারদের দাবি মেনে সরিয়ে দেওয়া হল স্বাস্থ্য অধিকর্তা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তাকে। কৌস্তভ নায়েককে সরিয়ে স্বাস্থ্য অধিকর্তা পদে আবা হয়েছে স্বপন সোরেনকে। সেই সঙ্গে রাজ্যের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা দেবাশিস হালদারকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা পদে থাকা দেবাশিস হালদারকে বদলি করা হচ্ছে জনস্বাস্থ্য স্পেশাল অফিসার অন ডিউটি পদে। স্বাস্থ্য অধিকর্তা পদে থাকা কৌস্তভ নায়েককে ইনস্টিটিউট অফ হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ারে অধিকর্তা পদে পাঠানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী ও জুনিয়র চিকিৎসক বৈঠক: সরছেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার, বদল হচ্ছে দুই স্বাস্থ্য শীর্ষ কর্তা

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও জুনিয়র চিকিৎসকদের বৈঠক হয়েছে দীর্ঘক্ষণ ধরে। বেশ কয়েকটি দাবি মেনে নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, ৪টের মধ্যে ৩ টে দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে যোগ দিতে আবেদন জানানো হয়েছে। ১১টা ৪৬ মিনিটে বৈঠক শেষে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন জুনিয়র চিকিৎসকরা। বাইরে বেরিয়ে তাঁরা বলেন, আমাদের ৫ দফা দাবি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিছু জিনিস নিয়ে আলোচনা হয়নি। আমরা ধরনা মঞ্চে গিয়ে বলবো। সব বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছায়নি দুপক্ষ। তাঁরা জানিয়েছে, পুলিশ কমিশনারের পদত্যাগের দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, মুখ্যসচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্র সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, ডিজি রাজীব কুমার সহ আরও সরকারি আধিকারিক। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কি বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?আমাদের বৈঠক চলেছে দীর্ঘক্ষণ। ৪২ জন জুনিয়র চিকিৎসক স্বাক্ষর করেছেন। ওদের বক্তব্য রাখতে দিয়েছি। অভয়ার উদ্দেশে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বৈঠক শুরু হয়। বদলের জন্য ৩ টে নাম দিয়েছিল স্বাস্থ্য দফতরের কর্তাদের। ডিএমই ও ডিএইচএসকে সরানো হবে। চিকিৎসকদের তাঁদের প্রতি ক্ষোভ আছে। তবে তাঁদের অসম্মান করি না। আগামিকাল ৪ টের পর পুলিশ কমিশনার বদল করানো হবে। আরও কিছু পুলিশের রদবদল করা হবে। বিনীত যেখানে কাজ করতে চেয়েছে সেখানে ওকে দেওয়া হবে। ওদের ৪টে দাবির মধ্যে ৩ টে দাবি মেনে নিয়েছি। হাসপাতালের পরিকাঠামো বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়া হবে। বৈঠক পজিটিভ হয়েছে বলে আমি মনে করি। নিশ্চয় ওরাও তাই মনে করে। তাই মিনিটসে স্বাক্ষর করেছে। আমি ওদের বলেছি মানুষের স্বার্থে কাজে যোগ দাও। এদিকে ডিভিসি জল ছাড়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে রাজ্যর কিছু এলাকায়। আমাদের না জানিয়ে আজ সকালে ৮০-৯০ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে ডিভিসি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৪
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী ও জুনিয়র চিকিৎসকের বৈঠক শেষ, জট কি কাটলো?

আগামিকাল সুপ্রিম কোর্টে শুনানির আগে বৈঠক হল। বৈঠকে কি জট কাটলো? জানা গিয়েছে, জুনিয়র চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করার অনুরোধ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নানা টালবাহানার পর অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক হল আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের। কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে এই বৈঠক হয়। বৈঠক চলে প্রায় ২ ঘন্টা। এর আগে বৈঠকের লাইভ স্ট্রিমিং দাবি করেছিল জুনিয়র চিকিৎসকরা। সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে তাই লাইভ স্ট্রিমিং সম্ভব নয় বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দিয়েছিলেন। পরে ভিডিও রেকর্ডিংয়ের দাবি ছিল আন্দোলনকারীদের। কিন্তু তাও ধোপে টেকেনি। শেষমেশ মিটিংয়ের আলোচনার মিনিট দেওয়া হবে এই শর্তে বৈঠকে বসেন জুনিয়র চিকিৎসকরা।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার টালা থানার ওসি

টালা থানার ওসি অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেফতার করলো সিবিআই। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে অভিজিৎ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একইসঙ্গে আরজি কর প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষকে এই মামলাতেও গ্রেফতার করল সিবিআই। এর আগে দুর্নীতি মামলায় সন্দীপ ঘোষকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। তিনি এখন জেল হেফাজতে আছেন। এর আগে বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল টালা থানার ওসিকে। মাঝে তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

কালীঘাটে এখনও বৈঠক শুরু হয়নি, ভিডিওগ্রাফিতে অনড় জুনিয়র চিকিৎসকরা

জুনিয়র চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য অপেক্ষা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ সরকারি উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। লাইভ স্ট্রিমিং না হলেও ভিডিওগ্রাফির দাবি করছে জুনিয়র চিকিৎসকরা। প্রশাসন ভিডিওগ্রাফি করবে, সেক্ষেত্রে জুনিয়র চিকিৎসকরা ভিডিওগ্রাফির দাবি জানিয়েছে। এই জটিলতায় বৈঠক আটকে আছে। সেখানে কাক ভেজা হয়ে অপেক্ষা করছেন চিকিৎসকরা। তাঁরা স্বচ্ছতার জন্য ভিডিওগ্রাফি চাইছেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

জুনিয়র চিকিৎসকদের ধরনা মঞ্চে গিয়ে কি বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিষেধ থাকা সত্ত্বেও আমি ছুটে এসেছি। কাল সারারাত ঝড় বৃষ্টি হয়েছে। আপনারা কষ্ট পেয়েছেন। আমিও রাতে ঘুমোতে পারিনি। আমারও কষ্ট হয়েছে। আমি নিজে ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে এসেছি। আমি যখন এসেছি কাজ করবই। অনেক কষ্ট পেয়েছেন আপনারা। আপনাদের দাবিগুলো নিয়ে আমি কথা বলব। আপনাদের দাবিগুলি আমি ভাবব, আমি চিন্তা করব। দোষী শাস্তি পাবেই। সিবিআইকে অনুরোধ করব যত তাড়াতাড়ি বিচার হোক। তিন মাসের মধ্যে তারা যেন ফাঁসির অর্ডার দেয়। আপনাদের প্ল্যাটফর্ম থেকেই সিবিআইকে অনুরোধ জানাব।আমাকে একটু সময় দিন। আমার উপর যদি ভরসা থাকে আমি কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। আমার পোস্টটা বড় কথা নয়। মানুষের পোস্টটাই বড় কথা। আপনারা এত কষ্ট করে ঝড় জলে রয়েছেন। আপনাদের পরিবারও কষ্টে রয়েছে। আপনারা কাজে যোগ দিন। আপনাদের প্রতি আমি কোনও অবিচার করব না। হাসপাতালের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি। সব হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতিতে অধ্যক্ষদের চেয়ারম্যান করব। সদস্য হিসেবে, জুনিয়র-সিনিয়র ডাক্তার, নার্স ও একজন পাবলিক রিপ্রেসেন্টেটিভ থাকবেন এবং পুলিশও থাকবে। আরজি কর মেডিকেল কলেজ সহ সব মেডিকেল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতি ভেঙে দিলাম। আপনাদের বাদবাকি যা দাবি আছে যদি সত্যি কেউ দোষী হয় তারা শাস্তি পাবে। দোষীরা আমার বন্ধু নয়। আমি চাই তিলোত্তমা বিচার পাক। এই খুনের সাথে ও দুর্নীতির সাথে কেউ জড়িত থাকলে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব। আমি আপনাদের কাছে অনুরোধ করছি নিজেদের মধ্যে কথা বলুন। কথা বলে ব্যবস্থা নেব। আমি আপনাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেব না। উত্তর প্রদেশ পুলিশ স্ট্রাইক, মিছিল বন্ধ করে দিয়েছিল। আমি এসব করব না। কোনও ডাক্তারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আমি বিরুদ্ধে। আপনারা চাইলে কাজে যোগ দিন। ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন। আমি যখন আপনাদের ধরনামঞ্চে আসতে পেরেছি ভরসা করলে বাদ বাকিটাও আমি আস্তে আস্তে করে দেব।দুর্নীতির একটা টেন্ডার কেসও আমার কাছে আসেনি। কোনও রোগী করলেন সমিতি কি কাজ করে সেটা আমার কাছে আসে না। আপনাদের অভিযোগ থাকলে তদন্ত করব, সাজাও দেব। ১৭ তারিখ কেসের ডেট আছে সুপ্রিম কোর্টে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বলতে আসিনি। আমি আপনাদের দিদি হিসেবে বলতে এসেছি। আপনাদের আন্দোলনকে কুর্নিশ জানাই। আপনাদের আন্দোলনের আমিও সমব্যথী ও সমসাথী। অনুরোধ করছি আমার কথা শুনুন।যে যা খাবার দিচ্ছে সব খাবারটা খাবেন না। হ্যাঁ জাস্টিস হবে। আমি ২৬ দিন অনশন করেছিলাম। সিপিএমের সরকার একদিনের জন্যও কথা বলতে আসেনি। তা সত্ত্বেও আমি এখন এসেছি। আপনাদের আবারও আবেদন বসে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিন। আমার এটা লাস্ট চেষ্টা আপনাদের জন্য করে গেলাম। অবিচার হবে না আপনার বিচার পাবেন, এটুকু আমি বলতে পারি। আপনাদের সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

জুনিয়র চিকিৎসকদের ধরনা অবস্থানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সল্টলেকে জুনিয়র চিকিৎসকদের অবস্থান বিক্ষোভে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুদিন আগে নবান্নে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল জুনিয়র চিকিৎসক ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। এদিন সল্টলেকে ছুটে যান মুখ্যমন্ত্রী। সহমর্মিতা প্রকাশ করেন মমতা। কাজে ফেরার আবেদন জানান। আপনাদের দাবি নিয়ে আলোচনা করবেন বলে জুনিয়র চিকিৎসকদের জানান। বলেন, তিলোত্তমার বিচার হোক। ৩ মাসে শাস্তি দিক সিবিআই, যেন ফাঁসির আদেশ হয়।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪
রাজ্য

কর্মবিরতির জন্য বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু ২৯, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির জেরে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত বিনা চিকিৎসায় মৃত্যু হয়েছে ২৯ জনের, দাবি রাজ্য সরকারের। এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে ঘোষণা করেছেন, মৃত ২৯ জনের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। মমতা এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, জুনিয়র ডাক্তারদের কর্মবিরতির ফলে স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। যার ফলে ২৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটা দুর্ভাগ্যজনক। মৃতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে রাজ্য সরকার ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা ঘোষণা করছে। ২৯ জন মৃতের পরিবারকে ওই টাকা দেওয়া হবে।রাজ্যের অভিযোগ, ডাক্তারদের কর্মবিরতির ফলে বহু মানুষ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা পাচ্ছেন না। অনেকে বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন। এখনও পর্যন্ত রাজ্যের হিসাবে মৃতের সংখ্যা ২৯। তবে রাজ্যের এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন আন্দোলনকারী ডাক্তাররা। তাঁদের দাবি, কোনও হাসপাতালেই চিকিৎসা পরিষেবা ব্যাহত হয়নি। সিনিয়র চিকিৎসকরা পরিষেবা দিচ্ছেন। বাড়তি পরিশ্রম করছেন। কোথাও বিনা চিকিৎসায় রোগীকে ফিরে যেতে হচ্ছে না।পাল্টা তাঁদের দাবি, রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার বেহাল দশাতেই এমনতিই বহু মানুষ প্রতিদিন উপযুক্ত চিকিৎসা পরিষেবার অভাবে মারা যান। সেই ব্যর্থতা ঢাকতেই আন্দোলনকারীদের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছে রাজ্য সরকার। কাঠগড়ায় তোলা হচ্ছে কর্মবিরতিকে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 19
  • 20
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

“দুই-তৃতীয়াংশ নিয়ে ফিরছি”, ভোট দিয়েই সাফ জানিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

দ্বিতীয় দফার ভোটে সবার নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী। সকাল থেকেই দুই প্রার্থীই বুথে বুথে ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন।ভোটের শেষ লগ্নে মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দিতে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুথে ঢোকার আগে তিনি জয়চিহ্ন দেখান এবং জয়ের ব্যাপারে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এবার তাঁর দল দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করবে।ভোট দিতে এসে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, গত রাত থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী অত্যাচার চালাচ্ছে। মহিলাদের মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরামবাগ, খানাকুল এবং গোঘাটের মতো জায়গাতেও একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের কাজ কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না।ভোটের দিন সকালেই কালীঘাটের বাড়ি থেকে বেরিয়ে চেতলা এলাকায় যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর পদ্মপুকুর রোড দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বুথের সামনে গাড়ি থামিয়ে নেমে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন তিনি।এই বিষয় নিয়ে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, চাপের মুখে পড়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের সকালে বেরিয়েছেন। তিনি বলেন, পরিস্থিতি না হলে এমনটা হতো না।এদিকে দুপুর তিনটে পর্যন্ত দ্বিতীয় দফার ভোটদানের হার ছিল ৭৮.৬৮ শতাংশ। প্রথম দফায় একই সময়ে ভোট পড়েছিল ৭৮.৭৭ শতাংশ। দ্বিতীয় দফায় সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলায় এবং সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে কলকাতা দক্ষিণে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

“ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ভোট কোথায়?”—ভোট দিয়ে প্রশ্ন তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বুধবার বিকেল চারটে নাগাদ ভবানীপুর কেন্দ্রের মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভোট দেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট দিয়ে বেরিয়েই তিনি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন।তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করছে। তাঁর অভিযোগ, কাউকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না, মহিলাদেরও মারধর করা হয়েছে, এমনকি শিশুদেরও রেহাই দেওয়া হয়নি। তাঁর কথায়, এই ঘটনা গত রাত থেকেই শুরু হয়েছে। তৃণমূলের কর্মী ও সমর্থকদের গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও এমন কাজ করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন এবং এটিকে আদালত অবমাননা বলে উল্লেখ করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা, কিন্তু তারা একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সাহায্য করছে বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি জানান, আরামবাগ, খানাকুল, গোঘাট, ক্যানিং পূর্ব ও পশ্চিমের মতো একাধিক জায়গা থেকে তৃণমূলের এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকেই তিনি সেই সব ঘটনার ছবি সংবাদমাধ্যমকে দেখিয়েছেন।নিজের এলাকায় কী হয়েছে তাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁর পাড়াতেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মারধর করেছে এবং অনেককে ভোট দিতেও বাধা দেওয়া হয়েছে। যদিও তিনি সাধারণ মানুষকে শান্ত থাকার আবেদন জানান এবং বলেন, শেষ পর্যন্ত তাঁর দলই জয়ী হবে।মমতা বলেন, তিনি নিজে দেখেছেন কোথায় কীভাবে আচরণ করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাঁর বিধানসভা কেন্দ্রে এত বাহিনী থাকা সত্ত্বেও কেন ভয় দেখানো হল এবং স্বচ্ছতা কোথায় রইল। তিনি জানান, এমন পরিস্থিতি তিনি আগে কখনও দেখেননি।শেষে তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অনেক নির্বাচন দেখেছেন, কিন্তু এ ধরনের নির্বাচন আগে কখনও দেখেননি।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভোট দিয়ে আবেগপ্রবণ রঞ্জিত মল্লিক! “এবারের ভোট খুব দুঃখের”—কেন বললেন এমন কথা?

বুধবার সকাল থেকেই কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় ভোটগ্রহণ চলছে। সকাল থেকেই বুথের সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভোট দিতে দেখা গেল টলিউডের বহু পরিচিত মুখকেও।টালিগঞ্জের গলফ ক্লাব রোডের বাঙুর হাইস্কুলে ভোট দিতে আসেন অভিনেতা রঞ্জিত মল্লিক ও অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। বহু বছর ধরে নিয়ম করে ভোট দিয়ে আসছেন রঞ্জিত মল্লিক। তিনি জানান, প্রায় ষাট বছর ধরে তিনি কখনও ভোট দেওয়া মিস করেননি। তাঁর কাছে ভোট দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক অধিকার।তবে এবারের ভোট নিয়ে কিছুটা আক্ষেপের সুর শোনা গেল তাঁর কথায়। ভোট দিয়ে বেরিয়ে তিনি বলেন, তিনি সব সময় ভোট দেন এবং এটিই তাঁর কর্তব্য বলে মনে করেন। কিন্তু এবারের ভোট তাঁর কাছে দুঃখের। তাঁর দাবি, অনেক মানুষ তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। এমন পরিস্থিতি আগে কখনও দেখেননি বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, শেষ পর্যন্ত যেন ভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়।রঞ্জিত মল্লিকের সঙ্গে ভোট দিতে আসা কোয়েল মল্লিক বলেন, প্রত্যেক মানুষের ভোট দেওয়া উচিত। এটি গণতান্ত্রিক অধিকার এবং দেশের উন্নতির জন্য সবার মতামত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ভোটের দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তিনি চান সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারেন।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ফলতায় ভোট নিয়ে বড় ধাক্কা! গোটা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচনের ইঙ্গিত কমিশনের

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে একাধিক বুথে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ ওঠায় কড়া অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে গোটা ফলতা কেন্দ্রেই পুনর্নির্বাচন করা হতে পারে।তিনি বলেন, যেসব বুথে ইভিএমে টেপ লাগানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে, সেগুলি ওয়েব কাস্টিং এবং অবজারভারদের রিপোর্ট দেখে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই বিষয়ে কমিশন একেবারে শূন্য সহনশীলতার নীতি নিয়েছে। যেখানে যেখানে অনিয়ম প্রমাণিত হবে, সেখানেই পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।ফলতার ২৫২, ২৩৫, ২২৬, ১৮৬ এবং ২৪১ নম্বর বুথে ইভিএমে আতর লাগানোর অভিযোগও উঠেছে। এই ঘটনাগুলির রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। বিস্তারিত রিপোর্ট পাওয়ার পর অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সেই বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন করা হবে। একই ধরনের অভিযোগ মগরাহাট থেকেও এসেছে।কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, পুনর্নির্বাচন হলে তা আগামীকাল বা পরশুর মধ্যেই হতে পারে।সকালে ভোট মোটামুটি শান্তিপূর্ণ থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফলতার বিভিন্ন বুথে অশান্তির খবর সামনে আসে। কয়েকটি বুথে ইভিএমে টেপ লাগানোর অভিযোগ ওঠে। কিছু জায়গায় বিক্ষোভ সামাল দিতে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে লাঠিচার্জও করতে হয়েছে।এই বিষয়ে মনোজ কুমার আগরওয়াল বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ করেছে। তিনি আরও জানান, ইভিএমে ইতিমধ্যেই যে ভোট পড়েছে তা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, তাই অনিয়ম প্রমাণিত হলে পুনরায় ভোট করানোই একমাত্র উপায়।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে ভোটের মাঝেই বড় দাবি! “৮০ শতাংশ ভোট হলেই জিতব”—শুভেন্দু

দ্বিতীয় দফার ভোটে সকাল থেকেই নজর ছিল ভবানীপুর কেন্দ্রে। এই কেন্দ্রে মুখোমুখি লড়াই করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার সকাল থেকেই এলাকায় উত্তেজনার ছবি দেখা যায়। কখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাউন্সিলরের বাড়িতে যাচ্ছেন, আবার কখনও শুভেন্দু অধিকারী বিক্ষোভের মধ্যে থেকে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে অভিযোগ জানাচ্ছেন।দুপুরের দিকে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ফল নিয়ে বড় দাবি করেন। তিনি বলেন, যদি আশি শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে তিনি জিতবেন। আর যদি নব্বই শতাংশ ভোট পড়ে, তাহলে আরও বড় ব্যবধানে জয়ী হবেন বলে তাঁর দাবি। তিনি আরও বলেন, একটি নির্দিষ্ট ওয়ার্ড ছাড়া বাকি সব জায়গায় তিনি এগিয়ে থাকবেন। ওই ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবস্থা নেওয়ায় পরিস্থিতি বদলেছে বলেও তিনি জানান।শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ফলতা এলাকায় ইভিএম নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে প্রধান নির্বাচনী আধিকারিককে জানানো হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি (Suvendu Adhikari)।তিনি অভিযোগ করেন, অনেক জায়গায় ভোট ধীরগতিতে হচ্ছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত ভোটকর্মী ব্যবহার করা উচিত বলেও মত দেন তিনি।এদিকে ভবানীপুরের জয় হিন্দ ভবনের সামনে শুভেন্দুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে কয়েকশো মানুষ জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। একদিকে জয় বাংলা, অন্যদিকে জয় শ্রীরাম স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় নিজের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে ভিডিও করেন শুভেন্দু অধিকারী এবং পরে নির্বাচন কমিশনে ফোন করে আরও বাহিনী পাঠানোর দাবি জানান।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
কলকাতা

‘সিংঘম’ বনাম ‘পুষ্পা’ বিতর্কে আগুন! শুভশ্রীর মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটে নতুন করে শুরু হয়েছে সিংঘম বনাম পুষ্পা বিতর্ক। এই বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ফলতা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান এবং ডায়মন্ড হারবার এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ পর্যবেক্ষক অজয় পাল শর্মা। সম্প্রতি তৃণমূল প্রার্থীর বাড়ির সামনে গিয়ে তাঁর হুঁশিয়ারি দেওয়ার একটি ভিডিও সামনে আসার পর থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই ভোট দিতে এসে মন্তব্য করেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে তিনি নিজের আবাসনের বুথে ভোট দেন। ভোট দেওয়ার পর তাঁকে সিংঘম প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে তিনি মনে করেন, সিংহ বা সিংঘম শেষ পর্যন্ত মা দুর্গার পায়ের তলাতেই থাকে। তাঁর কথায়, বাংলায় এমন এক শক্তি রয়েছে, যারই জয় হবে।তিনি সরাসরি কোনও নাম না করলেও তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট যে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মা দুর্গার সঙ্গে তুলনা করেছেন। এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।অন্যদিকে রাজ চক্রবর্তীও এই প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, বাংলাকে বারবার বদনাম করার চেষ্টা চলছে এবং তার জবাব মানুষ ভোটের মাধ্যমে দেবে। তাঁর দাবি, ভোটের ফল বেরোলেই বোঝা যাবে কার সমর্থন বেশি।রাজ আরও বলেন, বাংলার সংস্কৃতি শান্তির এবং এখানে সেই পরিবেশই বজায় থাকবে। তিনি জানান, বাংলায় এমন কোনও পরিস্থিতি নেই যেখানে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বিশেষ ধরনের ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়।এই বিতর্কের মধ্যেই দ্বিতীয় দফার ভোট চলছে এবং ফলাফল ঘোষণার আগে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ছে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মধ্যেই বড় অশান্তি! লাঠিচার্জ থেকে ইভিএম কাণ্ডে চাঞ্চল্য

ভোটের আগে থেকেই কড়া নজরদারি শুরু হয়েছিল। উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এলাকায় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ শুরু হয়। ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার রাত থেকেই টানা টহল চালানো হয়। ভোটের দিন আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনী।বুধবার সকালে ডায়মন্ড হারবার এলাকার বিভিন্ন বুথ পরিদর্শন করেন অজয় পাল শর্মা। এরপর তিনি সিআরপিএফ ক্যাম্পে গিয়ে ডিজি জি পি সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েই আলোচনা হয়।এরই মধ্যে ফলতার বেলসিংহা এলাকায় একটি বিদ্যালয়ের সামনে লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে জমায়েত ছিল। বারবার সতর্ক করার পরও জমায়েত না সরায় কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।দুপুরের দিকে দক্ষিণ বাসুলনাথ গ্রামে ভোটারদের ভোট দিতে না যাওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং এলাকায় টহল শুরু করে, যাতে সাধারণ মানুষ ভয়মুক্তভাবে ভোট দিতে পারেন।অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা অভিযোগ করেন, ফলতার একাধিক বুথে ইভিএমে টেপ লাগানো হয়েছে। তিনি একটি বুথ পরিদর্শনে গেলে তাঁকে ইভিএম দেখতে দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন। তিনি জানান, বিষয়টি তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে জানাবেন। একই সঙ্গে বুথ দখল করে রাখার অভিযোগও তোলেন তিনি। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।এছাড়া আরও অভিযোগ উঠেছে, ফলতার কয়েকটি বুথে ইভিএমে আতর লাগানো হয়েছে। এই বিষয়টি কমিশনের নজরে এসেছে এবং বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট বুথে পুনরায় ভোট গ্রহণ করা হতে পারে।

এপ্রিল ২৯, ২০২৬
রাজ্য

‘সিংহম’ অবতারে আইপিএস! রাতভর টহলে কড়া বার্তা, দুষ্কৃতীদের নিশানা অজয় পাল শর্মা

ভোটের আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা এলাকায় নজর কেড়েছেন উত্তর প্রদেশের আইপিএস অফিসার অজয় পাল শর্মা। কঠোর স্বভাবের জন্য পরিচিত এই আধিকারিক এখন একের পর এক এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। তাঁর লক্ষ্য, কোনওভাবেই যেন ভোটারদের ভয় দেখাতে না পারে দুষ্কৃতীরা।কয়েক দিন আগে একটি ভিডিও সামনে আসে, যেখানে দেখা যায় ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন এলাকায় কিছু বাইক বাহিনী ঘুরে বেড়িয়ে ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে। সেই অভিযোগ সামনে আসতেই দ্রুত পদক্ষেপ করে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। এরপরই অজয় পাল শর্মাকে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং তিনি সঙ্গে সঙ্গেই মাঠে নেমে পড়েন।মঙ্গলবার দিনভর এবং রাতেও তাঁকে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এলাকায় টহল দিতে দেখা যায়। তাঁর সঙ্গে ছিল সাঁজোয়া গাড়ি, প্রচুর কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং আধিকারিকরা। সরিষা, ডায়মন্ড হারবার ও ফলতা জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। চারদিকে টহল ও কড়া নজরদারির ছবি সামনে এসেছে।এরই মধ্যে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান-এর বাড়ির সামনে গিয়ে অজয় পাল শর্মার সতর্কবার্তা দেওয়ার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে তাঁকে বলতে শোনা যায়, মানুষকে যেভাবে ধমকানো হচ্ছে, তার ফল ভালো নাও হতে পারে।এই মন্তব্যের জবাবে জাহাঙ্গীর খান জানান, তিনি কোনওভাবেই ভয় পাবেন না। তাঁর দাবি, বাইরের চাপ বা ভয় দেখিয়ে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। এলাকায় তাঁর সমর্থকেরাও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন বলে তিনি জানান।সব মিলিয়ে ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা বাড়লেও অজয় পাল শর্মা যে কড়া অবস্থান নিয়েই কাজ করছেন, তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা জোরদার করতে তিনি এক মুহূর্তের জন্যও ঢিল দিচ্ছেন না বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।

এপ্রিল ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal