• ৩ চৈত্র ১৪৩২, বুধবার ১৮ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Vote

রাজ্য

ভোটার তালিকায় নাম ঝুলে, তবু প্রার্থী কলিতা মাজি, আউশগ্রামে তুমুল বিতর্ক

সোমবার বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরই পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ওই তালিকায় বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নাম রয়েছে কলিতা মাজির। পেশায় পরিচারিকা কলিতাকে আগের বিধানসভা নির্বাচনেও প্রার্থী করেছিল বিজেপি, যদিও তখন তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। এবারও তার উপরেই ভরসা রেখেছে দল। তপসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত এই আসনে তাকে প্রার্থী করা নিয়ে আগেও চমক তৈরি হয়েছিল, তবে এবার তার নাম ঘিরে অন্য কারণে জোর বিতর্ক দানা বেঁধেছে।গত আঠাশে ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা যায়, কলিতা মাজির নাম এখনও বিবেচনাধীন অবস্থায় রয়েছে। গুসকরা পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের মাঝপুকুর পাড়ের বাসিন্দা তিনি। গুসকরা পুরসভার একশো পঁচানব্বই নম্বর বুথে তিনশো সাতানব্বই নম্বরে তার নাম থাকলেও পাশে বিবেচনাধীন উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ তার ভোটার পরিচয় নিয়ে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, তিনি নিজে ভোট দিতে পারবেন কি না এবং এমন অবস্থায় তিনি কীভাবে প্রার্থী হলেন। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।যদিও এই বিতর্কের মাঝেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন কলিতা মাজি। তার দাবি, প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু নথি সংক্রান্ত অসঙ্গতির কারণে তাকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল এবং তিনি সেখানে উপস্থিতও ছিলেন। তিনি জানান, তাদের সাত বোনের মধ্যে বাকি ছয়জনের নাম তালিকায় চূড়ান্ত হলেও শুধুমাত্র তার নাম এখনও বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় সব নথি জমা দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি। এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি আত্মবিশ্বাসের সুরে জানান, এবার জয়ের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।আউশগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রটি বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি তপসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত আসন। গত নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অভেদানন্দ থাণ্ডার জয়ী হয়েছিলেন। তিনি এক লক্ষের বেশি ভোট পেয়েছিলেন, আর বিজেপির প্রার্থী হিসেবে কলিতা মাজি দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন।এই ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা নেতৃত্বের অভিযোগ, বিজেপির প্রার্থীর নাম যখন এখনও বিবেচনাধীন, তখন তাকে প্রার্থী করা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। তাদের মতে, এতে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে এবং নির্বাচন কমিশন নিয়ম মেনেই কাজ করছে।পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে আউশগ্রাম এবং আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। ভোটের আগে এই বিতর্ক কোন দিকে যায়, তা নিয়েই এখন সবার নজর।

মার্চ ১৭, ২০২৬
দেশ

ভোটার তালিকা বিতর্কে বড় মন্তব্য! “একজনও বৈধ ভোটার বাদ যাবে না” বলল সুপ্রিম কোর্ট

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে আগাম পিটিশন দাখিল হওয়ায় বিরক্তি প্রকাশ করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত মামলার শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত রাজ্যের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীকে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, এই ধরনের আগাম আবেদন ভুল বার্তা দিতে পারে। আদালতের মতে, এতে মনে হতে পারে যে আবেদনকারীরা বিচারব্যবস্থার উপর ভরসা রাখতে পারছেন না। প্রধান বিচারপতি মেনকা গুরুস্বামীকে জানান, আগাম পিটিশনের মাধ্যমে এমন বার্তা যাচ্ছে যে সিস্টেমের উপর আস্থা নেই। তাই তিনি আবেদনটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার পরামর্শও দেন। একই সঙ্গে আদালত আশ্বাস দেয়, কোনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়বে না।এসআইআর সংক্রান্ত মামলা ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। এর মধ্যেই সোমবার আবার আদালতের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। আগের দিন মেনকা গুরুস্বামী অভিযোগ করেছিলেন, অনেক ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এবং তাঁদের নথিও গ্রহণ করা হয়নি। তিনি জানান, যাঁরা আগে ভোট দিয়েছেন তাঁদের নথিও এখন গ্রহণ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।এই প্রসঙ্গেই মঙ্গলবার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী ইতিমধ্যেই প্রায় দশ লক্ষ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের কোনও প্রশ্নের মুখে ফেলবেন না। তাঁরা নিজেদের দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ করছেন। যাঁরা প্রকৃত ভোটার, তাঁদের অবশ্যই তালিকায় যুক্ত করা হবে বলে আদালত জানায়।রাজ্যের নতুন আবেদন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, এই পিটিশন আগাম করা হয়েছে এবং এখনই তার প্রয়োজন ছিল না। তিনি মেনকা গুরুস্বামীকে আবেদন প্রত্যাহারের পরামর্শ দেন এবং বলেন, ভোট ঘোষণার আগেই এই কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে আদালত এও জানায়, প্রয়োজন হলে এই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত অবমাননার নোটিসও জারি করা হতে পারে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আদালত সব পক্ষকেই নজরে রাখছে বলে মন্তব্য করে বেঞ্চ।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে বর্তমানে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা অমীমাংসিত ভোটারদের তালিকা পরীক্ষা করে দেখছেন। এদিন আদালত নির্দেশ দেয়, রাজ্য সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে এই কাজে সবরকম সাহায্য করতে হবে। বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের যখন লগইন পরিচয়পত্র প্রয়োজন হবে, তখনই নির্বাচন কমিশনকে তা দ্রুত ব্যবস্থা করে দিতে হবে বলে জানায় আদালত।অমীমাংসিত তালিকার তথ্য পরীক্ষা শুরু হলেও এখনও পর্যন্ত সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করা হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, দ্রুত সম্পূরক তালিকা প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি আদালত জানিয়েছে, এই বিষয় দেখভালের জন্য একটি ট্রাইবুনাল গঠন করা হবে। সেখানে প্রাক্তন প্রধান বিচারপতিকে রাখা হবে এবং একাধিক বিচারপতি এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকবেন। নির্বাচন কমিশন হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বলে আদালত জানিয়েছে।

মার্চ ১০, ২০২৬
কলকাতা

নাম কাটা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ, নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করে অনড় বামেরা! রাস্তাতেই রাত কাটালেন সেলিম-মীনাক্ষীরা

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে রাতভর অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হলেন বাম নেতারা। সিইও-র সঙ্গে সরাসরি দেখা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।বুধবার টি বোর্ডের সামনে থেকে মিছিল শুরু করে সিইও দফতরের দিকে এগিয়ে যান বামফ্রন্টের নেতারা। মিছিলে হাঁটেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, নেতা সুজন চক্রবর্তী-সহ অন্যান্যরা। তাঁদের অভিযোগ, চক্রান্ত করে বৈধ ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে।সিইও মনোজ আগরওয়াল-এর হাতে সরাসরি স্মারকলিপি দেওয়ার কথা জানালেও তিনি দেখা করেননি বলে দাবি বাম নেতৃত্বের। অধস্তন আধিকারিকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে বলা হলেও তাতে রাজি হননি তাঁরা। সেলিমদের স্পষ্ট কথা, স্মারকলিপি সিইও-কেই দিতে হবে। এরপরই দফতরের বাইরে অবস্থানে বসার সিদ্ধান্ত নেন নেতা-কর্মীরা।রাতভর কালো ত্রিপল পেতে রাস্তাতেই কাটান তাঁরা। আন্দোলনে সামিল ছিলেন ক্যাপ্টেন নামে পরিচিত মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বৈধ ভোটারের নাম কেটে কমিশন পার পাবে না। একদিকে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাবে, অন্যদিকে অফিসাররা বহাল তবিয়তে থাকবেন এমনটা হতে পারে না।এই অবস্থান বিক্ষোভে যোগ দেন এভারেস্টজয়ী পিয়ালী বসাক-ও। তাঁর কথায়, জনগণের করের টাকায় বেতন পান কমিশনের আধিকারিকরা। অথচ সাধারণ মানুষের নামই যদি তালিকা থেকে বাদ পড়ে, তা হলে তা মেনে নেওয়া যায় না। পাঁচ বছর ধরে করের টাকায় কী কাজ হয়েছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।বাম নেতৃত্বের দাবি, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার যে কোনও চেষ্টা রুখে দেওয়া হবে। যতক্ষণ না সিইও-র সঙ্গে সরাসরি কথা হচ্ছে, ততক্ষণ আন্দোলন চলবে বলেই স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তাঁরা। নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে তাই এখনও জারি রয়েছে ধরনা। পরিস্থিতির দিকে নজর রয়েছে প্রশাসনেরও।

মার্চ ০৫, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, জেলায় জেলায় চাঞ্চল্য! কোথায় কত নাম বাদ গেল জানলে চমকে উঠবেন

অবশেষে প্রকাশিত হল এসআইআর-এর চূড়ান্ত তালিকা। আপাতত অফলাইনে তালিকা প্রকাশ হয়েছে। ডিএম ও বিডিও অফিসে পৌঁছে গিয়েছে হার্ড কপি। ব্লকে ব্লকে বিএলও-দের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে সেই তালিকা। তাঁরা তালিকা সংগ্রহ করে বুথের দিকে রওনা দিচ্ছেন। খুব শিগগিরই রাজ্যবাসী বুথে গিয়ে নিজের নাম মিলিয়ে নিতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুইভাবেই তালিকা দেখার সুযোগ থাকবে, তবে এখনও পর্যন্ত অফলাইনেই তালিকা প্রকাশ্যে এসেছে। জেলায় জেলায় বুথে তালিকা ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নন্দীগ্রাম থেকে ঠাকুরনগর, সর্বত্র একই ছবি। তালিকা সামনে আসতেই কোথায় কত নাম বাদ গেল, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের মনে। কোথাও বিএলও জানাচ্ছেন, নাম বাদ যায়নি। আবার কোথাও অভিযোগ উঠছে, বিএলও-র নিজের নামই অমীমাংসিত তালিকায় চলে গিয়েছে।নন্দীগ্রামের চড়কেন্দ্রমারির এক বুথের বিএলও জানিয়েছেন, তাঁর হাতে যে তালিকা এসেছে তাতে ৯৫৩ জন ভোটারের নাম রয়েছে। খসড়া তালিকার সঙ্গে চূড়ান্ত তালিকার কোনও বড় পার্থক্য নেই বলেই তিনি দাবি করেছেন। তবে ২১৯ নম্বর বুথের বিএলও জানিয়েছেন, কিছু নাম বাদ গিয়েছে। যদিও বিক্ষিপ্ত কয়েকটি ঘটনা ছাড়া অধিকাংশের নাম রয়েছে বলেই তাঁর দাবি। অন্যদিকে নন্দীগ্রামের এক ব্লকের এক বিএলও অভিযোগ করেছেন, তাঁর নিজের নামই মীমাংসিত তালিকায় নেই। অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে তাঁর নাম। তিনি জানিয়েছেন, ২৭ বছর ধরে চাকরি করছেন, সমস্ত নথি রয়েছে, বানানেও ভুল নেই, পাসপোর্টও আছে। তবু কেন তাঁর নাম বিচারাধীন হল, তা তিনি বুঝতে পারছেন না।বাঁকুড়াতেও বুথে বুথে চূড়ান্ত তালিকা টাঙানো হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত ৩ হাজার ৩০০ জনের নাম বাদ পড়েছে। খসড়া তালিকায় ১ লাখ ৩২ হাজার নাম বাদ গিয়েছিল। সব মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার ৩০০ জনের নাম বাদ পড়েছে বলে প্রশাসনের দাবি। ৭০ নম্বর বুথে বাদ গিয়েছে ৩ জনের নাম। অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ৩৯ হাজার নাম।উত্তর ২৪ পরগনার বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ভোটার ছিলেন ২ লাখ ৩১ হাজার ১৬৯ জন। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী ৯৭১ জনের নাম বাদ পড়েছে। ঠাকুরনগরে সবথেকে বেশি নাম আনম্যাপড হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, প্রায় ৩০ হাজার নাম বাদ গিয়েছে সেখানে। ফলে আতঙ্কে রয়েছেন বহু বাসিন্দা।কলকাতার উত্তর অংশে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৭ হাজার নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। দক্ষিণ কলকাতায় খসড়া তালিকায় ৬ লাখ ৯১ হাজার ৩০৬ জনের নাম ছিল। চূড়ান্ত তালিকায় রয়েছে ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৯৯ জনের নাম। অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে ৭৮ হাজার ৬৫৭ জনের নাম।মুর্শিদাবাদে অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ৬ লাখ নাম। চূড়ান্ত তালিকায় কতজনের নাম বাদ গিয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। উত্তর ২৪ পরগনায় অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ৫ লাখ ৯০ হাজার নাম। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ৫ লাখ ২০ হাজার নাম। পশ্চিম মেদিনীপুরে অমীমাংসিত তালিকায় প্রায় ১ লাখ নাম রয়েছে। নদিয়ায় প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী ৬০ হাজার নাম বাদ গিয়েছে এবং অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার নাম।এদিকে এখনও পর্যন্ত অনলাইনে তালিকা প্রকাশ হয়নি। জানা গিয়েছে, দুপুর গড়িয়ে যেতে পারে অনলাইনে তালিকা প্রকাশ পেতে। তালিকা প্রকাশ হলে দুটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে রাজ্যবাসী নিজেদের নাম খুঁজে দেখতে পারবেন। ফলে এখন সবার নজর অনলাইনে প্রকাশের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
রাজ্য

চূড়ান্ত তালিকার আগে বড় ধাক্কা, এক এলাকাতেই বাদ পড়তে পারে সাড়ে আট হাজার ভোটার

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার মুখে পৌঁছালেও জটিলতা কাটছে না। আগামী আটাশ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা। কিন্তু নথি জমা দেওয়ার পরও বহু ভোটার অনিশ্চয়তায় ভুগছেন। এর মধ্যেই অভিযোগ উঠেছে, বিপুল সংখ্যক নথি এখনও আপলোড হয়নি। নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে লক্ষ্মীপুর এলাকায়, যেখানে প্রায় সাড়ে আট হাজার ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে বলে দাবি করা হচ্ছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সুতির লক্ষ্মীপুর এলাকার বহু ভোটার এই অভিযোগ সামনে এনে কলকাতায় নির্বাচন কমিশনের দফতরে ছুটে এসেছেন। তাঁদের দাবি, প্রয়োজনীয় সব নথি জমা দেওয়ার পরও দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী নির্বাচনী আধিকারিক সেই নথি আপলোড করেননি। ফলে বৈধ ভোটার হয়েও তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করার আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।ভোটারদের বক্তব্য, এসআইআর প্রক্রিয়ায় প্রমাণ হিসেবে যে তেরো ধরনের নথি জমা দেওয়ার কথা, তার মধ্যেই প্রয়োজনীয় নথি তাঁরা জমা দিয়েছেন। অভিযোগ, এক থেকে পঁচানব্বই নম্বর বুথ পর্যন্ত বহু ভোটারের নথি আপলোড হয়নি। ব্যক্তিগতভাবে খোঁজ নিয়ে এই তথ্য জানার পরই তাঁরা দ্রুত কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছেন। হাতে সময় খুব কম থাকায় কী হবে তা নিয়ে চরম উদ্বেগে রয়েছেন সাধারণ মানুষ।এর আগেও অভিযোগ উঠেছিল, দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের ভুলের কারণে লক্ষাধিক বৈধ ভোটারের নাম বাদ যেতে পারে। নির্বাচনী আধিকারিক ও সহকারী আধিকারিকদের গাফিলতির জেরে বহু নথি আপলোড হয়নি বলে অভিযোগ। কমিশন সূত্রে খবর, অন্তত এক লক্ষ চোদ্দ হাজার ভোটারের নথি জমা পড়েনি বা আপলোড হয়নি বলে দাবি উঠেছে। ফলে সেই সব নাম চূড়ান্ত তালিকায় না থাকার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ভোটের আগে এই পরিস্থিতি নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ বাড়িয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআর না হলে ভোট নয়, বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি শমীকের

গুজরাট ও তামিলনাড়ু-সহ একাধিক রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়ার পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হলেও পশ্চিমবঙ্গে এখনও সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি। আগামী আটাশ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও বহু আবেদন ও অভিযোগের নিষ্পত্তি এখনও বাকি রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনকে কড়া বার্তা দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। মঙ্গলবার তিনি বলেন, সব আবেদন ও অভিযোগ নিষ্পত্তি না করে ভোটার তালিকা প্রকাশ করা উচিত নয়। তাঁর কথায়, আগে ভেজালমুক্ত তালিকা তৈরি করতে হবে, তারপর নির্বাচন হওয়া উচিত। তিনি স্পষ্ট জানান, এসআইআর সম্পূর্ণ না হলে ভোট নয় এবং দল সেই অবস্থানেই অটল।তৃণমূলকে আক্রমণ করে শমীক দাবি করেন, অবিজেপি শাসিত কেরল ও তামিলনাড়ুতে এসআইআর প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে শেষ হয়েছে এবং কোথাও অশান্তির ঘটনা ঘটেনি। তাঁর অভিযোগ, সমস্যা শুধু বাংলাতেই দেখা যাচ্ছে এবং পরিস্থিতি নিয়ে বিচারকরাও উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, তাঁদের জমা দেওয়া আবেদনপত্রের মধ্যে অনেক নথি নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। সেই সব আবেদন গ্রহণ করে সব রাজনৈতিক দলের নথির সমান গুরুত্ব দিয়ে যাচাই করার দাবি জানান তিনি। প্রয়োজনে সময় বেশি লাগলেও সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ করেই ভোটে যাওয়ার কথা বলেন বিজেপি নেতা।এছাড়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে আবার রাজ্যে আসার আহ্বান জানান শমীক। তিনি বলেন, কমিশনার যেন মুর্শিদাবাদের ডোমকল-সহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। নির্বাচন কমিশনের কাছে তাঁর দাবি, শেষ অভিযোগের শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে হবে এবং প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সময় নিয়েই তা সম্পূর্ণ করতে হবে। এই মন্তব্যের পর ভোটের আগে এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২৬
রাজ্য

১ লক্ষের বেশি আবেদন ঝুলে, বাদ পড়ছেন হাজার হাজার ভোটার

২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে অনিশ্চয়তা। প্রযুক্তিগত সমস্যায় ১ লক্ষের বেশি নথি আপলোড বাকি। আরও ৩৫ হাজার আবেদনকারী অযোগ্য ঘোষিত। বিস্তারিত পড়ুন।বিধানসভা ভোটের আগে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নিয়ে। কমিশন সূত্রে খবর, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ নাও হতে পারে। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে এই বিলম্ব হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।শুনানির সময়সীমা শেষ হয়ে গেলেও এখনও লক্ষাধিক আবেদনকারীর তথ্য অনলাইনে তোলা হয়নি। কমিশনের হিসেব অনুযায়ী, মোট ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৭৭২টি নথি আপলোড বাকি রয়েছে। ফলে তথ্য যাচাইয়ের জন্য অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হতে পারে। মঙ্গলবার আরও প্রায় ৩৫ হাজার আবেদনকারীকে অযোগ্য বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের জমা দেওয়া নথি গ্রহণযোগ্য নয় বলেই জানানো হয়েছে।জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কয়েকটি জেলায় পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। কোচবিহারে ১০,৪৭৯টি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০,২৮৫টি, উত্তর কলকাতায় ১৫,০৩১টি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ২০,৭০৭টি নথি এখনও সিস্টেমে আপলোড হয়নি। হাওড়ায় বাকি রয়েছে ১০,৪৯৯টি নথি। দার্জিলিং, হুগলি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পাঁচ হাজারের বেশি নথি এখনও তোলা হয়নি। অন্যদিকে মালদহ, ঝাড়গ্রাম ও কালিম্পংয়ে আপলোড নিয়ে কোনও সমস্যা নেই বলেই জানা গিয়েছে।Election Commission of India জানিয়েছে, যে ১২টি রাজ্যে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ চলছে, সব রাজ্যেই আপলোডের কাজ আপাতত বন্ধ রয়েছে। নতুন করে আর আপলোড করা সম্ভব নয়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।তবে কাদের গাফিলতিতে এত বিপুল সংখ্যক আবেদন ঝুলে রইল, তা খতিয়ে দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে কমিশন। ভোটের মুখে এই পরিস্থিতি রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন সকলের নজর, আদৌ ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ পায় কি না।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকা থেকে ৮০ লক্ষ নাম বাদ? এসআইআর শুনানি ঘিরে চাঞ্চল্য

এসআইআর শুনানির প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর। শনিবার ছিল আনুষ্ঠানিক শেষ দিন, তবে শুক্রবারই শুনানি শেষ হয়েছে। এখন চলছে তথ্য আপলোড ও যাচাইয়ের কাজ।কমিশন সূত্রে খবর, শুনানিতে নোটিস পাওয়ার পরও প্রায় ৬ লক্ষ ভোটার ইআরও-দের সামনে হাজির হননি। তাই তাঁদের নাম বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত। এছাড়া লজিক্যাল ত্রুটি এবং অ্যানম্যাপড ভোটারের তালিকা থেকেও প্রায় ১০ শতাংশ নাম বাদ যেতে পারে বলে জানা গিয়েছে।খসড়া তালিকা প্রকাশের সময় দেখা গিয়েছিল, প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছিল। তার সঙ্গে শুনানিতে অনুপস্থিত ৬ লক্ষ যোগ করলে সংখ্যাটা দাঁড়ায় ৬৪ লক্ষ। এর সঙ্গে আরও ১০ লক্ষের বেশি অ্যানম্যাপড ও লজিক্যাল ত্রুটি থাকা নাম ধরলে মোট সংখ্যা প্রায় ৮০ লক্ষ ছুঁতে পারে বলে কমিশন সূত্রের অনুমান।অনেকেই শুনানির সময় কমিশনের নির্ধারিত ১৩টি বৈধ নথির কোনওটি জমা দিতে পারেননি। তার বদলে প্যান কার্ড বা সংবাদপত্রের কাটিংয়ের মতো কাগজ জমা দিয়েছেন। সেই কারণে তাঁদের নাম বাদ যেতে পারে।কমিশন জানিয়েছে, কার নাম কেন বাদ গেল, তা নোটিস দিয়ে জানানো হবে। নাম বাদ গেলে পাঁচ দিনের মধ্যে জেলাশাসকের কাছে আবেদন করা যাবে। সেখানে সুরাহা না হলে আরও পাঁচ দিনের মধ্যে সিইও দপ্তরে আবেদন জানানো যাবে।আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা রয়েছে। তার আগে স্ক্রুটিনি চলছে। সিইও-র ছাড়পত্র মিললেই প্রকাশিত হবে তালিকা। এখন নজর, শেষ পর্যন্ত কত নাম বাদ যায়।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
কলকাতা

সময় ফুরোল, কাজ বাকি! ভোটার তালিকা প্রকাশ পিছোল, বড় ঘোষণা কমিশনের

নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও রাজ্যের একাধিক জায়গায় এখনও ভোটার তালিকার কাজ অসম্পূর্ণ। কোথাও শুনানি শেষ হয়নি, আবার কোথাও নথি আপলোডের কাজ চলছে। এই পরিস্থিতিতে জেলাশাসকদের আবেদনের ভিত্তিতে এসআইআর বা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার সময় বাড়াল নির্বাচন কমিশন।শনিবার সন্ধ্যায় এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল। তিনি জানান, আপাতত আরও সাত দিন শুনানির কাজ চলবে, অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ওই দিনই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের কথা ছিল। তবে সময় বাড়ানোয় সেই তালিকা প্রকাশও পিছিয়ে যাচ্ছে। সব কিছু ঠিকঠাক চললে ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরের শেষ দিকে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল, ধাপে ধাপে সমস্ত কাজ শেষ করে ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার পরেই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ পর্বে এসে দেখা যায়, বেশ কিছু জেলায় এখনও ভোটারদের নথি যাচাই এবং শুনানির কাজ শেষ করা যায়নি।এই কারণেই কয়েকটি জেলার জেলাশাসক কমিশনের কাছে সময় বাড়ানোর আবেদন জানান। শেষ পর্যন্ত সেই আবেদন মেনে নেওয়া হয়েছে। ফলে শুনানির সময় যেমন বাড়ল, তেমনই পিছোল চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিনও।এ বিষয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল বলেন, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কয়েকটি বিধানসভা কেন্দ্রে এখনও শুনানির কাজ বাকি রয়েছে। তবে মোট কাজের প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। খুব বেশি কাজ বাকি নেই বলেই জানান তিনি। তাঁর আশা, আগামী সাত দিনের মধ্যেই সব শুনানি শেষ করা সম্ভব হবে।চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ফেব্রুয়ারির শেষে যাবে কি না, এই প্রশ্নে তিনি জানান, শুনানির কাজ শেষ হলে তার পর আরও কয়েক দিন সময় লাগবে তথ্য চূড়ান্ত করতে। সেই হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হবে।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
রাজ্য

জীবিত ভোটারকে মৃত! বাদুড়িয়ায় ভোটার তালিকা ঘিরে তুমুল বিতর্ক

শনিবার ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার শুনানি পর্বের শেষ দিনে উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ায় উঠল গুরুতর অভিযোগ। অভিযোগ, ৩৩ জন জীবিত ভোটারকে মৃত দেখিয়ে ফর্ম ৭ জমা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় বিজেপির বিরুদ্ধে পরিকল্পিত চক্রান্তের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে তৃণমূল। ঘটনার প্রতিবাদে বিডিও অফিসে বিক্ষোভ দেখান ভোটাররা। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। পাশাপাশি, গোটা ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।জানা গিয়েছে, চণ্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্যানা গ্রামের ৪৫ নম্বর বুথ এবং যশাইকাটি-আটঘরা গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮০ নম্বর বুথে এই ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ, মোট ৩৩ জন ভোটারের নাম ফর্ম ৭ ব্যবহার করে মৃত হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে, যদিও তাঁরা সকলেই জীবিত। বিক্ষোভকারী ভোটারদের দাবি, কোনও রকম নোটিস বা যাচাই ছাড়াই তাঁদের নামের পাশে মৃত লেখা হয়েছে। এতে তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।স্থানীয় তৃণমূল নেতা মেহেবুর আলম বলেন, সামনে নির্বাচন। এসআইআর প্রক্রিয়ার সুযোগ নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে জীবিত ভোটারদের মৃত দেখিয়ে নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি জানান, শুনানি শেষ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট বিজেপি বুথ সভাপতির মণ্ডলের বিরুদ্ধে বাদুড়িয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে।যদিও বিজেপির পাল্টা দাবি, তৃণমূলই এসআইআর প্রক্রিয়া বানচাল করতে এই অভিযোগ তুলছে। এই প্রসঙ্গে বাদুড়িয়া ব্লকের বিডিও পার্থ হাজরা জানান, কয়েকজন ভোটার লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিকে, এই ঘটনায় নির্বাচনী আধিকারিকদের হেনস্তার অভিযোগও উঠেছে। গোটা ঘটনার বিস্তারিত জানতে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর।একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে গাইঘাটার ধরমপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের নাইগাছি ১৪৮ নম্বর বুথেও। সেখানে ৬ জন জীবিত ভোটারকে মৃত দেখিয়ে ফর্ম ৭ জমা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। বিএলওর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি জানতে পারেন ভোটাররা। সত্তরোর্ধ্ব আকবর মণ্ডল, হানিফ মণ্ডল, মছিম মণ্ডল, ফতেমা বিবি, নুরজাহান বিবি ও রহিমা বিবিরা জানান, তাঁরা নিয়মিত ভোট দেন। অথচ হঠাৎ জানতে পারেন, তাঁদের মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, স্থানীয় বিজেপি নেতারা কাগজে কলমে তাঁদের মৃত বানাতে চাইছেন।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুরে গোপন বৈঠক মমতার, এসআইআর নিয়ে কড়া নির্দেশ বিএলএদের

এক মাসের ব্যবধানে ফের দলীয় বৈঠকে বসলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে আগের বারের মতো রাজ্যের সমস্ত বিএলএ নয়, এ বার নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের কাউন্সিলর ও বুথ লেভেল এজেন্টদের নিয়েই রুদ্ধদ্বার বৈঠক করলেন তিনি। শুক্রবারের এই বৈঠকে মূল আলোচনার কেন্দ্রে ছিল এসআইআর বা ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া।দলীয় সূত্রের খবর, বৈঠকে উপস্থিত কাউন্সিলর ও বিএলএদের কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে যেসব ভোটারকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি বা যুক্তিগত অসঙ্গতির কারণ দেখিয়ে শুনানির জন্য ডাকা হচ্ছে, শুধুমাত্র তাঁদেরই বিস্তারিত তালিকা দিতে হবে। মমতা স্পষ্ট করে জানান, সামান্য ভুল বা তথ্যগত ত্রুটির জন্য যাঁদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ছে বা যাঁদের শুনানিতে ডাকা হচ্ছে, সেই নির্দিষ্ট ভোটারদের নাম-ঠিকানা ও নথি বিএলএদের হাতে থাকতে হবে।উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন বর্তমানে এসআইআর সংক্রান্ত প্রায় সব নোটিসেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি শব্দবন্ধ ব্যবহার করছে। এই শব্দের আড়ালে যাতে অকারণে ভোটারদের নাম বাদ না পড়ে, সে বিষয়েই বিএলএদের সতর্ক থাকতে বলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।রাজনৈতিক ভাবে ভবানীপুরের ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে পরাজয়ের পর এই ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেই বিপুল লিডে জয় পান তিনি। বিশেষ করে ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই সবচেয়ে বেশি ভোটের ব্যবধান তৈরি হয়েছিল। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ওয়ার্ডের লিডই আবার তাঁকে ক্ষমতার শীর্ষে ফিরতে সাহায্য করেছিল।নতুন করে ভোটের আবহে বাংলার রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় এসআইআর। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী আগেই দাবি করেছিলেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ শেষ হলে ভবানীপুরে আর তৃণমূল এত বড় লিড পাবে না। এসআইআর শুরু হওয়ার আগেই শুভেন্দু মন্তব্য করেছিলেন, ভবানীপুর কখনওই তৃণমূলের নিরাপদ আসন নয়। তাঁর দাবি ছিল, ভবানীপুরে সংখ্যালঘু ভোটার মাত্র ২০ শতাংশ এবং চেতলার ৭৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকেই প্রায় ১৭ হাজার ভোটের লিড পেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসআইআর-এ বাংলাদেশি সংখ্যালঘুদের নাম বাদ গেলে সেই লিড আর থাকবে না বলেও দাবি করেছিলেন তিনি।এসআইআর প্রক্রিয়া যখন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে, তখনই ভবানীপুরের দিকে বিশেষ নজর দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবারের বৈঠকে তিনি অভিযোগ করেন, ৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে ইচ্ছাকৃত ভাবে বহু ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, এর পিছনে কারচুপির আশঙ্কা রয়েছে। তাই কাউন্সিলর ও বিএলএদের স্পষ্ট ভাবে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, ভোটার তালিকা নিয়ে কোনও রকম গাফিলতি বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
রাজ্য

৩০ শতাংশের ইঙ্গিত করে সতর্কতা! কাদের উদ্দেশে বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের?

ভোটের আগে রাজ্যে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে সরাসরি সতর্ক করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওয়াটগঞ্জের দইঘাটে নতুন শ্মশানের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের পরে প্রশাসনিক কর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলায় কেউ কেউ ইচ্ছে করেই গোলমাল পাকাতে চাইছে। সেই বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং ঠান্ডা মাথায় কাজ করতে হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ একসঙ্গে বাস করেন। যদি কোনও একটি বড় অংশ রাস্তায় নেমে ঝগড়া শুরু করে, তা হলে প্রতিদিন অবরোধ, বিক্ষোভ হবে। তাঁর কথায়, এতে প্রশাসনের পক্ষে কাজ করা অসম্ভব হয়ে যাবে। তিনি বলেন, তফশিলি জাতি ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষদের কথাও মাথায় রাখতে হবে। আদিবাসীদের ওপর সামান্য কিছু ঘটলেও ট্রেন অবরোধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিন্তু তিনি চান না এমন কিছু হোক। তাঁর ইচ্ছা, সবাই নিজের মতো শান্তিতে থাকুক, কেউ কারও বিষয়ে নাক না গলাক।ভোটের সময় কিছু মানুষ ইচ্ছে করে অশান্তি ছড়াতে চায় বলেও মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভোট আসে আর যায়, কিন্তু তাঁকে তো সারা বছর রাজ্য চালাতে হয়। তাই পরিবার-পরিজন নিয়ে শান্তিতে থাকার জন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। কারও প্ররোচনায় পা না দিয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে ৩০ শতাংশের কথা বললেও, কোনও সম্প্রদায়ের নাম নেননি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, তিনি সংখ্যালঘুদের কথাই ইঙ্গিতে বলেছেন। কারণ বাংলায় সংখ্যালঘু ভোটারদের সংখ্যা প্রায় ৩০ শতাংশ। রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভার মধ্যে ১৪৬টিতে সংখ্যালঘু ভোট বড় ভূমিকা নেয়। এই ১৪৬টি আসনের মধ্যে তৃণমূলের দখলে রয়েছে ১৩১টি, বিজেপির ১৪টি এবং আইএসএফের একটি আসন। আবার ৭৪টি বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোটের হার ৪০ থেকে ৯০ শতাংশের মধ্যে, আর ৭২টি বিধানসভায় তা ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ।এর মধ্যেই রাজ্য বিজেপিতে নেতৃত্ব বদলের পর সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দায়িত্ব নেওয়ার পর বিজেপি সংখ্যালঘুদের প্রতি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, তিনি কখনও বলেননি যে মুসলিম ভোট চান না। তিনি শুধু বলেছেন যে তিনি সংখ্যালঘুদের ভোট পান না। তাঁর দাবি, অপরাধীর কোনও জাত বা ধর্ম হয় না, আর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণেই তাঁকে নিয়ে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিয়েছে সিপিএম। দলের নেতা কলতান দাশগুপ্ত বলেন, যদি পুলিশ-প্রশাসন তৃণমূলকে দেখলে ভয় পায়, তাহলে অশান্তি কে আটকাবে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি ও তৃণমূলদুপক্ষই ধর্ম ও জাতের রাজনীতি করছে, আর তার ফলেই রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ তৈরি হচ্ছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত! অশান্তি হলেই বন্ধ শুনানি, সময়সীমা বাড়াতে পারে কমিশন

এসআইআর-এর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের সময়সীমা আরও বাড়তে পারে। ১৪ ফেব্রুয়ারির বদলে অন্তত আরও ১০ দিন সময় দেওয়া হতে পারে বলে কমিশন সূত্রে খবর। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের জেলাশাসকদের উদ্দেশে এক বিশেষ ও কড়া নির্দেশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্দেশে বলা হয়েছে, শুনানি কেন্দ্রে অশান্তি তৈরি হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিতে হবে শুনানি।সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়া ও ইটাহার, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ সহ রাজ্যের একাধিক জেলায় ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন চরম বিশৃঙ্খলার ছবি সামনে এসেছে। কোথাও বচসা, কোথাও ধাক্কাধাক্কি, আবার কোথাও শুনানি সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে হয়েছে। এই সমস্ত ঘটনার রিপোর্ট ইতিমধ্যেই কমিশনের কাছে তলব করা হয়েছে। এমনকি উত্তর দিনাজপুরের বিধায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এই আবহেই নিরাপত্তা নিয়ে আরও কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, যদি শুনানি কেন্দ্রের পরিবেশ উত্তপ্ত হয় বা ভোটাররা ভয় পেয়ে সেখানে যেতে না পারেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে শুনানি বন্ধ করে দিতে হবে। পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোনওভাবেই শুনানি পুনরায় শুরু করা যাবে না।কমিশন সূত্রে খবর, সময়সীমা বাড়ানোর সম্ভাবনা থাকায় এখন শুনানি শেষ করার ক্ষেত্রে অতটা তাড়াহুড়ো নেই। তার বদলে ভোটারদের নিরাপত্তা এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই আপাতত কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।উল্লেখ্য, তৃণমূলের দাবিকে মান্যতা দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট আগেই নির্দেশ দিয়েছিল যে পঞ্চায়েত বা ব্লক অফিসেই ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি করতে হবে। সেই নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পরেই নিরাপত্তা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের উপর চাপ বাড়াল কমিশন।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে আগামী শনিবার লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি-র তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। সেই সময় যাতে কোনও রকম অশান্তি বা বিশৃঙ্খলা না তৈরি হয়, তার জন্য রাজ্যের মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশের কমিশনারকে চিঠি পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন।এই পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরও তীব্র হয়েছে। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার দাবি করেছেন, শুনানি বন্ধ হলে ভোট পিছিয়ে যেতে পারে। সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির পরিস্থিতি তৈরি হবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল সেটাই চাইছে। পাল্টা তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের দাবি, বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভোটারদের ভয় দেখিয়ে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করছে।

জানুয়ারি ২৩, ২০২৬
রাজ্য

উত্তরপ্রদেশে বাদ ২.৮১ কোটি ভোটার! ‘এরা কারা, সময়েই বুঝবেন’—ইঙ্গিত শুভেন্দুর

উত্তরপ্রদেশে মোট ১২ কোটি ৫৫ লক্ষ ভোটারের মধ্যে প্রায় ২ কোটি ৮১ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। বাংলায় এসআইআর নিয়ে যখন তীব্র বিতর্ক চলছে, তখন উত্তরপ্রদেশের ভোটার তালিকা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর আগে একাধিকবার শোনা গিয়েছিল, যোগী রাজ্যে প্রায় ৪ কোটির বেশি নাম বাদ যেতে পারে। এই নিয়ে প্রশাসনের অন্দরেও চাপানউতোর চলেছিল।উত্তরপ্রদেশে যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, তাঁরা কি রোহিঙ্গাএই প্রশ্নই সাংবাদিক বৈঠকে করা হয় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। উত্তরে স্পষ্ট কিছু না বললেও বাংলা ও বিহারের প্রসঙ্গ টেনে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন তিনি। শুভেন্দু বলেন, এরা কারা তা ১৪ ফেব্রুয়ারি বুঝতে পারবেন। বিহারের সংখ্যাটা তিনি জানেন বলেও দাবি করেন। পশ্চিমবঙ্গের সংখ্যাটা তিনি ১৫ ফেব্রুয়ারি জানাবেন বলে মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, বিহারে কত অবৈধ অনুপ্রবেশকারী রয়েছেন তিনি জানেন, তবে এখনই বলবেন না।শুভেন্দুর দাবি, যখন আধার কার্ড ডিঅ্যাক্টিভ হবে, রেশন কার্ড বন্ধ হবে, প্রধানমন্ত্রী অন্ন সুরক্ষা যোজনা থেকে নাম বাদ যাবে এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ হবে, তখনই বোঝা যাবে কে ভারতীয় নাগরিক নন। সময়ই সব কথা বলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।প্রসঙ্গত, বাংলায় এসআইআর নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্কের শেষ নেই। খসড়া ভোটার তালিকা থেকে ইতিমধ্যেই ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ গিয়েছে। বর্তমানে চলছে এসআইআর-এর দ্বিতীয় পর্ব। প্রতিদিনই শুনানি কেন্দ্রে ভিড় জমাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ।এর মধ্যেই এসআইআর প্রক্রিয়ায় চা বাগান শ্রমিকদের নথির বৈধতা নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, দার্জিলিং থেকে শুরু করে তরাই ও ডুয়ার্সের চা বাগান এলাকাগুলিতে শ্রমিকরা বংশপরম্পরায় বসবাস করছেন। তাঁদের অনেকের কাছেই স্কুল সার্টিফিকেট নেই, এমনকি প্রয়োজনীয় কোনও নথিও নেই। এই সমস্যার কথা মাথায় রেখেই কেন্দ্র সরকার ২০০৬ সালে বন অধিকার আইন এনেছিল বলে জানান তিনি।শুভেন্দু আরও বলেন, এসআইআর-এর জন্য যে ১১ দফা নথি চাওয়া হচ্ছে, তার মধ্যে ফরেস্ট রাইটস অ্যাক্টের নথিকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি প্রথম তুলেছিলেন বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা। সেই দাবিকে সামনে রেখেই এবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন তিনি।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
দেশ

একধাক্কায় উধাও ২.৮৯ কোটি ভোটার! উত্তর প্রদেশে প্রকাশ্যে খসড়া ভোটার তালিকা

উত্তর প্রদেশে প্রকাশিত হল খসড়া ভোটার তালিকা। এই তালিকা প্রকাশের পরেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। কারণ একধাক্কায় তালিকা থেকে বাদ পড়েছে প্রায় ২.৮৯ কোটি ভোটারের নাম। এর জেরে রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা কমে দাঁড়াল প্রায় ১২ কোটিতে। আগে এই সংখ্যা ছিল ১৫ কোটিরও বেশি।এই তথ্য জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। তিনি জানান, স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন বা এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরে রাজ্যের প্রায় ১২ কোটি ভোটার এনুমারেশন ফর্ম জমা দিয়েছেন। কিন্তু প্রায় ১৮ শতাংশ ভোটার সেই ফর্ম জমা দেননি। যাঁরা ফর্ম জমা দেননি, তাঁদের নামই খসড়া ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে তাঁদের মধ্যে ৪৬.২৩ লক্ষ ভোটার ইতিমধ্যেই প্রয়াত। প্রায় ২.১৭ কোটি ভোটার রাজ্যের বাইরে বা অন্য জায়গায় স্থানান্তরিত হয়ে গিয়েছেন। এছাড়াও ২৫.৪৭ লক্ষ ভোটারের নাম একাধিক জায়গায় পাওয়া গিয়েছে। এই কারণেই তাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের দাবি, গোটা এসআইআর প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলিও সহযোগিতা করেছে।সোমবার এই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এখন এই তালিকা নিয়ে সাধারণ মানুষ নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ বা দাবি জানাতে পারবেন। যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁরা আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।অন্যদিকে, ৬ জানুয়ারি থেকে নোটিস পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। যেসব ভোটারের ম্যাপিং এখনও হয়নি, তাঁদের ডাকা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ইতিমধ্যেই ৯১ শতাংশের বেশি ভোটারের ম্যাপিং সম্পন্ন হয়েছে। যাঁদের ম্যাপিং বাকি রয়েছে, তাঁদের বাড়িতে নোটিস পাঠানো হবে।নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৬ মার্চ প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। কমিশন আরও জানিয়েছে, যাঁদের নাম খসড়া ভোটার তালিকায় রয়েছে, তাঁদের নতুন করে ফর্ম ৬ পূরণ করার প্রয়োজন নেই। তবে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের অবশ্যই ফর্ম ৬ পূরণ করতে হবে।যাঁরা স্থানান্তরিত হয়ে গিয়েছেন, তাঁরা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র সঙ্গে যোগাযোগ করে ফর্ম ৮ পূরণ করে জমা দিতে পারবেন। কমিশনের তরফে সকল ভোটারকে নিজের নাম খসড়া তালিকায় আছে কি না, তা যাচাই করার অনুরোধ করা হয়েছে।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
কলকাতা

খসড়া তালিকায় নাম নেই, তবু শুনানিতে ডাক! এসআইআর নোটিস পেলেন দেব?

খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই। এসআইআর শুনানিতে ডাক পেয়েছেন অভিনেতা তথা ঘাটালের তৃণমূল সাংসদ দীপক অধিকারী, যিনি দেব নামেই বেশি পরিচিত। এমনই দাবি করেছেন কলকাতার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দাস। তবে এই বিষয়ে দেব নিজে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন।ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে এই শুনানি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এর আগে কবি জয় গোস্বামীও এসআইআর শুনানির নোটিস পেয়েছিলেন। সেই ঘটনায় তিনি ও তাঁর মেয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন। একই সঙ্গে জানা গিয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেট দলের পেসার মহম্মদ শামিকেও শুনানিতে ডাকা হয়েছে।৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দাস জানান, এই শুনানিতে একাধিক পরিচিত মুখকে ডাকা হচ্ছে। অভিনেত্রী লাবনী সরকার, অভিনেতা কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই হাজিরা দিয়েছেন। ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকেও ডাকা হয়েছিল, তবে খেলার ব্যস্ততার কারণে তিনি আসতে পারেননি। পরে তাঁকে দ্বিতীয়বার তারিখ দেওয়া হয়েছে। দেবকেও ডাকা হয়েছে বলে দাবি করেন কাউন্সিলর। তাঁর বক্তব্য, দেব একজন সাংসদ হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে শুনানিতে ডাকা হচ্ছে।কাউন্সিলরের অভিযোগ, তারকা হোক বা সাধারণ মানুষ, নির্বিশেষে সবাইকে ডাকা হচ্ছে, যা কার্যত হয়রানি ছাড়া কিছু নয়। শুনানিতে অনেক ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক ও অদ্ভুত প্রশ্ন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ ওঠে। যদিও দেবের দাবি, তিনি এই ধরনের কোনও নোটিস এখনও পাননি।শুধু তারকারাই নন, সাধারণ সরকারি আধিকারিকদেরও ডাকা হয়েছে শুনানিতে। জলপাইগুড়ির এক বিডিও লাইনে দাঁড়িয়ে শুনানিতে হাজিরা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে সেনা ও প্রাক্তন সেনা জওয়ানদের পরিবারকেও এসআইআর শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকার শুনানিতে শামি! এসআইআরে ডাক পেলেন ভারতীয় দলের তারকা

এসআইআর শুনানিতে এবার ডাক পেলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার মহম্মদ শামি। কলকাতার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দাস জানিয়েছেন, শামি ইতিমধ্যেই শুনানির নোটিস পেয়েছেন। উত্তর প্রদেশে জন্ম হলেও দীর্ঘদিন ধরে যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত রয়েছেন তিনি।সূত্রের খবর, শামির এনুমারেশন ফর্ম সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে। ভোটার তালিকা সংশোধনের অংশ হিসেবে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলছে এসআইআর-এর শুনানি। যেসব ক্ষেত্রে ফর্মে তথ্যের অসঙ্গতি রয়েছে, ঠিকভাবে ম্যাপিং হয়নি বা প্রয়োজনীয় নথিতে সমস্যা আছে, মূলত সেই সব ভোটারদেরই শুনানিতে ডাকা হচ্ছে।এই শুনানির আওতায় ইতিমধ্যেই একাধিক পরিচিত নাম সামনে এসেছে। প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় থেকে শুরু করে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পরিবারের সদস্যদেরও শুনানিতে ডাকা হয়েছে। সোমবার কাটজুনগর স্বর্ণময়ী বিদ্যাপীঠে শুনানিতে হাজির হন অভিনেতা কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিনেত্রী লাবনী সরকার।এরপরই কাউন্সিলর মৌসুমী দাস জানান, শুধু মহম্মদ শামি নন, সাংসদ দেবও এসআইআর শুনানির নোটিস পেয়েছেন। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

আতঙ্কিত মমতা? নির্বাচন কমিশনের সামনে বিস্ফোরক দাবি বিরোধী দলনেতার

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সংঘাত আরও তীব্র হল। রবিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়াকে অপরিকল্পিত ও ত্রুটিপূর্ণ বলে অভিযোগ করেছিলেন। রাজ্যের দাবি না মানা হলে এই প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার দাবিও জানান মুখ্যমন্ত্রী। সেই চিঠির পাল্টা এবার নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন। তাঁর দাবি, ভোটের স্বার্থে ভুয়ো ভোটারদের রক্ষা করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। শুভেন্দুর মতে, মুখ্যমন্ত্রী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বলেই এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবি জানিয়ে কমিশনকে চিঠি লিখেছেন। এই চিঠিতেই সব কিছু পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।এই রাজনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরে রয়েছেন। সোমবার দুপুর বারোটায় কমিশনের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা। ভোটের মুখে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে পৌঁছনো দুই চিঠিই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, রাজ্যের তরফে জমা দেওয়া নথি গ্রহণ করা হচ্ছে না। ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জমা দিলেও তা এসআইআর শুনানিতে মানা হচ্ছে না বলে দাবি তাঁর। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, একেক রাজ্যের ক্ষেত্রে একেক রকম নিয়ম চালু করছে নির্বাচন কমিশন।অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, ভুয়ো ভোটারদের তালিকায় ঢোকানোর উদ্দেশ্যেই এই সব নথি ও প্রক্রিয়া চালু করতে চাইছে রাজ্য সরকার। এই অভিযোগ কোনওভাবেই মানা উচিত নয় বলেও জানিয়েছেন তিনি। এই দুই বিপরীত অবস্থানের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশন কোন বক্তব্যকে গুরুত্ব দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।এ প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, বাংলার ক্ষেত্রেই কেন আলাদা নিয়ম করা হচ্ছে, তার উত্তর প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দিতে হবে। প্রতিদিন নিয়ম বদলানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি বাংলায় মৃত্যু মিছিলের প্রসঙ্গ তুলে তার দায় কার, সেই প্রশ্নও তোলেন জয়প্রকাশ।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকার আতঙ্কে মতুয়ারা, কলকাতা থেকে বড় আশ্বাস অমিত শাহের

এসআইআরের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পরেই দেখা গিয়েছে, বহু মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের নাম তাতে নেই। এর ফলে নাগরিকত্ব নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে মতুয়াদের মধ্যে। সেই আতঙ্ক থেকেই একাংশ আন্দোলনের পথেও নেমেছেন। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করে ওপার বাংলা থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীদের আশ্বস্ত করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, মতুয়াদের ভয়ের কোনও কারণ নেই। যারা শরণার্থী হয়ে বাংলায় এসেছেন, তাঁদের কেউ ক্ষতি করতে পারবে না। সকলকেই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন শুরু হওয়াকে রাজনৈতিক চক্রান্ত বলে দাবি করে আসছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে শুরু থেকেই মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ছিল। যদিও বিজেপির তরফে বারবার বলা হয়েছিল, চিন্তার কোনও কারণ নেই। মতুয়া মহাসংঘের এক সংঘাধিপতি তথা সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে মতুয়া কার্ডও বিলি করা হয়। তবে খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, বহু মতুয়ার নাম ভোটার তালিকায় নেই।এর পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর মন্তব্য করেন, যদি ভোটার তালিকা থেকে ৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিমের নাম বাদ যায়, সেখানে এক লক্ষ মতুয়ার নাম বাদ পড়লে তা মেনে নেওয়া উচিত। এই মন্তব্যে মতুয়া সমাজে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। গাইঘাটার ঠাকুরবাড়িতে প্রতিবাদ সভার ডাক দেন অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের আর এক সংঘাধিপতি ও তৃণমূল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। তা ঘিরে উত্তেজনাও ছড়ায়। মমতাবালাপন্থী মতুয়ারা আগামী ৫ জানুয়ারি পথ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।এই উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেই কলকাতা থেকে মতুয়াদের আশ্বস্ত করলেন অমিত শাহ। শান্তনু ঠাকুরকে পাশে নিয়ে তিনি বলেন, মতুয়াদের ভয়ের কোনও কারণ নেই। যারা শরণার্থী হয়ে বাংলায় এসেছেন, তাঁদের কেউ ক্ষতি করতে পারবে না। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁদের ক্ষতি করতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, সকল শরণার্থীকেই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
কলকাতা

খসড়া তালিকায় নাম নেই! এসআইআর শুনানির নোটিস সাংসদ কাকলির পরিবারে, ব্যাখ্যা কমিশনের

খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই। এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে বারসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দুই পুত্রকে। শুধু তাই নয়, হাজিরার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে তাঁর মা এবং বোনকেও। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই মুখ খুলেছে নির্বাচন কমিশন।সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কেন সাংসদের পরিবারের সদস্যদের শুনানিতে ডাকা হয়েছে। কমিশনের দাবি, এনুমারেশন ফর্মে লিঙ্কেজ সংক্রান্ত সমস্যার কারণেই তাঁদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। টুইট করে স্পষ্ট করা হয়েছে, এটি কোনও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ নয়। পাশাপাশি কমিশন জানিয়েছে, সাংসদের বৃদ্ধা মাকে শুনানির জন্য বাইরে আসতে হবে না। বাড়িতেই গিয়ে তাঁর শুনানি সম্পন্ন করা হবে।এই নিয়ে আগে থেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি জানিয়েছিলেন, খসড়া ভোটার তালিকা দেখতে গিয়ে দেখা যায়, তাঁর দুই ছেলের নাম নেই। তাঁদের শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। কাকলির কথায়, তাঁদের বাবা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুদর্শন ঘোষ দস্তিদার। তিনি নিজে চারবারের সাংসদ। তাঁর দুই পুত্র সরকারি চাকুরে। তা সত্ত্বেও শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। এতে এসআইআর প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।কাকলি আরও বলেন, তাঁর মা এবং বোন অন্য বুথের ভোটার। অথচ তাঁদের নামও খসড়া তালিকায় নেই। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকার যাঁদের তেমন যোগাযোগ বা ধারণা নেই, তাঁরা শুনানির নামে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। জোর করে নাম বাদ দিয়ে সমস্যায় ফেলার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ তৃণমূল সাংসদের।খসড়া তালিকায় নাম না ওঠা নিয়ে প্রথম থেকেই এসআইআর প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তাঁর বক্তব্য, তিনি দীর্ঘদিন ধরে একই বুথের ভোটার। তাঁর দুই পুত্র প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসক। তা সত্ত্বেও কীভাবে একসঙ্গে পরিবারের চার জনের নাম বাদ পড়ে এবং শুনানির ডাক আসে, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর চান তিনি।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

দুর্নীতির অভিযোগে জড়িত কারা পেল টিকিট, কারা বাদ, তালিকায় চমক

রেশন দুর্নীতি হোক বা নিয়োগ দুর্নীতি, একাধিক মামলায় নাম জড়িয়েছিল রাজ্যের শাসক দলের অনেক নেতার। সেই সব অভিযোগে কেউ জেলে গিয়েছেন, কেউ এখনও আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর দেখা গেল, এইসব নেতাদের মধ্যে কেউ টিকিট পেয়েছেন, আবার কেউ বাদ পড়েছেন। ফলে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন জেলে থাকার পর বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত। শুরুতে মনে করা হচ্ছিল, তিনি বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেখানে প্রার্থী করা হয়েছে রত্না চট্টোপাধ্যায়কে।একই মামলায় অভিযুক্ত মানিক ভট্টাচার্য, যিনি পলাশিপাড়ার প্রাক্তন বিধায়ক, তাকেও এবার টিকিট দেওয়া হয়নি। তার জায়গায় প্রার্থী হয়েছেন রুকবানুর রহমান। মুর্শিদাবাদের বড়ঞা কেন্দ্রে নতুন মুখ হিসেবে সামনে এসেছেন প্রতিমা রজক। তিনি আগে কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন এবং কিছুদিন আগে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। ওই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা বর্তমানে নিয়োগ মামলায় জেলে রয়েছেন।অন্যদিকে দেগঙ্গা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে আনিসুর রহমানকে। রেশন দুর্নীতি মামলায় তার নাম জড়িয়েছিল এবং তিনি জেলও খেটেছেন। তবুও তাকে প্রার্থী করেছে দল। একইভাবে হাবড়া কেন্দ্র থেকে আবার প্রার্থী হয়েছেন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তিনিও একই মামলায় দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন এবং বর্তমানে জামিনে মুক্ত।সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, দুর্নীতির অভিযোগে নাম জড়ালেও অনেক ক্ষেত্রে দল প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত কতটা প্রভাব ফেলবে ভোটে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
বিদেশ

বন্ধু দেশ পাশে নেই, ক্ষোভে বিস্ফোরণ ট্রাম্পের, বললেন আমাদের কাউকে দরকার নেই

বিপদের সময়ে কে সত্যিই পাশে থাকে, সেই প্রশ্নই যেন সামনে এনে দিল হরমুজ প্রণালী ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতি। এই সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু সেই ডাকে সাড়া দেয়নি কোনও দেশই। এরপরেই সোশ্যাল মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। জানান, আমেরিকা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ এবং তাদের কাউকে প্রয়োজন নেই।ইজরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানের উপর হামলা চালানোর পর থেকেই উত্তেজনা বেড়েছে। পালটা পদক্ষেপ হিসেবে হরমুজ প্রণালী কার্যত নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে ইরান। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাস সরবরাহে সমস্যা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন দেশে জ্বালানির দাম বাড়তে শুরু করেছে। আমেরিকাতেও তার প্রভাব পড়ছে এবং জ্বালানি সংকট দেখা দিচ্ছে।এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাম্প বিভিন্ন দেশকে হরমুজে রণতরী পাঠানোর আহ্বান জানান। তিনি ন্যাটোর সদস্য দেশগুলির পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কোনও দেশই তার প্রস্তাবে আগ্রহ দেখায়নি।এরপরেই ট্রাম্প বলেন, আমেরিকার শক্তিশালী সেনাবাহিনী রয়েছে এবং তারা নিজেরাই পরিস্থিতি সামাল দিতে সক্ষম। তিনি আরও জানান, তিনি আসলে দেখতে চেয়েছিলেন, তার ডাকে অন্য দেশগুলি কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানায়। তার দাবি, অনেক সময় প্রয়োজনের মুহূর্তে এই দেশগুলি পাশে থাকে না।তিনি আরও মনে করিয়ে দেন, দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা বিভিন্ন দেশকে আর্থিক সাহায্য দিয়ে এসেছে। তবুও এই পরিস্থিতিতে তাদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।উল্লেখযোগ্যভাবে, ট্রাম্প চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া এবং ব্রিটেনের মতো দেশের নাম উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু কেউই এগিয়ে আসেনি। অন্যদিকে ভারত জানিয়েছে, এই বিষয়ে তাদের সঙ্গে সরাসরি কোনও আলোচনা হয়নি। তবে ইরানের সঙ্গে তারা নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং নিজেদের জ্বালানিবাহী জাহাজ নিরাপদে পার করার চেষ্টা চালাচ্ছে।সব মিলিয়ে এই পরিস্থিতিতে বিশ্বরাজনীতিতে আমেরিকা কিছুটা একা হয়ে পড়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই। হরমুজ প্রণালী নিয়ে উত্তেজনা এখনও বজায় রয়েছে এবং পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
বিদেশ

কাবুলে রক্তাক্ত রাত, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন রশিদ খানরা

পবিত্র রমজান মাসে কাবুলের একটি হাসপাতালে ভয়াবহ হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। এই হামলায় অন্তত চারশো জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে হাসপাতালের বড় অংশ। আগুনে জ্বলতে থাকে পুরো এলাকা। এই ঘটনার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন আফগানিস্তানের একাধিক ক্রিকেটার।রশিদ খান, মহম্মদ নবি এবং নবীন উল হক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তারা সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করে সোশ্যাল মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলেছেন, এই ধরনের হামলা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। রমজানের মতো পবিত্র মাসে এমন ঘটনা আরও বেশি কষ্টদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন তারা।নবীন উল হক এক পোস্টে লেখেন, তিনি ইজরায়েল এবং পাকিস্তানের মধ্যে কোনও পার্থক্য দেখছেন না। এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। রমজান মাসে মুসলিম দেশ হয়েও এমন হামলা চালানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।রশিদ খানও নিজের প্রতিক্রিয়ায় জানান, কাবুলের হাসপাতালে হামলার খবর শুনে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত। তিনি এটিকে যুদ্ধাপরাধ বলে উল্লেখ করেন। তার দাবি, রাষ্ট্রসংঘ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলির এই ঘটনার তদন্ত করা উচিত। এই কঠিন সময়ে দেশের মানুষের পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছেন তিনি।মহম্মদ নবি তার পোস্টে লেখেন, হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিল বহু শিশু ও সাধারণ মানুষ। তাদের উপর এই হামলা অত্যন্ত নিষ্ঠুর। তিনি জানান, অনেক মা তাদের সন্তানের অপেক্ষায় ছিলেন, কিন্তু সেই সন্তানরা আর বাড়ি ফিরতে পারেনি।উল্লেখ্য, এর আগেও পাকিস্তানের হামলায় আফগানিস্তানের তরুণ ক্রিকেটারদের মৃত্যু হয়েছিল। সেই সময়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন আফগান ক্রিকেটাররা। এমনকি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি প্রতিযোগিতাও বয়কট করা হয়েছিল।এই নতুন হামলার পর আবারও প্রশ্ন উঠছে, পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রীড়া সম্পর্ক আদৌ বজায় রাখা হবে কি না। পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, তা এখন দেখার অপেক্ষা।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কারা থাকছেন আর কারা বাদ, তৃণমূলের তালিকা ঘিরে চরম জল্পনা

মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেস তাদের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতে চলেছে বলে জোর জল্পনা চলছে। সূত্রের খবর, এদিনই রাজ্যের সমস্ত বিধানসভা আসনের জন্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করতে পারেন দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তালিকায় একাধিক চমক থাকতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। নতুন মুখ যেমন জায়গা পেতে পারেন, তেমনই বেশ কিছু পুরনো নাম বাদ পড়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।দলীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, নতুন প্রার্থী হিসেবে কয়েকটি পরিচিত নাম উঠে আসতে পারে। পাশাপাশি তারকা প্রার্থী হিসেবেও কিছু নাম শোনা যাচ্ছে। সংগীত ও অভিনয় জগতের কয়েকজন পরিচিত মুখকেও প্রার্থী করা হতে পারে বলে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। কয়েকজন বর্তমান প্রার্থীর কেন্দ্র বদলও হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।অন্যদিকে, কিছু বিদায়ী বিধায়কের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে বলে জল্পনা। বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে বর্তমান বিধায়কের টিকিট পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ওই কেন্দ্রে অন্য কাউকে প্রার্থী করা হতে পারে বলে খবর। একই সঙ্গে সোনারপুর কেন্দ্র নিয়েও জল্পনা চলছে। বর্তমান বিধায়ককে টিকিট দেওয়া হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।বারাসত কেন্দ্রেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। সেখানে নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে এদিন বিকেলের মধ্যেই পুরো ছবিটা স্পষ্ট হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দ্বিতীয় বিয়ের বিতর্কেই কি কাটা পড়ল টিকিট, হিরণকে সরিয়ে চমক বিজেপির

খড়গপুরে বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পরই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে। একসময় এই কেন্দ্রের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। কয়েক মাস আগে তার দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে অভিযোগ ওঠে। তার প্রথম পক্ষের স্ত্রী এবং মেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন। অভিযোগ ছিল, ডিভোর্স না দিয়েই তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। সেই ঘটনার পর থেকেই তার প্রার্থী হওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সোমবার বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই তালিকায় হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের নাম না থাকায় জল্পনা আরও বেড়ে যায়। তার বদলে খড়গপুর সদর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দিলীপ ঘোষকে। ফলে অনেকেই মনে করছেন, এই বিতর্কের প্রভাবই পড়েছে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের উপর।এই বিষয়ে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্টভাবে জানান, কে কাকে বিয়ে করছেন, তা নিয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই জিজ্ঞেস করতে বলেন তিনি।মঙ্গলবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ আরও জানান, আগের নির্বাচনে হিরণ অন্য একটি কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন। তাই দল চাইলে তাকে অন্যত্র প্রার্থী করতেই পারে। তিনি বলেন, দলের সিদ্ধান্তের উপর ভরসা রাখা উচিত এবং দলের নেতৃত্বই ঠিক করবে কে কোথা থেকে লড়বেন।তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে ওঠানামা থাকেই। অনেক সময় অভিজ্ঞ নেতারাও কিছুদিন সুযোগ পান না, আবার পরে তাদের গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই দল এবং তার আদর্শের উপর আস্থা রাখা প্রয়োজন।উল্লেখযোগ্যভাবে, দুই হাজার ষোল সালে খড়গপুর সদর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন দিলীপ ঘোষ। পরে তাকে সরিয়ে ওই কেন্দ্রে হিরণকে প্রার্থী করা হয়েছিল এবং তিনি জয়ী হন। তবে এবার আবার সেই পুরনো কেন্দ্রে ফিরেছেন দিলীপ ঘোষ।তিনি জানান, খড়গপুরে গত কয়েকটি নির্বাচনে বিজেপি ভালো ফল করেছে এবং এইবারও তারা আরও বেশি ভোটে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। তার দাবি, কর্মীরা ইতিমধ্যেই লক্ষ্য স্থির করেছেন, এই কেন্দ্রে এক লক্ষ ভোট পাওয়ার চেষ্টা করা হবে। খুব শীঘ্রই তিনি পুরোদমে প্রচার শুরু করবেন বলেও জানিয়েছেন।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খড়গপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। হিরণের ভবিষ্যৎ কী হবে এবং দিলীপ ঘোষের প্রার্থিতা কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েই এখন জোর আলোচনা চলছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামে আবার বড় লড়াই, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কি নতুন চমক দেবে তৃণমূল

বাংলার রাজনীতিতে নন্দীগ্রাম বরাবরই একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। কলকাতা থেকে প্রায় একশো তিরিশ কিলোমিটার দূরের এই কেন্দ্র আবারও নির্বাচনের আগে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। দুই হাজার একুশ সালের নির্বাচনের মতো এবারও নন্দীগ্রাম ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। বিদায়ী বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি এই কেন্দ্র ছাড়বেন না। সোমবার বিজেপির প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, দল তার সেই সিদ্ধান্তকেই সমর্থন করেছে। তিনি একসঙ্গে দুটি কেন্দ্র থেকে লড়ছেন।তবে এবার বড় প্রশ্ন, নন্দীগ্রামে তার প্রতিপক্ষ কে হবেন। আগের নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে লড়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন তিনি। তাই এবার তৃণমূল প্রার্থী বাছাইয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলে নানা নাম ঘুরে বেড়ালেও এখনও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।সূত্রের খবর, তৃণমূল এবার স্থানীয় কোনও মুখের উপরেই ভরসা রাখতে পারে। এমনই এক নাম সামনে এসেছে, যাকে ঘিরে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। শোনা যাচ্ছে, নন্দীগ্রাম দুই নম্বর ব্লকের এক বিজেপি নেতা খুব শীঘ্রই তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। তিনি আগে তৃণমূলেই ছিলেন এবং পরে বিজেপিতে যোগ দেন। এলাকায় তার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে বলেও জানা যাচ্ছে।এই নেতার নাম প্রার্থী তালিকায় থাকতে পারে বলেই জল্পনা। তিনি এলাকায় খুব বেশি প্রচারে থাকেন না, কিন্তু চুপচাপ কাজ করে গেছেন দীর্ঘদিন। অনেকেই তাকে এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী বলে মনে করেন। ফলে যদি তাকে প্রার্থী করা হয়, তাহলে নন্দীগ্রামে লড়াই আরও জমে উঠতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রটি দুইটি ব্লক নিয়ে গঠিত এবং তার মধ্যে একটি ব্লকে বিজেপির প্রভাব বেশি। সেই ব্লকেরই বাসিন্দা এই সম্ভাব্য প্রার্থী। তাই তাকে সামনে আনা হলে লড়াই আরও কঠিন হতে পারে।সব মিলিয়ে নন্দীগ্রাম এবারও রাজ্যের রাজনীতির অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। কে হবেন শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিপক্ষ, তা জানার জন্য এখন সকলের নজর রয়েছে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার দিকে। মঙ্গলবার বিকেলের মধ্যেই পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬
রাজ্য

ভোটার তালিকায় নাম ঝুলে, তবু প্রার্থী কলিতা মাজি, আউশগ্রামে তুমুল বিতর্ক

সোমবার বিজেপির প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হওয়ার পরই পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্র ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ওই তালিকায় বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নাম রয়েছে কলিতা মাজির। পেশায় পরিচারিকা কলিতাকে আগের বিধানসভা নির্বাচনেও প্রার্থী করেছিল বিজেপি, যদিও তখন তিনি পরাজিত হয়েছিলেন। এবারও তার উপরেই ভরসা রেখেছে দল। তপসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত এই আসনে তাকে প্রার্থী করা নিয়ে আগেও চমক তৈরি হয়েছিল, তবে এবার তার নাম ঘিরে অন্য কারণে জোর বিতর্ক দানা বেঁধেছে।গত আঠাশে ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা যায়, কলিতা মাজির নাম এখনও বিবেচনাধীন অবস্থায় রয়েছে। গুসকরা পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের মাঝপুকুর পাড়ের বাসিন্দা তিনি। গুসকরা পুরসভার একশো পঁচানব্বই নম্বর বুথে তিনশো সাতানব্বই নম্বরে তার নাম থাকলেও পাশে বিবেচনাধীন উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ তার ভোটার পরিচয় নিয়ে নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি।এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, তিনি নিজে ভোট দিতে পারবেন কি না এবং এমন অবস্থায় তিনি কীভাবে প্রার্থী হলেন। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস ইতিমধ্যেই এই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।যদিও এই বিতর্কের মাঝেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন কলিতা মাজি। তার দাবি, প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু নথি সংক্রান্ত অসঙ্গতির কারণে তাকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছিল এবং তিনি সেখানে উপস্থিতও ছিলেন। তিনি জানান, তাদের সাত বোনের মধ্যে বাকি ছয়জনের নাম তালিকায় চূড়ান্ত হলেও শুধুমাত্র তার নাম এখনও বিবেচনাধীন রয়েছে। প্রয়োজনীয় সব নথি জমা দিয়েছেন বলেও দাবি করেছেন তিনি। এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি আত্মবিশ্বাসের সুরে জানান, এবার জয়ের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী।আউশগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রটি বোলপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি তপসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত আসন। গত নির্বাচনে এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অভেদানন্দ থাণ্ডার জয়ী হয়েছিলেন। তিনি এক লক্ষের বেশি ভোট পেয়েছিলেন, আর বিজেপির প্রার্থী হিসেবে কলিতা মাজি দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন।এই ইস্যুতে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা নেতৃত্বের অভিযোগ, বিজেপির প্রার্থীর নাম যখন এখনও বিবেচনাধীন, তখন তাকে প্রার্থী করা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। তাদের মতে, এতে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা হবে এবং নির্বাচন কমিশন নিয়ম মেনেই কাজ করছে।পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে আউশগ্রাম এবং আশপাশের এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। ভোটের আগে এই বিতর্ক কোন দিকে যায়, তা নিয়েই এখন সবার নজর।

মার্চ ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মরশুমের প্রথম কালবৈশাখীতেই লণ্ডভণ্ড কলকাতা, ঝড়বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত একাধিক জেলা

মরশুমের প্রথম কালবৈশাখীর দাপটে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেল কলকাতা সহ রাজ্যের একাধিক জেলা। গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টির দফা চলছিল। তারই মধ্যে সোমবার সন্ধ্যা নামতেই হঠাৎ ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি শুরু হয় শহরে। এরপরই তীব্র ঝড় বয়ে যায়। কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর সহ একাধিক জেলায় ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ছবি সামনে আসে। কলকাতায় ঝড়ের গতিবেগ পৌঁছে যায় ঘণ্টায় প্রায় বাহাত্তর কিলোমিটার।আবহাওয়া দফতর আগেই সতর্ক করেছিল। সোমবার রাতে হাওড়া, কলকাতা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে লাল সতর্কতা জারি করা হয়। ঘণ্টায় সত্তর থেকে আশি কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে বলে জানানো হয়েছিল। উত্তর চব্বিশ পরগনায় জারি ছিল কমলা সতর্কতা। সেই সতর্কতার মধ্যেই শুরু হয় ঝড়ের তাণ্ডব।শহরের বিভিন্ন জায়গায় গাছ ভেঙে পড়ে এবং বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে যায়। জিনজিরা বাজারের কাছে একটি বড় হোর্ডিং ভেঙে পড়ে রাস্তা আটকে দেয়, ফলে যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হয়। কলকাতার কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টিও দেখা যায়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বাড়ায়।পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল এলাকায় একাধিক জায়গায় গাছ ভেঙে রাস্তার উপর পড়ে যাওয়ায় যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। দাসপুর এলাকায় একটি বড় দুর্ঘটনাও ঘটে। ঝড়বৃষ্টির মধ্যে একটি মোটরসাইকেলের উপর গাছ ভেঙে পড়ায় তিনজন গুরুতর আহত হন। তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।এর আগে রবিবার সন্ধ্যাতেও বাঁকুড়া, পুরুলিয়া এবং মেদিনীপুরে বৃষ্টির দেখা মিলেছিল। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড দিক থেকে বজ্রগর্ভ মেঘ ঢোকার কারণেই এই ঝড়বৃষ্টি। আগামী দিনেও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে ঝড়সহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। হঠাৎ আবহাওয়ার এই বদলে যাওয়ায় আগামী কয়েকদিন রাজ্যে এমন পরিস্থিতি আরও তৈরি হতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মার্চ ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal