• ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ১০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Vote

রাজ্য

ভোটের দিন সকালেই নন্দীগ্রামে আত্মঘাতী বিজেপি কর্মী

ভোটের দিন সকালে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল নন্দীগ্রামের ভেকুটিয়ায়। অভিযোগ, বুধবার রাতে তৃণমূলের তরফে উদয়শংকর দেব নামে ওই ব্যক্তিকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল। মৃতের পরিবারের দাবি, সেই আতঙ্কেই আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলেই দাবি তৃণমূলের তরফে। জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রামের পূর্ব ভেকুটিয়ার বাসিন্দা উদয়শংকর দেব। দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির সঙ্গে যুক্ত তিনি। সক্রিয় কর্মী হিসেবেই এলাকায় পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ, সেই কারণেই বারবার তৃণমূলের হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। রাস্তাঘাটে হেনস্তা করা হত তাঁকে। মৃতের পরিবার সূত্রে খবর, বুধবার গভীর রাতে একদল তৃণমূল কর্মী তাঁদের বাড়িতে যান। অভিযোগ, ভোট দিতে গেলে তাঁদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত আতঙ্কে ভুগছিলেন উদয়শংকর। পরে বৃহস্পতিবার সকালে বাড়িতেই উদ্ধার হয় ওই ব্যক্তির দেহ। ভোটের দিন সকালে অধিকারীদের গড় নন্দীগ্রামে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়। তৃণমূলের হুমকির জেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন উদয়শংকর, এই অভিযোগ তুলে পথে নামেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা। উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির দাবিতে সরব হন তাঁরা। বলেন, তৃণমূল যেভাবে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে তাতে আমাদের পক্ষে ভোট দিতে যাওয়া কার্যত অসম্ভব।পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত হবে।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজ্য

সাতসকালে নন্দীগ্রামে ভোট দিলেন শুভেন্দু

এতদিন ছিলেন বিধায়ক। প্রথমবার নন্দীগ্রামের ভোটার হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সাতসকালেই নন্দীগ্রামের নন্দনায়েকবাড়ের ৭৬ নং বুথে গিয়ে ভোট দিয়ে এসেছেন তিনি। এদিন সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ নন্দনায়েকবাড়ের ওই ভোটকেন্দ্র পৌঁছন বিজেপি প্রার্থী। এক দলীয় কর্মীর বাইকে চেপে ভোট দিতে আসেন তিনি। তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরাও আসেন বাইকে চেপেই। পরনে ছিল সাদা পাজামা-পাঞ্জাবী। গলায় গেরুয়া উত্তরীয়। বিজেপি প্রার্থী পৌঁছাতেই ওই ভোটকেন্দ্রের আশেপাশে জড়ো হন প্রচুর মানুষ। আশেপাশের বাড়ির ছাদে এবং বুথের বাইরেও মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। জমায়েতের পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের জয় শ্রীরাম স্লোগানের বহরও ছিল লক্ষনীয়। নন্দনায়েকবাড়ের এই বুথে মোট ভোটার মাত্র ৬০০ জন। স্বভাবিকভাবেই ভোটারদের ভিড় তেমন চোখে পড়েনি। তবে, শুভেন্দু অধিকারী বুথে আসতেই তাঁকে ঘিরে যে উন্মাদনা সৃষ্টি হয়, সেটা বেশ লক্ষনীয়। ভোট দিয়ে বেরিয়ে বিজেপি প্রার্থী দাবি করেন, এবারে উন্নয়ন জিতবে এবং তোষণ পরাস্ত হবে। তাঁর কথায়, সকাল থেকেই শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হচ্ছে। আমার তরফ থেকে তেমন কোনও অভিযোগ নেই। দুটি বুথে আমার এজেন্টদের বাধা দেওয়া হয়েছিল। তবে, সমস্যা মিটে গিয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হোক। নিয়ম মেনেই হোক। বিজেপি প্রার্থীর দাবি, সব বুথেই তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট রয়েছে। তবে, অন্তত ৮০টি বুথে তৃণমূল এজেন্ট দিতে পারেনি। যদিও তৃণমূলের তরফে সেই অভিযোগ নাকচ করে দেওয়া হয়েছে। তৃণমূল নেতা স্বদেশ দাস সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, শুভেন্দু মিথ্যে বলে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন।

এপ্রিল ০১, ২০২১
রাজ্য

বিক্ষিপ্ত অশান্তির মধ্যেই প্রথম দফায় পড়ল রেকর্ড ভোট

কয়েক মাসের প্রস্তুতির পর আজ শনিবার শুরু হয়ে গেল বাংলা দখলের লড়াই। ৮ দফার মধ্যে প্রথম দফায় রাজ্যের ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ৩০ আসনে ভোটগ্রহণ হয়ে গেল। এর মধ্যে ঝাড়গ্রামের ৪টি এবং পুরুলিয়ার ৯টির সব কটিতেই আজ ভোট গ্রহণ হয়। বাকি তিন জেলার বাকি আসনে দ্বিতীয় দফায় আগামী ১ এপ্রিল ভোট হবে। মোতায়েন ছিল ৭৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ইভিএমে বন্দি হল ১৯১ জন প্রার্থীর ভাগ্য। বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, অভিযোগ পালটা অভিযোগের মধ্যে মোটের উপর নির্বিঘ্নে শেষ হল প্রথম দফা। রাজ্যের যুযুধান মূল ২ পক্ষই একাধিক ইস্যুতে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে। তবে শাসক-বিরোধী ২ পক্ষই এই ৩০ আসনে ভাল ফল করার আশা প্রকাশ করেছে।সকাল ৭টা থেকে নিয়ম মেনে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। তবে ভোট শুরুর ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় প্রায় ৯০ টি ইভিএম বিভ্রাটের খবর মেলে। পরে সেগুলি বদল করে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত পাওয়া সার্বিকভাবে ভোট পড়েছে ৭৭.৯৯ শতাংশ। পশ্চিম মেদিনীপুরের ভোট পড়েছে ৮০.১২ শতাংশ, ঝাড়গ্রামে ভোট পড়েছে ৮১.৫০ শতাংশ, পুরুলিয়ায় ৭৭.১৩ শতাংশ, বাঁকুড়ায় ভোট পড়েছে ৭৯.৯০ শতাংশ। সব থেকে বেশি ভোট পড়েছে বাংলা দখলের ভরকেন্দ্র হয়ে ওঠা পূর্ব মেদিনীপুরে, ৮২.৪২ শতাংশ। এবারের ভোট নিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরে শুরু থেকেই স্নায়ুর যুদ্ধ চলছিল। তারই বহিপ্রকাশ হল শুভেন্দু অধিকারীর ভাই বিজেপি নেতা সৌমেন্দুর গাড়িতে হামলা দিয়ে। কাঁথিতে তাঁর গড়েই সৌমেন্দুর গাড়ির কাচ ভাঙা হয়, তাঁর গাড়ির ড্রাইভারকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে কমিশনের অভিযোগও জানিয়েছে বিজেপি। ভোটের দিন সকালে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে উদ্ধার হয় বিজেপি কর্মীর রক্তাক্ত দেহ। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও জেলা শাসক রিপোর্ট দিয়েছে এই মৃত্যুর সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগ নেই। বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ গন্ডগোল হয়েছে গড়বেতাতেও। সেখানে নিজের এলাকাতেই বিক্ষোভের মুখে পড়েন সিপিএম নেতা সুশান্ত ঘোষ। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। গড়বেতার আঁধারনয়ন স্কুলে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়া হয়। এমনকী, জুতোও দেখানো হয় বলেও অভিযোগ। পুলিশ ধাওয়া করে কয়েক জন অভিযুক্তকে ধরে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়া বাঁকুড়ার ছাতনা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী শুভাশিস বটব্যালকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে। বাগজুরি বুথে বাধা পেয়ে জওয়ানদের সঙ্গে বচসা তাঁর। এদিকে দাঁতনের মোহনপুরে পতাকা ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষের ঘটনা সামনে এসেছে। সেখানে ৪ জন আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মৃদু লাঠি চার্জ করে। এলাকায় পৌঁছে যায় পুলিশ বাহিনীও। শালবনির আমলাশোলের বনকাটা এলাকায় সংঘর্ষে জড়ায় সিপিএম-বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। জখম হন ২ বাম কর্মী। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কেশিয়ারির কশিদা বুথে সক্রিয় বিজেপি কর্মী শক্তিপদ বেরাকে মারধর। কাঠগড়ায় তৃণমূল। এমনকী, ভোট দিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুরুলিয়ার ১২৭ নং বুথের বিজেপি কর্মীকে গুলি করার হুঁশিয়ারি পুরুলিয়া কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই ঘটনায় রিপোর্ট চেয়েছে কমিশন। নন্দীগ্রামের বয়ালে তৃণমূল কর্মীদের উপর লাঠিচার্জের অভিযোগ, জখম বেশ কয়েকজন। প্রতিবাদে মহিলারা পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান। সংঘর্ষ ছাড়াও ইভিএম কারচুপি, বুথ জ্যামের অভিযোগও উঠেছে কোথাও কোথাও। কাঁথি দক্ষিণ কেন্দ্রের মাজনা হাই মাদ্রাসা বুথে অভিযোগ ওঠে তৃণমূলে ভোট দিলেও তা যাচ্ছে বিজেপির প্রতীকেই। ভোট দিয়ে বেরিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন ভোটারদের। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর ইভিএম পালটে নতুন করে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। বিজেপির বিরুদ্ধে ইভিএমে কারচুপির অভিযোগ উঠেছে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরেও। পুরুলিয়ার একটি বুথেও একই অভিযোগ ওঠে। রিপোর্ট চেয়ে পাঠায় কমিশন। পরে কমিশন ইভিএম কারচুপির অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে। সকালে ইভিএম বিভ্রাটের জেরে পুরুলিয়ার মানবাজার বিধানসভার পুঞ্চাতেও ভোট শুরুর নির্ধারিত সময়ের প্রায় দু ঘন্টা পর ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এদিকে বিভিন্ন দাবি নিয়ে ছাতনার ২টি এবং রানিবাঁধের একটি বুথে ভোট বয়কট হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এদিন প্রথমে বিজেপি এবং পরে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনে। সেখানে একাধিক ইস্যুতে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানায়।

মার্চ ২৭, ২০২১
রাজ্য

প্রথম দফায় ভোটারদের উদ্দেশ্যে টুইট প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বঙ্গ নির্বাচনের প্রথম দিনের সকালে বাংলায় টুইট প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির । বাংলার ভোটারদের উদ্দেশে তাঁর আর্জি, রেকর্ড সংখ্যায় ভোট দিন। গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হন। তবে, নির্বাচন কমিশনের বেঁধে দেওয়া প্রোটোকল মেনে আলাদা করে কোনও দলের হয়ে ভোট চাননি মোদি।পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে আজ প্রথম পর্যায়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। যে বিধানসভার আসনগুলিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে, সেখানকার ভোটদাতাদের আমি রেকর্ড সংখ্যায় ভোটাধিকার প্রয়োগের অনুরোধ জানাই। Narendra Modi (@narendramodi) March 27, 2021শনিবার রাজ্যের ৫ জেলার ৩০ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ। পুরুলিয়ার ৯, পূর্ব মেদিনীপুরের ৭, পশ্চিম মেদিনীপুরের ৬, বাঁকুড়ার ৪ এবং ঝাড়গ্রামের চার আসনে সকাল থেকেই চলছে ভোটগ্রহণ। সকাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন বুথে ভোটারদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। জঙ্গলমহল এলাকায় ভোট হওয়া সত্ত্বেও ভোটের আগে সন্ত্রাসের কোনও আবহ তৈরি হয়নি। এমনকী, বিগত বছরগুলিতে যেভাবে ভোট বয়কটের হুমকি দেওয়া হত, সেটাও এবার নেই। ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে মরিয়া কমিশন । প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এদিন সাতসকালে ভোটারদের উদ্দেশে রেকর্ড সংখ্যায় গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। এদিন ভোট শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই বাংলায় টুইট করেন মোদি। তিনি বলেন,পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে আজ প্রথম পর্যায়ে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। যে বিধানসভার আসনগুলিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে, সেখানকার ভোটদাতাদের আমি রেকর্ড সংখ্যায় ভোটাধিকার প্রয়োগের অনুরোধ জানাই। মোদির পাশাপাশি বাংলায় টুইট করে ভোটদানে অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহও।আমি পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোটারদের কাছে অনুরোধ করছি যে বাংলার গৌরবকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে অধিক থেকে অধিকতর সংখ্যায় ভোটদান করুন।আপনার একটি ভোট সুভাষ চন্দ্র বসু, গুরুদেব ঠাকুর এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর মতন মহাপুরুষের চিন্তাধারা অনুযায়ী বাংলা গঠনের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করবে। Amit Shah (@AmitShah) March 27, 2021মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও টুইট করে ভোটারদের উদ্দেশে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের আরজি জানিয়েছেন। শনিবার সকালে তাঁর টুইট, বাংলার সকল মানুষকে আমি অনুরোধ করব নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন, সবাই আসুন, ভোট দিন।বাংলার সকল মানুষকে আমি অনুরোধ করব নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করুন, সবাই আসুন, ভোট দিন।I call upon the people of Bengal to exercise their democratic right by coming out and voting in large numbers. Mamata Banerjee (@MamataOfficial) March 27, 2021

মার্চ ২৭, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে লড়াই মমতা বনাম শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারীই। শনিবার প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করে এমনটা্ই জানিয়ে দিল বিজেপি। শুভেন্দু বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার পরেই আলোচনার কেন্দ্রে ছিল নন্দীগ্রাম। যে জমি আন্দোলন থেকে উত্থান মমতার, সেখানে একসময় তাঁর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছিলেন শুভেন্দু। পরবর্তী সময়ে শুভেন্দু এবং অধিকারী পরিবারের গড় হয়ে ওঠে নন্দীগ্রাম। তাই সেখানে জমির দখল টিকিয়ে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল তৃণমূল এবং মমতার কাছে। তাই ফেব্রুয়ারি মাসে তেখালির মাঠে দাঁড়িয়ে নন্দীগ্রাম থেকে নিজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানিয়ে দেন মমতা।মমতার এই ঘোষণায় স্বভাবতই হইচই পড়ে যায় বিজেপি-র অন্দরে। নন্দীগ্রামকে পাখির চোখ করলেও, তখনও সেখানে কাকে নামানো হবে, তখনও তা ভেবে উঠতে পারেননি গেরুয়া নেতৃত্ব। তবে মমতার ঘোষণার পর থেকেই শুভেন্দুকে সেখানে তৃণমূল দলনেত্রীর বিরুদ্ধে নামানোর দাবি জোরালো হয়ে উঠতে শুরু করে। তার নেপথ্যে শুভেন্দুর ভূমিকাও কম ছিল না। নিজে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হতে চান কি না, স্পষ্ট না করলেও, মমতাকে নন্দীগ্রামে ৫০ হাজার ভোটে হারিয়ে ছাড়বেন বলে হুঁশিয়ারি দিতে শুরু করেন তিনি। এমনকি নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে লড়লে, শুধু নন্দীগ্রাম থেকেই মমতাকে লড়তে হবে, মুখরক্ষার জন্য ভবানীপুরকে হাতে রাখা চলবে না বলেও সুর চড়াতে শুরু করেন তিনি। বিজেপির অন্য নেতারাও তাতে গলা মেলান।এখনও পর্যন্ত যে তালিকা পাওয়া গিয়েছে, তা থেকে জানা গিয়েছে বিনপুরে বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন পালন সোরেন। দাঁতনে প্রার্থী হচ্ছেন শক্তিপদ নায়েক। নয়াগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন বকুল মুর্মু। গোপীবল্লভপুরে বিজেপি প্রার্থী সঞ্জিত মাহাত। ঝাড়গ্রামে বিজেপি প্রার্থী সুখময় শতপতি। কেশিয়ারিতে বিজেপির প্রার্থী সোনালি মুর্মু। খড়গপুরে বিজেপির প্রার্থী তপন ভুঁইয়া। গড়বেতায় বিজেপির প্রার্থী মদন রুইদাস, শালবনিতে রাজীব কুণ্ডু। বিষ্ণপুরে বিজেপি প্রার্থী তন্ময় ঘোষ, ইন্দাস থেকে বিজেপি প্রার্থী নির্মল ধাড়া। হলদিয়ায় বিজেপির প্রার্থী তাপসী মণ্ডল। নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। সবংয়ে বিজেপি প্রার্থী অমূল্য মাইতি। ডেবরায় বিজেপি প্রার্থী ভারতী ঘোষ। তমলুকে বিজেপির প্রার্থী হরেকৃষ্ণ বেরা। ময়নায় বিজেপির প্রার্থী অশোক ডিন্ডা। নন্দকুমারে বিজেপির প্রার্থী নীলাঞ্জন অধিকারী।

মার্চ ০৬, ২০২১
দেশ

প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে ৪ মার্চ গেরুয়া-বৈঠক

বিজেপির তরফে কারা প্রার্থী হবে বাংলায়? সেই নামের তালিকা চূড়ান্ত করতে ৪ মার্চ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দিল্লিতে বৈঠকে বসতে পারে বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। সূত্রের খবর, এই বৈঠকের পর প্রথম দুদফা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতে পারে।বঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে দফায়-দফায় বৈঠক করছে গেরুয়া শিবির। এবার বাংলাকে পাখির চোখ করেছে গেরুয়া শিবির। এ রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে নীল নকশা বানিয়েছে তারা। সেই পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হল প্রার্থী বাছাই। আর সেই কাজে কোনও খামতি রাখতে চায় না বিজেপি। এ নিয়ে সোমবারই একদফা বৈঠক সেরেছে বঙ্গ বিজেপির কোর কমিটি। সেই বৈঠকের পর একটি নামের তালিকায় দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। মঙ্গলবার রাতে বঙ্গ বিজেপির কোর কমিটির সদস্যরা আরও একদফা বৈঠকে বসতে চলেছেন বলে খবর। বুধবার সকালে আরও একদফা বৈঠক হওয়ার কথা। সেখানে চূড়ান্ত হওয়া নাম নিয়ে দিল্লিতে আলোচনা হবে বলেই খবর। তবে প্রথম দুই দফা প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করার সহজ হবে না বলেও দলীয় সূত্রে খবর।বিজেপির প্রার্থী তালিকায় এবার চমক থাকতে পারে। প্রার্থী হতে পারেন বহু তারকা। কারা কারা সেই তালিকায় থাকছেন, তা নিয়ে সোমবার সন্ধেয় একদফা বৈঠক হয়েছে । সূত্রের খবর, সেখানে শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, মুকুল রায়কে ডাকা হয়নি। যা নিয়ে তুমুল জল্পনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই প্রার্থীদের নামের একটা তালিকা দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে রাজ্যের তরফে। অমিত শাহর নিজের টিমও বিশেষ সমীক্ষা করে প্রার্থীদের নাম দিয়েছে। তবে কাদের প্রার্থী হওয়ার ভাগ্য জোটে, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বৃহস্পতিবার রাতেই। সেই বৈঠকের দিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২১
কলকাতা

বাংলায় ৮ দফা ভোট নিয়ে প্রশ্ন মমতার

পশ্চিমবঙ্গে আট দফায় ভোট নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ঘোষণায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তামিলনাড়ুর ২৪০ আসনে কেন একদিনে নির্বাচন? বাংলার ২৯৪ আসনের ভোট কেন ৮ দফায়? পশ্চিমবঙ্গে ভোট ঘোষণা নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে স্বাগত জানালেও এই প্রশ্ন তুললেন মুখ্যমন্ত্রী। নির্বাচনকে সামনে রেখে গোটা প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য তৃণমূলের তরফে ১২ জনের একটি দল তৈরি হয়েছে বলে জানান দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বাংলা-সহ পাঁচ রাজ্যে ভোটের অন্তিম ঘণ্টা বাজিয়ে শুক্রবারই বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে দিল্লির নির্বাচন কমিশন। কেরল, তামিলনাড়ু, পুদুচেরিতে এক দফায় ভোটের দিন ঘোষণা হয়েছে। তবে ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গে ভোট হবে ৮ দফায়। তামিলনাড়ুর ২৪০ আসনে একদফায় ভোট হলে, কেন বঙ্গে এত বেশি দফায় ভোট?নির্বাচন কমিশনের দিকে সরাসরি এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আরও প্রশ্ন, কাকে সুবিধা করে দিতে এত দফা? নাম না করে কমিশনের এই সিদ্ধান্তেও বিজেপির যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ তুললেন তৃণমূল সুপ্রিমো। অভিযোগ, বাংলার নির্বাচনে কমিশনের তরফে দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যে তালিকা তিনি বিজেপি পার্টি অফিসে দেখেছিলেন, সেটাই আজ প্রকাশ্যে এল। মমতার আরও অভিযোগ, বিজেপি সব ভাগাভাগি করছে, ভোটের দফাতেও হিন্দু-মুসলিম ভাগ করছে। তবে বিজেপির এসব চক্রান্ত জনতাই ব্যর্থ করে দেবেন বলেও আত্মপ্রত্যয়ী সুরে জানিয়েছন তৃণমূল সুপ্রিমো।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
কলকাতা

ভোটের ভেট, ট্যাবের পর ফুটবল

একেই বলে ভোটের বালাই। বিধানসভা ভোটের আগে স্কুলে স্কুলে ফুটবল বিতরণের কথা ভাবছে রাজ্য সরকার। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা বিনামূল্যে সাইকেল, বই, খাতা, পোশাক ও জুতো পায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মতো উচ্চমাধ্যমিকের ছাত্র-ছাত্রীদের ট্যাব কেনার জন্য সবাইকে ১০ হাজার করে টাকা পাঠানো হচ্ছে। এবার, ছাত্রছাত্রীদের খেলাধুলায় আরও বেশি করে উৎসাহ দিতে স্কুলে ফুটবল পাঠানোর কথা ভাবছে সরকার।করোনা অতিমারি সংক্রমণ রুখতে মার্চ মাস থেকে টানা স্কুল বন্ধ। তবে প্রত্যেকের মিড-ডে মিলের খাদ্যসামগ্রী বিতরণে ছেদ পড়েনি। আগামী মাসে ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস চালু করার পরিকল্পনা চলছে। রাজ্যের জেলবন্দি আসামিদের বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে উৎসাহ দেওয়া হয়। কেউ ছবি আঁকেন, কেউ ছেনি-হাতুড়ি হাতে স্থাপত্যকলায় মনোনিবেশ করেন। গান, আবৃত্তি, অভিনয়-সহ নানা সাংস্কৃতিক কাজেও আসামিদের উৎসাহ দেয় কারা দফতর। কিছুদিন আগে সংশোধনাগারের সদস্যরা এক লক্ষ ফুটবল তৈরি করেছেন। কারামন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস জানিয়েছেন, সংশোধনাগারের সদস্যদের তৈরি ৫০ হাজার ফুটবল ইতিমধ্যে বিভিন্ন ম্যাচে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি ফুটবলগুলো পড়ে আছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সেগুলো স্কুলে বিতরণের কথা ভাবা হচ্ছে। এই কারণে আসামিদের হাতে তৈরি ফুটবল স্কুল পড়ুয়াদের জন্য বরাদ্দ করাই যুক্তিযুক্ত বলে মনে করছে সরকার।

জানুয়ারি ৩১, ২০২১
কলকাতা

ভোট-আবহে আজ থেকে আনুষ্ঠানিক জনসংযোগ শুরু তৃণমূলের

ভোট যত এগিয়ে আসছে, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তৎপরতা তত বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই রাজ্য বিধানসভা ভোটের কথা মাথায় রেখেই আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস। মানুষের সঙ্গে প্রত্যক্ষ সংযোগ স্থাপনের এই কর্মসূচি চলবে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।তৃণমূলের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, দল চাইছে এমন একটি কর্মসূচি যেখানে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের খতিয়ান তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের অভাব অভিযোগ শুনে সমস্যার সমাধান করতে হবে। সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা এই কর্মসূচিরই আরেকটি দিক।প্রসঙ্গত, দুয়ারে সরকার প্রকল্পেও বাড়ি বাড়ি ঘুরে সমস্যা শুনছেন সরকারি প্রতিনিধিরা। কিন্তু এই প্রকল্পটি প্রশাসনিক উদ্যোগ। তৃণমূল চাইছে দলীয় পতাকা নিয়েই এবার মানুষের কাছে পৌঁছতে। পাশাপাশি, এলাকায় যাঁরা সম্মানীয় বলে পরিচিত, তাঁদের সঙ্গে পরিচয় করতে।এদিকে, রাজ্যের সব প্রান্তের মানুষের মন বুঝতে জনসংযোগে মরিয়া যুযুধান বিপক্ষ বিজেপিও। বাড়ি বাড়ি গিয়ে মুষ্টিভিক্ষার চাল সংগ্রহ করছেন দলীয় প্রতিনিধিরা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গ্রামের মানুষদের মন পেতে এই ভিক্ষাসংগ্রহ। এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে মুষ্টিভিক্ষা বা রথ বের করা, জনসংযোগের কৌশল হিসেবে নতুন। রাজ্যের মানুষ এগুলো কী ভাবে নেবে তা আগামাদিনে ভোটবাক্সই জবাব দেবে। তবে তৃণমূল চাইছে পুরনো প্রচার মাধ্যমেই মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে। পাড়ায় পাড়ায় কথাবার্তা চালাতে, প্রয়োজন অনুযায়ী ছোট ছোট সভা করতে। আর তৃণমূলের এই ক্ষেত্রে ইউএসপি হতে চলেছে তাদের উন্নয়নের খতিয়ান।

জানুয়ারি ২১, ২০২১
কলকাতা

মার্চে ভোট করতে চেয়ে কমিশনকে  চিঠি দিয়ে জানাল রাজ্য

মার্চে কলকাতা পুরসভার ভোট হতে পারে বলে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দিল সরকার। মঙ্গলবার প্রশাসনের তরফে চিঠি পাঠিয়ে জানানো হল, মার্চে হতে পারে পুরভোট। চিঠি আরও জানানো হয়েছে, আগামী ১৫ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। তারপর পুরনির্বাচনের যথাযথ প্রস্তুতি নিতে খানিকটা সময় লাগবে। ওয়ার্ড বিন্যাস, সংরক্ষণ সম্পূর্ণ করতে অন্তত মাসখানেক সময় প্রয়োজন বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে মার্চ মাসের শেষে ভোট হতে পারে। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, পুরভোটের জন্য প্রস্তুত দল। আরও পড়ুন ঃ শারীরিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য দুয়ারে সরকারের দ্বিতীয় পর্যায়ে মানবিক প্রকল্প আগামী ১৭ তারিখ এই চিঠিই সুপ্রিম কোর্টে পেশ করবে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে কলকাতা পুরসভায় ভোট হলেও এখনই রাজ্যের অন্য কোনও পুরসভার ভোট হবে না বলেই জানানো হয়েছে সরকারের তরফে। কলকাতা পুরসভায় দ্রুত নির্বাচন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করেছিলেন উত্তর কলকাতার বাসিন্দা শরদ কুমার সিং। সেই মামলায় ১৭ ডিসেম্বর রাজ্যকে পুরসভার ভোটের নির্ঘন্ট জানাতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
কলকাতা

ভোটার তালিকা সংশোধনের দিনক্ষণ জানাল নির্বাচন কমিশন

আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের ১৮ তারিখ প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা। এরপর ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে সংশোধন অর্থাৎ নাম তোলা, বাদ দেওয়া-সহ যাবতীয় কাজ। আগামী ১৫ জানুয়ারী প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত তালিকা। এই চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তিরাই ভোটার হিসেবে বিবেচিত হবেন। জানা গিয়েছে, রাজ্যের মোট ৭৮, ৯০০টি বুথের প্রতিটিতে থাকবেন ১ জন করে বিএলও। প্রতি বুথে ২ দিন করে চলবে সংশোধনের কাজ। সূত্রের খবর, এবার রাজ্যে বাড়ছে ৯৯টি বুথ। কারণ, যে সব বুথে দেড় হাজারের বেশি ভোটার করোনা পরিস্থিতির কথা বিচার করে সেগুলিকে বিভক্ত করা হচ্ছে। সোমবার রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকের পর এ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব ভোটার তালিকা সংশোধন ও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিনক্ষণ ঘোষণা করেন। আরও পড়ুন ঃ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর এদিন তৃণমূলের তরফ থেকে বলা হয়, সবাই যাতে ভোট দিতে পারে, সেই ব্যবস্থা করুক কমিশন। এছাড়াও ত্রুটিহীন ভোটার তালিকা তৈরির আবেদন করা হয় তৃণমূলের পক্ষ থেকে। একই দাবি বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস সকলেরই। কারও আবেদন বাতিল হলে তার যথাযথ কারণ জানাতে হবে বলেও দাবি করেন সিপিএম নেতা রবীন দেব। রবীন দেব বলেন , ভুতুড়ে ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। বিএলও-র দায়িত্ব যেন স্থায়ী সরকারি কর্মীদেরই দেওয়া হয়, তা নিশ্চিত করার দাবি জানান বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
বিদেশ

ট্রাম্পকে হারিয়ে জয়ের পথে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বিডেন

হোয়াইট হাউস দখলের কাছাকাছি চলে গেলেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বিডেন। প্রসঙ্গত , হোয়াইট হাউস দখল করতে চাই ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোট। সেখানে ইতিমধ্যেই ২৬৪টি ভোট পেয়ে এগিয়ে রয়েছে বিডেন। আর মাত্র ৬ টা ভোট পেলেই তার দখলে চলে আসবে হোয়াইট হাউস। অন্যদিকে ট্রাম্প পেয়েছেন মাত্র ২১৪টি ভোট। মিশিগান ও উইসকনসিন ইতিমধ্যেই চলে গেছে বিডেনের দখলে। এদিকে, পেনসিলভেনিয়া ও মিশিগানে মামলা দায়ের করেছে ট্রাম্প শিবির। অন্যদিকে বিডেনও গতকাল জানিয়ে দিয়েছিলেন, যে আইনি পথে পাল্টা মোকাবিলার জন্য তিনিও তৈরি আছেন। ভারতীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ ডেলাওয়ারের উইলমিংটনে নিজের বাড়ি থেকে বাইডেন বলেন, দীর্ঘ গণনার পর এটাই স্পষ্ট হচ্ছে যে আমরাই জিতছি। ইতিমধ্যেই ভোটের ফল ঘিরে অশান্তির আশঙ্কায় কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে ওয়াশিংটন। আরও পড়ুন ঃ মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বিডেনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই প্রসঙ্গত , ট্রাম্প অভিযোগ করেন, এত রাতে কেন ভোটগ্রহণ চলছে। কারচুপির অভিযোগে তিনি প্রক্রিয়া বন্ধের দাবি জানান। সমর্থকদের সামনে বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, আমেরিকার জনগণের সঙ্গে এটা প্রতারণা। আমরা নির্বাচনে জিততে চলেছি। আমরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হব। আমরা চাই সব ভোট বন্ধ হোক। পালটা প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে জো বিডেন বলেন , ট্রাম্পের মন্তব্য অপমানজনক।

নভেম্বর ০৫, ২০২০
দেশ

কোভিড সতর্কতা অবলম্বন করে ভোট দিন বিহারবাসী , টুইট মোদির

শুরু হয়েছে বিহার বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ পর্ব । এদিন ৭১ টি আসনে ভোট নেওয়া হচ্ছে। লড়াইয়ের রয়েছেন ১,০৬৬ প্রার্থী। নীতিশ কুমার মন্ত্রিসভার ৮ সদস্যের ভাগ্য নির্ধারিত হচ্ছে এদিন। বুধবার সকালে বিহার ভোট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইট করেন। আরও পড়ুনঃ আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেন , সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের তিনি লেখেন , বিহার বিধানসভা নির্বাচনে আজ প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ। কোভিড সম্পর্কিত সতর্কতা অবলম্বন করে আমি সকল ভোটারকে গণতন্ত্রের এই উৎসবে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করছি। দূরত্ব বিধি মেনে চলুন।পাশাপাশি মাস্ক পরুন। মনে রাখবেন, আগে ভোট দিন, তারপরে জলপান ! প্রসঙ্গত , এই প্রথম করোনা পরিস্থিতিতে সমস্তরকম সতর্কতা মেনে নির্বাচন কমিশনের গাইডলাইন অনুসরণ করেই সমস্ত রকম ব্যবস্থা করা হয়েছে।

অক্টোবর ২৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

সম্পাদকীয়

ক্ষমতার শীর্ষ থেকে অনিশ্চয়তার কিনারায়, মমতা-অভিষেকের সামনে কঠিন প্রশ্ন

দেহপট সনে নট সকলি হারায় মঞ্চে বা পর্দায় যে নট-নটিরা অসংখ্য মানুষের চোখের পর্দায় বিচরণ করেন তাঁদের সম্পর্কে কবির এই নিদান। গ্ল্যামারের ছটায় যে সাফল্য আসে নট-নটিদের, তার জনমোহিনী আকর্ষণ শরীরে বয়স থাবা বসানোর সঙ্গে সঙ্গে অতি দূরের নির্জন দ্বীপের চেহারা নেয়। তবে, রাজনীতির মঞ্চে কালের এই নিয়ম আলাদা। সেখানে বয়স নয়, ক্ষমতার মসনদ ই মাপকাঠি হয়ে দাঁড়ায়। ক্ষমতার মসনদের উপরে ও নিচে কোথায় অবস্থান তা নির্দিষ্ট করে দেয় খেলার নিয়ম। এই মুহূর্তে এই অনুভব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে বেশি কেউ বুঝছেন না। শুধু ক্ষমতা হারানো নয় ১৯৯৮ সালে যে দলটা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই দলটাই তাঁর মুঠোয় আর থাকবে কি না সেই প্রশ্ন ই এখন সামনে এসে দাঁড়িয়েছে মমতার। ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাস বলছে ব্যক্তি নির্ভর দলের বোধহয় এটাই ভবিতব্য। ইংরেজিতে একটা কথা আছে nothing succeeds like success। নতুন দল তৈরির পর থেকেই সাফল্যের মুখ দেখেননি মমতা। ধীরে ধীরে রাজ্যের বিরোধী পরিসরে তিনি জায়গা পেয়েছেন। অবশেষে, সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম পর্ব পেরিয়ে ২০০৮ এর পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে ক্ষমতার বিন্দুর দিকে যাত্রা শুরু হয় মমতার। ২০০৯ এর লোকসভা, ২০১০ এর পুরসভা ও পৌরসভার নির্বাচন এর পরপর ২০১১ এর বিধানসভা নির্বাচনে সেই বিন্দুর স্পর্শ পেয়েছেন তিনি। তারপরে তো দল এবং সরকারে তিনিই ছিলেন শেষকথা। ক্ষমতায় থাকার জন্য দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে মজবুত করতে নিচুতলার কর্মী থেকে নেতা - মন্ত্রীদের বেপরোয়া ক্ষমতার ব্যবহার ও দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দিয়েছেন। অন্যদিকে, দলে তাঁর উত্তরসূরি হিসেবে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে প্রতিষ্ঠিত করতে একের পর এক ঘুঁটি সাজিয়েছেন। এই সবই ছিল ক্ষমতার মসনদে বসে থাকাকালীন সময়ের ঘটনা প্রবাহ। কিন্তু, ২০২৬ সালের ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোনোর পরে পরিস্থিতি আমূল বদলে গিয়েছে। দলের টিকিটে ল্যাম্পপোস্ট দাঁড় করালেও মমতার নামে তিনি বৈতরণী পেরিয়ে যাবেন - দলের মধ্যে এই যে myth তৈরি হয়েছিল তা আজ অতীত। এখন তো তাঁর নামে একটি কর্মসূচিতেও দলের নেতা কর্মীদের দূরবীন দিয়ে খুঁজতে হবে। এই পরিস্থিতিতে আমার মনে হয় মমতার থেকে ও অনেক অনেক বেশি কঠিন কঠোর বাস্তব এসে দাঁড়িয়েছে অভিষেকের সামনে। মমতার পক্ষে তাঁকে ব্রাত্য করা অসম্ভব হলেও দলের নেতা, বিধায়ক, কর্মীদের কাছে নয়। কারণ অভিষেক দলের মধ্যে যেখানে ছিলেন তা তাঁর রাজনৈতিক পরিশ্রমের ফল নয়। ক্ষমতার সোপানে পা রেখেই তাঁর যাত্রা শুরু। দলের নেতা, বিধায়ক ও কর্মীদের তা অজানা নয়। ফলে এখন পরীক্ষা অভিষেকের। এতদিন তিনি digital space এ রাজনীতি করে এসেছেন, এবার নামতে হবে রাজনীতির রুক্ষ মাঠে, রাস্তায়। এই রাস্তা, মাঠে তাঁর জন্য কোন বাস্তব অপেক্ষা করে আছে তা তিনি আঁচ পেয়েছেন সোনারপুরের রাস্তায়। তিনি কি দলের ভাঙন ঠেকাতে পারবেন? সাফল্যের নিচে যে অন্ধকার থাকে তার সঙ্গে কি মানিয়ে চলতে পারবেন? দলের মধ্যে যাঁরা মাঠে - ময়দানে লড়াইতে, অভিজ্ঞতায় তাঁর থেকে এগিয়ে রয়েছেন তাঁদের সঙ্গে পা মেলাতে পারবেন? এইগুলোই এখন দাঁড়িয়ে রয়েছে কালীঘাট ও হরিশ মুখার্জি রোডের দরজায়।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

মমতার হাত ছেড়ে শুভেন্দুর মঞ্চে দেব! কোলাঘাটে দেখা যেতেই তুঙ্গে জল্পনা

রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক সাংসদ এনডিএ শিবিরে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করার পর থেকেই নতুন সমীকরণ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই আবহেই কোলাঘাটে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন ঘাটালের সাংসদ দেব, যা ঘিরে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।সোমবার তৃণমূলের উনত্রিশ জন সাংসদের মধ্যে কুড়ি জন একসঙ্গে লোকসভার স্পিকারের কাছে চিঠি দিয়েছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। সেই বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায় দেবের নামও উঠে আসে। এর পরদিনই তাঁকে দেখা যায় কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠকে।মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলার প্রশাসনিক কাজকর্ম পর্যালোচনা করতে কোলাঘাটের বলাকা মঞ্চে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বিভিন্ন সরকারি আধিকারিক, সাংসদ এবং বিধায়কেরা উপস্থিত ছিলেন। জুন মালিয়া-সহ একাধিক পরিচিত রাজনৈতিক মুখও ছিলেন সভায়।বেলা প্রায় বারোটা নাগাদ সভাস্থলে পৌঁছন দেব। মুখ্যমন্ত্রীর পর তিনিই শেষের দিকে মঞ্চে প্রবেশ করেন এবং মূল মঞ্চেই আসন গ্রহণ করেন। তাঁর উপস্থিতি স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে।সভায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একাধিক সাংসদ ও বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন। মূল মঞ্চে দেবের পাশাপাশি বসেছিলেন সৌম্যেন্দু অধিকারী, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এবং জুন মালিয়া।রুপোলি পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা দেবের রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরেই। ঘাটাল কেন্দ্র থেকে একাধিকবার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। একসময় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছাও প্রকাশ করেছিলেন। তবে পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আলোচনা করে সেই সিদ্ধান্ত বদলান।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও তৃণমূলের প্রচারে সক্রিয় ভূমিকা নিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। বিভিন্ন প্রচারসভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন তিনি। তবে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর বিজেপির জয়ের জন্য সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানানো পোস্ট নিয়েও যথেষ্ট আলোচনা হয়েছিল।এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে দেবের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। যদিও এই বিষয়ে দেবের পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে তাঁর এই উপস্থিতি শুধুই প্রশাসনিক বৈঠকের অংশ, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও রাজনৈতিক বার্তা রয়েছে, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।এদিন ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসনের একাধিক আধিকারিকও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে বাসে করে কোলাঘাটে পৌঁছন। বৈঠকে তিন জেলার উন্নয়নমূলক কাজ এবং প্রশাসনিক বিষয়গুলি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে কোটি টাকার কারবার? প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ

দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বড় আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল সঙ্গীতশিল্পী ও প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে প্রিপুজো প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রি করে বিপুল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে। এই ঘটনায় বউবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন আন্তর্জাতিক পর্যটন সংক্রান্ত পরামর্শদাতা জয়দীপ মুখোপাধ্যায়।অভিযোগকারী জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের দাবি, দুই হাজার বাইশ সালে একটি সংস্থা তৈরি করা হয়, যার প্রধান ছিলেন মধুছন্দা সেন। সেই সংস্থার পক্ষ থেকে প্রচার করা হয় যে ইউনেস্কো তাদের সহযোগী সংস্থা হিসেবে যুক্ত রয়েছে। পাশাপাশি দাবি করা হয়, কলকাতার চব্বিশটি দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কো বিশেষভাবে নির্বাচন করেছে। কিন্তু পরে জানা যায়, এই দাবির কোনও সত্যতা নেই।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়েছিল। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে তিনি ইউনেস্কোর প্যারিস এবং দিল্লি অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে ইউনেস্কোর পক্ষ থেকেও তাঁর সঙ্গে কথা বলা হয়। সেখানে তাঁকে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট কোনও সংস্থার সঙ্গে ইউনেস্কোর কোনও চুক্তি বা আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক ছিল না।দুই হাজার একুশ সালে বাংলার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক ঐতিহ্যের স্বীকৃতি পাওয়ার পরের বছর থেকেই এই কার্যক্রম শুরু হয় বলে অভিযোগ। ওই সংস্থা কলকাতার নির্বাচিত কিছু দুর্গাপুজোর থিম এবং শিল্পকর্ম আগেভাগে প্রদর্শনের আয়োজন করত। সেই প্রদর্শনী দেখার জন্য দর্শকদের কাছ থেকে টিকিটের বিনিময়ে অর্থ নেওয়া হত। অভিযোগ, এই পুরো আয়োজনকে ইউনেস্কোর যৌথ উদ্যোগ বলে প্রচার করা হয়েছিল।জয়দীপ মুখোপাধ্যায়ের আরও দাবি, গত তিন বছরে এই টিকিট বিক্রি থেকে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন পুজো কমিটি খুব সামান্য অংশ পেয়েছে, আর বাকি অর্থ সংস্থার কাছে গিয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, যেসব পুজোকে এই সংস্থা বেছে নিত, সেগুলিই পরে বিভিন্ন পুরস্কার এবং বড় স্পনসরশিপ পেত।তবে সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর বক্তব্য, অভিযোগকারীকে তিনি চেনেন না এবং তাঁর সঙ্গে কোনও পরিচয়ও নেই। তিনি বলেন, তিনি কোনওদিন কোনও দুর্গাপুজো কমিটির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না। তাঁর মতে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি আরও জানান, তাঁর স্ত্রী একজন শিল্পী ও আলোকচিত্রী। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থার সঙ্গে তাঁর কাজের সম্পর্ক রয়েছে। প্রয়োজন হলে তিনি আইনি পদক্ষেপও করবেন বলে জানিয়েছেন।অন্যদিকে অভিযোগকারী জানিয়েছেন, কলকাতা পুলিশের কমিশনার, রাজ্য পুলিশের মহাপরিচালক এবং বউবাজার থানার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের সমর্থনে একাধিক নথি এবং তথ্যও তদন্তকারীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর।এই অভিযোগের সত্যতা এখনও তদন্তসাপেক্ষ। তবে প্রাক্তন মন্ত্রীকে ঘিরে ওঠা এই নতুন বিতর্ক ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মহলে ব্যাপক চর্চার বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ০৯, ২০২৬
বিদেশ

লাখ ডলারের এইচ-ওয়ান-বি ভিসা ফি বাতিল, আদালতের রায়ে স্বস্তি ভারতীয় কর্মীদের

আমেরিকায় কাজ করতে ইচ্ছুক ভারতীয়দের জন্য বড় স্বস্তির খবর। এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য অতিরিক্ত এক লক্ষ ডলারের ফি বাতিল করে দিয়েছে আদালত। বস্টনের একটি জেলা আদালত জানিয়েছে, এই অতিরিক্ত ফি আরোপের সিদ্ধান্ত আইনসম্মত ছিল না। ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া সেই সিদ্ধান্ত আর কার্যকর থাকবে না।এই রায়ের ফলে ভারতীয়-সহ বহু বিদেশি কর্মী স্বস্তি পেলেও রাজনৈতিকভাবে অস্বস্তিতে পড়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগেও তাঁর একাধিক সিদ্ধান্ত আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। এবার ভিসা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও আইনি ধাক্কা খেল।গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করেছিল, এইচ-ওয়ান-বি ভিসার জন্য আবেদন করতে গেলে আগের তুলনায় অনেক বেশি অর্থ দিতে হবে। আগে বিভিন্ন ফি মিলিয়ে সাধারণত কয়েক হাজার ডলার খরচ হতো। কিন্তু নতুন নিয়মে সেই খরচ এক ধাক্কায় এক লক্ষ ডলার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।প্রশাসনের দাবি ছিল, বিদেশি কর্মী নিয়োগ কমিয়ে মার্কিন নাগরিকদের জন্য আরও বেশি চাকরির সুযোগ তৈরি করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য। দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, অনেক সংস্থা কম বেতনে বিদেশি কর্মী নিয়োগ করছে। এতে স্থানীয় কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছিল।তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয় একাধিক অঙ্গরাজ্য। তাদের দাবি ছিল, এত বড় অঙ্কের ফি নির্ধারণ করার ক্ষমতা এককভাবে প্রেসিডেন্টের নেই। এমন সিদ্ধান্ত নিতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন।মামলার শুনানির পর বিচারক জানান, কংগ্রেসের অনুমতি ছাড়া প্রেসিডেন্ট এই ধরনের অতিরিক্ত ফি চাপাতে পারেন না। সেই কারণেই ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে বেআইনি ঘোষণা করে তা বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই রায়ের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে ভারতীয়দের উপর। কারণ প্রতি বছর এইচ-ওয়ান-বি ভিসা পাওয়া বিদেশিদের মধ্যে ভারতীয়দের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং আর্থিক ক্ষেত্রের বহু দক্ষ ভারতীয় পেশাদার এই ভিসার মাধ্যমে আমেরিকায় কাজ করেন।বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় পঁয়ষট্টি হাজার সাধারণ এইচ-ওয়ান-বি ভিসা দেওয়া হয়। এছাড়াও মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য অতিরিক্ত কুড়ি হাজার ভিসার ব্যবস্থা রয়েছে। আদালতের এই রায়ের ফলে আমেরিকায় কাজের সুযোগ খুঁজছেন এমন বহু ভারতীয় পেশাদারের জন্য পথ আরও সহজ হয়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর নিয়ে বিস্ফোরক কল্যাণ! “সত্যি জানলে সিবিআইকে বলুন”, কাকলি-শর্মিলাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ

আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়া ইস্যুকে ঘিরে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় দলের বিদ্রোহী সাংসদ-বিধায়কদের তীব্র আক্রমণ করেন। সেই সঙ্গে আর জি কর কাণ্ড নিয়ে এমন কিছু মন্তব্য করেন, যা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।ছাব্বিশের নির্বাচনে আর জি কর কাণ্ড এবং অভয়ার মৃত্যুর ঘটনা বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছিল। মেয়ের মৃত্যুর বিচার চেয়ে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছিলেন অভয়ার মা রত্না দেবনাথ। ভোটারদের সমর্থনও পেয়েছেন তিনি। এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে তৃণমূলের একাধিক বিদ্রোহী নেতা ও সাংসদের মুখে বারবার উঠে এসেছে আর জি করের প্রসঙ্গ।এই আবহেই দিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্রোহীদের একহাত নেন। তিনি বলেন, আর জি কর ইস্যুতে চিকিৎসক সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার এবং শর্মিলা সরকারকে কখনও আন্দোলনের পথে দেখা যায়নি। এরপরই তিনি তাঁদের উদ্দেশে বলেন, আর জি করে কী হয়েছিল, পারলে সিবিআইকে গিয়ে সত্যি বলুন।কল্যাণের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিরোধীদের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই আর জি কর কাণ্ডে তৎকালীন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে। কল্যাণের মন্তব্য সেই বিতর্ককেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন অনেকে।এদিন বিদ্রোহী নেতাদেরও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, দলের অধিকাংশ বিদ্রোহী নেতা দীর্ঘদিন ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার সুবিধা ভোগ করেছেন। এখন পরিস্থিতি বদলাতেই তাঁরা অন্য পথে হাঁটছেন। তাঁদের বিশ্বাসঘাতক এবং সুখের পায়রা বলেও কটাক্ষ করেন কল্যাণ।তিনি আরও দাবি করেন, বিজেপি শেষ পর্যন্ত এই নেতাদের গ্রহণ করবে না। কারণ তাঁদের অতীতের নানা তথ্য বিজেপির কাছেও রয়েছে। পাশাপাশি অভিনেত্রী-রাজনীতিকদেরও নিশানা করে তিনি বলেন, অনেকেই দলের পুরনো কর্মীদের অবদান ভুলে গিয়েছেন।অভয়ার মায়ের বিজেপিতে যোগদান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ থাকার পরেও কেন অভয়ার মা বিজেপিতে যোগ দিলেন, সেই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া প্রয়োজন।তবে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝেও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, তিনি অতীতেও দলের নেত্রীর পাশে ছিলেন, এখনও আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। তাঁর কথায়, অন্যদের কাছে টাকা, ক্ষমতা এবং প্রশাসনিক প্রভাব থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর কাছে রয়েছে মা-মাটি-মানুষের আদর্শ।

জুন ০৯, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিনের মধ্যেই উত্তরবঙ্গে বর্ষার প্রবেশের সম্ভাবনা, একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা

ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কালবৈশাখী এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে।ইতিমধ্যেই কেরলে বর্ষার প্রবেশ হয়েছে। পাশাপাশি নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের আরও কয়েকটি অঞ্চলে মৌসুমি বায়ু পৌঁছে গিয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের অনুমান, খুব শীঘ্রই উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি সিকিম ও ওড়িশার কিছু অংশেও বর্ষা ঢুকে পড়বে। এদিকে উত্তরপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হওয়ায় আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে আরও পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সপ্তাহজুড়ে প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্তভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে।আজ আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়েও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আগামীকাল দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দক্ষিণবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। কোথাও কোথাও হাওয়ার গতি পঞ্চাশ থেকে ষাট কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছতে পারে।আজ বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। আগামীকাল পরিস্থিতি আরও তীব্র হতে পারে। পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, নদিয়া, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং হুগলি জেলায় ঘণ্টায় প্রায় ষাট কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।ফলে আগামী কয়েকদিন রাজ্যের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়ার সময় নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

উধাও অরূপ বিশ্বাস! ফোন বন্ধ, মিলছে না টাওয়ার লোকেশন, চাপে পুলিশ

মেসি কাণ্ডে জটিলতা আরও বাড়ল রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে। সোমবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে কোনওভাবেই যোগাযোগ করতে পারেনি পুলিশ। এমনকি তাঁর মোবাইল ফোনের টাওয়ার লোকেশনও খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।বিধাননগর পুলিশ সূত্রের খবর, অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান সম্পর্কে এখনও কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। কলকাতা পুলিশের কাছ থেকেও তাঁর খোঁজ সংক্রান্ত কোনও তথ্য মেলেনি। গোটা বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা।এর আগে মেসি কাণ্ডে গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস। তাঁর আইনজীবী জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদন জানালেও বিচারপতি সেই আবেদন গ্রহণ করেননি। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই মুহূর্তে জরুরি শুনানির অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।আদালত থেকে স্বস্তি না মেলার পরই সোমবার দুপুরে অরূপ বিশ্বাসের নিউ আলিপুরের সাহাপুর এলাকার ফ্ল্যাটে পৌঁছয় পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হওয়া তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকেও সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়। ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হলেও অরূপ বিশ্বাসকে পাওয়া যায়নি।উল্লেখ্য, মেসি কাণ্ডে এখনও থানায় হাজিরা দেননি প্রাক্তন মন্ত্রী। অন্যদিকে যৌন নির্যাতন-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে আগেই গ্রেফতার হয়েছেন তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে বেহালার সাহাপুর কলোনির বাড়িতেও তল্লাশি চালায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা সেই তল্লাশির সময় একটি রহস্যময় ঘরের সন্ধান পাওয়া যায়। ওই ঘর এবং সেখানে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এরই মধ্যে অরূপ বিশ্বাসের অবস্থান নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে।প্রাক্তন মন্ত্রীর খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

জুন ০৯, ২০২৬
কলকাতা

গভীর রাতে আবাসনে পুলিশের হানা! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে। সোমবার গভীর রাতে রাজারহাটের রাইগাছি এলাকার একটি অভিজাত আবাসন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় সব্যসাচী দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই পুরনো একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে সল্টলেকের এক ব্যবসায়ী সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে ভয় দেখানো হচ্ছিল এবং টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তোলাবাজির অভিযোগও তোলা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।তদন্তের সূত্র ধরে সোমবার গভীর রাতে রাইগাছির একটি আবাসনে পৌঁছয় পুলিশের বড় দল। সেখান থেকেই সব্যসাচী দত্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর গ্রেফতারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।একসময় রাজারহাট-নিউটাউন এলাকার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন সব্যসাচী। তিনি দীর্ঘদিন তৃণমূলের হয়ে রাজনীতি করেছেন। দুই হাজার এগারো সাল থেকে দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তিনি।পরবর্তীতে দুই হাজার উনিশ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। দলবদলের পর দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থীও হন। তবে সেই নির্বাচনে তৃণমূল নেতা সুজিত বসুর কাছে পরাজিত হন।এরপর আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন সব্যসাচী দত্ত। দুই হাজার বাইশ সালের বিধাননগর পুরসভা নির্বাচনে একত্রিশ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরে তাঁকে পুরবোর্ডের চেয়ারম্যানও করা হয়।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বারাসত কেন্দ্র থেকে তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী করেছিল। তবে সেই নির্বাচনে জয় পেতে পারেননি তিনি। পরে তাঁকে বারাসত সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।এই পরিস্থিতিতে সব্যসাচীর গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। একদিকে পুলিশের দাবি, অভিযোগের ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। অন্যদিকে সব্যসাচীর অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal