• ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৭ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tollywood

বিনোদুনিয়া

দুঃস্থ শিশু ও পথ কুকুরদের কল্যাণে ২২ গজে টলি তারকারা

অংশু বাচ এবং শিভা ক্রিয়েশন এর উদ্যোগে ১৩ মার্চ হতে চলেছে কলকাতা সুপার ৫০ এর ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। মোট ৮টি টিম এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করছে। এর মধ্যে একটা টিমের সদস্যরা বাংলা টেলিভিশন এবং চলচ্চিত্র জগতের মানুষদের নিয়ে তৈরি৷ এছাড়া বাকি দলগুলিতে শিক্ষা, ক্রীড়া, রাজনীতি, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরা থাকবেন। কলকাতা সুপার ৫০ তে অংশগ্রহণ করেছেন বনি সেনগুপ্ত, জয়দীপ মুখার্জি, অংশু, রাজীব, জয়ী, সেলিব্রিটি ফটোগ্রাফার সুদীপ্ত চন্দ্র, সায়ন মুখার্জি, লিগাল কারিকুলাম এর প্রতিষ্ঠাতা প্রান্তিক চক্রবর্তী সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বিশেষ কারণ এই টুর্নামেন্টে একইসঙ্গে খেলবেন ছেলেরা এবং মেয়েরা৷ মহিলা টিমের নেতৃত্বে প্রিয়াঙ্কা রায়, যিনি আন্তর্জাতিক স্তরে বিশ্বকাপে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।এটা ৫০ বলের টুর্নামেন্ট। সাধারণত ক্রিকেট খেলায় একটি ওভারে ৬ টি বল হয়। কিন্তু এই খেলায় ৫ বলের ওভার হবে। পেশাদার মহিলা টিম নেওয়া হয়েছে। সিসিএল এর বেঙ্গল টিমের কোচ সুশীল স্যার কলকাতা সুপার ৫০ এর অন্যতম সদস্য। বিভিন্ন নামী সংস্থা এই ক্রিকেট টুর্নামেন্টের এর স্পনসর। ওয়াও মোমো, ওয়াও চায়না, আশা অডিও, ফিভার এফ এম এদের মধ্যে অন্যতম। আয়োজক অংশু জানিয়েছেন, তিনি এবং তাঁর দাদা শিবা প্রত্যেক বছরই এই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আয়োজন করেন। বছরের শুরুতেই টুর্নামেন্ট হওয়ার কথা থাকলেও কোভিডের কারণে পিছিয়ে দেওয়া হয়। বহুদিন পরে সকলে একসঙ্গে খেলতে খেলতে কিছু আনন্দ উদযাপনের সুযোগ হবে। ক্রিকেট টুর্নামেন্ট থেকে প্রাপ্ত সমস্ত অর্থ দেওয়া হবে দুঃস্থ শিশুদের কল্যাণে এবং পথকুকুরদের দেখভালের জন্য।

মার্চ ১২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মহিলাদের সঠিক বিচারে নির্মিত '১০ নং ঝোপড়পট্টি'

এস সি প্রোডাকশনের ব্যানারে নিবেদিত স্বাতী চট্টোপাধ্যায়ের প্রযোজিত ছবি ১০ নম্বর ঝোপড়পট্টি। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন স্বাতী চট্টোপাধ্য্যায়, কন্যাশ্রী চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, তনিমা সেন, দিয়া মুখোপাধ্যায়, ছন্দা চট্টোপাধ্যায় সহ আরও অনেকে। এই ছবিরই প্রিমিয়ার হয়ে গেল ছবিঘর সিনেমাহলে। ১৯৭১ সালে ওপার বাংলার স্বাধীনতার উদ্দেশ্যে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছে। দলে দলে মানুষ মিলিটারির তাড়া খেয়ে রাতের অন্ধকারে কাঁটাতারের বর্ডার পেরিয়ে ভারতে পা রেখেছে। সর্বস্ব খুইয়ে তারা দিশেহারা। এই দিশেহারা, বিভ্রান্ত ও সর্বস্বান্ত চারটি পরিবার মানুষের ভিড়ে মিশে গিয়ে কলকাতায় চলে আসেন। এই চারটি পরিবারের দৈনন্দিন সুখ ও দুর্দশার কাহিনী বর্ণিত হয়েছে ১০ নম্বর ঝোপড়পট্টি তে। এই ছবিতে ঝোপড়পট্টির এক অন্তঃসত্ত্বা বধুকে দুরাচারিদের শিকারের মুখোমুখি হতে হয়েছে। জলের কলসী হাতে পালাতে গিয়ে মাটিতে পড়ে তার পেটের বাচ্চাটাই নষ্ট গেছে। অন্যদিকে আর একটি মেয়েকে গণধর্ষিত হয়ে পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে চলে যেতে হয়েছে। যুগের হাওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই গল্পটি লিখেছেন স্বাতী চট্টোপাধ্যায়।

মার্চ ০৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সাতপাকে বাঁধা পড়লেন অভিনেত্রী মেঘনা ও শুভজিৎ

সাত পাকে বাঁধা পরলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেঘনা মুখার্জি। বিয়ে করলেন শুভ্রজিৎ ব্যানার্জি কে। বিয়ের আসর বসেছিল গোলপার্কের ঘোষবাড়িতে। বিশেষ দিনে হাজির হন ছোটপর্দার অনেক তারকা। টলিউডের জনপ্রিয় জুটি নীল-তৃণা থেকে উপস্থিত হন জীবন সাথী ত্রিশূল ধারাবাহিকের অনেকেই। যমুনার ঢাকী খ্যাত অভিনেত্রী শ্বেতা ভট্টাচার্যও বিয়েবাড়ি আলোকিত করেন। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অতিথিদের সংখ্যাও বাড়তে থাকে।জীবন সাথী ধারাবাহিকের সকলে জানালেন, ওদের বিবাহিত জীবন যেন সুখের হয়। খুব আনন্দ করে কাটাক। লাভ ইউ বোথ। গড ব্লেস ইউ বোথ।বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ মেঘনা - শুভ্রজিৎমেঘনার বর্তমান ধারাবাহিক ত্রিশূলের অভিনেত্রীরা জানান, আমরা এতদিন ধরে খুব এক্সাইটেড ছিলাম। মেঘনাকে ও শুভজিৎ কে অনেক অনেক শুভকামনা। খুব ভালো থাকুক ওরা। ওদেরকে দেখেই যেন আমরা ভালো থাকতে পারি।তারকার বিয়ে। তাই এলাহি আয়োজন ছিল। স্টার্টারে গন্ধরাজ চিকেন ফ্রাই থেকে শুরু করে ছিল দইবড়া, ড্রাই চিলি, ফিস, দইবড়া, বেবিকরণ, কোল্ডড্রিঙ্কস, কফি ছাড়াও আরও আইটেম। ডিনারে ছিল ভেটকি পাতুঋ, পোলাও, মটন কষার মটন সুস্বাদু সব ডিশ। সবমিলিয়ে মেঘনার বিয়ের একটা আলাদাই পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। আর এই পরিবেশে সবাই মেঘনার মধুর মিলনের সাক্ষী থাকল।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

১১ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে রোহন সেনের "অপরাজিতা"

আমাদের জীবনে কত না বলা কথা আমরা বলতে পারিনা। জমে থাকে স্তূপাকৃত একরাশ অভিমান। বেড়ে ওঠেনা সময়মত সম্পর্কের বাকরুদ্ধ পরিসর। সেই অব্যক্ত নিঃশব্দে আমরা হারিয়ে ফেলি কত প্রিয়জন কে। আর সেটা যদি বাবা মেয়ের মত সম্পর্ক হয়... তাহলে? এরকম এক কঠিন বাস্তবকে আবর্তিত হতে দেখবো আমরা রুপোলি পর্দায়। রোহন সেন এর এই ছবি টি আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে রীতিমতো আয়না তুলে ধরার একটি হৃদয়স্পর্শী কাহিনী। অপরাজিতা মুক্তি পাচ্ছে আগামী ১১ই মার্চ নিকটবর্তী প্রেক্ষাগৃহে। বাবা মেয়ের এক কথা না হওয়া জটিল, তাও মধুর সম্পর্ক কীভাবে একটি ডায়েরির মাধ্যমে পাতার পর পাতা আবহমান হতে থাকে, সেটাই ভেসে উঠবে জীবনের বড় পর্দায়। পরিচালক রোহন সেনের ছবি অপরাজিতা। অপরাজিতা একটি মেয়ে এবং তার বাবার সঙ্গে টানাপোড়েন এর সম্পর্কের গল্প। যেখানে মেয়ে বা তার বাবা কেউ কারোর সাথে কথা বলে না এক বাড়িতে থাকা সত্ত্বেও। কোথাও না কোথাও তাদের দুজনের মধ্যেই ইগো কাজ করে, এবং তার পেছনে যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে। শুধুমাত্র একটি ডায়েরির মাধ্যমে তাদের দুজনের মধ্যে যোগাযোগ রয়েছে। অপরাজিতা একজন স্বাধীন মহিলা যে একটি কর্পোরেট কোম্পানিতে কাজ করে। তার একজন বয়ফ্রেন্ড আছে, সাহেব। সাহেবের কাছে সে তার রাগ, দুঃখ, অভিমান ব্যক্ত করতে পারে । অপরাজিতার বড়ো দিদি USA তে থাকেন। সাহেব বা তার দিদি কেউই অপরাজিতার সঙ্গে তার বাবার সম্পর্ক ঠিক করতে পারেনা। তাদের পারিবারিক ডাক্তারও এই প্রজন্মের সামাজিক আর পারস্পরিক দূরত্বের বিষয় টি তুলে ধরেন। গল্প যত এগোয় বাবা-মেয়ের সম্পর্ক তত জটিল হয়ে উঠতে থাকে। শেষমেশ এই সম্পর্কের পরিণতি কি হয় তাই নিয়েই এই ছবি। সাধারণ ঘটনা গুচ্ছগুলি অনেকেই হয়তো চারপাশে বা নিজস্ব জীবনে অনুভব করে থাকবেন। উল্লেখ্য চরিত্রর মধ্যে অপরাজিতার চরিত্রে রয়েছেন তুহিনা দাস। তাঁর বাবার চরিত্রে শান্তিলাল মুখোপাধ্যায়। বয়ফ্রেন্ডের চরিত্রে দেবতনু। পরিবারের ঘনিষ্ঠ ডাক্তার রানা বসু ঠাকুর। অমৃতা দে কে এই ছবিতে দেখা যাবে দিদি, প্রযোজক ও গায়িকার ভুমিকায়।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘জনতার কথা’-র মুখোমুখি অভিনেত্রী ‘নন্দিনী সোনালী’

অভিনেত্রী নন্দিনী সোনালী। বেশ কয়েকবছর ধরে তিনি থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত। রমাপ্রসাদ বণিকের কাছে তাঁর থিয়েটারের প্রশিক্ষণ হয়। বর্তমানে তিনি শর্ট ফিল্ম ও ওয়েব সিরিজে কাজ করছেন। ব্যস্ত সময়ের মধ্যেই কিছুটা সময় বের করে জনতার কথা-র মুখোমুখি হলেন নন্দিনী। জনতার কথাঃ তোমার থিয়েটারের জার্নিটা কিভাবে শুরু হয়? নন্দিনীঃ বেসিক্যালি আমি মফঃস্বলের মেয়ে। থিয়েটারের জার্নি যদি বলা হয় পাড়ার নাটক। সেখান থেকে রমা স্যারের কাছে আসি একটা ওয়ার্কশপের জন্য। এরকম পরপর দুটো ওয়ার্কশপ করি। তারপরে স্যার যখন আমাকে প্রোডাকশনের জন্য ডাকেন আমি বলি প্রোডাকশন করবো। তারপর স্যার মারা যান। তাঁর সঙ্গে কোনও প্রোডাকশন করা হয়ে ওঠেনি।এরপর আমার বাবা মারা যান। আমি চার বছর থিয়েটারের সঙ্গে ছিলাম না। তারপরে আমি আবার থিয়েটারে ব্যাক করি।জনতার কথাঃ শর্ট ফিল্ম, ওয়েব সিরিজের কাজ কবে থেকে শুরু হয়?নন্দিনীঃ ২০১৭-র ১লা বৈশাখ আমার কাছে একটা হটাত কল আসে। একটা মিউজিক ভিডিও হবে। সেটার জন্য আমাকে ডাকা হয়েছে। আমি যাই দেখা করতে। সেটা কিউ এর একটা মিউজিক ভিডিও ছিল। সেদিন রাত্রিবেলা শুট। আমি যাই। হোল নাইট আমরা শুট করি। সেই থেকে আমার ক্যামেরার সামনে কাজ করা শুরু।জনতার কথাঃ কিউ এর তারানাথ তান্ত্রিক-এ কাজ করেছো। সেটা হইচই-তে দেখানো হয়েছে। সেই এক্সপিরিয়েন্সটা কেমন ছিল?নন্দিনীঃ তারানাথ তান্ত্রিক-এর জার্নিটা ভীষণ অদ্ভুত। আমার কাছে যখন প্রথম কল আসে তখন আমি নর্থ বেঙ্গলে একটা শুটে ছিলাম। কিউ ফোন করে বলে একটা অডিশনের জন্য আমাকে আসতে হবে। আমি বললাম আমি তো কলকাতায় নেই নর্থ বেঙ্গল। কিউ তারপরে আর কিছু বলেনি। আমি আর কলকাতায় ফিরতে পারিনি আমার শুট ছিল বলে। হটাত করে কিউ আমায় ফোন করে বলে যে একটা ছোট চরিত্র আছে করে দে। আমি বললাম ওকে, ঠিক আছে। সেই থেকে আমার তারানাথ তান্ত্রিক এর জার্নি। আমাদের শুট হয় ডানকুনি তে। ভোরবেলায় কল টাইম। যেখানে শুট হয় সেটা রাজবাড়ি গোছের কিন্তু রাজবাড়ি নয়। সেটা আমাদের ইউনিটেরই কারোর বাড়ি ছিল। সেটাও একটা অদ্ভুত এক্সপিরিয়েন্স।জনতার কথাঃ তোমার কারেন্ট প্রোজেক্ট রেড ক্যানভ্যাস। সেখানে তাজু দার সঙ্গে কাজ করেছো। তাজুদার ব্যাপারে তো সবাই জানে উনি কতটা ভালো মানুষ। তাছাড়া এখানে রুক্মা রয়েছে। অলিভয়া রয়েছে। রণজয় আছে। এছাড়া আরও অনেকে আছে। রেড ক্যানভ্যাসের জার্নিটা নিয়ে সংক্ষেপে কিছু বলো।নন্দিনীঃ তাজুদার সঙ্গে আমি লাস্ট ইয়ার একটা ফিল্মে কাজ করি। সেটা এডিট চলছে। সেটাই আমার তাজুদার সঙ্গে প্রথম কাজ। তারপর এই ডিসেম্বরে তাজুদা হটাত আমাকে ফোন করে বলে আমি একটা ওয়েব করছি। সেটায় একটা চরিত্র আছে তোকে করতে হবে। আমি বলললাম ওকে। যেহেতু আমার চুল ছোট আর আমার চরিত্রের জন্য চুলটা বড় থাকলে বেশ ভালো হত। এরকম একটা ব্যাপার। তখন তাজুদা বলে তুই চুল কাটবি না। তারপরেই আমার পুরুলিয়ার একটা প্রোজেক্ট ছিল। ডকু ফিচার। ট্রাইবাল ডকু ফিচারের ওপর। সেটা করতে যাই। সেখানে চুলগুলো ছোট ছোট বিনুনি করা। যখন আমি ফিরবো আমি জানি তার পরের দিন থেকেই এই ওয়েবের শুট। যখন ফিরি চুলটা খোলা, নরম্যাল একটা চুলে ফেরত আনা, তারপর একটা বড় চুল আড অন করা সব মিলিয়ে দারুণ এক্সপিরিয়েন্স।জনতার কথাঃ বাকিদের নিয়ে কি বলবে?নন্দিনীঃ আমার কখনও মনে হয়নি আমি স্টার কাস্টদের সঙ্গে কাজ করছি। আমার কখনও মনে হয়নি যে দে আর স্টার। দে আর আওয়ার ইউনিট। সেই ফিলটাই কেউ আমাকে করায়নি। খুব ভালোভাবে কটা দিন গেছে। জনতার কথাঃ আপকামিং আর কি কি কাজ আসছে?নন্দিনীঃ একটা ফিচার এর এডিটিং এর কাজ চলছে। একটা শর্ট ফিল্ম এর এডিটিং চলছে। আমার একটা সাইলেন্ট শর্ট ফিল্ম হোয়াইট নয়েস এর রেজাল্ট বেরোনোর কথা আছে। বিদেশে বেস্ট আকট্রেসের নমিনেশনে আছে। তাছাড়া একটা সিনেমার কথা চলছে। ওয়েবের কথা চলছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভালোবাসার দিনে দর্শকদের 'আদর' উপহার পরিচালক সায়নের

বায়োস্কোপ টকিজ প্রেজেন্টস পরিচালক সায়ন বসু চৌধুরীর নতুন ছবি আদর। ক্লিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখা যাবে এই ছবিটি। এই ছবির সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল। ছবিতে অভিনয় করেছেন ডোনা সাহা, সুকন্যা বসু, পার্থ দত্ত প্রমুখ।আদর হল শোভন বলে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত একটি ছেলের গল্প। এই ছেলের জীবনে তার পুরনো এক বান্ধবীর (অর্পিতা) হটাত আবির্ভাব হয়। তার সৌজন্যে পুরনো সব স্মৃতি ধীরে ধীরে তার কাছে ফিরে আসে। এই ছবির বিষয়ে পরিচালক জনতার কথা কে জানিয়েছেন আদর ২০ মিনিটের একটা শর্ট ফিল্ম। পুরো শুটিংটাই কলকাতায় করেছি আমরা। ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন্স ডে তে ক্লিক ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আদর মুক্তি পেয়েছে। আমাদের পুরো টিম খুব ভালো।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

এবার সম্মানিত হবেন ক্যামেরার পিছনের মানুষরাও, আয়োজনে কলাকৃতী অ্যাওয়ার্ড

অনুষ্ঠিত হতে চলেছে কলাকৃতী অ্যাওয়ার্ড ২০২২। যেখানে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পাশাপাশি ক্যামেরার পিছনে থাকা মানুষদের সম্মান জানানো হবে। এরকম একটা সুন্দর ভাবনা যেটা সচরাচর অ্যাওয়ার্ড শো তে দেখা যায় না। এই ভাবনাকে সকলের সামনে তুলে ধরতে তার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন টলিউড অভিনেত্রী সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা, সুদীপ্তা ব্যানার্জি, প্রীতি বিশ্বাস সহ আরও অনেকে। এই অ্যাওয়ার্ডের মূল উদ্যোক্তা রিঙ্কি জানালেন, কোনও অ্যাওয়ার্ড শো বা ইভেন্ট করতে গেলে আগে স্টাডি করতে হয়। স্টাডি না করলে সেটা করা সম্ভব হয় না। যারা ক্যামেরার পিছনে থাকেন তাদের সংবর্ধিত করলে কাজের উৎসাহটা আরও বেড়ে যাবে। তাই এরকম অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান করার ভাবনা নিয়েছি।টলিউড ও বাংলাদেশ দুটোকে অ্যাটাচ করা হয়েছে। ক্যামেরার পিছনের মানুষদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে। এরকম একটা অ্যাওয়ার্ড পেলে কাজের ইচ্ছে শতগুণ বেড়ে যায়। অ্যাওয়ার্ড সেরিমনি মানেই একটা স্পেশাল ফিল করায়।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিয়ের ১০ বছর কাটালেন পায়েল-দ্বৈপায়ন

বিয়ের পর ১০টা বছর একসঙ্গে কাটিয়ে দিলেন অভিনেতা দ্বৈপায়ন দাস ও অভিনেত্রী পায়েল দে। সেই আনন্দ সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন পায়েল। দ্বৈপায়নের সঙ্গে বেশ কিছু ছবি পোস্ট করে তিনি ক্যাপশনে লিখেছেন, শুভ ১০ ..শুভ হোক প্রতিদিন ...আসো আমরা একসঙ্গে এইভাবে সময়টা যেন কাটাতে পারি। ...হাসতে থাকো..অনেক ভালোবাসি তোমাকে... খুব শুভ বিবাহ বার্ষিকী . এই পোস্টে অনেকেই ভালোবাসার কমেন্টে ভরিয়ে দিয়েছেন। সঙ্গীতশিল্পী মনস্বিতা ঠাকুর কমেন্ট করে লিখেছেন, দুজনকেই শুভ বিবাহবার্ষিকী। অভিনেতা দেব চ্যাটারজি লিখেছেন, শুভ বিবাহবার্ষিকী , খুব খুব ভালো থেকো তোমরা আজীবন। অনেক শুভেচ্ছা, ভালোবাসা। এছাড়া বিশেষ দিনে তিনি আরও অনেক ভালোবাসা পেয়েছেন। চৈতালি দাশগুপ্ত কমেন্টে লিখেছেন, অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালবাসা নিস্পায়ল-গোগোল।বর্তমানে কালারস বাংলায় সোনা রোদের গান ধারাবাহিকে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন পায়েল। তাঁর বিপরীতে রয়েছেন সৌম্য ব্যানারজি। প্রতিদিন রাত ৮টায় এই ধারাবাহিকটি টেলিকাস্ট করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নতুন রিয়্যালিটি শো এর বিচারক জিৎ?

করোনার ফলে অভিনয় জগতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। বেশ কয়েকমাস সিনেমা হল বন্ধ থাকায় ওটিটি প্ল্যাটফর্মের গুরুত্ব অনেকটা বেড়েছে। পাশাপাশি ছোটপর্দা সিরিয়াল থেকে রিয়্যালিটি শো এর বাজারও এখন বেশ ভালো। টলিউডে দেব, জিৎ, আবীর চট্টোপাধ্যায়ের মতো তারকাদের রিয়্যালিটি শো এর বিচারক হিসাবে দেখা গেছে। এবার নতুন একটি রিয়্যালিটি শো এর বিচারক হিসাবে দেখা যাবে জিৎ কে। কদিন আগে ড্যান্স বাংলা ড্যান্স এর বিচারক ছিলেন তিনি। এবার যে নন-ফিকশন শো-টি করতে চলেছেন সেটি রোম্যান্স কেন্দ্রিক এবং সম্পূর্ণ অন্য ধরনের বলেই শোনা যাচ্ছে। শো টা স্টার জলসা তে দেখানো হবে বলে জানা গেছে। তবে এই বিষয়ে চ্যানেল কর্তৃপক্ষ এখনও কিছু জানায়নি। এদিকে অভিনেতা জিৎ-র শেষ সিনেমা বাজি মুক্তি পেয়েছিল গত বছর পুজোতে। আগামী ঈদে মুক্তি পাচ্ছে তাঁর অভিনীত ছবি রাবণ। এছাড়া জিৎ-র প্রযোজনা সংস্থা থেকে প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায় অভিনীত ছবি আয় খুকু আয়আয় খুকু আয় মুক্তি পাবে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গাঁটছড়া বাঁধলেন মৌনী-সূরজ

শহর জুড়ে যেন প্রেমেরই মরশুম। অনুপম রায়ের এই গানের লাইনটা বর্তমান সময়ের সঙ্গে অনেকটাই মিলে যাচ্ছে। তবে এখন প্রেমের মরশুমের পরিবর্তে বলা চলে শহর জুড়ে যেন বিয়ের মরশুম। টলিউড থেকে বলিউড অনেক তারকারই চার হাত এক হচ্ছে। সেই তালিকায় জুড়ল এবার বলিউড অভিনেত্রী মৌনী রায়ের নাম। পাত্র সূরজ নাম্বিয়ার। বরের পরিবারের নিয়ম মেনে মালয়ালী রীতিতে বিয়ে করলেন বাঙালি কন্যা। গোয়ায় সাতপাক ঘুরলেন দুজনে। সাদা চাদোয়া এবং সাদা ফুল দিয়ে সাজানো হয়েছিল বিয়ের মণ্ডপ। লাল এবং সাদা শাড়িতে সেজেছেন মৌনী। দক্ষিণী রীতিতে বিয়ে হলেও বেনারসি পরেছেন কোচবিহারের মেয়ে। মাথায়, গলায়, হাতে সোনার গয়নায় উজ্জ্বল মৌনী। ঘিয়ে রঙা শেরওয়ানি এবং সাদা মুন্ডতে দেখা গেল সূরজকে। মালাবদল করার পরে একে অপরকে জড়িয়ে ধরলেন নবদম্পতি। দুজনের হলদি আর মেহেন্দির অনুষ্ঠান হয়েছিল বুধবার। মালয়ালী মতে বিয়ে হলেও আজ সন্ধ্যের লগ্নে বাঙালি মতে বিয়ে হওয়ার কথা রয়েছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

মুক্তি পেল 'বাবা বেবি ও'-র ট্রেলার

ব্রহ্মা জানে গোপ্ন কম্মটি তে পরিচালক হিসাবে অভিষেক হয়েছিল অরিত্র মুখোপাধ্যায়ের। এবার নতুন একটি গল্প বাবা বেবি ও সিনেমার মাধ্যমে দর্শকদের উপহার দিতে চলেছেন তিনি।চল্লিশোর্ধ সিঙ্গেল ফাদার মেঘ রোদ্দুরের গল্প বলবেন পরিচালক। সারোগেসির মাধ্যমে যমজ সন্তানের বাবা হওয়া মেঘ রোদ্দুরের জীবন বদলে দেয় বৃষ্টি।এই ছবিতে মেঘ রোদ্দুরের ভূমিকায় রয়েছেন যিশু সেনগুপ্ত আর বৃষ্টির ভূমিকায় দেখা যাবে শোলাঙ্কি রায় কে। শিবপ্রসাদ-নন্দিতা প্রযোজিত এই ছবির মাধ্যমে টলিপাড়া পেতে চলেছে আরও এক নতুন জুটি। তাদের মিষ্টি মধুর প্রেমের উপাখ্যানের ঝলক মুগ্ধ করেছে দর্শক।রবিবার মুক্তি পেল বাবা বেবি ও-র ট্রেলার। সেখানে দেখা যাচ্ছে সারোগেসির মাধ্যমে মেঘ রোদ্দুর বাবা হলেও জীবনে ঝক্কি কম নয়। ঠিক এই সময়েই তাঁর জীবনে বৃষ্টির আগমন হয়। এরকম একটা মুহূর্তে মেঘের বন্ধু সৌভিকের আগমন। যে চরিত্রে অভিনয় করছেন গৌরব চট্টোপাধ্যায়। বৃষ্টি জানায় বাচ্চার কান্নার আওয়াজ তাঁর মাথা ধরিয়ে দেয়। এইভাবেই এগিয়েছে গল্পটা।ট্রেলারে এরকমই দেখানো হয়েছে। আগামী ৪ এপ্রিল হলে এই পারিবারিক বিনোদনমূলক ছবিটি দর্শকরা দেখতে পাবেন। এই ছবিতে অন্যান্য অভিনেতাদের মধ্যে রয়েছেন মৈনাক ব্যানার্জী, বিদীপ্তা চক্রবর্তী, রজত গাঙ্গুলি, রেশমি সেন প্রমুখ।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

১ লা এপ্রিল বড়পর্দায় 'আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা'

দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। এই বছর ১ এপ্রিল বড়পর্দায় দর্শকরা আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখতে পাবেন। রাজর্ষি দের পরিচালনায় এই ছবিতে অভিনয় করেছেন গৌরব চক্রবর্তী, তনুশ্রী চক্রবর্তী, রূপঙ্কর বাগচী, কৌশিক সেন, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় সহ আরো অনেক তারকা। সত্যজিৎ রায়ের কাঞ্চনজঙ্ঘার স্মরণে এই ছবি। তবে এটি কোনো সিক্যুয়াল নয়।যৌথ পরিবারের মামা-মামী, দাদু-দিদা, ভাই-বোনদের নিয়ে ভরা সংসার। অ্যাডভোকেট নিশীথ দেবের বড় ছেলে ত্রিদিব, তিন ভাই সুদেব, দেবেশ, রোহিত ও বোন সেমন্তী তাঁদের দার্জিলিং-এর পৈতৃক বাড়ি অভিলাষে ছুটি কাটাতে আসে। এই বাড়ি দেখাশোনার দায়িত্ব রয়েছেন জগদীশ তামাং ও তাঁর মেয়ে সুরিটা। একটা পরিবারের ভাই-বোনেদের রিইউনিয়ন। সবাই মিলে তাঁরা বেড়াতে গিয়েছেন দার্জিলিঙে। বেড়াতে গিয়েই সম্পর্কের জট খুলবে। সম্পর্কের ঘূর্ণিপাকে তরতরিয়ে এগোবে ছবির গল্প। একটা বড়দিনের ছুটি কী মেটাতে পারবে সব পারিবারিক সমস্যা? আবার কাঞ্চনজঙ্ঘা সব সমস্যার উত্তর দেবে।এই ছবির চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন রাজর্ষি দে। চিত্রনাট্য ও সংলাপ পদ্মনাভ দাশগুপ্তর। প্রযোজনা করেছেন শিল্পী এ পাণ্ডে ও আকর্ষণ কে পাণ্ডে।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Kasturi Chakraborty : সাত পাকে বাঁধা পড়ছেন অভিনেত্রী কস্তুরী চক্রবর্তী

বিয়েটা সেরে ফেলছেন টলিউড অভিনেত্রী কস্তুরী চক্রবর্তী। পাঠভবনের তার দীর্ঘদিনের বন্ধু সৌভিক সান্যালের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেন কস্তুরী। রবিবার ২ জানুয়ারি ছিল কস্তুরীর জন্মদিন। বিশেষ দিনেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সুখবরটা ভাগ করে নেন তিনি।এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনটি ছবি পোস্ট করেন কস্তুরী। ক্যাপশনে লেখেন,বিষয়টা সংক্ষিপ্ত, স্বপ্নটা বিস্তীর্ণ......আমরা বিয়ে করছি। জন্মদিনের থেকে বেশী আনন্দের দিন আর পেলাম না খবরটা পোস্টাবার... শুভেচ্ছা আর ভালবাসাগুলো বহুগুনে বর্ষিত হোক। পোস্টের শেষে একটা ভালোবাসার চিহ্ন রেখে গেছেন।বলিউডের মতো টলিউডেও বিয়ের খবর পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি বিয়ে করেছেন মেখলা দাশগুপ্ত ও তৃষা চ্যাটার্জি। এবার সুখবর জানালেন অভিনেত্রী কস্তুরী চক্রবর্তী।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Ambarish : নতুন ধারাবাহিকে অম্বরিশ

খড়কুটো ধারাবাহিকে পটকা-র চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের পছন্দের অভিনেতা হয়ে উঠেছেন অম্বরীশ ভট্টাচার্য।ছোটপর্দার পাশাপাশি সিনেমাতেও সমান দক্ষতা দেখিয়েছেন তিনি।তবে ছোটপর্দার জনপ্রিয় এই অভিনেতাকে খুব তাড়াতাড়ি ছোটপর্দার আরও একটি প্রোজেক্টে দেখতে পাবেন দর্শকরা।স্টার জলসায় শুরু হতে চলেছে ম্যাজিক মোমেন্টস প্রযোজিত নতুন ধারাবাহিক আলতা-ফড়িং। কাহিনী ও চিত্রনাট্যের দায়িত্বে রয়েছেন লীনা গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর চিত্রনাট্যে রচিত ধারাবাহিক শ্রীময়ী-তে শ্রীময়ীর ভাইয়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন অম্বরীশ। খড়কুটো-র পটকাও লীনার সৃষ্টি। এবার আলতা-ফড়িং-এ লীনারই সৃষ্ট আরও একটি চরিত্রে অভিনয় করতে চলেছেন অম্বরীশ। চলতি বছরের আট থেকে দশ জানুয়ারির মধ্যেই শুরু হবে শুটিং। আলতা-ফড়িং পরিচালনা করছেন শৈবাল গঙ্গোপাধ্যায়। শোনা যাচ্ছে, এই ধারাবাহিকে একদম নতুন ধরনের চরিত্রে দেখা যেতে চলেছে অম্বরীশকে। তবে চরিত্রটি সম্পর্কে মুখে কুলুপ এঁটেছেন তিনি।

জানুয়ারি ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Good Bye 2001: শেষ বেলার চিঠি, ২০২১ কে হাসি কান্নায় বিদায় জানালেন শ্রীলেখা

সময় ও স্রোত কারুর জন্য অপেক্ষা করে থাকেনা। বয়ে চলে নিজের ছন্দে। ছন্দপতন হওয়ার কোনও সুযোগ-ই তারা দেয়না। বর্তমান শব্দটা খুব আপেক্ষিক, টাইম-ফ্রেম-এ কোনোভাবেই-ই তাকে ধরা যায় না। মুহুর্তে সে অতীত হয়ে যায়। করোনা-র চোখ-রাঙ্গানী দিয়ে শুরু হয়ে ২০২১-র আজ শেষ দিন। বর্তমান-এর অস্বিত্ত্ব খুঁজতে খুঁজতেই ৩৬৪টা দিন শেষ! আমাদের প্রত্যেক-র জীবন থেকেই গোটা একটা বছর ডিলিট হয়ে গেলো। পিছন ফিরে সেই চলে যাওয়া ২০২১ কে সুখ-দুঃখের অনুভুতি মেশানো পত্র দিয়ে বিদায় জানালেন টলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra)। বছরের শেষ দিনের আগেই তা পোস্ট করলেন সামাজিক মাধ্যমে।চিঠিতে অভিনেত্রী লিখেছেনঃপ্রিয় ২০২১,আপনার চলে যাবার একদিন আগেই আপনাকে বিদায় জানাচ্ছি কারণ... কাল-এর কথা কাল-ই জানে। তুমি আমার বাবাকে তাঁর রাজকুমারীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে অনাথ করেছ, হ্যাঁ তাই, ক্ষমা-তো তোমাকে আমি করতেই পারবো না! তুমি ক্ষমার পাত্র-ও নও। আবার সেই তুমি-ই আমার শিল্পসত্তা কে যে জায়গায় প্রতিষ্টিত করেছ, ভাবিনি কোনওদিন আমি নিজেকে সেখানে দেখতে পাবো! তুমি আমাকে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসা পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছো, হ্যাঁ, অবশ্যই ভেনিস চলচিত্র উৎসবের কথাই বলছি। যখন আমার আশেপাশের লোকজন আমার খামতি খুঁজে বেরিয়েছে (দেখুন আমি কিন্তু কিচ্ছু ভুলিনি)।তাই আজ আমার চোখে অশ্রু, অবয়বে এক বিষণ্ণতার ভাঁজ (কেউ কেউ বলে নাকি যে এটাই আমার সেরা অভিব্যাক্তি)। আমি বলি কে সেরা সেরা...... সোচনা কেয়া জো ভি হোগা দেখা যায়েগা এইটুকুই থাক.....চিঠিটা এখানেই শেষ করেছেন শ্রীলেখা। অনেক কিছুই ফিরিয়ে দেওয়ার আছে, এই ইঙ্গিত-ই কি দিলেন শ্রীলেখা? জীবন থেমে থাকেনা, সে তার নিজের গতিতেই বয়ে চলে, আমাদের শুধু মরুতীর্থ হিংলাজ যাত্রার মত পথের ক্লান্তি ভুলে স্নেহ ভরা কোলে তব- মাগো, বলো কবে শীতল হবো-কত দূর আর কত দূর বল মা গেয়ে যেতে হবে। কোভিড-১৯, ডেল্টা, ওমিক্রন আরও কত চোখরাঙ্গানী দেখতে হবে। তারই ফাঁক দিয়ে জীবন নামক বল টাকে গোলের দিকে নিয়ে যেতে হবে। কেউ পৌছাবে কেউ থেমে যাবে......সামাজিক মাধ্যমে অসম্ভব জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী সদাসর্বদা তাঁর সুখ-দুঃখ সকলের সাথে ভাগ করে নেন। ছায়াছবি-র মানুষ-জন যে শুধুই ছায়া বা ভিন গ্রহের এই ধারনা তিনি অনেকটাই ভেঙ্গে দিয়েছেন। তারাও আনন্দে হাসেন, দুঃখে কাঁদেন, ক্ষিদে পেলে খান। তার এই খোলা চিঠি এই বার্তা-ই দেই যে, কোন পরিস্থিতিতে-ই ভেঙ্গে পোড়না, ভালো সময় তোমাই দেখছে। কবির ভাষায় মেঘ দেখে কেউ করিস নে ভয় / আড়ালে তার সূর্য হাসে।প্রখ্যাত অভিনেতা সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্যায় শ্রীলেখা-র এই সামাজিক মাধ্যমে-র পোস্ট এ লিখেছেন দেখা হবে নতুন গানের ভোরে, খুব-ই প্রাসঙ্গিক। কেটে যাক এই আস্থিরতা, নতুন বছরে এক নতুন সুর্য উঠুক।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Anxious Sreelekha: পিতৃ বিরহে ব্যকুল শ্রীলেখা

পিতা স্বর্গ পিতা ধর্ম: পিত্য হি পরমং তপ: পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতা।স্লোকটির সরলার্থ: পিতা স্বর্গ, পিতা ধর্ম, পিতা-ই শ্রেষ্ট তপস্যা। পিতা সন্তুষ্ট হলে দেবতারাও সন্তুষ্ট হন। মাত্র কয়েকমাস আগেই শ্রীলেখার বাবা গত হয়েছেন। কিন্তু তাঁর অস্ত্বিত্ব কিছুতেই তিনি ভুলতে পারছেন না। তাঁর সামাজীক মাধ্যমে পোস্ট-এ বাবার প্রতি যে আকুতি ফুটে উঠছে তা থেকে মনে হচ্ছে তিনি ভুলতেও চাইছেন না। কেন-ই বা চাইবেন / পারবেন? তাঁর জীবনের অনেকটা জুড়েই আছেন তাঁর বাবা। তিনি বাবাকে আজও সকালবেলা চা খেতে দেন, তাঁর বিশ্বাস তিনি অর্থাৎ শ্রীর বাবা তাঁর এই নিবেদন গ্রহণ করবেন। যেন হটাৎ কবিরের মত জলদগম্ভীর গলায় গেয়ে উঠবেন এক কাপ চায়ে আমি তোমাকে চায়। তাঁর বিভিন্ন বক্তব্য থেকে বোঝা যায় তাঁর এই ধৃঢ়চেতা মানসিকতা-র অনেকটাই তিনি তাঁর বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন।আরও পড়ুনঃ মেয়ের জন্মদিনে স্মৃতিতে ভাসলেন শ্রীলেখাতিনি সামাজিক মাধ্যমে বাবার ছবি পোস্ট করে লিখেছেন ঠাকুরের সিংহাসনের ওপরে টাঙ্গিয়েছি, এটা পড়ে হয়ত নেটিজেনরা বলতেই পারেন ভগবানের ওপরে? হিন্দু ধর্মের ভাবাবেগকে আঘাত করতেই তিনি একথা লিখেছেন। হ্যাঁ তিনি শ্রীলেখা! বাঁধাগতের জীবনের ধরাছোঁয়ার বাইরে গিয়ে যিনি টালিগঞ্জের কোনো এক ভাগ্যনিয়ন্তা অভিনেতার বিরুদ্ধে বলতে পারেন ... প্রেমপ্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় তিনি বাংলা ছবিতে নায়িকা চরিত্রে বঞ্চিত হন। সোজা কথাটা সোজা ভাবে অকপটে বলতে পারেন বলেই তিনি সামাজিক মাধ্যমে এত জনপ্রিয়।শ্রীলেখা কয়েকদিন আগেই সামাজিক মাধ্যমে লিখেছিলেন, তিনি কোনও ভাবে শুনেছেন বা জেনেছেন যে তাঁকে নিয়ে মেকআপ-রুমে চর্চা হচ্ছিলো তিনি কেনও তাঁর সব বিষয় সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন আর মিডিয়াই বা কেনও সেই জিনিস নিয়ে খবর করেন? তিনি সামাজিক মাধ্যমে অনুরোধ করেছেন মিডিয়ার লোকজন যেনও বাকিদের নিয়েও লেখেন। তাঁর সরল যুক্তি আমি কি করছি কি লিখছি এত দেখার কি আছে বুঝিনা বাপু, আমি রিল থেকে রিয়েল মানুষের সাথে কানেক্ট করি, ... বুঝে নিন, বাকিটা ব্যাক্তিগত। আসলে আম জনতার কৌতুহল এখন শুধুমাত্র কোনও এক অভিনেতা বা অভিনেত্রী-র অভিনয়-এই সীমাবদ্ধ নেই এই মিডিয়ার যুগে। তাঁরা ভয়ঙ্কর উৎসুক তাঁদের স্বমন্ধে আরও অনেক কিছু জানতে। তাঁরা কি খায়, কি পড়ে, কি প্রসাধন ব্যবহার করে আরও আরও অনেক কিছু... শ্রীলেখার ভাষায় বাকিটা ব্যাক্তিগত। সাধারণ মানুষের তাদের-ই কানেক্ট করতে পারে, যারা তাঁদের কানেক্ট করে। শ্রী সেটা পাড়েন।আরও পড়ুনঃ জনতার কথার মুখোমুখি অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠাশ্রীলেখা তাঁর প্রথম জীবনে তাজ হোটেলে যখন কর্মরত, চিত্র-পরিচালক দুলাল লাহিড়ী তখন বাংলা ধারাবাহিক বালিকার প্রেম এ একটি চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন তাকে। আরও অনেক বাংলা সিরিয়ালে অভিনয় করার পর, ১৯৯৮ এ বাসু চ্যাটার্জীর হঠাৎ বৃষ্টি তে তিনি অভিনয়ের সুযোগ পান। এই ছবির সাফল্য তাঁকে বাংলা ছবির দর্শকের হেঁসেলে পৌছে দেয়। আর ২০০৩-এ আমীরের সাথে ঠান্ডা পানীয়-র বিজ্ঞাপন এ মেরে প্যারি বিন্দু... তাঁকে জাতীয় পরিচিত দিয়ে দেয়। চিত্র জগতের অনেকের-ই মত তাঁর সরল সোজাসাপটা আকপট আপসহীন আচরণ হয়ত তাঁকে যোগ্যতা অনুযায়ী টলিউড সেই ভাবে মূল্যায়ন করেনি। তিনি কোনও অন্যায়ের-ই সাথেই কোনও ভাবে আপস করেন নি। তাঁর অপসহীন লড়াই আজও চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০২১ বিধানসভা বিধানসভা ভোটের আগে ভরাকোটালের মত টলিউডি অভিনেত্রী/অভিনেতারা যখন ফুলবদল করে ফেললেন, তখনও শ্রীলেখা তাঁর আইডিওলোজি বদলাননি। তাঁর সপাট যুক্তি ছিলো মূল্যবোধ কেনা যায় না।আরও পড়ুনঃ ডেটিং শো তে বর্তমান প্রজন্মের কথা বলবে উরিবাবাসত্যিই তাই, সেই মূল্যবোধ কে আঁকড়ে ধরেই তিনি দেবতার উর্ধাসনে পিতা কে বসাতে পাড়েন। কোভিড আক্রান্তদের জন্য অক্সিজেন জোগাড় করতে পারেন, রাস্তার সারমেয় দের পুত্র স্নেহ দিতে পারেন, এর জন্য তাঁকে কোনও এনজিও সাহায্য নিতে হয় না। সেই সারমেয়দের জন্য তাঁকে আবাসনে অপমানিত লাঞ্ছিত অবধি হতে হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার না করলে কি সাধারণ মানুষ এসব জানতে পাড়তেন? না, শ্রী-র তথাকথিত শুভাকাঙ্খি সহকর্মী রা পিএনপিসি (পর নিন্দা পর চর্চা) করার সুযোগ পেতেন? শ্রীলেখা আপনি গলা খুলে গাইতেই পাড়েন আমাকে আমার মত থাকতে দাও...... বা আমার যেমন বেনী তেমনি রবে চুল ভেজাবো না......আরও পড়ুনঃ আমি তখন অষ্টাদশীর ছোঁওয়ায়, টিউশন শেষ করে বাড়ি ঢুকছেন শ্রীলেখা!

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Dil Se : দিলসের সঙ্গে জুন মালিয়া

দিলসে এবং এক প্যাকেট উমিদ এর সহযোগিতায় একজন তরুণ ভারতীয়র উদ্যোগে তাদের পণ্যের প্রচার যাতে ভালোভাবে হয় সেই দিকটা মাথায় রেখে এনজিওগুলির জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। যে প্ল্যাটফর্ম সকলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।খোয়াবনকেপারিন্দে একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম যা কিছু এনজিও ও কারিগরদের সম্মিলিত কাজ নিয়ে আসে। তাদের স্টেকহোল্ডারদের কাছে পৌঁছানোর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেয়। এই দিলসে ও খোয়াবনকেপারিন্দের যৌথ উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পিছিয়ে পরা ছেলে-মেয়েদের পাশে দাঁড়ালো। এই উপলখ্যে তারা একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এখানে উপস্থিত ছিলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জুন মালিয়া।এই উদ্যোগে সামিল হতে পেরে তিনি খুশি। জুন মালিয়া এদিন দিল সে-র বিভিন্ন আইটেম ঘুরে দেখেন এবং জানান সবকিছুর মধ্যেই একটা বিশেষত্ব রয়েছে। বর্তমান সময়ে এরকম উদ্যোগ সত্যিই খুব ভালো বলে জানান জুন মালিয়া। তাদের আগামী কাজগুলোর জন্য অনেক শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন এই টলি অভিনেত্রী।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sreelekha : বিয়ের ছবি পোস্ট করে স্মৃতির পাতা ওল্টালেন শ্রীলেখা

টলিউডের অন্যান্য অভিনেত্রীদের থেকে শ্রীলেখা মিত্র একটু আলাদা টাইপের। সহজ কথা সহজভাবে বলতে পছন্দ করেন তিনি। তার জন্য অনেকবার ট্রোলড হতে হয়েছে তাকে। কিন্তু সেইসব ট্রোলিংকে পরোয়া করেন না তিনি।২০ নভেম্বর তারিখটি শ্রীলেখা মিত্রর জীবনে একটা বিশেষ দিন হয়ে রয়েছে। ১৮ বছর আগে শিলাদিত্য সান্যালের সঙ্গে চার হাত এক হয় তার। শনিবার ছিল সেই বিশেষ দিন। তবে এই দিনটি তার কাছে আর বিশেষ অর্থ বহন করে আনে না। কারণ ২০১৩ সালে এই দিনেই দুজনের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তার ওপর তার বাবার জন্মদিনও ২০ নভেম্বর। সদ্যই বাবাকে হারিয়েছেন শ্রীলেখা। তাই তার খুব মনখারাপ। সেই কথাই সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি। কনের সাজে একটা ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন,কিছু কিছু দিন জীবনে এমন দাগ কেটে যায় বা এমন ক্ষত দিয়ে যায়, যা চিরতরে থেকে যায়। একইসঙ্গে সেই ক্ষত তা যন্ত্রণার আবার ভালোলাগারও। ২০০৩ সালের এমনই এক ২০ নভেম্বর বিয়ে করেছিলাম। আর এই ২০ নভেম্বরই আমার বাবার জন্মদিন। দুটো দিনই আজ আমার জীবনে অতীত। বিয়েও অতীত হয়েছে আর বাবাও ছেড়ে চলে গিয়েছে। আমি শুধু স্মৃতির পাতা ওল্টাচ্ছি।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে শ্রীলেখার বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ার পর অভিনেত্রী এখন তার মেয়ে ঐশীর সঙ্গে থাকেন। তবে প্রাক্তন স্বামীর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছেন।

নভেম্বর ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Chumki Chowdhury : বিশ্বাস করি ভালো গল্প হলে দর্শক অবশ্যই হলে যাবেঃ চুমকি চৌধুরী

কুলপি ছবির মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর বাংলা সিনেমায় দেখা যাবে একসময়ের সাড়া জাগানো অভিনেত্রী চুমকি চৌধুরী। সিনেমার আড্ডায় জনতার কথার মুখোমুখি চুমকি চৌধুরী। জনতার কথাঃ এতদিন পর আপনাকে ছবিতে দেখে কেমন?চুমকি চৌধুরীঃ হয়তো মুভিতে এতদিন পর। তবে প্যান্ডামিকের আগে আমি কয়েকটা সিরিয়াল করেছি।প্যান্ডামিকের পরেও করছি। জনতার কথাঃ সিরিয়াল তো করেছেন। কিন্তু মুভিতে এতদিন পর। চুমকি চৌধুরী মানেই তো মুভি। চুমকি চৌধুরীঃ একদম। সেইজন্যই তো। খুবই ভালো লাগছে। আগে এতবছর কাজ করেছি। তারপর ফিরে আসা। আসলে আমি কাজ করছিলাম না কারণ বাবা চলে যাওয়ার পর একদম কাজ করতে ভালো লাগত না। আসেনি। আমি বলেছিলাম আর ইন্ডাস্ট্রিতে ঢুকবো না। যার হাত ধরে ঢোকা সে যখন চলে গেছে আমার পৃথিবীটাই চেঞ্জ হয়ে গেছে। তাই আমি আর অভিনয় করবো না। কোথাও যাব না। নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলাম।জনতার কথাঃ এই ছবির চরিত্রের ব্যাপারে সংক্ষেপে বলবেন। চুমকি চৌধুরীঃ এই ছবির চরিত্র নিয়ে যখন বর্ষালি আমার কাছে আসে আমি না করে দিয়েছিলাম। আমি এই ছবি করবোনা। আমি নেগেটিভ চরিত্র করিনি। আর দর্শকও আমাকে নেগেটিভ চরিত্রে গ্রহণ করবেনা। কিন্তু ও বললো একটা আর্টিস্ট তো সব ধরণের চরিত্র করে। তুমি এতদিন করোনি। করোনা। আমি বললাম আমার নিজের ওপর ভরসা নেই। পজিটিভ ও নেগেটিভ ক্যারেক্টারের মধ্যে একটু তো আলাদা হবে। ও বলল না তুমি করো। এবার দর্শক বলবে। রণি দাও খুব হেল্প করেছে। সবাই খুব হেল্প করেছে।জনতার কথাঃ এতদিন পর সিনেমা করছেন। বাংলা সিনেমায় কি কি চেঞ্জেস দেখেছেন?চুমকি চৌধুরীঃ এই যে অনেকে বলে অনেক চেঞ্জ হয়ে গেছে। সত্যি কথা বলতে কি আমার ওরকম মনে হয়নি। তবে বিশ্বাস করি ভালো গল্প হলে দর্শক অবশ্যই হলে যাবে। এটা আমার বিশ্বাস।

নভেম্বর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Prarona : নিজের নাম বদলে কৃতী রাখলেন প্রেরণা

স্টার জলসার নতুন ধারাবাহিক খুকুমণি হোম ডেলিভারি। স্টার জলসায় প্রতিদিন অর্থাৎ সোম থেকে রবিবার পর্যন্ত দর্শকরা এই ধারাবাহিক দেখতে পাবেন। খুকুমণি হোম ডেলিভারি তে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন রাহুল মজুমদার ও দীপান্বিতা রক্ষিত।এই ধারাবাহিকের মাধ্যমে অনেকদিন পর ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করছেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রেরণা ভট্টাচার্য। তার চরিত্রের নাম কৃতী। অনেকদিন পর ভিলেনের চরিত্র করছেন। যা নিয়ে প্রেরণা বেশ এক্সাইটেড। জনতার কথা কে ফোনে তার চরিত্রর বিষয়ে বলতে গিয়ে জানান,দীর্ঘ বছর পর আবার নেগেটিভ চরিত্র করছি। আমার নেগেটিভ চরিত্র করতে ভীষণ ভালো লাগে। যারা অভিনয়টা ভালোবাসে সবাই তো ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে পছন্দ করে। আমি সেক্ষেত্রে লাকি। আমার ১২-১৩ বছরের কেরিয়ারে পজিটিভ,নেগেটিভ দুধরণের চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পেয়েছি। স্নেহাশিস দা কে অনেক ধন্যবাদ দাদা আমাকে আবার ব্লুসে সুযোগ দিয়েছে। আমি দীর্ঘ বছর পর ব্লুজ জয়েন করেছি। আমি খুব লাকি মনে করছি নিজে।তিনি আরও জানান,আমার চরিত্রের নাম কৃতী। আমি হচ্ছি যে হিরো তার বৌদি। ভীষণ অন্যরকম লুক। আমি চরিত্র নিয়ে ভাবছি। অন্যরকম অভিনয় করার চেষ্টা করছি। আমি ওগো নিরুপমা, রাসমণী তে যতটা ভালোবাসা পেয়েছিলাম ততটা ভালোবাসাই পাবো।

নভেম্বর ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চলন্ত ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে ধোঁয়া-আগুন, বর্ধমানে ২০ মিনিট থমকাল ট্রেন; অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়াল রেল

ইঞ্জিনের পরের কামরার নীচে ব্রেক বাইন্ডিং থেকে আগুন, খানা-তালিতের মাঝে দাঁড় করিয়ে দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনলেন রেলকর্মীরা; নিরাপদে রওনা দিল হাওড়ার উদ্দেশেধানবাদ থেকে হাওড়াগামী ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেসে চলন্ত অবস্থায় আচমকাই ধোঁয়া ও আগুন দেখা দেওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ল যাত্রীদের মধ্যে। পূর্ব বর্ধমানের খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটে এই ঘটনা। দ্রুত ট্রেন থামিয়ে রেলকর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ থাকার পর প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ট্রেনটি আবার হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। এই ঘটনায় কোনও যাত্রী আহত হননি বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে।রেল সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ থেকে নির্ধারিত সময়েই ২২৩৮৭ ডাউন ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। যাত্রীদের একাংশের দাবি, পানাগড় পার হওয়ার পর থেকেই ট্রেনে যান্ত্রিক সমস্যার কিছু লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবে পরিস্থিতি যে এতটা গুরুতর হতে পারে, তা কেউ বুঝতে পারেননি।ট্রেনটি পূর্ব বর্ধমানের দিকে এগোতে থাকলে ইঞ্জিনের ঠিক পরের কামরার নীচ থেকে প্রথমে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই ধোঁয়ার সঙ্গে আগুনের শিখাও দেখা যায়। বিষয়টি নজরে আসতেই ট্রেনের কর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার উদ্যোগ নেন এবং রাত প্রায় ৭টা ৪৫ মিনিট নাগাদ খানা জংশন ও তালিত স্টেশনের মাঝামাঝি এলাকায় ট্রেনটি জরুরি ভিত্তিতে থামিয়ে দেওয়া হয়।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলের প্রযুক্তিগত কর্মী ও আধিকারিকরা। অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ব্যবহার করে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এরপর সংশ্লিষ্ট কামরার ব্রেক ব্যবস্থা এবং অন্যান্য যান্ত্রিক অংশ খতিয়ে দেখা হয়। সমস্ত দিক পরীক্ষা করে ট্রেনটিকে নিরাপদ ঘোষণা করার পর রাত প্রায় ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ পুনরায় হাওড়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে ব্ল্যাক ডায়মন্ড এক্সপ্রেস।পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, ইঞ্জিনের পরের কামরায় ব্রেক বাইন্ডিং-এর কারণে অতিরিক্ত ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়েছিল। সেই ঘর্ষণ থেকেই ধোঁয়া ও আগুনের সৃষ্টি হয়। তিনি জানান, রেলকর্মীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান করায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।ঘটনার সময় ওই কামরায় বহু যাত্রী উপস্থিত ছিলেন। ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গেই আতঙ্কিত যাত্রীরা দ্রুত নেমে নিরাপদ দূরত্বে চলে যান। মুহূর্তের মধ্যে অন্যান্য কামরাতেও খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকেই উদ্বেগে বাইরে নেমে আসেন। যদিও রেলকর্মীদের তৎপরতায় পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে যায়।ধানবাদ থেকে ট্রেনে ওঠা এক যাত্রী জানান, আসানসোলের কিছু আগে থেকেই ট্রেনে একটা অস্বাভাবিক শব্দ হচ্ছিল। পরে তালিতের কাছে এসে দেখি কামরার নীচ থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে, তারপর আগুনও দেখা যায়। তখন স্বাভাবিকভাবেই সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল।এইদিনের ব্ল্যাক ডাইমন্ডের যাত্রীরা জানান, হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখে আমরা খুব ভয় পেয়ে যাই। ট্রেন দাঁড়াতেই নেমে পড়ি। পরে রেলকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসে।এই ঘটনার জেরে ধানবাদ-হাওড়া রেলপথে কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। রেলের তৎপরতায় কোনও প্রাণহানি বা বড়সড় দুর্ঘটনা না ঘটায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন যাত্রীদের পাশাপাশি রেল কর্তৃপক্ষও। তবে চলন্ত ট্রেনে এমন যান্ত্রিক ত্রুটি সামনে আসায় রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

'বোতলবন্দী' পেনেল্টি রহস্য! পিকফোর্ডের ‘গোপন অস্ত্র’ মেসিদের হাতে! ইংল্যান্ড গোলকিপারের জলের বোতলে মিলল আর্জেন্টিনার সব পেনাল্টি শুটারের নোট

ছোটবেলায় পারস্যের রহস্য-রোমাঞ্চের গল্পে পড়া যেত রাজা-রানির প্রাণভোমরা নাকি বন্দি থাকত একটি বোতলে। সেই বোতল এমন গোপন স্থানে লুকিয়ে রাখা হতো, যাতে শত্রুরা কোনওভাবেই তার নাগাল না পায়। শতাব্দী পেরিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে যেন সেই বোতলবন্দি রহস্য-রই আধুনিক সংস্করণ দেখা গেল। তবে এখানে প্রাণভোমরা নয়, বোতলের গায়ে বন্দি ছিল ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের সবচেয়ে গোপন অস্ত্র আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য প্রতিটি পেনাল্টি শুটারের বিরুদ্ধে তৈরি করা বিস্তারিত পরিকল্পনা।বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে সম্ভাব্য টাইব্রেকারের কথা মাথায় রেখে নিজের জলের বোতলেই একটি চিট শিট সাঁটিয়ে রেখেছিলেন পিকফোর্ড। সেখানে লেখা ছিল আর্জেন্টিনার প্রতিটি সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারের অভ্যাস, কে কোন দিকে শট নিতে পারেন এবং কোন কৌশলে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।কিন্তু ভাগ্যের পরিহাস, ম্যাচ গড়ায়ইনি টাইব্রেকারে। নির্ধারিত সময়েই আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছে যায়। আর ম্যাচ শেষে সেই গোপন অস্ত্রই চলে আসে লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থদের হাতে।ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পিকফোর্ডের জলের বোতল হাতে নিয়ে মেসি ও একাধিক আর্জেন্টাইন ফুটবলার কৌতূহল নিয়ে সেটি পরীক্ষা করছেন। বোতলের গায়ে ইংরেজিতে লেখা ছিল বিভিন্ন ফুটবলারের পেনাল্টি নেওয়ার প্রবণতা এবং কোন দিকে ঝাঁপ দিলে বল আটকানোর সম্ভাবনা বেশি।ভাইরাল ছবিটিতে দেখা যায়, মেসির নামের পাশে লেখা Fake left, dive right, অর্থাৎ প্রথমে বাঁ দিকে যাওয়ার ভান করে পরে ডান দিকে ঝাঁপ দেওয়ার পরামর্শ। এনজো ফার্নান্দেজের ক্ষেত্রে লেখা ছিল Stand central, আর থিয়াগো আলমাদার জন্য উল্লেখ ছিল Feel on the day, অর্থাৎ ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ।যদিও এই পরিকল্পনা মাঠে বাস্তবায়নের সুযোগই পাননি পিকফোর্ড, তবু ম্যাচ শেষে তাঁর সেই বোতলবন্দি কৌশল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। আধুনিক ফুটবলে প্রতিপক্ষের প্রতিটি খেলোয়াড়ের অভ্যাস বিশ্লেষণ করে এমন তথ্যভান্ডার তৈরি করা এখন বড় দলগুলির নিয়মিত প্রস্তুতির অংশ। কিন্তু সেই গোপন নথি প্রতিপক্ষের হাতেই চলে যাওয়া নিঃসন্দেহে বিশ্বকাপের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত।এই প্রসঙ্গে বাংলা সাহিত্যের রসিক সম্রাট দাদাঠাকুর শরৎচন্দ্র পণ্ডিতর বিখ্যাত বোতল পুরাণ-এর কথা মনে পড়তেই পারে। সেখানে বোতলকে ঘিরে ছিল ব্যঙ্গ, হাস্যরস আর সমাজের নানা চরিত্রের কৌতুকপূর্ণ উপস্থাপনা। আর কাতারের পর ২০২৬ বিশ্বকাপেও যেন আর এক বোতল পুরাণ-এর জন্ম দিলেন জর্ডান পিকফোর্ড। পার্থক্য শুধু একটাই দাদাঠাকুরের বোতলে ছিল রসিকতার নেশা, আর পিকফোর্ডের বোতলে বন্দি ছিল ডেটা অ্যানালিটিক্স, কৌশল আর প্রতিপক্ষকে হারানোর স্বপ্ন!শেষ পর্যন্ত সেই বোতল পুরাণ-এর পরিণতিও কম মজার নয়। যে বোতল লুকিয়ে রাখার কথা ছিল ইংল্যান্ডের সবচেয়ে গোপন পরিকল্পনা, সেটিই ম্যাচ শেষে হাতে নিয়ে পড়ছেন লিওনেল মেসি ও তাঁর সতীর্থরা! যেন পারস্যের সেই প্রাণভোমরার বোতল শেষমেশ শত্রুর হাতেই ধরা পড়েছে। পার্থক্য শুধু এটুকুই এখানে রাজ্য হারায়নি ইংল্যান্ড, কিন্তু ফাইনালে ওঠার স্বপ্নটা যে সেই বোতলের সঙ্গেই বোতলবন্দি হয়ে রইল, তা বলাই যায়।এবার বিশ্বকাপের শিরোপার লড়াইয়ে আর্জেন্টিনার সামনে স্পেন। তবে সেমিফাইনালের এই বোতল রহস্য এবং বোতল পুরাণ ফুটবলপ্রেমীদের স্মৃতিতে বহুদিন রয়ে যাবে কারণ বিশ্বকাপে ট্রফির লড়াইয়ের পাশাপাশি, কখনও কখনও একটি সাধারণ জলের বোতলও হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে বড় গল্প।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজনীতি

২১ জুলাইয়ের আগে তৃণমূলে বড় ধাক্কা! কোয়েল মল্লিকের রাজ্যসভা ছাড়া, মণীশ গুপ্তর সরে দাঁড়ানো ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একের পর এক রাজনৈতিক জল্পনা তৈরি হচ্ছে। মদন মিত্রকে নিয়ে বিতর্কের আবহ এখনও পুরোপুরি কাটেনি, তার মধ্যেই রাজ্যসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন অভিনেত্রী তথা তৃণমূলের সাংসদ কোয়েল মল্লিক। একই সঙ্গে দলের গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মণীশ গুপ্ত। ফলে শাসক শিবিরে নতুন করে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগের পর কোয়েল মল্লিকের বিজেপির সর্বভারতীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সাক্ষাৎ রাজনৈতিক মহলে আরও কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সাক্ষাতের পর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি তিনি রাজনৈতিকভাবে নতুন কোনও সিদ্ধান্তের পথে হাঁটছেন? যদিও এখনও পর্যন্ত কোয়েল মল্লিক বা বিজেপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। তাই তিনি আদৌ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন কি না, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে ঘটনাপ্রবাহকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে।অন্যদিকে, প্রাক্তন আমলা ও তৃণমূলের প্রবীণ নেতা মণীশ গুপ্তও দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক পদ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। যদিও তিনি এখনও তৃণমূল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেননি, তবুও তাঁর এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একাংশ। বিশেষ করে ২১ জুলাইয়ের মতো বড় কর্মসূচির আগে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দলের জন্য অস্বস্তিকর বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, সম্প্রতি এক সরকারি অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোয়েল মল্লিকের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, কোয়েল ভবিষ্যতে রাজ্যকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার মতো সক্ষমতা রাখেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর এত দ্রুত রাজ্যসভা থেকে কোয়েলের পদত্যাগ রাজনৈতিক মহলে আরও বেশি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরির ইঙ্গিত মিলছে। শাসক দলের ভেতরে সাংগঠনিক পরিবর্তন, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এবং বিরোধী শিবিরের তৎপরতাসব মিলিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহ রাজ্যের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।তবে কোয়েল মল্লিকের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান, মণীশ গুপ্তর পরবর্তী পদক্ষেপ কিংবা তৃণমূলের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়াএসবের দিকেই এখন নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

মাত্র ১৪ বছরেই জেইই অ্যাডভান্সডে বাজিমাত! উত্তরপ্রদেশের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কির সাফল্যে চমকে দেশ

মেটা ডেসক্রিপশন: উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরের ১৪ বছরের হিন্দি-মাধ্যমের ছাত্র যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতে JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করেছে। জেনে নিন তাঁর অনুপ্রেরণামূলক যাত্রার গল্প।ভারতের অন্যতম কঠিন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকা পরীক্ষা JEE Advanced-এ সাফল্য অর্জন করাই যেখানে অধিকাংশ পরীক্ষার্থীর কাছে কঠিন চ্যালেঞ্জ, সেখানে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে নজির গড়লেন উত্তরপ্রদেশের এক কিশোর। তাঁর নাম যুবরাজ সিং সোলাঙ্কি। হিন্দি-মাধ্যমে পড়াশোনা করা এই ছাত্র মাত্র এক বছরের অনলাইন প্রস্তুতিতেই জেইই অ্যাডভান্সডে ক্যাটেগরি র্যাঙ্ক ১,৬৪০ অর্জন করে সারা দেশের নজর কেড়েছেন।যুবরাজের এই সাফল্য শুধু একটি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার গল্প নয়, বরং এটি প্রমাণ করে দিয়েছে যে বয়স, ভাষা কিংবা শহর-গ্রামের সীমাবদ্ধতা মেধা ও অধ্যবসায়ের সামনে কখনও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।১৪ বছরেই দ্বাদশ শ্রেণি, তারপর JEE Advancedউত্তরপ্রদেশের গোরখপুর জেলার চৌরি চৌরা এলাকার বাসিন্দা যুবরাজ ছোটবেলা থেকেই অসাধারণ মেধার পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর শিক্ষকদের নজরে আসে যে তিনি সমবয়সীদের তুলনায় অনেক দ্রুত বিষয়বস্তু আয়ত্ত করতে পারেন। সেই কারণেই প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক অনুমোদনের মাধ্যমে তাঁকে স্কুলজীবনে দুটি শ্রেণি একসঙ্গে উত্তীর্ণ হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।ফলে যখন তাঁর সমবয়সী অধিকাংশ ছাত্রছাত্রী অষ্টম বা নবম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিল, তখন যুবরাজ ইতিমধ্যেই দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র। সেখানে তাঁর সহপাঠীদের অধিকাংশের বয়স ছিল ১৭ থেকে ১৮ বছর।সহপাঠীদের সমর্থনও ছিল বড় শক্তিসংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বয়সের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও স্কুলে কখনও অস্বস্তির মুখে পড়তে হয়নি যুবরাজকে। বরং শিক্ষক-শিক্ষিকা ও সহপাঠীরা তাঁকে স্বাভাবিকভাবেই গ্রহণ করেন এবং নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি JEE Advanced-এর প্রস্তুতিতেও যথেষ্ট সহযোগিতা করেন।এই ইতিবাচক পরিবেশ তাঁর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দেয় এবং কঠিন পরীক্ষার প্রস্তুতিতে বড় ভূমিকা পালন করে।হিন্দি-মাধ্যমেই তৈরি ইতিহাসযুবরাজের সাফল্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলির একটি হল, তিনি কোনও নামী কোচিং শহরে না গিয়ে অনলাইন হিন্দি-মাধ্যমের কোচিংয়ের মাধ্যমে JEE Advanced-এর প্রস্তুতি নেন।দীর্ঘদিন ধরে একটি ধারণা প্রচলিত ছিল যে IIT-তে সুযোগ পেতে হলে ইংরেজি-মাধ্যমে পড়াশোনা, বড় শহরে থাকা কিংবা ব্যয়বহুল কোচিং অপরিহার্য। যুবরাজ সেই ধারণাকেই কার্যত ভেঙে দিয়েছেন।বর্তমানে ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার এবং মাতৃভাষাভিত্তিক অনলাইন শিক্ষার সুযোগ যে গ্রামাঞ্চলের ছাত্রছাত্রীদের কাছেও নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে, যুবরাজের সাফল্য তারই উজ্জ্বল উদাহরণ।অনেকের কাছে অনুপ্রেরণাযুবরাজ সিং সোলাঙ্কির এই কৃতিত্ব ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই তাঁর সঙ্গে ভারতের তরুণ ক্রিকেট প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশীর তুলনা করছেন। যদিও দুইজনের ক্ষেত্র সম্পূর্ণ আলাদা, তবুও কম বয়সেই অসাধারণ দক্ষতার পরিচয় দিয়ে দুজনেই নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন।শিক্ষাবিদদের মতে কী শেখার আছে?বিশেষজ্ঞদের মতে, যুবরাজের এই সাফল্যকে সব ছাত্রছাত্রীর জন্য মানদণ্ড হিসেবে দেখা উচিত নয়। প্রত্যেক শিশুর শেখার গতি ও দক্ষতা আলাদা। তবে তাঁর গল্প থেকে একটি বিষয় স্পষ্টসঠিক দিকনির্দেশনা, অধ্যবসায়, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ থাকলে যে কোনও শিক্ষার্থী নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে পারে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
শিক্ষা

বিকাশ ভবনে গেস্ট টিচারদের জোরালো সওয়াল, চাকরির নিরাপত্তা-নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানীর দাবিতে উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর উদ্দেশে স্মারকলিপি

রাজ্যের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজগুলিতে কর্মরত হাজার হাজার গেস্ট টিচার, ইনভাইটেড টিচার ও ভিজিটিং ফ্যাকাল্টিদের দীর্ঘদিনের কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অনিশ্চয়তা এবং আর্থিক বৈষম্যের অবসান ঘটানোর দাবিতে আবারও সরব হল পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (WBCGTWA)। বুধবার সংগঠনের পক্ষ থেকে বিকাশ ভবনে উপস্থিত হয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী শ্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের উদ্দেশে একটি বিস্তারিত স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়। উচ্চশিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে সেই স্মারকলিপি গ্রহণ করে আনুষ্ঠানিক প্রাপ্তিস্বীকারও দেওয়া হয়েছে।সংগঠনের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে গেস্ট টিচাররা অত্যন্ত কম পারিশ্রমিকে এবং সম্পূর্ণ অনিশ্চিত কর্মপরিবেশে দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়ন, পাঠদান এবং শিক্ষাব্যবস্থাকে সচল রাখার ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই বাস্তব পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করেই সরকারের কাছে মানবিক ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের আবেদন জানানো হয়েছে।বিকাশ ভবনে জমা দেওয়া এই প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সুজিৎ দাস, সাধারণ সম্পাদক অনুপম দাস এবং সহ-সম্পাদক ড. অসিত কুমার মণ্ডল। প্রতিনিধিদলটি উচ্চশিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের সামনে গেস্ট টিচারদের বিভিন্ন সমস্যা, ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘদিনের দাবি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরে।কী কী দাবি জানানো হয়েছে?স্মারকলিপিতে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।প্রথমত, চাকরির নিরাপত্তা। সংগঠনের বক্তব্য, বহু শিক্ষক বছরের পর বছর কলেজে কর্মরত থাকলেও তাঁদের চাকরির কোনও স্থায়ী নিশ্চয়তা নেই। ফলে প্রতিনিয়ত অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করতে হচ্ছে। তাই গেস্ট টিচারদের জন্য একটি সুস্পষ্ট ও স্থায়ী চাকরির নিরাপত্তা নীতি প্রণয়নের দাবি জানানো হয়েছে।দ্বিতীয়ত, পরিষেবার ধারাবাহিকতা। সংগঠনের দাবি, যোগ্য ও অভিজ্ঞ গেস্ট টিচারদের সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী অন্তত ৬০ কিংবা ৬৫ বছর বয়স পর্যন্ত কর্মরত থাকার সুযোগ দিতে হবে। তাঁদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা সম্ভব বলেই সংগঠনের মত।তৃতীয়ত, নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু। বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ক্লাসভিত্তিক পারিশ্রমিকের উপর নির্ভর করতে হয় গেস্ট টিচারদের। সংগঠনের দাবি, এই ব্যবস্থা পরিবর্তন করে সমস্ত সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে কর্মরত গেস্ট টিচারদের জন্য একটি নির্দিষ্ট মাসিক সম্মানী চালু করা হোক। এতে তাঁরা আর্থিক নিরাপত্তা পাবেন এবং মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারবেন।আরও পড়ুনঃ পূর্ণ সময়ের শিক্ষকের চেয়েও বেশি স্যাক্ট (SACT), তবু বঞ্চনার অভিযোগ! হরিয়ানা মডেল চালুর দাবিতে সরব স্টেট এডেড কলেজ টিচাররাদীর্ঘদিনের আন্দোলনের ধারাবাহিকতাসংগঠনের দাবি, ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক পদ্ধতিতে গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়ে আসছে। বিকাশ ভবনে এই ডেপুটেশনও সেই ধারাবাহিক আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, এর আগেও তারা রাজ্য সরকারের বিভিন্ন স্তরে একাধিকবার নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে। নবান্ন-সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে গিয়ে একাধিক মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধির কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিবারই চাকরির নিরাপত্তা, পরিষেবার ধারাবাহিকতা এবং নির্দিষ্ট মাসিক পারিশ্রমিকের বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দাবি জানানো হয়েছে।সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগের প্রত্যাশাWBCGTWA-র নেতৃত্বের মতে, ধারাবাহিকভাবে সরকারের বিভিন্ন স্তরে বিষয়টি তুলে ধরার ফলে গেস্ট টিচারদের সমস্যা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হবে। তাঁদের আশা, উচ্চশিক্ষা দপ্তর ও রাজ্য সরকার এই বিষয়ে দ্রুত ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং দীর্ঘদিনের এই অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাবে।সংগঠনের বক্তব্য, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য অধিকার, সম্মানজনক পারিশ্রমিক এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু শিক্ষকদের স্বার্থেই নয়, রাজ্যের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নের জন্যও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ, দীর্ঘদিন ধরে এই শিক্ষক-শিক্ষিকারা কলেজগুলির শিক্ষাদান প্রক্রিয়াকে সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।আন্দোলন চলবে, জানাল সংগঠনপশ্চিমবঙ্গ কলেজ গেস্ট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, গেস্ট টিচারদের ন্যায্য দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন থামবে না। ভবিষ্যতেও শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক এবং সাংবিধানিক পথেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে সংগঠন।উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া এই স্মারকলিপির মাধ্যমে গেস্ট টিচারদের দীর্ঘদিনের সমস্যার একটি কার্যকর ও স্থায়ী সমাধানের পথ খুলবে বলেই আশাবাদী সংগঠনের সদস্যরা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
রাজ্য

রথের আনন্দ মুহূর্তে রক্তাক্ত দিঘা! দাঁড়িয়ে থাকা বাসে লরির ভয়াবহ ধাক্কা, একসঙ্গে চার প্রাণ ঝরে গেল

রথযাত্রার দিন দিঘা যাওয়ার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল চারজনের। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও তিনজন। তাঁদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় তমলুক জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে দিঘা-নন্দকুমার জাতীয় সড়কের হেঁড়িয়া এলাকায়। দুর্ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদের নাম তপন দাস, শিবব্রত পট্টনায়েক, অশোক মাইতি এবং শুভদীপ মণ্ডল। তপন দাস বাসের মালিক ছিলেন। শিবব্রত পট্টনায়েক ছিলেন বাসচালক। অশোক মাইতি ও শুভদীপ মণ্ডল বাসের সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।জানা গিয়েছে, হাওড়া থেকে দিঘার উদ্দেশে যাচ্ছিল একটি বেসরকারি বাস। বৃহস্পতিবার ভোরে হেঁড়িয়া এলাকায় বাসটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। সেই কারণে বাসটি রাস্তার ধারে দাঁড় করানো হয়। বাসের মালিক, চালক এবং সহকারীরা মেরামতির কাজ করছিলেন। সেই সময় পিছন দিক থেকে দ্রুতগতিতে আসা একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে ঘটনাস্থলেই গুরুতর জখম হন কয়েকজন।বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় মানুষ ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসকেরা চারজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত তিনজনের অবস্থা এখনও আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর ঘাতক লরিটিকে আটক করেছে খেজুরি থানার পুলিশ। কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, দ্রুতগতির কারণেই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬
দেশ

‘প্রভু অহংকার সয় না, তাই সরকারও টেকেনি’! মমতাকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহীর

দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। বিভিন্ন মহল আপত্তি তুললেও সেই নামেই মন্দিরের উদ্বোধন হয়েছিল। তবে সরকার পরিবর্তনের পর সেই ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়। এবার এই বিতর্কে নতুন করে মুখ খুললেন পুরীর জগন্নাথদেবের মুখ্য পানিগ্রাহী জগন্নাথ দয়িতাপতি। তাঁর দাবি, তিনি আগেই এই বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু তাঁর কথা শোনা হয়নি। তাঁর মন্তব্য, প্রভু কারও অহংকার সহ্য করেন না। সেই কারণেই সরকারও টেকেনি।এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জগন্নাথ দয়িতাপতি বলেন, তিনি কোনও রাজনীতি করেন না, শুধু ধর্মীয় বিধি ও শাস্ত্র অনুযায়ী মত প্রকাশ করেন। তাঁর বক্তব্য, চার ধামের অন্যতম হল পুরীর জগন্নাথ ধাম। তাই অন্য কোনও মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি জানান, দিঘার মন্দিরের নাম নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেই পরামর্শ মানা হয়নি।তিনি আরও বলেন, দেশে বহু জগন্নাথ মন্দির রয়েছে। কিন্তু ধাম হিসেবে স্বীকৃতি একমাত্র পুরীরই। তাই দিঘার মন্দিরের নামের সঙ্গে ধাম শব্দ যোগ করা ধর্মীয় দৃষ্টিতে সঠিক ছিল না। তাঁর দাবি, এই বিষয়েই তিনি বারবার সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু সেই কথা গুরুত্ব পায়নি।জগন্নাথ দয়িতাপতি এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশংসাও করেন। তাঁর বক্তব্য, সরকার পরিবর্তনের পর দিঘার মন্দিরের নাম থেকে ধাম শব্দ সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে তিনি সঠিক বলে উল্লেখ করেন।এর আগে পুরীর প্রধান পুরোহিত রাজেশ দয়িতাপতিও একই ধরনের বক্তব্য রেখেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, দিঘার জগন্নাথ মন্দির প্রতিষ্ঠার সময়ই তিনি কয়েকটি বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিশেষ করে পাথরের মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা এবং ধাম শব্দ ব্যবহারের বিরোধিতা করেছিলেন। পরে নিমকাঠের মূর্তি তৈরি হলেও ধাম শব্দটি সরানো হয়নি বলে তাঁর আক্ষেপ ছিল।দিঘার জগন্নাথ মন্দির ঘিরে এই বিতর্ক ফের নতুন করে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। বিশেষ করে মুখ্য পানিগ্রাহীর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুলাই ১৬, ২০২৬
কলকাতা

‘পশ্চিমবঙ্গের কিছু জেলা বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে’! বিস্ফোরক দাবি শমীকের, পুজো নিয়েও বড় বার্তা

রাজ্যে মৌলবাদের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যারে দুর্গাপুজোর খুঁটিপুজোয় যোগ দিয়ে তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জেলার পরিস্থিতি দেখে বাংলাদেশের কথা মনে পড়ছে। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন জায়গায় এমন নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে যেখানে প্রদীপ জ্বালানো যাবে, কিন্তু শাঁখ বাজানো যাবে না। মরদেহের শেষকৃত্য করা যাবে, কিন্তু হরিবোল ধ্বনি দেওয়া যাবে না। স্বাধীন ভারতে এই ধরনের ঘটনা উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন তিনি।শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, বাংলাদেশে দুর্গাপ্রতিমা ভাঙচুর, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বাধা এবং হিন্দুদের উপর হামলার যে অভিযোগ ওঠে, পশ্চিমবঙ্গের কিছু জায়গাতেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে যেমন দুর্গাপুজোর সময় গান বন্ধ করে অন্য শব্দ বাজানো হয়, তেমন ঘটনাও এ রাজ্যের কিছু এলাকায় দেখা গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মুর্শিদাবাদ-সহ একাধিক জেলায় ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো প্রসঙ্গেও তৎকালীন তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, একসময় দুর্গাপুজোকে শুধুমাত্র উৎসব হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল। কিন্তু দুর্গাপুজো শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির ধর্মীয় বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তিনি বলেন, প্রতিমাকে সরিয়ে রেখে শুধু থিম বা আলোর আয়োজন করলে মানুষ সেই পুজোর সঙ্গে একাত্ম হতে পারবেন না। দুর্গাপুজোর মূল আকর্ষণ দেবী দুর্গার আরাধনা, সেই ঐতিহ্য রক্ষা করতেই হবে।এদিন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গও তুলে আনেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনিষ্ঠতম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে তিনি সরব হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বিভিন্ন মহলের সহযোগিতা চাইলেও শেষ পর্যন্ত একাই আন্দোলন চালিয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন বিজেপি সভাপতি।রথযাত্রার দিন কলেজ স্কোয়্যার থেকে শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। দুর্গাপুজো, ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর একাধিক বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

জুলাই ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal