• ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ৩০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mohun Bagan

খেলার দুনিয়া

নর্থ–ইস্টের বিরুদ্ধে নামার আগে জুয়ান ফেরান্দোর মাথায় ঘুরছে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ

১৩ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট পেয়ে আইএসএলের লিগ টেবিলে এই মুহূর্তে চতুর্থ স্থানে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। আর ২ ম্যাচ জিতলেই কার্যত নিশ্চিত হয়ে যাবে প্লে অফ। একই সঙ্গে বেঙ্গালুরু এফসি ও জামশেদপুর এফসিকে টপকে উঠে আসবে দ্বিতীয় স্থানে। এই অবস্থায় শনিবার লিগের একেবারে শেষে থাকা নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এটিকে মোহনবাগান। লিগ তালিকায় সবার শেষে থাকলেও বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ৩ পয়েন্ট পাওয়া যে সহজ হবে না, সেকথা মনে করছেন বাগান কোচ। বিপক্ষ শিবিরের থেকেও বেশি চিন্তা নিজেদের নিয়ে। একদিকে যেমন চোট আঘাতে জর্জরিত গোটা শিবির। তেমনই আবার আত্মতুষ্টির আশঙ্কা। আগের ম্যাচে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে সবুজমেরুণ ব্রিগেড। দলের ফুটবলারদের চোটের সঙ্গে সেটাও একটা চিন্তা। জুয়ান ফেরান্দো মনে করছেন, এতে ফুটবলারদের মধ্যে আত্মতুষ্টি আসতে পারে। কেন লিগ টেবিলের শেষে থাকা নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে গুরুত্ব দিচ্ছেন সবুজমেরুণ কোচ? জুয়ান ফেরান্দোর ব্যাখ্যা, আমার দলের বেশ কয়েকজন ফুটবলারের চোট রয়েছে। রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামস, কার্ল ম্যাকহিউ, হুগো বোমাস, অমরিন্দার সিং, দীপক টাংরি, কিয়ান নাসিরি, প্রত্যেকেরই ছোটবড় চোট রয়েছে। দল গড়তে সমস্যা হচ্ছে। আর নর্থইস্ট ইউনাইটেডের হারানোর কিছু নেই। ওরা মরিয়া হয়ে ঝাঁপাতেই পারে। তাই আমাদের কাছে কাজটা কঠিন।১৬ ম্যাচে ২৯ পয়েন্টে শীর্ষে হায়দরাবাদ এফসি। জামশেদপুর এফসি ১৪ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট পেয়ে রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে। বেঙ্গালুরু এফসির ১৬ ম্যাচে ২৫ পয়েন্ট। শুক্রবার জামশেদপুর এফসির কাছে বেঙ্গালুরুর হারে সুবিধা হয়েছে এটিকে মোহনবাগানের। তবে এসব নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না জুয়ান ফেরান্দো। তিনি শুধু একটা অঙ্কই ভেবে চলেছেন, কীভাবে লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছনো যায়। তাঁর লক্ষ্য এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলা। লিগ টেবিলে শীর্ষে থাকা দল এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার সুযোগ পাবে। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, ৩৫৩৬ পয়েন্ট পেলেই প্লে অফ নিশ্চিত। কিন্তু আমার লক্ষ্য শীর্ষস্থান। তাহলে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলতে পারব।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লিগ টেবিলে ৪ নম্বরে উঠে এসেও সমস্যায় এটিকে মোহনবাগান। কেন?‌

লিগ টেবিলে যতই ওপরের দিকে যাচ্ছে, সমস্যায় পড়ছে এটিকে মোহনবাগান। শীর্ষে থাকা হায়দরাবাদ এফসিকে হারিয়ে লিগ টেবিলে ৪ নম্বরে উঠে এলেও স্বস্তিতে নেই সবুজমেরুণ শিবির। চোটআঘাতে রীতিমতো জর্জরিত। শনিবার সামনে নর্থইস্ট ইউনাইটেড। নর্থইস্টের বিরুদ্ধে কীভাবে দল সাজাবেন, এখন সেটা নিয়েই চিন্তায় সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো।আগের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দারুণ লড়াই করে জিতেছে। ৩ পয়েন্ট পেয়ে চতুর্থ স্থানে উঠে এলেও বড় ধাক্কা খেয়েছে সবুজমেরুণ শিবির। ম্যাচের ৩৩ মিনিটে কুঁচকিতে চোটের জন্য মাঠ থেকে বেরিয়ে যান হুগো বোমাস। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে মাঠে নামার মতো পরিস্থিতিতে নেই। কার্ল ম্যাকহিউকেও পেশিতে চোটের জন্য ৩৮ মিনিটে মাঠ থেকে বেরিয়ে যেতে হয়। তিনিও পরের ম্যাচে মাঠে নামতে পারবেন না। ডেভিড উইলিয়ামস ও অমরিন্দার সিংও চোটের কবলে। এই দুজনের খেলাও অনিশ্চিত। একাধিক ফুটবলারের চোটআঘাত সমস্যায় ফেলে দিয়েছে এটিকে মোহনবাগানকে।এই অবস্থায় নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে কীভাবে আক্রমণভাগ সাজাবেন, তা নিয়ে চিন্তায় জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর কাছে আশার আলো চোট সারিয়ে রয় কৃষ্ণার অনুশীলনে নামা। পরের ম্যাচে হয়তো তাঁকে খেলাবেন জুয়ান ফেরান্দো, সঙ্গী হতে পারেন কিয়ান নাসিরি। ডার্বিতে পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে হ্যাটট্রিক করেছিলেন কিয়ান। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধেও আগের ম্যাচে তাঁকে পরে নামিয়েছিলেন। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে হয়তো শুরু থেকেই সুযোগ পাবেন সবুজমেরুণের এই তরুণ স্ট্রাইকার। অমরিন্দারের পরিবর্তে তিন কাঠির নিচে দেখা যেতে পারে সুব্রত পালকে। তবে জুয়ান ফেরান্দোর হাতে আরও একদিন সময় আছে। এর মধ্যে মিরাকল ঘটিয়ে যদি অমরিন্দাররা খেলার মতো জায়গায় চলে আসে, তাহলে চিন্তামুক্ত হবেন জুয়ান। তবে পুরো ফিট না হলে তিনি কাউকে মাঠে নামাবেন না।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এসসি ইস্টবেঙ্গলের আসল ‘‌হীরে’‌ তুলে নেওয়ার জন্য মরিয়া এটিকে মোহনবাগান

চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে ক্লাব কর্তা ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে মরশুম শুরুর আগেই টানাপোড়েন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির হস্তক্ষেপে শেষ পর্যন্ত জট কাটে। শেষ মুহূর্তে দল গড়তে নেমে ভালমানের ফুটবলার পাননি এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। যে কজন স্বদেশি ফুটবলারকে সই করিয়েছিলেন, তার মধ্যে এখনও পর্যন্ত উজ্জ্বল হীরা মণ্ডল। চলতি আইএসএলে হীরাই লালহলুদের আসল হীরে। ইতিমধ্যেই সামনের মরশুমের জন্য তাঁকে নিয়ে শুরু হয়েছে টানাটানি। ২০১৫ সালে পোর্ট ট্রাস্টের হয়ে ফুটবলজীবন শুরু করেন হীরা মণ্ডল। তারপর রোনবো এসসি, টালিগঞ্জ, পিয়ারলেস হয়ে ২০১৮১৯ মরশুমে ইস্টবেঙ্গলে যোগ দেন। লালহলুদ জার্সি গায়ে নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। পরের মরশুমে যোগ দেন মহমেডান স্পোর্টিংয়ে। ২০২০২১ মরশুমে সাদাকালো জার্সি গায়ে আই লিগে নজরকাড়া ফুটবল খেলেছিলেন হীরা মণ্ডল। ১৪টি ম্যাচ খেলেছিলেন আই লিগে। লেফট ব্যাকে খেললেও দুর্দান্ত ওভারল্যাপে উঠতে পারেন। আই লিগে সাদাকালো জার্সি গায়ে দুটি গোলও করেছিলেন। এই মরশুমে আইএসএল শুরুর আগে এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা সই করায় হীরাকে। চলতি আইএসএলে এখনও পর্যন্ত ১৬টি ম্যাচ খেলেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। এরমধ্যে ২ ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পাননি হীরা মণ্ডল। বাকি ১৪টি ম্যাচেই তিনি খেলেছেন। আদতে লেফট ব্যাক হলেও দলের প্রয়োজনে কখনও সেন্ট্রাল ডিফেন্সে, কখনও আবার রাইট ব্যাকে খেলতে হয়েছে। সব জায়গাতেই নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছেন। চলতি আইএসএলে ভুল যে করেননি, এমন নয়। দুদুটি ম্যাচে আত্মঘাতী গোল করে ফেলেছিলেন হীরা। তবে বাকি ম্যাচে তাঁর দুরন্ত পারফরমেন্স ভুলত্রুটি ঢেকে দিয়েছে। ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচে একটা দুর্দান্ত গোললাইন সেভ করে রীতিমতো প্রশংসা কুড়িয়েছেন। চলতি আইএসএলে এসসি ইস্টেঙ্গলের স্বদেশী ফুটবলারদের রেটিংয়ে তিনি রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। তাঁর রেটিং ৬.০৭। স্বদেশি ফুটবলারদের মধ্যে সবথেকে বেশি রেটিং নওরেম মহেশ সিংয়ের। তাঁর রেটিং ৬.১১। আইএসএলে ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলা এসসি ইস্টবেঙ্গলের হীরে তুলে নেওয়ার জন্য মরিয়া এটিকে মোহনবাগান। শোনা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই হীরা মণ্ডলকে প্রস্তাব দিয়েছেন সবুজমেরুণ কর্তারা। সূত্রের খবর, এটিকে মোহনবাগান ছাড়াও আরও কয়েকটি ক্লাব হীরাকে পেতে চায়। এই তালিকায় রয়েছে মুম্বই সিটি এফসি, হায়দরাবাদ এফসির মতো ক্লাবগুলি। তবে এখনই সামনের মরশুম নিয়ে ভাবতে চাননা হীরা। লালহলুদ জার্সি গায়ে আপাতত ভালভাবে মরশুম শেষ করাই লক্ষ্য।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইএসএলে অন্য দলগুলির তুলনায় এটিকে মোহনবাগানের ভারতীয় স্ট্রাইকারদের কেন এত দাপট?‌

গত মরশুমে আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানের হয়ে সর্বোচ্চ গোল করেছিলেন রয় কৃষ্ণা। এবছর সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে একেবারেই নিস্প্রভ ফিজির এই তারকা স্ট্রাইকার। রয় কৃষ্ণা সেভাবে জ্বলে উঠতে না পারলেও এবছর ফুল ফোটাচ্ছেন লিস্টন কোলাসো। ধারাবাহিকভাবে গোল করে চলেছেন এটিকে মোহনবাগানের এই ফরোয়ার্ড। এখনও পর্যন্ত আইএসএলে সব দল মিলিয়ে এটিকে মোহনবাগানের ভারতীয় স্ট্রাইকাররাই সবথেকে বেশি গোল করেছেন।এই বছর আইএসএলে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ পর্যন্ত এটিকে মোহনবাগান ১৩ ম্যাচে গোল করেছে ২৬টি। সবথেকে বেশি গোল হুগো বোমাসের। ১১ ম্যাচ খেলে তিনি করেছেন ৫ গোল। সবথেকে বেশি ম্যাচ খেলেছেন লিস্টন কোলাসো। ১২ ম্যাচে তাঁর গোল সংখ্যা ৫। এরপরই রয়েছেন রয় কৃষ্ণা। ১০ ম্যাচে তিনি করেছেন ৪ গোল। আর পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে ৩ ম্যাচে কিয়ান নাসিরির গোল সংখ্যা ৩টি। ডেভিড উইলিয়ামস ১২ ম্যাচে করেছেন ৩ গোল।২০২০২১ আইএসএলে ২৩ ম্যাচে ৩২ গোল করেছিল এটিকে ২৬ গোল করেছিলেন বিদেশি স্ট্রাইকাররা। এরমধ্যে রয় কৃষ্ণাই একা করেছিলেন ১৪ গোল। আর ভারতীয় স্ট্রাইকারদের মধ্যে সবথেকে বেশি গোল করেছিলেন মনবীর সিং। ২১ ম্যাচে তাঁর গোল ছিল ৫টি। এবছর মনবীর তেমন জ্বলে উঠেতে না পারলেও তাঁর জায়গা নিয়েছেন লিস্টন কোলাসো। গত মরশুমে ১৯ ম্যাচে ২ গোল করেছিলেন লিস্টন কোলাসো। আর তাঁর পাস থেকে এসেছিল ৩ গোল।অন্য দলগুলিতে যেখানে বিদেশি স্ট্রাইকারদের দাপট, সেখানে এটিকে মোহনবাগানে স্বদেশি স্ট্রাইকারদের জয়জয়কার। হুগো বোমাস, রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসদের মতো তারকা বিদেশি স্ট্রাইকারদের ভিড়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেছেন লিস্টন কোলাসো। পরিবর্ত হিসেবে ৩ ম্যাচে মাঠে নেমে একটা হ্যাটট্রিকও করে ফেলেছেন কিয়ান নাসিরি। ১৫ ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসি করেছে ৩৪ গোল। ১৩ ম্যাচ খেলে ১৪ গোল করেছেন আইএসএলের সেরা স্ট্রাইকার বার্থোসলোমেউ ওগবেচে। আপাতত তিনিই চলতি আইএসএলের সর্বোচ্চ গোলদাতা। ৪টি গোল করেছেন টোরো। ৩টি গোল করেছেন জোয়াও ব্রুনো। ২টি করে গোল করেছেন এডুয়ার্ডো গার্সিয়া ও জোয়েল যোশেফ।অন্যদিকে বেঙ্গালুরু এফসি ১৫ ম্যাচে করেছে ২৭ গোল। এর মধ্যে স্বদেশি ফুটবলারদের গোল সংখ্যা ২০। ওডিশা এফসি, মুম্বই সিটি এফসি, জামশেদপুর এফসি, কেরালা ব্লাস্টার্স, এফসি গোয়া, এসসি ইস্টবেঙ্গল, চেন্নাইন এফসির দলগুলির অধিকাংশ গোলই এসেছে বিদেশি ফুটবলারদের পা থেকে। ব্যতিক্রম নর্থইস্ট ইউনাইটেডের। এটিকে মোহনবাগানের মতো তাদেরও অধিকাংশ গোলের মালিক স্বদেশি ফুটবলাররা।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌হায়দরাবাদকে হারিয়ে চার নম্বরে উঠে এল এটিকে মোহনবাগান

হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে এটিকে মোহনবাগানের ম্যাচ ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জিতলেই প্রথম চারে উঠে আসার সুযোগ। সেই সুযোগ দারুণভাবে কাজে লাগাল সবুজমেরুণ শিবির। হায়দরাবাদ এফসিকে ২১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে দারুণভাবে টিকে রইল জুয়ান ফেরান্দোর দল। প্রায় প্রতি ম্যাচেই সুযোগ পেয়েছেন মনবীর সিং। অথচ দীর্ঘদিন গোল পাননি। তবুও এই স্ট্রাইকারের ওপর ভরসা হারাননি। রয় কৃষ্ণা, কিয়ান নাসিরির মতো স্ট্রাইকার থাকা সত্ত্বেও মনবীরের ওপর ভরসা রেখেছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। কোচের আস্থার মর্যাদা দিলেন মনবীর। গোল করে দলকে দুর্দান্ত জয় এনে দিলেন। আইএসএলের শীর্ষে থাকা হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে লড়াইটা সহজ ছিল না এটিকে মোহনবাগানের। বিপক্ষে ছিলেন বার্থেলেমেউ ওগবেচের মতো স্ট্রাইকার। তা সত্ত্বেও গুটিয়ে থাকেনি সবুজমেরুণ ব্রিগেড। ম্যাচের শুরু থেকেই হায়দরাবাদ এফসির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ১৮ মিনিটে এগিয়েও যেতে পারত এটিকে মোহনবাগান। লিস্টন কোলাসোর পাস থেকে বল পেয়ে গোল লক্ষ্য করে দুর্দান্ত শট নেন হুগো বোমাস। তাঁর সেই শট ততোধিক তৎপরতার সঙ্গে বাঁচিয়ে দেন হায়দরাবাদ গোলকিপার লক্ষীকান্ত কাট্টিমানি। ২৪ মিনিটে বার্থেলেমেউ ওগবেচের শট বাঁচিয়ে এটিকে মোহনবাগানের পতন রোধ করেন অমরিন্দার সিং। প্রথমার্ধে জুয়ান ফেরান্দোর দলের আধিপত্য বেশি থাকলেও হায়দরাবাদ এফসি গোল করার মতো সুযোগ বেশি পেয়েছিল। তবে কাজে লাগাতে পারেনি। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল ছিল গোলশূন্য। দ্বিতীয়ার্ধেও দুই দল আক্রমণাত্মক মেজাজে শুরু করেছিল। ৫১ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত হায়দরাবাদ এফসি। রোহিত দানুর শট বারে লেগে গোললাইনের সামনে পড়ে বেরিয়ে যায়। প্রতি আক্রমণে উঠে এসে ৫৬ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। ডেভিড উইলিয়ামসের কাছ থেকে অনেকটা এগিয়ে গিয়ে কোনাকুনি শটে দলকে এগিয়ে দেন লিস্টন কোলাসো। ৩ মিনিট পর ব্যবধান বাড়ায় এটিকে মোহনবাগান। জনি কাউকোর কাছ থেকে বল পেয়ে তিনি ২০ করেন। ৬৭ মিনিটে ব্যবধান কমায় হায়দরাবাদ এফসি। জোয়াও ভিক্টরের দুরপাল্লার শট এটিকে মোহনবাগান অমরিন্দার সিংয়ের হাত থেকে বেরিয়ে এলে সেই বল জালে ঠেলে দেন জোয়েল চিয়ানিস। সমতা ফেরানোর জন্য ম্যাচের শেষদিকে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় হায়দরাবাদ। সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি। হায়দরাবাদকে হারিয়ে ১৩ ম্যাচে ২৩ পয়েন্ট পেয়ে লিগ টেবিলে চতুর্থ স্থানে উঠে এল এটিকে মোহনবাগান।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ওগবেচেকে আটকাতে পারবেন? কী বলছেন সবুজমেরুন কোচ জুয়ান ফেরান্দো

শেষ ৪ ম্যাচে ৩টিতে ড্র। ডার্বি জয়ের পরপর দুম্যাচে আটকে গিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। ১২ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট পেয়ে এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে সবুজমেরুন শিবির। মঙ্গলবার সামনে লিগ টেবিলের শীর্ষে থাকা হায়দরাবাদ এফসি। জিতলেই প্লে অফের দিকে অনেকটাই এগিয়ে যাবে এটিকে মোহনবাগান। কাজটা কিন্তু সহজ হবে না জুয়ান ফেরান্দোর দলের কাছে। কারণ সবুজমেরুন ডিফেন্সকে সামলাতে হবে এই আইএসএলের সবথেকে ভয়ঙ্কর স্ট্রাইকার বার্থেলেমিউ ওগবেচেকে। হায়দরাবাদ এফসি-র বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে এটিকে মোহনবাগানের কাছে স্বস্তির খবর ছোট সরিয়ে রয় কৃষ্ণার পুরো সুস্থ হয়ে ওঠা। তবে এই ম্যাচেও তাঁকে শুরু থেকে খেলানো হবে কিনা, তা নিশ্চিত নয়। আইএসএলের শুরু থেকেই রক্ষণ সমস্যায় ভুগছে এটিকে মোহনবাগান। সমস্যা মেটাতে সন্দেশ ঝিঙ্গানকে সই করিয়েছে। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে সবুজমেরুন জার্সি গায়ে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হতে চলেছে সন্দেশের। বার্থেলেমিউ ওগবেচেকে আটকানোই সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ এই অভিজ্ঞ ডিফেন্ডারের কাছে। এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো অবশ্য শুধু বার্থেলেমিউ ওগবেচেকে নিয়ে ভাবছেন না। তাঁর চিন্তা গোটা হায়দরাবাদ টিম। হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, শুধু ওগবেচেকে আটকানোর পরিকল্পনা করলেই হবে না। ওদের দলে আরও ভাল ভাল ফুটবলার আছে। তাঁদের নিয়েও পরিকল্পনা করতে হবে। ওগবেচে দুর্দান্ত স্ট্রাইকার। সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ওর পেছনে গোটা দল আছে। তাদের আটকাতে হবে। গোটা হায়দরাবাদ দলকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন জুয়ান ফেরান্দো। প্রথম পর্বের লড়াইয়ে শেষ মুহূর্তের গোলে জয় হাত ছাড়া হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানের। এবার ৩ পয়েন্ট তুলতে মরিয়া।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বির নায়ক সুযোগ পেলেন মাত্র ৫ মিনিট!‌ বদলা নিতে ব্যর্থ সবুজমেরুণ

এটিকে মোহনবাগানের কাছে মুম্বই সিটি এফসি যেন শক্ত গাঁট হয়ে দাঁড়িয়েছে। আইএসএলে মুম্বই সিটির বিরুদ্ধে এখনও জয় নেই সবুজমেরুণ শিবিরের। এবছর প্রথম পর্বের ম্যাচে ৫১ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। ডার্বি জয়ের পর সমর্থকরা আশা করেছিলেন দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচে হয়তো মধুর প্রতিশোধ নেমেন হুগো বোমাসরা। মুম্বই সিটি এফসিকে হারানোর স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেল জুয়ান ফেরান্দোর দলের কাছে। ড্র করে কোনও রকম মান বাঁচাল এটিকে মোহনবাগান। ম্যাচের ফল ১১। ম্যাচের আগের দিনই জুয়ান ফেরান্দো ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ডার্বির নায়ক কিয়ান নাসিরিকে শুরু থেকে মাঠে নামাবেন না। এমনকি পুরো ফিট হয়ে যাওয়া রয় কৃষ্ণাকেও মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে রাখেননি। ডেভিড উইলিয়ামসকে একা সামনে রেখে ৪২৩১ ছকে দল সাজিয়েছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। উইলিয়ামসের পেছনে মনবীর সিং, হুগো বোমাস ও লিস্টন কোলাসো। সবুজমেরুণ কোচের লক্ষ্য ছিল শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে গোল তুলে নেওয়া। লক্ষ্যে সফলও হয়েছিলেন। ম্যাচের ৯ মিনিটে এগিয়েও যায় এটিকে মোহনবাগান। আমেদ জাহুর ভুল পাস থেকে বল পেয়ে যান হুগো বোমাস। জাহু মরিয়া হয়ে ট্যাকেল করেন বোমাসকে। বল ছিটকে চলে যায় ডেভিড উইলিয়ামসের কাছে। গড়ানো শটে এটিকে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন উইলিয়ামস। পিছিয়ে পড়ে মরিয়া হয়ে ওঠে মুম্বই সিটি এফসি। এই সময় ছন্দ হারিয়ে ফেলেন হুগো বোমাসরা। সেই সুযোগে ২৪ মিনিটে সমতা ফেরায় মুম্বই সিটি এফসি। যদিও তারা গোল পায় প্রীতম কোটালের বদান্যতায়। ২৪ মিনিটে বিপিন এটিকে মোহনবাগান গোল লক্ষ্য করে লম্বা শট নেন। প্রীতম হেডে বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালে পাঠিয়ে দেন। ৩৬ মিনিটে উইলিয়ামসের হেড পোস্টে না লাগলে এগিয়ে যেতে পারত এটিকে মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই গোল করার মতো তেমন সহজ সুযোগ তৈরি করতে পারেনি। ম্যাচের ৮৫ মিনিটে আশুতোষের জায়গায় কিয়ানকে মাঠে নামান জুয়ান ফেরান্দো। এদিন আর সুপার সাব হতে পারেননি কিয়ান। ম্যাচ ড্র হওয়ায় দ্বিতীয় স্থানে উঠতে পারল না এটিকে মোহনবাগান। ১২ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে ৫ নম্বরেই থাকল সবুজমেরুণ ব্রিগেড।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মুম্বই সিটি–র বিরুদ্ধে বদলার ম্যাচ এটিকে মোহনবাগানের, কী বলছেন জুয়ান ফেরান্দো?‌

সোমবার মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে আইএসএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলতে নামছে এটিকে মোহনবাগান। এই মুহূর্তে ১১ ম্যাচে ১৯ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলে পঞ্চম স্থানে রয়েছে সবুজমেরুণ শিবির। জুয়ান ফেরান্দোর দলের সামনে চতুর্থ স্থানে উঠে আসার সুযোগ। সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া এটিকে মোহনবাগান। মুম্বই সিটি এফসিকে হারালেই দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার পাশাপাশি শীর্ষস্থানে থাকা হায়দরাবাদ এফসির সঙ্গে ব্যবধান অনেকটাই কমে আসবে। সেই দিকেই তাকিয়ে সবুজমেরুণ শিবির। এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ডার্বিতে জয় আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে এটিকে মোহনবাগানের। সেই আত্মবিশ্বাসের ওপর ভর করে মুম্বই সিটি এফসিকে বদ করতে চাইছে জুয়ান ফেরান্দোর দল। আইএসএলের প্রথম পর্বে ৫১ ব্যবধানে বিধ্বস্ত হতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। এবার প্রতিশোধ নিতে মরিয়া সবুজমেরুণ শিবির। ডার্বিতে জয় আশাবাদী করে তুলেছে জু্য়ান ফেরান্দোর দলকে।আইএসএলে সবথেকে কম বয়সী ফুটবলার হিসেবে আগের ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে নজর কেড়েছেন কিয়ান নাসিরি। সবার নজর এখন ২১ বছর বয়সী স্ট্রাইকারের দিকে। রয় কৃষ্ণা, হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসের মতো বিদেশিদের ভিড়ে ফেরান্দো তাঁকে শুরু থেকেই মাঠে নামান কিনা, এখন সেটাই দেখার। তবে ডার্বিতে হ্যাটট্রিক মনোবল অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে জামশিদ নাসিরির পুত্র কিয়ান নাসিরির। গোটা সবুজমেরুণ শিবিরের আত্মবিশ্বাসও তুঙ্গে।মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ডার্বিতে জয় মাথায় রাখছেন না এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। আইএসএলে এখনও পর্যন্ত মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে জয় পায়নি এটিকে মোহনবাগান। মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে পরিসংখ্যানও মাথায় রাখছেন না সবুজমেরুণ কোচ। তিনি বলেন, অতীত মাথায় রাখাটা জরুরি নয়। ফুটবলে কোনও কিছু নির্দিষ্ট নয়। প্রত্যেকটা ম্যাচই আলাদা। এবারের আইএসএলে ভাল শুরু করেও ছন্দপতন হয়েছে মুম্বইয়ের। ১২ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট পেয়ে এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে এটিকে মোহনবাগানের ঠিক পরেই রয়েছে মু্ম্বই সিটি এফসি। তা সত্ত্বেও বিপক্ষ শিবিরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ।জুয়ান ফেরান্দোর দলকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন মুম্বই সিটি এফসি কোচ ডেস বাকিংহাম। এমনকি প্রথম পর্বের জয়ও মাথায় রাখছেন না। এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, আমি এই ম্যাচের দিকে তাকিয়ে রয়েছি। এটিকে মোহনবাগানকে হারালেই লিগ টেবিলে ওপরের দিকে উঠে আসব। প্রথম পর্বে যে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে খেলেছিলাম, সেই মোহনবাগানের সঙ্গে এই দলের অনেক পার্থক্য রয়েছে। আগের থেকে অনেকটাই সংঘবদ্ধ।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঘুরে দাঁড়াতে পারবে লালহলুদ?‌ কী বলছেন প্রাক্তন ফুটবলাররা

লালহলুদ সমর্থকরা তাকিয়ে ছিলেন ডার্বির দিকে। যদি এটিকে মোহনবাগানকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো যায়। স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে গেছে লালহলুদ সমর্থকদের কাছে। ডার্বিতে হেরে সম্মান তো গেছেই, ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্নও শেষ এসসি ইস্টবেঙ্গলের। সোমিফাইনালের রাস্তা আগেই বন্ধ হয়েছে। এবার ওপরের দিকে ওঠার রাস্তাও ফিকে হয়ে গেছে ডার্বিতে হেরে। প্রাক্তন ফুটবলাররাও লালহলুদের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছেন না।প্রাক্তন ফুটবলার শ্যাম থাপা বলছিলেন, ডার্বির আগেই বলছিলাম, এসসি ইস্টবেঙ্গল জিতলে সেটা হবে বড় অঘটন। যাই হোক অঘটন ঘটেনি। তবে একটা কথা বলতেই হবে, ডার্বিতে এই আইএসএলের সেরা খেলাটা খেলেছে লালহলুদ। তিনি আরও বলেন, ডার্বিতে কিন্তু জেতার মতো ফুটবল খেলেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ভাগ্য সহায় না হওয়ায় গোল পায়নি। শেষ লগ্নে এটিকে মোহনবাগান গোল করে দিয়ে চলে যায়। তবে একটা কথা বলব, ডার্বিতে ভাল খেললেও এই ইস্টবেঙ্গলের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম। হয়তো দুএকটা ম্যাচ জিততে পারে, কিন্তু খুব বেশি ওপরে উঠতে পারবে না। দলকে জেতানোর মতো কোয়ালিটি ফুটবলার এই দলে নেই।এসসি ইস্টবেঙ্গলের ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছেন না আর এক প্রাক্তন ফুটবলার সমরেশ চৌধুরিও। তিনি বলছিলেন, ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের খেলা দেখে ভাল লেগেছে ঠিকই, কিন্তু ওপরের দিকে ওঠার সম্ভাবনা খুবই কম। এই বছর আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের সেরা খেলাটা ডার্বিতেই দেখেছি। কিন্তু গোল করতে না পারায় হারতে হয়েছে। প্রথমার্ধে পেরোসেভিচের গোলটা এবং দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে নওরেম মহেশ সিংয়ের গোলটা হয়ে গেলে খেলার ফল অন্যরকম হয়ে যেত। কেন লালহলুদের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা দেখছেন না? সমরেশ চৌধুরির ব্যাখ্যা, ডাটাচচ্চড়ির মশলা দিয়ে কি আর ভাল বিরিয়ানি রাঁধা যায়? এই এসসি ইস্টবেঙ্গলে তো দলকে জেতানোর মতো ফুটবলারই নেই। আমার মনে হয় না এই দল খুব বেশি ওপরের দিকে যেতে পারবে। বড় জোর দুএকটা ম্যাচ জিততে পারে।আর এক প্রাক্তন ফুটবলার মেহতাব হোসেন বলছিলেন, ডার্বিতে হারলেও এসসি ইস্টবেঙ্গল কিন্তু খুব একটা খারাপ ফুটবল খেলেনি। এই জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে হয়তো সম্মানজনক জায়গায় যেতে পারবে। কিন্তু বেশি ওপরের দিকে উঠতে পারবে না।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বি হেরেও গর্বিত লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা!‌ কেন?‌

একসময় আলেজান্দ্রোকে সরিয়ে মারিও রিভেরাকে দায়িত্ব দিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তাঁর হাত ধরেই আই লিগে দুঃসময় কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। এবারও আইএসএলে ঘুরে দাঁড়ানোয় আশায় সেই রিভেরার শরণাপন্ন হয়েছিলেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। দায়িত্ব নিয়েই এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে জয়। কিন্তু পরের দুটি ম্যাচেই হার। লালহলুদ সমর্থকদের সবথেকে বেশি ধাক্কা দিয়ে গেছে ডার্বিতে এটিকে মোহনবাগানের কাছে ৩১ ব্যবধানে পরাজয়। সারা ম্যাচে ভাল খেলেও কেন হারতে হল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে? ম্যাচের শেষ ২ মিনিটই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে বলে দাবি করেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। রক্ষণ জমাট করে ডার্বিতে দল সাজিয়েছিলেন লালহলুদ কোচ। লক্ষ্য ছিল প্রতিআক্রমণে গোল তুলে নেওয়া। হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসের মতো বিদেশি স্ট্রাইকারদের জ্বলে ওঠার সুযোগ দেননি আদিল খান, ফ্রাঞ্জো পর্চেরা। ড্যারেন সিডোয়েলের গোলে এগিয়ে গেলেও শেষরক্ষা হয়নি। হারলেও ফুটবলারদের পারফরমেন্সে খুশি লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। ডার্বিতে হারের পর তিনি বলেন, যে কোনও হারে হতাশ হওয়াটাই স্বাভাবিক। তার ওপর ডার্বির মতো ম্যাচে হার। খুবই খারাপ লাগছে। তবে ফুটবলাররা যেভাবে গোটা ম্যাচ লড়াই করেছে, তাতে আমি গর্বিত। আমার পরিকল্পনা মতোই ওরা খেলেছে। দারুণ লড়াই করেছে।ডার্বিতে হারের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে দুটি কারণকে উল্লেখ করেছেন লালহলুদ কোচ মারিও রিভেরা। তাঁর কথায়, শুরুতেই অঙ্কিতের চোট সমস্যায় ফেলে দিল। রক্ষণে পরিবর্তন করা ছাড়া আমার আর অন্য কোনও উপায় ছিল না। অমরজিৎ কিয়াম দারুণ লড়াই করেছে। আমরা এগিয়ে যাওয়ার পর এটিকে মোহনবাগান সমতা ফেরায়। আমরা চেয়েছিলাম ১০ ফল ধরে রাখতে। কিন্তু ওরা দ্রুত সমতা ফেরায়। আর একটু দেরিতে প্রথম গোল করলে হয়তো আমরা পরিস্থিতি সামাল দিতে পারতাম। শেষ ২ মিনিটে ২ গোল করে আমার সব পরিকল্পনা ভেস্তে দিয়েছিল। রিভেরা আরো বলেন, ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে ম্যাচটা ওপেন হয়ে গিয়েছিল। ওই সময় আমরা ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলাম। যদি ব্যবধান বাড়াতে পারতাম, তাহলে অন্যরকম ফল হত। হারলেও ফুটবলাররা গর্বিত করার খেলেছে।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইতিহাস নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না, ডার্বির নায়ক কিয়ানের লক্ষ্য কী?‌

ডার্বিতে দুরন্ত পারফরমেন্সের পরে অনেক ফুটবলার হারিয়ে গেছেন। অনেকেই বিস্মৃতির অন্তরালে। আসলে ফোকাসটা নড়ে যায়। শনিবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে সতর্ক এটিকে মোহনবাগানের নতুন নায়ক কিয়ান নাসিরি। মাটিতেই পা রেখে চলতে চান সবুজমেরুণের এই নতুন স্ট্রাইকার। দলকে সাফল্য এনে দেওয়াটাই এখন তাঁর মূল লক্ষ্য। ডার্বিতে গোল করাটা যে কোনও ফুটবলারের কাছেই স্বপ্ন থাকে। কোচ জুয়ান ফেরান্দো যখন তাঁকে মাঠে নামার জন্য ওয়ার্ম আপের কথা বলেছিলেন, স্বপ্ন দেখছিলেন মাঠে নেমে এসসি ইস্টবেঙ্গলের জালে বল ঢোকানোর। শুধু স্বপ্নপূরণই হয়নি, একেবারে হ্যাটট্রিক। কিয়ান বলেন, সব ফুটবলারেরই স্বপ্ন থাকে ডার্বিতে গোল করার। আমিও মাঠে নামার আগে স্বপ্ন দেখেছিলাম। সত্যি বলতে কী, ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করে আমি ঘোরের মধ্যে রয়েছি। আমি একজন উইঙ্গার ও স্ট্রাইকার। নিজের দায়িত্ব পালন করতে পেরে ভাল লাগছে।শনিবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের জালে তিনতিনবার বল ঢুকিয়ে ইতিহাস তৈরি করেছেন কিয়ান নাসিরি। ইতিহাস নিয়ে অবশ্য মাথা ঘামাতে নারাজ সবুজমেরুণের নতুন তারকা। তিনি বলেন, ইতিহাস নিয়ে মাথা ঘামাতে চাই না। আমার কাজ হল গোল করে দলকে জেতানো। সেই কাজটা করতে পেরেছি। কোচ আমার ওপর আস্থা রেখেছিলেন। সেই আস্থার মর্যাদা দিতে পেরে ভাল লাগছে। ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করাটা দারুণ ব্যাপার। কিন্তু এখানেই থেমে থাকলে চলবে না। দলে জায়গা পাকা করতে হবে। দল পিছিয়ে থাকার সময় কিয়ানকে মাঠে নামিয়েছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। মাঠে নেমেই সমতা ফেরান কিয়ান। সবাই যখন ধরে নিয়েছে ম্যাচ ড্রয়ের পথে এগোচ্ছে, একেবারে অন্তিম লগ্নে গোল করে দলকে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এই গোলটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। নিজের তিনটি গোলের মধ্যে দ্বিতীয়টাকেই সেরা বেছে নিয়েছেন কিয়ান। তাঁর কথায়, আমার কাছে দ্বিতীয় গোলটাই সেরা। কারণ ওই গোলেই দল এগিয়ে গিয়েছিল। ডার্বিতে হ্যাটট্রিক গোটা দলকে উৎসর্গ করেছেন কিয়ান।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভবিষ্যতে কি লালহলুদ জার্সি গায়ে চাপাবেন কিয়ান?‌ এড়িয়ে গেলেন জামশিদ নাসিরি

পড়াশোনার জন ইরান থেকে ভারতে এসেছিলেন জামশিদ নাসিরি। ভর্তি হয়েছিলেন আলিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে। আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতায় খেলতে গিয়ে নজরে পড়ে যান ইস্টবেঙ্গল রিক্রূটারদের। লালহলুদ কর্তারা সই করিয়েছিলেন ইরানের এই ফুটবলারকে। ১৯৮০ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত দাপটের সঙ্গে খেলেছিলেন ইস্টবেঙ্গল ও মহমেডানে। দুই প্রধানের জার্সি গায়ে ডার্বিতে গোলও করেছিলেন। সেই সময় বিদেশি ফুটবলার খেলানোর নিয়ম ছিল না মোহনবাগানে। ফলে ইচ্ছে থাকলেও সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে দেওয়ার সুযোগ হয়নি জামশিদের। নিজের স্বপ্নপূরণ না হলেও জামশিদ নাসিরি চেয়েছিলেন তাঁর ছেলে কিয়ান নাসিরি সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলুক। সবুজমেরুণ অলিন্দেই বেড়ে ওঠা কিয়ানের। একেবারে ছোট থেকেই বাবার হাত ধরে মোহনবাগান মাঠে যাতায়াত শুরু। জামশিদ একসময় সিসিএফসির অ্যাকাডেমির কোচ ছিলেন। বাবার কাছেই ফুটবলের হাতেখড়ি কিয়ানের। ছোট থেকেই বলের ওপর দারুণ নিয়ন্ত্রণ ছিল। ১২ বছর বয়সে জুনিয়র বাংলা দলে সুযোগ। ২০১৩ সালে মোহনবাগান যুব দলে। ২০১৬তে মহমেডান স্পোর্টিংয়ের হয়ে জুনিয়র আই লিগে খেলেছিলেন কিয়ান। এরপর মোহনবাগান অনূর্ধ্ব ১৯ দল হয়ে ২০১৯২০ সালে সিনিয়র দলে। কিউ ভিকুনার কোচিংয়ে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলার সুযোগ পাননি। দীর্ঘদিন ধরে সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন কিয়ান। অবশেষে ডার্বিতে মাঠে নেমেই বাজিমাত। একেবারে নায়ক। মাঠের বাইরে বসে থেকে থেকে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন কিয়ান। তবে হতাশ হয়ে পড়েননি। যেমন হতাশ হননি কিয়ানের বাবা জামশিদ নাসিরিও। গর্বিত পিতা বলছিলেন, এটিকে মোহনবাগানের ম্যাচ থাকলেও ভাবতাম, হয়তো ১০১৫ মিনিট খেলার সুযোগ পাবে ছেলে। প্রতিদিন টিভির সামনে বসে ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত হয়ে পড়তাম। কিন্তু আশা ছাড়িনি। জানতাম একদিন না একদিন সুযোগ পাবে। অবশেষে প্রথম সুযোগেই হ্যাটট্রিক। তাও আবার ডার্বির মতো ম্যাচে। এর থেকে ভাল অভিষেক আর হতে পারে না। আমি যা করে দেখাতে পারিনি, ছেলে সেই কাজ করে দেখিয়েছে। প্রমাণ করেছে বড় ক্লাবের জার্সি গায়ে দেওয়ার যোগ্যতা কিয়ানের রয়েছে। সত্যিই আমি গর্বিত। ছেলের এই জায়গায় পৌঁছনোর জন্য সবথেকে বেশি কৃতিত্ব দিয়েছেন কিবু ভিকুনাকে। জামশিদ বলছিলেন, দীর্ঘদিন মোহনবাগান জুনিয়র দলে ছিল। একসময় ভিকুনা জুনিয়র দল থেকে ৪ জনকে সিনিয়র দলে নিয়েছিল। তারমধ্যে কিয়ান ছিল। ভিকুনাই ঘসেমেজে ওকে তৈরি করেছে। কিয়ানের এই জায়গায় উঠে আসার জন্য সব কোচের কাছেই আমি কৃতজ্ঞ। তবে সবথেকে বেশি কৃতজ্ঞ ভিকুনার কাছে। এই মুহূর্তে দেশে ভালমানের স্ট্রাইকারের অভাব। জামশিদের আশা কিয়ান ঠিকমতো সুযোগ পেলে দেশে স্ট্রাইকারের অভাব মেটাতে পারবে।সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে ছেলের হ্যাটট্রিক। অন্যদিকে প্রিয় ক্লাব ইস্টবেঙ্গলের হার। ভাললাগার পাশাপাশি খারাপও লাগছে জামশিদ নাসিরির। বলছিলেন, ছেলে হয়াটট্রিক করেছে, এরথেকে ভাল কিছু আর হতে পারে না। তবে ইস্টবেঙ্গল হেরে যাওয়ায় খারাপও লাগছে। ইস্টবেঙ্গলের সামনেও গোল করার মতো অনেক সুযোগ এসেছিল। গোল করতে পারলে হয়তো ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারত। লালহলুদ জার্সি গায়ে অনেক ডার্বি ম্যাচ কাঁপিয়েছেন জামশিদ। সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে ডার্বি অভিষেকেই চমক কিয়ানের। ছেলেকে কি ভবিষ্যতে লালহলুদ জার্সিতে দেখতে চান জামশিদ নাসিরি? প্রশ্নটা শুনেই কেমন যেন অন্যমনস্ক হয়ে গেলেন। এড়িয়ে গেলেন প্রশ্নটা। তাহলে কি নিজের পুরনো ক্লাবের প্রতি কোনও অভিমান রয়েছে জামশিদের? জামশিদ বলছিলেন, আমি লালহলুদ জার্সি গায়ে ঘাম ঝড়িয়েছি। ও মোহনবাগানের কাছে দায়বদ্ধ। তবে আমি চাই ভবিষ্যতে কিয়ান দেশের হয়ে খেলুক।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বির অভিষেকে হ্যাটট্রিক করে ইতিহাস জামশিদ নাসিরির পুত্র কিয়ানের

এলেন, দেখলেন, জয় করলেন জামশিদ নাসিরির সুপুত্র কিয়ান নাসিরি। তাঁর দুরন্ত হ্যাটট্রিকে আইএসএলের ডার্বিতে উড়ে গেল লালহলুদ। তারুণ্যের কাছে বিধ্বস্ত এসসি ইস্টবেঙ্গল। প্রথম পর্বের মতো দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতেও জয় তুলে নিল এটিকে মোহনবাগান। এবার ম্যাচের ফল ৩১। নতুন তারকার জন্ম হল এবারের আইএসএলের ডার্বিতে। পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে বাজিমাত কিয়ান নাসিরির।ধারেভারে অনেকটাই এগিয়ে থেকে ডার্বিতে মাঠে নেমেছিল এটিকে মোহনবাগান। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট থাকায় রয় কৃষ্ণাকে মাঠে নামাননি কোচ জুয়ান ফেরান্দো। আক্রমণভাগে শুরু করেছিলেন হুগো বোমাস ও ডেভিড উইলিয়ামস। অন্যদিকে, এসসি ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণভাগে ছিলেন দুই বিদেশি আন্তোনীয় পেরোসেভিচ ও মার্সেলো রিবেইরো। বিদেশিদের ছাপিয়ে নায়ক এক ভারতীয় ফুটবলার।শুরু থেকেই ম্যাচ আক্রমণ প্রতিআক্রমণে জমে উঠেছিল। এটিকে মোহনবাগান মূলত বাঁদিক দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল। লিস্টন কোলাসো বারবার ব্যতিব্যস্ত রাখছিলেন লালহলুদ ডিফেন্সকে। হায়দরাবাদ এফসি ম্যাচে রক্ষণের জন্য ডুবতে হয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গলকে। ফ্রাঞ্জো পর্চে একেবারেই নিস্প্রভ ছিলেন। ডার্বিতে পর্চেকে একেবারে অন্য মেজাজে দেখা গেল। হুগো বোমাস, ডেভিড উইলিয়ামসদের সেভাবে জ্বলে ওঠার সুযোগ দেননি।এটিকে মোহনবাগানের আক্রমণের চাপ বেশি থাকলেও প্রথম গোলের সুযোগ পেয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ১৪ মিনিটে নওরেম মহেশ সিংয়ের মাটি ঘেঁসা শট পোস্টের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। ২৫ মিনিটে সামনে শুধু এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার অমরিন্দার সিংকে একা পেয়েও বাইরে মারেন মার্সেলো রিবেইরো। আক্রমণ প্রতিআক্রমণে জমে উঠলেও প্রথমার্ধে কোনও দল গোল করতে পারেনি।গোলের জন্য দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে এটিকে মোহনবাগান। ৪৭ মিনিটে বাঁদিক থেকে বক্সে ঢুকে ডানপায়ে দুরন্ত শট নিয়েছিলেন লিস্টন কোলাসো। তাঁর শট বারে লেগে ফিরে আসে। ২ মিনিট পরেই গোল করার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিলেন শুভাশিস বসু। ৬ গজ বক্সের মধ্যে থেকে হেডে বল জালে রাখতে পারেননি। ৫১ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর আরও একটি দুরপাল্লার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।৫৪ মিনিটে ডানদিক থেকে ঢুকে গিয়ে বাঁপায়ে দুরন্ত শট নিয়েছিলেন আন্তোনীয় পেরোসেভিচ। তাঁর শট ততোধিক তৎপরতার সঙ্গে কর্ণারের বিনিময়ে বাঁচান এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার অমরিন্দার সিং। পেরোসেভিচের কর্ণার বক্সের মধ্যে পেয়ে যান ড্যারেল সিডোয়েল। তাঁর শট মনবীরের গায়ে লেগে গোলে ঢুকে যায়।৬৪ মিনিটে সমতা ফেরায় এটিকে মোহনবাগান। সৌরভ দাসের ভুল ক্লিয়ারেন্স ধেরে ডান পায়ের কোনাকুনি শটে গোল করেন কিয়াম নাসিরি। জামশিদ নাসিরির পুত্র কিয়ামের এটাই প্রথম ডার্বি। ৬৫ মিনিটে লিস্টনকে বক্সের মধ্যে ফাউল করেন অমরজিৎ কিয়াম। পেনাল্টি পায় এটিকে মোহনবাগান। অবিশ্বাস্যভাবে বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন ডেভিড উইলিয়ামস। ৮০ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল। নওরেম মহেশ সিংয়ের শট আটকে দেন অমরিন্দার সিং। ৮৬ মিনিটে কোলালোর শট গোল লাইন থেকে সেভ করেন হীরা মণ্ডল।ম্যাচের ইনজুরি সময়ে আবার জ্বলে ওঠেন কিয়ান। লিস্টন কোলাসোর সেন্টার ডেভিড উইলিয়ামস হেড করলে বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে দুরন্ত শটে ২১ করেন কিয়ান। ১ মিনিট পরেই হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন। ডার্বির অভিষেকেই হ্যাট্টট্রিক করে ইতিহাস গড়লেন জামশিদ নাসিরির পুত্র।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ছন্নছাড়া লালহলুদকে ডার্বিতে কেন গুরুত্ব দিচ্ছেন এটিকে মোহনবাগানের হুগো বোমাস?‌

এই মুহূর্তে আইএসএলের লিগ টেবিলে সবার শেষে রয়েছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। ১৩ ম্যাচে জয় মাত্র একটিতে। আগের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসির কাছে ৪ গোলে বিধ্বস্ত হতে হয়েছে। ডার্বিতে নামার আগে মনোবল একেবারে তলানিতে লালহলুদ শিবিরের। তা সত্ত্বেও এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে আত্মতুষ্টিতে ভুগতে রাজি নয় এটিকে মোহনবাগান শিবির। লিগ টেবিলের একেবারে শেষে থাকলেও বিপক্ষ শিবিরকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন।আগের ম্যাচে ওডিশা এফসির কাছে আটকে যেতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। ডার্বির ড্রেস রিহার্সাল একেবারেই ভাল হয়নি সবুজমেরুণ শিবিরের। ওডিশা ম্যাচের ড্র ডার্বিতে পুষিয়ে নিতে চান এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা। সবুজমেরুণ শিবিরের লক্ষ্য ডার্বি জিতে লিগ টেবিলের ওপরের দিকে উঠে আসতে। দীর্ঘদিন পর মাঠে নেমে ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে একেবারেই ছন্দে ছিল না এটিকে মোহনবাগান। আসলে দীর্ঘদিন ম্যাচের মধ্যে না থাকাটা সমস্যায় ফেলে দিয়েছিল। সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দোর বিশ্বাস ডার্বিতে ছন্দে ফিরবে দল।ডার্বিতে মাঠে নামার আগে এটিকে মোহনবাগান কোচকে স্বস্তি দিচ্ছে ফুটবলারদের চোটআঘাত ও কার্ড সমস্যা কাটিয়ে ওঠা। কার্ড সমস্যার জন্য আগের ম্যাচে খেলতে পারেননি হুগো বোমাস। ডার্বিতে তিনি মাঠে ফিরছেন। করোনামু্ক্ত হয়ে জনি কাউকোও খেলার জন্য তৈরি। এছাড়া বাকিরাও ডার্বিতে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে রয়েছে। আগের ম্যাচ ড্র হলেও প্রথম পর্বের ডার্বিতে জয়ে বাড়তি আত্মবিশ্বাসী এটিকে মোহনবাগান শিবির।প্রথম পর্বের ডার্বিতে দুরন্ত ফুটবল উপহার দিয়েছিলেন হুগো বোমাস। শনিবার মাঠে নামার জন্য তিনি মুখিয়ে রয়েছেন। দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতেও জয়ের ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। ডার্বি নিয়ে বোমাসের প্রতিক্রিয়া, ডার্বির গুরুত্ব কতটা জানি। সবাই এই ম্যাচের দিকে তাকিয়ে থাকে। দীর্ঘদিন অনুশীলন করতে পারিনি। তারজন্য আগের ম্যাচে সমস্যা হয়েছিল। ডার্বির আগে পর্যাপ্ত অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছি। আশা করছি গোটা দল ছন্দে ফিরবে। আগের ম্যাচে হায়দরাবাদ এফসির কাছে এসসি ইস্টবেঙ্গল ৪ গোল খেলেও বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন এটিকে মোহনবাগানের আক্রমণভাগের এই স্তম্ভ। বোমাস বলেন, প্রথম পর্বে জিতেছিলাম বলে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে হালকাভাবে নেওয়ার কিছু নেই। আগের ম্যাচে হারের বদলা নেওয়ার জন্য মরিয়া হবে। জিততে গেলে আমাদের সতর্ক হয়ে মাঠে নামতে হবে। আইএসএলে ডার্বির পরিসংখ্যান অবশ্য এটিকো মোহনবাগানের অনুকূলে। একবারও জিততে পারেনি লালহলুদ শিবির।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ওডিশা এফসি–র বিরুদ্ধেই কেন ডার্বির মহড়া সেরে নিতে চান বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো?‌

কলকাতা ডার্বির উন্মাদনার কথা শুনেছেন। কখনও মাঠে বসে চাক্ষুস করার অভিজ্ঞতা হয়নি। রিজার্ভ বেঞ্চে বসার তো নয়ই। এটিকে মোহনবাগানের দায়িত্ব নেওয়ায় এবার সে সুযোগ আসতে চলেছে জুয়ান ফেরান্দোর কাছে। আইএসএলের দ্বিতীয় পর্বের ডার্বিতে এটিকে মোহনবাগানের রিজার্ভ বেঞ্চে থাকবেন এই স্প্যানিশ কোচ। দীর্ঘদিনের বিরতি কাটিয়ে রবিবার ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ২৯ জানুয়ারি ডার্বিই পাখির চোখ করছেন জুয়ান ফেরান্দো। ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে ডার্বির মহড়াও সেরে নিতে চান তিনি। ৫ জানুয়ারি হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ খেলেছিল সবুজমেরুণ ব্রিগেড। তারপর ১৮ দিনের বিরতি। বিরতি অবশ্য করোনার জন্য। এটিকে মোহনবাগানের বেশ কয়েকজন ফুটবলার একের পর এক করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় তাদের ম্যাচ স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছিল আইএসএলের আয়োজক কমিটি। ৮ জানুয়ারি ওডিশা এফসি ম্যাচের পর বেঙ্গালুরু এফসি এবং কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচও স্থগিত হয়ে যায়। সবুজমেরুণ শিবিরকে ১১ দিন কোয়ারেন্টিনে কাটাতে হয়। তারপর আবার অনুশীলনে নামার অনুমতি পায় এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা।হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচ ২২ গোলে ড্র করেছিলে এটিকে মোহনবাগান। মাঠে ১৮ দিন ফুটবলাররা খেলার মধ্যে না থাকায় ছন্দ যে নষ্ট হবে সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে দলকে ছন্দে ফেরানোটাই চ্যালেঞ্জ জুয়ান ফেরান্দোর। করোনার জন্য দীর্ঘদিন অনুশীলন হয়নি। ফুটবলারদের ফিটনেস নিয়ে কিছুটা হলেও চিন্তিত এটিকে মোহনবাগান কোচ। তবে জুয়ান ফেরান্দোর কাছে স্বস্তির খবর চোট সারিয়ে ম্যাকহিউয়ের ফিট হয়ে ওঠা। কার্ড সমস্যার জন্য হুগো বোমাস ওডিশা এফসি ম্যাচে খেলতে পারবেন না। তাঁর পরিবর্তে রয় কৃষ্ণার সঙ্গে শুরু করবেন ডেভিড উইলিয়ামস। গোলকিপার অমরিন্দার সিংও খেলার মতো জায়গায় চলে এসেছেন। ওডিশা এফসি ম্যাচকেই ডার্বির রিহার্সাল হিসেবে দেখছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। ডার্বির আগে এই ম্যাচ জিতে একদিকে যেমন লিগ টেবিলে ওপরের দিকে উঠতে চান, তেমনই ফুটবলারদের মনোবলও বাড়িয়ে নিতে চান।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ভারতীয় ফুটবলে ইন্দ্রপতন, চলে গেলেন সুভাষ ভৌমিক

ভারতীয় ফুটবলে ইন্দ্রপতন। মারা গেলেন প্রাক্তন ফুটবলার ও ময়দানের কিংবদন্তী কোচ সুভাষ ভৌমিক। বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। শনিবার ভোরে কলকাতার একটি বেসরকারী হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আশিয়ানজয়ী ইস্টবেঙ্গলের এই কোচ। সুভাষ ভৌমিকের মৃত্যুতে ভারতীয় ক্রীড়াজগতে নেমে এসেছে শোকের ছাড়া। দীর্ঘদিন ধরেই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন সুভাষ ভৌমিক। সুগার ও কিডনির অসুখে ভুগছিলেন। নিয়মিত ডায়ালিসিস করাতে হত। প্রতিদিন বাড়ি থেকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ডায়ালিসিস করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। তার ওপর ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ায় সমস্যা আরও বেড়ে যায়। শারিরীক অবস্থা এমন অবনতি হয়েছিল যে কিছুদিন আগে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। আরও ভাল চিকিৎসার জন্য শুক্রবার নব মহাকরণে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের দপ্তরে একটি জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছিল। বৈঠকে ঠিক হয়েছিল উন্নত চিকিৎসার জন্য মেডিকা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হবে সুভাষ ভৌমিককে। কিডনি প্রতিস্থাপনের বিষয়টিও খতিতে দেখা হচ্ছিল। কিন্তু সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে শনিবার ভোরে মারা যান তিনি।ইস্টবেঙ্গল ও মোহনবাগানের জার্সি গায়ে কলকাতা ময়দানে একসময় দাপিয়ে খেলেছেন সকলের প্রিয় ভোম্বলদা। সবুজমেরুণের তুলনায় লালহলুদ জার্সিতেই বেশি সময় কাটিয়েছিলেন। রাজস্থান থেকে ১৯৬৯ সালে প্রথম লালহলুদ জার্সি গায়ে তুলে নিয়েছিলেন। পরের বছরই লালহলুদ জার্সি ছেড়ে যোগ দেন মোহনবাগানে। ৩ বছর মোহনবাগানে কাটিয়ে ১৯৭৩ সালে আবার ইস্টবেঙ্গলে ফিরে আসেন। ১৯৭৬ সালে আবার মোহনবাগানে যোগ দেন। ১৯৭৯ সালে লালহলুদে ফিরে আসেন। ইস্টবেঙ্গল থেকেই ফুটবলকে বিদায় জানান। ভারতীয় দলের হয়েও দীর্ঘদিন দাপিয়ে খেলেছেন সুভাষ ভৌমিক। ১৯৭০ সালে এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জজয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন, মারডেকা, পেস্তা সুকানের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতেও দেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। দেশের জার্সি গায়ে দুদুটি হ্যাটট্রিকও করেছিলেন সুভাষ ভৌমিক। তার মধ্যে মারডেকা কাপে ফিলিপাইন্সের বিরুদ্ধে একটা। ওই ম্যাচে ৫১ ব্যবধানে জিতেছিল ভারত। ১৯৬৯ সালে বাংলার সন্তোষ ট্রফি জয়ী দলের সদস্যও ছিলেন সুভাষ ভৌমিক। দীর্ঘ ৬ বছর পর সেবার সন্তোষ ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলা। বাংলার জার্সি গায়ে মোট ৪ বার সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন সুভাষ ভৌমিক। ২ বার বাংলাকে নেতৃত্ব দিলেও রেলওয়েজের কাছে সেমিফাইনালে হারতে হয়েছিল। কোচ হিসেবেও দারুণ সাফল্য পেয়েছিলেন সুভাষ ভৌমিক। তবে লালহলুদকেই বেশি সাফল্য এনে দিয়েছিলেন। ১৯৯৯ থেকে ২০০০ এবং ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলের কোচ ছিলেন। ২০০২০৩ এবং ২০০৩০৪ মরশুমে তাঁর কোচিংয়েই জাতীয় লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। ২০০৩ সালে লালহলুদকে আশিয়ান কাপে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন সুভাষ ভৌমিক। ২০০৬ সালে মহমেডান স্পোর্টিংয়ের দায়িত্ব নিয়েছিলেন। পরের বছর সালগাঁওকারে যোগ দেন। ২০০৮০৯ মরশুমে আবার ইস্টবেঙ্গলে ফিরে আসেন। ২ মরশুম লালহলুদে কাটিয়ে মোহনবাগানের দায়িত্ব নেন। চার্চিল ব্রাদার্সের টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের দায়িত্ব পালন করেছিলেন সুভাষ ভৌমিক। তাঁর কোচিংয়েই ২০১২১৩ মরশুমে আই লিগ জেতে চার্চিল।

জানুয়ারি ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌কেন বাতিল এটিকে মোহনবাগানের ম্যাচ?‌ স্থগিতের পথে আইএসএল

করোনার বাড়বাড়ন্ত দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে একের পর এক প্রভাব ফেলেই চলেছে। চলতি মাসের গোড়াতেই আই লিগ বন্ধ করে দিয়েছে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন। রনজি ট্রফি স্থগিত রেখেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। নক আউট পর্ব থেকে স্থগিত রাখা হয়েছে অনূর্ধ্ব ১৯ কোচবিহার ট্রফি। জৈব সুরক্ষা বলয় ভেদ করে করোনা হানা দিয়েছে আইএসএলেও। ইতিমধ্যেই আইএসএলের কয়েকটা ম্যাচ বাতিল হয়েছে। পরিস্থিতি যেদিকে এগোচ্ছে, আই লিগের মতো সাময়িকভাবে স্থগিত হয়ে যেতে পারে আইএসএলও। জৈব সুরক্ষা বলয় ভেদ করে আইএসএলের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজিতে করোনা হানা দিয়েছে। ফুটবলার থেকে শুরু করে একাধিক সাপোর্ট স্টাফ করোনায় আক্রান্ত। এক ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আগেই এটিকে মোহনবাগান ও ওডিশা এফসির ম্যাচ স্থগিত করে দিয়েছিল আইএসএলের আয়োজক কমিটি। এবার এটিকে মোহনবাগান ও বেঙ্গালুরু এফসির ম্যাচও স্থগিত হয়ে গেল। এটিকে মোহনবাগান শিবিরে করোনা হানা দেওয়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে সবুজমেরুণের কোন ফুটবলার আবার নতুন করে করোনায় আক্রান্ত, তা অবশ্য জানানো হয়নি। তবে একটি বিশেষ সূত্র থেকে জানা গেছে, এটিকে মোহনবাগানের ৫ জন ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত। গত কয়েকদিন ধরে এটিকে মোহনবাগানকে অনুশীলনের অনুমতিও দেওয়া হয়নি। বেঙ্গালুরু এফসি যে হোটেলে রয়েছে, সেই হোটেলের এক কর্মীও করোনায় আক্রান্ত। ফলে সুনীল ছেত্রিরাও অনুশীলনে নামতে পারেননি। ম্যাচটা নিয়ে আগে থেকেই সংশয় ছিল। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয় আইএসএলের আয়োজক কমিটি। শুধু এটিকে মোহনবাগানেরই নয়, আরও কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির কয়েকজন ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত। সূত্রের খবর এসসি ইস্টবেঙ্গলের একজন ফুটবলার ও একজন সাপোর্ট স্টাফের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। কেরালা ব্লাস্টার্স শিবিরেও করোনা হানা দিয়েছে। তারাও ৩ দিন অনুশীলন করেনি। রবিবার দলগুলির সঙ্গে বৈঠকের পর আইএসএল সাময়িক স্থগিত করে দেওয়া হতে পারে।

জানুয়ারি ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : ‌রয় কৃষ্ণা করোনায় আক্রান্ত?‌ স্থগিত এটিকে মোহনবাগানের ম্যাচ

জৈব সুরক্ষা বলয় যে শুধুমাত্র নামে মাত্রই, একের পর এক প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। গতবছর জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন একাধিক ক্রিকেটার। স্থগিত রাখতে হয়েছিল আইপিএল। আইলিগেও বেশ কয়েকজন ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। যার জেরে আই লিগও ৬ সপ্তাহের জন্য স্থগিত রাখতে হয়েছে। এবার আইএসএলে করোনার হানা। যার জেরে স্থগিত রাখতে হল এটিকে মোহনবাগান ও ওড়িশা এফসি ম্যাচ। তবে সূচি মেনেই দিনের দ্বিতীয় খেলাটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ নেতাইয়ে শুভেন্দুকে ঢুকতে বাধা দেওয়ার ঘটনায় মুখ্যসচিব, ডিজির কাছে কৈফিয়ৎ চান রাজ্যপালশনিবার সন্ধেয় সাড়ে ৭টায় গোয়ার ফতোরদা স্টেডিয়ামে ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচ ছিল এটিকে মোহনবাগানের। গতকাল নিয়মমাফিক ফুটবলারদের করোনা পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্ট আসার পর দেখা যায় এক ফুটবলারের রিপোর্ট পজিটিভ। কোন ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, এটিকে মোহনবাগান কিংবা আইএসএল আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি। অনেকেই আশঙ্কা করছিলেন, কার্ল ম্যাকহিউকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তিনি হয়তো করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। কিন্তু সন্ধের দিকে একটি সূত্র মারফত জানা যায়, দলের বিদেশি স্ট্রাইকার রয় কৃষ্ণার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এটিকে মোহনবাগান শিবিরে ফুটবলারের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর জানার পরই এদিনের ম্যাচ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেই আইএসএলের আয়োজক কমিটি। তবে এই স্থগিত ম্যাচ কবে আয়োজিত হবে, সে সম্পর্কে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।আরও পড়ুনঃ নবান্নের নয়া কোভিডবিধি, শর্তসাপেক্ষে খোলা যাবে বিউটি পার্লারশুধু এটিকে মোহনবাগানের ফুটবলারই নন, সূত্র মারফত জানা গেছে আরও অন্য দলের আরও কয়েকজন ফুটবলার করোনায় আক্রান্ত। যদি পরিস্থিতি আরও খারাপ হয় তাহলে আইএসএল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবেন আয়োজকরা। আপাতত পরিস্থিতির দিকে নজর রাখা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রশ্ন উঠছে, জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ফুটবলাররা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন? সব দলের কর্তাদের চরম সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে আইএসএল আয়োজকদের পক্ষ থেকে।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : ম্যাকহিউ, বোমাস কেন চিন্তা বাড়িয়েছে জুয়ান ফেরান্দোর?‌

দায়িত্ব নেওয়ার পর এটিকে মোহনবাগানকে জয়ে ফিরিয়েছেন জুয়ান ফেরান্দো। পরপর দুম্যাচ জয়ের পর আগের ম্যাচে আটকে যেতে হয়েছে হায়দরাবাদ এফসির কাছে। শেষ মুহূর্তের গোলে জয় হাতছাড়া হয়েছিল সবুজমেরুণ শিবিরের। হায়দরাবাদ এফসিকে হারালেই আইএসএলের লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে যেত এটিকে মোহনবাগান। তা না হওয়ায় আক্ষেপ রয়েই গেছে জুয়ান ফেরান্দোর। শনিবার ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে সেই আক্ষেপ মেটাতে চান এটিকে মোহনবাগান।আরও পড়ুনঃ অড-ইভেন পদ্ধতিতে বর্ধমান শহরের বাজার বন্ধ থাকবে, ঘোষনা মাইক্রো কনটেইনমেন্টজোন জোনেরওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে স্বস্তিতে নেই সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো। একদিকে যেমন ফুটবলারদের চোট আঘাত ও কার্ড সমস্যা ভাবাচ্ছে ফেরান্দোকে, অন্যদিকে ওড়িশা এফসির সাম্প্রতিক ফল। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে গুরুতর চোট পেয়েছেন ম্যাকহিউ। ওড়িশা এফসি ম্যাচ তো বটেই, আরও কয়েকটা ম্যাচ মাঠের বাইরে কাটাতে হতে পারে ম্যাকহিউকে। দীপক টাংরিও চোটের কবলে। শুভাশিস বোস সদ্য চোটের কবল থেকে বেরিয়ে এসেছেন। কার্ড সমস্যার জন্য হুগো বোমাসকেও ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে পাবেন না জুয়ান ফেরান্দো। তিনি বলেন, চোট ও কার্ড সমস্যার জন্য বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে পাব না। সমস্যা নিয়েই জয়ের জন্য ঝাঁপাতে হবে।আরও পড়ুনঃ সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আজই ভার্চুয়াল বৈঠকে করতে পারেন মোদিপ্রথম একাদশে কয়েকটা পরিবর্তন করছেন জুয়ান ফেরান্দো। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে চোট পেয়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন ম্যাকহিউ। তাঁর পরিবর্তে মাঠে নেমেছিলেন জনি কাউকো। ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই শুরু করবেন। হুগো বোমাসের জায়গায় প্রথম একাদশে ফিরবেন রয় কৃষ্ণা। চোট সারিয়ে ওঠা শুভশিস বোসকেও পরের দিকে ব্যবহার করতে পারেন এটিকে মোহনবাগান কোচ।আরও পড়ুনঃ করোনার বাড়বাড়ন্তে বন্ধ হল কালীঘাটের গর্ভগৃহে প্রবেশওড়িশা এফসির সাম্প্রতিক ফর্মও চিন্তায় রাখছে জুয়ান ফেরান্দোকে। আগের ম্যাচে পিছিয়ে থেকেও শক্তিশালী মুম্বই সিটি এফসির বিরুদ্ধে জয় তুলে নিয়েছে ওড়িশা এফসি। সেটা মাথায় রাখছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ। তিনি বলেন, ওড়িশার বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও জয় পায়নি মুম্বই। সেটা মাথায় রেখেই আমাদের মাঠে নামতে হবে।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : রক্ষণ সামলাতে পুরনো ডিফেন্ডারকে ফেরাল এটিকে মোহনবাগান

বিদেশি ক্লাবের জার্সি গায়ে খেলার স্বপ্ন পূরণ হল না সন্দেশ ঝিংগানের। আবার ফিরতে হল সেই দেশের ক্লাবেই। পুরনো ক্লাব এটিকে মোহনবাগানের জার্সি গায়ে চলতি মরশুমে আবার আইএসএলে খেলতে দেখা যাবে দেশের সেরা এই ডিফেন্ডারকে।আরও পড়ুনঃ সুরাতে গ্যাস লিক করে মর্মান্তিক মৃত্যু ৬ কারখানা শ্রমিকেরগত মরশুম শেষে এটিকে মোহনবাগান ছেড়ে ক্রোয়েশিয়ার এইচ এন কে সিবনিকে যোগ দিয়েছিলেন সন্দেশ ঝিংগান। সিবনিকে যোগ দেওয়ার সময় বলেছিলেন এগিয়ে যাওয়ার জন্য চ্যালেঞ্জ নিতে হয়। কিন্তু সেই সুযোগই পেলেন না সন্দেশ। ক্রোয়েশিয়ায় যাওয়ার পর একটা ম্যাচেও খেলার সুযোগ পাননি এই ভারতীয় ডিফেন্ডার। কয়েকটা ম্যাচে অবশ্য রিজার্ভ বেঞ্চে ছিলেন। মরশুমের শেষের দিকে আবার চোটের কবলে পড়েন সন্দেশ। চোট সারানোর জন্য তিনি দেশে ফিরে আসেন। নিজের ব্যক্তিগত ফিজিওর কাছে চিকিৎসা শুরু করেন। ফিট হওয়ার পর এটিকে মোহনবাগান কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।আরও পড়ুনঃ রাজ্যজুড়ে শীতের আমেজ কমিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রাসবুজমেরুণ কর্তারা একজন ভাল মানের ডিফেন্ডারের খোঁজে ছিলেন। হাবাস দায়িত্বে থাকার সময় দীপক টাংরিকে স্টপারে খেলাচ্ছিল। বেশ কয়েকটা ম্যাচে দলকে ডুবিয়েছেন দীপক। তাই সন্দেশ ঝিংঘানকে ফেরাতে এটিকে মোহনবাগান কর্তারা রাজি হয়ে যান। বাগান কর্তারা সন্দেশকে দলে নেওয়ার আগে কোচ জুয়ান ফেরান্দোর সঙ্গে কথা বলেন।আরও পড়ুনঃ হাবড়া স্টেশনে কেন ভেঙে দেওয়া হল এমএ ইংলিশ চায়েওয়ালির দোকান?ট্র্যান্সফার-ফি দিয়ে সন্দেশকে নিতে রাজি ছিলেন না এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। তাঁরা সন্দেশকে বলেন সিবনিক থেকে রিলিজ নিয়ে আসতে। সিবনিকের কর্তাদের কাছে রিলিজ চান সন্দেশ। রিলিজ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে চুক্তি করে জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে পড়েন। বৃহস্পতিবারই জৈব সুরক্ষা বলয়ে ঢুকে পড়লেও পরের ম্যাচে খেলতে পারবেন না। কারণ এটিকে মোহনবাগানের পরের ম্যাচ ৮ জানু্যারি ওড়িশা এফ সির বিরুদ্ধে। এই ম্যাচের আগে সন্দেশ ঝিংঘানের কোয়ারেন্টিনের মেয়াদ শেষ হবে না। ১৫ জানুয়ারি বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে অবশ্য তাঁর মাঠে নামতে কোনও অসুবিধা হবে না।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

তৃণমূলের সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা কাকলির, "ভালো তৃণমূল" নিয়ে জোর চর্চা

তৃণমূল কংগ্রেসের সমস্ত সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দিলেন বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে লেখা চিঠিতে তিনি মহিলা শাখার জাতীয় সভাপতির পদ-সহ সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন। একই সঙ্গে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড় ভালো তৃণমূল নিয়ে। ইস্তফাপত্রে কাকলি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু তুলে ধরেছেন। রেশন দুর্নীতি, শিক্ষক নিয়োগ কেলেঙ্কারি এবং দলের ওপর ভোটকুশলী সংস্থা আই-প্যাকের অতিরিক্ত প্রভাব বিস্তার নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। চিঠিতে তিনি লেখেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আমার বিবেক গভীরভাবে পীড়িত।আরজি কর মেডিকেল কলেজের প্রাক্তন ছাত্রী হিসেবে সেখানে তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা এবং পরে তা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে নাড়া দিয়েছে বলেও জানান কাকলি। তবে সাংগঠনিক পদ ছাড়লেও আপাতত দল ছাড়ছেন না তিনি। সাধারণ কর্মী হিসেবেই তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা জানিয়েছেন বারাসাতের সাংসদ।উল্লেখ্য, সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সভাপতিত্বে আয়োজিত একটি প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। দলীয় আপত্তি উপেক্ষা করে সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকার পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এর মধ্যেই তাঁর ইস্তফা তৃণমূলের অন্দরে নতুন করে চাপ বাড়িয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মে ২৮, ২০২৬
রাজনীতি

সোশাল মিডিয়া তোলপাড় ভালো তৃণমূল খারাপ তৃণমূলে, এই তত্বে ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা

ভালো তৃণমূল, খারাপ তৃণমূলে তোলপাড় সোশাল মিডিয়া। তৃণমূল কংগ্রেসে ভালো কিছু আছে বলে বিজেপি কর্মী ও সমর্থকরা কোনওভাবেই মানতে নারাজ। তাই বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যকে কোনও ভাবে সমর্থন করছে না তাঁরা। তৃণমূলের যাঁরা দুর্নীতি বা অন্যায়ের সঙ্গে যারা যুক্ত নন তাঁরা কবে দড়জায় কড়া নাড়বেন, সেকথাই বলেছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। তাতেই ভালো তৃণমূল তত্ব ভেসে ওঠে। বিগত ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর। খুন, ধর্ষণ থেকে বাড়ি-ঘর ভেঙে তছনছ করে পুড়িয়ে দেওয়ার মত আক্রমণের ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল বাংলা। এমনকী গত পাঁচ বছরে ৩২১ জন বিজেপি কর্মী তৃণমূলের হাতে শহিদ হয়েছেন বলে রাজ্য বিজেপির দাবি। বগটুই থেকে আরজিকরের মতো নারকীয় ঘটনা ঘটেছে এই রাজ্যে। একের পর এক দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। গ্রেফতার হয়েছেন মন্ত্রী থেকে নেতারা। শেষমেশ ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তৃণমূলের একাংশের বক্তব্যে গিরগিটিও যেন হার মানবে। টিভি শো থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের যে নেতৃত্ব বিজেপিকে গালমন্দ না করে মুখে অন্ন তোলেনি তারা এখন মমতা-অভিষেকের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছে। ভাবটা এমন যে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের থেকেও তারা অত্যাচারিত ছিল। অথচ দিনের পর দিন তারা ক্ষমতার অলিন্দে থেকে সবরকম ভোগ বিলাস করেছেন। তৃণমূল জমানার কোনও ঘটনা নিয়ে টু শব্দটি করেননি। বরং বিজেপিকে যতটা বেশি কোনঠাসা করা যায় ততটাই করেছেন। এখন তারা ভালো তৃণমূল সাজতে উঠেপড়ে লেগেছেন। তৃণমূল নেতাদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার হচ্ছে। সঙ্গে আরও বহু সামগ্রী। এরা এখন পরিস্থিতির চাপে পড়ে নিজেদের পিঠ বাঁচাতে মন ভোলানো সুর তুলেছেন। কিন্তু তৃণমূল ক্ষমতায় ফিরলে এদের এই রূপ কিছুতেই দেখতে পেত না বাংলার মানুষ। টিভি চ্যানেলে দিনের পর দিন বিজেপি বক্তাদের অবহেলা, অবজ্ঞা, অপমান করেছেন, ঔদ্ধত্য দেখিয়েছেন। এখন তারা ভালো তৃণমূলের দৌড়ে অংশ নিয়েছেন। বিজেপি কর্মী সর্থকরাই বলছেন এভাবে ভালো তৃণমূল বাছলে তারা আবার খারাপ না হয়ে যান। তাঁদের বক্তব্য়, ২০২৬-এর ভোটে জয় বিজেপির লড়াই ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণেই সম্ভব হয়েছে। ওই ভালো তৃণমূলীরা বিজেপিকে পদদলিত করতে চেয়েছিল। নির্বাচনে হেরে গেলে জীবন বিপন্ন হয়ে যেতে নীচুতলার বিজেপি কর্মীদের। তাই তারা বিজেপি নেতৃত্বের কাছে আবেদন করছেন, এই ভালো তৃণমূল খোঁজার নামে দলকে বিপদগামী করবেন না। বাস্তবে একটা পচা আলু গোটা বস্তার আলুকে পচিয়ে দেয়। তাতে দলের কর্মীরা হতাশ তো হবেনই পাশাপাশি সামনের দিন বাংলায় বিজেপির শাসন দরকার। ভোট বলে বিষয়বস্তু কিন্তু থাকবে। সাংসদ রাহুল সিনহা বলেছেন, বিজেপি আগামী ২৫ বছর থাকবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলতেন আগামী ৫০ বছর তৃণমূল থাকবে। মানুষ কিন্তু সব মনে রাখে। সময়ের অপেক্ষায় থাকে। অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, বিজেপি সাধারণের প্রতিক্রিয়া যাচাই করতে অথবা পরবর্তীতে যাতে কোনও ক্ষোভ-বিক্ষোভ না থাকে তার জন্য এই তত্ব ছেড়েছে। এখন দেখার বিষয় বিজেপির কাছে ভালো তৃণমূল কারা, খারাপ তৃণমূল কারা।

মে ২৮, ২০২৬
রাজ্য

সীমান্তে ফের লম্বা লাইন! আতঙ্কে বাংলাদেশে ফিরতে শুরু করলেন সন্দেহভাজন অনুপ্রবেশকারীরা

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরগরম হয়ে উঠেছে সীমান্ত এলাকা। ডিটেক্ট-ডিলিট-ডিপোর্ট নীতি কার্যকর করতে ইতিমধ্যেই জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশের পর প্রশাসনিক তৎপরতাও অনেকটাই বেড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।এরই মধ্যে বসিরহাটের স্বরূপনগর ব্লকের হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকায় ফের দেখা গেল চাঞ্চল্যকর ছবি। সীমান্তের কাছে বহু মহিলা, পুরুষ ও যুবককে ছোট ছোট ব্যাগ নিয়ে অপেক্ষা করতে দেখা গিয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, এদের অনেকেই সন্দেহভাজন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী, যারা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।কয়েক মাস আগেও একই ধরনের ছবি দেখা গিয়েছিল। তখনও সীমান্ত এলাকা দিয়ে বহু মানুষ বাংলাদেশে ফিরে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় নির্মাণ শ্রমিক, মাছের ভেড়িতে কাজ কিংবা দৈনিক মজুরির বিভিন্ন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।সোমবার দুপুরে হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় উপস্থিত কয়েকজন জানান, দালালচক্রের মাধ্যমে এক থেকে দেড় বছর আগে তাঁরা সীমান্ত পেরিয়ে এ রাজ্যে এসেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে প্রশাসনের কড়াকড়ি এবং নজরদারি বাড়ায় তাঁরা ফের বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সীমান্ত এলাকায় পুলিশ ও প্রশাসনের নজরদারি অনেকটাই বেড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় পরিচয়পত্র যাচাই, ভাড়াবাড়িতে তল্লাশি এবং সন্দেহভাজনদের উপর নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।যদিও প্রশাসনের তরফে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি আরও শক্তিশালী করা হয়েছে বলে প্রশাসনের একাংশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর বৈঠকে তৃণমূল সাংসদ! বাংলার রাজনীতিতে বড় চমক কাকলির উপস্থিতিতে

বাংলার রাজনীতিতে এক বিরল ছবি দেখা গেল মঙ্গলবার। কল্যাণীতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির হলেন বিরোধী দলের সাংসদ ও বিধায়করা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চর্চায় বারাসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের উপস্থিতি।মঙ্গলবার সকালে বৈঠক শুরুর আগেই সভাস্থলে পৌঁছে যান কাকলি। তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমন্ত্রণ পেয়েছি, তাই এসেছি। প্রশাসনটা কারও একার নয়। এটা কোনও দলীয় সভা নয়।শুধু কাকলি নন, এদিন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের আরও তিন বিধায়ক। হাজির ছিলেন দেগঙ্গার বিধায়ক আনিসুর রহমান, হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন এবং স্বরূপনগরের বিধায়ক বীণা মণ্ডল।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ছবি যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ তৃণমূল জমানায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের সাধারণত দেখা যেত না। সেই জায়গায় শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠকে বিরোধী শিবিরের জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতি নতুন রাজনৈতিক বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।হাড়োয়ার বিধায়ক আব্দুল মতিন বলেন, রাজনীতিতে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই এক। তাই এখানে এসেছি।এদিকে গত কয়েকদিন ধরেই কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা বাড়ছিল। লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই সমাজমাধ্যমে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন তিনি। সেখানে লিখেছিলেন, চার দশকের আনুগত্যের জন্য আজ পুরস্কৃত হলাম।এরপর তাঁর বাড়ির সামনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। গত রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে কাকলি জানান, তিনি সাংগঠনিক জেলা সভাপতির পদ থেকেও ইস্তফা দিচ্ছেন। আর তার মধ্যেই শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

মে ২৬, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় অভিযান! বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া বার্তা কেন্দ্রের

অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতি এখন আরও কঠোর। ডিটেক্ট, ডিলিট, ডিপোর্ট নীতিকে সামনে রেখেই দেশজুড়ে সীমান্ত নিরাপত্তায় জোর দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এরই মধ্যে সীমান্ত পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চার রাজ্যে সফরে বের হচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই তালিকায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে অমিত শাহের এই সীমান্ত সফর। প্রথমে তিনি যাবেন রাজস্থানের বিকানেরে। সেখানে সীমান্ত এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন তিনি। পাশাপাশি সীমান্ত লাগোয়া জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিক, বিএসএফ এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন।আগামী ১৫ জুন পশ্চিমবঙ্গে আসার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের কাজ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখবেন তিনি। সীমান্ত এলাকার একটি বিএসএফ পোস্টেও যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। এছাড়াও সীমান্তবর্তী জেলার প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।রাজ্য ইতিমধ্যেই বিএসএফকে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তার মধ্যেই অমিত শাহের এই সফরকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সীমান্ত নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং বিএসএফকে একযোগে কাজ করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।কেন্দ্রের দাবি, সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। জনবিন্যাসের পরিবর্তন রুখতে এবং সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

“আমাকে গ্রেপ্তার করুন!” নিউটাউনের রাস্তায় টলোমলো পায়ে বিডিওর কাণ্ডে তোলপাড়

সল্টলেকের স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যা অপহরণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মন এবার নতুন বিতর্কে জড়ালেন। অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় প্রকাশ্য রাস্তায় বেপরোয়া আচরণ করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। সেই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও সামনে আসতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।সোমবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ নিউটাউনের সারচি সিগন্যালের সামনে ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গিয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর সময় এক বাইকচালককে ধাক্কা মারেন প্রশান্ত বর্মন। ধাক্কায় রাস্তায় পড়ে গিয়ে গুরুতর জখম হন ওই বাইক আরোহী। পরে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।ঘটনার পর স্থানীয় পথচারীরা প্রতিবাদ শুরু করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, সেই সময় অভিযুক্ত বিডিও রাস্তাতেই চিৎকার শুরু করেন এবং প্রতিবাদকারীদের উদ্দেশে নানা হুমকি দেন। ভাইরাল ভিডিওতে তাঁকে কখনও দুর্নীতিগ্রস্ত বলে কটাক্ষ করতে, আবার কখনও চড় মারার হুমকি দিতে দেখা গিয়েছে।ভিডিওতে আরও দেখা যাচ্ছে, এক সময় তিনি নিজেই গাড়ি থেকে নেমে টলোমলো পায়ে পুলিশকে বলছেন, আমাকে গ্রেপ্তার করুন। পুরো ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে বিধাননগর কমিশনারেটের ইকো পার্ক থানার পুলিশ অভিযুক্ত বিডিওকে আটক করে নিয়ে যায়।যদিও ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

মে ২৬, ২০২৬
কলকাতা

পুরসভার নোটিসের মাঝেই অভিষেকের বাড়িতে কলকাতা পুলিশ! হঠাৎ তৎপরতায় বাড়ছে জল্পনা

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি এবং বাড়ির বেআইনি অংশ ভাঙা নিয়ে কলকাতা পুরসভার দেওয়া নোটিস ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। সোমবার ছিল পুরসভার দেওয়া সময়সীমার শেষ দিন। তার আগেই সময় বাড়ানোর আবেদন জানিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই আবেদনে সাড়া দিয়ে কলকাতা পুরসভা আরও ১০ দিনের সময় দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই আবহেই সোমবার বিকেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হরিশ চ্যাটার্জি রোডের বাড়ি শান্তিনিকেতন-এ পৌঁছে যায় কলকাতা পুলিশের একটি দল। আর তাতেই শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার সম্পত্তির মধ্যেই পড়ে অভিষেকের এই বাড়ি। তৃণমূল জমানায় এই সংস্থাকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছিল। ফলে পুরসভার নোটিসের পর আচমকা পুলিশের উপস্থিতি ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কেউ মনে করছেন, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংক্রান্ত কোনও বিষয়েই নতুন করে নজরদারি শুরু হয়েছে। আবার কারও মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতেই পুলিশের এই সফর।যদিও বাড়ি থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি পুলিশ আধিকারিকরা। ফলে জল্পনা আরও বেড়েছে।উল্লেখ্য, গত সোমবারই কলকাতা পুরসভার তরফে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডের দুটি ঠিকানায় নোটিস পাঠানো হয়েছিল। বাড়ির অতিরিক্ত নির্মাণের জন্য পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না, তা জানতে চাওয়া হয়। একই সঙ্গে শান্তিনিকেতন-এর বেআইনি অংশ ভাঙার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। পাশাপাশি অভিষেকের ১৭টি সম্পত্তিও নজরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।কয়েক দিন আগেই কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন অভিষেক। পুরসভার নোটিস নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন উঠতেই প্রথমে কোনও উত্তর দেননি তিনি। পরে গাড়ির কাঁচ নামিয়ে কিছুটা বিরক্তির সুরে বলেন, বাড়ির কোন অংশ অবৈধ, সেটা নির্দিষ্ট করে জেনে আসুন। তারপর আমাকে প্রশ্ন করুন, আমি উত্তর দেব।সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছিল। তবে এবার সময় বাড়ানোর আবেদন এবং পুরসভার সেই আবেদন মঞ্জুর করার পর পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

হাওয়ায় দুলছে মেসির বিশাল মূর্তি! আতঙ্কে লেকটাউন, রাতেই ভাঙার সিদ্ধান্ত?

লেকটাউনে তৈরি হওয়া বিশাল লিওনেল মেসির মূর্তি ঘিরে এবার আতঙ্ক ছড়াল স্থানীয়দের মধ্যে। অভিযোগ, হাওয়ায় প্রবলভাবে দুলছে মূর্তিটি। যে কোনও সময় সেটি ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে সোমবার ঘটনাস্থলে পৌঁছন পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার, সরকারি আধিকারিক এবং লেকটাউন থানার পুলিশ।স্থানীয়দের অভিযোগ, মূর্তিটির নীচের অংশের মাটি বসে গিয়েছে। চারপাশে পাথর ও মাটি বেরিয়ে এসেছে। ফলে গোটা কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। হাওয়ায় মূর্তিটি দুলতে থাকায় আতঙ্ক আরও বেড়েছে।মূর্তিটির ঠিক নীচেই রয়েছে একটি জায়ান্ট স্ক্রিন। সন্ধ্যার সময় সেখানে ভিড় করেন বহু মানুষ। আইপিএলের ম্যাচ দেখার জন্য প্রতিদিনই জমায়েত হয় স্থানীয়দের বড় অংশ। সেই সময় যদি মূর্তিটি ভেঙে পড়ে, তাহলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী।স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরা সরেজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। জানা গিয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে সোমবার রাতেই মূর্তিটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে এই বিশাল মূর্তিটি তৈরি করা হয়েছিল। আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসি কলকাতা সফরে এলে ভার্চুয়ালি এই মূর্তির উদ্বোধন করেছিলেন। সেই সময় তাঁর পাশে ছিলেন বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। মূলত তাঁর উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানেই তৈরি হয়েছিল মূর্তিটি।

মে ২৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal