• ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Katwa

রাজ্য

বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি ও বিধায়কের প্রাণনাশের আশঙ্কায় তোলপাড়, বোমায় উড়েছে বাড়ি, মৃত্যু একজনের

পরিত্যক্ত বাড়িতে বোমা বাঁধার সময় বিরাট বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছে একাধিক বাড়ি। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বোমা বাঁধতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে এক দুস্কৃতীর। জখম হয়েছে আরও তিন সদস্য। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার রাজৌর গ্রামে। এই বিষ্ফোরণের পর প্রাণনাশের আশঙ্কায় আতঙ্কিত খোদ পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ও কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। জেলা তৃণমূলের শীর্ষনেতার আশঙ্কায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, আমার ওপর হামলা হতে পারে। আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা হতে পারে। তার জন্য়ই বোমা বাঁধা হচ্ছিল। স্থানীয় বাসিন্দা তুফান চৌধুরী বোমা বাঁধছিল। তুফানের মাথার ওপর হাত ছিল জঙ্গল শেখের। বোমা ফেটে বাড়ি উড়ে যায় কাটায়োরার রাজৌর গ্রামে। জঙ্গল শেখের পরিকল্পানা ছিল পার্টি অফিসে আক্রমণ করা। পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার রাত আনুমানিক ৯ টা নাগাদ রাজৌর গ্রামে ভয়ঙ্কর বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফেরণে মৃত্যু হয় বরকত শেখের(২৮)। এই দুষ্কৃতীর বাড়ি বীরভূমের নানুর থানার সিয়ালা গ্রামে। জখমরা হল সেখ তুফান চৌধুরী, ইব্রাহিম সেখ ও সফিক মণ্ডল। জখম তিন জনই রাজৌর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ রাতেই চিকিৎসার জখম তিনজনকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে তুফানকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পুলিশ তুফান চৌধুরীকে করেছে। এই তুফানই বোমা বাঁধার মূল পান্ডা। জানা গিয়েছে, তারা লম্বু শেখের বাড়িতে বোমা বাঁধছিল। গোটা ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয়েছে। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, বালি খাদানে দখলদারি করার উদ্দেশ্যেই এই বোমা বাঁধা হচ্ছিল। এতে নাম জড়িয়েছে প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জঙ্গল শেখের। তার নির্দেশে তুফানরা বোমা বাঁধছিল বলে অভিযোগ। বোমা বেশ উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বলে মনে করা হচ্ছে। জঙ্গল শেখের নেতৃত্বে বোমা বাঁধা হচ্ছিল বলে দাবি করেছেন তৃণমূল জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। ২০১৫ সালে কাটোয়া পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের কাউন্সিলর হয়েছিলেন জঙ্গল শেখ। এমনকী পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। তখন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন। পরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। জঙ্গল শেখ দীর্ঘ দিন জেলে ছিলেন। এখন জামিনে ছাড়া পেয়েছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৫
রাজ্য

সর্বভারতীয় জেইই-তে রাজ্যেও প্রথম পূর্ব বর্ধমানের দেবদত্তা, মাধ্যমিকেও ছিল শীর্ষে

সর্বভারতীয় জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগজামিনেশন (জেইই) মেন পরীক্ষায় নজর কাড়া ফল করেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া শহরের বাসিন্দা দেবদত্তা মাঝি। এই দেবদত্তা মাঝি ২০২৩ সালের মাধ্যমিকেও প্রথম স্থান অর্জন করেছিল। এবার সর্বভারতীয় স্তরে রেজাল্ট করে নিজের মান রাখলেন। দেবদত্তা মাঝি কাটোয়া শহরের দুর্গাদাসী চৌধুরী গার্লস হাই স্কুলের ছাত্রী। মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৭০০ নম্বরের মধ্যে দেবদত্তা পেয়েছিল ৬৯৭ নম্বর। ৯৯.৫৭ শতাংশ। আর এই সর্বভারতীয় জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগজামিনেশন (জেইই) মেন পরীক্ষায় দেবদত্তার প্রাপ্ত নম্বর ৩০০ এর মধ্যে ২৭৫।দেবদত্তার মা দুর্গাদাসী চৌধুরী গার্লস হাই স্কুলেরই শিক্ষিকা এবং বাবা আসানসোলের একটি কলেজের অধ্যাপক। দেবদত্তার মা জানিয়েছেন, দেবদত্তা মাধ্যমিক দিয়েছে যে স্কুল থেকে, সেই স্কুল থেকেই উচ্চ মাধ্যমিক দেবে। দেবদত্তা প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সে পড়াশোনা করে। দেবদত্তার ইচ্ছা আইআইটি বা ব্যাঙ্গালোরে আইআইএসসি তে পড়াশোনা করার।উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারি পর্বের জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগজ়ামিনেশন (জেইই) মেন- এর ফল প্রকাশ করল জাতীয় পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা বা এনটিএ। পরীক্ষা শেষের ১২ দিনের মাথায় প্রকাশিত হল ফলাফল। এ বছর জেইই মেন-এর জানুয়ারি পর্ব বা প্রথম পর্বের পরীক্ষা হয়েছিল ২২ জানুয়ারি থেকে ৩০ জানুয়ারি। পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১৩ লক্ষ।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৫
শিক্ষা

মাধ্যমিকে প্রথম কাটোয়ার দেবদত্তা ও দ্বিতীয় বর্ধমানের শুভমের সাফল্যের পিছনে কারণ কি?

এবার মাধ্য়মিক পরীক্ষায় জয়জয়কার বর্ধমান জেলার। বিশেষত কাটোয়া ও বর্ধমান শহরের নাম জ্বল জ্বল করছে। সারা রাজ্যে মাধ্যমিকে প্রথম হয়েছে দেবদত্তা মাঝি। ৬৯৭ নম্বর পেয়ে প্রথম কাটোয়ার দুর্গাদাসী চৌধুরানী হাইস্কুলের ছাত্রী। মাধ্য়মিকে প্রথম স্থানাধিকারী ছাত্রীর উচ্ছ্বসে ভেসে গিয়েছেন। দেবদত্তা জানিয়েছে, এই ফল উৎসর্গ করেছে মাকে। এই সাফল্য এসেছে স্কুলের ও গৃহশিক্ষদের জন্য। ফলপ্রকাশের পর থেকেই তাকে শুভেচ্ছা জানাতে হাজির হয়েছেন পাড়া প্রতিবেশি থেকে আত্মীয়স্বজনেরা। ভবিষ্যতে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়তে চান তিনি।দেবদত্তা মাঝি প্রাইভেট টিউশন যেমন পড়ত, তেমনই বাড়িতেও নিজের পড়াশোনার দিকে খেয়াল রাখত। দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পড়ত এবারের মাধ্যমিকের একমাত্র প্রথম স্থানাধিকারী। সাদামাটা পরিবারে বড় হয়েছে দেবদত্তা। সেলফ-স্টাডি করতেই বেশি পছন্দ করে।এদিকে বর্ধমান শহরের শুভম পাল মাধ্যমিকে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে। তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৫। এবারে তাঁর রেজাল্ট আকাশছোঁয়া, খবর পেতেই বাড়িতে উৎসবের আমেজ। যেন নিজেই বিশ্বাস করতে পারছেন না শুভম। শহরের ঐতিহ্য়বাহী বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের ছাত্র শুভম। শুভমের কথায়, ভীষণ ভাল লাগছে। এই দিনটার জন্য অপেক্ষায় ছিলাম। তবে এতটা ভাল ফল হবে আশা করতে পারিনি।প্রত্যেকটা বিষয়ে একজন করে প্রাইভেট টিউটর ছিল শুভমের। মা বাংলার শিক্ষিকা। মায়ের কাছেই বাংলা পড়তাম। শুভম বলেন, মা সব থেকে সাহায্য করেছেন। স্কুলের শিক্ষকরাও পাশে ছিল। সে জানিয়েছে, সারাদিন নির্দিষ্ট সময়ে পড়াশোনা করতাম না। যখন ইচ্ছে হত তখনই পড়তাম। বাঁধাধরা ছিল না কিছুই। পাঠ্য বই ভাল করে পড়তে হবে। প্রতিটা লাইন খুঁটিয়ে পড়েই সাফল্য এসেছে। শুভমের পড়াশোনা ছাড়া গান, আবৃত্তিতে বেশ ঝোঁক রয়েছে।

মে ১৯, ২০২৩
রাজ্য

দ্বিতীয় 'বগটুই' হতে যাওয়ার আগে রুখে দিল কাটোয়া থানার পুলিশ- অস্ত্রসস্ত্র সহ গ্রেপ্তার ৩ দুস্কৃতি

বিরোধী পক্ষের হাত থেকে খাসজমির দখল ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য বিপুল অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে অপেক্ষা করছিল দুস্কৃতি দল। তাঁদের পরিকল্পনা ছিল শনিবার গভীর রাতে পূর্ব বর্ধমানের শ্রীবাটি গ্রামে গিয়ে বিরোধী পক্ষের উপর হামলা চালানো। আর তেমনটা হলে হয়তো দ্বিতীয় বগটুই এর মত ঘটনা ঘটে যেতে পারতো। কিন্তু তা আর হতে দেয়নি কাটোয়া থানার পুলিশ। রাতেই অভিযান চালিয়ে কাটোয়া থানার পুলিশ অস্ত্রসস্ত্র সহ তিন দুস্কৃতিকে ধরে ফেলে। দুই দুস্কৃতি পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও দুস্কৃতি দলের সমস্ত পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে পেরে আপাত স্বস্তিতে কাটোয়া থানার পুলিশ।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম জামীর আলি মণ্ডল, বজরুল শেখ ওরফে কালো শেখ এবং সইদুল শেখ ওরফে ফুটো। ধৃতদের সকলের বাড়ি শ্রীবাটি গ্রামেই। পুলিশের দাবী ধৃতদের মজুত করা ৪ টি রাইফেল, ২৪ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, একটি পিস্তল ও ২ রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং ১৬ টি সকেট বোমা উদ্ধার হয়েছে। দুস্কৃতিদের এত বিপুল অস্ত্র ভান্ডার দেখে চোখ কার্যত কপালে উঠে যায় পুলিশ কর্তাদের। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ তিন ধৃতকেই রবিবার পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। আরও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধার ও পলাতক দুস্কূতিদের নাগাল পেতে তদন্তকারী অফিসার এদিন ধৃতদের ১২ দিন নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন জানান। বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করেছেন। হেপাজতে নেওয়া দুস্কৃতিদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে অস্ত্রসস্ত্রের উৎসের সন্ধান চালাচ্ছে।এছাড়াও দুস্কৃতিরা আর কোথাও অস্ত্র মজুত করে রেখেছে কিনা সেই বিষয়েও পুলিশ খোঁজ খবর নিচ্ছে ।উদ্ধার হওয়া শকেট বোমা নিস্কৃয় করার জন্য কাটোয়া থানার পুলিশ বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডে খবর দিয়েছে।কাটোয়া থানার এক পুলিশ অফিসার জানান গ্রেপ্তারের পর ধৃতদের জিজ্ঞাবাদ চালানো হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানায়, শ্রীবাটি গ্রামের একটি খাস জমি নিয়ে বজরুল শেখ এর সঙ্গে ওই গ্রামেরই অন্য আর একটি গোষ্ঠীর মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরে বিবাদ চলছে। বিবাদের কোন নিস্পত্তি হয় নি। তার কারণে বজরুল শেখ তাঁর বিরোধী পক্ষের উপরে প্রাণঘাতী হামলা চালানোর পরিকল্পনা চুড়ান্থ করে ফেলে। পরিকল্পনা মাফিক হামলার আগে বোমা, বন্দুক সহ অন্য আরো অস্ত্রসস্ত্র আগে থেকেই জোগাড় করে রাখা হয়েছিল। শনিবার রাতে বিরোধী পক্ষের উপর হামলার চালানোর চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত বজরুল নিয়ে ফেলেছিল। শনিবার গভীর রাতে তাঁরা গ্রামের এক জায়গায় অস্ত্রসস্ত্র হামলা চালানোর জন্য অপেক্ষা করছিল বজরুল শেখ ও তাঁর দলবল। কাটোয়া থানার পুলিশ গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে গিয়ে অভিযান চালানোয় সব পরিকল্পনা ভেস্তে যায় বলে ধৃত দুস্কৃতিরা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ কে জানিয়েছে।

মার্চ ২৭, ২০২২
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর সক্রিয় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ, উদ্ধার আগ্নেআস্ত্র ও গাঁজা, গ্রেপ্তার ১১ দুস্কৃতী

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার বেআইনি বোমা, গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের জন্য রাজ্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়েই রাজ্য জুড়ে শুরু হয় পুলিশি অভিযান। অভিযান চালানো থেকে পিছিয়ে থাকেনি পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশও। জেলার বর্ধমান থানার পুলিশের অভিযানে আগ্নেআস্ত্র ও কার্তুজ সহ ধরা পড়েছে ভিন রাজ্যের দুই দুস্কৃতী। পুলিশ জানিয়েছে , ধৃতদের নাম সঞ্জয় কুমার ও ভোলা কুমার। ধৃতরা বিহারের ঔরাঙ্গাবাদ এলাকার বাসিন্দা। পুলিলের দাবী, ধৃতদের কাছ থেকে দুটি ইম্প্রোভাইস পাইপগান ও দুই রাউণ্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার দুই ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ১২ দিন পুলিশি হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। জেলা পুলিশের ডিএসপি অতনু ঘোষাল জানিয়েছেন, শুক্রবার ভোর রাতে বর্ধমান শহরের খাগড়াগড় এলাকায় দুই ব্যক্তিকে উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘোরাঘুরি করছিলেন। সন্দেহ হওয়ায় টহলদারি পুলিশ তাদের পথ আটক।তল্লাশীতে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় দুটি ইম্প্রোভাইস পাইপগান ও দুই রাউণ্ড কার্তুজ। অতনু ঘোষাল বলেন ,জেরায় ধৃতরা কবুল করেছে, তারা বিহারের নাচ-গানের অনুষ্ঠানে নর্তকী নিয়ে যাওয়ার কাজ করে। কিন্তু তারা অস্ত্র নিয়ে কেন বর্ধমান এসেছিল সেই বিষয়টি নিয়ে পরিস্কার কিছু জানায় নি। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ধৃতরা মহিলা পাচারের সঙ্গে যুক্ত। ধৃতদের নিজেদের হেপাজতে নিয়ে বর্ধমান থানাপ পুলিশ সেই রহস্যেরই কিনারা করতে চাইছে। বর্ধমানে আগ্নেআস্ত্র সহ দুই দুস্কৃতি ধরা পড়ার পাশাশাপি প্রচুর গাঁজা সহ ৪ গাঁজা কারবারী ধরা পড়েছে জেলার মন্তেশ্বর থানার পুলিশের অভিযানে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম সৈফুদ্দিন শেখ, মিঠু শেখ, তৈয়ব আলি শেখ ও রাজা সিং।ধৃতদের মধ্যে প্রথম তিনজনের বাড়ি বর্ধমানের দেওয়ানদিঘী থানার নাড়াগোহালিয়া এলাকায়। চতুর্থ ধৃতের বাড়ি বিহার রাজ্যে।পুলিশের দাবী ধৃতদের কাছ থেকে ৪১ কেজির বেশী গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। শুক্রবার ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমানের মাদক আদালতে। বিচারক ধৃতদের মধ্যে সৈফুদ্দিন শেখ ও মিঠু শেখকে ৬ দিনের পুলিশি হেফাজত ও বাকিদের জেল হেপাজতে পাটানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ,চলতি বছরের শেষ দিকে এসটিএফ ও জেলার পূর্বস্থলী থানার পুলিশ যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়ে ট্রাকভর্তি গাঁজা সহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে। এই মামলার তদন্ত চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে মণিপুর থেকে গাঁজা ভর্তি ট্রাকটি পূর্বস্থলীতে এসেছিল।এই ঘটনার পর দুমাস কাটতে না কাটতে শুক্রবার ভোর রাতে মন্তেশ্বর থানার পুলিশের অভিযানে ফের গাঁজা সহ চারজন গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা পুলিশ কর্তাদের ভাবিয়ে তুলেছে। ধৃতরা কোথা গাঁজা জোগাড় করে কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। কালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন ,গাঁজা সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই গাঁজা কারবারী চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে ।একই ভাবে কাটোয়া থানার পুলিশও রাতভর অভিয়ান চালিয়ে অস্ত্রসহ ৫ দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম রাহুল শেখ,নওসাদ শেখ, হাসিবুল শেখ,বুলেট হাজরা ও মিঠুন শেখ। ধৃতদের মধ্যে প্রথম দুজনের বাড়ি কাটোয়া মহকুমার কেতুগ্রাম থানার মূলগ্রাম এলাকায়। হাসিবুল কাটোয়ার কেশিয়া মাঠপাড়া এলাকা বাসিন্দা। বাকি দুজনের বাড়ি কাটোয়ার কোশিগ্রাম ও গাঙ্গুলিডাঙ্গা এলাকায়৷ পুলিশের দাবি, পৃথক অভিযানে ধরাপড়া দুস্কৃতিদের কাছ থেকে চারটি দেশি পিস্তল ও কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার ধৃতদের পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। বিচারক বুলেট হাজরাকে ৫ দিনের পুলিশি ও বাকি ধৃতদের জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

মার্চ ২৫, ২০২২
রাজ্য

প্রতিবাদীকে পিটিয়ে খুনে দুই অভিযুক্তের পুলিশ হেপাজত

অসামাজিক কাজের প্রতিবাদ করা ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার হল দুই অভিযুক্ত। ধৃতরা হলেন প্রশান্ত মহলাদার ও সোমনাথ মাজি। প্রশান্তর বাড়ি কাটোয়ার আখড়া গ্রামে। পাশের গ্রাম জগদানন্দপুরের বাসিন্দা আপর ধৃত সোমনাথের। কাটোয়ার নলহাটি গ্রামের পণ্ডিতপাড়ার মিহির পণ্ডিত (৪৫) কে পিটিয়ে খুনের আভিযোগে পুলিশ প্রশান্ত ও সোমনাথকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করে। খুনের ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ দুই ধৃতকে শুক্রবার কাটোয়া মহকুমা আদালতে পের করে নিজেদের হেপাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। বিচারক ধৃতদের চার দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মিহির পণ্ডিতের স্ত্রী তিনবছর আগে মারা গিয়েছেন। তাঁর ছেলে তন্ময় কর্মসূত্রে বাইরে থাকে। মেয়ে মৌসুমীর বিয়ে হয়ে গিয়েছে। মিহিরবাবুরা তিন ভাই। ছোট ভাই শিবু পণ্ডিত লিখিত অভিযোগে পুলিশকে জানিয়েছেন, রাধাগোবিন্দ জিউয়ের পুজো উপলক্ষে বুধবার রাতে জগদানন্দপুর গ্রামে যাত্রানুষ্ঠান ছিল। তাঁর দাদা মিহির পণ্ডিত গ্রামের কয়েকজনের সঙ্গে যাত্রা দেখতে গিয়েছিলেন। সেখানে আখড়া গ্রামের প্রশান্ত মহলাদার ও জগদানন্দপুর গ্রামের সোমনাথ মাজির সঙ্গে একপ্রস্থ ঝামেলা হয় মিহিরের। যাত্রা দেখে রাত প্রায় আড়াইটের পর মিহিরবাবু বাড়ি ফিরছিলেন । শিবু পণ্ডিত অভিযোগ করেছেন ,তাঁর দাদা মিহির পণ্ডিত যাত্রা দেখে যখন বাড়ি ফিরছিলেন তখন প্রশান্ত ও সোমনাথ নির্মম ভাবে পিটিয়ে তাঁকে হত্যা করে।মিহির পণ্ডিতকে হত্যার কারণ প্রসঙ্গে শিবু পণ্ডিত বলেন, তাঁদের প্রতিবেশী পরিবারের স্বামী পরিত্যক্তা এক মহিলার বাড়িতে রাতের অন্ধকারে যেতেন প্রশান্ত ও সোমনাথ। তাঁরা শিবু পণ্ডিতের বাড়ির উঠান দিয়ে ওই মহিলার বাড়িতে যাতায়াত করতো। শিবু বলেন, রাতের বেলায় বাইরের লোকজনের বাড়ির উঠান দিয়ে যাতায়াত করা মেনে নিতে না পেরে আমি ও আমার দাদা মিহির প্রতিবাদ করেছিলান। তার বদলা নিতেই রাতের অন্ধকারে মিহিরকে একা পেয়ে সোমনাথ ও প্রশান্ত পিটিয়ে হত্যা করেছে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসিটিভির ফুটেজে সংগ্রহ করেছে। তাতেই ধরাও পড়েছে প্রশান্ত ও সোমনাথ রড ও লাঠি দিয়ে নৃশংস ভাবে পিটিয়ে মারছে মিহিরকে। পুলিশের দাবি, জেরায় ধৃত দুজনই মিহির পণ্ডিতকে পিটিয়ে খুনের কথা কবুল করেছে।

মার্চ ২৫, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গিয়ে কাটোয়ায় আক্রান্ত পুলিশ

বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে গিয়ে আক্রান্ত হল পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া থানার বাঁধমুড়ো গ্রামে। এই গ্রামেই বাড়ি বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্ত আনসার মল্লিকের। তাঁর পরিবারের লোকজনের হামলায় জখম হন এএসআই আবদুল হাসিম হাজারি ও সিভিক ভলান্টিয়ার কৈলাস সাহা। জখমদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য রাতেই পাঠানো হয় কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। এই ঘটনার পরেই পুলিশ বিদ্যুৎ চুরিতে অভিযুক্ত আনসার মল্লিক ও তাঁর পরিবার সদস্যদের সন্ধানে জোরদার অভাযানে নেমে পড়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, আনসার মল্লিক দীর্ঘদিন ধরে হুকিং করে সাবমার্বিল পাম্প চালাচ্ছেন বলে বিদ্যুৎ দপ্তর থানায় অভিযোগ জানায়। তার ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত আনসারের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রজু করে। এদিন রাতে আনসারকে ধরতে বাঁধমুড়ো গ্রামে গিয়েছিলেন কাটোয়া থানার এসআই আবদুল হাসিম হাজারি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সিভিক ভলেন্টিয়ার কৈলাস সাহা। তাঁরা আনসারকে ধরে যেই গাড়িতে তুলতে যাবেন ঠিক সেই সময় অভিযুক্তের তিন ছেলে, পুত্রবধূরা, আরও কয়েকজন আত্মীয় মিলে পুলিশের উপর চড়াও হয়। তারা পুলিশের কাছ থেকে জোরপূর্বক আনসারকে ছিনিয়ে নিয়ে পালায়। এরপর আনসারের পরিবারের মহিলারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইঁট ছুড়তে শুরু করে। ইঁটের আঘাতে মাথা ফাটে এসআই আবদুল হাসিম হাজারির। জখম হয় সিভিক ভলান্টিয়ার কৈলাস সাহাও। কাটোয়া থানার এক পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, পুলিশের উপর হামলা চালানোর ঘটনায় জড়িত কাউকেই রেয়াত করা হবে না।

মার্চ ১৮, ২০২২
রাজ্য

স্বাস্থ্যসাথীর ‘জালিয়াতি’ নিয়ে বর্ধমানে এবার তদন্তে নামলো স্বাস্থ্য দফতর ও সিআইডি

স্বাস্থ্যসাথীর জালিয়াতি নিয়ে এবার তদন্তে নামল পূর্ব বর্ধমান জেলা স্বাস্থ্য দফতর। জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলার নির্দেশে জালিয়াতির তদন্তের জন্য বুধবার জেলার ডেপুটি সিএমওএইচ(১) জগন্নাথ মণ্ডলের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রণব রায় জানিয়েছেন, তদন্ত কমিটি এদিন থেকেই কাজ শুরু করে দিয়েছে। এক সপ্তাহের মধ্যে তাঁদের তদন্তের রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই জালিয়াতির ঘটনা নিয়ে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরও কঠোর পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে।পুলিশ ও স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে জালিয়াতি করার অভিযোগে কাটোয়া গাঁফুলিয়া গ্রাম নিবাসী সালেহার বিবি নামে একজনকে সোমবার দুপুরে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পাশাপাশি গ্রেফতার হয়েছে বর্ধমানের একটি নার্সিংহোমে কাজে যুক্ত থাকা সালেহার বিবির জামাই নুরুল হাসান। তাঁরা এখন কাটোয়া থানায় পুলিস হেফাজতে রয়েছেন। ওই নার্সিংহোমের ডিরেক্টর আবির গুহকে পুলিশ থানায় দেখা করার জন্যে নোটিসও দিয়েছে। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সিআইডির বর্ধমান শাখার একটি দল ওই নার্সিংহোমে গিয়ে খোঁজখবর নেয়। পুলিশ ওই নার্সিংহোম থেকে পাওয়া ১২৩টি স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের প্রতিলিপি স্বাস্থ্য দফতরকে জমা দিয়েছে। সেখানে পুলিশ জানিয়েছে, ৪২ জন রোগীর সন্ধান মিললেও বাকি ৮১টি কার্ডের প্রাপকদের খোঁজ পাওয়া যায়নি।স্বাস্থ্য দফতরের তদন্তকারী অফিসাররা জানিয়েছেন ,ওই ৮১টি কার্ডের ধরে যাবতীয় তথ্য খুঁজে বের করা হবে। কেন এতগুলি স্বাস্থসাথী কার্ড নার্সিংহোমে ছিল তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। তাঁরা প্রতিটি কার্ডের প্রাপককে ফোন করে তা যাচাই করে দেখতে চাইছেন।এই নার্সিংহোমের বিরুদ্ধেই অভিযোগজেলা স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্তার কথায় ওই নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে আগেও স্বাস্থ্যসাথী নিয়েই অভিযোগ উঠেছিল। ক্লিনিক্যাল এস্টাব্লিশমেন্ট আইন না মানায় ওই নার্সিংহোমকে বন্ধও করে দিয়েছিল স্বাস্থ্য দফতর। সিআইডি জানিয়েছে, এ ব্যাপারে তারা একটি বিশদে রিপোর্ট ভবানী ভবনে পাঠাবে। সেখান থেকে নির্দেশ এলে সিআইডি তদন্তভার নিতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এ দিন ওই নার্সিংহোমের ডিরেক্টর আবির গুহ বলেন, তদন্তকারী সব দলের কাছেই সব রকমের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। কয়েক দিন পরেই তো তদন্ত রিপোর্ট বেরিয়ে যাবে।

মার্চ ১৬, ২০২২
রাজ্য

টুকলি নিয়ে মারপিট বচসা, পরীক্ষাকেন্দ্রে জখম মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী

পরীক্ষা কেন্দ্রে টুকলি করা নিয়ে তৈরি হয়েছিল বিরোধ। তার জেরেই পরীক্ষাকেন্দ্র চত্বরে অন্য পরীক্ষার্থীদের মারধোরে জখম হল এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। তাঁর নাম শুভম ঘোষ। মঙ্গলবার ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষা শেষে এই ঘটনাটি ঘটে পূ্ব বর্ধমানের কাটোয়া-২ ব্লকের অগ্রদ্বীপ ইউনিয়ন উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে। মাথায় আঘাত লাগায় চিকিৎসার জন্য পরীক্ষার্থী শুভম ঘোষ কে উদ্ধার করে এদিন নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনার পরেই পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে সরব হন অভিভাবকরা।অভিভাবকরা জানিয়েছেন, কাটোয়া মহকুমার মাধ্যমিক পরীক্ষাকেন্দ্র মধ্যে একটি হল অগ্রদ্বীপ ইউনিয়ন উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই পরীক্ষা সেন্টারে অগ্রদ্বীপ সুবোধ চৌধুরী শিক্ষানিকেতন, মাখালতোড় উচ্চবিদ্যালয় সহ আসপাশের কয়েকটি স্কুল মিলে মোট ২৭৬ জন পড়ুয়া মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে। মাখালতোড় উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্র শুভম ঘোষ অগ্রদ্বীপের পলাশির বাসিন্দা। শুভম জানিয়েছে,পরীক্ষা শেষে হবার পর সে বাইরে বের হয়। তখনই সে দেখে সুবোধ চৌধুরী শিক্ষানিকেতন স্কুলের বেশ কয়েকজন পরীক্ষার্থী তার এক বন্ধুকে ঘিরে ধরে ব্যাপক মারধর করছে। তা দেখে সে বন্ধুকে বাঁচাতে যাই। তখন মারধোরে জড়িতরা তাঁর বন্ধুকে ছেড়ে দিয়ে তাঁর উপর চড়াও হয়ে মারধর করতে শুরু করে। তাকে মাটিতে ফেলে এলোপাথাড়ি পেটাতে শুরু করে। পরীক্ষাকেন্দ্র চত্ত্বরে থাকা সিভিক ভলান্টিয়াররা ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।মারধোরের কারণ প্রসঙ্গে শুভম জানায়,পরীক্ষাকেন্দ্রে টুকলি করা নিয়ে কয়েকদিন ধরে সুবোধ চৌধুরী শিক্ষানিকেতনের পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে তাঁর ওই বন্ধুর ঝামেলা ঝামেলা চলছিল। আর টুকলি বিবাদ তৈরি হওয়ায় সুবোধ চৌধুরী শিক্ষানিকেতনের পরীক্ষার্থীরা এদিন পরীক্ষা শেষে হামলা মারধোর শুরু করে দেয়। আক্রান্ত শুভমের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা এদিনের ঘটনা বিষয়ে অগ্রদ্বীপ পুলিস ফাঁড়িতে অভিযোগ জানিয়েছেন। কাটোয়া মহকুমা শিক্ষাদপ্তরের এ-আই শেখর মণ্ডল বলেন,ঘটনাটি নিয়ে ওই স্কুলের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মার্চ ১৫, ২০২২
রাজ্য

স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে নজিরবিহীন জালিয়াতি বর্ধমানে, গ্রেফতার জালিয়াত শাশুড়ি ও জামাই

সাধারণ মানুষ নিখরচায় যাতে চিকিৎসা পরিষেবা পান তার জন্য স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প চালু করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে জালিয়াতির ঘটনা ঘটেই চলেছে। এবার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে নজিরবিহীন জালিয়াতির ঘটনা ঘটলো পূর্ব বর্ধমানে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকা পরিবারের কারও অসুস্থ হয়ে পড়া বা অস্ত্রপচারের ঘটনা না ঘটলেও তাঁদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে মোটা টাকা।এমনই জালিয়াতি চক্রের পাণ্ডা সালেহার বিবি ও তাঁর সহযোগী মুন্সি নূর আলমকে সোমবার গ্রেফতার করেছে কাটোয়া থানার পুলিশ। তাঁদের সঙ্গে নিয়েই পুলিশ এদিন বিকালে শহর বর্ধমানের খোসবাগানের একটি বেসরকারী নার্সিংহোমে তল্লাশি চালায়। তল্লাশিতে সেখান থেকেই উদ্ধার হয় বেশ কিছু উপভোক্তার নামে থাকা স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড। এই ঘটনা জেলা প্রশাসনিক মহলেও শোরগোল ফেলে দিয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত সালেহার বিবির বাড়ি কাটোয়া ১ ব্লকের আলমপুর পঞ্চায়েতের গাঁফুলিয়া গ্রামে। আপর ধৃত মুন্সি নূর আলম সম্পর্কে সালেহারের জামাই। পুলিশ বর্ধমানের ওই নার্সিংহোম থেকে নূর আলমকে এদিন গ্রেফতার করে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীন) ধ্রুব দাস জানিয়েছেন, গাঁফুলিয়া গ্রামের বেশ কিছু গরিব পরিবারের মহিলার কাছ থেকে তাঁদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড সালেহার নিজের কাছে নিয়ে রাখেন। পরে সালেহার ও তাঁর সহযোগী মিলে জালিয়াতি করে ওইসব মহিলাদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে অনুদানের মোটা টাকা তুলে নিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। পুলিশ তদন্তে নামার পর অভিযোগের সত্যতা ধরা পড়লে সালেহার বিবিকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার করা হয় এই জালিয়াতি কাণ্ডে জড়িত সালেহারের জামাইকেও। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন জানিয়েছেন, এটা বড় কেলেঙ্কারির ঘটনা। এর তথ্য প্রমাণ আসার পর ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনায় জড়িত কাউকেই ছাড়া হবে না।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গাঁফুলিয়া গ্রামে থাকা সালেহার বিবির বাড়ি এদিন ঘেরাও করেন এলাকার বেশ কিছু বাসিন্দা । তা নিয়ে উত্তেজনা চরমে ওঠে। খবর পেয়ে কাটোয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। সেখানে থাকা বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে জানায়,গত দেড়মাস ধরে সালেহার বিবি এলাকার মহিলা ও পুরুষের বলে চলেন স্বাস্থ্যসাথী কার্ড তাঁকে জমা দিয়ে বর্ধমানের একটি নার্সিংহোমে গিয়ে চেকআপ করালেই মিলবে ১০ হাজার টাকা। ১০ হাজার টাকার লোভে পড়ে গাঁফুলিয়ার বেশকিছু মহিলা তাদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড সালেহারকে জমা দেন। মেনকা বিবি নামে এক গ্রামবাসী বলেন, সালেহার বিবি বলেছিলেন তাঁর জামাই বর্ধমানের খোসবাগানের একটি নার্সিংহোমে কাজ করে। সেখানে একবার গেলেই হবে। স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে ১২ হাজার উঠবে। তা থেকে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হবে যাঁর নামে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড তাঁকে।এই নার্সিংহোমের বিরুদ্ধেই অভিযোগসালেহারের কথা মতো মেনকা বিবি সপ্তাহ দুয়েক আগে বর্ধমানের ওই নার্সিংহোমে যান। পরে মেনকা বিবি জানতে পারেন তার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে ৬১,৬০০ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। একইভাবে রিজিয়া বিবি নামে এলাকার অপর মহিলা জানতে পারেন তাঁর স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে ৭৫,৬০০ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাটি মেনকা বিবি ও রিজিয়া স্থানীয় পঞ্চায়েতে গিয়ে জানান। পঞ্চায়েতের এক কর্মী ওই দুই মহিলার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পরীক্ষা করেন। পরীক্ষা করে তিনিও নিশ্চিত হন সত্যি সত্যি ওই মহিলাদের স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থেকে মোটা অঙ্কের সরকারি অনুদানের টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত কর্মী এমনটা জানিয়ে দেওয়ার পর এদিন এলাকার লোকজন টাকা ফেরতের দাবিতে সালেহার বিবির বাড়িতে চড়াও হন। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পেরেছে, ১০ হাজার টাকার টোপ দিয়ে সালেহার বিবি ও তাঁর জামাই নূর আলম ৩৫ - ৪০ জনের কাছ থেকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা জালিয়াতি করেছে।জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা বলেন, আমরাও প্রশাসনিক ভাবে এই ঘটনা বিষয়ে তদন্ত করবো। অন্যদিকে জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক (সিএমওএইচ) প্রণব রায় বলেন ,ঘটনার কথা শুনেছি। এই বিষয়ে সবিস্তার খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।

মার্চ ১৪, ২০২২
রাজ্য

মাধ্যমিকের আগের দিন আত্মঘাতী কাটোয়ার পরীক্ষার্থী, ইতিহাস পরীক্ষার দুশ্চিন্তাই কী কাল হল?

ইতিহাস পরীক্ষা দিতে গিয়ে হয়তো সব ভুলে যাবে। এমন দুঃশ্চিন্তার জেরে মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর আগের দিনেই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হল এক পরীক্ষার্থী। মৃতর নাম বিশাল চৌধুরী(১৬)। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার আউড়িয়া গ্রামে। আউড়িয়া গ্রামে মামার বাড়িতে থেকে পড়াশুনা করতো আউড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র বিশাল। এদিন বেলায় মামার বাড়ির একটি ঘর থেকে উদ্ধার হয় ছাত্রের ঝুলন্ত মৃতদেহ। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃতের মামা রাহুলদেব দাঁ বলেন, ছোট থেকেই বিশাল অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। মাধ্যমিকের টেষ্ট পরীক্ষাতেও ৬৮৫ নম্বর পায়। টেষ্টে ইতিহাস বিষয়ে ৮৫ নম্বর পেয়েছিল। কিন্তু ভুলে যাওয়া স্বভাবের কারনে বিশালের মনে আশঙ্কা তৈরি হয় ষে হয়তো ইতিহাস পরীক্ষা দিতে গিয়ে সব ভুলে যাবে। আর তার কারণেই পরীক্ষার ফল খারাপ হয়ে যাবে ধরে নিয়ে কিছুদিন যাবৎ বিশাল খুব টেনশন করতে শুরু করে। রাহুলবাবু বলেন, অহেতুক টেনশন না করার জন্য বিশালকে আমরা বোঝাতাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ও যে এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটিয়ে ফেলবে তা আমরা কেউ স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারিনি। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বামী তন্ময় চৌধুরীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় চন্দ্রিকাদেবী তাঁর একমাত্র সন্তান বিশালকে নিয়ে অউড়িয়া গ্রামে বাপের বাড়িতে থাকা শুরু করেন। চন্দ্রিকাদেবী অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী। তন্ময় বাবু কাটোয়াতে থাকলেও স্ত্রী ও একমাত্র ছেলের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক রাখতেন না। সেই সব বিষয়ে মাথা না ঘামিয়ে বিশাল পড়াশুনাতেই বেশী মনোনিবেশ করে থাকতো। বন্ধু বান্ধবদের সঙ্গে বেশী মেলামেশায় না মেতে থেকে সে পড়াশোনা নিয়েই সারাটা দিন নিজেকে ব্যস্ত রাখতো। ইতিহাস পরীক্ষা দিতে গিয়ে সব ভুলে যাবে এমন আশঙ্কা সে কিছু দিন যাবৎ প্রকাশ করতে শুরু করে। মাধ্যমিক পরীক্ষার দিন যত ঘনিয়ে আসতে থাকে ততই বিশালের উদ্বেগ বাড়তে থাকে। এদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চা বিস্কুট খেয়ে সে দোতলায় নিজের ঘরে পড়তে চলে যায়। তখন একতলার গৃহস্থালীর কাজকর্ম করছিলেন চন্দ্রিকাদেবী। হঠাৎ দুতলা থেকে একটা আওয়াজ পেয়ে তিনি উপরে ছুটে যান। দেখেন ছেলের ঘরের দরজা বন্ধ। তারপর তিনি দোতলার ঘরের জানালার ফাঁক দিয়ে দেখেন ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ছেলের দেহ ঝুলছে। চন্দ্রিকাদেবী চিৎকার শুরু করলে পরিবারের লোকজন ও প্রতিবেশীরা ছুটে যায়। তারা দরজা ভেঙে বিশালকে উদ্ধার করে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

মার্চ ০৬, ২০২২
রাজ্য

তৃণমূলের জয়জয়কারের মধ্যেও কাটোয়ায় রবির গড়ে কুপোকাত বীরভূমের কেষ্টর অনুগত প্রার্থী

বিধানসভা ভোটের পর পুর ভোটেও রাজ্য জুড়ে দাপট অব্যাহত রাখলো ঘাসফুল শিবির। যার ব্যতিক্রম ঘটেনি পূর্ব বর্ধমানেও। এই জেলার ছয়টি পুরসভাতেও নিরঙ্কুশ জয় ছিনিয়ে নিয়েছে তৃণমূল। একমাত্র কালনা পুরসভায় বামেরা অস্তিত্ব জানান দিতে পেরেছে । তবে এতকিছুর মধ্যেও রবির গড় কাটোয়া পুরসভার ভোটে নজরকাড়া পরিজয় ঘটেছে বীরভূমের কেষ্ট মণ্ডলের অনুগামী তৃণমূল প্রার্থীর।যা নিয়েই এখন সরগরম কাটোয়ার রাজনৈতিক মহল। রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভা ভোটের ফলাফল বুধবার ঘোষনা হতেই রাজ্যজুড়ে বইতে শুরু করে সবুজ আবিরের ঝড়। হোলির আগেই এদিন সবুজ আবিরে মাখামাখি হয়ে অকাল হোলিতে মাতোয়ারা হয় বর্ধমান, কালনা, কাটোয়া,দাঁইহাট,মেমারি ও গুসকরা পৌরসভা এলকার তৃণমূল কর্মীরা। বর্ধমান পুরসভায় বিরোধীরা খাতাই খুলতে পারেনি। এমনকি ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে বর্ধমান পুরসভার যে যে ওয়ার্ডে বিজেপি ভাল ফল করেছিল সেই সব ওয়ার্ড সহ ৩৫ টি ওয়ার্ডেই জয়ী হয়েছে তৃণমূল প্রার্থীরা।একই ভাবে গুসকরা পুরসভার ১৬ টি ওয়ার্ড ও দাঁইহাটের ১৪ টি ওয়ার্ডে একচ্ছত্র আধিপত্য লাভ করেছে তৃণমূল।এই তিন পুরসভায় বিরোধীরা খাতা খুলতে না পারলেও মেমারির ঘাসফুলের খেতে অপ্রত্যাশিত ভাবেই হাত তুলে বসেছে কংগ্রেস ।কিন্তু কোনভাবেই অস্তিত্ব জানান দিতে না পেরে বিনয় কোঙারের গড়ে হারিয়েই গেল কাস্তে হাতুড়ি তারা। মেমারি পৌরসভায় মোট ওয়ার্ড ১৬ টি।এরমধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হয়েছে ১৫ টি ওয়ার্ডে।শুধুমাত্র ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী মিঠু সরকার। ভোট প্রাপ্তির হিসাব অনুয়ায়ী মেমারিতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বামেরা। কালনা পৌরসভায় ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৭ টি ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছে তৃণমূল প্রার্থীরা।শুধুমাত্র কালনার ২ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএম প্রার্থী শর্মিষ্ঠা নাগ সাহা তাঁর প্রতিদ্বন্দি তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তনুশ্রী বাগকে ১৮১ ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন। ঘাসফুলের দখলে গিয়েছে কাটোয়া পুরসভা। পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টপাধ্যায় ওরফে রবি ববুর গড় হিসাবেই পরিচিত কাটোয়া। এই পুরসভার ২০ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫ টি ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছে তৃণমূলের প্রার্থীরা। ৪ টি ওয়ার্ডে কংগ্রেস প্রার্থী ও ১ টি ওয়ার্ডে নির্দল প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। কাটোয়ায় পরাজিত তৃণমূল প্রার্থীদের মধ্যে যাঁকে নিয়ে সব থেকে বেশী চর্চা হচ্ছে তিনি হলেন অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ও ওরফে কেষ্টর অনুগত অরিন্দম বাবু কাটোয়া পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দিতা করেন। এদিন ফল বের হতেই দেখাযায় তিনি কংগ্রেস প্রার্থী রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে ১১০ ভোটে পরাজিত হয়েছেন। পরাজয়ের জন্য নিজের দলের লোকজনকেই দায়ী করেন পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন,দলের চক্রান্তের জন্যই হেরেছি। অরিন্দমবাবু অভিযোগে বলেন,তৎকাল তৃণমূল কর্মীরা চক্রান্ত করে আমাকে হারিয়েছে। আমি সমস্ত ঘটনা রাজ্য নেতৃত্বকে জানাব। কর্মীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি নিয়ে তৃণমূলের প্রার্থীকে হারিয়ে জঘন্য রাজনীতি করেছে। কেষ্ট মণ্ডলের ঘনিষ্ট তৃণমূল নেতা অরিন্দম বন্দ্যেপাধ্যায়ের এইসব অভিযোগ নিয়ে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় কোনও প্রতিক্রিয়া দিতে চাননি । তবে অরিন্দমের বক্তব্য নিয়ে কটাক্ষ ছুঁড়ে দিতে দেরি করেননি জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী রণজিৎ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন ,যে প্রার্থী তাঁর নিজের দলের জেলা সভাপতিকে হরিদাস পাল,চোরের সর্দার বলে তাচ্ছিল করেন তাঁর এমন পরিণতি কথা আগে থেকেই ভেবে রেখে ছিলেন কটোয়াবাসী। সেই মতই কাটোয়ার মানুষ আমাকে ভোট দিয়ে জিতেয়েছে।আমাকে কোন দল সাহায্য করেনি। কোটোয়া পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে হেবি ওয়েট তৃণমূল প্রার্থীর পরাজয়ের জেরে কাটোয়ার নতুন গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব মাথা চাড়া দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও লুঠের পুরভোটের অভিযোগ তুললেন বিরোধীরা

পুর ভোট অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে দলীয় মুখপত্রে বার্তা দিয়েছিল রাজ্যের শাসক দল। কিন্তু বাস্তবে রবিবার পূর্ব বর্ধমান সহ রাজ্যের বিভিন্ন পুর এলাকায় ঠিক তার উল্টোটাই ঘটলো। বুথ দখল, ছাপ্পা ভোট দেওয়া, বিরোধী দলের এজেন্টের উপরে হামলা সবেতেই অভিযোগের আঙুল উঠলো শাসক দলের দিকে। এমন পুর ভোট দেখে তিতি-বিরক্ত ভোটাররাও। রাজ্যের যে ১০৮ টি পুরসভার নির্বাচন এদিন ভোট হয় তার মধ্যে পূর্ব বর্ধমান জেলার বর্ধমান, কালনা, কাটোয়া, দাঁইহাট, মেমারি ও গুসকরা পুরসভাও ছিল। এদিন ভোট শুরুর ঘন্টা খানেকের মধ্যেই গোলযোগ অশান্তি শুরু হয়ে যায় গুসকরা পুরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে। গুসকরার শান্তিপুর পূর্ব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকা ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তিনটি বুধে ব্যাপক গণ্ডগোল বেঁধে যায়। বহিরাগতরা বুধে ঢুকে তৃণমূলের হয়ে ছাপ্পা দিচ্ছে বলে অভিযোগ তুলে স্বোচ্চার হয় সিপিএমের প্রার্থী ও এজেন্টরা। একই অভিযোগ তুলে স্বোচ্চার হন এলাকার ভোটাররাও। পুলিশের বিরুদ্ধে নিস্কৃয়তার অভিযোগ তুলে তাঁরা সবাই বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। শুরু হয়ে যায় পুলিশকে লক্ষ করে ইট ছোড়া। ইটের আঘাতে চোট পান গুসকরা ফাঁড়ির আই সি অরুণ সোম সহ ৪ পুলিশ কর্মী। এর পরেই পুলিশ লাঠি চার্জ করে ও লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করে বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দেয়। এমন গোলযোগ অশান্তির জন্য প্রায় আধ ঘন্টা ভোট গ্রহন থমকে থাকে সংশ্লিষ্ট বুথে। গুসকরা পুরসভার ভোটে প্রতিদ্বন্দি সিপিএম, বিজেপি উভয় বিরোধী দলের প্রার্থী ও এজেন্ট দের অভিযোগ, বেলা বাড়তেই গুসকরা পুরসভার ১৬ টি ওয়ার্ডের সব বুথেরই দখল নিয়ে নেয় শাসক দলের বহিরাগত দুস্কৃতিরা। ওই দুস্কৃতিরা বিরোধী দলের প্রার্থী, এজেন্ট ও ভোটারদের বুথ থেকে বাইরে বের করে দিয়ে অবাধে ছাপ্পা দিয়ে গেছে। এমনই অভিযোগ এদিন করেছেন জেলা সিপিএম নেতা আলমগীর মণ্ডল ও গুসকরার বিজেপি নেতা পতিতপাবন হালদার।পৌরসভা নির্বাচনএকই ভাবে এদিন কালনা পুরসভার একাধিক ওয়ার্ডেও গোলযোগ অশান্তির ঘটনা ঘটে। কালনা পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের অম্বিকা মহিষমর্দিনী প্রাথমিক স্কুলের বুথের দরজা বন্ধ করে পুলিসের সামনেই তৃণমূলের হয়ে ছাপ্পা ভোট দেবার অভিযোগ ওঠে। সাংবাদিকদের ক্যামেরাতেও ধরা পড়ে ছাপ্পা ভোট দেবার ছবি। তা বুঝতে পেরেই মুখ ঢেকে বুথ থেকে ছুটে পালায় ওই ভুয়ো ভোটার। ছাপ্পা চলাকালীন ওই বুথে ভোট দিতে গিয়ে নিগৃহীত হয়ে এক ছাত্র বুথ চত্ত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়ে। যদিও এইসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল প্রার্থী মৌসুমী কারফা। কালনা পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী শুভদেব হাজরা অভিযোগ করেছেন, কালনার শশীবালা স্কুলের বুথ ভোট শুরুর আগেই তৃণমূল কর্মীরা মারধোর করে তাঁকে বুথ থেকে বের করে দেয় যদিও তৃণমূল প্রার্থী সুনীল চৌধুরী এই অভিযোগ সম্পুর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। কালনা পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডেও ব্যাপক অশান্তি ছড়ায়। ৮ নম্বর ওয়ার্ডের একাধীক বুথে ছাপ্পা ভোট দেওয়া নিয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন সিপিএম প্রার্থী পিয়ালী মুখোপাধ্যায় সহ বাম নেতা কর্মীরা। পিয়ালীদেবী বলেন, ভোটের একদিন আগেই তৃণমূলের দুস্কৃতিরা তাঁকে ব্যাপক মারধোর করে, মাথা ফাটিয়ে দেয়। আর এদিন ভোট শুরুর প্রথম থেকেই তৃণমূলের দুস্কৃতিরা বুথে বুথে ঢুকে ভোট লুঠ শুরু করে দেয়। বাইক বাহিনী হঠাৎ কালনার মহিষমর্দিনী গার্লস স্কুলের বুথে ঢুকে ইভিএম ভেঙে দেয় বলে সিপিএমের অভিযোগ। বাইক বাহিনী সিপিএম প্রার্থী ও কর্মীদের মারধোরও করেছে বলে অভিযোগ। এইসবের জন্য ওই বুথে ভোট বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছালে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায়। ভোট লুঠের জন্য পুলিশকে দায়ী করে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে সিপিএম প্রার্থী ও কর্মীরা। তাঁরা কালনার নিভূজি মোড়ে সড়কপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে দেয়। পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে বাম কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক বচসা ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। পরে পুলিশ জোর-পূর্বক অবরোধ তুলে দেয়। মেমারি পুরসভার ভোটে তেমন কোন বড়সড় গোলযোগ আশান্তির অভিযোগ বিরোধীরা তোলেন না। তবে এদিন দুপুর ৩টে নাগাদ বিক্ষিপ্ত অশান্তির ঘটনা ঘটে মেমারির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সুলতানপুরের ২১০ ও ২১২ নম্বর বুথে। বহিরাগতরা বুথ জ্যাম করে ছাপ্পা ভোট দিতে গেলে বিরোধী দলের প্রার্থী, এজেন্ট ও ভোটাররা একজোট হয়ে তা রুখে দেয়। তা নিয়ে স্কুল চত্ত্বর উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পৌরসভা নির্বাচনবর্ধমান পৌরসভার ভোটেও নির্বাচনের নামে ব্যাপক ভোটলুঠ ও বুথে বহিরাগতদের দাপাদাপির অভিযোগ উঠেছে। পুর-নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ এনে বিকালে বর্ধমান সদর মহকুমাশাসকের দপ্তরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে দেন বিজেপি নেতা, কর্মী ও সমর্থকেরা। প্রার্থীরা প্লাকার্ড হাতে সেখান মাটিতে বসে পড়েন। তার আগে পুলিশের সাথেও বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বচসাও হয়। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না চলে যায় তার জন্য মহকুমা শাসকের দফতরের সামনে বিরাট পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়। একই ভাবে ভোটগ্রহণের শেষে বর্ধমানের কার্জন গেটের সামনেও উত্তেজনা ছড়ায়। এদিন সন্ধ্যায় কার্জন গেটের সামনে বিক্ষোভে সামিল হয় বাম, বাম ছাত্র-যুব ও অন্যান্য গণসংগঠনের প্রতিনিধরা। তাঁরা অভিযোগ করেন, পুরভোটে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার জন্য ভোট লুঠ করা হয়েছে। এই অভিযোগ তুলে বামেরা রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের কুশপুতুল পোড়ায়। বিক্ষোভের শেষে দলের নেতা অমল হালদার বলেন, জেলার ৬ টি পুরসভার ভোটেই নিরব সন্ত্রাস ও ভোট লুঠ চলেছে। গোটা রাজ্যেই ভোটলুঠ হয়ে হয়েছে। মানুষকে ভোটদানে বাধা দেওয়া হয়েছে। এর প্রতিবাদেই তারা পথে নেমেছেন। এই কর্মসূচি চলাকালীন কিছু উচ্ছৃঙ্খল বাম সমর্থক সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে কটু মন্তব্য করলে উত্তেজনা চরমে ওঠে। পরে অবশ্য উচ্চ নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে উত্তেজনা প্রশমিত হয়। তৃণমূলের রাজ্যের মুখপত্র দেবু টুডু বলেন,যেমন সিপিএম তেমনই বিজেপি। সংগঠন নেই জনসমর্থনও নেই। শুধু অভিযোগ তুলেই বিরোধীরা পরাজয়ের গ্লানি ঢাকার কৌশল নিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

পুর ভোটের আগে হুমকির অভিযোগ নিয়ে পুলিশের দ্বারস্থ বিজেপি প্রার্থী ও নেতারা

রাত পোহালেই শুরু হয়ে যাবে পূর্ব বর্ধমান সহ রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভার ভোট। তার প্রাক্কালে শনিবার থেকেই নানা অভিযোগ ঘিরে তপ্ত হয়ে উঠেছে ভোট রাজনীতির ময়দান। কোথাও বাড়ি গিয়ে বিরোধী দলের প্রার্থীকে হুমকি, আবার কোথায় ফোনে হুমকি দেবার অভিযোগ।যা নিয়ে ভোট শুরুর আগেই রাজনৈতিক উত্তাপের পারদ বুহুগুন চড়ে গিয়েছে। বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছেন, কালনা পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁদের প্রার্থী হয়েছেন মানিক দাস। ওই ওয়ার্ডের ২৩৩(ক) বুথে বিজেপি প্রার্থীর এজেন্ট মৌসুমি পালের বাড়িতে গিয়ে এদিন দুপুরে তৃণমূল প্রার্থী সন্দীপ বসু অপহরণ ও প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে এসেছে বলে অভিযোগ ।ঘটনা বিষয়ে এদিনই কালনা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও এই সব অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণদিত বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী ও তৃণমূল নেতৃত্ব। অন্যদিকে এদিনই দুপুরে হুমকি ফোন পেয়ে কাটোয়া থানার দ্বারস্থ হন কাটোয়া পুরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি প্রার্থী প্রসেনজিৎ মোদক। পুলিশকে তিনি অভিযোগে জানিয়েছেন, এদিন সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটের পর থেকে অপরিচিত এক ব্যক্তি তাঁকে ফোন করে গালিগালাজ করেন ও হুমকি দেন। প্রশেনজিৎ বাবু জানিয়েছেন, যে ফোন নম্বর থেকে ফোন করে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছে সেই ফেন নম্বার উল্লেখ করে তিনি কাটোয়া থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন। এই বিষয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, ভোটে পরাজয় যে নিশ্চিৎ তা বুঝে গিয়ে বিজেপির নেতা, কর্মী ও প্রার্থীরা এখন নানা নাটক ফাঁদছে। নানা মিথ্য অভিযোগ করে সহানুভূতি আদায় করতে চাইছে। তবে এইসবে কিছু লাভ হবে না। বিধানসভা নির্বাচনের মতোই পুর ভোটেও বাংলার মানুষ ওদের যোগ্য জবাব দিয়ে দেবে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

হাওড়া স্টেশনে রাত কাটানো থেকে নিজের বাড়ি, স্বপ্নপূরণ কাটোয়ার অভিনেত্রী মেয়ের

স্বপ্ন দেখতে আমরা সকলেই ভালোবাসি। স্বপ্নই আমাদের ভবিষ্যৎকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে। জীবনে ভালো কিছু করার রসদ জোগায়। সাধারণ মানুষদের মতো অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও জীবনে অনেক স্বপ্ন দেখেন। সেরকমই অভিনেত্রী মৌলী দত্ত কাটোয়া থেকে রঙিন স্বপ্ন নিয়ে কলকাতায় অভিনয় করতে আসেন। তার জন্য দিনের পর দিন হাওড়া স্টেশনের ওয়েটিং রুমে রাত কাটিয়েছেন হাসিমুখে শুধুমাত্র তাঁর স্বপ্নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।এরপর বেশ কয়েকবছর স্ট্রাগেল করার পর বর্তমানে অপরাজিতা অপু ধারাবাহিকে বর্ষার চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। এত ভালো অভিনয় করার পরেও তার একটা আক্ষেপ ছিল। কলকাতায় নিজের একটা বাড়ি হবে। অবশেষে তাঁর সেই স্বপ্নপূরণ হল। একসময় বালিশ দিয়ে ঘর বানাতে বানাতে নিজের বাড়ি হবে সেইসব চিন্তা মনে রামধনুর মতো স্বপ্নে রঙিনভাবে ছুঁয়ে যেত। কিন্তু এখন থেকে মৌলী নিজের বাড়িতেই আনন্দে ঘুমাতে পারবে। বালিশ দিয়ে ঘর বানানোর কথা ভাবতে হবে না।মৌলীর স্বপ্নপূরণমৌলী তার এই আনন্দ সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, স্বপ্নপূরণ ২০২২, গৃহপ্রবেশ ১৭/১/২২। বালিশ দিয়ে যখন থেকে ঘর বানাতাম তখন থেকেই ভাবতাম যে আমার একটা নিজের বাড়ি হবে আজ সেই স্বপ্নপূরণের দিন.. কর্মসূত্রে যখন কোলকাতায় আসি তখন কোলকাতা শহরে থাকার জায়গা ছিল না বলে বহুদিন হাওড়া স্টেশনের ওয়েটিং রুমে থেকেছি আজ আমার সেই কষ্টটা স্বার্থক . বাবা মা পাশে না থাকলে এই সবকিছু সম্ভবই হতনা .. আর যারা আমার পাশে ছিল তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ যাদের পাশে পাইনি তাদেরও ধন্যবাদ কারণ তারা না থাকলে এইদিন দেখা হতোনা.সবার আর্শীবাদ কাম্যসত্যি তো স্বপ্ন তো এটাই হয়।একসময় যে হাওড়া স্টেশনের ওয়েটিং রুমে হাসিমুখে রাত কাটিয়েছে তার নিজের বাড়ি হয়েছে। আর সেই বাড়িতেই আরও বড় স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার লক্ষ্যে এগিয়ে চলেছে মৌলী। জনতার কথা টিমের পক্ষ থেকে মৌলীর জন্য রইল অনেক আশীর্বাদ।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

কাটোয়ায় গিয়ে গ্রামবাসীদের কাছে কার্যত ঘাড়ধাক্কা খেয়ে ফিরলেন সাংসদ

বিধানসভা ভোটের সময়ে বিজেপিতে ভিড়ে গিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছিলেন সাংসদ সুনীল মণ্ডল। ভোটে বিজেপির ভরাডুবির পরেই তৃণমূলেই আছি বলে দাবি করলেও সুনীল মণ্ডল তৃণমূল কর্মীদের মন ভোলাতে পারেননি। যার পরিণাম স্বরুপ বুধবার নিজের সংসদ এলাকা পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায় গিয়ে কার্যত ঘাড় ধাক্কা খেলেন সুনিলবাবু।তাঁকে ঘিরে গোব্যাক শ্লোগান দেবার পাশাপাশি গ্রামবাসীরা সুনীল মণ্ডলকে চোর বলেও অভিহিত করেন। কাটোয়ায় আর না ঢোকার কথাও সাংসদকে হুমকিও দেন গ্রামবাসীরা। উত্তেজনা চরমে উঠতে থাকায় নিরাপত্তারক্ষীরা তড়িঘড়ি সাংসদকে নিয়ে গ্রাম ছাড়েন। বিক্ষোভে পড়া নিয়ে সুনীল মণ্ডল মুখে কুলুপ আঁটলেও এই ঘটনা শোরগোল ফেলে দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, কাটোয়ায় মালঞ্চ থেকে দেয়াসিন যাওয়ার পথে পাকা সেতু তৈরির কাজ পাঁচ বছর ধরে ঝুলে রয়েছে। ঠিকাদার বদলে সম্প্রতি ফের নতুন করে কাজ শুরু হয়েছে। এদিন সেই সেতু তৈরির কাজ পরিদর্শনে গিয়ে সাংসদ সুনীল মণ্ডল গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়েন।মালঞ্চ এলাকার বাসিন্দারা অভিযোগ করেন, তৃণমূলের প্রতীকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন সুনীল মণ্ডল।সংসদ সদস্য তহবিল থেকে এই মালঞ্চ সেতু তৈরির জন্য ২০১৮ সালে ২ কোটি ২৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়৷ ব্রম্ভানী নদীর উপরে কয়েকটি পিলার তৈরির কাজ হয়েছে মাত্র। তারই মধ্যে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কাজ অসমাপ্ত রেখেই কাজ ছেড়ে দেয়। এরপরে সেতু নির্মানের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ফের অন্য ঠিকাদার কাজ শুরু করেছে। সেতু তৈরির কাজে যুক্ত লোকজনের ৫ বছর ধরে প্রায় ১৫ থেকে ২০ লক্ষ টাকা পাওনা রয়েছে। সাংসদ সুনীল মণ্ডল বার বার প্রতিশ্রুতি দিলেও সেই টাকা আজও মেলেনি। এছাড়াও বিধানসভা ভোটের সময়ে বিজেপিতে ভিড়ে গিয়ে কাটোয়ার তৃণমূল বিধায়ক সহ তৃণমূলের নেতাদের নানা হুমকি দিয়ে ছিলেন। এইসবেরই ক্ষোভ এদিন আছড়ে পড়েছে বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডলের উপর।যদিও সনীল মণ্ডল বলেন, সেতু তৈরির কাজের ঠিকাদারের সঙ্গে গ্রামবাসীদের কি চুক্তি হয়েছিল তা আমার জানা নেই। আগের ঠিকাদার এখন আর কাজ করছে না। ওই ঠিকাদার বলছে এরা দু চার লক্ষ টাকা পাবে। অথচ গ্রামবাসীরা বলছে ২০ লক্ষ টাকা পাবে। গ্রামবাসীদের সঙ্গে ওই ঠিকাদারের গন্ডোগোল কি হয়েছে তা মিটিয়ে দেওয়ার কথা আমি জেলাশাসককে বলেছিলাম এরমধ্যে তো আর আমি নেই৷ পাশাপাশি সুনীল মণ্ডল এও বলেন, একটা ভুল বোঝাবুঝির জন্য আমি বিজেপি তে চলে গিয়েছিলাম। সেটা তো মিটে গিয়েছে। আমি এখন তৃণমূলের সঙ্গেই আছি। সেটা মমতা দিদিও জানেন।বিক্ষোভে অংশ নেওয়া গ্রামবাসী আশীষ কুমার মণ্ডল বলেন, সেতু তৈরির কাজে যুক্ত হয়ে গ্রামে অনেক শ্রমিক টাকা পাননি। সাংসদ সুনীল মণ্ডল আমাদের টাকা ফেরতের আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু আজও দেননি। আরেক বাসিন্দা তুফান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চুক্তি অনুযায়ী তাঁরা ২০১৮ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৭ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার মালপত্র সাপ্লাই করেছেন। কিন্তু আজও সেই টাকা পাইনি।এদিকে সাংসদ সুনীল মণ্ডলকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো প্রসঙ্গে কাটোয়ার বিধায়ক তথা পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বিক্ষোভের বিষয়ে আমার জানা নেই। কি নিয়ে বিক্ষোভ সেই বিষয়ে খোঁজ নেবেন। তবে কাজ করে কারুর টাকা পাওনা হয়ে থাকলে তা মেটানো উচিত।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজ্য

Old Woman Rape: প্রৌঢ়াকে কুঁড়ে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, জেল হেফাজত অভিযুক্তের

রাতের অন্ধকারে মুখ টিপে ধরে ভিক্ষুক প্রৌঢ়াকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার হল এক ব্যক্তি। ধৃতের নাম ভোম্বল মাঝি। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার কেশিগ্রামে। পৌঢ়ার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে কাটোয়া থানার পুলিশ শুক্রবার রাতে গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে। জেরায় ভোম্বল পুলিশের কাছে নিজের কুকীর্তির কথা কবুল করে বলে পুলিশ জানিয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার ধৃতকে পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। পাশাপাশি গোপন জবানবন্দি পেশের জন্য প্রৌঢ়াকেও এদিন আদালতে হাজির করানো হয়। বিচারক ধৃতকে ১৪ দিন জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্ত ভোম্বলের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছেন এলাকাবাসী।পুলিশ জানিয়েছে, কেশিগ্রামের নির্যাতিতা প্রৌঢ়া বিধবা। তাঁর এক মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে তিনি তাঁর ভাই ও ভাইয়ের স্ত্রীর কাছেই থাকেন। ভিক্ষা করে যে টুকু উপার্জন হয় তা দিয়েই প্রৌঢ়ার দিন চলে। পুলিশকে প্রৌঢ়া জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তিনি বাড়ির কুঁড়ে ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। মাঝরাতে চুপিসারে তাঁর কুঁড়ে ঘরে ঢুকে ভোম্বল প্রৌঢ়ার মুখ টিপে ধরে। প্রৌঢ়াকে ঘর থেকে বের করে দূরের ফাঁকা মাঠে নিয়ে গিয়ে ভোম্বল ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। ধর্ষণের পর মহিলাকে রাতে ফাঁকা মাঠেই ফেলে পালায় অভিযুক্ত। রাত প্রায় আড়াইটে নাগাদ বিবস্ত্র অবস্থায় প্রৌঢ়া কোনওরকমে মাঠ থেকে পালিয়ে আসেন। বাড়িতে এসে তিনি তাঁর উপর হওয়া অত্যাচারের কথা পরিবারের লোকজনকে জানান। গোটা ঘটনার কথা জানিয়ে নির্যাতিতা শুক্রবার কাটোয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ রাতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে।

জানুয়ারি ০৯, ২০২২
রাজ্য

Childs Burn: শীত নিবারণের জন্য জ্বালানো আগুনের মধ্যে পড়ে গিয়ে দগ্ধ শিশু

শীত নিবারণের জন্য জ্বালানো আগুনের মধ্যে পা পিছলে পড়ে গিয়ে দগ্ধ হল এক শিশু। মর্মান্তিক এই ঘটনাটি বুধবার সকালে ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার অগ্রদ্বীপের একটি ইট ভাটায়। আশঙ্কানক অবস্থায় শিশুপুত্র লিটো মাজি (৮) কে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। ঘটনার আকশ্মিকতায় স্তম্ভিত ইটভাটার সকল শ্রমিকরা।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অগ্রদ্বীপের ইঁটভাটায় শ্রমিকের কাজ করেন শিশুটির বাবা-মা। তাঁদের বাড়ি বিহারে। ভাটার শ্রমিকদের কথায় জানা গিয়েছে, শীত নিবারণের জন্য এদিন সকালে তাঁরা কাঠ কুটো যোগড় করে তাতে আগুন জ্বালিয়ে আগুন পোহাচ্ছিলেন। ওই সময়ে কাছে-পিঠেই ছোটাছুটি করছিলেন কয়েকটি শিশু. তাদের মধ্যে শিশুপুত্র লিটো মাজিও ছিল।। ছুটোছুটি করে খেলার সময়ে হঠাৎতই পা পিছলে লিটো সোজা আগুনের মধ্যে গিয়ে পড়ে। আর তাতেই ঘটেযায় বিপত্তি। লিটোর শরীরের অনেকাংশ আগুনে দগ্ধ হয়। তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় পরে তাঁকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

Banned Syrup: নিষিদ্ধ সিরাপসহ কাটোয়ায় ধৃত ভিন রাজ্যের দুই মাদক কারবারী

নিষিদ্ধ কোডাইন সিরাপ সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়লো ভিনরাজ্যের দুই মাদক কারবারী। ধৃতদের নাম রাহুল কুমার ও আমিল হোসেন। আমিল হোসেনের বাড়ি বিহারের সিওয়ান জেলার গরিয়াকুঠি এলাকায়। অপর ধৃত রাহুল ঝাড়খণ্ডের বোকারো স্টিল সিটির বাসিন্দা। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার পুলিশ সোমবর রাতে টহলদারির সময় কাটোয়ার গাঙ্গুলিডাঙ্গার একটি কালভার্টের কাছ থেকে তাদের ধরে। পুলিশের দাবি, তল্লাশিতে ২ লিটার কোডাইন সিরাপ ভর্তি একটি বোতল যুবকদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়ার পরেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা আন্তরাজ্য চুরি চক্রের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি ধৃত দুই যুবক মাদকের কারবারের সঙ্গেও জড়িত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এইসব অপরাধ চক্রে ধৃতদের সঙ্গে আরও কারা কারা যুক্ত রয়েছে তা জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশ ধৃতদের অপরাধ সংক্রাণ্ত অতীত রেকর্ড জানতে ঝাড়খন্ড ও বিহারের পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করছে। গ্রেপ্তার হওয়া দুই ধৃতকে মঙ্গলবার কাটোয়া মহকুমা আদালতে পেশ করা হয় ।তদন্তকারী অফিসার তাঁদের ৭ দিন পুলিশি হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। বিচারক ধৃতদের পুলিশি হেপাজত মঞ্জুর করেছেন।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
রাজ্য

কাটোয়ায় বিজেপির সাংগঠনিক সভায় দুই গোষ্ঠীর মারপিট-ভাঙচুর, দিলীপ ঘোষকে গো-ব্যাক শ্লোগান

রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ দলের সাংগঠনিক সভায় পৌছানোর আগেই বাঁধলো ধুন্ধুমার। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দাঁইহাটের জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে নিজেদের মধ্যেই হাতাহাতি মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেতা কর্মীরা। একই সঙ্গে চলে পার্টি অফিসের আসবাবপত্র ও টেবিল চেয়ার ভাঙচুর।সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ পার্টি অফিসে পৌছানোর পরেও দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতিতে বিরাম পড়েনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হলে দিলীপ ঘোষ পুলিশ দিয়ে লাঠিচার্জ করে বিক্ষুব্ধদের পার্টি অফিস থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন। এর পাল্টা দিলীপ ঘোষকে উদ্দেশ্য করে গো ব্যাক শ্লোগান দিয়ে বিক্ষুব্ধরা।বিজেপির এই গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কটাক্ষ করলেও রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে এদিনের ঘটনার পিছনে তৃণমূলের ইন্ধন রয়েছে। কাটোয়ার বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল এই প্রথম প্রকাশ্যে আসলো এমনটা নয়। বিধানসভা ভোটের অনেক আগে থেকেই বিজেপির কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষের সঙ্গে তাঁর বিরোধী গোষ্ঠীর বিবাদ চরমে ওঠে। এদিন দাঁইহাটের পার্টি অফিসে বিজেপির দুই গোষ্ঠীর মারপিটে জড়ানোর ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করে দিল ভোটে ভরাঢুবির পরেও কাটোয়ায় বিজেপির গোষ্ঠী বিবাদে বিরাম পড়েনি। এদিন দাঁইহাটের জেলা বিজেপি কার্যালয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপস্থিতিতে একটি সাংগঠনিক সভা ছিল। সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ পৌছানোর আগে জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ সেই সভা পৌরহিত্য করা শুরু করতেই ক্ষোভ বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায়। কৃষ্ণ ঘোষের বিরোধী গোষ্ঠী সভাস্থলেই প্রতিবাদে সোচ্চার হয়। তাঁরা কৃষ্ণ ঘোষ ও দাঁইহাট নগর মণ্ডল সভাপতি অনুপ বসুকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে দেন। বিক্ষুদ্ধরা অভিযোগ তোলেন, এই দুই নেতার জন্যই কাটোয়ায় বিজেপি হেরেছে। কৃষ্ণ ঘোষ টাকার বিনিময়ে তৃণমূল দলকে কাটোয়ায় জিতিয়েছে। তাঁরা দলের কর্মীদের কোন গুরুত্ব দেন না। কৃষ্ণ ঘোষ ও অনুপ বসুর পদত্যাগের দাবিও তোলেন বিক্ষুব্ধরা। এইসব অভিযোগ তোলা নিয়ে সভা শুরুর আগেই জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে ধুন্ধুমার বেঁধে যায়। শুরু হয়ে যায় টেবিল চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ি। বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা মারধোর করা শুরু করে দেয় দলের পদাধীকারীদের। এমন পরিস্থিতি চলার সময়েই দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদার দাঁইহাটের জেলা পার্টি অফিসে এসে পৌঁছান। তার পরেও বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা জেলা কার্যালয়ে ভিতরেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে দেখে দিলীপ ঘোষ পুলিশ দিয়ে লাঠিপেটা করিয়ে বিক্ষুব্ধদের বের করে দেওয়ার হুমকি দিলে পাল্টা তাঁকে গো- ব্যাক শ্লোগান শুনতে হয়। এই ঘটনা যথেষ্টই বিড়ম্বনায় ফেলে দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্বকে। এদিনের ঘটনা নিয়ে কৃষ্ণ ঘোষ সংবাদ মাধ্যমে কোন মন্তব্য করতে চাননি। তবে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, এদিন যাঁরা ভাঙচুর, অশান্তির ঘটনা ঘটিয়েছে তাঁরা বিজেপির কেউ হতে পারে না। এটা তৃণমূলের চক্রান্ত । যদি এদিনের ঘটনায় বিজেপির কেউ যুক্ত থাকেন তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাল্টা অভিযোগে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন,বিধানসভা ভোটে ভরাঢুবির পর শৃঙ্খলাহীন বিজেপি দলে এখন অন্দরের কোন্দল চরমে উঠেছে। তারই বহিপ্রকাশ এদিন ঘটেছে দাঁইহাটে বিজেপির সভায়।

অক্টোবর ২২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

সেলফির অছিলায় খুন! কবাডি টুর্নামেন্টে গুলি করে হত্যা খেলোয়াড়কে

সোমবার পঞ্জাবের মোহালিতে চলছিল একটি কবাডি টুর্নামেন্ট। সেই সময় হঠাৎই মোটরসাইকেলে করে সেখানে আসে দুষ্কৃতীরা। সেলফি তোলার কথা বলে কাছাকাছি এসে কবাডি খেলোয়াড় রানা বালাচৌরিয়াকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় তারা। ঘটনাস্থলেই রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন রানা।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রানার মুখ এবং শরীরের উপরের অংশে চার থেকে পাঁচটি গুলি লাগে। তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে মোহালির একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে চিকিৎসকরা তাঁকে বাঁচাতে পারেননি। হাসপাতালেই মৃত্যু হয় ওই কবাডি খেলোয়াড়ের।এই হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছে কুখ্যাত বামবিহা গ্যাং। তাদের তরফে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে জানানো হয়েছে, রানা নাকি তাদের বিরোধী জগ্গু ভগবানপুরিয়া ও লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হয়ে কাজ করছিলেন। সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ওই গ্যাং।মোহালি পুলিশ জানিয়েছে, মোটরসাইকেলে করে দুই থেকে তিন জন দুষ্কৃতী ঘটনাস্থলে এসেছিল। কী কারণে এই খুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ওই কবাডি টুর্নামেন্টে গান গাইতে আসার কথা ছিল এক জনপ্রিয় পাঞ্জাবি গায়কের। দুষ্কৃতীরা তাঁকে খুন করার উদ্দেশ্যেই এসেছিল কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সব সম্ভাবনাই মাথায় রেখে তদন্ত চলছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
কলকাতা

মেসি বিতর্কে নীরবতা ভাঙলেন শুভশ্রী, সন্তানদের হুমকির পর ভিডিও বার্তা

লিওনেল মেসিকে দেখতে না পেয়ে শনিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে যে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তার রেশ গিয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়ও। ঠিক সেই সময় মেসির সঙ্গে তোলা ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করায় তীব্র ট্রোলের মুখে পড়েন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। টানা দুদিন এই বিষয়ে চুপ থাকলেও, সন্তানদের উদ্দেশে কুরুচিকর মন্তব্য ও হুমকি আসতে শুরু করায় শেষ পর্যন্ত ভিডিও বার্তায় মুখ খুললেন তিনি।ভিডিওতে শুভশ্রী স্পষ্ট ভাষায় জানান, যুবভারতীতে মেসিকে ঘিরে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তার ব্যাখ্যা দিতেই তিনি কথা বলছেন। তিনি বলেন, গোটা অনুষ্ঠানে তিনি আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবেই হাজির ছিলেন। সিনে ইন্ডাস্ট্রির প্রতিনিধি হিসেবে কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে তিনিও হায়াত হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সেখানে দেশের নানা ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকদের তরফে জানানো হয়েছিল, মেসি সকলের সঙ্গে দেখা করবেন এবং ছবি তুলবেন।শুভশ্রী জানান, সেদিন সন্ধ্যা সাড়ে আটটা নাগাদ তিনি হায়াতে পৌঁছন এবং রাত দশটা পনেরো মিনিটের মধ্যে মেসির সঙ্গে তাঁর দেখা হয় ও ছবি তোলা হয়। সেখান থেকে বেরোনোর সময় আয়োজকদের পিআর টিম তাঁকে অনুরোধ করে যুবভারতীতে যাওয়ার জন্য, কারণ সেখানে নানা ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন ছিল। কেন তাঁরই নাম বেছে নেওয়া হয়েছিল, সেই প্রশ্নের উত্তর পিআর টিমই দিতে পারবে বলে মন্তব্য করেন অভিনেত্রী। সম্মতি দেওয়ার পর তিনি যুবভারতীতে যান এবং একটি নির্দিষ্ট তাঁবুতে বসে মেসির জন্য অপেক্ষা করছিলেন।এই সময়েই তাঁর পিআর টিমের তরফে সামাজিক মাধ্যমে ছবিগুলি পোস্ট করা হয়। তবে শুভশ্রীর দাবি, পোস্টটি তাৎক্ষণিকভাবে হয়নি, কারণ ওই এলাকায় জ্যামার বসানো ছিল। রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ মেসি ক্রীড়াঙ্গনে ঢোকেন এবং তখনই পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। শুভশ্রী বলেন, তিনি নিজেও মেসিকে স্পষ্ট ভাবে দেখতে পাননি। উদ্যোক্তাদের গাফিলতির কারণেই একটি সুন্দর অনুষ্ঠান বিশৃঙ্খলায় পরিণত হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।এরপর শুটিংয়ের তাড়া থাকায় তিনি দ্রুত সেখান থেকে বেরিয়ে যান। বেরোনোর সময় ফোনে ব্যস্ত থাকায় ছবিগুলি পোস্ট হয়েছে কি না, তা খেয়ালও করেননি। অনেক পরে জানতে পারেন, যুবভারতীর ঘটনা বড় আকার নিয়েছে এবং কোনও না কোনও ভাবে তাঁর নামও সেই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। পরে ইনস্টাগ্রামে গিয়ে তিনি দেখেন, প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে তাঁর ছবিগুলি দেরিতে পোস্ট হলেও তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।এরপরই শুরু হয় ট্রোলিং। শুভশ্রী জানান, তাঁকে নিয়ে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করা হয়, এমনকি কেউ কেউ দাবি করেন, তাঁর কারণেই নাকি দর্শকরা মেসিকে দেখতে পাননি। এত কটূক্তির পরেও তিনি ছবিগুলি সরাননি। তিনি বলেন, মানুষ টাকা দিয়েও প্রিয় খেলোয়াড়কে দেখতে না পেরে কষ্ট পেয়েছেন, সেই যন্ত্রণা তিনি বোঝেন। তাই তাঁকে গালাগালি করে যদি কারও রাগ হালকা হয়, তিনি তা মেনে নিতে রাজি ছিলেন।কিন্তু পরিস্থিতি বদলে যায় যখন তাঁর দুই সন্তানকে লক্ষ্য করে আক্রমণ শুরু হয়। শুভশ্রী বলেন, বাচ্চাদের মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। একজন মা হিসেবে এই বিষয়টি তিনি কোনওভাবেই মেনে নিতে পারেন না। সেই কারণেই তিনি বাধ্য হয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুললেন।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
কলকাতা

বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হওয়া হল না মুখ্যমন্ত্রীর! সম্মতি মিলল না রাষ্ট্রপতির

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত দুইটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিলে সম্মতি দিলেন না রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। ফলে রাজ্য-সহায়তাপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য বা চ্যান্সেলর পদে আপাতত কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। রাজ্যপালের বদলে মুখ্যমন্ত্রীকে আচার্য করার যে প্রস্তাব ছিল, তা কার্যকর হল না রাষ্ট্রপতির অনুমোদন না পাওয়ায়।রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ২০ এপ্রিল ২০২৪ পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় আইন (সংশোধনী) বিল ২০২২ রাষ্ট্রপতির বিবেচনার জন্য সংরক্ষিত রেখেছিলেন রাজ্যপাল। ওই বিলে রাজ্যের সহায়তাপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য পদে রাজ্যপালের পরিবর্তে মুখ্যমন্ত্রীকে বসানোর প্রস্তাব ছিল। একই দিনে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধনী) বিল ২০২২-ও রাষ্ট্রপতির বিবেচনার জন্য পাঠানো হয়। সেই বিলে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আমির-ই-জামিয়া বা চ্যান্সেলর পদে রাজ্যপালের জায়গায় মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল। তবে দুই ক্ষেত্রেই রাষ্ট্রপতি ওই সংশোধনী বিলে সই করেননি।বর্তমানে রাজ্যের সহায়তাপ্রাপ্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মূল আইনে স্পষ্ট ভাবে বলা রয়েছে, রাজ্যপাল তাঁর পদাধিকার বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য হবেন। সেই আইনি অবস্থান মাথায় রেখেই রাষ্ট্রপতি এই দুই সংশোধনী বিলে সম্মতি দেননি বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে রাজ্যের কোনও বিশ্ববিদ্যালয়েই চ্যান্সেলর পদে আপাতত কোনও বদল হচ্ছে না।প্রসঙ্গত, নবান্নে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে আচার্য পদে রাজ্যপালের বদলে মুখ্যমন্ত্রীকে আনা হবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আইন সংশোধনের প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিধানসভায় বিল পাশও হয়। পরে তৎকালীন রাজ্যপাল সেই বিল রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠান। তবে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির অনুমোদন না মেলায় সেই আইন কার্যকর হল না।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
কলকাতা

সাফ নির্দেশ মমতার, গঙ্গাসাগর মেলায় ভিআইপি কালচার বন্ধ

গঙ্গাসাগর মেলায় কোনও ভিআইপি সংস্কৃতি চলবে না। নবান্নে বৈঠক থেকে এই কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভিআইপিদের জন্য যেন সাধারণ মানুষের কোনও রকম সমস্যা না হয়। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা ও সুবিধাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে সাগরদ্বীপে বসে গঙ্গাসাগর মেলা। মকর সংক্রান্তির পুণ্যস্নানের জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষ সেখানে ভিড় করেন। সেই বিপুল জনসমাগমের কথা মাথায় রেখে মেলা প্রাঙ্গণ ও সংলগ্ন এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় রাজ্যের তরফে। আগামী জানুয়ারির গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে সোমবার নবান্নে প্রস্তুতি বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, ভিড় নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। ১২ জানুয়ারি মন্ত্রীরা মেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শনে যাবেন বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কোনও ভিআইপি বা বিশেষ অতিথির জন্য যেন সাধারণ পুণ্যার্থীরা কোনও সমস্যায় না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে হবে।রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর পুণ্যার্থীদের সুবিধার জন্য মেলা চত্বরে থাকবেন প্রায় সাড়ে তিন হাজার স্বেচ্ছাসেবক। প্রত্যেক পুণ্যার্থীর হাতে থাকবে বিশেষ ব্যান্ড এবং পরিচয়পত্র। সকলেই বিমার আওতায় থাকবেন। নিরাপত্তার জন্য ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলবে।যাতায়াতের ক্ষেত্রেও বিশেষ ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মেলাকে কেন্দ্র করে চলবে প্রায় ২৫০০ বাস, ২৫০টি লঞ্চ এবং ব্যবহার করা হবে ২১টি জেটি। সব মিলিয়ে গঙ্গাসাগর মেলাকে সুষ্ঠু ও নিরাপদ ভাবে পরিচালনা করতেই এই প্রস্তুতি বলে জানানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
রাজ্য

নাগরিকত্ব পেতে ব্যবহার হচ্ছে না তো? এসআইআর আবহে ডেথ সার্টিফিকেট কেলেঙ্কারি

এসআইআর প্রক্রিয়া চলাকালীন রাজ্যে গুরুতর অভিযোগ সামনে এল। চুরি গিয়েছে একটি আস্ত ডেথ রেজিস্ট্রার বই। সেই বইয়ে ছিল টানা ১০০টি ডেথ সার্টিফিকেট। কলকাতা হাইকোর্ট ওই সব সার্টিফিকেট বাতিল করার নির্দেশ দিলেও এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ। ফলে প্রশ্ন উঠছে, এই ডেথ সার্টিফিকেটগুলি এসআইআর প্রক্রিয়ায় অসাধু উদ্দেশে ব্যবহার করা হচ্ছে না তো?ঘটনার সূত্রপাত একটি জমি সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে। ওই মামলায় এক পক্ষ আদালতে একটি ডেথ সার্টিফিকেট জমা দেয়, যেখানে বলা হয় মামলাকারীর বাবার মৃত্যু হয়েছে। পরে জানা যায়, ওই ডেথ সার্টিফিকেটটি সম্পূর্ণ জাল। বিষয়টি সামনে আসার পর মামলার অন্য পক্ষ রাজ্যের জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধীকরণ দফতরে আরটিআই করে জানতে চায়, ওই সার্টিফিকেটের আগে ও পরে থাকা মোট ১০০টি ডেথ সার্টিফিকেট কারা পেয়েছেন।কিন্তু সংশ্লিষ্ট দফতর জানায়, নির্দিষ্ট সিরিয়াল নম্বরের ওই ১০০টি ডেথ সার্টিফিকেট সংক্রান্ত কোনও তথ্য তাদের কাছে নেই। এরপর পঞ্চায়েতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সেখান থেকেই নিখোঁজ হয়ে গিয়েছে ১০০ পাতার একটি সম্পূর্ণ ডেথ সার্টিফিকেটের বই। এই ঘটনার পর দ্রুত ওই সার্টিফিকেটগুলি বাতিল করার দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হয়।চলতি বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি কলকাতা হাইকোর্ট জেলাশাসককে নির্দেশ দেয়, দ্রুত ওই ১০০টি ডেথ সার্টিফিকেট বাতিল বলে ঘোষণা করতে হবে এবং জনসমক্ষে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে তা জানাতে হবে। তবে অভিযোগ, সেই নির্দেশ জারির পর কয়েক মাস কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি হয়নি।লোয়ার বাগডোগরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জানিয়েছেন, জেলা শাসকের দফতর থেকে কোনও নির্দেশ না আসায় ওই ১০০টি সার্টিফিকেট বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়নি। অর্থাৎ আইন অনুযায়ী এখনও সেগুলি বৈধ হিসেবেই রয়েছে। এই অবস্থায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় টাকার বিনিময়ে এই সার্টিফিকেট ব্যবহার হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে দাবি মামলাকারীর।সব বিষয় উল্লেখ করে এবং কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের কপি সংযুক্ত করে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি দিয়েছেন ওই ব্যক্তি। তাঁর দাবি, পঞ্চায়েত থেকে বই নিখোঁজ, রাজ্যের দফতরের কাছে তথ্য নেই, হাইকোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দিলেও সার্টিফিকেট বাতিল করা হয়নি। এর ফলে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় এই ডেথ সার্টিফিকেটগুলি বেআইনি ভাবে ব্যবহার হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
রাশিফল

আজকের দিনে 'মেষ' রাশির জাতকের "কর্মক্ষেত্রে সুখবর"। আজ সোমবার আপনার কেমন যাবে জেনে নিন

১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ সোমবার, আপনার রাশিচক্র অনুযায়ী দিনটি কেমন কাটবে তা জানতে নিচে প্রতিটি রাশির জন্য সংক্ষিপ্ত রাশিফল দেওয়া হলো:🐏 মেষ (Aries): কর্মক্ষেত্রে সুখবর।🐂 বৃষ (Taurus): পরিবারের দায়িত্ব।👥 মিথুন (Gemini): সৃজনশীল কাজে সাফল্য।🦀 কর্কট (Cancer): ক্লান্তি বাড়বে।🦁 সিংহ (Leo): আর্থিক লাভ।🌾 কন্যা (Virgo): প্রেমে স্বস্তি।⚖️ তুলা (Libra): ভ্রমণের প্রস্তুতি।🦂 বৃশ্চিক (Scorpio): অর্থ ফেরত সম্ভাবনা।🏹 ধনু (Sagittarius): কাজ সফল।🐐 মকর (Capricorn): ভুল বোঝাবুঝি দূর।🌊 কুম্ভ (Aquarius): সহায়তা মিলবে।🐟 মীন (Pisces): নথিপত্র ভালো যাবে।যে কোনও সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য যোগাযোগ করুনঃ শ্রী সূপর্ণ (জ্যোতিষী)যোগাযোগঃ ৯৮৩০০৬৫২৪০, ওয়েবসাইটঃ www.srisuparna.com

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
দেশ

বিধায়ক থেকে একেবারে সর্বভারতীয় নেতৃত্ব: বিজেপির তরুণ মুখ হিসেবে নীতিন নাবীন বড় দায়িত্বে

ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) রবিবার পার্লামেন্টারি বোর্ডের বৃহৎ সিদ্ধান্তে নীতিন নাবীনকে দলের সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী সভাপতি (National Working President) হিসেবে নিয়োগ করেছে। এই নিয়োগ আজই জরুরি ভিত্তিতে কার্যকরী হয়েছে। নীতিন নাবীন বর্তমানে বিহার সরকারের কেবিনেট মন্ত্রী এবং পাটনার বাঁকিপুর থেকে নির্বাচিত চারবারের বিধায়ক। তিনি বিহার বিজেপির সাংগঠনিক কাজ ও সরকারি দায়িত্বে দীর্ঘদিন কার্যকর ভূমিকা পালন করেছেন।এই পদে নিযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে নীতিন ভবিষ্যতে দলের শীর্ষ নেতৃত্বে আসতে পারেন বলে জানা গিয়েছে। দল জানিয়েছে, নীতিন নাবীনের নিযুক্তি সংগঠনে নবীন শক্তি ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রস্তুতির প্রতিফলন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নীতিন নাবীনের এই নিযুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে তাঁকে পরিশ্রমী ও প্রতিশ্রুতিশীল নেতা হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং তাঁর নেতৃত্বে দলের সংগঠন আরো শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।भाजपा के नवनियुक्त राष्ट्रीय कार्यकारी अध्यक्ष श्री नितिन नबीन के 15 दिसंबर, 2025 को नई दिल्ली में कार्यक्रम।लाइव देखें:📺https://t.co/OaPd6HRrq3📺https://t.co/vpP0MIos7C📺https://t.co/lcXkSnOnsV📺https://t.co/4XQ2GzrhRl pic.twitter.com/lZEgmFF6jf BJP (@BJP4India) December 14, 2025অন্যদিকে বিভিন্ন রাজ্য নেতৃত্বও নীতিন নাবীনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা ও সাংগঠনিক প্রভাব দলের এগিয়ে চলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উল্লেখ করেছেন। এই পরিবর্তনকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা দলের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের নবায়ন ও নির্বাচনী প্রস্তুতিতে নতুন গতিশীলতার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে ২০২৫২৬ সালে আসন্ন রাজ্য ও লোকসভা পরিস্থিতি এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপলক্ষে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
কলকাতা

কলকাতা প্রেস ক্লাবের নির্বাচনে নতুন কমিটি গঠন, ফের জয়ী সভাপতি, সম্পাদক, কোষাধ্যক্ষ

শনিবার অনুষ্ঠিত কলকাতা প্রেস ক্লাবের বার্ষিক নির্বাচন হয়। একই দিনে ভোট গণনার পর নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন স্নেহাশিষ শূর। সম্পাদক পদে ফের জয়ী হয়েছেন কিংশুক প্রামানিক। কয়েক বছর পর সভাপতি ও সম্পাদক পদে সরাসরি লড়াই হল। যদিও বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন সভাপতি ও সম্পাদক। বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন অরিজিৎ দত্ত। এদিন সদস্য-সদস্যাদের উপস্থিতির হার ছিল বেশ নজরকাড়া। এই নির্বাচনে সম্পাদক পদে ফের জয়ী হয়েছেন কিংশুক প্রামানিক। নির্বাচনে তিনি সর্বোচ্চ ৩৮৪ ভোট পেয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন, অন্যদিকে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মুস্তাক খান পেয়েছেন ৮৬ ভোট। পূর্বের সভাপতি স্নেহাশিস শূর আবারও সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ৩২৬ ভোট নিয়ে পুনরায় দায়িত্বে ফিরেছেন। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সুদীপ্ত সেনগুপ্ত পেয়েছেন ১৭৬ ভোট।সহ সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন শৈবাল বিশ্বাস (২৫৮ ভোট) এবং শুভদ্যুতি দত্ত (২১৬ ভোট)। সহ সম্পাদক পদে কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় নিতাই মালাকার আগেই নির্বাচিত হয়েছেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, অরিজিৎ দত্ত ফের নির্বাচিত হয়েছেন কোষাধ্যক্ষ পদে। অরিজিৎ দত্ত পেয়েছেন ৩৮০ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী মৃণালকান্তি সরকার পেয়েছেন ১০১ ভোট।কার্যকরী সমিতির জন্য নির্বাচিত সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন:অংশু চক্রবর্তী ৩৩৫ ভোটঅনিন্দিতা সিনহা ৩২৪ ভোটসুগত বন্দ্যোপাধ্যায় ৩১০ ভোটদেবাশিস সেনগুপ্ত ৩০৯ ভোটসুমন গঙ্গোপাধ্যায় ৩০৭ ভোটপুলক মিত্র ২৭৭ ভোটসত্যব্রত ভট্টাচার্য ২৪৯ ভোটদেবযানী লাহা ঘোষ ২৪৭ ভোটনতুন কার্যনির্বাহী কমিটি:সভাপতি: স্নেহাশিস শূরসহ সভাপতি: শৈবাল বিশ্বাস ও শুভদ্যুতি দত্তসম্পাদক: কিংশুক প্রামাণিকসহ সম্পাদক: নিতাই মালাকারকোষাধ্যক্ষ: অরিজিৎ দত্তকার্যকরী সদস্যরা:অনিন্দিতা সিনহা, অংশু চক্রবর্তী, দেবাশিস সেনগুপ্ত, দেবযানী লাহা ঘোষ, পুলক মিত্র, সত্যব্রত ভট্টাচার্য, সুগত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সুমন গঙ্গোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2025 Janatar Katha News Portal