• ১৫ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Football

খেলার দুনিয়া

‌East Bengal : মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না ইস্টবেঙ্গলের

তারিখের পর তারিখ। বৈঠকের পর বৈঠক। একের পর এক চিঠি চালাচালি। তবুও জট কাটার লক্ষন নেই ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি বিতর্কে। শুক্রবার রিলায়েন্সের মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না লালহলুদের।প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনে সংশোধিত চুক্তিপত্র পাঠানোর কথা ছিল লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের। কিন্তু কয়েকটা বিষয় আটকে থাকায় পাঠাতে পারেনি। পরে সোমবার সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠায় শ্রী সিমেন্ট। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সম্মতি জানিয়ে শ্রী সিমেন্টকে লিখিতভাবে সই করার বিষয়ে সম্মতি জানালে তবেই আইনানুসারে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হবে। কিন্তু সংশোধিত চুক্তিপত্রেও দুটি শর্ত নিয়ে আপত্তি জানান লালহলুদ কর্তারা।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিলালহলুদ কর্তাদের পক্ষ থেকে আবার চিঠি দেওয়া হয় শ্রী সিমেন্টকে তাদের মতামত জানার জন্য। তারপর কর্মসমিতির বৈঠকে সই করার বিষয়টি অনুমোদন করানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু শ্রী সিমেন্টের কোনও উত্তর না পাওয়ায় পরপর দুদিন কর্মসমিতির বৈঠক স্থগিত করে দেওয়া হয়। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে ৪ ঘন্টা ধরে বৈঠক হয়েছে। আমরা নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছি। যথাযথ জায়গায় আলোচনা করে মধ্যস্থতাকারীরা সিদ্ধান্ত জানাবেন। বৈঠকে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা জানান চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে কোন কোন বিষয়ে তাঁদের সমস্যা রয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই মধ্যস্থতাকারী বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে পরের পদক্ষেপ জানাবেন। তারপর ক্লাব নিজেদের সিদ্ধান্ত নেবে। তাই শুক্রবার সন্ধ্যার কার্যকরী সমিতির বৈঠক বাতিল করে ইস্টবেঙ্গল।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশলালহলুদ সূত্রের খবর, সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়ে নো অবজেকশন দেওয়ার শর্তে তাঁদের সমস্যা রয়েছে। ক্লাবের দাবি, লগ্নিকারী সংস্থার পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হোক, ক্লাব তাঁবুর কোন অংশ ক্লাবের অধীনে থাকবে। বর্তমানে যা পরিস্থিতি, তাতে এই ব্যাপারে ইস্যুতে তাদের দাবি মানা না হলে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করবে না। অন্যদিকে শুক্রবার ইনভেস্টর শ্রীসিমেন্টের প্রতিনিধি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, শেষ চুক্তিপত্রের কোন রকম পরিবর্তন হবে না। নতুন কোনও শর্ত মানা সম্ভব নয়।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Gostho Paul : শরিকী বিবাদে কিংবদন্তী গোষ্ঠ পালও আজ দু’‌ভাগ

বাড়িতে ঢোকার মুখে নীল রঙের কাঠের দরজার নেমপ্লেটে জ্বলজ্বল করছে গোষ্ঠ পালের নাম। দরজার পাশের লেটার বক্স একদিকে ঝুলে পড়েছে। মূল দরজা থেকে বাড়িতে ঢোকার সরু গলিটাও পলেস্তরা পড়ে বেশ পিচ্ছিল। তার করুণ অবস্থা বাড়ির দোতলায়। সিলিং থেকে প্লাস্টার খসে পড়েছে। ঘরের দরজার সামনে আবর্জনার স্তুপ। পা রাখার উপায় নেই। এখানেই থাকতেন কিংবদন্তী গোষ্ঠ পাল! সত্যিই বিশ্বাস করা খুবই কঠিন। শরিকী বিবাদে গোষ্ঠ পালের স্মৃতি বিজরিত বাড়িও আজ অবহেলিত।আরও পড়ুনঃ জয় দিয়ে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগানহাওড়া ছেড়ে উত্তর কলকাতায় আস্তানা গাড়ার পর মৃত্যুর আগে পর্যন্ত নর্দান এভিনিউয়ের ৩/২ কে. শ্রীনাইন মুখার্জি লেনে বসবাস করতেন গোষ্ঠ পাল। শরিকী বিবাদে সেই বাড়ির আজ বেহাল দশা। গোষ্ঠ পালের ৭ ছেলের মধ্যে ৪ জন মারা গেছেন। বেঁচে রয়েছেন ৩ জন, সীতাংশু পাল, নীরাংশু পাল ও সুকুমার পাল। সুকুমার পাল থেকেন নাগপুরে। নীরাংশু পাল বাবার মৃত্যুর আগে থেকেই টালা পার্কের কাছে থাকেন। বাবার স্মৃতি আগলে বসে রয়েছেন সীতাংশু পাল।আরও পড়ুনঃ শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি? আবেগে মুগ্ধ পিটারসেনভগ্নপ্রায় বাড়ি যে সাড়াবেন, সে উপায় নেই সীতাংশু পালের। ভাঙা বাড়িতেই নীচের তলার দুটি ঘরে স্ত্রী, ছেলে, পুত্রবধূ, এক নাতিকে নিয়ে থাকেন সীতাংশু। ওপরের ঘরে প্রবেশ করার উপায় নেই। সীতাংশু বলছিলেন, বাবা ওপরের ঘরে থাকতেন। ওই দুটি ঘরের বেহাল দশা। বাড়ি ভেঙে পড়ছে। ভেবেছিলাম সরকার কিছু করবে, তাও করছে না। নীরাংশু তালা বন্ধ করে রাখায় আমিও সারাতে পারছি না। বাবার স্মৃতি হারিয়ে যেতে বসেছে। কেন বাড়ির এইরকম দশা? দুটি ঘরই বা তালাবন্ধ করে রেখেছেন কেন? যার দিকে অভিযোগের আঙুল, সেই নীরাংশু পাল বলছিলেন, এটা আমাদের শরিকী ব্যাপার। আপনাকে বলতে পারব না। সীতাংশু পালকে জিজ্ঞেস করুন। হায় রে, শেষ পর্যন্ত গোষ্ঠ পালকেও কিনা পড়তে হল শরিকী বিবাদে!গোষ্ঠ পালের ভগ্নপ্রায় বাড়িশরিকী বিবাদে গোষ্ঠ পালের স্মারকগুলিইও খোঁজ নেই। আর্কাইভের জন্য ২০০৩ সালে গোষ্ঠ পালের সব স্মারক মোহনবাগান ক্লাবে দিয়ে এসেছিলেন ছেলেরা। কিন্তু পরে আর্কাইভ আর হয়নি। নীরাংশু পাল বাবার স্মারকগুলি ফেরত আনতে গিয়েছিলেন। জানতে পেরে ক্লাবে ছুটে গিয়ে বাধা দেন সীতাংশু পাল। তারপর সেই স্মারকগুলি কোথায় আছে, জানেন না সীতাংশু পাল। তিনি বলছিলেন, ২০১০ সালের পর থেকে মোহনবাগান ক্লাব আমাকে ডাকে না। সরকারও কোনও অনুষ্ঠান করলে ডাকে না। সরকারের লোকজন মনে করে গোষ্ঠ পালের একটাই ছেলে বেঁচে আছে, নীরাংশু পাল।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিশুক্রবার কিংবদন্তি ফুটবলারের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হল। ময়দানে গোষ্ঠ পালের মূর্তির সামনে এই অনুষ্ঠান হয়। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি, আইএফএ চেয়ারম্যান সুব্রত দত্ত, কলকাতার তিন প্রধানের প্রতিনিধিরা এবং অন্যান্য বিশিষ্টজনরা। গোষ্ঠ পালের ছেলে নীরাংশু পাল মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেছেন তাঁর বাবার নামে একটি মেট্রো স্টেশনের নামকরণ করার জন্য। শরিকী বিবাদে সেটাই হবে হয়তো গোষ্ঠ পালের সার্থকতা।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

A‌fganistan Footballer: বিমান থেকে পড়ে মৃত্যু আফগানিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলারের

দেশ ছাড়তে চেয়েছিলেন। বাঁচার মরিয়া প্রচেষ্টা বিফলে গেল। এক নিমেষে শেষ তরতাজা প্রান। স্বপ্নের উড়ান থেমে গেল তালিবান আতঙ্কে। বিমানের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা গেলেন আফগানিস্তানের তরুণ ফুটবলার জাকি আনওয়ারি।তালিবানরা কাবুলের দখল নেওয়ার পর গত সোমবার থেকে দেশ ছাড়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন আফগানরা। কাবুলের বিমানবন্দর থেকে উড়ছে বিমান। বিমানের চাকাসহ বিভিন্ন জায়গা আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টায় বহু মানুষ। যারা সৌভাগ্যক্রমে ঠেলাঠেলি করে বিমানে উঠতে পেরেছেন তাঁরা বেঁচে গেছেন। কিন্তু বহু হতভাগ্য বিমানের ডানা, চাকাসহ নানা জায়গায় মরিয়া হয়ে উঠে পড়েছিলেন। বিমান থেকে পড়ে মৃত্যু হচ্ছে দুই হতভাগ্যের। তাঁদেরই একজন ছিলেন আফগানিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলার জাকি আনওয়ারি।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিমার্কিন বিমানবাহিনীর বোয়িং সি১৭ বিমান থেকে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন জাকি। আফগানিস্তানের দখল তালিবানরা নেওয়ার পর জাকিও অনেক দেশবাসীর মতোই পালিয়ে কাবুলে হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন। মরিয়া হয়ে প্রাণ বাঁচাতে মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে কোনওভাবে উঠেছিলেন বিমানের বাইরের কোনও অংশে। ওই বিমানটির চাকা ধরে কেউ কেউ বসেছিলেন। কেউ বসেছিলেন উড়ানের ডানার ওপর। প্রাণে বাঁচতে এতটাই মরিয়া হয়ে দেশ ছাড়তে উদ্যত হয়েছিলেন। তাঁদেরই একজন ছিলেন জাকি। বিমানের চাকায় তাঁর দেহাংশ পাওয়া গেছে।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশওই বিমানের ভিতরে উঠতে পেরেছিলেন ৬৪০ জন। বিমানে যা যাত্রী ধরে তার চেয়ে পাঁচগুণ বেশি। যদিও আফগানিস্তানের জাতীয় যুব দলের ফুটবলার ১৯ বছরের জাকির বিমানের ভিতরে প্রবেশের সৌভাগ্য হয়নি। তাই বিমান থেকে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল তাঁর। একের পর এক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হচ্ছে। একটিতে দেখা গিয়েছে বহু মানুষ বিমানবন্দরের গেট ও ঘেরা অংশের বাইরে দাঁড়িয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশের জন্য আকুতি করছেন। আর্তনাদ করে তাঁরা বলছেন, তালিবানরা আসছে। আমাদের বাঁচান।আরও পড়ুনঃ টাকা চুরি করে নয়, চটি পড়ে দেশ ছেড়েছি, মুখ খুললেন আসরাফমার্কিন বিমানবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, যে মিলিটারি কার্গো বিমানটির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, সেটি কাতার বিমানবন্দরে পৌঁছয় যাত্রীদের নিয়ে। ওই বিমান থেকে পড়ে কত সংখ্যক মানুষ প্রাণ হারিয়ছেন এবং তাঁদের পরিচয় সম্পর্কে এখনও পুরোপুরিভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিমানের চাকাতে অনেকের দেহাংশ মিলেছে বলে ডিপার্টমেন্ট অব দ্য এয়ার ফোর্স অব স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশনসের তরফে জানানো হয়েছে। বিমানটি কাবুল বিমানবন্দরে পৌঁছেছিল আফগান ও মার্কিনদের দ্রুত আফগানিস্তান থেকে সরানোর জন্য। কিন্তু সেই সরঞ্জামগুলি নামানোর আগেই কয়েক হাজার মানুষ বিমানটিকে ঘিরে ফেলেন। এরপরই অবস্থার অবনতি লক্ষ্য করে দ্রুত বিমানটি ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল যে দূতাবাসের আধিকারিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে মার্কিন বাহিনীকে গুলি চালাতে হয়, যাতে জনা পাঁচেক মানুষ প্রাণ হারান।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্ট

প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনে সংশোধিত চুক্তিপত্র পাঠানোর কথা ছিল লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের। কিন্তু কয়েকটা বিষয় আটকে থাকায় পাঠাতে পারেনি। অবশেষে সোমবার সন্ধেয় ইমেল করে সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্ট। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সম্মতি জানিয়ে শ্রী সিমেন্টকে লিখিতভাবে সই করার বিষয়ে সম্মতি জানালে তবেই আইনানুসারে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হবে। এখন দেখার লালহলুদ কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সই করার বিষয়ে সম্মতি দেন কিন। চুক্তি বিতর্ক মেটাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব ও আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তকে। তিনি প্রাথমিক চুক্তিপত্র দেখে মত দেন যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর সেই মতামত মেনে নেন লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ছেড়ে খেলার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে লালহলুদ কর্তরা অনেকটাই নমনীয় হন। বেশ কয়েকটি শর্ত থেকে পিছিয়ে আসেন। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারাও কয়েকটি শর্ত নিয়ে নমনীয় মনোভাব দেখান। শ্রী সিমেন্টের এক কর্তা বলেন, ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল আমরা তা মেনে নিয়েছি। নতুন চুক্তিপত্র সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পরিমার্জিত চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি এবার চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে আর বাধা থাকবে না। চুক্তিপত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ওই কর্তা। তবে, সূত্র মারফত জানা গেছে ক্লাবের সদস্যদের নথি লগ্নিকারী সংস্থার কাছে জমা রাখার এবং ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের জন্য নো অবজেকশনের শর্ত, এই দুটি পরিবর্তন করেনি শ্রী সিমেন্ট। তবে ক্লাবের সদস্যদের নথি জমা রাখার শর্তে লালহলুদ কর্তারা রাজি হয়েছেন। ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের শর্ত নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। কারণ, ক্লাব তাঁবু যেহেতু মিলিটারির অধীনে, তাই লালহলুদ কর্তাদের বক্তব্য এই ব্যাপারে তাঁরা সম্মতি দিতে পারবেন না। এখন দেখার, সবকিছু মেনে নিয়ে সই করেন কিনা লালহলুদ কর্তারা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজনীতি

Tripura: ত্রিপুরার রাজপথে ফুটবল খেললেন প্রসূন-শান্তনুরা

খেলা হবে দিবসে ত্রিপুরায় বল পায়ে নেমে পড়ল তৃণমূল। ফুটবল খেলতে নামলেন প্রাক্তন ফুটবলার তথা তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়। রাজনীতির ময়দানে গত কয়েক বছর ধরেই তিনি গোল করছেন। এবার তারই সূত্র ধরে বাংলার পড়শি রাজ্য ত্রিপুরার মাটিতে ফুটবল পায়ে নেমে পড়লেন ফুটবলার-সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সাংসদ শান্তনু সেন, অর্পিতা ঘোষরাও। আরও পড়ুনঃ আজ দেশজুড়ে খেলা হবে দিবস পালনপশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাতের মতো রাজ্যেও খেলা হবে দিবস পালন করছে তৃণমূল। তবে, গুজরাত ও উত্তরপ্রদেশে অনুমতি মেলেনি। কিন্তু ত্রিপুরাকে এবার রাজনৈতিকভাবে পাখির চোখ করেছে এ রাজ্যের শাসক দল। সেই মোতাবেক আগরতলার ময়দানে ফুটবল পায়ে নেমে পড়তে দেখা গেল সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়, সাংসদ আবু তাহের ও সাংসদ অর্পিতা ঘোষকে। এদিন সকালে বনমালীপুর থেকে আস্তাবল ময়দান প্রায় ৩ কিমি রাস্তা মিছিল করেন তৃণমূল সাংসদ ও কর্মীরা। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে খেলা হবে দিবসের স্লোগান দিতে থাকেন৷ রাজপথেই ড্রিবল করতে দেখা গেল তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আগরতলার রাস্তায় এমন ছবি বিগত ৩-৪ বছরে হয়নি বলেই মত তৃণমূল নেতাদের।তৃণমূলের দাবি, ত্রিপুরার একাধিক জায়গায় তাদের তরফে খেলা হবে দিবস পালন করা হচ্ছে। কিন্তু বহু জায়গায় তাদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিন সকালেই খেলা হবে জার্সি পরে আগরতলার রাস্তায় নেমে পড়েন ত্রিপুরায় হাজির তৃণমূল সাংসদরা। খেলা হবে ও জিতবে ত্রিপুরা লেখা জার্সি পড়েই মাঠে নামেন তৃণমূল কর্মীরা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: খেলা হবে দিবসে 'গোল' দিলীপের

খেলা হবে দিবসে পাল্টা ফুটবল খেলায় মেতে উঠলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও। নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণের পর ফুটবল খেললেন তিনি। সঙ্গে এও বললেন, বাকিরা ডায়লগ দেয়, আমি গোল দিই। আজ, ১৬ অগস্ট থেকে রাজ্য জুড়ে খেলা হবে দিবস পালন করছে তৃণমূল। কর্মসূচি সফল করতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। অনান্য দিনের মতো এদিনও ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে যান দিলীপ ঘোষ। তখনই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খেলা হবে দিবস নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার দম্পতিদিলীপ ঘোষ বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে ফুটবল খেলে আসছি । খোলা মাঠে কাদার ওপরে কখনও বাতাবি লেবু, কখনও প্লাস্টিক দিয়ে বেঁধে বল খেলতাম। এখন খেলাধুলো উঠে গিয়েছে। কিন্তু ওরা খেলাটাকে রাজনীতি ও হিংসার খেলায় নিয়ে গিয়েছে। কথাগুলোর বলার সময়ে কিছুটা নস্ট্যালজিক হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তারই কথা প্রসঙ্গে শাসকদলকে বেঁধেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, সিন্ডিকেট ও কাটমানির খেলায় নিয়ে গেছে ওরা। আমরা চাই ফুটবল ফিরে আসুক।ফুটবলের খেলা হোক। আমাদের নতুন ছেলে যুবক যুবতীরা খেলা করে শরীর স্বাস্থ্য ঠিক করুক। বাংলাতে দেশের সম্মান আরও বাড়ুক। সেই জন্য আজ আমরা ফুটবল খেলছি, গতকাল ক্রিকেট খেলেছি। কিছু না কিছু রোজ করি আমরা।At Eco park (New Town) took a time off from my routine physical workout and played football. pic.twitter.com/xnOIZ5SayT Dilip Ghosh (@DilipGhoshBJP) August 16, 2021প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা দিবসের চা চক্রের আসরে রাজ্যপালের সামনে বিরোধী-শাসক দলের নেতৃত্ব মুখোমুখি হন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিলীপ ঘোষকে নবান্নে চায়ের আসরে আমন্ত্রণ জানান। দিলীপ ঘোষের প্রাতঃভ্রমণ ও শরীরচর্চা করার অভ্যাসকে প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এদিনের সাক্ষাতে রাজনীতি উর্ধ্বে ছিল। দিলীপ ঘোষ আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন এটা ছিল কেবল সৌজন্য বিনিময়। সে প্রসঙ্গ আরও একবার এদিন উত্থাপিত হলে দিলীপ ঘোষ বলেন, ওখানে কুশল বিনিময় হয়েছে, তবে মত বিনিময়ের জায়গা নেই। ওঁ বলেছেন, আসুন একবার নবান্নে। আমি বলেছি, হ্যাঁ যাবো। শরীর স্বাস্থ্য কেমন আছে, কে কতক্ষন হাঁটেন, ব্যায়াম করেন, কী খান- এই সব গল্পই হয়েছে। উল্লেখ্য, আজ রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে সেই দিন। এপ্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, পাঁচ বছর ধরে দেখে আসছেন আমাকে। কে কোথায় গোল মারে সবাই জানে। বাকিরা ডায়লগ দেন, আমি গোল দিই।

আগস্ট ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Roy Krishna : এবছর কী লক্ষ্য স্থির করেছেন এটিকে মোহনবাগানের রয় কৃষ্ণা?

গত মরশুমে অল্পের জন্য ট্রফি হাতছাড়া হয়েছিল। ফাইনালে পৌঁছেও মুম্বই সিটি এফসির কাছে হেরে তীরে এসে তরী ডুবেছিল এটিকে মোহনবাগানের। এবছর সুদেআসলে মেটাতে বদ্ধপরিকর সবুজমেরুণের প্রাণভোমরা রয় কৃষ্ণা।গতমরশুমে ট্রফি না পাওয়ার হতাশা নিয়ে ভারত ছেড়ে নিজের দেশ ফিজিতে উড়ে গিয়েছিলেন। দেশে ফেরার আগে সবুজমেরুণ কর্তাদের কথা দিয়েছিলেন, ভারতে খেললে মোহনবাগানেই খেলবেন। মুম্বই সিটি এফসির বিশাল অঙ্কের প্রস্তাব উপেক্ষা করে পুরনো ক্লাবেই থেকে গেছেন। লক্ষ্য এবছর দলকে সাফল্য এনে দেওয়া। সামনে এএফসি কাপ। আপাতত এই প্রতিযোগিতাকেই পাখির চোখ করছেন রয় কৃষ্ণা।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসনতুন মরশুমে লক্ষ্য কী? রয় কৃষ্ণা বলেন, গত মরশুমে ভাল খেলেও ট্রফি জিততে পারিনি। আইএসএলের ফাইনালে মুম্বই সিটির কছে হারতে হয়েছিল। ওদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। গতবছর ট্রফি না জেতার আক্ষেপ রয়েছে। ভুলত্রুটি শুধরে নিয়ে এবছর মাঠে নামব। আইএসএল দেরি আছে। সামনে এএফসি কাপ। এই টুর্নামেন্টে দলের সবাই সেরাটা দিতে চায়। সাফল্য পেতে গেলে আমাদের ভাল খেলতে হবে। এই প্রতিযোগিতায় খেলে আইএসএলের আগে আমরা নিজেদের শক্তি ও দুর্বলতাগুলো বুঝে নিতে পারব। গত মরশুমে আইএসএলের দুটো ডার্বিতেই গোল ছিল কৃষ্ণার। তবে সেটা এখন অতীত কৃষ্ণার কাছে। তিনি বলেন, ডার্বিতে জেতা বা গোল করা অবশ্যই দারুন ব্যাপার। কিন্তু তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ট্রফি জেতা। এবার তাই ট্রফিও জিততে হবে।আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণএএফসি কাপে খেলার জন্য মুখিয়ে আছেন রয় কৃষ্ণা। বড় মঞ্চে সাফল্য পাওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। এবছর পাশে পাচ্ছেন ভাল মানের বিদেশি ফুটবলার। গোল করার জন্য শুধু তাঁর ওপর ওপর চাপ থাকছে না। বাড়তি স্বস্তি কৃষ্ণার। তিনি বলেন, উইলিয়ামস ছিলই, এবার জনি কাউকো ও বোমাসের মতো ছন্দে থাকা ফুটবলার যোগ দিয়েছে। গতবছরের মতো চাপ নিতে হবে না। অতিমারীর মাঝেও অনুশীলনের মাধ্যমে দ্রুত বোঝাপড়া গড়ে তোলার কাজটা সারছেন কোচ হাবাস। কৃষ্ণা নিজেও বেশ উপভোগ করছেন ওদের সঙ্গে খেলা। লক্ষ্য, নতুন মরশুমে সেরা দিয়ে ট্রফি জেতা।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরজনি কাউকো , হুগো বোমাস, রয় কৃষ্ণারা আগেই চলে এসেছেন। বুধবার মাঝরাতে কলকাতা এসেছেন ডেভিড উইলিয়ামস। অনুশীলনে তাঁর শারীরিক সমক্ষতা দেখে মালদ্বীপে এএফসি কাপের দলে তাঁকে রাখবেন কিনা, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। এশীয় কোটার বিদেশি উইলিয়ামস যেতে পারলে, মাঠে একজন বিদেশির অভাব বোধ করবে বাগান।

আগস্ট ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌পরিমার্জিত চুক্তিপত্র পাঠাচ্ছে শ্রী সিমেন্ট, আজই খুলতে পারে লালহলুদের জট

প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনেই কি খুলে যাবে লালহলুদের চুক্তিজট? সম্ভাবনা প্রবল। আজই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে নতুন চুক্তিপত্র পাঠাচ্ছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবার চুক্তিপত্রে সই করে দেবেন লালহলুদ কর্তারা।আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণইস্টবেঙ্গল ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের মধ্যে চুক্তি বিতর্ক মেটাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব ও আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তকে। তিনি প্রাথমিক চুক্তিপত্র দেখে মত দেন যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর সেই মতামত মেনে নিয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ছেড়ে খেলার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে লালহলুদ কর্তরা অনেকটাই নমনীয় হয়েছেন। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা চাইছেন আজই পরিমর্জিত চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গলের কাছে পাঠাতে।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরশ্রী সিমেন্টের এক কর্তা বলেন, ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল আমরা তা মেনে নিয়েছি। নতুন চুক্তিপত্র সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পরিমার্জিত চুক্তিপত্র আজই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পাঠাব। আশা করছি এবার চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে আর বাধা থাকবে না। চুক্তিপত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ওই কর্তা। আরও পড়ুনঃ অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাইএদিকে, আজই কর্মসমিতির জরুরি বৈঠকে বসছে ইস্টবেঙ্গলে। বৈঠকের আগে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখে তাতে সই করা হবে কিনা বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। লালহলুদ কর্তারা আর অপেক্ষা করতে চাইছেন না। অনেক কর্তাই চুক্তিপত্রে সই করার জন্য মত দিয়েছেন। প্রাক্তন কর্তাদের নিয়ে যে ১১ জনের কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই কমিটিও সই করার কথা বলেছে। ১৬ আগস্ট ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের শেষ দিন। তার আগেই বিতর্ক মেটাতে চাইছে দুই পক্ষ। এর মধ্যেই যদি চুক্তিপত্রে সই হয়ে যায়, তাহলে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করে কলকাতা লিগে নেমে পড়বে ইস্টবেঙ্গল। সেক্ষেত্রে শুধু স্বদেশি ফুটবলারদের নিয়ে দল গঠন করা হবে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌এই সপ্তাহেই খুলে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গেলর চুক্তি জট

ইস্টবেঙ্গল ও শ্রী সিমেন্টের মধ্যে দীর্ঘ টালবাহনার কি অবসান হতে চলেছে? তেমনই সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। তেমন কোনও অঘটন না ঘটলে চলতি সপ্তাহেই খুলে যেতে পারে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি জট। অগনিত সমর্থকদের কথা ভেবে অবশেষে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে রাজি লালহলুদ কর্তারা।চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের মধ্যে চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে। প্রাথমিক চুক্তিপত্র ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের মধ্যে বেশ কিছু শর্তে পার্থক্য আছে বলে অভিযোগ ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। তাঁদের দাবি, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে এমন কিছু শর্ত উল্লেখ রয়েছে যা ক্লাব বিক্রি হওয়ারই সামিল। সেই কারণে লালহলুদ কর্তারা চুক্তি সই করতে রাজি হচ্ছেন না।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যা দেখলে অবাক হবেন, সংখ্যাটা কত?চুক্তি জটিলতা কাটাতে ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব তথা আইনজীবী পার্থ সেনগুপ্তকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁর দাবি, কয়েকটি ক্ষেত্রে নমনীয় হয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। কিন্তু পরে ফের কিছু শর্ত নিয়ে আপত্তি তুলেছেন লাল হলুদ কর্তারা। যেগুলি নিয়ে ফের আলোচনা করতে গেলে শ্রী সিমেন্ট আগে যেগুলির ক্ষেত্রে নমনীয় হয়েছে সেই সিদ্ধান্ত থেকেও পিছু হঠতে পারে। অবশেষে চুক্তি জট মেটানোর জন্য লাল হলুদ কর্তারা আস্থা রেখেছিলেন প্রাক্তন ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত কোর কমিটির উপর।ক্লাবের ৫ বছরের গ্যারান্টি নেওয়া সহ দুটি শর্তে আটকে আছে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, লাল হলুদ কর্তাদেরও কিছু ছেড়ে খেলতে। কোর কমিটি চেয়েছিল শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে কথা বলে মুখ্যমন্ত্রীর সময় নিয়ে তাঁর সঙ্গেও কথা বলতে। কারণ সকলেই চান ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলা যেন বন্ধ না হয়। কিন্তু হরিমোহন বাঙ্গুর জানিয়ে দেন, চুক্তি সই না হওয়া অবধি তিনি প্রাক্তন ফুটবলারদের সঙ্গে দেখাই করবেন না। ৫০ কোটি টাকা ফেরত দিলে লাল হলুদকে স্পোর্টিং রাইটসও ফিরিয়ে দেওয়া হবে। চুক্তি সই যতক্ষণ না হচ্ছে ততক্ষণ প্রাক্তন ফুটবলারদের বিপরীত শিবিরের বলেও কটাক্ষ করেন বাঙ্গুর।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়া আটকে দিল বৃষ্টিএরই মধ্যে কোর কমিটির অন্যতম সদস্য মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল অধিনায়ক ভাইচুং ভুটিয়া লাল হলুদ কর্তাদের উদ্দেশে বলেন, অবিলম্বে চুক্তি সই করতে হবে। ভাইচুং ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আচরণকে অপেশাদার বলেও উল্লেখ করেন। মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, আগে চুক্তি সই হোক, খেলা হোক। তারপর শর্ত বাকি আলোচনা চালানো যাবে।সোমবার ছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তনদের নিয়ে গঠিত কোর কমিটির বৈঠক। ক্লাব তাঁবুতে এদিনের বৈঠকে আসেননি মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। এরপরই কমিটির বাকিরা জানিয়ে দেন, আমরাও যেমন চাইছি, তেমনই ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও চাইছেন ক্লাব খেলুক। ফলে মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য যখন কোর কমিটির কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজে গতকাল ওই কথা বলেছেন তাহলে তিনি চুক্তির শর্তসহ সব বিষয়েই ওয়াকিবহাল। ফলে তিনি যখন গোটাটাই নিজের কাঁধে নিয়ে এগোতে চাইছেন আমরাও তাঁর এই ইচ্ছায় বাধাদান করব না। বাকিটা ক্লাব বুঝবে। এরপর যাবতীয় কিছু মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য সামলাতে পারবেন বুঝেই নিশ্চয় তিনি অমন মন্তব্য করেছেন। তাই ভবিষ্যতে যাবতীয় আলোচনার দায়িত্ব তাঁকেই নিতে হবে।আরও পড়ুনঃ লর্ডস টেস্টে হাজির থাকলেও কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না সৌরভ গাঙ্গুলিকে, কেন? জানতে পড়ুনইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি, এখনও কয়েকটা বিষয়ে নমনীয় হয়নি শ্রী সিমেন্ট। তাছাড়া প্রাক্তনরা হরিমোহন বাঙ্গুরের সঙ্গে আলোচনা চাইলেও তিনি যেভাবে উপেক্ষা করেছেন সেটাও মোটেই ভালো দৃষ্টান্ত নয়। ক্লাবের সকলেই চান ইস্টবেঙ্গলের খেলা যেন বন্ধ না হয়। ফলে শ্রী সিমেন্টের কাছে সেই মর্মেও চিঠিও পাঠানো হতে পারে ক্লাবের তরফে। এরপরই দ্রুত হয়ে যেতে পারে সই। তাছাড়া ৩১ অগাস্ট ফিফার ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাবে। চুক্তি নিয়ে গড়িমসি হলে শেষে দলই গঠন করা সম্ভব হবে না। তাই এই সপ্তাহেই বিষয়টি মিটিয়ে ফেলতে চাইছেন লালহলুদ কর্তারা।

আগস্ট ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lionel Messi : ‌বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসি

২১ বছরের সম্পর্ক শেষ হওয়ার যন্ত্রণা যে কতটা ভয়ানক, পরিস্থিতিতে না পড়লে বোঝা কঠিন। যে কোনও ব্যক্তির কাছেই আবেগ ধরে রাখা মুশকিল। বিদায় যন্ত্রণায় কাতর লিওনেল মেসিও। এতটাই যন্ত্রণাবিদ্ধ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন এই আর্জেন্টিনীয় তারকা। বিদায় ভাষণ দিতে উঠে বারবার চোখের জল মুছতে দেখা গেল লিওনেল মেসিকে। রবিবার ক্যাম্প ন্যুকে বিদায় জানাতে এসেছিলেন মেসি। যখন তিনি বিদায় ভাষণ দিতে উঠেছেন, বাইরে অসংখ্য অনুরাগীর ভিড়। প্রিয় নায়ককে বিদায় জানাতে এসেছিলেন। অনুরাগীদের গায়ে মেসির নাম লেখা জার্সি। প্রিয় নায়কের দিকে মোবাইলের ক্যামেরা তাক করে উৎসুক চোখে তাকিয়ে। শুধু এক ঝলক দেখার অপেক্ষা। শেষ বারের মতো বার্সিলোনায় সাংবাদিক সম্মেলন করতে এসেছিলেন। প্রেস রুমে ঢুকে আর নিজেকে সামলাতে পারেননি। কেঁদে ফেলেন মেসি। মাইক্রোফোনে কিছু বলার আগে চোখে জল। মাস্ক খুলে চোখ মুছতে থাকেন। নিজেকে সামলে অবশেষে সাংবাদিক সম্মেলন শুরু করেন মেসি।আরও পড়ুনঃ আবেগে কেঁদে ফেললেন, মিলখা সিংকে সোনা উৎসর্গ নীরজ চোপড়ারসাংবাদিক সম্মেলনে মেসি বলেন, খুবই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলাম। এর জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। গত বছর বার্সিলোনা ছাড়ার ভাবনা আমার মাথায় এসেছিল। কিন্তু এবছর আমি ও আমার পরিবার চেয়েছিল এই ক্লাবেই থাকি। বার্সিলোনা আমার নিজের বাড়ি। আমার তিন সন্তানেরও এখানেই জন্ম। ২১ বছর পর তাদের নিয়ে নিজের ঘর ছাড়তে হচ্ছে। খুব কঠিন লাগছে ব্যাপারটা মেনে নিতে। এ রকম হবে কোনও দিন ভাবিনি। ঠিকঠাক ভাবে ক্লাবকে বিদায় জানাতে চেয়েছিলাম। প্রথম দিন থেকে নিজের সেরাটা দিয়েছি। আশা করি এক দিন ঠিক ফিরে আসতে পারব। যারা আমার পাশে থেকেছে, তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়ামেসি আরও বলেন, শেষ দিন পর্যন্ত ক্লাবের জন্য সব উজাড় করে দিয়েছি। কিন্তু ভাবিনি এভাবে বিদায় জানাতে হবে। এটা আমার কল্পনারই বাইরে ছিল। আমি যাতে বার্সেলোনাতেই থাকতে পারি তার জন্য সবকিছু করেছিলাম। বার্সেলোনাও চেয়েছিল আমাকে ধরে রাখতে, কিন্তু লা লিগার কারণেই তা পারল না। আমাকে নিয়ে অনেক কিছু বলা হয়েছে। আমার দিক দিয়ে যা করণীয় ছিল, সব করেছি। করোনা পরিস্থিতিতে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলার প্রসঙ্গ টেনে মেসি বলেন, আমি আমার ক্লাবকে ভালোবাসি। বছর দেড়েক ধরে ফুটবল সমর্থকদের সামনে খেলতে না পারাটাও খুব কঠিন ছিল। আজ শেষবার বার্সেলোনার সাংবাদিক সম্মেলনে বিদায় জানাতে হচ্ছে। খুব ভালো লাগত যদি দর্শকঠাসা ক্যাম্প ন্যু-তে সকলের উপস্থিতিতে এই বিদায়ী ভাষণ দিতে পারতাম। সেটাই বিদায়ের সেরা মুহূর্তও হতে পারত।আরও পড়ুনঃ বাবাকে দেওয়া কথা রেখে ব্রোঞ্জ জিতলেন বজরং পুনিয়াকোন ক্লাবে যোগ দেবেন তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা। মেসি বলেন, পিএসজিতে যোগদান এই মুহূর্তে একটা সম্ভাবনা। বার্সার বিবৃতির পর অনেক ফোন বা প্রস্তাব আসছে। কথাবার্তাও চলছে। কিন্তু এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি। তবে মেসি পিএসজি-তে যোগ দিলে মেসি-নেইমার-এমবাপের ত্রিফলায় পিএসজি যে বিধ্বংসী জায়গায় পৌঁছে যাবে সে নিয়ে সংশয় নেই ফুটবল মহলের। পিএসজি-র বিরুদ্ধে সব দলের ডিফেন্সই যে প্রবল চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে সে কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। জুনেই মেসির সঙ্গে বার্সার চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছিল। কোপা আমেরিকার পর নতুন চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে তৈরি আর্থিক সঙ্কট এবং লা লিগায় আর্থিক ও কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতাতেই মেসিকে ধরে রাখতে পারল না বার্সা। জানা গিয়েছিল, বেতনের ৫০ শতাংশ কমিয়েও বছর পাঁচেক মেসি চুক্তিবদ্ধ হতে রাজি। যদিও শুক্রবারই বার্সা প্রেসিডেন্ট লাপোর্তার সঙ্গে মেসির বৈঠকের পর বার্সা লা লিগার ঘাড়ে যাবতীয় দায় চাপিয়ে জানিয়ে দেয়, দুই পক্ষ আগ্রহী থাকলেও শেষ অবধি মেসিকে রাখা সম্ভব হল না।

আগস্ট ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohun Bagan Day: করোনা আতিমারির জন্য অনাড়ম্বর ভাবে পালিত হল মোহনবাগান দিবস

মোহনবাগান দিবস মানেই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। অন্যরকম আয়োজন। গতবছর থেকে পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে করোনা। করোনার কারণেই এবছরও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান বন্ধ। অনলাইনের যুগ। ভার্চুয়াল ব্যাপারটা তো রয়েছেই। অগত্যা সেই ভার্চুয়ালেই সারা হল মোহনবাগান দিবস। সমর্থকরাও পিছিয়ে নেই। ক্লাবে অনুষ্ঠান হচ্ছে না তো কী হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়া তো রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মোহনবাগান দিবস নিয়ে মেতে ওঠে জনতা। ১৯১১ সালের ২৯ জুলাইয়ের শিল্ড ফাইনাল জয়ী মোহনবাগানের নানান ঘটনা, পেপার ক্লিপিংস,ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেয়ে গেছে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় শিল্ড জয়ী ফুটবলারদের ছবিতে ফুল-মালা দেওয়া হয়।মোহনবাগান দিবসে কারা কারা পুরস্কার পাবেন, আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই ঘোষণা মতোই ক্লাব তাঁবুতে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে মোহনবাগান রত্ন তুলে দেওয়া হল প্রয়াত গোলরক্ষক শিবাজি ব্যানার্জির স্ত্রী মালা ব্যানার্জির হাতে। রয় কৃষ্ণা হয়েছেন বর্ষসেরা ফুটবলার। আর বর্ষসেরা ক্রিকেটার হয়েছেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। কলকাতায় না থাকায় দুজনের কেউই আসতে পারেননি। তাঁদের হাতে পরে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। তবে বর্ষসেরা অ্যাথলিট বিদিশা কুন্ডুর এদিন পুরস্কার নিতে এসেছিলেন।বাঘাযতীন পার্কে বাগান কর্তা দেবাশিস দত্ত ও সৃঞ্জয় বসু ১৯১১ সালের শিল্ড জয়ী জার্সির রেপ্লিকা প্রকাশ করলেন। আগামী ২০ আগস্ট গোষ্ঠ পালের জন্মদিন থেকে এই রেপ্লিকা মোহনবাগান জনতা কিনতে পারবেন বলে ক্লাব কর্তারা জানিয়েছেন। কোভিড প্রোটোকল মানার জন্যই এদিন ক্লাবে কোনও সদস্য-সমর্থক, সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। তবে অনুষ্ঠানে সৃঞ্জয় বসু, দেবাশিস দত্ত, সত্যজিৎ চ্যাটার্জি, স্বপন ব্যানার্জি সহ বেশ কয়েকজন কর্তা উপস্থিত ছিলেন। শিলিগুড়ির মোহনবাগান মেরিনার্স বাঘাযতীন পার্কে ঘটা করে পালন করল মোহনবাগান দিবস। এই উৎসব মঞ্চ থেকেই শিলিগুড়িতে মোহনবাগান লেন করার দাবি উঠেছে। এদিন শিলিগুড়ি মেরিনার্স অনাথ শিশুদের বস্ত্রদান করে। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যাক্তিদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বোরো প্রশাসক রঞ্জন সরকার, মেরিনার্স সম্পাদক দেবব্রত দত্ত, প্রাক্তন টেবল টেনিস খেলোয়াড় শিশির গাঙ্গুলি সহ এক ঝাঁক মোহনবাগান জনতা।

জুলাই ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal: ইস্টবেঙ্গলের বিতর্ক মেটাতে আসরে নামল এফএসডিএল

বিতর্ক, বিক্ষোভ, বিশৃঙ্খলা। গত কয়েক মাস ধরে এই ছবিটাই দেখা গেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট এবং ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের টানাপোড়েন অন্য মাত্রায় পৌঁছে গেছে। ২১ জুলাই ক্লাবের দুই গোষ্ঠীর সমর্থকদের হাতাহাতিতে কদর্য রূপ নিয়েছে। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে পরিবর্তন না করলে সই করা হবে না। জেদ ধরে বসে রয়েছেন লালহলুদ কর্তারা। অন্যদিকে, লগ্নিকারী সংস্থা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না করলে আইএসএলে দল নামবে না। দুই পক্ষের বিতর্ক মেটাতে অবশেষে আসরে নামল আইএসএলের আয়োজক সংস্থা এফএসডিএল। শ্রী সিমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গলের কাছ থেকে টার্মশীট ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের কপি চেয়ে নিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে হতাশ করে কঠিন লড়াইয়ের সামনে দীপিকা কুমারীইস্টবেঙ্গল কর্তারা বরাবরই দাবি করে আসছেন, প্রাথমিক চুক্তিপত্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের অনেক পার্থক্য রয়েছে। অন্যদিকে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের দাবি, প্রাথমিক চুক্তিপত্রের সঙ্গে মূল চুক্তিপত্রের কোনও পার্থক্য নেই। কোন পক্ষ সঠিক কথা বলছে, তা খতিয়ে দেখবে এফএসডিএল কর্তারা। তাঁরা আশাবাদী দশ দিনের মধ্যেই পুরো জট কেটে যাবে। তবে কোন শর্ত বাদ দিলে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চুক্তিপত্রে সই করবেন, সে বিষয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না এফএসডিএল কর্তারা।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?এফএসডিএল নিজেদের আইনজীবী দিয়ে টার্মশীট ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পরীক্ষা করাবেন। তারপর শ্রী সিমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের সঙ্গে বসে সমাধানসূত্র বার করবে। দিন দশেকের মধ্যেই বিষয়টি মিটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন। ওই ফেডারেশন কর্তা আশ্বাস দিয়েছেন, এই মরশুমেই ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে খেলবে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?২১ জুলাই ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে যে ঘটনা ঘটেছে মেনে নিতে পারছেন না ফেডারেশন ও এফএসডিএল কর্তারা। অন্য ক্লাবের সদস্য-সমর্থকরাও ইস্টবেঙ্গলের নিগৃহীত সমর্থকদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। ফেডারেশন এবং এফএসডিএল কর্তারাও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন। এএফসি-র কাছেও লালহলুদ সমর্থকদের নিগ্রহের খবর পৌঁছে গেছে। তারাও বিষয়টি ভালভাবে নেয়নি। এএফসি ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে।

জুলাই ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohunbagan Ratna : মরণোত্তর মোহনবাগান রত্ন পাচ্ছেন শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়

তিনকাঠির নিচে দাঁড়িয়ে মোহনবাগানকে এনে দিয়েছেন অনেক সম্মান। অবশেষে তার স্বীকৃতি পেতে চলেছেন প্রয়াত গোলকিপার শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মরণোত্তর মোহনবাগান রত্ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্লাব কর্তারা। বুধবার কর্মসমিতির ভার্চুয়াল বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্ষসেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি পাচ্ছেন রয় কৃষ্ণা, বর্ষসেরা ক্রিকেটার অভিমন্যু ঈশ্বরণ।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণের১৯৭৭ সালে প্রথম সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে চাপিয়েছিলেন শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়। মোহনবাগানে যোগ দেওয়ার পর প্রথম দিকে তেমন খেলার সুযোগ পাননি। পরে আস্তে আস্তে সবুজমেরুণে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে। টাইব্রেকার বাঁচানোর ব্যাপারে দারুণ দক্ষ ছিলেন। বহু ম্যাচে পেনাল্টি ও টাইব্রেকার বাঁচিয়ে দলকে উতরে দিয়েছিলেন। তাঁর স্মরণীয় ম্যাচের মধ্যে ছিল ইডেনে পেলের কসমসের বিরুদ্ধে খেলা। ফুটবল সম্রাট পেলের পা থেকে একাধিকবার বল বাঁচিয়ে নজর কেড়েছিলেন শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়। পেলে নিজেও শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়ের খেলার প্রশংসা করেছিলেন। শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়কে মরণোত্তর মোহনবাগান রত্ন প্রদান করা হবে এই খবরে তাঁর পরিবারেও খুশির হাওয়া। ২৯ জুলাই মোহনবাগান দিবসে জাঁকজমকহীন অনুষ্ঠানে শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটমরশুমের সেরা ফুটবলার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে রয় কৃষ্ণাকে। গত মরশুমে আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানকে ফাইনালে তোলার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন ফিজির এই স্ট্রাইকার। বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে অভিমন্যু ঈশ্বরণকে। এবছর ক্লাব ক্রিকেটে দারুণ ছন্দে ছিলেন অভিমন্যু। সিএবির একদিনের ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন এই তরুণ ওপেনার। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিলেন। বর্ষসেরা অ্যাথলিটের পুরস্কার পাচ্ছেন বিদিশা কুন্ডু।আরও পড়ুনঃ দুধের স্বাদ ঘোলে মিটল দীপক খাবরার, প্রথম ভারতীয় হিসেবে যাচ্ছেন অলিম্পিকেকরোনার জন্য রাজ্য সরকারের অনেক বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই ২৯ জুলাই মোহবাগান দিবস অনাড়ম্বর ভাবে পালন করছেন কর্তারা। কোনও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান হচ্ছে না। অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে শিবাজী ব্ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবার ও বিদিশা কুন্ডুর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। অভিমন্যু ঈশ্বরণ ইংল্যান্ড সফরে থাকায় এবং রয় কৃষ্ণা দেশে থাকায় পুরস্কার নিতে আসতে পারবেন না। পরে তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

জুলাই ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohunbagan : এটিকে মোহনবাগানের স্বার্থে নিয়ম বদল!‌ প্রশ্নের মুখে আইএফএ

আইএফএ-র বিরুদ্ধে বরাবরের অভিযোগ, তারা নাকি সবসময় বড় ক্লাবগুলোর স্বার্থর কথা বিবেচনা করে। প্রদ্যুৎ দত্ত থেকে শুরু করে তাঁর উত্তরসূরী সুব্রত দত্ত, এমনকি উৎপল গাঙ্গুলির সময়েও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। জয়দীপ মুখার্জিও যে পূর্বসূরিদের পথ অনুসরণ করে চলছেন, প্রমান হয়ে গেল।১ জুলাই প্রিমিয়ার ডিভিশনের ক্লাবগুলির সঙ্গে আইএফএ-র বৈঠকে ঠিক হয়েছিল, এই বছর প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো ৩ জন বিদেশি সই করাতে পারবে। কিন্তু খেলবেন ২ জন। সোমবার গ্রুপ বিন্যাস নিয়ে বৈঠকের দিন হঠাৎ নিয়ম বদলে গেল। ঠিক হয়েছে ক্লাবগুলো ৬ জন বিদেশি সই করাতে পারবে। মাঠে অবশ্য ২ জন বিদেশিই নামতে পারবেন।আরও পড়ুনঃ বাড়িতে জগন্নাথ বন্দনা করলেন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীহঠাৎ করে এই নিয়ম বদলে যাওয়ার কারন কী? আসলে এটিকে মোহনবাগানের স্বার্থের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইএফএ। এবারের কলকাতা লিগকে আইএসএলের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে এটিকে মোহনবাগান। লিগে সব বিদেশি খেলিয়ে দেখে নিতে চান এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। তাই তাঁরা আইএফএ-র কাছে অনুরোধ করেছিল ৬ জন বিদেশিকে লিগে সই করানোর অনুমতি দেওয়ার জন্য। আইএফএ সেই অনুরোধ মেনে নিয়েছে।প্রশ্ন উঠছে অপেক্ষাকৃত ছোটদল গুলিকে নিয়ে। তারা তো আর এটিকে মোহনবাগানের মতো ৬ জন বিদেশি ফুটবলার সই করাতে পারবে না। সেই সামর্থ নেই। এমনিতেই করোনা আবহে দল গড়াই সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ছোটদলগুলির কাছে। স্পনসর থাকে না। ছোটদলের কর্তারা নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে দল গঠন করেন। বিদেশি ফুটবলার সই করানোর অর্থ আসবে কোথা থেকে?আরও পড়ুনঃ সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিক ফাইনাল, অভিনয়ে বলিউড তারকা বড় দলগুলোকে এই ভাবে বাড়তি সুবিধা দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এতে লিগের ভারসাম্য নষ্ট হবে। কয়েকটা প্রিমিয়ার লিগের কর্তা বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাদের আপত্তি ধোপে টেকেনি। এই প্রসঙ্গে আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি বলেন, এটিকে মোহনবাগান, মহমেডান যদি আইএসএল, আই লিগের জন্য বিদেশি দেখে নিতে চায়, ক্ষতি কী। এতে তো কোনও সমস্যা নেই। এটিকে মোহনবাগান তো আর ৩ জন বিদেশি মাঠে নামতে পারছে না।

জুলাই ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌Roy Krishna: রয় কৃষ্ণাকে পেতে এবার আসরে নামল মুম্বই সিটি এফসি

নাসরীন সুলতানামাসখানেক আগে গোলকিপার অমরিন্দার সিংকে তুলে নিয়ে মুম্বই সিটি এফসির ঘর ভেঙেছিল এটিকেমোহনবাগান। অমরিন্দার সিংকে হারানোর শোক কাটতে না কাটতেই আবার ধাক্কা সবুজমেরুণ শিবিরের। দুদিন আগে তুলে নিয়েছে ফরাসি মিডফিল্ডার হুগো বৌমাসকে। দুই সেরা ফুটবলারকে হারানোর ধাক্কা মেনে নিতে পারছে না মুম্বই সিটি এফসির কর্তারা। এবার এটিকেমোহনবাগানের ঘর ভাঙার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ছে। সবুজমেরুণের স্ট্রাইকার রয় কৃষ্ণাকে বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিয়েছে মুম্বই সিটি এফসি। সামনে মরশুমে মাঠে বল গড়ানোর আগেই দুই পক্ষের লড়াই শুরু।আরও পড়ুনঃ চাম্পিয়ানশিপের লক্ষ্যে আর এক ম্যাচ, প্রতিপক্ষ কে আর্জেন্টিনা না কলম্বিয়া?গতমরশুমে মুম্বই সিটি এফসিকে চ্যাম্পিয়ন করার অন্যতম কারিগড় ছিলেন হুগো বৌমাস, বার্তোলোমেউ ওগবেচে এবং অ্যাডাম লে ফন্ড্রে। ওগবেচে ও লে ফন্ড্রে আগেই দল ছেড়েছেন। হুগো বৌমাস এটিকেমোহনবাগানে খেলার জন্য চুক্তিপত্রে সই করেছেন। তিন সেরা বিদেশি দল ছাড়ায় নতুন করে ভাবতে হচ্ছে গতবারের আইএসএল চ্যাম্পিয়নদের। আবার আক্রমণভাগ ঢেলে সাজাতে হবে। তাই আক্রমণবাগ শক্তিশালী করতে এবার হাত বাড়াল কৃষ্ণার দিকে।আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানগত মরশুম থেকেই ফিজির এই স্ট্রাইকারকে পেতে আগ্রহী ছিল মুম্বই সিটি এফসি। কিন্তু সবুজমেরুণের সঙ্গে চুক্তি থাকায় যেতে পারেননি। এটিকেমোহনবাগানও ছাড়তে রাজি হয়নি। সামনের মরশুমে তাঁকে পাওয়ার জন্য আবার ঝাঁপিয়েছে মুম্বই সিটি এফসি। ইতিমধ্যেই কর্তার রয় কৃষ্ণার এজেন্ট নাজিয়া কৃষ্ণার সঙ্গেও কথা বলেছেন কর্তারা। বড় অঙ্কের আর্থিক প্রস্তাব দিয়েছেন। সবুজমেরুণ কর্তারা অবশ্য অনেক আগেই দাবি করছিলেন, রয় কৃষ্ণা সামনের মরশুমে খেলার জন্য কথা দিয়েছেন। যদিও দুই পক্ষের মধ্যে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। তাই রয় কৃষ্ণাকে পেতে ঝাঁপিয়েছেন মুম্বই সিটি এফসির কর্তারা। এটিকেমোহনবাগানের থেকে বেশি অর্থও তাঁরা রয় কৃষ্ণাকে দিতে তৈরি। আইএসএল শেষে ফিজি রওনা হওয়ার আগে রয় কৃষ্ণা অবশ্য বলেছিলেন, তিনি এটিকেমোহনবাগানে খেলতে চান। মুম্বই সিটি এফসির বড় অঙ্কের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে পারেন কিনা এখন সেটাই দেখার।

জুলাই ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Copa America 2021: শাপমোচন করতে পারবেন?‌ ব্যর্থতার তকমা ঝেড়ে ফেলতে মরিয়া মেসি

নাসরীন সুলতানাক্লাবের হয়ে একের পর এক সাফল্য। অথচ দেশের হয়ে জ্বলে উঠতে পারেন না। দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচনা হজম করে আসতে হচ্ছে লিওনেল মেসিকে। যখনই কিংবদন্তীদের সঙ্গে তাঁর তুলনা টানা হয়, দেশের হয়ে ব্যর্থতার কথাই বারবার উঠে আসে। এই জায়গাটাতেই পিছিয়ে রেখেছে মেসিকে। এবার সেই বদনাম ঘোঁচানোর সুযোগ মেসির সামনে। কোপার ফাইনালে যদি ব্রাজিলের বিরুদ্ধে দেশকে জেতাতে পারেন, সমালোচকদের কিছুটা হলেও মুখ বন্ধ রাখতে পারবেন। শাপমোচনের সুযোগ এই ফুটবলের ঈশ্বরের কাছে।এবছর কোপা আমেরিকা খেলতে নেমে বেশ কয়েকটা মাইলস্টোন গড়েছেন মেসি। আর্জেন্টিনার প্রথম ফুটবলার হিসেবে ৬ বার কোপা আমেরিকায় খেলে ফেললেন। এই কৃতিত্ব আগে কোনও ফুটবলার দেখাতে পারেননি। আগেই জেভিয়ার মাসচেরানোর দেশের হয়ে ১৪৭ ম্যাচ খেলার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। ফাইনালে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে আরও এক মাইলস্টোনের সামনে দাঁড়িয়ে মেসি। লাতিন আমেরিকার ফুটবলারদের মধ্যে তিনি সবচেয়ে বেশি কোপার ম্যাচ খেলার রেকর্ড স্পর্শ করবেন। এখনও পর্যন্ত তিনি ৩৩ট ম্যাচ খেলেছেন। সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন চিলির সার্জিও লিভিংস্টোন।আগের বার কোপাতে এই ব্রাজিলের কাছে হেরেই বিদায় নিতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে। এবার বদলা নেওয়ার সুযোগ। বদলার ম্যাচে মেসির দিকেই তাকিয়ে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। আর্জেন্টিনা দলে মেসিই একমাত্র উজ্জ্বল। ৬ ম্যাচে এখনও পর্যন্ত গোল করেছেন ৪টি। তাঁর পাস থেকে গোল এসেছে ৫টি। যদিও ফাইনালে জ্বলে উঠতে না পারার রেকর্ড আছে মেসির। এখনও পর্যন্ত ৩ বার কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলেছেন এই আর্জেন্টিনা তারকা। আর একবার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছেন। কোনও ফাইনালেই গোল করতে পারেননি। আর্জেন্টিনারও সাফল্য আসেনি। ফলে আর্জেন্টিনাকে সাফল্য পেতে গেলে মেসিকে জ্বলে উঠতেই হবে। ক্লাব ফুটবলে অবশ্য মেসির রেকর্ড ঈর্ষানীয়। ১৭ বার ফাইনাল খেলে ১৪ বার চ্যাম্পিয়নের স্বাদ পেয়েছেন।পরিসংখ্যান, ব্যক্তিগত রেকর্ড, এসব মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে ফাইনালের জন্য মনসংযোগ করছেন মেসি। তাঁর লক্ষ্য যে কোনও মূল্যে দেশকে চ্যাম্পিয়ন করা। না হলে দেশের হয়ে ব্যর্থতার তকমা নিয়েই থাকতে হবে। নেইমারদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে মেসির মুখেই শোনা গেছে, কোপা থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফিরতে চাই। ব্যক্তিগত মাইলস্টোনের দিকে তাকাচ্ছি না।

জুলাই ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Euro Cup Semi Final 2020: ৫৫ বছরের শাপমুক্তি, এই প্রথম ইউরো কাপের ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ড

নাসরীন সুলতানাইউরো কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ইতালি ও স্পেনের মধ্যে রোমাঞ্চকর পরিসমাপ্তি। ইংল্যান্ড ও ডেনমার্কের মধ্যে দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ততটা রুদ্ধশ্বাস না হলেও তুল্যমূল্য লড়াই হল। শেষপর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে হ্যারি কেনের করা গোলে ফাইনালে পৌঁছে গেল গ্যারেথ সাউথগেটের দল। ডেনমার্কের বিরুদ্ধে জিতল ২১ ব্যবধানে। এই প্রথম ইউরো কাপের ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ড। ১১ জুলাই ওয়েম্বলিতে ইতালির মুখোমুখি।আরও পড়ুনঃ মার্টিনেজ যেন ১৯৯০ র গাইকোচিয়া। কোপা ফাইনালে মেসি-নেইমার১৯৬৬ সালের পর কোনও বড় প্রতিযোগিতার ফাইনালে খেলার সুযোগ হয়নি ইংল্যান্ডের। বিশ্বকাপই বলুন, আর ইউরো কাপ, প্রতিবার ডাকহর্স হিসেবে শুরু করে শুধুই ব্যর্থতা। এবার ইউরোতে শাপমোচনের অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে নেমেছিল সাউথগেটের দল। শেষপর্যন্ত স্বপ্নের ফাইনালের ছাড়পত্র। ৫৫ বছর পর কোনও বড় প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠে শাপমুক্তি। ওয়েম্বলিতে ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু ড্যানিশদের বিরুদ্ধে জয় পেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হল হ্যারি কেনদের। জার্মানির বিরুদ্ধে প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে, কিংবা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে যে ফুটবল উপহার দিয়েছিলেন রাহিম স্টার্লিংরা, ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ততটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেননি। তবে ডেনমার্কের লড়াইও প্রশংসার যোগ্য।আরও পড়ুনঃ জখম কলেজ ছাত্রী, রক্তমাখা ধারালো কাঁচিসহ গ্রেপ্তার যুবকম্যাচের শুরু থেকে ইংল্যান্ডকে কখনোই স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি ডেনমার্ক। বিশেষ করে ড্যামসগর্ডের কথা বলতে হবে। বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে ব্যতিব্যস্ত রাখছিল ইংল্যান্ডের রক্ষণকে। ম্যাচের ৩০ মিনিটে এগিয়ে যায় ডেনমার্ক। বক্সের বাইরে ফ্রিকিক পেয়েছিল। ফ্রিকিক থেকে দুরন্ত গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ড্যামসগার্ড। এই গোলের আগে আরও একটা সুযোগ পেয়েছিলেন ড্যামসগার্ড। তাঁর বাঁক খাওয়ানো শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। যদিও এই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি ডেনমার্ক। ৩৯ মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরে। ডানদিক থেকে উঠে এসে বুকায়ো সাকা রাহিম স্টার্লিংকে উদ্দেশ্য করে পাস বাড়ান। স্টার্লিং শট নেওয়ার আগেই বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠান ডেনমার্কের ডিফেন্ডার সিমোন শ্যার।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাদুই দলই প্রথমার্ধে কোনও ঝুঁকি নেয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে তুলনায় অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল। ইংল্যান্ডের আক্রমণে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। ডেনমার্কও সমানে প্রতি আক্রমণ চালিয়ে যায়। বল পজেশন ইংল্যান্ডের বেশি থাকলেও দুই দলের সামনেই গোলের সুযোগ এসেছিল। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। নির্ধারিত সময়ে খেলার ফল থাকে ১১। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১০৪ মিনিটে ডেনমার্কের ম্যাশহোলে অবৈধভাবে রাহিম স্টার্লিংকে বাধা দেন। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। হ্যারি কেনের পেনাল্টি ডেনমার্ক গোলকিপার ক্যাস্পার স্কিমেচেল বাঁচালেও ফিরতি বলে গোল করেন।

জুলাই ০৮, ২০২১
কলকাতা

বিনামূল্যে টিকাকরণ কলকাতার ২টি ফুটবল ক্লাবে

গোটা দেশে নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে প্রাণঘাতী করোনা। মারণ ভাইরাসের মোকাবিলায় একজোট হয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন বিরাট কোহলি। ক্রিকেটার থেকে ফুটবলার- খেলার দুনিয়ার তারকাদের অনেকেই আর্থিক সাহায্য করে মানুষের পাশে থাকছেন। কেউ আবার দুঃস্থদের মুখে তুলে দিচ্ছেন খাবার। আর এবার এই লড়াইয়ে সামিল কলকাতার ফুটবল ক্লাবগুলি। সাধারণ মানুষকে টিকা দেওয়ার দায়িত্ব নিল ময়দানের দুটি ক্লাব এবং আইএফএ।প্রতিদিনই লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে অ্যাকটিভ কেসও। ব্যতিক্রমী নয় বাংলাও। কলকাতার সাধারণ মানুষ যাতে নিশ্চিন্তে টিকা পান, তা নিশ্চিত করতে এবার কলকাতার ফুটবল ক্লাবগুলিও এগিয়ে এল। সাদার্ন এভিনিউ, কালীঘাট মিলন সংঘের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিনামূল্যে টিকাকরণের ব্যবস্থা করল আইএফএও। বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতা লিগে খেলা দুটি ক্লাব সাদার্ন সমিতি ও কালীঘাট মিলন সংঘ, আইএফএ-র সঙ্গে একজোট হয়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করে। শুক্রবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানানো হল। তবে শুধুই ভ্যাকসিন নয়, হাসপাতালে বেড পেতে কিংবা অক্সিজেন সিলিন্ডার, ভেন্টিলেটর পেতেও যাতে কোনও সমস্যায় না পড়তে হয়, সে দিকেও নজর রাখবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

মে ০৭, ২০২১
কলকাতা

ভোটের ভেট, ট্যাবের পর ফুটবল

একেই বলে ভোটের বালাই। বিধানসভা ভোটের আগে স্কুলে স্কুলে ফুটবল বিতরণের কথা ভাবছে রাজ্য সরকার। স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা বিনামূল্যে সাইকেল, বই, খাতা, পোশাক ও জুতো পায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মতো উচ্চমাধ্যমিকের ছাত্র-ছাত্রীদের ট্যাব কেনার জন্য সবাইকে ১০ হাজার করে টাকা পাঠানো হচ্ছে। এবার, ছাত্রছাত্রীদের খেলাধুলায় আরও বেশি করে উৎসাহ দিতে স্কুলে ফুটবল পাঠানোর কথা ভাবছে সরকার।করোনা অতিমারি সংক্রমণ রুখতে মার্চ মাস থেকে টানা স্কুল বন্ধ। তবে প্রত্যেকের মিড-ডে মিলের খাদ্যসামগ্রী বিতরণে ছেদ পড়েনি। আগামী মাসে ধাপে ধাপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস চালু করার পরিকল্পনা চলছে। রাজ্যের জেলবন্দি আসামিদের বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে উৎসাহ দেওয়া হয়। কেউ ছবি আঁকেন, কেউ ছেনি-হাতুড়ি হাতে স্থাপত্যকলায় মনোনিবেশ করেন। গান, আবৃত্তি, অভিনয়-সহ নানা সাংস্কৃতিক কাজেও আসামিদের উৎসাহ দেয় কারা দফতর। কিছুদিন আগে সংশোধনাগারের সদস্যরা এক লক্ষ ফুটবল তৈরি করেছেন। কারামন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস জানিয়েছেন, সংশোধনাগারের সদস্যদের তৈরি ৫০ হাজার ফুটবল ইতিমধ্যে বিভিন্ন ম্যাচে ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি ফুটবলগুলো পড়ে আছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সেগুলো স্কুলে বিতরণের কথা ভাবা হচ্ছে। এই কারণে আসামিদের হাতে তৈরি ফুটবল স্কুল পড়ুয়াদের জন্য বরাদ্দ করাই যুক্তিযুক্ত বলে মনে করছে সরকার।

জানুয়ারি ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

প্রয়াত দিয়েগো মারাদোনা, শোকার্ত ফুটবল বিশ্ব

প্রয়াত ফুটবলের রাজপুত্র দিয়েগো মারাদোনা। জানা যায়, বুধবার নিজের বাড়িতে থাকাকালীনই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬০। অজস্র ম্যাচে তাঁর অবিস্মরণীয় পারফরম্যান্স সকলে মনে রাখবে। প্রথমেই যে ম্যাচের কথা না বললেই নয়, ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ। সেখানে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হয়েছিল পশ্চিম জার্মানি। আর্জেন্টিনা সেই ম্যাচে ৩-২ গোলে জয়লাভ করে। সেই ম্যাচে মারাদোনার অবিস্মরণীয় পারফরম্যান্স সকলেই মনে রাখবে। আরও পড়ুন ঃ ফুটবলার হওয়ার লক্ষ্যে পথচলা শুরু বাইচুংয়ের ছেলে ইউজেনের এছাড়াও ১৯৮৭ সালে নাপোলি স্কুপ সিরিজ এ কোপা ইটালিয়া ডবলসের ফাইনালে তার অনবদ্য পারফরম্যান্স সকলের মন জয় করে নিয়েছে। এছাড়াও ১৯৮৮-৮৯ ইউয়েফা কাপ কোয়ার্টার ফাইনালে নাপোলি ৩-০ গোলে জুভেন্টাসকে পরাজিত করে। সেই ম্যাচেও মারাদোনার পারফরম্যান্স মনে রাখার মতো। ১৯৮৮-৮৯ এ ইউয়েফা কাপ সেমিফাইনালে তাঁর পারফরম্যান্স প্রশংসার দাবি রাখে। ১৯৯০ সালের বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে ১-০ গোলে পরাজিত করে আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে অসাধারণ খেলেছিলেন মারাদোনা। এছাড়াও ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনা ৪-০ গোলে গ্রিসকে পরাজিত করে। সেই ম্যাচেও মারাদোনার পারফরম্যান্স অনবদ্য। প্রয়াত হলেও মারাদোনার এই পারফরম্যান্স সকলে মনে রাখবে।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal