• ২২ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ১১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Football

খেলার দুনিয়া

East Bengal : আজ নবান্নেই ঠিক হবে ইস্টবেঙ্গলের ভবিষ্যত

এটিকে মোহনবাগান পৌঁছে গেল এএফসি কাপের নক আউটে। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গল পৌঁছে গেল নবান্নে। মঙ্গলবার বিকেল থেকেই সামাজিক মাধ্যমে ট্রোলড হচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। শ্রী সিমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গলের চুক্তিপত্র জট এমন জায়গায় পৌঁছেছে, ট্রোলড হওয়াটাই স্বাভাবিক। এই পরিস্থিতি থেকে কি বেরিয়ে আসতে পারবে লালহলুদ? ইস্টবেঙ্গলের অগনিত সমর্থক তাকিয়ে নবান্নের দিকে। চুক্তিপত্র জট কাটতে নবান্নে আজ বিকেলে ইস্টবেঙ্গল ও শ্রী সিমেন্টের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।আরও পড়ুনঃ হেডিংলেতে তৃতীয় টেস্টে কি উইনিং কম্বিনেশন ভাঙছে ভারত?মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসতে পারে, মনে করছে লালহলুদ সমর্থকরা। সমর্থকদের আশা বাড়িয়ে দিয়েছেন শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙ্গুর। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, চুক্তিপত্র জট কাটাতে মুখ্যমন্ত্রী যে উদ্যোগ নিয়েছেন, তাকে আমরা সাধুবাদ জানাচ্ছি। আশা করছি এই বৈঠক থেকেই সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসবে। আজ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে তিনি হাজির থাকবেন কিনা, সে ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি হরিমোহন বাঙ্গুর। তবে সূত্রের, খবর তিনি বৈঠকে যেতে পারেন। এই মুহূর্তে তিনি কলকাতায় রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ ৫ বছর পর আবার এএফসি কাপের নক আউট পর্বে এটিকে মোহনবাগানশ্রী সিমেন্ট কর্তাদের মতো ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও মনে করছেন আজকের বৈঠকে জট কেটে যেতে পারে। ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী আলোচনার জন্য ডেকেছেন। আমাদের সমস্যার কথা তুলে ধরব। উনি যা বলবেন, সেইমতো আমরা এগোব। মুখ্যমন্ত্রী যা চাইবেন, সেটাই করব। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে ক্লাবের মালিকানা হস্তান্তরের সমস্যার কথা তুলে ধরা হবে। তবে শ্রী সিমেন্টকে ক্লাব তাঁবু স্বাধীনভাবে ব্যবহার করার ব্যাপারে রাজি হতে পারে ইস্টবেঙ্গল। অন্যদিকে, শ্রী সিমেন্ট মালিকানা হস্তান্তরের শর্তের ব্যাপারেও কিছুটা নমনীয় হতে পারে সূত্র মারফত জানা গেছে।আরও পড়ুনঃ সমালোচকদের কড়া জবাব দিলেন অজিঙ্কা রাহানেআজ নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে যদি জট কেটে যায়, দ্রুত দল গঠনে নেমে পড়বেন শ্রী সিমেন্ট কর্তারা। হাতে বেশি সময় নেই। যদিও জানা গেছে অনেক ফুটবলারের সঙ্গে আগে থেকেই প্রাথমিক কথা সেরে রেখেছেন শ্রী সিমেন্ট কর্তারা। বেশ কয়েকজন বিদেশির সঙ্গেও কথা বলেছেন। যদি আজ নবান্নে বৈঠকের পর চুক্তিপত্রে সই করে দেন লালহলুদ কর্তারা, তাহলে কাল থেকেই ফুটবলারদের সই করাবে শ্রী সিমেন্ট। তবে সবকিছু নির্ভর করছে আজ নবান্নের ওপর।

আগস্ট ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : এ কী করল শ্রী সিমেন্ট!‌ চরম সঙ্কটে ইস্টবেঙ্গল

শ্রী সিমেন্টের আচরণে চরম সঙ্কটে পড়ল ইস্টবেঙ্গল। এই মরশুমে আইএসএলে খেলা নিয়েও তৈরি হল অনিশ্চয়তা। লালহলুদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানিয়ে দিয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। তবে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের সরাসরি তারা কিছু জানায়নি। সোমবার সন্ধে পর্যন্ত কোনও চিঠি দেয়নি কিংবা ইমেল করেনি। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা নবান্নে জানিয়ে দিয়েছে শ্রী সিমেন্ট।আরও পড়ুনঃ পুজোর পর কি খুলবে স্কুল? বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরচূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে কয়েক মাস ধরে লগ্নিকারী শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের চাপানউতোর চলছিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজি ইন্ডোরে ১৬ আগস্ট খেলা হবে দিবসে জানিয়েছিলেন, জটিলতা কাটিয়ে ইস্টবেঙ্গলের খেলতে কোনো অসুবিধা হবে না। তারপর লগ্নিকারী সংস্থার পক্ষ থেকে সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠানো হয়। সেই সংশোধিত চুক্তিপত্রের বেশ কয়েকটা শর্ত নিয়ে আবার আপত্তি জানান ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এরপর মধ্যস্থতাকারীদের সক্রিয়তায় কয়েকটা শর্তে নমনীয় হয় শ্রী সিমেন্ট। কিন্তু তাঁবু সংক্রান্ত বিষয়ে জটিলতা কাটছিল না।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেবসংশোধিত চুক্তিপত্র আসার পরও ইস্টবেঙ্গলের কর্মসমিতি তাতে সই করতে রাজি ছিলেন না। শুক্রবার ইস্টবেঙ্গলের তরফে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কথা বলা হয়। মধ্যস্থতাকারীরা জানিয়েছিলেন, শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের রাস্তা খোঁজার চেষ্টা চলছে। এরই মধ্যে শ্রী সিমেন্টের কর্ণধার হরিমোহন বাঙ্গুর জানিয়ে দেন, ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আচরণে তিনি বিরক্ত। তাই লালহলুদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করতে চান।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!আজ, সোমবার নবান্নে চিঠি পাঠিয়ে শ্রী সিমেন্ট জানিয়ে দেয়, ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা তাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তবে স্পোর্টিং রাইটস ফেরানো নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। বিকেল পর্যন্ত লাল হলুদের শীর্ষ কর্তারা লগ্নিকারীদের পদক্ষেপ সম্পর্কে ধোঁয়াশায় ছিলেন। তাঁরা নবান্ন থেকেই শ্রী সিমেন্টের সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানতে পারেন। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে দেবব্রত সরকার জানান, আমাদের ক্লাবেও এরকম কোনও ইমেল এখনও আসেনি। তবে শুনেছি, ওরা আর থাকছে না। নতুন করে জটিলতা বাড়ানোর জন্য অনেকে মধ্যস্থতাকারী শ্রেনিক শেঠের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছেন। দেবব্রত সরকারও বলেন, যিনি মধ্যস্থতা করছিলেন, সেই শ্রেনিক শেঠ যদি আর একটু সহযোগিতা করতেন, সমস্যা মিটে যেত।আরও পড়ুনঃ অভিষেক বচ্চন হাসপাতালে, চিন্তায় পরিবার থেকে অনুরাগীরাশোনা যাচ্ছিল, কোনও ক্ষতিপূরণ ছাড়াই শ্রী সিমেন্ট স্পোর্টিং রাইটস ফেরত দেবে। কিন্তু শ্রী সিমেন্টের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে এরকম কিছু জানানো হয়নি। শ্রী সিমেন্টের সিইও শিবাজি সমাদ্দার বলেন, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে কোনও ইমেল তিনি পাঠাননি। এখন প্রশ্ন, স্পোর্টিং রাইটস ফেরত পেলেও ৩১ অগাস্ট ট্রান্সফার উইন্ডো শেষের আগে কি দল গঠন করতে পারবে ইস্টবেঙ্গল? ভাল মানের ফুটবলারও পড়ে নেই। কলকাতা প্রিমিয়ার লিগেও খেলতে পারবে কিনা তা নিয়ে ধোঁয়াশা। চলতি মরশুমে আইএসএল খেলাও বিশ বাঁও জলে। শোনা যাচ্ছে, বিনা শর্তে লাল হলুদকে শ্রী সিমেন্ট ছেড়ে দিলে আম্বানি গ্রুপ ইস্টবেঙ্গলে লগ্নি করতে পারে।

আগস্ট ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌East Bengal : মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না ইস্টবেঙ্গলের

তারিখের পর তারিখ। বৈঠকের পর বৈঠক। একের পর এক চিঠি চালাচালি। তবুও জট কাটার লক্ষন নেই ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি বিতর্কে। শুক্রবার রিলায়েন্সের মধ্যস্থতাকারীর সঙ্গে বৈঠকেও সমস্যা মিটল না লালহলুদের।প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনে সংশোধিত চুক্তিপত্র পাঠানোর কথা ছিল লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের। কিন্তু কয়েকটা বিষয় আটকে থাকায় পাঠাতে পারেনি। পরে সোমবার সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠায় শ্রী সিমেন্ট। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সম্মতি জানিয়ে শ্রী সিমেন্টকে লিখিতভাবে সই করার বিষয়ে সম্মতি জানালে তবেই আইনানুসারে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হবে। কিন্তু সংশোধিত চুক্তিপত্রেও দুটি শর্ত নিয়ে আপত্তি জানান লালহলুদ কর্তারা।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিলালহলুদ কর্তাদের পক্ষ থেকে আবার চিঠি দেওয়া হয় শ্রী সিমেন্টকে তাদের মতামত জানার জন্য। তারপর কর্মসমিতির বৈঠকে সই করার বিষয়টি অনুমোদন করানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু শ্রী সিমেন্টের কোনও উত্তর না পাওয়ায় পরপর দুদিন কর্মসমিতির বৈঠক স্থগিত করে দেওয়া হয়। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পক্ষ থেকে এক প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়, মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে ৪ ঘন্টা ধরে বৈঠক হয়েছে। আমরা নিজেদের বক্তব্য জানিয়েছি। যথাযথ জায়গায় আলোচনা করে মধ্যস্থতাকারীরা সিদ্ধান্ত জানাবেন। বৈঠকে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা জানান চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে কোন কোন বিষয়ে তাঁদের সমস্যা রয়েছে। ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই মধ্যস্থতাকারী বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করে পরের পদক্ষেপ জানাবেন। তারপর ক্লাব নিজেদের সিদ্ধান্ত নেবে। তাই শুক্রবার সন্ধ্যার কার্যকরী সমিতির বৈঠক বাতিল করে ইস্টবেঙ্গল।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশলালহলুদ সূত্রের খবর, সম্পত্তি হস্তান্তরের বিষয়ে নো অবজেকশন দেওয়ার শর্তে তাঁদের সমস্যা রয়েছে। ক্লাবের দাবি, লগ্নিকারী সংস্থার পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে বলা হোক, ক্লাব তাঁবুর কোন অংশ ক্লাবের অধীনে থাকবে। বর্তমানে যা পরিস্থিতি, তাতে এই ব্যাপারে ইস্যুতে তাদের দাবি মানা না হলে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করবে না। অন্যদিকে শুক্রবার ইনভেস্টর শ্রীসিমেন্টের প্রতিনিধি স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন, শেষ চুক্তিপত্রের কোন রকম পরিবর্তন হবে না। নতুন কোনও শর্ত মানা সম্ভব নয়।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Gostho Paul : শরিকী বিবাদে কিংবদন্তী গোষ্ঠ পালও আজ দু’‌ভাগ

বাড়িতে ঢোকার মুখে নীল রঙের কাঠের দরজার নেমপ্লেটে জ্বলজ্বল করছে গোষ্ঠ পালের নাম। দরজার পাশের লেটার বক্স একদিকে ঝুলে পড়েছে। মূল দরজা থেকে বাড়িতে ঢোকার সরু গলিটাও পলেস্তরা পড়ে বেশ পিচ্ছিল। তার করুণ অবস্থা বাড়ির দোতলায়। সিলিং থেকে প্লাস্টার খসে পড়েছে। ঘরের দরজার সামনে আবর্জনার স্তুপ। পা রাখার উপায় নেই। এখানেই থাকতেন কিংবদন্তী গোষ্ঠ পাল! সত্যিই বিশ্বাস করা খুবই কঠিন। শরিকী বিবাদে গোষ্ঠ পালের স্মৃতি বিজরিত বাড়িও আজ অবহেলিত।আরও পড়ুনঃ জয় দিয়ে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগানহাওড়া ছেড়ে উত্তর কলকাতায় আস্তানা গাড়ার পর মৃত্যুর আগে পর্যন্ত নর্দান এভিনিউয়ের ৩/২ কে. শ্রীনাইন মুখার্জি লেনে বসবাস করতেন গোষ্ঠ পাল। শরিকী বিবাদে সেই বাড়ির আজ বেহাল দশা। গোষ্ঠ পালের ৭ ছেলের মধ্যে ৪ জন মারা গেছেন। বেঁচে রয়েছেন ৩ জন, সীতাংশু পাল, নীরাংশু পাল ও সুকুমার পাল। সুকুমার পাল থেকেন নাগপুরে। নীরাংশু পাল বাবার মৃত্যুর আগে থেকেই টালা পার্কের কাছে থাকেন। বাবার স্মৃতি আগলে বসে রয়েছেন সীতাংশু পাল।আরও পড়ুনঃ শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি? আবেগে মুগ্ধ পিটারসেনভগ্নপ্রায় বাড়ি যে সাড়াবেন, সে উপায় নেই সীতাংশু পালের। ভাঙা বাড়িতেই নীচের তলার দুটি ঘরে স্ত্রী, ছেলে, পুত্রবধূ, এক নাতিকে নিয়ে থাকেন সীতাংশু। ওপরের ঘরে প্রবেশ করার উপায় নেই। সীতাংশু বলছিলেন, বাবা ওপরের ঘরে থাকতেন। ওই দুটি ঘরের বেহাল দশা। বাড়ি ভেঙে পড়ছে। ভেবেছিলাম সরকার কিছু করবে, তাও করছে না। নীরাংশু তালা বন্ধ করে রাখায় আমিও সারাতে পারছি না। বাবার স্মৃতি হারিয়ে যেতে বসেছে। কেন বাড়ির এইরকম দশা? দুটি ঘরই বা তালাবন্ধ করে রেখেছেন কেন? যার দিকে অভিযোগের আঙুল, সেই নীরাংশু পাল বলছিলেন, এটা আমাদের শরিকী ব্যাপার। আপনাকে বলতে পারব না। সীতাংশু পালকে জিজ্ঞেস করুন। হায় রে, শেষ পর্যন্ত গোষ্ঠ পালকেও কিনা পড়তে হল শরিকী বিবাদে!গোষ্ঠ পালের ভগ্নপ্রায় বাড়িশরিকী বিবাদে গোষ্ঠ পালের স্মারকগুলিইও খোঁজ নেই। আর্কাইভের জন্য ২০০৩ সালে গোষ্ঠ পালের সব স্মারক মোহনবাগান ক্লাবে দিয়ে এসেছিলেন ছেলেরা। কিন্তু পরে আর্কাইভ আর হয়নি। নীরাংশু পাল বাবার স্মারকগুলি ফেরত আনতে গিয়েছিলেন। জানতে পেরে ক্লাবে ছুটে গিয়ে বাধা দেন সীতাংশু পাল। তারপর সেই স্মারকগুলি কোথায় আছে, জানেন না সীতাংশু পাল। তিনি বলছিলেন, ২০১০ সালের পর থেকে মোহনবাগান ক্লাব আমাকে ডাকে না। সরকারও কোনও অনুষ্ঠান করলে ডাকে না। সরকারের লোকজন মনে করে গোষ্ঠ পালের একটাই ছেলে বেঁচে আছে, নীরাংশু পাল।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিশুক্রবার কিংবদন্তি ফুটবলারের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হল। ময়দানে গোষ্ঠ পালের মূর্তির সামনে এই অনুষ্ঠান হয়। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, ক্রীড়া রাষ্ট্রমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারি, আইএফএ চেয়ারম্যান সুব্রত দত্ত, কলকাতার তিন প্রধানের প্রতিনিধিরা এবং অন্যান্য বিশিষ্টজনরা। গোষ্ঠ পালের ছেলে নীরাংশু পাল মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেছেন তাঁর বাবার নামে একটি মেট্রো স্টেশনের নামকরণ করার জন্য। শরিকী বিবাদে সেটাই হবে হয়তো গোষ্ঠ পালের সার্থকতা।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

A‌fganistan Footballer: বিমান থেকে পড়ে মৃত্যু আফগানিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলারের

দেশ ছাড়তে চেয়েছিলেন। বাঁচার মরিয়া প্রচেষ্টা বিফলে গেল। এক নিমেষে শেষ তরতাজা প্রান। স্বপ্নের উড়ান থেমে গেল তালিবান আতঙ্কে। বিমানের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা গেলেন আফগানিস্তানের তরুণ ফুটবলার জাকি আনওয়ারি।তালিবানরা কাবুলের দখল নেওয়ার পর গত সোমবার থেকে দেশ ছাড়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন আফগানরা। কাবুলের বিমানবন্দর থেকে উড়ছে বিমান। বিমানের চাকাসহ বিভিন্ন জায়গা আঁকড়ে ধরে বাঁচার চেষ্টায় বহু মানুষ। যারা সৌভাগ্যক্রমে ঠেলাঠেলি করে বিমানে উঠতে পেরেছেন তাঁরা বেঁচে গেছেন। কিন্তু বহু হতভাগ্য বিমানের ডানা, চাকাসহ নানা জায়গায় মরিয়া হয়ে উঠে পড়েছিলেন। বিমান থেকে পড়ে মৃত্যু হচ্ছে দুই হতভাগ্যের। তাঁদেরই একজন ছিলেন আফগানিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলার জাকি আনওয়ারি।আরও পড়ুনঃ সিএবির আপত্তিতে পিছিয়ে গেল রনজি ট্রফিমার্কিন বিমানবাহিনীর বোয়িং সি১৭ বিমান থেকে পড়ে প্রাণ হারিয়েছেন জাকি। আফগানিস্তানের দখল তালিবানরা নেওয়ার পর জাকিও অনেক দেশবাসীর মতোই পালিয়ে কাবুলে হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন। মরিয়া হয়ে প্রাণ বাঁচাতে মৃত্যুভয় তুচ্ছ করে কোনওভাবে উঠেছিলেন বিমানের বাইরের কোনও অংশে। ওই বিমানটির চাকা ধরে কেউ কেউ বসেছিলেন। কেউ বসেছিলেন উড়ানের ডানার ওপর। প্রাণে বাঁচতে এতটাই মরিয়া হয়ে দেশ ছাড়তে উদ্যত হয়েছিলেন। তাঁদেরই একজন ছিলেন জাকি। বিমানের চাকায় তাঁর দেহাংশ পাওয়া গেছে।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশওই বিমানের ভিতরে উঠতে পেরেছিলেন ৬৪০ জন। বিমানে যা যাত্রী ধরে তার চেয়ে পাঁচগুণ বেশি। যদিও আফগানিস্তানের জাতীয় যুব দলের ফুটবলার ১৯ বছরের জাকির বিমানের ভিতরে প্রবেশের সৌভাগ্য হয়নি। তাই বিমান থেকে পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল তাঁর। একের পর এক ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হচ্ছে। একটিতে দেখা গিয়েছে বহু মানুষ বিমানবন্দরের গেট ও ঘেরা অংশের বাইরে দাঁড়িয়ে বিমানবন্দরে প্রবেশের জন্য আকুতি করছেন। আর্তনাদ করে তাঁরা বলছেন, তালিবানরা আসছে। আমাদের বাঁচান।আরও পড়ুনঃ টাকা চুরি করে নয়, চটি পড়ে দেশ ছেড়েছি, মুখ খুললেন আসরাফমার্কিন বিমানবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, যে মিলিটারি কার্গো বিমানটির ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে, সেটি কাতার বিমানবন্দরে পৌঁছয় যাত্রীদের নিয়ে। ওই বিমান থেকে পড়ে কত সংখ্যক মানুষ প্রাণ হারিয়ছেন এবং তাঁদের পরিচয় সম্পর্কে এখনও পুরোপুরিভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বিমানের চাকাতে অনেকের দেহাংশ মিলেছে বলে ডিপার্টমেন্ট অব দ্য এয়ার ফোর্স অব স্পেশ্যাল ইনভেস্টিগেশনসের তরফে জানানো হয়েছে। বিমানটি কাবুল বিমানবন্দরে পৌঁছেছিল আফগান ও মার্কিনদের দ্রুত আফগানিস্তান থেকে সরানোর জন্য। কিন্তু সেই সরঞ্জামগুলি নামানোর আগেই কয়েক হাজার মানুষ বিমানটিকে ঘিরে ফেলেন। এরপরই অবস্থার অবনতি লক্ষ্য করে দ্রুত বিমানটি ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা হয়। পরিস্থিতি এতটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল যে দূতাবাসের আধিকারিকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে মার্কিন বাহিনীকে গুলি চালাতে হয়, যাতে জনা পাঁচেক মানুষ প্রাণ হারান।

আগস্ট ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌ অবশেষে ইস্টবেঙ্গলকে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের সংশোধিত খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্ট

প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনে সংশোধিত চুক্তিপত্র পাঠানোর কথা ছিল লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের। কিন্তু কয়েকটা বিষয় আটকে থাকায় পাঠাতে পারেনি। অবশেষে সোমবার সন্ধেয় ইমেল করে সংশোধিত চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া পাঠাল শ্রী সিমেন্ট। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সম্মতি জানিয়ে শ্রী সিমেন্টকে লিখিতভাবে সই করার বিষয়ে সম্মতি জানালে তবেই আইনানুসারে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই হবে। এখন দেখার লালহলুদ কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের খসড়া দেখে সই করার বিষয়ে সম্মতি দেন কিন। চুক্তি বিতর্ক মেটাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব ও আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তকে। তিনি প্রাথমিক চুক্তিপত্র দেখে মত দেন যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর সেই মতামত মেনে নেন লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ছেড়ে খেলার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে লালহলুদ কর্তরা অনেকটাই নমনীয় হন। বেশ কয়েকটি শর্ত থেকে পিছিয়ে আসেন। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারাও কয়েকটি শর্ত নিয়ে নমনীয় মনোভাব দেখান। শ্রী সিমেন্টের এক কর্তা বলেন, ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল আমরা তা মেনে নিয়েছি। নতুন চুক্তিপত্র সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পরিমার্জিত চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি এবার চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে আর বাধা থাকবে না। চুক্তিপত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ওই কর্তা। তবে, সূত্র মারফত জানা গেছে ক্লাবের সদস্যদের নথি লগ্নিকারী সংস্থার কাছে জমা রাখার এবং ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের জন্য নো অবজেকশনের শর্ত, এই দুটি পরিবর্তন করেনি শ্রী সিমেন্ট। তবে ক্লাবের সদস্যদের নথি জমা রাখার শর্তে লালহলুদ কর্তারা রাজি হয়েছেন। ক্লাব তাঁবু ব্যবহারের শর্ত নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। কারণ, ক্লাব তাঁবু যেহেতু মিলিটারির অধীনে, তাই লালহলুদ কর্তাদের বক্তব্য এই ব্যাপারে তাঁরা সম্মতি দিতে পারবেন না। এখন দেখার, সবকিছু মেনে নিয়ে সই করেন কিনা লালহলুদ কর্তারা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজনীতি

Tripura: ত্রিপুরার রাজপথে ফুটবল খেললেন প্রসূন-শান্তনুরা

খেলা হবে দিবসে ত্রিপুরায় বল পায়ে নেমে পড়ল তৃণমূল। ফুটবল খেলতে নামলেন প্রাক্তন ফুটবলার তথা তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়। রাজনীতির ময়দানে গত কয়েক বছর ধরেই তিনি গোল করছেন। এবার তারই সূত্র ধরে বাংলার পড়শি রাজ্য ত্রিপুরার মাটিতে ফুটবল পায়ে নেমে পড়লেন ফুটবলার-সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সাংসদ শান্তনু সেন, অর্পিতা ঘোষরাও। আরও পড়ুনঃ আজ দেশজুড়ে খেলা হবে দিবস পালনপশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাতের মতো রাজ্যেও খেলা হবে দিবস পালন করছে তৃণমূল। তবে, গুজরাত ও উত্তরপ্রদেশে অনুমতি মেলেনি। কিন্তু ত্রিপুরাকে এবার রাজনৈতিকভাবে পাখির চোখ করেছে এ রাজ্যের শাসক দল। সেই মোতাবেক আগরতলার ময়দানে ফুটবল পায়ে নেমে পড়তে দেখা গেল সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়, সাংসদ আবু তাহের ও সাংসদ অর্পিতা ঘোষকে। এদিন সকালে বনমালীপুর থেকে আস্তাবল ময়দান প্রায় ৩ কিমি রাস্তা মিছিল করেন তৃণমূল সাংসদ ও কর্মীরা। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে খেলা হবে দিবসের স্লোগান দিতে থাকেন৷ রাজপথেই ড্রিবল করতে দেখা গেল তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আগরতলার রাস্তায় এমন ছবি বিগত ৩-৪ বছরে হয়নি বলেই মত তৃণমূল নেতাদের।তৃণমূলের দাবি, ত্রিপুরার একাধিক জায়গায় তাদের তরফে খেলা হবে দিবস পালন করা হচ্ছে। কিন্তু বহু জায়গায় তাদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিন সকালেই খেলা হবে জার্সি পরে আগরতলার রাস্তায় নেমে পড়েন ত্রিপুরায় হাজির তৃণমূল সাংসদরা। খেলা হবে ও জিতবে ত্রিপুরা লেখা জার্সি পড়েই মাঠে নামেন তৃণমূল কর্মীরা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: খেলা হবে দিবসে 'গোল' দিলীপের

খেলা হবে দিবসে পাল্টা ফুটবল খেলায় মেতে উঠলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও। নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণের পর ফুটবল খেললেন তিনি। সঙ্গে এও বললেন, বাকিরা ডায়লগ দেয়, আমি গোল দিই। আজ, ১৬ অগস্ট থেকে রাজ্য জুড়ে খেলা হবে দিবস পালন করছে তৃণমূল। কর্মসূচি সফল করতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। অনান্য দিনের মতো এদিনও ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে যান দিলীপ ঘোষ। তখনই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে খেলা হবে দিবস নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি।আরও পড়ুনঃ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার দম্পতিদিলীপ ঘোষ বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে ফুটবল খেলে আসছি । খোলা মাঠে কাদার ওপরে কখনও বাতাবি লেবু, কখনও প্লাস্টিক দিয়ে বেঁধে বল খেলতাম। এখন খেলাধুলো উঠে গিয়েছে। কিন্তু ওরা খেলাটাকে রাজনীতি ও হিংসার খেলায় নিয়ে গিয়েছে। কথাগুলোর বলার সময়ে কিছুটা নস্ট্যালজিক হয়ে পড়েছিলেন তিনি। তারই কথা প্রসঙ্গে শাসকদলকে বেঁধেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, সিন্ডিকেট ও কাটমানির খেলায় নিয়ে গেছে ওরা। আমরা চাই ফুটবল ফিরে আসুক।ফুটবলের খেলা হোক। আমাদের নতুন ছেলে যুবক যুবতীরা খেলা করে শরীর স্বাস্থ্য ঠিক করুক। বাংলাতে দেশের সম্মান আরও বাড়ুক। সেই জন্য আজ আমরা ফুটবল খেলছি, গতকাল ক্রিকেট খেলেছি। কিছু না কিছু রোজ করি আমরা।At Eco park (New Town) took a time off from my routine physical workout and played football. pic.twitter.com/xnOIZ5SayT Dilip Ghosh (@DilipGhoshBJP) August 16, 2021প্রসঙ্গত, স্বাধীনতা দিবসের চা চক্রের আসরে রাজ্যপালের সামনে বিরোধী-শাসক দলের নেতৃত্ব মুখোমুখি হন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিলীপ ঘোষকে নবান্নে চায়ের আসরে আমন্ত্রণ জানান। দিলীপ ঘোষের প্রাতঃভ্রমণ ও শরীরচর্চা করার অভ্যাসকে প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এদিনের সাক্ষাতে রাজনীতি উর্ধ্বে ছিল। দিলীপ ঘোষ আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন এটা ছিল কেবল সৌজন্য বিনিময়। সে প্রসঙ্গ আরও একবার এদিন উত্থাপিত হলে দিলীপ ঘোষ বলেন, ওখানে কুশল বিনিময় হয়েছে, তবে মত বিনিময়ের জায়গা নেই। ওঁ বলেছেন, আসুন একবার নবান্নে। আমি বলেছি, হ্যাঁ যাবো। শরীর স্বাস্থ্য কেমন আছে, কে কতক্ষন হাঁটেন, ব্যায়াম করেন, কী খান- এই সব গল্পই হয়েছে। উল্লেখ্য, আজ রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে সেই দিন। এপ্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, পাঁচ বছর ধরে দেখে আসছেন আমাকে। কে কোথায় গোল মারে সবাই জানে। বাকিরা ডায়লগ দেন, আমি গোল দিই।

আগস্ট ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Roy Krishna : এবছর কী লক্ষ্য স্থির করেছেন এটিকে মোহনবাগানের রয় কৃষ্ণা?

গত মরশুমে অল্পের জন্য ট্রফি হাতছাড়া হয়েছিল। ফাইনালে পৌঁছেও মুম্বই সিটি এফসির কাছে হেরে তীরে এসে তরী ডুবেছিল এটিকে মোহনবাগানের। এবছর সুদেআসলে মেটাতে বদ্ধপরিকর সবুজমেরুণের প্রাণভোমরা রয় কৃষ্ণা।গতমরশুমে ট্রফি না পাওয়ার হতাশা নিয়ে ভারত ছেড়ে নিজের দেশ ফিজিতে উড়ে গিয়েছিলেন। দেশে ফেরার আগে সবুজমেরুণ কর্তাদের কথা দিয়েছিলেন, ভারতে খেললে মোহনবাগানেই খেলবেন। মুম্বই সিটি এফসির বিশাল অঙ্কের প্রস্তাব উপেক্ষা করে পুরনো ক্লাবেই থেকে গেছেন। লক্ষ্য এবছর দলকে সাফল্য এনে দেওয়া। সামনে এএফসি কাপ। আপাতত এই প্রতিযোগিতাকেই পাখির চোখ করছেন রয় কৃষ্ণা।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসনতুন মরশুমে লক্ষ্য কী? রয় কৃষ্ণা বলেন, গত মরশুমে ভাল খেলেও ট্রফি জিততে পারিনি। আইএসএলের ফাইনালে মুম্বই সিটির কছে হারতে হয়েছিল। ওদের কৃতিত্ব দিতেই হবে। গতবছর ট্রফি না জেতার আক্ষেপ রয়েছে। ভুলত্রুটি শুধরে নিয়ে এবছর মাঠে নামব। আইএসএল দেরি আছে। সামনে এএফসি কাপ। এই টুর্নামেন্টে দলের সবাই সেরাটা দিতে চায়। সাফল্য পেতে গেলে আমাদের ভাল খেলতে হবে। এই প্রতিযোগিতায় খেলে আইএসএলের আগে আমরা নিজেদের শক্তি ও দুর্বলতাগুলো বুঝে নিতে পারব। গত মরশুমে আইএসএলের দুটো ডার্বিতেই গোল ছিল কৃষ্ণার। তবে সেটা এখন অতীত কৃষ্ণার কাছে। তিনি বলেন, ডার্বিতে জেতা বা গোল করা অবশ্যই দারুন ব্যাপার। কিন্তু তার থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ট্রফি জেতা। এবার তাই ট্রফিও জিততে হবে।আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণএএফসি কাপে খেলার জন্য মুখিয়ে আছেন রয় কৃষ্ণা। বড় মঞ্চে সাফল্য পাওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। এবছর পাশে পাচ্ছেন ভাল মানের বিদেশি ফুটবলার। গোল করার জন্য শুধু তাঁর ওপর ওপর চাপ থাকছে না। বাড়তি স্বস্তি কৃষ্ণার। তিনি বলেন, উইলিয়ামস ছিলই, এবার জনি কাউকো ও বোমাসের মতো ছন্দে থাকা ফুটবলার যোগ দিয়েছে। গতবছরের মতো চাপ নিতে হবে না। অতিমারীর মাঝেও অনুশীলনের মাধ্যমে দ্রুত বোঝাপড়া গড়ে তোলার কাজটা সারছেন কোচ হাবাস। কৃষ্ণা নিজেও বেশ উপভোগ করছেন ওদের সঙ্গে খেলা। লক্ষ্য, নতুন মরশুমে সেরা দিয়ে ট্রফি জেতা।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরজনি কাউকো , হুগো বোমাস, রয় কৃষ্ণারা আগেই চলে এসেছেন। বুধবার মাঝরাতে কলকাতা এসেছেন ডেভিড উইলিয়ামস। অনুশীলনে তাঁর শারীরিক সমক্ষতা দেখে মালদ্বীপে এএফসি কাপের দলে তাঁকে রাখবেন কিনা, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। এশীয় কোটার বিদেশি উইলিয়ামস যেতে পারলে, মাঠে একজন বিদেশির অভাব বোধ করবে বাগান।

আগস্ট ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌পরিমার্জিত চুক্তিপত্র পাঠাচ্ছে শ্রী সিমেন্ট, আজই খুলতে পারে লালহলুদের জট

প্রয়াত ইস্টবেঙ্গল সচিব পল্টু দাসের জন্মদিনেই কি খুলে যাবে লালহলুদের চুক্তিজট? সম্ভাবনা প্রবল। আজই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে নতুন চুক্তিপত্র পাঠাচ্ছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এবার চুক্তিপত্রে সই করে দেবেন লালহলুদ কর্তারা।আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণইস্টবেঙ্গল ও লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের মধ্যে চুক্তি বিতর্ক মেটাতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব ও আইনজীবী পার্থসারথি সেনগুপ্তকে। তিনি প্রাথমিক চুক্তিপত্র দেখে মত দেন যে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর সেই মতামত মেনে নিয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের ছেড়ে খেলার পরামর্শ দেন। মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে লালহলুদ কর্তরা অনেকটাই নমনীয় হয়েছেন। লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের কর্তারা চাইছেন আজই পরিমর্জিত চুক্তিপত্র ইস্টবেঙ্গলের কাছে পাঠাতে।আরও পড়ুনঃ পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরশ্রী সিমেন্টের এক কর্তা বলেন, ইস্টবেঙ্গলের পক্ষ থেকে যে সাতটি শর্ত পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছিল আমরা তা মেনে নিয়েছি। নতুন চুক্তিপত্র সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। পরিমার্জিত চুক্তিপত্র আজই ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পাঠাব। আশা করছি এবার চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে আর বাধা থাকবে না। চুক্তিপত্রে কী কী পরিবর্তন হচ্ছে সে ব্যাপারে কিছু বলেননি ওই কর্তা। আরও পড়ুনঃ অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাইএদিকে, আজই কর্মসমিতির জরুরি বৈঠকে বসছে ইস্টবেঙ্গলে। বৈঠকের আগে চূড়ান্ত চুক্তিপত্র দেখে তাতে সই করা হবে কিনা বৈঠকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। লালহলুদ কর্তারা আর অপেক্ষা করতে চাইছেন না। অনেক কর্তাই চুক্তিপত্রে সই করার জন্য মত দিয়েছেন। প্রাক্তন কর্তাদের নিয়ে যে ১১ জনের কমিটি গঠন করা হয়েছে, সেই কমিটিও সই করার কথা বলেছে। ১৬ আগস্ট ক্লাব লাইসেন্সিংয়ের শেষ দিন। তার আগেই বিতর্ক মেটাতে চাইছে দুই পক্ষ। এর মধ্যেই যদি চুক্তিপত্রে সই হয়ে যায়, তাহলে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করে কলকাতা লিগে নেমে পড়বে ইস্টবেঙ্গল। সেক্ষেত্রে শুধু স্বদেশি ফুটবলারদের নিয়ে দল গঠন করা হবে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal : ‌এই সপ্তাহেই খুলে যাচ্ছে ইস্টবেঙ্গেলর চুক্তি জট

ইস্টবেঙ্গল ও শ্রী সিমেন্টের মধ্যে দীর্ঘ টালবাহনার কি অবসান হতে চলেছে? তেমনই সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। তেমন কোনও অঘটন না ঘটলে চলতি সপ্তাহেই খুলে যেতে পারে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি জট। অগনিত সমর্থকদের কথা ভেবে অবশেষে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে রাজি লালহলুদ কর্তারা।চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের মধ্যে চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে। প্রাথমিক চুক্তিপত্র ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের মধ্যে বেশ কিছু শর্তে পার্থক্য আছে বলে অভিযোগ ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। তাঁদের দাবি, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে এমন কিছু শর্ত উল্লেখ রয়েছে যা ক্লাব বিক্রি হওয়ারই সামিল। সেই কারণে লালহলুদ কর্তারা চুক্তি সই করতে রাজি হচ্ছেন না।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যা দেখলে অবাক হবেন, সংখ্যাটা কত?চুক্তি জটিলতা কাটাতে ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন সচিব তথা আইনজীবী পার্থ সেনগুপ্তকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁর দাবি, কয়েকটি ক্ষেত্রে নমনীয় হয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। কিন্তু পরে ফের কিছু শর্ত নিয়ে আপত্তি তুলেছেন লাল হলুদ কর্তারা। যেগুলি নিয়ে ফের আলোচনা করতে গেলে শ্রী সিমেন্ট আগে যেগুলির ক্ষেত্রে নমনীয় হয়েছে সেই সিদ্ধান্ত থেকেও পিছু হঠতে পারে। অবশেষে চুক্তি জট মেটানোর জন্য লাল হলুদ কর্তারা আস্থা রেখেছিলেন প্রাক্তন ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত কোর কমিটির উপর।ক্লাবের ৫ বছরের গ্যারান্টি নেওয়া সহ দুটি শর্তে আটকে আছে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, লাল হলুদ কর্তাদেরও কিছু ছেড়ে খেলতে। কোর কমিটি চেয়েছিল শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে কথা বলে মুখ্যমন্ত্রীর সময় নিয়ে তাঁর সঙ্গেও কথা বলতে। কারণ সকলেই চান ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলা যেন বন্ধ না হয়। কিন্তু হরিমোহন বাঙ্গুর জানিয়ে দেন, চুক্তি সই না হওয়া অবধি তিনি প্রাক্তন ফুটবলারদের সঙ্গে দেখাই করবেন না। ৫০ কোটি টাকা ফেরত দিলে লাল হলুদকে স্পোর্টিং রাইটসও ফিরিয়ে দেওয়া হবে। চুক্তি সই যতক্ষণ না হচ্ছে ততক্ষণ প্রাক্তন ফুটবলারদের বিপরীত শিবিরের বলেও কটাক্ষ করেন বাঙ্গুর।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়া আটকে দিল বৃষ্টিএরই মধ্যে কোর কমিটির অন্যতম সদস্য মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য এবং প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল অধিনায়ক ভাইচুং ভুটিয়া লাল হলুদ কর্তাদের উদ্দেশে বলেন, অবিলম্বে চুক্তি সই করতে হবে। ভাইচুং ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের আচরণকে অপেশাদার বলেও উল্লেখ করেন। মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, আগে চুক্তি সই হোক, খেলা হোক। তারপর শর্ত বাকি আলোচনা চালানো যাবে।সোমবার ছিল ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তনদের নিয়ে গঠিত কোর কমিটির বৈঠক। ক্লাব তাঁবুতে এদিনের বৈঠকে আসেননি মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য। এরপরই কমিটির বাকিরা জানিয়ে দেন, আমরাও যেমন চাইছি, তেমনই ইস্টবেঙ্গল কর্তারাও চাইছেন ক্লাব খেলুক। ফলে মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য যখন কোর কমিটির কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজে গতকাল ওই কথা বলেছেন তাহলে তিনি চুক্তির শর্তসহ সব বিষয়েই ওয়াকিবহাল। ফলে তিনি যখন গোটাটাই নিজের কাঁধে নিয়ে এগোতে চাইছেন আমরাও তাঁর এই ইচ্ছায় বাধাদান করব না। বাকিটা ক্লাব বুঝবে। এরপর যাবতীয় কিছু মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য সামলাতে পারবেন বুঝেই নিশ্চয় তিনি অমন মন্তব্য করেছেন। তাই ভবিষ্যতে যাবতীয় আলোচনার দায়িত্ব তাঁকেই নিতে হবে।আরও পড়ুনঃ লর্ডস টেস্টে হাজির থাকলেও কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না সৌরভ গাঙ্গুলিকে, কেন? জানতে পড়ুনইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি, এখনও কয়েকটা বিষয়ে নমনীয় হয়নি শ্রী সিমেন্ট। তাছাড়া প্রাক্তনরা হরিমোহন বাঙ্গুরের সঙ্গে আলোচনা চাইলেও তিনি যেভাবে উপেক্ষা করেছেন সেটাও মোটেই ভালো দৃষ্টান্ত নয়। ক্লাবের সকলেই চান ইস্টবেঙ্গলের খেলা যেন বন্ধ না হয়। ফলে শ্রী সিমেন্টের কাছে সেই মর্মেও চিঠিও পাঠানো হতে পারে ক্লাবের তরফে। এরপরই দ্রুত হয়ে যেতে পারে সই। তাছাড়া ৩১ অগাস্ট ফিফার ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাবে। চুক্তি নিয়ে গড়িমসি হলে শেষে দলই গঠন করা সম্ভব হবে না। তাই এই সপ্তাহেই বিষয়টি মিটিয়ে ফেলতে চাইছেন লালহলুদ কর্তারা।

আগস্ট ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lionel Messi : ‌বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসি

২১ বছরের সম্পর্ক শেষ হওয়ার যন্ত্রণা যে কতটা ভয়ানক, পরিস্থিতিতে না পড়লে বোঝা কঠিন। যে কোনও ব্যক্তির কাছেই আবেগ ধরে রাখা মুশকিল। বিদায় যন্ত্রণায় কাতর লিওনেল মেসিও। এতটাই যন্ত্রণাবিদ্ধ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন এই আর্জেন্টিনীয় তারকা। বিদায় ভাষণ দিতে উঠে বারবার চোখের জল মুছতে দেখা গেল লিওনেল মেসিকে। রবিবার ক্যাম্প ন্যুকে বিদায় জানাতে এসেছিলেন মেসি। যখন তিনি বিদায় ভাষণ দিতে উঠেছেন, বাইরে অসংখ্য অনুরাগীর ভিড়। প্রিয় নায়ককে বিদায় জানাতে এসেছিলেন। অনুরাগীদের গায়ে মেসির নাম লেখা জার্সি। প্রিয় নায়কের দিকে মোবাইলের ক্যামেরা তাক করে উৎসুক চোখে তাকিয়ে। শুধু এক ঝলক দেখার অপেক্ষা। শেষ বারের মতো বার্সিলোনায় সাংবাদিক সম্মেলন করতে এসেছিলেন। প্রেস রুমে ঢুকে আর নিজেকে সামলাতে পারেননি। কেঁদে ফেলেন মেসি। মাইক্রোফোনে কিছু বলার আগে চোখে জল। মাস্ক খুলে চোখ মুছতে থাকেন। নিজেকে সামলে অবশেষে সাংবাদিক সম্মেলন শুরু করেন মেসি।আরও পড়ুনঃ আবেগে কেঁদে ফেললেন, মিলখা সিংকে সোনা উৎসর্গ নীরজ চোপড়ারসাংবাদিক সম্মেলনে মেসি বলেন, খুবই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হলাম। এর জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। গত বছর বার্সিলোনা ছাড়ার ভাবনা আমার মাথায় এসেছিল। কিন্তু এবছর আমি ও আমার পরিবার চেয়েছিল এই ক্লাবেই থাকি। বার্সিলোনা আমার নিজের বাড়ি। আমার তিন সন্তানেরও এখানেই জন্ম। ২১ বছর পর তাদের নিয়ে নিজের ঘর ছাড়তে হচ্ছে। খুব কঠিন লাগছে ব্যাপারটা মেনে নিতে। এ রকম হবে কোনও দিন ভাবিনি। ঠিকঠাক ভাবে ক্লাবকে বিদায় জানাতে চেয়েছিলাম। প্রথম দিন থেকে নিজের সেরাটা দিয়েছি। আশা করি এক দিন ঠিক ফিরে আসতে পারব। যারা আমার পাশে থেকেছে, তাদের কাছে কৃতজ্ঞ।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়ামেসি আরও বলেন, শেষ দিন পর্যন্ত ক্লাবের জন্য সব উজাড় করে দিয়েছি। কিন্তু ভাবিনি এভাবে বিদায় জানাতে হবে। এটা আমার কল্পনারই বাইরে ছিল। আমি যাতে বার্সেলোনাতেই থাকতে পারি তার জন্য সবকিছু করেছিলাম। বার্সেলোনাও চেয়েছিল আমাকে ধরে রাখতে, কিন্তু লা লিগার কারণেই তা পারল না। আমাকে নিয়ে অনেক কিছু বলা হয়েছে। আমার দিক দিয়ে যা করণীয় ছিল, সব করেছি। করোনা পরিস্থিতিতে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে খেলার প্রসঙ্গ টেনে মেসি বলেন, আমি আমার ক্লাবকে ভালোবাসি। বছর দেড়েক ধরে ফুটবল সমর্থকদের সামনে খেলতে না পারাটাও খুব কঠিন ছিল। আজ শেষবার বার্সেলোনার সাংবাদিক সম্মেলনে বিদায় জানাতে হচ্ছে। খুব ভালো লাগত যদি দর্শকঠাসা ক্যাম্প ন্যু-তে সকলের উপস্থিতিতে এই বিদায়ী ভাষণ দিতে পারতাম। সেটাই বিদায়ের সেরা মুহূর্তও হতে পারত।আরও পড়ুনঃ বাবাকে দেওয়া কথা রেখে ব্রোঞ্জ জিতলেন বজরং পুনিয়াকোন ক্লাবে যোগ দেবেন তা নিয়ে চলছে জোর চর্চা। মেসি বলেন, পিএসজিতে যোগদান এই মুহূর্তে একটা সম্ভাবনা। বার্সার বিবৃতির পর অনেক ফোন বা প্রস্তাব আসছে। কথাবার্তাও চলছে। কিন্তু এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি। তবে মেসি পিএসজি-তে যোগ দিলে মেসি-নেইমার-এমবাপের ত্রিফলায় পিএসজি যে বিধ্বংসী জায়গায় পৌঁছে যাবে সে নিয়ে সংশয় নেই ফুটবল মহলের। পিএসজি-র বিরুদ্ধে সব দলের ডিফেন্সই যে প্রবল চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে সে কথা নিঃসন্দেহে বলা যায়। জুনেই মেসির সঙ্গে বার্সার চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছিল। কোপা আমেরিকার পর নতুন চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে তৈরি আর্থিক সঙ্কট এবং লা লিগায় আর্থিক ও কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতাতেই মেসিকে ধরে রাখতে পারল না বার্সা। জানা গিয়েছিল, বেতনের ৫০ শতাংশ কমিয়েও বছর পাঁচেক মেসি চুক্তিবদ্ধ হতে রাজি। যদিও শুক্রবারই বার্সা প্রেসিডেন্ট লাপোর্তার সঙ্গে মেসির বৈঠকের পর বার্সা লা লিগার ঘাড়ে যাবতীয় দায় চাপিয়ে জানিয়ে দেয়, দুই পক্ষ আগ্রহী থাকলেও শেষ অবধি মেসিকে রাখা সম্ভব হল না।

আগস্ট ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohun Bagan Day: করোনা আতিমারির জন্য অনাড়ম্বর ভাবে পালিত হল মোহনবাগান দিবস

মোহনবাগান দিবস মানেই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান। অন্যরকম আয়োজন। গতবছর থেকে পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে করোনা। করোনার কারণেই এবছরও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান বন্ধ। অনলাইনের যুগ। ভার্চুয়াল ব্যাপারটা তো রয়েছেই। অগত্যা সেই ভার্চুয়ালেই সারা হল মোহনবাগান দিবস। সমর্থকরাও পিছিয়ে নেই। ক্লাবে অনুষ্ঠান হচ্ছে না তো কী হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়া তো রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মোহনবাগান দিবস নিয়ে মেতে ওঠে জনতা। ১৯১১ সালের ২৯ জুলাইয়ের শিল্ড ফাইনাল জয়ী মোহনবাগানের নানান ঘটনা, পেপার ক্লিপিংস,ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেয়ে গেছে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় শিল্ড জয়ী ফুটবলারদের ছবিতে ফুল-মালা দেওয়া হয়।মোহনবাগান দিবসে কারা কারা পুরস্কার পাবেন, আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই ঘোষণা মতোই ক্লাব তাঁবুতে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে মোহনবাগান রত্ন তুলে দেওয়া হল প্রয়াত গোলরক্ষক শিবাজি ব্যানার্জির স্ত্রী মালা ব্যানার্জির হাতে। রয় কৃষ্ণা হয়েছেন বর্ষসেরা ফুটবলার। আর বর্ষসেরা ক্রিকেটার হয়েছেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ। কলকাতায় না থাকায় দুজনের কেউই আসতে পারেননি। তাঁদের হাতে পরে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। তবে বর্ষসেরা অ্যাথলিট বিদিশা কুন্ডুর এদিন পুরস্কার নিতে এসেছিলেন।বাঘাযতীন পার্কে বাগান কর্তা দেবাশিস দত্ত ও সৃঞ্জয় বসু ১৯১১ সালের শিল্ড জয়ী জার্সির রেপ্লিকা প্রকাশ করলেন। আগামী ২০ আগস্ট গোষ্ঠ পালের জন্মদিন থেকে এই রেপ্লিকা মোহনবাগান জনতা কিনতে পারবেন বলে ক্লাব কর্তারা জানিয়েছেন। কোভিড প্রোটোকল মানার জন্যই এদিন ক্লাবে কোনও সদস্য-সমর্থক, সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। তবে অনুষ্ঠানে সৃঞ্জয় বসু, দেবাশিস দত্ত, সত্যজিৎ চ্যাটার্জি, স্বপন ব্যানার্জি সহ বেশ কয়েকজন কর্তা উপস্থিত ছিলেন। শিলিগুড়ির মোহনবাগান মেরিনার্স বাঘাযতীন পার্কে ঘটা করে পালন করল মোহনবাগান দিবস। এই উৎসব মঞ্চ থেকেই শিলিগুড়িতে মোহনবাগান লেন করার দাবি উঠেছে। এদিন শিলিগুড়ি মেরিনার্স অনাথ শিশুদের বস্ত্রদান করে। পাশাপাশি বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যাক্তিদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বোরো প্রশাসক রঞ্জন সরকার, মেরিনার্স সম্পাদক দেবব্রত দত্ত, প্রাক্তন টেবল টেনিস খেলোয়াড় শিশির গাঙ্গুলি সহ এক ঝাঁক মোহনবাগান জনতা।

জুলাই ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

East Bengal: ইস্টবেঙ্গলের বিতর্ক মেটাতে আসরে নামল এফএসডিএল

বিতর্ক, বিক্ষোভ, বিশৃঙ্খলা। গত কয়েক মাস ধরে এই ছবিটাই দেখা গেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করা নিয়ে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট এবং ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের টানাপোড়েন অন্য মাত্রায় পৌঁছে গেছে। ২১ জুলাই ক্লাবের দুই গোষ্ঠীর সমর্থকদের হাতাহাতিতে কদর্য রূপ নিয়েছে। চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে পরিবর্তন না করলে সই করা হবে না। জেদ ধরে বসে রয়েছেন লালহলুদ কর্তারা। অন্যদিকে, লগ্নিকারী সংস্থা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না করলে আইএসএলে দল নামবে না। দুই পক্ষের বিতর্ক মেটাতে অবশেষে আসরে নামল আইএসএলের আয়োজক সংস্থা এফএসডিএল। শ্রী সিমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গলের কাছ থেকে টার্মশীট ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের কপি চেয়ে নিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ব়্যাঙ্কিং রাউন্ডে হতাশ করে কঠিন লড়াইয়ের সামনে দীপিকা কুমারীইস্টবেঙ্গল কর্তারা বরাবরই দাবি করে আসছেন, প্রাথমিক চুক্তিপত্রের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তিপত্রের অনেক পার্থক্য রয়েছে। অন্যদিকে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্টের দাবি, প্রাথমিক চুক্তিপত্রের সঙ্গে মূল চুক্তিপত্রের কোনও পার্থক্য নেই। কোন পক্ষ সঠিক কথা বলছে, তা খতিয়ে দেখবে এফএসডিএল কর্তারা। তাঁরা আশাবাদী দশ দিনের মধ্যেই পুরো জট কেটে যাবে। তবে কোন শর্ত বাদ দিলে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চুক্তিপত্রে সই করবেন, সে বিষয়ে মুখ খুলতে চাইছেন না এফএসডিএল কর্তারা।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে কেন গেমস ভিলেজে থাকছেন না ১ নম্বর মহিলা টেনিস তারকা?এফএসডিএল নিজেদের আইনজীবী দিয়ে টার্মশীট ও চূড়ান্ত চুক্তিপত্র পরীক্ষা করাবেন। তারপর শ্রী সিমেন্ট ও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের সঙ্গে বসে সমাধানসূত্র বার করবে। দিন দশেকের মধ্যেই বিষয়টি মিটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন। ওই ফেডারেশন কর্তা আশ্বাস দিয়েছেন, এই মরশুমেই ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে খেলবে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?২১ জুলাই ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে যে ঘটনা ঘটেছে মেনে নিতে পারছেন না ফেডারেশন ও এফএসডিএল কর্তারা। অন্য ক্লাবের সদস্য-সমর্থকরাও ইস্টবেঙ্গলের নিগৃহীত সমর্থকদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। ফেডারেশন এবং এফএসডিএল কর্তারাও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন। এএফসি-র কাছেও লালহলুদ সমর্থকদের নিগ্রহের খবর পৌঁছে গেছে। তারাও বিষয়টি ভালভাবে নেয়নি। এএফসি ভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে।

জুলাই ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Mohunbagan Ratna : মরণোত্তর মোহনবাগান রত্ন পাচ্ছেন শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়

তিনকাঠির নিচে দাঁড়িয়ে মোহনবাগানকে এনে দিয়েছেন অনেক সম্মান। অবশেষে তার স্বীকৃতি পেতে চলেছেন প্রয়াত গোলকিপার শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মরণোত্তর মোহনবাগান রত্ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ক্লাব কর্তারা। বুধবার কর্মসমিতির ভার্চুয়াল বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া বর্ষসেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি পাচ্ছেন রয় কৃষ্ণা, বর্ষসেরা ক্রিকেটার অভিমন্যু ঈশ্বরণ।আরও পড়ুনঃ আন্তর্জাতিক টেনিসে ঐতিহাসিক সাফল্য বাঙালি তরুণের১৯৭৭ সালে প্রথম সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে চাপিয়েছিলেন শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়। মোহনবাগানে যোগ দেওয়ার পর প্রথম দিকে তেমন খেলার সুযোগ পাননি। পরে আস্তে আস্তে সবুজমেরুণে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে। টাইব্রেকার বাঁচানোর ব্যাপারে দারুণ দক্ষ ছিলেন। বহু ম্যাচে পেনাল্টি ও টাইব্রেকার বাঁচিয়ে দলকে উতরে দিয়েছিলেন। তাঁর স্মরণীয় ম্যাচের মধ্যে ছিল ইডেনে পেলের কসমসের বিরুদ্ধে খেলা। ফুটবল সম্রাট পেলের পা থেকে একাধিকবার বল বাঁচিয়ে নজর কেড়েছিলেন শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়। পেলে নিজেও শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়ের খেলার প্রশংসা করেছিলেন। শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়কে মরণোত্তর মোহনবাগান রত্ন প্রদান করা হবে এই খবরে তাঁর পরিবারেও খুশির হাওয়া। ২৯ জুলাই মোহনবাগান দিবসে জাঁকজমকহীন অনুষ্ঠানে শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।আরও পড়ুনঃ নিয়মে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসছে দ্য হান্ড্রেড ক্রিকেটমরশুমের সেরা ফুটবলার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে রয় কৃষ্ণাকে। গত মরশুমে আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানকে ফাইনালে তোলার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন ফিজির এই স্ট্রাইকার। বর্ষসেরা ক্রিকেটার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে অভিমন্যু ঈশ্বরণকে। এবছর ক্লাব ক্রিকেটে দারুণ ছন্দে ছিলেন অভিমন্যু। সিএবির একদিনের ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন এই তরুণ ওপেনার। ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে ফাইনালে সেঞ্চুরি করেছিলেন। বর্ষসেরা অ্যাথলিটের পুরস্কার পাচ্ছেন বিদিশা কুন্ডু।আরও পড়ুনঃ দুধের স্বাদ ঘোলে মিটল দীপক খাবরার, প্রথম ভারতীয় হিসেবে যাচ্ছেন অলিম্পিকেকরোনার জন্য রাজ্য সরকারের অনেক বিধিনিষেধ রয়েছে। তাই ২৯ জুলাই মোহবাগান দিবস অনাড়ম্বর ভাবে পালন করছেন কর্তারা। কোনও জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান হচ্ছে না। অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে শিবাজী ব্ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবার ও বিদিশা কুন্ডুর হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে। অভিমন্যু ঈশ্বরণ ইংল্যান্ড সফরে থাকায় এবং রয় কৃষ্ণা দেশে থাকায় পুরস্কার নিতে আসতে পারবেন না। পরে তাঁদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

জুলাই ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohunbagan : এটিকে মোহনবাগানের স্বার্থে নিয়ম বদল!‌ প্রশ্নের মুখে আইএফএ

আইএফএ-র বিরুদ্ধে বরাবরের অভিযোগ, তারা নাকি সবসময় বড় ক্লাবগুলোর স্বার্থর কথা বিবেচনা করে। প্রদ্যুৎ দত্ত থেকে শুরু করে তাঁর উত্তরসূরী সুব্রত দত্ত, এমনকি উৎপল গাঙ্গুলির সময়েও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। জয়দীপ মুখার্জিও যে পূর্বসূরিদের পথ অনুসরণ করে চলছেন, প্রমান হয়ে গেল।১ জুলাই প্রিমিয়ার ডিভিশনের ক্লাবগুলির সঙ্গে আইএফএ-র বৈঠকে ঠিক হয়েছিল, এই বছর প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো ৩ জন বিদেশি সই করাতে পারবে। কিন্তু খেলবেন ২ জন। সোমবার গ্রুপ বিন্যাস নিয়ে বৈঠকের দিন হঠাৎ নিয়ম বদলে গেল। ঠিক হয়েছে ক্লাবগুলো ৬ জন বিদেশি সই করাতে পারবে। মাঠে অবশ্য ২ জন বিদেশিই নামতে পারবেন।আরও পড়ুনঃ বাড়িতে জগন্নাথ বন্দনা করলেন সাংসদ-অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীহঠাৎ করে এই নিয়ম বদলে যাওয়ার কারন কী? আসলে এটিকে মোহনবাগানের স্বার্থের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইএফএ। এবারের কলকাতা লিগকে আইএসএলের প্রস্তুতি হিসেবে দেখছে এটিকে মোহনবাগান। লিগে সব বিদেশি খেলিয়ে দেখে নিতে চান এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। তাই তাঁরা আইএফএ-র কাছে অনুরোধ করেছিল ৬ জন বিদেশিকে লিগে সই করানোর অনুমতি দেওয়ার জন্য। আইএফএ সেই অনুরোধ মেনে নিয়েছে।প্রশ্ন উঠছে অপেক্ষাকৃত ছোটদল গুলিকে নিয়ে। তারা তো আর এটিকে মোহনবাগানের মতো ৬ জন বিদেশি ফুটবলার সই করাতে পারবে না। সেই সামর্থ নেই। এমনিতেই করোনা আবহে দল গড়াই সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ছোটদলগুলির কাছে। স্পনসর থাকে না। ছোটদলের কর্তারা নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে দল গঠন করেন। বিদেশি ফুটবলার সই করানোর অর্থ আসবে কোথা থেকে?আরও পড়ুনঃ সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিক ফাইনাল, অভিনয়ে বলিউড তারকা বড় দলগুলোকে এই ভাবে বাড়তি সুবিধা দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এতে লিগের ভারসাম্য নষ্ট হবে। কয়েকটা প্রিমিয়ার লিগের কর্তা বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাদের আপত্তি ধোপে টেকেনি। এই প্রসঙ্গে আইএফএ সচিব জয়দীপ মুখার্জি বলেন, এটিকে মোহনবাগান, মহমেডান যদি আইএসএল, আই লিগের জন্য বিদেশি দেখে নিতে চায়, ক্ষতি কী। এতে তো কোনও সমস্যা নেই। এটিকে মোহনবাগান তো আর ৩ জন বিদেশি মাঠে নামতে পারছে না।

জুলাই ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌Roy Krishna: রয় কৃষ্ণাকে পেতে এবার আসরে নামল মুম্বই সিটি এফসি

নাসরীন সুলতানামাসখানেক আগে গোলকিপার অমরিন্দার সিংকে তুলে নিয়ে মুম্বই সিটি এফসির ঘর ভেঙেছিল এটিকেমোহনবাগান। অমরিন্দার সিংকে হারানোর শোক কাটতে না কাটতেই আবার ধাক্কা সবুজমেরুণ শিবিরের। দুদিন আগে তুলে নিয়েছে ফরাসি মিডফিল্ডার হুগো বৌমাসকে। দুই সেরা ফুটবলারকে হারানোর ধাক্কা মেনে নিতে পারছে না মুম্বই সিটি এফসির কর্তারা। এবার এটিকেমোহনবাগানের ঘর ভাঙার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ছে। সবুজমেরুণের স্ট্রাইকার রয় কৃষ্ণাকে বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিয়েছে মুম্বই সিটি এফসি। সামনে মরশুমে মাঠে বল গড়ানোর আগেই দুই পক্ষের লড়াই শুরু।আরও পড়ুনঃ চাম্পিয়ানশিপের লক্ষ্যে আর এক ম্যাচ, প্রতিপক্ষ কে আর্জেন্টিনা না কলম্বিয়া?গতমরশুমে মুম্বই সিটি এফসিকে চ্যাম্পিয়ন করার অন্যতম কারিগড় ছিলেন হুগো বৌমাস, বার্তোলোমেউ ওগবেচে এবং অ্যাডাম লে ফন্ড্রে। ওগবেচে ও লে ফন্ড্রে আগেই দল ছেড়েছেন। হুগো বৌমাস এটিকেমোহনবাগানে খেলার জন্য চুক্তিপত্রে সই করেছেন। তিন সেরা বিদেশি দল ছাড়ায় নতুন করে ভাবতে হচ্ছে গতবারের আইএসএল চ্যাম্পিয়নদের। আবার আক্রমণভাগ ঢেলে সাজাতে হবে। তাই আক্রমণবাগ শক্তিশালী করতে এবার হাত বাড়াল কৃষ্ণার দিকে।আরও পড়ুনঃ স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকেমোহনবাগানগত মরশুম থেকেই ফিজির এই স্ট্রাইকারকে পেতে আগ্রহী ছিল মুম্বই সিটি এফসি। কিন্তু সবুজমেরুণের সঙ্গে চুক্তি থাকায় যেতে পারেননি। এটিকেমোহনবাগানও ছাড়তে রাজি হয়নি। সামনের মরশুমে তাঁকে পাওয়ার জন্য আবার ঝাঁপিয়েছে মুম্বই সিটি এফসি। ইতিমধ্যেই কর্তার রয় কৃষ্ণার এজেন্ট নাজিয়া কৃষ্ণার সঙ্গেও কথা বলেছেন কর্তারা। বড় অঙ্কের আর্থিক প্রস্তাব দিয়েছেন। সবুজমেরুণ কর্তারা অবশ্য অনেক আগেই দাবি করছিলেন, রয় কৃষ্ণা সামনের মরশুমে খেলার জন্য কথা দিয়েছেন। যদিও দুই পক্ষের মধ্যে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। তাই রয় কৃষ্ণাকে পেতে ঝাঁপিয়েছেন মুম্বই সিটি এফসির কর্তারা। এটিকেমোহনবাগানের থেকে বেশি অর্থও তাঁরা রয় কৃষ্ণাকে দিতে তৈরি। আইএসএল শেষে ফিজি রওনা হওয়ার আগে রয় কৃষ্ণা অবশ্য বলেছিলেন, তিনি এটিকেমোহনবাগানে খেলতে চান। মুম্বই সিটি এফসির বড় অঙ্কের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিতে পারেন কিনা এখন সেটাই দেখার।

জুলাই ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Copa America 2021: শাপমোচন করতে পারবেন?‌ ব্যর্থতার তকমা ঝেড়ে ফেলতে মরিয়া মেসি

নাসরীন সুলতানাক্লাবের হয়ে একের পর এক সাফল্য। অথচ দেশের হয়ে জ্বলে উঠতে পারেন না। দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচনা হজম করে আসতে হচ্ছে লিওনেল মেসিকে। যখনই কিংবদন্তীদের সঙ্গে তাঁর তুলনা টানা হয়, দেশের হয়ে ব্যর্থতার কথাই বারবার উঠে আসে। এই জায়গাটাতেই পিছিয়ে রেখেছে মেসিকে। এবার সেই বদনাম ঘোঁচানোর সুযোগ মেসির সামনে। কোপার ফাইনালে যদি ব্রাজিলের বিরুদ্ধে দেশকে জেতাতে পারেন, সমালোচকদের কিছুটা হলেও মুখ বন্ধ রাখতে পারবেন। শাপমোচনের সুযোগ এই ফুটবলের ঈশ্বরের কাছে।এবছর কোপা আমেরিকা খেলতে নেমে বেশ কয়েকটা মাইলস্টোন গড়েছেন মেসি। আর্জেন্টিনার প্রথম ফুটবলার হিসেবে ৬ বার কোপা আমেরিকায় খেলে ফেললেন। এই কৃতিত্ব আগে কোনও ফুটবলার দেখাতে পারেননি। আগেই জেভিয়ার মাসচেরানোর দেশের হয়ে ১৪৭ ম্যাচ খেলার রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। ফাইনালে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে আরও এক মাইলস্টোনের সামনে দাঁড়িয়ে মেসি। লাতিন আমেরিকার ফুটবলারদের মধ্যে তিনি সবচেয়ে বেশি কোপার ম্যাচ খেলার রেকর্ড স্পর্শ করবেন। এখনও পর্যন্ত তিনি ৩৩ট ম্যাচ খেলেছেন। সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন চিলির সার্জিও লিভিংস্টোন।আগের বার কোপাতে এই ব্রাজিলের কাছে হেরেই বিদায় নিতে হয়েছিল আর্জেন্টিনাকে। এবার বদলা নেওয়ার সুযোগ। বদলার ম্যাচে মেসির দিকেই তাকিয়ে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি। আর্জেন্টিনা দলে মেসিই একমাত্র উজ্জ্বল। ৬ ম্যাচে এখনও পর্যন্ত গোল করেছেন ৪টি। তাঁর পাস থেকে গোল এসেছে ৫টি। যদিও ফাইনালে জ্বলে উঠতে না পারার রেকর্ড আছে মেসির। এখনও পর্যন্ত ৩ বার কোপা আমেরিকার ফাইনাল খেলেছেন এই আর্জেন্টিনা তারকা। আর একবার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছেন। কোনও ফাইনালেই গোল করতে পারেননি। আর্জেন্টিনারও সাফল্য আসেনি। ফলে আর্জেন্টিনাকে সাফল্য পেতে গেলে মেসিকে জ্বলে উঠতেই হবে। ক্লাব ফুটবলে অবশ্য মেসির রেকর্ড ঈর্ষানীয়। ১৭ বার ফাইনাল খেলে ১৪ বার চ্যাম্পিয়নের স্বাদ পেয়েছেন।পরিসংখ্যান, ব্যক্তিগত রেকর্ড, এসব মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে ফাইনালের জন্য মনসংযোগ করছেন মেসি। তাঁর লক্ষ্য যে কোনও মূল্যে দেশকে চ্যাম্পিয়ন করা। না হলে দেশের হয়ে ব্যর্থতার তকমা নিয়েই থাকতে হবে। নেইমারদের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে মেসির মুখেই শোনা গেছে, কোপা থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ফিরতে চাই। ব্যক্তিগত মাইলস্টোনের দিকে তাকাচ্ছি না।

জুলাই ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Euro Cup Semi Final 2020: ৫৫ বছরের শাপমুক্তি, এই প্রথম ইউরো কাপের ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ড

নাসরীন সুলতানাইউরো কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ইতালি ও স্পেনের মধ্যে রোমাঞ্চকর পরিসমাপ্তি। ইংল্যান্ড ও ডেনমার্কের মধ্যে দ্বিতীয় সেমিফাইনাল ততটা রুদ্ধশ্বাস না হলেও তুল্যমূল্য লড়াই হল। শেষপর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে হ্যারি কেনের করা গোলে ফাইনালে পৌঁছে গেল গ্যারেথ সাউথগেটের দল। ডেনমার্কের বিরুদ্ধে জিতল ২১ ব্যবধানে। এই প্রথম ইউরো কাপের ফাইনালে উঠল ইংল্যান্ড। ১১ জুলাই ওয়েম্বলিতে ইতালির মুখোমুখি।আরও পড়ুনঃ মার্টিনেজ যেন ১৯৯০ র গাইকোচিয়া। কোপা ফাইনালে মেসি-নেইমার১৯৬৬ সালের পর কোনও বড় প্রতিযোগিতার ফাইনালে খেলার সুযোগ হয়নি ইংল্যান্ডের। বিশ্বকাপই বলুন, আর ইউরো কাপ, প্রতিবার ডাকহর্স হিসেবে শুরু করে শুধুই ব্যর্থতা। এবার ইউরোতে শাপমোচনের অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে নেমেছিল সাউথগেটের দল। শেষপর্যন্ত স্বপ্নের ফাইনালের ছাড়পত্র। ৫৫ বছর পর কোনও বড় প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠে শাপমুক্তি। ওয়েম্বলিতে ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল ইংল্যান্ড। কিন্তু ড্যানিশদের বিরুদ্ধে জয় পেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হল হ্যারি কেনদের। জার্মানির বিরুদ্ধে প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে, কিংবা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে যে ফুটবল উপহার দিয়েছিলেন রাহিম স্টার্লিংরা, ডেনমার্কের বিরুদ্ধে ততটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেননি। তবে ডেনমার্কের লড়াইও প্রশংসার যোগ্য।আরও পড়ুনঃ জখম কলেজ ছাত্রী, রক্তমাখা ধারালো কাঁচিসহ গ্রেপ্তার যুবকম্যাচের শুরু থেকে ইংল্যান্ডকে কখনোই স্বস্তিতে থাকতে দেয়নি ডেনমার্ক। বিশেষ করে ড্যামসগর্ডের কথা বলতে হবে। বারবার আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে ব্যতিব্যস্ত রাখছিল ইংল্যান্ডের রক্ষণকে। ম্যাচের ৩০ মিনিটে এগিয়ে যায় ডেনমার্ক। বক্সের বাইরে ফ্রিকিক পেয়েছিল। ফ্রিকিক থেকে দুরন্ত গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ড্যামসগার্ড। এই গোলের আগে আরও একটা সুযোগ পেয়েছিলেন ড্যামসগার্ড। তাঁর বাঁক খাওয়ানো শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। যদিও এই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি ডেনমার্ক। ৩৯ মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরে। ডানদিক থেকে উঠে এসে বুকায়ো সাকা রাহিম স্টার্লিংকে উদ্দেশ্য করে পাস বাড়ান। স্টার্লিং শট নেওয়ার আগেই বল বিপদমুক্ত করতে গিয়ে নিজেদের জালে বল পাঠান ডেনমার্কের ডিফেন্ডার সিমোন শ্যার।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় দিলীপ-মদনের রঙিন রসিকতাদুই দলই প্রথমার্ধে কোনও ঝুঁকি নেয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে তুলনায় অনেক বেশি আক্রমণাত্মক ফুটবল। ইংল্যান্ডের আক্রমণে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। ডেনমার্কও সমানে প্রতি আক্রমণ চালিয়ে যায়। বল পজেশন ইংল্যান্ডের বেশি থাকলেও দুই দলের সামনেই গোলের সুযোগ এসেছিল। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। নির্ধারিত সময়ে খেলার ফল থাকে ১১। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১০৪ মিনিটে ডেনমার্কের ম্যাশহোলে অবৈধভাবে রাহিম স্টার্লিংকে বাধা দেন। রেফারি পেনাল্টির নির্দেশ দেন। হ্যারি কেনের পেনাল্টি ডেনমার্ক গোলকিপার ক্যাস্পার স্কিমেচেল বাঁচালেও ফিরতি বলে গোল করেন।

জুলাই ০৮, ২০২১
কলকাতা

বিনামূল্যে টিকাকরণ কলকাতার ২টি ফুটবল ক্লাবে

গোটা দেশে নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে প্রাণঘাতী করোনা। মারণ ভাইরাসের মোকাবিলায় একজোট হয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিয়েছেন বিরাট কোহলি। ক্রিকেটার থেকে ফুটবলার- খেলার দুনিয়ার তারকাদের অনেকেই আর্থিক সাহায্য করে মানুষের পাশে থাকছেন। কেউ আবার দুঃস্থদের মুখে তুলে দিচ্ছেন খাবার। আর এবার এই লড়াইয়ে সামিল কলকাতার ফুটবল ক্লাবগুলি। সাধারণ মানুষকে টিকা দেওয়ার দায়িত্ব নিল ময়দানের দুটি ক্লাব এবং আইএফএ।প্রতিদিনই লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে অ্যাকটিভ কেসও। ব্যতিক্রমী নয় বাংলাও। কলকাতার সাধারণ মানুষ যাতে নিশ্চিন্তে টিকা পান, তা নিশ্চিত করতে এবার কলকাতার ফুটবল ক্লাবগুলিও এগিয়ে এল। সাদার্ন এভিনিউ, কালীঘাট মিলন সংঘের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিনামূল্যে টিকাকরণের ব্যবস্থা করল আইএফএও। বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতা লিগে খেলা দুটি ক্লাব সাদার্ন সমিতি ও কালীঘাট মিলন সংঘ, আইএফএ-র সঙ্গে একজোট হয়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার ব্যবস্থা করে। শুক্রবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানানো হল। তবে শুধুই ভ্যাকসিন নয়, হাসপাতালে বেড পেতে কিংবা অক্সিজেন সিলিন্ডার, ভেন্টিলেটর পেতেও যাতে কোনও সমস্যায় না পড়তে হয়, সে দিকেও নজর রাখবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

মে ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

আদালতের নির্দেশ অমান্যের অভিযোগ, আটক নেতাদের মুক্তির আবেদনও! রবিবার কী শুনবে সুপ্রিম কোর্ট?

ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে উত্তেজনার আবহে রবিবার বিশেষ শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে। শনিবারের আন্দোলন এবং তার আগে ও পরে পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে শীর্ষ আদালতে দুটি মামলা হয়েছে। আদালত বন্ধ থাকার দিনেও এই মামলাগুলির শুনানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি মামলা আদালত অবমাননার অভিযোগে, অন্যটি বিক্ষোভকারীদের আটক করার বিরুদ্ধে। আদালতের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগ তুলে মামলা করেছেন আইনজীবী শৈলেন্দ্র মণি ত্রিপাঠী। তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বিক্ষোভের কারণে দিল্লিতে গণপরিবহণ পুরোপুরি বন্ধ রাখা যাবে না। পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিষেবা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, কিন্তু একেবারে বন্ধ করা যাবে না। তা সত্ত্বেও শনিবার একাধিক মেট্রো স্টেশনের প্রবেশ ও প্রস্থানের দরজা বন্ধ রাখা হয় এবং কয়েকটি ট্রেনের পরিষেবা নিয়েও বিধিনিষেধ জারি হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনাতেই আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব গোবিন্দ মোহন, দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমার এবং দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশনের চেয়ারপার্সন ডি থারাকে পক্ষ করা হয়েছে। শৈলেন্দ্রের অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা কার্যকর করেনি। তবে এই অভিযোগের সত্যতা এখনও আদালতে বিচারাধীন। রবিবারের শুনানিতে বিষয়টি নিয়ে কী পর্যবেক্ষণ করে শীর্ষ আদালত, সেদিকেই নজর রয়েছে।অন্য মামলাটি করেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ তথা প্রবীণ আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী। শনিবারের বিক্ষোভের সময় একাধিক বিরোধী নেতা, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং আন্দোলনকারীদের আটক করার ঘটনাকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি হেবিয়াস কর্পাসের আবেদন জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার জন্য এ ভাবে আগাম আটক করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। আটক ব্যক্তিদের কোথায় রাখা হয়েছে এবং তাঁদের আটক করার আইনি ভিত্তি কী, সেই বিষয়গুলিও মামলার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দুটি মামলারই শুনানি রবিবার বিশেষ বেঞ্চে হওয়ার কথা। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে মামলাগুলি ওঠার কথা জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন। সিজেপির বিক্ষোভ, পুলিশের আটক করার পদক্ষেপ এবং মেট্রো পরিষেবা বন্ধ রাখার অভিযোগসব মিলিয়ে রবিবারের শুনানি গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। তবে আদালত এখনও এই অভিযোগগুলির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করেনি।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, মুম্বইয়ে আটক ৪০০-র বেশি! তালিকায় অভিনেতা ইমরান খান

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে মুম্বইয়ে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আটক হলেন চারশোর বেশি মানুষ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বলিউডের অভিনেতা ইমরান খানও। শনিবার শহরের একাধিক জায়গায় বিক্ষোভের চেষ্টা হলে অনুমতি ছাড়া জমায়েত করার অভিযোগে পদক্ষেপ করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, সকালে দক্ষিণ মুম্বইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দান থেকে অন্তত ২০০ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সমাজকর্মী তুষার গান্ধীর সংগঠন হাম ভারত কে লগ-এর সদস্য এবং সিপিএমের কর্মী-সমর্থকেরা। দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভের প্রতি সংহতি জানাতেই তাঁরা জমায়েত হয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে শহরের অন্য এলাকাতেও ধরপাকড় চলে। সব মিলিয়ে আটক ব্যক্তির সংখ্যা চারশো ছাড়িয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের তালিকায় অভিনেতা ইমরান খানের নাম থাকায় ঘটনাটি ঘিরে বাড়তি চর্চা শুরু হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে যোগ দিতে আগস্ট ক্রান্তি ময়দানের কাছে পৌঁছেছিলেন তিনি। সেখান থেকেই তাঁকে আটক করে পুলিশ। একই কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা আরও বহু মানুষকেও পুলিশ আটক করে গাড়িতে তোলে। মুম্বই পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অনুমতি ছাড়া জমায়েত করার অভিযোগে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। আগস্ট ক্রান্তি ময়দান ঘিরে ব্যারিকেড বসানো হয় এবং ওই এলাকায় জমায়েত আটকাতে কড়া নজরদারি চালানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই ব্যবস্থা। অন্য দিকে, দক্ষিণ মুম্বইয়ে প্রকাশ আম্বেদকরের নেতৃত্বাধীন বঞ্চিত বহুজন আঘাড়ির কর্মী-সমর্থকেরাও বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করেন। তাঁদের মধ্যেও কয়েক জনকে আটক করা হয়েছে। দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনের সমর্থনে দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ার আবহে মুম্বইয়ের এই ধরপাকড় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু করেছে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
কলকাতা

মহালয়ার অনুষ্ঠানে ইডেনে তারকাদের ঢল! লাল শাড়িতে ইমন, মঞ্চে তসলিমা—আর কী ছিল বিশেষ?

মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করল রাজ্য সরকার। চোখধাঁধানো আলোর খেলা, গান, নাচ এবং ড্রোনের প্রদর্শনীতে জমে উঠল দুর্গার আগমনী। আকাশে ড্রোনের সাহায্যে ফুটিয়ে তোলা হল দুর্গার মূর্তি, দেখা গেল পদ্মের ছবিও। একের পর এক শিল্পীর পরিবেশনায় উৎসবের মেজাজে মাতল কলকাতা। অনুষ্ঠানে গান গাইলেন শান, লগ্নজিতা চক্রবর্তী, কৌশিকী চক্রবর্তী এবং অন্তরা মিত্র। সুরের দায়িত্বে ছিলেন শান্তনু মৈত্র ও তাঁর দল। যন্ত্রসঙ্গীতে ছিলেন দেবর্ষি ভট্টাচার্য-সহ অন্য শিল্পীরা। ঢাকের বোল, আদিবাসী নাচ এবং বাংলার নানা প্রান্তের লোকসংস্কৃতির পরিবেশনায় শুরু থেকেই তৈরি হয় উৎসবের আবহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জুন মালিয়া, স্বপন দাশগুপ্ত, সুখেন্দুশেখর রায়-সহ বহু পরিচিত মুখ। লাল শাড়িতে দেখা যায় শিল্পী ইমন চক্রবর্তীকে। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তসলিমা নাসরিনও।রেড রোড থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে ইডেন গার্ডেন্সে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত-সহ আরও অনেকে। শোভাযাত্রায় বাংলার বিভিন্ন জেলার লোকসংস্কৃতিও তুলে ধরা হয়। এরপর ইডেনে আলো ও শব্দের প্রদর্শনীর মাধ্যমে মহালয়া থেকে শুরু করে দশমীর সিঁদুরখেলা পর্যন্ত দুর্গোৎসবের নানা মুহূর্ত তুলে ধরা হয়। সবশেষে ড্রোনের প্রদর্শনীতে আকাশে ফুটে ওঠে দুর্গার অবয়ব ও পদ্মের ছবি। এ বারের দুর্গাপুজোর আগে মহালয়াকে ঘিরে রাজ্য সরকারের এই বিশেষ আয়োজন ঘিরে আগ্রহ ছিল যথেষ্ট। অনুষ্ঠানে গান, নাচ, আলোর খেলা এবং প্রযুক্তির মেলবন্ধন ছিল মূল আকর্ষণ। তবে ইডেনের এই বড় আয়োজনের জেরে শহরের যান চলাচলেও জারি করা হয়েছিল বিশেষ বিধিনিষেধ।কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, শনিবার ভোর চারটে থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত স্ট্র্যান্ড রোড এবং সেন্ট জর্জেস গেট রোডের নির্দিষ্ট অংশে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। রাজা উডমন্ট স্ট্রিট ও হেস্টিংস ক্রসিংয়ের মধ্যবর্তী অংশেও জারি ছিল নিষেধাজ্ঞা। মহালয়ার অনুষ্ঠান ঘিরে শহরের একাধিক রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও করা হয়।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আটক মমতা, এ বার কি সুপ্রিম কোর্টের পথে বিরোধীরা?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিতে বিক্ষোভ করতে গিয়ে আটক হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে আটক করা হয় তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, দোলা সেন-সহ দলের আরও কয়েক জন নেতাকে। পুলিশের এই পদক্ষেপের প্রতিবাদে থানায় বসে অবস্থান করেন মমতা। প্রিজন ভ্যানে ওঠার সময় তাঁকে দোলা সেন-সহ অন্যদের সঙ্গে উই শ্যাল ওভারকাম গান গাইতেও শোনা যায়। প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, শনিবার রাতেই কলকাতায় ফেরার কথা ছিল মমতার। রাত নটার বিমানের টিকিট থাকলেও তিনি সেই বিমান বাতিল করেছেন বলে সূত্রের দাবি। দিল্লিতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে সোমবারের কর্মসূচি রয়েছে কি না, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। সূত্রের খবর, রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মমতা। সোমবার বিরোধী জোটের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট অভিযানের পরিকল্পনা এবং প্রধান বিচারপতির হাতে স্মারকলিপি তুলে দেওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও স্পষ্ট নয়। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার দিল্লিতে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে ওই কর্মসূচিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন বিরোধী নেতারা। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরীওয়াল, পিনারাই বিজয়ন-সহ একাধিক নেতা। দিল্লি পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভকারীদের আটক করে। পুলিশের দাবি, কর্মসূচির অনুমতি ও নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যা ছিল। অন্য দিকে, বিরোধীদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে যোগ দিতে গিয়েও তাঁদের আটক করা হয়েছে। মমতাকে আটকের ঘটনায় সরব হয়েছেন তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। সাধারণ মানুষের মতো রাস্তায় ঘুরিয়ে নেত্রীকে কেন নিয়ে যাওয়া হল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বিরোধী জোটের তরফে এর আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ বার সোমবারের কর্মসূচিতে কী পদক্ষেপ করা হয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। মমতা দিল্লিতে থেকে গেলে এবং বিরোধী নেতাদের সঙ্গে পরবর্তী কর্মসূচিতে যোগ দিলে জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে আন্দোলন আরও কোন দিকে গড়ায়, তা স্পষ্ট হবে আগামী দিনে।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

রবিবারের মধ্যে আটক নেতাদের মুক্তি না দিলে অনশন! সিজেপির আন্দোলন ঘিরে ফের বার্তা সোনমের

ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ঘিরে দিল্লিতে একের পর এক নেতাকে আটক করার ঘটনায় এ বার সরব হলেন সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। আটক ব্যক্তিদের রবিবারের মধ্যে মুক্তি না দিলে অনশন শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। প্রয়োজনে পদযাত্রাও করবেন বলে জানিয়েছেন সোনম। তাঁর এই বার্তাকে ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। শনিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়েও আপত্তি রয়েছে আন্দোলনকারীদের। এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে-সহ একাধিক নেতা এবং বিক্ষোভকারীদের আটক করার খবর সামনে আসে। তাঁদের মধ্যে বিরোধী দলের কয়েক জন শীর্ষ নেতাও ছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমাজমাধ্যমে ভিডিয়োবার্তা প্রকাশ করেন সোনম। তিনি জানান, আন্দোলনের আগে শান্তি ও ঐক্য বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু এত জন নেতা-নেত্রী বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার পর তাঁদের আটক করা হয়েছে জানতে পেরে তিনি উদ্বিগ্ন। সোনমের আশা, আটক ব্যক্তিদের দ্রুত মুক্তি দেওয়া হবে। তা না হলে রবিবারের মধ্যে অনশন শুরু করার কথা ভাববেন তিনি। প্রয়োজনে পদযাত্রার পথেও হাঁটতে পারেন বলে জানিয়েছেন সমাজকর্মী। সোনমের বক্তব্য, বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে এ ভাবে পরিস্থিতি তৈরি হওয়া উদ্বেগজনক। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন বলেও তাঁর বার্তায় উঠে এসেছে। তবে এ দিনের বিক্ষোভে তিনি নিজে যোগ দেননি। লাদাখে হিমবাহ সংক্রান্ত কাজের ব্যস্ততার কথা জানিয়ে তিনি কর্মসূচি থেকে দূরে ছিলেন, যদিও আটক আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের মুক্তির দাবি তুলেছেন। গত জুলাই মাসেও ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন সোনম ওয়াংচুক। সেই সময় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে আন্দোলন হয়। দীর্ঘ বিক্ষোভের পর তৎকালীন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন এবং আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। এ বার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ঘিরে ফের উত্তপ্ত রাজধানী। আটক ব্যক্তিদের মুক্তি না দিলে সোনমের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এখন সেদিকেই নজর।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

ভোটে হার, তার পরেই অরাজকতা? বিরোধীদের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীনের

দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ ঘিরে বিরোধীদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। রাহুল গান্ধী, অরবিন্দ কেজরীওয়াল এবং ককরোচ জনতা পার্টিকে নিশানা করে তাঁর অভিযোগ, ভোটে হেরে বিরোধীরা দেশে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছেন। শুধু তা-ই নয়, বিরোধীদের আন্দোলনের পিছনে বিদেশি শক্তির মদত রয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। তবে এই অভিযোগের সমর্থনে প্রকাশ্যে কোনও প্রমাণ দেননি নিতিন। শনিবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে নিতিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশের উন্নতি বিরোধীরা মেনে নিতে পারছেন না। সেই কারণেই তাঁরা দেশে অশান্ত পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ বিজেপি সভাপতির। তাঁর বক্তব্য, বিরোধীদের দুটি গোষ্ঠী রয়েছে। এক দিকে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট, অন্য দিকে অরবিন্দ কেজরীওয়ালের সহযোগীদের সঙ্গে যুক্ত ককরোচ জনতা পার্টি। এই দুই গোষ্ঠীই দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেন তিনি। নিতিনের অভিযোগ, বিরোধীদের মধ্যে যেন প্রতিযোগিতা চলছেকে বেশি অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তাঁর দাবি, ভোটে জনসমর্থন না পেয়ে বিরোধীরা মানুষের রায় মেনে নেওয়ার বদলে দেশে অশান্তি ছড়ানোর পথে হাঁটছেন। বিদেশি শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। যদিও কোন বিদেশি শক্তির কথা বলছেন, তা স্পষ্ট করেননি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। বিরোধীদের সতর্ক করে নিতিন বলেন, এ ধরনের চেষ্টা সফল হবে না। তাঁর বক্তব্য, ভারতীয় জনতা পার্টি এবং দেশের মানুষ এই ধরনের পদক্ষেপের জবাব দেবেন। দেশে উত্তেজনা ছড়ানোর চেষ্টা হলে সরকার কঠোর হাতে পরিস্থিতির মোকাবিলা করবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিজেপি কর্মীরাও মানুষের মধ্যে থেকে বিরোধীদের এই চেষ্টা ব্যর্থ করবেন বলে দাবি করেন নিতিন।মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি জানিয়ে এই আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়। কর্মসূচি ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা বাড়ানো হয় এবং বহু আন্দোলনকারীকে আটক করে পুলিশ। সেই পরিস্থিতিতেই বিরোধীদের বিরুদ্ধে নিতিন নবীনের এই আক্রমণ রাজনৈতিক সংঘাতকে আরও বাড়িয়ে দিল।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
দেশ

'ভোটচুরি’ বলে গণতন্ত্রকে প্রশ্নের মুখে ঠেলা হচ্ছে? বিরোধীদের নিশানা করে খোলা চিঠি ১২৪ প্রাক্তন আমলার

দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় কারচুপি ও ভোটচুরির অভিযোগ তুলে সরব বিরোধী শিবির। এই পরিস্থিতিতে ১২৪ জন প্রাক্তন আমলা খোলা চিঠি লিখে অভিযোগের প্রমাণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের মধ্যে প্রাক্তন আইএএস, আইএফএস এবং আইআরএস আধিকারিকেরা রয়েছেন। চিঠিতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, ভোটার তালিকা এবং বিহারের নির্বাচন নিয়ে তাঁদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।প্রাক্তন আমলাদের বক্তব্য, বারবার ভোটচুরি বা কারচুপির নির্বাচন শব্দ ব্যবহার করে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করানো হচ্ছে। তাঁদের দাবি, অতীতে নির্বাচনে কারচুপির যে ছবি দেখা গিয়েছিল, তার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনা করা প্রয়োজন।চিঠিতে তাঁরা অতীতের নির্বাচনে ব্যালট বাক্স লুট, পেশিশক্তির ব্যবহার এবং বুথ দখলের প্রসঙ্গও তুলে ধরেছেন। তাঁদের মতে, এক সময় বুথ দখল এতটাই সাধারণ ঘটনা হয়ে উঠেছিল যে তা বন্ধ করতে আইন করে এই কাজকে অপরাধ ঘোষণা করতে হয়েছিল।বিরোধীদের উদ্দেশে প্রাক্তন আমলাদের প্রশ্ন, ভোটার তালিকায় অস্বচ্ছতা থাকলে তার সুবিধা সাধারণ ভোটারের নয়, বরং অসাধু ব্যক্তিদের হয়। একই নির্বাচন ব্যবস্থায় জিতলে নির্বাচন সুষ্ঠু, আর হারলে ভোটচুরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা কতটা যুক্তিসঙ্গত, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তাঁরা।চিঠিতে প্রাক্তন আধিকারিকেরা লিখেছেন, বিরোধীদের নিজেদেরই ভেবে দেখা উচিত, তাঁদের আপত্তি নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে, নাকি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে। বিহারে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরের পক্ষেও সওয়াল করেছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, বিহারে এ বার অত্যন্ত স্বচ্ছ নির্বাচন হয়েছে।চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন বিদেশসচিব কানওয়াল সিব্বাল এবং প্রাক্তন আইএএস আধিকারিক আর ডি কাপুর, সমীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, গোপালকৃষ্ণ, বিবেক ভরদ্বাজ ও নবনীত সেহগাল। তাঁদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা জরুরি। চিঠিতে কমিশনের সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে নেওয়া হয় বলেও দাবি করেছেন তাঁরা।নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যেই এই খোলা চিঠি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে চিঠিতে প্রাক্তন আমলাদের বক্তব্য এবং বিরোধীদের অভিযোগদুইয়েরই মূল্যায়ন করতে হলে সংশ্লিষ্ট দাবির পক্ষে থাকা প্রমাণ ও তথ্য খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

অক্টোবর ১০, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোয় চূড়ান্ত প্রস্তুত শিয়ালদহ ডিভিশন, বিশেষ পরিকল্পনা রেলের , বিস্তারিত জানুন

দুর্গাপুজো ২০২৬ উপলক্ষে যাত্রীদের বিপুল ভিড়ের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে শিয়ালদহ ডিভিশনের উদ্যোগে রাজ্য পুলিশ, কলকাতা ট্রাফিক পুলিশ এবং গভর্নমেন্ট রেলওয়ে পুলিশ (GRP)-এর পদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। উৎসবের দিনগুলিতে কার্যকরভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকায় যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন রাজীব সাক্সেনা, ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার (DRM), শিয়ালদহ ডিভিশন। সম্ভাব্য অতিরিক্ত যাত্রীসমাগম সামাল দিতে এবং স্টেশন ও আশপাশের এলাকায় নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।যাত্রীদের প্রবেশ ও প্রস্থানের পরিকল্পনা, নির্দিষ্ট হোল্ডিং এরিয়া এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণের কার্যকর ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা হয়। অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে এবং যাত্রী চলাচল মসৃণ রাখতে প্ল্যাটফর্মগুলিতে যথাযথ পৃথকীকরণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে পর্যাপ্ত রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (RPF) কর্মী মোতায়েন নিয়েও আলোচনা হয়।অতিরিক্ত নিরাপত্তাকর্মীর প্রয়োজন মেটাতে ২৭০ জন প্রাক্তন সেনাকর্মীর পরিষেবা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, রেলওয়ে প্রোটেকশন স্পেশাল ফোর্স (RPSF)-এর অতিরিক্ত বাহিনীও মোতায়েন করা হবে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের সম্ভাবনা রয়েছে এমন লেভেল ক্রসিং গেটগুলিতে পর্যাপ্ত RPF কর্মী মোতায়েন করা হবে। এই ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে রাজ্য ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখা হবে।গুরুত্বপূর্ণ স্থানের ফুট ওভার ব্রিজগুলিতেও RPF কর্মীদের পাশাপাশি স্কাউটস অ্যান্ড গাইডস, সিভিল ডিফেন্স এবং সেন্ট জন অ্যাম্বুল্যান্সের স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন করা হবে। তাঁরা যাত্রীদের সহায়তা করবেন এবং ভিড় নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবেন। যেসব স্টেশনে যাত্রীসমাগম বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে চিকিৎসা সহায়তা বুথ ও অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা রাখা হবে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে যাত্রীরা দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা পান।সার্বিক পরিস্থিতির ওপর নজরদারি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সমগ্র ডিভিশনকে বিভিন্ন স্টেশনগুচ্ছের ভিত্তিতে ১১টি নোডাল পয়েন্টে ভাগ করা হয়েছে। পাশাপাশি, ডিভিশনের সমস্ত স্টেশনের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য একটি কেন্দ্রীয় ওয়ার রুম চালু রাখা হবে। জরুরি পরিস্থিতিতে বা তাৎক্ষণিক সহায়তার প্রয়োজনে যাত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মীরা শিয়ালদহ ডিভিশনের ওয়ার রুমের ৯১৪৭৯০৬৭৭৮ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলিকে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে, যাতে সমস্ত অটোমেটিক টিকিট ভেন্ডিং মেশিন (ATVM) এবং মোবাইল UTS পরিষেবা সচল থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত টিকিট বুকিং কাউন্টারও চালু করা হবে। উৎসবের সময় যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করতে সমস্ত নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থার বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হবে।সিগন্যাল অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন (ST), TRD, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং TRS বিভাগের মোবাইল রক্ষণাবেক্ষণ দলগুলি ১৬:০০ থেকে ২৪:০০ ঘণ্টা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিতে প্রস্তুত থাকবে। এর ফলে যন্ত্রপাতির ত্রুটি বা রেল চলাচল সংক্রান্ত সমস্যার দ্রুত সমাধান করা সম্ভব হবে এবং যাত্রীদের অসুবিধা কমবে।উৎসবের সময় সম্ভাব্য ভিড় ও যানজট এড়াতে ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশনের পার্কিং এলাকা বন্ধ থাকবে। যাত্রী ও দর্শনার্থীদের কাছে অনুরোধ, এই সময়ে গাড়ি শুধুমাত্র যাত্রী ওঠানো-নামানোর (ড্রপ-অফ ও পিক-আপ) কাজে ব্যবহার করুন এবং গাড়ি পার্ক করা থেকে বিরত থাকুন। এর ফলে স্টেশনের আশপাশে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সুবিধা হবে। এছাড়াও, ১৫ থেকে ২১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশনের ডিজিটাল লকার পরিষেবা বন্ধ থাকবে। যাত্রীদের এই সময়ের কথা মাথায় রেখে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় বিকল্প ব্যবস্থা করে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছেরাজীব সাক্সেনা বলেন, দুর্গাপুজোর সময় প্রত্যেক যাত্রীর নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কার্যকর ভিড় নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমরা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করছি। উৎসবের সময় যাত্রীরা যাতে নিরাপদ, মসৃণ ও নির্বিঘ্ন রেলযাত্রার অভিজ্ঞতা পান, তা নিশ্চিত করতে সমস্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা আগেভাগেই সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।দুর্গাপুজো ২০২৬ উপলক্ষে সমন্বিত পরিকল্পনা, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, চিকিৎসা পরিষেবার প্রস্তুতি এবং কার্যকর রেল পরিচালনার মাধ্যমে নিরাপদ, দক্ষ ও যাত্রীবান্ধব রেল পরিষেবা নিশ্চিত করতে শিয়ালদহ ডিভিশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal