• ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২১ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Sand

রাজ্য

অভিষেক কন্যাকে হুমকি, সরব তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক

আরজি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। দিকে দিকে পথে নেমে প্রতিবাদে সামিল হয়েছে সাধারণ মানুষ। এই আবহে অভিষেক কন্যাকে হুমকির ঘটনায় এক্স-এ ট্যুইট করে ঘটনার নিন্দায় সরব হয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন।আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ৯ অগাস্ট তরুণী চিকিৎসক খুন ও ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে আয়োজিত এক সমাবেশ থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কন্যাকে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এবার এনিয়ে সরব হয়েছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন। তিনি এক সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে বলেছেন, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে ব্যর্থ হয়ে নোংরা রাজনীতির আশ্রয় নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আজ সহ্যের সব সীমা অতিক্রান্ত হয়েছে । দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নাবালিকা কন্যাকে আজ হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই ধরণের ঘটনার নিন্দা জানানোর কোন ভাষা নেই। অবিলম্বে এই নোংরা রাজনীতি বন্ধ করুন।আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় রাজ্য জুড়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এনিয়ে বিরোধীদের নিশানায় তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে অশান্তি সৃষ্টির জন্য বিরোধী বাম-বিজেপির আঁতাতের অভিযোগ তুলেছেন। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এই মামলার তদন্তভার হাতে নেয় সিবিআই। ইতিমধ্যে এই ঘটনায় আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ, ধৃত সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায় সহ সাত জনের পলিগ্রাফ টেস্ট করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

আগস্ট ২৭, ২০২৪
রাজ্য

সন্দীপ ঘোষের পর সঞ্জয়ের পলিগ্রাফ টেষ্ট, আরজি কর এলাকায় নিষেধাজ্ঞা বাড়ল জমায়েতে

ধৃত সঞ্জয়ের পলিগ্রাফ টেস্ট সম্পন্ন! ইতিমধ্যে প্রেসিডেন্সি জেল থেকে বেরিয়ে গিয়েছেন সিবিআই আধিকারিকরা। রবিবার সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ সিবিআই প্রশ্নমালা হাতে নিয়ে প্রেসিডেন্স জেলে প্রবেশ করে। জেল সূত্রে জানা গিয়েছে, পলিগ্রাফ টেস্টের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ জেল থেকে বেরিয়ে যান সিবিআই আধিকারিকরা।আরজি করে তরুণী চিকিৎসক খুন ও ধর্ষণের রহস্যভেদে মরিয়া সিবিআই। আদালতের নির্দেশে সন্দীপ ঘোষ, সঞ্জয় রায় সহ ৭ জনের পলিগ্রাফ টেস্টের নির্দেশ দেওয়া হয়। গতকালই সিবিআই আরজি করে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের পলিগ্রাফ টেস্ট হয়। এর জন্য দিল্লি থেকে উড়ে আসেন সিবিআইয়ের বিশেষ দল। আজ রবিবার আরজি কর কাণ্ডে এক মাত্র ধৃত সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের পলিগ্রাফ পরীক্ষা হয় বলেই জানা গিয়েছে। রবিবার বেলা সাড়ে এগারোটায় প্রেসিডেন্সি জেলে পৌঁছেছেন সিবিআই আধিকারিকরা। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। দীর্ঘ চার ঘন্টা পর জেল থেকে বেরিয়ে আসেন সিবিআই আধিকারিকরা।এদিকে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ালো কলকাতা পুলিশ। পুলিশের তরফে এক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ২৫ তারিখ থেকে আগামী সাতদিন অর্থাৎ ৩১ অগস্ট পর্যন্ত শ্যামবাজার পাঁচমাথার মোড়ে মিটিং করা যাবে না। ওই এলাকায় ৫ বা তার বেশি লোকের জমায়েত হলেই নিয়ম ভাঙা হবে। সেক্ষেত্রে পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা নেবে বলেই জানিয়েছে।আরজি কর হাসপাতালে সুষ্ঠ কাজের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে গতকাল আন্দোলনরত জুনিয়ার ডাক্তারদের সঙ্গে একদফা আলোচনা করা হয়। যদিও আলোচনা ফল্প্রসু না হওয়ায় রাজ্যের জুনিয়র এবং সিনিয়র ডাক্তাররা আরজি কর কাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিপ্তে নিরাপদ কাজের পরিবেশের দাবিতে, তাদের আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন। এদিকে চিকিৎসকদের আন্দোলন জারি থাকায় কলকাতা পুলিশ আগামী সাতদিন অর্থাৎ ৩১ অগস্ট পর্যন্ত হাসপাতাল চত্ত্বরে জমায়েতে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়িয়েছে।অন্যদিকে সিবিআই আরজি কর হাসপাতালে দুর্নীতির অভিযোগে সিটের হাত থেকে তদন্তের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে। সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (সিবিআই) আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে সকাল থেকেই আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ডেরা সহ শহরের অন্যান্য ১৪টি জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে।শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্ট ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে হাসপাতালের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির তদন্তের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)-র হাত থেকে তদন্তের দায়িত্ব সিবিআইকে হস্তান্তর করে।

আগস্ট ২৫, ২০২৪
রাজ্য

কর্মবিরতিতে অনড় আন্দোলনরত চিকিৎসকরা, ভরসা নেই রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরে

আরজি কর কাণ্ডে সর্ষের মধ্যে ভূত দেখতে পাচ্ছেন আন্দোলনরত চিকিৎসকরা। তাই সুপ্রিম কোর্টের আবেদন সত্ত্বেও কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন তাঁরা। সিবিআই তদন্তের উপর ভরসা থাকলেও রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের উপর তাঁরা ভরসা রাখতে পারছেন না। রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে তাঁরা জানিয়েছেন, আড়াল থেকে ক্ষমতাশীল একটা চক্র সক্রিয় হয়ে তদন্তে বাধা সৃষ্টি করছে। যাদের চাপের কাছে নতিস্বীকার করছে স্বাস্থ্যভবনও।আন্দোলনকারী জানিয়েছেন, এই চক্রের কারণেই আসল দোষী বহাল তবিয়তে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে মেডিক্যাল কলেজ মুড়ে দিলেও তাঁরা নিরাপদ বোধ করছেন না। সে কারণেই তাঁরা কর্মবিরতি প্রত্যাহার করছেন না এখনই। কেন তাঁরা কর্মবিরতি চালিয়ে যাচ্ছেন তার স্বপক্ষে বেশ কিছু প্রমাণ এবং যুক্তি পেশ করেছেন আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা। তাঁরা ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কলকাতা পুলিশের উপর। পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।আরজি কর কাণ্ডে ব্যর্থতার জন্য পুলিশকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন আন্দোলনকারীরা। তাঁরা বলেছেন, হামলাকারীদের উদ্দেশ্য ছিল আন্দোলনকারী চিকিৎসকদের ভয় দেখানো এবং তথ্য প্রমাণ লোপাট এটা কার্যত স্পষ্ট। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা গিয়েছে, দুষ্কৃতীরা সেদিন রাতে এমার্জেন্সি গেট দিয়ে ঢুকে কোথাও কোনও ভাঙচুর না করে সেমিনার রুম খুঁজতে গিয়ে বাকি ফ্লোরগুলিতে ভাঙচুর চালায়। ওই সময় পুলিশ নিষ্ক্রিয় ছিল, যা বেদনাদায়ক। তারা আমাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। অত্যন্ত অসংবেদনশীল এবং ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ার উপর পুরো দোষ চাপিয়ে আসল দোষীদের আড়াল করেছে। সুবিচার পাওয়ার পথে বাধা দিয়েছে কলকাতা পুলিশ।দুষ্টচক্র পুলিশের মতোই ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে বাধা তৈরি করছে। আন্দোলনকারীরা বলছেন, ২১ আগস্ট আমরা স্বাস্থ্যভবনে বৈঠক করেছিলাম। জানতে চেয়েছিলাম, সন্দীপ ঘোষ-সহ বাকি কর্তৃপক্ষকে প্রশাসনিক ব্যর্থতার দায় নিয়ে কেন এখনও তাঁদের অপসারণ করা হচ্ছে না। তখন প্রশাসনিক জটিলতা ছাড়া আর কোনও সদুত্তর মেলেনি। তাতেই স্পষ্ট হয়ে যায় এঁদের বাঁচানোর পিছনে এক অশুভ দুষ্টচক্র প্রবলভাবে সক্রিয়। যারা এতকিছুর পরেও সন্দীপ ঘোষ-সহ কর্তৃপক্ষকে আড়াল করতে ব্যস্ত এবং তাদের চাপের কাছে স্বাস্থ্যভবনও কার্যত অসহায়। যাঁর বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে তাঁকে কেন এখনও সাসপেন্ড করা হল না, শুধু হাইকোর্টের নির্দেশে ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। কিন্তু সমস্ত অভিযোগে নির্দোষ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কেন তাঁকে স্বাস্থ্যভবন বরখাস্ত করছে না, কে বা কারা বাধা দিচ্ছে?চিকিৎসকদের কর্মবিরতির জন্য স্বাস্থ্য পরিষেবা বেহাল হয়ে পড়েছে বলে যে প্রচার চলছে তা অসত্য বলে দাবি করেছেন আন্দোলনকারীরা। জুনিয়র ডাক্তাররা বলেছেন, এমার্জেন্সি-সহ সমস্ত বিভাগ চালু। সিনিয়র চিকিৎসকরা বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করছেন। আমরাও কাজে যোগদান করতে চাই। কিন্তু যাঁরা ন্যায়বিচারের পথে বাধা দিচ্ছে, তাঁরা যদি সক্রিয় থাকে তাতে যদি কীভাবে নিরাপদ বোধ করব। সিআইএসএফ দিয়ে আরজি করতে মুড়ে দিয়ে কী হবে যদি আসল অপরাধীদের আড়াল করার জন্য ভিতরেই কোনও চক্র সক্রিয় থাকে?আন্দোলনকারীরা তাঁদের চার দফা দাবি জানিয়েছেনঃ-১। ৯ই আগস্টের ঘটনায় দোষীদের চিহ্নিত করা। হয়তো দোষীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাই তাঁরা মোটেও নিরাপদ নন। দোষীদের চিহ্নিত করে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।২। তথ্যপ্রমাণ লোপাটের ঘটনায় যে বা যাঁরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত তাঁদের তদন্ত কের বিচারের আওতায় আনতে হবে। স্বাস্থ্যভবনকে অবিলম্বে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে সাসপেন্ড করতে হবে।৩। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, কলকাতা পুলিশ সম্পূর্ণ রূপে ব্যর্থ। এই ব্যর্থদার দায় নিয়ে পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে পদত্যাগ করতে হবে। প্রয়োজনে তাঁকেও বিচার এবং তদন্তের আওতায় আনতে হবে।৪। প্রতিটি কলেজে ভয়ের রাজনীতি বন্ধ করতে হবে। স্বচ্ছভাবে নির্বাচন করতে হবে। সমস্ত কলেজ এবং হাসপাতালে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কমিটিতে জুনিয়র ডাক্তার এবং মেডিক্যাল পড়ুয়াদের অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করতে হবে। তাঁদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটের মাধ্যমে বেছে নিতে হবে।

আগস্ট ২৫, ২০২৪
রাজ্য

সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে সিবিআই হানা, আরজি কর কাণ্ডে অভিযান আরও বেশ কিছু জায়গায়

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাক্তন ল।অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বেলেঘাটার বাড়িতে রবিবার সাতসকালে হাজির CBI টিম। আজ সকাল পৌনে ৭টা নাগাদ বেলেঘাটায় সন্দীপ ঘোষের বাড়িতে যান সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসাররা। এদিন ১ ঘন্টারও বেশি সময় পরও বাড়ির দরজা খোলেননি সন্দীপ। পরে সকাল ৮টার পর হঠাৎই বাড়ির দরজা খুলে বাইরে বেরোতে দেখা যায় সন্দীপ ঘোষকে। আরজি কর কাণ্ডে গত টানা ৯ দিন ১০-১২ ঘণ্টা ধরে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের দফতরে সন্দীপ ঘোষকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছে সিবিআই। গতকালই তাঁর পলিগ্রাফ টেস্টও হয়েছে বলে খবর সূত্রের।রবিবার আরজি কর কাণ্ডে শহর কলকাতার দিকে দিকে সাঁড়াশি হানা সিবিআইয়ের। শুধু প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বাড়িতেই নয়, আজ আরজি করের প্রাক্তন সুপার সঞ্জয় বশিষ্ঠের এন্টালির বাড়িতেও হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এছাড়াও হাওড়ায় আরজি কর মেডিক্যালের সাপ্লায়ারের বাড়িতেও অভিযানে যায় সিবিআই দল। হাওড়ার হাটগাছায় বিপ্লব সিংহের বাড়িতে আজ সকালে পৌঁছে যান সিবিআইয়ের কয়েকজন আধিকারিক। আরজি কর মেডিকেল কলেজের সাপ্লায়ার বিপ্লব সিংহ।জানা গিয়েছে, আজ সকালে নিজাম প্যালেস থেকে সিবিআইয়ের বেশ কয়েকটি দল এই অভিযানে বেরোয়। বেলেঘাটায় সন্দীপ ঘোষের বাড়ি ঘিরে ফেলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। একইভাবে এদিন শহরের একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে সিবিআই। এদিন আরজি করের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক দেবাশিস সোমের কেষ্টপুরের বাড়িতে সিবিআই অভিযান চলে।

আগস্ট ২৫, ২০২৪
রাজ্য

সন্দীপ ঘোষের পলিগ্রাফ টেস্ট সিবিআইয়ের, আগামিকাল সঞ্জয়ের পালা

৯ অগাস্ট রাতে ঠিক কী ঘটেছিল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে? রহস্যের সমাধানে মরিয়া সিবিআই। তরুণী চিকিৎসক খুনের ঘটনায় আদালতের নির্দেশে শুরু হল সাত জনের পলিগ্রাফ টেস্ট। শনিবার পলিগ্রাফ টেস্ট করা হয় ওই হাসপাতালের প্রাক্তন প্রিন্সিপ্যাল সন্দীপ ঘোষের।আরজি কর কাণ্ডে পলিগ্রাফ টেস্ট করা শুরু করল সিবিআই। ধৃত সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়, আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ সহ সাত জনের পলিগ্রাফ টেস্ট প্রক্রিয়া শুরু করল সিবিআই। রহস্যের সমাধান সূত্রে পলিগ্রাফ টেস্টের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সিবিআই। দিল্লি থেকে ইতিমধ্যে কলকাতায় এসে পৌঁছাছেন সিবিআইয়ের বিশেষ দল।বয়ানের সত্যতা যাচাইয়ে গতকালই সাত জনের পলিগ্রাফ টেস্টের নির্দেশ দেওয়া হয় আদালতের তরফে। আর আজই পলিগ্রাফ টেস্টের প্রক্রিয়া শুরু করে দিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এখন প্রশ্ন কবে কিনারা হবে তরুণী চিকিৎসক খুনের? কখন CBI পলিগ্রাফ টেস্ট করে?এদিন সন্দীপ ঘোষের পলিগ্রাফ টেস্ট হয়েছে। আগামিকাল এই টেস্ট হবে সঞ্জয় রাইয়ের। তাঁকে প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে গিয়ে এই টেস্ট করবে সিবিআই। তার জন্য প্রেসিডেন্সি জেল কর। কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে সিবিআই। সেখানে পৃথক ঘরের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। ধাপে ধাপে বাকিদের পলিগ্রাফ টেস্ট করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এক প্রাক্তন সিবিআই আধিকারিক বলেছেন, যখন অভিযুক্ত তদন্তকারীদের যথেষ্ট তথ্য দেয় না অথবা তদন্তকারীরা মনে করছেন, তাঁরা অভিযুক্তের থেকে চেয়েও যথেষ্ট তথ্য পাচ্ছেন না, তখনই পলিগ্রাফ টেস্টের প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তদন্তকারীরা যখন মনে করেন, অভিযুক্ত আরও কিছু গোপন করে যাচ্ছে, তখন তা বের করে আনতে দরকার হয় এই টেস্টের। এক্ষেত্রে অভিযুক্ত সত্য গোপনের ক্ষমতা হারিয়ে যায়। আর, সেটাই তদন্তকারীদের হাতিয়ার।

আগস্ট ২৪, ২০২৪
রাজ্য

আরজি করের যাবতীয় দুর্নীতির তদন্ত সিট নয় সিবিআইয়ের হাতে, নির্দেশ আদালতের

শুধু তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের তদন্ত নয়, এবার আরজিকর মেডিক্যাল কলেজের যাবতীয় দুর্নীতির তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামিকাল, শনিবার সকাল ১০টার মধ্যে তদন্তের নথি হস্তান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ। এর আগে এই তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী কমিটি সিট গঠন করেছিল রাজ্য সরকার। ফলত কলকাতা হাইকোর্টের নতুন নির্দেশে পর সিটের আর কোনও গুরুত্ব রইল না।আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। সেই অভিযোগ তিনি একবছর আগেই সরকারকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু, তারপরও অভিযু্ক্তের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তারই প্রেক্ষিতে বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ প্রশ্ন তুলেছিলেন, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য একবছর আগে কেন সিট গঠন করা হয়নি? আর, তারপরই তিনি সিবিআইকে আরজি কর হাসপাতালের যাবতীয় দুর্নীতির তদন্তভার তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন।আদালতের এই নির্দেশে আরও বেকায়দায় পড়তে চলেছেন আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের। তাঁর বিরুদ্ধে বেওয়ারিশ লাশ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ করেছিলেন আখতার আলি। শুধু তাই নয়, পড়ুয়াদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে তাঁদের পাশ করিয়ে দেওয়ার অভিযোগও আখতার আলি তুলেছেন সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি রাজ্য সরকার যে সিট গঠন করেছিল, সেই সিটে বেশ কয়েকজন পুলিশকর্তাও ছিলেন। তার প্রেক্ষিতে বিচারপতি প্রশ্ন তুলেছেন, এই ঘটনা বড় না হলে কেন এত বড়মাপের পুলিশকর্তাদের ১৬ আগস্ট গঠন করা সিটের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে? এরপরই আদালত আরজি কর দুর্নীতির যাবতীয় তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন।এর ফলে রাজ্য সরকারের গঠিত সিট-এর আর প্রয়োজন রইল না। সিবিআইয়ের এই তদন্ত চলবে আদালতের নজরদারিতে। আদালত তদন্তের সময়সীমাও বেঁধে দিয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সিবিআইকে আদালতে তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে হবে। আদালতের এই নির্দেশের পর প্রতিক্রিয়ায় আখতার আলি বলেছেন, আমি সন্তুষ্ট। আমি পুলিশের কাছে যাবতীয় অভিযোগ করেছিলাম। কিন্তু, অভিযোগের সুরাহা হওয়া দূর, আমাকেই অন্য হাসপাতালে (বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজ) বদলি করে দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ২৩, ২০২৪
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে সঞ্জয়ের ১৪ দিনের জেল হেফাজত, সন্দীপ ঘোষ সহ ৬ জনের পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমতি

আরজি কর কাণ্ডে গ্রেফতার সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। ধৃতকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে শিয়ালদহ আদালত। একই সঙ্গে সঞ্জয় রায়েরও পলিগ্রাফ টেস্টের অনুমোদন মিলেছে বলে সূত্রের খবর।পাশাপাশি এদিন আরজি কর কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট ৬ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছে শিয়ালদহ আদালত।আরজি করে কর্তব্যরত তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ-খুনে অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের বিচার বিভাগীয় হেফাজতের নির্দেশ শিয়ালদহ আদালতের। শুক্রবার সকালে কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে সঞ্জয় রায়কে শিয়ালদহ আদালতে হাজির করে সিবিআই।গোটা আদালত চত্বর সিআইএসএফ-এর জওয়ানরা ঘিরে রেখেছিলেন। নিরাপত্তায় ছিল কলকাতা পুলিশও। সঞ্জয়কে সিজিও থেকে বের করার সময় একাধিক প্রশ্ন করেছিলেন সাংবাদিকরা। তবে কোনও প্রশ্নেরই জবাব দেয়নি সঞ্জয়।এদিকে, আরজি কর কাণ্ডে গতকালই প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট ৬ জনকে শিয়ালদহ আদালতে নিয়ে যায় সিবিআই। তাদেরও পলিগ্রাফ টেস্টের আবেদন জানানো হয়েছিল। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেছে। সত্য উদঘাটনে এবার সন্দীপ ঘোষ-সহ ৬ জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষা করানো হবে। এই ৬ জনের মধ্যে রয়েছে একজন সিভিক ভলান্টিয়ারও। এর সঙ্গে সঞ্জয়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বলে সিবিআই সূত্রের খবর। ৬ জনের মধ্যে রয়েছেন চার জন চিকিৎসক।

আগস্ট ২৩, ২০২৪
রাজ্য

হলুদ ফাইল নিয়ে সিবিআই দফতরে সন্দীপ ঘোষ, জিজ্ঞাসাবাদ লাগাতার সপ্তম দিনে

টানা সপ্তম দিন। আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এদিনও হাজির হয়েছেন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই দফতরে। এদিন তাঁকে হাতে একটি হলুদ রঙের কাগজের ফাইল নিয়ে সিবিআই দফতরে ঢুকতে দেখা গিয়েছে। তবে গাড়ি থেকে নেমে যাওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের কোনও জবাব দেননি সন্দীপ ঘোষ। এর আগে টানা ৬ দিন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। শুধু সন্দীপ ঘোষই নয়, পাশাপাশি একাধিক জুনিয়র ডাক্তার, পুলিশ অফিসারকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই। এদিকে এদিন সুপ্রিম কোর্টে রিপোর্ট দেবে সিবিআই। অন্যদিকে আরজি কর হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনার রিপোর্ট দেবে রাজ্য সরকার। এখনও পর্যন্ত আরজি করের ঘটনায় সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায় গ্রেফতার হয়েছে। তরুণী চিকিৎসকের নৃশংস খুনের ঘটনায় সঞ্জয়ের একার পক্ষে সম্ভব নয় বলেই তাঁর পরিবারের সদস্যরাও অভিযোগ করেছে।

আগস্ট ২২, ২০২৪
রাজ্য

আর জি কর-এর প্রতিবাদে এবার পথে নামলো বর্ধমানের স্কুল ছাত্ররা

আর জি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া নারকীয় ঘটনার প্রতিবাদে আজ পথে নামল বর্ধমান শহরের এক স্কুল। শহরের উত্তর প্রান্তে কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা আজ ওই ঘটনার প্রতিবাদে বর্ধমান শহরে শোভাযাত্রা আয়োযন করে। ছাত্রছাত্রীদের সাথে সাথে এদিন পথে নামেন ডিএনদাস স্কুলের পরিচালন সমিতির সদস্য সহ শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীবৃন্দরা। তাঁদের সক্রিয় উপস্থিতিতে শোভাযাত্রা কাঞ্চননগর রথতলা উদয়পল্লীর বিভিন্ন রাস্তা পরিক্রমা করে। অপরাধের বিচার চেয়ে এবং চিকিৎসক তথা মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবীতে শ্লোগান দিয়ে সোচ্চার হয় অংশগ্রহণকারীরা। ডিএনদাস স্কুলের শিক্ষক কমল সাহার পরিচালনায় ছাত্রী সোনালি সোহিনী হেমাদের কণ্ঠে পরিবেশিত হয় আমরা করব জয় গানটি। শিক্ষিকা আঁখি চক্রবর্তী বললেন, মঙ্গলবার নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীরা আবেদন করে আর জি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া নারকীয় ঘটনার প্রতিবাদে শোভাযাত্রার জন্য। তাদের অনুরোধেই মূলত আজকের এই প্রতিবাদ কর্মসূচী। আঁখি চক্রবর্তী আরো বলেন, চিকিৎসকের কাছে যেতে হয় আমাদের সবাইকে। ফলে তাঁরা যাতে কোনভাবে হেনস্থার শিকার না হন তা দেখার দায়িত্ব আমাদের সবাইকার।রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত জনতার কথা কে জানান, আমাদের ছাত্রছাত্রীরা বরাবরই সমাজসচেতন। প্রতিদিন সকালের সমবেত সঙ্গীতের পর ওরা সংবাদপত্র থেকে রোজকার খবর পাঠ করে। তারা পাঠ করে মনীষীদের বাণী। ওরা আরজি করের দুর্ঘটনা সম্বন্ধে যঠেষ্ট অবহিত। মূলত ওদের আগ্রহেই আজকের এই প্রতীবাদ কর্মসূচী। আমরাও চাই দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়া সমাপ্ত হোক এবং আসল দোষী / দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। কারণ এর সঙ্গে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয় জড়িত।

আগস্ট ২২, ২০২৪
রাজ্য

ব্যবহৃত গ্লাভস-সরঞ্জাম পড়শী দেশে পাচার? সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ! FIR, সিট গঠন

আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ খুন নিয়ে উত্তাল পরিস্থিতি বাংলা জুড়ে। হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে সিবিআই। মঙ্গলবারও ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সন্দীপ ঘোষ। এবার সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতা পুলিশ FIR দায়ের করেছে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সন্দীপ ঘোষের জামানায় ওঠা অভিযোগের তদন্তে সিট গঠন করেছে নবান্ন। রাজ্যের এই পদক্ষেপে এবার আশার আলো দেখছেন আরজি করের তৎকালীন ডেপুটি সুপার এবং বর্তমানে বহরমপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেপুটি সুপার পদে কর্মরত আখতার আলি।সন্দীপ ঘোষ আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ থাকাকালীন টানা কয়েক বছর ধরে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি করেছেন বলে অভিযোগ তৎকালীন ডেপুটি সুপার আখতার আলির। সংবাদমাধ্যমের সামনে সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে মারাত্মক সব অভিযোগ এনেছেন বর্তমানে বহরমপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেপুটি সুপার পদে কর্মরত আখতার আলি।সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিকে আখতার আলি বলেন, আমিও ওর দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলাম। ছাত্রদের ফেল করোনা থেকে শুরু করে টেন্ডারে ২০ পার্সেন্ট কমিশন খাওয়া, পছন্দের সাপ্লায়ার-ভেন্ডারদের টেন্ডার দিত। সরকারি সম্পত্তি বেআইনিভাবে দিয়ে দিত। আমি এর আগে আর্থিক দুর্নীতি দমন শাখাকে জানিয়েছিলাম। পরে মুখ্যমন্ত্রীর অফিসে নালিশ জানাই। ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই আমি আমার প্রথম অভিযোগ জমা করি।সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিকে চিকিৎসক আখতার আলি আরও বলেন, হাসপাতালের ব্যবহার করা রাবার গ্লাভস থেকে শুরু করে অন্যান্য সামগ্রী বাংলাদেশে পাচার করা হতো। এই চক্রে আরও কয়েকজন আছে। একসময় অভিযোগের ভিত্তিতে একটি তদন্ত কমিটি হয়। সেই তদন্ত কমিটিতে আমিও ছিলাম। কিন্তু হঠাৎ করে আমাকে বদলি করে দেওয়া হল। এরপর ওই কমিটিও ভেঙে দেওয়া হল।আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ঘটনায় প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের দিকে আঙুল উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। তাকে পাঁচবার সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সিবিআই। এবার সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের জানুয়ারি মাস থেকে এখনও পর্যন্ত আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে তারই ভিত্তিতে একটি সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। কলকাতা পুলিশের তরফেও সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে FIR।

আগস্ট ২০, ২০২৪
বিনোদুনিয়া

বৈভব সন্দীপ শীলের ব্রাইডাল কালেকশনের সম্ভার

দীর্ঘ ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রীতে সুনামের সাথে কাজ করে আসছে সুদক্ষ ফ্যাশন ডিজাইনার বৈভব সন্দীপ শীল। বিভিন্ন ব্যান্ড শুট, ফ্যাশন শো, পুজো ব্যানার সহ বিভিন্ন ইন্ডোর ও আউটডোর শুটে নজর কেড়েছে গত ৩ বছরের তার প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ড S S Traditional Style Loft। একনিষ্ঠ ভাবে কাজ করে চলেছে বৈভব প্রোডাকশনও।চলতি বিয়ের মরশুমের মাঝেই টালিগঞ্জের লেন্স স্টুডিওতে তরুণ প্রতিভাবান মেকআপ আর্টিস্ট অর্ঘ্য মাহাতোর রূপসজ্জায় ব্রাইডাল কালেকশনের গহনার ডিজাইনে ক্যামেরার সামনে ধরা দিলেন এ প্রজন্মের প্রতিভাবান মডেল শ্বেতা চক্রবর্তী।আগামী দিনগুলিতেও বৈভব সন্দীপ শীল তার ব্র্যান্ডের মাধ্যমে মডেলিং ও ফ্যাশন জগতকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ।

আগস্ট ১০, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালি কাণ্ডে একের পর ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুলকালাম, তুঙ্গে বিতর্ক

সন্দেশখালি কাণ্ডে একের পর ভাইরাল ভিডিও ঘিরে অস্বস্তি বেড়েছে পদ্মশিবিরে। এবার আরও অস্বস্তি বাড়াল পুলিশ। সন্দেশখালিতে যৌন নির্যাতন-ধর্ষণের ঘটনা সাজানো বলছেন স্থানীয় বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল। সেই ভাইরাল ভিডিওর রেশ কাটতে না কাটতেই নয়া ভিডিও সামনে এসেছে। যেখানে মহিলারা দাবি করছেন, ভুল বুঝিয়ে সাদা কাগজে সই করিয়ে নিয়েছিল মহিলা মোর্চার নেত্রী। তাঁরা কোনও ধর্ষণের অভিযোগ করেননি। এবার সেই ঘটনায় বিজেপি নেত্রী মাম্পি দাসকে সমন পাঠাল সন্দেশখালি থানার পুলিশ। তাঁকে জেরা করতে চায় পুলিশ।সন্দেশখালিতে ধর্ষণ কিংবা যৌন নির্যাতনের ঘটনা কি সাজানো? এবার আরও একটি নতুন ভিডিও-য় চাঞ্চল্যকর কিছু দাবি করতে শোনা গিয়েছে কয়েকজন মহিলাকে। যদিও সেই ভিডিও-টির সত্যতা যাচাই করেনি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা।দিন কয়েক আগেই সন্দেশখালির (Sandeshkhali) BJP নেতা গঙ্গাধর কয়ালের বক্তব্য নিয়ে এটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। সেই ভিডিও প্রকাশ করে সন্দেশখালির গোটা ঘটনা নিয়ে BJP-কেই তুলোধনা করতে দেখা গিয়েছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে। বৃহস্পতিবার ভাইরাল হওয়া আরও একটি ভিডিও-য় সন্দেশখালিরই আরেক বিজেপি নেতা অনুপ দাসের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শোনা গিয়েছে বসিরহাটের BJP প্রার্থী তথা সন্দেশখালি আন্দোলনের মুখ রেখা পাত্র সহ কয়েকজন মহিলাকে।এবার নতুন আরও একটি ভিডিও-য় মুখ খুলতে শোনা গিয়েছে কয়েকজন মহিলাকে। সেই ভিডিও-য় তিন মহিলার দাবি, ধর্ষণ-সহ যে বিভিন অভিযোগ করা হয়েছে তা সাজানো। এমনকী মহিলা কমিশন যেদিন সন্দেশখালিতে গিয়েছিল ওই দিন এক বিজেপি নেত্রী তাঁদের মিথ্যা অভিযোগ করতে বলেছিলেন বলেও দাবি তাঁদের। সাদা কাগজে তাঁদের দিয়ে সই করিয়ে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ তাতে লেখা হয়েছে বলে দাবি কয়েকজন মহিলার।আদৌ তাঁদের সঙ্গে ধর্ষণের মতো কোনও ঘটনা ঘটেনি বলে ওই ভাইরাল ভিডিও-য় দাবি করেছেন মহিলারা। যদিও সেই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা। বর্তমানে মিথ্যা মামলা তাঁরা তুলে নিতে চাইলে বিজেপি নেত্রী মাম্পি দাস ও এলাকার কয়েকজন বিজেপি নেতারা তাঁদের হুমকি দিচ্ছেন বলে তাঁরা অভিযোগ করেছেন। এই ঘটনায় মাম্পিকে জেরা করতে তাঁকে তলব করেছে পুলিশ।

মে ১০, ২০২৪
রাজনীতি

বিজেপির নারদ আদলে তৃণমূল ভবনে সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও প্রদর্শন, ভয়ঙ্কর আক্রমণ অভিষেকের

নারদ-কাণ্ডে বিজেপি দফতরে ভিডিও ফুটেজ তুলে ধরে তৃণমূলকে নিশানা করেছিলেন গেরুয়া নেতারা। তখনও এরাজ্যে নির্বাচনী আবহ ছিল। এবার সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও তোলপাড় ফেলতেই একই কায়দায় এবার বিজেপিকে পাল্টা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পদ্ম বাহিনীকে কার্যত তুলোধনা করলেন তিনি। অভিষেকের সাফ কথা, নির্লজ্জতার সমস্ত নজির ভেঙে দিয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলছেন সাজানো ঘটনা। যাঁকে নির্যাতিত বলে দেখানো হচ্ছে। তিনি বলছেন, তাঁর সঙ্গে কিছু হয়নি। বাংলার সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। বিজেপির নেতারা বলতেন, সন্দেশখালি করবে তৃণমূলের চেয়ার খালি। আর আজকের ভিডিও বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপি দলটাই জালি।সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শনিবার রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পরে যায়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, সন্দেশখালি ২ নম্বর ব্লকের বিজেপি সভাপতি গঙ্গাধর কয়াল স্বীকার করছেন, মহিলাদের ধর্ষণের ঘটনা পুরোটাই সাজানো। সে জন্য তাঁদের টাকা দিয়ে সাহায্য করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।এরপরই এক্স বার্তায় সরব হয়েছিলেন অভিষেক। পরে সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। অভিষেক বলেন, নির্লজ্জতার সমস্ত নজির ভেঙে দিয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলছেন সাজানো ঘটনা। যাঁকে নির্যাতিত বলে দেখানো হচ্ছে। তিনি বলছেন, তাঁর সঙ্গে কিছু হয়নি। ভিডিয়োতে উনি বলেছেন, তাবড় তাবড় মালকে গ্রেফতার করানোর কথা। গঙ্গাধর বলেছেন, শুভেন্দু তাঁদের বলেছেন, তাবড় তাবড় মাল গ্রেফতার না করালে তোমাদের কিছু হবে না। খবর যাচাই না করেই বাংলার নামে খবর প্রকাশ করেছে জাতীয় সংবাদমাধ্যমগুলি। তাতে বাংলার সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। এঁদের প্রত্যেকের উচিত বাংলায় এসে ক্ষমা চেয়ে যাওয়া।পরিকল্পনা করে সন্দেশখালিতে রোবটও নামিয়ে দিল ওরা। যেন মনে হচ্ছিল চাঁদে চন্দ্রযানের প্রজ্ঞান নামছে। এই সব কিছুই দেখানোর জন্য। সব পরিকল্পিত।গঙ্গাধর বলেছে ২০০০টাকা দিয়ে অভিযোগ দায়ের করিয়েছে বাংলায়। রেখা পাত্র যিনি ওই এলাকার লোকসভা ভোটের প্রার্থী তিনিও ওই ২০০০ টাকার বিনিময়েই অভিযোগ করেছিলেন। পিঠে পাটিসাপটা বানানো নিয়ে কত কথা বলেছিল সংবাদ মাধ্যম। কী ভাবে খবর প্রকাশ হয়েছিল! আর এখন এরা বলছে ধর্ষণই হয়নি। উল্টে ধর্ষণ নিয়ে যাতে কোনও পরীক্ষা দিতে না হয়, সে জন্য ৭ মাস আগের অভিযোগ দায়ের করেছে।বাংলাকে কলুষিত করার জন্য বিজেপির পাশাপাশি বিচারমাধ্যমের একাংশও দায়ী বলে মনে করি আমি। এ কথা বলার জন্য যদি আমি আদালত অবমাননার দায়ে পড়ি, তবে পড়ব, কিন্তু সত্যি কথা বলা থেকে আমাকে আটকানো যাবে না। বলেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, যারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে মহিলাদের সম্ভ্রম ২০০০ টাকায় বিক্রি করেন, সেই দলকে ভোট দেওয়ার আগে দশবার ভাববেন।আমি চ্যালেঞ্জ করছি গঙ্গাধর কয়ালকে বিজেপি সাসপেন্ড করুক। এ ব্যাপারে সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যও মিলছে না। বিজেপির নেতারা আলাদা আলাদা কথা বলছেন। ওদের আসল চেহারা, ওদের নগ্নরূপ বেরিয়ে গেছে।বিজেপির নেতারা বলতেন, সন্দেশখালি করবে তৃণমূলের চেয়ার খালি। আর আজকের ভিডিয়ো বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপি দলটাই জালি।বাংলায় ওরা থাকছে, খাচ্ছে আর বাংলার নাম কলুষিত করছে। আসলে বাংলাকে কলুষিত করে দখল করার পরিকল্পনা ছিল বিজেপির। যেভাবে, রাজস্থান, কর্ণাটক দখল করেছে সে ভাবেই বাংলাও দখল করবে। কিন্তু বাংলার দখল নেওয়া অত সহজ নয়। খালি কয়েকটা ভোটের জন্য যা নয় তাই করা হচ্ছে। সমস্যা আদৌ হয়েছে কি না যাচাই না করেই সিবিআই হয়ে যাচ্ছে। সংবিধান মেনে পুলিশকে সুযোগও দেওযা হচ্ছে না। তদন্ত করার সুযোগই দেওয়া হচ্ছে না।ওর (শুভেন্দু অধিকারী) সিবিআইকে বলুন, যদি ক্ষমতা থাকে আমাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে। ওর সিবিআই দেখিয়ে রাজনীতি অন্য জায়গায় করতে বলবেন। সিবিআইয়ের তল্পিবাহকতা করার জন্য বাংলার মানুষ বেঁচে আছে। ওর যদি ক্ষমতা থাকে, তা হলে ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন? ওই বেইমানটাকে বলবেন, আমি ওকে বেইমান বলছি, গদ্দার বলছি, ঘুষখোর বলছি। কী করবে করে নিক।

মে ০৪, ২০২৪
রাজনীতি

সন্দেশখালি নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যা বললেন.....

বিরোধী দলনেতার মদতেই হয়েছে। সন্দেশখালি সম্পর্কিত ভাইরাল ভিডিওতে সেই দাবিই শোনা গিয়েছে (সেই ভিডিও জনতার কথা যাচাই করেনি) বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালের মুখ থেকে। এরপরই সরব হয়েছে তৃণমূল। শুভেন্দু অধিকারীকে তুলোধনা করেছেন তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের যুবরাজের সাংবাদিক বৈঠকের পরই এই ইস্যুতে মুখ খুললেন রাজ্যে বিরোধী দলনেতা। তিনি দাবি করলেন, সিবিআইয়ের ডিরেক্টরকে ই-মেল করে সন্দেশখালির বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল তাঁর বক্তব্যের বিকৃত ভিডিও অভিযোগ আকারে পাঠিয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, ইতিমধ্যেই সন্দেশখালি থেকে কলকাতায় পৌঁছে গিয়েছেন গঙ্গাধর।ভাইরাল ভিডিওতে বিজেপি নেতার মুখে একাধিকবার শোনা গিয়েছে শুভেন্দুর নাম। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দুর দাবি, এই সব কিছু কয়লা ভাইপোর তৈরি। অর্থাৎ শুভেন্দুর নিশানায়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এর আগে এক্স বার্তায় এই ইস্যুতে দাবি করেছিলেন যে, ভোটে হারবেন বুঝেই এ সব করিয়েছেন। তাঁর নিশানায় ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।শনিবার সকালে স্টিং অপরেশনের একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। সেই ভিডিয়োতে বিজেপির সন্দেশখালির ২ নং মণ্ডল সভাপতি গঙ্গাধর কয়ালকে বলতে শোনা যাচ্ছে যে, সন্দেশখালিতে ধর্ষণের অভিযোগ সাজানো। এ নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করে তৃণমূল। শুভেন্দু সেই আক্রমণ উড়িয়ে দিয়ে দাবি করেছেন, ভিডিয়োটি বিকৃত।গঙ্গাধরের দাবি ওই ভিডিও বিকৃত। ভিডিওয় তাঁর ছবি এবং কথার মধ্যে কোনও মিল নেই। ভিডিয়োয় বক্তার মুখও স্পষ্ট নয়। এমন ভাবে ভিডিয়োটি এডিট করা হয়েছে, যাতে তা বোঝা না যায়। ভিডিও থেকে বক্তার ঠোঁটের নড়াচড়াও স্পষ্ট ভাবে বোঝা যাচ্ছে না বলেই দাবি গঙ্গাধরের। ভিডিয়োর শব্দ স্পষ্ট নয়। ইচ্ছাকৃত অসাধু উদ্দেশ্যেই এমনটা করা হয়েছে বলে অভিযোগ গঙ্গাধরের।

মে ০৪, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালিতে উদ্ধার বিপুল কার্তুজসহ আগ্নেয়াস্ত্র, সিবিআইয়ের তদন্তে এনএসজি

সন্দেশখালিতে এনএসজি-র বম্ব স্কোয়াড। উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক। শুক্রবার বেলা বাড়তেই সন্দেশখালিতে হানা দেয় সিবিআইয়ের আধিকারিকরা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, শেখ শাহজাহান শেখের এক ঘনিষ্ঠ স্থানীয় তৃণমূল নেতার আত্মীয়ের বাড়িতে প্রচুর অস্ত্র ও বোমা মজুত রয়েছে। সেই খবর মিলতেই অভিযানে নামে সিবিআই। তল্লাশিতে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র মিলেছে বলে খবর। উদ্ধার করা হয়েছে ১২০টি নাইন এমএম বুলেট। বিভিন্ন ধরণের ৩৪৮টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিবিআই। পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে একাধিক বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র।বাড়িটিতে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক জমা রয়েছে বলে সন্দেহ সিবিআই আধিকারিকদের। যে কোনও মুহূর্তে বড় বিপদ ঘটে যেতে পারে। সেই আশঙ্কায় NSG কম্যান্ডোদের ডাকা হয়। মাইন ডিটেক্টর থেকে রোবোটিক ডিভাইস দিয়ে অস্ত্রভাণ্ডারের তল্লাশি শুরু করে NSG কম্যান্ডোরা।সন্দেশখালির সরবেড়িয়ার মল্লিকপাড়ায় শাহজাহান-ঘনিষ্ঠ আবু আবু তালেব মোল্লার বাড়িতে এদিন তল্লাশি চালায় সিবিআই গোয়েন্দারা। তার বাড়িতেই লুকিয়ে রাখা রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক। এরপরই গোটা গ্রাম দখলে নেয় NSG কম্যান্ডোরা। ওই এলাকাটি ঘিরে নিয়ে তাঁদের নিজস্ব অত্যাধুনিক মেশিন, রোবট নিয়ে কাজ শুরু করেন তাঁরা।NSG কম্যান্ডোদের তল্লাশিতে সন্দেশখালি থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭টি পিস্তল, দেশি বোমা, তিনটি বিদেশি রিভালবার, উদ্ধার হয়েছে একটি পুলিশের রিভালবার, মেঝে খুঁড়তেই উদ্ধার হয় বোমা-বারুদ। উদ্ধার করা হয়েছে ৩৫০ রাউন্ড কার্তুজ। পাশাপাশি মিলেছে বেশ কিছু নথি। যার সবের সঙ্গে যোগ রয়েছে শাহাজানের।এদিকে এই ঘটনার পরই তৃণমূলকে নিশানা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের সঙ্গে সিমি বা পিএফআইয়ের কোন ফারাক নেই। মমতা ব্যনার্জিকে গ্রেফতার করে তৃণমূলকে জঙ্গি সংগঠন ঘোষণার দাবি জানান তিনি। পাশাপাশি পুলিশ এই ঘটনায় সরাসরি যুক্ত বলেও দাবি করেন বিরোধী দল নেতা।এদিকে শুভেন্দুর পালটা তৃণমূলের কুণাল ঘোষ বলেন, ওখানে অস্ত্রভান্ডার ছিল নাকি কেউ বদনাম করার জন্য ওখানে রেখে গেছে তা তদন্তসাপেক্ষ। কী পাওয়া গেছে তা আমরা জানি না। অফিসিয়াল কোনও বিবৃতি নেই। তা পুরো বিষয়টাই একটা চিত্রনাট্য ছাড়া এই মুহূর্তে কিছুই মনে হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।

এপ্রিল ২৬, ২০২৪
রাজ্য

ধরা পড়লেই বিজেপির চক্রান্ত, কেন বললেন দিলীপ ঘোষ

সরকারি কর্মী আন্দোলনের নেতা ভাষ্কর ঘোষকে মারধর প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ বলেন, এটা প্রথম নয়। এই সরকার হিংসা আর দুর্নীতি দিয়েছে। আর কিছু দিতে পারেনি। আপনি কিছু চাইলে আপনাকে গলা ধাক্কা, কেস, অপমান। এর আগে ডিএ নিয়ে দাবি তোলায় একই ঘটনা ঘটেছিল। মহিলাদের ও ছাড়া হয়নি। আমরা দেখেছি, ওরা রাস্তায় শুয়ে আছে। জলে কাদায়। কি বাকি রেখেছেন? একটা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির আন্দোলনে? তাদের কথা শোনার কেউ নেই। ভাস্করদের লড়াই থামবে না। এই লড়াই এই অত্যাচারী শাসককে একদিন লাইনে আনবে। পুলিশের যুক্তি ছেঁদো কথা। তারা কেউ পুলিশকে মারতে যায়নি। পুলিশ ওদের আন্দোলনে বাধা দিয়েছে। পুলিশের বিরুদ্ধে কেস হাওয়া উচিৎ। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের গলা টিপে ধরলে মানুষ বিচার করবে। সব বিজেপির চক্রান্ত, বলছে শেখ শাহাজাহান। আপনি কি বলবেন?উনি যখন খুন করছিলেন, মহিলাদের ওপর অত্যাচার করছিলেন, তখন মনে ছিল না একদিন জেলের ভাত খেতে হবে। ধরা পড়লেও বিজেপির চক্রান্ত? ওখানে মহিলারা রাস্তায় ঝাঁটা নিয়ে বেরিয়েছিল কেন? কোথায় বিজেপি তখন? বিজেপি তো ঢুকতেই পারেনি। আপাতত জেলে থাকো। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করলে বেরোতে পারবে। বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছে কীর্তি আজাদকে। সেই প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে দিলীপ বলেন, ভালো তো। জিতে আসুন। ওনার দূর্ভাগ্য। ওনাকে তৃণমূল এমন ফাঁসিয়েছে, উনি আর বেরোতে পারছেন না। রেজাল্ট হলে বুঝতে পারবেন। কঠিন ফাঁদে পা দিয়েছেন। ওনার পার্টি ওনাকে সাহায্য করছে না। আমি যদি উল্টে বলি, ওনার পার্টির লোকেরা আমাকে সাহায্য করছে। কীর্তি আজাদের বাংলার রাজনীতি বুঝতে সময় লাগবে। উনি বারবার আমার পিছনে লাগছেন। লোক ভাবছে ও জিতলে আর ওকে দেখতে পাবো? দিলীপ ঘোষ মানুষের সঙ্গে আছে। আন্দামান আমার পুরোনো জায়গা। একদিনের জন্য আজ যাচ্ছি। কাল ফিরে আসব। রচনা-লকেট দ্বৈরথ নিয়ে তিনি বলেন, রচনা শিল্পের কি বোঝেন? সিনেমা করেন। সিনেমা শিল্প টাই দেখুন। লকেট এর সঙ্গে রচনার তুলনাই হয়না। লকেট সিনেমা করার পর কয়েক বছর ধরে সাফল্যের সঙ্গে রাজনীতি করছে। লোকসভায় জিতেছে। পার্টি স্বীকৃতি দিয়েছে। সাফল্যের সঙ্গে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছে। তাই লকেট অনেক এগিয়ে। বাকিটা ওখানকার মানুষ ঠিক করব।

এপ্রিল ০৬, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালি ইস্যুতে হাইকোর্ট: অভিযোগ ১ শতাংশ সত্যি হলেও লজ্জার

সন্দেশখালির মহিলাদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগের আগে একটি হলফনামার বিষয়বস্তুতে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্ট বলেছে, অভিযোগ যদি এক শতাংশও সত্য হয় তবে এটি একেবারে লজ্জাজনক৷আদালত পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে মহিলাদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ স্থান বলে দাবি করার জন্যও তিরস্কার করেছে।সন্দেশখালিতে নারী নির্যাতন এবং জমি দখলের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে যুক্তি শুনে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম মন্তব্য করেছেন, পুরো জেলা প্রশাসন এবং শাসকদের অবশ্যই নৈতিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। এমনকি যদি (হলফনামা) ১% সত্য হয় তবে এটি একেবারে লজ্জাজনক। আর পশ্চিমবঙ্গ বলে নারীদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ? যদি একটি হলফনামা সঠিক বলে প্রমাণিত হয় তবে এই সব মিথ্যা হয়ে যাবে।হাইকোর্ট ফেব্রুয়ারিতে বন্দুকের মুখে মহিলাদের উপর যৌন নিপীড়নের দাবি এবং সন্দেশখালিতে আদিবাসীদের জমি জবরদখলের বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করেছিল।মার্চ মাসে, আদালত সন্দেশখালিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) আধিকারিকদের উপর ৫ জানুয়ারি হামলার তদন্তের পাশাপাশি প্রধান অভিযুক্ত শাহজাহান শেখের হেফাজত কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই) এর কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়।ঘটনার সূত্রপাত, যখন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা যাঁরা সন্দেশখালিতে তৃণমূলের বরখাস্ত হওয়া জেলা পরিষদের সদস্য শক্তিশালী শেখ শাহজাহানের বাড়িচে ৫ জানুয়ারি তল্লাশি চালাতে এসেছিলেন, তাঁদের হেনস্থা করা হয়েছিল। শাহজাহান এবং তাঁর অনুগামীরা পলাতক থাকায়, ৮ ফেব্রুয়ারি, রেখা পাত্র-সহ এলাকার মহিলারা রাস্তায় নেমে আসেন, স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি, হামলা এবং জমি দখলের অভিযোগ তোলেন।এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে কটাক্ষ করেছেন এবং দাবি করেছেন যে বিরোধী দল সন্দেশখালি ইস্যুতে ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে। আরও, বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ করে মমতা বলেছিলেন যে বাংলায় মহিলারা সবচেয়ে নিরাপদ।

এপ্রিল ০৪, ২০২৪
রাজ্য

শেখ শাহজাহানের বাড়িতে-মার্কেটে সিবিআই

কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে শেখ শাহজাহানের বাড়িতে গেল সিবিআই। এই প্রথম সন্দেশখালি গেল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এদিন সিবিআই গিয়েছে সরবেড়িয়ায় তার মার্কেটেও। ৫ জানুয়ারি ইডির ওপর হামলার তদন্ত করতে সেখানে গিয়েছে সিবিআই। গতকালই আদালতের নির্দেশে সিআইডি শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে। এদিকে হামলার দিন শেখ শাহজাহান কাদের ফোন করেছিলেন? তা তদন্ত করে দেখছে সিবিআই। ইডি আধিকারিকদের কাছ থেকে সেদিনের ঘটনা জানা হচ্ছে। যে ইডি আধিকারিকের মাথা ফেটেছিল, তাঁর বয়ান নিয়েছে সিবিআই। পাশাপাশি ইডি কি তথ্য পেয়েছে তাও জানতে চাইছে সিবিআই। একইসঙ্গে নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে শেখ শাহজাহানকে।

মার্চ ০৭, ২০২৪
রাজ্য

শেষমেশ দীর্ঘ টালবাহানার পর সিআইডির হাত থেকে সিবিআইয়ের হেফাজতে শাহজাহান

বহু টালবাহানা, বিভ্রান্তি, শেষমেশ সন্দেশখালির তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শেখ শাহজাহনকে হেফাজতে পেল সিবিআই। কোর্টের নির্দেশে শাহজাহানকে সিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তরে বাধ্য হল সিআইডি।বুধবার সকালে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতেই হবে। বুধবার বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, ধৃত বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতাকে সিবিআইয়ের হাতে হস্তান্তর করতেই হবে। এদিকে এদিন ইডি শেখ শাহজাহানকে হস্তান্তরে রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার বিষয়টি তুলে ধরে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করে। তারপরই বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, বুধবার বিকেল ৪.১৫-র মধ্যে শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে। সেই মত এদিন ৪টের মধ্যে ভবানী ভবনে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। কিন্তু তখনও সন্দেশখালির বাঘকে হাতে পায়নি সিবিআই গোয়েন্দারা। ফলে বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের দৃষ্টি আকর্ষণে ফের উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে সিবিআই।এসবের মধ্যেই সন্ধ্যার মুখে ভবানী ভবনের পিছনের দরজা দিয়ে শেখ শাহজাহানকে এসএসকেএম হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপরই শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয় সিআইডি।সন্দেশখালি কাণ্ডে মঙ্গলবার দুপুরেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এছাড়াও, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টের মধ্যে ধৃত শেখ শাহজাহানকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে বলে নির্দেশ দেয় আদালত। খারিজ করে দেওয়া হয়েছে, সন্দেশখালি কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের একক বেঞ্চের বিশেষ তদন্তকারী দলগঠনের নির্দেশ। উচ্চ আদালতের নির্দেশ মত, বিকেলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভবানী ভবনে চলে আসে কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকরা। অবশেষে টালবাহানার পর সন্ধ্যা ৭টার কিছু আগে সিবিআইয়ের হাতে শাহজাহানকে তুলে দেয় পুলিশ। সূত্রের খবর, সুপ্রিম কোর্টে মামলা রয়েছে বলে সিবিআই-কে জানিয়ে দেয় পুলিশ।গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালি কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত শাহজাহান। গত বৃহস্পতিবার মিনাখাঁর বামনপুকুর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর থেকে সিআইডির হেফাজতে রাখা হয়েছে বহিষ্কৃত এই তৃণমূল নেতাকে। শাহজাহানের পুলিশি হেফাজের নির্দেশের পরই ইডি তাঁকে হেফাজতে চাইতে আদালতের দ্বারস্থ হয়। কেন্দ্রীয় এজেন্সির দাবি ছিল, সন্দেশখালিতে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের উপর হামলার ঘটনার তদন্ত রাজ্য পুলিশে আস্থা নেই। সিবিআই ও রাজ্য পুলিশকে নিয়ে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দলেও কোনও ভরসা নেই। কারণ, রাজ্য পুলিশ এই মামলায় সহযোগিতা করবে না। তাই এই তদন্তভার শুধু সিবিআইকেই দেওয়া হোক। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ সেই আবেদন মঞ্জুর করে।আদালত সূত্রে খবর, সন্দেশখালিতে ইডি অফিসারদের উপর হামলার ঘটনায় ন্যাজাট থানায় দুটি এফআইআর (৮ ও ৯ নম্বর) দায়ের হয়েছিল। এছাড়া বনগাঁ থানায় আরও একটি এফআইআর (১৮ নম্বর) দায়ের হয়। ওই মামলার প্রেক্ষিতেই এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ।হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়ে মঙ্গলবারই সুপ্রিম কোর্টে আর্জি জানায় রাজ্য। কিন্তু, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না তাতে সাড়া দেননি। প্রক্রিয়া মেনে মামলা হবে বলে জানানো হয়। বুধবার প্রক্রিয়া মেনে আবেদন হলেও রাজ্যের আবেদনে সাড়া দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে।

মার্চ ০৬, ২০২৪
রাজ্য

গ্রেফতার হতেই শাহজাহানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ তৃণমূল কংগ্রেসের, ১০ দিনের পুলিশ হেফাজত

বৃহস্পতিবার ভোরে পুলিশ শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতার করেছে। সন্দেশখালির খাঁচাবন্দি বাঘ-কে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এরপরই শাহজাহানকে সাসপেন্ড করার কথা ঘোষণা ক তৃণমূল। দলীয় সব পদ থেকে তাকে সরানো হল। ৬ বছরের এই সাসপেনশনের ঘোষণা করেন সাংসদ ডেরেক ওব্রায়ান। ওই সাংবাদি বৈঠকে ছিলেন, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু, সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও।বৃহস্পতিবার ওব্রায়েন বলেছেন, আমরা শেখ শাহজাহানকে ৬ বছরের জন্য দল থেকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা যা বলি তা করি। আমরা অতীতে এই নজির স্থাপন করেছি, বর্তমানেও সেটাই আবার করলাম।মন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, দলের কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তৃণমূল যে পদক্ষেপ করে, এটাই তার প্রমাণ। কিন্তু বিজেপি তো আর তৃণমূল নয়। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করছি, শুভেন্দু অধিকারী, হিমন্ত বিশ্বশর্মা বা নারায়ণ রাণেকে সাসপেন্ড করে দেখান উনি। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী, ব্রিজ ভূষণ বা অজয় মিশ্র টেনির ব্যাপারে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে?শাহজাহানকে তৃণমূলের সাসপেন্ড প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, এত দিন তো দোষী মানাই হচ্ছিল না ওকে। গ্রেফতার বা সাসপেন্ড সবই নাটক। মুখ বাঁচাতে শাহজাহানকে সাসপেন্ড করল তৃণমূল। যে ভাবে আদালতে ঢুকছিলেন তিনি, তাতে তো মনে হয়নি গ্রেফতার। মনে হচ্ছিল পুলিশকেই গ্রেফতার করেছেন শাহজাহান।সন্দেশখালিতে তৃণমূলের বাহুবলী নেতা শাহজাহান গত ৫৫ দিন ধরে ফেরার ছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোরে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। বসিরহাট আদালত শাহজাহানকে ১০ দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।আদালত শাহজাহানকে পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর পর এই তৃণমূল নেতাকে সিআইডি-র সদর দফতর কলকাতার ভবানী ভবনে নিয়ে আসে পুলিশ। সন্দেশখালি মামলাটি সিআইডির কাছে হস্তান্তরিত হয়েছে বলে সূত্রের খবর।উত্তর ২৪ পরগণা জেলার সন্দেশখালিতে জমি, ভেড়ি দখল এবং মহিলাদের যৌন হেনস্থা মামলায় শেখ শাহজাহান এবং তার সাগরেদরা মূল অভিযুক্ত। গর্জে উঠেছেন সন্দেশখালির মহিলারা। তবে এদিন তাঁকে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মূলত ইডি আধিকারিকদের হামলা, কাজে বাধা দেওয়ার জন্য। মুখ পুড়ছে তৃণমূলের। সঙ্গে ভোটের আগে বাড়ছে চাপ। সম্ভবত সে জন্যই এবার সাসপেন্ডের পদক্ষেপ করে শাহজাহানের সঙ্গে দূরত্ব তৈরির চেষ্টায় রাজ্যের শাসক দল।

ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! থানায় গিয়ে কী জানালেন বিজেপি নেতার স্ত্রী?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ উঠল। বিষ্ণুপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের স্ত্রী মৌসুমী দাস ঘোষ।অভিযোগকারিণীর দাবি, গত শনিবার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংসদ কার্যালয় ভাঙচুরের সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সেই সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।মৌসুমী দাস ঘোষের অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই তিনি লাগাতার হুমকি পাচ্ছেন। তাঁর দাবি, সামাজিক মাধ্যমে অভিষেকের ডিজিটাল যোদ্ধারা তাঁকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করছেন। এই কারণে গত দুদিন ধরে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন।সোমবার সকালে তিনি বিষ্ণুপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগপত্রে আমতলার পার্টি অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হুমকির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।পাশাপাশি তিনি ২০১৮ সালে তাঁর স্বামী অভিজিৎ দাসের উপর প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগও তুলেছেন। তাঁর দাবি, সেই সময় মারধরের ফলে তাঁর স্বামীর দুটি পা ভেঙে যায় এবং তিনি স্থায়ীভাবে শারীরিকভাবে অক্ষম হয়ে পড়েন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁরা পুলিশি নিরাপত্তার দাবিও জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, এর আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আমফানের ত্রাণ বণ্টনে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস নোদাখালি থানায় লিখিত অভিযোগ করে দাবি করেছিলেন, বজবজ ২ ব্লকে প্রায় ৩০ কোটি টাকার ত্রাণ দুর্নীতি হয়েছে এবং ভুয়ো নথি তৈরি করে এই টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

৪৪০ কোটির অ্যাকাউন্ট ফ্রিজেই থাকছে! হাইকোর্টের রায়ে তোলপাড় রাজনৈতিক মহল

কালীঘাট তৃণমূল হাইকোর্টে বড় আইনি ধাক্কা খেল। অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ মামলায় কোনও অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও এর এজলাসে এই মামলার শুনানি হয়।আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই মুহূর্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্ট নিয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে তৃণমূলের অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। দলের তহবিল থেকে বেআইনিভাবে অর্থ সরানোর অভিযোগে পুলিশ ও ইডি তৃণমূলের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করেছিল। এর মধ্যে তিনটি মূল অ্যাকাউন্টে প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা ছিল।এর আগে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর এজলাসে কালীঘাট তৃণমূল আবেদন জানিয়েছিল। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য ওই তিনটি অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের ওপর নজরদারির জন্য একজন বিশেষ আধিকারিকও নিয়োগ করা হয়েছিল।পরবর্তী সময়ে ইডির তল্লাশি অভিযানের পর আরও কয়েকটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়। কালীঘাট তৃণমূলের দাবি ছিল, বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের পর্যবেক্ষণের পরও ইডি কীভাবে নতুন করে আরও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে পারে। এই অভিযোগ নিয়ে তারা পরে বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসের দ্বারস্থ হয়। গত সপ্তাহেই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল।সোমবার রায়ে বিচারপতি স্পষ্ট করেন, ইডি বর্তমানে তদন্ত চালাচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে ফ্রিজ করা অ্যাকাউন্টের ওপর আদালত আপাতত কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর অবশেষে নাড্ডার সাক্ষাৎ! সিজেপিকে কী আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

অবশেষে ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্রদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জে পি নাড্ডা। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করবেন। সিজেপির মুখপাত্র সৌরভ দাস এক্স-এ একটি পোস্ট করে জানান, দুই ঘণ্টারও বেশি অপেক্ষার পর তিনি এবং আশুতোষ রঙ্কা নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান। বৈঠকটি হয় নাড্ডার বাড়িতে এবং প্রায় দশ মিনিট স্থায়ী হয়।সৌরভ দাস লিখেছেন, দুই ঘণ্টার অপেক্ষার পর আশুতোষ আর আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জে পি নাড্ডা। তাঁর বাড়িতে। তবে মাত্র দশ মিনিটের জন্য। আমরা একটি চিঠি জমা দিয়েছি, যেখানে আমাদের সব দাবির কথা লেখা রয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ মহলে কথা বলবেন।এদিকে জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের সংসদ চত্বর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএনআইয়ের শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, সেখানে আর কোনও বিক্ষোভকারী নেই, শুধুমাত্র পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।উল্লেখ্য, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে ২১ দিনের মাথায় পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দেন। সরকার যদি সেই শর্তগুলির মধ্যে কোনও একটি মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ জিতেই গোলপোস্টের নেট কেটে নেন কেন ফুটবলাররা? জানুন রীতির নেপথ্যে লুকিয়ে থাকা ইতিহাস

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। ট্রফি জয়ের উচ্ছ্বাসে যখন গোটা দল মেতে উঠেছে, তখন একটি পরিচিত দৃশ্য আবারও ধরা পড়ল। স্পেনের একাধিক ফুটবলার কাঁচি হাতে গোলপোস্টের নেট কেটে নিজেদের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে রেখে দিলেন। একই দৃশ্য প্রায় প্রতি বিশ্বকাপ, ইউরো কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালের পর দেখা যায়।অন্যদিকে ক্রিকেটেও বড় টুর্নামেন্ট জেতার পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের পিচের দুই প্রান্তের স্টাম্প বা উইকেট খুলে নিয়ে যেতে দেখা যায়। প্রশ্ন উঠতেই পারেএই রীতি কোথা থেকে এল? কেনই বা চ্যাম্পিয়নরা মাঠের এই অংশগুলো নিজেদের কাছে স্মৃতি হিসেবে তুলে রাখেন?স্মৃতিকে ধরে রাখার এক অনন্য ঐতিহ্যক্রীড়াজগতের সবচেয়ে বড় অর্জনগুলোর একটি হলো বিশ্বকাপ বা আন্তর্জাতিক শিরোপা জয়। একজন খেলোয়াড়ের জীবনে এমন মুহূর্ত হয়তো একবারই আসে। তাই সেই ঐতিহাসিক দিনের একটি বাস্তব স্মৃতি সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান অনেকেই।ফুটবলে গোলপোস্টের নেট এবং ক্রিকেটে স্টাম্পএই দুটি জিনিসই সেই ম্যাচের অবিচ্ছেদ্য অংশ। যে নেটে জয়ের গোল জড়িয়েছে কিংবা যে উইকেটের সামনে দাঁড়িয়ে ইতিহাস লেখা হয়েছে, সেটিই হয়ে ওঠে সাফল্যের প্রতীক।ফুটবলে নেট কাটার রীতি কবে থেকে?ফুটবলে গোলপোস্টের নেট কেটে নেওয়ার রীতির নির্দিষ্ট কোনও আনুষ্ঠানিক সূচনা নেই। তবে ক্রীড়া ইতিহাসবিদদের মতে, ১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশক থেকে উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন কলেজ ও পেশাদার খেলাধুলায় এই সংস্কৃতির প্রচলন শুরু হয়।বিশেষ করে বাস্কেটবলে এনসিএএ (NCAA) চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর খেলোয়াড় ও কোচেরা সিঁড়ি বেয়ে উঠে বাস্কেটের জাল কেটে নেওয়ার যে ঐতিহ্য গড়ে ওঠে, তা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। পরে ফুটবলসহ অন্যান্য খেলাতেও একই ধরনের আবেগঘন স্মৃতিচিহ্ন সংগ্রহের সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ে।বিশ্বকাপ, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ কিংবা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো বড় টুর্নামেন্টে অনেক সময় খেলোয়াড়রা গোলপোস্টের নেটের ছোট একটি অংশ কেটে পরিবারের সদস্যদের উপহার দেন কিংবা নিজেদের ট্রফি কেবিনেটে সংরক্ষণ করেন।ফিফা কি এতে আপত্তি করে?না। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর এবং আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পরে খেলোয়াড়রা নেটের ছোট অংশ কেটে নিতে পারেন। তবে সেটি অবশ্যই আয়োজকদের অনুমতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে থেকে করা হয়। অনেক সময় মাঠকর্মীরাই খেলোয়াড়দের নেট কেটে দিতে সাহায্য করেন।ক্রিকেটে স্টাম্প নিয়ে যাওয়ার শুরু কীভাবে?ক্রিকেটে ম্যাচ শেষে স্টাম্প তুলে নেওয়ার ইতিহাস আরও পুরনো। ঊনবিংশ শতাব্দী থেকেই বিশেষ ম্যাচ বা ঐতিহাসিক জয়ের স্মারক হিসেবে স্টাম্প সংরক্ষণের রেওয়াজ ছিল।ধীরে ধীরে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বর্তমানে বিশ্বকাপ, অ্যাশেজ, আইপিএল, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি কিংবা অন্য বড় টুর্নামেন্টের ফাইনাল জয়ের পর বিজয়ী দলের ক্রিকেটারদের স্টাম্প খুলে নিতে দেখা যায়।অনেক খেলোয়াড় সেই স্টাম্পে পুরো দলের স্বাক্ষর করিয়ে ব্যক্তিগত সংগ্রহে রাখেন। কেউ আবার তা নিজের ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, জাদুঘর বা পরিবারের কাছে স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করেন।শুধু আবেগ নয়, ইতিহাসেরও অংশগোলপোস্টের নেট কিংবা স্টাম্পএগুলি আসলে কোনও সাধারণ সরঞ্জাম নয়। এগুলি সেই মুহূর্তের সাক্ষী, যখন একটি দল ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তাই ট্রফির পাশাপাশি এই ছোট্ট স্মৃতিচিহ্নও খেলোয়াড়দের কাছে অমূল্য সম্পদ হয়ে ওঠে।হয়তো বহু বছর পরে কোনও জাদুঘরে কিংবা নিজের ঘরের ট্রফি কেবিনেটে রাখা সেই নেটের টুকরো বা স্টাম্প দেখে আবার ফিরে আসবে সেই বিশ্বজয়ের রাত, দর্শকদের গর্জন আর সাফল্যের অবিস্মরণীয় মুহূর্ত।২০২৬ বিশ্বকাপেও সেই ঐতিহ্যের পুনরাবৃত্তিনিউ জার্সির ফাইনালে স্পেনের ফুটবলারদের গোলপোস্টের নেট কেটে নিতে দেখা যাওয়ায় আবারও প্রমাণ মিললসময় বদলেছে, প্রযুক্তি বদলেছে, কিন্তু চ্যাম্পিয়নদের আবেগ বদলায়নি। ট্রফি জয়ের আনন্দের সঙ্গে মাঠের একটি ছোট্ট অংশকে স্মৃতি হিসেবে বয়ে নিয়ে যাওয়ার এই ঐতিহ্য আজও বিশ্ব ক্রীড়ার অন্যতম সুন্দর ও আবেগঘন অধ্যায়

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

‘ধন্যবাদ, ভারত!’ বিশ্বকাপ হারলেও ভারতীয় সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনালে স্পেনের কাছে হৃদয়ভাঙা পরাজয়ের পরও ভারতীয় ফুটবলপ্রেমীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন ভারতে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো। সামাজিক মাধ্যম এক্স (X)-এ এক আবেগঘন বার্তায় তিনি ভারতীয় সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে লেখেন, আর্জেন্টিনা দলের প্রতি এই বিশ্বকাপ জুড়ে ভারতীয় মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য আমি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ। আবারও ধন্যবাদ, ভারত!বিশ্বকাপে শিরোপাধারী হিসেবে অভিযান শুরু করেছিল আর্জেন্টিনা। টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত ট্রফি ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে স্পেনের কাছে পরাজিত হয় লিওনেল মেসির দল।ম্যাচের একমাত্র এবং জয়সূচক গোলটি করেন ফেরান তোরেস, অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে। এই জয়ে ২০১০ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতে স্পেন।পুরো ম্যাচে বলের দখল এবং আক্রমণে আধিপত্য ছিল স্পেনের। অন্যদিকে আর্জেন্টিনাকে বহুবার রক্ষা করেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ, যিনি একাধিক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে লড়াইয়ে টিকিয়ে রাখেন।Deeply grateful to the Indian People for the endless displays of support for the Argentine team during this latest World Cup. Thank you, India, once again! pic.twitter.com/kd9hmTBnON Mariano Caucino (@CaucinoMariano) July 20, 2026তবে ম্যাচের শেষদিকে বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা। নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন এনজো ফার্নান্দেজ, ফলে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় মেসিদের।অতিরিক্ত সময়ে প্রথমে নিকো উইলিয়ামস গোল করলেও ফাউলের কারণে তা বাতিল হয়। এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই উইলিয়ামসের পাস থেকে ফেরান তোরেস জোরালো শটে বল জালে জড়িয়ে স্পেনকে বিশ্বকাপ এনে দেন।এই জয়ের ফলে আন্তর্জাতিক ফুটবলে স্পেনের অপরাজিত থাকার রেকর্ড বেড়ে দাঁড়ায় ৩৮ ম্যাচে, যা ইউরোপীয় ফুটবলের ইতিহাসে নতুন নজির। একইসঙ্গে ৬৪ বছর পর বিশ্বকাপ শিরোপা সফলভাবে ধরে রাখার আর্জেন্টিনার স্বপ্নও ভেঙে যায়।তবুও গোটা টুর্নামেন্টে ভারতীয় সমর্থকদের বিপুল ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশেষ করে লিওনেল মেসিকে ঘিরে ভারতের ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ বরাবরের মতোই নজর কেড়েছে। সেই ভালোবাসার স্বীকৃতি দিতেই বিশ্বকাপ শেষ হতেই ভারতীয় সমর্থকদের উদ্দেশে কৃতজ্ঞতার বার্তা দেন রাষ্ট্রদূত মারিয়ানো কাউচিনো।বিশ্বকাপ জয় হাতছাড়া হলেও, ভারত ও আর্জেন্টিনার ফুটবল-সম্পর্ক যে আরও গভীর হয়েছে, রাষ্ট্রদূতের এই বার্তাই যেন তারই প্রমাণ।

জুলাই ২০, ২০২৬
দেশ

পুলিশি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই পথে সিজেপি, যন্তর মন্তরে তুমুল ধুন্ধুমার

পুলিশ অনুমতি না দিলেও পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সংসদ অভিযানে নামে ককরোচ জনতা পার্টি। ১৬৩ ধারা উপেক্ষা করে মিছিল বের করতেই রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ব্যারিকেড ভেঙে সংসদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে। প্রায় পাঁচ হাজার পুলিশ ও আধাসেনা মোতায়েন করে যন্তর মন্তর চত্বর ঘিরে ফেলা হয়।দিল্লি পুলিশ আগেই জানিয়েছিল, সংসদ অভিযানের জন্য সিজেপির পক্ষ থেকে কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি। এমনকি অনুমতি চাইলেও তা দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছিল। পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, সংসদ ও তার আশপাশের এলাকা উচ্চ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে পড়ে। তাই সেখানে কোনও মিছিল বা জমায়েত আইনশৃঙ্খলার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। পাশাপাশি যানজটের আশঙ্কাও রয়েছে। তাই সংসদের দিকে কোনও মিছিল এগোতে দেওয়া হবে না।পুলিশের এই সতর্কবার্তার পরও সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়, বৃষ্টি বা কড়া নিরাপত্তা কোনও কিছুই তাদের আন্দোলন থামাতে পারবে না। সেই অনুযায়ী সোমবার সকালে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে।संसद के सामने युवाओं पर आँसू गैस छोड़ना बंद कीजिए।दमन की बजाय संवाद का रास्ता चुनिए।#संसद_मार्च pic.twitter.com/C2MHT55Mpk Cockroach Janta Party (@CJP_for_India) July 20, 2026নিরাপত্তার কারণে দিল্লির পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশনরাজীব চক, জনপথ, প্যাটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং সেবা তীর্থসাধারণ যাত্রীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত এই স্টেশনগুলি বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। যন্তর মন্তর ছাড়া দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েতও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছে ককরোচ জনতা পার্টি। গত ২৮ জুন থেকে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে আমরণ অনশনে বসেছিলেন। তবে একুশ দিন পর পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকেই সোমবার সোনম তিনটি শর্ত দিয়েছেন। সরকার যদি তার মধ্যে কোনও একটি শর্ত মেনে নেয়, তবে তিনি অনশন প্রত্যাহার করতে রাজি বলে জানিয়েছেন।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেককে বিদেশ যেতে দিল না হাই কোর্ট! এসএসকেএমেই চিকিৎসার নির্দেশে তীব্র চাঞ্চল্য

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও এক বড় আইনি ধাক্কা খেলেন। তাঁকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যাওয়ার অনুমতি দিল না কলকাতা হাই কোর্ট। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়লেও আপাতত বিদেশ যেতে পারবেন না অভিষেক। তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছে আদালত।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপিকে উদ্দেশ করে অভিষেকের ডিজে বাজানোর মন্তব্য নিয়ে মামলা হয়। সেই মামলার শুনানিতেই সোমবার বিষয়টি ওঠে। অভিষেকের আইনজীবী আদালতের কাছে আইনি রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানান। বিচারপতি সেই আবেদন মেনে আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ান।তবে আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, আগামী ২৯ জুলাই চোখের চিকিৎসার জন্য আমেরিকা যাওয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হচ্ছে না। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, বিদেশেই কেন চোখের চিকিৎসা করাতে হবে? কলকাতাতেও চোখের চিকিৎসার জন্য একাধিক হাসপাতাল রয়েছে। প্রয়োজনে এসএসকেএম হাসপাতালে অভিষেকের চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা যেতে পারে বলেও জানান তিনি।আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য ও সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় বিচারপতির এই মন্তব্যের বিরোধিতা করেন। তখন বিচারপতি জানান, আদালত কখনওই চান না আবেদনকারীর চিকিৎসায় কোনও সমস্যা হোক। তাই প্রথমে এসএসকেএম হাসপাতালে সমস্ত পরীক্ষানিরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্ট দেখে পরে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে, অভিষেক বিদেশে চিকিৎসার জন্য যেতে পারবেন কি না।উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ডানকুনি হাইওয়ের কাছে এক পথ দুর্ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাঁ চোখে গুরুতর আঘাত লাগে। এরপর দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে তাঁর চিকিৎসা চলে। পরে তিনি আমেরিকাতেও চিকিৎসা করান এবং নির্দিষ্ট সময় অন্তর সেখানে চেকআপের জন্য যেতে হয়। তবে আদালতের নির্দেশ মেনে আপাতত আগামী দুমাস তিনি বিদেশে যেতে পারবেন না।

জুলাই ২০, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগেই বিস্ফোরণ! ফাইল খুলে কী প্রকাশ করবেন শুভেন্দু?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগের দিন বড় রাজনৈতিক ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানিয়েছেন, সোমবার বিকেলে বিধানসভায় বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করবেন।সোমবার সকালে বিধানসভায় এসে মুখ্যমন্ত্রী অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুর কাছে ১০ মিনিট সময় চেয়ে আবেদন করেন। তিনি বলেন, বিকেলে ১০ মিনিট সময় নেব। ২১ জুলাই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট পড়ে শোনাব। আগের সরকার কমিশন তৈরি করলেও সেই রিপোর্ট কোনওদিন প্রকাশ করেনি। রিপোর্টে কী আছে, তা আজ জানানো হবে।১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই সচিত্র পরিচয়পত্রের দাবিতে যুব কংগ্রেস মহাকরণ অভিযান করেছিল। সেই আন্দোলন পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর সরকারের আমলে বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। সেই ঘটনায় ১৩ জন যুব কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল।এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন তখনকার যুব কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন এবং ২০১১ সালে মুখ্যমন্ত্রী হন। ক্ষমতায় আসার পর তিনি ২১ জুলাইয়ের ঘটনার তদন্তের জন্য বিচারপতি সুশান্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তদন্ত কমিশন গঠন করেন।তবে দীর্ঘ ১৫ বছর সেই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়নি। রিপোর্টটি ফাইলবন্দি অবস্থায় ছিল। এদিকে সেই সময় গুলিচালনার নির্দেশ দেওয়া প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্তকে পরে বিধায়ক ও মন্ত্রী করা হয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে কংগ্রেস ও তৃণমূলের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।মঙ্গলবার ৩৩তম শহিদ দিবস পালিত হবে। তার আগের দিনই এই তদন্ত কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করার ঘোষণা রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলের নজর, সেই রিপোর্টে ঠিক কী কী তথ্য সামনে আসে।

জুলাই ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal