• ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ১৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rape Case

দেশ

‘তিনি সাজাপ্রাপ্ত আসামি!’ কুলদীপ সেঙ্গারের মুক্তিতে রাশ টানল সুপ্রিম কোর্ট

উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডে বড় মোড়। বিজেপির বহিষ্কৃত প্রাক্তন বিধায়ক কুলদীপ সেঙ্গারের জামিনে স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। সোমবার মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন তিন বিচারপতির অবকাশকালীন বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে এই মুহূর্তে মুক্তি দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে আপাতত জেলমুক্তি হচ্ছে না কুলদীপ সেঙ্গারের। এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি পেয়েছেন উন্নাও-কাণ্ডের নির্যাতিতা ও তাঁর পরিবার।উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে উন্নাও ধর্ষণ মামলায় নিম্ন আদালত কুলদীপ সেঙ্গারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেয়। তবে গত মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্ট সেই সাজা মকুব করে তাঁকে জামিন দেয়। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়। সোমবার শুনানিতে শীর্ষ আদালত জানায়, দিল্লি হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্ত দেশের আইনশৃঙ্খলা ও বিচারব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ মন্তব্য করে, দেশের বিচারব্যবস্থা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এ ধরনের মামলায় অত্যন্ত সতর্কতা প্রয়োজন।শুনানির সময় সিবিআইয়ের তরফে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। তিনি আদালতকে জানান, দিল্লি হাইকোর্ট কুলদীপ সেঙ্গারকে পকসো আইনের আওতায় আনেনি এই যুক্তিতে যে তিনি জনপ্রতিনিধি ছিলেন না। কিন্তু পকসো আইনের সংজ্ঞা এই ব্যাখ্যাকে সমর্থন করে না বলেও জানান তিনি।সলিসিটর জেনারেলের যুক্তি ছিল, পকসো আইনে জনপ্রতিনিধি বলতে কেবল পদবির কথা বলা হয়নি। অভিযুক্ত ব্যক্তি সমাজে নির্যাতিত শিশুর তুলনায় কতটা ক্ষমতাশালী, সেটাই মূল বিষয়। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কুলদীপ সেঙ্গার একজন প্রভাবশালী বিধায়ক ছিলেন এবং এলাকায় তাঁর দাপট ছিল।এই যুক্তি শোনার পর প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, দিল্লি হাইকোর্টের এই ব্যাখ্যা মানলে পরিস্থিতি হাস্যকর হয়ে দাঁড়াবে। তাঁর মন্তব্য, তাহলে একজন পুলিশ কনস্টেবল জনপ্রতিনিধি হয়ে যাবেন, কিন্তু কোনও বিধায়ক বা সাংসদ নন।তবে অভিযুক্তের পক্ষের বক্তব্য না শুনে সাধারণত কোনও ট্রায়াল কোর্ট বা হাইকোর্টের দেওয়া জামিনে স্থগিতাদেশ দেয় না সুপ্রিম কোর্ট। সেই কারণেই কুলদীপ সেঙ্গারের পক্ষের বক্তব্য জানতে চেয়েছে শীর্ষ আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানির দিকে এখন তাকিয়ে গোটা দেশ।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২৫
রাজ্য

হাঁসখালি কাণ্ডে তৃণমূল নেতার ছেলে সহ তিনজনের যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা আদালতের

নদিয়ার হাঁসখালি গণধর্ষণ, খুন ও প্রমান লোপাটের ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ রায় ঘোষণা করে আদালত। গতকাল, সোমবার মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে তৃণমূল কংগ্রেসের এক নেতা সহ মোট ৯ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। দোষ প্রমাণিত হওয়ার পর আজ রাণাঘাট আদালত অভিযুক্তদের সাজা ঘোষণা করে। মূল অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার ছেলে ব্রজ গয়ালী, প্রভাকর পোদ্দার ও রঞ্জিত মল্লিক তিনজনকে যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা করা হয়েছে। বাকিদের সাজাও ঘোষণা করেছে আদালত। তৎকালীন পঞ্চায়েত সদস্য সমরেন্দ্র গয়ালীর পাঁচ বছর কারবাসের সাজা হয়েছে।আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় অভিযুক্তদের প্রত্যক্ষ ভূমিকা, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য এবং তদন্তকারী সংস্থার পেশ করা নথি ও তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতেই এই রায় দেওয়া হয়েছে। মামলায় সরকারি কৌঁসুলি সওয়ালে জানান, অভিযুক্তরা পরিকল্পিতভাবে অপরাধে যুক্ত ছিল এবং তা প্রমাণ করতে পর্যাপ্ত তথ্য আদালতের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। পুলিশ প্রথমে গ্রেফতার করেছিল ২ জনকে। তারপর হাইকোর্টের নির্দেশে এই মামলার তদন্তভার হাতে যায় সিবিআইয়ের ওপর।রায় ঘোষণার সময় আদালত চত্বরে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। রায় শোনার পর দোষী সাব্যস্ত হওয়া অভিযুক্তদের সংশোধনাগারে পাঠানো হয়। আদালতের এই সিদ্ধান্তে হাঁসখালি সহ গোটা নদিয়া জেলায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এই মামলাকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক চলছিল। বিরোধী দলগুলির অভিযোগ ছিল, অভিযুক্তদের মধ্যে শাসকদলের নেতা থাকায় তদন্ত প্রক্রিয়ায় প্রভাব খাটানোর চেষ্টা হয়েছে। উচ্চতর আদালতে যাবেন বলে আসামী পক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২৫
রাজ্য

RG Kar কাণ্ডে তৃণমূলের দাপুটে নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ অভয়ার বাবার! উত্তাল রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে ফের নয়া মোড়! তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। টাকা দিয়ে রফা করতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ!আরজি কর কাণ্ডে ফের নয়া মোড়! তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। টাকা দিয়ে রফা করতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ! আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা তরুণীর বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করতেই কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে পালটা বোমা ফাটালেন নির্যাতিতার পরিবার।কী অভিযোগ নির্যাতিতার বাবার? সংবাদ মাধ্যমের সামনে তিনি কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বলেন, আমাদের সঙ্গে উনি টাকা দিয়ে ব্যাপারটা মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন। বাড়িতে আসেননি, তবে বলেছিলেন আপনাদের এত টাকা দিচ্ছি, ব্যাপারটা মিটিয়ে নিন। পাশাপাশি বেশ কিছু হোয়্যাটসঅ্যাপ চ্যাটও সাংবাদিকদের দেখান নির্যাতিতার বাবা। তিলোত্তমার মা-বাবা আরও অভিযোগ করেন, মাঝেমধ্যেই কুণাল ঘোষ তাঁদের ফোন ও মেসেজ করতেন। এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কুণাল ঘোষও। তাঁর কথায়, তিলোত্তমার বাবা বলছেন আমি নাকি ফোন করে রফার চেষ্টা করতাম! এতদিন পর এসব বলছেন? কত বড় মিথ্যা বলছেন ভেবে দেখুন। আমি অনুরোধ করছি, কোর্টে গিয়ে মাননীয় বিচারকের কাছে সব প্রমাণ দিন। সাংবাদিকদেরও প্রিন্ট আউট দিয়ে দিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সবটা দিয়ে দিন। সবাই দেখুক কুণাল ঘোষ কী লিখেছিলেন। অকারণে রহস্য বাড়ানোর চেষ্টা করবেন না।কোনও ভাবেই মেয়ের ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনার যে অঙ্গীকার তা থেকে আমাদের পিছু হটানো যাবে না। তৃণমূল সরকার বারে বারে যাতে ন্যায় বিচার না পাই তার চেষ্টা করেছে। এবার এক সন্তানহারা বাবার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন তৃণমূলেরই মুখপাত্র। তবে মেয়ের ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনবই। কোনও শক্তি সেই ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনার লড়াই থেকে আমাদের বিরত করতে পারবে না। কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে লড়াই হবে আইনি পথেই। এভাবেই বছর পেরোলেও মনোবল অটূট রেখে লড়াই জারির বার্তা দিলেন আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের বাবা।আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিহত তরুণী চিকিৎসকের বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের। বুধবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে নির্যাতিতার বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই সংবাদমাধ্যমের সামনে আরজি করের নির্যাতিতার বাবার অভিযোগ ছিল, CBI টাকা নিয়ে তদন্ত চেপে দিয়েছে। সিবিআইকে টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। কুণাল ঘোষ সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে বিষয়টা দেখাশোনা করেছেন। আরজি করের নির্যাতিতার বাবার এই মারাত্মক অভিযোগের ব্যাপারে আগেই কুণাল ঘোষ তাঁকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। এবার তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন তিনি।এর আগে গত সপ্তাহে নিহত চিকিৎসকের বাবাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়ে ক্ষমা চাইতে বলেন কুণাল ঘোষ। তিনি জানান, নিহত চিকিৎসকের বাবার প্রতি ম্পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে, তবে ইচ্ছেমতো বা অন্য কারও প্ররোচনায় মিথ্যে অভিযোগ করা যায় না। পাশাপাশি কুণাল ঘোষ সতর্ক করে বলেন,ক্ষমা না চাইলে আদালতে প্রমাণ হাজির করতে হবে। নোটিশ পাওয়ার পর চার দিনের সময়সীমা দিয়েছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র।কুণাল ঘোষ বলেন, তিনি মিথ্যে ও নাটকের সব সীমা অতিক্রম করেছেন। আমি বুঝি, মেয়েকে হারানোর যন্ত্রণায় থাকা এক বাবার বেদনা কতটা গভীর। কিন্তু তাই বলে ভিত্তিহীন অভিযোগ করলে প্রশ্ন উঠবেই। কার নির্দেশে বা কোন তথ্যের ভিত্তিতে এমন কথা বললেন? উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট রাতে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ডিউটিতে থাকা ৩১ বছর বয়সি এক চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। ঘটনায় এক সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। পরে সিবিআই তদন্তেও দোষী হিসাবে উঠে আসে সঞ্জয়ের নামই। শিয়ালদা আদালতে সঞ্জয়কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেয়।নিহত চিকিৎসকের বাবা সিবিআই তদন্তের কড়া সমালোচনা করে বলেন, সিবিআই শুধু কলকাতা পুলিশের সেই পুরনো তত্ত্বকেই প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছে। আমরা শুরু থেকেই ভিন্ন দাবি জানালেও সিবিআই আমাদের বক্তব্য উপেক্ষা করেছে। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার সিবিআইকে ঘুষ দিয়েছে এবং কুণাল ঘোষই এই সমঝোতা করিয়েছেন।

আগস্ট ২১, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

Swara Bhaskar : শ্লীলতাহানির চেষ্টা, দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের স্বরা ভাস্করের

দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুললেন স্বরা ভাস্কর। শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়েরও করেছেন বলিউড অভিনেত্রী। যাঁদের মধ্যে একজন সাধারণ টুইটার ব্যবহারকারী এবং অন্য আরেকজন ইউটিউবার।স্বরা ভাস্করের অভিযোগ, ওই দুই ব্যক্তি তাঁর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ধরণের কুরুচিকর কথাবার্তা ছড়িয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছে। যা অভিনেত্রীর ভাবমূর্তি নষ্ট করতে পারে। আর সেই প্রেক্ষিতেই দিল্লির বসন্তকুঞ্জ থানায় ওই টুইটার ব্যবহারকারী এবং ইউটিউবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। ঘটনার পরই অভিনেত্রী নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। ক্ষুব্ধ বলিউড অভিনেত্রী টুইটে লেখেন, আমি একা নই। নেটমাধ্যমে আমার মতো এরকম অনেকেই হেনস্তার শিকার হন। যেসব মহিলারা আদতে স্পষ্টবাদী, তাঁদের এভাবেই খেসারত দিতে হয়। কিন্তু এটা একদমই ঠিক নয়।উল্লেখ্য, স্বরা বরাবরই স্পষ্টবাদী। রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে যে কোনও সামাজিক ইস্যু নিয়ে আগাগোড়া স্পষ্টভাষায় নিজের জবাব দেন। যার জেরে সোশ্যাল মিডিয়াতে কম আলোচনা হয় না।

অক্টোবর ১১, ২০২১
রাজ্য

অভিযু্ক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট লঘু করা হয়েছেঃ অগ্নিমিত্রা

ধর্ষণের ঘটনায় অভিযু্ক্ত তথা ধৃ্ত মনোহর ঘোষ কতদিন পুলিশ হেফাজতে থাকবে , তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলেন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। তিনি অভিযোগ করেন, চার্জশিট লঘু করা হয়েছে। শনিবার বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বুদবুদের ধর্ষিতাকে দেখতে এসে এভাবেই রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করলেন বিজেপি মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পল। তিনি বলেন, প্রতিবাদ করতে গেলে আমার নামে এফআইআর করা হচ্ছে। দিদিমণি যে আমাকে অত্যন্ত ভালবাসেন , এটা জেনে ভাল লাগল। উনি যদি ভাবেন, আমাকে বা আমাদের মহিলা মোর্চার সদস্যাদের কেস দিয়ে আটকাতে পারবেন, পারবেন না। দশ বছর ধরে মহিলাদের উপর যে অত্যাচার হচ্ছে, তাতে না তিনি প্রতিবাদ করছেন। কোনও ব্যবস্থাও গ্রহণ করছেন না। দিনের পর দিন ধর্ষণ হচ্ছে। কোনও শাস্তি নেই, বিচার নেই। তৃ্ণমূল দল থেকে টাকা নিয়ে কেস তোলার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। আমাকে এফআইআর দিয়ে যদি নারী নিগ্রহের ঘটনা বন্ধ হয় , তা হলে আমায় আরো এফআইআর দিন। আরও পড়ুন ঃ কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি সিবিআইয়ের প্রসঙ্গত, গত ২৬ নভেম্বর বুদবুদের মৌগ্রামে এক তপশিলী বালিকা ধর্ষিতা হয়। বিজেপির তরফে অভিযোগ ওঠে অভিযুক্ত তৃণমূল গ্রাম প্রধানের ছেলে পাপাই ঘোষ। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই নিয়ে শুক্রবার বিজেপি যুব মোর্চা ওই গ্রামে যায়। ওই নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, ওই মেয়েটি কিছু জিনিস আনার জন্য দোকানে যাচ্ছিল। সে সময় তাকে জোর করে মুখ বন্ধ করে ঝোপে টেনে নিয়ে নির্যাতন চালায় অভিযুক্ত। বিজেপির অভিযোগ, অভিযুক্ত মনোহর ঘোষ পঞ্চায়েতে তৃণমূল পদাধিকারীর ছেলে। নির্যাতিতাকে মানকর গ্রামীণ হাসপাতাল থেকে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এদিন অগ্নিমিত্রা হাসপাতালে আসেন ও নির্যাতিতার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন ওই মেয়েটিকে কার্যত একটি ১২ ইঞ্চি জায়গায় রাখা হয়েছে। অন্যদিকে মাননীয়া দাবি করছেন রাজ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। এদিন অগ্নিমিত্রা অভিযোগ করেন রাজ্যে জলপাইগুড়ি সহ নানা স্থানে একাধিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এই অভিযোগগুলির ক্ষেত্রে অভিযুক্ত যদি তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী বা সমর্থক হন তাহলে পুলিশ নীরব দর্শক হয়ে থাকছে। কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। কেস লঘু করে দেওয়া হচ্ছে। এই চুক্তিতে যে ভবিষ্যতে তাকে দিয়ে আরো নানা কাজ করানো যাবে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি হচ্ছে ঝালমুড়ির মতোঃ ফিরহাদ তিনি আরও বলেন, আমি কি কোনও ্মিথ্যা কথা বলেছি? আপনি যদি ধর্ষিতাদের টাকা না দিয়ে নির্ভয়ার মতো শাস্তি দিতেন, তাহলে আমরা বেশি খুশি হতাম। তাহলে আমাদের আন্দোলন করার দরকার হতো না। কিন্তু আপনি সেটা করেননি। আপনি এবং আপনার পুলিশ সমস্ত কিছু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। এনসিআরবির রিপোর্ট এখনও জমা পড়েনি কেন, সে বিষয়ে ্প্রশ্ন তোলেন তিনি। সব অপরাধের শীর্ষে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, এই মন্তব্য করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ত্যাগী কথা শুনে সকলে দলত্যাগ করছেনঃ লকেট অন্যদিকে শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিত্ব ত্যাগ নিয়ে অগ্নিমিত্রা বলেন, পদত্যাগ করার কথা। ও্নার মতো দক্ষ সংগঠক যাদের অন্য কাউকে তোষামো্দ করার প্রয়োজন পড়ে না, তারা টিএমসিতে থাকতে পারবেন না। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ভাইপো ছাড়া কাউকে মান্যতা দেন না। কোনো দায়িত্ববান গুণী, কাজের মানুষ ওদের সঙ্গে থাকতে পারবেন না। তাই কোনো যোগ্য মানুষ ওই দলে থাকতে পারবেন না। ও্নার বিজেপিতে যোগ দেওয়া উচিত। বিজেপির দরজা সবার জন্য খোলা।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
বিনোদুনিয়া

মিঠুনের ছেলে ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর

সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তীর ছেলে মহাক্ষয় ওরফে মিমোর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস, প্রতারণা এবং জোর করে গর্ভপাতের অভিযোগ করেছেন এক তরুণী। যোগিতা বালির বিরুদ্ধে নির্যাতিতাকে ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। মুম্বইয়ের ওশিওয়াড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতা তরুণী। এই তরুণী পেশায় মডেল। তার দাবি, ২০১৫ সালে মিমো তাঁকে বাড়িতে ডেকে পাঠায়। তিনিও মিঠুন পুত্রের ডাকে সাড়া দিয়ে বাড়িতে যান। অভিযোগ, মাদক মিশ্রিত ঠান্ডা পানীয় ওই তরুণীকে খেতে দেন মিমো। তিনি প্রায় অচৈতন্য হয়ে পড়েন। সেই সুযোগে মিমো তাঁর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করেন। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে মিমো তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ তার। এরপর বছরচারেক পর অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন ওই তরুণী। সেকথা মিমোকে জানালে তিনি বিয়ে করতে অস্বীকার করেন । আরও পড়ুনঃ কঙ্গনা রানাওয়াতের বিরুদ্ধে এফআইআরের নির্দেশ কোর্টের মিমো এরপর ওই তরুণীকে গর্ভপাতের জন্য চাপ দিলে সে তাতে রাজি হয়নি। অভিযোগ , এরপর তাকে না জানিয়ে ওষুধ খাইয়ে মিমো তার গর্ভপাত করান। এমনকী নির্যাতিতার আরও অভিযোগ, মিমোর মা যোগিতা বালিও তাঁকে হুমকি দেন। ইতিমধ্যে ২০১৮ সালে মহাক্ষয় ওরফে মিমো বিয়ে করেন। সেই সময় তিনি ধর্ষণের মামলা রুজু করার চেষ্টা করেন। তবে পুলিশ তাঁর অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে। এরপর দিল্লিতে চলে যান নির্যাতিতা। দিল্লির রোহিণী আদালত প্রাথমিক প্রমাণাদির ভিত্তিতে এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দেন।

অক্টোবর ১৭, ২০২০
দেশ

হাথরাস গণধর্ষণ কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ যোগীর

হাথরস গণধর্ষণের ঘটনায় অবশেষে চাপের মুখে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হল উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। গোটা ঘটনার তদন্তভার তুলে দেওয়া হচ্ছে সিবিআইয়ের হাতে।এমনই সিদ্ধান্তের কথা শনিবার জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ। সারা দেশ উত্তাল হাতরস কাণ্ড নিয়ে।নির্যাতিতার জন্য পথে নেমে সওয়াল করছে রাজনৈতিক -অরাজনৈতিক সব পক্ষ।হাতরস কাণ্ডে বহু বিষয়ই হাতের বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে। ভেঙে পড়ছে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা। বেগতিক বুঝেই শনিবার বিকেলে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন যোগী আদিত্যনাথ। তার আগে ধর্ষিতা দলিত কন্যার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন ডিজিপি এইচসি অস্তি এবং স্বরাস্ট্রসচিব অবিনাশ অতশী। তাদের সামনে ক্ষোভ উগরে দেন মৃতার পরিবার। খবর পৌঁছয় যোগীর টেবিলে।এদিকে আজ রাহুল গান্ধি ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধি দেখা করেন হাতরস কন্যার পরিবারের সঙ্গে। দেশের নানা প্রান্তে পথে নামছে বিরোধীরা।যন্তরমন্তর থেকে গর্জন করছেন চন্দ্রশেখর আজাদের ভীম আর্মির সদস্যরা। পথে নেমেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। দাবি করা হচ্ছে যোগীর পদত্যাগ।বিজেপি নেত্রী উমা ভারতীও যোগীকে এই ঘটনায় সঠিক পদক্ষেপ নিতে বলেছেন। এই চাপের মুখেই সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিলেন যোগী আদিত্যনাথ।অন্যদিকে,পরিবারের সঙ্গে দেখা করে রাহুল গান্ধী বলেন, কোনও শক্তি আমাদের রুখতে পারবে না। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে রয়েছি। তাদের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের।প্রিয়াঙ্কা বলেন, মেয়েটির পরিবার ন্যায়বিচার না পাওয়া অবধি আমরা লড়ে যাব। যোগী আদিত্যনাথ নিজের দায়িত্বকর্তব্য ভুলে যেতে পারেন না। আর দ্ব্যর্থহীন ভাষায়ক্ষোভ উগড়ে দেন মৃতার ভাই। তিনি বলেন, জেলাশাসক আমাদের শাসিয়েছে। তাকে কেন বরখাস্ত করল না সরকার? ন্যায়বিচার না পাওয়া পর্যন্ত আমার বোনের অস্থিবিসর্জন হবে না।

অক্টোবর ০৩, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষায় সিআইডি, তারপর যা করলেন অভিষেক জানলে চমকে যাবেন

সিআইডির নোটিস ঘিরে শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা তাঁর কালীঘাটের বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করার পরও সরাসরি তাঁর হাতে নোটিস তুলে দিতে পারেননি তদন্তকারীরা। শেষ পর্যন্ত নোটিস গ্রহণ করেন তাঁর অফিসের এক কর্মী।শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, তিনি কখনও তদন্ত থেকে পালিয়ে যাননি এবং সবসময় তদন্তে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর কথায়, দিল্লি থেকে ফিরে বৃহস্পতিবারই তিনি সিআইডি দফতরে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি। আগামী চৌদ্দ তারিখ আবারও সিআইডি দফতরে হাজিরা দেবেন বলেও জানান তৃণমূল সাংসদ।সিআইডিকে এতক্ষণ অপেক্ষা করানোর কারণ ব্যাখ্যা করে অভিষেক বলেন, সেদিন দলীয় বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। বৈঠক চলাকালীন তদন্তকারীরা নোটিস দিতে এসেছিলেন। তিনি তাঁর সহকারীকে নোটিস গ্রহণ করার জন্য বলেছিলেন। তবে যদি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর হাতেই নোটিস দিতে হয়, তাহলে অপেক্ষা করতেই হবে বলে তিনি জানান। তাঁর দাবি, তদন্তে সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত এবং তদন্ত এড়ানোর কোনও প্রশ্নই নেই।এদিন সিআইডির ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিষেক। তিনি অভিযোগ করেন, ভবানীভবনে তাঁকে কী কী প্রশ্ন করা হয়েছে, সেই তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর দাবি, তিনি নিজে কোনও তথ্য প্রকাশ করেননি। ফলে তদন্তকারী সংস্থার তরফ থেকেই সেই তথ্য বাইরে এসেছে বলে তাঁর সন্দেহ। বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানান তিনি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় করা ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তে শুক্রবার বিকেলে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে যায় সিআইডির একটি দল। কিন্তু সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে তদন্তকারীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বাড়ির সামনে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ও জমতে শুরু করে।সূত্রের খবর, ওই সময় কালীঘাটে দলীয় কার্যালয়ে বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন অভিষেক। পরে সন্ধ্যা সাতটার পর তিনি বাড়িতে ফেরেন। সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখার পর বাড়ির ভিতরে চলে যান। তবে তদন্তকারীদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করেননি। কিছুক্ষণ আরও অপেক্ষা করার পর সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর অফিসের এক কর্মীর হাতে নোটিস তুলে দেন।জানা গিয়েছে, এই মামলায় আগামী ষোলো জুন সিআইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তার আগে সই জালিয়াতি মামলায় চৌদ্দ জুন তাঁকে আবার ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হবে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

৬৩৫ কোটি টাকার ‘বিজ্ঞাপন কেলেঙ্কারি’! মমতা জমানার খরচ ঘিরে বিস্ফোরক শুভেন্দু

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে আয়োজিত শিল্প সম্মেলনকে ঘিরে এবার দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেন, বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট আয়োজনের জন্য একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে ৬৩৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। এই বিপুল অর্থ ব্যয়ের পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, মানুষের করের টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে, তার পূর্ণ হিসাব সামনে আনতেই তদন্ত করা হবে। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তকারী কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছেও বিষয়টি পাঠানো হবে। তাঁর দাবি, জনগণ তাঁদের দায়িত্ব দিয়েছে বলেই কোনও অভিযোগকে উপেক্ষা করা হবে না।একই সুর শোনা যায় রাজ্যের নতুন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের গলায়। তিনি বলেন, সরকারি অর্থ অপচয় বা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠলে তার তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিজিবিএস নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। কতগুলি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কতটা প্রকৃত লগ্নি এসেছে এবং শিল্পের ক্ষেত্রে তার বাস্তব ফল কী হয়েছে, সেই তথ্য আগামী সপ্তাহে সরকারের হাতে পৌঁছাবে বলে জানান তিনি।তাপস রায়ের বক্তব্য, শিল্প সম্মেলন হওয়া প্রয়োজন এবং সেখানে দেশ-বিদেশের শিল্পপতিরা আসবেন, সেটাই স্বাভাবিক। তবে কোনও অনুষ্ঠানের জন্য এত বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ খরচের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখা দরকার। তিনি বলেন, বাংলায় নতুন শিল্প আনার জন্য বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।টাটা গোষ্ঠীর প্রসঙ্গও ওঠে সাংবাদিক বৈঠকে। তাপস রায়ের দাবি, ভবিষ্যতে টাটা-সহ একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠী বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাবে। শিল্পায়নের জন্য জমি নীতি, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।এদিন নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের বারো বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি এবং অবকাঠামোগত সাফল্য তুলে ধরতেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। উদ্বোধনের পর প্রদর্শনী ঘুরেও দেখেন তিনি।এদিকে, বিজিবিএসকে ঘিরে ৬৩৫ কোটি টাকার ব্যয়ের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তে কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

রক্ষাকবচ মিলেছে, কিন্তু বিপদ কাটেনি! এবার নতুন মামলায় অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি

সই জালিয়াতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ পেলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অস্বস্তি কমছে না। এবার তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার হাতে নিয়েছে সিআইডি। সেই মামলার নোটিস দিতেই শুক্রবার কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন তদন্তকারীরা।বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের নির্দেশে ভবানীভবনে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সই জালিয়াতি মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। তবে সেই মামলায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও অন্য একটি মামলায় তদন্তের গতি বাড়িয়েছে সিআইডি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তাঁর বক্তব্যে উত্তেজনা ছড়ানোর সম্ভাবনা ছিল। প্রথমে এই মামলার তদন্ত করছিল বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার শাখা। পরে সেই তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।শুক্রবার দুপুরে সিআইডির একটি দল কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যায়। তবে সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে নোটিস সরাসরি তাঁর হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি।ঘটনাস্থলে পরে পৌঁছন অভিষেকের আইনজীবীরা। তাঁদের বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইন মেনেই চলছেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি ইতিমধ্যেই হাজিরা দিয়েছেন। ভবিষ্যতেও আইনি প্রক্রিয়াকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদক্ষেপ করবেন বলে দাবি আইনজীবীদের।উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারের সময় দেওয়া একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তাঁর দাবি, একজন জনপ্রতিনিধির এমন মন্তব্য করা উচিত নয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোচ্ছে।অন্যদিকে সই জালিয়াতি মামলাতেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সেই মামলায় একাধিকবার তলবের পর সম্প্রতি সিআইডির সামনে হাজিরা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণের বিস্ফোরক আক্রমণের পর অভিষেকের জবাব! যা বললেন, তা শুনে চমকে গেলেন সবাই

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা আরও তীব্র হয়েছে। একদিন আগেই দলের হেভিওয়েট সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভিষেকের আচরণ এবং সিদ্ধান্তের কারণেই দলের বড় ক্ষতি হয়েছে। এমনকি তিনি দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একসময় সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিনি কল্যাণকে রাখবেন, নাকি অভিষেককে।এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হলেও পাল্টা আক্রমণের পথে হাঁটলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বরং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অনেকটাই সংযত এবং সম্মানজনক অবস্থান নিলেন তিনি।শুক্রবার নিজের বাড়িতে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের তাঁর সম্পর্কে কথা বলার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধিকার রয়েছে আমাকে নিয়ে কথা বলার। অধিকার রয়েছে চারটে কটূ কথা বলার। ছোট থেকে মানুষ করেছেন, বড় হতে দেখেছেন।এরপর আরও নরম সুরে অভিষেক জানান, তিনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে ব্যক্তিগতভাবে খারাপভাবে নেননি। তাঁর কথায়, হয়তো কোনও বিষয় ওনার খারাপ লেগেছে, তাই বলেছেন। আমার কোনও ব্যক্তিগত রাগ বা ক্ষোভ নেই। আমি তাঁকে আগেও সম্মান করতাম, এখনও করি এবং ভবিষ্যতেও করব।প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে আদালতে সওয়াল করা থেকে সরে দাঁড়ান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যের অভিযোগও তুলেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতার পরেও তিনি প্রাপ্য সম্মান পাননি।এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের সংযত প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের এই মতপার্থক্য আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর অনুদান নিয়ে বড় ঘোষণা! কারা পাবেন টাকা, কারা পাবেন না জানালেন শুভেন্দু

দুর্গাপুজোর আগে রাজ্যের বিভিন্ন ক্লাবের মধ্যে এবার অনুদান দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে প্রতি বছর পুজো কমিটিগুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হত। গত বছর সেই অনুদানের পরিমাণ ছিল এক লক্ষ দশ হাজার টাকা। সরকার পরিবর্তনের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, নতুন সরকারের আমলেও কি সেই অনুদান চালু থাকবে?এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। খুব শীঘ্রই তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সঙ্গে বৈঠক হবে। সেই বৈঠকেই অনুদান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।তবে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে। তাঁর মতে, যেসব ক্লাব আর্থিক সমস্যার কারণে পুজো আয়োজন করতে অসুবিধায় পড়ে, মূলত তাদেরই সাহায্য করা উচিত। যেসব বড় ক্লাবের নিজস্ব আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে, তাদের সরকারি অনুদানের প্রয়োজন নাও হতে পারে।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যাঁদের সত্যিই অর্থের প্রয়োজন, তাঁরাই অনুদান পাবেন। যাঁদের প্রয়োজন নেই, তাঁদের অনুদান দেওয়ার প্রয়োজনও নেই। ফলে এবার অনুদান বণ্টনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি নেওয়া হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এ বছর রাজ্যে আরও বেশি সংখ্যায় দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হবে বলে তাঁর আশা। সেই কারণেই পুজোকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় সব বিষয় নিয়ে সরকার গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করবে।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে প্রথমবার দুর্গাপুজোর অনুদান চালু হয়েছিল দুই হাজার আঠারো সালে। তখন প্রতিটি ক্লাবকে দশ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রতি বছর সেই অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো হয়। শেষ পর্যন্ত গত বছর তা বেড়ে এক লক্ষ দশ হাজার টাকায় পৌঁছায়। পুজোর আগে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ক্লাব প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করে অনুদানের ঘোষণা করা হত। নতুন সরকারের আমলে সেই প্রথা বজায় থাকবে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের হাজার হাজার পুজো কমিটির।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার মদন! সই জাল মামলায় সিআইডি নোটিসে তৃণমূলে নতুন অস্বস্তি

বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে এবার নতুন মোড়। শুক্রবার কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে নোটিস দিল সিআইডি। নোটিস পাওয়ার কথা নিজেই স্বীকার করেছেন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা।মদন মিত্র জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর বাড়িতে এসে একটি নোটিস দিয়ে গিয়েছেন। তবে এখনও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়নি। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার কথা নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলায় তদন্তের গতি অনেকটাই বেড়েছে। সম্প্রতি এই মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিআইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের একাধিক প্রশ্নের উত্তর তিনি দেননি বলেও সূত্রের দাবি।অভিষেককে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চার মাঝেই মদন মিত্রের কাছে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোয় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে যাঁরা এখনও দৃঢ়ভাবে রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মদন মিত্র। তাই তাঁর কাছে তদন্ত সংস্থার নোটিস পৌঁছনোকে ঘিরে কৌতূহল বাড়ছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে টানাপোড়েন বেড়েছে। দলের একাংশের বিধায়ক ও সাংসদদের অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই সই জালিয়াতি মামলায় তদন্ত আরও জোরদার করেছে সিআইডি।অভিযোগ, কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করে গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্তেই একাধিক ব্যক্তিকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এখন দেখার, মদন মিত্রকে ভবিষ্যতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় কি না এবং এই মামলার তদন্তে নতুন কী তথ্য সামনে আসে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! উস্কানিমূলক মন্তব্য ঘিরে থানায় মামলা

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি চাপ আরও বাড়ল। বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এবার তাঁর নামে নতুন করে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগ করেছেন এক ব্যবসায়ী। জানা গিয়েছে, হেয়ারস্ট্রিট থানায় জমা পড়া ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রাথমিক তদন্তও শুরু করেছে।এর আগেই গত ২ জুন রানি রাসমণি রোডের একটি সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় শিলিগুড়ি সাইবার থানায় এক আইনজীবী অভিযোগ জানান। এবার আরও একটি বক্তব্যকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।চলতি বছরের শুরুতে ভোটের প্রচারের সময় ধর্মতলার একটি জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি মন্তব্য করেছিলেন, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিরোধীদের দাবি, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার মুখে এ ধরনের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।তবে কয়েক মাস পর ফের সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটলেন এক ব্যবসায়ী। তাঁর অভিযোগ, ওই মন্তব্য সমাজে উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং তা জনমানসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে বলে সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। তার মধ্যেই নতুন এই অভিযোগ রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিল। এখন নজর রয়েছে তদন্তের অগ্রগতির দিকে। পুলিশ এই মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিকে, রানি রাসমণি রোডের সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অভিযোগ নিয়েও চাপের মুখে রয়েছে তৃণমূল শিবির। দুই মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেটাই এখন রাজনৈতিক মহলের প্রধান আলোচনার বিষয়।

জুন ১২, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপূজার অনুদানে আমূল বদল! ‘সবার জন্য নয়’, নতুন নীতির ইঙ্গিত শুভেন্দুর

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। দীর্ঘদিন ধরে চলা সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার স্পষ্ট বার্তা দিল নতুন বিজেপি সরকারের নেতৃত্ব। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিলেন, দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না, তবে আগের মতো সমস্ত পুজো কমিটিকে এক ছাঁচে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার নীতি থেকে সরে আসতে চলেছে সরকার।শুক্রবার নবান্নে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে নতুন সরকার আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল নীতি গ্রহণ করতে চায়। সেই কারণেই দুর্গাপূজার অনুদান ব্যবস্থার উপর শীঘ্রই একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন এবং সেখানেই চূড়ান্ত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।প্রসঙ্গত, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে দুর্গাপূজার অনুদান প্রতি বছরই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। ২০২৫ সালে রাজ্যের প্রতিটি নিবন্ধিত দুর্গাপূজা কমিটিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল। তার আগের বছর এই অনুদানের পরিমাণ ছিল ৮৫ হাজার টাকা। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়, ফায়ার লাইসেন্সের ফি মকুব এবং একাধিক প্রশাসনিক সুবিধাও দেওয়া হয়েছিল পুজো কমিটিগুলিকে।তবে নতুন সরকার সেই মডেলকে পুনর্বিবেচনা করতে চাইছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, আর্থিকভাবে স্বনির্ভর এবং বড় বাজেটের পুজোগুলিকে সরকারি অনুদানের আওতার বাইরে রাখা হতে পারে। বিশেষ করে যেসব পুজো কমিটি কর্পোরেট স্পনসরশিপ, বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য উৎস থেকে পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম, তাদের ক্ষেত্রে সরকারি সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব পুজো কমিটি নিজেদের সামর্থ্যে অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারে, তাদের সরকারি অর্থ দেওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে কি না, তা সরকার বিবেচনা করবে। কিন্তু যেসব কমিটি আর্থিকভাবে পিছিয়ে, যাদের এই সহায়তা ছাড়া পুজো আয়োজন কঠিন হয়ে পড়বে, তাদের পাশে সরকার অবশ্যই থাকবে।সরকারি সূত্রে খবর, সম্ভাব্য নতুন নীতিতে পুজো কমিটির আর্থিক অবস্থা, বাজেট, স্পনসরশিপের পরিমাণ এবং স্থানীয় সামাজিক ভূমিকার মতো বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে অনুদান পেতে গেলে নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড পূরণ করতে হতে পারে পুজো কমিটিগুলিকে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নতুন সরকার একদিকে যেমন সরকারি ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে চাইছে, অন্যদিকে সরকারি সাহায্য প্রকৃত প্রয়োজনমাফিক বণ্টনের বার্তাও দিতে চাইছে। বিরোধীদের মতে, এটি জনপ্রিয় একটি প্রকল্পের পরিধি সংকুচিত করার পদক্ষেপ হতে পারে, যদিও সরকারের দাবিএটি সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থ ও আর্থিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন।এখন নজর তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আসন্ন বৈঠকের দিকে। সেখান থেকেই স্পষ্ট হবে, ২০২৬ সালের দুর্গাপূজায় কোন ধরনের কমিটিগুলি সরকারি অনুদানের আওতায় থাকবে এবং নতুন নীতির চূড়ান্ত রূপরেখা ঠিক কী হতে চলেছে।কর্পোরেট স্পনসর পাওয়া বড় পুজোগুলির জন্য অনুদান অনিশ্চিত, আর্থিকভাবে দুর্বল কমিটিগুলির পাশে থাকার আশ্বাস সরকারের।

জুন ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal