• ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ০৬ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Rain

নিবন্ধ

এই শ্রাবণে...তোমার জন্যে

তোমাকে কখনও কোনও নামে ডাকিনি আমি। সম্বোধন একটা ছিল। সেটা তোমার উপাধি, নাম নয়। মনে মনে তোমাকে নাম দিয়েছিলাম মেঘ শ্রাবনের আগন্তুককে মেঘ ছাড়া কি নাম দেওয়া যায় বলো! কি অদ্ভুত ভাবে তুমি এসেছিলে এক বার্তা নিয়ে আমার জীবনে। কেঁপে উঠেছিলাম ভয়ে। ওই একবারই। তারপরে কি সহজ হয়ে গেল সবটা। যেন এমনটাই হওয়ার কথা ছিল এই পৃথিবীতে, দুটি মানুষের মধ্যে। ছোট ছোট কথা, যা কোনও প্রয়োজনের নয়, কোনও চাহিদার নয়, জগতে কারও কোনও কাজে না আসা কথা। শ্রাবণ থেকে গড়িয়ে গেল আরো কয়েক মাস। কথা বাড়লো, সঙ্গে বাড়লো তোমার পরিধি আর আমার অভিমান। এমনিতেই অভিমান বসে থাকে আমার নাকের ডগায়। যে কোন কথায় তা ঝরতে লাগলো টুপটুপ করে। প্রশ্রয় ছিল কি তোমার তাতে? কি জানি? তারপরে হঠাৎ একদিন ছন্দপতন, হারিয়ে গেলে তুমি... না ভুল বললাম, হারিয়ে নয় চলে যাওয়া, না বলে...আরও পড়ুনঃ আমার প্রথম প্রেমিক, আমার নন্দলালাসেদিন হঠাৎ আমি বুঝলাম তোমাকে ছাড়া কি ভীষণ শূন্য আমি। নিরাশ্রয়, ডানা ভাঙা পাখির মত। আমি প্রায় সঙ্গে সঙ্গে তোমাকে জানিয়েছিলাম আমার অনুভূতি, ভেতরের ভাঙচুরের কথা। কোনও কারণ দেখতে পারিনি। সত্যিই তো কোন কারণ স্পষ্ট ছিল না। শুধু অনুভব করছিলাম বাঁধন বিহীন সেই যে বাঁধন...অকারণ তুমি আমাকে আশ্বাস দিয়েছিলে সুযোগ হলেই যোগাযোগ করার। কিন্তু কতদিন পরে, বা কোন অবস্থাকে তুমি সুযোগ বলে মনে কর তা তুমি বলতে ভুলেছিলে, আমারও জিজ্ঞাসা করে নেওয়া হয়নি। তাই সে সুযোগ এলো বছর দুয়েক পরে। তোমার হাত ধরেই। তখনও আমার বুক ভরা অভিমান, সামনে আসতে চাইনি আমি। তুমি এলে দৃপ্ত পদক্ষেপে, যেন কিছুই হয়নি, এটাই তো স্বাভাবিক, কালই যেন আমাদের কথা হয়েছে। আর অদ্ভুত ভাবে আমিও ভুলে গেলাম সব, ভুলে গেলাম আমার নির্ঘুম রাতগুলির কথা, ভুলে গেলাম আমার তিলে তিলে ক্ষয়ে যাওয়ার কথা, মনে হলো এটাই তো স্বাভাবিক। তুমি এসে দাঁড়াবে আমার সামনে , আমি কাঁপব ভালোলাগায়, তিরতির করে। সারা রাত ভাববো কাল সকালেই দেখব তোমাকে। আবার গেলে তুমি, সব আবার শেষ হলো। আমিও অনুভব করলাম, প্রতিবার তুমি যেখানে আমাকে ছেড়ে যাও, আমি সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকি। ফিরি না, ফিরতে পারি না। দাঁড়িয়ে থাকি আত্মসমর্পণের আশায়।আরও পড়ুনঃ একা এবং বন্ধুরাআবার দীর্ঘ বিরতির পরে ভাঙল আমার ধৈর্যের বাঁধ। একদিন প্রায় আক্রমণ করলাম তোমাকে, বিদ্ধ করলাম বাক্যবাণে। যে মেয়েটা লজ্জায় কথা বলতে পারতো না, সে যে কি করে এত নির্লজ্জভাবে মুখর হয়ে উঠেছিল আমি আজও বুঝতে পারিনা। কি অদ্ভুত নিপুনতায় তুমি সামলে নিলে আমাকে। জেদী, অভিমানী মেয়ে যেটা আমার ভেতরে বাস করে , তুমি তাকে আদরে ভরিয়ে দিলে। কিরকম স্বপ্নের মত কাছাকাছি আসা, খুব কাছে। আমি বিশ্বাস করতে শুরু করলাম ভালোবাসা আছে, নাহলে এমনটাও কি হয়? হতে পারে কখনও। মুখে বলে না? না বলুক, সবই কি বলতে হবে। এই মেঘের পালকে ভাসতে ভাসতেও আমি তোমাকে বলতাম হে মেঘ, চলে গেলে, বলে যেও কিন্তু। যেন এটাই স্বাভাবিক, তুমি তো সেই যাবেই চলে। ঠিক তাই, হাত ছাড়াতে শুরু করলে, আমি বুঝতে পারছি, তুমি আমাকে এড়িয়ে যাচ্ছ, আমি অসহায়ের মত দেখছি শুধু, ভেতর থেকে চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে হচ্ছে, যাও তুমি কিন্তু বলে যাও। প্রতীক্ষার কষ্ট যে বড়ই সাংঘাতিক, আর নিতে পারি না আমি।আরও পড়ুনঃ পিতৃদিবসে বাবাকে খোলা চিঠি এক কন্যারযাওনি তুমি, থেকে গেছো, কিরকম থাকা জানো? নির্মম, নিষ্ঠুর। কি অদ্ভুত ভাবে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছ তুমি। এবারের মত পুতুল খেলা শেষ। পুতুল ধুলোতে পরে থাকলো না কি উঠে দাঁড়াতে পারলো তা নিয়ে কি ভাবনা সাজে তোমার? তোমার যে অনেক দায়িত্ব, অনেক কাজ। তাই আমি তোমার দরজাতে ধাক্কা দিয়ে যাই, তুমি ফিরেও তাকাও না। আমি ফিরতে পারি না। কোথায় ফিরবো বলো মেঘ? উপাসনাগৃহ থেকে ফিরতে হলেও তো দেবতার অনুমতি লাগে! আমি থেকে যাই নামহীন, গৃহহীন, ভিক্ষুকের মত। অথচ এই অনুমতিটুকু পেলেই এই বিস্তীর্ণ পৃথিবীর বুকে হারিয়ে যেতে পারি। তুমি কোনও খবর নাও না আমার, কখনও জিজ্ঞাসা করো না, কেমন আছি আমি, কেমন করে দিন কাটছে আমার। আমি প্রতীক্ষা করি, তুমি কখনও একটি শব্দ লেখো না আমাকে, আমি প্রতীক্ষা করি, কারণ তুমি বলেছ তুমি ব্যস্ত। আমি বারবার জিজ্ঞাসা করেছি, আমি থাকব? তুমি আছো তো আমার জন্যে? আমি অপেক্ষা করব অনন্তকাল, কিন্তু তুমি হারিয়ে যাওনি তো ? তুমি উত্তর দিয়েছো তুমি ব্যস্ত। আমার স্বাভাবিক বুদ্ধি আমাকে প্রশ্ন করেছে ব্যস্ততার চাপে কি তার প্রাত্যহিক দিনযাপন বন্ধ আছে? তাঁর আপনজনদের কোনও কর্তব্য পালন করে না কি সে? ব্যস্ততার চাপে সে তোমারই খোঁজ নিতে অক্ষম? আমি মনকে শাসন করেছি, একি! এই সম্পর্ক তোমার কাছে পবিত্র প্রার্থনার মত। সেই আরাধ্য দেবতাকে বিশ্বাস করা তোমার কর্তব্য। সুতরাং মনে সংশয় আসতে দিও না।এই সংশয়, , প্রেম, উপেক্ষা , অবহেলার দোলায় দুলতে দুলতে আবার ক্ষয় রোগ ধরেছে আমার। প্রতি মুহূর্তে পুড়ছি আমি। অভিমান, রাগ, প্রতীক্ষা সমস্তর সমাপ্তি ঘটছে তোমার শীতল উপেক্ষার দৃষ্টিপাতে।শুধু জানি, আমি চলে যাব, সমস্ত জিনিস গুছিয়ে দাঁড়িয়ে আছি, শুধু তোমার শেষ কথা বলার অপেক্ষায়। তুমি যেদিন যেতে বলবে, এক মুহূর্তও দেরি করবো না আমি, কোনও কথা বলবো না, শুধু চলে যাবো। তোমাকে ছেড়ে, সব মুছে দিয়ে, সারা জীবনের মত। কোনও দাবি নয়, কোনও ভিক্ষা নয়, স্নেহ, ভালোবাসা কিছুই চাইবো না আমি। একবার বলে তো দেখো, মেঘ! যদি তোমাকে ছেড়ে থাকা শিখতে না পারি, মরে যাব, তবু তোমার দ্বারে কোনদিন আর আসবো না।কিন্তু একটাই প্রশ্ন তোমাকে করার আছে, তুমি পাবে তো এত সমর্পণ কখনও? তুমি ভালো থাকবে তো আমিহীন পৃথিবীতে? কেউ আমার থেকে ভালো বাসবে তো তোমাকে?চিঠির শেষ প্রান্তে এসে মনে পড়লো, তুমি ও আমাকে কখনও কোন নামে ডাকনি, আমি বোধ হয় তোমার কাছে শুধুই কিছু সংখ্যা। আর কে না জানে যে সংখ্যা প্রাণহীন, তাদের মন বলে কিছু থাকে না। তাই নামহীনই থাক এই চিঠি। ভালো থেকো মেঘ, খুব ভালো থেকো। তোমার সবাইকে নিয়ে খুশিতে থেকো। তুমি ভালো থাকলেই আমি ভালো থাকবো, সে যে পৃথিবীতেই থাকি না কেন।।ইতি.....সুদেষ্ণা মুখার্জি

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: ১৫ জেলায় সারাদিন চলবে বৃষ্টি

রবিবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। কলকাতা-সহ বেশ কিছু জেলায় ইতিমধ্যেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের ১৫টি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত চলবে।ভারী বৃষ্টি না হলেও বজগর্ভ মেঘ সঞ্চার করে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে দিনভর। গাঙ্গেয় পশ্চিম বঙ্গের উপর প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প রয়েছে সেই কারণেই এই বৃষ্টি।আরও পড়ুনঃ বিজেপির সিলেবাস থেকে বাদ পড়লেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী! কেন?কলকাতা ছাড়াও বৃষ্টি হবে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায়। অন্যদিকে আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের দুএক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। বৃষ্টি হলেও গরম খুব একটা কমার সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর। মৌসুমী অক্ষরেখা এবং ঘূর্ণাবর্তের কারণে গত কয়েক দিন ধরেই বৃষ্টি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হচ্ছে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায়। আলিপুর জানিয়েছে, সোমবার থেকে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: শনিবার দিনভর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস

শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের অনেক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সারাদিন মেঘাচ্ছন্ন থাকবে আকাশ। রবিবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টা এই আবহাওয়া বজায় থাকবে। কলকাতা ছাড়াও দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূম জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে বৃষ্টি হলেও অবশ্য গরম খুব একটা কমার সম্ভাবনা নেই। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। অন্য দিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা সর্বোচ্চ পরিমাণ ৯৪ শতাংশ ও সর্বনিম্ন পরিমাণ ৬৫ শতাংশ। আলিপুর জানিয়েছে, ঘূর্ণাবর্ত ও মৌসুমী অক্ষরেখার কারণে চলতি সপ্তাহে বুধবার থেকে চলছে বৃষ্টি। ইতিমধ্যেই হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর, আমতা, পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল, হুগলির খানাকুলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অনেক বাসিন্দাকে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিতে হয়েছে। তবে ওই এলাকায় আর নতুন করে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর।আরও পড়ুনঃ রাজ্যকে বন্যা খোঁচা দিলীপেরবঙ্গোপসাগরের উপরে যে ঘূর্ণাবর্ত ছিল তা কেটে গেলেও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে এখনও জলীয় বাষ্প রয়েছে। সে কারণেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টিপাত চলবে। তবে ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। টানা বৃষ্টির সম্ভাবনাও ক্ষীণ। দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণও আরও কিছুটা কমানো হয়েছে। বর্তমানে সেখান থেকে ৩৩১০০ কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। অন্যদিকে মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধার থেকে মিলিত ভাবে ২৯০০০ হাজার কিউসেক জল ছাড়ছে ডিভিসি।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

Flood: রায়নার বানভাসী এলাকা ঘুরে দেখলেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী

কয়েকদিনের ভারি বৃষ্টিপাত ও ডিভিসির ছাড়া জলে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানের বেশকিছু এলাকা বানভাসী হয়েছে। তার জেরে ক্ষয়ক্ষতিও নেহাত কম হয়নি। এখনও কোথাও বসতবাড়ি তো কোথাও চাষ জমি ডুবেছে জলের তলায়। ক্ষয়ক্ষতির সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার জেলার রায়না ২ ব্লকের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন রাজ্যের দুই মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ ও সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি তথা রায়নার বিধায়ক শম্পা ধাড়া, ব্লকের বিডিও অনিশা যশ, জেলা পরিষদের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ ও সদস্যরা। মন্ত্রীরা ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।আরও পড়ুনঃ এবার দলের কর্মীদের দিয়ে পায়ে জুতো গলিয়ে বিতর্কে বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়কবিডিও অনিশা যশ জানিয়েছেন, অতিবৃষ্টির কারণে রায়না ২ ব্লকের ৫ হাজার কৃষকের চাষ জমির ক্ষতি হয়েছে। ২ হাজার হেক্টর কৃষি জমিতে এখনও জল দাঁড়িয়ে আছে। মৎস্যচাষীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ৭০ টনের কাছাকাছি পুকুরের মাছ ভেসে চলে গিয়েছে। ৩৫ হেক্টর পুকুরের জল ওভার ফ্লো হয়েছে। অতিবৃষ্টিতে ব্লকের তিনটি গ্রামপঞ্চায়েত এলাকায় বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আরুই গ্রামপঞ্চায়েত ও উচালন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিডিও তথ্য উল্লেখ করে বলেন, এখনো পর্যন্ত গোটা রায়না ২ ব্লকে ১১টি বসত বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বড়বৈনান গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বাতাসপুর এলাকায় একটি রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও আরও কয়েকটি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উচালন গ্রামপঞ্চায়েতর অন্তর্গত একলক্ষী বাজার সন্নিকটের দেব খাল দিয়ে প্রচুর পরিমাণে জল নিকাশি হওয়ায় বাঁধে ধস নেমেছে। ফলস্বরূপ একটি শ্মশান চুল্লি পুরোপুরিভাবে দেব খালে ভেসে গিয়েছে। একটি কাঠের ব্রিজও সম্পূর্ণ ভাবে ভেঙে গিয়ে দেব খালে তলিয়ে গিয়েছে। বর্ধমান এবং বাঁকুড়ার সঙ্গে সংযোগকারী একটি পাকা সেতুরও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। মন্ত্রীরা এদিন উচালন গ্রামপঞ্চায়েতের একলক্ষ্মী বাজার সংলগ্ন অলি বাজার এলাকার দেব খাল পরিদর্শন করেন।আরও পড়ুনঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে এসএফআই-এর কনভেনশনমন্ত্রী স্বপন দেবনাথ জানান, এলাকা পরিদর্শন করা হল। রায়না বিধানসভার বিধায়ককে তাঁর বিধায়ক তহবিল থেকে ওই শ্মশানের চুল্লি করে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে বলা হয়েছে।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Weather: সকালেই বঙ্গের আকাশে নামল সন্ধ্যের আঁধার

শুক্রবারও সকাল থেকেই আকাশের মুখভার। চারিদিকে ঘনীয়ে আসে ঘন কালো মেঘ। তবে হাওয়া অফিস বলছে ,সকালের দিকে আকাশ কালো করে বৃষ্টির পরিস্থিতি থাকলেও বেলা বাড়তেই পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হতে চলেছে। দুপুরের দিকে কোনও কোনও জায়গায় বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গে। শুক্রবার সকালের মধ্যে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দক্ষিণবঙ্গে তিন জেলায়। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে থাকবে এদিন। তবে সপ্তাহের শেষে ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা উত্তরেও।আরও পড়ুনঃ পড়ুয়াদের জন্য সুখবর, বড় ঘোষণা মমতারবৃহস্পতিবার বিকেলে আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়, ৭ অগস্ট শনিবার সকালের মধ্যে কোনও জেলাতেই ভারী বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। তবে সব কটি জেলারই কোথাও না কোথাও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। ৭ অগস্ট আলিপুরদুয়ারের ভারী বৃষ্টি হতে পারে। আর রবিবার নাগাদ আলিপুরদুয়ার এবং কালিম্পং-এ ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা। আগামী ৪-৫ দিন দিনের তাপমাত্রার সেরকম কোনও পরিবর্তন হবে না বলে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, ৬ অগস্ট শুক্রবার সকালের মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাকি জেলাগুলির কোনও কোনও জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী ২৪ ঘন্টা অর্থাৎ ৭ অগাস্ট সকালের মধ্যে সবকটি জেলারই কোনও কোনও জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আগামী চার থেকে পাঁচ দিন দিনের তাপমাত্রার সেরকম কোনও পরিবর্তন হবে না।গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের ওপরে ঘূর্ণাবর্ত এখনও অবস্থান করছে। অন্যদিকে মৌসুমী অক্ষরেখা গঙ্গানগর, নারনউল, মধ্যপ্রদেশের ওপরে থাকা নিম্নচাপ এলাকার মধ্যে দিয়ে বারানসী, গয়া, বাঁকুড়া হয়ে উত্তর পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। তবে এই মৌসুমী অক্ষরেখা ১০ অগস্ট নাগাদ হিমালয়ের পাদদেশের দিকে সরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় স্বাভাবিকভাবেই হিমালয়ের পাদদেশ সংলগ্ন জেলা এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে বলেই মনে করছে হওয়া অফিস।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Weather: ঘূর্ণাবর্ত ও মৌসুমী অক্ষরেখার জোড়া ফলায় বিদ্ধ রাজ্য

বুধবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। হাল্কা থেকে ভারী বৃষ্টিপাতও শুরু হয়ে গিয়েছে। হাওয়া অফিসের তরফে পূর্বাভাস ছিলই বুধবার থেকে টানা বৃষ্টির। একদিকে ভ্যাপসা গরম, এই গরমের মধ্যেই বৃষ্টিপাতই স্বস্তি আনবে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সেই মতো শুরু হয়েছে বৃষ্টিপাত। একদিকে ঘূর্ণাবর্ত, সঙ্গে রাজ্যের উপর দিয়ে বিস্তৃত মৌসুমী অক্ষরেখা। জোড়া ফলায় শুক্রবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। উত্তর বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাব উপকূল এলাকায় পড়েছে। পাশাপাশি বীরভূমের শ্রীনিকেতন, ডায়মন্ড হারবারের উপর দিয়ে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। তাতেই বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে বলে জানাল হাওয়া অফিস।আরও পড়ুনঃ ৫ দফা দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি এসএফআই-এরবুধবার উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা, পুরুলিয়া, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে বুধবার ভারী বৃষ্টি চলবে। বৃহস্পতিবার পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টি চলবে। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। হাওড়া, হুগলি, মেদিনীপুরের একাধিক এলাকা জলমগ্ন হয়ে রয়েছে। তার উপর ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হলে জলমগ্ন এলাকায় জল আরও বাড়বে। নিচু এলাকায় জল তো জমে রয়েইছে, সঙ্গে কলকাতায় জল জমে থাকার কারণে যান চলাচলেও প্রভাব পড়েছে।

আগস্ট ০৪, ২০২১
রাজ্য

Water Logged: জল যন্ত্রণার শিকার দুর্গাপুরের মহালক্ষ্মী পার্কনিবাসীরা, চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রীকে

রাজ্যজুড়ে সক্রিয় মৌসুমী বায়ু। তার উপর আবার নিম্নচাপ। দুয়ে মিলে রাজ্যজুড়ে প্রবল বর্ষণ। জলমগ্ন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। আর এই জলযন্ত্রণার শিকার দুর্গাপুর বিধাননগরের মহালক্ষ্মী পার্ক। এলাকায় পাকা নর্দমার অভাবে টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন অবস্থায় দিন কাটছে মহালক্ষ্মী পার্ক নিবাসীবৃন্দর। স্থানীয় প্রশাসনকে বারংবার বলে কাজ না হওয়ায় অগত্যা দুর্গাপুর পৌর নিগম-এর মেয়রকে উদ্দেশ্য করে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। সেখানে তাঁরা উল্লেখ করেছেন যে, স্থানীয় প্রশাসনকে বিগত বছর ধরে জানিয়েও কোনও সুরহা পাননি। আরও পড়ুনঃ সিবিএসই দ্বাদশের ফলপ্রকাশ, পাশের হার ৯৯.৩৭%এক ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি বা মাঝারি বৃষ্টিপাতেই এলাকার নালা ভরে রাস্তায় আবর্জনাজল উঠে আসে। ঝর্নাপল্লী বিধাননগর হাউজিং ও শরৎপল্লী এলাকায় এই আবর্জনা জলের সঙ্গে বাড়ির পাশেপাশে উঠে আসে বিষধর সাপ, ব্যাঙ ও নানা পোকামাকড়। দীর্ঘদিনের সমস্যা বৃ্হস্পতিবারের বৃষ্টির পর আরও বেড়ে গিয়েছে। বৃষ্টি থামলেও জল নামেনি এলাকার। বাড়িতে প্রায় জলবন্দি অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। বাড়ির ভিতরে জল ঢুকে গিয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়েছে। এমতাবস্থায় প্রত্যেকদিন এরকম আতঙ্কের মধ্যে থাকা যায়না বলে পুরমাতা লাভলী রায় ও বরো চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এরওপর মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য এই প্রচেষ্টা বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। যাতে সত্ত্বর এই সমস্যা থেকে মুক্তি পায় এলাকার বাসিন্দারা। এবং নির্ভয়ে বসবাস করতে পারেন।

জুলাই ৩১, ২০২১
রাজ্য

Weather: টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন শহর থেকে জেলা, বাতিল একাধিক ট্রেন

নিম্নচাপের জেরে টানা ভারী বৃষ্টির আগাম সতর্কবার্তা ছিলই। সেই মতো বুধবার থেকে শুরু হয়েছিল লাগাতার বর্ষণ। শুক্রবার পর্যন্ত চলবে বলে খবর। বৃহস্পতিবারই শহরের জলচিত্র দেখে রীতিমতো আতঙ্কিত শহরবাসী এবং ট্র্যাফিক পুলিশ। বাংলাদেশ উপকূলে অবস্থান করা নিম্নচাপের জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় টানা বৃষ্টির সতর্কবার্তা আগেই দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সেই মতো বুধবার দিনভর হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হয়। তবে বুধবার রাত থেকেই বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে থাকে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে বিরতিহীনভাবে অঝোরে হয়ে চলে বৃষ্টিআরও পড়ুনঃ তিরন্দাজির ব্যক্তিগত বিভাগে চমক অতনুর, পৌঁছে গেলেন প্রিকোয়ার্টারে উত্তর থেকে দক্ষিণের বহু রাস্তায় জমা জলের কারণে গাড়ির গতি একেবারে ছিল না বললেই চলে। কোথাও জলে গাড়ি বিকল হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এমনকী, বেহাল রাস্তায় দুর্ঘটনায় পড়লেন বাইকচালক। বেশ কিছু এলাকায় জল বাড়িতে ঢুকে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছে শহরবাসীর একাংশের। এসএসকেএম-সহ বিভিন্ন হাসপাতাল চত্বরে জল জমে যাওয়ায় ভোগান্তির শিকার হন রোগী ও তাঁদের আত্মীয়েরা। দীর্ঘ সময় ধরে যানজটে থমকে থাকে গাড়ি। সেই জট ছাড়াতে নাকাল হতে হয় ট্র্যাফিক পুলিশের কর্মীদের। লালবাজার সূত্রের খবর, পরিস্থিতি এমন হয় যে, বেলার দিকে পথে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করতে হয়। এ দিকে, রাত থেকে একটানা অঝোর বৃষ্টিতে ফের জলমগ্ন হয় শহরের বিস্তীর্ণ অংশ।অথচ, কলকাতা পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম বিকেলে দাবি করেছিলেন, তেমন বৃষ্টিই হয়নি। কিছু কিছু নিচু জায়গায় জল জমেছে ঠিকই। তবে তা তাড়াতাড়ি সরেও গিয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এ দিন সকাল সাড়ে আটটা থেকে বিকেল সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত শহরে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৪৭ মিলিমিটার। আবহাওয়াবিদদের মতে, ওই সময়ের মধ্যে বৃষ্টিপাতের এই পরিমাণকে ভারী বৃষ্টিই বলা হয়। আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি কাণ্ডে গ্রেফতার অভিনেত্রী নন্দিতাহাওড়া এবং সংলগ্ন এলাকায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকেই মুষলধারে চলছে বৃষ্টি। প্রবল বৃষ্টিপাতের জেরে হাওড়া কারশেডের বিভিন্ন জায়গায় এবং রেললাইনে জল জমেছে। যে জন্য বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করেছে পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেল। কিছু ট্রেনের সময়সূচির পরিবর্তনও করা হয়েছে। চক্র রেলও পুরোপুরি ভাবে বাতিল করা হয়েছে।০২৩০৩ পূর্বা এক্সপ্রেস, ০২৩৫৩ লাল কুয়াঁ এক্সপ্রেস, ০৩০০১ হুল এক্সপ্রেস এবং ০৩০১৫ হাওড়া-ভাগলপুর এক্সপ্রেস শুক্রবারের জন্য বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি কিছু ট্রেনের হাওড়া ছাড়ার সময় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। যেমন, ০২৩৩১ হিমগিরি এক্সপ্রেসে নির্ধারিত সময়ের থেকে ৩ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট দেরিতে ছাড়বে। ০৩০০৯ দুন এক্সপ্রেস ছাড়বে ৩ ঘণ্টা ২০ মিনিট দেরিতে। ০২৩২৩ হাওড়া-নয়াদিল্লি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ের থেকে ৫ ঘণ্টা ৫ মিনিট পরে ছাড়বে।

জুলাই ৩০, ২০২১
রাজ্য

Heavy Rain: টানা ভারি বৃষ্টিতে জলপ্লাবিত পূর্ব বর্ধমানের বেশ কিছু এলাকা, তলিয়ে গেল কাঠের সেতু

কয়েকদিন ধরে চলা বৃষ্টিপাতের জেরে পূর্ব বর্ধমানের বেশকিছু জায়গায় তৈরি হয়েছে প্লাবন পরিস্থিতি। কোথাও চাষের জমি ডুবেছে জলের তলায় ,আবার কোথাও রাস্তায় জমেছে হাঁটু সমান জল। অনেক গ্রামও জলপ্লাবিত হয়ে পড়েছে। জলের তোড়ে কাঠের সেতু ভেঙে যাওয়ার ঘটনায় ঘটেছে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন জেলার গলসি , জামালপুর ও খণ্ডঘোষের বেশ কিছু এলাকার বাসিন্দা। তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে এলাকার জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্তারা।রাজ্যের অন্য জেলাগুলির পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও বিগত তিন দিন ধরে লাগাতার বৃষ্টিপাত হয়ে চলেছে। তার জেরে জল বেড়েছে দামোদর, দারকেশ্বর প্রভৃতি নদ নদীতে। রায়নার একলক্ষ্মীতে দ্বারকেশ্বর নদের সেতুর কাছের দেবখালের উপর থাকা কাঠের সেতুটি এদিন জলের তোড়ে ভেসে যায়। দ্বারকেশ্বরের উপরে থাকা ওই কাঠের সেতুর উপর দিয়েই গাড়িতে চড়ে, হেঁটে প্রতিদিন হুগলি ও বর্ধমান জেলার বহু মানুষ তাঁদের গন্তব্যে যাতায়াত করতেন। জলের তোড়ে সেই কাঠের সেতু ভেসে যাওয়ায় বিপাকে পড়ে গিয়েছেন বাসিন্দারা। জল আরও বাড়লে এলাকার শ্মশানচুল্লিটি তলিয়ে যেতে পারে বলে বাসিন্দারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।বৃহস্পতিবার বিকালে রায়না ২ ব্লকের বিডিও বিডিও অনিশা যশ, যুগ্ম বিডিও পার্থসারথি রায়চৌধুরী, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পার্বতী ধাড়া মালিক প্রমুখরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বৃষ্টির জলের পাশাপাশি ডিভিসির সেচখালে ছাড়া জলে গলসি ২ ব্লকের চার-পাঁচটি গ্রামের মাঠ প্লাবিত হয়েছে। সদ্য রোয়া কাজ সম্পূর্ণ হওয়া হাজার হাজার একর আমন ধানের জমি এখন জলের তলায়। জমির এমন অবস্থা তৈরি হওয়ায় মাথায় হাত পড়ে গিয়েছে এলাকার অধিকাংশ চাষিদের। গলসি ২ ব্লক কৃষি দপ্তরের প্রতিনিধি দল এদিন এলাকা পরিদর্শন করেন। চাষের জমিতে জল জমা ছাড়াও হাঁটু জলে ডুবেছে ভূঁড়ি থেকে ইটারু যাওয়ারর একাংশ রাস্তা। ওই রাস্তা দিয়ে এখন যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। গ্রামে জল জমে থাকায় কাঁচা বাড়ি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। অনেকটা একই রকম অবস্থা তৈরি হয়েছে জামালপুর ব্লকের জামালপুর ২ পঞ্চায়েত অধীন কানঘোষা এলাকায়। এখানকার প্রায় ২৫-৩০ টি পরিবার বসবাস করেন জামালপুর - রায়না সড়ক পথের ধারে। তাদের প্রত্যেকেরই বাড়ি মাটির তৈরি।কয়েক দিনের লাগাতার বর্ষনে উপচে পড়ছে ওই বসতি এলাকা সংলগ্ন মাঠের জল। সেই জল ওইসব কাঁচা বাড়ির একেবারে দোরগোড়া পৌছাতেই বিপাকে পড়ে গিয়েছেন বাসিন্দারা। এদিন সেই খবর পেয়েই হতদরিদ্র ওই মানুষগুলির কাছে পৌছে যান জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন ও কর্মাধ্যক্ষ ভূতনাথ মালিক। তাঁরা ওই পরিবারের সদস্যদের হাতে ত্রিপল ও অন্য সামগ্রী তুলে দেন। মেহেমুদ খাঁন ওইসব পরিবারের সমস্যদের আশ্বস্ত করেন, জলযন্ত্রণা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য এখন যদি তারা অন্যত্র থাকতে চান তার ব্যবস্থা করা হবে । প্রয়োজনে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩০ ঘর বাসিন্দার খাওয়া-থাকার ব্যবস্থা করা হবে বলে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি জানিয়ে আসেন।আরও পড়ুনঃ করোনা আতিমারির জন্য অনাড়ম্বর ভাবে পালিত হল মোহনবাগান দিবসজেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু এই বিষয়ে জানান, কোথায় কোথায় রোয়া ধানের জমি জলে ডুবে গেছে সেই ব্যাপারে ব্লক প্রশাসন খোঁজ খবর রাখছে। দুর্যোগ কবলিত এলাকার মানুষজনের পাশে দাঁড়াচ্ছে সেখানকার জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্তারা। সহয়তাও প্রদান করা হচ্ছে । ক্ষয়-ক্ষতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী যা ব্যবস্থা নেওয়ার নেওয়া হবে।

জুলাই ২৯, ২০২১
রাজ্য

Raina: রায়নায় শুরু ’দুয়ারে কাস্ট সার্টিফিকেট প্রদান’ কর্মসূচি

দুয়ারে সরকার কর্মসূচির অনুকরণে এবার শুরু হল দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র প্রদান। পূর্ব বর্ধমানের রায়না বিধানসভার রায়না ২ ব্লকের ৩ হাজার জনের বাড়িতে বৃহস্পতিবার জাতিগত শংসাপত্র (কাস্ট সার্টিফিকেট ) পৌছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। রায়নার বিধায়ক তথা জেলাপরিষদ সভাধিপতি শম্পা ধাড়া দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র পৌছে দেওয়ার কর্মসূচী নেওয়ায় খুশি রায়নার বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালবিধানসভা ভোটের প্রাক্কালে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে শুরু হয় দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। রাজ্য সরকারের চালু করা এই কর্মসূচি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এর পর থেকেই দুয়ারে রেশন, দুয়ারে পুলিশ প্রভৃতি কর্মসূচি নেওয়া হয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। বিধায়ক শম্পা ধাড়া নিজে উদ্যোগ নিয়ে রায়নায় শুরু করলেন দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র প্রদান কর্মসূচি। যা জানমানসে সাড়া ফেলে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?বিধায়ক শম্পা ধারা এদিন রায়না ২ ব্লকের আরুই গ্রাম পঞ্চায়েতের আলমপুর গ্রাম থেকে এই কর্মসূচির সূচনা করেন। ব্লকের বিডিও অনিষা যশ জানান, এদিন ৩ হাজার জনের বাড়ি বাড়ি জাতিগত শংসাপত্র পৌছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে । বিধায়ক শম্পা ধাড়া বলেন,আগে কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য মানুষজনকে চূড়ান্ত হয়রানি হতে হত। দপ্তরে ঘুরে ঘুরে হয়রান হয়েও মিলতো না কাস্ট সার্টিফিকেট। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদ্যোগী হওয়ায় কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জটিলতার দিন শেষ হয়। এখন ঘরে বসেই মানুষজন জাতিগত শংসাপত্র অর্থাৎ কাস্ট সার্টিফিকেট পেয়ে যাচ্ছেন। বাড়িতে বসেই কাস্ট সার্টিফিকেট পেয়ে রায়নার বাসিন্দারা খুশী বলে শম্পা ধারা দাবি করেন।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহলআরুইগ্রামের বাসিন্দা তমাল রুইদাস বলেন, কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য বহুবার দপ্তরে গিয়েছিলেন। কিন্তু তখন হতাশ হয়েই তাঁকে ফিরতে হয়। কিন্তু এদিন ঘরে বসেই কাস্ট সার্টিফিকেট পেয়ে যথেষ্টই খুশি বলে তমাল রুইদাস জানান। অপর বাসিন্দা সুমিত্রা দাস বলেন, যে কাস্ট সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য হন্যে হয়ে ঘুরছিলেন সেই কাস্ট সার্টিফিকেট একেবারে বাড়ির দুয়ারে এসে কেউ দিয়ে যাবে সেটা কল্পনাও করতে পারেননি। এ এক অভাবনীব কর্মসূচি বলে সুমিত্রা দাস মন্তব্য করেন।আরও পড়ুনঃ লম্বা চুল রাখা যাবে না, লক্ষ্মীর ফতোয়াএদিনের দুয়ারে জাতিগত শংসাপত্র প্রদান কর্মসূচিতে রায়নার বিধায়ক শম্পা ধাড়া ছাড়াও মহকুমাশাসক (দক্ষিণ) কৃষ্ণেন্দু কুমার মণ্ডল, বিডিও অনিশা যশ, যুগ্ম বিডিও পার্থসারথি রায় চৌধুরী, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পার্বতী ধারা মালিক সহ অন্য জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

জুলাই ২৯, ২০২১
রাজ্য

Depression: বঙ্গের উপর ঘনীভূত গভীর নিম্নচাপ

বুধবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত। বৃহস্পতিবারও সারাদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে কলকাতা-সহ প্রায় গোটা দক্ষিণবঙ্গেই। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, এই পূর্বাভাস আগামী ২৪ ঘণ্টা জারি থাকবে। এ ছা়ড়া আগামী ২ থেকে ৩ ঘণ্টা কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, দুই ২৪ পরগনায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হবে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।আরও পড়ুনঃ মূল্যবান গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগে পূর্ব বর্ধমানে গ্রেপ্তার ৫আলিপুর জানিয়েছে, বাংলাদেশের খুলনার কাছে অবস্থান করছে গভীর নিম্নচাপ। বৃহস্পতিবার সেটি বাংলার উপর দিয়ে বিহারের দিকে যাবে। তার ফলে বৃহস্পতিবার সারাদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে বলেই পূর্বাভাস। হাওড়া, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান ও ঝাড়গ্রামে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। ভারী বৃষ্টি হতে পারে কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায়। শুক্রবারও পশ্চিমের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস মতো বৃহস্পতিবারও সারাদিন বৃষ্টি হলে কলকাতার পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৮ শতাংশ, ন্যূনতম ৮০ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৬৬.৫ মিলিমিটার।

জুলাই ২৯, ২০২১
রাজ্য

Weather: দক্ষিণবঙ্গে নিম্নচাপের ভ্রুকুটি

সোমবার বিকেল থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে শহরে। তবে এবার এই বৃষ্টি আরও বাড়বে, এমনই পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। উত্তর বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হচ্ছে একটি নিম্নচাপ। যার জেরে দক্ষিণবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার সারাদিন মেঘলা আকাশ ও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাত হলেও বুধবার সকাল থেকেই উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং নদিয়ায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এছাড়া পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বাকি জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। আরও পড়ুনঃ মমতার ক্ষমতায় বিশ্বাসী কমলনাথ৩০ জুলাই পর্যন্ত প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। বুধবার কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায়। অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান ও বীরভূমে। বৃহস্পতিবার কমলা সতর্কতা জারি হয়েছে হাওড়া, হুগলি, পশ্চিম মেদিনীপুর ঝাড়গ্রাম, বীরভূম, পূর্ব বর্ধমানে। অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমানে।শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান ও ঝাড়গ্রামে জারি হয়েছে হলুদ সতর্কতা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি ক্রমশ এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের দিকে। যার জেরে রাজ্যে এর প্রবল প্রভাব পড়বে এবং মুষলধারে বৃষ্টিতে ভিজবে দক্ষিণবঙ্গ। আজ সারাদিনই কালো মেঘে ঢাকা থাকবে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

জুলাই ২৮, ২০২১
রাজ্য

Job Cheat: প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি! মহিলাদের বড়সড় প্রতারণার ঘটনায় ধৃত ৩

মহিলাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ উঠল একটি সংস্থার বিরুদ্ধে। কাজ পাওয়া তো দূরের কথা দেওয়া টাকাও ফেরত না মেলায় শনিবার প্রতারিত মহিলারা পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া থানার দ্বারস্থ হন। মহিলাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ওই সংস্থার এক ব্যক্তি ও দুই মহিলাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনকাটোয়া শহরের সুবোধ স্মৃতি রোড এলাকায় একটি মার্কেট কমপ্লেক্সে রয়েছে। সেখানেই রয়েছে কালনার বাসিন্দা এক ব্যক্তির অফিস ঘর। অফিসটি ২০১৯ সালে খোলা হয়। অফিসের সামনে ঝোলানো রয়েছে ভারত সরকারের বাণিজ্য এবং উদ্যোগ মন্ত্রালয়ের অধীনে ফুটওয়্যার ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউট লেখা ব্যানার। ব্যানারে ব্যবহার করা হয়েছে অশোকস্তম্ভ লোগো। এছাড়া কৌশল বিকাশ কেন্দ্রলেখা আছে ওই ব্যানারে। ওই ব্যক্তি সেখানে নিজেকে ওই কেন্দ্রীয় সংস্থার লোক বলে পরিচয় দিতেন।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারতৃপ্তি লাহা, মিনা দেবনাথ, মাধবী দাস সরকার প্রমুখ মহিলারা বলেন, ওই ব্যক্তি নিজের কাজের সুবিধার জন্য স্থানীয় দুই গৃহবধূকে নিয়োগ করেছিলেন। সেই দুজন মহিলাই তাঁদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেলাইসহ বিভিন্ন হাতের কাজ শিখিয়ে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতেন। কেন্দ্রীয় সরকারের নামে ব্যানার থাকায় তাঁরা ওই দুই মহিলার কথা বিশ্বাস করেছিলাম। এজন্য তাঁডের কাছ থেকে ১২০০-২৩০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এখন কাজের ব্যাবস্থা তো করছেই না, উপরন্ত টাকা চাইতে গেলে ফের নতুন গল্প শোনাচ্ছে। এলাকার ১ হাজারের অধিক মহিলা প্রতারিত হয়েছেন। কোথাও কোন সুরাহা না পেয়ে তাই বাধ্য হয়ে এদিন তাঁরা পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন বলে জানান। গৃহবধুদের প্রত্যাশা পুলিশ তাঁদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে পারবে।

জুলাই ২৪, ২০২১
দেশ

Mumbai Rain: বৃষ্টি-বন্যা-ধসে বিপর্যস্ত মহারাষ্ট্র, মৃত ১২৯

ভয়াবহ পরিস্থিতি মহারাষ্ট্রের।বৃষ্টি, বন্যা, ধসে পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হচ্ছে। গত দুদিনের বৃষ্টির জেরে ১২৯ জনের মৃ্ত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মহারাষ্ট্র জুড়ে একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে। বন্যার জলের তোড়ে ভেসে গিয়েও অনেকের মৃত্যু হয়েছে। একাধিক জায়গায় চলছে উদ্ধার কাজ। চূড়ান্ত তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা। হেলিকপ্টারে চালানো হচ্ছে নজরদারি। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জারি হয়েছে রেড অ্যালার্ট।আরও পড়ুনঃ কেতুগ্রাম বোমা বিস্ফোরণ কাণ্ডে ধৃত দুই, পলাতকদের খুঁজছে পুলিশরাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানিয়েছেন, ৪৮ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২৯। রায়গড় ও সাতারা জেলাতেই মৃতের সংখ্যা সবথেকে বেশি। শুধুমাত্র সাতারায় মৃত্যু হয়েছে ২৭ জনের। গন্ডিয়া, চন্দ্রপুরের মতো এলাকাগুলোতেও পরিস্থিতি মারাত্মক আকার নিয়েছে। ধস নেমেছে আম্বেঘর, মিরগাঁও গ্রামে। রত্নগিরি জেলায় আটকে পড়েছে ১০ জন। বন্যার জলে ভেসে গিয়েছে একটি বাস। বাসের যাত্রীদের কোনওমতে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। শুক্রবার মহারাষ্ট্রে ধসে মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি। বায়ুসেনার এমআই-১৭ভি৫ ও এমআই- ১৭ হেলিকপ্টার মোতায়েন করা হয়েছে মহারাষ্ট্রে। ভারতীয় উপকূল রক্ষী বাহিনীর তরফেও সাতটি টিম কাজ করছে। শনিবারই উদ্ধারকাজে যোগ দেবে ভারতীয় সেনা ও নৌবাহিনীর মোট ৬টি টিম। মহারাষ্ট্রের মোট ৬টি জেলায় রেড অ্যালার্ট জারি করেছে মৌসম ভবন।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: নিম্নচাপের বৃষ্টিতে ভিজছে দক্ষিণবঙ্গ

রাত থেকেই কোথাও কোথাও বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছিল। শনিবার সকাল হওয়ার আগেই শুরু হয় দক্ষিণবঙ্গজুড়ে বৃষ্টিপাত। বর্ষার বৃষ্টি নয়, শনিবার নিম্নচাপের জেরেই ভিজবে বাংলা।এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সকাল থেকেই মুখভার কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশের। বৃষ্টি হয়ে চলেছে অবিরাম। কলকাতায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী সপ্তাহে রাজ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে, ইঙ্গিত দিয়েছে হাওয়া অফিস। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে একটি নিম্নচাপ। যার জেরে শনিবার সারাদিন দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলায় বেশি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, এমনটাই জানান হয়েছে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে। নিম্নচাপ ছাড়াও মৌসুমী অক্ষরেখা ঝাড়খণ্ড, ওডিশা হয়ে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। আরও পড়ুনঃ ৪১ বছর পর নজির, একসঙ্গে ৫ জনের অভিষেক ভারতীয় দলেরাজ্যের সর্বত্র নিম্নচাপের প্রভাব না পড়লেও উপকূল এলাকাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বঙ্গোপসাগরের উপর নিম্নচাপ এবং মৌসুমী অক্ষরেখার জোড়া দাপটে আজ সারাদিনই বৃষ্টিতে ভিজবে শহর ও শহরতলি। বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ থাকায় রবিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। নিম্নচাপের জেরে ২৬ জুলাই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়বে। ২৬ থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টিপাত হবে। একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।শনিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে, যা স্বাভাবিকে থেকে ২ ডিগ্রি কম। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৮%, ন্যূনতম ৮৫%।

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

weather: ভ্যাপসা গরম কাটিয়ে নিম্নচাপ তৈরি হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে

প্যাচপ্যাচে গরমে নাজেহাল দক্ষিণবঙ্গবাসী। এই রোদ তো এই বৃষ্টি। সঙ্গে অস্বস্তি। তবে বুধবার পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আকাশের মেধের ঘনঘটা বাড়বে, হঠাৎ হারিয়ে যাওয়া বর্ষারও আবার দেখা মিলবে বলেও বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। আজ কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ, ন্যূনতম ৭৬ শতাংশ। আরও পড়ুনঃ দীপক চাহারের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে সিরিজ জিতে নিল ভারতএদিকে আংশিক মেঘলা আকাশের নেপথ্যে রয়েছে নিম্মচাপের ভ্রূকুটি। মৌসম ভবনের তরফে জানান হয়েছে বুধবার থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ তৈরি হতে শুরু করবে। যার রেশ পড়বে বাংলাতেও। শুক্রবার গভীর নিম্মচাপে পরিণত হতে পারে যার ফলে বৃষ্টি অবধারিত৷ রাজ্যে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। যদিও এই কদিনের টানা ভ্যাপসা গরমের পর এই বৃষ্টি কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে এমনটাই মত। তবে আর্দ্রতার অস্বস্তি কমবে না। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ক্রমশ বেড়েই চলেছে। আর সেই কারণে আদ্রতাজনিত অস্বস্তি আরও বাড়বে। এদিকে, মৌসুমী অক্ষরেখা সক্রিয় থাকায় সিকিম ও উত্তরবঙ্গেও আগামী কয়েকদিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে। এছাড়া ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে।

জুলাই ২১, ২০২১
দেশ

Mumbai Rain: প্রবল বৃষ্টিতে মুম্বইয়ে বাড়ি ভেঙে মৃত্যু বেড়ে ২২ , জারি রেড অ্যালার্ট

প্রবল বৃষ্টিতে ভিজছে বাণিজ্যনগরী। একটানা বৃষ্টিতে বিপর্যয়ও শুরু হয়েছে মুম্বইয়ে।ইতিমধ্যেই বৃষ্টির কারণে বাড়ি ভেঙে মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। চেম্বুর ও বিক্রোলি এলাকা মিলিয়ে কমপক্ষে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে। নিখোঁজ এখনও অনেকে। গোটা শহরজুড়েই জারি করা হয়েছে রেড অ্যালার্ট (Red Alert)।Maharashtra CM Uddhav Thackeray has expressed grief over the deaths in accidents at Chembur Vikhroli due to torrential rains announced that the government would pay Rs 5 lakh each to the heirs of the deceased free treatment would be given to the injured: CMO ANI (@ANI) July 18, 2021শনিবার রাত থেকে এ দিন ভোর পর্যন্ত কার্যত একটানা বৃষ্টিপাত হয়েছে মুম্বই ও সংলগ্ন এলাকাগুলিতে। জলমগ্ন হয়ে পড়েছে গোটা এলাকা। আবহাওয়া দপ্তর জারি করেছে রেড অ্যালার্ট। বিনা প্রয়োজনে বাড়ি থেকে বের হতেও নিষেধ করা হয়েছে সাধারণ মানুষদের।শনিবার গভীর রাতে মুম্বইয়ের চেম্বুর ও বিক্রোলি এলাকায় দুটি বাড়ি ভেঙে পড়ে। খবর পেয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে মুম্বই পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। চেম্বুরের ভরত নগর এলাকায় ভেঙে পড়া বাড়ির নীচ থেকে সাত জনের দেহ পাওয়া গিয়েছে। ১৫ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।অন্যদিকে বিক্রোলিতে তিন জনের মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছে। আরও দুজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এখনও উদ্ধার কাজ চলছে বলেই জানিয়েছে পুলিশ।আরও পড়ুনঃ নাদনঘাট থানার বটবৃক্ষে জড়ো হওয়া পাখির দল পুলিশের মনজয় করে পেল বাসস্থান ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে চুনাভাট্টি, সিয়ন, দাদার, গান্ধি মার্কেট, চেম্বুর, কুর্লা এলবিএস রোডের মতো একাধিক জায়গা। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, গতকাল রাত আটটা থেকে রাত ২টো অবধি ১৫৬.৯৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে মুম্বইয়ে। পূর্ব শহরতলিতে ১৪৩.১৪ মিলিমিটার ও পশ্চিম শহরতলিতে ১২৫.৩৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

জুলাই ১৮, ২০২১
রাজ্য

বড় খবর: রাজ্যে বাড়ল করোনার বিধিনিষেধ, চালু হচ্ছে না লোকাল ট্রেন

রাজ্যে করোনার বিধিনিষেধ ফের বাড়ল। আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত এই বিধিনিষেছ লাগু থাকছে। এখনই চলবে না লোকাল ট্রেন। তবে সাধারণের জন্য ১৬ জুলাই থেকে শর্তসাপেক্ষে মেট্রো চলাচল শুরু হবে। শনি ও রবিবার বাদে ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে চলবে মেট্রো। স্কুল, কলেজ যথারীতি বন্ধই থাকছে। স্কুল, কলেজ যথারীতি বন্ধই থাকছে। গত জুন মাস থেকেই করোনা নিয়ে রাজ্যে বিধিনিষেধ চালু হয়েছিল।আরও পড়ুনঃ সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যুহার, কি বলছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট? জানুনপ্রতিদিন মেট্রো স্যানিটাইজ করতে হবে। মেট্রোর কর্মী ও যাত্রীদের নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। নবান্নের তরফে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়-সহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধই থাকবে। ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি বাস, ফেরি, ট্রাম, ট্যাক্সি, ক্যাব ও অটো চলবে। তবে চালক ও যাত্রীদের কোভিড বিধি মেনে চলতে হবে। শনি-রবি বাদে সপ্তাহে ৫ দিন চালু থাকবে মেট্রো রেল। ব্যাংক খোলার সময়সীমা এক ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত খোলা থাকবে ব্যাংক। সমস্ত দোকান খোলার অনুমতি দেওয়া হল। শপিংমলে খুচরো বিপণনী ৫০ শতাংশ কর্মী নিয়ে খোলা যাবে। তবে নির্দিষ্ট সময়ে থাকতে হবে ৫০ শতাংশ ক্রেতা। রেস্তোরাঁগুলি ৮টার পর খোলা রাখা যাবে না। সিনেমাহল, স্পা ও সুইমিংপুল বন্ধ থাকছে। যদিও রাজ্য, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সাতারুদের প্রাত্যহিক অভ্যাসের জন্য সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে সুইমিংপুল। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষাগত, বিনোদনমূলক ও রাজনৈতিক সভা-জমায়েত নিষিদ্ধ। বিবাহ অনুষ্ঠানে ৫০ জনের বেশি অতিথি থাকতে পারবেন না। দাহকার্যে ২০ জনের বেশি থাকতে পারবেন না।আরও পড়ুনঃ করোনা প্রতিরোধে নতুন দিশা, বাজারে আসছে ন্যাজাল স্প্রেকরোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার সতর্কবার্তা আইএমএ-র তরফে আসার পরই নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলো। ইতিমধ্যে করোনা সংক্রমণও গত ২দিনে সামান্য হলেও ঊর্ধ্বমুখী। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগেভাগেই করোনা বিধিনিষেধে লাগাম টানল রাজ্য সরকার।১৫ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যে কার্যত লকডাউনের বিধিনিষেধ ফের একবার ১৫ দিন বাড়ানো হল। যান চলাচলে ছাড় দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট করোনা বিধিনিষেধ অবশ্যই পালন করার কড়া নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১৪, ২০২১
দেশ

CloudBrust: হড়পা বানে ভেসে গেল গাড়ি, দোকান

মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে হড়পা বানে বিপর্যস্ত হিমাচলপ্রদেশের ধরমশালা। এই হড়পা বানের বহু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে স্থানীয়দের। আটকে পড়েছেন অনেক পর্যটক। জলের তোড়ে ভেঙে পড়েছে বাড়ি, ভেসেছে গাড়ি। যদিও এখনও পর্যন্ত কারও মৃত্যু হয়নি বলেই জানা গিয়েছে।এই বানের ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, ধরমশালার ভাগসু নাগ এলাকায় রাস্তার উপর দিয়ে প্রবল বেগে জল বয়ে যাচ্ছে। সেই জলের স্রোতে ভেসে যাচ্ছে গাড়ি। জলের তোড়ে বেশ কিছু বাড়িঘরের ক্ষতি হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।The situation in Himachal Pradesh due to heavy rains is being closely monitored. Authorities are working with the State Government. All possible support is being extended. I pray for the safety of those in affected areas. Narendra Modi (@narendramodi) July 12, 2021ধরমশালা থেকে ৫৮ কিলোমিটার দূরে কাংড়া জেলায় প্রবল মেঘভাঙা বৃষ্টি হয়েছে। তার ফলেই এই হড়পা বান দেখা দিয়েছে। ভাগসু নাগের মতো নামকরা পর্যটন কেন্দ্র নদীর রূপ নিয়েছে। কাংড়া ছাড়াও বেশ কিছু জায়গায় প্রবল বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত বলেই খবর। ঘটনায় টুইট করে দুঃখপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজ্য সরকারকে পা্শে থাকার সবরকম আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

জুলাই ১২, ২০২১
রাজ্য

Weather: ভ্যাপসা গরমের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস

ভরা বর্ষার সময় আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টি হচ্ছে না দক্ষিণবঙ্গে। সঙ্গে রয়েছে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি।শুক্রবার আকাশ মেঘলা থাকতেও বর্ষার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি ছাড়া প্রবল বর্ষণ হয়নি। আলিপুর আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস ছিল ধীরে ধীরে কমবে বৃষ্টি। যদিও আজ ফের বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস৷ কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আর্দ্রতার দাপট বাড়বে। এদিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৪ ডিগ্রির সেলসিয়াসের আশেপাশে। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৪%, ন্যূনতম ৬২ %।আরও পড়ুনঃ শাপমোচন করতে পারবেন? ব্যর্থতার তকমা ঝেড়ে ফেলতে মরিয়া মেসিবেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আবহাওয়া পরিবর্তনও হতে পারে বলে হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে বেলার দিকে ঝেঁপে বৃষ্টি আসার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।বৃষ্টিপাতের পুর্বাভাস রয়েছে দক্ষিণবঙ্গেও। যদিও আগামী তিনদিন দক্ষিণবঙ্গে অস্বস্তিকর গরমও বাড়বে বলেও পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ-ওডিশা উপকূল লাগোয়া বঙ্গোপসাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত ছিল। যার জেরেই সপ্তাহের শুরু থেকে প্রবল বৃষ্টিতে ভিজেছিল রাজ্য। রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। বুধবার দুপুর থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়। রবিবার দক্ষিণ ওডিশা-অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই নিম্মচাপের প্রভাব রাজ্যে কতটা পড়বে তা নিয়ে দ্বিমত রয়েছে৷ মধ্য ভারত হয়ে পশ্চিম ভারতের দিকে এগোবে। এর প্রভাবে মৌসুমী অক্ষরেখাটিও ওডিশা-অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে নেমে যাবে, এমনটাই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ১০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইস্তফা কি সত্যিই দিচ্ছেন ফিরহাদ? দু’দিন পরেও মিলল না উত্তর

কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পদ থেকে ফিরহাদ হাকিম ইস্তফা দিতে চলেছেন কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। তবে দুদিন ধরে নানা জল্পনা চললেও এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও স্পষ্ট পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, আদৌ কি মেয়রের পদ ছাড়তে চলেছেন ফিরহাদ হাকিম?সম্প্রতি তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ দাবি করেছিলেন, ফিরহাদ হাকিম দলনেত্রীর কাছে মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না এবং সেই কারণেই ইস্তফা দিতে চান। কুণালের দাবি অনুযায়ী, এই বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছেও জানানো হয়েছিল।কিন্তু সেই মন্তব্যের পর কয়েক দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত ইস্তফা সংক্রান্ত কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি। বরং এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ফিরহাদ হাকিম মন্তব্য করতে চাননি। তিনি শুধু জানিয়েছেন, এই বিষয়ে তিনি কোনও কথা বলবেন না।এদিকে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ অন্য ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। গত কয়েক দিনে একাধিক সরকারি ও প্রশাসনিক কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। পরিবেশ দিবসের কর্মসূচিতেও তাঁকে কলকাতা পুরনিগমের কমিশনারের সঙ্গে দেখা যায়।শুধু তাই নয়, প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও নিয়মিত বৈঠক করতে দেখা যাচ্ছে মেয়রকে। পুর প্রশাসনের কাজকর্ম নিয়েও তিনি সক্রিয় রয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। ফলে ইস্তফার জল্পনার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির বেশ কিছু অসঙ্গতি সামনে আসছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যদি সত্যিই ইস্তফার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সাধারণত প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখার প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু বর্তমানে ফিরহাদ হাকিমের ভূমিকা সে ধরনের কোনও ইঙ্গিত দিচ্ছে না।ফলে মেয়র পদ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। ফিরহাদ হাকিম শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেন, তা নিয়ে এখন কৌতূহল রাজনৈতিক মহলে। তবে সরকারি ভাবে কিছু ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এই বিতর্ক ও জল্পনা যে চলতেই থাকবে, তা বলাই যায়।

জুন ০৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টাকা না দিয়েই বিশ্বকাপের টিকিট! ফিফার বড় ভুলে তোলপাড় ফুটবল দুনিয়া

ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। তার আগেই টিকিট বিক্রি নিয়ে বড় বিতর্কে জড়াল ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে কয়েকজন সমর্থক বিনামূল্যে বিশ্বকাপের টিকিট পেয়ে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।সূত্রের খবর, অন্তত ষাট জন ফুটবলপ্রেমী বিশ্বকাপের টিকিট কাটার সময় কোনও টাকা না দিয়েই টিকিট সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। অভিযোগ, টিকিট বুকিংয়ের শেষ ধাপে গিয়ে তাঁদের কাছ থেকে কোনও অর্থ নেওয়া হয়নি। ফলে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে টিকিট তাঁদের হাতে চলে যায়।বিশ্বকাপের টিকিটের দাম নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই বিতর্ক চলছে। অনেকের অভিযোগ, সাধারণ সমর্থকদের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে টিকিটের মূল্য। এই পরিস্থিতিতে কিছু দর্শক বিনামূল্যে টিকিট পাওয়ার খবর সামনে আসতেই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে যাঁরা মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করে টিকিট কিনেছেন, তাঁদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে শুরু করে।জানা গিয়েছে, কানাডার টরন্টো শহরে আয়োজিত কয়েকটি ম্যাচের টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রেই এই সমস্যা দেখা দেয়। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে অর্থ পরিশোধ ছাড়াই টিকিট ইস্যু হয়ে যায় বলে অভিযোগ।বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে ফিফা। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ওয়েবসাইটে সাময়িক প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। যাঁরা বিনামূল্যে টিকিট পেয়েছেন, তাঁদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টিকিটের মূল্য পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা জমা না দিলে তাঁদের টিকিট বাতিল করে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।এদিকে টিকিট বিক্রির পদ্ধতি নিয়েও নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ার অভিযোগে ইতিমধ্যেই আইনি জটিলতার মুখে পড়েছে ফিফা। টিকিট বিক্রির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে এই ঘটনা ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

ইন্ডিয়া জোটে বড় বিস্ফোরণ! ডিএমকে সরে যেতেই বিজয়ের দিকে কংগ্রেসের ঝোঁক?

পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। অন্যদিকে তামিলনাড়ুতেও বদলেছে রাজনৈতিক চিত্র। এই পরিস্থিতিতে এবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ইন্ডিয়া জোটের অন্দরেও কি বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে?তামিলনাড়ুতে নির্বাচনে কংগ্রেস ডিএমকের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করলেও ফল প্রকাশের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। সরকার গঠনের সময় কংগ্রেস সমর্থন জানায় অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বিজয়ের দলের প্রতি। সেই সমর্থনের ফলস্বরূপ কংগ্রেস একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনও পেয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, কংগ্রেস এখন বিজয়ের দলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে আগ্রহী। আগামী আট জুন দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। সেই বৈঠকে বিজয়ের দলকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব ভাবনাচিন্তা করছে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে।এদিকে ডিএমকে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে যে তারা ওই বৈঠকে অংশ নেবে না। দলের নেতাদের বক্তব্য, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনায় তারা অত্যন্ত হতাশ। কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই আপাতত ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।শুধু ডিএমকে নয়, ইন্ডিয়া জোটের ভেতরে আরও কয়েকটি দলের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই একাধিক শরিক দলের সঙ্গে কংগ্রেসের দূরত্ব বেড়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। বিভিন্ন রাজ্যে আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কের টানাপোড়েন এবার জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।আসন্ন বৈঠকে কোন দল উপস্থিত থাকে এবং কোন দল দূরত্ব বজায় রাখে, সেদিকেই এখন নজর দেশের রাজনৈতিক মহলের। কারণ সেই বৈঠকের ফলাফলই ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

ঋণগ্রহীতাদের জন্য বড় সুখবর! রেপো রেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আরবিআইয়ের

বিশ্বজুড়ে অস্থির অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর দিল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। শুক্রবার মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকের পর জানানো হয়েছে, আপাতত রেপো রেটের কোনও পরিবর্তন করা হচ্ছে না। ফলে বাড়ি, গাড়ি বা অন্যান্য ঋণের মাসিক কিস্তি এখনই বাড়ার আশঙ্কা নেই।রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুদ্রানীতি কমিটির সব সদস্যই রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে মত দেন। বর্তমানে রেপো রেট রয়েছে পাঁচ দশমিক দুই পাঁচ শতাংশে। আগামী দুমাস এই হারই বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের মতে, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তার কারণে আপাতত সতর্ক অবস্থান নেওয়াই সবচেয়ে উপযুক্ত। ভবিষ্যতে পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে তখন প্রয়োজন অনুযায়ী নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।গত বছর একাধিকবার রেপো রেট কমিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। প্রথমে ধারাবাহিকভাবে হার কমানোর পর জুন মাসে আরও পঞ্চাশ বেসিস পয়েন্ট কমানো হয়। পরে ডিসেম্বর মাসে আবার পঁচিশ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে রেপো রেট পাঁচ দশমিক দুই পাঁচ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। সেই হারই এখনও বজায় রয়েছে।তবে অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের ওঠানামা, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের কারণে ভবিষ্যতে রেপো রেট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। সেই কারণেই আগামী কয়েক মাসের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দিকে বিশেষ নজর রাখছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।এদিকে দেশের অর্থনীতি নিয়েও নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার রক্ষার জন্য দেশের সঞ্চিত সোনার একটি বড় অংশ বিক্রি করা হয়েছে। যদিও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সেই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে খারিজ করে দিয়েছে। তবুও বিষয়টি নিয়ে অর্থনৈতিক মহলে আলোচনা থামেনি।

জুন ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার ঘনিষ্ঠ নেতা এবার বিদ্রোহী শিবিরে! জাভেদ খানের পদক্ষেপে তোলপাড় রাজনীতি

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত ছিলেন জাভেদ খান। রাজনৈতিক জীবনের বড় অংশই তিনি কাটিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সেই সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। সম্প্রতি তাঁকে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বৈঠকে।গত সোমবার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যায় জাভেদ খানকে। শুক্রবারও বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিনি। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের সম্পত্তি নিয়ে ওঠা অভিযোগের জবাব দেন জাভেদ খান। তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার অনেকটাই ভিত্তিহীন। তাঁর বক্তব্য, পরিবারের পৈতৃক সম্পত্তিকে ঘিরে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। সব সম্পত্তি তাঁর ব্যক্তিগত মালিকানাধীন নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে তৃণমূল ভবনের জমি নিয়ে তাঁর মন্তব্য। জাভেদ খানের দাবি, ওই জমি তাঁদের পরিবারের ছিল এবং পরে তা দান করা হয়েছিল। তবে সেই জমি ফেরত নেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁদের নেই বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না।রাজনৈতিক জীবনে জাভেদ খানের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় নেতা হিসেবে কাজ শুরু করেন। কলকাতা পুরসভায় একাধিকবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। পরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও সামলেছেন। কলকাতা পুর প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার পাশাপাশি দীর্ঘদিন বিধায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।রাজ্যের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন জাভেদ খান। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তরের দায়িত্বে থেকে তিনি দীর্ঘ সময় প্রশাসনিক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কারণেই তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হওয়ার ঘটনা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।বিদ্রোহী শিবিরে তাঁর উপস্থিতি এবং সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

থানায় স্বরূপ, নেটদুনিয়ায় অনির্বাণ! রাতারাতি বদলে গেল সমীকরণ

টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়ায় তোলাবাজি এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার তাঁকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে নিউ আলিপুর থানার পুলিশ। এক মেকআপ শিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োর কর্মীদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায় করা হত। পাশাপাশি স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগও ওঠে। গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাতে থানার সামনে ভিড় জমায় এলাকার বহু মানুষ। তাঁদের একাংশ প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন। থানার সামনে বিক্ষোভ ও স্লোগানও শোনা যায়।টালিগঞ্জের একাংশের শিল্পী ও কলাকুশলীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ, ফেডারেশনের ক্ষমতা ব্যবহার করে বহু শিল্পীর কাজের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই তালিকায় অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যের নামও বারবার উঠে এসেছে।স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেপ্তার হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে অনির্বাণের একটি পুরনো ভিডিও। সেখানে তাঁকে এক জনপ্রিয় লোকগান গাইতে দেখা যায়। ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে নেটমাধ্যমে। পাশাপাশি অভিনেতার বিভিন্ন ছবি ও সংলাপ ব্যবহার করে একাধিক ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট এবং মিমও ভাইরাল হয়েছে।টলিপাড়ার অনেকের দাবি, অতীতে নানা বাধার মুখে পড়লেও নিজের অভিনয় দক্ষতার জোরে দর্শকদের মন জয় করেছেন অনির্বাণ। পরবর্তীকালে বড় বড় প্রযোজনায় তাঁর অভিনয় বিশেষ প্রশংসাও পেয়েছে। বর্তমানে তাঁর একাধিক নতুন কাজ নিয়েও দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।এদিকে ফেডারেশন এবং তথাকথিত ব্যান সংস্কৃতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে ইন্ডাস্ট্রিতে। কিছু শিল্পী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের দাবি, ভবিষ্যতে কাজের ক্ষেত্রে কোনও শিল্পীকে ব্যক্তিগত মতামতের কারণে বাধার মুখে পড়তে হবে না। মত প্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রেখেই কাজের পরিবেশ গড়ে তোলার পক্ষে সওয়াল করেছেন তাঁরা।স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর টলিপাড়ার।

জুন ০৫, ২০২৬
কলকাতা

কুড়ি সাংসদ নিয়ে গোপন বৈঠক! লোকসভায় বড় চমক দিতে চলেছেন কাকলি?

লোকসভায় তৃণমূলের নেতৃত্বে বড় পরিবর্তনের জল্পনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে এবং সেই পরিস্থিতিতে লোকসভায় নতুন দলনেতা হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নাম সামনে আসতে পারে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি কাকলি নিজে। তাঁর দাবি, এ নিয়ে তিনি কিছুই জানেন না।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা কাকলি ঘোষ দস্তিদার। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াইয়ের অংশ ছিলেন। লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তবে কয়েক সপ্তাহ আগে সেই পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই দলের অন্দরে তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে।বিশেষ করে ভোটকৌশল সংস্থা আইপ্যাককে নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন কাকলি। তাঁর অভিযোগ ছিল, আইপ্যাকের ভূমিকার কারণেই দলের ক্ষতি হয়েছে। পরে তিনি দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ থেকেও সরে দাঁড়ান। এর কিছুদিনের মধ্যেই কেন্দ্রের তরফে তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়। অনেকের দাবি, বিরোধী শিবিরের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বেড়েছে। যদিও এ বিষয়ে কোনও সরকারি তথ্য সামনে আসেনি।এদিকে সূত্রের খবর, আগামী রবিবার প্রায় কুড়ি জন তৃণমূল সাংসদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে পারে। সেই বৈঠকে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে সোমবার লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে একটি স্বাক্ষরিত চিঠি জমা পড়তে পারে বলেও জল্পনা ছড়িয়েছে। ওই চিঠিতে লোকসভায় নতুন দলনেতা হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নাম প্রস্তাব করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।এই জল্পনার মধ্যেই শুক্রবার সমাজমাধ্যমে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা পোস্ট করেন কাকলি। সেখানে তিনি লেখেন, একজন রাজনৈতিক কর্মী যদি চারবারের সাংসদ হন এবং চার দশক ধরে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেন, তবে তিনি শুধুমাত্র নিজের স্বার্থের কথা ভাবতে পারেন না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান পরিস্থিতি আসলে নীতির বিরুদ্ধে জনরায় এবং শাসনের ব্যর্থতার প্রতিফলন।কাকলির এই বার্তার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর মন্তব্য কি শুধুই রাজনৈতিক মূল্যায়ন, নাকি এর পিছনে রয়েছে আরও বড় কোনও ইঙ্গিত? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন নজর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বাঙালি অধ্যাপিকার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, মাথা থেঁতলে খুনের অভিযোগে চাঞ্চল্য

রাজধানী দিল্লিতে এক বাঙালি অধ্যাপিকার খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভের সত্যম অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবাজী কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবস্মিতা পালের (৪২) রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। তিনি ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন। তাঁর স্বামী বেঙ্গালুরুতে কর্মসূত্রে থাকেন।পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার থেকে দেবস্মিতার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। ফোনেও কোনও সাড়া মিলছিল না। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর দিদি দেবারতী পাল নিউ অশোক নগর থানায় ফোন করে জানান, বন্ধ ফ্ল্যাটের ভিতরে তাঁর বোনের দেহ পড়ে রয়েছে।দেবারতীর বক্তব্য, সকাল থেকেই ফ্ল্যাটের দরজায় বাইরে থেকে তালা লাগানো ছিল। দীর্ঘ সময় ফোনে যোগাযোগ না হওয়ায় তিনি আশঙ্কা করেন কিছু অঘটন ঘটেছে। পরে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকতেই রক্তাক্ত অবস্থায় দেবস্মিতাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই ঘটনায় কোনও পরিচিত ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন। খুনের পর দরজায় তালা দিয়ে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। মৃতদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মাথায় ভারী কোনও বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে এবং হাতের শিরাও কাটা ছিল।মৃত্যুর সময় ও প্রকৃত কারণ জানতে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিল্লির লাল বাহাদুর শাস্ত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ফ্ল্যাটে চুরির কোনও চিহ্ন মেলেনি। সোনার গয়না ও নগদ টাকা অক্ষত ছিল।খুনের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা জানতে পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জুন ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal