• ২১ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Pakistan

বিদেশ

"আঁখ মারে...," মহিলা সাংবাদিককে লক্ষ্য করে পাকিস্তান সেনার জেনারেলের অসভ্য আচরণে সোশাল মিডিয়ায় তোলপাড়

পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনসের ডিরেক্টর জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরীর একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক সংবাদিক আবসা কোমালের প্রশ্নের জবাবে তিনি হেসে তাকে আঙুল দিয়ে চোখের দিকে চোখ মারেন।সংবাদিক তার কাছে প্রশ্ন করেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বিরুদ্ধে তার করা অভিযোগ সম্পর্কে, যেখানে তিনি খানেরকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি, রাষ্ট্রবিরোধী এবং দিল্লির হাত ধরে কাজ করছে হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। এই প্রশ্নের জবাবে চৌধুরী বলেন, আরও একটি পয়েন্ট যোগ করি, তিনি মানসিক রোগী। এরপর তিনি হাসি দিয়ে সাংবাদিকের দিকে চোখের ইশারা করেন।ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর সোশাল মিডিয়ায় সরাসরি ক্ষোভ দেখা দেয়। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, তিনি কোনো পেশাদার সেনা নন। আরেকজন মন্তব্য করেছেন, এটা দেখাচ্ছে তাদের সেনাবাহিনী কতটা অসংগঠিত। কেউ কীভাবে ইউনিফর্ম পরে এভাবে চোখের ইশারা করতে পারে?চৌধুরী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ মুখ হিসেবে পরিচিত। তিনি সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রায়শই ভারতবিরোধী বক্তব্যের জন্য সংবাদ সম্মেলনে বিতর্কিত হয়ে থাকেন। মে মাসে দিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে ছোট সামরিক সংঘর্ষের সময়ও তিনি সুপরিচিত হয়েছিলেন।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
বিদেশ

ইমরান খান কি মানসিকভাবে অসুস্থ? জেল থেকে অভিযোগ, সেনার পালটা তোপে তপ্ত পাকিস্তান!

জেল থেকেই পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এবার তাঁর মন্তব্যের কড়া পালটা দিল পাকিস্তান সেনা। সেনার মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট আহমেদ শরিফ চৌধুরী প্রকাশ্যে ইমরানকে মানসিকভাবে অসুস্থ বলে কটাক্ষ করেছেন। তাঁর দাবি, ইমরানের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাই তাঁকে দিয়ে এমন অভিযোগ করাচ্ছে।টিভিতে দেওয়া এক ভাষণে শরিফ বলেন, ইমরান এতটাই আত্মকেন্দ্রিক যে তিনি মনে করেন, তিনি যদি ক্ষমতায় না থাকেন, তাহলে দেশেও স্থিরতা থাকবে না। তিনি আরও বলেন, যাঁরা ইমরানকে জেলে দেখতে যাচ্ছেন, তাঁরা সেনার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছড়াচ্ছেন। এর মধ্যেই গত কয়েক দিনে ইমরানের সঙ্গে দেখা করেছেন তাঁর বোন উজমা খান।ইমরান জেল থেকে যে অভিযোগ তুলেছেন তা আরও বিস্ফোরক। তাঁর দাবি, সেনাপ্রধান মুনিরের সিদ্ধান্তই পাকিস্তানকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে। সন্ত্রাস এমন জায়গায় পৌঁছেছে যা আর নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না। ইমরানের অভিযোগ, মুনির পাকিস্তানের স্বার্থ নয়, বরং পশ্চিমি বিশ্বের মন জিততেই কাজ করছেন। আফগানিস্তানের সঙ্গে ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তেজনা বাড়ানো হচ্ছে, যাতে আন্তর্জাতিক মহল তাঁকে মুজাহিদ বলে প্রচার করে।জেলে নিজের পরিস্থিতি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ইমরান। তাঁর দাবি, তাঁকে পুরোপুরি নিঃসঙ্গ অবস্থায় রাখা হয়েছে। তিনি এমন একটি সেলে রয়েছেন যেখানে টানা চার সপ্তাহ ধরে কোনও মানুষের মুখ পর্যন্ত দেখেননি। বাইরের জগতের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগও সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
দেশ

স্বামী দিল্লিতে দ্বিতীয় বিয়ের প্রস্তুতিতে, করাচি থেকে মোদির কাছে ন্যায় ভিক্ষা পাক মহিলার!

করাচিতে স্ত্রীকে রেখে দিল্লিতে নাকি দ্বিতীয় বিয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন স্বামীএমনই গুরুতর অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে সরাসরি সাহায্য চেয়েছেন পাকিস্তানের নাগরিক নিকিতা নাগদেব। এক ভিডিও বার্তায় কান্নাজড়িত গলায় তিনি জানান, এই বিষয়ে তিনি ভারতে অভিযোগও জমা দিয়েছেন।নিকিতা বলেন, ২০২০ সালের ২৬ জানুয়ারি করাচিতে তাঁর বিয়ে হয় পাক বংশোদ্ভূত বিক্রম নাগদেবের সঙ্গে। বিক্রম দীর্ঘমেয়াদি ভিসা নিয়ে ভারতের ইন্দোরে থাকেন। বিয়ের পর কিছুদিন স্বামীর সঙ্গেই ছিলেন তিনি। কিন্তু পরে ভিসা সংক্রান্ত সমস্যার কথা বলে তাঁকে আটারি সীমান্ত দিয়ে করাচিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেই থেকেই তিনি পাকিস্তানে আটকে আছেন।নিকিতার অভিযোগ, বিক্রম আর কখনও তাঁকে ভারতে ফিরিয়ে আনতে চাননি। বরং ধীরে ধীরে শ্বশুরবাড়ির আচরণও বদলে যায়। তিনি দাবি করছেন, স্বামীর নাকি তাঁরই এক আত্মীয়ের সঙ্গে অসৎ সম্পর্ক রয়েছে। নিকিতা বলেন, বিষয়টি যখন শ্বশুরকে জানান, তিনি গুরুত্ব না দিয়ে বলেনছেলেরা প্রেম তো করবেই, এতে কিছু করার নেই।নিকিতা আরও জানান, করোনাকালেই তাঁকে জোর করে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। তারপর থেকে তিনি বারবার স্বামীকে অনুরোধ করেছেন তাঁকে ভারতে ফিরিয়ে আনতে। কিন্তু বিক্রম প্রতিবারই তা এড়িয়ে গিয়েছেন।অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে নিকিতা বলেন, ভারতের প্রতিটি নারীর ন্যায় পাওয়ার অধিকার আছে। তিনি ন্যায়ের আবেদন জানিয়ে বলেন, যদি আজ তিনি বিচার না পান, তবে বহু মহিলারই ন্যায়বিচারের উপর বিশ্বাস নষ্ট হয়ে যাবে। শ্বশুরবাড়িতে বহু নারী যে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন, সেই কথাও তুলে ধরেন তিনি। শেষে সকলের কাছে সমর্থন চান নিকিতা।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
দেশ

চার বছর পাকিস্তানের জেলে কাটিয়ে আবারও সীমান্তে! কে এই রহস্যময় প্রশান্ত?

রাজস্থানের বিকানের সীমান্তে এক যুবককে পাকাপাকি ভাবে পাকিস্তানে ঢোকার চেষ্টা করতে গিয়ে ধরল বিএসএফ। এরপরই প্রশ্ন উঠেছে, সীমান্তের বালির পাহাড়ের আড়ালে কি সত্যিই কোনও গোপন রুট রয়েছে? শনিবার রাতে পাকিস্তান সীমান্তের নিষিদ্ধ এলাকা থেকে ধরা পড়েছে অন্ধ্র প্রদেশের বাসিন্দা প্রশান্ত ভেদম। সে সরাসরি জানিয়েছে, তার উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানে চলে যাওয়া।বিএসএফ জানায়, প্রশান্ত বিশাখাপত্তনম থেকে বেরিয়ে দেশের কয়েকটি জায়গা ঘুরে সোজা বিকানের সীমান্তে পৌঁছেছিল। থর মরুভূমিতে সে উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটছিল, কিন্তু তার পথ একেবারেই সীমান্তের দিকে ছিল। ধরা পড়ার পর সে স্বীকার করে যে কাঁটাতারের কোনও ফাঁক খুঁজছিল, যেখান দিয়ে পাকিস্তানে ঢুকে যেতে পারবে। তার বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়তেই বিএসএফ তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।এই ঘটনায় গোয়েন্দাদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে, কারণ জেরায় উঠে এসেছে আরও বড় তথ্য২০১৭ সালেও পাকিস্তানে ঢুকে পড়েছিল প্রশান্ত। তখন কারনি পোস্ট দিয়ে সে সীমান্ত পেরোয়। পাক সেনা তাকে গ্রেফতার করে এবং প্রায় চার বছর জেলে রাখে। ২০২১ সালে তাকে আত্তারি সীমান্ত দিয়ে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়। এর পরও কেন সে ফের পাকিস্তানে ঢোকার চেষ্টা করল, তা নিয়েই সবচেয়ে বড় রহস্য তৈরি হয়েছে।গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছেন প্রশান্ত একাই এসেছে, নাকি কারও নির্দেশে এসেছে। বিশাখাপত্তনম থেকে বিকানেরে কীভাবে এল, পথে কারও সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল কি না, সব কিছুই তদন্ত করা হচ্ছে। বিএসএফ, গোয়েন্দা ও স্থানীয় পুলিশ যৌথভাবে এলাকা ঘিরে তদন্ত চালাচ্ছে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
বিদেশ

বিজেপির সঙ্গে বন্ধুত্ব চান ইমরান, ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ চাইছেন আসিম মুনির! বিস্ফোরক মন্তব্য পাক প্রধানমন্ত্রীর বোনের

পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির ভারতের সঙ্গে পুরো মাত্রার যুদ্ধ চাইছেন বলে তীব্র অভিযোগ তুললেন জেলবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বোন আলিমা খান। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম Sky News-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আসিম মুনির একজন চরমপন্থী ইসলামপন্থী ও রক্ষণশীল নেতা। তাঁর এই মানসিকতার কারণেই বারবার ভারতের সঙ্গে সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। আলিমা খানের কথায়, ইমরান খান একেবারে উদারমনস্ক মানুষ এবং তিনি সব সময় ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চান, এমনকি বিজেপির সঙ্গেও তিনি সম্পর্ক রাখতে আগ্রহী ছিলেন।আলিমা বলেন, আসিম মুনির যেভাবে ধর্মীয় চরমপন্থায় বিশ্বাস করেন, তাতে যাঁরা ইসলামি ভাবধারায় বিশ্বাসী নন, তাঁদের বিরুদ্ধেই তিনি লড়াইয়ে নামতে চান। তাঁর অভিযোগ, এই কারণেই মে মাসে ভারত-পাকিস্তান সংঘাত চরমে ওঠে। তিনি আরও বলেন, ইমরান খান পশ্চিমের কাছে একটি বড় সম্পদ। তাই পশ্চিমা দেশগুলির এখন উচিত আরও জোরদার ভাবে তাঁর মুক্তির জন্য চাপ সৃষ্টি করা।এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন কিছুদিন আগেই ইমরানের আর এক বোনকে আদিয়ালা জেলে তাঁর সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তার ঠিক পরই ইমরান নিজেও সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ভাষায় আক্রমণ করেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, আসিম মুনির মানসিক ভাবে অসুস্থ এক স্বৈরাচারী শাসক। জেলের ভিতরে তাঁর সঙ্গে কিছু হলে তার সম্পূর্ণ দায় সেনাপ্রধানের বলেও অভিযোগ করেন ইমরান খান।ইমরান আরও দাবি করেন, তাঁকে এবং তাঁর স্ত্রীকে মিথ্যা মামলায় জেলে আটকে ভয়াবহ মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত কয়েদির মতোই তাঁকে রাখা হয়েছে, এমনকি পশুর থেকেও খারাপ আচরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, আসিম মুনির দেশের স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহ দিচ্ছেন, যার জেরে আজ পাকিস্তানে জঙ্গিবাদ ভয়াবহ আকার নিয়েছে।কাশ্মীর নিয়ে আসিম মুনিরের আগের একাধিক কড়া মন্তব্য এবং ইসলাম বনাম হিন্দু বিভাজনের বক্তব্য থেকেই সংঘাতের আগুন আরও ছড়িয়েছে বলে মত বিশেষ মহলের। তার পরই ভয়াবহ হামলা, পাল্টা ভারতের সামরিক অভিযানে দুই দেশের সম্পর্কে নতুন করে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সেই আবহেই এবার পাকিস্তানের অন্দরে সেনাপ্রধান ও প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের মুখোমুখি সংঘর্ষে রাজনীতি আরও অস্থির হয়ে উঠল।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২৫
বিদেশ

ঋণের চাপে দেশের পতাকাবাহী বিমান সংস্থাই বিক্রি! পাকিস্তানে তোলপাড়

ঋণ আর আর্থিক সঙ্কটে জর্জরিত পাকিস্তানকে এবার তাদের জাতীয় বিমান সংস্থা বিক্রি করতেই হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের চাপে পাকিস্তান সরকার আর্থিক কড়াকড়ির পথে হাঁটতে বাধ্য হয়েছে। সেই শর্তের অংশ হিসেবেই পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্স বা Pakistan International Airlines-এর ৫১ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শেয়ার বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী Shehbaz Sharif জানিয়েছেন, আগামী ২৩ ডিসেম্বর এই নিলাম অনুষ্ঠিত হবে এবং তা সরাসরি সমস্ত সংবাদমাধ্যমে দেখানো হবে। ইসলামাবাদে দরপত্রদাতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি এই ঘোষণা করেন। নিলামে অংশ নেওয়ার জন্য চারটি সংস্থাকে আগাম অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সেনা-নিয়ন্ত্রিত ফাউজি ফাউন্ডেশনের অধীন ফাউজি ফার্টিলাইজার কোম্পানিও।এই বিক্রির পেছনে রয়েছে আইএমএফ-এর ৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ প্যাকেজ। সেই প্যাকেজের অন্যতম শর্ত হল পিআইএ বেসরকারিকরণ। পাকিস্তানের বেসরকারিকরণমন্ত্রী জানিয়েছেন, চলতি বছরে সরকার প্রায় ৮৬ বিলিয়ন টাকা বেসরকারিকরণ থেকে আয় করার লক্ষ্য নিয়েছে। পিআইএ বিক্রি হলে সরকারের ভাগে যাবে একটি অংশ, বাকি থাকবে সংস্থার মধ্যেই।শোনা যাচ্ছে, গত দুই দশকে এটি হবে পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় বেসরকারিকরণ উদ্যোগ। যে চারটি সংস্থা এই দৌড়ে রয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে লাকি সিমেন্ট কনসোর্টিয়াম, আরিফ হাবিব কর্পোরেশন কনসোর্টিয়াম, ফাউজি ফার্টিলাইজার কোম্পানি ও এয়ার ব্লু।ফাউজি ফার্টিলাইজার মূলত ফুজি ফাউন্ডেশনের অংশ, যা পাকিস্তানের অন্যতম বড় কর্পোরেট গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। দেশের সেনাপ্রধান আসিম মুনির এই সংস্থার পরিচালন পর্ষদে সরাসরি না থাকলেও সেনাবাহিনীর মাধ্যমে তাঁর প্রভাব রয়েছে বলেই মনে করা হয়।পাকিস্তানের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দেশটি নিয়মিত নতুন ঋণ নিয়ে পুরনো ঋণ শোধ করছে। ২০২৩ সালে পাকিস্তান প্রায় ঋণখেলাপির মুখে দাঁড়িয়ে পড়েছিল। প্রতিরক্ষা খাতে বিপুল খরচ দেশটির আর্থিক ভাঁড়ার আরও ফাঁকা করেছে। আইএমএফের ৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ সেপ্টেম্বর ২০২৪-এ অনুমোদিত হয়। তার মধ্যে ১ বিলিয়ন ডলার তখনই দেওয়া হয়, বাকি টাকা তিন বছরে পর্যায়ক্রমে দেওয়ার কথা।পিআইএ-এর পতন শুরু হয় ২০২০ সালে। সেই সময় সামনে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্যপাকিস্তানের ৩০ শতাংশের বেশি পাইলট ভুয়ো লাইসেন্স নিয়ে বিমান চালাচ্ছিলেন। এর জেরে শতাধিক পাইলটকে বসিয়ে দেওয়া হয়। ইউরোপ, ব্রিটেন ও আমেরিকা পিআইএ-র উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ফলে সংস্থার আয় ভয়াবহভাবে পড়ে যায়।এর সঙ্গে যোগ হয় অতিরিক্ত কর্মী, রাজনৈতিক নিয়োগ, স্বজনপোষণ, দুর্নীতি এবং ভয়াবহ অপব্যবস্থা। একই বছর করাচিতে পিআইএ বিমানের ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়, যা সংস্থার সংকটকে আরও গভীর করে তোলে। মেরামতি, তদন্ত এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বিপুল অর্থ খরচ করতে গিয়ে পিআইএ পুরোপুরি আর্থিক দেউলিয়ায় পৌঁছয়।আজ পিআইএ শুধু একটি বিমান সংস্থা নয়, পাকিস্তানের ভেঙে পড়া অর্থনীতির প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘ দিনের অব্যবস্থা, দুর্নীতি আর ভুল সিদ্ধান্তই এক সময়ের গর্বের সংস্থাকে এই অবস্থায় এনে ফেলেছে।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২৫
বিদেশ

ভারত পালিয়েছে নাকি পাকিস্তান নাটক করেছে? অক্সফোর্ড বিতর্কে তীব্র টানাপড়েন

লন্ডনের বিখ্যাত অক্সফোর্ড ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিতর্ক হওয়ার কথা ছিল। বিতর্কের বিষয় ছিল ভারতের পাকিস্তান নীতি কি শুধুই জনতাকে খুশি করার কৌশল? কিন্তু বিতর্ক শুরু হওয়ার আগেই হঠাৎ নাটকীয় মোড় নেয় গোটা পরিস্থিতি। পাকিস্তান অভিযোগ তোলে, শেষ মুহূর্তে ভারতের প্রতিনিধিরা নাকি বিতর্ক থেকে সরে দাঁড়ান। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আনে পাকিস্তান হাই কমিশন।পাকিস্তানের তরফে জানানো হয়, তাঁদের বক্তারা ইতিমধ্যেই লন্ডনে পৌঁছে গিয়েছিলেন এবং অক্সফোর্ডে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু সেদিন সকালে অক্সফোর্ড ইউনিয়ন জানায়, ভারতের তিন বক্তাই নাকি বিতর্কে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে বলা হয়, এতে তারা একপ্রকার ওয়াকওভার পেয়ে যায়।এই বিতর্কে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে থাকার কথা ছিল প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী হিনা রব্বানি খর, ব্রিটেনে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফয়সাল এবং প্রাক্তন সেনা অফিসার জুবায়র মাহমুদ হায়াতের। ভারতের দিক থেকে বক্তা হিসেবে নাম ছিল প্রাক্তন সেনাপ্রধান মনোজ নারাভানে, রাজনীতিক সুব্রহ্মণ্যম স্বামী এবং রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলটের।পাকিস্তানের একটি সংবাদ চ্যানেলের সঞ্চালক ওয়াজাহাত কাজমি এই ঘটনাকে পাকিস্তানের বুদ্ধিবৃত্তিক জয় বলেও দাবি করেন। তিনি বলেন, ভারতের পক্ষ কম যোগ্য বিকল্প বক্তা পাঠাতে চেয়েছিল।তবে এই সমস্ত অভিযোগ সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছেন ভারতীয় আইনজীবী ও বক্তা J Sai Deepak। তিনি জানান, অক্সফোর্ড ইউনিয়ন আগেই তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তা হিসেবে নিশ্চিত করেছিল। নারাভানে ও স্বামীকেও প্রথমে নিশ্চিত করা হয়েছিল। পরে অক্সফোর্ড ইউনিয়ন জানায়, ওই দুজন আসতে পারবেন না এবং বিকল্প নাম দিতে বলা হয়।সাই দীপক জানান, তিনি বিকল্প দেওয়ার আগেই অক্সফোর্ড ইউনিয়ন নিজেরাই সুচেল সেঠ ও প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁদের রাজি করায়। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দুজনই অল্প নোটিশের কারণে নাম প্রত্যাহার করেন।শিবসেনা সাংসদ প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদীও বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেন, অক্সফোর্ড ইউনিয়ন তাঁকে অনেক আগেই আমন্ত্রণ জানালেও শেষ মুহূর্তে আচমকা মেল করে হাজির থাকার কথা জানানো হয়। এই অগোছালো ব্যবস্থাপনায় তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে অংশ নিতে রাজি হননি। তাঁর দাবি, পাকিস্তান এই ঘটনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে ভুলভাবে তুলে ধরছে।এই ঘটনায় নতুন করে ভারত-পাকিস্তান কূটনৈতিক টানাপড়েন এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে মুখরক্ষা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ২৯, ২০২৫
বিদেশ

দুবাই-আবুধাবিতে আর যাওয়া যাবে না? পাকিস্তানিদের ভিসা নিয়ে বড় ধাক্কা

অপরাধমূলক কাজে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগে পাকিস্তানি নাগরিকদের ভিসা দেওয়া কার্যত বন্ধ করে দিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। সম্প্রতি পাকিস্তানের সেনেটের মানবাধিকার সংক্রান্ত কমিটির বৈঠকে এই তথ্য প্রকাশ্যে আনেন সে দেশের অতিরিক্ত স্বরাষ্ট্রসচিব Salman Chaudhry। তিনি জানান, একবার এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি হলে তা প্রত্যাহার করানো অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। পাকিস্তানের প্রথম সারির সংবাদপত্র Dawn-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, পরিস্থিতি ইতিমধ্যেই অত্যন্ত জটিল পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে।অভিবাসন সংক্রান্ত কাজের সঙ্গে যুক্ত এইসাম বাইগের দাবি, সমস্যার মূল কারণ হল বহু পাকিস্তানি নাগরিক কাজের ভিসা না নিয়ে ভিজিট ভিসায় এসে ভিক্ষাবৃত্তি ও বেআইনি কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ছেন। এই প্রবণতাই আমিরশাহি প্রশাসনকে কড়া পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করেছে। বর্তমানে শুধু ব্লু ও কূটনৈতিক পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রেই সীমিত পরিসরে ভিসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।পাকিস্তানের সেনেটের মানবাধিকার কমিটির চেয়ারপার্সন Samina Mumtaz Zehri জানিয়েছেন, অত্যন্ত অল্প সংখ্যক নাগরিক বহু বাধা পেরিয়ে ভিসা পাচ্ছেন। তার আগেই ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে পুলিশের দেওয়া চরিত্র শংসাপত্র বাধ্যতামূলক করেছিল আমিরশাহি প্রশাসন।গালফ দেশগুলির মধ্যে বিশেষ করে Dubai ও Abu Dhabi বহু বছর ধরেই পাকিস্তানি ভ্রমণকারী ও কর্মপ্রার্থীদের পছন্দের গন্তব্য। প্রতি বছর গড়ে ৮ লক্ষেরও বেশি পাকিস্তানি নাগরিক উপসাগরীয় ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে কাজের খোঁজে ভিসার জন্য আবেদন করেন। কিন্তু নতুন এই নিষেধাজ্ঞায় কার্যত থমকে যেতে বসেছে সেই প্রবাহ।২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে আমিরশাহি, Saudi Arabia ও আরও কয়েকটি উপসাগরীয় দেশ অন্তত পাকিস্তানের ৩০টির বেশি শহরের বাসিন্দাদের জন্য অনির্দিষ্টকালের ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। বিদেশে ভিক্ষাবৃত্তি, পাচার, মাদক ব্যবসা ও মানবপাচারের মতো গুরুতর অপরাধে পাকিস্তানি নাগরিকদের বারবার ধরা পড়ার পরই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এই পরিস্থিতি নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথাও প্রকাশ্যে এনেছেন জনপ্রিয় পডকাস্টার Nadir Ali। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সৌদি আরব ও দুবাই একসময় যেখানে পাকিস্তানিদের কাছে স্বপ্নের গন্তব্য ছিল, এখন সেখানে ভিসা পাওয়াই প্রায় অসম্ভব। এমনকি তিনি নিজেও IIFA Awards অনুষ্ঠানে যেতে গিয়ে মারাত্মক সমস্যার মুখে পড়েছিলেন। তাঁর দাবি, ক্রমবর্ধমান ভিক্ষাবৃত্তির ঘটনায় সৌদি সরকার পাকিস্তানকে একাধিকবার সতর্কও করেছে।উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যে পাকিস্তানের অন্যতম বড় বাণিজ্যিক অংশীদার এই আমিরশাহিই এবং সেখানে বিপুল সংখ্যক পাকিস্তানি প্রবাসী দীর্ঘদিন ধরে বসবাস ও কাজ করছেন। ফলে এই ভিসা সংকট শুধু ভ্রমণ কিংবা চাকরি নয়, আর্থিক লেনদেন ও দুই দেশের সম্পর্কের উপরেও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। লক্ষ লক্ষ পাকিস্তানি যুবকের সামনে এখন একটাই প্রশ্নমধ্যপ্রাচ্যের দরজা কি সত্যিই ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে?

নভেম্বর ২৮, ২০২৫
বিদেশ

ইমরান কি বেঁচে আছেন? মধ্যরাতে মৃত্যু-গুঞ্জনে কেঁপে উঠল দেশ

দুবছরেরও বেশি সময় ধরে কারাবন্দি পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ঘিরে বুধবার রাতভর ছড়িয়ে পড়ে ভয়াবহ গুঞ্জন। অনেকেই দাবি করতে শুরু করেন, তিনি নাকি জেলের ভিতরেই খুন হয়েছেন। এমনকী তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ-এর একাংশ নেতা-কর্মীও প্রকাশ্যে সেই দাবি করেন। মুহূর্তের মধ্যে গোটা পাকিস্তান জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক ও উত্তেজনা। তবে শেষ পর্যন্ত এই জল্পনায় জল ঢালল আদিয়ালা জেল কর্তৃপক্ষ।এক বিবৃতিতে আদিয়ালা জেলের তরফে জানানো হয়, ইমরান খানের মৃত্যুর খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং গুজব মাত্র। তিনি বর্তমানে জেলেই রয়েছেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাও দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। একইসঙ্গে জেল কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, তাঁকে অন্য কোথাও সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার খবরও সম্পূর্ণ মিথ্যা।এই মৃত্যুগুজবের মধ্যেই মুখ খোলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তিনি দাবি করেন, ইমরান খান জেলে সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন এবং তাঁকে এমন খাবার দেওয়া হয়, যা নাকি পাঁচতারা হোটেলেও সব সময় মেলে না। তাঁর জন্য আলাদা খাট, শীতের জন্য পশমের কম্বল এবং নিজের পছন্দের টিভি দেখার ব্যবস্থাও রয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।যদিও এই দাবি মানতে নারাজ ইমরানের পরিবার। তাঁর বোন এবং ছেলেদের অভিযোগ, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে নির্জন কক্ষে অমানবিক অবস্থায় রাখা হয়েছে। তাঁদের দাবি, নিয়ম অনুযায়ী পরিবার সপ্তাহে একবার দেখা করতে পারলেও সেই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এই নিয়ে তাঁরা সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে। ফলে কে সত্যি বলছে আর কে মিথ্যা, তা নিয়েই এখন পাকিস্তান জুড়ে তুমুল বিতর্ক।প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় উপহার বিক্রি এবং একাধিক আর্থিক দুর্নীতির মামলায় ২০২৩ সাল থেকে জেলবন্দি রয়েছেন ইমরান খান। ২০২২ সালে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতা হারানোর পর থেকেই তাঁর রাজনৈতিক জীবন কার্যত অগ্নিপরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি তাকে ঘিরে এই মৃত্যু-গুঞ্জন নতুন করে গোটা পাকিস্তানে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়িয়ে দিয়েছে।

নভেম্বর ২৭, ২০২৫
বিদেশ

ফের পাক হামলা, এক রাতেই খুন ৯ শিশু! উত্তপ্ত আফগান সীমান্ত

আফগানিস্তানে ফের বোমা হামলা পাকিস্তানের। মধ্যরাতের নিস্তব্ধতা চিরে আচমকাই বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠল সীমান্তবর্তী এলাকা। সেই হামলায় প্রাণ গেল নয়-নয়টি শিশু এবং এক মহিলার। আফগান তালিবান সরকারের মুখপাত্র জবিউল্লা মুজাহিদ জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের বাড়িতে সরাসরি বোমা ফেলেছে পাকিস্তানি বাহিনী। নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বালক এবং চারজন বালিকা। এক মুহূর্তে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল কয়েকটি পরিবার।মুজাহিদ তাঁর এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, পাকিস্তানি বাহিনী নিরীহ মানুষের ঘরে বোমা ফেলেছে। ৯ শিশু এবং এক মহিলা শহিদ হয়েছেন। আফগান সরকার এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। বলেছে, কোনও সামরিক লক্ষ্য নয়, এই হামলা ছিল স্পষ্টভাবে বেসামরিকদের ওপর। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও তুলেছে কাবুল।সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও চার আফগান নাগরিক। তবে পাকিস্তানের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া নেই। সীমান্তেই যে উত্তেজনা দিন দিন বাড়ছে, তা আর আড়াল করা যাচ্ছে না।গত মাস থেকেই ডুরান্ড লাইন ঘিরে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। দুই দেশই একে অন্যকে দোষারোপ করছে। ইসলামাবাদের দাবি, আফগানিস্তান টিটিপিকে আশ্রয় দিচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এক্ষেত্রে পাকিস্তান চাইছে, সীমান্ত বরাবর একটি বাফার জোন তৈরি হোক।কাবুল অবশ্য টিটিপিকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে জানিয়েছে, ডুরান্ড লাইন নিয়ে পাকিস্তানের দাবিই অবৈধ। ফলে তিন দফা শান্তি বৈঠকেও কোনও সুরাহা আসেনি। আর তারই মাশুল আবারও দিতে হল নিরীহ মানুষকে।এই ঘটনার মধ্যেই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ ভারত ফ্যাক্টর টেনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারতের হাতের পুতুল হয়ে নাচছে আফগানিস্তান। পাশাপাশি তালিবানকে হুঁশিয়ারিও দিয়েছেনআক্রমণ করলে তার ৫০ গুণ জবাব দেবে পাকিস্তান।ফলে সীমান্তে আগুন আরও জ্বলছে। আর দুই দেশের রাজনৈতিক অন্ধকারে একের পর এক নিশ্চিহ্ন হচ্ছে শিশুর মুখ, ঘরের আলো, অগণিত স্বপ্ন।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
দেশ

সিন্ধ কি ভারতের মানচিত্রে ফিরছে? বেড়ে চলেছে রাজনৈতিক জল্পনা

পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার ঘটনায় ভারতপাকিস্তান কূটনৈতিক সম্পর্ক যখন তলানিতে, ঠিক সেই সময়েই সিন্ধ প্রদেশকে ঘিরে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাঁর বক্তব্যে যেন ফিরে এল ইতিহাস১৯৪৭ সালের দেশভাগ, সিন্ধের বিচ্ছেদ, আর সেই স্মৃতির ক্ষত। দিল্লির এক অনুষ্ঠানে রাজনাথ বলেন, সিন্ধি হিন্দুরা কোনওদিনও মেনে নিতে পারেননি তাঁদের জন্মভূমি পাকিস্তানে চলে যাওয়াকে। এরপরই তিনি এমন মন্তব্য করেন যা মুহূর্তে রাজনৈতিক মহলে ঝড় তুলেছেকে জানে, কাল হয়তো সিন্ধ আবার ভারতেই ফিরে আসবে।রাজনাথ সিং জানান, লালকৃষ্ণ আডবাণীর লেখায় তিনি পড়েছিলেন কীভাবে দেশভাগের সময়ে সিন্ধি হিন্দুরা নিজেদের জন্মভূমি থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার বেদনা সারা জীবন বয়ে বেড়িয়েছেন। স্বাধীনতার পরে বহু সিন্ধি হিন্দুই ভারতবর্ষে চলে আসেন। কিন্তু মন থেকে তাঁরা কখনওই সিন্ধ হারানোর যন্ত্রণা ভুলতে পারেননি। সেই প্রসঙ্গেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, সিন্ধ আজ ভারতের ভৌগোলিক অংশ নয়। তবে সভ্যতা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের দিক থেকে সিন্ধ সবসময়ই ভারতের অঙ্গ। আর সীমান্ত বদলাতে পারেএটাই ইতিহাস বলে। কে বলতে পারে, কাল সিন্ধ আবার ভারতের সঙ্গেই যুক্ত হলো!তিনি আরও বলেন, যাঁরা সিন্ধু নদীকে পবিত্র মনে করেন, তাঁরা আমাদের। তাঁরা কোথায় থাকেন, সেটা মুখ্য নয়। তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও শুরু হয়েছে জল্পনাএ কি কূটনৈতিক বার্তা, নাকি ভবিষ্যতের কোনও ইঙ্গিত?গুজরাট ও রাজস্থানের সীমান্ত ছুঁয়ে থাকা সিন্ধ প্রদেশ নিয়ে এই বক্তব্য পাকিস্তানকে স্বভাবতই অস্বস্তিতে ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের মত। এর আগেও রাজনাথ সিং স্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেনপাক অধিকৃত কাশ্মীর ভারতের অংশ হিসেবেই থাকবে। এবার সিন্ধকে ঘিরে তাঁর মন্তব্যে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তপ্ত ভারতপাক সম্পর্কের আবহে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এই মন্তব্য কূটনৈতিক চাপ বাড়ানোরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: একই গ্রুপে ভারত–পাকিস্তান, প্রকাশিত সূর্যকুমারদের ম্যাচ সূচি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ একই গ্রুপে ভারত ও পাকিস্তান। সূর্যকুমারদের সম্পূর্ণ ম্যাচ সূচি, গ্রুপ তালিকা, ভেন্যু ও তারিখ জেনে নিন এক নজরে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬: একই গ্রুপে ভারতপাকিস্তান, সূর্যকুমারদের ম্যাচের সূচি প্রকাশ। র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে চার গ্রুপে ভাগ করেছে আইসিসি। ভারতের গ্রুপে পাকিস্তানসহ পাঁচ দল। ৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু।আগামী বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে গ্রুপ ভাগ করে দিয়েছে। চারটি গ্রুপে পাঁচটি করে দল অংশ নেবে টুর্নামেন্টে। সুপার এইটে উঠবে প্রতিটি গ্রুপের প্রথম দুই দল।সহজ গ্রুপে ভারত, একই গ্রুপে পাকিস্তানটি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা ভারত পেয়েছে তুলনামূলক সহজ গ্রুপ। সূর্যকুমার যাদবদের সাথে সেই গ্রুপে হয়েছে পাকিস্তান (৭), নেদারল্যান্ডস (১৩), নামিবিয়া (১৫) এবং আমেরিকা (১৮)। ভারতপাকিস্তান ছাড়া সব কটি দলই অ্যাসোসিয়েট সদস্যফলে কাগজে-কলমে গ্রুপটি ভারতের পক্ষে সুবিধাজনক।কঠিন চ্যালেঞ্জে শ্রীলঙ্কা, ইংল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকাআয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কার গ্রুপে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, জ়িম্বাবোয়ে, আয়ারল্যান্ড ও ওমানচারটি টেস্ট খেলিয়ে দেশ। ইংল্যান্ডের গ্রুপও কঠিন। তাদের মুখোমুখি হতে হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, বাংলাদেশ, নেপাল ও কোয়ালিফায়ার ইটালি। দক্ষিণ আফ্রিকার গ্রুপে রয়েছে নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং কানাডাযা টুর্নামেন্টের সবচেয়ে শক্ত গ্রুপগুলির মধ্যে একটি বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা।ভারতের ম্যাচ সূচি কবে খেলবে কার বিরুদ্ধে?আইসিসি সূত্রে নিশ্চিত হয়েছে, ভারত গ্রুপ পর্বে চারটি ম্যাচ খেলবে৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, অহমদাবাদ ভারত বনাম আমেরিকা১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, দিল্লি ভারত বনাম নামিবিয়া১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, কলম্বো ভারত বনাম পাকিস্তান১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মুম্বই ভারত বনাম নেদারল্যান্ডসভেন্যুর তালিকাঃভারতের পাঁচটি শহরে বিশ্বকাপের ম্যাচ হবেঅমেদাবাদ, দিল্লি, কলকাতা, মুম্বই ও চেন্নাই।শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ হবে কলম্বোর দুটি স্টেডিয়াম ও ক্যান্ডিতে।ফাইনাল সম্ভাব্য ভেন্যুঅমেদাবাদ।দুটি সেমিফাইনাল হবে কলকাতা এবং মুম্বইয়ে। তবে পাকিস্তান সেমি বা ফাইনালে পৌঁছলে তাদের ম্যাচ স্থানান্তরিত হবে শ্রীলঙ্কায়।২৫ নভেম্বর প্রকাশ হবে অফিসিয়াল সূচিঃআইসিসি ২৫ নভেম্বর সরকারি ভাবে পুরো সূচি ঘোষণা করবে। তার আগেই গ্রুপ ভাগ ও সম্ভাব্য দ্বৈরথ নিয়ে ক্রিকেট মহলে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
দেশ

দিল্লির বুকে আন্তর্জাতিক অস্ত্র চক্র! চিন-তুরস্ক থেকে পাকিস্তান হয়ে ঢুকত মারাত্মক অস্ত্র

দিল্লির বিস্ফোরণের আতঙ্ক এখনো কাটেনি। তার মধ্যেই রাজধানীতে ফের বড় সাফল্যের দাবি করল দিল্লি পুলিশ। তদন্তকারীদের হাতে উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক অস্ত্র পাচারের এক ভয়ংকর চক্রের হদিশ। চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, এই চক্র শুধু দেশীয় নয়এর শিকড় গভীরভাবে ছড়ানো ছিল চিন, তুরস্ক আর পাকিস্তান পর্যন্ত।তদন্তে উঠে এসেছে বিস্ময়কর তথ্য। লরেন্স বিষ্ণোই, বাম্বিহা গ্যাং, গোগি-হিমাংশু ভাইদের মতো কুখ্যাত অপরাধচক্র এই নেটওয়ার্কের নিয়মিত ক্রেতা ছিল। তাদের হাতে পৌঁছনো অস্ত্রগুলির উৎস ছিল চিন ও তুরস্ক। সেগুলি প্রথমে পাকিস্তানে ঢুকত, পরে আইএসআইয়ের সাহায্যে পাঞ্জাব সীমান্ত পেরিয়ে ড্রোনের মাধ্যমে চলে আসত ভারতে। এরপরে তা ছড়িয়ে পড়ত দিল্লিসহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে।গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে রোহিনী এলাকায় চিরুনি তল্লাশি চালিয়ে মনদীপ ও দলবিন্দর নামে দুই ব্যক্তিকে প্রথমে ধরে ফেলে পুলিশ। তাদের কাছে অস্ত্র লেনদেন চলাকালীনই হানা দেয় ক্রাইম ব্রাঞ্চ। পরে সেই জিজ্ঞাসাবাদ থেকেই খুলতে শুরু করে আরও অন্ধকার দিক। জানা যায়, পিস্তলের বড় চালান এসেছে পাকিস্তান-পাঞ্জাব সীমান্ত দিয়ে। এর সূত্র ধরে উত্তরপ্রদেশের বাগপতের রোহন তোমরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি অজয় নামে আরেকজনের নাম উঠে এসেছে, যার খোঁজে তল্লাশি চলেছে। এই চারজনের ঘাঁটি ছিল পাঞ্জাব ও উত্তরপ্রদেশ জুড়ে।পুরো ঘটনায় ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত হয়েছে ১০টি অত্যাধুনিক পিস্তল। এর মধ্যে পাঁচটি তুরস্কে তৈরি, তিনটি চিনেরযেগুলি সাধারণত আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী সংগঠনের অস্ত্রভাণ্ডারে দেখা যায়। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, যে ড্রোন রুট দিয়ে অস্ত্র ঢুকত, সেটি ব্যবহার করা হত একাধিকবার। প্রতিবার ২-৩ কেজি ওজন বহন করত সেই ড্রোন। সন্দেহ, আরও বহু চালান আগেই দেশে ঢুকে পড়েছে।এই সাফল্যকে অত্যন্ত বড় বলে দাবি করছে দিল্লি পুলিশ। কারণ, নভেম্বরের ১০ তারিখ লালকেল্লার কাছে ভয়ংকর বিস্ফোরণে ১৩ জন প্রাণ হারানোর পর থেকেই রাজধানী জুড়ে হাই অ্যালার্ট জারি রয়েছে। সেই ঘটনার পর অস্ত্র পাচার, নাশকতা এবং আন্তর্জাতিক গ্যাং যুক্ত থাকার সন্দেহ আরও জোরালো হয়েছিল। নতুন তথ্য উঠে আসায় রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ফের আঁটসাঁট করা হচ্ছে।দিল্লি পুলিশের বক্তব্য, এই চক্র শুধু অপরাধ নয়, বরং পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে চলছিল। তদন্তকারীরা মনে করছেন, বিস্ফোরণের ঘটনার সঙ্গে এই নেটওয়ার্কের কোনও যোগাযোগ আছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হবে।রাজধানীতে যখন আতঙ্ক চরমে, ঠিক তখনই এই আন্তর্জাতিক অস্ত্র চক্র ভেঙে দেওয়া নিঃসন্দেহে বড় সাফল্য। কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছেদেশের ভেতরে এত বড় অস্ত্র নেটওয়ার্ক এতদিন কীভাবে মাথাচাড়া দিয়ে উঠল?

নভেম্বর ২২, ২০২৫
বিদেশ

ভারত–পাক সংঘর্ষকে ‘লাইভ ল্যাব’ বানাল চিন! মার্কিন রিপোর্টে বিস্ফোরক দাবি

কথায় আছেকারও সর্বনাশ, কারও পৌষমাস। ভারতপাকিস্তানের উত্তপ্ত পরিস্থিতি যেন সেই পুরনো কথাকেই আবার নতুন করে মনে করিয়ে দিল। কারণ সদ্য প্রকাশিত মার্কিনচিন অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা কমিশনের এক রিপোর্টে উঠে এসেছে বিস্ফোরক তথ্য। সেখানে দাবি করা হয়েছে, গত মে মাসের ভারতপাক সংঘর্ষকে নাকি নিজেদের আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম পরীক্ষা করার আদর্শ সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করেছিল বেজিং।রিপোর্টে স্পষ্ট ভাষায় বলা হয়েছে, চিন প্রথমবারের মতো বাস্তব যুদ্ধে তাদের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র সিস্টেম প্রয়োগ করেছে। এর মধ্যে ছিল জে-১০ ফাইটার জেট, PL-15 লংরেঞ্জ ক্ষেপণাস্ত্র এবং HQ-9 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম। সহজ কথায়, ভারতপাক সংঘর্ষ হয়ে উঠেছিল চিনের সামরিক গবেষণার এক লাইভ ল্যাবরেটরি।রিপোর্টের আরও দাবিএই পরীক্ষার পর জুন মাসে চিন পাকিস্তানকে প্রস্তাব দেয় নতুন করে আরও উন্নত অস্ত্র কেনার, যার মধ্যে ছিল ৪০টি জে-৩৫ পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান, কেজে-৫০০ বিমান এবং সম্পূর্ণ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। অর্থাৎ বেজিং পাকিস্তানকে আরও গভীরভাবে নিজেদের সামরিক গ্রাহক এবং পরীক্ষার ক্ষেত্র বানাতে চাইছে।তবে প্রশ্ন উঠেছেএই পরীক্ষায় চিনের কতটা সাফল্য মিলেছে? ওয়াকিবহাল মহলের ব্যাখ্যা একেবারেই উৎসাহব্যঞ্জক নয়। কারণ পাকিস্তান ভারতবিরোধী অভিযানে চিনের তৈরি PL-15 ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করলেও দেখা যায় সেটি আছড়ে পড়ার পরও বিস্ফোরিত হয়নি। ভারত সীমান্তের এক গ্রামে প্লাস্টিক মোড়কের মতো অক্ষত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় সেই ক্ষেপণাস্ত্রটি। এটি চিনের প্রযুক্তির দুর্বলতা হিসেবে আন্তর্জাতিক মহলে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।এছাড়া পাকিস্তানের জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানযা চিনের সহায়তায় তৈরিভারতীয় বায়ুসেনার আঘাতে ধুলিসাৎ হয়ে যায়। এই ঘটনাও বেজিংয়ের সামরিক শক্তির বাস্তব চিত্র সামনে আনে।রিপোর্টটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে অপারেশন সিঁদুরের প্রেক্ষিতে। উল্লেখ্য, ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে লস্কর-সমর্থিত সংগঠন TRF-এর হামলায় নিহত হন ২৬ নিরস্ত্র মানুষ। তার জবাবে ৭ মে ভারত ভোররাতে পাকিস্তান ও পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নয়টি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে। পাকিস্তান পাল্টা বেসামরিক এলাকা ও সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালায়, কিন্তু ভারত শুধু প্রতিরোধই করেনিপ্রত্যাঘাত করে পাকিস্তানের অন্তত ১১টি বায়ুসেনা ঘাঁটি তছনছ করে দেয়। সেই অভিযানে মারা যায় ১০০-র বেশি জঙ্গি এবং প্রায় ৩৫-৪০ জন পাক সেনা। টিকে থাকতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ইসলামাবাদই যুদ্ধবিরতির আর্জি জানায়।এই পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন রিপোর্টের দাবিচিন নাকি পর্দার আড়ালে পাকিস্তানের মাধ্যমেই নিজেদের অস্ত্রের কার্যক্ষমতা যাচাই করে নিয়েছে। তবে প্রযুক্তির একাধিক ব্যর্থতা প্রমাণ করছে, বেজিংয়ের স্বপ্নের আধুনিক যুদ্ধকৌশল হয়তো বাস্তব পরীক্ষার আগুনে ততটা টেকেনি।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
দেশ

ভারতীয় নৌসেনার গোপন তথ্য পাকিস্তানে! কর্নাটকে গ্রেপ্তার দুই যুবক, সামনে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য

ভারতের নৌবাহিনীর গোপন তথ্য পাকিস্তানে পাচারের অভিযোগে কর্নাটকের উদুপিতে গ্রেপ্তার হলেন দুই যুবক। অভিযোগ এতটাই গুরুতর যে কোচিন শিপইয়ার্ডের সিইও নিজে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে বাধ্য হন। ধৃতদের পরিচয় রোহিত (২৯) এবং সানত্রী (৩৭), দুজনেই উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুরের বাসিন্দা। দেশবিরোধী এই কর্মকাণ্ড ঘিরে এখন উত্তপ্ত গোটা দক্ষিণ ভারত।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, রোহিত একসময় কেরলের কোচিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডে কাজ করতেনযে শিপইয়ার্ড ভারতীয় নৌসেনার রণতরী, সাবমেরিন থেকে শুরু করে একাধিক অতি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রকল্প তৈরি করে। অভিযোগ, সেখানেই কাজ করার সময় তিনি বিভিন্ন নৌগোপন তথ্য হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানে পাচার করতেন। পরে তিনি কর্নাটকের একটি জাহাজ নির্মাণ সংস্থায় যোগ দিলেও পাচার বন্ধ হয়নি। বরং আরও নিয়মিতভাবে একই কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি।শিপইয়ার্ডের সিইওর নজরে আসে তাঁর সন্দেহজনক গতিবিধি। তথ্য যত বেরোতে থাকে, ততই স্পষ্ট হয় যে রোহিতের কাছে পৌঁছে গিয়েছে এমন কিছু নথি ও চিত্র, যা কোনও ভাবেই সাধারণ কর্মীর কাছে থাকার কথা নয়। অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।রোহিতকে জেরা করতেই উঠে আসে সানত্রীর নাম। জানা যায়, বারবার সানত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করতেন রোহিত। তাঁর কাছেও কিছু গোপন তথ্য পাঠানো হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। তবে সানত্রীর ভূমিকাটি কতটা গভীর, তিনিও পাচার নেটওয়ার্কের অংশ কি নাসবটাই এখন খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রের দাবি, গোটা চক্রটির পেছনে পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই-এর কোনো যোগ রয়েছে কি না, তাও প্রধানত পরীক্ষা করা হচ্ছে। কীভাবে এত বড় নিরাপত্তা সংস্থার ভিতর থেকে তথ্য চুরি হল, কীভাবে তা বিদেশে পৌঁছলসবকিছুর দিকেই নজর তদন্তকারীদের।দেশের নৌসেনা সম্পর্কিত সংবেদনশীল তথ্য পাচারের ঘটনায় ইতিমধ্যেই উত্তেজনা তৈরি হয়েছে গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রে। তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই প্রকাশ পাচ্ছে বহু অজানা তথ্য, আর ততই স্পষ্ট হচ্ছে চক্রটি আরও বড় হতে পারে।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
বিদেশ

যুদ্ধে হার, এবার কি প্রতিশোধ? আফগানিস্তানে সরকার বদলের হুমকি দিল পাকিস্তান

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমানায় উত্তেজনা নতুন নয়। কিন্তু এবার যেন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ মোড় নিয়েছে। আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিরুদ্ধে সরাসরি সরকার ফেলে দেওয়ার হুমকি দিল পাকিস্তান। ইসলামাবাদের বক্তব্য, যদি তালিবান সমঝোতার পথে না আসে এবং পাকিস্তানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রস্তাব মানতে অস্বীকার করে, তবে কাবুলে সরকারবিরোধী শক্তিকে প্রকাশ্যে সমর্থন দেবে তারা।নিউজ১৮-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, আফগানিস্তানপাকিস্তান সংঘর্ষে মধ্যস্থতা করা তুরস্কের আধিকারিকদের সামনেই পাকিস্তান এই কঠোর বার্তা দিয়েছে। ইসলামাবাদ অভিযোগ করেছে, তালিবান তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)-কে আশ্রয় দিচ্ছে এবং পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হামলার জায়গা করে দিচ্ছে। পাক সেনা চায়, টিটিপির সব নেতা হস্তান্তর করুক আফগানিস্তান, এবং সীমান্ত বরাবর ডুরান্ড লাইনে বাফার জোন তৈরি হোক।কিন্তু আফগানিস্তান সেই দাবি সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছে। কাবুলের বক্তব্য, টিটিপির সঙ্গে তাদের কোনও সম্পর্ক নেই, এবং তারা কখনওই সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীকে নিজের দেশের মাটি ব্যবহার করতে দেয় না। সেই অবস্থান থেকেই কোনো লিখিত চুক্তিতে যেতে রাজি হয়নি তালিবান সরকার। আর এই অচলায়তনের মধ্যেই পাকিস্তান প্রকাশ্যে হুমকি দিলএই সরকার না মানলে কাবুলে নতুন সরকার গঠনে তারা সক্রিয় ভূমিকা নেবে।শুধু কথাই নয়, পাকিস্তান ইতিমধ্যেই গোপনে যোগাযোগ শুরু করেছে আফগানিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ও বহু প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে। নাম রয়েছে হামিদ কারজাই, আশরাফ গনি, আহমেদ মাসুদ, এমনকি নর্দার্ন অ্যালায়েন্সের নেতা আব্দুল রশিদ দোস্তমেরও। আইএসআই-র তরফে তাঁদের পাকিস্তানে আশ্রয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে বলেও সূত্রের দাবি। লক্ষ্য একটাইপাকিস্তানের মাটি থেকেই সরকারবিরোধী শক্তিকে উসকে তালিবানকে ক্ষমতাচ্যুত করা।গত কয়েক মাসে তুরস্ক ও কাতারের মধ্যস্থতায় তিন দফা বৈঠক হয়েছে ইসলামাবাদ ও কাবুলের মধ্যে। কিন্তু একটিও বৈঠক কাজে দেয়নি। পাকিস্তান দাবি জানিয়ে গিয়েছে, আর তালিবান জবাব দিয়েছে স্পষ্ট ভাষায়টিটিপিকে তারা আশ্রয় দেয়নি এবং ডুরান্ড লাইন নিয়ে পাকিস্তানের দাবি মানা সম্ভব নয়।এই অবস্থায় দুই দেশের সম্পর্ক এমন উত্তপ্ত জায়গায় পৌঁছেছে, যা দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে ভয়াবহভাবে প্রভাবিত করতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নভেম্বর ২১, ২০২৫
বিদেশ

সেনাপ্রধানকে সর্বশক্তিমান করতে সংবিধান সংশোধন—বিচারপতিদের একের পর এক পদত্যাগে তুমুল তোলপাড়

পাকিস্তানের রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই এবার ভয়ঙ্কর সংকট তৈরি হয়েছে দেশের বিচার ব্যবস্থায়। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের যুগলবন্দিকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানে যে স্বৈরশাসনের অভিযোগ বহুদিন ধরেই উঠছিল, এবার তা যেন আরও বাস্তব হয়ে উঠল। সংবিধান সংশোধনের প্রতিবাদে একের পর এক বিচারপতি ইস্তফা দিচ্ছেন। সর্বশেষ লাহোর হাই কোর্টের বিচারপতি শামস মেহমুদ মির্জা নিজের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এর আগে মাত্র একদিনের ব্যবধানে সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতি পদত্যাগ করেছিলেন।বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, শাহবাজ সরকার সংবিধান পাল্টে দেশে প্রায় সামরিক শাসনের মতো পরিবেশ তৈরি করছে। নতুন সংশোধনীতে সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে দেওয়া হয়েছে অসামান্য ক্ষমতাএমন রক্ষাকবচ আগে কোনও সেনাপ্রধান পাননি। উল্টো দিকে, সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা স্পষ্টভাবে কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সম্পর্কিত মামলাগুলি সুপ্রিম কোর্টের বদলে নতুন সাংবিধানিক আদালতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা দেশের বিচারব্যবস্থার মূল কাঠামোকেই নড়বড়ে করে দিচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই।এই ঘটনা চরম অচলবস্থা তৈরি করেছে পাকিস্তানে। বিচারপতিরা প্রকাশ্যে বলছেন, এভাবে আদালতের ক্ষমতা খর্ব এবং সেনাকে বাড়তি ক্ষমতা দেওয়া হলে গণতন্ত্র রক্ষা অসম্ভব হয়ে উঠবে। তাঁদের মতে, এই সংশোধন সংবিধানের আত্মাকে আঘাত করছে।গত বুধবার জাতীয় সংসদে সংবিধানের ২৪৩ অনুচ্ছেদ সংশোধনের বিল পাশ করে শাহবাজ সরকার। ওই আইন অনুসারে প্রথমবার সেনাবাহিনীতে সৃষ্টি করা হয়েছে নতুন একটি পদচিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস। এবং সেই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে আসিম মুনিরকে। এরপর প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি তড়িঘড়ি সই করে দিয়েছেন বিলে। আর এর পরপরই দুই সুপ্রিম কোর্ট বিচারপতি ও লাহোর হাই কোর্টের বিচারপতি ইস্তফা দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন তাঁদের ক্ষোভ।পাকিস্তানের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সেনা ও প্রশাসনের মেলবন্ধনে তৈরি হওয়া এই ক্ষমতার গঠন গণতন্ত্রের জন্য ভয়ঙ্কর। বিচারব্যবস্থার উপর চাপ বাড়লে সামনে আরও বড় সংকট দেখা দিতে পারে। ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছেপাকিস্তান কি সত্যিই নতুন একনায়কতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে?

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
দেশ

ইসলাম গ্রহণ ও পাকিস্তানে বিয়ে? নিখোঁজ সরবজিৎকে নিয়ে নতুন বিস্ফোরক দাবি

পাকিস্তান সফর শেষে ফেরার পথে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া শিখ তীর্থযাত্রী সরবজিৎ কৌরের ঘটনা ঘিরে সামনে এল চাঞ্চল্যকর দাবি। প্রকাশ্যে এসেছে একটি নিকাহনামা এবং তাঁর নামে এক পাসপোর্টের প্রতিলিপি, যেখানে বলা হয়েছেতিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন এবং শেখুপুরার নয়া আবাদি এলাকার বাসিন্দা নাসির হুসেনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। এই নথিগুলি ভাইরাল হতে না হতেই দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে তৎপরতা দেখা দিয়েছে।১৩ নভেম্বর ভারতীয় জঠা পাকিস্তান থেকে ফিরলেও সরবজিৎকে আর পাওয়া যায়নি। ৪ নভেম্বর গুরু নানক দেবজির প্রকাশ উৎসব উপলক্ষে মোট ১,৯২৩ জন শিখ তীর্থযাত্রী পাকিস্তানে যান। দশ দিনের সফরে তাঁরা একাধিক গুরুদ্বারায় গমন করেন। সফর শেষে ফেরার সময়ই দেখা যায়সরবজিৎ কৌরের নাম নেই পাকিস্তানের এক্সিট লিস্টে, নেই ভারতের রি-এন্ট্রি রেকর্ডেও। তখনই শুরু হয় বড়সড় উদ্বেগ।এরপর থেকেই ভারত ও পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তাঁর সন্ধানে নেমেছে। দুদেশের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, পাকিস্তানে ভারতীয় হাই কমিশন স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে যাচ্ছেন এবং উঠেই আসছে সেই নথিগুলির সত্যতা যাচাইয়ের প্রশ্ন। ঠিক কবে, কোথায়, কীভাবে সরবজিৎ জঠা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিলেনএটিও তদন্তের মূল দিক হয়ে উঠেছে।এদিকে SGPC তাদের প্রথম প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। সংস্থার দাবি, তীর্থযাত্রায় যাওয়ার ভিসা অনুমোদনে তাদের কোনও ভূমিকা নেই। সবটাই সরকারি নিয়ম মেনে হয়। SGPC জানিয়েছে, সরকারের অনুমতি পাওয়ার পরই তারা সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেয়। এরপর আবেদনকারীরা পাসপোর্ট জমা দেন, যা SGPC সরকারকে পাঠিয়ে দেয় মাত্র। বাকি সব যাচাই করে ভারত সরকারই ভিসা পাকিস্তান হাই কমিশনে পাঠায়।SGPC আরও জানায়, অতীতেও বহু হিন্দুশিখ তীর্থযাত্রীকে ভিসা পর্যায়ে আটকে দেওয়া হয়েছে এবং এটি পুরোপুরি সরকারের সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল। কোনও ভিসা তারা অনুমোদন করে না, শুধু আবেদনগুলি পৌঁছে দেয়। সরবজিতের নিখোঁজ হওয়া এবং নিকাহনামা বিতর্ক নিয়ে SGPC বলেছেধর্মীয় সফরকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য সাধন করা নিন্দনীয় এবং এতে সংস্থার উপর সন্দেহ তৈরি হয়। এই ঘটনা সম্পর্কে তারাও প্রথমে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমেই জানতে পেরেছে।সমগ্র ঘটনার তদন্ত এখন দুই দেশের গোয়েন্দাদের হাতে। নথিগুলি সত্যি নাকি সাজানোতা সামনে এলেই স্পষ্ট হবে সরবজিৎ কৌর কি সত্যিই পাকিস্তানে স্বেচ্ছায় থাকতে চেয়েছেন, নাকি আরও কোনও বড় রহস্য লুকিয়ে রয়েছে তাঁর নিখোঁজ হওয়ার পিছনে।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
দেশ

আত্মঘাতী হামলার ছক কষেছিলেন উমর! পুলিশের হাতে জোরালো প্রমাণ

দিল্লির বুক কাঁপিয়ে দিয়েছে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। লালকেল্লার কাছেই বিস্ফোরণে ইতিমধ্যেই প্রাণ গিয়েছে নয় জনের। ঘটনার পরই উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-র সূত্রে জানা গিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে সীমান্ত পেরনোর সময় সন্দেহভাজন গাড়িটির ভিতরে এক ব্যক্তির হাত ও অস্পষ্ট মুখ। তদন্তকারীদের মতে, সেই ব্যক্তিই সম্ভবত পুলওয়ামার চিকিৎসক মহম্মদ উমর যিনি ফরিদাবাদের বিস্ফোরণ চক্রের মূল হোতা হিসেবে পরিচিত।তদন্তে প্রকাশ, ফরিদাবাদের ঘটনায় সহযোগী চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিলের গ্রেফতারির পর থেকেই উমর ছিলেন আতঙ্কে। সেই থেকেই নাকি আত্মঘাতী হামলার ছক কষতে শুরু করেন তিনি। উমরই বিস্ফোরক বোঝাই হুন্ডাই আই২০ গাড়িটি চালাচ্ছিলেন বলে আশঙ্কা পুলিশের। ওই গাড়ির মালিক মহম্মদ সলমনকে ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে। তাঁর দাবি, দেড় বছর আগেই গাড়িটি বিক্রি করে দেন তিনি। তারপর আরও দুইবার হাতবদল হয়ে গাড়িটি পৌঁছয় পুলওয়ামার তারিক নামে এক ব্যক্তির কাছে। তাকেও হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।তদন্তকারীদের বক্তব্য, দিল্লির বিস্ফোরণ ও ফরিদাবাদের বিস্ফোরক উদ্ধারের মধ্যে অদ্ভুত মিল রয়েছে। দুটি ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়েছে একই মডেলের আইইডি ডিভাইস। সুতরাং এই দুটি ঘটনার মধ্যে যোগসূত্র থাকা একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এখন কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা উমরের ফোন রেকর্ড, ব্যাংক ট্রানজ্যাকশন ও পেশেন্ট ডেটা খতিয়ে দেখছে।সূত্রের দাবি, উমরের মোবাইল থেকে পাকিস্তানের বালাকোটে এক সন্দেহভাজন নম্বরে বারবার যোগাযোগের চিহ্ন মিলেছে। এই মুহূর্তে দিল্লি, কাশ্মীর ও ফরিদাবাদ পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। বিস্ফোরণ পরবর্তী এই গোটা রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে প্রতি ঘণ্টা।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

গোপনে পরমাণু বিস্ফোরণ? পাকিস্তানকে ঘিরে ফের ছায়াযুদ্ধের গন্ধ, এবার বিস্ফোরক বার্তা দিলেন রাজনাথ সিং

অপারেশন সিঁদুরের ধাক্কা সামলাতে না সামলাতেই ফের আন্তর্জাতিক মঞ্চে চাপের মুখে পাকিস্তান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিস্ফোরক দাবি ইসলামাবাদ গোপনে পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে! ট্রাম্পের মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে ভূ-রাজনৈতিক তোলপাড়। আর সেই দাবিকে ঘিরে রবিবার পাকিস্তানকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।রবিবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রাজনাথ সিং বলেন, ওরা যদি সত্যিই পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা করে, তাহলে করুক। ওদের থামানো যাবে না। তবে ভারতও যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। প্রশ্ন ওঠে, পাকিস্তান যদি সত্যিই পরমাণু বিস্ফোরণ চালায়, ভারতও কি পাল্টা পরীক্ষা করবে? রাজনাথের জবাব, আগে ওরা করুক, তারপর দেখা যাবে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান, রাশিয়া, চিন এবং উত্তর কোরিয়া এই চার দেশ গোপনে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে একাধিক ভূমিকম্প আসলে গোপন পারমাণবিক বিস্ফোরণের ফল। বিশেষ করে এপ্রিল-মে মাসে আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে যে ৪.০ থেকে ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল, তা ১৯৯৮ সালে পাকিস্তানের চাগাই-১ ও চাগাই-২ বিস্ফোরণের তীব্রতার সঙ্গে মিলে যায়।এই দাবির পরই আন্তর্জাতিক পরমাণু নিরাপত্তা সংস্থাগুলির তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। ইসলামাবাদ যদিও এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে মুখ খোলেনি। তবে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া এসেছে বেশ কড়া ভাষায়। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, পাকিস্তানের গোপন ও বেআইনি পারমাণবিক কর্মকাণ্ড কোনও নতুন বিষয় নয়। দশকের পর দশক ধরে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক রপ্তানি আইন ভেঙে, চোরাপথে চুক্তি করেছে। ভারত বরাবরই সেই তথ্য আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরেছে।ট্রাম্পের দাবি ও রাজনাথ সিংয়ের মন্তব্যের পর আন্তর্জাতিক মহলে তৈরি হয়েছে নতুন উত্তেজনা। দক্ষিণ এশিয়ায় ফের বাড়ছে পারমাণবিক তাপমাত্রা। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের গোপন পরীক্ষা নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য কেবল রাজনৈতিক বার্তা নয়, বরং ভবিষ্যতের একটি বড় সংঘাতের ইঙ্গিতও বটে।ভারতীয় কূটনীতিক মহলের দাবি, ইসলামাবাদকে ঘিরে এখন আন্তর্জাতিক নজরদারি বাড়বে। আর নয়াদিল্লি জানিয়ে দিয়েছে পাকিস্তান যতই গোপনে ষড়যন্ত্র পাকাক, ভারত প্রস্তুত আছে প্রত্যেক পরিস্থিতির জন্য।

নভেম্বর ০৯, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মহালয়ায় কখন করবেন পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ? জেনে নিন শুভ সময় ও বিশেষ নিয়ম

শিউলি ফুলের গন্ধ আর শরতের ভোরের বাতাসে ঢাকের মিঠে বোল এই তো আমাদের দুর্গোৎসবের প্রথম বার্তা! বছর ঘুরে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত দিনটি দোরগোড়ায়। ২০২৬ সালের ১০ই অক্টোবর, শনিবার (২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) শুভ মহালয়া। ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জলদগম্ভীর কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনীর সুর ভেসে আসার সঙ্গেই যেন বাঙালিয়া এক অদ্ভুত আবেগ আর নস্টালজিয়ায় ভেসে যায়। পিতৃপক্ষের সমাপনী আর দেবীপক্ষের এই নতুন সকালে চরাচর যেন এক স্বর্গীয় সুরের আহ্বানে জেগে ওঠে।মহালয়া শুধু একটি দিন নয়, এটি একটি অনুভূতির নাম। পুরাণ মতে, এদিনই দেবী দুর্গা মর্ত্যে তাঁর পিতৃগৃহে পা রাখেন, শুরু হয় দেবীপক্ষ। এর পাশাপাশি এটি আমাদের শিকড়কে স্মরণ করার শ্রেষ্ঠ সময়। এদিন ভোরে গঙ্গার ঘাটে ঘাটে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করার জন্য হাজারো মানুষের মিলনমেলা বসে। শাস্ত্রানুসারে অমাবস্যা তিথিটি শুরু হচ্ছে ৯ই অক্টোবর রাত ৯:৩৫ মিনিটে এবং থাকবে ১০ই অক্টোবর রাত ৯:১৯ মিনিট পর্যন্ত। পিতৃপুরুষকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ১০ই অক্টোবর সকাল ১১:২৪ মিনিট থেকে দুপুর ১:৫৬ মিনিট পর্যন্ত সময়টিকে সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হচ্ছে।তবে মহালয়া কিন্তু কেবল অতীতের স্মৃতি তর্পণ বা শাস্ত্রমতে তর্পণের আচারটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে আগমনীর গভীর আনন্দ। এই বিশেষ দিনে প্রতিমার চোখে তুলি ছোঁয়ানো অর্থাৎ চক্ষুদান রীতির মধ্য দিয়েই মৃন্ময়ী রূপ যেন চিন্ময়ীতে পরিণত হতে শুরু করে। ১০ই অক্টোবরের এই অলৌকিক ভোরে মহালয়া শেষ হতেই, পরের দিন ১১ই অক্টোবর থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে সূচনা হবে দেবীপক্ষের। চারপাশের কাশবনের দোল আর নীল আকাশের শুভ্র মেঘেরা তখন যেন চুপিচুপি জানান দেবে মা আসছেন। উৎসবের এই পবিত্র সূচনাকে সুন্দর ও মঙ্গলাময় রাখতে কিছু চিরন্তন রীতির প্রতি শ্রদ্ধা রাখা জরুরি। সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পুণ্যলগ্নে নিরামিষ আহার গ্রহণ করা ও যেকোনো প্রকার নতুন কেনাকাটা বা চুল-নখ কাটা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। পিতৃপুরুষের প্রতি শ্রদ্ধা আর মাতৃরূপী মহাশক্তির আবাহনের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আসুন আমরাও হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে নিজেদের মনকে নির্মল করে তুলি। অপেক্ষা শুধু আর কটা দিনের শরতের এই আলো-আঁধারির খেলায় মহালয়ার ভোর যেন প্রতিটা বাঙালির অন্তরে পৌঁছে দেয় এক অনাবিল আনন্দের পরশ।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে হামলার নিন্দায় মমতা, তদন্তের মাঝেই ‘হিন্দুত্ববাদী’ মন্তব্যে অ্যাকশনের হুঙ্কার শুভেন্দুর

বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার ভোর প্রায় ৪টে ৫ মিনিট নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া সাহা কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বাইকটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে।কীভাবে ঘটেছিল হামলা?অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ভোরে পূর্ব যাদবপুরে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের মদের বোতল ছোড়ে একদল অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী। বোতলের আঘাতে বাড়ির জানলার কাচ ভেঙে যায়। সেই সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। হামলার সময় অল্পের জন্য রক্ষা পান বাড়ির এক গৃহসহায়িকা।বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের দাবি, ভোর প্রায় পাঁচটা নাগাদ মুখ কাপড়ে ঢাকা এক ব্যক্তি বাইকে চেপে এসে ব্যাগ থেকে কাচের বোতল বের করে তাঁর বাড়ির জানলার দিকে ছুড়তে থাকে। পিছনে আরও কয়েকজন ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে বাইকে আসা এক ব্যক্তিকে বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফুটেজের অডিয়োয় আমাদের সঙ্গে লাগতে এসো না, আমরা দেশভক্ত এই ধরনের হুমকির কথাও শোনা যায় বলে দাবি।ঘটনার পর পুলিশ বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এবং তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলার কারণ, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না এবং এর পিছনে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।হিন্দুত্ববাদীরা হামলা করেছে, অভিযোগ বিকাশরঞ্জনেরহামলার ঘটনার পর বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, এই ঘটনার পিছনে রয়েছে হিন্দুত্ববাদী গুন্ডারা। তাঁর বক্তব্য, গরিব মানুষের অধিকারের পক্ষে যাঁরা লড়াই করছেন, তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হামলাকারীরা এভাবে তাঁকে শিক্ষা দিতে চেয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিকাশরঞ্জনের এই মন্তব্যকে ঘিরে পাল্টা সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, হামলার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে এবং তাঁর নির্দেশেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার দায় সরাসরি হিন্দুত্ববাদীদের উপর চাপানোর বিরোধিতা করেছেন তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি প্রত্যাহার না করা হলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ করা হবে। ওই পোস্ট মুছে ফেলার উদ্যোগও পুলিশের তরফে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, এ ধরনের মন্তব্যের মাধ্যমে গোটা হিন্দু সমাজকে অপমান করা হয়েছে। গেরুয়া, সনাতন, হিন্দুত্ব ও রাষ্ট্রবাদকে নিশানা করা হলে তার জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়াবিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার নিন্দা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গ ভয় দেখানো বা জঙ্গলরাজের সংস্কৃতি মেনে নেবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে আইনজীবীদের নির্ভয়ে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে দেওয়ার পক্ষেও সওয়াল করেছেন তিনি।অন্যদিকে, যাদবপুরের বিধায়িকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় এই ঘটনায় বিজেপির যোগ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের নজরে আনা হবে।একদিকে বাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রেফতারি, অন্যদিকে হিন্দুত্ববাদী মন্তব্য ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা আইনি হুঁশিয়ারি সব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এবং এর পিছনে আর কেউ জড়িত কি না, তা পুলিশের তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

১৯৭৬ সালে মহিষাসুরমর্দিনীতে উত্তমকুমার, ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন বাঙালিরা! কেন ফিরিয়ে আনতে হয়েছিল বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রকে?

প্রবাসে থাকা ছেলে মেয়েরা যেভাবে বছরের ৪ দিন তাদের ভিটেমাটির টানে ফিরে আসে, সেভাবে নস্টালজিক বাঙালিকে যিনি বেতারের সামনে শিকড়ের টানে টেনে আনেন তিনি আর কেউ নন বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। মহালয়া (Mahalaya 2026) ,মহিষাসুরমর্দিণী (Mahisashurmardini) আর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র (Birendra Krishna Bhadra) তিনটে নামই উচ্চারিত হয় এক স্বরে। মহালয়ার ভোরে এই চণ্ডীপাঠের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যিনি গোটা বিশ্বে নিজের কণ্ঠকে অমর করে রেখে গিয়েছেন, সেই বাঙালি মধ্যবিত্ত সাদামাটা ধুতি পাঞ্জাবি পরা কণ্ঠশিল্পীই বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। যাঁর হাত ধরে বাঙালির পুজোর (Durga Puja) ঢাকে কাঠি পড়ে। আজ ২০২৬ সালের মহালয়ার অপেক্ষায় রাত জাগছে বাঙালি, সেই পরিচিত কণ্ঠে মহিষাসুর মর্দিণী শুনবে বলেই। ১৯০৫ সালের এই দিনটিতেই উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায় জন্মগ্রহণ করেন প্রবাদপ্রতিম বেতার ব্যক্তিত্ব বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। বাবা রায়বাহাদুর কালীকৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন একজন ভাষাতত্ত্ববিদ, মা ছিলেন সরলা দেবী। ছোটবেলায় ঠাকুরমা যোগমায়া দেবীর কাছে সংস্কৃত শিক্ষার হাতেখড়ি হওয়া বীরেন্দ্রকৃষ্ণ মাত্র আট বছর বয়সে প্রখর স্মৃতিশক্তির জোরে নির্ভুল চণ্ডীপাঠ করে সবাইকে চমকে দিতেন। ১৯২৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়েতে কর্মজীবন শুরু করলেও তাঁর মন পড়ে থাকত ১ নম্বর গার্স্টিন প্লেসের অল ইন্ডিয়া রেডিওর দফতরে। অফিস শেষের আড্ডা থেকেই ধীরে ধীরে বেতারে নাটকের সুযোগ পান। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে পাকাপাকিভাবে আকাশবাণীতে যোগ দেন।আকাশবাণীতে যোগ দেওয়ার পর বাণীকুমার ভট্টাচার্যের রচনা এবং রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিকের সুর পরিচালনায় শুরু হয় মহালয়ার কালজয়ী অনুষ্ঠান মহিষাসুরমর্দিনী। লাইভ সম্প্রচারের সেই যুগে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ আগের রাত থেকেই স্টেশনে থেকে ভোরবেলায় স্নান সেরে, গরদের ধুতি-পাঞ্জাবি পরে চণ্ডীপাঠে বসতেন। একদিন স্টুডিওতে রসিকতা করে বাংলা ভাষ্যটিও স্তোত্রের ঢঙে সুর করে পড়তে গিয়ে জন্ম নেয় তাঁর সেই অবিস্মরণীয় অবদান, যা ১৯৬৬ সালে বাণীকুমারের পরামর্শে রেকর্ড করা হয়। আজও প্রতি মহালয়ার ভোরে প্রতিটি বাঙালির ঘরে ঘরে শোনা যায় এই স্মরণীয় কন্ঠস্বরে চণ্ডীপাঠ, যেন মা দুর্গা প্রথম অঞ্জলি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের থেকেই নেন।কেবল রেডিওর জাদুকরী কণ্ঠই নয়, বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ছিলেন একজন চমৎকার নাট্যকার, সমৃদ্ধ লেখক এবং পরিচালক। তিনি পেশাদারি মঞ্চে সাহেব বিবি গোলাম-এর মতো সফল নাটক পরিচালনা করার পাশাপাশি নিষিদ্ধ ফল-এর মতো চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যও লিখেছিলেন। অনেক গুণী ব্যক্তি রেডিওর জন্যই একসময় নিজেকে উৎসর্গ করে দেন। গোটা বিশ্বে যখন তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে তখন হঠাৎই ১৯৭৬ সালে আকাশবাণী কর্তৃপক্ষ প্রথা ভেঙে তাঁর জায়গায় মহানায়ক উত্তমকুমারকে দিয়ে চণ্ডীপাঠ করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। বাঙালির আবেগে ঘা পড়তেই, বহু বাঙালি ভক্ত রেডিও অফিসের ওপর চড়াও হয়। কেউই ভালোভাবে গ্রহণ করেনি সেই দিনের চণ্ডীপাঠ। স্বাভাবিক ভাবেই সে বছর পুণরায় ষষ্ঠীর দিন বীরেন্দ্রকৃষ্ণের মহিষাসুরমর্দিনী সম্প্রচার করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু গোটা ঘটনাতে তিনি ছিলেন নির্বিকার স্থির, বোধহয় তিনি মন থেকে জানতেন কিছু স্থান অপরিবর্তনশীল। ১৯৯১ সালের ৩ নভেম্বর মহাপ্রয়াণ ঘটলেও বাঙালি সংস্কৃতির আকাশে তিনি অমর হয়ে রয়েছেন। শরতের ভোরে শিউলি ঝরা হাওয়ায় তাঁর সেই বজ্রনির্ঘোষ অথচ সুরময় কণ্ঠে আশ্বিনের শারদপ্রাতে শুনলেই আজও মনে হয় পুজোর বাদ্যি বেজেছে। এভাবেই কিংবদন্তি বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র মহালয়ায় মহিষাসুরমর্দিণীর মাধ্যমে চিরকাল বেঁচে থাকবেন কোটি কোটি বাঙালির মনে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল, আইএফএ শিল্ড মোহনবাগানের

সেমিফাইনালে বিপক্ষকে ৭ গোল দিয়ে আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় পৌঁছেছিল ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল। ২২ তম আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান। এদিন বেশ গুছিয়ে ফুটবল খেলেছে মেরিনার্সরা। ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শুরু হওয়ার আগে ইস্টবেঙ্গলের এই হার দলের মনোবলে কতটা আঘাত করবে সেটাও দেখার। গত সিজনের আইএসএল কাপ ইস্টবেঙ্গলের ঘরে ছিল। শুরুতেই ইস্টবেঙ্গল একটি সুযোগ পেয়েও কাডে লাগাতে পারেনি। বিরতির শেষ মুহূর্তে লীড নিয়ে নেয় মোহনবাগান। তখন বেশ চাপে ছিল ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের একের পর আক্রমণে তখন দিশেহাপা ইস্টবেঙ্গল। জেলকোভিচের গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। বৃহস্পতিবার আইএফএ শিল্ডের (IFA Shield 2026) ফাইনালে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) মুখোমুখি হওয়ায় ফের ফুলবল জ্বরে ভুগতে শুরু করে কলকাতা। সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুই দলের সমর্থকরা তখন নিজের দলের সমর্থনে চিৎকারে গলা ফাটাচ্ছে। অনেক চেষ্টা করেও আর গোল পায়নি ইস্টবেঙ্গল জেলকোভিচের গোলই ম্যাচের পার্থক্য় গড়ে দেয়। ম্যাচের শেষের দিকে দুটো কর্ণার কিক পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার, আরও সম্পদের সন্ধানে তদন্তে পুলিশ

সরকার বদলের পর থেকে নানা অভিযোগে একের পর এক হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। এখনও তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারি অব্যাহত। এবার কাটোয়ায় গ্রেফতার হওয়া নেতার বাড়ি থেকে রাশি রাশি টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, সম্পত্তির হদিশও মিলেছে। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দুই তৃণমূল নেতা সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী কিভাবে বিপুল অর্থ ও সম্পদের মালিক হলেন, তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এদের সঙ্গে জড়িত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে, সামন্য বেতনে বেসরকারী একটি মোবাইল সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ওই দুই নেতা। পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দিয়েই কাটোয়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর সর্বসময়ের সঙ্গী দীগন্ত পালের সঙ্গে বিশেষ সখ্য়তা স্থাপন করে ফেলেন। এরপর সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তীর ধনসম্পত্তি বাড়তে বিদ্যুৎ গতিতে। ইতিমধ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ দীগন্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সূত্রের খবর, এরপরই গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেরাচ্ছিল সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী। তবে শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে দুজনই। এখন তাঁদের বেআইনি ধনসম্পদ নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে সুপ্রিয়র বাড়ি থেকে ৯ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে তাঁরা সোনা রেখে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সোনা কোথা থেকে এসেছে তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদের কাছে দামি চারচাকাও রয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা, সিপিএম নেতার অভিযোগ ওড়ালেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়

সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা করা অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব যাদবপুরে তাঁর বাড়ির জানালার কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তিনি স্থানীয় থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ করেছে। এই হামলায় বিজেপির মদত আছে বলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। তবে যাবদপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, জয়শ্রীরাম বলে অন্যায় করলেই কি সে বিজেপি হয়ে যায়। তা হতে পারে না। আজ ভোরে তার বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের বোতল ছোড়া হয়। বিকাশরঞ্জন বলেন, মদের বোতন ছড়িয়ে আছে। শক্ত কাচ ভেঙে ফেলা হয়েছে। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে বাইকে এল, ছবি তুললো। তারপর বলতে থাকল, আমরা মায়ের সন্তান। আমাদের পিছনে লেগেছিস। ওই ব্যক্তির মুখ ঢাকা ছিল। মোটর বাইকের নম্বরও ঢাকা ছিল। একেবারে পরিকল্পনা করে এসেছিল। আমি অনবরত হিন্দু মৌলবাদের বিরুদ্ধে বলছি তাই এই হামলা। এর পিছনে সর্বরীদেবীর পার্টিদের মদত আছে। বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় বলেছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের এটা কাজ নয়। কোনও দুষ্কৃতীকারীর কাজ। মুখে স্লোগান দিয়ে এই কাজ করে সরকার ও বিজেপির বদনাম করছে। জয়শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে, কোনও অন্যায় কাজ করল তাঁকে বিজেপি বলা যায় না।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ইতি, প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর

প্রয়াত হলেন প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকর। হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার অন্যতম স্বতন্ত্র অভিনেতা হিসেবে পরিচিত নানা পাটেকর বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে মালহার পাটেকর। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে তিনি জানান, খবরটি সত্যি। তিনি সেই সময় পুনেতে ছিলেন এবং গোয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। পরিবারের তরফে পরে বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।প্রায় পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ভারতীয় সিনেমায় নিজের স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছিলেন নানা পাটেকর। থিয়েটার দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু করার পর ১৯৭৮ সালে গমন ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর পরিন্দা, ক্রান্তিবীর, অগ্নিসাক্ষী, খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল, আব তক ছাপ্পান, অপরাধ, রাজনীতি থেকে ওয়েলকামএকাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছে।পরিন্দা ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পান নানা পাটেকর। ক্রান্তিবীর-এর জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি। অন্যদিকে, ২০০৭ সালের জনপ্রিয় ছবি ওয়েলকাম-এ গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে তাঁর অভিনয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিচয় তৈরি করে। চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয় হয় যে পরবর্তী সময়ে ওয়েলকাম ব্যাক ছবিতেও সেই ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে।মারাঠি সিনেমাতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। ২০১৬ সালের নটসম্রাট ছবিতে অবসরপ্রাপ্ত এক মঞ্চ অভিনেতার চরিত্রে তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ড. প্রকাশ বাবা আমটেদ্য রিয়েল হিরো ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও পান।শুধু অভিনেতা হিসেবেই নয়, পরিচালক ও লেখক হিসেবেও কাজ করেছেন নানা পাটেকর। ১৯৯১ সালে প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক ছবিটি পরিচালনা করার পাশাপাশি ছবিতে অভিনয় ও লেখার কাজও করেন তিনি। অভিনয় ও চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে মোট তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। নাম ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য বিভিন্ন কাজ করেছেন তিনি।নানা পাটেকরের প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এক বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান হল। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তাঁর অভিনীত একাধিক চরিত্র দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোর মুখে শিয়ালদহ ডিভিশনে বাড়ল ট্রেন ও এসি লোকালের স্টপেজ, যাত্রীস্বার্থে একাধিক উদ্যোগ রেলের

দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে যাত্রী পরিষেবাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে শিয়ালদহ ডিভিশন একাধিক যাত্রীকেন্দ্রিক পরিচালনামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দৈনন্দিন শহরতলির যাতায়াতকে আরও দ্রুত, সুবিধাজনক ও আরামদায়ক করে তুলতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে অতিরিক্ত পরিষেবা এবং নতুন স্টপেজ। এর ফলে শহরতলির বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ হবে।শান্তিপুরকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনে পরিষেবার সংখ্যা বৃদ্ধি:দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক যাতায়াতের চাহিদার কথা বিবেচনা করে দিগনগর হল্ট হয়ে শান্তিপুর (STB) ও কৃষ্ণনগর সিটি জংশনের মধ্যে দৈনিক ট্রেন পরিষেবা ১ জোড়া থেকে বাড়িয়ে ২ জোড়া করা হয়েছে। সকালের UP ট্রেনটি শান্তিপুর থেকে ০৯:৩৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:০৭ ঘণ্টায় কৃষ্ণনগর সিটি জংশনে পৌঁছাবে। ফেরার DN ট্রেনটি কৃষ্ণনগর থেকে ১০:১৭ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:৪৩ ঘণ্টায় শান্তিপুরে পৌঁছাবে। এর ফলে অফিসযাত্রী, পড়ুয়া এবং স্থানীয় যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।শিয়ালদহবজবজের মধ্যে গভীর রাতে ইএমইউ পরিষেবা:দেরিতে কর্মস্থল থেকে ফেরা কর্মীদের সুবিধার্থে শিয়ালদহ ডিভিশন পরীক্ষামূলকভাবে শিয়ালদহ (SEALDAH) ও কমাগাটা মারু বজবজ (KBGB)-এর মধ্যে গভীর রাতে একটি শহরতলির পরিষেবা চালু করেছে। DN ট্রেনটি শিয়ালদহ থেকে ২২:৫৫ ঘণ্টায় ছেড়ে ২৩:৪৩ ঘণ্টায় বজবজ পৌঁছাবে। ফেরার UP ট্রেনটি বজবজ থেকে ২৩:৫৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ০০:৪৮ ঘণ্টায় শিয়ালদহে পৌঁছাবে। এর ফলে রাতের শেষভাগেও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য শহরতলির রেল যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ:শহরতলির যাত্রীদের আরও আরামদায়ক যাত্রার সুযোগ করে দিতে শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনের বদকুল্লা স্টেশনে চারটি এসি ইএমইউ লোকালের পরীক্ষামূলক স্টপেজ দেওয়া হয়েছে।দৈনিক পরিষেবা (রবিবার ব্যতীত): ট্রেন নং ৩১৮৪৫ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১১:৫৩/১১:৫৪ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৬ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৩:৪০/১৩:৪১ ঘণ্টায় থামবে।রবিবারের বিশেষ সময়সূচি: ট্রেন নং ৩১৮৪৭ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১৩:৫৯/১৪:০০ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৮ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৬:১৫/১৬:১৬ ঘণ্টায় থামবে।এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহের DRM শ্রী রাজীব সাক্সেনা বলেন, পরিষেবার এই সংযোজনগুলি শহরতলির ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বজবজ সেকশনে নির্দিষ্ট গভীর রাতের যোগাযোগ এবং বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ, দৈনন্দিন যাত্রীদের পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। সকলের জন্য রেলযাত্রাকে আরও সহজলভ্য, নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক করে তুলতে শিয়ালদহ ডিভিশন দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal