• ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৬ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Pakistan

বিদেশ

সত্যিই কি এত ভয়? বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা, বড় পদক্ষেপ পাকিস্তানের

পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চলা আন্দোলন, প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ এবং দমন-পীড়নের খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করল পাকিস্তান সরকার। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, সরকারি অনুমতি ছাড়া দেশের নির্দিষ্ট এলাকায় কোনও বিদেশি সংবাদমাধ্যম বা সাংবাদিক খবর সংগ্রহ করতে পারবেন না।পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই নিয়ম আন্তর্জাতিক সংবাদপত্র, টেলিভিশন, ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম, ওয়েবভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম এবং সামাজিক মাধ্যমের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে আগে সরকারি নিবন্ধন করতে হবে। অনুমোদন পাওয়ার পরেই তারা নির্দিষ্ট এলাকায় রিপোর্ট করার সুযোগ পাবেন।সরকারি নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, বিদেশি সাংবাদিক কোথায় যাচ্ছেন, কার সঙ্গে কথা বলছেন এবং কী ধরনের প্রতিবেদন তৈরি করছেন, তার উপরও নজর রাখা হবে। বিশেষ কিছু এলাকায় প্রবেশের জন্য আলাদা অনুমতিপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।পাক অধিকৃত কাশ্মীরে দীর্ঘদিন ধরে মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুৎ সংকট এবং একাধিক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। এই আন্দোলন ঘিরে নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই নতুন এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে জল্পনা বাড়ছে।এর মধ্যেই পাক সরকার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ তুলে তাদের কার্যত নিষিদ্ধ করেছে। সরকারের দাবি, ওই সংবাদমাধ্যম ভুল তথ্য প্রকাশ করেছে এবং কাশ্মীরের পরিস্থিতিকে বিকৃতভাবে তুলে ধরেছে।তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পরই ইসলামাবাদ অস্বস্তিতে পড়েছে। সেই কারণেই বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর আরও কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
বিদেশ

পাকিস্তানে কি ফের সেনা অভ্যুত্থান? এক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে তীব্র জল্পনা

পাকিস্তানের রাজনীতিতে আবারও অনিশ্চয়তার মেঘ ঘনিয়ে উঠেছে। দেশের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভির একের পর এক মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, পাকিস্তানে কি আবারও সেনা অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে?পাকিস্তানের ইতিহাসে একাধিকবার সামরিক শাসন এসেছে। অতীতে সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে তিনবার দেশের ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে। সেই অতীতের প্রেক্ষাপটেই নকভির সাম্প্রতিক মন্তব্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক।সম্প্রতি তিনি দাবি করেছেন, পাকিস্তানের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুর্নীতির ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁর অভিযোগ, এই দুর্নীতির সঙ্গে রাজনীতিবিদ, আমলা, বিচারপতি এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বহু ব্যক্তি জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও দুর্নীতির সংস্কৃতি চলেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তদন্তে যাঁদের নাম উঠে আসবে, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তবে রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছে অন্য একটি বিষয়। দুর্নীতির অভিযোগে প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের কথা উল্লেখ করলেও সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেননি নকভি। এই ঘটনাকে ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তাঁর উপস্থিতি রাজনৈতিক সমীকরণকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ক্ষমতার অন্দরে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও সেনা অভ্যুত্থান নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি। ফলে বিষয়টি এখন জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে। তবে নকভির ধারাবাহিক মন্তব্যে পাকিস্তানের রাজনীতি যে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

আগস্ট ০৪, ২০২৬
দেশ

পাকিস্তানকে আর কোনও ছাড় নয়! কার্গিল দিবসে রাজনাথের স্পষ্ট বার্তা ঘিরে তুমুল আলোচনা

কার্গিল দিবস উপলক্ষে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে পাকিস্তানের সঙ্গে যদি কোনও আলোচনা হয়, তবে তা হবে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর নিয়েই। তাঁর বক্তব্য, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং পাকিস্তান অবৈধভাবে তার একটি অংশ দখল করে রেখেছে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, পাকিস্তানে জঙ্গিবাদ দীর্ঘদিন ধরেই রাষ্ট্রের নীতির অংশ হয়ে উঠেছে।রাজনাথ সিং আরও বলেন, সীমান্তে অনুপ্রবেশের কোনও চেষ্টা ভারত মেনে নেবে না। দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় ভারতীয় সেনা সর্বদা প্রস্তুত রয়েছে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, অনুপ্রবেশ বা সন্ত্রাসবাদকে কোনওভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না এবং প্রয়োজন হলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।তিনি অপারেশন সিঁদুরের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য, সেই অভিযানে ভারতীয় সেনা নিজেদের সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছে। দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ভারতীয় সেনা ভবিষ্যতেও একইভাবে সতর্ক থাকবে বলেও তিনি জানান।অবসরপ্রাপ্ত জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রাক্তন কর্তা দীপাঞ্জন চক্রবর্তীও প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন। তাঁর দাবি, সীমান্তে বারবার অনুপ্রবেশের চেষ্টা এবং সন্ত্রাসবাদকে কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তিনি বলেন, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ভারতেরই অংশ এবং সেই অবস্থান থেকে ভারত কখনও সরে আসবে না।

জুলাই ২৬, ২০২৬
দেশ

দু’মিনিটের সেই রহস্য! কীভাবে পাকিস্তানের আকাশে পৌঁছে গেল ভারতীয় বিমান?

কূটনৈতিক টানাপোড়েনের আবহের মধ্যেই পাকিস্তানের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ল একটি ভারতীয় যাত্রীবাহী বিমান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিষয়টি সামনে আসতেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি অভিযুক্ত পাইলটকে সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।জানা গিয়েছে, বিমানটি দিল্লি থেকে অমৃতসরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। কিন্তু অবতরণের আগে আচমকাই নির্ধারিত পথ থেকে সরে গিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রম করে পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। কিছু সময় পরে বিমানটি আবার ভারতের আকাশে ফিরে আসে।তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি দুমিনিটেরও কম সময় পাকিস্তানের আকাশসীমার মধ্যে ছিল। পাকিস্তানের বিমান নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা পাঠানোর পর পরিস্থিতি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়। অমৃতসরে অবতরণের পরিবর্তে বিমানটিকে দিল্লিতে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পর একই বিমান আবার অমৃতসরের উদ্দেশে রওনা দেয় এবং গভীর রাতে নিরাপদে অবতরণ করে।বিমানবন্দর সূত্রে খবর, উড়ানের সময় বিমানের দিকনির্দেশনা ব্যবস্থায় সমস্যা দেখা দিয়েছিল। সেই কারণেই বিমানটি নির্ধারিত রুট থেকে সরে যায় বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। এক বিমানবন্দর আধিকারিকের দাবি, বিমানটি সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানের আকাশসীমার প্রায় দেড় মাইল ভেতরে চলে গিয়েছিল।তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনও তদন্ত চলছে। বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং পাইলটের সিদ্ধান্ত দুই দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেন বিমানটি নির্দিষ্ট নির্দেশ মেনে চলেনি এবং কীভাবে সীমান্ত অতিক্রম করল, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট পাইলটকে ডিউটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

জুন ২৫, ২০২৬
রাজ্য

‘বাংলা পাকিস্তানে চলে যেত!’ তারকেশ্বর থেকে বিস্ফোরক দাবি মোদীর, নিশানায় কংগ্রেস

পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে তারকেশ্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ইতিহাস, রাজনীতি এবং বাংলার পরিচয় নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর বক্তব্যের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল পশ্চিমবঙ্গের সৃষ্টি, দেশভাগ এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা। একইসঙ্গে কংগ্রেস, বামপন্থী দল এবং তৃণমূল কংগ্রেসকেও তীব্র আক্রমণ করেন তিনি।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, দেশভাগের সময় গোটা বাংলাকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, সেই সময়ে কংগ্রেস ওই চক্রান্তের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেয়নি। বরং আত্মসমর্পণের পথ বেছে নিয়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বাংলার স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।মোদীর বক্তব্য, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের উদ্যোগ এবং আন্দোলনের ফলেই পশ্চিমবঙ্গ ভারতের অংশ হিসেবে থেকে যায়। তিনি বলেন, আজকের প্রজন্মের কাছে এই ইতিহাস তুলে ধরা জরুরি। কারণ পশ্চিমবঙ্গ দিবস শুধু একটি দিন নয়, বাংলার অস্তিত্ব ও আত্মপরিচয়ের সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।বক্তৃতার এক পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী উনিশশো ছেচল্লিশ সালের কলকাতার সাম্প্রদায়িক হিংসা এবং নোয়াখালির ঘটনার কথাও স্মরণ করেন। তিনি বলেন, সেই সময় বাংলা ভয়াবহ রক্তপাত ও অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গিয়েছে। বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, বহু পরিবার ভেঙে গিয়েছে। তবুও বাংলা নিজের পরিচয় এবং আত্মসম্মান রক্ষা করেছে।এরপর কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ইতিহাস বিকৃত করার অভিযোগ তোলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গের গঠনের প্রকৃত ইতিহাসকে আড়াল করার চেষ্টা করা হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। বাংলার মানুষের কাছে সেই ইতিহাস পৌঁছতে দেওয়া হয়নি।শুধু কংগ্রেস নয়, বামপন্থী দল এবং তৃণমূল কংগ্রেসকেও আক্রমণ করেন মোদী। তাঁর অভিযোগ, বছরের পর বছর বাংলার উন্নয়নের বদলে ভোটের রাজনীতি এবং তোষণের রাজনীতি করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ এবং সীমান্ত সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মতো মনীষীদের ভূমিতে বাংলার নিজস্ব চিন্তা ও সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু রাজনৈতিক স্বার্থে সেই ঐতিহ্যকে উপেক্ষা করা হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।বক্তৃতার শেষে প্রধানমন্ত্রী নতুন বাংলার স্বপ্নের কথা তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ উন্নয়ন, সংস্কৃতি এবং আত্মপরিচয়ের নতুন দিশা দেখাবে। পশ্চিমবঙ্গ দিবসের মঞ্চ থেকে তিনি নতুন ইতিহাস গড়ার অঙ্গীকারও করেন।

জুন ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

রিচাকে ওপেন করাতে চান হরমন! পাক-বধের পর ভারত অধিনায়কের অকপট স্বীকারোক্তি, দীপ্তির ঘূর্ণিতেই বিশ্বকাপে দুরন্ত সূচনা

ভারতের মহিলা ক্রিকেট দল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল দাপুটে জয় দিয়ে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে ৬৪ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্তির জানান দিল হরমনপ্রীত কৌরের দল। ম্যাচ শেষে জয়ের নেপথ্যের নায়ক-নায়িকাদের প্রশংসায় ভাসালেন ভারত অধিনায়ক, আর ম্যাচসেরা দীপ্তি শর্মাও জানালেন তাঁর সাফল্যের মন্ত্র।ম্যাচের শুরুটা ভারতের পক্ষে মোটেই সহজ ছিল না। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে গিয়েছিল দল। তবে অভিজ্ঞ স্মৃতি মন্ধানা ও অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌরের দায়িত্বশীল ব্যাটিং ভারতকে বিপদমুক্ত করে। তাঁদের গড়া গুরুত্বপূর্ণ জুটিই ইনিংসের ভিত তৈরি করে দেয়।খেলা শেষে হরমনপ্রীত জানান, পিচ নিয়ে যতটা আলোচনা হয়েছিল, বাস্তবে তা অতটা কঠিন ছিল না। তাঁর মতে, শুরুতে অযথা চাপ নিয়ে ফেলেছিল ভারতীয় ব্যাটাররা। পরে পরিস্থিতি বুঝে ব্যাট করায় দল ঘুরে দাঁড়াতে সক্ষম হয়।তবে ভারতের ইনিংসের সবচেয়ে বড় চমক ছিলেন বাংলার মেয়ে রিচা ঘোষ। মাত্র ১৭ বলে ৩৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে শেষদিকে রান তোলার গতি কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেন তিনি। রিচার ব্যাটিংয়ে এতটাই মুগ্ধ হয়েছেন হরমনপ্রীত যে মজার ছলেই বলে ফেললেন, সুযোগ থাকলে তিনি রিচাকেই ইনিংসের প্রথম বল থেকে ব্যাট করতে পাঠাতেন।অধিনায়কের কথায়, রিচার ব্যাটিং দেখলে মনে হয় ওকে শুরু থেকেই নামানো উচিত। কিন্তু দলের কৌশল অনুযায়ী ওর একটি নির্দিষ্ট দায়িত্ব রয়েছে। সেই ভূমিকায় ও অসাধারণ কাজ করছে।ভারতের জয়ের আর এক বড় কারিগর ছিলেন অলরাউন্ডার দীপ্তি শর্মা। চার ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে ৫ উইকেট তুলে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপকে কার্যত গুঁড়িয়ে দেন তিনি। তাঁর ঘূর্ণির সামনে দাঁড়াতেই পারেননি পাকিস্তানি ব্যাটাররা।ম্যাচসেরা হওয়ার পর দীপ্তি জানান, উইকেটের চরিত্র বুঝে তিনি নিজের বোলিংয়ে সামান্য পরিবর্তন এনেছিলেন। বলের গতি কমিয়ে এবং স্টাম্প লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে বল করাতেই সাফল্য এসেছে। তাঁর মতে, পিচও স্পিনারদের সাহায্য করেছে, ফলে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সহজ হয়েছে।শুধু বোলিং নয়, পাকিস্তানের ভালো শুরুর পর ভারতীয় দলের ফিল্ডিং ও ক্যাচ ধরার মানও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। হরমনপ্রীত বলেন, বিশ্বকাপের মতো প্রতিযোগিতায় শুধু জয় নয়, বড় ব্যবধানে জয়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ নেট রানরেট পরবর্তী পর্যায়ে বড় ভূমিকা নিতে পারে। সেই লক্ষ্যেই দল শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছে।গ্যালারিতে উপস্থিত সমর্থকদের উৎসাহকেও বিশেষ কৃতিত্ব দিয়েছেন দীপ্তি। পাশাপাশি স্মৃতি মন্ধানা ও হরমনপ্রীতের ব্যাটিংকে ভারতের জয়ের ভিত্তি বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই ব্যাট ও বলদুই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়ে ভারত স্পষ্ট বার্তা দিল, শিরোপার দৌড়ে তারা অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার। এখন দেখার, এই দুরন্ত ছন্দ আগামী ম্যাচগুলিতেও ধরে রাখতে পারে কি না হরমনপ্রীতের দল।

জুন ১৫, ২০২৬
বিদেশ

কলকাতাকে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি! পাক মন্ত্রীর বিস্ফোরক মন্তব্যে চাঞ্চল্য

ভবিষ্যতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যদি কোনও সংঘাত তৈরি হয়, তবে তা আর সীমান্তে আটকে থাকবে না, বরং ভারতের ভিতরেও ছড়িয়ে পড়বেএমনই হুমকি দিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তিনি সরাসরি কলকাতার নাম নিয়ে আক্রমণের কথাও বলেন, যা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।শনিবার সিয়ালকোটে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে খোয়াজা আসিফ বলেন, ভারত যদি কোনও মিথ্যা অজুহাতে অভিযান চালানোর চেষ্টা করে, তাহলে তার ফল ভালো হবে না। তিনি দাবি করেন, সেই সংঘাত সীমান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা কলকাতা পর্যন্ত গড়াবে।তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভারতে শীঘ্রই একটি ভুয়া হামলা হতে পারে। তাঁর দাবি, ভারত নিজেই এমন হামলার পরিকল্পনা করছে এবং পরে সেটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলে তুলে ধরবে। যদিও এই দাবির পক্ষে তিনি কোনও প্রমাণ দেননি।পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, যদি ভারত এমন কোনও পদক্ষেপ নেয়, তাহলে গত বছরের থেকেও বড় অপমানের মুখে পড়তে হবে। তাঁর কথায়, সংঘাত আর সীমান্তবর্তী কয়েকশো কিলোমিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তারা ভারতের ভিতরে ঢুকে হামলা চালাতে পারে।অন্যদিকে, সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এই মাসেই পাকিস্তানের ভিতরে এক বা একাধিক হামলা হতে পারে। সেই হামলার পিছনে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে দেশে অস্থিরতা তৈরি করে তার দায় ভারতের উপর চাপানোর পরিকল্পনাও থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকদের একাংশ।বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক মহলে সমর্থন পেতে বা কূটনৈতিক সুবিধা অর্জনের জন্য এমন কৌশল নেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি, পাকিস্তানের বর্তমান অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তা সমস্যা থেকে নজর ঘোরাতেও বাইরের শত্রু তত্ত্ব সামনে আনা হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়ে নতুন করে উত্তেজনা বাড়াল পাকিস্তান।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
দেশ

সন্ত্রাস বন্ধ না হলে জলও নয়! রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা ভারতের

পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদ বন্ধ না করা পর্যন্ত সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে কোনও আলোচনা করবে না বলে রাষ্ট্রসংঘে স্পষ্ট জানিয়ে দিল ভারত। বিশ্ব জল দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি পি হরিশ এই মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, চুক্তির পবিত্রতার কথা বলার আগে পাকিস্তানকে মানব জীবনের মূল্য বুঝতে হবে। তাঁর অভিযোগ, পাকিস্তান এখনও সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করছে। তাই তাদের আচরণ না বদলালে এই চুক্তি নিয়ে কোনও কথাবার্তা হবে না।ভারত জানায়, তারা সবসময় দায়িত্বশীল উজান অঞ্চলের দেশ হিসেবে আচরণ করেছে। কিন্তু এই দায়িত্ব একতরফা হতে পারে না। পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদকে নীতির অংশ হিসেবে ব্যবহার করা বন্ধ করতে হবে।এই অনুষ্ঠানে মূলত সবার জন্য নিরাপদ জল ও পরিষ্কার পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ভারত অভিযোগ করে, পাকিস্তান সেখানে নিজেদের ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে তুলে ধরে সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করেছে।এরপরই পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন পি হরিশ। তিনি বলেন, ভারত সদিচ্ছা ও বন্ধুত্বের মানসিকতা নিয়ে সিন্ধু জলচুক্তি করেছিল। কিন্তু পাকিস্তান সেই বিশ্বাস ভেঙে দিয়েছে। ভারতের বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধ এবং বহু সন্ত্রাসবাদী হামলার অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, পাকিস্তান সমর্থিত হামলায় বহু নিরীহ ভারতীয় প্রাণ হারিয়েছেন।উল্লেখ্য, জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে গত বছরের সন্ত্রাসবাদী হামলার পর থেকেই ভারত এই চুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছে। ১৯৬০ সালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ভারতের এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক নিয়মভঙ্গ বলে অভিযোগ করেছে পাকিস্তান।

মার্চ ২১, ২০২৬
বিদেশ

কাবুলে রক্তাক্ত রাত, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন রশিদ খানরা

পবিত্র রমজান মাসে কাবুলের একটি হাসপাতালে ভয়াবহ হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়েছে। এই হামলায় অন্তত চারশো জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে হাসপাতালের বড় অংশ। আগুনে জ্বলতে থাকে পুরো এলাকা। এই ঘটনার পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন আফগানিস্তানের একাধিক ক্রিকেটার।রশিদ খান, মহম্মদ নবি এবং নবীন উল হক এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন। তারা সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করে সোশ্যাল মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেকেই বলেছেন, এই ধরনের হামলা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। রমজানের মতো পবিত্র মাসে এমন ঘটনা আরও বেশি কষ্টদায়ক বলে উল্লেখ করেছেন তারা।নবীন উল হক এক পোস্টে লেখেন, তিনি ইজরায়েল এবং পাকিস্তানের মধ্যে কোনও পার্থক্য দেখছেন না। এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। রমজান মাসে মুসলিম দেশ হয়েও এমন হামলা চালানো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।রশিদ খানও নিজের প্রতিক্রিয়ায় জানান, কাবুলের হাসপাতালে হামলার খবর শুনে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত। তিনি এটিকে যুদ্ধাপরাধ বলে উল্লেখ করেন। তার দাবি, রাষ্ট্রসংঘ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলির এই ঘটনার তদন্ত করা উচিত। এই কঠিন সময়ে দেশের মানুষের পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছেন তিনি।মহম্মদ নবি তার পোস্টে লেখেন, হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গিয়েছিল বহু শিশু ও সাধারণ মানুষ। তাদের উপর এই হামলা অত্যন্ত নিষ্ঠুর। তিনি জানান, অনেক মা তাদের সন্তানের অপেক্ষায় ছিলেন, কিন্তু সেই সন্তানরা আর বাড়ি ফিরতে পারেনি।উল্লেখ্য, এর আগেও পাকিস্তানের হামলায় আফগানিস্তানের তরুণ ক্রিকেটারদের মৃত্যু হয়েছিল। সেই সময়ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন আফগান ক্রিকেটাররা। এমনকি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি প্রতিযোগিতাও বয়কট করা হয়েছিল।এই নতুন হামলার পর আবারও প্রশ্ন উঠছে, পাকিস্তানের সঙ্গে ক্রীড়া সম্পর্ক আদৌ বজায় রাখা হবে কি না। পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, তা এখন দেখার অপেক্ষা।

মার্চ ১৭, ২০২৬
বিদেশ

কাবুলে ভয়াবহ বিমান হামলা, হাসপাতালে আগুনে পুড়ে মৃত্যু অন্তত চারশো মানুষের

পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। তারই মধ্যে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি ভয়াবহ বিমান হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান একটি হাসপাতালকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় চিকিৎসক সহ অন্তত চারশো মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। আহত হয়েছেন আড়াইশোরও বেশি মানুষ। সোমবার রাতে পরপর বিস্ফোরণে হাসপাতালটি কার্যত আগুনে পুড়ে যায়।আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাবুলের ওই হাসপাতালে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, এই হামলা আফগানিস্তানের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ। এর আগে দুই হাজার একুশ সালে কাবুল বিমানবন্দরে আত্মঘাতী হামলায় একশোর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, কিন্তু এবার তার থেকেও বড় বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।গত মাস থেকেই দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে। আফগানিস্তানের অভিযোগ, পাকিস্তান বারবার সীমান্ত পেরিয়ে হামলা চালাচ্ছে। তবে এই হাসপাতাল হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা কোনও হাসপাতালকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়নি। তাদের দাবি, জঙ্গি ঘাঁটি হিসেবে চিহ্নিত সামরিক স্থাপনাতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের মুখপাত্র কাবুলের অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন।আফগানিস্তান সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সোমবার রাত প্রায় নয়টা নাগাদ এই হামলার ঘটনা ঘটে। যে হাসপাতালে হামলা হয়েছে, সেখানে প্রায় দুই হাজার মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা ছিল। সেই হাসপাতালেই এত মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। বর্তমানে উদ্ধারকারী দল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপ থেকে দেহ উদ্ধারের কাজ চালাচ্ছে।এর আগেও পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কান্দাহার বিমানবন্দর, পাক্তিয়ার সামরিক ঘাঁটি এবং কাবুলের বিভিন্ন এলাকায় হামলার কথা জানা গেছে। কান্দাহার শহরে তালিবান গোষ্ঠীর একটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরেও হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা নিয়েই এখন নজর সকলের।

মার্চ ১৭, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধের ছ্যাঁকায় কার্যত লকডাউন পাকিস্তানে! অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ স্কুল, অফিসে আসতে হবে না সরকারি কর্মীদের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব এখন ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনার কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে বড় ধাক্কা লেগেছে। অভিযোগ উঠছে, ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে এবং পাশাপাশি আশপাশের দেশের তেল উৎপাদন ও শোধনাগারেও হামলা চালানো হচ্ছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংঘাত যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, তবে বিশ্ব অর্থনীতির উপর তার বড় প্রভাব পড়তে পারে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকটি দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। শুধু ভারত নয়, প্রায় দশটি দেশ এই সমস্যার মুখে পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান।জ্বালানি বাঁচাতে পাকিস্তান কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত লকডাউনের মতো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ঘোষণা করেছেন যে স্কুলগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে। উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে পড়াশোনা হবে অনলাইনে। সরকারি অফিসগুলির কাজের দিনও কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।সরকারি দপ্তরগুলিতে আগামী দুই মাস জ্বালানির ব্যবহার অর্ধেক কমিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ব্যাঙ্ক ছাড়া অন্য সরকারি অফিস সপ্তাহে মাত্র চার দিন খোলা থাকবে। এছাড়া জরুরি পরিষেবা ছাড়া সরকারি কর্মীদের একটি বড় অংশকে বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রীদের ভাতাও কমানো হয়েছে।শুধু পাকিস্তান নয়, জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের উপরেও। সেখানে জ্বালানি ব্যবহারে সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। মোটরসাইকেলের জন্য দিনে সর্বোচ্চ দুই লিটার এবং গাড়ির জন্য দশ লিটার জ্বালানি নেওয়ার নিয়ম চালু হয়েছে।ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও জ্বালানির চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। শ্রীলঙ্কায় জ্বালানির দাম প্রায় আট শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। মায়ানমারে গাড়ি চলাচলের জন্য জোড় ও বিজোড় নম্বরের নিয়ম চালু করা হয়েছে। অনেক জায়গায় জ্বালানি না থাকায় পাম্প বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে অনেক মানুষ পাশের দেশ থাইল্যান্ডে গিয়ে তেল কিনছেন।আমেরিকার কিছু রাজ্যেও জ্বালানির দাম বেড়েছে। ফ্লোরিডা এবং লুইজিয়ানায় প্রতি গ্যালন গ্যাসের দাম প্রায় এগারো সেন্ট পর্যন্ত বেড়েছে। ভিয়েতনামেও জ্বালানি সংকট মোকাবিলার জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হয়েছে।বর্তমানে পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ফ্রান্স, আমেরিকা, জার্মানি, পোল্যান্ড, ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা এবং ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলিতে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত যদি দ্রুত থামানো না যায়, তবে আগামী দিনে এই সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মার্চ ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারতের বিশ্বজয় মানতে পারছেন না অনেকে! প্রতিবেশী দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া

ভারত আবার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জেতার পর দেশজুড়ে শুরু হয়েছে আনন্দ উৎসব। বিভিন্ন জায়গায় ফাটছে বাজি, চলছে উদযাপন। কিন্তু প্রতিবেশী কয়েকটি দেশে এই জয় নিয়ে শুরু হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। বিশেষ করে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে অনেকেই ভারতের এই সাফল্য নিয়ে সমালোচনা করছেন, আবার কেউ কেউ প্রশংসাও করেছেন।বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশ দলের ভারতে আসা নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছিল। নানা আলোচনার পরও তারা শেষ পর্যন্ত অংশ নিতে রাজি হয়নি বলে খবর ছড়ায়। অনেকেই মনে করেন, সে সময় বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রভাবই এর পেছনে কাজ করেছিল।অন্যদিকে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকেও ভারত ম্যাচ নিয়ে নানা মন্তব্য করা হয়েছিল। এমনকি এক সময় ভারত ম্যাচ বয়কট করার কথাও শোনা গিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি খেলা হয় এবং পাকিস্তান সেই ম্যাচে পরাজিত হয়।পাকিস্তানের কিছু প্রাক্তন ক্রিকেটারও টুর্নামেন্ট চলাকালীন ভারতের সমালোচনা করেছিলেন। তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মহম্মদ আমির। তিনি একাধিকবার বলেছিলেন, ভারত নাকি এই বিশ্বকাপ জিততে পারবে না।কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে ভারত টানা দ্বিতীয় বার টি কুড়ি বিশ্বকাপ জিতে নেয়। ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে একপেশে ভাবে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় দল।এই জয়ের পর পাকিস্তানের প্রাক্তন দ্রুতগতির বোলার শোয়েব আখতার একটি মন্তব্য করেন। তাঁর কথায়, ভারতের আচরণ নাকি এমন, যেন ধনী পরিবারের ছেলে গরিব ছেলেকে খেলতে ডাকে এবং শেষে নিজেই জিতে যায়। তিনি দাবি করেন, এই ভাবে ক্রিকেটের ক্ষতি হচ্ছে।অন্যদিকে মহম্মদ আমিরও ভারতের জয়ের পর প্রতিক্রিয়া দেন। তিনি বলেন, ভারত জিতেছে, ট্রফি তাদের দেশেই যাবে। তবে তা তাঁর বাড়িতে তো আসবে না।তবে সব প্রতিক্রিয়া সমালোচনামূলক ছিল না। বাংলাদেশের অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম ভারতের সাফল্যকে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তিনি সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, ভারত যোগ্য দল হিসেবেই এই বিশ্বকাপ জিতেছে এবং তিনি তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।তবে তাঁর এই পোস্টের নিচে অনেকেই পুরনো একটি ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন। প্রায় দশ বছর আগে এক বিশ্বকাপে ভারত পরাজিত হলে সামাজিক মাধ্যমে আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। সেই পুরনো প্রসঙ্গও আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছে।ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের পর তাই শুধু আনন্দই নয়, প্রতিবেশী দেশগুলিতেও এই সাফল্য ঘিরে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক।

মার্চ ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কাইফকে নিয়ে তীব্র কটাক্ষ আমিরের, টেনে আনলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে নতুন করে বিতর্ক ছড়ালেন পাকিস্তানের প্রাক্তন পেসার মহম্মদ আমির। এর আগে দুবার তিনি ভারতের বিশ্বকাপ যাত্রা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। কিন্তু দুবারই তাঁর কথা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। এবার দলকে নয়, সরাসরি ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফকে আক্রমণ করলেন তিনি। কাইফকে কটাক্ষ করতে গিয়ে টেনে আনলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামও।রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলবে ভারতীয় দল। তার আগেই আমিরের মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, ভারত সেমিফাইনালে উঠতে পারবে না। পরে আবার বলেন, ভারত ফাইনালেও যেতে পারবে না। কিন্তু সেই দুই ভবিষ্যদ্বাণীই ভুল প্রমাণিত হয়। এরপর অনেকের কাছেই সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে।এই প্রসঙ্গে কাইফ বলেছিলেন, আমিরকে এত গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, পাকিস্তানের ক্রিকেটও এখন অনেক পিছিয়ে রয়েছে। কাইফের এই মন্তব্যে বেজায় চটে যান আমির এবং সরাসরি তাঁকে আক্রমণ করেন।আমির বলেন, তিনি কাইফের ক্রিকেট কেরিয়ার সম্পর্কে খুব বেশি জানতেন না। পরে খোঁজ নিয়ে দেখেছেন, কাইফ নাকি আইপিএলে মাত্র উনত্রিশটি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাঁর স্ট্রাইক রেটও খুব বেশি নয়। তাঁর দাবি, তিনি নিজে তিনশোরও বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং পারফরম্যান্সের জোরেই ক্রিকেট খেলেছেন। কাইফকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, শুধু ফিল্ডিংয়ের জন্যই তিনি ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন। পাশাপাশি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে বলেন, কাইফের উচিত তাঁকে ধন্যবাদ জানানো।তবে কাইফ যে ভারতীয় দলের অন্যতম সেরা ফিল্ডার ছিলেন, তা ক্রিকেট মহলে সকলেই মানেন। অনেক ভারতীয় ক্রিকেটারই স্বীকার করেছেন যে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তাঁরা জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন।এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার নভজ্যোৎ সিং সিধুও। তিনি আমিরকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, এই ধরনের মানুষদের কথা বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, শুধু ভবিষ্যদ্বাণী করে ম্যাচ জেতা যায় না। মাঠে নেমে লড়াই করেই ম্যাচ জিততে হয়। সিধুর কথায়, যারা বেশি কথা বলে তারা অনেক সময়ই বাস্তবে কিছু দেখাতে পারে না।

মার্চ ০৭, ২০২৬
বিদেশ

ভারতকে সুবিধা করে দিতেই ইজরায়েল হামলা চালায় ইরানের ওপর! আজব দাবি পাকিস্তানের

ইরানের উপর আমেরিকা ও ইজরায়েলের হামলার জেরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে পাকিস্তানে। ইরানের সঙ্গে প্রায় নয়শো কিলোমিটারেরও বেশি সীমান্ত রয়েছে পাকিস্তানের। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ বিস্ফোরক অভিযোগ তুলে বলেন, ইরানে চলা সশস্ত্র সংঘর্ষের নেপথ্যে রয়েছে জায়নিস্ট চক্রান্ত। তাঁর দাবি, এই যুদ্ধের লক্ষ্য পাকিস্তানকে শেষ পর্যন্ত একটি দাস রাষ্ট্রে পরিণত করা।সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তায় তিনি বলেন, উনিশশো আটচল্লিশ সালে ইজরায়েল রাষ্ট্র গঠনের পর থেকে মুসলিম বিশ্বে যত বড় সংঘাত হয়েছে, তার পিছনে সরাসরি বা পরোক্ষে জায়নিস্ট মতাদর্শের ভূমিকা রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জায়নিস্ট শক্তিই দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অর্থনীতির দিশা ঠিক করছে এবং বড় শক্তিগুলিকেও প্রভাবিত করছে।ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকার চলতি সংঘর্ষ প্রসঙ্গে আসিফের দাবি, তেহরান আলোচনায় রাজি থাকা সত্ত্বেও তাদের উপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, এই যুদ্ধ পরিকল্পিতভাবে শুরু করা হয়েছে, যাতে ইজরায়েলের প্রভাব পাকিস্তানের সীমান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও সতর্ক করে বলেন, যদি ইজরায়েল এই যুদ্ধে জয়ী হয়, তা হলে ভারত, আফগানিস্তান ও ইরান একযোগে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারে। এতে দেশের সীমান্ত চারদিক থেকে শত্রু দ্বারা ঘেরা হয়ে পড়বে এবং পাকিস্তান কার্যত দাস রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে বলে দাবি তাঁর।তিনি পাকিস্তানের প্রায় পঁচিশ কোটি নাগরিককে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বিভেদ ভুলে এই চক্রান্ত বোঝার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে মুসলিম প্রধান দেশগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন তিনি। পাকিস্তান যে একটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ, তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আসিফ বলেন, দেশের সশস্ত্র বাহিনীর ক্ষমতা বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। তিনি উনিশশো আটানব্বই সালে পারমাণবিক পরীক্ষার প্রসঙ্গ টেনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ভূমিকাও উল্লেখ করেন।এই মন্তব্য এমন সময়ে এল, যখন আমেরিকা ও ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের সংঘর্ষ তীব্র আকার নিয়েছে। হামলায় ইরানের সামরিক ও ধর্মীয় নেতৃত্বের বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর জেরে গোটা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ইরান একাধিক দেশে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলেও খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের চারদিক থেকে ঘেরা অবস্থায় দেখানোর চেষ্টা করে। কখনও বালোচ বিদ্রোহীদের সঙ্গে ভারতের যোগের অভিযোগ, কখনও আফগান তালিবানকে ভারতের মদতপুষ্ট বলা এই অবস্থান নতুন নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে খোয়াজা আসিফের মন্তব্য সেই পুরনো অবস্থানকেই আরও জোরালো করল বলে মত পর্যবেক্ষকদের।

মার্চ ০৪, ২০২৬
বিদেশ

কাবুল কাঁপাল বোমা ও গুলির শব্দ! পাক যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি তালিবানের

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার আবহের মধ্যেই পাক-আফগান সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। চতুর্থ দিনে পড়ল দুই দেশের এই লড়াই। রবিবার ভোরে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। তালিবান সরকারের অভিযোগ, মধ্য কাবুলের একাধিক এলাকায় পাকিস্তানের সেনাবাহিনী গোলাবর্ষণ করেছে। পালটা জবাব দিয়েছে তালিবানও। শুরু হয়েছে গুলির লড়াই।সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আলো ফোটার আগেই কাবুলের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা যায়। এখনও পর্যন্ত হতাহতের নির্দিষ্ট খবর মেলেনি। তালিবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেছেন, পাকিস্তান আবারও রাজধানীতে বিমান হামলার চেষ্টা করেছে। তবে আফগানিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে বলে তিনি জানান। কাবুলবাসীদের আতঙ্কিত না হওয়ারও আবেদন করেন তিনি।এর আগে গত রবিবার পাকিস্তানের হামলার পালটা দিতে বৃহস্পতিবার রাতে আফগান বাহিনী সীমান্ত পেরিয়ে আক্রমণ চালায় বলে দাবি করা হয়েছে। তালিবান প্রশাসনের বক্তব্য, পাকিস্তানের অন্তত বারোটি সামরিক পোস্ট তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে এবং পাকিস্তানের বহু সেনা নিহত হয়েছে। যদিও এই দাবির স্বাধীনভাবে নিশ্চিতকরণ মেলেনি। শুক্রবার পাকিস্তানও আফগানিস্তানের একাধিক এলাকায় হামলা চালায়। রবিবারও সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।তালিবান আরও দাবি করেছে, জালালাবাদ এলাকায় একটি পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করা হয়েছে। এমনকি এক পাক বায়ুসেনা কর্মকর্তাকে বন্দি করার কথাও জানানো হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। দুই দেশের এই সংঘাত বৃহত্তর অঞ্চলের স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০১, ২০২৬
বিদেশ

পাক–আফগান রক্তক্ষয়ী সংঘাত, পাকিস্তানের পাশেই আমেরিকা! ট্রাম্পের মন্তব্যে চাঞ্চল্য

ক্রমশ ভয়াবহ আকার নিচ্ছে পাকআফগান সংঘাত। রক্তক্ষয়ী এই লড়াই নিয়ে মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই যুদ্ধে ইসলামাবাদকেই সমর্থন করছে আমেরিকা। পাশাপাশি তিনি বলেন, পাকিস্তানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুবই ভালো। এই মন্তব্যে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।শুক্রবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, তিনি পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন এবং প্রয়োজন হলে হস্তক্ষেপ করবেন। তাঁর কথায়, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী একজন মহান নেতা এবং সে দেশের সেনা প্রধানকেও তিনি সম্মান করেন। পাকিস্তান ভালো কাজ করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ট্রাম্পের পাশাপাশি মার্কিন বিদেশ দপ্তরও পাকিস্তানের আত্মরক্ষার অধিকারের পক্ষে সওয়াল করেছে। তাদের বক্তব্য, তালিবানের হামলার বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে পাকিস্তানের। তালিবান সন্ত্রাস দমনের প্রতিশ্রুতি দিলেও তা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ ওয়াশিংটনের। তাদের দাবি, আফগান ভূখণ্ডকে ব্যবহার করে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি হামলা চালাচ্ছে, যা গোটা অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলছে।কূটনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এতদিন তালিবানকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি আমেরিকা। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে সমর্থন করে নিজেদের কৌশলগত অবস্থান শক্ত করতে চাইছে ওয়াশিংটন।সংঘাতের সূত্রপাত গত রবিবার। পাকিস্তানের হামলার জবাবে বৃহস্পতিবার রাতে পাক সীমান্ত পেরিয়ে আক্রমণ চালায় আফগান বাহিনী। তালিবান প্রশাসনের দাবি, পাকিস্তানের অন্তত ১২টি সীমান্ত পোস্ট এখন তাদের দখলে। সেই হামলায় ৫৫ জন পাকিস্তানি সেনার মৃত্যু হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এরপর শুক্রবার আফগানিস্তানের একাধিক এলাকায় পাল্টা আক্রমণ চালায় পাকিস্তান। দুই পক্ষই সেনা মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছে।পাকিস্তানের দাবি, কান্দাহার আকাশে তাদের যুদ্ধবিমান টহল দিচ্ছে। পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ জানিয়েছেন, এবার সরাসরি যুদ্ধের পথে এগোবে দেশ। অন্যদিকে আফগান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ দাবি করেছেন, পাকিস্তান কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া প্রদেশে বিমান হামলা চালিয়েছে। পাকিস্তানের বক্তব্য, সীমান্ত পেরিয়ে হামলার জবাব দিতেই এই পদক্ষেপ।এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে তালিবান তাদের আত্মঘাতী বাহিনী সক্রিয় করেছে বলেও খবর মিলেছে। ফলে সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। দক্ষিণ এশিয়ার এই অস্থিরতা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬
বিদেশ

সীমান্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, তালিবানের দাবি পঞ্চান্ন পাক সেনা নিহত, জবাবে ভয়ংকর বিমান হামলা

আফগানিস্তানের তালিবান সরকার জানিয়েছে, সম্প্রতি পাকিস্তানের হামলার জবাব দিতেই তারা পাল্টা অভিযান শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ডুরান্ড লাইন সংলগ্ন বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় তুমুল লড়াই শুরু হয়। শুক্রবার ভোর পর্যন্ত কাবুলে বিস্ফোরণ ও যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা গিয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের খবর। তালিবান দাবি করেছে, সীমান্তের কাছে একাধিক সামরিক ঘাঁটি ও উনিশটি পোস্ট দখল করা হয়েছে। চারটি পোস্ট ছেড়ে সরে গিয়েছে পাকিস্তানি সেনা। একটি ট্যাঙ্ক ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।অন্যদিকে পাকিস্তান জানিয়েছে, তারা আফগানিস্তানের হামলার জবাবে আকাশপথে পাল্টা আঘাত হেনেছে। কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়া এলাকায় বিমান হামলা চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তালিবানের মুখপাত্র জ়াবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, পাকিস্তানি সেনা কাপুরুষের মতো বিভিন্ন শহরে এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছে। তবে তাঁর দাবি, তাতে বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।আফগানিস্তানের জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ছাব্বিশ ফেব্রুয়ারি রাত আটটা থেকে অভিযান শুরু হয়। সম্প্রতি আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলায় মহিলা ও শিশুর মৃত্যু হয়েছিল, তারই প্রতিশোধ হিসেবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাকতিকা, খোস্ত, নানঘারহার ও কুনার সহ একাধিক সেক্টরে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। তালিবান সরকারের দাবি, মোট পঞ্চান্ন জন পাকিস্তানি সেনার মৃত্যু হয়েছে এবং প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সংঘর্ষে তালিবানের আট যোদ্ধা নিহত ও এগারো জন আহত হয়েছেন বলেও জানানো হয়েছে। নানঘারহারে পাকিস্তানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেরো জন আফগান নাগরিক আহত হয়েছেন বলে দাবি।তবে পাকিস্তানের বক্তব্য সম্পূর্ণ আলাদা। তাদের দাবি, সংঘর্ষে মাত্র দুই জন পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং তিন জন আহত হয়েছেন। উল্টে ছত্রিশ জন আফগান সেনার মৃত্যু হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে। দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি দাবিতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সীমান্তে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে এবং আন্তর্জাতিক মহল গভীরভাবে পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
বিদেশ

যুদ্ধ না থামালে বাঁচতেন না পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের

আবার অপারেশন সিঁদুর প্রসঙ্গে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি করার পর এবার তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেছেন যা ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি, ভারত ও পাকিস্তানের সংঘাত যদি তিনি থামাতে উদ্যোগী না হতেন, তবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী বেঁচে থাকতেন না। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন পাকিস্তান অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতির মুখে পড়েছিল।ওয়াশিংটনে মার্কিন ক্যাপিটলে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। তাঁর কথায়, তিনি মধ্যস্থতা না করলে ভয়াবহ প্রাণহানি ঘটতে পারত। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প সংখ্যার উল্লেখে বিভ্রান্তি তৈরি করেছেন। আসলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, যুদ্ধ বন্ধ না হলে সাড়ে তিন কোটিরও বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারত।অপারেশন সিঁদুর নিয়ে এর আগেও একাধিকবার ভিন্ন ভিন্ন মন্তব্য করেছেন ট্রাম্প। এক সময় ভারত ও আমেরিকার সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে তাঁর মন্তব্যে পাকিস্তানপন্থী সুর শোনা গিয়েছিল বলে সমালোচনা হয়। তবে ভারত নিজের অবস্থানে অনড় থেকে জানিয়ে দেয়, ভারত-পাকিস্তান সংঘাত থামাতে তৃতীয় কোনও দেশের ভূমিকা ছিল না এবং পাকিস্তানের অনুরোধেই সংঘর্ষ থেমেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-আমেরিকার সম্পর্কের উন্নতি ঘটার পর ট্রাম্পের বক্তব্যে আবার পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে, যা নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
বিদেশ

রমজান মাসে পাকিস্তানের বর্বর হামলা আফগানিস্তানে! নারী ও শিশুরা নিহত, ভারত সরব

পাকিস্তান বারবার নিজেকে ইসলামের ধারক-বাহক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও এবার রমজান মাসে আফগানিস্তানের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে। হামলা শুধু সীমান্তে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বেছে বেছে মসজিদ ও মাদ্রাসা লক্ষ্য করে পাকিস্তান গোলা ছুঁড়েছে।আফগান সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শনিবার গভীর রাতে নাঙ্গারহার এবং পাকটিকা প্রদেশে পাকিস্তানি বিমান হামলা চালায়। এতে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়। ধ্বংসস্তূপের নিচে জখম হয়েছেন আরও অনেকে। পাকিস্তান দাবি করেছে, এই হামলার উদ্দেশ্য আফগান সীমান্তে সক্রিয় জঙ্গিঘাঁটিগুলি ধ্বংস করা। তবে স্থানীয়রা বলছে, হামলার লক্ষ্য সরাসরি মসজিদ ও মাদ্রাসা। স্থানীয় আবদুল্লা জান, নাসিম গুল ও মহম্মদ জুবের জানিয়েছেন, এখানে কোনও সামরিক ঘাঁটি নেই। তবু পাকিস্তান আমাদের আকাশসীমায় ঢুকে হামলা চালিয়েছে। অন্তত ১০ লাখ আফগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবাই আতঙ্কে কাঁপছে।তালিবান সরকারের মুখপাত্র জবিউল্লা মুজাহিদ জানিয়েছেন, নিরীহ মহিলা ও শিশুদের হত্যার জবাব দেওয়া হবে এবং সময়মতো বদলা নেওয়া হবে। এ পরিস্থিতিতে আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, রমজান মাসে আফগানিস্তানের আকাশসীমায় ঢুকে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। নারী ও শিশু নিহত হয়েছেন। এটি অত্যন্ত নিন্দনীয়। উল্লেখ্য, অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। কঠিন সময়ে নয়াদিল্লি সবসময় আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
দেশ

ভারতে বড় হামলার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, দুই রাজ্য থেকে আট জঙ্গি সন্দেহভাজন গ্রেফতার

ভারতের বিরুদ্ধে বড়সড় সন্ত্রাসের ছক ভেস্তে দিল পুলিশ। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের জঙ্গি যোগে হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ু থেকে মোট আট সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং বাংলাদেশের চরমপন্থী গোষ্ঠীর মদতে এই পরিকল্পনা করা হচ্ছিল। বিদেশি হ্যান্ডলারদের নির্দেশেই ভারতে হামলার প্রস্তুতি চলছিল বলে পুলিশের অনুমান।দিল্লি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মিজানুর রহমান, মহম্মদ শাবাদ, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শাহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বল নামে ছয় অভিযুক্তকে তামিলনাড়ুর তিরুপুর জেলার একটি পোশাক কারখানা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলা থেকে আরও দুজনকে ধরা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশি নাগরিক এবং তারা নকল পরিচয়পত্র তৈরি করে ভারতে বসবাস করছিল। তদন্তে জানা গেছে, বড় ধরনের সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনা চলছিল এবং বিদেশ থেকে তাদের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়া হচ্ছিল। ধৃতদের পরবর্তী জেরা ও তদন্তের জন্য দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল জানিয়েছে, জঙ্গি কার্যকলাপ সমর্থনকারী অনলাইন পোস্ট নজরে আসার পর থেকেই তদন্ত শুরু হয়। এরপর তামিলনাড়ু পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে যৌথ অভিযানে কারখানা থেকে ছয়জনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন ও ষোলোটি সিম কার্ড উদ্ধার হয়েছে। ডিজিটাল তথ্য খতিয়ে দেখে গোটা চক্রের যোগসূত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।কয়েক দিন আগে দিল্লি মেট্রো নেটওয়ার্কের বিভিন্ন জায়গায় উসকানিমূলক পোস্টার দেখা যায়। কাশ্মীর ইস্যু ও দেশের নিরাপত্তা নিয়ে উত্তেজক বার্তা লেখা ছিল ওই পোস্টারগুলিতে। সেই তদন্তে নেমেই তামিলনাড়ুর যোগসূত্র সামনে আসে এবং ধৃতদের জেরা করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

টুকিটাকি

প্রতিদিনের রান্নায় রাখছেন কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনা? কোন পাতায় লুকিয়ে বেশি স্বাস্থ্যগুণ?

প্রতিদিনের রান্নায় কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার ব্যবহার নতুন কিছু নয়। খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ানোর পাশাপাশি এই তিন ভেষজ পাতায় রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে এগুলি যতই পুষ্টিকর হোক না কেন, অতিরিক্ত খাওয়া সবার জন্য উপযুক্ত নয়। তাই গুণাগুণের পাশাপাশি সতর্কতার বিষয়টিও জানা জরুরি।কারিপাতার উপকারিতাকারিপাতা হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে। পাশাপাশি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে, বিশেষ করে ডায়াবেটিসে খাদ্য নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে, এটি কিছুটা সহায়ক হতে পারে। চুল ও ত্বকের জন্যও কারিপাতা উপকারী পুষ্টি সরবরাহ করে। এছাড়া এতে লৌহ, ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিনের উপস্থিতি রয়েছে।শিশু থেকে বয়স্ক, সাধারণ পরিমাণে রান্নার সঙ্গে কারিপাতা খেতে পারেন। যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে, তারাও অল্প পরিমাণে উপকার পেতে পারেন।তবে অতিরিক্ত কাঁচা কারিপাতা খেলে কারও কারও পেটে অস্বস্তি হতে পারে। আবার কোনো নির্দিষ্ট রোগের ওষুধ চললে বেশি পরিমাণে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।ধনেপাতার উপকারিতাধনেপাতা ভিটামিন A, C ও K-এর পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও ভালো উৎস। এটি খাবারের স্বাদ বাড়ায় এবং ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে হজমে সহায়তা করে এবং শরীরে প্রদাহ কমাতে সহায়ক কিছু উপাদানও এতে থাকতে পারে।পরিষ্কার করে ধুয়ে শিশু, তরুণ ও বয়স্কসবাই পরিমাণমতো ধনেপাতা খেতে পারেন। সালাদ, চাটনি, ডাল কিংবা বিভিন্ন তরকারিতে এটি ব্যবহার করা যায়।তবে কারও কারও ধনেপাতায় অ্যালার্জি হতে পারে। এছাড়া বাজার থেকে কেনা ধনেপাতা ভালোভাবে ধুয়ে ব্যবহার করা জরুরি, বিশেষ করে বর্ষাকালে।পুদিনাপাতার উপকারিতাপুদিনাপাতা হজমে সাহায্য করে এবং গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তিতে কিছু মানুষের আরাম দিতে পারে। এটি মুখের দুর্গন্ধ কমাতেও সহায়ক। গরমের দিনে পুদিনার শরবত শরীরকে সতেজ রাখে।সাধারণভাবে শিশু ও বড়রা অল্প পরিমাণে পুদিনাপাতা খেতে পারেন। চাটনি, শরবত, রায়তা কিংবা রান্নায় এটি ব্যবহার করা যায়।তবে যাদের অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেশি, তারা অতিরিক্ত পুদিনা খেলে অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। ছোট শিশুদের খুব বেশি কাঁচা পুদিনা না দেওয়াই ভালো।ঋতুভেদে কী সতর্কতা?বর্ষাকালে ভেষজ পাতাগুলি মাটির কাছাকাছি জন্মায় বলে জীবাণু বা ময়লা থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই কয়েকবার ভালোভাবে ধুয়ে তবেই ব্যবহার করা উচিত।গরমকালে পুদিনা ও ধনেপাতা সতেজ খাবার হিসেবে জনপ্রিয় হলেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।শীতকালে এই পাতাগুলি সহজেই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখা যায়।কারা বেশি সতর্ক থাকবেন?যাদের কোনো ভেষজ পাতায় অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের সতর্ক থাকতে হবে। যাদের দীর্ঘদিনের পেটের বিশেষ সমস্যা রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। এছাড়া ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করাই ভালো।সব মিলিয়ে, কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতা, তিনটিই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে এগুলি কোনো রোগের ওষুধ নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাস, পরিচ্ছন্নতা এবং নিয়মিত জীবনযাপনের সঙ্গে এই ভেষজ পাতাগুলি খেলে বেশি উপকার পাওয়া যেতে পারে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
বিদেশ

মোদির ভিডিও ঘিরে তুমুল বিতর্ক! শেষমেশ মাথা নত, ক্ষমা চাইতেই হল জুকারবার্গকে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বড় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার জেরে কেন্দ্রের কড়া অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চাইলেন মেটা প্রধান মার্ক জুকারবার্গ। সূত্রের দাবি, শুধু ভিডিও সরানোর ঘটনাই নয়, সামাজিক মাধ্যমে আপত্তিকর বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার বিষয়েও সংস্থা নিজেদের ত্রুটির কথা স্বীকার করেছে।গত তেইশে জুলাই তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে একটি সেলফি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিছু সময়ের মধ্যেই সেই ভিডিও ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। প্রথমে মেটা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানিয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেও কেন্দ্র সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি।সংসদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কমিটিও এই ঘটনায় কঠোর অবস্থান নেয়। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু ক্ষমা চাইলেই চলবে না, ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপের কথাও বলা হয়। এরপরই মেটার প্রতিনিধিদের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকে তলব করা হয়।সরকারি সূত্রের খবর, বৈঠকে সামাজিক মাধ্যমে শিশুদের নিয়ে আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়া, অবৈধ কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং ভিডিও সরানোর কারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মেটার প্রতিনিধিরা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানালেও কেন্দ্র আরও কঠোর নজরদারির ইঙ্গিত দেয়।এদিকে সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, প্রয়োজনে সামাজিক মাধ্যম সংস্থাগুলির আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার করার বিষয়েও ভাবা হবে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই মার্ক জুকারবার্গ ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে আপাতত বিতর্ক কিছুটা স্তিমিত হলেও মেটার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।ভারতে কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। তাই এই বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক এবং প্রযুক্তি মহলের।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বদলে যাচ্ছে ‘বাংলার বাড়ি’র নাম! আগামীকালই বড় ঘোষণা, লক্ষ লক্ষ পরিবারে ঢুকবে টাকা

রাজ্যের আবাসন প্রকল্পে বড় পরিবর্তনের পথে সরকার। এতদিন যে প্রকল্প বাংলার বাড়ি নামে পরিচিত ছিল, সেটির নাম বদলে পশ্চিমবঙ্গ আবাস করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘর থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নতুন নামের এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য উপভোক্তাদের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করবেন।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে প্রায় দশ লক্ষ পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ পাঠানো হবে। এই প্রকল্পে বাড়ি নির্মাণের জন্য মোট এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার কথা। এর মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা আগেই দেওয়া হয়েছিল। এবার নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করা উপভোক্তারা দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাবেন।সরকার জানিয়েছে, যাঁরা প্রথম কিস্তির অর্থ ব্যবহার করে বাড়ির লিন্টন পর্যন্ত নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করেছেন, শুধুমাত্র তাঁরাই এই পর্যায়ে দ্বিতীয় কিস্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। সমস্ত নথি ও নির্মাণের অগ্রগতি যাচাই করার পরেই টাকা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, যাঁরা এখনও বাড়ির নির্মাণ নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত শেষ করতে পারেননি, তাঁদের আবেদন বাতিল করা হচ্ছে না। নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর নতুন করে সমীক্ষা করা হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী পর্যায়ে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।সরকারি সূত্রের দাবি, উপভোক্তাদের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যাচাই প্রক্রিয়ায়। প্রকৃত যোগ্যদের কাছেই সরকারি অনুদান পৌঁছে দিতে একাধিক স্তরে নথি পরীক্ষা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সম্পূর্ণ যাচাইয়ের পরেই অর্থ ছাড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।আগামীকাল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে বহু পরিবারের বাড়ি তৈরির কাজ ফের গতি পাবে বলে মনে করছে প্রশাসন। একই সঙ্গে নতুন নামে আবাস প্রকল্প চালুর মধ্য দিয়ে রাজ্যের আবাসন কর্মসূচিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
দেশ

ডিসেম্বরে ফিরবই! আবেগঘন বার্তায় বড় ঘোষণা শেখ হাসিনার, বাংলাদেশ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি

দেশ ছাড়ার দুই বছর পর প্রথমবার সাংবাদিকদের উদ্দেশে অডিয়ো বার্তা দিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ঠিক কোন দিনে ফিরবেন, তা পরে জানানো হবে বলেও জানান তিনি। বক্তব্য রাখতে গিয়ে একাধিকবার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা।অডিয়ো বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নাড়ির টান। গত দুই বছরে দেশের পরিস্থিতি দেখে তিনি অত্যন্ত কষ্ট পেয়েছেন। তাঁর দাবি, যে আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছিল, সেটি শুধুমাত্র ছাত্র আন্দোলন ছিল না। পরিকল্পিতভাবে সেই আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া হয়েছিল।সরকার পতনের প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পরিকল্পনা আগে থেকেই করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, সরকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করেছে এবং সেই পদক্ষেপকে অপরাধ বলা যায় না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর সরকারের সময়ে শুরু হওয়া বিচার বিভাগীয় তদন্ত পরবর্তী সরকার বন্ধ করে দেয়। শেখ হাসিনার দাবি, আন্দোলনের সময় এবং পরে আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, সাংবাদিক এবং মুক্তিযোদ্ধারাও নানা ধরনের আক্রমণের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।আন্তর্জাতিক মহলের উদ্দেশে শেখ হাসিনা আবেদন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি জানান, জেলেও যেতে হলে তিনি প্রস্তুত। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে নয়, দেশের মানুষের কাছেই ফিরতে চান তিনি।ভারতে থাকার প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ভারত সরকার তাঁকে যথেষ্ট সম্মান ও আন্তরিকতা দেখিয়েছে। ভারতকে বন্ধু দেশ বলেই উল্লেখ করেন তিনি। তবে তাঁর কথায়, শেষ পর্যন্ত নিজের দেশেই ফিরতে চান তিনি এবং সেই লক্ষ্যেই ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ও বর্তমান বাংলাদেশের সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, দেশে মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও দাবি করেন, আন্দোলনে মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, দেশে জঙ্গি কার্যকলাপ এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের নজর দেওয়া প্রয়োজন। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতি শুধু বাংলাদেশের নয়, গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগের বিষয় হতে পারে।শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
কলকাতা

আমতলার অফিস কি আপাতত নিরাপদ? অভিষেকের মামলায় হাই কোর্টের বড় সিদ্ধান্ত

আমতলায় দলীয় কার্যালয় ভাঙার মামলায় ফের স্বস্তি পেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাই কোর্ট আমতলার ওই কার্যালয় ভাঙার উপর দেওয়া অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের মেয়াদ আগামী একুশে আগস্ট পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, আগামী আঠারোই আগস্ট দুপুর দুটোর সময় মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।বৈধ নির্মাণ পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনীয় নথি ছাড়া কার্যালয় তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে প্রশাসন ভাঙার কাজ শুরু করেছিল। ঘটনাস্থলে বুলডোজার নামিয়ে কার্যালয়ের একাংশও ভেঙে ফেলা হয়। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা। জরুরি শুনানির আবেদন জানানো হলে আদালত প্রথমে ভাঙার কাজের উপর সাময়িক স্থগিতাদেশ দেয়। সেই নির্দেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বুধবার আদালত তা বাড়িয়ে একুশে আগস্ট পর্যন্ত বহাল রাখল।এই কার্যালয়কে কেন্দ্র করে আগেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক নোটিস পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, যে জমিতে কার্যালয়টি তৈরি হয়েছে, তা একটি বেসরকারি সংস্থার নামে কেনা। সেই সংস্থার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের নাম জড়িয়ে রয়েছে বলেও প্রশাসনের দাবি। পরপর নোটিসের জবাব না মেলায় প্রশাসন ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্তকেই আদালতে চ্যালেঞ্জ জানায় সংশ্লিষ্ট সংস্থা।আদালতে শুনানির সময় রাজ্যের আইনজীবী দাবি করেন, যে অংশ ভাঙা হয়েছে, সেটি সংশ্লিষ্ট সংস্থার সম্পত্তি নয়। দাগ নম্বরের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভাঙা অংশ অন্য জমির অন্তর্গত। তাই স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়।অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আইনজীবীর দাবি, যথাযথ নোটিস না দিয়েই ভাঙার কাজ শুরু করা হয়েছে। অভিযোগে কী বলা হয়েছে, কোন নথির ভিত্তিতে নির্মাণকে বেআইনি বলা হয়েছে, সেই তথ্যও দেওয়া হয়নি। এমনকি নিজেদের বক্তব্য জানানোর সুযোগও দেওয়া হয়নি বলে আদালতে দাবি করা হয়।দুপক্ষের বক্তব্য শোনার পর কলকাতা হাই কোর্ট আপাতত একুশে আগস্ট পর্যন্ত ভাঙার কাজ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে এই মুহূর্তে বড় স্বস্তি পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন সকলের নজর আগামী আঠারোই আগস্টের শুনানির দিকে। ওই দিন আদালতের পর্যবেক্ষণের উপরই নির্ভর করবে এই মামলার পরবর্তী পথ।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
বিদেশ

সত্যিই কি এত ভয়? বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা, বড় পদক্ষেপ পাকিস্তানের

পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চলা আন্দোলন, প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ এবং দমন-পীড়নের খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করল পাকিস্তান সরকার। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, সরকারি অনুমতি ছাড়া দেশের নির্দিষ্ট এলাকায় কোনও বিদেশি সংবাদমাধ্যম বা সাংবাদিক খবর সংগ্রহ করতে পারবেন না।পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই নিয়ম আন্তর্জাতিক সংবাদপত্র, টেলিভিশন, ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম, ওয়েবভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম এবং সামাজিক মাধ্যমের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে আগে সরকারি নিবন্ধন করতে হবে। অনুমোদন পাওয়ার পরেই তারা নির্দিষ্ট এলাকায় রিপোর্ট করার সুযোগ পাবেন।সরকারি নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, বিদেশি সাংবাদিক কোথায় যাচ্ছেন, কার সঙ্গে কথা বলছেন এবং কী ধরনের প্রতিবেদন তৈরি করছেন, তার উপরও নজর রাখা হবে। বিশেষ কিছু এলাকায় প্রবেশের জন্য আলাদা অনুমতিপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।পাক অধিকৃত কাশ্মীরে দীর্ঘদিন ধরে মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুৎ সংকট এবং একাধিক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। এই আন্দোলন ঘিরে নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই নতুন এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে জল্পনা বাড়ছে।এর মধ্যেই পাক সরকার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ তুলে তাদের কার্যত নিষিদ্ধ করেছে। সরকারের দাবি, ওই সংবাদমাধ্যম ভুল তথ্য প্রকাশ করেছে এবং কাশ্মীরের পরিস্থিতিকে বিকৃতভাবে তুলে ধরেছে।তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পরই ইসলামাবাদ অস্বস্তিতে পড়েছে। সেই কারণেই বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর আরও কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে ঘোষণা! এই তারিখ থেকেই মিলবে অন্নপূর্ণার তিন হাজার টাকা, কারা পাবেন জানাল সরকার

অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের জন্য বড় ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। চলতি আগস্ট মাসের তিন হাজার টাকার কিস্তি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা না করিয়ে এই মাসের মধ্যেই যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পনেরো আগস্টের পর থেকেই ধাপে ধাপে টাকা পাঠানোর কাজ শুরু হবে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, অনলাইনে আবেদন করার সময় বহু ক্ষেত্রে ভুল তথ্য জমা পড়েছে। কোথাও ভুল নথি, কোথাও আবার ব্যাঙ্কের তথ্যের অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। তাই প্রত্যেকটি আবেদন বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখতে বিডিও স্তরে সমীক্ষা শুরু হয়েছে। সমীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই প্রকৃত উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী মালতী রাভা রায় জানিয়েছেন, যাঁরা প্রকৃতভাবে এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য, তাঁরাই টাকা পাবেন। ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন করলে বা যোগ্য না হয়েও আবেদন করলে কোনওভাবেই টাকা দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, যাঁদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো অথবা যাঁরা করদাতা পরিবারের সদস্য, তাঁদের এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে না।সরকারের দাবি, অনেক আবেদনকারী নিজেরা আবেদন না করে অন্যের মাধ্যমে আবেদন করায় তথ্যগত ভুল হয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের তথ্য সঠিকভাবে যুক্ত না থাকায় সমস্যাও তৈরি হয়েছে। সেই সব আবেদনও নতুন করে যাচাই করা হচ্ছে।সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও যোগ্য মানুষ যাতে বঞ্চিত না হন, সেই লক্ষ্যেই এই সমীক্ষা করা হচ্ছে। সব তথ্য যাচাইয়ের পরই ধাপে ধাপে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার তিন হাজার টাকা পাঠানো হবে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলপড়ুয়াদের হাসপাতালে নিয়ে রক্ত সংগ্রহ! অভিযোগ ঘিরে তোলপাড়, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

দুর্গাপুরে নাবালক স্কুলপড়ুয়াদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে রক্ত সংগ্রহের অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ সামনে আসতেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অভিযোগ, দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর একটি বেসরকারি স্কুলের তিন নাবালক পড়ুয়াকে টাকার লোভ দেখিয়ে বিধাননগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক রোগীর আত্মীয় পরিচয়ে তাঁদের রক্তদান করানো হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, সরকারি নথিতে তাঁদের প্রকৃত বয়স পরিবর্তন করে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখানো হয়েছিল।এই ঘটনার নেপথ্যে ওই স্কুলেরই এক প্রাক্তন ছাত্রের নাম উঠে এসেছে বলে অভিযোগ। বর্তমানে সে দুর্গাপুরের একটি স্কুলে পড়াশোনা করে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে আরও বড় কোনও চক্র জড়িত রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।ঘটনা জানাজানি হতেই স্কুল কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ করে। অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্কুলের অধ্যক্ষা দেবযানী বোস জানান, বিষয়টি জানার পরই পুলিশকে সব তথ্য জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এজেন্টের মাধ্যমে নাবালকদের রক্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ।অভিভাবকদের অভিযোগ, টাকার লোভ দেখিয়ে নাবালকদের রক্ত নেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে এবং তিনি স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলেছেন। পুলিশকে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা নাবালকদের প্রলোভন দেখিয়ে এই কাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার প্রণব কুমার জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও। তিনি জানান, বিষয়টি সরকারের নজরে এসেছে এবং ইতিমধ্যেই রাজ্যের রক্তভান্ডারগুলির উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে বেশ কিছু অসঙ্গতির তথ্য সামনে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ, অনুমতি ছাড়াই প্লাজমা অন্য রাজ্যে পাঠানো হয়েছে এবং কোথাও কোথাও নাবালকদের কাছ থেকেও রক্ত সংগ্রহের অভিযোগ মিলেছে। এমনকি নির্ধারিত মাত্রার চেয়েও বেশি রক্ত নেওয়ার অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শেষ হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আগস্ট ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal