• ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ২৩ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mp

খেলার দুনিয়া

Silver Medal: সোনার স্বপ্ন অধরা, ভাবনাবেনকে ৩ কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার দেবে গুজরাট সরকার

টোকিও অলিম্পিক দেশের টেবিল টেনিস তারকারা ব্যর্থ। শরৎ কমল, মনিকা বাত্রাদের সেই ব্যর্থতা প্যারালিম্পিকে ঢেকে দিয়েছেন ভাবনাবেন হাসমুখভাই প্যাটেল। প্রতিযোগিতা থেকে রুপো জিতে ইতিহাস রচনা করেছেন দেশের প্যারা অ্যাথলিট। ফাইনালে চীনের ইং ঝউয়ের কাছে স্ট্রেট সেটে হেরে রুপো জিতে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে। ম্যাচের ফলাফল ৭-১১, ৫-১১, ৬-১১। সোনা অধরা থেকে গেলেও তাঁর সেই সাফল্যকে স্বীকৃতি জানিয়ে আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করল ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশন। গুজরাট সরকারের পক্ষ থেকেও আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। ভাবনাবেনকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছে ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশন।আরও পড়ুনঃ কাবুল বিমানবন্দরে আবারও হতে পারে সন্ত্রাসবাদী হামলা!গুজরাটের মেহসানা জেলার সন্ধিয়াতে থাকেন ভাবনাবেন প্যাটেল। তাঁর সাফল্যে গর্বিত গুজরাট সরকার। মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি অভিনন্দন জানিয়েছেন এই প্যারা আথলিটকে। মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, ভাবনাবেনের সাফল্যে খুশি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিনন্দন জানিয়েছেন। পাশাপাশি ৩ কোটি টাকা আর্থিক পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে প্রথম, নদিয়া থেকে গ্রেপ্তার ২ভারতীয় টেবিল টেনিস ফেডারেশনের সভাপতি দুশ্যন্ত চৌতালাও ভাবনাবেনকে পুরস্কার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, টোকিও প্যারালিম্পিকে রুপোজয়ী ভাবনা প্যাটেলকে আর্থিক পুরস্কার হিসেবে ৩১ লক্ষ টাকা দেবে ফে়ডারেশন। ভারতীয় প্যারা টেবিল টেনিস তারকার ইচ্ছাশক্তি, মানসিকতা ও মনের জোরের প্রশংসা করেছেন দুশ্যন্ত। ভাবনার আগামী দিনের সফলতাও কামনা করেছেন তিনি। টোকিও অলিম্পিকে সাফল্য পাননি টেবিল টেনিস তারকারা। শরথ কমল, মনিকা বাত্রা, জি সাথিয়ান, সুতীর্থা মুখোপাধ্যায় মিক্সড ও সিঙ্গলস ইভেন্টে সবাই ব্যর্থ। সেই ব্যর্থতা ভুলিয়ে টোকিও প্যারালিম্পিকে ভাবিনার রুপো দেশের অন্যান্য টেবিল টেনিস তারকার কাছে দৃষ্টান্ত বলে মনে করে দেশের ক্রীড়া মহল।আরও পড়ুনঃ পুলিশে আস্থা নেই, সিআইডি তদন্তের দাবি অপহৃত ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালকের পরিবারেরটোকিও প্যারালিম্পিকে মহিলাদের সিঙ্গলস ক্লাস ফোর ইভেন্টের ফাইনালে বিশ্বের এক নম্বর তারকা পাঁচটি প্যারালিম্পিক সোনাজয়ী চিনের ইং ঝউয়ের কাছে স্ট্রেট সেটে হেরেও দেশের জন্য রুপো নিশ্চিত করেছেন ভাবিনা প্যাটেল। ম্যাচের ফলাফল ৭-১১, ৫-১১, ৬-১১। ম্যাচ হারলেও ভাবিনার লড়াইয়ের প্রশংসায় পঞ্চমুথ হয়েছে দেশের ক্রীড়া মহল।আরও পড়ুনঃ কয়লা-কাণ্ডে সস্ত্রীক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে তলব ইডি-রটোকিও প্যারালিম্পিক থেকে পাওয়া পদক দেশকে উৎসর্গ করেছেন ভাবনাবেন প্যাটেল। তবে তিনি স্বীকার রে নিয়েছেন, রবিবার তিনি নিজের সেরা ফর্মে ছিলেন না। ম্যাচ শুরুর আগে তিনি মানসিক চাপে ভুগছিলেন বলেও জানিয়েছেন ভাবনাবেন। তাঁর কথায়, ফাইনালে নিজের গেমপ্ল্যান অনুযায়ী খেলতে পারিনি। আগামী দিনে দেশের হয়ে নিজের সেরাটা উজাড় করে দেব।আরও পড়ুনঃ এজেন্সি লেলিয়ে না দিয়ে, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার হুংকার মমতারটোকিও প্যারালিম্পিকে রুপোজয়ী ভাবনাবেন প্যাটেলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। নিজের রাজ্য গুজরাতের পাডলারকে অনুপ্রেরণা বলে সম্বোধন করেছেন তিনি। ভাবনাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ, শচী তেন্ডুলকর, অভিনব বিন্দ্রা সহ গোটা দেশ।

আগস্ট ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

P‌ara Athlete Bhabnaben : ইতিহাস গড়েও নিজেকে বিশেষভাবে সক্ষম ভাবেন না ভাবনাবেন

টোকিও প্যারালিম্পিকের টেবিল টেনিসের ব্যক্তিগত ইভেন্টে সেমিফাইনালে উঠে পদক নিশ্চিত করে ইতিহাস রচনা করেছিলেন ভাবনাবেন প্যাটেল। চীনের প্রতিপক্ষকে হারিয়ে পৌঁছে গেছেন ফাইনালে। সামনে সোনা জয়ের হাতছানি। সোনা জিততে পারলে আরও এক ইতিহাস রচনা করবেন ভারতের এই প্যারা অ্যাথলিট। জীবনের প্রথম প্যারালিম্পিক্সের ফাইনালে উঠতে পারবেন, স্বপ্নেও ভাবেননি ভাবনাবেন। ইচ্ছে শক্তির জোরেই এই জায়গায় পৌঁছেছেন বলে তিনি দাবি করেছেন। কোনও প্রত্যাশা নিয়ে টোকিও যাননি ভাবনাবেন। লক্ষ্য ছিল প্যারালম্পিক্সে নিজের সেরাটা দেওয়া। আর তাতেই ফাইনালে উঠে রুপো নিশ্চিত করে ফেলেছেন এই ভারতীয় প্যারা অ্যাথলিট। সেমিফাইনালে চিনের ঝাং মিয়াওকে হারিয়েছেন ৩-২ ব্যবধানে।চীনের প্রতিপক্ষর বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে জেতার পর ভাবনাবেন বলেন, কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে যেরকম খেলছি, ফাইনালে তেমন খেলতে পারলে সোনা জিতবই। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সময় কখনও ফাইনালে ওঠার কথা ভাবিনি। ১০০ শতাংশ দেওয়ার কথাই ভেবেছিলাম। ফাইনালে ১০০ শতাংশ দিতে পারলে পদক জিততে অসুবিধা হবে না। মানসিক ভাবে ফাইনালে সেরাটা দেওয়ার জন্য আমি তৈরি। শনিবার টোকিও প্যারালিপিক্সে মহিলা সিঙ্গলসের সেমিফাইনালে প্রথম গেমে ৭১১ ব্যবধানে হেরে গিয়েছিলেন ভাবনা। তারপর দুরন্তভাবে ফিরে আসেন। দ্বিতীয় গেম জিতে নেন ১১৭ ব্যবধানে। পরের গেম জেতেন ১১৪ ব্যবধানে। যদিও হাল ছাড়েননি বিশ্বের তিন নম্বর মিয়াও। ১১৯ ব্যবধানে চতুর্থ গেম জেতেন। পঞ্চম গেমে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়। শেষ পর্যন্ত ১১৮ ব্যবধানে পঞ্চম গেম জিতে প্যারালিম্পিক্সের ফাইনালে পৌঁছে যান ভাবনা। সঙ্গে তৈরি করে ফেলেন ইতিহাস। প্রথম ভারতীয় হিসেবে টেবিল টেনিসে পদক নিশ্চিত করেছেন তিনি। মিয়াও জাংয়ের কাছে এর আগে টানা ১১ বার হেরেছিলেন ভাবনাবেন। সেই পরিসংখ্যানে দমে যাননি। বরং নিজের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চিনের মিয়াও জাংকে হারিয়ে দিয়েছেন ভাবনাবেন প্যাটেল। দুর্দান্ত জয়ের পর ভাবনা বলেন, কোনও কিছু অসম্ভব নয়, সেটা প্রমাণ করে দিয়েছি। অনেকেই মনে করেন, চীনা খেলোয়াড়দের হারানো অসম্ভব। সেটাকেও সম্ভব করে দেখালেন ভাবনা। ম্যাচের পর বললেন, চীনা খেলোয়াড়কে হারানো অনেকেই অসম্ভব বলে মনে করেন। সেটা করতে পেরে আমি গর্বিত। যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে সবকিছুই সম্ভব। নিজেকে কখনও বিশেষভাবে সক্ষম মনে করি না।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজ্য

Sitavog & Mihidana: বর্ধমানের সীতাভোগ ও মিহিদানকে বিশেষ স্বীকৃতি ভারতীয় ডাক বিভাগের

জিআই স্বীকৃতি প্রাপ্তির পর এবার বর্ধমানের দুই প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ ও মিহিদানাকে স্বীকৃতি দিল ভারতীয় ডাক বিভাগ। এই বিষয়ে শুক্রবার বর্ধমান মুখ্য ডাকঘরে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেই অনুষ্ঠানে সীতাভোগ ও মিহিদানার ছবি ও তথ্য সম্বলিত বিশেষ খাম ও স্পেশাল কভারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন দক্ষিণবঙ্গ রিজিয়নের পোষ্ট মাষ্টার জেনারেল শশী সালিনী কুজুর। ডাক বিভাগ বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্ঠান্ন সীতাভোগ ও মিহিদানাকে স্বীকৃতি দেওয়ায় খুশি বর্ধমানের মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীয়া।বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ ও মিহিদানার খ্যাতি এখন দেশ জোড়া। অনেক টানাপোড়েনের পর ২০১৭ সালে জিআই স্বীকৃতি পায় শতাব্দী প্রাচীন বর্ধমানের এই দুই প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন। রাজ আমলের ঐতিহ্যশালী সীতাভোগ ও মিহিদানাকে এবার স্বীকৃতি দিল ভারতীয় ডাক বিভাগ। এই বিষয়ে শশী সালিনি কুজুর এদিন বলেন, বর্ধমানের এই দুই প্রসিদ্ধ মিষ্টির প্রচার এবং জনপ্রিয়তা বাড়ানোর লক্ষ্যে ভারতীয় ডাক বিভাগ প্রমোট করছে। এর ফলে বর্ধমান ছাড়াও দেশের অনান্য জায়গায় সীতাভোগ ও মিহিদানার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাবে। অনু্ষ্ঠানে ডাক বিভাগের বর্ধমান ডিভিশনের সিনিয়র সুপারিনটেন্ডেন্ট সৈয়দ ফরজ হায়দার নবী, বর্ধমানের হেড পোস্টমাস্টার মুধুসূদন রায় ও বর্ধমান সীতাভোগ মিহিদানা ট্রেডাস ওয়েলফেয়ার এস্যোসিয়েশনের সম্পাদক প্রমোধ কুমার সিং উপস্থিত ছিলেন।প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ ও মিহিদানার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে বর্ধমানের রাজ আমলের ইতিসাস। বর্ধমানের মহারাজা বিজয়চাঁদ মহাতাবকে ১৯০৪ সালে রাজাধিরাজ উপাধি দেয় ইংরেজ সরকার। সেই উপলক্ষ্যে বর্ধমান রাজপ্রাসাদে বিরাট অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন বাংলার তৎকালীন বড়লাট লর্ড কার্জন। বড়লাটকে খুশি করার জন্য মহারাজ বিজয়চাঁদ মহতাব তাদানীন্তন বর্ধমানের নামজাদা মিষ্টি প্রস্তুতকারক ভৈরবচন্দ্র নাগকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য বিশেষ মিষ্টি প্রস্তুত করতে বলেন। ভৈরবচন্দ্র নাগ তৈরি করে দেন মিহিদানা ও সীতাভোগ।জানাযায়, এই দুই মিষ্টির স্বাদ পেয়ে বড়লাট-সহ বাকি অতিথিরা খুবই খুশি হয়েছিলেন। সেই দুই মিষ্টান্নই এদিন ভারতীয় ডাক বিভাগ কর্তৃক সমাদৃত হল।বর্ধমান সীতাভোগ মিহিদানা ট্রেডার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক প্রমোধ কুমার সিং এদিন বলেন, এই প্রথম কোনও সরকারি সংস্থা বর্ধমানের মিষ্টান্নকে এই ভাবে প্রমোট করলো।এর ফলে গোটা দেশ জুড়ে সীতাভোগ ও মিহিদানার নাম ছড়িয়ে পড়বে। পাশাপাশি গোটা দেশে বর্ধমানের প্রসিদ্ধ মিষ্টান্ন সীতাভোগ, মিহিদানার চাহিদা আরও বাড়বে । এত কিছুর মধ্যেও প্রমোধ কুমার সিং আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, ২০১৭ সালে জিআই স্বীকৃতি পাবার পর তাঁরা ভেবেছিলেন কেন্দ্র অথবা রাজ্য সরকার তাদের প্রমোট করবে। কিন্তু কোনও সরকারই এগিয়ে আসেনি। শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারের পোষ্টাল বিভাগ এগিয়ে এলো।

আগস্ট ২৭, ২০২১
কলকাতা

Bikash Bhaban: বিকাশ ভবনের সামনে ধুন্ধুমার, বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা ৫ শিক্ষিকার

বদলির প্রতিবাদে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করলেন পাঁচ শিক্ষিকা। মঙ্গলবার বিকাশ ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন আন্দোলনকারী শিক্ষকেরা। পুলিশ তাঁদের বাধা দিতে গেলে আচমকাই বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তাঁরা। সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থও হয়ে পড়েন। পুলিশ পাঁচ জনকেই হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছে। ওই পাঁচ জনের মধ্যে চার জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।আরও পড়ুনঃ বেড পেতে গেলে আরেকটি শিশুর মৃত্যু অবধি অপেক্ষা করতে হবে!অসুস্থ পাঁচ শিক্ষিকাই ঐক্য মঞ্চের সদস্য। শিক্ষকদের এই সংগঠন বেশ কিছু দিন ধরেই শিক্ষকদের বদলি ইস্যুতে আন্দোলন করছে। এর আগে নবান্নের সামনে এমনকী, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর বাড়ির সামনেও বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তাঁরা। শিক্ষকদের অভিযোগ, আন্দোলন করার শাস্তি হিসেবেই বদলি করে দেওয়া হয়েছে তাঁদের। এই অভিযোগ নিয়েই মঙ্গলবার বিকাশ ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছিলেন তাঁরা।পুলিশ জানিয়েছে, আন্দোলনকারীরা মূল ফটক পেরিয়ে ভিতরে প্রবেশ করলে তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। সেই সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয় আন্দোলনকারীদের। এর পর আচমকাই ব্যাগ থেকে বিষ বার করে খেতে শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়।অভিযোগ, মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলার শিক্ষিকা ফাজিলাকে বদলি করে দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরে বদলি করে দেওয়া হয়েছে। মুর্শিদাবাদের অপর শিক্ষিকাকে বদলি করে দেওয়া হয়েছে জলপাইগুড়িতে। জ্যোৎস্না টুডু নামে এক শিক্ষিকাকে মেদিনীপুর থেকে বদলি করা হয়েছে জলপাইগুড়িতে। শিখা দাসকে পূর্ব মেদিনীপুর থেকে বদলি করা হয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরে বদলি করা হয়েছে। পুতুল মণ্ডল নামে এক শিক্ষিকাকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে কেচাবিহারে বদলি করা হয়েছে। বৃত্তিমূলক শিক্ষিকাদের এই বদলি অনৈতিক বলে দাবি করছে শিক্ষক ঐক্যমঞ্চ।

আগস্ট ২৪, ২০২১
কলকাতা

Kalighat Temple: কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশে লাগু নতুন নিয়ম

এবার থেকে জোড়া করোনা টিকা নিলেই প্রবেশ করা যাবে কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে। এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কালীঘাট টেম্পল কমিটি। করোনা সংক্রমণে তৃতীয় ঢেউ আগামী অক্টোবর মাসে চূড়ান্ত আকার নিতে পারে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের এমন পূর্বাভাসই দেওয়ার পরেই, মন্দিরের সেবায়েতদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিয়ে আলোচনায় বসার সিদ্ধান্ত নেয় কালীঘাট মন্দির কর্তৃপক্ষ। সেই মর্মে সোমবার রাতে বৈঠকে বসে তাঁরা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আলিপুর জেলা বিচারক চৈতালি দাস চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যসভার সাংসদ তথা টেম্পল কমিটির সভাপতি শুভাশিস চক্রবর্তী প্রমুখ। সূত্রের খবর, বৈঠকে আলিপুর জেলা বিচারক মন্দির কমিটির দায়িত্ব প্রাপ্ত সদস্যদের কাছে জানতে চান, সরকারি কোভিডবিধি সঠিকভাবে মানা হচ্ছে কিনা। টেম্পল কমিটির কয়েকজন সদস্য জানান, কোভিড সংক্রমণ রুখতে গত এক বছরে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মন্দিরের নিজস্ব তহবিল থেকে যাবতীয় পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু বাইরে থেকে মন্দিরে আসা ভক্তকুলের চাপে বহু ক্ষেত্রেই সেইসব জিনিসের ক্ষতি হয়েছে।আরও পড়ুনঃ পূর্ণদৈর্ঘ্যের তথ্যচিত্রে জীবনযুদ্ধের গল্প নিয়ে শুভেন্দুপ্রসঙ্গত, কালীঘাট মন্দির পরিচালনার প্রশাসনিক দায়িত্ব আলিপুর জেলা বিচারকের হাতে। তাই তিনি এই বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন। সরকারি বিধিনিষেধের মধ্যেই ২২ জুন খুলে দেওয়া হয়েছিল কালীঘাট মন্দিরের দরজা। ২১ জুন কালীঘাট টেম্পল কমিটির সিদ্ধান্ত নেয়, সকাল ছটা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত খোলা জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে মন্দির। পরে বিকেল চারটে থেকে ছটা পর্যন্ত খোলার সিদ্ধান্ত হয়। সেই সিদ্ধান্ত এখনও বলবৎ রয়েছে। কিন্তু, তখনও মন্দিরের গর্ভগৃহে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছিল কমিটি। সংক্রমণের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বৈঠকে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, দ্রুততার সঙ্গে মন্দিরের প্রশাসনিক তথা পুজো সংক্রান্ত কাজে যুক্ত ব্যক্তিদের জোড়া টিকা দেওয়ার কাজ শেষ করতে হবে। সঙ্গে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যারা জোড়া টিকা নেবেন, শুধুমাত্র তাঁরাই কালীঘাট মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশ করতে পারবেন। সরকারি কোভিডবিধি যেন কোনওভাবেই লঙ্ঘিত না হয়, সেদিকেও কড়া নজর রেখে চলতে হবে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
দেশ

Tripura Challenge: তৃণমূলের ত্রিপুরা-চ্যালেঞ্জে নতুন তাস দেব

ত্রিপুরা যাচ্ছেন দেব। তৃণমূলের ত্রিপুরা চ্যালেঞ্জ-এ এবার অস্ত্র হতে চলেছেন অভিনেতা সাংসদ দেব। চলতি সপ্তাহের শেষের দিকেই তাঁর আগরতলা সফর হতে পারে বলে তৃণমূল সূত্রের খবর। ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূলের সভাপতি আশিসলাল সিং বলেন, চলতি সপ্তাহেই আমাদের দলের অভিনেতা সাংসদ দেব আগরতলায় আসতে পারেন। তবে তাঁর কর্মসূচি এখনও স্থির হয়নি। তা স্থির হলেই সংবাদমাধ্যমকে জানাব।আরও পড়ুনঃ অক্টোবরেই চরম আকার নেবে তৃতীয় ঢেউ!বিধানসভা ভোট তৃতীয় বার বাংলা দখলের পরেই তৃণমূলের নজর দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলির দিকে। সেই উদ্দেশ্য মাথায় রেখেই ত্রিপুরায় দলের গতিবিধি বাড়িয়েছেন তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। এ বার সেই রণনীতি মেনেই পাঠানো হতে পারে ঘাটালের অভিনেতা সাংসদ দেব তথা দীপক অধিকারীকে। তৃণমূল সূত্রে খবর, অন্যান্য নেতাদের যেমন সংগঠন বৃদ্ধির কাজের জন্য ত্রিপুরায় পাঠানো হবে, তেমনই নায়ক দেবের স্টারডম- কেও কাজে লাগাতে চায় তৃণমূল। কারণ পশ্চিমবঙ্গের পর ত্রিপুরাতেই সবচেয়ে বেশি বাঙালির বাস। আর সিনেমাপ্রেমী বাঙালির মধ্যে অভিনেতা দেবের জনপ্রিয়তা বিপুল। বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের ভোটারদের কাছে টলিউডের এই নায়কের গ্রহণযোগ্যতা যথেষ্টই। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই অভিনেত্রী তথা যুব তৃণমূলের পশ্চিমবঙ্গ শাখার সভানেত্রী সায়নী ঘোষকেও পাঠানো হয়েছিল ত্রিপুরায়। তিনিও সেখানে গিয়ে বেশ কিছু দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এবার তৃণমূলের নতুন তাস সাংসদ দেব।

আগস্ট ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Hakim Death : ভারতীয় ফুটবল জগৎ থেকে খসে পড়ল আরও এক অলিম্পিয়ান

করোনা কালে ভারতীয় ফুটবল হারিয়েছে চুনী গোস্বামী, পিকে ব্যানার্জিদের মতো কিংবদন্তীদের। এবার আরও এক তারা খসে পড়ল ভারতীয় ফুটবল থেকে। মারা গেলেন ভারতের ফুটবল অলিম্পিয়ান তথা প্রাক্তন জাতীয় কোচ সৈয়দ শাহিদ হাকিম। রবিবার কর্ণাটকের গুলবার্গার এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২। হাকিম সাবএর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ দেশের ফুটবল মহল।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি খুনের ঘটনায় এবার সিআইডি জালে লিঙ্কম্যানদীর্ঘদিন ধরেই বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন সৈয়দ শাহিদ হাকিম। সম্প্রতি তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। তাঁকে গুলবার্গার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ভারতীয় ফুটবলের এই কিংবদন্তী। স্ত্রী ও দুই কন্যাকে রেখে গেলেন দেশের প্রাক্তন অলিম্পিয়ান ফুটবলার।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনের১৯৬০ সালের রোম অলিম্পিকে ভারতীয় ফুটবল দলের হয়ে তিনি প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। বাবা আব্দুল রহিম ছিলেন বিখ্যাত কোচ। যিনি রহিম সাহেব নামে বেশি পরিচিত ছিলেন। যাঁর কোচিংয়ে চুনী গোস্বামী, পিকে ব্যানার্জি, তুলসীদাস বলরাম, জার্নেল সিংরা খেলেছিলেন। সার্ভিসেসের হয়ে ১৯৬০ সালের সন্তোষ ট্রফি জিতেছিলেন হাকিম সাব। শুধু ফুটবলার হিসেবেই নয়, রেফারি হিসেবেও শাহিদ হাকিম যথেষ্ট সুনাম অর্জন করেছিলেন। ফিফা প্যানেলভূক্ত প্রাক্তন রেফারি হিসেবে তিনি ১৯৮৮ সালের এএফসি কাপের একাধিক ম্যাচ পরিচালনাও করেছিলেন।আরও পড়ুনঃ কলকাতার পাশেই ছুটি কাটানোর দারুন সুযোগ, সুন্দরবনের পথে অপরূপ সৌন্দর্যের হাতছানিকোচ হিসেবেও শাহিদ হাকিম নজর কেড়েছিলেন। ১৯৮২ সালের এশিয়ান গেমসে ভারতীয় ফুটবল দলের সহকারি কোচ ছিলেন। মারডেকা কাপে দেশের ফুটবল দলের হেড কোচের দায়িত্বও পালন করেছিলেন। তাঁরই প্রশিক্ষণে ১৯৮৮১৯৮৯ মরসুমের ডুরান্ড কাপ জিতেছিল মহিন্দ্রা অ্যান্ড মহিন্দ্রা ফুটবল ক্লাব। ফাইনালে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়েছিল। সালগাঁওকর, হিন্দুস্তান এফসির মতো ক্লাবকেও কোচিং করিয়েছেন সৈয়দ শাহিদ হাকিম। ২০০৪২০০৫ মরসুমে বেঙ্গল মুম্বই এফসিকেও তিনি কোচিং করিয়েছিলেন। ফুটবল প্রশিক্ষক হিসেবে সেটিই ছিল তাঁর শেষ কাজ।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারীফুটবল ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখার জন্য ২০১৭ সালে সৈয়দ শাহিদ হাকিমকে মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কারে (তৎকালীন রাজীব গান্ধী খেলরত্ন) ভূষিত করেছিল ভারত সরকার। ভারতীয় বায়ুসেনার প্রাক্তন স্কোয়াড্রন লিডার হাকিম সাব স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার রিজিওনাল ডিরেক্টর পদের দায়িত্ব সামলেছেন। ২০১৭ সালে ভারতে হওয়া অনূর্ধ্ব ১৭ ফুটবাল বিশ্বকাপের প্রোজেক্ট ডিরেক্টরের ভূমিকায় তাঁকে শেষবার স্বমহিমায় দেখা গিয়েছিল। সৈয়দ শাহিদ হাকিমের প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করেছে এআইএফএফ, ভারতীয় ফুটবল দল, সাই সহ ফুটবল জগতের সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য রথীমহারথীরা। প্রয়াত সৈয়দ হাকিমের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেছেন এআইএফএফ সচিব কুশল দাস।

আগস্ট ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Neeraj Chopra : সেনাবাহিনী থেকে অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়া

টোকিও অলিম্পিকে সোনা জিতে দেশকে গর্বিত করেছেন নীরজ চোপড়া। টোকিও থেকে দেশে ফেরার পর সংবর্ধনার জোয়ারে ভেসেই চলেছেন। বাড়ছে স্বীকৃতির তালিকাওয। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি, সবাই কুর্নিশ জানিয়েছেন। এবার আরও বড় সম্মান দিতে চলেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। নীরজের নামে একটি স্টেডিয়ামের নামকরণ করতে চলেছে।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?পুণেতে সাদার্ন কমান্ডের আর্মি স্পোর্টস ইন্সটিটিউটের নামকরণ করা হবে নীরজের নামে। আগামী ২৩ অগস্ট, সোমবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে আসবেন। সেনাবাহিনির প্রধান এমএম নরাবণে এবং সাদার্ন আর্মি কমান্ডারের লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেএস নৈনেরও হাজির থাকার কথা। নীরজ নিজেও হাজির থাকবেন।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরঅলিম্পিকের অ্যাথলেটিক্সে ভারতের হয়ে প্রথম সোনা জেতা নীরজ চোপড়া শুধু দেশ নয়, ভারতীয় সেনাবাহিনীকেও গর্বিত করেছেন। তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত। রাজপুতানা রাইফেলসে সুবেদার পদে কাজ করেন। ২৩ বছরের অ্যাথলিটকে নিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর গর্বের শেষ নেই। তারই স্বীকৃতি স্বরূপ পুনের সেনা স্টেডিয়াম নীরজের নামে চিহ্নিত হতে চলেছে। এর আগে টোকিও অলিম্পিকে সোনা জিতে দেশকে গর্বিত করা নীরজ চোপড়ার সঙ্গে মুখোমুখি সাক্ষাৎ করেছিলেন সেনাপ্রধান নারাভানে। ২৩ বছরের অ্যাথলিটের পরিবার সদস্যের সঙ্গে তিনি কথা বলেছিলেন। এবার উন্নত পরিকাঠামোর আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়ামটি নীরজের নামে নামাঙ্কিত করে তাঁকে অনন্য সম্মান দিতে চলছে ভারতীয় সেনা। পুনের এই আর্মি স্টেডিয়ামটি ২০০৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল। স্টেডিয়ামে সিন্থেটিক ট্র্যাকের পাশাপাশি দর্শকদের বসার জায়গাও রয়েছে।আরও পড়ুনঃ সেনাবাহিনী থেকে অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়াটোকিও অলিম্পিকের পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রো ইভেন্টের ফাইনালে ৮৭.৫৮ মিটার দূরত্ব বর্শা নিক্ষেপ সক্ষম হয়েছিলেন নীরজ চোপড়া। সোনা জিতে দেশের মুখ তিনি উজ্জ্বল করেছিলেন। টোকিও অলিম্পিকের ওই ইভেন্টের যোগ্যতা অর্জন পর্বেও প্রথম হয়েছিলেন নীরজ। ওই রাউন্ডে ৮৬.৬৫ দূরত্বে বর্শা ছুঁড়েছিলেন ভারতের গর্ব। ১৩ বছর পর অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে সোনা জেতা অ্যাথলিটের পরবর্তী লক্ষ্য ৯০ মিটার দূরত্বে বর্শা নিক্ষেপ করা। বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপেও দেশের হয়ে সোনা জিততে চান নীরজ চোপড়া।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরভারতের প্রথম অ্যাথলিট হিসেবে অলিম্পিকের অ্যাথলেটিক্সে সোনা জিতেছেন নীরজ চোপড়া। একই সঙ্গে ১২১ বছর বিশ্বের সর্ববৃহৎ ক্রীড়া ইভেন্টের ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড ইভেন্টে পদক জিততে সক্ষম হয়েছে ভারত। ২০০৮ সালের বেজিং অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে সোনা জিতেছিলেন শুটার অভিনব বিন্দ্রা। নীরজের হাত ধরে ১৩ বছর পর ফের একই রকম সফলতার স্বাদ পেল দেশ।

আগস্ট ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : মাঝপথে আইপিএল ছেড়ে পালানোর কেমন শাস্তি পেলেন জাম্পারা?‌

এবছর আইপিএল চলাকালীন বিদেশি নিয়ে বারবার ধাক্কা খেলে হয়েছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোরকে। স্থগিত ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে আবার ধাক্কা খেলেন বিরাট কোহলিরা। ব্যক্তিগত কারণে আইপিএল থেকে এবার সরে দাঁড়ালেন কোচ সাইমন কাটিচ। তাঁর জায়গায় কোচিংয়ের দায়িত্ব সামলাবেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সের ডিরেক্টর অব ক্রিকেট মাইক হেসন। এছাড়া তিনজন নতুন বিদেশি ক্রিকেটারও নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরআইপিএলের বাকি ম্যাচগুলিতে বেঙ্গালুরু একঝাঁক ক্রিকেটারকে পাচ্ছে না। পরিস্থিতি সামাল দিতে বেশ কিছু নতুন মুখকে নিয়ে আসতে বাধ্য হল। অস্ট্রেলিয়ার তিনজন ক্রিকেটার থাকছেন না। দেশের হয়ে খেলবেন বলে পাওয়া যাবে না নিউজিল্যান্ডের দুই ক্রিকেটারকেও। তাই আইপিএলের দরজা খুলে গেল শ্রীলঙ্কার দুজন ও সিঙ্গাপুরের এক ক্রিকেটারের।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?করোনা আতঙ্কে আইপিএলের মাঝপথে দেশে ফিরে জৈব সুরক্ষা বলয় নিয়ে সমালোচনায় সরব হয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার স্পিনার অ্যাডাম জাম্পা। তাঁর আচরণে সন্তুষ্ট নয় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই তাঁকে ছেঁটে ফেলল। জাম্পার পরিবর্ত হিসেবে শ্রীলঙ্কার অলরাউন্ডার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে নিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর। ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে ভালো পারফরম্যান্সের সুবাদেই খুলল আইপিএলের দরজা। ভারতের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে তিন ম্যাচে ৫ উইকেট নেন। টি ২০ সিরিজে তিন ম্যাচে ৭ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে শেষ দুটি টি ২০ ম্যাচে মূল্যবান রান যোগ করেছিলেন। এবার তিনি আইপিএলের মঞ্চে নিজেকে মেলে ধরার সুযোগ পাবেন।আরও পড়ুনঃ সেনাবাহিনী থেকে অনন্য সম্মান পেতে চলেছেন অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়াঅস্ট্রেলিয়ার ড্যানিয়েল স্যামসের পরিবর্ত হিসেবে শ্রীলঙ্কার পেসার দুষ্মন্ত চামিরাকে দলে নিয়েছে আরসিবি। চামিরা ভারতের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজে দুটি এবং টি ২০ সিরিজে চারটি উইকেট পেয়েছিলেন। সতীর্থ হাসারাঙ্গার সঙ্গে চামিরা বিরাটদের দলে ঢোকায় শ্রীলঙ্কার এই দুই ক্রিকেটারের টি ২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিও ভালোভাবেই হতে চলেছে। অস্ট্রেলিয়ার কেন রিচার্ডসনকেও পাচ্ছে না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বাঙ্গালোর। নিউজিল্যান্ডের ফিন অ্যালেন ও স্কট কুগলেইজনও থাকছেন না। নিউজিল্যান্ড দলের হয়ে তাঁদের খেলা রয়েছে আইপিএলের মধ্যেই। তাঁরা দেশের হয়েই খেলবেন। এই পরিস্থিতিতে সুযোগ পেলেন সিঙ্গাপুরের অলরাউন্ডার টিম ডেভিড। টিম ডেভিড পাকিস্তান সুপার লিগ, বিগ ব্যাশ, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ-সহ বিভিন্ন দেশে টি ২০ লিগে খেলেন। দ্য হান্ড্রেডে সাদার্ন ব্রেভ দলেও রয়েছেন। চলতি মাসে রয়্যাল লন্ডন কাপে সারের হয়ে দুটি শতরানও করেছেন।

আগস্ট ২১, ২০২১
রাজ্য

Duyare Sarkar: দুয়ারে সরকার কর্মসূচির প্রথম দিনেই চরম বিশৃঙ্খলা বর্ধমান ও ভাতারে

দুয়ারে সরকার কর্মসূচীত স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের লাইনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে সোমবার ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে যায় বর্ধমানের টাউনহলে।এদিন বর্ধমান শহরের টাউন হলে দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে সবথেকে বেশী মানুষ স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের জন্য লাইনে দাঁড়ান। আবেদনপত্র জমা নিয়ে নতুন কার্ডও দেওয়া হচ্ছিল আবেদনকারীদের। ওই সময় লাইনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে হঠাৎই দুপক্ষের মধ্যে প্রথমে বচসা বেঁধে যায়। পরে বচসা গড়ায় হাতাহাতি মারামারিতে। তাতে এক মহিলা সহ ৩ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে অবসরপ্রাপ্ত একজন পুলিশ কর্মীও রয়েছেন। এই ঘটনা দেখে লাইনে দাঁড়ানো অনেকে ভয়ে আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে দেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায় বর্ধমান থানার পুলিশ। স্বাস্থসাথী কার্ডের লাইনে দাঁড়ানো সবাইকে বুঝিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এরপর টাউনহলে পুনরায় শুরু হয় দুয়ারে সরকার কর্মসূচীর কাজ। আরও পড়ুনঃ শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকারএদিন টাউন হলে লাইনে দাঁড়ানো শহর বর্ধমানের বাসিন্দা প্রবীণা সবিতা দত্ত, যুবক রাহুল মণ্ডল প্রমুখরা বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায় একাধিক জনমুখী প্রকল্প চালু করেছেন। তার সুবিধা সবাই নিতে চাইবেন এটাই স্বাভাবিক। তবে এদিন টাউনহলে যে বিশৃঙ্খলা ঘটল তা কাম্য ছিল না।আগামী দিনে ফের যাতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে তার জন্য প্রশাসনকে আরও বেশি সতর্ক থাকার দাবি জানিয়েছেন উপভোক্তারা। আরও পড়ুনঃ দেশে বেড়ে গিয়েছে ভিখারির সংখ্যা, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্টএকই রকম বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি এদিন জেলার ভাতারের বলগোনা সারদামণি উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত শিবিরেও তৈরি হয়। এদিন ভোর থেকেই শয়ে শয়ে মানুষ ভিড় করেন ওই বিদ্যালয়ে দুয়ারে সরকারের শিবিরে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদনের জন্য এখানের দুয়ারে সরকার কর্মসূচীর প্রথম দিনে মহিলাদের ভিড় ছিল নজর কাড়া। বেলা দশটায় স্কুলের গেট খুলতেই ভিতরে ঢোকার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। ভিড়ের চাপ ও ঠেলাঠেলিতে কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে গিয়ে শুশ্রূষা করার ব্যবস্থা করা হয়।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপবলগোনা পঞ্চায়েতের প্রধান আমজাদ শেখ বলেন, ভিড় বেশি হওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছিল। ঘটনার পর পঞ্চায়েতের প্রতিনিধি থেকে শুরু করে পুলিশকর্মীরা তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেন। পরে আর কোনও সমস্যা হয়নি। ভাটাকুলের বাসিন্দা ফতেমা বিবি বলেন, প্রতিটি গ্রামের স্কুলে শিবির করলে এত ভিড় ও হয়রানি হবে না। প্রশাসন তার ব্যবস্থা করলে সবাই বিনা ঝঞ্ঝাটে ফর্ম জমা করার সুযোগ পাবেন। ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী বলেন, প্রথম দিন বলে হয়তো সমস্যা হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষ যাতে কোনও ভাবেই সমস্যায় না পড়েন, আবেদন করতে এসে কেউ যাতে বঞ্চিত না হন তার জন্য সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজ্য

Laxmir Bhandar: শিকেয় উঠল সামাজিক দূরত্ব, রণক্ষেত্র দুয়ারে সরকার

সামাজিক দূরত্ব চুলোয় যাক, পেতেই হবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। সোমবার থেকে শুরু হয়েছে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। কন্যাশ্রী, রূপশ্রী-সহ রাজ্য সরকারের অন্যান্য সুযোগ সুবিধের সঙ্গে এবার যোগ হয়েছে নতুন প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। আর সেই প্রকল্পের জন্য ঝাঁপাচ্ছেন মহিলারা। করোনা বিধি শিকেয় তুলে বহু মানুষ ভিড় করতে শুরু করেছেন বিভিন্ন জেলার শিবিরগুলোতে। আর সেই ভিড় সামলাতে নাজেহাল অবস্থা প্রশাসনের। এত পরিমাণ ভিড়ের ফলে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কাও করা হচ্ছে। পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে সোমবার সকাল থেকেই দেখতে পাওয়া যায় উপচে পড়া ভিড়। অধিকাংশ মানুষের মুখে দেখা মেলেনি মাস্কের। দুয়ারে সরকারে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বর্ধমান টাউনহল। অন্যদিকে, বীরভূমের মুরারইয়ের ১ নম্বর পঞ্চায়েতেও ছবিটাও এক। জানা গিয়েছে, এদিন ফর্ম বিলি শুরু হতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় সেখানে। ভিড়ের চাপে পদপিষ্ট হন কমপক্ষে ৭ জন। বহু মানুষের মোবাইল খোয়া দিয়েছে। শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। তড়িঘড়ি আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।আরও পড়ুনঃ আফগানিস্তানের পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে রাষ্ট্রসঙ্ঘএকদিকে অত্যাধিক গরম অন্যদিকে মারাত্মক ভিড়ে বেশ কয়েকজন বাসিন্দা অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন৷ কাউন্টারের সামনে রীতিমতো ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। ভিড় এড়িয়ে আগেভাগে সরকারি প্রকল্পের ফর্ম সংগ্রহে তুমুল ধস্তাধস্তি শুরু হয়৷ প্রশাসনের তরফে শান্ত থাকতে অনুরোধ করা হয় প্রত্যেককে৷ কিন্তু লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ফর্ম হাতে পেতে এতটাই মরিয়া হয়ে ওঠে মানুষ, যে সেদিকে কোনও খেয়ালই ছিল না তাদের। চলে তুমুল ধস্তাধস্তি। এ বিষয়ে মুরারই ১ নম্বরের তৃণমূল ব্লক সভাপতি বিনয় ঘোষ জানান, আমরা সবাইকে ভাগে ভাগে আসতে বলেছিলাম, কিন্তু একইদিনে সবাই চলে আসায় বিপত্তি। পঞ্চায়েত প্রধান রজনী পাখিরা বলেন, গ্রামবাসীদের সচেতন করতে মাইকিংও করেছি। মানুষ বোঝেনি। ভুল বোঝাবুঝির কারণে এই পরিস্থিতি। অনেক বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। বর্ধমান থেকে পশ্চিম মেদিনীপুর, সব জায়গার ছবিটাই কার্যত এক। ফর্ম নিতে গিয়ে ভিড়ের চাপে নাজেহাল মানুষ।

আগস্ট ১৬, ২০২১
রাজনীতি

Tripura: ত্রিপুরার রাজপথে ফুটবল খেললেন প্রসূন-শান্তনুরা

খেলা হবে দিবসে ত্রিপুরায় বল পায়ে নেমে পড়ল তৃণমূল। ফুটবল খেলতে নামলেন প্রাক্তন ফুটবলার তথা তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়। রাজনীতির ময়দানে গত কয়েক বছর ধরেই তিনি গোল করছেন। এবার তারই সূত্র ধরে বাংলার পড়শি রাজ্য ত্রিপুরার মাটিতে ফুটবল পায়ে নেমে পড়লেন ফুটবলার-সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সাংসদ শান্তনু সেন, অর্পিতা ঘোষরাও। আরও পড়ুনঃ আজ দেশজুড়ে খেলা হবে দিবস পালনপশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ত্রিপুরা, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাতের মতো রাজ্যেও খেলা হবে দিবস পালন করছে তৃণমূল। তবে, গুজরাত ও উত্তরপ্রদেশে অনুমতি মেলেনি। কিন্তু ত্রিপুরাকে এবার রাজনৈতিকভাবে পাখির চোখ করেছে এ রাজ্যের শাসক দল। সেই মোতাবেক আগরতলার ময়দানে ফুটবল পায়ে নেমে পড়তে দেখা গেল সাংসদ প্রসূন বন্দোপাধ্যায়, সাংসদ আবু তাহের ও সাংসদ অর্পিতা ঘোষকে। এদিন সকালে বনমালীপুর থেকে আস্তাবল ময়দান প্রায় ৩ কিমি রাস্তা মিছিল করেন তৃণমূল সাংসদ ও কর্মীরা। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে খেলা হবে দিবসের স্লোগান দিতে থাকেন৷ রাজপথেই ড্রিবল করতে দেখা গেল তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আগরতলার রাস্তায় এমন ছবি বিগত ৩-৪ বছরে হয়নি বলেই মত তৃণমূল নেতাদের।তৃণমূলের দাবি, ত্রিপুরার একাধিক জায়গায় তাদের তরফে খেলা হবে দিবস পালন করা হচ্ছে। কিন্তু বহু জায়গায় তাদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। এদিন সকালেই খেলা হবে জার্সি পরে আগরতলার রাস্তায় নেমে পড়েন ত্রিপুরায় হাজির তৃণমূল সাংসদরা। খেলা হবে ও জিতবে ত্রিপুরা লেখা জার্সি পড়েই মাঠে নামেন তৃণমূল কর্মীরা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Indian Idol: বাংলার অরুনিতা না পবনদীপ? কে হবেন ১২তম ইন্ডিয়ান আইডল

ইন্ডিয়ান আইডল ১২ এর মেগা গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হবে স্বাধীনতার ৭৫তম বছর উদযাপনের দিন, আগামী ১৫ আগস্ট। ইন্ডিয়ান আইডল ১২-এর সুদীর্ঘ সফর এবার আরও একটি রেকর্ড স্থাপন করবে, কারণ গ্র্যান্ড ফিনালে পর্বটি টেলিভিশনে ১২ ঘণ্টা ধরে সম্প্রচারিত হবে। অলকা ইয়াগনিক, কুমার সানু, উদিত নারায়ণ-সহ বেশ কয়েকজন সেলিব্রেটি গায়ক ও সিনেমা জগতের বিখ্যাত সেলিব্রিটি এবং এই অনুষ্ঠানের প্রাক্তন প্রতিযোগীরাও গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশ নেবেন। উল্লেখযোগ্যভাবে, কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী আশা ভোঁসলেও গ্র্যান্ড ফিনালে-তে উপস্থিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রা এবং কিয়ারা আদবানিও গ্রেটেস্ট ফিনালে এভার -এ যোগ দেবেন। ফিনালে জেতার দাবিদার আশ্চর্য বালক পবনদীপ রাজন, শামুখা প্রিয়া, সায়লি কাম্বলে, মোহাম্মদ দানিশ এবং নিহাল তাওরোর ও বাংলার বনগাঁর অরুণিতা কাঞ্জিলাল-র মধ্যে।আরও পড়ুনঃ হরোর স্টোরিস নিয়ে জনতার কথায় অকপট সুপ্রতীমইন্ডিয়ান আইডলের ১২ জন প্রতিযোগীর অনবদ্য সঙ্গীত পরিবেশন যতটা দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়েছে, ততটাই অরুণিতা কাঞ্জিলালের সঙ্গে পবনদীপ রাজনের রোমান্টিক সম্পর্ক দর্শকের মনে নানা প্রশ্নের উঁকি দিয়েছে। তাদের সম্পর্কের কথা তুলতেই রাজন স্পষ্ট করে বলেছেন যে তাদের মধ্যে রোমান্টিক কিছু নেই। সত্যি বলতে কি, আমরা সবাই একসঙ্গে এতটা সময় কাটিয়েছি যে আমরা অবিচ্ছেদ্য। আমি মনে করি এটা সবার সঙ্গেই ঘটে যখন আপনার বন্ধুত্বকে আপনি সম্মান করতে শিখবেন তখন মানুষের মধ্যে নানারকম প্রশ্নের উঁকি দেবে। তার নানা মানে তৈরি হবে। আমি মনে করি সময় হলে মানুষ সত্যিটা বুঝতে পারবে যে আমাদের মধ্যে নিখাদ বন্ধুত্ব ছাড়া কিছুই ছিল না। এই মুহূর্তে, আমরা সকলেই তরুণ শিক্ষানবিস এবং কর্মজীবনে মনোনিবেশ করতে হবে। বাকি বিষয়গুলির জন্য অপেক্ষা করতে হবে। আমি চাই আমাদের বন্ধুত্ব বৃদ্ধি না হওয়া পর্যন্ত স্থায়ী হোক।আরও পড়ুনঃ সোম থেকে বাড়ছে মেট্রো, দেখে নিন নতুন সময়সূচিপবনদীপ রাজন ২০১৫ সালে দ্য ভয়েস -এর বিজয়ী হয়েছেন। তাঁর সঙ্গীতকে আরও জানার ইচ্ছা / চেষ্টা তাঁকে ইন্ডিয়ান আইডল-১২ তে নিয়ে আসে। এই অনুষ্ঠানই তাঁকে এই প্রজন্মের মিথ বানিয়ে দিয়েছে। শো চলাকালীন, আমরা অনেক শিল্পীকে গান গাইতে গাইতে নাচতে দেখেছি, অনেককেই গিটার বাজিয়ে গান গাইতে দেখেছি। পবনদীপ রাজন এক বিষ্ময় বালক। তিনি নিজেকে সরস্বতীর বর-পুত্র প্রমান করেছেন। কোনও দিন তিনি গ্র্যান্ড পিয়ানো বাজিয়ে অরিজিত সিংয়ের শায়দ কভি না কেহ সাকু ...... গান গাইছেন তো পরের এপিসোডে পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন বাজিয়ে রণধীর কাপুরকে ডেডিকেট করে মেরা নাম জোকার থেকে মুকেশের জিনা ইঁহা মরনা ইঁহা ইসকা সিবা জানা কাঁহা... গাইছেন। বিচারক ও বিশিষ্ট আমন্ত্রিত ব্যাক্তিরা বাকরুদ্ধ হয়ে দেখছেন / শুনছেন একজন কন্ঠসঙ্গীত শিল্পী রীতিমত পেশাদার তবলিয়ার মত লয়কারি ও তেহাই দিয়ে তবলা বাজিয়ে আশা ভোঁশলে ও ভুপিন্দার সিংয়ের গজল কিসি নজর কো তেরা ইন্তেজার আজ ভি হ্যায়... গাইছেন। যা শুনে বিশিষ্ট সঙ্গীত পরিচালক বাপ্পী লাহিড়ী বলে ওঠেন বেটা ওস্তাদ জাকির হোসেন-ও এটা করার আগে দুবার ভাববে, এর আগের এপিসোডে পবনদীপ বাপ্পীদাকে টেবিল বাজিয়ে গান গেয়ে মুগ্ধ করে দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ দুধ দুরন্ত-র দুধ পরিবহন দশ কোটি লিটার ছাড়ালপবনদীপ রাজনের জন্ম ১৯৯৬-র ২রা জুলাই উত্তরাখণ্ডের চম্পাওয়াতে। শৈশবেই তার সঙ্গীত যাত্রা শুরু। তার বাবা একজন বিখ্যাত কুমায়ুনি গায়ক এবং তিনি পবনকে সঙ্গীত শিল্পী হিসাবে তৈরি করার ও এই সাফল্যের জন্য অনেক পরিশ্রম করেছেন। যখন তিনি মাত্র দেড় বছরের তখন তাঁর বাবা তাঁকে একটি তবলা উপহার দেন। পবনদীপের সঙ্গীত শিক্ষা ও সঙ্গীত জীবনকে আরও উন্নত করতে উচ্চতর শিক্ষার জন্য চণ্ডীগড়ে চলে যান।আরও পড়ুনঃ নতুন ছবি নিয়ে ফিরছেন রুদ্রনীলসঙ্গীত-বোদ্ধা দর্শক মহলে তাঁকে নিয়ে প্রশ্নের শেষ নেই। একজন মানুষকে একটা বাদ্যযন্ত্র শিখে তা মঞ্চে পরিবেশন করতে কমপক্ষে ১০-১২ বছর লেগে যায়। সেখানে মাত্র ২৫ বছর বয়সে পবনদীপ গীটার, পিয়ানো, পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন, হারমোনিয়াম, তবলা, পাঞ্জাবী ঢোল, নাল সমান দক্ষতায় বাজিয়ে চলেছেন সঙ্গে অননুকরণীয় সুরেলা গলার গান। মঃ রফি, কিশোর কুমার, কুমার শানু, উদিত নারায়ণ যখন যাঁর গানই তিনি গাইছেন তাঁর মধ্যে পবনদীপ সুলভ একটা ছাপ থাকছে। কখনই তিনি কোনও শিল্পীকে হুবহু অনুকরণ করে গাইছেন না। সামাজিক মাধ্যমে হু হু করে বেড়ে চলেছে তাঁর ফ্যান ফলোয়ার। এই মুহুর্তে তাঁর ইন্সটাগ্রাম ফলোয়ার ১.১ মিলিয়ন।আরও পড়ুনঃ ৭০০ এপিসোডে পা দিল শ্রীময়ীইতিমধ্যে, গ্র্যান্ড ফিনালে শেষ হওয়ার আগেই অরুণিতা এবং পবনদীপ প্লেব্যাক গানের রেকর্ডিং করে ফেলেছে। এই জুটি সম্প্রতি সঙ্গীত সুরকার এবং ইন্ডিয়ান আইডল-১২ এর বিচারক বিশিষ্ঠ গায়ক সুরকার হিমেশ রেশমিয়ার জন্য গান গেয়েছেন। হিমেশ রেশমিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে তাদের হিমেশ কে দিল সে অ্যালবামের জন্য তাদের গান তেরি উমিদ প্রকাশিত হয়েছিল। এটি ছিল অ্যালবামে প্রকাশিত তৃতীয় গান। প্রথম গানটি সানসিন শো এর বাদ দেওয়া এক প্রতিযোগী সাওয়াই ভাট গেয়েছিলেন এবং দ্বিতীয় গান দাগা টাইটেলটি করেছিলেন মোহাম্মাদ দানিশ। এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে হিমেশ বলেন, পবনদীপ এবং অরুনিতা এই গানটি পেশাদার অভিজ্ঞ শিল্পীর মতো গেয়েছেন। তাঁদের গান শুনে কখনই মনে হয়নি তাঁরা নতুন প্রতিভা।সঙ্গীতরসিক মানুষে অধীর আগ্রহে প্রহর গুনছেন, অপেক্ষা আর মাত্র এটা দিনের, তারপরই জানাযাবে ২০১২-র ইন্ডিয়ান আইডলের চাম্পিয়ান কে? পবনদীপ, অরুণিতা না অন্য কেউ?

আগস্ট ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Lovelina : ‌‌অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাই

টোকিও অলিম্পিক থেকে দেশে ফিরেছেন। নিজের রাজ্য আসামে পৌঁছেও অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী বক্সার লাভলিনা বরগোঁহাই। গুয়াহাটিতে সংবর্ধনার জোয়ারে ভেসে গেলেন।মেরি কমের পর দ্বিতীয় ভারতীয় মহিলা বক্সার হিসেবে অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছেন লাভলিনা। টোকিও থেকে বেশ কয়েকদিন আগেই দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার প্রথম নিজের রাজ্য অসমে পা রাখলেন। এদিন সকালে গুয়াহাটি বিমানবন্দরে পৌঁছন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জজয়ী বক্সার লাভলিনা বরগোঁহাই। তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে হাজির ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। অসমের রীতি মেনে গামছা, জাপি ও ফুলের তোড়া দিয়ে অলিম্পিকে ৬৯ কেজি বিভাগে ব্রোঞ্জজয়ী লাভলিনাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানানো হয় । বিমানবন্দরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে লাভলিনাকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী বিমল বোরা। বিমানবন্দর থেকে লাভলিনাকে নিয়ে যাওয়া হয় শহরেরই একটি হোটেলে। তাঁকে স্বাগত জানাতে রাস্তা বড় বড় কাটআউট দিয়ে সাজানো ছিল।আরও পড়ুনঃ ৩১ অগস্ট পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেনলাভলিনাকে এদিন অসম সরকারের পক্ষ থেকে নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা প্রদানের অনুষ্ঠানটি হয় শ্রীমন্ত শঙ্করদেব কলাক্ষেত্রে। লাভলিনার হাতে ১ কোটি টাকার চেক তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। এছাড়া প্যারিস অলিম্পিক অবধি প্রতি মাসে লাভলিনাকে ১ লক্ষ টাকা করে স্কলারশিপ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে অসম সরকার। তাঁকে অসম পুলিশের ডিএসপি পদেও নিযুক্ত করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ মেডেল পাচ্ছেন বঙ্গের ৪ পুলিশ অফিসারএদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন লাভলিনার পিতা টিকেন বরগোঁহাই। ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে লাভলিনার গ্রামের কাছেই সরুপাথরে একটি স্পোর্টস কমপ্লেক্স গড়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণের পর তাঁদের প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দিতেই এই উদ্যোগ। এর পাশাপাশি গুয়াহাটির একটি রাস্তার নামও লাভলিনার নামাঙ্কিত হবে বলে জানিয়েছেন মু্খ্যমন্ত্রী। সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী বিমল বোরা, বিধায়করা এবং প্রাক্তন অ্যাথলিট ও কোচ অর্জুন ভোগেশ্বর বড়ুয়া প্রমুখ।আরও পড়ুনঃ স্পাকিস্তান ক্রিকেটে আবার ডামাডোল, বোর্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বাবর আজমদেরনিজের রাজ্যে ফিরলেও এদিন বাড়িতে অসুস্থ মায়ের কাছে যাওয়া হল না লাভলিনার। রাজ্যপাল জগদীশ মুখীর সঙ্গে দেখা করে দিল্লি ফিরবেন। লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে টোকিও অলিম্পিকের পদকজয়ীদের সঙ্গে মিলিত হবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই অনুষ্ঠানে হাজির থাকার জন্য লাভলিনাকে ফের দিল্লিতে যেতে হবে। কিডনি প্রতিস্থাপনের পর মা এখন আরোগ্য লাভের পথে। মায়ের অপারেশনের সময় জাতীয় শিবিরে থাকার জন্য পাশে থাকতে পারেননি লাভলিনা। দিল্লিতে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানের পর লাভলিনা বাড়িতে এসে থাকবেন।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজ্য

Hiran: স্বচ্ছতা অভিযানে হিরণ

স্বচ্ছতা অভিযান এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে খড়গপুর-এর, প্রেমবাজারে (ওয়ার্ড নং -৩৪) কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর -এর মূর্তি পরিষ্কার করে, ও তাতে মাল্যদান করে আজ স্বচ্ছতা অভিযান পালিত হল।স্বচ্ছতা অভিযানে অংশগ্রহণ করেন খড়গপুর সদরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। হাতে ঝাটা, জলের মগ নিয়ে মূর্তি পরিষ্কার করেন তিনি। কয়েক ধরেই বিধায়ককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না বলে এলাকার বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার পড়েছিল। এদিন হিরণের টুইটার হ্যান্ডেলে এই স্বচ্ছতা অভিযানের কিছু ছবি পোস্ট করে নিন্দুকদের মুখ বন্ধ করে দেওয়া হল বলেই মনে করা হচ্ছে। এই অভিযানের ট্যাগলাইন ছিল, পরিচ্ছন্নতাই পরিচয়, যত্রতত্র আবর্জনা নয়। সুস্থ পরিবেশ গড়ে উঠুক প্রকৃতির হাত ধরে।

আগস্ট ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Neeraj Chopra : নীরজ চোপড়ার ইনস্টাগ্রামে অনুগামীর সংখ্যা দেখলে অবাক হবেন, সংখ্যাটা কত?‌

তিনি কোনও বলিউডি তারকা নন। দেশের কোনও রাজনৈতিক নেতাও নন। কিংবা ক্রিকেট, ফুটবলের কোনও সুপারস্টারও নন। সুতরাং সামাজিক মাধ্যমে তাঁর যে অনুরাগীর সংখ্যা বেশি থাকবে এমন প্রত্যাশা করাটাই অন্যায়। অলিম্পিকে একটা সোনা জয়ই বদলে দিয়েছে আবহ। নীরজ চোপড়ার অনুরাগীর সংখ্যা একলাফে পৌঁছে গেছে আড়াই লক্ষর বেশি।আরও পড়ুনঃ লর্ডস টেস্টে হাজির থাকলেও কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না সৌরভ গাঙ্গুলিকে, কেন? জানতে পড়ুনঅলিম্পিকে যাওয়ার আগে ইনস্টাগ্রামে নীরজ চোপড়ার অনুরাগীর সংখ্যা ছিল ৫০এরও কম। টোকিও অলিম্পিকে যাওয়ার পর ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের এই পোস্টার বয়কে ফলো করতে শুরু করেন অনেকেই। আর সেই সংখ্যাটাআ রীতিমতো চোখ কপালে তোলার মতো জায়গায় পৌঁছে গেছে। ইতিমধ্যেই ইনস্টাগ্রামে নীরজ চোপড়ার অনুরাগীর সংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষর কাছাকছি পৌঁছে গেছে।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের আগে ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি বজরং পুনিয়া। কারন জানেন?সোনা জয়ী এই অ্যাথলিট অবশ্য অনুসরণ করেন মাত্র ১৬০ জনকে। এর মধ্যে অন্যতম হলেন বলিউডের দুই অভিনেতা অক্ষয় কুমার ও রনদীপ হুডা। রুপোলি পর্দার এই দুই তরকাকে ফলো করার বড় কারণ হল দুজনেই খেলাধুলা ও শরীরচর্চা ভালবাসেন। পঞ্চাশ বছর পার করলেও অক্ষয় কুমার এখনও নিয়মিত শরীরচর্চা করেন। রনদীপ হুডাও সময় পেলেই সাঁতার এবং ঘোড়সওয়ারি নিয়ে সময় কাটান। এক সময় জাতীয় স্তরে সাঁতার ও ঘোড়সওয়ারিতে পদকও জিতেছিলেন রনদীপ হুডা। তাই নীরজের পছন্দের তালিকায় রয়েছেন এই দুই অভিনেতা। নীরজ চোপড়ার অনুসরনের তালিকায় এই দুজন ছাড়াও রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, পিভি সিন্ধু, সাইনা নেহওয়াল, বীজেন্দ্র সিংহ, দীপক পুনিয়া, বক্সার মনোজ কুমার, মীরাবাই চানুর মতো ব্যক্তিত্বরা রয়েছেন। রয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোও।

আগস্ট ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

P & C Fashion Club : গ্রুমিং হয়ে গেল পি অ্যান্ড সি ফ্যাশন ক্লাবের

পি অ্যান্ড সি ফ্যাশন ক্লাব এই বছর হায়াতে আত্মপ্রকাশ করে। বিল্কিস পারভিনের মূল উদ্যোগে এখনে উপস্থিত হন মিসেস ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল রিচা শর্মা, হিডকোর চেয়ারম্যান দেবাশিস সেন, অভিনেত্রী পায়েল মুখার্জি সহ আরও অন্যান্যরা।আরও পড়ুনঃ অলিম্পিকের আগে ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি বজরং পুনিয়া। কারন জানেন?এই সংস্থাই এখনও পর্যন্ত ২৮ আগস্ট তাদের প্রতিযোগীদের ফাইনাল এবং গ্র্যাজুয়েশনের অনুষ্ঠান করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তার জন্য বেশ কিছু বড়ো বড়ো ব্র্যান্ড যুক্ত হয়েছে। ফাইনালের দিন র্যাম্প ওয়াকের পাশাপাশি তাদের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হবে। এই ফাইনালকে কেন্দ্র করে দুদিন ব্যাপী গ্রুমিং সেশনের আয়োজন করা হয়।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের সিরিজে এগিয়ে যাওয়া আটকে দিল বৃষ্টি৭ ও ৮ আগস্ট পুরো গ্রুমিং হয় হোটেল অ্যাভিনিউতে। এই গ্রুমিং সেশনে প্রতিযোগীদের র্যাম্প ওয়াক এবং পার্সোনালিটি ডেভেলপমেন্টের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই গ্রুমিং-এ যে কয়েকজন বিশেষ মানুষ উপস্থিত ছিলেন তারা হলেন স্বাগতা পাল, রাখী শ, সোমশুভ্র চক্রবর্তী, নাহিদা বেগম, জেবা শাহিদ হায়দার সহ আরও অনেকে।

আগস্ট ০৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Bajrang Punia : অলিম্পিকের আগে ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি বজরং পুনিয়া। কারন জানেন?‌

অলিম্পিকের আগে প্রস্তুতি টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়ে হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন। ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি। তা সত্ত্বেও টোকিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতে চমকে দিয়েছেন বজরং পুনিয়া।টোকিও অলিম্পিকের আগে পোল্যান্ডে র্যাঙ্কিং ইভেন্টে খেলতে গিয়েছিলেন বজরং পুনিয়া। লক্ষ্য ছিল অলিম্পিকের প্রস্তুতি। পোল্যান্ড থেকে তারপর চলে যান রাশিয়ায়। ২৫ জুন রাশিয়ায় আলি আলিয়েভ নামে একটা প্রতিযোগিতায় নেমেছিলেন প্রস্তুতির জন্য। সেমিফাইনালে ইওরোপীয়ান অনূর্ধ্ব ২৩ চ্যাম্পিয়নশিপে রুপো জয়ী আবুলমাঝিদ কুদিয়েভের বিরুদ্ধে বাউটের সময় ডানপায়ের হাঁটুতে চোট পান বজরং পুনিয়া। সেই চোটের জন্য প্রায় ২৫ দিন অনুশীলন করতে পারেননি। রাশিয়ার এক ছোট গ্রামে মস্কোর ভারতীয় দূতাবাসের সৌজন্যে রিহ্যাব করতে পেরেছিলেন।আরও পড়ুনঃ বার্সিলোনায় শেষ সাংবাদিক সম্মেলনে কেঁদে ফেললেন লিওনেল মেসিসেই ঘটনার কথা উল্লেখ করে বজরং বলেন, চোটের জন্য আমি প্রায় ২৫ দিন ট্রেনিং করতে পারিনি। এমনকি ঠিকভাবে দৌড়তেও পারছিলাম না। অলিম্পিকের আগে এতদিন অনুশীলন করতে না পারাটা একজন অ্যাথলিটের কাছে খুবই ক্ষতিকর। রাশিয়ার একটা প্রত্যন্ত গ্রামে রিহ্যাব করেছিলাম। মস্কোর ভারতীয় দূতাবাস অনুশীলনের প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জামের ব্যবস্থা করেছিল।আরও পড়ুনঃ আবেগে কেঁদে ফেললেন, মিলখা সিংকে সোনা উৎসর্গ নীরজ চোপড়ারঅলিম্পিকে ব্রোঞ্জ লড়াইয়ের আগে তাঁর কোচ ও ফিজিও বজরংকে পরামর্শ দিয়েছিলেন হাঁটুতে টেপ বেঁধে খেলতে। তাঁদের পরামর্শ উপেক্ষা করে বাউটে নেমেছিলেন বজরং। সেই কথা তুলে ধরে বজরং বলেন, আমার কোচ ও ফিজিও পরামর্শ দিয়েছিলেন ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে হাঁটুতে টেপ বেঁধে নামার। কিন্তু স্বস্তি পাব না বলে টেপ বাঁধিনি। টেপ বাঁধলে মনে হয় কেউ যেন শক্ত করে আমার পা ধরে রেখেছে। তাই কোচকে বলেছিলাম, চোট পেলে পরে বিশ্রাম নিতে পারব। কিন্তু পদক না পেলে সব পরিশ্রম বৃথা হয়ে যাবে। তাই ওদের পরামর্শ শুনিনি। দেশে ফিরে রিহ্যাব করবেন। তারপর বিশ্ব চাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতি শুরু করবেন এই ভারতীয় কুস্তিগীর। ২ থেকে ১০ অক্টোবর নরওয়ের ওসলোতে হবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ।

আগস্ট ০৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Neeraj Chopra : ‌আবেগে কেঁদে ফেললেন, মিলখা সিংকে সোনা উৎসর্গ নীরজ চোপড়ার

মাস দেড়েক আগে প্রয়াত হয়েছেন কিংবদন্তী অ্যাথলিট মিলখা সিং। খুব অল্পের জন্য তিনি স্বপ্নপূরণ করতে পারেননি। ১৯৬০ রোম অলিম্পিকে এগিয়ে থেকেও ২০০ মিটার দৌড়ে ফটো ফিনিশে চতুর্থ হয়েছিলেন। অলিম্পিক পদকের স্বপ্ন হাতছাড়া হয়েছিল। জীবনের শেষবেলায় চেয়েছিলেন টোকিও অলিম্পিকে তাঁর সেই অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ হোক। মৃত্যুর আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, টোকিও অলিম্পিকে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ভারতীয় অ্যাথলিটদের গলায় সোনার পদক দেখতে চান। তাঁর ইচ্ছে পূরণ হল। কিন্তু দেখে যেতে পারলেন না মিলখা সিং। অলিম্পিকে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে দেশকে সোনা এনে দিয়ে সেই মিলখা সিংকেই উৎসর্গ করলেন নীরজ চোপড়া।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়া১২১ বছর পর অলিম্পিকের ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে জ্যাভেলিনে দেশকে সোনা এনে দিয়েছেন নীরজ চোপড়া। ইতিহাস রচনাকারী জ্যাভলিন থ্রোয়ারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ গোটা দেশ। ১৩ বছর পর অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে সোনা জয়ের আবেগে ভেসেছেন দেশের ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ। আবেগতাড়িত হয়েছেন নীরজ নিজেও। শুধু মিলখা সিংকে নিজের সোনা উৎসর্গ করে থেমে থাকেননি, জাতীয় সঙ্গীত চলাকালীন আবেগে কেঁদে ফেলেন এই ভারতীয় অ্যাথলিট।আরও পড়ুনঃ বাবাকে দেওয়া কথা রেখে ব্রোঞ্জ জিতলেন বজরং পুনিয়াঅলিম্পিকের নিয়ম অনুযায়ী কোনও ইভেন্টের পুরস্কার বিতরণীতে কেবলমাত্র সোনাজয়ী দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। তিন পদকজয়ী দেশের মধ্যে সবার ওপরে থাকে সোনাজয়ী দেশের জাতীয় পতাকা। পুরস্কার বিতরণীর ঐতিহাসিক মুহূর্তে জাতীয় সঙ্গীত বাজার সময় নীরজ নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। পোডিয়ামে দাঁড়িয়ে কেঁদে ফেলেছিলেন এই ভারতীয় অ্যাথলিট।আরও পড়ুনঃ বাভারতীয় হকির পুনর্জন্মে নেপথ্য নায়ক নবীন পট্টনায়েকটোকিও অলিম্পিকের জ্যাভলিন থ্রো-র ফাইনালে কেবল সোনা জেতাই লক্ষ্য ছিল না নীরজ চোপড়ার। শনিবার তিনি দেশের হয়ে আলাদা কিছু করতে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি। অলিম্পিক রেকর্ড ভাঙতে চেয়েছিলেন। তা না হলেও বিশ্বমঞ্চে ভারতকে সম্মানিত করতে পেরে নিজেকে গর্বিত বলে মনে করছেন নীরজ চোপড়া। নীরজের দুর্দান্ত জয়ে উচ্ছ্বসিত হন স্টেডিয়ামে হাজির তাঁর কোচ সহ অন্যান্য ভারতীয়রা। সেখান থেকেই এক তেরঙা সংগ্রহ করে তা গায়ে জড়িয়ে এ প্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে ছুটে বেড়ান আনন্দে আপ্লুত নীরজ। জড়িয়ে ধরেন প্রতিদ্বন্দ্বীদেরও। ভারতীয় অ্যাথলিটকে এগিয়ে এসে শুভেচ্ছা জানান একে একে সব দেশের জ্যাভলিন থ্রোয়াররা।

আগস্ট ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Bajrang Punia : বাবাকে দেওয়া কথা রেখে ব্রোঞ্জ জিতলেন বজরং পুনিয়া

সেমিফাইনালে হাজি আলিয়েভের কাছে হারের পর টোকিও থেকে বাবার সঙ্গে কথা বলেছিলেন বজরং পুনিয়া। বাবা বলবন সিংকে কথা দিয়েছিলেন ব্রোঞ্জ জিতেই টোকিও থেকে দেশে ফিরবেন। কথা রাখলেন ভারতের এই কুস্তিগীর। পুরুষদের কুস্তিতে ৬৫ কেজি ফ্রিস্টাইল বিভাগে কাজাখস্তানের দাউলেত নিয়াজবেকভকে ৮০ ব্যবধানে উড়িয়ে ব্রোঞ্জ জিতেছেন বজরং পুনিয়া। সোনা কিংবা রুপো হাতছাড়া হলেও অবশেষে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে সফল এই ভারতীয় কুস্তিগীর।সেমিফাইনালে হাজি আলিয়েভের বিরুদ্ধে ডিফেন্সের ভুলে হারতে হয়েছিল বজরংকে। বেশি ওপেন খেলতে গিয়ে ডিফেন্সের দিকে তেমন নজর দেননি। সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে কাজাখস্তানের দাউলেত নিয়াজবেকভের বিরুদ্ধে নিজের সেরাটা উজার করে দেন বজরং পুনিয়া। দুর্দান্ত আক্রমনাত্মক রণনীতিতে বাজিমাত করে দেন। বজরংয়ের আক্রমনাত্মক খেলার সামনে এদিন দাঁড়াতেই পারেননি দাউলেত নিয়াজবেকভ।আরও পড়ুনঃ টোকিওতে সোনা জিতে ইতিহাস গড়লেন পোস্টার বয় নীরজ চোপড়ানিয়াজবেকভের বিরুদ্ধে এদিন প্রথম পর্বেই ২০ ব্যবধানে এগিয়ে যান। পরে ডান পা দিয়ে আক্রমণের পাশাপাশি হেডলক করেন। এই মুভই বজরংকে ৬০ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়। পরে পরিকল্পনা বদলে বাঁ পা দিয়ে আক্রমণ করে ২ পয়েন্ট তুলে নিয়ে ব্রোঞ্জ নিশ্চিত করেন বজরং। সেমিফাইনালে সেভাবে ছন্দে পাওয়া যায়নি বজরংকে। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে উজার করে দিয়েছিলেন। চলতি অলিম্পিকে দেশের হয়ে তিনি চতুর্থ ব্রোঞ্জ জিতলেন।২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে সর্বকালের সেরা পারফরমেন্স করেছিল ভারত। দুটি রুপো ও চারটি ব্রোঞ্জ সহ মোট ৬টি পদক জিতেছিল দেশ। বজরং পুনিয়ার ব্রোঞ্জের পর নীরজ চোপড়ার সোনার হাত ধরে পদক জয়ের নিরিখে টোকিও অলিম্পিকে নতুন রেকর্ড গড়ল টিম ইন্ডিয়া। একটি সোনা, দুটি রুপো এবং চারটি ব্রোঞ্জ সহ চলতি অলিম্পিকে ভারতের সর্বমোট পদক সংখ্যা সাতে পৌঁছে গেল।আরও পড়ুনঃ প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থেকে চালকের আসনে ভারতসেমিফাইনালে হারের পর বাবার সঙ্গে কথা বলেছিলেন বজরং। বলবন ছেলেকে বলেছিলেন, ফোকাস না হারিয়ে ব্রোঞ্জের লড়াইয়ের জন্য তৈরি হতে। বজরং বাবাকে কথা দিয়েছিলেন, ব্রোঞ্জ জিতেই দেশে ফিরবেন। বাবাকে দেওয়া কথা রেখেছেন এই ভারতীয় কুস্তিগীর। বলবন সিং বলেন, বজরং আমার স্বপ্নের কথা হয়তো বুঝতে পেরেছিল। আমার হৃদয় বলছিল ও ব্রোঞ্জ জিতবে আমি সকালেই সবাইকে সেকথা বলেছিলাম। আমার সেই স্বপ্নটাই শেষ পর্যন্ত সত্যি হল। ছেলে দেশকে গর্বিত করেছে। আমি কতটা খুশি বোঝাতে পারব না। সেমিফাইনালে হারের পর আমাকে বলেছিল ব্রোঞ্জ নিয়েই দেশে ফিরবে। কথা রেখেছে বজরং।

আগস্ট ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • ...
  • 37
  • 38
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের হদিস! জুতোর ব্যবসার আড়ালে চলত ভয়ঙ্কর খেলা

খাস কলকাতায় পাক গুপ্তচর চক্রের বড় পর্দাফাঁস করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। আইএসআই-এর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে এন্টালির বাসিন্দা জাফর রিয়াজকে। তদন্তে উঠে এসেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।জানা গিয়েছে, কলকাতায় জুতোর ব্যবসা করত জাফর। তার দুটি কারখানাও ছিল। কিন্তু সেই ব্যবসার আড়ালেই চলত গুপ্তচরবৃত্তির কাজ। নিজের নামে সিম কার্ড তুলে তা পাকিস্তানের গোয়েন্দা অফিসারদের হাতে পৌঁছে দিত সে।তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, জাফরের বিয়ে হয়েছিল পাকিস্তানের লাহোরের বাসিন্দা রাবিয়া জাফফার নামে এক মহিলার সঙ্গে। বিয়ের পর ২০১২ সাল পর্যন্ত তারা কলকাতাতেই থাকত। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বর্তমানে তারা লাহোরেই পড়াশোনা করছে।২০১২ সালে একটি পথ দুর্ঘটনার পর জাফরের ব্যবসায় বড় ক্ষতি হয়। আর্থিক সমস্যার কারণে স্ত্রীকে লাহোরে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় সে। এরপর থেকেই পাকিস্তানে তার যাতায়াত বাড়তে থাকে। এমনকি পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেওয়ার চেষ্টাও করছিল বলে জানা গিয়েছে।তদন্তে দাবি, এই সুযোগকেই কাজে লাগায় পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। টাকার লোভ দেখিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির কাজে নামানো হয় জাফরকে।পরবর্তীতে কলকাতার বাড়ি বিক্রি করে প্রথমে দিল্লি এবং পরে পঞ্জাবে ঘাঁটি গাড়ে সে। তবে শেষ পর্যন্ত গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ২০২২ সালে পঞ্জাব পুলিশের বিশেষ অভিযানকারী দল জাফর ও তার সহযোগী মহম্মদ শামশেদকে গ্রেফতার করে। ধৃত শামশেদ বিহারের মধুবনির বাসিন্দা।তদন্তকারীদের দাবি, জাফর ভারতের বিভিন্ন সেনা ছাউনি, সামরিক দফতর এবং জওয়ানদের গতিবিধির ছবি ও ভিডিও তুলে সরাসরি আইএসআই-এর কাছে পাঠাত। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভুয়ো পরিচয়ে ভারতীয় সিম কার্ড সংগ্রহ করে তার ওটিপি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের কাছে পাঠানো হত।সেই নম্বর ব্যবহার করে পাকিস্তানের গুপ্তচররা সুন্দরী মহিলাদের ছবি দিয়ে ভুয়ো হোয়াটসঅ্যাপ প্রোফাইল তৈরি করত। এরপর ভারতীয় সেনার জওয়ানদের প্রেমের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা চলত। তদন্তকারীদের দাবি, এই গোটা হানি ট্র্যাপ চক্রের মূল মাথাদের অন্যতম ছিল জাফর।বর্তমানে ধৃতদের জেরা করে এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং গোটা নেটওয়ার্ক কতটা বড়, তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা।

মে ২১, ২০২৬
বিদেশ

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর তুমুল ঝামেলা! ফোনালাপেই চড়ল উত্তেজনা

ইরান যুদ্ধ নিয়ে এবার প্রকাশ্যে আসছে আমেরিকা ও ইজরায়েলের মধ্যে বড় মতবিরোধের ইঙ্গিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এই ইস্যুতে তীব্র মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে দাবি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের এক রিপোর্টে। এমনকি সম্প্রতি দুই রাষ্ট্রনেতার দীর্ঘ ফোনালাপের সময় উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ও হয়েছে বলে খবর।যদিও এই ফোনালাপ নিয়ে এখনও পর্যন্ত আমেরিকা বা ইজরায়েলের তরফে কোনও সরকারি বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর অবস্থান একেবারেই আলাদা।সূত্রের খবর, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এখনও ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে চান। তাঁর মতে, তেহরানের সামরিক শক্তি ও পরিকাঠামো আরও দুর্বল না করা পর্যন্ত অভিযান থামানো উচিত নয়। ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকেও চাপে ফেলতে চাইছে তেল আভিভ।অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাকি এই মুহূর্তে নতুন করে যুদ্ধ বাড়ানোর পক্ষপাতী নন। তিনি কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চাইছেন। যদিও ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আলোচনায় সমাধান না এলে আমেরিকা আরও বড় হামলা চালাতে পিছপা হবে না।রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে জানিয়েছেন যে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি বিশেষ চুক্তিপত্র তৈরির চেষ্টা চলছে। সেখানে আমেরিকা ও ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে পারে। এরপর শুরু হতে পারে ৩০ দিনের আলোচনা পর্ব।সেই আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং পশ্চিম এশিয়ার সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে ইজরায়েল সরকারের একাধিক সূত্রের দাবি, ট্রাম্পের এই কৌশলে একেবারেই সন্তুষ্ট নয় তেল আভিভ। বরং এই পরিকল্পনায় হতাশ নেতানিয়াহু। তিনি আগের পরিকল্পনা অনুযায়ী ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়ার পক্ষেই রয়েছেন।এই পরিস্থিতিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সম্পর্ক নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মহলে। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের মতো স্পর্শকাতর ইস্যুতে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের মতবিরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় ফের বৃষ্টির দাপট! উত্তরবঙ্গে অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা, দক্ষিণে বাড়বে অস্বস্তি

গত কয়েকদিন ধরে বাংলার একাধিক জেলায় দিনের বেলায় তীব্র গরম আর বিকেলের দিকে ঝড়-বৃষ্টি দেখা যাচ্ছে। তবে এতেও গরম থেকে এখনই স্বস্তি মিলবে না বলেই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস। বরং আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিম বিহারের উপরেও রয়েছে আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত। এই জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবেই উত্তরবঙ্গের আবহাওয়ায় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে।বৃহস্পতিবার থেকে আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে শুক্রবার, শনিবার এবং রবিবার জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের কিছু অংশে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে হাওয়া অফিস।দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় মঙ্গলবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টি চলতে পারে। অন্যদিকে মালদহ, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তবে দক্ষিণবঙ্গের জন্য খুব একটা সুখবর নেই। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া আরও কিছুদিন বজায় থাকবে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও তা খুব অল্প সময়ের জন্য হবে। ফলে গরম থেকে স্থায়ী স্বস্তি মিলবে না।সবচেয়ে বেশি গরম ও অস্বস্তি অনুভূত হবে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলায়। কলকাতা-সহ উপকূলের জেলাগুলিতে আর্দ্রতার কারণে ভ্যাপসা গরম আরও বেশি অনুভূত হবে। আবহাওয়াবিদদের মতে, উপকূলবর্তী এলাকায় বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় অস্বস্তি অনেকটাই বাড়বে।

মে ২১, ২০২৬
কলকাতা

“দিল্লির কোন বাবা বাঁচাবে?” অভিষেকের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হাই কোর্ট, বড় নির্দেশ বিচারপতির

ভোট প্রচারে করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে কলকাতা হাই কোর্টে বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও আপাতত তাঁকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত, তবে একাধিক শর্তও বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আগামী ৩০ জুলাই পর্যন্ত তিনি বিদেশ যেতে পারবেন না।ঘটনার সূত্রপাত ২৭ এপ্রিল। ওইদিন আরামবাগে ভোট প্রচারে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আক্রমণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উদার। আমি উদার নই। এবার বিষয়টা আমি দেখে নেব। ৪ মে ১২টার পর দেখব দিল্লির কোন বাবা বাঁচায়।সরকার পরিবর্তনের পর ওই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার ক্রাইম শাখায় অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। এরপরই রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সাংসদ। বৃহস্পতিবার ছিল সেই মামলার শুনানি।শুনানির সময় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য অভিষেকের মন্তব্য নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তিনবারের সাংসদ এবং একজন উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক নেতা কীভাবে এমন মন্তব্য করতে পারেন। বিচারপতির বক্তব্য, ৪ মে যদি ভোটের ফল অন্যরকম হত, তাহলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতে পারত।এরপর অভিষেকের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বলেন, অমিত শাহও তো অনেক কিছু বলেন। সেই প্রসঙ্গেই বিচারপতি ফের কড়া মন্তব্য করেন।শুনানির সময় বিচারপতি আরও বলেন, মানুষ ভালোর কথা ভেবেই ২০১১ সালে পরিবর্তন এনেছিল। এর উত্তরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মানুষ ২০২৬ সালেও ভালোর কথাই ভেবেছে। তখন বিচারপতি মন্তব্য করেন, সেটা সময় বলবে।তবে আদালত আপাতত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারি থেকে সুরক্ষা দিয়েছে। পাশাপাশি তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা ডাকলে তাঁকে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে। ভারচুয়ালি হাজিরার আবেদনও আদালত খারিজ করে দিয়েছে।এছাড়াও আদালত জানিয়েছে, অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করতে হলে অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে। এখন এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

সরকারি গাড়ি ছেড়ে বাসে চড়লেন জেলাশাসক! মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে যেতে পুরুলিয়ার অভিনব সিদ্ধান্ত

জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তা মেনে এবার অভিনব উদ্যোগ নিল পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে সরকারি গাড়ির বদলে বাসে চড়ে দুর্গাপুর রওনা দিলেন জেলার আমলা ও পুলিশ কর্তারা। বৃহস্পতিবার সকালে এই ছবি ঘিরে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে প্রশাসনিক মহলে।সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর কাছে আহ্বান জানিয়েছিলেন, যতটা সম্ভব জ্বালানি বাঁচাতে হবে এবং যাতায়াতে গণপরিবহনকে গুরুত্ব দিতে হবে। তারই মধ্যে চলতি মাসের ১৮ তারিখ রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়ালও সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমানোর নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশ মেনেই এবার একসঙ্গে বাসে চড়ে দুর্গাপুরে রওনা দিল পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন।বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে দশটা নাগাদ জেলা প্রশাসনিক ভবন থেকে দুটি বাসে করে রওনা দেন জেলাশাসক, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক এবং বিডিওরা। একইভাবে পুলিশের আধিকারিকরাও গাড়ির সংখ্যা কমিয়ে বৈঠকে যোগ দিতে যান।পুরুলিয়ার জেলাশাসক সুধীর কোন্থম বলেন, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা অনুযায়ী জ্বালানির খরচ কমাতে হবে। পাশাপাশি রাজ্যের তরফেও সরকারি গাড়ির ব্যবহার কমানোর নির্দেশ রয়েছে। আমরা সেই নির্দেশ মেনেই বাসে করে দুর্গাপুর যাচ্ছি।তিনি আরও বলেন, এটা শুধু সরকারি নির্দেশ পালন নয়, সাধারণ মানুষের কাছেও একটি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা। কম খরচে এবং কম জ্বালানিতে কীভাবে কাজ করা যায়, সেটাই দেখাতে চাইছি।দুপুর দুটো নাগাদ দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ওই বৈঠকে পশ্চিমাঞ্চলের পাঁচ জেলা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। বিডিওদের পাশাপাশি থাকবেন ওসি, আইসি, বিধায়ক এবং সাংসদরাও।প্রশাসন সূত্রে খবর, ওই বৈঠক থেকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব প্রশাসনিক খরচ কমানো নিয়ে সাত দফা নির্দেশ জারি করেছেন। সেই অনুযায়ী প্রতিটি জেলা প্রশাসন এবং সরকারি দফতরকে আগামী অর্থবর্ষের জন্য তাৎক্ষণিক, মধ্যবর্তী এবং দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুক্রবারের মধ্যে সেই রিপোর্ট মুখ্যসচিবের দপ্তরে জমা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১ জুলাই থেকে প্রতি মাসে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট পাঠানোর নির্দেশ রয়েছে।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

ফলতায় ভোটের আগেই ‘গায়েব’ পুষ্পা জাহাঙ্গির! বুথে বুথে নেই তৃণমূল এজেন্ট, হাসিমুখে ঘুরছেন বিজেপির দেবাংশু

ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুনর্নির্বাচনে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেখা গেল একেবারে অন্য ছবি। অধিকাংশ বুথে তৃণমূলের কোনও এজেন্টই ছিলেন না। অন্যদিকে ২৮৫টি বুথেই বিজেপির এজেন্টদের দেখা যায়। এই পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পাণ্ডা। সকাল থেকেই তিনি এলাকায় ঘুরে বেড়ান খোশমেজাজে। কোথাও ঘুগনি-মুড়ি খেয়ে ভোটের পরিবেশ উপভোগ করতে দেখা যায় তাঁকে।ভোট দিতে আসা সাধারণ মানুষের মধ্যেও এদিন কোনও আতঙ্ক বা উত্তেজনার ছবি দেখা যায়নি। অনেকেই উৎসবের মেজাজে ভোট দেন। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় এদিন পরিবেশ ছিল শান্তিপূর্ণ।ফলতা কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল জাহাঙ্গির খানের। ভোটের আগে তাঁকে নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। নিজেকে পুষ্পা বলেও পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। সেই সময় প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর সংঘাতের ঘটনাও শিরোনামে আসে। তবে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাজনৈতিকভাবে অনেকটাই নীরব হয়ে যান জাহাঙ্গির। কয়েকদিন আগেই সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি জানান, পুনর্নির্বাচনের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, অনেক শুনেছিলাম, খুব ধুরন্ধর নাকি! এখন কোথায় গেল? পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু করতে পারে। কিন্তু পুলিশ ছাড়া লড়াই করার ক্ষমতা সবার থাকে না। আমরা লড়েছি, জিতেও এসেছি।গত এপ্রিল মাসে হওয়া বিধানসভা নির্বাচনের সময় বাংলার একাধিক বুথে বিরোধী দলের এজেন্ট না থাকার অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় অভিযোগ ছিল, শাসকদলের কর্মী-সমর্থকেরা বিরোধীদের বুথে বসতে দেয়নি। মাত্র এক মাসের মধ্যেই রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পুরো বদলে গিয়েছে। এখন রাজ্যে বিজেপির সরকার। আর ফলতার ভোটে দেখা গেল উল্টো ছবি।উল্লেখ্য, ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ৩৬ হাজার ৪৪৪। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ২১ হাজার ৩০০ জন। মহিলা ভোটারের সংখ্যা ১ লক্ষ ১৫ হাজার ১৩৫। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ৯ জন ভোটার রয়েছেন এই কেন্দ্রে।

মে ২১, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী হয়েই বেলুড় মঠে শুভেন্দু! প্রেসিডেন্ট মহারাজের পায়ে হাত দিয়ে নিলেন আশীর্বাদ

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এবার প্রথমবার বেলুড় মঠে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার সকালে প্রশাসনিক বৈঠকের আগে বেলুড় মঠে পৌঁছন তিনি। সেখানে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজ গৌতমানন্দজির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে আশীর্বাদ নেন শুভেন্দু।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে রামকৃষ্ণ মিশনের সম্পর্ক বহুদিনের। কলকাতায় এলেই তিনি সময় করে বেলুড় মঠে যান। সেই পথেই এবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বেলুড় সফর রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।এদিন শুভেন্দুর সঙ্গে ছিলেন বিশিষ্ট চিকিৎসক নারায়ণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বেলুড় মঠে পৌঁছতেই সন্ন্যাসীরা তাঁকে স্বাগত জানান। মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে সাধারণ দর্শনার্থীদের মধ্যেও উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। শুভেন্দুও সকলকে জোড় হাত করে প্রণাম জানান।মঠে ঢুকে প্রথমে মূল শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরে যান মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে আরতি দেখেন এবং পুজো দেন। এরপর স্বামী বিবেকানন্দের স্মৃতিবিজড়িত ঘরে গিয়ে প্রণাম জানান। একে একে স্বামী ব্রহ্মানন্দ মন্দির এবং মা সারদাদেবীর মন্দিরেও পুজো ও প্রণাম করেন তিনি।সবশেষে রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট মহারাজের ঘরে গিয়ে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান শুভেন্দু অধিকারী। মঠ সূত্রে খবর, প্রেসিডেন্ট মহারাজের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই প্রশাসনিক কাজকর্মে ব্যস্ত শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার তাঁর হাওড়া ও দুর্গাপুরে একাধিক প্রশাসনিক বৈঠকের সূচি রয়েছে। বেলুড় মঠ সফর শেষে তিনি হাওড়ার শরৎ সদনে প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিতে রওনা দেন। সেখানে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করেন তিনি। এরপর দুর্গাপুরেও প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর।

মে ২১, ২০২৬
দেশ

দেশে ফিরেই বড় বৈঠকে মোদী! মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলের জল্পনা, বাংলা থেকে কি আসছেন নতুন মুখ?

বিদেশ সফর শেষ করে আজ দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর দেশে ফিরেই তিনি বসতে চলেছেন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য সব কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দিল্লিতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, এই বৈঠকে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান সংঘাত পরিস্থিতি এবং তার প্রভাবে ভারতের অর্থনীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং তার প্রভাব নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার উদ্বিগ্ন। তেলের দাম, জ্বালানি সরবরাহ এবং মুদ্রাস্ফীতির পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে। বিদেশ সফর থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রী মোদী গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন বলেই মনে করা হচ্ছে।এছাড়াও বৈঠকে বিভিন্ন মন্ত্রকের গত দুই বছরের কাজের রিপোর্টও পর্যালোচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেই মূল্যায়নের ভিত্তিতে মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।বেশ কিছুদিন ধরেই দিল্লির রাজনৈতিক মহলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ ও রদবদল নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সূত্রের খবর, আগামী জুন মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে মন্ত্রিসভায় বড়সড় পরিবর্তন হতে পারে। কয়েকজন মন্ত্রীর দায়িত্ব বদল বা নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সাফল্যের পর বাংলা থেকে নতুন কোনও মুখকে পূর্ণমন্ত্রী করা হতে পারে বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাংলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই কেন্দ্র এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।এই আবহে আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দিল্লি সফর নিয়েও জল্পনা আরও বেড়েছে। যদিও তাঁর সফরের সরকারি কারণ নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি, তবু রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal