• ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ২২ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mamata

রাজনীতি

বিশ্বাসঘাতক-মীরজাফরেই শুভেন্দুকে তোপ সৌগত- ফিরহাদের

তৃণমূল কংগ্রেস থেকে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় কাঁথিতে মিছিল ও জনসভা করল তৃণমূল কংগ্রেস। অধিকারীগড়ে সমাবেশ করে তৃণমূল বার্তা দিল আপাতত অখিল গিরিদের হাতেই থাকছে পূর্ব মেদিনীপুরে দলের ক্ষমতা। এই জনসভায় ছিলেন না তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ শিশির অধিকারী ও অপর সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। তৃণমূল নেতৃত্ব শুভেন্দুকে বিশ্বাসঘাতক ও মিরজাফর তকমাতে অনড় থাকলেন। বক্তারা টানা নিশানা করে গেলেন প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রীকে। পদ্ম শিবিরে যোগ দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবারই পূর্বস্থলীতে বিজেপির হয়ে জনসভায় প্রথম বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। শুভেন্দু মেদেনীপুরে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার দিন থেকে ভাইপো হটাওয়ের ডাক দিচ্ছেন। এদিকে এদিনের সভায় মূল দুই বক্তা সাংসদ সৌগত রায় ও মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বক্তব্যের প্রতি লাইনেই তুলোধোনা করেন দলের প্রাক্তন সেনানীকে। আগাগোড়া তোপ দাগলেন। শুভেন্দুকে ছাড়াই পূর্ব মেদিনীপুরে বিধানসভা নির্বাচনে ১৬ আসনেই জয়ী হবে তৃণমূল সেকথা ঘোষণা করেন ফিরহাদ। এদিনের সভায়ও ফিরহাদ হাকিম বিশ্বাসঘাতক বলে চিহ্নিত করেন শুভেন্দুকে। সৌগত রায় মীরজাফর বলে অভিহিত করেন। ফিরহাদ বলেন, শুভেন্দু বিশ্বাসঘাতক, এর জন্য আ্মরা ক্ষমা চাইছি। মমতাকে নয়, শুভেন্দু সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়েছে। পরিবারতন্ত্রের কথা বলছেন শুভেন্দু, কিন্তু ২০০৯-তে কীভাবে মনোনয়ন পেলেন তিনি। শিশির অধিকারীর ঘরে জন্ম না নিলে কোনও দিন শুভেন্দু অধিকারী হতে পারতেন না। ফিরহাদের কথায়, মেদিনীপুরের সবাই বলছেন কোনও রাজার প্রজা হয়ে থাকতে হবে না। অমরা সবাই রাজা এই রাজার রাজত্বে। দল ছাড়ার আগে সৌগত রায়ের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকে কোনও সুরাহা হয়নি। এদিন শুভেন্দুকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন সৌগত রায়। দমদমের সাংসদ বলেন, শুভেন্দু মমতাকে ছেড়ে চলে গেল। ও মীরজাফরদের দলে নাম লিখিয়েছে। মানুষ মীরজাফরদের মেনে নেয় না। মুখে সতীশ সামন্তের কথা বলছে, কিন্তু চলে গেল শ্যামাপ্রসাদের দলে। এটাই কী আদর্শ-নীতির রাজনীতি? কাঁথি কোনও পরিবারের সম্পত্তি নয় বলেও জানিয়ে দেন সৌগত রায়। তিনি শুভেন্দুকে কোনও বড় পালোয়ান বলতে নারাজ, তাঁর মতে, অখিল গিরিই বড় পালোয়ান। কাঁথির মানুষ মমতার পাশেই থাকবেন বলে মনে করে সৌগতবাবু। এই জনসভায় যে শুভেন্দুকে কড়া বার্তা দেওয়া হবে তা রাজনৈতিক মহল অবগত ছিল। অখিলি গিরি জানিয়েছিলেন, শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী কনসেন্ট দেয়নি সভায় থাকার বিষয়ে। এদিকে তাঁরা জানিয়েছেন, এই সভার বিষয়ে তাঁদের জানানোই হয়নি। অভিজ্ঞ মহলের মতে, যে সভায় ছেলেকে লাগামছাড়া শব্দে আক্রমণ করা হবে সেখানে কী থাকতে পারেন সাংসদ বাবা। তাছাড়া শিশির অধিকারীকে বিশ্রাম নিতে পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

"অমিত শাহ বাউলের গান শুনেছেন, কিন্তু মনের কথা শোনেননি"

রাজ্যে দল ভাঙা-গড়ার কাজ চলছে জোরকদমে। কে কোন দলে আছেন, আর নেই তা বোঝাই দায় হয়ে পড়েছে। ঘনঘন জার্সি বদল চলছে খেলার মযদানের মতোই। বুধবার তৃণমূল ভবনে এক প্রশ্নের জবাবে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়(partha chatterjee) বিজেপির উদ্দেশে বলেন, নিজের সংগঠনের ওপর জোর নেই। আগে নিজের ঘর সামলাও পরে অন্যের দিকে নজর দেবে। জঞ্জাল দিয়ে দলটা ভর্তি করছে, তা ভবিষ্য়তই বলবে। কাটমানি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পার্থ বলেন, ওরা সব কিছুতেই কাট দেখে। বিজেপি তুমি বাংলা থেকে কাটো। সম্প্রতি দুদিনের বাংলা সফরে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ( amit shah)। শান্তিনিকেতনে য়ে বাউলের গান শুনেছেন তিনি এখন তৃণমূল শিবিরে। পার্থ চট্টেপাধ্যায় বলেন, অমিত শাহ পুরো ড্রামা করেছেন। গান শুনেছেন বাউলের। কিন্তু বাউলের মনের কথা শোনেননি তিনি। মনের কথা না শোনা বাহুবলী নীতি বিজেপির। কাউকে জোর করে আনা আর মন থেকে আসা পুরো আলাদা। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বারে বারে বাংলায় আসছে। তৃণমূল মহাসচিবের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের জন্য কিছু ভাবছে না বিজেপি। যা ভাববে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের কর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়াবে। বাংলার আইন-শৃঙ্খলা এত ভাল যে বারবার ওদের আসতে হচ্ছে। কে ভোগী আর ত্যাগী মানুষ তাঁর জবাব দেবে। মিথ্যা-অপপ্রচার করছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস কে গেল আর কে এল এসব নিয়ে ভাবে না।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

সায়ন্তনের পর অগ্নিমিত্রাকে শোকজ, কেন এই পদক্ষেপ বিজেপির?

একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস সহ বাম-কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগপর্ব চলছে। একইসঙ্গে চলছে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে শোকজের পালা। মঙ্গলবার সায়ন্তনসহ তিনজনকে শোকজ করার পর বুধবার শোকজ করা হল রাজ্য মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে। রাজ্য বিজেপি জানিয়েছে, দলবিরোধী মন্তব্যের জন্য অগ্নিমিত্রাকে শোকজ করা হযেছে। ১৮ ডিসেম্বর তিনি সংবাদ মাধ্যমে ওই মন্তব্য করেছিলেন। তবে কী মন্তব্য করার জন্য তাঁকে শোকজ করা হয়েছে তা সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া চিঠিতে লেখা নেই। চিঠিতে অগ্নিমাত্রা পালকে বলা হযেছে ৭ দিনের মধ্যে দিলীপ ঘোষের কাছে তাঁকে জবাব দিতে হবে। উত্তর সন্তোষজনক না হলে দল কঠোর শাস্তি দেবে বলেও তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুকে শোকজ করে রাজ্য নেতৃত্ব। তাঁকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল। শুভেন্দু তৃণমূল ছাড়ার পরপরই জিতেন্দ্র তেওয়ারী তৃণমূল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর বিজেপি যোগের সম্ভাবনা প্রবল হয়। তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ সুনীল মন্ডলের বাড়িতে তাঁরা বৈঠকও করেন। কিন্তু তারপরই আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়, সায়ন্তন বসু, অগ্নিমিত্রা পাল জিতেন্দ্রকে নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে আপত্তি জানান। বাবুল তো সরাসরি তাঁর আপত্তির কথা জানিয়ে দেন। বাকিরা সেই মতকে সমর্থন করে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সম্ভবত এই কারণেই অগ্নিমিত্রা পালকে শোকজ করা হল।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষের পদত্যাগের হুঁশিয়ারি, শোরগোল তৃণমূলে

জেলার এক সাংসদ ও দুই বিধায়ক বিজেপি শিবিরে যোগ দিয়েছেন। এবার পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের এক কর্মাধ্যক্ষ। দলের জেলা সাধারণ সম্পাদিকার পদ ছেড়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারিতে তোলপাড়। এবার বেসুরো পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মিঠু মাঝি। মঙ্গলবার মিঠু মাঝি জানিয়ে দিলেন কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে পদত্যাগ করবেন। তবে তিনি পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের নারী ও শিশু এবং সমাজ কল্যাণ দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ পদ ছাড়লেও দল থেকে পদত্যাগ করছেন না। মিঠু মাঝি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অপমানিত হচ্ছেন। তাঁকে না জানিয়েই সব কাজ করা হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়েই তিনি এই কর্মাধ্যক্ষের পদ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আরও পড়ুন-- আমাকে বিধায়কের টিকিট দেওয়ার দরকার নেই-শুভেন্দু মিঠু পরপর দুবার জেলাপরিষদের জামালপুর আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে তিনি বন ও ভূমি দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ হিসাবে কাজ করেছেন। কিন্তু শেষ পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি জয়লাভ করার পর তাঁকে নারী ও শিশু, সমাজকল্যাণ দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ করা হয়। কিন্তু তাঁকে কোনো কিছু না জানিয়েই সবরকমের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তাঁর দপ্তরের অধীন যে সমস্ত বিষয় সে সম্পর্কেও তাঁকে কিছু জানানো হচ্ছে না। সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই তাঁকে জানানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন মিঠু মাঝি। আরও পড়ুন-- তোলা না পেয়ে মারধরের অভিযোগ, খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি তাঁর অভিযোগ, আমাকে না জানিয়েই গতবছর সবলা মেলা গলসিতে করা হয়েছিল। এবছর সবলা মেলা করা হচ্ছে মেমারির সাতগেছিয়ায়। কিন্তু এবিষয়েও আমাকে কিছুই আগাম জানানো হয়নি। সবকিছু ঠিক করে আমাকে জানানো হয়েছে। এভাবে দিনের পর দিন আমি আর উপেক্ষার পাত্রী হয়ে থাকতে রাজি নই। গোটা বিষয়টি আমি দলের জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথসহ জেলা নেতৃত্ব এমনকি খোদ সভাধিপতিকেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনে সুরাহা হয়নি। এমনকি এব্যাপারে কথা তোলায় আ্মাকে কার্যত অপমানিতও করা হয়। আরও পড়ুন-- প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর মিঠু জানিয়েছেন, তিনি ত্রাণ বিভাগেরও কর্মাধ্যক্ষ। সাম্প্রতিককালে আমফানে ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্যের জন্য তিনি প্রতিটি জেলা পরিষদ সদস্যকে ৫টি করে ত্রিপল দেবার দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে অপমান করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই তিনি সরকারি অর্থ খরচ করে প্রতিদিন জেলা পরিষদে আসা তিনি মানতে পারছেন না। তাই বাধ্য হয়েই তিনি পদত্যাগ করছেন। যদিও তিনি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফা দিলেও তিনি তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদিকা হিসাবে এবং জেলা পরিষদের সদস্য হিসাবেই কাজ করে যাবেন। এমনকি তিনি তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলেও যাচ্ছেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন। এই বিষয়ে জেলা সভাধিপতি শম্পা ধাড়া বলেন, এখনও এব্যাপারে আমাকে কিছু জানানো হয়নি। জেলা পরিষদের সব কর্মাধ্যক্ষই নিজের মত স্বাধীনভাবে কাজ করেন।কাউকে কাজ বাধা দেওয়া হয় না। মিঠু মাঝির পদত্যাগ নিয়ে রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র তথা জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, কোনও সমস্যা হতেই পারে। ওসব বড় ব্যাপার নয়। সব আলোচনা করে মিটিয়ে নেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
রাজ্য

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগে নোটিস জারি হতে চলেছে। ইন্টারভিউ হবে ১০ জানুয়ারি থেকে ১৭ জানুয়ারি। ১৬,৫০০ প্রাথমিক শিক্ষক পদে নিয়োগ হবে। মঙ্গলবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা, প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগে আগামিকাল প্রাথমিক শিক্ষক বোর্ড নোটিস জারি করবে। ইন্টারভিউ হবে ১০ জানুয়ারি থেকে ১৭ জানুয়ারি। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শিক্ষক নিয়োগের প্যানেল প্রকাশ করা হবে। ৩১ জানুয়ারি হবে অফলাইনে তৃতীয় টেট। ২.৫ লক্ষ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেবে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
রাজ্য

অমিত শাহর পাল্টা র‍্যালিতে ২ লক্ষ জমায়েতের চ্যালেঞ্জ

র্যালির পাল্টা র্যালি। অমিত শাহ বনাম মমতা। একদিকে যেমন দলবদলের খেলা জমে উঠেছে তেমনই চলছে একে অপরকে চ্যালেঞ্জ, পাল্টা চ্যালেঞ্জ। জনসভা পাল্টা জনসভা। ২০১১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই কৌশল নিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এবার ফের সেই পথেই হাটছে। সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারীও কাঁথিতে মিছিল করবেন তৃণমূলের জনসভার পরের দিন, ২৪ ডিসেম্বর। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রবিবারের র্যালি নিয়ে যারপরনাই খুশি। সেই আনন্দে তিনি বলেই ফেলেছেন, বাংলায় এবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির জয় কেউ আটকাতে পারবে না। সেই ঘোষনাকে রীতিমতো চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বোলপুরেই অমিত শাহর র্যালির ১০ দিনের মাথায় রোড শো করবেন মমতা। না তাড়াহুড়ো নয়, একেবারে সময় নিয়েই কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। ২৯ ডিসেম্বর বোলপুরে রোড শো করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের দাবি, ওই দিন ২ লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে। এর আগে তিনি অভিযোগ করেছেন বিজেপি বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসেছে। যদিও বিজেপি পাল্টা জানিয়ে দিয়েছে শুধু বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা নয়, তাদের রোড শোতে বিক্ষুব্ধ তৃণমূলীরাও ছিলেন।

ডিসেম্বর ২১, ২০২০
রাজনীতি

বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে মমতার পাশে থাকার বার্তা এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ারের

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পওয়ার। কৃষক আন্দোলন নিয়েও কথা হয় দুজনের। সিঙ্গুর আন্দোলনে মমতার ভূমিকার প্রশংসা করেন শরদ পওয়ার। এ নিয়ে বিরোধীদের যৌথ আন্দোলন কোন পথে এগোতে পারে, তার রূপরেখা নিয়ে আলোচনা করেন তাঁরা। এছাড়া আগামী বছর এ রাজ্যের নির্বাচনে বিজেপি বিরোধিতায় তৃণমূল কীভাবে কাজ করছে, সে নিয়েও কথা হয়েছে। সূত্রের খবর, জানুয়ারি মাসে আসার কথা পওয়ারের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একসঙ্গে জনসভা করতে পারেন। তবে তা কোথায়, কবে হবে, সেসব এখনও চূড়ান্ত হয়নি। জাতীয় বিভিন্ন ইস্যুতে বিরোধী রাজনৈতিক মুখ হিসেবে বারবারই সামনে এসেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আরও পড়ুন ঃ বিধানসভা ভোটের আগে দলের বৈঠকে সংগঠন মজবুতের উপর জোর অমিত শাহের বিজেপি বিরোধী দলগুলির নেতারা তাঁকে সামনে রেখেই লড়তে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। ফলে অরবিন্দ কেজরিওয়াল কিংবা এমকে স্ট্যালিন কিংবা শরদ পওয়ারদের সঙ্গে তাঁর সৌহার্দ্য অবিদিত নয়। তাঁরা আন্দোলনের ক্ষেত্রে নেত্রী হিসেবে তৃণমূল সুপ্রিমোকেই পছন্দ করেন। সম্প্রতি আইপিএস বদলি ইস্যুতে কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাতের মাঝে রাজ্যের অবস্থানকে সমর্থন জানিয়ে প্রথম টুইট করেছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল। পরে ডিএমকে নেতা এমকে স্ট্যালিন, ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলও তাঁকে সমর্থন জানান। ফলে বিরোধী ঐক্য জোরদার হতে থাকে।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

'কেন্দ্র নির্লজ্জের মতো নাক গলাচ্ছে', টুইটে ক্ষোভ প্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

আইপিএস বদলি ইস্যুতে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন দেশের একাধিক বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দ। রবিবার সকালেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার। আইপিএস ইস্যুতে রাজ্যের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এবার বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতাদের ধন্যবাদ জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার এক টুইট বার্তায় তিনি বলেন, পুলিশ অফিসারদের বদলি করে কেন্দ্র নির্লজ্জভাবে রাজ্যের এক্তিয়ারে নাক গলাচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোনওদিন দলবদল করেনি, দাবি সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের এর বিরুদ্ধে বাংলার পাশে দাঁড়ানোর জন্য ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলৌত, পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরেন্দ্র সিং, ডিএমকে নেতা এমকে স্ট্যালিনকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে মজবুত রাখতে বাংলার প্রতি তাঁদের এই সমর্থনের জন্য তাঁদের ধন্যবাদ জানাই। তবে এই ইস্যুতে কিছুটা ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস। অধীর চৌধুরি, আব্দুল মান্নানের মতো কংগ্রেস নেতাদের দাবি, এর জন্য রাজ্যের তৃণমূল সরকারই দায়ি। কারণ, রাজ্যের পুলিশ, প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে বিরোধীদের খতম করার চেষ্টা হচ্ছে।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
কলকাতা

সুকিয়া স্ট্রিটে ছেঁড়া হল মমতা-অভিষেকের ছবি

বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার দিনই কলকাতায় শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির সামনে ছেঁড়া হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া তৃণমূলের একাধিক পোস্টার৷ শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবার তৃণমূলের সদস্যপদ ছাড়ার পরেই সুকিয়া স্ট্রিটে শুভেন্দু অধিকারীর ফ্ল্যাটের সামনে তৃণমূলের একাধিক বড় পোস্টার-ব্যানার লাগানো হয়েছিল৷ নাম না করে সেখানে শুভেন্দু অধিকারীকে বিজেপি-তে যোগদানের জন্য কটাক্ষও করা হয়৷ এদিন সকালে সে সমস্ত পোস্টারই ছেঁড়া ছিল। যদিও কে বা কারা এই পোস্টারগুলি ছিঁড়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়৷ আরও পড়ুন ঃ অনুব্রতকে বিজেপিতে আহ্বান জানিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ দিলীপের এনিয়ে স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের কোনও প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যায়নি৷ তবে এই ঘটনায় যে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও কিছুটা বাড়বে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। শুভেন্দু অধিকারী কলকাতায় এলে উত্তর কলকাতার সুকিয়া স্ট্রিটের এই ফ্ল্যাটেই ওঠেন৷ তাই তিনি তৃণমূল ছাড়ার পরেই রাজনৈতিক বার্তা দিতেই এই পোস্টারগুলি সেখানে লাগানো হয়েছিল৷ কিন্তু দুদিনের মধ্যেই তা উধাও হয়ে গেল৷ এদিনই মেদিনীপুরে অমিত শাহের সভায় শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি-তে যোগদান করার কথা৷ তাঁর সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামী হিসেবে পরিচিত একাধিক সাংসদ, বিধায়ক এবং জনপ্রতিনিধিরাও বিজেপি-তে যোগ দিতে পারেন বলে খবর।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২০
রাজনীতি

তৃণমূল ছাড়লেন শীলভদ্র দত্ত

তৃণমূল ছাড়লেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে তিনি দলত্যাগের কথা জানিয়েছেন। শুভেন্দু প্রসঙ্গে শীলভদ্রের বক্তব্য, তিনি সিনিয়র নেতা, যা করেছেন নিশ্চয় ভেবেই করেছেন। আমি আর তৃণমূলের কেউ নই, এ বিষয়ে আর কিছু বলতে চাই না। জানা গিয়েছে, সরকারের দেওয়া গাড়ি ইতিমধ্যেই ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ছাড়েননি এখনও। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু অধিকারীর সহায়তা কেন্দ্র দখল করল তৃণমূল, মোছা হল গেরুয়া রং জানিয়েছেন, সরকার চাইলে নিয়ে নিতে পারে। গতকাল রাতেই ব্যারাকপুরের বিধায়ক জানান, ঋণ কারও শোধ করা যায় না। তাঁর লিভার ট্রানসফারের সময় যাঁরা টাকা দিয়ে সাহায্য করেছিলেন তাঁদের টাকা তিনি ফেরৎ দিয়ে দেবেন।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

আইপিএস ইস্যুতে মমতার পাশে কেজরিওয়াল

আইপিএস ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়ালেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। শুক্রবার সকালে টুইট করে মমতাকে সমর্থনের বার্তা দেন তিনি। টুইটে তিনি লেখেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উপর চাপ তৈরি করে তিন আইপিএস অফিসারের ট্রান্সফার নিয়ে কেন্দ্রের ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। বাংলায় ভোটের আগে কেন্দ্রের এ ধরনের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর উপর আঘাত। গত সপ্তাহে বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার রাজ্য সফর চলাকালীন ডায়মন্ড হারবারে তাঁর কনভয়ে হামলার ঘটনা ঘিরে কেন্দ্র-রাজ্যের মধ্যে নতুন করে সংঘাত তৈরি হয়। যথাযথ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেনি রাজ্য পুলিশ, কেন্দ্রের তরফে এই অভিযোগ তুলে রাজ্য প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়। আরও পড়ুন ঃ আরামবাগের সভা থেকে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দিলীপের, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সরব শমীকও তারপর রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত তিন আইপিএস অফিসার রাজীব মিশ্র, প্রবীণ ত্রিপাঠি এবং ভোলানাথ পাণ্ডেকে ট্রান্সফার করে দেওয়া হয় দিল্লি থেকে। কিন্তু তিন অফিসারকে ছাড়তে নারাজ নবান্ন। বৃহস্পতিবার ফের তাঁদের ডেপুটেশনে চেয়ে রাজ্যকে চিঠি পাঠায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তাঁদের নতুন পোস্টের কথাও জানানো হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় মুখ্যমন্ত্রী কড়া ভাষায় টুইট করে জানান, কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ আইপিএস ক্যাডার রুল-১৯৫৪র পরিপন্থী। তাতে সংঘাত আরও চরমে ওঠে। এরপরও ফের রাজ্য প্রশাসনের তরফে জানানো হয় যে তিন আইপিএস অফিসারকে এখনই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া যাবে না। ফলে শুক্রবার তাঁদের দিল্লিতে রিপোর্টিংয়ের জন্য তলব করা হলেও রাজীব মিশ্র, প্রবীণ ত্রিপাঠি এবং ভোলানাথ পাণ্ডে দিল্লি যাচ্ছেন না।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

অগণতান্ত্রিক ও যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর পরিপন্থী, আইপিএস পোস্টিং নিয়ে তোপ মমতার

নবান্নের আপত্তি অগ্রাহ্য করে ৩ আইপিএস অফিসারকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নতুন পোস্টিং দেওয়ার ঘটনায় কড়া তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এঘটনাকে ক্ষমতার আস্ফালন ও ১৯৫৪ আইপিএস ক্যাডার রুলের অপব্যবহার বলে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি লিখেছেন, এই ধরনের আচরণ রাজ্যের বিচারব্যবস্থা উপর আঘাত। এঘটনা পশ্চিমবঙ্গে কর্মরত অফিসারদের মনোবল ভেঙে দেয়। নির্বাচনে আগে এধরনের পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর পরিপন্থী। এটা অগণতান্ত্রিক। একে কোনওভাবেই মানা যায় না। কিছুতেই রাজ্যের উপর কেন্দ্রের এভাবে অধিকার কায়েমের চেষ্টাকে সফল হতে দেব না। কায়েমি ও অগণতান্ত্রিক শক্তির সামনে পশ্চিমবঙ্গ কিছুতেই মাথা ঝোঁকাবে না। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুর বিরুদ্ধে যেন ভুয়ো মামলা না হয়, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি রাজ্যপালের প্রসঙ্গত, নবান্নের আপত্তি অগ্রাহ্য করে আজই ৩ আইপিএস অফিসারকে নতুন পোস্টিং দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। রাজীব মিশ্রাকে পাঠানো হয়েছে আইটিবিপি-তে। অন্যদিকে প্রবীণ ত্রিপাঠিকে এসএসবিতে পাঠানো হয়েছে। আর ভোলানাথ পান্ডেকে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে বিপিআরডিতে। ৩ অফিসারকেই ৫ বছরের জন্য নতুন পোস্টিং দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, শিরাকোলে জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার পরই এই ৩ আইপিএস অফিসারকে ডেপুটেশনে চেয়ে পাঠায় কেন্দ্র। কিন্তু, কেন্দ্রকে চিঠি লিখে তাঁদের ছাড়তে অসম্মতি জানায় রাজ্য। নবান্নের তরফে কেন্দ্রকে জানানো হয় যে রাজ্য সরকার ওই দিনের ঘটনার জোরদার তদন্ত করছে। যদিও নবান্নের সেই আপত্তিকে আমল না দিয়ে আজ নতুন পোস্টিং জানাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর বিরুদ্ধে যেন ভুয়ো মামলা না হয়, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি রাজ্যপালের

শুভেন্দুকে যাতে ফাঁসানো না হয়, তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেদিকে নজর রাখতে বলেছেন। দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারকে বিঁধে বলেছেন, প্রশাসনিক শুদ্ধিকরণ প্রয়োজন। পরে সেই চিঠির প্রতিলিপি টুইটও করেছেন তিনি। বুধবারই শুভেন্দু অধিকারীর পাঠানো একটি চিঠি টুইটারে পোস্ট করেন জগদীপ ধনকড়। সেই চিঠিতে শুভেন্দু দাবি করেছেন, তিনি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ সরকারি বিভিন্ন পদ থেকে পদত্যাগ করলেন অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল দীপ্তাংশু চৌধুরী এমতাবস্থায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চরিতার্থ করতে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন তাঁর এবং তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে। তেমন হলে রাজ্যপাল যেন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে হস্তক্ষেপ করেন। চিঠিটি টুইট করে জগদীপ ধনকড় জানিয়েছিলেন, শুভেন্দু তাঁর হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। এরপরই বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠি প্রকাশ্যে আনলেন রাজ্যপাল।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

জিতেন্দ্রর সঙ্গে ফোনে কথা মমতার

শুভেন্দু অধিকারী বিধায়ক পদ ছাড়ার কয়েক ঘণ্টা আগে দুর্গাপুরে তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন আরএক বিধায়ক ও জেলা সভাপতি জিতেন্দ্র তিওয়ারি। এক শ্রমিক সংগঠনের সভায় জনপ্রিয় নেতা জিতেন্দ্র পরিষ্কার জানিয়ে দেন, এটিই হয়তো জেলা সভাপতি হিসেবে আমার শেষ বক্তব্য। কারণ আমাকে কোন সভায় আপাতত যোগ দিতে বারণ করা হয়েছিল। আমি সেটা শুনিনি। তাই সিদ্ধান্তি নিয়েছি, বললে চলে যাব। কিন্তু মানুষের সঙ্গেই থাকব। এমনকি এদিন শুভেন্দুর হয়েও সওয়াল করতে দেখা যায় তাঁকে। আর এসব দেখেই সম্ভবত সিঁদুরে মেঘ দেখেন জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ববি হাকিম, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা প্রশান্ত কিশোরের উপর আস্থা রাখতে পারেননি তিনি। মুখ্যমন্ত্রী উত্তরবঙ্গ সফরের মধ্যেই তাই ফোন করেন জিতেন্দ্রকে। বলেন, আমি উওরবঙ্গ সফরে আছি। কোন সিদ্ধান্ত নিও না। আমি ফিরে তোমার সঙ্গে কথা বলেছি। আরও পড়ুন ঃ কোচবিহারকে রক্ষা করুন, নইলে বাংলা রক্ষা পাবে না, বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর যা থেকে স্পষ্ট শুভেন্দুর সঙ্গে যে জিতেন্দ্রর যোগাযোগ আছে, তা বুঝতে পেরে তাঁকে আটকাতে মরিয়া তৃণমূল। মাঠে নেমেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। শুভেন্দুর সঙ্গে তিনি সরাসরি কথা বলেননি। সেই ভুল আর করতে চাননি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর সেই চেষ্টা আদৌও সফল হবে কিনা তা সময় বলেবে। তবে এই পরিস্থিতিতে লোকসভার কংগ্রেসের নেতা অধীর চৌধুরী বলেন, কাকে কাকে আটকাবে? তৃণমূল দলটাই তো উঠে যাবে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

জোয়ারে আসে, ভাটায় চলে যায়, নাম না করে বেসুরোদের তোপ মমতার

এবার কোচবিহারে দাঁড়িয়ে নাম না করে শুভেন্দু অধিকারী-সহ দল বিরোধীদের নেতাদের উদ্দেশ্যে তীব্র কটাক্ষ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার কোচবিহারে দলীয় জনসভার মঞ্চ থেকে মমতা বলেন, একটা, দুটো নেতা আছে যারা জোয়ারে আসে, ভাটায় চলে যায়। যারা প্রথম থেকে দলে ছিলেন তাঁরা দলের সঙ্গেই আছেন। রাজ্যের আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে আটকাতে দলীয় নেতা-কর্মীদের একসঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের নেতাদের বলেছেন নিচু তলার কর্মীদের আরও দায়িত্ব দিতে। আরও পড়ুন ঃ সুব্রত বক্সি-কেষ্টকে ফোন করছে বিজেপি, বিস্ফোরক মমতা উল্লেখ্য, বর্তমান পরিস্থিতিতে বেসুরো গাইতে শুরু করেছেন দলের একের পর এক সাংসদ-বিধায়ক। তাঁদের অধিকাংশেরই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সম্ভবনা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক মিহির গোস্বামীও তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন। এদিন নাম না করে দলের সমস্ত বিক্ষব্ধদের কড়া বার্তা দিয়েছেন মমতা। বলেছেন, থাকার ইচ্ছা না থাকলে দল থেকে বেরিয়ে যেতে পারেন। তৃণমূল মানুষের জন্য কাজ করে। যারা সারা বছর মানুষের সঙ্গে ছিলেন, দলের সঙ্গে ছিলেন তাঁরা দলেই আছেন। কাকে ভোটে টিকিট দেওয়া হবে না হবে সেটা দল কাজের ভিত্তিতে ঠিক করে। যারা ভালো কাজ করেন তাঁরা গুরুত্ব পাবেন। যারা জানে দল টিকিট দেবে না তাঁরা চলে যাচ্ছে, ভাবছে যদি টাকাটা কমে যায়, যদি জেলে পাঠিয়ে দেয়, তাই বিজেপিতে নাম লেখাচ্ছে। কিন্তু আমরা আদর্শ বদলাই না। আদর্শ বদলানো যায় না। কাপড় জামা বদলানো যায়।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজনীতি

কোচবিহারকে রক্ষা করুন, নইলে বাংলা রক্ষা পাবে না, বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে কোচবিহার আসনে হারতে হয়েছিল দলকে। জিতেছিলেন তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নিশীথ প্রামাণিক। বুধবার কোচবিহারে দলীয় জনসভার মঞ্চ থেকে নাম করে সেই প্রসঙ্গের উল্লেখ করে বিজেপিকে বিঁধলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তিনি বলেন, লোকসভা নির্বাচনে ভোটে জিতে অশান্তি করছে বিজেপি। শান্ত কোচবিহারকে অশান্ত করার চেষ্টা চলছে। নিশীথ প্রামাণিকের নাম না করে এদিন মমতা বলেন, আমরা যাকে তাড়িয়ে দিয়েছিলাম বিজেপি তাঁকে নিয়ে এসেছে। যেন পুরনো বোতলে নতুন মদ। যে জিতেছে সে এখন গুণ্ডামি করছে। আরও পড়ুন ঃ নাম না করে দলের বিদ্রোহীদের আক্রমণ মমতার এখানেই থামেননি মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন বিজেপি, ভেদাভেদ, ভাগাভাগির রাজনীতি করছে। রাজবংশী- বাঙ্গালিদের মধ্যে ঝামেলা বাঁধাতে চাইছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষকেও এদিন আক্রমণ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, নাম নিতেও লজ্জা করে। বলছে ডিসেম্বরের পর মারবে। ওদের মুখে খালি ভাংচুর-মারামারির কথা, খাদ্য-বস্ত্রের কথা নেই। বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতাদের এদিন ফের বহিরাগত বলেছেন তিনি। বলেছেন, বিজেপি বহিরাগতদের রাজ্যে আনছে। আরএসএস গুণ্ডারা রাজ্যে আসছে। চম্বলের ডাকাত আসছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে সমর্থনের আবেদন এদিন কোচবিহারবাসীকে জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। বলেছেন, লোকসভা ভোটে আমাদের ভোট দেন নি। তাতে আমার কোনও অভিমান নেই। কিন্তু বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারকে ওদের হাত থেকে রক্ষা করুন। কোচবিহার থেকেই শুরু হয় বাংলা। কোচবিহার রক্ষা না পেলে বাংলাও রক্ষা পাবে না।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

সুব্রত বক্সি-কেষ্টকে ফোন করছে বিজেপি, বিস্ফোরক মমতা

কোচবিহারে দলীয় জনসভার মঞ্চ থেকে দাঁড়িয়ে বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, দলের রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সুব্রত বক্সি ও বীরভূমে দলের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে ফোন করেছেন বিজেপি নেতারা। তাঁর কথায়, বিজেপি কোথায় গেছে বুঝুন। ওদের এতটুকু সৌজন্যতা বোধ নেই। আমার দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সিকে ফোন করেছিল বিজেপির এক নেতা। বলছে, আপনার সঙ্গে কথা আছে, বসতে চাই। কেষ্টকেও ফোন করেছিল দিল্লি থেকে। কেষ্ট আমাকে কাল ফোন করে বলল, দিদি আমাকে বলছে আপনার সঙ্গে বসতে চাই। কেষ্ট বলে দিয়েছে আমি তৃণমূল করি, আপনাদের সঙ্গে বসব কেন? আরও পড়ুন ঃ সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বললে চলে যাব , ফের বেসুরো জিতেন্দ্র এদিন জাতীয় সঙ্গীত বদল বিতর্ক নিয়েও মুখ খুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেছেন, বিজেপি বলছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনগনমণ বদলে দেবে। জাতীয় সঙ্গীত বদলে দেবে। যেন হাতের মোয়া। ক্ষমতা থাকলে বদলে দেখাক। ওরা রবীন্দ্রনাথকেও জানে না। কবে কোথায় রবিঠাকুরের জন্ম জানে না। বলছে বিশ্বভারতী নাকি রবি ঠাকুরের জন্মস্থান! বুধবার কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানের জনসভা থেকে বিজেপির উদ্দেশ্যে হুঙ্কার ছেড়ে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, চলে আসুন যুদ্ধ হয়ে যাক, রাজনৈতিক যুদ্ধ। আপনাদের সঙ্গে থাকবে গুণ্ডা, আমাদের সঙ্গে মানুষ। দেখি কারা যেতে। মমতা এদিন দাবি করেন, তিনি রাজবংশী, অলচিকি ভাষা জানেন। এই দুই ভাষায় তিনি কবিতা লিখেছেন।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
রাজ্য

বিজেপির দেওয়া চাকরির প্রতিশ্রুতিকে মিথ্যা বলে আক্রমণ মমতার

জলপাইগুড়ির অরবিন্দ ব্যায়ামাগার পাঠাগার ও ক্লাব ময়দানের জনসভা থেকে বিজেপিকে লাগাতার আক্রমণ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায়। বলেন, ওরা বাংলায় এক নতুন ধর্ম এনেছে, ঘৃণ্য ধর্ম। কুৎসার ধর্ম। এভাবে ওরা বাংলাকে ধ্বংস করতে চায়। বাংলার মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলতে চায়। এরপরই হুঁশিয়ারি দিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো বলেন, তিনি কোনওভাবেই বিজেপির এহেন আচরণ বরদাস্ত করবেন না। তবে এর জন্য রাজ্যবাসীরকে পাশে চেয়েছেন তিনি। সকলে মিলে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন তিনি। বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলার পরিস্থিতি ভয়ংকর হবে, ইঙ্গিতে এদিন তা-ও বোঝান মুখ্যমন্ত্রী। আরও পড়ুন ঃ পাহাড়ের সমস্যার সমাধান করতে পারলে আমরাই পারবঃ মমতা এদিন চাকরির প্রতিশ্রুতি কার্ড ইস্যুতে তিনি বলেন, চাকরির প্রতিশ্রুতি বলে কিছু হয় না। ওটা পুরোটাই প্রতারণা, মিথ্যে। এরপরই কেন্দ্রের একাধিক প্রতিশ্রুতি সাধারণ মানুষকে মনে করিয়ে দেন তিনি। প্রশ্ন করেন, আদৌ কারও অ্যাকাউন্টে কেন্দ্রের ১৫ লক্ষ টাকা গিয়েছে কি না। দাবি করেন, মোদি সরকারের আমলে ভারতে বেকারত্ব বেড়েছে। এদিন দিলীপ ঘোষের ডিসেম্বরের পর মারব মন্তব্যের পালটা দেন মমতা। বলেন, মেরে দেখাক, আমার গায়ে আঘাত করতে আমিও প্রত্যাঘাত করব।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
রাজনীতি

নাম না করে দলের বিদ্রোহীদের আক্রমণ মমতার

৩৬৫ দিন যাঁরা এই ১০ বছর মানুষের সঙ্গে ছিলেন তাঁদেরই পরীক্ষায় বসতে হবে। বিজেপির সঙ্গে আঁতাঁত করলে তৃণমূলে তাঁদের কোনও জায়গা নেই। জলপাইগুড়িতে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মিসভায় দলবিরোধীদের স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমি বড় বা ও বড় সেটা বড় নয়। ১০ বছর পার্টির খেয়ে, ১০ বছর সরকারে থেকে সরকারের খেয়ে নির্বাচনের সময় এর সঙ্গে ওর সঙ্গে বোঝাপড়া যাঁরা করে আমি তাঁদের বরদাস্ত করি না। গোষ্ঠীকোন্দল মেটাতে দলীয় কর্মীদের বার্তা দিলেন, পুরনো-নতুন মিলে কাজ করুন। এ বড় না বি বড় বা সি বড় সেটা দেখার দরকার নেই। যুদ্ধ যখন আসে তখন যুদ্ধ জয় করাটাই সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতাকে বহিষ্কার দলনেত্রী আরও বলেন, আপনাদের লক্ষ্য হবে বিজেপি নামক পার্টিটাকে বাংলা থেকে দূর করে দেওয়া। আগামিদিনে বাংলাই পথ দেখাবে। রাষ্ট্রপতি শাসন করে দেখাও না, আমার কাজ অনেক কমে যাবে। আমি ঘুরে ঘিরে মিটিং-মিছিল করব আর তোমাদের সব ভোট নিয়ে নেব। আমরা আন্দোলন করে উঠে আসা লোক, মার খেয়ে উঠে আসা লোক। আমার শরীরে এমন কোনও জায়গা নেই যেখানে মার খাইনি। কাজেই রক্তাক্ত অবস্থায় লড়াই করে এসেছি। মানুষের জন্য লড়াই করতে আমি পিছপা হব না।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
রাজ্য

পাহাড়ের সমস্যার সমাধান করতে পারলে আমরাই পারবঃ মমতা

আমি গোর্খাল্যান্ডের প্রতিশ্রুতি দিইনি, তাই ওখানে জিতিনি। পাহাড়ের সমস্যা সমাধান করলে আমরাই করব। ওরা পারবে না। গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে জলপাইগুড়ির এবিপিসি ময়দানের জনসভা থেকে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধী বিজেপি বরাবর গুরুংদের পৃথক গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে সমর্থন জানিয়েছে। অর্থাৎ তাঁরা রাজ্য ভাগের পক্ষে। আর তাই ক্ষমতায় এলে গোর্খাল্যান্ডের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন নেতারা। তাই ২০১৪ এবং ২০১৯এর লোকসভা ভোটে পাহাড় থেকে তৃণমূল নয়, জিতেছেন বিজেপি প্রার্থীরাই। আরও পড়ুন ঃ জেএমবি জঙ্গিদের দিয়ে ভোটে জিততে চাইছে তৃণমূলঃ দিলীপ মঙ্গলবার জলপাইগুড়ির এবিপিসি ময়দানের জনসভা থেকে এই বিষয়টি আরও স্পষ্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী। বললেন, ৬ বছর ধরে ওরা গুরুংদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছে গোর্খাল্যান্ড করে দেবে বলে। তাই ২০১৪এ একবার পাহাড়ে জিতেছে, কিন্তু প্রতিশ্রতি রাখেনি। আবার ২০১৯এ বিজেপি জিতেছে। আমরা কিন্তু গোর্খাল্যান্ডের প্রতিশ্রুতি দিইনি, তাই আমরা জিতিওনি। এরপরই তিনি আত্মবিশ্বাসের সুরে বলেন, পাহাড়ের সমস্যা সমাধান করতে পারলে একমাত্র আমরাই পারব। বিজেপি পারবে না, ওদের দ্বারা হবে না।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • 43
  • 44
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

সেক্টর ফাইভ থেকে ফিল্মি কায়দায় অপহরণ! ৭৮ লক্ষ টাকার রহস্যে চাঞ্চল্য

সল্টলেক সেক্টর ফাইভের অফিসপাড়ায় ভর সন্ধেবেলায় দুঃসাহসিক অপহরণের ঘটনা ঘটল। অপহৃত যুবকের নাম অঙ্কন সাহা। পুলিশ সূত্রে খবর, ৭৮ লক্ষ টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করেই তাঁকে অপহরণ করা হয়েছিল।ঘটনাটি ঘটেছে আরডিবি ভবনের সামনে। মঙ্গলবার বিকেল প্রায় পাঁচটা নাগাদ একটি সাদা স্করপিও গাড়িতে করে কয়েকজন এসে অঙ্কনকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে হইচই পড়ে যায়। খবর পেয়ে ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানার পুলিশ সেখানে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ প্রথমে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। সেই ফুটেজ থেকেই সাদা স্করপিও গাড়ির নম্বর শনাক্ত করা হয়। এরপর গাড়ির মালিকের খোঁজ শুরু করেন তদন্তকারীরা। মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ড্রাইভারের ফোন নম্বর পাওয়া যায়।পরে পুলিশ ফোন ট্র্যাক করে জানতে পারে, গাড়িটি বড়জাগুলিয়া এলাকায় জাতীয় সড়ক ১২-র কাছে রয়েছে। হরিণঘাটা থানার সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে গাড়িটি আটক করা হয় এবং তার ভিতর থেকে অঙ্কন সাহাকে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, অঙ্কন সাহার কাছে অভিযুক্তদের ৭৮ লক্ষ টাকা পাওনা ছিল বলে দাবি। সেই টাকা আদায় করতেই তাঁকে মারধর করে সেক্টর ফাইভ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, এই অপহরণের পেছনে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না।

জুলাই ২১, ২০২৬
কলকাতা

একুশের মঞ্চে ঋতব্রতের বড় প্রতিশ্রুতি! শহিদ পরিবার পাবে মাসে ১০ হাজার টাকা?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে বড় ঘোষণা করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন যদি তাঁদের আসল তৃণমূল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, তবে ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের শহিদদের পরিবারগুলিকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।ঋতব্রতের দাবি, এই টাকা তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট থেকেই দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা অঙ্ক কষে দেখেছি, এটা সম্ভব। বর্তমানে কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত শিবিরের মধ্যে আসল তৃণমূল নিয়ে বিরোধ নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত পৌঁছেছে। মঙ্গলবার দুই শিবিরই আলাদাভাবে শহিদ দিবস পালন করেছে। বিড়লা তারামণ্ডলের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁরাই আসল তৃণমূল। অন্যদিকে, গান্ধী মূর্তির সামনে সভা থেকে একই দাবি করেন ঋতব্রত।তিনি বলেন, আমরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারসহ পূর্ণ বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করেছি। কেন আমরাই আসল তৃণমূল, তার সমস্ত তথ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিয়েছি। আমরা নির্বাচন কমিশনের উপর ভরসা রাখি।ঋতব্রত আরও বলেন, যদি নির্বাচন কমিশন আমাদের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকেই আমরা শহিদ পরিবারগুলিকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেব। এই টাকা তাদের জন্যই খরচ হওয়ার কথা।উল্লেখ্য, আগের দিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ২১ জুলাই নিয়ে সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি জানান, কমিশন শহিদ পরিবারগুলিকে ২৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের সুপারিশ করেছিল।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, পূর্বতন তৃণমূল সরকার শহিদ পরিবারগুলিকে মাত্র ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ১৫ হাজার টাকা করে দিয়েছিল। তিনি আরও জানান, শহিদদের পরিবার আবেদন করলে রাজ্য সরকার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী আর্থিক সাহায্য দেবে।এই ঘোষণার পরদিনই ঋতব্রত শহিদ পরিবারগুলিকে মাসিক আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিলেন।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

দু’মাস পর অবশেষে মুখ খুললেন মোদী! নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রশ্নফাঁসের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার দুমাসেরও বেশি সময় পরে তিনি বলেন, এই ঘটনা ঘোর অন্যায় এবং এক ধরনের পাপ।গত ৩ মে ডাক্তারির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া এই পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু পরীক্ষার কয়েক দিনের মধ্যেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসে। পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠায় পরীক্ষা বাতিল করতে বাধ্য হয় ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।এই ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বহু ছাত্রছাত্রী রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও ওঠে। লাদাখের শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক দীর্ঘদিন ধরে অনশন করছেন এই দাবিতে। সোমবার সংসদ অভিযানে ককরোচ জনতা পার্টির লক্ষাধিক সদস্য অংশ নেয়। তবে এতদিন নিট কাণ্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।মঙ্গলবার এনডিএর সংসদীয় বৈঠকে প্রথমবার এই বিষয়ে সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেন মোদী। তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘোর পাপ হয়েছে। তবে ঘটনা প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সরকার পদক্ষেপ করেছে। প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই ঘটনায় জড়িত ১৩ জন অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়েছে।সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু বলেন, নিট পরীক্ষার্থীদের স্বার্থের কথা ভেবেই নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হচ্ছে। নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

বিরোধী ঝড়ের মাঝেই মোদীর বড় বৈঠক! এনডিএ সাংসদদের কী বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী?

আজ এনডিএ সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিট প্রশ্নফাঁস, রামমন্দির, ইথানলসহ একাধিক ইস্যুতে সংসদের ভিতরে ও বাইরে বিরোধীদের প্রতিবাদ চলছে। এর মধ্যেই সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। তাই বিরোধী আন্দোলনের মোকাবিলায় এনডিএর রণকৌশল কী হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার থেকেই সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হয়েছে। অধিবেশনের প্রথম দিনেই নিট প্রশ্নফাঁস, রামমন্দিরে প্রণামী চুরি এবং অন্যান্য ইস্যুতে বিরোধীদের বিক্ষোভে সংসদের দুই কক্ষ বারবার মুলতুবি হয়। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করতে পারে বলে সূত্রের খবর।সরকারের লক্ষ্য, গুরুত্বপূর্ণ বিলগুলিতে এনডিএ শরিক সাংসদদের শতভাগ সমর্থন নিশ্চিত করা। বৈঠকে এই বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি বিরোধীদের প্রচারের পাল্টা জবাবে এনডিএ সাংসদদের একই সুরে কথা বলার পরামর্শ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।তবে এই বৈঠকে এনসিপিআইকে ডাকা হয়নি। এনডিএর শরিক হলেও স্পিকারের কাছ থেকে এখনও এনসিপিআই দলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি মেলেনি। যদিও সর্বদলীয় বৈঠকে দলটি উপস্থিত ছিল। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জটিলতার বাইরে প্রধানমন্ত্রীকে রাখতেই আপাতত সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের ডাকা হয়নি।উল্লেখ্য, গত রবিবারও স্পিকার অফিস থেকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের কাছে নতুন করে একাধিক নথি চাওয়া হয়েছে।অন্যদিকে আজ ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরাও বৈঠকে বসবেন। সেই বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন মল্লিকার্জুন খার্গে। উপস্থিত থাকবেন রাহুল গান্ধীও।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ঘুরছে। শোনা যাচ্ছে, শরদ পওয়ারের এনসিপি ডিলিমিটেশন বা আসন পুনর্বিন্যাস বিল নিয়ে অবস্থান বদল করতে পারে। যদি কেন্দ্র এই বিল সংসদে পেশ করে, তবে সেই বিলে শরদ পওয়ারের এনসিপি সমর্থন জানাতে পারে বলে আলোচনা চলছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
রাজ্য

একুশের মঞ্চ থেকে ফিরতেই মদন মিত্রের কাছে ইডির সমন! নতুন মোড় পুরনিয়োগ মামলায়

কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র কে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ২৯ জুলাই তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হতে বলা হয়েছে। তার আগে ২৩ জুলাই মদন মিত্রের স্ত্রীকেও তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।সূত্রের খবর, মদন মিত্র তদন্তে সহযোগিতা করবেন। এর আগে কামারহাটি পুরসভার অবৈধ নিয়োগ মামলায় তাঁর নাম জড়ায়। জুন মাসে ইডি ভবানীপুর, দক্ষিণেশ্বর-সহ তাঁর একাধিক বাড়িতে তল্লাশি চালায়। সেই তল্লাশিতে বেশ কিছু নথিপত্র উদ্ধার হয় বলে জানা গিয়েছে।গত ১৪ জুলাই ইডি মদন মিত্রের পরিবারকে নোটিস পাঠায়। সেই দিন সন্ধ্যায় তিনি এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক তথা ঋতব্রত শিবিরের সদস্য সন্দীপন সাহার বাবা, প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার বাড়িতে যান। সেখানে দীর্ঘক্ষণ বৈঠকের পরের দিন তিনি বিধানসভায় ঋত শিবিরে যোগ দেন।শিবির বদলের পর থেকেই মদন মিত্র প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করতে শুরু করেন। একুশে জুলাইয়ের সভায় তিনি বলেন, আমি মমতাকে বলছি, অভিষেক এক ঘণ্টা সময় দিয়েছে, আমি আপনাকে এক মাস সময় দিচ্ছি। অভিষেকের হাত ছেড়ে এই ছেলেদের হাত ধরুন। আপনার পার্টি এটা, অভিষেকের পার্টি নয়।শুধু তাই নয়, ১৯ জুলাইয়ের একটি লাইভ অনুষ্ঠানেও মদন মিত্র অভিষেককে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাল্টা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বিরুদ্ধে ১০ কোটির নোটিস পাঠান।এই রাজনৈতিক সংঘাতের আবহেই একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে ফেরার পর মদন মিত্রের কাছে ইডির সমন পৌঁছেছে। ফলে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
রাজ্য

২১ জুলাইয়েও কি নামবে বৃষ্টি? মমতার সভা ঘিরে বড় পূর্বাভাস

গত ১৫ বছর ধরে ২১ জুলাইয়ের সভায় রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজির হতেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। বৃষ্টির মধ্যেই বহুবার মঞ্চে বক্তৃতা দিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বৃষ্টি নামলে মমতা একে বলতেন ঈশ্বরের আশীর্বাদ। এবার ২১ জুলাইয়ের আয়োজন বদলেছে, মঞ্চ বদলেছে, সমর্থকদের জমায়েতের ধরনও বদলেছে। কিন্তু আবহাওয়া কি আগের মতোই থাকবে? হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, মঙ্গলবার সারাদিনই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। শুধুমাত্র দমদমে ১৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে, যার ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বৃষ্টি হয়েছে বীরভূম,মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও। বিকেলের পর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও বৃষ্টির দাপট দেখা যায়।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মৌসুমি অক্ষরেখা এখনও সক্রিয় রয়েছে। তাই মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে কয়েক দফা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা, লাগোয়া জেলা, উপকূল ও পশ্চিমাঞ্চলে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবারের প্রবল বৃষ্টির পর কলকাতার বহু এলাকা এখনও জলমগ্ন। দমদম ও আশপাশের এলাকায় জল নামেনি কৈখালি ও হলদিরামের রাস্তা এখনও জলের তলায়। এর ফলে কৈখালি থেকে হলদিরাম ও চিনার পার্ক পর্যন্ত তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। সাধারণত ৩-৪ মিনিটের রাস্তা পেরোতে এখন আধ ঘণ্টারও বেশি সময় লাগছে।আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে, বুধবার দুই ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি থাকবে। বৃহস্পতিবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান ও বাঁকুড়া জেলাতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

সিকিমের টানেলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ৭ শ্রমিকের মৃত্যু, এখনও ভিতরে আটকে ১৮ জন

সিকিমের নামচি জেলায় একটি নির্মীয়মাণ টানেলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। মিথেন গ্যাস বিস্ফোরণের জেরে টানেলের ভিতরে ধস নামে এবং প্রবেশপথের একটি অংশ বন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে। আরও অন্তত ১৮ জন শ্রমিক টানেলের ভিতরে আটকে রয়েছেন বলে প্রশাসন জানিয়েছে।আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী বা এনডিআরএফ জোরকদমে কাজ চালাচ্ছে। ঘটনাস্থলে এসডিআরএফ, সিকিম পুলিশ, দমকল এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী দলও মোতায়েন রয়েছে।জানা গিয়েছে, নির্মীয়মাণ এই টানেলটি ন্যাশনাল হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশনের তিস্তা স্টেজ-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় তৈরি হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, টানেলের প্রায় দেড় কিলোমিটার ভিতরে প্রাকৃতিকভাবে নির্গত মিথেন গ্যাস জমে ছিল। সেই গ্যাস বের করে দেওয়ার চেষ্টা চলার সময় আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে।বিস্ফোরণের পর টানেলের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং প্রবেশপথ বন্ধ হয়ে যায়। কয়েকজন শ্রমিক কোনওরকমে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারলেও বহু শ্রমিক ভিতরেই আটকে পড়েন।সোমবার বিস্ফোরণের সময় টানেলের ভিতরে মোট ২৫ জন শ্রমিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে এনএইচপিসির কর্মীরাও ছিলেন। জেলা প্রশাসন ৭ জনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছে। বাকি ১৮ জনকে এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।উদ্ধারকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মিথেন গ্যাস, অক্সিজেনের ঘাটতি, কম দৃশ্যমানতা এবং টানেলের সংকীর্ণ পথ। ফলে উদ্ধারকারী দল সহজে ভিতরে পৌঁছতে পারছে না।সোমবার বিকেল প্রায় ৩টা ৪০ মিনিটে জেলা প্রশাসন দুর্ঘটনার খবর পায়। এরপরই এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, জেলা পুলিশ এবং দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।প্রথমে দমকল কর্মীরা উদ্ধারকাজ শুরু করলেও মিথেন গ্যাস ও অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসকষ্ট হওয়ায় অভিযান মাঝপথে বন্ধ করতে হয়। উদ্ধারকারী দলের কয়েকজন সদস্যও অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে এনডিআরএফ উদ্ধার অভিযান শুরু করলেও একই কারণে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।সিকিম রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে নামচি জেলা প্রশাসন, এনএইচপিসি, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, সিকিম পুলিশ, দমকল এবং স্বাস্থ্য দফতর রাতভর উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে। তবে এখনও আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

জুলাই ২১, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগের রাতে চাঞ্চল্য! মঞ্চ ভাঙচুরের অভিযোগে রাতভর পাহারায় মমতা-অভিষেক

২১ জুলাইয়ের সভাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে উঠেছে। একদিকে মেয়ো রোডে শহিদ তর্পণের কর্মসূচি নিয়েছে ঋতব্রত শিবির, অন্যদিকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি পেয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এর মধ্যেই সভামঞ্চে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, ২১ জুলাইয়ের সভামঞ্চে বিজেপির কর্মীরা হামলা চালিয়েছে। শুধু অভিযোগ করেই থেমে থাকেননি তিনি। রাতভর বিড়লা তারামণ্ডল চত্বরে থেকে মঞ্চ পাহারা দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক তৃণমূল নেতা।সোমবার সন্ধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভাস্থল পরিদর্শনে যান। সেখানে প্রস্তুতির কাজ খতিয়ে দেখেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ তারামণ্ডল এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে ফের সভাস্থলে পৌঁছন মমতা ও অভিষেক।সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে মমতা অভিযোগ করেন, রাতের অন্ধকারে বিজেপির লোকজন এসে সভামঞ্চ ভাঙচুর করেছে। তিনি লেখেন, এটি শুধু একটি মঞ্চ ভাঙার ঘটনা নয়, এটি সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও আমাদের কর্মী-সমর্থকদের অনুভূতির ওপর পরিকল্পিত আক্রমণ।সভাস্থলে দাঁড়িয়ে মমতা আরও বলেন, চারিদিকে আমাদের মঞ্চ ভাঙা হচ্ছে। বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছিল। পোস্টার-ব্যানার সব ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। বিজেপির ৬০-৬৫ জন বাইক নিয়ে এসেছে। তাঁদের নেতৃত্ব দিয়েছেন এক অপরাধী, যিনি আদালতের নির্দেশে বাইরে আছেন।তাঁর অভিযোগ, কর্মী-সমর্থকদের সভাস্থলে আসতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। কালীঘাট তৃণমূল ইতিমধ্যেই এই ঘটনার অভিযোগ পুলিশের কাছে জানিয়েছে।সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির গুণ্ডারা জড়ো হয়ে আছে। সকালের আগে মঞ্চ ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু দিদি এখানে থাকবেন, আমরাও এখানে থাকব। মঞ্চ পাহারা দেব।তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও অভিযোগ করেন, আদালতের অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি করা হলেও নানা ভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণামতো রাত থেকেই মমতা ও অভিষেক সভাস্থলের সামনে ছিলেন। ডেরেক, মহুয়া, কল্যাণসহ একাধিক নেতা দফায় দফায় মঞ্চ পাহারা দেন। মঙ্গলবার সকালে মমতা দলের নেতাদের নিয়ে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে একটি অভ্যন্তরীণ বৈঠক করেন। পরে তিনি বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। এদিকে ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচির শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি জোরকদমে চলছে, সকাল থেকেই কর্মীরা সভাস্থলে আসতে শুরু করেছেন।

জুলাই ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal