• ৯ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mamata Banerjee,

রাজনীতি

অনুব্রত মন্ডলের গড়েই তৃণমূল সাংসদের 'বিদ্রোহ', শোরগোল রাজনীতিতে

ইতিমধ্যে এক সাংসদসহ একাধিক তৃণমূল বিধায়ক বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। অনেকেই দলীয় লাইনের বাইরে গিয়ে কথা বলছেন। এবার নবতম সংযোজন বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। এই জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। সেই জেলার সাংসদ ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন ফেসবুকে। বৃহস্পতিবার শতাব্দী রায় ফ্যানস ক্লাব ফেসবুক পেজে তাঁর লেখা বয়ানে বিদ্রোহী মনোভাব স্পষ্ট বলেই মনে করেন রাজনৈতিক মহল। তাঁর বক্তব্যে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে বাংলার রাজনীতিতে।কী লিখেছেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়--বীরভূমে আমার নির্বাচন কেন্দ্রের মানুষের প্রতি-2021 খুব ভালো কাটুক। সুস্থ থাকুন, সাবধানে থাকুন।এলাকার সঙ্গে আমার নিয়মিত নিবিড় যোগাযোগ। কিন্তু ইদানিং অনেকে আমাকে প্রশ্ন করছেন কেন আমাকে বহু কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না। আমি তাঁদের বলছি যে আমি সর্বত্র যেতে চাই। আপনাদের সঙ্গে থাকতে আমার ভালো লাগে। কিন্তু মনে হয় কেউ কেউ চায় না আমি আপনাদের কাছে যাই। বহু কর্মসূচির খবর আমাকে দেওয়া হয় না। না জানলে আমি যাব কী করে? এ নিয়ে আমারও মানসিক কষ্ট হয়। গত দশ বছরে আমি আমার বাড়ির থেকে বেশি সময় আপনাদের কাছে বা আপনাদের প্রতিনিধিত্ব করতে কাটিয়েছি, আপ্রাণ চেষ্টা করেছি কাজ করার, এটা শত্রুরাও স্বীকার করে। তাই এই নতুন বছরে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার চেষ্টা করছি যাতে আপনাদের সঙ্গে পুরোপুরি থাকতে পারি। আপনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। 2009 সাল থেকে আপনারা আমাকে সমর্থন করে লোকসভায় পাঠিয়েছেন। আশা করি ভবিষ্যতেও আপনাদের ভালোবাসা পাব। সাংসদ অনেক পরে, তার অনেক আগে থেকেই শুধু শতাব্দী রায় হিসেবেই বাংলার মানুষ আমাকে ভালোবেসে এসেছেন। আমিও আমার কর্তব্য পালনের চেষ্টা করে যাব।যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিই আগামী 16 জানুয়ারি 2021 শনিবার দুপুর দুটোয় জানাব। শতাব্দী রায়

জানুয়ারি ১৪, ২০২১
রাজনীতি

বর্ধমানে জেপি নাড্ডার ঠাসা কর্মসূচি, নিরাপত্তায় কড়াকড়ি

একদিনের সফরে আজ রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। তাঁর সফর নিয়ে সতর্ক বর্ধমান জেলা পুলিশ-প্রশাসন। এর আগে ডায়মন্ড হারবারে জনসভায় যাওয়ার পথে জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলা হয়েছিল। অভিযোগের তীর ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস সেই অভিযোগ অস্বীকার করে। নাড্ডার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ায় সমালোচনার ঝড় বয়ে চলে দেশজুড়ে। রাজ্যপাল রিপোর্ট দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকারকে। নাড্ডার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আইপিএসদের নিয়ে কেন্দ্র -রাজ্য টানাটানি চলে।শনিবারের দিনের বঙ্গ সফরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে। বিজেপি কর্মীরাও সতর্ক। বিজেপি সভাপতির বেশিরভাগ যাতায়াত কর্মসূচি রাখা হয়েছে হেলিকপ্টারে। নিরাপত্তাজনিত কারণে আকাশ পথে তিনি যাতায়াত করবেন বলেই সূত্রের খবর। ফের যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেদিকে নজর রেখে তাঁর এদিনের কর্মসূচি তৈরি করা হয়েছে।জেপি নাড্ডা প্রথমে এগারোটা নাগাদ নামবেন অন্ডালের কাজি নজরুল ইসলাম বিমানবন্দরে। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে উড়ে যাবেন কাটোয়ায়। ১১টা ৪০ মিনিটে জগদানন্দপুরে রাধা গোবিন্দ মন্দিরে পুজো দেবেন। ১১টা ৫০ মিনিটে ওই গ্রামেই কৃষক সুরক্ষা সভায় অংশ নেবেন। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে বাড়ি বাড়ি মুষ্টি ভিক্ষার চাল সংগ্রহ করবেন। জগদানন্দপুরে কৃষকের বাড়িতে মধ্যাহ্ন ভোজন সারবেন। সেখান থেকে কপ্টারে উড়ে বর্ধমানে হেলিপ্যাডে নামবেন।বিকেল ৩টা ৫ মিনিট নাগাদ শহরের অধিষ্ঠাত্রী দেবি সর্বমঙ্গলা মন্দিরে পুজো দেবেন। দর্শণ ও পুজো সেরে বর্ধমান শহরে রোড শো করবেন। বীরহাটা থেকে শুরু হয়ে কার্জনগেটে রোড শো শেষ হবে। বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মিলিত হবেন। ৭ টা নাগাদ ফিরে যাবেন অন্ডাল বিমানবন্দরে।

জানুয়ারি ০৯, ২০২১
রাজ্য

হাওড়ায় তৃণমূলের প্রতিষ্ঠা দিবসে গড়হাজির দুই মন্ত্রী, বাড়ছে জল্পনা

শুক্রবার হাওড়াতেও পালিত হল তৃণমূলের ২৪তম প্রতিষ্ঠা দিবস। এই প্রতিষ্ঠা দিবসেও পিছু ছাড়ল না গোষ্ঠীকলহের বিতর্ক। এদিন দলের হাওড়ার কদমতলার জেলা সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয় দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের মূল অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে রাজের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় উপস্থিত থাকলেও গরহাজির ছিলেন তৃণমূলের সদর সভাপতি তথা মন্ত্রী লক্ষীরতন শুক্লা। দেখা মিলল না দলের কোর্ডিনেটর তথা আর এক মন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়ের। দলের প্রতিষ্ঠা দিবসের মুল অনুষ্ঠানে জেলার দুই মন্ত্রী তথা হেভিওয়েট নেতার অনুপস্থিতিতে জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এই প্রসঙ্গে, তৃণমূলের সদর চেয়ারম্যান অরূপ রায় বলেন, কে বা কারা আসেননি জানি না। তবে আসা উচিত ছিল। প্রথম থেকে দল করে আসা তৃণমূল কর্মীরা সবাই এসেছে। যাঁরা আসেননি তাঁদেরকে আসার জন্য অনুরোধ করব। অন্যদিকে এদিন জেলা নেতৃত্বের এমন ধরনের মনোভাবের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন হাওড়ার সাংসদ প্রসূণ বন্দোপাধ্যায়। তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠা দিবসে এই ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। দলীয় কর্মীরা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগছেন। ক্ষোভের সঙ্গে সাংসদ বলেন, আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি জেলার তিন নেতা তিন দিকে আলাদা আলাদা কেন র্যালি করছে? আমার খুব মন খারাপ, আমি খুব শকড। এইভাবে চললে হাওড়ার ১৬টা আসন ধরে রাখা সম্ভব হবে না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। দলীয় হোর্ডিং নিয়েও এদিন তিনি ক্ষোভ জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দল না থাকলে লালবাতি নীলবাতি পাব না এই বার্তাও দিলেন দলীয় নেতৃত্বকে। উল্লেখ্য, কয়েক মাস ধরে রাজ্যের দুই মন্ত্রী তথা হাওড়ার হেভিওয়েট নেতা অরূপ রায় এবং রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে চলছে ঠান্ডা লড়াই। সম্প্রতি একাধিক অনুষ্ঠানে তাঁদের দুজনকে একসঙ্গে হাজির হতে দেখতে পাওয়া যায়নি। এরই মধ্যে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। তাই জল্পনাও শুরু হয়ে গিয়েছে বিভিন্ন মহলে। তারই মধ্যে এদিন প্রতিষ্ঠা দিবসে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং লক্ষ্মীরতন শুক্লার উপস্থিতি না থাকা উষ্কে দিচ্ছে নয়া বিতর্ক।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
রাজনীতি

নতুন দলে গিয়ে বদহজম হচ্ছে শুভেন্দুর, কটাক্ষ পার্থর

শুভেন্দু অধিকারী আগেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। শুক্রবার কাঁথিতে দাদার হাত ধরে দলে যোগ দিলেন কাঁথি পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান সৌমেন্দু অধিকারী। এদিন একই সঙ্গে আরও ১৪ জন কাউন্সিলর বিজেপিতে সামিল হন। এক প্রশ্নের জবাবে তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, নতুন দলের নতুন নেতা হয়ে নতুন ভাবে ভাবছেন। রামের টিকিটে জিতব করবো বিজেপি, এমন কথা যাঁরা বলতে চান সংসদীয় রাজনীতিতে তাঁদের নিশ্চয় অভিজ্ঞতা আছে! তবে এসব চটুল কথায় রাজনীতিতে স্থান পাওয়া যায় না। এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন হরিশচন্দ্র চ্যাটার্জী এবং হরিশ মুখার্জি রোড থেকে দেড় জন লোক বাংলা চালাচ্ছে। এই প্রশ্নের জবাবে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ২১ বছর পর মনে হল। সূর্য উদয় হল। আমার মাঝে মধ্যে মনে হয় এঁদের মাথা ঠিক আছে তো! অতীত ভুলে গেলে হয় না। মেদিনীপুরের মানুষ মমতার সঙ্গে আছে। মেদিনীপুরের মানুষ সংগ্রাম বোঝে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংগ্রাম করেছে। নতুন দলে গেছেন তাই বদহজম হচ্ছে বলে মন্তব্য় করেন পার্থবাবু।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
রাজ্য

বিজেপির সঙ্গে কী 'ডিল' হয়েছে শুভেন্দুর? নিজেই জানালেন বিস্তারিত

পুরপ্রশাসক পদ থেকে সরানোর তিন দিনের মাথায় দাদার হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলেন সৌমেন্দু অধিকারীসহ কাঁথি পৌরসভার ১৫ জন কাউন্সিলর। শুক্রবার কাঁথির ডরমেটরি ময়দানে বিজেপির সাংগঠনিক সভায় যোগদান পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। যোগদান পর্বে শুভেন্দু অধিকারী বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, সিপিএমের অশোক ভট্টাচার্য প্রশাসক থাকতে পারেন, তাহেরপুরে সিপিএমের প্রশাসক থাকতে পারে কাঁথিতে শুভেন্দু ভাই আছে অর্থাৎ তাঁকে সরিয়ে দাও। রামনগরের লোককে এনে কাঁথিতে পুরপ্রশাসক করা হয়েছে। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই বিজেপির সঙ্গে শুভেন্দুর ডিল নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এদিন সেই ডিল-এর জবাব দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে ডেপুটি চিফ মিনিস্টার, বাবাকে রাজ্যপাল, ভাইকে মন্ত্রী এমন নানা বিষয় বিরোধী রাজনৈতিক দল দাবি করে আসছে। শুভেন্দুর দাবি, তাঁর সঙ্গে ডিল হয়েছে, প্রথমত প্রতি বছর এসএসসি পরীক্ষা হবে। নিয়োগ করতে হবে। টেট পরীক্ষা হবে প্রত্যেক বছর। ২-৪ হাজার টাকা মাইনের চাকরি থাকবে না। এখানে আয়ুস্মান ভারত চালু করা হবে। কৃষকরা ৬০০ টাকা পাবে। রাজ্যে সুশাসন আসবে। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, সব ডিল কি বাইরে প্রকাশ পায়। এদিনও হরিশ চ্যাটার্জি ও হরিশ মুখার্জি রোড থেকে বাংলা চলতে পারে না বলে তিনি জানিয়ে দেন। তাঁর মতে, উত্তর কলকাতার বাটখাড়া মন্ত্রী, হাওড়া অবহেলিত।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে মমতাকে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর

কর্মসূচি ঘোষণা করে পগার পার! বলছে পরে কর্মসূচি করব। আমরাও তার পরে করব। ৮ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অন্তত ১ লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে। ভোটের পর আমিও দেখিও দেব নন্দীগ্রামের মানুষ আমার সঙ্গে আছেন কিনা। আজ বজরঙ্গবলীর মন্দির চত্ত্বরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে এই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, আমার ছবিতে কালি লেপছে, ছবি ছিঁড়ছে। আমি এখানকার কাউকে দোষ দিই না। তোলাবাজ ভাইপোর অফিস থেকে এ সব করে ছবি পাঠাতে বলছে। আমি সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী। মানুষের সেবার কথা সব সময় বলি। আমি যে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি তা আজ ফের এখানে এসে বুঝলাম। তিনি বলেন, এটা ধর্মীয় অনুষ্ঠান। সেখানে আসার সময় ভুতা মোড়ে যে হামলা হয়েছে হামলাকারীদের গ্রেফতার করতে হবে। আমাদের দুর্বল ভাবার কারণ নেই। খড়দহে দলীয় কর্মসূচি সেরে আমি নন্দীগ্রাম ফিরব। যাঁরা আহত হয়েছেন তাঁদের চিকিৎসা শুরু হয়েছে। সেখানে আমার মন পড়ে আছে। বিজেপিতে যোগদানের পর এদিন প্রথম নন্দীগ্রামে গেলেন শুভেন্দুবাবু। অরাজনৈতিক ধর্মীয় রোড শো ঘিরে নন্দীগ্রামে ফের জনসমুদ্র বুঝিয়ে দিল, মানুষ রয়েছেন জননেতার সঙ্গেই।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২০
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে কাল শুভেন্দুর মিছিল, সিদ্ধান্ত বদল মমতার

লড়াইয়ের ময়দানে দেখা হবে। নন্দীগ্রাম দিবসে এই হুঙ্কার দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর রাসের অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পর ফের নন্দীগ্রামে যাচ্ছেন তিনি, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর এই প্রথম। জানা গিয়েছে, বজরঙ্গবলীর পুজো উপলক্ষ্যে টেঙ্গুয়া মোড় থেকে জানকীনাথ মন্দির পর্যন্ত এক শোভাযাত্রায় অংশ নেবেন শুভেন্দুবাবু। এদিকে, তিনি নন্দীগ্রামে গেলেও ৭ জানুয়ারি নন্দীগ্রাম যাচ্ছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শহিদ দিবস পালনের অনুষ্ঠানে দলনেত্রীর পরিবর্তে হাজির থাকবেন রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী। হঠাৎ কেন সিদ্ধান্ত বদল তা নিয়ে চর্চা চলছে। প্রতিবার ওইদিন শুভেন্দুবাবুর কর্মসূচি থাকে নন্দীগ্রামে, তারপর তিনি নেতাই যান। এবার তিনি বিজেপিতে। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছিল, নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভা করবেন। শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, ওই সভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের জবাব তিনি পরদিন অর্থাৎ ৮ তারিখ দেবেন। এক মঞ্চে শুভেন্দু অধিকারী ও মুকুল রায় থাকবেন। এই অবস্থায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইয়ের ময়দান থেকে সরে যাওয়ায় অবাক রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২০
রাজ্য

এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ শুভেন্দু অধিকারীর

নাম না করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগেছেন। ফিরহাদ হাকিম, সৌগত রায়, অমিত মিত্রকও আক্রমণ শানাতে ছাড়েননি। শেষমেশ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। ৭ জানুয়ারির বদলে ৮ জানুয়ারি নন্দীগ্রামে সভা করবেন শুভেন্দু। জবাব দেবেন মমতার সভার। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর এদিন প্রথম কাঁথিতে মিছিল ও সভা করেন শুভেন্দু অধিকারী। ভিড়ে ঠাসা ছিল মিছিল দাবি করেছে বিজেপি। এদিন শুভেন্দু একের পর এক তির ছুড়তে থাকেন। শুভেন্দু বলেন, মিনি পাকিস্তান বলা মন্ত্রী বলছেন শুভেন্দুর মুখে পরিবারতন্ত্র বলা মানায় না। আরে মাননীয় মিনি পাকিস্তান বলা মন্ত্রী আমি আপনার জামাইকে বলিনি তৃণমূলের যুব নেতা। লাল চুল, কানে দুল তার নাম যুবা তৃণমূল। আমি তাঁর কথা বলিনি। সৌগত রায়ের দাদা আমাদের বড় নেতা, প্রাক্তন রাজ্যপাল। আমি তাঁর কথাও বলিনি। আমি বলেছি কয়লা চোর, বালি চোর, পাথর চোর, গরুপাচারকারী ভাইপোর কথা। আবার চাকরি দিতে পারেনি পাউচ বিক্রি করার ব্যবস্থা করেছেন অর্থমন্ত্রী, বলেছেন শুভেন্দু। এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেননি শুভেন্দু। এদিন কাঁথির সভায় তৃণমূলনেত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণও করেছেন তিনি। প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী বলেন, আপনি ৭জানুয়ারী, ১৪মার্চ, ১০ নভেম্বর কোনও দিন আসেননি। কাল টিভিতে দেখলাম আপনি আসছেন। আপনি এলে রাস্তা সারাবে। আমার জেলার লাভ হবে। আমি ৭ তারিখে প্রতিবছর আমি যাই। এবার ওই দিন বড় কর্মসূচি নেব না। ৭ তারিখ আসছেন, ভাল কথা মোস্ট ওয়েলকাম। এতদিন আসেননি। আসুন। আমি যা যা বলতে আসছেন আমি জানি। ১০০০টা শুভেন্দু তৈরি হয়। কে ওটা, কী হবে। শুভেন্দুকে কাউন্টার করতে হাটবারে হাটবারে চারটা-পাঁচটা পুলিশের পাইলট কার নিয়ে জোড়া জোড়া মন্ত্রী। শুভেন্দুর চ্যালেঞ্জ, ৭ তারিখে আসুন, ভাষন দিন। আমি ৮ তারিখে সভা করা আপনার সব কথার জবাব দিয়ে দেব। আমি শৃঙ্খলাপরায়ন লোক। আমি আজই কৈলাশ বিজয়বর্গীয় জানিয়েছি নন্দীগ্রামে ৮ তারিখ সভা হবে। উনি সরকারি ক্ষমতায় লোক আনবেন, আমি আবেগ-ভলবাসায় লোক আনব। শুভেন্দু এদিন একাধিকবার ফিরহাদ হাকিমকে আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেন, উপনির্বাচনে টিকিট পায়নি বলে তৃণমূলনেত্রীর বাড়িতে ঢিল মারতে গিয়েছে। আমফানের পর কলকাতার লোক বুঝে গিয়েছিল কী তাঁর যোগ্য়তা। গ্রামের সঙ্গে লড়াই দক্ষিণ কলকাতার চার-পাঁচটা লোকের। ৪০ টা দফতর ওই চার-পাঁচটা লোকের। শুভেন্দুর ঘোষণা, গোপীবল্লভপুরের দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু হাত মিলিয়েছে। যেতে তোমাদের হবেই। পদ্ম ফুটিয়ে ঘুমাতে যাব।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২০
কলকাতা

অমর্ত্য সেনের অসম্মান করছে বিজেপি, প্রতিবাদ করুন বুদ্ধিজীবীরাও: মমতা

অমর্ত্য সেন আদর্শগতভাবে ওদের বিরোধী বলে তাঁকে নানাভাবে অসম্মান করছে বিজেপি। প্রতীচী নিয়ে অমর্ত্য সেনের এই অসম্মান আমাদের সবার অসম্মান। বুদ্ধিজীবীদের কাছে আমার আবেদন, আপনারাও এর প্রতিবাদ করুন। বৃহস্পতিবার ২৪ ডিসেম্বর ২০২০ নবান্নে এ কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, আমি বোলপুরে একটা মিছিল করব। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অমর্ত্য সেনকে কেন অসম্মান করা হচ্ছে? বিদ্যাসাগরের মূর্তি কেন ভেঙেছে, কেন অসম্মান করছে? পৌষমেলা কেন বন্ধ হলো? এই সবের কৈফিয়ত চাইব। বিনা কৈফিয়তে এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে অমর্ত্য সেনের পরিবারের সম্পর্কের ইতিহাস যারা জানে না তারা মিথ্যাচার, কুৎসা করছে। আমাকে আঘাত করতে গিয়ে মণীষীদের অসম্মান করছে! বাংলার ইতিহাস ভুলিয়ে দিতে দেব না। বিশ্বভারতীর শতবর্ষের অনুষ্ঠানে তাঁকে চিঠি পাঠিয়ে বা ফোন করে কোনও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই অনুষ্ঠানে ডাকা না হলেও আমি নিজে টুইট করেছি। আমি ২৮ তারিখ বোলপুরে গেলে যেতে বলেছিলেন উপাচার্য। কিন্তু দেড় দিনে ঠাসা কর্মসূচি থাকায় এবার যেতে পারছি না। কেন্দ্রকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় উগ্রবাদ বিশ্বভারতীকে শেষ করতে পারে না। এ সব টেম্পোরারি। আর তো কয়েকটা দিন। ডেজ আর নাম্বারড। আমি সহজ সরল ঘরের মেয়ে, আমাকে যা খুশি বলে আক্রমণ করছে, কিছু বলি না ভেবে। আমাকে বলে কী আর করবে? যত আক্রমণ করুক আমিই জিতব।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২০
রাজনীতি

বিশ্বাসঘাতক-মীরজাফরেই শুভেন্দুকে তোপ সৌগত- ফিরহাদের

তৃণমূল কংগ্রেস থেকে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় কাঁথিতে মিছিল ও জনসভা করল তৃণমূল কংগ্রেস। অধিকারীগড়ে সমাবেশ করে তৃণমূল বার্তা দিল আপাতত অখিল গিরিদের হাতেই থাকছে পূর্ব মেদিনীপুরে দলের ক্ষমতা। এই জনসভায় ছিলেন না তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা সাংসদ শিশির অধিকারী ও অপর সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। তৃণমূল নেতৃত্ব শুভেন্দুকে বিশ্বাসঘাতক ও মিরজাফর তকমাতে অনড় থাকলেন। বক্তারা টানা নিশানা করে গেলেন প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রীকে। পদ্ম শিবিরে যোগ দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী মঙ্গলবারই পূর্বস্থলীতে বিজেপির হয়ে জনসভায় প্রথম বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। শুভেন্দু মেদেনীপুরে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার দিন থেকে ভাইপো হটাওয়ের ডাক দিচ্ছেন। এদিকে এদিনের সভায় মূল দুই বক্তা সাংসদ সৌগত রায় ও মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বক্তব্যের প্রতি লাইনেই তুলোধোনা করেন দলের প্রাক্তন সেনানীকে। আগাগোড়া তোপ দাগলেন। শুভেন্দুকে ছাড়াই পূর্ব মেদিনীপুরে বিধানসভা নির্বাচনে ১৬ আসনেই জয়ী হবে তৃণমূল সেকথা ঘোষণা করেন ফিরহাদ। এদিনের সভায়ও ফিরহাদ হাকিম বিশ্বাসঘাতক বলে চিহ্নিত করেন শুভেন্দুকে। সৌগত রায় মীরজাফর বলে অভিহিত করেন। ফিরহাদ বলেন, শুভেন্দু বিশ্বাসঘাতক, এর জন্য আ্মরা ক্ষমা চাইছি। মমতাকে নয়, শুভেন্দু সাধারণ মানুষকে ধোঁকা দিয়েছে। পরিবারতন্ত্রের কথা বলছেন শুভেন্দু, কিন্তু ২০০৯-তে কীভাবে মনোনয়ন পেলেন তিনি। শিশির অধিকারীর ঘরে জন্ম না নিলে কোনও দিন শুভেন্দু অধিকারী হতে পারতেন না। ফিরহাদের কথায়, মেদিনীপুরের সবাই বলছেন কোনও রাজার প্রজা হয়ে থাকতে হবে না। অমরা সবাই রাজা এই রাজার রাজত্বে। দল ছাড়ার আগে সৌগত রায়ের সঙ্গে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকে কোনও সুরাহা হয়নি। এদিন শুভেন্দুকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন সৌগত রায়। দমদমের সাংসদ বলেন, শুভেন্দু মমতাকে ছেড়ে চলে গেল। ও মীরজাফরদের দলে নাম লিখিয়েছে। মানুষ মীরজাফরদের মেনে নেয় না। মুখে সতীশ সামন্তের কথা বলছে, কিন্তু চলে গেল শ্যামাপ্রসাদের দলে। এটাই কী আদর্শ-নীতির রাজনীতি? কাঁথি কোনও পরিবারের সম্পত্তি নয় বলেও জানিয়ে দেন সৌগত রায়। তিনি শুভেন্দুকে কোনও বড় পালোয়ান বলতে নারাজ, তাঁর মতে, অখিল গিরিই বড় পালোয়ান। কাঁথির মানুষ মমতার পাশেই থাকবেন বলে মনে করে সৌগতবাবু। এই জনসভায় যে শুভেন্দুকে কড়া বার্তা দেওয়া হবে তা রাজনৈতিক মহল অবগত ছিল। অখিলি গিরি জানিয়েছিলেন, শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী কনসেন্ট দেয়নি সভায় থাকার বিষয়ে। এদিকে তাঁরা জানিয়েছেন, এই সভার বিষয়ে তাঁদের জানানোই হয়নি। অভিজ্ঞ মহলের মতে, যে সভায় ছেলেকে লাগামছাড়া শব্দে আক্রমণ করা হবে সেখানে কী থাকতে পারেন সাংসদ বাবা। তাছাড়া শিশির অধিকারীকে বিশ্রাম নিতে পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

"অমিত শাহ বাউলের গান শুনেছেন, কিন্তু মনের কথা শোনেননি"

রাজ্যে দল ভাঙা-গড়ার কাজ চলছে জোরকদমে। কে কোন দলে আছেন, আর নেই তা বোঝাই দায় হয়ে পড়েছে। ঘনঘন জার্সি বদল চলছে খেলার মযদানের মতোই। বুধবার তৃণমূল ভবনে এক প্রশ্নের জবাবে দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়(partha chatterjee) বিজেপির উদ্দেশে বলেন, নিজের সংগঠনের ওপর জোর নেই। আগে নিজের ঘর সামলাও পরে অন্যের দিকে নজর দেবে। জঞ্জাল দিয়ে দলটা ভর্তি করছে, তা ভবিষ্য়তই বলবে। কাটমানি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পার্থ বলেন, ওরা সব কিছুতেই কাট দেখে। বিজেপি তুমি বাংলা থেকে কাটো। সম্প্রতি দুদিনের বাংলা সফরে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ( amit shah)। শান্তিনিকেতনে য়ে বাউলের গান শুনেছেন তিনি এখন তৃণমূল শিবিরে। পার্থ চট্টেপাধ্যায় বলেন, অমিত শাহ পুরো ড্রামা করেছেন। গান শুনেছেন বাউলের। কিন্তু বাউলের মনের কথা শোনেননি তিনি। মনের কথা না শোনা বাহুবলী নীতি বিজেপির। কাউকে জোর করে আনা আর মন থেকে আসা পুরো আলাদা। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বারে বারে বাংলায় আসছে। তৃণমূল মহাসচিবের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের জন্য কিছু ভাবছে না বিজেপি। যা ভাববে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের কর্মীরা মানুষের পাশে দাঁড়াবে। বাংলার আইন-শৃঙ্খলা এত ভাল যে বারবার ওদের আসতে হচ্ছে। কে ভোগী আর ত্যাগী মানুষ তাঁর জবাব দেবে। মিথ্যা-অপপ্রচার করছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেস কে গেল আর কে এল এসব নিয়ে ভাবে না।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

সায়ন্তনের পর অগ্নিমিত্রাকে শোকজ, কেন এই পদক্ষেপ বিজেপির?

একদিকে তৃণমূল কংগ্রেস সহ বাম-কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগপর্ব চলছে। একইসঙ্গে চলছে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বকে শোকজের পালা। মঙ্গলবার সায়ন্তনসহ তিনজনকে শোকজ করার পর বুধবার শোকজ করা হল রাজ্য মহিলা মোর্চার সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে। রাজ্য বিজেপি জানিয়েছে, দলবিরোধী মন্তব্যের জন্য অগ্নিমিত্রাকে শোকজ করা হযেছে। ১৮ ডিসেম্বর তিনি সংবাদ মাধ্যমে ওই মন্তব্য করেছিলেন। তবে কী মন্তব্য করার জন্য তাঁকে শোকজ করা হয়েছে তা সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া চিঠিতে লেখা নেই। চিঠিতে অগ্নিমাত্রা পালকে বলা হযেছে ৭ দিনের মধ্যে দিলীপ ঘোষের কাছে তাঁকে জবাব দিতে হবে। উত্তর সন্তোষজনক না হলে দল কঠোর শাস্তি দেবে বলেও তাঁকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসুকে শোকজ করে রাজ্য নেতৃত্ব। তাঁকে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছিল। শুভেন্দু তৃণমূল ছাড়ার পরপরই জিতেন্দ্র তেওয়ারী তৃণমূল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর বিজেপি যোগের সম্ভাবনা প্রবল হয়। তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ সুনীল মন্ডলের বাড়িতে তাঁরা বৈঠকও করেন। কিন্তু তারপরই আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়, সায়ন্তন বসু, অগ্নিমিত্রা পাল জিতেন্দ্রকে নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে আপত্তি জানান। বাবুল তো সরাসরি তাঁর আপত্তির কথা জানিয়ে দেন। বাকিরা সেই মতকে সমর্থন করে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সম্ভবত এই কারণেই অগ্নিমিত্রা পালকে শোকজ করা হল।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২০
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষের পদত্যাগের হুঁশিয়ারি, শোরগোল তৃণমূলে

জেলার এক সাংসদ ও দুই বিধায়ক বিজেপি শিবিরে যোগ দিয়েছেন। এবার পদত্যাগের হুঁশিয়ারি দিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের এক কর্মাধ্যক্ষ। দলের জেলা সাধারণ সম্পাদিকার পদ ছেড়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারিতে তোলপাড়। এবার বেসুরো পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ মিঠু মাঝি। মঙ্গলবার মিঠু মাঝি জানিয়ে দিলেন কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে পদত্যাগ করবেন। তবে তিনি পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের নারী ও শিশু এবং সমাজ কল্যাণ দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ পদ ছাড়লেও দল থেকে পদত্যাগ করছেন না। মিঠু মাঝি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অপমানিত হচ্ছেন। তাঁকে না জানিয়েই সব কাজ করা হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়েই তিনি এই কর্মাধ্যক্ষের পদ ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আরও পড়ুন-- আমাকে বিধায়কের টিকিট দেওয়ার দরকার নেই-শুভেন্দু মিঠু পরপর দুবার জেলাপরিষদের জামালপুর আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে তিনি বন ও ভূমি দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ হিসাবে কাজ করেছেন। কিন্তু শেষ পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি জয়লাভ করার পর তাঁকে নারী ও শিশু, সমাজকল্যাণ দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ করা হয়। কিন্তু তাঁকে কোনো কিছু না জানিয়েই সবরকমের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তাঁর দপ্তরের অধীন যে সমস্ত বিষয় সে সম্পর্কেও তাঁকে কিছু জানানো হচ্ছে না। সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই তাঁকে জানানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন মিঠু মাঝি। আরও পড়ুন-- তোলা না পেয়ে মারধরের অভিযোগ, খতিয়ে দেখা হচ্ছে সিসিটিভি তাঁর অভিযোগ, আমাকে না জানিয়েই গতবছর সবলা মেলা গলসিতে করা হয়েছিল। এবছর সবলা মেলা করা হচ্ছে মেমারির সাতগেছিয়ায়। কিন্তু এবিষয়েও আমাকে কিছুই আগাম জানানো হয়নি। সবকিছু ঠিক করে আমাকে জানানো হয়েছে। এভাবে দিনের পর দিন আমি আর উপেক্ষার পাত্রী হয়ে থাকতে রাজি নই। গোটা বিষয়টি আমি দলের জেলা সভাপতি স্বপন দেবনাথসহ জেলা নেতৃত্ব এমনকি খোদ সভাধিপতিকেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনে সুরাহা হয়নি। এমনকি এব্যাপারে কথা তোলায় আ্মাকে কার্যত অপমানিতও করা হয়। আরও পড়ুন-- প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর মিঠু জানিয়েছেন, তিনি ত্রাণ বিভাগেরও কর্মাধ্যক্ষ। সাম্প্রতিককালে আমফানে ক্ষতিগ্রস্থদের সাহায্যের জন্য তিনি প্রতিটি জেলা পরিষদ সদস্যকে ৫টি করে ত্রিপল দেবার দাবি জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে অপমান করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই তিনি সরকারি অর্থ খরচ করে প্রতিদিন জেলা পরিষদে আসা তিনি মানতে পারছেন না। তাই বাধ্য হয়েই তিনি পদত্যাগ করছেন। যদিও তিনি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ পদ থেকে ইস্তফা দিলেও তিনি তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদিকা হিসাবে এবং জেলা পরিষদের সদস্য হিসাবেই কাজ করে যাবেন। এমনকি তিনি তৃণমূল ছেড়ে অন্য দলেও যাচ্ছেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন। এই বিষয়ে জেলা সভাধিপতি শম্পা ধাড়া বলেন, এখনও এব্যাপারে আমাকে কিছু জানানো হয়নি। জেলা পরিষদের সব কর্মাধ্যক্ষই নিজের মত স্বাধীনভাবে কাজ করেন।কাউকে কাজ বাধা দেওয়া হয় না। মিঠু মাঝির পদত্যাগ নিয়ে রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র তথা জেলা পরিষদের সহসভাধিপতি দেবু টুডু বলেন, কোনও সমস্যা হতেই পারে। ওসব বড় ব্যাপার নয়। সব আলোচনা করে মিটিয়ে নেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতাকে বহিষ্কার

শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হল। দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী জানিয়ে দিয়েছেন, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সম্পাদক কণিষ্ক পন্ডাকে দল বিরোধী কাজের অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি সেই নির্দেশ তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বকে জানিয়ে দিতে বলেছেন। রবিবার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। কণিষ্ক পন্ডা শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। বিগত কয়েকদিনে একাধিকবার শুভেন্দুর পাশে থাকার কথা বলেছেন পূর্ব মেদিনীপুরের এই তৃণমূল নেতা। শুধু তাই নয়, শুভেন্দুকে সমর্থন করে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কনিষ্ক। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেই দল বিরোধী কাজের অভিযোগ তুলেছিলেন শুভেন্দু ঘনিষ্ঠ এই নেতা। শেষমেষ দল তাঁকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল। ইতিমধ্যে রাজ্যের একাধিক তৃণমূল বিধায়ক, নেতা নানাভাবেই শুভেন্দুকে সমর্থন করে বক্তব্য পেশ করেছেন। অনেক ক্ষেত্রেই তাঁরা পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী দলে না থাকলে দলের সমূহ ক্ষতি হবে। যদিও সেই সব নেতাদের বিরুদ্ধে এখনও কোনও ব্যবস্থা নিতে পারছে না তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। রাজনৈতিক মহলের মতে, পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে যেভাবে দলের একাংশ ক্ষোভপ্রকাশ করছে তাতে দলের বিপদ ক্রমশ বাড়ছে। বিভ্রান্ত হচ্ছেন তৃণমূলের নীচুতলার নেতা-কর্মীরা।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২০
কলকাতা

আগুন নিয়ে খেলবেন না , মমতাকে হুশিয়ারি ধনকড়ের

কয়েকজন প্রশাসন কর্তা রাজনৈতিক কর্মীর কাজ করছেন। এটা বরদাস্ত হবে না। গণতন্ত্র বিপন্ন এ রাজ্যে। রাজভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনাকে প্রচার না পেয়ে নাটক বলে তুলে ধরেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় বলেন, এমন মন্তব্যে আমি লজ্জিত। গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত হল। আপনার উচিত, ক্ষমা চেয়ে নেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী যে ভাষায় নাড্ডা-সহ বিজেপি নেতৃত্ব এবং রাজ্যপালকে আক্রমণ করেছেন, তা নিয়েও আপত্তি রয়েছে তাঁর। বললেন, মুখ্যমন্ত্রী অভিজ্ঞ। আমি ওর কথায় দুঃখ পেয়েছি। রাজনীতিতে সংস্কৃতি থাকতে হবে। ক্ষমা চেয়ে নিন, তাহলে আপনার সম্মান বাড়বে। কিছুটা হুঁশিয়ারির সুরে তিনি এও বলেন, আগুন নিয়ে খেলবেন না। আরও পড়ুন ঃ এখনও সঙ্কটজনক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এরপর তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনিক কর্তাদের ডাকলেও তাঁরা আসেন না। আগামী নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে ধনকড়ের দাবি, তার আগে রাজ্যের এই অশান্ত পরিস্থিতিতে তিনি উদ্বিগ্ন। তাই বারবার সামগ্রিক পরিস্থিতি বোঝার জন্য পুলিশ ও প্রশাসনকে ডেকে পাঠান, আলোচনা করতে চান। কিন্তু তাতে আমল দেওয়া হয় না বলে আক্ষেপ তাঁর।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
রাজনীতি

বাঁকুড়া সফরে শুভেন্দুকে নিয়ে কীসের ইঙ্গিত মমতার?

বাঁকুড়া সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে শেষবার তাঁর বাঁকুড়া সফরে সঙ্গী ছিলেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এবার দলনেত্রী নিয়ে গিয়েছেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ফলাও করে সরকারি বিজ্ঞাপনে তাঁর নামও ছাপা হয়েছে। সেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, যাঁর সঙ্গে বাগযুদ্ধ চলছে শুভেন্দুবাবুর। তাঁর মতো জননেতাকে কল্যাণের বিলো দ্য বেল্ট লাগাতার আক্রমণ ভালোভাবে নিচ্ছেন না তৃণমূলের অনেকেই। বিশেষ করে যখন সৌগত রায়ের আরও একবার শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আলোচনায় বসার কথা। শুভেন্দুবাবু দলনেত্রী সম্পর্কে কিছু বলেননি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেননি। তবে গাড়ি বা হেলিকপ্টারে তাঁর সঙ্গীদের দেখে অনেক বার্তা বোঝা যায়। কল্যাণকে সঙ্গে নিয়ে জেলা সফরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বার্তা দিলেন তা নিয়েই চর্চা চলছে।আরও পড়ুন- শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে গল্প বানিয়েই চলেছে বাংলা সংবাদমাধ্যমরবিবার তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, দলের অনেকেই দোদুল্যমান। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মাথার উপর না থাকলে কার কত দম সেটাও বোঝা যাবে গোছের নাম না করে একটা বার্তা দেন তৃণমূল মহাসচিব। তারপরেই মমতা-কল্যাণ বাঁকুড়ায়। প্রশ্ন উঠছে, কল্যাণ যে শুভেন্দুবাবুকে পারিবারিক ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করেছেন (যা নিয়ে শেরপুরের সভায় নাম না করে কল্যাণকে অনিল বসুর সঙ্গে তুলনা করে প্রশ্ন রাখেন, এই কালচার আপনারা সমর্থন করেন?), তাহলে সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমর্থন করছেন? অভিজ্ঞমহলের মতে, নীরবতা এমনিতেই সম্মতি লক্ষ্মণ। সুব্রত বক্সী, ফিরহাদ হাকিম, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের শুভেন্দুবাবুকে নিয়ে বিবৃতি প্রত্যাহার করেনি দল। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি তৃণমূল শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে বিচ্ছেদ চাইছে?আরও পড়ুন- বিরসা মুন্ডার জন্মদিনে ছুটি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরশুভেন্দুবাবুকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে বাঁকুড়ার দুটো লোকসভা আসনে হারে তৃণমূল। শুভেন্দুবাবু কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলে তৃণমূলের যে ঢাকিশুদ্ধ বিসর্জন হবে সে বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা নিশ্চিত। বিভিন্ন জেলা থেকেও তেমন ভাঙনের আভাস মিলছে। অনেকে বলছেন, দিদির ম্যাজিক যদি থাকত তাহলে বিয়াল্লিশে বিয়াল্লিশ ২২-এ থমকাতো না। এরপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। ভোটের ফলের চাবিকাঠি থাকবে পান্তা খাওয়া, গামছা পরা গ্রামের ছেলে নন্দীগ্রামের বিধায়কের হাতেই।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
রাজনীতি

হাথরসকাণ্ডের প্রতিবাদে আজ বিকেলে প্রতিবাদ মিছিল মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা আবহে আজ উত্তরপ্রদেশের হাথরস ইস্যুতে কলকাতার রাজপথে প্রতিবাদ মিছিল করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতিতে এই প্রথম প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। শনিবার বিকেল ৪টায় মিছিল বিড়লা প্লানেটোরিয়াম থেকে শুরু হয়ে শেষ হবে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে। শুক্রবার হাথরসে ঢুকতে গিয়ে বাধা পায় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। অভিযোগ, মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনকে। উত্তরপ্রদেশের হাথরসে দলিত তরুণীর গণধর্ষণে মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ আপামর জনতা। তারওপর যোগী সরকারের কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ আরও বাড়ছে। স্থানীয় জেলাশাসক হুমকি দিয়েছেন ওই পরিবারকে। এমনটাই অভিযোগ। কংগ্রেসে নেতা রাহুল গান্ধীকে মেরে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এর আগে টুইটে উত্তরপ্রদেশের ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার পথে নেমে প্রতিবাদ করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

অক্টোবর ০২, ২০২০
রাজ্য

অসমাপ্ত কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ মমতার

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে গিয়েছে। কোভিড পরিস্থিতিতেও উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উন্নয়নের কাজ খতিয়ে দেখতেই এই সফর মমতার। উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক কর্তাদের মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন ১০০ শতাংশ কাজ চাই। চা শ্রমিকদের জন্য করলেন বিশেষ ঘোষণা। আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে মানুষের উন্নয়নের কাজে কেনও গাফিলতি না হয় এবং দ্রুত কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী বললেন, ইনস্পেক্টর রাজ বেশি চলছে। জনস্বার্থে কাজ বেশি চাই। খোলনলচে সব বদলে দেব। ১০০ পার্সেন্ট কাজ চাই, ১০০ পার্সেন্ট অভিযোগের সমাধান করতে হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে দুই জেলার সব কাজ শেষ করার জন্য ডিএম-এসডিও-বিডিওদের নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের অর্থদপ্তর টাকা দেওয়া সত্ত্বেও অনেক জায়গায় কাজ হচ্ছে না বলে রিপোর্ট পেয়েছেন মমতা। মুখ্যমন্ত্রী জেলা সভাধিপতিদের নির্দেশ দেন ডিএম-বিডিওদের সঙ্গে কথা বলে অসমাপ্ত কাজগুলি শেষ করুন। বুধবার দার্জিলিং, কোচবিহার ও কালিম্পংয়ের রিভিউ বৈঠক করবেন মমতা। এদিন চা বাগানের গৃহহীন শ্রমিকদের জন্য চা সুন্দরী প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, চা বাগানের গৃহহীন শ্রমিকদের বাড়ি বানিয়ে দেবে সরকার। চা সুন্দরী প্রকল্পে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই প্রকল্পের কাজ আগামী ২ মাসের মধ্যে শুরু হবে। তিন বছরের মধ্যে প্রকল্প সম্পূর্ণ করা হবে। উত্তরবঙ্গে ৩৭০টি চা বাগানে প্রায় ৩ লক্ষ শ্রমিক রয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, প্রথম পর্যায়ে জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ারের মোট ৭টি চা বাগানের ৩,৬৯৪টি পরিবার এই প্রকল্পের বাড়ি পাবেন। আলিপুরদুয়ারে ৫টি চা বাগানের ২,৬৪১ টি পরিবার রয়েছে। আর জলপাইগুড়িতে ২টি চা বাগানে ১,০৫৩টি পরিবার থাকছে। তিনশো কামতাপুরি আন্দোলনকারী রাজ্যের উদ্যোগে মূল স্রোতে ফিরছে। এদিন ১৩০ জন কেএলও অ্যাক্টিভিস্ট ও লিংকম্যান মূল স্রোতে ফিরে এসেছেন। রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বাকি ১৬১ জন আগামীকাল, বুধবার ফিরবেন। এদিন জল্পেশ মন্দিরের পুরোহিত বিজয় চক্রবর্তীর হাতে পুরোহিত ভাতা তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২০
কলকাতা

নতুন মুখ্য সচিব কে? ঘোষণা মমতার

রাজ্যের মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা অবসর গ্রহণ করছেন বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর। তাঁর স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন তা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উত্তরবঙ্গ সফর শুরুর আগে সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি টুইটে জানান, ১ অক্টোবর থেকে রাজ্যের পরবর্তী মুখ্য সচিব হবেন আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমানে তিনি অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (স্বরাষ্ট্র এবং তথ্য ও সংস্কৃতি)-এর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। আলাপনের জায়গায় স্বরাষ্ট্র সচিব হয়ে আসছেন বর্তমান অর্থ সচিব এইচ কে দ্বিবেদী। অর্থ সচিব হবেন মনোজ পন্থ। রাজীব সিনহাকে ওইদিন থেকেই তিন বছরের জন্য রাজ্য শিল্পোন্নয়ন নিগমের চেয়ারম্যান পদে বসানো হচ্ছে। সকলকে আগাম শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

দুর্গাপুজোয় ক্লাবগুলিকে ৫০হাজার টাকা, বিদ্যুতে ৫০ শতাংশ ছাড়সহ একাধিক ঘোষনা মুখ্যমন্ত্রীর

করোনা আবহে দুর্গাপুজোর উদ্যোক্তাদের নানা সাহায্যের কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পাশাপাশি একাধিক নিয়ম মানার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। করণ কোনওরকম ভাবে উৎসবের আবহে করোনা সংক্রমণ না ছড়ায়। এদিন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দুর্গাপুজো সমন্বয় কমিটির সভা বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পুজো উদ্যোক্তাদের নানাবিধ নির্দেশের কথা জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, এবার রাজ্য সরকার পুজো কমিটিগুলোকে ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্য দেবে। তাছাড়া পুজো অনুমতির ক্ষেত্রেও একগুচ্ছ ছাড় ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ফায়ার ব্রিগেডের অনুমতি একেবারেই বিনামূল্যে মিলবে। পুরসভা এবার কোনও কর নেবে না। সিইএসসি, রাজ্য বিদ্যুৎ দফতর ৫০% ছাড় দেবে।এককথায় দুর্গাপুজোয় কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়াও করোনা মেকাবিলায় নানাবিধ নির্দেশ ঘোষণা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রতি প্যান্ডেলে স্যানিটাইজার এবং মাস্ক বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তৃতীয়ার দিন রাত থেকে একাদশীর দিন পর্যন্ত প্রতিমা দর্শণ করা যাবে। এছাড়া করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সচেতন করার জন্য ক্লাবগুলিকে মাইকে ঘোষণা করতে হবে। প্যান্ডেল খোলামেলা করার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যদি চালা ঢাকা থাকে সে ক্ষেত্রে চারিপাশটা খুলতে হবে। চারিপাশ ঢাকা থাকলে চালা খোলা রাখতে বলেছেন। এক কথায় কোনভাবেই যাতে উৎসবের দিনগুলো করোনা সংক্রমণ না ছড়ায় সে ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাছাড়া অঞ্জলি, প্রসাদ বিতরণ এবং সিঁদুরখেলা নিয়েও বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বেশি ভিড় করা যাবে না বলেই জানিয়েছেন তিনি। এবার আর রেড রোড কার্নিভ্যাল অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। তবে এ দিনের বৈঠকে নাম না করে গেরুয়া শিবিরের সমালোচনা করতেও ছাড়েননি তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পুজো না হলে এক কথা বলবে পুজো হলে আর এরকম অপবাদ চাপাবে। অতএব তাঁদের কোনওরকম সুযোগ দেওয়া যাবে না। কারণ পুজো নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে। শকুনের দৃষ্টিতে তারা তাকিয়ে আছে। এবারে রাজ্যে মোট ৩৭ হাজার দুর্গাপুজো হচ্ছে তার মধ্যে কলকাতায় প্রায় আড়াই হাজার পুজো হবে। রাজ্য পুলিশ এলাকায় পুজোর সংখ্যা ৩৪ হাজার ৪৩৭, এছাড়া ১৭০৬টি মহিলা পরিচালিত পুজো রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

‘ঝালমুড়ি খেয়েছি, ঝাল লেগেছে তৃণমূলের’—কৃষ্ণনগরে তীব্র আক্রমণ মোদীর

প্রথম দফার ভোট চলাকালীনই আবার বাংলায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনী প্রচারে নদিয়ার কৃষ্ণনগর-এ জনসভা করে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁর দাবি, গত পঞ্চাশ বছরে বাংলায় এত বেশি ভোটদান আগে হয়নি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, হিংসামুক্ত ভোটের দিকেও এগোচ্ছে রাজ্য।সভা থেকে মোদি জানান, বাংলায় ভোটের পুরনো সব রেকর্ড ভেঙে গিয়েছে। মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি জয়ের ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী সুরে বলেন, ৪ মে বাংলায় পদ্ম ফুটবে। মিষ্টি বিলি হবে, ঝালমুড়িও বিলি হবে। তাঁর মতে, রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে এবং মানুষের মধ্যে ভরসা বাড়ছে।এই সভা থেকে ফের ঝালমুড়ি প্রসঙ্গও তুলে আনেন তিনি। সম্প্রতি ঝাড়গ্রামে তাঁর ঝালমুড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনে মোদি বলেন, আমি ঝালমুড়ি খেয়েছি, কিন্তু ঝাল লেগেছে তৃণমূলের। তাঁর এই মন্তব্যে সভাস্থলে হাসির রোল পড়ে। তিনি দাবি করেন, বহু বছর পর বাংলায় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্পষ্ট এবং উত্তর থেকে দক্ষিণসব জায়গায় মানুষ পরিবর্তন চাইছেন।সভায় দাঁড়িয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের উদ্দেশেও বার্তা দেন মোদি। তিনি বলেন, তাঁদের কোনও ভয় পাওয়ার দরকার নেই এবং কেউ তাঁদের ক্ষতি করতে পারবে না। ক্ষমতায় এলে নাগরিকত্ব আইন কার্যকর করার আশ্বাসও দেন তিনি। তাঁর কথায়, ৪ মে-র পর থেকে নতুন সুরক্ষার গ্যারান্টি শুরু হবে।ভোটের মাঝেই প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য ও প্রতিশ্রুতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
দেশ

মুখ্যমন্ত্রী তদন্তে ঢুকতেই প্রশ্নে গণতন্ত্র! সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য, তুষার মেহতার বড় অভিযোগ

আইপ্যাক মামলাকে ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। বুধবার বিচারপতি পি কে মিশ্র গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণে জানান, কোনও মুখ্যমন্ত্রী যদি কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে গণতন্ত্রের উপর প্রশ্ন উঠে যায়। এই মন্তব্যের পর বৃহস্পতিবার শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা একের পর এক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।ঘটনার সূত্রপাত আইপ্যাক অফিসে ইডির তল্লাশি ঘিরে। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান এবং কিছু নথি ও ডিজিটাল সামগ্রী নিয়ে বেরিয়ে আসেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনাকেই কেন্দ্র করে মামলা দায়ের হয়। রাজ্যের তরফে ইডির তদন্তের এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, আর সেই বিষয়েই এদিন আদালতে নিজের সওয়াল পেশ করেন তুষার মেহতা।তিনি দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। তাঁর বক্তব্য, আইনের শাসন বজায় রাখা সংবিধানের একটি মৌলিক অধিকার এবং তা লঙ্ঘিত হয়েছে। কয়লা পাচার মামলায় বিপুল টাকার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সেই তদন্তে ইডি কাজ করছে এবং তাদের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষা করা প্রয়োজন। তাঁর আরও দাবি, বেআইনি অর্থ বিদেশি চ্যানেলের মাধ্যমে অন্য রাজ্যে গিয়ে পরে আইপ্যাকের কাছে পৌঁছেছে।মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, তদন্ত চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ নথি ও ডিজিটাল যন্ত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইডি আধিকারিকদের বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও তদন্তে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। সেই ঘটনার পর ইডি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দায়ের করা হয়, সেটিকেই চ্যালেঞ্জ করে আদালতে আসা হয়েছে বলে জানান তুষার মেহতা। তিনি নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে তদন্তের দাবি জানান।তুষার মেহতা আরও অভিযোগ করেন, ঘটনাস্থলের নজরদারি ক্যামেরার তথ্য এবং কর্মীদের মোবাইল ফোন পর্যন্ত পুলিশ নিয়ে গেছে। তাঁর কথায়, যাঁরা নিজেরাই তদন্তের আওতায় রয়েছেন, তাঁদের রক্ষা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।হাইকোর্টের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শুনানির আগেই কোর্টরুমে অশান্তির পরিবেশ তৈরি করা হয়েছিল। যদিও বিচারপতি পি কে মিশ্র জানতে চান, এই বিষয়ের সঙ্গে মামলার সরাসরি সম্পর্ক কী। জবাবে তুষার মেহতা জানান, ন্যায়সঙ্গত পরিবেশ না থাকায় তারা উচ্চ আদালতের পরিবর্তে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আসতে বাধ্য হয়েছেন।তিনি অতীতের একাধিক ঘটনার উল্লেখও করেন। কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনারকে ঘিরে সিবিআই তদন্তের সময় মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকার প্রসঙ্গ তোলেন। অভিযোগ করেন, তদন্তে বারবার বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে এবং আদালতের কাজেও প্রভাব ফেলার চেষ্টা হয়েছে।জানুয়ারি মাসে আইপ্যাক অফিসে তল্লাশির ঘটনার পর এই মামলা শুরু হয়। সেই মামলার শুনানি এখন সুপ্রিম কোর্টে চলছে। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও শুনানিতে তুষার মেহতা বিস্তারিত সওয়াল করেন এবং একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চারটার পরেই আগুন! বীরভূমে ভোটকেন্দ্রে তুমুল সংঘর্ষ, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মারধর

বীরভূমের খয়রাশোল এলাকায় ভোট চলাকালীন হঠাৎই পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। বিকেল চারটার পর থেকেই অশান্তির আশঙ্কা ছিল বলে আগে থেকেই সতর্ক করেছিল নির্বাচন কমিশন। সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়ে ওঠে। দুবরাজপুর বিধানসভার খয়রাশোল ব্লকের বুধপুর গ্রামের একটি বুথে আচমকাই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং মুহূর্তের মধ্যে তা খণ্ডযুদ্ধে পরিণত হয়।স্থানীয় ভোটারদের অভিযোগ, ইভিএমে নির্দিষ্ট বোতাম চাপলেও অন্য প্রার্থীর পক্ষে ভোট চলে যাচ্ছে। প্রায় দুইশো ভোট পড়ার পর এই বিষয়টি ধরা পড়ে বলে দাবি করেন গ্রামবাসীরা। এই অভিযোগ ঘিরে ভোটারদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয় এবং তাঁরা সঙ্গে সঙ্গে ভোট প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবি তোলেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই ভোট বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়।খবর পেয়ে ইঞ্জিনিয়ারদের আসার কথা জানানো হয়। কিন্তু তার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয়দের তীব্র বচসা শুরু হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ, স্থানীয়রা জওয়ানদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছুড়তে শুরু করেন এবং মারধরও করা হয়। এই ঘটনায় কয়েকজন জওয়ান ও গাড়ির চালক আহত হন। বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে এগোতে দেখা যায়। গোটা এলাকায় এখনো চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

হাবড়া-অশোকনগরে মেট্রো! অমিত শাহের বড় ঘোষণা, স্বপ্ন না কি ভোটের প্রতিশ্রুতি?

হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো চালুর প্রতিশ্রুতি ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনায়। বুধবার হাবড়ার একটি জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেন, এই দুই শহরে মেট্রো পরিষেবা চালু করার জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে। এই বক্তব্য সামনে আসতেই জল্পনা শুরু হয়েছে সর্বত্র।হাবড়ার বাণীপুর চৌমাথা সংলগ্ন আম্বেদকর মাঠে আয়োজিত সভায় তিনি দলীয় প্রার্থী দেবদাস মণ্ডল ও অশোকনগরের প্রার্থী সুময় হীরার সমর্থনে বক্তব্য রাখেন। সেখানেই তিনি জানান, মেট্রো চালু হলে হাবড়া ও অশোকনগরের পরিবহণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যারও সমাধান হতে পারে বলে দাবি করেন তিনি।হাবড়া ও অশোকনগর, দুই এলাকাতেই প্রতিদিন প্রচুর মানুষের যাতায়াত হয়। বিশেষ করে হাবড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ী কেন্দ্র। এখানে চালের বড় বাজার ও সুতির কাপড়ের হাট রয়েছে, যার জন্য বহু মানুষ প্রতিদিন এই শহরে আসেন। ফলে প্রায়ই তীব্র যানজট তৈরি হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দার কথায়, মেট্রো চালু হলে মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমবে।তবে এই ঘোষণার পরেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বাস্তবতা নিয়ে। অনেকের মতে, এখনও পর্যন্ত বারাসত বা বারাকপুর পর্যন্ত প্রস্তাবিত মেট্রো প্রকল্পের কাজই শুরু হয়নি। জমি সংক্রান্ত সমস্যা ও অন্যান্য জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্প আটকে রয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে হাবড়া পর্যন্ত মেট্রো পৌঁছনো আদৌ সম্ভব কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন অনেকেই।কলকাতায় দেশের প্রথম মেট্রো চালু হলেও পরবর্তী সময়ে খুব বেশি দূর পর্যন্ত তার সম্প্রসারণ হয়নি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই অনেকের মতে, হাবড়া ও অশোকনগরে মেট্রো পরিষেবা চালুর ঘোষণা আপাতত স্বপ্নের মতোই শোনাচ্ছে। তবে এই প্রতিশ্রুতি কতটা বাস্তবায়িত হবে, সেটাই এখন দেখার।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনই তাণ্ডব! অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে পাথরবৃষ্টি, ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল আসানসোল

ভোটকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। মুর্শিদাবাদে জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীরের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগের পর এবার আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।অগ্নিমিত্রা পালের অভিযোগ, বার্নপুরের রহমত নগর এলাকায় তাঁর গাড়ির উপর আচমকা হামলা চালানো হয়। তিনি জানান, এলাকায় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে একটি স্কুলে ঢুকেছিলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার পরই তাঁর গাড়িকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া শুরু হয়। চলন্ত গাড়ির পিছনে একের পর এক পাথর আঘাত হানে। তাঁর দাবি, তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলা চালিয়েছে। শুধু তাঁর গাড়িই নয়, সঙ্গে থাকা সাংবাদিকদের গাড়িতেও পাথর ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার পর তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান।এ দিনের সকালেই আসানসোলের রানিগঞ্জ এলাকায় পুলিশ তাঁকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় পুলিশের এক আধিকারিকের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা হয়। নিমচা ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক নাসরিন সুলতানা জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থীর সঙ্গে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি গাড়ি রাখা যাবে না। এই নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়।এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে, একই দিনে মুর্শিদাবাদে হুমায়ুন কবীরের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে জানা গেছে। তাঁর গাড়ির কাচ সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।রাজ্যের একাধিক জেলায় এভাবে প্রার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় ভোটের পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনেই বিস্ফোরক মন্তব্য! গুণ্ডামির অভিযোগে সরব শুভেন্দু

নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে বেরিয়েই সুর চড়ালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। নিজের বুথে ভোট দিয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলায় পরিবর্তন হবেই। তাঁর কথায়, এবার যদি পরিবর্তন না হয়, তাহলে বাংলায় সনাতনবাদ বিপদের মুখে পড়বে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের কাজকে ভালো বললেও কিছু জায়গায় গুণ্ডামির অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, তাঁদের পোলিং এজেন্টকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।শুভেন্দু অধিকারী দীর্ঘদিন ধরেই নন্দীগ্রামের ভোটার। প্রতি নির্বাচনের মতো এবারও তিনি নিজের বুথে গিয়ে ভোট দেন। এদিন সকালে ব্রজমোহন তিওয়ারি উচ্চ বিদ্যালয়ের বুথে গিয়ে ভোট দেন তিনি। ভোট দিয়ে বেরিয়ে এসে বুথ স্তরের এক কর্মীর ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে এসেছেন।পরে তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু হিন্দু ভোটারকে ভয় দেখানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রাম বরাবরই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর কেন্দ্র। প্রতি নির্বাচনে এখানে উত্তেজনা দেখা যায়।এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মূল লড়াই তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে। একদিকে শুভেন্দু অধিকারী, অন্যদিকে তাঁর প্রাক্তন ঘনিষ্ঠ পবিত্র কর তৃণমূলের প্রার্থী। এই দুই প্রার্থীর লড়াই ঘিরে আগেই উত্তাপ বেড়েছিল। ভোটের দিন সকালে নিজেই ভোট দিয়ে পরে দলীয় কার্যালয়ের দিকে রওনা দেন শুভেন্দু।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
কলকাতা

ইডির সমনে হাজিরা দিতে হবে সুজিত বসুকে! হাইকোর্টে বড় রায়

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুকে ঘিরে নতুন মোড়। এই মামলায় তাঁকে বারবার তলব করেছিল তদন্তকারী সংস্থা। তবে আপাতত কিছুটা স্বস্তি পেলেন তিনি। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এখনই হাজিরা দিতে হবে না, তবে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরা দিতেই হবে।দুবছর আগে এই মামলায় চার্জশিট জমা পড়লেও সেখানে সুজিত বসুর নাম ছিল না। তবুও ভোটের আগে থেকে তাঁকে একাধিকবার তলব করা হয়। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তাঁকে বারবার সমন পাঠানো হচ্ছিল। একবার তিনি নিজে না গিয়ে নিজের ছেলেকে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু তা গ্রহণ করেনি তদন্তকারী সংস্থা।এরপর আবার তাঁকে নির্দিষ্ট দিনে হাজিরার জন্য ডাকা হয়। তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আবেদন করেন, ভোট চলাকালীন তিনি প্রার্থী হওয়ায় এখন হাজিরা থেকে ছাড় দেওয়া হোক। তাঁর দাবি ছিল, ভোট শেষ হওয়ার পর তাঁকে ডাকা হোক। অন্যদিকে তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তাঁকে বারবার ডাকা হলেও তিনি সহযোগিতা করছেন না।সব দিক বিবেচনা করে আদালত জানিয়েছে, আগামী ১ মে সকাল সাড়ে দশটায় তাঁকে হাজিরা দিতে হবে। নিজের জায়গায় অন্য কাউকে পাঠানো যাবে না। তবে যেহেতু তিনি ভোটে প্রার্থী, তাই এই সময়সীমা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে আদালত।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

হুমায়ুনকে ঘিরে তাণ্ডব! গাড়ি ভাঙচুর, বাঁশ ফেলে অবরোধ

ভোটের দিন মুর্শিদাবাদের নওদায় উত্তেজনা চরমে পৌঁছল। সকালে ১৭৩ এবং ১৭৪ নম্বর বুথের কাছে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীরকে ঘিরে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। এর প্রতিবাদে রাস্তার উপরেই চেয়ার পেতে বসে পড়েন হুমায়ুন কবীর।কিছুক্ষণের জন্য পরিস্থিতি শান্ত হলেও উত্তেজনা পুরোপুরি কাটেনি। প্রায় দুঘণ্টা রাস্তার উপর বসে থাকার পর সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময় রাস্তার উপর বাঁশ ফেলে তাঁর গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করা হয়। তাঁর কনভয়ে থাকা গাড়িতে ভাঙচুর এবং এজেন্টের গাড়িতে হামলার অভিযোগও ওঠে।এর পরেই আবার পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে যায়। দুই পক্ষের মধ্যে লাঠি ও বাঁশ নিয়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী লাঠিচার্জ করে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে এগিয়ে যান জওয়ানরা। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় এলাকা ছাড়তে সক্ষম হন হুমায়ুন কবীর।ঘটনার পর এলাকায় এখনও উত্তেজনা রয়েছে। ভোটের দিন এমন ঘটনায় প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal