• ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৭ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Left

রাজনীতি

BJP: এবার বিজেপিতে 'বিদ্রোহী' পাঁচ মতুয়া বিধায়ক

নয়া রাজ্য কমিটি গঠনের তিন দিনের মাথায় বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে তৈরি করা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন পাঁচ মতুয়া বিধায়ক। এই ঘটনা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি গ্রুপ ছেড়ে দেওয়া বিধায়করা। শুধু তাই নয়, শোনা যাচ্ছে শীলভদ্র দত্ত, রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ও বিজেপির মিডিয়া গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। এ নিয়ে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।বিজেপি বিধায়কদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেরিয়ে গিয়েছেন পাঁচ মতুয়া বিধায়ক। তাঁরা হলেন, গাইঘাটায় বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর, বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনীয়া, হরিণঘাটার বিধায়ক অসীম সরকার, কল্যাণীর বিধায়ক অম্বিকা রায় এবং রানাঘাট দক্ষিণের বিধায়ক মুকুটমণি অধিকারী। আর এই কাণ্ড ঘিরে জল্পনা শুরু হয়েছে।এ নিয়ে প্রকাশ্যে অবশ্য মুখ খোলেননি গ্রুপ ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া পাঁচ বিধায়কের কেউই। বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না। মাফ চাইছি। কেন বেরোলাম তা এই মুহূর্তে বলতে চাইছি না। গত ২২ ডিসেম্বর নতুন রাজ্য কমিটির ঘোষণা করেছে পদ্মশিবির। ঘটনাচক্রে সেই কমিটিতে কোনও মতুয়া নেতা নেই। সেই বার্তাই কি একসঙ্গে পাঁচ মতুয়া বিধায়ক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে দিতে চেয়েছেন?উত্তর ২৪ পরগনা বিজেপি-র একাংশের দাবি, রাজ্যে পদ্মফুলের বাড়বাড়ন্তের কারিগর মতুয়ারা। কিন্তু রাজ্য কমিটিতে সেই মতুয়াদের কোনও প্রতিনিধি না থাকাতেই কি মনঃকেষ্ট গ্রুপ ছেড়ে যাওয়া বিধায়করা? এই জল্পনা আরও জোরদার হয়েছে বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের পদক্ষেপে। বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চেয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

Left-Manifesto: প্রার্থী তালিকার পর ইস্তাহারেও অনেকটাই এগিয়ে বামেরা

প্রাথী তালিকা সবার আগেই প্রকাশ করেছিল বামেরা। ইস্তাহারে টিজার, খসড়া এবং চূড়ান্ত প্রকাশ সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে থাকল বামেরা। জল, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, সামাজিক দায়বদ্ধতা, রাজনৈতিক লড়াই বিভিন্ন ভাবনার মিশেলের এই ইস্তাহারে বাকিদের অনেকটাই পিছনে ফেলেছে বামেরা।কোভিড কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি উঠোনে পাঠশালা হোক কিংবা শ্রমজীবীদের ক্যান্টিন, রেড ভলান্টিয়ার টিম থেকে শুরু করে বয়স্কদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অ্যাপ বা তৃতীয় লিঙ্গের জন্য বিশেষ ভাবনা, প্রতিটি ইস্যুকেই দেওয়া হয়েছে বাড়তি গুরুত্ব।বাম ইস্তাহারে পরিবেশ ধ্বংস কিংবা খেলার মাঠ নষ্ট, সে সব নিয়ে স্পষ্ট নীতির কথা বলা হয়েছে। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও প্রতিশ্রুতি পালন করতে চান বাম নেতারা। একইসঙ্গে এক পদ এক ব্যক্তি নীতি কার্যকর করারও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। মেয়রের হাতেই সব নয়, বরং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ কথা বলা হয়েছে। ইস্তাহারে উল্লেখ করা হয়েছে শ্রমিকদের সুরক্ষার কথাও। কলকাতা পুরনিগমের প্রতিটি ওয়ার্ডে শ্রমজীবী ক্যান্টিন এবং শ্রমজীবী বাজার চালুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ১০০ দিনের কর্মী জন্য দৈনিক মজুরি ন্যূনতম ৩২৭ টাকা করার কথা বলা হয়েছে। এর পাশাপাশি, পুরনিগমের প্রতিটি বরো এলাকায় অন্তত একটি করে নাইট শেল্টার তৈরি করা হবে দরিদ্র শ্রমজীবী মানুষদের জন্য।এ ছাড়া দূষণমুক্ত কলকাতা গড়ার দিকেও নতুন দিশা দেখানোর ইঙ্গিত দিয়েছে বামেরা। সিএনজি অথবা ইলেকট্রিক বাস চালু করার পাশাপাশি কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় গ্রিন জোন তৈরি করা হবে বলেও জানানো হয়েছে । এর পাশাপাশি পুকুর ভরাট কিংবা গাছ কাটার মতো সমস্যগুলির মোকাবিলায় বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বামেরা। প্রতিটি বাজার এলাকায় পরিবেশ বান্ধব ক্যারিব্যাগের স্টোর তৈরি করা হবে বলেও জানিয়েছে তারা।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২১
রাজনীতি

Left Candidate List: পুরভোটে আগেভাগেই তালিকা প্রকাশ করল বামেরা, আসুন দেখে নিই সেই তালিকা

পুরভোটের দিন ঘোষণার পরেই তোড়জোড় শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দল গুলির মধ্যে। বৃহস্পতিবার থেকেই নমিনেশন জমা দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এরপরেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণার কথা জানিয়েছে বামফ্রন্ট। সূত্রের খবর, এবারও তরুণ মুখেই ভরসা রাখার কথা ভাবছেন বাম নেতৃত্ব।পুরভোটে তৃণমূল ও বিজেপিকে হারানোই বামেদের মূল লক্ষ্য। প্রার্থী তালিকা প্রকাশের আগেই এই বার্তা স্পষ্ট করল বাম নেতৃত্ব। শাসক দল ও গেরুয়া শিবিরকে পরাজিত করার জন্য কিছু আসনে অন্য দলকে সমর্থন করার বার্তা দিয়েছে বামেরা। সেই তালিকায় কংগ্রেস, আইএসএফও থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন কলকাতা জেলা বামফ্রন্টের আহ্বায়ক কল্লোল মজুমদার।শুক্রবার প্রমোদ দাশগুপ্ত ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কল্লোল মজুমদার জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক কিছু নির্বাচনে ভোট- পূর্ব জোটের পথে হেঁটেছিল বামেরা। কিন্তু তাতে এমন কিছু পরিস্থিতি তৈরি হয়, যার সঙ্গে বাস্তবের মিল নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাই এবার রণকৌশলগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর জন্য বাম নেতারা দফায় দফায় বৈঠকে বসেছেন। তারপরই আসন নিয়ে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয় রাজ্য নেতৃত্বকে।আনুষ্ঠানিকভাবে জোটের ঘোষণা না করলেও কয়েকটি আসনে জোটের ইঙ্গিত দিয়েছেন বামেরা। জানানো হয়েছে, ওই সব ক্ষেত্রে কংগ্রেস, আইএসএফ বা কোনও প্রতিথজশা প্রাথী হলেও বামেরা সমর্থন করবে।এ দিন বেশির ভাগ আসনের প্রার্থী তালিকাই প্রকাশ করেছে বামেরা। মহিলা প্রার্থী আগের থেকে বেড়েছে, এবারের তালিকায় রয়েছেন ৫৬ জন মহিলা। পুরুষ প্রার্থীর সংখ্যা ৫৮ জন ও সংখ্যালঘু প্রার্থী ১৭ জন। প্রায় ৫০ শতাংশ প্রার্থীর বয়স ৫০এর নীচে। অর্থাৎ এ ক্ষেত্রেও তরুণ মুখের ওপর জোর দিয়েছে বামেরা। গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে যাঁদের নাম থাকছে, তাঁরা হলেন পল্লব মুখোপাধ্যায়, অজিত চৌধুরী, মানজার এহসান, দীপু দাস, বরুণ দাস, ফৈয়াজ আহমেদ খান, মধুছন্দা দেব, মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী, মঞ্জু কর, রত্না রায় মজুমদার।শিক্ষা, স্বাস্থ্য, গণতন্ত্র-সহ একাধিক ইস্যুকে সামনে রেখে বামেরা ভোটে লড়বে। মানুষের না পাওয়াগুলো তুলে ধরাই হবে মূল লক্ষ্য। পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ নজর দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।আসুন দেখে নেওয়া যাক কোন ওয়ার্ডে কে লড়ছেন-ওয়ার্ড নম্বর প্রার্থীর নাম১ পল্লব মুখোপাধ্যায়২ দেবলীনা সরকার৩ নমিতা দাস৪ কানাইলাল পোদ্দার৫ রমেশ পাণ্ডে৭ মোহন তাপস কুণ্ডু৮ মাধব ঘোষ৯ দীপিকা ভট্টাচার্য১০ করুণা সেনগুপ্ত১১ প্রদ্যুৎ নাথ১২ পূবালী দেব১৩ বিরোধী দত্ত১৪ স্বপন ঘোষ১৫ দীপা সাহা১৬ সুজিত দেব১৭ মতিলাল ঘোষ১৮ শ্রাবণী চক্রবর্তী১৯ রুমা ভট্টাচার্য২০ অজিত চৌধুরী২১ সুজাতা সাহা২৩ ধীরেন্দ্র পাণ্ডে২৪ মঞ্জু মোহতা২৬ তাপস প্রামাণিক২৭ পাপিয়া গঙ্গোপাধ্যায়২৮ ইজাজ আহমেদ২৯ মহম্মদ সইদ৩০ শাশ্বতী দাশগুপ্ত৩১ তরুণ বসু৩২ জয়দীপ ভট্টাচার্য৩৩ মণীষা বিশ্বাস৩৫ সমীর চক্রবর্তী৩৬ মৌসুমী ঘোষ৩৭ মিঠু দাস৩৮ প্রশান্ত দে৪০ কাবেরী ভট্টাচার্য৪১ নেহাল মহম্মদ কাইজার৪২ প্রদীপ সিং৪৪ সইদ কাশিমুদ্দিন৪৬ অনুশা আকবর৪৮ অণ্বেষা দাস৫১ রেবতী জানা৫২ রুকসানা বেগম৫৪ জাহাঙ্গির মণ্ডল৫৫ চৈতালী ভৌমিক নায়ার৫৬ জয়শ্রী দেব নন্দী৫৯ রুমা কর বসু৬০ মাঞ্জার এহসান৬৩ মহম্মদ সিরাজ খান৬৪ মহম্মদ আজম জাভেদ৬৫ অনুলেখা সিনহা৬৬ সাকিব আখতার৬৭ দীপু দাস ৬৮ ডরথি ভৌমিক ঘোষাল৬৯ গোপাল হাজরা৭০ বরুণ দাস ৭১ কেকা মিত্র৭২ প্রকাশ ভট্টাচার্য ৭৩ মধুমিতা দাস৭৪ দীপা চক্রবর্তী৭৫ খৈয়দ আহমেদ খান৭৬ শাকিল আখতার৭৭ সাজদা পারভিন ৭৮ জ্যোতি দাস৮১ রিঙ্কু দে৮২ পারমিতা দাশগুপ্ত৮৪ বিথিকা নাথ৮৫ গোবিন্দ নস্কর৮৭ যুক্তিশ্রী দাস সোম৮৮ কার্তিক মণ্ডল৮৯ সলিল চৌধুরী ৯১ সুরজিৎ সেনগুপ্ত ৯২ মধুচ্ছন্দা দেব৯৩ গোপা রায়চৌধুরী৯৪ বুলা শীল৯৫ অন্বেষা ভৌমিক৯৬ দীপালি গোস্বামী৯৭ সুশান্ত পাল৯৮ মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী৯৯ শিখা মুখোপাধ্যায়১০১ অতনু চট্টোপাধ্যায়১০২ ভাস্বতী গঙ্গোপাধ্যায়১০৩ নন্দিতা রায়১০৫ নমিতা দত্ত১০৭ গৌতম রায়১০৮ তপন মালিক১০৯ শিখা পূজারি১১১ চয়ন ভট্টাচার্য১১২ সুব্রত কুমার দে১১৪ মোহিতকুমার ভট্টাচার্য১১৫ শুভঙ্কর বাগচি১১৬ চিত্রা পতিত১১৭ সঞ্জয় খান ১১৮ সুজয় অধিকারী১২০ গৌতম অধিকারী১২১ আশিস মণ্ডল১২২ মঞ্জুল কর১২৩ প্রসেনজিৎ ঘোষ১২৪ অরিজিৎ সিনহা১২৫ প্রিয়া রায়১২৬ বিমান গুহঠাকুরতা১২৭ রিনা ভক্ত১২৮ রত্না মজুমদার১৩১ রঞ্জন দাশগুপ্ত১৩২ নীতা ঘোষ১৩৩ জয়ব্রত বেরা১৩৬ শুভাশিস পোদ্দার১৩৮ ফারহানাজ বেগম১৩৯ মহম্মদ আবু কায়েশ মোল্লা১৪০ শেখ মহম্মদ জমির১৪৩ বিভু মণ্ডল ১৪৪ বিপ্লব বন্দ্যোপাধ্যায়

নভেম্বর ২৬, ২০২১
নিবন্ধ

Kazi Nazrul Islam: পূজার ছলে ভুলে থাকি

তালিবান আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পরেই ওই পাহাড় মরুভূমি ঘেরা দেশের মেয়েরা বুঝেছেন, এ মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ নয়। তালিবানের মুরুব্বিরা বলছেন দেশ শৃঙ্খলমুক্ত হলো। আর আফগান মেয়েরা ও মুক্তমনারা বুঝতে পারছেন তাঁদের পায়ে বেড়ি পড়ল। তাঁরা স্বাধীনতা হারালেন। এই স্বাধীনতা-পরাধীনতার প্রশ্নে পৃথিবী জুড়ে মতামতের ঝড় বইছে। নেট মাধ্যমে সেই ঝড়ে বাঙালিদের সদম্ভ উপস্থিতি। দূর দেশে স্বাধীনতার মৃত্যুতে বাঙালি যখন সরব ঠিক তখনই গত সপ্তাহে স্বাধীনতা র পুজারী এক বাঙালির পঁয়তাল্লিশ তম মৃত্যুবার্ষিকী বড় নিঃশব্দে চলে গেল। স্বাধীনতার সঙ্গে যাকে সমার্থক করেছেন আর এক বাঙালি সামসুর রহমান। বাংলা দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের কবির অজেয় কলম লিখেছেস্বাধীনতা তুমি কাজি নজরুলঝাঁকড়া চুলের বাবরি দোলানো মহান পুরুষস্বাধীনতা যার আকন্ঠ তৃষ্ণার কারণ ছিল সেই কাজি নজরুল ইসলামের ২৯ এ অগাস্ট, পঁয়তাল্লিশতম মৃত্যু বার্ষিকী র দিনটি বড় অবহেলায়, অনাদরে চলে গেল। প্রায় একশ বছর আগে ইংরেজদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা র যুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলনে নজরুলের শানিত কলম তাঁর মাথায় পরিয়ে দিল বিদ্রোহী কবির মুকুট। শুধু তো কবিতা নয় এই অসাধারণ প্রতিভাধর মানুষ টি প্রায় তিন হাজার গান লিখেছেন যা বাংলা গানের চালচিত্রে নজরুল গীতি হিসেবে ভিন্নধারার পরিচিতি পেয়েছে। পরাধীন ভারতবর্ষের উপনিবেশবাদ, ধর্মীয় মৌলবাদ ও স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে নজরুলের কলম কখনও ক্লান্ত হয়নি। বাঙলার এক প্রত্যন্ত গ্ৰাম থেকে অজানার পথে পা বাড়ানো বালক ই পরবর্তী কালের নাট্যকার, কবি, ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক ও স্বাধীনতা সংগ্রামী। উত্তর কলকাতার যে অঞ্চলে আমার বাড়ি, সেই পাইকপাড়ায় থাকতেন নজরুলের কনিষ্ঠ পুত্র কাজী সব্যস্যাচি। ছেলেবেলায় তাঁকে দেখলে কানে বাজতো মেঘমন্দ্র স্বরের প্রতিধ্বনি, বল বীর বল উন্নত মম শির। সেই বড় হবার দিনে পুজো প্যান্ডেলে, রাজনৈতিক মিছিলে, দেওয়াল লিখনে নজরুলের বিদ্রোহী কবিতার উজ্জ্বল উপস্থিতি ছিল। স্কুলে, পাড়ায়, আবৃত্তি প্রতিযোগিতাতেও এই কবিতার শরীর ঝলসে উঠতো। গত তিন দশকে কবি ও তার কবিতাকে অগস্ত্য যাত্রায় পাঠিয়েছে বাঙালি। রবীন্দ্রনাথ অপঠিত হলেও ২৫শে বৈশাখ ও বাইশে শ্রাবনে স্মরনীয় আছেন।বর্তমান সময়ে দেশ, সমাজ, সংস্কৃতি সবই অবশ্য রাজনীতির আখড়ায় গন্যমান্যতা পায়। এর প্রমাণ বঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা ভোট। সেই ভোটে বাংলা বিজয়ের স্বপ্নে বিজেপি র গায়ে বঙ্গ সংস্কৃতির চাদর জড়ানোর তাগিদ ছিল। অতএব ডাক পড়েছিল রবীন্দ্রনাথের, রামমোহন রায়ের, বিদ্যাসাগরের। ভোট বড় বালাই। তাই বিস্মৃতির অতল থেকে তুলে আনা হয়েছিল মধ্যযুগের এক বাঙালি কবি কেও। সংস্কৃতির সেই রাজনৈতিক আবাহনে বাদ পড়েছিলেন নজরুল ইসলাম। হিন্দুত্ববাদের সংকীর্ণ দৃষ্টিতে নজরুল অপাংক্তেয় বলে তখন সরব হয়েছিল বুদ্ধিজীবী থেকে সাধারণ বাঙালি। ভোট মিটৈ যাওয়ার একশ একত্রিশ দিন পর বঙ্গ জীবনে সেই নজরুল সম্পর্কে অপার নৈঃশব্দ।১৮৯৯ এ আসানসোলের চুরুলিয়া গ্ৰামে এক দরিদ্র মুসলিম পরিবারে নজরুলের জন্ম। ধর্মীয় শিক্ষায় তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা। স্থানীয় মসজিদে কিছুদিন মোয়াজ্জিন থাকার পরে স্কুলে প্রবেশ নজরুলের। স্কুলে দশম শ্রেণী পর্যন্ত তাঁর শিক্ষা। এরপরে বাড়ির পরিচারক। বেকারিতে জোগাড়ের কাজ করে পেট চালাতে হয় তাঁকে। শেষে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন নজরুল। পরবর্তী কালে আরবি ও ফার্সি র পাশাপাশি বাংলা ও সংস্কৃত সাহিত্য নিয়ে গভীর পড়াশোনা করেন বিদ্রোহি কবি । নজরুলের বাঙালিয়ানা নিয়ে যারা প্রশ্ন তোলেন তাঁদের জানাই বঙ্গললনা প্রমিলা দেবী কে বিবাহ করেছিলেন তিনি। নজরুল ভাগ্যবান তখন লাভ জেহাদের জন্ম হয়নি। নজরুল তাঁর প্রথম ও দ্বিতীয় সন্তানের নাম রেখেছিলেন কৃষ্ণ মহম্মদ ও অরিন্দম খালেদ। দুই সন্তানের-ই অল্প বয়সে মৃত্যু হয়। পরে যে দুই ছেলের জন্ম হয় তাদের নাম কাজী সব্যস্যাচি ও কাজী অনিরুদ্ধ। নজরুলের সৃষ্টিতে ও দুই ধর্মের মধ্যে অবাধ যাতায়াত। তাঁর গানে কবিতায় ঈশ্বর আল্লাহ দুইয়ের নামই জপ করেছেন। তাঁর এই মেলবন্ধনের সফর খুব মসৃন হয়নি। টিকি - দাড়ি দু পক্ষই তাঁকে ছেড়ে কথা কয়নি। সমালোচনা শুধুমাত্র মুখের গন্ডীতেই থাকেনি, শারীরিক আক্রমন ও সইতে হয়েছিল কবিকে। দুই ধর্মের কারবারিদের এই আঘাতে কবির কলম লিখেছে, নর বলে আমি বড় নারী ঘেঁষা, নারী বলে আমি নারী বিদ্বেষী। তৎকালীন বামপন্থী পত্রিকা গণবানীতেও নজরুল গদ্যে এই অচলায়তন ভেঙে মুক্ত মনের জানালা দরজা খুলতে চেয়েছেন। তবে ধর্মান্ধদের এই আক্রমন কে ভোঁতা করে দিয়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী রা ও স্বাধীনতা প্রিয় মানুষ। তারা নজরুল কে আলোর পথযাত্রী হিসেবেই দেখেছিলেন। ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে কলম ধরে কবি-কে একবছর জেলে থাকতে হয়েছিল। আমরা ভুলে থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতি তে নজরুল অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। সিডিশন অর্থাৎ দেশদ্রোহের অপরাধে তাঁর গারদ বাস করতে হয়েছিল। বর্তমান ভারতে এই সিডিশনে অভিযুক্ত হয়ে বহু মানবাধিকার কর্মী, অধ্যাপক ও লেখকের জেল খাটার ভুরিভুরি উধাহরন রয়েছে। আমি অনেক মার্ক্সবাদী তাত্ত্বিক ও বুদ্ধিজীবীর হাতে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ফিদেল কাস্ত্রোর সওয়ালের বিবরণ On Trial বইটি দেখেছি। কিন্তু সেদিন ইংরেজদের আদালতে দাঁড়িয়ে নজরুলের আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য রাজবন্দীর জবানবন্দী নিয়ে আলোচনা কখনো শুনিনি। যদিও নজরুলের সাম্যবাদী ও উদার ভাবধারা যাঁর দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়েছিল তিনি ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মুজফ্ফর আহমেদ। নজরুল ও মুজফ্ফর আহমেদ যৌথভাবে প্রকাশ করেছিলেন বামপন্থার পত্রিকা লাঙ্গল।বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসার পরে নজরুলের কবিতা স্কুলপাঠ্যতে অন্তর্ভুক্ত হয়। তৈরি হয় নজরুল অ্যাকাডেমি ও মঞ্চ। তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় এসে তৈরি করেছে কাজি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় ও নজরুল তীর্থ। আসানসোলে তৈরি হয়েছে নজরুল গবেষনা কেন্দ্র। প্রতিষ্ঠান রয়েছে, কিন্তু কবির প্রতি বাঙালির মন নেই। বাঙালির মন থেকে নির্বাসিত বিদ্রোহী কবি। অবশ্য বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের একটি অংশ নজরুল কে তাঁর ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর পদ অনুসারে হাবিলদার কবি বলে ই মনে করেন। তারা খুশি ই হবেন। যদি বাঁশি আর না বাজে প্রবন্ধে কবি লিখেছিলেন, রবীন্দ্রনাথ আমাকে প্রায়ই বলতেন, দেখ উন্মাদ তোর জীবনে শেলির মত, কিটসের মত খুব বড় একটা ট্র্যাজেডি আছে, তুই প্রস্তুত হ কিন্তু জীবনের সেই ট্র্যাজেডি দেখার জন্য। সেই ট্র্যাজেডি দেখার আগে ই দূরারোগ্য মস্তিষ্কের ব্যাধিতে চলাফেরা, কথাবলার, অনুভব করার শক্তি হারিয়েছিলেন। মৃত্যুর পরে এই নির্বাসনেও তাই ট্র্যাজেডি থাকলেও কবির ছবির অনুভূতি নেই।বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য্য(রাজনৈতিক বিশ্লেষক)

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: ভুয়ো টিকা-কাণ্ডে বামেদের বিক্ষোভে উত্তাল পুরসভা চত্বর

কসবা ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের (Kasba Fake Vaccine Case) প্রতিবাদে বামেদের বিক্ষোভ ঘিরে কলকাতা পুরসভার সামনে ধুন্ধুমার। পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন তাঁরা। তাতেই পুলিশের সঙ্গে বচসা এবং ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বাম কর্মী-সমর্থকরা। গ্রেপ্তার করা হয় বাম যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে। পুলিশ সূত্রে খবর, এলিট সিনেমা হলের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর কথা ছিল বামেদের। সেখানেই ব্যারিকেড তৈরি করেছিল পুলিশ। তবে সেই বাধা উপেক্ষা করে কলকাতা পুরসভার (Kolkata Municipal Corporation) দিকে এগোতে থাকেন বাম কর্মী-সমর্থকরা। তাতেই বাধা দেয় পুলিশ। তার ফলে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বাম (Left Front) কর্মী-সমর্থকরা। ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের দাবি, পুরসভার ভিতরে ঢুকে কমিশনারের হাতে স্মারকলিপি জমা দেবেন। তবে দাবিপূরণ না হওয়ায় কলকাতা পুরসভার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল বাম কর্মী-সমর্থকরা। খবর পাওয়মাত্রই বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বিক্ষোভ হঠানোর চেষ্টা করে। তবে বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবিতে অনড়। তাই বাধ্য হয়ে পুলিশ বাম যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে খবর, আগাম অনুমতি না থাকায় বাম কর্মী-সমর্থকদের স্মারকলিপি জমা দিতে পুরসভার ভিতরে ঢুকতে দেওয়া সম্ভব নয়। কলকাতা পুরসভার পাশাপাশি এদিন সল্টলেকে স্বাস্থ্যভবনের সামনেও বিক্ষোভ দেন বাম কর্মী-সমর্থকরা।

জুন ২৮, ২০২১
রাজনীতি

Left Alliance: বামফ্রন্টেই থাকছে ফরওয়ার্ড ব্লক

আলিমুদ্দিনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে ইতি ফরওয়ার্ড ব্লকের (Forward Bloc)। বামফ্রন্ট ভেঙে বেড়িয়ে আসার রাস্তায় হাঁটল না শরিক নেতারা। মান বাঁচাতে এবার তাঁরা টার্গেট করল কংগ্রেস ও ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টকে (ISF)। এই দুই জোট শরিকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি জানাল ফরওয়ার্ড ব্লকের রাজ্য নেতারা। মঙ্গলবার বামফ্রন্টের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হবে বলে শরিকের দাবির কাছে পাল্টা কৌশলী চাল চেলেছে সিপিএম।ভোটের ফল বেরোনোর পর থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে দূরত্ব বাড়ছিল বামফ্রন্টের দুই শরিকের মধ্যে। কংগ্রেস (Congress) ও ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের সঙ্গে জোট বা আসনরফার সময় তাঁদের যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। পাননি যোগ্য সম্মান। সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে আসনরফা করা হয়। ফলে বঞ্চিত হয় শরিকরা। অভিযোগের সব আঙুলই ছিল সিপিএমের (CPIM) দিকে। এইভাবে চললে বামফ্রন্ট থাকার প্রয়োজন নেই। আপাতত বামফ্রন্ট ভেঙে দেওয়ার দাবি করে ফরওয়ার্ড ব্লক নেতৃত্ব। এক পা এগিয়ে ফ্রন্ট চেয়ারম্যানের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ করে তাঁরা। বামফ্রন্ট থাকার প্রয়োজনীয়তা ও ভবিষ্যতে চলার পথ কী হবে সেই ব্যাখ্যা দাবি করা হয়। শরিকের এহেন মনোভাবে রুষ্ট হয় আলিমুদ্দিন। মাঝে দু-দুবার বৈঠক ডেকেও বাতিল করেন বিমান বসু। তবে শরিকের দাবি মেনে লিখিত দেন। সেখানে আগামীদিনে বামফ্রন্টের লক্ষ্য কী সেই উল্লেখ থাকলেও জোট বা আসনরফা নিয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি। দ্বন্দ্ব মেটাতে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসার প্রস্তাব দেয় আলিমুদ্দিন। প্রস্তাব মেনে শনিবার আলিমুদ্দিন যান দলের রাজ্য সম্পাদক নরেন চট্টোপাধ্যায়। দুপক্ষের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পর বিপ্লবে ইতি টানে নেতাজির দল। মঙ্গলবার বামফ্রন্টের (Left Front) বৈঠকে যোগ দেবেন বলে জানান তিনি। বামফ্রন্ট একাই চলবে বলে দাবি করেন তিনি। বিমান বসুর আশ্বাসে আপাতত বামফ্রন্টেই থাকছেন বলে জানানো হয়।

জুন ১২, ২০২১
কলকাতা

শ্বাসকষ্ট, বাঁ-পায়ের গোড়ালিতে চোট, ২-৩ দিন পর্যবেক্ষণে থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ পুরোপুরি কাটছে না। নন্দীগ্রামে আঘাত পাওয়ার পর গতকাল রাত থেকেই এসএসকেএমের উডবার্ন বিভাগে ভর্তি মুখ্যমন্ত্রী। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, মমতার বাঁ-পায়ের গোড়ালি ও পায়ের পাতার হাড়ে চিড় ধরেছে। ওই পায়ের পেশিতেও চোট লেগেছে। মুখ্যমন্ত্রীর বাঁ পা ফুলে রয়েছে। গতকাল রাতে এমআরআইয়ের পর পায়ে টেম্পোরারি প্লাস্টার করা হয়েছে। শুরু হয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক। পায়ের ফোলা ভাব কমলে আজ প্লাস্টার করা হতে পারে। আঘাত লেগেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডান কাঁধ ও কনুইয়ে। চোট রয়েছে ঘাড়েও।গতকাল রাতে এসএসকেএমে আনার পর প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যথা কমানোর ওষুধ দেওয়া হয়েছে। শুরু হয়েছে অ্যান্টিবায়োটিক। এমআরআইয়ের জন্য রাতেই অ্যাম্বুল্যান্সে করে বাঙ্গুর নিউরো সায়েন্সে নিয়ে যেতে হয় মমতাকে। সেখান থেকে গভীর রাতে তিনি ফেরেন এসএসকেএমের উডবার্ন ওয়ার্ডে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ইসিজি রিপোর্ট সন্তোষজনক হলেও, বুকে ব্যথা এবং শ্বাসকষ্টের কথা চিকিৎসকদের জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুকে ব্যথার কারণ আঘাতজনিত কারণে নাকি অন্য কারণে জানতে সিটি স্ক্যান করা হবে মমতার। এছাড়া, আজ আবার করা হবে ইসিজি। করা হতে পারে ইকোকার্ডিওগ্রামও।হাসপাতাল সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর রক্তের একাধিক রুটিন পরীক্ষা করা হবে। তাঁকে ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকেরা। আজ আবার মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকরা তাঁকে পরীক্ষা করবেন। মুখ্যমন্ত্রীর চিকিৎসার জন্য ৯ সদস্যের দল গঠিত হয়েছে। এসএসকেএমের অধ্যক্ষ মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও তিন বিভাগীয় প্রধান ও আরও পাঁচ বিশেষজ্ঞ রয়েছেন মেডিক্যাল বোর্ডে। রাখা হয়েছে অর্থোপেডিক, নিউরো মেডিসিন, নিউরো সার্জারি, কার্ডিওলজি, জেনারেল সার্জারি, এন্ডোক্রিনোলজি, জেনারেল মেডিসিন এবং অ্যানাস্থেশিয়া বিভাগের বিশেষজ্ঞদের। আজ দিনভর মুখ্যমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখবেন চিকিৎসকরা। করা হবে আরও বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা। তারপর পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে।

মার্চ ১১, ২০২১
কলকাতা

তারুণ্যে ভরা বামেদের তালিকা

শুধু নতুন মুখই নয়, দীর্ঘ পরম্পরা ছেড়ে কম বয়সি প্রার্থীতেও এ বার জোর দিল বামেরা।শুক্রবার বামেদের ঘোষিত তালিকায় এসেছে অনেক নতুন মুখ।প্রথম দুদফা ভোটের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বামফ্রন্ট। কংগ্রেস ও ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)-এর জন্য নির্ধারিত আসন ছেড়ে শুক্রবার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। তবে বামেদের প্রার্থী ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস ও আইএসএফ-এর প্রতিনিধিরা। বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দুদফায় ৬০টি আসনে ভোট হবে। সমঝোতা অনুযায়ী কংগ্রেস ও আইএসএফ-এর জন্য বরাদ্দ আসন ছেড়ে শুক্রবার বামফ্রন্টের প্রার্থী ঘোষণা করেন বিমান। মোট ৩৯টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে সিপিএমের ২৮টি, সিপিআই-এর ৬টি এবং ফরওয়ার্ড ব্লক ও আরএসপি-র ২টি করে আসন রয়েছে। সিপিএম-এর তালিকায় রয়েছে এসএফআই-এর প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি মধুজা সেন রায়, সৈকত গিরির মতো তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা। তালডাংরায় অমিয় পাত্রের বদলে মনোরঞ্জন পাত্রকে টিকিট দেওয়া হয়েছে। ইন্দাসে দিলীপ কুমার মালিককে সরিয়ে প্রার্থী করা হয়েছে নয়ন শীলকে। চণ্ডীপুরে প্রার্থী হয়েছেন আশিস গুছাইত। ডেবরা আসন থেকে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিদ্বন্দিতা করে আসা জাহাঙ্গির করিমকে সরিয়ে প্রাণকৃষ্ণ মণ্ডলকে প্রার্থী করেছে বামেরা। তাপস সিংহকে রামনগর থেকে সরিয়ে নারায়ণগড়ে প্রার্থী করেছে সিপিএম। গত বিধানসভা নির্বাচনে নারায়ণগড়ে দাঁড়িয়ে হেরে গিয়েছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। তিনি এ বার আর প্রার্থী হচ্ছেন না। রামনগরে বামেদের নতুন প্রার্থী সব্যসাচী জানা।সিপিএম নেতা পুলিনবিহারী বাস্কেকে গোপিবল্লভপুর থেকে সরিয়ে জঙ্গলমহলেরই আসন কেশিয়াড়িতে প্রার্থী করেছে দল। শালবনিতে বামেরা প্রার্থী করেছে দাপুটে নেতা হিসেবে পরিচিত সুশান্ত ঘোষকে। তিনি আগে গড়বেতা থেকে দাঁড়াতেন। এ বার গড়বেতায় প্রার্থী করা হয়েছে তপন ঘোষকে। জঙ্গলমহলের পরিচিত মুখ দেবলীনা হেমব্রম প্রার্থী হয়েছেন বাঁকুড়ার রানিবাঁধ থেকে। সব মিলিয়ে বামেদের প্রার্থী তালিকায় ৫০-এর ঊর্ধ্বে নেতার সংখ্যা কমই রয়েছে বলা যায়। এদিন প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর বিমান বসু বলেন, এই তালিকায় তরুণরা ভাল সংখ্যায় আছে। কারণ আমাদের দিক থেকে আমরা তরুণ মুখ তোলার চেষ্টা করেছি। আমাদের মধ্যে তরুণ, মাঝামাঝি বয়সিদের সংখ্যা বেশি আছে। অল্প কয়েকজন ৫০ বছরের উপরে রয়েছে।

মার্চ ০৫, ২০২১
রাজনীতি

৮ মার্চ প্রার্থীতালিকা বাম- কংগ্রেস-আইএসএফ-এর

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ৮ মার্চ ঘোষণা করতে পারে বাম-কংগ্রেস- ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) জোট। মোর্চা সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে। তবে ওই দিন পূর্ণ প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। জোট সূত্রের খবর, ওই দিন প্রথম দুদফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হবে।মঙ্গলবার সিপিএমের রাজ্য দপ্তর আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকে বসেন বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ নেতারা। বৈঠকে ছিলেন সিপিএমের বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র, মহম্মদ সেলিম, কংগ্রেসের আব্দুল মান্নান, প্রদীপ ভট্টাচার্য এবং আইএসএফের তরফে নৌশাদ সিদ্দিকী। সেই বৈঠকেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণার দিন নিয়ে আলোচনা হয়। জানা গিয়েছে, আগামী ৮ মার্চ তিন দল একসঙ্গে বসে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করবে। কোথায় ঘোষণা হবে তা এখনও ঠিক হয়নি। আগামী দুএক দিনের মধ্যে তা জানানো হবে। প্রথম দফার ভোটের জন্য ৩ মার্চ মঙ্গলবার থেকে মনোনয়ন জমা দেওয়ার কাজ শুরু হবে। কিন্তু জোটের আসন ভাগাভাগি এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে কিছুটা দেরি হবে বলে জোট সূত্রে খবর। তবে ৮ মার্চ প্রার্থী ঘোষণার ক্ষেত্রে কিছুটা সতর্কতার সঙ্গে এগোতে চাইছেন জোটের নেতারা। কারণ ৯ মার্চ মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। তাই ওই দিন যাতে প্রার্থীর মনোনয়ন জমা দিতে কোনও সমস্যা না হয় সে দিকে নজর রাখছেন জোট নেতৃত্ব।

মার্চ ০২, ২০২১
কলকাতা

একুশের ভোটের আগে হাইভোল্টেজ ব্রিগেড

একুশের ভোটের আগে হাইভোল্টেজ রবিবার। ইভিএমে তৃণমূল-বিজেপিকে টেক্কা দিতে ফের ব্রিগেডে বামেরা। বাম ব্রিগেডের সঙ্গী কংগ্রেস, ভাইজান। করোনা আশঙ্কার মধ্যেই আজ বাম-কংগ্রেসের ব্রিগেড। সকাল থেকেই ময়দানমুখী নেতাকর্মী-সমর্থকরা। কোভিড বিধি মেনে সভায় আসার আর্জি করা হয়েছে কর্মীদের কাছে। তবে চিকিত্সকের অনুমতি না মেলায় এই প্রথমবার ব্রিগেডে গরহাজির বুদ্ধদেব।একুশের নির্বাচনে টার্গেট অডিয়েন্স জেন-ওয়াই। ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াই কতটা সফল হবে তা এখনই স্পষ্ট নয়, তবে ভোটের ময়দানে সংস্কৃতির বিবর্তনকে হাতিয়ার করতে চাইছে বামেরা। ইভিএমে ফল পেতে জনসংযোগে সেই ছয়-সাতের দশকে ধাঁচেই ময়দানে নেমেছে বাম-কংগ্রেস-আব্বাসের জোট। এর আগে বামেদের টুম্পা গান রীতিমতো বাংলার অলিগলি দাপিয়েছে। এমন ভাসান গান-এর প্যারোডিই হয়ে উঠেছে বাম ব্রিগেডের প্রচার-মন্ত্র। ভাইরাল প্যারোডির সঙ্গে এবার প্রচারের নবতম সংযোজন ফ্ল্যাশ মব।বড় লড়াই এবং জোটের বাতাবরণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্রিগেডের মঞ্চও এ বার বড় হয়েছে। অন্য বার ৩২ ফুট বাই ২৪ ফুটের মঞ্চ থাকে বাম সমাবেশে, এ বার তা বেড়ে হয়েছে ৫০ ফুট বাই ২৪ ফুট। ছড়িয়ে থাকা জনতার কাছে আওয়াজ পৌঁছে দিতে লাগানো হয়েছে ৬২০টি মাইক। সভা শুরুর অনেক আগে থেকে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠানের আয়োজনও আছে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২১
কলকাতা

নবান্ন অভিযানে আহত বাম ছাত্রনেতার মৃত্যু, পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন

নবান্ন অভিযানে আহত বাম যুবনেতার মৃত্যু। সোমবার সকালে কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে মৃত্যু হয় ডিওয়াইএফআই নেতা মইদুল ইসলাম মিদ্দার। ১১ ফেব্রুয়ারি বাম সংগঠনগুলির নবান্ন অভিযান চলাকালীন পুলিশের লাঠির ঘায়ে গুরুতর আহত হয়ছিলেন ওই যুবনেতা। এদিকে বাম কর্মীর মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আসতেই গর্জে উঠেছে বাম ছাত্র-যুবরা। নবান্ন অভিযানে ডিওয়াইএফআইয়ের কর্মীকে পুলিশ ইচ্ছা করে খুন করেছে বলেই দাবি করেছেন ডিওয়াইএফআই রাজ্য সভানেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, কাজ চাইতে গিয়ে আমাদের কমরেডকে খুন করেছে তৃণমূল সরকারের পুলিশ। এই ঘটনার ধিক্কার জানাই। এই হত্যার বিচার চাই। পরবর্তী ক্ষেত্রে আমরা কী ধরনের কর্মসূচি নেব তা নিয়ে শীঘ্রই আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।হাসপাতাল সূত্রে খবর, পুলিশের প্রচণ্ড মারে মইদুলের শরীরের একাধিক মাংসপেশিতে গুরুতর আঘাত লাগে। পেটে ও পিঠে ভয়ংকর আঘাত পান তিনি। ফলে তাঁর কিডনি কাজ করা বন্ধ করে দেয়। যার ফলে চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ করে মৃত্যু হয় বাঁকুড়ার কোতলপুরের বাসিন্দা মইদুলের। এই ঘটনা তীব্র প্রতিক্রিয়া বাম নেতৃত্বের। মানবাধিকার কমিশনে যাওয়ার হুমকিও দিয়েছেন তাঁরা। এই বিষয়ে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, মৃত্যু নয়, এটা খুন। সরকার ইতরতার সীমা ছাড়িয়েছে। এই বাচ্চা ছেলেটকে কীভাবে মেরেছে। সরকার ভয় পেয়েছে। তাঁর বুকে, পিঠে প্রচণ্ড আঘাত করেছে পুলিশ। চিকিৎসক চাপের মুখে সবটা বলতে পারছেন না। সিপিএম নেতা ফুয়াদ হালিমের অভিযোগ, পুলিশ মাথা ও বুক লক্ষ্য করেই লাঠি চালিয়েছে। সিপিআইএমের বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক অজিত পতি জানিয়েছেন, বাঁকুড়া জেলা পার্টি অফিসে এই বিষয়ে বেলা ১১ টার সময় একটি জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য।এই ঘটনা প্রসঙ্গে প্রাক্তন বাম যুব নেতা জামির মোল্লা বলেন, এই মৃত্যুতে আজ সমস্ত থানায় বিক্ষোভ-অবস্থান থাকবে। এটা এটা মর্মান্তিক বিষয়। কাজ নেই, চাকরি নেই সেই বিচার চাইতে গিয়ে মেরে ফেলা হল। এটা তো প্রশাসন-সরকার খুন করল। বেকার যুবদের কাজ চাওয়ার অভিযোগকে বঞ্চিত হচ্ছে। নিজেদের দাবি রাখলে যদি পুলিশের হাতে এবার মৃত্যুবরণ করতে হয়, তাহলে এ সরকারের এক মুহুর্ত আর থাকার কোনও অধিকার নেই।উল্লেখ্য, এর আগে নবান্ন অভিযানে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়া বাহারপোতা গ্রামের এক বামকর্মী। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়েও যুবকের সন্ধান পায়নি পরিবার। এবার এক যুবনেতার মৃত্যুতে রীতিমতো প্রশ্নের মুখে পুলিশ। প্রশাসনের বিরুদ্ধে অত্যধিক বলপ্রয়োগের অভিযোগ নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে সমাজের একটা বড় অংশ। প্রসঙ্গত, চাকরি, শিক্ষা-সহ একাধিক দাবিতে বৃহস্পতিবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র সংগঠন। সেখানেই পুলিশ ও বামকর্মীদের মধ্যে তীব্রই সংঘাত শুরু হয়। জলকামান, কাঁদানে গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে প্রতিবাদীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে পুলিশ। ওই ধুন্ধুমার পরিস্থিতিতে আহত হন বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশকর্মী।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২১
রাজ্য

দিনভর বামেদের হরতালে কী ঘটল বাংলায়? পড়ুন

বাম-কংগ্রেসের ছাত্র এবং যুব সংগঠনগুলির সম্মিলিত নবান্ন অভিযানে পুলিশের ভূমিকার প্রতিবাদে শুক্রবার রাজ্য জুড়ে ১২ ঘণ্টার হরতাল ডেকেছে বামেরা। সেই কর্মসূচিকে সমর্থন জানিয়েছে কংগ্রেস এবং আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। সকাল থেকেই কলকাতাতে বেসরকারি বাস, অটো, ট্যাক্সি চলছে। মানুষও বেরিয়েছেন কাজে। হাওড়া এবং শিয়ালদহ স্টেশনেও সকালে ভিড় অন্যান্য দিনের মতোই দেখা গিয়েছে। কিন্তু বেলা বাড়তেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রেল অবরোধের খবর আসছে। জেলায় বিভিন্ন রাজ্য ও জাতীয় সড়কও অবরোধ করেছেন হরতাল সমর্থনকারীরা।সকাল ১১.০৫: পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া-মেচেদা রাজ্য সড়কের মহিষাদলে বামেদের পথ অবরোধ।সকাল ১০.৫৫: হরতালের সমর্থনে আসানসোলে মিছিল কংগ্রেসের। হরতালের বিরোধীতা করে পাল্টা মিছিল তৃণমূলের।সকাল ১০.৪৫: পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে পথ অবরোধ বামেদের। অবরোধ করা হয় ২ নম্বর জাতীয় সড়ক।সকাল ১০.২৫: চুঁচু্ড়া দেশবন্ধু স্কুলের সামনে এসএফআই-এর অবরোধ। স্কুলে ঢুকতে দেওয়া হল না ছাত্রদের। ১১ মাস পর আজ স্কুল খুললেও ঢুকতে না পেরে ফিরে গেল ছাত্ররা।সকাল ১০.২০: বারুইপুরে রেল অবরোধ।সকাল ১০.১৫: প্রায় দেড় ঘণ্টা পর পান্ডুয়াতে রেল অবরোধ উঠল।সকাল ১০.১০: ডানকুনিতে দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে অবরোধ হরতাল সমর্থকদের। রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ। যান চলাচল বন্ধ।সকাল ১০.০৭: চুঁচুড়া বাস স্ট্যান্ডে পিকেটিং বাম কংগ্রেসের।রাস্তায় নামেনি কোনও বাস।সকাল ১০.০৫: হুগলি জেলার হিন্দিমোটরের ধারসায় জিটি রোড অবরোধ করে ফুটবল খেলছেন হরতাল সমর্থকরা। অবরোধ তুলতে এলে পুলিশকে চকোলেট ধরিয়ে দেন তাঁরা।সকাল ৯.৪০: হাওড়া ব্যাঁটরা থানার অন্তর্গত শানপুর মোড়ে রাস্তায় ফুটবল খেলে অবরোধ। পুলিশ এসে অবরোধ ওঠাতে গেলে ধাক্কাধাক্কি। এক ক্যাব চালকের ওপর চড়াও হন হরতাল সমর্থনকারীরা।সকাল ৯.৩০: বর্ধমান শহরের কার্জন গেটে বামকর্মীদের রাস্তা অবরোধ। অবরোধের জেরে আটকে পড়েছে সরকারি ও বেসরকারি বাস।বর্ধমানে বামেদের মিছিল পার্কাস রোড হয়ে জিটি রোড দিয়ে যাচ্ছে।সকাল ৯.২০: বর্ধমান-আরামবাগ রোডের মিরেপোতা বাজারে বামকর্মীরা রাস্তায় বেঞ্চ ফেলে অবরোধ করেন। পুলিশের সঙ্গে তৃণমূল কর্মীরা বামকর্মীদের হটিয়ে দেয় বলে অভিযোগ।সকাল ৯.১০: দুর্গাপুর, আসানসোলে রাস্তায় নাম বাস, টোটো বন্ধ করে দেয় হরতাল সমর্থনকারীরা। যার জেরে আসানসোল, দুর্গাপুর স্টেশনে নামা যাত্রীরা সমস্যায়।সকাল ৮.৫৫: কান্দি বাসস্ট্যান্ডে টায়ার জ্বালিয়ে বাম-কংগ্রেসের বিক্ষোভ প্রদর্শন। সাঁইথিয়া-বহরমপুর রাজ্য সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ।সকাল ৮.৫০: কোচবিহার বাসস্ট্যান্ডের সামনে বাস আটকে দেন কংগ্রেস কর্মীরা। শুয়ে পড়েন বাসের সামনে। পুলিশ ৫ জন কংগ্রেস কর্মীকে আটক করেছে।সকাল ৮.৪৫: যাদবপুর স্টেশনে রেল অবরোধ বাম সমর্থকদের।সকাল ৮.৩৫: হাওড়া-বর্ধমান মেন লাইনের পান্ডুয়া স্টেশনে রেল অবরোধ। সকাল ৮.২৮ থেকে বন্ধ ট্রেন চলাচল।সকাল ৮.৩০: অশোকনগরে লেভেল ক্রসিংয়ের ২৬ নম্বর গেট অবরোধ। বনগাঁ লাইনে ট্রেন চলাচল ৮.১৫ থেকে ব্যাহত।সকাল ৮.২০: দক্ষিণ-পূর্ব রেল শাখায় ডোমজুড় স্টেশনে রেল অবরোধ। আটকে যায় ডাউন আমতা-হাওড়া লোকাল।সকাল ৮.০১: ডায়মন্ডহারবার সেকশনে ওভারহেড তারে কলাপাতা ফেলেছেন হরতাল সমর্থনকারীরা। ৭.৫০ থেকে ওই লাইনে স্তব্ধ ট্রেন চলাচল।সকাল ৭.৪৫: ডুয়ার্সের বিভিন্ন জায়গায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ। ধূপগুড়িতেও রাজ্য সড়ক অবরোধ হরতাল সমর্থকদের।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২১
কলকাতা

পুলিশি অত্যাচারের প্রতিবাদে বামফ্রন্টের ১২ ঘণ্টার ধর্মঘট

নবান্ন অভিযানে পুলিশি অত্যাচারের অভিযোগ। প্রতিবাদে শুক্রবার ১২ ঘণ্টা বাংলা বন্ধের ডাক বামপন্থীদের। রাজ্যের সর্বত্র ধিক্কার দিবস পালিত হবে। বামেদের এই প্রতিবাদ কর্মসূচিকে সমর্থন জানাল কংগ্রেসও। সাধারণ মানুষকে বন্ধ সফল করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।শূন্যপদ পূরণ, সকলের জন্য খাদ্য, শিক্ষা-সহ একাধিক দাবিতে বৃহস্পতিবার বামপন্থী ছাত্র ও যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযানের শুরুতেই ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশের কড়া নজরদারি এড়িয়ে বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতেই আচমকা একেবারে নবান্নের সামনে চলে আসেন সিপিএম বিধায়ক তথা বাম ছাত্র নেতা ইব্রাহিম আলি। সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন। তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করলে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়ে তাঁদের আটকায়। ইব্রাহিম-সহ ৫ জনকে টেনেহিঁচড়ে পুলিশের ভ্যানে তোলা হয়। তখনও উঁচু গলায় স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁরা। ওঠে খেলা হবে স্লোগানও।পুলিশের এই ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট ক্ষিপ্ত বাম নেতৃত্ব। সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মহম্মদ সেলিম সাংবাদিক বৈঠক করে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁর কথায়, নির্মমভাবে আমাদের তরুণ কর্মীদের মারধর করেছে পুলিশ। কেন এমনটা হবে? পুলিশ যে অত্যাচারীর ভূমিকা নিয়েছে, তা নিন্দনীয়। এর প্রতিবাদে শুক্রবার বন্ধ ডাকা হয়েছে বাম সংগঠনগুলির তরফে। আরএসপির মনোজ ভট্টাচার্য বিবৃতি দিয়ে জানান, আজ ১১ ফেব্রুয়ারি বামপন্থী ছাত্র যুব সংগঠনগুলির পূর্ব নির্ধারিত নবান্ন অভিযানে রাজ্যের ছাত্র-যুবরা শান্তিপূর্ণভাবে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে যাচ্ছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ নৃশংসতার সঙ্গে মিছিলের উপরে আক্রমণ করে। নির্বিচারে লাঠি, টিয়ার গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে। রাজ্য বামফ্রন্ট আগামিকাল রাজ্যের সর্বত্র ধিক্কার দিবস পালন ও ১২ ঘন্টার হরতালের ডাক দিয়েছে। এই হরতাল সফল করতে উদ্যোগ গ্রহণ করুন।আরও পড়ুন: বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযানে ধুন্ধুমার

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
কলকাতা

বাম ছাত্র-যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযানে ধুন্ধুমার

বামপন্থী ছাত্র ও যুব সংগঠনের নবান্ন অভিযানের শুরুতেই ধুন্ধুমার। পুলিশের কড়া নজরদারি এড়িয়ে বৃহস্পতিবার দিনের শুরুতেই আচমকা একেবারে নবান্নের সামনে চলে আসেন সিপিএম বিধায়ক তথা বাম ছাত্র নেতা ইব্রাহিম আলি। সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন। তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করলে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে তৎপর হয়ে তাঁদের আটকান। ইব্রাহিম-সহ ৫ জনকে টেনেহিঁচড়ে পুলিশের ভ্যানে তোলা হয়। তখনও উঁচু গলায় স্লোগান দিচ্ছিলেন তাঁরা। এ নিয়ে দিনের শুরুতে নবান্ন অভিযান নিয়ে অশান্তি ছড়াল। এরপর বেলা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে থাকে। ধর্মতলা চত্বর থেকে প্রায় চার হাজার সদস্য নবান্নের দিকে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে চান বাম ছাত্র,যুবরা। প্রথম জলকামান, টিয়ার গ্যাস ছুঁড়ে তাঁদের রোখার চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু তাতেও আন্দোলনকারীরা দমে যাননি। এরপর পুলিশ নির্বিচার লাঠিচার্জ করলে অনেকে আহত হন, অসুস্থ হয়ে পড়েন কেউ কেউ। গুরুতর জখমদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৪৪ ধারা জারি থাকলেও, তা অমান্য করে সিধু-কানু-ডহরে ঢুকে পড়েন কয়েকজন ছাত্র ও যুব। আন্দোলনকারীদের শক্তি দেখে কার্যত বিভ্রান্ত পুলিশও।শূন্যপদে নিয়োগ, সকলের জন্য খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষার অধিকার-সহ একগুচ্ছ দাবিতে বৃহস্পতিবার নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়েছিল বাম ছাত্র-যুব সংগঠন। এসএফআই, ছাত্র ফেডারেশন, ডিওয়াইএফআই -সহ মোট ৮ বামপন্থী ছাত্র ও যুব সংগঠনের সঙ্গে এই কর্মসূচিতে সামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে কংগ্রেসের ছাত্র, যুব সংগঠনকেও। সবমিলিয়ে ১০ টি সংগঠনের ডাকে এদিন নবান্ন অভিযানে নেমেছে বাম ও কংগ্রেস কর্মীরা। বাম ছাত্রনেতা তথা পাঁশকুড়ার সিপিএম বিধায়ক ইব্রাহিম আলি আচমকা নবান্নের সামনে হাজির হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিদায় ঘটে গিয়েছে, এই বার্তা দিয়ে স্লোগান তোলেন। সেখান থেকেই আটক করা হয় তাঁকে। তারপর টেনেহিঁচড়ে তোলা হয় প্রিজন ভ্যানে। একইভাবে আটক করা হয়েছে আরও ৫ জনকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২১
রাজ্য

বাম শ্রমিক সংগঠনের আইন অমান্য ঘিরে উত্তাল হাওড়া

বাম শ্রমিক সংগঠনের ডাকে কৃষি আইন বাতিল, বিদ্যুৎ বিল ২০২০ বাতিল, দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদসহ একাধিক দাবিকে সামনে রেখে হাওড়ায় জেলাশাসকের দপ্তরে সামনে আইন অমান্য কর্মসূচি পালিত হল। সোমবার দুপুরে হাওড়া ময়দান উত্তাল হল বামেদের এই কর্মসূচিতে। এদিন মিছিল করে বাম শ্রমিক সংগঠনের কয়েকশো কর্মী হাওড়া ময়দানে আসেন। সেখানে তাঁদের গতিবিধি রুখতে দুটি ব্যারিকেড করে পুলিশ। প্রথম ব্যারিকেড ভেঙ্গে দ্বিতীয় ব্যারিকেডের ওপরে চড়াও হন বাম সমর্থকরা। সেখানে পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে কার্যত খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায় বাম শ্রমিক সংগঠন কর্মীদের। দফায় দফায় ব্যারিকেডের ওপরে চড়াও হন বিক্ষোভকারীরা। প্রায় ১ঘন্টা ধরে চলে ওই তান্ডব। উত্তেজিত বিক্ষোভকারীদের সামলাতে হিমশিম খান বাম নেতৃত্ব। শেষ পর্যন্ত পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে ব্যক্তিগত জামিনে মুক্তি দেয়। এই প্রসঙ্গে হাওড়া জেলার সিআইটিইউ সম্পাদক সমীর সাহা বলেন, কৃষি আইন বাতিল, বিদ্যুৎ বিল ২০২০ বাতিল, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিসহ একাধিক জন বিরোধী নীতির প্রতিবাদে এদিনের আইন অমান্য কর্মসূচী নেওয়া হয়।

জানুয়ারি ১৮, ২০২১
রাজনীতি

তৃণমূল ছাড়লেন শীলভদ্র দত্ত

তৃণমূল ছাড়লেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিয়ে তিনি দলত্যাগের কথা জানিয়েছেন। শুভেন্দু প্রসঙ্গে শীলভদ্রের বক্তব্য, তিনি সিনিয়র নেতা, যা করেছেন নিশ্চয় ভেবেই করেছেন। আমি আর তৃণমূলের কেউ নই, এ বিষয়ে আর কিছু বলতে চাই না। জানা গিয়েছে, সরকারের দেওয়া গাড়ি ইতিমধ্যেই ছেড়ে দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি জানিয়েছেন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ছাড়েননি এখনও। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দু অধিকারীর সহায়তা কেন্দ্র দখল করল তৃণমূল, মোছা হল গেরুয়া রং জানিয়েছেন, সরকার চাইলে নিয়ে নিতে পারে। গতকাল রাতেই ব্যারাকপুরের বিধায়ক জানান, ঋণ কারও শোধ করা যায় না। তাঁর লিভার ট্রানসফারের সময় যাঁরা টাকা দিয়ে সাহায্য করেছিলেন তাঁদের টাকা তিনি ফেরৎ দিয়ে দেবেন।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

শুভেন্দুর পর তৃণমূল ছাড়লেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি

তৃণমূল ছাড়লেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিকদের মুখোমুখী হয়ে তিনি তৃণমূলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ঘোষণা করেন। প্রসঙ্গত, এদিন সকালেই তিনি আসানসোল পুরনিগমের মুখ্য প্রশাসক পদ থেকে ইস্তফা দেন। আসানসোল পুরনিগমের অফিসে গিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার পর পদ ছাড়েন জিতেন্দ্র তিওয়ারি।অভিযোগ, এরপর তাঁর কার্যালয়ে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। জিতেন্দ্র তিওয়ারির অভিযোগ, তৃণমূলের কলকাতার নেতাদের নির্দেশেই তাঁর কার্যালয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে। তৃণমূলের নেতারা চাইছেন না, আমি দলে থাকি। এদিনই দুপুরে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের সদস্যপদ ছেড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। আরও পড়ুন ঃ আমার জনশক্তি আছেঃ শুভেন্দু বুধবার রাতেই তৃণমূল সাংসদ সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে বৈঠক করেন শুভেন্দু-জিতেন্দ্র। কয়েকদিন ধরেই বেসুরো ছিলেন আসাননসোলের প্রশাসক তথা পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক। পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। এবার শুভেন্দুর পথে হেঁটেই দল ছাড়লেন জিতেন্দ্র। বুধবারই কোচবিহারের কর্মিসভার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় নিজে ফোন করে তাঁকে মাথা ঠান্ডা রাখতে বলেছিলেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের আগেই ইস্তফা দিলেন জিতেন্দ্র তিওয়ারি। এদিন সহকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আসানসোলের উন্নয়নের স্বার্থে লড়তে হবে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

তৃণমূল ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী

সমস্ত জল্পনাকে সত্যি করে তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার তিনি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাঁর ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন। তিনি দলনেত্রীকে পাঠানো চিঠিতে লিখেছেন, আমি এই মুহূর্তে দল এবং দলের দেওয়া সমস্ত পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিচ্ছি। দল আমাকে যেসব সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। একজন সদস্য হিসাবে দলে আমি যে মূল্যবান সময় অতিবাহিত করেছি, আজীবন তা স্মরণে রাখব।ইস্তফাপত্র দ্রুত গ্রহণ করার আবেদন জানান তিনি। তৃণমূলের সঙ্গে প্রায় আড়াই দশকের সম্পর্ক ছিন্ন করলেন শুভেন্দু। গতকালই বিধানসভায় গিয়ে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। দু সপ্তাহ আগে মন্ত্রীত্বও ছেড়েছিলেন। আরও পড়ুন ঃ ডিসেম্বরের মাঝেও দেখা নেই শীতের, তবে আশার বাণী শোনাচ্ছে হাওয়া অফিস এভাবেই তিনি দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগ করলেন। সম্ভবত শনিবারই অমিত শাহের সভায় বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, দলের সঙ্গে গত কয়েক মাস তাঁর দূরত্ব তৈরি হচ্ছিল। এরপর তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে দলের তরফ থেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, শুভেন্দুর সঙ্গে আলোচনা করে সমস্ত বিষয়টি মিটিয়ে নিতে। কিন্তু তাতেও বরফ গলল না। দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

তৃণমূল ছাড়লেন মিহির গোস্বামী

এই তৃণমূল তাঁর দল নয়। তাই তার সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করাই শ্রেয়। ফেসবুক পোস্টে সেই আক্ষেপ প্রকাশ করেই দলের সঙ্গে সম্পর্ক ঘুচিয়ে ফেলার বার্তা স্পষ্ট করে দিলেন মিহির গোস্বামী। তিনি আরও লিখেছেন , বাইশ বছর আগে যে দলটির সঙ্গে যোগ দিয়েছিলাম, আজকের তৃণমূল সেই দল নয়। এই দলে আমার জায়গা নেই। তাই আজ এই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আমার যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাই। আমি আশা করছি, আমার দীর্ঘদিনের সাথী, বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীরা আমাকে মার্জ্জনা করবেন।তিনি আরও লিখেছেন, গত ৩ অক্টোবর তৃণমূল কংগ্রেসের যাবতীয় সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে এও জানিয়েছিলাম, দলনেত্রীর নির্দেশ পেলে আমি বিধায়ক পদ থেকেও ইস্তফা দিতে পারি। তারপর প্রায় দুমাস হতে চলল আমি যেমন নিজের বিবেকের সঙ্গে ও নিজের যুক্তিবোধের সঙ্গে চিন্তন-মন্থন করেছি তেমনই আমার ভাবনাকে মানুষের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত শেয়ার করেছি। আরও পড়ুন ঃ সিপিএম ও বিজেপি লোভী ও ভোগী, তৃণমূল ত্যাগীঃ মমতা তিনি আরও লিখেছেন, যে সব মানুষ আমার ভাবনাকে যুক্তিযুক্ত ভেবে স্বাগত জানিয়েছে তাঁদের উদ্দেশ্যেই আবার বলি, গত দশ বছর যে তৃণমূল দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে দলের মধ্যে বারবার অবহেলিত ও অপমানিত হয়েছি, দলের রাজ্য নেতৃত্ব তাতে নীরব ও প্রচ্ছন্ন মদত যুগিয়ে গিয়েছেন, দলনেত্রীকে সেসব কথা বারংবার জানিয়েও পরিস্থিতির ইতরবিশেষ হয়নি।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাজ্য

বিক্ষিপ্ত কয়েকটি ঘটনা ছাড়া বনধ শান্তিপূর্ণ

১৬টি শ্রমিক সংগঠনের ডাকে আজ দেশজুড়ে পালিত হল সাধারণ ধর্মঘট। কেন্দ্রের একাধিক আইন, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণ, মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ডাকা হয়েছে সাধারণ ধর্মঘট। কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া বন্ধের কোনও প্রভাব পড়েনি। কলকাতার ধর্মতলা, কোচবিহার, ব্যারাকপুর, সিউড়িতে বিক্ষোভ দেখিয়েছে বাম ও কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনগুলি। শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় লোকাল ট্রেন পরিষেবা ব্যাহত হয়েছে। বজবজ ছাড়া দক্ষিণ শাখায় সকাল থেকে ট্রেন চলেনি। মেন লাইনেও আটকানো হয়েছে ট্রেন। বনধ সফল হয়েছে বলে দাবি করেছে সিপিএম। বিমান বসুও মিছিল থেকে দাবি করেন, বনধে সাধারণ মানুষ ব্যাপক সাড়া দিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুর জেলার তৃণমূল নেতার বিজেপিতে যোগ রেল অবরোধের জন্যে বারাসাত স্টেশনে আটকে আছে বনগাঁ লোকাল ট্রেন। ট্রেনে যদিও যাত্রী সংখ্যা নগণ্য। হাওড়া শাখায় বন্ধ হয়েছে রেল পরিষেবা, একাধিক স্টেশনে আটকে ট্রেন। যাদবপুর স্টেশনে রেল অবরোধে সামিল হয়েছিলেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। রেল অবরোধের জেরে নিত্যযাত্রীদের চরম দুর্ভোগের মুখে এদিন পড়তে হয়। শিয়ালদহ মেইন শাখার শ্যামনগর, আগরপাড়া স্টেশনে রেল অবরোধ করা হয়।দুর্গাপুরে স্টেশনের সামনে পুলিশের সঙ্গে বচসা ধর্মঘট সমর্থকদের। রাজাবাজার, সেন্ট্রাল অ্যাভেনিউ মেট্রোর সামনেও চলছে বিক্ষোভ। যাদবপুরে সকাল ছটা থেকেই শুরু হয়েছে বামপন্থীদের মিছিল। যাদবপুর এইট-বি বাসস্ট্যান্ড থেকে সুলেখা পর্যন্ত মিছিল করা হয়। তবে দমদম স্টেশনের সামনে বাম সমর্থকরা অবরোধ করেছেন। যার জেরে গোটা দমদম রোড অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। ধর্মঘটের সমর্থনের ধর্মতলায় পথ অবরোধ করে বাম সমর্থকরা। পোড়ানো হয়েছে কুশপুতুল। কামালগাজিতে ভাঙচুর করা হয় বাস। যাত্রীদের বাস থেকে নামানো হয়। যদিও কলকাতা-র বিভিন্ন জায়গায় বেসরকারি বাসের সংখ্যা তুলনামূলক কম। তবে পথে রয়েছে অটো, প্রাইভেট গাড়ি। শহরের ব্যস্ততম এলাকায় সকাল থেকে রাস্তায় দেখা মিলেছে বাসের, মানুষের। হাওড়া স্টেশন চত্বরে আপাতত স্বাভাবিকভাবেই বাস চলাচল করছে। বরং অন্যদিনের তুলনায় সরকারি বাস ৩০-৪০ শতাংশ বেশি আছে। শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় ব্যাহত হয়েছে পরিষেবা। ডায়মন্ড হারবার লাইনের একাধিক জায়গায় ওভারহেড তারে কলাগাছ ফেলে দেওয়ার এবং বিক্ষোভের খবর মিলেছে। সুভাষগ্রামে আটকানো হয়েছে ট্রেন। ক্যানিংয়ে ট্রেনের সামনে উঠে বিক্ষোভ দেখানো হচ্ছে। অন্যদিকে, বনধের কোনও প্রভাব পড়েনি সল্টলেক সেক্টর ফাইভে। পশ্চিম মেদিনীপুরে পুলিশ-ধর্মঘটীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। বেতবেড়িয়া ঘোলা স্টেশনে বনধ সমর্থকদের উপর ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পুলিশ। কোচবিহারে ধর্মঘটীদের আটক করা হয়।খড়গপুরে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় ধর্মঘটীদের। হাবড়া স্টেশনের টিকিট কাউন্টারে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। জখম ১ রেল কর্মী। বসিরহাটে রেল লাইনে অবরোধ করা হয়। শ্যামবাজারে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক বন্ধের চেষ্টা করা হয়। ব্যাংকের গেটের সামনে বসে পড়েন ধর্মঘটীরা। উত্তরবঙ্গের চা বাগানে শ্রমিকদের উপস্থিতি সেভাবে চোখে পড়েনি। চুঁচুড়ায় বন্ধ ছিল ফেরি পরিষেবা। কোচবিহারে বেলা বাড়ার পর ফের বাসে ভাঙচুর চালায় ধর্মঘটীরা। এদিন সকালে চাঁদনিচক মেট্রো স্টেশন বন্ধের চেষ্টা করেন বাম সমর্থকরা। লেনিন সরনিতে দোকান ভাঙচুর করে ধর্মঘটীরা। বারাসতের হেলাবটতলায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে ধর্মঘটীদের উপর লাঠিচার্জ পুলিশের।পালটা আক্রমণ। নামানো হয় ব়্যাফ। নিউটাউনের রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বারাসতের ডাকবাংলো মোড়ে এসএফআই-পুলিশের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। দুর্গাপুর স্টেশনে ধর্মঘটীদের সঙ্গে বচসা বেঁধে যায় পুলিশের। বীরভূমের দুরবাজপুরে জোর করে দোকান বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে বনধ সমর্থকদের বিরুদ্ধে। ডোমজুড় স্টেশনের কাছে গাছের গুঁড়ি ফেলে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বাঙ্গুর এভিনিউতে পুলিশের সঙ্গে কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি হয় ধর্মঘট সমর্থকদের। হাওড়া স্টেশনের প্রিপেড ট্যাক্সি স্ট্যান্ড ছিল ফাঁকা। স্টেশনে পৌঁছে সমস্যায় পড়েন যাত্রীরা। শ্রীরামপুর ও চন্দননগরে অবরোধের জেরে ব্যহত হয় ট্রেন চলাচল। কোচবিহারের বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি। বাসে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। গড়িয়াতে বাস আটকে বিক্ষোভ বামেদের। বাসের হাওয়া খুলে দেওয়ার অভিযোগ। অটো থেকেও নামিয়ে দেওয়া হয় যাত্রী। বারাসতে যাত্রীদের জোর করে বাস থেকে নামিয়ে তালা ঝুলিয়ে দিল ধর্মঘটীরা। চলে বচসা। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ ধর্মঘটীদের।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মুখ্যমন্ত্রীর বড় ডাক! স্বাধীনতা দিবসে রাজ্যজুড়ে তেরঙ্গা উৎসব, জেনে নিন পুরো কর্মসূচি

স্বাধীনতার মাস উপলক্ষে এবার রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে হর ঘর তেরঙ্গা কর্মসূচি। এতদিন এই কর্মসূচি বাংলায় সরকারি উদ্যোগে পালিত হয়নি। এবার প্রথমবার রাজ্য সরকার কেন্দ্রের এই উদ্যোগে সামিল হচ্ছে। আগামী ৯ আগস্ট থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ কর্মসূচি। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভবানীপুর থেকেই শুরু হবে তেরঙ্গা যাত্রা এবং তিনি নিজেও সেই মিছিলে অংশ নেবেন।বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, শুক্রবার ভবানীপুরের সার্ভে বিল্ডিং থেকে হাজরা পর্যন্ত বিশাল তেরঙ্গা মিছিল হবে। রাজ্যের সব মানুষের কাছে তিনি আবেদন করেছেন, প্রত্যেকে যেন নিজের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং এই কর্মসূচিতে অংশ নেন। রাজ্যজুড়ে প্রায় সত্তর লক্ষ জাতীয় পতাকা বিতরণ করা হবে বলেও ঘোষণা করা হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতে কেন এই কর্মসূচি পালন করা হয়নি, তা তিনি জানেন না। তবে এবার থেকে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর এই কর্মসূচি পালন করা হবে। রাজ্যের প্রতিটি মহকুমা, ব্লক, পুরসভা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সংগঠন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে এতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঐতিহাসিক ভবন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আলোকসজ্জায় সেজে উঠবে। প্রবন্ধ লেখা, অঙ্কন প্রতিযোগিতা, সচেতনতামূলক শোভাযাত্রা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারের পরিকল্পনাও নিয়েছে সরকার।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ১০ আগস্ট বিকেল তিনটায় নেতাজির মূর্তির পাদদেশ থেকে আরও একটি বড় তেরঙ্গা মিছিল বের হবে। সরকারি কর্মী থেকে সাধারণ মানুষ সকলেই এই মিছিলে অংশ নেবেন। ইতিমধ্যেই প্রায় তিরিশ হাজার মানুষ অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করেছেন। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এবারের উদযাপন রাজ্যজুড়ে বিশেষ মাত্রা পাবে বলেই মনে করছে প্রশাসন।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
কলকাতা

পরিচয় বদলে রেলের চাকরি! পাঁচ বছর পর সিবিআইয়ের হাতে ধরা কাঁকুড়গাছি মামলার অভিযুক্ত

কাঁকুড়গাছির ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল সিবিআই। ধৃতের নাম অরূপ দাস। দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর খোঁজ চালাচ্ছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এমনকি তাঁর সন্ধান দিতে পঞ্চাশ হাজার টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছিল। অবশেষে গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে অসমে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, পরিচয় গোপন করে তিনি সেখানে রেলের কোচ অ্যাটেন্ড্যান্ট হিসেবে কাজ করছিলেন। ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে কলকাতায় আনা হতে পারে।২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ ওঠে। সেই সময় কাঁকুড়গাছিতে বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। পরিবারের দাবি, তাঁকে ঘিরে ধরে মারধর করা হয়েছিল। ঘটনার সময় তিনি সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করে সাহায্যের আবেদনও করেছিলেন। এই ঘটনায় একাধিক রাজনৈতিক নেতার নাম সামনে আসে। প্রথমে তদন্ত শুরু করে স্থানীয় পুলিশ। পরে তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় আদালতের নির্দেশে মামলার দায়িত্ব যায় সিবিআইয়ের হাতে।ইতিমধ্যেই এই মামলায় দুটি অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে সিবিআই। প্রথমটি জমা পড়ে ২০২১ সালে এবং দ্বিতীয়টি গত বছরের জুলাই মাসে। দ্বিতীয় অভিযোগপত্রে মোট আঠারো জনের নাম ছিল। সূত্রের খবর, অরূপ দাসের নামও সেই তালিকায় ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি।তদন্তে জানা গিয়েছে, গত পাঁচ বছর ধরে অসমে নিজের পরিচয় গোপন করে কাজ করছিলেন অরূপ। সম্প্রতি একটি ঠিকাদারি সংস্থার কর্মীদের সন্দেহ হওয়ায় বিষয়টি সিবিআইকে জানানো হয়। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই অসমে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে তদন্তকারী সংস্থা। এবার তাঁকে কলকাতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তদন্তকারীদের আশা, এই মামলায় আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
কলকাতা

গুণ্ডাদমন বিল নিয়ে আদালতে বড় মোড়! আবেদনকারীদের জন্য রইল নতুন সুযোগ

কলকাতা হাইকোর্টে গুণ্ডাদমন বিলের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলা আপাতত খারিজ হয়ে গেল। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত এই বিল রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়নি। তাই এই পর্যায়ে মামলার শুনানি সম্ভব নয়।আদালত জানিয়েছে, বিলটি এখনও আইন হিসেবে কার্যকর হয়নি। সেই কারণে এখনই তার বৈধতা নিয়ে বিচার করার সুযোগ নেই। তবে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর বিলটি আইনে পরিণত হলে আবেদনকারীরা নতুন করে জনস্বার্থ মামলা করতে পারবেন। সেই সুযোগ খোলা রয়েছে বলেও আদালত স্পষ্ট করেছে।সম্প্রতি রাজ্য বিধানসভায় গুণ্ডাদমন বিল পাশ হয়েছে। বিলে বলা হয়েছে, পুলিশ সুপার বা তাঁর ঊর্ধ্বতন আধিকারিকের রিপোর্টের ভিত্তিতে রাজ্য সরকার প্রয়োজন মনে করলে কোনও ব্যক্তিকে গুণ্ডা হিসেবে চিহ্নিত করে নির্দিষ্ট ব্যবস্থা নিতে পারবে। প্রয়োজনে তাঁকে এক বছর পর্যন্ত কোনও এলাকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাও জারি করা যেতে পারে।এই বিল ঘিরে শুরু থেকেই রাজনৈতিক বিতর্ক রয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, এই আইনের অপব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে এটি ব্যবহার করা হতে পারে। অন্যদিকে রাজ্য সরকারের দাবি, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা আরও শক্তিশালী করা এবং অপরাধ দমনের লক্ষ্যেই এই বিল আনা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীও জানিয়েছেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতেই এই আইন প্রস্তাব করা হয়েছে।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
কলকাতা

আর কতদিন অপেক্ষা? আর জি কর মামলায় সিবিআইকে তীব্র ভর্ৎসনা হাই কোর্টের

আর জি কর মামলার তদন্ত নিয়ে ফের সিবিআইকে কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হল কলকাতা হাই কোর্টে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানির সময় বিচারপতিরা স্পষ্ট প্রশ্ন তোলেন, আর কতদিন বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষা করতে হবে? মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী ২৮ আগস্ট।শুনানিতে নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা-মায়ের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, গত দুবছরে সিবিআই তদন্তে কী অগ্রগতি হয়েছে, তার কোনও স্পষ্ট চিত্র এখনও সামনে আসেনি। তাঁর অভিযোগ, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং অতিরিক্ত হলফনামা থাকা সত্ত্বেও সেই দিকগুলি যথাযথভাবে তদন্ত করা হয়নি। শেষ রাতে উপস্থিত কয়েকজনের বয়ানও এখনও সম্পূর্ণভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি প্রশ্ন তোলা হয়, যাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন ছিল, তাঁদের এখনও কেন ডাকা হয়নি।এর জবাবে সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, তদন্ত এখনও চলছে এবং প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আদালতকে জানান, কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর বয়ান এখনও নেওয়া বাকি রয়েছে। তাই তদন্ত শেষ করতে আরও কিছু সময় প্রয়োজন।এই বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিচারপতি শম্পা সরকার বলেন, সিবিআইয়ের আগের রিপোর্টেই তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হওয়ার উল্লেখ রয়েছে। আদালতের আগের নির্দেশও ঠিকভাবে মানা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিচারপতি স্পষ্ট জানান, ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নতুন করে সব তথ্য খতিয়ে দেখতে হবে। প্রয়োজনে আগের তদন্তের সীমাবদ্ধতা সরিয়ে আবার তদন্ত করতে হবে। বিচারপতির প্রশ্ন, এভাবে আর কতদিন বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষা করতে হবে? আদালতের এই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি সিবিআই।উল্লেখ্য, গত বছরের ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে এক তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। প্রথমে কলকাতা পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। এই ঘটনায় এক অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলেও নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, ঘটনার সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত। সেই কারণেই সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে। আগামী ২৮ আগস্ট ফের এই মামলার শুনানি হবে।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
দেশ

পলাতক অভিযোগের মাঝেই বড় রায়! সুমিত রায়কে নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত

জমি কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত সুমিত রায়কে আপাতত বড় স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, তদন্ত চলবে, তবে এই মুহূর্তে তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। অভিযোগ ওঠার পর থেকেই সুমিত রায়কে খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থা। এই পরিস্থিতিতে তাঁর গ্রেফতারিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল আদালত।সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, সুমিত রায়কে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে। তদন্তকারী সংস্থা যখনই ডাকবে, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাজির হতে হবে। সকাল দশটা থেকে সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যাবে। তবে সেই সময় তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না। আদালত আরও জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি নিজের আইনজীবীকে সঙ্গে রাখতে পারবেন।সুমিত রায়ের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরই তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই মামলার পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।অন্যদিকে রাজ্য সরকারের পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা দাবি করেন, বহু বছর আগে অভিযোগ উঠলেও আগের সরকার কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তিনি আদালতে আরও বলেন, তদন্তের সময় বারবার হস্তক্ষেপ করা হয়েছে বলে তাঁদের অভিযোগ। এই বক্তব্যের বিরোধিতা করে সুমিত রায়ের আইনজীবী জানান, এই মন্তব্য সম্পূর্ণ রাজনৈতিক এবং মামলার মূল বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
রাজ্য

পারিশ্রমিক অনিশ্চয়তায় পূর্ব বর্ধমান জেলার ৪৫৪ জন বাংলা সহায়তা কেন্দ্র কর্মী, চরম উদ্বেগে বিএসকে কর্মীরা

রাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক প্রশাসনিক নির্দেশিকার জেরে সারা রাজ্যের সাথে সাথে পূর্ব বর্ধমান জেলার ২৩৯টি বাংলা সহায়তা কেন্দ্র (BSK)-এ কর্মরত মোট ৪৫৪ জন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর (DEO)-এর জুন ও জুলাই, ২০২৬ মাসের পারিশ্রমিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। টানা দুই মাস বেতন না পাওয়ার আশঙ্কায় কর্মীদের পাশাপাশি তাঁদের পরিবারও চরম উদ্বেগ ও আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।গত ৩১ জুলাই, ২০২৬ তারিখে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের Personnel Administrative Reforms (PAR) Department-এর জারি করা এক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, প্রশাসনিক কারণে এবং বিভাগীয় বরাদ্দ ও অনুমোদন (Allotment-cum-Sanction) না আসা পর্যন্ত জুন ও জুলাই মাসের পারিশ্রমিকের বিল প্রসেসিং বা অর্থপ্রদানের জন্য উপস্থাপন করা যাবে না। ইতিমধ্যেই এই নির্দেশ রাজ্যের সমস্ত জেলার জেলাশাসক এবং সংশ্লিষ্ট ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসারদের (DDO) কাছে পাঠানো হয়েছে।পূর্ব বর্ধমান জেলার গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক প্রশাসন, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, গ্রন্থাগার, মহকুমাশাসকের দপ্তর এবং জেলাশাসকের কার্যালয়-সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে মোট ২৩৯টি বাংলা সহায়তা কেন্দ্র পরিচালিত হচ্ছে। এই কেন্দ্রগুলিতে কর্মরত ৪৫৪ জন বাংলা সহায়ক প্রতিদিন হাজার হাজার সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা পেতে সহায়তা করেন। অন্নপূর্ণা যোজনা, আয়ুষ্মান ভারত, বার্ধক্য ভাতা, জাতিগত ও আয় শংসাপত্র, জন্ম-মৃত্যু সংক্রান্ত আবেদন, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে অনলাইন আবেদন থেকে শুরু করে কর প্রদাননাগরিক পরিষেবার এক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তাঁদের কাঁধেই বর্তায়।কিন্তু সেই কর্মীরাই আজ নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে চুক্তিভিত্তিকভাবে দায়িত্ব পালন করলেও টানা দুই মাসের পারিশ্রমিক আটকে যাওয়ার আশঙ্কায় বহু পরিবারের নিত্যদিনের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বাড়িভাড়া, সন্তানের পড়াশোনার খরচ, চিকিৎসা, ঋণের কিস্তি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় বাজারসব মিলিয়ে সংসারের ব্যয়ভার সামলানো অনেকের পক্ষেই কঠিন হয়ে উঠছে। অনেক কর্মী জানিয়েছেন, মাসের শেষে নির্দিষ্ট আয়ের ওপর নির্ভর করেই তাঁদের পরিবার চলে। সেই আয় অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় মানসিক চাপের পাশাপাশি আর্থিক সংকটও ক্রমশ বাড়ছে।কর্মীদের বক্তব্য, তাঁরা নিষ্ঠার সঙ্গে প্রতিদিন সরকারি পরিষেবা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছেন। অথচ প্রশাসনিক জটিলতার কারণে তাঁদের প্রাপ্য পারিশ্রমিক অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় তাঁরা নিজেদের অবমূল্যায়িত মনে করছেন। তাঁদের আশা, বিষয়টির মানবিক দিক বিবেচনা করে রাজ্য সরকার দ্রুত প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও অনুমোদনের ব্যবস্থা করবে, যাতে বিলম্ব না করে বকেয়া পারিশ্রমিক প্রদান করা যায় এবং কর্মীদের পরিবার এই অনিশ্চয়তা থেকে মুক্তি পায়।উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সরকারি নির্দেশিকায় কোথাও পারিশ্রমিক বাতিলের কথা বলা হয়নি। বরং স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত জুন ও জুলাই মাসের পারিশ্রমিকের বিল প্রসেসিং সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। ফলে কর্মীরা তাঁদের প্রাপ্য অর্থ পাবেন কি না, সেই প্রশ্ন নয়; বরং কবে সেই অর্থ হাতে পৌঁছাবে, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে গভীর অনিশ্চয়তা। প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় এখন দিন গুনছেন শত শত বাংলা সহায়ক এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
টুকিটাকি

প্রতিদিনের রান্নায় রাখছেন কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনা? কোন পাতায় লুকিয়ে বেশি স্বাস্থ্যগুণ?

প্রতিদিনের রান্নায় কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার ব্যবহার নতুন কিছু নয়। খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ানোর পাশাপাশি এই তিন ভেষজ পাতায় রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে এগুলি যতই পুষ্টিকর হোক না কেন, অতিরিক্ত খাওয়া সবার জন্য উপযুক্ত নয়। তাই গুণাগুণের পাশাপাশি সতর্কতার বিষয়টিও জানা জরুরি।কারিপাতার উপকারিতাকারিপাতা হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে। পাশাপাশি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে, বিশেষ করে ডায়াবেটিসে খাদ্য নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে, এটি কিছুটা সহায়ক হতে পারে। চুল ও ত্বকের জন্যও কারিপাতা উপকারী পুষ্টি সরবরাহ করে। এছাড়া এতে লৌহ, ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিনের উপস্থিতি রয়েছে।শিশু থেকে বয়স্ক, সাধারণ পরিমাণে রান্নার সঙ্গে কারিপাতা খেতে পারেন। যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে, তারাও অল্প পরিমাণে উপকার পেতে পারেন।তবে অতিরিক্ত কাঁচা কারিপাতা খেলে কারও কারও পেটে অস্বস্তি হতে পারে। আবার কোনো নির্দিষ্ট রোগের ওষুধ চললে বেশি পরিমাণে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।ধনেপাতার উপকারিতাধনেপাতা ভিটামিন A, C ও K-এর পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও ভালো উৎস। এটি খাবারের স্বাদ বাড়ায় এবং ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে হজমে সহায়তা করে এবং শরীরে প্রদাহ কমাতে সহায়ক কিছু উপাদানও এতে থাকতে পারে।পরিষ্কার করে ধুয়ে শিশু, তরুণ ও বয়স্কসবাই পরিমাণমতো ধনেপাতা খেতে পারেন। সালাদ, চাটনি, ডাল কিংবা বিভিন্ন তরকারিতে এটি ব্যবহার করা যায়।তবে কারও কারও ধনেপাতায় অ্যালার্জি হতে পারে। এছাড়া বাজার থেকে কেনা ধনেপাতা ভালোভাবে ধুয়ে ব্যবহার করা জরুরি, বিশেষ করে বর্ষাকালে।পুদিনাপাতার উপকারিতাপুদিনাপাতা হজমে সাহায্য করে এবং গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তিতে কিছু মানুষের আরাম দিতে পারে। এটি মুখের দুর্গন্ধ কমাতেও সহায়ক। গরমের দিনে পুদিনার শরবত শরীরকে সতেজ রাখে।সাধারণভাবে শিশু ও বড়রা অল্প পরিমাণে পুদিনাপাতা খেতে পারেন। চাটনি, শরবত, রায়তা কিংবা রান্নায় এটি ব্যবহার করা যায়।তবে যাদের অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেশি, তারা অতিরিক্ত পুদিনা খেলে অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। ছোট শিশুদের খুব বেশি কাঁচা পুদিনা না দেওয়াই ভালো।ঋতুভেদে কী সতর্কতা?বর্ষাকালে ভেষজ পাতাগুলি মাটির কাছাকাছি জন্মায় বলে জীবাণু বা ময়লা থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই কয়েকবার ভালোভাবে ধুয়ে তবেই ব্যবহার করা উচিত।গরমকালে পুদিনা ও ধনেপাতা সতেজ খাবার হিসেবে জনপ্রিয় হলেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।শীতকালে এই পাতাগুলি সহজেই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখা যায়।কারা বেশি সতর্ক থাকবেন?যাদের কোনো ভেষজ পাতায় অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের সতর্ক থাকতে হবে। যাদের দীর্ঘদিনের পেটের বিশেষ সমস্যা রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। এছাড়া ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করাই ভালো।সব মিলিয়ে, কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতা, তিনটিই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে এগুলি কোনো রোগের ওষুধ নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাস, পরিচ্ছন্নতা এবং নিয়মিত জীবনযাপনের সঙ্গে এই ভেষজ পাতাগুলি খেলে বেশি উপকার পাওয়া যেতে পারে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
বিদেশ

মোদির ভিডিও ঘিরে তুমুল বিতর্ক! শেষমেশ মাথা নত, ক্ষমা চাইতেই হল জুকারবার্গকে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বড় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার জেরে কেন্দ্রের কড়া অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চাইলেন মেটা প্রধান মার্ক জুকারবার্গ। সূত্রের দাবি, শুধু ভিডিও সরানোর ঘটনাই নয়, সামাজিক মাধ্যমে আপত্তিকর বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার বিষয়েও সংস্থা নিজেদের ত্রুটির কথা স্বীকার করেছে।গত তেইশে জুলাই তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে একটি সেলফি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিছু সময়ের মধ্যেই সেই ভিডিও ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। প্রথমে মেটা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানিয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেও কেন্দ্র সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি।সংসদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কমিটিও এই ঘটনায় কঠোর অবস্থান নেয়। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু ক্ষমা চাইলেই চলবে না, ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপের কথাও বলা হয়। এরপরই মেটার প্রতিনিধিদের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকে তলব করা হয়।সরকারি সূত্রের খবর, বৈঠকে সামাজিক মাধ্যমে শিশুদের নিয়ে আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়া, অবৈধ কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং ভিডিও সরানোর কারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মেটার প্রতিনিধিরা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানালেও কেন্দ্র আরও কঠোর নজরদারির ইঙ্গিত দেয়।এদিকে সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, প্রয়োজনে সামাজিক মাধ্যম সংস্থাগুলির আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার করার বিষয়েও ভাবা হবে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই মার্ক জুকারবার্গ ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে আপাতত বিতর্ক কিছুটা স্তিমিত হলেও মেটার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।ভারতে কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। তাই এই বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক এবং প্রযুক্তি মহলের।

আগস্ট ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal