• ১৫ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Governor

কলকাতা

রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ বৈশালীর

সদ্যই তৃণমূল শিবির থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে বৈশালী ডালমিয়াকে। বর্তমানে তিনি শুধুমাত্র বালির বিধায়ক। দল থেকে বহিষ্কারের ঠিক তিনদিনের মাথায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সঙ্গে দেখা করলেন তিনি। বালির আইনশৃঙ্খলা নিয়ে নালিশও জানালেন বৈশালী।উল্লেখ্য, দলের একাধিক নেতা-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মুখ খুলেছিলেন বৈশালী। শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী অরূপ রায়ের বিরুদ্ধেও বিস্ফোরক অভিযোগ আনেন তিনি। বেলা গড়াতেই দল থেকে বহিষ্কার করা হয় বালির বিধায়ককে। বৈশালী ডালমিয়াকে বহিষ্কারের পরেরদিনই তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় বালি। গুলি-বোমাবাজির অভিযোগ ওঠে। ব্যাপক ভাঙচুর চলে এলাকায়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বাইক-টায়ার। এই ঘটনার পর লিলুয়ায় জিটি রোড অবরোধ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নামে বিশাল পুলিশবাহিনী। এই ঘটনাকে টেনে বালির আইনশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে ক্ষোভপ্রকাশ করেন বৈশালী। ইচ্ছাকৃতভাবে এসব করানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এইসব বিষয় নিয়েই এদিন তিনি রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন বলে খবর।

জানুয়ারি ২৫, ২০২১
কলকাতা

পদত্যাগের করে কেঁদে ফেললেন রাজীব

মন্ত্রিসভা ছাড়ার কারণ বলতে গিয়ে প্রকাশ্যে কেঁদে ফেললেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, আড়াই বছর আগেই পদত্যাগ করব ভেবেছিলাম। সেই সময় মুখ্যমন্ত্রী আটকেছিলেন। এবার ভগ্নহৃদয় নিয়েই দল ছাড়লাম। গত একমাস ধরে অনেক কিছু শুনেছি। তাই এই সিদ্ধান্ত।শুক্রবারই রাজ্যপালের কাছে পদত্যাগপত্র জমা করেন রাজীব। তারপর রাজভবনের বাইরে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন তিনি। মন্ত্রিত্ব ছাড়লেও এখনও দল ছাড়েননি রাজীব। শুক্রবারের সাংবাদিক সম্মেলনে স্পষ্ট করে দিলেন প্রাক্তন বনমন্ত্রী। বললেন, আমাকে এত কাজ করতে দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। মন্ত্রী না থেকেও মানুষের সেবা করা যায়। আমি সাধারণ কর্মী হিসেবেই কাজ করতে চাই। তবে এদিন দলের সতীর্থদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি। ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও।প্রাক্তন বনমন্ত্রী বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে আরও একটু সৌজন্যতা আশা করেছিলাম। তিনি আরও জানান, আমার মনে অনেকদিন ধরেই ক্ষোভ-অভিমান জমছিল। সে কথা দলের বহু সতীর্থ এবং মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম। আর সহ্য করতে পারলাম না। তাই সরে দাঁড়ালাম। এদিকে,বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় অবস্থা। তৃণমূলের একাংশের মত, এই পদত্যাগ দলের কোনও ক্ষতি করবে না। আবার কারও মত, এভাবে রাজ্যের মন্ত্রীদের ইস্তফা দুর্ভাগ্যজনক। পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, উনিই বলতে পারবেন, কেন ছাড়লেন। নিশ্চয়ই কোনও অসুবিধা হচ্ছিল। তবে আমি বলব, এটা সঠিক সিদ্ধান্ত নয়। একদিন তাঁরা ঠিক বুঝবেন। হাওড়ার বালির বিধায়ক বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেন, এভাবে রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে একে একে সদস্যদের ইস্তফা দুর্ভাগ্যজনক। এতেই বোঝা যাচ্ছে, দলের একাংশে কতটা ঘুণ ধরেছে। আমি আগেই একথা বলেছিলাম। দলনেত্রী খুব যত্ন করে হাওড়ায় সংগঠন তৈরি করে দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন তা ভেঙে পড়ছে। অন্যদিকে, রাজ্যের আরেক মন্ত্রী অরূপ রায় রাজীবের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তেমন বিচলিত নন। তাঁর কথায়, দল কতদিন ধরে করছে? আমরা বহু আগে থেকে দল করছি। কেউ কেউ দলে নতুন যোগ দিয়ে, কাজ করার পরই যদি নানারকম বায়না, নালিশ করেন, তাহলে মুশকিল। যা হওয়ার তাই হয়েছে। এতে দলের কোনও ক্ষতি নেই। দল ঐক্যবদ্ধই রয়েছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
রাজনীতি

কেন পদত্যাগ? জানালেন রাজীব

রাজভবন থেকে বেরিয়েই পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কেঁদে ফেললেন সদ্য পদত্যাগী বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন তিনি রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন সে কথাই বলছিলেন সাংবাদিকদের। রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তিনি আড়াই বছর আগে যখন তাঁকে সেচ দপ্তর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল তখনই পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে নিরস্ত্র করেন।রাজীব এদিন সাংবাদিকদের জানান, তিনি দুদিনের উত্তরবঙ্গ সফরে গিয়েছিলেন। বন্যা নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সেচ দপ্তরে বৈঠক করেছেন। পাশাপাশি সাংগঠনিক বৈঠকও অংশ নিয়েছিলেন। তৃণমূল ভবনে তাঁর সপ্তাহে দুদিন বসার কথা ছিল। সেখান থেকে এসেই তিনি তৃণমূল ভবনে বসেছিলেন। তৃনমূল ভবনে বসে টিভির ব্রেকিং নিউজ দেখে জানতে পারেন তাঁকে সেচ দপ্তর থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তখনই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রাজ্য মন্ত্রিসভায় থাকবেন না। তা তিনি জানিয়েছিলেন দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন তাঁকে মন্ত্রীসভা থেকে সরে যেতে নিষেধ করেন। কাজের সুযোগ দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানান রাজীব।তিনি জানান, তিনি বাংলার মানুষের জন্য কাজ করতে চান। কিন্তু কোন প্লাটফর্মে কাজ করবেন তিনি জানেন না। তবে তিনি মানুষের জন্য কাজ করবেন। এ কথা বলতে গিয়েই অঝোরে কেঁদে ফেলেন হাওড়া ডোমজুড়ের বিধায়ক। আর কোনও প্রশ্নের তিনি জবাব না দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে রাজভবনের গেট থেকে গাড়িতে উঠে যান।

জানুয়ারি ২২, ২০২১
কলকাতা

রাজ্যপালকে ঘুমের ওষুধ খেতে পরামর্শ তৃণমূল মহাসচিবের

রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়কে ঘুমের ওষুধ খাওয়ার পরামর্শ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। একই সঙ্গে তিনি রাজ্যপালকে রাজনৈতিক দলের মুখপাত্র বলে অভিহিত করেছেন তিনি। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যপালের প্রতিদিন কিছু না কিছু বললে ঘুম হয় না। ওনাকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো উচিত। কেন না কোনও না কোনও দিন কোনও না কোনও বিষয়ে ওনাকে বলতেই হবে। রাজনৈতিক দলের মুখপাত্রের মত লাগছে তাঁকে। বাংলার রক্তাক্ত নির্বাচন নিয়ে উদ্বিগ্ন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। এক প্রশ্নের জবাবে তৃণমূলের মহাসচিব বলেন, নির্বাচন কমিশন দেখবে কিভাবে ভোট হবে। কিন্তু রাজ্যপাল নির্বাচন কমিশনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। রাজ্যপাল রাজ্যের উন্নয়নে সহযোগিতা করছেন না। বছরের প্রথম দিনই তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করা হয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, এদিন ঘুরে মনে হল দল আরও শক্তিশালী হয়েছে। অন্যদিকে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথের শান্তিনিকেতন বাংলার ঐতিহ্যের প্রাণকেন্দ্র। পাঁচিল তোলা হচ্ছে, পৌষ মেলা বন্ধ করা হচ্ছে এসব করে সেখানকার ঐতিহ্য ম্লোন করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিলে পা মিলিয়ে এসব ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন শান্তিনিকেতনের মানুষ।

জানুয়ারি ০১, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যপালকে সরাতে রাষ্ট্রপতির দরবারে তৃণমূল

রাজ্যপাল জাগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে মমতা সরকারের বিবাদ পৌঁছে গেল রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের দরবারে। তৃণমূল কংগ্রেস চাইছে জাগদীপ ধনকড়কে রাজ্যপাল পদ থেকে প্রত্যাহার করে নিক রাষ্ট্রপতি। তৃণমূল লিখিতভাবে এই আবেদন করেছে রাষ্ট্রপতির কাছে। জানিয়েছেন দলের রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়। সংবিধানের ১৫৬ (১) ধারা অনুসারে রাষ্ট্রপতিকে তাঁর সম্মতি প্রত্যাহারের অনুরোধ করেছে তৃণমূল। তৃণমূলের অভিযোগ, সংবিধান ও সুপ্রিম কোর্টকে অগ্রাহ্য করা এবং নানাভাবে রাজ্য সরকারকে অসুবিধায় ফেলা যেন রাজ্যপালের প্রধান কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অযথা রাজ্য মন্ত্রিসভার সমালোচনা করা, রাজ্য পুলিশকে বিষোদগার করা, নানাভাবে রাজ্য সরকারকে পর্যুদস্ত করছেন রাজ্যপাল জাগদীপ ধনকড়। এমনটাই অভিযোগ তৃণমূলের। তৃণমূল চায় এই অবস্থার অবসান হোক। রাজভবন বিজেপির দফতরে পরিনত হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও করেছেন রাজ্যপাল। বলেছেন সুখেন্দুবাবু। তাঁর বক্তব্য, গত ৭৫ বছরে এমন রাজ্যপাল দেখিনি। উল্লেখ্য, জাগদীপ ধনকড় এখানে রাজ্যপালের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই রাজ্য সরকারের সঙ্গে চরম সংঘাত শুরু হয়। প্রতিটি বিষয় নিয়েই রাজ্যের সঙ্গে বিরোধ বাধে। কোনও ঘটনা না পছন্দ হলেই প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করেছেন রাজ্যপাল। সম্প্রতি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলা হয়েছে তার প্রতিবাদ করেছেন রাজ্যপাল। গত এক বছরে প্রায় নিত্যদিন রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত ঘটেছে। শেষমেষ তৃণমূল কংগ্রেস রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হল রাজ্যপালকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২০
কলকাতা

ধনকর- সৌরভ বৈঠকে রাজনৈতিক মহলে বড় প্রশ্ন

রাজভবনকে বিজেপির দলীয় কার্যালয় বলে একাধিকবার কটাক্ষ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যপালকে বিজেপির মুখপাত্রের থেকেও ভয়ঙ্কর বলে মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে বৈঠক করে বাংলার রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা বাড়ালেন ক্রিকেটের মহারাজ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। দীর্ঘ দিন ধরেই গুঞ্জন ছড়িয়েছে বাংলায় বিজেপির মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হতে পারেন বেহালার ছেলে। যদিও একথা কেউও প্রকাশ্যে স্বীকার করেনি। তবে রবিবার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর ও সৌরভের সাক্ষাৎকার রাজনৈতিক মহলে চর্চার বিষয়বস্তু হিসাবে দাঁড়ায়। বৈঠক নিয়ে টুইট করে রাজ্যপাল ধনকর লিখেছেন, “সৌরভের সঙ্গে অনেক বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। দেশের সবচেয়ে পুরনো স্টেডিয়াম ইডেন গার্ডেন্সে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন আমাকে।” সৌরভ কিন্তু বৈঠক নিয়ে মুখ খোলেননি। সৌরভ রাতারাতি ভারতীয় ক্রিকেটে বোর্ডের সভাপতি হয়েছেন। তাঁর নেপথ্যে ছিলেন ভারতীয় রাজনীতির চানক্য বিজেপি নতা অমিত শাহ। ধনকর-রাজ্যপাল বৈঠক নিয়ে ধন্দে পড়েছেন রাজনৈতিক মহল। সম্প্রতি অমিত শাহর সাংবাদিক বৈঠকে সৌরভের বিজেপি যোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। শাহ কিন্তু সরাসরি কোনও জবাব দেননি। না-ও বলেননি। এমনকী সৌরভের রাজনীতি নিয়ে প্রশ্নে স্ত্রী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ও ঘুরিয়ে জবাব দিয়েছেন। তবে অতীতে দেখা গিয়েছে সৌরভ শেষ মুহূর্তে সিএবির সভাপতি হয়েছেন। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতিও হয়েছেন একেবারে শেষ পর্যায়ে। কেই টের পায়নি। অভিজ্ঞ মহলের মতে, একটা জিজ্ঞাসা রয়েই গেল।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর বিরুদ্ধে যেন ভুয়ো মামলা না হয়, মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি রাজ্যপালের

শুভেন্দুকে যাতে ফাঁসানো না হয়, তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেদিকে নজর রাখতে বলেছেন। দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, রাজ্য সরকারকে বিঁধে বলেছেন, প্রশাসনিক শুদ্ধিকরণ প্রয়োজন। পরে সেই চিঠির প্রতিলিপি টুইটও করেছেন তিনি। বুধবারই শুভেন্দু অধিকারীর পাঠানো একটি চিঠি টুইটারে পোস্ট করেন জগদীপ ধনকড়। সেই চিঠিতে শুভেন্দু দাবি করেছেন, তিনি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ সরকারি বিভিন্ন পদ থেকে পদত্যাগ করলেন অবসরপ্রাপ্ত কর্ণেল দীপ্তাংশু চৌধুরী এমতাবস্থায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চরিতার্থ করতে রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন তাঁর এবং তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে। তেমন হলে রাজ্যপাল যেন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে হস্তক্ষেপ করেন। চিঠিটি টুইট করে জগদীপ ধনকড় জানিয়েছিলেন, শুভেন্দু তাঁর হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন। তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। এরপরই বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠি প্রকাশ্যে আনলেন রাজ্যপাল।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

মিথ্যা হজম করব না, মন্তব্য ধনকড়ের

ফের রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কড়া আক্রমণ শানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল বলেন, রাজ্যপাল কিছু বললেই বলা হয়, উনি কোনও একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করছে। কিন্তু একথা সম্পূর্ণ মিথ্যে। বাংলায় কে ক্ষমতায় এল তাতে আদতেই রাজ্যপালের কিছু এসে যায় না। সংবিধান অনুযায়ী রাজ্যপালের কিছু ক্ষমতা আছে। সেই জায়গা থেকে তাঁর কোনও কিছু জানতে চাওয়ার অধিকারও রয়েছে। এরপরই হুঁশিয়ারি দিয়ে ধনকড় বলেন, আমি কোনও মিথ্যে হজম করব না। যা রটানো হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যে। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী এদিনও বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন ধনকড়। ভবিষ্যতের পরিস্থিতি কী হতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, আমি লজ্জিত, এভাবে কোনও কিছু চলতে পারে না। পুলিশের রাজনীতিকরণ হচ্ছে। অন্য রাজ্যের পরিস্থিতি এখানকার মতো নয়। এর আগেও একাধিকবার বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন রাজ্যপাল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টুইটে মুখ্যমন্ত্রীকে নানা পরামর্শ দিয়েছেন। সরকারের একাধিক উচ্চপদস্খ কর্তার সঙ্গে বৈঠকে বসার ডাকও দিয়েছেন। কিন্তু কোনও কিছুতেই পালটায়নি রাজ্য-রাজ্যপাল সম্পর্কের সমীকরণ।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২০
কলকাতা

আগুন নিয়ে খেলবেন না , মমতাকে হুশিয়ারি ধনকড়ের

কয়েকজন প্রশাসন কর্তা রাজনৈতিক কর্মীর কাজ করছেন। এটা বরদাস্ত হবে না। গণতন্ত্র বিপন্ন এ রাজ্যে। রাজভবনে সাংবাদিক সম্মেলন করে এমনই মন্তব্য করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার ঘটনাকে প্রচার না পেয়ে নাটক বলে তুলে ধরেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় বলেন, এমন মন্তব্যে আমি লজ্জিত। গণতন্ত্র ভূলুণ্ঠিত হল। আপনার উচিত, ক্ষমা চেয়ে নেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী যে ভাষায় নাড্ডা-সহ বিজেপি নেতৃত্ব এবং রাজ্যপালকে আক্রমণ করেছেন, তা নিয়েও আপত্তি রয়েছে তাঁর। বললেন, মুখ্যমন্ত্রী অভিজ্ঞ। আমি ওর কথায় দুঃখ পেয়েছি। রাজনীতিতে সংস্কৃতি থাকতে হবে। ক্ষমা চেয়ে নিন, তাহলে আপনার সম্মান বাড়বে। কিছুটা হুঁশিয়ারির সুরে তিনি এও বলেন, আগুন নিয়ে খেলবেন না। আরও পড়ুন ঃ এখনও সঙ্কটজনক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এরপর তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসনিক কর্তাদের ডাকলেও তাঁরা আসেন না। আগামী নির্বাচনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে ধনকড়ের দাবি, তার আগে রাজ্যের এই অশান্ত পরিস্থিতিতে তিনি উদ্বিগ্ন। তাই বারবার সামগ্রিক পরিস্থিতি বোঝার জন্য পুলিশ ও প্রশাসনকে ডেকে পাঠান, আলোচনা করতে চান। কিন্তু তাতে আমল দেওয়া হয় না বলে আক্ষেপ তাঁর।

ডিসেম্বর ১১, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধের ডাক বিজেপির

আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধ ডাকল বিজেপি। উত্তরকন্যা অভিযানে বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদে বন্ধ ডাকা হয়েছে। তাঁদের দাবি, আহত হয়েছে ৪০ জন কর্মী। ১৫ জন হাসপাতালে ভর্তি। প্রত্যেকের গায়ে গুলির দাগ রয়েছে। তাঁদের আরও দাবি, দুজনের অবস্থা খুবই গুরুতর। একজন মারা গেছেন। আহতদের দেখতে দিলীপ ঘোষ ও কৈলাস বিজয়বর্গীয় হাসপাতালে গেছেন। আরও পড়ুন ঃ আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না , সমালোচনা ধনকড়ের এদিকে রাজভবনে রাজ্যপালের কাছে গেলেন বিজেপি প্রতিনিধি দল। ছিলেন লকেট এবং জয়প্রকাশ এবং ভারতী ঘোষ, শোভন এবং বৈশাখী। সেখান থেকে বেরিয়ে তাঁরা জানালেন, আগামিকাল রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ করবে বিজেপি। যদিও প্রশাসনের দাবি, পুলিসের মারে মৃত্যু হয়নি ওই ব্যক্তির। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের পরই স্পষ্ট হবে। এদিন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, আশপাশের বাড়ির ছাদ থেকে বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশ্য করে তৃণমূল কর্মীরা পাথর ছুঁড়েছে। একেবারে নন্দীগ্রামের কায়দায় হামলা চালানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
কলকাতা

আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না , সমালোচনা ধনকড়ের

ফের রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিশ - প্রশাসনের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বি আর আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের পর রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জগদীপ ধনকড় বলেন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন করলে কোনওদিন তার উত্তর মেলে না রাজ্যের থেকে। আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না। বরং সংবিধানের উলটো পথে চলছেন। আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুর পর এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পড়ল পোস্টার বারবার তলব সত্ত্বেও কারও তরফে কোনও জবাব মিলছে না। পুলিশ রাজনৈতিক নেতাদের মতো করে কাজ করছেন। এদিনই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে টুইটও করেন রাজ্যপাল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে লেখেন, সংবিধান মেনে শাসনব্যবস্থা পরিচালনা হচ্ছে তা নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশকে রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করতে হবে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

কো ভ্যাক্সিনের তৃ্তীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে স্বেচ্ছাসেবক হতে চেয়ে আবেদন রাজ্যপালের

বেলেঘাটার নাইসেডে শুরু হয়েছে ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল। সেখানে স্বেচ্ছাসেবক হওয়ার জন্য আবেদন জানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তবে তাঁর বয়স বেশি হওয়ায় ও কো-মরবিডিটি থাকায় তাঁর চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেবেন বলেই জানাল নাইসেড। এদিন সকালে নাইসেডে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী। দুজনকে স্বাগত জানান অধিকর্তা ডঃ শান্তা দত্ত। সেখানে কোভ্যাক্সিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের উদ্বোধন করেন তিনি। হাজার জনের দেহে কোভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল করা হবে।এদিন নাইসেডে পৌঁছে করোনা মোকাবিলার সরঞ্জাম দুর্নীতি নিয়ে সরব হন রাজ্যপাল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসন নিয়ে ফের প্রশ্ন তোলেন তিনি। পাশাপাশি স্বাস্থ্যমহলের প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের প্রতি সম্মান জানান জগদীপ ধনখড়। আরও পড়ুন ঃ বাংলার উন্নয়নে বাঙালিদের থেকে অবাঙালিদের ভূমিকা বেশি, বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপের তিনি বলেন, বিশ্বজুড়ে করোনার বিরাট প্রভাব পড়েছে। আমরা সামাল দিতে পেরেছি। করোনা মোকাবিলায় যথেষ্ট সাহায্য করেছে আয়ুষ্মান ভারত। এদিন জোর গলায় রাজ্যপাল আরও বলেন, করোনা চিকিৎসার জন্য রাজ্য যে যে জিনিসপত্র কিনছে, সেই স্তরেও দুর্নীতি ঢুকে পড়েছে। আবার সেই দুর্নীতি বন্ধ করতে তদন্ত টিম গঠন করেছে রাজ্য। কিন্তু, কারা সেই তদন্ত টিমের সদস্য? কাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হচ্ছে তার কোনও স্পষ্ট রিপোর্ট নেই। চিকিৎসা সামগ্রী কেনার দায়িত্ব ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি করা কমিটির হাতে। সেই কমিটিই দুর্নীতি করছে বলে অভিযোগ রাজ্যপালের। তিনি এদিন বলেন, আমি এই বিষয়ে বহুবার কথা বলার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোনও যোগাযোগ করছেন না মুখ্যমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল

উত্তরবঙ্গ থেকে ফিরে রাজ্য পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বুধবার পাহাড় থেকে শহরে ফিরেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। স্টেশনে তাঁকে স্বাগত জানায় পুলিশ। টুইটে সেই ছবি শেয়ার করেন রাজ্যপাল। উল্লেখযোগ্যভাবে এদিনের টুইটে পুলিশের প্রশংসা করেন তিনি। টুইটে সেই ছবি শেয়ার করেন রাজ্যপাল। রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্টতার তকমা এবার পুলিশের গা থেকে ঘুচতে দেখবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর উল্লেখ্য, নভেম্বর মাসটা দার্জিলিংয়ের রাজভবনে ছিলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল। সেখান থেকেই যাবতীয় দায়দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সেখানেও একাধিকবার রাজ্য ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন পুলিশ। কিন্তু এদিন তিনি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করায় স্বাভাবিকভাবে অবাক প্রত্যেকে।

ডিসেম্বর ০২, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে সরব কল্যাণ

ফের রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত। অভিযুক্তদের পক্ষ নিয়ে তদন্ত প্রভাবিত করার চেষ্টার করার অভিযোগ তুলে রাজ্যপালের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হোক বলেও দাবি করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সুদীপ্ত রায়চৌধুরী গরুপাচারে যুক্ত। মানুষ পাচারের সঙ্গেও যোগ রয়েছে তার। ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। ধৃত গোবিন্দ আগরওয়াল এবং সুদীপ্ত রায়চৌধুরীর হয়ে কেন টুইট করছেন রাজ্যপাল? কেন বাংলার রাজ্যপাল অভিযুক্তদের সাহায্যে এগিয়ে আসছেন? পশ্চিমবঙ্গের অনেক অপরাধীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রয়েছে রাজ্যপালের। আরও পড়ুন ঃ করোনায় আক্রান্ত কংগ্রেস নেতা আব্দুল মান্নান তাঁর আরও দাবি, তদন্ত প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন রাজ্যপাল। পুলিশ-সহ সরকারি আধিকারিকদের তদন্তে বাধা দিচ্ছেন। হুমকি দিচ্ছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। অসাংবিধানিক কাজ করছেন। যারা তদন্তে বাধা দেন কিংবা তদন্ত প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৮৬ ও ১৮৯ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া যায়। কলকাতা পুলিশকে অনুরোধ করব রাজ্যপালের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিন। শেষে বলে যান, আগামী দিনে রাজ্যপাল সম্পর্কে দ্বিতীয় পর্যায়ে পর্দা উন্মোচন করব। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনের শুরুতেই আইআরএস আধিকারিক নীরজ সিংয়ের গ্রেফতারির প্রসঙ্গ তোলেন। তাঁর বিরুদ্ধে প্রচুর আর্থিক দুনীতির অভিযোগ রয়েছে। বেনামী সম্পত্তিও রয়েছে। কলকাতা পুলিশ ওই আধিকারিকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছিল। পরে সেই তদন্তভার ইডি হাতে নিয়ে নীরজ সিংকে গ্রেফতার করে। শুধু তাই নয়, এদিন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি অনুযায়ী, ইডি তাঁর ৩ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকার সম্পত্তিও অ্যাটাচ করেছে। তবে পরবর্তীতে ওই মামলার কাগজ হাতে পেয়ে কলকাতা পুলিশও সমান্তরাল তদন্ত চালাচ্ছিল।

নভেম্বর ২৬, ২০২০
রাজ্য

কেন্দ্রের পাঠানো টাকা কৃষকরা না পাওয়ায় সরব ধনকড়

এবার কৃষকদের প্রসঙ্গ তুলে ধরে রাজ্য সরকারের কড়া সমালোচনা করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তিনি টুইটে অভিযোগ করেন, এ রাজ্যের কৃষকরা প্রত্যেকে কেন্দ্রের দেওয়া ১২০০০ টাকা সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাচ্ছেন না। এভাবে ক্ষতি হয়েছে মোট ৮৪০০ কোটি টাকার। প্রশাসনিক উদাসীনতাই এর জন্য দায়ী। এদিন আরও একটি টুইটে রাজ্যপাল মুখ্যসচিব এবং ডিজিপি-কে বিঁধেছেন। নাম উল্লেখ করেছেন রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুরজিৎ করপুরকায়স্থ এবং রিনা মিত্রের। তাঁর অভিযোগ, মমতা সরকারে আমলে পুলিশ নিয়ম ভাঙছে। তারা নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে বলে মনে করছে, যা অত্যন্ত হতাশাজনক। আরও পড়ুন ঃ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য কেন্দ্রের পাঠানো ৬ হাজার টাকা পাননি বাংলার কৃষকরাঃ কৈ্লাস বিজয়বর্গীয় প্রসঙ্গত, এরাজ্যে রাজভবন ও নবান্নের সংঘাত এখন নিত্যদিনের বিষয়। রাজ্যপালের সবচেয়ে বেশি অভিযোগ এখানকার পুলিশ-প্রশাসনকে নিয়ে। তাদের গাফিলতিতে রাজ্যে বহু অপরাধ খুব সহজেই সংগঠিত হতে পারছে বলে অভিযোগ ধনকড়ের। এদিনও একাধিক টুইটে নিজের সেই বক্তব্য তুলে ধরেছেন রাজ্যপাল।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে আমলাদের দুর্নীতি নিয়ে সরব ধনকড়

যেভাবে রাজ্যে সরকারি আমলাদের সম্পত্তি বাড়ছে এবং তাঁরা দুর্নীতিতে জড়াচ্ছেন, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এবার আমলাদের দুর্নীতি নিয়ে টুইটে সরব হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। সোমবার তিনি এই প্রসঙ্গে লেখেন, দুর্নীতি নামক শিল্পকে রুখতে না পারার যে প্রশাসনিক ব্যর্থতা, সেটাই এখন শহরের আলোচ্য বিষয়। সেটাই সরকারের মুখ পোড়াচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ ববি, মদন, প্রসূনকে নোটিশ ইডির দ্বিতীয় টুইটে গরুপাচার ও কয়লাকাণ্ড নিয়ে সোচ্চার হন রাজ্যপাল। লেখেন, তদন্তের মধ্যে দিয়ে উর্দিধারীদের মেগা দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করা দরকার। তাঁদের অসত্ উপায়ে অর্জিত সম্পত্তির খোঁজ করতে হবে। দুর্নীতির আঁতুরঘর ভেঙে গণতন্ত্র রক্ষা করতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। অন্যদিকে, তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান রাজ্যপালকে বিজেপির মুখপাত্র বলে কটাক্ষ করেন।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে নারী নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ধনকড়ের

রাজ্যে নারী নির্যাতন বেড়েই চলেছে, কোনও প্রতিকার হচ্ছে না। এই অভিযোগে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠানো চিঠি পরে তিনি টুইটও করেন। চিঠিতে রাজ্যে গত তিনমাসে নারীদের উপর অত্যাচারের পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। যা তিনি সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ সূত্রেই পেয়েছেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। এরকম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশাসনিক উদাসীনতা দেখে তিনি বিস্মিত। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাঁর আবেদন, এসব অন্যায়ের প্রতিকারে তিনি সদর্থক পদক্ষেপ গ্রহণ করে জনসচেতনতায় জোর দেবেন। পাশাপাশি এ বিষয়ে মুখ্যসচিবকে রাজভবনে আলোচনার জন্য প্রস্তাব পাঠালেও, তার কোনও জবাব আসেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ কেউ কেউ ভোটের সময় আসেনঃ মমতা চিঠিতে তিনি লিখেছেন, সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে রাজ্যের নানা নেতিবাচক দিক তুলে ধরে সতর্ক করার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তাঁর এই ভূমিকাকে বারবার ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করার যে নিদর্শন তিনি দেখে আসছেন, তা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এ থেকেই বোঝা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের আমলে পুলিশ প্রশাসনের রাজনীতিকরণ হয়েছে। এভাবে তাঁরা গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিকে দুর্বল করে তুলছেন, যার প্রভাব জনমানসে পড়বে।

নভেম্বর ২১, ২০২০
রাজ্য

মালদা বিস্ফোরণের ঘটনায় সরকারের কড়া সমালোচনা রাজ্যপাল - দিলীপের , পালটা প্রতিক্রিয়া রাজ্যের

মালদায় প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় টুইট করে মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন। তিনি লেখেন , এবার তো বোমা তৈরির কারখানাগুলি বন্ধ করুন।নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তিনি। অন্যদিকে , বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, পুলিসের বিরুদ্ধে উস্কানিসূচক বক্তব্য মামলায় বর্ধমান আদালতে জামিন নিতে গিয়ে বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মুর্শিদাবাদ, মালদা সহ গোটা রাজ্যেই বোমা আর অস্ত্রের কারখানা তৈরি হয়েছে। পুলিস প্রশাসনের কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই। সুজাপুরে বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবিও জানান তিনি। আরও পড়ুন ঃ কর্মী খুনের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বন্ধে রণক্ষেত্র তুফানগঞ্জ রাজ্যপালের এই টুইটের পরই পাল্টা বিবৃতি জারি করেছে স্বরাষ্ট্র দফতর। সেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে, দায়িত্বজ্ঞানহীনের মত কথা বলছে কেউ কেউ। সুজাপুরের ঘটনার সঙ্গে বোমা তৈরির কোনও সম্পর্ক নেই। একটা প্লাস্টিক কারখানায় বিস্ফোরণ হয়েছে। এটা একটা দুর্ঘটনা। জেলাশাসক ও পুলিস সুপার ঘটনাস্থলে আছেন। তাঁরা ঘটনার তদন্ত করছেন। রাজ্য সরকারের এক মন্ত্রীও ঘটনাস্থলে উড়ে গিয়েছেন। দুর্গত পরিবারগুলির পাশে সরকার আছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে বিজেপি সাংসদকে প্রবেশে বাধা , সমালোচনায় ধনকড়

শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে বিজেপি সাংসদকে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় ফের রাজ্য সরকার ও পুলিশ -প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনায় সরব হলেন জগদীপ ধনকড়। মঙ্গলবার সকালে বেশ কয়েকটি ভিডিও পোস্ট করে রাজ্যপাল লেখেন , একদিকে এই অনুষ্ঠানে স্বাগত জানানো হচ্ছে শাসকদলের সাংসদকে। অন্যদিকে, বিজেপি সাংসদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছে রাজ্যের পুলিশ। রাজনৈতিক নেতাদের মতো আচরণ করছে। এই ঘটনা রাজ্য পুলিশের কর্তাদের কর্তব্যচ্যুতি। সাংসদকে বাধা দেওয়ার পিছনে কোনও কারণ নেই বলেই দাবি করেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ রেণুকা মাড্ডির কাছ থেকে ভাইফোঁটা নিলেন অধীর উল্লেখ্য , শহিদ সুবোধ ঘোষের অন্ত্যেষ্টিতে শাসক দলের বিধায়ক - সাংসদরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু স্থানীয় বিজেপি সাংসদ সেখানে প্রবেশ করতে গেলে তাঁকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন রাজ্যপালের টুইট।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

পুলিশ গার্ড অব অনার না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল

পুলিশ নিয়মমাফিক রাজ্যপালকে গার্ড অব অনার দেয়নি। এবার তা নিয়ে রাজ্য সরকার তথা প্রশাসনের বিরুদ্ধে সমালোচনায় মুখর হলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ট্যাগ করে এ প্রসঙ্গে একটি টুইটও করেন তিনি। রাজ্য পুলিশ রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রণাধীন বলেও অভিযোগ করেন রাজ্যপাল। আরও পড়ুন ঃ দেখবি আর জ্বলবি, লুচির মত ফুলবিঃ শুভেন্দু বৃহস্পতিবার প্রথমে পঞ্চানন বর্মার মূর্তিতে মাল্যদান করেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী। এছাড়াও বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকও ছিলেন রাজ্যপালের সঙ্গে। তারপর সেখান থেকে মদনমোহন মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন। কোচবিহার রাজবাড়িও ঘুরে দেখার পর সার্কিট হাউসে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। এরপর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যপাল রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যু্তে ক্ষোভ উগড়ে দেন। উপাচার্যরা তার সঙ্গে দেখা না করায় তিনি ক্ষোভপ্রকাশ করেন এবং রাজ্য সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

নভেম্বর ১২, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

শেষ কি আমেরিকার দাপট? আইএমএফ রিপোর্টে চমক, মুখ খুললেন এলন মাস্ক

বিশ্ব অর্থনীতিতে আমেরিকার একছত্র আধিপত্য কি শেষের পথে? সদ্য প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের রিপোর্ট সামনে আসার পর তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। আর সেই রিপোর্ট দেখেই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন ধনকুবের এলন মাস্ক। তাঁর মতে, বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাতে শুরু করেছে।আইএমএফ তাদের সাম্প্রতিক রিপোর্টে ২০২৬ সালে গোটা বিশ্বের সম্ভাব্য আর্থিক প্রবৃদ্ধির হিসাব তুলে ধরেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বের মোট আর্থিক বৃদ্ধিতে আমেরিকাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ভারত। বিশ্ব জিডিপিতে ভারতের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে প্রায় ১৭ শতাংশ। সেই তুলনায় আমেরিকার অবদান মাত্র ৯.৯ শতাংশ। ফলে তালিকায় তৃতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে ডলারের দেশ।এই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চিন। বিশ্ব জিডিপিতে চিনের অংশীদারিত্ব হতে চলেছে ২৬.৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এশিয়ার দুই দেশ চিন এবং ভারত। একসঙ্গে এই দুই দেশের আর্থিক যোগদান দাঁড়াচ্ছে ৪৩.৬ শতাংশ। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের প্রায় অর্ধেক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র এখন এশিয়ায়।আইএমএফের রিপোর্টে আরও দেখা গিয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, ভিয়েতনাম, ব্রাজিল, নাইজেরিয়া, জার্মানির মতো দেশগুলিও। তবে ইউরোপ এবং আমেরিকার তুলনায় এশিয়ার দেশগুলির প্রভাব যে দ্রুত বাড়ছে, তা স্পষ্ট।এই রিপোর্ট সোশাল মিডিয়ায় তুলে ধরেই এলন মাস্ক লেখেন, অবশেষে বিশ্বে ক্ষমতার ভারসাম্য বদলাচ্ছে। তাঁর এই মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব অর্থনীতির কেন্দ্র ছিল আমেরিকা ও ইউরোপ। কিন্তু এখন সেই জায়গা দখল করছে চিন ও ভারত।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এলন মাস্কের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন আমেরিকার কড়া শুল্কনীতি এবং কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের জেরে বিশ্ব অর্থনীতি অস্থির। চিন ও ভারতের উপর সবচেয়ে বেশি শুল্ক আরোপ করেছে আমেরিকা। অথচ আইএমএফের রিপোর্ট বলছে, আগামী দিনে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হতে চলেছে এই দুই দেশই।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

মেঝেতে কিশোরী, উপর ঝুঁকে প্রিন্স অ্যান্ড্রু! এপস্টেইন ফাইলসে ফাঁস চাঞ্চল্যকর ছবি

মেঝেতে শুয়ে রয়েছে এক কিশোরী। তাঁর উপর ঝুঁকে পড়ে আছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু। এপস্টেইন ফাইলসের সদ্য প্রকাশিত নথিতে এই ছবি সামনে আসতেই নতুন করে শোরগোল শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বহুদিন ধরেই যৌন কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে অ্যান্ড্রুর সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক চলছিল। এ বার সেই বিতর্ক আরও তীব্র হল নতুন ছবি ও তথ্য প্রকাশ্যে আসায়।এপস্টেইন ফাইলস ঘিরে সামনে এসেছে ব্রিটেনের রাজপরিবারের নামও। গত বছরই জানা যায়, যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল প্রিন্স অ্যান্ড্রুর। সেই ঘটনার পর ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস নিজের ছোট ভাই অ্যান্ড্রুর সমস্ত রাজকীয় উপাধি, সম্মান এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেন। রাজপরিবার থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় তাঁকে।এই পরিস্থিতিতেই গত শুক্রবার এপস্টেইন সংক্রান্ত নথির নতুন একটি অংশ প্রকাশ্যে আসে। সেখানে একাধিক ছবিতে দেখা যাচ্ছে, এক অজ্ঞাত পরিচয়ের কিশোরী মাটিতে শুয়ে রয়েছেন। তাঁর পাশে এবং উপর ঝুঁকে আছেন প্রিন্স অ্যান্ড্রু। একটি ছবিতে দেখা যায়, কিশোরীর পেটের উপর হাত রেখেছেন তিনি। তবে ওই কিশোরী কে, ছবিগুলি কোথায় এবং কবে তোলা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।শুধু ছবি নয়, এই নথিতে উঠে এসেছে আরও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে জেফ্রি এপস্টেইন ও প্রিন্স অ্যান্ড্রুর মধ্যে ইমেলে যোগাযোগ হয়েছিল। সেই ইমেলে এপস্টেইন অ্যান্ড্রুকে লেখেন, তাঁর এক রুশ বান্ধবী রয়েছে, যিনি ২০ থেকে ২৪ তারিখের মধ্যে লন্ডনে থাকবেন। এপস্টেইনের দাবি ছিল, ওই মহিলার সঙ্গে নৈশভোজ অ্যান্ড্রু উপভোগ করবেন। তবে এই রহস্যময়ী রুশ মহিলার সঙ্গে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর আদৌ কখনও দেখা হয়েছিল কি না, তা এখনও জানা যায়নি।নতুন করে সামনে আসা এই নথি ও ছবিকে ঘিরে ফের প্রশ্নের মুখে পড়েছেন ব্রিটেনের প্রাক্তন যুবরাজ। এপস্টেইন কাণ্ডে তাঁর ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এবং বিতর্ক যে এখনও শেষ হয়নি, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
রাজ্য

তৃণমূলের মিছিলে ভাতারে বিধায়কের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগান, মুচকি হাসি বিরোধীদের

বিধানসভা ভোটের আগে প্রার্থী হওয়ার দাবিদারের লড়াই চরমে উঠেছে। ভাতারের তৃণমূল কংগ্রেসের মিছিলে চোর চোর স্লোগান উঠলো। তবে এই চোর চোর স্লোগান বিজেপির বিরুদ্ধে ছিল না। ভাতারের তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের বিরুদ্ধেই এই চোর চোর স্লোগান উঠেছে মুহূর্মুহু। এই মিছিলে নেতৃত্ব দেন ভাতারের প্রবীণ তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক বনমালী হাজরা। ভাতারের এই মিছিলে স্লোগান ওঠে, মানু চোর, শান্তনু চোর। কেন তাঁদের চোর বলা হচ্ছে? মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত সমিতি থেকে গ্রামপঞ্চায়েত, সর্বত্র লক্ষ লক্ষ টাকা দুর্নীতি হচ্ছে। লুঠপাট চলছে। পকেট ভরছে নেতারা। তাদের দাবি, মানগোবিন্দ অধিকারীকে আর যেন বিধায়কপদের টিকিট না দেওয়া হয়। প্রার্থী করতে হবে বনমালী হাজরাকে।সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বিধায়ক পদের টিকিট পাওয়া নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি চলছে। কে হবেন বিধানসভার প্রার্থী, এখন সেই প্রতিযোগিতা চলছে। বর্ধমান জেলার প্রায় প্রতিটি জায়গায় দলের তরফে দুই পক্ষের মিছিল হয়। বর্ধমানে কখনও বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বের মিছিল হয়, আবার কখনও কাউন্সিলর রাসবিহারী হালদারের নেতৃত্বে পৃথক মিছিল হয়। ভাতারেও সেই অবস্থা চলছে। সেখানে একাংশ চাইছে মানু অধিকারী নয়, বনমালী হাজরাকে তৃণমূল প্রার্থী করুক। তবে তৃণমূলের মিছিলেই নেতৃত্বের বিরুদ্ধে চোর চোর স্লোগানে মুচকি হাসছে বিরোধী শিবির।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
বিদেশ

রক্তে ভাসল পাকিস্তান! একযোগে জঙ্গি হামলায় মৃত ১২০ ছাড়াল

পরপর গুলির শব্দ, তার পর একের পর এক বিস্ফোরণ। শনিবার ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠল পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।হামলা শুধু গুলি ও বোমাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না। সন্ত্রাসীরা কারাগারেও হামলা চালায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মাস্তুং জেলার একটি জেল ভেঙে প্রায় ৩০ জনেরও বেশি বন্দিকে পালাতে সাহায্য করেছে তারা। একই সঙ্গে নুস্কি জেলার আধাসামরিক বাহিনীর দফতরেও হামলা চালানো হয়। এই হামলায় একাধিক নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন। এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৪ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ভয়াবহ হামলার ঘটনাগুলি ঘটেছে বালোচিস্তানে। গত কয়েক মাস ধরেই এই এলাকায় পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে। দফায় দফায় সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন। শনিবারও একযোগে একাধিক জায়গায় হামলা চালানো হয়। এখনও পর্যন্ত কোনও সংগঠন প্রকাশ্যে এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কোয়েটা, গোদার, মাস্তুং, নুস্কি, দালবানদিন এবং পাঞ্জগুর-সহ বালোচিস্তানের একাধিক জেলায় একসঙ্গে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। হামলার পরই পাল্টা অভিযানে নামে পাকিস্তানের সেনা। সংবাদপত্র দ্য গার্ডিয়ান-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, টানা ৪৮ ঘণ্টা ধরে সন্ত্রাসদমন অভিযান চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ১৩৩ জনের বেশি জঙ্গিকে খতম করেছে পাক সেনা। শুধু শনিবারেই নিহত হয়েছে অন্তত ৯২ জন সন্ত্রাসী।যদিও এই হামলার দায় বালোচ লিবারেশন আর্মি এখনও স্বীকার করেনি, তবে হামলার দিনেই একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে ওই সংগঠন। সেই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পাকিস্তান সরকার ও সেনার বিরুদ্ধে সংঘর্ষে বন্দুক হাতে অংশ নিচ্ছেন মহিলারাও। এই ছবি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

ভুল নাকি অপরাধ? গোমাংস কাণ্ডে অলি পাবের ক্ষমা চাওয়ায় প্রশ্ন

সায়ক চক্রবর্তীর গোমাংস বিতর্কে অবশেষে মুখ খুলল পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। পাঁঠার মাংসের বদলে গোমাংস পরিবেশনের অভিযোগে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার দায়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়ে এই ঐতিহ্যবাহী পাব। রবিবার সোশাল মিডিয়ায় একটি বিবৃতি জারি করে রেস্তরাঁর তরফে জানানো হয়েছে, এটি একটি অনিচ্ছাকৃত ভুল। এই ঘটনার জন্য তারা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।অলি পাবের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩০ জানুয়ারি রাতে রেস্তরাঁর এক কর্মী ভুলবশত একটি গুরুতর ভুল করে ফেলেন। কারও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না। ওই কর্মীর ভুলের জন্য রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ ক্ষমা চেয়েছে এবং জানিয়েছে, অনিচ্ছাকৃতভাবে ক্রেতার ভাবাবেগে আঘাত লাগায় তারা গভীরভাবে দুঃখিত।এদিকে সায়ক চক্রবর্তীর করা অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ অলি পাবের বেয়ারা শেখ নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে। এই গ্রেপ্তারি ঘিরে শহরজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। একাংশ ওই কর্মীর পাশে দাঁড়ান, আবার অনেকে সেলেব ইনফ্লুয়েন্সারের বিরুদ্ধে রেস্তরাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগ তোলেন। সোশাল মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠতে থাকে, ভুল খাবার পরিবেশন করা কি অপরাধ, না কি কর্মীর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে বিষয়টিকে অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া হচ্ছে।এই পরিস্থিতিতে অলি পাবের তরফে জানানো হয়, জাতি, ধর্ম বা বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সম্মানের ভিত্তিতেই রেস্তরাঁটি পরিচালিত হয়। আট দশকের ঐতিহ্য নিয়ে তারা গর্বিত বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে রেস্তরাঁর সমস্ত কর্মী ও সহযোগীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার বার্তাও দেওয়া হয়।এর মাঝেই গুজব ছড়ায় যে এই ঘটনার জেরে অলি পাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে। সেই খবরে বহু নিয়মিত অতিথির মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। তবে রবিবারের বিবৃতিতে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়, অলি পাব বন্ধ হচ্ছে না। বরং এই কঠিন সময়ে যাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে আগের মতোই পরিষেবা চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে পরপর ফেসবুক লাইভে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন সায়ক চক্রবর্তী। যদিও বর্তমানে সেই পোস্টগুলি আর পাওয়া যাচ্ছে না। জানা গিয়েছে, সেদিন রাতে সায়ক তাঁর দুই বন্ধু অনন্যা গুহ ও সুকান্ত কুণ্ডুর সঙ্গে অলি পাব যান। তাঁরা মাটন স্টেক অর্ডার করেছিলেন। খাবার পরিবেশনের পর প্রথমে খিদের চোটে বিষয়টি বুঝতে পারেননি তাঁরা। পরে টেবিলে আরও একটি স্টেক আসতেই সন্দেহ হয়।সায়কের দাবি, তাঁরা একটি মাত্র স্টেক অর্ডার করেছিলেন। কিন্তু বেয়ারা জানান, দুটি স্টেক অর্ডার করা হয়েছেএকটি মাটন এবং একটি বিফ। তখনই সায়ক প্রতিবাদ করেন। তাঁর কথায়, অজান্তে গরুর মাংস খাওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। বচসার মধ্যেই বেয়ারা স্বীকার করেন যে তিনি ভুল করেছেন। বিষয়টি নিয়ে রেস্তরাঁর মধ্যেই উত্তেজনা ছড়ায়। পরে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন সায়ক। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার ওই বেয়ারাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
কলকাতা

গোমাংস বিতর্কে ইউটার্ন! বেয়ারার বিরুদ্ধে এফআইআর প্রত্যাহার সায়কের

রবিবার সোশাল মিডিয়ায় বিবৃতি জারি করে অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছে পার্ক স্ট্রিটের জনপ্রিয় রেস্তরাঁ অলি পাব। তাদের বক্তব্যে জানানো হয়েছে, কোনও ক্রেতার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্য তাদের ছিল না। এই ক্ষমা প্রার্থনার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেস্তরাঁ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নিলেন অভিনেতা ও ইনফ্লুয়েন্সার সায়ক চক্রবর্তী।অলি পাবের বিবৃতি প্রকাশের পরই সায়ক সোশাল মিডিয়ায় জানান, তিনি জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেন। তাঁর কথায়, তিনি জনগণের উপর নির্ভরশীল এবং মানুষ যা বলবেন, সেটাই তিনি মেনে নেবেন। সেই মন্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি চাপের মুখেই নিজের অবস্থান বদল করলেন অভিনেতা।গত ২৪ ঘণ্টায় গোমাংস বিতর্ক ঘিরে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয় সোশাল মিডিয়ায়। ঘটনার সূত্রপাত একটি ভ্লগকে কেন্দ্র করে। সেই ভ্লগে রেস্তরাঁর এক বেয়ারার ধর্মীয় পরিচয় উল্লেখ করে মন্তব্য করায় সমালোচনার মুখে পড়েন সায়ক। পরে অলি পাব এবং ওই কর্মীর বিরুদ্ধে পার্ক স্ট্রিট থানায় এফআইআর দায়ের করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই শনিবার সকালে গ্রেপ্তার হন রেস্তরাঁর কর্মী শেখ নাসির উদ্দিন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৯৯ ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়। আদালতে তোলা হলেও শনিবার তিনি জামিন পাননি বলে খবর।এদিকে শনিবার রাতেই সায়কের বিরুদ্ধেও পার্ক স্ট্রিট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাট্যব্যক্তিত্ব জয়রাজ ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ ছিল, সায়কের বক্তব্য থেকে দাঙ্গায় উসকানি দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠার মধ্যেই রবিবার অলি পাব প্রকাশ্যে ক্ষমা চায়। তার পরই সায়ক নিজে থেকে অভিযোগ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন।সায়ক চক্রবর্তী তাঁর পোস্টে লেখেন, অলি পাব শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েছে, তাই নতুন করে কোনও গল্প বানানোর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বীকার করেন, রাগের মাথায় থানায় গিয়েছিলেন এবং সেই সময় তাঁর মাথা ঠিক ছিল না। তিনি জানান, তিনি কোনওদিন গোমাংস খাননি এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকবেন। অলি পাব ও সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে করা অভিযোগ তিনি প্রত্যাহার করছেন বলেও স্পষ্ট করে দেন।অভিনেতা আরও লেখেন, রেস্তরাঁর ভুল নিয়ে তাঁর সমস্যা ছিল, কিন্তু তাঁর প্রতিক্রিয়াও হয়তো ভুল ছিল। সে জন্য তিনি দুঃখিত। ভবিষ্যতে ভ্লগ বা ইনস্টাগ্রাম কনটেন্ট বানাতে গিয়ে এই ধরনের বিতর্কে জড়াতে চান না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্যে তিনি বলেন, তাঁর হিন্দু-মুসলিম কোনও সমস্যা নেই। তিনি কেবল নিজের কিছু ব্যক্তিগত আচার মেনে চলতে চান। তাঁর কনটেন্ট আগেও মানুষের মধ্যে ঐক্যের কথা বলেছে, ভবিষ্যতেও বলবে। পুরো ঘটনায় অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আবারও দুঃখপ্রকাশ করেন সায়ক।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

বাজেট ২০২৬–এ পশ্চিমবঙ্গের প্রাপ্তি: মেট্রোতে জোরালো বিনিয়োগ, গতি পাচ্ছে ফ্রেট করিডর

কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ পশ্চিমবঙ্গের পরিকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিল কেন্দ্র সরকার। বিশেষ করে কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলের মেট্রো রেল প্রকল্পে অতিরিক্ত বিনিয়োগ এবং রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য সম্ভাবনাকে চাঙ্গা করতে ফ্রেট করিডর সম্প্রসারণে বরাদ্দএই দুই ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রাপ্তি হয়েছে রাজ্যের।মেট্রো রেলে গতি, শহুরে যাত্রায় স্বস্তির আশ্বাসবাজেটে কলকাতা মেট্রোর একাধিক চলমান ও প্রস্তাবিত প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিউ গড়িয়াএয়ারপোর্ট মেট্রো, জোকাএসপ্ল্যানেড লাইন এবং ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো করিডরের কাজ দ্রুত শেষ করার লক্ষ্যে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।কেন্দ্রের দাবি, এই বিনিয়োগের ফলে শহরের যানজট কমবে, যাত্রার সময় বাঁচবে এবং পরিবেশবান্ধব গণপরিবহণ আরও জনপ্রিয় হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হলে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার যাত্রীদেরও সরাসরি উপকার হবে।কেন্দ্রীয় বাজেট ২০২৬২৭-এ কলকাতা মেট্রো সম্প্রসারণে ফের বড়সড় বিনিয়োগের ঘোষণা করল কেন্দ্র সরকার। শহর ও শহরতলির গণপরিবহণকে আরও গতিশীল করতে অরেঞ্জ লাইন, পার্পল লাইন ও গ্রিন লাইনের জন্য মোট ২,১৪১.১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই বরাদ্দকে পূর্ব ভারতের অন্যতম বৃহৎ শহুরে পরিবহণ বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অরেঞ্জ লাইন: বিমানবন্দরের সঙ্গে সরাসরি সংযোগে জোরনিউ গড়িয়ানেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংযোগকারী অরেঞ্জ লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৭০৫.৫০ কোটি টাকা। এই অর্থ মূলত ভায়াডাক্ট নির্মাণ, স্টেশন অবকাঠামো, সিগন্যালিং ও বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার কাজে ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেক-নিউ টাউনের সঙ্গে বিমানবন্দরের যাত্রা অনেকটাই সহজ হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।পার্পল লাইন: জোকাএসপ্ল্যানেডে শহর-উপশহর সেতুবন্ধনজোকাএসপ্ল্যানেড পার্পল লাইনের জন্য সর্বাধিক বরাদ্দ৯০৬.৬০ কোটি টাকা। এই লাইনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পশ্চিম কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্রথমবারের মতো মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। বাজেট বরাদ্দের বড় অংশ যাবে এলিভেটেড স্টেশন নির্মাণ, রোলিং স্টক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে। কেন্দ্রের দাবি, এই লাইনের কাজ দ্রুত শেষ হলে শহরের দক্ষিণ প্রান্তের যাত্রীদের দৈনন্দিন যাতায়াতে বড় স্বস্তি মিলবে।গ্রিন লাইন: পূর্ব-পশ্চিম মেট্রোতে গতি ফেরানোর চেষ্টাপূর্ব-পশ্চিম মেট্রো করিডর বা গ্রিন লাইনের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৫২৯.০০ কোটি টাকা। হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর-৫ পর্যন্ত এই লাইন কলকাতার প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইস্ট-ওয়েস্ট করিডর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ। নতুন বরাদ্দের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ অংশের প্রযুক্তিগত কাজ, স্টেশন ফিনিশিং ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।শহুরে পরিবহণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবপরিবহণ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তিনটি লাইনে বিনিয়োগ শুধু যাত্রী সুবিধা বাড়াবে না, বরং যানজট ও দূষণ কমাতেও বড় ভূমিকা নেবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শহরের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আনবে এই মেট্রো প্রকল্পগুলি।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬২৭-এ অরেঞ্জ, পার্পল ও গ্রিন লাইনের জন্য ঘোষিত বরাদ্দ কলকাতা মেট্রোকে নতুন মাত্রা দিতে চলেছে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।ফ্রেট করিডর: শিল্প ও বাণিজ্যের নতুন দিগন্তবাজেট ২০২৬-এ পূর্ব ভারতের শিল্প সম্ভাবনাকে সামনে রেখে ইস্টার্ন ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডর (EDFC)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের সংযোগ আরও শক্ত করার ঘোষণা করা হয়েছে। রাজ্যের শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও লজিস্টিক হাবগুলিকে এই করিডরের সঙ্গে যুক্ত করতে অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।বিশেষ করে হলদিয়া বন্দর, দুর্গাপুরআসানসোল শিল্পাঞ্চল এবং কলকাতা বন্দরের সঙ্গে দ্রুত মাল পরিবহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর ফলে পরিবহণ খরচ কমবে, শিল্পে বিনিয়োগ বাড়বে এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক তাৎপর্যবিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বরাদ্দ শুধু পরিকাঠামো উন্নয়ন নয়, বরং পূর্ব ভারতের প্রবৃদ্ধিতে পশ্চিমবঙ্গকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনার ইঙ্গিতও দিচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকার আরও বেশি বরাদ্দের দাবি তুলতে পারে, তবু মেট্রো ও ফ্রেট করিডরএই দুই ক্ষেত্রে ঘোষণাকে রাজ্যের অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছে বিভিন্ন মহল।সব মিলিয়ে, বাজেট ২০২৬এ পশ্চিমবঙ্গের জন্য মেট্রো রেল ও ফ্রেট করিডর সংক্রান্ত বিনিয়োগ রাজ্যের শহুরে জীবনযাত্রা ও শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আনতে পারে বলেই আশা।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬
দেশ

প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির ফাঁকে কেন্দ্রের বাজেট: স্বস্তি সীমিত, হতাশা বিস্তৃত

রবিবার সংসদে ২০২৬২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। টানা নবমবার বাজেট বক্তৃতা করলেন তিনি। নরেন্দ্র মোদী তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তাঁর সরকারের তৃতীয় পূর্ণাঙ্গ বাজেট। তবে বাজেট বক্তৃতা শেষ হতেই স্পষ্টপ্রত্যাশার পাহাড়ের তুলনায় প্রাপ্তি অনেকটাই খর্ব।বাজেট পেশের আগেই ব্যয় বরাদ্দ ও করছাড় ঘিরে সাধারণ মানুষ থেকে শিল্পমহলসর্বত্র উত্তেজনা ছিল তুঙ্গে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ সংসদে ভাষণ শুরু করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে প্রথামাফিক রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কিন্তু বাজেট ঘোষণার পর ক্রমশ স্পষ্ট হয়, বড় কোনও চমক নেই।বিশেষ করে রাজ্যভিত্তিক বরাদ্দের ক্ষেত্রে বাংলা কার্যত ব্রাত্য। পরিকাঠামো, শিল্প বা বিশেষ প্রকল্পকোনও ক্ষেত্রেই রাজ্যের জন্য উল্লেখযোগ্য ঘোষণা শোনা যায়নি। করদাতাদের ক্ষেত্রেও হতাশা চোখে পড়ার মতো। আয়কর কাঠামোয় তেমন কোনও বড় পরিবর্তন বা অতিরিক্ত ছাড় ঘোষণা হয়নি।তবে সম্পূর্ণ হতাশার ছবি নয়। কিছু পণ্যে শুল্ক কমানোর ফলে দৈনন্দিন জীবনে সীমিত হলেও স্বস্তি মিলতে পারে। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, বিমানের যন্ত্রাংশে শুল্ক কমানো হবে। এর ফলে বিমান সংক্রান্ত খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে মাইক্রোওভেনের যন্ত্রাংশ-সহ বেশ কিছু বৈদ্যুতিন পণ্যের উপর শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারদরে প্রভাব ফেলতে পারে।স্বাস্থ্যক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ঘোষণা হিসেবে ১৭টি ক্যানসারের ওষুধে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। পাশাপাশি ডায়াবেটিসের কিছু ওষুধও সস্তা হতে চলেছে। এতে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা খরচ কিছুটা কমবে বলেই আশা।পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রেও শুল্কছাড়ের ঘোষণা করা হয়েছে। বৈদ্যুতিন গাড়ির ব্যাটারি এবং সৌরশক্তিচালিত প্যানেলের দাম কমতে পারে। মোবাইল ফোন তৈরির কাঁচামালের উপর শুল্ক কমানোয় দেশীয় স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট সস্তা হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।চামড়াশিল্পকে উৎসাহ দিতে নির্দিষ্ট কিছু পণ্যে শুল্কমুক্ত আমদানির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার উচ্চ শুল্কের চাপে থাকা চামড়া রফতানিকারকদের জন্য এটি কিছুটা স্বস্তির খবর। পাশাপাশি বিদেশে পড়াশোনা ও ভ্রমণের খরচ কমার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, স্বস্তির পাশাপাশি চাপও বাড়ছে কিছু ক্ষেত্রে। বিলাসবহুল ঘড়ি এবং বিদেশি মদের উপর কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে এই সব পণ্যের দাম আরও ঊর্ধ্বমুখী হবে। কফি রোস্টিং ও ব্রিউইং মেশিনে ছাড় তুলে নেওয়ায় সেগুলিও আরও ব্যয়বহুল হতে পারে। পাশাপাশি কিছু সার, আমদানিকৃত টেলিভিশন সরঞ্জাম, ক্যামেরা এবং চিত্রগ্রহণ সংক্রান্ত যন্ত্রাংশের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।বাজেট বক্তৃতাজুড়ে আত্মনির্ভর ভারত ও বিকশিত ভারত-এর কথা বারবার উঠে এসেছে। অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এবং ভোক্তাদের স্বস্তি দেওয়ার দাবি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বাস্তবে এই বাজেটে এমন কোনও যুগান্তকারী ঘোষণা নেই, যা সাধারণ মানুষের জীবনে বড় পরিবর্তন আনবে।সব মিলিয়ে, ২০২৬২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেট সীমিত স্বস্তি দিলেও বৃহত্তর প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থএই মূল্যায়নই এখন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal