• ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Dilip Ghos

কলকাতা

Tripura-Dilip: ত্রিপুরার ঘটনায় তৃণমূলের দিল্লি কর্মসূচিতে কটাক্ষ দিলীপের

দুটো ঢিল পড়েছে, তার জন্য নাকি দিল্লি আবার রাষ্ট্রপতি! ত্রিপুরার ঘটনার জেরে তৃণমূলের একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয়-সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ত্রিপুরার ঘটনার জেরে রাজধানীতে আজ একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে তৃণমূল শিবিরের। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছে তৃণমূল। পাশাপাশি, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গেও দেখা করতে পারেন সাংসদরা।তৃণমূলের এই কর্মসূচিকেই কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ। তৃণমূলের দিল্লি সফর নিয়ে তিনি বলেন, দিল্লি যাক, অন্য কোথাও যাক। দুটো ঢিল পড়েছে, তাতে নাকি দিল্লি, রাষ্ট্রপতি! আর যদি একটু বাড়াবাড়ি হয় তাহলে কি ইয়োনোতে যাবেন? সেটা ভেবে দেখুন।প্রসঙ্গত, ত্রিপুরার আঁচ এসে পৌঁছল শহর কলকাতায়। সোমবার সকালে বিজেপির সদর দপ্তরে লাগিয়ে দেওয়া হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। বিক্ষোভকারী তৃণমূল নেতা বলেন, বাংলার গণতন্ত্র রয়েছে। আজকে বিজেপির পার্টি অফিসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি লাগিয়ে দিয়ে আমরা প্রমাণ করে দিলাম, তৃণমূল চাইলে বাংলায় বিজেপি পার্টি অফিস নাও খাকতে পারত। কিন্তু তৃণমূল সেটা করবে না। তৃণমূল গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।

নভেম্বর ২২, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: দুয়ারে রেশন নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

আইনি জটিলতা কাটিয়ে মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে দুয়ারে রেশন কর্মসূচি। লোকের কাছে নিজেকে ভাল প্রমাণের চেষ্টা করছেন। দুয়ারে রেশন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বুধবার এমনভাবেই কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঙ্গল থেকে শুরু হয়েছে দুয়ারে রেশন। এবার থেকে ১০০ শতাংশ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে রেশন। সরকারের এই কর্মকাণ্ডের চরম বিরোধিতা করেন দিলীপ।বুধবার নিউটাউনের ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণের পর দিলীপ বলেন, লোককে দেখাচ্ছে আপনাদের জন্য আমি খুব ভাবি। লোক এটা চায়নি। দুয়ারে কে পৌঁছাবে রেশন? ইতিমধ্যেই দুয়ারে রেশন নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়েছে। অস্বিত্ব রক্ষার তাগিদে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রেশন ডিলাররা। কিন্তু তাঁদের আর্জি খারিজ হয়ে যায়।রেশন ডিলারদের পরিস্থিতি নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ডিলারদের আদালতে যেতে হল। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, দুয়ারে রেশন, এগুলো মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা। ডিলারদের ভয় দেখিয়ে, চমকে বেশিদিন সরকার চালানো যায় না। দিল্লিতে ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: চিন হয়ে যাবে পশ্চিমবঙ্গ! বিস্ফোরক দিলীপ

উপনির্বাচনের পরে পুরসভা নির্বাচনেও সন্ত্রাসের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণের শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময়ে এই কথা জানান তিনি। দিলীপ বলেন যে পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা চিনের মত হয়ে যাবে। একটাই দল ভোটে দাঁড়াবে। তাকেই সবাই ভোট দেবে। বাকি দলের অস্তিত্ব মুছে দেওয়া হবে। এই ভাবেই উপনির্বাচন হইয়েছে এবং সেখানে প্রার্থীকেও ভোট দিতে দেওয়া হয়নি বলেই দাবি করেছেন তিনি। উপনির্বাচনের ফল দিয়ে কিছু বোঝা যাবে না এমনটাই দাবি দিলীপের।সামনেই পুরভোট হবে শহরে। বিজেপি সর্ব শক্তি দিয়ে লড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি। ভোট ঠিকমত হলে পরিস্থিতি আলাদা হবে আশা দিলীপের। যদিও শান্তিপূর্ণ ভোট হওয়ার আশা খুব কম বলেই তাঁর ধারণা।

নভেম্বর ০৩, ২০২১
রাজ্য

BJP: উপনির্বাচনে ভরাডুবিতে 'সন্ত্রাস' দেখছে বিজেপি

উপনির্বাচনে কার্যত মুখ থুবড়ে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি। মাস খানেক আগেই যে দ্বিমুখী লড়াইয়ের ছবি দেখা গিয়েছিল, তা যেন এবার একেবারে উধাও। চারটি কেন্দ্রের তিনটিতেই জামানত জব্দ। কোনওরকমে মুখ রক্ষা হয়েছে শান্তিপুরে। আজ ভোটের ফলাফলের পর বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি তথা প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, যেভাবে ভোট হয়েছে তাতে আগামী দিনে উপনির্বাচনে হলে তৃণমূল ১০০ শতাংশ ভোট পাবে।দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, দিনাহাটায় একটি গাড়িও দেওয়া হয়নি। গোসাবায় বলা হচ্ছে, বাড়ি থেকে বেরাবেন না। খড়দহে প্রার্থী নিজে ভোট দিতে পারেননি। তবে বিজেপির যে একেবারে কোমর ভেঙে পড়েছে বাংলায়, এমনটা মানতে নারাজ তিনি। আগামী দিনে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর বিষয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী তিনি। বললেন, সাধারণ নির্বাচনে আবার জিতব। এদিকে আজ দিলীপ ঘোষের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শমীক ভট্টাচার্যও। তৃণমূলকে উপনির্বাচনের চারটি আসনে জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন শমীক। তবে একইসঙ্গে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টির কর্মীদের উপর যে হামলা হয়েছে, তা ভোলার নয়। হাইকোর্টের নির্দেশেই তা স্পষ্ট। প্রচুর বিজেপি কর্মী এখনও ঘরছাড়া। সন্ত্রাসের আবহে দলের মধ্যে একাংশের মত ছিল, আমরা নির্বাচনে যেন অংশ না নিই। যেখানে যেখানে উপনির্বাচন হয়েছে, সেখানেও দলের স্থানীয় নেতা ও কর্মীদের অনেকে এই মত দিয়েছিলেন। কিন্তু তারপরেও আমরা লড়াই করি।

নভেম্বর ০২, ২০২১
রাজ্য

কাটোয়ায় বিজেপির সাংগঠনিক সভায় দুই গোষ্ঠীর মারপিট-ভাঙচুর, দিলীপ ঘোষকে গো-ব্যাক শ্লোগান

রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ দলের সাংগঠনিক সভায় পৌছানোর আগেই বাঁধলো ধুন্ধুমার। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দাঁইহাটের জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে নিজেদের মধ্যেই হাতাহাতি মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেতা কর্মীরা। একই সঙ্গে চলে পার্টি অফিসের আসবাবপত্র ও টেবিল চেয়ার ভাঙচুর।সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ পার্টি অফিসে পৌছানোর পরেও দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতিতে বিরাম পড়েনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হলে দিলীপ ঘোষ পুলিশ দিয়ে লাঠিচার্জ করে বিক্ষুব্ধদের পার্টি অফিস থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেন। এর পাল্টা দিলীপ ঘোষকে উদ্দেশ্য করে গো ব্যাক শ্লোগান দিয়ে বিক্ষুব্ধরা।বিজেপির এই গোষ্ঠীকোন্দল নিয়ে তৃণমূল নেতৃত্ব কটাক্ষ করলেও রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করেছে এদিনের ঘটনার পিছনে তৃণমূলের ইন্ধন রয়েছে। কাটোয়ার বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল এই প্রথম প্রকাশ্যে আসলো এমনটা নয়। বিধানসভা ভোটের অনেক আগে থেকেই বিজেপির কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষের সঙ্গে তাঁর বিরোধী গোষ্ঠীর বিবাদ চরমে ওঠে। এদিন দাঁইহাটের পার্টি অফিসে বিজেপির দুই গোষ্ঠীর মারপিটে জড়ানোর ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করে দিল ভোটে ভরাঢুবির পরেও কাটোয়ায় বিজেপির গোষ্ঠী বিবাদে বিরাম পড়েনি। এদিন দাঁইহাটের জেলা বিজেপি কার্যালয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের উপস্থিতিতে একটি সাংগঠনিক সভা ছিল। সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ পৌছানোর আগে জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ সেই সভা পৌরহিত্য করা শুরু করতেই ক্ষোভ বিক্ষোভ শুরু হয়ে যায়। কৃষ্ণ ঘোষের বিরোধী গোষ্ঠী সভাস্থলেই প্রতিবাদে সোচ্চার হয়। তাঁরা কৃষ্ণ ঘোষ ও দাঁইহাট নগর মণ্ডল সভাপতি অনুপ বসুকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে দেন। বিক্ষুদ্ধরা অভিযোগ তোলেন, এই দুই নেতার জন্যই কাটোয়ায় বিজেপি হেরেছে। কৃষ্ণ ঘোষ টাকার বিনিময়ে তৃণমূল দলকে কাটোয়ায় জিতিয়েছে। তাঁরা দলের কর্মীদের কোন গুরুত্ব দেন না। কৃষ্ণ ঘোষ ও অনুপ বসুর পদত্যাগের দাবিও তোলেন বিক্ষুব্ধরা। এইসব অভিযোগ তোলা নিয়ে সভা শুরুর আগেই জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে ধুন্ধুমার বেঁধে যায়। শুরু হয়ে যায় টেবিল চেয়ার ছোঁড়াছুঁড়ি। বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা মারধোর করা শুরু করে দেয় দলের পদাধীকারীদের। এমন পরিস্থিতি চলার সময়েই দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদার দাঁইহাটের জেলা পার্টি অফিসে এসে পৌঁছান। তার পরেও বিক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা জেলা কার্যালয়ে ভিতরেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে দেখে দিলীপ ঘোষ পুলিশ দিয়ে লাঠিপেটা করিয়ে বিক্ষুব্ধদের বের করে দেওয়ার হুমকি দিলে পাল্টা তাঁকে গো- ব্যাক শ্লোগান শুনতে হয়। এই ঘটনা যথেষ্টই বিড়ম্বনায় ফেলে দিয়েছে বিজেপি নেতৃত্বকে। এদিনের ঘটনা নিয়ে কৃষ্ণ ঘোষ সংবাদ মাধ্যমে কোন মন্তব্য করতে চাননি। তবে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, এদিন যাঁরা ভাঙচুর, অশান্তির ঘটনা ঘটিয়েছে তাঁরা বিজেপির কেউ হতে পারে না। এটা তৃণমূলের চক্রান্ত । যদি এদিনের ঘটনায় বিজেপির কেউ যুক্ত থাকেন তাঁর বিরুদ্ধে দলীয় ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাল্টা অভিযোগে পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন,বিধানসভা ভোটে ভরাঢুবির পর শৃঙ্খলাহীন বিজেপি দলে এখন অন্দরের কোন্দল চরমে উঠেছে। তারই বহিপ্রকাশ এদিন ঘটেছে দাঁইহাটে বিজেপির সভায়।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

BJP-Clash: পূর্ব বর্ধমানে প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্কলহ

ফের প্রকাশ্যে বিজেপির অন্তর্দ্বন্দ্ব।প্রাক্তন ও বর্তমান রাজ্য সভাপতির সভার আগেই তাঁদের সামনেই তুমুল উত্তেজনা ছড়াল বর্ধমান জেলার দাঁইহাট শহরে। দিলীপ ঘোষ ও সুকান্ত মজুমদারের সামনেই হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দলের কর্মীরা। সভার শুরুর আগেই ভাঙচুর করা হয় চেয়ার টেবিল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এলাকা। আরও পড়ুনঃ বর্ষা বিদায়ের আগাম সুখবর শোনাল হাওয়া অফিসএদিন বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ দলের একাংশ বিজেপির বর্ধমান পূর্ব (গ্রামীণ) জেলা সভাপতি কৃষ্ণ ঘোষ ও দাঁইহাট নগর কমিটির সভাপতি অনুপ বসুকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। দুই নেতাকে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, কৃষ্ণ ঘোষ ও অনুপ বসুর মতন নেতাদের জন্য একুশের নির্বাচনে ফল খারাপ হয়েছে বিজেপি। তাঁদের আরও অভিযোগ, ভোটের ফল ঘোষণার পর ওই নেতারা কর্মীদের কোনও খোঁজখবর রাখেনি। সেই ক্ষোভেই এদিন ওই দুই নেতার পদত্যাগের দাবি জানান দলের কর্মীদের একাংশ।জানা গিয়েছে, শুক্রবার পূ্র্ব বর্ধমানের দাঁইহাটের বাগতিকর এলাকায় বিজেপির বর্ধমান পূর্ব (গ্রামীণ) জেলা কার্যালয় অফিসে বিশেষ সাংগঠনিক সভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে যোগ দেওয়ার কথা ছিল সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষের। আলোচনা সভার পর বিকেলে নবনির্বাচিত রাজ্য সভাপতিকে সম্বর্ধনা দেওয়ার কথা ছিল। তবে সুকান্ত মজুমদার ও দিলীপ ঘোষ সেখানে পৌঁছনোর আগেই তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।

অক্টোবর ২২, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: ১০০ কোটি টিকাকরণের পথে দেশ, ভ্যাকসিন নেই বলে চিৎকার করছে রাজ্য

বৃহস্পতিবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেড়িয়ে বাড়তে থাকা করোনা আবহে টিকাকরণ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, বৃহস্পতিবার দেশে এক ইতিহাস তৈরি হতে চলেছে। ভারতের মতো পিছিয়ে পড়া দেশ নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে মাইলফলক গড়তে চলেছে। তিনি আরও বলেন, কেবলমাত্র নিজের দেশেই নয়, বাসুদৈব কুটুম্বকম নীতি মেনে বহু বন্ধু দেশকে ভ্যাকসিন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এরপরেও যারা ভ্যাকসিন নেই বলে চিৎকার করেন তারা সঙ্কীর্ণ রাজনীতির শিকার বলে জানিয়েছেন দিলিপ ঘোষ।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতায় অসন্তুষ্ট বিজেপি ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশের ১০০ কোটি জনগণকে করোনা টিকা দেওয়া হবে বলে লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল কেন্দ্র। তবে অক্টোবর শেষ হওয়ার আগেই সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলার পথে তারা। মঙ্গলবারই দেশে টিকা প্রাপকের মোট সংখ্যা ছিল ৯৯ কোটি ১২ লাখ ৮২ হাজার ২৮৩।বিশ্বের একমাত্র দেশ হিসাবে আজ একশো কোটি ভ্যাকসিন ডোজ পূর্ন করবে ভারত। আর এ নিয়েও রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ । ইকোপার্কে মর্নিং ওয়াকে গিয়ে তাঁর মন্তব্য, এর পরেও রাজ্য বলে তারা টিকা পায় না।দেশের ১০০ কোটি মানুষের টিকাকরণ নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, নিঃসন্দেহে এটা আমাদের কাছে গৌরবের। ভারতের মতো একটা পিছিয়ে থাকা দেশ বলে মনে করি যাকে, মেডিক্যাল সায়েন্সে হোক বা অন্য কারণে হোক সেই দেশ বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছে। অনেক উন্নত দেশ যারা, মেডিক্যাল সায়েন্সে অনেক উন্নতি করেছে, তারাও পিছিয়ে গেছে। অন্যান্য দেশে একটা ভ্যাকসিন হচ্ছে, আমাদের দেশে দুটো করে ভ্যাকসিন হচ্ছে। দেশের একশো কোটি লোককে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও পঞ্চাশটা গরিব দেশের মানুষকে ভ্যাকসিন দিচ্ছি আমরা মানবতার খাতিরে।দিলীপ আরও যোগ করেন, সারা দেশের মানুষ আজ খুশি। আমি অন্যান্য রাজ্যেও গেলাম। দিল্লিতে আমি নিজে একটা ভ্যাকসিন নিয়েছি। কোথাও কোনও ঝগড়াঝাটি নেই। সাধারণ ভাবে মানুষ আসছেন, নিচ্ছেন। কিন্তু এখানে কোনও সিস্টেম নেই। মানুষকে ভ্যাকসিন নিতে গিয়ে লাঠি খেতে হচ্ছে, মারা যাচ্ছে। এর থেকে দুর্ভাগ্যের কী আছে!দিলীপ ঘোষের আক্রমণ, রাজ্য সরকারের কোনও যোগ্যতা নেই। তাঁর অভিযোগ, গ্রামের দিকের মানুষ এখনও ভ্যাকসিন থেকে বঞ্চিত। আবার কলকাতা শহরে সমস্ত কিছু দেওয়া হচ্ছে, তাও এখানেও মানুষ জানতে পারছেন না কোথায় এবং কীভাবে ভ্যাকসিন পাবেন, অভিযোগ দিলীপের।

অক্টোবর ২১, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: 'আমায় খুনের চেষ্টা করা হয়েছে, স্থগিত করা দরকার ভবানীপুরের উপনির্বাচন'

সোমবার নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ভবানীপুরে। এদিন যদুবাবুর বাজারে দিলীপ ঘোষকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের সমর্থনে প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বিক্ষোভের মধ্যে পড়েন। প্রবল বিক্ষোভ আর ধাক্কাধাক্কিতে বাধ্য হয়ে বন্দুক বের করে দিলীপকে সরিয়ে নিয়ে যান তাঁর নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা। দিলীপ বলেন, আজ প্রচারের শেষ দিনে যেভাবে গুন্ডা দিয়ে, প্রচার বন্ধ করা হল, বিজেপিকে আটকাবার চেষ্টা করা হয়েছে, এর দ্বারা প্রমাণিত ভবানীপুরের মানুষ ভয়ের পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। এখন এই গুন্ডাদের সামনে সাধারণ মানুষ কীভাবে বেরিয়ে গিয়ে ভোটটা দেবেন? তাঁরা তো নিরপেক্ষ ভাবে ভোটটা দিতেই পারবে না! তাঁরা যদি বিজেপিকে ভোট দেবে বলে তাহলে তো সম্ভবই নয়, বাড়ি থেকে বেরনো! সে জন্য যে পরিস্থিতির মধ্যে মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য ভোট করছে সরকার, তাতে সুরক্ষা দেওয়া উচিত। কিন্তু আজকের পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন সম্ভব নয়। স্থগিত করা দরকার। বলেন, আমি নিজে ভুক্তভোগী। তাই আমার অধিকার আছে বলার। দাবি করছি নির্বাচন বন্ধ হওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরে দিলীপের প্রচারে ধুন্ধুমার, মাথা ফাটল বিজেপি কর্মীরকয়েক দিন আগেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরেছেন দিলীপ। কিন্তু ভবানীপুরে ভোটের প্রচারে বিরোধী পক্ষের মূল টার্গেট হলেন তিনিই। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে থাকা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে এদিন হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের। আহত হন বেশ কয়েকজন। এদিকে খবর পেয়েই যদুবাবুর বাজারে পৌঁছন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল এবং দীনেশ ত্রিবেদী, অর্জুন সিংরা।দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা তাঁদের প্রচারে বাধা দেন। তৃণমূল কর্মীদের আক্রমণে এক কর্মীর মাথা ফাটে। তাঁকেও ধাক্কা দেওয়া হয়। যদিও তার পরেও তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তার পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, স্থগিত করা দরকার এই ভোট। আইন পরিস্থিতি ঠিক হলে তার পর ভোট হোক। নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এদিনের বিক্ষোভের ভিডিও পোস্ট করে দিলীপ লেখেন, মাননীয়ার খাস তালুক ভবানীপুরে একজন জনপ্রতিনিধির উপর যেভাবে হামলা হল এই রাজ্যে তাতে সাধারণ মানুষের জীবন কতটা সুরক্ষিত? আজ তৃণমূলের গুন্ডা দিয়ে ভবানীপুরের যদুবাবুর বাজার এলাকায় যে ভাবে পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা হল, আমাকে মেরে ফেলার চক্রান্ত করা হয়েছিল সেটি শাসকদলের জঘন্য, ভয়াবহ রূপটিকে তুলে ধরে। এর পরও কি সুস্থ নির্বাচন আশা করা যায়??এদিকে এদিনের ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং সরাসরি অভিযোগ করেন মমতার নির্দেশেই দিলীপ ঘোষের ওপর এই হামলা হয়েছে। তাঁর কথায়, মমতা খোদ এই আক্রমণ করাচ্ছেন, ভোট এখানে হতেই দেবে না। কমিশন পদক্ষেপ না করলে ভোট বন্ধ হোক। একই সুর শোনা গিয়েছে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গলায়। বলেন, আমরা স্তম্ভিত! একশোজন তৃণমূল কর্মীকে ট্রেনড করে পাঠানো হয়েছে দিলীপ ঘোষকে আক্রমণের জন্য। আর পুলিশ কী করছিল?

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: 'বাংলার জন্য আমি অ্যাভেলেবল আছি'

তিনি এখন সদ্য প্রাক্তন হলেও বাংলার জন্য সবসময়ই আছেন, থাকবেনও। বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব পেয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। বুধবার সকালে আর ৫টি দিনের মতো ইকো পার্কে শরীর চর্চা করতে আসেন দিলীপ ঘোষ। বাংলায় এবার তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তাঁর স্পষ্ট জবাব, আমি অ্যাভেলেবল আছি।এদিন দিলীপ বলেন, রাজ্যে দায়িত্বপ্রাপ্তরা যেভাবে আমাকে কাজে লাগাবে, আমি থাকব। একইভাবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যেভাবে নির্দেশ দেবেন, সেইভাবে কাজ করব। এবার নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্রে বেশী সময় দিতে চাই। প্রদেশ সভাপতির দায়িত্বে থাকায় সারা রাজ্য ঘুরতে হত, তাই মেদিনীপুরে বেশী সময় দেওয়া হত না। সেখানে বন্যা হয়েছে। ইতিমধ্যে ত্রাণের কাজ শুরু করেছি। উল্লেখ্য, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বঙ্গ বিজেপির একটা বড় অংশ দিলীপ ঘোষকে খুবই মিস করবেন। বিরোধীদের আক্রমণের যে পদ্ধতি তিনি অবলম্বন করে এসেছেন তা নানা সময়ে বিতর্ক সৃষ্টি করলেও একপ্রকার ইউনিকও বটে। দিলীপের এই শূন্যস্থান কেউই পূরণ করতে পারবেন না। তবে পদে না থেকেও তিনি বাংলায় বহাল তবিয়তে যে থাকবেন তা বিশেষজ্ঞরাও মনে করছেন। দিলীপ নিজেও বলেছেন, প্রয়োজনে তাঁকে ডাকলে তিনি বাংলার জন্য সবসময়ই আছেন।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজনীতি

Sukanta Mazumder: 'ব্যান্ড' দিলীপের তৈরি পথেই হাঁটবেন সুকান্ত

বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি হিসাবে তাঁর নাম ঘোষণা ২৪ ঘণ্টাও হয়নি। তার মধ্যেই দলের প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষকে পাশে নিয়ে সমন্বয়ের বার্তা দিলেন নতুন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বললেন, দিলীপদা ব্র্যান্ড, ওঁর বিকল্প নেই। দিলীপদার থেকেই লড়াই শিখেছি। ওঁর আদর্শকে সামনে রেখে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ব। রাজ্য সভাপতি থাকাকালীন সকালে দিলীপের চায়ে পে চর্চা আগামী দিনেও চলবে বলে জানিয়ে দেন বালুরঘাটের সাংসদ।সোমবার রাতে নতুন দায়িত্ব পাওয়ার পরে মঙ্গলবার কলকাতায় বিজেপি-র সদর দপ্তরে যান সুকান্ত। সেখানে তাঁর জন্য একটি সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছিল। দিলীপ নিজেই পেন, মালা দিয়ে স্বাগত জানান তাঁর উত্তরসূরিকে। অনুষ্ঠানে তাঁর বক্তব্যে বার বার দিলীপের প্রশংসা শোনা যায় সুকান্তর মুখে। পূর্বসূরির নেতৃত্বে বাংলায় বিজেপি-র সাফল্যের কথা সবাইকে স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। এরপরই সদ্য প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে পাশে নিয়েই একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন সুকান্ত।আরও পড়ুনঃ ত্রিপুরায় নিষিদ্ধ রাজনৈতিক মিছিল, ঘোর অনিশ্চয়তায় তৃণমূলদিলীপ যে আগ্রাসন নিয়ে এতদিন দল এবং সংগঠন পরিচালনা করেছেন, তিনি তার থেকে খুব একটা পিছিয়ে আসবেন না। এমনটা নিজের বক্তব্য দিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে সুকান্ত বলেন, এ রাজ্যে তালিবানি কায়দায় সরকার চলছে। পরবর্তী বিধানসভা নির্বাচনের আগেই পশ্চিমবঙ্গের সরকার বদল হতে পারে বলেও বলতে শোনা যায় তাঁকে। দিলীপ ঘোষ যে উচ্চতায় বিজেপিকে নিয়ে গিয়েছিলেন, তার জায়গায় এসে সুকান্ত বিজেপিকে কোথায় নিয়ে যেতে পারেন, সেটাই বঙ্গ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণের অন্যতম বিষয় হতে চলেছে। তবে একুশের নির্বাচনে যে কিছু ক্ষেত্রে পরিকল্পনা এবং রণনীতিগত খামতি ছিল, সেটা এ দিন স্বীকার করে নেন সুকান্ত। একই সঙ্গে যে নেতা-কর্মীরা ভোটের পর দলত্যাগ করেছেন, তাঁদেরও নতুন করে দলে ফিরে আসার আহ্বান জানান।সুকান্ত বলেন, আমরা চাই না কেউ দল ছেড়ে যাক। সবাইকে নিয়েই চলতে চাই। যারা বিজেপির নীতি ও আদর্শে বিশ্বাসী তাঁরা আশা করে আমাদের সঙ্গেই থাকবেন। এবং যারা অন্য কোনও উদ্দেশ্য নিয়ে বিজেপিতে এসেছিলেন, তাঁরা চলে যাবেন এটাই স্বাভাবিক। যারা চলে গিয়েছেন, তাঁরা পর্যালোচনা করে দেখবেন, হয়তো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁরা ফিরে আসুন।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
কলকাতা

Abhishek-Dilip: 'অভিষেককে কলকাতায় ডাকলে দলীয় কর্মীরা ঢিল মারবে'

কলকাতায় কার্যালয় থাকা সত্বেও কয়লাকাণ্ডে বার বার দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এই নিয়ে কেন্ত্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা। তাঁদের দাবি, আইন মেনে কলকাতাতেই ডাকা হোক তাঁদের। এদিকে দিল্লিতে সস্ত্রীক অভিষেককে তলব নিয়ে যুক্তি দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, কলকাতায় ডাকা হলে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা বাধা দেব। তাই যেখানে নিরাপদ সেখানেই ডাকা হবে।আরও পড়ুনঃ ৫০০ টাকা পেতে গিয়ে অ্যাকাউন্ট থেক উধাও হল ৫ হাজার টাকা!শনিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, এখানে ডাকলে তো ওদের কর্মীরা এসে ঘেরাও করবে, ঢিল মারবে, মুখ্যমন্ত্রী ধর্না দেবেন। এর আগেও অন্য মামলায় ভিন রাজ্যে ডেকে জেরা করা হয়েছে সিবিআইয়ের তরফে। তাই যেখানে নিরাপদ মনে হবে সেখানেই ডাকা হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিরুদ্ধে হওয়ার মামলার কথা মনে করিয়ে দিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, বম্বে হাইকোর্টে স্থানান্তরিত করে তাঁদের গুজরাত থেকে সেখানে ডাকা হয়েছে। আমরা গিয়েছি। অশান্তি করিনি। আমাদের আইনের উপর আস্থা ছিল। তাঁর কথায়, আইনের আশ্রয় নিয়ে আমাদের নেতারা সোনার মত চকচকে হয়ে বেরিয়ে এসেছে। অভিষেকের এই ইস্যুতে হাইকোর্টে যাওয়াকে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, আমার মনে হয় না এইভাবে বাঁচা যাবে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
রাজ্য

BJP: প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে এলাহি আয়োজন বঙ্গ বিজেপির

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনকে ঘিরে সাজো সাজো রব বিজেপির অন্দরে। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর জন্মদিন মোদির, আর তা স্মরণীয় করে রাখতে মেগা পরিকল্পনা নিয়ে তৈরি বিজেপির কেন্দ্রীয় থেকে রাজ্য নেতৃত্বের তরফে৷ আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর ৭১ বছর পূর্ণ করবেন নরেন্দ্র মোদি৷ আর সেদিন থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত টানা ২০দিন নানা কর্মসূচি নিতে চলেছে বিজেপির এ রাজ্যের নেতৃত্ব।আরও পড়ুনঃ ফের দুর্যোগের মেঘ ঘনিয়েছে দক্ষিণবঙ্গেবিজেপি রাজ্য সভাপতির তরফে এদিন রাজ্য বিজেপি কার্যালয়ে ঘোষণা করা হয়, মোদির নামে প্রদর্শনী করা হবে, ভার্চুয়াল প্রদর্শনী করা হবে, যাতে প্রধানমন্ত্রীর জীবনী তুলে ধরা হবে, মোদি মেলা, নমো কুইজ কনটেস্ট, সেবা ও সমর্পণ কর্মসূচি, স্বচ্ছতা অভিযান কর্মসূচি, আজাদি কি অমৃত মহোৎসবের মতো অন্তত ছয়টি কর্মসূচি নেওয়া হতে চলেছে। বেশিরভাগ কর্মসূচির নেতৃত্বেই থাকবে বিজেপি যুব মোর্চা। প্রায় কুড়ি দিন ব্যাপী এই কর্মসূচিতে রক্তদান শিবির-সহ আরও বেশ কিছু আয়োজনের বড়সড় পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি৷পিএম কেয়ার্স ফান্ডের টাকা দিয়ে এরাজ্যে ৪৯টি অক্সিজেন প্লান্ট করা হবে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার তরফে ইতিমধ্যেই প্রতিটি রাজ্যে বিজেপি-র নেতৃত্বকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন বুথ স্তর থেকে বিজেপি নেতা-কর্মীরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানিয়ে অন্তত পাঁচ কোটি চিঠি পাঠাবেন৷ একই সঙ্গে জনসেবায় নিজেদের সমর্পিত করতেও চিঠিতে অঙ্গীকারবদ্ধ হবেন তাঁরা৷ শুধু তাই নয়, নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষ্যে করোনা ভাইরাসের টিকাকরণ নিয়েও বড় পরিকল্পনা নিয়েছে বিজেপি। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কথায়, বিজেপির বুথকর্মীরাও ওইদিন টিকাকরণের কাজে সাহায্য করবেন, যাতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকা দেওয়া যায়। সেই কারণে ২ লক্ষ গ্রামের ৪ লক্ষ স্বেচ্ছাসেবককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এ যাবৎ ৪৩ দিনে ৬ লক্ষ ৮৮ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। নরেন্দ্র মোদির জন্মদিন উপলক্ষে গোটা দেশের মধ্যে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে উত্তরপ্রদেশে৷ কারণ আগামী বছরই উত্তর প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন৷ উত্তরপ্রদেশে ৭১টি জায়গায় গঙ্গা সাফাই অভিযানে নামবেন বিজেপি কর্মীরা৷ তবে, পিছিয়ে নেই এ রাজ্যের বিজেপিও। দলের শীর্ষ নেতার জন্মদিন উপলক্ষ্যে এ রাজ্যেও নানা পরিকল্পনা সেজে উঠছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: 'অ্যান্টি সোশ্যালরা তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে ঘোরে'

ফের খাস কলকাতায় রাতে চলল গুলি। রাত সাড়ে ১০ টায় রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি করেছে একদল দুষ্কৃতী। শহরে এমন ঘটনা প্রথমবার নয়। গত কয়েক মাসে একাধিকবার এমন গুলি চালনো ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। সেই প্রসঙ্গেই এবার শাসক দলের দিকে আঙুল তুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, তৃণমূলের মদতেই এ ভাবে শহর তথা গোটা রাজ্যজুড়ে দুষ্কৃতী তাণ্ডব বেড়ে চলেছে। তৃণমূলের আশ্রয়েই এত বাড়বাড়ন্ত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সোমবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, রাজ্যজুড়ে যে সব সমাজ বিরোধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তারা সবাই তৃণমূল আশ্রিত।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরপ্রসঙ্গত, রবিবার রাতে মিন্টো পার্কের কাছে গোর্কি সদনের সামনে হাওড়ার ব্যবসায়ী পঙ্কজ সিং-কে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। একেবারে বলিউডি কায়দায় প্রথমে ঘিরে ফেলা হয় ব্যবসায়ীর গাড়ি। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে বচসাও। এরই মধ্যে সুযোগ বুঝে পঙ্কজকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তবে কাঁধে গুলি লাগায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে সিএমআরআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিকল্পনামাফিক গুলি চালানো হয়েছে বলে দাবি আত্মীয় ও বন্ধুদের। এই প্রসঙ্গে আজ দিলীপ ঘোষ বলেন, শুধু কলকাতা নয় গোটা রাজ্যে একই অবস্থা। আর কাউকে গ্রেপ্তার করা হয় না, কারণ তারা দলের লোক। দিলীপের কথায়, যত সমাজ বিরোধী রয়েছে সবাই তৃণমূলের আশ্রয়ে রয়েছে। সবাই তৃণমূলের ঝাণ্ডা নিয়ে ঘোরে। কেউ কেউ তৃণমূলে পদ পেয়ে গিয়েছে, নেতাও হয়ে গিয়েছে। এরাই পুরো সমাজকে ব্যস্ত করে রেখেছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: উপনির্বাচন নিয়ে ফের তৃণমূলকে বিঁধলেন দিলীপ

ভবানীপুরে উপনির্বাচন নিয়ে ফের একবার সরব হলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার এই উপনির্বাচন নিয়ে একের পর এক কটাক্ষ শানালেন দিলীপ। ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ বলেন, আগে ভাগে প্রার্থী দিলেই কি ভোটে জেতা যায়? ওনারা তো দিয়েছিলেন নন্দীগ্রামে। কী হল? আগেই প্রার্থী ঘোষণা করেছিলেন। দু মাস আগে থেকে প্রার্থী দিয়েছিলেন। অথচ ফলাফল তো দেখে নিয়েছে সকলেই। লড়াই করেন, দৌড়োদৌড়ি করেন।আরও পড়ুনঃ আউসগ্রামে তৃণমূল নেতাকে গুলি করে খুনের ঘটনায় যৌথ ভাবে তদন্ত শুরু করলো সিআইডি ও পুলিশ লোকসভাতেও আগে প্রার্থী দিয়েছিলেন। তারপর ঝটকাটা খেলেন। নির্বাচনটা তো মাঠে হয়। সেটা ভুলে গেলে চলবে কী করে। একই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, যে কোনও সময়ই প্রার্থী ঘোষণা হয়ে যেতে পারে। পাশাপাশি বুধবার ত্রিপুরায় সিপিএমের বিভিন্ন কার্যালয়ে দুষ্কৃতী হামলার বিষয়ে বলতে গিয়ে দিলীপ বলেন, এখান থেকে নেতা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, এখান থেকে মিডিয়া নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এখান থেকে লোক নিয়ে গিয়ে যোগদান করানো হচ্ছে। ওখানে উৎপাত করা হচ্ছে। আমার মনে হয়, ওখানকার লোকজন এটা পছন্দ করছে না।একই সঙ্গে এদিন দিলীপ ঘোষ আবারও শুধুমাত্র ভবানীপুরে উপনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বলতে গিয়ে বলেন, ভবানীপুর নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে যে মামলা হয়েছে সে প্রসঙ্গে বলেন, স্বাভাবিকভাবেই ভবানীপুর উপনির্বাচন নিয়ে মানুষের মনে অনেক প্রশ্ন। আদালতই যা বিচার করার করবে। সমস্ত দিক গুলো আলোচনা হবে। অন্যান্য রাজ্যেও তো উপনির্বাচন। তারা এখন বলছে উপনির্বাচন করার পরিস্থিতি নেই। পশ্চিমবঙ্গে চারটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে না। কলকাতা সব সময় স্পর্শকাতর। যারা বিধানসভা নির্বাচনে চেঁচিয়ে বলেছিল, করোনার মধ্যে ভোট হলে মানুষের জীবনের ঝুঁকি হচ্ছে, তারা এখন সে সব ভুলে মুখ্যমন্ত্রীকে ধরে রাখার জন্য অন্য কথা বলছে। যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যান, তা হলে কি সংকট তৈরি হবে না? তাই স্বাভাবিকভাবেই মানুষ জানতে চাইছেন নির্বাচন কমিশন কেন এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিলেন। কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কাউকে বিধায়ক বা মুখ্যমন্ত্রী করা তো নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব না।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: অভিষেককে টানা ৯ ঘণ্টা জেরার পর কী বললেন দিলীপ?

কয়লা পাচার-কাণ্ডে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট দপ্তরে ৯ ঘণ্টা জেরার পর বেরিয়ে রীতিমতো বিস্ফোরক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি করেছিলেন, ২৫ জন বিজেপি বিধায়ক যোগদান করতে চাইছেন। তৃণমূল নিচ্ছে না। মঙ্গলবার এই প্রসঙ্গেই অভিষেককে একহাত নিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষের কটাক্ষ, ৯ ঘণ্টা ইডি জেরা করলে তখন অনেকেই আবলতাবোল বকে। তৃণমূলের অনেক নেতারাই কয়লা, বালি লুট, পাচারের সঙ্গে যুক্ত। ওনাদের রাজত্বকালে কয়লা, বালি, পাথর, লুট হয়েছে গোরু পাচার হয়েছে। একটা দল অফিশিয়ালি এই কাজগুলো করছে, তাদের সব নেতা জড়িত। পুলিশ অভিযোগ নেয়নি। এখন সিআইএসএফ দেখানো হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ ইডি দপ্তরে ৯ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরার পর বিস্ফোরক অভিষেক বিজেপির রাজ্য সভাপতি এদিন অভিষেকের ২৫ জন বিজেপি বিধায়কের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জানি না পঁচিশ না পঞ্চাশ। আমাদের পার্টিতে অনেক নেতা এসে বলেছিলেন একশো আছে দেড়শো আছে। আগে তো ওনাদের বিধায়ক সাংসদরা ইডি, সিবিআই থেকে বাঁচুক, তারপর আমাদের বিধায়ক সম্পর্কে ভাববেন। অভিষেক হুঁশিয়ারির সুরে বলেছিলেন, যা করার করে নিন। বিজেপি অনেক শক্তিশালী হতে পারে, লিখে রাখুন আগামী নির্বাচনে বিজেপিকে হারাবে তৃণমূল। ২০২৪ সালে হারাব। জীবন দিয়ে দেব। কিন্তু মাথানত করব না। রাজনৈতিকভাবে লড়াই করার হিম্মত নেই এদের।এদিন সেই বক্তব্যকে কটাক্ষ করে দিলীপের মন্তব্য, জীবন কোথায় দিচ্ছেন। জীবন নিয়ে তো পালিয়ে গেল নেতারা। এতদিন এই অভিযোগ করতে করতে আদালতও শুনেছে। তারা কোনও না কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে। তাই তাদের নেতারা বাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছে। গায়েব হয়ে যাচ্ছে। অন্য দেশের নাগরিকত্ব নিয়ে নিচ্ছেন, কতটা সৎ ছিল ওরা বোঝাই যাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: মুখ্যমন্ত্রীকেই জেতাতেই কী ভবানীপুরে উপনির্বাচন?প্রশ্ন তুললেন দিলীপ

গোটা দেশে শুধুমাত্র ভবানীপুরে কেন উপনির্বাচন? নির্বাচনী নির্ঘণ্ট প্রকাশের পর প্রশ্ন তুলেছিলেন দিলীপ ঘোষ শুভেন্দু অধিকারীরা । সাংবিধানিক সংকটের বিষয়টি বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। আর এবার এই সাংবিধানিক সংকট তৈরির জন্য সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকেই দায়ী করলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। সোমবার দুর্গাপুরে এক বেসরকারী হাসপাতালে এক মহিলা বিজেপি কর্মীকে দেখতে এসে তৃণমূলের পাশাপাশি উপনির্বাচন ইস্যুতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকেও একহাত নিলেন দিলীপ ঘোষ।রাজ্যের উপনির্বাচনগুলিকে নিয়ে আইনের পথে যেতে তারা প্রস্তুত হচ্ছেন বলে ফের একবার জানিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে, একজন মুখ্যমন্ত্রী হেরে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন,উনি আবার যে জিতবেন এর নিশ্চয়তা কোথায়?আরও পড়ুনঃ শার্দুল, ঋষভের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে জয়ের স্বপ্ন ভারতেরকরোনা পরিস্থিতিতে অন্য জায়গায় উপনির্বাচন হচ্ছে না। অথচ ব্যতিক্রম ভবানীপুর। কমিশনের এই দ্বি-নীতিই আদালতে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি।এই প্রসঙ্গে ইঙ্গিত দিয়ে দিলীপ বলেন, রাজ্যের কমিশন বলছে, পুরভোটের মতো পরিস্থিতি নেই। অথচ জাতীয় নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করে দিল। অন্য রাজ্য বলছে ভোট করতে পারব না। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এর পিছনে কোনও রহস্য নেই তো? বিজেপির রাজ্য সভাপতি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন ভবানীপুর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিতিয়েই ছাড়বেন বলে মনে হচ্ছে। তা না হলে এরকম পক্ষপাতমূলক আচরণ করতো না কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: বিশ্বভারতীর ছাত্র আন্দোলনে 'গুন্ডামি' দেখছেন দিলীপ

ছাত্র বিক্ষোভে উত্তপ্ত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। সেন্ট্রাল অফিসের পর শুক্রবার রাতভর উপাচার্যের বাড়ির সামনে বসে বিক্ষোভ দেখালেন ছাত্র-ছাত্রীরা। উপাচার্য না দেখা করলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। এদিকে বিশ্বভারতীর পড়ুয়াদের এ হেন আচরণকে গুন্ডামি বলে আখ্যা দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শনিবার নিউ টাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটা গুন্ডামি করার জন্য নয়।আরও পড়ুনঃ নথি যাচাই না করেই ১২ জন শিক্ষক নিয়োগ, প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা সম্প্রতি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিনজন ছাত্রছাত্রীকে তিন বছরের জন্য বরখাস্ত করে। তারই প্রতিবাদে শুক্রবার প্রথমে বিশ্বভারতীর সেন্ট্রাল অফিস এবং পরে উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু হয়। রাতভর ঘেরাও চলে। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, উপাচার্যকে তাঁদের দাবিদাওয়া মেনে নিতে হবে। অনৈতিক ভাবে পড়ুয়াদের বরখাস্তও করা চলবে না।শুক্রবার বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় যে দপ্তর তা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়ারা। সেই বিক্ষোভ তুলতে গিয়ে কার্যত হাতাহাতি বেধে যায় বিশ্বভারতীর নিরাপত্তাকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে। পড়ুয়ারা অভিযোগ তোলেন, বিশ্বভারতী নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের গায়ে হাত তুলেছে। এরপরই বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদুৎ চক্রবর্তীর আপ্ত সহায়কের গাড়ি দাঁড় করিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চান পড়ুয়ারা। তখন তিনি পড়ুয়াদের গাড়ি চাপা দিতে উদ্যত হন বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন আন্দোলনকারীরা। এর পরই রাতে উপাচার্যের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেন পড়ুয়াদের একাংশ। অভিযোগ, রাতভর উপাচার্যের বাড়ির সামনে বসে থাকেন তাঁরা।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজ্য

Lakshi Bhandar: লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদনকারী বাংলার মহিলাদের ’ভিখারি’ বললেন দিলীপ ঘোষ

বাংলা ভাগের কথা অস্বীকার করে রাজ্য সরকারের লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে ফের অপ্রীতিকর মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলীয় কর্মসূচীতে যোগ দিতে মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে দিলীপ ঘোষ বলেন, ৫০০ টাকা পাওয়ার জন্য দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে লাইনে দাঁড়ানো মহিলারা ভিখারি নয়তো কি? একই সঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, ১০ বছরের তৃণমূল সরকার মানুষকে ভিখারি বানিয়ে ৫০০ টাকার জন্য লাইনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। দিলীপ ঘোষের এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতৃত্ব।রাঢ় বঙ্গের কার্যকর্তাদের নিয়ে এদিন বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বর্ধমানের জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে। সেই বৈঠকে দিলীপ ঘোষ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা শিবপ্রকাশ, বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ, সাংসদ এস এস আহলুওয়ালিয়া , রাজু বন্দোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শুরুর আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ১০ বছর সরকার চালানোর পর মানুষকে ভিখারি বানিয়ে দিয়ে ৫০০ টাকার জন্য রাস্তায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছে না। ভিড় করার জন্যেই এই সময়ে দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প করা হচ্ছে। যাঁরা লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন পত্র জমা দিচ্ছেন তাঁদের ভিখারি বলছেন কেন? দিলীপ ঘোষের স্পষ্ট জবাব, ৫০০ টাকার জন্য যারা লাইনে দাড়াচ্ছেন তাঁরা ভিখারি নয় তো কি? এটাকে কি উন্নয়ন বলে? দেশের কোটি কোটি লোক বাড়িতে বসেই হাজার হাজার টাকা ভাতা-অনুদান পেয়ে যাচ্ছেন। মোদিজি কৃষকদের ৬০০০ হাজার টাকা করে দিচ্ছেন। বাড়িতে বসেই তিন কিস্তিতে কৃষকরা সেই টাকা নিচ্ছেন। তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন সবাইকে রাস্তায় দাঁড় করাচ্ছেন? বয়স্ক মানুষেরা চাপা পড়ে মরে যাচ্ছে।এই সব কোথাও শুনেছেন? মোদিজীকে দেখে ওঁরা শিখুক । অশোকনগরের ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, টিএমসি নেতারা সব জায়গায় দাদাগিরি করছে। সরকারি যোজনার সুবিধা পেতে এত ভিড় করার কি দরকার আছে। একাউন্টে দিলেই তো পারতো।বাংলা ভাগের প্রসঙ্গ নিয়ে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে এদিন ভিন্ন সুর শোনা যায় তাঁর গলায় । দিলীপ ঘোষ এদিন জানান, বিজেপি কখনই বঙ্গভঙ্গের কথা বলেনি। তাঁদের দলের প্রতিষ্ঠাতা পাকিস্তানকে ভাগ করে এই বাংলা নিয়ে এসেছে। সেই বাংলা যাতে সোনার বাংলা তৈরি হয় সেই চেষ্টাই তাঁরা করছেন বলে দিলীপ বাবু এদিন জানান।জাতিভিত্তিক জনগণনা নিয়ে বিহার বিজেপি এবং বিরোধী দলগুলি যে মত দিয়েছে তার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, সমাজের প্রতিটি লোকের নিজের মত বলার অধিকার আছে। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন, সেন্সাস বোর্ড ও সরকার আছে। তাঁরা সবার সঙ্গে কথা বলে সহমত হয়ে যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই হবে।আদালতের নির্দেশে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তে সিবিআই বিভিন্ন জেলায় যাবে ।এই বিষয়ে বিজেপির অবস্থান কি হবে তা জানতে চাওয়া হলে দিলীপ ঘোষ বলেন ,আমাদের ডাকলে আমরা যাবো, সব তথ্য দেব।লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে লাইনে দাঁড়ানো মহিলাদের ভিখারি বলা নিয়ে দিলীপ ঘোষকে বাংলা দ্রোহী বলে আখ্যা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু । তিনি আরও বলেন, এইসব খারাপ কথা বলে বাংলার মেয়েদের ও মায়েদের অপমান করছেন দিলীপ ঘোষ।বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মহিলারা ওঁদের যোগ্য জবাব দিয়ে দিয়েছে। দিলীপ ঘোষের এই কু-মন্তব্যের জবাব বাংলার মহিলারা আগামী লোকসভা নির্বাচনেও দিয়ে দেবে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: প্রশ্নপত্র বিতর্কের মাঝেই রাজ্যকে আক্রমণ দিলীপের

প্রথমে ইউপিএসসি, এবার ডব্লুউবিসিএস পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে রাজনীতি। আর তা নিয়েই শুরু রাজনৈতিক চর্চা। আর তাই নিয়ে এবার মুখ খুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, আপনারা জানেন, কীভাবে রাজনৈতিক প্রশ্ন করা হয়েছে। সেই নিয়ে সমাজে আলোচনা হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ এ কী করল শ্রী সিমেন্ট! চরম সঙ্কটে ইস্টবেঙ্গলপ্রসঙ্গত, রবিবারই ছিল ডব্লুবিসিএস পরীক্ষা। সেই প্রশ্নপত্র নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পরীক্ষায় প্রশ্ন ছিল, কোন বিপ্লবী নেতা জেল থেকে মার্সি পিটিশন বা ক্ষমা প্রার্থনা করেন? তার চারটি বিকল্প উত্তর হিসেবে দেওয়া ছিল, ভি ডি সাভারকর, বি জি তিলক, শুকদেব থাপার ও চন্দ্রশেখর আজাদ। বিষয়টির সমালোচনা করতে গিয়ে দিলীপ বলেন, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি এক সময় লাল ছিল, এখন সবুজ হচ্ছে। যারা গেরুয়াকরণের গল্প বলতেন, তাঁরা আজ রাজনৈতিক ক্যাডার তৈরি করার চেষ্টা করছে। স্কুল থেকে ডব্লুবিসিএস- তাঁরা যেন লয়াল হন পার্টির প্রতি। যে পরীক্ষা নেওয়া হবে, তার জন্য সেখানে পার্টির প্রশ্ন করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, শুধু প্রশ্নপত্র বিতর্কই নয়, স্কুল খোলার বিষয়ে রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তেরও প্রতিবাদ করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, স্কুল অনেক জায়গায় খুলে গিয়েছে। ট্রেন চালু হয়েছে। যদি ওঁরা মনে করেন যে বিপদ আছে, তাহলে ভোট চাইছেন কেন? সেই কারণেই মনে হচ্ছে কেমন যেন পরস্পরবিরোধী কথা বলছেন। এটা উচিত নয়। যথেষ্ট চিন্তাভাবনা না করে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী একটি টুইটে একটি প্রশ্ন নিয়ে আপত্তি তুলেছেন। প্রশ্নে লেখা ছিল, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সবুজ সাথী প্রকল্পে কোন শ্রেণিতে পাঠরত ছাত্র-ছাত্রীদের সাইকেল বিতরণ করা হয়। এই প্রশ্নেই আপত্তি শুভেন্দুর। তিনি লিখেছেন, ইউপিএসসি পরীক্ষা প্রশ্ন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। আর এখন ডব্লুউবিসিএস পরীক্ষা পশ্চিমবঙ্গ সরকারি স্কিমের বিজ্ঞাপন করছে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: বার্লার পাশে দাঁড়িয়ে সুর বদল দিলীপের

ঘুরপথে হলেও, জন বার্লার পাশে দাঁড়ালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আলাদা উত্তরবঙ্গ রাজ্যের দাবি অন্যায্য নয় বলে বিতর্কে বাড়ালেন দিলীপ। এমনকী, পৃথক জঙ্গলমহল রাজ্যের দাবিকেও সমর্থনই জানালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। শনিবার জলপাইগুড়িতে দাঁড়িয়েই উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্যে করার দাবিতে নিজের সমর্থন জানালেন দিলীপ। সেটাও আবার এই দাবি তুলে বিতর্কে জড়ানো আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লার উপস্থিতিতে। বললেন, মানুষের কথা বললেই কি বিচ্ছিন্নতাবাদী বলতে হবে নাকি!আরও পড়ুনঃ মনোজ-সামান্থার সেরা পুরস্কারবার্লা উত্তরবঙ্গকে পৃথক রাজ্য করার দাবি তোলার সময়েও দিলীপ তার বিরোধিতা করেননি। আবার এ ভাবে সমর্থনও জানাননি। তবে সেই দাবি ওঠার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তথা তৃণমূল সরকারকেই দায়ি করেছেন তিনি। শনিবার দিলীপ বলেন, আজ যদি জঙ্গলমহল এবং উত্তরবঙ্গ আলাদা হতে চায় তার সমস্ত দায়িত্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, গত ৭৫ বছর ধরে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন হয়নি। কেন এখানকার মানুষকে চিকিৎসা, শিক্ষা, চাকরি, স্বাস্থ্য ইত্যাদির জন্য বাইরে যেতে হবে। কেন হাসপাতাল, ভাল, স্কুল নেই? কেন কল কারখানা, জীবিকার ব্যবস্থা নেই? জঙ্গলমহলেও সেই অবস্থা। মা, বোনেরা শালপাতা, কেন্দুপাতা নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। কেন তাঁদের চাকরির জন্য রাঁচি, ওডিশা, গুজরাতে যেতে হচ্ছে? এই দেশের স্বাধীনতা, উন্নয়নের লাভ পাওয়ার অধিকার নেই তাঁদের? তাই তাঁরা যদি এই দাবি তুলে থাকেন তা হলে সেটা নাজায়েজ নয়।শনিবার বিজেপি-র উত্তরবঙ্গে বার্লার শহিদ সম্মান যাত্রা কর্মসূচিতে যোগ দেন দিলীপ। ওই কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে দিলীপ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, জন বার্লা এক জন জনপ্রতিনিধি। যাঁরা তাঁকে জিতিয়েছেন তাঁদের কথা শোনাটা তাঁর দায়িত্ব। তিনি তাই বলেছেন। সেই সঙ্গে পাহাড়ে আলাদা রাজ্যের দাবি প্রসঙ্গে দিলীপ মমতার নাম না করেও খোঁচা দেন। বলেন, উনি তো গোর্খাল্যান্ডের দাবিকে জিইয়ে রেখে জিটিএ-তে সই করেছিলেন। তখন প্রশ্ন ওঠেনি? যখন লোকের আওয়াজকে আমরা তুলে ধরেছি, তখন আমরা বিচ্ছিন্নতাবাদী হয়ে গেলাম?

আগস্ট ২১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সঙ্গীদের বাঁচাতে ফোন ভাঙলেন রানা, নোটবুক খুলতেই তদন্তকারীদের হাতে এল বড় সূত্র

মোবাইল ভেঙে ফেলেও রক্ষা হল না! সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে ফোন নষ্ট করেছিলেন বলে জেরায় দাবি করেছেন ধৃত পাক গুপ্তচর রানা রউফ খালিদ। কিন্তু তাঁর নোটবুক থেকেই তদন্তকারীদের হাতে উঠে এসেছে আরও ছয় জন সন্দেহভাজনের নাম। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জন নেপালের বাসিন্দা এবং এক জন বাংলাদেশের বাসিন্দা বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে হাবড়া থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম। তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজকেও তপসিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানার সঙ্গে বিদেশে থাকা কয়েক জন সন্দেহভাজনের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।জেরায় রানা কী তথ্য দিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার সেনা ছাউনি, সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ছাউনি, রেলস্টেশন এবং রেলপথের ছবি, ভিডিয়ো ও মানচিত্র সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠানো হত। এই কাজে তপসিয়ার ইজাজ তাঁকে সাহায্য করতেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।তদন্তকারীদের আরও দাবি, নেপালে থাকা পাঁচ জনের কাছে ওই তথ্য পাঠানো হত। তাঁদের নাম কাশিফ, হানিফ চৌধুরি, সোহায়েল, জেডি এবং হারুণ সফদার বলে রানা তাঁর নোটবুকে লিখে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের বাসিন্দা পাভেলের নামও সেই নোটবুকে পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ছয় জনের সঙ্গে রানার যোগাযোগ ছিল।বিদেশে থাকা ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য মুছে ফেলতেই নেপালে গিয়ে নিজের মোবাইল ভেঙে ফেলেছিলেন বলে জেরায় রানা দাবি করেছেন। তবে দুটি সিম কার্ড নষ্ট করেননি তিনি। সেই সিম কার্ড দুটি তদন্তকারীরা উদ্ধার করেছেন। ফলে মোবাইল নষ্ট করলেও যোগাযোগের সূত্র পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি বলে তদন্তকারীদের অনুমান।জেরায় রানা আরও জানিয়েছেন, কাঠমান্ডুতে কয়েক জনের সঙ্গে বৈঠকের পর বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। বাংলাদেশে পাভেল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর দেখা করার কথা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। যশোরে পৌঁছনোর পর পাভেল তাঁকে একটি নতুন মোবাইল দেওয়ার কথা ছিল। সেই ফোনে দুটি সিম ঢুকিয়ে নেপাল ও পাকিস্তানের সঙ্গে ফের যোগাযোগের পরিকল্পনা ছিল বলে জেরায় উঠে এসেছে।বাংলাদেশ ও নেপালে থাকা ওই ছয় জনের বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দুই দেশের সরকারের কাছে তথ্য পাঠানো হচ্ছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর। তাঁদের সঙ্গে রানার যোগাযোগের ধরন এবং কী ধরনের তথ্য আদানপ্রদান হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, চরবৃত্তির মাধ্যমে তথ্য পাচার করে অর্থ সংগ্রহ করতেন রানা। যদিও গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে মাত্র ৩৫০ টাকা পাওয়া গিয়েছে। হাবড়ার চোংদা বাজারের কাছে ধরা পড়ার পর নিজের আধার ও ভোটার কার্ড দেখিয়ে নিজেকে তপসিয়ার বাসিন্দা ওয়াহাব আলম বলে পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি বলে অভিযোগ।বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রানা প্রথমে অস্বস্তিতে পড়েন বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি পাকিস্তানের নাগরিক বলে স্বীকার করেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর কাছ থেকে সিম কার্ড উদ্ধারের পর মোবাইলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শেষ পর্যন্ত সেটি ভেঙে ফেলার কথাও স্বীকার করেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

সৌরভের বাড়িতে পুলিশ কেন? জিজ্ঞাসাবাদের অভিযোগের পর সরাসরি কেন্দ্রের দিকে আঙুল

পুদুচেরিতে সৌরভ দাসের বাড়িতে পুলিশের যাওয়াকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির অন্যতম মুখপাত্র সৌরভের অভিযোগ, জিজ্ঞাসাবাদের নামে তাঁর পরিবারের সদস্যদের হেনস্তা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি সরকারের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে।সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সৌরভ জানান, কয়েক ঘণ্টা আগে পুদুচেরি পুলিশ তাঁর বাড়িতে যায়। সেখানে পরিবারের সদস্যদের নানা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে অভিযোগ তাঁর। কেন পুলিশ বাড়িতে এসেছিল, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।সৌরভের অভিযোগ, পুদুচেরি পুলিশ কেন এ ভাবে হয়রানি করছে? কে নির্দেশ দিয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে? এটাই কি আইনি প্রক্রিয়া? তাঁর দাবি, শুধুমাত্র তাঁকে ভয় দেখানোর জন্যই পরিবারের সদস্যদের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।ককরোচ জনতা পার্টির এই মুখপাত্রের আরও অভিযোগ, পুদুচেরির বিজেপি সরকার তাঁর পরিবারকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। যদিও তাঁর এই অভিযোগের সমর্থনে কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আনেননি সৌরভ।সৌরভ আরও বলেন, তাঁকে চুপ করানোর জন্য পরিবারের উপর চাপ তৈরি করা হলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না। ভয় দেখিয়ে তাঁর বক্তব্য বন্ধ করা সম্ভব নয় বলেও দাবি করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের ঘটনা বরং আইন মেনে চলা এবং আরও উন্নত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লড়াইকে আরও শক্তিশালী করবে।তবে সৌরভের অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত পুদুচেরি প্রশাসন বা বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে কেন পুলিশ তাঁর বাড়িতে গিয়েছিল এবং সেখানে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর ভারতে থেকে ভুয়ো পরিচয়! বাংলাদেশ পালানোর আগেই হাবড়ায় ধরা পাক গুপ্তচর

ভারতে ১৪ বছর ধরে বসবাস, তৈরি হয়েছিল ভুয়ো ভারতীয় নথি! বাংলাদেশে পালানোর আগেই হাবড়ায় পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে ধরা পড়ল পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তি। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম এবং তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়মের ছবি, একটি মানচিত্র, একাধিক দেশের ফোন নম্বর এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।মঙ্গলবার রাতে যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় হাবড়ার চোংদা মোড়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁরা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে ভারতীয় সেনা, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশে পাঠানোর অভিযোগ সামনে এসেছে।তদন্তকারীদের দাবি, রানা ও ইজাজের কাছ থেকে কলকাতার সেনা সদর দফতর ফোর্ট উইলিয়মের ছবি এবং একটি মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে। সেই ছবি এবং মানচিত্র কী ভাবে তাঁদের হাতে এল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আগামী ১৫ অগস্টের আগে কোনও বড় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে। এই বিষয়ে সেনা গোয়েন্দাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনার গতিবিধি, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ধৃতদের বিরুদ্ধে। পেট্রাপোল ও ঘোজাডাঙা সীমান্ত এলাকায় সেনার গতিবিধি সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। ঠিক কী কী তথ্য কোথায় পাঠানো হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত দুজনের বাড়ি পাকিস্তানের ফয়সলাবাদ জেলার হাফিজাবাদ গ্রামে। ২০১২ সালে নেপালের কাঠমান্ডু সীমান্ত দিয়ে রক্সৌল হয়ে ভারতে ঢোকার পর কলকাতার তপসিয়া এলাকায় বসবাস শুরু করেন রানা। পরে সহযোগী ইজাজের সাহায্যে ওয়াহাব আলম নামে ভুয়ো ভোটার ও আধার কার্ড তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ। পরে বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়ে।রানা একাধিক বার পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে গিয়েছিলেন বলেও তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ হয়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। ১১ অগস্ট বিশেষ সূত্রে রানার গতিবিধি সম্পর্কে খবর পাওয়ার পর নজরদারি শুরু করে বিশেষ তদন্তকারী দল। যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় তাঁদের গতিবিধি নজরে আসে। এর পর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ হাবড়ার চোংদা মোড়ে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের আরও দাবি, বাংলাদেশে ঢোকার আগে কয়েক জন সীমান্ত দালালের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিলেন রানা। তাঁদের কাছ থেকে পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের একাধিক ফোন নম্বর, দুটি সিম কার্ড, একটি নোটবুক এবং বিভিন্ন বার্তার তথ্য উদ্ধার হয়েছে। কিছু তথ্য ও ফোন নম্বর মুছে ফেলার চেষ্টার প্রমাণও মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগের সন্দেহে আগে ধৃত কয়েক জনের সঙ্গেও রানা ও ইজাজের যোগাযোগ ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। রানার ফোনে তাঁদের নম্বরও পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্র ধরে আরও কয়েক জনের নাম তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে খবর। ফলে গত ১৪ বছরে ভারতে থেকে ধৃতেরা ঠিক কী ধরনের কার্যকলাপ চালিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তাঁরা কার আশ্রয়ে ছিলেন, কী ভাবে ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করলেন, তাঁদের অর্থের উৎস কী ছিল এবং সেনা ও রেলের তথ্য কী ভাবে বিদেশে পৌঁছতএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। ফোর্ট উইলিয়মের ছবি ও মানচিত্র উদ্ধারের বিষয়টিও তদন্তে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

ভারত চতুর্থ নয়, ষষ্ঠ! সংসদে মোদি সরকারের দেওয়া নতুন তথ্যে তোলপাড়

ভারতের অর্থনীতি নিয়ে কেন্দ্রের বক্তব্যে বড় চমক। এক সময় ভারতকে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে তুলে ধরা হলেও, রাজ্যসভায় কেন্দ্রের দেওয়া নতুন তথ্য বলছে অন্য কথা। অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরি জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে নমিনাল জিডিপির হিসাবে ভারত বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতি ছিল। এই তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক।রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে পঙ্কজ চৌধুরি জানান, আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের হিসাব অনুযায়ী নমিনাল জিডিপির ভিত্তিতেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির ক্রমতালিকা তৈরি হয়। মার্কিন ডলারের বর্তমান বিনিময়মূল্য, সংশ্লিষ্ট দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং অন্যান্য দেশের আর্থিক পরিস্থিতির মতো একাধিক বিষয়ের উপর এই ক্রমতালিকা নির্ভর করে। তাই কোনও দেশের অবস্থান সময়ের সঙ্গে বদলাতেই পারে।কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপির পরিমাণ ছিল ৩.৯২ লক্ষ কোটি ডলার। সেই হিসাবে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের তালিকায় ভারত ছিল ষষ্ঠ স্থানে। ফলে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে গিয়েছে বলে আগে যে দাবি সামনে এসেছিল, তার সঙ্গে নতুন তথ্যের ফারাক নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে।ভারতের অর্থনীতিকে আরও বড় করার লক্ষ্য অবশ্য বদলায়নি। নরেন্দ্র মোদি সরকার প্রথম থেকেই পাঁচ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখেছে। কেন্দ্রের সেই লক্ষ্য এখনও পুরোপুরি পূরণ হয়নি। তবে অর্থনীতির বর্তমান বৃদ্ধির হার ধরে রাখতে পারলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ভারত সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে বলে বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।বিনিয়োগ সংস্থা জেফ্রিসের একটি অর্থনৈতিক মূল্যায়নেও দাবি করা হয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত পাঁচ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে। পাশাপাশি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তুলে আনার লক্ষ্য নিয়েও জল্পনা রয়েছে।অর্থনীতি নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অন্যতম অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদি সরকার যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে অর্থনৈতিক সমস্যার মোকাবিলা করছে না। নতুন পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসার পর সেই বিতর্ক আরও জোরালো হতে পারে। কারণ, একদিকে ভারত দ্রুত অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠার দাবি, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের হিসাবে ষষ্ঠ স্থানে থাকার তথ্যদুইয়ের মধ্যে ফারাক নিয়েই এখন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, অনন্ত মহারাজকে কি গ্রেপ্তার করা হবে? মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায় তীব্র জল্পনা

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আইন সবার জন্য সমান এবং নেতাজি সম্পর্কে কটূক্তি করলে আইন অনুযায়ী কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এরপরই অনন্ত মহারাজকে ঘিরে গ্রেপ্তারির জল্পনা শুরু হয়েছে।দিনহাটায় একটি কর্মসূচি শেষে অনন্ত মহারাজ নেতাজি এবং আজাদ হিন্দ ফৌজকে নিয়ে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, কোচবিহারের মহারাজার ভূমিকার কারণেই ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আজাদ হিন্দ ফৌজের লড়াই সম্ভব হয়েছিল। একই সঙ্গে নেতাজির নেতৃত্ব এবং আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। নেতাজিকে নিয়ে এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন থানায় অভিযোগ জমা পড়ে। বিতর্ক ক্রমশ বাড়তে থাকায় বুধবার মুখ্যমন্ত্রীকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।জবাবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কোনও ব্যক্তির নাম না করে স্পষ্ট করে দেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হবে। নেতাজি সম্পর্কে কটূক্তি বা অসম্মানজনক মন্তব্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানান। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধেও এবার কঠোর পদক্ষেপ হতে পারে?এই পরিস্থিতিতে নিজের বক্তব্য নিয়ে সুর কিছুটা নরম করেছেন অনন্ত মহারাজ। তাঁর দাবি, তিনি কারও নামে বদনাম করেননি এবং কোনও মিথ্যা বা মনগড়া কথা বলেননি। তাঁর বক্তব্য, তিনি ইতিহাসের কথাই বলেছেন এবং কাউকে গালাগালি করেননি।অনন্ত মহারাজ আরও জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর কোনও কথা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন, সেটি তাঁর বিষয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।তবে মুখ্যমন্ত্রীর আইন সবার জন্য সমান বার্তার পর অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। ইতিমধ্যেই দায়ের হওয়া অভিযোগগুলির ভিত্তিতে তদন্ত কতদূর এগোয় এবং নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের ঘটনায় আইনগত কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ১২, ২০২৬
কলকাতা

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে বড় ঘোষণা, ১৭ অগস্ট থেকেই কার কার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা?

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ১৭ অগস্ট থেকে যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই যাঁদের যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, তাঁদের পাশাপাশি নতুন আবেদনকারীরাও এই সুবিধা পাবেন।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা নিয়ে একদিকে যেমন অনেক মহিলা টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করেছিলেন, অন্যদিকে আবার যোগ্য নন এমন ব্যক্তিদেরও টাকা পাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণেই উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু করে রাজ্য সরকার।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ১৩ অগস্ট পর্যন্ত এই যাচাইয়ের কাজ চলবে। যাঁদের নাম এবং তথ্য যাচাই হয়ে গিয়েছে, তাঁদের অ্যাকাউন্টে ১৭ অগস্ট থেকেই টাকা পাঠানো হবে। নতুন করে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁরাও নির্ধারিত নিয়ম মেনে এই সুবিধা পাবেন।শুধু প্রথম দফার টাকা নয়, প্রতি মাসে যাতে নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পৌঁছয়, সেই বিষয়েও বড় বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই অর্থ দফতরের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, সরকারি প্রকল্পের টাকা নিয়ে কোনও ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। যোগ্য উপভোক্তাদের চিহ্নিত করেই টাকা দেওয়া হবে। গত সরকারের আমলে বিভিন্ন আর্থিক প্রকল্পে যে ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল, নতুন সরকারের আমলে তা কোনওভাবেই হতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে ইতিমধ্যেই যে তথ্য যাচাই শুরু হয়েছে, সেটিও নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই করা হচ্ছে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছবে। ফলে ১৭ অগস্ট থেকে শুরু হওয়া টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়ায় নজর থাকছে রাজ্যের বহু মহিলার।

আগস্ট ১২, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি শংসাপত্রে বড় ধাক্কা! ২০১০-এর পরের সব শংসাপত্র বাতিল, কারা এবার সাধারণ শ্রেণিতে?

ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘদিনের মামলায় বড় সিদ্ধান্ত কলকাতা হাই কোর্টের। বুধবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি শ্রেণির সব শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে রাজ্যে ওই দুই আলাদা শ্রেণির ওবিসি শংসাপত্র আর কার্যকর থাকল না।২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে মামলা গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। পরে মামলাটি ফের কলকাতা হাই কোর্টে ফিরে আসে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতেই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল আদালত।২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ওবিসির জন্য ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি নামে দুটি শ্রেণি তৈরি করেছিল। এই ব্যবস্থা নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণিকে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল।মামলাটি আগে কলকাতা হাই কোর্টে উঠলে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ওই শংসাপত্রগুলির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং সেগুলি বাতিলের নির্দেশ দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তৎকালীন রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। শীর্ষ আদালত পরে মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল।এর মধ্যে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে। নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওবিসি সংক্রান্ত মামলাটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে অবস্থান বদল করা হয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাই কোর্টে বিশেষ বেঞ্চের মাধ্যমে মামলার শুনানি ফের শুরু হয়।এবার সেই শুনানিতেই ২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে ওই সময়ের মধ্যে এই দুই শ্রেণির শংসাপত্র পাওয়া ব্যক্তিদের সামনে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে তাঁদের সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট সুবিধার ভবিষ্যৎ নিয়ে।মামলার এই রায়ের ফলে রাজ্যের ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে চাকরি, শিক্ষা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধার ক্ষেত্রে এই রায়ের প্রভাব কতটা পড়বে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
টুকিটাকি

এ এক অন্য রান্নার গল্প: কচু বাটা, এই স্বাদের সত্যিই কোনও ভাগ হয় না

রান্না শুধু পেট ভরানোর কাজ নয়, এটি স্মৃতি, ভালোবাসা আর সৃষ্টির এক সুন্দর প্রকাশ। বাঙালির রান্নাঘরে এমন অনেক পদ আছে, যার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে শৈশবের স্মৃতি, মায়ের হাতের স্বাদ আর পরিবারের একসঙ্গে বসে খাওয়ার আনন্দ। তেমনই একটি সহজ অথচ অসাধারণ স্বাদের পদ হলো কচু বাটা।কচু বাটা নাম শুনলেই মনে পড়ে যায় গ্রামের রান্নাঘর, মাটির উনুনের আঁচ আর সরল অথচ সুস্বাদু খাবারের কথা। কচুর মধ্যে লুকিয়ে থাকা মাটির গন্ধ ও নিজস্ব স্বাদকে মশলার সঙ্গে মিশিয়ে যে অপূর্ব পদ তৈরি হয়, তা সত্যিই বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ।কচু পরিষ্কার করা থেকে শুরু হয় এই রান্নার গল্প। কচু কাটার সময় অনেকের হাত চুলকায়, তাই সাবধানে তা পরিষ্কার করতে হয়। তারপর কাঁচা কচুকে গ্রিড করে নিতে হবে। কালো ও সাদা সর্ষে, কাঁচালঙ্কা, নুন, নারকেল, পোস্ত, কাজু বাদাম যোগ করলে এতে স্বাদ আরও বেড়ে যায়। সব কিছু একসঙ্গে নিয়ে মিক্সারে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর কড়াইতে পরিমান মতো সর্ষের তেল নিতে হবে। এবার গরম সর্ষের তেলে ফ্রাই করে নিলেই কচু বাদা অমৃতে পরিনত হবে। কচু বাটা যখন গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়, তখন তার সরল স্বাদ মন ছুঁয়ে যায়। প্রথম গ্রাসেই মনে হয় এ যেন শুধু খাবার নয়, পুরনো দিনের এক টুকরো স্মৃতি। দুপুরের শান্ত সময়ে ভাতের সঙ্গে কচু বাটা, পাশে একটু ডাল বা ভাজা, এই সাধারণ খাবারেও লুকিয়ে থাকে এক গভীর তৃপ্তি।আজকের ব্যস্ত জীবনে অনেক নতুন নতুন রান্নার ভিড়ে কচু বাটার মতো দেশি পদ আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমাদের শিকড়ের কথা। রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে তৈরি করা এই পদে যেমন শ্রম আছে, তেমনই আছে ভালোবাসা ও আনন্দ। কচু বাটা তাই শুধু একটি রান্না নয়, এটি বাঙালির ঘরের স্বাদ, স্মৃতি আর ভালোবাসার এক ছোট্ট গল্প। এর স্বাদ সত্যিই কোনও ভাবে ভুলে যাওয়ার নয়।কচু বাটা: উপকরণমান কচু, নারকেল, কালো সর্ষে, সাদা সর্ষে, পোস্ত, কাদুবাদাম, নুন, চিনি, লঙ্কা।

আগস্ট ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal