• ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Court

কলকাতা

রামপুরহাট কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা হাইকোর্টে

রামপুরহাট কাণ্ডে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করল কলকাতা হাইকোর্ট। আজই শুনানি হবে মামলাটির। বেলা ২টোয় শুনানি। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা গ্রহণ করে আদালত রামপুরহাট কাণ্ডকে কড়া ভাষায় নিন্দা করে। রামপুরহাটের ঘটনাকে শকিং, ঘোরতর অপরাধ বলে উল্লেখ করে আদালত। এই ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলে।প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই রামপুরহাট কাণ্ডে উপপ্রধান খুন ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায়, দুটি পৃথক মামলা রুজু হয়েছে। জোড়া মামলার তদন্ত করছে সিট। আজ সব মামলারই একসঙ্গে শুনানি হবে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। এখনও পর্যন্ত রামপুরহাটে কাণ্ডে ইতিমধ্যেই মোট ২৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে ২২ জনকে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদিকে, উপপ্রধান খুনে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মার্চ ২৩, ২০২২
দেশ

বাধ্যতামূলক নয় হিজাব, জানাল কর্নাটক হাইকোর্ট

বড় ধাক্কা খেলেন হিজাবের পক্ষে আন্দোলনরত পড়ুয়ারা। হিজাব পরা বাধ্যতামূলক ধর্মীয় অনুশীলন নয়, রায় দিল কর্নাটক হাইকোর্ট। খারিজ হয়ে গেল হিজাব পরা নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে হাইকোর্টে দায়ের হওয়া সমস্ত পিটিশন। এর ফলে হাইকোর্টে জয় হল রাজ্য সরকারেরই।গোলমালের আশঙ্কা করে কর্নাটক সরকার এক সপ্তাহের জন্য বেঙ্গালুরু শহরে বড় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ম্যাঙ্গালুরুতেও ১৫ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ সমস্ত বড় জমায়েত। হিজাব বিতর্কের ভরকেন্দ্র উদুপিতে মঙ্গলবার বন্ধ সমস্ত স্কুল, কলেজ।গত পয়লা জানুয়ারি কর্নাটকের উদুপিতে একটি প্রি-ইউনিভার্সিটিতে কয়েকজন হিজাব পরিহিত পড়ুয়াকে ক্লাসে বসতে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। কলেজ উন্নয়ন সমিতির সভাপতি বিজেপি বিধায়ক রঘুপতি ভাট স্পষ্ট জানিয়ে দেন, হিজাব পরিহিতরা ক্লাসে ঢুকতে পারবেন না। সেই বিতর্ক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে রাজ্য জুড়ে। হিজাবের পাল্টা হিসেবে গেরুয়া উত্তরীয় পরে আন্দোলন শুরু করে একাধিক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। কয়েকটি জায়গায় হিজাবের পক্ষে-বিপক্ষে আন্দোলনকারীরা মুখোমুখি হয়ে পড়ে। পুলিশের সঙ্গেও একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কয়েকটি জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। শান্তির আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। সমস্ত স্কুল, কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়।

মার্চ ১৫, ২০২২
রাজ্য

আনিস-মৃত্যু তদন্তে রাজ্য পুলিশেই ভরসা হাইকোর্টের

ছাত্রনেতা আনিস খানের দ্বিতীয়বার ময়না তদন্তের রিপোর্টও ইতিমধ্যেই এসেছে বলে সূত্রের খবর। সেখানে আনিসের মৃত্যুর কারণ খুব স্পষ্ট নয় বলে সূত্রের দাবি। এরইমধ্যে সোমবার রাজ্য পুলিশের হাতে এই ঘটনার তদন্তভার রাখার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সিটই এই ঘটনার তদন্ত করবে। বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা এদিন বলেন, আপাতত রাজ্য পুলিশ আনিসের মৃত্যুর তদন্ত করবে।অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ বিচারপতির, রাজ্যের পুলিশ পৃথিবীর কারও থেকে কম নয়, যদি কেউ তাদের বাধা না দেয়। নিজেদের প্রমাণ করার সময় এটা। তারাই এই ঘটনার তদন্ত করবে। আগামী একমাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৮ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।এদিন আদালত জানিয়ে দিয়েছে, অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ ক্ষেত্র ছাড়া এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলে তদন্তের সময়সীমা বাড়ানো হবে না। একইসঙ্গে তদন্তকারীদের এক সপ্তাহের মধ্যে ফরেনসিক রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। স্বচ্ছতার সঙ্গে এবং কোনওভাবে প্রভাবিত না হয়ে তদন্ত করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা।

মার্চ ১৪, ২০২২
রাজ্য

বিজেপি-র ডাকা বাংলা বন্ধে মিছিল পাল্টা মিছিলে সরগরম শহর বর্ধমান

বাংলা বন্ধ সফল করতে বর্ধমান আদালতের আইনজীবী ও ল-ক্লার্ক দের সেরেস্তা বন্ধ করানোর জন্য সোমবার আসরে নামে বিজেপি কর্মীরা। যদিও তা সফল করতে তারা ব্যর্থ হয়। তবে এদিন জোরপূর্বক বর্ধমন শহরের দোকান বাজার বন্ধ করার চেষ্টা না করে বিজেপি শহরে মিছিল করে। বর্ধমান শহরের বিরহাটার ক্লক টাওয়ার থেকে এক প্রতিবাদ মিছিল বের হয়ে জি টি রোড পরিক্রমা করে সিটি টাওয়ারে শেষ হয়। মিছিলে অংশ নেন দলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ তা, সন্দীপ নন্দী, অঞ্জন মুখার্জি সহ অন্যান্য নেতারা। অভিজিৎ তা বলেন, যেভাবে রবিবার রাজ্যজুড়ে গণতন্ত্র লঙ্ঘিত হয়েছে তার প্রতিবাদে এই বনধ সমর্থনে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। এদিন বন্ধের সমর্থনে আদালত চত্বরে প্রচার করেন বিজেপি কর্মীরাও।আদালত চত্ত্বরে আইনজীবী ও ল-ক্লার্ক দের বিভিন্ন সেরেস্তা বন্ধ করার জন্য আবেদন জানান বিজেপি কর্মীরা। যদিও আজ বিজেপির ডাকা ১২ঘন্টার বন্ধে কোনও প্রভাব পড়েনি পূর্ব-বর্ধমান জেলায়। সকাল থেকে বাজার হাট খোলা রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বাস চলাচল স্বাভাবিক আছে। অন্যান্য যানবাহন চলাচল করছে।বিজেপির পাল্টা বাংলা বন্ধের বিরোধিতায় এদিন বর্ধমান শহরে মিছিল করল শাসকদল। টাউনহল থেকে শুরু হওয়া তৃণমূলের মিছিল বর্ধমান শহরের জি টি রোড; বি সি রোড পরিক্রমা করে রাজবাটিতে পৌছায়। সেখানে মিছিল শেষ হয়। মিছিলে ছিলেন দলের শহর সভাপতি অরূপ দাস, বিধায়ক খোকন দাস সহ অন্যান্যরা। তাঁরা বলেন, বিজেপির ডাকা বনধ ব্যর্থ করে জনজীবন স্বাভাবিক রাখার জন্য আবেদন জানিয়ে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টার বিরোধিতা করে এদিন তৃণমূল কংগ্রেস মিছিল করেছে।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
কলকাতা

পুরভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, বিজেপির আবেদন খারিজ সুপ্রিম কোর্টেও

আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি পুরভোট রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভায়। এই নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়ার আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য বিজেপি। আগেই হাইকোর্টে সেই আর্জি খারিজ হয়ে গিয়েছে। নির্বাচনের নিরাপত্তার জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের ওপরেই ভরসা করতে বলেছে হাইকোর্ট। আর এবার সেই একই নির্দেশ শীর্ষ আদালতের। রাজ্যের ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।বিজেপির পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে আবেদনে বলা হয়েছে, ১০৮ পুরসভার নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেই সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন জানায় বিজেপি। বিভিন্ন জেলা থেকে বিরোধীরা হামলার অভিযোগ তুলেছেন। অন্য একটি মামলায় বিজেপি প্রার্থীরা নিরাপত্তার অভাবের কথাও জানিয়েছেন আদালতে। এই সব অভিযোগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল বিজেপি।এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে বলা হয়েছে, যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন, তাহলে কেন দেওয়া হল না, সেই কারণ আদালতে জানাতে হবে কমিশনারকে। আর তারপর যদি ভোটের দিন কোনও অশান্তির অভিযোগ ওঠে, তাহলে তার দায় নিতে হবে কমিশনারকেই।কমিশন সূত্রের খবর, ১০৮ পুরসভার ভোটের দায়িত্বে থাকবে রাজ্য পুলিশই। মোতায়েন করা হবে ৪৪ হাজার পুলিশ। প্রতি বুথে থাকবে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী। প্রাথমিকভাবে স্থির হয়েছে, প্রতিটি বুথে সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষী থাকবে। এছাড়াও স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স, ইএফআর জওয়ান, র্যা ফের তত্ত্বাবধানে থাকবে বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

আনিস হত্যায় সিটের হাতেই তদন্তভার বহাল রাখল হাইকোর্ট, দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ

আনিস হত্যা-কাণ্ডের তদন্তে সিটের উপরেই আস্থা রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি, রাজ্যের দাবি মেনে ছাত্রনেতার দেহের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিল আদালত। তবে তা হাওড়ার জেলা আদালতের বিচারকের তত্ত্বাবধানে হবে।শুক্রবার মধ্যরাতে হাওড়ার আমতায় আনিস খানের মৃত্যুতে রাজ্য জুড়ে বিক্ষোভের আবহে সোমবার স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে ওই মামলা গ্রহণ করে উচ্চ আদালত। ওই মামলায় সোমবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা রাজ্যের থেকে তিন দিনের মধ্যে আনিসের মৃত্যুর ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছিল। তার ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে আনিস-মামলার শুনানি ছিল। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় আদালতকে জানান, আনিস-কাণ্ডের তদন্তে যে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে, ওই সিটের সদস্যেরা প্রত্যেকেই অভিজ্ঞ। তাঁদের প্রত্যেকের সিআইডি-তে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এরই সঙ্গে তিনি জানান, ওই দলে বিভিন্ন ক্ষেত্রের আরও সাত জন রয়েছেন।এর পরেই বিচারপতি মান্থা জানান, আনিস-কাণ্ডের তদন্তে সিটের উপরেই আস্থা রাখা হচ্ছে। সেই সঙ্গে আনিসের দেহের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্ত করা হবে। যার তত্ত্বাবধানে থাকবেন হাওড়া জেলা আদালতের বিচারক। দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের সময় ওই বিচারক বা তাঁর মনোনীত কোনও ব্যক্তিকে উপস্থিত থাকতে হবে।আদালতের তরফে জানানো হয়, তদন্তের স্বার্থে আনিসের পরিবারের থেকে মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করে হায়দরাবাদে পাঠানো হবে। সেখানে সেন্ট্রাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে মোবাইল ফোনটির পরীক্ষা করা হবে। মোবাইল পরীক্ষার সময় উপস্থিত থাকতে হবে ন্যাশনাল ইনফর্মেটিক সেন্টারের এক জন প্রতিনিধিকে। জেলা বিচারকদের পর্যবেক্ষণে মোবাইলের তথ্য বন্ধ খামে আদালতে জমা দিতে হবে। পাশাপাশি, এই মামলায় সাক্ষীদের নিরাপত্তা দিতে বলেছে আদালত। হাইকোর্টের নির্দেশ, সিটকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ ডি মামলায় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট তলব

গ্রুপ সি-র পর এবার এসএসসি-র গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলাতেও সিবিআই অনুসন্ধানে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। একই সঙ্গে জানাল ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে এই মামলার রিপোর্ট কমিটিকে জমা দিতে হবে আদালতের কাছে।স্কুলের গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি স্তরের কর্মী নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে প্রায় ৮০০ জনের চাকরি বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ওই ঘটনার সিবিআই তদন্তেরও নির্দেশ দেয় একক বেঞ্চ। তবে রাজ্য একক বেঞ্চের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে যায়। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দুই বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতি মামলাটিতেও স্থগিতাদেশ দেয়।প্রসঙ্গত, গ্রুপ ডি পদে যে ৫৭৩ জনের নিয়োগ দুর্নীতির মামলা হয়েছে তাতে অন্তর্বর্তিকালীন স্থগিতাদেশ শুক্রবার পর্যন্ত বজায় রাখল কলকাতা হাইকোর্ট। পরবর্তী শুনানি আগামী বৃহস্পতিবার।আদালতের আরও নির্দেশ, আদালতের কাছে জমা পড়া ভুয়া নিয়োগ সুপারিশপত্র সঙ্গে বাগ কমিটির কাছে থাকা নথি মিলিয়ে দেখতে চায় ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, বৃহস্পতিবার কমিটির কোনও প্রতিনিধি তাদের কাছে জমা পড়া নিয়োগ সুপারিশপত্রের কিছু নমুনা মুখবন্ধ খামে জমা দেবে আদালতে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২২
কলকাতা

আনিস খান হত্যা মামলা এবার হাইকোর্টে

ছাত্রনেতা আনিস খান হত্যাকাণ্ডের জল গড়াল কলকাতা হাইকোর্টেও। রহস্যমৃত্যুর আসল কারণ কী, তা জানতে স্বতঃপ্রণোদিত মামলার আরজি জানিয়ে হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন আইনজীবী কৌস্তুভ বাগচি। দুপুর ২টোয় লিখিত পিটিশন জমা দেওয়ার নির্দেশ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের। এদিকে, ঘটনার তদন্তে আমতায় ছাত্রনেতার বাড়িতে পৌঁছন ডিএসপি ডিএনটি সুব্রত ভৌমিক। নিহতের বাবা সালাম খানের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এদিকে এই ঘটনায় এবার হস্তক্ষেপ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী পুলক রায়ের মাধ্যমে আনিসের বাবাকে নবান্নে ডেকে পাঠিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার দুপুর তিনটে নাগাদ নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে যাবেন আনিসের পরিজনেরা।সোমবার আনিসের বাড়িতে পৌঁছন ডিএসপি সুব্রত ভৌমিক। আমতা থানার ওসি দেবব্রত চক্রবর্তীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখানে রাজ্য সরকারের চাকরির প্রস্তাব তাঁর বাবাকে দেওয়া হয়। যদিও তিনি আগে বিচার চেয়ে বসেছেন। দুদিন কেটে গেলেও এখনও অধরা অভিযুক্ত। এই ঘটনায় হয়নি কেউই। উল্লেখ্য, সোমবার আনিসের বাড়িতে ভর্তি পুলিশ। আনিস আগে পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছিলেন বলে পরিবারের দাবি। তিনি হুমকি পাচ্ছিলেন। পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টিতে কোনও গুরুত্বই দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

উঠল কোভিড ছাড়, এখন থেকে পুরো বেতন দিতে হবে বেসরকারি স্কুলগুলোকে

করোনা আবহ কেটে গিয়েছে। তাই এবার স্কুলগুলির টিউশন ফি-র উপর থেকে ছাড় দেওয়াও শেষ। আগামী মাস থেকেই এই টিউশন ফি ছাড়ে ইতি পড়তে চলেছে। ১ মার্চ থেকে টিউশন ফি ঠিক করবে সংশ্লিষ্ট স্কুলই। অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রে স্কুলগুলি আবার নিজেদের মতো করে বেতন চাইতে পারবে পড়ুয়াদের অভিভাবক-অভিভাবিকাদের থেকে। শুক্রবার এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ইন্দ্র প্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ।কোভিডের বাড়বাড়ন্ত নিয়ন্ত্রণ আনতে রাজ্য সরকার লকডাউন ঘোষণা করে। সেই সময় বন্ধ থাকা সত্ত্বেও বেসরকারি স্কুলগুলি ফি নিতে থাকে। এর বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা করেন অভিভাবকরা। ২০২০ সালে ওই মামলার প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল বেসরকারি স্কুলগুলির পড়ুয়ারা ৮০ শতাংশ বেতন দেবে। একই সঙ্গে আদালত বলে, বেসরকারি বেতন নিয়ে যত বিতর্ক থাকুক, কোনও পড়ুয়াকে স্কুল থেকে বিতাড়িত করা যাবে না। এই সঙ্গে প্রতিটি পডুয়াকে পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিতে হবে।পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হাওয়ার ফলে শুক্রবার আদালত নির্দেশ দিয়েছে পড়ুয়াদের এখন থেকে ফি ও অন্যান্য চার্জ-সহ পুরো বেতনই দিতে হবে। এর সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, বকেয়া ফি-র ৫০ শতাংশ অভিভাবকদের স্কুলগুলিকে দিতে হবে। আগামী ২৫ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি।হাইকোর্টের নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলিই নিজেদের মতো করে স্থির করতে পারবে টিউশন ফি। এ ক্ষেত্রে আদালত জানিয়েছে, করোনা পরিস্থিতি অতিক্রম করে এসে স্কুলগুলি খুলে গিয়েছে। সেই জন্য এবার থেকে আগের মতোই পুরো ফি স্কুলগুলিকে দিতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
কলকাতা

জগদীপ ধনখড়ের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা খারিজ করল হাইকোর্ট

রাজ্যপালের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। শুক্রবার সেই মামলা খারিজ করে দিল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ এদিন জানায়, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে রক্ষাকবচ দিয়েছে সংবিধান। সংবিধানের ৩৬১ নম্বর ধারা অনুযায়ী রাজ্যপালকে নোটিস দেওয়া যায় না। আদালতের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য নন রাজ্যপাল। তাই রাজ্যপালের বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ করে দিল আদালত।রাজ্যপালের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। মামলাটি করেন আইনজীবী রমাপ্রসাদ সরকার। তাঁর বক্তব্য ছিল, এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে সরকারি কাজে বাধা দিচ্ছেন রাজ্যপাল। রাজ্যপাল সংবিধান বহির্ভূত কাজ করছেন বলেও আদালতে জানান মামলাকারী।অন্যান্য কাজের থেকে রাজ্য সরকারের সমালোচনায় তাঁর বেশি আগ্রহ। এদিন আদালত সেই মামলাই খারিজ করে দিয়েছে।প্রসঙ্গত, রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে এর আগে একাধিকবার সরব হয়েছে এ রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল। রাজ্যপালকে সরানোর দাবিতে সংসদে স্বতন্ত্র প্রস্তাবও আনা হয়। আপাতত এই স্বতন্ত্র প্রস্তাব নিয়ে এগোনোর জন্য রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের সম্মতি প্রয়োজন। তিনি যদি এতে সম্মতি দেন তারপরই এই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। এই চিঠির মুখ্য বিষয়ই হল, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে যেন ফিরিয়ে নেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতিই যেহেতু এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, তাই চিঠিতে তাঁর কাছেই সে আবেদন জানানো হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
কলকাতা

এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগ মামলায় সিবিআই অনুসন্ধানেও স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

গ্রুপ সি নিয়োগ মামলায় এখনই সিবিআই অনুসন্ধান নয়। এখনই কারও চাকরিও যাচ্ছে না। শুক্রবার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডনের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এই নিয়োগের ক্ষেত্রে কোথাও একটা দুর্নীতি হয়েছে ঠিকই। তবে এখনই সিবিআই অনুসন্ধান বা কারও চাকরি যাওয়ার নির্দেশ বহাল রাখছে না আদালত। আগামী মঙ্গলবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।চলতি সপ্তাহে ৩৫০ জন গ্রুপ সি কর্মী নিয়োগ ঘিরে প্রশ্ন ওঠে আদালতে। ৩৫০ জনের বেতন বন্ধের নির্দেশ দেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। একইসঙ্গে এই নিয়োগ ঘিরে সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন। এর আগে গ্রুপ ডি নিয়োগের মামলাতেও একই ধরনের নির্দেশ দিয়েছিলেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। মূলত, ৩৫০ জনের নিয়োগ ভুয়ো বলে মামলা দায়ের হয়। অবিলম্বে তাঁদের বেতন বন্ধ করার কথা বলেন বিচারপতি।সরকারি আইনজীবী অনির্বাণ রায় বলেন, মামলার আবেদনপত্রে সামান্য ত্রুটি রয়েছে। এই মামলায় স্কুল সার্ভিস কমিশন এবং পর্ষদকে যুক্ত করা হয়নি। তাদের যুক্ত করতে বলেছে আদালত। অন্যদিকে মামলাকারীদের আইনজীবী সুদীপ্ত দাশগুপ্ত আবেদন করেন, মামলাটি মঙ্গলবার শুনানির জন্য রাখা হোক। এই মুহূর্তে স্থগিতাদেশে তাঁদের কোনও আপত্তিও নেই বলেই জানান তিনি। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, এটা দুর্ভাগ্যজনক। এদিন বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন বলেন দুর্নীতি হয়েছে। তবে আপাতত স্থগিতাদেশ সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
কলকাতা

নজিরবিহীন নির্দেশ হাইকোর্টের, ৩৫ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বাকে গর্ভপাতের অনুমতি

৩৫ সপ্তাহের গর্ভবতী এক মহিলাকে গর্ভপাতের অনুমতি দিল হাইকোর্ট। শারীরিক সমস্যার কারণেই এই অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট এই নজিরবিহীন নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতি রাজা শেখর মান্থার বেঞ্চে ছিল এই মামলার শুনানি। গর্ভপাতের জন্য নিজেই আবেদন করেছিলেন ওই মহিলা। তাঁর হয়ে আদালতে সওয়াল করেন আইনজীবী সুতপা সান্যাল। রাজ্য সরকারের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী অমিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। মূলত শারীরিক অবস্থার কথা মাথায় রেখেই এই গর্ভপাতে অনুমোদন দেয়নি রাজ্য সরকার। এরপরই ওই মহিলা আদালতের দ্বারস্থ হন।আদালতের নির্দেশে এ ভাবে গর্ভপাত করানোর ঘটনা নতুন নয়। যদিও ৩৫ সপ্তাহ পর এই অনুমতি অনেকটাই নজিরবিহীন। গর্ভবতী মহিলার সম্মত্তি নিয়েই বুধবার এই নির্দেশ দিয়েছে সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি রাজা শেখর মান্থা।উত্তর কলকাতার বাসিন্দা এক মহিলা এই আবেদন জানিয়েছিলেন। বিয়ের পর থেকেই শারীরিক সমস্যা ছিল তাঁর। বেশ কয়েক বছর কেটে গেলেও সন্তান হয়নি তাঁর। অবশেষে অনেক চিকিৎসার পর তিনি গর্ভবতী হন। কিন্তু সন্তান গর্ভে ধারণ করার পর থেকেই শুরু হয় ফের সমস্যা। সময় যত বাড়তে থাকে সমস্যাও তত বাড়তে থাকে।মামলাকারী বর্তমানে ৩৫ সপ্তাহের গর্ভবতী। বহু বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়ে দিয়েছেন শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে পারে তাঁর। যদি না এই মুহূর্তে গর্ভপাত করানো হয়, তাহলে মায়ের জীবনের ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। গর্ভস্থ সন্তানেরও শারীর সমস্যা রয়েছে। তাই গর্ভপাতের আবেদন নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা।২০২১ সালের গর্ভপাত আইন সংশোধনী অনুযায়ী, ধর্ষিতা, নাবালিকা, শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে অথবা স্বামী মারা গিয়েছেন বা ডিভোর্স হয়েছে, এমন প্রসূতিদের গর্ভপাত করানো যাবে ২৪ সপ্তাহের মধ্যে। গর্ভস্থ ভ্রূণের বিশেষ ত্রুটি থাকলেও করানো যাবে গর্ভপাত। জীবনের ঝুঁকি থাকলেও এই আইন প্রযোজ্য। সব ক্ষেত্রেই একটি মেডিক্যাল বোর্ড শারীরিক অবস্থা দেখে চূড়ান্ত অনুমতি দেবে। সেই অনুসারেই ৩৪ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে এদিন গর্ভপাতের অনুমতি দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
কলকাতা

সমস্ত ব্যাংকে বাংলায় পরিষেবার দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করল বাংলা পক্ষ

রিজার্ভ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটা ব্যাংককে সেই রাজ্যের ভাষাতেও পরিষেবা দিতে হবে। অর্থাৎ বাংলার সমস্ত ব্যাংকে বাংলা পরিষেবা দেওয়াই আইন। না দেওয়া বেআইনি। অথচ বাংলায় ব্যবসা করা অধিকাংশ ব্যাংকই বাংলা ভাষায় পরিষেবা দেয় না। ২০১১-র আদমশুমারী অনুযায়ী বাংলায় ৮৬% বাঙালি এবং বাঙালিদের মধ্যে ৮২% বাঙালি বাংলা ছাড়া অন্য ভাষা জানে না। ব্যাংকগুলো শুধুমাত্র হিন্দি ও ইংরেজিতে পরিষেবা দেয়, সমস্যায় পড়ে সাধারণ বাঙালি। নিজের মাটিতে কেন বঞ্চিত হবে বাঙালি? বাংলায় পরিষেবার দাবিতে গত চার বছরে প্রায় ৮০০ ব্যাংকে ডেপুটেশন দিয়েছে বাংলা পক্ষ।যাতে সমস্ত ব্যাংকে বাংলা ভাষায় পরিষেবা পাওয়া যায়, সেই দাবিতে আজ ১৭ ই ফেব্রুয়ারী বাংলা পক্ষর তরফে শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জনস্বার্থ মামলা দাখিল করল কলকাতা হাইকোর্টে প্রধান বিচারপতির কোর্টে। বাংলা পক্ষর লিগ্যাল টিম এই বিষয়ে কাজ করেছে, নেতৃত্বে হাইকোর্টের আইনজীবী প্রসেনজিৎ দেবনাথ। আইনজীবী প্রসেনজিৎ দেবনাথ, সাগ্নিক ভট্টাচার্য ও পুনম বসু এই মামলা দায়ের করেন। কোর্টে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় ও শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি ও অন্যান্যরা।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২২
কলকাতা

১০৮ পুরসভার ভোট গণনা ২ মার্চ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কমিশনকে প্রশ্ন হাইকোর্টের

২ মার্চ ১০৮ টি পুরসভার ভোটগণনা। বিজ্ঞপ্তিতে জানাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। স্ক্রুটিনির জন্য আরও এক দিন বরাদ্দ। ২৭ ফেব্রুয়ারি যে ১০৮ পুরসভার ভোট, তার গণনার দিন আগে ঘোষণা করা হয়নি। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিল, ২ মার্চ ১০৮ পুরসভার ভোটগণনা হবে।এক্ষেত্রে যদি চার পুরসভার ভোটের কথা উল্লেখ করা যায়, তাহলে দেখা যাবে ১২ ফেব্রুয়ারির পর ১৪ ফেব্রুয়ারি, মাত্র এক দিন পরই গণনার দিন স্থির হয়েছিল। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠেছিল, যে দিন ভোট হল, সেই রাতেই মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে কীভাবে স্ক্রুটিনি করা সম্ভব? কারণ যদি পুনর্নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা থাকে, তাহলে সেটা একদিন পরই করতে হবে। কোথাও হয়তো পুনর্নির্বাচনের ভাবনা নেই, তাই কমিশন এই ধরনের পদক্ষেপ করেছে। এমনও অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধীরা। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন বিরোধীদের আগের দাবি মেনে স্ক্রুটিনির জন্য এক দিন সময় বাড়াল।এদিকে, ১০৮ পুরসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দেওয়া যায় কি না, জানাতে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিজেপির দায়ের করা মামলায় নির্দেশ প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের। একই সঙ্গে দুয়ারে সরকার, পাড়ায় পাড়ায় সমাধান প্রকল্প ওই পুরএলাকায় বন্ধ রাখা যায় কিনা, তাও জানাতে হবে রাজ্যকে। আগামী সোমবার এই মামলার শুনানি। তার মধ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।বিরোধীদের অভিযোগ সম্পর্কে কী ভাবছে রাজ্য সরকার, তা মামলার শুনানিতে জানতে চায় আদালত। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজনীয়তা আছে? দুয়ারে সরকার পাড়ায় পাড়ায় সমাধান কর্মসূচি বন্ধ রাখা যায়? সে বিষয়ে তথ্য চায় হাইকোর্ট। রাজ্য সরকার এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে এই মর্মে হলফনামা জমা দিতে বলা হয়। আগামী সোমবার মামলার শুনানি। ওইদিনই হলফনামা জমা দিতে হবে। এছাড়াও রাজ্যের চার পুরনিগমের ভোটকেন্দ্রগুলির সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২২
কলকাতা

গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলায় অনুসন্ধান কমিটিই ভেঙে দিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ

বেনজির নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। স্কুলের গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির তদন্তে সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। ডিভিশন বেঞ্চ সিবিআইয়ের বদলে অনুসন্ধান কমিটিকে দিয়ে তদন্ত করতে বলে। কিন্তু কমিটি কোনও কাজ করছে না, এই কারণ দেখিয়ে মঙ্গলবার সে কমিটি ভেঙে দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। বারবার নির্দেশের পরও কেন সেই কমিটি রিপোর্ট দেয়নি তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিটি ভেঙে দেয় সিঙ্গল বেঞ্চ। কেন অনুসন্ধান কমিটি কাজ করছে না, তাও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন বিচারপতি। বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য, কমিটি এভাবে আসলে আদালতকেই অসম্মান করছে। কমিটি কেন রিপোর্ট দেয়নি সে ব্যাপার জানাতেও ব্যর্থ হয়েছে। কমিটি গত দুমাস ধরে কোনও কার্যকরী অনুসন্ধান করেছে কি না, তা নিয়েও বিচারপতি এদিন সন্দেহ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে বলেন, মঙ্গলবার থেকে কমিটির অফিসের বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা থাকবে। সিবিআই যতক্ষণ না সেখানে গিয়ে কাগজপত্র নিচ্ছে।পাশাপাশি এতদিন যে বেতন তাঁরা পেয়েছেন, তা ফেরানোর কথাও বলা হয়। বিষয়টি সিবিআই অনুসন্ধানের কথাও বলেন বিচারপতি। এরপরই মামলা যায় সিঙ্গল বেঞ্চ থেকে ডিভিশন বেঞ্চে। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিত কুমার বাগের নেতৃত্বে একটি অনুসন্ধান কমিটি তৈরি করে অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন। ডিভিশন বেঞ্চ শুধুমাত্র সিঙ্গল বেঞ্চের সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশকে খারিজ করে দেয়। এদিন সেই কমিটি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেয় সিঙ্গল বেঞ্চ

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
দেশ

হিজাব বিতর্ককে জাতীয় স্তরে না-ছড়ানোর আবেদন সুপ্রিম কোর্টের

ক্রমশ বেড়েই চলেছে কর্নাটকের হিজাব বিতর্ক। বৃহস্পতিবারই কর্নাটক হাইকোর্টের তরফে মামলাটি বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানো হয়। এরপরই কর্নাটকে ছাত্র সংগঠনের তরফে এই মামলার জরুরি শুনানির আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করা হয়। কিন্তু এদিন শীর্ষ আদালতের তরফে এই আর্জি খারিজ করে দেওয়া হয় এবং জানানো হয় যে, সঠিক সময়েই আদালতের তরফে এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা হবে।কর্নাটকের স্কুল-কলেজে হিজাব পরা মুসলিম মেয়েদের ঢুকতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে যে বিতর্ক শুরু হয়েছিল, তা বর্তমানে রাজ্যের সীমানা পার করে বাকি জায়গাতেও ছড়িয়ে পড়ছে। বিষয়টি আদালত অবধিও গড়িয়েছে। গতকালই কর্নাটক হাইকোর্টের তরফে পড়ুয়াদের অনুরোধ করা হয় যে, স্কুল-কলেজে হিজাব পরার মামলাটি নিষ্পত্তি না হওয়া অবধি তারা যেন কোনও ধরনের ধর্মীয় পোশাক পরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে না যান। এরপরই কর্নাটকের এক ছাত্রী সুপ্রিম কোর্টে জরুরিভিত্তিতে শুনানির আবেদন জানান।ওই ছাত্রীর পিটিশন খারিজ করে দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, দয়া করে জাতীয় স্তরে এই বিষয়গুলিকে ছড়িয়ে দেবেন না। সঠিক সময় এলেই, একমাত্র আমরা হস্তক্ষেপ করব।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
দেশ

লখিমপুর-কাণ্ডে জামিন পেল মূল অভিযুক্ত মন্ত্রিপুত্র আশিস!

জামিন পেলেন লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ির চাকায় পিষে মারার ঘটনায় ধৃত আশিস মিশ্র। বৃহস্পতিবার ইলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্র টেনির ছেলে আশিসের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করে। গত ৯ অক্টোবর আশিসকে গ্রেপ্তার করেছিল উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। তার কয়েক দিন পরেই উদ্ধার করা হয় তাঁর বন্দুক। লখিমপুর-কাণ্ডের তদন্তে ঢিলেমির জন্য গত ২০ অক্টোবর উত্তরপ্রদেশ পুলিশকে তুলোধনা করেছিল সুপ্রিম কোর্ট।নভেম্বরে উত্তরপ্রদেশ পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) আদালতে পেশ করা রিপোর্টে জানায়, লখিমপুরের ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত। ওই ঘটনার তদন্তকারী অফিসার বিদ্যারাম দিবাকর তাঁর রিপোর্টে বলেছেন, এটা কোনও দুর্ঘটনা নয়। আগে থেকে পরিকল্পনা করেই এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। সিট-এর পেশ করা চার্জশিটে আশিস এবং তাঁর ড্রাইভার-সহ তিন জনকে কৃষক হত্যায় অভিযুক্ত করা হয়। এই পরিস্থিতিতে বিধানসভা ভোটপর্বের মাঝে প্রভাবশালী ব্রাহ্মণ নেতা টেনির ছেলের জামিন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।গত বছরের ৩ অক্টোবর লখিমপুর খেরিতে আশিসের গাড়ির তলায় চাপা পড়ে কৃষি আইন বিরোধী বিক্ষোভকারী চার কৃষক এবং এক মৃত্যু হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরবর্তী হিংসায় আরও চার জনের প্রাণ যায়। যদিও অজয়ের দাবি, ঘটনার সময় ওই গাড়িতে ছিলেন না আশিস। ওই ঘটনায় আশিস এবং তাঁর সঙ্গী অঙ্কিতের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী কৃষকদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোরও অভিযোগ ওঠে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্ত জারি রাখতে নির্দেশ হাইকোর্টের

বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে তদন্ত জারি রাখতে সিবিআইকে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে মামলার শুনানি হয়। তখন বিচারপতি এই নির্দেশ দেন সিবিআইকে। একই সঙ্গে তিনি জানান, অনুব্রত মণ্ডল প্রধান অভিযুক্ত নন। তাঁর নাম এফআইআর-এ নেই। তবে তাঁকে বোলপুর বা দুর্গাপুরে ডেকে জিজ্ঞাসা করতে পারবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।গত ২ মে একুশের নির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিন বীরভূমের গোপালনগর গ্রামে খুন হন বিপ্লব সরকার নামে এক বিজেপি কর্মী। অভিযোগ, বাড়ির অদূরেই তাঁর ওপর হামলা চালায় কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। বাঁশ, লাঠি, লোহার রড নিয়ে চলে হামলা। রাস্তায় ফেলে বেপরোয়া মারধর করা হয় তাঁকে। মাথায়, বুকে পিঠে একাধিক ক্ষত তৈরি হয় বিপ্লব সরকারের। মাথায় অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু হয় তাঁর। চিকিৎসকরা তেমনই জানিয়ে দেন রিপোর্টে। ঘটনায় উঠে আসে বীরভূম তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের নাম। ঘটনার তদন্তে নেমে প্রাথমিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয় দিলীপ মৃধা নামে এক ব্যক্তিকে। তদন্ত যত এগোয়, উঠে আসে একাধিক তৃণমূল নেতার নাম। নোটিস পাঠানো হয় ইলামবাজারের তৃণমূলের সম্পাদককে। অনুব্রত মণ্ডলের নামেও জারি হয় নোটিস।গত শুক্রবার ২৮ জানুয়ারিও অনুব্রত মণ্ডলকে তলব করে সিবিআই। কিন্তু অসুস্থতার কারণ দর্শিয়ে সেই হাজিরা এড়িয়ে যান অনুব্রত। সিবিআইকে চিঠি দিয়ে তিনি জানিয়ে দেন, শারীরিকভাবে তিনি অসুস্থ। তিনি সিবিআই-এর বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তাঁর নেই। হাজিরা দেওয়ার জন্য বেশ কিছুটা সময় চেয়ে নেন তিনি।এর পরই বুধবার গ্রেপ্তারি থেকে রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অনুব্রত। আদালতকে তিনি জানান, তদন্তে সিবিআইকে সমস্ত রকম সহায়তা করতে রাজি। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ যেন না করা হয়।

ফেব্রুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

আদালত অবমাননার দায়ে কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা হাইকোর্টে

রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের হল কলকাতা হাইকোর্টে। মামলকারীর আবেদন, কোভিড আবহে আদালত চার পুরসভার নির্বাচন চার থেকে ছয় সপ্তাহ পিছনোর পরামর্শ দিয়েছিল। কিন্তু তা মেনে চলেনি কমিশন।প্রসঙ্গত, রাজ্যের চার পুরসভার ভোট ২২ জানুয়ারি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতিতে ওই নির্বাচন বন্ধ করতে চেয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে। আদালত কমিশনকে পরামর্শ দেয়, কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ভোট চার থেকে ছয় সপ্তাহ পিছনো যায় কি না, তা বিবেচনা করুক কমিশন। আদালতের ওই পরামর্শ মেনে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার কথা জানায় কমিশন। কিন্তু তিন সপ্তাহের জন্য। এ নিয়েই অবমাননার মামলা দায়ের হল হাইকোর্ট।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
রাজ্য

স্কুল খোলা নিয়ে রাজ্য সরকারের মতামত জানাতে নির্দেশ হাইকোর্টের, বেধে দিল সময়

করোনা আবহে স্কুল খোলা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ অব্যাহত বাংলায়। তারই মধ্যে নানান মাহল থেকে স্কুল চালু করার দাবি উঠেছে। শুক্রবার হাইকোর্টের নির্দেশ, স্কুল খোলা নিয়ে রাজ্য কী ভাবছে তা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সবিস্তারে তা আদালতে জানাতে হবে। রাজ্যে স্কুল চালু নিয়ে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে। শুক্রবার স্কুল খোলা সংক্রান্ত মামলাগুলির শুনানি ছিল উচ্চ আদালতে। এই মামলার দিকে তাকিয়ে আছে শিক্ষামহল।রাজ্যে করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় দুবছর ধরে বন্ধ রয়েছে স্কুল-কলেজ-সহ অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মাঝে দিন কয়েকের জন্য নবম শ্রেণি থেকে স্কুল খুলেছিল। তবে গত দুবছর বেশির ভাগ ছাত্র-ছাত্রী স্কুলের মুখই দেখেনি। এরইমধ্যে বেশ কয়েকটি রাজ্যে কোভিড বিধি মেনে স্কুল চালু হয়েছে।এদিন মামলাকারীদের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। দিনের পর দিন রাজ্যের স্কুল বন্ধ। তাই পড়ুয়ারা মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে। করোনা বিধি মেনে অবিলম্বে রাজ্যে স্কুল চালু করে দেওয়ার পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন বিকাশরঞ্জনবাবু। রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, রাজ্য সরকার এই পরিস্থিতিতে সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে চায়। রাজ্য সরকারও যে স্কুল খোলার বিষয়ে উৎসাহী তা আদালতে জানান তিনি। তিনি জানান, ইতিমধ্যে কম বয়সীদের টিকাকরণ প্রক্রিয়া চলছে রাজ্যে।বিরোধীরা ইতিমধ্যে স্কুল চালুর জন্য রাস্তায় নেমে দাবি জানিয়েছে। পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধস্তাধস্তি হয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বৃহস্পতিবার রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বিকাশভবনের সামনে। তাঁকে ও তাঁর সঙ্গী বিধায়কদের পথ আটকে ছিল পুলিশ। পুলিশের দাবি, ওই স্থানে ১৪৪ ধারা জারি ছিল।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • ...
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিতর্ক! সেনেগাল ফুটবলারদের সঙ্গে ‘অপরাধীর মতো’ আচরণের অভিযোগ

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র এক দিন বাকি। তার আগেই বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে। আমেরিকায় পৌঁছনোর পর সেনেগাল এবং উজবেকিস্তানের ফুটবলারদের কড়া নিরাপত্তা তল্লাশি ঘিরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে। অনেকের অভিযোগ, খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে যেন তাঁরা কোনও অপরাধী।জানা গিয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ নিতে আমেরিকায় পৌঁছেছিল সেনেগাল দল। বিমানবন্দরে নামার পরই নিরাপত্তাকর্মীরা ফুটবলারদের ব্যাগ, ট্রলি এবং অন্যান্য সামগ্রী বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করেন। অভিযোগ, মাদকদ্রব্যের সন্দেহে দীর্ঘ সময় ধরে চলে এই তল্লাশি। ঘটনাস্থলের কিছু ছবি এবং ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই শুরু হয় বিতর্ক।শুধু সেনেগাল নয়, উজবেকিস্তান দলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। নিউ ইয়র্কে অনুশীলন কেন্দ্রে পৌঁছনোর পর ফুটবলারদের নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হয়। সেই সময় মাদক সন্ধানী কুকুর এবং ধাতু শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক প্রশ্ন তুলেছেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নিতে আসা খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন ব্যবহার কতটা গ্রহণযোগ্য। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, নির্দিষ্ট কিছু দেশের ফুটবলারদের ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত কড়াকড়ি করা হচ্ছে। আবার অনেকে জানতে চেয়েছেন, বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা কেন এই বিতর্ক নিয়ে কোনও অবস্থান স্পষ্ট করছে না।এর আগেও বিশ্বকাপ ঘিরে বেশ কিছু ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিরাপত্তা ও অভিবাসন সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ফলে বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আয়োজক দেশকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ফুটবলপ্রেমীদের একাংশের মতে, খেলাধুলার মঞ্চ সব সময় দেশ, সংস্কৃতি এবং মানুষের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। সেখানে খেলোয়াড়দের সঙ্গে অতিরিক্ত কড়া বা অসম্মানজনক আচরণের অভিযোগ সামনে আসা উদ্বেগের বিষয়। যদিও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম মেনে তল্লাশি চালানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রকাশ্যে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বৃহত্তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার আগে এই বিতর্ক আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকদের।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির পাশের তৃণমূল কার্যালয়ে সিআইডি হানা, এবার সরাসরি হাই কোর্টে মামলা!

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কাছেই অবস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সিআইডি তল্লাশি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। অভিযোগ, কোনও নিরপেক্ষ সাক্ষী ছাড়াই তল্লাশি চালানো হয়েছে এবং বেআইনিভাবে দলীয় নথি স্ক্যান করা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদনও জানানো হয়েছে।অন্যদিকে সই জাল কাণ্ডে নিজের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপের আশঙ্কায় ফের হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেদন নিয়ে আগামীকাল শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।মঙ্গলবার দুপুরে সই জাল কাণ্ডের তদন্তে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছন সিআইডি আধিকারিকরা। কার্যালয়টি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে অবস্থিত। ঘটনাস্থলে একটি মহিলা দল-সহ সিআইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। পাশাপাশি কালীঘাট ও ভবানীপুর থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।সিআইডির দাবি, সই জাল কাণ্ডের তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তারা ওই কার্যালয়ে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল। তাদের কাছে প্রয়োজনীয় তল্লাশি পরোয়ানাও ছিল বলে জানানো হয়।সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে ছিলেন। ফলে কার্যালয়ের দায়িত্বে থাকা দলের কোষাধ্যক্ষ এবং রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিষ চক্রবর্তীর সঙ্গেই সিআইডি আধিকারিকদের কথা হয়। তিনি প্রথমে তল্লাশির অনুমতি দিতে অস্বীকার করেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে কিছু সময় বাগ্বিতণ্ডা চলে। তবে শেষ পর্যন্ত সিআইডি আধিকারিকরা কার্যালয়ে প্রবেশ করে তল্লাশি চালান।এই তল্লাশিকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টে মামলা করা হয়েছে। মামলাকারীদের অভিযোগ, নিয়ম মেনে তল্লাশি করা হয়নি। তাঁদের দাবি, কোনও সাক্ষীর উপস্থিতি ছিল না এবং সেই সুযোগে দলীয় নথি স্ক্যান করা হয়েছে। যদিও সিআইডির পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল যে তাদের কাছে বৈধ তল্লাশি পরোয়ানা ছিল।তল্লাশি শেষে সিআইডি আরও জানিয়েছিল, কার্যালয় থেকে কোনও নথি বা সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। তা সত্ত্বেও গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এখন নজর কলকাতা হাই কোর্টের দিকে। আদালত এই অভিযোগগুলিকে কীভাবে দেখছে এবং মামলার পরবর্তী শুনানিতে কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ! সাড়ে সাত বছর পর ডায়মন্ড হারবারে দায়ের এফআইআর

বিধায়কদের সই জাল কাণ্ডে সিআইডির সমন ঘিরে বিতর্কের মাঝেই নতুন করে চাপে পড়লেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তাঁর বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবার থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস, যিনি ববি নামেও পরিচিত, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গির খান-সহ চল্লিশের বেশি তৃণমূল নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।অভিজিৎ দাসের দাবি, দুই হাজার আঠারো সালের একুশ ডিসেম্বর ডায়মন্ড হারবারের কপাটহাট মোড়ে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে তিনি হামলার শিকার হন। সেই সময় তিনি বিজেপির জেলা সভাপতি ছিলেন। অভিযোগ, পরিকল্পনা করে তাঁর উপর প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছিল।হামলায় গুরুতর জখম হন অভিজিৎ। কোমর থেকে পা পর্যন্ত আঘাত লাগে তাঁর। অভিযোগ, মারধরের ফলে তাঁর মেরুদণ্ডেও চিড় ধরে। মাথাতেও গুরুতর আঘাত করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর অস্ত্রোপচারও করাতে হয়েছিল তাঁকে।অভিজিৎ দাসের অভিযোগ, সেই সময় তিনি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি আবার এই ঘটনার বিচার চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডায়মন্ড হারবার থানায় নতুন করে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গির খান-সহ একচল্লিশ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও প্রায় দেড়শো জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে অভিজিৎ দাস বলেন, হামলার আগে তিনি সম্ভাব্য আক্রমণের খবর পেয়েছিলেন এবং পুলিশকেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি দাবি করেন, হামলার পর তাঁকে প্রায় মৃত অবস্থায় ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছিল এবং আজও সেই আঘাতের শারীরিক প্রভাব বহন করছেন।এতদিন পরে কেন অভিযোগ নিয়ে ফের সামনে এলেন, সেই প্রশ্নের জবাবে অভিজিৎ বলেন, সে সময় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে কাজ করেনি। তাই তিনি ন্যায়বিচার পাননি। এখন তিনি আশা করছেন, ঘটনার সঠিক তদন্ত হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই অভিযোগপত্রে নাম থাকা জাহাঙ্গির খানকে ইতিমধ্যেই অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিযোগে নাম থাকা অন্যদের বিরুদ্ধে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।সাড়ে সাত বছর আগের একটি রাজনৈতিক হামলার অভিযোগ নতুন করে সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

জাহাঙ্গির গ্রেফতারের পরেই আগুন! জেলা পরিষদের দফতরে অগ্নিকাণ্ড ঘিরে বাড়ছে রহস্য

আলিপুরে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের বহুতল দফতরে আগুন লাগার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকাল প্রায় পৌনে দশটা নাগাদ স্থানীয় বাসিন্দারা ভবন থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন। এরপরই খবর দেওয়া হয় দমকলকে। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, যে অংশে আগুন লাগে সেটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের দফতর। আগুন লাগার পর গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। বিশেষভাবে নজরে এসেছে জাহাঙ্গির খানের ব্যবহৃত দফতরেও আগুন লাগার ঘটনা। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সপ্তাহে কয়েকদিন তিনি ওই দফতরে আসতেন এবং তাঁর সঙ্গে বহু লোকজনের যাতায়াত ছিল। তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরপরই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।জানা যাচ্ছে, ভবনের চারতলায় বসতেন জাহাঙ্গির খান। ফলে ওই অংশে আগুন লাগার ঘটনা ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দমকল এবং প্রশাসন ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। তাঁর দাবি, জেলা পরিষদের পূর্ত দফতরের গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কাটমানি এবং সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছিল।বিধায়কের দাবি, এই অভিযোগের ভিত্তিতে চারটি ঠিকাদারি সংস্থা সম্প্রতি ফলতা থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। সেই অভিযোগের তদন্তে বুধবার পুলিশ প্রশাসনের জেলা পরিষদে গিয়ে নথিপত্র খতিয়ে দেখার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সংশ্লিষ্ট দফতরে আগুন লাগার ঘটনা অত্যন্ত সন্দেহজনক বলে মনে করছেন তিনি।দেবাংশু পাণ্ডার অভিযোগ, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই আগুন লাগানো হয়ে থাকতে পারে। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে কোনও চূড়ান্ত মন্তব্য করা হয়নি। দমকল, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী কারণে আগুন লাগল এবং কোনও নথি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।তবে জাহাঙ্গির খানের গ্রেফতারের পরপরই তাঁর সঙ্গে যুক্ত দফতরে আগুন লাগার ঘটনায় রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনিক স্তরসব জায়গাতেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অগ্নিকাণ্ড নিছক দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কার হাতে যাচ্ছে কোন দফতর? সামনে এল সম্ভাব্য তালিকা, চমকে দিতে পারে একাধিক নাম

গত পয়লা জুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মোট পঁয়ত্রিশ জন। কিন্তু এখনও তাঁদের মধ্যে কার হাতে কোন দফতরের দায়িত্ব যাবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ফলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন সূত্র মারফত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম সামনে এসেছে।শপথ নেওয়া পঁয়ত্রিশ জনের মধ্যে তেরো জন পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তিন জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং উনিশ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এখন সবার নজর দফতর বণ্টনের দিকে।সূত্রের খবর, অর্থ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত। বাণিজ্য দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে মানিকতলার প্রবীণ বিধায়ক তাপস রায়ের হাতে। উচ্চশিক্ষা দফতরের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা দফতরের দায়িত্বও সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে যেতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে।অন্যদিকে স্কুল শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মণ। স্বাস্থ্য দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বিধাননগরের বিধায়ক ও চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে।এ ছাড়াও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং পরিবহণ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। একই সঙ্গে শ্রম দফতরের দায়িত্বও তাঁর হাতে থাকতে পারে বলে সূত্রের দাবি। কুমারগ্রামের বিধায়ক মনোজ ওরাওঁ পরিবেশ ও বন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক দুধকুমার মণ্ডলের হাতে যেতে পারে কৃষি দফতর। শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ পর্যটন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন বলেও আলোচনা চলছে। কাঁথি দক্ষিণের বিধায়ক অরূপ দাসের হাতে সেচ দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে।স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য দায়িত্ব নিয়ে জল্পনা রয়েছে। তুফানগঞ্জের বিধায়ক মালতী রাভা রায় নারী ও শিশু কল্যাণ এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠী দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। সোনামুখীর বিধায়ক দিবাকর ঘরামী বন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। করণদিঘির বিধায়ক বিরাজ বিশ্বাস উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও আইন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন। কালচিনির বিধায়ক বিশাল লামা সংখ্যালঘু ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। বলাগড়ের বিধায়ক সুমনা সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বরাষ্ট্র দফতর নিজের হাতেই রাখতে পারেন। পাশাপাশি আইন দফতরের দায়িত্বও তিনি নিজের কাছেই রাখতে পারেন বলে জল্পনা চলছে।তবে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও ঘোষণা হয়নি। ফলে কোন মন্ত্রীর হাতে শেষ পর্যন্ত কোন দফতর যায়, তা জানতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে রাজনৈতিক মহলকে। এখন সবার নজর, কবে আনুষ্ঠানিকভাবে দফতর বণ্টনের ঘোষণা করা হয় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত রূপরেখা সামনে আসে।

জুন ১০, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলে আরও বড় ধাক্কা! সুখেন্দুর পর এবার ইস্তফা সুস্মিতা দেবের, বাড়ছে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসে অস্বস্তি আরও বাড়ল। এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দলের এক সদস্য। সুখেন্দু শেখর রায়ের পর এবার পদত্যাগ করলেন সুস্মিতা দেব। বুধবার তিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণনের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন।রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন স্তরে মতভেদের আলোচনা চলার মধ্যেই একের পর এক সাংসদের পদত্যাগ দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।দলীয় সূত্রে জল্পনা, আরও কিছু নেতা ও সাংসদ ভবিষ্যতে একই পথে হাঁটতে পারেন। রাজনৈতিক মহলে এমনও আলোচনা চলছে যে সদ্য রাজ্যসভার সদস্য হওয়া কোয়েল মল্লিকও পদত্যাগ করতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।সুস্মিতা দেব দীর্ঘদিন কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অসমের শিলচর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর কংগ্রেস ছাড়েন তিনি। পরে দুই হাজার একুশ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই সুস্মিতা দেবকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি দলের জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন। পরে তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদও করা হয়। পাশাপাশি অসমে দলের সংগঠন বিস্তারের দায়িত্বও তাঁর কাঁধে তুলে দেওয়া হয়েছিল।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুস্মিতা দেবের পদত্যাগ শুধুমাত্র সংসদীয় রাজনীতিতেই নয়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সংগঠনেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতে দলের বিস্তারের পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে সংসদের দুই কক্ষেই এখন নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। লোকসভায় দলের কিছু সাংসদ আলাদা অবস্থান নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। অন্যদিকে রাজ্যসভায়ও তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা কমছে। সুখেন্দু শেখর রায় ও সুস্মিতা দেবের ইস্তফার ফলে দলের শক্তি আগের তুলনায় কমেছে। ভবিষ্যতে আরও কোনও পদত্যাগ হলে সেই চাপ আরও বাড়তে পারে।সব মিলিয়ে একের পর এক ইস্তফা এবং দলীয় অন্দরের অসন্তোষের খবরে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা তীব্র হয়েছে। আগামী দিনে দলের নেতৃত্ব পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অরূপ বিশ্বাসকে বড় ধাক্কা হাইকোর্টে! বিচারপতির কড়া নির্দেশে বাড়ল চাপ

মেসিকাণ্ডে গ্রেফতারির আশঙ্কা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত তাঁকে কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি। বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পুলিশের ডাকে হাজিরা দিতেই হবে অরূপ বিশ্বাসকে। হাজিরার অন্তত আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে পুলিশকে। তদন্তে কোনও স্থগিতাদেশ নয়, তদন্ত নিজের গতিতেই চলবে। একই সঙ্গে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।আদালত অরূপ বিশ্বাসের উপর একাধিক শর্তও আরোপ করেছে। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না। তাঁকে নিজের পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখতে হবে। পাশাপাশি কোনও সাক্ষীকে প্রভাবিত করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করা যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুধু অরূপ বিশ্বাসকেই নয়, পুলিশকেও বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি জানিয়েছেন, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে এই ঘটনার তদন্ত হবে। কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। চার সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে গ্রেফতারের মতো কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার কথাও জানিয়েছে আদালত।শুনানির সময় অরূপ বিশ্বাসের আইনজীবী আদালতের কাছে আবেদন করেন, তাঁর মক্কেলকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক। আদালত এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করে জানায়, অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অন্য কোনও মামলা রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য জমা দিতে হবে।এ দিনের শুনানিতে গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, এই ঘটনায় রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিচারপতির প্রশ্ন, কীভাবে একজন রাজনৈতিক নেতা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফুটবলারের এত কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন? এতে তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি কি? দেশের অন্য জায়গায় এমন ঘটনা ঘটেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিচারপতি আরও বলেন, সেদিন মাঠে বহু দর্শক ও মেসি-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে মেসিকে আগেভাগে অনুষ্ঠানস্থল ছাড়তে হয়েছিল। ফলে বহু মানুষের প্রত্যাশা ভেঙে যায় এবং গোটা ব্যবস্থাপনায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, পুলিশ বারবার দেখা করতে বললেও অরূপ বিশ্বাস কেন যাচ্ছেন না। উত্তরে তাঁর আইনজীবী জানান, আদালত রক্ষাকবচ দিলে তিনি পরদিনই তদন্তে যোগ দেবেন।অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অরূপ বিশ্বাস প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় তিনি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করতে পারেন অথবা সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন। রাজ্যের আইনজীবী আরও জানান, এর আগেও পুলিশ তাঁকে নোটিস পাঠিয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই নোটিসের জবাব দেননি। তাই তাঁকে বিশেষ কোনও রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।তবে সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি জানান, এই মুহূর্তে অরূপ বিশ্বাসকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে বলে আদালত মনে করছে না। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যে ঘটনার অভিযোগ প্রায় ছয় মাস পরে দায়ের করা হয়েছে, সেখানে এতদিন পর সাক্ষীদের ভয় দেখানোর আশঙ্কা কতটা বাস্তব, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।সব মিলিয়ে মেসিকাণ্ডে তদন্ত চলবে, তবে আপাতত গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেলেও আদালতের কড়া নজরদারি এবং একাধিক শর্তের মুখে পড়লেন অরূপ বিশ্বাস। এই মামলার পরবর্তী শুনানি এবং তদন্তের অগ্রগতি এখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের বিশেষ নজরে।

জুন ১০, ২০২৬
দেশ

সেনা শিবিরে আচমকা বিস্ফোরণ! মুহূর্তে প্রাণ গেল দুই জওয়ানের, শোকস্তব্ধ দেশ

জম্মু ও কাশ্মীরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন দুই সেনা জওয়ান। উরির একটি সেনা শিবিরে হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর মৃত্যু হয় তাঁদের। মঙ্গলবার বারামুলা জেলার উরি সেক্টরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সেনাবাহিনী।সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, উরির কমলকোট এলাকার একটি সেনা শিবিরে নিয়মিত অস্ত্র হস্তান্তরের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই একটি হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের জেরে গুরুতর আহত হন দুই জওয়ান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে ভারতীয় সেনার নিরানব্বই বেস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয় তাঁদের।জানা গিয়েছে, মৃত দুই জওয়ানই মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁদের পরিবার এবং সহকর্মীদের মধ্যে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেও জম্মু ও কাশ্মীরে এক সেনা আধিকারিকের মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছিল। রাজৌরি জেলায় জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সময় দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান লেফটেন্যান্ট বীরেশ্বর গোস্বামী। সেনা সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় তিনি একটি গভীর খাদে পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের দুই জওয়ানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সেনাবাহিনী।এদিকে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি-সহ একাধিক জেলায় জঙ্গি দমনে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। গোপন সূত্রে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পাওয়ার পর শুরু হয় বিশেষ অভিযান। জঙ্গলঘেরা বিস্তীর্ণ এলাকায় চলছে তল্লাশি। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গির খোঁজ না মিললেও সেনাবাহিনীর ধারণা, তারা বারবার অবস্থান পরিবর্তন করছে।উরির সেনা শিবিরে কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ কী, তা জানতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে সেনাবাহিনী। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই পুরো ঘটনার বিস্তারিত ছবি স্পষ্ট হবে।

জুন ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal