• ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩, বুধবার ২২ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengali Cinema

রাজনীতি

'দ্য বেঙ্গল ফাইলস' দেখাতে বাম্পার কৌশল বঙ্গ BJP-র! রাজ্যে আরও এক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল

শুরু থেকেই নানা বিতর্কে জর্জরিত বিবেক অগ্নিহোত্রীর ছবি দ্য বেঙ্গল ফাইলস। এবার সেই সিনেমাকেই কেন্দ্র করে নতুন পদক্ষেপ নিতে চলেছে বঙ্গ বিজেপি। জানা গিয়েছে, কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমান্তরালে নিজেদের উদ্যোগে আলাদা এক চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করছে তারা।সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই উৎসবে দেশি-বিদেশি, আঞ্চলিক এবং বাংলা ছবির প্রদর্শনী হবে। এর জন্য শহরের কয়েকটি কেন্দ্রীয় সরকারি অডিটোরিয়াম ভাড়া নেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। উৎসবে থাকবেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের অভিনেতা-পরিচালকরা। পুরো দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বিজেপি নেতা-অভিনেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় ও রুদ্রনীল ঘোষ। সিদ্ধান্তে সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও।এদিকে, ৫ সেপ্টেম্বর গোটা দেশে মুক্তি পেলেও দ্য বেঙ্গল ফাইলস এখনও পর্যন্ত বাংলার প্রেক্ষাগৃহে দেখা যায়নি। ফলে এই সমান্তরাল উৎসবেই ছবিটি দেখানো হবে কি না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। রুদ্রনীল ঘোষ অবশ্য জানাচ্ছেন, আমাদের ভুল কিংবা অন্যায় মেনে নেওয়ার জায়গা তৈরি হয় না। অথচ সেই যুক্তিতে অর্ধেক বাংলাবাসীকেই বাদ দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই একটা বিকল্প মঞ্চ দরকার। এই উৎসব সেই নিরপেক্ষ জায়গা তৈরির চেষ্টা।রুদ্রনীলের দাবি, উৎসবে এমন সব ছবি দেখানো হবে যেগুলি মানবিকতা আর গণতান্ত্রিক অধিকারের কথা বলবে। সেখানেই থাকছে দ্য বেঙ্গল ফাইলস। তাঁর বক্তব্য, দেশজুড়ে ছবি মুক্তি পেলেও বাংলায় ব্যবসায়ীদের নানা চাপের মুখে পিছিয়ে যেতে হয়। হল মালিকরা অশান্তির ভয়ে ঝুঁকি নেন না। সবাই আসলে ২০২৬-এর রাজনৈতিক ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছে। তাই দর্শকদের সামনে সেই জানলা খুলে দেওয়ার লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

মাত্র ২৪-এ চলে গেলেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা, ২০ দিনের যাবতীয় লড়াই শেষ

অবশেষে জীবনযুদ্ধে হার মানতে হল অভিনেত্রীকে। মাত্র ২৪ বছর বয়সেই চলে গেলেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা। ২০ দিন ধরে তিনি ভর্তি ছিলেন হাওড়ার হাসপাতালে। হাসপাতালে সর্বক্ষণ ছিলেন সব্যসাচী চৌধুরী, রয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁর মা।গতকাল রাতে টানা ১০ বার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে ঐন্দ্রিলার। ২০ দিন আগে অভিনেত্রীর স্ট্রোক করায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। তাঁর আগে ২০১৫-তে বোন ম্যারো ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছিলেন ঐন্দ্রিলা। দিল্লিতে সেই সময় কেমো থেরাপি চলেছিল। ২০১৬-তে সুস্থ হন তিনি। ক্যানসারকে হারিয়ে দিব্যি অভিনয় করছিলেন। এরপর ২০২১-এ ডান ফুসফুসে টিউমার ধরা পড়েছিল। শেষমেশ হার মানলেন ঐন্দ্রিলা। এদিন ১২টা ৫৯ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে টলিউডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নভেম্বর ২০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সঙ্কটজনক ঐন্দ্রিলা শর্মা, ভেন্টিলেশনে মরণ-বাঁচন লড়াই অভিনেত্রীর

এর আগে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা। মন শক্ত করে লড়াই করে আটকে দিয়েছেন ক্যান্সারকে। ফিরেছেন অভিনয়ে। মঙ্গলবার রাতে ফের গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন ঐন্দ্রিলা শর্মা। হাওড়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এই মুহূর্তে। জানা গিয়েছে, হঠাৎই স্ট্রোক করে মাথায় রক্ত জমাট বেধে গিয়েছে অভিনেত্রীর। তাঁকে রাখা হয়েছে ভেন্টিলেটরে। শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক বলে খবর।ভোলে বাবা পার করেগা-তে অনির্বাণ চক্রবর্তীর মেয়ের চরিত্রে দেখা অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল জীবনযুদ্ধে লড়াকু অভিনেত্রীকে। ভাগাড় সিরিজে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রেও দেখা গিয়েছিল তাঁকে। ক্যান্সারের সময় লড়াইতেও পাশে ছিলেন তাঁর প্রেমিক সব্যসাচী চক্রবর্তী। এখনও তিনি পাশেই আছেন। জানা গিয়েছে, স্ট্রোকের ফলে শরীরের একদিক অসার হয়ে পড়েছে। ৪৮ ঘন্টা না গেলে কিছু বলতে পারছেন না চিকিৎসকরা।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
কলকাতা

Bangla Pokkho: সিনেমা হলের প্রাইম টাইমে বাংলা সিনেমা দেখানো বাধ্যতামূলক করার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে স্বাক্ষর বিশিষ্ঠ শিল্পী-পরিচালকদের

বাংলা সিনেমা বাংলা তথা বিশ্বের গর্ব। বাংলায় একের পর এক কালজয়ী সিনেমা তৈরি হয়েছে ও হচ্ছে। বাংলার সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেওয়ার একমাত্র মাধ্যম বাংলা সিনেমা। কিন্তু দুঃখের কথা হল অধিকাংশ বাঙালি পরিচালকরা জানান, বাংলা সিনেমা হল পাচ্ছে না। যে বাংলার চিত্র জগতের প্রবাদপ্রতিম সত্যজিৎ রায়, মৃণাল সেন, ঋত্বিক ঘটক, উত্তম কুমার, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সুচিত্রা সেন এর মতো তারা-রা সারা ভারত বর্ষের আকাশকে আলোকিত করে ছিলো সেই বাংলা সিনেমাকে বাংলার সিনেমা হলে জায়গা দেওয়া হচ্ছে না! জায়গা পেলেও প্রাইম টাইমে জায়গা দেওয়া হচ্ছে না। হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বলিউডি সিনেমার কাছে বাংলা সিনেমার পেরে ওঠা সম্ভব নয়। তাই বাংলা সিনেমাকে বাঁচিয়ে রাখতে সরকারি নিয়ম ও সাহায্য খুবই প্রয়োজন।দক্ষিণ ভারত ও মহারাষ্ট্রের মত রাজ্যগুলোতে এ-বেপারে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নেয়। নানা রাজ্যে প্রাইম টাইমে সেই রাজ্যের সিনেমা দেখানো বাধ্যতামূলক। বাংলাতেও একই নিয়ম কার্যকর করার দাবি করা হয়েছে। নিজের মাটিতেই কেন বঞ্চিত হবেন অভিনেতা-অভিনেত্রী- পরিচালক ও কলাকুশলীরা?বাংলার সমস্ত সিনেমা হলে প্রতিদিন প্রাইম টাইমে ৫০ শতাংশ স্লটে বাংলা সিনেমা দেখানো বাধ্যতামূলক করা হোক এমনই আবেদন করজোড়ে বাংলা পক্ষ-র তরফে জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি পাঠানো হচ্ছে।বাংলার সব সিনেমা হলে প্রাইম টাইমে বাংলা সিনেমা দেখানো বাধ্যতামূলক করতে হবে- এই দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা বাংলা পক্ষ-র চিঠিতে সই করলেন বিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক অরিন্দম শীল, অরিন্দম ভট্টাচার্য, শৈবাল মিত্র, জেনি দীপায়ন, অমিতাভ ভট্টাচার্য, সৌম্য সেনগুপ্ত এবং অভিনেতা রজতাভ দত্ত, স্বনামধন্য পরিচালক গৌতম ঘোষও। প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য, অয়ন চক্রবর্তীও সই করেছেন। বাংলা পক্ষের তরফ থেকে জানানো হয় আরও অনেক বিশিষ্ট মানুষ এই চিঠিতে সই করবেন।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Dev : 'নো প্যানিক অনলি টনিক' দর্শকদের মনের টনিক হয়ে উঠতে তৈরি দেব

নো প্যানিক অনলি টনিক। অভিজিৎ সেনের পরিচালিত ছবি এবং বেঙ্গল টকিজের প্রযোজিত ও দেব এন্টারটেনমেন্ট ভেঞ্চারসের সহ-প্রযোজনায় টনিক মুক্তি পাচ্ছে আগামী ২৪ ডিসেম্বর। দেবের জন্মদিন ২৫ ডিসেম্বর। জন্মদিনের ঠিক আগের দিন মুক্তি পাচ্ছে টনিক। টনিক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করেছেন দেব। ছবিতে দেখা যাচ্ছে হাসিমুখে দাঁড়িয়ে আছেন এই টলি স্টার। পরনে একটা টিশার্ট। যেখানে লেখা নো প্যানিক অনলি টনিক। মূলত ইচ্ছেপুরণের গল্প বলবে টনিক। এখানে দেব একজন ট্র্যাভেল এজেন্সির কর্মী। দুই বয়স্ক দম্পতির ইচ্ছেপুরণ করবেন তিনি। যে চরিত্রে দেখা যাবে পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শকুন্তলা বড়ুয়া কে। এছাড়াও রয়েছেন সুজন মুখোপাধ্যায়, কণীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, রজতাভ দত্ত, বিশ্বনাথ বসু প্রমুখ। টনিক-এ পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কে একদম অন্যভাবে দেখবেন দর্শকরা। রিভার রাফটিং,প্যারা গ্ল্যাইডিং থেকে পাহাড়ে চড়া কিছুই বাদ নেই তার। এবারের দুর্গাপুজোয় মুক্তি পেয়েছে দেবের গোলন্দাজ। যে ছবিটি দর্শকমহলে বেশ সাড়া ফেলেছে। এবার পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাণের টনিক হয়ে নতুন্রুপে দেখা যাবে দেব কে। বেশ কিছুদিন আগে ছবির ট্রেলার লঞ্চের পর মিউজিক লঞ্চও হয়ে গেছে। দেব জানিয়েছেন গল্পের দিক থেকে টনিক তার জীবনের এখনও পর্যন্ত সেরা ছবি হতে চলেছে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bengali Cinema : ৬৫ দিন ধরে হলে চলছে 'সব চরিত্র তোমার আমার'

পরিচালক তপন দত্তর ছবি সব চরিত্র তোমার আমারএর ৬৫ দিন উদযাপিত হল বসুশ্রী সিনেমা হলে। উপস্থিত ছিলেন পরিচালক তপন দত্ত, অভিনেতা অমিতাভ ভট্টাচার্য, অভিনেত্রী দেবশ্রী ভট্টাচার্য, শর্মিষ্ঠা ভট্টাচার্য প্রমুখ।করোনা পরিস্থিতিতে ৬৫ দিন হলে চলা যেকোনো বাংলা ছবির জন্যই একটা মাইলস্টোন। পরিচালক এই ছবি প্রসঙ্গে জানালেন,দুটো গল্প নিয়ে একটা ছবি। এই ছবিটা বিদেশে ভীষণভাবে প্রশংসিত হয়েছে। কোভিডের ওপরে ছবিটা করেছিলাম। প্রথম গল্পটা অবসরে এবং দ্বিতীয় গল্পটা পরাণের বাঁশি।নিজের চরিত্র নিয়ে অভিনেতা অমিতাভ ভট্টাচার্য জানালেন,সব চরিত্র তোমার আমারে আমি একটা গ্রাম্য ছেলে, রাখাল ছেলের চরিত্রে অভিনয় করছি। গ্রাম্য ছেলে, বউ বাচ্চা নিয়ে থাকে। বাঁশি বাজাতে ভালোবাসে। তার জীবন নিয়েই পুরো গল্পটা। দেবশ্রী ভট্টাচার্য জানালেন,আমি অবসরে গল্পটায় রয়েছি। বিপাশা সেনের চরিত্রে আমাকে দেখা যাবে। আমি হিরোইনের ক্যারেক্টার প্লে করছি।এই ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দর্শক দেখতে পাবেন শর্মিষ্ঠা ভট্টাচার্য কে। এটা তার প্রথম ফিচার ফিল্ম। নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে জানালেন,আমি পরাণের বাঁশি গল্পে অমিতাভ ভট্টাচার্যের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছি। এখানে আমার নাম তুহিনা।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Uttam-Manna: মহানায়ক উত্তম কুমার ও মান্না দে বাংলার সিনেমার 'আমি যামিনী তুমি শশী '

সিনেমা / ছায়াছবি যে দিন নির্বাক থেকে সবাক হল প্রায় তখন থেকেই ছবির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গি ভাবে জুড়ে গেল গান। সঙ্গে এটাও বোঝা গেল গানও একটা ছায়াছবিকে একক ভাবে জনপ্রিয় করতে পারে। ছবি শেষ হলেও গানের রেশ দর্শকের কানে বাজতে থাকে। তাঁদের মুখে মুখে ঘুরে বেড়ায়। ফলে সিনেমার নাম অনেক সময় ভুলে গেলেও, আমরা গান দিয়ে তাঁকে খুঁজতে চেষ্টা করি।আমি কেবল মান্না দে-র গান শুনি। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী মোঃ রফি একবার তাঁর ভক্তদের বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন মান্না দে মুম্বাই তথা বলিউড প্লেব্যাক জগতের প্রাণ এবং ১০০ বছর পরেও মানুষের মনে সেই স্থানেই তিনি থাকবেন। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের নিয়মিত চর্চার সঙ্গে সঙ্গে গলার অসাধারন সুর, বহুমুখী গান করার দক্ষতা তাঁকে কিংবদন্তি গায়কের স্থানে বসিয়ে রেখেছে।রাজকাপুর-মুকেশ, অমিতাভ- কিশোর, শশী কাপুর-মঃ রফি এরকম অনেক অভিনেতা গায়কের জুটির নাম জানা যায়। সেই রকমই, তৎকালীন সময়ে মহানায়ক উত্তম কুমারের ঠোঁটে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের গান ছিল সমার্থক। তাঁদের এমনই বোঝাপড়া ছিলো কখনই বোঝা যেত না উত্তমকুমার হেমন্তর গানে লিপ দিচ্ছেন। এবং হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ছাড়া অন্য কোনও শিল্পীর গাওয়া গানে মহানায়ক স্বচ্ছন্দ বোধও করতেন না, একথা তিনি অনেক সাক্ষাতকারে বলেছেন। সেই মহানায়কের লিপে এবার ভাবা হল অন্য শিল্পীর গান।বাংলা সিনেমায় মান্না দের প্রবেশ এবং তাও মহানায়ক উত্তম কুমারের লিপে গান সেটা বেশ আকর্ষণীয়। ১৯৬৬ তে উত্তম কুমার অভিনীত শঙ্খবেলার সংগীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত যখন মান্না দে-কে ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন, তখন সকলেই প্রায় হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন। মান্না দে হেঁসে বললেন এটা একটা বিপর্যয় ছিল। প্রযোজক ও পরিবেশক বলেছিলেন, অসম্ভব। এই গান হেমন্তকে দিয়েই করাতে হবে। পরিচালক অগ্রদূত ও সংগীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত অনড় ছিলেন। অবশেষে সবাই নিমরাজি হয়ে সহমত হলেন। ছবিতে আরেক মহান শিল্পী কিন্নর কন্ঠী লতা মঙ্গেশকরও গান গেয়েছিলেন। সঙ্গীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত মুম্বাই গিয়ে দেখলেন সমস্ত রেকর্ডিং স্টূডিও ব্যস্ত। অনেক টালবাহানার পর সঙ্গীত পরিচালক নৌসাদজি কে অনুরোধ করে কোনওরকমে দিন ঠিক করলেন। মেহবুব স্টূডিওতে মাত্র একটা রিহার্সাল করে প্রথম টেকেই তৈরি হল ইতিহাস। আর কে না জানে কত বড় হিট গান তৈরি হল কে প্রথম কছে এসেছি...! মান্না দে-র কন্ঠের নিখুঁত রোম্যান্টিক ফ্লেবার বাঙ্গালি সিনেমা ও সঙ্গীত প্রেমিদের মোহিত করে দিল। এক অন্য অধ্যায় শুরু হল।সবাই শঙ্খবেলা সিনেমায় প্রথমবার উত্তমের মুখে মান্নার গলায় গানের কথা জানলেও,আসলে মহানায়কের মুখে মান্নার প্রথম গান ১৯৫৯ এ গলি থেকে রাজপথ সিনেমায়। যদিও শঙ্খবেলা আগে মুক্তি পাওয়ায় এটিকেই প্রথম গান বলে সবাই জানে।মান্না দের তাঁর একটি সাক্ষাতকারে একবার বলেছিলেন, আমার মনে আছে আমি যখন উত্তমের হয়ে প্রথম গান করি সেটি ছিল বাংলা সিনেমা গলি থেকে রাজপথ। ১৯৫৯ সালে সংগীত পরিচালক সুধীন দাশগুপ্ত আমাকে লাগ লাগ ভেলকির খেলা গানটি করান। উত্তমের কণ্ঠস্বর হিসাবে হেমন্ত মুখোপাধ্যায় যে স্তরে পৌঁছেছিলেন আমি সে স্তরে পৌঁছতে পারব কিনা তা নিয়ে আমার যথেষ্ঠ সন্দেহ ছিল। সর্বোপরি তিনি ছিলেন উত্তম কুমারের ঘোস্ট ভয়েস। তবে আমি উত্তমবাবুর জন্য অ্যান্টনি ফিরিঙ্গির গানগুলি করার পরে উত্তম আমায় বলেছিলেন, আপনি এই গানগুলিতে আমার কণ্ঠস্বর যে উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন তা অন্য কোনও গায়কই দিতে পারেননি। হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এবং আপনার মধ্যে কোনও তুলনা হতে পারে না, কারণ আপনারা দুজনেই নিজের মতো করেই দুর্দান্ত। উত্তমকুমার, সুধীন দাশগুপ্ত এবং মান্না দে, এই ত্রয়ীর বহু সিনেমার গান বাঙ্গালির মনে রেশ রয়ে গেছে, যেমন - কোখনো মেঘ (১৯৮৬; এক দুই তিন), মঞ্জরি অপেরা (১৯৭০ মরন তোমার হার), ছদ্মবেশী (১৯৭১ আমি কোন পথে যে চলি, বাঁচাও কে আছো মরেছি যে প্রেম করে), হার মানা হার (১৯৭২ এসেছি আলাদিন, এসেছি আমি এসেছি) এবং আরও অনেক কাল জয়ী গান।তাঁদের জুটিতে প্রথম রিলিজ হওয়া সিনেমা শঙ্খবেলা সুপারহিট হল। গানগুলি মানুষের মুখে মুখে ঘুরতে থাকল। কিন্তু সিনেমা পাড়ায় বহু মানুষ মহানায়কের কানে কানে বলতে থাকলেন মান্না দেকে দিয়ে গান করালে আপনার ছবি আর হিট হবে না। পরের ছবিতে সুরকার অনিল বাগচি। আদ্যন্ত হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় ঘরানার সুরকার বাগচি, শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের বিভিন্ন রাগ রাগিণীকে লঘু সঙ্গীতের উপযুক্ত করে ছোটো ছোটো গলার কাজ রেখে তৈরি করা তার সুর শুনে আপামর জনতা ধন্য ধন্য করে উঠল।এর মধ্যে একদিন সকালে মুম্বাইয়ে গান রেকর্ডিং-এর উদ্দেশ্যে মান্না দে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। দেখেন উল্টোদিকের রাস্তায় কানে হেডফোন লাগিয়ে একটা ওয়াকম্যান নিয়ে উত্তমকুমার প্রাতঃভ্রমন করছেন। মান্না দেকে দেখে উত্তম হেঁসে বলে উঠলেন এতে আপনার গানই বাজছে। গানগুলিতে যে ছোট ছোট কাজ লাগিয়েছেন গলায়, তাতে একেবারেই ফেঁসে গেছি, সারাদিন শুনে শুনে শুধু গেয়েই যাচ্ছি, কিন্তু কিছুতেই যেন ঠিকঠাক করতে পারছি না মান্না দে শুনে আবাক! পরে এক সাক্ষাতে বলেছিলেন একজন মানুষের ডেডিকেশন কোন উচ্চতায় থাকলে তবে একটা উত্তমকুমার হওয়া যায়। সেই আরব সাগরের তীরে প্রাতঃভ্রমন কালীন অভ্যাস করা গান বাংলা সিনামার এক যুগান্ত সৃষ্টি করল। ছবি, গান ও উত্তমের অভিনয় অবিস্মরণীয়। ছবিটি ছিল অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি। এরপরে বিমল কর পরিচালিত স্ত্রী সিনেমা-তে উত্তম ও সৌমিত্র দুই মহারথী অভিনয় করেছিলেন। মজার ব্যপার উত্তমের গলায় মান্না আর সৌমিত্রর লিপে হেমন্ত গান গেয়েছিলেন। উত্তমের লিপে মান্না দের গাওয়া ঝাড়বাতি র গৌরব বর্ণনা করে হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা সাবার মুখে মুখে ঘুরতে থাকল। উত্তম আর সৌমিত্রর পরের ছবি সন্ন্যাসী রাজা দুটি ছবিতেই সুরকার নচিকেতা ঘোষ এবং গীতিকার গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার। মজার ব্যাপার, গীতিকার গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার স্ত্রী সিনেমা-তে যে ঝাড়বাতির মহিমা বর্ণনা করে লিখলেন হাজার টাকার ঝাড়বাতিটা - রাত কে যে দিন করেছে গাইলেন মান্না দে, পরের ছবি সন্ন্যাসী রাজা তে সেই গীতিকার লিখলেন ভালবাসার আগুল জ্বালাও - ওই ঝাড়বাতিটা নিভিয়ে দাও এই গানও গাইলেন সেই মান্না দে।গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার একবার শচীন দেব বর্মনের জন্য একটা গান লিখলেন, যেকোনও কারনেই সেই গান আর তাঁকে দিয়ে গাওয়ানো যায়নি। তিনি পরিচালক অরবিন্দ মুখোপাধ্যায়কে গিয়ে বললেন সে কথা। গানটা দেখালেন। অরবিন্দবাবু তাঁকে বলেন, এই গান উত্তমের গলায় দারুন মানাবে, তিনি জানালেন ওই গান তাঁর ছবিতে ব্যবহার করবেন। গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার তাঁকে বললেন, গানে অনেক নাটকীয়তা আছে অভিনেতা এবং গায়ককেও গানের মধ্যে অভিনয় করতে হবে। অরবিন্দ মুখোপাধ্যায় গৌরিপ্রসন্নকে জানালেন, এই গানের সুর করবে নচিকেতা ঘোষ আর গান গাইবে মান্না দে। ছবির নাম নিশিপদ্ম, গানটা না না আজ রাতে আর যাত্রা শুনতে যাবো না। বলাবাহুল্য ছবিতে উত্তম-মান্নার এক অনবদ্য যুগলবন্দী সাক্ষী থাকলো জনতা। এই ভাবেই শুরু হয়ে গেলো উত্তম-মান্নার জয়যাত্রা। যার আবেশে শুধু আপামর দর্শক নয় মজে ছিলেন শিল্পী, অভিনেতা, কলাকুশলী সকলে।মান্না দে এবং উত্তম কুমার জুটিতে ৫৪ টি সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করেছিলেন। তিনি অন্যান্য সংগীত পরিচালকদের জন্যও বহু গান গেয়েছিলেন এবং সে গানও সমান জনপ্রিয় ছিল। মান্না-উত্তম জুটির শ্রেষ্ঠ সিনেমাগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি (অমি যে জলসাঘরে বা আমি যামিনী তুমি শশী হে), নিশিপদ্ম (১৯৭০, সংগীত পরিচালক নচিকেতা ঘোষ, না না না আজ রাতে আর যাত্রা শুনতে যাবো না বা যা খুশি ওরা বলে বলুক), আলো আমার আলো (১৯৭২, সংগীত: পবিত্র চ্যাটার্জী, এই এতো আলো, এতো আকাশ), মৌচাক (পাগলা গারদ কোথায় আছে), দেবদাস (১৯৭৯, সংগীত পরিচালক জগন্ময় মিত্র ও কালিপদ সেন, শাওন রাতে যদি)। মান্না দে এবং উত্তম কুমারের যুগলবন্দি আগামী ১০০ বছরেও পুরনো হবে না!

জুলাই ২৪, ২০২১

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

সেক্টর ফাইভ থেকে ফিল্মি কায়দায় অপহরণ! ৭৮ লক্ষ টাকার রহস্যে চাঞ্চল্য

সল্টলেক সেক্টর ফাইভের অফিসপাড়ায় ভর সন্ধেবেলায় দুঃসাহসিক অপহরণের ঘটনা ঘটল। অপহৃত যুবকের নাম অঙ্কন সাহা। পুলিশ সূত্রে খবর, ৭৮ লক্ষ টাকার লেনদেনকে কেন্দ্র করেই তাঁকে অপহরণ করা হয়েছিল।ঘটনাটি ঘটেছে আরডিবি ভবনের সামনে। মঙ্গলবার বিকেল প্রায় পাঁচটা নাগাদ একটি সাদা স্করপিও গাড়িতে করে কয়েকজন এসে অঙ্কনকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে হইচই পড়ে যায়। খবর পেয়ে ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানার পুলিশ সেখানে পৌঁছে তদন্ত শুরু করে।পুলিশ প্রথমে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। সেই ফুটেজ থেকেই সাদা স্করপিও গাড়ির নম্বর শনাক্ত করা হয়। এরপর গাড়ির মালিকের খোঁজ শুরু করেন তদন্তকারীরা। মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে ড্রাইভারের ফোন নম্বর পাওয়া যায়।পরে পুলিশ ফোন ট্র্যাক করে জানতে পারে, গাড়িটি বড়জাগুলিয়া এলাকায় জাতীয় সড়ক ১২-র কাছে রয়েছে। হরিণঘাটা থানার সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে গাড়িটি আটক করা হয় এবং তার ভিতর থেকে অঙ্কন সাহাকে উদ্ধার করা হয়।পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, অঙ্কন সাহার কাছে অভিযুক্তদের ৭৮ লক্ষ টাকা পাওনা ছিল বলে দাবি। সেই টাকা আদায় করতেই তাঁকে মারধর করে সেক্টর ফাইভ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ খতিয়ে দেখছে, এই অপহরণের পেছনে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না।

জুলাই ২১, ২০২৬
কলকাতা

একুশের মঞ্চে ঋতব্রতের বড় প্রতিশ্রুতি! শহিদ পরিবার পাবে মাসে ১০ হাজার টাকা?

২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে বড় ঘোষণা করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন যদি তাঁদের আসল তৃণমূল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়, তবে ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাইয়ের শহিদদের পরিবারগুলিকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।ঋতব্রতের দাবি, এই টাকা তৃণমূল কংগ্রেসের অ্যাকাউন্ট থেকেই দেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমরা অঙ্ক কষে দেখেছি, এটা সম্ভব। বর্তমানে কালীঘাট তৃণমূল ও ঋতব্রত শিবিরের মধ্যে আসল তৃণমূল নিয়ে বিরোধ নির্বাচন কমিশন পর্যন্ত পৌঁছেছে। মঙ্গলবার দুই শিবিরই আলাদাভাবে শহিদ দিবস পালন করেছে। বিড়লা তারামণ্ডলের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, তাঁরাই আসল তৃণমূল। অন্যদিকে, গান্ধী মূর্তির সামনে সভা থেকে একই দাবি করেন ঋতব্রত।তিনি বলেন, আমরা মুখ্য নির্বাচন কমিশনারসহ পূর্ণ বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করেছি। কেন আমরাই আসল তৃণমূল, তার সমস্ত তথ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দিয়েছি। আমরা নির্বাচন কমিশনের উপর ভরসা রাখি।ঋতব্রত আরও বলেন, যদি নির্বাচন কমিশন আমাদের পক্ষে সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকেই আমরা শহিদ পরিবারগুলিকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেব। এই টাকা তাদের জন্যই খরচ হওয়ার কথা।উল্লেখ্য, আগের দিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ২১ জুলাই নিয়ে সুশান্ত চট্টোপাধ্যায় কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি জানান, কমিশন শহিদ পরিবারগুলিকে ২৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের সুপারিশ করেছিল।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, পূর্বতন তৃণমূল সরকার শহিদ পরিবারগুলিকে মাত্র ২ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ১৫ হাজার টাকা করে দিয়েছিল। তিনি আরও জানান, শহিদদের পরিবার আবেদন করলে রাজ্য সরকার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী আর্থিক সাহায্য দেবে।এই ঘোষণার পরদিনই ঋতব্রত শহিদ পরিবারগুলিকে মাসিক আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিলেন।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

দু’মাস পর অবশেষে মুখ খুললেন মোদী! নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রশ্নফাঁসের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার দুমাসেরও বেশি সময় পরে তিনি বলেন, এই ঘটনা ঘোর অন্যায় এবং এক ধরনের পাপ।গত ৩ মে ডাক্তারির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষ লক্ষ পড়ুয়া এই পরীক্ষায় অংশ নেয়। কিন্তু পরীক্ষার কয়েক দিনের মধ্যেই প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ সামনে আসে। পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠায় পরীক্ষা বাতিল করতে বাধ্য হয় ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি।এই ঘটনার পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বহু ছাত্রছাত্রী রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করে। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও ওঠে। লাদাখের শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক দীর্ঘদিন ধরে অনশন করছেন এই দাবিতে। সোমবার সংসদ অভিযানে ককরোচ জনতা পার্টির লক্ষাধিক সদস্য অংশ নেয়। তবে এতদিন নিট কাণ্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি।মঙ্গলবার এনডিএর সংসদীয় বৈঠকে প্রথমবার এই বিষয়ে সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেন মোদী। তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘোর পাপ হয়েছে। তবে ঘটনা প্রকাশ্যে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সরকার পদক্ষেপ করেছে। প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, এই ঘটনায় জড়িত ১৩ জন অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়েছে।সংসদীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু বলেন, নিট পরীক্ষার্থীদের স্বার্থের কথা ভেবেই নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হচ্ছে। নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

বিরোধী ঝড়ের মাঝেই মোদীর বড় বৈঠক! এনডিএ সাংসদদের কী বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী?

আজ এনডিএ সাংসদদের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিট প্রশ্নফাঁস, রামমন্দির, ইথানলসহ একাধিক ইস্যুতে সংসদের ভিতরে ও বাইরে বিরোধীদের প্রতিবাদ চলছে। এর মধ্যেই সংসদ অভিযানের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। তাই বিরোধী আন্দোলনের মোকাবিলায় এনডিএর রণকৌশল কী হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।সোমবার থেকেই সংসদের বাদল অধিবেশন শুরু হয়েছে। অধিবেশনের প্রথম দিনেই নিট প্রশ্নফাঁস, রামমন্দিরে প্রণামী চুরি এবং অন্যান্য ইস্যুতে বিরোধীদের বিক্ষোভে সংসদের দুই কক্ষ বারবার মুলতুবি হয়। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সংশোধনী বিল পেশ করতে পারে বলে সূত্রের খবর।সরকারের লক্ষ্য, গুরুত্বপূর্ণ বিলগুলিতে এনডিএ শরিক সাংসদদের শতভাগ সমর্থন নিশ্চিত করা। বৈঠকে এই বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি বিরোধীদের প্রচারের পাল্টা জবাবে এনডিএ সাংসদদের একই সুরে কথা বলার পরামর্শ দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।তবে এই বৈঠকে এনসিপিআইকে ডাকা হয়নি। এনডিএর শরিক হলেও স্পিকারের কাছ থেকে এখনও এনসিপিআই দলের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি মেলেনি। যদিও সর্বদলীয় বৈঠকে দলটি উপস্থিত ছিল। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জটিলতার বাইরে প্রধানমন্ত্রীকে রাখতেই আপাতত সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও কাকলি ঘোষ দস্তিদারদের ডাকা হয়নি।উল্লেখ্য, গত রবিবারও স্পিকার অফিস থেকে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের কাছে নতুন করে একাধিক নথি চাওয়া হয়েছে।অন্যদিকে আজ ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরাও বৈঠকে বসবেন। সেই বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন মল্লিকার্জুন খার্গে। উপস্থিত থাকবেন রাহুল গান্ধীও।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ঘুরছে। শোনা যাচ্ছে, শরদ পওয়ারের এনসিপি ডিলিমিটেশন বা আসন পুনর্বিন্যাস বিল নিয়ে অবস্থান বদল করতে পারে। যদি কেন্দ্র এই বিল সংসদে পেশ করে, তবে সেই বিলে শরদ পওয়ারের এনসিপি সমর্থন জানাতে পারে বলে আলোচনা চলছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
রাজ্য

একুশের মঞ্চ থেকে ফিরতেই মদন মিত্রের কাছে ইডির সমন! নতুন মোড় পুরনিয়োগ মামলায়

কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র কে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ২৯ জুলাই তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হতে বলা হয়েছে। তার আগে ২৩ জুলাই মদন মিত্রের স্ত্রীকেও তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।সূত্রের খবর, মদন মিত্র তদন্তে সহযোগিতা করবেন। এর আগে কামারহাটি পুরসভার অবৈধ নিয়োগ মামলায় তাঁর নাম জড়ায়। জুন মাসে ইডি ভবানীপুর, দক্ষিণেশ্বর-সহ তাঁর একাধিক বাড়িতে তল্লাশি চালায়। সেই তল্লাশিতে বেশ কিছু নথিপত্র উদ্ধার হয় বলে জানা গিয়েছে।গত ১৪ জুলাই ইডি মদন মিত্রের পরিবারকে নোটিস পাঠায়। সেই দিন সন্ধ্যায় তিনি এন্টালির তৃণমূল বিধায়ক তথা ঋতব্রত শিবিরের সদস্য সন্দীপন সাহার বাবা, প্রাক্তন বিধায়ক স্বর্ণকমল সাহার বাড়িতে যান। সেখানে দীর্ঘক্ষণ বৈঠকের পরের দিন তিনি বিধানসভায় ঋত শিবিরে যোগ দেন।শিবির বদলের পর থেকেই মদন মিত্র প্রকাশ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করতে শুরু করেন। একুশে জুলাইয়ের সভায় তিনি বলেন, আমি মমতাকে বলছি, অভিষেক এক ঘণ্টা সময় দিয়েছে, আমি আপনাকে এক মাস সময় দিচ্ছি। অভিষেকের হাত ছেড়ে এই ছেলেদের হাত ধরুন। আপনার পার্টি এটা, অভিষেকের পার্টি নয়।শুধু তাই নয়, ১৯ জুলাইয়ের একটি লাইভ অনুষ্ঠানেও মদন মিত্র অভিষেককে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাল্টা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বিরুদ্ধে ১০ কোটির নোটিস পাঠান।এই রাজনৈতিক সংঘাতের আবহেই একুশে জুলাইয়ের সভা থেকে ফেরার পর মদন মিত্রের কাছে ইডির সমন পৌঁছেছে। ফলে পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুলাই ২১, ২০২৬
রাজ্য

২১ জুলাইয়েও কি নামবে বৃষ্টি? মমতার সভা ঘিরে বড় পূর্বাভাস

গত ১৫ বছর ধরে ২১ জুলাইয়ের সভায় রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজির হতেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। বৃষ্টির মধ্যেই বহুবার মঞ্চে বক্তৃতা দিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বৃষ্টি নামলে মমতা একে বলতেন ঈশ্বরের আশীর্বাদ। এবার ২১ জুলাইয়ের আয়োজন বদলেছে, মঞ্চ বদলেছে, সমর্থকদের জমায়েতের ধরনও বদলেছে। কিন্তু আবহাওয়া কি আগের মতোই থাকবে? হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস বলছে, মঙ্গলবার সারাদিনই বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। শুধুমাত্র দমদমে ১৬৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড হয়েছে, যার ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বৃষ্টি হয়েছে বীরভূম,মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব বর্ধমান জেলাতেও। বিকেলের পর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও বৃষ্টির দাপট দেখা যায়।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, মৌসুমি অক্ষরেখা এখনও সক্রিয় রয়েছে। তাই মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গে কয়েক দফা বৃষ্টি হতে পারে। কলকাতা, লাগোয়া জেলা, উপকূল ও পশ্চিমাঞ্চলে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।সোমবারের প্রবল বৃষ্টির পর কলকাতার বহু এলাকা এখনও জলমগ্ন। দমদম ও আশপাশের এলাকায় জল নামেনি কৈখালি ও হলদিরামের রাস্তা এখনও জলের তলায়। এর ফলে কৈখালি থেকে হলদিরাম ও চিনার পার্ক পর্যন্ত তীব্র যানজট তৈরি হয়েছে। সাধারণত ৩-৪ মিনিটের রাস্তা পেরোতে এখন আধ ঘণ্টারও বেশি সময় লাগছে।আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে, বুধবার দুই ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি থাকবে। বৃহস্পতিবার উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান ও বাঁকুড়া জেলাতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কিছুটা কম থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকতে পারে।

জুলাই ২১, ২০২৬
দেশ

সিকিমের টানেলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ৭ শ্রমিকের মৃত্যু, এখনও ভিতরে আটকে ১৮ জন

সিকিমের নামচি জেলায় একটি নির্মীয়মাণ টানেলে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। মিথেন গ্যাস বিস্ফোরণের জেরে টানেলের ভিতরে ধস নামে এবং প্রবেশপথের একটি অংশ বন্ধ হয়ে যায়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে। আরও অন্তত ১৮ জন শ্রমিক টানেলের ভিতরে আটকে রয়েছেন বলে প্রশাসন জানিয়েছে।আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী বা এনডিআরএফ জোরকদমে কাজ চালাচ্ছে। ঘটনাস্থলে এসডিআরএফ, সিকিম পুলিশ, দমকল এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী দলও মোতায়েন রয়েছে।জানা গিয়েছে, নির্মীয়মাণ এই টানেলটি ন্যাশনাল হাইড্রোইলেকট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশনের তিস্তা স্টেজ-৬ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের আওতায় তৈরি হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, টানেলের প্রায় দেড় কিলোমিটার ভিতরে প্রাকৃতিকভাবে নির্গত মিথেন গ্যাস জমে ছিল। সেই গ্যাস বের করে দেওয়ার চেষ্টা চলার সময় আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে।বিস্ফোরণের পর টানেলের একটি অংশ ধসে পড়ে এবং প্রবেশপথ বন্ধ হয়ে যায়। কয়েকজন শ্রমিক কোনওরকমে বাইরে বেরিয়ে আসতে পারলেও বহু শ্রমিক ভিতরেই আটকে পড়েন।সোমবার বিস্ফোরণের সময় টানেলের ভিতরে মোট ২৫ জন শ্রমিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে এনএইচপিসির কর্মীরাও ছিলেন। জেলা প্রশাসন ৭ জনের মৃত্যুর কথা নিশ্চিত করেছে। বাকি ১৮ জনকে এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।উদ্ধারকাজে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মিথেন গ্যাস, অক্সিজেনের ঘাটতি, কম দৃশ্যমানতা এবং টানেলের সংকীর্ণ পথ। ফলে উদ্ধারকারী দল সহজে ভিতরে পৌঁছতে পারছে না।সোমবার বিকেল প্রায় ৩টা ৪০ মিনিটে জেলা প্রশাসন দুর্ঘটনার খবর পায়। এরপরই এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, জেলা পুলিশ এবং দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।প্রথমে দমকল কর্মীরা উদ্ধারকাজ শুরু করলেও মিথেন গ্যাস ও অক্সিজেনের অভাবে শ্বাসকষ্ট হওয়ায় অভিযান মাঝপথে বন্ধ করতে হয়। উদ্ধারকারী দলের কয়েকজন সদস্যও অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে এনডিআরএফ উদ্ধার অভিযান শুরু করলেও একই কারণে কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।সিকিম রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে নামচি জেলা প্রশাসন, এনএইচপিসি, এনডিআরএফ, এসডিআরএফ, সিকিম পুলিশ, দমকল এবং স্বাস্থ্য দফতর রাতভর উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে। তবে এখনও আটকে থাকা শ্রমিকদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

জুলাই ২১, ২০২৬
কলকাতা

২১ জুলাইয়ের আগের রাতে চাঞ্চল্য! মঞ্চ ভাঙচুরের অভিযোগে রাতভর পাহারায় মমতা-অভিষেক

২১ জুলাইয়ের সভাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে উঠেছে। একদিকে মেয়ো রোডে শহিদ তর্পণের কর্মসূচি নিয়েছে ঋতব্রত শিবির, অন্যদিকে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে সভার অনুমতি পেয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। এর মধ্যেই সভামঞ্চে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, ২১ জুলাইয়ের সভামঞ্চে বিজেপির কর্মীরা হামলা চালিয়েছে। শুধু অভিযোগ করেই থেমে থাকেননি তিনি। রাতভর বিড়লা তারামণ্ডল চত্বরে থেকে মঞ্চ পাহারা দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ একাধিক তৃণমূল নেতা।সোমবার সন্ধ্যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সভাস্থল পরিদর্শনে যান। সেখানে প্রস্তুতির কাজ খতিয়ে দেখেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে হঠাৎ তারামণ্ডল এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে ফের সভাস্থলে পৌঁছন মমতা ও অভিষেক।সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করে মমতা অভিযোগ করেন, রাতের অন্ধকারে বিজেপির লোকজন এসে সভামঞ্চ ভাঙচুর করেছে। তিনি লেখেন, এটি শুধু একটি মঞ্চ ভাঙার ঘটনা নয়, এটি সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ও আমাদের কর্মী-সমর্থকদের অনুভূতির ওপর পরিকল্পিত আক্রমণ।সভাস্থলে দাঁড়িয়ে মমতা আরও বলেন, চারিদিকে আমাদের মঞ্চ ভাঙা হচ্ছে। বিদ্যুতের লাইন কেটে দেওয়া হয়েছিল। পোস্টার-ব্যানার সব ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। বিজেপির ৬০-৬৫ জন বাইক নিয়ে এসেছে। তাঁদের নেতৃত্ব দিয়েছেন এক অপরাধী, যিনি আদালতের নির্দেশে বাইরে আছেন।তাঁর অভিযোগ, কর্মী-সমর্থকদের সভাস্থলে আসতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। কালীঘাট তৃণমূল ইতিমধ্যেই এই ঘটনার অভিযোগ পুলিশের কাছে জানিয়েছে।সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বিভিন্ন জায়গায় বিজেপির গুণ্ডারা জড়ো হয়ে আছে। সকালের আগে মঞ্চ ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু দিদি এখানে থাকবেন, আমরাও এখানে থাকব। মঞ্চ পাহারা দেব।তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও অভিযোগ করেন, আদালতের অনুমতি নিয়ে কর্মসূচি করা হলেও নানা ভাবে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণামতো রাত থেকেই মমতা ও অভিষেক সভাস্থলের সামনে ছিলেন। ডেরেক, মহুয়া, কল্যাণসহ একাধিক নেতা দফায় দফায় মঞ্চ পাহারা দেন। মঙ্গলবার সকালে মমতা দলের নেতাদের নিয়ে বিড়লা তারামণ্ডলের সামনে একটি অভ্যন্তরীণ বৈঠক করেন। পরে তিনি বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। এদিকে ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচির শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি জোরকদমে চলছে, সকাল থেকেই কর্মীরা সভাস্থলে আসতে শুরু করেছেন।

জুলাই ২১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal