• ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১১ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Asansol

রাজ্য

কংগ্রেসকে ভোট দেওয়ার অপরাধে আসানসোলে খুন! সিসিটিভিতে ধরা পড়তেই গ্রেফতার ৩, তীব্র চাঞ্চল্য

আসানসোলে (Asansol) কংগ্রেস কর্মী খুনের ঘটনায় শনিবার তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনা রাজনৈতিক হিংসার নয়। জেলা নির্বাচন আধিকারিক কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টে জানিয়েছেন, রাস্তায় গণ্ডগোলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে।এই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে সরাসরি তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে। কংগ্রেস (Asansol) প্রার্থী প্রসেনজিৎ পুইতুণ্ডি দাবি করেছেন, নিহত যুবক দেবদীপ চট্টোপাধ্যায় তাঁর পরিচিত এবং তাঁর হয়েই প্রচার করেছিলেন।প্রসেনজিৎ জানান, শুক্রবার রাতে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে গাড়িতে ফিরছিলেন দেবদীপ। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁর পথ আটকায়। এরপর দেবদীপ গাড়ি থেকে নামলে তাঁদের মধ্যে বচসা শুরু হয় (Asansol)। অভিযোগ, দেবদীপ তাঁর নাম করে অভিযোগ জানাবেন বলতেই দুষ্কৃতীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বেধড়ক মারধর শুরু করে। লাথি-ঘুষিতে মাটিতে ফেলে দেওয়া হয় তাঁকে। সেই আঘাতেই মৃত্যু হয় বলে দাবি কংগ্রেস প্রার্থীর। তাঁর অভিযোগ, এই দুষ্কৃতীরা তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ।ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোল উত্তর বিধানসভা এলাকার একটি আবাসনে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতেই মারধরের ঘটনা ঘটে এবং শনিবার সকালে মৃত্যু হয় ওই যুবকের। ঘটনার পর কংগ্রেস প্রার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা আসানসোল দক্ষিণ থানায় গিয়ে বিক্ষোভ দেখান (Asansol)।পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এপ্রিল ২৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের দিনই তাণ্ডব! অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে পাথরবৃষ্টি, ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল আসানসোল

ভোটকে ঘিরে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়। মুর্শিদাবাদে জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীরের গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগের পর এবার আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।অগ্নিমিত্রা পালের অভিযোগ, বার্নপুরের রহমত নগর এলাকায় তাঁর গাড়ির উপর আচমকা হামলা চালানো হয়। তিনি জানান, এলাকায় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে একটি স্কুলে ঢুকেছিলেন। সেখান থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার পরই তাঁর গাড়িকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া শুরু হয়। চলন্ত গাড়ির পিছনে একের পর এক পাথর আঘাত হানে। তাঁর দাবি, তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হামলা চালিয়েছে। শুধু তাঁর গাড়িই নয়, সঙ্গে থাকা সাংবাদিকদের গাড়িতেও পাথর ছোড়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ঘটনার পর তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগ জানান।এ দিনের সকালেই আসানসোলের রানিগঞ্জ এলাকায় পুলিশ তাঁকে বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই সময় পুলিশের এক আধিকারিকের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা হয়। নিমচা ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক নাসরিন সুলতানা জানান, নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থীর সঙ্গে নির্দিষ্ট সংখ্যার বেশি গাড়ি রাখা যাবে না। এই নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়।এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার অগ্নিমিত্রা পালের গাড়িতে হামলার অভিযোগ ওঠে। অন্যদিকে, একই দিনে মুর্শিদাবাদে হুমায়ুন কবীরের গাড়িতেও ভাঙচুর চালানো হয় বলে জানা গেছে। তাঁর গাড়ির কাচ সম্পূর্ণ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।রাজ্যের একাধিক জেলায় এভাবে প্রার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় ভোটের পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

এপ্রিল ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ফের আদালতে বোমাতঙ্ক, ইমেলে বিস্ফোরণের হুমকিতে তোলপাড় আসানসোল

বুধবার ফের বোমাতঙ্ক ছড়াল আসানসোল আদালত চত্বরে। নতুন করে বোমা রাখার হুমকি ইমেল আসতেই সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় বম্ব স্কোয়াড ও স্নিফার ডগ। নিরাপত্তার স্বার্থে আদালত চত্বর ফাঁকা করে দেওয়া হয় এবং বিচারক, আইনজীবী ও সাধারণ মানুষদের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। হঠাৎ এই হুমকি ঘিরে এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আদালতই কি টার্গেট, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।এর আগেও মঙ্গলবার একই ধরনের হুমকি ইমেল আসে জেলা জজের কাছে। সেই বার্তায় দাবি করা হয়েছিল আদালত ভবনের ভিতরে আরডিএক্স রাখা রয়েছে এবং দূর থেকে বিস্ফোরণ ঘটানো হতে পারে। এমনকি কয়েকজন মাওবাদী সদস্য আদালতের গুরুত্বপূর্ণ অংশের কাছে পৌঁছে বিস্ফোরণ ঘটাবে বলেও উল্লেখ ছিল। এই খবর ছড়াতেই আদালত চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়। পুলিশ দ্রুত এলাকা ঘিরে ফেলে এবং আদালত খালি করে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। স্নিফার ডগ ও বিশেষ দল দিয়ে দীর্ঘক্ষণ খোঁজ চালানো হলেও কোনও বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাজ্যের একাধিক আদালতেও একই ধরনের ভুয়ো হুমকি ছড়িয়েছিল। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ইমেলগুলির উৎস খুঁজে বের করতে তদন্ত চলছে এবং সাইবার দিকও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বুধবার নির্দিষ্ট সময়েই আদালতের কাজ শুরু হলেও বেলার দিকে ফের নতুন ইমেল আসায় পরিস্থিতি আবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বার্তায় আবার বিস্ফোরণের হুমকি থাকায় দ্রুত তল্লাশি অভিযান শুরু করা হয়।পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, আদালতের কাজ ব্যাহত করার উদ্দেশ্যেই বারবার এই হুমকি পাঠানো হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জেলা জজ আগেই জানিয়েছেন, আগের হুমকি ভুয়ো ছিল বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তবে কোনও ঝুঁকি না নিয়ে পূর্ণ সতর্কতা বজায় রেখে তল্লাশি চালানো হচ্ছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
রাজ্য

নদীতে পড়ল মালগাড়ির কামরা, একের পর এক ট্রেন বাতিল ও ডাইভার্ট

আসানসোল ডিভিশনে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা। সিমেন্ট বোঝাই একটি মালগাড়ি লাইনচ্যুত হয়ে যায় বিকট শব্দে। মোট ১৯টি বগি দুর্ঘটনায় পড়ে। বেশ কয়েকটি কামরা পাশের বরুয়া নদীতে গিয়ে পড়ে এবং বাকি কামরাগুলি পাশের লাইনে উল্টে যায়। শনিবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ বিহারের শিমুলতলা স্টেশনের কাছে তেলিয়াবাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, মালগাড়িটি জাসিডিহ থেকে ঝাঝার দিকে যাচ্ছিল। তেলিয়াবাজার হল্ট স্টেশনের কাছে ৬৭৬ নম্বর সেতুর উপর হঠাৎই ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। দুর্ঘটনার সময় মালগাড়িটির ঠিক পিছনেই ছিল পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেস। দুর্ঘটনার পর সঙ্গে সঙ্গে ওই যাত্রীবাহী ট্রেনটিকে মাঝপথে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। তবে এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর নেই বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।এই দুর্ঘটনার জেরে ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে রেল চলাচল। একের পর এক দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। বাতিল ট্রেনের মধ্যে রয়েছে হাওড়া-দেরাদুন কুম্ভ এক্সপ্রেস, শিয়ালদহ-বালিয়া এক্সপ্রেস, মোকামা-হাওড়া এক্সপ্রেস-সহ একাধিক মেমু ও লোকাল ট্রেন। পাশাপাশি বহু দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রাপথ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকটি ট্রেনকে বিকল্প পথে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।রুট পরিবর্তন করা ট্রেনগুলির মধ্যে রয়েছে টাটানগর-বক্সার এক্সপ্রেস, হাওড়া-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস, হাওড়া-পাটনা বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, কলকাতা-গোরখপুর পূর্বাঞ্চল এক্সপ্রেস, যশীদিহ-পুনে সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস, আসানসোল-মুম্বই সিএসএমটি এক্সপ্রেস, রক্সৌল-হায়দরাবাদ এক্সপ্রেস, পাটনা-ধনবাদ ইন্টারসিটি, বলিয়া-শিয়ালদহ এক্সপ্রেস, পাটনা-হাটিয়া পাটলিপুত্র এক্সপ্রেস, কাঠগোদাম-হাওড়া বাঘ এক্সপ্রেস, বক্সার-বিলাসপুর সুপারফাস্ট, রক্সৌল-হাওড়া এক্সপ্রেস এবং গোরখপুর-আসানসোল এক্সপ্রেস।বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রেও রুট পরিবর্তন করা হয়েছে। বারাণসী-দেওঘর এবং দেওঘর-বারাণসী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস নির্ধারিত রুটের বদলে গয়া ও কোডারমা হয়ে চলাচল করছে।রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের অসুবিধার জন্য তারা দুঃখিত। তবে যাত্রী নিরাপত্তা এবং দ্রুত স্বাভাবিক রেল পরিষেবা চালু করার জন্য এই সাময়িক পরিবর্তন জরুরি। যাত্রীদের যাত্রার আগে এনটিইএস বা আইআরসিটিসি অ্যাপ এবং নিকটবর্তী স্টেশন থেকে সর্বশেষ তথ্য জেনে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
রাজ্য

নিষিদ্ধপল্লীতে ভোটার উধাও! খসড়া তালিকায় বাদ ২০ শতাংশ নাম

নিজস্ব সংবাদদাতা: খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হতেই চমকে দেওয়ার মতো তথ্য সামনে এল আসানসোলে। উদ্বেগ ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলেও। এসআইআর বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনের প্রাথমিক পর্ব শেষে দেখা যাচ্ছে, কুলটি বিধানসভার নিয়ামতপুর সংলগ্ন নিষিদ্ধপল্লী এলাকার চারটি বুথে মোট ভোটারের প্রায় ২০ শতাংশ নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। পাশাপাশি আরও প্রায় ২০ শতাংশ ভোটারের সঙ্গে পুরনো তালিকার কোনও ম্যাপিং করা যায়নি বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর।এসআইআর শুরু হওয়ার সময় এই চারটি বুথে মোট ভোটার ছিলেন ৩ হাজার ৬২৭ জন। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা যাচ্ছে, ৭৪২ জনের নাম বাদ গিয়েছে। বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে ১৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, ৬৯ জন অন্যত্র চলে গিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি সংখ্যক, অর্থাৎ ৫৩৪ জন ভোটারের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। জানা গিয়েছে, তাঁরা এনুমারেশন ফর্ম তুললেও তা আর জমা দেননি। পাশাপাশি ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা সম্ভব হয়নি এমন ভোটারের সংখ্যা ৬৮৪ জন।এই তথ্য সামনে আসতেই বিরোধীরা সরব হয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, বছরের পর বছর এই ভূতুড়ে ভোটারদের ব্যবহার করে এসেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। নিষিদ্ধপল্লী এলাকায় বাংলাদেশি নাগরিকদের নাম ভোটার তালিকায় ঢোকানো হয়েছিল বলেও অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা।তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। দলের দাবি, এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলও-রা। তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি বাচ্চু রায় বলেন, নিষিদ্ধপল্লীর অনেক যৌনকর্মী নিজের পরিচয় ও ঠিকানা গোপন রেখে সেখানে কাজ করতে আসেন। এসআইআর চলাকালীন তাঁরা ভয় পেয়ে এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছেন বা ফর্ম তুললেও জমা দেননি। তাঁর দাবি, এখানে কোনও বাংলাদেশি যোগ নেই।

ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫
দেশ

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্গাপুরে ৫০০০ কোটির বেশি মূল্যের প্রকল্পের সূচনা করবেন

আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্গাপুরে তেল ও গ্যাস, বিদ্যুৎ, সড়ক ও রেল খাতে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস, উদ্বোধন ও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন।১৯৫০ কোটি টাকার বেশি অর্থ বরাদ্দে তেল ও গ্যাস পরিকাঠামোয় প্রধানমন্ত্রী বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া জেলায় ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (BPCL)-এর সিটি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন (CGD) প্রকল্পের শিলান্যাস করবেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ঘরোয়া, বাণিজ্যিক ও শিল্পগ্রাহকদের PNG সংযোগ প্রদান করা হবে, রিটেল আউটলেটে CNG উপলব্ধ থাকবে এবং এই অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপুর-হলদিয়া প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইনের দুর্গাপুর থেকে কলকাতা পর্যন্ত ১৩২ কিমি দীর্ঘ অংশটিও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন, যা প্রধানমন্ত্রী উর্জা গঙ্গা (PMUG) প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত জগদীশপুর-হলদিয়া ও বোকারো-ধামরা পাইপলাইন প্রকল্পের অংশ। আনুমানিক ১,১৯০ কোটি টাকার এই প্রকল্পটি পূর্ব বর্ধমান, হুগলি ও নদিয়া জেলার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে। স্থানীয়দের জন্য এই পাইপলাইন নির্মাণকালে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে এবং এখন লক্ষাধিক পরিবারকে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহে সহায়তা করবে।পরিবেশবান্ধব শক্তি উৎপাদনের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপুর স্টিল থার্মাল পাওয়ার স্টেশন এবং রঘুনাথপুর থার্মাল পাওয়ার স্টেশনে ফ্লু গ্যাস ডিজালফারাইজেশন (FGD) সিস্টেম সংযোজনের প্রকল্পটিও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন, যার আনুমানিক ব্যয় ₹ ১,৪৫৭ কোটি টাকা। এটি এলাকার পরিবেশ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে।রেল পরিকাঠামো উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী পুরুলিয়া জেলার পুরুলিয়া-কোটশিলা রেললাইন দ্বিগুণ করার ৩৬ কিমি দীর্ঘ প্রকল্পটিও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন, যার ব্যয় প্রায় ৩৯০ কোটি। এই প্রকল্পটি জামশেদপুর, বোকারো ও ধানবাদের শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে রাঁচি ও কলকাতার সংযোগ উন্নত করবে, পণ্য পরিবহনের গতি বাড়াবে এবং শিল্প ও ব্যবসার ক্ষেত্রে লজিস্টিক্স সুবিধা উন্নত করবে।সেতু ভারতম প্রকল্পের অধীনে পশ্চিম বর্ধমানের তোপসি ও পাণ্ডবেশ্বরে নির্মিত দুটি রোড ওভার ব্রিজ (ROBs)-এর উদ্বোধনও প্রধানমন্ত্রী করবেন, যার মোট ব্যয় প্রায় ৩৮০ কোটি টাকা। এই সেতুগুলি রেল লেভেল ক্রসিংয়ে দুর্ঘটনা রোধ এবং এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে সহায়তা করবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দুর্গাপুরে তেল ও গ্যাস, বিদ্যুৎ, সড়ক ও রেল খাতে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পের শিলান্যাস, উদ্বোধন ও জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন

জুলাই ১৭, ২০২৫
রাজ্য

ভয়ঙ্কর ঘটনা আসানসোলে, বাড়িতেই পুড়ে শেষ মা, বাবা ও ছেলে

বাড়িতে আগুন লেগে মৃত তিন, আহত এক। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগে বলে প্রাথমিক অনুমান। শনিবার গভীর রাতের ঘটনা। এই ঘটনায় বাড়ির তিনজন মারা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ির কর্তা কেবল চন, স্ত্রী গায়ত্রী চন ও এদের জামাই বাবলু সিং আগুন লাগার ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে। কেবল চনের মেয়ে শিল্পী সিংকে আশঙ্কা জনক অবস্থায় আসানসোল জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে দুর্গাপুরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। ঘটনাটি ঘটেছে আসানসোল দক্ষিণ থানার ফতেপুর বৈশালী পার্কের কাছে। রাতে দমকল ইঞ্জিন গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

জুন ২৯, ২০২৫
রাজ্য

বাংলার প্রভাবশালী মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা, আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ পুলিশের

বর্ষীয়াণ তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রীর বাড়িতেই হামলা। বুধবার এই ঘটনা ঘটেছে আসাসনসোলে। এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজ্যজুড়ে। আসানসোলে আপার গার্ডেনে রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের বাসভবনে ভাঙচুর। বাসভবনের অফিসের টেবিলে কাচ ভাঙচুর। এই ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করল পুলিশ। ঘটনাস্থলে আসানসোল দক্ষিণ থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। ছুটে আসেন আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি সেন্ট্রাল ধ্রুব দাস, এসিপি সেন্ট্রাল বিশ্বজিত নস্কর। মন্ত্রীর বাসভবনে পুলিশি নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কিভাবে হামলা, প্রশ্ন উঠছে।মলয় ঘটকের স্ত্রী বলেন, আমি ওপরে ছিলাম। হঠাৎ নীচে দুমদুম আওয়াজ। জানি নীচে পুলিশ আছে। তবু নীচে এসে দেখছি যে এখানে ভাঙাচোড়া অবস্থা। এক যুবকের হাতে ইঁটের থানা। জানি না কি উদ্দেশ্যে এসেছিল। পুলিশ ছিল তবু ভয় পেয়ে গিয়েছি। আমি একা থাকি। মন্ত্রী থাকলে সাহস পেত কিনা জানি না। কোনও কিছু বলেনি। অন্যরা যখন ধরলো তখনও কিছু বলেনি চুপ করেছিল। পুলিশ বলেছে, বিকেল ৪.৪৫ নাগাদ হঠাৎ একটা ছেলে মন্ত্রীর ঘরে ঢুকে যায়। আমরা তাকে আটক করেছি। জিজ্ঞাসাবাদ করে দেখছি কেন এমন করল। পুলিশ থাকতেও কি করে ঘটলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জানুয়ারি ২২, ২০২৫
রাজ্য

জিতেন্দ্র তেওয়ারির ৮ দিনের পুলিশ হেফাজত, ব্যাপক বিক্ষোভ আসানসোল আদালত চত্বরে

রবিবার আসানসোল আদালতে তোলা হয় আসানসোলের বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারিকে। গত বছর ১৪ই ডিসেম্বর আসানসোলে কম্বল বিতরণকাণ্ড পদপৃষ্ট হয়ে তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় শনিবার গ্রেফতার করা হয় জিতেন্দ্রকেl এদিন জিতেন্দ্র তেওয়ারি নিজে একজন আইনজীবী হিসেবে নিজেই নিজের মামলা মুভ করেন বলে জানা গিয়েছে। জিতেন্দ্র তেওয়ারিকে আদালত থেকে বার করার আগে বিজেপি কর্মীরা তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে থেকে আদালত চত্বরে। তাঁদের দাবি, যে গাড়িতে করে নিয়ে আসা হয়েছে। সেই গাড়ি পরিবর্তন করতে হবে। তারা অভিযোগ জানাতে থাকে অনুব্রত মণ্ডলের ক্ষেত্রে পুলিশ অভিযুক্তকে নিয়ে যাওয়ার জন্য এসি গাড়ি ব্যবহার করে বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন জনপ্রতিনিধি জিতেন্দ্রকে নিয়ে যাওয়ার সময়ও এসি গাড়ি ব্যবহার করতে হবে। এই অভিযোগে তারা তুমুল বিক্ষোভ দেখাতে থাকে গাড়ির সামনে বসে পড়েন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। যদিও পুলিশি তৎপরতায় আদালত চত্বর থেকে বিজেপি কর্মীদের সরিয়ে জিতেন্দ্র তেওয়ারিকে বার করে নিয়ে যায় পুলিশ। এদিন সরকারি আইনজীবী সোমনাথ চট্টরাজ জানিয়েছেন ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন করা হয়েছিল আদালতে আদালত ৮ দিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছে। আগামী ২৭ তারিখ পুনরায় জিতেন্দ্র তেওয়ারি পেশ করা হবে।

মার্চ ১৯, ২০২৩
রাজ্য

ছট উৎসবের মুখে কুলটিতে বিহারীবাবুর নামে নিখোঁজ পোস্টার ঘিরে চাঞ্চল্য

দীপাবলি উৎসব পেরিয়ে দেশ জুড়ে ছট উৎসবের প্রস্তুতি শুরু। এই পরিস্থিতি তে আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রেও বিভিন্ন ছট ঘাট পরিদর্শন সহ তার সংস্কার সাধন করা হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে। বাজারে পুজার সামগ্রী কেনার ব্যস্ততা বেড়েছে ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে। এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যয় কুলটির স্টেশন রোড অঞ্চলে এলাকার সংসদ শত্রুঘ্ন সিনহার নিখোঁজের পোস্টার ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়ে। যদিও এই পোস্টার কে বা কারা লগিয়েছে তার স্পষ্ট কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি। তবে পোস্টের তলায় লেখা রয়েছে আসানসোলের বিহারী সমাজ। উল্লেখ্য শত্রুঘ্ন সিনহা নিজেও বিহারীবাবু হিসাবে পরিচিত।তবে পোস্টারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় তৃণমুল পুরপিতা সেলিম আখতার আনসারি বলেন এটি নিশ্চিত ভাবেই কোনো পাগলের কাজ। অন্যদিকে স্থানীয় জিসান কুরেশি নামের ব্যক্তি বলেন পোস্টার কারা লাগিয়েছে জানা নেই। তবে পোস্টারের বক্তব্য সত্যি। ছট উৎসবেও নিজের সাংসদ এলাকায় বিহারীবাবুর দেখা নেই। যখন তার নিজের উপস্থিতিতে এলাকার পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি তে নজর দেওয়া ও স্থানীয় জনগণের পাশে দাঁড়ানো উচিৎ ছিল। অন্য দিকে কুলটি ব্লক যুব তৃণমূলের সভাপতি বিমান দত্ত জানিয়েছেন এটি পুরোপুরি বিজেপির চক্রান্ত। তারা কোনো ভাবেই রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের সাথে পেরে উঠছে না। তাই নানা ছলে তৃণমূলের বদনাম করতে চাইছে। এলাকায় পরিষেবা দেওয়ার কাজ পুরনিগমের। যা যথার্থ ভাবেই পালিত হচ্ছে। এলাকার সংসদ প্রতিনিয়ত মেয়রের সাথে যোগাযোগ রেখে চলছেন।

অক্টোবর ২৮, ২০২২
রাজ্য

আসানসোল সিবিআই কোর্টের বিচারককে বেনামী হুমকি চিঠির অভিযোগে আইনজীবী সুদীপ্ত রায় গ্রেফতার

রাতভর ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালাল পুলিশ। বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের মামলার বিচারককে হুমকি চিঠির ঘটনায় সোমবার গ্রেফতার হয় বর্ধমান আদালতের আইনজীবী সুদীপ্ত রায়কে। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর সোমবার রাতেই পূর্ব বর্ধমানের মেমারির চিনুই (সাহানুই) গ্রাম থেকে ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের সহকারী দীপক মহুরীকে বাড়ি থেকে আটক করে পুলিশ। সোমবার দুপুরে আসানসোল আদালত চত্বরে গিয়েছিলেন সুদীপ্ত। খবর পেয়েই পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।এখানে উল্লেখ্য ২০ আগষ্ট আসানসোলের সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীকে হুমকি চিঠি দেওয়া হয়। চিঠিতে লেখা হয় গরু পাচার মামলায় ধৃত বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে জামিন না দিলে তাঁর পরিবারকে গাঁজা কেসে ফাঁসানো হবে। সেই চিঠির প্রেরক হিসাবে পূর্ব বর্ধমানের এগজিকিউটিভ আদালতের আপার-ডিভিশন ক্লার্ক (ইউডিসি) বাপ্পা চট্টোপাধ্যায়ের নাম ও সই ছিল। বাপ্পা প্রথম থেকেই বলে আসছেন, তিনি নির্দোষ। তাঁকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়েছে।হুমকি চিঠির তদন্তে গত বৃহস্পতিবারও বাপ্পাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে আসানসোল পুলিশ কমিশনারেটের দুই পুলিশকর্তা। জিজ্ঞাসাবাদের পর বাপ্পা দাবি করেন, সুদীপ্ত রায় নামে বর্ধমান আদালতের এক আইনজীবী দিন দুয়েক আগে তাঁকে আদালত চত্বরে হুমকি দিয়েছিলেন। তাকে বলা হয়, তোর যা ব্যবস্থা করার, হয়ে গিয়েছে। এ বার তোর চাকরি খাব। বাপ্পাবাবু গোটা বিষয়টি বর্ধমান উত্তরের মহকুমাশাসককে জানান। হুমকি চিঠির পিছনে সুদীপ্তেরই হাত রয়েছে। শুক্রবার বাপ্পার গোপন জবানবন্দিও নেওয়া হয়। তার পরেই সোমবার গ্রেফতার হয় সুদীপ্ত।সোমবার গভীররাতে আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ বর্ধমান থানার পুলিশের সহযোগিতায় ধৃত আইনজীবী সুদীপ্ত রায়ের বর্ধমান শহরের বড়নীলপুরের বাড়িতে তল্লাশি চালায়। প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে পুলিশ তল্লাশী চালায়।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

বাপ্পা চ্যাটার্জীকে আসানসোল পুলিশ কমিশনারেটের তদন্তকারী অফিসারের জেরা

আসানসোল সিবিআই আদালতের বিচারককে হুমকি চিঠি প্রসঙ্গে অভিযুক্ত বাপ্পা চ্যাটার্জীকে বুধবারের পর ফের বৃহস্পতিবার জিজ্ঞাসাবাদ করলো আসানসোল পুলিশ কমিশনারেটের দুই পুলিশকর্মী। বুধবারই তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন বর্ধমান এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রট কোর্টের হেডক্লার্ক বাপ্পা চ্যাটার্জী। আজও আসানসোল পুলিশ থেকে সেই বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে জানিয়েছেন বাপ্পা বাবু। এদিন বেলা ১২ টার সময় আসানসোল পুলিশের একটি দল তার কাছে যায় এবং হুমকি চিঠি সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে এই বিষয়ে বাপ্পা বাবু এদিন কিছু বলতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। সুতরাং তাকে এই বিষয়ে কিছু বলতে মানা করা হয়েছে। তবে তিনি বলেন আইনজীবী সুদীপ্ত রায় তাকে দুদিন আগে কোর্ট চত্বরে বলে তোর যা ব্যবস্থা করা সব হয়েগেছে। এবার তোর চাকরী খাবো।এই বিষয়টি তিনি মহকুমাশাসককে জানিয়েছেন। তার ধারণা এই বিষয়টি সুদীপ্ত রায়ই করেছে।চার পাঁচ দিন আগে হুমকি চিঠি যায় আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীর কাছে। সেই চিঠিতে লেখা, গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে জামিন দিন। না হলে আপনি এবং আপনার পরিবারকে মাদক মামলায় ফাঁসানো হবে। খামের উপর ব্যবহার করা হয়েছে বাপ্পার নামাঙ্কিত সিলমোহর।

আগস্ট ২৫, ২০২২
রাজ্য

আসানসোলে সিবিআই আদালতে যাওয়ার পথে অনুব্রতের গাড়ি থামলো শক্তিগড়ে

আসানসোলে সিবিআই আদালতে হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে অনুব্রতের গাড়ি থামলো শক্তিগড়ে। গরুপাচারের ঘটনায় ধৃত বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল চার দিন সিবিআই হেফাজতে থাকার পর বুধবার তাকে আসানসোলের সিবিআই আদালতে তোলা হয়। ২ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে কলকাতা থেকে আসানসোল যাওয়ার পথে অনুব্রত মণ্ডলকে নিয়ে যাওয়া সিবিআইয়ের গাড়ি থামে জাতীয় সড়কের শক্তিগড়ে ল্যাংচার দোকান পরিয়ে। বর্ধমানের উল্লাসমোড় ঢোকার বেশ খানিকটা আগে( ১ কিলোমিটার) রাস্তার ধারে একটি ধাবার সামনে গাড়ি থামে। অনুব্রত মণ্ডল সিআরপিএফের একেবারে ঘেরাটোপে ঢোকেন ধাবার ভিতরে। তখন জাতীয় সড়কের ধারে বেশ কয়েকটি গাড়ি সহ গোটা এলাকাটি সিআরপিএফ জওয়ান ঘিরে রাখে। তিনি সটান ঢুকে যান ধাবার কেবিনে। তবে তিনি ল্যাংচা বা কোন মিষ্টি জাতীয় খাবার খান নি।দুটি ডালপুরি ও লিকার চা খেয়ে প্রাতঃরাশ সারেন।তিনি ওখানে আধঘন্টা ছিলেন। ধাবার কর্মীরা তাকে সেরামিকের কাপ ডিসে লিকার চা দেয়। অনুব্রত বরাবরই দুধ চা বা কফি এড়িয়ে চলেন চিকিৎসকদের নির্দেশে। বরং দলীয় অনুষ্ঠান, বাড়িতে বা পার্টি অফিসে সব সময়েই লিকার চা খান।তবে বিকালে বোলপুরের দলীয় কার্যালয়ে থাকলে লিকার চায়ের সঙ্গে গরম সিঙারা খেতে পছন্দ করতেন।সিএসএফ জওয়ান কেবিনের ভিতরে কার্যত মাছি গলতে দেয় নি এদিন ধাবায়।অনুব্রতের গাড়ি থামার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকার বহু মানুষ ধাবার সামনে উপস্থিত হন।পথচলতি মানুষজন ও গাড়িও থেমে যায় থাবার সামনে।তারপর সিবিআইয়ের গাড়ি চলে যায় আসানসোলের উদ্দেশ্যে।

আগস্ট ২৪, ২০২২
রাজ্য

বীরভূমের বেতাজ বাদশা অনুব্রতকে জামিন না দিলে মাদক কেসে ফাঁসানোর হুমকি বিচারককে

আসানসোলের সিবিআই কোর্টের বিচারককে হুমকি চিঠি। ঘটনাই চাঞ্চল্য ছড়ালো আসানসোল ও বর্ধমানে। অভিযোগ বর্ধমান কোর্টের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের হেড ক্লার্কের বিরুদ্ধে। এই ঘোরতর অভিযোগ যার দিকে, বর্ধমান কোর্টের সেই হেড ক্লার্ক বাপ্পা চ্যাটার্জি জানান, আমি এই বিষয়ে কিছু জানিনা। আপনাদের কাছ থেকে প্রথম শুনছি। এই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। কেউ কি আপনার নাম করে এই হুমকি চিঠি দিয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তরে বাপ্পা বাবু জানান সেটাও আমি কিছু বুঝতে পারছি না। এখানে উল্লেখ্য বাপ্পা তৃণমূলের জেলাভিত্তিক কর্মচারী সংগঠনের সদস্য।বাপ্পার নামে হুমকি চিঠি আসে আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীর কাছে। ওই চিঠিতে লেখা হয়, গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে জামিন দিন। না হলে আপনি এবং আপনার পরিবারকে মাদক মামলায় ফাঁসানো হবে। চিঠিটি যে খামে করে পাঠানো হয় তাঁর উপর বাপ্পা চ্যাটার্জির নামে সিলমোহর ব্যবহার করা হয়েছে। বাপ্পা জানিয়েছেন, তাঁর এবিষয়ে কিছুই জানা নেই। তিনি আরও জানান, সিলমোহর তাঁর কাছেই আছে। চুরি যায়নি, হয়ত কেউ কেউ ওই সিলমোহর নকল করে এই কান্ডটি ঘটিয়েছে।প্রসঙ্গত আগামিকাল বুধবারই অনুব্রত মণ্ডলের জামিনের শুনানি আছে আসানসোল সিবিআই কোর্টে। অনুব্রত মণ্ডল গরু পাচার মামলায় আপাতত সিবিআই হেপাজতে আছেন।

আগস্ট ২৩, ২০২২
রাজনীতি

আসানসোলে সবুজ ঝড়ে উড়ল গেরুয়া শিবির, বালিগঞ্জে জয়েও আতঙ্কে তৃণমূল

রাজ্য়ের দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনেই জয় পেয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আসানসোলে কার্যত উড়িয়ে দিয়েছে পরপর দুবারে জয় পাওয়া বিজেপিকে। প্রায় ২ লক্ষের ওপর ভোটের ব্যবধানে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালকে পরাজিত করেছেন তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহা। অন্যদিকে বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় জয় পেয়েছেন ২০ হাজারের ওপর ভোটের ব্যবধানে। এখানে এবার দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিম। কিন্তু এই কেন্দ্রে যে ভাবে তৃণমূলের ভোট কমেছে তাতে ঘাসফুল নেতৃত্বের যথেষ্ট আতঙ্কের কারণ রয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রে ২০১৪ ও ২০১৯-এ জয় পেয়েছিল বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় প্রায় ১,৯৭,৬৩৭ ভোটের ব্যবধানে তৃণমূল প্রার্থী মুনমুন সেনকে পরাজিত করেছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেস গঠন হওয়ার পর আসানসোল কেন্দ্রে জয় পায়নি। এই প্রথম সেখানে জয় পেয়েছে তৃণমূল। শত্রুঘ্ন সিনহা ভোট পেয়েছেন ৬,৪৬,৬৬১ ভোট পেয়েছেন শত্রুঘ্ন। প্রায় ৫৬ শতাংশ ভোট। অগ্নিমিত্রা পাল ভোট পেয়েছেন ৩,৫০,০১৫। শতাংশের হিসাবে ৩০%। বিজেপির প্রায় ২২ শতাংশ ভোট কমেছে গতবাবের তুলনায়।এদিকে বালিগঞ্জ কেন্দ্রে বিজেপিকে সরিয়ে দ্বিতীয়স্থানে উঠে এসেছে সিপিএম। এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয় ২০হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিমকে। বাবুল পেয়েছেন ৫০,৯৯৬ ভোট। সায়রার প্রাপ্ত ভোট ৩০,৯৪০ ভোট। বিজেপি গতবারে তুলনায় ৭ শতাংশ কম ভোট পেয়েছে। বিজেপি প্রার্থী কেয়া ঘোষ পেয়েছেন ১৩,১৭৪ ভোট। তবে এই কেন্দ্রে সংখ্যালঘু ভোট প্রাপ্তি কমেছে তৃণমূলের। রাজনৈতিক মহলের মতে, গতবারের থেকে প্রায় ২০ শতাংশ ভোট কমায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ঘাসফুল শিবিরের।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
রাজ্য

দুই উপনির্বাচন ঘিরে তুলকালাম, ভাঙল অগ্নিমিত্রার গাড়ি

আসানসোল লোকসভা ও বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে তাপ-উত্তাপ বেড়েই চলেছে সকাল থেকে। বালিগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক কেয়া ঘোষ সকালেই অভিযোগ করেন, বুথের মধ্যে কলকাতা পুলিশ থাকছে। তাছাড়া ফলস ভোটের অভিযোগও করেছেন তিনি। এদিকে আসানসোলের উপনির্বাচনের শুরু থেকেই ধুন্ধমার কান্ড। বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়ি ভাঙচুর থেকে তাঁর নিরাপত্তা কর্মীর সঙ্গে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। এরই পাশাপাশি এদিন বারাবনিতে পুলিশ সংবাদ মাধ্য়মের গাড়ি আটকে দেয়। যদিও কোনও সরকারি নোটিশ দেখাতে পারেনি পুলিশ।আসানসোল ও বালিগঞ্জের উপনির্বাচন তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে প্রেস্টিজ ফাইট। পাশাপাশি আসানসোল কেন্দ্র ধরে রাখার দায় রয়েছে বিজেপির। এদিকে সাংবাদিক আটকানো নিয়ে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, সাংবাদিকদের কোনও ভাবেই আটকাতে পারবে না পুলিশ। সাংবাদিকরা ফ্রি মুভমেন্ট করতে পারবে। কেউ বাধা দিতে পারবে না।এদিন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পালের গাড়ি ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে দুপক্ষের মধ্যে ইট-পাথর ছোড়াছুড়ি চলে। পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। এমনকী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে অগ্নিমিত্রার নিরাপত্তা রক্ষীরা। অগ্নিমিত্রার অভিযোগ, ফলস ভোট দিয়ে জেতার চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। বরং তৃণমূলের অভিযোগ, বেশ কিছু জায়গায় বিজেপি ভোট দিতে বাধা দিচ্ছে। এককথায় আসানসোলের উপনির্বাচন ঘিরে তুলকালাম অবস্থা।

এপ্রিল ১২, ২০২২
রাজ্য

আসানসোল লোকসভা উপ-নির্বাচনে প্রস্তুতি তুঙ্গে

রাত পোহালেই আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। সেই উপ-নির্বাচন উপলক্ষে এ দিন বিকেল থেকেই বিভিন্ন বুথে বুথে পৌঁছেছেন ভোট কর্মীরা। ইভিএম সহ ভোটের বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে ভোট কর্মীদের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন বুথে। বুথে বুথে রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা। শংকরপুর অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রয়েছে ২৩৫-২৩৬ নম্বর বুথ, ঠিক তার উল্টো দিকেই শংকরপুর শিশু আলয় রয়েছে ২৩৪ ও ২৩৪ এ । এই চারটি বুথেই শংকরপুর এলাকার মানুষরা ১২ তারিখ সকাল থেকেই নিজেও প্রার্থীর সমর্থনে ইভিএমে ভোট দেবেন। বুথের সামনেই রয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ছাউনী। সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর জওয়ানরা এই চারটি বুথের দায়িত্বে রয়েছেন।

এপ্রিল ১১, ২০২২
রাজ্য

অভিষেকের ভাষণের সময় পাশে ঠায় দাঁড়িয়ে কল্যান, আপশোষ তৃণমূল কখনও আসানসোল জেতেনি

দলের সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত মতামত হতে পারে না বলে তোপ দেগেছিলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর গঙ্গা দিয়ে অনেক জল গড়িয়েছে। এবার আসনসোলে তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার প্রচারে কল্যানের পাশে দাঁড়িয়েই বক্তব্য রাখলেন অভিষেক। হুঙ্কার ছাড়লেন বিজেপির বিরুদ্ধে। অভিষেকের আপশোষ তৃণমূল কংগ্রেস কোনও দিন আসানসোল লোকসভা আসনে জয় পায়নি।এবার আসানসোল কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হয়েছেন বিহারীবাবু শত্রুঘ্ন সিনহা। তাঁকে বহিরাগত বলে দাবি করছে বিজেপি। অন্য দিকে এদিন বিজেপির বিরুদ্ধে বহিরাগত তত্বে অনড় বলতে শোনা গেল অভিষেকর ভাষণে। বরং শত্রুঘ্ন সিনার সঙ্গে আসানসোলের দীর্ঘ বছরের সম্পর্ক বলে তিনি ঘোষণা করলেন। অভিষেক বলেন, এই আসন থেকে তৃণমূল কোনও দিন জিততে পারেনি। এবার সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। একটা ইডি, সিবিআইয়ের নোটিশ ধরিয়ে কিছু করতে পারবে না।শ্রীলঙ্কায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে লঙ্কাকান্ড ঘটে চলেছে। ওই দেশে জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে। ভারতের অর্থনীতির হাল যে শ্রীলঙ্কার থেকেও খারাপ, বলেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, ১৫৫ লক্ষ কোটি টাকা ঋণগ্রস্ত নরেন্দ্র মোদি সরকার। শ্রীলঙ্কার থেকে ভারতের ২০ গুন খারাপ অবস্থা। ৬৭ বছরে ভারতের ঋণের পরিমান ছিল ৫৪ লক্ষ কোটি টাকা। নরেন্দ্র মোদী ৭ বছরে ১০২ কোটি টাকা ঋণ করেছে।বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসায় বাবুল সুপ্রিয়র প্রশাংসা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আসানসোল জয়ের পর ফের খেলা শুরু হবে বলেও জানিয়েছেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। অভিষেক বলেন, বাবুল সুপ্রিয় চলে গিয়েছে তৃণমূলে। গায়ে লাগছে। যে করে হোক সিটটা জিততে হবে! আমি বলছি খেলা এখনও শুরু হয়নি। আসানসোল জেতার পর খেলা শুরু হবে। তারপর দরজা খুলব, কে কে আসবে আর কে কোথায় জিতবে আপনারা দেখবেন। তৈরি থাকুন। কী ভাবছেন তৃণমূলকে দমিয়ে রাখবেন। তাঁর ভাষণের সময় সারাক্ষণ পাশে ঠায় দাঁড়িয়েছিলেন কল্যান।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
রাজ্য

নির্বাচনী প্রচারে নিষেধাজ্ঞা তৃণমূল বিধায়কের

পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে নির্বাচনীয় প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জাড়ি করে নির্বাচন কমিশনার। বুধবার তার প্রতিক্রিয়া দিলেন বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। প্রতিক্রিয়ায় বিধায়কের দাবি, নির্বাচন কমিশনারের কাছ থেকে এই ধরনের কোনও নোটিশ তিনি পাননি।উল্লেখ্য, আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের উপ নির্বাচন দলীয় প্রচার চলছে। সেখানে আসানসোল লোকসভা কেন্দ্রের পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার অন্তর্গত লাউদহ ব্লকের কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে তৃণমূল বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে কর্মীদের সম্বোধন করার সময় বিজেপি সমর্থকদের খোলাখুলি হুমকি দিতে দেখা যায়। যে ভিডিও র সত্যতা যাচাই করিনি আমরা।যারা কট্টর বি জে পি যাদেরকে এড়ানো যাবে না তাদেরকে চমকাতে হবে। বলবেন আপনি যদি ভোট দিতে চান তাহলে ধরে নেব আপনি বিজেপিকে ভোট দেবেন। ভোটের পর আপনি কোথায় থাকবেন সেটা আপনার নিজের বিষয়। আপনি যদি ভোট দিতে না যান তাহলে ধরে নেব আপনি আমাদের সমর্থন করছেন। তাহলে আপনি বাড়িতে থাকুন ব্যবসা করুন, চাকরি করুন, ভালভাবে থাকুন, কোন অসুবিধা নেই আমরা আপনার সঙ্গে আছি ক্লিয়ার। ভিডিওটি সামনে আসার পর বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি বলেন একটা জিনিসই উনি বুঝেছেন। বিজেপির লোকেরা যদি ভোট দেওয়ার সুযোগ পায় তাহলে উনারা হারবেন, এটা উনি বলেছেন। এরকম হুমকি উনি না দিলেই ভাল হয়। উনিতো অনুব্রত মণ্ডলের শিষ্য, অনুব্রত মণ্ডল তো কিছুদিন পর হয়তো জেলের মধ্যে থাকবেন। এরকম থাকলে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে লুডু খেলার জন্য আরও দুতিনজন লাগবে। তখন হয়তো উনাকে যেতে হবে । এরকম না করলেই ভালো হবে।আসানসোল লোকসভা উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার সমর্থনে পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার বিভিন্ন অঞ্চলের কর্মীদের নিয়ে কর্মিসভা করা হল। এই কর্মিসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী পাণ্ডবেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মদন বাউরি সহ-সভাপতি রমা রুইদাস এবং কিরীটি মুখার্জি, রামচরিত পাসোয়ান সহ অন্যান্য ব্লক নেতৃত্ব।মূলত এই সভাটি বিধানসভার কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হরিপুরে অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনী সভায় বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী সেখানেই বলেন বলে বিজেপির অভিযোগ।

মার্চ ৩০, ২০২২
রাজনীতি

বিধাননগরে মেয়র কৃষ্ণাই, চেয়ারম্যান সুব্রত, ঘোষিত ৩ পুর নিগমের মেয়রের নামও

তিন পুরনিগমের মেয়র পদে দলের বিশ্বস্ত সৈনিকদেরই বেছে নিল তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। বিধাননগরের মেয়রের দায়িত্ব ফের দেওয়া হয়েছে কৃষ্ণা চক্রবর্তীকে। ডেপুটি মেয়র করা হয়েছে অনিতা মণ্ডলকে। বিজেপি থেকে ঘর ওয়াপসি করা সব্যসাচী দত্তকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে। আসানসোল পুর নিগমের মেয়র হয়েছেন বিধান উপাধ্যায়কে। আর চন্দননগরের মহানাগরিকের দায়িত্ব ফের বর্তেছে রাম চক্রবর্তীর কাঁধে। শুক্রবার দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক শেষে এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী ও কলকাতার মহানাগরিক ফিরহাদ হাকিম।গত সোমবার চার পুরনিগমের ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরেই শিলিগুড়ি পুরনিগমের মেয়র হিসেবে দলের দীর্ঘদিনের নেতা গৌতম দেবের নাম ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাকি তিন পুরনিগমের মেয়র পদ নিয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই জল্পনা শুরু হয়েছিল, তিন পুরনিগমের মেয়র পদে কারা বসবেন তা নিয়ে। একাধিক নামও বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছিল। বিধাননগরের মেয়র পদে দৌড়ে যেমন কৃষ্ণা চক্রবর্তী, সব্যসাচী দত্তের নাম নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল, তেমনই আসানসোলের মেয়র হিসেবে বর্তমান প্রশাসক অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটকের ভাই অভিজিৎ ঘটকের নাম নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছিল।এদিন কালীঘাটে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে দলের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক বসেছিল। ওই বৈঠকেই তিন পুরনিগমের মেয়র, ডেপুটি মেয়র ও চেয়ারম্যানকে বেছে নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, আসানসোলের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন বিধান উপাধ্যায়। দুজনকে ডেপুটি মেয়রের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। অভিজিৎ ঘটক ও ওয়াসিমুল হক ওই দায়িত্ব পাচ্ছেন। চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সামলাবেন অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়। চন্দননগরের মেয়রের দায়িত্ব থাকছে রাম চক্রবর্তীর কাঁধেই। বিধাননগরের মেয়রের দায়িত্ব পাচ্ছেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী, ডেপুটি মেয়র হচ্ছেন প্রাক্তন সাংসদ মনোরঞ্জন ভক্তের মেয়ে অনিতা মণ্ডল। চেয়ারম্যান হচ্ছেন প্রাক্তন মেয়র সব্যসাচী দত্ত। পুরবোর্ডের বাকি পদাধিকারীদের পরে বেছে নেওয়া হবে বলে এদিন জানিয়েছেন।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিতর্ক! সেনেগাল ফুটবলারদের সঙ্গে ‘অপরাধীর মতো’ আচরণের অভিযোগ

বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র এক দিন বাকি। তার আগেই বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে। আমেরিকায় পৌঁছনোর পর সেনেগাল এবং উজবেকিস্তানের ফুটবলারদের কড়া নিরাপত্তা তল্লাশি ঘিরে ক্ষোভ ছড়িয়েছে বিভিন্ন মহলে। অনেকের অভিযোগ, খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন আচরণ করা হয়েছে যেন তাঁরা কোনও অপরাধী।জানা গিয়েছে, বিশ্বকাপে অংশ নিতে আমেরিকায় পৌঁছেছিল সেনেগাল দল। বিমানবন্দরে নামার পরই নিরাপত্তাকর্মীরা ফুটবলারদের ব্যাগ, ট্রলি এবং অন্যান্য সামগ্রী বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করেন। অভিযোগ, মাদকদ্রব্যের সন্দেহে দীর্ঘ সময় ধরে চলে এই তল্লাশি। ঘটনাস্থলের কিছু ছবি এবং ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই শুরু হয় বিতর্ক।শুধু সেনেগাল নয়, উজবেকিস্তান দলের ক্ষেত্রেও একই ধরনের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। নিউ ইয়র্কে অনুশীলন কেন্দ্রে পৌঁছনোর পর ফুটবলারদের নিরাপত্তা পরীক্ষা করা হয়। সেই সময় মাদক সন্ধানী কুকুর এবং ধাতু শনাক্তকারী যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এই ঘটনাও ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।সামাজিক মাধ্যমে অনেক সমর্থক প্রশ্ন তুলেছেন, আন্তর্জাতিক মঞ্চে অংশ নিতে আসা খেলোয়াড়দের সঙ্গে এমন ব্যবহার কতটা গ্রহণযোগ্য। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, নির্দিষ্ট কিছু দেশের ফুটবলারদের ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত কড়াকড়ি করা হচ্ছে। আবার অনেকে জানতে চেয়েছেন, বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা কেন এই বিতর্ক নিয়ে কোনও অবস্থান স্পষ্ট করছে না।এর আগেও বিশ্বকাপ ঘিরে বেশ কিছু ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধি, খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিরাপত্তা ও অভিবাসন সংক্রান্ত জটিলতা নিয়ে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। ফলে বিশ্বকাপ শুরুর আগেই আয়োজক দেশকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।ফুটবলপ্রেমীদের একাংশের মতে, খেলাধুলার মঞ্চ সব সময় দেশ, সংস্কৃতি এবং মানুষের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। সেখানে খেলোয়াড়দের সঙ্গে অতিরিক্ত কড়া বা অসম্মানজনক আচরণের অভিযোগ সামনে আসা উদ্বেগের বিষয়। যদিও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়ম মেনে তল্লাশি চালানো হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রকাশ্যে আসেনি।বিশ্বকাপের মতো বৃহত্তম ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার আগে এই বিতর্ক আন্তর্জাতিক ফুটবল মহলে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। আগামী দিনে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে বিশ্বজুড়ে ফুটবল সমর্থকদের।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির পাশের তৃণমূল কার্যালয়ে সিআইডি হানা, এবার সরাসরি হাই কোর্টে মামলা!

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কাছেই অবস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সিআইডি তল্লাশি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মামলাকারীরা। অভিযোগ, কোনও নিরপেক্ষ সাক্ষী ছাড়াই তল্লাশি চালানো হয়েছে এবং বেআইনিভাবে দলীয় নথি স্ক্যান করা হয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে মামলার শুনানির আবেদনও জানানো হয়েছে।অন্যদিকে সই জাল কাণ্ডে নিজের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপের আশঙ্কায় ফের হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেদন নিয়ে আগামীকাল শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।মঙ্গলবার দুপুরে সই জাল কাণ্ডের তদন্তে তৃণমূলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছন সিআইডি আধিকারিকরা। কার্যালয়টি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে অবস্থিত। ঘটনাস্থলে একটি মহিলা দল-সহ সিআইডির আধিকারিকরা পৌঁছন। পাশাপাশি কালীঘাট ও ভবানীপুর থানার পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।সিআইডির দাবি, সই জাল কাণ্ডের তদন্তে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই তারা ওই কার্যালয়ে তল্লাশি চালাতে গিয়েছিল। তাদের কাছে প্রয়োজনীয় তল্লাশি পরোয়ানাও ছিল বলে জানানো হয়।সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে ছিলেন। ফলে কার্যালয়ের দায়িত্বে থাকা দলের কোষাধ্যক্ষ এবং রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিষ চক্রবর্তীর সঙ্গেই সিআইডি আধিকারিকদের কথা হয়। তিনি প্রথমে তল্লাশির অনুমতি দিতে অস্বীকার করেন। এরপর দুই পক্ষের মধ্যে কিছু সময় বাগ্বিতণ্ডা চলে। তবে শেষ পর্যন্ত সিআইডি আধিকারিকরা কার্যালয়ে প্রবেশ করে তল্লাশি চালান।এই তল্লাশিকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টে মামলা করা হয়েছে। মামলাকারীদের অভিযোগ, নিয়ম মেনে তল্লাশি করা হয়নি। তাঁদের দাবি, কোনও সাক্ষীর উপস্থিতি ছিল না এবং সেই সুযোগে দলীয় নথি স্ক্যান করা হয়েছে। যদিও সিআইডির পক্ষ থেকে আগেই জানানো হয়েছিল যে তাদের কাছে বৈধ তল্লাশি পরোয়ানা ছিল।তল্লাশি শেষে সিআইডি আরও জানিয়েছিল, কার্যালয় থেকে কোনও নথি বা সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়নি। তা সত্ত্বেও গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক এবং আইনি মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।এখন নজর কলকাতা হাই কোর্টের দিকে। আদালত এই অভিযোগগুলিকে কীভাবে দেখছে এবং মামলার পরবর্তী শুনানিতে কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ! সাড়ে সাত বছর পর ডায়মন্ড হারবারে দায়ের এফআইআর

বিধায়কদের সই জাল কাণ্ডে সিআইডির সমন ঘিরে বিতর্কের মাঝেই নতুন করে চাপে পড়লেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার তাঁর বিরুদ্ধে ডায়মন্ড হারবার থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস, যিনি ববি নামেও পরিচিত, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গির খান-সহ চল্লিশের বেশি তৃণমূল নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।অভিজিৎ দাসের দাবি, দুই হাজার আঠারো সালের একুশ ডিসেম্বর ডায়মন্ড হারবারের কপাটহাট মোড়ে একটি দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দিতে গিয়ে তিনি হামলার শিকার হন। সেই সময় তিনি বিজেপির জেলা সভাপতি ছিলেন। অভিযোগ, পরিকল্পনা করে তাঁর উপর প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছিল।হামলায় গুরুতর জখম হন অভিজিৎ। কোমর থেকে পা পর্যন্ত আঘাত লাগে তাঁর। অভিযোগ, মারধরের ফলে তাঁর মেরুদণ্ডেও চিড় ধরে। মাথাতেও গুরুতর আঘাত করা হয়েছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর অস্ত্রোপচারও করাতে হয়েছিল তাঁকে।অভিজিৎ দাসের অভিযোগ, সেই সময় তিনি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর তিনি আবার এই ঘটনার বিচার চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডায়মন্ড হারবার থানায় নতুন করে অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, জাহাঙ্গির খান-সহ একচল্লিশ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও প্রায় দেড়শো জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে অভিজিৎ দাস বলেন, হামলার আগে তিনি সম্ভাব্য আক্রমণের খবর পেয়েছিলেন এবং পুলিশকেও জানিয়েছিলেন। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি দাবি করেন, হামলার পর তাঁকে প্রায় মৃত অবস্থায় ফেলে রেখে যাওয়া হয়েছিল এবং আজও সেই আঘাতের শারীরিক প্রভাব বহন করছেন।এতদিন পরে কেন অভিযোগ নিয়ে ফের সামনে এলেন, সেই প্রশ্নের জবাবে অভিজিৎ বলেন, সে সময় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে কাজ করেনি। তাই তিনি ন্যায়বিচার পাননি। এখন তিনি আশা করছেন, ঘটনার সঠিক তদন্ত হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, এই অভিযোগপত্রে নাম থাকা জাহাঙ্গির খানকে ইতিমধ্যেই অন্য একটি মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিযোগে নাম থাকা অন্যদের বিরুদ্ধে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।সাড়ে সাত বছর আগের একটি রাজনৈতিক হামলার অভিযোগ নতুন করে সামনে আসায় রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

জুন ১০, ২০২৬
কলকাতা

জাহাঙ্গির গ্রেফতারের পরেই আগুন! জেলা পরিষদের দফতরে অগ্নিকাণ্ড ঘিরে বাড়ছে রহস্য

আলিপুরে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের বহুতল দফতরে আগুন লাগার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বুধবার সকাল প্রায় পৌনে দশটা নাগাদ স্থানীয় বাসিন্দারা ভবন থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন। এরপরই খবর দেওয়া হয় দমকলকে। অল্প সময়ের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন এবং আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু হয়।জানা গিয়েছে, যে অংশে আগুন লাগে সেটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের দফতর। আগুন লাগার পর গোটা এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়। বিশেষভাবে নজরে এসেছে জাহাঙ্গির খানের ব্যবহৃত দফতরেও আগুন লাগার ঘটনা। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সপ্তাহে কয়েকদিন তিনি ওই দফতরে আসতেন এবং তাঁর সঙ্গে বহু লোকজনের যাতায়াত ছিল। তিনি গ্রেফতার হওয়ার পরপরই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটায় নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।জানা যাচ্ছে, ভবনের চারতলায় বসতেন জাহাঙ্গির খান। ফলে ওই অংশে আগুন লাগার ঘটনা ঘিরে জল্পনা আরও বেড়েছে। ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দমকল এবং প্রশাসন ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। তাঁর দাবি, জেলা পরিষদের পূর্ত দফতরের গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, টেন্ডার প্রক্রিয়ায় কাটমানি এবং সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছিল।বিধায়কের দাবি, এই অভিযোগের ভিত্তিতে চারটি ঠিকাদারি সংস্থা সম্প্রতি ফলতা থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছে। সেই অভিযোগের তদন্তে বুধবার পুলিশ প্রশাসনের জেলা পরিষদে গিয়ে নথিপত্র খতিয়ে দেখার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই সংশ্লিষ্ট দফতরে আগুন লাগার ঘটনা অত্যন্ত সন্দেহজনক বলে মনে করছেন তিনি।দেবাংশু পাণ্ডার অভিযোগ, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই আগুন লাগানো হয়ে থাকতে পারে। তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে কোনও চূড়ান্ত মন্তব্য করা হয়নি। দমকল, পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী কারণে আগুন লাগল এবং কোনও নথি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কি না, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।তবে জাহাঙ্গির খানের গ্রেফতারের পরপরই তাঁর সঙ্গে যুক্ত দফতরে আগুন লাগার ঘটনায় রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনিক স্তরসব জায়গাতেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। অগ্নিকাণ্ড নিছক দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় কার হাতে যাচ্ছে কোন দফতর? সামনে এল সম্ভাব্য তালিকা, চমকে দিতে পারে একাধিক নাম

গত পয়লা জুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন মোট পঁয়ত্রিশ জন। কিন্তু এখনও তাঁদের মধ্যে কার হাতে কোন দফতরের দায়িত্ব যাবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। ফলে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা ক্রমশ বাড়ছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন সূত্র মারফত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের সম্ভাব্য মন্ত্রীদের নাম সামনে এসেছে।শপথ নেওয়া পঁয়ত্রিশ জনের মধ্যে তেরো জন পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন। তিন জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং উনিশ জন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এখন সবার নজর দফতর বণ্টনের দিকে।সূত্রের খবর, অর্থ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন রাসবিহারীর বিধায়ক স্বপন দাশগুপ্ত। বাণিজ্য দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে মানিকতলার প্রবীণ বিধায়ক তাপস রায়ের হাতে। উচ্চশিক্ষা দফতরের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা দফতরের দায়িত্বও সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের হাতে যেতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে।অন্যদিকে স্কুল শিক্ষা দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন ফালাকাটার বিধায়ক দীপক বর্মণ। স্বাস্থ্য দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বিধাননগরের বিধায়ক ও চিকিৎসক শারদ্বত মুখোপাধ্যায়কে।এ ছাড়াও আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দফতর নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। নোয়াপাড়ার বিধায়ক অর্জুন সিং পরিবহণ দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। একই সঙ্গে শ্রম দফতরের দায়িত্বও তাঁর হাতে থাকতে পারে বলে সূত্রের দাবি। কুমারগ্রামের বিধায়ক মনোজ ওরাওঁ পরিবেশ ও বন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক দুধকুমার মণ্ডলের হাতে যেতে পারে কৃষি দফতর। শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ পর্যটন দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন বলেও আলোচনা চলছে। কাঁথি দক্ষিণের বিধায়ক অরূপ দাসের হাতে সেচ দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে।স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও সম্ভাব্য দায়িত্ব নিয়ে জল্পনা রয়েছে। তুফানগঞ্জের বিধায়ক মালতী রাভা রায় নারী ও শিশু কল্যাণ এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠী দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন। সোনামুখীর বিধায়ক দিবাকর ঘরামী বন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। করণদিঘির বিধায়ক বিরাজ বিশ্বাস উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও আইন দফতরের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন। কালচিনির বিধায়ক বিশাল লামা সংখ্যালঘু ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন। বলাগড়ের বিধায়ক সুমনা সরকার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বরাষ্ট্র দফতর নিজের হাতেই রাখতে পারেন। পাশাপাশি আইন দফতরের দায়িত্বও তিনি নিজের কাছেই রাখতে পারেন বলে জল্পনা চলছে।তবে এখনও পর্যন্ত সরকারিভাবে কোনও ঘোষণা হয়নি। ফলে কোন মন্ত্রীর হাতে শেষ পর্যন্ত কোন দফতর যায়, তা জানতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে রাজনৈতিক মহলকে। এখন সবার নজর, কবে আনুষ্ঠানিকভাবে দফতর বণ্টনের ঘোষণা করা হয় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত রূপরেখা সামনে আসে।

জুন ১০, ২০২৬
দেশ

তৃণমূলে আরও বড় ধাক্কা! সুখেন্দুর পর এবার ইস্তফা সুস্মিতা দেবের, বাড়ছে জল্পনা

তৃণমূল কংগ্রেসে অস্বস্তি আরও বাড়ল। এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন দলের এক সদস্য। সুখেন্দু শেখর রায়ের পর এবার পদত্যাগ করলেন সুস্মিতা দেব। বুধবার তিনি রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণনের কাছে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেন।রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অসন্তোষের খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন স্তরে মতভেদের আলোচনা চলার মধ্যেই একের পর এক সাংসদের পদত্যাগ দলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।দলীয় সূত্রে জল্পনা, আরও কিছু নেতা ও সাংসদ ভবিষ্যতে একই পথে হাঁটতে পারেন। রাজনৈতিক মহলে এমনও আলোচনা চলছে যে সদ্য রাজ্যসভার সদস্য হওয়া কোয়েল মল্লিকও পদত্যাগ করতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।সুস্মিতা দেব দীর্ঘদিন কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অসমের শিলচর লোকসভা কেন্দ্র থেকে তিনি সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর কংগ্রেস ছাড়েন তিনি। পরে দুই হাজার একুশ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই সুস্মিতা দেবকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি দলের জাতীয় মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন। পরে তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদও করা হয়। পাশাপাশি অসমে দলের সংগঠন বিস্তারের দায়িত্বও তাঁর কাঁধে তুলে দেওয়া হয়েছিল।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সুস্মিতা দেবের পদত্যাগ শুধুমাত্র সংসদীয় রাজনীতিতেই নয়, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সংগঠনেও প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতে দলের বিস্তারের পরিকল্পনার ক্ষেত্রে এই ঘটনা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে সংসদের দুই কক্ষেই এখন নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। লোকসভায় দলের কিছু সাংসদ আলাদা অবস্থান নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। অন্যদিকে রাজ্যসভায়ও তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা কমছে। সুখেন্দু শেখর রায় ও সুস্মিতা দেবের ইস্তফার ফলে দলের শক্তি আগের তুলনায় কমেছে। ভবিষ্যতে আরও কোনও পদত্যাগ হলে সেই চাপ আরও বাড়তে পারে।সব মিলিয়ে একের পর এক ইস্তফা এবং দলীয় অন্দরের অসন্তোষের খবরে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে রাজনৈতিক জল্পনা তীব্র হয়েছে। আগামী দিনে দলের নেতৃত্ব পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১০, ২০২৬
রাজ্য

অরূপ বিশ্বাসকে বড় ধাক্কা হাইকোর্টে! বিচারপতির কড়া নির্দেশে বাড়ল চাপ

মেসিকাণ্ডে গ্রেফতারির আশঙ্কা করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। তবে আদালত তাঁকে কোনও রক্ষাকবচ দেয়নি। বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পুলিশের ডাকে হাজিরা দিতেই হবে অরূপ বিশ্বাসকে। হাজিরার অন্তত আটচল্লিশ ঘণ্টা আগে নোটিস দিতে হবে পুলিশকে। তদন্তে কোনও স্থগিতাদেশ নয়, তদন্ত নিজের গতিতেই চলবে। একই সঙ্গে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।আদালত অরূপ বিশ্বাসের উপর একাধিক শর্তও আরোপ করেছে। বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী, আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি রাজ্যের বাইরে যেতে পারবেন না। তাঁকে নিজের পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখতে হবে। পাশাপাশি কোনও সাক্ষীকে প্রভাবিত করা বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করা যাবে না বলেও স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুধু অরূপ বিশ্বাসকেই নয়, পুলিশকেও বেশ কিছু নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। বিচারপতি জানিয়েছেন, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারের তত্ত্বাবধানে এই ঘটনার তদন্ত হবে। কীভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হল, তার নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। চার সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এই মুহূর্তে গ্রেফতারের মতো কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার কথাও জানিয়েছে আদালত।শুনানির সময় অরূপ বিশ্বাসের আইনজীবী আদালতের কাছে আবেদন করেন, তাঁর মক্কেলকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক। আদালত এ বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করে জানায়, অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে অন্য কোনও মামলা রয়েছে কি না, সে বিষয়েও তথ্য জমা দিতে হবে।এ দিনের শুনানিতে গোটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, এই ঘটনায় রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিচারপতির প্রশ্ন, কীভাবে একজন রাজনৈতিক নেতা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফুটবলারের এত কাছাকাছি পৌঁছে গেলেন? এতে তাঁর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়নি কি? দেশের অন্য জায়গায় এমন ঘটনা ঘটেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।বিচারপতি আরও বলেন, সেদিন মাঠে বহু দর্শক ও মেসি-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে মেসিকে আগেভাগে অনুষ্ঠানস্থল ছাড়তে হয়েছিল। ফলে বহু মানুষের প্রত্যাশা ভেঙে যায় এবং গোটা ব্যবস্থাপনায় চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, পুলিশ বারবার দেখা করতে বললেও অরূপ বিশ্বাস কেন যাচ্ছেন না। উত্তরে তাঁর আইনজীবী জানান, আদালত রক্ষাকবচ দিলে তিনি পরদিনই তদন্তে যোগ দেবেন।অন্যদিকে রাজ্যের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, অরূপ বিশ্বাস প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় তিনি তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করতে পারেন অথবা সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন। রাজ্যের আইনজীবী আরও জানান, এর আগেও পুলিশ তাঁকে নোটিস পাঠিয়েছিল, কিন্তু তিনি সেই নোটিসের জবাব দেননি। তাই তাঁকে বিশেষ কোনও রক্ষাকবচ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।তবে সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি জানান, এই মুহূর্তে অরূপ বিশ্বাসকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন রয়েছে বলে আদালত মনে করছে না। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, যে ঘটনার অভিযোগ প্রায় ছয় মাস পরে দায়ের করা হয়েছে, সেখানে এতদিন পর সাক্ষীদের ভয় দেখানোর আশঙ্কা কতটা বাস্তব, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।সব মিলিয়ে মেসিকাণ্ডে তদন্ত চলবে, তবে আপাতত গ্রেফতারের আশঙ্কা থেকে কিছুটা স্বস্তি পেলেও আদালতের কড়া নজরদারি এবং একাধিক শর্তের মুখে পড়লেন অরূপ বিশ্বাস। এই মামলার পরবর্তী শুনানি এবং তদন্তের অগ্রগতি এখন রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের বিশেষ নজরে।

জুন ১০, ২০২৬
দেশ

সেনা শিবিরে আচমকা বিস্ফোরণ! মুহূর্তে প্রাণ গেল দুই জওয়ানের, শোকস্তব্ধ দেশ

জম্মু ও কাশ্মীরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন দুই সেনা জওয়ান। উরির একটি সেনা শিবিরে হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরণের ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর মৃত্যু হয় তাঁদের। মঙ্গলবার বারামুলা জেলার উরি সেক্টরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকেই গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সেনাবাহিনী।সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, উরির কমলকোট এলাকার একটি সেনা শিবিরে নিয়মিত অস্ত্র হস্তান্তরের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই একটি হ্যান্ড গ্রেনেড বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের জেরে গুরুতর আহত হন দুই জওয়ান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের উদ্ধার করে ভারতীয় সেনার নিরানব্বই বেস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সমস্ত চেষ্টা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই মৃত্যু হয় তাঁদের।জানা গিয়েছে, মৃত দুই জওয়ানই মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে তাঁদের পরিবার এবং সহকর্মীদের মধ্যে। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকেও গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়েছে।উল্লেখ্য, গত সপ্তাহেও জম্মু ও কাশ্মীরে এক সেনা আধিকারিকের মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছিল। রাজৌরি জেলায় জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সময় দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান লেফটেন্যান্ট বীরেশ্বর গোস্বামী। সেনা সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় তিনি একটি গভীর খাদে পড়ে যান। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের দুই জওয়ানের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ সেনাবাহিনী।এদিকে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরি-সহ একাধিক জেলায় জঙ্গি দমনে ব্যাপক অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় সেনা। গোপন সূত্রে জঙ্গিদের উপস্থিতির খবর পাওয়ার পর শুরু হয় বিশেষ অভিযান। জঙ্গলঘেরা বিস্তীর্ণ এলাকায় চলছে তল্লাশি। এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গির খোঁজ না মিললেও সেনাবাহিনীর ধারণা, তারা বারবার অবস্থান পরিবর্তন করছে।উরির সেনা শিবিরে কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ কী, তা জানতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে সেনাবাহিনী। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলেই পুরো ঘটনার বিস্তারিত ছবি স্পষ্ট হবে।

জুন ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal