• ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৬ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Abhishek Banerjee

রাজনীতি

দলের নবীন ও প্রবীণ বিতর্কের মাঝে কড়া বার্তা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার, প্রয়োজনে ছাঁটাই

দলে নবীন প্রবীণ দ্বন্দ্বের মধ্যে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার কালীঘাটে দলের সাংগঠনিক বৈঠকে এই বার্তা দিয়েছেন মমতা। এদিন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠক ছিল। ওই বৈঠকে দলীয় মুখপাত্রদের ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেত্রী। প্রয়োজনে ছেঁটে ফেলা হবে বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৈঠক থেকে বেরিয়ে তৃণমূল সাংসদ মানস ভুঁইয়া বলেন, লদলনেত্রী ঐক্যবদ্ধ ভাবে লড়াই করার নির্দেশ দিয়েছেন। ২০২৪ নির্বাচনে লড়াই করে আমাদের জিততে হবে। দলনেত্রী বলেছেন, ব্যক্তিগত ভাবে বাইরে মতামত প্রকাশ করা যাবে না। দলের অভ্যন্তরে বলতে হবে। এদিনের বৈঠকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী, ঘাটালের সাংসদ দেব হাজির ছিলেন। তাঁদের উপস্থিতিতেই সতর্ক করেন দলনেত্রী।বিগত কয়েক দুন ধরে নবীব ও প্রবীণ নিয়ে বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। এমনকী এই বিতর্কে শেষমেশ জড়িয়েছেন মমতা ও অভিষেক। বছরের প্রথম দিন সুব্রত বক্সীর বক্তব্য ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। তারপর লাগাতার মতবিরোধ চলেছে প্রকাশ্যে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ একে একে নানা নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করে গিয়েছেন। কিছুতেই থামছিল না বিতর্ক। এমনকী অভিষেক বলেছেন বয়স বাড়লে কর্মক্ষমতা কমে এটা স্বাভাবিক। মমতা বলেছেন। ৬০ বছর হশে গেলেও আমরা অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাই। এবার তৃণমূলের বৈঠকেই হুঙ্কার ছাড়লেন মমতা। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি বিতর্কিত কথা বলা মুখপাত্রদের দল সরিয়ে দেবে। সম্প্রতি সব থেকে বেশি বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন কুণাল ঘোষ। পাল্টার পর পাল্টা চলেছে। প্রবীণদের তুলোধোনা করার দায়িত্ব প্রায় একাই নিজের কাঁধে নিয়েছেন অভিষেক পন্থী কুণাল। এবার দেখার বিষয় মমতার হুঙ্কারের পর আদি-নব্য বা নবীন ও প্রবীণ বিতর্ক কতটা চাপা পড়ে?

জানুয়ারি ১০, ২০২৪
রাজ্য

বিহিত চাইতে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ অভিষেক, তিরে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় ও অমৃতা সিনহা

এবার একযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দুই বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপ দাবি করে শীর্ষ আদালতে আবেদন জানিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। এছাড়া, বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চ থেকেও মামলা সরানোর আর্জি জানিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।নিয়োগ মামলা থেকে অভিষেকের সম্পত্তি- এছাড়াও আর্থ সামাজিক নানা বিষয়ে প্রকাশ্যে নিজের মতামত জানান বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সন্দেশখালির ঘটনার পর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় রাজ্যপালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। বলেছিলেন, বাংলায় সাংবিধানিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। আইনশ়ৃঙ্খলার পরিস্থিতি মোটেই ভাল নয়। কেন কিছু বলছেন না রাজ্যপাল? এরপরই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপুল সম্পত্তির উৎস জানতে চেয়েছিলেন তিনি? বলেছিলেন, স্বচ্ছতা রাখতে অভিষেকের উচিত সোশাল মিডিয়ায় তাঁর সম্পত্তির হিসাব পোস্ট করা।বহু সময় বিচারপতির সেইসব মন্তব্য রাজ্যের শাসক দলের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকের দাবি, এতে প্রভাব পড়ে মামলায়। এসবের বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আবেদন, বিষয়ের বাইরে গিয়ে মামলার বিষয় নিয়ে আদালতের বাইরে মন্তব্য করা থেকে যেন বিরত থাকেন। সেই মর্মে যেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি।বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ নিয়েও সম্প্রতি শাসক দল প্রশ্ন তুলেছিল। তৃণমূলের মুখপাত্রদের মতে, মামলার প্রকৃত রায় এখনও অজানা। তার আগেই বিচারপতির পর্যবেক্ষণ থেকে মামলায় নেতিবাচক ধারণা তৈরি হচ্ছে। শীর্ষ আদালতে আবেদনে অভিষেক জানিয়েছেন, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দেওয়া হোক যে তিনি যেন একটি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেন। সেই বেঞ্চ নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা শুনবে। মূলত বিচারপতি সিনহার এজলাসে যে মামলাগুলি রয়েছে, সেই মামলাগুলি যাতে ওই বিশেষ বেঞ্চে যায়।

জানুয়ারি ১০, ২০২৪
রাজনীতি

তৃণমূলে প্রবীণ-নবীন বিতর্কে ইতি টানলেন অভিষেক, কটাক্ষ ব্রিগেডের সভাকে

রবিবারের ডিওয়াইএফআইয়ের ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে বামেদের কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পৈলানের বিষ্ণুপুরের যুব সঙ্ঘের মাঠে অভষেক বলেন, আজ রবিবার দুপুরে অনেক দল সভা করছে। আমাদের সঙ্গে সেই সব দলের ফারাক আছে। সবাই তাঁদের সভায় যান ভাষণ শুনতে। আর, আমাদের সভায় আসেন স্বপ্নকে বাস্তবায়িত হওয়া দেখার জন্য। আমি আগে ভোট, পরে কাজের কথা বলি না। আমি আগে কাজ করি। পরে ভোটের কথা বলি। এটাই আমাদের সঙ্গে অন্য দলের ফারাক। বাম-বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করে অভিষেক বলেন, কেউ বলছেন ইনসাফ। কেউ বলছেন ন্যায়। কেউ বলছেন সবকা বিকাশ। আর আমরা যেটা করেছি, সেটা হল আসল ইনসাফ। সেটাই হল আসল ন্যায়। আজ ডায়মন্ড হারবারে যা হচ্ছে, সেটাই হল সবকা সাথ, সবকা বিকাশ।তাঁর এই সবকা সাথ, সবকা বিকাশ সম্পর্কেও মুখ খুলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। এদিন তিনি নিজের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারে অনেক কাঠখড় পুড়িয়েও যাঁরা বার্ধক্য ভাতা পাননি, নিজের লোকসভা কেন্দ্রের এমন প্রবীণদের দলীয় ভাবে বার্ধক্য ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করলেন। এই প্রবীণরা প্রতিমাসে ১ হাজার টাকা করে পাবেন। এটা সরকারি বার্ধক্য ভাতা নয়। এই প্রসঙ্গে অভিষেক বলেন, এটা করতে আমার মাত্র দুমাস সময় লেগেছে। ১ জানুয়ারি আমাদের দলের প্রতিষ্ঠা দিবস। তাই আরও সাত দিন সময় নিয়ে ৭৬ হাজার ১২০ জনকে বার্ধক্যভাতা দেওয়া হল। আগেই রেজিষ্ট্রেশন করা হয়েছিল। তারপর ফিজিক্যাল ভেরিফিকেশন করা হয়েছে। ডেটা চেক করা হয়েছে। তারপর বাড়ি বাড়ি ভেরিফিকেশন করে ৭৬ হাজার ১২০ জনকে ভাতা দেওয়া হল। ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা দেওয়া হচ্ছে। আমাদের ১৬,৩৮০ স্বেচ্ছাসেবক রয়েছেন। তাঁরা জনপ্রতি ৪-৫ জনের দায়িত্ব নিয়ে কাজগুলো করেছেন। এভাবেই আমরা ৭৬ হাজার ১২০ জনের মুখে হাসি ফোটালাম।তৃণমূলের নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব নিয়েও এদিন মুখ খোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এদিন বলেন, তৃণমূলের মধ্যে কোথাও দ্বন্দ্বের জায়গা নেই। দল আমাকে যে দায়িত্বই দিয়েছে, আমি তা পালন করেছি। ২০২১ সালে দলকে নেতৃত্ব দিতে বলেছিল, সেই সময় দিয়েছি। ২০২৪ সালে আমাকে প্রার্থী করা হলে, দায়িত্ব দেওয়া হলেও আমি তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত সুসংহত ভাবেই দল চালাচ্ছেন। আমি সব শক্তি দিয়ে তাঁর পাশে দাঁড়াব। আমি শুধু বলেছি যে, বয়স হলে কর্মক্ষমতা কমে। আমি ৩৬ বছর বয়স বলেই আড়াই মাস নবজোয়ার কর্মসূচির সময় রাস্তায় থাকতে পেরেছিলাম। আমার ৭০ বছর বয়স হলে সেই ক্ষমতা কমে যাবে। এই কথা নিয়ে এত বাজার গরম করার কী আছে? তৃণমূল কংগ্রেস একসঙ্গেই লড়বে। আমার প্রায়োরিটি হয়ত ডায়মন্ড হারবার। কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছবি আর জোড়া ফুলের ঝান্ডা নিয়ে দল যেখানে আমাকে যেতে বলবে, যে বুথে ঢুকতে বলবে, আমি যাব।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৪
দেশ

এবার অভিষেককে নিয়ে মোদীর দরবারে মমতা, নয়া কৌশল তৃণমূলের

বুধবার বাংলার বকেয়া পাওনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রবিবারই দিল্লি যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই দিনই রাজধানী যাবেন দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তৃণমূল সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতে মমতার নেতৃত্বে তৃণমূলের যে প্রতিনিধি দল যাবে তাতে থাকছেন অভিষেক।বাংলার বকেয়া নিয়ে সরব তৃণমূল। দাবি আদায়ে পুজোর আগে দিল্লি ও কলকাতায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ধরনা কর্মসূচি হয়েছে। কিন্তু, পুজো মিটতেই সেই আন্দোলন গতি হারায়। বদলে শাসক দলের অন্দরের বিবাদ মাথাচাড়া দেয়। চর্চায় আসে জোড়া-ফুলের অন্দরের এক ব্যক্তি এক পদ ও বয়সসীমা বিতর্ক। স্পষ্টতই তৃণমূলের চেয়ারপার্সন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যে মতপার্থক্য ধরা পড়ে। আর তাতেই তোলপাড় হয় বঙ্গ রাজনীতি। গুঞ্জন চলে ঘাস-ফুলের অন্দরেও।নভেম্বরের শেষে তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে দেখা যায়নি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। চোখে রক্তক্ষরণের কারণেই তাঁর গড়হাজিরা বলে দাবি করেছিলেন খোদ দলনেত্রী। এরপর কুণাল ঘোষের মন্তব্যে বিতর্কের শুরু। তিনি বলেছিলেন, কারা এটা করেছেন, আমি বলতে পারব না। তবে এটা ঠিক হয়নি। এখন অভিষেকের ছবি ছাড়া তৃণমূলের মঞ্চ অসম্পূর্ণ। এটা হতে পারে না। যা মমতা-অভিষেককে ঘিরে দলের অন্দরে নেতৃত্বের আড়াআড়ি টানাপোড়েনের ইঙ্গিত জোড়াল করেছিল। তারপর কুণাল বলেছিলেন, ব্যাপারটা কখনওই মমতাদি বনাম অভিষেক নয়। ব্যাপারটা মমতাদি এবং অভিষেক। একজনকে ঘিরে আবেগ রয়েছে। আর একজন সময়ের কথা বিবেচনা করে দলের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা দেখছেন। কিন্তু এতে বিতর্কের ইতি ঘটেনি।এরপর মমতা-অভিষেককে একসঙ্গে নজরে পড়েনি। উল্টে খুড়তুতো ভাইয়ের বিয়েতে দার্জিলিং যাওয়ার পথে অভিষেক রাজনীতিতে প্রবীণদের প্রোডাক্টিভিটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। রাজনীতিতে তারুণ্যের পক্ষে সওয়াল করেন। তার আগে নেতাজি ইন্ডোরের সভায় অবশ্য আশি ছুঁইছুইঁ সৌগত রায়ের নাম করেই তাঁকে আগামিতে কাজ চালিয়ে যাওয়ায় অনুপ্রেরণা দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরও দলে বয়সসীমা ও এক ব্যক্তি এক পদ নিয়ে নিজের অবস্থান অনড় থাকেন। যা পিসি-ভাইপোর প্রকট মতভেদের প্রকাশ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

অভিষেকের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে, সংবাদ মাধ্যমেও হস্তক্ষেপ নয়

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শুনানি চলাকালীন বিচারপতি অমৃতা সিনহা যে ধরনের পর্যবেক্ষণ জানিয়েছেন, তা সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশের পর তাঁর মানহানি হচ্ছে বলে অনুযোগ করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি সিনহার বেঞ্চ থেকে নিয়োগ মামলা সরানোর জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। শুক্রবার ছিল এই আবেদনের শুনানি। এ দিন অভিষেকের সেই আর্জি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি সঞ্জীব খান্না নির্দেশে জানিয়েছেন, নিয়োগ মামলা কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সিনহার এজলাস থেকে সরানো যাবে না। এছাড়া, বিচারপতির পর্যবেক্ষণ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের বিষয়েও কোনও নিষেধাজ্ঞাও জারি করা হয়নি।নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের তদন্তের কারণে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তির খতিয়ান আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। সম্প্রতি মুখবন্ধ খামে ৫ হাজার পৃষ্ঠার রিপোর্ট আদালতে পেশ করেছে ইডি। তার পরই বিচারপতি সিনহা ইডিকে প্রশ্ন করেছিলেন, সম্পত্তির পরিমাণ যদি কম হত, তাহলে কি এত নথি জমা পড়ত? এই সব সম্পত্তির জন্য আয়ের উৎস কী তা কি খতিয়ে দেখা হয়েছে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ে অধিকাংশ সম্পত্তি ২০১৪ সালের পর হয়েছ বলেও পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিলেন বিচারপতি সিনহা। ঘটনাচক্রে ২০১৪ সালেই নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছিল। এ ব্যাপারটা তদন্ত কি করা হয়েছে তাও প্রশ্ন ছিল বিচারপতি সিনহার।আদালতের পর্যবেক্ষণ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে জোর চর্চা হয়। এ ব্যাপারে আপত্তি করে অভিষেকের আইনজীবী এ দিন সুপ্রিম কোর্টে একটি পাঁচ পৃষ্ঠার রিপোর্ট জমা দেন। তিনি বলেন, এই ধরনের পর্যবেক্ষণ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ায় তাঁর মক্কেলের মানহানি হচ্ছে।বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এদিন জানিয়েছেন, কলকাতা হাইকোর্ট নিয়োগ মামলায় কোনও নির্দেশ দিলে সুপ্রিম কোর্ট তা বিবেচনা করে দেখতে পারে। কিন্তু বিচারপতি তাঁর পর্যবেক্ষণে কী বলছেন তা শীর্ষ আদালতের কাছে বিবেচ্য নয়। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাতেও হস্তক্ষেপ করা হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বাবা-মা সহ লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সমস্ত বর্তমান ও প্রাক্তন ডিরেক্টর তথা অধিকর্তাকে তাঁদের সম্পত্তির হিসাব পেশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আদালতে ওই রিপোর্ট বৃহস্পতিবার পেশ হয়েছে। ২০ তারিখ এ ব্যাপারে আবার শুনানি হতে পারে বিচারপতি সিনহার এজলাসে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩
দেশ

এবার আর অভিষেক নয়, সাংসদদের নিয়ে ডিসেম্বরেই দিল্লি অভিযানের ডাক মমতার

ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিষেকও উপস্থিতি ছিলেন। রাজ্যের পাওনাগণ্ডা আদায়ে গত অক্টোবরে রাজধানীর বুকে আন্দোলনে নেমেছিলেন তৃণমূল। যার নেতৃত্বে ছিলেন খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তাঁকে পুলিশের হাতে হেনস্থাও হতে হয়েছে। দুমাসের মধ্যে ফের একবার দিল্লি অভিযানে নামছে জোড়া-ফুল। তবে এবার আর অভিষেক নয়, অভিযানের নেতৃত্বে থাকবেন খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নেতাজী ইন্ডোরে তৃণমূলের বিশেষ অধিবেশনে এই ঘোষণা করেছেন সুপ্রিমো।আগামী মাসেই দিল্লি চলো-র ডাক দিলেন তৃণমূল নেত্রী। কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে সুর চড়াতে প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন। নেতাজী ইন্ডোরে এ দিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় বা তৃতীয় সপ্তাহে আমরা দিল্লিতে যাব। সেই সময় সংসদে অধিবেশন চলবে। আমি দলের সব সাংসদদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখার করার সময় চাইব। যদি সময় দেন ভাল, নাহলে রাস্তাই আমাদের পথ দেখাবে। যদি আমাদের মারে, মারুক অসুবিধা নেই। সিপিএমের কাছে অনেক মার খেয়েছি। আপনাদের কাছেও না হয় একটু মার খেলাম। মার খেলে শক্তি বাড়ে, চিন্তা করার কোনও কারণ নেই। এখন থেকে তৈরি হতে হবে।গত ৩ অক্টোবর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দিল্লিতে ধর্নায় বসেছিল তৃণমূলের সাংসদ-মন্ত্রীরা। অভিষেক তখনই জানিয়েছিলেন, এই আন্দোলনে দিল্লির সরকার বকেয়া টাকা না মেটালে আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আন্দোলনে নামবে তৃণমূল। সেইমতই দিল্লির অভিযানের সময় ঘোষণা করলেন দলনেত্রী। তবে এখনও দিনক্ষণ জানাননি। আগামী দিনে রাজধানীতে কি তোলপাড় হয় সেদিকেই এখন নজর।বকেয়া থেকে ইন্ডিয়া জোট- একাধিক ইস্যুতে এ দিন মোদী সরকারকে নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ইন্ডিয়া জোট প্রসঙ্গে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মমতা বলেছেন, দিল্লি এবার দখল হবে। আর তিন মাস ওঁদের মেয়াদ। কিন্তু আমাদের ১০০ দিনের কাজ, বাংলা আবাস ও রাস্তার টাকা দিতেই হবে। এটা তোমাদের টাকা নয়, জনগণের টাকা। জনগণের টাকা ফেরত দাও, নইলে বিদায় নাও। এর বাইরে আর কোনও কথা নেই।

নভেম্বর ২৪, ২০২৩
রাজনীতি

নওশাদকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের, ফলতার কি বললেন তিনি?

লোকসভা ভোট ঘোষণার আগে থেকেই ডায়মন্ড হারবার ঘিরে চড়তে শুরু করেছে উত্তেজনার পারদ। ২০১৪ সাল থেকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চব্বিশে তাঁকে হারাতে মরিয়া বিরোধী দলগুলো। ইতিমধ্যেই ওই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। শুক্রবার বিকেলে ফলতা দাঁড়িয়ে সেই কড়া টক্কর তিনি গ্রহণ করছেন বলে জানিয়েছেন অভিষেক। পাশাপাশি হুঁশিয়ারির সুরেই করে দিয়েছেন বড় অভিষ্যদ্বাণী।এদিকে ইন্ডিয়া জোটে নেই আইএসএফ। তবে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি ডায়মন্ড হারবার লোকসভা আসন থেকে লড়াইয়ের ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন দিন কয়েক আগেই। সূত্রের খবর, সেকথা ইতিমধ্যেই আইএসএফের বিধানসভা ভোটের জোট সঙ্গী সিপিআইএম নেতৃত্বকে জানিয়েছেন তিনি। আলিমুদ্দিন এ নিয়ে এখনও মুখ খোলেনি। তবে, চাইলে নওশাদকে ডায়মন্ড হারবারে কংগ্রেসের সমর্থনে বাধা নেই বলেই ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। ফলেঅন্যদিকে বিজেপিও এবার অভিষেকের বিরুদ্ধে লড়াকু প্রার্থী দিতে কোমর বাঁধছে বলে জানা গিয়েছে। তাই ভোটযুদ্ধে ডায়মন্ড হারবারে এবার কাঁটে কি টক্কর দেখা যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।শুক্রবার বিকেলে ফলতার একটি বস্ত্র বিতরণী অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখান থেকেই কেন্দ্রীয় এজেন্সির তলব, বিজেপির ধর্মীয় ভেদাভেদের রাজনীতি, ডায়মন্ড হারবারের তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী নিয়ে মুখ খোলেন।কোনও নাম উচ্চরাণ না করেই অভিষেক বলেছেন, শুনেছি, অনেকেই এখন ডায়মন্ড হারবার থেকে দাঁড়াতে চাইছেন। দাঁড়াতেই পারেন। এটাই তো ভারতীয় গণতন্ত্রের রীতি নীতি, ঐতিহ্য। খুব ভালো। গুজরাটের, উত্তর প্রদেশের নেতারাও ডায়মন্ড থেকে দাঁড়াতে পারেন। ডায়মন্ড হারবারে যে কেউ দাঁড়াতে পারেন। মানুষ একপক্ষকে বেছে নেবে, অন্যদের বর্জন করবে।গতবার এই কেন্দ্র থেকে ৩ লাখ ২১ হাজারের ব্যবধানে জিতেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। শুধুমাত্র ফলতা কেন্দ্র থেকেই ব্যবধান ছিল ৪৫ হাজার। সেই টার্গেট এবার ৭০ হাজার করতে হবে। আজকে যে পরিমাণ মানুষ এখানে এসেছেন, রাস্তায় ৫০ হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে আছেন। এই মানুষরা ভোট দিলেই তো উড়ে যাবে। মানুষই ভো-কাট্টা করে দেবে। টাকা ছড়িয়ে কোনও লাভ হবে না। বড় ফুল টাকা দিলে নেবেন, কিন্তু ভোটটা জোড়াফুলেই দেবেন। ভোটের সময় আগেও সংখ্যালঘু তাস খেলেছিল সিপিএম। কিন্তু, যাঁরা সংখ্যালঘু তাস খেলেছিল, তাদের এখন কী অবস্থা সবাই জানে। আমাদের এখানে কাউকে ভাতে মারতে পারবে না কেন্দ্র।

নভেম্বর ১০, ২০২৩
রাজ্য

'অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে? আমাদের লিডার?', সিজিওতে পাল্টা প্রশ্ন জ্যোতিপ্রিয়র

জন্মদিনে জনসংযোগ মিটতেই ইডির নোটিস। শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বৃহস্পতিবার ফের তলব করেছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্স থেকে হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল রেশন বন্টন দুর্নীতি মামলায় ইডির হেফাজতে থাকা জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। তাঁকে এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন করতেই বনমন্ত্রীর পাল্টা জিজ্ঞাসা, আমি জানি না, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে? আমাদের লিডার?। এরপর আর এ বিষয়ে কোনও কথা শোনা যায়নি তাঁর মুখে। এদিনও তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন। সাংবাদিকদের উদ্দেশে জ্যোতিপ্রিয় বলতে থাকেন, আপনাদের একটা কথা বলি শুনুন। আমি সমস্ত ব্যাপারে নির্দোষ, এটা জেনে নিন। ১৩ তারিখ আমাকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হবে। সেখানে বুঝতে পারবেন আমি অত্যন্ত ক্লিয়ার।স্বাস্থ্যপরীক্ষার জন্য এদিন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দফতর থেকে কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় । সিজিও থেকে গাড়িতে ওঠার সময়ই নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেন বনমন্ত্রী। হাসপাতাল থেকে সিজিও কমপ্লেক্সে ঢোকার সময় জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়ে দেন শরীরটা খুব খারাপ।রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলায় রানাঘাট এর রেশন ডিলার জয়িতা পালকে তলব করেছিল ইডি। এদিন তিনি ইডি দফতরে আসেন। সূত্রের খবর, ইডি আধিকারিকরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু তথ্য জানতে চায়। জানা গিয়েছে, এবার আরও রেশন ডিলারদের দিকে নজর দিয়েছে ইডি।ফের আজ, বুধবার ইডি দফতরে এলেন টিটাগর পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী। পৌরনিয়গ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে তলব করেছিল। এর আগে তাঁর বাড়িতে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি আধিকারিকরা। পাশাপাশি টিটাগর পুরসভাতে তল্লাশি করেছে ইডি।

নভেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক সব জানে,' কি জানার কথা বললেন ইতি হেফাজতে থাকা জ্যোতিপ্রিয়

রীতিমতো বোমা ফাটালেন রেশন দুর্নীতিতে ধৃত রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। সিজিও কমপ্লেক্স থেকে কমান্ড হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তাঁকে। বেরনোর সময় সাংবাদিকদের দেখেই বালুর সাফ কথা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সব জানেন। দলের সুপ্রিমো এবং সেকেন্ড ইন কম্যান্ড আসলে কোন কথা জানেন? কীসের ইঙ্গিত জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের? তা নিয়েই চর্চা তুঙ্গে রাজনৈতিক মহলে।আমি নির্দোষ। আমাকে ফাঁসিয়েছে বিজেপি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সব জানেন। দলের সঙ্গে ছিলাম আছি ও থাকব। আমি নির্দোষ। মমতাদি সব জানেন। দুদিনের মধ্যে সত্য প্রকাশ হয়ে যাবে। বারে বারে এক কথা বলছিলেন মন্ত্রী।এদিকে, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের এই মন্তব্যের পাল্টা সমালোচনায় সোচ্চার বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। সংবাদমাধ্যমে এদিন তিনি বলেন, এত বড় খাদ্য দুর্নীতির হওয়ার পর ওদের পার্টির নাম হয়েছে চাল চোর। যাঁর এত বেআইনি সম্পত্তি উদ্ধার হচ্ছে, মেয়ের-স্ত্রীর নামে বেআইনি টাকা বেরোচ্ছে। এত কিছুর পরেও বড় বড় কথা বলছে। চোরের মায়ের বড় গলা। এটা ঠিক মমতা-অভিষেক সব জানেন। অর্থাৎ, ভাগ উনি ওখানে পাঠিয়েছেন। বিজেপির এতে কী করার আছে? আদালতের নির্দেশে তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে বিপুল পরিমাণ বেআইনি সম্পত্তি পাওয়া যাচ্ছে।অন্যদিকে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী সংবাদমাধ্যমে বলেন, উনি ঠিকই বলেছেন। সব মুখ্যমন্ত্রী জানেন। মুখ্যমন্ত্রীর জানার বাইরে তো কিছু ঘটেনি। ধান কেনা থেকে শুরু করে প্রতিটা ক্ষেত্রে লোপাট হয়েছে। সমস্ত লোপাটের অর্থের অংশ যদি কালীঘাট পায়, মুখ্যমন্ত্রী এতে খুশিই হন। দুর্নীতিগ্রস্ত অপরাধী যারা, তারা কেউ একা একা দুর্নীতি করেননি। মুখ্যমন্ত্রীর আনুকূল্যেই করেছেন। তাই একথা ঠিক, মুখ্যমন্ত্রী সবই জানেন।উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডি গ্রেফতার করেছে রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরের হেফাজতেই রয়েছেন তিনি। আদালতের নির্দেশে তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হচ্ছে আলিপুরের কমান্ড হাসপাতালে। শুক্রবার ইডির সিজিও কমপ্লেক্সের দফতর থেকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর জন্য কমান্ড হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই সময়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেছেন বনমন্ত্রী।তৃণমূল সাসদ কল্যান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দোষটা কী আছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিফ মিনিস্টার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দোষ কী আছে? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশ্বাস করে একজন একটা দায়িত্ব দিয়েছে। তার যদি পদস্খলন হয়ে থাকে, সে যদি বেইমানি কোথাও করে থাকে, তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দোষটা কোথায়? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দোষটা কোথায়? অন্যায় করেছেন জ্যোতিপ্রিয়। অভিষেকের নামটা আসছে কেন এসবের মধ্যে?

নভেম্বর ০৩, ২০২৩
রাজ্য

রুজিরার আবেদনে হাইকোর্টের নজিরবিহীন নির্দেশ, ক্ষমতা বেঁধে দেওয়া হল ইডি ও সংবাদমাধ্যমের

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরার গোপনীয়তা খর্ব হচ্ছে। সংবিধান মেনে তাঁকে রক্ষাকবচ দেওয়া হোক। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে এই মর্মে মামলা করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে ইডি ও সংবাদমাধ্যমের ক্ষমতা বেঁধে দিয়ে বেনজির নির্দেশ দিলেন বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য।কী নির্দেশ হাইকোর্টের?রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের ভিত্তিতে ইডি-কে বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্যের অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ, এবার থেকে যেকোনও ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশির সময় সার্চ অ্যান্ড সিজার-এর সময় লাইভ স্ট্রিমিং করা যাবে না। অভিযানের ব্যাপারে ইডি সংবাদমাধ্যমকে আগে থেকে কিছু জানাতে পারবে না। মিডিয়াকে সঙ্গে করে নিয়ে ইডি কোনও তল্লাশি অভিযান করতে পারবে না।সার্চ অ্যান্ড সিজার-এর সময় কোনও কিছু প্রকাশ্যে আনা যাবে না। সন্দেহভাজন বা অভিযুক্ত হোক অথবা সাক্ষী কারও ছবি সংবাদমাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে না।সংবাদমাধ্যমের এক্তিয়ারও বেঁধে দিল হাইকোর্ট। বিচারপতি ভট্টাচার্যের নির্দেশ, চার্জশিট পেশ করার আগে মিডিয়া তদন্তের সঙ্গে যুক্ত কোনও ব্যক্তির ছবি প্রকাশ করতে পারবে না। কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে যদি কোনও সংবাদমাধ্যমে মতামত প্রকাশ করা হয়, তবে তাতে প্রতিবেদকের নাম থাকবে। ২০২৪ সালের ১লা জানুয়ারিতে এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। ততদিন এই নির্দেশই বহাল থাকবে।

অক্টোবর ১৮, ২০২৩
রাজ্য

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার ইডির তলব অভিষেকের আপ্ত সহায়ককে, আদালতে আবেদন

শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এবার ডাক পড়ল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের। আগামী সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় সুমিতকে সল্টলের সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। যদিও ইডির ওই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন অভিষেকের আপ্ত সহায়ক। দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়েছে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। তবে শুক্রবার মামলার শুনানি হয়নি। আগামী সোমবার বেলা ১২টায় এই মামলার শুনানি হবে। অবশ্য এদিন ইডির আইনজীবীকে বিচারপতি ঘোষ জানিয়েছেন, ওইদিনই সুমিতের আর্জির প্রেক্ষিতে শুনানি রয়েছে। তাই সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার পরিবর্তে তাঁকে দুপুর ১২টার পর সিজিও কমপ্লেক্সে ডাকা হোক।নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় উঠেছে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের নাম। ওই সংস্থার সিইও খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নাম ও বাবা রয়েছেন সংস্থার ডিরেক্টর পদে। তা নিজেই জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে অভিষেককে। মা লতা ও বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ইডি তলব করেছে। কিন্তু নির্ধারিত দিনে তাঁরা হাজিরা এড়িয়েছেন। গত পরশু সিজিও-তে ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেকপত্নী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়। এসবের মধ্যেই এবার ইডির গোয়েন্দাদের নজরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়।ইতিমধ্যেই লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস ও তাঁর সম্বন্ধে ইডির চাওয়া সব নথি অভিষেক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই আদালতে জমা করেছেন। ইডি নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডের সঙ্গে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের যোগ দেখলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার দাবি করেছেন, নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই। দুর্নীতির ১০ পয়সাও লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অ্যাকাউন্টে ঢোকার প্রমাণ দেখানো যাবে না। লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের অ্যাকাউন্টে পুরনো লেনদেন কখনও কয়লা কেলেঙ্কারির সঙ্গে জুড়তে ইডি মরিয়া বলেও তোপ দেগেছেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ।

অক্টোবর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় টানা সাড়ে ৮ ঘন্টা ইডির জেরা অভিষেক পত্নী রুজিরাকে

শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গতকাল, মঙ্গলবার রাতে নথি জমা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঠিক তার পরের দিন এই মামলায় সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে সাদা ইনোভাতে চেপে হাজির অভিষেক-পত্নী রুজিরা। এই নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত সপ্তাহে ইডির সমন পেয়েছেন রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন টানা সাড়ে ৮ ঘণ্টা ইডি জেরা করে অভিষেকের স্ত্রীকে। বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ সিজিওতে ঢুকেছেন রুজিরা। বাইরে বেরিয়েছেন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে। এদিন তিনি সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে সিজিওর গেটের সামনে থেকেই গাড়িতে উঠে বেরিয়ে যান। গাড়ির জানলার কাচ তুলে দেওয়ায় ভিতরটা অস্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল।এদিন সকাল থেকে সিজিও কমপ্লেক্স ঘিরে ছিল কড়া নিরাপত্তা। পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ। এমনকী চারিদিকে ব্যারিকেড দেওয়া হয়। এই প্রথম নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তলব করল রুজিরাকে। এর আগে অন্য মামলায় রুজিরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। নিয়োগ মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে। তাঁকে জেরা করে লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ডস মামলার হদিশ পেয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। সেই সংস্থার সিইও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক। পরে অভিষেককে তলব করে ইডি। তাঁকে ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। বেরিয়ে অভিষেক বলেছিলেন ৯ ঘণ্টা জেরার নিট ফল শূন্য। ২০২২ সালের জুন মাসে শিশুপুত্রকে কোলে নিয়ে ইডি দফতরে হাজির হয়েছিলেন রুজিরা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার জন্য কেন্দ্রীয় এজেন্সির কড়া সমালোচনা করেছিলেন। কয়লা পাচার কাণ্ডে তাঁকে তলব করেছিল ইডি। পরে তাঁকে দিল্লিতেও তলব করা হয়। রুজিরা যদিও ইডির ডাকে দিল্লি যাননি। তার বদলে কলকাতার ইডির দফতরে যান তিনি। পরে কয়লা পাচার সংক্রান্ত মামলাতে রুজিরার বিদেশে যাওয়ার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিসও জারি করা হয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই নোটিস তুলে নিতে হয়েছিল ইডিকে।

অক্টোবর ১১, ২০২৩
রাজ্য

রাজ্যপালের আশ্বাসে আপাতত ধরনায় ইতি তৃণমূলের, তবে হুঁশিয়ারিও দিয়ে রাখলেন অভিষেক

২০ মিনিট রাজ্যপাল-অভিষেক বৈঠক। তারপর তুলে নেওয়া হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের ধরনা। মমতার নির্দেশে ধরনা তুলে নেওয়া হয় বলে জানান অভিষেক ল। তবে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে রাজ্যের বকেয়া টাকা না পেলে ফের পথে নামবে তৃণমূল। পাশাপাশি আইনি পথেও হাঁটবে দল, ঘোষণা করেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যেপাধ্যায়। এদিনই আবার রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের উদ্দেশে তিনটি চোখা চোখা বাক্যবাণ ছুড়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। জোড়-ফুলের বিশ্বাস এতেই চাপে পড়বেন রাজ্যপাল।রাজভবনে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে তাঁর হাতে একটি স্মারকলিপি তুলে দিয়েছে তৃণমূল। সেখানে ১০০ দিনের কাজের বকেয়া টাকা নিয়ে উদ্ভূত সমস্যা এবং তাঁদের দাবি বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়েছে। এই প্রতিনিধি দলে ৭ জন ভুক্তভোগীও ছিলেন। তৃণমূলের দাবি, বাংলার ২১ লক্ষের বেশি মানুষ ১০০ দিনের কাজ করেও তাঁদের হকের টাকা পাননি। সেই অর্থ কেন্দ্রের থেকে আদায়ে তদারকি করুক রাজ্যপাল। এই প্রসঙ্গে তিনটি প্রশ্ন রাজ্যপালের কাছে রেখেছে তৃণমূল।১) এটা কি ঠিক নয় যে, ২০২১-২২ অর্থবর্ষে ১০০ দিনের কাজে বাংলার ২১ লাখের বেশি মানুষ শ্রম ও সময়দান করেও তাঁদের হকের পারিশ্রমিক পাননি? দুবছর পরেও২) সব শর্ত ও নিয়ম মেনেই বাংলার এইসব বঞ্চিত মানুষগলো কাজ করেছেন। কেন তাহলে দুবছরের বেশি সময় ধরে তাঁদের প্রাপ্য আটকে রাখা হল? কেনইবা কেন্দ্রীয় সরকার এঁদের অস্বিত্ব অস্বীকার করছে?৩) ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পের ২ নং শিডিউলের ২৯ নম্বর ধারায় সাফ বলা রয়েছে যে, শ্রমিকরা মাস্টার রোল শেষের ১৫দিনের মধ্যে পারিশ্রমিক পাবেন। অন্যথায় ১৬তম দিন থেকেই প্রত্যহ ০.০৫ শতাংশ হারে সুদ যুক্ত হবে। এই অনুসারে পারিশ্রমিক না পাওয়া মানুষগুলো শুধু তাঁদের বিগত ২ বছরের পারিশ্রমিকই নয়, সেই অর্থ সুদ সহ পাওয়ার অধিকারী। তাহলে কী কেন্দ্রীয় সরকার বাংলার এই গরিব মানুষগুলোকে তাঁদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করছেন না?তৃণমূল সূত্রে খবর, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বকেয়া টাকা নিয়ে তিনি পদক্ষেপ করবেন বলে এদিনের বৈঠকে কথা দিয়েছেন রাজ্যপাল বোস। রাজ্যপালও বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তিনি তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের আশ্বাস দিয়েছেন।

অক্টোবর ০৯, ২০২৩
রাজ্য

নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ইডিকে নথি জমা দিতে হবে অভিষেককে, পেলেন না আদালতের রক্ষাকবচও

প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ৯ অক্টোবর ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হচ্ছে না তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কিন্তু, তাঁকে রক্ষাকবচও দিল না কলকাতা হাইকোর্টের ডিভেশন বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ইডির দাবি মত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১০ অক্টোবরের মধ্যেই সব নথি জমা করতে হবে। এর চেয়ে ১ ঘন্টাও বেশি সময় তাঁকে দিতে নারাজ কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। সেই জমা করা নথিতে সন্তুষ্ট না হলে ইডি ফের অভিষেককে তলব করতে পারবে। তবে ৪৮ ঘণ্টা আগে সমন পাঠাতে হবে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে।ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ, ৯ অক্টোবর ইডি দফতরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা দিতে হবে না। আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে অভিষেককে সব নথি ইডির কাছে দিতে হবে। তিনি কোনও নথি জমা দিতে না পারলে ইডির সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। কিন্তু আদালত আর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক ঘণ্টাও অতিরিক্ত সময় দেবে না। অভিষেকের জমা দেওয়া নথিতে সন্তুষ্ট না হলে তাঁকে হাজিরা দিতে বলতে পারে ইডি। এক্ষেত্রের সমন করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে উচ্চ আদালত। অভিষেককে সমন পাঠাতে হলে পুজোর আগে অর্থাৎ ১৯ অক্টোবরের আগে বা পুজোর পরে অর্থাৎ ২৬ অক্টোবরের পরে পাঠাতে হবে।তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ৩ অক্টোবর ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। পরে বিচারপতি অমৃতা সিনহার একক বেঞ্চের নির্দেশ ছিল ওইদিন তদন্ত প্রক্রিয়া যেন ব্যাহত না হয় তা ইডিকে দেখতে হবে। অভিষেক অবশ্য ওইদিন ইডির দফতরে যাননি। বদলে তিনি সিঙ্গল বেঞ্চের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন।অভিষেক আদালতকে জানিয়েছিলেন, একক বেঞ্চ ওই নির্দেশ দিতে পারে না। বুধবার অভিষেকের সেই আবেদনের শুনানি হয় ডিভিশন বেঞ্চে। ডিভিশন বেঞ্চ অবশ্য সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয়নি। উল্টে একটি প্রস্তাব রাখে ইডির কাছে। যাতে বলা হয়, যা যা নথি চাওয়া হয়েছে অভিষেককে তা দিতে হবে। তাতে সন্তুষ্ট না হলে তদন্তের প্রয়োজনে অভিষেককে তলব করতে পারবে ইডি। ১২ অক্টোবর অভিষেক নথি দেবেন ইডিকে। সব নথি খতিয়ে দেখে পুজোর পরে নয় নতুন করে সমন পাঠাবে ইডি। পাশাপাশি, অভিষেককে তদন্তে সহযোগিতার কথা বলা হয়।বৃহস্পতিবার ইডির বক্তব্য শোনার পরই মামলাটির শুনানি শেষ হয় ডিভিশন বেঞ্চে। তবে রায়দান স্থগিত রয়েছে। এদিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত প্রক্রিয়ায় অসন্তুষ্ট কলকাতা হাইকোর্ট। এবার সময়সীমা বেঁধে দিয়ে নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত শেষ করতে ইডি-কে নির্দেশ দিল ডিভিশন বেঞ্চ। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই এই তদন্ত শেষ করতে হবে হবে বলে দির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচারপতির স্পষ্ট কথা, তদন্তের নামে গড়িমসি চলবে না।

অক্টোবর ০৬, ২০২৩
রাজ্য

অভিষেককে ইডির তলব, কি নির্দেশ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের?

শিক্ষা ক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বাবা-মা ও স্ত্রী রুজিরাকে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এদিকে অভিষেকের জমা করা নথির তথ্যে সন্তুষ্ট না হলে তবেই তাঁকে ফের সমন পাঠানো হোক। বুধবার ইডিকে এই প্রস্তাব দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। তবে বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশের উপরে কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। অর্থাৎ বুধবার অভিষেকের আবেদনে সাড়া দেয়নি ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিষেক। তাঁর সঙ্গে সম্পর্কহীন তদন্তে কেন তাঁকে ডাকা হচ্ছে সেই প্রশ্ন তোলা হয়েছিল।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদন শোনার পর বিচারপতি সৌমেন সেনের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ জানতে চান, ইডি শেষ যে সমন পাঠিয়েছিল, তাতে যা জানতে চাওয়া হয়েছিল, তা ইডিকে দিয়ে দিলেই হয়ে যায়। সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশে আপত্তি কোথায়? উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ওরফে কালীঘাটের কাকুর বয়ানের ভিত্তিতে ইডির দাবি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের কর্ণধার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়ও ওই সংস্থার ডিরেক্টর।বিচারপতির কথামত, লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি। এর সব তথ্য সামনে আসা উচিত। সিইও-র বিষয়ে যা জানতে চাওয়া হয়েছে তা-ও জনসমক্ষে আনা প্রয়োজন। এতে তো কোনও অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। ডিভিশন বেঞ্চের প্রশ্ন, একটা কোম্পানির বিরুদ্ধে তদন্তে ইডির অনেক ক্ষমতা রয়েছে। তারা ১৯ মাস ধরে কী করছে? কোনও আর্থিক লেনদেন হয়ে থাকলে তা পরিষ্কার হোক।সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুক্তি ছিল, বিচারপতি সিনহার নির্দেশে তাঁকে মামলায় যুক্ত না করেও প্রভাবিত করা যেতে পারে।। এটা কি করে সম্ভব? ডিভিশন বেঞ্চের যুক্তি, এটা কোর্টের নজিরদারিতে তদন্ত চলছে। মাথায় রাখবেন, এটা কোনও সরাসরি তদন্ত নয়। তাই সিঙ্গল বেঞ্চ এটা করতে পারে। তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী সংস্থার কাছে জবাব চাইতেই পারে সিঙ্গল বেঞ্চ। এত দিন ধরে তদন্ত চলার পরে কিছু পাওয়া যায়নি। সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি তো এ নিয়ে জানতে চাইতেই পারেন। কোর্টের নজরদারিতে তদন্ত চললে যদি তদন্তকারী সংস্থার রিপোর্টে আদালত সন্তুষ্ট না হয়, তবে আবার নির্দেশ দিতেই পারে।এরপরই অভিষেকের আইনজীবীকে ডিভিশন বেঞ্চের প্রস্তাব, তদন্তকারী সংস্থাকে সহযোগিতা করতে হবে। যে নথি চাওয়া হয়েছে তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই তথ্য দেওয়া উচিত। ১২ অক্টোবর ইডির দফতরে সব নথি জমা দেওয়া দরকার। আগামিকাল দুপুর ২টোয় ফের এই মামলার শুনানি রয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
দেশ

দিল্লিতে অভিষেকদের কর্মসূচিতে ধুন্ধুমার, প্রতিবাদে আন্দোলনের ডাক বাংলায়

কৃষিভবনে রাজ্যের কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ জানাতে গিয়ে দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব। শুধু তাই নয় টেনেহিঁচড়ে, চ্যাংদোলা করে আটক করা হয় তৃণমূলের নেতানেত্রীদের। কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীর কাছে অভিষেকের নেতৃত্বে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন তৃণমূল নেতারা। মন্ত্রী দেখা তো করেনইনি। উলটে, রাত ৯টার পর বিশালসংখ্যক পুলিশবাহিনী কৃষিভবনে প্রবেশ করে। পুলিশ তৃণমূল নেতাদের জানায়, অবিলম্বে কৃষিভবন খালি করে দিতে হবে। কৃষিভবন বন্ধ করা হবে। তৃণমূল নেতারা কৃষিভবন থেকে বের হতে না-চাওয়ায় তৃণমূলের প্রতিনিধিদের প্রথমে চ্যাংদোলা করে, জোর করে কৃষিভবন থেকে বের করে দিল্লি পুলিশ।এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূল নেতাদের আটক করে বাসে চাপিয়ে পুলিশ লাইনে নিয়ে যায়। তিনটি বাসে চাপিয়ে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের নিয়ে যাওয়া হয়। পর্যন্ত তৃণমূলের আটক সাংসদদের উৎসব সদন মুখার্জিনগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। থানার ভিতর থেকে গাড়ি ঘুরিয়ে এরপর তৃণমূলের প্রতিনিধিদের বাসে চাপিয়েই পুলিশ নিয়ে চলে যায় উৎসব সদন সশস্ত্র পুলিশের ক্যাম্পে। খবর পেয়ে রাতেই ক্যাম্পের বাইরে জড় হন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। রাত ১১টা নাগাদ তাঁদের পুলিশলাইন থেকে মুক্তি দেওয়া হয়।এর আগেই তৃণমূল নেতাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল কৃষিমন্ত্রী গিরিরাজ সিং থাকবেন না। বদলে কৃষি ভবনে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতির কাছে মঙ্গলবার সন্ধে ৬টা নাগাদ বাংলার বঞ্চিত জব কার্ড হোল্ডারদের চিঠি পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল অভিষেক-সহ তৃণমূল নেতৃত্বের। সময় মতই মন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছেও গিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের নেতারা। তারপর প্রায় ঘন্টা তিনেক অতিক্রান্ত হলেও তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে দেখা করেননি প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি। উলটে তৃণমূল নেতাদের জানিয়ে দেওয়া হয়, পাঁচ জন এলে দেখা করতেন মন্ত্রী। কিন্তু, ৪০ জন এসেছেন, তাই তিনি দেখা করবেন না। এই কথা জানার পর ক্ষোভে ফেটে পড়েন তৃণমূলের প্রতিনিধিরা।বঞ্চিতদের চিঠি নিজের কাঁধে চাপিয়ে নিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী না দেখয় করায় তিনি কৃষি ভবনের মেঝেতেই বসে পড়েন। তাঁর দাবি, মন্ত্রী দেখা না-করা পর্যন্ত কৃষিভবন ছাড়বেন না। তাঁর দেখাদেখি কৃষিভবনের মেঝেতে বসে ধরনা শুরু করেন তৃণমূলের অন্যান্য প্রতিনিধিরাও। কৃষিভবনে ধরনা চলাকালীন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা অভিযোগ করেন, বিকেলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কৃষিভবনে এসেছিলেন। মন্ত্রী তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন। কিন্তু, বঞ্চিতদের প্রতিনিধি তৃণমূলের নেতাদের সঙ্গে মন্ত্রী দেখা করেননি। উলটে একেকবার একেকরকম কথা বলে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের বিভ্রান্ত করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। রাত ৯টাতেও কৃষি ভবনে মন্ত্রীর অপেক্ষায় বসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা।তার আগে রাত আটটার পর কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতির দফতর থেকেই অপেক্ষমাণ তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড ভিডিও বার্তায় বলেন, দেখা করব বলেছিলেন। ওঁনার দেওয়া সময় মতই আমরা এসেছি। দুপুরে উনি শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা করেছেন। বাংলার টাকা আটকে রাখার চিঠি নিয়েছেন। আর আমাদের সময় দিয়েও এখন মন্ত্রী বলছেন আসবেন না।কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীর দফতরের তরফে জানানো হয়েছে যে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা বাংলার বকেয়া অর্থের দাবিতে ৪০ জনের প্রতিনিধি নিয়ে এসেছেন। সেই প্রতিনিধিদলে আছেন বাংলার তৃণমূল সাংসদ, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বহু মন্ত্রী এবং ১০০ দিনের কাজ করেও মজুরি থেকে বঞ্চিত বেশ কয়েকজন। এত লোকের সঙ্গে মন্ত্রীর দেখা করা সম্ভব নয়। সর্বাধিক তৃণমূলের পাঁচ জন প্রতিনিধি এলে দেখা করতেন প্রতিমন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি। এরপর তৃণমূলের প্রতিনিধিদলকে না-জানিয়েই কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী কৃষি ভবন থেকে বেরিয়ে যান বলে খবর পান তৃণমূল নেতৃত্ব।তৃণমূল নেতৃত্ব দিল্লিতে গ্রেফতার হয়েছে, সেই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দিল্লির রাজপথে নেমে পড়েন তৃণমূলের ছাত্র-যুবরা। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গাতেও শুরু হয় বিক্ষোভ। রাজ্য বিজেপির দফতরের বাইরেও বিক্ষোভ চলে। দিল্লিতে কৃষিভবনের বাইরেও তৃণমূল কর্মীদের একাংশ বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেন। কিন্তু, কৃষিভবনের বাইরে বিপুলসংখ্যক পুলিশকর্মী মোতায়েন ছিল।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
দেশ

ইডির তদন্তে স্বস্তিতে ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেক বন্দ্যেপাধ্যায়, হাইকোর্টে শুনানি আগামীকাল

কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ তৃণমূল সাংসদ। এর আগে বিচারপতি সিনহা নির্দেশ দিয়েছিলেন, আজ ৩ অক্টোবরের তদন্ত ও অনুসন্ধান প্রক্রিয়া যাতে কোনওভাবে ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে ইডিকেই। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড। আগামিকাল ডিভিশন বেঞ্চে অভিষেকের মামলার শুনানি হবে।উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে তল্লাশি অভিযানে গিয়েছিল ইডি। সেখানে তল্লাশি চালিয়ে একগুচ্ছ নথি বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তারই ভিত্তিতে অভিষেককে ডেকে পাঠিয়ে কলকাতার অফিসে এর আগে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি।ফের একবার আজ ৩ অক্টোবর ফের তাঁকে তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। যদিও পরে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আজ ইডির তলবে যাবেন না বলে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছিলেন।অভিষেকের সেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের পরেই আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বিষয়টি আদালতের সামনে রেখেছিলেন। তারই ভিত্তিতে বিচারপতি অমৃতা সিনহা ইডিকে স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, ৩ অক্টোবরের তদন্ত ও অনুসন্ধান প্রক্রিয়া যাতে কোনওভাবে ব্যাহত না হয় সেই বিষয়টি নিশ্চিত করবে হবে।যদিও এক্ষেত্রে সরাসরি কারও নাম নেননি বিচারপতি। বিচারপতি সিনহার সেই নির্দেশের বিরুদ্ধেই এবার হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অক্টোবর ০৩, ২০২৩
রাজ্য

শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের ইডির তলব অভিষেককে, সমন বাবা-মাকেও

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ৩রা অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে ডেকে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার নিজেই এই তলবের বিষয়টি এক্সবার্তায় জানিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের ডিরেক্টর হিসেবে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা অমিত ও মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদেরও তলব করেছে ইডি।সেপ্টেম্বরের শুরুতে বাংলাকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে দিল্লিতে তৃণমূলের ধর্না কর্মসূচি রয়েছে। ৩রা অক্টোবর ওই ধর্না কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লির পূর্ব ঘোষিত দলীয় কর্মসূচি ফেলে কলকাতায় ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন কিনা সেটাই দেখার।এদিন এক্সবার্তায় অভিষেক লিখেছেন, এখন, আজ আবার তারা আমাকে তাদের সামনে হাজির হওয়ার জন্য আরেকটি সমন পাঠিয়েছে। যেদিন ৩রা অক্টোবর দিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গের ন্যায্য পাওনা আদায়ের জন্য প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হবে। এটাই প্রমাণ করছে যে কারা সত্যিকারের ভীত, সন্ত্রস্ত এবং কারা ভয়ে কাঁপছেন।নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। আগামী ৩রা অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি দফতরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে ডেকে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার নিজেই এই তলবের বিষয়টি এক্সবার্তায়ন্ড হারবারের বিধায়ক।সেপ্টেম্বরের শুরুতে বাংলাকে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে দিল্লিতে তৃণমূলের ধর্না কর্মসূচি রয়েছে। ৩রা অক্টোবর ওই ধর্না কর্মসূচির দ্বিতীয় দিন। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লির পূর্ব ঘোষিত দলীয় কর্মসূচি ফেলে কলকাতায় ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন কিনা সেটাই দেখার।এদিন এক্সবার্তায় অভিষেক লিখেছেন, এখন, আজ আবার তারা আমাকে তাদের সামনে হাজির হওয়ার জন্য আরেকটি সমন পাঠিয়েছে। যেদিন ৩রা অক্টোবর দিল্লিতে পশ্চিমবঙ্গের ন্যায্য পাওনা আদায়ের জন্য প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হবে। এটাই প্রমাণ করছে যে কারা সত্যিকারের ভীত, সন্ত্রস্ত এবং কারা ভয়ে কাঁপছেন।এই প্রথম নয়, এর আগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে তলব করেছিল ইডি। সেদিন ছিল ইন্ডিয়া জোটের সমন্বয় কমিটির প্রথম বৈঠক। ওই কমিটির সদস্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, দুর্নীতি মামলার তদন্তে কেন্দ্রীয় এজেন্সির ডাক পড়ায় সেদিন ওই বৈঠকে যোগ দেননি তৃণমূল সাংসদ। ইডির ডাকে সাড়া দিয়ে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছিলেন।এদিনের এক্সবার্তাতেও সেই বিষয়টি জানিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, এই মাসের শুরুতে, দিল্লিতে ইন্ডিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সমন্বয়কারী বৈঠকের দিনই ইডি আমাকে তলব করেছিল। আমি দায়িত্বশীল হওয়ায় সমনে সাড়া দিয়ে হাজির হয়েছিলাম।তৃণমূল সূত্রে খবর, ওইদিন ইডি-র তলবে অভিষেকের সাড়া দেওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। কারণ, পূর্বঘোষণা মতই ২ ও ৩ অক্টোবর দিল্লিতে কেন্দ্র বিরোধী কর্মসূচি রয়েছে তৃণমূলের। অভিষেকের নেতৃত্বেই হবে সেই কর্মসূচি। সেই কর্মসূচিতে যোগ দেবেন কয়েক হাজার কর্মী। প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। শুক্রবারই থেকেই দিল্লিমুখী জনতা কলকাতায় জড়ো হবেন। তাই ওই কর্মসূচি ছেড়ে অভিষেক কলকাতায় হাজিরা দিতে আসবেন না বলেই মনে করা হচ্ছে।এর আগে গত ১৯ মে বাঁকুড়ায় তৃণমূলের নবজোয়ার কর্মসূচি ফেলে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তলবে সাড়া দিয়ে হাজিরা দিয়েছিলেন তৃণণূলের সেকেন্ডজ ইন কমান্ড। এরপর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পরপর দুবারই বিরোধীদের ইন্ডিয়া জোট বা তৃণমূলের কর্মসূচির দিনই অভিষেককে ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এজেন্সি।কেন বেছে বেছে দল বা বিরোধী শিবিরের কর্মসূচির দিনই তলব? তা নিয়েই প্রশ্ন তুলছে তৃণমূল। দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষের দাবি, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভয় পাচ্ছেন। অভিষেক ভীতিতে ভুগছেন ওরা। তাই তাঁর গুরুত্বপূর্ণ সব কর্মসূচির দিনই কেন্দ্রীয় এজেন্সি মারফৎ তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে।গত ১৩ সেপ্টেম্বর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বল্ছিলেন যে, এই দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের নির্যাস শুধু শূন্য নয়, মাইনাস টু। শুধু সময় নষ্ট। আমাকে আবার ডাকলে আবার আসবো। আবারও সেদিন বলব জিজ্ঞাসাবাদের ফল মাইনাস ফোর হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৩
রাজ্য

টানা ৮ ঘন্টা ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তৃণমূল নেতা অভিষেক, ফের তলব করা হতে পারে!

৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গিয়েছে। সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ইডি)-এর দফতরে। একেবারে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ। ইডির তলবে সাড়া দিয়ে বুধবার সকাল প্রায় সাড়ে ১১টায় সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বেশ কিছু নথি নিয়ে যান তিনি। তারপর থেকে ঘন্টার পর ঘন্টা অতিক্রান্ত। প্রাথমিকে নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। জানা গিয়েছে, দুপুর সাড়ে ১২টা ১০ মিনিট থেকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। আধ ঘন্টা পর অভিষেকের দেওয়া বয়ান নিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দল বৈঠক করে। তারপর থেকে এখনও দুদফায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ চলে। অভিষেকের বয়ান রেকর্ড করা হয়।I.N.D.I.A-এর বৈঠকে দিল্লি যাননি। ইডি-র তলবে সাড়া দিয়ে এদিন ইডির দফতরে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমাণ্ড। প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বুধবার অভিষেককে তলব করে ইডি। এদিন তলবেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দেখছে তৃণমূল। দলের এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই অভিষেককে তলব, যাই হোক না কেন আমরা মানুষের জন্য কাজ করে যাব। আজ আদালতে ইডির মৌখিক রক্ষাকবচ নিয়ে সিজিও-তে এসেছেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ। লিপ্স অ্যান্ড বাউন্ড ও কালীঘাটের কাকু সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় অভিষেককে। কুন্তল ঘোষের চিঠিতেও অভিষেকের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। উল্লেখ্য দলের ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবসে তিনি নিজেই ওই সংস্থাকে আমার কোম্পানি বলে দাবি করেছিলেন, সেই কারণে ইডি আধিকারিকরা তাঁর কাছ থেকে ওই সংস্থার কার্যকলাপ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী বলে জানা গিয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩
রাজ্য

ফের ইডির তলব অভিষেককে, কড়া আক্রমণ নরেন্দ্র মোদিকে

ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইডির তলব। জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ১৩ই সেপ্টেম্বর, বুধবার তাঁকে সশরীরে ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। শিক্ষা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এই তলব। এদিকে এই তলবের পরই টুইট করে অভিষেক বিঁধেছেন নরেন্দ্র মোদীকে। এর আগে ইডির তলবের সময় অভিষেক জানিয়ে ছিলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে ব্যস্ত থাকবেন। তাই যেতে পারছেন না। ইডিও অনেক দিন চুপচাপ ছিল।FIRST meet of INDIAs coordination comm is on 13th Sept in Delhi, where Im a member. But, @dir_ed conveniently served me a notice just now to appear before thm on the VERY SAME DAY! One cant help but marvel at the TIMIDITY VACUOSNESS of the 56-inch chest model. #FearofINDIA Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) September 10, 2023তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করে লিখেছেন, ভারতের সমন্বয় কমিটির প্রথম বৈঠক ১৩ই সেপ্টেম্বর দিল্লিতে। ওই কমিটির আমি একজন সদস্য। কিন্তু, ইডি ওই দিন হাজির হওয়ার জন্য এখনই একটি নোটিশ দিয়েছে! ৫৬ইঞ্চি ছাতির ভীরুতা এবং শূন্যতা দেখে অবাক না হয়ে কেউ পারে না।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

টুকিটাকি

প্রতিদিনের রান্নায় রাখছেন কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনা? কোন পাতায় লুকিয়ে বেশি স্বাস্থ্যগুণ?

প্রতিদিনের রান্নায় কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতার ব্যবহার নতুন কিছু নয়। খাবারের স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়ানোর পাশাপাশি এই তিন ভেষজ পাতায় রয়েছে বিভিন্ন ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। তবে এগুলি যতই পুষ্টিকর হোক না কেন, অতিরিক্ত খাওয়া সবার জন্য উপযুক্ত নয়। তাই গুণাগুণের পাশাপাশি সতর্কতার বিষয়টিও জানা জরুরি।কারিপাতার উপকারিতাকারিপাতা হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে। পাশাপাশি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে, বিশেষ করে ডায়াবেটিসে খাদ্য নিয়ন্ত্রণের অংশ হিসেবে, এটি কিছুটা সহায়ক হতে পারে। চুল ও ত্বকের জন্যও কারিপাতা উপকারী পুষ্টি সরবরাহ করে। এছাড়া এতে লৌহ, ক্যালসিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিনের উপস্থিতি রয়েছে।শিশু থেকে বয়স্ক, সাধারণ পরিমাণে রান্নার সঙ্গে কারিপাতা খেতে পারেন। যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে, তারাও অল্প পরিমাণে উপকার পেতে পারেন।তবে অতিরিক্ত কাঁচা কারিপাতা খেলে কারও কারও পেটে অস্বস্তি হতে পারে। আবার কোনো নির্দিষ্ট রোগের ওষুধ চললে বেশি পরিমাণে খাওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই ভালো।ধনেপাতার উপকারিতাধনেপাতা ভিটামিন A, C ও K-এর পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টেরও ভালো উৎস। এটি খাবারের স্বাদ বাড়ায় এবং ক্ষুধা বাড়াতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে হজমে সহায়তা করে এবং শরীরে প্রদাহ কমাতে সহায়ক কিছু উপাদানও এতে থাকতে পারে।পরিষ্কার করে ধুয়ে শিশু, তরুণ ও বয়স্কসবাই পরিমাণমতো ধনেপাতা খেতে পারেন। সালাদ, চাটনি, ডাল কিংবা বিভিন্ন তরকারিতে এটি ব্যবহার করা যায়।তবে কারও কারও ধনেপাতায় অ্যালার্জি হতে পারে। এছাড়া বাজার থেকে কেনা ধনেপাতা ভালোভাবে ধুয়ে ব্যবহার করা জরুরি, বিশেষ করে বর্ষাকালে।পুদিনাপাতার উপকারিতাপুদিনাপাতা হজমে সাহায্য করে এবং গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তিতে কিছু মানুষের আরাম দিতে পারে। এটি মুখের দুর্গন্ধ কমাতেও সহায়ক। গরমের দিনে পুদিনার শরবত শরীরকে সতেজ রাখে।সাধারণভাবে শিশু ও বড়রা অল্প পরিমাণে পুদিনাপাতা খেতে পারেন। চাটনি, শরবত, রায়তা কিংবা রান্নায় এটি ব্যবহার করা যায়।তবে যাদের অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেশি, তারা অতিরিক্ত পুদিনা খেলে অস্বস্তি অনুভব করতে পারেন। ছোট শিশুদের খুব বেশি কাঁচা পুদিনা না দেওয়াই ভালো।ঋতুভেদে কী সতর্কতা?বর্ষাকালে ভেষজ পাতাগুলি মাটির কাছাকাছি জন্মায় বলে জীবাণু বা ময়লা থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই কয়েকবার ভালোভাবে ধুয়ে তবেই ব্যবহার করা উচিত।গরমকালে পুদিনা ও ধনেপাতা সতেজ খাবার হিসেবে জনপ্রিয় হলেও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে।শীতকালে এই পাতাগুলি সহজেই দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখা যায়।কারা বেশি সতর্ক থাকবেন?যাদের কোনো ভেষজ পাতায় অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের সতর্ক থাকতে হবে। যাদের দীর্ঘদিনের পেটের বিশেষ সমস্যা রয়েছে, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খাবেন। এছাড়া ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করাই ভালো।সব মিলিয়ে, কারিপাতা, ধনেপাতা ও পুদিনাপাতা, তিনটিই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তবে এগুলি কোনো রোগের ওষুধ নয়। সুষম খাদ্যাভ্যাস, পরিচ্ছন্নতা এবং নিয়মিত জীবনযাপনের সঙ্গে এই ভেষজ পাতাগুলি খেলে বেশি উপকার পাওয়া যেতে পারে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
বিদেশ

মোদির ভিডিও ঘিরে তুমুল বিতর্ক! শেষমেশ মাথা নত, ক্ষমা চাইতেই হল জুকারবার্গকে

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে বড় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার জেরে কেন্দ্রের কড়া অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চাইলেন মেটা প্রধান মার্ক জুকারবার্গ। সূত্রের দাবি, শুধু ভিডিও সরানোর ঘটনাই নয়, সামাজিক মাধ্যমে আপত্তিকর বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার বিষয়েও সংস্থা নিজেদের ত্রুটির কথা স্বীকার করেছে।গত তেইশে জুলাই তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে একটি সেলফি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিছু সময়ের মধ্যেই সেই ভিডিও ফেসবুক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। প্রথমে মেটা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানিয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেও কেন্দ্র সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হয়নি।সংসদের তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক কমিটিও এই ঘটনায় কঠোর অবস্থান নেয়। কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু ক্ষমা চাইলেই চলবে না, ঘটনার পূর্ণ দায় মেটাকেই নিতে হবে। পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপের কথাও বলা হয়। এরপরই মেটার প্রতিনিধিদের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকে তলব করা হয়।সরকারি সূত্রের খবর, বৈঠকে সামাজিক মাধ্যমে শিশুদের নিয়ে আপত্তিকর বিষয়বস্তু ছড়িয়ে পড়া, অবৈধ কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং ভিডিও সরানোর কারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মেটার প্রতিনিধিরা প্রযুক্তিগত ত্রুটির কথা জানালেও কেন্দ্র আরও কঠোর নজরদারির ইঙ্গিত দেয়।এদিকে সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, প্রয়োজনে সামাজিক মাধ্যম সংস্থাগুলির আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার করার বিষয়েও ভাবা হবে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই মার্ক জুকারবার্গ ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে আপাতত বিতর্ক কিছুটা স্তিমিত হলেও মেটার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।ভারতে কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। তাই এই বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক এবং প্রযুক্তি মহলের।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
কলকাতা

বদলে যাচ্ছে ‘বাংলার বাড়ি’র নাম! আগামীকালই বড় ঘোষণা, লক্ষ লক্ষ পরিবারে ঢুকবে টাকা

রাজ্যের আবাসন প্রকল্পে বড় পরিবর্তনের পথে সরকার। এতদিন যে প্রকল্প বাংলার বাড়ি নামে পরিচিত ছিল, সেটির নাম বদলে পশ্চিমবঙ্গ আবাস করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার নবান্ন সভাঘর থেকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নতুন নামের এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য উপভোক্তাদের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করবেন।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে প্রায় দশ লক্ষ পরিবারের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ পাঠানো হবে। এই প্রকল্পে বাড়ি নির্মাণের জন্য মোট এক লক্ষ কুড়ি হাজার টাকা অনুদান দেওয়ার কথা। এর মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা আগেই দেওয়া হয়েছিল। এবার নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করা উপভোক্তারা দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাবেন।সরকার জানিয়েছে, যাঁরা প্রথম কিস্তির অর্থ ব্যবহার করে বাড়ির লিন্টন পর্যন্ত নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ করেছেন, শুধুমাত্র তাঁরাই এই পর্যায়ে দ্বিতীয় কিস্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। সমস্ত নথি ও নির্মাণের অগ্রগতি যাচাই করার পরেই টাকা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, যাঁরা এখনও বাড়ির নির্মাণ নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত শেষ করতে পারেননি, তাঁদের আবেদন বাতিল করা হচ্ছে না। নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর নতুন করে সমীক্ষা করা হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী পর্যায়ে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।সরকারি সূত্রের দাবি, উপভোক্তাদের তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে এবার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যাচাই প্রক্রিয়ায়। প্রকৃত যোগ্যদের কাছেই সরকারি অনুদান পৌঁছে দিতে একাধিক স্তরে নথি পরীক্ষা করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সম্পূর্ণ যাচাইয়ের পরেই অর্থ ছাড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।আগামীকাল থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে বহু পরিবারের বাড়ি তৈরির কাজ ফের গতি পাবে বলে মনে করছে প্রশাসন। একই সঙ্গে নতুন নামে আবাস প্রকল্প চালুর মধ্য দিয়ে রাজ্যের আবাসন কর্মসূচিতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
দেশ

ডিসেম্বরে ফিরবই! আবেগঘন বার্তায় বড় ঘোষণা শেখ হাসিনার, বাংলাদেশ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি

দেশ ছাড়ার দুই বছর পর প্রথমবার সাংবাদিকদের উদ্দেশে অডিয়ো বার্তা দিলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে ঠিক কোন দিনে ফিরবেন, তা পরে জানানো হবে বলেও জানান তিনি। বক্তব্য রাখতে গিয়ে একাধিকবার আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন শেখ হাসিনা।অডিয়ো বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নাড়ির টান। গত দুই বছরে দেশের পরিস্থিতি দেখে তিনি অত্যন্ত কষ্ট পেয়েছেন। তাঁর দাবি, যে আন্দোলনের জেরে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছিল, সেটি শুধুমাত্র ছাত্র আন্দোলন ছিল না। পরিকল্পিতভাবে সেই আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া হয়েছিল।সরকার পতনের প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার জন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছিল। কিন্তু সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরানোর পরিকল্পনা আগে থেকেই করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, সরকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করেছে এবং সেই পদক্ষেপকে অপরাধ বলা যায় না।তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁর সরকারের সময়ে শুরু হওয়া বিচার বিভাগীয় তদন্ত পরবর্তী সরকার বন্ধ করে দেয়। শেখ হাসিনার দাবি, আন্দোলনের সময় এবং পরে আওয়ামী লীগের বহু নেতা-কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, সাংবাদিক এবং মুক্তিযোদ্ধারাও নানা ধরনের আক্রমণের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।আন্তর্জাতিক মহলের উদ্দেশে শেখ হাসিনা আবেদন জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি জানান, জেলেও যেতে হলে তিনি প্রস্তুত। নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে নয়, দেশের মানুষের কাছেই ফিরতে চান তিনি।ভারতে থাকার প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ভারত সরকার তাঁকে যথেষ্ট সম্মান ও আন্তরিকতা দেখিয়েছে। ভারতকে বন্ধু দেশ বলেই উল্লেখ করেন তিনি। তবে তাঁর কথায়, শেষ পর্যন্ত নিজের দেশেই ফিরতে চান তিনি এবং সেই লক্ষ্যেই ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ও বর্তমান বাংলাদেশের সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, দেশে মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও দাবি করেন, আন্দোলনে মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে এখনও স্পষ্ট তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, দেশে জঙ্গি কার্যকলাপ এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের নজর দেওয়া প্রয়োজন। তাঁর দাবি, এই পরিস্থিতি শুধু বাংলাদেশের নয়, গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্যও উদ্বেগের বিষয় হতে পারে।শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে পরিস্থিতি কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
কলকাতা

আমতলার অফিস কি আপাতত নিরাপদ? অভিষেকের মামলায় হাই কোর্টের বড় সিদ্ধান্ত

আমতলায় দলীয় কার্যালয় ভাঙার মামলায় ফের স্বস্তি পেলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাই কোর্ট আমতলার ওই কার্যালয় ভাঙার উপর দেওয়া অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশের মেয়াদ আগামী একুশে আগস্ট পর্যন্ত বাড়িয়ে দিয়েছে। একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, আগামী আঠারোই আগস্ট দুপুর দুটোর সময় মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।বৈধ নির্মাণ পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনীয় নথি ছাড়া কার্যালয় তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে প্রশাসন ভাঙার কাজ শুরু করেছিল। ঘটনাস্থলে বুলডোজার নামিয়ে কার্যালয়ের একাংশও ভেঙে ফেলা হয়। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা। জরুরি শুনানির আবেদন জানানো হলে আদালত প্রথমে ভাঙার কাজের উপর সাময়িক স্থগিতাদেশ দেয়। সেই নির্দেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বুধবার আদালত তা বাড়িয়ে একুশে আগস্ট পর্যন্ত বহাল রাখল।এই কার্যালয়কে কেন্দ্র করে আগেই জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিক নোটিস পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, যে জমিতে কার্যালয়টি তৈরি হয়েছে, তা একটি বেসরকারি সংস্থার নামে কেনা। সেই সংস্থার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের নাম জড়িয়ে রয়েছে বলেও প্রশাসনের দাবি। পরপর নোটিসের জবাব না মেলায় প্রশাসন ভাঙার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্তকেই আদালতে চ্যালেঞ্জ জানায় সংশ্লিষ্ট সংস্থা।আদালতে শুনানির সময় রাজ্যের আইনজীবী দাবি করেন, যে অংশ ভাঙা হয়েছে, সেটি সংশ্লিষ্ট সংস্থার সম্পত্তি নয়। দাগ নম্বরের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভাঙা অংশ অন্য জমির অন্তর্গত। তাই স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়।অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আইনজীবীর দাবি, যথাযথ নোটিস না দিয়েই ভাঙার কাজ শুরু করা হয়েছে। অভিযোগে কী বলা হয়েছে, কোন নথির ভিত্তিতে নির্মাণকে বেআইনি বলা হয়েছে, সেই তথ্যও দেওয়া হয়নি। এমনকি নিজেদের বক্তব্য জানানোর সুযোগও দেওয়া হয়নি বলে আদালতে দাবি করা হয়।দুপক্ষের বক্তব্য শোনার পর কলকাতা হাই কোর্ট আপাতত একুশে আগস্ট পর্যন্ত ভাঙার কাজ স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে এই মুহূর্তে বড় স্বস্তি পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন সকলের নজর আগামী আঠারোই আগস্টের শুনানির দিকে। ওই দিন আদালতের পর্যবেক্ষণের উপরই নির্ভর করবে এই মামলার পরবর্তী পথ।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
বিদেশ

সত্যিই কি এত ভয়? বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর কড়া নিষেধাজ্ঞা, বড় পদক্ষেপ পাকিস্তানের

পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চলা আন্দোলন, প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ এবং দমন-পীড়নের খবর আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পর নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করল পাকিস্তান সরকার। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, সরকারি অনুমতি ছাড়া দেশের নির্দিষ্ট এলাকায় কোনও বিদেশি সংবাদমাধ্যম বা সাংবাদিক খবর সংগ্রহ করতে পারবেন না।পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই নিয়ম আন্তর্জাতিক সংবাদপত্র, টেলিভিশন, ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম, ওয়েবভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম এবং সামাজিক মাধ্যমের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে আগে সরকারি নিবন্ধন করতে হবে। অনুমোদন পাওয়ার পরেই তারা নির্দিষ্ট এলাকায় রিপোর্ট করার সুযোগ পাবেন।সরকারি নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, বিদেশি সাংবাদিক কোথায় যাচ্ছেন, কার সঙ্গে কথা বলছেন এবং কী ধরনের প্রতিবেদন তৈরি করছেন, তার উপরও নজর রাখা হবে। বিশেষ কিছু এলাকায় প্রবেশের জন্য আলাদা অনুমতিপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।পাক অধিকৃত কাশ্মীরে দীর্ঘদিন ধরে মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুৎ সংকট এবং একাধিক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। এই আন্দোলন ঘিরে নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে সমালোচনা তৈরি হয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই নতুন এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে জল্পনা বাড়ছে।এর মধ্যেই পাক সরকার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে অভিযোগ তুলে তাদের কার্যত নিষিদ্ধ করেছে। সরকারের দাবি, ওই সংবাদমাধ্যম ভুল তথ্য প্রকাশ করেছে এবং কাশ্মীরের পরিস্থিতিকে বিকৃতভাবে তুলে ধরেছে।তবে আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের দাবি, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পরই ইসলামাবাদ অস্বস্তিতে পড়েছে। সেই কারণেই বিদেশি সংবাদমাধ্যমের উপর আরও কড়া নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে ঘোষণা! এই তারিখ থেকেই মিলবে অন্নপূর্ণার তিন হাজার টাকা, কারা পাবেন জানাল সরকার

অন্নপূর্ণা যোজনার উপভোক্তাদের জন্য বড় ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। চলতি আগস্ট মাসের তিন হাজার টাকার কিস্তি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা না করিয়ে এই মাসের মধ্যেই যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পনেরো আগস্টের পর থেকেই ধাপে ধাপে টাকা পাঠানোর কাজ শুরু হবে।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, অনলাইনে আবেদন করার সময় বহু ক্ষেত্রে ভুল তথ্য জমা পড়েছে। কোথাও ভুল নথি, কোথাও আবার ব্যাঙ্কের তথ্যের অসঙ্গতি ধরা পড়েছে। তাই প্রত্যেকটি আবেদন বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখতে বিডিও স্তরে সমীক্ষা শুরু হয়েছে। সমীক্ষা শেষ হওয়ার পরেই প্রকৃত উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হবে।নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী মালতী রাভা রায় জানিয়েছেন, যাঁরা প্রকৃতভাবে এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার যোগ্য, তাঁরাই টাকা পাবেন। ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন করলে বা যোগ্য না হয়েও আবেদন করলে কোনওভাবেই টাকা দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, যাঁদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো অথবা যাঁরা করদাতা পরিবারের সদস্য, তাঁদের এই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়া হবে না।সরকারের দাবি, অনেক আবেদনকারী নিজেরা আবেদন না করে অন্যের মাধ্যমে আবেদন করায় তথ্যগত ভুল হয়েছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের তথ্য সঠিকভাবে যুক্ত না থাকায় সমস্যাও তৈরি হয়েছে। সেই সব আবেদনও নতুন করে যাচাই করা হচ্ছে।সরকার স্পষ্ট জানিয়েছে, কোনও যোগ্য মানুষ যাতে বঞ্চিত না হন, সেই লক্ষ্যেই এই সমীক্ষা করা হচ্ছে। সব তথ্য যাচাইয়ের পরই ধাপে ধাপে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার তিন হাজার টাকা পাঠানো হবে।

আগস্ট ০৫, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলপড়ুয়াদের হাসপাতালে নিয়ে রক্ত সংগ্রহ! অভিযোগ ঘিরে তোলপাড়, তদন্তে নেমেছে পুলিশ

দুর্গাপুরে নাবালক স্কুলপড়ুয়াদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে রক্ত সংগ্রহের অভিযোগ ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ সামনে আসতেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে এই ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।অভিযোগ, দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর একটি বেসরকারি স্কুলের তিন নাবালক পড়ুয়াকে টাকার লোভ দেখিয়ে বিধাননগরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এক রোগীর আত্মীয় পরিচয়ে তাঁদের রক্তদান করানো হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও অভিযোগ, সরকারি নথিতে তাঁদের প্রকৃত বয়স পরিবর্তন করে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখানো হয়েছিল।এই ঘটনার নেপথ্যে ওই স্কুলেরই এক প্রাক্তন ছাত্রের নাম উঠে এসেছে বলে অভিযোগ। বর্তমানে সে দুর্গাপুরের একটি স্কুলে পড়াশোনা করে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে আরও বড় কোনও চক্র জড়িত রয়েছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখছে পুলিশ।ঘটনা জানাজানি হতেই স্কুল কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ করে। অভিভাবকদের সঙ্গে নিয়ে দুর্গাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্কুলের অধ্যক্ষা দেবযানী বোস জানান, বিষয়টি জানার পরই পুলিশকে সব তথ্য জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এজেন্টের মাধ্যমে নাবালকদের রক্ত সংগ্রহ করা হচ্ছে, যা অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ।অভিভাবকদের অভিযোগ, টাকার লোভ দেখিয়ে নাবালকদের রক্ত নেওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি বলেন, বিষয়টি তাঁর নজরে এসেছে এবং তিনি স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলেছেন। পুলিশকে দ্রুত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা নাবালকদের প্রলোভন দেখিয়ে এই কাজ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তিনি জানান।আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার প্রণব কুমার জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।ঘটনায় প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ও। তিনি জানান, বিষয়টি সরকারের নজরে এসেছে এবং ইতিমধ্যেই রাজ্যের রক্তভান্ডারগুলির উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে বেশ কিছু অসঙ্গতির তথ্য সামনে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ, অনুমতি ছাড়াই প্লাজমা অন্য রাজ্যে পাঠানো হয়েছে এবং কোথাও কোথাও নাবালকদের কাছ থেকেও রক্ত সংগ্রহের অভিযোগ মিলেছে। এমনকি নির্ধারিত মাত্রার চেয়েও বেশি রক্ত নেওয়ার অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শেষ হলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

আগস্ট ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal