• ২৭ পৌষ ১৪৩২, বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

WIn

দেশ

Minor's Vaccination: আজ থেকে শুরু ১৫-১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ

সোমবার থেকে শুরু হয়েছে ১৫-১৮ বছর বয়সিদের টিকাকরণ। দেওয়া হচ্ছে কোভ্যাকসিন। কোউইন পোর্টালে জোরকদমে চলছে রেজিস্ট্রেশন। ভ্যাকসিনেশন হচ্ছে স্কুলে। কলকাতার ১৬টি স্কুল চূড়ান্ত করেছে পুরসভা। একইসঙ্গে ৩৭ কোভ্যাক্সিন সেন্টার থেকেও দেওয়া হবে প্রতিষেধক। তালিকায় নাম থাকা স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের আধার কার্ড নিয়ে যেতে হবে যারা স্কুলছুট বা স্কুলে পড়ে না, এমন ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকা পুরসভার কেন্দ্রে পুরসভার ৩৯টি টিকাদান কেন্দ্রের যে কোনও একটিতে যেতে হবে।প্রসঙ্গত, যাঁরা স্কুল ছুট বা স্কুলে পড়ে না, এমন ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের টিকা পুরসভার কেন্দ্রে হবে। কলকাতা পুরসভার ৩৯ টি টিকাদান কেন্দ্রের যে কোনও একটি যাওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তালিকায় নাম থাকা স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের আধার কার্ড নিয়ে যেতে হবে। সারদা ইন্সস্টিটিউশন ফর গার্লস, গভর্নমেন্ট স্পনসরড মাল্টিপারপাস স্কুল ফর বয়েজ টাকি হাউজ, চেতলা গার্লস হাইস্কুল, সন্তোষপুর ঋষি অরবিন্দ বালিকা বিদ্যালয়, গার্ডেনরিচ নুটবিহারি গার্লস হাইস্কুল-সহ কলকাতার একাধিক স্কুলে টিকাকরণ হচ্ছে।বিশেষজ্ঞ জানাচ্ছেন, কোভ্যাক্সিনের ক্ষেত্রে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অত্যন্ত সামান্য। বাচ্চাদের অল্প জ্বর আসতে পারে, গলা ব্যথা, গা হাত পা ব্যথা হতে পারে টিকা নেওয়া পর। তবে তাতে ভয় পাওয়া কিচ্ছু নেই বলে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন। এগুলি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই চলে যাবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শও নেওয়া যেতে পারে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ভয় পেয়ে বাচ্চাদের ভ্যাকসিন না দেওয়ানো, অত্যন্ত ভুল সিদ্ধান্ত হবে বলে অভিভাবকদের সচেতন করেছেন চিকিৎসকরা।কো-উইন তথ্য বলছে, এখনও পর্যন্ত সারা দেশের সাড়ে ১২ লাখেরও বেশি ১৫-১৮ বছরের কিশোর-কিশোরীরা টিকাকরণের জন্য নাম নথিভুক্ত করেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মানসুখ মাণ্ডব্য রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে টিকাকরণের জন্য বয়সের ভিত্তিতে আলাদা আলাদাভাবে ভ্যাকসিন সেন্টার, সেশন সাইট, লাইন ও টিকাকরণ কর্মীদের টিম তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের দেওয়া হবে কোভ্যাক্সিন।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
রাজ্য

Weather: বছরের তৃতীয় দিনে শহরে জাঁকিয়ে পড়ল শীত!

আবহবিদেরা আগেই জানিয়েছিলেন, বছরের শুরুতেই জাঁকিয়ে পড়তে চলেছে শীত। সেই ভবিষ্যদ্বাণী মিলে গেল। বছরের তৃতীয় দিনে বেশ কিছুটা নামল পারদ। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকই রয়েছে। শেষ কিছু দিন ধরে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ২-৩ ডিগ্রি বেশি ছিল। সেই নিয়মের ব্যতিক্রম দেখল সোমবার। একই সঙ্গে সোমবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠতে পারে ২২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। সারা দিন ধরেই বইতে পারে উত্তরে হাওয়া। তবে আকাশ হালকা মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও সোমবার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই কলকাতায়।কলকাতার পাশাপাশি জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা বেশ কিছুটা নেমেছে। রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা থাকবে ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি। পার্বত্য তরাই-ডুয়ার্সে পারদ ১০ ডিগ্রিরও নীচে নেমেছে। তবে আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়েই বসবে শীত।আবহবিদেরা জানিয়েছিলেন, পূর্ব ভারতে ঠান্ডার কারণ উত্তর-পশ্চিমের শৈত্যপ্রবাহ। রাজস্থান, পঞ্জাব, হরিয়ানায় প্রবল শৈত্যপ্রবাহ শুরু হলে কনকনে উত্তুরে হাওয়া পূর্ব ভারতে প্রবেশ করে। সোমবার দিন সেই শীতের দেখা মিললেও এই শীত কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন আবহবিদদের একাংশ। আলিপুর হাওয়া অফিসের খবর, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি বা কোচবিহারের থেকে রবিবার পুরুলিয়া, শ্রীনিকেতন এবং কাঁথিতে বেশি শীত মালুম হয়েছে। এমনকী উলুবেড়িয়া বা কৃষ্ণনগরের কাছেও গোল খেয়ে গিয়েছে ডুয়ার্স। এর মূলে গাঙ্গেয় বঙ্গে কনকনে উত্তুরে হাওয়াই রয়েছে বলে জানাচ্ছেন আবহবিদেরা।হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রবিবার ছিল যথাক্রমে ১১.৯, ১১.৮ এবং ১২.৬ ডিগ্রি। সোমবারও থাকতে পারে এর কাছাকাছিই। অথচ পূর্বমেদিনীপুরের কাঁথিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৫ ডিগ্রি। তার পরেই রয়েছে বীরভূমের শ্রীনিকেতন (১০ ডিগ্রি)। পুরুলিয়া, আসানসোলের মতো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রির কাছে। ফলে দক্ষিণের কাছে গোল খাচ্ছে উত্তর।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

Weather: নতুন বছরে ফিরবে ঠান্ডা, স্থায়ীত্ব নিয়ে সংশয়ে আবহবিদরা

নতুন বছরে শীতকে স্বাগত জানাল শহরবাসী। এ বার ডিসেম্বরের প্রথম দিকের শীতল আমেজও উধাও ছিল। তাই জাঁকিয়ে শীত উপভোগের আশা সম্বল করে শনিবার নতুন বছরে পা দিয়েছে বাঙালি। তবে আবহাওয়া দপ্তরের আশ্বাস, আগামী সপ্তাহে জাঁকিয়ে পড়তে পারে শীত। কিন্তু সেই শীতের কাঁপুনি কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে রয়েছে ঘোর সংশয়। সত্যিই হাড়কাঁপানো শীতের দেখা মিলবে, না উত্তুরে বাতাসের সঙ্গে শুধুই লুকোচুরি খেলা চলতে থাকবে তা নিয়ে চর্চা চলছে।ঝঞ্ঝা কেটে যাওয়ায় উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে ফের উত্তুরে বাতাসকে বাহন করে শীত আসতে পারে বাংলায়। আগামী মঙ্গল এবং বুধবার নাগাদ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। কনকনে শীত পড়তে পারে জেলাগুলিতেও। কিন্তু এ শীত কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন আবহবিদদের একাংশ। কারণ, মঙ্গলবার নাগাদ আবার একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কাশ্মীরে ঢুকতে পারে। তার জেরে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকেই উত্তর-পশ্চিম ভারতে বৃষ্টি এবং তুষারপাতের সম্ভাবনা আছে। তেমন হলে পূর্ব ভারতেও শীতের মুখ থুবড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার, ইংরেজি বছরের শেষ দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার তা একটু কমে ১৫.২ ডিগ্রিতে নেমেছে। যদিও তা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। কলকাতার মতো জেলাগুলিতেও পারদ সে-ভাবে নামেনি। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল (১৪.৬ ডিগ্রি) বা পানাগড়েও (১৪ ডিগ্রি) কাঁপন ধরানো ঠান্ডা মেলেনি। হাড় কাঁপানো শীতের জন্য বিখ্যাত পুরুলিয়া, বীরভূমের শ্রীনিকেতনেও শুক্রবার রাতের তাপমাত্রা ওই জায়গাগুলির নিরিখে কিছুটা বেশি রয়েছে। তুলনায় মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে (১১ ডিগ্রি) শীত খানিকটা হলেও বেশি ছিল। তবে দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে তরাই-ডুয়ার্সে স্বাভাবিক ভাবেই শীতের দাপট বেশি। শুক্রবার জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি এবং কোচবিহারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ৯.২, ৮.৬ এবং ৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
কলকাতা

Weather: নতুন বছরের শুরুতে নয়া ইনিংস খেলবে শীত, কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা

পৌষের শুরুতে জাঁকিয়ে শীত না পড়লেও, এই মাসের বাকি অর্ধেক সময়ে শীত হতাশ করবে না বলে আশ্বাস দিল হাওয়া অফিস। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা বাংলা থেকে বিদায় নিতেই ঠান্ডার দাপট ফেরার আভাস মিলেছে। স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকলেও বৃহস্পতিবারের তুলনায় শুক্রবার পারদ কিছুটা নেমেছে। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে তা আরও নামতে শুরু করবে বলে পূর্বাভাস আবহবিদদের। ধাপে ধাপে পারদ পতনের জেরে আগামী সপ্তাহেই জাঁকিয়ে বসবে শীত।দিল্লির মৌসম ভবনের খবর, শুক্রবার থেকেই পঞ্জাব, রাজস্থান, হরিয়ানায় ফের শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়ে যাবে। কনকনে ঠান্ডা নিয়ে হাজির হতে পারে উত্তুরে বাতাস। তার ফলে আগামী সপ্তাহেই পূর্ব ভারতের বিভিন্ন জায়গায় রাতের তাপমাত্রা ৩-৫ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। শুক্রবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা কুয়াশা লক্ষ্য করা গিয়েছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। শুক্রবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ১৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। তবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি নেমে হয়েছে ২২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।ঠান্ডার ফিরে আসা নিয়ে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা বলেছেন, নতুন বছরের প্রথম দিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। পরের সপ্তাহের শুরুতে কলকাতার তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির কাছাকাছিও নেমে যেতে পারে। আগামী সপ্তাহ মরশুমের শীতলতম সপ্তাহ হবে কি না, তা অবশ্য নিশ্চিত করে বলেনি হাওয়া অফিস। তবে ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে মারাত্মক শীত পেয়েছিল কলকাতা। ৯ জানুয়ারি কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (৯ ডিগ্রি) ছুঁয়ে ফেলেছিল লন্ডনকে। সে-বারেও আচমকা ঢুকে পড়া উত্তুরে হাওয়ার দাপটেই হুড়মুড়িয়ে নেমেছিল পারদ। আবহবিদদের মতে, খাস কলকাতার তাপমাত্রা যদি ১১-১২ ডিগ্রিতে নামে, তা হলে জেলাগুলিতে তাপমাত্রা আরও কম থাকবে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs South Africa Test : ‘‌মিশন প্রোটিয়া’‌র শুরুতেই সাফল্য, সেঞ্চুরিয়নে ১১৩ রানে জয় ভারতের

সাদা বলের ক্রিকেটে দাপট দেখাতে না পারলেও লাল বলের ক্রিকেটে অপ্রতিরোধ্য ভারত। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম সংস্ককরণে ফাইনালে উঠেও অল্পের জন্য সেরার শিরোপা জোটেনি। দ্বিতীয় সংস্করণের শুরু থেকেই দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে বিরাট কোহলি ব্রিগেড। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে স্থগিত হয়ে যাওয়া সিরিজে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা। তারপর দেশের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়। এবার দক্ষিণ আফ্রিকাকে প্রথম টেস্টে ১১৩ রানে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বিরাট কোহলির দল। জয়ের জন্য ৩০৫ রান তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৯১ রানেই গুটিয়ে গেল প্রোটিয়ারা। সেঞ্চুরিয়ন দক্ষিণ আফ্রিকার দূর্গ বলে পরিচিত। সুপারস্পোর্টস পার্কে প্রোটিয়াদের পরিসংখ্যান খুবই ভাল। সেই মাঠেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল ভারত। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কোহলি। প্রথম ইনিংসে ভারত তুলেছিল ৩২৭। জবাবে ১৯৭ রানে শেষ হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম ইনিংস। ১৩০ রানে এগিয়ে থেকে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ভারত তোলে ১৭৪। জয়ের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩০৫। প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামিদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি ডিন এলগারের দল। চতুর্থ দিনের শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার রান ছিল ৪ উইকেটে ৯৪। ডিন এলগার ৫২ রানে ক্রিজে ছিলেন। ম্যাচ বাঁচানোর জন্য তাংর ব্যাটের দিকেই তাকিয়েছিল প্রোটিয়া শিবির। ৭৭ রান করে যশপ্রীত বুমরার বলে এলবিডব্লিউ হন এলগার। দক্ষিণ আফ্রিকার রান তখন ১৩০। এলগার আউট হওয়ার পরপরই দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ বাঁচানোর আশা শেষ হয়ে যায়। কুইন্টন ডিকক (২১), তেম্বা বাভুমা (অপরাজিত ৩৫) কিছুটা লড়াই করলেও তা যথেষ্ট ছিল না। ৬৮ ওভারে ১৯১ রানে গুটিয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় ইনিংস। ভারতের হয়ে যশপ্রীত বুমরা ৫০ রানে ও মহম্মদ সামি ৬৩ রানে ৩টি করে উইকেট পান। মহম্মদ সিরাজ ৪৭ রানে ২টি ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন ১৮ রানে ২টি উইকেট নেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে এই টেস্টে ৮ উইকেট নিলেন সামি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
রাজ্য

Weather: দক্ষিণবঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা, হতে পারে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি

সপ্তাহখানেক আগেও হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় কাঁপছিল দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলি। সেখানে এখন তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছে ১৪ ডিগ্রির কাছাকাছি। কলকাতার তাপমাত্রা তো আরও বেড়েছে। স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেড়ে মঙ্গলবার সকালে তা পৌঁছে গিয়েছে ১৭ ডিগ্রির কাছাকাছি। সেই সঙ্গে বিক্ষিপ্ত মেঘও রয়েছে আকাশে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে মঙ্গলবারের সকাল ঢেকেছে কুয়াশায়। মঙ্গলবার সকালে মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৬.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৬.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। সোমবার আসানসোলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪.৬ ডিগ্রি। বর্ধমানে ১৬ ডিগ্রি, উলুবেড়িয়ায় ১৬ ডিগ্রি, ক্যানিংয়ে ছিল ১৪.৬ ডিগ্রি। উত্তরবঙ্গের পাহাড় এবং তরাইয়ে অবশ্য স্বাভাবিক ভাবেই দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় ঠান্ডা বেশি রয়েছে। সোমবার রাতের তাপমাত্রা দার্জিলিঙে ৩ ডিগ্রি, কোচবিহারে ৭.৬ ডিগ্রি, কালিম্পংয়ে ৮ ডিগ্রিতে নেমেছে।আবহবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, উত্তর-পশ্চিম ভারতে হাজির হওয়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণেই উত্তুরে হাওয়া বাধা পেয়েছে। সেই ঝঞ্ঝা ক্রমশ পূর্বভারতের দিকে বয়ে আসার ফলে রাতের পারদ পতনেও বাধা সৃষ্টি করছে। এই ঝঞ্ঝার জেরে মঙ্গলবার, বুধবার এবং বৃহস্পতিবার গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হাল্কা বৃষ্টি হতে পারে। ঘূর্ণাবর্ত ও পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে উত্তর ও দক্ষিণ, দুই বঙ্গেরই বেশ কিছু জেলায় শীতের মাঝে বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং ও কালিম্পঙে মঙ্গলবার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টি চলবে আগামিকাল পর্যন্ত। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া,পশ্চিম বর্ধমান বীরভূম হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। বছরের শেষে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃষ্টি হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে বছরের শেষে শীত ফিরবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। আবহবিদদের অনুমান, চলতি বছরের শেষ দিন থেকেই তাপমাত্রা নামতে পারে। তবে ফের শীতের কাঁপুনি মিলতে পারে নতুন বছরের দুদিন পেরনোর পরেই। আগামী শনিবার বছরের প্রথম দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২১
রাজ্য

Weather: বর্ষবরণের আগে আরও বাড়তে পারে তাপমাত্রা

শীতের লম্বা ইনিংসকে আপাতত রুখে দিল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ফলা। যার জেরে ক্রমেই বাড়ছে তাপমাত্রা। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে শহরের তাপমাত্রার সূচক এসে থামল ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি বাড়ল তাপমাত্রা।পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে রাজ্যে শীতের দাপট গত কয়েক দিন ধরেই কিছুটা কমের দিকে। সোমবার সকালে একধাক্কায় আরও এক ডিগ্রি বাড়ল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার সকালে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, রাজ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠতে পারে ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত। তবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস থাকলেও সোমবার আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।শনিবারই আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছিল, সোমবার থেকেই আকাশ মেঘলা থাকবে। বিহারের ঘূর্ণাবর্ত এবং পশ্চিমী ঝঞ্ঝর প্রভাবে সমুদ্র থেকে রাজ্যে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। যার প্রভাবে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে তাপমাত্রা দুএক ডিগ্রি বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছিল হাওয়া অফিস।হুগলি, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব-পশ্চিম বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, ঝাড়গ্রাম, নদিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছিল। সোমবার আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এই জেলাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা এবং হাওড়ায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। সে ক্ষেত্রে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত শহরের তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
কলকাতা

Weather: পশ্চিমী ঝঞ্ঝার বাধায় বড়দিনে উধাও শীতের কনকনানি

শীতের ইনিংসে আপাতত খলনায়ক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। উত্তুরে হাওয়াকে সে এমন ভাবে বাধা দিচ্ছে, যে শনিবার বড়দিনে কনকনে শীতের আমেজ উধাও। এমনকী বর্ষশেষেও জবরদস্ত শীতের সম্ভাবনা কম। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বড়দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি চলে যাবে। রবিবার থেকে পারদ আরও মাথাচাড়া দেবে।আবহবিদদের একাংশের ধারণা, বছরের শেষেও জাঁকিয়ে শীতের আশা কম। আগামী সপ্তাহের অধিকাংশ দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের বেশি থাকতে পারে বলে মনে করছে হাওয়া অফিস। তবে কলকাতার থেকে জেলাগুলিতে তুলনায় তাপমাত্রা কম থাকবে। শীতের কমবেশি দাপট চলবে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে।আবহবিদেরা জানাচ্ছেন, শীতের চাবিকাঠি লুকিয়ে থাকে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে। এখন সেখানেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝায় উত্তুরে হাওয়া বাধা পাচ্ছে। তাই পূর্ব ভারতে শীতের কনকনে ভাব কমেছে। সেই বাধা কাটলেই ফের জাঁকিয়ে শীত হাজির হবে রাজ্যে। আগামী পাঁচ দিনে ১৮টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বৃষ্টি বা তুষারপাতের পূর্ভাভাস রয়েছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, ২৬ থেকে ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ, পঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, বিহার, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র, সিকিম ও ওডিশায়। জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখে ২৪-২৫ ডিসেম্বর তুষারপাত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। ২৪ ডিসেম্বর তুষারপাত হতে পারে হিমাচলে।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Weather: শীতের ভিলেন পশ্চিমী ঝঞ্ঝা, সপ্তাহান্তে আরও বাড়তে পারে তাপমাত্রা

শীতের লম্বা ইনিংসে ফের বাধা দিল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। একদফা জোরালো শীতের পরে কলকাতার রাতের তাপমাত্রা কিছুটা মাথা চাড়া দিয়েছে। বেশির ভাগ জেলাতেও তাপমাত্রা বেড়েছে। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, বড়দিন থেকে পারদ আরও চড়বে। মাসের শেষ সপ্তাহে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের উপরেও উঠে যেতে পারে।আবহবিদেরা জানিয়েছেন, কাশ্মীরে একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকেছে। তার জেরে সেখানে বৃষ্টি এবং তুষারপাত হবে। তাপমাত্রা বাড়ছে পঞ্জাব, হরিয়ানাতেও। ঝঞ্ঝা এলে উত্তুরে হাওয়া বাধা পায়। তার জেরে মধ্য এবং পূর্ব ভারতে ঠান্ডা কমে। এর ফলে বাংলাতেও শীতের কনকনানি আগামী কয়েক দিনে কমে যাবে। তবে ঝঞ্ঝা বিদায় নিলে উত্তুরে হাওয়া বাধাহীনভাবে বইতে শুরু করবে। তখন তাপমাত্রা ফের কমতে পারে বলে মনে করছেন আবহবিদেরা।গত কয়েক দিন বাংলায় জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়েছিল। শীতের দৌড়ে উপকূলীয় জেলাগুলি টেক্কা দিচ্ছিল উত্তরবঙ্গের তরাই এলাকাকে। বুধবারও কোচবিহার, শিলিগুড়িকে পিছনে ফেলেছে পুরুলিয়া, কাঁথি। কোচবিহারে বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শিলিগুড়িতে ৯.২ ডিগ্রি। সেখানে পুরুলিয়ার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮.১ এবং কাঁথিতে ৯ ডিগ্রি। তবে বাঁকুড়া, শ্রীনিকেতন, পানাগড়ের মতো পশ্চিমাঞ্চলের এলাকাগুলিতে গত দুদিনের তুলনায় তাপমাত্রা বেড়েছে।বুধবারই মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রির ঘর থেকে বেড়ে ১৩ ডিগ্রির ঘরে পৌঁছেছিল। বৃহস্পতিবার তা প্রায় একই রয়েছে। বৃহস্পতিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের চেয়ে দুই ডিগ্রি বেশি।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Weather: বড়দিনে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কাঁটা! কমবে শহরের তাপমাত্রা

বড়দিনে জোড়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কাঁটা। আরও ২-৩ দিন জমজমাট শীত রাজ্যে। ঠান্ডা কমবে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, কলকাতার তাপমাত্রা পৌঁছতে পারে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।মঙ্গলবারের থেকে বুধবার তাপমাত্রার পারদ বাড়ল ২ ডিগ্রি। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.২ সেলসিয়াস, যেটা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোর ক্ষেত্রেও তাপমাত্রার পারদ একটু বাড়বে। সকালে কলকাতায় কুয়াশা বেলা বাড়লে পরিষ্কার হবে আকাশ। আগামী দুদিন তাপমাত্রার পারদ এরকমই থাকবে বড়দিনে বা পঁচিশে ডিসেম্বরে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।তাপমাত্রা বাড়ার কারণ হল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। শ্রীলঙ্কা এবং ভারত মহাসাগরের কাছাকাছি একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে, যেটি আজ দুপুরে নিম্নচাপ অক্ষরেখায় পরিণত হবে। এই নিম্নচাপ অক্ষরেখা টি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপরে রয়েছে যে কারণে তাপমাত্রার এই উত্থান।একধাক্কায় ৩ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। ডিসেম্বরের এই সময় পনেরোর কোটাতেই থাকে তাপমাত্রা। দিনভর পরিস্কার আকাশ, কমবে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্র তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। তাই শুধু আগমনী নয়, দিনকয়েক থিতুও হবে শীত। পশ্চিমাঞ্চলে একাধিক জায়গায় তাপমাত্রা দশের নীচে। আরও ২-৩ দিন জমজমাট শীত রাজ্যে। বড়দিনে জোড়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কাঁটা। ঠান্ডা কমবে। কলকাতার তাপমাত্রা পৌঁছতে পারে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
কলকাতা

TMC: লালবাড়ি দখলে বিশাল জয় তৃণমূলের, একনজরে দেখে নিন কোন ওয়ার্ডে কে জিতলেন

পুরসভা নির্বাচনে রীতিমতো রেকর্ড গড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট বৃদ্ধি করে ছোট লালবাড়ি দখল করেছে ঘাসফুল শিবির। বিধানসভা ভোটের হিসেবে, কলকাতা পুরসভার ১৪৪ টি ওয়ার্ড অঞ্চলে তৃণমূলের ভোট ছিল ৫৯.০৩ শতাংশ। সেখানে বিজেপির ভোট ছিল ৩২.৯২ শতাংশ। কলকাতা পুরভোটের ফলাফলের ট্রেন্ডে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের ভোট বেড়ে হয়েছে ৭১ শতাংশ এবং বিজেপির ভোট কমে হয়েছে ৮.৯ শতাংশ। অর্থাৎ বিজেপি-র ভোট কমেছে প্রায় ২৩ থেকে ২৪ শতাংশ। এই ২৩ থেকে ২৪ শতাংশ ভোটের একটা সিংহভাগ অংশ তৃণমূলের দিকে গেলেও একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এসেছে বামেদের দিকে। ফলত বামেদের ভোট ৪ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১১.৪ শতাংশ।কলকাতা পুরসভার ১৬টি বরোর ১৪৪টি ওয়ার্ডের ভোট গণনা। রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণ হয়েছে সাড়ে ৯০০ প্রার্থীর। একনজরে দেখে নেওয়া যাক কোন ওয়ার্ডে জিতেছেন কোন প্রার্থী-১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের কার্তিক মান্না।২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের কাকলি সেন।৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের দেবীকা চক্রবর্তী ।৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের গৌতম হালদার।৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের তরুণ সাহা ।১১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অতিন ঘোষ।১২ নম্বর বরোর সব ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেস।১৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অনিন্দ রাউত।১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অমল চক্রবর্তী।২০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিজয় উপাধ্যায়।২১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের মীরা হাজরা।২২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিত।২৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বিজেপি প্রার্থী বিজয় ওঝা।২৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের তারক চক্রবর্তী ।২৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী অয়ন চক্রবর্তী ।২৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের ইকবাল আহমেদ।৩০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের পাপিয়া ঘোষ বিশ্বাস।৩১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের পরেশ পাল।৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের অলকানন্দা দাস।৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের শচিন সিং।৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সোমা চৌধুরী ।৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের মহম্মদ জসিমুদ্দিন।৪০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সুপর্ণা দত্ত।৪১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের রীতা চৌধুরী ।৪২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী মহেশ শর্মা।৪৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নির্দল প্রার্থী আয়েশা কানিজ।৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী সন্তোষ পাঠক।৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিমল সিং।৪৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিশ্বরূপ দে।৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায়।৫০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ।৫১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল কুমার।৫২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সোহিনী মুখোপাধ্যায়।৫৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সবিতারানি দাস।৫৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন।৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী সুস্মিতা ভট্টাচার্য চট্টোপাধ্যায়।৬৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী শাম্মি জাহান বেগম।৬৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের নিবেদিতা শর্মা।৬৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের বিজনলাল মুখোপাধ্যায়।৭২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সন্দীপ বক্সী।৭৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৬,৪৯৩ ভোটে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়।৭৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের দেবলীনা বিশ্বাস।৭৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নিজামুউদ্দিন শামস।৭৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের ষষ্ঠী দাস।৭৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের শামিমা রেহান খান।৭৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের সোমা দাস।৭৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূলের রামপেয়ারে রাম।৮০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী আনোয়ার খান।৮১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী জুঁই বিশ্বাস।৮২ নম্বর ওয়ার্ডে ১৪,৮৬৭ ভোটে জয়ী ফিরহাদ হাকিম।৮৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী প্রবীর মুখোপাধ্যায়।৮৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী পারমিতা চট্টোপাধ্যায়।৮৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের দেবাশিস কুমার।৮৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী সৌরভ বসু।৮৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী মালা রায়।৮৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী মমতা মজুমদার।৯১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়।৯২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী সিপিএম প্রার্থী মধুছন্দা দেব।৯৬ ওয়ার্ডে জয়ী বসুন্ধরা গোস্বামী।১০১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত।১০৩ নম্বর ওয়ার্ডে ৮৬ ভোটে জয়ী সিপিএম প্রার্থী নন্দিতা রায়।১০৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তারকেশ্বর চক্রবর্তী ।১০৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের অরিজিৎ দাস ঠাকুর।১০৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের লিপিকা মান্না।১০৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী সুশান্ত কুমার ঘোষ।১১১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী স্বরাজ মণ্ডল।১১২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী গোপাল রায়।১১৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী অনিতা কর মজুমদার।১১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী বিশ্বজিৎ মণ্ডল১১৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী রত্না শূর।১১৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের কৃষ্ণা সিং।১১৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের অমিত সিং।১১৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের তারক সিং।১১৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের কাকলি বাগ।১২০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের সুশান্ত ঘোষ।১২১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের রূপক গঙ্গোপাধ্যায়।১২২ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের সোমা চক্রবর্তী।১৩১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল প্রার্থী রত্না চট্টোপাধ্যায়।১৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নির্দল প্রার্থী রুবিনা নাজ।১৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী কংগ্রেসের ওয়াসিম আনসারি।১৪০ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী তৃণমূল কংগ্রেসের আবু মহম্মদ তারিক।১৪১ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী নির্দল প্রার্থী পূর্বাশা নস্কর।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
কলকাতা

Weather: মরশুমের শীতলতম দিন সোমবারই, কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ১১ ডিগ্রিতে

মরশুমের শীতলতম দিন সোমবারই। কলকাতায় তাপমাত্রা নামল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। স্বাভাবিকের চেয়ে চার ডিগ্রি কম। জেলায় ঠান্ডার কামড় আরও বেশি। বাধা নেই, হু হু করে ঢুকছে হিমেল হাওয়া। অন্তত ৩-৪ দিন জাঁকিয়ে শীত রাজ্যে। তারপর ধীরে ধীরে বাড়বে তাপমাত্রা। বড়দিনের কলকাতায় পারদ থাকতে পারে ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে।যত দিন যাচ্ছে, তত জাঁকিয়ে বসছে শীত! ধুন্ধুমার ব্যাটিং চলছে দেশজুড়ে। বাংলাতেই বা পিছিয়ে থাকবে কেন! গত সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছিল পারদপতন। এ সপ্তাহেও তা অব্যাহত। গত দুদিনের থেকে সোমবার তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে। এর জেরে গত সপ্তাহের পরিসংখ্যান পিছনে ফেলে সোমবারই হল যে মরসুমের শীতলতম দিন।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আকাশ থাকবে পরিষ্কার। রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়াই থাকবে। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমে হবে ২২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামবে ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকেও ৪ ডিগ্রি কম। এ মরশুমে এই প্রথম মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ১১ ডিগ্রির ঘরে।কলকাতার তুলনায় জেলার বিভিন্ন জেলার তাপমাত্রা আরও কমেছে। কৃষ্ণনগর, আসানসোল, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার মতো শহরেও কমেছে তাপমাত্রা। সব মিলিয়ে পৌষের শুরু থেকেই জমিয়ে ব্যাটিং শীতের। ডিসেম্বরের এই সময় পনেরোর কোটাতেই থাকে তাপমাত্রা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দিনভর পরিষ্কার আকাশ, কমবে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্র তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। তাই শুধু আগমনী নয়, দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।এতটা পারদ-পতন কলকাতায় শেষ দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালে। তার আগে ২০০৫ সালে।২০১৬ সালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ২০০৫ সালে ছিল ১৮.২ ডিগ্রি।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Weather: জাঁকিয়ে পড়েছে শীত, বাড়তে পারে ঠান্ডা

নিম্নচাপের ভ্রুকুটি কাটিয়ে বাংলায় ইতিমধ্যেই জাঁকিয়ে বসেছে শীত। আগামী কয়েক দিনে তা আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। কলকাতায় গত তিন ধরেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রিতে রয়েছে। সঙ্গে সকালে হালকা কুয়াশাও দেখা গিয়েছে বিভিন্ন জেলায়।এ বছরে সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও বঙ্গোপসাগের ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপের জেরে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বেড়েছিল জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি। যার জেরে ধাক্কা খেয়েছিল শীতের ব্যাটিং। সেই প্রভাব কমতেই বেড়েছে ঠান্ডা। আলিপুর আবহওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃহস্পতিবার আকাশ থাকবে পরিষ্কার। উঠবে রোদ। মহানগরীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। অন্য দিকে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
কলকাতা

Weather: আজ আরও জাঁকিয়ে পড়েছে শীত, কমবে রাতের তাপমাত্রাও

বুধবার আরও নামল পারদ। এদিন শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। কমেছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও। আজকের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। আজ প্রধাণত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। রোদ ঝলমলে দিন থাকবে সারাদিন। রাতে আরও কমবে তাপমাত্রা। আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।গতকালই একধাক্কায় ৩ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। ডিসেম্বরের এই সময় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির কোটাতেই থাকে। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। কলকাতা,পূর্ব মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও পরিষ্কার আকাশ। উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।এতটা পারদ-পতন কলকাতায় শেষ দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালে। তার আগে ২০০৫ সালে।২০১৬ সালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ২০০৫ সালে ছিল ১৮.২ ডিগ্রি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Weather: সোমবারের তুলনায় আরও নামল পারদ, মরশুমের শীতলতম মঙ্গলবার

কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আরও জাঁকিয়ে বসল ঠান্ডা। সোমবার অনেকটাই পতন হয়েছিল পারদের। মঙ্গলবার তা আরও নেমেছে। যার জেরে মঙ্গলবারই এখনও পর্যন্ত এ মরশুমের শীতলতম দিন। নিম্নচাপের ভ্রুকুটি কাটিয়ে এ রাজ্যে যখন শীত নিজের প্রভাব বাড়াচ্ছে, তখন রাজধানী দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ঠান্ডার প্রভাবে কাঁপছেন মানুষ।আকাশ পরিষ্কার হতেই হিমেল পরশ। গতকালই একধাক্কায় ৩ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। ডিসেম্বরের এই সময় পনেরোর কোটাতেই থাকে তাপমাত্রা। দিনভর পরিষ্কার আকাশ, কমবে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্র তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। তাই শুধু আগমনী নয়, দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আকাশ থাকবে পরিষ্কার। তবে এই সময়ে সকালের দিকে কিছু এলাকা কুয়াশায় ঢাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সোমবার এই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১৫ ডিগ্রিতে।এ বছর সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও বারবার বাধা পেয়েছে তার পথচলা। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপ বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি বাড়িয়েছিল। যার জেরে আকাশ থেকেছে মেঘলা। স্তব্ধ হয়েছিল উত্তুরে হাওয়ার গতিপথ। স্বাভাবিকের তুলনায় তাপমাত্রা ছিল বেশি। কিন্তু সেই বাধা কাটতেই বাংলায় ফিরছে শীত।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: সকাল থেকেই কনকনে অনুভূতি, সোমবারই মরশুমের শীতলতম দিন

অবশেষে শীত এল বঙ্গে। গত সপ্তাহের শেষ থেকে পারদের পতন শুরু হয়েছিল। পরের ২৪ ঘণ্টায় তা আরও কমেছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সোমবারই এ বছরের এখনও অবধি শীতলতম দিন। বাংলায় একটু দেরি হলেও উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতে ইতিমধ্যেই জাঁকিয়ে বসেছে শীত।এ বছর সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও, বারবার বাধা পেয়েছে তার পথচলা। বঙ্গোপসাগরে ঘণীভূত হওয়া নিম্নচাপ বাতাসে জলীয় বাস্পের উপস্থিতি বাড়িয়েছিল। যার জেরে আকাশ থেকেছে মেঘলা। স্তব্ধ হয়েছিল উত্তুরে হাওয়ার গতিপথ। স্বাভাবিকের তুলনায় তাপমাত্রা ছিল বেশি। কিন্তু সেই বাধা কাটতেই ফিরছে শীত। হাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন বজায় থাকবে এই ঠান্ডা। আগামী কয়েক দিনে তা আরও বাড়বে।হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আকাশ থাকবে পরিষ্কার। রোদের পাশাপাশি বইবে উত্তুরে হাওয়া। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। অন্যদিকে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে হতে পারে ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এ বছরে এখনও অবধি সব চেয়ে কম এবং রবিবারের তুলনায় প্রায় ৩ ডিগ্রি কম।এদিকে রাজধানী দিল্লি-সহ দেশের অন্যত্রও ঠান্ডার দাপট শুরু হয়েছে। প্রবল শীতে রাজস্থানের অনেক জায়গায় জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। বহু জায়গায় সকালবেলা কুয়াশার কারণে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে আমজনতাকে। ঠান্ডা এবং কুয়াশায় দৈনন্দিন কাজকর্মও শুরু হচ্ছে অনেক দেরিতে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
কলকাতা

Weather: ধীরে-ধীরে কমছে তাপমাত্রা, জাঁকিয়ে শীত এখনই নয়

সপ্তাহের শেষ থেকে বাংলায় অনুভূত শীতের আমেজ। গতকাল থেকেই তাপমাত্রা কমার ইঙ্গিত দিয়েছিল হাওয়া অফিস। হচ্ছেও ঠিক তেমনটাই। পাশাপাশি রয়েছে কুয়াশার সতর্কতা।এদিকে, এতদিন শীতের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। যার কারণে উত্তরে হাওয়া রাজ্যে ঢুকতে বাধা পাচ্ছিল। এবার সেই বাধা কাটিয়ে ধীরে ধীরে কমবে তাপমাত্রা। দিনে মেঘলা আকাশ থাকবে সঙ্গে কুয়াশা। রাতে তাপমাত্রা কমবে।তবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি যে তাপমাত্রা হওয়া তা কিন্তু নেই। নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকেই কলকাতা-সহ সারা বাংলায় জাঁকিয়ে শীত পড়ে। যদিও, গত কয়েক বছর সেই নিয়মের কিছুটা হলেও ব্যাঘাত ঘটেছে। আবহাওয়াবিদের মতে যেখানে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে তাপমাত্রা হওয়া উচিৎ ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সেখানে আজকের তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের রয়েছে। আজকে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি। পাশাপাশি আবহাওয়া অফিসের তরফ থেকেও বৃষ্টিপাতের কোনও পূর্বাভাস মেলেনি।উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
কলকাতা

Weather: আগামী সপ্তাহেই শীত রাজ্যে!

নিম্মচাপ আর বৃষ্টিতে তিতিবিরক্ত বাঙালি মুখিয়ে রয়েছে শীত আসবে কবে, সে দিকেই। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, শীতের জন্য আর বেশি অপেক্ষা করতে হবে না রাজ্যবাসীকে। আগামী সপ্তাহেই দেখা মিলবে শীতের। একই সঙ্গে সপ্তাহান্তে কুয়াশার সতর্কবার্তা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। পাশাপাশি, পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে তারা।ডিসেম্বর মাস পড়ে গেলেও মেঘ, বৃষ্টির জেরে স্যাঁতসেতে ঠান্ডা থাকলেও শীতের আমেজ কিন্তু সে ভাবে মিলছে না। আর তাতেই খানিকটা হতাশ আম বাঙালি। প্রশ্ন উঠছে, শীতের চেনা ঝকঝকে আকাশের দেখা কবে মিলবে? শীত এখনই না পড়লেও রাতের তাপমাত্রা কমবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Weather: জাঁকিয়ে শীত শনিবার থেকেই?

আকাশে মেঘ। ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ছে। হেমন্তের শেষ লগ্নে এমন বৃষ্টিভেজা স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ার পিছনে অবশ্য উত্তুরে বাতাসের অবদানও কম নয় বলে আবহবিদেরা জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল (পূর্বাঞ্চল) সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তরে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শুষ্ক, ঠান্ডা হাওয়া বয়ে আসছে। উল্টো দিকে বঙ্গোপসাগর থেকে উষ্ণ এবং আর্দ্র জলীয় বাষ্প বায়ুমণ্ডলের নীচের স্তরে ঢুকছে। বিপরীত চরিত্রের এবং বিপরীতমুখী দুই বায়ুর সংমিশ্রণে কলকাতা-সহ উপকূলীয় জেলাগুলির আকাশে স্থানীয় ভাবে মেঘ তৈরি হয়ে বৃষ্টি হচ্ছে।জাঁকিয়ে শীতের প্রত্যাশায় আমবাঙালি অনেক দিন ধরেই আশা নিয়ে বসে রয়েছে। মেঘ, বৃষ্টির জেরে স্যাঁতস্যাঁতে ঠান্ডা থাকলেও শীতের আমেজ কিন্তু সে ভাবে মিলছে না। এমন মেঘ, বৃষ্টির আবহাওয়াও অনেকের না-পসন্দ। তাই প্রশ্ন উঠছে, শীতের চেনা ঝকঝকে আকাশ কবে মিলবে?সঞ্জীববাবুর দাবি, আজ, শুক্রবার সকালের পর থেকে আবহাওয়ার উন্নতি শুরু হবে। তবে আজও, আকাশ মেঘলা থাকতে পারে। তাই রাতের তাপমাত্রা সে ভাবে নামবে না। আগামিকাল, শনিবার থেকেই ঝকঝকে আকাশ মিলবে। আবহবিদেরা জানিয়েছেন, আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে সূর্যাস্তের পরে মাটির বিকিরিত তাপ বাধাহীন ভাবে বায়ুমণ্ডলের বাইরে যেতে পারে। তার ফলেই রাতের পারদ নামে। শীতকালে আকাশ মেঘমুক্ত থাকলেই রাতে জাঁকিয়ে শীত পড়ে। সঞ্জীববাবুর বক্তব্য, আগামিকাল, শনিবার থেকেই পারদ পতনের সম্ভাবনা রয়েছে। আগামী ৩-৪ দিনে রাতের তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি নামতে পারে।আবহাওয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন বেসরকারি ওয়েবসাইটের দাবি, আগামী সপ্তাহে হু-হু করে পারদ পতন হতে পারে। কলকাতার তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশেও নেমে যেতে পারে।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

India vs New Zealand : ‌‌জোরে বোলার থেকে স্পিনার, আজাজকে দারুণ উপহার ভারতীয় দলের

ভারতের বিরুদ্ধে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে জীবনের সেরা বোলিং করেছেন নিউজিল্যান্ডের আজাজ প্যাটেল। প্রথম ইনিংসে তুলে নিয়েছিলেন ১০ উইকেট। কিংবদন্তী স্পিনার জিম লেকার, অনিল কুম্বলের সঙ্গে এক আসনে বসিয়েছেন নিজেকে। নিউজিল্যান্ডের এই স্পিনারের কৃতিত্বকে কুর্ণিশ জানাল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। সোমবার ম্যাচের শেষে ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে ক্রিকেটারদের সই করা জার্সি উপহার দেওয়া হয় আজাজ প্যাটেলকে। বিসিসিআই টিভির পক্ষ থেকে ভারতীয় দলের স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন আজাজের সাক্ষাৎকারও নেন।টেস্টের দ্বিতীয় দিন অর্থাৎ শনিবার ভারতীয় ইনিংস শেষে যখন আজাজ প্যাটেলকে সামনে রেখে সাজঘরে ফিরছিল নিউজিল্যান্ড দল, গোটা স্টেডিয়াম উঠে দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানিয়েছিল আজাজকে। আর এদিন ম্যাচ শেষে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে সতীর্থদের সই করা জার্সি আজাজের হাতে তুলে দেন। ভারতীয় দলের কাছ থেকে এইরকম উপহার পেয়ে আপ্লুত আজাজ। ইনিংসে ১০ উইকেট নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটা শুধু আমার কাছে নয়, আমার স্ত্রী, আমার মাবাবা, পরিবারের কাছে বিশেষ মুহূর্ত। আমার কাছে অন্যতম স্মরণীয় দিন। এইরকম কৃতিত্ব স্থাপন করতে পারাটা আমার ক্রিকেটজীবনে দারুণ ব্যাপার। আমি সত্যিই ভাগ্যবান যে এইরকম কৃতিত্ব অর্জন করতে পেরেছি।You just cannot miss this 🗣️ 🎥@ashwinravi99 @AjazP in one frame 👍 👍Stay tuned for this folks ⌛Interview coming up soon on https://t.co/Z3MPyesSeZ#TeamIndia #INDvNZ @Paytm pic.twitter.com/mCzzMuQ7aZ BCCI (@BCCI) December 6, 2021মুম্বইয়েই জন্ম আজাজ প্যাটেলের। মুম্বইয়ের ক্রিকেট ময়দান তাঁর কাছে পরিচিত। ৭ বছর বয়সে বাবামার হাত ধরে নিউজিল্যান্ড পাড়ি দেন। স্বপ্ন দেখতেন ওয়াংখেড়েতে টেস্ট খেলার। অবশেষে সেই স্বপ্নপূরণ হয়েছে। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় আজাজ প্যাটেল বলেন, এই ভারত সফরটা আমার কাছে অন্যরকম ছিল। একসময় স্বপ্ন দেখতাম ভারতে এসে ওয়াংখেড়েতে টেস্ট খেলব। সেই স্বপ্নপূরণ হয়েছে। আর সবথেকে বড় পাওনা এই ওয়াংখেড়েতেই ইতিহাসের পাতায় নাম লেখানো। আজাজ আরও বলেন, আমি নিজেকে ভাগ্যবান বলে মনে করব। ইশ্বরকে ধন্যবাদ দেব এইরকম কৃতিত্ব অর্জন করার সুযোগ দেওয়ার জন্য। দীর্ঘসময় ধরে এক জায়গায় বল রাখার পুরস্কার পেয়েছি। জোরে বোলার হিসেবে ক্রিকেটজীবন শুরু করেছিলেন আজাজ প্যাটেল। মাত্র ২ বছর আগে স্পিন করার দিকে মনোযোগ দেন। আর সেই স্পিন বোলিংই তাঁকে ইতিহাসে ঢুকিয়ে দিয়েছে। এই প্রসঙ্গে আজাজ প্যাটেল বলেন, নিউজিল্যান্ডের পরিবেশে সবাই জোরে বোলার হওয়ার চেষ্টা করে। আমি পেস বোলিং করতাম। কিন্তু ভাল জোরে বোলার হওয়ার জন্য যে উচ্চতা প্রয়োজন, তা আমার নেই। তাই মাত্র ২ বছর আগে স্পিন বোলিং করতে শুরু করি। দুবছরে কঠোর পরিশ্রম করে নিজেকে এই জায়গায় নিয়ে এসেছি।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

পৌষের গন্ধে গ্রামবাংলা: পিঠে, ঘুড়ি আর লোকজ জীবনের উৎসব

পৌষ নামলেই গ্রামবাংলার হাওয়া বদলে যায়। ভোরের কুয়াশা আরও ঘন হয়, খড়ের গাদায় রোদ্দুর বসে, আর মাটির উঠোনে ভেসে আসে চাল ভাপার সোঁদা গন্ধ। এই সময়েই বাঙালির ঘরে ঘরে আসে এক লোকজ উৎসবপৌষ পার্বণ, যাকে গ্রামবাংলা আদর করে ডাকে পিঠে পার্বণ বলে।এই উৎসব কোনও মন্দিরে বাঁধা নয়, কোনও মন্ত্রে আবদ্ধ নয়। এ উৎসব ছড়িয়ে থাকে উঠোনে, রান্নাঘরে, খোলা মাঠে আর মানুষের মুখের হাঁসিতে। নতুন ধান ওঠার আনন্দে কৃষকের ঘরে যে তৃপ্তি, তারই রসায়ন মিশে যায় পিঠের নরম স্বাদে।গ্রামবাংলার মায়েদের কাছে পৌষ পার্বণ মানে শুধু রান্না নয়এ এক সামাজিক আচার। ভোর থেকে শুরু হয় চাল ভেজানো, বাটা, খোলায় নলেন গুড় বসানো। মাটির উনুনে ধোঁয়া ওঠে, কাঁসার থালায় সাজে ভাপা পিঠে (সিদ্ধ পিঠে), সরু চাকলি, পাটিসাপটা। দুধ পুলির ভেতর গুড় আর নারকেলের মিশেলে লুকিয়ে থাকে দিদিমা-ঠাকুমার হাতের ছোঁয়া, যা কোনও রেসিপির বইয়ে লেখা নেই।লোকসংস্কৃতির এই পরম্পরায় পিঠে শুধু খাবার নয়, এক ভাষা। সেই ভাষায় কথা বলে মমতা, আতিথেয়তা আর ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ। পৌষের সকালে প্রতিবেশীর ঘরে পিঠে পাঠানো যেমন রীতি, তেমনই রীতি একসঙ্গে বসে খাওয়ারধনী-দরিদ্রের ভেদাভেদ ছাপিয়ে।পৌষ সংক্রান্তির আর এক অবিচ্ছেদ্য ছবি আকাশ। নীল আকাশ জুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়ান যেন লোকশিল্পের চলমান ক্যানভাস। যা দেখে কবির সুমন (তখন সুমন চট্টোপাধ্যায়) লিখেছিলেন পেটকাটি চাঁদিয়াল মোমবাতি বগ্গা - আকাশে ঘুড়ির ঝাঁক, মাটিতে অবজ্ঞা। রাঢ় বঙ্গের অন্যতম জনবহুল বর্ধমান শহরে ও তার আশপাশের গ্রামগুলিতে এই দিনে ঘুড়ি ওড়ানো শুধু খেলা নয়, এক উৎসব, সকাল চা খেয়েই ছাদে জড়ো আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা, চোখ বন্দি আকাশে, ছাদে-ছাদে চটুল হিন্দি গানের ভিতরেই ভেসে আসছে একটাই আওয়াজ ভো-কাট্টা। দামোদরের পাড়ে বসা আদিবাসী ও উপজাতিদের মেলায় ঘুড়ির সঙ্গে মিশে যায় ঢাক, ধামসা, মাদল ও বাঁশির সুর। লোকনৃত্য, হস্তশিল্প আর খোলা মাঠের এই মিলনমেলা যেন বাংলার বহুত্বকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে।এই মেলায় দেখা যায় সাঁওতাল, বাউরী, বাগদি সমাজের নিজস্ব সংস্কৃতিনতুন রঙিন পোশাক, পায়ের তালে মাটির ছন্দ দিরি দিম দিম বোল তোলে। আধুনিক শহুরে জীবনের বাইরে দাঁড়িয়ে এই লোকজ উৎসব আমাদের মনে করিয়ে দেয়সংস্কৃতি মানে শেকড়ের সঙ্গে সংযোগ।আজ শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে পিঠে আসে বাক্সবন্দি হয়ে, ঘুড়ি ওড়ানো হয় ছাদের কোণে দাঁড়িয়ে। তবু পৌষ পার্বণ এলেই মন ছুটে যায় গ্রামেমাটির ঘর, খোলা উঠোন আর আগুন পোহানো বিকেলের দিকে। কারণ এই উৎসব আমাদের শেখায়, উৎসবের আসল সৌন্দর্য জাঁকজমকে নয়, বরং মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্পর্কের উষ্ণতায়।পৌষ পার্বণ তাই শুধুই একটি দিন নয়এ এক স্মৃতি, এক গন্ধ, এক জীবন্ত লোকসংস্কৃতি। সময় বদলায়, রূপ বদলায়, কিন্তু পিঠের ধোঁয়ার সঙ্গে মিশে থাকা গ্রামবাংলার আত্মা আজও অটুট।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যের খেসারত, ভারতকে ফের শুল্কের ফাঁদে ফেললেন ট্রাম্প

বছরের শুরুতেই ভারতের উপর ফের শুল্কের আঘাত আনল আমেরিকা। সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করবে, তাদের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। সেই তালিকায় ভারতের নামও রয়েছে। গত অর্থবর্ষে ইরানের সঙ্গে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য করেছে ভারত।বর্তমানে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। সেই আন্দোলনের প্রতি প্রথম থেকেই সমর্থন জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। এমনকি প্রয়োজন হলে ইরানের উপর সামরিক হামলার পরিকল্পনার কথাও তিনি প্রকাশ্যে বলেছেন। এই পরিস্থিতিতে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলির উপর কড়া অবস্থান নিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।সোমবার নিজের সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সঙ্গে যেসব দেশ বাণিজ্য করছে, তারা আমেরিকার সঙ্গে ব্যবসা করতে গেলে অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে বাধ্য হবে। এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জানান তিনি।ইরানের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য করে চিন। তবে ভারতের সঙ্গেও তেহরানের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তেহরানে ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত ইরানে প্রায় ১২০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। একই সময়ে ইরান থেকে ৪৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করা হয়েছে। সব মিলিয়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আনুমানিক ১৪ হাজার কোটি টাকা। এই বাণিজ্যের মধ্যে রয়েছে রাসায়নিক দ্রব্য, ফল, বাদাম, তেল এবং জ্বালানি জাতীয় পণ্য।ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করার কারণেই এবার ভারতের উপর বাড়তি শুল্ক চাপাল আমেরিকা। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার অভিযোগে ভারতের উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ফলে তখন ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার পৌঁছেছিল ৫০ শতাংশে। এবার ইরান ইস্যুতে আরও ২৫ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হওয়ায় মোট শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াল ৭৫ শতাংশ। এই সিদ্ধান্ত ভারতের রপ্তানি বাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

রণক্ষেত্র ইরান, আমেরিকার হামলার হুঁশিয়ারি, আগুনে ঘি ঢালল খামেনেই

ইরানকে ঘিরে চরম উত্তেজনা। একে অপরকে প্রকাশ্য হুমকি দিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে গিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। ট্রাম্প যে কোনও মুহূর্তে ইরানে সেনা হামলার ইঙ্গিত দিয়েছেন। পাল্টা খামেনেই ট্রাম্পকে পরাজিত ও অত্যাচারী শাসক বলে কটাক্ষ করেছেন।ইরানে সরকার-বিরোধী আন্দোলন দিন দিন আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। দেশের বহু শহরে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকার ইন্টারনেট ও ফোন পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। তা সত্ত্বেও মূল্যবৃদ্ধি, দুর্নীতি ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ থামছে না। নির্বাসিত নেতা রেজা পহেলভিকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিও জোরালো হয়েছে। এই আবহে ট্রাম্পের সঙ্গে পহেলভির কথোপকথনের খবর সামনে এসেছে। আন্দোলনকারীদের উপর গুলি চালানো বন্ধ না হলে আমেরিকা চুপ করে থাকবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প।এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকেই ট্রাম্প স্পষ্ট বার্তা দেন, ইরানে পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না তাঁর প্রশাসন। এমনকি ইরানে স্টারলিংক পরিষেবা চালুর পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। যদিও তেহরান সেই দাবি নাকচ করে জানিয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে অশান্তি ছড়ানোর মূল্য চোকাতে হবে আমেরিকাকে।সরকারি টেলিভিশনে ভাষণ দিয়ে খামেনেই ট্রাম্পকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ট্রাম্প একজন অযোগ্য ও অত্যাচারী শাসক। আগে নিজের দেশ সামলাক। খামেনেই দাবি করেছেন, খুব শীঘ্রই বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আসবে। যদিও বাস্তবে তার কোনও ইঙ্গিত নেই। অভিযোগ, বিক্ষোভ দমাতে ইরানে পুলিশ ও সেনা নির্বিচারে গুলি চালাচ্ছে। শুধু তেহরানেই দুই শতাধিক মানুষের মৃত্যুর খবর মিলেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এই আন্দোলন চলছে। জানুয়ারির শুরু থেকেই দেশজুড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল।ইরানের অশান্তির প্রভাব বিদেশেও পড়েছে। লস এঞ্জেলসে ইরান সমর্থনে মিছিল চলাকালীন ভিড়ের মধ্যে ট্রাক ঢুকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। যদিও সেখানে কেউ হতাহত হয়নি। চালককে আটক করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার ক্ষমতা তেহরানের রয়েছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের শীর্ষ নেতারা। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকার কালিবাফ জানিয়েছেন, আমেরিকা বড় ভুল হিসাব করছে। হামলা হলে ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন সেনাঘাঁটিগুলি নিশানা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের প্রাক্তন সামরিক কর্তারাও।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

নোবেল নিয়ে পোপের দরবারে মাচাদো, ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির নেপথ্যে কি ভ্যাটিকান?

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হারিয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেতা মাচাদো। সেই পুরস্কারই মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে তুলে দিতে চান তিনি, যাতে নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে বন্দি করা যায়এমন দাবিও করেছিলেন মাচাদো। এবার সেই নোবেলজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল চতুর্দশ পোপ লিওর। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।সোমবারই নিজেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তার মধ্যেই পোপের সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, ট্রাম্পের সমর্থনে ক্ষমতা দখলের প্রস্তুতি হিসেবেই কি এই বৈঠক? প্রথম মার্কিন পোপের সঙ্গে এই সাক্ষাতের রাজনৈতিক তাৎপর্য খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।জানা গিয়েছে, পোপ লিওর সঙ্গে দেখা করার কোনও পূর্বপরিকল্পনা ছিল না মাচাদোর। ভ্যাটিকান পরে তাদের দৈনিক বুলেটিনে এই সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করে। তবে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি। নরওয়েতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকেই ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে সফর করছেন মাচাদো।আগামী সপ্তাহে তিনি আমেরিকা যাচ্ছেন। সেখানে হোয়াইট হাউসে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই গুরুত্বপূর্ণ সফরের আগেই পোপের সঙ্গে দেখা হওয়ায় রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল আরও বেড়েছে। যদিও প্রথম মার্কিন পোপ লিও ভেনেজুয়েলার উপর আমেরিকার আগ্রাসনের প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন।মাদুরোকে মার্কিন বাহিনীর হাতে অপহরণের ঘটনার পর ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে সরব হয়েছেন পোপ। তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার পরিস্থিতির উপর তাঁর নজর রয়েছে এবং দেশের অবস্থা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন পোপ লিও।অন্যদিকে, ট্রাম্প ও মাচাদোদুজনেই প্রকাশ্যে মাদুরোর বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁদের অভিযোগ, মাদুরো দেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছেন। ট্রাম্প মাদুরোর বিরুদ্ধে মাদক পাচারের অভিযোগ তুলেছেন। মাদুরো অপহৃত হওয়ার পর ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন মাচাদো।এই প্রেক্ষাপটে পোপ লিওর সঙ্গে মাচাদোর সাক্ষাৎ যে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তা স্পষ্ট বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার লড়াইয়ে এই বৈঠক নতুন সমীকরণ তৈরি করবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে বিশ্ব।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

এবার টুটু বোসকে তলব! এসআইআর শুনানিতে ডাকা হল মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতিকে

এসআইআর শুনানিতে এবার হাজিরার নোটিস পেলেন প্রাক্তন সাংসদ এবং মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বোস, যিনি টুটু বোস নামেই পরিচিত। শুধু তাঁকেই নয়, একই সঙ্গে তলব করা হয়েছে তাঁর পুত্র তথা মোহনবাগান ক্লাবের সচিব সৃঞ্জয় বোসকেও। জানা গিয়েছে, টুটু বোসের গোটা পরিবারকে এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মোহনবাগানের সহ-সভাপতি কুণাল ঘোষ। সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।এসআইআর শুনানিকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলার বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে তলব করা হয়েছে। নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন, কবি জয় গোস্বামী, জাতীয় দলের ক্রিকেটার মহম্মদ শামির মতো পরিচিত মুখদের নাম সেই তালিকায় রয়েছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল বাংলার ফুটবল জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ টুটু বোসের নাম। জানা যাচ্ছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি তাঁকে বালিগঞ্জ গভর্নমেন্ট স্কুলে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। শুধু টুটু বোস নন, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও ডাকা হয়েছে ওই শুনানিতে। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বোসও।এই প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ ফেসবুকে লিখেছেন, টুটু বোস বাংলার ফুটবল ও মোহনবাগানের প্রাণপুরুষ। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ এবং হুইলচেয়ার ছাড়া তাঁর চলাফেরা সম্ভব নয়। এমন অবস্থায় তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে হাজিরার নোটিস পাঠানো অমানবিক বলেই মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর অভিযোগ, এখন টুটু বোসকে প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে যে তিনি বাংলার নাগরিক। কুণাল ঘোষের দাবি, এই ঘটনার জবাব নির্বাচন কমিশন ও বিজেপিকে আসন্ন নির্বাচনে দিতে হবে।উল্লেখ্য, খেলোয়াড়দের এসআইআর শুনানির নামে হেনস্তার অভিযোগ তুলে সোমবার বিভিন্ন ক্ষেত্রের প্রায় ১৫০ জন ক্রীড়াবিদ প্রতিবাদে শামিল হয়েছিলেন। এর আগেই এই ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের কড়া সমালোচনা করেছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই ধরনের নোটিস পাঠানোকে অমানবিক ও অসংবেদনশীল বলে উল্লেখ করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন। সেই সবের পরেও টুটু বোসের মতো পরিচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্বকে তলব করা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হল রাজ্য রাজনীতিতে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

নিপা ভাইরাসে কাঁপছে বাংলায়! আবার রাজ্যে ফিরছে কোয়ারেন্টাইন ..

বাংলায় ফের নিপা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়াল। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালের দুই নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। গত ১১ জানুয়ারি কল্যাণীর এইমস-এর ভাইরাস রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষায় তাঁদের শরীরে নিপা ভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য নমুনা পুণের ল্যাবে পাঠানো হয়েছে।পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। দিল্লি থেকে আজই একটি প্রতিনিধি দল রাজ্যে আসছে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আক্রান্ত নার্সদের সংস্পর্শে আসা এক চিকিৎসক, দুজন নার্স, একজন সাফাই কর্মী এবং একজন অ্যাম্বুলেন্স চালককে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, নিপা আক্রান্ত নার্স অসুস্থ অবস্থায় কাটোয়ায় যাঁদের সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাঁদের খোঁজ চালাতে একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে তাঁদের শারীরিক অবস্থার উপর নজর রাখছেন পূর্ব বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক।জানা যাচ্ছে, ওই নার্স ২ জানুয়ারি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে কাটোয়ার এক চিকিৎসকের ব্যক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন। চিকিৎসক সিদ্ধেশ্বর গুপ্ত জানিয়েছেন, ওই তরুণী একবার জ্ঞান হারিয়েছিলেন ঠিকই, তবে তখন জ্বর বা গা ব্যথার মতো কোনও অস্বাভাবিক উপসর্গ চোখে পড়েনি।এর পর ৩ জানুয়ারি ফের সংজ্ঞা হারালে পরিবারের লোকজন তাঁকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চিকিৎসকেরা তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই পরীক্ষার পর জানা যায়, তিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত।এই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় সব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

থামছেই না হিন্দু খুন, ফেনিতে অটোচালক সমীর দাসকে হত্যা করে চম্পট দিল দুষ্কৃতীরা

বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু খুনের ঘটনা সামনে আসছে। দীপু দাসকে নৃশংসভাবে খুন করার ঘটনার পর থেকেই একাধিক হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর মিলেছে। সেই তালিকায় এবার যুক্ত হল আরও একটি নাম। ফেনি জেলার দাগনভূঞায় খুন হল ২৮ বছরের অটোচালক সমীর কুমার দাস। অভিযোগ, তাঁকে খুন করে দুষ্কৃতীরা তাঁর অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে।মর্মান্তিক এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহত সমীর দাস দাগনভূঞা উপজেলার রামানন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবা কার্তিক কুমার দাস ও মা রিনা রানি দাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কাছেই পরিকল্পিতভাবে সমীর দাসকে হত্যা করা হয়। খুনের পর তাঁর অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়ে পালায় দুষ্কৃতীরা।পরে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় পড়ে থাকা দেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। দাগনভূঞা থানার পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহতের পরিবার এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাঁদের দাবি, দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কড়া শাস্তি দেওয়া হোক। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দুষ্কৃতীদের খোঁজে অভিযান শুরু হয়েছে।এর আগে কয়েকদিন আগে জয় মহাপাত্র নামে এক হিন্দু যুবককে বিষ খাইয়ে খুন করার অভিযোগ ওঠে। গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান হাদির মৃত্যুর পর থেকেই বাংলাদেশে নতুন করে অশান্তির আবহ তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতিতেই প্রথমে হিন্দু যুবক দীপু দাসকে মারধর করে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর একে একে আরও হিন্দু যুবকের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এই নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে মোট আটজন হিন্দু যুবকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটল বলে জানা যাচ্ছে।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

নিরাপত্তার অজুহাত খারিজ, বাংলাদেশের ভারতে খেলা নিয়ে বড় বার্তা আইসিসির

মিথ্যেবাদী তকমা পাওয়ার পর ফের বড় ধাক্কার মুখে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে খেলতে না আসার যে দাবি বিসিবি করেছিল, তা মানতে নারাজ আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা সূত্রে খবর, বাংলাদেশকে আগের সূচি অনুযায়ীই ভারতে খেলতে হবে। অর্থাৎ কলকাতা এবং মুম্বইতেই লিটন দাসদের ম্যাচ আয়োজন করা হবে।জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের অভিযোগ নিয়ে স্বাধীনভাবে তদন্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের দিয়ে খতিয়ে দেখা হয়েছে, ভারত সফরে এলে বাংলাদেশ দলের নিরাপত্তা নিয়ে কোনও বড় ঝুঁকি রয়েছে কি না। সেই মূল্যায়নের রিপোর্টে বলা হয়েছে, কলকাতা ও মুম্বইয়ে ম্যাচ আয়োজন নিয়ে ঝুঁকির মাত্রা কম থেকে মাঝারি। নিরাপত্তা নিয়ে বড় কোনও সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা নেই।রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ভারত অতীতেও একাধিক বিশ্বমানের ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সফলভাবে আয়োজন করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। তাই বাংলাদেশের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিতে ভারতীয় প্রশাসনের কোনও অসুবিধা হবে না। এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আইসিসি বাংলাদেশের ম্যাচ সরানো নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে।এর আগে শোনা যাচ্ছিল, বিসিবির অনুরোধ কিছুটা মেনে কলকাতা ও মুম্বইয়ের বদলে চেন্নাই ও তিরুঅনন্তপুরমে ম্যাচ সরানো হতে পারে। কিন্তু নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইতিবাচক রিপোর্ট পাওয়ার পর সেই সম্ভাবনা কার্যত ক্ষীণ। ফলে বাংলাদেশকে আগের সূচি মেনেই ভারতে খেলতে হতে পারে বলে মনে করছে ক্রিকেটমহল। যদিও আইসিসির তরফে এখনও চূড়ান্ত ঘোষণা হয়নি।উল্লেখযোগ্য ভাবে, সোমবারই আইসিসি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে বাংলাদেশ ভুল তথ্য দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল দাবি করেছিলেন, আইসিসি নাকি জানিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমান দলে থাকলে নিরাপত্তা সমস্যা বাড়বে এবং বাংলাদেশের নির্বাচনের কারণেও ঝুঁকি রয়েছে। কিন্তু আইসিসি সেই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানায়, এমন কোনও মন্তব্য তারা করেনি। ক্রীড়া উপদেষ্টার এই বক্তব্যে আইসিসি যথেষ্ট বিরক্ত বলেই মনে করছেন ক্রিকেট মহলের একাংশ।

জানুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal