• ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, সোমবার ২৫ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UN

দেশ

সীমান্তে অনুপ্রবেশ নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে নিশানা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

বিধানসভা নির্বাচনের পর এই প্রথম বাংলা সফরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ৬টি অত্যাধুনিক ভাসমান আউটপোস্ট এবং ওয়াটার অ্যাম্বুল্যান্সের উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার কলকাতা থেকে হেলিকল্টারে তিনি উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে উড়ে যান। এদিনই বনগাঁর হরিদাসপুরে মৈত্রী সংগ্রহালয়ের শিলান্যাস করেন অমিত শাহ। অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয়মন্ত্রী বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তেই সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ ঘটে। তবে এবার যে অত্যাধুনিক নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। তার ফলে এই অনুপ্রবেশ এবং পাচার বন্ধ হবে। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা ছাড়া অনুপ্রবেশ ও পাচার রোখা কঠিন বলেও মন্তব্য করেছেন শাহ। একইসঙ্গে এদিন তিনি সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফ-এর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।এদিন সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর প্রশংসায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব বিএসএফ-এর। অনুপ্রবেশ ও পাচারকারীদের রুখতে সচেষ্ট বিএসএফ। শুধু ফেন্সিং দিয়েই হবে না, দেশের সুরক্ষা দিতে পারে বিএসএফ। অনুপ্রবেশ রুখতে সীমান্তে টহলদারির ওপর আরও বেশি জোর দিতে হবে।সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের কাজের পরিধি বৃদ্ধি নিয়ে এর আগে রাজ্য সরকারের সঙ্গে বিরোধ বেধেছিল। এবিষয়ে ঘোরতর আপত্তি জানিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বাংলাদেশের যুদ্ধের প্রসঙ্গও তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেই সময় ভারতীয় সেনা ও বিএসএফের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন অমিত শাহ। এদিন বিকেলে শিলিগুড়িতে জনসভা ছাড়াও বেশ কয়েকটি সংগঠনের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে অমিত শাহর।बीएसएफ की इन फ्लोटिंग सीमा चौकियों पर स्वास्थ्य सुविधाओं के लिए बोट एम्बुलेंस का भी शुभारंभ किया।किसी भी आपातकालीन स्थिति में ये बोट एम्बुलेंस बहुत सहायक सिद्ध होगी। pic.twitter.com/wNYjLkU0PD Amit Shah (@AmitShah) May 5, 2022এদিন এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অমিত শাহর সফর নিয়ে কটাক্ষ করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যদি কেউ বলে বাংলায় গেল খুন হয়ে যাব। আমার গায়ে লাগে। উল্লেখ্য বাংলার রাজনৈতিক হিংসা প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।উল্লেখ্য, দেশের সীমান্ত এলাকাগুলিতে বিএসএফ-এর কাজের পরিধি বাড়াতে চায় কেন্দ্রীয় সরকার। তবে এক্ষেত্রে ঘোরতর অপত্তি রয়েছে বাংলা-সহ একাধিক রাজ্যের। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে তাঁর আপত্তির কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামিকাল, শুক্রবার কলকাতায় ফিরে দলের রাজ্য ও জেলাস্তরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন অমিত শাহ।

মে ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জীবনকৃতি সম্মান পেলেন মিউনাস নাট্যদলের কর্ণধার উৎসব দাস

সিউড়ির নাট্যদল আত্মজর পক্ষ থেকে আত্মজ জীবনকৃতি সম্মাননা ২০২২ তুলে দেওয়া হলো নাট্যকার পরিচালক অভিনেতা সংগঠক ও মিউনাস এর কর্ণধার উৎসব দাসের হাতে। সম্মাননা প্রদানের শুরুতেই আত্মজর কর্ণধার মুকুল সিদ্দিকী বলেন কেন এই মানুষটিকে তাঁরা এই সম্মাননা প্রদান করেছেন। তিনি বলেন, উৎসব দাস শুধু নিজের নাটক নিজের নাট্যদল নিয়েই ভাবেন নি, তিনি সমগ্র রাজ্যের নাট্য দলগুলোর মধ্যে একটা সুসম্পর্ক তৈরীর কাজ করে চলেছেন বহুদিন ধরে। সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বহু নাট্যদল আছে যাঁরা উৎসব দাসের হাত ধরে কলকাতায় তাঁদের প্রথম মঞ্চায়ন করেছেন এবং তাদের সু প্রযোজনা কলকাতার দর্শককে দেখানোর সুযোগ পেয়েছেন। কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলার নাট্যদলের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলার কারিগর উৎসব দাস। মঞ্চে উপস্থিত নাট্য সমালোচক রঞ্জন গঙ্গোপাধ্যায় নাট্যকার পরিচালক বিজয় কুমার দাস ও আননায়ুধ নাট্য পত্রিকার সম্পাদক স্বপন রায় উৎসব দাসের নাটক ও নাট্য যাপন নিয়ে আলোকপাত করেন।সম্মাননা অনুষ্ঠানের পর মঞ্চস্থ হয় মিউনাস প্রযোজিত উৎসব দাস রচিত ও নির্দেশিত নাটক অপেক্ষায়। সময়োপযোগী এই নাটক সেদিন দর্শকের যথেষ্ট প্রশংসা পায়। পূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে, সিউড়ির বহু নাট্যদলের ও নাট্য প্রেমীদের উপস্থিতিতে আত্মজ নাট্যদলের আয়োজিত এই অনুষ্ঠান সফল হলো।

মে ০৫, ২০২২
রাজ্য

কাল বাংলায় সীমান্ত পরিদর্শনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সুন্দরবনে ৬টি ভাসমান বিওপি ও বোট অ্যাম্বুলেন্সের সূচনা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আগামিকাল এরাজ্যে আসছেন। তিনি বৃহ্পতিবার বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্ত পরিদর্শন করবেন। এই সফরে অমিত শাহ বিএসএফ-এর সুন্দরবনের জলে অবস্থিত ০৬ টি আধুনিক ভাসমান বিওপি-সতলজ, নর্মদা, কাবেরী, গঙ্গা, সবরমতি, কৃষ্ণা এবং বোট অ্যাম্বুলেন্স এর বিওপি হিঙ্গলগঞ্জে পৌঁছানোর পর উদ্বোধন করবেন। ভাসমান বিওপি উদ্বোধনের পর শ্রী শাহ বিওপি হরিদাসপুরে অবস্থিত মৈত্রী সংগ্রহালয় (জাদুঘর) এর উদ্বোধন করবেন।বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যবেক্ষণ ও সুরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব বিএসএফের এবং সরকার তাই সেখানে আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহের ওপর জোর দিচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সংলগ্ন আমাদের সীমান্তের সব বিওপিকে নজরদারি ও সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে শক্তিশালী করার ওপরও জোর দিচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের দুর্গম এলাকায় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের নজরদারি জোরদার ও মজবুত করতে ভাসমান বিওপির সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এছাড়া সুন্দরবনের এই দুর্গম এলাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে বোট অ্যাম্বুলেন্সও চালু করা হচ্ছে যা সাহেব খালি থেকে শামসের নগর পর্যন্ত এলাকায় সেবা দেবে। ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে বিএসএফ-এর বীরত্ব সম্পর্কে সাধারণ জনগণকে সচেতন করতে ফ্রেন্ডশিপ মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরের সময় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের মহাপরিচালক পঙ্কজ কুমার সিং, আইপিএস, যোগেশ বাহাদুর খুরানিয়া, আইপিএস, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, ইস্টার্ন কমান্ড এবং ডাঃ অতুল ফুলঝেলে, আইপিএস, ইন্সপেক্টর জেনারেল সাউথ বেঙ্গল ফ্রন্টিয়ার উপস্থিত থাকবেন।

মে ০৪, ২০২২
দেশ

সিগ্রামে’র 100 পাইপার্স ‘নাউ ফান্ডিং টুমরো’ ভারতে প্রথম এনএফটি প্রবর্তনের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণে নিবেদিত

নিউ দিল্লি, ২২শে এপ্রিল, ২০২২বছরের পর বছর ধরে, সিগ্রামের 100 পাইপার্স প্লে ফর আ কজ প্ল্যাটফর্ম এমন সব কারণকে সমর্থন করে যা সমাজকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে, যার ফলে একটি অভিজ্ঞতামূলক ভাবে ব্র্যান্ডের বি রিমেম্বারড ফর গুড [ভালোর জন্য মনে রাখবে]-এর মূল প্রস্তাবকে জীবন্ত করে তুলেছে। আরোহ (AROH) ফাউন্ডেশনের সাথে অংশীদারিত্বে এক বছরের মধ্যে ১ মিলিয়ন গাছ লাগানোর শপথ নিয়ে এই বছর 100 পাইপার্স প্লে ফর এ কজ একটি সবুজ ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতি দেয়। 100 পাইপার্স ২২শে এপ্রিল পৃথিবী দিবসে (আর্থ ডে) এই গুরুত্বপূর্ণ প্রচারাভিযানটি শুরু করেছে। 100 পাইপার্স ভবিষ্যতের প্রযুক্তিগুলি গ্রহণ করেছে এবং নাউ ফান্ডিং টুমরো শীর্ষক বৃক্ষরোপণে নিবেদিত ভারতের প্রথম পরিবেশ-থিমযুক্ত এনএফটি প্রবর্তন করেছে।পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বৃক্ষরোপণ ঘিরে ১৩টি লোভনীয় এনএফটি ডিজাইনের থিম https://ngagen.com/100pipers প্ল্যাটফর্মে কেনার জন্য, ২২শে এপ্রিল ২০২২ লঞ্চ করা হয়। লঞ্চের ১০ মিনিটের মধ্যে ১৩টি এনএফটির সমস্তই বিক্রি হয়ে যায়।ব্র্যান্ডটি বৃক্ষরোপণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সচেতনতাকে আরও প্রসারিত করতে একটি অনন্য ডিজিটাল প্রচারাভিযান শুরু করেছে।এই উদ্যোগের প্রতি তার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে, কার্তিক মহিন্দ্রা, চিফ মার্কেটিং অফিসার, পার্নোড রিকার্ড ইন্ডিয়া বলেন, সিগ্রামের 100 পাইপার্স চিন্তা ও উদ্ভাবনের নেতৃত্বে বিশ্বাস করে। প্লে ফর এ কজ মিউজিক ইভেন্ট মূল ব্র্যান্ডের অভিজ্ঞতা যা নৈতিকতাকে জীবন্ত করে তোলে বি রিমেম্বারড ফর গুড। এই বছর, প্লে ফর এ কজ-এর লক্ষ্য হল দুটি অনন্য উপায়ে বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশ-পুনরুজ্জীবনের কারণকে সমর্থন করে যুবকদের কাছে আরও জোরালোভাবে অনুরণিত হওয়া। পৃথিবী দিবস ২০২২ থেকে শুরু করে, 100 পাইপার্স আরোহ ফাউন্ডেশনের সাথে এক বছরের মধ্যে ভারত জুড়ে ১ মিলিয়ন গাছ লাগানোর জন্য ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে। পরিবর্তনের বাতাসে চড়ে, 100 পাইপার্স এই কারণকে সমর্থন করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে এনএফটি-এর মতো নতুন যুগের প্রযুক্তিগুলিকেও কাজে লাগাচ্ছে। ভারতে এই প্রথম! আমরা আমাদের প্রথম সেটের এনএফটিগুলি ১০ মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে বিক্রি হয়ে যাওয়ার সাথে অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছি। এই কারণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার কারণে আমরা শীঘ্রই দ্বিতীয় এনএফটি শুরুর ঘোষণা করব।এই উদ্যোগ সম্পর্কে চিন্তাভাবনা শেয়ার করে, আরোহ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং সিইও ডঃ নীলম গুপ্তা বলেন, আমাদের গ্রহে বিনিয়োগ করার জন্য কোনও সময়েই এতটা স্পষ্ট এবং গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। সিগ্রামের 100 পাইপার্স প্লে ফর এ কজ-এর সাথে সহযোগিতা ভারতব্যাপী ১ মিলিয়ন বৃক্ষরোপণ অভিযানের সাথে পরিবেশ সুরক্ষার জন্য আমাদের প্রচেষ্টাকে আরও বাড়ানোর জন্য একটি নিখুঁত প্ল্যাটফর্ম। এছাড়াও আমাদের ভবিষ্যত গঠনের জন্য আমাদের ভবিষ্যতের প্রযুক্তিগুলিকে আলিঙ্গন করতে হবে যা এনএফটি প্রচারাভিযানকে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক করে তোলে যাতে আমাদের বার্তা আজকের তরুণ শ্রোতাদের কাছে পৌঁছায় তা নিশ্চিত করতে।

মে ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ঘিয়ে রঙের পাঞ্জাবি, মেরুণ রঙের জহর কোট, কেমন লাগল ‘‌বুড়ো’‌ বর অরুণলালকে?‌

সোমবার রাতে কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে আনু্ষ্ঠানিকভাবে বিয়ে সম্পন্ন হল বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক তথা হেড কোচ অরুণলালের। এদিন বিয়ের আসরে কনে বুলবুল সাহা সেজেছিলেন কারুকার্য করা মেরুণ রঙের লেহঙ্গায়। গায়ে প্রচুর গহনা। অন্যদিকে, বর অরুণলাল সেজেছিলেন ঘিয়ে রঙের পাঞ্জাবির ওপর মেরুণ রঙেল জহর কোটে। দীর্ঘদিনের বান্ধবী বুলবুল সাহার সঙ্গে রবিবারই পরিবারের লোকজনের সামনে রেজিস্ট্রি বিয়ে হয়ে গিয়েছিল অরুণলালের। সেই রেজিস্ট্রি বিয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে বুলবুল সাহা লেখেন, এখন থেকে আমি মিসেস লাল। আমাদের পাশে থাকার জন্য পরিবারের সদস্যদের এবং বন্ধুবান্ধবদের অসংখ্য ধন্যবাদ। পরে তিনি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, অরুণলালকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি। ওর সঙ্গে আমার দারুণ বন্ধুত্ব। সেই বন্ধুত্বে সম্পর্ক এবার পরিনতি পেল। অরুণ খুবই ভাল মনের মানুষ। ওর সরলতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। অরুণের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পেরে দারুণ অনুভূতি হচ্ছে। প্রথম স্ত্রীর ইচ্ছেতেই বুলবুলকে বিয়ে করলেন অরুণলাল। বাংলার হেড কোচ যখন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন, তখন থেকেই পাশে ছিলেন বুলবুল। পাশে থেকে সবসময় উৎসাহ জোগাতেন। অরুণলালের দেখাশোনার দায়িত্বও তিনি কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন। অরুণলালের প্রথম স্ত্রীও অসুস্থ। তাঁর দেখাশোনার দায়িত্বও স্বেচ্ছায় নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন বুলবুল। দীর্ঘদিন ধরেই অরুণলালের ছায়াসঙ্গী তিনি। অতীতে বাংলা দল বাইরে খেলতে গেলে প্রায়শই সঙ্গী হতেন বুলবুল। ভবিষ্যতেও যাবেন বলে তিনি জানিয়েছেন। বুলবুল বলেন, অরুণের সঙ্গে আমি সব জায়গায় যেতে চাই। সিএবি যদি অনুমতি দেয়, তাহলে বাংলা দলের সঙ্গেও যাব। আপাততস দুরে কোথাও মধুচন্দ্রিমায় যাওয়ার পরিকল্পনা নেই অরুণলালবুলবুল লালের। আপাতত বাংলার রনজি কোয়ার্টার ফাইনালই পাখির চোখ বাংলার হেড কোচের। ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত হবে কোয়ার্টার ফাইনাল। সেখানেই মধুচন্দ্রিমা সেরে নিতে চান অরুণলালবুলবুল জুটি। এদিন বিয়ের অনুষ্ঠান সেরে অরুণলাল বলেন, বেঙ্গালুরুতে বাংলা রনজি কোয়ার্টার ফাইনাল হবে। সেখানেই বুলবুলকে নিয়ে যাব। ওখানেই মধুচন্দ্রিমা হবে।

মে ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

'মি অ্যান্ড মুই' এর ক্যালেন্ডারে কভার গার্ল টলি হার্টথ্রব এনা

বাংলা নববর্ষ পড়ে গেছে। করোনার চোখরাঙানি সরিয়ে আমরা নতুন বছরটা একটু ভালোভাবে কাটাচ্ছি। আর নববর্ষ উপলক্ষ্যে নতুন চমক নিয়ে এল মি অ্যান্ড মুই। তারা তাদের বাংলা নববর্ষের ক্যালেন্ডার লঞ্চ করল। প্রেম মুখার্জি ও ঋদ্ধি মুখার্জির মি আ্যান্ড মুই এর নববর্ষের ক্যালেন্ডারে রয়েছে চমক।এই ক্যালেন্ডারের কভার পেজে রয়েছেন অভিনেত্রী ও প্রযোজক টলি হার্টথ্রব এনা সাহা। এছাড়া তৃণা সাহা, রূপসা মুখোপাধ্যায়, অর্কজা আচার্যর মতো পরিচিত মুখকেও দেখা যাবে নববর্ষের ক্যালেন্ডারে। এই ক্যালেন্ডারের অংশ হতে পেরে এনা সাহা জানিয়েছেন, খুব ভালো লাগছে। প্রথমবার ওদের সঙ্গে কাজ করছি। খুব এনজয় করছি। এত সুন্দর একটা কভার দিয়েছে। দেখতে খুব ভালো লাগছে। অভিনেত্রী তৃণা সাহা জানালেন, পুরো ক্যালেন্ডারটাই বাঙালিকে কেন্দ্র করে হয়েছে। আমাকে এবং বাকীদেরকেও বাঙালি সাজেই দেখতে পাওয়া যাবে। তিনি আরও জানান, এত সুন্দরভাবে একটা বাঙালি ক্যালেন্ডার করা হয়েছে তার জন্যই আমি এবং বাকীরা মি অ্যান্ড মুই এর পার্ট হয়েছি। এরকম যেন আরও হয়। বাংলা কালচার এবং লুক কে আমরা যেন আরওভাবে এনকারেজ করি।ছবি : প্রকাশ পাইন

মে ০২, ২০২২
রাজ্য

বাঘের মতো লোড়ো, অরুণ, কাপুরুষের মতো পিছিয়ে এসো না

সেই সকালটা কোনোদিন ভুলবেন না মুকেশ ক্ষেত্রপাল। ডিসেম্বর-এর শুরু, শিশিরভেজা দিল্লীর হিমেল হাওয়ায় বাবার দেওয়া প্রিয় জাভা মোটরবাইকটা চালিয়ে বাড়ি ফিরেছিল অরুণ, -অরুণ ক্ষেত্রপাল, মুকেশ-এর দাদা। তরুণ সামরিক অফিসার অরুণ তখন আমেদাবাদ-এ ইয়ং অফিসার্স কোর্স করছে, পশ্চিম সীমান্তে হঠাৎ যুদ্ধ বেধে যাওয়ায় নিজের ইউনিট-এর সব অফিসারদের মতো কোর্স অসমাপ্ত রেখে ফিরতে হচ্ছে তাকেও। মাত্র কয়েক ঘণ্টা পরেই পাঞ্জাব মেল ধরে ছুটতে হবে জম্মু-র রণাঙ্গনে; প্রিয় বাইকটা তাই সঙ্গে নিয়েই ফিরেছে অরুণ, স্টেশন থেকে সেটায় চড়েই সোজা বাড়ি।সেদিন বাড়িতেই ছিল দিল্লী আই.আই.টি.-র ছাত্র মুকেশ --- বাইকটা দাঁড় করিয়ে হেঁটে ঢুকল অরুণ; কালো সামরিক পোষাকে কী অসম্ভব সুপুরুষ লাগছিল ওকে !রাতের খাওয়াটা চটপটই চোকানো হয়েছিল সেদিন। খাওয়ার টেবিলে ঘরোয়া কথাবার্তা ...প্রাক্তন ফৌজি বাবা আর দাদু-র লড়াইয়ের স্মৃতি রোমন্থন করছিলেন মা... টুকটাক কথার মধ্যেই উচ্চারণ করেছিলেন সেই বাক্য, পরবর্তীকালে ভারতের সামরিক মহলে যা প্রবাদপ্রতিম খ্যাতি পেয়েছে --- শের কি তরাহ্ লড়না, অরুণ , কায়র কি তরাহ্ ওয়াপস্ মত্ আনা (বাঘের মতো লোড়ো, অরুণ, কাপুরুষের মতো পিছিয়ে এসো না) ! একুশ বছরের অরুণ শুধু হেসেছিল মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে। ডিসেম্বর-এর শুরুর দিকটা উড়ে গেল কোন দিক দিয়ে। বাড়িতে ছিল একটা ইমপোর্টেড হিতাচি ট্র্যানজিস্টর। সারাদিন রেডিও সিলোন খুলে বসে থাকতেন বাড়ির সবাই, যুদ্ধের বিস্তারিত রিপোর্টিং শোনা যেত ঐ চ্যানেল-এই। সিগন্যাল কখনো চলনসই, কখনো বা প্রায় অবোধ্য; তবু উৎকর্ণ হয়ে থাকতেন বাড়ির সবাই।ষোলই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় খবর পাওয়া গেল শকরগড়-এ ভয়ানক যুদ্ধ হয়েছে দুদেশের ট্যাঙ্কবাহিনীর মধ্যে। মুষড়ে পড়লেন বাড়ির সবাই , জানতেন যে অরুণ-এর রেজিমেন্ট লড়ছে ঐ অঞ্চলেই। পরদিন সকালেই যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী। লড়াই শেষ। হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন সবাই। অরুণ-এর ঘর সাফসুতরো করে রাখলেন মা, সবাই দিন গুণতে লাগলেন তার ঘরে ফেরার।উনিশে ডিসেম্বর। ডোরবেল শুনে দরজা খুললেন মা। পোস্টম্যান-এর হাতে টেলিগ্রাম--- ক্ষেত্রপাল-দের জীবন বদলে গেল চিরদিনের মতো। এক চিরস্থায়ী বিষণ্ণতা ঢেকে দিল সবাইকে। প্রাক্তন ফৌজি বাবা নীরবে গুটিয়ে নিলেন নিজেকে, দিনের বেশীরভাগ সময় ঢুকে থাকতেন নিজের ঘরেই। মা নিজেকে ডুবিয়ে নিলেন গেরস্তালির আটপৌরে পৌনঃপুনিকতায়। মুকেশ ইঞ্জিনিয়ার হলেন...চাকরী... বিয়ে... একমাত্র কন্যার জন্ম... রয়ে গেলেন শোকদীর্ণ বাবামায়ের সঙ্গেই।কেটে গেল ত্রিশ বছর। অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল-কে আবার হাসতে দেখা গেল একদিন। বাবা বললেন তিনি সরগোদা যাবেন, দেশভাগের আগে পাকিস্তানে আমাদের আদি বাড়ি ছিল যেখানে। মা আর মুকেশ বিস্তর চেষ্টা করলেন তাঁকে বোঝানোর, একাশি বছর বয়স তোমার, এভাবে কোথায় যাবে তুমি? পাত্তা দিলেন না বৃদ্ধ ব্রিগেডিয়ার, আমাদের কলেজেরই এক প্রাক্তনী-র কাছে থাকবো আমি--- লাহোর-বাসী এক পাকিস্তানী সেনা-অফিসার। কিছুটা আশ্বস্ত হলেন সবাই। নির্দিষ্ট দিনে মুকেশ এয়ার ইন্ডিয়ার উড়ানে তুলে দিয়ে এলেন তাঁকে। বাবা কিছুটা উত্তেজিত, পায়ে যেন ফিরে এসেছে শৈশবের উদ্দীপনা।তিনদিন পরে মুকেশ যখন বিমানবন্দর থেকে আনতে গেলেন তাঁকে, সেই উদ্দীপনা উধাও। বাবা নিশ্চুপ, আবার গুটিয়ে নিয়েছেন নিজেকে। এমনকি বাড়ি ফিরেও আমাদের কিছুই বললেন না সফরের ব্যাপারে। খুব অবাক হয়েছিলাম আমরা।এর সাতদিন পরে, ইন্ডিয়া টুডে পত্রিকায় এক নিবন্ধ পড়ে মুকেশ জানতে পারেন কী ঘটেছিল বাবার সংক্ষিপ্ত পাকিস্তান সফরে। মা ছেলে মুখোমুখি হন বৃদ্ধ ব্রিগেডিয়ার-এর ; শোনেন সেই বিচিত্র আখ্যান----- লাহোর, ১লা মার্চ, ২০০১ঃডিনার শেষ; ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল তাকিয়েছিলেন তাঁর আমন্ত্রণকর্তার দিকে। পাকিস্তানী সেনা-অফিসার, ব্রিগেডিয়ার খাজা মহম্মদ নাসের-এর পোড়খাওয়া মুখে দ্বিধাগ্রস্ত হাসি--- মৌসম আচ্ছা হ্যায়, ব্রিগেডিয়ার সাহাব। ইনশাল্লাহ কুছ দের বাহার বাগিচে মে চল কর ব্যয়ঠে।চাঁদের আলোয় বাগানে এসে বসলেন দুজনে। ধীরে ধীরে বললেন নাসের, ম্যঁয় কুছ কবুল করনা চাহ্তা হুঁ, ব্রিগেডিয়ার সাহাব।কহিয়ে বেটা, ম্যঁয় শুন রহা হুঁ --- জবাব ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল-এর, তাঁর সস্নেহ দৃষ্টি ত্রিশ বছরের ছোটো আমন্ত্রণকর্তার দিকে। গলা ঝাড়লেন ব্রিগেডিয়ার নাসের, স্যর, একটা কথা বলতে চাই আপনাকে... একাত্তরের যুদ্ধে আমিও ভাগ নিয়েছিলাম। তখন আমি এক কমবয়সী মেজর, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ১৩ ল্যান্সার-এর স্কোয়াড্রন কম্যান্ডার। একটু অবাক হলেন ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল। ১৩ ল্যান্সার ছিল সেই রেজিমেন্ট যারা দেশভাগের সময় তাদের শিখ স্কোয়াড্রন-কে বদলাবদলি করেছিল পুনা হর্স (অরুণ-এর রেজিমেন্ট)-এর মুসলিম রেজিমেন্ট-এর সঙ্গে। সেই যুদ্ধে পুনা হর্স-এর সাথে লড়েছিলাম আমরা; স্যার.. কয়েক মুহূর্ত থামলেন নাসের, আমিই সেই লোক যে আপনার ছেলেকে মেরেছিল!বাকরুদ্ধ ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল, শুনে চলেছেন নীরবে--- ষোলই ডিসেম্বর সকালে ১৩ ল্যান্সার-এর প্রতি-আক্রমণের পুরোভাগে ছিলাম আমি; উল্টোদিকে আপনার ছেলে, দাঁড়িয়েছিল পাহাড়ের মতো। আমাদের অনেকগুলো ট্যাঙ্ক ধ্বংস করেছিল ও। শেষ পর্যন্ত একসময় শুধু ওর আর আমার ট্যাঙ্ক মুখোমুখি, মাঝে দুশো মিটারের ব্যবধান। ফায়ার করলাম দুজনেই, একসঙ্গে গোলা লাগলো দুজনের ট্যাঙ্ক-এই। তবে ভাগ্যে বোধ হয় সেদিন আমারই বেঁচে যাওয়া লেখা ছিল, অরুণ-এর নয়! এক নিঃশ্বাসে বলে চলেন ব্রিগেডিয়ার নাসের, খুব সাহসী ছিল আপনার ছেলে; আমাদের সেদিনের হারের পেছনে মূল কৃতিত্ব ছিল ওরই।বজ্রাহত ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল শুধু এটুকুই বলতে পারলেন, আপনি কী করে জানলেন যে ঐ ট্যাঙ্ক-এ অরুণ ছিল?নাসের জানালেন তাঁকে--- পরদিন, ১৭ই ডিসেম্বর, যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হলে তিনি বিপক্ষ শিবিরে যান মৃত পাকিস্তানী সাথীদের দেহ নিয়ে আসতে। খুবই কৌতুহল ছিল বিপক্ষের সেই অসমসাহসী দুর্দ্ধর্ষ যোদ্ধার পরিচয় জানার, তাই ভারতীয় সেনাদের শুধান কে ছিল সেই ট্যাঙ্ক-এ। ওনাকে বলা হয় পুনা হর্স-এর সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট অরুণ ক্ষেত্রপাল-এর নাম। বহোত বাহাদুরী সে লড়ে আপকে সাহাব। চোট তো নেহি আয়ি উনহে?সাহাব শহীদ হো গ্যয়ে--- এসেছিল জবাব। অরুণ কতটা কমবয়সী ছিল, নাসের তা জেনেছিলেন পরে-- যখন মরণোত্তর পরমবীর চক্র দেওয়া হয় তাকে। আমি জানতাম না ওর তখন মাত্র একুশ বছর বয়স, স্যার। আমরা দুজনেই ছিলাম ফৌজি, যারা সেদিন নিজের নিজের দেশের হয়ে কর্তব্য পালন করছিলাম।সেই চন্দ্রাহত লাহোর-বাগিচায় নীরবে বসে রইলেন দুই অসমবয়সী বিরোধী সেনানায়ক। ব্রিগেডিয়ার ক্ষেত্রপাল ধীরে ধীরে আসন ছাড়লেন একসময়, উঠে দাঁড়ালেন ব্রিগেডিয়ার নাসের-ও। বৃদ্ধ ব্রিগেডিয়ার এগিয়ে গেলেন দুপা; দুহাত বাড়িয়ে জড়িয়ে ধরলেন সামনের দীর্ঘদেহী মানুষটিকে, যিনি তাঁর প্রিয় সন্তানের হন্তারক!চাঁদের হাসি বাঁধ ভেঙেছে তখন; তার উছলে পড়া আলো ধুয়ে দিচ্ছিল দুজনকেই। দিল্লীর বাড়িতে, পঞ্চাশ বছরের ধূসর স্মৃতির পর্দা সরিয়ে, সত্তরোর্ধ্ব মুকেশ ক্ষেত্রপাল-এর চোখের সামনে দেওয়াল থেকে আজো উজ্জ্বল হাসছেন তাঁর দাদা, একুশ বছরের ঝকঝকে তরুণ-- অরুণ ক্ষেত্রপাল। তাঁর বয়স আর বাড়বে না কোনো দিনও !The war does not determine who is right , it only decides who is left!ডঃ সুজন সরকার, বর্ধমান।তথ্যসূত্রঃ ১। ১৯৭১: Charge of the Gorkhas and other stories -- by Rachna Bisht Rawat . Published by Penguin India.২। The Times of India

মে ০২, ২০২২
কলকাতা

তিলোত্তমায় দেখা মিলল কালবৈশাখীর, বজ্রবিদ্যুসহ ঝড়-বৃষ্টি দুই ২৪ পরগনাতেও

অবেশেষ দেখা মিলল কালবৈশাখীর। সাপ্তাহের শেষে শনিবাসরীয় সন্ধ্যাতেই কলকাতায় আচমকা ধুলো উড়তে শুরু করে। কালবৈশাখীতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছে মহানগরবাসী। বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ায় যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছে কল্লোলিনী কলকাতা। কালবৈশাখীর ঝড়ে গ্রীষ্মের দহণ এদিন যেন নিমিষে উধাও হয়ে যায়।সোমবার কলকাতায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তার আগেই প্রকতি সদয় হল তিলোত্তমা কলকাতার প্রতি। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বৃষ্টি হয়েছে। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমানেও এদিন বৃষ্টির কারণে তাপমাত্রা কিছুটা নামে। দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলাতে স্বস্তি এসেছে। এদিন কলকাতা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি চলে।হাঁসফাঁস গরমে স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি দিতে বাধ্য হয় রাজ্য সরকার। এদিকে গরমের ছুটি ঘোষণার পর দিন থেকেই প্রকৃতি সদয় হতে শুরু করে। এদিন হঠাৎ ঝড়-জলে অফিস ফেরত মানুষজন বিপাকে পড়ে। তবু বৃষ্টিতে খুশিই হয়েছেন তাঁরা। পূবালি হাওয়ার জেরে রাজ্যে মৌসুমি বায়ু প্রবেশ করছে বলে জানিয়ে ছিল হাওয়া অফিস।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
বিনোদুনিয়া

সিমলার জায়তি আর্ট গ্যালারিতে ভারতবর্ষের চিত্রকলার বিভিন্ন মাধ্যম তুলে ধরা হল

সিমলার জায়তি আর্ট গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে চিত্র প্রদর্শনীর। ২৭ মে এই চিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। চলবে ১ মে পর্যন্ত। ১৯ জন শিল্পীর ৪টি করে ছবি অর্থাৎ মোট ৭৬টি ছবি এই চিত্র প্রদর্শনীতে দেখানো হচ্ছে। এই চিত্র প্রদর্শনী সম্পর্কে বেঙ্গল আর্ট ফাউন্ডেশনের সভাপতি অশোক রায় জনতার কথা- কে জানালেন, এই চিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে ভারতবর্ষের চিত্রকলার বিভিন্ন মাধ্যম তুলে ধরা হয়েছে। কলকাতা, জয়পুর, দিল্লি, হায়দরাবাদ, বেঙ্গালুরু এবং অসমের শিল্পীদের ছবি আছে এই চিত্র প্রদর্শনীতে। কলকাতার ৭ জন চিত্রশিল্পীর ছবি এই চিত্র প্রদর্শনীতে রয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, গত ১৫ বছর ধরে আমার ছবি আঁকার বিষয় মাইথোলজি। জায়তি আর্ট গ্যালারিতে আমার ৪টে ছবিও মাইথোলজির ওপর ভিত্তি করেই আঁকা হয়েছে। বিভিন্ন চিত্র প্রদর্শনীর মতো এই চিত্রপ্রদর্শনীতেও যে যে আঁকাগুলো রয়েছে সেগুলো অনেকে কিনছেনও। জানা গেছে বেঙ্গল আর্ট ফাউন্ডেশনের অধীনে ৪-৮ নভেম্বর আন্তর্জাতিক চিত্রশিল্প উৎসব অনুষ্ঠিত হবে কলকাতায়।

এপ্রিল ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত উমরানের ৫ উইকেট, তবু দলকে জেতাতে ব্যর্থ

গুজরাট টাইটান্সের গতিকে টেক্কা দিলেও বাজিমাত করতে পারল না সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। আইপিএলের ফিরতি সাক্ষাৎকারেও শেষ হাসি গুজরাট টাইটান্সর। আইপিএলে জীবনের প্রথমবার ৫ উইকেট নিয়েও দলকে জেতাতে পারলেন না উমরান মালিক। গুজরাট ৫ উইকেটে হারাল সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে। প্রথম পর্বের হারের মধুর প্রতিশোধ। গতি দিয়ে গুজরাটের ব্যাটারদের নক আউট করে দিয়েও শেষরক্ষা করতে পারলেন না উমরান মালিক। ২৫ রানে ৫ উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১৯৬ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে দারুণ শুরু করেছিল গুজরাট টাইটান্স। পাওয়ার প্লে-র ৬ ওভারে তুলে ফেলে ৫৯। অষ্টম ওভারে প্রথম ধাক্কা খায় গুজরাট। গতিতে পরাস্ত করে দ্বিতীয় বলে শুভমান গিলকে তুলে নেন উমরান মালিক। ২৪ বলে ২২ রান করে বোল্ড হন শুভমান। এক ওভার পরেই হার্দিককেও (৬ বলে ১০) ফেরান উমরান। পরপর ২ উইকেট হারালেও লড়ে যান ঋদ্ধিমান সাহা। আগের ম্যাচগুলোতে ব্যর্থ হলেও ঋদ্ধি এদিন জ্বলে ওঠেন। ২৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। কিন্তু শেষরক্ষা করতে পারেননি। উমরান মালিকের ১৫৩ কিমি গতির ডেলিভারি ঋদ্ধির স্টাম্প ছিটকে দেয়। ১১ টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩৮ বলে ৬৮ রান করে আউট হন ঋদ্ধি। ডেভিড মিলারও (১৯ বলে ১৭) উমরানের বলে বোল্ড হন। মিলারের আউটের ধাক্কা সামলাতে পারেনি গুজরাট। পরের ওভারেই অভিনব মনোহরকে (০) তুলে নেন উমরান। শেষ ওভারে জয়ের জন্য গুজরাটের দরকার ছিল ২২ রান। মার্কো জনসেনের প্রথম বলে ৬ মারেন রাহুল তেওয়াটিয়া। পরের বলে ১ রান। তৃতীয়, পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে তিনটি ৬ মেরে দলকে জেতান রশিদ খান (১১ বলে অপরাজিত ৩১)। ২১ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন রাহুল তেওয়াটিয়া। দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎকারে গুজরাট টাইটান্সকে হারিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। প্রতিশোধের ম্যাচে টস জিতে হায়দরাবাদকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় হায়দরাবাদ। তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের (৫) অফ স্টাম্প ছিটকে দেন মহম্মদ সামি। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে আবার ধাক্কা সামির। এবার তুলে নেন ক্রমশ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠা রাহুল ত্রিপাঠীকে (১০ বলে ১৬)। এরপরই রুখে দাঁড়ান অভিষেক শর্মা ও এইডেন মার্করাম। দারুণ ছন্দে রয়েছেন অভিষেক শর্মা। চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি করে তিনি দলকে বড় ইনিংসের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেন। মার্করামের সঙ্গে জুটিতে তোলেন ৯৬। আলজেরি জোশেফ দ্বিতীয় স্পেলে বোলিং করতে এসে জুটি ভাঙেন। তুলে নেন অভিষেককে। ৬টি চার ও ৩টি ছয়ের সাহায্যে ৪২ বলে ৬৫ রান করে তিনি আউট হন।এদিনও ব্যর্থ পুরান (৫ বলে ৩)। মহম্মদ সামির বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে লং অনে শুভমান গিলের হাতে ধরা পড়েন। পরের ওভারেই মার্করামকে তুলে নেন যশ দয়াল। ৪০ বলে ৫৬ রান করে তিনি ডেভিড মিলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। চোট সারিয়ে এদিন প্রথম একাদশে ফিরেছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ব্যাট হাতে তিনিও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। মাত্র ৩ রান করে তিনি রান আউট হন। শেষ ওভারে ঝড় তোলেন শশাঙ্ক সিং। ৬ বলে ২৫ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। গতি দিয়ে এদিন হায়দরাবাদের ব্যাটারদের কাবু করতে পারেননি সামি (৩/৩৯), জোশেফ (১/৩৫), ফার্গুসনরা (০/৫২)।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সামিদের গতিকে টেক্কা দিয়ে বাজিমাত সানরাইজার্স হায়দরাবাদের

গতির বিরুদ্ধে গতির লড়াই। একদিকে মহম্মদ সামি, লকি ফার্গুসন, আলজেরি জোশেফ। অন্যদিকে উমরান মালিক, মার্কো জানসেন, টি নটরাজনরা। শুরুতে ধাক্কা দিয়েও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বড় রান আটকাতে পারলেন মহম্মদ সামিরা। গুজরাট টাইটান্সের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৯৫ রান তুলল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। মহম্মদ সামিদের গতিকে টেক্কা দিয়ে বাজিমাত অভিষেক শর্মা, এইডেন মার্করাম, শশাঙ্ক সিংদের।দুই দলের প্রথম সাক্ষাৎকারে গুজরাট টাইটান্সকে হারিয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। বুধবার মাঠে নামার আগে চলতি আইপিএলে ওই একটা ম্যাচেই হারতে হয়েছিল হার্দিক পান্ডিয়ার গুজরাট টাইটান্সকে। প্রতিশোধের ম্যাচে টস জিতে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। গুজরাট এদিন উইনিং কম্বিনেশন ধরে রাখলেও প্রথম একাদশে একটা পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল। জগদীশ সুচিথের জায়গায় ওয়াশিংটন সুন্দর।ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। তৃতীয় ওভারের পঞ্চম বলে হায়দরাবাদ অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের (৫) অফ স্টাম্প ছিটকে দেন মহম্মদ সামি। পঞ্চম ওভারের শেষ বলে আবার ধাক্কা সামির। এবার তুলে নেন ক্রমশ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠা রাহুল ত্রিপাঠীকে (১০ বলে ১৬)। এরপরই রুখে দাঁড়ান অভিষেক শর্মা ও এইডেন মার্করাম। দারুণ ছন্দে রয়েছেন অভিষেক শর্মা। চলতি আইপিএলে দ্বিতীয় হাফ সেঞ্চুরি করে তিনি দলকে বড় ইনিংসের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেন। মার্করামের সঙ্গে জুটিতে তোলেন ৯৬। আলজেরি জোশেফ দ্বিতীয় স্পেলে বোলিং করতে এসে জুটি ভাঙেন। তুলে নেন অভিষেককে। ৬টি চার ও ৩টি ছয়ের সাহায্যে ৪২ বলে ৬৫ রান করে তিনি আউট হন।এবছর নিলামে নিকোলাস পুরানের পেছনে বড় অর্থ লগ্নি করেছে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ। সেভাবে অবদান রাখতে পারছেন না। এদিনও ব্যর্থ পুরান (৫ বলে ৩)। মহম্মদ সামির বল বাউন্ডারির বাইরে পাঠাতে গিয়ে লং অনে শুভমান গিলের হাতে ধরা পড়েন। পরের ওভারেই মার্করামকে তুলে নেন যশ দয়াল। ৪০ বলে ৫৬ রান করে তিনি ডেভিড মিলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। চোট সারিয়ে এদিন প্রথম একাদশে ফিরেছিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। ব্যাট হাতে তিনিও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। মাত্র ৩ রান করে তিনি রান আউট হন। শেষ ওভারে ঝড় তোলেন শশাঙ্ক সিং। ৬ বলে ২৫ রান করে তিনি অপরাজিত থাকেন। গতি দিয়ে এদিন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটারদের কাবু করতে পারেননি সামি (৩/৩৯), জোশেফ (১/৩৫), ফার্গুসনরা (০/৫২)।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
রাজ্য

তীব্র দহণে বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই, সকালে স্কুল খোলার পরামর্শ

গ্রীষ্মের দাবদাহে রীতমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বৃষ্টির পূর্বাভাস না থাকায় সাধারণের দুশ্চিন্তা বড়েছে কয়েকগুন। তীব্র দহনে কাজকর্ম শিকেয় ওঠার যোগার। রাজ্যে কোথাও ৪০ ডিগ্রি কোথাওবা তাও ছাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সকালে স্কুল করার পরামর্শ দিয়েছে রাজ্য সরকার। তবে এখনই গরমের ছুটি পড়ছে না। সোম-মঙ্গলবারের আবহাওয়া দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন।দুপুরের স্কুল সকাল-এ স্কুল চালুর নির্দেশিকা পৌঁছে গিয়ে রাজ্যের স্কুলগুলোতে। একইসঙ্গে গরমের ছুটিও এগিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নাজেহাল অবস্থা স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের। ক্ষুদে পড়ুয়াদের হাল আরও খারাপ। এদিকে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, প্রয়োজনে গরমের ছুটি এগিয়ে আসতে পারে। সোম-মঙ্গলবারের পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে পুরে বিষয়টা অবগত করা হয়েছে। স্কুলের পরিস্থিতি বহু সময় পর স্বাভাবিক হয়েছে। তাই দেখেশুনে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।এর আগে করোনা আবহের জন্য প্রায় দুবছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। স্কুলে ড্রপ আউটের সংখ্যাও বেড়েছে। স্কুল খোলার দাবি নিয়েও রাজ্যে আন্দোলন হয়েছে। পথে নেমেছে বিরোধী ছাত্র সংগঠন থেকে বিরোধী রাজনৈতিকদলগুলো। স্কুল খোলার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার হওয়ার পথে ফের গ্রীষ্মের আবহাওয়া পড়াশুনাতেও ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে চলেছে। জেলা শাসক, স্কুল পরিদর্শকদের স্কুল শিক্ষা দফতর সকালে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার কথা বলেছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি জেলা সকালে স্কুল চালুও করে দিয়েছে। খোদ কলকাতাতেও তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। চিন্তা বেড়েছে মহানগরের স্কুল খোলার ক্ষেত্রেও।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডেথ ওভার বোলিংয়ে বুমরাদের পেছনে ফেলে দিয়েছেন এই তরুণ জোরে বোলার

ডেথ ওভার বোলিংয়ে দারুণ সুনাম আছে যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, ভুবনেশ্বর কুমারদের। কিন্তু চলতি আইপিএলে তাঁদেরও পেছনে ফেলে দিয়েছেন এক অখ্যাত তরুণ জোরে বোলার। অথচ একসময় পাঞ্জাবের বয়সভিত্তিক দলেই সুযোগ পাচ্ছিলেন না। বাবা পরামর্শ দিয়েছিলেন দেশ ছেড়ে কানাডায় চলে যেতে। সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করে নিজের কেরিয়ার তৈরি করতে। রাজি হননি তরুণ অর্শদীপ। বাবার পরামর্শ অগ্রাহ্য করে ভারতীয় ক্রিকেটে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পথে।ছোট থেকেই ক্রিকেটই ছিল ধ্যানজ্ঞান। বাবা ছেয়েছিলেন ছেলে হকি খেলোয়াড় হোক। কিন্তু অর্শদীপের ক্রিকেটের প্রতি আগ্রহ দেখে বাবা আর জোরাজুরি করেননি। কিন্তু স্থানীয় পর্যায়ে ভাল খেলেও পাঞ্জাবের বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাচ্ছিলেন না। ২০০৭ সাল। বাবা পরামর্শ দিয়েছিলেন কানাডার ব্র্যাম্পটনে দিদির কাছে চলে যেতে। রাজি হননি অর্শদীপ। বাবার কাছে একবছর সময় চেয়ে নেন। এক বছরের মধ্যে পাঞ্জাবের অনূর্ধ্ব ১৯ দলে সুযোগ। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি অর্শদীপ সিংকে। সুযোগ এসে যায় অনূর্ধ্ব ১৯ ভারতীয় দলেও। ২০১৮ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপেও দলে ছিলেন। কিন্তু সেভাবে খেলার সুযোগ পাননি। তাংকে বসিয়ে খেলানো হয়েছিল ঈশান পোড়েল, কমলেশ নাগরকোটিদের। আইপিএলে তাঁরাই এখন ডাগ আউটে বসে। আর বাইশ গজ দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন অর্শদীপ সিং।২০১৯ সাল থেকেই পাঞ্জাব কিংসের জার্সি গায়ে খেলছেন এই তরুণ জোরে বোলার। ওই বছর খুব বেশি খেলার সুযোগ পাননি। মাত্র ৩টি ম্যাচ খেলেছিলেন। উইকেট তুলে নিয়েছিলেন ৩টি। পরের বছর ৮ ম্যাচে ৯ উইকেট। তবে গত বছর আইপিএলে রীতিমতো নজর কাড়েন ১২ ম্যাচে তুলে নেন ১৮ উইকেট। এবছর আইপিএলের মেগা নিলামের আগে অর্শদীপকে ধরে রেখেছিল পাঞ্জাব কিংস। টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার মর্যাদা দিচ্ছেন।চলতি আইপিএলে ডেথ ওভারের বোলিংয়ে কৃপনতার দিক দিয়ে তারকা বোলারদের পেছনে ফেলে দিয়েছেন অর্শদীপ সিং। সোমবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর ম্যাচ পর্যন্ত ডেথ ওভারে তাঁর ইকনমি ৫.৬৬। অর্শদীপ ডেথ ওভারের বোলিংয়ে পেছনে ফেলে দিয়েছেন সুনীল নারাইন, যশপ্রীত বুমরা, মহম্মদ সামি, ভুবনেশ্বর কুমারদের। ডেথ ওভারে সুনীল নারাইনের ইকনমি ৬.০০। অন্যদিকে ডেথ ওভার বিশেষজ্ঞ যশপ্রীত বুমরার ইকনমি ৮.১৬। মহম্মদ সামির ৮.৪০, ভুবনেশ্বর কুমারের ৮.৫০। শেষ ৪ ওভারে ৩০ বল করার পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে অর্শদীপ সিংই সেরা।সোমবার চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ডেথ ওভারে তাঁরই বোলিংই পাঞ্জাব কিংসের জয়ের পথ প্রশস্ত করেছিল। চেন্নাই ইনিংসের ১৭তম ওভারে অর্শদীপের হাতে বল তুলে দিয়েছিলেন মায়াঙ্ক আগরওয়াল। তাঁর ওই ওভারে তাঁর ওই ওভারে মাত্র ৭ রান তুলতে সক্ষম হয় চেন্নাই। ১৯ তম ওভারেও ৭ রান দেন অর্শদীপ। অর্থাৎ ২ ওভারে মাত্র ১৪ রান। এতেই জয়ের আশা শেষ হয়ে যায় চেন্নাইয়ের। মহেন্দ্র সিং ধোনি, রবীন্দ্র জাদেজার মতো ফিনিশাররাও জ্বলে উঠতে পারেননি অর্শদীপের বোলিংয়ের সামনে।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
বিনোদুনিয়া

ভিন্নধর্মী গল্প নিয়ে আসছে ওয়েব সিরিজ 'লার্জ পেগ'

মুক্তি পেল অংশুমান ব্যানার্জী পরিচালিত এবং ওসেনিক মিডিয়া সল্যুশন, কলাবতী প্রোডাকশন, এবং কোয়ান্টাম অ্যান্ড শেডস প্রযোজিত আসন্ন ওয়েব সিরিজ লার্জ পেগ-এর ট্রেলার। এই ওয়েব সিরিজের ট্রেলার লঞ্চ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ছবির কলাকুশলী থেকে পরিচালক সকলেই। এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন সায়ন্তনী গুহঠাকুরতা, অনিন্দ্য পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীতমা দে, পায়েল রায়, সারা এম. নাথ সহ আরো অনেক নতুন এবং পরিচিত মুখদের। এই ওয়েব সিরিজের কাহিনী এবং চিত্রনাট্য লিখেছেন সৈকত ঘোষ ও প্রত্যূষা সরকার। সংগীত নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছেন সমীক কুন্ডু এবং চিত্রগ্রহণে রয়েছেন শান্তনু ব্যানার্জী। লার্জ পেগ ওয়েব সিরিজটি একটি সাইকোলজিকাল থ্রিলার। এই ওয়েব ধারাবাহিকের মধ্যে দিয়ে ধরা পড়েছে একজন লেখকের জীবনে ঘটে যাওয়া একাধিক ঘটনা; তার জীবনে একাধিক নারীর আনাগোনা, এবং তাঁদের প্রভাবে তৈরী হওয়া রহস্য― এই নিয়েই এই ওয়েব ধারাবাহিকটির মূল উপজীব্য। ওয়েবটি খুব তাড়াতাড়ি মুক্তি পেতে চলেছে নামকরা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
রাজ্য

টানা শিলা বৃষ্টি জঙ্গিপুরে, গরমে স্বস্তি কিন্তু কপালে চিন্তার ভাঁজ আম-লিচু চাষিদের

দক্ষিণবঙ্গ বৃষ্টির জন্য হা-পিত্যেস করে বসে আছে। শুক্রবার সকালে আকাশের মুখভাড়ে আশার আলো দেখা যাচ্ছিল। সকালের পরই প্রচন্ড দাবদাহে বাড়ির বাইরে বের হওয়াই দায় হয়ে পড়ে। এদিকে শুক্রবার দুপুর ১২টা থেকে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরের ওসমানপুরে লাগতার শিলা বৃষ্টি পড়ছে। অঝোর ধারায় বৃষ্টি চলছে সেখানে।এদিনের শিলাবৃষ্টিতে আম, লিচুর প্রভুত ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে গাছ থেকে অসংখ্য ছোট আম পড়ে গিয়েছে। ক্ষতি হয়েছে লিচুর। গত কয়েক দিন ধরেই বৃষ্টির পূর্বাভাস দিলেও গরমে হাঁসফাস অবস্থা দক্ষিণবঙ্গে। পুকুর-ডোবা প্রায় শুকিয়ে গিয়েছে। এক ফোটা বৃষ্টির আশায় দিন গুনছে বাংলার আমআদমি।পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগদান করতে বর্ধমান থেকে জঙ্গীপুর থেকে ড্যান্স কোরিওগ্রাফার তপন বাউড়ি বলেন, প্রবল বৃষ্টিতে গরম থেকে স্বস্তি মিলেছে। কিন্তু আম, লিচুর সর্বনাশ হয়ে গেল। টানা শিলাবৃষ্টির ফলে চাষিরা ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

এপ্রিল ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

পুনে থেকে কেন সরানো হল দিল্লি ক্যাপিটালস ও রাজস্থান রয়্যালস ম্যাচ?‌

২২ এপ্রিল রাজস্থান রয়্যালস ও দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচ পুনে থেকে সরিয়ে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নিয়ে আসা হল। দিল্লি ক্যাপিটালস শিবিরে একের পর এক ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বুধবারই বোর্ডের পক্ষ থেকে এখবর জানানো হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সচিব জয় শাহ একটি প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গোটা দিল্লি ক্যাপিটালস দলে আজ দুই রাউন্ড কোভিড পরীক্ষা করা হয়েছে। করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে। তাই দিল্লি ক্যাপিটালস এবং পাঞ্জাব কিংস ম্যাচ নং নির্ধারিত সূচি অনুসারে মুম্বইয়ের ব্র্যাবোর্ন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ২২ এপ্রিল দিল্লি ক্যাপিটালস ও রাজস্থান রয়্যালস ম্যাচ পুনের মহারাষ্ট্র ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে হওয়ার কথা ছিল। ওই ম্যাচ সরিয়ে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে নিয়ে আসা হয়েছে। বুধবার দিল্লি ক্যাপিটালসের উইকেটকিপারব্যাটার টিম সেইফার্টের আরটিপিসিআর পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর ভেনু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বুধবার দিল্লি ক্যাপিটালস ও পাঞ্জাব কিংস ম্যাচ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। ম্যাচ শুরুর কয়েকঘন্টা আগে জানা যায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের উইকেটকিপারব্যাটার টিম সেইফার্ট। তাঁর আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। মিচেল মার্শের পর টিম সেইফার্ট হলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের দ্বিতীয় ক্রিকেটার যিনি করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আগের দিন মিচের মার্শের র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের রিপোর্ট প্রথমে নেগেটিভ এসেছিল। পরে আরটিপিসিআর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আগেই দলের ফিজিও প্যাট্রিক ফারহার্ট করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। একজন ম্যাসিওরও করোনায় আক্রান্ত। টিম সেইফার্টকে নিয়ে দিল্লি শিবিরে করোনায় আক্রান্ত সদস্যর মোট সংখ্যা ৬। দিল্লি ক্যাপিটালসে একের পর এক সদস্য করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় আইপিএলের জৈব সুরক্ষা বলয় নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠেছে। এক কঠোর জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও কীভাবে দিল্লি ক্যাপিটালসের ৬ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে সকলেই অবাক। গত মরশুমে একের পর এক ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় মাঝপথে আইপিএল বন্ধ করে দিতে হয়েছিল। পরে ভারত থেকে সরিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে এএফসি কাপের মূলপর্বে সবুজমেরুন

আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই এএফসি কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিল এটিকে মোহনবাগান। ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে বাংলাদেশের ঢাকা আবহনীকে ৩-১ গোলে হারাল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এদিন ম্যাচের প্রথমার্ধে পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে এটিকে মোহনবাগান। ম্যাচের ৬ মিনিটে বাদিক থেকে জনি কাউকোর বাড়ানো ক্রস থেকে এটিকে মোহনবাগানকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন ডেভিড উইলিয়ামস। ৭ মিনিট পর সমতা ফিরিয়ে আনার সুযোগ এসেছিল আবহনীর সামনে। কিন্তু জালে বল রাখতে পারেননি ড্যানিয়েল কলিন্ড্রেস।প্রথম গোল খাওয়ার পর চাপে পড়ে যায় ঢাকা আবাহনী। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বেশ কয়েকবার আক্রমণ তুলে নিয়ে আসেন এটিকে মোহনবাগানের কাউকো-লিস্টনরা। তবে আবাহনীর রক্ষণের তৎপরতায় গোল মুখ খুলতে পারেনি সবুজমেরুন। ম্যাচের ২০ মিনিটের মাথায় প্রবীর দাসের সেন্টার থেকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ নষ্ট করেন জনি কাউকো। তাঁর শট বারের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। একাধিক সুযোগ নষ্টের খেসারত দেওয়া সবুজমেরুন ২৯ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামসের গোলে ব্যবধান বাড়ায়। প্রবীর দাসের সাজিয়ে দেওয়া বল থেকে গোল তুলে আনতে কোনও ভুল করেননি ডেভিড উইলিয়ামস। প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক পুর্ণ করতে পারতেন এই অস্ট্রেলীয় স্ট্রাইকার। প্রথমার্ধের শেষ দিকে একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে তিনি আবহনী গোলরক্ষকের গায়ে মারেন।দ্বিতীয়ার্ধে এটিকে মোহনবাগান হঠাৎই খেলা থেকে হারিয়ে যায়। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ তুলে নেয় আবহনী। ঢাকা আবহনী একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। পর পর সুযোগ তৈরি করেও সবুজমেরুনের বক্সের মধ্যে গিয়েই খেই হারিয়ে ফেলছিল ঢাকার দল। প্রায় দুটি ক্ষেত্রে নিশ্চিত গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি আবহনী। একের পর এক আক্রমণ তুলে আনার সুফল পায় ৬১ মিনিটে। রাকিব হোসেনের ডান পায়ের ফ্লিক ধরে বিশ্বমানের গোল করে যান কোস্টা রিকার বিশ্বকাপার ড্যানিয়েল কলিনড্রেস। ম্যাচের ৭০ মিনিটের পর আবার ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে এটিকে মোহনবাগান। আবহনীর মরিয়া লড়াই রুখে ফের আক্রমণাত্মক মেজাজে ফিরে আসে সবুজমেরুন। এই সময়ে দুটি সহজ সুযোগ মিসও করে বাগান জনতার প্রিয় ক্লাবটি। গোল নষ্টের মহরার মধ্যে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করে ঢাকা আবহনীর কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন ডেভিড উইলিয়ামস।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবাহনীর বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে কী বলছেন জুয়ান ফেরান্দো?‌

এএফসি কাপের মূলপর্বে ওঠার প্লে অফের লড়াইয়ে মঙ্গলবার বাংলাদেশের ঢাকা আবাহনীর বিরুদ্ধে খেলতে নামছে এটিকে মোহনবাগান। পরের রাউন্ডে পৌঁছতে গেলে আবাহনীর বিরুদ্ধে জিততেই হবে এটিকে মোহনবাগানকে। ধারেভারে এগিয়ে থাকলেও নিজেদের ফেবারিট হিসেবে মানতে নারাজ সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো। ঘরের মাঠে খেলা হলেও বরং ওপার বাংলার দলকে যথেষ্ট সমীহের চোখে দেখছেন তিনি। তবে জেতার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী জুয়ান ফেরান্দো। এই মুহূর্তে দারুণ ছন্দে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারকে উড়িয়ে দিয়েছে ৫০ ব্যবধানে। সেই ম্যাচ এখন অতীত জুয়ান ফেরান্দোর কাছে। ঢাকা আবাহনীর বিরুদ্ধে নতুন করে শুরু করতে চান। ওপার বাংলার দলের খেলার ভিডিও দেখেছেন। সেইভাবেই পরিকল্পনা তৈরি করেছেন। জুয়ান ফেরান্দোর লক্ষ্য শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপিয়ে পড়ে গোল তুলে নেওয়া। চোটের জন্য রক্ষণে সন্দেশ ঝিঙ্ঘানকে এই ম্যাচেও পাবেন না জুয়ান ফেরান্দো। রয় কৃষ্ণাও নেই। তা সত্ত্বেও চিন্তিত নন সবুজমেরুণ কোচ। আসলে ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে তাঁর দলের ফুটবলারদের খেলা ভরসা জোগাচ্ছে জুয়ান ফেরান্দো। ঢাকা আবাহনী কিন্তু একেবারেই অবহেলা করার মতো দল নয়। রাফায়েল অগাস্তোর মতো আইএসএল খেলা ফুটবলার রয়েছে ওপার বাংলার দলে। এছাড়াও রয়েছেন কোস্টারিকার বিশ্বকাপার ড্যানিয়েল কলিনড্রেস। আর এক বিদেশি হুসেনিও যথেষ্ট ভাল। তাঁদের দিকে আলাদা নজর দিতে চান ফেরান্দো। তবে ব্লু স্টারের বিরুদ্ধে ম্যাচের ফল মাথায় রাখছেন না। ফেরান্দো বলেন, আগের ম্যাচে পাঁচ গোলে জিতেছি ঠিকই। তবে প্রতিপক্ষ যে হেতু নতুন তাই আগের ম্যাচের পারফরমেন্স তেমন কাজে আসবে না। আমরা এক সপ্তাহ বিশ্রাম পেয়েছি, যে হেতু ওরা আগের ম্যাচে ওয়াক ওভার পেয়েছে তাই আমাদের থেকে বেশি বিশ্রাম পেয়েছে। তবে এসব নিয়ে ভাবছি না। ঢাকা আবাহনীর বিরুদ্ধে ম্যাচ নিয়ে এটিকে মোহনবাগান অধিনায়ক প্রীতম কোটাল বলেন, এটা আমাদের কাছে ফাইনাল ম্যাচ। গ্যালারিতে আমাদের সমর্থক ভর্তি থাকবে। ফলে আমরা ওদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে থেকে মাঠে নামব। তবে ম্যাচটা ততটাও সহজ হবে না।

এপ্রিল ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সুনীল নারাইন যেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের সুব্রত ভট্টাচার্য

কলকাতা ময়দানে ফুটবলে একটা সময় প্রায়ই শোনা যেত ঘরের ছেলে। সুব্রত ভট্টাচার্য, মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য, সত্যাজিৎ চ্যাটার্জি থেকে কৃশানু দে, বিকাশ পাঁজিদের নামের সঙ্গে ঘরের ছেলের তকমা সেঁটে গিয়েছিল। কিন্তু ক্রিকেটে? ক্রিকেটে আবার ঘরের ছেলে হয় নাকি? নিলামে কোন ক্রিকেটারকে কোন দল নেবে, কেউ বলতে পারবে না। তবে একটানা খেলতে খেলতে অনেকেই ঘরের ছেলে হয়ে গেছেন। যেমন চেন্নাই সুপার কিংসে মহেন্দ্র সিং ধোনি, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সে বিরাট কোহলি। তেমনই কলকাতা নাইট রাইডার্সে যেন ঘরের ছেলে হয়ে গেছেন সুনীল নারাইন। এক দশক ধরে কলকাতা নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে খেলছেন এই ক্যারিবিয়ান তারকা। অন্য কোনও দলে যাওয়ার পরিকল্পনাও নেই। নাইট রাইডার্সে খেলেই আইপিএল থেকে অবসর নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সুনীল নারাইনের। সোমবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার সঙ্গে সঙ্গে নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে ১৫০ তম আইপিএল ম্যাচ খেলে ফেললেন সুনীল নারাইন। একই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে এই কৃতিত্ব অর্জন করতে পেরে তিনি গর্বিত। রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে নারাইনের হাতে ১৫০ লেখা জার্সি তুলে দেন দলের হেড কোচ ব্রেন্ডন ম্যাকালাম। ২০১২ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সে যোগ দেন সুনীল নারাইন। টানা ১০ বছর একই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলছেন। আইপিএলে খুব কম বিদেশিই রয়েছেন যারা দীর্ঘদিন একই ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলছেন। কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে এতদিন খেলতে পেরে আপ্লুত সুনীল নারাইন। ১৫০ ম্যাচের মাইলস্টোনে পৌঁছে এই ক্যারিবিয়ান তারকা বলেন, যতদিন আইপিএল খেলব, কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়েই খেলতে চাই। আমি দলের সিইও ভেঙ্কি মাইসোরকে সবসময় বলে এসেছি, আমাকে নিশ্চয় আর অন্য কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলতে হবে না। নাইট রাইডার্স থেকেই শুরু করেছি, এখানেই শেষ করব। বিদেশি ক্রিকেটাররা একটা ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে বেশিদিন খেলার সুযোগ পায় না। সেই দিক দিয়ে আমি সৌভাগ্যবান। কলকাতা নাইট নাইট রাইডার্সে কাটানো সময়গুলো আমার কাছে খুবই মহামূল্যবান। নাইট রাইডার্সের জার্সি গায়ে রাজস্থান রয়্যালস ম্যাচের আগে ১৪৭ উইকেন নেন সুনীল নারাইন। সোমবার রাজস্থানের বিরুদ্ধে তাঁর হাত ধরেই ব্রেক থ্রু আসে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের ১০ বছর জীবনে তাঁকে সমস্যাতেও পড়তে হয়েছে। ২০২০ সালে তাংর বিরুদ্ধে চাকিংয়ের অভিযোগ উঠেছিল। পরে নিজের বোলিং অ্যাকশন বদল করতে বাধ্য হন। শুধু বল হাতেই নয়, ব্যাট হাতেও দলকে ভরসা দিয়েছেন সুনীল নারাইন। দলকে দুবার আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। বহু বিপদে দলকে উদ্ধার করেছেন। ঠিক যেন মোহনবাগানের সুব্রত ভট্টাচার্য।

এপ্রিল ১৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

UNLOCK 🔓 7 এর ট্রিজার লঞ্চ হল

সাত বন্ধুর পাহাড়ে এক গ্রামে ঘুরতে যাওয়ার গল্প নিয়েই নির্মিত এই UNLOCK 🔓 7। ওখানে পৌঁছানোর পরে তারা বুঝতে পারে লকডাউন এর সময় ওখানকার বসবাসকারী মানুষরা কিভাবে কত সমস্যার মধ্যে দিন কাটায়। সব শুনে বা দেখে তারা হতবাক হয়ে যায়। ওই সময়কার এক ঘটনা শুনে বিশমিত হয়ে পড়ে। সেই রহস্যের সমাধান করতে পারবে নাকি তারই উত্তর দেবে গ্যালাক্সি এন্টারটেইনমেন্টের UNLOCK🔓 7। পুরো ছবিটার শুটিং হয়েছে শিলিগুড়ি লোলেগাঁও কালিম্পং জুড়ে। এই ছবিটির প্রযোজক নাসিম আহমেদ খান, ছবিটির পরিচালক এবং গল্প ঋকের লেখা।ছবিটিতে অভিনয় করেছেন রাজেশ শর্মা, ঋক, কমল, সানা, চিত্রালী, সৃজা, রিতিশা, রাত্রি, রাজশ্রী, অরুণ এবং নেপালি অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। এই ছবির সংগীত পরিচালনা করেছেন রঙ্গন এবং অর্ণব বসাক, ক্যামেরার দায়িত্বpp সামলেছেন আশিস হালদার।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • ...
  • 60
  • 61
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ফলতায় ঐতিহাসিক 'ফল', মোদীর বার্তা— ‘গণতন্ত্র জিতেছে, ভয়-হুমকি পরাজিত’

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে আর এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল ফলতা বিধানসভা উপনির্বাচন। বিজেপির প্রার্থী দেবাংশু পান্ডার রেকর্ড ব্যবধানের জয়ের পর রাজ্য রাজনীতিতে তৈরি হয়েছে নতুন আলোড়ন। এক লক্ষেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে এই জয় শুধু একটি আসন দখলের সাফল্য নয়, বরং তা রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের উপর মানুষের সিলমোহর বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।ফলাফল ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই সমাজমাধ্যমে শুভেচ্ছাবার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি লেখেন, ফলতার মানুষ তাঁদের রায় স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন। গণতন্ত্রের জয় হয়েছে, ভয়ভীতি ও হুমকির রাজনীতি পরাজিত হয়েছে। একই সঙ্গে বিজেপির প্রার্থী দেবাংশু পান্ডাকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, এই বিপুল জয় পশ্চিমবঙ্গবাসীর বিজেপির প্রতি ক্রমবর্ধমান আস্থারই প্রতিফলন।এ বারের নির্বাচন ঘিরে শুরু থেকেই রাজনৈতিক সমীকরণ ছিল স্পষ্ট। রাজ্যে সদ্য গঠিত বিজেপি সরকারের আবহে ফলতায় গেরুয়া শিবিরের জয় অনেকটাই প্রত্যাশিত ছিল। তবে এত বিশাল ব্যবধান ১ লক্ষ ৯ হাজার ২১ ভোটে জয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেককেই বিস্মিত করেছে। বিশেষ তাৎপর্যের বিষয়, তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান ভোটের আগেই কার্যত প্রতিদ্বন্দ্বিতার ময়দান থেকে সরে দাঁড়ান। শেষ পর্যন্ত তৃণমূল নেমে যায় চতুর্থ স্থানে, আর দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে সিপিএম।রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার গঠনের মাত্র দুসপ্তাহের মাথায় এই নির্বাচন হয়েছিল। গত ৯ মে, রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথ নিয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই একাধিক জনমুখী প্রকল্প ঘোষণা করেছে সরকার। আগামী ১ জুন থেকে অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্প চালু, সরকারি বাসে মহিলাদের বিনামূল্যে যাত্রা, এবং সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তরের মতো সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।প্রধানমন্ত্রীও তাঁর বার্তায় এই পদক্ষেপগুলির উল্লেখ করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকার যে দ্রুত উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করেছে, তা সাধারণ মানুষের নজর এড়ায়নি। তাঁর কথায়, মানুষ উন্নয়নের পক্ষে রায় দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গবাসী আমাদের উপর আরও একবার আস্থা রেখেছেন। আমরা আগামী দিনেও তাঁদের উন্নয়নের জন্য নিরন্তর কাজ করে যাব।ফলতার এই ফলাফল বিধানসভার অঙ্কে খুব বড় পরিবর্তন না আনলেও রাজনৈতিক তাৎপর্য যথেষ্ট। বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ২০৭ থেকে বেড়ে ২০৮ হয়েছে। তবে তার থেকেও বড় বার্তা হল সদ্য গঠিত বিজেপি সরকারের প্রতি জনসমর্থনের প্রাথমিক পরীক্ষায় গেরুয়া শিবির উতরে গেল স্বচ্ছন্দে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই জয় স্পষ্ট করে দিল পশ্চিমবঙ্গকে ঘিরে বিজেপির জাতীয় নেতৃত্ব কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে। সম্প্রতি ইউরোপ সফরে নেদারল্যান্ডসে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গের ঝালমুড়ির প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী যে আবেগঘন বার্তা দিয়েছিলেন, তারই যেন বাস্তব প্রতিফলন দেখা গেল ফলতার ভোটবাক্সে।ফলতার রায় এখন শুধু একটি উপনির্বাচনের ফল নয়; তা পশ্চিমবঙ্গের আগামী রাজনৈতিক সমীকরণের দিকনির্দেশ হিসেবেও দেখা হচ্ছে। বিজেপির দাবি, এ জয় পরিবর্তনের পথে রাজ্যের আরও এক ধাপ অগ্রগতি।

মে ২৪, ২০২৬
রাজ্য

বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি ছাড়াই মাঠের তালা খোলা! বর্ধমানে বিজেপি বিধায়ককে ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ বহুদিন বন্ধ থাকা মোহনবাগান মাঠের তালা খোলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের তির উঠেছে বর্ধমান দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রের বিরুদ্ধে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি বা আনুষ্ঠানিক আলোচনা ছাড়াই তিনি সাধারণের ব্যবহারের জন্য মাঠ খুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী রাজনৈতিক মহল যেমন প্রশ্ন তুলেছে, তেমনই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তরফেও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা ঐতিহ্যবাহী মোহনবাগান মাঠটি সাধারণের জন্য বন্ধ ছিল। শনিবার বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে পরিদর্শনে এসে মাঠটি তালাবন্ধ অবস্থায় দেখতে পান বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। এরপর তিনি তাঁর সঙ্গে থাকা কর্মীদের তালা খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই মাঠ খুলে দেওয়া হয় এবং স্থানীয়দের প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছে বিরোধীরা। স্থানীয় কংগ্রেস নেতা গৌরব সমাদ্দার তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, বিধায়ক এখনও বুঝে উঠতে পারেননি কোন বিষয় তাঁর প্রশাসনিক এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে আর কোনটা পড়ে না। তিনি ব্যঙ্গের সুরে বলেন, নতুন বই হাতে পাওয়া বাচ্চারা যেমন আগ্রহ নিয়ে পাতা উল্টে দেখে, ঠিক তেমনই নতুন বিধায়ক গলায় মালা পরে সঙ্গী-সাথীদের নিয়ে প্রতিদিন ছুটে বেড়াচ্ছেন।যদিও সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে সওয়াল করেছেন বিজেপি বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। তাঁর বক্তব্য, এত বড় একটি মাঠ বছরের পর বছর বন্ধ পড়ে থাকা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি বলেন, এই মাঠ এলাকার মানুষের সম্পদ। শিশু থেকে প্রবীণ সকলে এখানে এসে খেলাধুলা করতে পারবেন, হাঁটাচলা করতে পারবেন। মানুষের স্বার্থেই মাঠ খুলে দেওয়া হয়েছে।অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শঙ্কর কুমার নাথ স্পষ্ট জানিয়েছেন, মাঠ খোলার বিষয়ে তাঁকে বা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারকে আগে থেকে কিছুই জানানো হয়নি। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে না জানিয়েই মাঠ খুলে দেওয়া হয়েছে, যা সমস্যার সৃষ্টি করেছে। এই মাঠে সকাল-বিকেল স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের প্রশিক্ষণ চলে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক খেলায় অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীরাও এখানে নিয়মিত অনুশীলন করেন। ইতিমধ্যেই প্রশিক্ষক এক অধ্যাপক বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। তাঁকে লিখিত অভিযোগ জমা দিতে বলা হয়েছে।এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোরের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক অধিকার ও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ক্ষমতার সীমা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এখন দেখার, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ করে কি না এবং বিতর্ক কোন দিকে গড়ায়।

মে ২৪, ২০২৬
রাজ্য

ক্ষমতা হারিয়ে রক্তক্ষরণে তৃণমূল, ‘একলা চলার’ কঠিন পরীক্ষায় মমতা

রাজনীতিতে পালাবদল ঘটেই থাকে। কেন্দ্রে বা রাজ্যে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকে কোনো কোনো সময় অপ্রতিরোধ্য দেখায়। মনে হয় শাসন ক্ষমতায় থাকাটাই সেই রাজনৈতিক দলের কুক্ষিগত। কিন্তু, সময় বদলায়। ঐতিহাসিক নিয়মেই অতি ক্ষমতাধর শক্তিকেও ক্ষমতা থেকে সরতে হয়। দেশ, কাল ভেদের এই পরিবর্তনের বহু নিদর্শন ইতিহাসে রয়েছে। যেমন, পশ্চিমবঙ্গ। স্বাধীনতার পর থেকে এই রাজ্যে দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থেকেছিল কংগ্রেস। তারপর কংগ্রেস কে সরিয়ে ক্ষমতায় বসে বামফ্রন্ট। দীর্ঘ ৩৪ বছর শাসন ক্ষমতায় ছিল সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন সরকার। অনেকেই ভাবতেন বাম শাসনের বোধহয় অবসান হবেনা। তা হয়নি। দীর্ঘ বাম শাসনকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে মসনদে বসে তৃণমূল কংগ্রেস। শাসন ক্ষমতায় থাকাকালীন যে দলকে অপ্রতিরোধ্য মনে হয় ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পরে তাদের রক্তক্ষরণ শুরু হয়।এই পরিস্থিতি থেকেই শুরু হয় দল বদলের পালা। দেশ জুড়ে নেতা নেত্রীর ক্ষমতা হারানো দল থেকে ক্ষমতাসীন দলে যাওয়া অতি সাধারণ ঘটনা। মানুষ ও এই প্রবণতাকে স্বাভাবিক বলেই ধরে নিয়েছে। তবে, এখান থেকে বিজয়ী দলের ও সমস্যা শুরু হয়। নেতা নেত্রীদের দল বদলের থেকে অতি দ্রুত এই যাওয়ার পালা শুরু হয় পরাজিত দলের নিচু স্তরের কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে। বাম আমলেও এই ঘটনা শুরু হয়েছিল। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরেই রাজ্য জুড়ে সিপিএম এর ওপর আক্রমণ শুরু হয়েছিল। ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে থাকার লোভ, অর্থের লোভ ও সন্ত্রাস মূলত এই তিনটি কারণে সিপিএম থেকে তৃণমূলে আসার পালা শুরু হয়। এর ফলে যারা দীর্ঘদিন তৃণমূলে ছিলেন তাদের সঙ্গে দল বদলের দ্বন্দ্ব শুরু হয়।সেই সময় তৃণমূলের মধ্যে সেই দ্বন্দ্ব এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছিল। যার প্রতিফলন হয়েছিল Red TMC বনাম Green TMC দ্বন্দ্বে। তৃণমূলের ১৫ বছর পরে ক্ষমতা থেকে সরায় নিচের তলার এই চলন শুরু হয়েছে। রাতারাতি, রাজ্যের আনাচে কানাচে বিজেপির পতাকা হাতে বহু জনকে দেখা যাচ্ছে যাদের এতদিন ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গেই দেখা যেত। রাজ্যে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এই পরিস্থিতিতে বার বার দলীয় কর্মীদের সতর্ক করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস ও জানে দলের কোনো মজবুত সাংগঠনিক কাঠামো ছিল না। ক্ষমতায় থাকার কারণে বিভিন্ন আর্থিক ও সামাজিক সুবিধা ছিল। এই সুযোগে, সুবিধা পাওয়ার বন্দোবস্ত তৃণমূলকে একটা সাংগঠনিক কাঠামো তৈরির সুবিধা দিয়েছিল।এখন ক্ষমতার বৃত্তে না থাকার কারণে দলের চেহারা ক্রমশ শীর্ণকায় হবে। এই কারণেই খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে তৃণমূল কর্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইতে নামার জন্য বাম, কংগ্রেস ও আই এস এফ কে সঙ্গে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও, তিনি ভালোই জানেন যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল এই তিন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে কী ব্যবহার করেছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশ রাজ্যে ছিল না। সবটাই ছিল পেশীশক্তির ভিত্তিতে। কংগ্রেস ও বামেরা পাঁচ বছর বিধানসভার বাইরে ছিল। এই নির্বাচনে তাদের যেটুকু সাফল্য এসেছে তা তৃণমূলের সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই এসেছে। এখন তারা যদি তৃণমূলের পাশে এসে দাঁড়ায় তাহলে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠবে।INDIA ব্লক টিঁকিয়ে রাখার জন্য কংগ্রেস এই রাজ্যে তৃণমূলের সুরে বিজেপি বিরোধীতা করলেও সরাসরি তৃণমূলের সঙ্গে আন্দোলনে নামবে না বলেই মনে হয়। অন্যদিকে, আই এস এফ বা বাম দলগুলি তো প্রকাশ্যেই তৃণমূল নেত্রী কে এই আহ্বানের জন্য রাজনৈতিক ভাবে বিঁধতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে মনে হয় ভালো, মন্দ যাই হোক তৃণমূল কে তা মেনে নিয়ে একলাই চলতে হবে। একলা পথ চলার কথাই নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জনসভায় বলেছেন মমতা। এখন অন্যদের দিকে হাত বাড়ালেও তাঁকে একলাই চলতে হবে।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

হিলারির পর এবার মার্কো রুবিও! হঠাৎ কলকাতায় মার্কিন বিদেশসচিব, বাড়ছে জল্পনা

প্রায় ১৪ বছর পর আবার কলকাতায় এলেন মার্কিন বিদেশসচিব। হিলারি ক্লিনটনের পর এবার শহরে পা রাখলেন মার্কো রুবিও। শনিবার সকালে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছন তিনি। তারপর সোজা যান তালতলার মাদার হাউজে। সেখানে প্রায় দুঘণ্টা কাটানোর পর চিলড্রেনস হোমেও যান তাঁরা। এরপর তাঁর ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ঘুরে দেখার কথাও রয়েছে। কলকাতা সফর শেষ করে দুপুরেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেবেন মার্কো রুবিও। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে তাঁর।ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিয়ো গোর সমাজমাধ্যমে রুবিওর কলকাতা সফরের কথা জানান। তিনি লেখেন, মার্কিন বিদেশসচিবের এটি প্রথম ভারত সফর। দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তাঁর বৈঠকে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা এবং কোয়াড নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হবে। সূত্রের খবর, শুধু কলকাতা ও দিল্লি নয়, আগ্রা এবং জয়পুরেও যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।এই সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে সরকার বদলের পর নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বিজেপি প্রথমবার বাংলার ক্ষমতায় এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের উন্নয়ন এবং শিল্পায়ন নিয়ে একাধিক বার্তা দিয়েছেন। দুর্গাপুরে প্রশাসনিক বৈঠক সেরে শিল্প বিনিয়োগ টানার কথাও বলেছেন তিনি।অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও বারবার বিদেশি বিনিয়োগের উপর জোর দিচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন বিদেশসচিবের কলকাতা সফরকে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। অনেকের মতে, শিল্পক্ষেত্রে নতুন বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েই আলোচনা হতে পারে।এছাড়াও সম্প্রতি লালমনিরহাট বিমান ঘাঁটিতে চিনের বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। সেই আবহে মার্কিন বিদেশসচিবের ভারত সফরকে ঘিরে আন্তর্জাতিক কূটনীতির দিকেও নজর রয়েছে। অনেকের মতে, চিনকে কড়া বার্তা দিতেই এই সফর গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।সব মিলিয়ে মার্কো রুবিওর কলকাতা সফর যে শুধুই সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, তার পিছনে বড় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৩, ২০২৬
দেশ

সীমান্তে বড় বদল! ড্রোন-ক্যামেরায় নজরদারি, ‘স্মার্ট বর্ডার’ নিয়ে বড় ঘোষণা অমিত শাহের

অনুপ্রবেশ রুখতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সীমান্তে নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে স্মার্ট বর্ডার তৈরির পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুক্রবার নয়াদিল্লিতে বিএসএফের বার্ষিক রুস্তমজি মেমোরিয়াল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি জানান, আগামী এক বছরের মধ্যেই এই প্রকল্পের কাজ শুরু হবে।অমিত শাহ বলেন, প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্তে শুধুমাত্র জওয়ান মোতায়েন করে নজরদারি চালানো অত্যন্ত কঠিন। তাই এবার সীমান্ত পাহারায় ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। সীমান্ত এলাকায় থাকবে ড্রোন, হাই রেজলিউশন ক্যামেরা এবং একাধিক আধুনিক নজরদারি যন্ত্র। পাশাপাশি বিএসএফ, পুলিশ এবং স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদান আরও শক্তিশালী করতে গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক বাড়ানোর নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, স্মার্ট বর্ডার তৈরি হলে সীমান্ত আরও দুর্ভেদ্য হয়ে উঠবে। অনুপ্রবেশ এবং জনবিন্যাস বদলের যে চেষ্টা চলছে, তাতেও অনেকটাই লাগাম টানা সম্ভব হবে। তিনি আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা এবং অসম সরকার অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের নীতিকে সমর্থন করেছে। প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলেও দাবি করেন শাহ।বাংলায় সরকার বদলের পর সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন কাঁটাতার বসানো নিয়ে জমি সমস্যার কারণে কাজ আটকে ছিল। তবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দায়িত্ব নেওয়ার পর বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এরপর সম্প্রতি বাংলায় পুশব্যাক আইন কার্যকর করার ঘোষণাও করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, এবার থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেবে পুলিশ। পরে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে তাঁদের বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে।এই ঘোষণার পর মতুয়া সমাজের একাংশের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। যদিও মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, সিএএ-র আওতায় থাকা কোনও হিন্দু ধর্মাবলম্বী বা বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তান থেকে আসা নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের দেশছাড়া করা হবে না। বরং নিয়ম মেনে তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।এর মধ্যেই দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠকও করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকের পরই শাহের স্মার্ট বর্ডার ঘোষণা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে ভাঙা হল যুবভারতীর বিতর্কিত মূর্তি! নিশীথের নির্দেশে সকালেই বড় পদক্ষেপ

অবশেষে যুবভারতী স্টেডিয়ামের সামনে থাকা বিতর্কিত মূর্তিটি ভেঙে ফেলা হল। শনিবার সকালে ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের নির্দেশ মেনে সেই কাজ শুরু হয়। দীর্ঘদিন ধরেই এই মূর্তি নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে বিতর্ক চলছিল। রাজ্যে সরকার বদলের পর সেই বিতর্কিত মূর্তি সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় নতুন সরকার।২০১৭ সালে সল্টলেকে যুবভারতী স্টেডিয়ামের সংস্কারের সময় এই মূর্তি তৈরি করা হয়েছিল। মূর্তিটিতে কোমর পর্যন্ত একটি শরীরের অংশ ছিল, তার উপরে বসানো হয়েছিল বিশ্ববাংলার প্রতীক। নীচে ফুটবলের উপর লেখা ছিল জয়ী। সেই সময়ের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এই মূর্তির নকশা তৈরি করেছিলেন বলে জানা যায়। তবে শুরু থেকেই এই মূর্তির অর্থ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন বহু ফুটবলপ্রেমী। অনেকেই এটিকে অদ্ভুত ও অর্থহীন বলে সমালোচনা করেছিলেন।গত ১৭ মে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের ডার্বি ম্যাচ দেখতে যুবভারতীতে গিয়েছিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। ম্যাচের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই মূর্তি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন। নিশীথ বলেন, এরকম বিদঘুটে মূর্তি কেন বানানো হয়েছিল বুঝতে পারি না। আমার মনে হয় এই মূর্তি বসানোর পর থেকেই আগের সরকারের খারাপ সময় শুরু হয়েছিল। তখনই তিনি জানিয়েছিলেন, পূর্ত দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত মূর্তিটি সরিয়ে ফেলা হবে।ঘোষণার কয়েকদিনের মধ্যেই সেই কাজ শুরু হয়ে গেল। শনিবার সকালে মূর্তিটি ভেঙে ফেলার পর এখন সেখানে শুধু দুটি বুট এবং একটি ফুটবল দেখা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, ভবিষ্যতে ওই জায়গায় কোনও বিখ্যাত ফুটবলারের মূর্তি বসানো হতে পারে। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা।ডার্বির রাতেই নিশীথ জানিয়েছিলেন, এমন একটি মূর্তি বসানো হবে যা ফুটবলপ্রেমীদের কাছে অর্থপূর্ণ এবং অনুপ্রেরণাদায়ক হবে। সেই কারণেই নতুন পরিকল্পনা নিয়ে ভাবনা শুরু করেছে ক্রীড়া দপ্তর।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

দেবরাজ ঘনিষ্ট তৃণমূল কাউন্সিলরের রহস্যমৃত্যু! ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য, সামনে এল ভয়ংকর অভিযোগ

দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেস কাউন্সিলর তথা চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল স্বাস্থ্য সঞ্জয় দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। শনিবার তাঁর বাড়ি থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। দ্রুত তাঁকে নাগেরবাজারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলেই মনে করা হচ্ছে।সঞ্জয় দাস রাজ্যের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সির স্বামী দেবরাজ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ বলেও রাজনৈতিক মহলে পরিচিত ছিলেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে পৌঁছে যান অদিতি মুন্সিও। ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।এর মধ্যেই বিস্ফোরক অভিযোগ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি কিরণ ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, সঞ্জয় দাসকে কিছু লোক দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিচ্ছিল। এমনকি তাঁর কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ। কিরণের দাবি, যারা এই চাপ দিচ্ছিল তারা আগে তৃণমূল করলেও এখন বিজেপির সঙ্গে যুক্ত।তিনি বলেন, সঞ্জয় দাস নাকি ওই ব্যক্তিদের বলেছিলেন, এখন ১০ হাজার টাকা নিতে, পরে বাকি টাকা দেবেন। সেই ঘটনার পর থেকেই তিনি প্রচণ্ড মানসিক চাপে ছিলেন। কিরণ ভট্টাচার্যের অভিযোগ, সেই চাপই শেষ পর্যন্ত সঞ্জয়কে ভয়ংকর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। যদিও বিজেপির বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ করতে চাননি তিনি। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এ ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই সমর্থন করবে না। তবে যারা হুমকি দিয়েছিল, তাদের দ্রুত খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন তিনি।রাজ্যে সরকার বদলের পর থেকেই দুর্নীতির অভিযোগে একের পর এক তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই বিধাননগর পুরনিগমের একাধিক কাউন্সিলর পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন। গ্রেফতার হয়েছেন ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সমরেশ চক্রবর্তী, ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সুশোভন মণ্ডল এবং ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জন পোদ্দার। একদিন আগেই গ্রেফতার হয়েছেন দক্ষিণ দমদম পুরসভার ৩৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল পার্থ বর্মাও।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সঞ্জয় দাসের মৃত্যু ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মে ২৩, ২০২৬
কলকাতা

চাকরিতে বড় বদল! পরীক্ষার্থীদের হাতে থাকবে ওএমআর কপি, দুর্নীতিতে কড়া বার্তা শুভেন্দুর

রাজ্যে সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অতীতে শিক্ষা ও পুর নিয়োগে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। সেই সমস্ত মামলার তদন্ত এখনও চলছে। এই পরিস্থিতিতে ক্ষমতায় এসেই স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থার উপর জোর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার শিয়ালদহে রোজগার মেলায় যোগ দিয়ে নিয়োগ পদ্ধতিতে একাধিক বদলের কথা ঘোষণা করেন তিনি।বক্তব্যের শুরুতেই পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান শুভেন্দু। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ নিয়ে বহু বদনাম হয়েছে। শিক্ষা থেকে পুর নিয়োগ একাধিক ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। এমনকি ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরিও বাতিল হয়েছে। এই পরিস্থিতি বদলাতেই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার উপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।শুভেন্দু জানান, এতদিন ওএমআর শিটে পরীক্ষা হলেও পরীক্ষার্থীদের সেই কার্বন কপি জমা দিয়ে দিতে হত। ফলে পরে নিজেদের উত্তর যাচাই করার সুযোগ থাকত না। এবার থেকে পরীক্ষার্থীরা নিজেদের ওএমআর কপির কার্বন বাড়ি নিয়ে যেতে পারবেন বলে ঘোষণা করেন তিনি। এতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।এছাড়াও ভাইভা বা মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর কমানোর কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, মৌখিক পরীক্ষায় দুর্নীতির সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই সেই অংশে নম্বর কম রাখা হবে। শুধু তাই নয়, পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হবে বলে জানান তিনি।শুভেন্দু স্পষ্ট ভাষায় বলেন, হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে আর নিয়োগ হবে না। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। এদিনের রোজগার মেলায় ৫০ হাজারেরও বেশি চাকরিপ্রার্থী অংশ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, এতদিন রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্তরের বহু পরীক্ষাও ঠিকমতো হতে দেওয়া হত না। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর আদর্শকে সামনে রেখেই এবার কেন্দ্রীয় সরকারের ধাঁচে রাজ্যের নিয়োগ প্রক্রিয়া গড়ে তোলা হবে। নিয়োগে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিই এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলেও জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

মে ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal