• ৬ আশ্বিন ১৪৩৩, শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

UIT

কলকাতা

যাদবপুরের নিয়োগে ‘বড় গরমিল’! সিবিআই তদন্ত চেয়ে উপাচার্যকে চিঠি সঙ্ঘঘনিষ্ঠ অধ্যাপক সংগঠনের

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল। নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে এবার সিআইডি, সিবিআই অথবা কোনও নিরপেক্ষ তদন্তকারী সংস্থার মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানাল সঙ্ঘঘনিষ্ঠ অধ্যাপক সংগঠন অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘ। বৃহস্পতিবার এই দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে দাবি করা হয়েছে।সংগঠনের অভিযোগ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের সময় প্রার্থীদের যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতা ঠিক ভাবে যাচাই করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখার জন্যই তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।চিঠিতে ডেপুটি রেজিস্ট্রার-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি ফেটের সচিব পদে ভোটের বিধিনিষেধ চলাকালীন কী ভাবে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংগঠনটি।অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘের অভিযোগ, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক নিয়োগের ক্ষেত্রে পক্ষপাত, স্বজনপোষণ, প্রভাব খাটানো এবং আর্থিক অনিয়মের মতো অভিযোগ রয়েছে। সংগঠনের দাবি, এই সমস্ত অভিযোগকেই তদন্তের আওতায় আনা হোক। তবে অভিযোগগুলি এখনও প্রমাণিত নয়।সংগঠনের তরফে আরও দাবি করা হয়েছে, এর আগে গত ১৫ মে এবং ১২ জুনও একই বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়ে উপাচার্যকে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার ফের সেই দাবি জানানো হল।বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, যেদিন বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ প্রশাসন এবং নিয়ন্ত্রণ সংশোধনী বিল, ২০২৬ পেশ হয়েছে, সেদিনই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ নিয়ে নতুন করে তদন্তের দাবি সামনে এল। সংগঠনের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক নিয়োগের বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।এরই মধ্যে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি নিয়েও বৃহস্পতিবার প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সংগঠনের সদস্যদের অতীত এবং বর্তমান ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি জানান, তাঁদের সমস্ত ইতিহাস বের করা হবে। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরই যাদবপুরের নিয়োগ নিয়ে তদন্তের দাবিতে উপাচার্যের কাছে চিঠি যাওয়ায় রাজনৈতিক ও শিক্ষামহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।এখন উপাচার্য এই চিঠির পর কী পদক্ষেপ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখতে কোনও তদন্ত হয় কি না এবং হলে কোন সংস্থাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, সেদিকেই নজর থাকবে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২৬
রাজ্য

বিশ্বকর্মা পুজো ঘিরে রণক্ষেত্র ইউআইটি, বর্ধমানের ইউআইটিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ক্লাস

বিশ্বকর্মা পুজোকে কেন্দ্র করে দুই ছাত্রগোষ্ঠীর বিবাদ চরমে উঠল বর্ধমানের ইউআইটিতে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কলেজের সমস্ত ক্লাস বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ইউআইটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সুনীল কারফর্মার। একই সঙ্গে কলেজের ভিতরে থাকা দুটি ছাত্রাবাসও খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় অধ্যক্ষের ঘরে ঢুকে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে তিন নির্দিষ্ট ছাত্রের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন অধ্যক্ষ। ঘটনায় জখম ছাত্ররাও পৃথক অভিযোগ করেছেন। দুটি অভিযোগ একত্র করে তদন্ত শুরু করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কলেজ চত্বরে চলছে পুলিশি টহল।ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দাবি, ইউআইটিতে সরকারি ভাবে কোনও ছাত্র সংসদ নেই। তবে যে দুই পক্ষের মধ্যে এই সংঘাত, উভয় পক্ষই নিজেদের এবিভিপি-র সঙ্গে যুক্ত বলে কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে। বিশ্বকর্মা পুজো আয়োজনের জন্য দুই পক্ষই পৃথক ভাবে আবেদন করেছিল। কলেজ কর্তৃপক্ষ দুটি আবেদনই মঞ্জুর করে।অধ্যক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, বুধবার সন্ধ্যায় এক পক্ষ তাঁকে ঘেরাও করে দাবি করে, তাদের পুজোটিই একমাত্র পুজো হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। বিষয়টি নিয়ে চাপ সৃষ্টি করা হলে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশকে খবর দেন। কিন্তু পুলিশ আসার আগেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কলেজ চত্বরে দুই গোষ্ঠীর শতাধিক করে সদস্য মুখোমুখি হয়ে পড়েন। পরিস্থিতি সামাল দেওয়া নিরাপত্তারক্ষীদের পক্ষে সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন অধ্যক্ষ।এরপরই অধ্যক্ষের ঘরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং আক্রান্ত ছাত্রদের দাবি, দুই পক্ষের সঙ্গেই এবিভিপির যোগ রয়েছে এবং তাঁদের মধ্যে কয়েকজন সংগঠনের সাংগঠনিক পদেও রয়েছেন। অভিযোগ, বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে পিস্তল, বাঁশ ও লাঠি হাতে হামলা চালানো হয়। অধ্যক্ষের ঘরের পিছনের দরজা ভেঙে ঢোকারও অভিযোগ উঠেছে। আক্রান্তদের দাবি, পিস্তলের বাঁট এবং পেরেক লাগানো লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। পরিস্থিতির চাপে কয়েকজন শৌচাগারের ভিতর আশ্রয় নেন বলেও দাবি করা হয়েছে।অন্যদিকে, আক্রান্ত ছাত্রদের একাংশের দাবি, সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের তরফে বিশ্বকর্মা পুজোর আয়োজন করতে চাওয়া হলেও তাঁদের পুজো স্থগিত রাখতে বলা হয়েছিল। সেই বিষয়টি জানতে তাঁরা অধ্যক্ষের কাছে গিয়েছিলেন। তাঁদের দাবি, সেই সময় সপ্তম সিমেস্টারের এক সক্রিয় এবিভিপি সদস্য অধ্যক্ষের ঘরে ঢুকে তাঁকে মারধরের অভিযোগ করেন। তবে মারধরের কোনও চিহ্ন দেখাতে না পারায় অধ্যক্ষ তাঁর অভিযোগকে গুরুত্ব দেননি বলে দাবি আক্রান্তদের।যদিও গোটা ঘটনায় এবিভিপির যোগ অস্বীকার করেছেন সংগঠনের বর্ধমান মহানগরের সম্পাদক সুশোভন চৌধুরী। তাঁর দাবি, ইউআইটিতে এবিভিপির কোনও সংগঠনই নেই। যে প্যাড ব্যবহার করে পুজোর অনুমতি চাওয়া হয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, তার সঙ্গেও এবিভিপির কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর কথায়, প্যাড যে কেউ বানাতে পারে। ওই প্যাড আদৌ এবিভিপির অনুমোদিত কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন বলেও দাবি করেছেন তিনি।ঘটনার জেরে ইউআইটির পঠনপাঠন আপাতত বন্ধ। কলেজ চত্বরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
কলকাতা

২৬ হাজার চাকরির ভবিষ্যৎ কি ফের অন্ধকারে? ডেডলাইনের আগেই বড় সিদ্ধান্ত স্কুল সার্ভিস কমিশনের

২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিলের পর নতুন করে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। কিন্তু সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই সেই প্রক্রিয়ায় ফের বড় জট তৈরি হয়েছে। স্কুল সার্ভিস কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩১ অগস্টের মধ্যে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।দুর্নীতি ও বেনিয়মের অভিযোগের জেরে আদালতের নির্দেশে ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরি বাতিল হয়েছিল। এরপর শূন্যপদগুলিতে নতুন করে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়। সুপ্রিম কোর্ট সেই প্রক্রিয়া ৩১ অগস্টের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল। সেই সময় পর্যন্ত চাকরিহারাদের বেতন দেওয়ার নির্দেশও ছিল।এর মধ্যেই নিয়োগের ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া থমকে গিয়েছে। চাকরিহারা শিক্ষক চিন্ময় মণ্ডলের দাবি, নবম-দশম শ্রেণির নিয়োগের ভেরিফিকেশন চলছিল। পাশাপাশি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগের কাউন্সেলিংও চলছিল। কিন্তু সম্প্রতি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ওই প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।কেন ভেরিফিকেশন বন্ধ করা হল, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। জানা গিয়েছে, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির সংরক্ষণ সংক্রান্ত নতুন নিয়ম কার্যকর করার বিষয়টি নিয়েই এই মুহূর্তে জটিলতা তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকারের নতুন সংরক্ষণ বিধি কী ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কার্যকর করা হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে পরামর্শ করছে কমিশন।মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে স্কুল সার্ভিস কমিশন স্পষ্ট করে দিয়েছে, ৩১ অগস্টের মধ্যে ২৬ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্টের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যেই নিয়োগ সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা থাকছে না।কমিশনের চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের কাছে আরও সময় চাওয়া হবে। কতদিন সময় চাওয়া হবে, তা নিয়ে আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সংরক্ষণ নীতি কী ভাবে কার্যকর করা হবে, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।নতুন করে নিয়োগের জন্য যাঁরা সুপারিশপত্র পেয়েছেন, তাঁদের নিয়োগ নিয়েও এখন সংশয় তৈরি হয়েছে। ভেরিফিকেশন এবং কাউন্সেলিং থেমে যাওয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, তা স্পষ্ট নয়।ফলে একদিকে আদালতের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা, অন্যদিকে সংরক্ষণ নীতি নিয়ে প্রশাসনিক ও আইনি জটদুইয়ের মাঝে আটকে রয়েছে ২৬ হাজার নিয়োগের ভবিষ্যৎ। এখন সুপ্রিম কোর্ট কমিশনকে অতিরিক্ত সময় দেয় কি না, সেই সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

শিক্ষক নিয়োগে আর ফিরছে না পুরনো নিয়ম! আদালতে এসএসসির বক্তব্যে জোর চর্চা

শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান জানাল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কলকাতা হাই কোর্টে এসএলএসটি নিয়োগ মামলার শুনানিতে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, ভবিষ্যতের নিয়োগ ২০২৫ সালের নতুন নিয়ম মেনেই হবে। আগামী ২১ আগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে রাজ্যের পক্ষে সিনিয়র স্ট্যান্ডিং কাউন্সেল নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে জানান, নিয়োগে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের অবস্থান একেবারেই কঠোর। তাই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও অনিয়মের সুযোগ থাকবে না। সেই কারণেই দ্বিতীয় এসএলএসটি নিয়োগ ২০২৫ সালের নতুন বিধি অনুসারে করা হবে।এর আগে ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগের সম্পূর্ণ প্যানেল আদালতের নির্দেশে বাতিল হয়েছিল। এরপর নতুন করে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলাকারীদের দাবি ছিল, যেহেতু বিজ্ঞপ্তি ২০১৬ সালের, তাই সেই সময়ের নিয়ম মেনেই নিয়োগ হওয়া উচিত। তবে সরকার ও এসএসসি আদালতে জানায়, নতুন নিয়োগ বর্তমান নিয়ম অনুসারেই হবে।শুনানিতে সংরক্ষণ নিয়েও আলোচনা হয়। আগে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য ১৭ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল। পরে নতুন নিয়মে তা ৭ শতাংশ করা হয়েছে। আদালত জানায়, বর্তমান সংরক্ষণ নীতিও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মানতে হবে। একই সঙ্গে রাজ্য সরকার ও এসএসসিকে সমন্বয় করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার পরামর্শ দিয়েছে আদালত।এখন নজর আগামী ২১ আগস্টের শুনানির দিকে। ওই দিন আদালতে এই মামলার পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
রাজ্য

সাড়ে ১০ ঘণ্টা জেরার পর ইডির জালে সুজিত বসু, রাতে গ্রেফতার সদ্য-পরাজিত তৃণমূল নেতা

অবশেষে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর ইডির জালে ধরা পড়লেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুজিত বসু। সোমবার সকালে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-এর দফতরে হাজিরা দেওয়ার প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা পর রাতে তাঁকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে দক্ষিণ দমদম পুরসভায় বেআইনিভাবে চাকরিপ্রাপকদের নাম সুপারিশ করার অভিযোগে তাঁকে তলব করা হয়েছিল। রাত সওয়া ৯টা নাগাদ বিধাননগর বিধানসভা কেন্দ্রের সদ্য-পরাজিত এই বিধায়ককে গ্রেফতার করা হয়।এর আগে গত ১ মে-ও ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন সুজিত। তবে ৪ মে ভোটের ফলপ্রকাশের পর এই প্রথম তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হন। সোমবার তাঁর সঙ্গে ছিলেন আইনজীবীও। পরে ইডি দফতরের বাইরে বেরিয়ে সুজিতের আইনজীবী জানান, তাঁর পুত্র সমুদ্র বসু এখনও দফতরের ভিতরেই রয়েছেন।বিধানসভা ভোটের আগে একাধিকবার সুজিতকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু ভোটের প্রচারে ব্যস্ততার কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়ান এবং বিষয়টি আদালতেও জানান। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে তিনি সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেন।এর আগেও সুজিতের বাড়ি, অফিস এবং তাঁদের মালিকানাধীন ধাবায় তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। শুধু তাই নয়, তাঁর পুত্র সমুদ্র বসু-সহ পরিবারের একাধিক সদস্যকেও ডেকে পাঠিয়ে বয়ান রেকর্ড করা হয়েছিল।বারবার তলবের মুখে সুজিতের দাবি ছিল, যে মামলায় তাঁকে ডাকা হচ্ছে, সেই মামলায় সিবিআই ইতিমধ্যেই চার্জশিট জমা দিয়েছে এবং সেখানে তাঁর নাম নেই। তবে শেষরক্ষা হল না। তদন্তকারী সংস্থার জাল এড়াতে পারলেন না তিনি।ইডি সূত্রের খবর, সোমবার রাতেই তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করানো হবে। এরপর তাঁকে হেফাজতে রাখা হবে। মঙ্গলবার সকালে প্রাক্তন দমকলমন্ত্রীকে আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাবে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

মে ১১, ২০২৬
কলকাতা

'দিদিমা' বলে ডেকে গলা কেটে খুন! শহরের বুকে ফের প্রবীণ নাগরিকদের ওপর হামলা

দক্ষিণ কলকাতার নেতাজিনগর এলাকায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় একা থাকা এক বৃদ্ধার উপর নৃশংস হামলা চালিয়ে বাড়িতে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে এক পরিচিত ফল বিক্রেতার বিরুদ্ধে। গুরুতর জখম অবস্থায় ওই বৃদ্ধাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তিনি অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন।পুলিশ জানিয়েছে, আক্রান্ত বৃদ্ধার নাম কৃষ্ণা রায়চৌধুরি। তাঁর বয়স ছিয়াত্তর বছর। তিনি একাই বাড়িতে থাকতেন। এলাকার পরিচিত ফল বিক্রেতা সুকুমার বৈদ্য প্রায়ই তাঁর বাড়িতে যেত। বৃদ্ধা তাঁর কাছ থেকে ফল কিনতেন এবং গাছের প্রতি শখ থাকায় সুকুমার মাঝে মধ্যে গাছও এনে দিত।এই পরিচয়ের সুযোগ নিয়েই অভিযুক্ত বাড়ির ভিতরে যাতায়াত শুরু করে। দিদিমা বলে ডাকত সে। কিন্তু তার নজর ছিল বৃদ্ধার সোনার গয়নার দিকে। গত শুক্রবার কাজের অছিলায় একটি ছুরি নিয়ে বাড়িতে ঢোকে সুকুমার। সেই সময় বৃদ্ধা রান্নাঘরে ব্যস্ত ছিলেন। হঠাৎ পিছন থেকে গলায় ছুরি চালায় সে। গুরুতর জখম হয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন বৃদ্ধা। এরপর তাঁর গয়না নিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত।প্রায় কুড়ি মিনিট পরে বাড়ির পরিচারিকা এসে দরজা খোলা দেখে সন্দেহ করেন। ভিতরে ঢুকে রক্তাক্ত অবস্থায় বৃদ্ধাকে পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করেন। প্রতিবেশীরা দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। প্রথমে সরকারি হাসপাতালে এবং পরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।ঘটনার খবর পেয়ে তদন্তে নামে নেতাজিনগর থানার পুলিশ এবং গোয়েন্দারা। আশেপাশের নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়। তবে ঘটনার পর থেকে তার মোবাইল বন্ধ ছিল।পুলিশ তার খোঁজে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায়। প্রথমে নিজের বাড়ি ছেড়ে সে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। পরে সেখান থেকেও পালিয়ে যায়। নামখানা, বকখালি ঘুরে শেষ পর্যন্ত বারুইপুরের সূর্যপুর এলাকায় পৌঁছয় সে।অবশেষে পুলিশ খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে তাকে গ্রেপ্তার করে। তার কাছ থেকে লুট করা সোনার গয়নাও উদ্ধার হয়েছে।এই ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং একা থাকা বয়স্কদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

মার্চ ১৮, ২০২৬
দেশ

ইউজিসির নতুন নিয়মে ব্রেক! ‘৭৫ বছর পরেও কি বিভাজনের পথে দেশ?’ প্রশ্ন সুপ্রিম কোর্টের

ইউজিসি বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চালু করা নতুন ইক্যুইটি রেগুলেশন-এ স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। এই নির্দেশিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ প্রশ্ন তোলে, স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও কি দেশ আবার জাতিগত বিভাজনের পথে ফিরছে।সম্প্রতি দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে ইউজিসির নতুন ইক্যুইটি রেগুলেশন কার্যকর করা হয়। কেন্দ্রের দাবি ছিল, এই নিয়মের উদ্দেশ্য হল উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সকলের জন্য সমান, নিরাপদ এবং সম্মানজনক পরিবেশ নিশ্চিত করা। তবে নতুন বিধিতে জাতিভিত্তিক বৈষম্যের সংজ্ঞা এমনভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যেখানে শুধুমাত্র তফসিলি জাতি, উপজাতি ও ওবিসি শ্রেণির বিরুদ্ধে হওয়া বৈষম্যকেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে সাধারণ শ্রেণির ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এই সংজ্ঞা প্রযোজ্য নয় বলে অভিযোগ ওঠে।নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একটি সুযোগ-সাম্য কেন্দ্র গঠন করার কথাও বলা হয়েছে। এই কেন্দ্রকে পুলিশ, জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হবে। এই বিধি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই দেশজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। বিশেষ করে সাধারণ শ্রেণিভুক্ত পড়ুয়াদের একাংশ এই নিয়মের বিরোধিতা করে সরব হন।এই বিতর্কের জেরেই বিষয়টি পৌঁছয় সুপ্রিম কোর্টে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির ডিভিশন বেঞ্চ ইউজিসির নতুন ইক্যুইটি রেগুলেশনে স্থগিতাদেশ দেয়। আদালত জানায়, আপাতত ২০১২ সালে চালু থাকা ইউজিসির আগের ইক্যুইটি রেগুলেশনই কার্যকর থাকবে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, এত বছর ধরে জাতিহীন সমাজ গড়ার যে চেষ্টা হয়েছে, এই নতুন নিয়মে তা নষ্ট হয়ে যেতে পারে।যদিও কেন্দ্রের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, এই বিধি কোনওভাবেই বিভাজনের জন্য নয়। বরং বৈষম্য দূর করাই এর মূল লক্ষ্য। নতুন প্রোমোশন অফ ইক্যুইটি ইন হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশন আইন, ২০২৬-এ ধর্ম, লিঙ্গ বা জাতির ভিত্তিতে সব ধরনের বৈষম্য রোধের কথাই বলা হয়েছে। ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০১৯-২০ সালে যেখানে ১৭৩টি অভিযোগ ছিল, সেখানে ২০২৩-২৪ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭৮। এই পরিস্থিতিতেই কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে বৈষম্য রুখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
স্বাস্থ্য

কোলকাতায় ডেঙ্গুর দেরিতে ঊর্ধ্বগতি, হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বাড়ছে!

কোলকাতায় মৌসুমের শেষের দিকে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা হঠাৎ বেড়ে গেছে, যার ফলে শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।সূত্রের খবর থেকে জানা যাচ্ছে যে, কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (KMC) এলাকায় গত তিন সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা ৯৩২ থেকে বেড়ে ১,১০৬ হয়েছে। বিধাননগর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (BMC) জানিয়েছে, বিধাননগরএলাকায় নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই ৩২টি নতুন কেস ধরা পড়েছে; চলতি বছরের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩৭।বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও ভর্তি বাড়ছে জানা গিয়েছে, পিয়ারলেস হাসপাতালে বর্তমানে ১১ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন।ম্যানিপাল হাসপাতাল (ঢাকুরিয়া) তে গত এক সপ্তাহে ৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, যার মধ্যে ২ জনের অবস্থা গুরুতর এবং তারা আইসিইউতে আছেন।কেন বাড়ছে সংক্রমণ?বিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমের শেষ দিকেও অবিরাম ও ছিটেফোঁটা বৃষ্টি মশার প্রজননের জন্য আদর্শ পরিবেশ তৈরি করছে। ফলে, সাধারণত অক্টোবরের শেষের দিকে যেখানেই সংক্রমণ কমে আসে, এ বছর সেটি নভেম্বরেও অব্যাহত রয়েছে।আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই সপ্তাহ ধরে শহরে গড়ে প্রতিদিন সামান্য বৃষ্টি হয়েছে, যা মশার প্রজননস্থল নষ্ট করতে বাধা দিচ্ছে।চিকিৎসকরা বলছেন, বেশিরভাগ ডেঙ্গু রোগী হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার জ্বরে আক্রান্ত হলেও, উপেক্ষা করলে তা গুরুতর হতে পারে।ডাঃ সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেনঃঅনেকেই জ্বরকে সাধারণ ভাইরাল জ্বর ভেবে অবহেলা করছেন। কিন্তু জ্বরের সঙ্গে শরীর ব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা বা র্যাশ দেখা দিলে দ্রুত রক্ত পরীক্ষা করানো উচিত।ডেঙ্গু থেকে বাঁচতে কি কি সতর্কতা অবলম্বন করবেন?১) KMC ও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর যৌথভাবে মশা দমন অভিযান শুরু করেছে। নাগরিকদের প্রতি তাদের আহ্বান ২) ঘর ও আশপাশে জমে থাকা জল ফেলে দিন,৩) জলের পাত্র সপ্তাহে অন্তত একবার পরিষ্কার করুন,৪) পুরো দেহ ঢাকা পোশাক পরুন,৫) এবং দিনের বেলায় মশার কামড় থেকে নিজেকে বাঁচান।স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে নজরদারি দল কাজ করছে এবং আক্রান্ত এলাকায় বিশেষ স্প্রে অভিযান চলছে বিশেষজ্ঞদের মতে, এখনই সাবধান না হলে শহরে ডেঙ্গুর প্রভাব আরও বাড়তে পারে। তাই সাধারণ মানুষকে সচেতনতা ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে কারণ ডেঙ্গুর কোনো নির্দিষ্ট ওষুধ নেই, তবে সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসাই একমাত্র কার্যকর প্রতিরোধ।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

'সতীদাহের নামে নারীদের যেমন চিতায় তুলত, আমরাও তেমনই অগ্নিপরীক্ষায়', কালো পোশাকে প্রতিবাদে পরীক্ষাকেন্দ্রে মেহবুবরা

কালো পোশাকে প্রতিবাদের ভাষা খুঁজে নিলেন চাকরিহারাদের একাংশ। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন প্রাক্তন শিক্ষক মেহবুব মণ্ডল। কালো পাঞ্জাবি পরে পরীক্ষাকেন্দ্রে হাজির হলেন তিনি। বারুইপুরের বাসিন্দা মেহবুবের পরীক্ষা পড়েছে সোনারপুর বিদ্যাপীঠ স্কুলে। সকালেই রওনা দিয়ে পৌঁছে যান কেন্দ্রে। ক্ষোভ চেপে রাখেননি, সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার সামনে সোজাসুজি উগরে দেন মনের কথা। তাঁর অভিযোগ, যেভাবে সতীদাহের নামে নারীদের জোর করে চিতায় ঠেলে দেওয়া হত, কিংবা গ্যালিলিওকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছিল, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ আর বিচার বিভাগের সহায়তায় আজ আমাদেরও ঠিক তেমনভাবেই আবার নতুন অগ্নিপরীক্ষায় ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এর ফল কী হবে, আমরা জানি না।সেই বহুল আলোচিত প্যানেলই এর কেন্দ্রে। রাতারাতি প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক চাকরি হারিয়েছিলেন। এরপর থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত হয়েছে অসংখ্য শুনানি, দরবার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চাকরি ফেরাতে না পেরে নতুন পরীক্ষাতেই বসতে হচ্ছে তাঁদের। এবার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী শিক্ষক নিয়োগ হবে ৩৫ হাজার ৭৫২ শূন্যপদে।দুই দফায় পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রথম ধাপ ৭ সেপ্টেম্বরযেখানে নবম-দশম শ্রেণির জন্য পরীক্ষা দেবে ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ প্রার্থী। দ্বিতীয় ধাপ ১৪ সেপ্টেম্বরএকাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য বসবেন আরও ২ লক্ষ ৪৬ হাজার চাকরিপ্রার্থী। ফলে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে প্রায় ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার। রাজ্যজুড়ে প্রথম দিনে ৬৩৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হবে, আর দ্বিতীয় দিনে ৪৭৮টি কেন্দ্রে বসবেন পরীক্ষার্থীরা।

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

'এসএসসি-র নয়া নিয়োগ পরীক্ষায় ফের দাগিদের সুযোগ', বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

নয় বছর পর আবারও হতে চলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষার আগেই উঠছে একাধিক প্রশ্নআসন্ন পরীক্ষা কি সত্যিই হবে নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ? আর কি দেখা যাবে না অনিয়ম, কারও চোখের জল? প্রায় ৬ লক্ষ প্রার্থীর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে এই পরীক্ষার ওপর। তবু রাজনৈতিক মহলে সংশয় কাটছে না।এই পরিস্থিতিতেই আসানসোলে গিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, এখনও ১৫২ জন দাগি প্রার্থীকে অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাঁরা পরীক্ষায় অংশ নেবেন। যদিও তাঁদের নাম প্রকাশ্যে আনা হয়নি। শুভেন্দুর কথায়, ১৯৫৮ জন দাগি শিক্ষক-শিক্ষিকার মধ্যে ১৮০৬ জনের নাম প্রকাশ করেছে কমিশন। কিন্তু ১৫২ জনকে বাদ রাখা হয়েছে না, বরং তাঁদের পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এ এক প্রহসনের পরীক্ষা। প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, টাকা নিয়ে কেন্দ্র ঠিক হয়েছে, তৃণমূল নেতারা পুলিশের সহযোগিতায় গোটা প্রক্রিয়াকে ভণ্ডুল করছে। এর ফল কিছুই হবে না, হবে কেবল অশ্বডিম্ব।অন্যদিকে, পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে শনিবার সাংবাদিক বৈঠক করেন এসএসসি চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার। তিনি জানান, এবারের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা মোট ৫ লক্ষ ৬৫ হাজার। এর মধ্যে ৭ সেপ্টেম্বর নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বসবেন ৩ লক্ষ ১৯ হাজার ৯১৯ জন প্রার্থী। আর ১৪ সেপ্টেম্বর একাদশ-দ্বাদশের জন্য বসবেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার জন। প্রথম দিনে গোটা রাজ্যে থাকছে ৬৩৬টি পরীক্ষা কেন্দ্র, দ্বিতীয় দিনে ৪৭৮টি কেন্দ্র।অর্থাৎ, দীর্ঘ বিরতির পর শুরু হতে চলা শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে প্রশাসন আশাবাদী হলেও বিরোধীরা মনে করছে এর মধ্যেও লুকিয়ে আছে অনিয়মের ছাপ

সেপ্টেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সুখবর! সরকারি স্কুলে হাজার-হাজার শূন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি

পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশন (WBSSC) ১ম State Level Selection Test (SLST) 2025এই মাধ্যমে সরকারি-অনুদানপ্রাপ্ত বিদ্যালয়ে নন-টিচিং স্টাফ বা শিক্ষাকর্মী নিয়োগ শুরু হচ্ছে। গতকাল ২৯ আগস্ট ২০২৫ তারিখে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে মোট ৮,৪৭৭টি শূন্যপদ ঘোষণা করা হয়েছে, যার মধ্যে: Group C (ক্লার্ক)-এর ২,৯৮৯টি শূন্যপদ রয়েছে এবং Group D (নন-টিচিং স্টাফ)-এর ৫,৪৮৮টি শূন্যপদ রয়েছে।এই নিয়োগ প্রক্রিয়াটি সুপ্রিম কোর্ট-এর ৩ এপ্রিল ২০২৫-এর আদেশ অনুযায়ী জারি হয়েছে এবং WBSSC-এর ২০২৫ নিয়মাবলীর অধীনে এই গোটা প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে।এই প্রায় সাড়ে ৮ হাজার শূন্যপদে অনলাইন আবেদন শুরু হবে আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫, বিকাল ৫টা থেকে।আবেদনের শেষ তারিখ, আগামী ৩১ অক্টোবর ২০২৫, বিকাল ৫টা পর্যন্ত। ফি জমার শেষ সময়, ৩১ অক্টোবর ২০২৫ রাত ১১:৫৯ পর্যন্ত। বিশদ বিজ্ঞপ্তি এবং আবেদন পদ্ধতি সংক্রান্ত তথ্য ৩১ আগস্ট ২০২৫ থেকে WBSSC-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.westbengalssc.com) পাওয়া যাবে।

আগস্ট ৩০, ২০২৫
রাজ্য

নির্ধারিত দিনেই SSC-এর পরীক্ষা, দাগিরা সুযোগ পেলে 'ফল' ভুগবে রাজ্য, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

বেআইনি নিয়োগ-কেলেঙ্কারির কারণে দাগি (অযোগ্য) প্রার্থীরা স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) আসন্ন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করার স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। পাশাপাশি, নিয়োগ পরীক্ষার নির্ধারিত দিন ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর বজায় রেখে পরীক্ষা বাধা ছাড়াই সম্পন্ন করতে সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, এক জন দাগি অযোগ্য প্রার্থীও যেন পরীক্ষায় বসতে না পারে তা নিশ্চিত করা SSC কর্তৃপক্ষের প্রধান দায়িত্ব ।SSC-এর আইনজীবী জানিয়েছিলেন, প্রায় ১,৯০০ জন প্রার্থী দাগি বা অযোগ্য হিসেবে অর্ন্তভুক্ত ।সুপ্রিম কোর্ট SSC-কে এক সপ্তাহের মধ্যে (৭ দিনের মধ্যে) অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করার নির্দেশ দেয়; তা না হলে SSC-কে ফল ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেয়।কলকাতা হাইকোর্ট আগেই দাগি প্রার্থীদের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন, যা upheld হয় ডিভিশন বেঞ্চের মাধ্যমে ।একই সঙ্গে এদিন আদালত জানিয়েছে, অযোগ্যদের পুনরায় সুযোগ দেওয়ার SSC ও রাজ্য সরকারের যুক্তিও দ্বিগুণ শাস্তির সমতুল্য হবে। আদালত ত আরো জানিয়েছে, সমাজে প্রতারণার জন্য কোন স্থান নেই।স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার তারিখ ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর। অন্যদিকে, এসএসসির আইনজীবী এদিন জানিয়েছেন দাগী প্রার্থীর সংখ্যা প্রায় ১,৯০০ জন।SSC-কে সেই নামের তালিকা প্রকাশ করতে নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।বিধি লঙ্ঘনের ফল SSC-কে ভোগ করতে হবে বলেও এদিন স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের এই বক্তব্যের পর এসএসসি-র তরফে আইনজীবী জানিয়েছেন, সম্ভব হলে আগামীকাল অর্থাৎ শনিবারই দাগিদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশে স্পষ্ট যে, নিয়োগে স্বচ্ছতা ও ন্যায়পরায়ণতা নিশ্চিত করতে দাগি প্রার্থীরা কোনোভাবেই পরীক্ষায় বসতে পারবে না, এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া সময়মতো, আইনগত ও নৈতিক মানদণ্ড অনুসারে সম্পন্ন করতে হবে।

আগস্ট ২৯, ২০২৫
রাজ্য

এসএসসির ২৬হাজার শিক্ষকের রিভিউ পিটিশন, বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের

২৬ হাজার চাকরি বাতিল মামলায় ফের বড় ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্টে রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানিয়ে ছিল রাজ্য সরকার, স্কুল সার্ভিস কমিশন, চাকরিহারাদের একাংশ-সহ নানা পক্ষ। সেই মামলার শুনানি শেষ হয় গত ৫ অগস্ট। দুই বিচারপতির বেঞ্চ এ বার জানিয়ে দিল, পুনর্বিবেচনার আর্জির আদালতে শুনানির দরকার নেই। পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করে দিলেন বিচারপতিরা। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় দুর্নীতি এবং একাধিক অনিয়মের অভিযোগে গত ৩ এপ্রিল এসএসসির প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি বাতিল করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খন্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চ অনিয়মের অভিযোগে ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিল করে দেয়। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল, সঠিক তথ্য না থাকায় যোগ্য এবং অযোগ্যদের আলাদা করা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে পুরো প্যানেল বাতিল করা হল। নতুন করে নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয় এসএসসিকে। দাগি বা চিহ্নিত অযোগ্যদের বেতন ফেরত দেওয়ার নির্দেশও দেয় আদালত। পরবর্তীতে এসএসসি এবং রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টে পুনর্বিবেচনার আর্জি জানায়। আবেদন জানায় চাকরিহারাদের একাংশও। কিন্তু রিভিউ পিটিশন বাতিল হওয়ায় চাকরি ফিরে পাওয়ার তেমন কোনও সম্ভাবনা থাকল না বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। ইতিমধ্যে চাকরি ফিরে পাওয়ার দাবিতে কলকাতার রাস্তায় বহু আন্দোলন সংগঠিত করেছে যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষকরা।

আগস্ট ১৯, ২০২৫
রাজ্য

বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য মন্ত্রিসভার, সাময়িক সুরাহা, চাকরিহারা শিক্ষা কর্মীদের জন্য মাসিক ভাতা ঘোষণা মমতার

পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্প্রতি একটি নতুন ভাতা প্রকল্প চালু করেছে, যার মাধ্যমে চাকরি হারানো গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি শিক্ষাকর্মীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এই সিদ্ধান্তটি ২০২৫ সালের ১৪ মে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত হয়েছে।এই প্রকল্পের নাম ওয়েস্ট বেঙ্গল লাইভলিহুড এন্ড সোশ্যাল সিকিউরিটি ইন্টেরিম স্কিম (West Bengal Livelihood and Social Security Interim Scheme),ভাতা পরিমাণ:গ্রুপ সি কর্মীদের জন্য মাসিক ₹২৫,০০০, গ্রুপ ডি কর্মীদের জন্য মাসিক ₹২০,০০০, এই স্কিম কার্যকরের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২৫ থেকে এবং এই প্রকল্পের তত্ত্বাবধান করবে রাজ্য শ্রম দফতরের।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুধবার সাংবাদিক সন্মেলনে জানিয়েছেন এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরি হারানো ২৫,৭৫২ জন স্কুল কর্মচারীর আর্থিক দুর্দশা লাঘব করা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, এই ভাতা প্রদান চলবে যতদিন না পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা রিভিউ পিটিশনের নিষ্পত্তি হয়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই উদ্যোগটি মানবিকতার দিক বিবেচনা করে নেওয়া হয়েছে, যাতে চাকরি হারানো কর্মীরা তাদের পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতে পারেন।যদিও অনেক কর্মী এই ভাতা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন, তবুও তাদের মূল দাবি চাকরিতে পুনর্বহাল হওয়া। একজন প্রাক্তন কর্মী কৌশিক রঞ্জন মণ্ডল বলেন, ভাতা সমাধান নয়। আমি মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপের প্রশংসা করি, তবে আমরা চাই আমাদের চাকরি ফিরে আসুক।তৃণমূল কর্মী সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবী করা হচ্ছে যে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্য সরকার প্রমাণ করেছে যে তারা চাকরি হারানো কর্মীদের পাশে রয়েছে এবং তাদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মে ১৫, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের বর্বরোচিত র‌্যাগিং, ২ অভিযুক্তর পুলিসি হেফাজত

বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ ইউনিভার্সিটি ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি-তে (UIT) র্যাগিংয়ের অভিযোগে দুই ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইউনিভার্সিটি ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি-র দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র অনিরুদ্ধ শর্মা এবং তাঁর রুমমেটদের উপর তৃতীয় ও চতুর্থ বর্ষের কয়েকজন ছাত্র শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান বলে অভিযোগ। রবিবার ভোররাতে অনিরুদ্ধকে লোহার রড ও লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়, যার ফলে তাঁর হাত ও ঘাড়ে গুরুতর চোট লাগে। তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আরও কয়েকজন ছাত্র জখম হন। এই ঘটনার পর অনিরুদ্ধ বর্ধমান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ পীযূষ কুমার এবং সৌরভ কুমার নামে দুই অভিযুক্ত ছাত্রকে গ্রেফতার করে। তাঁরা তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ স্বীকার করেছেন। তদন্তকারী অফিসার ৭ দিনের হেফাহত চাইলে আদালত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকেই ২ দিনের পুলিশি হেফাজতের অনুমতি দিয়েছেন। পুলিসের তদন্তকারী দল এই ঘটনার সাথে যুক্ত আরও অভিযুক্তদের খুঁজে বের করতে এবং অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার করতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, অনিরুদ্ধ জানিয়েছেন যে এই ঘটনায় প্রথম নয়, এর আগেও তাঁরা হোস্টেলে হেনস্থার শিকার হয়েছেন, কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনওরূপ ব্যবস্থা নেয়নি। এই ধরনের ঘটনায় কলেজ প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা র্যাগিংয়ে জড়িতদের উৎসাহিত করে।শহরের বিশিষ্ট শিক্ষক অনন্তদেব গুহ জনতার কথাকে জানান, শিক্ষাক্ষেত্রে র্যাগিং একটি গুরুতর অপরাধ, যা শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির উচিত আরও কঠোরভাবে এই ধরনের আচরণ দমন করা এবং নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা।

মে ১৩, ২০২৫
রাজ্য

এবার নিয়োগের দাবিতে বিরাট বিক্ষোভ টেট উত্তীর্ণদের, গাড়ি আটকালেন পর্ষদ সভাপতির

পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পালকে অফিসে ঢুকতে বাধা ২০২২ সালের টেট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের। পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি। বুধবার দুপুর থেকে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পরিষদের অফিসের সামনে ইন্টারভিউ এর দাবিতে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে 2022 উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীরা। রাস্তার উপরে বসে তারা তাদের বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। বিক্ষোভ চলাকালী প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল গাড়ি করে অফিসে আসেন। বিধান নগর পুলিশের পক্ষ থেকে থাকে সার্ভিস রোড দিয়ে যাবার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। গৌতম পালের গাড়ি যখন পশ্চিমবঙ্গ অফিসের সামনে এসে পৌঁছায়, তখন কয়েকজন আন্দোলনকারী তার গাড়ির সামনে এসে গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করে। পুলিশের পক্ষ থেকে তাদেরকে দ্রুত সরিয়ে দেওয়া হয় এবং সভাপতি গৌতম পালকে প্রাথমিক শিক্ষা পরিষদের অফিসে প্রবেশ করার সুযোগ করে দেওয়া হয়। পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি আন্দোলনকারীদের। এক মহিলা আন্দোলনকারীর দাবি তাকে সরিয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন মহিলা পুলিশ এগিয়ে আসেনি।

এপ্রিল ২৪, ২০২৫
কলকাতা

হাড়হিম ঘটনা কলকাতার কুমোরটুলি ঘাটে! ট্রলি ব্যাগে মৃতদেহ, পাকড়াও দুই মহিলা

একের পর এক হাড়হিম ঘটনা। মঙ্গলবার এমনই এক ঘটনার সাক্ষী থাকলো কলকাতার কুমোরটুলি। দুই মহিলা একটি ট্রলিব্যাগে মুণ্ডহীন দেহ নিয়ে গঙ্গায় ফেলার চেষ্টা করেন। সেই সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, তাঁরা হাতেনাতে পাকড়াও করেন ট্রলি ব্যাগ সমেত দুই মহিলাকে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়রা পুলিশের খবর দেয়, দুই মহিলাকে আটক করে পুলিশ। ধৃতরা প্রথমে দাবি করেছিল দেহটি কুকুরের। যদিও এলাকাবাসীদের অভিযোগ, ট্রলিব্যাগে যে দেহ পাওয়া গিয়েছে সেটি একজন মহিলার। কিন্তু প্রশ্ন ওঠে ওই ব্যাগে কার দেহ ছিল? ব্যাগ খুলতেই আঁতকে ওঠেন পুলিশ ও স্থানীয়রা। ঘটনার তদন্ত শুরু করতেই এবার খুন হওয়া মহিলার পরিচয় জানতে পারে পুলিশ। মৃতের নাম সুমিতা ঘোষ। অন্যদিকে যে দুই মহিলাকে আটক করা হয়েছে তাদের নাম ফাল্গুনী ঘোষ এবং আরতি ঘোষ। মৃত সুমিতা ঘোষ অভিযুক্ত ফাল্গুনী ঘোষের সম্প্রকে পিসি শাশুড়ি। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকাল ৭টা নাগাদ ট্যাক্সি করে গঙ্গার ঘাটে আসেন মাস্ক পরা দুই মহিলা। ভারী ব্যাগ টেনে ঘাটে আনতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। মহিলারা দাবি করেন, ব্যাগে পোষ্য কুকুরের মৃতদেহ রয়েছে। খবর যায় উত্তর বন্দর থানায়। পুলিশ এসে ট্রলিব্যাগ খুলতেই ভিতরে মেলে পচাগলা রক্তাক্ত দেহ।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পেরেছে, ফাল্গুনি-সুমিতাদের বাড়ি মধ্যমগ্রামে। গতকাল রাতে মা-মেয়ের সঙ্গে পিসি শাশুড়ির বিবাদ হয়। তার জেরে ভারী কিছু দিয়ে পিসি শাশুড়ির মাথায় আঘাতের জেরেই মৃত্যু বলে মনে করা হচ্ছে। জেরায় মা-মেয়ে জানিয়েছেন, ট্রলিব্যাগে দেহ পুরে তাঁরা মধ্যমগ্রাম স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠেন। এরপর কুমোরটুলি ঘাটে এনে ব্যাগ সমেত দেহ গঙ্গায় ফেলার ছক ছিল। তবে স্থানীয়দের দাবি, ওই মহিলাদের কাছে মিলেছে শিয়ালদা-হাসনাবাদ শাখার কাজিপাড়া স্টেশনের টিকিট। বারাসাতের কাছে কাজিপাড়া থেকেই কি এসেছিলেন মহিলারা?

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৫
শিক্ষা

SC-2016 নিয়োগ, যোগ্যদের চাকরি বহাল রাখতে, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষের দাবি

সল্টলেকের আচার্য সদনে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার এর কাছে ডেপুটেশন জমা দেন।(১) যোগ্য অযোগ্য প্রার্থীদের পৃথকীকরণ (সেগ্রিগেশন) এবং যোগ্যদের চাকরি বাঁচানোর জন্য স্কুল সার্ভিস কমিশন কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, তা অবিলম্বে প্রকাশ করতে হবে।(২) আগামী ১৬ই জুলাই, ২০২৪ তারিখ স্কুল সার্ভিস কমিশনকে মাইগ্রেশন লিস্ট মহামান্য সুপ্রিমকোর্টে জমা দিতে হবে।(৩) মহামান্য সুপ্রিমকোর্টর নির্দেশ অনুযায়ী, ইতিমধ্যে চিহ্নিত অযোগ্যদের থেকে যে মুচলেকা নেওয়ার কথা ছিল তা এখনো পর্যন্ত কেনো কার্যকর হলো না?অতিদ্রুত উক্ত নির্দেশ কার্যকর করতে হবে।(৪) যে সকল পোস্টের (বিশেষত: XI-XII) শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীনের OMR এখনও পর্যন্ত প্রকাশ হয়নি, অভিদ্রুত তা প্রকাশ করতে হবে।(৫) সকল যোগ্য ও বৈধ নিয়োগপ্রাপ্তদের চাকরি সুনিশ্চিত করতে কমিশনের পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট বার্তা সহ লিস্ট প্রকাশ করতে হবে।(৬) যোগ্য ও বৈধ টিচারদের মধ্যে কতজন ইন-সার্ভিস (IN-SERVICE) টিচার ২০১৬ পরীক্ষা প্রক্রিয়ায় নিযুক্ত হযেছেন ও স্কুল শিক্ষা দপ্তরের নিয়মানুযায়ী কন্টিনিউশপন (Continuation) পেয়েছেন তাদের নাম ও পোস্ট সহ সুস্পষ্ট লিস্ট প্রকাশ করতে হবে। এইরকম বহু সংখ্যক শিক্ষক- শিক্ষিকা সুপ্রিম কোর্টে SLP ও করেছেন।(৭) কর্মরত বহু সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী এমন আছেন যারা রেকমেন্ডেশন ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে স্কুলে গিয়ে দেখেন সেখানে ভ্যাকেন্সি প্রবলেম রয়েদে ও যোগ দিতে পারেন না। পুনরায় আবেদন করেন এবং নতুন রেকমেন্ডেশন ও অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার নিয়ে নতুন স্কুলে যোগদান করেন। এই সমস্যার জন্য স্কুলে যোগদানের ক্ষেত্রে কিছুটা দেরি হয়েছে। এবিষয়ে অতিরিক্ত এপয়েন্টমেন্ট সংক্রান্ত বিষয়ে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের তথ্য সহ স্কুল সার্ভিস কমিশনকে সুনির্দিষ্ট রিপোর্ট দিতে হবে।(৮) Rank জাম্প, ফাঁকা OMR, প্যানেল উত্তীর্ণ, প্যানেল বর্হিভূত, CBI লিস্টে নাম থাকা যে সকল অবৈধ ও অযোগ্য কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের লিস্ট অবিলম্বে প্রকাশ করে তাদের চাকরি বাতিল করে সেই স্নানে যথাযথ ও স্বচ্ছভাবে নিয়োগ করতে হবে।(৯) সিবিআই রিপোর্ট, বাগ কমিটি রিপোর্ট ও SSC রিপোর্ট অনুযায়ী Rank Jumping, Out of Panel, OMR Manipulation, Excess Appointment এর ক্ষেত্রে কোথাও যাদের নাম নেই সেই List প্রকাশ করা হোক।(১০) যোগ্য শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের মেডিকেল টেস্ট ও VR মাধ্যমে Service Confirmation প্রক্রিয়া নিয়ে কোন Adverse Report নেই। এই বিষয়টিকে সুপ্রিম কোর্টে তুলে ধরতে হবে। সর্বপরি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এই ভয়ংকর দুর্নীতি যা পশ্চিমবঙ্গের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে তার সাথে যুক্তসকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের পদক্ষেপ নিতে হবে।

জুলাই ০৫, ২০২৪
রাজ্য

সাগর পেরিয়ে হিম-সাগর! দুবাই, ইংল্যান্ডে বসেই মালদার হিমসাগরের স্বাদ

বিদেশে রপ্তানি করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে মালদার আম। এই বছর হিমসাগর প্রজাতির আম বিদেশে পাঠানো হচ্ছে। ইতিমধ্যে আম পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। গতদুই বছর আগে মালদহের আম বিদেশে রফতানি হয়েছিল। বিভিন্ন কারণে গতবছর মালদহের আম বিদেশে পাঠানো সম্ভব হয়নি। এই বছর মালদহের আম বিদেশে পাঠাতে প্রথম থেকে উদ্যোগ নিয়েছেন বেশ কিছু রফতানিকারক। তাঁদের প্রচেষ্টাতেই মালদহের আমের গুনগত মান যাচাই করে ভাল আম বিদেশে পাঠাতে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে হিমসাগর আমকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। সমস্ত কিছু ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহে মালদহের হিমসাগর বিদেশে পাড়ি দিবে।উদ্যান পালন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মরশুমে মালদহে আমের ফলন অনেকটাই কম হয়েছে। আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনার জন্য এবার আমের ফলনে ঘাটতি দেখা দিয়েছে এমনটাই দাবি উদ্যান পালন দফতরের। স্থানীয় বাজারে আমের দাম এবার চড়া। তারপরেও বেশ কিছু রফতানিকারক সংস্থা এবছর মালদহের আম বিদেশে পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। ওয়েস্ট বেঙ্গল এক্সপোর্টার কো-অর্ডিনেশন কমিটির সম্পাদক উজ্জ্বল সাহা বলেন, দুবাই ও ইউকেতে প্রথম পর্যায়ে আম পাঠানো হবে। এই দুটি দেশে প্রথমে ১৩০০ কেজি আম পাঠানো হবে। সমস্ত আম হিমসাগর প্রজাতির। প্রথম পর্যায়ের আম দুটি দেশে ভাল বিক্রি হলে আগামীতে ধাপে ধাপে আরও আম পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যে বিদেশে আম রফতানির সমস্ত রকম প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। বেছে বেছে জেলার যে সমস্ত বাগানে ভাল মানের আম রয়েছে সেগুলি পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সমস্ত কিছু ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই প্রথম পর্যায়ের আম বিদেশে পাড়ি দিবে।

জুন ২৮, ২০২৪
রাজ্য

আদৌ কি বন্ধ হচ্ছে ব্রিটানিয়ার তারাতলা ইউনিট, অমিত মিত্রকে ফোন করে কি জানালেন সংস্থার কর্তা?

ব্রিটানিয়া হল বাংলার আবেগ। ব্রিটানিয়ার কলকাতার কারখানা বন্ধের খবরে গোটা বাঙালি সমাজ যেন অতীত রোমন্থন করতে শুরু করে দিয়েছে। এদিকে মঙ্গলবার ব্রিটানিয়া কোম্পানির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ড বরুণ বেরি মুখ্যমন্ত্রীর আর্থিক উপদেষ্টা অমিত মিত্রকে ফোন করেছেন। তারপরেই সেই ফোনালাপ নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেছেন রাজ্যের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। কলকাতার তারাতলায় প্রায় ১০০ বছরের পুরনো ব্রিটানিয়া বিস্কুট কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর নিয়ে গতকাল রাজ্যজুড়ে তোলপাড় হয়েছে। বাংলার আরেক আবেগের নাম ব্রিটানিয়া বিস্কুট। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন আমিত মিত্র, ব্রিটানিয়া কোম্পানি এ রাজ্য থেকে অন্যত্র সরে যাচ্ছে না বা বন্ধও হচ্ছে না। অমিত মিত্র বলেন, বরুন বেরি আমাকে জানিয়েছেন, ভারতবর্ষের মধ্যে এরাজ্যে ব্রিটানিয়ার সবচেয়ে বড় বাজার। শুধু তাই নয় মিস্টার বেরি বলেছেন,পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে ব্রিটানিয়া কোম্পানি ওতোপ্রোতভাবে জড়িত। দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। তাই ব্রিটানিয়া কোম্পানির ফুল টিম পশ্চিমবঙ্গে এসে সরকারের সঙ্গে এবিষয়ে আলোচনায় বসবেন।অমিত মিত্র আরও বলেন, এ রাজ্যে ব্রিটানিয়া কোম্পানি ১০০০ থেকে ১২০০ কোটি টাকার প্রোডাকশন করে। ভারতের মধ্যে সব থেকে বড় মার্কেট ওদের এরাজ্যে। ব্রিটানিয়া কোম্পানির ভারতের মধ্যে রেজিস্টার্ড অফিস এই পশ্চিম বাংলাতেই রয়েছে। শেয়ার হোল্ডারদের বৈঠকও এই বাংলাতেই হয়। অমিত মিত্র জানিয়েছেন, ব্রিটানিয়া কোম্পানি মুম্বই ও চেন্নাইয়ের প্ল্যান্ট এর আগেই বন্ধ করে দিয়েছে। ১৯৪৭ সালে তারাতলায় এই কোম্পানিটি গড়ে উঠেছিল। করোনাকালের আগে ব্রিটানিয়া কোম্পানির কর্ণধাররা রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন আলোচনায় বসার জন্য। পরে করোনার কারণে তা আর সম্ভব হয়নি। তাই ব্রিটানিয়া কোম্পানির আরও গুণগত মান বাড়ানোর জন্য ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে রাজ্যের সঙ্গে আবার আলোচনায় বসতে চলেছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আর্থিক উপদেষ্টা অমিত মিত্র। অভিজ্ঞ মহলের মতে, করোনা কালের মিটিং এখনও সম্ভব হয়নি। এদিকে ব্রিটানিয়ার তারাতলা ইউনিটের কর্মীদের ভিআরএস দিতে চলেছে সংস্থা। তবে তারাতলা ইউনিটের কারখানা থাকবে না স্টক পয়েন্ট করবে তা এখন নিশ্চিত করে জানায়নি সংস্থা। তবে এই বন্ধের খবর উত্তাল হয়েছে বাংলা। এখনও ২৪ বছরের লিজচুক্ত রয়েছে বন্দরের সঙ্গে। পার্মানেন্ট কর্মীদের সরিয়ে চুক্তি ভিত্তিক কর্মীদের কাজ করাতে বলে মনে করছে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা।

জুন ২৫, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বাংলার কোচ থেকে ঋষভদের ব্যাটিং গুরু! ইরানি কাপে বড় দায়িত্বে লক্ষ্মীরতন শুক্ল

শ্রীনগরে জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট ভারতের ম্যাচে ব্যাটিং কোচের ভূমিকায় বাংলার কোচ | অধিনায়ক ঋষভ পন্থ, দলে সুদীপ ঘরামি-আকাশদীপ-মুকেশ কুমারবর্ধমান: বাংলার ক্রিকেটে কোচ হিসেবে সাফল্যের পর এবার আরও বড় মঞ্চে দায়িত্ব পেতে চলেছেন লক্ষ্মীরতন শুক্ল। আসন্ন ইরানি কাপে অবশিষ্ট ভারত (Rest of India) দলের ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন বাংলার বর্তমান কোচ। অর্থাৎ, ঋষভ পন্থের নেতৃত্বাধীন তারকা-সমৃদ্ধ দলের ব্যাটিং বিভাগ সামলানোর দায়িত্ব উঠতে চলেছে বাংলার প্রাক্তন অধিনায়কের কাঁধে।যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের তরফে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি, ক্রিকেটমহলে খবর, লক্ষ্মীরতনের দায়িত্ব পাওয়া কার্যত নিশ্চিত। খুব শীঘ্রই বিসিসিআই এ বিষয়ে সরকারি ঘোষণা করতে পারে।ইরানি কাপে সাধারণত আগের মরসুমের রঞ্জি ট্রফি জয়ী দলের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয় অবশিষ্ট ভারত। সেই নিয়ম অনুযায়ী এবার অবশিষ্ট ভারতের প্রতিপক্ষ জম্মু-কাশ্মীর। আগামী ১ থেকে ৫ অক্টোবর শ্রীনগরের শের-এ-কাশ্মীর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের।এই ম্যাচেই নতুন ভূমিকায় দেখা যেতে পারে লক্ষ্মীরতনকে। তবে তিনি দলের প্রধান কোচ হিসেবে নয়, ব্যাটিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন। তাঁর সঙ্গে বোলিং বিভাগে কাজ করতে পারেন ওড়িশা ও ভারতের প্রাক্তন পেসার দেবাশিস মোহান্তি। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট কোনও প্রধান কোচ ছাড়াই কোচিং ইউনিটের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।বাংলার কোচ হিসেবে লক্ষ্মীরতন শুক্লর কাজ নজর কেড়েছে। তাঁর কোচিংয়ে সাম্প্রতিক রঞ্জি মরসুমে বাংলার পারফরম্যান্সও ছিল উল্লেখযোগ্য। সেই অভিজ্ঞতা এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে তাঁর দীর্ঘদিনের কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই ইরানি কাপে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।এবারের অবশিষ্ট ভারত দলে রয়েছে একাধিক পরিচিত মুখ। দলের নেতৃত্বে থাকছেন ভারতের তারকা উইকেটকিপার-ব্যাটার ঋষভ পন্থ। সহ-অধিনায়ক সরফরাজ খান। বাংলার ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য আরও বড় আকর্ষণ, দলে রয়েছেন বাংলার সুদীপ ঘরামি, আকাশদীপ এবং মুকেশ কুমার।তবে আকাশদীপের খেলা এখনও শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করছে। চিকিৎসকদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পাওয়ার পরেই মাঠে নামতে পারবেন তিনি।ইরানি কাপ বরাবরই ঘরোয়া ক্রিকেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ। রঞ্জি ট্রফির সেরা দলের বিরুদ্ধে অবশিষ্ট ভারতের এই লড়াইয়ে জাতীয় দলের একাধিক ক্রিকেটারের পাশাপাশি উঠে আসা ঘরোয়া ক্রিকেটারদেরও নিজেদের প্রমাণ করার সুযোগ থাকে। সেই মঞ্চেই এবার ঋষভ পন্থদের ব্যাটিং শক্তিকে আরও ধারালো করার দায়িত্ব পেতে চলেছেন বাংলার লক্ষ্মীরতন শুক্ল।অবশিষ্ট ভারত দলের সম্ভাব্য সদস্যরাঋষভ পন্থ (অধিনায়ক), সনৎ সাঙ্গোয়ান, শিখর মোহন, সুদীপ ঘরামি, সরফরাজ খান (সহ-অধিনায়ক), স্মরণ রবিচন্দ্রন, মানব সুতার, সারাংশ জৈন, আকাশদীপ, মুকেশ কুমার, মুকেশ চৌধরী, আরিয়ান জুয়াল, আরিয়ান পান্ডে, অনুকূল রায়, আয়ুষ দোসেজা।সব মিলিয়ে, বাংলার কোচ লক্ষ্মীরতন শুক্লর জন্য ইরানি কাপ হতে চলেছে আরও একটি বড় পরীক্ষা। এবার তাঁর ব্যাটিং-পরামর্শে ঋষভ পন্থদের অবশিষ্ট ভারত শ্রীনগরের মাটিতে রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে কতটা সফল হয়, সেদিকেই নজর থাকবে ক্রিকেটমহলের।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬
দেশ

‘যারা ব্যাট করবে, তারাই আম্পায়ার বাছবে?’ নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে বিস্ফোরক মন্তব্য

নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিয়ম নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল বুধবার। ২০২৩ সালের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের পদ্ধতি এবং কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। শুনানির সময় ক্রিকেটের আম্পায়ারের উদাহরণ টেনে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত।২০২৩ সালের আইনে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং অন্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য তিন সদস্যের একটি বাছাই কমিটি রয়েছে। সেই কমিটিতে থাকেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর মনোনীত এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী ব্যবস্থায় এই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতির থাকার কথা বলা হয়েছিল। পরে সংসদে নতুন আইন পাশ হওয়ার পর প্রধান বিচারপতির জায়গায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে রাখা হয়।এই নিয়োগ পদ্ধতিকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মার বেঞ্চে মূল বিষয়ে মতভেদ দেখা যায়। বিচারপতি দত্তের মতে, বিষয়টি আগের সাংবিধানিক নীতির ভিত্তিতে বিচার করা যেতে পারে। অন্য দিকে বিচারপতি শর্মা মনে করেন, মামলায় গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্ন রয়েছে। শেষ পর্যন্ত মামলাটি বৃহত্তর সাংবিধানিক বেঞ্চে পাঠানোর জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে বিষয়টি পাঠাতে দুই বিচারপতিই সম্মত হন।শুনানির সময় নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি নিয়ে ক্রিকেটের উদাহরণ দেন বিচারপতি দত্ত। তিনি বোঝান, কোনও দল যদি নিজেরাই আম্পায়ার বেছে নেয়, তা হলে সেই আম্পায়ার সঠিক সিদ্ধান্ত নিলেও তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। আম্পায়ার নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করলেও তাঁকে নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রশ্ন উঠতে পারে বলে ইঙ্গিত করেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর বক্তব্যের মূল বিষয় ছিল, কমিশনের স্বাধীনতা শুধু বাস্তবে থাকলেই হবে না, সাধারণ মানুষের কাছেও সেই স্বাধীনতা দৃশ্যমান হওয়া প্রয়োজন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।বিচারপতি দত্ত আরও প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী মনোনীত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিরোধে যাবেন কি না। তাঁর পর্যবেক্ষণ ছিল, এই পরিস্থিতিতে তিন সদস্যের কমিটিতে বিরোধী দলনেতার উপস্থিতি কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। তবে এগুলি মামলার শুনানিতে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ; আদালত এখনও ২০২৩ সালের আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেনি।এই মামলার সূত্রেই ২০২৩ সালের আইন এবং তার আগে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া অন্তর্বর্তী নিয়োগ ব্যবস্থার পার্থক্যও সামনে এসেছে। ২০২৩ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে সংসদ আইন না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলনেতা এবং প্রধান বিচারপতিকে নিয়ে কমিটির মাধ্যমে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে সংসদ আইন করে সেই কাঠামোয় পরিবর্তন আনে।এদিকে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যেই নিয়োগ পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের এই শুনানি বিশেষ তাৎপর্য পেয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনার একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। নির্বাচন কমিশন অবশ্য সেই প্রতিবেদনে ওঠা মতবিরোধের দাবি নস্যাৎ করে জানিয়েছে, এসআইআর-সহ কমিশনের সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের বর্তমান পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে সাংবিধানিক প্রশ্ন, অন্য দিকে কমিশনের অভ্যন্তরীণ কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কদুই বিষয়ই একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। এখন নজর থাকবে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের কাছে যাওয়ার পর এই মামলায় পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠিত হয় কি না এবং শেষ পর্যন্ত ২০২৩ সালের নিয়োগ আইন নিয়ে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বিরাট খবর! মার্চের মধ্যে দেড় লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগ

রাজ্যে সরকারি চাকরিপ্রার্থীদের জন্য বড় খবর। বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে চলতি অর্থবর্ষের মধ্যে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পূরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী মার্চের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদে নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ রয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে বহু পদ খালি পড়ে রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা কম থাকায় একাধিক দপ্তরে কাজের চাপ বেড়েছে। সাধারণ মানুষকে সরকারি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রেও কর্মী ঘাটতির প্রভাব পড়ছে বলে প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শূন্যপদ পূরণে জোর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর।এর আগে বিভিন্ন দপ্তরকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদগুলির মধ্যে কোন পদগুলি দ্রুত পূরণ করা প্রয়োজন, তা চিহ্নিত করতে বলা হয়েছিল। সব শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ না করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পদগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল।বুধবারের ক্যাবিনেট বৈঠকের পর সেই নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পেতে চলেছে বলেই প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। মোট ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদের মধ্যে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশ মিলিয়ে ২০ হাজার পদ রয়েছে। রাজ্য পুলিশে ১৬ হাজার এবং কলকাতা পুলিশে ৪ হাজার পদ পূরণের কথা বলা হয়েছে।চলতি বছরে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে রাজ্য সরকারের বাজেটেও বড় ঘোষণা হয়েছিল। জুনে পেশ করা ২০২৬-২৭ সালের পূর্ণাঙ্গ বাজেটে এক লক্ষ শূন্যপদে নিয়োগের কথা জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে পুলিশ বিভাগে ২০ হাজার এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে ৫০ হাজার পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছিল।এখন বুধবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দপ্তর মিলিয়ে ১ লক্ষ ৫১ হাজার শূন্যপদ পূরণের যে খবর সামনে এসেছে, তাতে চাকরিপ্রার্থীদের নজর স্বাভাবিক ভাবেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি এবং পরবর্তী সরকারি নির্দেশিকার দিকে। কোন দপ্তরে কত পদ, কোন পদে কী যোগ্যতা এবং নিয়োগের পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরই স্পষ্ট হবে।দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা সরকারি পদগুলি পূরণ হলে এক দিকে যেমন বহু চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের সুযোগ পাবেন, অন্য দিকে সরকারি দপ্তরগুলির কর্মী ঘাটতিও কিছুটা কমতে পারে। তবে কবে থেকে আবেদন শুরু হবে এবং কোন কোন পদে ধাপে ধাপে নিয়োগ হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য সরকারি বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করতে হবে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ধুঁয়াধার অ্যাকশনে রাহুল গান্ধী, মোদী সরকারের রক্তচাপ বাড়িয়ে এবার 'বিস্ফোরক' মন্তব্য

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা Special Intensive Revision (SIR) ঘিরে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন কংগ্রেস নেতা তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। নির্বাচন কমিশনের অন্দরে SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তির খবর প্রকাশ্যে আসার পর বুধবার কমিশনকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম X-এ একটি ভিডিয়ো শেয়ার করে রাহুলের দাবি, ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং সংবিধানের উপর সরাসরি আঘাত।রাহুল গান্ধী লেখেন, ভারতে ভোট চুরি দেশের মানুষের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং আমাদের সংবিধানের উপর সরাসরি আক্রমণ। বিজেপি, আরএসএস এবং নির্বাচন কমিশন যারা এটি করেছে, তারা রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছে। ভিডিয়ো বার্তাতেও নির্বাচন কমিশন ও ভোট আধিকারিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, তাঁরা যা করছেন তা ভুল এবং এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা সিংভিরএই বিতর্কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকেও নিশানা করেছেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি। তাঁর অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমার দেশের মানুষ এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের বিভ্রান্ত করেছেন। সিংভির দাবি, নির্বাচন কমিশনে সিদ্ধান্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে নেওয়ার কথা হলেও কমিশনের অভ্যন্তরে এক ধরনের ইন্টারনাল বুলডোজার কাজ করছে।সিংভি আরও অভিযোগ করেন, একজন ব্যক্তির হাতেই যদি কমিশনের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়ে থাকে, তাহলে বাকি নির্বাচন কমিশনারদের ভূমিকা কীসেই প্রশ্ন উঠছে। তাঁর বক্তব্য, সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন একটি সংখ্যাগরিষ্ঠতাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।তদন্তের দাবি প্রিয়াঙ্কারবিতর্কে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও। তাঁর দাবি, রাহুল গান্ধী দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। নির্বাচন কমিশনাররাই যদি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।প্রিয়াঙ্কার কথায়, এই বিষয়টি তদন্ত করা প্রয়োজন। এটিকে হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়। নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।কী রয়েছে রিপোর্টে?বুধবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি গত ১০ মাসে SIR এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে অন্তত ১৪ বার আনুষ্ঠানিক আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনের দাবি, একটি দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, Form 6-এ পরিবর্তন, ভোটার ডেটাবেসে অ্যাক্সেস কেন্দ্রীভূত করা, ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া এবং নতুন ভোটার যুক্ত করার মতো বিষয় নিয়ে আপত্তি উঠেছিল। কিছু সিদ্ধান্ত তাঁদের অজ্ঞাতে নেওয়া হয়েছে বলেও দুই কমিশনারের তরফে আপত্তি জানানো হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়া ভোটার সংক্রান্ত সফটওয়্যারের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহারের বিষয়েও দুই কমিশনার উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে ক্যাবিনেট সচিবের সঙ্গে চিঠিপত্র চালাচালির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন SIR নিয়ে কমিশনের অন্দরে কোনও বিভাজনের দাবি খারিজ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, নোট, পর্যবেক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত পরামর্শ দেওয়া প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ এবং SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

'জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতার করে পুরনো ভোটার তালিকায় বাংলায় ভোট', এবার মমতার তোলপাড় ফেলা দাবি, কিন্তু কেন?

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্যের খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে গ্রেফতারের দাবি তোলার পাশাপাশি পুরনো ভোটার তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে ফের বিধানসভা নির্বাচন আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন তিনি।দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি প্রতিবেদনের উল্লেখ করে মমতা অভিযোগ করেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য আপত্তি তুলেছিলেন। তাঁর দাবি, এতদিন যে অভিযোগগুলি তৃণমূলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছিল, সাম্প্রতিক রিপোর্টে তারই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন কমিশনের অন্দরে বিভাজন বা অনিয়মের অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছে, SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের অনুমোদনেই নেওয়া হয়েছে।একটি ভিডিয়ো বার্তায় জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে মমতা বলেন, তাঁর পদে থাকার কোনও নৈতিক অধিকার নেই এবং তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। এই দাবিতে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলনেরও ডাক দেন তিনি। মমতার অভিযোগ, বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন মিলে সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগমমতা আরও অভিযোগ করেন, জ্ঞানেশ কুমার পুলিশের ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করেছেন। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে পুলিশকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এমনকী বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলে যোগ দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজি না হলে জেলে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।পুরনো ভোটার তালিকায় পুনর্নির্বাচনের দাবিSIR নিয়ে সাম্প্রতিক রিপোর্টের প্রসঙ্গ তুলে মমতা দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি সংক্রান্ত তাঁদের অভিযোগ এখন আরও জোরালো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুরনো ভোটার তালিকা ফিরিয়ে এনে বাংলায় নতুন করে নির্বাচন করতে হবে।মমতা আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাঁর বক্তব্য, যতদিন জ্ঞানেশ কুমার মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদে থাকবেন, ততদিন দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নিনির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ করে মমতা বলেন, এত বড় কেলেঙ্কারি আগে কখনও হয়নি। তাঁর অভিযোগ, পুলিশকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং বিরোধী মতের মানুষের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, কমিশনারদের মধ্যে নোট, পর্যবেক্ষণ বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে মতামত বিনিময় প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ারই অংশ। SIR সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতি ছিল বলেও কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

নওশাদের আইএসএফের প্রতীক হাতছাড়া, হাই কোর্টে উঠল কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় প্রশ্ন

ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক খাম নিয়ে নতুন করে আইনি জট তৈরি হয়েছে। প্রতীকটি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে নওশাদ সিদ্দিকীর দল। বুধবার বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। শুনানির পর নির্বাচন কমিশনের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার ফের এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা।২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট। দলটির প্রতিষ্ঠাতা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকী। শুরু থেকেই দলের নেতৃত্বে রয়েছেন তাঁর ভাই নওশাদ সিদ্দিকী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় কেন্দ্র থেকে খাম প্রতীক নিয়ে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন নওশাদ।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও ভাঙড় থেকে একই খাম প্রতীক নিয়ে লড়াই করে জয় পান নওশাদ। আইএসএফের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই এই প্রতীক দলের সঙ্গে যুক্ত। চলতি বছরের মার্চেও প্রতীকটি নিয়ম মেনে নথিভুক্ত করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করা হয়েছে।কিন্তু উপনির্বাচনের আগে পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম প্রতীক বরাদ্দ করে। অন্য দিকে, আইএসএফকে দেওয়া হয় আলমারি প্রতীক। এই সিদ্ধান্তের পরই আপত্তি জানিয়ে কমিশনের কাছে চিঠি দেন নওশাদ। পরে প্রতীক ফিরে পাওয়ার দাবিতে হাই কোর্টে মামলা করে আইএসএফ।বুধবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণ রাও নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, একই প্রতীক কীভাবে দুটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। আদালতের প্রশ্ন ছিল, একই প্রতীক নিয়ে দুটি দল নির্বাচনে অংশ নেবে কীভাবে। এই বিষয়ে কমিশনের বক্তব্য জানার পাশাপাশি রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আইএসএফের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে খাম প্রতীকটি আইএসএফ ব্যবহার করে আসছে। সেই প্রতীকই পরে অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে আদালতে দাবি করেন তিনি।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, আইএসএফ একটি অনস্বীকৃত রাজনৈতিক দল এবং তাদের জন্য খাম কোনও সংরক্ষিত প্রতীক নয়। কমিশনের যুক্তি, এই ধরনের প্রতীক অবাধ বা মুক্ত প্রতীকের তালিকায় থাকলে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তা অন্য দলকেও দেওয়া যেতে পারে।এই যুক্তির পরেই আদালত জানতে চায়, একই প্রতীক নিয়ে দুটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নেবে কী ভাবে। বিষয়টি স্পষ্ট করতে কমিশনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে এখন নজর রয়েছে।প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে আগামী ৬ অক্টোবর উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে খাম প্রতীক নিয়ে আইএসএফ ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে এই আইনি লড়াই নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে আদালত এখনও প্রতীকটি আইএসএফকে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশ থেকে ফিরেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে’, নিশানায় বিজেপি

প্রায় তিন সপ্তাহ বিদেশে থাকার পর চোখের চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার দমদম বিমানবন্দরে পৌঁছে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিতর্ক নিয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিষেক।দমদম বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে অভিষেক বলেন, বাংলার অভিশাপ লেগে গিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, জোর করে বাংলা দখল করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিজেপির পরিস্থিতি সারা দেশেই খারাপ বলে দাবি করেন তিনি। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।অভিষেক আরও বলেন, সাংবিধানিক পদে বসিয়ে কোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করা হলে তার ফল ভুগতে হবে। তাঁর কথায়, যাঁরা এই ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাঁদের ভবিষ্যতে জেলে যেতে হতে পারে। বিচারব্যবস্থা থেকে নির্বাচন কমিশনকোনও প্রতিষ্ঠানকে নিজের মতো করে চালানো যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।ভোটার তালিকা নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের প্রসঙ্গও উঠে আসে অভিষেকের বক্তব্যে। যাঁরা ভোট দিতে পারেননি, তাঁদের চোখের জল বৃথা যাবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভোটাধিকার নিয়ে যে কোনও অভিযোগের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে।এরই মধ্যে নির্বাচন কমিশনের অন্দরমহল নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ্যে এসেছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে নেওয়া বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক দিনেই চারটি আপত্তি জানানো হয়েছিল।প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফেরানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও দুই কমিশনার প্রশ্ন তুলেছিলেন। ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ আরও কেন্দ্রীয়করণের বিষয়েও তাঁদের আপত্তি ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।নতুন ভোটারদের জন্য ব্যবহৃত ছয় নম্বর ফর্মে সংশোধন নিয়েও আপত্তির কথা প্রকাশ্যে এসেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নতুন ফর্মে আবেদনকারীর নিজের বা তাঁর বাবা-মা কিংবা দাদু-ঠাকুমার নাম আগের বিশেষ নিবিড় সংশোধনের ভোটার তালিকায় ছিল কি না, সেই তথ্য জানতে চাওয়া হয়েছিল। এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনারের তরফে অননুমোদিত এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানানোর কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে নির্বাচন কমিশন এই ধরনের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত দাবিকে নস্যাৎ করেছে। কমিশনের বক্তব্য, বিশেষ নিবিড় সংশোধন-সহ কমিশনের সমস্ত সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবেই নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত মতামত বা নথিতে কোনও প্রশ্ন তোলা হয়ে থাকলেও সেটিকে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা যায় না বলে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে।অন্য দিকে, এই প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর তৃণমূলের তরফে তদন্তের দাবি উঠেছে। অভিষেকও এর আগে সামাজিক মাধ্যমে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর দাবি জানিয়েছিলেন। আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্ত করে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবিও জানিয়েছিলেন তিনি।অভিষেকের অভিযোগ ছিল, একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে যদি কোনও ভাবে বহু মানুষকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকে, তা গণতন্ত্রের জন্য গুরুতর বিষয়। তবে এই অভিযোগ রাজনৈতিক দাবি হিসাবেই রয়েছে; নির্বাচন কমিশন তা গ্রহণ করেনি।ফলে এক দিকে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্যের লিখিত আপত্তির দাবি, অন্য দিকে কমিশনের সর্বসম্মতির বক্তব্যদুই ভিন্ন অবস্থানকে ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আর বিদেশ থেকে চিকিৎসা সেরে কলকাতায় ফিরেই এই প্রসঙ্গে অভিষেকের কড়া মন্তব্য সেই বিতর্কে আরও রাজনৈতিক উত্তাপ যোগ করেছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬
দেশ

এসআইআর নিয়েই নির্বাচন কমিশনে বিস্ফোরণ! ১০ মাসে ১৪ বার আপত্তি দুই কমিশনারের

ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধের দাবি ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত ১০ মাসে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিংহ সান্ধু এবং বিবেক যোশী অন্তত ১৪ বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের আপত্তির মধ্যে নতুন ভোটারের নাম যোগ করা, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়া এবং বাদ পড়া নাম ফের যুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফর্ম ছয়ে পরিবর্তন আনা নিয়েও আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। নতুন ভোটারদের নাম ভোটার তালিকায় তোলার জন্য এই ফর্ম ব্যবহার করা হয়। সম্প্রতি ফর্মে এসআইআর সংক্রান্ত কিছু নতুন তথ্য চাওয়া হয়েছিল। সেখানে নতুন ভোটারকে জানাতে হত, আগের এসআইআরের ভোটার তালিকায় তাঁর নিজের, বাবা-মা অথবা দাদু-ঠাকুমার নাম ছিল কি না।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, এই পরিবর্তনকে দুই কমিশনার অনুমোদনহীন এবং বেআইনি বলে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের যুক্তি ছিল, সংশ্লিষ্ট নিয়মে পরিবর্তন না করে ফর্মে এই ধরনের নতুন তথ্য যোগ করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনি প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের আপত্তি সত্ত্বেও ওই পরিবর্তন সরানো হয়নি বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।শুধু ফর্ম ছয় নয়, ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। দুই কমিশনার ভোটার তালিকা তৈরির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা আরও বেশি কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তাঁদের বক্তব্য ছিল, ভোটার তালিকা তৈরিতে স্থানীয় স্তরের নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ভূমিকা ও ক্ষমতা কমে যাচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একটি সিদ্ধান্ত ও নির্দেশিকা নিয়ে একই দিনে চার বার আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। তাঁদের একাধিক আপত্তির মধ্যে ভোটার তালিকার তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা এবং তার নিয়ন্ত্রণের বিষয়টিও ছিল। এমনকি এই সংক্রান্ত উদ্বেগ নিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ আমলার কাছেও বিষয়টি জানিয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।তবে এই প্রতিবেদনের মূল দাবিগুলি খারিজ করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সূত্রের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে কোনও বিষয়ে লিখিত মতামত বা আপত্তি থাকা মানেই সেটি কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে মতবিরোধ প্রমাণ করে না। কমিশনের দাবি, এসআইআর-সহ সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত তিন নির্বাচন কমিশনারের সম্মতিতেই নেওয়া হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিষয়টি ঘিরে দুই ধরনের বক্তব্য সামনে এসেছে। এক দিকে সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দুই কমিশনারের একাধিক লিখিত আপত্তির দাবি করা হয়েছে। অন্য দিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তিন সদস্যের মধ্যে কোনও মতবিরোধ ছিল না। এই দুই বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির তরফে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে গোটা বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ এবং আদালতের তত্ত্বাবধানে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ভোটারদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়ে থাকলে তা অত্যন্ত গুরুতর বিষয়। তবে এটি তাঁর রাজনৈতিক অভিযোগ এবং এখনও এমন কোনও চূড়ান্ত প্রমাণ বা আদালতের রায় সামনে আসেনি যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত কোনও নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়েছিল।এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক চলছে। তার মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই দুই কমিশনারের একাধিক আপত্তির এই দাবি সামনে আসায় বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কমিশনের সিদ্ধান্তে সত্যিই কোনও অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ ছিল কি না, তা নিয়ে আপাতত সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন এবং নির্বাচন কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই পক্ষের দাবিই সামনে রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal