• ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ০৬ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Trinamool

রাজ্য

তৃণমূলে ধষ! ‘প্রকৃত তৃণমূল’ দাবিতে ৫০ বিধায়কের নতুন উদ্যোগ ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যাওয়ার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে একের পর এক সাংগঠনিক টানাপোড়েনের খবর সামনে আসছে। কোথাও পুরবোর্ডে ভাঙন, কোথাও আবার জনপ্রতিনিধিদের পদত্যাগসব মিলিয়ে দলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক মহলে চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে একদল বিধায়কের সম্ভাব্য পদক্ষেপ।সূত্রের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে মঙ্গলবার বিধানসভার স্পিকারের কাছে একটি তালিকা জমা দিতে পারেন। তাঁদের দাবি, তাঁরাই দলের প্রকৃত তৃণমূল ভাবধারার প্রতিনিধিত্ব করছেন। এই উদ্যোগকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এর ফলে দলের ভিতরে বিদ্যমান মতপার্থক্য আরও প্রকাশ্যে চলে আসতে পারে।বিশেষ তাৎপর্যের বিষয় হল, এই পদক্ষেপের নেপথ্যে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার ইঙ্গিত মিলছে বলে সূত্রের খবর। অন্যদিকে, এই গোষ্ঠীর তরফে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানানো হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ঘটনাপ্রবাহের সময়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, ভোট-পরবর্তী হিংসার প্রতিবাদে মঙ্গলবারই আন্দোলনের কর্মসূচিতে নামার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেই আবহে দলের একাংশের এই সম্ভাব্য পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই নতুন রাজনৈতিক বার্তা বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের আরও দাবি, এই গোষ্ঠীর মুখ হিসেবে সামনে আসতে পারেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও এই তালিকায় দলের কয়েকজন পরিচিত মুখমদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম এবং কুণাল ঘোষের নাম নেই বলেই জানা যাচ্ছে।এদিকে, পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কারের ঘটনায়। তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, তাঁরা দলবিরোধী কার্যকলাপে যুক্ত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সম্প্রতি দাবি করেন, সই জালিয়াতি সংক্রান্ত অভিযোগের সূত্রপাত হয়েছিল এই দুই নেতার অভিযোগ থেকেই। তাঁর সেই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার অল্প সময়ের মধ্যেই দলীয় সিদ্ধান্তে তাঁদের বহিষ্কার করা হয়।বহিষ্কারের পর তৃণমূলের একাধিক নেতা প্রকাশ্যে তাঁদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। কুণাল ঘোষ তাঁদের বিশ্বাসঘাতক বলেও কটাক্ষ করেন। এই উত্তপ্ত রাজনৈতিক আবহেই ৫০ বিধায়কের সম্ভাব্য নতুন অবস্থানকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।তবে এখনও পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও তালিকা প্রকাশ করা হয়নি। ফলে মঙ্গলবারের ঘটনাপ্রবাহের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের। স্পিকারের কাছে আদৌ কোনও তালিকা জমা পড়ে কি না এবং তার রাজনৈতিক অভিঘাত কতটা গভীর হয়, সেটাই এখন দেখার।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

কয়লার ভ্যান টানা থেকে উল্কার গতিতে উত্থান, আধুনা 'বর্ধমানের মহারাজ' পুলিসের জালে!

বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসকে উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজ এলাকা থেকে গ্রেফতারের পর ট্রানজিট রিমান্ডে বর্ধমানে নিয়ে আসায় পূর্ব বর্ধমান জেলার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার বিকেলে তাঁকে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আনা হয়। সেখানে প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর বর্ধমান থানায় স্থানান্তরিত করা হয়। মঙ্গলবার তাঁকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে দাবি, খোকন দাসের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই একাধিক গুরুতর অভিযোগ জমা পড়ছিল। অভিযোগের তালিকায় রয়েছে তোলাবাজি, হুমকি প্রদান, বেআইনি জলাজমি ও পুকুর ভরাট, জমি দখল, বেআইনি নির্মাণে মদত এবং বিভিন্ন ধরনের আর্থিক অনিয়ম। এসব অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।খোকন দাসের রাজনৈতিক উত্থানও দীর্ঘদিন ধরে বর্ধমানের রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় ছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়লা ও বালি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থেকে ধীরে ধীরে তিনি রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করেন। বামফ্রন্ট আমলে বর্ধমান পুরসভার কাউন্সিলর হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০১৩ সালেও কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর পুরসভার টাউন প্ল্যানিং কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পান। এরপর থেকেই শহর ও শহরতলির বিভিন্ন এলাকায় তাঁর প্রভাব দ্রুত বৃদ্ধি পায় বলে অভিযোগ।২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে প্রথমবার বিধায়ক হন খোকন দাস। তবে সেই সময় থেকেই ভোট-পরবর্তী হিংসা, বিরোধীদের উপর হামলা এবং এলাকায় সন্ত্রাসের আবহ তৈরির অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের একটি প্রতিবেদনে তাঁর নাম উল্লেখ করে কঠোর পর্যবেক্ষণও করা হয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।চলতি বিধানসভা নির্বাচনে পুনরায় প্রার্থী হলেও বড় ব্যবধানে পরাজিত হন খোকন দাস। এরপর রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে থাকে। তদন্তকারী সংস্থার নজরও ক্রমশ তাঁর দিকে ঘুরে যায়। অভিযোগ রয়েছে, পরাজয়ের পরেও বিভিন্ন ব্যক্তিকে ফোনে হুমকি দেওয়া এবং প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। সেই সংক্রান্ত কিছু অডিও ক্লিপও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল।রবিবার উত্তরপ্রদেশের দীনদয়াল উপাধ্যায় জংশন সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। স্থানীয় আদালতে পেশ করার পর ট্রানজিট রিমান্ড মঞ্জুর হয় এবং এরপর তাঁকে বর্ধমানে নিয়ে আসা হয়। দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যের বাইরে অবস্থান করলেও শেষ পর্যন্ত তদন্তকারীদের জাল এড়াতে পারেননি বলে প্রশাসনিক মহলের দাবি।খোকন দাসের গ্রেফতারের খবর সামনে আসতেই বর্ধমানে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। শাসকদল বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের একাংশকে তাঁর কাঞ্চননগরের বাড়ির সামনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়। বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, একজন সাধারণ ব্যবসায়ী থেকে কীভাবে বিপুল সম্পত্তির মালিকানা গড়ে উঠল, তার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া উচিত।এদিন বর্ধমানে এক কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, যারা ভোট-পরবর্তী হিংসা এবং গুন্ডামির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে আইন তার নিজস্ব পথে কাজ করছে। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিরোধী নেতাদের নিশানা করে গ্রেফতার করা হচ্ছে।এখন আদালতে খোকন দাসকে পেশ করার পর তদন্তকারী সংস্থা কী ধরনের হেফাজতের আবেদন জানায় এবং আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের। বর্ধমানের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন প্রভাব বিস্তারকারী এই নেতার গ্রেফতারি আগামী দিনে জেলার রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

ক্ষমতা হারিয়ে রক্তক্ষরণে তৃণমূল, ‘একলা চলার’ কঠিন পরীক্ষায় মমতা

রাজনীতিতে পালাবদল ঘটেই থাকে। কেন্দ্রে বা রাজ্যে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় থাকে কোনো কোনো সময় অপ্রতিরোধ্য দেখায়। মনে হয় শাসন ক্ষমতায় থাকাটাই সেই রাজনৈতিক দলের কুক্ষিগত। কিন্তু, সময় বদলায়। ঐতিহাসিক নিয়মেই অতি ক্ষমতাধর শক্তিকেও ক্ষমতা থেকে সরতে হয়। দেশ, কাল ভেদের এই পরিবর্তনের বহু নিদর্শন ইতিহাসে রয়েছে। যেমন, পশ্চিমবঙ্গ। স্বাধীনতার পর থেকে এই রাজ্যে দীর্ঘকাল ক্ষমতায় থেকেছিল কংগ্রেস। তারপর কংগ্রেস কে সরিয়ে ক্ষমতায় বসে বামফ্রন্ট। দীর্ঘ ৩৪ বছর শাসন ক্ষমতায় ছিল সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন সরকার। অনেকেই ভাবতেন বাম শাসনের বোধহয় অবসান হবেনা। তা হয়নি। দীর্ঘ বাম শাসনকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে মসনদে বসে তৃণমূল কংগ্রেস। শাসন ক্ষমতায় থাকাকালীন যে দলকে অপ্রতিরোধ্য মনে হয় ক্ষমতা থেকে যাওয়ার পরে তাদের রক্তক্ষরণ শুরু হয়।এই পরিস্থিতি থেকেই শুরু হয় দল বদলের পালা। দেশ জুড়ে নেতা নেত্রীর ক্ষমতা হারানো দল থেকে ক্ষমতাসীন দলে যাওয়া অতি সাধারণ ঘটনা। মানুষ ও এই প্রবণতাকে স্বাভাবিক বলেই ধরে নিয়েছে। তবে, এখান থেকে বিজয়ী দলের ও সমস্যা শুরু হয়। নেতা নেত্রীদের দল বদলের থেকে অতি দ্রুত এই যাওয়ার পালা শুরু হয় পরাজিত দলের নিচু স্তরের কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে। বাম আমলেও এই ঘটনা শুরু হয়েছিল। তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পরেই রাজ্য জুড়ে সিপিএম এর ওপর আক্রমণ শুরু হয়েছিল। ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে থাকার লোভ, অর্থের লোভ ও সন্ত্রাস মূলত এই তিনটি কারণে সিপিএম থেকে তৃণমূলে আসার পালা শুরু হয়। এর ফলে যারা দীর্ঘদিন তৃণমূলে ছিলেন তাদের সঙ্গে দল বদলের দ্বন্দ্ব শুরু হয়।সেই সময় তৃণমূলের মধ্যে সেই দ্বন্দ্ব এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছিল। যার প্রতিফলন হয়েছিল Red TMC বনাম Green TMC দ্বন্দ্বে। তৃণমূলের ১৫ বছর পরে ক্ষমতা থেকে সরায় নিচের তলার এই চলন শুরু হয়েছে। রাতারাতি, রাজ্যের আনাচে কানাচে বিজেপির পতাকা হাতে বহু জনকে দেখা যাচ্ছে যাদের এতদিন ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গেই দেখা যেত। রাজ্যে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এই পরিস্থিতিতে বার বার দলীয় কর্মীদের সতর্ক করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস ও জানে দলের কোনো মজবুত সাংগঠনিক কাঠামো ছিল না। ক্ষমতায় থাকার কারণে বিভিন্ন আর্থিক ও সামাজিক সুবিধা ছিল। এই সুযোগে, সুবিধা পাওয়ার বন্দোবস্ত তৃণমূলকে একটা সাংগঠনিক কাঠামো তৈরির সুবিধা দিয়েছিল।এখন ক্ষমতার বৃত্তে না থাকার কারণে দলের চেহারা ক্রমশ শীর্ণকায় হবে। এই কারণেই খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে তৃণমূল কর্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াইতে নামার জন্য বাম, কংগ্রেস ও আই এস এফ কে সঙ্গে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। যদিও, তিনি ভালোই জানেন যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল এই তিন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে কী ব্যবহার করেছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশ রাজ্যে ছিল না। সবটাই ছিল পেশীশক্তির ভিত্তিতে। কংগ্রেস ও বামেরা পাঁচ বছর বিধানসভার বাইরে ছিল। এই নির্বাচনে তাদের যেটুকু সাফল্য এসেছে তা তৃণমূলের সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেই এসেছে। এখন তারা যদি তৃণমূলের পাশে এসে দাঁড়ায় তাহলে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠবে।INDIA ব্লক টিঁকিয়ে রাখার জন্য কংগ্রেস এই রাজ্যে তৃণমূলের সুরে বিজেপি বিরোধীতা করলেও সরাসরি তৃণমূলের সঙ্গে আন্দোলনে নামবে না বলেই মনে হয়। অন্যদিকে, আই এস এফ বা বাম দলগুলি তো প্রকাশ্যেই তৃণমূল নেত্রী কে এই আহ্বানের জন্য রাজনৈতিক ভাবে বিঁধতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে মনে হয় ভালো, মন্দ যাই হোক তৃণমূল কে তা মেনে নিয়ে একলাই চলতে হবে। একলা পথ চলার কথাই নির্বাচনের আগে বিভিন্ন জনসভায় বলেছেন মমতা। এখন অন্যদের দিকে হাত বাড়ালেও তাঁকে একলাই চলতে হবে।

মে ২৩, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে হারের পর ডিগবাজি? ভাইরাল অডিওতে ‘বিজেপি নেতা’ খোকন দাস, বর্ধমানে তোলপাড়

বর্ধমান দক্ষিণের সদ্য প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসকে ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে একটি ভাইরাল অডিওকে কেন্দ্র করে। সেই অডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, আমিও এখন বিজেপি নেতা। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই জেলা রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিরোধী বিজেপি এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছে।বিজেপির দাবি, কাঞ্চননগরের একটি দুর্গামন্দির নির্মাণের কাজ করেও এক রাজমিস্ত্রি প্রাপ্য টাকা পাননি। সেই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করেই ফোনে তাঁকে ধমক দেন খোকন দাস। ভাইরাল হওয়া অডিওতে শোনা যায়, মন্দিরের হিসেব, ট্রাস্টের টাকা এবং ভোটে হারের প্রসঙ্গ তুলে কথা বলছেন তিনি। কথোপকথনের এক পর্যায়ে খোকন দাসকে বলতে শোনা যায়, তুই এখন সুযোগ নিয়ে লোককে ভয় দেখাচ্ছিস। আমরাও এখানে আছি। আর শুনে রাখ, আমিও এখন বিজেপি নেতা।যদিও এই অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা। তবে বিজেপি নেতাদের দাবি, ওই কথোপকথনে স্পষ্টভাবে প্রাক্তন বিধায়কের হুমকির সুর ধরা পড়েছে। জেলা বিজেপির মুখপাত্র কল্যাণ মাজি অভিযোগ করেন, ক্ষমতা হারিয়েও খোকন দাস এখনও প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছেন। তাই কখনও এফআইআরের ভয় দেখাচ্ছেন, আবার কখনও নিজেকে বিজেপি নেতা বলছেন।অন্যদিকে খোকন দাস সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁর বক্তব্য, অডিও নিয়ে বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে। তিনি দাবি করেন, কোনও ব্যক্তিকে ভয় দেখানো তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। বরং মন্দির ও ট্রাস্টের নামে অপপ্রচার রোখার জন্যই পুলিশে জানানোর কথা বলেছিলেন। তাঁর আরও দাবি, সংশ্লিষ্ট রাজমিস্ত্রি হিসেব না দেওয়ায় ট্রাস্টের পক্ষ থেকে টাকা আটকে রাখা হয়েছে।তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের প্রশ্ন, যদি অডিওর প্রথম অংশে নিজের কণ্ঠস্বর স্বীকার করে নেওয়া হয়, তাহলে একই অডিওতে থাকা আমিও বিজেপি নেতা মন্তব্যকে অস্বীকার করা হচ্ছে কেন? এই নিয়েই নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে জেলা রাজনীতিতে।

মে ১২, ২০২৬
রাজনীতি

‘৭–৫ নয়, ১২–০ চাই’— বাঁকুড়াকে বিজেপি-শূন্য করার রণসংকল্পে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

পাঁচ বছর আগের ঘাটতি মিটিয়ে বাঁকুড়াকে সম্পূর্ণ ভাবে নিজেদের দখলে আনতে মরিয়া তৃণমূল কংগ্রেস। শনিবার বাঁকুড়ার শালতোড়ায় আয়োজিত রণ সংকল্প সভা থেকে সেই লক্ষ্যই স্পষ্ট ভাষায় তুলে ধরলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সোজাসাপ্টা বার্তা রাজ্য জয়ের পর এ বার বাঁকুড়ার ১২টি বিধানসভা আসনেই জয় চাই, কোনও রকম আপস নয়।২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়ার ১২টি আসনের মধ্যে মাত্র চারটিতে জিততে পেরেছিল তৃণমূল। বাকি আটটি চলে গিয়েছিল বিজেপির দখলে। ২০১৯ সাল থেকে জেলার দুই লোকসভা আসনই বিজেপির হাতে থাকলেও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাঁকুড়া লোকসভা পুনর্দখল করে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে শাসকদল। তবে এখনও শালতোড়া বিধানসভা বিজেপির দখলেই। সেই কারণেই রাজনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই কেন্দ্র থেকেই বিজেপি-শূন্য বাঁকুড়া-র ডাক দেন অভিষেক।সভামঞ্চ থেকে তিনি বলেন, ২০২১ সালে আপনারা আমাদের চারটি আসন দিয়েছিলেন। ২০২৪ সালে লোকসভায় চার থেকে ছয়ে পৌঁছেছি। এখন তৃণমূল ছয়, বিজেপিও ছয়। কিন্তু এ বার দুটি ছয় মেরে ১২০ করতে হবে। স্পষ্ট করে দেন, ৭৫ বা কাছাকাছি ফল মানা হবে না, পূর্ণ জয়ই লক্ষ্য।বাঁকুড়া জেলার রাজনৈতিক বাস্তবতাও তুলে ধরেন অভিষেক। জেলার মোট ১২টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে কিছু অংশ অন্য জেলার লোকসভা এলাকায় পড়লেও ভোটের অঙ্কে বাঁকুড়া বরাবরই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ২০১৬ সালের পর থেকেই সংগঠনের দুর্বলতা শুরু হয়েছিল বলে কার্যত স্বীকার করেন তিনি। তবে ২০২৪ সালে বাঁকুড়া লোকসভা পুনর্দখলের মাধ্যমে রুপোলি রেখা দেখা যাচ্ছে বলেও দাবি করেন তৃণমূল নেতা।বক্তৃতায় খানিকটা অভিমানও ধরা পড়ে তাঁর গলায়। প্রত্যাশিত ভোট না পেলেও বাঁকুড়াবাসীর জন্য রাজ্য সরকার যে লক্ষ্মীর ভান্ডার, পানীয় জল প্রকল্পসহ নানা সামাজিক প্রকল্পে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে, তা মনে করিয়ে দেন অভিষেক। খাদান শ্রমিকদের কর্মসংস্থান নিয়েও আশ্বাস দেন তিনি। জানান, আইনি জটিলতার কারণে বন্ধ থাকা পাথর খাদানগুলি চালু হলে অন্তত ২৫ হাজার মানুষের কাজের সুযোগ হবে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ৩১ মার্চের আগেই সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানান অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র বাংলার প্রায় ২ লক্ষ কোটি টাকা আটকে রেখেছে, যার মধ্যে বাঁকুড়া জেলার প্রাপ্য প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। এই অর্থ ছাড়া হলে জেলার উন্নয়নে গতি আসত বলেও দাবি করেন তিনি।বিজেপির বিরুদ্ধে রিপোর্ট কার্ড রাজনীতির চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে অভিষেক বলেন, আমরা আমাদের কাজের হিসাব নিয়ে মানুষের কাছে যাব। বিজেপি কী করেছে, তার রিপোর্ট কার্ড নিয়ে ওদের মাঠে নামতে হবে। পাশাপাশি বিজেপি জিতলে বঞ্চনা ও সাম্প্রদায়িক সংঘাত, আর তৃণমূল জিতলে অধিকার ও উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।বাঁকুড়ার সভামঞ্চে র্যাম্পে ঘুরে কর্মী-সমর্থকদের অভিবাদন জানিয়ে অভিষেক বুঝিয়ে দেন আসন্ন নির্বাচনে বাঁকুড়া দখলই তৃণমূলের অন্যতম বড় রাজনৈতিক লক্ষ্য। এখন দেখার, এই ১২০ রণহুঙ্কার বাস্তবে কতটা সফল হয়।

জানুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

মঞ্চ প্রস্তুত, ভিড় তৈরি—তবু কেন উড়তে পারল না মমতার হেলিকপ্টার? সামনে এল চাঞ্চল্যকর কারণ

মতুয়াগড়ে প্রস্তুতি ছিল তুঙ্গে। মঞ্চ তৈরি, নিরাপত্তা মোতায়েন, রুটমার্চের পথ পুরোপুরি খালি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেনএই প্রত্যাশায় ঘিরে ফেলেছিল এলাকা। কিন্তু ঠিক শেষ মুহূর্তেই বদলে গেল পুরো সফরসূচি। হেলিকপ্টারে যাত্রা করার কথা থাকলেও তা আর সম্ভব হল না। বাধ্য হয়ে সড়কপথেই পৌঁছতে হল তাঁকে।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর নির্ধারিত হেলিকপ্টারের ইনস্যুরেন্স বা বিমা মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে উড়ান বাতিল করতে হয়। এত বড় গলদ জানতে পেরে ক্ষুব্ধ হন মুখ্যমন্ত্রী। যে সংস্থা হেলিকপ্টারের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিষেবার দায়িত্বে ছিল, তাদের বিরুদ্ধে ইতিমধ্যেই শোকজ নোটিশ জারি হয়েছে।পরিবহনমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী এদিন স্পষ্ট জানান, সংস্থারই দায়িত্ব ছিল হেলিকপ্টারের বিমা সঠিক সময়ে নবীকরণ করা। কিন্তু তারা দাবি করেছে, লন্ডনের একটি সংস্থার মাধ্যমে এই ইন্সুরেন্স করানো হয়। সময়ের ফারাকের কারণ দেখিয়ে তারা জানিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেল ৩টার আগে বিমা নবীকরণ সম্ভব নয়। তাই মুখ্যমন্ত্রীর সফর ঘিরে শেষ মুহূর্তে তৈরি হল এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি।যেখানে সমস্ত প্রস্তুতি আঁটসাঁট, সেখানে এমন প্রশাসনিক ফাঁক চোখে লাগার মতোই। মুখ্যমন্ত্রীর সফরের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি আয়োজনের মাঝে এই ভুলে একপ্রকার অস্বস্তি ছড়িয়েছে প্রশাসনের মধ্যেই।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
কলকাতা

৯ দিনের মিশন! ব্যাগ গুছিয়ে মাঠে নামার নির্দেশ অভিষেকের—তৃণমূলের ভিতরে কি চাপা উত্তেজনা?

ব্যাগ গুছিয়ে ৯ দিনের জন্য বেরিয়ে পড়ুন, এই কদিন আর বাড়ি ফেরা চলবে নাসোমবারের বৈঠকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত এমনই কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন দলের নেতাদের। SIR-এর কাজ প্রায় শেষের দিকে, তবুও জেলার কাজের গতিপ্রকৃতি এবং দিদির দূত অ্যাপে তথ্য আপলোডে নিয়মিত ঢিলেমি নিয়েই ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। সেই কারণেই নতুন করে ১৩ জনের একটি বিশেষ টিম তৈরি করে দিলেন অভিষেক। এই সদস্যরা আগামী ২৬ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত একটানা রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে দেখবেন SIR প্রকল্প ঠিকমতো হচ্ছে কি না, বিএলএ২রা কাজ কীভাবে সামলাচ্ছেন এবং অ্যাপে যেসব তথ্য তোলা দরকার, তা আদৌ ঠিকভাবে আপলোড হচ্ছে কি না।পার্টির তরফে পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে, যে সব নেতা বিএলএ২ হিসেবে কাজ করছেন, তাঁদের অ্যাপে তথ্য দেওয়ার নির্দেশ আগেই দেওয়া হয়। কিন্তু বহু ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, তথ্য ঠিকমতো তুলছেন না তাঁরা। অভিষেক এদিন বৈঠকে সেই নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এরপরই ১৩ জন নেতাকে পৃথক পৃথক জেলায় পাঠানো হয়। তাঁদের বলা হয়েছে কোঅর্ডিনেটর। কাজ সম্পূর্ণ না হলে কেউ ফিরতে পারবেন না। জেলায় জেলায় তৃণমূলের তৈরি ওয়ার রুমেও যেতে হবে তাঁদের।এই তালিকায় রয়েছেন অরূপ বিশ্বাস, স্নেহাশিস চক্রবর্তী, মানস ভুঁইয়া, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, বেচারাম মান্না, দিলীপ মণ্ডল, সুজিত বসু, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, উদয়ন গুহ, সামিরুল ইসলাম-সহ আরও কয়েকজন। তাঁদের মূল দায়িত্বমাঠ পর্যায়ে SIR কাজ গতি পাওয়া, অভিযোগ শুনে সমাধান করা এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে প্রতিদিন রিপোর্ট দেওয়া।এদিকে বিজেপি মনে করছে, তৃণমূলের এই জরুরি মোতায়েন আতঙ্কেরই প্রমাণ। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা মন্তব্য করেছেন, যখন শিয়রে যম থাকে তখন এমনই উত্কণ্ঠা দেখা দেয়। তৃণমূলের মধ্যেও সেই একই অবস্থা। এখন অবিশ্বাস আর হতাশা বাড়বে। এটা গৃহযুদ্ধের আগের পর্ব। এভাবেই তৃণমূল শেষ হয়ে যাবে।cরাজনৈতিক মহলের মতে, ভোটের আগে অভিষেকের এই কড়া শৃঙ্খলাবিধান এবং সংগঠনকে আবার মাঠে নামানোর উদ্যোগদলের ভিতরে চাপা অস্থিরতারই প্রতিফলন। তবে তৃণমূল নেতৃত্ব বলছে, এটি কেবলই সংগঠনের কাজ দ্রুত সম্পূর্ণ করার রুটিন ব্যবস্থা।

নভেম্বর ২৫, ২০২৫
রাজ্য

RG Kar কাণ্ডে তৃণমূলের দাপুটে নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ অভয়ার বাবার! উত্তাল রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে ফের নয়া মোড়! তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। টাকা দিয়ে রফা করতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ!আরজি কর কাণ্ডে ফের নয়া মোড়! তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। টাকা দিয়ে রফা করতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ! আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা তরুণীর বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করতেই কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে পালটা বোমা ফাটালেন নির্যাতিতার পরিবার।কী অভিযোগ নির্যাতিতার বাবার? সংবাদ মাধ্যমের সামনে তিনি কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বলেন, আমাদের সঙ্গে উনি টাকা দিয়ে ব্যাপারটা মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন। বাড়িতে আসেননি, তবে বলেছিলেন আপনাদের এত টাকা দিচ্ছি, ব্যাপারটা মিটিয়ে নিন। পাশাপাশি বেশ কিছু হোয়্যাটসঅ্যাপ চ্যাটও সাংবাদিকদের দেখান নির্যাতিতার বাবা। তিলোত্তমার মা-বাবা আরও অভিযোগ করেন, মাঝেমধ্যেই কুণাল ঘোষ তাঁদের ফোন ও মেসেজ করতেন। এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কুণাল ঘোষও। তাঁর কথায়, তিলোত্তমার বাবা বলছেন আমি নাকি ফোন করে রফার চেষ্টা করতাম! এতদিন পর এসব বলছেন? কত বড় মিথ্যা বলছেন ভেবে দেখুন। আমি অনুরোধ করছি, কোর্টে গিয়ে মাননীয় বিচারকের কাছে সব প্রমাণ দিন। সাংবাদিকদেরও প্রিন্ট আউট দিয়ে দিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সবটা দিয়ে দিন। সবাই দেখুক কুণাল ঘোষ কী লিখেছিলেন। অকারণে রহস্য বাড়ানোর চেষ্টা করবেন না।কোনও ভাবেই মেয়ের ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনার যে অঙ্গীকার তা থেকে আমাদের পিছু হটানো যাবে না। তৃণমূল সরকার বারে বারে যাতে ন্যায় বিচার না পাই তার চেষ্টা করেছে। এবার এক সন্তানহারা বাবার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন তৃণমূলেরই মুখপাত্র। তবে মেয়ের ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনবই। কোনও শক্তি সেই ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনার লড়াই থেকে আমাদের বিরত করতে পারবে না। কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে লড়াই হবে আইনি পথেই। এভাবেই বছর পেরোলেও মনোবল অটূট রেখে লড়াই জারির বার্তা দিলেন আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের বাবা।আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিহত তরুণী চিকিৎসকের বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের। বুধবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে নির্যাতিতার বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই সংবাদমাধ্যমের সামনে আরজি করের নির্যাতিতার বাবার অভিযোগ ছিল, CBI টাকা নিয়ে তদন্ত চেপে দিয়েছে। সিবিআইকে টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। কুণাল ঘোষ সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে বিষয়টা দেখাশোনা করেছেন। আরজি করের নির্যাতিতার বাবার এই মারাত্মক অভিযোগের ব্যাপারে আগেই কুণাল ঘোষ তাঁকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। এবার তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন তিনি।এর আগে গত সপ্তাহে নিহত চিকিৎসকের বাবাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়ে ক্ষমা চাইতে বলেন কুণাল ঘোষ। তিনি জানান, নিহত চিকিৎসকের বাবার প্রতি ম্পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে, তবে ইচ্ছেমতো বা অন্য কারও প্ররোচনায় মিথ্যে অভিযোগ করা যায় না। পাশাপাশি কুণাল ঘোষ সতর্ক করে বলেন,ক্ষমা না চাইলে আদালতে প্রমাণ হাজির করতে হবে। নোটিশ পাওয়ার পর চার দিনের সময়সীমা দিয়েছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র।কুণাল ঘোষ বলেন, তিনি মিথ্যে ও নাটকের সব সীমা অতিক্রম করেছেন। আমি বুঝি, মেয়েকে হারানোর যন্ত্রণায় থাকা এক বাবার বেদনা কতটা গভীর। কিন্তু তাই বলে ভিত্তিহীন অভিযোগ করলে প্রশ্ন উঠবেই। কার নির্দেশে বা কোন তথ্যের ভিত্তিতে এমন কথা বললেন? উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট রাতে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ডিউটিতে থাকা ৩১ বছর বয়সি এক চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। ঘটনায় এক সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। পরে সিবিআই তদন্তেও দোষী হিসাবে উঠে আসে সঞ্জয়ের নামই। শিয়ালদা আদালতে সঞ্জয়কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেয়।নিহত চিকিৎসকের বাবা সিবিআই তদন্তের কড়া সমালোচনা করে বলেন, সিবিআই শুধু কলকাতা পুলিশের সেই পুরনো তত্ত্বকেই প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছে। আমরা শুরু থেকেই ভিন্ন দাবি জানালেও সিবিআই আমাদের বক্তব্য উপেক্ষা করেছে। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার সিবিআইকে ঘুষ দিয়েছে এবং কুণাল ঘোষই এই সমঝোতা করিয়েছেন।

আগস্ট ২১, ২০২৫
রাজ্য

২০২৬-এর আগে দুয়ারে সরকারের নয়া মডেল, কর্মসূচি ‘আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান’

২১ জুলাই শেষ হতেই নবান্ন থেকে নয়া কর্মসূচি ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার দুয়ারে সরকারের মডেলে নয়া কর্মসূচি। একেবারের বুথ ভিত্তিক উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য সরকার। তিনটে বুথ নিয়ে একটি কর্মসূচি। এই প্রকল্পকে নয়া চমক বলে দাবি করেছে বিরোধীরা।নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আগে আমরা দুয়ারে সরকার কর্মসূচি চালু করেছিলাম। প্রায় ১০ কোটি মানুষ তাতে অংশ নিয়েছিলেন। সেই কর্মসূচির ৯০% কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ১০% কাজ কিছু প্রকল্পে এখনও বাকি আছে। অনেকেই আবেদন করেছেন, আমরা সেই প্রকল্পগুলো ডিসেম্বর থেকে চালু করব, বিশেষ করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের মতো যেসব প্রকল্প রয়েছে। দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মাধ্যমে বহু মানুষ উপকৃত হয়েছেন। জাতিগত শংসাপত্র, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কৃষক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিভিন্ন সুবিধা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা একটি কর্মসূচি শুরু করছি যার নেতৃত্বে আমি, মুখ্য সচিব এবং ডিজিপি পুলিশ থাকবেন। এই কর্মসূচির নাম আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান। রাজ্য সরকারের তহবিলের উপর নির্ভর করে সরকারি বিভাগগুলির কাজ যথারীতি চলতে থাকবে। MGNREGA তহবিল আটকে রাখা হয়েছে, গ্রামীণ আবাস যোজনার তহবিল আটকে রাখা হয়েছে এবং রাস্তার তহবিলও বন্ধ করা হয়েছে। দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে মানুষ নিজেরাই এসে তাঁদের সমস্যার কথা জানাতেন। আমরা অনেক সমস্যার সমাধান করতে পেরেছিলাম। আমি কৃতজ্ঞতা জানাই সবাইকে, সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রশাসনের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের, যাঁরা দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।কেন এই নয়া কর্মসবূচি নিয়েছে রাজ্য? তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, পাড়ায় ছোট ছোট সমস্যা থেকে যায়, যেমন কোনও জায়গায় একটা কল বসানো দরকার বা একটা ইলেকট্রিক পোল বসানো দরকার। এই ধরনের বিষয়গুলো নজরে আনা দরকার। আমরা অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়েছি, কিন্তু তবুও কিছু জায়গা হয়তো কোনও কারণে বাদ পড়ে গেছে। এই ধরনের ছোট ছোট সমস্যার সমাধানের জন্য আমরা একটি নতুন কর্মসূচি আনছি। আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান। এই ধরনের উদ্যোগ দেশে এই প্রথম। দেখতে ছোট মনে হলেও এর বিস্তৃতি বিশাল। প্রধানমন্ত্রী আত্মনির্ভরতার কথা বলেন, কিন্তু বাস্তবে তার কোনও প্রতিফলন দেখা যায় না। সব কাজ রাজ্য সরকারকেই করতে হচ্ছে।কোন পদ্ধতিতে এই কর্মসূচি রূপায়ণ হবে তাও বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই কর্মসূচি দেশের মধ্যে প্রথম বাংসা চালু করছে বলেও দাবি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, আমাদের পাড়া, আমাদের সমাধান, দেশের প্রথম এই ধরনের কর্মসূচি। এটি একটি উদ্যোগ, যার লক্ষ্য হল গ্রামে গ্রামে ছোট ছোট সমস্যার সমাধান করা। সরকারি অফিসাররা ক্যাম্পে থাকবেন, সাধারণ মানুষের কথা শুনবেন। প্রতিটি ক্যাম্প ৩টি বুথ নিয়ে তৈরি হবে। অর্থাৎ একেকটি ইউনিট হবে একেকটি পাড়া। আমাদের ৮০,০০০-এরও বেশি বুথ রয়েছে, তাই এই পুরো কর্মসূচি সম্পূর্ণ করতে ২ মাস সময় লাগবে। প্রত্যেকটি বুথে অফিসাররা সারাদিন থাকবেন। নির্দিষ্ট একটি জায়গা থাকবে, যেখানে পাড়ার মানুষ তাদের এলাকা সংক্রান্ত সমস্যাগুলি জানাতে পারবেন। অফিসারেরা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথ ঠিক করবেন।এই কর্মসূচির জন্য একটি বিশেষ তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রতি বুথে ১০ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। মোট খরচ ৮,০০০ কোটিরও বেশি টাকা। পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ বা পৌরসভা যেমন কাজ করছে, তেমনই কাজ করবে। তবে এর পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই নতুন কর্মসূচি শুরু করছে। এই কর্মসূচি আগামী ২ অগস্ট থেকে শুরু হবে। একটি বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন করা হবে, যা চিফ সেক্রেটারির নেতৃত্বে কাজ করবে। জেলায় ও রাজ্যে আলাদা আলাদা টাস্ক ফোর্স তৈরি করা হবে। শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের জন্য পুলিশও সহযোগিতা করবে। এই কর্মসূচির মাধ্যমে আগামী ২ মাস ধরে সরকার মানুষের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করবে। দুর্গাপুজোর জন্য ১৫ দিনের ছুটি থাকবে, পরে আবার সময় বাড়ানো হবে। তবে সব বুথই কভার করা হবে। এই কর্মসূচির পাশাপাশি দুয়ারে সরকার কর্মসূচিও চালু থাকবে।

জুলাই ২৩, ২০২৫
রাজনীতি

“ভোটারদের গায়ে হাত পড়লে গণ আন্দোলন", চক্রান্ত বাংলাতেও! চরম হুঁশিয়ারি মমতার

বেশ কিছু দিন ধরেই কেন্দ্রীয় সরকার ভোটার তালিকায় কারচুপি করছে বলে অভিযোগ করছে তৃণমূল কংগ্রেস সহ বিজেপি বিরোধী দলগুলো। সোমবার একুশে জুলাইয়ের শহিদ দিবসে হুঙ্কার ছাড়লেন তৃণমূল সুপ্রমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, বিহারে ৪০ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এবার পশ্চিমবঙ্গেও সেটাই করতে চাও? যদি এমনটা করার চেষ্টা করো, তাহলে আমরা ঘেরাও আন্দোলন শুরু করব। আমরা তীব্র প্রতিবাদে নামব। আমরা তোমাদের কারোর নাম বাদ দিতে দেব না, একজনকেও ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাতে দেব না_এরই পাশাপাশি বিজেপি সরকারের বাঙালিদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন তিনি। মমতা বলেন, এই মুহূর্ত থেকেই শুরু হচ্ছে ভাষা আন্দোলন। ২৭ জুলাই থেকে, প্রতি শনিবার ও রবিবার মিছিল ও সভা করতে হবে-বাংলা ভাষার প্রতি যে হিংসা ও অবমাননা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে হবে। বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এটা করতে হবে। কোনও পরিযায়ী শ্রমিক বা তাঁদের পরিবার যদি বলে তারা সমস্যায় আছে, তাহলে পাশে দাঁড়াতে হবে, আমাদেরও অবহিত করুন।

জুলাই ২১, ২০২৫
রাজ্য

বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি ও বিধায়কের প্রাণনাশের আশঙ্কায় তোলপাড়, বোমায় উড়েছে বাড়ি, মৃত্যু একজনের

পরিত্যক্ত বাড়িতে বোমা বাঁধার সময় বিরাট বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছে একাধিক বাড়ি। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে বোমা বাঁধতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে এক দুস্কৃতীর। জখম হয়েছে আরও তিন সদস্য। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার রাজৌর গ্রামে। এই বিষ্ফোরণের পর প্রাণনাশের আশঙ্কায় আতঙ্কিত খোদ পূর্ব বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ও কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। জেলা তৃণমূলের শীর্ষনেতার আশঙ্কায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনৈতিক মহলে।রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, আমার ওপর হামলা হতে পারে। আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা হতে পারে। তার জন্য়ই বোমা বাঁধা হচ্ছিল। স্থানীয় বাসিন্দা তুফান চৌধুরী বোমা বাঁধছিল। তুফানের মাথার ওপর হাত ছিল জঙ্গল শেখের। বোমা ফেটে বাড়ি উড়ে যায় কাটায়োরার রাজৌর গ্রামে। জঙ্গল শেখের পরিকল্পানা ছিল পার্টি অফিসে আক্রমণ করা। পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার রাত আনুমানিক ৯ টা নাগাদ রাজৌর গ্রামে ভয়ঙ্কর বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফেরণে মৃত্যু হয় বরকত শেখের(২৮)। এই দুষ্কৃতীর বাড়ি বীরভূমের নানুর থানার সিয়ালা গ্রামে। জখমরা হল সেখ তুফান চৌধুরী, ইব্রাহিম সেখ ও সফিক মণ্ডল। জখম তিন জনই রাজৌর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ রাতেই চিকিৎসার জখম তিনজনকে কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে তুফানকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পুলিশ তুফান চৌধুরীকে করেছে। এই তুফানই বোমা বাঁধার মূল পান্ডা। জানা গিয়েছে, তারা লম্বু শেখের বাড়িতে বোমা বাঁধছিল। গোটা ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। ঘটনাস্থল ঘিরে রাখা হয়েছে। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, বালি খাদানে দখলদারি করার উদ্দেশ্যেই এই বোমা বাঁধা হচ্ছিল। এতে নাম জড়িয়েছে প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জঙ্গল শেখের। তার নির্দেশে তুফানরা বোমা বাঁধছিল বলে অভিযোগ। বোমা বেশ উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বলে মনে করা হচ্ছে। জঙ্গল শেখের নেতৃত্বে বোমা বাঁধা হচ্ছিল বলে দাবি করেছেন তৃণমূল জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। ২০১৫ সালে কাটোয়া পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূলের কাউন্সিলর হয়েছিলেন জঙ্গল শেখ। এমনকী পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। তখন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় কংগ্রেসের বিধায়ক ছিলেন। পরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। জঙ্গল শেখ দীর্ঘ দিন জেলে ছিলেন। এখন জামিনে ছাড়া পেয়েছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৫
রাজ্য

বাংলা দিবস পালন নিয়ে বিজেপিকে কড়া তোপ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বাংলা দিবস পালন নিয়ে ফের বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে বাগযুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। আগামী ২০ জুন বাংলা দিবস পালন করা হবে বলে উত্তরপ্রদেশের বিশেষ সচিব পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি দফতরকে একটি চিঠি দিয়েছে। আলাদা করে বাংলা দিবস পালনের দিন নির্ধারণ নিয়ে এবার প্রশ্ন তুললেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ইস্যুতে BJP-র কড়া জবাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২০ জুন প্রতিটি রাজ্যের রাজভবনে বাংলা দিবস পালন করা হবে বলে ঠিক করা হয়েছে। এই তারিখ কীভাবে ঠিক করা হল? দেশ স্বাধীন হয়েছে ১৫ আগস্ট। বাংলার প্রতিষ্ঠা দিবস আপনারা ঠিক করে দেবেন? বিজেপি ইচ্ছা মতো চাপিয়ে দেবে? এটা বাংলাকে চরম অসম্মান বলে আমরা মনে করছি। বাংলা দিবস বাংলার সরকার পালন করবে। সেটা ১ বৈশাখ।এদিন কেন্দ্রকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রীর আরও তোপ, সব বুলডোজ করছে, দেশে জুমলা সরকার চলছে। পেহেলগাঁওয়ের পর সবাই বিশেষ অধিবেশন ডাকার কথা বলেছে। বিরোধীরা সবাই অধিবেশন ডাকার কথা বলেছিল। কেন বিশেষ অধিবেশন ডাকা হবে না?একশো দিনের কাজের টাকা চার বছর ধরে বন্ধ করেছে। আবাস যোজনার টাকা দিচ্ছে না। রাজ্য সরকার নিজে সেই টাকা খরচ করে উন্নয়ন বজায় রেখেছে।

জুন ১৮, ২০২৫
রাজনীতি

২১ জুলাইয়ের পোস্টারে ছবি কার? কি সিদ্ধান্ত দলের?

২১ জুলাই শহীদ দিবস। ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এবারের ২১ শে জুলাইকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। সভা সফল করতে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ঘাসফুল শিবির। শনিবার ভবানীপুরের দলীয় কার্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করে তৃণমূল। সেই বৈঠক শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে দলীয় সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এবার ২১ জুলাইয়ের পোস্টারে থাকবে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি থাকবে না। এটা অভিষেক নিজেই চেয়েছেন। উল্লেখ্য, অভিষেক ২০১১ সালে তৃণমূলে যোগ দেন এবং দলের যুব সংগঠনের সভাপতি হন। এরপর থেকে তিনি দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে উঠে আসেন। কিন্তু তাঁর ছবি পোস্টার থেকে বাদ যাওয়ার বিষয়টিকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনার শেষ নেই। গত বছর নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দলের সমাবেশে অভিষেকের ছবি না-থাকায় তৃণমূলের ভিতরেই বিক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। কুণাল ঘোষের মতো নেতারা সেই নিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলেছিলেন। এবার যাতে তেমন কোন বিতর্ক না হয় তা নিয়ে আগে ভাগেই সতর্ক অবস্থান নিল দল। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সুদীপবাবু বলেন, ক্যামাক স্ট্রিটের দফতর থেকে যেসব পোস্টার পাঠানো হয়েছে, তাতে শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিই রয়েছে। পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, অভিষেক নিজেই বলেছেন, যেহেতু তিনি ২১ জুলাইয়ের ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন না, তাই তাঁর ছবি পোস্টারে না থাকাই যুক্তিযুক্ত।রাজনৈতিক মহলের মতে, মমতা বারবার দলীয় সভায় স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, সরকার যেমন তাঁর হাতেই, সংগঠনেও তিনিও শেষ কথা। ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই, বাম সরকারের আমলে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছিলেন ১৩ জন তৃণমূল কর্মী। সেই শহিদদের স্মৃতিতে প্রতিবছর এই দিনটি পালন করে তৃণমূল। যেহেতু সেই সময় অভিষেক রাজনীতিতে ছিলেন না, তাই এবার তিনি নিজেই সরে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন এমনটাই দাবি সুদীপের-ফিরহাদদের।তবে এই ছবি বিতর্ক নতুন কোন ইস্যু নয়। ২০২৩ সালে নেতাজি ইন্ডোরের এক সভাতেও শুধু মমতার ছবি ছিল, অভিষেকের ছবি না-থাকায় কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তুলেছিলেন। আবার ২০২৫-এর শুরুতে অভিষেকের দফতর থেকে প্রকাশিত ক্যালেন্ডারে তাঁর বিরাট ছবি ঘিরেও শুরু হয়েছিল বিতর্ক। পরে সেটি বদলে দেয় রাজ্য নেতৃত্ব। এরপর ফের ফেব্রুয়ারিতে নেতাজি ইন্ডোরের দলীয় সভায় দেখা যায় শুধুই মমতার ছবি। সব মিলিয়ে ২১ জুলাইয়ের সমাবেশকে ঘিরে যে রাজনৈতিক রূপরেখা তৈরি হচ্ছে, তাতে সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একক নেতৃত্বকেই সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। আর অভিষেকের ছবি না-থাকা সেই বার্তাকেই আরও সুদৃঢ় করল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের ।

জুন ১৫, ২০২৫
কলকাতা

অনুব্রত কলকাতায় তৃণমূলের বৈঠকে, তাঁকে কি নির্দেশ দলের শীর্ষ নেতৃত্বের?

এদিন কলকাতায় তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকে হাজির ছিলেন বীরভূমের দলের প্রাক্তন সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। এসেছিলেন জেলা পরিষদের সভাপতি কাজল শেখ। এই দুই জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তৃণমূল কংগ্রেস। বীরভূমে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জেরবার তৃণমূল। লড়াই মূলত অনুব্রত ও কাজলের মধ্যে। তাঁরা বিবৃতিও দেন প্রকাশ্য। সম্প্রতি বোলপুর থানার আইসিকে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করে অনুব্রত মন্ডল। তাতে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়। সমাজের সর্ব স্তর থেকে নিন্দার ঝড় বয়ে যায়।তৃণমূলের একাংশের রোষানলে পড়েন অনুব্রত। দলীয় নির্দেশ মেনে সেই ঘটনার পর তড়িঘড়ি ক্ষমাও চেয়ে নেন কেষ্ট। তারপর অবশ্য এআই তত্ব সামনে আসে। এবার শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেদলের ঐক্য রক্ষা করে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, এবং নিজেদের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্বকে দূরে সরিয়ে দলীয় স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। বৈঠক থেকে বেরিয়ে ফিরহাদ হাকিম স্পষ্ট জানিয়ে দেন, অনুব্রত মন্ডলকে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্য়তে এমন কাজ করলে দল বরদাস্ত করবে না।

জুন ১৫, ২০২৫
রাজ্য

চায়ের দোকানে খুন, গ্রেফতার তৃণমূলের উপ-প্রধানের দুই ভাই

পূর্ব আক্রোশ বসত এক ব্যক্তিকে রড দিয়ে পিটিয়ে মারা হয় বলে অভিযোগ। সোমবার সন্ধ্যায় ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম মোহাম্মদ বাবলু (৪৫)। তাঁর বাড়ি রঘুনাথগঞ্জ থানার গিরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের পাতলাটোলা গ্রামে। পুলিস মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে মর্গে পাঠায়। এদিন বাড়ির পাশের চায়ের দোকানে বসে ছিলেন বাবলু। আচমকাই কয়েকজন দুষ্কৃতী রড দিয়ে আঘাত করে। তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে জঙ্গি পুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। গত লোকসভা নির্বাচনে ওই এলাকার একটি বুথে তৃণমূল কম ভোট পায়, তা নিয়ে এলাকায় গন্ডগোল বাধে। সেই গন্ডগোলের জেরে এখনও অনেকেই বাড়ি ছাড়া। পূর্বের আক্রোশ বসে এই হামলা বলে দাবি করা হয়েছে। ওই ওয়ার্ডে কংগ্রেস বেশি ভোট পাওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের কিছু মাস্তান তাদের ধমকি দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। খুনের ঘটনায় উপপ্রধানের অনুগামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। বাবলু শেখের খুনের ঘটনায় পুলিস উপপ্রধান কারু শেখের দুই ভাই তানজিল শেখ ও আসগার শেখ ওরফে হারু শেখকে গ্রেপ্তার করে। দুইজনকে এদিন ১০ দিনের পুলিস হেফাজতের আবেদন জানিয়ে জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে।

জুন ১০, ২০২৫
রাজনীতি

বর্ধমানে বিজেপি নেতা কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে, অভিযোগ অস্বীকার বিধায়কের

বিজেপি নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠলো বর্ধমানে। অভিযোগ, হামলাকারীরা বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বাড়িতে চড়াও হয়ে বিজেপি কর্মীদের মারধর করার পাশাপাশি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুঠপাট চালায়। তখন বিজেপির কার্য্যকারিনী কমিটির বৈঠকও চলছিল। বর্ধমান শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের রথতলা এলাকায় হওয়া এই ঘটনায় এলাকার বিধায়ক খোকন দাসের নাম জড়িয়েছে। বর্ধমান শহরের ৫ নম্বর মণ্ডল সভাপতি শুভঙ্কর রায়, মণ্ডলের সাধারণ সম্পাদক অসিত হালদার সহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা হয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বিজেপি নেতা তথা বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের নেতৃত্বে বিশাল লামা, মনোজ ওরাও,পুনা ভাংরা ও পবন সিং সোমবার বর্ধমান জেলা বিজেপি দফতরে এসে পৌঁছান। এরপর আহত বিজেপি কর্মীদের দেখতে তারা সেখান থেকে চলে যান স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে । আহতদের কাছ থেকে হামলার ঘটনার সবিস্তার শুনে বিজেপি প্রতিনিধিরা ক্ষোভ ব্যক্ত করেন। শঙ্কর ঘোষ বলেন, শাসকদলের দুস্কৃতীরা চরম অন্যায় করছে। বিজেপির সংগঠন বিস্তারে ভয় পেয়ে তারা এসব করছে।ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি জেলা যুবমোর্চার সম্পাদক দেবজ্যোতি সিনহার অভিযোগ, বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক খোকন দাসের বাড়ির শহরের রথতলা এলাকায়। বিধায়কের বাড়ির কাছেই বাড়ি রথতলা এলাকায় ৫ নম্বর মণ্ডলের মণ্ডল বিজেপি সভাপতি শুভঙ্কর রায়ের। রবিবার সন্ধ্যায় সেখানেই বুথ স্বশক্তিকরণ ও অপারেশন সিঁদুরের সফলতার কথা বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেওয়া নিয়ে বিজেপি কর্মীরা বৈঠক করছিলেন।বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বৈঠকের শেষদিকে হঠাৎ করেই বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের নেতৃত্বে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপি মণ্ডল সভাপতি শুভঙ্কর রায়ের বাড়িতে চড়াও হয়। তারা বিজেপি কর্মীদের মারধর করে। এমনকি মণ্ডল সভাপতির বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটতরাজও চালায় বলে অভিযোগ। ঘটনায় মণ্ডল সভাপতি সহ আরও বেশ কয়েকজন বিজেপিকর্মী আহত হন। চিকিৎসার জন্য তাদের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। খবর পেয়ে রাতেই বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয় । তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিত দাসের দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। বিজেপি নেতৃত্ব আইনের দ্বারস্থ হলে প্রশাসন উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে। বিজেপি বাজার গরম করার জন্যই তৃণমূলের নামে এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে প্রসেনজিত দাস মন্তব্য করেছেন। আর বিধায়ক খোকন দাস অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি রাতে ঝামেলার কথা শুনেছি। ওদের নিজেদের মধ্যে ঝামেলা। আমরা ওর মধ্যে নেই। মিথ্যা কথা বলা হচ্ছে। আমাদের কেউ হামলা করেনি। আর শুভঙ্কর রায় তো বাংলাদেশী। ওই একমাত্র এখানে থাকে। ওর গোটা পরিবার থাকে বাংলাদেশে। কি করে নাম তোলালো তা বুঝতে পারছি না। বিধায়কের এই বক্তব্যের পাল্টা জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, নিজে বাংলাদেশি বলেই হয়তো বিধায়ক খোকন দাস সবাইকে বাংলাদেশি বানিয়ে দিতে চাইছে।

জুন ০৯, ২০২৫
রাজনীতি

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জীর্ণ বীরভূম তৃণমূল কংগ্রেস, এবার কাজল শেখের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ অনুব্রত ঘনিষ্ঠ ব্লক সভাপতির

বীরভূমে তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীকলহ যেন কিছুতেই কমছে না। বরং বাড়ছে। আইসিকে গালাগাল দেওয়ার অডিও ভাইরাল হতেই অনুব্রত ও কাজল গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব আরও বেড়েছে। নাম না করে বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন বীরভূমের সাঁইথিয়া ব্লকের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ সাবের আলি। তাঁর বক্তব্য, দলকে ভাঙিয়ে কেউ কেউ ব্যবসা করছে। তাঁর অভিযোগ, সভাধিপতি দলে বিভাজন সৃষ্টি করছেন। বিষয়টি কোর কমিটির কাছে জানাবেন বলে জানিয়েছেন সাবের আলি।এআইকে যতই দোষারোপ করা হোক না কেন কুকথা কাণ্ডে বিদ্ধ বীরভূম জেলার প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। মুষড়ে পড়েছিলেন অনুব্রত ঘনিষ্ঠরা। এরই মাঝে উৎসাহিত হয়ে কাজল ঘনিষ্ঠরা বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট সভা করেন বলে অভিযোগ। বৃহস্পতিবার বোলপুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিকের অফিসে হাজিরা দিয়ে পরের দিন দলীয় কার্যালয়ে হাজির হন অনুব্রত। এরপর থেকেই ফের উৎসাহিত হয়ে ময়দানে নেমে পড়েছেন অনুব্রত ঘনিষ্ঠরা। শুক্রবার সন্ধ্যায় সাঁইথিয়া ব্লকের হরিসরা গ্রামে সভা করেন সাবের আলি। সভায় তিনি বলেন, বীরভূম জেলায় ১১ টি বিধানসভার সিটে জয়ী করতে পারেন একমাত্র অনুব্রত মণ্ডল। কারণ তিনিই জেলায় সংগঠনকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন।সাবের আলির অভিযোগ, বীরভূম জেলা পরিষদ সাঁইথিয়া ব্লকে কোন উন্নয়ন করেনি। আর সাঁইথিয়া ব্লকের একজন উপপ্রধানকে ডেকে দলে বিভাজনের সৃষ্টি করছেন। ভাঁওতাবাজি করে তাকে বলা হচ্ছে তোমার এলাকার উন্নয়নে যত টাকা লাগবে দেব। শুধুমাত্র দলে বিভাজন করতে এসব করছেন সভাধিপতি। সরাসরি সভাধিপতিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, এই ব্লকে একমাত্র অবজারভার রানা সিং সভা ডাকতে পারেন। সভাধিপতি পারেন না। মাঠপলসা অঞ্চলে সভাধিপতি নোংরামি করেছে। বনগ্রাম অঞ্চল নিয়ে নোংরামি করছে। দলটা সভাধিপতির বাড়ির সম্পত্তি নয়। কাউকে নিয়ে আলোচনা করতে হলে জেলা পরিষদে নিয়ে গিয়ে আলোচনা করুন। দলকে বিভাজন করতে কাউকে পার্টি অফিসে ডেকে পাঠিয়ে আলোচনা করবেন না। কোর কমিটির কাছে মুখোশ খুলে দেব। এ বিষয়ে কাজল শেখের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০৭, ২০২৫
রাজ্য

জার্মানী গিয়ে চুপিসারে বিয়ে সেরেছেন তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র, পাত্র কে?

তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র সুদূর জার্মানী গিয়ে বিয়ে করেছেন। ওড়িশার প্রাক্তন বিজু জনতা দলের (বিজেডি) সাংসদ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পিনাকী মিশ্রের গলায় মালা দিয়েছেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ। দুজনেই ডিভোর্সী। এক মাস আগে চুপিসারে এই বিয়ে সেরেছেন মহুয়া-পিনাকী।গত ৩০ মে একটি সাধারণ অনুষ্ঠানে তাঁরা বিয়ে করেছেন। কৃষ্ণনগরের দুই বারের তৃণমূল সাংসদ এর আগে লার্স ব্রোসনকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু পরে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। তিনি বিদেশী বড় সংস্থায় কাজ করেছেন। ৫০ বছর বয়সী মহুয়া নগদ অর্থের বিনিময়ে জিজ্ঞাসা করেছেন, যার ফলে লোকসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে লোকসভা থেকে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে তিনি দর্শন হিরানন্দানির কাছ থেকে উপহার এবং নগদ অর্থ গ্রহণ করেছিলেন। তার পার্লামেন্ট লগইন আইডি শেয়ার করার এবং তার পক্ষে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার বিনিময়ে। ১৯৭৪ সালে আসামের কাছাড় জেলায় জন্ম মহুয়া মৈত্রের। চা চাষীদের পরিবারে বেশ সচ্ছলভাবে বেড়ে ওঠেন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের একটি কলেজ থেকে অর্থনীতি ও গণিতে ডিগ্রি অর্জন করেন। কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে আসার পর তিনি প্রথমে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি ২০০৮ সালে প্রথম কংগ্রেসে যোগ দেন, যেখানে দল তাকে রাহুল গান্ধীর আম আদমি কা সিপাহি (সাধারণ মানুষের সৈনিক) বুথ-স্তরের প্রচারণার নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব দেয়। মৈত্রের স্বামী পিনাকী মিশ্র ওড়িশার একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ। তিনি ১৯৯৬ সালে পুরী থেকে কংগ্রেসের সাংসদ হন। একজন প্রবীণ আইনজীবী হিসেবে তিনি পরবর্তীতে নবীন পট্টনায়েকের বিজেডিতে যোগ দেন এবং ২০০৯ এবং ২০১৪ সালের নির্বাচনে পুরীতে আবার জয়লাভ করেন এবং দিল্লিতে দলের মুখ হন।

জুন ০৬, ২০২৫
রাজ্য

শান্তিনিকেতন থানায় পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি অনুব্রত মন্ডল

অবশেষে পুলিশি জেরার মুখোমুখি বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। সাত দিন পর তিনি বোলপুরের এসডিপিও অফিসে যান। ওই চত্বটরে শান্তিনিকেতন থানায় জিজ্ঞাসাবাদ চলে। বিকেল ৩ টে ২০ মিনিট নাগাদ অনুব্রত সেখানে আসেন। এর আগে পুলিশ ২বার বোলপুর তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির ওই সদস্যকে তলব করে। অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি বোলপুরের আইসি লিটন হালদারকে ফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন। সেই অডিও সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। এই নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে ঝড় বয়ে যায়। এদিকে বোলপুরের আইসির দুটো মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কে ভাইরাল করল ওই অডিও তা তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। প্রথম দফায় অনুব্রত ক্ষমা চেয়েছেন, সেই চিঠি প্রকাশ্যে এসেছিল। পরে অনুব্রতর আইনজীবী এআইয়ের অডিও বলে দাবি করেন। অনুব্রত অনুগামীরা বোলপুর আইসির তুলোধোনা করেন। আপাতত শান্তুনিকেতন থানায় অনুব্রত।

জুন ০৬, ২০২৫
রাজ্য

আইসিকে কদর্য ভাষা অনুব্রতর, FIR, শেষমেশ ক্ষমা প্রার্থনা

তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হতেই রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় পড়ে যায়। সেই অডিওর শোনা যাচ্ছে, বীরভূম জেলা তৃণমূল কোর কমিটির অন্যতম সদস্য অনুব্রত মণ্ডল বোলপুর থানার আইসি লিটন হালদারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করছেন। দুদিন আগে এই অডিও ক্লিপটি যে কোনও কারণেই ভাইরাল হয়ে যায়। তারপরেই জেলা পুলিশ সুপার আমনদীপ সিং, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার বোলপুর রানা মুখোপাধ্যায় বৈঠক ডেকে আইসি লিটন হালদারকেও ডেকে পাঠান। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বোলপুর এসডিপিও রিকি আগরওয়াল সহ চার পুলিশ কর্তা। উল্লেখ্য, গতকালই অর্থাৎ বৃহস্পতিবার নাগরিক কমিটির ডাকে বোলপুর থানায় এক বিক্ষোভ কর্মসূচি নেওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অনুব্রত মণ্ডলের অনুগামীরা। অভিযোগ, আইসি লিটন হালদার বিভিন্ন জনের কাছ থেকে তোলাবাজি অর্থ দাবি করেন। অনুব্রত মণ্ডলকেও, এ ব্যাপারে সোচ্চার হতে দেখা যায়। যদিও এ ব্যাপারে পুলিশের তরফে কোন বক্তব্য জনসমক্ষে আসেনি। অনুব্রতর কদর্য বক্তব্য সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরই তীব্র নিন্দা হয় বিভিন্ন মহল থেকে। এমনকি বিজেপির রাজ্য শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব শাসকদলকে আক্রমণ করার হাতিয়ার পেয়ে যায়। একইসঙ্গে তৃণমূল দল থেকে নিজস্ব হ্যান্ডেলে অনুব্রত মণ্ডলের ঘটনার নিন্দা করা হয়। বলা হয় যে, অনুব্রত মণ্ডল একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন তার সঙ্গে আমাদের দল সম্পূর্ণ দ্বিমত প্রকাশ করছে। এবং এই মন্তব্যকে ও সমর্থন করছে না। পাশাপাশি, দল তাকে নির্দেশ দেয় যে আগামী চার ঘণ্টার মধ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে তার বিরুদ্ধে দল শোকজ নোটিশ জারি করবে। ইতিমধ্যে, পুলিশের তরফে একটি মুখবন্ধ খামে চিঠি এসে পৌঁছায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে। অন্যদিকে, বোলপুর থানায় বিএনএস এর ৭৫, ১৩২, ২২৪ ও ৩৫১ ধারায় অনুব্রতর বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়। পাশাপাশি, অডিও ক্লিপটি কিভাবে ভাইরাল হল তা নিয়ে তদন্ত করা হবে বলে জানান, বীরভূমের পুলিশ সুপার আমানদীপ সিং। অবমাননাকর মন্তব্যের তদন্ত শুক্রবার বোলপুর দলীয় কার্যালয়ে অনুব্রত মণ্ডল একটি ভিডিও বার্তায় সকলের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, যে নানুরের শিঙ্গিতে তার এক দলীয় কর্মীর পা ভেঙে গুড়ো করে দেওয়া হয় সে ব্যাপারে তিনি আইসিকে দেখার অনুরোধ করেন। অনুব্রত বলেন, যে নুরুল নামে সেই দলীয় কর্মী গুরুতর অবস্থায় আহত হন। তারপর সেখান থেকে তাকে ফোন করা হয়। রাত্রি দশটায় ঘুমের ওষুধ খেয়ে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। ফোনে ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর, তিনি আইসিকে বলেন যে, ওই আহত ব্যক্তিকে বাঁচানোর জন্য আপাতত হাসপাতালে ভর্তি করুন। একইভাবে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ ও আইসিকে অনুরোধ করেন। কিন্তু আইসি তাকে একটি খারাপ কথা বলেন। যেটা তিনি আর বলতে চাইছেন না। তার পক্ষে (অনুব্রতর) এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত হয়নি। তিনি ক্ষমা চাইছেন।

মে ৩০, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 13
  • 14
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ইস্তফা কি সত্যিই দিচ্ছেন ফিরহাদ? দু’দিন পরেও মিলল না উত্তর

কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পদ থেকে ফিরহাদ হাকিম ইস্তফা দিতে চলেছেন কি না, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। তবে দুদিন ধরে নানা জল্পনা চললেও এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনও স্পষ্ট পদক্ষেপ দেখা যায়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, আদৌ কি মেয়রের পদ ছাড়তে চলেছেন ফিরহাদ হাকিম?সম্প্রতি তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ দাবি করেছিলেন, ফিরহাদ হাকিম দলনেত্রীর কাছে মেয়র পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি ঠিকমতো কাজ করতে পারছেন না এবং সেই কারণেই ইস্তফা দিতে চান। কুণালের দাবি অনুযায়ী, এই বিষয়টি দলের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছেও জানানো হয়েছিল।কিন্তু সেই মন্তব্যের পর কয়েক দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত ইস্তফা সংক্রান্ত কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি। বরং এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ফিরহাদ হাকিম মন্তব্য করতে চাননি। তিনি শুধু জানিয়েছেন, এই বিষয়ে তিনি কোনও কথা বলবেন না।এদিকে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ অন্য ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ। গত কয়েক দিনে একাধিক সরকারি ও প্রশাসনিক কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে দেখা গিয়েছে ফিরহাদ হাকিমকে। পরিবেশ দিবসের কর্মসূচিতেও তাঁকে কলকাতা পুরনিগমের কমিশনারের সঙ্গে দেখা যায়।শুধু তাই নয়, প্রশাসনিক বিভিন্ন বিষয় নিয়েও নিয়মিত বৈঠক করতে দেখা যাচ্ছে মেয়রকে। পুর প্রশাসনের কাজকর্ম নিয়েও তিনি সক্রিয় রয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। ফলে ইস্তফার জল্পনার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির বেশ কিছু অসঙ্গতি সামনে আসছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, যদি সত্যিই ইস্তফার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকে, তাহলে সাধারণত প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড থেকে কিছুটা দূরত্ব বজায় রাখার প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু বর্তমানে ফিরহাদ হাকিমের ভূমিকা সে ধরনের কোনও ইঙ্গিত দিচ্ছে না।ফলে মেয়র পদ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। ফিরহাদ হাকিম শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেন, তা নিয়ে এখন কৌতূহল রাজনৈতিক মহলে। তবে সরকারি ভাবে কিছু ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত এই বিতর্ক ও জল্পনা যে চলতেই থাকবে, তা বলাই যায়।

জুন ০৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

টাকা না দিয়েই বিশ্বকাপের টিকিট! ফিফার বড় ভুলে তোলপাড় ফুটবল দুনিয়া

ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। তার আগেই টিকিট বিক্রি নিয়ে বড় বিতর্কে জড়াল ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে কয়েকজন সমর্থক বিনামূল্যে বিশ্বকাপের টিকিট পেয়ে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।সূত্রের খবর, অন্তত ষাট জন ফুটবলপ্রেমী বিশ্বকাপের টিকিট কাটার সময় কোনও টাকা না দিয়েই টিকিট সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। অভিযোগ, টিকিট বুকিংয়ের শেষ ধাপে গিয়ে তাঁদের কাছ থেকে কোনও অর্থ নেওয়া হয়নি। ফলে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে টিকিট তাঁদের হাতে চলে যায়।বিশ্বকাপের টিকিটের দাম নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই বিতর্ক চলছে। অনেকের অভিযোগ, সাধারণ সমর্থকদের নাগালের বাইরে চলে গিয়েছে টিকিটের মূল্য। এই পরিস্থিতিতে কিছু দর্শক বিনামূল্যে টিকিট পাওয়ার খবর সামনে আসতেই ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে যাঁরা মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করে টিকিট কিনেছেন, তাঁদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে শুরু করে।জানা গিয়েছে, কানাডার টরন্টো শহরে আয়োজিত কয়েকটি ম্যাচের টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রেই এই সমস্যা দেখা দেয়। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে অর্থ পরিশোধ ছাড়াই টিকিট ইস্যু হয়ে যায় বলে অভিযোগ।বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছে ফিফা। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ওয়েবসাইটে সাময়িক প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে। যাঁরা বিনামূল্যে টিকিট পেয়েছেন, তাঁদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টিকিটের মূল্য পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা জমা না দিলে তাঁদের টিকিট বাতিল করে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।এদিকে টিকিট বিক্রির পদ্ধতি নিয়েও নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। অতিরিক্ত মূল্য নেওয়ার অভিযোগে ইতিমধ্যেই আইনি জটিলতার মুখে পড়েছে ফিফা। টিকিট বিক্রির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে এই ঘটনা ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

ইন্ডিয়া জোটে বড় বিস্ফোরণ! ডিএমকে সরে যেতেই বিজয়ের দিকে কংগ্রেসের ঝোঁক?

পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দেশের রাজনৈতিক সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে। অন্যদিকে তামিলনাড়ুতেও বদলেছে রাজনৈতিক চিত্র। এই পরিস্থিতিতে এবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, ইন্ডিয়া জোটের অন্দরেও কি বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে?তামিলনাড়ুতে নির্বাচনে কংগ্রেস ডিএমকের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করলেও ফল প্রকাশের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। সরকার গঠনের সময় কংগ্রেস সমর্থন জানায় অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ হওয়া বিজয়ের দলের প্রতি। সেই সমর্থনের ফলস্বরূপ কংগ্রেস একটি গুরুত্বপূর্ণ আসনও পেয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, কংগ্রেস এখন বিজয়ের দলের সঙ্গে সম্পর্ক আরও মজবুত করতে আগ্রহী। আগামী আট জুন দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোটের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। সেই বৈঠকে বিজয়ের দলকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব ভাবনাচিন্তা করছে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে।এদিকে ডিএমকে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে যে তারা ওই বৈঠকে অংশ নেবে না। দলের নেতাদের বক্তব্য, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনায় তারা অত্যন্ত হতাশ। কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সেই কারণেই আপাতত ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।শুধু ডিএমকে নয়, ইন্ডিয়া জোটের ভেতরে আরও কয়েকটি দলের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই একাধিক শরিক দলের সঙ্গে কংগ্রেসের দূরত্ব বেড়েছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মত। বিভিন্ন রাজ্যে আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে কংগ্রেসের সম্পর্কের টানাপোড়েন এবার জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।আসন্ন বৈঠকে কোন দল উপস্থিত থাকে এবং কোন দল দূরত্ব বজায় রাখে, সেদিকেই এখন নজর দেশের রাজনৈতিক মহলের। কারণ সেই বৈঠকের ফলাফলই ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

ঋণগ্রহীতাদের জন্য বড় সুখবর! রেপো রেট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আরবিআইয়ের

বিশ্বজুড়ে অস্থির অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর দিল ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। শুক্রবার মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকের পর জানানো হয়েছে, আপাতত রেপো রেটের কোনও পরিবর্তন করা হচ্ছে না। ফলে বাড়ি, গাড়ি বা অন্যান্য ঋণের মাসিক কিস্তি এখনই বাড়ার আশঙ্কা নেই।রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর সঞ্জয় মালহোত্রার নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুদ্রানীতি কমিটির সব সদস্যই রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে মত দেন। বর্তমানে রেপো রেট রয়েছে পাঁচ দশমিক দুই পাঁচ শতাংশে। আগামী দুমাস এই হারই বহাল থাকবে বলে জানানো হয়েছে।কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের মতে, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি এবং বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তার কারণে আপাতত সতর্ক অবস্থান নেওয়াই সবচেয়ে উপযুক্ত। ভবিষ্যতে পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে তখন প্রয়োজন অনুযায়ী নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।গত বছর একাধিকবার রেপো রেট কমিয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। প্রথমে ধারাবাহিকভাবে হার কমানোর পর জুন মাসে আরও পঞ্চাশ বেসিস পয়েন্ট কমানো হয়। পরে ডিসেম্বর মাসে আবার পঁচিশ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে রেপো রেট পাঁচ দশমিক দুই পাঁচ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়। সেই হারই এখনও বজায় রয়েছে।তবে অর্থনীতিবিদদের একাংশের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামের ওঠানামা, পশ্চিম এশিয়ার অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপের কারণে ভবিষ্যতে রেপো রেট নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। সেই কারণেই আগামী কয়েক মাসের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দিকে বিশেষ নজর রাখছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।এদিকে দেশের অর্থনীতি নিয়েও নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার রক্ষার জন্য দেশের সঞ্চিত সোনার একটি বড় অংশ বিক্রি করা হয়েছে। যদিও রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সেই দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে খারিজ করে দিয়েছে। তবুও বিষয়টি নিয়ে অর্থনৈতিক মহলে আলোচনা থামেনি।

জুন ০৫, ২০২৬
কলকাতা

মমতার ঘনিষ্ঠ নেতা এবার বিদ্রোহী শিবিরে! জাভেদ খানের পদক্ষেপে তোলপাড় রাজনীতি

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত ছিলেন জাভেদ খান। রাজনৈতিক জীবনের বড় অংশই তিনি কাটিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সেই সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। সম্প্রতি তাঁকে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বৈঠকে।গত সোমবার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যায় জাভেদ খানকে। শুক্রবারও বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিনি। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের সম্পত্তি নিয়ে ওঠা অভিযোগের জবাব দেন জাভেদ খান। তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার অনেকটাই ভিত্তিহীন। তাঁর বক্তব্য, পরিবারের পৈতৃক সম্পত্তিকে ঘিরে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। সব সম্পত্তি তাঁর ব্যক্তিগত মালিকানাধীন নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে তৃণমূল ভবনের জমি নিয়ে তাঁর মন্তব্য। জাভেদ খানের দাবি, ওই জমি তাঁদের পরিবারের ছিল এবং পরে তা দান করা হয়েছিল। তবে সেই জমি ফেরত নেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁদের নেই বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না।রাজনৈতিক জীবনে জাভেদ খানের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় নেতা হিসেবে কাজ শুরু করেন। কলকাতা পুরসভায় একাধিকবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। পরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও সামলেছেন। কলকাতা পুর প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার পাশাপাশি দীর্ঘদিন বিধায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।রাজ্যের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন জাভেদ খান। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তরের দায়িত্বে থেকে তিনি দীর্ঘ সময় প্রশাসনিক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কারণেই তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হওয়ার ঘটনা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।বিদ্রোহী শিবিরে তাঁর উপস্থিতি এবং সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৫, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

থানায় স্বরূপ, নেটদুনিয়ায় অনির্বাণ! রাতারাতি বদলে গেল সমীকরণ

টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়ায় তোলাবাজি এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাস। বৃহস্পতিবার তাঁকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে নিউ আলিপুর থানার পুলিশ। এক মেকআপ শিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োর কর্মীদের কাছ থেকে জোর করে টাকা আদায় করা হত। পাশাপাশি স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগও ওঠে। গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাতে থানার সামনে ভিড় জমায় এলাকার বহু মানুষ। তাঁদের একাংশ প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন। থানার সামনে বিক্ষোভ ও স্লোগানও শোনা যায়।টালিগঞ্জের একাংশের শিল্পী ও কলাকুশলীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই অসন্তোষ ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ, ফেডারেশনের ক্ষমতা ব্যবহার করে বহু শিল্পীর কাজের সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই তালিকায় অভিনেতা অনির্বাণ ভট্টাচার্যের নামও বারবার উঠে এসেছে।স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেপ্তার হওয়ার পর সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে অনির্বাণের একটি পুরনো ভিডিও। সেখানে তাঁকে এক জনপ্রিয় লোকগান গাইতে দেখা যায়। ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে নেটমাধ্যমে। পাশাপাশি অভিনেতার বিভিন্ন ছবি ও সংলাপ ব্যবহার করে একাধিক ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট এবং মিমও ভাইরাল হয়েছে।টলিপাড়ার অনেকের দাবি, অতীতে নানা বাধার মুখে পড়লেও নিজের অভিনয় দক্ষতার জোরে দর্শকদের মন জয় করেছেন অনির্বাণ। পরবর্তীকালে বড় বড় প্রযোজনায় তাঁর অভিনয় বিশেষ প্রশংসাও পেয়েছে। বর্তমানে তাঁর একাধিক নতুন কাজ নিয়েও দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।এদিকে ফেডারেশন এবং তথাকথিত ব্যান সংস্কৃতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে ইন্ডাস্ট্রিতে। কিছু শিল্পী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের দাবি, ভবিষ্যতে কাজের ক্ষেত্রে কোনও শিল্পীকে ব্যক্তিগত মতামতের কারণে বাধার মুখে পড়তে হবে না। মত প্রকাশের স্বাধীনতা বজায় রেখেই কাজের পরিবেশ গড়ে তোলার পক্ষে সওয়াল করেছেন তাঁরা।স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর টলিপাড়ার।

জুন ০৫, ২০২৬
কলকাতা

কুড়ি সাংসদ নিয়ে গোপন বৈঠক! লোকসভায় বড় চমক দিতে চলেছেন কাকলি?

লোকসভায় তৃণমূলের নেতৃত্বে বড় পরিবর্তনের জল্পনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে এবং সেই পরিস্থিতিতে লোকসভায় নতুন দলনেতা হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নাম সামনে আসতে পারে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করতে চাননি কাকলি নিজে। তাঁর দাবি, এ নিয়ে তিনি কিছুই জানেন না।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা কাকলি ঘোষ দস্তিদার। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াইয়ের অংশ ছিলেন। লোকসভায় দলের মুখ্য সচেতক হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। তবে কয়েক সপ্তাহ আগে সেই পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকেই দলের অন্দরে তাঁর অসন্তোষ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করে।বিশেষ করে ভোটকৌশল সংস্থা আইপ্যাককে নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দেন কাকলি। তাঁর অভিযোগ ছিল, আইপ্যাকের ভূমিকার কারণেই দলের ক্ষতি হয়েছে। পরে তিনি দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ থেকেও সরে দাঁড়ান। এর কিছুদিনের মধ্যেই কেন্দ্রের তরফে তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। সেই ঘটনার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়। অনেকের দাবি, বিরোধী শিবিরের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বেড়েছে। যদিও এ বিষয়ে কোনও সরকারি তথ্য সামনে আসেনি।এদিকে সূত্রের খবর, আগামী রবিবার প্রায় কুড়ি জন তৃণমূল সাংসদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে পারে। সেই বৈঠকে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে সোমবার লোকসভার অধ্যক্ষের কাছে একটি স্বাক্ষরিত চিঠি জমা পড়তে পারে বলেও জল্পনা ছড়িয়েছে। ওই চিঠিতে লোকসভায় নতুন দলনেতা হিসেবে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নাম প্রস্তাব করা হতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।এই জল্পনার মধ্যেই শুক্রবার সমাজমাধ্যমে একটি তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা পোস্ট করেন কাকলি। সেখানে তিনি লেখেন, একজন রাজনৈতিক কর্মী যদি চারবারের সাংসদ হন এবং চার দশক ধরে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করেন, তবে তিনি শুধুমাত্র নিজের স্বার্থের কথা ভাবতে পারেন না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান পরিস্থিতি আসলে নীতির বিরুদ্ধে জনরায় এবং শাসনের ব্যর্থতার প্রতিফলন।কাকলির এই বার্তার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর মন্তব্য কি শুধুই রাজনৈতিক মূল্যায়ন, নাকি এর পিছনে রয়েছে আরও বড় কোনও ইঙ্গিত? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এখন নজর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৫, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বাঙালি অধ্যাপিকার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, মাথা থেঁতলে খুনের অভিযোগে চাঞ্চল্য

রাজধানী দিল্লিতে এক বাঙালি অধ্যাপিকার খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভের সত্যম অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবাজী কলেজের ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেবস্মিতা পালের (৪২) রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। তিনি ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন। তাঁর স্বামী বেঙ্গালুরুতে কর্মসূত্রে থাকেন।পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার থেকে দেবস্মিতার সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। ফোনেও কোনও সাড়া মিলছিল না। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁর দিদি দেবারতী পাল নিউ অশোক নগর থানায় ফোন করে জানান, বন্ধ ফ্ল্যাটের ভিতরে তাঁর বোনের দেহ পড়ে রয়েছে।দেবারতীর বক্তব্য, সকাল থেকেই ফ্ল্যাটের দরজায় বাইরে থেকে তালা লাগানো ছিল। দীর্ঘ সময় ফোনে যোগাযোগ না হওয়ায় তিনি আশঙ্কা করেন কিছু অঘটন ঘটেছে। পরে দরজা ভেঙে ভিতরে ঢুকতেই রক্তাক্ত অবস্থায় দেবস্মিতাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এই ঘটনায় কোনও পরিচিত ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারেন। খুনের পর দরজায় তালা দিয়ে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। মৃতদেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মাথায় ভারী কোনও বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে এবং হাতের শিরাও কাটা ছিল।মৃত্যুর সময় ও প্রকৃত কারণ জানতে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য দিল্লির লাল বাহাদুর শাস্ত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ফ্ল্যাটে চুরির কোনও চিহ্ন মেলেনি। সোনার গয়না ও নগদ টাকা অক্ষত ছিল।খুনের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা জানতে পরিচিতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জুন ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal