• ২৯ মাঘ ১৪৩২, সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Temperature Fall

রাজ্য

এক ধাক্কায় পারদ নামল তিন ডিগ্রি! স্থায়ীত্ব নিয়ে ফের চিন্তায় হাওয়া অফিস

পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কবলে পড়ে এই বছর দফারফা হয়েছে শীতের। বৃহস্পতিবারের থেকে শুক্রবার সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩ ডিগ্রি কমেছে। শুক্রবার থেকে সোম জাঁকিয়ে শীত পড়তে চলেছে বাংলায়। তেমনই বার্তা দিল আলিপুরের আবহাওয়া দপ্তর। শুক্রবার পারদের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকতে পারে বলেই আবহবিদরা জানিয়েছেন। জেলায় পারদ নামতে পারে ১০-১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ফলে, বেশ জাঁকিয়েই অনুভূত হবে শীত।ধীর গতিতে আসা শীত আপাতত বেশ কিছুদিন স্থায়ী হবে। কিন্তু, কতদিন তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। কারণ, আরও একটি ঝঞ্ঝার কোপে ও বঙ্গোপসাগরে প্রচুর জ্বলীয় বাষ্প তৈরি হওয়ায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি ও ৫ ফেব্রুয়ারি মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কাও রয়েছে। মাঘের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে অর্থাৎ সরস্বতী পুজোয় ফের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকেই বাড়তে পারে তাপমাত্রা। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে মাঝারি বৃষ্টিপাত শীতের শেষটুকু বাঁচানোর চেষ্টা করলেও দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে রাজ্য থেকে পাকাপাকি ভাবে বিদায় নেবে শীত। দাপট কমবে কনকনে উত্তুরে বাতাসের। সেই জায়গা নেবে দখিনা বাতাস। রাজ্যে আগমন হবে বসন্তের। তামিলনাড়ুর উপরেও তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। তার প্রভাবে সরস্বতী পুজোয় বৃষ্টি হতে পারে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

উত্তুরে হাওয়ায় শীত ফিরছে বঙ্গে, পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের

শীতের কামর ফিরতে চলেছে বঙ্গে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর আশ্বাস দিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যে বড় মাপের পারদ পতনের সম্ভাবনা আছে। তিন দিনে উত্তর এবং দক্ষিণ রাজ্যের দুই অর্ধের বিভিন্ন জেলায় রাতের তাপমাত্রা ৩-৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নামতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। এরই সঙ্গে জানানো হয়েছে, সকালে কুয়াশারও সম্ভাবনা আছে কোনও কোনও জেলায়।পশ্চিমী ঝঞ্ঝার বাধা কাটিয়ে ফিরছে শীত। ধীর গতিতে আসা শীত আপাতত বেশ কিছুদিন স্থায়ী হবে। কিন্তু, কতদিন তা নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। কারণ, আরও একটি ঝঞ্ঝার কোপে ও বঙ্গোপসাগরে প্রচুর জ্বলীয় বাষ্প তৈরি হওয়ায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি ও ৫ ফেব্রুয়ারি মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কাও রয়েছে।বারবার পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কোপে পিছু হটেছে শীত। আবহবিদরা বলছেন, যেভাবে ক্রমেই ঘন ঘন বদলাচ্ছে বঙ্গের আবহাওয়া তাতে সামগ্রিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত জলবায়ু। যার প্রভাব পড়বে চাষে। ফলস্বরূপ বাজারেও পড়বে টান। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া বিভাগের হ্যাজার্ড অ্যাটলাস বলছে, বঙ্গে বারবার এভাবে আবহাওয়ার ঘনঘন পরিবর্তন প্রভাব ফেলবে জলবায়ুতেও। যার জেরে, ঘূর্ণিঝড়ের বিপদ বাড়বে দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে। এই তিন জেলায় রয়েছে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কাও। খরা দেখা দিতে পারে বীরভূম ও নদিয়ায়। গোটা রাজ্যেই হতে পারে অতিবৃষ্টিও।বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে যা ২ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে যা ৩ ডিগ্রি বেশি। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে দুডিগ্রি বেশি। দমদমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল আরও বেশি, ১৭.২ ডিগ্রি।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যে কাটছে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট, ফের পারদ পতন রাত থেকে, কাঁপছে উত্তর ভারত

রাজ্যে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব কাটতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার দুই ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরের একাংশে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে হাওয়া অফিস। কলকাতা-সহ বাকি জেলাগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। সঙ্গে থাকবে কুয়াশা। মঙ্গলবার থেকেই কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় বঙ্গে রাতের তাপমাত্রা ফের এক বার নামতে শুরু করবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। আগামী তিন দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২-৪ ডিগ্রি নামতে পারে বলে জানিয়েছে তারা। তবে উত্তরবঙ্গের বেশির ভাগ জেলায় আরও দিন দুয়েক বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তার পর থেকে সেখানে পারদ পতন শুরু হতে পারে।আলিপুরের হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, মঙ্গলবার কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির ঘরে ঘোরাফেরা করবে। কলকাতার আকাশ প্রধানত মেঘাচ্ছন্ন থাকবে। সকালে থাকবে কুয়াশার দাপট।এদিকে উত্তর পশ্চিম ও মধ্য ভারত নিয়ে ফের সতর্কতা জারি করল আবহাওয়া দপ্তর। নয়াদিল্লির মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রা ক্রমশ কমবে পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, গুজরাত ও মহারাষ্ট্রের কিছু অংশে। রাজধানী দিল্লিতে তাপমাত্রা কমলেও আপাতত এখানকার জন্য শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়নি। দিল্লির জন্য শীতল দিনের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।মঙ্গলবার সকালে কুয়াশায় ঢাকা দিল্লির তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। পঞ্জাবের বেশ কিছু অংশে কুয়াশা থাকলেও তাপমাত্রা নেমেছে সাত ডিগ্রিতে।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

কিছুটা বাড়ল তাপমাত্রা, আজ থেকেই বৃষ্টি? কী বলছেন আবহবিদরা?

আপাতত বঙ্গ জুড়ে শীতের আমেজ। গত কয়েকদিন ধরে ক্রমেই নিম্নমুখী পারদ। তবে এখানেই শেষ নয়, পরের পর ঘূর্ণিঝড় কেন ইদানিং বাংলার উপকূলে হানা দিচ্ছে তা নিয়েও বিশেষ পর্যবেক্ষণ চলছে। সব মিলিয়ে বঙ্গে বৃষ্টি বিপদ এখনও কাটানো যাচ্ছে না।আলিপুর আবহাওয়া অফিস থেকে জানানো হয়েছে, আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে দুদিন। রাতের তাপমাত্রার ক্ষেত্রে এখনই বিশেষ কোনও পরিবর্তন নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তবে দুদিন পর থেকে রাতের তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করবে। অর্থাৎ, শীত কমবে। উত্তরবঙ্গে রয়েছে বৃষ্টির সম্ভাবনা।হাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষণ আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার কলকাতায় আরও বেশ খানিকটা পারদ পতন হয়েছে। এদিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। বাতাসে সর্বোচ্চ আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৮ শতাংশ। আপাতত বেশ কিছুদিন থিতু হয়েছে শীত। সকালের দিকে ঘন কুয়াশা থাকলেও বেলায় ধীরে ধীরে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। রাতেও ক্রমেই কমছে তাপমাত্রা। জেলাগুলিতেও পারদ ক্রমেই নিম্নমুখী।ইতিমধ্যেই পূর্বাভাস অনুযায়ী, জেলাগুলিতে শুরু হয়েছে বৃষ্টিপাত। পশ্চিম মেদিনীপুরে সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ। দেখা নেই রোদের। শুরু হয়েছে ঝিরিঝিরি বৃষ্টিও। শুধু মেদিনীপুর নয় বৃষ্টি হওয়ার কথা উত্তর ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। ২২ জানুয়ারিও পূর্ব মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। অন্যান্য জেলাগুলিতেও ওইদিন আকাশের মুখ ভার থাকতে পারে।

জানুয়ারি ২১, ২০২২
রাজ্য

মাঘের শীতে কাঁপছে বাংলা, সপ্তাহান্তে বৃষ্টির পূর্বাভাস

মাঘের বাঘা শীতে কাঁপছে বাংলা। বৃহস্পতিবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ ২৩ ডিগ্রি। কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ কুয়াশা ঘেরা সকালে ভালই শীত টের পাচ্ছেন বাঙালি। কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, এই শীত আর কত দিন? হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, সপ্তাহান্তেই শীত কমে নামতে পারে বৃষ্টি। শুক্রবার থেকে আকাশে জমতে শুরু করবে মেঘ। বা়ড়তে থাকবে তাপমাত্রা।বৃহস্পতিবার যদিও কিছুটা শীতের আমেজ রয়েছে কলকাতায়। ১৩.৩ ডিগ্রি থেকে তাপমাত্রা নেমে হয়েছে ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। কিন্তু আগামীকাল থেকে ফের বৃষ্টির ভ্রুকুটি রাজ্যে। ২১ তারিখ দুই মেদিনীপুর এবং দুই ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে৷ ২২ তারিখ পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে হাওয়া অফিস ।এর আগেও দুটি ঝঞ্ঝা এবং ঘূর্ণাবর্তের হানায় বঙ্গে শীত মুখ থুবড়ে পড়ে বৃষ্টি হয়েছিল। আবহবিদদের মতে, আগামিকাল, শুক্রবার রাজ্যের আকাশে মেঘ জমতে শুরু করবে। কিছু এলাকায় বৃষ্টিও হতে পারে। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত তুলনায় বেশি বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। এর জেরে রাতের তাপমাত্রা দুই থেকে চার ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।দুই বঙ্গেই ২৩ এবং ২৪ জানুয়ারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতাতেও সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। কলকাতা সহ গাঙ্গেয় দক্ষিণ বঙ্গে মাঘের শীতে থাবা বসাতে চলেছে বৃষ্টি। এই আচমকা বৃষ্টির কারণ হিসেবে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জন্য হাওয়ার গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে। আর এর সঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকে আসা জলীয় বাষ্পপূর্ণ হাওয়ার মিশেলে ফের ভিজতে চলেছে রাজ্য।

জানুয়ারি ২০, ২০২২
রাজ্য

ফের একবার দাপট দেখাচ্ছে শীত, তবে স্থায়ীত্ব নিয়ে চিন্তায় হাওয়া অফিস

গত দিনদুয়েক বঙ্গে কেবল হিমেল আমেজ। বুধবারও আরও একবার অনুভূত হচ্ছে শীত। ক্রমেই নিম্নমুখী পারদ। আগামী কয়েকদিন আবহাওয়া শুষ্ক থাকার পাশাপাশি তাপমাত্রা আরও নামতে পারে বলে পূর্বাভাস আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের। তবে বিপদ যাচ্ছে না। কারণ, ফের বৃষ্টির কাঁটায় জেরবার হতে পারে শীত।হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আপাতত বেশ কিছুদিন থিতু হবে শীত। বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার পারদ ওঠানামা করবে। সকালের দিকে ঘন কুয়াশা থাকলেও বেলায় ধীরে ধীরে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে। রাতেও ক্রমেই কমবে তাপমাত্রা। জেলাগুলিতেও পারদ ক্রমেই নিম্নমুখী।২০ জানুয়ারি অর্থাৎ, বৃহস্পতিবার দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়াও ২১ জানুয়ারি এবং ২২ জানুয়ারি উত্তরের পাঁচটি জেলায় অর্থাৎ, দার্জিলিং,কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি ২৩ ও ২৪ জানুয়ারি দুই বঙ্গেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তাই একটানা শীতের দেখা আপাতত নেই বললেই চলে এমনটাই বলছে হাওয়া অফিস।তবে, আবহবিদরা বলছেন শীত নিয়ে উৎফুল্ল হওয়ারও কিছু নেই। কারণ ফের পশ্চিমী ঝঞ্ঝার দাপট বাড়বে। যার জেরে আটকাবে উত্তুরে হাওয়া। বাড়বে পূবালী হাওয়ার দাপট সাগর থেকে জলীয় বাষ্প ঢুকবে। গরম পূবালী হাওয়া ও শীতল পশ্চিমী ঝঞ্ঝার সংঘাতে বৃষ্টি শুরু হবে রাজ্যে। ইতিমধ্যেই বেড়েছে রাতের তাপমাত্রা। ১২.৯ ডিগ্রি থেকে তা বেড়ে হয়েছে ১৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কাল পর্যন্ত রাজ্যে শীতের আমেক বজায় থাকবে, এমনটাই জানিয়ে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজ্য

মাঘের শীত এবার বাংলার গায়ে! ঠান্ডায় কাঁপছে উত্তর থেকে দক্ষিণের জেলাগুলো

মেঘ, বৃষ্টি কাটিয়ে ছন্দে ফিরেছে শীত। মাঘের শুরুতে বাঘা শীতের আশায় বুক বেঁধেছে বাঙালি। হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, মঙ্গলবার সারা দিন আকাশ প্রধানত পরিষ্কার থাকবে। সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, জাঁকিয়ে শীত আরও দিন দুয়েক স্থায়ী হবে। তবে শুক্রবার উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এবং নিম্নচাপ অক্ষরেখার জন্য বৃষ্টি হতে পারে। এই বৃষ্টিপাত শুরু হলে রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।আলিপুর হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, আপাতত, বেশ কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। সকালের দিকে কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কেটে যাবে। দেখা মিলবে রোদেরও। মঙ্গলবার রাতে, আরও তাপমাত্রা নামার সম্ভাবনা। কলকাতায়, এদিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। আগামী ২৪ ঘণ্টায় আরও নামতে পারে তাপমাত্রা এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।হাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, ২১ তারিখ উপকূলের কাছাকাছি জেলা দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। ২০ তারিখ পর্যন্ত রাতের তাপমাত্রার কোনও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। তবে বৃহস্পতিবারের পর থেকে তাপমাত্রা বাড়বে অর্থাৎ ঠান্ডা একটু কমবে। কলকাতার ক্ষেত্রেও রাতের তাপমাত্রা ২০ তারিখের পর থেকে বাড়বে। ফলে, ফের শীত-ছুট হতে পারে।উত্তরবঙ্গের ক্ষেত্রে মঙ্গলবার শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। ১৯ জানুয়ারি দার্জিলিং, কালিম্পং-এ হালকা বৃষ্টি হবে। ২০ জানুয়ারি উত্তরের পাঁচটি জেলা, দার্জিলিং,কালিম্পং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি এই জায়গাগুলোয় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ২১ তারিখে উত্তরবঙ্গের সব জায়গাতেই হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
কলকাতা

Weather: নামল তাপমাত্রার পারদ, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে হতে পারে বৃষ্টিও

কলকাতায় ফের কমল তাপমাত্রা। বুধবার আরও কিছুটা কমে তাপমাত্রা দাঁড়িয়েছে ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের চেয়ে এক ডিগ্রি কম। ডিসেম্বরে পারদ নামে ১১.২ ডিগ্রিতে। তবে সেই রেকর্ড না ভাঙলেও তার আশে পাশেই ঘোরাফেরা করছে তাপমাত্রা। জেলাগুলিতেও তাপমাত্রার পারদ নীচের দিকে। জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।তবে আবহাওয়াবিদরা শোনাচ্ছেন খারাপ খবরও। এই শীত বেশিদিনের জন্য স্থায়ী নয়। বৃহস্পতিবার থেকে বাড়তে শুরু করবে তাপমাত্রা। অন্তত সাতদিন উধাও হয়ে যেতে পারে শীত। নেপথ্যে জোড়া শক্তিশালী পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। জাঁকিয়ে শীতের দাপট বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। পরপর তিনটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝার বাধা। আরেকটি পশ্চিমী ঝঞ্জা আবার আসতে চলেছে আগামী ৪ তারিখ উত্তর পশ্চিম ভারতে । তাই যে তাপমাত্রা কমবে সেটা বেশিদিন থাকবে না। ৫ তারিখ থেকে আবার রাতের তাপমাত্রা বাড়বে। দুই বঙ্গেই আগামী দুদিন সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকবে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা চলে যাওয়ার কারণে যে জলীয় বাষ্প রয়ে গিয়েছে, তার ফলেই এই কুয়াশার প্রভাব থাকবে।আরও পড়ুনঃ ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবআবহবিদদের মতে, দুদিন পর থেকেই কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় বঙ্গে শীতের দাপট কমবে। এমনকী, আগামী সপ্তাহে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। কিন্তু সেই বাধা আসার আগে আগামী দিন দুয়েক শীতের আমেজ জোরালো ভাবেই মিলবে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা জানান, আগামী শুক্রবার থেকে রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা এ দিকে বয়ে এলে ১২ জানুয়ারি নাগাদ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।শীতের দৌড়ে গাঙ্গেয় বঙ্গের এই এলাকাগুলি এ দিন পিছনে ফেলেছে শিলিগুড়িকে (১১.৮ ডিগ্রি)। তবে ডুয়ার্সের জলপাইগুড়ি (৯.৪) এবং কোচবিহারে (৯.৩) শীত ভালই মালুম হচ্ছে। শীতের দাপট বেড়েছে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতেও। পুরুলিয়ার রাতের তাপমাত্রা প্রায় ৯ ডিগ্রি ছুঁয়েছে। কাছেপিঠে রয়েছে বীরভূমের শ্রীনিকেতন এবং পশ্চিম বর্ধমানের পানাগড়ও। ওই দুই জায়গাতেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মালদহ এবং দিনাজপুরেও শীত জাঁকিয়ে বসেছে।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে দৈনিক সংক্রমণে রেকর্ড, উদ্বেগ বাড়িয়ে আক্রান্তের সংখ্যা পার করল ৯০০০উত্তর-পশ্চিম ভারতে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব শুরু হয়েছে। সেখানে পরপর দুটি ঝঞ্ঝা আছড়ে পড়ার কথা। মৌসম ভবন জানিয়েছে, প্রথম ঝঞ্ঝাটি দক্ষিণ রাজস্থানের উপরে রয়েছে এবং একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি করেছে। যার টানে আরব সাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে। তার ফলে আগামী দুদিন উত্তর-পশ্চিম ভারত এবং তার পরে মধ্য ভারতের একাংশে বৃষ্টি হবে। বৃহস্পতিবার আরেকটি শক্তিশালী ঝঞ্ঝা উত্তর-পশ্চিম ভারতে ঢুকবে এবং তার প্রভাবে উত্তর-পশ্চিম ভারতের পাহাড়ি এলাকায় জোরালো তুষারপাত হতে পারে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
রাজ্য

Weather: পারদ নামল কলকাতায়, বুধবার থেকে ফের কমতে পারে তাপমাত্রা

শহরবাসীকে স্বস্তি দিয়ে তাপমাত্রার পারদ সামান্য হলেও নামল কলকাতায়। তবে জানুয়ারির চতুর্থ দিনেও শীতের কামড় এখনও সে ভাবে অনুভব করা যাচ্ছে না। ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার চাদরে মোড়া কলকাতা তথা রাজ্যের প্রায় সব জেলা। মঙ্গলবার রাজ্যজুড়ে তাপমাত্রা কমেছে। তবে বুধবার থেকেই রাজ্যে শীতের দাপট কমতে পারে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। ভিলেন সেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝা।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, মঙ্গলবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। অন্য দিকে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বছরের এই সময় যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। তাপমাত্রার খানিকটা কমার পাশাপাশি মঙ্গলবার ভোর থেকেই ঘন কুয়াশার জেরে কমেছে দৃশ্যমানতা। ফলে বেশ কয়েকটি লোকাল ট্রেন দেরিতে চলছে।আবহবিদরা জানিয়েছেন, বুধবার থেকেই কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। বাতাসের জলীয় বাষ্পে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ বাড়ার ফলে কনকনে ঠান্ডার আমেজ উধাও হয়ে দিনের বেলা অস্বস্তিকর আবহাওয়া তৈরি হতে পারে বলেও পূর্বাভাস। আবহবিদরা আরও জানিয়েছেন, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে উত্তুরে হাওয়া বাধা পাওয়ায় কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হবে না।সপ্তাহান্তে শীতের দাপট আরও কমতে পারে বলেও মনে করেছে মৌসম ভবন। মৌসম ভবন জানিয়েছে, সোমবার একটি ঝঞ্ঝা কাশ্মীরের উপর এসেছে। এর জেরে পাহাড়ি এলাকায় তুষারপাত এবং সমতলে বৃষ্টি হবে। তার পরে সেটি মধ্য ভারতের দিকে বয়ে আসবে। প্রথম ঝঞ্ঝাটি উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে বিদায় না নিতেই বৃহস্পতিবার নাগাদ দ্বিতীয় ঝঞ্ঝাটি উত্তর-পশ্চিম ভারতে ঢুকবে। চলতি সপ্তাহের শেষে সেটি মধ্য ভারতের দিকে বয়ে আসবে। এর ফলে উত্তর-পশ্চিম ভারতে তুষারপাত ও বৃষ্টি হলেও কনকনে ঠান্ডা মিলবে না। বাধা পাবে উত্তুরে বাতাসও। তার ফলেই চলতি সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকে গাঙ্গেয় বঙ্গের পারদ মাথাচাড়া দেবে। সপ্তাহান্তে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছে উঠে যেতে পারে বলে আলিপুর হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস। অন্যদিকে, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে বেড়ে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যেতে পারে।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
রাজ্য

Weather: বছরের তৃতীয় দিনে শহরে জাঁকিয়ে পড়ল শীত!

আবহবিদেরা আগেই জানিয়েছিলেন, বছরের শুরুতেই জাঁকিয়ে পড়তে চলেছে শীত। সেই ভবিষ্যদ্বাণী মিলে গেল। বছরের তৃতীয় দিনে বেশ কিছুটা নামল পারদ। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকই রয়েছে। শেষ কিছু দিন ধরে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ২-৩ ডিগ্রি বেশি ছিল। সেই নিয়মের ব্যতিক্রম দেখল সোমবার। একই সঙ্গে সোমবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠতে পারে ২২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। সারা দিন ধরেই বইতে পারে উত্তরে হাওয়া। তবে আকাশ হালকা মেঘাচ্ছন্ন থাকলেও সোমবার বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই কলকাতায়।কলকাতার পাশাপাশি জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা বেশ কিছুটা নেমেছে। রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা থাকবে ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি। পার্বত্য তরাই-ডুয়ার্সে পারদ ১০ ডিগ্রিরও নীচে নেমেছে। তবে আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী কয়েক দিন রাজ্যজুড়ে জাঁকিয়েই বসবে শীত।আবহবিদেরা জানিয়েছিলেন, পূর্ব ভারতে ঠান্ডার কারণ উত্তর-পশ্চিমের শৈত্যপ্রবাহ। রাজস্থান, পঞ্জাব, হরিয়ানায় প্রবল শৈত্যপ্রবাহ শুরু হলে কনকনে উত্তুরে হাওয়া পূর্ব ভারতে প্রবেশ করে। সোমবার দিন সেই শীতের দেখা মিললেও এই শীত কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন আবহবিদদের একাংশ। আলিপুর হাওয়া অফিসের খবর, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি বা কোচবিহারের থেকে রবিবার পুরুলিয়া, শ্রীনিকেতন এবং কাঁথিতে বেশি শীত মালুম হয়েছে। এমনকী উলুবেড়িয়া বা কৃষ্ণনগরের কাছেও গোল খেয়ে গিয়েছে ডুয়ার্স। এর মূলে গাঙ্গেয় বঙ্গে কনকনে উত্তুরে হাওয়াই রয়েছে বলে জানাচ্ছেন আবহবিদেরা।হাওয়া অফিস সূত্রের খবর, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রবিবার ছিল যথাক্রমে ১১.৯, ১১.৮ এবং ১২.৬ ডিগ্রি। সোমবারও থাকতে পারে এর কাছাকাছিই। অথচ পূর্বমেদিনীপুরের কাঁথিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৫ ডিগ্রি। তার পরেই রয়েছে বীরভূমের শ্রীনিকেতন (১০ ডিগ্রি)। পুরুলিয়া, আসানসোলের মতো এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রির কাছে। ফলে দক্ষিণের কাছে গোল খাচ্ছে উত্তর।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
কলকাতা

Weather: নতুন বছরে ফিরবে ঠান্ডা, স্থায়ীত্ব নিয়ে সংশয়ে আবহবিদরা

নতুন বছরে শীতকে স্বাগত জানাল শহরবাসী। এ বার ডিসেম্বরের প্রথম দিকের শীতল আমেজও উধাও ছিল। তাই জাঁকিয়ে শীত উপভোগের আশা সম্বল করে শনিবার নতুন বছরে পা দিয়েছে বাঙালি। তবে আবহাওয়া দপ্তরের আশ্বাস, আগামী সপ্তাহে জাঁকিয়ে পড়তে পারে শীত। কিন্তু সেই শীতের কাঁপুনি কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে রয়েছে ঘোর সংশয়। সত্যিই হাড়কাঁপানো শীতের দেখা মিলবে, না উত্তুরে বাতাসের সঙ্গে শুধুই লুকোচুরি খেলা চলতে থাকবে তা নিয়ে চর্চা চলছে।ঝঞ্ঝা কেটে যাওয়ায় উত্তর-পশ্চিম ভারত থেকে ফের উত্তুরে বাতাসকে বাহন করে শীত আসতে পারে বাংলায়। আগামী মঙ্গল এবং বুধবার নাগাদ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে। কনকনে শীত পড়তে পারে জেলাগুলিতেও। কিন্তু এ শীত কত দিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন আবহবিদদের একাংশ। কারণ, মঙ্গলবার নাগাদ আবার একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কাশ্মীরে ঢুকতে পারে। তার জেরে আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি থেকেই উত্তর-পশ্চিম ভারতে বৃষ্টি এবং তুষারপাতের সম্ভাবনা আছে। তেমন হলে পূর্ব ভারতেও শীতের মুখ থুবড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।শুক্রবার, ইংরেজি বছরের শেষ দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শনিবার তা একটু কমে ১৫.২ ডিগ্রিতে নেমেছে। যদিও তা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। কলকাতার মতো জেলাগুলিতেও পারদ সে-ভাবে নামেনি। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল (১৪.৬ ডিগ্রি) বা পানাগড়েও (১৪ ডিগ্রি) কাঁপন ধরানো ঠান্ডা মেলেনি। হাড় কাঁপানো শীতের জন্য বিখ্যাত পুরুলিয়া, বীরভূমের শ্রীনিকেতনেও শুক্রবার রাতের তাপমাত্রা ওই জায়গাগুলির নিরিখে কিছুটা বেশি রয়েছে। তুলনায় মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে (১১ ডিগ্রি) শীত খানিকটা হলেও বেশি ছিল। তবে দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে তরাই-ডুয়ার্সে স্বাভাবিক ভাবেই শীতের দাপট বেশি। শুক্রবার জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি এবং কোচবিহারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যথাক্রমে ৯.২, ৮.৬ এবং ৭.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

জানুয়ারি ০১, ২০২২
কলকাতা

Weather: নতুন বছরের শুরুতে নয়া ইনিংস খেলবে শীত, কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা

পৌষের শুরুতে জাঁকিয়ে শীত না পড়লেও, এই মাসের বাকি অর্ধেক সময়ে শীত হতাশ করবে না বলে আশ্বাস দিল হাওয়া অফিস। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা বাংলা থেকে বিদায় নিতেই ঠান্ডার দাপট ফেরার আভাস মিলেছে। স্বাভাবিকের থেকে বেশি থাকলেও বৃহস্পতিবারের তুলনায় শুক্রবার পারদ কিছুটা নেমেছে। নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে তা আরও নামতে শুরু করবে বলে পূর্বাভাস আবহবিদদের। ধাপে ধাপে পারদ পতনের জেরে আগামী সপ্তাহেই জাঁকিয়ে বসবে শীত।দিল্লির মৌসম ভবনের খবর, শুক্রবার থেকেই পঞ্জাব, রাজস্থান, হরিয়ানায় ফের শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়ে যাবে। কনকনে ঠান্ডা নিয়ে হাজির হতে পারে উত্তুরে বাতাস। তার ফলে আগামী সপ্তাহেই পূর্ব ভারতের বিভিন্ন জায়গায় রাতের তাপমাত্রা ৩-৫ ডিগ্রি পর্যন্ত নেমে যেতে পারে। শুক্রবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় হালকা কুয়াশা লক্ষ্য করা গিয়েছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আকাশ পরিষ্কার হবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। শুক্রবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রয়েছে ১৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। তবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি নেমে হয়েছে ২২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।ঠান্ডার ফিরে আসা নিয়ে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের অধিকর্তা বলেছেন, নতুন বছরের প্রথম দিন কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। পরের সপ্তাহের শুরুতে কলকাতার তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রির কাছাকাছিও নেমে যেতে পারে। আগামী সপ্তাহ মরশুমের শীতলতম সপ্তাহ হবে কি না, তা অবশ্য নিশ্চিত করে বলেনি হাওয়া অফিস। তবে ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে মারাত্মক শীত পেয়েছিল কলকাতা। ৯ জানুয়ারি কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা (৯ ডিগ্রি) ছুঁয়ে ফেলেছিল লন্ডনকে। সে-বারেও আচমকা ঢুকে পড়া উত্তুরে হাওয়ার দাপটেই হুড়মুড়িয়ে নেমেছিল পারদ। আবহবিদদের মতে, খাস কলকাতার তাপমাত্রা যদি ১১-১২ ডিগ্রিতে নামে, তা হলে জেলাগুলিতে তাপমাত্রা আরও কম থাকবে।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
কলকাতা

Weather: আজও ঠান্ডায় জবুথুবু বাংলা

সোমবারই ছিল মরশুমের শীতলতম দিন। মঙ্গলবারও কলকাতার তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম। জেলায় ঠান্ডার কামড় আরও বেশি। বাধা নেই, হু হু করে ঢুকছে হিমেল হাওয়া। অন্তত ৩-৪ দিন জাঁকিয়ে শীত রাজ্যে। তারপর ধীরে ধীরে বাড়বে তাপমাত্রা। বড়দিনের কলকাতায় পারদ থাকতে পারে ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি কম।শীতের আমেজ নিচ্ছেন শহরবাসী। কোথাও আগুন জ্বালিয়ে তাপ পোহাচ্ছেন, কোথাও বা গরম চায়ে চুমুক! মাঙ্কি টুপিতে শীত আড়াল করার ছবিও দেখা মিলছে শীতের সকালে। শহরবাসী বলছেন, এই জমিয়ে শীতের অপেক্ষায় ছিলেন তাঁরা। শীত জমিয়ে না পড়লে শারীরিক নানা সমস্যা দেখা দেয়।কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। কলকাতা, পূর্ব মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও পরিষ্কার আকাশ। কলকাতায় আজ পরিষ্কার আকাশ। উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
কলকাতা

Weather: মরশুমের শীতলতম দিন সোমবারই, কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ১১ ডিগ্রিতে

মরশুমের শীতলতম দিন সোমবারই। কলকাতায় তাপমাত্রা নামল ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। স্বাভাবিকের চেয়ে চার ডিগ্রি কম। জেলায় ঠান্ডার কামড় আরও বেশি। বাধা নেই, হু হু করে ঢুকছে হিমেল হাওয়া। অন্তত ৩-৪ দিন জাঁকিয়ে শীত রাজ্যে। তারপর ধীরে ধীরে বাড়বে তাপমাত্রা। বড়দিনের কলকাতায় পারদ থাকতে পারে ১৫-১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে।যত দিন যাচ্ছে, তত জাঁকিয়ে বসছে শীত! ধুন্ধুমার ব্যাটিং চলছে দেশজুড়ে। বাংলাতেই বা পিছিয়ে থাকবে কেন! গত সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছিল পারদপতন। এ সপ্তাহেও তা অব্যাহত। গত দুদিনের থেকে সোমবার তাপমাত্রার উল্লেখযোগ্য পতন হয়েছে। এর জেরে গত সপ্তাহের পরিসংখ্যান পিছনে ফেলে সোমবারই হল যে মরসুমের শীতলতম দিন।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আকাশ থাকবে পরিষ্কার। রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়াই থাকবে। কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কমে হবে ২২.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামবে ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকেও ৪ ডিগ্রি কম। এ মরশুমে এই প্রথম মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামল ১১ ডিগ্রির ঘরে।কলকাতার তুলনায় জেলার বিভিন্ন জেলার তাপমাত্রা আরও কমেছে। কৃষ্ণনগর, আসানসোল, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার মতো শহরেও কমেছে তাপমাত্রা। সব মিলিয়ে পৌষের শুরু থেকেই জমিয়ে ব্যাটিং শীতের। ডিসেম্বরের এই সময় পনেরোর কোটাতেই থাকে তাপমাত্রা। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দিনভর পরিষ্কার আকাশ, কমবে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্র তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। তাই শুধু আগমনী নয়, দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।এতটা পারদ-পতন কলকাতায় শেষ দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালে। তার আগে ২০০৫ সালে।২০১৬ সালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ২০০৫ সালে ছিল ১৮.২ ডিগ্রি।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Coldest Day: প্রত্যেক দিনই কমছে তাপমাত্রার পারদ, বড়দিনের আগে শুক্রবারই মরশুমের শীতলতম দিন

নিম্নচাপের বাধা কাটিয়ে উত্তুরে হাওয়া ঢুকতেই রাজ্যে জাঁকিয়ে বসেছে শীত। এ সপ্তাহের শুরুতেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১৪ ডিগ্রির ঘরে। শুক্রবার তা আরও একটু কমেছে। সর্বনিম্নের পাশাপাশি সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও কমেছে গত কয়েক দিনের তুলনায়। আগামী কয়েক দিন ঠান্ডা আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে।হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, শুক্রবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আকাশ থাকবে পরিষ্কার। উঠবে রোদ। মহানগরীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নামবে ২৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গত কয়েক দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫ ডিগ্রির উপরে। শুক্রবার তা কমেছে। সর্বোচ্চের পাশাপাশি সর্বনিম্ন তাপমাত্রারও পতন হয়েছে। তা নেমেছে ১৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ মরশুমে এটাই কলকাতার এখন অবধি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ফলে বলতে হচ্ছে, এখনও পর্যন্ত শুক্রবারই শীতলতম দিন।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। কলকাতা,পূর্ব মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও পরিষ্কার আকাশ। কলকাতায় আজ পরিষ্কার আকাশ। উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Weather: জাঁকিয়ে পড়েছে শীত, বাড়তে পারে ঠান্ডা

নিম্নচাপের ভ্রুকুটি কাটিয়ে বাংলায় ইতিমধ্যেই জাঁকিয়ে বসেছে শীত। আগামী কয়েক দিনে তা আরও বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। কলকাতায় গত তিন ধরেই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রিতে রয়েছে। সঙ্গে সকালে হালকা কুয়াশাও দেখা গিয়েছে বিভিন্ন জেলায়।এ বছরে সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও বঙ্গোপসাগের ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপের জেরে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বেড়েছিল জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি। যার জেরে ধাক্কা খেয়েছিল শীতের ব্যাটিং। সেই প্রভাব কমতেই বেড়েছে ঠান্ডা। আলিপুর আবহওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বৃহস্পতিবার আকাশ থাকবে পরিষ্কার। উঠবে রোদ। মহানগরীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। অন্য দিকে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
কলকাতা

Weather: আজ আরও জাঁকিয়ে পড়েছে শীত, কমবে রাতের তাপমাত্রাও

বুধবার আরও নামল পারদ। এদিন শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। কমেছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও। আজকের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। আজ প্রধাণত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। রোদ ঝলমলে দিন থাকবে সারাদিন। রাতে আরও কমবে তাপমাত্রা। আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।গতকালই একধাক্কায় ৩ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। ডিসেম্বরের এই সময় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির কোটাতেই থাকে। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে মূলত পরিষ্কার আকাশ থাকবে। কলকাতা,পূর্ব মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও পরিষ্কার আকাশ। উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।এতটা পারদ-পতন কলকাতায় শেষ দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালে। তার আগে ২০০৫ সালে।২০১৬ সালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর ২০০৫ সালে ছিল ১৮.২ ডিগ্রি।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Weather: সোমবারের তুলনায় আরও নামল পারদ, মরশুমের শীতলতম মঙ্গলবার

কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আরও জাঁকিয়ে বসল ঠান্ডা। সোমবার অনেকটাই পতন হয়েছিল পারদের। মঙ্গলবার তা আরও নেমেছে। যার জেরে মঙ্গলবারই এখনও পর্যন্ত এ মরশুমের শীতলতম দিন। নিম্নচাপের ভ্রুকুটি কাটিয়ে এ রাজ্যে যখন শীত নিজের প্রভাব বাড়াচ্ছে, তখন রাজধানী দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ঠান্ডার প্রভাবে কাঁপছেন মানুষ।আকাশ পরিষ্কার হতেই হিমেল পরশ। গতকালই একধাক্কায় ৩ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। ডিসেম্বরের এই সময় পনেরোর কোটাতেই থাকে তাপমাত্রা। দিনভর পরিষ্কার আকাশ, কমবে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্র তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। তাই শুধু আগমনী নয়, দিনকয়েক থিতুও হবে শীত।আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আকাশ থাকবে পরিষ্কার। তবে এই সময়ে সকালের দিকে কিছু এলাকা কুয়াশায় ঢাকতে পারে বলে জানানো হয়েছে হাওয়া অফিসের তরফে। মঙ্গলবার কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নামতে পারে ১৪.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। সোমবার এই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ১৫ ডিগ্রিতে।এ বছর সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও বারবার বাধা পেয়েছে তার পথচলা। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হওয়া নিম্নচাপ বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি বাড়িয়েছিল। যার জেরে আকাশ থেকেছে মেঘলা। স্তব্ধ হয়েছিল উত্তুরে হাওয়ার গতিপথ। স্বাভাবিকের তুলনায় তাপমাত্রা ছিল বেশি। কিন্তু সেই বাধা কাটতেই বাংলায় ফিরছে শীত।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
রাজ্য

Weather: সকাল থেকেই কনকনে অনুভূতি, সোমবারই মরশুমের শীতলতম দিন

অবশেষে শীত এল বঙ্গে। গত সপ্তাহের শেষ থেকে পারদের পতন শুরু হয়েছিল। পরের ২৪ ঘণ্টায় তা আরও কমেছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। সোমবারই এ বছরের এখনও অবধি শীতলতম দিন। বাংলায় একটু দেরি হলেও উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম ভারতে ইতিমধ্যেই জাঁকিয়ে বসেছে শীত।এ বছর সময়মতো শীতের ইনিংস শুরু হলেও, বারবার বাধা পেয়েছে তার পথচলা। বঙ্গোপসাগরে ঘণীভূত হওয়া নিম্নচাপ বাতাসে জলীয় বাস্পের উপস্থিতি বাড়িয়েছিল। যার জেরে আকাশ থেকেছে মেঘলা। স্তব্ধ হয়েছিল উত্তুরে হাওয়ার গতিপথ। স্বাভাবিকের তুলনায় তাপমাত্রা ছিল বেশি। কিন্তু সেই বাধা কাটতেই ফিরছে শীত। হাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিন বজায় থাকবে এই ঠান্ডা। আগামী কয়েক দিনে তা আরও বাড়বে।হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, সোমবার কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আকাশ থাকবে পরিষ্কার। রোদের পাশাপাশি বইবে উত্তুরে হাওয়া। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। অন্যদিকে, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে হতে পারে ১৫.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা এ বছরে এখনও অবধি সব চেয়ে কম এবং রবিবারের তুলনায় প্রায় ৩ ডিগ্রি কম।এদিকে রাজধানী দিল্লি-সহ দেশের অন্যত্রও ঠান্ডার দাপট শুরু হয়েছে। প্রবল শীতে রাজস্থানের অনেক জায়গায় জনজীবন ব্যাহত হচ্ছে। বহু জায়গায় সকালবেলা কুয়াশার কারণে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে আমজনতাকে। ঠান্ডা এবং কুয়াশায় দৈনন্দিন কাজকর্মও শুরু হচ্ছে অনেক দেরিতে।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
কলকাতা

Weather: ধীরে-ধীরে কমছে তাপমাত্রা, জাঁকিয়ে শীত এখনই নয়

সপ্তাহের শেষ থেকে বাংলায় অনুভূত শীতের আমেজ। গতকাল থেকেই তাপমাত্রা কমার ইঙ্গিত দিয়েছিল হাওয়া অফিস। হচ্ছেও ঠিক তেমনটাই। পাশাপাশি রয়েছে কুয়াশার সতর্কতা।এদিকে, এতদিন শীতের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছিল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। যার কারণে উত্তরে হাওয়া রাজ্যে ঢুকতে বাধা পাচ্ছিল। এবার সেই বাধা কাটিয়ে ধীরে ধীরে কমবে তাপমাত্রা। দিনে মেঘলা আকাশ থাকবে সঙ্গে কুয়াশা। রাতে তাপমাত্রা কমবে।তবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি যে তাপমাত্রা হওয়া তা কিন্তু নেই। নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকেই কলকাতা-সহ সারা বাংলায় জাঁকিয়ে শীত পড়ে। যদিও, গত কয়েক বছর সেই নিয়মের কিছুটা হলেও ব্যাঘাত ঘটেছে। আবহাওয়াবিদের মতে যেখানে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে তাপমাত্রা হওয়া উচিৎ ছিল ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস সেখানে আজকের তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের রয়েছে। আজকে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়নি। পাশাপাশি আবহাওয়া অফিসের তরফ থেকেও বৃষ্টিপাতের কোনও পূর্বাভাস মেলেনি।উত্তরবঙ্গের জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

“বয়কটই ভালো ছিল?” ভারতের কাছে ফের চূর্ণ পাকিস্তান, প্রশ্নে নেটদুনিয়া

গত বছর এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে টানা তিন ম্যাচে হারানোর পর ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব বলেছিলেন, এখন আর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে সেই আগের প্রতিদ্বন্দ্বিতা নেই, খেলা একপেশে হয়ে যাচ্ছে। সময়ের সঙ্গে সেই কথাই যেন আরও স্পষ্ট হচ্ছে। সাম্প্রতিক ম্যাচেও পাকিস্তানের পারফরম্যান্স দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এভাবে হারতে হলে বয়কটই কি ভালো ছিল না?পাক অধিনায়ক সলমন আলি আঘার একাধিক সিদ্ধান্ত ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। এত বড় ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। শুরুতে স্পিনাররা ভালো বল করলেও দলের অন্যতম ভরসা উসমান তারিককে দেরিতে আনা হয়। যখন তিনি বোলিংয়ে এলেন, তখন ভারতের স্কোর প্রায় একশোর কাছাকাছি। ততক্ষণে ঈশান কিষান ঝড় তুলে ইনিংসের ভিত গড়ে দিয়েছেন।শেষ দিকেও প্রশ্ন উঠেছে অধিনায়কের সিদ্ধান্ত নিয়ে। স্পিনারদের ওভার বাকি থাকা সত্ত্বেও শেষ ওভারে শাহিন আফ্রিদিকে বল দেওয়া হয়। সেই ওভারেই ১৬ রান তুলে নেয় ভারত। ম্যাচের শেষভাগে এই রানই বড় ব্যবধান তৈরি করে দেয়। ১৭৬ রানের লক্ষ্য অজেয় ছিল না, কিন্তু পাকিস্তানের ব্যাটিং শুরু থেকেই ভেঙে পড়ে।প্রথম কয়েক ওভারেই গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। দেখে মনে হচ্ছিল, দলটি যেন আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছে। ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের রেকর্ডও তাদের পক্ষে কথা বলে না। আট ম্যাচের মধ্যে একবার ছাড়া প্রতিবারই হারতে হয়েছে। কখনও বোল আউটে নাটকীয় পরাজয়, কখনও ফাইনালে মিসবা উল হকের ভুল শট, কখনও মেলবোর্নে বিরাট কোহলির ঐতিহাসিক ইনিংসপ্রতিবারই ভারতের বিরুদ্ধে হারের আলাদা গল্প রয়েছে পাকিস্তানের।২০২১ সালে একমাত্র জয়টি পাওয়ার পর ভারতীয় ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন আসে। নেতৃত্বে বদল হয়, নতুন পরিকল্পনা আসে, এবং পরবর্তীতে আইসিসি ট্রফিও জেতে ভারত। কিন্তু পাকিস্তান ক্রিকেটে সেই ধারাবাহিক উন্নতি চোখে পড়ে না। বরং বড় ম্যাচে বারবার একই ভুল, একই ভাঙন দেখা যাচ্ছে।একসময় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই ছিল টানটান উত্তেজনা, শেষ বল পর্যন্ত অনিশ্চয়তা। এখন সেই রোমাঞ্চ অনেকটাই কমে গিয়েছে। মাঠের লড়াই একপেশে হয়ে গেলে দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী প্রতিদ্বন্দ্বিতাও ম্লান হয়ে যায়। প্রশ্ন উঠছে, যদি এমন পারফরম্যান্সই চলতে থাকে, তবে এই মহারণের মান কোথায় দাঁড়াবে? পাকিস্তানের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ নিজেদের নতুন করে গড়ে তোলা। না হলে ভারত-পাকিস্তান লড়াইয়ের সেই পুরনো মর্যাদা আর ফিরবে কি?

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বয়কটের হুঙ্কার, শেষে ৬১ রানে ধ্বংস! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে উড়িয়ে সুপার এইটে ভারত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আবারও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দাপুটে জয় ভারতের। শ্রীলঙ্কার কলম্বোর প্রেমদাসা স্টেডিয়ামে ৬১ রানে হারিয়ে সুপার এইটে জায়গা করে নিল টিম ইন্ডিয়া। এই নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে আটবার হারাল ভারত। বড় ম্যাচে সূর্যকুমার যাদবদের জয়ের পরিসংখ্যান বদলাল না।টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান। শুরুতেই অভিষেক শর্মার উইকেট হারালেও চাপে পড়েনি ভারত। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ দ্রুত নিজেদের হাতে নিয়ে নেন ঈশান কিষান। মাত্র ২৭ বলে অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। পাকিস্তানের বোলারদের একের পর এক বাউন্ডারি মেরে চাপে ফেলে দেন। শাদাব খান ও শাহিন আফ্রিদির বলেও সমান আক্রমণাত্মক ছিলেন ঈশান। ১০টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৪০ বলে ৭৭ রান করে ভারতের ইনিংসের শক্ত ভিত গড়ে দেন তিনি।মাঝে তিলক বর্মা ও হার্দিক পাণ্ডিয়ার দ্রুত আউটে কিছুটা চাপে পড়ে ভারত। সূর্যকুমার যাদব চেষ্টা করলেও বড় রান করতে পারেননি। ৩২ রানে আউট হন তিনি। উসমান তারিকের স্পিন কিছুটা সমস্যায় ফেলেছিল ভারতীয় ব্যাটারদের। তবে শেষ দিকে রিঙ্কু সিং ও শিবম দুবের আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে শেষ ওভারে ১৬ রান ওঠে। নির্ধারিত ২০ ওভারে ভারতের রান দাঁড়ায় ১৭৫।১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। প্রথম ওভারেই সাহিবজাদা ফারহানকে ফেরান হার্দিক পাণ্ডিয়া। পরের ওভারে জশপ্রীত বুমরাহ জোড়া আঘাত করেন। সাইম আয়ুব ও সলমন আলি আঘা দ্রুত প্যাভিলিয়নে ফেরেন। সেখান থেকেই ম্যাচ কার্যত ভারতের দিকে ঝুঁকে যায়।বাবর আজম কিছুটা সময় ক্রিজে থাকলেও রানের গতি বাড়াতে পারেননি। অক্ষর প্যাটেলের বলে আউট হয়ে ফেরেন তিনি। উসমান খান লড়াইয়ের চেষ্টা করেন, কিন্তু অন্য প্রান্তে নিয়মিত উইকেট পড়তে থাকে। শাদাব খান, মহম্মদ নওয়াজ কেউই বড় রান করতে পারেননি। কুলদীপ যাদব ও তিলক বর্মাও উইকেট নেন। অক্ষর প্যাটেলের ঘূর্ণিতে বিভ্রান্ত হয়ে আউট হন উসমানও। শেষ দিকে শাহিন আফ্রিদি ১৯ বলে ২৩ রান করে ব্যবধান কিছুটা কমান।শেষ পর্যন্ত ১১৪ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। হার্দিক, বুমরাহ, অক্ষর ও বরুণপ্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। ৬১ রানের বড় ব্যবধানে জিতে সুপার এইটে জায়গা নিশ্চিত করে ভারত। আর বিশ্বকাপে আবারও ভারতের সামনে থমকে দাঁড়াল পাকিস্তান।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাই ভোলটেজ ম্যাচে ৬ স্পিনার! কৌশল না বাধ্যবাধকতা?

এক সময় বিশ্ব ক্রিকেটে পেস ফ্যাক্টরি হিসেবে পরিচিত ছিল পাকিস্তান। ইমরান খান, ওয়াসিম আক্রম, ওয়াকার ইউনুস,আকিব জাভেদ, শোয়েব আখতার থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রজন্মে মহম্মদ আমির দাপুটে পেসারদের ধারাবাহিকতায় বিশ্ব কাঁপিয়েছে তারা। কিন্তু সেই পাকিস্তানই আজকের ম্যাচে একসঙ্গে ৬ জন স্পিনার খেলানোয় বিস্মিত ক্রিকেটবিশ্ব ও বিশেষজ্ঞ মহল। আজকের ম্যাচে একসঙ্গে ছয় জন স্পিনার খেলিয়ে পাকিস্তান গড়ল অনন্য বিশ্বরেকর্ড আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচে এক দলে সর্বাধিক স্পিন বোলার বল করানোর নজির গড়ল পাকিস্তান।নব্বইয়ের দশক থেকে ২০০০-এর দশক পাকিস্তানের শক্তির মূল স্তম্ভ ছিল আগ্রাসী পেস আক্রমণ। রিভার্স সুইং ছিল তাদের অস্ত্র। ব্যাটসম্যানদের আতঙ্কিত করা, শর্ট বলের চাপে ভুল করানো এটাই ছিল পাকিস্তানি ক্রিকেটের পরিচয়। তাই আজকের দলগঠনে হঠাৎ স্পিননির্ভর কৌশল অনেককেই অবাক করেছে।বিশেষজ্ঞদের মতে সম্ভাব্য কারণগুলো হতে পারে১. পিচের চরিত্রযদি উইকেট শুষ্ক ও ধীরগতির হয়, তাহলে স্পিনারদের জন্য সহায়ক হতে পারে। টি-টোয়েন্টিতে মাঝের ওভারগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে একাধিক স্পিনার কার্যকর হতে পারে।২. প্রতিপক্ষের ব্যাটিং কম্বিনেশনপ্রতিপক্ষ দলে যদি বাঁহাতি ব্যাটসম্যান বেশি থাকে বা স্পিনে দুর্বলতা থাকে, তাহলে স্পিন আক্রমণ বাড়ানো হতে পারে পরিকল্পিত কৌশল।৩. পেস আক্রমণে আস্থার ঘাটতিসাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের পেস বোলিং ধারাবাহিকভাবে আগের মতো ভয়ঙ্কর প্রভাব ফেলতে পারছে না এমন মতও রয়েছে বিশ্লেষকদের একাংশের।বিশেষজ্ঞদের প্রতিক্রিয়াঅনেকেই মনে করছেন, পাকিস্তান নিজেদের ঐতিহ্য থেকে সরে এসে অতিরিক্ত পরীক্ষানিরীক্ষায় যাচ্ছে। টি-টোয়েন্টিতে বৈচিত্র্য জরুরি হলেও ৬ জন স্পিনার কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত। পাওয়ারপ্লেতে গতি না থাকলে প্রতিপক্ষ দ্রুত রান তুলতে পারে।আবার অন্য একদল বলছেন, আধুনিক টি-টোয়েন্টিতে ম্যাচ পরিস্থিতি অনুযায়ী দল গঠনই আসল নামের চেয়ে কৌশল গুরুত্বপূর্ণ।পেসের দেশ পাকিস্তানের স্পিনমুখী কৌশল সময়ই বলবে সিদ্ধান্ত সঠিক না ভুল। তবে এতদিনের ঐতিহ্য মাথায় রাখলে আজকের দলগঠন যে ক্রিকেটবিশ্বে আলোচনার ঝড় তুলেছে, তা বলাই যায়।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ভারত-পাকিস্তান: মহারণ নয়, একতরফা বার্তা, পেস বলের দেশ -৬ জন স্পিনার!

ফেব্রুয়ারির শুরুতেই বয়কটের হুঁশিয়ারি, তারপর হঠাৎ সিদ্ধান্ত বদলএই নাটকীয়তার আবহেই নামতে হয়েছিল ভারত-পাকিস্তানকে। কিন্তু মাঠে যে লড়াই দেখা গেল, তাতে মহারণ শব্দটা কেবল নামেই রয়ে গেল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুখোমুখি পরিসংখ্যান ৭১ থেকে বেড়ে ৮১ভারতের পক্ষে।কলম্বোর মন্থর উইকেটে টসে হেরে আগে ব্যাট করে ভারত তোলে ১৭৫/৭। জবাবে পাকিস্তান গুটিয়ে যায় ১১৪ রানে। শেষদিকে শাহিন আফ্রিদির ঝড়ো কয়েকটি শট না থাকলে তিন অঙ্কও হয়তো ছোঁয়া হত না। ম্যাচের প্রথম দুওভারেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল, অলৌকিক কিছু না ঘটলে ফলাফল কোন দিকে যাবে।ঈশানের আগুনে ইনিংস: মন্থর পিচে আলাদা আলোকলম্বোর পিচ ধীরগতিরএই ধারণা ম্যাচের আগে থেকেই ছিল। কিন্তু সেই পিচে যেভাবে ব্যাট করলেন ঈশান, তা শুধু ম্যাচ নয়, টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ইনিংস হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শুরুতেই শাহিনকে ছয় মেরে বার্তা দেন তিনিআত্মবিশ্বাসে কোনও ঘাটতি নেই।স্পিনারদের বিরুদ্ধে তাঁর পায়ের ব্যবহার, ফাঁকা জায়গা খুঁজে বাউন্ডারি বের করার দক্ষতাসব মিলিয়ে মনে হচ্ছিল, তিনি যেন অন্য ট্র্যাকে খেলছেন। ভারতীয় দল দীর্ঘদিন পর এমন এক ইনিংস পেল, যা স্কোরবোর্ডে শুধু রান যোগ করেনি, মানসিক দিক থেকেও পাকিস্তানকে চাপে ফেলেছে। ঈশানের এই ইনিংস না থাকলে ১৭৫ রান নাগালের বাইরে থাকত।সূর্য-তিলকের মাপা ব্যাটিং: ঝুঁকি নয়, বুদ্ধির খেলাঈশানের আগ্রাসনের পর পরিস্থিতি বুঝে খেলেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ও তিলক বর্মা। তাঁরা জানতেন, একই ছন্দে চালালে উইকেট পড়তে পারে দ্রুত। তাই বেছে নেন খুচরো রান ও স্ট্রাইক রোটেশনের পথ। তৃতীয় উইকেটে ৩৮ রানের জুটি ম্যাচের প্রেক্ষিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।সূর্য আবারও দায়িত্বশীল ইনিংস খেললেনঅধিনায়কের মতোই। রানের গতি খানিক কমলেও স্কোরবোর্ড কখনও থামেনি। এই মাপা ব্যাটিং শেষ পর্যন্ত বড় স্কোরের ভিত গড়ে দেয়।শেষের ঝড়: শিবম-রিঙ্কুর কাঁধে বাড়তি ২৫-৩০ রান১৫০ পার হওয়াই যেখানে চ্যালেঞ্জ ছিল, সেখানে শেষ তিন ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন শিবম দুবে ও রিঙ্কু সিংহ। শিবমের ১৭ বলে ২৭ ও রিঙ্কুর ৪ বলে ১১এই দ্রুত রানই ভারতের স্কোর ১৭৫-এ পৌঁছে দেয়। শেষ ওভারে শাহিনের হাতে বল তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য ব্যুমেরাং হয়ে যায়। অতিরিক্ত ১৫-১৬ রানই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়।প্রথম চার ওভারেই ধস: সূর্যের কৌশলে কাবু পাকিস্তানপাকিস্তানের ইনিংস শুরু হতেই সূর্যের কৌশল নজর কাড়ে। স্পিনে ভরসা না করে প্রথম চার ওভার বল করান জোরে বোলারদের দিয়ে। ফল? আট বলের মধ্যে দুই উইকেট। হার্দিকের বলে ফারহানের বিদায়, তারপর বুমরাহর নিখুঁত ইয়র্কারে সাইম আয়ুবের স্টাম্প উড়ে যাওয়াপাকিস্তান চাপে পড়ে যায় শুরুতেই।সলমনের একটি ঢিলেঢালা শট ধরে নেন হার্দিক। তিন উইকেট পড়ে গেলে মন্থর পিচে ঘুরে দাঁড়ানো প্রায় অসম্ভব। পাকিস্তান আর সেই অলৌকিক প্রত্যাবর্তন দেখাতে পারেনি।স্পিন-ঝুঁকি ও সিদ্ধান্তের ফারাকপাঁচ স্পিনার নিয়ে নামা পাকিস্তান ইতিহাসে নজির গড়লটি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এক ইনিংসে ছজন স্পিনার ব্যবহার। কিন্তু পরিকল্পনা আর বাস্তবের ব্যবধান স্পষ্ট হয়ে গেল।অন্যদিকে সূর্যের সিদ্ধান্ত ছিল পরিস্থিতি-ভিত্তিক। প্রথমে পেসে আঘাত, তারপর স্পিনে চেপে ধরাএই কৌশলই ম্যাচের রাশ টেনে নেয় ভারতের হাতে। ফিল্ডিং সেটআপেও দেখা যায় আক্রমণাত্মক মানসিকতা, যা পাকিস্তানকে আরও চাপে ফেলে।নামেই মহারণ, মাঠে একতরফাদুই দেশের রাজনৈতিক উত্তাপ, বয়কটের নাটকসবকিছুর পরেও ক্রিকেটপ্রেমীরা চেয়েছিলেন সমানতালে লড়াই। কিন্তু কলম্বোয় দেখা গেল একতরফা আধিপত্য। ভারত শুধু জিতল না, কৌশল, মানসিকতা ও কার্যকারিতায় প্রতিপক্ষকে অনেক পিছনে ফেলে দিল।টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথের ঐতিহাসিক আবেগ থাকলেও, এদিনের ম্যাচ প্রমাণ করলমহারণ হতে হলে দুই পক্ষের সমান প্রস্তুতি ও স্থিরতা দরকার। কলম্বোয় সেই সমতা দেখা যায়নি। ফলাফল তাই শুধু স্কোরলাইনে নয়, খেলায়ও স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
কলকাতা

শুধু ফোন নয়, ফুল মিষ্টিতে দিয়ে শুভেচ্ছা পাঠিয়ে তারেককে চমকে দিলেন মুখ্য়মন্ত্রী

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বা বিএনপি। দলের শীর্ষ নেতা তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। এই আবহে এপার বাংলা থেকে ওপার বাংলায় পৌঁছল শুভেচ্ছা বার্তা।শনিবার সন্ধ্যায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফোনে কথা বলেন তারেক রহমানের সঙ্গে। ফোনালাপে ঠিক কী কথা হয়েছে তা জানা যায়নি। তবে সৌজন্য শুধু ফোনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। সূত্রের খবর, মুখ্যমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ফুল ও মিষ্টিও পাঠানো হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ সেই উপহার পৌঁছয় ঢাকার গুলশানে তারেক রহমানের কার্যালয়ে। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন সেই শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।শুক্রবার প্রকাশিত নির্বাচনের ফলাফলে দেখা গিয়েছে, ৩০০টির মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়। একা বিএনপি জিতেছে ২০৯টি আসন। শরিকদের নিয়ে তাদের মোট আসন সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১২। তারেক রহমান নিজে ঢাকা ১৭ এবং বগুড়া ৬এই দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছেন।২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের জেরে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। প্রায় দেড় বছর পর সেই নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হল। দেশে ফিরে ১৭ বছরের রাজনৈতিক নির্বাসন কাটিয়ে নতুন করে নেতৃত্বে উঠে এলেন তারেক রহমান।এর আগেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছা জানিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছিলেন, বাংলাদেশের এই জয়ের জন্য তিনি তারেকভাই, তাঁর দল এবং সহযোগী দলগুলিকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন। পাশাপাশি দুই বাংলার সুসম্পর্ক বজায় থাকার আশাও প্রকাশ করেছিলেন তিনি।বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা-ঢাকার সম্পর্ক কোন পথে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

১৫০০ টাকার আশায় লম্বা লাইন! যুবসাথী ক্যাম্পে ভিড়, তবু মুখে একটাই দাবি—চাকরি চাই

১ এপ্রিল চালু হবে যুবসাথী প্রকল্প। তার আগে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে ক্যাম্প। ২১-৪০ বছরের বেকার যুবক-যুবতীদের আবেদন, তবে অনেকেরই দাবিভাতা নয়, চাকরি চাই।রবিবার থেকে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে যুবসাথী প্রকল্পের আবেদন শিবির। আগামী ১ এপ্রিল থেকে প্রকল্প চালু হবে। ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী বেকার যুবক-যুবতীরা এই প্রকল্পে মাসে ১৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। তার আগে আবেদন গ্রহণের জন্য টানা এগারো দিন ধরে চলবে ক্যাম্প।কলকাতা-সহ জেলায়-জেলায় একই ছবি দেখা গেল। ক্যাম্পের সামনে লম্বা লাইন। তরুণ-তরুণীরা দাঁড়িয়ে আবেদনপত্র জমা দিচ্ছেন। অনেকেই উচ্চশিক্ষিত। বিএ, বিকম, বিএসসি এমনকি এমএ পড়ুয়ারাও এসেছেন ভাতার আবেদন করতে।এক তরুণী বলেন, কলকাতায় চাকরি নেই, তাঁর পড়াশোনার ক্ষেত্রেও সুযোগ খুব কম। এক যুবক জানান, ভাতা দেওয়ার বদলে যদি চাকরির সুযোগ তৈরি করা হতো, তা হলে ভালো হতো। আর এক যুবতীর কথায়, আপাতত ভাতা ঠিক আছে, কিন্তু স্থায়ী সমাধান হল চাকরি। কেউ কেউ বলছেন, যে টাকা ভাতা দেওয়া হচ্ছে, সেই টাকাতেই যদি চাকরি দেওয়া যায়, তাতেও রাজি।মালদহে বারোটি বিধানসভা এলাকায় ব্লকভিত্তিক ক্যাম্প বসেছে। সকাল থেকেই সেখানে আবেদনকারীদের ভিড়। এক স্নাতক স্তরের পড়ুয়া বলেন, ১৫০০ টাকায় কিছুই হয় না, তাঁর দরকার চাকরি। ইতিহাসে এমএ পড়ুয়া এক তরুণী জানান, ভাতা নিয়ে কেউ সন্তুষ্ট থাকতে পারেন না, বাধ্য হয়েই আবেদন করতে এসেছেন।আর এক যুবক বলেন, তিনি প্রতিদিন দুলিটার তেল ভরেন, সামান্য সাহায্য হলেও কাজে লাগবে। সাক্ষী নামে এক তরুণী জানান, চাকরি আছে কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে না, তাই আপাতত ভাতার আশ্রয়।যুবসাথী প্রকল্প নিয়ে আগ্রহ যেমন রয়েছে, তেমনই শোনা যাচ্ছে ক্ষোভ ও হতাশার সুর। এখন দেখার, ১ এপ্রিল থেকে ভাতা চালু হলে কতটা স্বস্তি পান রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীরা।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুরের মেডিক্যাল কলেজে ফের চাঞ্চল্যকর ঘটনা, একই কলেজে ছাত্রের রহস্যমৃত্যু

দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ফের চাঞ্চল্যকর ঘটনা। হস্টেলের বাথরুম থেকে উদ্ধার হল দ্বিতীয় বর্ষের এক চিকিৎসক পড়ুয়ার দেহ। মৃতের নাম লাবণ্য প্রতাপ, বয়স ২২। তিনি বিহারের পাটনার বাসিন্দা। শনিবার রাতে পুলিশ দেহ উদ্ধার করে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। কীভাবে মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতের বাবা জানিয়েছেন, তাঁদের কেউ আগে কিছু জানায়নি। দরজা খুলে তিনি দেখেন, তাঁর ছেলে ঝুলন্ত অবস্থায় রয়েছে। এরপরই প্রশাসনকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে।মৃতের পরিবারের অভিযোগ, কলেজ কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বাবা বলেন, অভিভাবকেরা টাকা দেন পড়াশোনার জন্য, কিন্তু ছাত্রদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কলেজেরই।সম্প্রতি কলেজে পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। সেই ফল ভাল না হওয়ায় মানসিক চাপে এই ঘটনা কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সব দিক খতিয়ে দেখছে পুলিশ।উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর এই একই কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রীকে মেডিক্যাল কলেজের বাইরে জঙ্গলে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় ছয় জনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের মধ্যে পাঁচজন স্থানীয় যুবক এবং একজন সহপাঠী। বর্তমানে তারা পুলিশি হেফাজতে রয়েছে।সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের একই কলেজে ছাত্রের মৃত্যু ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। পুলিশ পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের মুখে জঙ্গলমহলে ‘মাওবাদী’ পোস্টার! তৃণমূল নেতাদের নামে গণ-আদালতের হুঁশিয়ারি

বিধানসভা নির্বাচনের আগে জঙ্গলমহলে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টারকে ঘিরে। রবিবার ভোরে বান্দোয়ান থানার কুমড়া অঞ্চলে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয় এবং যজপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেওয়ালে সাদা কাগজে লাল কালিতে লেখা একাধিক পোস্টার দেখা যায়। স্থানীয় মানুষ বিষয়টি দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে পোস্টারগুলি খুলে নিয়ে যায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কে বা কারা এই পোস্টার সাঁটিয়েছে এবং এর পিছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পোস্টারে তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতি ভবতোষ দাস-সহ মোট আট জনের নামে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, গণ-আদালতে তাঁদের বিচার হবে। পঞ্চায়েতের বিভিন্ন প্রকল্পে দুর্নীতি এবং চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়েছে ওই পোস্টারে।এর আগেও সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাওবাদী নামাঙ্কিত পোস্টার উদ্ধার হয়েছিল। তালডাংরা ও ওন্দা থানা এলাকার গাছের গুঁড়ি এবং বাসস্ট্যান্ডের দেওয়ালে সাদা কাগজে লাল কালিতে লেখা পোস্টার মিলেছিল। সেখানেও নিহত মাওবাদী নেতা হিডমাকে সম্মান জানানো হয়েছিল।ভোটের আগে জঙ্গলমহলে এই ধরনের পোস্টার ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এলাকাজুড়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal