• ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ২০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TT

রাজনীতি

রাজ্যজুড়ে লাগাতার অশান্তির প্রতিবাদে বিধানসভা অধিবেশন বয়কট বিজেপির

রাজ্য জুড়ে লাগাতার অশান্তির প্রতিবাদ। স্পিকার নির্বাচন ও বিধানসভা অধিবেশন বয়কট করল বিজেপি। শুক্রবার দিলীপ ঘোষ জানালেন, বিধায়কদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে, রাজ্যের অশান্তি বন্ধ না হলে কোনও বিজেপি বিধায়ক আসবেন না বিধানসভায়। নির্বাচনের পরই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে হিংসার খবর উঠে এসেছে। প্রাণ গিয়েছে অন্তত ১৬ জনের। তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই অশান্তি মোকাবিলায় কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাফ বলেছিলেন, বাংলা শান্তির জায়গা। কোনও অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে চলা অশান্তির প্রতিবাদ করেছে বিজেপি। ৫ মে দেশজুড়ে ধরনার ডাকও দেয় গেরুয়া শিবির। ইতিমধ্যেই জল গড়িয়েছে হাই কোর্ট পর্যন্ত। বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা আর অশান্তি রুখতে কী কী পদক্ষেপ করেছে রাজ্য? কোথায় কতটা অশান্তি ছড়িয়েছে? এর বিস্তারিত তথ্য চেয়ে স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট । এই পরিস্থিতিতেই অধিবেশন বয়কটের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার মেদিনীপুরের সাংসদ বললেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অশান্তি চলছে। যতদিন পর্যন্ত না অশান্তি বন্ধ হচ্ছে, বিধায়কদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত কোনও বিজেপি বিধায়ক বিধানসভা অধিবেশনে সামিল হবে না। এমনকী, স্পিকার নির্বাচনেও তাঁরা সামিল হবেন না বলেই জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি এদিন দিলীপ জানিয়েছেন, রাজ্যজুড়ে ঘটে চলা অশান্তির কারণে অনেক বিধায়ক এদিন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সামিল হতে পারেননি। যাঁরা এসেছেন তাঁরা কীভাবে ফিরবেন বুঝতে পারছেন না। উল্লেখ্য, ৫ মে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল ৬ মে, মোট ১৪৩ জন বিধায়ক শপথ নিয়ছেন। শুক্রবার শপথ নেওয়ার কথা ১৪৮ জনের।

মে ০৭, ২০২১
রাজ্য

'নগরের নটী' পায়েল-তনুশ্রীদের হার নিয়ে বিজেপিকে তোপ তথাগতর

বেহিসেবি মন্তব্যে অনেক কাল ধরেই তাঁর বেশ নামডাক। তবে এত দিন তথাগত রায়ের সেই সব মন্তব্য ধাবিত হত বিজেপি-বিরোধীদের প্রতি। কিন্তু বঙ্গ দখলের লড়াই শেষ হতে সেই তথাগত রায়ের দিকে তোপ এ বার ধেয়ে গেল দলীয় নেতৃত্বের দিকে। বিজেপি-র তারকা প্রার্থীদের একাংশকে নাম করে নগরীর নটী বিশেষণ দেওয়া হোক বা দলীয় নেতৃত্বকে প্রভু হিসেবে উল্লেখ করা বাছা শব্দচয়নে শুধু কটাক্ষই নয়, বিজেপি নেতৃত্বকে প্রশ্নবাণেও বিদ্ধ করেছেন তিনি।মঙ্গলবার বিজেপি-র বর্ষীয়ান নেতা তথাগত টুইট করে দলের তিন তারকা প্রার্থী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, পায়েল সরকার ও তনুশ্রী চক্রবর্তীকে টিকিট দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ওই তিন প্রার্থীর কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিব প্রকাশ, অরবিন্দ মেননের ভূমিকাকেও জিজ্ঞাসাচিহ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন তিনি। তথাগত মঙ্গলবার সকালে টুইট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, পায়েল, শ্রাবন্তী, পার্নো ইত্যাদি নগরীর নটীরা নির্বাচনের টাকা নিয়ে কেলি করে বেড়িয়েছেন আর মদন মিত্রর সঙ্গে নৌকাবিলাসে গিয়ে সেলফি তুলেছেন তাঁদেরকে টিকিট দিয়েছিল কে? কেনই বা দিয়েছিল? দিলীপ-কৈলাশ-শিবপ্রকাশ-অরবিন্দ প্রভুরা একটু আলোকপাত করবেন কি?এর পর তিনি আর একটি টুইট করে আগের বক্তব্যে একটু সংশোধন করেন। সেখানে তিনি জানান, পার্নো নয় ওই নামটি তনুশ্রী চক্রবর্তী হবে। তিনি প্রথমে ভুল করে লিখে ফেলেছিলেন বলে জানিয়েছেন তথাগত। রাজনীতিতে পোড় খাওয়া তথাগতর বেহিসেবি মন্তব্য নিয়ে আগেও বিতর্ক হয়েছে। বিরোধীদের উদ্দেশে তাঁর মন্তব্য নিয়ে আগেও বহু বার সমালোচিত হয়েছেন তিনি। এ বার দলের দিকে তোলা তাঁর প্রশ্নে রীতিমতো অস্বস্তিতে দল। প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য না করলেও বিজেপি নেতাদের তরফে জানানো হয়েছে, এটা তথাগতর নিজের বক্তব্য। দলের মন্তব্য নয়।

মে ০৪, ২০২১
দেশ

দেশে কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার

পরপর কয়েকদিন টানা লাফিয়ে বেড়ে চলার পর মঙ্গলবার দেশের করোনা গ্রাফ সামান্য নিম্নমুখী। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টা দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ২৩ হাজার ১৪৪ জন। সোমবার এই সংখ্যা ছিল সাড়ে তিন লক্ষের বেশি। সেই তুলনায় মঙ্গলবার প্রায় ২০ হাজার কমেছে সংক্রমিতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনার বলি ২৭৭১। করোনায় মৃত্যু হয়েছে ছত্তিশগড়ের প্রবীণ কংগ্রেস সাংসদ করুণা শুক্লা। এই পরিসংখ্যানও সোমবারের তুলনায় সামান্য কম। ফলে দুই পরিসংখ্যানেই ক্ষণিক স্বস্তি মিলছে। তবে এই গ্রাফ আরও অনেকটা নিম্নমুখী হোক, এই আশায় দিন গুনছে স্বাস্থ্যমহল থেকে আমজনতা, সকলেই।স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে, এই মুহূর্তে দেশে মোট অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২৮ লক্ষ ৮২ হাজার ২০৪। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ লক্ষ ৫১ হাজার ৮২৭ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৪৫ লক্ষ ৫৬ হাজার ২০৯। ইতিমধ্যে টিকাকরণ হয়েছে ১৪ কোটি ৫২ লক্ষ ৭১ হাজার ১৮৬ জনের। গত পাঁচদিন ধরে দেশের করোনা সংক্রমণের হার ক্রমশই ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছিল। তিনদিনে মধ্যেই সংক্রমিতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছিল ১০ লক্ষের গণ্ডি। তবে সেই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার খানিক ছেদ পড়ল। সামান্য হলেও সংক্রমণের হার কমল।এদিকে, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কার মোকাবিলায় আরও শক্তিশালী হয়ে ঝাঁপাতে চাইছে ভারত। কোভিশিল্ড, কোভ্যাক্সিন জোড়া ভ্যাকসিন দিয়ে চলছে টিকাকরণ। তবে আগামী মাসের গোড়ায় হাতে আসছে আরও একটি ভ্যাকসিন রাশিয়ার স্পুটনিক ভি। উল্লেখ্য, এই সময় থেকেই দেশের ১৮ বছরের ঊর্ধ্ব ব্যক্তিদের টিকাকরণ শুরু হবে। ফলে স্পুটনিক ভি হাতে এলে সেই কাজ আরও অনেকটা গতি পাবে বলে আশা কেন্দ্রের। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন অক্সিজেন। কিন্তু তার সংকট রয়েছে দেশে। সেই সংকট মেটাতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। এখন প্রত্যাশা একটাই, করোনাযুদ্ধে যেন ফের জয়ী হয় ভারত।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
রাজ্য

গোরু পাচার মামলায় এবার সিবিআই তলব অনুব্রত মণ্ডলকে

গোরু পাচার মামলায় বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে তলব করল সিবিআই। সূত্রের খবর, আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার অনুব্রত মণ্ডলকে কলকাতায় সিবিআইয়ের দপ্তর নিজাম প্যালেসে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি। বলে রাখা ভাল, ২৯ এপ্রিল অষ্টম অর্থাৎ শেষ দফায় বীরভূমের ১১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। তার আগেই জেলার দাপুটে তৃণমূল নেতাকে সমন পাঠানোর নেপথ্যে রাজনৈতিক অভিসন্ধি থাকার অভিযোগ উঠছে। উল্লেখ্য, দীর্ঘ তদন্তের পর গত ফেব্রুয়ারি মাসে গোরু পাচার কাণ্ডে চার্জশিট পেশ করেছিল সিবিআই। অভিযোগপত্রে চক্রের মূল পাণ্ডা এনামুল হক, বিএসএফ আধিকারিক সতীশ কুমার, গুলাম মুস্তফা ও আনারুল শেখ-সহ সাতজনের নাম ছিল। রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আবহে গোরু ও কয়লা পাচার কাণ্ডে জড়িত রাঘব বোয়ালদের জালে আনতে তৎপর সিবিআই। দুই পাচারের অন্যতম মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারির পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় লাগাতার তল্লাশি চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি, ধৃতদের টানা জেরা করেও জট খোলার চেষ্টায় মরিয়া তাঁরা। সিবিআই সূত্রে খবর, জেরায় নানা তথ্য উঠে আসছে, যার ভিত্তিতে তাঁরা তদন্তের পরবর্তী ধাপে পৌঁছনোর জন্য কাজ করছেন।প্রসঙ্গত, গোরু ও কয়লা পাচার কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল নেতা বিনয় মিশ্র ও তাঁর ভাই বিকাশ মিশ্রের। কয়েকদিন আগে নয়াদিল্লি থেকে বিকাশকে গ্রেপ্তার করে ইডি। তারপর থেকেই জোরকদমে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। এদিকে, আজই এক সভা থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে সিবিআই ডাকলেও সাড়া না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। তাঁর কথায়, আমি বলে দিয়েছি, একদম যাবি না। ইলেকশন প্রসেস ওভার হবে তারপর যাবি। আমি একটা পার্টির পলিটিক্যাল কর্মী। বাধা দেবেন না।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
কলকাতা

প্রথমবার বিধানসভা ভোট দিচ্ছেন না বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

করোনা গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী। স্ত্রী ও কন্যা ভোটের লাইনে দাঁড়ালেও ঘরবন্দি থাকবেন তিনি। সুস্থ থাকলেও এবারে ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে যাবেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। চিকিৎসকদের পরামর্শেই এই সিদ্ধান্ত ভলে আলিমুদ্দিন সূত্রে খবর। এই প্রথমবার বিধানসভা ভোট দিচ্ছেন না রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।প্রতিদিনই হু হু করে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রতিদিনই নতুন নতুন পদক্ষেপ করতে হচ্ছে প্রশাসনকে। বাকি দুই দফার নির্বাচনের আগে বেশকিছু কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করতে হয়েছে কমিশনকে। প্রচারে সংযত হয়েছেন রাজনৈতিক নেতৃত্ব। এরমধ্যেই আজ সপ্তমদফা নির্বাচনের কলকাতার চারটি আসনে ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণ হচ্ছে বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রেও। এই কেন্দ্রের ভোটার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। অসুস্থতার কারণে গত লোকসভা নির্বাচনে ভোটের লাইনে দাঁড়াননি তিনি। স্ত্রী মীরা ভট্টাচার্য ও কন্যা সুচেতনা ভোট দিলেও যাননি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এবার আগের তুলনায় কিছুটা সুস্থ থাকলেও করোনা পরিস্থিতির জন্য ভোট দিতে পারলেন না বুদ্ধবাবু।বুদ্ধবাবু যাতে ভোট দিতে পারেন সেজন্য আগেই কমিশনের কাছে আবেদন করেছিল পার্টি। কমিশনের পক্ষ থেকে পাম এভিনিউর বাড়িতে গিয়ে ভোটগ্রহণের আবেদন করা হয়। কিন্তু বুদ্ধবাবুর বয়েস যেহেতু আশির নিচে তাই ভোটগ্রহণ করতে অস্বীকার করে কমিশন। তখনই সিদ্ধান্ত হয় শরীর ভাল থাকলে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের অধিকার প্রয়োগ করবেন তিনি। কিন্তু দিন যতো গড়াচ্ছে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। সবদিক বিবেচনা করে ভোট না দিতে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। বালিগঞ্জ কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী চিকিৎসক ফুয়াদ হালিম নিজেও চাইছিলেন না বুদ্ধবাবু ভোট দিতে যান। তিনি বলেন, পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব বিষয়টি নিয়ে বলতে পারবেন। করোনা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই না উনি বাড়ির বাইরে বেরোন। তার সঙ্গে একমত আলিমুদ্দিনের সিংহভাগ নেতৃত্ব। তবে সবটাই নির্ভর করছিল বুদ্ধবাবুর ওপর। সূত্রের খবর, শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের পরামর্শই মানলেন তিনি।

এপ্রিল ২৬, ২০২১
দেশ

মোদির তোপের মুখে কেজরিওয়াল, চাইলেন ক্ষমা

শুক্রবার দেশের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তিরস্কারের মুখে পড়তে হল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। নিজের ভুল বুঝতে পেরে হাতজোড় ক্ষমাও চাইতে হল তাঁকে। তবুও বিতর্ক থেকে রেহাই পাননি তিনি। পরে কেন্দ্রের বেশ কয়েকজন আধিকারিক রীতিমতো ভর্ৎসনা করলেন কেজরিওয়ালকে। তাঁদের অভিযোগ, অতিমারির সময়ে রাজনীতি করছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী।আসলে শুক্রবারের বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার করছিলেন কেজরিওয়াল। তাঁর এহেন পদক্ষেপকেই কাঠগড়ায় তোলেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছিলেন কেজরিওয়াল। তখনই তাঁকে থামিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলে ওঠেন, আমাদের যা প্রোটোকল রয়েছে, এখানে তার বিরুদ্ধাচরণ করা হচ্ছে। একজন মুখ্যমন্ত্রী এমন একটি অভ্যন্তরীণ বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার করছেন, এমনটা একেবারেই হওয়া উচিত নয়।প্রধানমন্ত্রীর তিরস্কারের জবাবে ক্ষমা চাইতে দেখা যায় কেজরিওয়ালকে। তিনি জানিয়ে দেন, এমনটা ভবিষ্যতে আর হবে না। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, যদি তাঁর কথা বা আচরণে কোনও কঠোরতা প্রকাশ পেয়ে থাকে সেজন্যও ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছেন তিনি।প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে থামানোর আগে কেজরিওয়াল দিল্লিতে করোনা চিকিৎসায় অক্সিজেনের অপ্রতুলতা নিয়ে বক্তব্য রাখছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, দিল্লিমুখী অক্সিজেনের ট্যাংকার অন্য রাজ্যে চলে যাচ্ছে। এরপরই তাঁকে থামিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। কেজরিওয়ালের এহেন আচরণ নিয়ে অভিযোগে তাঁকে বিদ্ধ করছেন কেন্দ্রের আধিকারিকরা। তাঁদের অভিযোগ, এমন কঠিন সময়ে এভাবে রাজনীতি করা উচিত নয়। বাকি মুখ্যমন্ত্রীরা যেখানে নিজেদের রাজ্যের পরিস্থিতি শোধরাতে কী পদক্ষেপ করেছেন সেকথা জানাচ্ছিলেন, সেখানে অরবিন্দ কেজরিওয়াল তেমন কিছুই বলতে পারেননি। উলটে তোপ দেগেছেন কেন্দ্রের অব্যবস্থার দিকে।পরে বেগতিক অবস্থায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের তরফে অবশ্য জানানো হয়, কেন্দ্রের কাছ থেকে লিখিত বা মৌখিক কোনও নির্দেশ তাদের কাছে ছিল না যে এই ধরনের বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার করা যায় না।

এপ্রিল ২৩, ২০২১
রাজ্য

নির্বাচন কমিশনকে চিঠি তৃণমূলের

করোনা আবহে একসঙ্গে করা হোক শেষ দুদফার ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। এমন আর্জি জানিয়েই এবার নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিল তৃণমূল। এদিকে, নির্বাচনী প্রচারে লাগাম টানতে হাইকোর্টে করা জনস্বার্থ মামলা নিয়ে মঙ্গলবার কড়া মনোভাব দেখালেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি।চতুর্থ দফার ভোটের পরই বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বাকি চার দফার ভোট একসঙ্গে করার আর্পি জানিয়েছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, বাকি চার দফার ভোট একসঙ্গে হয়ে গেলে আর প্রচারের কোনও ব্যাপার থাকবে না। ফলে সাধারণ মানুষের জমায়েত এড়ানো যাবে। কিন্তু কমিশনের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী বাকি ভোট আরও চার দফাতেই হবে। কিন্তু সংক্রমণের চোখ রাঙানির মধ্যে ফের একই আরজি শোনা গেল তৃণমূলের তরফে। ২২ এপ্রিল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বঙ্গে ষষ্ঠ দফার ভোট। ফলে এই দফায় আর কোনও বদল আনা সম্ভব নয়। কিন্তু এবার তৃণমূলের তরফে চিঠি দিয়ে আবেদন করা হল, ২৬ এবং ২৯ এপ্রিলের ভোট প্রক্রিয়া একসঙ্গে করা হোক। তৃণমূলের এই দাবিতে কমিশনের প্রতিক্রিয়া কী হয়, এখন তারই অপেক্ষা।এদিকে, নির্বাচনী প্রচারে রাশ টানতে হাই কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এদিন তারই প্রেক্ষিতে নয়া নির্দেশ দিলেন হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টিবিএন রাধাকৃষ্ণণ। ডিভিশন বেঞ্চের তরফে জানানো হয়, করোনা পরিস্থিতিতে সমস্ত বিধি মেনেই যাতে প্রচার ও ভোট প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তার দায়িত্ব কমিশনকেই নিতে হবে। প্রয়োজনে পুলিশ, প্রশাসনের সাহায্য নিয়ে গোটা প্রক্রিয়া বলবৎ করতে হবে। এ ব্যাপারে কমিশনকে সাহায্য করার এক্তিয়ার রাজ্যের রয়েছে কি না, তা আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যেই পরিষ্কার করে জানাতে হবে হাইকোর্টকে।

এপ্রিল ২০, ২০২১
দেশ

করোনা আক্রান্ত মনমোহন সিং

করোনায় আক্রান্ত দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। গায়ে জ্বর থাকায় সম্প্রতি লালারসের নমুনা পরীক্ষা করান তিনি। সোমবার সেই পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তার পরেই বিকেল ৫টা নাগাদ দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এমস)-এর ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয় তাঁকে। ৮৮ বছরের মনমোহনের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেশি। তাই বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁকে।গত ৪ মার্চ দিল্লির এমস-এ গিয়েই সস্ত্রীক প্রতিষেধকের প্রথম ডোজ নেন মনমোহন। তার একমাসের মধ্যেই দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু তার পর গত ২২ মার্চ দুই ডোজের মধ্যে ব্যবধান ৪ সপ্তাহ থেকে বাড়িয়ে ৮ সপ্তাহ করে দেয় সরকার। মনমোহন এবং তাঁর স্ত্রী প্রতিষেধকের দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন কি না, জানা যায়নি। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়ে নেটমাধ্যমে মনমোহনের আরোগ্য কামনা করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটারে তিনি লেখেন, এই মাত্র খবর পেলাম যে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংজি কোভিড পজিটিভ। ওঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধি মনমোহনের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে টুইট করেন। তিনি লেখেন, প্রিয় মনমোহনজি, আপনার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। এই কঠিন সময়ে আপনার পথপ্রদর্শন এবং পরামর্শ প্রয়োজন দেশের।কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধি টুইটারে লেখেন, মনমোহন সিংজি এবং ওঁর পরিবারের জন্য প্রার্থনা করছি। ওঁকে অন্তর থেকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করে জিতুন উনি।

এপ্রিল ১৯, ২০২১
কলকাতা

আক্রান্ত কামারহাটির বিজেপি প্রার্থী রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়

পঞ্চম দফার ভোটে অব্যাহত বিক্ষিপ্ত হিংসার ঘটনা। এ বার আক্রান্ত হলেন কামারহাটির বিজেপি প্রার্থী রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপি-র অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই রাজুর গাড়ি লক্ষ্য করে ইট মেরে তাঁর গাড়ির কাচ ভেঙে দেয়। এমনকী, বোমাবাজিও করে। এই ঘটনায় রাজু আহত হয়েছেন বলেও গেরুয়া শিবিরের তরফে দাবি করা হয়েছে। রাজুর ইঙ্গিত, কামারহাটির তৃণমূল প্রার্থী মদন মিত্রই এই হামলার পিছনে রয়েছেন। যদিও এ সব অভিযোগই অস্বীকার করেছে তৃণমূল। শনিবারই নির্বাচন কমিশনের কাছে এই হামলার অভিযোগ করেছেন রাজু।বিজেপি সূত্রের খবর, শনিবার ভোট চলাকালীন বেলঘরিয়া ব্রিজের উপরে রাজুর গাড়িতে ইট মারা হয়। অভিযোগ, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই এই কাজ করেছে। এই ঘটনায় রাজুর গাড়ির সামনের দিকের কাচ ভেঙে গিয়েছে। রাজুর ডান হাতে চোট লেগেছে বলেও দাবি বিজেপি-র। ঘটনার পর রাজু বলেন, সকাল থেকে কামারহাটির ভোটে অশান্তি ছড়াচ্ছেন মদন মিত্র। তাঁর দাবি, বহিরাগতদের এনে এলাকায় হামলা করানো হচ্ছে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
কলকাতা

বরানগরে পার্নো মিত্রের মিছিলে হামলা

বরানগরে বিজেপি প্রার্থী পার্নো মিত্রের মিছিলে হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুধবার দুপুরে বরানগর পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সতীন সেন নগর এলাকায় প্রচারে গিয়েছিলেন পার্নো-সহ বিজেপি নেতা-কর্মীরা। তাঁরা বাইক নিয়ে রোড শো করার সে সময়ই তৃণমূলের স্থানীয় কর্মী-সমর্থকেরা হামলা চালান বলে অভিযোগ।শনিবার পঞ্চম দফায় বরানগরে ভোট হবে। বুধবারই প্রচারের শেষ দিন। পার্নো হামলার ঘটনার পরে বলেন, পরিকল্পিতভাবে আমাদের প্রচারে হামলা করেছে তৃণমূল।আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে আক্রমণ করা হয়েছে। মহিলাদের মারা হয়েছে। আমাদের কর্মীদের তৃণমূল হুমকি দিচ্ছে, ২ মের পরে দেখে নেওয়া হবে।ঘটনার প্রতিবাদে বিটি রোড অবরোধ করেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। বরানগর থানায় বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয় বিজেপি-র তরফে।বরানগরে পার্নোর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক তাপস রায় অবশ্য হামলার অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ভোটে পরাজয় নিশ্চিত বুঝে গিয়ে বিজেপি নাটক করছে। বরং ১ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপি-র হামলায় আমাদের এক মহিলা নেত্রী আহত হয়েছেন।

এপ্রিল ১৪, ২০২১
কলকাতা

আইকোর মামলায় এবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তলব ইডির

আইকোর মামলায় ফের রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআইয়ের পর এবার তাঁকে নোটিস পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সূত্রের খবর, মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি এই অর্থলগ্নিকারী সংস্থাকে সমর্থন করেছিলেন। সে বিষয়েই তাঁরে জিজ্ঞাসাবাদ করতে ডাকা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে দাবি।তবে শুধুমাত্র বেহাল পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ই নয়, কলকাতা পুরসভার এক বিদায়ী কাউন্সিলরকেও ডেকে পাঠিয়েছে ইডি। বিদায়ী কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তের সঙ্গে আইকোরের কী সম্পর্ক ছিল তা জানতে চেয়ে তাঁকেও ডেকে পাঠিয়েছে ইডি। আগামী সপ্তাহে দুজনকেই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইডি। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে একই মামলায় রাজ্যের মন্ত্রীকে তলব করেছিলি সিবিআই। কিন্তু ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকায় তিনি আপাতত হাজিরা দিতে পারবেন না বলে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিয়েছিলেন।মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে আইকোর মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে নোটিস পাঠানো হয় সিবিআইয়ের তরফে। ১৫ মার্চ কলকাতায় সিবিআইয়ের সদর দপ্তরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। আইকোর মামলার তদন্তে নেমে অনুকূল মাইতিকে জেরা করে একাধিক তথ্য পেয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। সেই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জেরা করার কথা ছিল। কিন্তু পার্থ চট্টোপাধ্যায় ওই দিন হাজিরা দেননি। জানিয়েছিলেন, তিনি তখনও কোনও নোটিস হাতে পাননি। পেলে অবশ্যই উত্তর দেবেন। পরবর্তীতে দ্বিতীয় নোটিস দেওয়া হয় তাঁকে।

এপ্রিল ১৪, ২০২১
রাজ্য

ছাপ্পা ভোটের মাস্টারপ্ল্যানের অংশ শীতলকুচির ঘটনা, বিস্ফোরক মোদি

শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক লড়াই অব্যাহত। এবার তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কল্যাণীর সভা থেকে মোদি দাবি করলেন, শীতলকুচির ঘটনা আসলে মমতার ছাপ্পা ভোটের মাস্টারপ্ল্যানেরই অংশ। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, মমতা রাজ্যের আদিবাসী, দলিত, তপসিলি, মতুয়া, নমঃশূদ্রদের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চান। সেজন্যই ছাপ্পার পরিকল্পনা। আর সেটার জেরেই ঘটেছে শীতলকুচির ঘটনা।কল্যাণীতে দাঁড়িয়ে মোদি বলেন,মমতা এখন রাজ্যের আদিবাসী, দলিত, তপসিলি, মতুয়া, নমঃশূদ্রদের ভয় দেখাচ্ছেন, ধমকাচ্ছেন, মারধর করছেন। কিন্তু দিদি, আপনি যতই ভয় দেখান, মোদির প্রতি ওঁদের ভালবাসা কমাতে পারবেন না। প্রধানমন্ত্রীর দাবি, সোজা পথে বাংলার তপসিলি, মতুয়া, নমঃশূদ্রদের আটকানো যাবে না বুঝতে পেরেই মমতা এঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। ছাপ্পা ভোটের পরিকল্পনা করেছেন। তাঁর কথায়,মতুয়া-নমঃশূদ্রদের আটকানোর জন্যই দিদি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার নিদান দিচ্ছেন। একটা দলকে বলছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করতে। আরেকটা দলকে বলছেন বুথে গিয়ে ছাপ্পা মারতে। এটাই দিদির ছাপ্পা মারার মাস্টারপ্ল্যান। শোনা যাচ্ছে, কোচবিহারের ঘটনাও সেই মাস্টারপ্ল্যানেরই অংশ। কিন্তু দিদি এভাবে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার আপনি কেড়ে নিতে পারেন না। জয়-পরাজয় সব ভোটেই থাকে। দলিতদের অধিকার এভাবে কেড়ে নেওয়া যায় না। মতুয়া-নমঃশূদ্রদের অধিকার এভাবে কেড়ে নেওয়া যাবে না।প্রসঙ্গত, কল্যাণী এবং সংলগ্ন এলাকায় একটা বড় অংশের ভোটার মতুয়া সম্প্রদায়ের। লোকসভার মতো বিধানসভাতেও সেই মতুয়া ভোটে বিশেষ নজর বিজেপির। সম্ভবত, সেকারণেই এদিন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ওড়াকান্দির সফর প্রসঙ্গ তুলে মমতাকে খোঁচা দিলেন। মোদি বোঝানোর চেষ্টা করলেন, মানুষের গণতন্ত্র রক্ষা করা মতুয়াদের ধর্মগুরু হরিচাঁদ ঠাকুরের জীবনের উদ্দেশ্য ছিল। আর সেই উদ্দেশ্য পূরণের লক্ষ্যে অনুপ্রেরণা পেতেই বাংলাদেশের ওড়াকান্দি সফরে গিয়েছিলেন তিনি। এরপরই মমতাকে খোঁচা দিয়ে মোদি বলেন, আমার ওড়াকান্দি যাওয়াটাই দিদির পছন্দ হয়নি। ওড়াকান্দিতে যাওয়াটা কি ভুল ছিল? হরিচাঁদ ঠাকুরের কর্মভূমিতে মাথা ঠেকানো ভুল ছিল নাকি?

এপ্রিল ১২, ২০২১
রাজ্য

মাঝরাত থেকে জায়গায় জায়গায় অশান্তি, আক্রান্ত বিজেপি কর্মীরা

ভোটপর্ব চলাকালীন রাজ্যের বিভিন্ন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা। রবিবার রাতের মধ্যেই অন্তত তিনটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। প্রতি ক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় শাসকদল তৃণমূল। রাতদুপুরে উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটিতে শুটআউট, গুলিবিদ্ধ হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি এক বিজেপি কর্মী। এছাড়া কসবার আনন্দপুর এবং হাওড়ার বাঁকড়াতেও আক্রান্ত বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।রবিবার রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ কসবা কেন্দ্রের অন্তর্গত আনন্দপুরের পশ্চিম চৌবাগায় বিজেপি কার্যালয় বৈঠক চলাকালীন দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। গেরুয়া শিবিরের মহিলা সদস্যদের হেনস্তা করা হয় বলে অভিযোগ। অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই পার্টি অফিসে ঢুকে তাণ্ডব চালিয়েছে। দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়, চলে বোতল ছোঁড়াছুঁড়িও। প্রতিবাদে রাতে আনন্দপুর থানা ঘেরাও করেন বিজেপি কর্মী, সমর্থকরা।এরপর আরও রাতের দিকে খবর মেলে, নৈহাটিতে গুলি চলেছে। এক বিজেপি কর্মী গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে কল্যাণীপর জেএনএম হাসপাতালে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের দলের এই সদস্যকে বেশ কয়েকদিন ধরেই হুমকি দিচ্ছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। আগামী ২২ তারিখ এলাকায় ভোটের আগে প্রচারে বেরতেই তিনি আক্রান্ত হলেন। এ নিয়ে রাত পর্যন্ত এলাকায় উত্তেজনা ছিল। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য ঘটনায় নিজেদের জড়িত থাকার অভিযোগ উড়িয়ে পালটা দাবি করেছে, বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দলের জেরেই এই ঘটনা ঘটেছে। নৈহাটিতে শুটআউটের ঘটনায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের প্রতিক্রিয়া, প্রতি দফা ভোটের আগেই এভাবে বিজেপির উপর হামলা চালিয়ে লড়াই থেকে পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু এভাবে বিজেপিকে রোখা যাবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্বাবধানে স্বচ্ছভাবে ভোট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে এবং বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। পাশাপাশি, হাওড়ায় ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা অব্যাহত। বাঁকড়ার রাজীব পল্লি এলাকায় একদল বিজেপি কর্মী, সমর্থকের উপর হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সোমবার ভোরে কোচবিহারের সিতাইয়েও আক্রান্ত হয়েছেন বিজেপি কর্মী। অভিযোগ, তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেও চলে হামলা।

এপ্রিল ১২, ২০২১
দেশ

নয়ডার বসতিতে ভয়াবহ আগুন, ঝলসে মৃত ২ শিশু

নয়ডার সেক্টর ৬৩-র কাছে একটি বস্তিতে ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনাস্থলে যায় প্রচুর পুলিশ এবং দমকল কর্মী। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুনে ২টি বছর তিনেকের শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আগুনে এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৫০টি ঝুপড়ি পুড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে।রবিবার দুপুরে হঠাৎই নয়ডার বাহোলপুর এলাকায় আগুন লাগে। নয়ডা পুলিশের গৌতম বুদ্ধ নগর কমিশনারের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডলে আগুন লাগার কথা জানানো হয়েছে। তবে কী কারণে আগুন লেগেছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন লাগার পরই পুলিশ এবং দমকল ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তার আগেই অবশ্য বসতিবাসীরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। দমকল কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন। আগুনে ২ শিশুর মৃত্যুর পাশাপাশি কয়েক জন আহত হয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে।সোশ্যাল মিডিয়ায় এই আগুনের বেশ কয়েকটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, অনেক দূর থেকে কালো ধোঁয়া নজরে পড়েছে। আশপাশের এলাকা কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে। ছড়িয়েছে আতঙ্কও।

এপ্রিল ১১, ২০২১
রাজ্য

আত্মরক্ষার্থেই গুলি, রিপোর্ট গেল কমিশনে

চতুর্থ দফার ভোটেও প্রাণহানি অব্যাহত। তবে এ বার অভিযোগের আঙুল ঘুরে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দিকে। কোচবিহারের শীতলকুচিতে বিনা প্ররোচনায় গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। যদিও নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টে তা খারিজ করে দিলেন রাজ্যের বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছে বলে কমিশনকে জানিয়েছেন তিনি।শনিবারের ঘটনায় তোলপাড় গোটা রাজ্য। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উস্কানিতেই গোটা ঘটনা ঘটেছে বলে বিজেপি অভিযোগ করেছে। কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন করানোর ভার যাদের হাতে, তাদের গুলিতেই ভোটারদের মৃত্যুর তীব্র সমালোচনা করেছে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস-সহ প্রায় সব রাজনৈতিক দল। এ সব নিয়ে উত্তেজনার পারদ যখন তুঙ্গে, সেই সময় কমিশনকে দেওয়া রিপোর্টে বিবেক জানালেন, শীতলকুচির জোড়পাটকির যে ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে এই ঘটনা ঘটেছে, সেখানে তৃণমূল এবং বিজেপি-র মধ্যে ঝামেলা চলছিল। তাতে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছিল। খবর পেয়ে সেখানে কুইক রেসপন্স টিম পাঠানো হয়। এর পর দুপক্ষের সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করে। সেই পরিস্থিতি সামলাতে ময়দানে নামে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কিন্তু গ্রামের মানুষ তাদের ঘিরে ধরেন। তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সেই সময় আত্মরক্ষার্থেই গুলি চালাতে হয় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। এমন রিপোর্টই বিবেক দিয়েছেন বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই বিবেকের এই যুক্তির তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বিবেকের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছেন তিনি। শুধু তাই নয়, গুলি চালিয়ে মানুষগুলিকে মেরে ফেলে এখন আত্মরক্ষা বলে চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন মমতা।শীতলকুচির সাধারণ মানুষও গোটা ঘটনার জন্য কমিশনকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জোড়পাটকির এক বাসিন্দার প্রশ্ন, পরিস্থিতি বেগতিক দেখলে পায়ে গুলি চালাতে পারত কেন্দ্রীয় বাহিনী। একদম নিশানা করে প্রত্যেকের বুকে গুলি লাগল কী ভাবে? স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদেরও একই অভিযোগ। তাঁদের দাবি, বুথে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনীই গুলি চালায়। তবে কোচবিহারের পুলিশ সুপার দেবাশিস ধরও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয়দের ধস্তাধস্তি এবং রাইফেল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হয় বলে জানিয়েছেন।

এপ্রিল ১০, ২০২১
রাজ্য

দিলীপ ঘোষের উপর হামলায় জড়িত সন্দেহে গ্রেপ্তার ১৬

দিলীপ ঘোষের উপর হামলার ঘটনার পর বেশ কিছুক্ষণ পেরিয়ে গেলেও এখনও থমথমে কোচবিহারের শীতলকুচি। ইতিমধ্যেই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে কমপক্ষে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।বুধবার শীতলকুচিতে সভা ছিল রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষের। সেই সভা সেরে বেরনোর সময় দিলীপের কনভয় লক্ষ্য করে বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, যে মাঠে তাঁর সভা হয়েছিল, সেখানেই আগ্নেয়াস্ত্র-সহ তৃণমূল আশ্রিত কিছু দুষ্কৃতী তাঁর উপর হামলা চালায়। তাঁর কনভয় লক্ষ্য করে বোমাবাজি করা হয়। দিলীপের অভিযোগ, তাঁর গাড়িতেও দুটি বোমা পড়েছে। শুধু তাই নয়, আধলা ইট মেরে তাঁর গাড়ির কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তাঁর নিজের গায়েও ইটের আঘাত লেগেছে। কনভয়ের অন্য গাড়িতেও বোমা পড়েছে বলেও দাবি করেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতেই তোলপাড় শুরু হয়। তদন্তে নামে পুলিশ।অন্যদিকে, এই ঘটনার প্রতিবাদ, অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে কলকাতায় কমিশনের বাইরে ধরনা দেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ ও দলের নেতা-কর্মীরা। ফলে কোচবিহারের ঘটনার জেরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে কলকাতাতেও। জানা গিয়েছে, বুধবার রাতভর কোচবিহারের শীতলকুচি এলাকায় বোমাবাজি করা হয়। বিজেপি ও তৃণমূল উভয় দলের কর্মীরাই অভিযোগ করেছেন রাতে তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। এবিষয়ে কোচবিহারের এসপি দেবাশিস ধর বলেন, গতকাল প্রায় ১৫০ জন ঘটনাস্থলে ছিল। রাতভর এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়েছে। ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসপি জানিয়েছেন, এই ঘটনার কারণেই ভোটে শুধু কোচবিহারেই ১৮৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত কমিশন। থাকবে ৬ হাজার রাজ্যপুলিশ।

এপ্রিল ০৮, ২০২১
রাজ্য

পাপিয়া অধিকারীকে মারধর, তৃণমূলের বিরুদ্ধে কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

তৃতীয় দফার ভোটে একের পর এক অশান্তির খবর সামনে এসেছে। তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁর পর এবার উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারীর উপর হামলার অভিযোগ উঠল। উলুবেড়িয়া হাসপাতালে এক বিজেপি কর্মীকে দেখতে যান পাপিয়া। সেখানেই তাঁর উপর হামলা হয়, চড় মারা হয় বলেও অভিযোগ। এর জেরে হাসপাতাল চত্বর রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে।উলুবেড়িয়া দক্ষিণ বিধানসভা এলাকায় এক বিজেপি কর্মী আহত হন। তাঁকে উদ্ধার করে উলুবেড়িয়া হাসপাতালে ভরতি করা হয়। খবর পেয়ে সেখানে তাঁকে দেখতে যান উলুবেড়িয়া দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী পাপিয়া অধিকারী। তাঁর সঙ্গে বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থকও ছিলেন। হাসপাতালে পৌঁছলে সেখানে পাপিয়া অধিকারীকে ধাক্কা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বাধা দিতে যান বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। এরপরই দুপক্ষের মধ্যে বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের আকার নেয়। শেষে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি কোনওরকমে নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থল থেকে বার করে নিয়ে যাওয়া হয় পাপিয়া অধিকারীকে।পরে পাপিয়াও সংবাদমাধ্যমের কাছে জানান, তাঁকে হাসপাতাল চত্বরে মারধর করা হয়েছে। আর এই ঘটনার পিছনে সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস যে হারছে সেটা তারা বুঝতে পেরেছে। তাই এমন হামলা করছে। যদিও তৃণমূলের তরফে পাপিয়ার উপর হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।পাপিয়া অধিকারীর উপর হামলার খবর পেয়ে তাঁকে ফোন করেন বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। খোঁজ নেন কী ঘটেছিল। বিজেপির তরফে এই হামলার প্রতিবাদ করে কমিশনে অভিযোগ জানানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। হামলার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে ২ জনকে পাকড়াও করা হয়েছে।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
রাজ্য

বাংলায় দিনভর অশান্তির তৃতীয় দফা

কোথাও প্রতিপক্ষের ইট থেকে মাথা বাঁচাতে প্রার্থীকে হেলমেট পরে বুথে যেতে হল। কোথাও সংঘর্ষে আহত দলীয় কর্মীকে দেখতে গিয়ে সপাটে চড় খেলেন প্রার্থী। কোথাও আবার দিনভর দফায় দফায় প্রার্থীকে হামলার শিকার হতে হল। রাজ্যের ৩ জেলার ৩১ আসনে তৃতীয় দফার ভোটে বিভিন্ন জায়গায় ধরা পড়ল অশান্তির ছবি। ভোটপর্বের মাঝে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে মঙ্গলবার। হুগলির গোঘাটে বিজেপি কর্মীদের ধাক্কায় পড়ে গিয়ে তৃণমূলের এক বুথ সভাপতির মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। এর আগে দ্বিতীয় দফার ভোটপর্ব শুরুর আগে পশ্চিম মেদিনীপুরে কেশপুরে এক তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছিল। ওই দফায় ভোটপর্বের মাঝে নন্দীগ্রামে এক বিজেপি কর্মী আত্মঘাতী হয়েছিলেন।হুগলি এবং হাওড়া জেলায় দিনভর পেশিশক্তির লড়াই হয়েছে তৃণমূল এবং বিজেপি-র। হামলার আশঙ্কায় মাথায় হেলমেট পরে স্পর্শকাতর এলাকা মুক্তিচকে বুথ পরিদর্শনে গিয়েছিলেন হাওড়ার উলুবেড়িয়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী নির্মল মাজি। এলাকায় পৌঁছনোর পরেই বিজেপি সমর্থকেরা তাঁকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়ে বলে অভিযোগ। নির্মলের মাথা বাঁচলেও ইটের আঘাতে আহত হন তাঁর দেহরক্ষী।পাশের কেন্দ্র উলুবেড়িয়া দক্ষিণে আক্রান্ত হন বিজেপি প্রার্থী তথা অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী। সেখানে তৃণমূল সমর্থকদের বিরুদ্ধে তাঁকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে। সংঘর্ষে আহত এক বিজেপি কর্মীকে দেখতে গিয়ে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে তিনি আক্রান্ত হন। ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, পুলিশের সামনের চড় মারা হয়েছে পাপিয়ার গালে। ভিডিও ফুটেজ দেখে রাতে পুলিশ দুই হামলাকারীকে গ্রেপ্তারও করে। উলুবেড়িয়া লাগোয়া শ্যামপুরে বিজেপি-র আর এক অভিনেত্রী প্রার্থী তনুশ্রী চক্রবর্তীকে হেনস্থা করারও অভিযোগ উঠেছে মঙ্গলবার। অভিযোগ, জোকা কুমারচক এলাকায় একটি বুথের কাছে তাঁর উদ্দেশে অশালীন শব্দ ছুড়ে দেন তৃণমূলের কিছু সমর্থক।তবে দিনভর অশান্তির নিরিখে এগিয়ে ছিল পাশের জেলা হুগলি। ভোটপর্বের মাঝে গোঘাটে প্রাণহানির পাশাপাশি জেলার আরামবাগ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল খাঁ-র উপর হামলা হয়েছে একাধিক জায়গায়। তাঁর মাথায় বাঁশের বাড়ি পড়তেও দেখা গিয়েছে ভিডিও ফুটেজে। এমনকী, লাঠি হাতে মহিলাদের তাঁর উপর হামলা করতে দেখা গিয়েছে আরামবাগে। খানাকুলের তৃণমূল প্রার্থী মুন্সি নজিবুল করিমকেও বাঁশ দিয়ে পেটানো হয়েছে বলে অভিযোগ। দুটি ক্ষেত্রেই অভিযোগের তির বিজেপি-র দিকে।দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু এলাকায় দেখা গিয়েছে ব্যতিক্রমী ছবি। সেখানে তৃণমূলের সঙ্গে টক্কর দিয়েছে আব্বাস সিদ্দিকির দল ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে আইএসএফ-এর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে রাস্তায় বসে প্রতিবাদ জানাতে দেখা গিয়েছে প্রভাবশালী তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক শওকত মোল্লাকে। তাঁর অভিযোগ, বুরানগড় এলাকায় বোমা-গুলি নিয়ে সন্ত্রাস করছে আইএসএফ। তাঁকেও বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে, শকুন্তলা এলাকায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে আইএসএফ।দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমের আইএসএফ প্রার্থী মইদুল ইসলাম এবং ফলতার বিজেপি প্রার্থী বিধান পাড়ুইয়ের উপরেও তৃণমূল সমর্থকেরা হামলা করেছেন বলে অভিযোগ। রবিবারও হামলায় আহত হয়েছিলেন বিধান। বিষ্ণুপুরের পানাকুয়ায় হয়েছে দফায় দফায় বোমাবাজি। সেখানে সাতসকালেই এক মহিলাকে ভোট না দিতে যাওয়ার জন্য হুমকি দিতে দেখা যায় এক দুষ্কৃতীকে। পরে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সাতগাছিয়া থেকেও অশান্তির অভিযোগ মিলেছে।অশান্তির নিরিখে প্রথম দুদফার সঙ্গে পাল্লা দিলেও ভোটদানের নিরিখে পিছিয়ে পড়েছে তৃতীয় দফা। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৭৮ শতাংশের কাছাকাছি। প্রথম দুদফাতে যা গড়ে ৮৫ শতাংশ ছাপিয়ে গিয়েছিল।

এপ্রিল ০৬, ২০২১
দেশ

বিজাপুরে মাওবাদী হামলায় গোয়েন্দা ব্যর্থতা ছিল না, দাবি সিআরপিএফ প্রধানের

ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে জওয়ানদের উপর যেভাবে হামলা চালিয়েছে মাওবাদীরা, তাতে গোয়েন্দা ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে সিআরপিএফের শীর্ষকর্তা কুলদীপ সিং জানিয়ে দিলেন, কোনও গোয়েন্দা বা অভিযান সংক্রান্ত (অপারেশনাল) ব্যর্থতা ছিল না। যদি থাকত তাহলে জওয়ানদের গুলিতে ২৫-৩০ জন মাওবাদীর মৃত্যু হত না। তাঁর দাবি, জওয়ানদের পালটা গুলিতে প্রায় ৩০ মাওবাদী নিকেশ হয়েছে। সোমবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ছত্তিশগড় যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দেখা করবেন আহত জওয়ানদের সঙ্গে।শনিবার ছত্তিশগড়ে বিজাপুর ও সুকমার মাঝে জঙ্গলে দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া সেই সংঘর্ষ চলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। মাওবাদীরা যে ভাবে লড়াই চালায়, প্রতিরোধ গড়ে তোলে তাতে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে মাওবাদী শীর্ষ নেত্রী মাধবী হিদমার লুকিয়ে থাকার খবর ছড়িয়ে কি ফাঁদে ফেলা হল জওয়ানদের! কারণ জওয়ানরা সেখানে পৌঁছনর আগেই ওঁৎ পেতে বসেছিল মাওবাদীরা। এ ছাড়াও মাওবাদীদের হামলার ধরন এবং আরও কিছু বিষয় দেখে সন্দেহ করা হয় গোয়েন্দা ব্যর্থতার কারণেই কি ২২ জওয়ানকে প্রাণ হারাতে হল, আহত হলেন আরও অনেকে। এমনকী, শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে ১ জওয়ান এখনও নিখোঁজ।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রবিবারই সিআরপিএফের ডিজি কুলদীপ সিংকে ছত্তিশগড় যাওয়ার নির্দেশ দেন। কুলদীপ এই মুহূর্তে সেখানেই আছেন। গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। রায়পুরে তিনি বলেন, মাওবাদীরা অন্তত ৩টি ট্রাক্টর ব্যবহার করেছে তাদের আহত ও নিহত সঙ্গীদের নিয়ে যেতে। তা থেকেই মনে করা হচ্ছে, ২৫ থেকে ৩০ জন মাওবাদী নিহত হয়েছেন। আহত আরও অনেকে। ঠিক কত জন নিহত হয়েছে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে যদি গোয়েন্দা বা অপারেশনাল ব্যর্থতা থাকত তাহলে এত জন মাওবাদীর মৃত্যু হত না। তবে তিনি এও দাবি করেন, মাওবাদীরা ওঁৎ পেতে ছিল। তারা ৩ দিক থেকে ঘিরে জওয়ানদের উপর হামলা চালায়। যাতে প্রথমে কিছুটা হতচকিত হয়ে যান জওয়ানরা। কুলদীপ সিং জানিয়েছেন, নিহত জওয়ানদের মধ্যে ৭ জন সিআরপিএফ সদস্য রয়েছেন।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
দেশ

বিজাপুরে মাওবাদী হামলায় গোয়েন্দা ব্যর্থতা ছিল না, দাবি সিআরপিএফ প্রধানের

ছত্তিশগড়ের বিজাপুরে জওয়ানদের উপর যেভাবে হামলা চালিয়েছে মাওবাদীরা, তাতে গোয়েন্দা ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। সেই দাবি উড়িয়ে দিয়ে সিআরপিএফের শীর্ষকর্তা কুলদীপ সিং জানিয়ে দিলেন, কোনও গোয়েন্দা বা অভিযান সংক্রান্ত (অপারেশনাল) ব্যর্থতা ছিল না। যদি থাকত তাহলে জওয়ানদের গুলিতে ২৫-৩০ জন মাওবাদীর মৃত্যু হত না। তাঁর দাবি, জওয়ানদের পালটা গুলিতে প্রায় ৩০ মাওবাদী নিকেশ হয়েছে। সোমবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ছত্তিশগড় যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দেখা করবেন আহত জওয়ানদের সঙ্গে।শনিবার ছত্তিশগড়ে বিজাপুর ও সুকমার মাঝে জঙ্গলে দুপুর ১২টা থেকে শুরু হওয়া সেই সংঘর্ষ চলে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা। মাওবাদীরা যে ভাবে লড়াই চালায়, প্রতিরোধ গড়ে তোলে তাতে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে মাওবাদী শীর্ষ নেত্রী মাধবী হিদমার লুকিয়ে থাকার খবর ছড়িয়ে কি ফাঁদে ফেলা হল জওয়ানদের! কারণ জওয়ানরা সেখানে পৌঁছনর আগেই ওঁৎ পেতে বসেছিল মাওবাদীরা। এ ছাড়াও মাওবাদীদের হামলার ধরন এবং আরও কিছু বিষয় দেখে সন্দেহ করা হয় গোয়েন্দা ব্যর্থতার কারণেই কি ২২ জওয়ানকে প্রাণ হারাতে হল, আহত হলেন আরও অনেকে। এমনকী, শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে ১ জওয়ান এখনও নিখোঁজ।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ রবিবারই সিআরপিএফের ডিজি কুলদীপ সিংকে ছত্তিশগড় যাওয়ার নির্দেশ দেন। কুলদীপ এই মুহূর্তে সেখানেই আছেন। গোটা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। রায়পুরে তিনি বলেন, মাওবাদীরা অন্তত ৩টি ট্রাক্টর ব্যবহার করেছে তাদের আহত ও নিহত সঙ্গীদের নিয়ে যেতে। তা থেকেই মনে করা হচ্ছে, ২৫ থেকে ৩০ জন মাওবাদী নিহত হয়েছেন। আহত আরও অনেকে। ঠিক কত জন নিহত হয়েছে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে যদি গোয়েন্দা বা অপারেশনাল ব্যর্থতা থাকত তাহলে এত জন মাওবাদীর মৃত্যু হত না। তবে তিনি এও দাবি করেন, মাওবাদীরা ওঁৎ পেতে ছিল। তারা ৩ দিক থেকে ঘিরে জওয়ানদের উপর হামলা চালায়। যাতে প্রথমে কিছুটা হতচকিত হয়ে যান জওয়ানরা। কুলদীপ সিং জানিয়েছেন, নিহত জওয়ানদের মধ্যে ৭ জন সিআরপিএফ সদস্য রয়েছেন।

এপ্রিল ০৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 48
  • 49
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • 54
  • ...
  • 61
  • 62
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
দেশ

“গত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর” — পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই এবার মাদ্রাসা নিয়োগ মামলায় কড়া মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহের ডিভিশন বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।আদালত জানায়, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলিতে তাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত খারাপ। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মাদ্রাসার নিয়ম মেনে পরিচালন কমিটি গঠন করা হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে ওই কমিটিগুলি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের দায়িত্ব নিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত।তৃণমূল সরকারের আমলে মূলত ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে ওয়াক ইন ইন্টারভিউ-এর মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা গড়ায় আদালতে।মঙ্গলবার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন কার্যকর না থাকলে কেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ করা হল না। আদালত জানতে চায়, এই নিয়োগের জন্য সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না। বিচারপতিরা বলেন, রাজ্যে হাজার হাজার মাদ্রাসা রয়েছে। প্রত্যেক পরিচালন কমিটি যদি নিজেদের মতো নিয়োগ করে, তাহলে সরকার কেন সেই দায়িত্ব নেবে?নিয়োগকারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতিরা জানতে চান, কারা এই নিয়োগ করেছে এবং তাঁদের যোগ্যতা কী ছিল। একইসঙ্গে আদালতের মন্তব্য, আপনারা নিজেদের পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন, সেটাও আমরা জানি।শুনানিতে আরও জানতে চাওয়া হয়, পরিচালন কমিটিতে সরকারের কোনও মনোনীত প্রতিনিধি ছিলেন কি না। মামলার বিস্তারিত শুনানি আগামীকাল আবার হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের সম্পত্তিতে পুরনিগমের নোটিস! এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ, বাড়ল রহস্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের তরফে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির নথি চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন, এই বিষয়ে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ এবং কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।পুরনিগম সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত মোট ২১টি সম্পত্তির নথি চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন অনুযায়ী নির্মাণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিশেষ করে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তিগুলির তথ্য চাওয়া হয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি এবং কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল। জানা গিয়েছে, পুরনিগমের ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের ৪০০(১) ধারায় এই নোটিস জারি করা হয়েছে বলে খবর।কয়েকদিন আগেই ফলতার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, কলকাতায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই পুরনিগমের নোটিস ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নয়, তাঁর সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে নোটিস পাঠানো হল? রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পিছনে রয়েছে সম্পত্তির মালিকানার বিষয়টি। গত লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর ঠিকানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি, অর্থাৎ ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। অন্যদিকে, যে বাড়িগুলিতে তিনি থাকেন বা অফিস করেন, সেগুলি তাঁর সংস্থার অধীনে। সেই কারণেই পুরনিগম সরাসরি ব্যক্তিগত নামে নয়, কোম্পানির নামেই নোটিস পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

“এসব করে মাথা নত করানো যাবে না” — নোটিস ইস্যুতে ফুঁসছেন অভিষেক, বৈঠকে বড় বার্তা মমতার

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের পর রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই ফলাফলেও দমে যেতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে ফের বৈঠকে বসেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিজেপির উত্থানের আবহে দল কী বার্তা দেয়, সেদিকেই নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের।বৈঠকে উঠে আসে কলকাতা পুরনিগমের পাঠানো নোটিসের প্রসঙ্গ। সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে বলেন, তাঁর বাড়িতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এসব করে তাঁকে ভয় দেখানো যাবে না। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই তিনি চালিয়ে যাবেন বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন অভিষেক। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বৈঠকে বলেন, আগামী দিনে কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে না।কয়েকদিন আগেই কলকাতা পুরনিগমের আধিকারিকেরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেই সময় হরিশ মুখার্জি রোডের শান্তিনিকেতন এবং কালীঘাটের বাড়িতে কিছু বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই পুরনিগমের তরফে নোটিস পাঠানো হয়। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই নির্মাণ ভাঙতে হবে। তা না হলে পুরনিগম নিজেই ব্যবস্থা নেবে।যদিও এই বিষয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুর কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করতে পারেন।এদিনের বৈঠকে আরও একটি বড় বিষয় ছিল স্বঘোষিত পুষ্পা জাহাঙ্গিরকে ঘিরে বিতর্ক। ফলতায় লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। বৈঠকে একাধিক বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, দলের সঙ্গে আলোচনা না করেই কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকি জাহাঙ্গিরকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিও ওঠে বৈঠকে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

জাহাঙ্গির ভোটে লড়ছেন না, এবার মুখ খুলল তৃণমূল! সামনে এল বড় সত্য

ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, আগামী ২১ মে-র পুনর্নির্বাচনে তিনি আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর জল্পনা। প্রশ্ন ওঠে, এই সিদ্ধান্ত কি সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত, নাকি দলের তরফে তাঁকে ভোটে না লড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল?অবশেষে এই বিতর্কে মুখ খুলল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো জাহাঙ্গির খানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। সমাজমাধ্যমে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, এই সিদ্ধান্ত দলের নয়।সাংবাদিক বৈঠকে জাহাঙ্গির বলেন, ফলতার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই তিনি ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত কেন নিলেন বা এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো এবং আতর ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জাহাঙ্গির। তবে কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি।এই ঘটনার পর তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, পুষ্পা তো ঝুকেগা নেহি। তাহলে ভয় পেল কেন? যদি ভয় পেয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল। কুণাল আরও বলেন, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ভোটে জয় পেয়েছিলেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জাহাঙ্গিরের এই সিদ্ধান্ত দলের জন্য খুব ভাল বার্তা নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।জাহাঙ্গিরকে ঘিরে এই নতুন বিতর্কে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ভোটের আগে তাঁর এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে ফলতার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

“পুষ্পা ঝুকেগা নেহি” বলেই কি শেষমেশ ঝুকে গেলেন জাহাঙ্গির? ভোটের আগে বড় চমক ফলতায়

একসময় পুষ্পা ঝুকেগা নেহি বলে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। কিন্তু ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগেই আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা তৈরি করলেন তিনি। আগামী ২১ মে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফলতায় পুনর্নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই সাংবাদিক বৈঠক করে জাহাঙ্গির জানিয়ে দিলেন, তিনি আর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।জাহাঙ্গির দাবি করেছেন, ফলতার মানুষের শান্তি এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, ফলতার সাধারণ মানুষের ভালোর জন্য তিনি নিজেকে ভোটের লড়াই থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত তিনি নিজে নিয়েছেন, নাকি দলের নির্দেশে নিয়েছেন, সেই প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর দেননি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো বা আতর ছড়ানোর মতো অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাহাঙ্গির। তবে কে বা কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও মুখ খোলেননি তিনি।হঠাৎ কেন ভোটের ময়দান ছাড়লেন জাহাঙ্গির, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকের মতে, ফলতায় নিজের অবস্থান দুর্বল বুঝেই হয়তো তিনি সরে দাঁড়ালেন। কারণ, এর আগে ভোটের সময় উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসারকে হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেছিলেন, পুষ্পা ঝুকেগা নেহি। সেই জাহাঙ্গিরই পুনর্নির্বাচনের আগে লড়াই ছেড়ে দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি তিনি আগেই বুঝে গিয়েছিলেন তাঁর হার প্রায় নিশ্চিত?আবার রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের উপর অভিমান থেকেও এই সিদ্ধান্ত হতে পারে। গত লোকসভা নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিপুল ভোটে লিড দিয়েছিলেন জাহাঙ্গির। অথচ পুনর্নির্বাচনের প্রচারে অভিষেককে তাঁর পাশে দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিজেপির হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বামফ্রন্টও মাঠে নেমেছিল। কিন্তু তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল বারবার।এখন আরও একটি প্রশ্ন ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল কি ইচ্ছাকৃতভাবেই জাহাঙ্গিরকে সরিয়ে দিল? ভোটের পর সরকার গঠনের পর পুনর্নির্বাচনের ঘটনা এমনিতেই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মধ্যে জাহাঙ্গিরের সরে দাঁড়ানো নতুন করে বিতর্ক বাড়িয়েছে। এর আগে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, কয়েকটি বুথে অভিযোগ উঠলে পুরো বিধানসভা কেন্দ্রে কেন পুনর্নির্বাচন হবে। সেই পরিস্থিতিতে তাঁর এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ ইডি দফতরে হাজির, রাতেই গ্রেফতার সোনা পাপ্পু

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। সোমবার হঠাৎই কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এর আগে একাধিকবার তলব করা হলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন সোনা পাপ্পু। জানা গিয়েছে, অন্তত ছবার ইডির নোটিস উপেক্ষা করেছিলেন তিনি। তবে সোমবার সকালে ইডি দফতরে পৌঁছে তিনি দাবি করেন, কোনও অন্যায় করেননি। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় তোলাবাজির কোনও অভিযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন।গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সেই সময় গুলিও চলেছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় আসে সোনা পাপ্পুর নাম। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই কার্যত উধাও হয়ে যান তিনি। পুলিশ দীর্ঘদিন খোঁজ চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। যদিও মাঝেমধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।তদন্তে উঠে আসে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং প্রতারণার অভিযোগ। এই মামলার তদন্তে নামে ইডি। তদন্ত চলাকালীন সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জল কামদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার হন কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসও। তদন্তকারীদের দাবি, এই দুই অভিযুক্তের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।এদিকে তদন্তের সময় একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ছবি প্রকাশ্যে আসে। প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমারের সঙ্গেও তাঁর ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।সোমবার আচমকাই ইডি দফতরে হাজির হয়ে যান সোনা পাপ্পু। দীর্ঘ জেরার পর রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এখন তাঁকে আদালতে তুলে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুর থেকেই মমতার রাজনীতির শেষের বার্তা? বিস্ফোরক শুভেন্দু

ভোটের পর ভবানীপুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সভা করেন তিনি। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ জানতেন না একজন বিধায়কের কাজ কী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এতদিন ভবানীপুরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এবার মানুষ বুঝতে পারবেন একজন বিধায়ক কীভাবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এখন ভবানীপুরের মানুষের ভাই বিধায়ক হয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ভবানীপুরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে বিধায়ক অফিস খোলা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।একইসঙ্গে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি জানানোর জন্য বিশেষ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল ব্যবস্থা চালু করা হবে। কেউ কোনও সমস্যা বা অভিযোগের মুখে পড়লে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান শুভেন্দু।সভা থেকে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনা হয় না এবং ভবানীপুরেও তা হতে দেওয়া হবে না।এদিন শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে ভোট দেন, সেই চারটি বুথেই তিনি লিড পেয়েছেন। এখানেই থামেননি তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, যিনি নিজের বুথেই জিততে পারেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে পথ দেখিয়ে দিয়েছে। টাটা বাই বাই, আপনার রাজনীতির দিন শেষ, সভা থেকে এমন মন্তব্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, চেতলা গার্লস স্কুলের পাঁচটি বুথেও বিজেপি লিড পেয়েছে।শেষে ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, মানুষের এই সমর্থনের ঋণ তিনি শোধ করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মে ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal