• ৩২ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TMC

রাজ্য

SFI vs TMCP: টিএমসিপি-এসএফআই-এর সংঘর্ষে উত্তপ্ত উত্তরপাড়ার কলেজ, জখম দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন

টিএমসিপি এবং এসএফআই সমর্থকদের সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল হুগলির উত্তরপাড়ার প্যারীমোহন কলেজ। বৃহস্পতিবার কলেজ চত্বরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ওই দুই ছাত্র সংগঠনের সদস্যেরা। মারপিটে জখম হয়েছেন দুপক্ষেরই বেশ কয়েক জন। এই ঘটনার প্রতিবাদে আগামী ১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে এসএফআইয়ের তরফে।সিপিএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআই-এর অভিযোগ, কলেজের সামনে দিয়ে তাদের মিছিল যাওয়ার সময় মারধর করে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ (টিএমসিপি)। বৃহস্পতিবার ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং হুগলিতে মেডিক্যাল কলেজ তৈরি-সহ বিভিন্ন দাবিদাওয়া নিয়ে উত্তরপাড়া স্টেশন থেকে উত্তরপাড়া কলেজ স্ট্যান্ড অবধি মিছিল করে এসএফআই। মিছিল শেষে ছিল সভাও। সংগঠনের অভিযোগ, সভার পিছনে থাকা কয়েক জন সমর্থককে তুলে নিয়ে এসে তাদের বেধড়ক মারধর করা হয়। যদিও টিএমসিপি সমর্থকদের পাল্টা অভিযোগ, এসএফআই সমর্থকরাই কলেজে ঢুকে অশান্তি পাকিয়েছে। দুপক্ষের সংঘর্ষের জেরে সাত-আট জন জখম হয়েছেন। তাঁদের উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।অভিযোগ, সভায় পিছনের দিকে থাকা বেশ কিছু এসএফআই সমর্থককে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। এই ঘটনায় টিএমসিপির বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছে এসএফআই। যদিও টিএমসিপি সমর্থকদের দাবি, এসএফআই সমর্থকরা কলেজে এসে ঝামেলা করে। কলেজে সেই সময় পরীক্ষা চলছিল। এর জেরেই বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। সেখান থেকেই দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির অভিযোগ।দুপক্ষেরই অভিযোগ, ক্রিকেটের ব্যাট, লাঠি দিয়ে মারধর করা হয় তাদের। এমনকী পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলেও তাদের ভূমিকা নিষ্ক্রিয় ছিল বলেই অভিযোগ। এসএফআইয়ের সভার অস্থায়ী মঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থলে হাজির হয় উত্তরপাড়া থানার পুলিশের বিশাল বাহিনী।এ প্রসঙ্গে উত্তরপাড়ার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলী বোর্ডের সদস্য তাপস মুখোপাধ্যায় বলেন, এসএফআইয়ের সমস্ত অভিযোগ মিথ্যা। পায়ের নীচে মাটি তো নেই, তাই এসব গল্প তৈরি করছে। এই কলেজের একজন অধ্যাপক ছিলেন। এখন আছেন কি না জানি না। উনিই বাচ্চা বাচ্চা ছেলেগুলোকে উষ্কে নিয়ে এসেছেন। শান্তিপূর্ণ এলাকায় অশান্তি পাকাতে এসব ছল।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Municipal Administrator: বর্ধমানের পুর-প্রশাসক পদে প্রাক্তন সাংসদ, তৃণমূলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

বর্ধমান পৌরসভার পুর-প্রসাশক পদে বদল। চিট-ফান্ড মামলায় বর্ধমান পৌরসভার পুর-প্রশাসক প্রনব চট্টোপাধ্যায়-এর সিবিআই গ্রেপ্তারির কারণে পুর-প্রসাশকের পদে বদল আনা হল। সোমবার আসানসোল সিজিএম আদালতে তোলার পর প্রনব চট্টোপাধ্যায়কে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। এই মামলার পরবর্তী শুনানি চলতি মাসের ২৭ তারিখ হবে বলে জানানো হয়। মঙ্গলবার পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বদলের কথা জানান। তবে বাকি সদস্যদের কোনও বদল হচ্ছে না এই মুহুর্তে।আরও পড়ুনঃ ভুঁইফোর বেসরকারি অর্থলগ্নি সংস্থার মামলায় গ্রেফতার বর্ধমান পৌরসভার প্রশাসকপ্রনব চট্টোপাধ্যায়পর জায়গায় নিয়ে আসা হল প্রক্তন সাংসদ মমতাজ সঙ্ঘমিতা-কে। মমতাজ সঙ্ঘমিতা পেশায় ডাক্তার ও অধ্যাপক। তিনি ২০১৪-২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে বর্ধমানদুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রে থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। মমতাজের স্বামী ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রক্তন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি। তাঁর স্বামী নুরে আলম চৌধুরি ২০১১ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বীরভূম জেলার মুরারই বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী ছিলেন।মমতাজ সঙ্ঘমিতামমতাজ সঙ্ঘমিতার পিতা ছিলেন মনসুর হবিবুল্লাহ, তিনি ব্রামফন্ট সরকার পরিচালিত পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রাক্তন স্পিকার এবং প্রাক্তন আইনমন্ত্রী ছিলেন। ছোট থেকেই মার্ক্সবাদী আদর্শে বেড়ে ওঠা। দীর্ঘ ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের পতনের পরই তিনি তৃণমূলে যোগদান করেন।আরও পড়ুনঃ সোমবারের তুলনায় আরও নামল পারদ, মরশুমের শীতলতম মঙ্গলবারপ্রনবকে অপসারিত করে মমতাজের স্থলাভিষিক্ত হওয়ায় মিশ্র পতিক্রিয়া শহরজুড়ে। সাধারণ মানুষের অনেকের-ই বক্তব্য প্রশাসক ও সহ-প্রসাশক দুটি পদেই বামফ্রন্ট-এর প্রক্তনীর লেবেল। তাহলে কি বর্ধমান শহরে আদি যোগ্য তৃণমূল নেতার অভাব? তৃণমূল নেতা সুজিত কুমার ঘোষকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জনতার কথা-কে বলেন, দল যা সিদ্ধান্ত নেবে সেটাই শেষকথা। আমরা দলের অনুগত সৈনিক, দলের আনুশাসন মেনেই আমরা চলব। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সমর্থক জানান, এই সিদ্ধান্ত দলের বিরুদ্ধেই যাবে। সাংসদ হিসাবে তিনি চুড়ান্ত ব্যর্থ ছিলেন বলেই দ্বিতীয়বার তিনি পরাজিত হন বিজেপি পার্থীর কাছে। আবার দলের একাংশের বক্তব্য, মমতাজ সাংসদের দ্বায়িত্ব সামলে এসেছেন, বর্ধমান পৌরসভার কাজ করতে তাঁর কাছে খুব একটা সমস্যা হবে না।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee-Goa: একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে আজ গোয়ায় মুখ্যমন্ত্রী

একগুচ্ছ রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে রবিবার গোয়া পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর, অর্থাৎ আজ ও মঙ্গলবার একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে মমতার। কলকাতা পুরভোট যখন দরজায় কড়া নাড়ছে, ঠিক তখনই মমতার গোয়া সফর ঘিরে আগ্রহ রয়েছে জাতীয় রাজনীতির দরবারে।১৩ ও ১৪ই ডিসেম্বর গোয়ায় কি কি কর্মসূচি রয়েছে মমতার, তার তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করে মমতার সফর সূচি জানিয়েছে ঘাসফুল শিবির।১৩ ডিসেম্বর ২০২১ বেলা একটায়গোয়াতে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে মিডিয়া হাউসের বিশিষ্ট সম্পাদকদের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক রয়েছে।দুপুর দুটোগোয়ার তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে বৈঠক মমতার।দুপুর সাড়ে তিনটেবেনাউলিমে জনসভা রয়েছে মমতার। ১৪ই ডিসেম্বর ২০২১ বেলা তিনটেপানজিমে জনসভা করার কথা মমতার। বিকেল ৫টায়আসানোরা এলাকায় জনসভা।সামনেই গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচন, সেখানে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাতে চাইছে তৃণমূল। লুইজিনহো ফেলেইরো থেকেলিয়েন্ডার পেজ, গোয়ার রাজনীতিতে এক অন্য ধারার ঢেউ তুলতে অনেকদিন থেকেই নিজের মতো করে ঘুঁটি সাজাচ্ছে তৃণমূল। তাই এই ঝটিকা সফর যে বেশ গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝতেই পারছে রাজনৈতিক মহল। মমতার এই সফরে গোয়ার আরও কোনও কোনও হেভিওয়েট নেতা তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
কলকাতা

Viral Badam Song: বাদামকাকু-কে আর্থিক সাহায্য মদন মিত্রের

খ্যাতির বিড়ম্বনা। কাঁচা বাদম গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন বীরভূমের বাদাম বিক্রেতা ভুবন বাদ্যকর । সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল তাঁর গান কাঁচা বাদাম। কিন্তু গান ভাইরাল হলেও বন্ধ বাদাম বিক্রি। শনিবার কলকাতায় পুরভোটের প্রচারে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এরই মাঝে রবীন্দ্র সরোবরের কাছে একটি চায়ের দোকানে মদন মিত্রের সঙ্গে দেখা মিলল তাঁর।আরও পড়ুনঃ বাদাম বাদাম দাদা কাঁচা বাদাম বাদাম বিক্রির সঙ্গে গান, সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল বাদাম কাকুমদন মিত্রের সঙ্গে দেখা করে নিজের আর্থিক দুরবস্থার কথা জানান তিনি। তাঁর গানে মুগ্ধ মদন মিত্র, এক কথাতেই তাঁকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। মদন মিত্র জানান, তিনি ২০ হাজার টাকা তুলে দেবেন ভুবনের হাতে। এদিন ভুবনের সঙ্গে একসঙ্গে কাঁচা বাদাম গানটিও গেয়েছেন মদন মিত্র। এছাড়াও আগামী পুরভোটের দিন প্রতিটি ওয়ার্ডের পার্টি কর্মীদের জন্য বাদাম ভাজা অর্ডার করেন বিধায়ক। মদন মিত্র বলেন ও লাভলির বদলে এখন তাঁর নতুন ট্যাগলাইন বাদাম ভাজা।আরও পড়ুনঃ আবার ড্র! হারের হ্যাটট্রিক বাঁচাল হাবাসের এটিকে মোহনবাগানকিছুদিন আগেই নিজের আক্ষেপের কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ করেছিলেন ভুবন বাদ্যকর। গান গেয়েছেন তিনি, কিন্তু পাচ্ছেন না তাঁর প্রাপ্য টাকা। ইউটিউবাররা সে গান রেকর্ডিং করে সোশ্যাল মাধ্যমে রোজগার করছেন লক্ষ লক্ষ টাকা। এই অভিযোগ নিয়ে এবার দুবরাজপুর থানার দ্বারস্থ হয়েছিলেন বীরভূম জেলার দুবরাজপুর ব্লকের অন্তর্গত লক্ষ্মীনারায়ণপুর পঞ্চায়েতের কুড়ালজুড়ি গ্রামের বাসিন্দা ভুবন বাদ্যকর।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
কলকাতা

TMC-Manifesto: তৃণমূলের ‘১০ দিগন্ত’ উন্নয়নের আশ্বাস

কলকাতার ১০ দিগন্ত।কলকাতা পুরভোটে তথাকথিত ইস্তাহার-এর বদলে নাগরিক পরিষেবার উন্নতিতে জোর দিয়ে তার রূপরেখা প্রকাশ করল তৃণমূল। অন্যান্য নাগরিক পরিষেবার উন্নতিতে জোর দেওয়া, পুর-প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে নাগরিকের দুয়ারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে একাধিক পরিকল্পনা করা হয়েছে।দক্ষিণ কলকাতার মহারাষ্ট্র নিবাসে এক ঝাঁক তৃণমূল নেতার উপস্থিতিতে এই ইস্তাহার প্রকাশ হয়। উপস্থিত ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী, ফিরহাদ হাকিম, শশী পাঁজা-সহ দলের প্রার্থীরা।তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ সুব্রত বক্সি বলেন, গত ১০ বছর ধরে কলকাতার নাগরিক পরিষেবার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। তার আরও উন্নয়নের লক্ষ্যে এই রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে। দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, বৃষ্টি হলে জল দাঁড়াবে। কিন্তু সেই জল কত দ্রুত বেরিয়ে যাচ্ছে সেটাই দেখার বিষয়। এই রূপরেখাতে নিকাশি ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার জন্য একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।এই লক্ষ্যে গঠন করা হবে ওয়ার্ড পরিকল্পক কমিটি। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রতিনিধিত্বে এই কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি ওয়ার্ডের উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রত্যেক মাসে বৈঠক করবে। এ ছাড়া পুরপ্রতিনিধির অফিসে একটি অভিযোগ নিষ্পত্তি সেল থাকবে। যেখানে ওয়ার্ডের বাসিন্দারা সরাসরি তাঁর সঙ্গে কথা বলে সমস্যার সমাধান করবেন। একটি নতুন মোবাইল অ্যাপও চালু করা হবে। যে অ্যাপে নাগরিকরা খারাপ রাস্তা, নর্দমা ও পরিষেবা অন্যান্য সমস্যা ছবি-সহ আপলোড করতে করতে পারবেন।একপলকে দেখে নিন কলকাতার ১০ দিগন্তের রূপরেখা : পাড়ায় পাড়ায় তৈরি হবে নিষ্পত্তি সেল। কোথাও সমস্যা হলে দ্রুত সুরাহা করার চেষ্টা হবে। নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতি আরও ২০০ টি পাম্প । পরিশ্রুত পানীয় জল সরবরাহে আরও জোর। ৩০ টি ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য সেন্টার তৈরি করবে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার ব্যবস্থা। জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র মিলবে সম্পূর্ণ অনলাইনে। নাইট শেল্টার বাড়ানোর চেষ্টা। ৮ টি আছে। আরও ৪টি করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। কলকাতার পার্ক, বাজারহাট পরিচ্ছন্নতায় জোর।এ ছাড়াও শহরের মহিলাদের জন্য নিরাপত্তা, শহরের রাস্তায় সবুজায়ন, কলকাতার সংস্কৃতি ও পর্যটনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। গৃহহীনদের জন্য যে আশ্রয়স্থল কলকাতায় রয়েছে এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে বলেও জানানো হয় এ দিন।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
কলকাতা

Poster Controversy: শিয়ালদহের উড়ালপুলের ছবি 'চুরির' অভিযোগ ত্রিপুরা সরকারের বিরুদ্ধে

উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ডের পর ত্রিপুরার বিপ্লব দেব সরকারের বিজ্ঞাপন ঘিরে বিতর্ক। পথ নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি স্লোগান লেখার প্রতিযোগিতায় শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতুর ছবি ব্যবহার করার অভিযোগ। তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।শুক্রবার তাঁদের সরকারি টুইটার হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে ত্রিপুরা সরকার। পোস্টটিতে লেখা হয়, পথ নিরাপত্তা সংক্রান্ত একটি স্লোগান লেখার প্রতিযোগিতায় অনুষ্ঠিত হবে। যাতে জিতলে ৫০০০ টাকা পুরস্কার পাওয়া যাবে। অভিযোগ, পোস্টটিতে যে ছবিটি ব্যবহার করা হয়েছে, সেটি কলকাতার শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতুর । কলকাতার সেতুর ছবি দিয়ে নিজেদের প্রচার করছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব । এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে বিতর্ক।প্রকাশিত ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ট্রাম লাইন, হলুদ ট্যাক্সি এবং নীল রঙের বাস। যা ত্রিপুরায় পরিবহণ ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ শনিবার বিজ্ঞাপনী ছবি চুরির অভিযোগ তুলে বলেন, এর আগে উত্তরপ্রদেশ সরকারের বিজ্ঞাপনে মা উড়ালপুলের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। উত্তরাখণ্ড সরকারের বিজ্ঞাপনে ব্যবহার করা হয়েছে অন্ডাল বিমানবন্দরের ছবি। এ বার ত্রিপুরা সরকার শিয়ালদহ উড়ালপুলের ছবি চুরি কের বিজ্ঞাপন বানাল।বিষয়টিকে গুরুত্বই দিতে চাননি বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, কোন বিজ্ঞাপন সংস্থা, কীসের ছবি ছেপে, কী উন্নয়ন বোঝাতে চেয়েছেন জানা নেই। এটায় রাজনীতি খোঁজার কিছু নেই। সরকার ভুল করলে শুধরে নেবে।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
রাজনীতি

Mimi-Nusrat: সাসপেন্ড হতে পারেন মিমি-নুসরত!

নির্দেশ সত্ত্বেও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বৈঠকে গরহাজির ছিলেন তারকা সাংসদ মিমি চক্রবর্তী ও নুসরত জাহান। এ জন্য আগেই শো-কজ করা হয়েছিল তাঁদের। এবার দুই যাদবপুর ও বসিরহাটের সাংসদকে সাসপেন্ড-ও করা হতে পারে। এমনই সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছে তৃণমূলে সূত্রে।জানা গিয়েছে, এবার থেকে দুই সাংসদকে রেজিস্টার্ডে উপস্থিতির রেকর্ড রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাজধানী দিল্লিতে গিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । তৃণমূলের সব সাংসদদের সঙ্গে দিল্লিতে বৈঠকে বসার আহ্বান জানিয়েছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের বাকি দিনগুলিতে দলের গতিপ্রকৃতি কী হবে তার একটি নীল নকশা তৈরি হয় ওই বৈঠকে। তাই দলের সব সাংসদদের উপস্থিতি জরুরি বলে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও দুই তারকা সাংসদ অনুপস্থিত ছিলেন সেই এই বৈঠকে। এ নিয়ে ক্ষুণ্ণ হন শীর্ষ নেতৃত্ব। শো-কজ করা হয় মিমি ও নুসরতকে। কী কারণে তাঁরা অনুপস্থিত ছিলেন তার কারণ দর্শাতে বলা হয়েছিল।তৃণমূল সূত্রে খবর, দুই সাংসদ যাতে পরবর্তীতে এমন কাজ না করেন তার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু মিমি বা নুসরত নন, দলের সমস্ত সাংসদের জন্য এই নির্দেশ বহাল থাকবে বলে খবর। পাশাপাশি সংসদে উপস্থিতির জন্য যে রেজিস্টার থাকে, তাতে যেন নিজেদের উপস্থিতি নিয়মিত রেকর্ড করেন দুই সাংসদ, সে কথাও বলা হয়েছে।তবে আপাতত শো-কজ করা হলেও পরবর্তীতে সাসপেন্ড করার সম্ভাবনাও রয়েছে বলে খবর। ওয়াকিবহাল মহলের মতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন পদক্ষেপ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। দলের সব সাংসদের পক্ষেই যে একি নিয়ম প্রযোজ্য হবে , তারকা বলে যে আলাদা করে কোনও ছাড় নেই, মিমি-নুসরতকে শো-কজের মাধ্যমে যেন সেই বার্তা দিতে চাইলেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
রাজ্য

Maldah-TMC: আগ্নেয়াস্ত্র হাতে সেলফি তুলছেন তৃণমূল নেত্রী! ভাইরাল ছবি

নিজের দপ্তরে চেয়ারে বসে হাতে ধরা অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র,নিজস্বী তুলছেন জেলার প্রথম সারির তৃণমূল নেত্রী! নেটমাধ্যমে ভাইরাল এই ছবিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি হয়েছে পুরাতন মালদহে।জেলা সফরে মালদহেই রয়েছেন দলের সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় এই ছবি ভাইরাল হওয়ায় রীতিমতো অস্বস্তিতে তৃণমূল। হতবাক ব্লক আধিকারিকও। এর আগেও একাধিক বার বিতর্কে জড়িয়েছেন পুরাতন মালদহ পঞ্চায়েত সমিতি তথা মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মৃণালিনী মণ্ডল মাইতি। যদিও এই ছবির সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা।এই ছবি নিয়ে সবর হয়েছে বিজেপি-ও। দলের জেলা সভাপতি গোবিন্দচন্দ্র মণ্ডল বলেন, ১১ বছরে গোটা রাজ্যের পাশাপাশি মালদহকেও বারুদের স্তূপে দাঁড় করিয়েছে শাসকদল। ওদের অফিসে এটাই সংস্কৃতি। পিস্তল আছে। খুঁজলে বোমাও পাওয়া যাবে। একে ৪৭-ও পাওয়া যেতে পারে। তবে, মৃণালিনী মণ্ডল মাইতি-কে এ নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ওটা বন্দুক নয় লাইটার। এক বছর আগের ছবি।এ নিয়ে রাজ্য তৃণমূল সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণেন্দুনারায়ণ চৌধুরী বলেন, সরকারি চেয়ারে বসে এই ধরনের কাজ বাঞ্ছনীয় নয়। আগ্নেয়াস্ত্রটি খেলনা না আসল সেটা পুলিশ অনুসন্ধান করে বলবে। তবে, আমি যেটা ছবিতে দেখলাম তাতে মনে হচ্ছে এটা আসল আগ্নেয়াস্ত্র। এই ঘটনার তদন্ত হবে বলে জানিয়েছে তৃণমূল।সম্প্রতি হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার এক পঞ্চায়েত প্রধানের দেওর আগ্নেয়াস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন। সেই ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

BJP-TMC: এক ফ্রেমে বিজেপির শীর্ষ নেতা ও বর্ধমানের তৃণমূল বিধায়ক, জল্পনা শুরু রাজনৈতিক মহলে

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বের হওয়ার পর থেকেই বিজেপি থেকে তৃণমল কংগ্রেসে যোগদানের হিরিক পড়ে গিয়েছে। রাজ্য স্তর থেকে জেলা স্তরে চলছে যোগদান পর্ব। এদিকে বর্ধমানে এক অনুষ্ঠানে জেলা বিজেপির এক নেতা পুষ্পস্তবক তুলে দিচ্ছেন তৃণমূল বিধায়কের হাতে। সৌজন্য়মূলক দৃশ্য মনে হলেও রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে ছবিকে ঘিরে। ছবিটি নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করেছেন স্বয়ং অঞ্জন মুখোপাধ্যায়।সম্প্রতি বর্ধমানে এক অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, তৃণমূল নেতা ইন্তেকাব আলম ও শিবশঙ্কর ঘোষ। ওই অনুষ্ঠানে তৃণমূল বিধায়কের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন বিজেপি নেতা অঞ্জন মুখোপাধ্যায়। যদিও এই অনুষ্ঠান ছিল বর্ধমান ডিজ-এবেল্ড ওয়েল ফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে। তবু দুই বিপরীত প্রান্তের রাজনৈতিক নেতৃত্ব হাজির থাকায় বিতর্ক সামনে এসেছে। তৃণমূল বিধায়ক ও অন্য তৃণমূল নেতারাই ছিলেন মঞ্চ আলো করে। তবে একাংশের বক্তব্য, উন্নয়ন যজ্ঞে এমন রাজনৈতিক সৌজন্য থাকাটাই স্বাভাবিক।২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে ভাতার বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন অঞ্জন মুখোপাধ্যায়। এর আগে তিনি ছিলেন আরএসপির যুব সংগঠনের রাজ্য নেতা। এবার তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে তাঁকে এক ফ্রেমে দেখা যাওয়ায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে বর্ধমানের একাধিক বিজেপি নেতা ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ গোয়ার বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন দেখছে চোটআঘাতে জর্জরিত এসসি ইস্টবেঙ্গলআরও পড়ুনঃ জোরে বোলার থেকে স্পিনার, আজাজকে দারুণ উপহার ভারতীয় দলের

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
দেশ

Omicron-Loksabha: ওমিক্রন নিয়ে আলোচনায় চেয়ে লোকসভায় মুলতুবি প্রস্তাব তৃণমূল সাংসদের

করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের আতঙ্ক এখন থরহরিকম্প গোটা বিশ্ব। ইতিমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওমিক্রনকে উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট হিসাবে তালিকাভুক্ত করেছে। আর এই নয়া স্ট্রেইন নিয়ে লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনেও আলোচনার জন্য নোটিস দিলেন সাংসদরা। এদিন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় কোভিডের নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে লোকসভায় মুলতুবি প্রস্তাবের নোটিস দেন। অন্যদিকে বৃহস্পতিবারই কোভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ভাইরাস নিয়ে ১৯৩- এ-র অধীনে বিনায়ক রতন বহুরাও রাউত ও রতন লাল কাটারিয়া লোকসভায় নোটিস দিয়েছেন। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সার্বিক আলোচনাই যার উদ্দেশ্য।এদিকে এদিন সংসদে ওমিক্রন নিয়ে আলোচনার জন্য মুলতুবি প্রস্তুাব দেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। অর্থাৎ, এদিন আলোচনায় ওমিক্রনে গুরুত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দেন তিনি। এর জন্য ৫০ সাংসদের সমর্থন লাগবে। সংসদ মান্যতা দিলে ওমিক্রন নিয়ে আলোচনা হবে।করোনা ঢেউ কিছুটা থামতে আস্তে আস্তে সচল হচ্ছিল বিভিন্ন পরিষেবা। কিন্তু তার মধ্যেই দাঁতনখ নিয়ে আক্রমণ করতে হাজির করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। আর এই প্রেক্ষিতেই একসময় করোনায় সবচেয়ে প্রভাবিত রাজ্য মহারাষ্ট্রে জারি হল বেশ কিছু বিধিনিষেধ। এবার বিমান যাত্রীদের জন্য নয়া গাইডলাইন দিল সরকার। যেখানে শুধু করোনার দুটো টিকা নেওয়াই নয়, করোনার আরটি পিসিআর নেগেটিভ রিপোর্টও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে মহারাষ্ট্রে। অন্যদিকে এদিকে ওমিক্রনের আশঙ্কাকে সামনে রেখে সিকিমে বিদেশি পর্যটকদের প্রবেশ বন্ধের নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। সিকিমে এখন বিদেশিদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছে তারা।

ডিসেম্বর ০২, ২০২১
দেশ

Rajyasabha Suspension: বিলম্বিত শাস্তি! বাদলের সাজা শীতে, সংসদের গোটা অধিবেশনে সাসপেন্ড রাজ্যসভার ১২ সদস্য

গোটা শীতকালীন অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড হলেন তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ দোলা সেন ও শান্তা ছেত্রী। গত বাদল অধিবেশনের শেষ দিনে সংসদে হইহট্টগোল করার জন্যই তাঁদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দোলা ও শান্তা ছাড়াও সাসপেন্ড করা হয়েছে আরও ১০ রাজ্যসভা সাংসদকে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শিবসেনার প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী ও অনিল দেশাই, সিপিএমের এলামারাম করিম, কংগ্রেসের ফুলোদেবী নেতাম, ছায়া বর্মা, আর বোরা, রাজামণি প্যাটেল, সৈয়দ নাসির হুসেন, অখিলেশ প্রসাদ সিং।যাঁরা সাসপেন্ড হয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের প্রতি নজিরবিহীনভাবে অশ্রদ্ধা প্রদর্শন, দুর্ব্যবহার এবং ইচ্ছাকৃতভাবে নিরাপত্তারক্ষীদের উপর আক্রমণ করে সংসদের কাজে বাধা দেওয়া। এরপরই সাংবাদিক বৈঠক করে তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, কারও সঙ্গে কথা না বলে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কোনও নিয়ম মানা হয়নি। কাউকে কথা বলা সুযোগই দেওয়া হয়নি। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তাঁকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হয়। সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে দলের সাংসদদের সাসপেন্ড করা হয়েছে।উল্লেখ্য, এভাবে বিরোধী সাংসদদের সাসপেন্ড হওয়ার ঘটনা একেবারেই নতুন কিছু নয়। গত বাদল অধিবেশন থেকেই বিরোধী সাংসদদের আন্দোলন দমন করতে সাসপেনশনকে হাতিয়ার করে চলেছে সরকারপক্ষ। এর আগে লোকসভার বহু সাংসদকে হট্টগোলের জন্য সাসপেন্ড হতে হয়েছিল। রাজ্যসভাতেও বিরোধী সাংসদদের একাধিকবার সাসপেন্ড করেছে সরকার। তৃণমূলের যে দু জন সাংসদ শীতকালীন অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ড হলেন, তাঁরাও বাদল অধিবেশন চলাকালীন সাসপেনশনের শিকার হয়েছেন। এই সাসপেনশনের সিদ্ধান্তে বিরোধীরা যে ক্ষুব্ধ হবেন, সেটা বলাই বাহুল্য।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
রাজনীতি

Dilip Ghosh: বিরোধীদের বৈঠক নিয়ে মাথাব্যথা নেই, কেন এমন বললেন দিলীপ ঘোষ?

আজ থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালিন অধিবেশন। প্রথম দিনেই কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল পেশ করা হবে কেন্দ্রের তরফে। আর তার আগেই বিরোধীদের নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছে কংগ্রেস। কিন্তু সেই বৈঠকে না থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল। কংগ্রেস- তৃণমূলের সেই দ্বন্দ্ব নিয়ে এবার কটাক্ষ করলেন বিজেপি সাংসদ তথা দলের সর্বভারতীয়-সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার সকালেই দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন তিনি। যাওয়ার আগে কলকাতা বিমানবন্দরে বিরোধীদের মধ্যে তৈরি হওয়া দূরত্ব প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, বিরোধীদের বৈঠক কে ডাকবে, তা নিয়েই ঝগড়া। কংগ্রেস ডাকবে, নাকি তৃণমূল ডাকবে, না অন্য দল ডাকবে?তবে তিনি জানান, এ সবে বিশেষ গুরুত্ব দিতে রাজি নয় বিজেপি। দিলীপ ঘোষের কথায়, কে কংগ্রেস, কে তৃণমূল, কে নির্মূল! আমাদের মাথা ব্যাথা নেই। তিনি জানান, সংসদের কাজ যাতে সুষ্ঠভাবে হয় সেটাই একমাত্র উদ্দেশ্য শাসক দলের।তৃণমূলের নাম না করে কটাক্ষ করে দিলীপ ঘোষের দাবি, কখনও কংগ্রেসের সঙ্গে, কখনও কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে চলছে তারা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যখন বিজেপি বিরোধী দল ছিল, তখন এই দলগুলোই একবার বিজেপির সঙ্গে, একবার বিজেপিকে বাদ দিয়ে চলত। বিরোধী দলগুলিকে কটাক্ষ করে কংগ্রেসের ডাকা বৈঠককে ড্রামা বলে উল্লেখ করেন তিনি। দিলীপ ঘোষ বলেন, এইসব ড্রামা অনেক পুরনো হয়ে গিয়েছে। তাঁর কথায়, এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বিরোধীদের বৈঠক কে ডাকবে? তা নিয়েই ঝগড়া। বিরোধীদের মধ্যে কে নেতা হবে? সে দ্বন্দ্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ওরা ঠিক করে নিক নেতা কে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতা হতে চাইছেন, সনিয়া গান্ধির দিন চলে গিয়েছে। এইসব করতে করতে এই সিজন পার হয়ে যাবে।উল্লেখ্য, সোমবার কংগ্রেসের ডাকে বিরোধীদের যে বৈঠক সেখানে তৃণমূল হাজির থাকছে না বলেই সূত্রের খবর। তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গের ডাকা বিরোধী দলগুলির বৈঠকে তৃণমূল উপস্থিত থাকবে না সোমবার।

নভেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Burdwan Municipality: লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে করোনা টিকাকরণ বর্ধমানে, চলছে শহর জুড়ে সার্ভে

সীমিত ক্ষমতার মধ্যে করোনা টিকাপ্রদানে রাজ্য খুব ভাল কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যে কলকাতা পুরসভার নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে দক্ষিণবঙ্গের বর্ধমান পুরসভা এলাকায় টিকাকরণের লক্ষ্যমাত্রা ছাপিয়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে চলছে দুয়ারে ভ্যাকসিন প্রকল্প। তাছাড়া শহরে যাঁরা এখনও করোনা ভ্যাকসিন নেননি তাঁদের খুঁজে বের করার জন্য সার্ভে করা হচ্ছে পুরসভার পক্ষ থেকে।করোনা সংক্রমণের নিরিখে এদিনও রাজ্যের মধ্যে শীর্ষে কলকাতা। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুসারে রবিবার কলকাতায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৯৮ জন, তারপরই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনায় ১৩০ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬২। গত ২৪ ঘণ্টায় পূর্ব বর্ধমান জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১১ জন। তার মধ্যে বর্ধমান শহরে মাত্র ১ জন। রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭১৫। এদিকে ওমিক্রণ ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে সারা বিশ্বেই। যদিও রাজ্যে করোনা টিকারকরণের গতি অব্যাহত।বর্ধমানের উপ-পুরপ্রশাসক আইনুল হক বলেন, বর্ধমানে দ্রুত গতিতে চলছে কোভিড টিকাকরণের কাজ। ইতিমধ্যে আমরা লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছি। প্রথম ডোজে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লক্ষ ৬০ হাজার। এরইমধ্যে ৩ লক্ষ ৮০ হাজার টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ হয়েছে ১ লক্ষ ৬৫ হাজার। শহরের বাইরের বহু মানুষ টিকা নিচ্ছেন। পুর এলাকায় এখন ২০টি টিকারকরণ শিবির চলছে। এর আগে ২৭টি শিবির ছিল। রাজ্যে যেন একজনও কোভিড টিকা থেকে বাদ না যায় সেকথা ঘোষণা করেছেন মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আইনুল হক বলেন,, দুয়ারে ভ্যাকসিন প্রকল্পও শহরে চালু রয়েছে। অসুস্থ, শারীরিক ভাবে অক্ষম ও সিনিয়ার সিটিজেন-রা পৌরসভা-য় যোগাযোগ করলে আমাদের ভ্যাকসিন-ভ্যান তাঁদের বাড়ি গিয়ে টিকা দিয়ে আসছে। এর পাশাপাশি একজনও কোভিড টিকাকরণ থেকে বাদ না পড়ে তার জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে সার্ভে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ২৮, ২০২১
কলকাতা

TMC Candidate List: ১৪২টি ওয়ার্ডে প্রার্থী ঘোষণা তৃণমূলের, রইল পূর্ণাঙ্গ তালিকা

১৯ ডিসেম্বর কলকাতা পুরসভায় ভোট। শুক্রবারই কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৪২টি ওয়ার্ডে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল। কালীঘাট থেকে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী এবং সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।বিদায়ী কাউন্সিলরদের মধ্যে ৩৫ জনের নাম বাদ গিয়েছে। সেখানে নতুন মুখ আনা হয়েছে। এ ছাড়াও চারজন কাউন্সিলর প্রয়াত হয়েছেন। সেই জায়গাতে স্বভাবতই নতুন প্রার্থী দিয়েছে দল। এই ৩৫ জনের মধ্যে উত্তর কলকাতা থেকে বাদ পড়েছে ১৭ জন কাউন্সিলরের নাম। দক্ষিণ কলকাতায় তালিকাটা ১৮ জনের নামের।একই সঙ্গে নিজের ওয়ার্ড ছেড়ে অন্য ওয়ার্ডে গিয়ে প্রার্থী হয়েছেন দেবব্রত মজুমদার, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, সন্দীপন সাহা, ঘনশ্রী বাগ, নিজামুদ্দিন শামস, সুশান্ত ঘোষ (স্বরূপ), অরূপ চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার, মিতালী বন্দ্যোপাধ্যায়।কলকাতা পুরসভার নির্বাচনে কোন ওয়ার্ডে কে টিকিট পেলেন, তার তালিকা নিম্নরূপ প্রার্থী কোনও বিধানসভা কেন্দ্রের আওতাধীন১. কার্তিকচন্দ্র মান্না কাশীপুর বেলগাছিয়া২. কাকলি সেন কাশীপুর বেলগাছিয়া৩. দেবীকা চক্রবর্তী কাশীপুর বেলগাছিয়া৪.গৌতম হালদার কাশীপুর বেলগাছিয়া৫. তরুণ সাহা কাশীপুর বেলগাছিয়া৬. সুমন সিং কাশীপুর বেলগাছিয়া৭. বাপি ঘোষ শ্যামপুকুর৮. পূজা পাঁজা শ্যামপুকুর৯. মিতালি সাহা শ্যামপুকুর১০. সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শ্যামপুকুর১১. অতীন ঘোষ মানিকতলা১২. মীনাক্ষী গঙ্গোপাধ্যায় মানিকতলা১৩. অনিন্দ্যকিশোর রাউত মানিকতলা১৪. অমল চক্রবর্তী মানিকতলা১৫. শুক্লা ভোড় মানিকতলা১৬. স্বপন দাস মানিকতলা১৭. মোহনকুমার গুপ্ত শ্যামপুকুর১৮. সুনন্দা সরকার শ্যামপুকুর১৯. শিখা সাহা শ্যামপুকুর২০. বিজয় উপাধ্যায় শ্যামপুকুর২১. মীরা হাজরা শ্যামপুকুর২২. শ্যামপ্রকাশ পুরোহিত জোড়াসাঁকো২৩. সানোয়ারমল আগরওয়াল জোড়াসাঁকো২৪. ইলোরা সাহা জোড়াসাঁকো২৫. রাজেশ সিনহা জোড়াসাঁকো২৬. তারকনাথ চট্টোপাধ্যায় জোড়াসাঁকো২৭. মীনাক্ষী গুপ্তা জোড়াসাঁকো২৮. অয়ন চক্রবর্তী বেলেঘাটা২৯. ইকবাল আহমেদ বেলেঘাটা৩০. পাপিয়া ঘোষ বিশ্বাস বেলেঘাটা৩১. পরেশ পাল মানিকতলা৩২. শান্তিরঞ্জন কুণ্ডু মানিকতলা৩৩. চিনু বিশ্বাস বেলেঘাটা৩৪. অলোকনন্দা দাস বেলেঘাটা৩৫. আশুতোষ দাস বেলেঘাটা৩৬. ঘোষণা হয়নি বেলেঘাটা৩৭. সোমা চৌধুরী জোড়াসাঁকো৩৮. সাধনা বোস জোড়াসাঁকো৩৯. মহম্মদ জসিমুদ্দিন জোড়াসাঁকো৪০. সুপর্ণা দত্ত জোড়াসাঁকো৪১. রীতা চৌধুরী জোড়াসাঁকো৪২. মহেশ শর্মা জোড়াসাঁকো৪৩. সগুফতা পরভিন জোড়াসাঁকো৪৪. রেহানা খাতুন চৌরঙ্গী৪৫. শক্তিপ্রতাপ সিং চৌরঙ্গী৪৬. প্রিয়াঙ্কা সাহা চৌরঙ্গী৪৭. বিমল সিং চৌরঙ্গী৪৮. বিশ্বরূপ দে চৌরঙ্গী৪৯. মোনালিসা বন্দ্যোপাধ্যায় চৌরঙ্গী৫০. মৌসুমী দে চৌরঙ্গী৫১. ইন্দ্রনীল কুমার চৌরঙ্গী৫২. সোহিনী মুখোপাধ্যায় চৌরঙ্গী৫৩. ইন্দ্রানী সাহা বন্দ্যোপাধ্যায় চৌরঙ্গী৫৪. আমিরুদ্দিন ববি এন্টালি৫৫. সবিতারানি দাস এন্টালি৫৬. স্বপন সমাদ্দার এন্টালি৫৭. জীবন সাহা এন্টালি৫৮. সন্দীপন সাহা এন্টালি৫৯. জলি বোস এন্টালি৬০. মহম্মদ ইয়েজুজার রহমান বালিগঞ্জ৬১. মনজর ইকবাল বালিগঞ্জ৬২. সানা আহমেদ বালিগঞ্জ৬৩. সুস্মিতা ভট্টাচার্য বালিগঞ্জ৬৪. সাম্মি জাহান বালিগঞ্জ৬৫. নিবেদিতা শর্মা বালিগঞ্জ৬৬. ফৈয়জ আহমেদ খান কসবা৬৭. বিজনলাল মুখোপাধ্যায় কসবা৬৮. তনিমা চট্টোপাধ্যায় বালিগঞ্জ৬৯. দিলীপকুমার বোস বালিগঞ্জ৭০. অসীম বোস ভবানীপুর৭১. পাপিয়া সিং ভবানীপুর৭২. সন্দীপরঞ্জন বক্সি ভবানীপুর৭৩. কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর৭৪. দেবলীনা বিশ্বাস ভবানীপুর৭৫. নিজামুদ্দিন শামস কলকাতা পোর্ট৭৬. ষষ্ঠী দাস কলকাতা পোর্ট৭৭. শামিমা রেহান খান ভবানীপুর৭৮. সোমা দাস কলকাতা পোর্ট৭৯. রাম পেয়ারি রাম কলকাতা পোর্ট৮০. আনওয়ার খান কলকাতা পোর্ট৮১. জুঁই বিশ্বাস রাসবিহারী৮২. ফিরহাদ হাকিম ভবানীপুর৮৩. প্রবীর মুখোপাধ্যায় রাসবিহারী৮৪. পারমিতা চট্টোপাধ্যায় রাসবিহারী৮৫. দেবাশিস কুমার বালিগঞ্জ৮৬. সৌরভ বসু রাসবিহারী৮৭. মনীষা বোস সাউ রাসবিহারী৮৮. মালা রায় রাসবিহারী৮৯. মমতা মজুমদার রাসবিহারী৯০. চৈতালি চট্টোপাধ্যায় রাসবিহারী৯১. বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় কসবা৯২. অভিষেক মুখোপাধ্যায় কসবা৯৩. মৌসুমী দাস রাসবিহারী৯৪. সন্দীপ নন্দী মজুমদার টালিগঞ্জ৯৫. তপন দাশগুপ্ত টালিগঞ্জ৯৬. বসুন্ধরা গোস্বামী যাদবপুর৯৭. দেবব্রত মজুমদার টালিগঞ্জ৯৮. অরূপ চক্রবর্তী টালিগঞ্জ৯৯. মিতালী বন্দ্যোপাধ্যায় যাদবপুর১০০. প্রসেনজিৎ দাস টালিগঞ্জ১০১. বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্ত যাদবপুর১০২. সীমা ঘোষ যাদবপুর১০৩. সুকুমার দাস যাদবপুর১০৪. তারকেশ্বর চক্রবর্তী যাদবপুর১০৫. সুশীলা মণ্ডল যাদবপুর১০৬. অরিজিৎ দাসঠাকুর যাদবপুর১০৭. লিপিকা মান্না কসবা১০৮. সুশান্তকুমার ঘোষ কসবা১০৯. অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় যাদবপুর১১০. স্বরাজকুমার মণ্ডল যাদবপুর১১১. সন্দীপ দাস টালিগঞ্জ১১২. গোপালচন্দ্র রায় টালিগঞ্জ১১৩. অনিতা কর মজুমদার টালিগঞ্জ১১৪. বিশ্বজিৎ মণ্ডল টালিগঞ্জ১১৫. রত্না শূর বেহালা পূর্ব১১৬. কৃষ্ণা সিং বেহালা পূর্ব১১৭. অমিত সিং বেহালা পূর্ব১১৮. তারক সিং বেহালা পশ্চিম১১৯. ঘোষণা হয়নি বেহালা পশ্চিম১২০. সুশান্ত ঘোষ বেহালা পূর্ব১২১. রূপক গঙ্গোপাধ্যায় বেহালা পূর্ব১২২. সোমা চক্রবর্তী বেহালা পূর্ব১২৩. সুদীপ পোল্লে বেহালা পূর্ব১২৪. রাজীবকুমার দাস বেহালা পূর্ব১২৫. রত্না সরকার বেহালা পশ্চিম১২৬. ঘনশ্রী বাগ বেহালা পশ্চিম১২৭. মালবিকা বৈদ্য বেহালা পশ্চিম১২৮. পার্থ সরকার বেহালা পশ্চিম১২৯. সংহিতা দাস বেহালা পশ্চিম১৩০. অভিজিৎ মুখোপাধ্যায় বেহালা পশ্চিম১৩১. রত্না চট্টোপাধ্যায় বেহালা পশ্চিম১৩২. সঞ্চিতা মিত্র বেহালা পশ্চিম১৩৩. রণজিৎ শীল কলকাতা পোর্ট১৩৪. শামস ইকবাল কলকাতা পোর্ট১৩৫. আখতারি নিজামি শাহজাদা কলকাতা পোর্ট১৩৬. শামসুজ্জামান আনসারি মেটিয়াবুরুজ১৩৭. রেহমত আলম আনসারি মেটিয়াবুরুজ১৩৮. ফরিদা পারভিন মেটিয়াবুরুজ১৩৯. শেখ মুস্তাক আহমেদ মেটিয়াবুরুজ১৪০. আবু মহম্মদ তারিক মেটিয়াবুরুজ১৪১. শিবনাথ গায়েন মেটিয়াবুরুজ১৪২. রঘুনাথ পাত্র বেহালা পূর্ব১৪৩. ক্রিস্টিনা বিশ্বাস বেহালা পূর্ব১৪৪. শেফালি প্রামাণিক পাত্র বেহালা পূর্ব

নভেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Maldah TMC Leader: মালদায় প্রকাশ্যে বন্দুক চালানো প্র্যাকটিস করছেন তৃণমূল নেতা! ফুটেজ ভাইরাল হতেই অস্বস্তিতে দল

বন্দুক চালানো প্র্যাকটিস করছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা। মালদহের হরিশচন্দ্রপুরের কাতলামারিতে। টিপ করে গুলি চালানোর ছবি সামনে এল আজ। যদিও ভিডিও ফুটেজ বা ছবির সত্যতা যাচাই করেনি জনতার কথা। তবে ওই ফুটেজ দেখেই আরজাউল হক নামে ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বেআইনি অস্ত্র রাখার আইনে মামলাও শুরু হয়েছে। আরজাউল কাতলামারি এলাকার মালিওর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান তোরিনা খাতুনের দেওর বলে পরিচিত।ভিডিওতে যে ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে, তিনি হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের মালিওর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল প্রধান তোরিনা খাতুনের দেওর। তিনি ঝোপের মধ্যে বন্দুক তাক করে গুলি চালাচ্ছেন পরপর। আরজাউল দলের সক্রিয় সদিস্য।স্থানীয় নেতা। প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে তাঁর হাতে বন্দুক এল? আর কেনই বা বন্দুকের প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন, সেটাও প্রশ্নের। তবে এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয়েছে তুমুল রাজনৈতিক বিতর্ক।সার্বিক বিষয়কে ভীষণরকমভাবে অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতা।অন্যদিকে, ত্রিপুরার প্রসঙ্গে টেনে এনে তৃণমূল নেতা কৃষ্ণেন্দু নারায়ণ চৌধুরী বলেন, এখানে তো ওরা প্র্যাকটিস করছিল। ত্রিপুরায় তো গুলি করে মেরেই দিচ্ছে। আর আইনের শাসন না থাকলে কীভাবে গ্রেপ্তার হল ওই যুবক? পুলিশ তো তাকে গ্রেপ্তার করেছে। অনেকেই অনুপ্রবেশ করছে, তারাই দাবি করছে আমরা তৃণমূলের নেতা। তবে আদৌ তা কিনা, সেটাও দেখতে হবে। বিহার থেকে লোক ঢুকে পড়ছে। আর তারা তৃণমূলের নাম নিয়ে নিচ্ছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগেই ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের কাতলামারি এলাকায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে দুই তৃণমূল কর্মী গুলিবিদ্ধ হন। মালিওর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্ষমতা দখলকে ঘিরে ফের ওই দুই গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে মালিওর-২ এ বাম ও কংগ্রেস বোর্ড গঠন করে। পরে প্রধান ও বাকি সদস্যরা শাসক শিবিরে নাম লেখান। প্রধানের বিরুদ্ধে দলেরই একাংশ অনাস্থা পেশ করে। কিন্তু প্রধান আদালতের দ্বারস্থ হয়ে স্থগিতাদেশ পেয়েছেন। তা নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। এই আবহেই প্রধানের দেওরের বন্দুক থেকে গুলি ছোড়ার ভিডিও ভাইরাল হতেই হইচই পড়ে গিয়েছে। এদিকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন মালদা জেলা বিজেপি। বিজেপির পক্ষে প্রান গোবিন্দ মণ্ডল বলেন, তৃণমূল রাজ্য জুড়েই সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করে রেখেছে। এখন তাদের তৃণমূল কর্মীদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। গ্রামে গ্রামে এখন উন্নয়ন কর্মসংস্থানের বদলে অস্ত্রপ্রশিক্ষণ দিয়ে জঙ্গি তৈরি করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এই প্রেক্ষিতে মালদা জেলা তৃণমূলের মূখপাত্র শুভময় বসু বলেন, যারা এমন কাণ্ড ঘটাবে দল তাদের পাশে থাকবে না। এরাজ্যে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত বলেই পুলিশ অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যে তা কখনই হয়না। এ প্রসঙ্গে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস জানান, আমরা আরজাউল হককে গ্রেপ্তার করেছি। অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সমস্ত ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সামনে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার ওপরে ওই এলাকায় চলছে পঞ্চায়েত প্রধানের নির্বাচনকে ঘিরে অনাস্থা। আর এরই মধ্যে তৃণমূল নেতার গেরিলা কায়দায় গুলি ছোড়ার ভিডিও ভাইরাল হতে এলাকায় বিতর্ক শুরু হয়ে গিয়েছে।

নভেম্বর ২৭, ২০২১
রাজনীতি

TMC Candidate List: তৃণমূলের প্রার্থীতালিকায় প্রমাণিত নেত্রীর প্রভাব, রয়ে গেলেন ফিরহাদ ও আরও পাঁচ বিধায়ক

পুরভোটের প্রার্থিতালিকায় কি এক ব্যক্তি, এক পদ নীতি মানল না শাসকদল তৃণমূল? কলকাতা পুরভোটে ৩৯ জন কাউন্সিলারকে টিকিট দিল না শাসক তৃণমূল। কিন্তু বাদ দেওয়া হল না কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম-সহ ছয় বিধায়ককে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার, দেবব্রত মুজমদার এবং প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। জল্পনা ছিল, এক ব্যক্তি, এক পদ নীতি মেনে এঁদের পুরভোটের টিকিট দেওয়া হবে না।তবে পুরো বিষয়টিই ছিল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদন সাপেক্ষ। দেখা গেল, মমতার অনুমোদন পায়নি সেই সিদ্ধান্ত। মমতা আবার বেছে নিয়েছেন তাঁর পুরোন দিনের লড়াইয়ের সঙ্গীদেরই। বস্তুত, প্রার্থিতালিকায় শেষমুহূর্তের রদবদলের কারণেই ছাপানো প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করতে খানিক বিলম্ব হয়ে যায় তৃণমূলের। পূর্ণাঙ্গ প্রার্থিতালিকা হাতে পেতে সংবাদমাধ্যমকে বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়।ফিরহাদ যেমন পুরভোটের টিকিট পেয়েছেন, তেমনই প্রার্থিতালিকায় নাম নেই প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র। জল্পনা ছিল, বাবুলকে সম্ভাব্য মেয়র হিসেবে তুলে ধরে পুরভোটের ময়দানে নামবে তৃণমূল। যদিও বদলের একাংশ বলছিলেন, বাবুল সদ্যই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে এসেছেন। এত দ্রুত তাঁকে কলকাতা পুরসভার মেয়রের মতো পদে তুলে ধরলে দলের একাংশে অনুযোগ তৈরি হতে পারে।ফিরহাদ নিজে পুরভোটেই দাঁড়াতে বেশি আগ্রহী ছিলেন। সূত্রের খবর, দলকে তিনি বলেছিলেন, প্রয়োজনে মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দেবেন। কিন্তু তাঁকে যেন পুরভোটের টিকিট দেওয়া হয়। দেখা গেল, শেষপর্যন্ত তাঁকে পুরভোটের টিকিট দেওয়া হল। মনে করা হচ্ছে, স্বয়ং দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শেষমুহূর্তের হস্তক্ষেপে ফিরহাদ-সহ অন্য পুরোন অনুগত-রা পুরভোটের টিকিট পেলেন। যা থেকে এটা মনে করা হচ্ছে যে, দলের উপর নেত্রী মমতার প্রভাব এখনও নিরঙ্কুশ।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
রাজনীতি

TMC Candidate: কালীঘাটে দলীয় বৈঠকের পরই প্রার্থীতালিকা ঘোষণার পরিকল্পনা তৃণমূলের

শুক্রবার কালীঘাটে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় বৈঠকে বসবেন। তারপরই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করা হবে বলে খবর। এবারের তৃণমূলের প্রার্থীতালিকায় যুবক ও মহিলাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। নতুন নেতৃত্ব তুলে আনার তাগিদে তারুণ্যকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা।এদিকে তৃণমূলের শীর্ষ সাংগঠনিক স্তর ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে আগামী সোমবার। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে ওই বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ওয়ার্কিং কমিটির ২১ জন সদস্যই হাজির থাকতে বলা হয়েছে বলে শুক্রবার তৃণমূলের মুখপত্রে জানানো হয়েছে।দলের তরফে জানানো হয়েছে, জাতীয় পর্যায়ে দলের অভিমুখ কী হবে, সে কথাই বৈঠকে জানাবেন মমতা এবং অভিষেক। পাশাপাশি, সংসদের আসন্ন শীতকালীন অধিবেশনে তৃণমূল সাংসদেরা কী ভূমিকা নেবেন, তা-ও ঠিক করে দেওয়া হবে।গত কয়েক মাসে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সর্বভারতীয় স্তরের কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাঁদেরই অন্যতম, গান্ধি পরিবারের একদা ঘনিষ্ঠ হরিয়ানা প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অশোক তানওয়ারকেও ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তৃণমূলের মুখপত্রে বলা হয়েছে, দলের বাকি নেতাদের সঙ্গে তাঁকে (অশোক) আলাপ-পরিচয় করানো হবে।এর মধ্যে বিজেপি সূত্রের খবর, তাদের প্রার্থীতালিকা নিয়ে আলোচনা সেভাবে এগোয়নি। আজ প্রার্থীতালিকা ঘোষণা করবে বামফ্রন্টও। কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা না হলেও কয়েকটি আসন ছেড়ে রেখেই তারা প্রার্থীদের নাম দেবে। যদিও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, জোটের স্বার্থেই এই পথে হাঁটছে বামেরা। শোনা যাচ্ছে, বামফ্রন্টও জোর দিচ্ছে তারুণ্যের উপর।

নভেম্বর ২৬, ২০২১
দেশ

Meghalaya: মমতাতেই আস্থা রেখে তৃণমূলে যোগ মুকুল সাংমা-সহ ১২ কংগ্রেস বিধায়কের

১১ জন বিধায়ককে নিয়ে দল ছেড়ে বৃহস্পতিবার তৃণমূলে যোগ দিলেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা মুকুল সাংমা। এর ফলে মেঘালয়ে কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ১৮ থেকে কমে হল ৬। সেই হিসেবে মেঘালয়ে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এল তৃণমূল। ফের উত্তর পূর্বের রাজ্যে তৃণমূলী হানা। সব জল্পনাকে সত্যি করে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা-সহ ১২ জন কংগ্রেস বিধায়ক। কংগ্রেস শিবিরের জন্য এই ধাক্কা এক প্রকার অপ্রত্যাশিত ছিল। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবেই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফর চলাকালীন, কাল রাতে এই বড় যোগদানের কথা সামনে আসে।This is New Beginning for the people of #Meghalaya - one that will take the state to even greater heights and usher in a bright future!We wholeheartedly welcome all 12 MLAs of @INCMeghalaya who joined the Trinamool Congress family. pic.twitter.com/0UMy3vYF6J All India Trinamool Congress (@AITCofficial) November 25, 2021আজ, মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন কংগ্রেস ত্যাগী বিধানসভার বিরোধী দলনেতা মুকুল সাংমা। সাংবাদিক সম্মলনে মুকুল বলেন, ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আমরা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম যে আমরাই সরকারে আসব। কিন্তু কোনও কারণে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা না পেলেও ভোটের ফলে সর্ববৃহৎ দল হিসেবে আমরাই আত্মপ্রকাশ করি। কিন্তু তারপর কোন পদ্ধতিতে মেঘালয়ে সরকার গঠন হয়েছিল তা আপনারা সকলেই জানেন। গণতন্ত্রে বিরোধী দলের ভূমিকা অপরিসীম। জনবিরোধী কাজকে বাধা দেওয়া ও সরকারে ভুল গুলি তুলে ধরাই বিরোধী দলের প্রধান দায়িত্ব। আমরা সেই দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করে গিয়েছি। কিন্তু বলতে বাধ্য হচ্ছি, আমরা সঠিকভাবে বিরোধী দলের নীতি পালন করতে পারিনি। দলীয় নীতি মেনে চলতে গিয়ে জনস্বার্থের সঙ্গে আপোশ করতে হয়েছে। তাই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে বিরোধী দলের মর্যাদা চেয়ে বিধানসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছেন মুকুল সাংমা। ত্রিপুরায় সুস্মিতা দেবের মতো নেত্রী কংগ্রেস ছেড়েছেন। গোয়াতেও ক্ষমতা বাড়াচ্ছে তৃণমূল। তাছাড়া, কীর্তি আজাদের মতো নেতা যোগ দিয়েছেন ঘাসফুল শিবিরে। যদিও তাতে ভাঙলেও মচকাতে চাইছে না কংগ্রেস। অন্তত প্রকাশ্যে তারা তেমনটাই বোঝাচ্ছে। লোকসভার কংগ্রেস সংসদীয় দলের নেতা অধীর চৌধুরি বলেন, কংগ্রেসকে ভেঙে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। সমগ্র উত্তর পূর্বাঞ্চল জুড়েই এই ষড়যন্ত্র চলছে। দিদি-মোদি সমঝোতা হয়েছে। কংগ্রেসকে দুর্বল করার জন্য দল ভাঙাচ্ছে তৃণমূল। আমি তৃণমূলকে চ্যালেঞ্জ করছি ও বিধায়কদের পদত্যাগ করতে বলুক তাঁরা।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
দেশ

Tripura Election: পুরভোটের সকাল থেকেই তাণ্ডব ত্রিপুরায়, আক্রান্ত তৃণমূলের দুই পোলিং এজেন্ট

ভোটপর্ব শুরু হতেই উত্তপ্ত ত্রিপুরা। এদিন সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ, চলবে বিকেল চারটে অবধি। তারই আগে আগরতলায় আক্রান্ত হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই পোলিং এজেন্ট। আহত কর্মীদের জিবি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে চিকিৎসার জন্য। অভিযোগ উঠেছে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তারও।আগরতলার পুরভোট ঘিরে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। প্রতিবেশী রাজ্য ত্রিপুরায় জায়গা দখলের লড়াইয়ে নেমেছে ওই রাজ্যের শাসক দল বিজেপি ও তৃণমূল। আর তা নিয়েই ত্রিপুরায় শুরু হয়েছে সংঘর্ষ। এ দিন সকালে ভোটগ্রহণ শুরুর আগে আগরতলার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রে যখন মক পোলিং চলছিল, সেই সময়ই তৃণমূলের দুই এজেন্টের উপর হামলা চালায় বিজেপির বাইক বাহিনী, এমনটাই অভিযোগ। আক্রান্ত দুই তৃণমূলকর্মীর নাম কৃষ্ণ নুপুর মজুমদার ও মনোজ চক্রবর্তী। লাঠির আঘাতে তাদের মাথা ফেটে গিয়েছে। চিকিৎসার জন্য আগরতলার জিবি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে।আহতকর্মী কৃষ্ণনুপুর মজুমদার জানান, এদিন সকাল সাড়ে ছটা নাগাদ যখন মক পোলিং চলছিল, সেই সময়ই আচমকা একটি বাইক বাহিনী চড়াও হয়। ভোটগ্রহণ কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসতে বলা হয় তাদের। বেরতেই তাদের উপর চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। ব্যাপক মারধর করে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপিই এই হামলা চালিয়েছে।১৯ নম্বর ওয়ার্ডেও ভোটগ্রহণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। বিজেপি নেতা নন্দু বণিক তৃণমূলের ভোটারদের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ভিতর ঢুকতে দিচ্ছে না বলেই অভিযোগ উঠেছে।

নভেম্বর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

Delhi-TMC Joining: দিল্লিতে তৃণমূলে তিন যোগদানের চমক

ত্রিপুরার পুরভোট থেকে গোয়ায় দলবদল। জাতীয় রাজনীতিতে ধারাবাহিক ভাবে খবরের শিরোনামে উঠে আসছে তৃণমূল। এই পরিস্থিতিতে মমতার দিল্লি সফরের সময় মঙ্গলবার জোড়াফুল শিবিরে যোগ দিলেন হিন্দি বলয়ের তিন প্রাক্তন সাংসদ কীর্তি আজাদ, অশোক তানওয়ার এবং পবন বর্মা।২০০৯ সালে হরিয়ানার সিরসা লোকসভা কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন অশোক। ২০১৪ এবং ২০১৯ সালে হেরে যান। এর কিছু দিন পরেই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র সিংহ হুডার সঙ্গে মতবিরোধের জেরে দল ছাড়েন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দিল্লিতে নতুন দল আপনা ভারত মোর্চা গড়ার কথা ঘোষণা করেন অশোক।Cricketer-turned-politician, Shri @KirtiAzaad joined our Trinamool Congress family today, in the presence of our Chairperson @MamataOfficial and our National General Secretary @abhishekaitc.We welcome him warmly and look forward to working together in this new journey! pic.twitter.com/89CWO3yCRW All India Trinamool Congress (@AITCofficial) November 23, 2021বিহারের প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভগবৎ ঝা আজাদের ছেলে কীর্তি প্রাক্তন জাতীয় ক্রিকেটার। দুদফায় দ্বারভাঙা থেকে বিজেপি-র সাংসদও হয়েছিলেন। কিন্তু ২০১৯-এর লোকসভা ভোটের আগে কংগ্রেসে যোগ দেন। ঝাড়খণ্ডের ধানবাদ লোকসভা কেন্দ্র কংগ্রেস প্রার্থী করলেও কীর্তি জিততে পারেননি। ২০২০ সালের দিল্লির বিধানসভা ভোটে সঙ্গম বিহার আসনে কংগ্রেসের টিকিটে ভোটে দাঁড়িয়ে হেরে যান তাঁর স্ত্রীও।তৃণমূলের যোগদানকারী বিহারের আর এক নেতা পবন বর্মা রাজ্যসভার প্রাক্তন জেডি(ইউ) সাংসদ। প্রশান্ত কিশোরের (পিকে) ঘনিষ্ঠ ওই নেতা এক সময় নীতীশ কুমারের পরামর্শদাতা দলেরও সদস্য ছিলেন। নীতীশের বিজেপি-ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) বিরোধিতা করে ২০২০ সালের ২৯ জানুয়ারি জেডি(ইউ) থেকে বহিষ্কৃত হন। ঘটনাচক্রে, সেই দিনেই নীতীশ বহিষ্কার করেছিলেন পিকে-কে।Today, former @INCIndia MP Shri Ashok Tanwar joined the Trinamool Congress family in the presence of @MamataOfficial @abhishekaitc.As a prominent face in Haryana and an experienced politician, we are certain that together we shall ensure the welfare of all people. pic.twitter.com/lm9zWYtNtC All India Trinamool Congress (@AITCofficial) November 23, 2021তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পরে অশোক টুইটারে সেই বার্তাই দিয়েছেন ভারতীয় রাজনীতি আজ এক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এসে দাঁড়াল। এক দিকে আমরা বিজয়ের উল্লাস শুনছি। আর তার তলায় চাপা পড়ে যাচ্ছে প্রান্তিক মানুষের দুর্দশা এবং আর্তনাদ। স্রোতের মোড় ঘোরাতে এ বার আমাদের দরকার নতুন রাজনীতি।We are elated to welcome Shri @PavanK_Varma into our Trinamool Congress family.His rich political experience will help us serve the people of India and take this nation forward to even better days! pic.twitter.com/DlBiYtaqFX All India Trinamool Congress (@AITCofficial) November 23, 2021

নভেম্বর ২৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • 41
  • 42
  • ...
  • 66
  • 67
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বাংলার আকাশে গভীর নিম্নচাপ, সোমবারই ভয়ঙ্কর বৃষ্টি! ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা, এরপর কোন পথে যাবে?

গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সোমবার সকাল থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল বৃষ্টি শুরু হয়েছে। টানা বৃষ্টিতে বহু জায়গায় জল জমেছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও নিত্যযাত্রীরা। রাস্তাঘাট জলমগ্ন হওয়ায় বিভিন্ন এলাকায় তৈরি হয়েছে দুর্যোগের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই ধীরে ধীরে ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে গভীর নিম্নচাপ।আবহাওয়া দফতরের সোমবার বিকেলের খবর অনুযায়ী, গভীর নিম্নচাপটি বর্তমানে কলকাতা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছে। বর্ধমান থেকে সেটি প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে রয়েছে। বাঁকুড়া থেকে দূরত্ব প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বে। ওড়িশার বালেশ্বর থেকে গভীর নিম্নচাপটি রয়েছে প্রায় ১৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গভীর নিম্নচাপটি ক্রমশ ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে যেতে পারে। ফলে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির প্রভাব আরও কিছুটা সময় থাকার আশঙ্কা রয়েছে।সোমবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম বর্ধমানে চরম বৃষ্টির লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এই তিন জেলায় ২০০ মিলিমিটার বা তারও বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও অতি ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা রয়েছে। সেখানে ১১০ থেকে ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।প্রবল বৃষ্টির জেরে ইতিমধ্যেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। রাস্তার পাশাপাশি নিচু এলাকাগুলিতেও জল ঢুকেছে। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন অফিসযাত্রী এবং অন্যান্য নিত্যযাত্রীরা।মঙ্গলবার পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। তবে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর, বীরভূম এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির হলুদ সতর্কতা থাকবে। এই জেলাগুলির কিছু এলাকায় ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে।অর্থাৎ, গভীর নিম্নচাপটি বাংলার পশ্চিমাঞ্চল ছেড়ে ঝাড়খণ্ড ও বিহারের দিকে এগিয়ে গেলেও মঙ্গলবার পর্যন্ত তার প্রভাব পুরোপুরি কাটছে না। ফলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা থাকা জেলাগুলির বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬
কলকাতা

আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু ঘিরে নতুন রহস্য! মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি ঋতব্রতর, উঠল টেন্ডার-হুমকির প্রশ্ন

বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা তথা প্রাক্তন বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের রহস্যমৃত্যু ঘিরে রাজ্য-রাজনীতিতে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। রবিবার তাঁর কার্যালয় থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি হাতে লেখা চিঠিও পাওয়া গিয়েছে। সেই চিঠিতে নিজের রাজনৈতিক জীবন, দুর্নীতি থেকে দূরে থাকার দাবি এবং তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগমের প্রসঙ্গ রয়েছে। তবে তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও তদন্তসাপেক্ষ।আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর হাতে লেখা চিঠিতে জানিয়েছেন, ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদকও হয়েছিলেন। তাঁর দাবি, ছাত্রজীবন বা দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কোনও দুর্নীতির সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন না। কোনও কাজের বিনিময়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেছেন। পাশাপাশি দলীয় নানা বিষয়ে আপত্তি থাকলেও সব সময় প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে পারেননি বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন তিনি।ওই চিঠিতেই তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগমের প্রসঙ্গ থাকায় মৃত্যুর নেপথ্যে ওই সংস্থার কোনও বিষয় রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও এই মুহূর্তে এমন কোনও যোগের বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর মতো তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। তদন্তের পরেই প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।এর মধ্যেই সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি লিখে ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন আসল তৃণমূল-এর বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আশঙ্কা, তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগমের টেন্ডারকে কেন্দ্র করে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর কোনও ধরনের চাপ বা হুমকি তৈরি হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।চিঠিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু একাধিক অস্বস্তিকর প্রশ্ন সামনে এনেছে। বিশেষ করে উন্নয়ন নিগমের টেন্ডার নিয়ে তাঁকে কোনও হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা দরকার বলে দাবি করেছেন তিনি। পাশাপাশি তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগম-সহ অন্যান্য উন্নয়ন পর্ষদে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছেন ঋতব্রত।আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রকাশ্যে হেনস্তা করা হয়েছিল কি না, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, মৃত্যুর আগে আশিসের লেখা চিঠিতে যেহেতু উন্নয়ন নিগমের প্রসঙ্গ রয়েছে, তাই ওই সংস্থার টেন্ডার সংক্রান্ত বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা জরুরি।ফলে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর ঘটনায় এখন একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। শেষ চিঠিতে কেন তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন নিগমের প্রসঙ্গ এল, টেন্ডার নিয়ে তাঁর উপর কোনও চাপ তৈরি হয়েছিল কি না এবং তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই বিষয়গুলির আদৌ কোনও যোগ রয়েছে কি নাসবই তদন্তের বিষয়। আপাতত এই প্রশ্নগুলির উত্তর মেলেনি। তদন্ত এগোলেই মৃত্যুর নেপথ্যের প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হতে পারে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬
রাজ্য

তারাপীঠের হোটেলে ভয়াবহ আগুন, ঘুমের মধ্যেই ৯ জনের মৃত্যু! শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

তারাপীঠের হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বীরভূমে এই ঘটনায় প্রাণহানিতে তিনি গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের স্থানীয় প্রশাসন সাহায্য করছে বলেও জানানো হয়েছে।সোমবার ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ তারাপীঠের একটি হোটেলে আচমকা আগুন লাগে। সেই সময় অধিকাংশ অতিথিই ঘুমিয়ে ছিলেন। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ হয়েছেন আরও কয়েক জন। প্রাথমিক তদন্তে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লাগার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল, পুলিশ এবং প্রশাসনের আধিকারিকেরা। উদ্ধারকাজের পাশাপাশি হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। ঘটনাটি কী ভাবে ঘটল এবং নিরাপত্তার কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান রাজ্যের দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বর্ধমান রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক, জেলা পুলিশ সুপার, জেলাশাসক এবং পুলিশ, প্রশাসন ও দমকলের আধিকারিকেরা। সেখান থেকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ভিডিয়ো কলে পরিস্থিতির খোঁজ নেন।এর পরেই দমকল প্রতিমন্ত্রী জানান, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবারকে মোট ৯ লক্ষ টাকা করে এবং আহতদের ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। মৃতদের ক্ষেত্রে ৪ লক্ষ টাকা জেলাশাসকের তহবিল থেকে এবং ৫ লক্ষ টাকা মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকে দেওয়া হবে।তারাপীঠের এই মর্মান্তিক ঘটনায় মৃত ও আহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন।হঠাৎ আগুন লাগার পর ঘুমন্ত অবস্থায় এত মানুষের মৃত্যু কী ভাবে হল, হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কি না এবং শর্ট সার্কিটই আগুনের একমাত্র কারণ কি না, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তদন্তের পরই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ আরও স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ১৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গল টেস্টে ভয়াবহ মুহূর্ত! রাহুলের শটে হেলমেটে বল, হাসপাতালে শ্রীলঙ্কার ওপেনার

ভারত-শ্রীলঙ্কা প্রথম টেস্টের প্রথম দিনেই গলে তৈরি হল উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। কেএল রাহুলের জোরালো সুইপ শটের বল সরাসরি গিয়ে আঘাত করল শ্রীলঙ্কার ওপেনার নিশান মধুশকার হেলমেটে। শর্ট লেগে ফিল্ডিং করার সময় এই আঘাত পান তিনি। ঘটনার পর দ্রুত মাঠে ছুটে আসেন শ্রীলঙ্কার ফিজিও। কনকাশন পরীক্ষা করার পর মধুশকাকে মাঠের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা যায়।ঘটনাটি ঘটে ভারতের ইনিংসের দশম ওভারে। প্রভাত জয়াসূর্যের করা ওভারের পঞ্চম বলটি রাহুল সুইপ করেন। বলটি ব্যাটের মাঝখান থেকে প্রচণ্ড গতিতে শর্ট লেগ অঞ্চলের দিকে ছুটে যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা মধুশকা বিপদ বুঝে দ্রুত মাথা নিচু করার চেষ্টা করলেও বলের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতে পারেননি। মুহূর্তের মধ্যেই বলটি তাঁর হেলমেটের মাঝামাঝি অংশে সজোরে আঘাত করে।আঘাতের পর বলটি ফাইন লেগের দিকে চলে যায়। ফলে রান নেওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় ভারতের ব্যাটাররা রান সম্পূর্ণ করেন। রাহুল অবশ্য প্রথমে রান নেওয়ার বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন না। কিন্তু নন-স্ট্রাইকার প্রান্তে থাকা যশস্বী জয়সওয়াল ইতিমধ্যেই দৌড় শুরু করে দেওয়ায় রানটি সম্পূর্ণ করতে হয়। রান শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই মধুশকার দিকে ছুটে যান রাহুল। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারটির শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।এরপর দ্রুত মাঠে প্রবেশ করেন শ্রীলঙ্কার ফিজিও এবং চিকিৎসাকর্মীরা। প্রাথমিকভাবে মধুশকার কনকাশন পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার পর তাঁকে আর মাঠে রাখা হয়নি। ফিজিওর সঙ্গে মাঠের বাইরে চলে যান তিনি। পরবর্তীতে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাঁর চোটের প্রকৃতি বা গুরুতরতা এবং তিনি পরবর্তীতে এই টেস্টে ব্যাট করতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।মধুশকার চোটের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই শ্রীলঙ্কা শিবিরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মাথায় সরাসরি বল লাগার ঘটনায় ক্রিকেটে কনকাশন প্রোটোকল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই ঝুঁকি না নিয়ে তাঁকে মাঠের বাইরে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।অন্যদিকে, প্রথম দিনের প্রথম সেশনে ব্যাট হাতে দারুণ দাপট দেখিয়েছে ভারত। টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারত। শুরুতেই যশস্বী জয়সওয়াল ও কেএল রাহুলের ব্যাটে ভালো সূচনা পায় দল। প্রথম উইকেটে দুজনে ৬৬ বলে ৪৭ রান যোগ করেন।তবে ১১তম ওভারের শেষ বলে ছন্দপতন ঘটে। ভুল বোঝাবুঝির কারণে রানআউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন জয়সওয়াল। ৩৭ বলে ৩২ রানের ইনিংসে তিনি মারেন পাঁচটি চার।জয়সওয়াল ফিরে যাওয়ার পর ভারতের ইনিংস সামলানোর দায়িত্ব নেন রাহুল ও দেবদত্ত পাড়িক্কল। দুজনেই ধীরে ধীরে শ্রীলঙ্কার বোলারদের উপর চাপ তৈরি করেন। পাড়িক্কল আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করার পাশাপাশি রাহুলও নিজের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান। ফলে প্রথম সেশনেই ভারত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।লাঞ্চের সময় ২৭ ওভারে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ১০১ রান। একদিকে ভারতীয় ব্যাটারদের দাপট, অন্যদিকে মধুশকার চোটপ্রথম দিনের প্রথম সেশন তাই দুই দলের জন্য দুই ভিন্ন ছবি তুলে ধরল। এখন সকলের নজর নিশান মধুশকার শারীরিক অবস্থার পরবর্তী আপডেটের দিকে।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

শতবর্ষের ঐতিহ্যে দেশপ্রেমের আবহ, দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

স্বাধীনতার ৮০ বছর পূর্তিতে দেশপ্রেম ও ঐতিহ্যের আবহে স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হল কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে। শতবর্ষ প্রাচীন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত। পতাকা উত্তোলনের পর বক্তব্যে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাঁদের আত্মত্যাগের ফলেই আজ ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। দেশের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের অঙ্গীকারই হোক স্বাধীনতা দিবসের মূল বার্তাএমনই আহ্বান জানান তিনি।বিদ্যালয়ের বরিষ্ঠ শিক্ষক দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায় বলেন, বিবিধের মাঝে মিলন মহানএই আদর্শকে সামনে রেখে দেশভাগ ও পরাধীনতার গ্লানি পেরিয়ে স্বাধীনতার প্রকৃত মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। ঐক্য, সম্প্রীতি ও দেশাত্মবোধের চেতনাকে আরও শক্তিশালী করার বার্তাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে।অনুষ্ঠানের সূচনায় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা কাঞ্চননগর উদয়পল্লীর বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে। ত্রিবর্ণ পতাকা হাতে শোভাযাত্রায় স্বাধীনতা সংগ্রামী ও মনীষীদের বাণী, দেশাত্মবোধক গান, আবৃত্তি ও পাঠের মাধ্যমে স্বাধীনতার ইতিহাস ও চেতনাকে তুলে ধরা হয়। শিক্ষক বাসুদেব মণ্ডলের পরিচালনায় শোভাযাত্রাটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও আকর্ষণীয়।স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বিদ্যালয়ে আয়োজিত হয় অঙ্কন, প্রবন্ধরচনা, কুইজ, নৃত্য ও সঙ্গীত-সহ একাধিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। শিক্ষিকা সুনীতা সাহার ব্যবস্থাপনা এবং দীপ্ত সুন্দর মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় প্রতিযোগিতাগুলিতে উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় ছাত্রছাত্রীরা। কুইজে প্রথম স্থানাধিকারী দলের সদস্য সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী শ্রাবণী ভট্টাচার্য জানায়, পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সুযোগ থাকায় বিদ্যালয়টি তাদের কাছে অত্যন্ত প্রিয়।এদিন নবম শ্রেণির ছাত্রীদের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষে প্রকাশিত হয় দেওয়াল পত্রিকা স্পন্দন-এর বিশেষ রঙিন সংখ্যা। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের শিশু সংসদের প্রধানমন্ত্রী, অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সায়ন্তিকা কর্মকারের নেতৃত্বে মন্ত্রী ও সহকারীরা অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে সামলায়।পরিবেশ সচেতনতার বার্তাও উঠে আসে অনুষ্ঠানে। সবুজ ভলেন্টিয়ারদের সঙ্গে নিয়ে ইকো ক্লাবের উদ্যোগে জাম গাছ রোপণ করা হয়। বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।শেষপর্বে শিক্ষাকর্মী প্রদীপ বিশ্বাসের দায়িত্বে এবং তরুণ দাসের নেতৃত্বে উপস্থিত সকলের মধ্যে লুচি, মিষ্টি-সহ নানা খাবার বিতরণ করা হয়। স্বাধীনতার ইতিহাস, দেশপ্রেম, সাংস্কৃতিক চেতনা ও পরিবেশ রক্ষার বার্তাকে একসূত্রে বেঁধে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন হয়ে ওঠে স্মরণীয়।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
দেশ

স্বাধীনতা শুধু একটি দিন নয়, বারবার ফিরে আসে—জয়ের পতাকায়, গৌরবের মুহূর্তে

স্বাধীনতাশব্দটি উচ্চারণ করলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে ১৫ই আগস্ট ১৯৪৭-এর সেই ঐতিহাসিক সকাল। দীর্ঘ পরাধীনতার অন্ধকার পেরিয়ে ভারতবর্ষ সেদিন পেয়েছিল নিজের আকাশ, নিজের পতাকা, নিজের পরিচয়। কিন্তু স্বাধীনতা কি কেবল একটি তারিখ? কেবল একটি দিনের উদ্যাপন? কেবল লালকেল্লার প্রাচীর থেকে ভেসে আসা ভাষণ, জাতীয় পতাকার উত্তোলন আর জাতীয় সঙ্গীতের গর্বিত সুর?না।স্বাধীনতা আসলে ফিরে ফিরে আসে।কখনও তা আসে একটি ক্রিকেট মাঠে, কখনও অলিম্পিকের ট্র্যাকের ওপর, কখনও হকির সবুজ ঘাসে, কখনও কোনও বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে, কোনও সুরকারের সুরে। কখনও আবার আসে এমন এক ভারতীয়ের চোখের জলে, যে নিজের দেশের পতাকাকে বিশ্বের মঞ্চে উঠতে দেখে বুকের ভিতর অদৃশ্য এক ঢেউ অনুভব করে।১৯৮৩ সাল। লর্ডসের ঐতিহাসিক মাঠে ভারতীয় ক্রিকেটের সামনে তখন দাঁড়িয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কপিল দেবের নেতৃত্বে একদল তরুণ ভারতীয় ক্রিকেটার অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলেছিলেন। বিশ্বকাপের ট্রফি হাতে তোলা সেই মুহূর্তটি শুধু একটি ক্রিকেট ম্যাচের জয় ছিল না। তা ছিল আত্মবিশ্বাসের বিস্ফোরণ। সেদিন যেন ভারত বুঝেছিলআমরাও পারি। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে আমরাও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের গল্প লিখতে পারি। ১৯৪৭-এ যে জাতি রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেয়েছিল, ১৯৮৩-তে তার আত্মবিশ্বাস যেন আরও একবার স্বাধীনতার স্বাদ পেল।তারও বহু আগে, ১৯২৮ সালে অলিম্পিকের হকিতে ভারত প্রথম সোনা জিতেছিল। ধ্যানচাঁদের জাদুকাঠিতে ভারতীয় হকি তখন বিশ্বকে দেখিয়েছিল এক অন্যরকম শিল্প। পরপর বহু অলিম্পিকের মঞ্চে ভারতীয় হকি দলের সাফল্য দেশের ক্রীড়া-পরিচয়ের এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে উঠেছিল। তেরঙ্গা যখন বিদেশের মাটিতে উঠত, তখন মনে হতোএই তো স্বাধীনতা! বন্দুকের গর্জন নয়, স্টিক আর বলের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণেও একটি জাতি তার অস্তিত্বের ঘোষণা করতে পারে।তারপর আসে অ্যাথলেটিক্সের দীর্ঘ প্রতীক্ষা। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে ভারতের অলিম্পিক সাফল্যের ইতিহাসে নীরজ চোপড়ার সোনার পদক এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। টোকিও অলিম্পিকের সেই রাতএকজন ভারতীয় যখন জ্যাভলিন ছুড়ে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখলেন, তখন কোটি কোটি ভারতীয়ের ঘরে ঘরে যেন আবার স্বাধীনতার পতাকা উড়ল। মাঠে একজন, কিন্তু গর্বে ছিল ১৪০ কোটিরও বেশি হৃদয়।ভারতীয় অ্যাথলেটিক্সের আর এক অমর নাম পি. টি. উষা। আশির দশকে এশিয়ান গেমসের ট্র্যাকে তাঁর দৌড় ভারতীয় মেয়েদের স্বপ্ন দেখার সাহস দিয়েছিল। ১৯৮৬ সালের সিওল এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটার ও ২০০ মিটার-সহ একাধিক পদক জিতে তিনি প্রমাণ করেছিলেনভারতের মেয়েরাও বিশ্বের দ্রুততম ট্র্যাকের সঙ্গে পাল্লা দিতে পারে। তাঁর পায়ের শব্দ শুধু একটি দৌড়ের শব্দ ছিল না; তা ছিল সামাজিক বাধা, সংশয় আর প্রচলিত ধারণার বিরুদ্ধে এক তরুণীর স্বাধীনতার ঘোষণা।এরপর এল ক্রিকেটের আর একটি নতুন অধ্যায়। ২০০৭ এ প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ। মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে তরুণ ভারতীয় দল যখন ট্রফি হাতে তুলল, তখন ক্রিকেটের নতুন প্রজন্মের কাছে স্বাধীনতার স্বাদ যেন আরও একবার নতুন করে ধরা দিল। আর ২০১১ সালে ঘরের মাঠে একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়েতে ধোনির সেই ছক্কাআজও ভারতীয় ক্রীড়া-স্মৃতির অন্যতম আবেগঘন ছবি। একজন অধিনায়ক ট্রফি তুলেছিলেন, কিন্তু আসলে যেন কোটি কোটি মানুষ নিজেদের স্বপ্নকে তুলে ধরেছিল।স্বাধীনতার এই গল্প শুধু খেলাধুলায় থেমে নেই।ভারতীয় সংস্কৃতির বিশ্বজয়ের কথাও তো একইভাবে বলতে হয়। সত্যজিৎ রায়ের Pather Panchali কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্রকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করেছিল। ১৯৯২ এ বিশ্ব চলচ্চিত্রে তাঁর অসামান্য অবদান ও অনন্য সৃজনশীল প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ সত্যজিৎ রায়কে সম্মানসূচক অনারারি অস্কার প্রদান করে অ্যাকাডেমি। এই পুরস্কার কোনো একটি নির্দিষ্ট ছবির জন্য নয়, বরং তাঁর সমগ্র চলচ্চিত্র জীবন, শিল্পসত্তা এবং বিশ্বসিনেমায় তাঁর গভীর ও স্থায়ী প্রভাবের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শন। অসুস্থ সত্যজিতের বিছানায় শুয়ে অস্কার হাতে নিয়ে যে বক্তব্য দেন তা আজও আপামোর চলচিত্রপ্রেমীর কানে বাজে। পরে ২০০৯ সালে এ. আর. রহমান Slumdog Millionaire চলচ্চিত্রের জন্য দুটি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড জিতে বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় সুরের এক অনন্য পরিচয় তৈরি করেন। অস্কারের মঞ্চে তাঁর সুরের প্রতিধ্বনি যখন বিশ্ব শুনেছিল, তখন সেটিও ছিল এক ধরনের স্বাধীনতানিজের মাটির সুরকে পৃথিবীর কান পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার স্বাধীনতা।বিজ্ঞানেও এমন অসংখ্য মুহূর্ত এসেছে। মহাকাশে ভারতের সাফল্য, চন্দ্রযান-৩-এর চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে সফল অবতরণ, মঙ্গলযানের অসাধারণ অভিযানপ্রতিটি সাফল্যের মধ্যেই যেন লুকিয়ে থাকে সেই একই অনুভূতি। একসময় যে দেশ নিজের মানুষের খাদ্য ও অর্থনীতির চিন্তায় সংগ্রাম করছিল, সেই দেশই একদিন মহাকাশের অজানা প্রান্তে নিজের পতাকা পৌঁছে দেয়। এই অগ্রযাত্রাও স্বাধীনতারই আর এক ভাষা।কারণ স্বাধীনতা মানে শুধু পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ফেলা নয়। স্বাধীনতা মানে নিজের সম্ভাবনাকে চিনতে শেখা।স্বাধীনতা মানেআমি পারব বলার সাহস।স্বাধীনতা মানেব্যর্থতার পরেও আবার উঠে দাঁড়ানো।স্বাধীনতা মানেবিশ্বের চোখে চোখ রেখে নিজের পরিচয় ঘোষণা করা।তাই ১৫ই আগস্ট এলেই আমরা শুধু ১৯৪৭-এর কথা স্মরণ করব কেন? আমরা মনে করব সেই সব দিনকে, যেদিন ভারত নতুন করে জিতেছিল। কোনও খেলোয়াড়ের হাতে যখন পদক উঠেছে, কোনও বিজ্ঞানীর অভিযানে যখন ভারতীয় পতাকা মহাকাশ ছুঁয়েছে, কোনও শিল্পীর সৃষ্টিতে যখন ভারত বিশ্বকে মুগ্ধ করেছে, কোনও তরুণ-তরুণী যখন অসম্ভবকে সম্ভব করেছেসেই প্রতিটি মুহূর্তে স্বাধীনতা নতুন করে জন্ম নিয়েছে।স্বাধীনতার বয়স আজ ৭৯ বছর। কিন্তু স্বাধীনতা বৃদ্ধ হয়নি। বরং প্রতিটি নতুন প্রজন্মের স্বপ্নে তার বয়স কমে আসে। কোনও শিশুর হাতে ক্রিকেট ব্যাটে, কোনও কিশোরীর দৌড়ের জুতোয়, কোনও তরুণ বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে, কোনও শিল্পীর তুলিতে, কোনও সুরকারের যন্ত্রেস্বাধীনতা প্রতিদিন নতুন হয়ে ওঠে।১৫ই আগস্ট তাই শুধু অতীতের স্মৃতির দিন নয়। এটি ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখার দিনও।যে তেরঙ্গা ১৯৪৭ সালে পরাধীনতার আকাশে স্বাধীনতার বার্তা নিয়ে উঠেছিল, সেই তেরঙ্গাই আজও ওঠেলর্ডসের মাঠে, অলিম্পিকের মঞ্চে, বিশ্বকাপের আসরে, অস্কারের মঞ্চে, মহাকাশযানের অভিযানে, কিংবা কোনও অচেনা ভারতীয়ের ছোট্ট সাফল্যের মুহূর্তে।সেখানেই স্বাধীনতার আসল সৌন্দর্য।স্বাধীনতা একবার অর্জন করা কোনও স্মারক নয়স্বাধীনতা এমন এক অনুভূতি, যা প্রতিটি প্রজন্ম নিজের সাফল্য দিয়ে নতুন করে অর্জন করে।তাই ১৫ই আগস্ট শুধু একটি দিন নয়।স্বাধীনতা বারবার ফিরে আসে।জয়ের পতাকায়, অশ্রুসিক্ত চোখে, করতালির শব্দে, স্বপ্নপূরণের হাসিতেআর কোটি কোটি ভারতীয়ের বুকের ভিতর নিঃশব্দে উচ্চারিত একটি শব্দেভারত।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ক্ষুদিরামের ফাঁসির মঞ্চ থেকে মাতঙ্গিনীর রক্তাক্ত পতাকা, বাঙালির হৃদয়ে অমর এই পাঁচ স্বাধীনতা সংগ্রামী

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বাংলার অবদান অনস্বীকার্য। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে বাংলার মাটি যেমন জন্ম দিয়েছে ক্ষুদিরাম বসুর মতো কিশোর বিপ্লবীকে, তেমনই তাম্রলিপ্তের মাটিতে উঠে এসেছে মাতঙ্গিনী হাজরা, সুশীল ধারা, সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের মতো সংগ্রামী নেতৃত্ব। তাঁদের আত্মত্যাগ, সাহস ও সাংগঠনিক দক্ষতা স্বাধীনতার লড়াইকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছিল।মাত্র ১৮ বছর বয়সে ফাঁসির মঞ্চে উঠে ইতিহাসে অমর হয়ে যান ক্ষুদিরাম বসু। ১৯০৮ সালে মুজফ্ফরপুরে ব্রিটিশ বিচারক ডগলাস কিংসফোর্ডকে লক্ষ্য করে প্রফুল্ল চাকীর সঙ্গে বোমা হামলার ঘটনায় তিনি গ্রেফতার হন। ১১ আগস্ট ১৯০৮ তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হয়। মৃত্যুর মুখেও তাঁর নির্ভীকতা ও হাসিমুখ বাঙালির স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে ওঠে।অন্যদিকে, ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনে পূর্ব মেদিনীপুরের মাতঙ্গিনী হাজরা হয়ে ওঠেন সাহসের প্রতীক। গান্ধীবুড়ি নামে পরিচিত এই বৃদ্ধা ২৯ সেপ্টেম্বর তমলুক থানার দিকে মিছিলের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে ব্রিটিশ পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়েই তিনি এগিয়ে গিয়েছিলেন। তাঁর আত্মবলিদান বাংলার নারীশক্তির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকার গঠনের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সুশীল ধারা-র। ১৯৪২-এর ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় তিনি সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন সংগঠিত করেন। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের যুদ্ধ ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্বও সামলেছিলেন তিনি। তাঁর নেতৃত্বে গড়ে ওঠে বিদ্যুৎ বাহিনী, যা স্বাধীনতা সংগ্রামের সশস্ত্র প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।সতীশচন্দ্র সামন্ত ছিলেন তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের প্রথম সর্বাধিনায়ক। ১৯৪২ সালের ১৭ ডিসেম্বর গঠিত এই সমান্তরাল সরকার তমলুক ও কাঁথি মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্রিটিশ প্রশাসনের বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিল। ত্রাণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে শুরু করে স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী সংগঠন, বিভিন্ন ক্ষেত্রেই এই সরকারের কার্যক্রম ছিল উল্লেখযোগ্য।এই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন অজয় মুখোপাধ্যায়। তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের নেতৃত্বে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। স্বাধীনতার পরও তাঁর রাজনৈতিক জীবন থেমে থাকেনি। পরবর্তীকালে তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন এবং জনজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।ক্ষুদিরামের আত্মবলিদান থেকে মাতঙ্গিনীর পতাকা হাতে মৃত্যুবরণ, আর তাম্রলিপ্ত জাতীয় সরকারের সংগঠিত প্রতিরোধ, এই সমস্ত অধ্যায় প্রমাণ করে, বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রাম শুধু কয়েকজন বিপ্লবীর কাহিনি নয়। এটি ছিল অসংখ্য মানুষের সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের সম্মিলিত ইতিহাস। সেই ইতিহাসের পাতায় ক্ষুদিরাম, মাতঙ্গিনী, সুশীল ধারা, সতীশচন্দ্র সামন্ত ও অজয় মুখোপাধ্যায়ের নাম আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়।

আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানের মাটিতে জন্ম বীর বিপ্লবীর, রাসবিহারী বসুর কর্মকাণ্ডে কেঁপে উঠেছিল ব্রিটিশ শাসন

ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে রাসবিহারী বসু এক অনন্য নাম। ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবের অন্যতম প্রধান সংগঠক এই বিপ্লবীর জন্ম পূর্ব বর্ধমান জেলার রায়না-২ ব্লকের সুবলদহ গ্রামে। ১৮৮৬ সালের ২৫ মে বিনোদবিহারী বসু ও ভুবনেশ্বরী দেবীর ঘরে জন্ম তাঁর।সুবলদহেই কেটেছে রাসবিহারী বসুর শৈশবের গুরুত্বপূর্ণ সময়। গ্রামের পাঠশালায় তাঁর প্রাথমিক শিক্ষার শুরু। ঠাকুরদা কালীচরণ বসুর তত্ত্বাবধানে পড়াশোনার পাশাপাশি লাঠিখেলা, সাঁতার ও নৌকা চালনার মতো শারীরিক কসরতেও দক্ষ হয়ে ওঠেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই তাঁর মনে দানা বাঁধে দেশপ্রেম ও ব্রিটিশবিরোধী চেতনা। পরবর্তী সময়ে চন্দননগরে পড়াশোনা করার সময় বিপ্লবী চিন্তাধারার সঙ্গে তাঁর পরিচয় আরও গভীর হয়।কর্মজীবনে দেরাদুনের ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটে হেডক্লার্কের কাজ করলেও তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগঠিত করা। বাংলার পাশাপাশি উত্তর ভারত ও পাঞ্জাবের বিপ্লবীদের সঙ্গেও যোগাযোগ গড়ে তোলেন তিনি। ১৯১২ সালে দিল্লিতে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জের উপর বোমা হামলার ষড়যন্ত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এরপর ব্রিটিশ পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে তিনি জাপানে পালিয়ে যান।জাপানে গিয়েও থেমে থাকেননি রাসবিহারী। ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনকে আন্তর্জাতিক পরিসরে সংগঠিত করতে তিনি ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেনডেন্স লিগ গড়ে তোলেন। ১৯৪২ সালে ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। পরবর্তীতে সেই সংগঠনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু।১৯৪৫ সালের ২১ জানুয়ারি টোকিওতে তাঁর মৃত্যু হয়। তবে সুবলদহের মাটিতে জন্ম নেওয়া এই বিপ্লবীর দেশমুক্তির স্বপ্ন ও সংগ্রাম আজও ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে রয়েছে।

আগস্ট ১৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal