• ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ০৮ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

TMC

রাজনীতি

পঞ্চায়েতে টাকা নিয়ে টিকিট বিক্রি, ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে তৃণমূল বিধায়কের ভয়ঙ্কর অভিযোগে শোরগোল

তৃণমূল বিধায়ক এবার সরাসরি দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন ব্লক সভাপতির দিকে। হুগলির বলাগড়ের বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারির দাবি, ব্লক সভাপতি নবীন গঙ্গোপাধ্য়ায় টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েতের টিকিট বিক্রি করেছেন। এর আগে চাকরি দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়ে ওই তৃণমূল ব্লক সভাপতি ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছিলেন বলেও ফেসবুক পোস্টে স্পষ্ট লিখেছেন বলাগড়ের বিধায়ক। তাঁর লেখা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। ব্লক সভাপতি যে চোর সেই প্রমানও বিধায়কের কাছে আছে বলে ওই পোস্টে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। বিরোধীরা বলতে শুরু করেছে, বিধায়কই যেখানে দুর্নীতির অভিযোগ করছেন দলীয় নেতার বিরুদ্ধে তাহলে কিছু আর বলার নেই। দুর্নীতিতে যুক্তদের নিয়ে তৃণমূল চলছে বলে স্বয়ং বিধায়কই প্রকাশ্যে অভিযোগ করছেন।রবিবার মনোরঞ্জন ব্যাপারি ফেসবুকে কি লিখেছেন?আজ টিভিতে সংবাদ পরিবেশন হচ্ছে আমি নাকি টাকার বিনিময়ে পঞ্চায়েত প্রার্থীকে নির্বাচনে টিকিট দিচ্ছি। এই অভিযোগ এনেছে সেই ব্লক সভাপতি যে নিজে কয়েকদিন আগে চাকরি দেওয়ার কথা বলে লোকের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অপরাধে অভিযুক্ত হয়ে নাক কান মুলে সেই টাকা ফেরত দিয়েছেন। ফেরত দিতে আমি বাধ্য করেছি। এক প্রমাণিত চোর আমার গায়ে কাদা ছেটাচ্ছে। এর চেয়ে অবাক ব্যাপার আর কী হয়। বলাগড় ব্লকে সর্বমোট পঞ্চায়েত সিট ২২৪, আমি তার মধ্যে পেয়েছি ১০৯টি টিকিট। বাকি সব টিকিট পেয়েছে ওই ব্লক সভাপতি। যার নামে বলাগড়ের আকাশে বাতাসে ভাসছে টাকা নিয়ে পঞ্চায়েতে প্রার্থী টিকিট বিক্রির গল্প। আমি যে টিকিট পেয়েছি কাল সেই টিকিট প্রার্থীদের হাতে তুলে দেব। আমি চ্যালেঞ্জ করছি যে কেউ এসে তাদের কারও মুখ থেকে যদি বলাতে পারেন কারও কাছ থেকে আমি পাঁচ পয়সা নিয়েছি আমি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেব! আর কেউ যদি প্রমান চান ব্লক সভাপতি কত বড় চোর আমার কাছে তার অনেক প্রমাণ আছে। নিজের চোখে দেখে যেতে পারেন। যদিও ব্লক সভাপতির কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।মমতা বন্দ্য়োপাধ্যাযের দলের বিধায়কের এই পোস্ট নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসেও শোরগোল পড়ে গিয়েছে। একেই বিরোধীরা ক্রমাগত চুরি ও দুর্নীতি নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আসছে, পঞ্চায়েত নির্বাচন চলাকালীন এভাবে তৃণমূল বিধায়ক ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ তোলায় চরম অস্বস্তিতে পড়ছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

জুন ১৮, ২০২৩
রাজ্য

ধুতি-পাঞ্জাবিতে ভাইরাল বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, কটাক্ষ কুণালের

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এখন বাংলার অতি পরিচিত নাম। নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে একের পর এক তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্টের এই বিচারপতি। শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগের ঘুঘুর বাসা ভাঙতে তৎপর তিনি। একদিকে চাকরি বাতিল করেছেন, আবার চাকরি দিয়েছেন তিনি। এককথায় সম্প্রতি হাইকোর্টে যুগান্তকারী নির্দেশ ও রায় দেওয়ার জন্য তিনি পূজিত হয়েছেন আবার সমালোচিতও হয়েছেন। এবার সেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের কোচা দেওয়া ধুতি-পাঞ্জাবি পরা ছবি রীতিমতো ভাইরাল। তাঁর এই ভাইরাল ছবি পোস্ট করে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ।বেশ কিছু দিন আগে রাজ্যের একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিয়ে বিতর্কে জড়ান অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকী বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে দুটি নিয়োগ দুর্নীতির মামলা থেকে সরিয়ে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। তবে তিনি যে দমবার পাত্র নয় সেটা তিনি বারে বারে বুঝিয়ে দিয়েছেন।অপূর্ব।বিচারপতিরা আর কী কী করেন দেখি।জলি এল এল বির বিচারক সৌরভ শুক্লা যেন মেয়ের জন্য কোন ব্র্যান্ড খুঁজছিলেন....শূন্য শব্দটিও ভাল।শূন্যদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর....কারা যেন শূন্য?? pic.twitter.com/NlXXGfuWIW Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) June 18, 2023শূন্য নামে একটি ফ্যাশন ব্র্যান্ডের জন্য ধুতি-পাঞ্জাবি পরে ছবি তুলেছেন অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়। সেই ছবি টুইট করে কুণাল ঘোষ লিখেছেন, অপূর্ব। বিচারপতিরা আর কী কী করেন দেখি। জলি এল এল বির বিচারক সৌরভ শুক্লা যেন মেয়ের জন্য কোন ব্র্যান্ড খুঁজছিলেন.শূন্য শব্দটিও ভাল। শূন্যদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর.কারা যেন শূন্য??অভিজ্ঞমহলের প্রশ্ন, কেন এই শূন্য় বললেন কুণাল? তাঁদের ব্যাখ্যা, বামেরা এখনও বিধানসভায় শূন্য। এদিকে সিপিএম সাংসদ আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছিল বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে। সম্ভবত এই কারণেই শূন্যের সঙ্গে শূন্য় মিলিয়ে কটাক্ষ করেছেন কুণাল। শেষমেশ ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর!!

জুন ১৮, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েতে অশান্তি: অতর্কিতে চলল গুলি, চোপড়ায় প্রাণ ঝরল সিপিএম প্রার্থীর

পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র জমার শেষ দিনেও অশান্তি চরমে। গুলিতে প্রাণ ঝরল। উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় গুলিতে মৃত্যু হয়েছে এক সিপিএম প্রার্থীর। বৃহস্পতিবার মিছিল করে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাচ্ছিলেন বাম ও কংগ্রেসের প্রার্থী ও কর্মীরা। জানা গিয়েছে, বিডিও অফিসে ঢোকার বেশ কিছুটা আগেই মিছিল লক্ষ্য করে গুলি চলে। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বাম ও কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন প্রার্থী ও কর্মী। তাঁদের মধ্যেই এক সিপিএম প্রার্থীর মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে গুলিচালনার অভিযোগ করেছেন বিরোধীরা। এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এখনও কোনও মন্তব্য করেনি।গত কয়েক দিন ধরেই মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছে ভাঙড়, ক্যানিং। বোমার ফুলঝুড়ি দেখেছে রাজ্যবাসী। চোপড়াতেও আশঙ্কা ছিলই। এদিন পঞ্চায়েত ভোটের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এদিন একসঙ্গে মিছিল করে চোপড়া বিডিও অফিসের দিকে যাচ্ছিলেন বাম ও কংগ্রেসের প্রার্থী এবং কর্মীরা। রাস্তা দিয়ে বেশ কিছুটা যাওয়ার পর বিডিও অফিসের বেশ কিছুটা আগে ঘটে যায় ভয়ঙ্কর কাণ্ড। অতর্কিতে ছুটে আসা গুলিতে মৃত্যু হয় একজনের, বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চলেছে। রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন কয়েকজন। চিৎকার-চেঁচামেচিতে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। গোটা এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। ঘটনার সময় কোনও পুলিশ ছিল না। এই পরিস্থিতিতেও মনোনয়ন জমা দিতে বদ্ধপরিকর বাম-কংগ্রেস।

জুন ১৫, ২০২৩
রাজ্য

মনোনয়নের পঞ্চম দিনেও ভাঙড়-ক্যানিংয়ে মুড়ি-মুড়কির মতো বোমা, নবান্নে ছুটলেন নওশাদ

মঙ্গলবারের পর ফের বুধবার। ফের অশান্ত দক্ষিণ ২৪ পরগ নার ভাঙড় ও ক্যানিং। মঙ্গলবার পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এই দুই এলাকা। বুধবারও একই চিত্র দেখা যায়। মুড়ি-মুড়কির মতো বোমাবাজি, বাঁশ-ডান্ডা নিয়ে পুলিশকে তাড়া করে দুষ্কৃতীরা। আক্রমণ হয়েছে সংবাদ মাধ্যমের ওপর। লাঠিচার্জ করে এলাকা শান্ত করার চেষ্টা করে পুলিশ।প্রসঙ্গত, ক্যানিংয়ে মঙ্গলবার ব্যাপক অশান্তি হয় মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে। বিজেপির অভিযোগ, তাঁদের প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দিতে বাধা দেয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। বাঁশ-লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়, বোমাবাজি করে এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ানো হয়। বিজেপি নেতা সজল ঘোষ এবং প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল দলের তরফ থেকে ক্যানিংয়ে যান। তাঁরা দলীয় প্রার্থীদের সুরক্ষার আশ্বাস দিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে নিয়ে যান।কিন্তু বুধবারও একই চিত্র ক্যানিংয়ে। মনোনয়ন জমা দিতে বেরিয়ে দুষ্কৃতী হামলার আশঙ্কায় রাস্তা অবরোধ তৃণমূলের। আর তা নিয়ে চড়ছে পারদ। ক্যানিং এক নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতি শৈবাল লাহিড়ির নেতৃত্বে আজ মনোনয়ন জমা কর্মসূচি রয়েছে শাসক শিবিরের। তৃণমূলের ব্লক সভাপতির অভিযোগ, তাঁদের যাওয়ার পথে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রচুর দুষ্কৃতী জড়ো হয়েছে। যে কোনও মুহূর্তে তৃণমূল প্রার্থীদের ওপর হামলা চালাতে পারে তারা। এমনকি তাঁকে খুন করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি। এই পরিস্থিতিতে ব্লক সভাপতির নেতৃত্বে ক্যানিং হাসপাতাল মোড় অবরোধ করে রেখেছে তৃণমূলের হাজারখানেক কর্মী সমর্থক। তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর দাপটে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা হয় ক্যানিংয়ে।এদিকে, জমায়েত সরাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বাধে এলাকায়। পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। বাঁশ-ডান্ডা নিয়ে পুলিশের দিকে তাড়া করার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পাল্টা লাঠিচার্জ করে পুলিশ। কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটিয়ে এলাকা শান্ত করা হয়।এদিকে বুধবারও উত্তপ্ত ছিল ভাঙড়-এক বিডিও অফিস চত্বর। বাঁশ, লাঠি হাতে নিয়ে ঘুরে বেড়াতে থাকে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। কেউ কেউ জানিয়ে দেয় আজ আইএসএফ প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দিতে দেব না। ভাঙড়ে এদিনও বোমাবাজি হয়। ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী এদিন নবান্নে চলে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে। আইএসএফকে প্রার্থী দিতে তৃণমূল বাধা দিচ্ছে বলে নওশাদ অভিযোগ করেছেন।

জুন ১৪, ২০২৩
রাজনীতি

ভাঙড়ে মনোনয়ন ঘিরে ধুন্ধুমার, মুড়ি-মুরকির মত বোমাবাজি, এখনও ভোট বাকি

পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন জমার চতুর্থ দিনেও বাংলায় হিংসা ছড়াল। মঙ্গলবারও উত্তপ্ত হল ভাঙড়। আইএসএফ প্রার্থীর মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে ভাঙড়-২ ব্লকে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে মনোনয়ন জমা না দিতে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন আইএসএফ কর্মীরা। প্রতিরোধ করলেই উভয় দলের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। এদিকে আরাবুল ইসলামের ছেলের গাড়ির ড্যাস বোর্ডে মিলেছে তাজা বোমা।এর মধ্যেই বোমাবাজি শুরু হয় ভাঙড়ের ২ ব্লক অফিসের এক কিলোমিটারের মধ্যে। বিজয়গঞ্জ বাজারের কাছে মাঠ এলাকায় মুড়ি-মুরকির মত বোমা পড়তে থাকে। পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমাবাজি, হয়। ছোড়া হয় ইট-পাথর। ফলে শুরুর দিকে পিছু হঠতে থাকে পুলিশ। এর মিনিট পাঁচেক পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় হয় পুলিশ বাহিনী। ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল। আহত হয়েছেন এক এসআই।স্থানীয়দের দাবি, সাত রাউন্ড গুলি চলেছে।। অশান্তি এড়াতে মনোনয়ন কেন্দ্রের এক কিলোমিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করেছে কমিশন। কিন্তু তাতে বিশেষ লাভ হয়নি তা সোমবার থেকে একাধিক হিংসার ঘটনাতেই স্পষ্ট। প্রশ্ন হচ্ছে, কীভাবে বিডিও অফিসের কাছে মনোনয়নের সময় প্রচুর মানুষ জড়ো হলেন হলেন তা নিয়েই। ভাঙড়ে অশান্তির খবর সামনে আসতেই কমিশনকে জেলা শাসককে ফোন করে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা।ভাঙড়ের বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকি বলেছেন, আইএসএফ প্রার্থীদের মনোনময় ঠেকাতেই এই কাজ করছে তৃণমূলের গুন্ডারা। সকালেই আমি পুলিশকে ফোন করে সতর্ক করেছিলাম। কিন্তু, পুলিশ পদক্ষেপ করেনি। তাই যা হওয়ার তাই হচ্ছে। পুরোটাই নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে বলে জানান নওসাদ। পাল্টা তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার দাবি, সকাল থেকেই এলাকা অশান্ত করে তুলেছে আইএসএফ। বোমাবাজিতে তৃণমূল কর্মীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। যথেচ্ছভাবে তাদের গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে।মনোনয়নপত্র তোলাকে কেন্দ্র করে সোমবার থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল ভাঙড়। দফায় দফায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি চলে রাতভরই। ভোর হতেই শুরু হয় বোমাবাজি। আইএসএফ বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকির নেতৃত্বে মঙ্গলবার পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন জমা দেওয়ার কথা আইএসএফ প্রার্থীদের। সেই নিয়ে যাতে কোনওরকম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয় তার জন্য সকাল থেকে রাস্তায় নেমে টহল দিচ্ছিল কাশিপুর থানা এবং বারুইপুর থানার পুলিশ। ছিল ব়্যাফ। ভাঙড়ের অতিরিক্ত ডিএসপি মহিদুল্লা এবং বারুইপুরের ডিএসপি শঙ্কর চ্যাটার্জীও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু ঠেকানো গেল না হিংসা।

জুন ১৩, ২০২৩
রাজনীতি

অভিষেকের ঠাকুরনগর সফর ঘিরে ধুন্ধুমার, ভোটের আগে ঠাকুরবাড়ি কেন: শান্তনু

চলল চোর চোর স্লোগান। গরু চোর, কয়লা চোর। বন্ধ রাখা হল মন্দিরের মূল ফটক। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঠাকুরনগরের সফর ঘিরে রবিবাসরীয় দুপুরে ধুন্ধুমার কাণ্ড। পাশের মন্দিরে পুজো দিতে হল তৃণমূলের যুবরাজকে। মতুয়া মহাসংঘের কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষোভ, কালো পতাকাও দেখালেন তৃণমূলের কর্মীদের। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের উদ্দেশে কড়া চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন অভিষেক। তাঁর হুঙ্কার, আমি ৩ মাস অন্তর ঠাকুরবাড়িতে আসব, দম থাকলে আটকে দেখাক।তৃণমূল কংগ্রেসের নবজোয়ার যাত্রা এখন চলছে উত্তর ২৪ পরগনায়। এদিন হাবড়ার অনুষ্ঠানের আগে ঠাকুরবাড়িতে যাওয়ার কর্মসূচি ছিল অভিষেকের। কিন্তু অভিষেকের ঠাকুরবাড়ি প্রবেশ নিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে থাকে। শান্তনু ঠাকুর ও বিজেপি কর্মী সমর্থকরা ভিড় জমান। কেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায় ঠাকুরবাড়িতে রাজনীতি করতে আসছেন সেই প্রশ্ন তোলেন শান্তনু ঠাকুর। শান্তনুর কটাক্ষ, অভিষেক কে? কোন মন্ত্রী ও? বাংলার মন্ত্রী না কেন্দ্রের? এত সাজগোজ হচ্ছে, মন্ত্রী এলেও হয় না, প্রধানমন্ত্রী যখন এসেছিলেন, তখনও হয়নি। ও কে? সাধারণ সাংসদ। ওঁর লোকসভায় এসব হোক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে, সাংসদ হিসেবে অভিষেক কে? সূর্যের আলোয় চাঁদ যেমন আলোকিত হয়, ও তাই হয়েছে। ব্যক্তিগত ভাবে ও যেমন সাংসদ, আমিও সাংসদ। ভোটের আগে ঠাকুরবাড়িতে এই মুহূর্তে কী আছে?অভিষেক শান্তনুকে নিশানা করে বলেন, উনি যে বাড়িতে থাকেন, সেখানকার জলের ব্যবস্থা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যে রাস্তা দিয়ে হেঁটে তৃণমূলকে চমকাচ্ছেন সেই রাস্তাও মুখ্যমন্ত্রীর করে দেওয়া। চাইলে ভিড় ভেঙে মন্দিরে ঢুকতে ৫ মিনিট লাগবে। ধর্মকে সামনে রেখে রাজনীতি করছেন শান্তনু ঠাকুর। মতুয়া-মাটিকে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে। আমার কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিল না, আমি পুজো দিতে এসেছিলাম। অভিষেকের বক্তব্য, মতুয়া মন্দির কারও পৈতৃক সম্পত্তি নয়। আগামী দিনে মানুষ এর জবাব দেবে।অভিযোগ উঠেছে, অভিষেকের আসার আগে জোর করে ঠাকুরনগরের মন্দিরের ফটক বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকী ভেঙে ফেলা হয় অভিষেকের এই কর্মসূচি উপলক্ষ্যে তৈরি হওয়া তোরণ। একদিকে ভিতরে মতুয়া মহাসংঘের সংঘাধিপতি তথা কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। সঙ্গে তুমুল স্লোগান। অন্য়দিকে তখন বাইরে বিক্ষোভ চলতে থাকে তৃণমূল কর্মীদের। শান্তনু ঠাকুর জানিয়ে দেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় চলে গেলে ঠাকুরবাড়ি গোবরজলে শোধন করা হবে।

জুন ১১, ২০২৩
রাজ্য

বাংলায় পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণা, আদালতে যেতে পারে বিজেপি

পঞ্চায়েত ভোট কবে সেই তা জল্পনার অবসান হল। রাজ্যে ৮ জুলাই এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচন। শুক্রবার এই ঘোষণা করেছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে দ্বিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট হবে। বাকি ২২টি জেলায় হবে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট।এবারও একদফাতেই রাজ্যে হবে পঞ্চায়েত ভোট। কমিশনের ঘোষণার পরই বৃহস্পতিবার থেকেই রাজ্যজুড়ে নির্বাচনী আদর্শ আচরণ বিধি চালু হয়ে গেল। শনিবার থেকেই শুরু হচ্ছে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন জমার কাজ, যার শেষ দিন ১৫ জুন। ২০ জুন মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন। রাজীব সিনহা জানিয়েছেন, ১১ জুলাই পঞ্চায়েত ভোটের গণনা হবে। ফল ঘোষণা ১৯ জুলাই।বিগত দুটি পঞ্চায়েত ভোটে ব্যাপক হিংসার উদাহরণ রয়েছে বাংলায়। প্রধান বিরোধী দল বিজেপি সহ অন্যান্য প্রায় সব তৃণমূল বিরোধী রাজনৈতিক দলই পঞ্চায়েত ভোট কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে করার দাবি তুলেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে ভোটে সুরক্ষায় রাজ্য পুলিশ নাকি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে চাইছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন? জবাবে কমিশনার রাজীব সিনহা জানান, রাজ্য সরকারের সঙ্গে কথা বলে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।বাংলার ২২টি জেলায় (যেসব জেলায় ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোট হবে) রয়েছে মোট ৩৩১৭ গ্রাম পঞ্চায়েত। মোট পঞ্চায়েত আসন ৬৩ হাজার ২৮৩। গ্রাম পঞ্চায়েতে নির্বাচন কেন্দ্রের সংখ্যা ৫৮ হাজার ৫৯৪।ভোটের দিন ঘোষণার পরই কমিশনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কমিশনের ভোট ঘোষণার পদক্ষেপ একতরফা বলে অভিযোগ বিরোধী দলনেতার। তাঁর দাবি, রাজ্য নির্বাচন কমিশন নির্বাচনে আঞ্চলিক তৃণমূলের দলের ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশন হিসেবে সক্রিয়ভাবে কাজ করবে। এভাবে তাড়াতাড়ি পঞ্চায়েত ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করে দেওয়ার সমালোনা করেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরই এদিন দীর্ঘ টুইট পোস্টে সরব হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। লিখেছেন, প্রথমবারের মতো, ব্লক, জেলা বা রাজ্য স্তরে একবারও সর্বদলীয় বৈঠক না করেই একতরফাভাবে পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে। এক দফার নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি। নির্বাচনের সময় হিংসা ও তার দরুন কোনও হতাহত হলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা দায়ী থাকবেন, কারণ ভোটের ঘোষণায় তাড়াহুড়ো করা হয়েছে, যুক্তিসঙ্গত পরিকল্পনার অভাব রয়েছে এবং যথাযথ নিরাপত্তার বিবেচনা করা হয়নি।

জুন ০৯, ২০২৩
রাজ্য

পুরসভা-নগরোন্নয়ন দফতরে সিবিআই, করমন্ডলের দুর্ঘটনার তদন্ত নিয়ে বিষ্ফোরক মমতা

রেল দুর্ঘটনায় সিবিআই তদন্ত শুরু হওয়ার পরের দিনই রাজ্যের ১৪টি পুরসভা ও সল্টলেকের নগরোন্নয়ন দফতরে হানা দেয় সিবিআই। বুধবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এক অনুষ্ঠানে করমন্ডল এক্সপ্রেসে নিহতদের পরিবার ও আহতদের আর্থিক সাহায্য দেয় রাজ্য সরকার। ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বিষ্ফোরক মন্তব্য করেছেন সিবিআই তদন্ত নিয়ে। করমন্ডল এক্সপ্রেসে সিবিআই তদন্ত প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, এতবড় ঘটনা কী করে ধামাচাপা দেওয়া যায় তার প্রচেষ্টা চলছে। কেন দুর্ঘটনা ঘটল, কেন এত লোক মারা গেল? ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সঠিক তদন্ত হল না। কোনও এভিডেন্স নেই। এদিকে সিবিআই নগরোন্নয়ন দফতরে ঢুকে গেছে। এখন কি বাথরুমেও ঢুকবে? মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এসব করে ধামচাপা দেওয়া যাবে না। যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে চাঁদের চূড়ান্ত শাস্তি হোক। কেন্দ্রীয় এজেন্সি কর্পোরেশনে জল,কল দেখতে গেলে আগামী দিন কিন্তু ভয়ঙ্কর হবে, হুঁশিয়ার দেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতার বক্তব্য, টাকা দয়া করে দিচ্ছেন না। আমরা ১৫ লক্ষ টাকা দিতাম। আমরা এক্সট্রা করছি(রাজ্য সরকার)।

জুন ০৭, ২০২৩
রাজনীতি

শুভেন্দুকে নিয়ে অভিষেকের ক্ষোভের কড়া জবাব দিলীপ ঘোষের, কেন?

ইডির কাছে যে তথ্য তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপধ্যায় দিয়েছেন তা জেনে যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এই অভিযোগ করেছেন অভিষেক। মঙ্গলবার এর জবাবে বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, না, সবাই জানে তো, আপনি রাজার ছেলে! হাকডাক করে যাচ্ছেন, লোকে জানে না! আপনি কোথায় খান? কোথায় ঘুমোন ? আপনার কত টাকা পয়সা আছে{ সব পাবলিক জেনে গিয়েছে। লুকোনোর আর কিছু নেই। আমরা সাধারণ মানুষ আমাদের নিয়ে পাবলিক ভাবে না। তাছাড়া সবাই এসব জানেন। আরেকটু বিদেশ মন্ত্রকে খোঁজ করলে সব পাওয়া যায়।অভিষেক দাবি করেছেন তিনি নন্দীগ্রামে ২০ কিমি পদযাত্রা করেছেন, তারই পুরস্কার তাঁর স্ত্রীকে ইডির তলব। এই প্রসঙ্গে মেদিনীপুরের সাংসদ বলেন, জীবনে প্রথম হাঁটাহাঁটি করছেন। সবে তো একটু ঘাম বেরিয়েছে। রোদে একটু মুখটা পুড়ুক! তাহলে রাজনীতি বোঝা যাবে। আপনি কার জন্য হাঁটছেন? নিজের ভবিষ্যতের জন্য! নিজের পার্টির জন্য হাঁটছেন। তাতে জনগণের কি যায় আসে!! মানুষ তো আপনার কথা ভুলেই গিয়েছে।রুজিরাকে তলব করা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করেছেন অভিষেক। তাঁরও জবাব দিয়েছে দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন, কোথায় চাঁদ আর কোথায় বাঁদর! কে কাকে চ্যালেঞ্জ করছে। লোকে হেসে মরে যাচ্ছে এসব দেখে। যেখানে আছেন সেখানেই থাকুন, গলির লোক গলিতেই থাকুন। রাজপথে আসতে পারবেন না কোনদিন। যতই আপনি তুলসী গাছে জল ঢালুন অশ্বত্থ গাছ হবে না কখনও। অশ্বত্থ গাছ অশ্বত্থ গাছই থাকবে। আর ছাগলকে নিয়ে যতই গরুর গোয়ালে বাঁধুন, সে গরু হবে না কোনও দিন।সোমবার রুজিরা ছাড়া রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটককেও ইডি তলব করেছে। দিলীপ ঘোষের দাবি, আগেও ডেকেছে। আরও অনেককে ডাকবে। এই যে বছরের পর বছর কোটি কোটি টাকার কয়লা কেলেঙ্কারি চলছে। তার ভাগ অনেকেই পেয়েছে। আমরাও জানি সবাই জানে। ডাকা হয়নি এতদিন। এবার ডাক শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কটক সফর নিয়ে দিলীপের কটাক্ষ, এ সবই ড্রামা। কটক কেন? কেন দার্জিলিং গেলেন না! উঠল বাই কটক যাই!উল্লেখ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, কেন ইডি ছাড় দিচ্ছে দিলীপ ঘোষ ও শুভেন্দু ্অধিকারীকে? বিজেপি করে বলে? কেন তাঁদের ডাকছে না? প্রশ্ন তুলেছেন অভিষেক। অন্য দিকে জঙ্গলমহলে কুড়মিদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছেন দিলীপ ঘোষ। কুড়মিদের সঙ্গে শুভেন্দুর ভাল সম্পর্ক বলেই জানে জঙ্গলমহল। রাজনৈতিক মহলের মতে, ওই বিবাদ মেটাতে প্রয়োজন শুভেন্দু অধিকারীকে।

জুন ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

মুখ্যমন্ত্রী হলে কি রাতারাতি আশ্চর্যসাধন করবেন বিজেপি নেতা অভিনেতা মিঠুন? ঘোষণা করে কি বললেন 'মহাগুরু'?

রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ মিঠুন চক্রবর্তীর। শুধু অভিযোগ করেই ক্ষান্ত হননি মিঠুন, মুখ্যমন্ত্রী হলে কি করবেন তা-ও ঘোষণা করেছেন। শুক্রবার সল্টলেকের ইজেডসিসি-তে বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, এ রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বলে কিছু অবশিষ্ট নেই। আইএএস, আইপিএস, স্কুল, কলেজ, সরকারি অফিস, যেখানেই হাত দেবেন, দুর্নীতি বাসা বেঁধেছে। পুরো সিস্টেমটা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কোনও ২-৪ জন নেতাকে গ্রেফতার করলে কিছু হবে না। কারণ একজন দুজনের কাজ এটা নয়। সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত।জাতীয় পুরস্কার প্রাপক অভিনেতা তথা একসময়ের তৃণমূল সাংসদের মন্তব্যের পর রেরে করে উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ টুইটে লিখেছেন, মিঠুন চক্রবর্তী সারদার টাকা নিয়েছেন, অ্যালকেমিস্ট চিট ফান্ডের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাস্যাডর। আরও একাধিক বিতর্কে জড়িত। গ্রেফতারি এড়াতে @MamataOfficial-র দেওয়া রাজ্যসভার এম পি পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে বেইমানি বিজেপির কথা বলা পুতুল হয়েছেন। এখন তিনি বাংলাকে অপমান করছেন, কুৎসা করছেন। উল্লেখ্য সারদা চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারিতে দীর্ঘ দিন জেলবন্দি ছিলেন তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষ।এরপরই একসময়ের যুবকদের হার্টথ্রব মিঠুনের দাবি, আমায় মুখ্যমন্ত্রী করে দিলে ৬ মাসের মধ্যে গোটা সিস্টেম বদলে দেব। পশ্চিমবঙ্গ আর এই পশ্চিমবঙ্গ থাকবে না। কোনও প্রজন্মকে শেষ করতে গেলে আগে শিক্ষাকে শেষ করো। এই মুহূর্তে রাজ্যের কোনও ভবিষ্যৎ দেখতে পাই না। রাজ্যের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে গেলে পরিবর্তন করতে হবে। সেটা ঠিক করবে মানুষ। আর যদি রাজনৈতিক দল বলতে বলেন, তাহলে আমি বলব বিজেপি।রাজ্যের বুদ্ধিজীবীদের নীরবতা নিয়েও মিঠুন চক্রবর্তীর তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলায় যখনই কোনও ঘটনা ঘটেছে আমরা কিন্তু জেগেছি। তার প্রতিবাদ করেছি। কিন্তু এখন আমরা প্রতিবাদ করতে ভুলে গিয়েছি। কারণ, যারা প্রতিবাদের সামনে থাকেন তাদের আত্মা বিক্রি হয়ে গেছে। তাদের আত্মা মরে গেছে কি না জানি না। মরে গেলে আর জাগবে না। পড়াশুনো করা লোকেদের আবার কী আবেদন করব? তারা তো সব জেনে শুনে করছেন।

জুন ০২, ২০২৩
রাজ্য

তৃণমূল নেত্রী মমতার অনুরোধে পাটনায় বিরোধী জোটের বৈঠকের ডাক নীতীশের

একজোট হয়ে ২০২৪-লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে বৈঠকে বসতে চলেছে দেশের প্রধান বিরোধী দলগুলি। আগামী ১২ জুন পাটনায় এই বৈঠকের ডাক দিয়েছেন বিহারের মুখ্য়মন্ত্রী নীতীশ কুমার। এর আগে তাঁকে এই বৈঠক ডাকতে অনুরোধ করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্য়ে বিরোধী জোটে শান দিতে নবান্নে এসে বৈঠক করে গিয়েছেন নীতীশ। এই বৈঠকে থাকার কথা রয়েছে কংগ্রেসেরও। তৃণমূল ছাড়া বৈঠকে অংশ নেবে আরজেডি, জেডিইউ, ডিএমকে, এনসিপি সহ অধিকাংশ বিরোধী দল। এর আগে নবান্নে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সঙ্গে দেখা করে গিয়েছেন জেডি কুমারস্বামী, নীতীশ কুমার, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, ভগবন্ত মান। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিরোধীদের বৈঠক সফল হলেই একমাত্র বিজেপির সঙ্গে লড়াই করা সম্ভব। তবে বিরোধীদের মধ্য়ে যে ধরনের দ্বন্দ্ব রয়েছে তা কাটিয়ে উঠতে না পারলে জোট কতটা বাস্তবায়িত হবে তা নিয়েও সন্দেহ আছে।

মে ২৮, ২০২৩
রাজনীতি

অভিষেকের নবজোয়ার যাত্রার কনভয়ে হামলা, মন্ত্রীর গাড়ি ভাঙচুর, কি বলছে কুড়মি সমাজ?

অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের নবজোয়ার যাত্রায় ধুন্ধুমার কাণ্ড। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরের গড় শালবনিতে যাত্রাপথে কনভয় লক্ষ্য করে ব্যাপক ইটবৃষ্টি চলে। দেওয়া হয় চোর চোর স্লোগান। রাজ্যের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদার গাড়ির কাঁচ ভাংচুর করা হয়। বাইক আরোহী তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীদের ব্যাপক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরে গোপীবল্লভপুরের দলীয় কর্মসূচিতে অভিষেক বলেন, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি রয়েছে। পাশাপাশি কুড়মি সমাজের এই ঘটনায় কোনও হাত নেই বলেই মনে করেন অভিষেক। তিনি কুড়মি সমাজকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সাংবাদিক বৈঠক করে বিবৃতি দাবি করেছেন তিনি। যদিও কুড়মি সমাজের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে তাঁরা এই হামলার ঘটনায় নেই। এটা দেখার কথা পুলিশ-প্রশাসনের।পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে এক মাস ধরে তৃণমূলে নবজোয়ার কর্মসূচির মাধ্য়মে জনসংযোগ করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সন্ধেয় পশ্চিম মেদিনীপুরের গড় শালবনিতে অভিষেকের কনভয় যাওয়ার আগেই রাস্তা পুলিশে পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ ছিল। অভিযোগ, কুড়মি সমাজের পক্ষ থেকেই অভিষেকের কনভয় ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে।অভিষেকের কনভয়ে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা ঝাড়গ্রামের তৃণমূল বিধায়ক বীরবাহা হাঁসদা। বীরবাহার গাড়ির কাচ ভাঙচুর করা হয়। আদিবাসী কুড়মি সমাজের নামে বিজেপি এই বিক্ষোভে উসকানি দিচ্ছে বলে দাবি করেন অভিষেক। গোপীবল্লভপুরের সভায় অভিষেক বলেন, এর পিছনে কারা রয়েছে আমরা সব জানি। আন্দোলন শান্তিপূর্ণ হয়, গুণ্ডামি হয় না। এর পিছনে কারা আছেন আমরা খুঁজে বের করব। বীরবাহার গাড়িচালক গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে প্ররোচনায় পা না দিতে আবেদন জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।এদিকে রাজ্যের মন্ত্রী বীরবাহা হাঁসদা বলেন, রাজেশ মাহাতকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি। আমি তাঁর কাছে জবাব চাই। আমাদের ১২-১৩ জন আহত হয়েছেন।কুড়মি সমাজের বক্তব্য, এই ঘটনার সঙ্গে তাঁদের কোনও যোগ নেই। অন্য একটা পয়েন্টে তাঁদের বিক্ষোভ দেখানোর কথা ছিল। এদিকে আগামিকাল শালবনিতে জনসংযোগ কর্মসূচিতে যেতে পারেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। তার আগে এগরায় বেআইনি বাজি কারখানায় নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন মুখ্যমন্ত্রী।

মে ২৬, ২০২৩
রাজনীতি

টানা ৯ ঘন্টা ৪০ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদ, অভিষেক বললেন, ‘নির্যাসশূন্য। শুভেন্দুকে কেন ডাকছে না সিবিআই?’

রাজ্য়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে টানা ৯ ঘন্টা ৪০ মিনিট অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করল সিবিআই। শনিবার সকাল ১১টায় নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে ঢোকেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। বেরিয়েছেন রাত 8টা 40 মিনিটে। জিজ্ঞাসাবাদের পরই সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক দাবি করেন, জিজ্ঞাসাবাদের নির্যাস শূন্য। আমারও সময় নষ্ট। তদন্তকারীদেরও সময় নষ্ট। অযথা তাঁকে ডাকা হয়েছে বলে এদিনও দাবি করেন অভিষেক। পাশাপাশি অভিষেক তুলোধোনা করেন বিজেপির। নাম না করে তিনি শুভেন্দু অধিকারীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। অভিষেক বলেন, প্রথম দিন থেকেই আমাকে টার্গেট করেছে। বিজেপির জন্য এক আইন, আমার জন্য এক আইন। আমি দিল্লির পোষা কুকুর হয়ে থাকব না। আমরা বশ্যতা স্বীকার করব না। সর্বভারতীয় কেন্দ্রীয় এজেন্সি লাগিয়েও মাথানত করাতে পারছেন না। রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার হয়ে থাকব। সব চোর, দুর্নীতিগ্রস্ত বিজেপির সম্পদ। অভিষেকের প্রশ্ন, সুদীপ্ত সেন চিঠি লিখে অধীর, সুজন, শুভেন্দুর নাম বলেছে। একজনকেও ডাকা হয়েছে? সুদীপ্ত সেনের চিঠির ভিত্তিতে কেন শুভেন্দুকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে না? প্রসন্ন রায়ের বাড়িতে দিলীপের দলিল, তাঁকে কেন জিজ্ঞাসাবাদ নয়? নারদায় টাকা নিতে দেখা গিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীকে, তাঁকে ডাকা হয়েছে?তদন্ত প্রসঙ্গে অভিষেক জানান, যাঁদের নাম জিজ্ঞাসা করছেন, তাঁদের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদে। পূর্ব মেদিনীপুর ও মুর্শিদাবাদে দলের দায়িত্বে কে ছিলেন? অথচ, শুভেন্দু অধিকারীকে ডাকছে না। তদন্ত চলছে এর থেকে বেশি বলা যাবে না বলেও জানিয়ে দেন অভিষেক।

মে ২০, ২০২৩
রাজনীতি

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিষেককে তলব সিবিআইয়ের, তৃণমূলের 'যুবরাজ' বাঁকুড়া থেকে কলকাতায়

শিক্ষাক্ষেত্রে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তখন তিনি নবজোয়ার কর্মসূচিতে বাঁকুড়ায় ছিলেন। শনিবার সকাল ১১টার মধ্যে কলকাতার নিজাম প্যালেসে সিবিআই দফতরে তলব করা হয়েছে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে। ইতিমধ্যে বাঁকুড়া থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। বাঁকুড়ার জনসভায় অভিষেক হাজির না থাকায় বক্তব্য রেখেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বৃহস্পতিবারই হাইকোর্ট যে নির্দেশ দিয়েছিল কুন্তল ঘোষ ও অভিষেককে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে পারবে সিবিআই। আর সেই নির্দেশের পরের দিনই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল সিবিআই। কেন্দ্রীয় এজেন্সির তলব পাওয়ার পর সংবাদ মাধ্যমের কাছে তিনি বলেছেন, একটা ডেভালপমেন্ট আছে। আমি আজ কলকাতায় ফিরব। অভিষেক তখন বাঁকুড়ায় ছিলেন। এদিন দুপুর আড়াইটে নাগাদ সিবিআইয়ের নোটিস পেয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। তারপরেই তিনি সিদ্ধান্ত নেন কলকাতায় ফিরবেন।কুন্তল ঘোষের চিঠি মামলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে ছিল, ধৃত কুন্তল ঘোষের মুখোমুখি বসিয়ে অভিষেককে জেরা করা উচিত। সেই মামলা সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে হাইকোর্টে ফিরে আসে। বেঞ্চ বদল হয়। মামলার শুনানি যায় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। তিনি বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের রায়ই বহাল রাখেন। বিচারপতি বদলালেও বিচার বদলায়নি। সেইসঙ্গে আদালতের সময় নষ্ট করার জন্য অভিষেক ও কুন্তলকে ২৫ লক্ষ টাকা করে জরিমানার নির্দেশ দেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।গতকালের ওই নির্দেশের পর পশ্চিম বর্ধমান থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, আমরা পালিয়ে যাওয়ার লোক নই। মাথা উঁচু করে থাকা লোক। তদন্তের মুখোমুখি হতে আমরা ভয় পাই না। ডিভিশন বেঞ্চ বা সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা ভাববো। একজন নাগরিক হিসাবে সেই রাস্তা আমার সামনে খোলা আছে। তবে তদন্ত এজেন্সিকে আমি সবসময় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। যদি আমায় সমন পাঠানো হয় তাহলে দরকারে আমি জনসংযোগ যাত্রা একদিন থামিয়ে আমি তদন্তে সাহায্য করে আসব।বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশের পর ডিভিশন বেঞ্চে আপিলও করেছিলেন অভিষেক। তবে শুক্রবার ডিভিশন বেঞ্চেও ধাক্কা খান তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। দ্রুত বিচারের প্রক্রিয়া মানল না হাইকোর্ট। মামলা ফিরে যায় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। নতুন বেঞ্চ তৈরি হলে শুনানি হবে বলে জানায় হাইকোর্ট।

মে ১৯, ২০২৩
রাজ্য

দিনভর এগরার গ্রাম ক্ষোভের আগুনে ফুটলো, রাতে এল ৬জনের নিথর দেহ

বেআইনি বাজি তৈরির কারখানা ৯ জনের মৃত্যুর পর আজ, বুধবার পূর্ব মেদিনীপুরের এগরার খাদিকুল গ্রামে যান বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিরোধী দলনেতা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই ঘটনায় কাউকে রেয়াত করা হবে না। এর শেষ দেখে ছাড়ব। পুলিশ মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন শুভেন্দু। তৃণমূলের নেতৃত্ব গ্রামে এলে চোর চোর বলে স্লোগান তোলে স্থানীয়রা। তৃণমূল নেতা মানস ভুঁইয়্যা, দোলা সেন, সৌমেন মহাপাত্রদের বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। পাশাপাশি এই বিষ্ফোরণ কাণ্ডে কোনও বিষ্ফোরক সংক্রান্ত মামলা দায়ের করা হয়নি। তা নিয়েও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েছে স্থানীয়রা। এই কেস নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শুভেন্দু অধিকারীও। এদিন রাতে ৬ জনের নিথর দেহ গ্রামে আসে। সমস্ত নিস্তব্ধতা ভেঙে গ্রামে প্রিয়জন হারাদের পরিবারে কান্নার রোল ওঠে। অভিযুক্ত ভানু ভাগ এখনও পলাতক। তাঁকে খুঁজে বেড়াচ্ছে পুলিশ।গ্রামবাসীদের দাবি ভানু বাগের কারখানায় বোমা তৈরি হত। এদিন ফরেন্সিক বিশেজ্ঞরাও নমুমা সংগ্র করে। বাজি প্রস্তুতকারকেদর বক্তব্য, তাঁদের বদনাম করা হচ্ছে। যেখানে পরিবেশ বান্ধব বাজি ছাড়া কিছু প্রস্তুত করাই বেআইনি সেখানে বিস্ফোরণ হওয়ার সম্ভাবনা কোথায়? এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব গ্রামে পৌঁছাতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। চোর চোর স্লোগান চলতে থাকে। মানস ভুঁইয়্যারা নিহতের পরিবারের সদস্যদের আশ্বাস দেন সঠিক তদন্তের। দোষীদের শাস্তি দেওয়া হবে। ভানু বাগের কারখানায় বারে বারে বিষ্ফোরণ ঘটলেও কীভাবে দিনের পর দিন বেআইনি ভাবে কারখানা চালাতে পারে তা নিয়ে এদিনও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। এখন দেখার বিষয় কবে ভানু বাগ কবে গ্রেফতার হন।

মে ১৭, ২০২৩
রাজনীতি

বঙ্গে কেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ? কটাক্ষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

কলকাতায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সোমবার রাতে দমদমে নেতাজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অমিত শাহকে স্বাগত জানান বিজেপির রাজ্য় সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীসহ রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। অমিত শাহর রাজ্য সফর নিয়ে গতকাল নবান্নে কটাক্ষ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আগে মনিপুর যাওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।মনিপুরে সংঘর্ষে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বাড়ির পর বাড়িতে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। মনিপুর জুড়ে ১৪৪ কার্ফু জারি রয়েছে। সেই মনিপুর ছেড়ে বাংলায় কেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ? প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, অমিত শাহ বাংলায় আসতেই পারেন। তাতে মনে করার কিছু নেই। কিন্তু আগে মনিপুরে নয় কেন? যে রাজ্য হিংসায় জ্বলছে। বাংলায় কিছু ঘটলে পরের দিনই তো প্রতিনিধি পাঠিয়ে দেন।মঙ্গলবার একাধিক কর্মসূচি রয়েছে অমিত শাহর। ভারত-বাংলাদেশ পেট্রোপল সীমান্তে সরকারি অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রবীন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষ্যে অমিত শাহ যাবেন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। এদিন বিকেলে সায়েন্স সিটির মঞ্চে খোলা হাওয়া আয়োজিত রবীন্দ্র স্মরণ অনুষ্ঠানেও হাজির থাকবেন অমিত শাহ। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপিকে বহিরাগত তকমা দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসে। সেই তকমা ঘোচাতেই বিজেপির রবীন্দ্র স্মরণ। বিজেপি যে বাঙালি বিদ্বেষী নয় তা বোঝাতে মরিয়া গেরুয়া শিবির।

মে ০৯, ২০২৩
রাজ্য

মালদায় গোষ্ঠীকলহ মেটাতে কড়া বার্তা অভিষেকের, বৈঠক জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে

দলের জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে রীতিমতো ক্লাস নিয়ে কোন্দল মেটানোর পরামর্শ দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার দুপুরে মালদা সফর শেষ করে মুর্শিদাবাদে যাওয়ার আগে ইংরেজবাজার ব্লকের সুস্থানি মোড় এলাকায় দলের জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বেশ কয়েকজন নেতা মন্ত্রীকেও ধমক দিয়েছেন তিনি । দলে যাতে কোনোরকম গোষ্ঠী কোন্দল না থাকে এবং যারা সক্রিয় দলীয় নেতা, তারা যাতে হাত গুটিয়ে বসে না থাকে তাদেরকে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন দুপুর ১২ টা থেকে শুরু হওয়া এই বৈঠকটি চলে প্রায় দুই ঘন্টা। বৈঠক শেষেই কনভয় নিয়ে মুর্শিদাবাদ জেলার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যান সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে , এদিনের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন রাজ্যের দুই রাষ্ট্রমন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ও তাজমুল হোসেন। এছাড়াও ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ মৌসুম নূর, তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী। ছিলেন অন্যান্য বিধায়ক চন্দনা সরকার, সাবিত্রী মিত্র, মালদা জেলা পরিষদের সভাধিপতি রফিকুল হোসেন, ইংরেজবাজার এবং পুরাতন মালদা পুরসভার চেয়ারম্যান কৃষ্ণেন্দু, চৌধুরী কার্তিক ঘোষ সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠক চলাকালীন এদিন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রী তাজমুল হোসেনকে উদ্দেশ্য করে বলেন আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে কে প্রার্থী হবে, সেটা ঠিক করবে রাজ্য নেতৃত্ব। আপনার কোনও অনুগামী যাকে, তাকে প্রার্থী করার কথা বলছে। এটা কিন্তু ঠিক নয়, বিষয়টা দেখুন। দলের জেলা সভাপতি রহিম বক্সীকে বলেন রতুয়া মালতিপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় ফজলুল হকের মত বেশ কিছু নেতারা বসে রয়েছেন কেন। তাঁদেরকে দলে গুরুত্ব দিচ্ছেন না কেন। তাঁদেরকে কাজে লাগান। বিষয়টি দেখুন। বিধায়ক নিহার ঘোষের উদ্দেশ্যে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চাচলে একটি ব্লকে দুইজন সভাপতি কেন। বিষয়টি বসে মিটিয়ে ফেলুন।এদিন মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন সাংসদকে নাকি অভিযোগ করেছিলেন সুজাপুরের বিধানসভার অন্তর্গত কালিয়াচক ১ ব্লক কমিটি ঠিকভাবে গঠন হয়নি। অনেক আজেবাজে মানুষকে নেওয়া হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, দলীয় কমিটিতে কোনরকম দুর্নীতি পরায়ন লোককে রাখা যাবে না। জেলা সভাপতি ও মন্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিনসহ অন্যান্য নেতৃত্বরা বসে এই সমস্যার সমাধান করবেন। হবিবপুরের ব্লক সভাপতি প্রদীপ বাস্কেকে উদ্দেশ্য করে সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি বলেন, আপনাকে তো দেখা যায় না। কোথায় থাকেন আপনি। দলের জন্য ঠিকমতো কাজ করুন । মানুষের সাথে যোগাযোগ বাড়ান। ইংরেজবাজার ব্লকের সভানেত্রী প্রতিভা সিংহকে সাংসদ অভিষেক বলেন, কৃষ্ণেন্দু সাথে আপনার এত বিবাদ কেন। পরিপ্রেক্ষিতে পাল্টা প্রতিভা সিংহ কৃষ্ণেন্দুকে এজন্য দায়ী করেছেন। এরকম ভাবেই যেদিন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা ও ব্লকের দায়িত্ব থাকা বেশ কিছু নেতা-নেত্রীদের কোন দল মেটানোর বিষয়ক রীতিমতো ধমক দিয়েছেন। সবমিলিয়ে দলের জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে এক প্রকার ক্লাস নিয়ে সমস্ত সমস্যা এবং কোন্দল মেটানোর পরামর্শ দিয়ে গিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিনের বৈঠকে উপস্থিত মালদা জেলার সমস্ত নেতা-নেত্রীদের আগামী সাতদিনের মধ্যে যেসব এলাকায় বিক্ষোভ, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে সেগুলি মিটিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চাঁচোল, হরিশ্চন্দ্রপুর, ইংরেজবাজার সহ একাধিক ব্লকে দলীয় নেতৃত্বের কাজকর্ম নিয়ে নানা অভিযোগ রয়েছে বলে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও বৈঠক শেষে এসব প্রসঙ্গ নিয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সী বলেন , সকলকে একসঙ্গে চলার বার্তা দিয়েছেন আমাদের প্রিয় নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন কোথাও কোনওরকম দলের সমস্যা থাকলে তার দ্রুত সমাধান করতে হবে। তবে গোষ্ঠী কোন্দল আমাদের নেই । কিছু বহিরাগত মানুষ লোকজনের সাথে মিশে নানান ধরনের ভুলভাল বার্তা দিয়েছে, সেটাও আমরা জানিয়েছি। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীশূন্য করাটাই আমাদের এখন লক্ষ্য । যা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলে গিয়েছেন । আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের তৃণমূলের ফল খুবই ভালো হবে সে ব্যাপারেও এদিনের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে

মে ০৬, ২০২৩
রাজনীতি

বাংলায় বিজেপির লোকসভায় লক্ষ্য ৩৫, অভিষেক জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের ২০২৬ বিধানসভার টার্গেট

বিজেপির লক্ষ্য লোকসভা, তৃণমূল কংগ্রেসের বিধানসভা। অমিত শাহ বীরভূমে সভা করে এরাজ্যে বিজেপির লোকসভার লক্ষ্য স্থির করে দিয়ে গিয়েছেন, এবার বিধানসভার লক্ষ্য ঘোষণা করলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহর ঘোষণা ছিল ২০২৪-এ এরাজ্য থেকে বিজেপির আসন জয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩৫, অন্য দিকে এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দিলেন আগামী ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের লক্ষ্য ২৪০ আসন।তৃণমূল কংগ্রেসের টার্গেট লোকসভা নয়, বাংলার বিধানসভা। বিপুল সংখ্যক বিধায়ক নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরতে চায় ঘাসফুল শিবির। রবিবার জনসংযোগ যাত্রায় বের হয়ে তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন তিনি একের পর এক জেলা সফর করছেন। যা শেষ হবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরে, ২৪ জুন।এদিন এই সফরে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় সভা করেন অভিষেক। সেখানেই আগামী বিধানসভা নির্বাচনে দলের লক্ষ্যমাত্রাও ঠিক করে দেন। অভিষেক সভায় বলেন, আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ২৪০ আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরবে। পাশাপাশি এবারের পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল যে ব্যাপক সাফল্য পাবে, সেটাও স্পষ্ট করে দেন তিনি।অভিষেক আগের মতোই বলেন, সিবিআই আর ইডিকে দিয়ে ধমকে-চমকে কোনও লাভ হবে না। অন্য কোনও দল ভয় পেতে পারে। তৃণমূল কংগ্রেসকে এভাবে ভয় পাওয়ানো যায় না। আমাকেও তো নোটিস পাঠিয়েছে। কিন্তু, তাতে কোনও লাভ হবে না। যত নোটিস আসবে, আন্দোলন ততই বাড়বে। তৃণমূল কংগ্রেসকে আটকানো যাবে না। তারপরই পরপর বিধানসভা নির্বাচনের সাফল্যের হিসেব পেশ করেন অভিষেক। তিনি জানিয়ে দেন, ২০১১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস ১৮৪ আসন পেয়েছিল। ২০১৬ সালে পেয়েছে ২১১ আসন। ২০২১ সালে পেয়েছে ২১৪ আসন। ২০২৬ সালে সেটাই বেড়ে হবে ২৪০। যত ধমকাবেন, যত চমকাবেন, তৃণমূল কংগ্রেস ততই শক্তিশালী হবে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৩
রাজ্য

এবার গরুপাচার কাণ্ডে দিল্লিতে ইডির হাতে গ্রেফতার অনুব্রত কন্যা সুকন্যা

গরুপাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মন্ডলেক ১১ অগাস্ট সিবিআই গ্রেফতার করেছিল। এখন তিনি তিহার জেলে রয়েছেন। এবার গরুপাচার মামলায় দিল্লিতে ইডি তলব করেছিল অনুব্রত কন্যা সুকন্যা মন্ডলকে। সেখানে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারীরা। এদিন জবাবে অসঙ্গতি মেলায় সুকন্যাকে গ্রেফতার করেছে ইডি। এর আগে গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন, তাঁর ব্যক্তিগত হিসাবরক্ষককে। ইডি সূত্রে খবর, বারে বারে ইডিকে বিভ্রান্তি করে চলেছিল সুকন্যা। তিনি নিজে নাকি টাকা পয়সার হিসেব রাখতেন। একধাক্কায় কি করে কোটি কোটি টাকার মালিক হলেন তিনি? এই প্রশ্নের সঠিক জবাব তিনি দিতে পারেননি। শেষমেষ এদিন গ্রেফতার করা হয় সুকন্যাকে। আগামিকাল তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। জানা গিয়েছে, ৫ দিনের হেফাজত চাইবে ইডি। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়া, আইনি প্রক্রিয়ায় দল নাক গলাবে না{ তবে মাতৃহারা সুকন্যাকে বাইরে রেখে কি তদন্ত করা যেত না? বিজেপির প্রতিক্রিয়া, গরুপাচার কাণ্ডে জড়িত বলেই গ্রেফতার করা হয়েছে অনুব্রত কন্যাকে। আগেই বলা হয়েছিল অভিযুক্ত কেউ ছাড়া পাবে না।

এপ্রিল ২৬, ২০২৩
রাজ্য

১০০ নয় কুন্তল একাই ৫০০ কোটি তুলেছে, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি নিয়ে বিষ্ফোরক তাপস

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির টাকা নিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ তুললেন ধৃত তাপস মন্ডল। বৃহস্পতিবার আদালতে যাওয়ার মুখে তাপস সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আদালত থেকে বেরিয়ে কথা বলব। আদালত থেকে বেরিয়ে ভয়ঙ্কর অভিযোগ করেছেন তাপস মন্ডল।তাপস বলেন, ১০০টাকা নয় কুন্তল তুলেছে ৫০০ কোটি টাকা। এই টাকা হাওলার মাধ্যমে বাইরে টাকা পাঠিয়েছে কুন্তল। অভিষেকের নাম ভাঙিয়ে টাকা তুলেছে কুন্তল। কুন্তল একাই ৫০০ কোটি টাকা তুলেছে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিওএ সেভাবে কোনও চাপ দেয়নি।কুন্তলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগের প্রক্ষিতে বিজেপির বক্তব্য়, শীর্ষ মহল না এত বড় দুর্নীতি সম্ভব নয়। যদিও কুন্তল এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

এপ্রিল ২০, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • ...
  • 60
  • 61
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিমানে উঠতেই মহুয়ার দিকে ‘চোর’ স্লোগান! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুমুল শোরগোল

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক জায়গায় জনরোষের মুখে পড়ছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা। ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা যাচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এর আগে গণনাকেন্দ্রে অভিনেতা-পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর দিকে কাদা ছোড়ার ঘটনা সামনে এসেছিল। অভিনেতা দেবকেও প্রকাশ্যে চোর স্লোগানের মুখে পড়তে হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র।শুক্রবার দিল্লিগামী বিমানে উঠেছিলেন মহুয়া মৈত্র। অভিযোগ, তাঁকে দেখামাত্রই কয়েকজন সহযাত্রী আসন ছেড়ে উঠে দাঁড়ান এবং স্লোগান দিতে শুরু করেন। বিমানের ভিতরেই ওঠে, পিসি চোর, ভাইপো চোর, তৃণমূলের সব চোর স্লোগান। আচমকা এমন পরিস্থিতিতে অস্বস্তিতে পড়ে যান তৃণমূল সাংসদ। তিনি নিজের আসনে বসে পড়েন। পরে বিমানকর্মীরা এসে পরিস্থিতি সামাল দেন।ভোটে তৃণমূলের ভরাডুবির পর থেকেই দলের একাধিক নেতা ও জনপ্রতিনিধিকে প্রকাশ্যে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সেই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, অভিনেতা দেব কার্যত টি-শার্ট দিয়ে মুখ ঢেকে রেখেছেন। সেই ঘটনার পর এবার মহুয়া মৈত্রকে ঘিরে নতুন ভিডিও ঘিরে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।ইতিমধ্যেই বিমানের ভিতরের সেই ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, ভোটের ফলের পর কি রাজ্যে জনরোষ আরও বাড়ছে? যদিও এই ঘটনা নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি মহুয়া মৈত্র।

মে ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি রাজ্যের! টাটাদের ক্ষতিপূরণে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

সিঙ্গুর মামলায় বড় স্বস্তি পেল রাজ্য। টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশে সাময়িক স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায়ের বেঞ্চ আগামী আট সপ্তাহের জন্য এই স্থগিতাদেশ জারি করেছে। একই সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে রাজ্য সরকারকে ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি জমা দিতে হবে।সিঙ্গুরে কারখানা তৈরি না করতে পারার কারণে টাটা মোটরসকে এই বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল সালিশি আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই তৎকালীন তৃণমূল সরকার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল।জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে তিন সদস্যের সালিশি ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দেয়, পশ্চিমবঙ্গ শিল্পোন্নয়ন নিগমকে টাটা মোটরসকে ৭৬৫ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। শুধু তাই নয়, ২০১১ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে টাকা মেটানো পর্যন্ত বছরে ১১ শতাংশ হারে সুদ এবং মামলার খরচ বাবদ আরও ১ কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৩১ অগস্ট সুপ্রিম কোর্ট সিঙ্গুরে টাটাদের জন্য অধিগৃহীত ৯৯৭ একর জমিকে অবৈধ ঘোষণা করে। আদালতের নির্দেশে কৃষকদের জমি ফেরানোর কাজ শুরু করেছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার। যদিও বহু কৃষকের অভিযোগ ছিল, জমি ফেরত পেলেও তা চাষের উপযুক্ত অবস্থায় ছিল না।২০০৬ সালে টাটা গোষ্ঠীর ন্যানো প্রকল্পের জন্য সিঙ্গুরে জমি অধিগ্রহণ শুরু হয়। কিন্তু জমি আন্দোলন এবং রাজনৈতিক সংঘাতের জেরে ২০০৮ সালে রতন টাটা সিঙ্গুর থেকে কারখানা সরিয়ে গুজরাটের সানন্দে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ২০১১ সালে ক্ষমতায় এসে তৃণমূল সরকার সিঙ্গুর জমি পুনর্বাসন ও উন্নয়ন আইন পাশ করে জমি ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে।সিঙ্গুর মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের এই নতুন সিদ্ধান্ত ঘিরে ফের রাজনৈতিক এবং শিল্প মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় কি সত্যিই বন্ধ হচ্ছে মদ? অমিত শাহকে ঘিরে ভাইরাল পোস্টে তুমুল চাঞ্চল্য!

বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একের পর এক জল্পনা ঘিরে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের পথে বিজেপি। আর তার মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি পোস্ট, যেখানে দাবি করা হয়েছে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মদ বিক্রি বন্ধ হয়ে যাবে। দাবি করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাকি এমন ঘোষণা করেছেন।ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের নামে প্রকাশিত প্রতিবেদনে লেখা রয়েছে, পশ্চিমবঙ্গকে ড্রাই স্টেট ঘোষণা করা হবে। অর্থাৎ রাজ্যে আর কোথাও মদ বিক্রি করা যাবে না। এই পোস্ট সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়ে যায় তুমুল চর্চা। অনেকে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, তাহলে কি সত্যিই বিহারের মতো বাংলাতেও মদ নিষিদ্ধ হতে চলেছে? কেউ আবার দাবি করেন, বিজেপি সরকার এলে মাছ-মাংসের পাশাপাশি মদের উপরও নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে।তবে এই ভাইরাল দাবির সত্যতা সামনে আনল প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বা পিআইবি। কেন্দ্রের তরফে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, অমিত শাহ এমন কোনও ঘোষণা করেননি। পশ্চিমবঙ্গে মদ নিষিদ্ধ করার কোনও পরিকল্পনাও নেই। ভাইরাল হওয়া ছবিটি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।পিআইবি জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়া এই ধরনের ভুয়ো খবর সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। তাই কোনও খবর যাচাই না করে বিশ্বাস না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে জানানো হয়েছে, ভুয়ো খবর বা বিভ্রান্তিকর পোস্ট দেখলে সরকারি মাধ্যমে অভিযোগ জানানো যেতে পারে।রাজ্যে সরকার গঠনের আগেই এই ভুয়ো পোস্ট ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে মদ নিষিদ্ধের মতো স্পর্শকাতর বিষয়কে কেন্দ্র করে হঠাৎ এমন খবর ছড়িয়ে পড়ায় অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তবে কেন্দ্রের স্পষ্ট বার্তার পর আপাতত এই জল্পনায় জল পড়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘আমি না জিতলে হয়তো চন্দ্রনাথ বাঁচত!’ বিস্ফোরক শুভেন্দু, কাঁপছে বাংলা রাজনীতি

নতুন সরকার গঠনের আবহের মধ্যেই ফের ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। ফল প্রকাশের মাত্র দুদিনের মাথায় খুন হলেন শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী চন্দ্রনাথ রথ। বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের রাস্তায় তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। নিজের দীর্ঘদিনের সহকর্মীর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।বৃহস্পতিবার চন্দ্রনাথের দেহ কলকাতা থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে নিয়ে যাওয়ার সময় আবেগঘন প্রতিক্রিয়া দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, আমি ভবানীপুরে না জিতলে হয়তো চন্দ্রনাথকে খুন হতে হতো না। আমি বিরোধী দলনেতা ছিলাম বলেই আমার পিএ হিসেবেও ও টার্গেট হয়েছিল। একই সঙ্গে তিনি আশ্বাস দেন, এই খুনের ঘটনায় চার্জশিট জমা পড়বে এবং দোষীরা কঠোর শাস্তি পাবে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাত প্রায় দশটা পনেরো নাগাদ মধ্যমগ্রামে নিজের ফ্ল্যাটের দিকে যাচ্ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ। সেই সময় একটি চারচাকা গাড়ি এসে তাঁর গাড়ির পথ আটকে দেয়। এরপর বাইকে করে আসা দুষ্কৃতীরা খুব কাছ থেকে গুলি চালায়। গাড়িতে চালকের পাশাপাশি পিছনের সিটে আরও একজন ছিলেন। হামলার সময় তিনি সিটের নীচে লুকিয়ে পড়ায় প্রাণে বেঁচে যান বলে জানা গিয়েছে।গুলিতে গুরুতর জখম হন চন্দ্রনাথ এবং তাঁর গাড়ির চালক। দ্রুত তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা চন্দ্রনাথ রথকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আহত চালককে পরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে। এখনও তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেই হাসপাতাল সূত্রে খবর।এই ঘটনার পর থেকেই এলাকায় ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই খুনের ঘটনায় সিআইডি তদন্ত শুরু করেছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই এই হামলা কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ০৭, ২০২৬
কলকাতা

নাটকীয় মোড় বাংলার রাজনীতিতে! সংবিধানের ক্ষমতা প্রয়োগ করে বিধানসভা ভাঙলেন রাজ্যপাল

নতুন সরকার গঠনের আর মাত্র দুদিন বাকি। তার আগেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বড় মোড়। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্তফা না দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভেঙে দিলেন রাজ্যপাল রবি নারায়ণ রবি। বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে।রাজভবন সূত্রে খবর, ভারতীয় সংবিধানের একশো চুয়াত্তর নম্বর অনুচ্ছেদের দুই নম্বর দফার খ উপদফা অনুযায়ী রাজ্যপাল এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেছেন। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিয়ালা বিবৃতি জারি করে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের সপ্তদশ বিধানসভার কার্যকালের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটেছে। এর ফলে অষ্টাদশ বিধানসভা গঠনের পথ সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে গেল।রাজনৈতিক মহলে গত কয়েক দিন ধরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ইস্তফা নিয়ে জোর চর্চা চলছিল। নির্বাচনে পরাজয়ের পরও মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে তিনি সরেননি। এর আগেও এই প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে মমতা বলেছিলেন, আমরা হারিনি। আমাদের একশো আসন লুঠ করা হয়েছে। সেই কারণেই তিনি পদত্যাগ করতে নারাজ বলেও স্পষ্ট জানিয়েছিলেন।এদিকে শনিবার রবীন্দ্র জয়ন্তীর দিন ব্রিগেডে হতে চলেছে নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপি শাসিত একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। নতুন সরকারকে ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।শপথ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে এসপিজি, কলকাতা পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। ব্রিগেড চত্বর ও আশপাশের এলাকায় নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

চন্দ্রনাথ খুনে বিস্ফোরক মোড়! সিবিআই তদন্তের দাবি তুলল তৃণমূল

মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীদের গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের তরফে সোশ্যাল মাধ্যমে পোস্ট করে চন্দ্রনাথ রথের হত্যার পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত তিন তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর ঘটনাও তুলে ধরা হয়েছে।অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের বার্তায় বলা হয়েছে, মধ্যমগ্রামে চন্দ্রনাথ রথের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে, আদর্শ আচরণ বিধি চালু থাকা সত্ত্বেও গত কয়েক দিনে বিজেপি সমর্থিত দুষ্কৃতীদের হাতে তিনজন তৃণমূল কর্মী নিহত হয়েছেন। ঘটনায় আদালতের তত্ত্বাবধানে সিবিআই তদন্তের দাবিও তুলেছে শাসকদল। দ্রুত দোষীদের চিহ্নিত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।বুধবার রাতে মধ্যমগ্রামের দোহাড়িয়া এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, বাইকে করে এসে দুই দুষ্কৃতী শুভেন্দুর আপ্তসহায়কের গাড়ির পথ আটকায়। এরপর খুব কাছ থেকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হামলাকারীদের বাইকে কোনও নম্বর প্লেট ছিল না। চন্দ্রনাথ রথের বুকে, পেটে এবং মাথায় গুলি লাগে। ঘটনায় আহত হন তাঁর গাড়ির চালকও।গুরুতর আহত অবস্থায় চন্দ্রনাথকে দ্রুত মধ্যমগ্রামের ভিভা সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত চালককে পরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর থেকেই হাসপাতালের সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা। সেখানে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, অর্জুন সিং, কৌস্তভ বাগচী-সহ একাধিক বিজেপি নেতা। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই খুনের পিছনে রয়েছে।এদিকে ব্যারাকপুরের জয়ী বিজেপি প্রার্থী কৌস্তভ বাগচী বলেন, এই ঘটনার ফল তৃণমূলকে ভুগতে হবে। তাঁর অভিযোগ, পুরো ঘটনাই পরিকল্পনা করে করা হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার না করা হলে চন্দ্রনাথের দেহ দাহ করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘ঠান্ডা মাথায় খুন করা হয়েছে’! চন্দ্রনাথ হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক শুভেন্দু

মধ্যমগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের ঘটনায় উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। বৃহস্পতিবার হাসপাতালে পৌঁছে এই ঘটনাকে ঠান্ডা মাথায় খুন বলে দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি অভিযোগ করেন, পুরো ঘটনাটি আগে থেকেই পরিকল্পনা করে ঘটানো হয়েছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।চন্দ্রনাথ রথ দীর্ঘদিন ধরে শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন। গত প্রায় এক দশক ধরে রাজনৈতিক সফর থেকে সাংগঠনিক কাজ সবক্ষেত্রেই শুভেন্দুর ছায়াসঙ্গী ছিলেন তিনি।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার গভীর রাতে উত্তর চব্বিশ পরগনার মধ্যমগ্রামে হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, বাইক এবং গাড়িতে করে আসা একদল দুষ্কৃতী চন্দ্রনাথের স্করপিও গাড়ির পথ আটকায়। তারপর খুব কাছ থেকে পরপর গুলি চালানো হয়। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, অন্তত আটজন হামলাকারী চারটি মোটরবাইকে করে এসেছিল। প্রত্যেকের মাথায় হেলমেট ছিল বলেও জানা গিয়েছে।তদন্তে আরও উঠে এসেছে একটি সন্দেহজনক গাড়ির তথ্য। শিলিগুড়ির নম্বরযুক্ত একটি গাড়ি চন্দ্রনাথের গাড়ির সামনে এসে দাঁড়িয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই গাড়ি থামতেই আততায়ীরা গুলি চালাতে শুরু করে। এরপর দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় তারা।পুলিশ জানিয়েছে, চন্দ্রনাথের বুকে এবং পেটে গুলি লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মধ্যমগ্রামের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতিম সেনগুপ্ত জানান, হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছিল। চিকিৎসকেরা প্রাণ ফেরানোর চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।ঘটনায় আহত হয়েছেন চন্দ্রনাথের সঙ্গে থাকা বুদ্ধদেব নামে আরও এক ব্যক্তি। তাঁর শরীরেও একাধিক গুলি লেগেছে। পরে তাঁকে কলকাতার একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তিনি এখনও সচেতন অবস্থায় রয়েছেন এবং তাঁর অস্ত্রোপচার করা হবে।এদিকে রাজ্যের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত জানিয়েছেন, হামলায় ব্যবহৃত গাড়িতে ভুয়ো নম্বর প্লেট লাগানো ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করেছে। গাড়ির গতিবিধি এবং হামলাকারীদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে।ঘটনার খবর ছড়াতেই হাসপাতালে পৌঁছে যান বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা। সেখানে ছিলেন সুকান্ত মজুমদার, অর্জুন সিং-সহ আরও অনেকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে।

মে ০৭, ২০২৬
রাজ্য

হার্ট ভেদ করে গুলি! কেন বাঁচলেন ড্রাইভার, মৃত্যু হল চন্দ্রনাথের?

ভোট পরবর্তী সময়ের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যমগ্রাম। শুভেন্দু অধিকারীর ঘনিষ্ঠ সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুনের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার রাতে গাড়ি আটকে খুব কাছ থেকে তাঁর উপর এলোপাথাড়ি গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে মধ্যমগ্রামের ভিভা সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনায় আহত হয়েছেন তাঁর গাড়ির চালকও। তাঁকে পরে বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতিম সেনগুপ্ত জানান, রাতেই গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন চন্দ্রনাথ রথ এবং তাঁর গাড়ির চালক। চিকিৎসকদের দাবি, চন্দ্রনাথের বুকে বাঁদিক দিয়ে দুটি গুলি লাগে। গুলি হৃদযন্ত্র ভেদ করে যাওয়ায় ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে মনে করা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, মধ্যমগ্রামের দোলতলা এলাকার কাছে বাড়ি ছিল চন্দ্রনাথ রথের। বুধবার রাতে তিনি গাড়ি করে ফিরছিলেন। সেই সময় একটি ছোট চারচাকার গাড়ি এসে তাঁদের গাড়ির পথ আটকে দেয়। এরপর পিছন দিক থেকে বাইকে করে এসে দুষ্কৃতীরা গুলি চালাতে শুরু করে। অভিযোগ, মোট ছয় রাউন্ড গুলি চালানো হয়। সেই সময় চন্দ্রনাথ চালকের পাশের আসনে বসেছিলেন।স্থানীয় সূত্রে খবর, মূল রাস্তা থেকে একটু ভিতরের দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে। গাড়ি দাঁড়িয়ে যেতেই খুব কাছ থেকে পরপর গুলি চালানো হয়। চন্দ্রনাথ গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে যাওয়ার পর আততায়ীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছোট গাড়িও উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গে কথা বলেও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। আহত চালক কিছুটা সুস্থ হলে তাঁর বয়ান থেকে হামলার বিষয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা।

মে ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal